| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * কক্সবাজারের ৩৪ পুলিশ পরিদর্শককে একযোগে বদলি   * জাতিসংঘে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ স্মরণে ই-পোস্টার প্রকাশিত   * দেশে করোনায় আক্রান্ত কমেছে, মৃত বেড়ে ৫০৭২   * ২৬ সেপ্টেম্বর ভিটামিন `এ` ক্যাম্পেইন শুরু   * বৃহস্পতিবার ৫০০ টিকিট দেবে সৌদি এয়ারলাইন্স   * তিস্তার পানি বিপদসীমার ২৭ সেন্টিমিটার ওপরে   * টিকিট পেতে আজও সৌদিপ্রবাসীদের ভিড়   * ফের কমলো সোনার দাম   * সৌদির বাতিল হওয়া সব রুটের ফ্লাইট চালু ১ অক্টোবর   * সৌদিতে ভারতসহ ৩ দেশের নাগরিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা  

   লাইফস্টাইল -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ওজন বেড়েছে? নিয়ন্ত্রণে আনবেন যেভাবে

ফারিয়া ইসলাম বৃষ্টি


করোনা মহামারীর শুরু থেকেই ঘরবন্দি জীবন। চার মাসের ঘরবন্দি জীবনের মধ্যে কোরবানির ঈদ, স্বাভাবিকভাবে ওজন বেড়েই চলেছে অনেকের। এই ওজন বেড়ে যাওয়াটা প্রাথমিক অবস্থায় তেমন ক্ষতিকারক না হলেও ওজনাধিক্যের স্থায়ী কিছু প্রভাব রয়েছে।

যারা অলরেডি অবেসিটি, পিসিওএস, হাইপোথাইরোডিজমের সঙ্গে লড়াই করছেন তাদের জন্য এ ওজনাধিক্য আরও ঝুঁকির কারণ হতে পারে। প্রথমে জেনে নেই ওজন আসলে বাড়ে কেন?

স্ট্রেস : মানুষ যখন দুঃচিন্তায় থাকে তখন আমাদের দেহের কারটিসল নামক স্ট্রেস হরমোন বেড়ে যায় যা আমাদের ক্ষুধামন্দা বা ক্ষুধা বাড়িয়ে দেয়। অতিরিক্ত চিন্তায় মানুষের ক্ষুধা বৃদ্ধি পায়। স্ট্রেসের সময়গুলোতে মানুষ তুলনামূলক কমফোর্ট খাবার খেতে পছন্দ করে।

এ খাবারগুলো মূলত উচ্চ ফ্যাট এবং উচ্চ ক্যালরির হয়ে থাকে। তাই অনেক সময় আমাদের অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ ওজন আধিক্যের কারণ হতে পারে।

ঘুম কম হওয়া : বাসায় থেকে আমাদের অনেকেরই ঘুমের পরিমাণ কমে গেছে আবার অনেকে অসময়ে ঘুমান। ঘুমের সঙ্গে ওজন বাড়ার সম্পর্ক আছে। যেমন- আপনি যদি অধিক রাত অবধি জেগে কাজ করেন তবে রাতে আপনাকে আলাদা করে স্ন্যাক্স খেতে হয়, ফলে যোগ হচ্ছে এক্সট্রা ক্যালরি। এছাড়া কম ঘুম হলে আপনার হরমনাল ইমব্যালেন্সের কারণেও ক্ষুধা বেড়ে যায়।

অ্যাক্টিভিটি কমে যাওয়া : বাসায় থাকার দরুন আমাদের প্রতিদিনকার কাজের পরিমাণ কিছুটা কমে আসছে আবার অনেকেই বসে থেকে অফিস করছেন। এ সময় একটু পরপর কিছু না কিছু খাওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে আল্ট্রা প্রোসেসেড ফুড। তাই আমরা সারা দিন এ যে পরিমাণ ক্যালরি গ্রহণ করছি তা প্রয়োজনমতো বার্ন করতে পারছি না। ফলাফল ওজন আধিক্য।

আবার শরীরের কাজ কমে যাওয়ার ফলে ম্যাটাবলিজম কিছুটা কমে যায়। ফলে খাবার হজমে ব্যাঘাত ঘটে এবং শরীরে জমা হয়ে যায়। কিছু কিছু ওষুধ যেমন- এন্টিডিপ্রেশন, স্টেরইড ওজন বাড়িয়ে দিতে পারে। তাছাড়া বাসায় থেকে নতুন নতুন খাবার রান্নার ধুম পড়ে বাসায়। একটু-আধটু চেখে দেখতে দেখতে দেখা যায় অতিরিক্ত ক্যালরি নেয়া হয়ে যায়।

আবার বাসায় বসে অফিস করার সময় ফ্রিজের আশপাশে দিয়ে যাওয়ার সময় কিছু না কিছু খেতে ইচ্ছা করে, যা অফিসে বা বাসার বাইরে থাকলে হয় না। সে ক্ষেত্রেও ওজন বাড়ার সম্ভাবনা বাড়ে।

এখন আসি এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাব কীভাবে?

১। জীবনকে একটি রুটিনে নিয়ে আসুন। একটি সুষম খাদ্য তালিকা তৈরি করুন যাতে করে সব খাদ্য উপাদান-ভিটামিন পর্যাপ্ত পরিমাণে পেয়ে থাকেন কিন্তু এক্সট্রা ক্যালরি গ্রহণ না করা হয়। তালিকায় হল গ্রেইন যেমন- ওটস, গম, আটার রুটি জাতীয় খাবার এবং লিন প্রোটিন রাখুন।

২। দুশ্চিন্তা থেকে দূরে থাকুন। ওজনাধিক্য নিয়েও দুশ্চিন্তা করা যাবে না। চিন্তা মুক্ত থাকার জন্য বিনোদন নিতে পারেন, খেলাধুলা বা আপনার ভালো লাগার কাজ করুন।

৩। সময়মতো ঘুমানোর চেষ্টা করুন। ঘুম কম হলে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে আসতে পারে।

৪। ঘরে থেকেই অল্প অল্প ব্যায়াম করুন। দড়ি লাফ, নাচ করতে পারেন অথবা ঘরের কাজ করলেও কিছুটা ক্যালোরি বার্ন হবে। ঘরের মাঝেই ৩০ মিনিট হাঁটার চেষ্টা করুন।

৫। সময় নিয়ে ভালো করে চিবিয়ে খাবার খান। বেশি সময় নিয়ে খাবার খেলে অল্প খাবারেই পেট ভরে আসে।

৬। কিছু খাবার এক্সচেঞ্জ করে নিন। যেমন- জাঙ্ক ফুড, চিপস, পিৎজার পরিবর্তে ফল এবং সালাদ গ্রহণ করুন এবং কোল্ড ড্রিঙ্কসের পরিবর্তে ফলের জুস বা শুধু পানি পান করুন।

৭। অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবার গ্রহণ বর্জন করুন, কারণ ক্যালরি বেড়ে যেতে পারে।

৮। একটি সুস্থ শরীর আপনার স্ট্রেস রিলিফ করতে সাহায্য করে। তাই নির্বাচন করুন বাদাম, মাছ যাতে রয়েছে ওমেগা-৩ যা ডিপ্রেশন কমাতে সাহায্য করে।

৯। খাবারের কারভিং কমাতে যখনই খেতে ইচ্ছা করবে টক জাতীয় ফল বা সবজি স্যুপ খেতে পারেন।

১০। সব শেষে সারাদিনে কমপক্ষে ২ লিটার পানি পান করুন এবং দুপুরে রাতে খাবার কিছুক্ষণ আগে এক গ্লাস পানি পান করুন।

লেখা: ফারিয়া ইসলাম বৃষ্টি, পুষ্টিবিদ, আন্তর্জাতিক ফেলো (নরেক-নরওয়ে)

ওজন বেড়েছে? নিয়ন্ত্রণে আনবেন যেভাবে
                                  

ফারিয়া ইসলাম বৃষ্টি


করোনা মহামারীর শুরু থেকেই ঘরবন্দি জীবন। চার মাসের ঘরবন্দি জীবনের মধ্যে কোরবানির ঈদ, স্বাভাবিকভাবে ওজন বেড়েই চলেছে অনেকের। এই ওজন বেড়ে যাওয়াটা প্রাথমিক অবস্থায় তেমন ক্ষতিকারক না হলেও ওজনাধিক্যের স্থায়ী কিছু প্রভাব রয়েছে।

যারা অলরেডি অবেসিটি, পিসিওএস, হাইপোথাইরোডিজমের সঙ্গে লড়াই করছেন তাদের জন্য এ ওজনাধিক্য আরও ঝুঁকির কারণ হতে পারে। প্রথমে জেনে নেই ওজন আসলে বাড়ে কেন?

স্ট্রেস : মানুষ যখন দুঃচিন্তায় থাকে তখন আমাদের দেহের কারটিসল নামক স্ট্রেস হরমোন বেড়ে যায় যা আমাদের ক্ষুধামন্দা বা ক্ষুধা বাড়িয়ে দেয়। অতিরিক্ত চিন্তায় মানুষের ক্ষুধা বৃদ্ধি পায়। স্ট্রেসের সময়গুলোতে মানুষ তুলনামূলক কমফোর্ট খাবার খেতে পছন্দ করে।

এ খাবারগুলো মূলত উচ্চ ফ্যাট এবং উচ্চ ক্যালরির হয়ে থাকে। তাই অনেক সময় আমাদের অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ ওজন আধিক্যের কারণ হতে পারে।

ঘুম কম হওয়া : বাসায় থেকে আমাদের অনেকেরই ঘুমের পরিমাণ কমে গেছে আবার অনেকে অসময়ে ঘুমান। ঘুমের সঙ্গে ওজন বাড়ার সম্পর্ক আছে। যেমন- আপনি যদি অধিক রাত অবধি জেগে কাজ করেন তবে রাতে আপনাকে আলাদা করে স্ন্যাক্স খেতে হয়, ফলে যোগ হচ্ছে এক্সট্রা ক্যালরি। এছাড়া কম ঘুম হলে আপনার হরমনাল ইমব্যালেন্সের কারণেও ক্ষুধা বেড়ে যায়।

অ্যাক্টিভিটি কমে যাওয়া : বাসায় থাকার দরুন আমাদের প্রতিদিনকার কাজের পরিমাণ কিছুটা কমে আসছে আবার অনেকেই বসে থেকে অফিস করছেন। এ সময় একটু পরপর কিছু না কিছু খাওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে আল্ট্রা প্রোসেসেড ফুড। তাই আমরা সারা দিন এ যে পরিমাণ ক্যালরি গ্রহণ করছি তা প্রয়োজনমতো বার্ন করতে পারছি না। ফলাফল ওজন আধিক্য।

আবার শরীরের কাজ কমে যাওয়ার ফলে ম্যাটাবলিজম কিছুটা কমে যায়। ফলে খাবার হজমে ব্যাঘাত ঘটে এবং শরীরে জমা হয়ে যায়। কিছু কিছু ওষুধ যেমন- এন্টিডিপ্রেশন, স্টেরইড ওজন বাড়িয়ে দিতে পারে। তাছাড়া বাসায় থেকে নতুন নতুন খাবার রান্নার ধুম পড়ে বাসায়। একটু-আধটু চেখে দেখতে দেখতে দেখা যায় অতিরিক্ত ক্যালরি নেয়া হয়ে যায়।

আবার বাসায় বসে অফিস করার সময় ফ্রিজের আশপাশে দিয়ে যাওয়ার সময় কিছু না কিছু খেতে ইচ্ছা করে, যা অফিসে বা বাসার বাইরে থাকলে হয় না। সে ক্ষেত্রেও ওজন বাড়ার সম্ভাবনা বাড়ে।

এখন আসি এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাব কীভাবে?

১। জীবনকে একটি রুটিনে নিয়ে আসুন। একটি সুষম খাদ্য তালিকা তৈরি করুন যাতে করে সব খাদ্য উপাদান-ভিটামিন পর্যাপ্ত পরিমাণে পেয়ে থাকেন কিন্তু এক্সট্রা ক্যালরি গ্রহণ না করা হয়। তালিকায় হল গ্রেইন যেমন- ওটস, গম, আটার রুটি জাতীয় খাবার এবং লিন প্রোটিন রাখুন।

২। দুশ্চিন্তা থেকে দূরে থাকুন। ওজনাধিক্য নিয়েও দুশ্চিন্তা করা যাবে না। চিন্তা মুক্ত থাকার জন্য বিনোদন নিতে পারেন, খেলাধুলা বা আপনার ভালো লাগার কাজ করুন।

৩। সময়মতো ঘুমানোর চেষ্টা করুন। ঘুম কম হলে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে আসতে পারে।

৪। ঘরে থেকেই অল্প অল্প ব্যায়াম করুন। দড়ি লাফ, নাচ করতে পারেন অথবা ঘরের কাজ করলেও কিছুটা ক্যালোরি বার্ন হবে। ঘরের মাঝেই ৩০ মিনিট হাঁটার চেষ্টা করুন।

৫। সময় নিয়ে ভালো করে চিবিয়ে খাবার খান। বেশি সময় নিয়ে খাবার খেলে অল্প খাবারেই পেট ভরে আসে।

৬। কিছু খাবার এক্সচেঞ্জ করে নিন। যেমন- জাঙ্ক ফুড, চিপস, পিৎজার পরিবর্তে ফল এবং সালাদ গ্রহণ করুন এবং কোল্ড ড্রিঙ্কসের পরিবর্তে ফলের জুস বা শুধু পানি পান করুন।

৭। অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবার গ্রহণ বর্জন করুন, কারণ ক্যালরি বেড়ে যেতে পারে।

৮। একটি সুস্থ শরীর আপনার স্ট্রেস রিলিফ করতে সাহায্য করে। তাই নির্বাচন করুন বাদাম, মাছ যাতে রয়েছে ওমেগা-৩ যা ডিপ্রেশন কমাতে সাহায্য করে।

৯। খাবারের কারভিং কমাতে যখনই খেতে ইচ্ছা করবে টক জাতীয় ফল বা সবজি স্যুপ খেতে পারেন।

১০। সব শেষে সারাদিনে কমপক্ষে ২ লিটার পানি পান করুন এবং দুপুরে রাতে খাবার কিছুক্ষণ আগে এক গ্লাস পানি পান করুন।

লেখা: ফারিয়া ইসলাম বৃষ্টি, পুষ্টিবিদ, আন্তর্জাতিক ফেলো (নরেক-নরওয়ে)

ঠাণ্ডার সমস্যায় ভিটামিন সি
                                  

অনলাইন ডেস্ক : সাধারণত ঠাণ্ডার সমস্যা ও শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে খেতে হবে ভিটামিন সি। ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ও দূরে রাখে সাধারণ সর্দি-কাশির সমস্যা।

তবে কোন কোন খাবারে ভিটামিন সি রযেছে তা আমরা অনেকেই জানি না। টকফল ছাড়াও বিভিন্ন খাবার থেকেও ভিটামিন সি পেতে পারেন।

আসুন জেনে নিই যেসব খাবারে পাবেন ভিটামিন সি

টমেটো
টমেটো ভিটামিন সি সমৃদ্ধ একটি সবজি। যা ভর্তা, সালাদ, সস বা অন্য সবজির মতো খেতে পারেন।টমেটো খাবারের স্বাদ বাড়ায়। নিয়মিত টমেটো খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

কমলা আঙ্গুর ও লেবু
কমলা আঙ্গুর ও লেবু ভিটামিন সি সমৃদ্ধ। ঠাণ্ডা-সর্দির সমস্যায় এসব ফল খেতে পারেন।

ব্রকলি
এই সবজি সারা বছরই কিনতে পাওয়া যায়। ব্রকলি কেবল ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভালো উৎস। যা রোগ প্রতিরোধক করে ও কোষের ক্ষয় রোধ করে। এর আঁশ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়্।

ক্যাপ্সিকাম
টক ফলের চেয়ে ক্যাপ্সিকামে রয়েছে দ্বিগুণ পরিমাণ ভিটামিন সি। তাই ঠাণ্ডা প্রতিরোধ ও প্রতিকার সাহায্য করে।

