| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * ঢাকায় সু-প্রভাত বাস চলবে না : আতিকুল   * মোজাম্বিকে ঝড়ে ১ হাজারের বেশি লোকের মৃত্যু   * সন্ত্রাসীর নাম মুখে দিতে নারাজ নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী   * নাটোরে মার্কেটে আগুন   * দুর্ঘটনা ঘটানো বাসের রুট পারমিট বাতিলের দাবি   * রংপুরে বাস-কাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষে নিহত ৩   * মোশাররফ রুবেলের সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন   * রাঙ্গামাটিতে আ.লীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা   * রাজধানীতে বাসচাপায় বিইউপির ছাত্র নিহত, সড়ক অববোধ   * ডিএসইতে লেনদেন ও সূচক কমেছে  

   স্বাস্থ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
কিডনি রোগের লক্ষণ ও ভালো রাখার উপায়

অনলাইন ডেস্ক : মারাত্মক যেসব অসুখের রোগীর সংখ্যা দিনদিন আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, কিডনির সমস্যা তার মধ্যে অন্যতম। কিডনি আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। পাঁচটি ধাপে কিডনি বিকলের দিকে অগ্রসর হয়। প্রথম চারটি ধাপ পর্যন্ত চিকিৎসার মাধ্যমে নিরাময় করা সম্ভব। কিন্তু একবার পাঁচ নম্বর ধাপে চলে গেলে তখন বেঁচে থাকার উপায় হলো ডায়ালাইসিস অথবা কিডনি সংযোজন। এসব পদ্ধতি অত্যান্ত ব্যয়বহুল, যা অনেকের পক্ষেই বহন করা সম্ভব হয় না। তাই এই ব্যাধি থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হলো কিডনি বিকলতা প্রতিরোধ করা।


দুর্বলতা
কিডনি সমস্যার অন্যতম প্রধান লক্ষণ হচ্ছে দুর্বলতা। আর এই দুর্বলতা আসে রক্তশূন্যতা থেকে। কিডনি যদি ঠিকমতো কাজ না করতে পারে তাহলে রক্ত ক্রমাগত দূষিত হতে থাকে। যার কারণে রক্তে নতুন করে ব্লাড সেল উৎপন্ন হয় না। এছাড়াও কিডনির কার্যক্ষমতা কমে গেলে তা শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় হরমোন এরিথ্রোপ্রোটিন উৎপন্ন করতে পারে না।

চোখে ঝাপসা দেখা
কিডনির সমস্যা আপনার চোখে ঝাপসা দেখা কিংবা মানসিক অস্থিরতার সৃষ্টি করতে পারে। কারণ শরীরের বর্জ্য পদার্থের একটি বড় অংশ হচ্ছে ইউরিয়া। কিডনির সমস্যার কারণে ইউরিয়া শরীর থেকে বের না হয়ে বরং রক্তে মিশে যায়। এই দূষিত রক্ত মস্তিষ্কে পৌঁছে মানসিক অস্থিরতা, ঝাপসা দেখা এই ধরনের সমস্যার সৃষ্টি করে। যদি ইউরিয়ার পরিমাণ অত্যধিক হয় তাহলে তা মস্তিষ্কের ক্ষতি করতে পারে, যার ফলাফলে রোগী কোমাতে পর্যন্ত চলে যেতে পারেন।

শ্বাসকষ্ট
যখন কিডনি কাজ করা বন্ধ করতে শুরু করে, তখন শরীরের বর্জ্য পদার্থ রক্তে মিশতে শুরু করে। এই বর্জ্য পদার্থের বেশিরভাগই হচ্ছে অম্লীয় পদার্থ। তাই এই বর্জ্য যখন রক্তের সাথে ফুসফুসে পৌঁছায় তখন ফুসফুস সেই বর্জ্য বের করার জন্য কার্বনডাই অক্সাইড ব্যবহার করা শুরু করে। যার কারণে পর্যাপ্ত অক্সিজেন ফুসফুসে ঢুকতে পারে না। এতে শ্বাসকষ্টের সমস্যা হতে পারে।

শরীরে চুলকানি
কিডনির অক্ষমতায় শরীরে প্রিউরিটাস দেখা দেয়। প্রিউরিটাস আসলে চুলকানির মেডিক্যাল নাম। শরীরের রক্তে যখন বর্জ্য পদার্থ মিশতে শুরু করে তখন চুলকানির উপসর্গ দেখা দেয় কারণ ওই বর্জ্যের মধ্যে ফসফরাস থাকে। যেসব খাবারে ফসফরাস থাকে যেমন দুধজাতীয় খাবার, সেগুলো হজমের পর ফসফরাস বর্জ্য হিসেবে মূত্রের সাথে বের হতে পারে না। যার কারণে এটি রক্তে মিশে চামড়ায় চুলকানি সৃষ্টি করতে থাকে।

অরুচি
শরীরের বর্জ্য পদার্থের আরেকটি উপাদান হচ্ছে অ্যামোনিয়া। যদি অ্যামোনিয়া রক্তে মেশে তাহলে তা শরীরে প্রোটিন নষ্ট করে ফেলে। কিডনির অক্ষমতায় শরীর বর্জ্য হিসেবে অ্যামোনিয়া ফিল্টার করতে পারে না। রক্তে অত্যধিক পরিমাণের অ্যামোনিয়া মুখে অরুচি, ওজন হারানোর মত সমস্যার সৃষ্টি করে।

প্রস্রাবের রং পরিবর্তন এবং রক্তক্ষরণ
কিডনির সমস্যায় প্রস্রাবের রং পরিবর্তন হয়ে যায়। কারণ, কিডনির অক্ষমতায় রেনাল টিউবিউলসের ক্ষতি হয়, যা পলিইউরিয়ার সৃষ্টি করে। কিডনির অক্ষমতা যত বৃদ্ধি পাবে, প্রস্রাবের পরিমাণ ততই কমবে এবং রং গাঢ় হলুদ কিংবা কমলা রং হয়ে যাবে। সেই সাথে প্রস্রাবের সাথে রক্তক্ষরণ এবং অত্যধিক ফেনা হতে পারে।

ব্যথা
একটি জেনেটিক কন্ডিশনের কারণে শরীরের অভ্যন্তরে, বিশেষ করে কিডনি এবং লিভারে এক ধরনের ফ্লুইড ভর্তি সিস্ট বা গুটির সৃষ্টি হয়। এই সিস্টের মধ্যে থাকা ফ্লুইড এক ধরনের বিশেষ টক্সিন বহন করে, যা শরীরের শিরা বা ধমনী গুলোতে ক্ষতি করতে পারে। একাধিক শিরার বা ধমনীর ক্ষতি হলে তা শরীরে ব্যথা সৃষ্টি করে। সাধারণত এই ব্যথাগুলো শরীরের পেছনের অংশে, পায়ে কিংবা কোমরে হতে পারে।

বমি
রক্তে বর্জ্য পদার্থ বেড়ে যাওয়ায় কিডনি রোগে বমি বমি ভাব এবং বমি হওয়ার সমস্যা হতে পারে।

ফোলা ভাব
কিডনি শরীর থেকে বর্জ্য এবং বাড়তি পানি বের করে দেয়। কিডনিতে রোগ হলে এই বাড়তি পানি বের হতে সমস্যা হয়। বাড়তি পানি শরীরে ফোলাভাব তৈরি করে।

সবসময় শীত বোধ হওয়া
কিডনি রোগ হলে গরম আবহাওয়ার মধ্যেও শীত শীত অনুভব হয়। আর কিডনিতে সংক্রমণ হলে জ্বরও আসতে পারে।


কিডনি ভালো রাখার উপায়:

*ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের নিয়মিত রক্তের শর্করা এবং প্রস্রাবের অ্যালবুমিন পরীক্ষা করা ও রক্তের হিমোগ্লোবিন এওয়ানসি (নিয়ন্ত্রণে রাখা।

*ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত রোগীদের কিডনির কার্যকারিতা প্রতি ৬ মাস অন্তর পরীক্ষা করা।

*উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত রোগীদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা।

*শিশুদের গলা ব্যথা, জ্বর ও ত্বকে খোস-পাঁচড়ার দ্রুত সঠিক চিকিৎসা করা উচিত। কারণ এগুলো থেকে কিডনি প্রদাহ বা নেফ্রাইটিস রোগ দেখা দিতে পারে।

*ডায়রিয়া, বমি ও রক্ত আমাশয়ের কারণে রক্ত পড়ে ও লবণশূন্য হয়ে কিডনি বিকল হতে পারে। তাই দ্রুত খাবার স্যালাইন খেতে হবে। প্রয়োজনে শিরায় স্যালাইন দিতে হবে।

*চর্বিজাতীয় খাবার ও লবণ কম খাওয়া এবং পরিমিত পানি পান করা।

*প্রস্রাবের ঘন ঘন ইনফেকশনের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নেওয়া।

*চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত অ্যান্টিবায়োটিক ও তীব্র ব্যথানাশক ওষুধ সেবন না করা।

*মাত্র দুটি পরীক্ষায় জানা যায় কিডনি রোগ আছে কি-না এবং একটি সহজ সমীকরণে বের করা যায় কিডনি শত ভাগের কত ভাগ কাজ করছে। একটি হলো- প্রস্রাবে অ্যালবুমিন বা মাইক্রো অ্যালবুমিন যায় কি-না এবং অন্যটি রক্তের ক্রিয়েটিনিন।

কিডনি রোগের লক্ষণ ও ভালো রাখার উপায়
                                  

অনলাইন ডেস্ক : মারাত্মক যেসব অসুখের রোগীর সংখ্যা দিনদিন আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, কিডনির সমস্যা তার মধ্যে অন্যতম। কিডনি আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। পাঁচটি ধাপে কিডনি বিকলের দিকে অগ্রসর হয়। প্রথম চারটি ধাপ পর্যন্ত চিকিৎসার মাধ্যমে নিরাময় করা সম্ভব। কিন্তু একবার পাঁচ নম্বর ধাপে চলে গেলে তখন বেঁচে থাকার উপায় হলো ডায়ালাইসিস অথবা কিডনি সংযোজন। এসব পদ্ধতি অত্যান্ত ব্যয়বহুল, যা অনেকের পক্ষেই বহন করা সম্ভব হয় না। তাই এই ব্যাধি থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হলো কিডনি বিকলতা প্রতিরোধ করা।


দুর্বলতা
কিডনি সমস্যার অন্যতম প্রধান লক্ষণ হচ্ছে দুর্বলতা। আর এই দুর্বলতা আসে রক্তশূন্যতা থেকে। কিডনি যদি ঠিকমতো কাজ না করতে পারে তাহলে রক্ত ক্রমাগত দূষিত হতে থাকে। যার কারণে রক্তে নতুন করে ব্লাড সেল উৎপন্ন হয় না। এছাড়াও কিডনির কার্যক্ষমতা কমে গেলে তা শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় হরমোন এরিথ্রোপ্রোটিন উৎপন্ন করতে পারে না।

চোখে ঝাপসা দেখা
কিডনির সমস্যা আপনার চোখে ঝাপসা দেখা কিংবা মানসিক অস্থিরতার সৃষ্টি করতে পারে। কারণ শরীরের বর্জ্য পদার্থের একটি বড় অংশ হচ্ছে ইউরিয়া। কিডনির সমস্যার কারণে ইউরিয়া শরীর থেকে বের না হয়ে বরং রক্তে মিশে যায়। এই দূষিত রক্ত মস্তিষ্কে পৌঁছে মানসিক অস্থিরতা, ঝাপসা দেখা এই ধরনের সমস্যার সৃষ্টি করে। যদি ইউরিয়ার পরিমাণ অত্যধিক হয় তাহলে তা মস্তিষ্কের ক্ষতি করতে পারে, যার ফলাফলে রোগী কোমাতে পর্যন্ত চলে যেতে পারেন।

শ্বাসকষ্ট
যখন কিডনি কাজ করা বন্ধ করতে শুরু করে, তখন শরীরের বর্জ্য পদার্থ রক্তে মিশতে শুরু করে। এই বর্জ্য পদার্থের বেশিরভাগই হচ্ছে অম্লীয় পদার্থ। তাই এই বর্জ্য যখন রক্তের সাথে ফুসফুসে পৌঁছায় তখন ফুসফুস সেই বর্জ্য বের করার জন্য কার্বনডাই অক্সাইড ব্যবহার করা শুরু করে। যার কারণে পর্যাপ্ত অক্সিজেন ফুসফুসে ঢুকতে পারে না। এতে শ্বাসকষ্টের সমস্যা হতে পারে।

শরীরে চুলকানি
কিডনির অক্ষমতায় শরীরে প্রিউরিটাস দেখা দেয়। প্রিউরিটাস আসলে চুলকানির মেডিক্যাল নাম। শরীরের রক্তে যখন বর্জ্য পদার্থ মিশতে শুরু করে তখন চুলকানির উপসর্গ দেখা দেয় কারণ ওই বর্জ্যের মধ্যে ফসফরাস থাকে। যেসব খাবারে ফসফরাস থাকে যেমন দুধজাতীয় খাবার, সেগুলো হজমের পর ফসফরাস বর্জ্য হিসেবে মূত্রের সাথে বের হতে পারে না। যার কারণে এটি রক্তে মিশে চামড়ায় চুলকানি সৃষ্টি করতে থাকে।

অরুচি
শরীরের বর্জ্য পদার্থের আরেকটি উপাদান হচ্ছে অ্যামোনিয়া। যদি অ্যামোনিয়া রক্তে মেশে তাহলে তা শরীরে প্রোটিন নষ্ট করে ফেলে। কিডনির অক্ষমতায় শরীর বর্জ্য হিসেবে অ্যামোনিয়া ফিল্টার করতে পারে না। রক্তে অত্যধিক পরিমাণের অ্যামোনিয়া মুখে অরুচি, ওজন হারানোর মত সমস্যার সৃষ্টি করে।

প্রস্রাবের রং পরিবর্তন এবং রক্তক্ষরণ
কিডনির সমস্যায় প্রস্রাবের রং পরিবর্তন হয়ে যায়। কারণ, কিডনির অক্ষমতায় রেনাল টিউবিউলসের ক্ষতি হয়, যা পলিইউরিয়ার সৃষ্টি করে। কিডনির অক্ষমতা যত বৃদ্ধি পাবে, প্রস্রাবের পরিমাণ ততই কমবে এবং রং গাঢ় হলুদ কিংবা কমলা রং হয়ে যাবে। সেই সাথে প্রস্রাবের সাথে রক্তক্ষরণ এবং অত্যধিক ফেনা হতে পারে।

ব্যথা
একটি জেনেটিক কন্ডিশনের কারণে শরীরের অভ্যন্তরে, বিশেষ করে কিডনি এবং লিভারে এক ধরনের ফ্লুইড ভর্তি সিস্ট বা গুটির সৃষ্টি হয়। এই সিস্টের মধ্যে থাকা ফ্লুইড এক ধরনের বিশেষ টক্সিন বহন করে, যা শরীরের শিরা বা ধমনী গুলোতে ক্ষতি করতে পারে। একাধিক শিরার বা ধমনীর ক্ষতি হলে তা শরীরে ব্যথা সৃষ্টি করে। সাধারণত এই ব্যথাগুলো শরীরের পেছনের অংশে, পায়ে কিংবা কোমরে হতে পারে।

বমি
রক্তে বর্জ্য পদার্থ বেড়ে যাওয়ায় কিডনি রোগে বমি বমি ভাব এবং বমি হওয়ার সমস্যা হতে পারে।

ফোলা ভাব
কিডনি শরীর থেকে বর্জ্য এবং বাড়তি পানি বের করে দেয়। কিডনিতে রোগ হলে এই বাড়তি পানি বের হতে সমস্যা হয়। বাড়তি পানি শরীরে ফোলাভাব তৈরি করে।

সবসময় শীত বোধ হওয়া
কিডনি রোগ হলে গরম আবহাওয়ার মধ্যেও শীত শীত অনুভব হয়। আর কিডনিতে সংক্রমণ হলে জ্বরও আসতে পারে।


কিডনি ভালো রাখার উপায়:

*ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের নিয়মিত রক্তের শর্করা এবং প্রস্রাবের অ্যালবুমিন পরীক্ষা করা ও রক্তের হিমোগ্লোবিন এওয়ানসি (নিয়ন্ত্রণে রাখা।

*ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত রোগীদের কিডনির কার্যকারিতা প্রতি ৬ মাস অন্তর পরীক্ষা করা।

*উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত রোগীদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা।

*শিশুদের গলা ব্যথা, জ্বর ও ত্বকে খোস-পাঁচড়ার দ্রুত সঠিক চিকিৎসা করা উচিত। কারণ এগুলো থেকে কিডনি প্রদাহ বা নেফ্রাইটিস রোগ দেখা দিতে পারে।

*ডায়রিয়া, বমি ও রক্ত আমাশয়ের কারণে রক্ত পড়ে ও লবণশূন্য হয়ে কিডনি বিকল হতে পারে। তাই দ্রুত খাবার স্যালাইন খেতে হবে। প্রয়োজনে শিরায় স্যালাইন দিতে হবে।

*চর্বিজাতীয় খাবার ও লবণ কম খাওয়া এবং পরিমিত পানি পান করা।

*প্রস্রাবের ঘন ঘন ইনফেকশনের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নেওয়া।

*চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত অ্যান্টিবায়োটিক ও তীব্র ব্যথানাশক ওষুধ সেবন না করা।

*মাত্র দুটি পরীক্ষায় জানা যায় কিডনি রোগ আছে কি-না এবং একটি সহজ সমীকরণে বের করা যায় কিডনি শত ভাগের কত ভাগ কাজ করছে। একটি হলো- প্রস্রাবে অ্যালবুমিন বা মাইক্রো অ্যালবুমিন যায় কি-না এবং অন্যটি রক্তের ক্রিয়েটিনিন।

ডায়ালাইসিসের ব্যয় যোগাতে না পেরে মারা যাচ্ছেন ৯০ শতাংশ রোগী
                                  

ডায়ালাইসিসের ব্যয় মেটাতে না পেরে ৯০ ভাগ কিডনি রোগীই মৃত্যুর শিকার হচ্ছে। বেসরকারি হাসপাতালে কিডনির ডায়ালাইসিস ব্যয় প্রকৃত খরচের দ্বিগুণ তিনগুণ হওয়ায় মাঝপথে চিকিৎসা বন্ধ হচ্ছে সিংহভাগের। সমস্যা সমাধানে হোম ডায়ালাইসিসের সুযোগ সৃষ্টি ও সীমিত লাভে ডায়ালাইসিস সেবা দিতে বেসরকারি হাসপাতাল মালিকদের প্রতি আহ্বান চিকিৎসকদের।

জমি, দোকান ও সবশেষ স্বর্ণালঙ্কার বিক্রি করে কেবল মৃত্যুকে পাহারা দিয়ে যাচ্ছেন ফরিদা বেগম। দীর্ঘদিন ডায়ালাইসিসের খরচ ও বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউ বাণিজ্যের খপ্পরে পড়ে শেষ হয়েছে ৫০ লাখের বেশি টাকা। স্বামীর কাঁধে ক্রমাগত ঋণের বোঝা বাড়তে থাকায় আশঙ্কায় এখন ফরিদার মনেও।

ফরিদা বেগম বলেন, `সব সময় টাকা পয়সা থাকে না। জমি জমা সব বিক্রি করে দিয়েছি। তাতেও টাকায় কুলাচ্ছে না।`

সরকারি হাসপাতালেই সপ্তাহে ডায়ালাইসিস ও আনুষঙ্গিক ব্যয় অন্তত ১০ হাজার টাকা। হাসপাতাল ভেদে বেসরকারিতে এই ব্যয় ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত। বেসরকারি সেবা কেন্দ্রগুলো প্রকৃত খরচের কয়েকগুণ মুনাফা করায় পথে নামতে বাধ্য হচ্ছে লাখো পরিবার।

রোগীর এক আত্মীয় বলেন, `৪০ হাজার টাকার নিচে কোনো রোগী সপ্তাহে দুই দিন ডায়ালাসিস করতে পারে না।` এক রোগী বলেন, `স্বাস্থ্যখাতে যে দুর্নীতি হচ্ছে তা বন্ধ করতে পারলে জেলা পর্যায়ে ডায়ালাসিস সুবিধা দেয়া সম্ভব।`

এক্ষেত্রে সরকারি সহযোগিতায় উন্নত দেশগুলোর মতো ব্যাপকভাবে হোম ডায়ালাইসিসের সুযোগ সৃষ্টির আহ্বান বিশেষজ্ঞদের।

কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা এম এ সামাদ বলেন, কিছু প্রশিক্ষণ দিলেই ঘরে করা সম্ভব। তিন ব্যাগ পানি বদলাতে হয় সরকার যদি কোনোভাবে এটার ব্যবস্থা করে তাহলে ৯০ ভাগ রোগীকে এটার আওতায় আনা যেতে পারে।

কিডনি ফাউন্ডেশনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন অর রশীদ বলেন, `আমরা হিসাব করে দেখেছি প্রতিদিন লাভ ছাড়াই ২৩শ’ টাকায় ডায়ালাসিস করা সম্ভব।`

ব্যয় কমানোসহ প্রতিটি জেলায় কিডনি রোগের সেবা ছড়িয়ে দিতে সরকার কাজ করছে বলে জানান জাতীয় কিডনি ইনস্টিটিউট পরিচালক অধ্যাপক ডা নুরুল হুদা লেলিন। তিনি বলেন, ‘যদি সদিচ্ছা থাকে মানুষকে সেবা দেয়ার তাহলে প্রাইভেট হাসপাতালে সেবার মান বাড়িয়ে খরচের হার কমিয়ে আনা উচিত।’

ডায়ালাইসিস প্রয়োজন এমন রোগীদের মাত্র ২০ ভাগ চিকিৎসা নিতে পারেন। এদের মধ্যে আবার ৮০ থেকে ৯০ ভাগ অর্থের অভাবে মাঝপথে চিকিৎসার অভাবে মারা যায়। তাই সরকারের সহযোগিতার পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালের ডায়ালাইসিস ব্যয় নাগালের মধ্যে আনার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

দ্রুত কলেরা রোগনির্ণয় পদ্ধতির উদ্ভাবন
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশ এবং বহির্বিশ্বে কলেরা রোগ সংক্রমণের শুরুতে দ্রুত এবং কার্যকরভাবে তা শকরার লক্ষ্যে আইসিডিডিআরবির বিজ্ঞানীরা ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত কলকিট নামের একটি ডিপস্টিক তৈরি করেছে।

তিন বছরব্যাপী কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত গবেষণা ও উন্নয়ন প্রক্রিয়ার শেষে সাশ্রয়ী এই দ্রুত রোগনির্ণয় পরীক্ষা (আরডিটি) এ ধরনের পরীক্ষা পদ্ধতির সকল চাহিদা ও দিকনির্দেশনা পূরণ করেছে। কলকিট আরডিটি মলে ভিব্রিও কলেরি চিহ্নিত করতে সক্ষম। এটি এমন একটি ইমিউনোক্রোমাটোগ্রাফিক ডিপস্টিক পরীক্ষা পদ্ধতি যা মলের নমুনাযুক্ত টিউবের মধ্যে ডুবালে সর্বোচ্চ ১৫ মিনিটের মধ্যে যথাযথ ফলাফল (খালি চোখে দৃশ্যমান রঙিন ব্যান্ড) প্রদর্শন করে।

মঙ্গলবার আইসডিডিআরবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কলকিটের গবেষণাগার ও মাঠপর্যায়ের পরীক্ষা-সংক্রান্ত একটি নিবন্ধ সম্প্রতি বিজ্ঞানভিত্তিক জার্নাল প্লস নেগলেক্টেড ট্রপিক্যাল ডিজিজেসে প্রকাশিত হয়েছে।

এতে দেখা যায় যে, মাঠপর্যায়ে ভিব্রিও কলেরি নির্ণয়ের ক্ষেত্রে কলকিটের সংবেদনশীলতা ও নির্দিষ্টতা বিদেশি আরডিটির অনুরূপ। এই মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার মধ্যদিয়ে মোট ৭,৭২০ জন রোগীর মলের নমুনা পরীক্ষা করা হয় যেখানে দেখা গেছে, কলকিটের সংবেদনশীলতা শতকরা ৭৬ ভাগ ও নির্দিষ্টতা শতকরা ৯০ ভাগ এবং অন্যান্য প্রচলিত আরডিটির ক্ষেত্রে এগুলো ছিল যথাক্রমে শতকরা ৭২ ও ৮৬.৮ ভাগ। কলেরা নির্ণয়ের ক্ষেত্রে একটি উৎকৃষ্ট মান হলো গবেষণাগারে মল কালচার পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিতকরণ, যা নমুনা তৈরি, পরিবহনে বিলম্ব, দক্ষ কর্মী, সময় (২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টা) এবং ব্যয়ের (নমুনা প্রতি ৬ থেকে ৮ মার্কিন ডলার) মতো বিষয়ের প্রতি সংবেদনশীল।

জনস্বাস্থ্য খাতের পরিপ্রেক্ষিতে, কলেরার প্রাদুর্ভাব মোকাবেলার জন্য অবিলম্বে রোগনির্ণয় একান্ত অপরিহার্য, কারণ কলেরা জীবাণু খুব দ্রুত ছড়িয়ে অল্পসময়ের মধ্যেই মহামারীর আকার ধারণ করতে পারে। তাই, জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় অগ্রাধিকার পায় দ্রুততম সময়ে সঠিকভাবে রোগ চিহ্নিত করতে সক্ষম, সাধারণ ও সাশ্রয়ী এবং সহজে সংরক্ষণ করা যায় এমন একটি পদ্ধতি। ডিপস্টিক পরীক্ষা পদ্ধতি তেমনই একটি পদ্ধতি। মহামারী প্রবণ এলাকা ও আশপাশের স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোতে দ্রুত রোগের প্রাদুর্ভাব শনাক্তকরণ, রোগের মৌসুমভিত্তিক ব্যাপকতা পর্যবেক্ষণ এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পর্যায়ে কলেরা জরিপের ক্ষেত্রেও এটি ব্যবহারে ব্যাপক সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।

আইসিডিডিআরবির সংক্রামক রোগ বিভাগের বিজ্ঞানী ড. ফেরদৌসী কাদরী কলকিট তৈরির কাজে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি বলেন, ঐতিহাসিকভাবে দেখা যায় যে, এই অঞ্চল থেকেই বিশ্বের সাতটি মহামারীর সবগুলোর বিস্তার ঘটেছে। কলেরা রোগের দ্রুত শনাক্তকরণের ওপর এ রোগের ব্যবস্থাপনা নির্ভর করে। বর্তমানে কলেরা শনাক্তকরণের উদ্দেশ্যে গবেষণাগারে মলের কালচার পরীক্ষার পাশাপাশি আমদানিকৃত দ্রুত রোগনির্ণয় কিট ব্যবহৃত হচ্ছে।

তিনি বলেন, এখন বাংলাদেশে স্থানীয়ভাবে উৎপন্ন একটি আরডিটি কলকিট রয়েছে, যা দেশের আমদানি নির্ভরতা হ্রাস করবে এবং ভবিষ্যতে কলেরার ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোয় রফতানির সুযোগ তৈরি করবে। এর মধ্য দিয়ে প্রাচীন এই রোগের মোকাবেলা এখন স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত কলেরা প্রতিরোধক উপকরণ, যেমন কলেরা টিকা এবং দ্রুত রোগনির্ণয় করার কিটের মাধ্যমে সম্ভব হবে।

আইসিডিডিআরবি এবং রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) যৌথ ব্যবস্থাপনায় বর্তমানে ইনসেপ্টা কর্তৃক উৎপাদিত কলকিট বাংলাদেশের ২২টি কলেরা জরিপ সাইটে ব্যবহৃত হচ্ছে।

কলেরা একটি অতি প্রাচীন রোগ। বিশ্বব্যাপী প্রায় ১.৩ বিলিয়ন মানুষ এ রোগের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে, যার সিংহভাগ রয়েছে দক্ষিণ এশিয়ায়। বাংলাদেশে প্রায় সাড়ে ৬ কোটি মানুষ কলেরার ঝুঁকিতে রয়েছে। এ রোগটির জন্য প্রধানত ভিব্রিও কলেরি নামের একটি জীবাণু দায়ী, ভিব্রিও কলেরির ২০০-রও বেশি সেরোটাইপ রয়েছে। সেরোগ্রুপ `ও১` এবং `ও১৩৯` রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু এবং এগুলো মহামারী ও রোগের আঞ্চলিক প্রাদুর্ভাবের জন্য দায়ী।

তবে, গত দশকে ভিব্রিও কলেরি `ও১৩৯`-এর কারণে কোনো মহামারী ঘটেনি, কেবল রোগের কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা দেখা গেছে। কলকিট ভিব্রিও কলেরি সেরোগ্রুপ `ও১` শনাক্তকরণে অত্যন্ত কার্যকর। এটির উৎপাদন আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পেয়েছে; এটির মূল্য প্রায় ৩ মার্কিন ডলার।

আড়াই কোটি শিশু খাবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল
                                  

দেশের আড়াই কোটি শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মোট ১ লাখ ২০ হাজার কেন্দ্র থেকে এ ক্যাপসুল খাওয়ানো খাবে।

আজ (বৃহস্পতিবার) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালিক এ তথ্য জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, যে ভিটামিন খাওয়ানো হচ্ছে তা সম্পূর্ণ নিরাপদ। কোনো প্রকার গুজবে কান না দিয়ে ছয় মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়াতে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

গত ১৯ জানুয়ারি ছিল ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইনের নির্ধারিত দিন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে ভারতের একটি কোম্পানি থেকে আমদানিকৃত ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় স্বাস্থ্য অধিদফতর কর্তৃপক্ষ ক্যাম্পেইন স্থগিত করে।

ক্যান্সারের ১১ লক্ষণ এড়িয়ে যাবেন না
                                  

মানুষকে যে রোগগুলো বেশি ভোগায়, তার মধ্যে ক্যান্সার সবচেয়ে ভীতিকর। ক্যান্সার শরীরে একবার বাসা বেঁধে ফেললে রোগীকে বাঁচিয়ে ফেরানোর সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে যায়। ক্যান্সার হয়ে গেলে আরও অনেক রোগ চেপে বসে শরীরে। তখন রোগীকে বাঁচিয়ে রাখা একেবারে দুঃসাধ্যই হয়ে যায়। তবে কেউ যদি প্রাথমিক পর্যায়েই এই মরণব্যাধি শনাক্ত করে ফেলতে পারে, তার বেঁচে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেকখানিই উজ্জ্বল থাকে।
সেজন্য চিকিৎসকরা পরামর্শ দিয়ে থাকেন, দুঃখ করার চেয়ে নিজেকে সুস্থ রাখাই দরকার বেশি। তাই শরীরে কোনো অসুস্থতা দেখা দিলে, বিশেষত উদ্বেগজনক কোনো উপসর্গ বোঝা গেলে, অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

কিন্তু ক্যান্সারের লক্ষণ বোঝার ওপায় কী? স্বাস্থ্য বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক ওয়েবসাইট দিয়েছে ১১টি লক্ষণ। এই উপসর্গগুলো দেখা দিলে ঘাবড়ে না গিয়ে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা নিতে হবে রোগী ও স্বজনদের।

১. দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি
আপনি যদি দীর্ঘ সময় ধরে ক্লান্তিবোধ করেন অথবা অবসাদে ভোগেন তবে সেটা অনেক রোগেরই কারণ হতে পারে, হতে পারে ক্যান্সারও। মলাশয়ের ক্যান্সার বা রক্তে ক্যান্সার হলে সাধারণত এমন উপসর্গ দেখা যায়। তাই, আপনি যদি স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে বেশি ক্লান্তিবোধ করেন অথবা দীর্ঘসময় ধরে ক্লান্ত থাকেন, অবিলম্বে চিকিৎসাসেবা নিন।

২. আকস্মিক ওজন হ্রাস
কোনো কারণ ছাড়া হঠাৎ করেই দ্রুতগতিতে যদি ওজন হারাতে থাকেন, তবে ভাবনার কারণ আছে। অনেক ক্যান্সারই সাধারণত হুট করে ওজন কমিয়ে ফেলে। তাই শরীরের ওজনের দিকে খেয়াল রাখতে হবে সবসময়।
৩. দীর্ঘদিনের ব্যথা

দৃশ্যত কোনো কারণ (যেমন জখম-আঘাত) ছাড়া যদি আপনি দীর্ঘদিন ধরে শরীরের কোনো স্থানে ব্যথায় ভোগেন, তবে তাতে ওষুধও কাজ না করলে এ নিয়ে ভাবনার কারণ আছে। শরীরের কোন জায়গায় ব্যথা করছে তার ওপর নির্ভর করছে রোগী ব্রেইন টিউমারে আক্রান্ত নাকি ডিম্বাশয়, পায়ুপথ বা মলাশয়ের ক্যান্সারে আক্রান্ত।

৪. অস্বাভাবিক মাংসপিণ্ড
আপনি যদি শরীরের কোনো অংশে অস্বাভাবিক কোনো মাংসপিণ্ড দেখতে পান অথবা মাংস জমাট হতে দেখেন কিংবা এ ধরনের পরিবর্তন বুঝতে পারেন, তবে এটা তেমন কিছুরই লক্ষণ, যা আপনার কাছে অনাকাঙ্ক্ষিত। এমনকি আপনার শরীরে কোনো পরিবর্তন স্বাভাবিক মনে হলেও পর্যবেক্ষণ করুন, এরপর অন্তত চিকিৎসককে জানান।

৫. ঘন ঘন জ্বর
ক্যান্সার শরীরে জেঁকে বসলে স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। এতে ঘন ঘন জ্বর দেখা দেয়। দুর্ভাবনার ব্যাপার হলো, কিছু ক্যান্সারের শেষ পর্যায়েরই উপসর্গ ঘন ঘন জ্বর। তবে ব্ল্যাড ক্যান্সারসহ এ ধরনের কিছু ক্যান্সারের প্রাথমিক পর্যায়েই ঘন ঘন জ্বর দেখা দেয় শরীরে।
৬. ত্বকে পরিবর্তন

অনেকেই ত্বকের ক্যান্সারের ব্যাপারে সচেতন নন। ত্বকে অস্বাভাবিক পরিবর্তনই এমন ক্যান্সার শনাক্ত করার সহজ উপায়। তাই ত্বকে অতিরিক্ত তিল বা ফ্রিকেল অথবা আঁচিলের দিকে খেয়াল করুন। যদি এর রং, আকারে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা যায়, তবে অবিলম্বে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। ত্বক লালচে হয়ে যাওয়া, ফস্কুড়ি পড়ে যাওয়া এবং রক্তক্ষরণও অন্যান্য ক্যান্সারের উপসর্গ।

৭. দীর্ঘস্থায়ী কাঁশি
আপনি যদি দেখেন যে ওষুধ সেবনের পরও কাশি সারছেই না, তবে শীতকালীন কাশির চেয়েও এটা বেশি কিছু ধরে নিতে হবে। আর এই কাশির কারণে যদি আপনার বুক, পিঠ বা কাঁধে ব্যথা করে, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

৮. মল-মূত্রত্যাগের অভ্যাসে পরিবর্তন
যদি মল বা মূত্রত্যাগের জন্য ঘন ঘন শৌচাগারে যেতে হয়, তবে এখানে ক্যান্সার নিয়ে ভাবনার কারণ আছে। ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্যও মলাশয়ের ক্যান্সারের লক্ষণ। মূত্রত্যাগের সময় অন্ত্রে ব্যথা বা রক্তক্ষরণ মূত্রথলির ক্যান্সারের উপসর্গ।

৯. অকারণে রক্তক্ষরণ
যদি কাশির সময় রক্তক্ষরণ হয়, তবে এটা ক্যান্সারের বড় লক্ষণ। এছাড়া স্ত্রী অঙ্গ (ভ্যাজিনা) বা মলদ্বার থেকে রক্তক্ষরণসহ এ ধরনের অন্যান্য অস্বাভাবিকতাও ক্যান্সারের উপসর্গ।

১০. খাবার গ্রহণে সমস্যা
কেউ খাবার খেলেই যদি নিয়মিত বদহজমে ভোগেন, তবে পেট, কণ্ঠনালী বা গলার ক্যান্সার নিয়ে ভাবনার কারণ আছে। অবশ্য সাধারণত এসব উপসর্গকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয় না। তবু অসুস্থতাকে কখনো এড়িয়ে যেতে নেই।

১১. অন্যান্য উপসর্গ
বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই উপরে উল্লিখিত উপসর্গগুলোকে ক্যান্সারের সাধারণ লক্ষণ মনে করা হয়। তবে এর বাইরেও অনেক লক্ষণ আছে ক্যান্সারের। এগুলোর মধ্যে আছে পা ফুলে যাওয়া, শরীরের আকারে বা অনুভূতিতে অস্বাভাবিক পরিবর্তন ইত্যাদি।

সবশেষ কথা হলো, ক্যান্সারের অনেক কারণ বোঝাও যায় না, এমনকি অন্য ক্যান্সারের চিকিৎসার পরবর্তী পরিণতি হিসেবে আরেক ক্যান্সার দেখা দেয়। তাই শরীরের যেকোনো অসুস্থতাকেই গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসাসেবা নিতে হবে। বিশেষ করে বয়স ৩০-৪০ বছর পেরিয়ে গেলে অবশ্যই প্রতি অর্ধবছর বা প্রতিবছর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে হবে।

আশার কথা এই যে, প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করতে পারলে বেশিরভাগ ক্যান্সারেরই চিকিৎসা সম্ভব। জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন, বলিউড অভিনেত্রী মনিষা কৈরালা বা ভারতের ক্রিকেটার যুবরাজ সিংরা কিন্তু ক্যান্সার জয় করে দাপটের সঙ্গেই ফিরেছেন স্ব স্ব অঙ্গনে।

ছেলে শিশু বেশি জন্মায় কেন?
                                  

ব্রিটেনে প্রতি বছরই জন্ম নেয়া শিশুদের মধ্যে ছেলে বাচ্চার সংখ্যা মেয়ে বাচ্চার চেয়ে বেশি। রানি ভিক্টোরিয়ার সময় থেকে এমন কোনো বছর নেই যেখানে মেয়ে শিশু বেশি জন্মেছে। উদাহরণস্বরূপ ২০১৭ সালে ব্রিটেনে মেয়ে শিশু জন্মেছে ৩ লাখ ৩১ হাজার ৩৫ জন। এ সময় ছেলে শিশু জন্মেছে প্রায় ১৭ হাজার বেশি-মোট ৩ লাখ ৪৮ হাজার ৭১ জন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক হিসাব মতে, সদ্য জন্মানো শিশুদের মধ্যে প্রাকৃতিক জেন্ডার অনুপাত হলো প্রতি ১০০ মেয়ে শিশুর বিপরীতে জন্ম নিচ্ছে ১০৫ ছেলে শিশু। সারা পৃথিবীতেই এ অনুপাত মোটামুটি একই। শুধু চীন বা ভারতের মতো কিছু দেশ ছাড়া। কারণ সেখানে পিতামাতার কাছে ছেলে শিশু অধিক কাঙ্ক্ষিত বলে মনে করা হয়।

 কিন্তু ঠিক কী কারণে ছেলে শিশু বেশি জন্মায়-তা এখনও বিজ্ঞানীদের কাছে অজানা। তাই এ নিয়ে একাধিক তত্ত্ব আছে। প্রথম তত্ত্বটা হলো: পুরুষ হিসেবে বেড়ে ওঠাটাই একটা বিপজ্জনক ব্যাপার। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, জীবনের প্রতি ক্ষেত্রেই তার অল্প বয়সে মারা যাবার সম্ভাবনা মেযেদের চাইতে বেশি। সেটা হতে পারে তা দুর্ঘটনা, ঝুঁকি নেয়া, আত্মহত্যা বা স্বাস্থ্যগত সমস্যা বা এমন যেকোনো কারণে।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডেভিড স্টাইনজালৎস বলছেন, যেকোনো স্থান-কাল-পাত্রেই পুরুষের মারা যাবার ঝুঁকি নারীর চেয়ে বেশি। তাই বিবর্তনের নিয়মেই পুরুষ শিশুর জন্ম বেশি হচ্ছে যাতে শেষ পর্যন্ত পরিণত বয়সে নারী ও পুরুষের সংখ্যায় একটা সমতা থাকে।

সন্তান ছেলে হবে না মেয়ে, সেটা নির্ধারণ হয় যেভাবে

সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারিত হয় পুরুষের শুক্রাণু থেকেই-এ কথা হয়তো অনেকেই এখন জানেন। নারীর ডিম্বাণুকে নিষিক্তকারী শুক্রাণুটি যদি ওয়াই ক্রোমোজোম বহনকারী হয়, তাহলে সন্তান হবে ছেলে। আর সেই শুক্রাণু যদি এক্স ক্রোমোজোম বহনকারী হয় তাহলে সন্তান হবে মেয়ে।

এখন কোটি কোটি শুক্রাণুর মধ্যে নিষিক্তকরণের প্রতিযোগিতায় কোনটি জয়ী হবে-তা নির্ভর করে পিতামাতার বয়সে, নারীর ঋতুচক্র, মানসিক অবস্থা, খাদ্য, এমনকি কোন ভঙ্গিতে তাদের যৌনমিলন ঘটছে তার ওপর।

বলা হয়, ওয়াই ক্রোমোজোমবাহী পুরুষ শুক্রাণু জরায়ুর ভেতর বেশি সময় বাঁচে না কিন্তু তারা দ্রুত ছুটতে পারে। অন্যদিকে নারী শুক্রাণু ধীরগতিতে চলে কিন্তু বাঁচতে পারে বেশি সময়। তাই জনপ্রিয় একটি তত্ত্ব হলো : নারীর ঋতুচক্রের কোন সময়টায় দম্পতি কতবার মিলিত হচ্ছেন এবং কতদিন বিরতি দিচ্ছেন-তার ওপর নির্ভর করে সন্তান মেয়ে না ছেলে হবে।

নারীর ডিম্বস্ফোটন বা ওভুল্যুশনের ঠিক আগে বা পরে যৌনমিলন হলে যে শুক্রাণুগুলো দ্রুত ছুটতে পারে তারাই ডিম্বাণুর সঙ্গে মিলিত হতে পারে এবং ছেলে সন্তানের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এর বিপরীতটা হলে অর্থাৎ ওভুলেশনের কয়েকদিন আগে একাধিকবার যৌনমিলন হবার পর কয়েকদিন বিরতি দিলে কন্যাসন্তানের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

কিন্তু অভিভাবকরা যাই বলুন, বিজ্ঞানীরা অবশ্য মনে করেন এসব পরিকল্পনা করে যৌনমিলন করেও ফলাফলে বিশেষ কোনো পার্থক্য হয় না। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, বাবা-মা যদি মানসিক চাপে থাকেন তাহলে মেয়ে শিশু জন্মের সম্ভাবনা বাড়ে।

অন্যদিকে যুদ্ধ বা সংঘাতের মধ্যে যে বাবা-মায়েরা বাস করছেন তাদের ছেলে সন্তান বেশি হতে পারে। প্রশ্ন হলো- এ রকম পরিকল্পিত যৌনমিলনে যদি কাজ না-ই হয়, তাহলে কি আসলে গর্ভাবস্থার সময় অন্য কিছু ঘটছে?

বিজ্ঞানীরা বলেন, কিছু গবেষণায় আভাস পাওয়া গেছে যে, গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে কন্যা ভ্রুণ নষ্ট হয়ে যাবার ঝুঁকি বেশি। কিন্তু অন্য কিছু জরিপে দেখা গেছে, গর্ভাবস্থার শেষদিকে পুরুষ ভ্রুণ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকে এবং এর ফলে মৃত শিশুর জন্ম হতে পারে।

বিজ্ঞানীদের মতে, আসলে গর্ভকালীন সময়ে ঠিক কী ঘটে এবং কেন ঘটে তা নির্ভূলভাবে বলা খুবই কঠিন। মোটের ওপর, আমরা এটাই দেখি যে, ছেলে ভ্রুণই পরিণত অবস্থা পর্যন্ত বেশি পৌঁছায় এবং ছেলে শিশুর জন্মই বেশি হয়।

শীতে শ্যাম্পু করার ভয়? নিজেই তৈরি করুন ড্রাই শ্যাম্পু
                                  

শীতে গোসল করা নিয়েই ভয়ে থাকেন অনেকে, আর শ্যাম্পু করতে হলে তো কথাই নেই! অনেকে গরম পানি দিয়ে গোসলের কাজটি সারলেও মাথায় কিন্তু ঢালতে হয় ঠান্ডা পানিই। তাই শ্যাম্পু করার ভয়ে গোসল যেন হয়ে ওঠে আতংকের নাম! তবে মজার ব্যাপার হলো এই শীতেও আপনি চুলে শ্যাম্পু করতে পারবেন আর তাতে নেই কোনো ঠান্ডা লাগার ভয়। সেজন্য কিন্তু আপনাকেই তৈরি করে নিতে হবে ড্রাই শ্যাম্পু। কিভাবে? চলুন জেনে নিন-
নিচে দুটি ড্রাই শ্যাম্পু তৈরি ও ব্যবহারের সহজ উপায় দেয়া হলো-

১. সিকি কাপ অ্যারারুট গুঁড়া (আপনার চুল যদি ঘন কালো হয়, তা হলে দুই টেবিলচামচ অ্যারারুট গুঁড়া আর দু’ টেবিলচামচ কোকো পাউডার মিশিয়ে নিন), পাঁচ ফোঁটা ল্যাভেন্ডার এসেনশিয়াল অয়েল ও পুরোনো মেকআপ ব্রাশ নিন। এবার একটি পাত্রে অ্যারারুট নিয়ে তাতে এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে নিন। আপনার ড্রাই শ্যাম্পু তৈরি! কৌটোয় মিশ্রণটা ভরে রেখে দিন।
এবার পুরনো মেকআপ ব্রাশে করে খানিকটা মিশ্রণ নিয়ে চুলের গোড়ায় গোড়ায় ও তৈলাক্ত অংশে লাগিয়ে নিন। ব্রাশের বদলে আঙুল দিয়েও লাগাতে পারেন, তবে সেক্ষেত্রে বাড়তি গুঁড়া ঝেড়ে ফেলে ভালো করে চুল আঁচড়ে নিতে হবে।
২. এক কাপ গরম পানি, সিকি কাপ অ্যারারুট গুঁড়া, সিকি কাপ রাবিং অ্যালকোহল, পছন্দের এসেনশিয়াল অয়েল নিন। এবার স্প্রে বোতলে সবকটি উপাদান ভরে ভালো করে ঝাঁকিয়ে নিলেই আপনার ড্রাই শ্যাম্পু তৈরি! চুলের গোড়ায় ও তেলা অংশে স্প্রে করে আঁচড়ে নিন। তবে প্রতিবার লাগানোর আগে বোতলটা ভালো করে ঝাঁকিয়ে নিতে ভুলবেন না!

ঠান্ডাজনিত সমস্যা দূর করে যেসব পানীয়
                                  

শীত এলে ঠান্ডাজনিত সমস্যায় ভোগেন না এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। ঠান্ডা লাগা, সর্দি-কাশি, গলা ব্যথা ইত্যাদির কারণে কাবু হয়ে পড়েন অনেকেই। আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে সময় লাগে কিছুটা। আর সেই সুযোগেই বাসা বাঁধতে পারে এসব অসুখ। তাই বাড়াতে হবে সতর্কতা। এমনকিছু পানীয় রয়েছে যা পান করলে এই শীতেও থাকা যাবে ঠান্ডাজনিত সমস্যা থেকে দূরে।গোল মরিচ শরীরের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়। গোল মরিচ অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও। এটি গলা বসে যাওয়া, নাক বন্ধ ইত্যাদি সমস্যা থেকে আরাম যেমন দেয়, তেমনই ঠান্ডার সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতারও জোগান দেয়। শীতে চায়ের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন গোল মরিচ। প্রতিদিন মরিচ চা খেলে শীতে সুস্থ থাকবে শরীর। ভালো ফল পেতে এতে কিছুটা মধু মেশাতে পারেন।

দারুচিনি শুধু রান্নার স্বাদ বাড়াতেই ব্যবহার করা হয় এমন নয়, ঠান্ডার সমস্যা প্রতিরোধেও এটি দারুণ কার্যকরী। দারুচিনি প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎসও এই দারুচিনি। গরম পানিতে কয়েক টুকরো দারুচিনি ফেলে তা ফুটিয়ে পান করুন প্রতি দিন। কফের সমস্যা হলে তা দূর করতে সাহায্য করবে এই পানীয়। সাইনাস ও মাইগ্রেনের সমস্যাও কমিয়ে আরাম দেয় এই পানীয়।
আদায় থাকা জিঞ্জারল, জিঞ্জারন প্রভৃতি উপাদান অ্যান্টিইনফ্লেমটরি ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। ঠান্ডা লাগা থেকে বাঁচতে আদা বেশ কার্যকরী। এক কাপ পানিতে আদা কুচি ফেলে তা ফুটিয়ে নিন। এতে যোগ করুন লেবুর রস ও মধু। লেবু ও মধু দুই-ই প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। নিয়ম করে খালি পেটে এই পানীয় খেলে শীতের অসুখের হাত থেকে তো বাঁচবেনই, এ ছাড়া শরীরে জমে থাকা টক্সিন দূর হবে।

জলপাই কেন খাবেন?
                                  

টক স্বাদের জলপাইয়ের জনপ্রিয়তা রয়েছে বেশ। জলপাই দিয়ে সুস্বাদু সব আচার তৈরি করা যায় বলে এর কদর রয়েছে সবার কাছেই। আচার তৈরি করা ছাড়াও এটি কাঁচা, ভর্তা করে খাওয়া যায়। ভিটামিন সিতে ভরপুর জলপাই আমাদের শরীরের জন্য বেশ উপকারী। চলুন জেনে নেয়া যাক জলপাইয়ের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা সম্পর্কে-
জলপাইয়ের পুষ্টিগুণ:

জলপাই খুবই পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ ফল। প্রতি ১০০ গ্রাম জলপাইয়ের খাদ্যযোগ্য অংশে রয়েছে: খাদ্যশক্তি- ১৪৬ কিলোক্যালরি, শকরা-৩.৮৪ গ্রাম, চিনি-০.৫৪ গ্রাম, খাদ্য আঁশ- ৩.৩ গ্রাম, চর্বি-১৫.৩২ গ্রাম, আমিষ-১.০৩ গ্রাম, ভিটামিন এ- ২০ আইইউ, বিটা ক্যারোটিন-২৩১ আইইউ, থায়ামিন-০.০২১, রিবোফ্লাবিন-০.০০৭ মিলিগ্রাম, নিয়াসিন-০.২৩৭ মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি৬-০.০৩১ মিলিগ্রাম, ফোলেট-৩ আইইউ, ভিটামিন ই-৩.৮১ মিলিগ্রাম, ভিটামিন কে-১.৪ আইইউ, ক্যালসিয়াম-৫২ মিলিগ্রাম, আয়রন-৩.১ মিলিগ্রাম, ম্যাগনেসিয়াম-১১মিলিগ্রাম, ফসফরাস-৪ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ৪২ মিলিগ্রাম।

জলপাইয়ের উপকারিতা:
আমাদের হৃদপিণ্ডের রক্তনালীতে চর্বি জমলে হার্টএ্যটাকের আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি থাকে। জলপাইয়ের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট হার্ট ব্লক হতে বাধা দেয়। জলপাইয়ে রয়েছে মোনো-স্যাচুরেটেড ফ্যাট, যা আমাদের হার্টের জন্য খুবই উপকারী।
জলপাই অ্যালার্জি প্রতিরোধে সহায়তা করে। এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি যা ত্বকের ইনফেকশন ও অন্যান্য ক্ষত সারাতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে।
জলপাইয়ে যে খাদ্যআঁশ আছে তা মানুষের দেহের পরিপাকক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে এবং হজমে সহায়তা করে।

জলপাইয়ে ভিটামিন এ পাওয়া যায়। ভিটামিন এ চোখের জন্য ভালো। যাদের চোখ আলো ও অন্ধকারে সংবেদনশীল তাদের জন্য ওষুধের কাজ করে জলপাই।

জলপাইয়ের এন্টি-অক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে ও ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি করে।
শুধু ফলের নয়, জলপাই পাতারও রয়েছে নানা ভেষজ গুণ। যেমন- জলপাই পাতা ছেঁচে কাটা স্থানে লাগালে ক্ষত দ্রুত শুকিয়ে যায়।

যে কারণে রোগীরা মিথ্যা কথা বলেন
                                  

মানুষ মাত্রই মিথ্যা বলে। সে যে কারো কাছেই হতে পারে। তবে আমরা জানি, চিকিৎসকের কাছে সত্য কথাই বলতে হয়। কিন্তু সেখানে গিয়েও সবাই কম-বেশি মিথ্যা কথা বলে থাকেন। কিন্তু কেন?

ইউনিভার্সিটি অব উটাহ হেলথ ও মিডিলসেক্স কমিউনিটি কলেজের গবেষণায় উঠে এসেছে এমন কিছু তথ্য। আসলে ঠিক কোন কারণে চিকিৎসকের কাছে মিথ্যা কথা বলেন রোগীরা? আসুন জেনে নেই সেই কারণগুলো-

> আরও পড়ুন- ঘুম হচ্ছে না? জেনে নিন সহজেই ঘুমানোর টিপস

• চিকিৎসা পদ্ধতির সঙ্গে একমত হতে না পারলেই রোগীর মধ্যে চিকিৎসককে মিথ্যা বলার প্রবণতা তৈরি হয়।
• অনেকে আবার চিকিৎসকের দেওয়া নির্দেশ বুঝতে না পারলেও মিথ্যা কথা বলেন।
• চিকিৎসক কোনো কারণে রেগে যেতে পারেন ভেবে সেই বিষয়ে বেশি জিজ্ঞসাও করতে চান না।
• অনেক সময় চিকিৎসকের কাছে মিথ্যা বলে পাশ কাটিয়ে চলে যেতে যান।
• চিকিৎসক কী ভাববেন, এই ভয়ে অনেকে চিকিৎসকের কাছে গিয়ে সত্য কথা চেপে যান।
• চিকিৎসক যদি রোগীর বদ অভ্যাস বদলানোর কথা বলেন, এই ভয় তাড়া করে রোগীকে।
• কখনো কখনো লজ্জাজনক রোগের কারণেও মিথ্যা বলেন রোগীরা।

গবেষণায় দাবি করা হয়, মিথ্যা কথা বলার কারণে অনেক সময়ে ভুল চিকিৎসার শিকার হন রোগীরা। কারণ চিকিৎসকের নির্দেশমতো ওষুধ না খেয়ে এবং মিথ্যা কথা বলে চিকিৎসককে বিভ্রান্ত করে। ফলে অনেক সময়ই ঠিকমতো চিকিৎসা হয় না রোগীর।

দাঁতের ব্যথার ঘরোয়া সমাধান
                                  

দাঁতের সমস্যা যদি বড়সড় হয় তাহলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া ছাড়া ভিন্ন উপায় থাকে না। কিন্তু চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার আগে ব্যথা বা সমস্যা কমার কোনো উপায় জানা থাকলে সে সময় আরাম পাওয়া যায়। ছোটখাটো দাঁতের সমস্যা সারাতেও এসব উপায় কাজে আসে। জেনে নিন এমনই একটি ঘরোয়া উপায় যার মাধ্যমে সহজেই দাঁতের যে কোনো সমস্যা থেকে অনেকটা আরাম পাবেন।
খুব সহজে মেলে এমন দুই উপকরণ দিয়েই বানিয়ে ফেলতে পারেন সমাধান। প্রয়োজন কেবল নারিকেল তেল ও লবঙ্গের গুঁড়া। এবার একটি পাত্রে নারিকেল তেলের মধ্যে বেশ কিছুটা লবঙ্গের গুঁড়া মিশিয়ে নিন। ভালো করে ফেটিয়ে এই মিশ্রণ ব্রাশের সাহায্যে আক্রান্ত স্থানে লাগান। দিনে বার তিনেক এমনটা করলে অনেকটা আরাম মিলবে দাঁতের ব্যথা ও অন্যান্য সমস্যা থেকে।
নারিকেল তেলের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্য দাঁতের গোড়ার নানা সমস্যা ও সংক্রমণ রোধ করে। এছাড়া লবঙ্গের গুঁড়ায় থাকা ইউজিনল দাঁতের ব্যথা কমাতে খুবই কার্যকর ভূমিকা গ্রহণ করে। সুতরাং চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার আগেই ব্যথাকে কব্জা করার এই সহজ উপায়ে আস্থা রাখলে আরাম পাবেন সহজেই।

টুথপেস্ট দিয়ে রূপচর্চা করবেন যেভাবে
                                  

ত্বকের যত্ন কত কী-ই তো কাজে লাগে, টুথপেস্টের কথা ভেবেছেন কি কখনো? ভাবছেন এ আবার কেমন কথা, টুথপেস্ট দিয়ে তো দাঁত মাজতে হয়! কিন্তু দাঁত মাজার পাশাপাশি ত্বকের যত্নেও টুথপেস্ট সমান কার্যকরী একথা আমাদের অনেকেরই অজানা। চলুন জেনে নেই ত্বকের যত্নে টুথপেস্টের কার্যকরী ব্যবহার-
ব্রণ তাড়াতে টুথপেস্ট দারুণ কার্যকরী। বিশেষ করে ব্যথাযুক্ত ব্রণের ক্ষেত্রে। রাতে ঘুমানোর আগে ব্রণের উপর টুথপেস্টের প্রলেপ লাগিয়ে ঘুমাতে যান। সকালে উঠে দেখবেন ব্রণর ফোলাভাব অনেক কমে গিয়েছে আর ব্যথাও অনেক কম।

আমাদের ত্বকের রোমকূপ নানাকারণেই বন্ধ হতে পারে। বিশেষ করে মেকআপ, ধুলো-ময়লা, দূষণ ইত্যাদির কারণে এটি হতে পারে। ফলে দেখা দেয় ব্ল্যাক হেডস। ব্ল্যাক হেডসের পূর্ববর্তী অবস্থা হলো হোয়াইট হেডস। এতে লোপকূপের ছিদ্র বন্ধ হয়ে যায়। য সব জায়গায় এই হোয়াইট হেডস রয়েছে যেমন, নাক, কপাল, চিবুক- সেসব জায়গায় পুরু করে টুথপেস্টের প্রলেপ লাগান। শুকিয়ে গেলে খুঁটে খুঁটে তুলে ফেলুন। এরপর ভালো করে মুখ ধুয়ে ফেলুন। পরিবর্তন আপনিই বুঝতে পারবেন।
শুধু বয়সের কারণেই নয়, অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, পর্যাপ্ত বিশ্রামের অভাব, অনিদ্রা ইত্যাদি কারণেও অকালে ত্বকে বলিরেখা দেখা দিতে পারে। পানিতে টুথপেস্ট মিশিয়ে পাতলা করে নিন। এবার মুখ, গলায়, ঘাড়ে এটির প্রলেপ লাগান। না শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। পেস্ট শুকিয়ে গেলে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত তিনদিন এভাবে টুথপেস্ট ব্যবহার করুন। বলিরেখার সমস্যা দূর হবে।
বাইরে যাওয়ার আগে যদি ত্বকের যত্ন নেয়ার জন্য যথেষ্ট সময় না থাকে তাহলে ব্যবহার করুন টুথপেস্ট। সাধারণ ফেসওয়াসের মতোই টুথপেস্ট ব্যবহার করুন এবং প্রচুর পরিমাণে পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। চটজলদি মিলবে উজ্জ্বল ত্বক!

শীতেও চুল সুন্দর রাখার ৫ উপায়
                                  

শীত এলে ত্বকের পাশাপাশি করুণ হতে থাকে চুলের অবস্থাও। শীতের শুষ্কতা আমাদের ত্বক আর চুলের প্রাণ কেড়ে নিতে চায় যেন! উজ্জ্বল চুলগুলো হতে শুরু করে নিষ্প্রভ। তাই এসময় নিয়মিত যত্ন না নিলে ধীরে ধীরে তা আরো শ্রীহীন হয়ে পড়ে। তাই শীতেও চুল সুন্দর আর সুস্থ রাখতে চাইলে নিতে হবে যত্ন। চলুন জেনে নেই তেমনই পাঁচটি উপায়-

সুন্দর চুলের জন্য প্রথমেই খাওয়া-দাওয়ার দিকে নজর দিতে হবে। সবুজ সবজি ও ফলের রস চুলের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী। স্বাস্থ্যবান, ঝলমলে চুলের জন্য দুধ ও ফ্রেশ দই খেতে পারেন। নারিকেলও চুলকে স্বাস্থ্যবান করে তুলতে সহায়তা করে।

ভেজা চুল কখনোই আঁচড়াবেন না। চুলের জট ছাড়ানোর জন্য বড় দাঁতের চিরুনি ব্যবহার করুন। কাঠের চিরুনি ব্যবহার করতে পারলে সবচেয়ে ভালো হয়। সপ্তাহে একবার ডিপ কন্ডিশনিং ট্রিটমেন্ট ট্রাই করুন। চুলের যত্নে কড়া কেমিক্যাল ব্যবহার করবেন না।
সপ্তাহে অন্তত ২-৩ বার উষ্ণ তেল দিয়ে মালিশ করতে পারেন। চুলের গোঁড়ার আর্দ্রতা বজায় রাখতে এর তুলনা হয় না। মালিশের জন্য নারিকেল তেল, আমন্ড অয়েল ব্যবহার করতে পারেন। আঙুলের ডগা দিয়ে চুলের গোঁড়ায় মালিশ করুন। শ্যাম্পু করার অন্তত ১ ঘণ্টা আগে তেল মালিশ করুন।
অবসাদ বা ক্লান্তি চুলের রং ও স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। তাই স্ট্রেসমুক্ত থাকতে নানা ধরনের কৌশল যেমন, মেডিটেশন, মিউজিক থেরাপি কাজে লাগিয়ে দেখতে পারেন।
ভেজা চুল হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে শুকানোর চেষ্টা না করাই ভালো। এতে চুল রুক্ষ হয়ে যায়। তাছাড়া চুলের গোড়াও শুষ্ক হয়ে যেতে পারে।

জেনে নিন কটন বাড ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক
                                  

কান পরিষ্কার করতে কটন বাড ব্যবহার করেন বেশিরভাগ মানুষ। নরম এই বাডগুলো আমাদের কানে আরাম দিলেও আসলে তা মারাত্মক ক্ষতিকর। সম্প্রতি মার্কিন চিকিৎসক ক্রিস্টোফার চ্যাং এই অভ্যাসের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। কান পরিষ্কারের জন্য বাডের উপর নির্ভর করার স্বভাব নিয়ে সম্প্রতি একটি মেডিক্যাল ওয়েবসাইটে সচেতনও করেছেন তিনি। তার মতে, কানের ভিতরের তরুণাস্থিগুলো এই বাডের আঘাতে নষ্ট হয়। ফলে শ্রবণশক্তি দুর্বল হওয়ার সঙ্গে পর্দার ক্ষতি হয়। অকালে চলে যেতে পারে শ্রবণক্ষমতাও।

কানের বাড ও তার ব্যবহার নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একটি সমীক্ষা চালায়। তাতে দেখা যায়, কানে নরম বাড ব্যবহার করার কারণে প্রতি বছর গোটা দুনিয়ায় মারা যান প্রায় সাত হাজার মানুষ। বিশ্বের লোকসংখ্যার নিরিখে এ সংখ্যা নগণ্য হলেও ভয়টা অন্যত্র। সমীক্ষায় উঠে এসেছে, প্রায় ৩৬ শতাংশ মানুষ এই অভ্যাসের ক্ষতিকারক দিক সম্পর্কে অবগত। প্রায় ২৯ শতাংশ মানুষ জেনেশুনে কানের বাড ব্যবহার করে কানের পর্দার নানা ক্ষতি করেছেন।
কানে যেটুকু নোংরা জমে তা শরীরের স্বাভাবিক কম্পন, হাঁচি-কাশি, স্নান, ঘুম ইত্যাদি শারীরবৃত্তীয় কাজে বার হয়ে যায়। এর বাইরেও কানে ময়লা রয়েছে এবং তা পরিষ্কার করা প্রয়োজন- এই ধারণাটাই আসলে ভুল। কানের ভিতরের আঠালো পদার্থ আমাদের কানের জন্য ভালো। তা কানের পর্দাতে বাইরের সংক্রমণ ও ধুলোবালি থেকে রক্ষা করে। তাই তাকে জোর করে খুঁচিয়ে টেনে বার করার কোনো অর্থই নেই।
শরীর একটি নির্দিষ্ট ওজনের পর আর ময়লা নিজের ভিতরে রাখে না, তাকে নানা জৈবিক উপায়ে বের করে দেয়। সুতরাং কানের ভিতরের ময়লাকে ইয়ার বাড দিয়ে খোঁচানো যত কমবে ততই ভালো থাকবে কান। এই অভ্যাসের কারণে অকালে শ্রবণশক্তি হারিয়ে ফেলাও আশ্চর্যের নয়।

মাছের ফর্মালিন দূর করার সহজ উপায়
                                  

পুষ্টির আশায় মাছ কিনে আনছেন বাজার থেকে। কিন্তু সেই মাছেই হয়তো মিশে আছে ক্ষতিকর ফরমালিন। মাছ তাজা রাখতে এই অসাধু উপায় বেছে নেন অনেক ব্যবসায়ী। আর এই ক্ষতিকর ফরমালিন বিষ হয়ে প্রবেশ করে আমাদের শরীরে। তাই মাছে ফরমালিন মেশানো বন্ধ করতে না পারলেও মাছ থেকে এটি দূর করতে পারবেন খুব সহজ উপায়ে। চলুন জেনে নেই-

একটি মাছে যে পরিমাণ ফর্মালিন মেশানো তাতে একদিনেই হয়তো অনেকটা ক্ষতি হয় না, কিন্তু অনেকদিন পর ওই মাছ খেলে বিপদ আসতে বাধ্য। তাই দেখে নিন কীভাবে ঘরোয়া উপায়ে সরিয়ে ফেলবেন।

মাছ কিনে আনার পরে তা খুব ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে নিন। এরপর প্রায় একঘণ্টা মাছটিকে ভিজিয়ে রাখুন সেই পানিতেই। ঠান্ডা পানির প্রভাবে মাছের শরীরের ফর্মালিন বেশ খানিকটা বেরিয়ে যায়।
এরপর লবণপানিতে কিছুক্ষণের জন্য ভিজিয়ে রাখুন মাছ। লবণ মাছের শরীরের ক্ষতিকর রাসায়নিককে সহজেই বের করে আনে।

সিরিয়ায় মার্কিন জোটের বিমান হামলায় নিহত ৪৩
                                  

মার্কিন জোটের বিমান হামলায় সিরিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় ইরাক সীমান্ত সংলগ্ন একটি গ্রামে নারী-শিশুসহ কমপক্ষে ৪৩ জন নিহত হয়েছেন। নিয়মিত হামলার অংশ হিসেবে ইসলামিক স্টেট এর শেষ অধ্যুষিত এই অঞ্চলে হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

মার্কিন জোটের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয় শনিবার ফোরাত নদীর পূর্বতীরের হাজিনের কাছে বুকান এলাকায় এ হামলা চালালে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। এক সংবাদ সম্মেলনে জোটের মুখপাত্র বুকানে হামলার কথা নিশ্চিত করলেও বেসামরিক নাগরিক হতাহতের কথা অস্বীকার করেছেন।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস এর প্রধান রামি আবদুর রহমান বলেন, শনিবারের এই হামলায় ১৭ শিশু ও ১২ নারী নিহত হয়েছেন। তবে নিহত পুরুষরা আইএস সদস্য কি না তা এখনও নিশ্চিত করে জানা যায়নি।

আইএসের বার্তা সংস্থা আমাক আবার একটি মেডিকেল সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, মার্কিন জোটের এ হামলায় অন্তত ৪০ জন নিহত হয়েছে। উল্লেখ্য, সিরিয়ায় ২০১১ সালে শুরু হওয়া এ গৃহযুদ্ধে আড়াই লাখ মানুষ নিহত ও বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ১০ লাখের বেশি মানুষ।


   Page 1 of 7
     স্বাস্থ্য
কিডনি রোগের লক্ষণ ও ভালো রাখার উপায়
.............................................................................................
ডায়ালাইসিসের ব্যয় যোগাতে না পেরে মারা যাচ্ছেন ৯০ শতাংশ রোগী
.............................................................................................
দ্রুত কলেরা রোগনির্ণয় পদ্ধতির উদ্ভাবন
.............................................................................................
আড়াই কোটি শিশু খাবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল
.............................................................................................
ক্যান্সারের ১১ লক্ষণ এড়িয়ে যাবেন না
.............................................................................................
ছেলে শিশু বেশি জন্মায় কেন?
.............................................................................................
শীতে শ্যাম্পু করার ভয়? নিজেই তৈরি করুন ড্রাই শ্যাম্পু
.............................................................................................
ঠান্ডাজনিত সমস্যা দূর করে যেসব পানীয়
.............................................................................................
জলপাই কেন খাবেন?
.............................................................................................
যে কারণে রোগীরা মিথ্যা কথা বলেন
.............................................................................................
দাঁতের ব্যথার ঘরোয়া সমাধান
.............................................................................................
টুথপেস্ট দিয়ে রূপচর্চা করবেন যেভাবে
.............................................................................................
শীতেও চুল সুন্দর রাখার ৫ উপায়
.............................................................................................
জেনে নিন কটন বাড ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক
.............................................................................................
মাছের ফর্মালিন দূর করার সহজ উপায়
.............................................................................................
সিরিয়ায় মার্কিন জোটের বিমান হামলায় নিহত ৪৩
.............................................................................................
যেসব খাবার একসঙ্গে খেলে বিষক্রিয়া হতে পারে
.............................................................................................
প্রজনন ক্ষমতা হারাচ্ছে পুরুষ, বিলুপ্ত হতে পারে মানবজাতি!
.............................................................................................
অফিসেই করতে পারেন যে ব্যায়াম
.............................................................................................
কিডনি রোগের ১০ লক্ষণ, জানেন কি?
.............................................................................................
নারী পুরুষের মধ্যে ১০টি অবাক করা মানসিক পার্থক্য
.............................................................................................
যা করলে মাথাব্যথা কমে
.............................................................................................
অতিরিক্ত ওষুধে আপনার যে অদ্ভুত ‘রোগ’ হতে পারে
.............................................................................................
সত্যিই কি আবহাওয়ার সঙ্গে ব্যথার সম্পর্ক আছে?
.............................................................................................
ইমাম হোসেনকে বাঁচাতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন
.............................................................................................
খালেদার চিকিৎসায় দুই চিকিৎসক নিয়ে আপত্তি বিএনপির
.............................................................................................
মেডিকেল বোর্ড অপেক্ষা করেছে, খালেদা জিয়াকে দেখেনি
.............................................................................................
খালেদাকে বিকালে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে নেয়া হচ্ছে
.............................................................................................
খালেদার স্বাস্থ্য পরীক্ষায় মেডিকেল বোর্ড কারাগারে
.............................................................................................
১০০ বছরের ডেলটা প্ল্যান অনুমোদন
.............................................................................................
চিকিৎসার জন্য লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন রাষ্ট্রপতিচিকিৎসার জন্য লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন রাষ্ট্রপতি
.............................................................................................
খালেদা জিয়া অসুস্থ
.............................................................................................
খালেদা জিয়াকে বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে নেওয়া হবে : আইনমন্ত্রী
.............................................................................................
বিকেলে খালেদার সঙ্গে দেখা করবেন তার চিকিৎসকরা
.............................................................................................
মুক্তামণি আর নেই
.............................................................................................
‘খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা না পাওয়া মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন’
.............................................................................................
রাজীব হোসেনের শারীরিক অবস্থার অবনতি
.............................................................................................
শাহরিন ও শাহীনের অস্ত্রোপচার সম্পন্ন
.............................................................................................
যুবরাজের মৃত্যু
.............................................................................................
বিকেলে সিঙ্গাপুর নেয়া হচ্ছে সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরীকে
.............................................................................................
শুষ্ক চুলের যত্ন
.............................................................................................
পুরো হাতে চামড়া লাগলো মুক্তামনির
.............................................................................................
করল্লার পুষ্টিগুণ
.............................................................................................
হার্টের অপারেশন শেষে দেশে ফিরেছেন এরশাদ
.............................................................................................
গলা ব্যথার কারণ ও প্রতিকার
.............................................................................................
১০ জনের ৯ জনই বাঁচবে টাইফয়েডের নতুন টিকায়!
.............................................................................................
সিঙ্গাপুরে গেলেন এরশাদ স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য
.............................................................................................
ইউনিলিভারের হাত ধোয়ার অনুষ্ঠানে অসুস্থ ৫০ শিক্ষার্থী
.............................................................................................
পঞ্চম দফায় মুক্তামনির অস্ত্রোপচার চলছে
.............................................................................................
৯৯৯ নম্বরে ফোন দিলেই মিলবে নাগরিক সেবা
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]