| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * দেশে আরও ৯ জন করোনা রোগী শনাক্ত   * করোনায় বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা ৫৯ হাজার ছাড়িয়েছে   * টেকনাফে ১৫ বাড়ি-দোকান ও ল্যাব লকডাউন   * মৃত্যুপুরী ইতালিতে আজও ৭৬৬ প্রাণহানি   * ফ্রান্সে একদিনেই করোনা কেড়ে নিল ১১২০ প্রাণ   * প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী   * সুখবর: কুয়েতে অবৈধ প্রবাসীদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা   * করোনাভাইরাসে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ জন আক্রান্ত   * সব রেকর্ড ভাঙল ফ্রান্স, একদিনেই মৃত্যু ১৩৫৫   * করোনার উপসর্গ নিয়ে সাতক্ষীরায় কলেজছাত্রের মৃত্যু  

   মতামত
  নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড নিয়ে নোয়াবের বিবৃতি প্রত্যাখ্যান করেছে বিএফইউজে-ডিইউজে
 

অনলাইন ডেস্ক : বিএফইউজে- বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) নেতৃবৃন্দ নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড নিয়ে নোয়াবের বিবৃতি প্রত্যাখ্যান করেছেন।

বিএফইউজে সভাপতি মোল্লা জালাল, মহাসচিব শাবান মাহমুদ, ডিইউজে সভাপতি আবু জাফর সূর্য ও সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী আজ শনিবার এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, নোয়াবের বক্তব্য অগ্রহণযোগ্য, অবাস্তব, প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করার অপপ্রয়াস ও নৈতিকতা বিবর্জিত।

তারা বলেন, গত ১৩ জুন মঙ্গলবার দেশের বিভিন্ন জাতীয় সংবাদপত্রে প্রকাশিত নিউজ পেপার ওনারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব) ‘নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডের সুপারিশ কতটা বাস্তব?’ শীর্ষক বিবৃতিটি সাংবাদিক সমাজকে দারুণভাবে মর্মাহত ও উদ্বিগ্ন করেছে।
সহকর্মী ও সহযোগীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে মালিক পক্ষের এ ধরনের ধারণা প্রসূত বক্তব্য বিএফইউজেÑ ডিইউজের কাছে অগ্রহণযোগ্য, অবাস্তব, প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করার অপপ্রয়াস ও নৈতিকতা বিবর্জিত বলে বিবেচিত হয়েছে।

বিবৃতিতে নেতারা বলেন, মালিক পক্ষের প্রতিষ্ঠানকে নিজের প্রতিষ্ঠান মনে করে সবসময় কাজ করে থাকেন সাংবাদিক-শ্রমিক-কর্মচারীরা। সেখানে ৯ম মজুরি বোর্ড ঘোষণার চূড়ান্ত সময়ে গণমাধ্যমকর্মীদের রুটি-রুজি ও মর্যাদার জায়গাটিকে মালিক পক্ষ যেভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন তা সংবাদপত্র শিল্পের জন্য নতুন সঙ্কট তৈরি করবে। মালিকের সঙ্গে শ্রমিক তথা গণমাধ্যমকর্মীদের দূরত্ব ও বৈরী সম্পর্ক সৃষ্টি করবে, যার প্রভাব পুরো শিল্পকেই ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

নোয়াবের দেয়া বিবৃতিতে ‘সরকারি বেতন স্কেলের অধীনে সেরা ছাত্ররা একজন সিভিল ক্যাডার শুরুতে গ্রেড-৯ এ যোগদান করেন ৩৫,৬০০ টাকা বেতনে।’-এটি সাংবাদিকদের সম্পর্কে অমর্যাদাকর বক্তব্য বলে মনে করে বিএফইউজে ও ডিইউজে।

তারা বলেন, অংশটি পড়ে মনে হয়েছে সাংবাদিকদের মধ্যে সেরা ছাত্র নেই। ক্যাডাররাই একমাত্র সেরা। অথচ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ডিগ্রীধারী অসংখ্য সেরা ছাত্র সাংবাদিকতা পেশায় রয়েছেন।
বিএফইউজে ও ডিইউজে নেতারা বিবৃতিতে বলেন, ২০১৩ সালের ৯ সেপ্টেম্বর সরকার ৮ম মজুরি বোর্ড রোঁয়েদাদ ঘোষণা করে গেজেট প্রজ্ঞাপন জারি করলেও সংবাদপত্র মালিকরা নানা প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছেন। একই ভাবে ২০১৮ সালে সরকার ৯ম মজুরি বোর্ডে ৪৫ শতাংশ হারে মহার্ঘ্য ভাতা প্রদানের প্রজ্ঞাপন জারি করলেও সংবাদপত্র মালিকরা সেটিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রায় একবছর ধরে গণমাধ্যমকর্মীদের মহার্ঘ্য ভাতা পরিশোধ না করে বঞ্চিত করছেন, যেটি বেআইনি।

নেতৃবৃন্দ বলেন, ৮ম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডে সাংবাদিক-কর্মচারীদের পক্ষ থেকে ২৫০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছিল। মালিক পক্ষের চাপে সেসময় ৭৫ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি করা হয়। ৯ম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড ৮৫ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছে। অথচ সভায় গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য ২০০ শতাংশ বেতন-ভাতা বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছিল। একইসঙ্গে মালিকদের প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিতের বিষয়টিও আমলে নেয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছিল।

নোয়াবের বক্তব্যের একটি অংশে বলা বলা হয়েছে ‘নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান এককভাবে মজুরি বোর্ডের রোঁয়েদাদ চূড়ান্ত করে এ সংক্রান্ত সুপারিশ মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছেন।.সপ্তম ও অষ্টম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডও এভাবে একতরফাভাবে ঘোষণা করা হয়েছিল।’ যা সম্পূর্ণ অসত্য।
নেতৃবৃন্দ বলেন, ৯ম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডের সভায় মালিক পক্ষের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। ৮ম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডে নোয়াবের নেতা মাহফুজ আনাম, মতিউর রহমান, এনায়েত উল্লাহ খান, মতিউর রহমান চৌধুরী, এম এ মালেক, এ এস এম শহীদুল্লাহ খান মালিক প্রতিনিধি হিসেবে ছিলেন।
ধারাবাহিকভাবে তারা বৈঠক করেছেন। মালিক পক্ষ লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন এবং বিভিন্ন অজুহাতে ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়নে বিরোধিতা করেছিলেন। মালিকদের সুপারিশের ভিত্তিতে সার্কুলেশন এবং গ্রস আয়ের ভিত্তিতে পত্রিকার ক্যাটাগরি নির্ধারণ করা হয়েছিল। প্রতিষ্ঠানের কোনো জনবল কাঠামো এবং ভৌত অবকাঠামোর কথা সেসময় উল্লেখ করা হয়নি, যা ছিল বেআইনি।
তারা বলেন, ৮ম মজুরি বোর্ড বেতন কাঠামো ৫টি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হলেও নোয়াব বিবৃতিতে শুধুমাত্র ’ক’ ক্যাটাগরির হিসাব দিয়েছে। গণমাধ্যমকর্মীদের প্রারম্ভিক গ্রেড-৩ বলে যে তথ্য দেয়া হয়েছে তাও সঠিক নয়। গ্রেড-৩ হচ্ছে স্টাফ রিপোর্টারের গ্রেড। ওয়েজ বোর্ড অনুযায়ী প্রারম্ভিক বেতন গ্রেড হচ্ছে-৪। ‘ক’ ক্যাটাগরির একটি পত্রিকায় গ্রেড-৪ এর বেতন স্কেল হচ্ছে ১২,৬০০/টাকা, আর ঙ’ গ্রেডের পত্রিকায়-৫,২৫০টাকা।

নোয়াব বা সংবাদপত্র মালিকেরা নিশ্চয়ই স্বীকার করবেন, সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতা একটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান ও পেশা। সুতরাং এ বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান বা পেশার জন্য বিশেষভাবেই রাষ্ট্রকে ভাবতে হয়। সেখানে সরকারি চাকরির কোনো গ্রেডের সঙ্গে এর তুলনা করা মানেই গণমাধ্যমকর্মীদের মর্যাদা নিয়ে প্রশ্œ তোলা, যা কখনোই মালিক পক্ষের কাছ থেকে কাম্য নয়।
বিবৃতিতে বলা হয় , বিশেষায়িত পেশার কারণে অন্য কোনো পেশার গ্রেডিংয়ের সঙ্গে গণমাধ্যমকর্মীদের গ্রেডের তুলনা চলে না বা এর সুবিধাদি নিয়েও প্রশ্ন তোলা অবান্তর।

নোয়াবের বিবৃতিতে আয়কর নিয়ে যে প্রশ্ন তোলা হয়েছে সেটি ৮ম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডেও তোলা হয়েছিল উল্লেখ করে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, ৫ম মজুরি বোর্ড রোঁয়েদাদে আয়কর সংবাদপত্র মালিক পক্ষ কর্তৃক প্রদেয় হবে উল্লেখ ছিল এবং প্রতিষ্ঠানের মালিক পক্ষ বরাবরই আয়কর প্রদানের দায়িত্ব পালন করে আসছে। ৭ম মজুরি বোর্ডের সুপারিশমালায়ও তা উল্লেখ ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ৮ম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডের রোঁয়েদাদে আয়কর প্রদানের দায়িত্ব কর্তৃপক্ষের উপর ন্যস্ত করা হয়।
এছাড়া হাইকোর্টে দায়ের করা রিট পিটিশন ১২০৩/১৯৯১ মামলায়ও নির্দেশনা রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয় জানিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, পত্রিকা মালিকদের পক্ষ থেকে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে মালিকপক্ষের দায়েরকৃত আপিল মামলায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে।

সুতরাং আদালতে বিচারাধীন বিষয়ে প্রশ্ন তুলে নোয়াব আদালত অবমাননার কাজটি করলো কিনা প্রশ্ন তুলে নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, নোয়াবের বিবৃতিতে ৯ম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডের সুপারিশে বেতন-ভাতা বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে বলা হয়েছে, ‘২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে ৮ম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডে বৃদ্ধির পরিমাণ ছিল ৭৫ শতাংশ। এ কারণে গুটি কয়েক পত্রিকা ছাড়া অন্যরা ৮ম মজুরি বোর্ড বাস্তবায়ন করতে পারেনি।’ প্রশ্ন হলো বিষয়টি জানার পর নোয়াব কি পদক্ষেপ নিয়েছে?
“নোয়াব কি শুধুমাত্র নিজেদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ভাববে, নাকি গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি দায়িত্ব পালনও তাদের নৈতিকতার মধ্য পড়ে? ৯ম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডের বিরুদ্ধে তথা গণমাধ্যমকর্মীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে তারা যে বিরোধিতা করছে সেটি না করে সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিয়ে যারা নিজেদের আখের গুছিয়েছে সেই মালিক পক্ষের বিরুদ্ধে তারা অবস্থান নিলে মনে হতো যথাযথ দায়িত্ব পালন করেছেন। সেটি তারা করেননি কেন সেই প্রশ্নও রাখেন নেতৃবৃন্দ।

সাংবাদিক নেতারা বলেন, বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ বিধান অনুযায়ী দেশের সংবাদপত্র এবং সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমকর্মীরা পরিচালিত হন। আইনের ১৪৩ ধারা অনুযায়ী সরকার মজুরি বোর্ড গঠন এবং ১৪৫ ধারা অনুযায়ী বোর্ড তাদের সিদ্ধান্ত প্রকাশ করে। ১৪৬ ধারায় অন্তবর্তীকালীন মজুরী ঘোষণা করা হয়। ১৪৮ ধারা অনুযায়ী ১৪৫ ধারার অধীন ঘোষিত ন্যূনতম মজুরি প্রদানের বাধ্যবাধকতা আছে। কিন্তু নোয়াব সদস্যরা এসব আইন দীর্ঘদিন ধরে লংঘন করে আসছেন।
বিবৃতিতে বলা হয় , বিএফইউজে ও ডিইউজে মনে করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে মিথ্যা তথ্য দিয়ে যেসব পত্রিকা সরকারি সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করেছে তার বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। নোয়াবের বিবৃতিতে যে সব তথ্য ও পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে সেগুলো আমলে নিয়ে ৮ম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ডের সুপারিশ অনুযায়ী বেতন ভাতা পরিশোধ করা হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করে দোষী মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া উচিত।

শ্রম আইনের ২ (১০) ধারার কথা উল্লেখ করে নোয়াব বলেছে, ‘প্রতি বছর চাকরির জন্য একটি গ্র্যাচুইটির বিধান আছে।…সেখানে মজুরি বোর্ডে প্রতি বছরের জন্য ২টি গ্র্যাচুইটির বিধান একটি অবাস্তব আর্থিক চাপ।’ এছাড়া প্রতি ৩ বছর পরপর এক মাসের মোট বেতন ও ৩০ দিনের বিনোদন ছুটির বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছে। এর জবাবে নেতৃবৃন্দ বলেন, নোয়াবের সঙ্গে যুক্তরা নিশ্চয়ই স্বীকার করবেন অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংবাদপত্রের কর্মপ্রকৃতির তুলনা চলে না।

তারা বলেন, বিশেষায়িত জরুরি পর্যায়ের পেশার কারণে সংবাদপত্রে কর্মরতরা সার্বক্ষণিক কর্মকা-ে বা কর্ম অপেক্ষায় থাকেন। যেটি বাংলাদেশে বা পৃথিবীতে আর ৪টি পেশায় নিয়োজিতদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এছাড়া সরকারি-বেসরকারি অন্যান্য সেক্টরে কর্মরতরা ছুটি বা অবসর গ্রহণ অথবা অন্যান্য কারণে যে সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকেন সংবাদপত্রে তার অনেকাংশই নেই। সে কারণে বছরে দু’টি গ্র্যাচুইটি এবং এক মাসের বেতনসহ বিনোদন ছুটি অত্যন্ত যুক্তিসঙ্গত। মিমাংসিত বিষয়টি নিয়ে নতুনভাবে বিতর্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্য রহস্যজনক বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করেন তারা।

গণমাধ্যমকর্মী আর সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের চাকরির ধরণ একরকম নয় উল্লেখ করে নেতারা বলেন, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে দুই দিন ছুটি থাকলেও গণমাধ্যমকর্মীরা তা পান না। এমনকি সংবাদপত্রের জন্য নির্ধারিত ছুটির দিনেও তাদেরকে দায়িত্ব পালন করতে হয়। বিনিময়ে প্রাপ্য তেমন নেই বললেই চলে। সাংবাদিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করলেও তাদের সমস্যা-সঙ্কটে ন্যায্য পাওনাটুকু থেকেও বঞ্চিত হন। অসংখ্য সংবাদপত্রে নিয়োগপত্র, পরিচয়পত্র, বাৎসরিক ইনক্রিমেন্ট, গ্রুপ ইন্স্যুরেন্সসহ শ্রম আইন ও মজুরি বোর্ড অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দেয়া হচ্ছে না।

সাংবাদিক-শ্রমিক-কর্মচারীরা বিপণন কর্মী নন উল্লেখ করে বিএফইউজে ও ডিইউজে নেতারা বলেন, একজন সাংবাদিককে নানাভাবে প্রশিক্ষিত এবং বহুমুখী দায়িত্ব পালন করতে হয়। সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতা অন্য কোনো শিল্প ও পেশার মতো নয়। সেটা মালিকরা নিজেরাও জানেন।
তারা বলেন, যে কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠান রুগ্ন হয় তার অব্যবস্থাপনা অদক্ষতা এবং স্বেচ্ছাচারিতার কারণে। এর দায়-দায়িত্ব সরকার বা সংশ্লিষ্ট শ্রমিক-কর্মচারী নয়, পরিচালকদের উপরই বর্তায়। সেটি আমলে না নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের বেতন-ভাতা ও সুবিধাদি নিয়ে প্রশ্ন তোলা গর্হিত কাজ।

নেতৃবৃন্দ বলেন, সংবাদপত্র শিল্পের উৎকর্ষ ও সাংবাদিক শ্রমিক-কর্মচারীদের যথাযথ কল্যাণে নোয়াব বা মালিকপক্ষ সরকারের কাছ থেকে আরো সুযোগ-সুবিধা পেলে বিএফইউজে ও ডিইউজের কোনো আপত্তি নেই। তবে মজুরি বোর্ড ঘোষণার সূত্র ধরে সাংবাদিক-শ্রমিক-কর্মচারি ছাটাই করা হলে বা তাদেরকে ন্যায্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হলে অবশ্যই তা মেনে নেয়া হবে না।
প্রয়োজনে গণমাধ্যমকর্মী তথা সাংবাদিক-শ্রমিক-কর্মচারীদের ঐক্যবদ্ধ দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলার কথাও বলেন নেতৃবৃন্দ। বাসস



সংবাদটি পড়া হয়েছে মোট : 294        
   শেয়ার করুন
Share Button
   আপনার মতামত দিন
     মতামত
নিজে সচেতন হোন, অন্যকেও সচেতন হতে বলুন : হানিফ সংকেত
.............................................................................................
মহামারী রোধে মহানবী (সা.) এর নির্দেশনা অত্যন্ত কার্যকর: মার্কিন গবেষক
.............................................................................................
করোনা প্রতিরোধে বিনামূল্যে মাস্ক দিতে হাইকোর্টে ব্যারিস্টার মওদুদের পরামর্শ
.............................................................................................
করোনা নিয়ে মোদির পরামর্শ
.............................................................................................
বিদেশিদের ঘরে থাকার পরামর্শ আইইডিসিআরের
.............................................................................................
ঢাকা প্রেসক্লাব দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন ২০২০-২১ : সভাপতি- মোঃ মাসুদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক- মোঃ মোসলেহ উদ্দিন বাচ্চু
.............................................................................................
আগামী সপ্তাহ থেকে অনলাইন পোর্টালের নিবন্ধন শুরু : তথ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
সাংবাদিক মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আর নেই
.............................................................................................
ক্র্যাবের সাবেক সভাপতি লাবলু আর নেই
.............................................................................................
দুদককে ক্ষমা চাইতে হবে, সাংবাদিকদের বিক্ষোভ
.............................................................................................
নবম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড নিয়ে নোয়াবের বিবৃতি প্রত্যাখ্যান করেছে বিএফইউজে-ডিইউজে
.............................................................................................
ডিআরইউ`র দুই যুগ পূর্তি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
৬৫ বারের মতো পেছালো সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন
.............................................................................................
বাসস`র সাবেক বিশেষ সংবাদদাতা মুজিবুল হকের ইন্তেকাল
.............................................................................................
নবম ওয়েজ বোর্ড কার্যকর ও গণমাধ্যম কর্মী আইন পাসের দাবি সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের
.............................................................................................
মাহফুজ উল্লাহর দ্বিতীয় জানাজা হবে জাতীয় প্রেসক্লাবে
.............................................................................................
পিআইবির নতুন চেয়ারম্যান আবেদ খান
.............................................................................................
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের সংশোধন চেয়ে রাস্তায় সম্পাদকরা
.............................................................................................
গোলাম সারওয়ারের মরদেহ দেশে
.............................................................................................
গোলাম সারওয়ারের মরদেহ আসছে আজ, বৃহস্পতিবার দাফন
.............................................................................................
Digital Truck Scale | Platform Scale | Weighing Bridge Scale
Digital Load Cell
Digital Indicator
Digital Score Board
Junction Box | Chequer Plate | Girder
Digital Scale | Digital Floor Scale

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD