| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * বাংলা নববর্ষে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর শুভেচ্ছা   * নববর্ষ উপলক্ষে ই-পোস্টার প্রকাশ   * সিরাজগঞ্জের বিপণি-বিতানে স্বাস্থ্যবিধি মানছে না কেউ   * শেয়ারবাজারও খোলা : লেনদেন ১০টা থেকে সাড়ে ১২টা   * খোলা থাকবে ব্যাংক, লেনদেন সাড়ে ৯টা থেকে দেড়টা   * চাঁদ দেখা গেছে, কাল থেকে রোজা   * করোনায় প্রাণ গেল আরও ৬৯ জনের, শনাক্ত ৬০২৮   * মুভ‌মেন্ট পাস পেতে এক ঘণ্টায় সোয়া লাখ আবেদন   * কোরআনের ২৬টি আয়াত বাতিল রিট খারিজ   * হেফাজতের পদ ছাড়লেন আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ হাসান  

   লাইফস্টাইল -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
কারোনাকালে যেসব ফল বেশি খাবেন

লাইফস্টাইল ডেস্ক : শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন সি এর বিকল্প নেই। একমাত্র শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ন্ত থাকলেই এ সময় কোভিড-১৯ এ আক্রান্তরা বেঁচে ফিরতে পারবে। সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় জানা গেছে, কোভিড-১৯ এর চিকিৎসায় ভিটামিন সি এর ভূমিকা অনেক।

ওটাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষক দাবি করেছেন, ভিটামিন সি গুরুতর করোনাভাইরাস রোগীদের চিকিত্সায়ও সহায়তা করতে পারে। গবেষণাটি নিউট্রিয়েন্টস জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের বেশ কিছু গবেষণা অনুসারে, ভিটামিন সি বিভিন্ন কঠিন রোগ যেমন- নিউমোনিয়া এবং সেপসিসের মতো শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত অসুস্থতা প্রতিরোধ এবং চিকিত্সায় কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিটামিন সি তে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি, অ্যান্টি-থ্রোমোটিক এবং ইমিউনো-মডুলেটরি থাকায় মারাত্মক শ্বাস-প্রশ্বাসের সংক্রমণের সমস্যা থেকেও রক্ষা পাওয়া যায়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং নিউমোনিয়া থেকে দ্রুত পুনরুদ্ধারের জন্য ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পরমর্শ দেন চিকিৎসকরা।

ভারতীয় পুষ্টিবিদ রূপালী দত্তের মতে, ‘ভিটামিন সি এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটি হলো এটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। যা কোভিড-১৯ এর সময়ে অত্যন্ত উপকারী হতে পারে।’

এজন্য এ সময় আপনার ডায়েটে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার রাখা অতীব জরুরি। মনে রাখবেন, ভিটামিন সি নির্দিষ্ট অনুপাতে প্রতিদিন গ্রহণ করতে হয়। কারণ একদিনে আপনি যত বেশিই ভিটামিন সি গ্রহণ করুন না কেন তা কিন্তু শরীরে থাকে না। এজন্য প্রতিদিনই ভিটামিন সি গ্রহণ করতে হবে। জেনে নিন এ সময় কোন কোন ফলগুলো বেশি করে খাবেন-

>> বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, প্রতিদিন একটি করে লেবু বা কমলা খেলে আপনার প্রতিদিনের ভিটামিন সি েএর চাহিদা পূরণ হবে।

>> টমেটো এ সময় বাজারে সহজলভ্য। সালাদ বা তরকারিতে টমেটো প্রায় সময়ই খেয়ে থাকেন। এতেও পর্যাপ্ত ভিটামিন সি আছে। নিয়মিত টমেটো খাবারে রাখতে পারেন।

>> সব খাবারের সঙ্গেই আমরা কমবেশি মরিচ খেয়ে থাকি। এ সময় বেল পেপার খেতে পারেন। এতে প্রচুর ভিটামিন সি আছে।

>> পেয়ারা বাজারে সহজলভ্য। পর্যাপ্ত ভিটামিন সি থাতে পেয়ারায়। প্রতিদিন মাঝারি আকৃতির একটি করে পেয়ারা খেতে পারেন এ সময়।

>> একটি পেয়ারার চেয়েও ৭০ গুণ বেশি ভিটামিন সি থাকে আমলকি। ছোট্ট হলেও এর উপকারিতা অনেক। এ সময় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে নিয়মিত আমলকি খেতে পারেন।

সূত্র: এনডিটিভি

কারোনাকালে যেসব ফল বেশি খাবেন
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন সি এর বিকল্প নেই। একমাত্র শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ন্ত থাকলেই এ সময় কোভিড-১৯ এ আক্রান্তরা বেঁচে ফিরতে পারবে। সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় জানা গেছে, কোভিড-১৯ এর চিকিৎসায় ভিটামিন সি এর ভূমিকা অনেক।

ওটাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষক দাবি করেছেন, ভিটামিন সি গুরুতর করোনাভাইরাস রোগীদের চিকিত্সায়ও সহায়তা করতে পারে। গবেষণাটি নিউট্রিয়েন্টস জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের বেশ কিছু গবেষণা অনুসারে, ভিটামিন সি বিভিন্ন কঠিন রোগ যেমন- নিউমোনিয়া এবং সেপসিসের মতো শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত অসুস্থতা প্রতিরোধ এবং চিকিত্সায় কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিটামিন সি তে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি, অ্যান্টি-থ্রোমোটিক এবং ইমিউনো-মডুলেটরি থাকায় মারাত্মক শ্বাস-প্রশ্বাসের সংক্রমণের সমস্যা থেকেও রক্ষা পাওয়া যায়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং নিউমোনিয়া থেকে দ্রুত পুনরুদ্ধারের জন্য ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পরমর্শ দেন চিকিৎসকরা।

ভারতীয় পুষ্টিবিদ রূপালী দত্তের মতে, ‘ভিটামিন সি এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটি হলো এটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। যা কোভিড-১৯ এর সময়ে অত্যন্ত উপকারী হতে পারে।’

এজন্য এ সময় আপনার ডায়েটে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার রাখা অতীব জরুরি। মনে রাখবেন, ভিটামিন সি নির্দিষ্ট অনুপাতে প্রতিদিন গ্রহণ করতে হয়। কারণ একদিনে আপনি যত বেশিই ভিটামিন সি গ্রহণ করুন না কেন তা কিন্তু শরীরে থাকে না। এজন্য প্রতিদিনই ভিটামিন সি গ্রহণ করতে হবে। জেনে নিন এ সময় কোন কোন ফলগুলো বেশি করে খাবেন-

>> বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, প্রতিদিন একটি করে লেবু বা কমলা খেলে আপনার প্রতিদিনের ভিটামিন সি েএর চাহিদা পূরণ হবে।

>> টমেটো এ সময় বাজারে সহজলভ্য। সালাদ বা তরকারিতে টমেটো প্রায় সময়ই খেয়ে থাকেন। এতেও পর্যাপ্ত ভিটামিন সি আছে। নিয়মিত টমেটো খাবারে রাখতে পারেন।

>> সব খাবারের সঙ্গেই আমরা কমবেশি মরিচ খেয়ে থাকি। এ সময় বেল পেপার খেতে পারেন। এতে প্রচুর ভিটামিন সি আছে।

>> পেয়ারা বাজারে সহজলভ্য। পর্যাপ্ত ভিটামিন সি থাতে পেয়ারায়। প্রতিদিন মাঝারি আকৃতির একটি করে পেয়ারা খেতে পারেন এ সময়।

>> একটি পেয়ারার চেয়েও ৭০ গুণ বেশি ভিটামিন সি থাকে আমলকি। ছোট্ট হলেও এর উপকারিতা অনেক। এ সময় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে নিয়মিত আমলকি খেতে পারেন।

সূত্র: এনডিটিভি

শিশুর কাশি কমানোর ৫ উপায়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : গরমের এ সময় শিশুরা সর্দি-কাশিসহ নানা রোগে ভুগে থাকে! সর্দি-কাশি একবার শুরু হলে সহজে সারতে চায় না। তার উপর গরমে ফ্যানের বাতাস বা এসিতে থাকার কারণে শিশুর সর্দি-কাশিতে নিউমোনিয়া পর্যন্ত হতে পারে।

সর্দির সমস্যা ওষুধ খাওয়ার পর সেরে গেলেও খুশখুশে কাশি সহজে কমতে চায় না। এজন্য শিশুরা বেশ ভুগে থাকে ও কষ্ট পায়। ক্রমাগত কাশি হওয়ার বিষয়টিও খুবই চিন্তার। এর ফলে গলায় সমস্যা হতে পারে, অতিরিক্ত কাশির হলে বাচ্চার রাতে ঘুমের সমস্যা হতে পারে।

শুধু ঠান্ডা লাগলেই শিশুর কাশির সমস্যা হয় না। আরও বেশ কয়েকটি কারণে শিশুর কাশি হতে পারে। যেমন- অ্যাসিড রিফ্লাক্সের একটি লক্ষণ হলো কাশি। কাশি চলাকালীন শ্বাসের সমস্যা, বিশেষত রাতে কাশির অবস্থার অবনতি হওয়া হাঁপানির অন্যতম লক্ষণ। এ ছাড়াও সাইনাস বা অ্যালার্জির কারণেও কাশি হতে পারে।

যদিও কাশির সারানোর জন্য অনেক ওষুধই আছে; তারপরও ঘরোয়া উপায়ে শিশুর কাশি সারানোর উপায়গুলো পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়াহীন। জেনে নিন শিশুর কাশি হলে কী করবেন-

>> শিশুর কাশি সারানোর ঘরোয়া উপায় হলো গরম পানিতে গার্গল করানো। এতে কাশি ও গলা ব্যথা থেকে মুক্তি মিলবে সহজেই। এক গ্লাস গরম পানিতে সামান্য লবণ মিশিয়ে দিনে ৩ বার গার্গল করা খুব উপকারি।

>> সর্দি-কাশি থেকে মুক্তি পাওয়ার এক দুর্দান্ত উপাদান হলো আদা। শিশুকে এক টুকরো আদার সঙ্গে মধু মিশিয়ে খাওয়াতে পারেন।

>> কাশির সমস্যা হলে শিশুকে বারবার গরম স্যুপ খাওয়ান। এতে শিশুর কাশি এবং গলা ব্যথা দু`টোই কমবে।

>> মিছরি খাওয়াতে পারেন শিশুকে। মিছরি গলার আর্দ্রতা বজায় রাখে; ফলে গলার খুশখুশেভাব কমে।

>> মধুতে অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্য আছে। যা সর্দি-কাশির সঙ্গে লড়াই করতে সাহায্য করে। গরম পানিতে এক চামচ মধু ও সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে শিশুকে খাওয়ান। তবে এক বছরের কম বয়সী বাচ্চাদের মধু দেবেন না।

>> শিশুর কাশি সারাতে আপনি হলুদ দুধ ব্যবহার করতে পারেন। এক গ্লাস গরম দুধে আধা চা চামচ হলুদ মিশিয়ে শিশুকে খাওয়ালে কাশি থেকে স্বস্তি মিলবে।

সূত্র: বোল্ডস্কাই

এই সময়ে ঘামাচি থেকে মুক্তির ঘরোয়া উপায়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : গরমে শরীর থেকে অতিরিক্ত ঘাম বের হওয়া স্বাভাবিক। ঘামে শরীরের দূষিত পদার্থও থাকে। তাই ঘামে মিশে থাকা লবণের কারণে লোমকূপের মুখ বন্ধ হয়ে সেই অংশ দিয়ে ঘাম বের হতে পারে না।

আর তখনই ওই স্থানগুলো ফুলে ওঠে। বিভিন্ন চর্মরোগ যেমন ঘামাচি, র‌্যাশ, চুলকানির সৃষ্টি হয়। গরমে সবচেয়ে বেশি যে সমস্যায় সবাই ভুগে থাকেন, সেটি হলো ঘামাচি। ছোট-বড় সবাই এ সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকেন।

ঘামাচি কতটা বিরক্তিকর তা সবারই জানা আছে। তবে এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। কিছু নিয়ম মেনে চললে ঘামাচি হবে না। তাই ঘামাচি হওয়ার আগে এখন থেকেই এসব বিষয় মেনে চলুন।

> ঘাম হলেই কিছুক্ষণ পরপর শরীর মুছে ফেলুন। তবে ঘাম মোছার সময় অতিরিক্ত চাপ দিয়ে মুছবেন না। পরিষ্কার কাপড় দিয়ে ঘাম মুছবেন।

> দিনে অন্তত দুইবার গোসল করুন। ক্ষারযু্ক্ত সাবান ব্যবহার করবেন না। ঘামাচি হলে শরীর বেশি ঘঁষবেন না।

> গোসলের পানিতে অ্যান্টিসেপ্টিক ব্যবহার করুন। এ ছাড়াও পানিতে লেবুর রস, নিম পাতার রস মিশিয়ে নিতে পারেন। এতে ত্বকে জীবাণু বাসা বাঁধতে পারবে না।

> গরমে হালকা রঙের পোশাক পরুন। এতে গরম কম লাগবে। খোলামেলা পোশাক পরুন এবং টাইট পোশাক এড়িয়ে চলুন।

> ঘামাচি হলে একদম চুলকাবেন না। অ্যালোভেরার রস, নিম পাতার রস, পাতি লেবুর রস পানিতে মিশিয়ে ঘামাচির স্থানে ব্যবহার করুন।

> ঘামাচি হলেই অনেকে ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করেন। এতে লোমকূপের মুখ বন্ধ হয়ে যায়।

> গরমে যেহেতু বেশি ঘাম হয়ে থাকে; তাই এ সময় প্রচুর পানি পান করতে হবে।

> বিভিন্ন ফলের রস ও শাক-সবজি খাবারের তালিকায় রাখুন। তাহলে সব ধরনের চর্মরোগ থেকেই ত্বক বাঁচবে।

সূত্র: জিনিউজ

এই গরমে চাই আরামের পোশাক
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : গরমে আরামদায়ক পোশাক না পরলে অস্বস্তি বাড়তে থাকে। গরমে কেমন ডিজাইন ও মেটেরিয়ালের পোশাক পরা উচিত, তা জানেন না অনেকেই। অবশ্যই গরমে সুতি কাপড় পরার বিকল্প নেই।

তবে ডিজাইনটা কেমন হবে? পোশাকের কারুকার্যই বা কোন ধাঁচের হবে? গরমে চিকনকারি পোশাকের জুড়ি মেলা ভার। ভারতের লাখনউয়ের একটি ঐতিহ্যবাহী অ্যাম্ব্রোয়েডারি করা পোশাককে চিকনকারি বলা হয়।

আসলে চিকন শব্দের অর্থ হলো অ্যাম্ব্রোয়েডারি। প্রথমে শুধু সাদা কাপড়ের উপরই চিকেন কারি করা হতো। তবে এখন শুধু সাদা পোশাকের উপরেই সাদা সুতোর কাজে সীমিত নেই চিকনকারি।

এমনকি শুধুই সুতির পোশাকের উপর চিকনের কাজ করা হয় তাই নয়। সিন্থেটিকসহ অন্য়ান্য কাপড়ের উপরেও এই চিকনকারি করা হয়।

যেহেতু সাদা পোশাকের উপর সাদা রঙের সুতো দিয়েই চিকনের কাজ করা হয়; তাই গরমে এ ধরনের পোশাক একদম উপযুক্ত। চিকনের কাজ করা কুর্তি বা লং শার্ট পরলে একটু ঢিলেঢালা পরাই ভালো।

কুর্তি বা কামিজে যদি চিকনের কাজ করা থাকে, দেখতে খুবই ভাল লাগে। যদি আপনি সাদা না পরতে চান; তাহলে হালকা যেকোনো রংও বেছে নিতে পারেন। এ গরমে তা খুবই উপযুক্ত। কুর্তির পাশাপাশি নানা ডিজাইনের কামিজও পরতে পারেন।

গরমে যারা শাড়ি পরতে চান; তারাও কিন্তু চিকেনকারির শাড়ি পরতে পারেন। যেহেতু চিকেনকারি সাধারণত একই রঙের কাপড়ের উপর সুতার কাজ থাকে, তাই এমনটি হলে ব্লাউজের ক্ষেত্রে অবশ্যই একটু ভিন্নতা আনুন। তাহলে দেখতে সুন্দর লাগবে।

গরমে টপস পরতে সব নারীরাই পছন্দ করেন। টপস খুবই আরামদায়ক পোশাকের মধ্যে অন্যতম। এ স্টাইলটা একটু ফিউশন করে নেওয়া যায় নিজের মতোই। চিকনের কাজ করা টপ পরতে পারেন, শটস কিংবা জিন্সের সঙ্গে। এক্ষেত্রে হালকা রঙের পোশাক নির্বাচন করুন।

ভয়াবহ সব রোগ থেকে মুক্তি দেবে পেঁপের বীজ!
                                  

পেঁপে খাওয়ার পর সাধারণত বীজ ফেলে দেয়া হয়। অধিকাংশ মানুষই হয়তো জানি না পেঁপের ছোট কালো বীজ ভোজ্য। কালো বর্ণের এই বীজ উজ্জ্বল, ভেজা এবং এর বাইরে পাতলা স্তর রয়েছে। পেঁপের বীজ খাওয়ার ফলে অনেক রোগ নিরাময় হয়। স্বাস্থ্য এবং ত্বকের সমস্যা প্রতিরোধে পেঁপের বীজের বিকল্প কিছু হয়না। এতে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি রয়েছে। এবার তাহলে পেঁপের বীজের উপকারিতা জেনে নেয়া যাক-

অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল সমৃদ্ধ : অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল সমৃদ্ধ হওয়ায় সীমিত পরিমাণে যদি গ্রহণ করা হয় তাহলে স্ট্যাফিলোকক্কাস, সালমোনেলা টাইফ, সিউডোমোনাস অ্যারুগিনোসার মতো ব্যাকটেরিয়া এড়ানো সম্ভব।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ : ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে পেঁপে খুবই উপকারী। সেই সঙ্গে পেঁপের বীজও অনেক উপকারী। ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ায় হজমে শক্তি হ্রাস করে রক্তে চিনি শোষণ খুব অল্প পরিমাণে করে।

ত্বকের জন্য কার্যকর : ত্বকের সমস্যায় পেঁপের বীজ খুবই উপকারী। অ্যান্টি-এজিং বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন হওয়ায় এটি ত্বকের জন্য অনেক উপকারি। চিবিয়ে খাওয়ায় ত্বকে বয়সের ছাপ এবং সূক্ষ্ম রেখা বৃদ্ধিতে বাধা প্রদান করে।

হার্ট সুস্থ রাখে : হার্টজনিত যেকোনো সমস্যায় পেঁপের বীজ উপকারী। এর সঙ্গে প্যানাসিয়া হৃদপিণ্ডের সম্পর্কিত রোগ নিরাময়ে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এছাড়াও হৃদয়কে সুরক্ষা করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ায় শরীরকে ফ্রি র‌্যাডিওক্যালজনিত ক্ষতি থেকে দূরে রাখে। এছাড়াও নিয়মিত খাওয়ার ফলে রক্তচাপ ও কোলেস্টেরলের স্তর নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

ক্যানসার সমস্যা : মূল থেকে ক্যানসার পরিপূর্ণভাবে ঠিক করা সম্ভব না হলেও পেঁপের বীজ খাওয়ার ফলে শরীরকে ক্যানসার থেকে রক্ষা করে। নিয়মিত পেঁপের বীজ খাওয়ার ফলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের সহায়তায় রোগকে ছড়িয়ে পড়তে বাধা প্রদান করে। এছাড়াও বীজে থাকা বিভিন্ন উপাদান আইসোথিয়োকানেট ক্যানসার কোষ গঠন এবং বিকাশ থেকে সুরক্ষা করতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

সূত্র : ফার্মেসি ও হেলথ লাইন

টমেটো খেলে কী হয়?
                                  

শীতকালীন সবজি হিসেবে পরিচিত টমেটো। তবে সারা বছরই পাওয়া যায়। অনেকেরই পছন্দের তালিকায় থাকে ভিটামিন `এ` ও `সি` সমৃদ্ধ এ সবজি টমেটো।

এই সবজিতে আছে ভিটামিন এ, কে, বি১, বি৩, বি৫, বি৬, বি৭ ও ভিটামিন সিসহ উপকারী সব উপাদান। এতে আরও আছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্রোমিয়াম, ফোলেট, আয়রন, ফসফরাস, কোলিন ও কপার। এসব উপাদান আমাদের শরীর ভেতর থেকে সুস্থ রাখে।

খাদ্যতালিকায় টমেটো কেন রাখবেন জেনে নিন-

* মেটাবলিজম বাড়ায়: মেটাবলিজম বাড়াতে সাহায্য করে টমেটো। এই সবজিতে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট লাইকোপেন। এটি শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। পাশাপাশি বাড়ায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। লাইকোপেন মেটাবলিজম নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। যে কারণে নিয়মিত টমেটো খেলে শরীরের বাড়তি মেদ ঝরে দ্রুত।

* রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে: উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভুগলে নিয়মিত টমেটো খাওয়া উচিত। কারণ এতে থাকা পটাশিয়াম শরীরে রক্তচাপের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। টমেটোতে আরও আছে প্রচুর খনিজ পদার্থ। তাই নিয়মিত টমেটো খেলে ত্বক ভেতর থেকে উজ্জ্বল হয়ে উঠবে দ্রুতই। ত্বক ভালো রাখতে বাহ্যিক রূপচর্চার চেয়েও ভেতর থেকে যত্ন নেয়া বেশি জরুরি।

* ওজন কমায়: বাড়তি ওজন মানে বাড়তি দুশ্চিন্তা। কারণ অতিরিক্ত ওজন আরও অনেক অসুখের কারণ হতে পারে। যারা ওজন কমাতে চাইছেন কিংবা নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইছেন তাদের জন্য উপকারী খাবার হতে পারে টমেটো। নিয়মিত টমেটোর রস পান করলে দ্রুত ‍ওজন কমানো সম্ভব। প্রতিদিন চেষ্টা করুন একগ্লাস টমেটোর রস পান করতে।

* দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়: বর্তমানে একটি পরিচিত সমস্যা হলো দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া। আপনি যদি নিয়মিত পাতে টমেটো রাখেন তবে এই সমস্যা থেকে অনেকটাই মুক্তি পাওয়া সম্ভব। এতে আছে বিটা-ক্যারোটিন ও লাইকোপেন যা আমাদের দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও সাহায্য করে টমেটো।

* কম ক্যালরি: টমেটোতে ক্যালরির পরিমাণ বেশ কম। এতে প্রায় ৯৪ শতাংশ পানি থাকে। প্রতি একশো গ্রাম টমেটোতে ১৭ গ্রাম ক্যালরি থাকে। তাই প্রতিদিন টমেটো খেলেও বাড়তি ক্যালরি জমা হওয়ার ভয় নেই।

২০ মিনিটে তৈরি করুন পাকা কলার শাহি হালুয়া
                                  

ছোলার ডাল, সুজির হালুয়া বা দুধ-নারকেলের সুস্বাদু হালুয়া সাধারণত আমরা খেয়ে থাকি। কিন্তু কখনও কি পাকা কলার হালুয়া খেয়েছেন! পাকা কলা প্রায় সবার হাতের কাছে পাওয়া যায়। সকালের নাস্তা বা সন্ধ্যায় হালকা খাবারে পাকা কলার হালুয়া কিন্তু তৈরি করা যেতে পারে। খুব সহজে চটজলদি পাকা কলার শাহি হালুয়া তৈরির উপায় জেনে নেয়া যাক-

উপকরণ : পাকা কলা ৩টি, ১/৪ কাপ চিনি, ২ টেবিল চামচ ঘি, ৩ টেবিল চামচ কাজু বাদাম, ১/৪ চা চামচ এলাচের গুঁড়ো।

এসব অভ্যাস থাকলে মেয়েরা আপনার কাছ থেকে ১০০ হাত দূরে থাকবে
অনিন্দ্য আকর্ষণীয় পদ্মিনী নারীকে যেভাবে চিনবেন
সন্তান ভুল সম্পর্কে জড়িয়ে পড়লে অভিভাবকের যা করণীয়

প্রণালি : প্রথমে পাকা কলা খোসা ছাড়িয়ে ব্লেন্ড করে পেস্ট করুন। এবার প্যানে এক চা চামচ ঘি গরম করে নিন। ঘি গরম হলে তেলের মতো হয়ে যাবে, তাতে কাজু বাদাম আধ ভাঙা করে ভেজে নিন। অন্য একটি প্যানে ঘি গরম করার পর ব্লেন্ড করা কলার পেস্ট দিয়ে দিন তাতে। কলার পেস্ট হালকা ভাজা ভাজা হওয়ার পর তাতে চিনি মিশিয়ে নিন। এখন অল্প অল্প করে ঘিসহ সকল উপকরণ ঢেলে দিয়ে ৮-১০ মিনিট রাখুন। তবে সাবধান, হালকা তাপে এসব ভাজার সময় একটু পর পর নেড়ে নিতে হবে। যেন তা পুড়ে না যায়। চুলা থেকে নামিয়ে একটি প্লেটে ভালো করে ঘি মেখে তাতে পাকা কলার হালুয়া রাখুন। ঠাণ্ডা হওয়ার পর চাকু দিয়ে পছন্দসই কেটে টুকরো টুকরো করে পরিবেশন করুন সুস্বাদু পাকা কলার হালুয়া।

ত্বকের হারিয়ে যাওয়া উজ্জ্বলতা ফিরে পাওয়ার উপায়
                                  

প্রতিটি মেয়েরই স্বপ্ন থাকে উজ্জ্বল, দাগহীন, কোমল ও মসৃণ ত্বক। জীবনের একটা অংশজুড়ে শুধুই এই স্বপ্ন পূরণে পরিচর্যা করা হয় ত্বকের। তারপরও কোথাও না কোথাও একটু তো সমস্যা থাকেই। কেবল মেয়েরাই নয়, আজকাল ছেলেরাও ত্বকের সৌন্দর্য নিয়ে বেশ সচেতন। ছেলে-মেয়ে উভয়েই ধুলাবালি, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, অস্বাস্থ্যকর খাবার ও অন্যান্য বিষয়ে বেশ সচেতন। আবার কেমিক্যাল জাতীয় পণ্য ব্যবহারে ত্বকেরও ক্ষতি হচ্ছে। সকলেই বিশেষ করে ত্বকের মলিনতা নিয়ে বেশি ভুগে থাকেন। জীবনযাপন ঠিক করার পাশাপাশি একটু নিয়ম-নীতি মেনে চললেই ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরে পাওয়া সম্ভব। এবার তাহলে ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরে পাওয়ার বিষয়ে জেনে নেয়া যাক-

কর্মব্যস্ততায় সারাদিন বাসার বাইরে থাকতে হয়। তবে কাজ শেষে বাসায় ফিরে ঘুমানোর আগে অবশ্যই ভালোভাবে ত্বক পরিষ্কার করে নিবেন। যদি ত্বক ধোয়া না হয় তাহলে এসব ধীরে ধীরে ত্বকের ভেতরে প্রবেশ করবে। এজন্য ভালো ফেসওয়াস দিয়ে মুখ ধোয়া যেতে পারে। এরপর ক্রিম বা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে পারেন। চাইলে ফেসওয়াসের পরিবর্তে ক্লিনজিং মিল্কও ব্যবহার করতে পারেন। আপনার ত্বকের জন্য সঠিক ক্লিনজিং বাছাই করতে যেন ভুল না হয়।

প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় শাক সবজি ও ফলমূল বেশি রাখার চেষ্টা করুন। নিয়মিত শাক সবজি ও ফলমূল খাওয়ার ফলে শরীরের প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজ, কার্বোহাইড্রেট খুব সহজেই পাওয়া যায়। সেই সঙ্গে তেল, মসলা ও ফাস্টফুড জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। এই রুলসে জীবন পরিচালনা করলে ত্বক এমনিই ভালো থাকবে। তবে পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমেরও প্রয়োজন রয়েছে। বেশি রাত জাগা ত্বকের জন্য খারাপ প্রভাব ফেলে।

ত্বকের ধরণ অনুযায়ী নির্ধারণ করুন ময়েশ্চারাইজার। কোন ময়েশ্চারাইজার আপনার ত্বকে বেশ ভালো কার্যকর হচ্ছে তা অবশ্যই গুরুত্ব দেবেন। বাজারে আজকাল সচরাচর ময়েশ্চারাইজার পাওয়া যায়, তাই সাবধান। যাদের তৈলাক্ত ত্বক তারা সাধারণ ত্বকের জন্য বাদামের তেল ব্যবহার করতে পারেন। মিশ্র ত্বকের জন্য বাড়িতে বসে বিভিন্ন ফল দিয়ে ফেসপ্যাক বানিয়ে লাগাতে পারেন।

প্রতিদিন গোসল করতে হবে। প্রতিদিন গোসল করার ফলে ত্বক এমনিতেই পরিষ্কার থাকে। গোসলের সময় গ্লিসারিনযুক্ত সাবান ব্যবহার করুন। যদি গ্লিসারিনযুক্ত সাবান না থাকে তাহলে গোসলের পানিতে কয়েক ফোটা গ্লিসারিন মিশিয়ে গোসল করুন। এতে ত্বকে উজ্জ্বলভাব ফিরে আসবে।

সূত্র : সেটল টাইমস ও মেডিকেল নিউজ টুডে

আজ বসন্ত
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : বসন্ত শুরু। গাছে গাছে ফুল আর আমের মুকুলের আগমন দেখাই বোঝা যাচ্ছে প্রকৃতি চলে এসেছে বসন্ত। পূর্বে ১৩ ফেব্রুয়ারি বসন্ত উদযাপন করলেও ২০২০ থেকে পাল্টে গেছে নিয়ম। এখন ভালোবাসা দিবস আর বসন্ত দুটোই পালিত হয় ১৪ ফেব্রুয়ারিতে।

নতুন সংশোধিত বাংলা বর্ষপঞ্জিতে পহেলা ফাল্গুন অর্থাৎ বসন্তের প্রথম দিনেই হচ্ছে ভালোবাসা দিবস। ইংরেজি বর্ষপঞ্জির ১৪ ফেব্রুয়ারি দিনটিকে ভালোবাসা দিবস হিসেবে পালন করা হয় সারা বিশ্বে। আর বাংলা বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী, বসন্তের প্রথম দিন অর্থাৎ পহেলা ফাল্গুন পালিত হয় বসন্ত উৎসব।

১৯৭১ সালের কয়েকটি ঐতিহাসিক দিনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তৈরি করা হয়েছে নতুন বাংলা বর্ষপঞ্জি। যার ফলে ইংরেজি দিন ঠিক থাকলেও কিছুটা এদিক সেদিক হয়েছে বাংলা মাসের তারিখ। নতুন এই বর্ষপঞ্জিতে জাতীয় দিবসের বাংলা তারিখ এখন থেকে একই থাকবে প্রতিবছর।

বাংলা একাডেমির তথ্য অনুসারে, সংশোধিত বর্ষপঞ্জিতে বৈশাখ থেকে আশ্বিন পর্যন্ত প্রথম ছয় মাস ৩১ দিন, কার্তিক থেকে মাঘ মাস ৩০ দিন এবং ফাল্গুন মাস ২৯ দিন ধরে গণনা করা হবে। তবে গ্রেগরীয় পঞ্জিকার অধিবর্ষে (লিপ ইয়ার) ফাল্গুন মাস ২৯ দিনের পরিবর্তে ৩০ দিন গণনা করা হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তাই সেভাবেই সাজানো হয়েছে নতুন বাংলা বর্ষপঞ্জি।

প্রতিবছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয় ‘বসন্ত বরণ’ উৎসব। তবে করোনাভাইরাস মহামারির কারণে চলতি বছর ‘বসন্ত বরণ’ উৎসবটি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

ভালোবাসা দিবস ও পয়লা ফাল্গুন বরণে সাজ
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : দুইটি বিশেষ দিন একইসঙ্গে। বাঙালি বেশ ঘটা করেই বরাবর উদযাপন করে আসছে পয়লা ফাল্গুন। তারই ধারাবাহিকতায় এ বছর পয়লা ফাল্গুন উদযাপিত হবে ১৪ ফেব্রুয়ারির দিনে।

সবাই জানে, ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। এ দিনটিকে ঘিরে সবার মনেই ভিন্ন রকমের পরিকল্পনা থাকে। এ বছর একই দিনে বাঙালি দুইটি উৎসব পালন করবে।

আর বাঙালিয়ানার খাতিরে পয়লা ফাল্গুনে সবাই হলুদ বা সুবজ শাড়িতেই নিজেদের জড়িয়ে রাখেন নারীরা। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না। তবে ভালোবাসা দিবসে আবার অনেকেই লাল পোশাক পরতে পছন্দ করেন।

তাই এবারের ১৪ ফেব্রয়ারিতে সবাই যেমন খুশি তেমন পোশাকই পরতে পারেন। কেউ চাইলেই পরতে পারেন হলুদ-সবুজ বা কেউ লাল শাড়ি।

অন্যদিকে পুরুষরাও হলুদ পাঞ্জাবি, লাল বা যেকোনো রঙের পোশাক পরেই দিনটি উদযাপন করতে পারেন। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক ১৪ ফেব্রুয়ারির দিনে কীভাবে সাজবেন-

>> যেহেতু শীত অনেকটাই কমেছে দিনের বেলায়। তাই ভারি পোশাকের বদলে একটু হালকা পোশাক পরুন এদিন।

>> এদিন ফুলের বাহার সবখানেই। তাই সাজসজ্জার সঙ্গে চুলে একটু ফুল জড়িয়ে নিতে পারেন। লাল, হলুদ, সাদা যেকোনো রং আপনার পোশাকের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারেন।

>> দিনে বাইরে বের হলে অনেক বেশি সাজ এড়িয়ে চলুন। উচ্চমাত্রার মেকাপ এড়িয়ে চলুন।

>> ছেলেদের পাঞ্জাবি একটু জাঁকালো হলে বেশ ভালোই লাগবে।

>> বিকেলের দিকে বের হলে সঙ্গে একটি শাল রাখুন।

>> মেয়েরা চুল খোলা না রেখে একটু হাতখোপা বা বেনিতে ফুল গুঁজে নিতে পারেন এতে বেশ জমকালো লাগবে।

>> শাড়ির সঙ্গে গয়নার রং, ফুলের সংযোগটা যুতসই হচ্ছে কিনা একটু যাঁচাই করে নেবেন।

>> নারীরা চাইলে জামদানি, সুতি, সিল্ক বা জর্জেটের শাড়ি পরতে পারেন। সঙ্গে থ্রি-কোয়ার্টার ব্লাউজ ভালো মানিয়ে যাবে।

>> দিনে বের হওয়ার সঙ্গে অবশ্যই সানগ্লাস রাখবেন। আর সানস্ক্রিন মুখে, গলায় ও হাতে মেখে বের হবেন।

>> চোখ সাজাতে হালকা আইশ্যাডো ব্যবহার করুন। মাশকারা আর আইলাইনার গাঢ় করে লাগিয়ে নিন, চোখের নিচে চওড়া করে কালো কাজল দিন। দেখবেন সাজ ফুটে উঠেছে।

>> ঠোঁটে দিন লাল কিংবা বাদামি ন্যুড রঙের লিপস্টিক। আর কপালে একটি লাল রঙের বড় টিপ।

>> যদি কোনো বড় অনুষ্ঠানে যেতে হয়, তবে গর্জিয়াস ড্রেস পরতে পারেন। সঙ্গে হালকা গয়না ও মেকআপ করবেন।

>> যেহেতু করোনাকাল, তাই বের হওয়ার সময় অবশ্যই মাস্ক পরবেন। সঙ্গে হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে ভুলবেন না।

ত্বক, চুল ও চোখের পুষ্টিতে পেয়ারা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : পেয়ারা শুধু সুস্বাদু একটি ফলই নয়, পুষ্টিগুণেও ভরপুর এটি। সবুজ এই ফলটিতে আঁশ, পানি, কার্বহাইড্রেট, প্রোটিন, ভিটামিন এ, ভিটামিন কে, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম ইত্যাদি খাদ্য পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এছাড়া রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি ও খনিজ পদার্থ।

নিচে পেয়ারা খেলে কী কী উপকারিতা পাওয়া যাবে তা নিয়ে আলোচনা করা হলো :

১. উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ রাখতে পেয়ারা বেশ কার্যকর।
২. এতে ইনফেকশনরোধী উপাদান রয়েছে যা হজমক্রিয়া শক্তিশালী করে।
৩. রক্তসঞ্চালন ভালো রাখে। ফলে হার্টের রোগীরা এটি নিয়মিত খেতে পারেন।
৪. অ্যাজমা, ঠাণ্ডা-কাশিতে কাঁচা পেয়ারার জুস বেশ উপকারী। এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে সময়ে সময়ে পেয়ারা খেতে পারেন। তাহলে দ্রুত মুক্তি মিলবে।

৫. ওজন কমাতে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে এবং মুখের রুচি বাড়াতেও জুড়ি নেই পেয়ারার। তাই যারা পেটের সমস্যায় ভুগছেন তারা নির্দ্বিধায় এটি খেতে পারেন।

৬. ত্বক, চুল ও চোখের পুষ্টিও জোগায় পেয়ারা।

৭. পেয়ারাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ময়েশ্চার যা তারুণ্য বজায় রাখে র্দীঘদিন। ত্বকের রুক্ষ ভাব দূর করে ও শীতে পা ফাটা রোধ করে।

৮. ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, প্রস্টেট ক্যান্সারের মতো কঠিন ও জটিল রোগ প্রতিরোধেও সহায়ক পেয়ারা।

ওজন কমিয়ে শরীর ফিট রাখার উপায়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ওজন কমানো যে কতটা কষ্টের, তা শুধু স্বাস্থ্যবান ব্যক্তিই জানেন! বলিউড নায়িকাদের দেখে অনেকেই উৎসাহ পান ওজন কমানোর। তবে সোনাক্ষী সিনহা, আলিয়া ভাট, সোনাম কাপুর, সারা আলী খানদের ছিল অতিরিক্ত ওজন। তারপরও কঠোর অধ্যবসায়ের মাধ্যমে ওজন কমিয়ে বলিউড কুইনের তকমা পেয়েছেন।

বিশেষ করে অভিনয় জগতে আসার পর থেকে ওজন নিয়ে নানা সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছেন সোনাক্ষী। পরিশ্রম করে বাড়তি মেদ ঝরিয়ে তিনি মোহময়ী হয়ে উঠেছেন। ফিট থাকাটাই যেন তার মূল লক্ষ্য! বলিউডের এ নায়িকা কীভাবে ৩০ কেজি কমিয়ে শরীর কিভাবে ফিট রেখেছেন, চলুন জেনে নেওয়া যাক-

ফিট দেখানোর জন্য সোনাক্ষী প্রথমে ৩০ কেজি ওজন ঝরান। একদিকে যেমন তিনি জিম শুরু করেন; অন্যদিকে তেমনই মানতেন কড়া ডায়েট। পরিমাণে কম খেয়ে বারবার খাওয়া, দৈনিক শরীরচর্চা, দিনে দু’বার জিমে যাওয়া, কম কার্বোহাইড্রেট ও বেশি প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খেতেন। পাশাপাশি ওজন কমানোর জন্য যোগব্যায়াম, কার্ডিও, জুম্বা, অ্যারোবিকস করেন।

সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে সোনাক্ষী তার শরীরচর্চার একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। যেখানে দেখা যাচ্ছে, তিনি দড়ি লাফাচ্ছেন। আসলেই দ্রুত মেদ ঝরানোর কার্যকরী এক উপায় হলো নিয়ম করে প্রতিদিন দড়ি লাফানো। স্কিপিং করার সময় অবশ্যই দড়িটি লম্বায় ১২ ফুট কি-না দেখে নেবেন। আর প্রথম দিকে এ ধরনের ব্যায়াম দিনে ১৫ মিনিট করবেন। দু’সপ্তাহ পর থেকে ধীরে ধীরে সময় বাড়াতে হবে। প্রত্যেকবার লাফ দেওয়ার মাঝে অন্তত ৩০ সেকেন্ড বিরতি দিতে হবে।

এবার জেনে নিন দড়ি লাফের উপকারিতা-

>> মাত্র ১ মিনিট দড়ি লাফালে ১০ ক্যালোরি বার্ন হয়। হাতে দড়ি না দিয়েও স্কিপিং করা যায়।

>> দড়ি লাফ করার কারণে অল্প সময়েই শরীর দিয়ে ঘাম বের হয়। যার ফলে ত্বকের মধ্য থেকে টক্সিন বের হয়ে যায়। যা মুখের ওপর টানটান ভাব আনবে ও উজ্জ্বল হবে।

>> সম্প্রতি এনসিবিআইয়ের এক নিবন্ধে বলা হয়েছে, শারীরিক কার্যকলাপে সরব না থাকায় মানুষের মনে হতাশা বাড়ছে। জাম্পিং করলে শরীর ও মন দু’টাই ভালো থাকে।

>> দড়ি লাফের ফলে আপনার মাংসপেশী টোনড হবে।

>> গবেষণায় দেখা গেছে, স্কিপিং জয়েন্টে কম চাপ তৈরি করে দৌড়ানোর চেয়ে। তাই দৌড়ানোর চেয়ে স্কিপিং ভালো ব্যায়াম হিসেবে পরিচিত।

>> স্কিপিং করলে হার্ট বিট বেড়ে যায়। তাই এটি আপনাকে আলাদা করে কার্ডিও ভাস্কুলার এক্সারসাইজ করতে হবে না।

ব্রণ দূর করার উপায় জানালেন শ্রদ্ধা!
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : নায়িকাদের সৌন্দর্যে আমরা মুগ্ধ হই। তাদের কোমল ও আকর্ষণীয় ত্বকের রহস্য জানতে চায় সবাই। অভিনয়, নাচ ও সৌন্দর্য দিয়ে বলিউডে এরই মধ্যে প্রশংসা কুড়িয়েছেন শ্রদ্ধা কাপুর।

তার জীবন-যাপন সম্পর্কে সব সময়ই জানতে আগ্রহী ভক্তকূল। তার কোমল ত্বকের রহস্য জানতে চান অনেকেই।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি ভক্তদের উদ্দেশে ব্রণ দূর করার উপায় সম্পর্কে বলেছেন। তিনি বলেন, সবারই মুখের ত্বকের প্রতি বেশি যত্নবান হওয়া উচিত। এজন্য অবশ্যই প্রাকৃতিক উপাদানের প্রতি আস্থা রাখতে হবে।

এ অভিনেত্রী জানান, ত্বকের বিভিন্ন সমস্যার মধ্যে তিনি সবচেয়ে বেশি ব্রণের সম্মুখীন হয়ে থাকেন। যা তার জন্য বেশ বিব্রতকর।

শ্রদ্ধা বলেন, ব্রণের সঙ্গে লড়াই করার জন্য আমার কাছে একটি সহজ উপায় রয়েছে!

ব্রণ দূর করতে টুথপেস্ট ব্যবহার করেন শ্রদ্ধা। তিনি বলেন, টুথপেস্ট ব্যবহারের একদিনের মধ্যেই শুকিয়ে যায় ব্রণ।

কীভাবে টুথপেস্ট ব্রণ নিরাময় করে? জানা যায়, আসলে টুথপেস্টে থাকে সিলিকা। যা ত্বকের আর্দ্রভাব কমিয়ে ফেলে। এ জন্য ভেতর থেকে ব্রণ শুকিয়ে যায়।

এ জন্য রাতে ঘুমানোর আগে টুথপেস্টের প্রলেপ লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন। সকালে উঠে দেখবেন, ব্রণের ফোলা ভাব অনেকটা কমে গেছে আর ব্যথাও অনেকটা ভালো হয়েছে।

দ্রুত ওজন কমাবে গুড়-লেবুর পানীয়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : চিনির বিকল্প হিসেবে গুড় সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর উপাদান। বরং গুড় শরীরের জন্য বেশ উপকারী। বিশেষ করে ওজন কমাতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

ওজন বাড়ানো যতটা সহজ, তার চেয়ে চারগুণ কষ্টকর হলো তা কমানো। যদিও নিয়মিত শারীরিক কসরত করলে ওজন বশে থাকে। তবে কর্মব্যস্ততায় অনেকেই নিয়মিত ব্যয়াম করতে পারেন না।

তাই সুষম ও সঠিক ডায়েট মেনে চলার বিকল্প নেই। এজন্য আপনার ডায়েটে যুক্ত করতে পারেন গুড়। এটি ওজন কমাবে খুব দুত। আয়ুর্বেদ অনুসারে গুড়-লেবুর এক বিশেষ টোটকায় সহজেই ওজন আসবে বশে। জেনে নিন কীভাবে-

ওজন কমানোর বিশেষ এই পানীয় তৈরিতে ব্যবহার করতে হবে গুড় ও লেবু। এ দুটি উপাদানই শরীরের জন্য উপকারী ও সহজলভ্য।

গুড় বিপাকক্রিয়া উন্নত করে, ওজন কমায় খুব দ্রুত। এতে রয়েছে ফাইবার ও প্রোটিনসহ আরও উপকারী উপাদানসমূহ। যেগুলো ওজন কমাতে সাহায্য করে।

অন্যদিকে লেবু শরীরের ক্ষতিকর পদার্থ দূর করে। এতে রয়েছে পলিফেনল অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা ওজন কমানোর প্রক্রিয়া তরান্বিত করে। এ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরের ক্ষতিকর এলডিএল কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমিয়ে চর্বি জমতে বাধা দেয়।

যেভাবে তৈরি করবেন গুড়-লেবুর বিশেষ পানীয়
এক গ্লাস হালকা কুসুম গরম পানিতে এক চা চামচ গুড় ও একটি লেবুর রস পানিতে মিশিয়ে নিন। তৈরি হয়ে গেল ওজন কমানোর দাওয়াই।

প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এ পানীয় পান করলেই মিলবে সুফল। সপ্তাহখানেকের মধ্যেই ওজন কমতে শুরু করবে। এর পাশপাশি ডায়েট ও শরীরচর্চা করতে হবে নিয়মিত।

২০২১ সাল কেমন যাবে আপনার?
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ২০২০ সালে করোনার দাপটে কাবু হয়েছে স্বাস্থ্য ও অর্থনীতি। প্রাণ হারিয়েছেন অনেকেই। মৃত্যু-শোক আর রোগ-যন্ত্রণা ছাড়াও চাকরি বা কাজ হারিয়েছে অসংখ্য মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে সামনে আসছে নতুন বছর। ২০২১ সাল কেমন কাটবে? এমন জিজ্ঞাসা এখন সবার মনে। এ ব্যাপারে রাশিফল কী বলে? আসুন জেনে নেই ২০২১ সালের ভবিষ্যদ্বাণী-

মেষ: ২০২১ শুরু থেকেই ইতিবাচক। খুবই সৌভাগ্য নিয়ে বছর শুরু করতে চলেছেন। সবার সঙ্গে ভালো সময় কাটবে। তবে কাজের দিকে মনোযোগ বাড়াতে হবে। আর্থিক দিকে প্রবল উন্নতি রয়েছে। প্রেমভাগ্যও ভালো।

বৃষ: ভাগ্যের জোরে বহু সমস্যা কাটিয়ে উঠবেন। নতুন সৃজনশীল কাজ সুখবর দেবে। ভালো পারফরমেন্স আসবে। ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রে সুখবর পাবেন। সেপ্টেম্বর থেকে দারুণ সময় কাটবে। প্রেম ও দাম্পত্য সুখে কাটবে। পরিবার থেকে আশা অনুযায়ী পাবেন।

মিথুন: অনেক পুরোনো সংঘাত কাটিয়ে সুসময়ের দিকে যাবেন। আর্থিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ভালো সময়। যারা বিয়ে করতে চাইছেন; তারা এগিয়ে যাবেন। শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও সুসময় এনে দেবে।

কর্কট: খানিকটা ব্যাকফুটে গিয়ে শুরু হতে পারে। প্রথমদিকে কিছুটা পরিশ্রম ও লড়াই করতে হবে। কাজের জায়গায় পরিশ্রম দিলে লাভবান হবেন। খরচ প্রবলভাবে বাড়বে। প্রেমের ক্ষেত্রে বাধা আসবে। দাম্পত্য জীবনে সংঘাত দেখা দেবে। তবে ক্যারিয়ারে স্থায়িত্ব আসবে।

সিংহ: কিছু বড় সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এর ক্ষেত্রে জেদি হতে পারেন। পরিবারের দিকে নজর দিয়ে কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। ক্যারিয়ার ও বিবাহিত জীবনের মধ্যে বড় সংঘাত আসবে। তার সমাধান করাই বড় চ্যালেঞ্জ হবে। প্রেমের ক্ষেত্রে বিলাসিতা বাড়বে।

কন্যা: কোনো বড় সুখবর আসন্ন। নতুন কিছু করে দেখানোর তাগিদে বহুদূর এগিয়ে যাবেন। সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে হবে। ক্যারিয়ারে উন্নতির সুযোগ আসবে। জীবনের বহুদিক সম্পর্কে ভাবনা-চিন্তার সময় এসেছে। সেদিকে এগিয়ে যেতে হবে।

তুলা: জীবনের অন্যতম সফল বছর হবে। ব্যক্তিগত জীবনে ব্যাপক সাফল্য এনে দেবে। অনেক বেশি সুখি করবে। অনেক কম বাধা-বিপত্তি পার হতে হবে। মায়ের স্বাস্থ্য ও নিজের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। কাজে উন্নতি ও বেতন বাড়বে। কাজের প্রশংসা হতে চলেছে। বিবাহিত জীবন সুখে কাটবে।

বৃশ্চিক: মন্দ-ভালো মিশিয়ে কাটবে। যে কাজেই হাত দেবেন; তাতে সাহস জোগাতে হবে। আর্থিক উন্নতি সুখি করবে। প্রেমের সম্পর্ক খুব ভালো হবে। অবিবাহিতরা বড় কোনো সুখবর পেতে পারেন।

ধনু: বড় সারপ্রাইজ পাবেন। সমৃদ্ধি ও সাফল্য আপনাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হবে। প্রতিটি কাজে উচ্চাকাঙ্ক্ষা থাকবে। বহু ক্ষেত্রে উন্নতির রাস্তায় হাঁটবেন। সামাজিক গণ্ডিও বিস্তার করবেন। কাজ ও পরিবারে দারুণ ভারসাম্য থাকবে। স্বাস্থ্যের বিষয়ে খেয়াল রাখবেন।

মকর: আত্মসমালোচনার পথ ধরবেন। তবে আর্থিক দিক দিয়ে একটু সতর্ক থাকতে হবে। বিবাহিতরা আর্থিক দিকে নজর রাখবেন। কাজের জায়গায় ইগো সংঘাত বাড়তে পারে। তবে শিক্ষার্থীদের জন্য ২০২১ সাল দারুণ।

কুম্ভ: বহু ধরনের অভিজ্ঞতা পাবেন। প্রথমদিকে খানিকটা মুষড়ে পড়তে পারেন। তবে পরের দিকে তা আর থাকবে না। জীবনের বড় ব্যাপ্তি দেখা যেতে পারে। বিয়ে ও প্রেমের ক্ষেত্রে ভালো সময়। অবিবাহিতদের জীবনে নতুন কেউ আসতে পারে।

মীন: মিশ্র অভিজ্ঞতার শিকার হবেন। তবে প্রবল খরচ হবে। যদিও নতুন বন্ধুত্ব আসবে। সামাজিকভাবে উন্নতি দেখা যাবে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের মধ্যে। বহু পরিশ্রমের পর মিলবে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য।

সিঁড়ি দিয়ে ওঠা-নামা করলে যেসব উপকার হয়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : প্রতিদিনের চলাফেরায় সিঁড়ি ভাঙার প্রয়োজন পড়ে প্রায় সবারই। অফিস, ওভারব্রিজ, শপিং মল কিংবা বাসায় সিঁড়ি ব্যবহারের অভ্যাস করুন। এতে আপনার অজান্তেই মিলবে অনেক উপকারিতা। আমাদের ব্যস্ত জীবনে শরীরচর্চার জন্য আলাদা করে সময় বের করা মুশকিল। তাই কিছু পরিবর্তন নেই সেই অভাব অনেকটা ঘুচিয়ে দেয়া সম্ভব।

সিঁড়ি দিয়ে উঠলে কিছুটা কষ্ট হবে কিন্তু পাশাপাশি বেশ ভালো একটি কার্ডিয়োভাস্কুলার একসারসাইজও হবে। সুস্থ থাকার জন্য সিঁড়িতে ওঠানামা বেছে নিতে পারেন। নিয়মিত সিঁড়ি ওঠার অভ্যেস থাকলে হৃদরোগের সম্ভাবনা কমে। এছাড়া উচ্চরক্তচাপ এবং ডায়াবিটিসের সম্ভাবনাও কমে।

দিনে যদি আপনি অন্তত ৪০টি সিঁড়ি ভাঙার অভ্যাস করুন, তা হলেই আপনার পা ক্রমশ শক্তপোক্ত হয়ে উঠবে। পা শক্তিশালী হয়ে ওঠার পাশাপাশি এই কার্ডিও অ্যাকটিভিটির সৌজন্যে আপনার দমও ক্রমশ বাড়তে থাকবে।

তবে কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে- হাঁটুতে কোনো সমস্যা থাকলে সিঁড়ি ভাঙার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।আপনার পুরো পা যেন সিঁড়িতে থাকে, সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। পায়ে বাড়তি চাপ দেবেন না।

সিঁড়ি দিয়ে ওঠা-নামা করার কিছু উপকারিতা-

সিঁড়ি দিয়ে বারবার ওঠানামা করলে মেটাবলিজম রেট বাড়ে। যা আমাদের ওজন কমাতে সাহায্য করে।

সিঁড়ি দিয়ে ওঠা-নামা করলে অস্টিওরপোরোসিসের সম্ভাবনা অনেকখানি কমানো সম্ভব হয়।

যেকোনো রকমের ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি আমাদের শরীরের সঙ্গে মনও ভালো রাখতে সাহায্য করে। সিঁড়ি ভাঙার ফলে ভাঙার ফলে আমাদের মনও খুব ভালো থাকে।

সিঁড়ি দিয়ে ওঠা-নামা করলে আপনার হার্টের পাশাপাশি ফুসফুসও ভালো থাকবে। এর ফলে ফুসফুসের কাজ করার ক্ষমতা অনেকটাই বাড়ে। তাই সুস্থ থাকতে নিয়মিত সিঁড়ি ব্যবহার করুন।


   Page 1 of 13
     লাইফস্টাইল
কারোনাকালে যেসব ফল বেশি খাবেন
.............................................................................................
শিশুর কাশি কমানোর ৫ উপায়
.............................................................................................
এই সময়ে ঘামাচি থেকে মুক্তির ঘরোয়া উপায়
.............................................................................................
এই গরমে চাই আরামের পোশাক
.............................................................................................
ভয়াবহ সব রোগ থেকে মুক্তি দেবে পেঁপের বীজ!
.............................................................................................
টমেটো খেলে কী হয়?
.............................................................................................
২০ মিনিটে তৈরি করুন পাকা কলার শাহি হালুয়া
.............................................................................................
ত্বকের হারিয়ে যাওয়া উজ্জ্বলতা ফিরে পাওয়ার উপায়
.............................................................................................
আজ বসন্ত
.............................................................................................
ভালোবাসা দিবস ও পয়লা ফাল্গুন বরণে সাজ
.............................................................................................
ত্বক, চুল ও চোখের পুষ্টিতে পেয়ারা
.............................................................................................
ওজন কমিয়ে শরীর ফিট রাখার উপায়
.............................................................................................
ব্রণ দূর করার উপায় জানালেন শ্রদ্ধা!
.............................................................................................
দ্রুত ওজন কমাবে গুড়-লেবুর পানীয়
.............................................................................................
২০২১ সাল কেমন যাবে আপনার?
.............................................................................................
সিঁড়ি দিয়ে ওঠা-নামা করলে যেসব উপকার হয়
.............................................................................................
আপনার বাসায় কি ফ্রিজে ডিম রাখেন, অজান্তেই ডেকে আনছেন বড় বিপদ
.............................................................................................
ভিটামিন `ডি`র ঘাটতি পূরণে রোদে কখন কীভাবে থাকতে হবে
.............................................................................................
শীতে জুতো-মোজা পরলে পায়ে বাজে গন্ধ হচ্ছে?
.............................................................................................
হরমোনের ভারসাম্য রক্ষায় রেইনবো ডায়েট
.............................................................................................
জলপাই দিয়ে টক-ঝাল আচার তৈরির রেসিপি
.............................................................................................
শীতকালে সুস্থ থাকতে ৯টি পরামর্শ
.............................................................................................
রেসিপি : প্রেসার কুকারে রসগোল্লা তৈরি
.............................................................................................
শীতে ত্বক সজীব রাখতে যা খাবেন
.............................................................................................
রেসিপি : বুন্দিয়ার লাড্ডু
.............................................................................................
কলার চিপস
.............................................................................................
চিকেন চিজ বল তৈরির রেসিপি
.............................................................................................
শীতে যে ৫টি ফলে ত্বক হবে উজ্জ্বল
.............................................................................................
ক্যালসিয়ামের ঘাটতি হলে কী হয়?
.............................................................................................
রেসিপি: গাজরের সন্দেশ
.............................................................................................
ত্বক ভালো রাখতে চিনির ব্যবহার
.............................................................................................
কফি পান করলে কমবে চর্বি
.............................................................................................
অতিরিক্ত চুল পড়া কমাতে যা করবেন
.............................................................................................
চুলের খুসকি দূর করতে সাহায্য করে নিম পাতা
.............................................................................................
করোনায় জুসের বদলে যা খাবেন
.............................................................................................
শীতে ঠোঁট ফাটা রোধে যা করবেন
.............................................................................................
করোনা: মোবাইল ফোন জীবাণুমুক্ত রাখতে কী করবেন
.............................................................................................
পূজার রেসিপি : খাসির কষা মাংস
.............................................................................................
পেঁয়াজ সংরক্ষণের ৮ উপায়
.............................................................................................
শরতের সাজ
.............................................................................................
অ্যালোভেরার এই গুণগুলো জানতেন?
.............................................................................................
চিকেন খাবসা তৈরির রেসিপি জেনে নিন
.............................................................................................
মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে যা খাবেন
.............................................................................................
প্রতিদিন একটি ডিম খাওয়ার উপকারিতা
.............................................................................................
স্তন ক্যান্সারের ৫ লক্ষণ
.............................................................................................
খুসকি সমস্যার সমাধান
.............................................................................................
খালি পেটে কলা খাওয়ার আগে যা করবেন
.............................................................................................
ওজন বেড়েছে? নিয়ন্ত্রণে আনবেন যেভাবে
.............................................................................................
ঠাণ্ডার সমস্যায় ভিটামিন সি
.............................................................................................
তেজপাতার ৫ ঔষধি গুণ
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop