| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * রাত থেকে রাজধানীতে ঝড়-বৃষ্টি, বিভিন্ন স্থানে উপড়ে পড়েছে গাছ   * যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় মৃত্যু ১ লাখ ছাড়াল   * ছয়দিন পর আজ থেকে ব্যাংক খোলা   * মার্কিন একতরফা নিষেধাজ্ঞা অকার্যকর হয়ে পড়েছে: ইরান   * জয়পুরহাটে দেয়ালচাপায় মা ও দুই পুত্রের মৃত্যু   * দুই মাস ধরে বন্ধ জাতীয় চিড়িয়াখানা, দর্শনার্থী না থাকায় শান্তিতে প্রাণীরা   * তিস্তার বাঁধ ভেঙে দুই গ্রাম প্লাবিত, একজনের মৃত্যু   * গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১১৬৩ জনের করোনা শনাক্ত   * থাইল্যান্ডে বানরের ওপর করোনা ভ্যাকসিনের ট্রায়াল শুরু   * পানিতে দাঁড়িয়ে ঈদের নামাজ, পরিকল্পনা জামায়াতের-মদদে উপজেলা চেয়ারম্যান!  

   লাইফস্টাইল -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ইফতারে খেজুর খাওয়ার উপকারিতা

অনলাইন ডেস্ক : রমজান মাস জুড়েই ইফতারে সবাই কম বেশি খেজুর খেয়ে থাকেন। মুসলিমদের জন্য খেজুর অনেক প্রিয় একটি খাবার। রোজা এলে ইফতারের খাদ্যতালিকায় এর স্থান থাকে সর্বাগ্রে। এ খেজুরের রয়েছে অসাধারণ কিছু পুষ্টিগুণ।

খেজুরে রয়েছে ভেষজ ও অনেক পুষ্টি উপাদান; যা সারাদিন রোজা রাখার পর খানিকটা পুষ্টির ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে। আমরা অনেকেই হয়তো জানি না যে, সৌন্দর্য বর্ধনে এবং শারীরিক সৌন্দর্য ধরে রাখতেও খেজুরের অনেক গুণ রয়েছে। চুল ও ত্বকের ক্ষেত্রে ম্যাজিকের মতো কাজ করে এই খেজুর।

খেজুরে রয়েছে পানি, খনিজ পদার্থ, আমিষ, শর্করা, ক্যালসিয়াম, আয়রণ, ভিটামিন `বি-১`, ভিটামিন `বি-২` ও সামান্য পরিমাণ ভিটামিন `সি ফলিক অ্যাসিড, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, সালফার, প্রোটিন। রোজায় দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকার কারণে দেহে গ্লুকোজের ঘাটতি দেখা দেয়। শরীরের এই প্রয়োজনীয় গ্লুকোজের ঘাটতি পূরণ করতে সাহায্য করে খেজুর। তাই প্রতিদিন ইফতারে খেজুর খাওয়া উচিত।

এছাড়া খেজুরের রয়েছে আরও অনেক উপকারী গুণ। সেগুলো হলো-

১. হজমশক্তি বর্ধক, যকৃৎ ও পাকস্থলীর শক্তিবর্ধক
২. খেজুর স্নায়ুবিক শক্তি বৃদ্ধি করে
৩. খাদ্যশক্তি থাকায় দুর্বলতা দূর করে
৪. খেজুর শরীরে রক্ত উৎপাদন করে
৫. হৃদরোগীদের জন্যও খেজুর বেশ উপকারী ফল
৬. রুচি বাড়ায়
৭. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
৮. দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়
৯. ফুসফুসের সুরক্ষার পাশাপাশি মুখগহ্বরের ক্যান্সার রোধ করে
১০. খেজুরে আছে ডায়েটরই ফাইবার; যা কোলেস্টেরল থেকে মুক্তি দেয়।

ইফতারে খেজুর খাওয়ার উপকারিতা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : রমজান মাস জুড়েই ইফতারে সবাই কম বেশি খেজুর খেয়ে থাকেন। মুসলিমদের জন্য খেজুর অনেক প্রিয় একটি খাবার। রোজা এলে ইফতারের খাদ্যতালিকায় এর স্থান থাকে সর্বাগ্রে। এ খেজুরের রয়েছে অসাধারণ কিছু পুষ্টিগুণ।

খেজুরে রয়েছে ভেষজ ও অনেক পুষ্টি উপাদান; যা সারাদিন রোজা রাখার পর খানিকটা পুষ্টির ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে। আমরা অনেকেই হয়তো জানি না যে, সৌন্দর্য বর্ধনে এবং শারীরিক সৌন্দর্য ধরে রাখতেও খেজুরের অনেক গুণ রয়েছে। চুল ও ত্বকের ক্ষেত্রে ম্যাজিকের মতো কাজ করে এই খেজুর।

খেজুরে রয়েছে পানি, খনিজ পদার্থ, আমিষ, শর্করা, ক্যালসিয়াম, আয়রণ, ভিটামিন `বি-১`, ভিটামিন `বি-২` ও সামান্য পরিমাণ ভিটামিন `সি ফলিক অ্যাসিড, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, সালফার, প্রোটিন। রোজায় দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকার কারণে দেহে গ্লুকোজের ঘাটতি দেখা দেয়। শরীরের এই প্রয়োজনীয় গ্লুকোজের ঘাটতি পূরণ করতে সাহায্য করে খেজুর। তাই প্রতিদিন ইফতারে খেজুর খাওয়া উচিত।

এছাড়া খেজুরের রয়েছে আরও অনেক উপকারী গুণ। সেগুলো হলো-

১. হজমশক্তি বর্ধক, যকৃৎ ও পাকস্থলীর শক্তিবর্ধক
২. খেজুর স্নায়ুবিক শক্তি বৃদ্ধি করে
৩. খাদ্যশক্তি থাকায় দুর্বলতা দূর করে
৪. খেজুর শরীরে রক্ত উৎপাদন করে
৫. হৃদরোগীদের জন্যও খেজুর বেশ উপকারী ফল
৬. রুচি বাড়ায়
৭. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
৮. দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়
৯. ফুসফুসের সুরক্ষার পাশাপাশি মুখগহ্বরের ক্যান্সার রোধ করে
১০. খেজুরে আছে ডায়েটরই ফাইবার; যা কোলেস্টেরল থেকে মুক্তি দেয়।

গরমে তরমুজ খেলে ৫ উপকার
                                  

বৈশাখ মাসের শুরুতে বেড়েছে দাবদাহ। গরমের কারণে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। শরীরে পানিশূন্যতা পূরণে তরমুজ খুবই উপকারী।

মৌসুমি ফল হিসেবে বেশ চাহিদা রয়েছে তরমুজের। তরমুজ রসে ভরপুর সুস্বাদু একটি ফল। তরমুজ স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী ফল। এর পুষ্টিগুণ ভাণ্ডারও বেশ সমৃদ্ধ। তরমুজ তীব্র গরমেও আপনার শরীরকে পানিশূন্যতা পূরণ করে। কম সামান্য ক্যালোরি আছে এতে। এক কাপ তরমুজ থেকে মাত্র ৪৬ ক্যালোরি পাওয়া যায়।

গরমে তরমুজ খেলে যত উপকার-

১. সর্দি-কাশি, জ্বর ও ইউরিনের সমস্যায় তরমুজ খুবই উপকারী। এ ছাড়া ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে তরমুজ উপকারী বন্ধু হিসেবে কাজ করে।

২ শরীরের বেশ কিছু জরুরি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট পাওয়া যায় তরমুজ থেকে, যা শরীরকে সুস্থ রাখে। এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে তরমুজ খেতে পারেন।

৩. তরমুজে ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়ামসহ বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন থাকে, যা হৃদরোগ প্রতিরোধ করে।

৪. তরমুজ ত্বক ও চুল প্রাকৃতিকভাবে সুন্দর রাখে। তরমুজে থাকে ভিটামিন এ ও সি।

৫. হজমে সমস্যা দূর করতে পারে তরমুজ।

স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন যেভাবে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : কভিড-১৯ করোনাভাইরাসের ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে হাত পরিষ্কার রাখায়। আর হাত পরিষ্কারের জন্য সাবান-পানি ও স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হয়। জেনে নিন হ্যান্ড স্যানিটাইজার কীভাবে ব্যবহার করে হাত জীবাণুমুক্ত রাখবেন: 


• স্যানিটাইজার ব্যবহারের আগে হাত শুকিয়ে নেবেন
• হাতের তালুতে আধা চা চামচ স্যানিটাইজার নিন
• এবার দু’হাতের তালুতে ঘষুন
• আঙুলের মধ্যে এবং উলটো পিঠে ঘষুন
• দুই হাতের তালুতে ভালো করে ঘষুন
• আঙুলের পেছনেও ঘষুন
• স্যানিটাইজার ব্যবহারের পরে হাত ধোবেন না

প্রসঙ্গত, হ্যান্ড স্যানিটাইজার হাতের জীবানু ধ্বংস করে। তবে সবধরনের জীবানু ধ্বংসে হ্যান্ড স্যানিটাইজার যথেষ্ট নয়। এজন্য সাবান-পানিই যথেষ্ট। আমেরিকার সেন্টার্স ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন হাতের জীবানু প্রতিরোধে সাবান-পানি দিয়েই হাত পরিষ্কারের ওপর অধিকতর গুরুত্বারোপ করেছে।

করোনা থেকে বাঁচতে হলে বদলাতে হবে এই ৯ অভ্যাস
                                  

অনলাইন ডেস্ক
বিশ্বব্যাপী এখন আতঙ্কের নাম করোনাভাইরাস। কেননা, প্রাণঘাতী এই ভাইরাস ইতোমধ্যে বিশ্বের ১৯৫টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। এই ভাইরাসে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ৩ লাখ ৮২ হাজার ৮ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৬ হাজার ৫৫৮ জনের। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে ইতালিতে। সেখানে মৃত্যু হয়েছে ৬ হাজার ৭৭ জনের। তার আগে চীনের হুবেই প্রদেশে তাণ্ডব চালায় করোনা। সেখানে প্রাণ হারায় ৩ হাজার ২৭৭ জনের।

এমতাবস্থায় সারা বিশ্বেই চরম আতঙ্কের মধ্য দিয়ে দিন পার করছে মানুষ। এই ভাইরাসের জেরে ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়ছে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা। বাংলাদেশেও এরই মধ্যে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে শিক্ষপ্রতিষ্ঠান, দোকানপাট ও গণপরিবহন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, করোনাভাইরাস ছড়িয়ে যাওয়া ঠেকাতে কিছু অভ্যাসের পরিবর্তন জরুরি। আর এসব অভ্যাস পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে নিজের যেমন ঝুঁকি কমে, অন্যরাও ঝুঁকি থেকে বাঁচে।

হাত মেলানো
দিনের পর দিন করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। আক্রান্ত হওয়া থেকে বাঁচতে অন্যের সঙ্গে হাত মেলাতে নিষেধ করেছে বিশেষজ্ঞরা। কারণ, হাত মেলানোর ফলে জীবাণু ছড়িয়ে পড়ে।

সামাজিকতা পরিহার
রেস্টুরেন্ট, নাইট ক্লাব, চার্চ, মসজিদ, বিয়ের অনুষ্ঠান কিংবা শেষকৃত্যে অংশ নেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। প্রতিদিন বাইরে যেভাবে ঘুরে বেড়াতেন, সেটাও কমিয়ে নিয়ে আসতে হবে। সরকারিভাবে এরই মধ্যে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করেছে। সেহেতু সামাজিকতা রক্ষা করতে গিয়ে বিপাকে পড়া থেকে বিরত থাকাই উচিৎ। বন্ধু-বান্ধবদের এই অসময়ে এড়িয়ে চলার বিকল্প নেই।

টাকা
টাকা লেনদেনের মাধ্যমে কিন্তু হাতে জীবাণু লেগে যায়। প্রয়োজনে টাকা স্পর্শ করলে হাত ধুয়ে ফেলতে হবে। তবে নগদ টাকা ছাড়া কার্ড কিংবা অনলাইনে পেমেন্ট করা ভালো।

অফিসে যাওয়া
বিভিন্ন দেশে স্কুল কলেজের পাশাপাশি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কর্মীদের ঘরে বসে কাজ করার কথা বলা হচ্ছে। আমাদের দেশেও বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা বাড়িতে থেকে কাজ করছেন। সে ক্ষেত্রে বাড়িতে থেকে কাজ করা সম্ভব হলে, অফিসে না যাওয়া ভালো।

জীবাণুমুক্ত থাকা
নিজে সর্বোচ্চ পর্যায়ের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকার অভ্যাস করতে হবে। হাত ধোয়ার সময় সাবান কিংবা হ্যান্ডওয়াশ ব্যবহার তরতে হবে। পানি না থাকলে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা যাবে।

চলাচলে নিয়ন্ত্রণ
চীনে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়তেই উহান শহর লকডাউন করে দেওয়া হয়। পরে পুরো চীন লকডাউনে চলে যায়। ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে বিভিন্ন দেশ সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে। এরকম পরিস্থিতিতে নিজেদের অবাধ চলাচল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা দরকার।

খরচ কমানো
সারাবিশ্বের বিভিন্ন খাত করোনাভাইরাসের কারণে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। বহু মানুষ বেকার হয়ে পড়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে ঘরে বসে থাকতে হচ্ছে মানুষজনকে। সবমিলিয়ে বৈশ্বিকভাবে অর্থনৈতিক মন্দার শঙ্কা রয়েছে। এমতাবস্থায় খরচ কমানোর বিকল্প নেই। প্রয়োজনীয় সামগ্রী, খাবার এবং জীবাণু থেকে বাঁচার সরঞ্জাম কিনতে হবে। বাড়তি খরচ এখন না করাই ভালো।

অনলাইনে কেনাকাটা
কেনাকাটার জন্য শপিংমলে না গিয়ে অনলাইনেই কাজটি সেরে নিতে পারেন। এতে করে জনসমাগম যেমন এড়ানো যাবে, ঘরে বসেই ডেলিভারি পাবেন। সেই সঙ্গে দেশের ই-কমার্স কিছুটা গতি পাবে।

চিকিৎসা নেওয়া
অনেকেই একেবারে খারাপ পরিণতি হওয়া পর্যন্ত চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার ব্যাপারে উদাসীনতা দেখান। এটা করবেন না। আবার হালকা সমস্যা হলেই হাসপাতালে দৌড় দেবেন না। বিষয়টি সুচিন্তিতভাবে ভেবে দেখুন। তারপরই সিদ্ধান্ত নিন।

 
আমড়ার যতগুণ
                                  

অন্যান্য ফলের মধ্যে অন্যতম সুস্বাদু আমড়া। বাংলাদেশে পুষ্টিকর এই ফলটির দু`টি প্রজাতির চাষ হয়। দেশি আমড়া ও বিলাতি আমড়া। বিলাতি আমড়া দেশি আমড়ার মতো টক নয়। এটি খেতে টক-মিষ্টি স্বাদের। এতে শাঁস বেশি, আকারেও বড়। বিলাতি আমড়া কাঁচা খাওয়া হয়। বিলাতি ও দেশি দই’ধরনের আমড়া থেকেই সুস্বাদু আচার, চাটনি এবং জেলি তৈরি করা যায়। তরকারি হিসেবে রান্না করেও আমড়া খাওয়া যায়। মুখে রুচি বৃদ্ধিসহ অসংখ্য গুণাগুণ রয়েছে আমড়া।

গোল্ডেন আপেলখ্যাত আমড়ার বৈজ্ঞানিক নাম Stondia Dulcis। এটি Anacardiaceae পরিবারভুক্ত। আমড়ায় জলীয় অংশ ৮৩.২, খনিজ ০.৬, লৌহ ০.৩৯, আঁশ ০.১, চর্বি ০.১, আমিষ ১.১, শর্করা ১৫, ক্যালসিয়াম ০.৫৫ শতাংশ।

পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, আমড়ায় প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি, আয়রন, ক্যালসিয়াম আর আঁঁশ আছে, যেগুলো শরীরের জন্য খুব দরকারি। হজমেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই তেল ও চর্বিযুক্ত খাদ্য খাওয়ার পর আমড়া খেয়ে নিতে পারেন; হজমে সহায়ক হবে। আমড়ায় প্রচুর ভিটামিন সি থাকায় এটি খেলে স্কার্ভি রোগ এড়ানো যায়। বিভিন্ন প্রকার ভাইরাল ইনফেকশনের বিরুদ্ধেও লড়তে পারে আমড়া। অসুস্থ ব্যক্তিদের মুখের স্বাদ ফিরিয়ে দেয়।

সর্দি-কাশি-জ্বরের উপশমেও আমড়া অত্যন্ত উপকারী। শিশুর দৈহিক গঠনে ক্যালসিয়াম খুব দরকারি। ক্যালসিয়ামের ভালো উৎস এই আমড়া। শিশুদের এই ফল খেতে উৎসাহিত করতে পারেন। এছাড়া এটি রক্তস্বল্পতাও দূর করে। কিছু ভেষজ গুণ আছে আমড়ায়। এটি পিত্তনাশক ও কফনাশক। আমড়া খেলে মুখে রুচি ফেরে, ক্ষুধা বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে আমড়ায় থাকা ভিটামিন সি রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। খাদ্যে থাকা ভিটামিন এ এবং ই এটির সঙ্গে যুক্ত হয়ে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে দেহকে নানা ঘাত-প্রতিঘাত থেকে রক্ষা করে। দাঁতের মাড়ি শক্ত করে, দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত, পুঁজ, রক্তরস বের হওয়া প্রতিরোধ করে আমড়া।

এর ভেতরের অংশের চেয়ে বাইরের খোসাতে রয়েছে বেশি ভিটামিন সি আর ফাইবার বা আঁশ, যা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে করে দ্বিগুণ শক্তিশালী। আর আঁশজাতীয় খাবার পাকস্থলী (স্টমাক), ক্ষুদ্রান্ত, গাছহদন্ত্রের (পেটের ভেতরের অংশবিশেষ) জন্য আশীর্বাদ স্বরূপ।

 
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে পেয়ারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট:
দেশী ফলগুলোর মধ্যে পেয়ারা বেশ পরিচিত এবং জনপ্রিয় একটি ফল। সাধারণ এবং সহজলভ্য এই ফলটির পুষ্টিগুণ অনেক। শুধু ফল নয়, পেয়ারা পাতায়ও রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ।

পেয়ারার পুষ্টিগুণ:
পেয়ারাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি এবং ভিটামিন এ। একটি পেয়ারাতে ৪ গুণ বেশি ভিটামিন সি রয়েছে একটি মাঝারি আকৃতির কমলা থেকে। ১০ গুণ বেশি ভিটামিন এ রয়েছে লেবুর তুলনায়। এছাড়া ভিটামিন বি২, ই, কে, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, কপার, আয়রন, ফসফরাস এবং পটাসিয়াম রয়েছে।
উপকারিতা:
১। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি
পেয়ারাতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি রয়েছে। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং শরীরকে বিভিন্ন রোগের সাথে যুদ্ধ করার শক্তি প্রদান করে।

২। ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস
পেয়ারাতে লাইকোপিন, ভিটামিন সি, কোয়ারসেটিন এর মত অনেকগুলো অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে যা শরীরের ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধি রোধ করে। এটি প্রোসটেট ক্যান্সার এবং স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

৩। হার্ট সুস্থ রাখতে
১৯৯৩ সালে “Journal of Human Hypertension” এ প্রকাশিত হয় যে নিয়মিত পেয়ারা খেলে রক্ত চাপ ও রক্তের লিপিড কমে। পেয়ারাতে প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম, ভিটামিন সি রয়েছে। পটাশিয়াম নিয়মিত হৃদস্পন্দনের এবং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে বিশেষ ভূমিকা রাখে। নিয়মিত ভাবে লাইকোপিন সমৃদ্ধ গোলাপি পেয়ারা খেলে কার্ডিওভাস্কুলার রোগের ঝুঁকি কমায়।

৪। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে
চাইনিজ চিকিৎসা শাস্ত্ররে অনেক বছর ধরে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে পেয়ারা ব্যবহার হয়ে আসছে। ১৯৮৩ সালে American Journal of Chinese Medicine প্রকাশ করেন যে, পেয়ারার রসে থাকা উপাদান ডায়াবেটিস মেলাইটাসের চিকিৎসায় খুবই কার্যকর। ডায়াবেটিস প্রতিরোধে পেয়ারা পাতাও বেশ কার্যকর। কচি পেয়ারা পাতা শুকিয়ে মিহি গুঁড়ো করে ১ কাপ গরম পানিতে ১ চা চামচ দিয়ে ৫ মিনিট ঢেকে রেখে তারপর ছেঁকে নিয়ে পান করতে পারেন প্রতিদিন।

৫। ঠান্ডা জনিত সমস্যা দূর করতে
বিভিন্ন ঠান্ডাজনিত সমস্যা যেমন ব্রংকাইটিস সারিয়ে তুলতে ভূমিকা রাখে পেয়ারা। উচ্চ পরিমাণে আয়রন এবং ভিটামিন সি থাকায় এটি শ্লেষ্মা কমিয়ে দেয়। তবে কাঁচা পেয়ারা ঠান্ডা জনিত সমস্যা দূর করতে কার্যকর।

৬। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে
পেয়ারা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর পটাশিয়াম রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

৭। দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতে
ভিটামিন এ চোখের জন্য উপকারী। এতে থাকা ভিটামিন এ কর্নিয়াকে সুস্থ রাখে এবং রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় পেয়ারা রাখুন। কাঁচা পেয়ারা ভিটামিন এ এর ভাল উৎস।

 
শিশুর শ্বাসনালিতে কিছু আটকে গেলে তাৎক্ষনিক যা করবেন
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট:
ছোট শিশুদের সবকিছু মুখে দেওয়ার অভ্যাস। একটু অসাবধান হলেই মুখে দেওয়া এই বস্তু শ্বাসনালিতে আটকে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে। এ ধরনের দুর্ঘটনা যত দ্রুত শনাক্ত করা যায় ততই মঙ্গল। হঠাৎ যদি কোনও বাচ্চার কাশি শুরু হয় বা বিষম খেতে শুরু করে এবং যদি এমন হয় যে ঠিক তার আগেই বাচ্চা ছোট কোনও বস্তু নিয়ে খেলছিল তবে বুঝতে হবে গলায় কিছু আটকে গেছে। এ ক্ষেত্রে বাচ্চার মুখ দিয়ে অতিরিক্ত লালা বের হতে পারে। কাশি থাকলেও জ্বর, সর্দি থাকবে না। সন্দেহ হলে তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নিতে হবে।

তৎক্ষণাৎ করণীয়: শ্বাসনালিতে কিছু ঢুকে গেলে শিশুর মুখ খুলে যদি জিনিসটি দেখতে পান, সাবধানতার সঙ্গে বের করে ফেলুন। তবে দেখা না গেলে খোঁচাখুঁচি করবেন না, এতে আটকে যাওয়া জিনিসটি আরও ভেতরে ঢুকে যেতে পারে। বাচ্চা যদি কাশতে থাকে তবে তাকে কাশতে দিন। এতে কাশির সঙ্গে আটকে যাওয়া জিনিসটি বের হয়ে আসতে পারে। যদি শ্বাসকষ্ট হয় তবে শিশুর পিঠ চাপড়ে দিন।

বাচ্চার বয়স এক বছরের কম হলে আপনি টুল বা চেয়ারের ওপর বসে শিশুকে আপনার কোলের ওপর আড়াআড়িভাবে উপুড় করে শুইয়ে, মাথা ঝুলিয়ে দিন। এরপর শিশুর পিঠের মাঝখানে, একটু ওপরের দিকে আপনার হাতের তালুর নিচের অংশ দিয়ে জোরে জোরে পাঁচবার চাপড় দিন। কাজ না হলে আবার করতে পারেন। বয়স বেশি হলে শিশুর পেছনে হাঁটু মুড়ে বা সোজা হয়ে দাঁড়ান, শিশুর বগলের নিচ দিয়ে দুই হাত ঢুকিয়ে, জাপটে ধরার ভঙ্গিতে শিশুর পেটের ওপরের অংশ বরাবর আপনার হাত রাখুন।

এরপর এক হাত মুষ্টিবদ্ধ করে, শিশুর বুকের সামনে চওড়া হাড়ের নিচে, যেখানে দুই পাশের পাঁজরের শেষের হাড়টি মিলিত হয়েছে সে জায়গায় রাখুন। এবার অন্য হাত দিয়ে এই হাতটির কবজি চেপে ধরুন, দুই হাত দিয়ে ওপর এবং ভেতর দিক বরাবর শিশুর পেটে জোরে চাপ দিন। পরপর পাঁচবার চাপ দিন। এতে যদি কাজ না হয় কিংবা শিশুর যদি জ্ঞান না থাকে সে ক্ষেত্রে কাউকে সাহায্যের জন্য ডাকুন।

মুখ থেকে মুখে বা নাকে শ্বাস দিন এবং দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে ছোট পুঁতি, মার্বেল, বোতাম, ফলের বিচি, ছোট পার্টসযুক্ত খেলনা শিশুদের নাগালের বাইরে রাখা উচিত। শিশুদের খেলনা বা জামা কেনার সময়ও পুঁতি, ঘন্টিওলা না কেনাই ভালো।

 
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে তেজপাতা
                                  

রান্নার স্বাদ বাড়াতে তেজপাতার ব্যবহার আমরা সবাই জানি। কিন্তু ডায়াবেটিস কমাতেও তেজপাতা খুবই উপকারি তা কি জানেন। ডায়াবেটিস কখনও ভালো হয় না। তবে এইরোগ নিয়ন্ত্রণে রাখলে ভালো থাকা যায়। ডায়াবেটিস ধরা পড়লে অনেকেই আতঙ্কিত হন।

আসুন জেনে নিই তেজপাতার আরও কিছু স্বাস্থ্যগুণ

১. রক্তে শর্করার পরিমাণ কমায়।

২. তেজপাতার ধোঁয়ার গন্ধে উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে আসে।

৩. হজমশক্তি বাড়ায়।

৪. শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেয়।

৫. তেজপাতায় রয়েছে রুটিন ও ক্যাফেক অ্যাসিড। এগুলো হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখে।

৬. গরম পানিতে কয়েকটি তেজপাতা ফুটিয়ে নিন। পানি ঠাণ্ডা করে প্রতিদিন এক গ্লাস করে খান। উপকার পাবেন। তথ্যসূত্র: জি নিউজ

 
করোনাভাইরাস : সাড়ে ৬ কোটি মানুষ মরবে, সতর্ক করেছিলেন বিজ্ঞানীরা
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক


করোনাভাইরাসে মরবে সাড়ে ৬ কোটি মানুষ, সতর্ক করেছিলেন বিজ্ঞানীরা
যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য খাতের বিখ্যাত গবেষণা প্রতিষ্ঠান জন হপকিনস সেন্টার ফর হেলথ সিকিউরিটির বিজ্ঞানী এরিক টনার চীনের উহান শহরে রহস্যজনক করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের খবরে হতবাক হননি। কারণ তিন মাস আগে টনারের নেতৃত্বে একদল মার্কিন গবেষক বিশ্বজুড়ে এ ধরনের করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছিলেন।

তারা বলেছিলেন, নতুন ধরনের এই করোনাভাইরাসের প্রভাবে ১৮ মাসের মধ্যে বিশ্বে সাড়ে ছয় কোটির বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটতে পারে। করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা এবং নিউমোনিয়ার মতো অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হতে পারে মানুষ। ২০০৩ সালের দিকে চীনে আরেক প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিন্ড্রোমের (সার্স) সংক্রমণ ব্যাপক আকার ধারণ করে। চীনে আট হাজার মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়, প্রাণ যায় অন্তত ৭৭৪ জনের।


টনার বলেন, আমি অনেক দিন ধরেই আশঙ্কা করছিলাম, একটি নতুন ধরনের করোনাভাইরাস মহামারি আকার ধারণ করতে পারে। চীনের উহানের এই ভাইরাস এখনও মহামারি আকার ধারণ না করলেও থাইল্যান্ড, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান, ভিয়েতনাম, সিঙ্গাপুর ও সৌদি আরব, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ভারত, নেপালে ইতোমধ্যে পৌঁছেছে।

চীনে এই ভাইরাসে এখন পর্যন্ত ৫৬ জনের মৃত্যু ও আরও ২ হাজার মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং শনিবার দেশটির জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে এই ভাইরাস দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে তিনি পরিস্থিতি মোকাবেলায় যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন।



টনার বলেন, আমরা এখনও জানি না এই ভাইরাস কতটা ক্ষতিকর। আমরা জানি এটি মানুষ থেকে মানুষে ছড়িয়ে পড়ছে। কিন্তু কি পরিমাণ মানুষ সংক্রমিত হচ্ছেন তা আমরা জানি না। প্রাথমিকভাবে এটা বোঝা যাচ্ছে যে, এই ভাইরাস সার্সের চেয়ে একটু দুর্বল। আর এটাই স্বস্তির জায়গা। তবে সার্সের চেয়ে এটি দ্রুতগতিতে বিস্তার লাভ করতে পারে।

 

বিশ্বজুড়ে নতুন ধরনের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছয় মাসের মধ্যে হতে পারে বলে তিন মাস আগে সতর্ক করে দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের জন হপকিনস সেন্টার ফর হেলথ সিকিউরিটির বিজ্ঞানীরা। বিশ্বের প্রায় প্রত্যেক দেশেই এই ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটতে পারে বলে তারা ধারণা করেছিলেন। একই সঙ্গে ১৮ মাসের মধ্যে সাড়ে ৬ কোটি মানুষ করোনাভাইরাসের কারণে মারা যেতে পারেন বলে শঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।

মার্কিন এই স্বাস্থ্য খাতের গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞানীরা বিশ্বজুড়ে নতুন ধরনের একটি করোনাভাইরাস কীভাবে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়তে পারে তার একটি কাল্পনিক চিত্র উপস্থাপনা করেছিলেন। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম, দাতব্য সংস্থা বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটসের সহায়তায় এই গবেষণা করেন বিজ্ঞানীরা। কাল্পনিক এই গবেষণায় ব্রাজিলের শুকর খামার থেকে যদি একটি করোনাভাইরাস বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে তাহলে কী ঘটবে সেটি জানার চেষ্টা করেন তারা। উহানের করোনাভাইরাস সেখানকার একটি সামুদ্রিক খাবারের বাজার থেকে ছড়িয়ে পড়ে।

কী বলা হয়েছিল সেই গবেষণায়

জন হপকিনস সেন্টার ফর হেলথ সিকিউরিটির বিজ্ঞানীরা বলেছিলেন, নতুন করোনাভাইরাস হবে আধুনিক যে কোনও ভ্যাকসিন প্রতিরোধী। এটা হবে সার্সের চেয়েও ভয়াবহ প্রাণঘাতী। কল্পিত এই মহামারী শুরু হবে দক্ষিণ আমেরিকার দারিদ্রপীড়িত অঞ্চলে। এই ভাইরাসে আক্রান্তরা ফ্লু অথবা নিউমোনিয়ায় ভুগতে পারেন। সেখান থেকে ধীরে ধীরে তা মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়বে।


দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোতে বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে। ভ্রমণ বাতিল হয়ে যাবে ৪৫ শতাংশ। মানুষ প্রচুর ভুয়া সংবাদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেবে। ছয় মাস পর বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়বে এই ভাইরাস। এর এক বছর বিশ্বে সাড়ে ছয় কোটি মানুষের প্রাণহানি ঘটবে। টনার বলেন, এটা আমরা যে বিশ্বে বসবাস করছি, তারই একটি অংশ। আমরা এখন মহামারির যুগে বসবাস করছি।

করোনা ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ কী?

এ ভাইরাসে আক্রান্ত হলে শুরুতে জ্বর ও শুষ্ক কাশি হতে পারে। এর সপ্তাহখানেক পর শ্বাসকষ্টও দেখা দেয়। অনেক সময় নিউমোনিয়াও হতে পারে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে রোগীর অবস্থা বেশি খারাপ হওয়ায় তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা লাগে। তবে এসব লক্ষণ মূলত রোগীরা হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরই জানা গেছে।


সেক্ষেত্রে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার একদম প্রাথমিক লক্ষণ কী বা আদৌ তা বোঝা যায় কি-না তা এখনো অজানা। তবে নতুন এই করোনাভাইরাস যথেষ্ট বিপজ্জনক। সাধারণ ঠান্ডা-জ্বরের লক্ষণ থেকে এটি মৃত্যুর দুয়ার পর্যন্তও নিয়ে যেতে পারে।

 
৫৭ জনের মৃত্যু শীতকালীন রোগে
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক

চলতি শীত মৌসুমে এ পর্যন্ত সারাদেশে ৬৬ হাজার ১৮৭ জন শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। ডায়রিয়ায় এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৬০ হাজার ৪৮৩ জন ও শীতজনিত অন্য রোগে ১ লাখ ৯০ হাজার ৩২৯ জন আক্রান্ত হয়ে হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। আর এসব রোগে এ পর্যন্ত মারা গেছেন মোট ৫৭ জন।


বুধবার (২২ জানুয়ারি) বিষয়টি জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন্স সেন্টার ও কন্ট্রোলরুমের সহকারী পরিচালক ডা. আয়শা আক্তার।

তিনি জানান, ২০১৯ সালের ১ নভেম্বর থেকে ২০২০ সালের ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত সারাদেশে ৬৬ হাজার ১৮৭ জন শ্বাসতন্ত্রের সমস্যাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং মারা গেছেন ২২ জন। এছাড়া ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন ১ লাখ ৬০ হাজার ৪৮৩ জন ও মারা গেছেন ৫ জন এবং শীতজনিত অন্য অসুস্থতায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতাল থেকে ১ লাখ ৯০ হাজার ৩২৯ জন চিকিৎসা নিয়েছেন ও মারা গেছেন ৩০ জন।

অর্থাৎ, মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৫৭। অন্য অসুস্থতার মধ্যে রয়েছে জন্ডিস, আমাশয়, চোখের প্রদাহ, চর্মরোগ, জ্বর ইত্যাদি। আর এসব শীতকালীন রোগে সর্বোচ্চ আক্রান্ত ও সর্বোচ্চ মারা গেছেন ঢাকা শহরসহ ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন এলাকায়। অন্য বিভাগগুলো এ হার থেকে অনেক দূরে রয়েছে।

তাছাড়া, সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) সারাদেশে ৯৭১ জন শ্বাসতন্ত্রজনিত রোগে আক্রান্ত হয়েছেন, ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৯৮৪ জন এবং শীতজনিত অন্য রোগে ৩ হাজার ৫৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এসময় এ রোগে আক্রান্ত হয়ে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। আবার এ সব রোগে শিশুদের আক্রান্তের হারই বেশি বলেও জানা যায়।

এদিকে শীতেও দূর হয়নি ডেঙ্গুর প্রকোপ। যা বাংলাদেশে এর আগে দেখা যায়নি। এ বিষয়ে ডা. আয়শা আক্তার আরও জানান, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের ২২ দিনে সারাদেশে ১৬৮ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১৫৪ জন। তাছাড়া ঢাকার ৪১টি সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে মোট ভর্তি রোগী ১৪ জন ও অন্য বিভাগে কোনো ভর্তি রোগী নেই। তাছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে নতুন ২ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ সময়ে ডেঙ্গুজনিত কারণে কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

গত বছরের এপ্রিল থেকে দেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব শুরু হয় ডিসেম্বর পর্যন্ত চলমান ছিল। তবে গত জুলাই, আগস্ট, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে এটি মহামারি রূপ ধারণ করে। এই সময়ে সারাদেশে কয়েক লাখ মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নেন। যার মধ্যে তিন শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়। যদিও সরকারি হিসাবে এ পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় এক লাখ ১৩শ ৫৪ জন এবং মৃতের সংখ্যা ১৫৬ জন।

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)-এর তথ্য অনুসারে গতবছর ডেঙ্গু সন্দেহে ২৬৬ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ২৪৯ জনের মৃত্যুর তথ্য বিশ্লেষণ করে ১৫৬ মৃত্যু ডেঙ্গুজনিত বলে নিশ্চিত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

 
‘নোবেল করোনাভাইরাস’ এর ঝুঁকিতে বাংলাদেশ
                                  

নিউজ ডেস্ক

নতুন রোগ ‘নোবেল করোনাভাইরাস’ এর ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশ। সম্প্রতি চীনের হোবে প্রদেশের হুওয়ান শহরে শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত (নিউমোনিয়া) এ রোগটি চিহ্নিত হয়। ইতোমধ্যেই এ রোগে আক্রান্ত হয়ে দুজনের মৃত্যু ও কমপক্ষে ৪৫ জনের অসুস্থ হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা গত ১০ জানুয়ারি চীনসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জন্য নতুন এ রোগের প্রকোপ থেকে রক্ষা পেতে কী কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন সে সম্পর্কে অন্তর্বর্তীকালীন গাইডলাইন প্রণয়ন করেছে। গাইডলাইনে কীভাবে অসুস্থ ব্যক্তিদের পর্য়বেক্ষণ করতে হবে, নমুনা পরীক্ষা করা, রোগীর চিকিৎসা, স্বাস্থ্য কেন্দ্রসমূহে সংক্রমণ প্রতিরোধ, চিকিৎসাসামগ্রীর পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা ও নতুন এ ভাইরাসটি সম্পর্কে জনসচেতনতার ওপর গুরত্বারোপ করা হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ চীন থেকে সরাসরি ফ্লাইটে আসা যাত্রীদেরকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করেছে।



বাণিজ্যসহ বিভিন্ন কারণে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের নিয়মিত ফ্লাইটে যাত্রী যাতায়াত করায় নতুন ধরনের ভাইরাসজনিত এ রোগটি বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুসারে সতর্কতামূলকভাবে এখনই ‘নোবেল করোনাভাইরাস’ এর সংক্রমণরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন রোগতত্ত্ব বিশেষজ্ঞরা।

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ড. মাহমুদুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সম্প্রতি চীনের হুওয়ান শহরে দেখা দেয়া নতুন ধরনের ভাইরাসজনিত ‘নোবেল করোনাভাইরাস’ এর সংক্রমণরোধে এক্ষুনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

তিনি বলেন, চীন ও হংকং থেকে ফ্লাইটযোগে নিয়মিত যাত্রী আসা যাওয়া করায় এ রোগে সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে। তাই এখন থেকেই চীন ও হংকংয়ের ফ্লাইটে আসা যাত্রীদেরকে বিশেষ ধরনের স্বাস্থ্যকার্ড সরবরাহ করার মাধ্যমে স্ক্রিনিং করা, শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত সমস্যাসহ নতুন এ রোগের উপসর্গ রয়েছে কি না, তা যাত্রীদের কাছ থেকে জানার উদ্যোগ নিতে হবে। সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল এবং ক্লিনিকের চিকিৎসকদেরকে নতুন এ রোগটি সম্পর্কে অবহিত করতে হবে। পাশাপাশি জনগণের মাঝেও এ রোগ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করতে হবে।

স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, অধিদফতরের সংক্রমণ ব্যাধি নিয়ন্ত্রণ (সিডিসি) শাখার উদ্যোগে এ রোগটি সম্পর্কে গণমাধ্যমকে অবহিত করতে আগামীকাল সোমবার (২০ জানুয়ারি) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি ওরিয়েন্টশেন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।


এ ব্যাপারে জানতে আজ রোববার সকালে পরিচালক (সিডিসি) অধ্যাপক ড. সানিয়া তাহমিনার সঙ্গে মোবাইলে যোগোযোগের চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তিনি ক্ষুদেবার্তায় মিটিংয়ে আছেন বলে জানান।

 
ডায়াবেটিস হয় কেন?
                                  

নিউজ ডেস্ক

দেশে ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। তাই আগে থেকে সচেতন না হলে কিংবা রোগটি নিয়ন্ত্রণে না রাখতে পারলে রোগীর কিডনি, চোখ, হৃৎপিণ্ড ও পা মারাত্মকভাবে আক্রান্ত হয়। এছাড়া নানা রকম শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার কারণ ও লক্ষণগুলো জেনে নিতে হবে-

যে কারণে হয়: প্রতিটি রোগের পেছনে কতগুলো কারণ থাকে। ডায়াবেটিসও তার ব্যতিক্রম নয়। তাই জেনে নিন কারণগুলো।
১. জেনেটিক বা বংশগত কারণে ইনসুলিন তৈরি কম হলে।
২. জেনেটিক বা বংশগত কারণে ইনসুলিনের কার্যক্ষমতা কমে গেলে।
৩. নানা ধরনের সংক্রামক ব্যধির কারণে হতে পারে।
৪. অগ্ন্যাশয়ের বিভিন্ন রোগের কারণেও হয়।
৫. ওষুধ ও রাসায়নিক দ্রব্যের সংস্পর্শে এলে এ রোগ হতে পারে।
৬. অন্যান্য হরমোনের পরিমাণ বেড়ে গেলে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
৭. শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলেও হয়।



লক্ষণসমূহ: কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখলে সহজেই চিহ্নিত করা যায় ডায়াবেটিস। যত আগে ডায়াবেটিস চিহ্নিত করা যায়, ততই ভালো। কারণ তখনই নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ নিতে হবে।
১. ঘনঘন প্রস্রাব হওয়া।
২. পানি পিপাসা বেশি বেশি লাগবে।
৩. শরীরে ক্লান্তি ও দুর্বলতা অনুভূত হবে।
৪. বেশি বেশি ক্ষুধা পাবে।
৫. স্বাভাবিকভাবে খাওয়া সত্ত্বেও ওজন কমতে থাকবে।
৬. যেকোনো ধরনের ক্ষত শুকাতে স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক দেরী হবে।
৭. নানা রকম চর্মরোগ দেখা দিতে পারে।
৮. চোখে কম দেখা বা দৃষ্টিশক্তি কমে যেতে পারে।

তাই ডায়াবেটিস থেকে নিজেকে রক্ষা করার সময় এখনই। কারণ ও লক্ষণগুলোর দিকে খেয়াল রেখে প্রত্যেককেই সচেতন হতে হবে। আসুন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে সচেষ্ট হই।

 
১০০ জনে ২৬ গর্ভবতী ডায়াবেটিসে আক্রান্ত
                                  

নিউজ ডেস্ক

>> মাত্র ২৬ শতাংশ গর্ভবতী ডায়াবেটিস সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখেন
>> এক বছরের মধ্যে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হচ্ছেন ১৫ শতাংশ
>> চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে কোনো গাইডলাইন নেই

দেশে গর্ভকালীন সময়ে নারীদের মধ্যে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে। প্রতি ১০০ জন গর্ভবতী নারীর মধ্যে ২৬ জন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হচ্ছেন। শুধু তাই নয়, সন্তান প্রসবের পরবর্তী এক বছরের মধ্যে ওই গর্ভবতী নারীদের ১৫ শতাংশ টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগীতে পরিণত হওয়ার আশঙ্কাজনক তথ্য পাওয়া গেছে।



বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির (বাডাস) এক গবেষণা জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। গত বছর দেশের ৬৪ জেলার ৭ সহস্রাধিক গর্ভবতী নারীর ওপর এ গবেষণা জরিপ পরিচালিত হয়। সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে এ ধরনের ছোটখাটো জরিপ পরিচালিত হলেও দেশব্যাপী পরিচালিত এ ধরনের জরিপ এই প্রথম।

এ গবেষণা কার্যক্রমের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত বাডাসের সেন্টার ফর গ্লোবাল রিসার্চের কো-অর্ডিনেটর বিশ্বজিৎ ভৌমিক সঙ্গে আলাপকালে জানান, আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিক সমিতির (আইডিএফ) যে সাতটি অঞ্চল রয়েছে সেগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ও প্রতিবেশী দেশ ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলাতে প্রতি ১০০ জনে ২৫ জন গর্ভকালীন সময়ে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন বলে মনে করা হয়েছিল। কিন্তু গবেষণা জরিপে বাংলাদেশে ২৬ দশমিক ৪ জন পাওয়া যায়। তবে আশঙ্কার ব্যাপার হলো ১০ বছর পর এ গর্ভকালীন নারীরা টাইপ-২ ডায়াবেটিসে পরিণত হবেন। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, ১৫ শতাংশ মাত্র এক বছরের মধ্যে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হচ্ছেন।



তিনি জানান, গর্ভবতী নারীদের মধ্যে মাত্র ২৬ শতাংশের ডায়াবেটিস সম্পর্কে ভালো ধারণা রয়েছে। গর্ভবতী বিভিন্ন পেশাজীবী নারীর মধ্যে ডাক্তার, নার্স ও নিউট্রিশনিস্টদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৫২ জন ডায়াবেটিস সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখেন।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা জানান, তার স্ত্রী দ্বিতীয় সন্তানসম্ভবা। গাইনি চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পর তার ডায়াবেটিস ধরা পড়ে। প্রাথমিক গর্ভাবস্থা থাকায় চিকিৎসক তেমন কোনো ওষুধ দেননি। কিন্তু তার স্ত্রীর কখনও ডায়াবেটিস খুব বেশি আবার কখনও কমে হাইপো হয়ে যাচ্ছে। চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে তিনি আর কিছুদিন অপেক্ষা করতে ও কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা দেন। এমন অবস্থায় ভয় পাচ্ছেন, চিকিৎসক বদল করবেন কি না ভাবছেন।


বাডাসের সেন্টার ফর গ্লোবাল রিসার্চে কো-অর্ডিনেটর বিশ্বজিৎ ভৌমিকের কাছে চিকিৎসা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত নারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও এসব নারীর চিকিৎসা পদ্ধতি কি হবে সে সম্পর্কে কোনো গাইডলাইন নেই। ফলে গর্ভকালীন নারীদের সুচিকিৎসার পথে এটি একটি বাধা।

 
অতি মহামারিতে রূপ নিচ্ছে ডায়াবেটিস : আক্রান্ত ৪ কোটি!
                                  

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

রাজধানীর আজিমপুর এলাকার বাসিন্দা শাহাদাত হোসেনের বাড়ির গৃহপরিচারিকা মধ্যবয়সী আলেয়া খাতুন। কয়েকমাস আগেই গ্রাম থেকে এসে তার বাসায় কাজ নেন। সম্প্রতি তার পেটে টিউমার ধরা পড়ে। চিকিৎসকের কাছে গেলে অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেন। অস্ত্রোপচারের আগে অপারেশনের জন্য শারীরিকভাবে সুস্থ আছেন কি-না তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে গিয়ে দেখেন তিনি উচ্চ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। সারাজীবন গ্রামে কাটানো আলেয়া খাতুন স্বপ্নেও ভাবেননি তার ডায়াবেটিস হবে। হাসপাতালে ভর্তি হয়ে ডায়াবেটিস কমিয়ে তবেই অস্ত্রোপচার হয় তার। এটি কোন গল্প নয়, বাস্তব ঘটনা।

 

এক সময় ডায়াবেটিস বড় লোকের রোগ এবং রোগটি শহরের মানুষের মধ্যেই বেশি হয় এমন কথা লোক মুখে শোনা গেলেও সময়ের পরিক্রমায় ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগটিতে আক্রান্তের সংখ্যার ব্যবধান শহর-গ্রাম ও ধনী-দরিদ্রের মাঝে কমে এসেছে। শহরের মতো গ্রামের মানুষও এখন আধুনিক জীবনযাপনে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছে। এক সময় গ্রামের মানুষ নিজের জমিতে চাষ করা চাল, ডাল, পুকুর, খাল-বিলের মাছ, বাড়ির আঙিনায় কিম্বা জমিতে চাষ করা তাজা শাকসব্জি খাওয়াতে অভ্যস্ত থাকলেও আধুনিকায়নের ফলে তারাও এখন ফাস্ট ফুড কালচারে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে। এক সময় চা খেতেও গ্রামের ছোট্ট কাঁচা রাস্তা দিয়ে দু`মাইল পায়ে হেঁটে দূরের বাজারে গেলেও এখন শহরের মতো পাকা রাস্তা, অটোরিকশা, মোটরসাইকেল বা গাড়িতে যাতায়াত করেন। আধুনিকায়নের আশীর্বাদ এখন অভিশাপ হয়ে দেখা দিচ্ছে। খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন ও কায়িক পরিশ্রম হ্রাস পাওয়াসহ নানা কারণে শহর ও গ্রামে ডায়াবেটিস আক্রান্তের সংখ্যার ব্যবধান অনেক কমে এসেছে।

 

 

 

দেশে জাতীয়ভাবে ডায়াবেটিসে আক্রান্তের কোনো পরিসংখ্যান নেই। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে ছোটখাট গবেষণা জরিপ ও অনুমিত পরিসংখ্যান অনুসারে শতকরা ১০ থেকে ১৫ শতাংশ মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত বলা হতো।

 

বাংলাদেশ ডায়াবেটিস সমিতি (বাডাস) গত বছর বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস উপলক্ষে নভেম্বর মাস জুড়ে দেশের প্রতিটি উপজেলাসহ সর্বমোট ৮০০ স্পটে মোট ১ লাখ লোকের (যাদের ডায়াবেটিস নেই) ডায়াবেটিস পরীক্ষা করে। গবেষণায় দেখা গেছে প্রতি ৪ জন মানুষের মধ্যে ১ জন (অর্থাৎ ২৫ শতাংশ) ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। দেশের মোট জনসংখ্যার হিসেবে দেশে ডায়াবেটিসে আক্রান্তের মোট সংখ্যা ৪ কোটিরও বেশি।

 

গবেষণা সূত্রে জানা যায়, দেশের বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক আক্রান্ত চট্টগ্রামে ও সর্বনিম্ন সিলেটে। যে ১ লাখ মানুষের ডায়াবেটিস পরীক্ষা করা হয়েছে তাদের মধ্যে শতকরা ৭০ জন এ রোগটি সম্পর্কে জানেন। কিন্তু খুব ভালোভাবে জানেন মাত্র ৩৯ শতাংশ মানুষ। যাদের ওজন বেশি ও কায়িক পরিশ্রম কম করেন এবং যাদের পরিবারে ডায়াবেটিস রোগি রয়েছে তাদের মধ্যে ডায়াবেটিসে আক্রান্তের হার বেশি।

 

১৪ নভেম্বর বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস। এ বছর দিবসের প্রতিপাদ্য ‘আসুন পরিবারকে ডায়াবেটিসমুক্ত রাখি। এর প্রাক্কালে আজ বুধবার রাজধানীর বারডেম হাসপাতাল মিলনায়তনে বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির (বাডাস) উদ্যোগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাডাস সভাপতি অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খান বলেন, ডায়াবেটিস অতিমহামারি আকার ধারণ করছে। এক সময় এ রোগটি অপ্রতিরোধ্য বলা হলেও বর্তমানে চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রভূত উন্নতি হওয়ায় এটি প্রতিরোধযোগ্য।

 

 

এ রোগ প্রতিরোধের জন্য ইচ্ছাশক্তিই যথেষ্ট মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, ডায়াবেটিস হলে নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন ও কায়িক পরিশ্রমের পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলে সুস্থ থাকা সম্ভব। কিন্তু অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন প্রাণহানির কারন হতে পারে। এ কারণে অতি মহামারি রোগটি প্রতিরোধে সরকারি ও বেসরকারি উভয় পর্যায়ে দেশব্যাপী ব্যাপক গণসচেতনতা গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি বলে তিনি মন্তব্য করেন।

 
স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় ১৫ জেলায় দেড় সহস্রাধিক মেডিকেল টিম
                                  

স্বাস্থ্য ডেস্ক

প্রবল শক্তি নিয়ে ধেয়ে আসা ঘূর্ণিঝড় বুলবুল এর প্রভাবে সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় ১৫ জেলায় দেড় সহস্রাধিক মেডিকেল টিম প্রস্তুত রেখেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

মেডিকেল অফিসার/সহকারী সার্জন, সিনিয়র স্টাফ নার্স মিডওয়াইফ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার, স্বাস্থ্য সহকারী কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার ও অন্যান্য কর্মচারীদের সমন্বয়ে প্রতিটি মেডিকেল টিম গঠিত হয়েছে।

চাহিদা অনুসারে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোতে ওষুধসহ বিভিন্ন চিকিৎসা সামগ্রী পাঠানোর জন্য সেন্ট্রাল মেডিকেল স্টোর ডিপোর্ট (সিএমএসডি)-তে পর্যাপ্ত ওষুধ মজুত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত ঊর্ধ্বতন স্বাস্থ্য কর্মকর্তাসহ অন্যান্যদের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করে প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র পাঠানো হবে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার অ্যান্ড কন্ট্রোল রুমের সহকারী পরিচালক ডা. আয়শা আক্তার সকাল সাড়ে ১১টায় এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্য অনুসারে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল যে ১৫টি জেলায় আঘাত হানতে পারে সেগুলো হলো : ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর ও কক্সবাজার। এসব জেলাতে মোট ৪ হাজার ৫১৬টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। দুর্গত এলাকায় স্বাস্থ্য বিভাগের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।


স্বাস্থ্য অধিদফতরের কন্ট্রোল রুমের সাথে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং উপদ্রুত এলাকার কন্ট্রোল রুমের সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

 
প্রাপ্তবয়স্কদের ১৭ শতাংশ মানসিক রোগে ভুগছে
                                  

 

স্বাস্থ্য ডেস্ক

 

দেশের প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যার মধ্যে প্রায় ১৭ শতাংশ ও শিশুদের ১৪ শতাংশ মানসিক রোগে আক্রান্ত। প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে প্রায় ৭ শতাংশ মানসিক অবসাদজনিত (ডিপ্রেশন) এবং শিশুদের মধ্যে ৫ দশমিক ৯ ভাগ স্নায়ুবিকাশজনিত মানসিক সমস্যায় ভুগছে।

 

বৃহস্পতিবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটের কনভেনশন হলে আয়োজিত জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য জরিপের (২০১৮-১৯) ফলাফল উপস্থাপন অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয়। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক প্রধান অতিথি ছিলেন।

 

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদফতরের নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোল বিভাগ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহায়তায় জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুনে এ জরিপ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।জরিপ করা হয় প্রাপ্তবয়স্ক ৭ হাজার ২৭০ জন ও ২ হাজার ২৪৬ জনের ওপর।

 

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হেলালউদ্দিন আহমেদ জানান, প্রাপ্তবয়স্ক ১৬ দশমিক ৮ শতাংশ মানসিক রোগীদের মধ্যে ৯২ শতাংশ কোনো প্রকার চিকিৎসক গ্রহণ করে না। অপরদিকে ১৩ দশমিক ৬ ভাগ শিশু রোগীদের মধ্যে ৯৪ শতাংশই কোনো প্রকার চিকিৎসা গ্রহণ করে না।

 

তবে আশার খবর হলো, মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে যে ৮ শতাংশ চিকিৎসা গ্রহণ করেন তাদের ৮০ শতাংশ রোগী বিজ্ঞানভিত্তিক চিকিৎসা অর্থাৎ প্রশিক্ষিত চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা গ্রহণ করেন।

 

এর আগে সর্বশেষ ২০০৫ সালে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য জরিপ হয়েছিল।

 

   Page 1 of 9
     লাইফস্টাইল
ইফতারে খেজুর খাওয়ার উপকারিতা
.............................................................................................
গরমে তরমুজ খেলে ৫ উপকার
.............................................................................................
স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন যেভাবে
.............................................................................................
করোনা থেকে বাঁচতে হলে বদলাতে হবে এই ৯ অভ্যাস
.............................................................................................
আমড়ার যতগুণ
.............................................................................................
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে পেয়ারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে
.............................................................................................
শিশুর শ্বাসনালিতে কিছু আটকে গেলে তাৎক্ষনিক যা করবেন
.............................................................................................
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে তেজপাতা
.............................................................................................
করোনাভাইরাস : সাড়ে ৬ কোটি মানুষ মরবে, সতর্ক করেছিলেন বিজ্ঞানীরা
.............................................................................................
৫৭ জনের মৃত্যু শীতকালীন রোগে
.............................................................................................
‘নোবেল করোনাভাইরাস’ এর ঝুঁকিতে বাংলাদেশ
.............................................................................................
ডায়াবেটিস হয় কেন?
.............................................................................................
১০০ জনে ২৬ গর্ভবতী ডায়াবেটিসে আক্রান্ত
.............................................................................................
অতি মহামারিতে রূপ নিচ্ছে ডায়াবেটিস : আক্রান্ত ৪ কোটি!
.............................................................................................
স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় ১৫ জেলায় দেড় সহস্রাধিক মেডিকেল টিম
.............................................................................................
প্রাপ্তবয়স্কদের ১৭ শতাংশ মানসিক রোগে ভুগছে
.............................................................................................
ডেন্টালের ভর্তি পরীক্ষার মেধা তালিকায় দুই-তৃতীয়াংশই মেয়ে
.............................................................................................
স্তন ক্যানসার রোধে যা খাবেন
.............................................................................................
হার্ট সতেজ রাখতে খাদ্যাভ্যাসে আনুন পাঁচ পরিবর্তন
.............................................................................................
গেঁটে বাত কেন হয়
.............................................................................................
ছড়াচ্ছে অ্যানথ্রাক্স, যেসব বিষয় জেনে রাখা জরুরি
.............................................................................................
স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঈদের ছুটি বাতিল
.............................................................................................
পাইলস বা অর্শ চিকিৎসায় হোমিও প্রতিবিধান
.............................................................................................
ডেঙ্গু টেস্টের মূল্য ৫০০ টাকা নির্ধারণ করলো স্বাস্থ্য অধিদফতর
.............................................................................................
মেরুদণ্ডের ক্ষতি হয় যেসব কারণে
.............................................................................................
রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়ে যেসব কারণে
.............................................................................................
শিশুর ডেঙ্গু হলে
.............................................................................................
গাঁটের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে...
.............................................................................................
ডেঙ্গু রোগের যেসব লক্ষণ দেখা যায়
.............................................................................................
হেপাটাইটিস থেকে রক্ষা পেতে ৭ পরামর্শ
.............................................................................................
কিডনির ভীতিকর সাত রোগ
.............................................................................................
ভিসির পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল বিএসএমএমইউ
.............................................................................................
হঠাৎ প্রেসার কমে গেলে করণীয়
.............................................................................................
বিশ্ব হোমিওপ্যাথি দিবস আজ
.............................................................................................
ক্যান্সার ও ডায়াবেটিস প্রতিরোধে বেগুন
.............................................................................................
ডিম কীভাবে খাওয়া ভালো?
.............................................................................................
কিডনি রোগের লক্ষণ ও ভালো রাখার উপায়
.............................................................................................
ডায়ালাইসিসের ব্যয় যোগাতে না পেরে মারা যাচ্ছেন ৯০ শতাংশ রোগী
.............................................................................................
দ্রুত কলেরা রোগনির্ণয় পদ্ধতির উদ্ভাবন
.............................................................................................
আড়াই কোটি শিশু খাবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল
.............................................................................................
ক্যান্সারের ১১ লক্ষণ এড়িয়ে যাবেন না
.............................................................................................
ছেলে শিশু বেশি জন্মায় কেন?
.............................................................................................
শীতে শ্যাম্পু করার ভয়? নিজেই তৈরি করুন ড্রাই শ্যাম্পু
.............................................................................................
ঠান্ডাজনিত সমস্যা দূর করে যেসব পানীয়
.............................................................................................
জলপাই কেন খাবেন?
.............................................................................................
যে কারণে রোগীরা মিথ্যা কথা বলেন
.............................................................................................
দাঁতের ব্যথার ঘরোয়া সমাধান
.............................................................................................
টুথপেস্ট দিয়ে রূপচর্চা করবেন যেভাবে
.............................................................................................
শীতেও চুল সুন্দর রাখার ৫ উপায়
.............................................................................................
জেনে নিন কটন বাড ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD