| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * রুম্পা হত্যার বিচারের দাবিতে উত্তাল স্টামফোর্ড   * প্রধান বিচারপতির প্রস্তাব ভালো লেগেছে প্রধানমন্ত্রীর   * ভালোই আছেন খালেদা জিয়া, ভুগছেন শুধু গিরার ব্যথায়   * খালেদার মুক্তির দাবিতে রোববার বিক্ষোভ করবে বিএনপি   * মৃত্যুর কাছে হেরে গেলেন সেই অগ্নিদগ্ধ ধর্ষিতা তরুণী   * বাগদাদে বিক্ষোভে অস্ত্রধারীদের হামলায় পুলিশসহ নিহত ১৯   * সিঙ্গাপুরের ৪০ শীর্ষ ধনীর তালিকায় বাংলাদেশি আজিজ   * আবারও আনোয়ার ইব্রাহিমের বিরুদ্ধে সমকামিতার অভিযোগ   * পাকিস্তানের গর্বে আঘাত হেনেছে অস্ট্রেলিয়া!   * কোহলি ঝড়ে রেকর্ডগড়া জয় ভারতের  

   ফিচার -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
বাংলাদেশের হারিয়ে যাওয়া সবচেয়ে ছোট হরিণ!

নিউজ ডেস্ক

৩০ বছর পর সম্প্রতি ফিরে পাওয়া ভিয়েতনামের এই (ছবির) মাউস ডিয়ারের মত ছোট হরিণ বাংলাদেশেও ছিল। যা বাংলাদেশে ছাগুলে লাফা, শোস বা শোশা নামে পরিচিত ছিল। এর ইংরেজি নাম মাউস ডিয়ার। বিশ্বের ক্ষুদ্রতম ক্ষুরযুক্ত স্তন্যপায়ী প্রাণি মাউস ডিয়ার আঁকারে প্রায় বুনো খরগোশের মতো। আবার দেখতে অনেকটা হরিণের মতো। তবে প্রথম দেখায় অনেকেই একে বিরল প্রজাতির খরগোশ বা হরিণ ভেবে ভুল করতে পারেন।

এদের দৈহিক দৈর্ঘ ৫৭ সেন্টিমিটার, লেজের দৈর্ঘ ২.৫ সেমি। একটি প্রাপ্তবয়স্ক শোসার ওজন প্রায় ৭ পাউন্ড। এদের আছে অনেক প্রজাতি। প্রজাতি ভেদে কোন কোন প্রজাতি আকারে আরও বড় হতে পারে। এরা নিশাচর প্রাণি। রাতের বেলা খাবার সন্ধান বা ঘোরাফেরা করে। দিনের বেলা আড়ালে লুকিয়ে থাকে। তাই সহজে মানুষের চোখে ধরা পড়ে না। এরা উদ্ভিদভোজী তবে কেউ কেউ পোকা-মাকড়, মাছ-কাঁকড়াও খায়।



একসময় বাংলাদেশেও শোসা ছিল বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। তবে স্মরণকালে এর দেখা মিলেছে এমন কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। ভারতে দেখা মেলে। এদের বৈজ্ঞানিক নাম Indian spotted chevrotain (Moschiola indica)।

গবেষকরা জানিয়েছেন, ৩৪ বছর আগে বাংলাদেশে এর দেখা মিললেও বিলুপ্তি ঘোষণার প্রায় ৩০ বছর পর সম্প্রতি এদের দেখা মিলেছে ভিয়েতনামে। ত্রিশ বছর আগে মনে করা হয়েছিল মাউস ডিয়ার ভিয়েতনাম থেকেও বিলুপ্ত হয়ে গেছে। ভিয়েতনামে এই প্রাণির নাম সিলভার-ব্যাকড চেভ্রটেইন অথবা মাউস ডিয়ার। ভিয়েতনামের উত্তর-পশ্চিমের বনে সাম্প্রতিক এ প্রাণি ক্যামেরা ট্র্যাপে ধরা পরে।


শোস নিয়ে কথা বলেছেন সুন্দরবনের আদি প্রত্নতত্ত্ব ও বন্যপ্রাণি গবেষক ওয়াইল্ড টিমের কর্মী ইসমে আজম। তিনি ইতোমধ্যে সুন্দরবনসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিলুপ্ত প্রাণির জীবাশ্ম আবিষ্কার করেছেন এবং নতুন নতুন তথ্য সংগ্রহে কাজ করে যাচ্ছেন। শোস নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশেও মাউস ডিয়ার ছিল বা মতান্তর আছে। আমি বাংলাদেশের সেই মাউস ডিয়ারের প্রথম তথ্য পেয়েছিলাম আমার মায়ের কাছে। শুনেছি রংপুর অঞ্চলে ১৯৮৫ সালে প্রাণিটি দেখা গিয়েছিল। রংপুর অঞ্চলে এ প্রাণিকে শোস বা শোশা বলা হতো। কেউ কেউ আবার খরগোশকেও শোস বা শোশা বলে। দেখতে খরগোশের আকারের তবে পায়ে ছাগলের মতো ক্ষুর আছে।’


তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের বৃহত্তর যশোর অঞ্চলেও এদের উপস্থিতির উল্লেখ পাওয়া যায়। স্থানীয়ভাবে এদের ছাগুলে লাফা বলা হতো বা হয়। সাধারণত খরগোশকে স্থানীয়ভাবে (যশোর) লাফা বলা হয়। কিন্তু এ প্রাণির পা ছাগলের মতো হওয়ায় একে ছাগুলে লাফা বলা হয়। মজার বিষয় বয়স্ক লোকজনের সাথে কথা বলে জেনেছিলাম, বুনো খরগোশের পা বিড়ালের মত হওয়ায় নাকি তা মুসলিমদের জন্য হারাম। তবে যে খরগোশের পা ক্ষুরযুক্ত সেই খরগোশ খাওয়া হালাল।’



ইসমে আজম বলেন, ‘আমার কয়েক বন্ধু এই ছাগুলে লাফা দেখেছে, এমনকি ধরে খেয়েছে বলে দাবিও করেছিল। তবে এখনো জীবিত প্রমাণ পাইনি। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে প্রাণিটির একাধিক আঞ্চলিক নাম থাকলেও বাংলাদেশের বন্যপ্রাণির তালিকায় কোথাও এর উল্লেখ নেই। কিংবা অনুসন্ধান হয়েছে কি-না জানা নেই।’

তবে প্রাণিটি নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করছেন বলে জানিয়েছেন এই গবেষক।

বাংলাদেশের হারিয়ে যাওয়া সবচেয়ে ছোট হরিণ!
                                  

নিউজ ডেস্ক

৩০ বছর পর সম্প্রতি ফিরে পাওয়া ভিয়েতনামের এই (ছবির) মাউস ডিয়ারের মত ছোট হরিণ বাংলাদেশেও ছিল। যা বাংলাদেশে ছাগুলে লাফা, শোস বা শোশা নামে পরিচিত ছিল। এর ইংরেজি নাম মাউস ডিয়ার। বিশ্বের ক্ষুদ্রতম ক্ষুরযুক্ত স্তন্যপায়ী প্রাণি মাউস ডিয়ার আঁকারে প্রায় বুনো খরগোশের মতো। আবার দেখতে অনেকটা হরিণের মতো। তবে প্রথম দেখায় অনেকেই একে বিরল প্রজাতির খরগোশ বা হরিণ ভেবে ভুল করতে পারেন।

এদের দৈহিক দৈর্ঘ ৫৭ সেন্টিমিটার, লেজের দৈর্ঘ ২.৫ সেমি। একটি প্রাপ্তবয়স্ক শোসার ওজন প্রায় ৭ পাউন্ড। এদের আছে অনেক প্রজাতি। প্রজাতি ভেদে কোন কোন প্রজাতি আকারে আরও বড় হতে পারে। এরা নিশাচর প্রাণি। রাতের বেলা খাবার সন্ধান বা ঘোরাফেরা করে। দিনের বেলা আড়ালে লুকিয়ে থাকে। তাই সহজে মানুষের চোখে ধরা পড়ে না। এরা উদ্ভিদভোজী তবে কেউ কেউ পোকা-মাকড়, মাছ-কাঁকড়াও খায়।



একসময় বাংলাদেশেও শোসা ছিল বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। তবে স্মরণকালে এর দেখা মিলেছে এমন কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। ভারতে দেখা মেলে। এদের বৈজ্ঞানিক নাম Indian spotted chevrotain (Moschiola indica)।

গবেষকরা জানিয়েছেন, ৩৪ বছর আগে বাংলাদেশে এর দেখা মিললেও বিলুপ্তি ঘোষণার প্রায় ৩০ বছর পর সম্প্রতি এদের দেখা মিলেছে ভিয়েতনামে। ত্রিশ বছর আগে মনে করা হয়েছিল মাউস ডিয়ার ভিয়েতনাম থেকেও বিলুপ্ত হয়ে গেছে। ভিয়েতনামে এই প্রাণির নাম সিলভার-ব্যাকড চেভ্রটেইন অথবা মাউস ডিয়ার। ভিয়েতনামের উত্তর-পশ্চিমের বনে সাম্প্রতিক এ প্রাণি ক্যামেরা ট্র্যাপে ধরা পরে।


শোস নিয়ে কথা বলেছেন সুন্দরবনের আদি প্রত্নতত্ত্ব ও বন্যপ্রাণি গবেষক ওয়াইল্ড টিমের কর্মী ইসমে আজম। তিনি ইতোমধ্যে সুন্দরবনসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিলুপ্ত প্রাণির জীবাশ্ম আবিষ্কার করেছেন এবং নতুন নতুন তথ্য সংগ্রহে কাজ করে যাচ্ছেন। শোস নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশেও মাউস ডিয়ার ছিল বা মতান্তর আছে। আমি বাংলাদেশের সেই মাউস ডিয়ারের প্রথম তথ্য পেয়েছিলাম আমার মায়ের কাছে। শুনেছি রংপুর অঞ্চলে ১৯৮৫ সালে প্রাণিটি দেখা গিয়েছিল। রংপুর অঞ্চলে এ প্রাণিকে শোস বা শোশা বলা হতো। কেউ কেউ আবার খরগোশকেও শোস বা শোশা বলে। দেখতে খরগোশের আকারের তবে পায়ে ছাগলের মতো ক্ষুর আছে।’


তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের বৃহত্তর যশোর অঞ্চলেও এদের উপস্থিতির উল্লেখ পাওয়া যায়। স্থানীয়ভাবে এদের ছাগুলে লাফা বলা হতো বা হয়। সাধারণত খরগোশকে স্থানীয়ভাবে (যশোর) লাফা বলা হয়। কিন্তু এ প্রাণির পা ছাগলের মতো হওয়ায় একে ছাগুলে লাফা বলা হয়। মজার বিষয় বয়স্ক লোকজনের সাথে কথা বলে জেনেছিলাম, বুনো খরগোশের পা বিড়ালের মত হওয়ায় নাকি তা মুসলিমদের জন্য হারাম। তবে যে খরগোশের পা ক্ষুরযুক্ত সেই খরগোশ খাওয়া হালাল।’



ইসমে আজম বলেন, ‘আমার কয়েক বন্ধু এই ছাগুলে লাফা দেখেছে, এমনকি ধরে খেয়েছে বলে দাবিও করেছিল। তবে এখনো জীবিত প্রমাণ পাইনি। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে প্রাণিটির একাধিক আঞ্চলিক নাম থাকলেও বাংলাদেশের বন্যপ্রাণির তালিকায় কোথাও এর উল্লেখ নেই। কিংবা অনুসন্ধান হয়েছে কি-না জানা নেই।’

তবে প্রাণিটি নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করছেন বলে জানিয়েছেন এই গবেষক।

বাংলাদেশের ভয়াবহ ১১ ট্রেন দুর্ঘটনা
                                  

নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশে সড়কপথে দুর্ঘটনা সবচেয়ে বেশি। আর সবচেয়ে নিরাপদ মনে করা হয় ট্রেনকে। তবে সামান্য ভুলে কখনো কখনো ট্রেনেও বড় দুর্ঘটনা ঘটে। এর বেশিরভাগ হয় লাইনচ্যুত হয়ে বা মুখোমুখি সংঘর্ষে। তবে এ পর্যন্ত বিভিন্ন কারণে সবমিলিয়ে সবচেয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে ১১টি। তেমন কিছু ভয়াবহ দুর্ঘটনা নিয়ে আজকের আয়োজন-

সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনা: ১৯৮৯ সালের ১৫ জানুয়ারি টঙ্গীর কাছে মাজুখানে দুটি ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৭০ জন যাত্রী নিহত হন। এ ঘটনায় আহত হন আরও ৪০০ জন। এছাড়া ১৯৮৯ সালের ২ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের কাছাকাছি ট্রেন লাইনচ্যুত হয়। এতে ১৩ জন নিহত হন ও ২০০ জন আহত হন।

সেতু ভেঙে দুর্ঘটনা: ১৯৮৩ সালের ২২ মার্চ ঈশ্বরদীর কাছে একটা রেল সেতু দিয়ে চলার সময় ভেঙে পড়ে। সাথে সাথে পরপর কয়েকটা স্পান ভেঙে পড়ে। কয়েকটি বগি নিচে শুকনা জায়গায় পড়ে। এ দুর্ঘটনায় ৬০ জন যাত্রী নিহত হন।

আগুন ধরে দুর্ঘটনা: ১৯৮৫ সালের ১৩ জানুয়ারি খুলনা থেকে পার্বতীপুরগামী সীমান্ত এক্সপ্রেসের কোচে আগুন ধরে যায়। এতে ২৭ জন যাত্রী নিহত হন এবং ২৭ জন আহত হন।

সর্বহারার নাশকতা: ১৯৮৬ সালের ১৫ মার্চ সর্বহারার নাশকতায় ভেড়ামারার কাছে ট্রেন লাইনচ্যুত হয় এবং নদীতে পড়ে যায়। এতে ২৫ জন যাত্রী নিহত হন এবং ৪৫ জন আহত হন।

হিলি ট্র্যাজেডি: ১৯৯৫ সালের ১৩ জানুয়ারি রাত সোয়া ৯টায় গোয়ালন্দ থেকে পার্বতীপুরগামী ৫১১ নম্বর লোকাল ট্রেনটি হিলি রেলস্টেশনের ১ নম্বর লাইনে এসে দাঁড়ায়। এর কিছুক্ষণ পর সৈয়দপুর থেকে খুলনাগামী ৭৪৮ নম্বর আন্তঃনগর সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনটি একই লাইনে ঢুকে পড়ে। এ সময় ভয়াবহ মুখোমুখি সংঘর্ষে গোয়ালন্দ লোকাল ট্রেনের ইঞ্জিনসহ দুটি বগি আন্তঃনগর ট্রেনের উপর উঠে যায়। এতে দুটি ট্রেনের অর্ধশতাধিক যাত্রী নিহত হয়। আহত হয় দুই শতাধিক।

নরসিংদীর দুটি ঘটনা: ২০১০ সালে চট্টগ্রামগামী আন্তঃনগর ‘মহানগর গোধূলি’ ও ঢাকাগামী মেইল ‘চট্টলা’ ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় দুটি ট্রেনের ইঞ্জিন দুমড়ে-মুচড়ে যায়। চট্টলা ট্রেনের একটি বগি মহানগর ট্রেনের ইঞ্জিনের উপর উঠে যায়। সেই দুর্ঘটনায় চালকসহ মোট ১২ জন নিহত হন। এরপর ২০১৬ সালে নরসিংদীর আরশীনগর এলাকায় ভুল সিগন্যালের কারণে লাইনচ্যুত হয় তিতাস কমিউটার ট্রেনের ইঞ্জিন। ট্রেনটি ঢাকা থেকে ছেড়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া যাচ্ছিল। এতে দুই জন নিহত ও ১০ আহত হন।

টঙ্গীর রেল দুর্ঘটনা: ২০১৮ সালের ১৫ এপ্রিল গাজীপুরের টঙ্গী এলাকায় যাত্রীবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত হয়ে ৫ জন নিহত হন। কমিউটার ট্রেনটি জামালপুর থেকে ঢাকা যাচ্ছিল। টঙ্গী এসেই ঘটে যত বিপত্তি। ট্রেনের ৫টি বগি লাইনচ্যুত হয়ে যায়। টঙ্গীর নতুনবাজার এলাকায় দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা-জয়দেবপুর রেললাইনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে আহত হয় প্রায় অর্ধশতাধিক।

কুলাউড়ায় দুর্ঘটনা: ২০১৯ সালের ২৩ জুন মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়ায় ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটে। উপজেলার বরমচাল রেলক্রসিং এলাকায় সিলেট থেকে ঢাকাগামী উপবন এক্সপ্রেসের ৪টি বগি লাইনচ্যুত হয়ে খালে ছিটকে পড়ে। এ ঘটনায় ৬ জন নিহত হন। নিহতের মধ্যে ৩ জন নারী ও ৩ জন পুরুষ। সেদিন রাত ১২টার দিকে কুলাউড়ার বরমচাল স্টেশনের পাশে ঢাকাগামী উপবনের বগি ছিটকে পড়ে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংঘর্ষ: জেলার কসবা উপজেলায় দুই ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৭ জন নিহত হন। ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর ভোররাত পৌনে ৩টার দিকে উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের মন্দবাগ রেলওয়ে স্টেশনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শতাধিক যাত্রী আহত হন। সিলেট থেকে চট্টগ্রামগামী উদয়ন এক্সপ্রেস এক নম্বর লাইনে ঢুকছিল। এ সময় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী তূর্ণা নিশীথাকে আউটারে থাকার সিগন্যাল দেয়া হয়। চালক সিগন্যাল অমান্য করে মূল লাইনে ঢুকে পড়লে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

 
পরীক্ষার চাপ কমাতে শিক্ষার্থীদের ‘কবরে শুয়ে থাকার’ পরামর্শ
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মানসিক চাপ আমাদের জীবনে বিষিয়ে তোলে। অতিরিক্ত মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পেতে আমরা একেকজন একেক পন্থা অবলম্বন করি। কেউ বেড়াতে যাই, কেউ যোগ-ব্যায়াম, করি আবার কেউবা শরণাপন্ন হই চিকিৎসকের।

তবে মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পেতে শিক্ষার্থীদেরকে অভিনব পরামর্শ দিয়েছে নেদারল্যান্ডসের র‍্যাডবউড বিশ্ববিদ্যালয়। নিজমেগেন শহরের এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ কমাতে শিক্ষার্থীদের কবরে শুয়ে থাকার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মিরর বলছে, পরীক্ষা সামনে আসলে শিক্ষার্থীরা প্রচণ্ড রকম মানসিক চাপে থাকেন। তাদের এ চাপ থেকে মুক্তি দেবে এই ‘পিউরিফিকেশন পদ্ধতি’। এটা পরীক্ষার চাপসহ সব ধরনের মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করবে। এজন্য অভিনব এই ‘গ্রেভ থিওরি’ বেছে নিয়েছে র‍্যাডবউড বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

মানসিক চাপ কমানোর এই পদ্ধতিতে কবরের মতো বড় গর্তে শুয়ে থাকতে হয় শিক্ষার্থীদের। একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন ৩০ মিনিট থেকে সর্বোচ্চ তিন ঘণ্টা পর্যন্ত সময় কাটাতে পারবেন এই কবরে। তবে শর্ত হলো- শুধু একটি মাদুর আর একটি বালিশ নিয়ে সেখানে যাওয়া যাবে। নেয়া যাবে না মোবাইল ফোন কিংবা অন্য কোনো ব্যক্তিগত জিনিসপত্র।


অভিনব এই পদ্ধতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে দারুণ সাড়া ফেলেছে। বিষয়টা এত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে যে, শুদ্ধিকরণের এই কবরে থাকতে শিক্ষার্থীদের রীতিমতো সিরিয়াল দিতে হচ্ছে। সেন ম্যাকলগলিন নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমি ও আমার রুমমেট চেয়েছিলাম ওই কবরে এক সপ্তাহ আগে থাকতে। সিরিয়াল দিতে গিয়ে দেখি সেখানে ইতোমধ্যে অপেক্ষমানদের একটি তালিকা রয়েছে। তো এতেই বোঝা যায়, বিষয়টি কত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।’


প্রজেক্টটির উদ্যোক্তা জন হ্যাকিং এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘জীবন শেষে মৃত্যু অনিবার্য। এই চিরন্তন সত্যটি ১৮, ১৯ ও ২০ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের বোঝানো খুবই কঠিন। এই পিউরিফিকেশন কবর কিছুটা হলেও তাদের সময় সম্পর্কে ভাবতে সাহায্য করবে।’

পিউরিফিকেশন কবরে ঢুকতেই চোখে পড়বে একটা বোর্ড। সেখানে ল্যাটিন ভাষায় লেখা, ‘মোমেন্টো মরি।’ অর্থাৎ, ‘মনে রেখ, তুমি একদিন মা যাবে।’

 
ফিনল্যান্ডের সৈকতে ‘বরফের ডিম’
                                  


অনলাইন ডেস্ক

 

ফিনল্যান্ডের মারজানিমি সৈকতে ডিমের আকৃতির হাজারো বরফখণ্ড পাওয়া যাচ্ছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোতে খবর বেরিয়েছে। অস্বাভাবিক আবহাওয়ার জেরে ফিনল্যান্ডের উপকূলে বরফের এমন আকৃতি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিবিসি ও গার্ডিয়ানের খবরে জানানো হয়, ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের মাঝে হাইলোতো নামের দ্বীপটির সৈকত বরফের ডিমে আবৃত। এ দৃশ্যের ছবি তোলেন আলোকচিত্রী রিসতো মাতিলা। তিনি টুইটারে ছবি পোস্ট করেন।


বিশেষজ্ঞদের মতে, বিরল কোনো আবহাওয়া প্রক্রিয়ায় বাতাস আর পানির ধাক্কায় বরফের ছোট ছোট কুচি যুক্ত হয়ে ডিমের আকৃতি হয়ে থাকতে পারে।

পার্শ্ববর্তী ওউলু শহরের বাসিন্দা রিসতো মাতিলা বলেন, ‘মারজানিমি সৈকতে এমন দৃশ্য আমি জীবনেও দেখিনি। সৈকতজুড়ে বরফের কুচির ওপর সারি সারি বরফের ডিম। এ অঞ্চলে আমি ২৫ বছর ধরে বাস করছি। কখনো এমনটা দেখিনি।’

রিসতো মাতিলা বলেন, ‘প্রায় ১০০ ফুট জুড়ে হাজারো বরফের ডিম পড়ে ছিল। ছোট বরফখণ্ডগুলোর আকৃতি ডিমের মতো। সবচেয়ে বড়গুলো ছিল ফুটবলের সমান।’

ফিনল্যান্ডের আবহাওয়া অফিসের বরফ বিশেষজ্ঞ জওনি ভিনিও বলেছেন, এ ঘটনা আসলে সাধারণ কোনো ঘটনা নয়। তবে সঠিক আবহাওয়ার ক্ষেত্রে বছরে প্রায় একবার এমনটা ঘটতে পারে।

ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির ভূগোল-ভূতত্ত্বের ইমেরিটাস অধ্যাপক জেমস কার্টার বলেন, এমন ঘটনা দেখার সঠিক সময় শরৎকাল। তিনি বলেন, ‘আলোকচিত্রীকে ধন্যবাদ তিনি ছবি তুলেছেন। এখন বিশ্ব অনেক কিছু দেখবে, যা আগে দেখেনি।’

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিরল কোনো আবহাওয়া প্রক্রিয়ায় বাতাস আর পানির ধাক্কায় বরফের ছোট ছোট কুচি যুক্ত হয়ে ডিমের আকৃতি হয়ে থাকতে পারে। ছবি: টুইটার থেকে নেওয়া
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিরল কোনো আবহাওয়া প্রক্রিয়ায় বাতাস আর পানির ধাক্কায় বরফের ছোট ছোট কুচি যুক্ত হয়ে ডিমের আকৃতি হয়ে থাকতে পারে। ছবি: টুইটার থেকে নেওয়া
আবহাওয়াবিদ জর্জ গুডফেলো বলেন, ‘সাগরে ঠান্ডার সঙ্গে সঙ্গে বাতাস বইলে এ ধরনের বরফের বল তৈরি হতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘বরফের কুচিগুলো ঢেউয়ের ধাক্কায় একসঙ্গে মিশে বড় হতে থাকে তারপর ঠান্ডায় সাগরের পানি জমে সেগুলোর সঙ্গে যুক্ত হয়ে সেগুলো গোল আকৃতি নেয়। ওই সব বরফের বল সাগরের পানির ধাক্কায় মসৃণ হতে থাকে। এরপর ভাটায় পানি নেমে গেলে বরফের পিণ্ডগুলো সাগরতীরে পড়ে থাকে। অনেক সময় ঢেউয়ের ধাক্কায় তীরে চলে আসে।’

এর আগে রাশিয়া এবং শিকাগোর মিশিগান লেকে এ ধরনের বরফের ডিম দেখা গিয়েছিল।

২০১৬ সালে সাইবেরিয়ার নিদা এলাকার বাসিন্দারা সাগরতীরে ১১ মাইলজুড়ে বরফের বিরাট বিরাট বল দেখেছিলেন। এগুলোর কিছু ছিল টেনিস বলের আকৃতির। সবচেয়ে বড়গুলোর ব্যাসার্ধ ছিল তিন ফুট।

আদিম যুগের মতো চার পায়ে চলেন তারা
                                  

ফিচার ডেস্ক


একটি পরিবারের সদস্য সংখ্যা ২১ জন। তাদের মধ্যে ৫ ভাই-বোন সোজা হয়ে দাঁড়াতেই পারেন না। আদিম মানুষের মতোই সামনের দিকে ঝুঁকে মুখটা উপরের দিকে তুলে চার হাত-পায়ে ভর দিয়ে চলাফেরা করেন তারা। তাদের মেরুদণ্ডে, হাঁটুতে, পায়ে বা কোমরে কোন গুরুতর সমস্যা নেই। তবুও সোজা হয়ে দাঁড়াতেই পারেন না!

জানা যায়, আগে এই ৫ ভাই-বোনের কথা কেউ জানতো না। ২০০৫ সালে বিবিসির একটি তথ্যচিত্রের মাধ্যমে জানা যায় তাদের কথা। তখন থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত মস্তিষ্কের স্ক্যান, রক্তের নমুনা—কিছুই বাদ যায়নি। তবুও তেমন কোন সমস্যা ধরতে পারেননি চিকিত্সকরা।


সূত্র জানায়, দক্ষিণ তুরস্কের হাতায় প্রদেশের একটি গ্রামে বসবাস করেন তারা। প্রথম এ পরিবারের খোঁজ পান তুরস্কের বিজ্ঞানী উনের ট্যান। ট্যান এই ৫ ভাই-বোনকে দীর্ঘদিন পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি মনে করেন, এর পেছনে রয়েছে বিপরীত বিবর্তন। ওই বিজ্ঞানীর নামানুসারে এ পরিস্থিতির নামকরণ করা হয় ‘উনের ট্যান সিন্ড্রোম’।

তবে ২০১৪ সালে ব্রিটিশ বিজ্ঞানীদের একটি গবেষণাপত্রে দাবি করা হয়, বিপরীত বিবর্তনের ফলে নয়, ‘সেরিবেলার হাইপোপ্লাসিয়া’ নামের বিরল জিনগত সমস্যার কারণে সোজা হয়ে হাঁটতে পারেন না তারা। বিজ্ঞানীরা জানান, এ রোগে শরীরের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়। ফলে সোজা হয়ে দাঁড়ানো একেবারে অসম্ভব হয়ে পড়ে।

 

কিন্তু বিজ্ঞানীরা যা-ই বলুন না কেন, স্থানীয় মানুষ এখনো তাদের দেখলে তাড়া করে, পাথর ছোড়ে, হাসি-ঠাট্টা ও কটূক্তির মাধ্যমে উত্যক্ত করে। তাই তারা বাড়ির বাইরে তেমন একটা বের হন না। দিনের বেশিরভাগ সময় লোকচক্ষুর আড়ালেই কাটে তাদের সময়।

 
নারায়ণগঞ্জে যেমন ছিলেন এসপি হারুন
                                  

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি         

 

বহুল আলোচিত নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) হারুন অর রশিদকে বদলি করে পুলিশ সদর দফতরের পুলিশ সুপার (টিআর) করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) থেকে বদলি হয়ে গত বছরের ২ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জের এসপি হয়ে আসেন তিনি। বছরপূর্তির এক মাস আগে গত রোববার তাকে নারায়ণগঞ্জ থেকে বদলি করা হয়। এসপি হারুনের বদলি নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা। হঠাৎ করে কেন তাকে বদলি করা হয়েছে? এমন প্রশ্ন এখন সর্ব মহলে।

 

তবে অভিযোগ উঠেছে এসপি হারুনকে চাঁদাবাজির অভিযোগে বদলি করা হয়েছে। পারটেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান এম এ হাসেমের ছেলে ও আম্বার গ্রুপের চেয়ারম্যান শওকত আজিজ রাসেলের কাছে ৮ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেছিলেন এসপি হারুন। তার দাবিকৃত চাঁদা না দেয়ায় রাসেলের গুলশানের বাসা হতে স্ত্রী-সন্তানকে তুলে নিয়ে নারায়ণগঞ্জে নিয়ে যান। পরে তাদেরকে নিয়ে একটি নাটক সাজান। রাসেলের গাড়িচালক সুমনকে গ্রেফতার দেখিয়ে গাড়িতে থাকা গুলি, মাদক উদ্ধার দেখিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি মামলা করা হয়। এ মামলায় আম্বার গ্রৃপের চেয়ারম্যান শওকত আজিজ রাসেলকে পলাতক আসামি করা হয়েছে। আর নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে মুচলেকায় রাসেলের স্ত্রী-সন্তানকে ছেড়ে দেয়া হয়।

 

 

 

রাসেলের গুলশানের বাসা হতে স্ত্রী-সন্তানকে তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনার অভিযোগ এবং ৮ কোটি টাকা চাঁদার দাবির প্রেক্ষিতে এসপি হারুনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে- এমনটাই সর্বমহলে আলোচিত হচ্ছে।

 

এদিকে বদলির পরও এসপি হারুনকে নিয়ে সরাসরি কেহ মুখ খুলছেন না। নাম প্রকাশ না করার শর্তে নারায়ণগঞ্জের এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, এসপি হারুন নারায়ণগঞ্জে যোগদানের পর পুরো জেলায় নিজের বলয়ের বেশ কিছু পুলিশ অফিসারকে অন্য জেলা থেকে নারায়ণগঞ্জে নিয়ে আসেন। আর প্রতিটি থানায় ২/৩ জন নিজস্ব অফিসার নিয়োগ দেন। বিশেষ করে ডিবি অফিসে তার নিজস্ব বলয় তৈরি করে তাদের দিয়েই নানা ধরনের কাজ হাসিল করতেন।

 

তিনি আরও বলেন, এসপি হারুনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও প্রভাবের কারণে কেউ কিছু বলতে পারেননি। এছাড়াও নারায়ণগঞ্জের এক এমপিকে কোণঠাসা করতে তার বলয়ের নেতাদের তালিকা করে অপরাধী বানানোর চেষ্টা করা হয়। সবসময় আওয়ামী লীগের নেতাদের আতঙ্কে রাখার চেষ্টা করতেন তিনি। অনেক নেতারা আমাকে ফোন দিয়ে বললেও কিছু বলার সুযোগ ছিল না।

 

এসপি হারুন নারায়ণগঞ্জে যোগদানের পর নানা কাজ নিয়ে ব্যাপক আলোচনায় আসেন। ১১ মাস দায়িত্ব পালন করে সর্বপ্রথম এসপি হারুন ঘোষণা দেন মাদক, চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যুদের কোনোভাবে ছাড় দেয়া হবে। সে যত বড় ক্ষমতাবান হোক না কেন। তিনি আশ্বাস দেন শান্তিপূর্ণ ও বাসযোগ্য নারায়ণগঞ্জ উপহার দেয়ার। সেই মোতাবেক শুরু হয় এসপি হারুনের অ্যাকশন। শুরু করেন মাদক, চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে অভিযান। সম্প্রতি এসপি হারুন শহর ফুটপাতমুক্ত রাখতে হকার উচ্ছেদে অভিযান চালান। শহরকে ফুটপাত মুক্ত করা হয়। অথচ এ হকারমুক্ত করতে গিয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর সঙ্গে এমপি শামীম ওসমানের সমর্থিত লোকদের সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে।

 

 

গত ১ এপ্রিল এসপি হারুনের নির্দেশে অভিযান চালানো হয় ফতুল্লার পাগলা এলাকায় অবস্থিত ভাসমান রেস্তোরাঁ মেরিন এন্ডারসনে। ওই সময় সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ মদ ও বিয়ার উদ্ধার করা হয়। আটক করা হয় অর্ধশতাধিক লোককে। এ ঘটনায় মামলাও করা হয়। মামলায় এমপি শামীম ওসমানের শ্যালককে আসামি করা হয়। এরপর শামীম ওসমানের বলয়ের নেতাকর্মীরা মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। একের পর এক এসপি হারুন এমপি শামীম ওসমানের বলয়ের নেতাকর্মীসহ তার লোকদের আটক করেন। এমনকি কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং কয়েকজন সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলরকেও গ্রেফতার করা হয়। একপর্যায়ে এসপি হারুন ও শামীম ওসমানের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। এসপি হারুন আওয়ামী লীগের কোনো নেতাকেই পাত্তা দিতেন না।

 

 

এদিকে এসপি হারুনকে বদলির পর এমপি শামীম ওসমানের বলয়ের নেতাকর্মীরা খুশি হয়েছেন। তবে কেউ যেন অতি উৎসাহী হয়ে কোনো ধরনের মন্তব্য না করেন নেতাকর্মীদের প্রতি এমন নির্দেশনা দিয়েছেন শামীম ওসমান। গত সোমবার সন্ধ্যায় রাইফেল ক্লাবে তিনি নেতাকর্মীদের নিয়ে বৈঠক করেন এবং তাদেরকে এসপির বদলির বিষয়ে কোনো ধরনের মন্তব্য করতে নিষেধ করেন। ফলে এ নিয়ে মুখ খুলছেন না আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

 
১৪ হাজার ফ্ল্যাট তৈরি হচ্ছে
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক

কেরানীগঞ্জের ঝিলমিল আবাসিক এলাকায় প্রায় ১৪ হাজার ফ্ল্যাট নির্মাণের কাজ এ মাসেই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করতে যাচ্ছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। নির্মাণকাজ শেষ হলে এটি হবে দেশের অন্যতম প্রধান বহুতল ভবনবিশিষ্ট আবাসন।

রাজউকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ‘ঝিলমিল রেসিডেন্সিয়াল পার্ক’ প্রকল্পের আওতায় ফ্ল্যাটগুলো নির্মাণ করা হবে। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে মালয়েশিয়ার ‘বিএনজি গ্লোবাল হোল্ডিংস অ্যান্ড কনসোর্টিয়াম’। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য ২০১৭ সালের নভেম্বরে বিএনজির সঙ্গে চুক্তি করেছিল রাজউক। ২০২৩ সালের মধ্যে পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


চুক্তি অনুযায়ী, ঝিলমিল আবাসিক এলাকায় ১৬০ একর জমিতে হবে এই প্রকল্প। প্রকল্পের আওতায় মোট ৮৫টি ভবন নির্মাণ করবে বিএনজি। ভবনগুলোর মধ্যে ৬০টি হবে ২০ তলা (সেমি বেসমেন্টসহ) ও ২৫টি হবে ২৫ তলার (বেসমেন্টসহ)। মোট তিনটি শ্রেণিতে ফ্ল্যাট হবে ১৩ হাজার ৭২০টি। ‘এ’ শ্রেণির ১ হাজার ৫৫০ বর্গফুট আয়তনের ফ্ল্যাট হবে ৯ হাজার ১২০টি, ‘বি’ শ্রেণির ১ হাজার ৭৫০ বর্গফুটের হবে ২ হাজার ৫৭৬টি এবং ‘সি’ শ্রেণির ২ হাজার ৪০০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট হবে ২ হাজার ২৪টি।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ৯ হাজার ৯৭৯ কোটি ২০ লাখ টাকা। পুরো টাকা বিনিয়োগ করবে বিএনজি। এরপর ছয় কিস্তিতে বিনিয়োগের টাকা পরিশোধ করবে রাজউক।

চুক্তি অনুযায়ী, মাঠপর্যায়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু হওয়ার দুই বছর পর (তৃতীয় বর্ষে) বিএনজিকে ৪০০ কোটি টাকা দেবে রাজউক। এরপর চতুর্থ বর্ষে আরও ৪০০ কোটি টাকা এবং পঞ্চম থেকে অষ্টম বছর পর্যন্ত (প্রতিবছর একটি করে) আরও চার কিস্তিতে ২ হাজার ২৯৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা করে পরিশোধ করবে।

প্রকল্পের সুবিধা: রাজউকের কর্মকর্তারা বলছেন, ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল বিল্ডিং সিস্টেম’ (ভবন নির্মাণের আধুনিক একটি প্রক্রিয়া) প্রযুক্তির মাধ্যমে নির্মাণ করা হবে এই ভবনগুলো। এখানে ইটের ব্যবহার থাকবে না। পুরো কাজ হবে আরসিসি ঢালাই দিয়ে। তাই ভবনগুলো মজবুত ও ভূমিকম্পসহনীয় হবে। প্রকল্প এলাকার মোট জমির ৩২ শতাংশে থাকবে ভবন, বাকি ৬৮ শতাংশ উন্মুক্ত থাকবে। এতে লেক, পার্ক, খেলার মাঠ, ওয়াকওয়ে, জগিং ট্র্যাক, কৃত্রিম ঝরনা, রাস্তা নির্মাণ করা হবে। এখানে যাঁরা বাস করবেন, তাঁদের জন্য স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, মসজিদ, মার্কেট, কমিউনিটি স্পেসের ব্যবস্থা রাখা হবে। থাকবে পানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের ব্যবস্থাও।

যোগাযোগ: বুড়িগঙ্গা নদীর ওপর চীন-বাংলাদেশ মৈত্রী সেতু থেকে দুই কিলোমিটার পশ্চিমে এই প্রকল্প। এর পাশ দিয়ে গেছে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক। তা ছাড়া ঢাকা শহরে যাতায়াতের জন্য একটি উড়ালসড়ক নির্মাণেরও পরিকল্পনা আছে। উড়ালসড়কটি এখান থেকে গুলিস্তান, পল্টন হয়ে শান্তিনগরে গিয়ে শেষ হবে। এলাকার ভেতরে চলাচলের জন্য ১২ দশমিক ১৯ মিটার থেকে ৩৬ দশমিক ৫৮ মিটার প্রস্থের রাস্তা তৈরি করা হবে। এলাকার চারপাশে মোট ছয়টি প্রবেশপথ থাকবে। মূল প্রবেশপথের সামনে থাকবে ৬০ দশমিক ৪০ মিটার প্রস্থের রাস্তা। এটি ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হলে এখান থেকে ঢাকা শহরের পাশাপাশি দেশের দক্ষিণাঞ্চলে যোগাযোগ সহজ হবে।

দাম: নির্মাণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রতি বর্গফুট ফ্ল্যাটের নির্মাণ ব্যয় ধরেছে ৩ হাজার ৬৯৬ টাকা। আনুষ্ঠানিকভাবে নির্মাণকাজ শুরু করার পর প্রতি বর্গফুট ৪৯০০-৫১০০ টাকায় বিক্রি করবে রাজউক। বিক্রির জন্য রাজউকের অন্যান্য ফ্ল্যাট প্রকল্পের মতো এ ক্ষেত্রেও আবেদন আহ্বান করা হবে। লটারির মাধ্যমে ফ্ল্যাট বরাদ্দ চূড়ান্ত করা হবে। এ ক্ষেত্রেও কিস্তি সুবিধা থাকবে। সাধারণ ক্রেতাদের সুবিধার্থে দীর্ঘ মেয়াদে কিস্তি সুবিধা দেওয়ার বিষয়টিও রাজউক বিবেচনা করছে বলে জানা গেছে।

ফ্ল্যাটের নির্মাণ ব্যয় (৩ হাজার ৬৯৬ টাকা/প্রতি বর্গফুট) প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ধরা হয়েছে কি না জানতে চাইলে প্রকল্পসংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে রাজউক জমি দিচ্ছে আর বিদেশি প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ করছে। ফ্ল্যাট নির্মাণে যে দাম ধরা হয়েছে, সেটি যৌক্তিক। এতে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ন্যায্য একটি অংশ লাভ ধরেছে। আর নির্মাণের ক্ষেত্রে আরসিসি ঢালাই ব্যবহার করায় খরচ বেশি পড়বে। এ ছাড়া প্রকল্প এলাকায় ফ্ল্যাট ছাড়াও রাস্তা, স্কুল-কলেজ, লেকসহ অন্যান্য সুবিধা আছে। এর সবই তাদের টাকায় নির্মাণ করবে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া প্রকল্প বাস্তবায়নের শুরু থেকে পরবর্তী আট বছর রক্ষণাবেক্ষণের কাজও করবে নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান। অন্যদিকে রাজউক যখন সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রি করবে, তখন প্রতি বর্গফুট ফ্ল্যাটের জন্য ৩ হাজার ৬৯৬ টাকার সঙ্গে জমির দাম যোগ হবে।

অগ্রগতি: প্রকল্পটি বাস্তবায়নে চুক্তি হয়েছিল ২০১৭ সালে। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে রাজউকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, পরের বছর প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু হবে এবং ২০২২ সালে প্রকল্পের সব কাজ শেষ হবে। কিন্তু এখনো প্রকল্প বাস্তবায়নের মূল কাজ শুরু হয়নি। এই বিলম্বের কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে এই প্রকল্পের পরিচালক ও রাজউকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. নুরুল ইসলাম বলেন, অনেক বড় আকারের এই প্রকল্পের নকশা চূড়ান্ত করাসহ আনুষঙ্গিক কিছু কাজে সময় লেগেছে। এখন সবকিছু চূড়ান্ত হয়েছে। চলতি মাসেই প্রকল্পের মূল কাজ শুরু হবে। পাশাপাশি ফ্ল্যাটের আবেদনের জন্য প্রসপেক্টাস তৈরির কাজও শুরু হয়েছে। আগামী ডিসেম্বর বা জানুয়ারি নাগাদ ফ্ল্যাট বরাদ্দের আবেদন আহ্বান করা হবে।

ধেয়ে আসছে দানবীয় উল্কাপিণ্ড
                                  

ফিচার ডেস্ক

প্রায় সাড়ে ছয় কোটি বছর আগে পৃথিবীর বুকে বিচরণ ছিল বিশালাকার ডাইনোসরের। ভয়াবহ এক দুর্ঘটনায় বিলুপ্ত হয়ে যায় অতিকায় এসব প্রাণী। মেক্সিকো উপসাগরের তীরে ইউকাটান উপদ্বীপে ১২ কিলোমিটার চওড়া এক উল্কাপিণ্ডের আঘাতে মুহূর্তেই নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় ১৭ কোটি বছর পৃথিবীতে রাজত্বকারী ডাইনোসর। তেমন আরেকটি উল্কা ধেয়ে আসছে পৃথিবীর দিকে।


আগামী ২০ ডিসেম্বর পৃথিবী মুখোমুখি হবে প্রায় পাঁচশ’ মিটার চওড়া এ দানবের। তবে, সুখের বিষয় হচ্ছে, ২১৬২৫৮ ২০০৬ ডব্লিউ এইচ ওয়ান নামের এ উল্কাটি পৃথিবীতে আঘাত হানবে না। ৩৭ লাখ মাইল দূর থেকেই পৃথিবীকে পাশ কাটিয়ে চলে যাবে উল্কাটি।

উল্কাপিণ্ডটি পৃথিবীতে আঘাত করলে সম্পূর্ণ একটি শহর পৃথিবীর মানচিত্র থেকে মুছে যেতে পারতো বলে জানিয়েছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। যদিও, সেই আশংকা যে একেবারেই নেই, তা কিন্তু নয়।

ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি (ইএসএ) সম্প্রতি আরও একটি উল্কাপিণ্ড পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসার বিষয় খবর পেয়েছে। ২০১৯ এস ইউ থ্রি নামে চিহ্নিত ১৪ মিটার চওড়া এ উল্কাটি ২০৮৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর পৃথিবীর নিকটে আসবে।

মহাকাশ বিজ্ঞানীরা বলছেন, উল্কাপিণ্ডটির পৃথিবীতে আঘাত হানার সম্ভাবনা ৩৮৫ ভাগের মধ্যে এক ভাগ।

৭৩ হাজার ৪৩৫ মাইল দূর থেকে আসা এ উল্কাটিকে ইতোমধ্যেই ‘ঝুঁকি তালিকা’য় অর্ন্তভুক্ত করেছে ইএসএ।

 
কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় কলমি শাক
                                  

অনলাইন ডেস্ক : কলমি শাক এশিয়ার প্রায় সব দেশেই জনপ্রিয়। সবুজ এ শাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, ভিটামিন এবং খনিজ পাওয়া যায়।

নিয়মিত খাদ্য তালিকায় এ শাকটি রাখলে বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যায়। যেমন-

১. কলমি শাকে খুব সামান্য পরিমাণে ক্যালরি থাকে। এটি ফাইবারের দারুণ উৎস। নিয়মিত এ শাক খেলে শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমানো যায়।

২. কলমি শাক উপস্থিত ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে দারুণ কার্যকরী। এটি হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। নিয়মিত এ শাক খেলে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমে।

৩. নিয়মিত কলমি শাক খেলে হৃদরোগজনিত জটিলতা ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে। এতে থাকা ফাইবার অতিরিক্ত কোলেস্টেরল কমায়।

৪. শরীরে আয়রনের ঘাটতি পূরণ করতে সাহায্য করে কলমি শাক। এতে থাকা আয়রন থাইরয়েডের কার্যকারিতা ঠিক রাখে। এছাড়া বিপাকক্রিয়া বাড়ানো, তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখা এবং লোহিত রক্তকণিকা উৎপন্ন করতেও কলমি শাকের জুড়ি নেই।

৫. কলমি শাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ থাকে। নিয়মিত এ শাক খেলে দৃষ্টিশক্তি উন্নত হয়। সূত্র : হেলদিবিল্ডার্জড

কোরবানির সুস্থ গরু চিনবেন কিভাবে?
                                  

আর মাত্র কয়েকদিন পরেই ঈদুল আযহা। এ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে জমে উঠেছে শুরু করেছে কোরবানির পশুর হাট।

ওষুধ দিয়ে মোটাতাজা করা গরুতে এসব ক্ষতিকর উপাদান থাকে রান্নার পরেও মাংসে থেকে যেতে পারে। আর সেই মাংস খেলে রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। নিরাপদ মাংসের জন্য তাই সুস্থ গরু চেনাটা খুব জরুরি।

হাটে বিক্রির জন্য যেসব গরু আসে, সেগুলোর মধ্যে রোগাক্রান্ত অথবা ক্ষতিকর রাসায়নিক ও ওষুধযুক্ত গরুর সংখ্যাও কম না। প্রাণীবিজ্ঞানদের মতে স্টেরয়েড দিয়ে মোটাতাজা করা গরু দেখতে চকচকে, হৃষ্টপুষ্ট ও আকর্ষণীয় দেখালেও হলেও সেগুলো মাংস খেলে রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

পশু বিশেষজ্ঞরা গরু কেনার সময় কয়েকটি বিষয় লক্ষ্য রাখতে পরামর্শ দিয়েছেন:

ওষুধ দেয়া গরুর মাংসপেশি ও শরীরের অন্য অঙ্গগুলো অস্বাভাবিকভাবে ফুলে থাকে।

শরীরে পানি জমায় বিভিন্ন অংশে চাপ দিলে সেখানে গর্ত হয়ে দেবে যাবে, এবং স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে সময় নেবে। অতিরিক্ত ওজনের কারণে এ সব গরু চলাফেরা বা স্বাভাবিক নাড়াচাড়া করতে পারেনা। শান্ত থাকে।

রাসায়নিকযুক্ত গরু ভীষণ ক্লান্ত থাকবে এবং ঝিমাবে। সুস্থ গরুর গতিবিধি চটপটে থাকে। পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি বুঝে প্রতিক্রিয়া দেখায়। কান ও লেজ দিয়ে মশা মাছি তাড়ায়।

ওষুধ খাওয়ানো গরু শ্বাস প্রশ্বাস দ্রুত হয়। মনে হবে যেন হাঁপাচ্ছে।

স্টেরয়েড দেয়া গরুর মুখ থেকে প্রতিনিয়ত লালা ঝরবে। কিছু খেতে চাইবে না। সুস্থ গরুর মুখের সামনে খাবার ধরলে সেটা টেনে খাবে। না হলে জাবরকাটবে।


কোরবানির সুস্থ গরু চিনবেন যেভাবে:

গরুর বয়স ন্যূনতম দুই বছর হলেই এটা কোরবানির জন্য উপযুক্ত হবে। এক্ষেত্রে গরুর দাঁত দেখে বয়স যাচাই করে নিতে হবে।

গরুর নীচের পাটিতে যদি দুধ দাঁতের পাশাপাশি সামনে অন্তত দুটি কোদালের মতো স্থায়ী দাঁত থাকে তাহলে বুঝতে হবে গরুটি কোরবানির উপযুক্ত হয়েছে।

গরু শিং ভাঙ্গা লেজ কাটা কিংবা মুখ, জিহ্বা, শরীর, পা, ক্ষুর, গোড়ালিতে কোন ক্ষত আছে কিনা দেখে নিতে হবে।

সুস্থ গরুর রানের মাংস শক্ত থাকবে।

সুস্থ গরুর চামড়ার ওপর দিয়ে কয়েকটা পাঁজরেরহাড় বোঝা যাবে।

দিনের আলো থাকতে থাকতেই গরু কেনা উচিত। রাতের বেলা গরুর এতোগুলো বিষয় ঠিকঠাক যাচাই করা সম্ভব নাও হতে পারে। এছাড়া মোটা গরুর পরিবর্তে সুস্থ গরু কোরবানি দেয়া ভালো।

ডেঙ্গু জ্বর সম্পর্কে ১০টি তথ্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
                                  

শরীরে কোন লক্ষণ দেখলে আপনি বুঝবেন যে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন এবং সেক্ষেত্রে আপনার করণীয় কী হতে পারে? আসুন জেনে নেই ডেঙ্গুজ্বর সম্পর্কে ১০টি গুরুত্বর্পর্ণ তথ্য।

১. ডেঙ্গুর লক্ষণগুলো : সাধারণভাবে ডেঙ্গুর লক্ষণ হচ্ছে জ্বর। ১০১ ডিগ্রি থেকে ১০২ ডিগ্রি তাপমাত্রা থাকতে পারে। জ্বর একটানা থাকতে পারে, আবার ঘাম দিয়ে জ্বর ছেড়ে দেবার পর আবারো জ্বর আসতে পারে। এর সাথে শরীরে ব্যথা মাথাব্যথা, চেখের পেছনে ব্যথা এবং চামড়ায় লালচে দাগ (র‍্যাশ) হতে পারে। তবে এগুলো না থাকলেও ডেঙ্গু হতে পারে।

২. জ্বর হলেই ডাক্তারের পরামর্শ নিন: এখন যেহেতু ডেঙ্গুর সময়, সেজন্য জ্বর হল অবহেলা করা উচিত নয়। জ্বরে আক্রান্ত হলেই সাথে-সাথে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

৩. বিশ্রামে থাকতে হবে: জ্বর হলে বিশ্রামে থাকতে হবে। জ্বর নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করা উচিত নয়। একজন ব্যক্তি সাধারণত প্রতিদিন যেসব পরিশ্রমের কাজ করে, সেগুলো না করাই ভালো। পরিপূর্ণ বিশ্রাম প্রয়োজন।”

৪. কী খাবেন: প্রচুর পরিমাণে তরল জাতীয় খাবার গ্রহণ করতে হবে। যেমন – ডাবের পানি, লেবুর শরবত, ফলের জুস এবং খাবার স্যালাইন গ্রহণ করা যেতে পারে। এমন নয় যে প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে, পানি জাতীয় খাবার গ্রহণ করতে হবে।

৫. যেসব ঔষধ খাওয়া উচিত নয়: ডেঙ্গু জ্বর হলে প্যারাসিটামল খাওয়া যাবে। স্বাভাবিক ওজনের একজন প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তি প্রতিদিন সর্বোচ্চ চারটি প্যারাসিটামল খেতে পারবে।”

চিকিৎসকরা বলছেন, প্যারাসিটামলের সর্বোচ্চ ডোজ হচ্ছে প্রতিদিন চার গ্রাম। কিন্তু কোন ব্যক্তির যদি লিভার, হার্ট এবং কিডনি সংক্রান্ত জটিলতা থাকে, তাহলে প্যারাসিটামল সেবনের আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে গায়ে ব্যথার জন্য অ্যাসপিরিন জাতীয় ঔষধ খাওয়া যাবে না। ডেঙ্গুর সময় অ্যাসপিরিন জাতীয় ঔষধ গ্রহণ করলে রক্তক্ষরণ হতে পারে।

৬. প্ল্যাটিলেট বা রক্তকণিকা নিয়ে চিন্তিত?: ডেঙ্গু জ্বরের ক্ষেত্রে প্ল্যাটিলেট বা রক্তকণিকা এখন আর মূল ফ্যাক্টর নয় । ”প্ল্যাটিলেট কাউন্ট নিয়ে উদ্বিগ্ন হবার কোন প্রয়োজন নেই। বিষয়টি চিকিৎসকের উপর ছেড়ে দেয়াই ভালো।” সাধারণত একজন মানুষের রক্তে প্ল্যাটিলেট কাউন্ট থাকে দেড়-লাখ থেকে সাড়ে চার-লাখ পর্যন্ত।

৭. ডেঙ্গু হলেই কি হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়?: ডেঙ্গু জ্বরের তিনটি ভাগ রয়েছে। এ ভাগগুলো হচ্ছে – ‘এ’, ‘বি’ এবং ‘সি’। প্রথম ক্যাটাগরির রোগীরা নরমাল থাকে। তাদের শুধু জ্বর থাকে। অধিকাংশ ডেঙ্গু রোগী ‘এ’ ক্যাটাগরির।

তাদের হাসপাতালে ভর্তি হবার কোন প্রয়োজন নেই। ‘বি’ ক্যাটাগরির ডেঙ্গু রোগীদের সবই স্বাভাবিক থাকে, কিন্তু শরীরে কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায়। যেমন তার পেটে ব্যথা হতে পারে, বমি হতে পারে প্রচুর কিংবা সে কিছুই খেতে পারছে না। অনেক সময় দেখা যায়, দুইদিন জ্বরের পরে শরীর ঠাণ্ডা হয়ে যায়। এক্ষেত্রে হাসপাতাল ভর্তি হওয়াই ভালো। ‘সি’ ক্যাটাগরির ডেঙ্গু জ্বর সবচেয়ে খারাপ। কিছু-কিছু ক্ষেত্রে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র বা আইসিইউ’র প্রয়োজন হতে পারে।

৮. ডেঙ্গুর জ্বরের সময়কাল: সাধারণত জুলাই থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ থাকে। কারণ এ সময়টিতে এডিস মশার বিস্তার ঘটে। কিন্তু এবার দেখা যাচ্ছে ডেঙ্গু জ্বরের সময়কাল আরো এগিয়ে এসেছে। এখন জুন মাস থেকেই ডেঙ্গুজ্বরের সময় শুরু হয়ে যাচ্ছে।

৯. এডিস মশা কখন কামড়ায়: ডেঙ্গু জ্বরের জন্য দায়ী এডিস মশা অন্ধকারে কামড়ায় না। সাধারণত সকালের দিকে এবং সন্ধ্যার কিছু আগে এডিস মশা তৎপর হয়ে উঠে। এডিস মশা কখনো অন্ধকারে কামড়ায় না।

১০. পানি জমিয়ে না রাখা: ”এডিস মশা ‘ভদ্র মশা’ হিসেবে পরিচিত। এসব মশা সুন্দর-সুন্দর ঘরবাড়িতে বাস করে। এডিস মশা সাধারণত ডিম পাড়ে স্বচ্ছ পানিতে। কোথাও যাতে পানি তিন থেকে পাঁচদিনের বেশি জমা না থাকে। এ পানি যে কোন জায়গায় জমতে পারে। বাড়ির ছাদে কিংবা বারান্দার ফুলের টবে, নির্মাণাধীন ভবনের বিভিন্ন পয়েন্টে, রাস্তার পাশে পড়ে থাকা টায়ার কিংবা অন্যান্য পাত্রে জমে থাকা পানিতে এডিস মশা বংশবিস্তার করে।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

সঙ্গীর হাতে আলতো চাপ দিলে যেসব রোগ নিয়ন্ত্রণে থাকবে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : জীবনে প্রিয় মানুষটির সঙ্গে দেখা হওয়া। তার সঙ্গে সম্পর্কে বাঁধা পড়া ও একত্রে বাস করা- এগুলো সবই যদি সুখী জীবনের ছবি হয়, তা হলে সুস্থ জীবনের ছকটাও ঠিক এর সঙ্গেই হাত ধরাধরি করে আছে। আর এই ‘হাত ধরা’-তেই মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের উন্নতি লুকিয়ে আছে বলে দাবি চিকিৎসাবিজ্ঞানের।


সঙ্গীর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের সহজ পন্থা অনেক আছে। তার মধ্যে অন্যতম স্পর্শ। হাতে হাত রাখা, তালুবন্দি করে ফেলা সঙ্গীর তালু- আর এতেই নিয়ন্ত্রণে থাকতে পারে হৃদরোগ, ব্যথা বেদনা, ব্যস্ত জীবনের স্ট্রেস! হ্যাঁ, এমনটাই দাবি মনোবিজ্ঞানীদের। তবে দায়সারা নয়, ভালোবাসার রসায়ন তাতে থাকতে হবে বইকি!
সঙ্গীর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের সহজ পন্থা অনেক আছে। তার মধ্যে অন্যতম স্পর্শ। হাতে হাত রাখা, তালুবন্দি করে ফেলা সঙ্গীর তালু- আর এতেই নিয়ন্ত্রণে থাকতে পারে হৃদরোগ, ব্যথা বেদনা, ব্যস্ত জীবনের স্ট্রেস! হ্যাঁ, এমনটাই দাবি মনোবিজ্ঞানীদের। তবে দায়সারা নয়, ভালোবাসার রসায়ন তাতে থাকতে হবে বইকি!

লস অ্যাঞ্জেলসের ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটির গবেষকদের সমীক্ষায় ধরা পড়েছে এমনই তথ্য। কয়েক হাজার দম্পতির মধ্যে একটি পরীক্ষা চালান তারা। তাতে দেখা যায়, ভালোবাসা বোঝাতে হাতে হাত রাখেন এমন দম্পতির প্রায় ৭৫ শতাংশই সঙ্গীর চাহিদা ও অব্যক্ত কথা প্রায়শই বুঝে যান। বাকি ২৫ শতাংশ অল্প ইঙ্গিতেই বোঝেন সঙ্গীর মনের কথা।
লস অ্যাঞ্জেলসের ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটির গবেষকদের সমীক্ষায় ধরা পড়েছে এমনই তথ্য। কয়েক হাজার দম্পতির মধ্যে একটি পরীক্ষা চালান তারা। তাতে দেখা যায়, ভালোবাসা বোঝাতে হাতে হাত রাখেন এমন দম্পতির প্রায় ৭৫ শতাংশই সঙ্গীর চাহিদা ও অব্যক্ত কথা প্রায়শই বুঝে যান। বাকি ২৫ শতাংশ অল্প ইঙ্গিতেই বোঝেন সঙ্গীর মনের কথা।

গবেষণার আয়োজক ম্যাথু হার্টেনস্টেনের মতে, শুধু মানসিক বোঝাপড়াই নয়, লভ হরমোন অক্সিটোসিন ক্ষরণে সাহায্য করে হাতের উপর হাত রাখার অভ্যাস। এই উষ্ণতাতেই যৌন জীবন, একে অন্যের সহমর্মী ও বিশ্বাসী হয়ে ওঠার ঝোঁক বাড়ে।
গবেষণার আয়োজক ম্যাথু হার্টেনস্টেনের মতে, শুধু মানসিক বোঝাপড়াই নয়, লভ হরমোন অক্সিটোসিন ক্ষরণে সাহায্য করে হাতের উপর হাত রাখার অভ্যাস। এই উষ্ণতাতেই যৌন জীবন, একে অন্যের সহমর্মী ও বিশ্বাসী হয়ে ওঠার ঝোঁক বাড়ে।

আর বিশ্বাস, ভালোবাসা ও সহমর্মিতা এলে যে মানসিক চাপ উধাও হবে এ তো স্বাভাবিক। সারা দিনের কাজের চাপ, ক্লান্তি-বিরক্তি এ সবই সরিয়ে দিতে পারেন শুধু এক ছোঁয়ায়। নিরাপত্তা ও আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার আর এক অসাধারণ উপায় বলে একে ব্যাখ্যা করেছেন মনোবিদ অমিতাভ মুখোপাধ্যায়ও।
আর বিশ্বাস, ভালোবাসা ও সহমর্মিতা এলে যে মানসিক চাপ উধাও হবে এ তো স্বাভাবিক। সারা দিনের কাজের চাপ, ক্লান্তি-বিরক্তি এ সবই সরিয়ে দিতে পারেন শুধু এক ছোঁয়ায়। নিরাপত্তা ও আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার আর এক অসাধারণ উপায় বলে একে ব্যাখ্যা করেছেন মনোবিদ অমিতাভ মুখোপাধ্যায়ও।

শুধু মনের চাপই নয়, শরীরে ব্যথা-বেদনার দাওয়াইও যে ভালবেসে হাত ধরার মধ্যে লুকিয়ে তা বিভিন্ন গবেষণায় দাবি করেছেন কলোরাডো বোল্ডার ইউনিভার্সিটির গবেষকরা। তাদের দাবি এতে যে ফিল গুড হরমোন ক্ষরিত হয়, মরফিনের মতো বেদনানাশক ওষুধের চেয়েও তা শক্তিশালী।
শুধু মনের চাপই নয়, শরীরে ব্যথা-বেদনার দাওয়াইও যে ভালবেসে হাত ধরার মধ্যে লুকিয়ে তা বিভিন্ন গবেষণায় দাবি করেছেন কলোরাডো বোল্ডার ইউনিভার্সিটির গবেষকরা। তাদের দাবি এতে যে ফিল গুড হরমোন ক্ষরিত হয়, মরফিনের মতো বেদনানাশক ওষুধের চেয়েও তা শক্তিশালী।

গবেষণায় দেখা গিয়েছে দিনের অন্তত পাঁচ-দশ মিনিট সঙ্গীর হাত ধরে বসে থাকেন এমন মানুষদের ক্ষেত্রে ব্যথা-বেদনায় ভোগার সম্ভাবনা কমে যায় প্রায় ৬৫ শতাংশ। এখানেও প্রায় বারোশো দম্পতির উপর পরীক্ষা চালান গবেষকরা।

গবেষণায় দেখা গিয়েছে দিনের অন্তত পাঁচ-দশ মিনিট সঙ্গীর হাত ধরে বসে থাকেন এমন মানুষদের ক্ষেত্রে ব্যথা-বেদনায় ভোগার সম্ভাবনা কমে যায় প্রায় ৬৫ শতাংশ। এখানেও প্রায় বারোশো দম্পতির উপর পরীক্ষা চালান গবেষকরা।

বিহেভিওরাল মেডিসিন জার্নালে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, হাতে হাত রাখার অভ্যাস নিয়ন্ত্রণে রাখে রক্তচাপ। হার্টের অসুখকেও দূরে রাখে। বিশেষ করে অত্যধিক চাপ ও রাত জাগার অভ্যাস থাকলে এই দাওয়াই কিছুটা ক্ষতিপূরণ করে হার্টের।
বিহেভিওরাল মেডিসিন জার্নালে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, হাতে হাত রাখার অভ্যাস নিয়ন্ত্রণে রাখে রক্তচাপ। হার্টের অসুখকেও দূরে রাখে। বিশেষ করে অত্যধিক চাপ ও রাত জাগার অভ্যাস থাকলে এই দাওয়াই কিছুটা ক্ষতিপূরণ করে হার্টের।

মানসিক চাপ কমাতে এই উপায় তুলনাহীন! হাতে হাত রাখার মাধ্যমে সঙ্গীর প্রতি যে উষ্ণতার বার্তা যায়, তাতে সে বেঁচে থাকার বাড়তি টান ও বিপদকে মোকাবিলা করার মানসিক শক্তি পায় বলে দাবি ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটির গবেষকদের। এই মতে সায় রয়েছে কলকাতার মনোবিদদেরও।
মানসিক চাপ কমাতে এই উপায় তুলনাহীন! হাতে হাত রাখার মাধ্যমে সঙ্গীর প্রতি যে উষ্ণতার বার্তা যায়, তাতে সে বেঁচে থাকার বাড়তি টান ও বিপদকে মোকাবিলা করার মানসিক শক্তি পায় বলে দাবি ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটির গবেষকদের। এই মতে সায় রয়েছে কলকাতার মনোবিদদেরও।

মনোবিদদের দাবি, ভালোবাসা বজায় রেখে হাতে হাত রাখার উপকারিতা অসীম। আর এই কাজের জন্য কোনো কারণও লাগে না। বরং নিজেদের মধ্যের সুসম্পর্ক ও বোঝাপড়াই যথেষ্ট। এমনকি সাময়িক অশান্তি বা ঝগড়ার পর এই অভ্যাস ভেঙে দিতে পারে অনেক অভিমানও- দাবি বিজ্ঞানীদের। তাই ভেঙে পড়া সম্পর্ককে বাঁচাতেও এর জুড়ি নেই।

মনোবিদদের দাবি, ভালোবাসা বজায় রেখে হাতে হাত রাখার উপকারিতা অসীম। আর এই কাজের জন্য কোনো কারণও লাগে না। বরং নিজেদের মধ্যের সুসম্পর্ক ও বোঝাপড়াই যথেষ্ট। এমনকি সাময়িক অশান্তি বা ঝগড়ার পর এই অভ্যাস ভেঙে দিতে পারে অনেক অভিমানও- দাবি বিজ্ঞানীদের। তাই ভেঙে পড়া সম্পর্ককে বাঁচাতেও এর জুড়ি নেই।

‘হাতের উপর হাত রাখা খুব সহজ নয়’, লিখেছিলেন তার ‘সঙ্গিনী’ কবিতায়। কিন্তু এই কঠিন কাজটাই এবার সহজ করে নেওয়ার পালা।
‘হাতের উপর হাত রাখা খুব সহজ নয়’, লিখেছিলেন তার ‘সঙ্গিনী’ কবিতায়। কিন্তু এই কঠিন কাজটাই এবার সহজ করে নেওয়ার পালা।

মোনালিসা সম্পর্কে ৭ অজানা তথ্য
                                  

রহস্যময় হাসির কারণে কয়েক শতাব্দী ধরে সারা দুনিয়ায় আলোচনার বিষয় ‘মোনালিসা’। বহু শিল্পী, চলচ্চিত্র নির্মাতা, সংগীতশিল্পী এবং লেখককে অনুপ্রেরণা জোগায় এই শিল্পকর্ম। মোনালিসার ৫০০ বছরের ইতিহাস এখনও মানুষকে মুুগ্ধ করে।

নানা জল্পনা-কল্পনা: ১৬ শতকের শুরুতে লিওনার্দো দা ভিঞ্চি যার ছবি আঁকেন তা নিয়ে নানান ধরনের জল্পনা- কল্পনা ছিল। অনেকে বলতেন, নারী ও পুরুষ- উভয়েই ঐ ছবির মডেল হয়েছিলেন। তবে আরও ব্যাপকভাবে স্বীকৃত ব্যাখ্যা মতে, মোনালিসা আসলে ফ্লোরেনটাইনের এক রেশম ব্যবসায়ীর স্ত্রী লিসা দেল জিওকোন্ডো।
নানা জল্পনা-কল্পনা: ১৬ শতকের শুরুতে লিওনার্দো দা ভিঞ্চি যার ছবি আঁকেন তা নিয়ে নানান ধরনের জল্পনা- কল্পনা ছিল। অনেকে বলতেন, নারী ও পুরুষ- উভয়েই ঐ ছবির মডেল হয়েছিলেন। তবে আরও ব্যাপকভাবে স্বীকৃত ব্যাখ্যা মতে, মোনালিসা আসলে ফ্লোরেনটাইনের এক রেশম ব্যবসায়ীর স্ত্রী লিসা দেল জিওকোন্ডো।

বিখ্যাত অনুরক্তরা: ১৫১৯ সালে লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চির মৃত্যুর পর ফরাসি রাজাদের ব্যক্তিগত সংগ্রহে ছবিটি রাখা হয়। ফরাসি বিপ্লবের পর নেপোলিয়ন বোনাপার্টের শোবার ঘরে জায়গা হয় মোনালিসার। ১৮১৫ সালে জনসাধারণের দেখার জন্য এই চিত্রকর্ম রাখা হয় প্যারিসের ল্যুভর মিউজিয়ামে।
বিখ্যাত অনুরক্তরা: ১৫১৯ সালে লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চির মৃত্যুর পর ফরাসি রাজাদের ব্যক্তিগত সংগ্রহে ছবিটি রাখা হয়। ফরাসি বিপ্লবের পর নেপোলিয়ন বোনাপার্টের শোবার ঘরে জায়গা হয় মোনালিসার। ১৮১৫ সালে জনসাধারণের দেখার জন্য এই চিত্রকর্ম রাখা হয় প্যারিসের ল্যুভর মিউজিয়ামে।

মোনালিসার জুড়ি: যমজ মোনালিসার দেখা মেলে মাদ্রিদের মিউজিও ডেল প্রাডোতে। ২০১২ সালে জানা যায় যে এই ছবিটি মূল ছবির সময়েই আঁকা হয়েছিল। দুটি ছবি একই ইতালীয় ব্যাকগ্রাউন্ড ও ল্যান্ডস্কেপে করা। দ্বিতীয় ছবিটি সম্ভবত ভিঞ্চির এক ছাত্র ফ্রান্সিসকো মেলজির আঁকা।
মোনালিসার জুড়ি: যমজ মোনালিসার দেখা মেলে মাদ্রিদের মিউজিও ডেল প্রাডোতে। ২০১২ সালে জানা যায় যে এই ছবিটি মূল ছবির সময়েই আঁকা হয়েছিল। দুটি ছবি একই ইতালীয় ব্যাকগ্রাউন্ড ও ল্যান্ডস্কেপে করা। দ্বিতীয় ছবিটি সম্ভবত ভিঞ্চির এক ছাত্র ফ্রান্সিসকো মেলজির আঁকা।

অদৃশ্য কাজ: হারিয়ে যাওয়ার আগে পর্যন্ত ‘মোনালিসা’ কিন্তু সেই অর্থে বিখ্যাত কোনো শিল্পকর্ম ছিল না। নিজের দেশে ফেরত নিয়ে যাবার আশায় এক ইতালীয় ১৯১১ সালে প্যারিসের ল্যুভর থেকে ছবিটি চুরি করে। ঐ ব্যক্তি গ্রেফতার হওয়ার আগে প্রায় দুই বছর ছবিটির কোনো হদিস ছিল না। তারপর ছবিটি আবারও ল্যুভরে ফিরে আসে।
অদৃশ্য কাজ: হারিয়ে যাওয়ার আগে পর্যন্ত ‘মোনালিসা’ কিন্তু সেই অর্থে বিখ্যাত কোনো শিল্পকর্ম ছিল না। নিজের দেশে ফেরত নিয়ে যাবার আশায় এক ইতালীয় ১৯১১ সালে প্যারিসের ল্যুভর থেকে ছবিটি চুরি করে। ঐ ব্যক্তি গ্রেফতার হওয়ার আগে প্রায় দুই বছর ছবিটির কোনো হদিস ছিল না। তারপর ছবিটি আবারও ল্যুভরে ফিরে আসে।

আক্রমণের লক্ষ্য: মোনালিসাকে নিয়ে অনেকে অনেক ধরনের অনুভূতি প্রকাশ করে থাকেন, যার সবই কিন্তু ইতিবাচক নয়। ১৯৫৬ সালে এই ছবির ওপর ভাঙচুরের দুটি ঘটনা ঘটে। একজন তো ছবিটির ওপর অ্যাসিড ছুঁড়ে মারে। ফলে বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় চিত্রকর্মটি। এরপর এক বলিভিয়ান পর্যটক এর ওপর পাথর ছোঁড়ে। তারপর থেকে, মোনালিসাকে বুলেট প্রুফ কাঁচের ভেতরে সুরক্ষিত রাখা হয়।
আক্রমণের লক্ষ্য: মোনালিসাকে নিয়ে অনেকে অনেক ধরনের অনুভূতি প্রকাশ করে থাকেন, যার সবই কিন্তু ইতিবাচক নয়। ১৯৫৬ সালে এই ছবির ওপর ভাঙচুরের দুটি ঘটনা ঘটে। একজন তো ছবিটির ওপর অ্যাসিড ছুঁড়ে মারে। ফলে বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় চিত্রকর্মটি। এরপর এক বলিভিয়ান পর্যটক এর ওপর পাথর ছোঁড়ে। তারপর থেকে, মোনালিসাকে বুলেট প্রুফ কাঁচের ভেতরে সুরক্ষিত রাখা হয়।

রহস্যের পেছনে ‘স্ফুম্যাটো’র প্রভাব: অগণিত বিজ্ঞানী ও ইতিহাসবিদ এই শিল্পকর্মের বিশ্লেষণ করেছেন। পেয়েছেন বিস্ময়কর সব তথ্য। ২০০৮ সালে, মোনালিসার হেঁয়ালিপূর্ণ হাসির রহস্য ভেদ করা হয়। ছবি আঁকার একটি কৌশলের নাম ‘স্ফুম্যাটো’। ভিঞ্চি ঝাপসা এক ধরণের এফেক্ট তৈরি করতে রঙের পাতলা অনেকগুলো স্তর তৈরি করতেন। এর ফলেই ছবিতে সৃষ্টি হতো এক ধরনের রহস্যময়তা।
রহস্যের পেছনে ‘স্ফুম্যাটো’র প্রভাব: অগণিত বিজ্ঞানী ও ইতিহাসবিদ এই শিল্পকর্মের বিশ্লেষণ করেছেন। পেয়েছেন বিস্ময়কর সব তথ্য। ২০০৮ সালে, মোনালিসার হেঁয়ালিপূর্ণ হাসির রহস্য ভেদ করা হয়। ছবি আঁকার একটি কৌশলের নাম ‘স্ফুম্যাটো’। ভিঞ্চি ঝাপসা এক ধরণের এফেক্ট তৈরি করতে রঙের পাতলা অনেকগুলো স্তর তৈরি করতেন। এর ফলেই ছবিতে সৃষ্টি হতো এক ধরনের রহস্যময়তা।

এক দীর্ঘ ইতিহাস: শিল্পের ইতিহাসে ‘মোনালিসা’ কেবল প্রশংসাই লাভ করেনি, বরং অগণিত শিল্পীকে বৈচিত্রপূর্ণ কাজ করতে অনুপ্রাণিত করেছে। বিংশ শতাব্দীর এই মিডিয়া আইকনকে সাহিত্য, সঙ্গীত, বিজ্ঞাপন সবকিছুতেই পাওয়া যায়। বব ডিলান একবার বলেছিলেন, ‘মোনালিসার অবশ্যই হাইওয়ে বøুজ আছে। ওর হাসি দেখেই তা বলে দেয়া যায়।’
এক দীর্ঘ ইতিহাস: শিল্পের ইতিহাসে ‘মোনালিসা’ কেবল প্রশংসাই লাভ করেনি, বরং অগণিত শিল্পীকে বৈচিত্রপূর্ণ কাজ করতে অনুপ্রাণিত করেছে। বিংশ শতাব্দীর এই মিডিয়া আইকনকে সাহিত্য, সঙ্গীত, বিজ্ঞাপন সবকিছুতেই পাওয়া যায়। বব ডিলান একবার বলেছিলেন, ‘মোনালিসার অবশ্যই হাইওয়ে বøুজ আছে। ওর হাসি দেখেই তা বলে দেয়া যায়।’

`বড় বাপের পোলায় খায়, ঠোঙা ভইরা লইয়া যায়`
                                  

অনলাইন ডেস্ক : ঐতিহ্য আর খানদানি ইফতার মানেই পুরান ঢাকার ইফতার সামগ্রী। মোগল আমলের ঐতিহ্যের ছাপ ও ছোঁয়ার এসব ইফতারি কালক্রমে ঢাকার সব এলাকায় ছড়িয়ে পড়লেও এখনো স্বাতন্ত্র্য বিদ্যমান পুরান ঢাকাতেই। প্রতি বছরের মতো এবারও সরগরম হয়েছে পুরান ঢাকার চকবাজার, নাজিমউদ্দিন রোড, চক সার্কুলার রোড, নর্থ সাউথ রোড, শাহী মসজিদ রোডসহ বিভিন্ন এলাকা।

শত শত দোকানে নানা বৈশিষ্ট্যপূর্ণ ইফতারি পণ্যের সমাহারে পুরান ঢাকা। সেখানে এই রকমারি ইফতার বাজারের একটি জনপ্রিয় আইটেম `বড় বাপের পোলায় খায়`।

নামকরা তথা ঐতিহ্যময় একটি ইফতারি পণ্য এটি। এটি তৈরিতে ডিম, গরুর মগজ, আলু, ঘি, কাঁচা ও শুকনো মরিচ, গরুর কলিজা, মুরগির মাংসের কুচি, মুরগির গিলা কলিজা, সুতি কাবাব, মাংসের কিমা, চিড়া, ডাবলি, বুটের ডাল, মিষ্টি কুমড়াসহ ১৫ পদের খাবার আইটেমের সঙ্গে ১৬ ধরনের মসলা মিশিয়ে ৩১ পদের যে মিশ্রণ তৈরি হয় তার নামই `বড় বাপের পোলায় খায়। ` একটি বড় গামলায় এই ৩১ ধরনের খাবারসামগ্রী দুইহাতে ভালোভাবে মাখিয়ে তারপর ঠোঙায় করে বিক্রি করা হয়। বিশেষ পদ্ধতিতে তৈরিকৃত এই খাবারটি কিনতে ছোট-বড় সব বয়সী রোজাদারের মধ্যে রীতিমতো কাড়াকাড়ি লেগে যায়। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এর স্বাদ নতুন প্রজন্মের কাছেও পৌছে গেছে। ছড়িয়ে গেছে এই মুখরোচক খাবারটির গল্প।

ইতিহাস ঘাঁটতে গিয়ে দেখা যায়, যার হাত দিয়ে এই আইটেমটির উৎপত্তি তিনি হলেন পুরান ঢাকার বাসিন্দা দাতা মোহাম্মদ কামাল মাহমুদ, যিনি কামেল মিয়া নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি বরাবরই ছিলেন একজন ভোজনরসিক মানুষ। নানা ধরনের মুখেরোচক খাবার তৈরি করতে জানতেন তিনি। এই খাবারটিও তারই সৃষ্টি। প্রায় ৮২ বছর আগে তিনিই প্রথম এই মুখরোচক খাবারটি তৈরি করে এখানে বিক্রি শুরু করেন। বটপাতার ডালায় করে তিনি বিক্রি করতেন `বড় বাপের পোলায় খায়`। সেই থেকে আজও পুরান ঢাকার বাসিন্দাদের কাছে এটি বেশ জনপ্রিয়। এ জনপ্রিয়তা পুরান ঢাকার সীমানা পেরিয়ে বিস্তৃত হয়েছে বিভিন্ন জায়গায়। এমনকি শুধু এই আইটেমটির জন্য রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রেতারা ছুটে যান চকবাজারে। এখানে পুরান ঢাকার এমন অনেক পরিবার আছে, যাদের এই খাবারটি ছাড়া ইফতার পূর্ণতা পায় না। নতুন ঢাকার বাসিন্দারাও দিন দিন এই খাবারটির প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

তিন পুরুষ পেরিয়ে মোহাম্মদ কামালের বংশধররা এখনো হাল ধরে রেখেছেন এই ঐতিহ্যবাহী খাবারটির। তার মৃত্যুর পর ছেলে জানে আলম মিয়া বড় বাপের পোলায় খায় নামক এই খাবারটি বিক্রি করতেন। ইতোমধ্যে তিনিও গত হয়েছেন। ২৭ বছর ধরে তার বংশধররা এই মুখরোচক আইটেমটি বিক্রি করছেন। এই পাঁচমিশালি ইফতার আইটেমটি সম্বন্ধে পুরান ঢাকার লোকজন অনেক আগে থেকেই জ্ঞাত। কিন্তু বাইরের মানুষ এ সম্বন্ধে জেনেছেন অনেক পরে। বিশেষ করে সাম্প্রতিককালে মিডিয়া এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কল্যাণে এই ইফতার আইটেমটি সম্পর্কে বেশি জানতে পেরেছেন। এর আগে তারা শুধু জানতেন এই নামে একটি ইফতার আইটেম আছে। প্রকৃতপক্ষে অন্যান্য ইফতারি আইটেমের তুলনায় এটি সম্পূর্ণ আলাদা এবং বৈচিত্র্যপূর্ণ। যা পাওয়া যায় শুধু চকবাজারে। এখন বিচ্ছিন্নভাবে আরও দু`একটি জায়গায় পাওয়া গেলেও গুণে-মানে সে রকম নয়। কারণ আদি উদ্ভাবকের রহস্যময় মিশ্রণের ফর্মুলাটি সেই পরিবারের মধ্যেই শুধু রয়ে গেছে বিধায়, সেটা আদৌ `বড় বাপের পোলায়` না খেলেও এ নামে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে।

অনুমানের চেয়ে প্রায় ৯ শতাংশ বেশি দ্রুত প্রসারিত হচ্ছে মহাবিশ্ব
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বিজ্ঞানীরা বলছেন, মহাবিস্ফোরণের (বিগ ব্যাং) মাধ্যমে সৃষ্টির পর থেকেই প্রতিনিয়ত প্রসারিত হচ্ছে মহাবিশ্ব। নানা গবেষণায় সম্প্রসারণের গতিবেগ সম্পর্কেও ধারণা দেন তারা। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা জানিয়েছে, বিজ্ঞানীদের অনুমানের চেয়ে প্রায় ৯ শতাংশ বেশি দ্রুতগতিতে প্রসারিত হচ্ছে মহাবিশ্ব।

নাসার জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের দাবি, হাবল স্পেস টেলিস্কোপের মাধ্যমে তারা মহাবিশ্বের সম্প্রসারণের এই গতিবেগ সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার এ নিয়ে ‘অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নাল লেটারস’ এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির পদার্থ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের অধ্যাপক এবং নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী অ্যাডাম রেইসের নেতৃত্বে গবেষক দল পৃথিবীর কাছের ছায়াপথের ৭০টি নক্ষত্রের ওপর গবেষণা চালায়। তারা নক্ষত্রগুলোর বিচ্ছুরিত আলো, উজ্জ্বলতা প্রভৃতি বিষয় নিয়ে বিস্তর গবেষণা করেন।

টেলিস্কোপ হাবল কক্ষপথে ঘূর্ণায়মান একেকটি নক্ষত্রকে ৯০ মিনিট করে পর্যবেক্ষণ ও বিভিন্ন সময়ের ছবি তুলে রাখে। গবেষণায় পাওয়া তথ্যকে প্রায় নির্ভুল বলে উল্লেখ করেছেন অধ্যাপক রেইস। পাশাপাশি মহাকাশ নিয়ে গবেষণায় আরও নতুন নতুন পদ্ধতি অবলম্বনের প্রতি গুরুত্ব দেন তিনি। তার মতে, অত্যাধুনিক তত্ত্ব ও যন্ত্রের ব্যবহারে মহাবিশ্ব সম্পর্কে আরও বেশি জানা সম্ভব হবে।

কাঁধের ব্যথা কমাতে ঘরোয়া ৪ উপায়
                                  

ফিচার ডেস্ক : কাঁধে ব্যথার সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। আর্থ্রাইটিস, ফ্রোজেন সোলডার, কাঁধে অতিরিক্ত চাপ পড়া, দুর্ঘটনা ইত্যাদি কারণে কাঁধে ব্যথা হতে পারে। কাঁধে ব্যথা বেশি হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে, তবে এর আগে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি অনুসরণ করে দেখতে পারেন। কাঁধে ব্যথা কমাতে কিছু ঘরোয়া উপায় জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট টপ টেন হোম রেমেডি।

১. ঠান্ডা স্যাঁক
কাঁধে ব্যথা কমাতে ঠান্ডা স্যাঁক খুব উপকারী। ঠান্ডা স্যাঁক আক্রান্ত স্থানে একটি অবশ ভাব তৈরি করে। এতে প্রদাহ ও ব্যথা কমে।

* একটি প্লাস্টিকের ব্যাগের মধ্যে বরফের কুচি নিন। একটি তোয়ালে দিয়ে ব্যাগটি মুড়ে নিন।

* আক্রান্ত স্থানে ১০ থেকে ১৫ মিনিট এটি রাখুন।

* ফোলা থাকলে দুই ঘণ্টা পর পর এই স্যাঁক দিন।

* যতক্ষণ না পর্যন্ত ব্যথা ও ফোলা কমে, ততক্ষণ পর্যন্ত পদ্ধতিটি অনুসরণ করুন। তবে সরাসরি কখনো বরফের টুকরো চামড়ায় লাগাবেন না।

২. গরম স্যাঁক
ঠান্ডা স্যাঁকের মতো গরম স্যাঁকও জয়েন্টের ব্যথা কমাতে কাজ করে। এটি প্রদাহ ও ফোলা কমাতে উপকারী।
একটি হট ওয়াটার ব্যাগের মধ্যে গরম পানি ভরুন। এবার ১০ থেকে ১৫ মিনিট স্যাঁক দিন। দিনে কয়েকবার এই পদ্ধতি অনুসরণ করুন, যতদিন না ব্যথা কমে।
পাশাপাশি গোসল করার সময় গরম পানি ব্যবহার করুন।

৩. ম্যাসাজ
ম্যাসাজ কাঁধের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। ম্যাসাজের ক্ষেত্রে জলপাইয়ের তেল, নারকেল তেল, সরিষার তেল ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারেন।

ম্যাসাজ নেওয়ার ১০ মিনিট আগে গোসল করে নিন। এতে পেশিগুলো শিথিল হবে। এবার পছন্দমতো একটি তেল হালকা গরম করে কাঁধ ও পিঠে মাখুন। ১০ মিনিট ম্যাসাজ করার পর একটি তোয়ালে দিয়ে আক্রান্ত স্থান ঢেকে রাখুন। ব্যথা পুরোপুরি ভালো হওয়ার আগ পর্যন্ত এই পদ্ধতি প্রতিদিন অনুসরণ করুন। তবে আঘাতের কারণে কাঁধ ব্যথা করলে সেখানে ম্যাসাজ না করাই ভালো।

৪. ভিটামিন ডি
গবেষণায় বলা হয়, ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট পেশির ব্যথা কমাতে কাজ করে। ভিটামিন ডি পাওয়া যায় সূর্যের আলো থেকে। তাই এই ভিটামিন পেতে প্রতিদিন অন্তত ১০ মিনিট সূর্যের আলোর সংস্পর্শে যান।

এ ছাড়া কিছু খাবারেরও ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। টুনা, ম্যাকরেল, স্যামন মাছ, ডিমের কুসুম, দুগ্ধজাতীয় খাবার, কমলা, সয়া মিল্ক ইত্যাদিতে সামান্য পরিমাণ ভিটামিন ডি থাকে। তাই কাঁধের ব্যথা কমাতে এসব খাবারও খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন।


   Page 1 of 4
     ফিচার
বাংলাদেশের হারিয়ে যাওয়া সবচেয়ে ছোট হরিণ!
.............................................................................................
বাংলাদেশের ভয়াবহ ১১ ট্রেন দুর্ঘটনা
.............................................................................................
পরীক্ষার চাপ কমাতে শিক্ষার্থীদের ‘কবরে শুয়ে থাকার’ পরামর্শ
.............................................................................................
ফিনল্যান্ডের সৈকতে ‘বরফের ডিম’
.............................................................................................
আদিম যুগের মতো চার পায়ে চলেন তারা
.............................................................................................
নারায়ণগঞ্জে যেমন ছিলেন এসপি হারুন
.............................................................................................
১৪ হাজার ফ্ল্যাট তৈরি হচ্ছে
.............................................................................................
ধেয়ে আসছে দানবীয় উল্কাপিণ্ড
.............................................................................................
কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় কলমি শাক
.............................................................................................
কোরবানির সুস্থ গরু চিনবেন কিভাবে?
.............................................................................................
ডেঙ্গু জ্বর সম্পর্কে ১০টি তথ্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
.............................................................................................
সঙ্গীর হাতে আলতো চাপ দিলে যেসব রোগ নিয়ন্ত্রণে থাকবে
.............................................................................................
মোনালিসা সম্পর্কে ৭ অজানা তথ্য
.............................................................................................
`বড় বাপের পোলায় খায়, ঠোঙা ভইরা লইয়া যায়`
.............................................................................................
অনুমানের চেয়ে প্রায় ৯ শতাংশ বেশি দ্রুত প্রসারিত হচ্ছে মহাবিশ্ব
.............................................................................................
কাঁধের ব্যথা কমাতে ঘরোয়া ৪ উপায়
.............................................................................................
স্বাস্থ্য দিবসে যে ২৩ পরামর্শ দিলেন ডা. দেবী শেঠী
.............................................................................................
বিশ্বসেরা ১০ চিকিৎসকের একজন দেবী শেঠী
.............................................................................................
গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ রোধে করণীয়
.............................................................................................
কুকুর আক্রমণের চেষ্টা করলে যা করবেন
.............................................................................................
আমলকী কেন খাবেন?
.............................................................................................
শরীরে পানিশূন্যতার ৪ লক্ষণ
.............................................................................................
ভ্যালেন্টাইন্স ডে
.............................................................................................
নখ কাটলে ব্যথা লাগে না কেন?
.............................................................................................
হেঁচকি থামাতে কী করবেন?
.............................................................................................
কাপড় বিবর্ণ হয়ে যাওয়া রোধ করতে
.............................................................................................
স্কাউটিংয়ে রাষ্ট্রপতি অ্যাওয়ার্ড পেলেন রাকিব
.............................................................................................
বিশ্বে সবচেয়ে দীর্ঘ চুল নীলাংশীর
.............................................................................................
হৃদরোগ ও ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় ফুলকপি
.............................................................................................
অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসী হতে চান?
.............................................................................................
বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশ মোনাকো
.............................................................................................
বরের কান্না দেখে হাসছে কনে!
.............................................................................................
বনশ্রীতে আর্টিসান
.............................................................................................
পুরুষের সাড়া না পেয়ে যা করলেন এই নারী!
.............................................................................................
২১ সন্তান জন্ম দিয়ে ব্রিটেনের সবচেয়ে বড় পরিবার
.............................................................................................
অভিনব কায়দায় বিয়ে করলেন তারা!
.............................................................................................
দুধের শিশুকে নিয়ে ডিউটি, অতঃপর...
.............................................................................................
পুরুষের ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর আহ্বান
.............................................................................................
৫৩ তম জন্মদিনে ৫৩ পাউন্ডের কেক কাটলেন খালেদা জিয়া
.............................................................................................
এখনো নিয়োগ পাননি ৫৬ চাকরিপ্রার্থী
.............................................................................................
বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে দেরি করছে: মিয়ানমার
.............................................................................................
পাকিস্তানি হাইকমিশনারকে তলব
.............................................................................................
ব্রহ্মপুত্রের পানি সরিয়ে নিতে সুড়ঙ্গ খুঁড়ছে চীন!
.............................................................................................
ইফতারে খেজুর খাওয়ার রীতির কারণ
.............................................................................................
প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপদ সংকেতের অর্থ
.............................................................................................
বাংলাদেশের আলোচিত কিছু ঘূর্ণিঝড়
.............................................................................................
মেকআপ ব্রাশের যত্নআত্তি
.............................................................................................
ঘরকে শীতল রাখুন কিছু ঘরোয়া কৌশলেই
.............................................................................................
বিচ্ছেদের কারনে যা শিখতে পারবেন
.............................................................................................
গরমে শিশুর স্বাস্থ্যের সুস্থতায় যা করবেন
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]