লেখক: আখতারুন নাহার আলো, প্রধান পুষ্টিবিদ, বারডেম জেনারেল হাসপাতাল।

তেজপাতার ৫ ঔষধি গুণ
                                  

 বিরিয়ানি হোক কিংবা পোলাও, তাতে অবশ্যই তেজপাতার ছোয়া থাকতে হবে। তেজপাতা ছাড়া রান্নার কথা চিন্তা করাই মুশকিল। শুধু রান্নায় নয়, তেজপাতা আরও নানা কাজে ব্যবহৃত হয়। খাবার স্বাদ বৃদ্ধির পাশাপাশি ঔষধি গুণ থাকার কারণেও তেজপাতা কদর রয়েছে বিশ্বের বহু দেশে।

জেনে নিন তেজপাতা কোন কোন রোগের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে।
১. ঠান্ডা-কাশিতে
ঠান্ডাজনিত যেকোনো রোগ, ফ্লু ও অন্যান্য সংক্রমণ রোধে লড়াই করে তেজপাতা। শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা হলে, পানিতে দু-তিনটি তেজপাতা দিয়ে ১০ মিনিট গরম করুন। এই পানিতে ভেজানো একটি কাপড় বুকের ওপর রাখুন। ফ্লু, ঠান্ডা ও কাশি থেকে আরাম পাওয়া যাবে। জ্বর সারাতেও সহায়তা করে তেজপাতা।

২. বদহজমে
তেজপাতা হজমক্রিয়া বাড়াতে সহায়তা করে। হজমক্রিয়ায় সমস্যা থাকলে তা সারিয়ে তোলে। বুক জ্বালাপোড়া, পেট ফাঁপা, কোষ্ঠকাঠিন্য হলে তেজপাতা দিয়ে গরম করা এক গ্লাস পানি পান করুন। স্বস্তি পাবেন।

৩. ডায়াবেটিসে
টাইপ-২ ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় তেজপাতার কার্যকারিতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তেজপাতায় রক্তে শর্করা বা চিনি, কোলেস্টেরল কমাতে ও ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে সহায়তা করে। সর্বোচ্চ ফল পেতে তেজপাতা গুঁড়ো করে টানা এক মাস খেতে পারেন। তেজপাতায় থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরের সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি হৃৎপিণ্ডের কার্যক্রম ভালো রাখে।

৪. ব্যথা উপশমে
তেজপাতার তেল বাতের ব্যথা, মচকানো, কোনো কিছুর চাপ লেগে আঘাতপ্রাপ্ত স্থানে বা যেকোনো সাধারণ বা দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা উপশম করে। মাইগ্রেন ও মাথাব্যথায় কপালি তেজপাতার তেল মালিশ করলে আরাম পাওয়া যায়।

৫. হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক রোধে
তেজপাতায় এমন সব ভেষজ উপাদান আছে, যা হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের মতো রোগ প্রতিরোধ হৃদযন্ত্রকে রাখে নিরাপদ। বাড়ায় হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা।

যে ৫ ভুলে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে
                                  

 করোনাভাইরাসের তাণ্ডবে বিপর্যস্ত বিশ্ব। প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। তবে নানা কাজে, নানা প্রয়োজনে মানুষকে বাড়ির বাইরে বের হতে হচ্ছে। প্রাণঘাতী অদৃশ্য এই শত্রুর বিরুদ্ধে সব রকম সতর্কতা মেনে তবেই বাইরে পা রাখতে হচ্ছে। তবে যেহেতু এখন অনেকেই বাইরে বের হচ্ছেন, তাই একান্ত প্রয়োজন না হলে বাইরে বের না হওয়াই ভালো।

টাইমস অব ইন্ডিয়া জানাচ্ছে ৫টি ভুলের কথা, যার মাধ্যমে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি আরও বেড়ে যেতে পারে।
১. করোনাভাইরাস সুরক্ষা সামগ্রী ছাড়াই বাইরে যাচ্ছেন
করোনাভাইরাসের সুরক্ষা সামগ্রী বলতে আমরা বুঝি মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং গ্লাভস, টিস্যু। আমরা অনেকেই মনে করি করোনা আমার শরীরে নেই এবং প্রবেশ করতে পারবে না। সেই বিশ্বাসে করোনাভাইরাস সুরক্ষা সামগ্রী ছাড়াই আমরা যখন-তখন বাইরে যাচ্ছি। আর সেজন্য বাড়ছে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি।

তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, বাসার বাইরে বের হওয়ার আগে অবশ্যই হ্যান্ড স্যানিটাইজার এর টিস্যু পেপার সঙ্গে রাখবেন। আর মাস্ক তো অবশ্যই পরবেন।

২. অনেকেই ধরে নিচ্ছেন ভাইরাস নেই, এটা গুজব
করোনাভাইরাসকে আমাদের মধ্যে অনেকেই খুব ভাবে নিচ্ছেন। যেটা আপনার আর আশপাশের লোকদের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। আর এমনটা ভাবার কারণে আক্রান্ত হওয়ার পাশাপাশি অনেককেই জীবন দিতে হচ্ছে। তাই, ভাইরাস নেই এটা মনে করবেন না। বরং সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেলে চলার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

৩. অনেকেই কারণে-অকারণে শপিং করতে যাচ্ছেন
করোনার কারণে প্রায় তিন মাসের বেশি সময় লকডাউনে বাসায় কাটানোর পর চতুর্দিকে যখন দোকানপাট, শপিংমল খুলেছে, ঠিক তখন কারণে-অকারণে অনেকেই শপিং মলে যাচ্ছেন। যেটা করোনার ঝুঁকিতে ফেলছে আপনাকে।

৪. বিরত নেই বাইরের জিনিস স্পর্শ থেকে
করোনাভাইরাস মহামারি আকার ধারণ করার পরও এখনও অনেকেই বিরত নেই বাইরের জিনিস স্পর্শ করা থেকে। যেটা খুব সহজেই সংক্রামণের দিকে ঠেলে দিচ্ছে আপনাকে। আর এই কাজটি করার ফলে আক্রান্ত হচ্ছেন আপনি।

৫. করোনাভাইরাস সংক্রান্ত খবর এড়িয়ে যাচ্ছেন, অসতর্ক থাকছেন
অনেকেই করোনাভাইরাস নিয়ে কোনও খবর সামনে আসলে সেটি এড়িয়ে যাচ্ছেন। ভাইরাসটির মত সংবাদটিও ফেইক মনে করছেন। ফলে আপনি নিজেই অসতর্ক থাকছেন। আর এতে নিজেই বিপদে পড়ছেন।

বাড়িতে বসে নিজেই করা যাবে করোনা টেস্ট, আসছে `ম্যাজিক কিট`
                                  

সাধারণ মানুষ শহরের নানা প্রান্তে ছুটোছুটি করেও করোনা টেস্ট করাতে পারছেন না- কিংবা কোনো মতে টেস্ট হলেও দিনের পর দিন তার রেজাল্ট মিলছে না। এমন অভিযোগ উঠছে ভূরি ভূরি। টেস্ট করাতে গিয়ে নাজেহাল অবস্থা সাধারণ মানুষের। তবে এই সমস্যা থেকে এবার হয়তো মুক্তি মিলবে। ঘরে বসেই করোনা টেস্ট করার সুযোগ আসছে।

মুখের ভেতর থেকে কয়েক ফোঁটা লালারস নিয়ে বাড়িতে বসে নিজেই করা যাবে করোনাভাইরাস টেস্ট। এর জন্য কোনো বিশেষজ্ঞের প্রয়োজন হবে না, টেস্ট করা যাবে নিজে নিজেই। কল্পনা নয়, সত্যিই বের হচ্ছে এই ‘ম্যাজিক কিট’। তবে বাংলাদেশে নয়, আপাতত এটি আসছে ভারতের বাজারে।

জানা গেছে, ভারতের শীর্ষ স্বাস্থ্য সংস্থা আইসিএমআরের অনুমোদনপ্রাপ্ত এই ম্যাজিক কিটের নাম ‘কোভিড-১৯ অ্যান্টিজেন টেস্ট কিট’। এটি উৎপাদন ও বিপণনের অনুমতি পেয়েছে অন্তত আটটি সংস্থা। এরই মধ্যেই উৎপাদিত কিটের গুণগত মান যাচাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে।

ভারতীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, সব ঠিক থাকলে আগামী এক মাসের মধ্যেই এ অ্যান্টিজেন কিট খোলাবাজারে পাওয়া যাবে।

এ বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গের প্রধান স্বাস্থ্য অধিকর্তা ডা.অজয় চক্রবর্তী বলেন, `কয়েকটি সংস্থাকে একই সময়ে খোলাবাজারে কিট বিক্রির অনুমতি দিলে প্রতিযোগিতা হবে। ফলে দাম কম আর গুণগত মান ঠিক থাকবে। সবকছুতে দপ্তরের তীক্ষ্ণ নজরদারি থাকবে। কিটের মানের সঙ্গে কোনও ধরনের সমঝোতা করা হবে না।`

জানা গেছে, আরটিপিসিআর পদ্ধতিকে করোনা পরীক্ষার প্রধান ‘স্ট্যান্ডার্ড’ ধরা হলেও তাৎক্ষণিক পরীক্ষার জন্য ভারতের কয়েকটি রাজ্য অ্যান্টিজেন পরীক্ষার মাধ্যমে ঘরোয়াভাবে ভাইরাস পরীক্ষা শুরু করছে। সেখানে একেকটি ‘ম্যাজিক কিট’-এর দাম পড়ছে গড়ে ৪৫০ রুপির মতো। তবে, খোলাবাজারে ছাড়ার সময় এর দাম আরো কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সূত্র- সংবাদ প্রতিদিন।

প্রতিদিন একটি করে পেয়ারা খেয়েই দেখুন!
                                  

শীত হোক কী বর্ষা, শরীর সুস্থ রাখতে পেয়ারার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। পেয়ারায় থাকা ভিটামিন সি, লাইকোপেন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মাথার চুল থেকে পায়ের নখ পর্যন্ত শরীরের প্রতিটি অংশকে সুস্থ এবং সুন্দর রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে এতে থাকা ম্যাগনেসিয়াম, শরীর যাতে খাবারে উপস্থিত নানাবিধ পুষ্টিকর উপাদান ঠিক মতো গ্রহণ করতে পারে, সেদিকেও খেয়াল রাখে। জানুন বিস্তারিত ...

সংক্রমণের আশঙ্কা কমে : এই ফলটিতে থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এজেন্ট, শরীরে প্রবেশ করা মাত্র ক্ষতিকর জীবাণুদের মারতে শুরু করে। ফলে কোনও ধরনের সংক্রমণের আশঙ্কা কমে যায়। সেই সঙ্গে শরীরে উপস্থিত সমস্ত ধরনের বিষাক্ত উপাদানও বেরিয়ে যায়। ফলে নিমেষে শরীর চাঙ্গা হয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে আয়ুও বাড়ে চোখে পরার মতো।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসে : প্রতিদিন একটা করে পেয়ারা খাওয়া শুরু করলে দেহে পটাশিয়ামের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যার প্রভাবে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগে না।

দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে : প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন এ থাকার কারণে নিয়মিত পেয়ারা খেলে দৃষ্টিশক্তির মারাত্মক উন্নতি ঘটে। সেই সঙ্গে ছানি, ম্যাকুলার ডিজেনারেশন এবং গ্লকোমার মতো রোগও দূরে থাকে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়তে শুরু করে : পেয়ারায় রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন সি, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থাকে এতটা মজবুত করে তোলে যে ছোট-বড় কোনও ধরনের রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। নানা ধরনের সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচাতেও ভিটামিন সি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

ব্রেন পাওয়ার বৃদ্ধি পায় : পেয়ারায় উপস্থিত ভিটামিন বি৩ এবং বি৬ মস্তিষ্কে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের সরবরাহ বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ব্রেনের কগনেটিভ ফাংশন, অর্থাৎ স্মৃতিশক্তি, বুদ্ধি এবং মনোযোগের উন্নতি ঘটে।

ক্যান্সারের মতো রোগ দূরে থাকে : পেয়ারায় থাকা লাইকোপেন, কুয়েরসেটিন, ভিটামিন সি এবং পলিফেনল শরীরে জমতে থাকা ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের বার করে দেয়। ফলে ক্যান্সার সেল জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা অনেক কমে যায়।

কোষ্ঠকাঠিন্যের প্রকোপ কমে : শরীরে ফাইবারের মাত্রা বাড়তে থাকলে পেটের রোগ যেমন কমে, তেমনি কনস্টিপেশনের মতো সমস্যাও দূরে পালায়। আর ফলেদের দুনিয়ায় পেয়ারায় মধ্যেই রয়েছে সবথেকে বেশি মাত্রায় ফাইবার।

রক্তে সুগারের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখে : পেয়ারায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, যা রক্তে শর্করার মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর এই ফলটি যেহেতু গ্লাইকেমিক ইনডেক্সে একেবারে নিচের দিকে আসে, তাই পেয়েরা খেলে ব্লাড সুগার বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকে না।

হার্টের ক্ষমতা বাড়ে : শরীরে সোডিয়াম এবং পটাশিয়াম লেভেল টিক রাখার মধ্যে দিয়ে ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা নেয় পেয়ারা। ট্রাইগ্লিসারাইড এবং ক্ষতিকর কোলেস্টরলের মাত্রা কমিয়ে হার্টকে সুস্থ রাখতেও সাহায্য় করে এই ফলটি।

ত্বককে ফর্সা করে তোলে : অল্প পরিমাণে পেয়ারার খোসা নিয়ে তার সঙ্গে ডিমের কুসুম মিশিয়ে একটা মিশ্রন বানিয়ে ফেলুন। তারপর সেটি ভালো করে মুখে লাগিয়ে কম করে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। সময় হয়ে গেলে হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন মুখটা। এইভাবে সপ্তাহে ২-৩ ত্বকের পরিচর্যা করলে দেখবেন ত্বক ফর্সা এবং উজ্জ্বল হয়ে উঠতে সময় লাগবে না।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আছে কলমি শাকেও
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : সময়টা ভালো যাচ্ছে না। করোনার এই সংকটময় মুহূর্তে বার বার উঠে আসছে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার কথা। তবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এমন বেশ কিছু খাদ্য উপাদান দরিদ্র মানুষের নাগালের বাইরে। আবার কোনো কোনো উপাদান সহজে পাওয়া যায় না। সেই হিসেবে কলমি শাক সহজে পাওয়া যায়, দামেও কম। একই সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যথেষ্ট।

চলুন জেনে নিই কলমি শাকের কিছু গুণ-

কলমি শাক অত্যন্ত উপকারী একটি শাক। এই শাকে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন সি থাকে। ফলে হাড় মজবুত হয় সঙ্গে সঙ্গে গড়ে ওঠে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে।

সন্তানের জন্মের পরে কলমি শাক মা যদি কলমি শাক খান সেক্ষেত্রে সন্তানেরও বাড়তি পুষ্টি হয়। সদ্য মা হওয়া নারীকে কলমি শাক খাওয়ালে সন্তান পর্যাপ্ত পরিমাণে দুধ পাবে।
কলমি শাকে লোহার পরিমাণ বেশি থাকায় এটি খেলে শরীর থেকে রক্ত শূন্যতা দূর করে।
মৌমাছি থেকে পোকা মাকড়ের কামড়ানোর যন্ত্রণার উপশম কলমি শাকের রস। এই শাকের রস লাগালে যন্ত্রণা কমে যায়।
বসন্ত রোগের প্রতিষেধক হিসাবে কলমি শাক কাজ করে।

ইফতারে খেজুর খাওয়ার উপকারিতা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : রমজান মাস জুড়েই ইফতারে সবাই কম বেশি খেজুর খেয়ে থাকেন। মুসলিমদের জন্য খেজুর অনেক প্রিয় একটি খাবার। রোজা এলে ইফতারের খাদ্যতালিকায় এর স্থান থাকে সর্বাগ্রে। এ খেজুরের রয়েছে অসাধারণ কিছু পুষ্টিগুণ।

খেজুরে রয়েছে ভেষজ ও অনেক পুষ্টি উপাদান; যা সারাদিন রোজা রাখার পর খানিকটা পুষ্টির ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে। আমরা অনেকেই হয়তো জানি না যে, সৌন্দর্য বর্ধনে এবং শারীরিক সৌন্দর্য ধরে রাখতেও খেজুরের অনেক গুণ রয়েছে। চুল ও ত্বকের ক্ষেত্রে ম্যাজিকের মতো কাজ করে এই খেজুর।

খেজুরে রয়েছে পানি, খনিজ পদার্থ, আমিষ, শর্করা, ক্যালসিয়াম, আয়রণ, ভিটামিন `বি-১`, ভিটামিন `বি-২` ও সামান্য পরিমাণ ভিটামিন `সি ফলিক অ্যাসিড, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, সালফার, প্রোটিন। রোজায় দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকার কারণে দেহে গ্লুকোজের ঘাটতি দেখা দেয়। শরীরের এই প্রয়োজনীয় গ্লুকোজের ঘাটতি পূরণ করতে সাহায্য করে খেজুর। তাই প্রতিদিন ইফতারে খেজুর খাওয়া উচিত।

এছাড়া খেজুরের রয়েছে আরও অনেক উপকারী গুণ। সেগুলো হলো-

১. হজমশক্তি বর্ধক, যকৃৎ ও পাকস্থলীর শক্তিবর্ধক
২. খেজুর স্নায়ুবিক শক্তি বৃদ্ধি করে
৩. খাদ্যশক্তি থাকায় দুর্বলতা দূর করে
৪. খেজুর শরীরে রক্ত উৎপাদন করে
৫. হৃদরোগীদের জন্যও খেজুর বেশ উপকারী ফল
৬. রুচি বাড়ায়
৭. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
৮. দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়
৯. ফুসফুসের সুরক্ষার পাশাপাশি মুখগহ্বরের ক্যান্সার রোধ করে
১০. খেজুরে আছে ডায়েটরই ফাইবার; যা কোলেস্টেরল থেকে মুক্তি দেয়।

গরমে তরমুজ খেলে ৫ উপকার
                                  

বৈশাখ মাসের শুরুতে বেড়েছে দাবদাহ। গরমের কারণে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। শরীরে পানিশূন্যতা পূরণে তরমুজ খুবই উপকারী।

মৌসুমি ফল হিসেবে বেশ চাহিদা রয়েছে তরমুজের। তরমুজ রসে ভরপুর সুস্বাদু একটি ফল। তরমুজ স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী ফল। এর পুষ্টিগুণ ভাণ্ডারও বেশ সমৃদ্ধ। তরমুজ তীব্র গরমেও আপনার শরীরকে পানিশূন্যতা পূরণ করে। কম সামান্য ক্যালোরি আছে এতে। এক কাপ তরমুজ থেকে মাত্র ৪৬ ক্যালোরি পাওয়া যায়।

গরমে তরমুজ খেলে যত উপকার-

১. সর্দি-কাশি, জ্বর ও ইউরিনের সমস্যায় তরমুজ খুবই উপকারী। এ ছাড়া ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে তরমুজ উপকারী বন্ধু হিসেবে কাজ করে।

২ শরীরের বেশ কিছু জরুরি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট পাওয়া যায় তরমুজ থেকে, যা শরীরকে সুস্থ রাখে। এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে তরমুজ খেতে পারেন।

৩. তরমুজে ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়ামসহ বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন থাকে, যা হৃদরোগ প্রতিরোধ করে।

৪. তরমুজ ত্বক ও চুল প্রাকৃতিকভাবে সুন্দর রাখে। তরমুজে থাকে ভিটামিন এ ও সি।

৫. হজমে সমস্যা দূর করতে পারে তরমুজ।

স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন যেভাবে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : কভিড-১৯ করোনাভাইরাসের ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে হাত পরিষ্কার রাখায়। আর হাত পরিষ্কারের জন্য সাবান-পানি ও স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হয়। জেনে নিন হ্যান্ড স্যানিটাইজার কীভাবে ব্যবহার করে হাত জীবাণুমুক্ত রাখবেন: 


• স্যানিটাইজার ব্যবহারের আগে হাত শুকিয়ে নেবেন
• হাতের তালুতে আধা চা চামচ স্যানিটাইজার নিন
• এবার দু’হাতের তালুতে ঘষুন
• আঙুলের মধ্যে এবং উলটো পিঠে ঘষুন
• দুই হাতের তালুতে ভালো করে ঘষুন
• আঙুলের পেছনেও ঘষুন
• স্যানিটাইজার ব্যবহারের পরে হাত ধোবেন না

প্রসঙ্গত, হ্যান্ড স্যানিটাইজার হাতের জীবানু ধ্বংস করে। তবে সবধরনের জীবানু ধ্বংসে হ্যান্ড স্যানিটাইজার যথেষ্ট নয়। এজন্য সাবান-পানিই যথেষ্ট। আমেরিকার সেন্টার্স ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন হাতের জীবানু প্রতিরোধে সাবান-পানি দিয়েই হাত পরিষ্কারের ওপর অধিকতর গুরুত্বারোপ করেছে।

করোনা থেকে বাঁচতে হলে বদলাতে হবে এই ৯ অভ্যাস
                                  

অনলাইন ডেস্ক
বিশ্বব্যাপী এখন আতঙ্কের নাম করোনাভাইরাস। কেননা, প্রাণঘাতী এই ভাইরাস ইতোমধ্যে বিশ্বের ১৯৫টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। এই ভাইরাসে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ৩ লাখ ৮২ হাজার ৮ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৬ হাজার ৫৫৮ জনের। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে ইতালিতে। সেখানে মৃত্যু হয়েছে ৬ হাজার ৭৭ জনের। তার আগে চীনের হুবেই প্রদেশে তাণ্ডব চালায় করোনা। সেখানে প্রাণ হারায় ৩ হাজার ২৭৭ জনের।

এমতাবস্থায় সারা বিশ্বেই চরম আতঙ্কের মধ্য দিয়ে দিন পার করছে মানুষ। এই ভাইরাসের জেরে ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়ছে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা। বাংলাদেশেও এরই মধ্যে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে শিক্ষপ্রতিষ্ঠান, দোকানপাট ও গণপরিবহন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, করোনাভাইরাস ছড়িয়ে যাওয়া ঠেকাতে কিছু অভ্যাসের পরিবর্তন জরুরি। আর এসব অভ্যাস পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে নিজের যেমন ঝুঁকি কমে, অন্যরাও ঝুঁকি থেকে বাঁচে।

হাত মেলানো
দিনের পর দিন করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। আক্রান্ত হওয়া থেকে বাঁচতে অন্যের সঙ্গে হাত মেলাতে নিষেধ করেছে বিশেষজ্ঞরা। কারণ, হাত মেলানোর ফলে জীবাণু ছড়িয়ে পড়ে।

সামাজিকতা পরিহার
রেস্টুরেন্ট, নাইট ক্লাব, চার্চ, মসজিদ, বিয়ের অনুষ্ঠান কিংবা শেষকৃত্যে অংশ নেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। প্রতিদিন বাইরে যেভাবে ঘুরে বেড়াতেন, সেটাও কমিয়ে নিয়ে আসতে হবে। সরকারিভাবে এরই মধ্যে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করেছে। সেহেতু সামাজিকতা রক্ষা করতে গিয়ে বিপাকে পড়া থেকে বিরত থাকাই উচিৎ। বন্ধু-বান্ধবদের এই অসময়ে এড়িয়ে চলার বিকল্প নেই।

টাকা
টাকা লেনদেনের মাধ্যমে কিন্তু হাতে জীবাণু লেগে যায়। প্রয়োজনে টাকা স্পর্শ করলে হাত ধুয়ে ফেলতে হবে। তবে নগদ টাকা ছাড়া কার্ড কিংবা অনলাইনে পেমেন্ট করা ভালো।

অফিসে যাওয়া
বিভিন্ন দেশে স্কুল কলেজের পাশাপাশি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কর্মীদের ঘরে বসে কাজ করার কথা বলা হচ্ছে। আমাদের দেশেও বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা বাড়িতে থেকে কাজ করছেন। সে ক্ষেত্রে বাড়িতে থেকে কাজ করা সম্ভব হলে, অফিসে না যাওয়া ভালো।

জীবাণুমুক্ত থাকা
নিজে সর্বোচ্চ পর্যায়ের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকার অভ্যাস করতে হবে। হাত ধোয়ার সময় সাবান কিংবা হ্যান্ডওয়াশ ব্যবহার তরতে হবে। পানি না থাকলে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা যাবে।

চলাচলে নিয়ন্ত্রণ
চীনে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়তেই উহান শহর লকডাউন করে দেওয়া হয়। পরে পুরো চীন লকডাউনে চলে যায়। ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে বিভিন্ন দেশ সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে। এরকম পরিস্থিতিতে নিজেদের অবাধ চলাচল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা দরকার।

খরচ কমানো
সারাবিশ্বের বিভিন্ন খাত করোনাভাইরাসের কারণে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। বহু মানুষ বেকার হয়ে পড়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে ঘরে বসে থাকতে হচ্ছে মানুষজনকে। সবমিলিয়ে বৈশ্বিকভাবে অর্থনৈতিক মন্দার শঙ্কা রয়েছে। এমতাবস্থায় খরচ কমানোর বিকল্প নেই। প্রয়োজনীয় সামগ্রী, খাবার এবং জীবাণু থেকে বাঁচার সরঞ্জাম কিনতে হবে। বাড়তি খরচ এখন না করাই ভালো।

অনলাইনে কেনাকাটা
কেনাকাটার জন্য শপিংমলে না গিয়ে অনলাইনেই কাজটি সেরে নিতে পারেন। এতে করে জনসমাগম যেমন এড়ানো যাবে, ঘরে বসেই ডেলিভারি পাবেন। সেই সঙ্গে দেশের ই-কমার্স কিছুটা গতি পাবে।

চিকিৎসা নেওয়া
অনেকেই একেবারে খারাপ পরিণতি হওয়া পর্যন্ত চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার ব্যাপারে উদাসীনতা দেখান। এটা করবেন না। আবার হালকা সমস্যা হলেই হাসপাতালে দৌড় দেবেন না। বিষয়টি সুচিন্তিতভাবে ভেবে দেখুন। তারপরই সিদ্ধান্ত নিন।

 
আমড়ার যতগুণ
                                  

অন্যান্য ফলের মধ্যে অন্যতম সুস্বাদু আমড়া। বাংলাদেশে পুষ্টিকর এই ফলটির দু`টি প্রজাতির চাষ হয়। দেশি আমড়া ও বিলাতি আমড়া। বিলাতি আমড়া দেশি আমড়ার মতো টক নয়। এটি খেতে টক-মিষ্টি স্বাদের। এতে শাঁস বেশি, আকারেও বড়। বিলাতি আমড়া কাঁচা খাওয়া হয়। বিলাতি ও দেশি দই’ধরনের আমড়া থেকেই সুস্বাদু আচার, চাটনি এবং জেলি তৈরি করা যায়। তরকারি হিসেবে রান্না করেও আমড়া খাওয়া যায়। মুখে রুচি বৃদ্ধিসহ অসংখ্য গুণাগুণ রয়েছে আমড়া।

গোল্ডেন আপেলখ্যাত আমড়ার বৈজ্ঞানিক নাম Stondia Dulcis। এটি Anacardiaceae পরিবারভুক্ত। আমড়ায় জলীয় অংশ ৮৩.২, খনিজ ০.৬, লৌহ ০.৩৯, আঁশ ০.১, চর্বি ০.১, আমিষ ১.১, শর্করা ১৫, ক্যালসিয়াম ০.৫৫ শতাংশ।

পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, আমড়ায় প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি, আয়রন, ক্যালসিয়াম আর আঁঁশ আছে, যেগুলো শরীরের জন্য খুব দরকারি। হজমেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই তেল ও চর্বিযুক্ত খাদ্য খাওয়ার পর আমড়া খেয়ে নিতে পারেন; হজমে সহায়ক হবে। আমড়ায় প্রচুর ভিটামিন সি থাকায় এটি খেলে স্কার্ভি রোগ এড়ানো যায়। বিভিন্ন প্রকার ভাইরাল ইনফেকশনের বিরুদ্ধেও লড়তে পারে আমড়া। অসুস্থ ব্যক্তিদের মুখের স্বাদ ফিরিয়ে দেয়।

সর্দি-কাশি-জ্বরের উপশমেও আমড়া অত্যন্ত উপকারী। শিশুর দৈহিক গঠনে ক্যালসিয়াম খুব দরকারি। ক্যালসিয়ামের ভালো উৎস এই আমড়া। শিশুদের এই ফল খেতে উৎসাহিত করতে পারেন। এছাড়া এটি রক্তস্বল্পতাও দূর করে। কিছু ভেষজ গুণ আছে আমড়ায়। এটি পিত্তনাশক ও কফনাশক। আমড়া খেলে মুখে রুচি ফেরে, ক্ষুধা বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে আমড়ায় থাকা ভিটামিন সি রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। খাদ্যে থাকা ভিটামিন এ এবং ই এটির সঙ্গে যুক্ত হয়ে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে দেহকে নানা ঘাত-প্রতিঘাত থেকে রক্ষা করে। দাঁতের মাড়ি শক্ত করে, দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত, পুঁজ, রক্তরস বের হওয়া প্রতিরোধ করে আমড়া।

এর ভেতরের অংশের চেয়ে বাইরের খোসাতে রয়েছে বেশি ভিটামিন সি আর ফাইবার বা আঁশ, যা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে করে দ্বিগুণ শক্তিশালী। আর আঁশজাতীয় খাবার পাকস্থলী (স্টমাক), ক্ষুদ্রান্ত, গাছহদন্ত্রের (পেটের ভেতরের অংশবিশেষ) জন্য আশীর্বাদ স্বরূপ।

 
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে পেয়ারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট:
দেশী ফলগুলোর মধ্যে পেয়ারা বেশ পরিচিত এবং জনপ্রিয় একটি ফল। সাধারণ এবং সহজলভ্য এই ফলটির পুষ্টিগুণ অনেক। শুধু ফল নয়, পেয়ারা পাতায়ও রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ।

পেয়ারার পুষ্টিগুণ:
পেয়ারাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি এবং ভিটামিন এ। একটি পেয়ারাতে ৪ গুণ বেশি ভিটামিন সি রয়েছে একটি মাঝারি আকৃতির কমলা থেকে। ১০ গুণ বেশি ভিটামিন এ রয়েছে লেবুর তুলনায়। এছাড়া ভিটামিন বি২, ই, কে, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, কপার, আয়রন, ফসফরাস এবং পটাসিয়াম রয়েছে।
উপকারিতা:
১। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি
পেয়ারাতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি রয়েছে। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং শরীরকে বিভিন্ন রোগের সাথে যুদ্ধ করার শক্তি প্রদান করে।

২। ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস
পেয়ারাতে লাইকোপিন, ভিটামিন সি, কোয়ারসেটিন এর মত অনেকগুলো অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে যা শরীরের ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধি রোধ করে। এটি প্রোসটেট ক্যান্সার এবং স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

৩। হার্ট সুস্থ রাখতে
১৯৯৩ সালে “Journal of Human Hypertension” এ প্রকাশিত হয় যে নিয়মিত পেয়ারা খেলে রক্ত চাপ ও রক্তের লিপিড কমে। পেয়ারাতে প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম, ভিটামিন সি রয়েছে। পটাশিয়াম নিয়মিত হৃদস্পন্দনের এবং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে বিশেষ ভূমিকা রাখে। নিয়মিত ভাবে লাইকোপিন সমৃদ্ধ গোলাপি পেয়ারা খেলে কার্ডিওভাস্কুলার রোগের ঝুঁকি কমায়।

৪। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে
চাইনিজ চিকিৎসা শাস্ত্ররে অনেক বছর ধরে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে পেয়ারা ব্যবহার হয়ে আসছে। ১৯৮৩ সালে American Journal of Chinese Medicine প্রকাশ করেন যে, পেয়ারার রসে থাকা উপাদান ডায়াবেটিস মেলাইটাসের চিকিৎসায় খুবই কার্যকর। ডায়াবেটিস প্রতিরোধে পেয়ারা পাতাও বেশ কার্যকর। কচি পেয়ারা পাতা শুকিয়ে মিহি গুঁড়ো করে ১ কাপ গরম পানিতে ১ চা চামচ দিয়ে ৫ মিনিট ঢেকে রেখে তারপর ছেঁকে নিয়ে পান করতে পারেন প্রতিদিন।

৫। ঠান্ডা জনিত সমস্যা দূর করতে
বিভিন্ন ঠান্ডাজনিত সমস্যা যেমন ব্রংকাইটিস সারিয়ে তুলতে ভূমিকা রাখে পেয়ারা। উচ্চ পরিমাণে আয়রন এবং ভিটামিন সি থাকায় এটি শ্লেষ্মা কমিয়ে দেয়। তবে কাঁচা পেয়ারা ঠান্ডা জনিত সমস্যা দূর করতে কার্যকর।

৬। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে
পেয়ারা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর পটাশিয়াম রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

৭। দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতে
ভিটামিন এ চোখের জন্য উপকারী। এতে থাকা ভিটামিন এ কর্নিয়াকে সুস্থ রাখে এবং রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় পেয়ারা রাখুন। কাঁচা পেয়ারা ভিটামিন এ এর ভাল উৎস।

 
শিশুর শ্বাসনালিতে কিছু আটকে গেলে তাৎক্ষনিক যা করবেন
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট:
ছোট শিশুদের সবকিছু মুখে দেওয়ার অভ্যাস। একটু অসাবধান হলেই মুখে দেওয়া এই বস্তু শ্বাসনালিতে আটকে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে। এ ধরনের দুর্ঘটনা যত দ্রুত শনাক্ত করা যায় ততই মঙ্গল। হঠাৎ যদি কোনও বাচ্চার কাশি শুরু হয় বা বিষম খেতে শুরু করে এবং যদি এমন হয় যে ঠিক তার আগেই বাচ্চা ছোট কোনও বস্তু নিয়ে খেলছিল তবে বুঝতে হবে গলায় কিছু আটকে গেছে। এ ক্ষেত্রে বাচ্চার মুখ দিয়ে অতিরিক্ত লালা বের হতে পারে। কাশি থাকলেও জ্বর, সর্দি থাকবে না। সন্দেহ হলে তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নিতে হবে।

তৎক্ষণাৎ করণীয়: শ্বাসনালিতে কিছু ঢুকে গেলে শিশুর মুখ খুলে যদি জিনিসটি দেখতে পান, সাবধানতার সঙ্গে বের করে ফেলুন। তবে দেখা না গেলে খোঁচাখুঁচি করবেন না, এতে আটকে যাওয়া জিনিসটি আরও ভেতরে ঢুকে যেতে পারে। বাচ্চা যদি কাশতে থাকে তবে তাকে কাশতে দিন। এতে কাশির সঙ্গে আটকে যাওয়া জিনিসটি বের হয়ে আসতে পারে। যদি শ্বাসকষ্ট হয় তবে শিশুর পিঠ চাপড়ে দিন।

বাচ্চার বয়স এক বছরের কম হলে আপনি টুল বা চেয়ারের ওপর বসে শিশুকে আপনার কোলের ওপর আড়াআড়িভাবে উপুড় করে শুইয়ে, মাথা ঝুলিয়ে দিন। এরপর শিশুর পিঠের মাঝখানে, একটু ওপরের দিকে আপনার হাতের তালুর নিচের অংশ দিয়ে জোরে জোরে পাঁচবার চাপড় দিন। কাজ না হলে আবার করতে পারেন। বয়স বেশি হলে শিশুর পেছনে হাঁটু মুড়ে বা সোজা হয়ে দাঁড়ান, শিশুর বগলের নিচ দিয়ে দুই হাত ঢুকিয়ে, জাপটে ধরার ভঙ্গিতে শিশুর পেটের ওপরের অংশ বরাবর আপনার হাত রাখুন।

এরপর এক হাত মুষ্টিবদ্ধ করে, শিশুর বুকের সামনে চওড়া হাড়ের নিচে, যেখানে দুই পাশের পাঁজরের শেষের হাড়টি মিলিত হয়েছে সে জায়গায় রাখুন। এবার অন্য হাত দিয়ে এই হাতটির কবজি চেপে ধরুন, দুই হাত দিয়ে ওপর এবং ভেতর দিক বরাবর শিশুর পেটে জোরে চাপ দিন। পরপর পাঁচবার চাপ দিন। এতে যদি কাজ না হয় কিংবা শিশুর যদি জ্ঞান না থাকে সে ক্ষেত্রে কাউকে সাহায্যের জন্য ডাকুন।

মুখ থেকে মুখে বা নাকে শ্বাস দিন এবং দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে ছোট পুঁতি, মার্বেল, বোতাম, ফলের বিচি, ছোট পার্টসযুক্ত খেলনা শিশুদের নাগালের বাইরে রাখা উচিত। শিশুদের খেলনা বা জামা কেনার সময়ও পুঁতি, ঘন্টিওলা না কেনাই ভালো।

 
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে তেজপাতা
                                  

রান্নার স্বাদ বাড়াতে তেজপাতার ব্যবহার আমরা সবাই জানি। কিন্তু ডায়াবেটিস কমাতেও তেজপাতা খুবই উপকারি তা কি জানেন। ডায়াবেটিস কখনও ভালো হয় না। তবে এইরোগ নিয়ন্ত্রণে রাখলে ভালো থাকা যায়। ডায়াবেটিস ধরা পড়লে অনেকেই আতঙ্কিত হন।

আসুন জেনে নিই তেজপাতার আরও কিছু স্বাস্থ্যগুণ

১. রক্তে শর্করার পরিমাণ কমায়।

২. তেজপাতার ধোঁয়ার গন্ধে উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে আসে।

৩. হজমশক্তি বাড়ায়।

৪. শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেয়।

৫. তেজপাতায় রয়েছে রুটিন ও ক্যাফেক অ্যাসিড। এগুলো হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখে।

৬. গরম পানিতে কয়েকটি তেজপাতা ফুটিয়ে নিন। পানি ঠাণ্ডা করে প্রতিদিন এক গ্লাস করে খান। উপকার পাবেন। তথ্যসূত্র: জি নিউজ

 
করোনাভাইরাস : সাড়ে ৬ কোটি মানুষ মরবে, সতর্ক করেছিলেন বিজ্ঞানীরা
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক


করোনাভাইরাসে মরবে সাড়ে ৬ কোটি মানুষ, সতর্ক করেছিলেন বিজ্ঞানীরা
যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য খাতের বিখ্যাত গবেষণা প্রতিষ্ঠান জন হপকিনস সেন্টার ফর হেলথ সিকিউরিটির বিজ্ঞানী এরিক টনার চীনের উহান শহরে রহস্যজনক করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের খবরে হতবাক হননি। কারণ তিন মাস আগে টনারের নেতৃত্বে একদল মার্কিন গবেষক বিশ্বজুড়ে এ ধরনের করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছিলেন।

তারা বলেছিলেন, নতুন ধরনের এই করোনাভাইরাসের প্রভাবে ১৮ মাসের মধ্যে বিশ্বে সাড়ে ছয় কোটির বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটতে পারে। করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা এবং নিউমোনিয়ার মতো অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হতে পারে মানুষ। ২০০৩ সালের দিকে চীনে আরেক প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিন্ড্রোমের (সার্স) সংক্রমণ ব্যাপক আকার ধারণ করে। চীনে আট হাজার মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়, প্রাণ যায় অন্তত ৭৭৪ জনের।


টনার বলেন, আমি অনেক দিন ধরেই আশঙ্কা করছিলাম, একটি নতুন ধরনের করোনাভাইরাস মহামারি আকার ধারণ করতে পারে। চীনের উহানের এই ভাইরাস এখনও মহামারি আকার ধারণ না করলেও থাইল্যান্ড, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, তাইওয়ান, ভিয়েতনাম, সিঙ্গাপুর ও সৌদি আরব, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ভারত, নেপালে ইতোমধ্যে পৌঁছেছে।

চীনে এই ভাইরাসে এখন পর্যন্ত ৫৬ জনের মৃত্যু ও আরও ২ হাজার মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং শনিবার দেশটির জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে এই ভাইরাস দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে তিনি পরিস্থিতি মোকাবেলায় যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন।



টনার বলেন, আমরা এখনও জানি না এই ভাইরাস কতটা ক্ষতিকর। আমরা জানি এটি মানুষ থেকে মানুষে ছড়িয়ে পড়ছে। কিন্তু কি পরিমাণ মানুষ সংক্রমিত হচ্ছেন তা আমরা জানি না। প্রাথমিকভাবে এটা বোঝা যাচ্ছে যে, এই ভাইরাস সার্সের চেয়ে একটু দুর্বল। আর এটাই স্বস্তির জায়গা। তবে সার্সের চেয়ে এটি দ্রুতগতিতে বিস্তার লাভ করতে পারে।

 

বিশ্বজুড়ে নতুন ধরনের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছয় মাসের মধ্যে হতে পারে বলে তিন মাস আগে সতর্ক করে দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের জন হপকিনস সেন্টার ফর হেলথ সিকিউরিটির বিজ্ঞানীরা। বিশ্বের প্রায় প্রত্যেক দেশেই এই ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটতে পারে বলে তারা ধারণা করেছিলেন। একই সঙ্গে ১৮ মাসের মধ্যে সাড়ে ৬ কোটি মানুষ করোনাভাইরাসের কারণে মারা যেতে পারেন বলে শঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।

মার্কিন এই স্বাস্থ্য খাতের গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞানীরা বিশ্বজুড়ে নতুন ধরনের একটি করোনাভাইরাস কীভাবে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়তে পারে তার একটি কাল্পনিক চিত্র উপস্থাপনা করেছিলেন। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম, দাতব্য সংস্থা বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটসের সহায়তায় এই গবেষণা করেন বিজ্ঞানীরা। কাল্পনিক এই গবেষণায় ব্রাজিলের শুকর খামার থেকে যদি একটি করোনাভাইরাস বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে তাহলে কী ঘটবে সেটি জানার চেষ্টা করেন তারা। উহানের করোনাভাইরাস সেখানকার একটি সামুদ্রিক খাবারের বাজার থেকে ছড়িয়ে পড়ে।

কী বলা হয়েছিল সেই গবেষণায়

জন হপকিনস সেন্টার ফর হেলথ সিকিউরিটির বিজ্ঞানীরা বলেছিলেন, নতুন করোনাভাইরাস হবে আধুনিক যে কোনও ভ্যাকসিন প্রতিরোধী। এটা হবে সার্সের চেয়েও ভয়াবহ প্রাণঘাতী। কল্পিত এই মহামারী শুরু হবে দক্ষিণ আমেরিকার দারিদ্রপীড়িত অঞ্চলে। এই ভাইরাসে আক্রান্তরা ফ্লু অথবা নিউমোনিয়ায় ভুগতে পারেন। সেখান থেকে ধীরে ধীরে তা মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়বে।


দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোতে বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে। ভ্রমণ বাতিল হয়ে যাবে ৪৫ শতাংশ। মানুষ প্রচুর ভুয়া সংবাদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেবে। ছয় মাস পর বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়বে এই ভাইরাস। এর এক বছর বিশ্বে সাড়ে ছয় কোটি মানুষের প্রাণহানি ঘটবে। টনার বলেন, এটা আমরা যে বিশ্বে বসবাস করছি, তারই একটি অংশ। আমরা এখন মহামারির যুগে বসবাস করছি।

করোনা ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ কী?

এ ভাইরাসে আক্রান্ত হলে শুরুতে জ্বর ও শুষ্ক কাশি হতে পারে। এর সপ্তাহখানেক পর শ্বাসকষ্টও দেখা দেয়। অনেক সময় নিউমোনিয়াও হতে পারে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে রোগীর অবস্থা বেশি খারাপ হওয়ায় তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা লাগে। তবে এসব লক্ষণ মূলত রোগীরা হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরই জানা গেছে।


সেক্ষেত্রে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার একদম প্রাথমিক লক্ষণ কী বা আদৌ তা বোঝা যায় কি-না তা এখনো অজানা। তবে নতুন এই করোনাভাইরাস যথেষ্ট বিপজ্জনক। সাধারণ ঠান্ডা-জ্বরের লক্ষণ থেকে এটি মৃত্যুর দুয়ার পর্যন্তও নিয়ে যেতে পারে।

 

   Page 1 of 10
     লাইফস্টাইল
ওজন বেড়েছে? নিয়ন্ত্রণে আনবেন যেভাবে
.............................................................................................
ঠাণ্ডার সমস্যায় ভিটামিন সি
.............................................................................................
তেজপাতার ৫ ঔষধি গুণ
.............................................................................................
যে ৫ ভুলে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে
.............................................................................................
বাড়িতে বসে নিজেই করা যাবে করোনা টেস্ট, আসছে `ম্যাজিক কিট`
.............................................................................................
প্রতিদিন একটি করে পেয়ারা খেয়েই দেখুন!
.............................................................................................
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আছে কলমি শাকেও
.............................................................................................
ইফতারে খেজুর খাওয়ার উপকারিতা
.............................................................................................
গরমে তরমুজ খেলে ৫ উপকার
.............................................................................................
স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন যেভাবে
.............................................................................................
করোনা থেকে বাঁচতে হলে বদলাতে হবে এই ৯ অভ্যাস
.............................................................................................
আমড়ার যতগুণ
.............................................................................................
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে পেয়ারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে
.............................................................................................
শিশুর শ্বাসনালিতে কিছু আটকে গেলে তাৎক্ষনিক যা করবেন
.............................................................................................
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে তেজপাতা
.............................................................................................
করোনাভাইরাস : সাড়ে ৬ কোটি মানুষ মরবে, সতর্ক করেছিলেন বিজ্ঞানীরা
.............................................................................................
৫৭ জনের মৃত্যু শীতকালীন রোগে
.............................................................................................
‘নোবেল করোনাভাইরাস’ এর ঝুঁকিতে বাংলাদেশ
.............................................................................................
ডায়াবেটিস হয় কেন?
.............................................................................................
১০০ জনে ২৬ গর্ভবতী ডায়াবেটিসে আক্রান্ত
.............................................................................................
অতি মহামারিতে রূপ নিচ্ছে ডায়াবেটিস : আক্রান্ত ৪ কোটি!
.............................................................................................
স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় ১৫ জেলায় দেড় সহস্রাধিক মেডিকেল টিম
.............................................................................................
প্রাপ্তবয়স্কদের ১৭ শতাংশ মানসিক রোগে ভুগছে
.............................................................................................
ডেন্টালের ভর্তি পরীক্ষার মেধা তালিকায় দুই-তৃতীয়াংশই মেয়ে
.............................................................................................
স্তন ক্যানসার রোধে যা খাবেন
.............................................................................................
হার্ট সতেজ রাখতে খাদ্যাভ্যাসে আনুন পাঁচ পরিবর্তন
.............................................................................................
গেঁটে বাত কেন হয়
.............................................................................................
ছড়াচ্ছে অ্যানথ্রাক্স, যেসব বিষয় জেনে রাখা জরুরি
.............................................................................................
স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঈদের ছুটি বাতিল
.............................................................................................
পাইলস বা অর্শ চিকিৎসায় হোমিও প্রতিবিধান
.............................................................................................
ডেঙ্গু টেস্টের মূল্য ৫০০ টাকা নির্ধারণ করলো স্বাস্থ্য অধিদফতর
.............................................................................................
মেরুদণ্ডের ক্ষতি হয় যেসব কারণে
.............................................................................................
রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়ে যেসব কারণে
.............................................................................................
শিশুর ডেঙ্গু হলে
.............................................................................................
গাঁটের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে...
.............................................................................................
ডেঙ্গু রোগের যেসব লক্ষণ দেখা যায়
.............................................................................................
হেপাটাইটিস থেকে রক্ষা পেতে ৭ পরামর্শ
.............................................................................................
কিডনির ভীতিকর সাত রোগ
.............................................................................................
ভিসির পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল বিএসএমএমইউ
.............................................................................................
হঠাৎ প্রেসার কমে গেলে করণীয়
.............................................................................................
বিশ্ব হোমিওপ্যাথি দিবস আজ
.............................................................................................
ক্যান্সার ও ডায়াবেটিস প্রতিরোধে বেগুন
.............................................................................................
ডিম কীভাবে খাওয়া ভালো?
.............................................................................................
কিডনি রোগের লক্ষণ ও ভালো রাখার উপায়
.............................................................................................
ডায়ালাইসিসের ব্যয় যোগাতে না পেরে মারা যাচ্ছেন ৯০ শতাংশ রোগী
.............................................................................................
দ্রুত কলেরা রোগনির্ণয় পদ্ধতির উদ্ভাবন
.............................................................................................
আড়াই কোটি শিশু খাবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল
.............................................................................................
ক্যান্সারের ১১ লক্ষণ এড়িয়ে যাবেন না
.............................................................................................
ছেলে শিশু বেশি জন্মায় কেন?
.............................................................................................
শীতে শ্যাম্পু করার ভয়? নিজেই তৈরি করুন ড্রাই শ্যাম্পু
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD