| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * অবশেষে আফগান শিশুদের পরিচয়পত্রে যুক্ত হচ্ছে মায়ের নাম   * করোনা: জার্মানিতে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে সংক্রমণ   * সাভারে অপহৃত শিশু রংপুর থেকে উদ্ধার, অপহরণকারী দম্পতি গ্রেফতার   * বন্দরে আটকে থাকা পেঁয়াজ দিতে সম্মতি, বাংলাদেশ পাবে ২৫ হাজার টন   * করোনা রোগীকে নিয়ে ফ্লাইট, দুবাইয়ে এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইট বন্ধ   * সৈকতে ভেসে এলো বিপন্নপ্রায় প্রজাতির ইরাবতী ডলফিন   * ইউরোপে করোনার ২য় ঢেউ, থাইল্যান্ডে ১০০ দিন পর ১ম মৃত্যু   * ৯০ মিনিটে করোনার নির্ভুল ফলাফল ল্যাবরেটরি ছাড়াই !   * দক্ষিণ আফ্রিকায় লকডাউন উঠে যাচ্ছে সোমবার   * আল্লামা শফীর মৃত্যুতে ব্রাসেলস থেকে তথ্যমন্ত্রীর শোক  

   ফিচার -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ঘাড়ব্যথায় কী করবেন?

ডা. মোহাম্মদ আলী : ঘাড়ব্যথার কারণগুলোর মধ্যে স্পন্ডাইলোসিস বা ঘাড়ের হাড় ক্ষয় অন্যতম। যারা দীর্ঘসময় ডেস্কে বসে কাজ করেন, যেমন– ব্যাংকার, কম্পিউটার ব্যবহার বেশি করেন এমন ব্যক্তিরা এই সমস্যায় বেশি ভোগেন।

তা ছাড়া যারা ঘরের কাজ যেমন- কাপড় ধোয়া, ঘর মোছা বা রান্না করার মতো কাজ করেন তারাও ঘাড়ব্যথায় আক্রান্ত হন।
ঘাড়ব্যথায় আক্রান্ত রোগীদের সুস্থ হওয়ার হার কোমর, হাঁটু বা অন্যান্য শারীরিক ব্যথাক্রান্ত রোগীদের চেয়ে বেশি।

ঘাড়ের রোগের লক্ষণ ও প্রকারভেদ

ব্যথা ঘাড় থেকে হাতে চলে যায়। অনেকের হাতে ঝিঝি ধরে পিঠে ও বুকে ব্যথা ছড়িয়ে পড়ে। ঘাড় ডানে-বামে বা সামনে-পেছনে ঝোঁকাতে কষ্ট হয়।
অনেকে ওপরের দিকে তাকাতে পারেন না। রোগী বলে থাকেন, তাদের কোনো কোনো আঙুল অবশ লাগছে বা ঠিক বোধ পাচ্ছেন না। সকালে ঘুম থেকে উঠে অনুভব করেন তার একটি হাত ঝিঝি লেগে আছে অথবা ঝিঝি লাগার কারণে মধ্যরাতে ঘুম ভেঙে গেছে।

এসব উপসর্গ ছাড়াও অনেক রোগী মাথা ঘোরা, মাথাব্যথা বা বুকে ব্যথার কথা বলে থাকেন। এমনও রোগী আছেন, যারা বুকব্যথার সঠিক কারণ নির্ণয় করতে না পেরে নিজেকে হৃদরোগী ভাবেন।

একটি এক্স-রে করে দেখা যায়, তিনি ঘাড়ের হাড়ক্ষয় রোগে ভুগছেন। একইভাবে মাসের পর মাস মাথা ঘোরা রোগের ওষুধ খেয়ে উপকার না পেয়ে পরে স্পন্ডাইলোসিস শনাক্ত হওয়া রোগীর সংখ্যাও নেহাত কম নয়।

চিকিৎসা

কার্যকরী চিকিৎসা আইপিএম। কারণ নির্ণয় হওয়া মাত্রই চিকিৎসা শুরু করতে হবে। ব্যথা বা অন্যান্য উপসর্গ সম্পূর্ণ ভালো হয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত আইপিএম চালিয়ে যেতে হবে।

নিয়ম মেনে চলাও চিকিৎসার সমান গুরুত্বপূর্ণ। সামনে ঝুঁকে কাজ না করা, পাতলা বালিশে ঘুমানো, সমান বিছানা ব্যবহার স্পন্ডাইলোসিস রোগীদের কষ্ট দ্রুত দূর করবে।
ডায়াবেটিস, গ্যাস্ট্রিক, আলসার ও কিডনি রোগে আক্রান্তরা ব্যথানাশক ওষুধ সেবন থেকে বিরত থাকুন।

ফ্রোজেন সোল্ডার স্পন্ডাইলোসিসের অন্যতম জটিলতা। রোগ জটিল আকার ধারণ করলে হাত শুকিয়ে যাওয়া বা আঙুল অবশ হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটতে পারে।

লেখক:
চিফ কনসালট্যান্ট
হাসনাহেনা পেইন রিসার্চ সেন্টার
উত্তরা, ঢাকা।

ঘাড়ব্যথায় কী করবেন?
                                  

ডা. মোহাম্মদ আলী : ঘাড়ব্যথার কারণগুলোর মধ্যে স্পন্ডাইলোসিস বা ঘাড়ের হাড় ক্ষয় অন্যতম। যারা দীর্ঘসময় ডেস্কে বসে কাজ করেন, যেমন– ব্যাংকার, কম্পিউটার ব্যবহার বেশি করেন এমন ব্যক্তিরা এই সমস্যায় বেশি ভোগেন।

তা ছাড়া যারা ঘরের কাজ যেমন- কাপড় ধোয়া, ঘর মোছা বা রান্না করার মতো কাজ করেন তারাও ঘাড়ব্যথায় আক্রান্ত হন।
ঘাড়ব্যথায় আক্রান্ত রোগীদের সুস্থ হওয়ার হার কোমর, হাঁটু বা অন্যান্য শারীরিক ব্যথাক্রান্ত রোগীদের চেয়ে বেশি।

ঘাড়ের রোগের লক্ষণ ও প্রকারভেদ

ব্যথা ঘাড় থেকে হাতে চলে যায়। অনেকের হাতে ঝিঝি ধরে পিঠে ও বুকে ব্যথা ছড়িয়ে পড়ে। ঘাড় ডানে-বামে বা সামনে-পেছনে ঝোঁকাতে কষ্ট হয়।
অনেকে ওপরের দিকে তাকাতে পারেন না। রোগী বলে থাকেন, তাদের কোনো কোনো আঙুল অবশ লাগছে বা ঠিক বোধ পাচ্ছেন না। সকালে ঘুম থেকে উঠে অনুভব করেন তার একটি হাত ঝিঝি লেগে আছে অথবা ঝিঝি লাগার কারণে মধ্যরাতে ঘুম ভেঙে গেছে।

এসব উপসর্গ ছাড়াও অনেক রোগী মাথা ঘোরা, মাথাব্যথা বা বুকে ব্যথার কথা বলে থাকেন। এমনও রোগী আছেন, যারা বুকব্যথার সঠিক কারণ নির্ণয় করতে না পেরে নিজেকে হৃদরোগী ভাবেন।

একটি এক্স-রে করে দেখা যায়, তিনি ঘাড়ের হাড়ক্ষয় রোগে ভুগছেন। একইভাবে মাসের পর মাস মাথা ঘোরা রোগের ওষুধ খেয়ে উপকার না পেয়ে পরে স্পন্ডাইলোসিস শনাক্ত হওয়া রোগীর সংখ্যাও নেহাত কম নয়।

চিকিৎসা

কার্যকরী চিকিৎসা আইপিএম। কারণ নির্ণয় হওয়া মাত্রই চিকিৎসা শুরু করতে হবে। ব্যথা বা অন্যান্য উপসর্গ সম্পূর্ণ ভালো হয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত আইপিএম চালিয়ে যেতে হবে।

নিয়ম মেনে চলাও চিকিৎসার সমান গুরুত্বপূর্ণ। সামনে ঝুঁকে কাজ না করা, পাতলা বালিশে ঘুমানো, সমান বিছানা ব্যবহার স্পন্ডাইলোসিস রোগীদের কষ্ট দ্রুত দূর করবে।
ডায়াবেটিস, গ্যাস্ট্রিক, আলসার ও কিডনি রোগে আক্রান্তরা ব্যথানাশক ওষুধ সেবন থেকে বিরত থাকুন।

ফ্রোজেন সোল্ডার স্পন্ডাইলোসিসের অন্যতম জটিলতা। রোগ জটিল আকার ধারণ করলে হাত শুকিয়ে যাওয়া বা আঙুল অবশ হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটতে পারে।

লেখক:
চিফ কনসালট্যান্ট
হাসনাহেনা পেইন রিসার্চ সেন্টার
উত্তরা, ঢাকা।

শরতের শুভ্রতা ছড়াচ্ছে কাশফুল
                                  

ডেস্ক রিপাের্ট : আলো ছড়াচ্ছে শরতের দৃষ্টিনন্দন ধবধবে সাদা কাশফুল। এ ফুলের ছোঁয়ায় প্রায় সবার শরীর-মন জুড়িয়ে যায়। প্রতিদিনের অফিস আর যানবাহনের শব্দদূষণ থেকে রেহাই পেতে ঢাকার বুকেই পাবেন এমন জায়গা। রাজধানী ঢাকার খুব কাছে উত্তরার দিয়াবাড়ী এলাকায় ছড়িয়ে আছে সাদা কাশফুল। বালুমাটির বিশাল খোলা জায়গা দিয়াবাড়ী এখন ভ্রমণপিপাসুদের বেশ প্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন কাশফুলের নির্মল হাওয়া উপভোগের জন্য সেখানে ভিড় করে সব বয়সী মানুষ। দিন শেষে পরিবার-পরিজন নিয়ে এখানে আসে তারা। কাশফুলের পাশাপাশি একটু দূরে নদে রয়েছে নৌকা। যে কেউ চাইলেই কম খরচে নৌকায় চড়ে ঘুরতে পারেন। অনেকেই আবার জলকেলিতে মেতে ওঠেন। তবে শুক্র ও শনিবার ভিড় থাকে বেশি। রাজধানীর যে কোনো প্রান্ত থেকে সরাসরি সিএনজি ও বেবি ট্যাক্সি রিজার্ভ করে যাওয়া যায়। এ ছাড়া মিরপুর বেড়িবাঁধের সড়ক ধরে সিএনজি ও লেগুনায় যাওয়া যায়।

বর্তমানে চলছে ভরা বর্ষাকাল। আকাশে ভেসে বেড়াচ্ছে সাদা মেঘের ভেলা। নীল আকাশজুড়ে অলস মেঘের অবাধ বিচরণ। খ- খ- মেঘের নিরুদ্দেশ যাত্রা। রোদের ঝলকানির পাশেই মেঘের ছায়া।

মেঘ আর রোদের কানামাছি খেলার মাঝে বৃষ্টিও অংশ নিচ্ছে। এমন দিনে আপনাকে স্বাগত জানাতে কাশফুল ‘সাদা ডালি’ সাজিয়ে বসে থাকে। দক্ষিণা বাতাসে কাশফুলগুলো ঢলে ঢলে আপনার সঙ্গে কথা বলবে। আপনাকে আহ্বান জানাবে তার সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য। এমন দিনে কাশফুলের অপরূপ দৃশ্য সহজেই যে কারও চিত্তে দোলা দেবে। নাগরিক ব্যস্ততার মাঝেও একটু সময় করে ঘুরে আসতে পারেন কাশফুলের রাজ্য থেকে। তবে বিকালে যাওয়াই ভালো।

দিয়াবাড়ী এলাকায় সপরিবার ঘুরতে আসা চাকরিজীবী আলমগীর হোসেন বলেন, ‘এক কথায় অসাধারণ! ঢাকার মধ্যে যেন এক কাশফুলের রাজ্য। এখানে এলে যে কারও মন ভালো হতে বাধ্য।’ ঘুরতে এসে নিজের উচ্ছ্বাসের কথা প্রকাশ করেন তিনি। দিয়াবাড়ীর বাড়ি-ঘরহীন সড়ক ধরে ভিতরের দিকে যত যেতে থাকবেন, ততই আপনি মুগ্ধ হবেন। সড়কের দুই পাশে কাশফুলগুলো মাথা নুয়ে আপনাকে স্বাগত জানাবে। এ ছাড়া গুচ্ছ গুচ্ছ কাশফুলের গাছগুলো দেখে মনে হবে ফুলগুলো সেজে আছে শুধু আপনাকে আনন্দ দেওয়ার জন্যই। শেষ প্রান্তের দুই দিকে থরে থরে সাজানো কাশফুল দেখে মনে হবে যেন আপনি দাঁড়িয়ে আছেন কাশফুলের রাজ্যে। যত দূর চোখ যায় ততটাই সাদার রাজ্য। অন্য পাশে তুরাগ নদের স্বচ্ছ পানি। নদের পাড় ধরে কাশবন আর নীল স্বচ্ছ পানির মিলনমেলা। এখানকার বাসিন্দা নাজমুল আলম জানান, বর্ষার শেষ সময়টাতেই কাশফুল দেখা যায়। কাশবনে সূর্য ডোবার ঠিক আগ মুহূর্তে পশ্চিম আকাশে লালচে আভায় সাদা কাশফুলের সৌন্দর্য বেড়ে যায়।

যে কারণে বাংলাদেশে পিরানহা ও আফ্রিকান মাগুর মাছ নিষিদ্ধ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : রাক্ষুসে স্বভাবের কারণে বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশ সরকারও পিরানহা মাছের উৎপাদন, বিপণন ও বিক্রি বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করেছে।

২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে পিরানহা মাছ চাষ, উৎপাদন, পোনা উৎপাদন, বংশ বৃদ্ধি, বাজারে বিক্রি এবং বাজার থেকে ক্রয় সরকারিভাবে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয় এবং ২০১৪ সালের জুন থেকে আফ্রিকান মাগুরের আমদানি, উৎপাদন, বিপণনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

প্রটেকশন অ্যান্ড কনজারভেশন অব ফিস রুলস, ১৯৮৫ এর কয়েকটি ধারা সংশোধন করে আফ্রিকান মাগুরের ওপর এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

এছাড়া বিদেশ থেকে আফ্রিকান মাগুর ও পিরানহা মাছ, মাছের রেণু ও পোনা আমদানি করলে জেল জরিমানার বিধান রেখে মৎস্য সংঘ নিরোধ আইন-২০১৭ এর খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিপরিষদ।

এই আইন অমান্য করলে দুই বছরের জেল ও ৫ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

কারণ এই দুই প্রজাতির মাছ চাষের ফলে দেশি প্রজাতির মাছ বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে। কোনওভাবে যদি পুকুর বা অবরুদ্ধ জলাশয় থেকে এই মাছ দুটি নদীতে বা মুক্ত জলাশয়ে চলে আসে তাহলে বাংলাদেশের মৎস্য সম্পদের জন্য মহাবিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক ইয়াহিয়া মাহমুদ বলেন, “বাংলাদেশ বন্যা প্রবণ দেশ। এখন পুকুরে বা ঘে‌রে যদি পিরানহা মাছ বা আফ্রিকান মাগুর মাছ চাষ ক‌রা হয়। এবং সেই মাছ যদি পানিতে ভেসে অবরুদ্ধ স্থান থেকে মুক্ত জলাশয় যেমন নদী, খাল বিলে চলে আসে। তখন তাদের আক্রমণে দেশীয় ছোট বড় সব মাছ বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে।”

কিন্তু বাংলাদেশে এখনও এসব মাছ প্রকাশ্যেই উৎপাদন ও খোলা বাজারে বিক্রি হতে দেখা যায়। যা বেশিরভাগ সময় থাই রূপচাঁদা বা সামুদ্রিক চান্দা নামে বিক্রি হয়। এর ছোট আকারের আফ্রিকান মাগুর মাছ, দেশি মাগুর মাছ বলে বিক্রি হতে দেখা যায়।

দামে কম হওয়ায় সেইসঙ্গে অন্য মাছের নামে বিক্রি করায় প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছেন ক্রেতারা।

মূলত এই মাছ খেলে কোনও স্বাস্থ্য ঝুঁকি নেই তবে পরিবেশগত ঝুঁকি রয়েছে অনেক। এমনটাই জানিয়েছেন মাহমুদ।

তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, পিরানহা মাছ ও আফ্রিকান মাগুর মাছের উৎপাদন, বিপণন, বিক্রি ও সংরক্ষণ স্থায়ীভাবে বন্ধ করা না গেলে বাংলাদেশের ২৬০ প্রজাতির স্বাদু পানির মাছ এবং ৪৭৫ প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ অধিকাংশ বিলুপ্ত হয়ে যাবে। সূত্র: বিবিসি বাংলা

চা আর সিগারেট এক সঙ্গে খাওয়ার ভয়ংকর ফলাফল জানেন কি?
                                  

অনলাইন ডেস্ক : গরম চায়ের কাপ নিয়ে, ঠোঁটে রাখেন জ্বলন্ত সিগারেট এমনটা অনেকেই করে থাকেন ৷ কিন্তু গবেষণা বলছে, এই ধরণের অভ্যাস বাড়াতে পারে ক্যানসারের ঝুঁকি !

সম্প্রতি `অ্যানালস অব ইন্টার্নাল মেডিসিন` জার্নালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, যে ব্যক্তিরা নিয়মিত ধূমপান ও মদ্যপান করেন, তাদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত গরম চা পান করাটা খাদ্যনালীর ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

বিজ্ঞানীদের গবেষণা বলছে, যারা দিনে অন্তত এক গ্লাস অ্যালকোহলযুক্ত পানীয় পান করেন, পাশাপাশি দিনে অতিরিক্ত গরম চা পান করেন তাদের খাদ্যনালীর ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশি। ধূমপায়ীদের ক্ষেত্রেও দেখা যায়, প্রতিদিন অতিরিক্ত গরম চা পান করলে তাদেরও এই ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

আমেরিকার এক বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, তামাক ও অ্যালকোহল দুটো থেকেই দূরে থাকাই হচ্ছে এই ক্যান্সার প্রতিরোধের সবচেয়ে ভালো উপায়। কিন্তু ধূমপান ও মদ্যপানের অভ্যাস না থাকলে শুধু চা পান করা নিয়ে চিন্তিত হবার কিছু নেই।

ব্রণ দূর করবে অ্যালোভেরা
                                  

ব্রণের সমস্যায় ব্যবহার করতে পারেন অ্যালোভেরা। এতে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন সি, এ এবং ই, যা ব্রণ দূর করার পাশাপাশি ত্বক উজ্জ্বলতা বাড়ায়।

অ্যালোভেরাতে থাকা এক ধরনের অ্যাসিড ব্রণের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া দূর করে।

আসুন জেনে নিই কীভাবে ব্যবহার করবেন-

১. ত্বক পরিষ্কার করে ধুয়ে মুছে অ্যালোভেরার পাতা থেকে জেল সংগ্রহ করে ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন ঘুমানোর আগে। সকালে ঘুম থেকে উঠে ধুয়ে ফেলুন।

২. সমপরিমাণ মধু ও অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে ব্রণ আক্রান্ত ত্বকে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

৩. আধা টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে ১ চিমটি হলুদের গুঁড়া মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে রাখুন ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

লেখক:
বিন্দিয়া বিউটি পার্লারের স্বত্বাধিকারী ও বিউটি কনসালট্যান্ট।

দুই মাথাওয়ালা মহিষশাবক
                                  

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চর আমখাওয়া ইউনিয়নের উত্তর মুকিরচর গ্রামে এক গর্ভবতী মহিষ দুই মাথাবিশিষ্ট এক বাচ্চা প্রসব করেছে বলে জানা গেছে। আজ ৪ আগস্ট সকাল ৮টার দিকে সাবেক মেম্বার বাদশা মন্ডলের বাড়ির কাছের ফুলচান মন্ডলের নিজের পালের এক মহিষ এ দুই মাথাওয়ালা বাচ্চা প্রসব করে।

ঘটনাটি জানাজানি হলে আশপাশের শতশত লোক এসে ফুলচান মণ্ডলের বাড়িতে ভিড় জমায়। সাবেক মেম্বার বাদশা মণ্ডল বলেন আজ সকাল ৮টার দিকে ঘটনাটি ঘটেছে। মহিষের বাচ্চাটির দুটি মাথা থাকায় ঘটনাটি এলাকায় বেশ আলোড়ন তুলেছে। তবে বাচ্চাটি কিছুক্ষণ পরেই মারা যায়। অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ স্বাভাবিক বাচ্চার মতোই ছিল। তবে মহিষের বাচ্চাটির ৪টি চোখ, দুটি মুখ, দুটি মাথা, চারটি কান নিয়ে জন্মে।

সুইচবোর্ডে পাখির বাসা, ডিম ও বাচ্চা বাঁচাতে ৩৫ দিন অন্ধকারে গ্রামবাসী!
                                  

আমাদের চারপাশে অমানবিকতার ঘটনাগুলো আমাদের হতাশ করে। কিন্তু এমন কিছু ঘটে যায় যা আবারো মানুষ ও মানবিকতার ওপর আমাদের বিশ্বাস ফিরিয়ে আনে। ভারতের দক্ষিণের এ ঘটনাটি তেমনই। গ্রামের কমিউনিটি সুইচবোর্ডের ভেতর বাসা বেঁধেছিল একটি বুলবুলি। সেই বাসায় আবার ডিমও পেড়েছিল পাখিটি। একজন গ্রামবাসী সবার প্রথমে সেটি দেখতে পান। তিনি ছবি তুলে সেটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পাঠান। তার পরই গোটা গ্রাম অন্ধকার। এক-দু`দিন নয়। টানা ৩৫ দিন গ্রামবাসীরা অন্ধকারে থাকলেন।

তামিলনাড়ুর শিবগঙ্গা জেলার একটি গ্রামের ঘটনা। আসলে গ্রামবাসীরা সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, পাখির ডিম থেকে ছানা ফুটে বের না হওয়া পর্যন্ত ওই গ্রামে আলো জ্বালানো হবে না। বুলবুলি পাখিটির বাসা ও ডিম বাঁচাতে জন্য টানা ৩৫ গ্রামবাসীরা রাস্তার আলো জ্বালাননি। এই ভরা বর্ষায় গোটা গ্রামের লোকজন অন্ধকার রাস্তা দিয়েই চলাচল করেছেন। কারুপ্পুরাজা নামের এক কলেজপড়ুয়া জানিয়েছেন, গ্রামে মোট ৩৫টি স্ট্রিটলাইট রয়েছে। কিন্তু তারা গত ৩৫দিন একটিও জ্বালাননি। কারণ সব সুইচ ওই কমিউনিটি সুইচবোর্ডে। মোবাইলের টর্চ, টর্চ লাইট ব্যবহার করেই গ্রামবাসীরা এই কদিন রাস্তায় যাতায়াত করেছেন।

গ্রামে মোট একশো পরিবারের বাস। সবাইকে বিষয়টি বোঝানো কঠিন হয়েছিল। কারণ সবার মানবিকতা বোধ সমান নয়। কেউ কেউ সামান্য পাখির বাসার জন্য এতদিন অন্ধকারে চলাচল করতে প্রথমে রাজি হচ্ছিলেন না। কিন্তু গ্রামের যুবক-যুবতীরা তাদের অনুরোধ করেন। মূর্তি ও কার্তি নামের দুই ভাইয়ের ওপর ছিল পাখিদের আচরণে লক্ষ্য রাখার দায়িত্ব। তারা প্রতিদিন মা-পাখি উড়ে গেলে একবার করে দেখে আসতেন ডিমগুলো কী অবস্থায় রয়েছে! এর পর একদিন ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়। তার পর সেই বাচ্চাগুলো বড় হতে থাকে। গ্রামবাসীরা অপেক্ষা করতে থাকেন। গ্রামবাসীদের কেউ কেউ পাখির বাসা পরিষ্কারও করে দিতেন।

সূত্র: জি নিউজ

করোনাকালেও থেমে নেই কুকর্ম, লাখ লাখ টাকা উড়িয়ে সংঘবদ্ধ যৌনতা!
                                  

করোনাভাইরাস পরীক্ষার ফল নেগেটিভ হলে সেই পার্টিতে যোগ দেওয়া যাবে। জানা গেছে, পর্তুগালের রাজধানী লিসবোন থেকে এক ঘণ্টা দূরত্বে কমপোর্টা রিসোর্ট ভাড়া নিয়ে `সেক্স পার্টি`র ওই আয়োজন করা হচ্ছে।

সামনের শনিবার করোনা পরীক্ষার পর ওই পার্টিতে অংশ নেওয়া যাবে। এরই মধ্যে অনেকেই সেই আয়োজনে থাকার ব্যাপারে ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। সেখানে উপস্থিত হতে গেলে প্রতি জোড়া খরচ পড়বে দুই হাজার সাতশ পাউন্ড; যা বাংলাদেশি টাকা দুই লাখ ৯০ হাজার টাকারও বেশি। সঙ্গী না থাকলেও অবশ্য অংশ নেওয়া যাবে।

পুরিলিয়া নামক সংগঠন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এর আগেও এ ধরনের সেক্স পার্টির আয়োজন তারা করেছে। একই ধরনের আয়োজন এ বছরের শুরুর দিকে হয়েছে লিসবোনে। সেই অনুষ্ঠানে রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে ফুটবল খেলোয়াড় এবং টেলিভিশনের তারকারা উপস্থিত হয়েছিলেন।

অবশ্য সেই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে পুরিলিয়া সংগঠনের কাছে সাক্ষাৎকার দিতে হবে। আলাপে বনিবনা হলেই পার্টিতে অংশ নিতে দেওয়া হবে। অন্যথায় সেই সুযোগ দেওয়া হবে না।

পার্টি চলা অবস্থায় অবশ্য মাস্ক ব্যবহারের কথা বলা হচ্ছে। আর সবার নিরাপত্তার জন্য স্থানটি কড়া নজরদারিতে রয়েছে। বিসবোনের জনস্বাস্থ্য বিষয়ক প্রধান বলেছেন, করোনাভাইরাসের কারণে মানুষের চলাচল সীমিত করে দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে এমন আয়োজন প্রশ্নবিদ্ধ বলেও মনে করেন তিনি।

তবে আয়োজকরা বলছেন, পার্টির ব্যাপারে অনুমতি তারা পেয়েছেন। পর্তুগাল ছাড়াও ফ্রান্স ও ব্রিটেনের লোকজন সেই আয়োজনে থাকতে পারবেন।

সূত্র : মিরর

লক্ষাধিক টাকায় বিক্রি হচ্ছে সোনার মাস্ক, প্রশ্ন তুলছেন নেটিজেনরা
                                  

করোনার প্রকোপ বাড়তেই এখন বাজারে সবচেয়ে বেশি চাহিদা মাস্ক ও স্যানিটাইজারের। করোনা আতঙ্কে বেঁচে থাকার একমাত্র সুরক্ষা কবচ মাস্ক ও স্যানিটাইজার। জনসাধারণের চাহিদা অনুযায়ী এখন হরেক রকমের মাস্ক চলে এসেছে। বেনারসী কাপড় দিয়ে তৈরি মাস্ক, রোজকার ব্যবহারের জন্য ডিজাইনড মাস্ক, সোনা-হিরের মাস্কও তৈরি হয়েছে। তবে সোনা ও হিরে দিয়ে তৈরি মাস্ক ব্যবহারের ক্রেতা কোথায় সেইটাই বড় প্রশ্ন।

সোনা দিয়ে মাস্ক তৈরির হিড়িক যেন কমছেনা। সম্প্রতি তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটোরের স্বর্ণকার রাধাকৃষ্ণণ সুন্দরম আচার্য সোনা ও রূপোর সুতো দিয়ে তৈরি করে ফেলেছেন সুন্দর ফেস মাস্ক। এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাত্‍কারে তিনি জানিয়েছেন, সোনা দিয়ে তৈরি মাস্কটিতে ১৮ ক্যারেট সোনা ব্যবহার করা হয়েছে। দাম মাত্র পৌনে তিন লাখ  টাকা। শুধু সোনাই নয়, রূপোর সুতো দিয়েও বানিয়েছেন মাস্ক। যার মূল্য মাত্র ১৫ হাজার টাকা।

কিন্তু এগুলো সাধারণ মানুষের ধরাছোঁয়ার বাইরে। তিনি এ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, এই মাস্ক কেনার জন্য তার খদ্দের অভাব হবে না। এরইমধ্যে সোনার মাস্ক কেনার জন্য ৯ জন আগাম অর্ডার দিয়ে রেখেছেন। তিনি বলেন, `আমি জানি এত দাম দিয়ে মাস্ক কেনা সাধারণ মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। কিন্তু ধনীরা তো ব্যবহার করতে পারেন। তাঁদের বিলাসবহুল বিয়ের অনুষ্ঠানে এই মাস্ক ব্যবহার করতেই পারেন।

সোনার মাস্ক তৈরি করে চমকে দিয়েছেন অনেকেই। তবে রাধাকৃষ্ণণের তৈরি সোনার মাস্কের খবর ছড়িয়ে পড়েছে সারা দেশে, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে। এরফলে একদিকে তিনি যেমন শুধুই বাহবা পেয়েছেন তা নয়, সোনার মাস্ক কতটা করোনাভাইরাস প্রতিরোধকারী, সে ব্যাপারে প্রশ্ন তুলেছেন নেটিজেনরা।

তবে, সবাইকে টেক্কা দিয়ে সুরাতের স্বর্ণ ব্যবসায়ী দীপক চোকসি নিয়ে এলেন হিরে খোদিত মাস্ক। হিরে বসানো এক একটি মাস্কের দাম দেড় লক্ষ টাকা থেকে শুরু করে চার লক্ষ টাকা পর্যন্ত। দীপক চোকসি জানান যে সম্প্রতি তার দোকানে এক ব্যক্তি এসে একদম নতুন ধরনের মাস্ক বানানোর অনুরোধ করেন। ওই ব্যক্তির বাড়িতে বিয়ে অনুষ্ঠান রয়েছে। বর ও কনের জন্য নতুন ধরনের কোনও মাস্ক তৈরি করে দেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি। তখনই দীপক চোকসির মাথায় হিরে বসানো মাস্কের পরিকল্পনা আসে বলে জানিয়েছেন তিনি।

আলোচনায় `নবাবগঞ্জের নবাব`
                                  

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার ছোট বক্সনগর এলাকার মো. মনির আহমেদ। পেশায় দন্ত চিকিৎসক। আসছে কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে অস্ট্রেলীয় জাতের এই গরুটির দাম হাঁকিয়েছেন ১৬ লাখ টাকা। তাই দামের সাথে নামের মিলটা খুঁজতে তাকে প্রশ্ন করা হলো গরুটির নাম কি? প্রশ্ন করতেই মুচকি হাসি দিয়ে বীরদর্পে বললেন `নবাব`। কুচকুচে কালো রঙের নবাবকে দেখতে এর মধ্যে দোহার-নবাবগঞ্জ ও কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা আসছেন।

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার বক্সনগর এলাকার মনির ডেন্টালের স্বত্বাধিকারী মো. মনির আহমেদ শখের বশে গত তিন বছর ২ মাস আগে গরুটি কিনেছিলেন। তারপর এর নাম দেন `নবাব`। আজ সেই নবাবকে পরম যত্নে লালন করেছেন সন্তানের মতো। তার দেখভালের জন্য রয়েছে তিনি ও তার ছোট ভাই পনির আহমেদ কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে দেশীয় পদ্বতিতে, দেশীয় খাবার খাইয়ে প্রতিদিন গড়ে তুলেছেন নবাবকে।

কোরবানির পশুর ক্ষেত্রে উচ্চবিত্তদের কাছে পছন্দের প্রথমে এই জাতের গরুর আকর্ষণ বরাবরই বেশি থাকে। নবাবের উচ্চতা প্রায় ৬ ফুট, ওজন ১ টন (১০০০ কেজি))। এবারের কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে নবাবের দাম হাঁকা হচ্ছে ১৬ লাখ।

নবাবের জন্য করা হয়েছে আলাদা শেডের ব্যবস্থা। রাখা হয়েছে ২৪ ঘণ্টা ইলেকট্রিক ফ্যানের সুব্যবস্থা। শেডের সামনে  ফাঁকা জায়গায় নবাবকে ছেড়ে দেওয়া হয় ব্যায়ামের জন্য। সরেজমিনে গত মঙ্গলবার দুপুরে বক্সনগর এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, গরুটির মালিক মনির পরম যত্নে সন্তানের মতো তাকে গোসল করাচ্ছেন।

মনির আহমেদ বলেন, অনেক যত্ন করে আমি আমার `নবাব`কে দুই বছর চার মাস ধরে লালন-পালন করছি। নবাবের প্রতিদিনের খাবার তালিকায় রয়েছে সবুজ ঘাস, সয়াবিনের খৈল, গম, ভুট্টা, ছোলা। আমার ইচ্ছা নবাবকে বাড়ি থেকেই বিক্রি করব। যেহেতু করোনার মহামারি চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। তাই হাটে গিয়ে বিক্রির তেমন কোনো ইচ্ছা নেই আমার। তিনি জানান `নবাব`কে লালন পালন করার ক্ষেত্রে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর আমাকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছে।

নিজের পছন্দ একজন, পরিবারের আরেকজন; এক আসরে দু`জনকে বিয়ে!
                                  

একই আসরে দুই কনে। অথচ বর একজন। সন্দীপ উইকি যে দু`জনকে বিয়ে করেছেন, তার মধ্যে একজন তার প্রেমিকা। অন্যজনকে তার পরিবারের সদস্যরা পছন্দ করেছে।

ভারতের মধ্যপ্রদেশের বেতুল জেলা সদর থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে ঘোডাডোংরি ব্লকের কেরিয়া গ্রামের বাসিন্দা সন্দীপ। গত ৮ জুলাই দুই কনেকে একই আসরে বিয়ে করেন তিনি। জেলা প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।

এখন পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, সন্দীপ আদিবাসী যুবক। তিনি সব রীতি মেনে একই সঙ্গে দুই নারীকে বিয়ে করেছেন। তাদের একজন হোসাঙ্গাবাদের বাসিন্দা।

সন্দীপ যখন ভোপালে পড়াশোনা করতেন, তখন ওই তরুণীর সঙ্গে তার পরিচয়। পরে সন্দীপের পরিবার কোয়ালারি গ্রামের এক তরুণীর সঙ্গে তার বিয়ে ঠিক করে।

দুই পাত্রীকে নিয়ে সন্দীপের পরিবারে অশান্তির সৃষ্টি হয়। ঝামেলা মেটাতে সন্দীপ ও দুই তরুণীর পরিবারকে ডাকে। বৈঠকে ঠিক করা হয়, দুই তরুণী যদি সন্দীপের সঙ্গে থাকতে রাজি হন, তাহলে তিনি দু’জনকেই বিয়ে করতে পারবেন।

কেরিয়া গ্রামে বসে বিয়ের আসর। সন্দীপ দুই কনেকে অগ্নিসাক্ষী রেখে বিয়ে করেন। সেখানে গ্রামের লোকজন উপস্থিত ছিল। সন্দীপ এবং দুই কনের বাড়ির লোকও ছিল।

ঘোডাডোংরি জনপদ পঞ্চায়েতের সহ-সভাপতি মিশ্রিলাল পারাতে ছিলেন বিয়ের অন্যতম সাক্ষী। তিনি বলেন, তিনটি পরিবারেরই এই বিয়েতে কোনো আপত্তি নেই।

চাচির সঙ্গে ভাতিজার প্রেম, বিয়ে করে ভয়ঙ্কর পরিণতি!
                                  

একবাড়িতে থাকার কারণেই চাচির সাথে প্রেম হয়ে যায় ৩২ বছর বয়সী যুবক গৌতমের। প্রেম মানে না কোনো ব্যখ্যা, কোনো শর্ত কিংবা সূত্র। এক সময় বিষয়টি পরিবার জানতে পারে, কিন্তু চাচির সঙ্গে ভাসুরের ছেলের প্রেম কীভাবে মানবে পরিবার। স্বাভাবিকভাবেই পরিবার মেনে নেয়নি। বাড়িতে শুরু হয় অশান্তি। অবশেষে চাচি ও ভাতিজা এক দঁড়িতে আত্মহত্যা করে। তবে তার আগে তারা বিয়ে করে সিঁদুর পরিয়ে। ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিমবঙ্গের  পশ্চিম মেদিনীপুরের মালবাঁধি জঙ্গল সংলগ্ন গড়বেড়িয়া এলাকায়।

ওই গ্রামের বাসিন্দা মমতা দাস। বছর কয়েক আগে তাঁর বিয়ে হয় আনন্দপুরে। সন্তানও রয়েছে ওই বধূর। সুখেই চলছিল সংসার। কিন্তু আচমকাই ভাতিজা গৌতমের প্রতি দুর্বলতা তৈরি হয় মমতার। চাচির প্রতি আকৃষ্ট হন যুবকও। একবাড়িতে থেকেই তাঁদের মধ্যে শুরু হয় চিঠির আদান-প্রদান।

এদিকে গভীরতা বাড়তে থাকে সম্পর্কের। প্রথমে কেউ না বুঝলেও, একটা সময়ের পর তাঁদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক প্রকাশ্যে চলে আসে। তখনই বাধা হয়ে দাঁড়ায় পরিবার, সমাজ। শুরু হয় অশান্তি। এরপরই রাগ করে বাপের বাড়িতে চলে যান মমতা। মঙ্গলবারও বাপের বাড়িতে ছিলেন ওই বধূ।

সম্প্রতি আনন্দপুর থেকে গৌতম দাসও চলে যায় প্রেমিকা তথা চাচির সঙ্গে দেখা করতে। দু’জনে একটি সাইকেলে ঘোরাঘুরির পর ঢুকে যায় মালবাঁধির জঙ্গলে। সেখানেই চাচিকে বিয়ে করে গৌতম। এরপরই গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হন নবদম্পতি।

পরে স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। তাঁরাই লাশ দুটি উদ্ধার করে। জানা গেছে,লাশের কাছ থেকে একাধিক প্রেমপত্র এবং কিছু টাকা পয়সা পাওয়া গেছে। পুলিশের ধারণা, আত্মহত্যা করার উদ্দেশ্যেই তাঁরা নতুন দড়ি নিয়ে জঙ্গলে ঢুকেছিল।

রিকশাচালক থেকে ৫০০ কোটি টাকার মালিক আমিনুল
                                  

এরশাদ অ্যান্ড ব্রাদার্সের চেয়ারম্যান এরশাদ আলী এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও প্রতারণা করে শত শত কোটি টাকার মালিক বনে যাওয়ার চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। এরশাদ ও আমিনুলের শত শত কোটি টাকার মালিক বনে যাওয়ার ঘটনা রূপকথাকেও হার মানায়। এরশাদ এসএসসি পাস করলেও আমিনুল প্রাইমারি স্কুলের গণ্ডি পার হতে পারেননি। একসময় যাঁদের দুই বেলা ভাত জুটত না, রিকশার গ্যারেজে রাত কাটত, সেই আমিনুল এবং তাঁর বড় ভাই এরশাদ আলী জোত-জালিয়াতি করে বর্তমানে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। হয়েছেন অন্তত ৫০০ কোটি টাকার মালিক।

রাজশাহীর ধূর্ত প্রতারক আমিনুল ঢাকায়ও জালিয়াতির হোতা হিসেবে পরিচিত। কৌশলে ব্যবসার কথা বলে সাধারণ মানুষের টাকা মেরে, ব্যবসায়ীদের পথে বসিয়ে এখন তাঁরা বিলাসী জীবন যাপন করছেন। ঢাকার ধানমণ্ডিতে পরিবার নিয়ে বসবাসের পাশাপাশি বিদেশেও পাচার করেছেন কয়েক শ কোটি টাকা। জালিয়াতি করে ব্যবসায়ীদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আমিনুল কারাগারেও ছিলেন। আর ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে চারটি ব্যাংকের ২৫০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া এবং বিদেশে পাচারের অভিযোগে আমিনুলের ভাই এরশাদ আলীর বিরুদ্ধেও মামলা রয়েছে।

কালের কণ্ঠ’র অনুসন্ধানে জানা গেছে, এরশাদ অ্যান্ড ব্রাদার্স করপোরেশনের চেয়ারম্যান এরশাদ আলী ও তাঁর ভাই আমিনুল ইসলামের অফিস বাংলামোটরের নাসির ট্রেড সেন্টারের লেভেল ৪-এ। আর এরশাদ ও আমিনুল পরিবার নিয়ে বসবাস করেন ধানমণ্ডির ৭/এ নিজস্ব বাসায়। রাজশাহী নগরীর বোয়ালিয়া থানার সাধুর মোড়ে রয়েছে তাঁদের বিলাসবহুল বাড়ি। এরশাদ ব্রাদার্স করপোরেশনসহ নানা নামে রাজশাহীর ভদ্রা, নওদাপাড়া আম চত্বর এলাকায় একাধিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে জালিয়াতির হোতা আমিনুল গং।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ১৯৮০ সালের শুরুর দিকে রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় পদ্মা নদীর ভাঙনকবলিত চর নারায়ণপুরের আব্দুর রশিদ ছেলে আমিনুল ও এরশাদ আলীসহ পরিবারের সবাইকে নিয়ে চলে আসেন রাজশাহী শহরে। শহরের ভদ্রা এলাকার আব্দুস সাত্তারের বাড়ির দুটি কক্ষে আব্দুর রশিদ পরিবারের সবাইকে নিয়ে থাকতেন। অভাবের তাড়নায় বাদাম বিক্রি এবং রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন তাঁরা। আমিনুল নিজেও রিকশা চালাতেন, কখনো বাদাম বিক্রি করতেন। জালিয়াতি করে আমিনুল ও এরশাদ এখন শত শত কোটি টাকার মালিক।

ভদ্রা এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা হযরত আলী হতবাক হয়ে পড়েন আমিনুলদের উত্থানের কথা বলতে গিয়ে। রাজশাহী শহরে ৩০ বিঘা জমির মালিক এখন আমিনুল আর এরশাদ। সাধুর মোড়ের বাসিন্দা আজিজার রহমান বলেন, প্রতারণা করে, মানুষ ঠকিয়ে কিভাবে শতকোটি টাকার মালিক হওয়া যায় তার নমুনা আমিনুল আর এরশাদ।

অনুসন্ধানে জানা যায়, এরশাদ আলী শ্বশুরবাড়ির সহযোগিতায় মালয়েশিয়ায় গিয়ে আমিনুল ইসলামসহ অন্য ভাইদের নিয়ে যান। মালয়েশিয়া গিয়ে তাঁরা শুরু করেন মানুষ ঠকানোর ব্যবসা। বিদেশে লোক পাঠানোর নামে শত শত মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে বনে যান কোটি টাকার মালিক। এরপর বাংলাদেশে ফিরে আমিনুল ও এরশাদ শুরু করেন হার্ডওয়্যারের ব্যবসা। সেই ব্যবসার ফাঁকে বড় ভাই এরশাদ আলীর নামে এরশাদ অ্যান্ড ব্রাদার্স নামে একটি কম্পানি খোলেন। কম্পানির চেয়ারম্যান হন এরশাদ আলী আর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হন আমিনুল ইসলাম। রাজধানীতে অফিস ভাড়া নিয়ে জৌলুসপূর্ণ সাজসজ্জা করে মোটা অঙ্কের জালিয়াতির পরিকল্পনা করেন। ইট-পাথর, বালুর ব্যবসা করতে গিয়ে কয়েক শ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আমিনুল হাতিয়ে নেন কোটি কোটি টাকা। জালিয়াতির আশ্রয়ে কয়েকজন ব্যাংক কর্মকর্তার সঙ্গে যোগসাজশে হাতিয়ে নেন ২৫০ কোটি টাকা। ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে বিদেশে পাচারসহ ঢাকা, রাজশাহী, গাজীপুর, সাভারে প্লট, ফ্ল্যাট, বাড়ি, শত শত একর জমি কেনেন আমিনুল ও এরশাদ আলী। ঋণ জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনসহ (দুদক) ঢাকা ও চট্টগ্রামে আমিনুল ও এরশাদের বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক মামলা।

অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, এরশাদ অ্যান্ড ব্রাদার্স করপোরেশন নাম দিয়ে কম মূল্যে জমি কিনে বেশি মূল্য দেখিয়ে প্রতারণা করে একের পর এক ব্যাংকঋণ নিতে থাকেন তাঁরা। রাজশাহী সিটি বাইপাসের পাশে কয়েক দিন আগেও অন্তত আটটি স্থানে ‘এই জমির মালিক এরশাদ অ্যান্ড ব্রাদার্স করপোরেশন’ নামে সাইনবোর্ড ঝোলানো ছিল। সম্প্রতি সাইনবোর্ডগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে এখনো রাজশাহী নগরীর খড়খড়ি এলাকায় একটি সাইনবোর্ড রয়েছে।

স্থানীয় মুনসুর রহমান বলেন, ‘খড়খড়ি এলাকায় বাইপাসের পাশে অন্তত ৩০ বিঘা জমি কিনেছে এরশাদ এবং তার ভাইয়েরা। বিঘাপ্রতি ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকায় জমি কিনে সেই জমি বিঘাপ্রতি অন্তত কোটি টাকা মূল্য দেখিয়ে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছে তারা। কয়েক দিন ধরে সাইনবোর্ডগুলো আর দেখা যাচ্ছে না।’

জানা গেছে, দুদকের অনুসন্ধান শুরুর পর ওই সব সাইনবোর্ড সরিয়ে নেয় আমিনুল-এরশাদ গং। এদিকে দুদকের অনুসন্ধানেও উঠে এসেছে আমিনুল ও এরশাদ গংয়ের অবৈধ সম্পদের অনেক তথ্য। রাজশাহী নগরীর ভদ্রায়, রানীনগরে, সাধুর মোড় এলাকায়, পদ্মা আবাসিক এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে আমিনুল ও তাঁর ভাইদের নামে-বেনামে কয়েক শ কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে। ঢাকার ধানমণ্ডি, উত্তরা, রাজশাহী শহরসহ বিভিন্ন স্থানে রয়েছে বিলাসবহুল বাড়ি। চলাফেরা করেন কোটি টাকা দামের গাড়িতে। রাজশাহীতে নতুন আরো একটি বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ চলছে।

বিদেশে কর্মী পাঠানোর নামে প্রতারণায় বেপরোয়া হয়ে ওঠেন তাঁরা। পাথর, বালু, ইট সরবরাহের নামে শতাধিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে জালিয়াতি করে আমিনুল হাতিয়ে নিয়েছেন অন্তত ৫০ কোটি টাকা। এসব জালিয়াতির পাশাপাশি আরো বড় জালিয়াতি করতে আমিনুল নিজে গ্যারান্টার হয়ে বড় ভাই এরশাদ আলীর নামে এবি ব্যাংকসহ কয়েকটি ব্যাংক ও একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে হাতিয়ে নেন ২৫০ কোটি টাকা। জানা গেছে, ব্যাংকঋণের এসব টাকার বেশির ভাগ বিদেশে পাচার করা হয়েছে। এরশাদ অ্যান্ড ব্রাদার্স করপোরেশনের নামে এবি ব্যাংকের কাকরাইল শাখা থেকে ঋণ নিয়েছেন ১৫০ কোটি টাকা। ব্র্যাক ব্যাংক থেকে নিয়েছেন ১৫ কোটি পাঁচ লাখ টাকা, সাউথইস্ট ব্যাংক থেকে নিয়েছেন ছয় কোটি টাকা। এ ছাড়া আর্থিক প্রতিষ্ঠান ফনিক্স ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট থেকে নিয়েছেন আরো ২৯ কোটি টাকা ঋণ। এর বাইরে আরো দুটি ব্যাংকেও এরশাদ ও আমিনুলের নামে ঋণ আছে বলে জানা গেছে। পাওনা টাকা না পেয়ে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন আদালতে এনআই অ্যাক্টে চারটি মামলা করেছে এবি ব্যাংক। এর মধ্যে একটি মামলায় গত বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। ১৭ সেপ্টেম্বর আরেকটি মামলায় এরশাদের জামিন বাতিল করা হয়। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকায় তাঁকে আটকের চেষ্টা করছে ধানমণ্ডি থানা পুলিশ। পাশাপাশি দুর্নীতি দমন কমিশনও আমিনুল ইসলাম ও এরশাদের দুর্নীতি-জালিয়াতির অভিযোগে অনুসন্ধান করছে।

ঢাকা ও রাজশাহীতে ধূর্ত প্রতারক হিসেবেই পরিচিত আমিনুল ও এরশাদ। মানবপাচার থেকে শুরু করে যখন যে সুযোগ পেয়েছেন, জালিয়াতি করে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা। সর্বশেষ ২০১৮ সালে রাজধানীর বনানীর এসএইচএল রিয়েল এস্টেট কম্পানি প্রতারক আমিনুল ইসলামের সঙ্গে যৌথভাবে ব্যবসা করতে গিয়ে প্রতারণার শিকার হয়। এসএইচএল কম্পানির সঙ্গে ৪০ ভাগ শেয়ারে ব্যবসার চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী সিমেন্ট, পাথরসহ অন্যান্য উপকরণ সরবরাহ করার কথা আমিনুলের। কিন্তু তিনি কোনো অর্থ বিনিয়োগ না করে উল্টো ইট, বালু, সিমেন্ট, পাথর কেনার টাকা ওই কম্পানির কাছ থেকে নিয়ে পাথর, সিমেন্ট, বালু ব্যবসায়ীদের টাকা পরিশোধ না করে আত্মসাৎ করেন আমিনুল।

এসএইচএল কম্পানির পরিচালক আমির হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমিনুল একজন ভয়ংকর প্রতারক। প্রতারণা করে আমাদের সাত কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানের শতাধিক মানুষ আমিনুলের কাছে কোটি কোটি টাকা পায়। এর আগে চট্টগ্রামের এক ব্যবসায়ীর আট কোটি টাকা প্রতারণা করে হাতিয়ে নেওয়ায় জেলও খাটে আমিনুল। পাওনা টাকা আদায়ে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে আমরাও প্রক্রিয়া শুরু করেছি।’

স্বামী জীবিত থাকতেই বিধবাভাতা উত্তোলন করেন স্ত্রী
                                  

স্বামী জীবিত। কিন্তু বিধবাভাতা উত্তোলন করছেন স্ত্রী। এভাবেই ২০১৬ সাল থেকে চলছে সরকারি টাকা আত্মসাতের ঘটনা। নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার ১০ নং কোটাকোল ইউনিয়নের বড়দিয়া গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে। ওই ভুয়া ভাতাভোগী প্রতি মাসে পাঁচশত টাকা করে পান।

সংশ্লিষ্ট সূত্র ও অভিযোগে জানা গেছে, ১০ নং কোটাকোল ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বড়দিয়া গ্রামের বাসিন্দা মোঃ জাহের শেখ(৬৫) এর স্ত্রী আমিরোন বিবি। লোহাগড়া উপজেলা সমাজসেবা অফিস ২০১৭ সালের ২০ আগষ্ট আমিরোন বিবির নামে বিধবা ভাতার কার্ড ইস্যু করেন। কার্ড নং- ২৭৯/১৭। ওই কার্ডের বিপরীতে সোনালী ব্যাংক মহাজন শাখার হিসাব নং-০১০১১৬৪৯। অভিযোগ রয়েছে, আমিরোন বিবি বিধবা ভাতার সরকারি টাকা তুললেও তার স্বামী এখনো জীবিত। ভাতা বইতে দেখা যায় ২০১৬ সালের জুলাই থেকে টাকা তোলা হয়েছে।

গত ২০ জুন কোটাকোল ইউপির ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার শাহানারা বেগম সহ বড়দিয়া এলাকার হিমু খান, মিলন খানসহ কয়েকজনে জেলা প্রশাসক ও লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ দেন। ওই অভিযোগপত্র সূত্রে জানা গেছে, কোটাকোল ইউনিয়নের ৭ নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডের মেম্বার মুজিবর রহমান স্বামী জীবিত থাকা অবস্থায় বড়দিয়া গ্রামের মোঃ জাহের শেখের স্ত্রীর নামে নামে বিধবা ভাতার কার্ড করে দিয়েছেন।

ব্যাংক থেকে ভাতার টাকা উত্তোলনের পর মেম্বার এবং ওই নারী টাকা ভাগাভাগি করে নিচ্ছেন। অবশ্য এর আগে আমিরোন বিবি স্বামী জীবিত থাকতেও বিধবাভাতার টাকা উত্তোলন করছেন মর্মে লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ করেন একই এলাকার মোঃ লিকু মোল্যা। ওই অভিযোগে মহিলা মেম্মারকে দায়ী করা হয়।

খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে, অভিযোগের প্রেক্ষিতে লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিষয়টি তদন্তের জন্য লোহাগড়া উপজেলা সমাজসেবা অফিসারকে দায়িত্ব দিয়েছেন।

ভাতাভোগী আমিরোন বিবি বলেন, ৭ নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃ মুজিবর মোল্যা ১২ হাজার টাকা নিয়ে বিধবা ভাতার কার্ড করে দেছে। স্বামী বেঁচে থাকতেও কেনো আমাকে বিধবা ভাতার কার্ড করে দিলেন প্রশ্নের জবাবে মেম্বার মোঃ মুজিবর মোল্যা বলেন, তোমরা গরীব মানুষ, ওই কার্ড করে দিছি তা সমস্যা কি। তোমরা খাও। আমিরোন বিবি কখনো কখনো বলছেন কার্ড করবার সময় মহিলা ও পুরুষ দুজন মেম্বারই ছিল।

সংরক্ষিত ওয়ার্ডের মেম্বার শাহানারা বেগম অভিযোগ করেন, ১২ হাজার টাকা নিয়ে আমিরোন বিবির নামে বিধবা ভাতার কার্ড করে দিয়েছেন মেম্বার মোঃ মুজিবর মোল্যা। এ বিষয়টি নিয়ে ইউএনও স্যারের নিকট আমার বিরুদ্ধে অভিযোগকারী মোঃ লিকু মোল্যা। মোঃ লিকু মোল্যার স্ত্রী রিনা বেগম গত দুবারের ইউপি নির্বাচনে আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন। সামনে নির্বাচন তাই তারা আমাকে নানাভাবে হয়রানির চেষ্টা করছেন।

৭ নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃ মুজিবর মোল্যা ভাতাভোগী আমিরোন বিবির স্বামী জাহের শেখ এখনো জীবিত স্বীকার করে বলেন, আমি কার্ড করে দিতে কোনো টাকা নেইনি। কখনো আবার বলছেন, আমিরোনের ওই কার্ড আমি করিনি।

ওই এলাকার নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক লোকে অভিযোগ করেন, কোটাকোল ইউনিয়নে বিধবা বা বয়স্ক ভাতার অনেক ভুয়া কার্ড রয়েছে। চেয়ারম্যান ওই সব ভুয়া কার্ডের ব্যাপারে অবগত থাকলেও নিজে সুবিধা নিয়ে চুপ থাকেন।

কোটকোল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মারিয়া হোসেন বলেন, ভুয়া ভাতা কার্ডের বিষয়টি শুনেছি। সাধারণত মেম্বাররাই ওই সব কার্ড করে দেয়। আমি এসব ব্যাপারে কারো কাছ থেকেই কোন সুবিধা নেই না।

লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুকুল কুমার মৈত্র বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি তদন্তের জন্য সমাজসেবা অফিসারকে দায়িত্ব দিয়েছি। লোহাগড়া উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ শামীম রেজা বলেন, ভাতা বই জব্দ করেছি। তদন্ত চলছে।

১৬ বছরেই মেয়েটি রান্নায় চ্যাম্পিয়ন, জিতল পাঁচ লাখ টাকা
                                  

রান্নাঘরে গিয়ে মায়ের বানানো খাবার টেস্ট করা ছিল নিত্যদিনের অভ্যাস। একদিন অন্য পরিকল্পনা নিয়ে রান্নাঘরে হাজির হলো রাফিয়া। মায়ের একটা রেসিপি হুবহু বানাবে। মা-ও সাহায্য করলেন। সেই থেকেই জন্ম নিল রান্না করার আগ্রহ। আরেক দিন বিকেলে মাকে বলল, ‘আম্মু! আজ আমি সবার জন্য পাস্তা বানাব।’ মা-ও রাজি। রাফিয়ার বানানো পাস্তা খেয়ে সবাই খুব প্রশংসা করল। ব্যস, রান্নার উৎসাহটা স্থায়ী হলে গেল। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ পড়ুয়া বড় আপুও রাফিয়ার রান্নায় আগ্রহ দেখে অনুপ্রেরণা দিতেন, সাহায্য করতেন নতুন নতুন রেসিপি বানাতে।
এরই মধ্যে ছোটদের রান্নাবিষয়ক রিয়ালিটি শো ‘তীর লিটল শেফ সিজন ২’ এর বিজ্ঞাপন দেওয়া হলে মা বললেন, ‘অংশ নেবে?’

অডিশনে রান্নাবিষয়ক বহু নির্বাচনী প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। সেখানে ভালো করে রাফিয়া। ভাইভাতেও তার রান্না নিয়ে নানা প্রশ্নের উত্তর শুনে বিচারকরা মুগ্ধ। চট্টগ্রাম জোন থেকে নির্বাচিত চারজনের একজন রাফিয়া। ঢাকায় ধাপে ধাপে বিভিন্ন পর্ব শেষে গ্র্যান্ড ফিনালেতে পৌঁছে।

প্রতিযোগিতা ঘিরে কত মজার স্মৃতিই না আছে, ‘লিটল শেফের বন্ধুরা সবাই একদিন বার্গার অর্ডার করেছিল। আমাকে দিয়েছিল নাগা বার্গার। খেয়ে তো অবস্থা কাহিল। ঝালে মুখ পুড়ে যাচ্ছিল। তা দেখে ওদের যে কী হাসি! পরে অবশ্য চিনির শরবত বানিয়ে দেয় ওরা। লিটল শেফে যাওয়ার ফলে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বন্ধুদের সঙ্গে পরিচয় হয়েছে। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর থেকে সবাই কল দিচ্ছে, শুভেচ্ছা জানাচ্ছে। অনেকে আম্মুকে ফোন দিয়েও শুভেচ্ছা জানাচ্ছে।’ রাফিয়ার পছন্দের রেসিপি পিত্জা, ব্রাউনি। গ্র্যান্ড ফিনালেতে ‘টমেটো ক্রিম স্যুপ উইথ ক্রুটনস’ নামে একটি রেসিপি বানিয়েছে।

যারা নতুন রান্না করে তাদের জন্য রাফিয়ার পরামর্শ, ‘যদি রান্নার প্রতি ছোটবেলা থেকে আগ্রহ থাকে, তবে অবহেলা করা উচিত নয়। রান্না একটা শিল্প। তাই চর্চাটাও থাকা চাই। প্যাশন হিসেবে নিতে হবে। নতুন নতুন রেসিপি বানানোর চেষ্টা করতে হবে। এক ধরনের খাবার রান্না না করে বিভিন্ন ধরনের বানানোর চেষ্টা করতে হবে। তবে শুরুটা বাঙালি খাবার দিয়েই হওয়া চাই।’

এই খুদে শেফ ইন্ডিয়ান, চায়নিজ, থাই, বাংলা খাবার বানাতে পারদর্শী। কথায় কথায় জানাল, ভবিষ্যতে একটি রেস্টুরেন্ট দেওয়ার ইচ্ছা আছে। তার ঝুলিতে বিতর্ক, আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কারও রয়েছে। বিজ্ঞান ও গণিত অলিম্পিয়াড, উপস্থিত বক্তৃতা, অভিনয়সহ অন্যান্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেও অংশগ্রহণ করছে নিয়মিত। পড়াশোনাও চলছে সমান তালে। এখন পড়ছে চট্টগ্রামের সিলভার বেলস কিন্ডারগার্টেন অ্যান্ড গার্লস হাই স্কুলে দশম শ্রেণিতে। রাফিয়ার বাবার নাম সফিউল আলম, মায়ের নাম সুলতানা আলম। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও জেএসসি পরীক্ষায় পেয়েছে গোল্ডেন জিপিএ ফাইভ। বড় হয়ে কাজ করতে চায় নাসায়।

টমেটো ক্রিম স্যুপ উইথ ক্রুটনস

প্রথমে ৮-১০টি টমেটো কেটে বাটার, রসুন, লবণ, গোল মরিচ, চিনি আর বেসিল পাতা দিয়ে ভালোভাবে মেশাতে হবে। এই মিশ্রণে সামান্য পানি দিয়ে একটা তরল ভাব আনতে হবে।

মিশ্রণটি ব্লেন্ড করে ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে অল্প বাটার, ক্রিম দিয়ে রান্না করতে হবে।

ক্রুটনসের জন্য একটা পাউরুটি নিয়ে ছোট ছোট টুকরা করে কেটে বাটার, রসুন কুচি, পার্সলে, লবণ দিয়ে মেখে কিছুক্ষণ রাখতে হবে।

এরপর সার্ভিং বোলে স্যুপটি নিয়ে ওপরে সামান্য ক্রিম ও কয়েকটি ক্রুটনস দিয়ে পরিবেশন করতে হবে। হয়ে গেল ‘টমেটো ক্রিম স্যুপ উইথ ক্রুটনস’।

করোনায় ফুসফুস ভালো রাখে যে ৫ খাবার
                                  

অনলাইন ডেস্ক : করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে ফুসফুসে সংক্রমণ হতে পারে। ফুসফুসে সংক্রমণ হলে দেখা দেয় শ্বাসকষ্ট, যার ফলে মৃত্যুও হতে পারে। তাই ফুসফুসকে সুস্থ রাখা জরুরি। মানবদেহের রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থার অন্যতম অঙ্গ ফুসফুস।

এদিকে ফুসফুস সুস্থ রাখার বিষয়ে খাবারের রয়েছে বিশেষ ভূমিকা।

কী খেতে হবে?
পুষ্টিবিদদের মতে, শাক-সবজি, আলু, পটল, কুমড়ো-গাজর বেশি করে খান। খোসা না ছাড়িয়ে তরকারি করে খেতে পারলে আরও ভাল।

এছাড়া ময়দার বদলে খান আটার রুটি, সাদা ভাতের বদলে ব্রাউন রাইস, কিনোয়া, বার্লি ইত্যাদি। এতে ফুসফুসের ক্ষতি যেমন কম হবে, ওজন ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

এছাড়া পটাশিয়ামসমৃদ্ধ খাবার ফুসফুসের জন্য ভালো। তাই সবুজ শাক, টমেটো, বিট, আলু, কলা খান নিয়মিত। আর প্রোটিনের জন্য মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, দই, ডাল, ছোলা ইত্যাদি।

ফুসফুসের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ঠিক রাখতে দিনে ২ থেকে ৩ লিটার পানি অবশ্যই পান করতে হবে।

যেসব খাবার খাবেন-

কয়েকটি বিশেষ খাবার রয়েছে যা ফুসফুসের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। আসুন জেনে নিই এমন কিছু খাবার সম্পর্কে-

১। পেঁয়াজ ও রসুন
পেঁয়াজ ও রসুন প্রদাহের প্রবণতা কমায় ও সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করার শক্তি জোগায়। `জার্নাল অব ক্যানসার এপিডেমিওলজি` ও `বায়োমার্কারস অ্যান্ড প্রিভেনশন`-এ প্রকাশিত প্রবন্ধে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, যেসব ধূমপায়ী কাঁচা রসুন খান তাদের ফুসফুসের বিভিন্ন অসুখে ভোগার আশঙ্কা প্রায় ৪০ শতাংশ কমে যায়।

২। আদা
আদা কুচি নিয়মিত খেলে ফুসফুস ভাল থাকে।

৩। কাঁচা মরিচ
কাঁচা মরিচ খেলে রক্ত সঞ্চালন ভাল হয়। সংক্রমণের আশঙ্কা কমে।

৪। হলুদ
হলুদের কারকিউমিন প্রদাহ কমায়।

৫। ফল ও সবজি
আপেল, পেয়ারা, শসা, সফেদা ইত্যাদি ফল ফুসফুসের জন্য খুবই ভাল। আপেল ও বাতাবি লেবুর ফ্ল্যাভেনয়েড ও ভিটামিন সি ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়ায়। এছাড়া গাজর, কুমড়ো, বেল পেপারে থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি। সারা শরীরের পাশাপাশি ফুসফুসের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এসব সবজি। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা


   Page 1 of 6
     ফিচার
ঘাড়ব্যথায় কী করবেন?
.............................................................................................
শরতের শুভ্রতা ছড়াচ্ছে কাশফুল
.............................................................................................
যে কারণে বাংলাদেশে পিরানহা ও আফ্রিকান মাগুর মাছ নিষিদ্ধ
.............................................................................................
চা আর সিগারেট এক সঙ্গে খাওয়ার ভয়ংকর ফলাফল জানেন কি?
.............................................................................................
ব্রণ দূর করবে অ্যালোভেরা
.............................................................................................
দুই মাথাওয়ালা মহিষশাবক
.............................................................................................
সুইচবোর্ডে পাখির বাসা, ডিম ও বাচ্চা বাঁচাতে ৩৫ দিন অন্ধকারে গ্রামবাসী!
.............................................................................................
করোনাকালেও থেমে নেই কুকর্ম, লাখ লাখ টাকা উড়িয়ে সংঘবদ্ধ যৌনতা!
.............................................................................................
লক্ষাধিক টাকায় বিক্রি হচ্ছে সোনার মাস্ক, প্রশ্ন তুলছেন নেটিজেনরা
.............................................................................................
আলোচনায় `নবাবগঞ্জের নবাব`
.............................................................................................
নিজের পছন্দ একজন, পরিবারের আরেকজন; এক আসরে দু`জনকে বিয়ে!
.............................................................................................
চাচির সঙ্গে ভাতিজার প্রেম, বিয়ে করে ভয়ঙ্কর পরিণতি!
.............................................................................................
রিকশাচালক থেকে ৫০০ কোটি টাকার মালিক আমিনুল
.............................................................................................
স্বামী জীবিত থাকতেই বিধবাভাতা উত্তোলন করেন স্ত্রী
.............................................................................................
১৬ বছরেই মেয়েটি রান্নায় চ্যাম্পিয়ন, জিতল পাঁচ লাখ টাকা
.............................................................................................
করোনায় ফুসফুস ভালো রাখে যে ৫ খাবার
.............................................................................................
পুষ্টিগুণে ভরা শজনে ডাঁটা সারাবে যেসব রোগ
.............................................................................................
যেভাবে নির্ধারিত হয় রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোন
.............................................................................................
পাতিলেবুর এত গুণ!
.............................................................................................
করোনার সংক্রমণ থেকে বাঁচাবে জুতা!
.............................................................................................
ধূমপায়ীদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ১৪ গুণ বেশি
.............................................................................................
করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির হাতে তৈরি খাবার থেকে কি সংক্রমণ ছড়ায়?
.............................................................................................
করোনায় তরুণদের আক্রান্ত হবার পেছনে ধুমপান অন্যতম কারণ
.............................................................................................
সংসার সুখি হয় পুরুষের রোজগারে
.............................................................................................
হাতিরঝিলে দেখা মিলল ভিয়েনার ‘হিউম্যান ডগ’র
.............................................................................................
বাংলাদেশের হারিয়ে যাওয়া সবচেয়ে ছোট হরিণ!
.............................................................................................
বাংলাদেশের ভয়াবহ ১১ ট্রেন দুর্ঘটনা
.............................................................................................
পরীক্ষার চাপ কমাতে শিক্ষার্থীদের ‘কবরে শুয়ে থাকার’ পরামর্শ
.............................................................................................
ফিনল্যান্ডের সৈকতে ‘বরফের ডিম’
.............................................................................................
আদিম যুগের মতো চার পায়ে চলেন তারা
.............................................................................................
নারায়ণগঞ্জে যেমন ছিলেন এসপি হারুন
.............................................................................................
১৪ হাজার ফ্ল্যাট তৈরি হচ্ছে
.............................................................................................
ধেয়ে আসছে দানবীয় উল্কাপিণ্ড
.............................................................................................
কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় কলমি শাক
.............................................................................................
কোরবানির সুস্থ গরু চিনবেন কিভাবে?
.............................................................................................
ডেঙ্গু জ্বর সম্পর্কে ১০টি তথ্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
.............................................................................................
সঙ্গীর হাতে আলতো চাপ দিলে যেসব রোগ নিয়ন্ত্রণে থাকবে
.............................................................................................
মোনালিসা সম্পর্কে ৭ অজানা তথ্য
.............................................................................................
`বড় বাপের পোলায় খায়, ঠোঙা ভইরা লইয়া যায়`
.............................................................................................
অনুমানের চেয়ে প্রায় ৯ শতাংশ বেশি দ্রুত প্রসারিত হচ্ছে মহাবিশ্ব
.............................................................................................
কাঁধের ব্যথা কমাতে ঘরোয়া ৪ উপায়
.............................................................................................
স্বাস্থ্য দিবসে যে ২৩ পরামর্শ দিলেন ডা. দেবী শেঠী
.............................................................................................
বিশ্বসেরা ১০ চিকিৎসকের একজন দেবী শেঠী
.............................................................................................
গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ রোধে করণীয়
.............................................................................................
কুকুর আক্রমণের চেষ্টা করলে যা করবেন
.............................................................................................
আমলকী কেন খাবেন?
.............................................................................................
শরীরে পানিশূন্যতার ৪ লক্ষণ
.............................................................................................
ভ্যালেন্টাইন্স ডে
.............................................................................................
নখ কাটলে ব্যথা লাগে না কেন?
.............................................................................................
হেঁচকি থামাতে কী করবেন?
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD