| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * তুরস্কে বিমান বিধ্বস্ত   * ঢাকা কলেজ ছাড়লেন আবরারের ছোট ভাই   * চট্টগ্রামে কভার্ড ভ্যান-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ২   * সুন্দরবনে র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৪ বনদস্যু নিহত   * ১০ দিনের রিমান্ডে সম্রাট   * হাগিবিসের তাণ্ডবে মৃত বেড়ে ৬৬   * সম্রাটকে আদালতে নেওয়া হয়েছে   * চাঞ্চল্যকর তুহিন হত্যায় ১০ জনকে আসামি করে মামলা   * মানবতাবিরোধী অপরাধে গাইবান্ধার পাঁচ আসামির মৃত্যুদণ্ড   * ইসলামপুরে ৫ কোটি টাকার অবৈধ বন্ডেড কাপড় জব্দ  

   ফিচার -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় কলমি শাক

অনলাইন ডেস্ক : কলমি শাক এশিয়ার প্রায় সব দেশেই জনপ্রিয়। সবুজ এ শাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, ভিটামিন এবং খনিজ পাওয়া যায়।

নিয়মিত খাদ্য তালিকায় এ শাকটি রাখলে বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যায়। যেমন-

১. কলমি শাকে খুব সামান্য পরিমাণে ক্যালরি থাকে। এটি ফাইবারের দারুণ উৎস। নিয়মিত এ শাক খেলে শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমানো যায়।

২. কলমি শাক উপস্থিত ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে দারুণ কার্যকরী। এটি হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। নিয়মিত এ শাক খেলে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমে।

৩. নিয়মিত কলমি শাক খেলে হৃদরোগজনিত জটিলতা ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে। এতে থাকা ফাইবার অতিরিক্ত কোলেস্টেরল কমায়।

৪. শরীরে আয়রনের ঘাটতি পূরণ করতে সাহায্য করে কলমি শাক। এতে থাকা আয়রন থাইরয়েডের কার্যকারিতা ঠিক রাখে। এছাড়া বিপাকক্রিয়া বাড়ানো, তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখা এবং লোহিত রক্তকণিকা উৎপন্ন করতেও কলমি শাকের জুড়ি নেই।

৫. কলমি শাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ থাকে। নিয়মিত এ শাক খেলে দৃষ্টিশক্তি উন্নত হয়। সূত্র : হেলদিবিল্ডার্জড

কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় কলমি শাক
                                  

অনলাইন ডেস্ক : কলমি শাক এশিয়ার প্রায় সব দেশেই জনপ্রিয়। সবুজ এ শাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, ভিটামিন এবং খনিজ পাওয়া যায়।

নিয়মিত খাদ্য তালিকায় এ শাকটি রাখলে বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যায়। যেমন-

১. কলমি শাকে খুব সামান্য পরিমাণে ক্যালরি থাকে। এটি ফাইবারের দারুণ উৎস। নিয়মিত এ শাক খেলে শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমানো যায়।

২. কলমি শাক উপস্থিত ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে দারুণ কার্যকরী। এটি হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। নিয়মিত এ শাক খেলে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমে।

৩. নিয়মিত কলমি শাক খেলে হৃদরোগজনিত জটিলতা ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে। এতে থাকা ফাইবার অতিরিক্ত কোলেস্টেরল কমায়।

৪. শরীরে আয়রনের ঘাটতি পূরণ করতে সাহায্য করে কলমি শাক। এতে থাকা আয়রন থাইরয়েডের কার্যকারিতা ঠিক রাখে। এছাড়া বিপাকক্রিয়া বাড়ানো, তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখা এবং লোহিত রক্তকণিকা উৎপন্ন করতেও কলমি শাকের জুড়ি নেই।

৫. কলমি শাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ থাকে। নিয়মিত এ শাক খেলে দৃষ্টিশক্তি উন্নত হয়। সূত্র : হেলদিবিল্ডার্জড

কোরবানির সুস্থ গরু চিনবেন কিভাবে?
                                  

আর মাত্র কয়েকদিন পরেই ঈদুল আযহা। এ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে জমে উঠেছে শুরু করেছে কোরবানির পশুর হাট।

ওষুধ দিয়ে মোটাতাজা করা গরুতে এসব ক্ষতিকর উপাদান থাকে রান্নার পরেও মাংসে থেকে যেতে পারে। আর সেই মাংস খেলে রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। নিরাপদ মাংসের জন্য তাই সুস্থ গরু চেনাটা খুব জরুরি।

হাটে বিক্রির জন্য যেসব গরু আসে, সেগুলোর মধ্যে রোগাক্রান্ত অথবা ক্ষতিকর রাসায়নিক ও ওষুধযুক্ত গরুর সংখ্যাও কম না। প্রাণীবিজ্ঞানদের মতে স্টেরয়েড দিয়ে মোটাতাজা করা গরু দেখতে চকচকে, হৃষ্টপুষ্ট ও আকর্ষণীয় দেখালেও হলেও সেগুলো মাংস খেলে রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

পশু বিশেষজ্ঞরা গরু কেনার সময় কয়েকটি বিষয় লক্ষ্য রাখতে পরামর্শ দিয়েছেন:

ওষুধ দেয়া গরুর মাংসপেশি ও শরীরের অন্য অঙ্গগুলো অস্বাভাবিকভাবে ফুলে থাকে।

শরীরে পানি জমায় বিভিন্ন অংশে চাপ দিলে সেখানে গর্ত হয়ে দেবে যাবে, এবং স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে সময় নেবে। অতিরিক্ত ওজনের কারণে এ সব গরু চলাফেরা বা স্বাভাবিক নাড়াচাড়া করতে পারেনা। শান্ত থাকে।

রাসায়নিকযুক্ত গরু ভীষণ ক্লান্ত থাকবে এবং ঝিমাবে। সুস্থ গরুর গতিবিধি চটপটে থাকে। পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি বুঝে প্রতিক্রিয়া দেখায়। কান ও লেজ দিয়ে মশা মাছি তাড়ায়।

ওষুধ খাওয়ানো গরু শ্বাস প্রশ্বাস দ্রুত হয়। মনে হবে যেন হাঁপাচ্ছে।

স্টেরয়েড দেয়া গরুর মুখ থেকে প্রতিনিয়ত লালা ঝরবে। কিছু খেতে চাইবে না। সুস্থ গরুর মুখের সামনে খাবার ধরলে সেটা টেনে খাবে। না হলে জাবরকাটবে।


কোরবানির সুস্থ গরু চিনবেন যেভাবে:

গরুর বয়স ন্যূনতম দুই বছর হলেই এটা কোরবানির জন্য উপযুক্ত হবে। এক্ষেত্রে গরুর দাঁত দেখে বয়স যাচাই করে নিতে হবে।

গরুর নীচের পাটিতে যদি দুধ দাঁতের পাশাপাশি সামনে অন্তত দুটি কোদালের মতো স্থায়ী দাঁত থাকে তাহলে বুঝতে হবে গরুটি কোরবানির উপযুক্ত হয়েছে।

গরু শিং ভাঙ্গা লেজ কাটা কিংবা মুখ, জিহ্বা, শরীর, পা, ক্ষুর, গোড়ালিতে কোন ক্ষত আছে কিনা দেখে নিতে হবে।

সুস্থ গরুর রানের মাংস শক্ত থাকবে।

সুস্থ গরুর চামড়ার ওপর দিয়ে কয়েকটা পাঁজরেরহাড় বোঝা যাবে।

দিনের আলো থাকতে থাকতেই গরু কেনা উচিত। রাতের বেলা গরুর এতোগুলো বিষয় ঠিকঠাক যাচাই করা সম্ভব নাও হতে পারে। এছাড়া মোটা গরুর পরিবর্তে সুস্থ গরু কোরবানি দেয়া ভালো।

ডেঙ্গু জ্বর সম্পর্কে ১০টি তথ্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
                                  

শরীরে কোন লক্ষণ দেখলে আপনি বুঝবেন যে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন এবং সেক্ষেত্রে আপনার করণীয় কী হতে পারে? আসুন জেনে নেই ডেঙ্গুজ্বর সম্পর্কে ১০টি গুরুত্বর্পর্ণ তথ্য।

১. ডেঙ্গুর লক্ষণগুলো : সাধারণভাবে ডেঙ্গুর লক্ষণ হচ্ছে জ্বর। ১০১ ডিগ্রি থেকে ১০২ ডিগ্রি তাপমাত্রা থাকতে পারে। জ্বর একটানা থাকতে পারে, আবার ঘাম দিয়ে জ্বর ছেড়ে দেবার পর আবারো জ্বর আসতে পারে। এর সাথে শরীরে ব্যথা মাথাব্যথা, চেখের পেছনে ব্যথা এবং চামড়ায় লালচে দাগ (র‍্যাশ) হতে পারে। তবে এগুলো না থাকলেও ডেঙ্গু হতে পারে।

২. জ্বর হলেই ডাক্তারের পরামর্শ নিন: এখন যেহেতু ডেঙ্গুর সময়, সেজন্য জ্বর হল অবহেলা করা উচিত নয়। জ্বরে আক্রান্ত হলেই সাথে-সাথে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

৩. বিশ্রামে থাকতে হবে: জ্বর হলে বিশ্রামে থাকতে হবে। জ্বর নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করা উচিত নয়। একজন ব্যক্তি সাধারণত প্রতিদিন যেসব পরিশ্রমের কাজ করে, সেগুলো না করাই ভালো। পরিপূর্ণ বিশ্রাম প্রয়োজন।”

৪. কী খাবেন: প্রচুর পরিমাণে তরল জাতীয় খাবার গ্রহণ করতে হবে। যেমন – ডাবের পানি, লেবুর শরবত, ফলের জুস এবং খাবার স্যালাইন গ্রহণ করা যেতে পারে। এমন নয় যে প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে, পানি জাতীয় খাবার গ্রহণ করতে হবে।

৫. যেসব ঔষধ খাওয়া উচিত নয়: ডেঙ্গু জ্বর হলে প্যারাসিটামল খাওয়া যাবে। স্বাভাবিক ওজনের একজন প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তি প্রতিদিন সর্বোচ্চ চারটি প্যারাসিটামল খেতে পারবে।”

চিকিৎসকরা বলছেন, প্যারাসিটামলের সর্বোচ্চ ডোজ হচ্ছে প্রতিদিন চার গ্রাম। কিন্তু কোন ব্যক্তির যদি লিভার, হার্ট এবং কিডনি সংক্রান্ত জটিলতা থাকে, তাহলে প্যারাসিটামল সেবনের আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে গায়ে ব্যথার জন্য অ্যাসপিরিন জাতীয় ঔষধ খাওয়া যাবে না। ডেঙ্গুর সময় অ্যাসপিরিন জাতীয় ঔষধ গ্রহণ করলে রক্তক্ষরণ হতে পারে।

৬. প্ল্যাটিলেট বা রক্তকণিকা নিয়ে চিন্তিত?: ডেঙ্গু জ্বরের ক্ষেত্রে প্ল্যাটিলেট বা রক্তকণিকা এখন আর মূল ফ্যাক্টর নয় । ”প্ল্যাটিলেট কাউন্ট নিয়ে উদ্বিগ্ন হবার কোন প্রয়োজন নেই। বিষয়টি চিকিৎসকের উপর ছেড়ে দেয়াই ভালো।” সাধারণত একজন মানুষের রক্তে প্ল্যাটিলেট কাউন্ট থাকে দেড়-লাখ থেকে সাড়ে চার-লাখ পর্যন্ত।

৭. ডেঙ্গু হলেই কি হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়?: ডেঙ্গু জ্বরের তিনটি ভাগ রয়েছে। এ ভাগগুলো হচ্ছে – ‘এ’, ‘বি’ এবং ‘সি’। প্রথম ক্যাটাগরির রোগীরা নরমাল থাকে। তাদের শুধু জ্বর থাকে। অধিকাংশ ডেঙ্গু রোগী ‘এ’ ক্যাটাগরির।

তাদের হাসপাতালে ভর্তি হবার কোন প্রয়োজন নেই। ‘বি’ ক্যাটাগরির ডেঙ্গু রোগীদের সবই স্বাভাবিক থাকে, কিন্তু শরীরে কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায়। যেমন তার পেটে ব্যথা হতে পারে, বমি হতে পারে প্রচুর কিংবা সে কিছুই খেতে পারছে না। অনেক সময় দেখা যায়, দুইদিন জ্বরের পরে শরীর ঠাণ্ডা হয়ে যায়। এক্ষেত্রে হাসপাতাল ভর্তি হওয়াই ভালো। ‘সি’ ক্যাটাগরির ডেঙ্গু জ্বর সবচেয়ে খারাপ। কিছু-কিছু ক্ষেত্রে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র বা আইসিইউ’র প্রয়োজন হতে পারে।

৮. ডেঙ্গুর জ্বরের সময়কাল: সাধারণত জুলাই থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ থাকে। কারণ এ সময়টিতে এডিস মশার বিস্তার ঘটে। কিন্তু এবার দেখা যাচ্ছে ডেঙ্গু জ্বরের সময়কাল আরো এগিয়ে এসেছে। এখন জুন মাস থেকেই ডেঙ্গুজ্বরের সময় শুরু হয়ে যাচ্ছে।

৯. এডিস মশা কখন কামড়ায়: ডেঙ্গু জ্বরের জন্য দায়ী এডিস মশা অন্ধকারে কামড়ায় না। সাধারণত সকালের দিকে এবং সন্ধ্যার কিছু আগে এডিস মশা তৎপর হয়ে উঠে। এডিস মশা কখনো অন্ধকারে কামড়ায় না।

১০. পানি জমিয়ে না রাখা: ”এডিস মশা ‘ভদ্র মশা’ হিসেবে পরিচিত। এসব মশা সুন্দর-সুন্দর ঘরবাড়িতে বাস করে। এডিস মশা সাধারণত ডিম পাড়ে স্বচ্ছ পানিতে। কোথাও যাতে পানি তিন থেকে পাঁচদিনের বেশি জমা না থাকে। এ পানি যে কোন জায়গায় জমতে পারে। বাড়ির ছাদে কিংবা বারান্দার ফুলের টবে, নির্মাণাধীন ভবনের বিভিন্ন পয়েন্টে, রাস্তার পাশে পড়ে থাকা টায়ার কিংবা অন্যান্য পাত্রে জমে থাকা পানিতে এডিস মশা বংশবিস্তার করে।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

সঙ্গীর হাতে আলতো চাপ দিলে যেসব রোগ নিয়ন্ত্রণে থাকবে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : জীবনে প্রিয় মানুষটির সঙ্গে দেখা হওয়া। তার সঙ্গে সম্পর্কে বাঁধা পড়া ও একত্রে বাস করা- এগুলো সবই যদি সুখী জীবনের ছবি হয়, তা হলে সুস্থ জীবনের ছকটাও ঠিক এর সঙ্গেই হাত ধরাধরি করে আছে। আর এই ‘হাত ধরা’-তেই মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের উন্নতি লুকিয়ে আছে বলে দাবি চিকিৎসাবিজ্ঞানের।


সঙ্গীর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের সহজ পন্থা অনেক আছে। তার মধ্যে অন্যতম স্পর্শ। হাতে হাত রাখা, তালুবন্দি করে ফেলা সঙ্গীর তালু- আর এতেই নিয়ন্ত্রণে থাকতে পারে হৃদরোগ, ব্যথা বেদনা, ব্যস্ত জীবনের স্ট্রেস! হ্যাঁ, এমনটাই দাবি মনোবিজ্ঞানীদের। তবে দায়সারা নয়, ভালোবাসার রসায়ন তাতে থাকতে হবে বইকি!
সঙ্গীর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের সহজ পন্থা অনেক আছে। তার মধ্যে অন্যতম স্পর্শ। হাতে হাত রাখা, তালুবন্দি করে ফেলা সঙ্গীর তালু- আর এতেই নিয়ন্ত্রণে থাকতে পারে হৃদরোগ, ব্যথা বেদনা, ব্যস্ত জীবনের স্ট্রেস! হ্যাঁ, এমনটাই দাবি মনোবিজ্ঞানীদের। তবে দায়সারা নয়, ভালোবাসার রসায়ন তাতে থাকতে হবে বইকি!

লস অ্যাঞ্জেলসের ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটির গবেষকদের সমীক্ষায় ধরা পড়েছে এমনই তথ্য। কয়েক হাজার দম্পতির মধ্যে একটি পরীক্ষা চালান তারা। তাতে দেখা যায়, ভালোবাসা বোঝাতে হাতে হাত রাখেন এমন দম্পতির প্রায় ৭৫ শতাংশই সঙ্গীর চাহিদা ও অব্যক্ত কথা প্রায়শই বুঝে যান। বাকি ২৫ শতাংশ অল্প ইঙ্গিতেই বোঝেন সঙ্গীর মনের কথা।
লস অ্যাঞ্জেলসের ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটির গবেষকদের সমীক্ষায় ধরা পড়েছে এমনই তথ্য। কয়েক হাজার দম্পতির মধ্যে একটি পরীক্ষা চালান তারা। তাতে দেখা যায়, ভালোবাসা বোঝাতে হাতে হাত রাখেন এমন দম্পতির প্রায় ৭৫ শতাংশই সঙ্গীর চাহিদা ও অব্যক্ত কথা প্রায়শই বুঝে যান। বাকি ২৫ শতাংশ অল্প ইঙ্গিতেই বোঝেন সঙ্গীর মনের কথা।

গবেষণার আয়োজক ম্যাথু হার্টেনস্টেনের মতে, শুধু মানসিক বোঝাপড়াই নয়, লভ হরমোন অক্সিটোসিন ক্ষরণে সাহায্য করে হাতের উপর হাত রাখার অভ্যাস। এই উষ্ণতাতেই যৌন জীবন, একে অন্যের সহমর্মী ও বিশ্বাসী হয়ে ওঠার ঝোঁক বাড়ে।
গবেষণার আয়োজক ম্যাথু হার্টেনস্টেনের মতে, শুধু মানসিক বোঝাপড়াই নয়, লভ হরমোন অক্সিটোসিন ক্ষরণে সাহায্য করে হাতের উপর হাত রাখার অভ্যাস। এই উষ্ণতাতেই যৌন জীবন, একে অন্যের সহমর্মী ও বিশ্বাসী হয়ে ওঠার ঝোঁক বাড়ে।

আর বিশ্বাস, ভালোবাসা ও সহমর্মিতা এলে যে মানসিক চাপ উধাও হবে এ তো স্বাভাবিক। সারা দিনের কাজের চাপ, ক্লান্তি-বিরক্তি এ সবই সরিয়ে দিতে পারেন শুধু এক ছোঁয়ায়। নিরাপত্তা ও আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার আর এক অসাধারণ উপায় বলে একে ব্যাখ্যা করেছেন মনোবিদ অমিতাভ মুখোপাধ্যায়ও।
আর বিশ্বাস, ভালোবাসা ও সহমর্মিতা এলে যে মানসিক চাপ উধাও হবে এ তো স্বাভাবিক। সারা দিনের কাজের চাপ, ক্লান্তি-বিরক্তি এ সবই সরিয়ে দিতে পারেন শুধু এক ছোঁয়ায়। নিরাপত্তা ও আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার আর এক অসাধারণ উপায় বলে একে ব্যাখ্যা করেছেন মনোবিদ অমিতাভ মুখোপাধ্যায়ও।

শুধু মনের চাপই নয়, শরীরে ব্যথা-বেদনার দাওয়াইও যে ভালবেসে হাত ধরার মধ্যে লুকিয়ে তা বিভিন্ন গবেষণায় দাবি করেছেন কলোরাডো বোল্ডার ইউনিভার্সিটির গবেষকরা। তাদের দাবি এতে যে ফিল গুড হরমোন ক্ষরিত হয়, মরফিনের মতো বেদনানাশক ওষুধের চেয়েও তা শক্তিশালী।
শুধু মনের চাপই নয়, শরীরে ব্যথা-বেদনার দাওয়াইও যে ভালবেসে হাত ধরার মধ্যে লুকিয়ে তা বিভিন্ন গবেষণায় দাবি করেছেন কলোরাডো বোল্ডার ইউনিভার্সিটির গবেষকরা। তাদের দাবি এতে যে ফিল গুড হরমোন ক্ষরিত হয়, মরফিনের মতো বেদনানাশক ওষুধের চেয়েও তা শক্তিশালী।

গবেষণায় দেখা গিয়েছে দিনের অন্তত পাঁচ-দশ মিনিট সঙ্গীর হাত ধরে বসে থাকেন এমন মানুষদের ক্ষেত্রে ব্যথা-বেদনায় ভোগার সম্ভাবনা কমে যায় প্রায় ৬৫ শতাংশ। এখানেও প্রায় বারোশো দম্পতির উপর পরীক্ষা চালান গবেষকরা।

গবেষণায় দেখা গিয়েছে দিনের অন্তত পাঁচ-দশ মিনিট সঙ্গীর হাত ধরে বসে থাকেন এমন মানুষদের ক্ষেত্রে ব্যথা-বেদনায় ভোগার সম্ভাবনা কমে যায় প্রায় ৬৫ শতাংশ। এখানেও প্রায় বারোশো দম্পতির উপর পরীক্ষা চালান গবেষকরা।

বিহেভিওরাল মেডিসিন জার্নালে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, হাতে হাত রাখার অভ্যাস নিয়ন্ত্রণে রাখে রক্তচাপ। হার্টের অসুখকেও দূরে রাখে। বিশেষ করে অত্যধিক চাপ ও রাত জাগার অভ্যাস থাকলে এই দাওয়াই কিছুটা ক্ষতিপূরণ করে হার্টের।
বিহেভিওরাল মেডিসিন জার্নালে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, হাতে হাত রাখার অভ্যাস নিয়ন্ত্রণে রাখে রক্তচাপ। হার্টের অসুখকেও দূরে রাখে। বিশেষ করে অত্যধিক চাপ ও রাত জাগার অভ্যাস থাকলে এই দাওয়াই কিছুটা ক্ষতিপূরণ করে হার্টের।

মানসিক চাপ কমাতে এই উপায় তুলনাহীন! হাতে হাত রাখার মাধ্যমে সঙ্গীর প্রতি যে উষ্ণতার বার্তা যায়, তাতে সে বেঁচে থাকার বাড়তি টান ও বিপদকে মোকাবিলা করার মানসিক শক্তি পায় বলে দাবি ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটির গবেষকদের। এই মতে সায় রয়েছে কলকাতার মনোবিদদেরও।
মানসিক চাপ কমাতে এই উপায় তুলনাহীন! হাতে হাত রাখার মাধ্যমে সঙ্গীর প্রতি যে উষ্ণতার বার্তা যায়, তাতে সে বেঁচে থাকার বাড়তি টান ও বিপদকে মোকাবিলা করার মানসিক শক্তি পায় বলে দাবি ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটির গবেষকদের। এই মতে সায় রয়েছে কলকাতার মনোবিদদেরও।

মনোবিদদের দাবি, ভালোবাসা বজায় রেখে হাতে হাত রাখার উপকারিতা অসীম। আর এই কাজের জন্য কোনো কারণও লাগে না। বরং নিজেদের মধ্যের সুসম্পর্ক ও বোঝাপড়াই যথেষ্ট। এমনকি সাময়িক অশান্তি বা ঝগড়ার পর এই অভ্যাস ভেঙে দিতে পারে অনেক অভিমানও- দাবি বিজ্ঞানীদের। তাই ভেঙে পড়া সম্পর্ককে বাঁচাতেও এর জুড়ি নেই।

মনোবিদদের দাবি, ভালোবাসা বজায় রেখে হাতে হাত রাখার উপকারিতা অসীম। আর এই কাজের জন্য কোনো কারণও লাগে না। বরং নিজেদের মধ্যের সুসম্পর্ক ও বোঝাপড়াই যথেষ্ট। এমনকি সাময়িক অশান্তি বা ঝগড়ার পর এই অভ্যাস ভেঙে দিতে পারে অনেক অভিমানও- দাবি বিজ্ঞানীদের। তাই ভেঙে পড়া সম্পর্ককে বাঁচাতেও এর জুড়ি নেই।

‘হাতের উপর হাত রাখা খুব সহজ নয়’, লিখেছিলেন তার ‘সঙ্গিনী’ কবিতায়। কিন্তু এই কঠিন কাজটাই এবার সহজ করে নেওয়ার পালা।
‘হাতের উপর হাত রাখা খুব সহজ নয়’, লিখেছিলেন তার ‘সঙ্গিনী’ কবিতায়। কিন্তু এই কঠিন কাজটাই এবার সহজ করে নেওয়ার পালা।

মোনালিসা সম্পর্কে ৭ অজানা তথ্য
                                  

রহস্যময় হাসির কারণে কয়েক শতাব্দী ধরে সারা দুনিয়ায় আলোচনার বিষয় ‘মোনালিসা’। বহু শিল্পী, চলচ্চিত্র নির্মাতা, সংগীতশিল্পী এবং লেখককে অনুপ্রেরণা জোগায় এই শিল্পকর্ম। মোনালিসার ৫০০ বছরের ইতিহাস এখনও মানুষকে মুুগ্ধ করে।

নানা জল্পনা-কল্পনা: ১৬ শতকের শুরুতে লিওনার্দো দা ভিঞ্চি যার ছবি আঁকেন তা নিয়ে নানান ধরনের জল্পনা- কল্পনা ছিল। অনেকে বলতেন, নারী ও পুরুষ- উভয়েই ঐ ছবির মডেল হয়েছিলেন। তবে আরও ব্যাপকভাবে স্বীকৃত ব্যাখ্যা মতে, মোনালিসা আসলে ফ্লোরেনটাইনের এক রেশম ব্যবসায়ীর স্ত্রী লিসা দেল জিওকোন্ডো।
নানা জল্পনা-কল্পনা: ১৬ শতকের শুরুতে লিওনার্দো দা ভিঞ্চি যার ছবি আঁকেন তা নিয়ে নানান ধরনের জল্পনা- কল্পনা ছিল। অনেকে বলতেন, নারী ও পুরুষ- উভয়েই ঐ ছবির মডেল হয়েছিলেন। তবে আরও ব্যাপকভাবে স্বীকৃত ব্যাখ্যা মতে, মোনালিসা আসলে ফ্লোরেনটাইনের এক রেশম ব্যবসায়ীর স্ত্রী লিসা দেল জিওকোন্ডো।

বিখ্যাত অনুরক্তরা: ১৫১৯ সালে লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চির মৃত্যুর পর ফরাসি রাজাদের ব্যক্তিগত সংগ্রহে ছবিটি রাখা হয়। ফরাসি বিপ্লবের পর নেপোলিয়ন বোনাপার্টের শোবার ঘরে জায়গা হয় মোনালিসার। ১৮১৫ সালে জনসাধারণের দেখার জন্য এই চিত্রকর্ম রাখা হয় প্যারিসের ল্যুভর মিউজিয়ামে।
বিখ্যাত অনুরক্তরা: ১৫১৯ সালে লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চির মৃত্যুর পর ফরাসি রাজাদের ব্যক্তিগত সংগ্রহে ছবিটি রাখা হয়। ফরাসি বিপ্লবের পর নেপোলিয়ন বোনাপার্টের শোবার ঘরে জায়গা হয় মোনালিসার। ১৮১৫ সালে জনসাধারণের দেখার জন্য এই চিত্রকর্ম রাখা হয় প্যারিসের ল্যুভর মিউজিয়ামে।

মোনালিসার জুড়ি: যমজ মোনালিসার দেখা মেলে মাদ্রিদের মিউজিও ডেল প্রাডোতে। ২০১২ সালে জানা যায় যে এই ছবিটি মূল ছবির সময়েই আঁকা হয়েছিল। দুটি ছবি একই ইতালীয় ব্যাকগ্রাউন্ড ও ল্যান্ডস্কেপে করা। দ্বিতীয় ছবিটি সম্ভবত ভিঞ্চির এক ছাত্র ফ্রান্সিসকো মেলজির আঁকা।
মোনালিসার জুড়ি: যমজ মোনালিসার দেখা মেলে মাদ্রিদের মিউজিও ডেল প্রাডোতে। ২০১২ সালে জানা যায় যে এই ছবিটি মূল ছবির সময়েই আঁকা হয়েছিল। দুটি ছবি একই ইতালীয় ব্যাকগ্রাউন্ড ও ল্যান্ডস্কেপে করা। দ্বিতীয় ছবিটি সম্ভবত ভিঞ্চির এক ছাত্র ফ্রান্সিসকো মেলজির আঁকা।

অদৃশ্য কাজ: হারিয়ে যাওয়ার আগে পর্যন্ত ‘মোনালিসা’ কিন্তু সেই অর্থে বিখ্যাত কোনো শিল্পকর্ম ছিল না। নিজের দেশে ফেরত নিয়ে যাবার আশায় এক ইতালীয় ১৯১১ সালে প্যারিসের ল্যুভর থেকে ছবিটি চুরি করে। ঐ ব্যক্তি গ্রেফতার হওয়ার আগে প্রায় দুই বছর ছবিটির কোনো হদিস ছিল না। তারপর ছবিটি আবারও ল্যুভরে ফিরে আসে।
অদৃশ্য কাজ: হারিয়ে যাওয়ার আগে পর্যন্ত ‘মোনালিসা’ কিন্তু সেই অর্থে বিখ্যাত কোনো শিল্পকর্ম ছিল না। নিজের দেশে ফেরত নিয়ে যাবার আশায় এক ইতালীয় ১৯১১ সালে প্যারিসের ল্যুভর থেকে ছবিটি চুরি করে। ঐ ব্যক্তি গ্রেফতার হওয়ার আগে প্রায় দুই বছর ছবিটির কোনো হদিস ছিল না। তারপর ছবিটি আবারও ল্যুভরে ফিরে আসে।

আক্রমণের লক্ষ্য: মোনালিসাকে নিয়ে অনেকে অনেক ধরনের অনুভূতি প্রকাশ করে থাকেন, যার সবই কিন্তু ইতিবাচক নয়। ১৯৫৬ সালে এই ছবির ওপর ভাঙচুরের দুটি ঘটনা ঘটে। একজন তো ছবিটির ওপর অ্যাসিড ছুঁড়ে মারে। ফলে বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় চিত্রকর্মটি। এরপর এক বলিভিয়ান পর্যটক এর ওপর পাথর ছোঁড়ে। তারপর থেকে, মোনালিসাকে বুলেট প্রুফ কাঁচের ভেতরে সুরক্ষিত রাখা হয়।
আক্রমণের লক্ষ্য: মোনালিসাকে নিয়ে অনেকে অনেক ধরনের অনুভূতি প্রকাশ করে থাকেন, যার সবই কিন্তু ইতিবাচক নয়। ১৯৫৬ সালে এই ছবির ওপর ভাঙচুরের দুটি ঘটনা ঘটে। একজন তো ছবিটির ওপর অ্যাসিড ছুঁড়ে মারে। ফলে বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় চিত্রকর্মটি। এরপর এক বলিভিয়ান পর্যটক এর ওপর পাথর ছোঁড়ে। তারপর থেকে, মোনালিসাকে বুলেট প্রুফ কাঁচের ভেতরে সুরক্ষিত রাখা হয়।

রহস্যের পেছনে ‘স্ফুম্যাটো’র প্রভাব: অগণিত বিজ্ঞানী ও ইতিহাসবিদ এই শিল্পকর্মের বিশ্লেষণ করেছেন। পেয়েছেন বিস্ময়কর সব তথ্য। ২০০৮ সালে, মোনালিসার হেঁয়ালিপূর্ণ হাসির রহস্য ভেদ করা হয়। ছবি আঁকার একটি কৌশলের নাম ‘স্ফুম্যাটো’। ভিঞ্চি ঝাপসা এক ধরণের এফেক্ট তৈরি করতে রঙের পাতলা অনেকগুলো স্তর তৈরি করতেন। এর ফলেই ছবিতে সৃষ্টি হতো এক ধরনের রহস্যময়তা।
রহস্যের পেছনে ‘স্ফুম্যাটো’র প্রভাব: অগণিত বিজ্ঞানী ও ইতিহাসবিদ এই শিল্পকর্মের বিশ্লেষণ করেছেন। পেয়েছেন বিস্ময়কর সব তথ্য। ২০০৮ সালে, মোনালিসার হেঁয়ালিপূর্ণ হাসির রহস্য ভেদ করা হয়। ছবি আঁকার একটি কৌশলের নাম ‘স্ফুম্যাটো’। ভিঞ্চি ঝাপসা এক ধরণের এফেক্ট তৈরি করতে রঙের পাতলা অনেকগুলো স্তর তৈরি করতেন। এর ফলেই ছবিতে সৃষ্টি হতো এক ধরনের রহস্যময়তা।

এক দীর্ঘ ইতিহাস: শিল্পের ইতিহাসে ‘মোনালিসা’ কেবল প্রশংসাই লাভ করেনি, বরং অগণিত শিল্পীকে বৈচিত্রপূর্ণ কাজ করতে অনুপ্রাণিত করেছে। বিংশ শতাব্দীর এই মিডিয়া আইকনকে সাহিত্য, সঙ্গীত, বিজ্ঞাপন সবকিছুতেই পাওয়া যায়। বব ডিলান একবার বলেছিলেন, ‘মোনালিসার অবশ্যই হাইওয়ে বøুজ আছে। ওর হাসি দেখেই তা বলে দেয়া যায়।’
এক দীর্ঘ ইতিহাস: শিল্পের ইতিহাসে ‘মোনালিসা’ কেবল প্রশংসাই লাভ করেনি, বরং অগণিত শিল্পীকে বৈচিত্রপূর্ণ কাজ করতে অনুপ্রাণিত করেছে। বিংশ শতাব্দীর এই মিডিয়া আইকনকে সাহিত্য, সঙ্গীত, বিজ্ঞাপন সবকিছুতেই পাওয়া যায়। বব ডিলান একবার বলেছিলেন, ‘মোনালিসার অবশ্যই হাইওয়ে বøুজ আছে। ওর হাসি দেখেই তা বলে দেয়া যায়।’

`বড় বাপের পোলায় খায়, ঠোঙা ভইরা লইয়া যায়`
                                  

অনলাইন ডেস্ক : ঐতিহ্য আর খানদানি ইফতার মানেই পুরান ঢাকার ইফতার সামগ্রী। মোগল আমলের ঐতিহ্যের ছাপ ও ছোঁয়ার এসব ইফতারি কালক্রমে ঢাকার সব এলাকায় ছড়িয়ে পড়লেও এখনো স্বাতন্ত্র্য বিদ্যমান পুরান ঢাকাতেই। প্রতি বছরের মতো এবারও সরগরম হয়েছে পুরান ঢাকার চকবাজার, নাজিমউদ্দিন রোড, চক সার্কুলার রোড, নর্থ সাউথ রোড, শাহী মসজিদ রোডসহ বিভিন্ন এলাকা।

শত শত দোকানে নানা বৈশিষ্ট্যপূর্ণ ইফতারি পণ্যের সমাহারে পুরান ঢাকা। সেখানে এই রকমারি ইফতার বাজারের একটি জনপ্রিয় আইটেম `বড় বাপের পোলায় খায়`।

নামকরা তথা ঐতিহ্যময় একটি ইফতারি পণ্য এটি। এটি তৈরিতে ডিম, গরুর মগজ, আলু, ঘি, কাঁচা ও শুকনো মরিচ, গরুর কলিজা, মুরগির মাংসের কুচি, মুরগির গিলা কলিজা, সুতি কাবাব, মাংসের কিমা, চিড়া, ডাবলি, বুটের ডাল, মিষ্টি কুমড়াসহ ১৫ পদের খাবার আইটেমের সঙ্গে ১৬ ধরনের মসলা মিশিয়ে ৩১ পদের যে মিশ্রণ তৈরি হয় তার নামই `বড় বাপের পোলায় খায়। ` একটি বড় গামলায় এই ৩১ ধরনের খাবারসামগ্রী দুইহাতে ভালোভাবে মাখিয়ে তারপর ঠোঙায় করে বিক্রি করা হয়। বিশেষ পদ্ধতিতে তৈরিকৃত এই খাবারটি কিনতে ছোট-বড় সব বয়সী রোজাদারের মধ্যে রীতিমতো কাড়াকাড়ি লেগে যায়। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এর স্বাদ নতুন প্রজন্মের কাছেও পৌছে গেছে। ছড়িয়ে গেছে এই মুখরোচক খাবারটির গল্প।

ইতিহাস ঘাঁটতে গিয়ে দেখা যায়, যার হাত দিয়ে এই আইটেমটির উৎপত্তি তিনি হলেন পুরান ঢাকার বাসিন্দা দাতা মোহাম্মদ কামাল মাহমুদ, যিনি কামেল মিয়া নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি বরাবরই ছিলেন একজন ভোজনরসিক মানুষ। নানা ধরনের মুখেরোচক খাবার তৈরি করতে জানতেন তিনি। এই খাবারটিও তারই সৃষ্টি। প্রায় ৮২ বছর আগে তিনিই প্রথম এই মুখরোচক খাবারটি তৈরি করে এখানে বিক্রি শুরু করেন। বটপাতার ডালায় করে তিনি বিক্রি করতেন `বড় বাপের পোলায় খায়`। সেই থেকে আজও পুরান ঢাকার বাসিন্দাদের কাছে এটি বেশ জনপ্রিয়। এ জনপ্রিয়তা পুরান ঢাকার সীমানা পেরিয়ে বিস্তৃত হয়েছে বিভিন্ন জায়গায়। এমনকি শুধু এই আইটেমটির জন্য রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রেতারা ছুটে যান চকবাজারে। এখানে পুরান ঢাকার এমন অনেক পরিবার আছে, যাদের এই খাবারটি ছাড়া ইফতার পূর্ণতা পায় না। নতুন ঢাকার বাসিন্দারাও দিন দিন এই খাবারটির প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

তিন পুরুষ পেরিয়ে মোহাম্মদ কামালের বংশধররা এখনো হাল ধরে রেখেছেন এই ঐতিহ্যবাহী খাবারটির। তার মৃত্যুর পর ছেলে জানে আলম মিয়া বড় বাপের পোলায় খায় নামক এই খাবারটি বিক্রি করতেন। ইতোমধ্যে তিনিও গত হয়েছেন। ২৭ বছর ধরে তার বংশধররা এই মুখরোচক আইটেমটি বিক্রি করছেন। এই পাঁচমিশালি ইফতার আইটেমটি সম্বন্ধে পুরান ঢাকার লোকজন অনেক আগে থেকেই জ্ঞাত। কিন্তু বাইরের মানুষ এ সম্বন্ধে জেনেছেন অনেক পরে। বিশেষ করে সাম্প্রতিককালে মিডিয়া এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কল্যাণে এই ইফতার আইটেমটি সম্পর্কে বেশি জানতে পেরেছেন। এর আগে তারা শুধু জানতেন এই নামে একটি ইফতার আইটেম আছে। প্রকৃতপক্ষে অন্যান্য ইফতারি আইটেমের তুলনায় এটি সম্পূর্ণ আলাদা এবং বৈচিত্র্যপূর্ণ। যা পাওয়া যায় শুধু চকবাজারে। এখন বিচ্ছিন্নভাবে আরও দু`একটি জায়গায় পাওয়া গেলেও গুণে-মানে সে রকম নয়। কারণ আদি উদ্ভাবকের রহস্যময় মিশ্রণের ফর্মুলাটি সেই পরিবারের মধ্যেই শুধু রয়ে গেছে বিধায়, সেটা আদৌ `বড় বাপের পোলায়` না খেলেও এ নামে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে।

অনুমানের চেয়ে প্রায় ৯ শতাংশ বেশি দ্রুত প্রসারিত হচ্ছে মহাবিশ্ব
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বিজ্ঞানীরা বলছেন, মহাবিস্ফোরণের (বিগ ব্যাং) মাধ্যমে সৃষ্টির পর থেকেই প্রতিনিয়ত প্রসারিত হচ্ছে মহাবিশ্ব। নানা গবেষণায় সম্প্রসারণের গতিবেগ সম্পর্কেও ধারণা দেন তারা। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা জানিয়েছে, বিজ্ঞানীদের অনুমানের চেয়ে প্রায় ৯ শতাংশ বেশি দ্রুতগতিতে প্রসারিত হচ্ছে মহাবিশ্ব।

নাসার জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের দাবি, হাবল স্পেস টেলিস্কোপের মাধ্যমে তারা মহাবিশ্বের সম্প্রসারণের এই গতিবেগ সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার এ নিয়ে ‘অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নাল লেটারস’ এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির পদার্থ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের অধ্যাপক এবং নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী অ্যাডাম রেইসের নেতৃত্বে গবেষক দল পৃথিবীর কাছের ছায়াপথের ৭০টি নক্ষত্রের ওপর গবেষণা চালায়। তারা নক্ষত্রগুলোর বিচ্ছুরিত আলো, উজ্জ্বলতা প্রভৃতি বিষয় নিয়ে বিস্তর গবেষণা করেন।

টেলিস্কোপ হাবল কক্ষপথে ঘূর্ণায়মান একেকটি নক্ষত্রকে ৯০ মিনিট করে পর্যবেক্ষণ ও বিভিন্ন সময়ের ছবি তুলে রাখে। গবেষণায় পাওয়া তথ্যকে প্রায় নির্ভুল বলে উল্লেখ করেছেন অধ্যাপক রেইস। পাশাপাশি মহাকাশ নিয়ে গবেষণায় আরও নতুন নতুন পদ্ধতি অবলম্বনের প্রতি গুরুত্ব দেন তিনি। তার মতে, অত্যাধুনিক তত্ত্ব ও যন্ত্রের ব্যবহারে মহাবিশ্ব সম্পর্কে আরও বেশি জানা সম্ভব হবে।

কাঁধের ব্যথা কমাতে ঘরোয়া ৪ উপায়
                                  

ফিচার ডেস্ক : কাঁধে ব্যথার সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। আর্থ্রাইটিস, ফ্রোজেন সোলডার, কাঁধে অতিরিক্ত চাপ পড়া, দুর্ঘটনা ইত্যাদি কারণে কাঁধে ব্যথা হতে পারে। কাঁধে ব্যথা বেশি হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে, তবে এর আগে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি অনুসরণ করে দেখতে পারেন। কাঁধে ব্যথা কমাতে কিছু ঘরোয়া উপায় জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট টপ টেন হোম রেমেডি।

১. ঠান্ডা স্যাঁক
কাঁধে ব্যথা কমাতে ঠান্ডা স্যাঁক খুব উপকারী। ঠান্ডা স্যাঁক আক্রান্ত স্থানে একটি অবশ ভাব তৈরি করে। এতে প্রদাহ ও ব্যথা কমে।

* একটি প্লাস্টিকের ব্যাগের মধ্যে বরফের কুচি নিন। একটি তোয়ালে দিয়ে ব্যাগটি মুড়ে নিন।

* আক্রান্ত স্থানে ১০ থেকে ১৫ মিনিট এটি রাখুন।

* ফোলা থাকলে দুই ঘণ্টা পর পর এই স্যাঁক দিন।

* যতক্ষণ না পর্যন্ত ব্যথা ও ফোলা কমে, ততক্ষণ পর্যন্ত পদ্ধতিটি অনুসরণ করুন। তবে সরাসরি কখনো বরফের টুকরো চামড়ায় লাগাবেন না।

২. গরম স্যাঁক
ঠান্ডা স্যাঁকের মতো গরম স্যাঁকও জয়েন্টের ব্যথা কমাতে কাজ করে। এটি প্রদাহ ও ফোলা কমাতে উপকারী।
একটি হট ওয়াটার ব্যাগের মধ্যে গরম পানি ভরুন। এবার ১০ থেকে ১৫ মিনিট স্যাঁক দিন। দিনে কয়েকবার এই পদ্ধতি অনুসরণ করুন, যতদিন না ব্যথা কমে।
পাশাপাশি গোসল করার সময় গরম পানি ব্যবহার করুন।

৩. ম্যাসাজ
ম্যাসাজ কাঁধের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। ম্যাসাজের ক্ষেত্রে জলপাইয়ের তেল, নারকেল তেল, সরিষার তেল ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারেন।

ম্যাসাজ নেওয়ার ১০ মিনিট আগে গোসল করে নিন। এতে পেশিগুলো শিথিল হবে। এবার পছন্দমতো একটি তেল হালকা গরম করে কাঁধ ও পিঠে মাখুন। ১০ মিনিট ম্যাসাজ করার পর একটি তোয়ালে দিয়ে আক্রান্ত স্থান ঢেকে রাখুন। ব্যথা পুরোপুরি ভালো হওয়ার আগ পর্যন্ত এই পদ্ধতি প্রতিদিন অনুসরণ করুন। তবে আঘাতের কারণে কাঁধ ব্যথা করলে সেখানে ম্যাসাজ না করাই ভালো।

৪. ভিটামিন ডি
গবেষণায় বলা হয়, ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট পেশির ব্যথা কমাতে কাজ করে। ভিটামিন ডি পাওয়া যায় সূর্যের আলো থেকে। তাই এই ভিটামিন পেতে প্রতিদিন অন্তত ১০ মিনিট সূর্যের আলোর সংস্পর্শে যান।

এ ছাড়া কিছু খাবারেরও ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। টুনা, ম্যাকরেল, স্যামন মাছ, ডিমের কুসুম, দুগ্ধজাতীয় খাবার, কমলা, সয়া মিল্ক ইত্যাদিতে সামান্য পরিমাণ ভিটামিন ডি থাকে। তাই কাঁধের ব্যথা কমাতে এসব খাবারও খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন।

স্বাস্থ্য দিবসে যে ২৩ পরামর্শ দিলেন ডা. দেবী শেঠী
                                  

ফিচার ডেস্ক : আজ বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। সারাদেশে পালিত হচ্ছে দিবসটি। স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে প্রথমেই আমাদের হার্টকে সুস্থ রাখতে হয়। সম্প্রতি বাংলাদেশে বিশেষভাবে আলোচিত হয়েছেন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন ডা. দেবী শেঠি। ভারতের নারায়ণা ইনস্টিটিউট অব কার্ডিয়াক সায়েন্সেসের প্রতিষ্ঠাতা তিনি।

হার্ট সুস্থ রাখতে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন ভারতের এই চিকিৎসক। স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে জাগো নিউজের পাঠকদের জন্য পরামর্শগুলো তুলে ধরা হলো-

১. খাবারে আমিষের পরিমাণ বাড়াতে হবে।
২. শর্করা এবং চর্বিজাত খাবার কম খেতে হবে।
৩. একটানা বেশি সময় বসে থাকা যাবে না।
৪. সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন আধাঘণ্টা করে হাঁটতে হবে।
৫. ধূমপান পরিহার করতে হবে।
৬. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
৭. রক্তচাপ এবং সুগারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
৮. শাক জাতীয় নয়, এমন খাবার খাওয়া কমাতে হবে।
৯. ত্রিশোর্ধ্ব সবার নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা উচিত।
১০. জীবনে সবকিছু নিখুঁত হবে, এমন ভাবার কারণ নেই।
১১. জীবনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন করতে হবে।
১২. জগিং করার চেয়ে হাঁটা ভালো।
১৩. জগিং করলে মানুষ দ্রুত ক্লান্ত হয়ে যায় এবং জয়েন্টে ব্যথা হয়।
১৪. অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস পরিহার করতে হবে।
১৫. হৃদযন্ত্রের জন্য সবচেয়ে ভালো খাবার ফল এবং সবজি।
১৬. হৃদযন্ত্রের জন্য যে কোন তেলই খারাপ।
১৭. নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা করতে হবে।
১৮. সুগার এবং কোলেস্টেরলের স্বাভাবিক মাত্রা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে।
১৯. রক্তচাপ পরিমাপও জরুরি।
২০. হার্ট অ্যাটাক হলে রোগিকে প্রথমে শুইয়ে দিতে হবে।
২১. জিহ্বার নিচে একটি অ্যাসপিরিন ট্যাবলেট রাখতে হবে।
২২. অ্যাসপিরিনের পাশাপাশি একটি সরবিট্রেট ট্যাবলেটও রাখতে হবে।
২৩. দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

বিশ্বসেরা ১০ চিকিৎসকের একজন দেবী শেঠী
                                  

ফিচার ডেস্ক : এসময়ের সবচেয়ে আলোচিত ইস্যু চিকিৎসক দেবী শেঠী। তিনি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পৌঁছেছেন। তখন থেকেই মানুষের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে তার সম্পর্কে জানার।

ডা. দেবী প্রসাদ শেঠী ভারতের কর্নাটক রাজ্যের দক্ষিণ কনাডা জেলার কিন্নিগলি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বিশ্বের অন্যতম সেরা হৃদরোগ চিকিৎসাকেন্দ্র ব্যাঙ্গালুরুর নারায়না ইনস্টিটিউট অব কার্ডিয়াক সায়েন্সেসের প্রতিষ্ঠাতা। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডা. শুভ দত্তের পশ্চিমবঙ্গের সিকে বিরলা হাসপাতালের ক্যাথল্যাবপ্রধান।

ডা. শেঠী নয় ভাই-বোনের মধ্যে অষ্টম। মেডিকেলে পঞ্চম গ্রেডে পড়ার সময় তৎকালীন দক্ষিণ আফ্রিকার জনৈক সার্জন কর্তৃক বিশ্বের প্রথম হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপনের কথা শুনে কার্ডিয়াক সার্জন হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। দেবী শেঠি ১৯৮২ সালে কস্তুরবা মেডিকেল কলেজ থেকে চিকিৎসাবিদ্যায় গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেন। পরে ইংল্যান্ড থেকে সার্জারি বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি নেন। ১৯৮৯ সালে লন্ডনের উচ্চাভিলাষী চাকরির লোভ ত্যাগ করে ভারতে ফিরে আসেন। এসে ডা. রায়ের সঙ্গে কলকাতায় গড়ে তোলেন ভারতের প্রথম হৃদরোগ চিকিৎসা হাসপাতাল ‘বিএম বিরলা হার্ট রিসার্চ সেন্টার’।

ভারতীয়দের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা ইউরোপিয়ানদের তুলনায় তিনগুণ বেশি হওয়ায় একটি হাসপাতাল যথেষ্ট ছিল না। এজন্য ডা. দেবী শেঠি ও ডা. রায় মিলে আরও তিনটি হৃদরোগ চিকিৎসাকেন্দ্র গড়ে তোলেন। বিএম বিরলা হার্ট সেন্টার যাত্রা শুরুর অল্প দিনের মধ্যে ভারতের শ্রেষ্ঠ হার্ট হাসপাতালের একটিতে পরিণত হয়।

তিনি ১৯৯১ সালে ৯ দিন বয়সী শিশু রনির হৃৎপিণ্ড অপারেশন করেন, যা ভারতবর্ষের ইতিহাসে প্রথম সফল শিশু হৃৎপিণ্ড অস্ত্রোপচার। এছাড়া তিনি কলকাতায় মাদার তেরেসার ব্যক্তিগত চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এর কিছুদিন পর তিনি ব্যাঙ্গালুরুতে চলে যান এবং মণিপাল হার্ট ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। এপর্যন্ত তিনি প্রায় ১৫ হাজারের বেশি কার্ডিয়াক সার্জারি করেছেন।

ডা. দেবী প্রসাদ শেঠী পৃথিবীর ১০ জন চিকিৎসকের মধ্যে একজন। ভারতীয় হিসেবে তিনি ১ নম্বর। তিনি ১৯৯৭ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত চার হাজার শিশুর সফল হার্ট সার্জারি সম্পন্ন করেছেন। লন্ডনের গাইস হাসপাতালে হার্ট সার্জন হিসেবে বিশেষ প্রশিক্ষণ নেওয়া ডা. দেবী শেঠিকে অনেকেই বলেন ‘অপারেটিং মেশিন’। তিনি কম খরচে উন্নত চিকিৎসা দিয়ে ‘পদ্মভুষণ পদক’ লাভ করেন।

দেবী শেঠী যেসব শিশুর হার্ট সার্জারি করেন, তাদের অধিকাংশই গরিব পরিবার থেকে আসা। এদের সবাইকে তিনি বিনামূল্যে চিকিৎসা করেন। অন্যদিকে এ হাসপাতালে এসে যে কোন বয়সের হৃদরোগী অর্থাভাবে চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হন না।

গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ রোধে করণীয়
                                  

অনলাইন ডেস্ক : রান্না করতে গিয়ে তীব্র গ্যাস সংকট এখন প্রতিদিনের সমস্যা। এমনকি কিছু কিছু এলাকা আছে যেখানে দিনের অধিকাংশ সময়ই গ্যাসের দেখা মিলে না। গ্যাস সংকট থেকে রেহাই পেতে অনেকেই ঝুঁকছেন এলপি গ্যাসের দিকে। এবং এলপি গ্যাস সিলিন্ডার শুধু বাসাবাড়িতে কিংবা হোটেল-রেস্তোরাঁয় রান্নার কাজে নয়, বর্তমানে যানবাহনেও ব্যবহৃত হচ্ছে।

ঝুঁকিপূর্ণ গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবহারের ত্রুটি থেকে দুর্ঘটনা ঘটে। এজন্য মূলত জনসাধারণ ও ব্যবহারকারীদের সতর্ক ও অধিকতর সচেতন হতে হবে। তারা সচেতন হলেই এলপি গ্যাস বিস্ফোরণজনিত দুর্ঘটনা শূন্যের কোটায় নেমে আসবে। বিশেষ করে গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহারের সময় সতর্ক থাকা খুব জরুরি। গ্যাস এজেন্টদের থেকে গ্যাস নেওয়ার সময় অবশ্যই গ্যাস সিলিন্ডারের এক্সপায়ারি ডেট দেখে নিন। গ্যাস সিলিন্ডারের পাইপ ও রেগুলেটর নিয়মিত চেক করা দরকার। এছাড়াও প্রত্যেকদিন গ্যাস ব্যবহার করার সময় এই বিষয়গুলির উপর নজর রাখুনঃ

১. গ্যাস সিলিন্ডার সোজা করে সঠিকভাবে রাখা খুব জরুরি। উঁচু-নিচু জায়গায় না রাখা ভালো। তাতে পড়ে যাওয়ার যেমন সম্ভাবনা থাকে, তেমনই অন্যান্য দুর্ঘটনাও ঘটে যেতে পারে। গ্যাস সিলিন্ডার কখনওই ফেলা বা ঘষা-টানা করা উচিত নয়।

২. রান্নাঘরে গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করলে যেন বাতাস চলাচলের যথেষ্ট ব্যবস্থা থাকে। গ্যাস ব্যবহার করার সময় জানালা খুলে রাখুন। গ্যাসের পাশে দাহ্য জিনিসপত্র একেবারেই রাখা উচিত নয়। প্লাস্টিকের জিনিসপত্রও গ্যাস থেকে দূরে রাখুন।

৩. গ্যাসের পাইপ সময় সময় পালটানো দরকার। জোড়াতালি দিয়ে ব্যবহার না করাই ভালো। খামকা প্রাণের ঝুঁকি নেবেন না। পাইপ কেটে গেলে সঙ্গে সঙ্গে তা বদলে ফেলুন।

৪. গ্যাস বদল করার সময় রেগুলেটরটি লাগানোর সময় ঠিক করে লাগানো হয়েছে কিনা দেখে নিন। নয়তো বিপদের আশঙ্কা সৃষ্টি হতে পারে।

৫. অনেকেরই বাড়িতে একটি বাড়তি ভর্তি সিলিন্ডার রাখা থাকে। একটি শেষ হলেই যাতে অন্যটি হাতের কাছে থাকে। ভর্তি সিলিন্ডার কখনই ঘরের মধ্যে রাখা উচিত নয়। খোলামেলা জায়গায় রাখুন, যেখানে ছায়া আছে। গ্যাস সিলিন্ডার থেকে তাপ দূরে রাখাই ভালো। ডিএমপি নিউজ

কুকুর আক্রমণের চেষ্টা করলে যা করবেন
                                  

অনলাইন ডেস্ক : রাস্তায় চলাচলের সময় কুকুরের সামনে সবাই কম-বেশি পড়ে থাকেন। তবে বিপদ তখনই, যখন এই প্রাণীটি আগ্রাসী রূপ ধারণ করে। তখন অনেকেই বুঝে উঠতে পারেন না কী করবেন? তবে একটু সচেতন হলেই কিন্তু কুকুরের কু-দৃষ্টি থেকে নিজেকে রক্ষা করা সম্ভব। চলুন একনজরে দেখে নিন, রাস্তায় কুকুরের কামড় থেকে নিরাপদে বাড়ি ফেরার কয়েকটি উপায়।

ভয় পাবেন না:
মনে ভয় রাখলে চলবে না। একটা কথা ভুলবেন না, কুকুরের বুদ্ধি আপনার চেয়ে বেশি। তারা সবসময় বুঝতে পারে, কে ভয় পাচ্ছে। যারা ভয় পেয়ে পালানোর চেষ্টা করে, তাদের বেশি করে তাড়া করে এরা। তাই ভয় পাওয়া চলবে না কোনোভাবেই। কুকুর তাড়া করলে ঘুরে দাঁড়ান। উল্টো ধমক দেওয়ার চেষ্টা করুন।

সরাসরি তাকাবেন না:
কুকুর আপনার দিকে তাকিয়ে ঘেউ ঘেউ করলেও তার চোখের দিকে সরাসরি তাকাবেন না। এতে কিছু কুকুর আগ্রাসী হয়ে ওঠে। তারা আপনার থেকে ভয় পেয়ে আরও তেড়ে আসতে পারে। তাই তাকে পাত্তা না দিয়ে আস্তে করে হেঁটে পার হয়ে আসুন।

ধীরে হাঁটুন:
হাঁটার সময় যদি আশপাশ থেকে কুকুর আপনার দিকে তেড়ে আসতে থাকে তাহলে দাঁড়িয়ে যান কিংবা হাঁটার গতি কমিয়ে ফেলুন। বোঝান, আপনি ভয়ে পালাচ্ছেন না।

মনোযোগ ঘুরিয়ে দিন:
কুকুরকে অন্য কোনো জিনিস দিয়ে ভুলিয়ে দিন। যাতে আপনার দিকে আর সে না তাকায়। আপনার কাছে যদি খালি বোতল, ছেঁড়া প্লাস্টিক বা বাতিল কিছু থাকলে তা কুকুরকে দেখিয়ে ছুঁড়ে দিন। সেটিতে সে তখন মন দেবে।

আমলকী কেন খাবেন?
                                  

ফিচার ডেস্ক : আমলকী ভিটামিন সি-তে ভরপুর একটি ফল। এর মধ্যে রয়েছে আয়রন, ক্যালসিয়াম। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে। আমলকী খাওয়ার উপকারিতার কথা জানিয়েছে ভারতীয় ওয়েবসাইট এনডিটিভি।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
শিশু থেকে প্রবীণ, সবার জন্য ভিটামিন সি খুব জরুরি। আর আমলকীর মধ্যে এই ভিটামিন পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে। ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে। তাই ভিটামিন সি-এর চাহিদা পূরণে নিয়মিত আমলকী খেতে পারেন।

প্রদাহ কমায়
আমলকীর মধ্যে থাকা অ্যান্টিআক্সিডেন্ট শরীরের জন্য ক্ষতিকর ফ্রি রেডিক্যালসের সঙ্গে লড়াই করে এবং প্রদাহ কমাতে কাজ করে।

চুল ও ত্বকের জন্য ভালো
আমলকী চুল ও ত্বকের জন্য উপকারী। আমলকীর মধ্যে থাকা ভিটামিন সি টিস্যুর গঠনকারী উপাদান কোলাজেনের কাজকে ভালো করে। এতে ত্বক থাকে টানটান ও উজ্জ্বল।

আমলকীর গুঁড়া ও নারকেল তেল একসঙ্গে মিশিয়ে মাথায় মাখলে খুশকি দূর হতে সাহায্য হয়।

ডায়াবেটিসের জন্য ভালো
আমলকীর মধ্যে রয়েছে ক্রমিয়াম। এটি রক্তের সুগারের মাত্রাকে ঠিকঠাক রাখতে কাজ করে। এটি কোষে ইনসুলিনের স্পর্শকাতরতা বাড়ায়। টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের জন্য আমলকী উপকারী।

হজমে সাহায্য করে
আমলকীর মধ্যে রয়েছে আঁশ। এটি হজমে সাহায্য করে। পর্যাপ্ত পরিমাণ আঁশজাতীয় খাবার খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য, এসিডিটি ইত্যাদি সমস্যা অনেকটাই কমে যায়।

শরীরে পানিশূন্যতার ৪ লক্ষণ
                                  

ফিচার ডেস্ক : পানি ছাড়া শরীর অচল। পানি আমাদের শরীরের তরলের ভারসাম্য বজায় রাখে, তাপমাত্রা ঠিকঠাক রাখতে সাহায্য করে। এটি টিস্যু, মেরুদণ্ড ও জয়েন্টকে সুরক্ষা দেয়। পানি হজমে সাহায্য করে, ত্বক ভালো রাখে।

এতগুলো কাজে সমস্যা হতে পারে শুধু পানির অভাবে। পানির অভাব হলে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে শরীরের কার্যক্রম ব্যাহত হয়। তাই বিশেজ্ঞদের মতে, একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দিনে অন্তত ১০ থেকে ১২ গ্লাস পানি পান করা প্রয়োজন।

শরীরে পানিশূন্যতা হলে মাথাব্যথা, মুখে দুর্গন্ধসহ বিভিন্ন সমস্যা হয়। শরীরে পানির ঘাটতি হলে বা পানিশূন্যতা হলে বোঝার কিছু উপায় জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট টপ টেন হোম রেমেডি।

মাথাব্যথা
পানিশূন্যতা হলে অনেক সময় মাথাব্যথা করে। পানির ঘাটতি হলে মস্তিষ্কে অক্সিজেন ও রক্তের প্রবাহ কমে গিয়ে মাথাব্যথা হতে পারে।

অবসন্ন ভাব
পানিশূন্যতার কারণে শরীরে অবসন্ন ভাব হতে পারে। পানিশূন্যতা হলে শরীরে অক্সিজেন পরিবহন কমে যায়। আর এতে শরীর অবসন্ন হয়ে পড়ে।

মুখে দুর্গন্ধ
মুখে দুর্গন্ধ শরীরে পানিশূন্যতার আরেকটি লক্ষণ। শরীরে পানির অভাব হলে মুখে কম লালা তৈরি হয়। আর এ থেকে মুখে দুর্গন্ধ হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

প্রস্রাবের রঙের পরিবর্তন
পানিশূন্যতা হলে প্রস্রাবের রঙের পরিবর্তন হয়। শরীরে পানি ঠিকঠাক থাকলে সাধারণত প্রস্রাব হালকা হলুদ রঙের হয়। আর পানির ঘাটতি হলে গাঢ় হলুদ রঙের প্রস্রাব হয়।

ভ্যালেন্টাইন্স ডে
                                  

বিশ্বব্যাপী আজ সেন্ট ভ্যালেন্টাইন্স ডে বা ভালোবাসা দিবস। তৃতীয় শতাব্দীর এক মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত ইতালিয়ান পাদ্রী ও চিকিৎসকের স্মরণে দিনটি অনেক খ্রিস্টান দেশে সেন্ট ভালেন্টাইন্স ডে হিসেবে পালিত হতো, কালক্রমে সেটি ভালোবাসা দিবস হিসেবে পালিত হতে শুরু করে।

একে কেন্দ্র করে নানা রকম শুভেচ্ছাসূচক কার্ড, ফুল, চকোলেট বা উপহারসামগ্রী বিনিময় করেন বিশেষত তরুণ তরুণীরা।

প্রথম ভ্যালেন্টাইন্স ডে পালন হয় খ্রিস্টিয় ৪৯৬ সালে। কিন্তু বাংলাদেশে ১৯৮০র দশক থেকে এ দিনটি জনপ্রিয় হয়ে উঠতে থাকে।

গত কয়েক দশকে বাংলাদেশে এই দিবসটি ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের ছেলেমেয়েরাই বেশি উৎসাহী এই দিনটি পালনের ব্যপারে। তবে তা মূলত শহরকেন্দ্রিক।

বাংলাদেশের সমাজে অনেকেই মনে করেন এ দিনটি উদযাপন করা সংস্কৃতি এবং ইসলাম ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে গ্রহণযোগ্য নয়। অনেকেই একে পশ্চিমা সংস্কৃতির অংশ মনে করেন।

তবে এত বিতর্কের পরেও আজ অনেকেই ভালোবাসা দিবস পালন করবেন, প্রকাশ করবেন ভালো লাগার আর ভালোবাসার অনুভূতি।

নখ কাটলে ব্যথা লাগে না কেন?
                                  

ফিচার ডেস্ক : নখ আমাদের শরীরের অপরিহার্য অঙ্গগুলোর একটি। প্রতিদিন নখ বাড়তে থাকে। তাই এক সময় কেটে ফেলার প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু নখ কাটলে ব্যথা লাগে না কেন?

আমাদের নখ কেরাটিন নামে এক বিশেষ উপাদান দিয়ে তৈরি। এক প্রকার মৃত প্রোটিন হলো এই কেরাটিন। নখের নিচের চামড়া শরীরের অন্য যে কোনো অংশের চামড়ার মতোই। কিন্তু এ চামড়ায় আছে এক ধরনের নমনীয় তন্তু। এই তন্তুই নখের সঙ্গে আটকে থেকে নখগুলি নির্দিষ্ট স্থানে রাখে।

মূলত মৃত কিছু কোষ দিয়ে গঠিত বলেই নখ কাটলেও আমরা ব্যথা পাই না।


   Page 1 of 4
     ফিচার
কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় কলমি শাক
.............................................................................................
কোরবানির সুস্থ গরু চিনবেন কিভাবে?
.............................................................................................
ডেঙ্গু জ্বর সম্পর্কে ১০টি তথ্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
.............................................................................................
সঙ্গীর হাতে আলতো চাপ দিলে যেসব রোগ নিয়ন্ত্রণে থাকবে
.............................................................................................
মোনালিসা সম্পর্কে ৭ অজানা তথ্য
.............................................................................................
`বড় বাপের পোলায় খায়, ঠোঙা ভইরা লইয়া যায়`
.............................................................................................
অনুমানের চেয়ে প্রায় ৯ শতাংশ বেশি দ্রুত প্রসারিত হচ্ছে মহাবিশ্ব
.............................................................................................
কাঁধের ব্যথা কমাতে ঘরোয়া ৪ উপায়
.............................................................................................
স্বাস্থ্য দিবসে যে ২৩ পরামর্শ দিলেন ডা. দেবী শেঠী
.............................................................................................
বিশ্বসেরা ১০ চিকিৎসকের একজন দেবী শেঠী
.............................................................................................
গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ রোধে করণীয়
.............................................................................................
কুকুর আক্রমণের চেষ্টা করলে যা করবেন
.............................................................................................
আমলকী কেন খাবেন?
.............................................................................................
শরীরে পানিশূন্যতার ৪ লক্ষণ
.............................................................................................
ভ্যালেন্টাইন্স ডে
.............................................................................................
নখ কাটলে ব্যথা লাগে না কেন?
.............................................................................................
হেঁচকি থামাতে কী করবেন?
.............................................................................................
কাপড় বিবর্ণ হয়ে যাওয়া রোধ করতে
.............................................................................................
স্কাউটিংয়ে রাষ্ট্রপতি অ্যাওয়ার্ড পেলেন রাকিব
.............................................................................................
বিশ্বে সবচেয়ে দীর্ঘ চুল নীলাংশীর
.............................................................................................
হৃদরোগ ও ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় ফুলকপি
.............................................................................................
অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসী হতে চান?
.............................................................................................
বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশ মোনাকো
.............................................................................................
বরের কান্না দেখে হাসছে কনে!
.............................................................................................
বনশ্রীতে আর্টিসান
.............................................................................................
পুরুষের সাড়া না পেয়ে যা করলেন এই নারী!
.............................................................................................
২১ সন্তান জন্ম দিয়ে ব্রিটেনের সবচেয়ে বড় পরিবার
.............................................................................................
অভিনব কায়দায় বিয়ে করলেন তারা!
.............................................................................................
দুধের শিশুকে নিয়ে ডিউটি, অতঃপর...
.............................................................................................
পুরুষের ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর আহ্বান
.............................................................................................
৫৩ তম জন্মদিনে ৫৩ পাউন্ডের কেক কাটলেন খালেদা জিয়া
.............................................................................................
এখনো নিয়োগ পাননি ৫৬ চাকরিপ্রার্থী
.............................................................................................
বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে দেরি করছে: মিয়ানমার
.............................................................................................
পাকিস্তানি হাইকমিশনারকে তলব
.............................................................................................
ব্রহ্মপুত্রের পানি সরিয়ে নিতে সুড়ঙ্গ খুঁড়ছে চীন!
.............................................................................................
ইফতারে খেজুর খাওয়ার রীতির কারণ
.............................................................................................
প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপদ সংকেতের অর্থ
.............................................................................................
বাংলাদেশের আলোচিত কিছু ঘূর্ণিঝড়
.............................................................................................
মেকআপ ব্রাশের যত্নআত্তি
.............................................................................................
ঘরকে শীতল রাখুন কিছু ঘরোয়া কৌশলেই
.............................................................................................
বিচ্ছেদের কারনে যা শিখতে পারবেন
.............................................................................................
গরমে শিশুর স্বাস্থ্যের সুস্থতায় যা করবেন
.............................................................................................
সতর্ক থাকুন বজ্রপাতের সময়
.............................................................................................
কাপড়ে দাগ লাগলে যা করবেন!
.............................................................................................
প্রেগন্যান্ট হলে আম খাওয়ার সময় মেনে চলুন কিছু সতর্কতা
.............................................................................................
অপর্যাপ্ত ঘুম থেকে শিশুর খিটখিটে মেজাজ
.............................................................................................
ওয়াইফাই মানবশরীরের জন্য নীরব ঘাতক
.............................................................................................
ভেজালের বাজারে কিভাবে কিনবেন মৌসুমের সেরা আম?
.............................................................................................
রাস্তা পারাপারে আপনি কতটা সচেতন?
.............................................................................................
ফিটনেস-এর জন্য শুধু ব্যায়াম নয়, ঘুমও জরুরি
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]