| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * ১ অক্টোবর সৌদিতে বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালু : ল্যান্ডিং পারমিশন মেলেনি   * স্ত্রীর স্বপ্ন পূরণে ১৭ লাখ টাকায় হাতি কিনে দিলেন স্বামী   * অ্যাটর্নি জেনারেলের শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন   * স্বাস্থ্য খাতের ১২ কর্মকর্তা-কর্মচারিসহ ২০ জনের সম্পদের বিবরণী চেয়ে দুদকের নোটিশ   * সাভারে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, গ্রেফতার ৬   * ইয়াঙ্গুনে লকডাউন জারি   * করোনার প্রভাব বেড়ে যাওয়ায় চেক রিপাবলিকের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ   * তিন দিনের মাথায় উঠে যাচ্ছে সড়কের পিচ   * ইরাক দিয়ে তেল চুরি করে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র: সিরিয়া   * অনুমতি মিলেছে এন্টিজেনভিত্তিক র‌্যাপিড টেস্টের  

   কৃষি সংবাদ
  বগুড়ায় মরিচের বাম্পার ফলন
 

বগুড়ায় হাসতে শুরু করেছে মরিচ চাষীরা। মরিচের মত লাল হাসিতে ভরে উঠতে শুরু করেছে চাষীদের মনও। বগুড়ায় এবারও মরিচের বাম্পার ফলন পেতে যাচ্ছি চাষীরা। কৃষি বিভাগ বলছে চলতি বছর জেলায় এবার প্রায় ১৮ হাজার মেট্রিক টনেরও বেশি মরিচ উৎপাদন হবে। বগুড়ায় ভাল মরিচের ফলন পেতে চাষীরা রোদে শুকিয়ে নিচ্ছে মরিচ। জেলার সারিয়াকান্দি, ধুনট ও সোনাতলায় চাষীরা সবচেয়ে বেশি মরিচ চাষ করে থাকে। এখন সেই চাষের পর মরিচ রোদে শুকিয়ে নিচ্ছে। কয়েকদিনের মধ্যে সেসব বাজারে তুলে বিক্রি করা হবে। বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, অর্থকরী ফসল মরিচ চাষ করে কৃষক লাভবান হয় বলে মরিচ চাষে তারা প্রতিবছর আগ্রহ দেখায়। চলতি বছর জেলায় ৭ হাজার ৫২৫ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ হয়েছে। ফলন পাওয়া গেছে প্রতি হেক্টরে ২.৫ মে.টন করে। সেই হিসেবে ফলন পাওয়া যাবে এবছর ১৮ হাজার ৮১২ মেট্রিক টন। ২০১৮-১৯ মৌসুমে জেলায় মরিচ চাষ হয় ৭ হাজার ৬৬৬ হেক্টর জমিতে। ফলন পাওয়া যায় প্রায় ১৭ হাজার মেট্রিক টন।

কৃষি অফিস বলছে, মরিচ চাষে প্রতি বিঘায় ফলন পাওয়া যায় ৮ থেকে ৯ মন। জমি উর্বরা হলে ১০ মন মরিচ পাওয়ার সম্ভবানা থাকে। জমি থেকে লাল মরিচ উঠে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ মন। সেই মরিচ শুকিয়ে ১০ মন পাওয়া যায়। বিঘা প্রতি খরচ হয় ১৮ থেকে ২০ টাকা হাজার টাকা। শুকনা মরিচ এবছর বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৫ হাজার টাকা মন। জেলার মরিচ চাষীদের উঠানে এখন মরিচ শুকানোর কাজ চলছে। বগুড়ার সোনাতলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মাসুদ আহমেদ জানান, বগুড়ার সোনাতলায় এবার ১৩৬০ হেক্টর জমিতে মরিচের চাষ করা হয়েছে। ফলনও হয়েছে বেশ ভালো। ওই উপজেলার কৃষকেরা তিনটি হাইব্রিড জাতের মধ্যে সনিক, ১৭০১ ও বিজলী প্লাস এবং স্থানীয় উন্নত জাতের মরিচের ব্যাপক করেছে।

এবার রেকর্ড পরিমাণ জমিতে মরিচের চাষ হয়েছে। মরিচের বীজ বপনের ৩০-৪০ দিনের মধ্যে গাছে ফুল আসে এবং ৬০-৭০ দিনের মধ্যে কৃষক গাছ থেকে মরিচ উত্তোলন শুরু করে। এটি একটি অর্থকরী মসলা জাতীয় ফসল। এই উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে গেছে রাক্ষুসী যমুনা ও বাঙালী নদী। তাই বন্যার পর চরাঞ্চলে এবং অন্য জমিতে পলি জমায় প্রতিবছর সেগুলো জমিতে মরিচের বাম্পার ফলন হয়। প্রতিবিঘা জমিতে ১২/১৫ মন মরিচ উৎপন্ন হয়। প্রতিমন কাচা মরিচ হাটে বাজারে ১৬শ টাকা থেকে ১৮শ টাকায় বিক্রয় করতে দেখা গেছে। আবার টোপা ও সুট মচির ২ হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার পাকুল্লা ও বালুয়া হাট সহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কৃষক তাদের উৎপাদিত কাঁচা মরিচ ও শুকনা মরিচ বাজারজাত করণ করছে। সোনাতলায় উৎপন্ন মরিচ দেশের বিভিন্ন স্থানে বেচা বিক্রির জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এবার কৃষক ভালো দাম পেয়ে নগদ অর্থ ঘরে তুলতে সক্ষম হচ্ছে।

বগুড়ার সোনাতলা খাবুলিয়া এলাকায় সাইদুর রহমান জানান, এবার তিনি ৬/৭ বিঘা জমিতে মরিচ চাষ করে প্রায় দুই লক্ষাধিক টাকা আয় করেছেন। প্রতিবছর তিনি ওই পরিমাণ জমিতে মরিচ চাষ করেন। মরিচ চাষে লাভ ভাল হয়। এমনকি সারাবছর খাওয়া চলে। সোনাতলার পাকুল্যা এলাকার কৃষক ছলিম উদ্দিন জানান, এবার তিনি ৫/৬ বিঘা জমিতে মরিচ চাষ করেছেন। এতে তিনি মোটা অংকের টাকা ঘরে তুলতে সক্ষম হয়েছেন।

ঠাকুরপাড়া এলাকার বুলু প্রামানিক জানান, এবার তিনি ৬/৭ বিঘা জমিতে হাইব্রিড জাতের মরিচ বপন করেছেন। ফলনও হয়েছে বেশ ভালো। ইতিমধ্যেই তিনি প্রায় ১ থেকে দেড় লাখ টাকা মরিচ বিক্রি করেছেন। বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক আবুল কাশেম আযাদ জানান, চলতি বছর জেলায় ৭ হাজার ৫২৫ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ হয়েছে। ফলন পাওয়া গেছে এখন পর্যন্ত প্রতি হেক্টরে ২.৫ মে.টন করে। ফলন পাওয়ার গড় একই থাকলে জেলায় মরিচের বাম্পার ফলন হবে।

 


সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট : 205        
   শেয়ার করুন
Share Button
   আপনার মতামত দিন
     কৃষি সংবাদ
অপ্রচলিত ফসলের উৎপাদন বাড়াতে সহযোগিতা করা হবে: কৃষিমন্ত্রী
.............................................................................................
বগুড়ায় মরিচের বাম্পার ফলন
.............................................................................................
পেঁয়াজের বিকল্প নিয়ে গবেষণায় সফল বাংলাদেশি বিজ্ঞানী
.............................................................................................
আলু চাষে ব্যস্ত নীলফামারীর কৃষকেরা
.............................................................................................
আশ্বিন মাসের কৃষি
.............................................................................................
নওগাঁয় আমের ভালো দাম পেয়ে খুশি বাগান ব্যবসায়ীরা
.............................................................................................
বরগুনায় কাঁকড়া চাষ প্রসার লাভ করছে
.............................................................................................
গম চাষে ভালো ফলন পেয়ে খুশি হিলির চাষিরা
.............................................................................................
যশোরের গদখালিতে ৫০ কোটি টাকার ফুল বিক্রির সম্ভাবনা
.............................................................................................
সীমান্ত এলাকায় গম চাষে নিষেধাজ্ঞা
.............................................................................................
এশিয়ার দেশগুলোর জন্য যৌথ গবেষণা কেন্দ্র চালু
.............................................................................................
দক্ষিণাঞ্চলের ৫ জেলার ধানে `ব্লাস্টের সংক্রমণ`
.............................................................................................
হালদায় ডিম ছেড়েছে কার্প জাতীয় মাছ
.............................................................................................
এবার ধানে ব্লাস্ট রোগ সংক্রমণ
.............................................................................................
ভোলায় যে কারণে অসময়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে তরমুজ
.............................................................................................
কিশোরগঞ্জে পাহাড়ি ঢলে ক্ষতির মুখে পড়েছে বোরো আবাদ
.............................................................................................
Digital Truck Scale | Platform Scale | Weighing Bridge Scale
Digital Load Cell
Digital Indicator
Digital Score Board
Junction Box | Chequer Plate | Girder
Digital Scale | Digital Floor Scale

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD