| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * শিশু কল্যাণ তহবিলের অর্থ কেলেঙ্কারি: নেদারল্যান্ডস সরকারের পদত্যাগ   * রাজারবাগে সম্প্রসারিত পুলিশ শপিং মলের উদ্বোধন   * প্রেমের বিয়েতে যৌতুক দাবি, অভিমানে কনের আত্মহত্যা   * তিন যাত্রীর সনদ নেই, তার্কিশ এয়ারলাইন্সকে তিন লাখ টাকা জরিমানা   * ফাইজারের টিকা বর্জনের আহ্বান চীনা স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের   * অনেকে লুটপাট করে পিঠ বাঁচাতে নৌকায় উঠতে চায়: তথ্যমন্ত্রী   * বার্ড ফ্লু কতটা মারাত্মক, জেনে নিন এখনই   * শাওমিসহ আরও ৯ চীনা প্রতিষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা   * শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি বাড়ল ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত   * `নির্বাচন অবাধ শান্তিপূর্ণ করতে সরকার হস্তক্ষেপ করবে না`  

   লাইফস্টাইল -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ব্রণ দূর করার উপায় জানালেন শ্রদ্ধা!

লাইফস্টাইল ডেস্ক : নায়িকাদের সৌন্দর্যে আমরা মুগ্ধ হই। তাদের কোমল ও আকর্ষণীয় ত্বকের রহস্য জানতে চায় সবাই। অভিনয়, নাচ ও সৌন্দর্য দিয়ে বলিউডে এরই মধ্যে প্রশংসা কুড়িয়েছেন শ্রদ্ধা কাপুর।

তার জীবন-যাপন সম্পর্কে সব সময়ই জানতে আগ্রহী ভক্তকূল। তার কোমল ত্বকের রহস্য জানতে চান অনেকেই।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি ভক্তদের উদ্দেশে ব্রণ দূর করার উপায় সম্পর্কে বলেছেন। তিনি বলেন, সবারই মুখের ত্বকের প্রতি বেশি যত্নবান হওয়া উচিত। এজন্য অবশ্যই প্রাকৃতিক উপাদানের প্রতি আস্থা রাখতে হবে।

এ অভিনেত্রী জানান, ত্বকের বিভিন্ন সমস্যার মধ্যে তিনি সবচেয়ে বেশি ব্রণের সম্মুখীন হয়ে থাকেন। যা তার জন্য বেশ বিব্রতকর।

শ্রদ্ধা বলেন, ব্রণের সঙ্গে লড়াই করার জন্য আমার কাছে একটি সহজ উপায় রয়েছে!

ব্রণ দূর করতে টুথপেস্ট ব্যবহার করেন শ্রদ্ধা। তিনি বলেন, টুথপেস্ট ব্যবহারের একদিনের মধ্যেই শুকিয়ে যায় ব্রণ।

কীভাবে টুথপেস্ট ব্রণ নিরাময় করে? জানা যায়, আসলে টুথপেস্টে থাকে সিলিকা। যা ত্বকের আর্দ্রভাব কমিয়ে ফেলে। এ জন্য ভেতর থেকে ব্রণ শুকিয়ে যায়।

এ জন্য রাতে ঘুমানোর আগে টুথপেস্টের প্রলেপ লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন। সকালে উঠে দেখবেন, ব্রণের ফোলা ভাব অনেকটা কমে গেছে আর ব্যথাও অনেকটা ভালো হয়েছে।

ব্রণ দূর করার উপায় জানালেন শ্রদ্ধা!
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : নায়িকাদের সৌন্দর্যে আমরা মুগ্ধ হই। তাদের কোমল ও আকর্ষণীয় ত্বকের রহস্য জানতে চায় সবাই। অভিনয়, নাচ ও সৌন্দর্য দিয়ে বলিউডে এরই মধ্যে প্রশংসা কুড়িয়েছেন শ্রদ্ধা কাপুর।

তার জীবন-যাপন সম্পর্কে সব সময়ই জানতে আগ্রহী ভক্তকূল। তার কোমল ত্বকের রহস্য জানতে চান অনেকেই।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি ভক্তদের উদ্দেশে ব্রণ দূর করার উপায় সম্পর্কে বলেছেন। তিনি বলেন, সবারই মুখের ত্বকের প্রতি বেশি যত্নবান হওয়া উচিত। এজন্য অবশ্যই প্রাকৃতিক উপাদানের প্রতি আস্থা রাখতে হবে।

এ অভিনেত্রী জানান, ত্বকের বিভিন্ন সমস্যার মধ্যে তিনি সবচেয়ে বেশি ব্রণের সম্মুখীন হয়ে থাকেন। যা তার জন্য বেশ বিব্রতকর।

শ্রদ্ধা বলেন, ব্রণের সঙ্গে লড়াই করার জন্য আমার কাছে একটি সহজ উপায় রয়েছে!

ব্রণ দূর করতে টুথপেস্ট ব্যবহার করেন শ্রদ্ধা। তিনি বলেন, টুথপেস্ট ব্যবহারের একদিনের মধ্যেই শুকিয়ে যায় ব্রণ।

কীভাবে টুথপেস্ট ব্রণ নিরাময় করে? জানা যায়, আসলে টুথপেস্টে থাকে সিলিকা। যা ত্বকের আর্দ্রভাব কমিয়ে ফেলে। এ জন্য ভেতর থেকে ব্রণ শুকিয়ে যায়।

এ জন্য রাতে ঘুমানোর আগে টুথপেস্টের প্রলেপ লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন। সকালে উঠে দেখবেন, ব্রণের ফোলা ভাব অনেকটা কমে গেছে আর ব্যথাও অনেকটা ভালো হয়েছে।

দ্রুত ওজন কমাবে গুড়-লেবুর পানীয়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : চিনির বিকল্প হিসেবে গুড় সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর উপাদান। বরং গুড় শরীরের জন্য বেশ উপকারী। বিশেষ করে ওজন কমাতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

ওজন বাড়ানো যতটা সহজ, তার চেয়ে চারগুণ কষ্টকর হলো তা কমানো। যদিও নিয়মিত শারীরিক কসরত করলে ওজন বশে থাকে। তবে কর্মব্যস্ততায় অনেকেই নিয়মিত ব্যয়াম করতে পারেন না।

তাই সুষম ও সঠিক ডায়েট মেনে চলার বিকল্প নেই। এজন্য আপনার ডায়েটে যুক্ত করতে পারেন গুড়। এটি ওজন কমাবে খুব দুত। আয়ুর্বেদ অনুসারে গুড়-লেবুর এক বিশেষ টোটকায় সহজেই ওজন আসবে বশে। জেনে নিন কীভাবে-

ওজন কমানোর বিশেষ এই পানীয় তৈরিতে ব্যবহার করতে হবে গুড় ও লেবু। এ দুটি উপাদানই শরীরের জন্য উপকারী ও সহজলভ্য।

গুড় বিপাকক্রিয়া উন্নত করে, ওজন কমায় খুব দ্রুত। এতে রয়েছে ফাইবার ও প্রোটিনসহ আরও উপকারী উপাদানসমূহ। যেগুলো ওজন কমাতে সাহায্য করে।

অন্যদিকে লেবু শরীরের ক্ষতিকর পদার্থ দূর করে। এতে রয়েছে পলিফেনল অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা ওজন কমানোর প্রক্রিয়া তরান্বিত করে। এ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরের ক্ষতিকর এলডিএল কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমিয়ে চর্বি জমতে বাধা দেয়।

যেভাবে তৈরি করবেন গুড়-লেবুর বিশেষ পানীয়
এক গ্লাস হালকা কুসুম গরম পানিতে এক চা চামচ গুড় ও একটি লেবুর রস পানিতে মিশিয়ে নিন। তৈরি হয়ে গেল ওজন কমানোর দাওয়াই।

প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এ পানীয় পান করলেই মিলবে সুফল। সপ্তাহখানেকের মধ্যেই ওজন কমতে শুরু করবে। এর পাশপাশি ডায়েট ও শরীরচর্চা করতে হবে নিয়মিত।

২০২১ সাল কেমন যাবে আপনার?
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ২০২০ সালে করোনার দাপটে কাবু হয়েছে স্বাস্থ্য ও অর্থনীতি। প্রাণ হারিয়েছেন অনেকেই। মৃত্যু-শোক আর রোগ-যন্ত্রণা ছাড়াও চাকরি বা কাজ হারিয়েছে অসংখ্য মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে সামনে আসছে নতুন বছর। ২০২১ সাল কেমন কাটবে? এমন জিজ্ঞাসা এখন সবার মনে। এ ব্যাপারে রাশিফল কী বলে? আসুন জেনে নেই ২০২১ সালের ভবিষ্যদ্বাণী-

মেষ: ২০২১ শুরু থেকেই ইতিবাচক। খুবই সৌভাগ্য নিয়ে বছর শুরু করতে চলেছেন। সবার সঙ্গে ভালো সময় কাটবে। তবে কাজের দিকে মনোযোগ বাড়াতে হবে। আর্থিক দিকে প্রবল উন্নতি রয়েছে। প্রেমভাগ্যও ভালো।

বৃষ: ভাগ্যের জোরে বহু সমস্যা কাটিয়ে উঠবেন। নতুন সৃজনশীল কাজ সুখবর দেবে। ভালো পারফরমেন্স আসবে। ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রে সুখবর পাবেন। সেপ্টেম্বর থেকে দারুণ সময় কাটবে। প্রেম ও দাম্পত্য সুখে কাটবে। পরিবার থেকে আশা অনুযায়ী পাবেন।

মিথুন: অনেক পুরোনো সংঘাত কাটিয়ে সুসময়ের দিকে যাবেন। আর্থিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ভালো সময়। যারা বিয়ে করতে চাইছেন; তারা এগিয়ে যাবেন। শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও সুসময় এনে দেবে।

কর্কট: খানিকটা ব্যাকফুটে গিয়ে শুরু হতে পারে। প্রথমদিকে কিছুটা পরিশ্রম ও লড়াই করতে হবে। কাজের জায়গায় পরিশ্রম দিলে লাভবান হবেন। খরচ প্রবলভাবে বাড়বে। প্রেমের ক্ষেত্রে বাধা আসবে। দাম্পত্য জীবনে সংঘাত দেখা দেবে। তবে ক্যারিয়ারে স্থায়িত্ব আসবে।

সিংহ: কিছু বড় সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এর ক্ষেত্রে জেদি হতে পারেন। পরিবারের দিকে নজর দিয়ে কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। ক্যারিয়ার ও বিবাহিত জীবনের মধ্যে বড় সংঘাত আসবে। তার সমাধান করাই বড় চ্যালেঞ্জ হবে। প্রেমের ক্ষেত্রে বিলাসিতা বাড়বে।

কন্যা: কোনো বড় সুখবর আসন্ন। নতুন কিছু করে দেখানোর তাগিদে বহুদূর এগিয়ে যাবেন। সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে হবে। ক্যারিয়ারে উন্নতির সুযোগ আসবে। জীবনের বহুদিক সম্পর্কে ভাবনা-চিন্তার সময় এসেছে। সেদিকে এগিয়ে যেতে হবে।

তুলা: জীবনের অন্যতম সফল বছর হবে। ব্যক্তিগত জীবনে ব্যাপক সাফল্য এনে দেবে। অনেক বেশি সুখি করবে। অনেক কম বাধা-বিপত্তি পার হতে হবে। মায়ের স্বাস্থ্য ও নিজের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। কাজে উন্নতি ও বেতন বাড়বে। কাজের প্রশংসা হতে চলেছে। বিবাহিত জীবন সুখে কাটবে।

বৃশ্চিক: মন্দ-ভালো মিশিয়ে কাটবে। যে কাজেই হাত দেবেন; তাতে সাহস জোগাতে হবে। আর্থিক উন্নতি সুখি করবে। প্রেমের সম্পর্ক খুব ভালো হবে। অবিবাহিতরা বড় কোনো সুখবর পেতে পারেন।

ধনু: বড় সারপ্রাইজ পাবেন। সমৃদ্ধি ও সাফল্য আপনাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হবে। প্রতিটি কাজে উচ্চাকাঙ্ক্ষা থাকবে। বহু ক্ষেত্রে উন্নতির রাস্তায় হাঁটবেন। সামাজিক গণ্ডিও বিস্তার করবেন। কাজ ও পরিবারে দারুণ ভারসাম্য থাকবে। স্বাস্থ্যের বিষয়ে খেয়াল রাখবেন।

মকর: আত্মসমালোচনার পথ ধরবেন। তবে আর্থিক দিক দিয়ে একটু সতর্ক থাকতে হবে। বিবাহিতরা আর্থিক দিকে নজর রাখবেন। কাজের জায়গায় ইগো সংঘাত বাড়তে পারে। তবে শিক্ষার্থীদের জন্য ২০২১ সাল দারুণ।

কুম্ভ: বহু ধরনের অভিজ্ঞতা পাবেন। প্রথমদিকে খানিকটা মুষড়ে পড়তে পারেন। তবে পরের দিকে তা আর থাকবে না। জীবনের বড় ব্যাপ্তি দেখা যেতে পারে। বিয়ে ও প্রেমের ক্ষেত্রে ভালো সময়। অবিবাহিতদের জীবনে নতুন কেউ আসতে পারে।

মীন: মিশ্র অভিজ্ঞতার শিকার হবেন। তবে প্রবল খরচ হবে। যদিও নতুন বন্ধুত্ব আসবে। সামাজিকভাবে উন্নতি দেখা যাবে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের মধ্যে। বহু পরিশ্রমের পর মিলবে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য।

সিঁড়ি দিয়ে ওঠা-নামা করলে যেসব উপকার হয়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : প্রতিদিনের চলাফেরায় সিঁড়ি ভাঙার প্রয়োজন পড়ে প্রায় সবারই। অফিস, ওভারব্রিজ, শপিং মল কিংবা বাসায় সিঁড়ি ব্যবহারের অভ্যাস করুন। এতে আপনার অজান্তেই মিলবে অনেক উপকারিতা। আমাদের ব্যস্ত জীবনে শরীরচর্চার জন্য আলাদা করে সময় বের করা মুশকিল। তাই কিছু পরিবর্তন নেই সেই অভাব অনেকটা ঘুচিয়ে দেয়া সম্ভব।

সিঁড়ি দিয়ে উঠলে কিছুটা কষ্ট হবে কিন্তু পাশাপাশি বেশ ভালো একটি কার্ডিয়োভাস্কুলার একসারসাইজও হবে। সুস্থ থাকার জন্য সিঁড়িতে ওঠানামা বেছে নিতে পারেন। নিয়মিত সিঁড়ি ওঠার অভ্যেস থাকলে হৃদরোগের সম্ভাবনা কমে। এছাড়া উচ্চরক্তচাপ এবং ডায়াবিটিসের সম্ভাবনাও কমে।

দিনে যদি আপনি অন্তত ৪০টি সিঁড়ি ভাঙার অভ্যাস করুন, তা হলেই আপনার পা ক্রমশ শক্তপোক্ত হয়ে উঠবে। পা শক্তিশালী হয়ে ওঠার পাশাপাশি এই কার্ডিও অ্যাকটিভিটির সৌজন্যে আপনার দমও ক্রমশ বাড়তে থাকবে।

তবে কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে- হাঁটুতে কোনো সমস্যা থাকলে সিঁড়ি ভাঙার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।আপনার পুরো পা যেন সিঁড়িতে থাকে, সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। পায়ে বাড়তি চাপ দেবেন না।

সিঁড়ি দিয়ে ওঠা-নামা করার কিছু উপকারিতা-

সিঁড়ি দিয়ে বারবার ওঠানামা করলে মেটাবলিজম রেট বাড়ে। যা আমাদের ওজন কমাতে সাহায্য করে।

সিঁড়ি দিয়ে ওঠা-নামা করলে অস্টিওরপোরোসিসের সম্ভাবনা অনেকখানি কমানো সম্ভব হয়।

যেকোনো রকমের ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি আমাদের শরীরের সঙ্গে মনও ভালো রাখতে সাহায্য করে। সিঁড়ি ভাঙার ফলে ভাঙার ফলে আমাদের মনও খুব ভালো থাকে।

সিঁড়ি দিয়ে ওঠা-নামা করলে আপনার হার্টের পাশাপাশি ফুসফুসও ভালো থাকবে। এর ফলে ফুসফুসের কাজ করার ক্ষমতা অনেকটাই বাড়ে। তাই সুস্থ থাকতে নিয়মিত সিঁড়ি ব্যবহার করুন।

আপনার বাসায় কি ফ্রিজে ডিম রাখেন, অজান্তেই ডেকে আনছেন বড় বিপদ
                                  

মিয়া আবদুল হান্নান : আপনার বাসার ফ্রিজে ডিম রাখেন? তাহলে অজান্তেই ডেকে আনছেন বড় বিপদ এবং বাড়াচ্ছেন মারাত্মক অসুখের ঝুঁকি, গবেষকরা এমনটাই মত দিয়েছেন! গবেষকদের দাবি, ফ্রিজে ডিম রাখা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। গবেষকদের মতে, ফ্রিজের তাপমাত্রা শূন্যরও অনেক নিচে থাকে বলে খাবার রাখা নিরাপদ, সহজে নষ্ট হয়ে যায় না। কিন্তু ফ্রিজে ডিম রাখলে তার মধ্যে একধরনের ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া জন্ম নেয়।

আমরা রান্না করার সময় সাধারণত ফ্রিজ থেকে ডিম বের করে সরাসরিই ব্যবহার করে ফেলি! তাই ডিমে জন্ম নেওয়া ব্যাকটেরিয়া জীবিত অবস্থায় থাকে এবং খাদ্যে বিষক্রিয়া ও নানা রকম সংক্রমণ ঘটতে পারে।

উল্লেখ্য, ফ্রিজে ডিম রাখার পদ্ধতি বিশ্বকে শিখিয়েছিল আমেরিকা। ফ্রিজে ডিম রাখলে তা বেশি দিন ভালো থাকে। বাইরে ডিম রাখলে কয়েক দিনের মধ্যেই খারাপ হয়ে যায়। তারপর থেকেই গোটা দুনিয়া এই নিয়মে অভ্যস্ত হয়েছে, এমনকি ফ্রিজের সব-মডেলেই ডিম রাখার জন্য আলাদা তাক থাকে।
বাইরে বেশিদিন ডিম রাখলে খারাপ হয়ে যায়, এদিকে ফ্রিজেও ডিম রাখা নিরাপদ নয়, জন্ম নেয় ক্ষতিকারক ব্যকটিরিয়া! তাহলে উপায়? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যে কয়টা ডিম লাগবে সে কয়টা ডিমই কিনুন এবং রান্না করে ফেলুন। অযথা বেশি ডিম কিনে জমিয়ে রাখবেন না।সুস্বাস্থ্যের জন্য ডিমের প্রতি নির্ভরশীল থাকেন অনেকেই। শরীরে পুষ্টি জোগানোর পাশাপাশি রূপচর্চার কাজেও উপকারী এই ডিম। তবে ডিম কেবল খাওয়া বা রূপচর্চাতেই কাজে লাগে এমন ভাবলে মস্ত ভুল করবেন। আমরা জানিও না দৈনন্দিন কাজে ডিম অনেকভাবে ব্যবহার করা যায়:

# কন্ডিশনার: হঠাৎ কন্ডিশনার ফুরিয়ে গিয়েছে? চিন্তার কারণ নেই। অলিভ অয়েল আর ডিমের কুসুম একসঙ্গে মিশিয়ে শ্যাম্পুর পর লাগিয়ে রাখুন চুলে। বাজারচলতি কন্ডিশনারের চেয়ে এই ঘরোয়া ব্যবহারে চুল ভাল হবে.
# গাছের জন্য: ডিম সেদ্ধর পর সেই জল ও ডিমের খোলা গুঁড়িয়ে গাছের গোড়ায় দিন। ডিমের খোলা গাছের শরীরে ক্যালসিয়ামের জোগান বাড়াতে খুব কার্যকর। গাছকে নানা পতঙ্গের হাত থেকেও বাঁচায় ডিমের খোলা।
# গয়না পরিষ্কার: রূপোর গয়না দিন কয়েক পরলেই কালো হয়ে যাওয়ার ভয় থাকে। বাতাসের অক্সিজেনের প্রভাবেই এমনটা হয়। ডিম এই গয়নাগুলোকে পরিষ্কার করে ঝকঝকে করে দিতে পারে সহজেই। ডিম অনেক ক্ষণ ধরে খুব শক্ত করে সেদ্ধ করে নিতে হবে এ ক্ষেত্রে। এর পর খোসা ছাড়িয়ে দু`ভাগ করে কুসুম ছাড়িয়ে নিন। এ বার সেই কুসুম একটি ঢাকনাযুক্ত পাত্রে রেখে হাত দিয়ে ঝুরঝুরো করে গুঁড়িয়ে নিন। এ বার তাতে হালকা কোনও পেপার টাওয়েল বিছিয়ে তার উপর রাখুন রুপোর গয়নাগুলো। পাত্রের মুখের চার পাশে ময়দার প্রলেপ লেপে বায়ুনিরুদ্ধ করে বন্ধ করে দিন। দু`দিন পর সেই গয়নাগুলো বার করলেই দেখবেন, কালো ভাব একেবারে উধাও। ডি-অক্সিডাইজার হিসেবে ডিমের এই ব্যবহার নানা গয়নাতেও ব্যবহার করা হয় রক্ত বন্ধ করতে: দুর্ঘটনাবশত কেটে গেলে দেখা যায় অনেক সময় রক্ত বন্ধ হতে চায় না। এ সময় ডিমকে কাজে লাগান। এমনিতে বাড়িতে ডিম মজুত থাকে প্রায় সকলেরই। কিংবা কোথাও পিকনিকে গেলে ডিম সেদ্ধ সঙ্গে নিয়ে যাওয়া আমাদের বরাবরের অভ্যাস। সেদ্ধ ডিমের খোলা ও সাদা অংশের মাঝে যা পাতলা খোসা থাকে তা ছাড়িয়ে নিন। সেই খোসা ক্ষতস্থানে চেপে ধরে থাকলেই রক্ত বন্ধ হবে দ্রুত। এমনকি দ্রুত ক্ষতের দাগ মেলাতেও এটি বেশ কার্যকর।

ভিটামিন `ডি`র ঘাটতি পূরণে রোদে কখন কীভাবে থাকতে হবে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : গরমের দেশ হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশে ভিটামিন `ডি` ঘাটতিজনিত সমস্যা বেড়েই চলেছে। এর কারণ কী? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভিটামিন ডি একটি স্টেরয়েড হরমোন, যা শরীরে প্রোটিন তৈরিতে নিয়ন্ত্রণকারীর ভূমিকায় থাকে এবং এর ঘাটতি হলে শিশু থেকে বয়স্ক সবারই নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।

শরীরে এর ঘাটতি হলে শিশুদের রিকেট রোগ হয় অর্থাৎ পা বেঁকে যেতে পারে, মাথার খুলি বড় হয়ে যেতে পারে। বেশিদিন এই রোগে ভুগলে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধিও ব্যাহত হতে পারে। আবার বয়স্কদের ক্ষেত্রে হাড়ক্ষয় কিংবা ব্যথাসহ নানা সমস্যা তৈরি হয় ভিটামিন ডি-র অভাব থেকেই। একইসাথে বেড়ে যায় দৈহিক ওজন কিংবা প্রয়োজনীয় ওজন না হওয়ার সমস্যাও তৈরি হতে পারে।

এসব কারণেই এ ধরণের লক্ষণ দেখা দিলে রক্তে ভিটামিন ডি-র মাত্রা পরীক্ষার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা। তবে বাংলাদেশে ঠিক কত মানুষ ভিটামিন ডি-র ঘাটতিতে ভুগছেন তার সঠিক কোনো পরিসংখ্যান নেই।
ঢাকার মাতুয়াইল মা ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. মাহমুদা হোসেন বলেছেন, শহরে প্রায় সবার মধ্যেই ভিটামিন-ডি`র ঘাটতিজনিত সমস্যা আছে।

তিনি বলেন, `এটি সত্যি, তেমন কোনো গবেষণা আমরা পাইনি। কিন্তু করোনার সময়কাল বিবেচনা করলেও অনুধাবন করা যায় যে, গ্রাম বা শহরে মাঠে-ঘাটে যারা কায়িক শ্রমের কাজ করে, তাদের মধ্যে এ সমস্যা কম। কারণ, তারা সরাসরি সূর্যের আলোর সংস্পর্শে থাকে।`

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবে বিশ্বের অন্তত ১০০ কোটি মানুষেরই ভিটামিন ডি`র ঘাটতি আছে এবং তারা এ সমস্যাকে গ্লোবাল হেলথ প্রবলেম বলে আখ্যায়িত করেছে।

আর এ সংকট মোকাবিলায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় সঠিক নিয়ম ও সময় দিয়ে সূর্যের আলোর সংস্পর্শে থাকা।

রোদের দেশেও কেন ভিটামিন ডি ঘাটতি?

ডা. মাহমুদা হোসেন বলেছেন, শহরে বাইরে বের হওয়ার প্রবণতা কমে যাচ্ছে, কিন্তু যারা বেরুচ্ছে তারাও পর্যাপ্ত সময় রোদে থাকে না কিংবা রোদে থাকলেও পোশাকের কারণে শরীর সরাসরি রোদ পাচ্ছে না।

তিনি বলেন, বিশেষ করে শহর এলাকাগুলোতেই বেশি হচ্ছে। কারণ, এখানে বাইরে খোলা জায়গা কম - যেখানে মানুষ সূর্যের আলোর সংস্পর্শে থাকতে পারে।

`আবার যারা বেরুচ্ছে, তারা কিন্তু হয় যানবাহনে বা রোদে হাঁটলেও পোশাকে পরিপূর্ণ ঢাকা থাকছে।`

বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যাবিষয়ক পরিচালক কাওসার আফসানা বলেছেন, ভিটামিন ডি সূর্যের আলো থেকে প্রয়োজনমতো পাওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশে পোশাকটা সত্যিকার অর্থেই বড় একটি বাধা। কারণ, পুরো শরীর এমনকি হাত-পা পুরোটা ঢেকে বাইরে যায় ছেলে-মেয়ে সবাই। ফলে হাত ও পায়ে পর্যন্ত সূর্যের আলো লাগে না।

`এ কারণে গ্রীষ্মপ্রধান দেশ হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশে ভিটামিন ডি ঘাটতির প্রবণতা ব্যাপক। অন্যদিকে সূর্যালোকে পর্যাপ্ত সময় না থাকার পাশাপাশি বাংলাদেশে এর টেস্ট করার খরচটা বেশি হওয়ার কারণে, এটি পরীক্ষা করার প্রবণতা তুলনামূলক কম।`

তিনি বলেন, করোনার শুরুর দিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কিন্তু সতর্ক করেছে যে, ভিটামিন ডি ঘাটতি যেন না হয়। কারণ, এই ঘাটতি আছে এমন কেউ করোনায় আক্রান্ত হলে তার প্রভাব কিন্তু বেশি হবে।

রোদে কখন কীভাবে থাকতে হবে?

মাহমুদা হোসেন বলেছেন, সানলাইট বা সূর্যের আলো শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে। সাধারণত সকাল ১০টার পর থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সময়টুকুতে সূর্যের আলোর সাথে যে রশ্মি আসে, সেটাই শরীরের জন্য বেশি উপকারী।

তিনি বলেন, শারীরিক সক্রিয়তা এবং সাথে সূর্যের আলো- এগুলো সুস্থতার জন্য অপরিহার্য।

কাওসার আফসানা বলেন, বাংলাদেশের মানুষের শরীরের গড় রং তুলনামূলক কালো, তাই সাদাদের তুলনায় এখানকার মানুষদের একটু বেশি সময় রোদে থাকতে হবে সূর্যের আলো থেকে পাওয়া ভিটামিন `ডি` শরীরে যথাযথভাবে গ্রহণের জন্য।

`এখানে বাচ্চাদের শরীর কিছুটা উন্মুক্ত রাখা কিংবা মাঠেঘাটে কৃষক শ্রমিকরা খালি গায়ে কাজ করেনন, তারা ভিটামিন ডি বেশি পেয়ে থাকেন। শহরে সেভাবে সম্ভব না হলেও অন্তত হাত ও পায়ে যেন সূর্যের আলো লাগে, সেটা নিশ্চিত করতে হবে।`

সূর্যই কি ভিটামিন ডির একমাত্র উৎস?

সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ভিটামিন ডির অন্যতম উৎস। সূর্য যখন প্রখর থাকে, তখনই অতিবেগুনি রশ্মি পৃথিবীতে পৌঁছায়। কিন্তু এর বাইরে দুধ, কুসুমসহ ডিম এবং চর্বিযুক্ত খাদ্যে ভিটামিন ডি থাকে।

মাহমুদা হোসেন বলেছেন, এর বাইরে কারও ভিটামিন ডি দরকার হলে প্রয়োজনে চিকিৎসক সাপ্লিমেন্টারি ওষুধ দিতে পারেন। তিনি বলেন, বয়স্কদের ক্ষেত্রে সমস্যা অনেক বেশি, তাই বয়স্কদেরও রোদে যাওয়া উচিত ভিটামিন ডি পাওয়ার জন্য।

ড. কাওসার আফসানা বলেছেন, সঠিক নিয়মে সূর্যের আলোতে থাকলে এবং ভিটামিন-ডি সমৃদ্ধ খাবার নিয়মিত খেলে এ সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব।

তবে কাচের জানালার ভেতরে থেকে রোদ উপভোগ করলে ভিটামিন ডি পাওয়া যায় না এবং যারা বাইরে সানস্ক্রিন ব্যবহার করেন - তারাও সানস্ক্রিনের কারণে রোদ থেকে ভিটামিন ডি নিতে পারেন না।

এসব কারণে সানস্ক্রিন ছাড়াই রোদে বের হওয়া এবং রোদে থাকার সময় অন্তত হাত পা ও মুখমণ্ডল উন্মুক্ত রাখার পরামর্শ দিয়েছেন কাওসার আফসানা ও মাহমুদা হোসেন।

যদিও শুধু খাবার থেকে যথেষ্ট পরিমাণ ভিটামিন ডি পাওয়া একটু কঠিন হতে পারে। তবে মাছ, ডিম, দইয়ের মতো খাবারে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন ডি রয়েছে।

ভিটামিন ডি কেন প্রয়োজন?

সুস্থ হাড়, দাঁত এবং পেশির জন্য ভিটামিন `ডি`র প্রয়োজন সেকথা আমরা অনেকেই জানি। আমরা জানি ভিটামিন ডি`র অভাবে হাড় ঠিকমতো গড়ে ওঠে না এবং শিশুরা রিকেট নামে রোগের শিকার হতে পারে এবং প্রাপ্তবয়স্করা অস্টিওম্যালাসিয়া নামে দুর্বল হাড়ের রোগে ভুগতে পারেন।

কিন্তু এখন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভিটামিন ডি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাহায্য করে।

কোনো কোনো গবেষণা বলছে, শরীরে পর্যাপ্ত মাত্রার ভিটামিন ডি থাকলে তা সাধারণ সর্দিজ্বর এবং ফ্লু-তেও সাহায্য করে। তবে তারা একথাও বলছেন, এই গবেষণার তথ্যপ্রমাণ সবক্ষেত্রে একরকম নয়। কিছু রকমফেরও আছে।

ব্রিটেনের পুষ্টিবিষয়ক বিজ্ঞান গবেষণা উপদেষ্টা কমিটি এখন একটি গবেষণা চালাচ্ছে, যাতে দেখা হচ্ছে সংক্রমণজনিত বক্ষব্যাধিতে ভিটামিন ডি ঠিক কীভাবে কাজ করে।

শীতে জুতো-মোজা পরলে পায়ে বাজে গন্ধ হচ্ছে?
                                  

অনলাইন ডেস্ক : শীত চলে এসেছে। আর এই শীতে মোজা দিয়ে জুতো পরাই যথাযথ। কিন্তু, জুতো মোজা পরলেই অনেকেরই পায়ে গন্ধ হয়ে থাকে। লোকসমাজে জুতো খুলে গেলে, লজ্জার মাথা খেতে হয়।

তবে চিন্তার কিছু নেই। বাজে গন্ধ থেকে রক্ষার কিছু উপায় দেয়া হলো নিচেই।
এ ক্ষেত্রে জুতোর মধ্যে সামান্য বেকিং সোডা মাখিয়ে নিন। পরদিন জুতোর ওই অংশটি মুছে পরিষ্কার করে জুতাটি পরুন। এতে করে দুর্গন্ধ থাকবে না। মনে রাখবেন চামড়ার জুতোয় বেকিং সোডা ব্যবহার করবেন না।
পুরোনো মোজায় ২ টেবিল চামচ বেকিং সোডা নিয়ে গিঁট বেঁধে জুতোয় রেখে দিতে পারেন। পরদিন সেই মোজা পরে যান।

আরও যা করতে পারেন তা হলো জুতোর মধ্যে এক টুকরো ফেব্রিক সফটনার সিট রেখে দিন রাতে। পরদিন সেটি বের করে জুতো পরুন। গন্ধ একেবারে ভ্যানিশ হয়ে যাবে।

স্নিকারস দুর্গন্ধমুক্ত রাখতে মাঝে মাঝে সামান্য লবণ ছিটিয়ে দিন। এক টুকরো কাপড় বা তুলা লবঙ্গ তেলে ভিজিয়ে জুতার মধ্যে রেখে দিন সারারাত। জুতার দুর্গন্ধ দূর হবে।

গন্ধ থেকে রক্ষায় কয়েকটি লবঙ্গ ফেলে রাখলেও উপকার পাবেন। আর ফুটন্ত পানিতে টি ব্যাগ ফেলে রাখুন ২ মিনিট। টি ব্যাগ ঠাণ্ডা হলে জুতার মধ্যে রেখে দিন। এক ঘণ্টা পর টি ব্যাগ সরিয়ে জুতোর ভেতরের অংশ ভালো করে মুছে নিন।
সূত্র- জি নিউজ।

হরমোনের ভারসাম্য রক্ষায় রেইনবো ডায়েট
                                  

মানবদেহে হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখা খুবই জরুরি। কেননা হরমোনের মাত্রা ঠিক না থাকলে অনেক কঠিন রোগ দেখা দিতে পারে। অনেকে হয়তো ভাবতে পারেন, হরমোনের ভারসাম্য আবার কীভাবে বজায় রাখা যায়? তাদের জন্য সুখবর হলো- এর খুব সহজ কিছু উপায় রয়েছে।

প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় আজ থেকেই যোগ করুন কিছু খাবার। তাহলে আর হরমোনের সমস্যায় ভুগতে হবে না। এজন্য বেছে নিতে পারেন রেইনবো ডায়েট। আসুন জেনে নেই এই ডায়েট সম্পর্কে-

রেইনবো ডায়েট: হরমোনের ভারসাম্য রক্ষায় আজ থেকে শুরু করে দিতে পারেন রেইনবো ডায়েট। এ ডায়েটে মূলত থাকে সব রঙের খাবার। সেটা ফলও হতে পারে, আবার সবজিও হতে পারে।

বিভিন্ন রঙের খাবার স্বাস্থ্যের পক্ষে যেমন উপকারী; তেমনি আমাদের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও সাহায্য করে।

রেইনবো ডায়েট চার্ট-
১. বেগুনি: বেগুন, বেগুনি বাঁধাকপি
২. নীল: ব্লু বেরি
৩. সবুজ: ব্রকোলি, বাঁধাকপি, ফুলকপি
৪. হলুদ: হলুদ বেল পেপার, অ্যাভোকাডো
৬. লাল: আপেল, তরমুজ, চেরি, স্ট্রবেরি, বীটরুট।

উপরের তালিকার প্রতি ভাগ থেকে একটি করে ফল বা সবজি যদি প্রতিদিন খেতে পারেন, তাহলে হরমোনের সমস্যায় পড়তে হবে না।

জলপাই দিয়ে টক-ঝাল আচার তৈরির রেসিপি
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : বাজারে পাওয়া যাচ্ছে জলপাই। টক স্বাদের এই ফল দিয়ে তৈরি করা যায় সুস্বাদু সব আচার ও চাটনি। মুখে রুচি আনতে, খাবারের স্বাদ বাড়াতে সেসবের জুড়ি নেই। আজ চলুন জেনে নেয়া যাক জলপাই দিয়ে টক-ঝাল আচার তৈরির রেসিপি-

উপকরণ:
জলপাই- ৫০০ গ্রাম
লাল গুঁড়া মরিচ- ২ টেবিল চামচ
পাঁচফোড়ন- ১ টেবিল চামচ
শুকনা লাল মরিচ- ২-৪টি আস্ত
হলুদ গুঁড়া- সামান্য
বিট লবণ- ১ চা চামচ
লবণ- স্বাদ অনুযায়ী
সরিষার তেল- পরিমাণমতো
ধনিয়া ও শুকনা মরিচ টেলে নিয়ে গুঁড়া করা- ৩ টেবিল চামচ।

প্রণালি:
প্রথমে জলপাইয়ের বোঁটা ফেলে ভালো করে ধুয়ে নিয়ে কেঁচে সামান্য লবণ ও হলুদ মাখিয়ে ২ দিন রোদে দিন। তারপর সরিষার তেল, শুকনা মরিচসহ গরম করে পরে সেটি ঠান্ডা করে হলে একে তাতে জলপাইসহ অন্য সব মশলা ও লবণ দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে বয়ামে ভরে প্রায় প্রতিদিনই রোদে রাখতে হবে। এতে আচার ভালো থাকে। তৈরি হয়ে গেল জলপাইয়ের টক-ঝাল আচার। আচার ভালো করে রোদে দিলে প্রায় এক বছর খাওয়া যেতে পারে।

শীতকালে সুস্থ থাকতে ৯টি পরামর্শ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : দেখা মিলেছে শীতের। এই সময় ত্বক রুক্ষ হয়ে যায় এবং শরীরে রোগ ব্যাধির প্রবণতা বাড়তে থাকে। তাই আনন্দ-উৎসবের সাথে সাথে এইসময় নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।

ঋতু পরিবর্তনের ফলে স্বাস্থ্য সমস্যার প্রবণতা প্রবলভাবে দেখা দেয়। ভাইরাল ফ্লু, সর্দি, কাশি, শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত ব্যাধি, মৌসুমি অ্যালার্জি ইত্যাদি হলো শীতের খুব সাধারণ রোগ। এই শীতের মৌসুমে ফিট এবং সক্রিয় থাকার জন্য রইলো কয়েকটি সেরা টিপস।

শীতকালে স্বাস্থ্যকর থাকার ৯টি উপায়:

১. শীতকালে জলবায়ু রুক্ষ ও শুষ্ক হওয়ায় আমাদের ত্বক ফাটে। তাই ত্বক ভালো রাখতে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে। দিনে অন্তত ৫ থেকে ৬ লিটার জল পান করুন।
২. পানীয় হিসেবে ভেষজ চা পান করুন। লেবু ও ক্যামোমিলের মতো ভেষজ চা আমাদের স্নায়ুকে শান্ত করে এবং শরীরকে শিথিল করে। ফলে হতাশা, উদ্বেগ কমে ও ভালো ঘুম হয়।
৩. চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ভিটামিন জাতীয় ওষুধ খেতে পারেন।
৪. বেশি পরিমাণ ফাইবার যুক্ত খাবার খান। আপেল, ওটস এবং বাদাম ফাইবার যুক্ত খাবার। এগুলো শরীরের ওজন এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস করে। ডায়াবেটিসের বিরুদ্ধে লড়াই করে। বয়স্কদের জন্য এগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ।
৫. ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার এবং লেবু জাতীয় ফল সেবন করুন। জিঙ্ক জাতীয় খাবার খান। এই খাবারগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
৬. শীতের সময় ডায়েটে রাখুন প্রচুর ফলমূল ও শাকসবজি। এগুলোতে থাকা পুষ্টি আমাদের সুস্থ রাখে।
৭. শীতকালীন খাবার হিসেবে মাশরুম খান। এতে ভিটামিন বি, সি, ডি এবং ক্যালসিয়াম,পটাশিয়াম, মিনারেল, আরগোথিওনিন নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
৮. শীতের সময় আমরা বেশি অলস ও নিদ্রাহীনতা অনুভব করি। তাই শীতকালে সঠিক নিদ্রার প্রয়োজন। তবে সতেজ এবং চাপমুক্ত থাকা যায়।
৯. শীতকালে প্রতিদিন শরীর চর্চা করা গুরুত্বপূর্ণ। এটি শরীরকে উষ্ণ রাখতে সাহায্য করে এবং আপনার বিপাক, রক্ত প্রবাহকে উন্নত করে। সূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া।

রেসিপি : প্রেসার কুকারে রসগোল্লা তৈরি
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : রসগোল্লা সবার কাছেই প্রিয় একটি খাবার। ছানার তৈরি এই সুস্বাদু মিষ্টির স্বাদ অতুলনীয়। তবে তৈরির ঝামেলা এড়াতে দোকান থেকে কিনে আনার রসগোল্লা খান অনেকে। আজ চলুন জেনে নেয়া যাক রসগোল্লা তৈরির সহজ এক রেসিপি-

উপকরণ:
২ লিটার দুধের ছানা
পানি ৬ কাপ
গোলাপ জল সামান্য।

প্রণালি:
প্রেসার কুকারে ৬ কাপ পানিতে চিনি দিয়ে চুলায় দিন। সিরা তৈরি হলে চুলার আঁচ কমিয়ে দিন। সম্পূর্ণ ছানা হাতের তালু দিয়ে ভালো করে মেখে নিন। ছানা ২০-২৫ ভাগ করে গোল করে রাখুন। সব ছানার বল একসঙ্গে সিরায় দিয়ে প্রেসার কুকারের ঢাকনা দিয়ে বন্ধ করে নিন। মাত্র একটি সিটি বেজে ওঠা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। সিটি উঠলেই সঙ্গে সঙ্গে চুলা বন্ধ করে দিন। প্রেসার কুকারের বাষ্প বের করে ঢাকনা খুলে নিন। এবার সিরাসহ রসগোল্লা একটি বড় পাত্রে ঢালুন। ১ চা চামচ গোলাপ জল দিন। ঠান্ডা হলে স্পঞ্জ রসগোল্লা পরিবেশন করুন।

শীতে ত্বক সজীব রাখতে যা খাবেন
                                  

সারা বছর অবহেলায় গেলেও শীতের সময়টাতে ত্বকের একটু বেশি যত্ন নিতেই হয়। কেননা এই সময় স্কিন, চুল দুটোই রুক্ষ হয়ে যায়। শীতে গ্লোয়িং স্কিন ও ঝলমলে চুল পেতে বাড়তি যত্নের পাশাপাশি খেতে হবে পুষ্টিকর খাবার। বিশেষ করে শীতকালীন সবজি এবং ফল খেতে পারেন।

এগুলো আপনার শরীর ঠিক রাখার পাশাপাশি ত্বক ও চুলের যত্ন নেবে। তাই প্রতিদিনের ডায়েটে একটু বেশি করেই এসব খাবার রাখুন। চলুন জেনে নেয়া যাক এই সময়টাতে কোন খাবারগুলো আপনার ত্বক ও চুল ভালো রাখতে সহায়তা করবে-

বাঁধাকপি: বাঁধাকপি শীতের সবজির মধ্যে উচ্চ পুষ্টিমান সম্পন্ন। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও ই রয়েছে, যা ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। এছাড়া রয়েছে ভিটামিন এ। শীতকালীন বিভিন্ন রোগ যেমন জ্বর, কাশি ও টনসিল প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে বাঁধাকপি।

ওটমিল: খাদ্যশস্যের মধ্যে পুষ্টিগুণে গুণান্বিত ওটমিল। শীতে আমাদের শরীরের জন্য যে অতিরিক্ত পুষ্টির প্রয়োজন তা ওটমিল পূর্ণ করে দেয়।

পালংশাক: পালংশাক শীতে ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এ উপাদানটি ত্বকের সুস্থ কোষ তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

ফুলকপি: ভিটামিন সি ও কে রয়েছে ফুলকপিতে। পাশাপাশি এর ফলেট ও ভিটামিন বি ত্বকের যত্নে উপকারী।

টমেটো: টমেটোতে ভিটামিন এ ও সি রয়েছে, যা ঠাণ্ডায় শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। শীতকালে শাকসবজি, ফলমূল ছাড়াও কার্বোহাইড্রেট খাবার শরীরকে উষ্ণতা রাখতে সাহায্য করে ও ত্বকের শুষ্কতা দূর।

আদা চা: শীতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি পানীয় আদা চা। এতে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। শীতের ঠাণ্ডায় রক্ত সঞ্চালন কমে যায়, তবে আদা চা তা বাড়াতে সাহায্য করে।

গ্রিন টি: এ মৌসুমে শরীরে উষ্ণতা আনতে একটি কার্যকরী পানীয়। গ্রিনটিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা শরীরের জন্য খুবই উপকারী।

গাজরের জুস: গাজরে ভিটামিন এ থাকে। শীতকালে নিয়মিত খেলে ত্বক সুস্থ থাকবে করে।

জাম্বুরা: জাম্বুরায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে, যা আপনার ত্বককে সতেজ রাখে। প্রতিদিন এক গ্লাস করে জাম্বুরার জুস পান করতে হবে পুরো শীতকাল। জাম্বুরা মূলত লো ক্যালরিসমৃদ্ধ ফল। খাবারের রুচি বাড়াতে জাম্বুরা বেশ কার্যকর। মাল্টার চেয়ে জাম্বুরায় পানির পরিমাণ বেশি হওয়ায় ত্বকের জন্য এটি বেশ ভালো কাজ করে।

শীতকালে শাকসবজি, ফলমূল ছাড়াও কার্বোহাইড্রেট খাবার শরীরকে উষ্ণতা রাখতে সাহায্য করে ও ত্বকের শুষ্কতা দূর করে। রুটি, ডাল, বাদাম, চিনি, মধু, দুধ, পাস্তা প্রভৃতি শীতকালে খেলে ঠাণ্ডা অনেকটা কমে যায়।

লেখক: পুষ্টিবিদ, সাজেদা হসপিটাল

রেসিপি : বুন্দিয়ার লাড্ডু
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : শেষপাতে একটুখানি মিষ্টির দরকার হয় বেশিরভাগ বাঙালির। কখনো রসগোল্লা, কখনো মিষ্টি দই, কখনো সন্দেশ কিংবা বরফি মিষ্টির লিস্টি আমাদের মোটেই সংক্ষিপ্ত নয়। ঘরে তৈরি লাড্ডুও রয়েছে এই তালিকায়। অতিথি আপ্যায়নে, আড্ডায় কিংবা খাবারের শেষপাতে সুস্বাদু খাবারটি রাখতে পারেন। চলুন রেসিপি জেনে নেয়া যাক-

উপকরণ:
বেসন- ২ কাপ
সুজি- ২ টেবিল চামচ
ফুড কালার- ১/৪ চা চামচ (অরেঞ্জ কালার)
পানি- ১ কাপ
পেস্তা বাদাম কুচি- পরিমাণমতো
চিনির সিরা- ১/২ কাপ
ভাজার জন্যে তেল- পরিমাণমতো।

চিনির সিরা তৈরিতে যা লাগবে
চিনি- ১ কাপ
পানি- ১/২ কাপ
এলাচ গুঁড়া- ১/৩ চা চামচ
লেবুর রস- কয়েক ফোঁটা।

চিনির সিরা তৈরির প্রণালি
চুলায় একটি প্যান নিয়ে তাতে ১/২ কাপ পানি ঢেলে নিন। এবার ১ কাপ পরিমাণ চিনি পানিতে দিয়ে চুলার আঁচ মিডিয়াম করে রাখুন। সিরা বানানোর সময় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে পানি যেন চিনির মাপের অর্ধেক হয়। পানি ফুটে উঠলে চামচ দিয়ে ঘন ঘন নাড়তে থাকুন। চিনি পানির সাথে মিশে গেলে তাতে এলাচ গুঁড়া এবং কয়েক ফোঁটা লেবুর রস দিয়ে আবার কিছুক্ষণ নেড়ে নামিয়ে রাখুন। সিরা বেশি ঘন করা যাবে না। ভারি হওয়ার আগেই নামিয়ে ফেলতে হবে।

লাড্ডু তৈরির প্রণালি
প্রথমে একটি বাটিতে প্রথমেই পরিমাণমতো বেসন এবং সুজি নিয়ে নিন। এখন এতে একটু একটু করে পানি দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে নিন। এই পর্যায়ে মিশ্রণটিতে ফুড কালার মিশিয়ে নিন। একটি ফ্রাই প্যান নিয়ে তাতে ভাজার জন্যে পরিমাণ মত তেল দিয়ে চুলার আঁচ মিডিয়াম টু হাই এ রাখুন। তেল গরম হয়ে এলে, একটি ছিদ্র ওয়ালা চামচের সাহায্যে অল্প অল্প করে আগে বানিয়ে রাখা বেসনের মিশ্রণটি গরম তেলে দিয়ে দিতে হবে। ১ মিনিটের মতো ভেজে উঠিয়ে নিন। একদম কড়া করে বুন্দিয়া ভাজা যাবে না।

এবার গরম গরম বুন্দিয়াগুলো চিনির সিরায় ঢেলে দিন এবং ১০ থেকে ১৫ মিনিটের জন্যে ঢেকে রাখুন। সিরা চুলায় হালকা আঁচে দিয়ে রাখতে হবে। ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর চুলার আঁচ বন্ধ করে দিন এবং পেস্তা বাদাম কুচি দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে ঠান্ডা করে নিন। এ পর্যায়ে হাতের তালুতে হালকা ঘি লাগিয়ে নিন। এবার বুন্দিয়া গুলোকে হাতের সাহায্যে লাড্ডুর মতো গোল গোল শেপ দিয়ে একটি পাত্রে সাজিয়ে নিন।

কলার চিপস
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : কলা একটি স্বাস্থ্যকর খাবার। এদিকে চিপস মানেই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী নয়, এমন একটি ধারণা প্রচলিত রয়েছে। কারণ চিপস প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং সোডিয়ামে ভরা। তবে কলার চিপসের ক্ষেত্রে অনেকের ধারণা ভিন্ন। এই চিপসকে স্বাস্থ্যকর মনে করা হয় কারণ কলা আমাদের শরীরের জন্য ভালো।

কলার পাতলা পাতলা টুকরা করে শুকিয়ে নিয়ে ভেজে কলার চিপস তৈরি করা হয়। এর সঙ্গে মেশানো হয় চিনির সিরাপ, লবণ এবং নানা ধরনের মশলা। কলা যথেষ্ট স্বাস্থ্যকর হলেও কলার চিপস কি সেরকমই স্বাস্থ্যকর? চলুন জেনে নেয়া যাক-

পুষ্টিগুণ:
কলা প্রাকৃতিক খাবার। কিন্তু কলার চিপস প্রক্রিয়াজাত খাবার। তেলে ভেজে মধু বা চিনির সিরাপ মিশিয়ে তৈরি করা কলার চিপসে প্রচুর ক্যালোরি থাকে। এককাপ বা ৭২ গ্রাম কলার চিপসের মধ্যে থাকে ৩৭৪ ক্যালোরি। এছাড়া এই পরিমাণ কলার চিপসে থাকে ১.৬ গ্রাম প্রোটিন, ৪২ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ৫.৫ গ্রাম ফাইবার, ২৫ গ্রাম চিনি, ২৪ গ্রাম ফ্যাট এবং ২১ গ্রাম স্যাচুরেটেড ফ্যাট, প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় পটাসিয়ামের ৮ শতাংশ এবং ভিটামিন বি৬-এর ১১ শতাংশ।

এই চিপসে ফাইবার, ভিটামিন এবং মিনারেলস থাকে। কিন্তু এর মধ্যে প্রচুর ক্যালোরি, চিনি এবং ফ্যাট থাকায় কলার চিপসকে স্বাস্থ্যকর নাস্তা বলা যায় না। কলা শুকিয়ে ভেজে তৈরি করা এই চিপস সুস্বাদু হওয়ায় এটি অতিরিক্ত খেয়ে ফেলার সম্ভাবনাও থাকে যথেষ্ট। এর মধ্যে প্রচুর ক্যালোরি ও কার্বস থাকায় বাইরে প্রচুর ঘোরাঘুরির মাঝে এই চিপস অল্প পখাওয়া যেতে পারে। তাতে সহজে এনার্জি পাওয়া যাবে।

অপকারিতা:
মচমচে করার জন্য কলা ডিপ ফ্রাই করে চিপস বানানো হয়। কলার চিপসে প্রচুর স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে। কলার চিপস বেশি খেলে হার্টের অসুখ হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। কলায় যে পরিমাণ ক্যালোরি থাকে, সেই কলা দিয়ে তৈরি চিপসে ২৫০ শতাংশ বেশি ক্যালোরি থাকে।

কিছু কলার চিপসে চিনির সিরাপের কোটিং থাকে। এক কাপ কলার চিপসে ২৫ গ্রাম চিনি থাকে। এর মধ্যে ১০.৫ গ্রাম বাইরে থেকে যোগ করা চিনি এবং ১৪.৫ গ্রাম প্রাকৃতিক চিনি।

অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, কলার চিপস কি আলুর চিপসের থেকে বেশি স্বাস্থ্যকর? একটি আস্ত কলা সব সময় কলার চিপসের থেকে অনেক বেশি উপকারী। কিন্তু আলুর চিপসের থেকে কলার চিপসে বেশি ক্যালোরি, বেশি স্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং বেশি চিনি থাকে। তবে আলুর চিপসও বেশি খাওয়া কখনোই ঠিক নয়।

চিকেন চিজ বল তৈরির রেসিপি
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : বিকেলের নাস্তায় ঝটপট মজাদার কিছু তৈরি করতে চাইলে বেছে নিতে পারেন চিকেন চিজ বল। এটি সবাই খেতে পছন্দ করবে। ঘরে থাকা অল্পকিছু উপাদানে দ্রুত তৈরি করতে পারবেন এই মজাদার নাস্তা। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক চিকেন চিজ বল তৈরির রেসিপি-

উপকরণ:
২০০ গ্রাম চিকেন কিমা
আধা চা চামচ জিরে গুঁড়া
আধা চা চামচ ধনে গুঁড়া
আধা চা চামচ আদা বাটা
১ চা চামচ পেঁয়াজ বাটা
আধা চা চামচ রসুন বাটা
চিলি ফ্লেক্স স্বাদমতো
লবণ পরিমাণমতো
তেল হাফ কাপ
ব্রেড ক্রাম্বস্
পরিমাণমতো
বাটার
২টি ডিম
মোজারেলা চিজ কিউব।

প্রণালি:
প্রথমে চিকেন কিমার সঙ্গে সমস্ত মশলা আর লবণ দিয়ে ভালো করে ম্যারিনেট করে এক ঘণ্টা ঢাকা দিয়ে রেখে দিন। তারপর ম্যারিনেট করে রাখা চিকেন কিমার সঙ্গে হাফ চামচ সাদা তেল বা বাটার দিয়ে মিক্সিতে পেস্ট করে নিন। এরপর ওই পেস্টের সঙ্গে ব্রেড ক্রাম্ব দিয়ে ভালো করে মাখুন। মাখা হয়ে গেলে অল্প অল্প লেচি কেটে বলের মতো করে গড়ে নিন।

এবার একেকটি বলের ভেতরে একটা করে চিজের কিউব দিয়ে ভালো করে গোল করে নিন। একটি পাত্রে ডিম ভেঙে ফেটিয়ে রাখুন এবং অন্য একটি পাত্রে ব্রেড ক্রাম্ব রাখুন। তারপর ডিমের গোলায় চুবিয়ে ব্রেড ক্রাম্ব মাখিয়ে অল্প আঁচে তেলে দিয়ে ভালো করে ভেজে নিন। ব্যস তৈরি আপনার চিকেন চিজ বল। সস দিয়ে পরিবেশন করুন।

শীতে যে ৫টি ফলে ত্বক হবে উজ্জ্বল
                                  

অনলাইন ডেস্ক : শীতকালে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় যোগ করুন ফল। এই মৌসুমে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে জাম্বুরা, কলা, আপেল, আঙ্গুরসহ নানা রকমের বাহারি ফল। পুষ্টিগুণে ভরা এসব ফল ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় এবং আপনাকে করে তোলে আরও সুন্দর।

শীতকালের এ ফলগুলো খাবারের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি শুষ্ক ত্বকে জৌলুস ফিরিয়ে আনবে। এসব ফলের কোনটা ত্বকের যত্নে কার্যকরী কোনটা আবার চোখের দ্যুতি বাড়াতে সাহায্য করে।

চলুন জেনে নেওয়া যাক ৫টি ফলের মাধ্যমে সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলার রহস্য-
জাম্বুরা

জাম্বুরাতে আছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি। জাম্বুরা শীত মৌসুমে শুষ্ক ত্বক কোমল করে। ২০০৮ সালে ইউরোপীয় ফার্মাসিউটিক্যাল এবং বায়োফার্মাসিটিক্যাল জার্নালে প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, জাম্বুরা বিটা ক্যারোটিন সমৃদ্ধ ফল। এ ফলে লাইকোপিনি (lycopene) রয়েছে, যা ২০ জন চর্ম রোগীর ওপর প্রয়োগ করা হয়। এতে আশানুরূপ ফল পাওয়া গেছে।

পেঁপে

পাকা পেঁপেতে ভিটামিন ‘ই’ ও ভিটামিন ‘এ’ রয়েছে। পেঁপেতে প্রচুর জলীয় অংশ থাকায় এটি ত্বককে হাইড্রেট রাখতে সাহায্য করে। শরীরের স্বাভাবিক ক্রিয়ার জন্য অপরিহার্য ভিটামিন ও খণিজ পদার্থের উৎস পেঁপে। অক্সফলিয়েটিং ত্বকের মৃত কোষ সারিয়ে তুলে ত্বককে রাখে দাগ ও বলিরেখা মুক্ত। নিজেকে রোগ মুক্ত ও সুন্দর রাখার জন্য প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় পেঁপে রাখা জরুরি।

ডালিম

ডালিমের রস অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে আপনার ত্বকে পুষ্টি যোগায়। ডালিমে প্রচুর পরিমাণে আয়রন আছে। ডালিম রক্তে অক্সিজেন পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটির মাইক্রো পুষ্টি আপনার ত্বকে অকাল ভাঁজ ও দাগ পড়া থেকে রক্ষা করে।

আনারস

এ ফলে ভিটামিন সি রয়েছে, যা আপনার ত্বকের সমস্যাসহ অনেক রোগ প্রতিরোধ করে। আনারসে উপস্থিত Bromeliad নামক এনজাইম আমাদের ত্বকের জন্য অত্যন্ত উপকারী, যা কিনা ত্বকের মৃত কোষ, বলিরেখা, ত্বকের উপরিভাগের ময়লা ও সানবার্নের মতো দাগ তুলতে সাহায্য করে ও ত্বক সফট করে। দিনে একবার আপনার মুখের ওপর আনারসের রস লাগান। এতে আপনার শুষ্ক ত্বক কোমল হবে।

কলা

কলায় রয়েছে উচ্চ পটাশিয়াম ও ভিটামিন ‘এ’ যা আপনার ত্বক কোমল করে। বিশেষ করে শীতকালে শুষ্ক ত্বকে কলা একটি ভাল প্রবায়োটিক হিসেবে কাজ করে। পরিপাকে ক্রিয়া বৃদ্ধি ও শরীরের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে অতুলনীয় ভূমিকা পালন করে।


   Page 1 of 12
     লাইফস্টাইল
ব্রণ দূর করার উপায় জানালেন শ্রদ্ধা!
.............................................................................................
দ্রুত ওজন কমাবে গুড়-লেবুর পানীয়
.............................................................................................
২০২১ সাল কেমন যাবে আপনার?
.............................................................................................
সিঁড়ি দিয়ে ওঠা-নামা করলে যেসব উপকার হয়
.............................................................................................
আপনার বাসায় কি ফ্রিজে ডিম রাখেন, অজান্তেই ডেকে আনছেন বড় বিপদ
.............................................................................................
ভিটামিন `ডি`র ঘাটতি পূরণে রোদে কখন কীভাবে থাকতে হবে
.............................................................................................
শীতে জুতো-মোজা পরলে পায়ে বাজে গন্ধ হচ্ছে?
.............................................................................................
হরমোনের ভারসাম্য রক্ষায় রেইনবো ডায়েট
.............................................................................................
জলপাই দিয়ে টক-ঝাল আচার তৈরির রেসিপি
.............................................................................................
শীতকালে সুস্থ থাকতে ৯টি পরামর্শ
.............................................................................................
রেসিপি : প্রেসার কুকারে রসগোল্লা তৈরি
.............................................................................................
শীতে ত্বক সজীব রাখতে যা খাবেন
.............................................................................................
রেসিপি : বুন্দিয়ার লাড্ডু
.............................................................................................
কলার চিপস
.............................................................................................
চিকেন চিজ বল তৈরির রেসিপি
.............................................................................................
শীতে যে ৫টি ফলে ত্বক হবে উজ্জ্বল
.............................................................................................
ক্যালসিয়ামের ঘাটতি হলে কী হয়?
.............................................................................................
রেসিপি: গাজরের সন্দেশ
.............................................................................................
ত্বক ভালো রাখতে চিনির ব্যবহার
.............................................................................................
কফি পান করলে কমবে চর্বি
.............................................................................................
অতিরিক্ত চুল পড়া কমাতে যা করবেন
.............................................................................................
চুলের খুসকি দূর করতে সাহায্য করে নিম পাতা
.............................................................................................
করোনায় জুসের বদলে যা খাবেন
.............................................................................................
শীতে ঠোঁট ফাটা রোধে যা করবেন
.............................................................................................
করোনা: মোবাইল ফোন জীবাণুমুক্ত রাখতে কী করবেন
.............................................................................................
পূজার রেসিপি : খাসির কষা মাংস
.............................................................................................
পেঁয়াজ সংরক্ষণের ৮ উপায়
.............................................................................................
শরতের সাজ
.............................................................................................
অ্যালোভেরার এই গুণগুলো জানতেন?
.............................................................................................
চিকেন খাবসা তৈরির রেসিপি জেনে নিন
.............................................................................................
মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে যা খাবেন
.............................................................................................
প্রতিদিন একটি ডিম খাওয়ার উপকারিতা
.............................................................................................
স্তন ক্যান্সারের ৫ লক্ষণ
.............................................................................................
খুসকি সমস্যার সমাধান
.............................................................................................
খালি পেটে কলা খাওয়ার আগে যা করবেন
.............................................................................................
ওজন বেড়েছে? নিয়ন্ত্রণে আনবেন যেভাবে
.............................................................................................
ঠাণ্ডার সমস্যায় ভিটামিন সি
.............................................................................................
তেজপাতার ৫ ঔষধি গুণ
.............................................................................................
যে ৫ ভুলে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে
.............................................................................................
বাড়িতে বসে নিজেই করা যাবে করোনা টেস্ট, আসছে `ম্যাজিক কিট`
.............................................................................................
প্রতিদিন একটি করে পেয়ারা খেয়েই দেখুন!
.............................................................................................
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আছে কলমি শাকেও
.............................................................................................
ইফতারে খেজুর খাওয়ার উপকারিতা
.............................................................................................
গরমে তরমুজ খেলে ৫ উপকার
.............................................................................................
স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন যেভাবে
.............................................................................................
করোনা থেকে বাঁচতে হলে বদলাতে হবে এই ৯ অভ্যাস
.............................................................................................
আমড়ার যতগুণ
.............................................................................................
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে পেয়ারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে
.............................................................................................
শিশুর শ্বাসনালিতে কিছু আটকে গেলে তাৎক্ষনিক যা করবেন
.............................................................................................
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে তেজপাতা
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop