| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * সাদা পোশাক সুরক্ষিত রাখবেন যেভাবে   * করোনার পর চীনে এবার ছড়িয়ে পড়ছে নরোভাইরাস   * রাজধানীতে বাসের ধাক্কায় নারীর মৃত্যু   * রাঙ্গামাটিতে অটোরিকশা উল্টে কলেজছাত্রীর মৃত্যু   * ২৪ বছর পর ফের অর্থনৈতিক মন্দায় ভারত   * ফিফা র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি   * মাগুরায় ট্রাকের চাকায় পিষ্ট ২ মোটরসাইকেল আরোহী   * ঘুষ লেনদেনে এশিয়ায় শীর্ষে ভারত   * জনতার মুখোমুখি হবেন ডিএনসিসি মেয়র   * চিরনিদ্রায় শায়িত আলী যাকের  

   ফিচার -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
জবা ফুলের চায়ের যত গুণ !

অনলাইন ডেস্ক : জবা ফুলে এমনিতেই বেশ কিছু ওষধি গুণ রয়েছে। আর জবা ফুল থেকে তৈরি চা এখন খুবই জনপ্রিয়। ফুলের মত জবা ফুলের চাও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। সারা বিশ্বে জবা চায়ের জনপ্রিয়তা ক্রমেই বাড়ছে।

জবা চায়ের কি কি উপকারিতা আছে তা জানলে হয়তো কেউই এটা মিস করতে চাইবেন না। এবার তা জেনে নিন...

ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখে
সম্প্রতি আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রকাশ করা এক রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, এই বিশেষ চায়ে উপস্থিত অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপাটিজ নিমেষে রক্তচাপকে স্বাভাবিক অবস্থায় নিয়ে আসতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই জবা ফুলের চা খেতে পারেন যারা আজকাল অফিসে কাজের চাপ এবং দৈনন্দিন জীবনের নানা সমস্যা থেকে রক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন।

কোলেস্টেরল কমায়
রক্তচাপ বাড়লে এবং খাওয়া দাওয়া নিয়মমতো না হলেই বাড়ে কোলেস্টেরল। সেখান থেকে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনাও বাড়ে। জবার চা হার্টে রক্ত জমাট বাঁধতে দেয় না। কোলেস্টেরলও জমতে দেয় না। এছাড়া ব্রেন ও হার্টের কোনও রকম ক্ষতির হাত থেকে বাঁচায় জবা ফুলের চা।

লিভারের কর্মক্ষমতা বাড়ে
সম্প্রতি বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে জবা ফুলে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেয়। এর ফলে লিভারের কর্মক্ষমতা বাড়ে। সেই সঙ্গে অনেক উপকারও পাওয়া যায়। ক্যান্সারের আশঙ্কা কমে। সেই সঙ্গে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।

সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে
জবা ফুলের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যাসকরবিক অ্যাসিড। এই অ্যাসিড আমাদের শরীরে ভিটামিন সি`র চাহিদা মেটায়। সেই সঙ্গে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। যে কারণে সর্দি-কাশির আর্য়ুবেদিক ওষুধ তৈরিতেও জবা ফুল ব্যবহার করা হয়।

পিরিয়ডের সমস্যা মেটায়
মেয়েদের বিশেষ সময়ে যদি নিয়মিত জবা ফুল দিয়ে বানানো চা খাওয়া যায়, তাহলে পিরিয়ড ক্র্যাম্প এবং যন্ত্রণা অনেকটাই কমে। সেই সঙ্গে অন্যান্য অস্বস্তিও দূর হয়। প্রসঙ্গত, হরমোনাল ইমব্যালেন্স কমাতেও এই পানীয়টি দারুন কাজে আসে। তাই মেয়েরা যদি প্রতিদিন এই চা পান করতে পারেন, তাহলে দারুন উপকার মেলে।

মানসিক অবসাদ কমায়
নানা কারণে মনটা খারাপ হলে ঝটপট এক কাপ জবার চা বানিয়ে পান করুন। এমনটা করলে দেখবেন মুড একেবারে ফ্রেশ হয়ে যাবে। কারণ এতে উপস্থিত উপকারি ভিটামিন এবং মিনারেল স্নায়ুতন্ত্রে তৈরি হওয়া প্রদাহ কমানোর পাশাপাশি অ্যাংজাইটি কমাতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়।

ওজন কমায়
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত জবার চা খেলে শরীরে শর্করা এবং স্টার্চের শোষণ কমে যায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ওজন কমতে শুরু করে। বেশ কয়েকজন গবেষক এ প্রসঙ্গে আলোচনা করতে গিয়ে আরেকটি বিষয়ের উপর আলোকপাত করেছেন। তাদের মতে জবা ফুলের চায়ে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা শরীরে অ্যামিলেস নামক একটি উপাদানের উৎপাদন কমিয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ওজন কমার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়।

যেভাবে বানাবেন
জবা ফুলের পাঁপড়িগুলো ছিড়ে নিন সাবধানে। এবার মাঝখানের ডাঁটি ফেলে দিন। পানির মধ্যে দারচিনি বা এলাচ ফেলে ফুটিয়ে নিন। দশ মিনিট ফোটানোর পর রং বদলালে ছেঁকে নিন। মধু মিশিয়ে খান। গ্রিন টি ব্যবহার করতে পারলে খুবই ভালো।

আর জবা ফুলের পাঁপড়ি সাতদিন রোদে ফেলে শুকিয়ে তা কাঁচের জারে সংরক্ষণ করেও রাখতে পারেন। তারপর চা তৈরির সময় মিলিয়ে নিতে পারেন।

জবা ফুলের চায়ের যত গুণ !
                                  

অনলাইন ডেস্ক : জবা ফুলে এমনিতেই বেশ কিছু ওষধি গুণ রয়েছে। আর জবা ফুল থেকে তৈরি চা এখন খুবই জনপ্রিয়। ফুলের মত জবা ফুলের চাও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। সারা বিশ্বে জবা চায়ের জনপ্রিয়তা ক্রমেই বাড়ছে।

জবা চায়ের কি কি উপকারিতা আছে তা জানলে হয়তো কেউই এটা মিস করতে চাইবেন না। এবার তা জেনে নিন...

ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখে
সম্প্রতি আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রকাশ করা এক রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, এই বিশেষ চায়ে উপস্থিত অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপাটিজ নিমেষে রক্তচাপকে স্বাভাবিক অবস্থায় নিয়ে আসতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই জবা ফুলের চা খেতে পারেন যারা আজকাল অফিসে কাজের চাপ এবং দৈনন্দিন জীবনের নানা সমস্যা থেকে রক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন।

কোলেস্টেরল কমায়
রক্তচাপ বাড়লে এবং খাওয়া দাওয়া নিয়মমতো না হলেই বাড়ে কোলেস্টেরল। সেখান থেকে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনাও বাড়ে। জবার চা হার্টে রক্ত জমাট বাঁধতে দেয় না। কোলেস্টেরলও জমতে দেয় না। এছাড়া ব্রেন ও হার্টের কোনও রকম ক্ষতির হাত থেকে বাঁচায় জবা ফুলের চা।

লিভারের কর্মক্ষমতা বাড়ে
সম্প্রতি বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে জবা ফুলে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেয়। এর ফলে লিভারের কর্মক্ষমতা বাড়ে। সেই সঙ্গে অনেক উপকারও পাওয়া যায়। ক্যান্সারের আশঙ্কা কমে। সেই সঙ্গে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।

সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে
জবা ফুলের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যাসকরবিক অ্যাসিড। এই অ্যাসিড আমাদের শরীরে ভিটামিন সি`র চাহিদা মেটায়। সেই সঙ্গে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। যে কারণে সর্দি-কাশির আর্য়ুবেদিক ওষুধ তৈরিতেও জবা ফুল ব্যবহার করা হয়।

পিরিয়ডের সমস্যা মেটায়
মেয়েদের বিশেষ সময়ে যদি নিয়মিত জবা ফুল দিয়ে বানানো চা খাওয়া যায়, তাহলে পিরিয়ড ক্র্যাম্প এবং যন্ত্রণা অনেকটাই কমে। সেই সঙ্গে অন্যান্য অস্বস্তিও দূর হয়। প্রসঙ্গত, হরমোনাল ইমব্যালেন্স কমাতেও এই পানীয়টি দারুন কাজে আসে। তাই মেয়েরা যদি প্রতিদিন এই চা পান করতে পারেন, তাহলে দারুন উপকার মেলে।

মানসিক অবসাদ কমায়
নানা কারণে মনটা খারাপ হলে ঝটপট এক কাপ জবার চা বানিয়ে পান করুন। এমনটা করলে দেখবেন মুড একেবারে ফ্রেশ হয়ে যাবে। কারণ এতে উপস্থিত উপকারি ভিটামিন এবং মিনারেল স্নায়ুতন্ত্রে তৈরি হওয়া প্রদাহ কমানোর পাশাপাশি অ্যাংজাইটি কমাতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়।

ওজন কমায়
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত জবার চা খেলে শরীরে শর্করা এবং স্টার্চের শোষণ কমে যায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ওজন কমতে শুরু করে। বেশ কয়েকজন গবেষক এ প্রসঙ্গে আলোচনা করতে গিয়ে আরেকটি বিষয়ের উপর আলোকপাত করেছেন। তাদের মতে জবা ফুলের চায়ে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা শরীরে অ্যামিলেস নামক একটি উপাদানের উৎপাদন কমিয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ওজন কমার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়।

যেভাবে বানাবেন
জবা ফুলের পাঁপড়িগুলো ছিড়ে নিন সাবধানে। এবার মাঝখানের ডাঁটি ফেলে দিন। পানির মধ্যে দারচিনি বা এলাচ ফেলে ফুটিয়ে নিন। দশ মিনিট ফোটানোর পর রং বদলালে ছেঁকে নিন। মধু মিশিয়ে খান। গ্রিন টি ব্যবহার করতে পারলে খুবই ভালো।

আর জবা ফুলের পাঁপড়ি সাতদিন রোদে ফেলে শুকিয়ে তা কাঁচের জারে সংরক্ষণ করেও রাখতে পারেন। তারপর চা তৈরির সময় মিলিয়ে নিতে পারেন।

চল্লিশের পর সুস্থ থাকতে যেসব খাবার খাবেন
                                  

পুষ্টিবিদ আখতারুন নাহার আলো : বয়স চল্লিশ পার হলে স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নটা একটু বেশিই নিতে হয়। নিয়ম মেনে না চললে এই বয়সে বহু জটিল রোগ বাসা বাধতে পারে দেহে। তাই এই বয়সে শরীর ঠিক রাখতে চাই প্রয়োজনীয় পুষ্টি।


৪০-এর পর অতিরিক্ত চর্বিজাতীয় খাবার খাওয়া যাবে না। প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার যেমন– মাছ, মাংস, ডিম ও দুধ খেতে হবে নিয়মিত। খাবার খেতে হবে সময়মতো।

চল্লিশের পর যেসব খাবার খাবেন

১. লোহিত রক্তকণিকা ও মস্তিষ্ক শুষ্ক রাখতে ভিটামিন বি ১২ জরুরি, যা দুধের তৈরি খাবার, মুরগি, মাছ ও ডিমে পাবেন।

২. এ বয়সে হাড়ের জন্য ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার খান। হাড়ের ভর নিয়ন্ত্রণ করতে এস্ট্রোজেন উপকারী। তাই মেনোপোজের পর নারীদের হার অপেক্ষাকৃত ভঙ্গুর হয়ে পড়ে।

এ ছাড়া ভিটামিন ডির মাত্রা কমে গেলে ক্যান্সার, হাঁপানি, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। আলাদাভাবে ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট নেয়া ভালো হবে।

৩. এ সময় পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম গ্রহণ করা না হলে হাড় থেকে এর ঘাটতি পূরণ হয়। ফলে হাড় দুর্বল হওয়া শুরু করে। ৪০ থেকে ৫০ বছর বয়স্ক নারীদের জন্য দৈনিক এক হাজার মিলিগ্রাম এবং পুরুষদের জন্য ১২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়ামের প্রয়োজন। পঞ্চাশোর্ধ্ব নারীরা খাদ্য তালিকায় ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার যেমন- কাঠবাদাম, কমলা, মটর, কপি ও পালংশাক যুক্ত করলে উপকার পাবেন।

৪. এ সময় ত্বক ভালো রাখতে ও দেহে বয়সের ছাপ কমাতে এবং হৃদরোগ, ক্যান্সার ও অন্যান্য রোগ থেকে বাঁচতে
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া জরুরি।

৫. তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ওমেগা থ্রি হলো- ইপিএ, ডিএইচএ এবং এএলএ। ইপিএ ও ডিএইচএ পাওয়া যায় মাছ থেকে। এএলএ পাওয়া যায় উদ্ভিজ্জ খাবার যেমন- আখরোট, তিসির বীজ ও চিয়া বীজ থেকে।

ওমেগা থ্রি হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করে। তাই ৪০ এর পর এই খাবারগুলো নিয়মিত খেতে হবে।

যে কোনো ধরনের ওষুধ ও ভিটামিন ট্যাবলেট খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

লেখক: প্রধান পুষ্টিবিদ, বারডেম জেনারেল হাসপাতাল।

কাজুবাদামের যতো উপকারিতা
                                  

ফিচার ডেস্ক : বর্তমানে মানুষ অনেক স্বাস্থ্য সচেতন। শরীর সুস্থ রাখতে অনেকেই কাজুবাদাম খেতে খুব পছন্দ করেন। কাজুবাদাম খুবই পুষ্টিকর একটি খাবার। এতে অনেক ধরনের পুষ্টি উপাদান বিদ্যমান। তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো- ফাইবার, প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেলস, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস, ফাইটোকেমিক্যালস, ওমেগা-৩ এবং ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড ইত্যাদি। এর উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানাচ্ছেন মো. বিল্লাল হোসেন-

হৃদরোগ প্রতিরোধ: হৃদরোগ মৃত্যুর অন্যতম কারণ। কাজুবাদামে আছে স্বাস্থ্যকর ওমেগা-৩ এবং ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড। যা দেহে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের (এলডিএল) পরিমাণ কমিয়ে দেয়। আর ভালো কোলেস্টেরলের (এইচডিএল) পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে যায়।

চোখের যত্ন: যারা শহরে বসবাস করেন; ধুলা-বালি ও দূষিত বায়ু তাদের জন্য নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। প্রতিদিন যদি চোখের মধ্যে ধুলা যায়। তাহলে খুব সহজেই চোখের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। তাই তাদের উচিত নিয়মিত কাজুবাদাম খাওয়া। কারণ কাজুবাদামে আছে জিয়াজ্যানথিন নামের একটি পিগমেন্ট। যা চোখের রেটিনায় একটি আবরণ তৈরি করে চোখকে ধুলা-বালি ও আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি থেকে রক্ষা করে। এ ছাড়া এটি ম্যাকুলার ডিজেনেরেশন নামক চোখের রোগ প্রতিরোধ করে।

রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ: এতে উপস্থিত কপার অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা নামক রোগ প্রতিরোধ করে। কপার একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস। তাই এটি দেহ থেকে ফ্রি র্যাডিকেল বের করে দেয় এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। বিশেষ করে যেসব নারীর অ্যানেমিয়া আছে; তাদের প্রতিদিন কাজুবাদাম খাওয়া উচিত।

ত্বকের সুরক্ষা: কাজুবাদামের তেলে রয়েছে সেলেনিয়াম, জিংক, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন ও ফসফরাস। যা ত্বককে দেবে দারুণ সুরক্ষা। তাছাড়া এতে উপস্থিত সেলেনিয়াম একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস, যা ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক হিসেবে কাজ করে।

ওজন কমাতে: ওজন কমাতে কাজুবাদামের জুড়ি মেলা ভার। এতে উপস্থিত ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড দেহের অতিরিক্ত ফ্যাট বার্নিং করতে সাহায্য করে। কাজুবাদামে উপস্থিত ফাইবার ক্ষুধা কমিয়ে দেয়। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণ করা অনেক সহজ হয়। তবে ওজন কমানোর জন্য কাজুবাদাম খেতে হবে কাঁচা ও লবণ ছাড়া।

কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ: কাজুবাদামে উপস্থিত ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য, কোলন ক্যান্সার ও হৃদরোগ প্রতিরোধে দারুণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

চুলের যত্ন: কাজুবাদামে উপস্থিত কপার চুলের রঞ্জক পদার্থ মেলাটোনিন বাড়াতে সহায়তা করে। ফলে চুল হয় মসৃণ ও স্বাস্থ্যবান। তাই পুষ্টিকর কাজুবাদাম খান, চুলকে সুস্থ রাখুন।

লেখক: শিক্ষার্থী, ফলিত পুষ্টি ও খাদ্যপ্রযুক্তি বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া।

জেনে নিন যে ৭ কারণে কমে যাচ্ছে আপনার আয়ু
                                  

অনলাইন ডেস্ক : সবাই বেশি দিন বেঁচে থাকতে চায়। কিন্তু জানেন কি, এমন অনেক কাজ আছে যেগুলো আমাদের অজান্তেই আমাদের আয়ু কমিয়ে দিচ্ছে? আসুন কারণগুলো জেনে যাক-

টিভি দেখা
ব্রিটিশ জার্নাল অব স্পোর্টস মেডিসিনে প্রকাশিত এক গবেষণা বলছে, ২৫ বছরের বেশি বয়সীরা এক ঘণ্টা টিভি, ডিভিডি বা ভিডিও দেখলে তাদের জীবনের আয়ু প্রায় ২২ মিনিট কমে যেতে পারে। সে হিসেবে কেউ যদি ধারাবাহিকভাবে দিনে গড়ে ছয় ঘণ্টা করে টিভি দেখেন, তাহলে তার জীবন থেকে পাঁচটি বছর চলে যেতে পারে।

যৌনসম্পর্ক
ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালের একটি গবেষণায় জানা যায়, যেসব পুরুষ মাসে কমপক্ষে একবারও যৌনসম্পর্কে লিপ্ত হননি তাদের মারা যাওয়ার সম্ভাবনা, যারা সপ্তাহে অন্তত একদিন যৌনসম্পর্ক করেছেন, তাদের চেয়ে দ্বিগুণ।
এদিকে ডিউক ইউনিভার্সিটির গবেষণা বলছে, যেসব নারীর আনন্দময় যৌনজীবন রয়েছে তারা অন্যদের চেয়ে প্রায় আট বছর বেশি বাঁচেন। কাজেই সুস্থ, সুন্দর জীবনের জন্য নিয়মিত যৌনসম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ বৈকি!

একা থাকা
অনেকেই একা থাকতে পছন্দ করেন। মনে করেন এতে করে চাপ এড়ানো যায়। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন অন্য কথা। তাদের মতে, একা থাকা মানে জীবনের সুখ, স্বাচ্ছন্দ্য থেকে বঞ্চিত হওয়া – যা আয়ু কমাতে পারে। দিনে ১৫টি সিগারেট খেলে স্বাস্থ্যের যে ক্ষতি হয়, পর্যাপ্ত সামাজিক যোগাযোগ না করলেও সেরকম ক্ষতি হতে পারে বলে জানিয়েছেন মার্কিন মনোবিজ্ঞানী জুলিয়ান হোল্ট-লুনস্টাড।

বসে থাকা
আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন-এর জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা বলছে, দিনে গড়ে ১১ ঘণ্টার বেশি সময় বসে থাকা মানে পরবর্তী তিন বছরের মধ্যে মৃত্যুর সম্ভাবনা প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়ে যাওয়া। কাজেই আর বসে থাকা নয়, শারীরিক পরিশ্রম করুন, সুস্থ থাকুন!

বেকারত্ব
ক্যানাডার গবেষকরা বলছেন, একজন মানুষ বেকার থাকা মানে তার অকালমৃত্যুর সম্ভাবনা ৬৩ শতাংশ বেড়ে যাওয়া। ১৫টি দেশের প্রায় ২০ মিলিয়ন মানুষের ৪০ বছরের তথ্য বিশ্লেষণ করে এমন তথ্য পেয়েছেন গবেষকরা।

ঘুমানো
দিনে আট ঘণ্টার বেশি সময় ধরে ঘুমানো ঠিক নয় বলে জানান বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেন, ধারাবাহিকভাবে এত সময় ধরে ঘুমানো স্বাস্থ্যকর নয়। দিনে সর্বোচ্চ সাত ঘণ্টা ঘুমানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

অতিরিক্ত ব্যায়াম
ব্যায়াম করা শরীরের জন্য উপকারী। কিন্তু সেটা বেশি হয়ে গেলেই বিপদ। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত ব্যায়াম করা উচিত। সূত্র: ডয়েচে ভেলে

আজ রাত ১২ টার পর বিদায়- ১০- ১০ -২০২০ ঈসায়ী
                                  

মিয়া আবদুল হান্নান : আজকের তারিখটি ক্যালন্ডারে একটু ভালো করে দেখুন। অবাক হচ্ছেন? মাসের ১০ তারিখ আজ। আর বছরের দশম মাস হচ্ছে অক্টোবর। এছাড়াও চলছে ২০২০ সাল তা তো সবারই জানা। অংকে পুরো তারিখটা লিখতে হবে এভাবেই– `১০-১০-২০২০`। বিষয়টা মজার না?

দশ-দশ-বিশ একটি স্মরণীয় তারিখ। অংকের যোগফলটি আজ দেখা দিচ্ছে তারিখেও। এমন তারিখ আর কখনোই দেখবে না বিশ্ব।

এ বছর এমন আরো মজার তারিখ ছিল। যেমন- বছরের সবচেয়ে কনফিউজিং তারিখ ১০-০৯-২০।

ফেব্রুয়ারিতে আরেকটি মজার তারিখ ছিল। সেদিন তারিখে ছিল মাত্র দু`টি সংখ্যা। সম্পূর্ণ তারিখটি লিখতে হলে দুটি সংখ্যাই চার বার ব্যবহার করতে হয়েছিল। যেমন- ২০-০২-২০২০; `মাস/দিন/বছর` বা `দিন/মাস/বছর`—তারিখটি যেভাবেই লেখেন না কেন `২` ও `০` চার বার লিখতে হবে।

প্যালিনড্রোম বছরে এ পদ্ধতি ছাড়া এমন তারিখ আগে এসেছিল ৮০৮ বছর আগে। সেটি ছিল- ২১-১২-১২১২। তবে গতানুগতিক হিসেবে গত এক হাজার বছরে কয়েকবার এসেছে এমন তারিখ। যেমন- ০২-০২-২০২০, ১২-১২-১২১২, ১১-১১-১১১১ ও ১০-১০-১০১০। আমাদের মনে না থাকিলে ও ইতিহাস হয়ে রয়ে যায়,খন- গণনার দিন- মাস- বছরের পর বছর।

চিকেন স্যুপ রেসিপি
                                  

এই সময় অনেকে সর্দি-কাশি ও ভাইরাল জ্বরে ভুগছেন। এ কারণে অনেকের খাবারে অরুচি। এমতাবস্থায় খেতে পারেন চিকেন স্যুপ।

পুষ্টিকর ও প্রোটিনসমৃদ্ধ চিকেন স্যুপ খুবই উপকারী। ভাইরাল ফ্লুর বিরুদ্ধে দারুণভাবে কাজ করে চিকেন স্যুপ।

আসুন জেনে নেই কীভাবে তৈরি করবেন চিকেন স্যুপ-

উপকরণ
মুরগির মাংস ৫০০ গ্রাম। পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল-চামচ। রসুন কুচি ১ টেবিল-চামচ। আদাকুচি আধা চা-চামচ। কাঁচামরিচ-কুচি ১টি। গোলমরিচ-গুঁড়া আধা চা-চামচ। লবণ ১ চা-চামচ।

স্বাদলবণ বা টেস্টিং সল্ট চা-চামচের চারভাগের একভাগ। মাখন ১ টেবিল–চামচ। লেবুর রস ১ চা-চামচ। টমেটো সস ১ টেবিল-চামচ। কর্নফ্লাওয়ার ১ চা-চামচ। ডিম ১টি। পানি ৫ কাপ। ধনেপাতার কুচি ১ চা-চামচ। চাইলে যেকোনো সবজিও দেওয়া যাবে। তবে তা নিজের পছন্দমতো।

প্রস্তুত প্রণালী
চুলায় পানি দিন এবং মাংস পানিতে সেদ্ধ করুন। পানি প্রায় দুইকাপ পরিমাণ হয়ে আসলে নামিয়ে পানিটা ছেকে নিন।

পেঁয়াজ, রসুন ও আদাকুচি একসঙ্গে মাখন দিয়ে ভেজে বেরেস্তা করে উঠিয়ে রাখুন। এবার ওই ছেকা পানিটা চুলায় দিয়ে ডিম, কর্নফ্লাওয়ার আর লেবুর রস বাদে বাকি সব উপকরণ দিয়ে নাড়তে থাকুন। ডিম আর লেবুর রস একসঙ্গে ফেটিয়ে আস্তে আস্তে স্যুপে ঢেলে নাড়তে থাকুন। এখন বেরেস্তা দিয়ে দিন।

ধনেপাতা ছিঁটিয়ে নামিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার গরম গরম মুরগির স্যুপ।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে কামরাঙা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : দেশি ফলের মধ্যে কামরাঙা অন্যতম। অন্যান্য ফলের তুলনায় এর দামও কম। পুষ্টি জোগায়, নানা রোগ প্রতিরোধে কাজ করে। তাই সাধারণ একটি ফলেই হতে পারে মুশকিল আসান। ভেজাল, দূষণ, অনিয়ন্ত্রিত জীবন যাপনের কারণে শরীরের দফা রফা। ঠিক এই পরিস্থিতিতে মুশকিল আসান হতে পারে একটি ফল।

চিকিৎসকরা বলছেন, ভিটামিন বি নাইন ফলিক অ্যাসিডে ভরপুর কামরাঙা। যা হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়। ভিটামিন সি-এর পরিমাণ আম, আঙুর, আনারসের চেয়ে বেশি। কামরাঙায় আয়রনের পরিমাণ পাকা কাঁঠাল, কমলালেবু, পাকা পেঁপে, লিচু, ডাবের পানির চেয়েও বেশি।

ভিটামিন বি ফাইভ ও ভিটামিন বি সিক্স প্রচুর পরিমাণে রয়েছে কামরাঙায়। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ, কোলেস্টেরল কম করা এবং হাইপারটেনশন দূর করতে কামরাঙার জুড়ি মেলা ভার। শুধু কামরাঙা ফলই নয়, কামরাঙা গাছের পাতাও খুবই উপকারি।
এতে রয়েছে এলাজিক অ্যাসিড, যা খাদ্যনালির ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। এর পাতা ও কচি ফলের রসে রয়েছে ট্যানিন, যা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। সর্দিকাশিতে দারুণ উপকারি। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। কামরাঙা চুল, ত্বক, নখ ও দাঁত উজ্জ্বল করে। মুখে ব্রন হওয়া ঠেকায়।

ক্যাপসিকামের আচার তৈরি করবেন যেভাবে
                                  

আচার খেতে কে না পছন্দ করে! বিভিন্ন স্বাদের আচার খাবারে রুচি বাড়ায়। তাইতো প্রতিদিন আচার খেতে পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। বাড়িতেই তৈরি করতে পারেন নানা স্বাদের আচার। আজ চলুন জেনে নেয়া যাক সুস্বাদু ক্যাপসিক্যামের আচার তৈরির রেসিপি-

উপকরণ:
ক্যাপসিকাম ৫টি
দুই টেপিল চামচ
সরিষা আধা চা চামচ
১টি লেবুর রস
মরিচের গুঁড়া ১ চা চামচ
হলুদের গুঁড়া আধা চা চামচ
তেল ২ টেবিল চামচ
লবণ পরিমাণমতো।

প্রণালি:
ক্যাপসিকাম ছোট ছোট টুকরো করে বিচি ফেলে দিতে হবে। প্যানে তেল গরম করে সরিষা ও মেথি দিয়ে ভাজতে হবে। এরপর এতে মরিচের গুঁড়া ও হলুদের গুঁড়া দিতে হবে। কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে এবার ক্যাপসিকামের টুকরা ও লবণ দিয়ে মিশ্রণটিকে ঢেকে দিতে হবে। নরম হয়ে এলে এতে লেবুর রস ঢেলে ভালোভাবে নাড়ুন। নামিয়ে নিয়ে ঠান্ডা হয়ে এলে জার বা বোতলে সংরক্ষণ করতে হবে।

ঘাড়ব্যথায় কী করবেন?
                                  

ডা. মোহাম্মদ আলী : ঘাড়ব্যথার কারণগুলোর মধ্যে স্পন্ডাইলোসিস বা ঘাড়ের হাড় ক্ষয় অন্যতম। যারা দীর্ঘসময় ডেস্কে বসে কাজ করেন, যেমন– ব্যাংকার, কম্পিউটার ব্যবহার বেশি করেন এমন ব্যক্তিরা এই সমস্যায় বেশি ভোগেন।

তা ছাড়া যারা ঘরের কাজ যেমন- কাপড় ধোয়া, ঘর মোছা বা রান্না করার মতো কাজ করেন তারাও ঘাড়ব্যথায় আক্রান্ত হন।
ঘাড়ব্যথায় আক্রান্ত রোগীদের সুস্থ হওয়ার হার কোমর, হাঁটু বা অন্যান্য শারীরিক ব্যথাক্রান্ত রোগীদের চেয়ে বেশি।

ঘাড়ের রোগের লক্ষণ ও প্রকারভেদ

ব্যথা ঘাড় থেকে হাতে চলে যায়। অনেকের হাতে ঝিঝি ধরে পিঠে ও বুকে ব্যথা ছড়িয়ে পড়ে। ঘাড় ডানে-বামে বা সামনে-পেছনে ঝোঁকাতে কষ্ট হয়।
অনেকে ওপরের দিকে তাকাতে পারেন না। রোগী বলে থাকেন, তাদের কোনো কোনো আঙুল অবশ লাগছে বা ঠিক বোধ পাচ্ছেন না। সকালে ঘুম থেকে উঠে অনুভব করেন তার একটি হাত ঝিঝি লেগে আছে অথবা ঝিঝি লাগার কারণে মধ্যরাতে ঘুম ভেঙে গেছে।

এসব উপসর্গ ছাড়াও অনেক রোগী মাথা ঘোরা, মাথাব্যথা বা বুকে ব্যথার কথা বলে থাকেন। এমনও রোগী আছেন, যারা বুকব্যথার সঠিক কারণ নির্ণয় করতে না পেরে নিজেকে হৃদরোগী ভাবেন।

একটি এক্স-রে করে দেখা যায়, তিনি ঘাড়ের হাড়ক্ষয় রোগে ভুগছেন। একইভাবে মাসের পর মাস মাথা ঘোরা রোগের ওষুধ খেয়ে উপকার না পেয়ে পরে স্পন্ডাইলোসিস শনাক্ত হওয়া রোগীর সংখ্যাও নেহাত কম নয়।

চিকিৎসা

কার্যকরী চিকিৎসা আইপিএম। কারণ নির্ণয় হওয়া মাত্রই চিকিৎসা শুরু করতে হবে। ব্যথা বা অন্যান্য উপসর্গ সম্পূর্ণ ভালো হয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত আইপিএম চালিয়ে যেতে হবে।

নিয়ম মেনে চলাও চিকিৎসার সমান গুরুত্বপূর্ণ। সামনে ঝুঁকে কাজ না করা, পাতলা বালিশে ঘুমানো, সমান বিছানা ব্যবহার স্পন্ডাইলোসিস রোগীদের কষ্ট দ্রুত দূর করবে।
ডায়াবেটিস, গ্যাস্ট্রিক, আলসার ও কিডনি রোগে আক্রান্তরা ব্যথানাশক ওষুধ সেবন থেকে বিরত থাকুন।

ফ্রোজেন সোল্ডার স্পন্ডাইলোসিসের অন্যতম জটিলতা। রোগ জটিল আকার ধারণ করলে হাত শুকিয়ে যাওয়া বা আঙুল অবশ হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটতে পারে।

লেখক:
চিফ কনসালট্যান্ট
হাসনাহেনা পেইন রিসার্চ সেন্টার
উত্তরা, ঢাকা।

শরতের শুভ্রতা ছড়াচ্ছে কাশফুল
                                  

ডেস্ক রিপাের্ট : আলো ছড়াচ্ছে শরতের দৃষ্টিনন্দন ধবধবে সাদা কাশফুল। এ ফুলের ছোঁয়ায় প্রায় সবার শরীর-মন জুড়িয়ে যায়। প্রতিদিনের অফিস আর যানবাহনের শব্দদূষণ থেকে রেহাই পেতে ঢাকার বুকেই পাবেন এমন জায়গা। রাজধানী ঢাকার খুব কাছে উত্তরার দিয়াবাড়ী এলাকায় ছড়িয়ে আছে সাদা কাশফুল। বালুমাটির বিশাল খোলা জায়গা দিয়াবাড়ী এখন ভ্রমণপিপাসুদের বেশ প্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন কাশফুলের নির্মল হাওয়া উপভোগের জন্য সেখানে ভিড় করে সব বয়সী মানুষ। দিন শেষে পরিবার-পরিজন নিয়ে এখানে আসে তারা। কাশফুলের পাশাপাশি একটু দূরে নদে রয়েছে নৌকা। যে কেউ চাইলেই কম খরচে নৌকায় চড়ে ঘুরতে পারেন। অনেকেই আবার জলকেলিতে মেতে ওঠেন। তবে শুক্র ও শনিবার ভিড় থাকে বেশি। রাজধানীর যে কোনো প্রান্ত থেকে সরাসরি সিএনজি ও বেবি ট্যাক্সি রিজার্ভ করে যাওয়া যায়। এ ছাড়া মিরপুর বেড়িবাঁধের সড়ক ধরে সিএনজি ও লেগুনায় যাওয়া যায়।

বর্তমানে চলছে ভরা বর্ষাকাল। আকাশে ভেসে বেড়াচ্ছে সাদা মেঘের ভেলা। নীল আকাশজুড়ে অলস মেঘের অবাধ বিচরণ। খ- খ- মেঘের নিরুদ্দেশ যাত্রা। রোদের ঝলকানির পাশেই মেঘের ছায়া।

মেঘ আর রোদের কানামাছি খেলার মাঝে বৃষ্টিও অংশ নিচ্ছে। এমন দিনে আপনাকে স্বাগত জানাতে কাশফুল ‘সাদা ডালি’ সাজিয়ে বসে থাকে। দক্ষিণা বাতাসে কাশফুলগুলো ঢলে ঢলে আপনার সঙ্গে কথা বলবে। আপনাকে আহ্বান জানাবে তার সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য। এমন দিনে কাশফুলের অপরূপ দৃশ্য সহজেই যে কারও চিত্তে দোলা দেবে। নাগরিক ব্যস্ততার মাঝেও একটু সময় করে ঘুরে আসতে পারেন কাশফুলের রাজ্য থেকে। তবে বিকালে যাওয়াই ভালো।

দিয়াবাড়ী এলাকায় সপরিবার ঘুরতে আসা চাকরিজীবী আলমগীর হোসেন বলেন, ‘এক কথায় অসাধারণ! ঢাকার মধ্যে যেন এক কাশফুলের রাজ্য। এখানে এলে যে কারও মন ভালো হতে বাধ্য।’ ঘুরতে এসে নিজের উচ্ছ্বাসের কথা প্রকাশ করেন তিনি। দিয়াবাড়ীর বাড়ি-ঘরহীন সড়ক ধরে ভিতরের দিকে যত যেতে থাকবেন, ততই আপনি মুগ্ধ হবেন। সড়কের দুই পাশে কাশফুলগুলো মাথা নুয়ে আপনাকে স্বাগত জানাবে। এ ছাড়া গুচ্ছ গুচ্ছ কাশফুলের গাছগুলো দেখে মনে হবে ফুলগুলো সেজে আছে শুধু আপনাকে আনন্দ দেওয়ার জন্যই। শেষ প্রান্তের দুই দিকে থরে থরে সাজানো কাশফুল দেখে মনে হবে যেন আপনি দাঁড়িয়ে আছেন কাশফুলের রাজ্যে। যত দূর চোখ যায় ততটাই সাদার রাজ্য। অন্য পাশে তুরাগ নদের স্বচ্ছ পানি। নদের পাড় ধরে কাশবন আর নীল স্বচ্ছ পানির মিলনমেলা। এখানকার বাসিন্দা নাজমুল আলম জানান, বর্ষার শেষ সময়টাতেই কাশফুল দেখা যায়। কাশবনে সূর্য ডোবার ঠিক আগ মুহূর্তে পশ্চিম আকাশে লালচে আভায় সাদা কাশফুলের সৌন্দর্য বেড়ে যায়।

যে কারণে বাংলাদেশে পিরানহা ও আফ্রিকান মাগুর মাছ নিষিদ্ধ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : রাক্ষুসে স্বভাবের কারণে বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশ সরকারও পিরানহা মাছের উৎপাদন, বিপণন ও বিক্রি বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করেছে।

২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে পিরানহা মাছ চাষ, উৎপাদন, পোনা উৎপাদন, বংশ বৃদ্ধি, বাজারে বিক্রি এবং বাজার থেকে ক্রয় সরকারিভাবে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয় এবং ২০১৪ সালের জুন থেকে আফ্রিকান মাগুরের আমদানি, উৎপাদন, বিপণনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

প্রটেকশন অ্যান্ড কনজারভেশন অব ফিস রুলস, ১৯৮৫ এর কয়েকটি ধারা সংশোধন করে আফ্রিকান মাগুরের ওপর এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

এছাড়া বিদেশ থেকে আফ্রিকান মাগুর ও পিরানহা মাছ, মাছের রেণু ও পোনা আমদানি করলে জেল জরিমানার বিধান রেখে মৎস্য সংঘ নিরোধ আইন-২০১৭ এর খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিপরিষদ।

এই আইন অমান্য করলে দুই বছরের জেল ও ৫ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

কারণ এই দুই প্রজাতির মাছ চাষের ফলে দেশি প্রজাতির মাছ বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে। কোনওভাবে যদি পুকুর বা অবরুদ্ধ জলাশয় থেকে এই মাছ দুটি নদীতে বা মুক্ত জলাশয়ে চলে আসে তাহলে বাংলাদেশের মৎস্য সম্পদের জন্য মহাবিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক ইয়াহিয়া মাহমুদ বলেন, “বাংলাদেশ বন্যা প্রবণ দেশ। এখন পুকুরে বা ঘে‌রে যদি পিরানহা মাছ বা আফ্রিকান মাগুর মাছ চাষ ক‌রা হয়। এবং সেই মাছ যদি পানিতে ভেসে অবরুদ্ধ স্থান থেকে মুক্ত জলাশয় যেমন নদী, খাল বিলে চলে আসে। তখন তাদের আক্রমণে দেশীয় ছোট বড় সব মাছ বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে।”

কিন্তু বাংলাদেশে এখনও এসব মাছ প্রকাশ্যেই উৎপাদন ও খোলা বাজারে বিক্রি হতে দেখা যায়। যা বেশিরভাগ সময় থাই রূপচাঁদা বা সামুদ্রিক চান্দা নামে বিক্রি হয়। এর ছোট আকারের আফ্রিকান মাগুর মাছ, দেশি মাগুর মাছ বলে বিক্রি হতে দেখা যায়।

দামে কম হওয়ায় সেইসঙ্গে অন্য মাছের নামে বিক্রি করায় প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছেন ক্রেতারা।

মূলত এই মাছ খেলে কোনও স্বাস্থ্য ঝুঁকি নেই তবে পরিবেশগত ঝুঁকি রয়েছে অনেক। এমনটাই জানিয়েছেন মাহমুদ।

তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, পিরানহা মাছ ও আফ্রিকান মাগুর মাছের উৎপাদন, বিপণন, বিক্রি ও সংরক্ষণ স্থায়ীভাবে বন্ধ করা না গেলে বাংলাদেশের ২৬০ প্রজাতির স্বাদু পানির মাছ এবং ৪৭৫ প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ অধিকাংশ বিলুপ্ত হয়ে যাবে। সূত্র: বিবিসি বাংলা

চা আর সিগারেট এক সঙ্গে খাওয়ার ভয়ংকর ফলাফল জানেন কি?
                                  

অনলাইন ডেস্ক : গরম চায়ের কাপ নিয়ে, ঠোঁটে রাখেন জ্বলন্ত সিগারেট এমনটা অনেকেই করে থাকেন ৷ কিন্তু গবেষণা বলছে, এই ধরণের অভ্যাস বাড়াতে পারে ক্যানসারের ঝুঁকি !

সম্প্রতি `অ্যানালস অব ইন্টার্নাল মেডিসিন` জার্নালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, যে ব্যক্তিরা নিয়মিত ধূমপান ও মদ্যপান করেন, তাদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত গরম চা পান করাটা খাদ্যনালীর ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

বিজ্ঞানীদের গবেষণা বলছে, যারা দিনে অন্তত এক গ্লাস অ্যালকোহলযুক্ত পানীয় পান করেন, পাশাপাশি দিনে অতিরিক্ত গরম চা পান করেন তাদের খাদ্যনালীর ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশি। ধূমপায়ীদের ক্ষেত্রেও দেখা যায়, প্রতিদিন অতিরিক্ত গরম চা পান করলে তাদেরও এই ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

আমেরিকার এক বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, তামাক ও অ্যালকোহল দুটো থেকেই দূরে থাকাই হচ্ছে এই ক্যান্সার প্রতিরোধের সবচেয়ে ভালো উপায়। কিন্তু ধূমপান ও মদ্যপানের অভ্যাস না থাকলে শুধু চা পান করা নিয়ে চিন্তিত হবার কিছু নেই।

ব্রণ দূর করবে অ্যালোভেরা
                                  

ব্রণের সমস্যায় ব্যবহার করতে পারেন অ্যালোভেরা। এতে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন সি, এ এবং ই, যা ব্রণ দূর করার পাশাপাশি ত্বক উজ্জ্বলতা বাড়ায়।

অ্যালোভেরাতে থাকা এক ধরনের অ্যাসিড ব্রণের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া দূর করে।

আসুন জেনে নিই কীভাবে ব্যবহার করবেন-

১. ত্বক পরিষ্কার করে ধুয়ে মুছে অ্যালোভেরার পাতা থেকে জেল সংগ্রহ করে ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন ঘুমানোর আগে। সকালে ঘুম থেকে উঠে ধুয়ে ফেলুন।

২. সমপরিমাণ মধু ও অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে ব্রণ আক্রান্ত ত্বকে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

৩. আধা টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে ১ চিমটি হলুদের গুঁড়া মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে রাখুন ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

লেখক:
বিন্দিয়া বিউটি পার্লারের স্বত্বাধিকারী ও বিউটি কনসালট্যান্ট।

দুই মাথাওয়ালা মহিষশাবক
                                  

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চর আমখাওয়া ইউনিয়নের উত্তর মুকিরচর গ্রামে এক গর্ভবতী মহিষ দুই মাথাবিশিষ্ট এক বাচ্চা প্রসব করেছে বলে জানা গেছে। আজ ৪ আগস্ট সকাল ৮টার দিকে সাবেক মেম্বার বাদশা মন্ডলের বাড়ির কাছের ফুলচান মন্ডলের নিজের পালের এক মহিষ এ দুই মাথাওয়ালা বাচ্চা প্রসব করে।

ঘটনাটি জানাজানি হলে আশপাশের শতশত লোক এসে ফুলচান মণ্ডলের বাড়িতে ভিড় জমায়। সাবেক মেম্বার বাদশা মণ্ডল বলেন আজ সকাল ৮টার দিকে ঘটনাটি ঘটেছে। মহিষের বাচ্চাটির দুটি মাথা থাকায় ঘটনাটি এলাকায় বেশ আলোড়ন তুলেছে। তবে বাচ্চাটি কিছুক্ষণ পরেই মারা যায়। অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ স্বাভাবিক বাচ্চার মতোই ছিল। তবে মহিষের বাচ্চাটির ৪টি চোখ, দুটি মুখ, দুটি মাথা, চারটি কান নিয়ে জন্মে।

সুইচবোর্ডে পাখির বাসা, ডিম ও বাচ্চা বাঁচাতে ৩৫ দিন অন্ধকারে গ্রামবাসী!
                                  

আমাদের চারপাশে অমানবিকতার ঘটনাগুলো আমাদের হতাশ করে। কিন্তু এমন কিছু ঘটে যায় যা আবারো মানুষ ও মানবিকতার ওপর আমাদের বিশ্বাস ফিরিয়ে আনে। ভারতের দক্ষিণের এ ঘটনাটি তেমনই। গ্রামের কমিউনিটি সুইচবোর্ডের ভেতর বাসা বেঁধেছিল একটি বুলবুলি। সেই বাসায় আবার ডিমও পেড়েছিল পাখিটি। একজন গ্রামবাসী সবার প্রথমে সেটি দেখতে পান। তিনি ছবি তুলে সেটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পাঠান। তার পরই গোটা গ্রাম অন্ধকার। এক-দু`দিন নয়। টানা ৩৫ দিন গ্রামবাসীরা অন্ধকারে থাকলেন।

তামিলনাড়ুর শিবগঙ্গা জেলার একটি গ্রামের ঘটনা। আসলে গ্রামবাসীরা সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, পাখির ডিম থেকে ছানা ফুটে বের না হওয়া পর্যন্ত ওই গ্রামে আলো জ্বালানো হবে না। বুলবুলি পাখিটির বাসা ও ডিম বাঁচাতে জন্য টানা ৩৫ গ্রামবাসীরা রাস্তার আলো জ্বালাননি। এই ভরা বর্ষায় গোটা গ্রামের লোকজন অন্ধকার রাস্তা দিয়েই চলাচল করেছেন। কারুপ্পুরাজা নামের এক কলেজপড়ুয়া জানিয়েছেন, গ্রামে মোট ৩৫টি স্ট্রিটলাইট রয়েছে। কিন্তু তারা গত ৩৫দিন একটিও জ্বালাননি। কারণ সব সুইচ ওই কমিউনিটি সুইচবোর্ডে। মোবাইলের টর্চ, টর্চ লাইট ব্যবহার করেই গ্রামবাসীরা এই কদিন রাস্তায় যাতায়াত করেছেন।

গ্রামে মোট একশো পরিবারের বাস। সবাইকে বিষয়টি বোঝানো কঠিন হয়েছিল। কারণ সবার মানবিকতা বোধ সমান নয়। কেউ কেউ সামান্য পাখির বাসার জন্য এতদিন অন্ধকারে চলাচল করতে প্রথমে রাজি হচ্ছিলেন না। কিন্তু গ্রামের যুবক-যুবতীরা তাদের অনুরোধ করেন। মূর্তি ও কার্তি নামের দুই ভাইয়ের ওপর ছিল পাখিদের আচরণে লক্ষ্য রাখার দায়িত্ব। তারা প্রতিদিন মা-পাখি উড়ে গেলে একবার করে দেখে আসতেন ডিমগুলো কী অবস্থায় রয়েছে! এর পর একদিন ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়। তার পর সেই বাচ্চাগুলো বড় হতে থাকে। গ্রামবাসীরা অপেক্ষা করতে থাকেন। গ্রামবাসীদের কেউ কেউ পাখির বাসা পরিষ্কারও করে দিতেন।

সূত্র: জি নিউজ

করোনাকালেও থেমে নেই কুকর্ম, লাখ লাখ টাকা উড়িয়ে সংঘবদ্ধ যৌনতা!
                                  

করোনাভাইরাস পরীক্ষার ফল নেগেটিভ হলে সেই পার্টিতে যোগ দেওয়া যাবে। জানা গেছে, পর্তুগালের রাজধানী লিসবোন থেকে এক ঘণ্টা দূরত্বে কমপোর্টা রিসোর্ট ভাড়া নিয়ে `সেক্স পার্টি`র ওই আয়োজন করা হচ্ছে।

সামনের শনিবার করোনা পরীক্ষার পর ওই পার্টিতে অংশ নেওয়া যাবে। এরই মধ্যে অনেকেই সেই আয়োজনে থাকার ব্যাপারে ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। সেখানে উপস্থিত হতে গেলে প্রতি জোড়া খরচ পড়বে দুই হাজার সাতশ পাউন্ড; যা বাংলাদেশি টাকা দুই লাখ ৯০ হাজার টাকারও বেশি। সঙ্গী না থাকলেও অবশ্য অংশ নেওয়া যাবে।

পুরিলিয়া নামক সংগঠন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এর আগেও এ ধরনের সেক্স পার্টির আয়োজন তারা করেছে। একই ধরনের আয়োজন এ বছরের শুরুর দিকে হয়েছে লিসবোনে। সেই অনুষ্ঠানে রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে ফুটবল খেলোয়াড় এবং টেলিভিশনের তারকারা উপস্থিত হয়েছিলেন।

অবশ্য সেই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে পুরিলিয়া সংগঠনের কাছে সাক্ষাৎকার দিতে হবে। আলাপে বনিবনা হলেই পার্টিতে অংশ নিতে দেওয়া হবে। অন্যথায় সেই সুযোগ দেওয়া হবে না।

পার্টি চলা অবস্থায় অবশ্য মাস্ক ব্যবহারের কথা বলা হচ্ছে। আর সবার নিরাপত্তার জন্য স্থানটি কড়া নজরদারিতে রয়েছে। বিসবোনের জনস্বাস্থ্য বিষয়ক প্রধান বলেছেন, করোনাভাইরাসের কারণে মানুষের চলাচল সীমিত করে দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে এমন আয়োজন প্রশ্নবিদ্ধ বলেও মনে করেন তিনি।

তবে আয়োজকরা বলছেন, পার্টির ব্যাপারে অনুমতি তারা পেয়েছেন। পর্তুগাল ছাড়াও ফ্রান্স ও ব্রিটেনের লোকজন সেই আয়োজনে থাকতে পারবেন।

সূত্র : মিরর


   Page 1 of 6
     ফিচার
জবা ফুলের চায়ের যত গুণ !
.............................................................................................
চল্লিশের পর সুস্থ থাকতে যেসব খাবার খাবেন
.............................................................................................
কাজুবাদামের যতো উপকারিতা
.............................................................................................
জেনে নিন যে ৭ কারণে কমে যাচ্ছে আপনার আয়ু
.............................................................................................
আজ রাত ১২ টার পর বিদায়- ১০- ১০ -২০২০ ঈসায়ী
.............................................................................................
চিকেন স্যুপ রেসিপি
.............................................................................................
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে কামরাঙা
.............................................................................................
ক্যাপসিকামের আচার তৈরি করবেন যেভাবে
.............................................................................................
ঘাড়ব্যথায় কী করবেন?
.............................................................................................
শরতের শুভ্রতা ছড়াচ্ছে কাশফুল
.............................................................................................
যে কারণে বাংলাদেশে পিরানহা ও আফ্রিকান মাগুর মাছ নিষিদ্ধ
.............................................................................................
চা আর সিগারেট এক সঙ্গে খাওয়ার ভয়ংকর ফলাফল জানেন কি?
.............................................................................................
ব্রণ দূর করবে অ্যালোভেরা
.............................................................................................
দুই মাথাওয়ালা মহিষশাবক
.............................................................................................
সুইচবোর্ডে পাখির বাসা, ডিম ও বাচ্চা বাঁচাতে ৩৫ দিন অন্ধকারে গ্রামবাসী!
.............................................................................................
করোনাকালেও থেমে নেই কুকর্ম, লাখ লাখ টাকা উড়িয়ে সংঘবদ্ধ যৌনতা!
.............................................................................................
লক্ষাধিক টাকায় বিক্রি হচ্ছে সোনার মাস্ক, প্রশ্ন তুলছেন নেটিজেনরা
.............................................................................................
আলোচনায় `নবাবগঞ্জের নবাব`
.............................................................................................
নিজের পছন্দ একজন, পরিবারের আরেকজন; এক আসরে দু`জনকে বিয়ে!
.............................................................................................
চাচির সঙ্গে ভাতিজার প্রেম, বিয়ে করে ভয়ঙ্কর পরিণতি!
.............................................................................................
রিকশাচালক থেকে ৫০০ কোটি টাকার মালিক আমিনুল
.............................................................................................
স্বামী জীবিত থাকতেই বিধবাভাতা উত্তোলন করেন স্ত্রী
.............................................................................................
১৬ বছরেই মেয়েটি রান্নায় চ্যাম্পিয়ন, জিতল পাঁচ লাখ টাকা
.............................................................................................
করোনায় ফুসফুস ভালো রাখে যে ৫ খাবার
.............................................................................................
পুষ্টিগুণে ভরা শজনে ডাঁটা সারাবে যেসব রোগ
.............................................................................................
যেভাবে নির্ধারিত হয় রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোন
.............................................................................................
পাতিলেবুর এত গুণ!
.............................................................................................
করোনার সংক্রমণ থেকে বাঁচাবে জুতা!
.............................................................................................
ধূমপায়ীদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ১৪ গুণ বেশি
.............................................................................................
করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির হাতে তৈরি খাবার থেকে কি সংক্রমণ ছড়ায়?
.............................................................................................
করোনায় তরুণদের আক্রান্ত হবার পেছনে ধুমপান অন্যতম কারণ
.............................................................................................
সংসার সুখি হয় পুরুষের রোজগারে
.............................................................................................
হাতিরঝিলে দেখা মিলল ভিয়েনার ‘হিউম্যান ডগ’র
.............................................................................................
বাংলাদেশের হারিয়ে যাওয়া সবচেয়ে ছোট হরিণ!
.............................................................................................
বাংলাদেশের ভয়াবহ ১১ ট্রেন দুর্ঘটনা
.............................................................................................
পরীক্ষার চাপ কমাতে শিক্ষার্থীদের ‘কবরে শুয়ে থাকার’ পরামর্শ
.............................................................................................
ফিনল্যান্ডের সৈকতে ‘বরফের ডিম’
.............................................................................................
আদিম যুগের মতো চার পায়ে চলেন তারা
.............................................................................................
নারায়ণগঞ্জে যেমন ছিলেন এসপি হারুন
.............................................................................................
১৪ হাজার ফ্ল্যাট তৈরি হচ্ছে
.............................................................................................
ধেয়ে আসছে দানবীয় উল্কাপিণ্ড
.............................................................................................
কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় কলমি শাক
.............................................................................................
কোরবানির সুস্থ গরু চিনবেন কিভাবে?
.............................................................................................
ডেঙ্গু জ্বর সম্পর্কে ১০টি তথ্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
.............................................................................................
সঙ্গীর হাতে আলতো চাপ দিলে যেসব রোগ নিয়ন্ত্রণে থাকবে
.............................................................................................
মোনালিসা সম্পর্কে ৭ অজানা তথ্য
.............................................................................................
`বড় বাপের পোলায় খায়, ঠোঙা ভইরা লইয়া যায়`
.............................................................................................
অনুমানের চেয়ে প্রায় ৯ শতাংশ বেশি দ্রুত প্রসারিত হচ্ছে মহাবিশ্ব
.............................................................................................
কাঁধের ব্যথা কমাতে ঘরোয়া ৪ উপায়
.............................................................................................
স্বাস্থ্য দিবসে যে ২৩ পরামর্শ দিলেন ডা. দেবী শেঠী
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD