| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * ব্রাজিল থেকে আমদানি করা মুরগির মাংসে করোনা: চীন   * শাহজালাল (র.) বিমানবন্দরে যাত্রীর ব্যাগ থেকে ২ কোটি টাকার সোনা জব্দ   * সাবরিনা-আরিফসহ ৮ জনের জামিন নামঞ্জুর   * সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহাসহ ১১ জনের বিচার শুরু   * সংক্রমণ ও মৃত্যুহার কম হওয়াতেই করোনা ব্রিফিং বন্ধ হয়েছে   * ছোট্ট পোকা নিয়ে আতঙ্ক, হচ্ছে প্যারালাইসিস!   * গণপরিবহনে যাত্রী বেশি, ভাড়াও নেয়া হচ্ছে বেশি   * পদ্মা সেতু রক্ষণাবেক্ষণ ও টোল আদায়ের দায়িত্ব দেয়া হলো কোরিয়ান কোম্পানিকে   * সিনহা হত্যার ঘটনায় গণশুনানি ১৬ আগস্ট   * অ্যামাজনে তাণ্ডব চালাচ্ছে ভয়াবহ দাবানল  

   উপ-সম্পাদকীয়
  দুর্গম পথচলা সুগম করতে হবে
 

মুঈদ রহমান

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের আক্রমণে সারা বিশ্বের প্রাণ প্রায় ওষ্ঠাগত। প্রাণসংহারের পাশাপাশি দু’বেলা দু’মুঠো খেয়ে-পরে জীবনধারণের সম্ভাবনাকেও আশঙ্কার মধ্যে ফেলে দিয়েছে। ভ্যাকসিন আবিষ্কারের প্রচেষ্টায় চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে; অন্যদিকে অনিশ্চিত অর্থনীতিকে নিশ্চয়তা দিতে বিনিদ্র রজনী পার করছেন সমাজবিজ্ঞানী ও রাজনীতিকরা।

এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) জানিয়ে দিয়েছে, এ বছর বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৩ শতাংশ কমে যাবে। বাংলাদেশের অবস্থাও তাই। কিন্তু সমস্যা হল, এ ধরনের দুর্যোগ মোকাবেলা করার মতো যথেষ্ট অভিজ্ঞতা বর্তমান পৃথিবীর নেই। আর একটি অনিশ্চয়তার বিষয়ে কোনো তত্ত্বেরও সন্ধান লাভ করার সুযোগ নেই। তাই আমাদের এগোতে হচ্ছে অনেকটাই সাধারণ জ্ঞানের দ্বারা। চলার পথ রুদ্ধ না করে এটাই হতে পারে এক ধরনের চলা।

বাংলাদেশ সে পথেই এগোচ্ছে। অর্থনৈতিক মন্দা মোকাবেলায় কার্যকরী কিছু পদক্ষেপ ইতিমধ্যেই সরকার নিয়েছে। শিল্প ও ব্যবসা খাতে ৫০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা ঘোষণা করেছে; রফতানি উন্নয়ন খাতে ১২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার বাড়তি জোগান দেয়ার কথা বলেছে; পোশাক শিল্পে ৫ হাজার কোটি টাকা আর ঋণ পুনঃতফসিলে ৫ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা ঘোষিত হয়েছে। এর সঙ্গে গত ১২ এপ্রিল কৃষিখাতে ৫ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে।

করোনাভাইরাসের প্রভাবে আর্থিকভাবে অর্থনীতির প্রতিটি খাতই ক্ষতবিক্ষত হতে বাধ্য। আমার ধারণা, এ অবস্থা যদি আর দু’মাস চলমান থাকে তাহলে আমাদের ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়াবে কমপক্ষে ৩ লাখ কোটি টাকা। এ কথা সত্য, যে কোনো দুর্যোগে সরকারকেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হয়; তবে সব দেশের সব সরকারের সক্ষমতা একরকম নয়। যুক্তরাষ্ট্র সরকার এরই মধ্যে দুই ট্রিলিয়ন বা দুই লাখ কোটি ডলারের (যা আমাদের চলতি জাতীয় বাজেটের ৩৩ গুণ) আর্থিক সহযোগিতার কথা ঘোষণা দিয়েছে। আমেরিকার অর্থনীতি আমাদের চেয়ে ৭০ গুণ শক্তিশালী, তাই আমেরিকাকে আমরা উদাহরণ হিসেবে নিতে পারব না।

কাপড়ের মাপেই আমাদের কোট কাটতে হবে। আমাদের বাজেটের অবস্থাটাও বিবেচনায় নিতে হবে। চলতি বাজেটে ঘাটতি ধরা আছে এক লাখ ৪৫ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা। এই ঘাটতি পূরণে ৬৮ হাজার ১৬ কোটি টাকা বৈদেশিক ঋণ নিতে হবে। অভ্যন্তরীণভাবে ঋণ নেয়া হবে ৭৭ হাজার ৩৬৩ কোটি টাকা। এই অভ্যন্তরীণ ঋণের মধ্যে প্রায় ৪৭ হাজার কোটি টাকা নেয়া হবে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে। এখন যে প্রণোদনা ঘোষিত হয়েছে, তাতেও ব্যাংকগুলোর ওপর দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। সুতরাং, আমাদের দুর্দশাগ্রস্ত ব্যাংকগুলো তা কতটা সামাল দিতে পারবে, সেটাই এখন ভাবনার বিষয়।

অন্যদিকে, বাজেটে আয়ের উৎস ও বণ্টনের কথাটা বিবেচনায় নেয়া যাক। সরকারি আয়ের ৩৭ দশমিক ৮ শতাংশ আসবে মূল্য সংযোজন কর থেকে; ৩৫ শতাংশ আয়কর থেকে; আমদানি শুল্ক ১১ দশমিক ২ শতাংশ; সম্পূরক শুল্ক ১৪ দশমিক ৮ শতাংশ আর অন্যান্য খাত থেকে ১ দশমিক ২ শতাংশ। এই দুর্যোগ সময়ে আমরা যে ধরনের পণ্য ব্যবহার করছি, তার বড় অংশই ভ্যাটের আওতামুক্ত। সুতরাং কাক্সিক্ষত মাত্রায় মূল্য সংযোজন কর আদায় করা সম্ভব হবে না। একইভাবে আমদানি ও সম্পূরক শুল্কও ধার্যকৃত মাত্রায় পাওয়া যাবে না। তাই সরকারেরও স্বস্তির নিঃশ্বাস নেয়ার কোনো সুযোগ নেই। এক্ষেত্রে আমাদের যেটা করণীয় তা হল, স্বল্প সম্পদকে পুরো মাত্রায় সুষ্ঠুভাবে কাজে লাগানো।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রথম প্যাকেজ ঘোষণার সময়েই বলেছিলেন, এসব প্রণোদনার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। আমরা প্রধানমন্ত্রীর কথায় যতটা আশাবাদী হতে পারি, ততটা আস্থা রাখতে পারছি না। কারণ অতীতেও এ ধরনের বক্তব্যের বিপরীতে যথাযথ বাস্তব চিত্র দেখতে পাইনি। শিল্পখাতে তদারকি অধিকতর করা গেলেও কৃষিখাতটি অগোছালোই রয়ে গেছে। শস্য উৎপাদনের পাশাপাশি দুগ্ধজাত পণ্য, পশুখামার, হ্যাচারি ও পোলট্রি খামারগুলোর দিকেও নজর দিতে হবে। আরেকটি বিষয় হল, চাষের রীতি পাল্টেছে।

এক সময়ের বর্গাচাষের প্রচলন এখন আর নেই। বেশির ভাগ জমিই চাষ হয় ‘পত্তনি’ বা ‘লিজ’ ব্যবস্থায়। এ ব্যবস্থায় ভূমি মালিককে বার্ষিক একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ (গড়ে বিঘাপ্রতি ৪ হাজার টাকা) অর্থ দিতে হয়। কৃষক তার পণ্যের বাজার দাম পাক বা না পাক, ওই নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ জমির মালিককে দিতেই হবে। তাই প্রকৃত কৃষকের তালিকা তৈরি করে ব্যাংকের মাধ্যমে প্রণোদনার টাকা দিতে হবে।

সরকার ঘোষিত প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকার সবটাই ব্যয় করা হবে অর্থনীতির চাকা সচল রাখার জন্য, উৎপাদন ব্যবস্থা যাতে ভেঙে না পড়ে এবং সাপ্লাই চেইনে যেন ছেদ না পড়ে। কিন্তু শুধু উৎপাদন ব্যবস্থা ঠিক রাখলেই চলবে না, তার সঙ্গে চাহিদার স্তরকেও কার্যকর রাখতে হবে। সেজন্য প্রয়োজন হল মানুষের ক্রয়ক্ষমতাকে একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় রাখা। অর্থ জোগানের ভেতর দিয়ে মানুষের ক্রয়ক্ষমতাকে ধরে রাখতে হবে। তা না হলে বাজারে পণ্যের জোগান থাকলেও তা মানুষের ঘরে নেয়ার ক্ষমতা থাকবে না।

আমরা যে ধরনের ব্যবস্থাই নিই না কেন, তার উদ্দেশ্য ও নিয়ামক হল মানুষ। মানুষের জন্য এবং মানুষের দ্বারাই সে কার্য সম্পাদন করতে হবে। ‘মানুষ বাঁচাও’ স্লোগান সামনে রেখে একটি পরিষ্কার চিত্র আমাদের হাতে রয়েছে। অর্থনীতি সমিতির সভাপতি অধ্যাপক আবুল বারকাত মনে করেন, যদি মানুষকে বাঁচাতে হয় তাহলে আগামী ছয় মাসে এক কোটি ৫০ লাখ পরিবারকে সরাসরি সাহায্যের আওতায় আনতে হবে। এতে করে মোট ছয় কোটি মানুষের দৈনিক খাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

তিনি মনে করেন, মানুষের ন্যূনতম ক্যালরি বজায় রাখতে একজন মানুষের দৈনিক ৭৫ টাকা প্রয়োজন; একটি পরিবারের খরচ হবে মাসে ৯ হাজার টাকা। এটি একটি বিশ্বাসযোগ্য হিসাব। কেননা অধ্যাপক বারকাতের লেখার এক সপ্তাহ পরে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) প্রতিটি পরিবারকে মাসে ৮ হাজার টাকা অনুদান দেয়ার সুপারিশ করেছে। সুতরাং, এটা কাল্পনিক নয়। সে হিসাবে আমাদের ৮১ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে। তবে অবস্থার অবনতি হলে এই অঙ্কটা কয়েকগুণ বেড়ে যেতে পারে।

এই অর্থের সংস্থান করতে না পারলে মানুষ বাঁচানো সম্ভব হবে না। ওয়াশিংটনভিত্তিক ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটির মতে, গত ১০ বছরে বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়েছে সাত হাজার কোটি ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় তা ৫ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা)। মহাদুর্যোগের সময় সরকার তার নৈতিক অবস্থানকে শক্ত করে এ অর্থ উদ্ধার করতে পারে। তাছাড়া উন্নয়ন ব্যয়কে পরিমার্জন করে হলেও এই পরিমাণ অর্থের জোগান নিশ্চিত করতে হবে।

বাজার ব্যবস্থার ওপর আস্থা না রেখে সরকারি উদ্যোগ বাড়াতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে চর্চিত মুনাফাভিত্তিক মানসিকতা বাজার ব্যবস্থাকে অচল প্রমাণিত করেছে। আগামী কিছুদিনের মধ্যেই বোরো মৌসুমের ধান বাজারে আসবে। সরকারের উচিত হবে, যতটা সম্ভব সে ধান সরকারি গুদামে সংরক্ষণ করা। খাদ্যমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, সরকারি গুদামগুলোতে ১৫ লাখ টন খাদ্য মজুদ আছে। সম্পূর্ণ গুদাম খালি করে হলেও, গুদামের বিকল্প তৈরি করে হলেও নতুন ধান-চালের সংরক্ষণ বাড়াতে হবে।

সরকারের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ৬ লাখ টন ধান এবং ১১ লাখ টন চাল কেনার কথা। এর পরিমাণ বাড়াতে হবে, কেননা এই অঙ্কটা আমাদের মোট উৎপাদনের মাত্র ৬ শতাংশ। আর কৃষকের ন্যায্যমূল্য না পাওয়াটা এদেশে একটি রীতিতে পরিণত হয়েছে। গত বছরও সরকার মণপ্রতি ধানের মূল্য নির্ধারণ করেছিল ১ হাজার ২০০ টাকা; কিন্তু অনেক কৃষকই ৯৫০ থেকে ১০০০ টাকার বেশি পাননি। কৃষক বাঁচাতে ধানের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে।

আমাদের অর্থনীতির চাকা যদি সচল থাকে, আমাদের আর্থিক সাহায্যের পরিমাণ যদি জোগাড় করা যায়; তারপরও সমস্যা থেকেই যাবে- সেটা হল বণ্টনের দুর্বলতা। আমরা বিগত এক দশক ধরে উন্নয়নের নানা গল্প শুনে আসছি। আর্থিক উন্নয়ন যতটা হয়েছে, ততটাই অধঃপতিত হয়েছে নৈতিক উন্নয়ন। এই মহামারীতে, এই কোটি মানুষের আহাজারি চলাকালেও শোনা যাচ্ছে ত্রাণ চুরির কথা। এরই মধ্যে বেশ কয়েকজন জনপ্রতিনিধি ত্রাণ চুরির দায়ে অভিযুক্ত হয়েছেন। আবার যেখানে চুরি নেই, সেখানে রয়েছে পরিকল্পনার অভাব এবং সমন্বয়হীনতা।

ব্যক্তিগতভাবে যে ত্রাণ সহায়তা দেয়া হচ্ছে, তাও এলোমেলো। কেউ কেউ একাধিকবার পাচ্ছেন, আবার কারও ভাগ্যে কিছুই জুটছে না। তাই গ্রামে-গ্রামে, মহল্লায়-মহল্লায় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং আর্থিকভাবে তুলনামূলক সচ্ছল ব্যক্তির সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা প্রয়োজন; প্রয়োজন সাহায্য প্রাপ্তদের প্রকৃত তালিকা তৈরি। কারণ, করোনা মোকাবেলায় আমাদের অনেক দূর পর্যন্ত যেতে হবে। একমাত্র সমন্বিত প্রচেষ্টাই আমাদের দুর্গম পথচলা সুগম করতে পারে।

মুঈদ রহমান : অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়



সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট : 127        
   শেয়ার করুন
Share Button
   আপনার মতামত দিন
     উপ-সম্পাদকীয়
করোনা ভাইরাস: সরকারী ত্রাণ, প্রণোদনা ও রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন
.............................................................................................
ছুটি শেষে সচল দেশ: স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা জরুরি
.............................................................................................
প্রাথমিকে প্রয়োজন কাঠামোগত সংযোজন বা সংশোধন
.............................................................................................
দুর্গম পথচলা সুগম করতে হবে
.............................................................................................
সাইবার অপরাধ
.............................................................................................
প্রসঙ্গ ভ্রাম্যমাণ ফায়ার সার্ভিস ও Fire hydrant
.............................................................................................
পরমাণু অস্ত্র নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিমুখী আচরণ
.............................................................................................
আমার গেলাস সদাই থাক অর্ধেক পূর্ণ
.............................................................................................
লাখো কন্ঠে বিদ্রোহী কবিতা
.............................................................................................
বৈশাখ বাঙালির সার্বজনীন অসাম্প্রদায়িক উৎসব
.............................................................................................
সিরিয়া হামলায় মধ্যপ্রাচ্য বনাম রুশ হিসাব
.............................................................................................
Digital Truck Scale | Platform Scale | Weighing Bridge Scale
Digital Load Cell
Digital Indicator
Digital Score Board
Junction Box | Chequer Plate | Girder
Digital Scale | Digital Floor Scale

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD