| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * কার্টুনিস্ট কিশোর কবিরের রিমান্ড নামঞ্জুর   * বিক্ষোভে ফুঁসছে মিয়ানমার, পুলিশের গুলিতে নিহত বেড়ে ২   * নির্বাচনী সহিংসতায় দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষ, নিহত ১   * মেট্রোরেলের আরো একটি গার্ডার স্থাপন   * উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা   * অনুমোদন পেল জনসনের এক ডোজের টিকা   * আবারও উত্তাল মিয়ানমার, নিহত ১   * রাজধানীতে ছাত্রদল-পুলিশ সংঘর্ষ   * ছেলে শিক্ষার্থী কমে যাচ্ছে কেন, ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ   * নদীতে গোসল করতে গিয়ে প্রাণ গেল স্কুলছাত্রের  

   ফিচার -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
সংসার সুখের হয় রমণীর গুনে, গুনধর স্বামী যদি থাকে তার সনে

মিয়া আবদুল হান্নান : কামরুল হাসান সোহেল কেরানীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কর্মকর্তা ( ভূমি) নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট ও কেরানীগঞ্জ দলমত নির্বিশেষে জনপ্রিয়তায় জনতার কাতারে। দুর্বল মানুষের ভূমি, ভিটি অবৈধ দখলদারত্বের হাত থেকে রক্ষা করে, অসহায় মানুষটির জবরদখল হয়ে পুনঃ ফিরিয়ে দেয়া, সেই লোকটি রুটি-রুজির পথ করে দেয়া, নালা খাল দখলকারীদের উচ্ছেদ করে, এলাকার পরিবেশ, সৌন্দর্য বৃদ্ধির, সাহসী পুরুষ, একটি ভালোবাসার মানুষ। প্রতি দিন ফেসবুক খুলতেই কেরানীগঞ্জ মডেল উপজেলার যুগান্তকারী পদক্ষেপকারী কামরুল হাসান সোহেলের ছবি। কেরানীগঞ্জ প্রেসক্লাবের বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়া পত্রিকার, ইলেকট্রিক মিডিয়ার কর্মরত সাংবাদিকদের মূখে একটি নাম শোনা যায় কামরুল হাসান সোহেল ভাই। কেরানীগঞ্জ সহকারী কর্মকর্তা ( ভূমি) কামরুল হাসান সোহেল ও নববধূ তার সহধর্মিণীকে নিয়ে দু`কলম লেখাঃ-নববধূ সুখী সংসার বিবাহের পর সাংসারিক জীবনের শুরু একজন মানুষের জীবনে টার্নিংপয়েন্ট। তখন থেকে কারো কারো জীবনে নেমে আসে অনাবিল শান্তি। স্বর্গের সুখ তারা এ দুনিয়াতে থেকেই ভোগ করতে থাকেন। এর জন্য প্রয়োজন পাত্র-পাত্রী যোগ্য হওয়া। ইবনে মাজার এক হাদিসে এসেছে, তাকওয়ার পর একজন মানুষের সবচেয়ে বড় অর্জন হচ্ছে যোগ্য পাত্রী পাওয়া। নবী করিম (সা.) সেখানে যোগ্য পাত্রীর কিছু বর্ণনা দিয়েছেন। যোগ্য পাত্রীর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, পাত্রী নেককার, স্বামীর অনুগত, স্বামীর আনন্দের কারণ ও স্বামীর আমনত হেফাজতকারী হওয়া। স্বামীরও কিছু গুণাগুণ আছে, যেগুলো থাকলেই স্বামী যোগ্য বলে বিবেচিত হবে। তিরমিজী শরিফের এক হাদিসে এসেছে, স্বামীর গুণাগুণের অন্যতম দু`টি গুণ হচ্ছে, স্বভাব-চরিত্র ঠিক থাকা ও দ্বীনদার হওয়া। মূলত এ দু`টি ঠিক থাকলে শাখাগত বিষয় হিসেবে বাকিগুলো এমনিতেই চলে আসবে।

মানুষের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলোর অন্যতম হচ্ছে বৈবাহিক জীবন। যখন মানুষ অবিবাহিত থাকে, মনে হয় জীবন যেন নীড় হারা পাখি। এক পর্যায়ে তার সঙ্গে জীবনসঙ্গী হিসেবে অপরিচিত একজন যুক্ত হয়। তখন সবকিছুতে কেমন যেন একটা পরিবর্তন। স্বভাব-চরিত্র থেকে নিয়ে সর্বত্র একটা শান্তভাব, স্থিতিশীলতা ফিরে আসে। পূর্ণতা পায় ঈমান আমল।

ইমাম বাইহাকি হজরত আনাস (রা.) এর সূত্রে, নবী করিম (সা.) থেকে এ প্রসঙ্গে একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন। রাসূল (সা.) উম্মতে মুসলিমাকে লক্ষ্য করে বলেছেন, `বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপনের দ্বারা মানুষের অর্ধেক দ্বীনদারি পূর্ণ হয়ে যায়। এখন সে যেন বাকি অর্ধেকের পূর্ণতার চিন্তা করে।` বৈবাহিক সম্পর্কের দ্বারা দু`জন মানুষের মনে যে প্রেম ভালোবাসা জন্ম নেয় তা তুলনাহীন। আমৃত্য সে বন্ধন নিবিড় থেকে আরো নিবিড় হতে থাকে।

হাদিসের প্রসিদ্ধ গ্রন্থ `সুনানে ইবনে মাজাহ`তে এ প্রসঙ্গে হাদিস বর্নিত হয়েছে। হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) রাসূল (সা.) থেকে বর্ণনা করেন, রাসূল (সা.) বলেছেন, বৈবাহিক সম্পর্কের দ্বারা স্থাপিত ভালোবাসার সম্পর্ক তুলনাহীন। আমি অন্য কোনো ক্ষেত্রে এমন গভীর সম্পর্ক দেখি না।` এই ভালোবাসা শুধু স্বামী-স্ত্রীর মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকে না। বরং তারা দু`জনকে ছাড়িয়ে অন্যান্য আত্মীয়-স্বজনের মাঝেও তা ছড়িয়ে পড়ে। গ্রাম বাংলায় এমন দৃশ্য প্রায়ই দেখা যায়, বিবাদমান দু`টি গোষ্ঠির মাঝে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপনের ফলে সম্প্রীতি ফিরে এসেছে।

(কামরুল হাসান সোহেল এর উত্তর পেলে লেখার স্বার্থকতা। মিয়া আবদুল হান্নান, কাউন্সিলর বিএফইউজে-বাংলাদেশ। কার্যনির্বাহী সদস্য কেরানীগঞ্জ প্রেসক্লাব, ঢাকা।)

সংসার সুখের হয় রমণীর গুনে, গুনধর স্বামী যদি থাকে তার সনে
                                  

মিয়া আবদুল হান্নান : কামরুল হাসান সোহেল কেরানীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কর্মকর্তা ( ভূমি) নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট ও কেরানীগঞ্জ দলমত নির্বিশেষে জনপ্রিয়তায় জনতার কাতারে। দুর্বল মানুষের ভূমি, ভিটি অবৈধ দখলদারত্বের হাত থেকে রক্ষা করে, অসহায় মানুষটির জবরদখল হয়ে পুনঃ ফিরিয়ে দেয়া, সেই লোকটি রুটি-রুজির পথ করে দেয়া, নালা খাল দখলকারীদের উচ্ছেদ করে, এলাকার পরিবেশ, সৌন্দর্য বৃদ্ধির, সাহসী পুরুষ, একটি ভালোবাসার মানুষ। প্রতি দিন ফেসবুক খুলতেই কেরানীগঞ্জ মডেল উপজেলার যুগান্তকারী পদক্ষেপকারী কামরুল হাসান সোহেলের ছবি। কেরানীগঞ্জ প্রেসক্লাবের বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়া পত্রিকার, ইলেকট্রিক মিডিয়ার কর্মরত সাংবাদিকদের মূখে একটি নাম শোনা যায় কামরুল হাসান সোহেল ভাই। কেরানীগঞ্জ সহকারী কর্মকর্তা ( ভূমি) কামরুল হাসান সোহেল ও নববধূ তার সহধর্মিণীকে নিয়ে দু`কলম লেখাঃ-নববধূ সুখী সংসার বিবাহের পর সাংসারিক জীবনের শুরু একজন মানুষের জীবনে টার্নিংপয়েন্ট। তখন থেকে কারো কারো জীবনে নেমে আসে অনাবিল শান্তি। স্বর্গের সুখ তারা এ দুনিয়াতে থেকেই ভোগ করতে থাকেন। এর জন্য প্রয়োজন পাত্র-পাত্রী যোগ্য হওয়া। ইবনে মাজার এক হাদিসে এসেছে, তাকওয়ার পর একজন মানুষের সবচেয়ে বড় অর্জন হচ্ছে যোগ্য পাত্রী পাওয়া। নবী করিম (সা.) সেখানে যোগ্য পাত্রীর কিছু বর্ণনা দিয়েছেন। যোগ্য পাত্রীর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, পাত্রী নেককার, স্বামীর অনুগত, স্বামীর আনন্দের কারণ ও স্বামীর আমনত হেফাজতকারী হওয়া। স্বামীরও কিছু গুণাগুণ আছে, যেগুলো থাকলেই স্বামী যোগ্য বলে বিবেচিত হবে। তিরমিজী শরিফের এক হাদিসে এসেছে, স্বামীর গুণাগুণের অন্যতম দু`টি গুণ হচ্ছে, স্বভাব-চরিত্র ঠিক থাকা ও দ্বীনদার হওয়া। মূলত এ দু`টি ঠিক থাকলে শাখাগত বিষয় হিসেবে বাকিগুলো এমনিতেই চলে আসবে।

মানুষের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলোর অন্যতম হচ্ছে বৈবাহিক জীবন। যখন মানুষ অবিবাহিত থাকে, মনে হয় জীবন যেন নীড় হারা পাখি। এক পর্যায়ে তার সঙ্গে জীবনসঙ্গী হিসেবে অপরিচিত একজন যুক্ত হয়। তখন সবকিছুতে কেমন যেন একটা পরিবর্তন। স্বভাব-চরিত্র থেকে নিয়ে সর্বত্র একটা শান্তভাব, স্থিতিশীলতা ফিরে আসে। পূর্ণতা পায় ঈমান আমল।

ইমাম বাইহাকি হজরত আনাস (রা.) এর সূত্রে, নবী করিম (সা.) থেকে এ প্রসঙ্গে একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন। রাসূল (সা.) উম্মতে মুসলিমাকে লক্ষ্য করে বলেছেন, `বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপনের দ্বারা মানুষের অর্ধেক দ্বীনদারি পূর্ণ হয়ে যায়। এখন সে যেন বাকি অর্ধেকের পূর্ণতার চিন্তা করে।` বৈবাহিক সম্পর্কের দ্বারা দু`জন মানুষের মনে যে প্রেম ভালোবাসা জন্ম নেয় তা তুলনাহীন। আমৃত্য সে বন্ধন নিবিড় থেকে আরো নিবিড় হতে থাকে।

হাদিসের প্রসিদ্ধ গ্রন্থ `সুনানে ইবনে মাজাহ`তে এ প্রসঙ্গে হাদিস বর্নিত হয়েছে। হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) রাসূল (সা.) থেকে বর্ণনা করেন, রাসূল (সা.) বলেছেন, বৈবাহিক সম্পর্কের দ্বারা স্থাপিত ভালোবাসার সম্পর্ক তুলনাহীন। আমি অন্য কোনো ক্ষেত্রে এমন গভীর সম্পর্ক দেখি না।` এই ভালোবাসা শুধু স্বামী-স্ত্রীর মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকে না। বরং তারা দু`জনকে ছাড়িয়ে অন্যান্য আত্মীয়-স্বজনের মাঝেও তা ছড়িয়ে পড়ে। গ্রাম বাংলায় এমন দৃশ্য প্রায়ই দেখা যায়, বিবাদমান দু`টি গোষ্ঠির মাঝে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপনের ফলে সম্প্রীতি ফিরে এসেছে।

(কামরুল হাসান সোহেল এর উত্তর পেলে লেখার স্বার্থকতা। মিয়া আবদুল হান্নান, কাউন্সিলর বিএফইউজে-বাংলাদেশ। কার্যনির্বাহী সদস্য কেরানীগঞ্জ প্রেসক্লাব, ঢাকা।)

ভালোবাসার দিন আজ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি, ভ্যালেন্টাইনস ডে বা ভালোবাসা দিবস। আজ আবার পহেলা ফাল্গুনও। ঋতুরাজ বসন্তের প্রথম দিনটির সঙ্গে ভালোবাসা মিলেমিশে একাকার।

ফুলে রাঙা বাসন্তী মোহ আজ যুগলদের মনের উচ্ছ্বাসকে বাড়িয়ে দেবে কয়েকগুণ। শুধু তরুণ-তরুণী নয়, নানা বয়সের মানুষই ভালোবাসার এই দিনে একসঙ্গে সময় কাটাবেন। দিনটি পশ্চিমা সংস্কৃতির অনুষঙ্গ হলেও ভ্যালেন্টাইনস ডে বা ভালোবাসা দিবসে এখন বাঙালি জীবনের সঙ্গেও মিশে গেছে।

অনেকেই বলে থাকেন, ফেব্রুয়ারির এ সময়ে পাখিরা তাদের জুটি খুঁজে বাসা বাঁধে। নিরাভরণ বৃক্ষে কচি কিশলয় জেগে ওঠে। তীব্র সৌরভ ছড়িয়ে ফুল সৌন্দর্যবিভায়। পরিপূর্ণভাবে বিকশিত হয়। এ দিনে চকোলেট, পারফিউম, গ্রিটিংস কার্ড, ই-মেইল, মুঠোফোনের এসএমএস-এমএমএসে প্রেমবার্তা, হীরার আংটি, প্রিয় পোশাক, জড়াজড়ি করা খেলনা মার্জার অথবা বই ইত্যাদি শৌখিন উপঢৌকন প্রিয়জনকে উপহার দেয়া হয়।

নীল খামে হালকা লিপস্টিকের দাগ, একটা গোলাপ ফুল, চকোলেট, ক্যান্ডি, ছোট্ট চিরকুট আর তাতে দু`ছত্র গদ্য অথবা পদ্য হয়ে উঠতে পারে উপহারের অনুষঙ্গ।

ইতিহাসবিদদের মতে, দুটি প্রাচীন রোমান প্রথা থেকে এ উৎসবের সূত্রপাত। এক খ্রিস্টান পাদ্রী ও চিকিৎসক ফাদার সেন্ট ভ্যালেনটাইনের নামানুসারে দিনটির নাম `ভ্যালেনটাইনস ডে` করা হয়। ২৭০ খ্রিস্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি খ্রিস্টানবিরোধী রোমান সম্রাট গথিকাস আহত সেনাদের চিকিৎসার অপরাধে সেন্ট ভ্যালেনটাইনকে মৃত্যুদণ্ড দেন। মৃত্যুর আগে ফাদার ভ্যালেনটাইন তার আদরের একমাত্র মেয়েকে একটি ছোট্ট চিঠি লেখেন, যেখানে তিনি নাম সই করেছিলেন `ফ্রম ইওর ভ্যালেনটাইন`। সেন্ট ভ্যালেনটাইনের মেয়ে এবং তার প্রেমিক মিলে পরের বছর থেকে বাবার মৃত্যুর দিনটিকে ভ্যালেনটাইনস ডে হিসেবে পালন করা শুরু করেন। যুদ্ধে আহত মানুষকে সেবার অপরাধে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত সেন্ট ভ্যালেনটাইনকে ভালোবেসে দিনটি বিশেষভাবে পালন করার রীতি ক্রমে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।

ভ্যালেনটাইনস ডে সার্বজনীন হয়ে ওঠে আরও পরে প্রায় ৪০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে। দিনটি বিশেষভাবে গুরুত্ব পাওয়ার পেছনে রয়েছে আরও একটি কারণ। সেন্ট ভ্যালেনটাইনের মৃত্যুর আগে প্রতি বছর রোমানরা ১৪ ফেব্রুয়ারি পালন করত `জুনো` উৎসব। রোমান পুরানের বিয়ে ও সন্তানের দেবী জুনোর নামানুসারে এর নামকরণ। এ দিন অবিবাহিত তরুণরা কাগজে নাম লিখে লটারির মাধ্যমে তার নাচের সঙ্গীকে বেছে নিত। ৪০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে রোমানরা যখন খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীতে পরিণত হয় তখন `জুনো` উৎসব আর সেন্ট ভ্যালেনটাইনের আত্মত্যাগের দিনটিকে একই সূত্রে গেঁথে ১৪ ফেব্রুয়ারি `ভ্যালেনটাইনস ডে` হিসেবে উদযাপন শুরু হয়। কালক্রমে এটি সমগ্র ইউরোপ এবং ইউরোপ থেকে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।

বাংলাদেশে `ভালোবাসা দিবস` উদযাপন যিনি চালু করেন তিনি হচ্ছেন সাংবাদিক শফিক রেহমান। ১৯৯৩ সালে তার সম্পাদিত যায়যায়দিন পত্রিকায় প্রথম এই দিনটিকে উপলক্ষ করে বিশেষ `ভালোবাসা সংখ্যা` বের করেছিলেন তিনি। দিনে দিনে সে ভালোবাসা দিবস বাংলাদেশে রূপ নিয়েছে রীতিমত উৎসবে।

এ প্রসঙ্গে ২০২০ সালে বিবিসি বাংলাকে সাংবাদিক শফিক রেহমান বলেন, ১৯৯৩ সালে আমি ঢাকায় যায়যায় দিন পত্রিকাটি প্রকাশ করি। সে বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইন্স ডে সামনে রেখে আমরা একটি বিশেষ সংখ্যা বের করার পরিকল্পনা করি এবং পাঠকদের কাছে লেখা আহ্বান করি। আমি তখন বলেছিলাম, একটি দিনে প্রতিটি মানুষের অন্তত সবার কাছে ভালোবাসাটা প্রকাশ করা উচিত। ভালোবাসা দিবস শুধু স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে নয়, সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেয়া উচিত। অর্থাৎ বাবা-মার সঙ্গে ছেলে মেয়ের, দাদা-দাদির সঙ্গে নাতি-নাতনির, এমনকি বাড়িওয়ালার সঙ্গে ভাড়াটিয়ার। পুলিশের সঙ্গে পাবলিকের, যদি সম্ভব হয়। আমি মনে করেছি এতে দেশে সহিংসতা কমে আসবে।

তিনি আরো বলেন, আমি তখন পাঠকদের কাছে তাদের অভিজ্ঞতা চেয়ে পাঠালাম এবং আমি বিপুল সাড়া পাই। বলতেই হবে, বাঙালি আসলেই প্রেমিক। নইলে এত লেখা আমরা কেমন করে পেতাম।

ভ্যালেন্টাইন্স ডে কেন বাংলাদেশে ভালোবাসা দিবস নামে চালু করলেন সে প্রশ্নের উত্তরও দেন শফিক রেহমান। তিনি বলেন, আমি বহুবছর লন্ডনে থাকার সুবাদে জানতাম, সেখানে কীভাবে ভ্যালেন্টাইন্স ডে উদযাপিত হয়। কিন্তু বাংলাদেশে এ নামের পরিবর্তে ভালোবাসা দিবস দিয়েছিলাম ইচ্ছে করে। ভ্যালেন্টাইন্স ডে বললে অনেকে বলবে এটা খ্রিস্টানদের ব্যাপার। ধর্মকে জড়িয়ে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হতো তাহলে। যে সপ্তাহে আমাদের ভালোবাসা সংখ্যা বের হয়, ওই একই সপ্তাহে বিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিন তাদের প্রথম ভালোবাসা সংখ্যা প্রকাশ করে। সেজন্য অনেকে বলেন, আমি টাইম ম্যাগাজিনের চেয়ে একটু এগিয়ে ছিলাম। আমি কিন্তু কখনই ভাবিনি এ ভালোবাসা দিবস এত বড় রূপ নেবে।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে অন্য যেসব উৎসব হয়, সেগুলো হয় ধর্মীয় নয়তো রাজনৈতিক। অথবা নববর্ষের সঙ্গে জড়িত। কিন্তু ভালোবাসা দিবস ছিল সেদিক থেকে আলাদা। এখন অনেকেই ১৪ ফেব্রুয়ারিতে বিয়েও করছে। এই দিনটি বাংলাদেশে অনেক পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। যশোরে এক দিনেই বিক্রি হয় ১২ কোটি টাকার ফুল। আমার ধারণা এটি আরও বড় হবে। এটাকে আমি পারিবারিক রূপ দেবার চেষ্টা করেছি।

শীতকালে নলেন গুড়ের পাঁচটি রসালো খাবার
                                  

অনলাইন ডেস্ক : শীতকাল মানেই যেমন কমলালেবু, সবুজ সবজি, বিট-গাজরের সমাহার, তেমনই শীতকাল মানেই কিন্তু নলেন গুড়। মিষ্টিপ্রিয় বাঙালির ঘরে ঘরে এই সময় নলেন গুড় পাওয়া যায়। কেউ গুড় দিয়ে রুটি খেতে পছন্দ করেন। কেউ চিড়ের সঙ্গে, কেউ বা পিঠার সঙ্গে।

কিন্তু এই সব ছাড়াও গুড়ের একাধিক রেসিপি হয়। তার মধ্যেই বিখ্যাত কয়েকটি বাঙালির অতি প্রিয়।

নলেন গুড়ের রসগোল্লা
রসে টইটম্বুর, লালচে গোলাকার মিষ্টি মানেই শীতকালে বাঙালির কাছে নলেন গুড়ের রসগোল্লা। সাদা রসগোল্লার থেকে এই সময়ে গুড়ের রসগোল্লাই বেশিরভাগ মানুষের ফেভারিট। এ ক্ষেত্রে রসগোল্লার রসে চিনির বদলে অল্প গুড় মেশানো হয়, রসগোল্লার মন্ডতেও গুড় মেশানো হয়ে থাকে। তাই মুখে দিলেই গলে যাওয়া আর সঙ্গে গুড়ের গন্ধ, যেকোনো মিষ্টিপ্রিয় মানুষ একসঙ্গে পাঁচ-ছ`টা খেয়ে নিতে পারে। আর যদি রসগোল্লা হয় গরম তা হলে তো কথাই নেই!

নলেন গুড়ের সন্দেশ

শীতে নলেন গুড় হল বাঙালির মাস্ট হ্যাভ। রসগোল্লা খেতে পছন্দ না করলেও অপশন রেডি। রয়েছে নলেন গুড়ের সন্দেশ। লালচে রঙের বিভিন্ন ছাঁচে তৈরি এই সন্দেশও কিন্তু হৃদয় হরণ করতে পারে যে কারও। সাধারণত, ছানা, দুধ, আর চিনি দিয়ে তৈরি হয় সন্দেশ। এ ক্ষেত্রে চিনির পরিবর্তে নলেন গুড় ব্যবহার করা হয়। সন্দেশের উপরে অনেক সময় বিভিন্ন বাদামও ব্যবহার করা হয়। কড়া পাকের সন্দেশ, নরম পাকের সন্দেশ- উভয়ই পাওয়া যায়।

নলেন গুড়ের কাঁচাগোল্লা

সন্দেশ যে উপকরণ দিয়ে তৈরি হয়, কাঁচাগোল্লাও সাধারণত সেই উপকরণ দিয়েই তৈরি হয়। কিন্তু পাক কম হয় এবং খুবই নরম হয়। প্রাণহরা বা কাঁচাগোল্লা এই সময়ে চিনির পরিবর্তে খেজুর গুড়ের রস দিয়ে তৈরি হয়।

নলেন গুড়ের পাটিসাপটা

ইংরেজিতে বোঝাতে গেলে প্যানকেক রোল বলা যেতে পারে। কিন্তু বাঙালিদের কাছে জনপ্রিয় পাটিসাপটা নামেই! মাঝে ক্ষীর বা নারকেলের পুর আর বাইরে হালকা একটা লেয়ার এই খাবারের টেক্সচারই বদলে দেয়। অনেকেই পাটি সাপটার ব্যাটারে গুড়ের ব্যবহার করে থাকেন। অনেকে আবার নারকেলের পুর গুড় দিয়ে করে থাকেন। সাধারণত, পৌষ সংক্রান্তিতে এই খাবার সকলের ঘরে ঘরে হয়ে থাকে।

নলেন গুড়ের পায়েস

শীতে পায়েস মানেই বেশিরভাগ বাড়িতে নলেন গুড়ের পায়েস তৈরি করা হয়। গোবিন্দভোগ চালের গন্ধ সঙ্গে গুড়ের গন্ধ একদম স্পেশ্যাল একটা আমেজ তৈরি করে। সূত্র: নিউজএইটিন।

নলেন গুড়ের পায়েস তৈরির সহজ রেসিপি
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : পায়েসের গন্ধ ও স্বাদে মুগ্ধ সব বাঙালিই। ছোট-বড় সবার প্রিয় পায়েস বিভিন্নভাবে তৈরি করা যায়। আবার বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে পায়েস তৈরি হয়, যেমন- লাউ, গাজর ও সাবুর পায়েস।

শীত এলেই ধুম পড়ে যায় গুড়ের পায়েস তৈরির। তার মধ্যে নলেন গুড়ের পায়েস সবচেয়ে জনপ্রিয়। এ পায়েস একবার খেলে এর স্বাদ মুখে লেগে থাকবে।

জেনে নিন নলেন গুড়ের পায়েস তৈরির রেসিপি-

উপকরণ
১. ফুল ক্রিম দুধ আধা লিটার
২. পোলাও চাল ১০০ গ্ৰাম
৩. খেজুর গুড়ের পাটালি ২৫০গ্ৰাম
৪. ঘি ১ টেবিল চামচ
৫. তেজপাতা ১টি
৬. এলাচ ২টি
৭. কাজুবাদাম ১ টেবিল চামচ
৮. কিসমিস ১ টেবিল চামচ


পদ্ধতি: একটি প্যান গরম করে এক টেবিল চামচ ঘি’তে তেজপাতা আর এলাচ থেঁতো করে ভেজে নিন। একটু পর ধুয়ে রাখা পোলাও চাল দিয়ে একটু ভেজে নিন।

এরপর এক কাপ পানি দিয়ে চাল সেদ্ধ করে নিতে হবে। যখন চালের পানি শুকিয়ে আসবে; তখন দুধটুকু ঢেলে দিন। মাঝে মাঝে নেড়ে দিতে হবে, যাতে না লেগে যায়।

যখন দেখবেন দুধ অর্ধেক হয়ে যাবে আর চালও সেদ্ধ হয়ে গেছে; তখন কাজুবাদাম কুচি দিয়ে নেড়ে আরেকটু ঘন করে চুলা বন্ধ করে দিন। এবার পাটালি গুড় সামান্য পানিতে গুলিয়ে পায়েসের মধ্যে মিশিয়ে ভালো করে নেড়ে দিন।

আবারো চুলা জ্বালিয়ে দুই মিনিট ফুটিয়ে নিতে হবে পায়েস। নামিয়ে সার্ভিং বলে ঢেলে উপরে ছিটিয়ে দিন কিসমিস, পেস্তা ও কাজুবাদাম কুচি। তৈরি হয়ে গেল সুস্বাদু নলেন গুড়ের পায়েস।

বার্ড ফ্লু কতটা মারাত্মক, জেনে নিন এখনই
                                  

ফিচার ডেস্ক : মহামারি করোনার মধ্যেই ছড়িয়ে পড়ছে বার্ড ফ্লু। ভারতে এরই মধ্যে ৯টি রাজ্য আক্রান্ত হয়েছে বার্ড ফ্লুতে। এতই মারাত্মক হতে পারে বার্ড ফ্লু যে, এর কারণে মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হয়। তাই সামান্য জ্বর-সর্দি হলেও সচেতন থাকুন। কারণ বার্ড ফ্লু হলেও জ্বর-সর্দির মতো লক্ষণ প্রকাশ পায়।

বার্ড ফ্লু


একটি ইনফ্লুয়েঞ্জা জাতীয় রোগ এটি। এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের কারণে বার্ড ফ্লু মানুষের শরীরে বাসা বাঁধে। ভাইরাসটি সাধারণত পাখির শরীর থেকে ছড়িয়ে পড়ে। আক্রান্ত পাখিরা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় সহজেই চলে যায় বলে রোগটিও দ্রুত ছড়ায়। বার্ড ফ্লু বায়ুবাহিত রোগ হিসেবে বিবেচিত।

লক্ষণ

>> এ ভাইরাস সংক্রমণের পর রোগীর দেহে প্রাথমিকভাবে জ্বরের লক্ষণ প্রকাশ পায়।

>> জ্বরের পাশাপাশি শরীর ব্যথা, ঠান্ডা লাগা, হাঁচি, কাশি, মাথা ব্যথা, মাংসপেশী ব্যথা, বমি, পেট খারাপ- এ ধরনের উপসর্গ থাকে। অনেকের ক্ষেত্রে এ লক্ষণ খুব বেশি দেখা যায়। মৃত্যুর ঝুঁকিও থাকতে পারে।

>> অনেক সময় ফুসফুসে সংক্রমণ হয়ে মারাত্মক নিউমোনিয়া হয়। এক্ষেত্রে প্রচণ্ড কাশি, শ্বাসকষ্ট এবং এআরডিএস অর্থাৎ অ্যাকিউট রেসপিরেটরি ডিস্ট্রেসের ঝুঁকি থাকে।

>> এর থেকে এনসেফেলাইটিস, হৃদপিণ্ডের সংক্রমণ, মায়োসাইটিস হয়। বার্ড ফ্লুর জন্য প্রয়োজনীয় অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ওষুধ রয়েছে।

রোগের বিস্তার

>> আক্রান্ত ব্যক্তির প্রত্যক্ষ সংস্পর্শে অন্য ব্যক্তির মাঝে বার্ড ফ্লু ছড়াতে পারে।

>> আক্রান্ত পাখির ডিম বা মাংস সঠিকভাবে সেদ্ধ করে না খেলে বার্ড ফ্লু হতে পারে।

>> এটি ভাইরাসজনিত একটি ছোঁয়াচে রোগ।

>> বার্ড ফ্লু নির্ণয়ের ক্ষেত্রে; রক্তে এ ভাইরাসের অ্যান্টিবডি পিসিআর পদ্ধতিতে দেখে ভাইরাসটি শনাক্ত করা যায়।

 

প্রতিরোধের উপায়

>> যেকোনো ফ্লুর মতোই বার্ড ফ্লু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার বিকল্প নেই।

>> মাস্ক পরার অভ্যাসকে জীবনের অঙ্গ করে নিতে পারলে যেকোনো ফ্লু-র সংক্রমণ প্রতিরোধ করা অনেক সহজ হয়ে যাবে।

>> খাওয়ার আগে সাবান দিয়ে ভালো করে হাত-মুখ ধুয়ে নেওয়ার অভ্যাস করা জরুরি।

>> মাংস বা ডিম খুব ভালো করে সেদ্ধ করে খাওয়া উচিত। কাঁচা মাংস খুব ভালো করে ধুয়ে অবশ্যই হাত সাবান দিয়ে পরিষ্কার করবেন।

>> মাংস ধোয়ার সময় কাছাকাছি যেন কোনো ধরনের খাবার না থাকে, সে দিকে খেয়াল রাখুন।

ঘুম ভাঙার পর মাথাব্যথা কেন হয়
                                  

ডা. শরিফুল ইসলাম : সকালে ঘুম থেকে উঠে সবারই প্রত্যাশা থাকে একটি সুন্দর সকালের। কিন্তু হঠাৎ ঘুম ভাঙার পর যদি মাথাব্যথা শুরু হয়, তবে পুরো দিনটাই মাটি। দিনভর তীব্র যন্ত্রণা সঙ্গী হয়।

শুধু সকালে নয়, অনেকের রাতেও হঠাৎ ঘুম ভেঙে যাওয়ার পর মাথাব্যথা হয়ে থাকে। বিকালে যাদের ঘুমের অভ্যাস তাদেরও এমন সমস্যা দেখা দেয়।

আসুন জেনে নিই যেসব কারণে মাথাব্যথা হতে পারে-

১. নাক ও চোখের চারপাশে হাড়ের ভেতরের বায়ুপূর্ণ কুঠুরিকে সাইনাস বলা হয়। যখন এই সাইনাসগুলোতে প্রদাহ হয়, তখন তাকে বলা হয় সাইনোসাইটিস। আইটিস অর্থ ইনফ্লামেশন। প্রধান সাইনাসগুলো জোড়ায় জোড়ায় থাকে। সাইনাসে প্রদাহ হলে নাক দিয়ে সর্দি পড়তে পারে এবং মাথা ব্যথা করতে পারে। সাইনাসের মধ্যে পুজ জমতে পারে, টিউমার হতে পারে।

২. সুস্থ থাকতে কমপক্ষে ৬ ঘণ্টা ঘুমাতে বলেন চিকিৎসকরা। রাতে ঘুম ভালো না হলে সকালে মাথাব্যথার সমস্যা হতে পারে। এ ছাড়া চোখ জ্বালাপোড়া ও চোখ লাল হয়েও যেতে পারে।

৩. কোনো কারণে যদি ঘাড়ের পেশির ওপর বেশি ধকল যায়, তবে মাথাব্যথা হতে পারে। যেমন– বালিশের সমস্যা ও বেকায়দায় ঘুমানোর কারণে ঘাড়ের কোনো পেশির ওপর যদি রাতের লম্বা একটা সময় টান পড়ে থাকে, তবে সেটি থেকেও ঘাড় আটকে যাওয়া, মাথাব্যথা ইত্যাদি দেখা দিতে পারে।


৪. মস্তিষ্কে `টিউমার` হলে বাড়তি চাপ থেকে সকালে মাথাব্যথা হতে পারে। `টিউমার` যদি ফুলে থাকে, তবে তা মস্তিষ্কের চাপ সৃষ্টি করে, যে কারণে দিনে একাধিকবার মাথাব্যথা দেখা দিতে পারে।

৫. মাইগ্রেনের সমস্যা মাথাব্যথার অন্যতম কারণ হতে পারে। বেশিরভাগ `মাইগ্রেনের রোগীর মাথাব্যথা দেখা দেয় সকালে কিংবা রাতে। তাই `মাইগ্রেনের ব্যথার সমস্যাটা একেবারে উড়িয়ে দেয়া যায় না।

৬. মানসিকচাপ ও অতিরিক্ত কাজের চাপ থেকেও মাথাব্যথা হতে পারে।

কী করবেন

এসব সমস্যা দেখা দিলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

লেখক: সহযোগী অধ্যাপক, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

নিমের উপকারিতা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : নিম একটি ঔষধি গাছ। যার ডাল, পাতা, রস সবই কাজে লাগে। নিম ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া নাশক হিসেবে নিম খুবই কার্যকর। আর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও এর জুড়ি মেলা ভার।

আসুন জেনে নেওয়া যাক নিমের উপকারিতাগুলো:

ত্বক : বহুদিন ধরে রূপচর্চায় নিমের ব্যবহার হয়ে আসছে। ত্বকের দাগ দূর করতে নিম খুব ভালো কাজ করে। এছাড়াও এটি ত্বকে ময়েশ্চারাইজার হিসেবেও কাজ করে। ব্রণ দূর করতে নিমপাতা বেটে লাগাতে পারেন। মাথার ত্বকে অনেকেরই চুলকানি ভাব হয়। নিমপাতার রস মাথায় নিয়মিত লাগালে এই চুলকানি কমে। নিয়মিত নিমপাতার সঙ্গে কাঁচা হলুদ পেস্ট করে লাগালে ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধি ও স্কিন টোন ঠিক হয়।

চুল : উজ্জ্বল, সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দন চুল পেতে নিমপাতার ব্যবহার বেশ কার্যকর। চুলের খুসকি দূর করতে শ্যাম্পু করার সময় নিমপাতা সিদ্ধ পানি দিয়ে চুল ম্যাসেজ করে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। খুসকি দূর হয়ে যাবে। চুলের জন্য নিম পাতার ব্যবহার অদ্বিতীয়। সপ্তাহে ১ দিন নিমপাতা ভালো করে বেটে চুলে লাগিয়ে ১ ঘণ্টার মতো রাখুন। এবার ১ ঘণ্টা পর ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন চুল পড়া কমার সঙ্গে সঙ্গে চুল নরম ও কোমল হবে।

কৃমিনাশক : পেটে কৃমি হলে শিশুরা রোগা হয়ে যায়। পেটে বড় হয়। চেহারা ফ্যাকাশে হয়ে যায়। বাচ্চাদের পেটের কৃমি নির্মূল করতে নিমের পাতার জুড়ি নেই।

দাঁতের রোগ : দাঁতের সুস্থতায় নিমের ডাল দিয়ে মেসওয়াক করার প্রচলন রয়েছে সেই প্রাচীনকাল থেকেই। নিমের পাতা ও ছালের গুড়া কিংবা নিমের ডাল দিয়ে নিয়মিত দাঁত মাজলে দাঁত হবে মজবুত, রক্ষা পাবেন দন্ত রোগ থেকেও।

জবা ফুলের চায়ের যত গুণ !
                                  

অনলাইন ডেস্ক : জবা ফুলে এমনিতেই বেশ কিছু ওষধি গুণ রয়েছে। আর জবা ফুল থেকে তৈরি চা এখন খুবই জনপ্রিয়। ফুলের মত জবা ফুলের চাও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। সারা বিশ্বে জবা চায়ের জনপ্রিয়তা ক্রমেই বাড়ছে।

জবা চায়ের কি কি উপকারিতা আছে তা জানলে হয়তো কেউই এটা মিস করতে চাইবেন না। এবার তা জেনে নিন...

ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখে
সম্প্রতি আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রকাশ করা এক রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, এই বিশেষ চায়ে উপস্থিত অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপাটিজ নিমেষে রক্তচাপকে স্বাভাবিক অবস্থায় নিয়ে আসতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই জবা ফুলের চা খেতে পারেন যারা আজকাল অফিসে কাজের চাপ এবং দৈনন্দিন জীবনের নানা সমস্যা থেকে রক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন।

কোলেস্টেরল কমায়
রক্তচাপ বাড়লে এবং খাওয়া দাওয়া নিয়মমতো না হলেই বাড়ে কোলেস্টেরল। সেখান থেকে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনাও বাড়ে। জবার চা হার্টে রক্ত জমাট বাঁধতে দেয় না। কোলেস্টেরলও জমতে দেয় না। এছাড়া ব্রেন ও হার্টের কোনও রকম ক্ষতির হাত থেকে বাঁচায় জবা ফুলের চা।

লিভারের কর্মক্ষমতা বাড়ে
সম্প্রতি বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে জবা ফুলে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেয়। এর ফলে লিভারের কর্মক্ষমতা বাড়ে। সেই সঙ্গে অনেক উপকারও পাওয়া যায়। ক্যান্সারের আশঙ্কা কমে। সেই সঙ্গে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।

সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে
জবা ফুলের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যাসকরবিক অ্যাসিড। এই অ্যাসিড আমাদের শরীরে ভিটামিন সি`র চাহিদা মেটায়। সেই সঙ্গে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। যে কারণে সর্দি-কাশির আর্য়ুবেদিক ওষুধ তৈরিতেও জবা ফুল ব্যবহার করা হয়।

পিরিয়ডের সমস্যা মেটায়
মেয়েদের বিশেষ সময়ে যদি নিয়মিত জবা ফুল দিয়ে বানানো চা খাওয়া যায়, তাহলে পিরিয়ড ক্র্যাম্প এবং যন্ত্রণা অনেকটাই কমে। সেই সঙ্গে অন্যান্য অস্বস্তিও দূর হয়। প্রসঙ্গত, হরমোনাল ইমব্যালেন্স কমাতেও এই পানীয়টি দারুন কাজে আসে। তাই মেয়েরা যদি প্রতিদিন এই চা পান করতে পারেন, তাহলে দারুন উপকার মেলে।

মানসিক অবসাদ কমায়
নানা কারণে মনটা খারাপ হলে ঝটপট এক কাপ জবার চা বানিয়ে পান করুন। এমনটা করলে দেখবেন মুড একেবারে ফ্রেশ হয়ে যাবে। কারণ এতে উপস্থিত উপকারি ভিটামিন এবং মিনারেল স্নায়ুতন্ত্রে তৈরি হওয়া প্রদাহ কমানোর পাশাপাশি অ্যাংজাইটি কমাতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়।

ওজন কমায়
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত জবার চা খেলে শরীরে শর্করা এবং স্টার্চের শোষণ কমে যায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ওজন কমতে শুরু করে। বেশ কয়েকজন গবেষক এ প্রসঙ্গে আলোচনা করতে গিয়ে আরেকটি বিষয়ের উপর আলোকপাত করেছেন। তাদের মতে জবা ফুলের চায়ে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা শরীরে অ্যামিলেস নামক একটি উপাদানের উৎপাদন কমিয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ওজন কমার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়।

যেভাবে বানাবেন
জবা ফুলের পাঁপড়িগুলো ছিড়ে নিন সাবধানে। এবার মাঝখানের ডাঁটি ফেলে দিন। পানির মধ্যে দারচিনি বা এলাচ ফেলে ফুটিয়ে নিন। দশ মিনিট ফোটানোর পর রং বদলালে ছেঁকে নিন। মধু মিশিয়ে খান। গ্রিন টি ব্যবহার করতে পারলে খুবই ভালো।

আর জবা ফুলের পাঁপড়ি সাতদিন রোদে ফেলে শুকিয়ে তা কাঁচের জারে সংরক্ষণ করেও রাখতে পারেন। তারপর চা তৈরির সময় মিলিয়ে নিতে পারেন।

চল্লিশের পর সুস্থ থাকতে যেসব খাবার খাবেন
                                  

পুষ্টিবিদ আখতারুন নাহার আলো : বয়স চল্লিশ পার হলে স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নটা একটু বেশিই নিতে হয়। নিয়ম মেনে না চললে এই বয়সে বহু জটিল রোগ বাসা বাধতে পারে দেহে। তাই এই বয়সে শরীর ঠিক রাখতে চাই প্রয়োজনীয় পুষ্টি।


৪০-এর পর অতিরিক্ত চর্বিজাতীয় খাবার খাওয়া যাবে না। প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার যেমন– মাছ, মাংস, ডিম ও দুধ খেতে হবে নিয়মিত। খাবার খেতে হবে সময়মতো।

চল্লিশের পর যেসব খাবার খাবেন

১. লোহিত রক্তকণিকা ও মস্তিষ্ক শুষ্ক রাখতে ভিটামিন বি ১২ জরুরি, যা দুধের তৈরি খাবার, মুরগি, মাছ ও ডিমে পাবেন।

২. এ বয়সে হাড়ের জন্য ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার খান। হাড়ের ভর নিয়ন্ত্রণ করতে এস্ট্রোজেন উপকারী। তাই মেনোপোজের পর নারীদের হার অপেক্ষাকৃত ভঙ্গুর হয়ে পড়ে।

এ ছাড়া ভিটামিন ডির মাত্রা কমে গেলে ক্যান্সার, হাঁপানি, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। আলাদাভাবে ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট নেয়া ভালো হবে।

৩. এ সময় পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম গ্রহণ করা না হলে হাড় থেকে এর ঘাটতি পূরণ হয়। ফলে হাড় দুর্বল হওয়া শুরু করে। ৪০ থেকে ৫০ বছর বয়স্ক নারীদের জন্য দৈনিক এক হাজার মিলিগ্রাম এবং পুরুষদের জন্য ১২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়ামের প্রয়োজন। পঞ্চাশোর্ধ্ব নারীরা খাদ্য তালিকায় ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার যেমন- কাঠবাদাম, কমলা, মটর, কপি ও পালংশাক যুক্ত করলে উপকার পাবেন।

৪. এ সময় ত্বক ভালো রাখতে ও দেহে বয়সের ছাপ কমাতে এবং হৃদরোগ, ক্যান্সার ও অন্যান্য রোগ থেকে বাঁচতে
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া জরুরি।

৫. তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ওমেগা থ্রি হলো- ইপিএ, ডিএইচএ এবং এএলএ। ইপিএ ও ডিএইচএ পাওয়া যায় মাছ থেকে। এএলএ পাওয়া যায় উদ্ভিজ্জ খাবার যেমন- আখরোট, তিসির বীজ ও চিয়া বীজ থেকে।

ওমেগা থ্রি হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করে। তাই ৪০ এর পর এই খাবারগুলো নিয়মিত খেতে হবে।

যে কোনো ধরনের ওষুধ ও ভিটামিন ট্যাবলেট খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

লেখক: প্রধান পুষ্টিবিদ, বারডেম জেনারেল হাসপাতাল।

কাজুবাদামের যতো উপকারিতা
                                  

ফিচার ডেস্ক : বর্তমানে মানুষ অনেক স্বাস্থ্য সচেতন। শরীর সুস্থ রাখতে অনেকেই কাজুবাদাম খেতে খুব পছন্দ করেন। কাজুবাদাম খুবই পুষ্টিকর একটি খাবার। এতে অনেক ধরনের পুষ্টি উপাদান বিদ্যমান। তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো- ফাইবার, প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেলস, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস, ফাইটোকেমিক্যালস, ওমেগা-৩ এবং ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড ইত্যাদি। এর উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানাচ্ছেন মো. বিল্লাল হোসেন-

হৃদরোগ প্রতিরোধ: হৃদরোগ মৃত্যুর অন্যতম কারণ। কাজুবাদামে আছে স্বাস্থ্যকর ওমেগা-৩ এবং ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড। যা দেহে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের (এলডিএল) পরিমাণ কমিয়ে দেয়। আর ভালো কোলেস্টেরলের (এইচডিএল) পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে যায়।

চোখের যত্ন: যারা শহরে বসবাস করেন; ধুলা-বালি ও দূষিত বায়ু তাদের জন্য নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। প্রতিদিন যদি চোখের মধ্যে ধুলা যায়। তাহলে খুব সহজেই চোখের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। তাই তাদের উচিত নিয়মিত কাজুবাদাম খাওয়া। কারণ কাজুবাদামে আছে জিয়াজ্যানথিন নামের একটি পিগমেন্ট। যা চোখের রেটিনায় একটি আবরণ তৈরি করে চোখকে ধুলা-বালি ও আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি থেকে রক্ষা করে। এ ছাড়া এটি ম্যাকুলার ডিজেনেরেশন নামক চোখের রোগ প্রতিরোধ করে।

রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ: এতে উপস্থিত কপার অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা নামক রোগ প্রতিরোধ করে। কপার একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস। তাই এটি দেহ থেকে ফ্রি র্যাডিকেল বের করে দেয় এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। বিশেষ করে যেসব নারীর অ্যানেমিয়া আছে; তাদের প্রতিদিন কাজুবাদাম খাওয়া উচিত।

ত্বকের সুরক্ষা: কাজুবাদামের তেলে রয়েছে সেলেনিয়াম, জিংক, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন ও ফসফরাস। যা ত্বককে দেবে দারুণ সুরক্ষা। তাছাড়া এতে উপস্থিত সেলেনিয়াম একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস, যা ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক হিসেবে কাজ করে।

ওজন কমাতে: ওজন কমাতে কাজুবাদামের জুড়ি মেলা ভার। এতে উপস্থিত ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড দেহের অতিরিক্ত ফ্যাট বার্নিং করতে সাহায্য করে। কাজুবাদামে উপস্থিত ফাইবার ক্ষুধা কমিয়ে দেয়। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণ করা অনেক সহজ হয়। তবে ওজন কমানোর জন্য কাজুবাদাম খেতে হবে কাঁচা ও লবণ ছাড়া।

কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ: কাজুবাদামে উপস্থিত ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য, কোলন ক্যান্সার ও হৃদরোগ প্রতিরোধে দারুণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

চুলের যত্ন: কাজুবাদামে উপস্থিত কপার চুলের রঞ্জক পদার্থ মেলাটোনিন বাড়াতে সহায়তা করে। ফলে চুল হয় মসৃণ ও স্বাস্থ্যবান। তাই পুষ্টিকর কাজুবাদাম খান, চুলকে সুস্থ রাখুন।

লেখক: শিক্ষার্থী, ফলিত পুষ্টি ও খাদ্যপ্রযুক্তি বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া।

জেনে নিন যে ৭ কারণে কমে যাচ্ছে আপনার আয়ু
                                  

অনলাইন ডেস্ক : সবাই বেশি দিন বেঁচে থাকতে চায়। কিন্তু জানেন কি, এমন অনেক কাজ আছে যেগুলো আমাদের অজান্তেই আমাদের আয়ু কমিয়ে দিচ্ছে? আসুন কারণগুলো জেনে যাক-

টিভি দেখা
ব্রিটিশ জার্নাল অব স্পোর্টস মেডিসিনে প্রকাশিত এক গবেষণা বলছে, ২৫ বছরের বেশি বয়সীরা এক ঘণ্টা টিভি, ডিভিডি বা ভিডিও দেখলে তাদের জীবনের আয়ু প্রায় ২২ মিনিট কমে যেতে পারে। সে হিসেবে কেউ যদি ধারাবাহিকভাবে দিনে গড়ে ছয় ঘণ্টা করে টিভি দেখেন, তাহলে তার জীবন থেকে পাঁচটি বছর চলে যেতে পারে।

যৌনসম্পর্ক
ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালের একটি গবেষণায় জানা যায়, যেসব পুরুষ মাসে কমপক্ষে একবারও যৌনসম্পর্কে লিপ্ত হননি তাদের মারা যাওয়ার সম্ভাবনা, যারা সপ্তাহে অন্তত একদিন যৌনসম্পর্ক করেছেন, তাদের চেয়ে দ্বিগুণ।
এদিকে ডিউক ইউনিভার্সিটির গবেষণা বলছে, যেসব নারীর আনন্দময় যৌনজীবন রয়েছে তারা অন্যদের চেয়ে প্রায় আট বছর বেশি বাঁচেন। কাজেই সুস্থ, সুন্দর জীবনের জন্য নিয়মিত যৌনসম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ বৈকি!

একা থাকা
অনেকেই একা থাকতে পছন্দ করেন। মনে করেন এতে করে চাপ এড়ানো যায়। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন অন্য কথা। তাদের মতে, একা থাকা মানে জীবনের সুখ, স্বাচ্ছন্দ্য থেকে বঞ্চিত হওয়া – যা আয়ু কমাতে পারে। দিনে ১৫টি সিগারেট খেলে স্বাস্থ্যের যে ক্ষতি হয়, পর্যাপ্ত সামাজিক যোগাযোগ না করলেও সেরকম ক্ষতি হতে পারে বলে জানিয়েছেন মার্কিন মনোবিজ্ঞানী জুলিয়ান হোল্ট-লুনস্টাড।

বসে থাকা
আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন-এর জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা বলছে, দিনে গড়ে ১১ ঘণ্টার বেশি সময় বসে থাকা মানে পরবর্তী তিন বছরের মধ্যে মৃত্যুর সম্ভাবনা প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়ে যাওয়া। কাজেই আর বসে থাকা নয়, শারীরিক পরিশ্রম করুন, সুস্থ থাকুন!

বেকারত্ব
ক্যানাডার গবেষকরা বলছেন, একজন মানুষ বেকার থাকা মানে তার অকালমৃত্যুর সম্ভাবনা ৬৩ শতাংশ বেড়ে যাওয়া। ১৫টি দেশের প্রায় ২০ মিলিয়ন মানুষের ৪০ বছরের তথ্য বিশ্লেষণ করে এমন তথ্য পেয়েছেন গবেষকরা।

ঘুমানো
দিনে আট ঘণ্টার বেশি সময় ধরে ঘুমানো ঠিক নয় বলে জানান বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেন, ধারাবাহিকভাবে এত সময় ধরে ঘুমানো স্বাস্থ্যকর নয়। দিনে সর্বোচ্চ সাত ঘণ্টা ঘুমানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

অতিরিক্ত ব্যায়াম
ব্যায়াম করা শরীরের জন্য উপকারী। কিন্তু সেটা বেশি হয়ে গেলেই বিপদ। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত ব্যায়াম করা উচিত। সূত্র: ডয়েচে ভেলে

আজ রাত ১২ টার পর বিদায়- ১০- ১০ -২০২০ ঈসায়ী
                                  

মিয়া আবদুল হান্নান : আজকের তারিখটি ক্যালন্ডারে একটু ভালো করে দেখুন। অবাক হচ্ছেন? মাসের ১০ তারিখ আজ। আর বছরের দশম মাস হচ্ছে অক্টোবর। এছাড়াও চলছে ২০২০ সাল তা তো সবারই জানা। অংকে পুরো তারিখটা লিখতে হবে এভাবেই– `১০-১০-২০২০`। বিষয়টা মজার না?

দশ-দশ-বিশ একটি স্মরণীয় তারিখ। অংকের যোগফলটি আজ দেখা দিচ্ছে তারিখেও। এমন তারিখ আর কখনোই দেখবে না বিশ্ব।

এ বছর এমন আরো মজার তারিখ ছিল। যেমন- বছরের সবচেয়ে কনফিউজিং তারিখ ১০-০৯-২০।

ফেব্রুয়ারিতে আরেকটি মজার তারিখ ছিল। সেদিন তারিখে ছিল মাত্র দু`টি সংখ্যা। সম্পূর্ণ তারিখটি লিখতে হলে দুটি সংখ্যাই চার বার ব্যবহার করতে হয়েছিল। যেমন- ২০-০২-২০২০; `মাস/দিন/বছর` বা `দিন/মাস/বছর`—তারিখটি যেভাবেই লেখেন না কেন `২` ও `০` চার বার লিখতে হবে।

প্যালিনড্রোম বছরে এ পদ্ধতি ছাড়া এমন তারিখ আগে এসেছিল ৮০৮ বছর আগে। সেটি ছিল- ২১-১২-১২১২। তবে গতানুগতিক হিসেবে গত এক হাজার বছরে কয়েকবার এসেছে এমন তারিখ। যেমন- ০২-০২-২০২০, ১২-১২-১২১২, ১১-১১-১১১১ ও ১০-১০-১০১০। আমাদের মনে না থাকিলে ও ইতিহাস হয়ে রয়ে যায়,খন- গণনার দিন- মাস- বছরের পর বছর।

চিকেন স্যুপ রেসিপি
                                  

এই সময় অনেকে সর্দি-কাশি ও ভাইরাল জ্বরে ভুগছেন। এ কারণে অনেকের খাবারে অরুচি। এমতাবস্থায় খেতে পারেন চিকেন স্যুপ।

পুষ্টিকর ও প্রোটিনসমৃদ্ধ চিকেন স্যুপ খুবই উপকারী। ভাইরাল ফ্লুর বিরুদ্ধে দারুণভাবে কাজ করে চিকেন স্যুপ।

আসুন জেনে নেই কীভাবে তৈরি করবেন চিকেন স্যুপ-

উপকরণ
মুরগির মাংস ৫০০ গ্রাম। পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল-চামচ। রসুন কুচি ১ টেবিল-চামচ। আদাকুচি আধা চা-চামচ। কাঁচামরিচ-কুচি ১টি। গোলমরিচ-গুঁড়া আধা চা-চামচ। লবণ ১ চা-চামচ।

স্বাদলবণ বা টেস্টিং সল্ট চা-চামচের চারভাগের একভাগ। মাখন ১ টেবিল–চামচ। লেবুর রস ১ চা-চামচ। টমেটো সস ১ টেবিল-চামচ। কর্নফ্লাওয়ার ১ চা-চামচ। ডিম ১টি। পানি ৫ কাপ। ধনেপাতার কুচি ১ চা-চামচ। চাইলে যেকোনো সবজিও দেওয়া যাবে। তবে তা নিজের পছন্দমতো।

প্রস্তুত প্রণালী
চুলায় পানি দিন এবং মাংস পানিতে সেদ্ধ করুন। পানি প্রায় দুইকাপ পরিমাণ হয়ে আসলে নামিয়ে পানিটা ছেকে নিন।

পেঁয়াজ, রসুন ও আদাকুচি একসঙ্গে মাখন দিয়ে ভেজে বেরেস্তা করে উঠিয়ে রাখুন। এবার ওই ছেকা পানিটা চুলায় দিয়ে ডিম, কর্নফ্লাওয়ার আর লেবুর রস বাদে বাকি সব উপকরণ দিয়ে নাড়তে থাকুন। ডিম আর লেবুর রস একসঙ্গে ফেটিয়ে আস্তে আস্তে স্যুপে ঢেলে নাড়তে থাকুন। এখন বেরেস্তা দিয়ে দিন।

ধনেপাতা ছিঁটিয়ে নামিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার গরম গরম মুরগির স্যুপ।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে কামরাঙা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : দেশি ফলের মধ্যে কামরাঙা অন্যতম। অন্যান্য ফলের তুলনায় এর দামও কম। পুষ্টি জোগায়, নানা রোগ প্রতিরোধে কাজ করে। তাই সাধারণ একটি ফলেই হতে পারে মুশকিল আসান। ভেজাল, দূষণ, অনিয়ন্ত্রিত জীবন যাপনের কারণে শরীরের দফা রফা। ঠিক এই পরিস্থিতিতে মুশকিল আসান হতে পারে একটি ফল।

চিকিৎসকরা বলছেন, ভিটামিন বি নাইন ফলিক অ্যাসিডে ভরপুর কামরাঙা। যা হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়। ভিটামিন সি-এর পরিমাণ আম, আঙুর, আনারসের চেয়ে বেশি। কামরাঙায় আয়রনের পরিমাণ পাকা কাঁঠাল, কমলালেবু, পাকা পেঁপে, লিচু, ডাবের পানির চেয়েও বেশি।

ভিটামিন বি ফাইভ ও ভিটামিন বি সিক্স প্রচুর পরিমাণে রয়েছে কামরাঙায়। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ, কোলেস্টেরল কম করা এবং হাইপারটেনশন দূর করতে কামরাঙার জুড়ি মেলা ভার। শুধু কামরাঙা ফলই নয়, কামরাঙা গাছের পাতাও খুবই উপকারি।
এতে রয়েছে এলাজিক অ্যাসিড, যা খাদ্যনালির ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। এর পাতা ও কচি ফলের রসে রয়েছে ট্যানিন, যা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। সর্দিকাশিতে দারুণ উপকারি। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। কামরাঙা চুল, ত্বক, নখ ও দাঁত উজ্জ্বল করে। মুখে ব্রন হওয়া ঠেকায়।

ক্যাপসিকামের আচার তৈরি করবেন যেভাবে
                                  

আচার খেতে কে না পছন্দ করে! বিভিন্ন স্বাদের আচার খাবারে রুচি বাড়ায়। তাইতো প্রতিদিন আচার খেতে পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। বাড়িতেই তৈরি করতে পারেন নানা স্বাদের আচার। আজ চলুন জেনে নেয়া যাক সুস্বাদু ক্যাপসিক্যামের আচার তৈরির রেসিপি-

উপকরণ:
ক্যাপসিকাম ৫টি
দুই টেপিল চামচ
সরিষা আধা চা চামচ
১টি লেবুর রস
মরিচের গুঁড়া ১ চা চামচ
হলুদের গুঁড়া আধা চা চামচ
তেল ২ টেবিল চামচ
লবণ পরিমাণমতো।

প্রণালি:
ক্যাপসিকাম ছোট ছোট টুকরো করে বিচি ফেলে দিতে হবে। প্যানে তেল গরম করে সরিষা ও মেথি দিয়ে ভাজতে হবে। এরপর এতে মরিচের গুঁড়া ও হলুদের গুঁড়া দিতে হবে। কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে এবার ক্যাপসিকামের টুকরা ও লবণ দিয়ে মিশ্রণটিকে ঢেকে দিতে হবে। নরম হয়ে এলে এতে লেবুর রস ঢেলে ভালোভাবে নাড়ুন। নামিয়ে নিয়ে ঠান্ডা হয়ে এলে জার বা বোতলে সংরক্ষণ করতে হবে।

ঘাড়ব্যথায় কী করবেন?
                                  

ডা. মোহাম্মদ আলী : ঘাড়ব্যথার কারণগুলোর মধ্যে স্পন্ডাইলোসিস বা ঘাড়ের হাড় ক্ষয় অন্যতম। যারা দীর্ঘসময় ডেস্কে বসে কাজ করেন, যেমন– ব্যাংকার, কম্পিউটার ব্যবহার বেশি করেন এমন ব্যক্তিরা এই সমস্যায় বেশি ভোগেন।

তা ছাড়া যারা ঘরের কাজ যেমন- কাপড় ধোয়া, ঘর মোছা বা রান্না করার মতো কাজ করেন তারাও ঘাড়ব্যথায় আক্রান্ত হন।
ঘাড়ব্যথায় আক্রান্ত রোগীদের সুস্থ হওয়ার হার কোমর, হাঁটু বা অন্যান্য শারীরিক ব্যথাক্রান্ত রোগীদের চেয়ে বেশি।

ঘাড়ের রোগের লক্ষণ ও প্রকারভেদ

ব্যথা ঘাড় থেকে হাতে চলে যায়। অনেকের হাতে ঝিঝি ধরে পিঠে ও বুকে ব্যথা ছড়িয়ে পড়ে। ঘাড় ডানে-বামে বা সামনে-পেছনে ঝোঁকাতে কষ্ট হয়।
অনেকে ওপরের দিকে তাকাতে পারেন না। রোগী বলে থাকেন, তাদের কোনো কোনো আঙুল অবশ লাগছে বা ঠিক বোধ পাচ্ছেন না। সকালে ঘুম থেকে উঠে অনুভব করেন তার একটি হাত ঝিঝি লেগে আছে অথবা ঝিঝি লাগার কারণে মধ্যরাতে ঘুম ভেঙে গেছে।

এসব উপসর্গ ছাড়াও অনেক রোগী মাথা ঘোরা, মাথাব্যথা বা বুকে ব্যথার কথা বলে থাকেন। এমনও রোগী আছেন, যারা বুকব্যথার সঠিক কারণ নির্ণয় করতে না পেরে নিজেকে হৃদরোগী ভাবেন।

একটি এক্স-রে করে দেখা যায়, তিনি ঘাড়ের হাড়ক্ষয় রোগে ভুগছেন। একইভাবে মাসের পর মাস মাথা ঘোরা রোগের ওষুধ খেয়ে উপকার না পেয়ে পরে স্পন্ডাইলোসিস শনাক্ত হওয়া রোগীর সংখ্যাও নেহাত কম নয়।

চিকিৎসা

কার্যকরী চিকিৎসা আইপিএম। কারণ নির্ণয় হওয়া মাত্রই চিকিৎসা শুরু করতে হবে। ব্যথা বা অন্যান্য উপসর্গ সম্পূর্ণ ভালো হয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত আইপিএম চালিয়ে যেতে হবে।

নিয়ম মেনে চলাও চিকিৎসার সমান গুরুত্বপূর্ণ। সামনে ঝুঁকে কাজ না করা, পাতলা বালিশে ঘুমানো, সমান বিছানা ব্যবহার স্পন্ডাইলোসিস রোগীদের কষ্ট দ্রুত দূর করবে।
ডায়াবেটিস, গ্যাস্ট্রিক, আলসার ও কিডনি রোগে আক্রান্তরা ব্যথানাশক ওষুধ সেবন থেকে বিরত থাকুন।

ফ্রোজেন সোল্ডার স্পন্ডাইলোসিসের অন্যতম জটিলতা। রোগ জটিল আকার ধারণ করলে হাত শুকিয়ে যাওয়া বা আঙুল অবশ হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটতে পারে।

লেখক:
চিফ কনসালট্যান্ট
হাসনাহেনা পেইন রিসার্চ সেন্টার
উত্তরা, ঢাকা।


   Page 1 of 7
     ফিচার
সংসার সুখের হয় রমণীর গুনে, গুনধর স্বামী যদি থাকে তার সনে
.............................................................................................
ভালোবাসার দিন আজ
.............................................................................................
শীতকালে নলেন গুড়ের পাঁচটি রসালো খাবার
.............................................................................................
নলেন গুড়ের পায়েস তৈরির সহজ রেসিপি
.............................................................................................
বার্ড ফ্লু কতটা মারাত্মক, জেনে নিন এখনই
.............................................................................................
ঘুম ভাঙার পর মাথাব্যথা কেন হয়
.............................................................................................
নিমের উপকারিতা
.............................................................................................
জবা ফুলের চায়ের যত গুণ !
.............................................................................................
চল্লিশের পর সুস্থ থাকতে যেসব খাবার খাবেন
.............................................................................................
কাজুবাদামের যতো উপকারিতা
.............................................................................................
জেনে নিন যে ৭ কারণে কমে যাচ্ছে আপনার আয়ু
.............................................................................................
আজ রাত ১২ টার পর বিদায়- ১০- ১০ -২০২০ ঈসায়ী
.............................................................................................
চিকেন স্যুপ রেসিপি
.............................................................................................
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে কামরাঙা
.............................................................................................
ক্যাপসিকামের আচার তৈরি করবেন যেভাবে
.............................................................................................
ঘাড়ব্যথায় কী করবেন?
.............................................................................................
শরতের শুভ্রতা ছড়াচ্ছে কাশফুল
.............................................................................................
যে কারণে বাংলাদেশে পিরানহা ও আফ্রিকান মাগুর মাছ নিষিদ্ধ
.............................................................................................
চা আর সিগারেট এক সঙ্গে খাওয়ার ভয়ংকর ফলাফল জানেন কি?
.............................................................................................
ব্রণ দূর করবে অ্যালোভেরা
.............................................................................................
দুই মাথাওয়ালা মহিষশাবক
.............................................................................................
সুইচবোর্ডে পাখির বাসা, ডিম ও বাচ্চা বাঁচাতে ৩৫ দিন অন্ধকারে গ্রামবাসী!
.............................................................................................
করোনাকালেও থেমে নেই কুকর্ম, লাখ লাখ টাকা উড়িয়ে সংঘবদ্ধ যৌনতা!
.............................................................................................
লক্ষাধিক টাকায় বিক্রি হচ্ছে সোনার মাস্ক, প্রশ্ন তুলছেন নেটিজেনরা
.............................................................................................
আলোচনায় `নবাবগঞ্জের নবাব`
.............................................................................................
নিজের পছন্দ একজন, পরিবারের আরেকজন; এক আসরে দু`জনকে বিয়ে!
.............................................................................................
চাচির সঙ্গে ভাতিজার প্রেম, বিয়ে করে ভয়ঙ্কর পরিণতি!
.............................................................................................
রিকশাচালক থেকে ৫০০ কোটি টাকার মালিক আমিনুল
.............................................................................................
স্বামী জীবিত থাকতেই বিধবাভাতা উত্তোলন করেন স্ত্রী
.............................................................................................
১৬ বছরেই মেয়েটি রান্নায় চ্যাম্পিয়ন, জিতল পাঁচ লাখ টাকা
.............................................................................................
করোনায় ফুসফুস ভালো রাখে যে ৫ খাবার
.............................................................................................
পুষ্টিগুণে ভরা শজনে ডাঁটা সারাবে যেসব রোগ
.............................................................................................
যেভাবে নির্ধারিত হয় রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোন
.............................................................................................
পাতিলেবুর এত গুণ!
.............................................................................................
করোনার সংক্রমণ থেকে বাঁচাবে জুতা!
.............................................................................................
ধূমপায়ীদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ১৪ গুণ বেশি
.............................................................................................
করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির হাতে তৈরি খাবার থেকে কি সংক্রমণ ছড়ায়?
.............................................................................................
করোনায় তরুণদের আক্রান্ত হবার পেছনে ধুমপান অন্যতম কারণ
.............................................................................................
সংসার সুখি হয় পুরুষের রোজগারে
.............................................................................................
হাতিরঝিলে দেখা মিলল ভিয়েনার ‘হিউম্যান ডগ’র
.............................................................................................
বাংলাদেশের হারিয়ে যাওয়া সবচেয়ে ছোট হরিণ!
.............................................................................................
বাংলাদেশের ভয়াবহ ১১ ট্রেন দুর্ঘটনা
.............................................................................................
পরীক্ষার চাপ কমাতে শিক্ষার্থীদের ‘কবরে শুয়ে থাকার’ পরামর্শ
.............................................................................................
ফিনল্যান্ডের সৈকতে ‘বরফের ডিম’
.............................................................................................
আদিম যুগের মতো চার পায়ে চলেন তারা
.............................................................................................
নারায়ণগঞ্জে যেমন ছিলেন এসপি হারুন
.............................................................................................
১৪ হাজার ফ্ল্যাট তৈরি হচ্ছে
.............................................................................................
ধেয়ে আসছে দানবীয় উল্কাপিণ্ড
.............................................................................................
কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় কলমি শাক
.............................................................................................
কোরবানির সুস্থ গরু চিনবেন কিভাবে?
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop