| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * আবারও হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ব্যবহারে ‘না’ করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা   * বিশ্বব্যাপী করোনা আক্রান্তের সর্বোচ্চ রেকর্ড আজ   * সৌদিতে করোনায় পাঁচ শতাধিক বাংলাদেশির মৃত্যু, আক্রান্ত প্রায় ২০ হাজার   * ট্রাম্পের বিপক্ষে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন কার্দাশিয়ানের স্বামী কেনি   * মৃত্যু বেড়ে ২০৫২, মোট শনাক্ত ১৬২৪১৭   * কাতার বিশ্বকাপের চমক ‘রোবট রেফারি’   * শ্রীলঙ্কার কুশল মেন্ডিস গ্রেফতার   * ১ কোটি ১৩ লাখ ছাড়াল আক্রান্ত, মৃত্যু ৫ লাখ ৩৩ হাজার   * করোনায় মৃত্যুর তালিকায় পাঁচে মেক্সিকো   * ২৪ ঘন্টায় অবস্থার অবনতি, করোনায় আক্রান্ত পাক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাসপাতালে ভর্তি  

   ফিচার -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
রিকশাচালক থেকে ৫০০ কোটি টাকার মালিক আমিনুল

এরশাদ অ্যান্ড ব্রাদার্সের চেয়ারম্যান এরশাদ আলী এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও প্রতারণা করে শত শত কোটি টাকার মালিক বনে যাওয়ার চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। এরশাদ ও আমিনুলের শত শত কোটি টাকার মালিক বনে যাওয়ার ঘটনা রূপকথাকেও হার মানায়। এরশাদ এসএসসি পাস করলেও আমিনুল প্রাইমারি স্কুলের গণ্ডি পার হতে পারেননি। একসময় যাঁদের দুই বেলা ভাত জুটত না, রিকশার গ্যারেজে রাত কাটত, সেই আমিনুল এবং তাঁর বড় ভাই এরশাদ আলী জোত-জালিয়াতি করে বর্তমানে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। হয়েছেন অন্তত ৫০০ কোটি টাকার মালিক।

রাজশাহীর ধূর্ত প্রতারক আমিনুল ঢাকায়ও জালিয়াতির হোতা হিসেবে পরিচিত। কৌশলে ব্যবসার কথা বলে সাধারণ মানুষের টাকা মেরে, ব্যবসায়ীদের পথে বসিয়ে এখন তাঁরা বিলাসী জীবন যাপন করছেন। ঢাকার ধানমণ্ডিতে পরিবার নিয়ে বসবাসের পাশাপাশি বিদেশেও পাচার করেছেন কয়েক শ কোটি টাকা। জালিয়াতি করে ব্যবসায়ীদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আমিনুল কারাগারেও ছিলেন। আর ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে চারটি ব্যাংকের ২৫০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া এবং বিদেশে পাচারের অভিযোগে আমিনুলের ভাই এরশাদ আলীর বিরুদ্ধেও মামলা রয়েছে।

কালের কণ্ঠ’র অনুসন্ধানে জানা গেছে, এরশাদ অ্যান্ড ব্রাদার্স করপোরেশনের চেয়ারম্যান এরশাদ আলী ও তাঁর ভাই আমিনুল ইসলামের অফিস বাংলামোটরের নাসির ট্রেড সেন্টারের লেভেল ৪-এ। আর এরশাদ ও আমিনুল পরিবার নিয়ে বসবাস করেন ধানমণ্ডির ৭/এ নিজস্ব বাসায়। রাজশাহী নগরীর বোয়ালিয়া থানার সাধুর মোড়ে রয়েছে তাঁদের বিলাসবহুল বাড়ি। এরশাদ ব্রাদার্স করপোরেশনসহ নানা নামে রাজশাহীর ভদ্রা, নওদাপাড়া আম চত্বর এলাকায় একাধিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে জালিয়াতির হোতা আমিনুল গং।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ১৯৮০ সালের শুরুর দিকে রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় পদ্মা নদীর ভাঙনকবলিত চর নারায়ণপুরের আব্দুর রশিদ ছেলে আমিনুল ও এরশাদ আলীসহ পরিবারের সবাইকে নিয়ে চলে আসেন রাজশাহী শহরে। শহরের ভদ্রা এলাকার আব্দুস সাত্তারের বাড়ির দুটি কক্ষে আব্দুর রশিদ পরিবারের সবাইকে নিয়ে থাকতেন। অভাবের তাড়নায় বাদাম বিক্রি এবং রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন তাঁরা। আমিনুল নিজেও রিকশা চালাতেন, কখনো বাদাম বিক্রি করতেন। জালিয়াতি করে আমিনুল ও এরশাদ এখন শত শত কোটি টাকার মালিক।

ভদ্রা এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা হযরত আলী হতবাক হয়ে পড়েন আমিনুলদের উত্থানের কথা বলতে গিয়ে। রাজশাহী শহরে ৩০ বিঘা জমির মালিক এখন আমিনুল আর এরশাদ। সাধুর মোড়ের বাসিন্দা আজিজার রহমান বলেন, প্রতারণা করে, মানুষ ঠকিয়ে কিভাবে শতকোটি টাকার মালিক হওয়া যায় তার নমুনা আমিনুল আর এরশাদ।

অনুসন্ধানে জানা যায়, এরশাদ আলী শ্বশুরবাড়ির সহযোগিতায় মালয়েশিয়ায় গিয়ে আমিনুল ইসলামসহ অন্য ভাইদের নিয়ে যান। মালয়েশিয়া গিয়ে তাঁরা শুরু করেন মানুষ ঠকানোর ব্যবসা। বিদেশে লোক পাঠানোর নামে শত শত মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে বনে যান কোটি টাকার মালিক। এরপর বাংলাদেশে ফিরে আমিনুল ও এরশাদ শুরু করেন হার্ডওয়্যারের ব্যবসা। সেই ব্যবসার ফাঁকে বড় ভাই এরশাদ আলীর নামে এরশাদ অ্যান্ড ব্রাদার্স নামে একটি কম্পানি খোলেন। কম্পানির চেয়ারম্যান হন এরশাদ আলী আর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হন আমিনুল ইসলাম। রাজধানীতে অফিস ভাড়া নিয়ে জৌলুসপূর্ণ সাজসজ্জা করে মোটা অঙ্কের জালিয়াতির পরিকল্পনা করেন। ইট-পাথর, বালুর ব্যবসা করতে গিয়ে কয়েক শ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আমিনুল হাতিয়ে নেন কোটি কোটি টাকা। জালিয়াতির আশ্রয়ে কয়েকজন ব্যাংক কর্মকর্তার সঙ্গে যোগসাজশে হাতিয়ে নেন ২৫০ কোটি টাকা। ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে বিদেশে পাচারসহ ঢাকা, রাজশাহী, গাজীপুর, সাভারে প্লট, ফ্ল্যাট, বাড়ি, শত শত একর জমি কেনেন আমিনুল ও এরশাদ আলী। ঋণ জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনসহ (দুদক) ঢাকা ও চট্টগ্রামে আমিনুল ও এরশাদের বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক মামলা।

অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, এরশাদ অ্যান্ড ব্রাদার্স করপোরেশন নাম দিয়ে কম মূল্যে জমি কিনে বেশি মূল্য দেখিয়ে প্রতারণা করে একের পর এক ব্যাংকঋণ নিতে থাকেন তাঁরা। রাজশাহী সিটি বাইপাসের পাশে কয়েক দিন আগেও অন্তত আটটি স্থানে ‘এই জমির মালিক এরশাদ অ্যান্ড ব্রাদার্স করপোরেশন’ নামে সাইনবোর্ড ঝোলানো ছিল। সম্প্রতি সাইনবোর্ডগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে এখনো রাজশাহী নগরীর খড়খড়ি এলাকায় একটি সাইনবোর্ড রয়েছে।

স্থানীয় মুনসুর রহমান বলেন, ‘খড়খড়ি এলাকায় বাইপাসের পাশে অন্তত ৩০ বিঘা জমি কিনেছে এরশাদ এবং তার ভাইয়েরা। বিঘাপ্রতি ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকায় জমি কিনে সেই জমি বিঘাপ্রতি অন্তত কোটি টাকা মূল্য দেখিয়ে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছে তারা। কয়েক দিন ধরে সাইনবোর্ডগুলো আর দেখা যাচ্ছে না।’

জানা গেছে, দুদকের অনুসন্ধান শুরুর পর ওই সব সাইনবোর্ড সরিয়ে নেয় আমিনুল-এরশাদ গং। এদিকে দুদকের অনুসন্ধানেও উঠে এসেছে আমিনুল ও এরশাদ গংয়ের অবৈধ সম্পদের অনেক তথ্য। রাজশাহী নগরীর ভদ্রায়, রানীনগরে, সাধুর মোড় এলাকায়, পদ্মা আবাসিক এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে আমিনুল ও তাঁর ভাইদের নামে-বেনামে কয়েক শ কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে। ঢাকার ধানমণ্ডি, উত্তরা, রাজশাহী শহরসহ বিভিন্ন স্থানে রয়েছে বিলাসবহুল বাড়ি। চলাফেরা করেন কোটি টাকা দামের গাড়িতে। রাজশাহীতে নতুন আরো একটি বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ চলছে।

বিদেশে কর্মী পাঠানোর নামে প্রতারণায় বেপরোয়া হয়ে ওঠেন তাঁরা। পাথর, বালু, ইট সরবরাহের নামে শতাধিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে জালিয়াতি করে আমিনুল হাতিয়ে নিয়েছেন অন্তত ৫০ কোটি টাকা। এসব জালিয়াতির পাশাপাশি আরো বড় জালিয়াতি করতে আমিনুল নিজে গ্যারান্টার হয়ে বড় ভাই এরশাদ আলীর নামে এবি ব্যাংকসহ কয়েকটি ব্যাংক ও একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে হাতিয়ে নেন ২৫০ কোটি টাকা। জানা গেছে, ব্যাংকঋণের এসব টাকার বেশির ভাগ বিদেশে পাচার করা হয়েছে। এরশাদ অ্যান্ড ব্রাদার্স করপোরেশনের নামে এবি ব্যাংকের কাকরাইল শাখা থেকে ঋণ নিয়েছেন ১৫০ কোটি টাকা। ব্র্যাক ব্যাংক থেকে নিয়েছেন ১৫ কোটি পাঁচ লাখ টাকা, সাউথইস্ট ব্যাংক থেকে নিয়েছেন ছয় কোটি টাকা। এ ছাড়া আর্থিক প্রতিষ্ঠান ফনিক্স ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট থেকে নিয়েছেন আরো ২৯ কোটি টাকা ঋণ। এর বাইরে আরো দুটি ব্যাংকেও এরশাদ ও আমিনুলের নামে ঋণ আছে বলে জানা গেছে। পাওনা টাকা না পেয়ে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন আদালতে এনআই অ্যাক্টে চারটি মামলা করেছে এবি ব্যাংক। এর মধ্যে একটি মামলায় গত বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। ১৭ সেপ্টেম্বর আরেকটি মামলায় এরশাদের জামিন বাতিল করা হয়। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকায় তাঁকে আটকের চেষ্টা করছে ধানমণ্ডি থানা পুলিশ। পাশাপাশি দুর্নীতি দমন কমিশনও আমিনুল ইসলাম ও এরশাদের দুর্নীতি-জালিয়াতির অভিযোগে অনুসন্ধান করছে।

ঢাকা ও রাজশাহীতে ধূর্ত প্রতারক হিসেবেই পরিচিত আমিনুল ও এরশাদ। মানবপাচার থেকে শুরু করে যখন যে সুযোগ পেয়েছেন, জালিয়াতি করে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা। সর্বশেষ ২০১৮ সালে রাজধানীর বনানীর এসএইচএল রিয়েল এস্টেট কম্পানি প্রতারক আমিনুল ইসলামের সঙ্গে যৌথভাবে ব্যবসা করতে গিয়ে প্রতারণার শিকার হয়। এসএইচএল কম্পানির সঙ্গে ৪০ ভাগ শেয়ারে ব্যবসার চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী সিমেন্ট, পাথরসহ অন্যান্য উপকরণ সরবরাহ করার কথা আমিনুলের। কিন্তু তিনি কোনো অর্থ বিনিয়োগ না করে উল্টো ইট, বালু, সিমেন্ট, পাথর কেনার টাকা ওই কম্পানির কাছ থেকে নিয়ে পাথর, সিমেন্ট, বালু ব্যবসায়ীদের টাকা পরিশোধ না করে আত্মসাৎ করেন আমিনুল।

এসএইচএল কম্পানির পরিচালক আমির হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমিনুল একজন ভয়ংকর প্রতারক। প্রতারণা করে আমাদের সাত কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানের শতাধিক মানুষ আমিনুলের কাছে কোটি কোটি টাকা পায়। এর আগে চট্টগ্রামের এক ব্যবসায়ীর আট কোটি টাকা প্রতারণা করে হাতিয়ে নেওয়ায় জেলও খাটে আমিনুল। পাওনা টাকা আদায়ে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে আমরাও প্রক্রিয়া শুরু করেছি।’

রিকশাচালক থেকে ৫০০ কোটি টাকার মালিক আমিনুল
                                  

এরশাদ অ্যান্ড ব্রাদার্সের চেয়ারম্যান এরশাদ আলী এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও প্রতারণা করে শত শত কোটি টাকার মালিক বনে যাওয়ার চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। এরশাদ ও আমিনুলের শত শত কোটি টাকার মালিক বনে যাওয়ার ঘটনা রূপকথাকেও হার মানায়। এরশাদ এসএসসি পাস করলেও আমিনুল প্রাইমারি স্কুলের গণ্ডি পার হতে পারেননি। একসময় যাঁদের দুই বেলা ভাত জুটত না, রিকশার গ্যারেজে রাত কাটত, সেই আমিনুল এবং তাঁর বড় ভাই এরশাদ আলী জোত-জালিয়াতি করে বর্তমানে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। হয়েছেন অন্তত ৫০০ কোটি টাকার মালিক।

রাজশাহীর ধূর্ত প্রতারক আমিনুল ঢাকায়ও জালিয়াতির হোতা হিসেবে পরিচিত। কৌশলে ব্যবসার কথা বলে সাধারণ মানুষের টাকা মেরে, ব্যবসায়ীদের পথে বসিয়ে এখন তাঁরা বিলাসী জীবন যাপন করছেন। ঢাকার ধানমণ্ডিতে পরিবার নিয়ে বসবাসের পাশাপাশি বিদেশেও পাচার করেছেন কয়েক শ কোটি টাকা। জালিয়াতি করে ব্যবসায়ীদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আমিনুল কারাগারেও ছিলেন। আর ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে চারটি ব্যাংকের ২৫০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া এবং বিদেশে পাচারের অভিযোগে আমিনুলের ভাই এরশাদ আলীর বিরুদ্ধেও মামলা রয়েছে।

কালের কণ্ঠ’র অনুসন্ধানে জানা গেছে, এরশাদ অ্যান্ড ব্রাদার্স করপোরেশনের চেয়ারম্যান এরশাদ আলী ও তাঁর ভাই আমিনুল ইসলামের অফিস বাংলামোটরের নাসির ট্রেড সেন্টারের লেভেল ৪-এ। আর এরশাদ ও আমিনুল পরিবার নিয়ে বসবাস করেন ধানমণ্ডির ৭/এ নিজস্ব বাসায়। রাজশাহী নগরীর বোয়ালিয়া থানার সাধুর মোড়ে রয়েছে তাঁদের বিলাসবহুল বাড়ি। এরশাদ ব্রাদার্স করপোরেশনসহ নানা নামে রাজশাহীর ভদ্রা, নওদাপাড়া আম চত্বর এলাকায় একাধিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে জালিয়াতির হোতা আমিনুল গং।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ১৯৮০ সালের শুরুর দিকে রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় পদ্মা নদীর ভাঙনকবলিত চর নারায়ণপুরের আব্দুর রশিদ ছেলে আমিনুল ও এরশাদ আলীসহ পরিবারের সবাইকে নিয়ে চলে আসেন রাজশাহী শহরে। শহরের ভদ্রা এলাকার আব্দুস সাত্তারের বাড়ির দুটি কক্ষে আব্দুর রশিদ পরিবারের সবাইকে নিয়ে থাকতেন। অভাবের তাড়নায় বাদাম বিক্রি এবং রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন তাঁরা। আমিনুল নিজেও রিকশা চালাতেন, কখনো বাদাম বিক্রি করতেন। জালিয়াতি করে আমিনুল ও এরশাদ এখন শত শত কোটি টাকার মালিক।

ভদ্রা এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা হযরত আলী হতবাক হয়ে পড়েন আমিনুলদের উত্থানের কথা বলতে গিয়ে। রাজশাহী শহরে ৩০ বিঘা জমির মালিক এখন আমিনুল আর এরশাদ। সাধুর মোড়ের বাসিন্দা আজিজার রহমান বলেন, প্রতারণা করে, মানুষ ঠকিয়ে কিভাবে শতকোটি টাকার মালিক হওয়া যায় তার নমুনা আমিনুল আর এরশাদ।

অনুসন্ধানে জানা যায়, এরশাদ আলী শ্বশুরবাড়ির সহযোগিতায় মালয়েশিয়ায় গিয়ে আমিনুল ইসলামসহ অন্য ভাইদের নিয়ে যান। মালয়েশিয়া গিয়ে তাঁরা শুরু করেন মানুষ ঠকানোর ব্যবসা। বিদেশে লোক পাঠানোর নামে শত শত মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে বনে যান কোটি টাকার মালিক। এরপর বাংলাদেশে ফিরে আমিনুল ও এরশাদ শুরু করেন হার্ডওয়্যারের ব্যবসা। সেই ব্যবসার ফাঁকে বড় ভাই এরশাদ আলীর নামে এরশাদ অ্যান্ড ব্রাদার্স নামে একটি কম্পানি খোলেন। কম্পানির চেয়ারম্যান হন এরশাদ আলী আর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হন আমিনুল ইসলাম। রাজধানীতে অফিস ভাড়া নিয়ে জৌলুসপূর্ণ সাজসজ্জা করে মোটা অঙ্কের জালিয়াতির পরিকল্পনা করেন। ইট-পাথর, বালুর ব্যবসা করতে গিয়ে কয়েক শ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আমিনুল হাতিয়ে নেন কোটি কোটি টাকা। জালিয়াতির আশ্রয়ে কয়েকজন ব্যাংক কর্মকর্তার সঙ্গে যোগসাজশে হাতিয়ে নেন ২৫০ কোটি টাকা। ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে বিদেশে পাচারসহ ঢাকা, রাজশাহী, গাজীপুর, সাভারে প্লট, ফ্ল্যাট, বাড়ি, শত শত একর জমি কেনেন আমিনুল ও এরশাদ আলী। ঋণ জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনসহ (দুদক) ঢাকা ও চট্টগ্রামে আমিনুল ও এরশাদের বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক মামলা।

অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, এরশাদ অ্যান্ড ব্রাদার্স করপোরেশন নাম দিয়ে কম মূল্যে জমি কিনে বেশি মূল্য দেখিয়ে প্রতারণা করে একের পর এক ব্যাংকঋণ নিতে থাকেন তাঁরা। রাজশাহী সিটি বাইপাসের পাশে কয়েক দিন আগেও অন্তত আটটি স্থানে ‘এই জমির মালিক এরশাদ অ্যান্ড ব্রাদার্স করপোরেশন’ নামে সাইনবোর্ড ঝোলানো ছিল। সম্প্রতি সাইনবোর্ডগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে এখনো রাজশাহী নগরীর খড়খড়ি এলাকায় একটি সাইনবোর্ড রয়েছে।

স্থানীয় মুনসুর রহমান বলেন, ‘খড়খড়ি এলাকায় বাইপাসের পাশে অন্তত ৩০ বিঘা জমি কিনেছে এরশাদ এবং তার ভাইয়েরা। বিঘাপ্রতি ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকায় জমি কিনে সেই জমি বিঘাপ্রতি অন্তত কোটি টাকা মূল্য দেখিয়ে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছে তারা। কয়েক দিন ধরে সাইনবোর্ডগুলো আর দেখা যাচ্ছে না।’

জানা গেছে, দুদকের অনুসন্ধান শুরুর পর ওই সব সাইনবোর্ড সরিয়ে নেয় আমিনুল-এরশাদ গং। এদিকে দুদকের অনুসন্ধানেও উঠে এসেছে আমিনুল ও এরশাদ গংয়ের অবৈধ সম্পদের অনেক তথ্য। রাজশাহী নগরীর ভদ্রায়, রানীনগরে, সাধুর মোড় এলাকায়, পদ্মা আবাসিক এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে আমিনুল ও তাঁর ভাইদের নামে-বেনামে কয়েক শ কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে। ঢাকার ধানমণ্ডি, উত্তরা, রাজশাহী শহরসহ বিভিন্ন স্থানে রয়েছে বিলাসবহুল বাড়ি। চলাফেরা করেন কোটি টাকা দামের গাড়িতে। রাজশাহীতে নতুন আরো একটি বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ চলছে।

বিদেশে কর্মী পাঠানোর নামে প্রতারণায় বেপরোয়া হয়ে ওঠেন তাঁরা। পাথর, বালু, ইট সরবরাহের নামে শতাধিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে জালিয়াতি করে আমিনুল হাতিয়ে নিয়েছেন অন্তত ৫০ কোটি টাকা। এসব জালিয়াতির পাশাপাশি আরো বড় জালিয়াতি করতে আমিনুল নিজে গ্যারান্টার হয়ে বড় ভাই এরশাদ আলীর নামে এবি ব্যাংকসহ কয়েকটি ব্যাংক ও একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে হাতিয়ে নেন ২৫০ কোটি টাকা। জানা গেছে, ব্যাংকঋণের এসব টাকার বেশির ভাগ বিদেশে পাচার করা হয়েছে। এরশাদ অ্যান্ড ব্রাদার্স করপোরেশনের নামে এবি ব্যাংকের কাকরাইল শাখা থেকে ঋণ নিয়েছেন ১৫০ কোটি টাকা। ব্র্যাক ব্যাংক থেকে নিয়েছেন ১৫ কোটি পাঁচ লাখ টাকা, সাউথইস্ট ব্যাংক থেকে নিয়েছেন ছয় কোটি টাকা। এ ছাড়া আর্থিক প্রতিষ্ঠান ফনিক্স ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট থেকে নিয়েছেন আরো ২৯ কোটি টাকা ঋণ। এর বাইরে আরো দুটি ব্যাংকেও এরশাদ ও আমিনুলের নামে ঋণ আছে বলে জানা গেছে। পাওনা টাকা না পেয়ে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন আদালতে এনআই অ্যাক্টে চারটি মামলা করেছে এবি ব্যাংক। এর মধ্যে একটি মামলায় গত বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। ১৭ সেপ্টেম্বর আরেকটি মামলায় এরশাদের জামিন বাতিল করা হয়। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকায় তাঁকে আটকের চেষ্টা করছে ধানমণ্ডি থানা পুলিশ। পাশাপাশি দুর্নীতি দমন কমিশনও আমিনুল ইসলাম ও এরশাদের দুর্নীতি-জালিয়াতির অভিযোগে অনুসন্ধান করছে।

ঢাকা ও রাজশাহীতে ধূর্ত প্রতারক হিসেবেই পরিচিত আমিনুল ও এরশাদ। মানবপাচার থেকে শুরু করে যখন যে সুযোগ পেয়েছেন, জালিয়াতি করে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা। সর্বশেষ ২০১৮ সালে রাজধানীর বনানীর এসএইচএল রিয়েল এস্টেট কম্পানি প্রতারক আমিনুল ইসলামের সঙ্গে যৌথভাবে ব্যবসা করতে গিয়ে প্রতারণার শিকার হয়। এসএইচএল কম্পানির সঙ্গে ৪০ ভাগ শেয়ারে ব্যবসার চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী সিমেন্ট, পাথরসহ অন্যান্য উপকরণ সরবরাহ করার কথা আমিনুলের। কিন্তু তিনি কোনো অর্থ বিনিয়োগ না করে উল্টো ইট, বালু, সিমেন্ট, পাথর কেনার টাকা ওই কম্পানির কাছ থেকে নিয়ে পাথর, সিমেন্ট, বালু ব্যবসায়ীদের টাকা পরিশোধ না করে আত্মসাৎ করেন আমিনুল।

এসএইচএল কম্পানির পরিচালক আমির হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমিনুল একজন ভয়ংকর প্রতারক। প্রতারণা করে আমাদের সাত কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানের শতাধিক মানুষ আমিনুলের কাছে কোটি কোটি টাকা পায়। এর আগে চট্টগ্রামের এক ব্যবসায়ীর আট কোটি টাকা প্রতারণা করে হাতিয়ে নেওয়ায় জেলও খাটে আমিনুল। পাওনা টাকা আদায়ে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে আমরাও প্রক্রিয়া শুরু করেছি।’

স্বামী জীবিত থাকতেই বিধবাভাতা উত্তোলন করেন স্ত্রী
                                  

স্বামী জীবিত। কিন্তু বিধবাভাতা উত্তোলন করছেন স্ত্রী। এভাবেই ২০১৬ সাল থেকে চলছে সরকারি টাকা আত্মসাতের ঘটনা। নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার ১০ নং কোটাকোল ইউনিয়নের বড়দিয়া গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে। ওই ভুয়া ভাতাভোগী প্রতি মাসে পাঁচশত টাকা করে পান।

সংশ্লিষ্ট সূত্র ও অভিযোগে জানা গেছে, ১০ নং কোটাকোল ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বড়দিয়া গ্রামের বাসিন্দা মোঃ জাহের শেখ(৬৫) এর স্ত্রী আমিরোন বিবি। লোহাগড়া উপজেলা সমাজসেবা অফিস ২০১৭ সালের ২০ আগষ্ট আমিরোন বিবির নামে বিধবা ভাতার কার্ড ইস্যু করেন। কার্ড নং- ২৭৯/১৭। ওই কার্ডের বিপরীতে সোনালী ব্যাংক মহাজন শাখার হিসাব নং-০১০১১৬৪৯। অভিযোগ রয়েছে, আমিরোন বিবি বিধবা ভাতার সরকারি টাকা তুললেও তার স্বামী এখনো জীবিত। ভাতা বইতে দেখা যায় ২০১৬ সালের জুলাই থেকে টাকা তোলা হয়েছে।

গত ২০ জুন কোটাকোল ইউপির ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার শাহানারা বেগম সহ বড়দিয়া এলাকার হিমু খান, মিলন খানসহ কয়েকজনে জেলা প্রশাসক ও লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ দেন। ওই অভিযোগপত্র সূত্রে জানা গেছে, কোটাকোল ইউনিয়নের ৭ নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডের মেম্বার মুজিবর রহমান স্বামী জীবিত থাকা অবস্থায় বড়দিয়া গ্রামের মোঃ জাহের শেখের স্ত্রীর নামে নামে বিধবা ভাতার কার্ড করে দিয়েছেন।

ব্যাংক থেকে ভাতার টাকা উত্তোলনের পর মেম্বার এবং ওই নারী টাকা ভাগাভাগি করে নিচ্ছেন। অবশ্য এর আগে আমিরোন বিবি স্বামী জীবিত থাকতেও বিধবাভাতার টাকা উত্তোলন করছেন মর্মে লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ করেন একই এলাকার মোঃ লিকু মোল্যা। ওই অভিযোগে মহিলা মেম্মারকে দায়ী করা হয়।

খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে, অভিযোগের প্রেক্ষিতে লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিষয়টি তদন্তের জন্য লোহাগড়া উপজেলা সমাজসেবা অফিসারকে দায়িত্ব দিয়েছেন।

ভাতাভোগী আমিরোন বিবি বলেন, ৭ নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃ মুজিবর মোল্যা ১২ হাজার টাকা নিয়ে বিধবা ভাতার কার্ড করে দেছে। স্বামী বেঁচে থাকতেও কেনো আমাকে বিধবা ভাতার কার্ড করে দিলেন প্রশ্নের জবাবে মেম্বার মোঃ মুজিবর মোল্যা বলেন, তোমরা গরীব মানুষ, ওই কার্ড করে দিছি তা সমস্যা কি। তোমরা খাও। আমিরোন বিবি কখনো কখনো বলছেন কার্ড করবার সময় মহিলা ও পুরুষ দুজন মেম্বারই ছিল।

সংরক্ষিত ওয়ার্ডের মেম্বার শাহানারা বেগম অভিযোগ করেন, ১২ হাজার টাকা নিয়ে আমিরোন বিবির নামে বিধবা ভাতার কার্ড করে দিয়েছেন মেম্বার মোঃ মুজিবর মোল্যা। এ বিষয়টি নিয়ে ইউএনও স্যারের নিকট আমার বিরুদ্ধে অভিযোগকারী মোঃ লিকু মোল্যা। মোঃ লিকু মোল্যার স্ত্রী রিনা বেগম গত দুবারের ইউপি নির্বাচনে আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন। সামনে নির্বাচন তাই তারা আমাকে নানাভাবে হয়রানির চেষ্টা করছেন।

৭ নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃ মুজিবর মোল্যা ভাতাভোগী আমিরোন বিবির স্বামী জাহের শেখ এখনো জীবিত স্বীকার করে বলেন, আমি কার্ড করে দিতে কোনো টাকা নেইনি। কখনো আবার বলছেন, আমিরোনের ওই কার্ড আমি করিনি।

ওই এলাকার নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক লোকে অভিযোগ করেন, কোটাকোল ইউনিয়নে বিধবা বা বয়স্ক ভাতার অনেক ভুয়া কার্ড রয়েছে। চেয়ারম্যান ওই সব ভুয়া কার্ডের ব্যাপারে অবগত থাকলেও নিজে সুবিধা নিয়ে চুপ থাকেন।

কোটকোল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মারিয়া হোসেন বলেন, ভুয়া ভাতা কার্ডের বিষয়টি শুনেছি। সাধারণত মেম্বাররাই ওই সব কার্ড করে দেয়। আমি এসব ব্যাপারে কারো কাছ থেকেই কোন সুবিধা নেই না।

লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুকুল কুমার মৈত্র বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি তদন্তের জন্য সমাজসেবা অফিসারকে দায়িত্ব দিয়েছি। লোহাগড়া উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ শামীম রেজা বলেন, ভাতা বই জব্দ করেছি। তদন্ত চলছে।

১৬ বছরেই মেয়েটি রান্নায় চ্যাম্পিয়ন, জিতল পাঁচ লাখ টাকা
                                  

রান্নাঘরে গিয়ে মায়ের বানানো খাবার টেস্ট করা ছিল নিত্যদিনের অভ্যাস। একদিন অন্য পরিকল্পনা নিয়ে রান্নাঘরে হাজির হলো রাফিয়া। মায়ের একটা রেসিপি হুবহু বানাবে। মা-ও সাহায্য করলেন। সেই থেকেই জন্ম নিল রান্না করার আগ্রহ। আরেক দিন বিকেলে মাকে বলল, ‘আম্মু! আজ আমি সবার জন্য পাস্তা বানাব।’ মা-ও রাজি। রাফিয়ার বানানো পাস্তা খেয়ে সবাই খুব প্রশংসা করল। ব্যস, রান্নার উৎসাহটা স্থায়ী হলে গেল। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ পড়ুয়া বড় আপুও রাফিয়ার রান্নায় আগ্রহ দেখে অনুপ্রেরণা দিতেন, সাহায্য করতেন নতুন নতুন রেসিপি বানাতে।
এরই মধ্যে ছোটদের রান্নাবিষয়ক রিয়ালিটি শো ‘তীর লিটল শেফ সিজন ২’ এর বিজ্ঞাপন দেওয়া হলে মা বললেন, ‘অংশ নেবে?’

অডিশনে রান্নাবিষয়ক বহু নির্বাচনী প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। সেখানে ভালো করে রাফিয়া। ভাইভাতেও তার রান্না নিয়ে নানা প্রশ্নের উত্তর শুনে বিচারকরা মুগ্ধ। চট্টগ্রাম জোন থেকে নির্বাচিত চারজনের একজন রাফিয়া। ঢাকায় ধাপে ধাপে বিভিন্ন পর্ব শেষে গ্র্যান্ড ফিনালেতে পৌঁছে।

প্রতিযোগিতা ঘিরে কত মজার স্মৃতিই না আছে, ‘লিটল শেফের বন্ধুরা সবাই একদিন বার্গার অর্ডার করেছিল। আমাকে দিয়েছিল নাগা বার্গার। খেয়ে তো অবস্থা কাহিল। ঝালে মুখ পুড়ে যাচ্ছিল। তা দেখে ওদের যে কী হাসি! পরে অবশ্য চিনির শরবত বানিয়ে দেয় ওরা। লিটল শেফে যাওয়ার ফলে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বন্ধুদের সঙ্গে পরিচয় হয়েছে। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর থেকে সবাই কল দিচ্ছে, শুভেচ্ছা জানাচ্ছে। অনেকে আম্মুকে ফোন দিয়েও শুভেচ্ছা জানাচ্ছে।’ রাফিয়ার পছন্দের রেসিপি পিত্জা, ব্রাউনি। গ্র্যান্ড ফিনালেতে ‘টমেটো ক্রিম স্যুপ উইথ ক্রুটনস’ নামে একটি রেসিপি বানিয়েছে।

যারা নতুন রান্না করে তাদের জন্য রাফিয়ার পরামর্শ, ‘যদি রান্নার প্রতি ছোটবেলা থেকে আগ্রহ থাকে, তবে অবহেলা করা উচিত নয়। রান্না একটা শিল্প। তাই চর্চাটাও থাকা চাই। প্যাশন হিসেবে নিতে হবে। নতুন নতুন রেসিপি বানানোর চেষ্টা করতে হবে। এক ধরনের খাবার রান্না না করে বিভিন্ন ধরনের বানানোর চেষ্টা করতে হবে। তবে শুরুটা বাঙালি খাবার দিয়েই হওয়া চাই।’

এই খুদে শেফ ইন্ডিয়ান, চায়নিজ, থাই, বাংলা খাবার বানাতে পারদর্শী। কথায় কথায় জানাল, ভবিষ্যতে একটি রেস্টুরেন্ট দেওয়ার ইচ্ছা আছে। তার ঝুলিতে বিতর্ক, আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কারও রয়েছে। বিজ্ঞান ও গণিত অলিম্পিয়াড, উপস্থিত বক্তৃতা, অভিনয়সহ অন্যান্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেও অংশগ্রহণ করছে নিয়মিত। পড়াশোনাও চলছে সমান তালে। এখন পড়ছে চট্টগ্রামের সিলভার বেলস কিন্ডারগার্টেন অ্যান্ড গার্লস হাই স্কুলে দশম শ্রেণিতে। রাফিয়ার বাবার নাম সফিউল আলম, মায়ের নাম সুলতানা আলম। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও জেএসসি পরীক্ষায় পেয়েছে গোল্ডেন জিপিএ ফাইভ। বড় হয়ে কাজ করতে চায় নাসায়।

টমেটো ক্রিম স্যুপ উইথ ক্রুটনস

প্রথমে ৮-১০টি টমেটো কেটে বাটার, রসুন, লবণ, গোল মরিচ, চিনি আর বেসিল পাতা দিয়ে ভালোভাবে মেশাতে হবে। এই মিশ্রণে সামান্য পানি দিয়ে একটা তরল ভাব আনতে হবে।

মিশ্রণটি ব্লেন্ড করে ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে অল্প বাটার, ক্রিম দিয়ে রান্না করতে হবে।

ক্রুটনসের জন্য একটা পাউরুটি নিয়ে ছোট ছোট টুকরা করে কেটে বাটার, রসুন কুচি, পার্সলে, লবণ দিয়ে মেখে কিছুক্ষণ রাখতে হবে।

এরপর সার্ভিং বোলে স্যুপটি নিয়ে ওপরে সামান্য ক্রিম ও কয়েকটি ক্রুটনস দিয়ে পরিবেশন করতে হবে। হয়ে গেল ‘টমেটো ক্রিম স্যুপ উইথ ক্রুটনস’।

করোনায় ফুসফুস ভালো রাখে যে ৫ খাবার
                                  

অনলাইন ডেস্ক : করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে ফুসফুসে সংক্রমণ হতে পারে। ফুসফুসে সংক্রমণ হলে দেখা দেয় শ্বাসকষ্ট, যার ফলে মৃত্যুও হতে পারে। তাই ফুসফুসকে সুস্থ রাখা জরুরি। মানবদেহের রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থার অন্যতম অঙ্গ ফুসফুস।

এদিকে ফুসফুস সুস্থ রাখার বিষয়ে খাবারের রয়েছে বিশেষ ভূমিকা।

কী খেতে হবে?
পুষ্টিবিদদের মতে, শাক-সবজি, আলু, পটল, কুমড়ো-গাজর বেশি করে খান। খোসা না ছাড়িয়ে তরকারি করে খেতে পারলে আরও ভাল।

এছাড়া ময়দার বদলে খান আটার রুটি, সাদা ভাতের বদলে ব্রাউন রাইস, কিনোয়া, বার্লি ইত্যাদি। এতে ফুসফুসের ক্ষতি যেমন কম হবে, ওজন ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

এছাড়া পটাশিয়ামসমৃদ্ধ খাবার ফুসফুসের জন্য ভালো। তাই সবুজ শাক, টমেটো, বিট, আলু, কলা খান নিয়মিত। আর প্রোটিনের জন্য মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, দই, ডাল, ছোলা ইত্যাদি।

ফুসফুসের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ঠিক রাখতে দিনে ২ থেকে ৩ লিটার পানি অবশ্যই পান করতে হবে।

যেসব খাবার খাবেন-

কয়েকটি বিশেষ খাবার রয়েছে যা ফুসফুসের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। আসুন জেনে নিই এমন কিছু খাবার সম্পর্কে-

১। পেঁয়াজ ও রসুন
পেঁয়াজ ও রসুন প্রদাহের প্রবণতা কমায় ও সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করার শক্তি জোগায়। `জার্নাল অব ক্যানসার এপিডেমিওলজি` ও `বায়োমার্কারস অ্যান্ড প্রিভেনশন`-এ প্রকাশিত প্রবন্ধে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, যেসব ধূমপায়ী কাঁচা রসুন খান তাদের ফুসফুসের বিভিন্ন অসুখে ভোগার আশঙ্কা প্রায় ৪০ শতাংশ কমে যায়।

২। আদা
আদা কুচি নিয়মিত খেলে ফুসফুস ভাল থাকে।

৩। কাঁচা মরিচ
কাঁচা মরিচ খেলে রক্ত সঞ্চালন ভাল হয়। সংক্রমণের আশঙ্কা কমে।

৪। হলুদ
হলুদের কারকিউমিন প্রদাহ কমায়।

৫। ফল ও সবজি
আপেল, পেয়ারা, শসা, সফেদা ইত্যাদি ফল ফুসফুসের জন্য খুবই ভাল। আপেল ও বাতাবি লেবুর ফ্ল্যাভেনয়েড ও ভিটামিন সি ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়ায়। এছাড়া গাজর, কুমড়ো, বেল পেপারে থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি। সারা শরীরের পাশাপাশি ফুসফুসের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এসব সবজি। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

পুষ্টিগুণে ভরা শজনে ডাঁটা সারাবে যেসব রোগ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : শজনে গ্রীষ্মকালীন সবজি। শজনের কচিপাতা, ফুল ও শজনে ডাঁটা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী ও বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করে। আসুন জেনে নিই শজনের উপকারিতা

১. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে শজনে ফুল ও ডাঁটা অত্যন্ত উপকারী। তাই প্রতিদিন ভাতের সঙ্গে খেতে পারেন শজনের তরকারি।

২. শজনে দিয়ে অনেক ধরনের তরকারি রান্না করা যায়। শজনে ডাঁটা দিয়ে রান্না করা তরকারি শুধু স্বাদেই ভরপুর না, এতে রয়েছে প্রচুর পুষ্টিগুণ।
৩. গরমের সময় অনেকে পেটের সমস্যায় ভোগেন। পেটে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা, বদহজম ও পেটে ব্যথা হলে শজনের তরকারি খেলে উপকার পাওয়া যায়। শজনের তরকারি হজমে সহায়তা করে ও পেটের সমস্যা নিরসনে সহায়তা করে।

৪. শজনে ডাঁটা উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে ও যাদের কোলেস্টোরেলের সমস্যা আছে, তাদের জন্য এটি খুব উপকারী। শজনে ডাঁটা কোলেস্টোরেল কমাতে সহায়তা করে।

৫. দাঁতের মাড়ি ফুলে যাওয়ার সমস্যা, প্রাথমিক অবস্থায় টিউমারের প্রতিষেধক, বাঁতের ব্যথা ও হেঁচকি, আঘাত লেগে ফুলে যাওয়া ছাড়া শজনে রসনাতৃপ্তি মেটানোর পাশাপাশি দেবে পুষ্টি ও রাখবে সুস্থ।
পুষ্টিগুণে ভরা শজনে রাখুন আপনার দৈনন্দিন খাবারের তালিকায়।

যেভাবে নির্ধারিত হয় রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোন
                                  

অনলাইন ডেস্ক : করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব কমাতে এবং একই সঙ্গে অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতে জোনভিত্তিক লকডাউনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে লকডাউন কার্যকরে রবিবার একটি গাইডলাইন প্রকাশ করে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

সেখানে রেড, ইয়েলো এবং গ্রিন এলাকা নির্ধারণের নীতিমালার কথা থাকলেও জনসাধারণের এ বিষয়ে তেমন কোনও ধারণা নেই। ঠিক কোন পদ্ধতিতে এই জোনগুলো নির্ধারণ করা হয়।

সাধারণভাবে তিন পদ্ধতিতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।
১. প্রাথমিক নির্দেশক হিসেবে পূর্ববর্তী ১৪ দিনের মধ্যে পরীক্ষাগারে পরীক্ষার মাধ্যমে প্রতি লাখে কতজন করোনা পজেটিভ রোগী চিহ্নিত হয়েছে।

২. দ্বিতীয় পর্যায়ক্রমিক নির্দেশক হচ্ছে- পূর্ববর্তী ১৪ দিনের মধ্যে কেসের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে, সংক্রমণ বৃদ্ধির হার, রোগের লক্ষণভিত্তিক নজরদারি, অভ্যন্তরীণ অধিক সঞ্চরণশীলতা, অধিক দারিদ্র্য, খাবারের অপ্রতুলতা, নমুনা পজেটিভের হার, পরীক্ষিত নমুনার রিপোর্ট প্রদানে বিলম্ব এবং পরীক্ষার পর্যাপ্ততা।

৩. এছাড়া গাইডলাইনে বলা হয়, বাংলাদেশের সব ইউনিয়ন পরিষদ, মহানগরী, ওয়ার্ড, মহল্লা সব কিছু এই অঞ্চলায়নের অন্তর্ভুক্ত হবে। এই অঞ্চলায়নের সময় মহানগরীগুলোর ক্ষেত্রে, ইপিআই এলাকা বা অন্য কোনো সহজ পদ্ধতি (আকৃতিগত, প্রকৃতিগত অথবা সুবিধা মতো সীমানা) ব্যবহার করা হবে, যাতে করে অঞ্চলগুলোকে সুনির্দিষ্ট করা যায়।

রেড জোন নির্ধারণ করা হয় যেভাবে:

শুধু ঢাকা মহানগরীতে পূর্ববর্তী ১৪ দিনের মধ্যে পরীক্ষাগারে নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমে প্রতি ১ লাখে ৬০ জন বা এর অধিক করোনা রোগী শনাক্ত হলে সেই এলাকা রেড জোনের আওতাভুক্ত হবে। এছাড়া ঢাকা মহানগর ছাড়া অন্যান্য এলাকায় পূর্ববর্তী ১৪ দিনের মধ্যে পরীক্ষাগারে নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমে প্রতি ১ লাখে ১০ জন বা এর অধিক শনাক্ত করোনা রোগী পাওয়া গেলে ওই এলাকা রেড জোন হিসেবে গণ্য হবে।

ইয়েলো জোন নির্ধারণ করা হয় যেভাবে:

ঢাকা মহানগরীর ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী ১৪ দিনের মধ্যে পরীক্ষাগারে নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমে প্রতি ১ লাখ জনে ৩-৫৯ জন শনাক্ত করোনা রোগী পাওয়া গেলে ওই এলাকা ইয়েলো জোনের আওতাভুক্ত হবে। এছাড়া ঢাকার বাইরে অন্যান্য এলাকার ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী ১৪ দিনের মধ্যে পরীক্ষাগারে নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমে প্রতি ১ লাখে ৩-৯ জন শনাক্ত করোনা রোগী পাওয়া গেলে ওই এলাকা ইয়েলো জোন হিসেবে গণ্য হবে।

গ্রিন জোন নির্ধারণ করা হয় যেভাবে:

রেড এবং ইয়েলো জোনের বাইরে দেশের বাকি ভৌগোলিক অংশকে গ্রিন বা সবুজ জোন বলা হয়েছে। এখানে দুই ধরনের এলাকা আছে। যে সকল এলাকায় জোনিংয়ের শুরু থেকে কোনো কোভিড-১৯ রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়নি এবং যেসব এলাকায় পূর্ববর্তী ১৪ দিনে প্রতি ১ লাখ মানুষের মধ্যে ৩ জনের কম সংখ্যক কোভিড-১৯ রোগীর সন্ধান পাওয়া গেছে।

পাতিলেবুর এত গুণ!
                                  

অনলাইন ডেস্ক : তীব্র গরমে শরীর সুস্থ রাখতে পাতিলেবু খাওয়াটা অত্যন্ত জরুরি ৷ পাতিলেবুর রস শরীরের বিভিন্ন উন্নতিসাধন করে ৷

পাতিলেবুতে ভিটামিন সি আছে তাই কাটাছেঁড়া জায়গা অত্যন্ত সহজেই মেরামত সম্ভব হয়, যদি পাতিলেবু খাওয়া যায় ৷ হাড়, তরুণাস্থি বা টিস্যুর স্বাস্থ্য ভাল রাখে ৷
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ৷ সর্দি, কাশির সমস্যা দূর হয় পলকেই ৷

বিএমআর বা বেসিক মেটাবলিক রেট ভাল রাখে, শরীরে পিএইচ ব্যালান্স সঠিক রাখে ৷ রক্তে পিএইচের সঠিক হার বজায় রাখে ৷
সেই সঙ্গে দৌড়ঝাঁপ করার শক্তি যোগায় পাতিলেবু, ক্রমশই এনার্জি বাড়ায় ৷

শুধু তাই নয়, প্রতিদিন পাতিলেবু একটু উষ্ণ গরম পানির সঙ্গে খেলে অবাঞ্ছিত মেদ ঝরে যায়৷

করোনার সংক্রমণ থেকে বাঁচাবে জুতা!
                                  

অনলাইন ডেস্ক : করোনা থেকে নিরাপদ থাকতে কমপক্ষে এক মিটার দূরত্ব রাখার কথা বলা হয়েছে। তবে বাস্তবতা কঠিন। এতো মানুষের শহরে গণপরিবহন ব্যবহার করতে হলে কোনোভাবেই এই দূরত্ব মেনে পথ-চলা সম্ভব হচ্ছে না।

তাহলে উপায়? নানা ধরনের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি। যেমন বার বার হাত ধোয়া, মাস্ক ও গ্লাভস ব্যববহার। এই তালিকায় যোগ করতে পারেন নতুন পণ্য `সোশ্যাল ডিসটেন্সিং শু`।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে রোমানিয়ার গ্রেগর লুপ নামের একজন কারিগর প্রায় আড়াই ফুট (২৯.৫৩ ইঞ্চি) লম্বা এই জুতা তৈরি করেছেন।
দেখতে অদ্ভূত হলেও সেখানে এই জুতার বেশ চাহিদা তৈরি হয়েছে। বিশেষ এই ৭৫ নম্বর সাইজের জুতার নাম দেওয়া হয়েছে `সোশ্যাল ডিসটেন্সিং শু`।

আমাদের দেশেও পথে-ঘাটে বেরিয়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে একেবারে মোক্ষম দাওয়াই হতে পারে এই লম্বা জুতা।

দীঘর্ ৩৯ বছর ধরে চামড়া দিয়ে জুতা তৈরি করছেন লুপ। আর মহামারি করোনা মোকাবিলায়ও তিনি বেছে নিয়েছেন উন্নতমানের চামড়া। জুতার মান ও সাইজ অনুযায়ী দামটাও জেনে নিন, ১১৫ ডলার বা বাংলাদেশি প্রায় নয় হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে করোনা শু।

ধূমপায়ীদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ১৪ গুণ বেশি
                                  

অনলাইন ডেস্ক : অধূমপায়ী ব্যক্তির তুলনায় ধূমপায়ী ব্যক্তির করোনাভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ১৪ গুণ বেশি। তামাক সেবনে বিশ্বে প্রতি ছয় সেকেন্ডে একজন মৃত্যুবরণ করে। এর মধ্যে করোনার থাবা ধূমপায়ী, মাদকসেবীদের সামনে মৃত্যুদূত হিসেবে হাজির হয়েছে। এই ঝুঁকির মধ্যেই গতকাল পালিত হলো বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস। ধূমপানবিরোধী সংগঠন মানসের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক ডা. অরূপ রতন চৌধুরী বলেন, চীনে হাসপাতালে ভর্তি ২০০ জন করোনা আক্রান্ত রোগীর ওপর পরিচালিত গবেষণায় দেখা গেছে, ধূমপায়ী, মাদকসেবী ব্যক্তিরা বেশি করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। কারণ ধূমপানের কারণে তাদের ফুসফুস আগে থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কম ছিল। যারা ই-সিগারেট, সিসা খায় তাদের ফুসফুস বেশি দুর্বল থাকে। তিনি বলেন, ধূমপানের ফলে ৭ হাজার রাসায়নিক পদার্থ উৎপন্ন হয়। এর মধ্যে ৭০টি সরাসরি ফুসফুসে প্রবেশ করে। এ জন্য তাদের ফুসফুস আগে থেকেই সংক্রমিত। তাই তাদের করোনাভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অধূমপায়ীদের তুলনায় ১৪ গুণ বেশি। তাদের মৃত্যুর হারও বেশি। এ জন্য শুধু মাস্ক, গ্লাভস পরে সাবান দিয়ে হাত ধুলে হবে না। জীবন ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে হবে।

জানা যায়, বছরে প্রায় ৯০ লাখ লোক তামাকজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। এর মধ্যে ৮০ লাখ মারা যায় প্রত্যক্ষভাবে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য গ্রহণের ফলে। আর ১০ লাখ মারা যায় ধূমপায়ীর পাশে থেকে অর্থাৎ পরোক্ষভাবে ধূমপানের ফলে। সারা বিশ্বে তামাক ব্যবহারজনিত রোগ, পঙ্গুত্ব, অক্ষমতা ও মৃত্যুর কারণে ব্যয়িত অর্থের পরিমাণ ১ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য- ‘তামাক কোম্পানির কূটচাল রুখে দাও, তামাক ও নিকোটিন থেকে তরুণদের বাঁচাও’। বিশেষজ্ঞদের মতে, তামাক মানবদেহের জন্য একটি ভয়ঙ্কর বিষাক্ত পদার্থ। মানবদেহের জন্য বিভিন্ন ক্ষতিকর পদার্থ তামাক এবং তামাকজাত দ্রব্যের মধ্যে বিদ্যমান। সিগারেটে প্রায় সাত হাজারেরও বেশি ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ থাকে, যা বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি করে। আর ৭০টি ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ সরাসরি ক্যান্সার সৃষ্টিতে সক্ষম।

নিকোটিন, কার্বন মনোক্সাইড, হাইড্রোজেন সায়ানাইড, বেনজোপাইরিন, ফরমালডেহাইড, অ্যামোনিয়া, পোলোনিয়াম-২১০ এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য। ধূমপান ও তামাক এবং তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার বিশ্বে ক্যান্সার, হৃদরোগ, বক্ষব্যাধি এবং অন্যান্য অনেক প্রতিরোধযোগ্য রোগের এবং মৃত্যুর কারণ। তামাক ও তামাকজাত দ্রব্যের করাল গ্রাস থেকে মানবজাতিকে রক্ষার জন্য ১৯৮৭ সালের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সম্মেলনে প্রতি বছর একটি দিনকে বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস হিসেবে উদযাপনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮৮ সাল থেকে ৩১ মে বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস পালিত হয়ে আসছে।

করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির হাতে তৈরি খাবার থেকে কি সংক্রমণ ছড়ায়?
                                  

অনলাইন ডেস্ক : করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কোনও ব্যক্তি যদি স্বাস্থ্যসম্মতভাবে রান্না বা খাবার তৈরি না করেন, তাহলে সেই খাবার থেকে অন্যের আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকতে পারে।

মানুষ যখন কাশি তখন সেই কাশির সঙ্গে যে সূক্ষ্ম থুতুকণাগুলো বেরিয়ে আসে - যেটাকে ‘ড্রপলেট’ বলা হয়, সেগুলো যদি আপনার হাতে পড়ে, আর সেই হাত দিয়ে যদি আপনি খাদ্যবস্তু ধরেন, তাহলে সেই খাবার আপনাকে সংক্রমিত করতে পারে।

যারা খাবার তৈরি করছেন, যেকোনও খাদ্যবস্তু ধরার আগে তার ভালভাবে ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধুয়ে নেওয়া খুবই জরুরি। সূত্র: বিবিসি বাংলা

করোনায় তরুণদের আক্রান্ত হবার পেছনে ধুমপান অন্যতম কারণ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : তরুণদের একটি বিশাল অংশ ধূমপান করায় করোনাভাইরাসে অধিক হারে আক্রান্ত হচ্ছেন। আবার নারীদের তুলনায় পুরুষের আক্রান্তের হার অনেক বেশি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও রোগ গবেষণা কেন্দ্র- আইইডিসিআর প্রকাশিত এক ইনফোগ্রাফের তথ্য নিয়ে বিশ্লেষকরা বলছেন, তামাক সেবনকারীদের আক্রান্তের হার বেশি হওয়ার কারণ হলো তাদের ফুসফুস দুর্বল থাকে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও রোগ গবেষণা কেন্দ্র (আইইডিসিআর) এর ওয়েবসাইটে তুলে ধরা তথ্য মতে, বাংলাদেশে নারীর চেয়ে পুরুষদের মধ্যে করোনা সংক্রমণ বেশি ।
বর্তমানে দেশে ৬৮ শতাংশ পুরুষ এবং ৩২ শতাংশ নারী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণ বলছে, ২১-৩০ বছর বয়সীদের করোনা শনাক্ত হচ্ছে বেশি। এ জনগোষ্ঠীর ২৬ শতাংশই করোনা আক্রান্ত।

তবে বৃদ্ধদের আক্রান্ত সংখ্যা কম হলেও মৃত্যু বেশি ঘটছে। ৬০ বছরের ওপরে জনগোষ্ঠীর মৃত্যুর হার ৪২ শতাংশ। তবে বেশির ভাগ মৃত ব্যক্তির ক্ষেত্রে অন্যান্য একটি শারীরিক জটিলতা যেমন ডায়াবেটিস ও হৃদরোগ ছিল।

ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের এপিডেমিওলজি অ্যাণ্ড রিসার্চ বিভাগীয় প্রধান ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী বলেন, লকডাউনের ফলে বয়স্ক ব্যক্তিরা হয়ত বাইরে বেশি যাচ্ছে না কিন্তু তরুণরা বিভিন্ন হাটবাজার এবং কাজকর্মে বের হচ্ছে। এটিই মূল কারণ তাদের সংক্রমিত হওয়া।

তিনি মনে করেন, ধূমপান ও অন্যান্য ধোঁয়াবিহীন তামাকে অভ্যস্ততার কারণে তরুণদের ফুসফুস দূর্বল থাকে। করোনা ভাইরাস প্রথমেই শ্বাসতন্ত্রে আঘাত হানায় তরুণরাই বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন।

ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী বলেন, প্রথমত ফুসুফুসে আক্রমণ করে কোভিডের মাধ্যমে। এর ফলে অক্সিজেন এবং কার্বন-ডাই-অক্সাইড ঠিকমত এক্সচেঞ্জ হয় না। সে কারণেই শ্বাসের সমস্যা হচ্ছে। আর এগুলো যারা ধূমপান করে তাদের হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

সংসার সুখি হয় পুরুষের রোজগারে
                                  

এতদিন শুনে এসেছেন- ‘সংসার সুখের হয় রমনীর গুণে’। কিন্তু এখন সময় এসেছে এই ধারণা থেকে বেরিয়ে আসার। একটি গবেষণায় জানা গেছে, সংসার টিকে থাকে পুরুষের রোজগারের ওপর। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংসার টিকে থাকার পিছনে পুরুষের রোজগার এবং তিনি কোন ধরনের চাকরি করেন ও মাসে কত উপার্জন করেন সেটিই বেশি প্রাধান্য পায়।

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর আলেকজান্দ্রা কিলোওয়াল্ড ১৯৭০ সাল থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৬ হাজার ৩০০ দম্পতির তথ্য সংগ্রহ করেছেন। এসব তথ্য বিশ্লেষণ করেই এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন তিনি। সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বব্যাপী বিবাহ বিচ্ছেদের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৫১ দশমিক ৮ শতাংশে। বিবাহ বিচ্ছেদের দিক দিয়ে সবার শীর্ষে রয়েছে মালদ্বীপ।

এখানে ৩০ জনের মধ্যে ৩ জনের বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে থাকে। যদিও বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য আরো অনেক কারণ রয়েছে, তবে তার মধ্যে ৩০ শতাংশই পুরুষের অল্প রোজগার ও বেকারত্বের কারণেই হয়ে থাকে- এমনই তথ্য মিলেছে গবেষণায়।

গবেষণায় আরো জানা যায়, যেসব পুরুষরা পার্ট টাইম চাকরি করে তাদের ক্ষেত্রে বিবাহ বিচ্ছেদের আশঙ্কা বেশি। কারণ তারা সংসারের স্বচ্ছলতার জন্য সবসময় দুশ্চিন্তাগ্রস্ত থাকেন। যার প্রভাব তাদের বিবাহিত জীবনে পড়ে। অন্যদিকে, নারীর কর্মজীবন তার ব্যক্তিজীবনে সেভাবে প্রভাব ফেলে না। বর্তমানে অনেক নারীই ঘর ও অফিস দু’টোই সমানতালে সামলাচ্ছেন। তবে তাদের অল্প রোজগার হলেও বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটার আশঙ্কা থাকে না। শুধু বিবাহিত দম্পতিই নয়, গবেষণায় উঠে এসেছে যারা প্রেম করছেন তাদের বিষয়ও। প্রতিবেদনটি জানানো হয়, একজন পুরুষ দেখতে যতই সুন্দর কিংবা স্মার্ট হোক না কেন একজন নারী প্রেম করার আগে অবশ্যই তার সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা বিবেচনা করবে। এজন্য প্রথমেই চাকরির ধরনকে তার যোগ্যতা হিসেবে দেখা হয়, তারপর পারিবারিক বিষয়া। ৭৫ শতাংশ নারীই পুরুষের কর্মজীবনকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে।

 
হাতিরঝিলে দেখা মিলল ভিয়েনার ‘হিউম্যান ডগ’র
                                  

নিউজ ডেস্ক

‘হিউম্যান ডগ’ মানে ‘মানব কুকুর’- তা বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। কিন্তু প্রকাশ্য দিবালোকে মানুষ কেন কুকুরের মতো চলাফেরা করছে? এ নিয়ে আলোচনা হতেই পারে। সম্প্রতি এমনই এক ঘটনার জন্ম হয়েছে রাজধানীর হাতিরঝিলে। বিষয়টি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনা-সমালোচনা ঝড় বইছে।

জানা যায়, হিউম্যান ডগ সেজে হাতিরঝিলের রাস্তায় যিনি হাঁটছেন তার নাম টুটুল চৌধুরী। সেঁজুতি নামের এক নারী তাকে পথ দেখিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। সে সময় তাদের কিছু ছবি তোলা হয়। মুহূর্তেই তা ভাইরাল হয়ে যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।

ধারণাটি বাংলাদেশে প্রথম হলেও এটি একটি ‘পারফর্মিং আর্ট’। পশ্চিমা ধারণার এ পারফর্মিং আর্ট প্রথম দেখা যায় ১৯৬৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা শহরের প্রকাশ্য রাস্তায়। তখন ভ্যালি এক্সপোর্ট ও পিটার উইবেল এ পারফর্মিং আর্টে অংশ নেন। এ পারফর্মিং আর্টের উদ্দেশ্য হচ্ছে- কার্টুনে যেমন বিভিন্ন প্রাণিকে মানুষের মতো কথা বলা ও আচরণগতভাবে দেখানো হয়; তেমনই এখানে মানুষকে প্রাণি চরিত্রে দেখানো হয়।


সম্প্রতি হাতিরঝিলে সেই ‘পারফর্মিং আর্ট’ ফ্রম পোর্টফোলিও অব ডগডনেসের পুনারাবৃত্তি ঘটে রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকায়। এতে অংশ নেওয়া নারী সেঁজুতি একে ‘সমাজতাত্ত্বিক’ ও ‘আচরণমূলক’ কেসস্ট্যাডি বলেছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পেইন্টিং ও ড্রয়িংয়ের শিক্ষার্থী।


সেঁজুতি লেখক ক্লদিয়া স্লানারের লেখাকে উদ্ধৃত করে লিখেছেন, ‘এই ছবিতে একজন নারী একজন পুরুষকে গলায় রশি বেঁধে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। এটা আমাদের নৈতিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বা আরো ভালো কোনো সামাজিক অবস্থার চিত্র দেখায় না। বরং সমাজ আমাদের ওপর যে সিস্টেম চাপিয়ে দিয়েছে সেটাই ফুটে উঠেছে। আমরা যে কাজটা করেছি এই কাজের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি এবং এই কাজটাকে সাধারণ মানুষ কীভাবে নিয়েছে সেটাই আমরা দেখতে চেয়েছি।’


কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় এ পারফর্মিং আর্টের ছবি ও ভিডিও ভাইরাল হয়েছে নেতিবাচকভাবে। সেখানে বলা হচ্ছে, হাতিরঝিলে দেখা গেল মানব কুকুর কিংবা আমাদের সমাজে ঢুকে গেল পশ্চিমা নিম্ন প্রকৃতির সংস্কৃতি। সেঁজুতি পুরো বিষয়টির ব্যাখ্যা দিয়েছেন, ‘রোগ হইলে যেমন ডাক্তারের কাছে যাওন লাগে কিন্তু তার আগে রোগটা নির্ণয় করতে হয়। এখন পরিচিত রোগের সাথে তো পরিচিত কিন্তু অপরিচিত/অজানা রোগ হইলে কেম্নে বুঝবা? এখন আমি অসুস্থ হইলে সেটা কষ্ট দেয় আগে কাকে! আমার পরিবারকে। আর আমরা অসুস্থ হইলে কাকে কষ্ট দেয়!! সমাজকে। তাই সমাজ সুস্থ করতে হইলে আগে আমাদের সুস্থ থাকতে হবে তাই না? তাই আমরা সুস্থ আছি কিনা অইটা পরীক্ষা করলাম। কাটা দিয়ে কাটা তোলা বুঝে সবাই কিন্তু প্র্যাক্টিক্যাল ক্লাস কেউ মন দিয়ে করে না।’


অনেকে বলেছেন, ‘এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক চ্যানেলে ‘Taboo’ অনুষ্ঠান দেখলে হিউম্যান ডগ সম্পর্কে অনেকটা ক্লিয়ার হবেন। সেখানকার একটি এপিসোডে ‘হিউম্যান ডগ’ নিয়ে একটি ডকুমেন্টরি আছে, ইউটিউবে পাবেন। এটি আধুনিক দুনিয়ায় পুরাতন ক্রীতদাস প্রথাও বলা যায়। ইউরোপ-আমেরিকায় এসব দেখা যায়। আপনি মানুষ কিনে তাকে দিয়ে যা ইচ্ছে, তা-ই করাতে পারেন। আধুনিক সভ্যতায় এটাকে ‘সাইকো অসভ্যতা’ও বলা যেতে পারে।’

বাংলাদেশের হারিয়ে যাওয়া সবচেয়ে ছোট হরিণ!
                                  

নিউজ ডেস্ক

৩০ বছর পর সম্প্রতি ফিরে পাওয়া ভিয়েতনামের এই (ছবির) মাউস ডিয়ারের মত ছোট হরিণ বাংলাদেশেও ছিল। যা বাংলাদেশে ছাগুলে লাফা, শোস বা শোশা নামে পরিচিত ছিল। এর ইংরেজি নাম মাউস ডিয়ার। বিশ্বের ক্ষুদ্রতম ক্ষুরযুক্ত স্তন্যপায়ী প্রাণি মাউস ডিয়ার আঁকারে প্রায় বুনো খরগোশের মতো। আবার দেখতে অনেকটা হরিণের মতো। তবে প্রথম দেখায় অনেকেই একে বিরল প্রজাতির খরগোশ বা হরিণ ভেবে ভুল করতে পারেন।

এদের দৈহিক দৈর্ঘ ৫৭ সেন্টিমিটার, লেজের দৈর্ঘ ২.৫ সেমি। একটি প্রাপ্তবয়স্ক শোসার ওজন প্রায় ৭ পাউন্ড। এদের আছে অনেক প্রজাতি। প্রজাতি ভেদে কোন কোন প্রজাতি আকারে আরও বড় হতে পারে। এরা নিশাচর প্রাণি। রাতের বেলা খাবার সন্ধান বা ঘোরাফেরা করে। দিনের বেলা আড়ালে লুকিয়ে থাকে। তাই সহজে মানুষের চোখে ধরা পড়ে না। এরা উদ্ভিদভোজী তবে কেউ কেউ পোকা-মাকড়, মাছ-কাঁকড়াও খায়।



একসময় বাংলাদেশেও শোসা ছিল বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। তবে স্মরণকালে এর দেখা মিলেছে এমন কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। ভারতে দেখা মেলে। এদের বৈজ্ঞানিক নাম Indian spotted chevrotain (Moschiola indica)।

গবেষকরা জানিয়েছেন, ৩৪ বছর আগে বাংলাদেশে এর দেখা মিললেও বিলুপ্তি ঘোষণার প্রায় ৩০ বছর পর সম্প্রতি এদের দেখা মিলেছে ভিয়েতনামে। ত্রিশ বছর আগে মনে করা হয়েছিল মাউস ডিয়ার ভিয়েতনাম থেকেও বিলুপ্ত হয়ে গেছে। ভিয়েতনামে এই প্রাণির নাম সিলভার-ব্যাকড চেভ্রটেইন অথবা মাউস ডিয়ার। ভিয়েতনামের উত্তর-পশ্চিমের বনে সাম্প্রতিক এ প্রাণি ক্যামেরা ট্র্যাপে ধরা পরে।


শোস নিয়ে কথা বলেছেন সুন্দরবনের আদি প্রত্নতত্ত্ব ও বন্যপ্রাণি গবেষক ওয়াইল্ড টিমের কর্মী ইসমে আজম। তিনি ইতোমধ্যে সুন্দরবনসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিলুপ্ত প্রাণির জীবাশ্ম আবিষ্কার করেছেন এবং নতুন নতুন তথ্য সংগ্রহে কাজ করে যাচ্ছেন। শোস নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশেও মাউস ডিয়ার ছিল বা মতান্তর আছে। আমি বাংলাদেশের সেই মাউস ডিয়ারের প্রথম তথ্য পেয়েছিলাম আমার মায়ের কাছে। শুনেছি রংপুর অঞ্চলে ১৯৮৫ সালে প্রাণিটি দেখা গিয়েছিল। রংপুর অঞ্চলে এ প্রাণিকে শোস বা শোশা বলা হতো। কেউ কেউ আবার খরগোশকেও শোস বা শোশা বলে। দেখতে খরগোশের আকারের তবে পায়ে ছাগলের মতো ক্ষুর আছে।’


তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের বৃহত্তর যশোর অঞ্চলেও এদের উপস্থিতির উল্লেখ পাওয়া যায়। স্থানীয়ভাবে এদের ছাগুলে লাফা বলা হতো বা হয়। সাধারণত খরগোশকে স্থানীয়ভাবে (যশোর) লাফা বলা হয়। কিন্তু এ প্রাণির পা ছাগলের মতো হওয়ায় একে ছাগুলে লাফা বলা হয়। মজার বিষয় বয়স্ক লোকজনের সাথে কথা বলে জেনেছিলাম, বুনো খরগোশের পা বিড়ালের মত হওয়ায় নাকি তা মুসলিমদের জন্য হারাম। তবে যে খরগোশের পা ক্ষুরযুক্ত সেই খরগোশ খাওয়া হালাল।’



ইসমে আজম বলেন, ‘আমার কয়েক বন্ধু এই ছাগুলে লাফা দেখেছে, এমনকি ধরে খেয়েছে বলে দাবিও করেছিল। তবে এখনো জীবিত প্রমাণ পাইনি। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে প্রাণিটির একাধিক আঞ্চলিক নাম থাকলেও বাংলাদেশের বন্যপ্রাণির তালিকায় কোথাও এর উল্লেখ নেই। কিংবা অনুসন্ধান হয়েছে কি-না জানা নেই।’

তবে প্রাণিটি নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করছেন বলে জানিয়েছেন এই গবেষক।

বাংলাদেশের ভয়াবহ ১১ ট্রেন দুর্ঘটনা
                                  

নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশে সড়কপথে দুর্ঘটনা সবচেয়ে বেশি। আর সবচেয়ে নিরাপদ মনে করা হয় ট্রেনকে। তবে সামান্য ভুলে কখনো কখনো ট্রেনেও বড় দুর্ঘটনা ঘটে। এর বেশিরভাগ হয় লাইনচ্যুত হয়ে বা মুখোমুখি সংঘর্ষে। তবে এ পর্যন্ত বিভিন্ন কারণে সবমিলিয়ে সবচেয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে ১১টি। তেমন কিছু ভয়াবহ দুর্ঘটনা নিয়ে আজকের আয়োজন-

সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনা: ১৯৮৯ সালের ১৫ জানুয়ারি টঙ্গীর কাছে মাজুখানে দুটি ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৭০ জন যাত্রী নিহত হন। এ ঘটনায় আহত হন আরও ৪০০ জন। এছাড়া ১৯৮৯ সালের ২ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের কাছাকাছি ট্রেন লাইনচ্যুত হয়। এতে ১৩ জন নিহত হন ও ২০০ জন আহত হন।

সেতু ভেঙে দুর্ঘটনা: ১৯৮৩ সালের ২২ মার্চ ঈশ্বরদীর কাছে একটা রেল সেতু দিয়ে চলার সময় ভেঙে পড়ে। সাথে সাথে পরপর কয়েকটা স্পান ভেঙে পড়ে। কয়েকটি বগি নিচে শুকনা জায়গায় পড়ে। এ দুর্ঘটনায় ৬০ জন যাত্রী নিহত হন।

আগুন ধরে দুর্ঘটনা: ১৯৮৫ সালের ১৩ জানুয়ারি খুলনা থেকে পার্বতীপুরগামী সীমান্ত এক্সপ্রেসের কোচে আগুন ধরে যায়। এতে ২৭ জন যাত্রী নিহত হন এবং ২৭ জন আহত হন।

সর্বহারার নাশকতা: ১৯৮৬ সালের ১৫ মার্চ সর্বহারার নাশকতায় ভেড়ামারার কাছে ট্রেন লাইনচ্যুত হয় এবং নদীতে পড়ে যায়। এতে ২৫ জন যাত্রী নিহত হন এবং ৪৫ জন আহত হন।

হিলি ট্র্যাজেডি: ১৯৯৫ সালের ১৩ জানুয়ারি রাত সোয়া ৯টায় গোয়ালন্দ থেকে পার্বতীপুরগামী ৫১১ নম্বর লোকাল ট্রেনটি হিলি রেলস্টেশনের ১ নম্বর লাইনে এসে দাঁড়ায়। এর কিছুক্ষণ পর সৈয়দপুর থেকে খুলনাগামী ৭৪৮ নম্বর আন্তঃনগর সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনটি একই লাইনে ঢুকে পড়ে। এ সময় ভয়াবহ মুখোমুখি সংঘর্ষে গোয়ালন্দ লোকাল ট্রেনের ইঞ্জিনসহ দুটি বগি আন্তঃনগর ট্রেনের উপর উঠে যায়। এতে দুটি ট্রেনের অর্ধশতাধিক যাত্রী নিহত হয়। আহত হয় দুই শতাধিক।

নরসিংদীর দুটি ঘটনা: ২০১০ সালে চট্টগ্রামগামী আন্তঃনগর ‘মহানগর গোধূলি’ ও ঢাকাগামী মেইল ‘চট্টলা’ ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় দুটি ট্রেনের ইঞ্জিন দুমড়ে-মুচড়ে যায়। চট্টলা ট্রেনের একটি বগি মহানগর ট্রেনের ইঞ্জিনের উপর উঠে যায়। সেই দুর্ঘটনায় চালকসহ মোট ১২ জন নিহত হন। এরপর ২০১৬ সালে নরসিংদীর আরশীনগর এলাকায় ভুল সিগন্যালের কারণে লাইনচ্যুত হয় তিতাস কমিউটার ট্রেনের ইঞ্জিন। ট্রেনটি ঢাকা থেকে ছেড়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া যাচ্ছিল। এতে দুই জন নিহত ও ১০ আহত হন।

টঙ্গীর রেল দুর্ঘটনা: ২০১৮ সালের ১৫ এপ্রিল গাজীপুরের টঙ্গী এলাকায় যাত্রীবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত হয়ে ৫ জন নিহত হন। কমিউটার ট্রেনটি জামালপুর থেকে ঢাকা যাচ্ছিল। টঙ্গী এসেই ঘটে যত বিপত্তি। ট্রেনের ৫টি বগি লাইনচ্যুত হয়ে যায়। টঙ্গীর নতুনবাজার এলাকায় দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা-জয়দেবপুর রেললাইনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে আহত হয় প্রায় অর্ধশতাধিক।

কুলাউড়ায় দুর্ঘটনা: ২০১৯ সালের ২৩ জুন মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়ায় ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটে। উপজেলার বরমচাল রেলক্রসিং এলাকায় সিলেট থেকে ঢাকাগামী উপবন এক্সপ্রেসের ৪টি বগি লাইনচ্যুত হয়ে খালে ছিটকে পড়ে। এ ঘটনায় ৬ জন নিহত হন। নিহতের মধ্যে ৩ জন নারী ও ৩ জন পুরুষ। সেদিন রাত ১২টার দিকে কুলাউড়ার বরমচাল স্টেশনের পাশে ঢাকাগামী উপবনের বগি ছিটকে পড়ে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংঘর্ষ: জেলার কসবা উপজেলায় দুই ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৭ জন নিহত হন। ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর ভোররাত পৌনে ৩টার দিকে উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের মন্দবাগ রেলওয়ে স্টেশনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শতাধিক যাত্রী আহত হন। সিলেট থেকে চট্টগ্রামগামী উদয়ন এক্সপ্রেস এক নম্বর লাইনে ঢুকছিল। এ সময় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী তূর্ণা নিশীথাকে আউটারে থাকার সিগন্যাল দেয়া হয়। চালক সিগন্যাল অমান্য করে মূল লাইনে ঢুকে পড়লে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 
পরীক্ষার চাপ কমাতে শিক্ষার্থীদের ‘কবরে শুয়ে থাকার’ পরামর্শ
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মানসিক চাপ আমাদের জীবনে বিষিয়ে তোলে। অতিরিক্ত মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পেতে আমরা একেকজন একেক পন্থা অবলম্বন করি। কেউ বেড়াতে যাই, কেউ যোগ-ব্যায়াম, করি আবার কেউবা শরণাপন্ন হই চিকিৎসকের।

তবে মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পেতে শিক্ষার্থীদেরকে অভিনব পরামর্শ দিয়েছে নেদারল্যান্ডসের র‍্যাডবউড বিশ্ববিদ্যালয়। নিজমেগেন শহরের এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ কমাতে শিক্ষার্থীদের কবরে শুয়ে থাকার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মিরর বলছে, পরীক্ষা সামনে আসলে শিক্ষার্থীরা প্রচণ্ড রকম মানসিক চাপে থাকেন। তাদের এ চাপ থেকে মুক্তি দেবে এই ‘পিউরিফিকেশন পদ্ধতি’। এটা পরীক্ষার চাপসহ সব ধরনের মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করবে। এজন্য অভিনব এই ‘গ্রেভ থিওরি’ বেছে নিয়েছে র‍্যাডবউড বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

মানসিক চাপ কমানোর এই পদ্ধতিতে কবরের মতো বড় গর্তে শুয়ে থাকতে হয় শিক্ষার্থীদের। একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন ৩০ মিনিট থেকে সর্বোচ্চ তিন ঘণ্টা পর্যন্ত সময় কাটাতে পারবেন এই কবরে। তবে শর্ত হলো- শুধু একটি মাদুর আর একটি বালিশ নিয়ে সেখানে যাওয়া যাবে। নেয়া যাবে না মোবাইল ফোন কিংবা অন্য কোনো ব্যক্তিগত জিনিসপত্র।


অভিনব এই পদ্ধতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে দারুণ সাড়া ফেলেছে। বিষয়টা এত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে যে, শুদ্ধিকরণের এই কবরে থাকতে শিক্ষার্থীদের রীতিমতো সিরিয়াল দিতে হচ্ছে। সেন ম্যাকলগলিন নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমি ও আমার রুমমেট চেয়েছিলাম ওই কবরে এক সপ্তাহ আগে থাকতে। সিরিয়াল দিতে গিয়ে দেখি সেখানে ইতোমধ্যে অপেক্ষমানদের একটি তালিকা রয়েছে। তো এতেই বোঝা যায়, বিষয়টি কত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।’


প্রজেক্টটির উদ্যোক্তা জন হ্যাকিং এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘জীবন শেষে মৃত্যু অনিবার্য। এই চিরন্তন সত্যটি ১৮, ১৯ ও ২০ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের বোঝানো খুবই কঠিন। এই পিউরিফিকেশন কবর কিছুটা হলেও তাদের সময় সম্পর্কে ভাবতে সাহায্য করবে।’

পিউরিফিকেশন কবরে ঢুকতেই চোখে পড়বে একটা বোর্ড। সেখানে ল্যাটিন ভাষায় লেখা, ‘মোমেন্টো মরি।’ অর্থাৎ, ‘মনে রেখ, তুমি একদিন মা যাবে।’

 

   Page 1 of 5
     ফিচার
রিকশাচালক থেকে ৫০০ কোটি টাকার মালিক আমিনুল
.............................................................................................
স্বামী জীবিত থাকতেই বিধবাভাতা উত্তোলন করেন স্ত্রী
.............................................................................................
১৬ বছরেই মেয়েটি রান্নায় চ্যাম্পিয়ন, জিতল পাঁচ লাখ টাকা
.............................................................................................
করোনায় ফুসফুস ভালো রাখে যে ৫ খাবার
.............................................................................................
পুষ্টিগুণে ভরা শজনে ডাঁটা সারাবে যেসব রোগ
.............................................................................................
যেভাবে নির্ধারিত হয় রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোন
.............................................................................................
পাতিলেবুর এত গুণ!
.............................................................................................
করোনার সংক্রমণ থেকে বাঁচাবে জুতা!
.............................................................................................
ধূমপায়ীদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ১৪ গুণ বেশি
.............................................................................................
করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির হাতে তৈরি খাবার থেকে কি সংক্রমণ ছড়ায়?
.............................................................................................
করোনায় তরুণদের আক্রান্ত হবার পেছনে ধুমপান অন্যতম কারণ
.............................................................................................
সংসার সুখি হয় পুরুষের রোজগারে
.............................................................................................
হাতিরঝিলে দেখা মিলল ভিয়েনার ‘হিউম্যান ডগ’র
.............................................................................................
বাংলাদেশের হারিয়ে যাওয়া সবচেয়ে ছোট হরিণ!
.............................................................................................
বাংলাদেশের ভয়াবহ ১১ ট্রেন দুর্ঘটনা
.............................................................................................
পরীক্ষার চাপ কমাতে শিক্ষার্থীদের ‘কবরে শুয়ে থাকার’ পরামর্শ
.............................................................................................
ফিনল্যান্ডের সৈকতে ‘বরফের ডিম’
.............................................................................................
আদিম যুগের মতো চার পায়ে চলেন তারা
.............................................................................................
নারায়ণগঞ্জে যেমন ছিলেন এসপি হারুন
.............................................................................................
১৪ হাজার ফ্ল্যাট তৈরি হচ্ছে
.............................................................................................
ধেয়ে আসছে দানবীয় উল্কাপিণ্ড
.............................................................................................
কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় কলমি শাক
.............................................................................................
কোরবানির সুস্থ গরু চিনবেন কিভাবে?
.............................................................................................
ডেঙ্গু জ্বর সম্পর্কে ১০টি তথ্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
.............................................................................................
সঙ্গীর হাতে আলতো চাপ দিলে যেসব রোগ নিয়ন্ত্রণে থাকবে
.............................................................................................
মোনালিসা সম্পর্কে ৭ অজানা তথ্য
.............................................................................................
`বড় বাপের পোলায় খায়, ঠোঙা ভইরা লইয়া যায়`
.............................................................................................
অনুমানের চেয়ে প্রায় ৯ শতাংশ বেশি দ্রুত প্রসারিত হচ্ছে মহাবিশ্ব
.............................................................................................
কাঁধের ব্যথা কমাতে ঘরোয়া ৪ উপায়
.............................................................................................
স্বাস্থ্য দিবসে যে ২৩ পরামর্শ দিলেন ডা. দেবী শেঠী
.............................................................................................
বিশ্বসেরা ১০ চিকিৎসকের একজন দেবী শেঠী
.............................................................................................
গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ রোধে করণীয়
.............................................................................................
কুকুর আক্রমণের চেষ্টা করলে যা করবেন
.............................................................................................
আমলকী কেন খাবেন?
.............................................................................................
শরীরে পানিশূন্যতার ৪ লক্ষণ
.............................................................................................
ভ্যালেন্টাইন্স ডে
.............................................................................................
নখ কাটলে ব্যথা লাগে না কেন?
.............................................................................................
হেঁচকি থামাতে কী করবেন?
.............................................................................................
কাপড় বিবর্ণ হয়ে যাওয়া রোধ করতে
.............................................................................................
স্কাউটিংয়ে রাষ্ট্রপতি অ্যাওয়ার্ড পেলেন রাকিব
.............................................................................................
বিশ্বে সবচেয়ে দীর্ঘ চুল নীলাংশীর
.............................................................................................
হৃদরোগ ও ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় ফুলকপি
.............................................................................................
অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসী হতে চান?
.............................................................................................
বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশ মোনাকো
.............................................................................................
বরের কান্না দেখে হাসছে কনে!
.............................................................................................
বনশ্রীতে আর্টিসান
.............................................................................................
পুরুষের সাড়া না পেয়ে যা করলেন এই নারী!
.............................................................................................
২১ সন্তান জন্ম দিয়ে ব্রিটেনের সবচেয়ে বড় পরিবার
.............................................................................................
অভিনব কায়দায় বিয়ে করলেন তারা!
.............................................................................................
দুধের শিশুকে নিয়ে ডিউটি, অতঃপর...
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD