| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * ঢাকায় সু-প্রভাত বাস চলবে না : আতিকুল   * মোজাম্বিকে ঝড়ে ১ হাজারের বেশি লোকের মৃত্যু   * সন্ত্রাসীর নাম মুখে দিতে নারাজ নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী   * নাটোরে মার্কেটে আগুন   * দুর্ঘটনা ঘটানো বাসের রুট পারমিট বাতিলের দাবি   * রংপুরে বাস-কাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষে নিহত ৩   * মোশাররফ রুবেলের সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন   * রাঙ্গামাটিতে আ.লীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা   * রাজধানীতে বাসচাপায় বিইউপির ছাত্র নিহত, সড়ক অববোধ   * ডিএসইতে লেনদেন ও সূচক কমেছে  

   ফিচার -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
বিশ্বসেরা ১০ চিকিৎসকের একজন দেবী শেঠী

ফিচার ডেস্ক : এসময়ের সবচেয়ে আলোচিত ইস্যু চিকিৎসক দেবী শেঠী। তিনি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পৌঁছেছেন। তখন থেকেই মানুষের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে তার সম্পর্কে জানার।

ডা. দেবী প্রসাদ শেঠী ভারতের কর্নাটক রাজ্যের দক্ষিণ কনাডা জেলার কিন্নিগলি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বিশ্বের অন্যতম সেরা হৃদরোগ চিকিৎসাকেন্দ্র ব্যাঙ্গালুরুর নারায়না ইনস্টিটিউট অব কার্ডিয়াক সায়েন্সেসের প্রতিষ্ঠাতা। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডা. শুভ দত্তের পশ্চিমবঙ্গের সিকে বিরলা হাসপাতালের ক্যাথল্যাবপ্রধান।

ডা. শেঠী নয় ভাই-বোনের মধ্যে অষ্টম। মেডিকেলে পঞ্চম গ্রেডে পড়ার সময় তৎকালীন দক্ষিণ আফ্রিকার জনৈক সার্জন কর্তৃক বিশ্বের প্রথম হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপনের কথা শুনে কার্ডিয়াক সার্জন হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। দেবী শেঠি ১৯৮২ সালে কস্তুরবা মেডিকেল কলেজ থেকে চিকিৎসাবিদ্যায় গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেন। পরে ইংল্যান্ড থেকে সার্জারি বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি নেন। ১৯৮৯ সালে লন্ডনের উচ্চাভিলাষী চাকরির লোভ ত্যাগ করে ভারতে ফিরে আসেন। এসে ডা. রায়ের সঙ্গে কলকাতায় গড়ে তোলেন ভারতের প্রথম হৃদরোগ চিকিৎসা হাসপাতাল ‘বিএম বিরলা হার্ট রিসার্চ সেন্টার’।

ভারতীয়দের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা ইউরোপিয়ানদের তুলনায় তিনগুণ বেশি হওয়ায় একটি হাসপাতাল যথেষ্ট ছিল না। এজন্য ডা. দেবী শেঠি ও ডা. রায় মিলে আরও তিনটি হৃদরোগ চিকিৎসাকেন্দ্র গড়ে তোলেন। বিএম বিরলা হার্ট সেন্টার যাত্রা শুরুর অল্প দিনের মধ্যে ভারতের শ্রেষ্ঠ হার্ট হাসপাতালের একটিতে পরিণত হয়।

তিনি ১৯৯১ সালে ৯ দিন বয়সী শিশু রনির হৃৎপিণ্ড অপারেশন করেন, যা ভারতবর্ষের ইতিহাসে প্রথম সফল শিশু হৃৎপিণ্ড অস্ত্রোপচার। এছাড়া তিনি কলকাতায় মাদার তেরেসার ব্যক্তিগত চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এর কিছুদিন পর তিনি ব্যাঙ্গালুরুতে চলে যান এবং মণিপাল হার্ট ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। এপর্যন্ত তিনি প্রায় ১৫ হাজারের বেশি কার্ডিয়াক সার্জারি করেছেন।

ডা. দেবী প্রসাদ শেঠী পৃথিবীর ১০ জন চিকিৎসকের মধ্যে একজন। ভারতীয় হিসেবে তিনি ১ নম্বর। তিনি ১৯৯৭ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত চার হাজার শিশুর সফল হার্ট সার্জারি সম্পন্ন করেছেন। লন্ডনের গাইস হাসপাতালে হার্ট সার্জন হিসেবে বিশেষ প্রশিক্ষণ নেওয়া ডা. দেবী শেঠিকে অনেকেই বলেন ‘অপারেটিং মেশিন’। তিনি কম খরচে উন্নত চিকিৎসা দিয়ে ‘পদ্মভুষণ পদক’ লাভ করেন।

দেবী শেঠী যেসব শিশুর হার্ট সার্জারি করেন, তাদের অধিকাংশই গরিব পরিবার থেকে আসা। এদের সবাইকে তিনি বিনামূল্যে চিকিৎসা করেন। অন্যদিকে এ হাসপাতালে এসে যে কোন বয়সের হৃদরোগী অর্থাভাবে চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হন না।

বিশ্বসেরা ১০ চিকিৎসকের একজন দেবী শেঠী
                                  

ফিচার ডেস্ক : এসময়ের সবচেয়ে আলোচিত ইস্যু চিকিৎসক দেবী শেঠী। তিনি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পৌঁছেছেন। তখন থেকেই মানুষের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে তার সম্পর্কে জানার।

ডা. দেবী প্রসাদ শেঠী ভারতের কর্নাটক রাজ্যের দক্ষিণ কনাডা জেলার কিন্নিগলি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বিশ্বের অন্যতম সেরা হৃদরোগ চিকিৎসাকেন্দ্র ব্যাঙ্গালুরুর নারায়না ইনস্টিটিউট অব কার্ডিয়াক সায়েন্সেসের প্রতিষ্ঠাতা। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডা. শুভ দত্তের পশ্চিমবঙ্গের সিকে বিরলা হাসপাতালের ক্যাথল্যাবপ্রধান।

ডা. শেঠী নয় ভাই-বোনের মধ্যে অষ্টম। মেডিকেলে পঞ্চম গ্রেডে পড়ার সময় তৎকালীন দক্ষিণ আফ্রিকার জনৈক সার্জন কর্তৃক বিশ্বের প্রথম হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপনের কথা শুনে কার্ডিয়াক সার্জন হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। দেবী শেঠি ১৯৮২ সালে কস্তুরবা মেডিকেল কলেজ থেকে চিকিৎসাবিদ্যায় গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেন। পরে ইংল্যান্ড থেকে সার্জারি বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি নেন। ১৯৮৯ সালে লন্ডনের উচ্চাভিলাষী চাকরির লোভ ত্যাগ করে ভারতে ফিরে আসেন। এসে ডা. রায়ের সঙ্গে কলকাতায় গড়ে তোলেন ভারতের প্রথম হৃদরোগ চিকিৎসা হাসপাতাল ‘বিএম বিরলা হার্ট রিসার্চ সেন্টার’।

ভারতীয়দের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা ইউরোপিয়ানদের তুলনায় তিনগুণ বেশি হওয়ায় একটি হাসপাতাল যথেষ্ট ছিল না। এজন্য ডা. দেবী শেঠি ও ডা. রায় মিলে আরও তিনটি হৃদরোগ চিকিৎসাকেন্দ্র গড়ে তোলেন। বিএম বিরলা হার্ট সেন্টার যাত্রা শুরুর অল্প দিনের মধ্যে ভারতের শ্রেষ্ঠ হার্ট হাসপাতালের একটিতে পরিণত হয়।

তিনি ১৯৯১ সালে ৯ দিন বয়সী শিশু রনির হৃৎপিণ্ড অপারেশন করেন, যা ভারতবর্ষের ইতিহাসে প্রথম সফল শিশু হৃৎপিণ্ড অস্ত্রোপচার। এছাড়া তিনি কলকাতায় মাদার তেরেসার ব্যক্তিগত চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এর কিছুদিন পর তিনি ব্যাঙ্গালুরুতে চলে যান এবং মণিপাল হার্ট ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। এপর্যন্ত তিনি প্রায় ১৫ হাজারের বেশি কার্ডিয়াক সার্জারি করেছেন।

ডা. দেবী প্রসাদ শেঠী পৃথিবীর ১০ জন চিকিৎসকের মধ্যে একজন। ভারতীয় হিসেবে তিনি ১ নম্বর। তিনি ১৯৯৭ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত চার হাজার শিশুর সফল হার্ট সার্জারি সম্পন্ন করেছেন। লন্ডনের গাইস হাসপাতালে হার্ট সার্জন হিসেবে বিশেষ প্রশিক্ষণ নেওয়া ডা. দেবী শেঠিকে অনেকেই বলেন ‘অপারেটিং মেশিন’। তিনি কম খরচে উন্নত চিকিৎসা দিয়ে ‘পদ্মভুষণ পদক’ লাভ করেন।

দেবী শেঠী যেসব শিশুর হার্ট সার্জারি করেন, তাদের অধিকাংশই গরিব পরিবার থেকে আসা। এদের সবাইকে তিনি বিনামূল্যে চিকিৎসা করেন। অন্যদিকে এ হাসপাতালে এসে যে কোন বয়সের হৃদরোগী অর্থাভাবে চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হন না।

গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ রোধে করণীয়
                                  

অনলাইন ডেস্ক : রান্না করতে গিয়ে তীব্র গ্যাস সংকট এখন প্রতিদিনের সমস্যা। এমনকি কিছু কিছু এলাকা আছে যেখানে দিনের অধিকাংশ সময়ই গ্যাসের দেখা মিলে না। গ্যাস সংকট থেকে রেহাই পেতে অনেকেই ঝুঁকছেন এলপি গ্যাসের দিকে। এবং এলপি গ্যাস সিলিন্ডার শুধু বাসাবাড়িতে কিংবা হোটেল-রেস্তোরাঁয় রান্নার কাজে নয়, বর্তমানে যানবাহনেও ব্যবহৃত হচ্ছে।

ঝুঁকিপূর্ণ গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবহারের ত্রুটি থেকে দুর্ঘটনা ঘটে। এজন্য মূলত জনসাধারণ ও ব্যবহারকারীদের সতর্ক ও অধিকতর সচেতন হতে হবে। তারা সচেতন হলেই এলপি গ্যাস বিস্ফোরণজনিত দুর্ঘটনা শূন্যের কোটায় নেমে আসবে। বিশেষ করে গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহারের সময় সতর্ক থাকা খুব জরুরি। গ্যাস এজেন্টদের থেকে গ্যাস নেওয়ার সময় অবশ্যই গ্যাস সিলিন্ডারের এক্সপায়ারি ডেট দেখে নিন। গ্যাস সিলিন্ডারের পাইপ ও রেগুলেটর নিয়মিত চেক করা দরকার। এছাড়াও প্রত্যেকদিন গ্যাস ব্যবহার করার সময় এই বিষয়গুলির উপর নজর রাখুনঃ

১. গ্যাস সিলিন্ডার সোজা করে সঠিকভাবে রাখা খুব জরুরি। উঁচু-নিচু জায়গায় না রাখা ভালো। তাতে পড়ে যাওয়ার যেমন সম্ভাবনা থাকে, তেমনই অন্যান্য দুর্ঘটনাও ঘটে যেতে পারে। গ্যাস সিলিন্ডার কখনওই ফেলা বা ঘষা-টানা করা উচিত নয়।

২. রান্নাঘরে গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করলে যেন বাতাস চলাচলের যথেষ্ট ব্যবস্থা থাকে। গ্যাস ব্যবহার করার সময় জানালা খুলে রাখুন। গ্যাসের পাশে দাহ্য জিনিসপত্র একেবারেই রাখা উচিত নয়। প্লাস্টিকের জিনিসপত্রও গ্যাস থেকে দূরে রাখুন।

৩. গ্যাসের পাইপ সময় সময় পালটানো দরকার। জোড়াতালি দিয়ে ব্যবহার না করাই ভালো। খামকা প্রাণের ঝুঁকি নেবেন না। পাইপ কেটে গেলে সঙ্গে সঙ্গে তা বদলে ফেলুন।

৪. গ্যাস বদল করার সময় রেগুলেটরটি লাগানোর সময় ঠিক করে লাগানো হয়েছে কিনা দেখে নিন। নয়তো বিপদের আশঙ্কা সৃষ্টি হতে পারে।

৫. অনেকেরই বাড়িতে একটি বাড়তি ভর্তি সিলিন্ডার রাখা থাকে। একটি শেষ হলেই যাতে অন্যটি হাতের কাছে থাকে। ভর্তি সিলিন্ডার কখনই ঘরের মধ্যে রাখা উচিত নয়। খোলামেলা জায়গায় রাখুন, যেখানে ছায়া আছে। গ্যাস সিলিন্ডার থেকে তাপ দূরে রাখাই ভালো। ডিএমপি নিউজ

কুকুর আক্রমণের চেষ্টা করলে যা করবেন
                                  

অনলাইন ডেস্ক : রাস্তায় চলাচলের সময় কুকুরের সামনে সবাই কম-বেশি পড়ে থাকেন। তবে বিপদ তখনই, যখন এই প্রাণীটি আগ্রাসী রূপ ধারণ করে। তখন অনেকেই বুঝে উঠতে পারেন না কী করবেন? তবে একটু সচেতন হলেই কিন্তু কুকুরের কু-দৃষ্টি থেকে নিজেকে রক্ষা করা সম্ভব। চলুন একনজরে দেখে নিন, রাস্তায় কুকুরের কামড় থেকে নিরাপদে বাড়ি ফেরার কয়েকটি উপায়।

ভয় পাবেন না:
মনে ভয় রাখলে চলবে না। একটা কথা ভুলবেন না, কুকুরের বুদ্ধি আপনার চেয়ে বেশি। তারা সবসময় বুঝতে পারে, কে ভয় পাচ্ছে। যারা ভয় পেয়ে পালানোর চেষ্টা করে, তাদের বেশি করে তাড়া করে এরা। তাই ভয় পাওয়া চলবে না কোনোভাবেই। কুকুর তাড়া করলে ঘুরে দাঁড়ান। উল্টো ধমক দেওয়ার চেষ্টা করুন।

সরাসরি তাকাবেন না:
কুকুর আপনার দিকে তাকিয়ে ঘেউ ঘেউ করলেও তার চোখের দিকে সরাসরি তাকাবেন না। এতে কিছু কুকুর আগ্রাসী হয়ে ওঠে। তারা আপনার থেকে ভয় পেয়ে আরও তেড়ে আসতে পারে। তাই তাকে পাত্তা না দিয়ে আস্তে করে হেঁটে পার হয়ে আসুন।

ধীরে হাঁটুন:
হাঁটার সময় যদি আশপাশ থেকে কুকুর আপনার দিকে তেড়ে আসতে থাকে তাহলে দাঁড়িয়ে যান কিংবা হাঁটার গতি কমিয়ে ফেলুন। বোঝান, আপনি ভয়ে পালাচ্ছেন না।

মনোযোগ ঘুরিয়ে দিন:
কুকুরকে অন্য কোনো জিনিস দিয়ে ভুলিয়ে দিন। যাতে আপনার দিকে আর সে না তাকায়। আপনার কাছে যদি খালি বোতল, ছেঁড়া প্লাস্টিক বা বাতিল কিছু থাকলে তা কুকুরকে দেখিয়ে ছুঁড়ে দিন। সেটিতে সে তখন মন দেবে।

আমলকী কেন খাবেন?
                                  

ফিচার ডেস্ক : আমলকী ভিটামিন সি-তে ভরপুর একটি ফল। এর মধ্যে রয়েছে আয়রন, ক্যালসিয়াম। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে। আমলকী খাওয়ার উপকারিতার কথা জানিয়েছে ভারতীয় ওয়েবসাইট এনডিটিভি।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
শিশু থেকে প্রবীণ, সবার জন্য ভিটামিন সি খুব জরুরি। আর আমলকীর মধ্যে এই ভিটামিন পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে। ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে। তাই ভিটামিন সি-এর চাহিদা পূরণে নিয়মিত আমলকী খেতে পারেন।

প্রদাহ কমায়
আমলকীর মধ্যে থাকা অ্যান্টিআক্সিডেন্ট শরীরের জন্য ক্ষতিকর ফ্রি রেডিক্যালসের সঙ্গে লড়াই করে এবং প্রদাহ কমাতে কাজ করে।

চুল ও ত্বকের জন্য ভালো
আমলকী চুল ও ত্বকের জন্য উপকারী। আমলকীর মধ্যে থাকা ভিটামিন সি টিস্যুর গঠনকারী উপাদান কোলাজেনের কাজকে ভালো করে। এতে ত্বক থাকে টানটান ও উজ্জ্বল।

আমলকীর গুঁড়া ও নারকেল তেল একসঙ্গে মিশিয়ে মাথায় মাখলে খুশকি দূর হতে সাহায্য হয়।

ডায়াবেটিসের জন্য ভালো
আমলকীর মধ্যে রয়েছে ক্রমিয়াম। এটি রক্তের সুগারের মাত্রাকে ঠিকঠাক রাখতে কাজ করে। এটি কোষে ইনসুলিনের স্পর্শকাতরতা বাড়ায়। টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের জন্য আমলকী উপকারী।

হজমে সাহায্য করে
আমলকীর মধ্যে রয়েছে আঁশ। এটি হজমে সাহায্য করে। পর্যাপ্ত পরিমাণ আঁশজাতীয় খাবার খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য, এসিডিটি ইত্যাদি সমস্যা অনেকটাই কমে যায়।

শরীরে পানিশূন্যতার ৪ লক্ষণ
                                  

ফিচার ডেস্ক : পানি ছাড়া শরীর অচল। পানি আমাদের শরীরের তরলের ভারসাম্য বজায় রাখে, তাপমাত্রা ঠিকঠাক রাখতে সাহায্য করে। এটি টিস্যু, মেরুদণ্ড ও জয়েন্টকে সুরক্ষা দেয়। পানি হজমে সাহায্য করে, ত্বক ভালো রাখে।

এতগুলো কাজে সমস্যা হতে পারে শুধু পানির অভাবে। পানির অভাব হলে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে শরীরের কার্যক্রম ব্যাহত হয়। তাই বিশেজ্ঞদের মতে, একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দিনে অন্তত ১০ থেকে ১২ গ্লাস পানি পান করা প্রয়োজন।

শরীরে পানিশূন্যতা হলে মাথাব্যথা, মুখে দুর্গন্ধসহ বিভিন্ন সমস্যা হয়। শরীরে পানির ঘাটতি হলে বা পানিশূন্যতা হলে বোঝার কিছু উপায় জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট টপ টেন হোম রেমেডি।

মাথাব্যথা
পানিশূন্যতা হলে অনেক সময় মাথাব্যথা করে। পানির ঘাটতি হলে মস্তিষ্কে অক্সিজেন ও রক্তের প্রবাহ কমে গিয়ে মাথাব্যথা হতে পারে।

অবসন্ন ভাব
পানিশূন্যতার কারণে শরীরে অবসন্ন ভাব হতে পারে। পানিশূন্যতা হলে শরীরে অক্সিজেন পরিবহন কমে যায়। আর এতে শরীর অবসন্ন হয়ে পড়ে।

মুখে দুর্গন্ধ
মুখে দুর্গন্ধ শরীরে পানিশূন্যতার আরেকটি লক্ষণ। শরীরে পানির অভাব হলে মুখে কম লালা তৈরি হয়। আর এ থেকে মুখে দুর্গন্ধ হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

প্রস্রাবের রঙের পরিবর্তন
পানিশূন্যতা হলে প্রস্রাবের রঙের পরিবর্তন হয়। শরীরে পানি ঠিকঠাক থাকলে সাধারণত প্রস্রাব হালকা হলুদ রঙের হয়। আর পানির ঘাটতি হলে গাঢ় হলুদ রঙের প্রস্রাব হয়।

ভ্যালেন্টাইন্স ডে
                                  

বিশ্বব্যাপী আজ সেন্ট ভ্যালেন্টাইন্স ডে বা ভালোবাসা দিবস। তৃতীয় শতাব্দীর এক মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত ইতালিয়ান পাদ্রী ও চিকিৎসকের স্মরণে দিনটি অনেক খ্রিস্টান দেশে সেন্ট ভালেন্টাইন্স ডে হিসেবে পালিত হতো, কালক্রমে সেটি ভালোবাসা দিবস হিসেবে পালিত হতে শুরু করে।

একে কেন্দ্র করে নানা রকম শুভেচ্ছাসূচক কার্ড, ফুল, চকোলেট বা উপহারসামগ্রী বিনিময় করেন বিশেষত তরুণ তরুণীরা।

প্রথম ভ্যালেন্টাইন্স ডে পালন হয় খ্রিস্টিয় ৪৯৬ সালে। কিন্তু বাংলাদেশে ১৯৮০র দশক থেকে এ দিনটি জনপ্রিয় হয়ে উঠতে থাকে।

গত কয়েক দশকে বাংলাদেশে এই দিবসটি ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের ছেলেমেয়েরাই বেশি উৎসাহী এই দিনটি পালনের ব্যপারে। তবে তা মূলত শহরকেন্দ্রিক।

বাংলাদেশের সমাজে অনেকেই মনে করেন এ দিনটি উদযাপন করা সংস্কৃতি এবং ইসলাম ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে গ্রহণযোগ্য নয়। অনেকেই একে পশ্চিমা সংস্কৃতির অংশ মনে করেন।

তবে এত বিতর্কের পরেও আজ অনেকেই ভালোবাসা দিবস পালন করবেন, প্রকাশ করবেন ভালো লাগার আর ভালোবাসার অনুভূতি।

নখ কাটলে ব্যথা লাগে না কেন?
                                  

ফিচার ডেস্ক : নখ আমাদের শরীরের অপরিহার্য অঙ্গগুলোর একটি। প্রতিদিন নখ বাড়তে থাকে। তাই এক সময় কেটে ফেলার প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু নখ কাটলে ব্যথা লাগে না কেন?

আমাদের নখ কেরাটিন নামে এক বিশেষ উপাদান দিয়ে তৈরি। এক প্রকার মৃত প্রোটিন হলো এই কেরাটিন। নখের নিচের চামড়া শরীরের অন্য যে কোনো অংশের চামড়ার মতোই। কিন্তু এ চামড়ায় আছে এক ধরনের নমনীয় তন্তু। এই তন্তুই নখের সঙ্গে আটকে থেকে নখগুলি নির্দিষ্ট স্থানে রাখে।

মূলত মৃত কিছু কোষ দিয়ে গঠিত বলেই নখ কাটলেও আমরা ব্যথা পাই না।

হেঁচকি থামাতে কী করবেন?
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : হেঁচকি শুরু হলে বিরক্তি ধরে যায়। এতে কষ্টও হয় অনেক। এছাড়া অনেকে বিরক্তও হন। এই সমস্যা সমাধানে আপনাকে কিছু কৌশল জানতে হবে। দেখুন হেঁচকি থামাতে যা করবেন-

এক গ্লাস ঠাণ্ডা পানি অল্প অল্প পান করুন, হেঁচকি ওঠা বন্ধ হবে।
একহাতে নাক টিপে ধরে ঢোক গিলুন। এভাবে ঢোক গিলতে থাকুন ৩০ সেকেন্ড পর পর।
আঙুল দিয়ে কান বন্ধ করে রাখুন। ২০ থেকে ৩০ সেকেন্ড এভাবে কান বন্ধ করে রাখুন।
হঠাৎ করে অবাক হলে হেঁচকি চলে যায়।
অতিরিক্ত ঝাল খাবার না খাওয়াই ভালো।
এক চামচ চিনি মুখ নিয়ে রেখে দিন বেশ কিছুক্ষণ। একটু পরে দেখবেন হেঁচকি ওঠা বন্ধ হয়ে গেছে।
হেঁচকির সমস্যায় ১৫ সেকেন্ড জিভ বের করে রাখলে উপকার পাওয়া যায়।
এছাড়া খাওয়ার সময় ধীরে ধীরে চিবিয়ে খেলে হবে।
হেঁচকি সাধারণত বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না। তবে দীর্ঘ সময়েও যদি না কমে তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

কাপড় বিবর্ণ হয়ে যাওয়া রোধ করতে
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : দুএকবার ধোয়ার পরে বেশির ভাগ সময়ই কাপড়ের রং হালকা হয়ে যায়! তবে পোশাকের রংয়ের উজ্জ্বলতা ধরে রাখার রয়েছে উপায়।

পোশাক-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে কাপড়ের জ্বলাভাব এড়ানোর উপায় সম্পর্কে এখানে জানানো হল।

- প্রতিবার কাপড় ধোয়া হলে এতে কোনো না কোনো পরিবর্তন হয়। তাই কাপড় একবার পরার পর ধোয়ার আগে আরেকবার ভেবে দেখুন তা ধুবেন নাকি আরও কয়েকবার পরে নেবেন।

- ওয়াশিং মেশিয়ে কাপড় ধোয়ার আগে তা বাছাই করে নিন। ভালো ভাবে দেখে নিন যা ধুতে যাচ্ছেন তা কি আসলেই ধোয়া যাবে, নাকি ড্রাই ওয়াশ করতে হবে।

- যেসব কাপড়ের রোঁয়া ওঠে সেসব কাপড়ের সঙ্গে গাঢ় রংয়ের কাপড় ধোয়া ঠিক না। এতে গাঢ় রংয়ের কাপড়ের ওপর অন্য কাপড়ের রোঁয়া মিশে রং হালকা লাগে দেখতে।

- ওয়াশিং মেশিনে ধোয়ার সময় পোশাক উল্টিয়ে দিতে হবে। শুকানোর সময়ও তাই করতে হবে।

- ধোওয়ার পরে কাপড় সরাসরি রোদে দেওয়া হলে রং জ্বলে যেতে পারে। তাই ভেজা কাপড় উল্টে শুকাতে দিন। তাহলে কাপড়ের ভেতরের রং ফ্যাকাশে হলেও উপরের রং ঠিক থাকবে।

ছবি: রয়টার্স।

স্কাউটিংয়ে রাষ্ট্রপতি অ্যাওয়ার্ড পেলেন রাকিব
                                  

কাব স্কাউট, স্কাউট, রোভার স্কাউট- এ তিনটি স্কাউটিংয়ের পর্যায়। তিনি রোভারিংয়ের সাথে যুক্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ক্যাম্পে অংশগ্রহণ করেছেন। এছাড়া ভারতে ২০তম আন্তজার্তিক অ্যাডভেঞ্চার প্রোগ্রাম-২০১৮, নেপালে ৩য় জাতীয় স্কাউট জাম্বুরি এবং ফিলিপাইনে ৯ম এশিয়া প্যাসিফিক রিজিওনাল স্কাউট ইয়ুথ ফোরাম এবং ২৬তম এশিয়া প্যাসিফিক রিজিওনাল স্কাউট কনফারেন্স-২০১৮ তে অংশগ্রহণ করেছেন।

পেয়েছেন রোভার স্কাউটদের জন্য বাংলাদেশ স্কাউটসের সর্বোচ্চ সম্মাননা রাষ্ট্রপতি অ্যাওয়ার্ড। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে রোভার স্কাউট প্রোগ্রাম যথাযথভাবে বাস্তবায়ন ও সম্পন্ন করার সম্মাননা স্বরূপ পান এই স্বীকৃতি। গতবছর ৫ নভেম্বর রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিশনে রাষ্ট্রপতি ও চীফ স্কাউট মো. আবদুল হামিদ তার হাতে অ্যাওয়ার্ড তুলে দেন।
এতক্ষণ যার কথা বলছিলাম, তিনি আবুল কাশেম রাকিব। ঢাকা কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্স শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ও ঢাকা কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপের সেবা স্তরের রোভার। তিনি বাংলাদেশ স্কাউটসের জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য এবং বর্তমানে বাংলাদেশ স্কাউটসের সমাজ উন্নয়ন ও স্বাস্থ্য বিষয়ক জাতীয় কমিটির সদস্য হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন।
আবুল কাশেম রাকিব লক্ষ্মীপুর জেলার লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১১নং ওয়ার্ডের আটিয়াতলি এলাকার ব্যবসায়ী আবদুর রাজ্জাকের ছেলে। তিনি শহরের লাহারকান্দি ফরিদিয়া রেজিস্ট্রি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক, সদরের জকসিনের আবিরখিল ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে দাখিল এবং যাদৈয়া ইসলামিয়া ফাজিল (বি.এ) মাদ্রাসা থেকে আলিম পাস করেন ঢাকা কলেজে মাস্টার্সে পড়াশোনা করছেন।
স্কাউটিংয়ে সম্পৃক্ততা সম্পর্কে আবুল কাশেম রাকিব বলেন, ‘বন্ধু নূর মোহাম্মদের (পি.আর.এস) অনুপ্রেরণায় ২০১৩ সালে রোভারিংয়ের সাথে সম্পৃক্ত হই। তখন কেবল ঢাকা কলেজে ভর্তি হয়েছি। সাপ্তাহিক ক্রু-মিটিং, অভ্যন্তরীণ ও বহিঃকার্যক্রমে নিয়মিত অংশ নেই। এছাড়া নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কার্যক্রম সম্পন্ন করে রোভারিংয়ের পর্যায় এবং স্তর উত্তীর্ণ হই।’

অর্জন সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমাকে প্রায় ৪শ পৃষ্ঠার একটি লগ বই লিখতে হয়েছে। পাশাপাশি জেলা, অঞ্চল এবং জাতীয় পর্যায়ে সাঁতার, লিখিত, মৌখিক, ব্যবহারিক মূল্যায়নে অংশ নিয়েছি। এসব আমি সফলতার সাথে শেষ করেছি এবং পি আর এস অর্জন করি। বিশেষভাবে ‘রাষ্ট্রপতি অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন আমার স্বপ্নকে সফল করেছে। আমার ছাত্র জীবনে এটি অনেক বড় অর্জন। বলতে গেলে এটি আমার জীবনকে একেবারে বদলে দিয়েছে।’

স্কাউটরা আসলে কেমন? স্কাউট আন্দোলনের বন্ধুদের প্রতি আপনার পরামর্শ কি? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘স্কাউটরা আত্মপ্রত্যয়ী, পরোপকারী, দায়িত্ব পালনে সদা সচেষ্ট। নেতৃত্বের সবটুকু গুণাবলী স্কাউটদের মধ্যে আছে। তবে পড়ালেখার ক্ষতি করে কোনভাবেই স্কাউটিং করা যাবে না। রোভার স্কাউটদের প্রণীত প্রোগ্রামগুলো ঠিকমতো বাস্তবায়ন করতে হবে। তাহলেই সফলতা ধরা দেবে।’

বিশ্বে সবচেয়ে দীর্ঘ চুল নীলাংশীর
                                  

বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা চুলের অধিকারিণী হিসেবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড বইয়ে নাম লিখিয়েছে ভারতের গুজরাটের ১৬ বছরের তরুণী নীলাংশী জয়। তার শরীরের মাথা থেকে পুরো গোড়লি পর্যন্ত লম্বা চুল, যার দৈর্ঘ্য ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি।

ভারতীয় গণমাধ্যমে খবর, প্রায় ১০ বছর ধরে চুল কাটেনি সে। কিন্তু কেন? উত্তরে নীলাংশীশি বলেছে, “আমার যখন ৬ বছর বয়স তখন একটি পার্লারে চুল কাটতে গিয়ে খুবই খারাপ অভিজ্ঞতা হয়। এরপর থেকেই প্রতিজ্ঞা করি আর চুল কাটব না। গত দশ বছর ধরে সেই প্রতিজ্ঞা রক্ষা করে চলেছি। চুল কাটিনি।”
তবে এতো লম্বা চুল নিয়ে কোনো সমস্যা হয় না বলে জানিয়েছে নীলাংশী। সে বলে, সত্যি কথা বলতে কি, আমার কোনো সমস্যাই হয় না। এই লম্বা চুল নিয়ে আমি খেলাধুলা করি এবং অন্যান্য কাজও করি। এই চুল আমার লাকি চার্ম বলতে পারেন।”

হৃদরোগ ও ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় ফুলকপি
                                  

ফুলকপি এমন এক সবজি যা পুষ্টির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎস। এতে প্রচুর পরিমাণ ফাইটোক্যামিকাল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা হৃদরোগ এবং ক্যান্সারসহ বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি কমাতে পারে। উপরন্তু এটি আপনার ডায়েট যোগ করলে অবিশ্বাস্যভাবে সহজেই ওজন হ্রাস করবে। বিস্তারিত জানাচ্ছেন মো. মাইনুর রেজা-

সাধারণত ফুলকপির ফুল অর্থাৎ সাদা অংশটুকুই খাওয়া হয়। সাদা অংশের চারপাশে ঘিরে থাকা ডাঁটা এবং পুরু, সবুজ পাতা দিয়ে স্যুপ রান্না করা হয় অথবা ফেলে দেওয়া হয়। পাতা দিয়ে ঘিরে থাকা সাদা অংশটুকু দেখতে ফুলের মতো বলেই ফুলকপির এমন নামকরণ করা হয়েছে।
আজ আমরা ফুলকপির কিছু অবাক করা স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে জানবো-

১. আপনার প্রয়োজন এমন প্রায় প্রতিটি ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থের একটি চমৎকার উৎস হচ্ছে ফুলকপি। এক কাপ কাঁচা ফুলকপিতে (১২৮ গ্রাম) আছে ২৫ ক্যালোরি। এছাড়াও ফাইবার, ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, ভিটামিন বি ৬, ফোলেট, প্যানটোথেনিক অ্যাসিড, পটাসিয়াম, মাঙ্গানিজ, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফসফরাস ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন ও মিনারেল আছে।
২. ফুলকপি ফাইবার বা খাদ্যআঁশে বেশ উচ্চ, যা সামগ্রিক পাচক স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি দীর্ঘস্থায়ী রোগগুলোর ঝুঁকি হ্রাস করতে পারে। এককাপ ফুলকপিতে ৩ গ্রাম ফাইবার রয়েছে, যা আপনার দৈনন্দিন চাহিদার ১০ শতাংশ। ফাইবার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান কারণ এটি আপনার অন্ত্রের সুস্থ ব্যাকটেরিয়া ফিরিয়ে দেয়, যা অন্ত্রের প্রদাহকে কমাতে এবং পাচক স্বাস্থ্যকে উন্নীত করতে সহায়তা করে। পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার খাওয়ার কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য, ডাইভারটিকিউলিসিস এবং প্রদাহজনক পেট রোগ (আইবিডি) ভালো হয়।

> আরও পড়ুন- শীতে মুখের ঘা রোধে নতুন প্রলেপ

৩. ফুলকপি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের একটি দুর্দান্ত উৎস, যা আপনার দেহ কোষকে ক্ষতিকারক মুক্ত রেডিকেল এবং প্রদাহ থেকে রক্ষা করে। ফুলকপিতে গ্লুকোসিওনোলেটস এবং আইসোথোস্যানিয়েট নামে দুটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে, যা ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি হ্রাসে প্রভাব রয়েছে। ফুলকপিতে ক্যারোটিনয়েড এবং ফ্ল্যাভোনিয়েড অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও রয়েছে, যা ক্যান্সারের বিরোধী প্রভাব রয়েছে এবং হৃদরোগসহ অন্যান্য অসুবিধার ঝুঁকি কমাতে পারে।

৪. ঘনঘন কম ক্যালোরি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া ওজন হ্রাসের সঙ্গে যুক্ত। ফুলকপির যে বৈশিষ্ট্যগুলো ওজন হ্রাসে সাহায্য করতে পারে, প্রথমত প্রতিকাপে মাত্র ২৫ ক্যালোরি। তাই আপনি ওজন অর্জন না করেই প্রচুর পরিমাণে এটি খেতে পারেন। এটি উচ্চ-ক্যালোরিসমৃদ্ধ খাবারের (যেমন চাল এবং আটা) বিকল্প হিসেবেও কাজ করতে পারে। ফাইবার সামগ্রিক ক্যালোরি গ্রহণকে কমাতে সক্ষমতার কারণে স্থুলতা প্রতিরোধে ভূমিকা পালন করতে পারে। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সারাদিন আপনি যে ক্যালোরিগুলো খেতে পারেন তা হ্রাস করতে পারে, যা ওজন নিয়ন্ত্রণের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
৫. ফুলকপিতে প্রচুর পরিমাণ কোলাইন পাওয়া যায়, যা একটি অপরিহার্য পুষ্টি উপাদান। ফুলকপির এককাপের মধ্যে ৪৫ মিলিগ্রাম কোলাইন রয়েছে, যা মহিলাদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে গ্রহণের ১১ শতাংশ এবং পুরুষদের জন্য ৮ শতাংশ। শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ফাংশনের জন্য কোলিনের অবদান আছে। এটি সেল ঝিল্লিগুলোর অখণ্ডতা বজায় রাখতে, ডিএনএ সংশ্লেষণ এবং বিপাক সহায়তাকারী বজায় রাখার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করে। কোলিন মস্তিষ্কের উন্নয়নে এবং নিউরোট্রান্সমিটার উৎপাদন করে যা স্নায়ুতন্ত্রের জন্য প্রয়োজনীয়। এমনকি এটি কোলেস্টেরলকে লিভারে জমা হতে বাধা দেয়। যারা যথেষ্ট কোলাইন গ্রহণ করে না; তাদের যকৃত ও হৃদরোগের ঝুঁকি বেশি হতে পারে। এছাড়া ডেমেন্টিয়া এবং অ্যালজাইমারের মতো নিউরোলজিক্যাল ব্যাধিও হতে পারে। এটি শরীরের অনেক প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত এবং বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করতে কাজ করে।
তাই শরীর সুস্থ রাখতে শীতকালে প্রতিদিনের সবজির তালিকায় ফুলকপি রাখুন। বিভিন্ন রোগ থেকে দূরে থাকুন।

অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসী হতে চান?
                                  

অস্ট্রেলিয়াকে অভিবাসনের দেশ বলা হয়। ধারণা করা হয় ১৭৮৮ সাল থেকেই মানুষ অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসন নিতে থাকে। ১৯৪৫ সাল থেকে ৭ মিলিয়ন মানুষ অস্ট্রেলিয়াতে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে। ১৯৯২-১৯৯৩ সালে প্রায় ৩০ হাজার এবং ২০১৫-২০১৬ সালে ১ লাখ ৭৮ হাজারের মত মানুষ অভিবাসী হিসেবে অস্ট্রেলিয়া যান।

অস্ট্রেলিয়ায় বর্তমানে প্রায় ২৫ মিলিয়ন মানুষ রয়েছে। যা গত ১০ বছরে ৬২ শতাংশ বেড়েছে। এই বাড়ার প্রধান কারণ তাদের সহজ অভিবাসন নীতি। ধারণা করা হয়, অস্ট্রেলিয়া সরকার প্রতিবছর প্রায় ৮ লাখ অভিবাসী নিয়ে থাকে। ৬ লাখ অভিবাসী বিভিন্ন টেম্পোরারি রেসিডেন্ট ভিসা যেমন- স্টুডেন্ট, ওয়ার্কিং হলিডে ও জব ভিসার মাধ্যমে নিয়ে থাকে। আর ২ লাখ অভিবাসী নিয়ে থাকে স্থায়ী অভিবাসী হিসেবে।
২৫ মিলিয়ন মানুষের দেশে শুধু সিডনি, মেলবোর্ন ও সাউথ ইস্ট কুইন্সল্যান্ড শহরে দুই পঞ্চমাংশ অর্থাৎ ১০ মিলিয়নের কাছাকাছি মানুষ বসবাস করছে। ধারণা করা হচ্ছে, ২০৩০ সালে এই দুই শহরে প্রায় ২০ মিলিয়নের কাছাকাছি মানুষ বসবাস করবে। যা তাদের দেশের জাতীয় নিরাপত্তা ও কাঠামোগত উন্নয়নের জন্য অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে।
এ ধারণা বা সিদ্ধান্তের আলোকে বর্তমান ইমিগ্রেশন মিনিস্টার ডেভিড কোলম্যান নর্দান টেরিটরি ও সাউথ ভিক্টোরিয়া স্টেটের জন্য নিউ রিজিওনাল ইমিগ্রেশন চুক্তি সম্পন্ন করেছেন। এই চুক্তিকে ডেজিগনেটেড এরিয়া মাইগ্রেশন এগ্রিমেন্ট (ডিএএমএ) বলা হয়। এটি শুধু এনটি (নর্দার টেরিটরি) মালিকদের জন্য। এটি মূলত টেম্পোরারি স্কিলড শর্টেজ ভিসা (সাব ক্লাস-৪৮২)।
নতুন এই ভিসা চুক্তির মাধ্যমে নিয়োগকর্তারা ইংরেজি ভাষার দক্ষতা (আইইএলটিএসে ছাড় দিয়ে) কর্মী নিয়োগ দিতে যাচ্ছে। এই চুক্তির মাধ্যমে একজন কর্মীকে ন্যূনতম ৩ বছর কাজ করতে হবে ওই স্টেটে। আর কেউ ৫ বছর থাকলেই স্থায়ী অভিবাসনের জন্য আবেদন করতে পারবে। নতুন করে ভিসা বাড়ানোর দরকার পড়বে না। এই ভিসার মাধ্যমেই অভিবাসী হতে পারবে।
এতে আবেদন করতে পারবেন হর্টিকালচার, মোবাইল প্ল্যান্ট অপারেটর, একোয়া কালচার ফার্মার, আর্বোরিস্ট (গাছের চিকিৎসক), ইলেকট্রিক টেকনিশিয়ান, বেকারি, বার অ্যাটেনডেন্ট, বারিস্টা (কফি শপ), বিউটি থেরাপিস্ট, বয়লার অপারেটর, বাস ড্রাইভার, বুচার, কেবিনেট মেকার, ক্যাবলার, কার পেন্টার, শেফ, কুক, ক্রাউড কন্ট্রোলার, ডেকহ্যান্ড, ডেলিভারি ড্রাইভার, ডেন্টাল অ্যাসিট্যান্ট, ডিজেল মটর মেকানিক, ড্রাইভার (সাধারণ), ফিটার, ওয়েল্ডার, ফ্রুট গ্রোয়ার, গ্রেজার, হেয়ার ড্রেসার, হোটেল সার্ভিস ম্যানেজার, ল্যান্ডস্কেপ গার্ডেনার, মাস্টার ফিশার, মেটাল ফেব্রিকেটর, মেটাল মেকানিক, মটর মেকানিক, মটর পার্টস মেকানিক, নার্সারি পারসন, অফিস ম্যানেজার, প্রেসার ওয়েল্ডার, রিটেল ম্যানেজার, রিটেল সুপারভাইজার, রুফ প্লাম্বার, সিকিউরিটি কনসালটেন্ট, স্টোর পারসন, ক্যাবল জয়েন্টার, ক্যাবল টেকনিশিয়ান, ক্যাবল লাইন ম্যান, ট্যুর গাইডার, ট্রাক ড্রাইভার, টায়ার ফিটার, আপ হোলস্টার, ভেজিটেবল গ্রোয়ার, ওয়েটার ও ফার্স্ট ক্লাস ওয়েল্ডার।
এই ভিসার সুবিধা হচ্ছে- এখানে আইইএলটিএসে ছাড় দিয়ে কর্মী নিয়োগ করা হবে। আর এই ভিসায় একজন কর্মীকে বাৎসরিক ন্যূনতম ৫৩,৯০০ অস্ট্রেলিয়ান ডলার দিতে বাধ্য থাকবে। মূলত সিডনি, মেলবোর্ন ও সাউথ ইস্ট কুইন্সল্যান্ড অঞ্চলে মানুষের চাপ কমানো, নর্দান টেরিটরি ও সাউথ ওয়েস্ট ভিক্টোরিয়া অঞ্চলে শ্রমিকের ঘাটতি মেটানোর জন্য ভিসা প্রজেক্ট হাতে নেওয়া হয়েছে।

বিস্তারিত জানার জন্য অস্ট্রেলিয়ার মাইগ্রেশন ওয়েবসাইট www.australia.gov.au ভিজিট করতে পারেন।

বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশ মোনাকো
                                  

বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশ হলো মোনাকো। মোনাকো একটি স্বাধীন দেশ, এ নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে। আমি বলবো, এটি একটি স্বাধীন স্টেট। কারণ মোনাকো স্বাধীন দেশ হিসেবে ১৯৯৩ সালের ২৮ মে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে। এটি রিপাবলিক অব জেনোয়া থেকে ১২৯৭ সালে ৮ জানুয়ারি স্বাধীনতা লাভ করে।

এটি পশ্চিম ইউরোপের একটি অর্থনৈতিক সমৃদ্ধ দেশ। সাংবিধানিক নাম প্রিন্সিপালিটি অব মোনাকো। দাফতরিক ভাষা ফ্রেঞ্চ। আয়তন প্রায় ২.০২০ বর্গ কিলোমিটার। জনসংখ্যা ৩৭,৩০৮ এর মতো। তিন দিকে ফ্রান্স আর অন্যদিকে ভূমধ্যসাগর। ইতালির খুব কাছাকাছি। মুদ্রা হলো ইউরো। গড় আয়ু প্রায় ৮৯ বছরের বেশি। মোনাকোতে ১২৫ দেশের মানুষ বসবাস করে। দাফতরিক ভাষা ফ্রেঞ্চ হলেও তারা বিভিন্ন ধরনের ভাষা ব্যবহার করে থাকেন। স্থানীয়দের মোনগাস্ক ও মোনাকান নামে ডাকা হয়। পতাকা দেখতে হুবহু ইন্দোনেশিয়ার মতো, তবে আয়তনে ভিন্নতা আছে। রাজধানী মন্টে কার্লো, যা ক্যাসিনোর জন্য বিখ্যাত।

এটি বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশ, যার মাথাপিছু আয় প্রায় ১,৬৮,০০০ ডলার। মোনাকো কখনো তাদের অর্থনৈতিক তথ্য প্রকাশ করে না। কিন্তু ধারণা করা হয় যে, তাদের বাৎসরিক জিডিপি আয় প্রায় ৫.৭৪৮ বিলিয়ন ডলার। প্রধান আয়ের উৎস পর্যটন, প্রাইভেট ও সরকারি ব্যাংকিং খাত (ফরেন কোম্পানি রিজার্ভ)। মোনাকোতে বিশ্বের অনেক নামিদামি আন্তর্জাতিক ব্যাংক রয়েছে, যারা তাদের গ্রাহকদের গোপনীয়তা রক্ষা করে। এখানে প্রতি বছর প্রায় ১.৫ মিলিয়ন পর্যটক আসে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় জুয়ার আসর বসে মন্টে কার্লোতে। এটিই জুয়াড়িদের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। মোনাকো সরকার ১৯২৯ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে মোনাকো গ্রান্ড প্রিক্স (কার রেইস প্রতিযোগিতা) আয়োজন করে থাকে। এটি প্রতি বছরই মে মাসে আয়োজন করা হয়। মোনাকো কখনো তাদের আধিবাসীদের উপর ট্যাক্স আরোপ করে না।
এটি বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশ, যার মাথাপিছু আয় প্রায় ১,৬৮,০০০ ডলার। মোনাকো কখনো তাদের অর্থনৈতিক তথ্য প্রকাশ করে না। কিন্তু ধারণা করা হয় যে, তাদের বাৎসরিক জিডিপি আয় প্রায় ৫.৭৪৮ বিলিয়ন ডলার। প্রধান আয়ের উৎস পর্যটন, প্রাইভেট ও সরকারি ব্যাংকিং খাত (ফরেন কোম্পানি রিজার্ভ)। মোনাকোতে বিশ্বের অনেক নামিদামি আন্তর্জাতিক ব্যাংক রয়েছে, যারা তাদের গ্রাহকদের গোপনীয়তা রক্ষা করে। এখানে প্রতি বছর প্রায় ১.৫ মিলিয়ন পর্যটক আসে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় জুয়ার আসর বসে মন্টে কার্লোতে। এটিই জুয়াড়িদের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। মোনাকো সরকার ১৯২৯ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে মোনাকো গ্রান্ড প্রিক্স (কার রেইস প্রতিযোগিতা) আয়োজন করে থাকে। এটি প্রতি বছরই মে মাসে আয়োজন করা হয়। মোনাকো কখনো তাদের আধিবাসীদের উপর ট্যাক্স আরোপ করে না।
১৮৬১ সালে ফ্রান্স ও মোনগাস্ক চুক্তির মাধ্যমে মোনাকো ফ্রান্সকে অভিভাবক হিসাবে গ্রহণ করে কিন্তু শহরটির একক স্বায়ত্বশাসন তাদের হাতেই রয়ে যায়। গ্রিমাল্ডি ফ্যামিলি ১২৯৭ সাল থেকে ১৭৯৩ (৪৯৬) বছর এককভাবে রাজত্ব করেছিল। পরিশেষে ২০০২ সালে আবার ফ্রান্সের সাথে মোনগাস্কের আরেকটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় গ্রিমাল্ডি রাজতন্ত্র বিলুপ্তির ব্যাপারে। দেশটির রাজধানী মন্টে কার্লো ২০০৩ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়।

বর্তমান রাজা প্রিন্স আলবার্ট-২ (২০০৫) এবং শহরটির বর্তমান স্টেট মিনিস্টার সার্জ টেলি (ফেব্রুয়ারি ২০১৬)। ১৯১১ সালে সর্ব প্রথম তারা সংবিধান তৈরি করে, যা ২০০২ সালে কিছুটা পরিবর্তন করা হয়। মোনাকো একটি সাংবিধানিক রাজতন্ত্র ও শাসনতন্ত্র। ২০১১ সালে জুলাই মাসে প্রিন্স আলবার্ট-২ বিয়ে করে শার্লিন উইটস্টোককে। এই প্রিন্স দম্পতি জমজ বাচ্চার অধিকারী হন। তাদের নাম জ্যাক ও গাব্রিলা। মেয়ে গাব্রিলা বড় হলেও পুরুষ উত্তরাধিকার সূত্রে জ্যাক শহরটির সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হবেন।

ভিসা: মোনাকোর নিজস্ব কোনো ভিসা পদ্ধতি নেই কিন্তু ফ্রান্সের সাথে প্রতিবেশী চুক্তির কারণেই ভিসার ক্ষেত্রে সেনজেন নীতি পালন করে থাকে। যদি আপনার সেনজেন ভিসা থাকে তবে আপনি মোনাকো ভ্রমণ করতে পারবেন। তবে বাড়তি ডকুমেন্টস হিসাবে আপনাকে লেটার অব ইন্টারেস্ট দিতে হবে অর্থাৎ কেন আপনি মোনাকো যেতে চাচ্ছেন তা লিখিতভাবে জানাতে হবে। আরও বাড়তি ডকুমেন্টস হিসাবে আপনার কাছে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স লেটার চাইতে পারে। ভিসা পাওয়ার পরে প্রথমে আপনাকে ফ্রান্সের নিশ শহরে ‘কটি ডি আজুর এয়ারপোর্টে’ যেতে হবে। আর সেখান থেকেই এয়ারবাসে চলে যাবেন স্বপ্নের রাজ্য মোনাকোতে। আর ভিআইপিদের জন্য রয়েছে হেলিপোর্ট সার্ভিস। ফ্রান্সের নিশ এয়ারপোর্ট আর মোনাকোর হেলপোর্ট হচ্ছে একমাত্র উড়ন্ত যাতায়াত ব্যবস্থা।
বসবাস: আপনি খুব সহজেই ৩ মাস থাকতে পারবেন। কিন্তু ৩ মাসের বেশি থাকতে হলে অবশ্যই আপনাকে দীর্ঘমেয়াদী ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। তবে নরওয়ে, লিয়েসথেন্সটাইন ও আয়ারল্যান্ডের অনেক মানুষ লং টার্ম ভিসা নিয়ে সেখানে বসবাস করেন। আর যারা দীর্ঘমেয়াদী ভিসার জন্য আবেদন করে থাকেন, তাদেরকে রেসিডেন্স কার্ড প্রদান করা হয়। আর এইভাবে প্রথমে ১ বছর এবং পরে ৩ বছর ও পরিশেষে ১০ বছরের রেসিডেন্স কার্ড প্রদান করা হয়, যা নবায়নযোগ্য।

যেহেতু মোনাকো ফ্রান্সের অভিভাবকত্বকে মেনে চলে, তাই ফ্রান্স অ্যাম্বাসিতে ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। তবে বাংলাদেশে ফ্রান্সের যে অ্যাম্বাসি আছে, তাতে মোনাকো ভিসার কোন কার্যক্রম নেই। তাই আপনাকে ভারতে অবস্থিত ফ্রান্সের অ্যাম্বাসিতেই মোনাকোর ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। ঠিকানা হচ্ছে- ফ্রান্স অ্যাম্বাসি: ২/৫০ ই শান্তিপথ চানক্যাপুরি, নিউ দিল্লি-১১০০২১, ভারত। ফোন: +৯১১১৪৩১৯৬১০০।

মোনাকোতে ভ্রমণের জন্য আপনি মোনাকোর ট্যুরিস্ট প্যাকেজ কিনতে পারেন। তারা আপনাকে ভিসা প্রাপ্তিতে সহায়তা করবে। সরকারি ট্যুরিস্ট ওয়েবসাইট ও এজেন্সির ওয়েবসাইট হচ্ছে- www.visitmonaco.com, www. monacoforagents.com, www.clubdiamantrouge.com।

বরের কান্না দেখে হাসছে কনে!
                                  

সোশ্যাল মিডিয়ার শক্তি সবারই কমবেশি জানা আছে। কারণ সোশ্যাল মিডিয়ায় কত কিছুই তো ভাইরাল হয়! সেই ভাইরালের সূত্র ধরে সেলিব্রেটিও হয়ে যান অনেকে। প্রিয়া প্রকাশ থেকে শুরু করে কত কী ঘটছে! পথের ভিখারি থেকে শুরু করে পরিবারের অপদার্থ লোকটিও এখন সেলিব্রেটি। এসব ভাইরাল রোগের স্থায়িত্ব কখনো কখনো কম হলেও তাৎক্ষণিক ফলাফল চোখ কপালে ওঠার মতো।

‘মধু হই হই বিষ খাওয়াইলা’, ‘হিরো আলম’, ‘খান হেলাল’ থেকে শুরু করে ‘অপরাধী’ গান নেটজুড়ে আলোড়ন তুলে দিয়েছে। এমনকি রবীন্দ্রসংগীত ‘বিকৃত’ করে গাওয়া হলেও হঠাৎ কমেন্ট, শেয়ারে ভেসে যায় অন্তর্জালের পাড়া-মহল্লা। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছে একটি অভিনব ভিডিও।
বিয়ে পর্ব শেষ হলে কনেকে নিয়ে বাড়িতে ফেরার পালা। এ অবস্থায় কনের কান্নাকাটির পর্ব শুরু হয়ে যায়। কনের সাথে বাবা-মাসহ আত্মীয়-স্বজনরাও কান্নায় ভেঙে পড়েন। কিন্তু এবার ঘটল বিপরীত এক কাণ্ড। কেঁদে ভাসালেন বর নিজেই! যা দেখে কান্না আটকে গেল কনের। উল্টো হেসে ফেললেন তিনি।
এমন বিচিত্র ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে ফেসবুকে। ‘স্পষ্টবাদী’ নামের একটি পেজে শেয়ার করা হয়েছে ভিডিওটি। গত সপ্তাহের মঙ্গলবার শেয়ার করার পর ভিডিওটি দেখে ফেলেছেন ২ লাখেরও বেশি মানুষ। আড়াই হাজারের বেশি লাইক আর তিনশ’র বেশি কমেন্ট পড়েছে।

সব মিলিয়ে রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে ভিডিওটি। তবে ভিডিওটি কোথাকার সে সম্পর্কে কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।

বনশ্রীতে আর্টিসান
                                  

ঢাকার বনশ্রীর এফ ব্লকের ১ নম্বর সড়কে বাংলাদেশের ফ্যাশন জগতের অভিজাত ব্র্যান্ডশপ আর্টিসান এর ১৩তম আউটলেটের উদ্বোধন করা হয়েছে।

গতকাল এই আউটলেটের উদ্বোধন করেন পুলিশের ডিআইজি (প্রশাসন) হাবিবুর রহমান বিপিএম (বার), পিপিএম।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী ও চিত্রপরিচালক মেহের আফরোজ শাওন, জাতীয় ক্রিকেট সাবেক ক্রিকেটার মোহাম্মদ আশরাফুল, আর্টিসান আউটফিটার্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান অনিতা গমেজ এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলী আহম্মেদ রাসেল প্রমুখ।

নতুন এই শাখায় এক্সক্লুসিভ অফারে পাওয়া যাচ্ছে মেনস সুট, এক্সিকিউটিভ শার্ট,  ক্যাজুয়াল শার্ট, পলো শার্ট, টি শার্টসহ জিন্স প্যান্ট, কার্গো প্যান্ট, এক্সিকিউটিভ ও ক্যাজুয়াল প্যান্ট।

এছাড়াও থাকছে তরুণ-তরুণী ও শিশুদের জন্য বর্ণিল ডিজাইনের দেশি- বিদেশি পোশাকের সমারোহ।

২০০৭ সালে দেশে ফ্যাশন হাউজ আর্টিসানের যাত্রা শুরু হয়। প্রতিষ্ঠানটির প্রথম আউটলেট ছিল গুলশানে ১ নম্বরে। পরবর্তীতে গুলশান-২ এ ২টি, যমুনা ফিউচার পার্কে দু্‌টি, বনানী, বেইলী রোড, মিরপুর, ধানমন্ডি, উত্তরা, বসুন্ধরা সিটি শপিং সেন্টারসহ ঢাকার বাহিরে চট্রগ্রামে ১টি করে আউটলেট এর কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।


   Page 1 of 3
     ফিচার
বিশ্বসেরা ১০ চিকিৎসকের একজন দেবী শেঠী
.............................................................................................
গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ রোধে করণীয়
.............................................................................................
কুকুর আক্রমণের চেষ্টা করলে যা করবেন
.............................................................................................
আমলকী কেন খাবেন?
.............................................................................................
শরীরে পানিশূন্যতার ৪ লক্ষণ
.............................................................................................
ভ্যালেন্টাইন্স ডে
.............................................................................................
নখ কাটলে ব্যথা লাগে না কেন?
.............................................................................................
হেঁচকি থামাতে কী করবেন?
.............................................................................................
কাপড় বিবর্ণ হয়ে যাওয়া রোধ করতে
.............................................................................................
স্কাউটিংয়ে রাষ্ট্রপতি অ্যাওয়ার্ড পেলেন রাকিব
.............................................................................................
বিশ্বে সবচেয়ে দীর্ঘ চুল নীলাংশীর
.............................................................................................
হৃদরোগ ও ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় ফুলকপি
.............................................................................................
অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসী হতে চান?
.............................................................................................
বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশ মোনাকো
.............................................................................................
বরের কান্না দেখে হাসছে কনে!
.............................................................................................
বনশ্রীতে আর্টিসান
.............................................................................................
পুরুষের সাড়া না পেয়ে যা করলেন এই নারী!
.............................................................................................
২১ সন্তান জন্ম দিয়ে ব্রিটেনের সবচেয়ে বড় পরিবার
.............................................................................................
অভিনব কায়দায় বিয়ে করলেন তারা!
.............................................................................................
দুধের শিশুকে নিয়ে ডিউটি, অতঃপর...
.............................................................................................
পুরুষের ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর আহ্বান
.............................................................................................
৫৩ তম জন্মদিনে ৫৩ পাউন্ডের কেক কাটলেন খালেদা জিয়া
.............................................................................................
এখনো নিয়োগ পাননি ৫৬ চাকরিপ্রার্থী
.............................................................................................
বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে দেরি করছে: মিয়ানমার
.............................................................................................
পাকিস্তানি হাইকমিশনারকে তলব
.............................................................................................
ব্রহ্মপুত্রের পানি সরিয়ে নিতে সুড়ঙ্গ খুঁড়ছে চীন!
.............................................................................................
ইফতারে খেজুর খাওয়ার রীতির কারণ
.............................................................................................
প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপদ সংকেতের অর্থ
.............................................................................................
বাংলাদেশের আলোচিত কিছু ঘূর্ণিঝড়
.............................................................................................
মেকআপ ব্রাশের যত্নআত্তি
.............................................................................................
ঘরকে শীতল রাখুন কিছু ঘরোয়া কৌশলেই
.............................................................................................
বিচ্ছেদের কারনে যা শিখতে পারবেন
.............................................................................................
গরমে শিশুর স্বাস্থ্যের সুস্থতায় যা করবেন
.............................................................................................
সতর্ক থাকুন বজ্রপাতের সময়
.............................................................................................
কাপড়ে দাগ লাগলে যা করবেন!
.............................................................................................
প্রেগন্যান্ট হলে আম খাওয়ার সময় মেনে চলুন কিছু সতর্কতা
.............................................................................................
অপর্যাপ্ত ঘুম থেকে শিশুর খিটখিটে মেজাজ
.............................................................................................
ওয়াইফাই মানবশরীরের জন্য নীরব ঘাতক
.............................................................................................
ভেজালের বাজারে কিভাবে কিনবেন মৌসুমের সেরা আম?
.............................................................................................
রাস্তা পারাপারে আপনি কতটা সচেতন?
.............................................................................................
ফিটনেস-এর জন্য শুধু ব্যায়াম নয়, ঘুমও জরুরি
.............................................................................................
মানুষের মস্তিষ্ক শক্তি প্রখর করতে ৮টি পরামর্শ
.............................................................................................
আত্মহত্যার প্রবণতা কেন?
.............................................................................................
অ্যাসিডিটির ৮ ঘরোয়া চিকিৎসা
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]