| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * ১ অক্টোবর সৌদিতে বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালু : ল্যান্ডিং পারমিশন মেলেনি   * স্ত্রীর স্বপ্ন পূরণে ১৭ লাখ টাকায় হাতি কিনে দিলেন স্বামী   * অ্যাটর্নি জেনারেলের শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন   * স্বাস্থ্য খাতের ১২ কর্মকর্তা-কর্মচারিসহ ২০ জনের সম্পদের বিবরণী চেয়ে দুদকের নোটিশ   * সাভারে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, গ্রেফতার ৬   * ইয়াঙ্গুনে লকডাউন জারি   * করোনার প্রভাব বেড়ে যাওয়ায় চেক রিপাবলিকের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ   * তিন দিনের মাথায় উঠে যাচ্ছে সড়কের পিচ   * ইরাক দিয়ে তেল চুরি করে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র: সিরিয়া   * অনুমতি মিলেছে এন্টিজেনভিত্তিক র‌্যাপিড টেস্টের  

   ইসলাম -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
পবিত্র আখেরি চাহার শোম্বা ১৪ অক্টোবর

অনলাইন ডেস্ক : দেশের আকাশে শুক্রবার সন্ধ্যায় পবিত্র সফর মাসের চাঁদ দেখা গিয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) থেকে ১৪৪২ হিজরি সনের পবিত্র সফর মাস গণনা শুরু হবে। সেই অনুযায়ী আগামী ১৪ অক্টোবর (বুধবার, ২৬ সফর) আখেরি চাহার শোম্বা পালিত হবে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আলতাফ হোসেন চৌধুরী।

আরবি ভাষায় সফর মাসের শেষ বুধবার-কে ‘আখেরি চাহার শোম্বা’ বলা হয়। ৬৩২ খ্রিস্টাব্দের ২৭ সফরের বুধবার হযরত মুহম্মদ (স.) দীর্ঘ সময় রোগ ভোগের পর সুস্থতা বোধ করে গোসল করেছিলেন বলে হাদিস শরিফসহ বিভিন্ন কেতাবে উল্লেখ আছে। বৃহস্পতিবার থেকে রাসূল (স.) আবার অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর রবিউল আউয়াল মাসের ১২ তারিখ সোমবার তিনি ইন্তেকাল করেন।

বাংলাদেশে আখেরি চাহার শোম্বার দিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে।

চাঁদ দেখা কমিটির সভায় জানানো হয়, সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান হতে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী শুক্রবার বাংলাদেশের আকাশে সফর মাসের চাঁদ দেখার সংবাদ পাওয়া গেছে।

সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আনিস মাহমুদ, তথ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব এস এম মাহফুজুল হক, সিনিয়র উপ-প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মো. শাহেনুর মিয়া, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব মো. শাফায়াত মাহবুব চৌধুরী, ওয়াকফ প্রশাসক এস এম তারিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ টেলিভিশনের পরিচালক (প্রশাসন) মুহা. নেছার উদ্দিন জুয়েল, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (পিএসও) আবু মোহাম্মদ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের আবহাওয়াবিদ মো. আবদুল মান্নান, মাদরাসা-ই-আলিয়ার অধ্যক্ষ মো. আলমগীর রহমান, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান ও লালবাগ শাহী জামে মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মদ নেয়ামতুল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পবিত্র আখেরি চাহার শোম্বা ১৪ অক্টোবর
                                  

অনলাইন ডেস্ক : দেশের আকাশে শুক্রবার সন্ধ্যায় পবিত্র সফর মাসের চাঁদ দেখা গিয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) থেকে ১৪৪২ হিজরি সনের পবিত্র সফর মাস গণনা শুরু হবে। সেই অনুযায়ী আগামী ১৪ অক্টোবর (বুধবার, ২৬ সফর) আখেরি চাহার শোম্বা পালিত হবে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আলতাফ হোসেন চৌধুরী।

আরবি ভাষায় সফর মাসের শেষ বুধবার-কে ‘আখেরি চাহার শোম্বা’ বলা হয়। ৬৩২ খ্রিস্টাব্দের ২৭ সফরের বুধবার হযরত মুহম্মদ (স.) দীর্ঘ সময় রোগ ভোগের পর সুস্থতা বোধ করে গোসল করেছিলেন বলে হাদিস শরিফসহ বিভিন্ন কেতাবে উল্লেখ আছে। বৃহস্পতিবার থেকে রাসূল (স.) আবার অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর রবিউল আউয়াল মাসের ১২ তারিখ সোমবার তিনি ইন্তেকাল করেন।

বাংলাদেশে আখেরি চাহার শোম্বার দিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে।

চাঁদ দেখা কমিটির সভায় জানানো হয়, সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান হতে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী শুক্রবার বাংলাদেশের আকাশে সফর মাসের চাঁদ দেখার সংবাদ পাওয়া গেছে।

সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আনিস মাহমুদ, তথ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব এস এম মাহফুজুল হক, সিনিয়র উপ-প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মো. শাহেনুর মিয়া, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব মো. শাফায়াত মাহবুব চৌধুরী, ওয়াকফ প্রশাসক এস এম তারিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ টেলিভিশনের পরিচালক (প্রশাসন) মুহা. নেছার উদ্দিন জুয়েল, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (পিএসও) আবু মোহাম্মদ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের আবহাওয়াবিদ মো. আবদুল মান্নান, মাদরাসা-ই-আলিয়ার অধ্যক্ষ মো. আলমগীর রহমান, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান ও লালবাগ শাহী জামে মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মদ নেয়ামতুল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে যেসব পরামর্শ দেয় ইসলাম
                                  

তোফায়েল গাজালি : রাসূলের (সা.) জীবনে রয়েছে আমাদের জন্য উত্তম আদর্শ। ইহ-পরকালীন কল্যাণ ও মুক্তি পেতে তার কালজয়ী আদর্শের বিকল্প নেই।

ওজন কমানোর জন্য এখন অনেকেই বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করেন। তবে নবীজির (সা.) সুন্নতের আলোকে জীবন পরিচালনার দ্বারা সহজেই ওজন কমানো যায়।

রাসূল (সা.) রমজান ছাড়াও রোজা রাখতেন। রোজা ওজন কমানোর অনন্য উপায় হিসেবে স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীদের কাছে স্বীকৃত।

রোজা রাখা শুধু ধর্মীয় অনুভূতির জন্য নয় বরং স্বাস্থ্য রক্ষার্থেও বিশেষ কার্যকরী। উচ্চ রক্তচাপ কমাতে বা শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বের করতে রোজা বিশেষ ভূমিকা রাখে।

এর উপকারিতা সম্পর্কে জার্মানিতে একটি সমীক্ষার ফলাফলে জানা গেছে, শতকরা ৫৫ জন জার্মান একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত না খাওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন।

একটি আমেরিকান গবেষণা থেকে জানা যায়, রোজা রাখলে তা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, `প্রতি মাসে তিন দিন রোজা রাখো।` (বুখারি ও মুসলিম)।

হযরত কাতাদাহ (রা.) বলেন, `রাসূলুল্লাহ (সা.) আমাদের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে রোজা রাখার নির্দেশ দিতেন। (আবু দাউদ ও নাসায়ি)

রাসূল (সা.) সব সময় পেটে ক্ষুধা রেখেই খাবার গ্রহণ করতেন এবং ক্ষুধা রেখে খাবার শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

আল্লাহ বলেন, হে বনী-আদম! তোমরা খাও ও পান কর। (সূরা আল আরাফ-৩১) কিন্তু এই খাওয়া এবং পান করা যেন লাগামহীন না হয় সেজন্য এই আয়াতের শেষাংশে বলা হয়েছে- অপচয়/অপব্যয় করো না। তিনি অপচয়কারী/অপব্যয়ীদের পছন্দ করেন না।

রাসূলুল্লাহ (সা.) খাবার গ্রহণের একটি স্বাভাবিক সীমা দিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, `আদম সন্তান যে সমস্ত ভাণ্ডার পূর্ণ করে, তার মধ্যে পেট হলো সবচেয়ে খারাপ। আদম সন্তানের জন্য স্বল্প কিছু লোকমাই যথেষ্ট, যা দিয়ে সে তার পিঠ সোজা রাখতে পারে।

এর বেশি করতে চাইলে এক-তৃতীয়াংশ খাবারের জন্য, এক-তৃতীয়াংশ পানীয়ের জন্য এবং এক-তৃতীয়াংশ নিঃশ্বাসের জন্য নির্দিষ্ট করে।` (তিরমিযী ২৩৮০, মুসনাদে আহমাদ ৪/১৩২)

এই হাদীসগুলোতে লুকিয়ে আছে সব ডায়েট মেন্যু, কিটো ডায়েট এবং মেডিকেল সায়েন্স। এ নির্দেশনাগুলো মেনে খাবার খেলে শরীরে ওজন যেমন স্বাভাবিক থাকবে তেমনি সুস্বাস্থ্যের নিয়ামতও পাওয়া যাবে।

রাসূল (সা.) পানি খেয়ে রোজা ভাঙার নির্দেশ দিয়েছেন; যার অর্থ হল- আমাদের খালি পেটে পানি খাওয়া উচিত। বিজ্ঞানও জোরালোভাবে কথাটিকে সমর্থন করে যে, খালি পেটে পানি পান করলে ওজন কমে।

রাসূল (সা.) দ্রুত পায়ে চলতেন। বিজ্ঞান বলে এমনটা করলেও শরীরের ওজন কমে।

লেখক: পরিচালক, আল কোরআন ইন্সটিটিউট

আশুরায় যেসব আমল করতে হবে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : হিজরি বর্ষপঞ্জির পহেলা মাস মহররম একটি তাৎপর্যমণ্ডিত এবং বরকতময় মাস। মুসলিম ইতিহাসে এ মাসটি বিভিন্ন কারণে মর্যাদায় অধিষ্ঠিত।

আসমান-জমিন সৃষ্টিসহ পৃথিবীতে অনেক স্মরণীয় ও যুগান্তকারী ঘটনা এ মাসের ১০ তারিখে অর্থাৎ পবিত্র আশুরার দিন সংঘটিত হয়েছিল।

আশুরার কারণে মহররম মাসের গুরুত্ব এবং তাৎপর্য অপরিসীম। আল্লাহতায়ালার প্রিয় মাস মহররম।

মহান আল্লাহ এরশাদ করেন, নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে বিধান ও গণনা হিসেবে মাস হল বারোটি আসমান ও জমিন সৃষ্টির দিন থেকে। তন্মধ্যে চারটি সম্মানিত। সুতরাং এ মাসে তোমরা নিজেদের প্রতি জুলুম করো না। (সূরা তাওবাহ : ৩৬)

হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন মক্কা থেকে হিজরত করে মদীনায় আগমন করলেন, দেখলেন মদীনার ইহুদিরা আশুরার দিবসে রোজা পালন করছে।

তাদেরকে রোজা রাাখার কারণ জিজ্ঞেস করা হলে তারা বললো, এই দিনটি আমাদের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই দিনে আল্লাহতায়ালা মুসা (আ.) এবং তার সম্প্রদায় বনী ইসরাঈলকে ফেরআউনের কবল থেকে মুক্ত করেছেন এবং তার ওপর বিজয় দান করেছেন।

আর তারই শুকরিয়া হিসেবে এদিনে মুসা (আ.) রোজা রেখেছিলেন। তাই আমরাও এই দিনে রোজা রাখি।

তখন রাসুল (সা.) বললেন মুসা (আ.) এর সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে তোমাদের চেয়ে আমিই বেশি হকদার। তারপর তিনি নিজেও রোজা রাখলেন এবং সাহাবিদেরও রোজা রাখার নির্দেশ দিলেন। (মুসলিম : ২৬৫৩)।

তবে ইহুদিরা আশুরা উপলক্ষে একদিন রোজা রাখে। তাদের রোজার সঙ্গে যেন মুসলমানদের রোজার সাদৃশ্য না হয়, তাই মুসলমানরা আশুরার রোজার সঙ্গে ৯ অথবা ১১ তারিখে আরো একটি রোজা বৃদ্ধি করে মোট দুইটি রোজা রাখবে।

হজরত আবু হোরায়রা (রা.) বলেন, রমজানের রোজার পর সবচেয়ে ফজিলতপূর্ণ রোজা হলো মহররমের রোজা। (তিরমিজি : ২৪৩৮)

হজরত মুয়াবিয়া (রা.) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন- আমি রাসূল (সা.) কে বলতে শুনেছি যে, আশুরার রোজা তোমাদের ওপর ফরজ করা হয়নি বটে, কিন্তু আমি এই দিন রোজা রাখবো। যার ইচ্ছা হয় সে এই রোজা রাখতে পারো এবং ইচ্ছে হলে তা ছাড়তেও পারো। (বুখারি : ১৮৬৫)

রাসুল (সা.) বলেন, তোমরা আশুরার রোজা রাখো এবং এই দিনে ইহুদিদের রোজার বিরোধিতা করো। তোমরা আশুরার রোজার সঙ্গে আগে অথবা একদিন পরে আরো একটি রোজা মিলিয়ে রাখবে। (বুখারি : ১৮৬৫)

কাতাদা (রা.) থেকে বর্ণিত- রাসূল (সা.) বলেন, ‘আমি আশা করি, আশুরা বা দশই মহররমের রোজা আল্লাহর কাছে বান্দার বিগত এক বছরের (ছগিরা) গোনাহের কাফ্ফারা হিসেবে গণ্য হবে’। (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ২০৪৪)।

১০ মহররম পবিত্র আশুরা: বিশেষ তাৎপর্য পূর্ণ দিন
                                  

মিয়া আবদুল হান্নান : আগামীকাল ৩০ আগস্ট ২০২০ ঈসায়ী শনিবার , ১০ মহররম পবিত্র আশুরা। আরবী হিজরী বর্ষের প্রথম মাস হলো মহররম মাস। আরবি মাস বাঁ দিনক্ষণ শুরু হয় আসর ওয়াক্ত নামাজের পরে থেকে। বাঙলা ও ইংরেজি দিন শুরু করে রাত ১২ টার পরক্ষণে। এই মহররম মাসের গুরুত্ব এক অপরিসীম।এই মাসের ১০ম দিবসে অর্থাৎ আজকের এই দিনটি বহু ঐতিহাসিক ঘটনা ইতিহাসে প্রসিদ্ধ।আশুরার দিনটি শুধু হযরত হোসাইন (রাঃ) অথবা অন্যান্য যারা সেইদিন কারবালার ময়দানে শহীদ হয়েছিলেন তাদের স্বরণে পালন করা হয় শুধু সেটি নয়, এর আরও কারণ হলো, এই মহররম মাসের ১০ তারিখ অনেক ঘটনা ঘটেছে। আশুরা হলো আশারুন-এর বহুবচন।এর অর্থ দশম তারিখের সমন্বয় অর্থাৎ মহররম মাসের ১০ তারিখে সংঘটিত ঘটনাবলী।পৃথিবীর আদি-অন্তের এক ঘটনা এর সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছে।বিশ্বের সব মুসলমানরা তাইতো তাজিয়া বানিয়ে এই দিনটিকে স্মরণ করেন।কারবালার ওই শোকাবহ ঘটনা তাড়িত করে প্রতিটি মুসলিম সম্প্রদায়কে।শিয়া সম্প্রদায়ের তাজিয়া মিছিল ঢাক-ঢোল পিটিয়ে ধারালো ছুরি বাঁ অস্র দিয়ে শরীরকে রক্তাক্ত জখম করে । হায় হোসাইন, হায় হোসাইন কোরাশ গেয়ে চিৎকার করে আর বলতে থাকে হায় হোসাইন, হায় হোসাইন, ধর্মীয় ভাব গাম্ভীর্যের সঙ্গে পালন করা। সেটি না করাতে বিভ্রান্ত মতবাদ রয়েছ। আশুরার দিনে সৃষ্টি করা হয় হযরত আদম (আ:) কে।আবার এই দিনেই আবার তিনি জান্নাতে প্রবেশ করেন।এই তারিখেই জান্নাত হতে পৃথিবীতে প্রেরিত হন এবং বহু বছর পর এই তারিখেই আরাফাতের ময়দানে জাবালে রহমতে তিনি ও বিবি হাওয়া (আ:)-এর পুনরায় সাক্ষাৎ লাভ হয় এবং তাঁদেরকে মার্জনাও করা হয় এই দিনে। হযরত ইদ্রিস (আ.) কে আকাশে উত্তোলন করা হয় এই ১০ মহররম দিবসে।

হযরত নূহ (আ:) কে তুফান এবং প্লাবনের পানি হতে পরিত্রাণ দেওয়া হয় এই মহররমের ১০ তারিখে।

মহররম ও কারবালার তাৎপর্য রয়েছে। হযরত আইয়ুব (আ:) কে ১৮ বছর রোগ ভোগের পর রোগ মুক্তি দেওয়া হয় এই ১০ মহররমের তারিখে। মুসলমানদের পিতা হযরত ইব্রাহিম খালীলুল্লাহ (আ:) কে অগ্নিকুণ্ড হতে নিষ্কৃতি দেওয়া হয় আজকের এই ১০ মহররমের তারিখে।
হযরত দাউদ (আ:) কে বিশেষ ক্ষমা করা হয় এবং হযরত সুলাইমান (আ:) কে স্বীয় হারানো বাদশাহী পুনরায় ফেরত দেওয়া হয় এই ১০ মহররম দিবসেই। এই ১০ মহররম দিবসে ৪০ দিন পর মাছের উদরে থাকার পর হযরত ইউনুছ (আ:) কে নিষ্কৃতি দেওয়া হয়। আশুরার আজকের এই দিনে হযরত ইয়াকূব (আ:) স্বীয় হারানো পুত্র হযরত ইউসুফ (আ:) এর সাক্ষাৎ লাভ করেন। এই ১০ মহররম তারিখে হযরত মূসা (আ:) ফিরাউনের কবল হতে নিষ্কৃতি লাভ করেন। আশুরার এই ১০ তারিখে হযরত ঈসা (আ:) কে আকাশে উত্তোলন করা হয়।

আমাদের প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মাদ (স:)-মক্কা শরীফ হতে হিজরত করে মদীনা শরীফে তাশরীফ নেন আশুরার এই ১০ তারিখে। এই ১০ মহররম দিবসে আখেরী নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লুল্লাহ আলাইহিসসালাম রাসুলে আকরামের দৌহিত্র কলিজার টুকরা ফাতেমা (রা:)-এর নয়নমণি হযরত ইমাম হোসাইন (রা:) ও তাঁর ৭৭ জন পরিজন ও ঘনিষ্ঠজন জালিম ইয়াজিদের সৈন্য দ্বারা ইরাকের কারবালা প্রান্তরে, ফোরাত নদীর তীরে নির্মমভাবে শহীদ হন।

বিশ্রামের সময় যে দোয়া পড়তেন বিশ্বনবি
                                  

ধর্ম ডেস্ক : দুনিয়ার প্রতিটি কাজে আল্লাহর স্মরণের বিকল্প নেই। জিকির-আজকারেই রয়েছে দুনিয়া ও পরকালের শান্তি এবং মুক্তি। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সব সময় আল্লাহর জিকির করতেন। এটি ছিল উম্মতে মুহাম্মাদির জন্য বিশ্বনবির শিক্ষা। যাতে দুনিয়ার প্রতিটি কাজে মানুষ আল্লাহর তাআলাকে স্মরণ করে।

রাসুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামবিশ্রামের সময়ও আল্লাহর স্মরণ থেকে বিরত থাকতেন না। খানিক সময় বিশ্রামে গেলেও তিনি আল্লাহর কাছে দোয়া করতেন। যা মুমিন মুসলমানের জন্য বিশেষভাবে অনুসরণীয়। হাদিসে এসেছে-


- হজরত বারা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন বিশ্রামে করতেন তখন ডান হাত ডান চোয়ালের নিচে রেখে এ দোয়া পড়তেন-
رَبِّىْ قِنِىْ عَذَابَكَ يَوْمَ تَبْعَثُ عِبَادَكَ
উচ্চারণ : `রাব্বি ক্বিনি আজাবাকা ইয়াওমা তাবআছু ইবাদাকা।`
অর্থ : `হে প্রভু! তুমি আমাকে সে দিন তোমার শাস্তি থেকে রক্ষা কর, যে দিন তুমি তোমার বান্দাদের উঠিয়ে নেবে।`

- হজরত হুজাইফা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন ঘুমাবার ইচ্ছা করতেন, তখন স্বীয় ডান হাতটি গালের নিচে রাখতেন, তারপর এই দোয়া পড়তেন-
اَللَّهُمَّ قِنِي عَذَابَكَ يَوْمَ تَبْعَثُ عِبَادَكَ
উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা ক্বিনি আজাবাকা ইয়াওসা তাবআছু ইবাদাকা।’
অর্থ : `হে আল্লাহ! সেই দিনের আজাব থেকে আমাকে নিষ্কৃতি দাও, যেদিন তুমি তোমার বান্দাদের পুনরুত্থান ঘটাবে।` (তিরমিজি, মুসনাদে আহমাদ, রিয়াদুস সালেহিন)

মুমিন মুসলমানের উচিত দুনিয়া ও পরকালের যাবতীয় বিপদ ও শাস্তি থেকে নিজেকে বাঁচাতে বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শেখানো দোয়ায় নিজেদের জীবন পরিচালনা করা। এমনকি বিশ্রামের সময়ও যাতে এ থেকে বাদ না যায়। কেননা তিনি বিশ্রামের সময়ও আল্লাহর কাছে দোয়া ও প্রার্থনা করতেন।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে বিশ্রামের সময় হাদিসে শেখানো দোয়া পড়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

আশুরার রোজায় এক বছরের গুনাহ মাফ হয়
                                  

মাওলানা এসএম আনওয়ারুল করীম : আশুরার রোজার দ্বারা বিগত এক বছরের পাপরাশি মাফ হয়ে যায়। ইসলামের প্রাথমিক যুগে আশুরার রোজা ফরজ ছিল।

দ্বিতীয় হিজরি সনে রমজানের রোজা ফরজ হওয়ার বিধান নাজিল হলে আশুরার রোজা ঐচ্ছিক হিসেবে বিবেচিত হয়। আশুরা দিবসে রোজা পালনের জন্য রাসুলুল্লাহ (সা) নির্দেশ দিয়েছেন।

সর্বাধিক হাদিস বর্ণনাকারী সাহাবি হজরত আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, রমজানের পর সর্বাধিক উত্তম রোজা হলো মহররম মাসের রোজা। আর ফরজের পরে সর্বাধিক উত্তম নামাজ হলো তাহাজ্জুদের নামাজ। (সহিহ মুসলিম ১/৩৫৮)

হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, জাহেলি যুগে কুরাইশরা আশুরার দিনে রোজা পালন করত। রাসুলুল্লাহ (সা.)-ও সে কালে রোজা পালন করতেন। মদিনায় এসেও তিনি রোজা পালন করতেন এবং অন্যদেরও নির্দেশ দেন। রমজানের রোজার আদেশ নাজিল হলে আশুরার রোজা শিথিল করা হয়। এখন কেউ চাইলে তা পালন করুক, আর চাইলে তা বর্জন করুক। (বুখারি ১/২৬৮)

হাদিসের প্রায় সব কিতাবে মহররম মাসের ফজিলত এবং এ মাসের ১০ তারিখ আশুরার রোজা সম্পর্কে হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) থেকে বর্ণিত একাধিক হাদিস রয়েছে।

বিশ্বনবি (সা.) বলেছেন, রমজানের রোজার পর মহররম মাসের রোজা আল্লাহতায়ালার কাছে সবচেয়ে বেশি ফজিলতময়। (বুখারি ১১৬৩; মুসলিম ১৯৮২)

নবি করিম (সা.) আশুরার দিন নিজে রোজা রাখতেন এবং সেদিন রোজা পালন করার নির্দেশ দিয়েছেন। (বুখারি ২০০৪; মুসলিম ১১৩০)

১০ মহররম আশুরার রোজার ফজিলত প্রসঙ্গে হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, এ আশুরার দিন রোজা রাখার কারণে আল্লাহতায়ালা বান্দার বিগত এক বছরের গুনাহসমূহ মাফ করে দেন। (সহিহ মুসলিম ১১৬২)

প্রখ্যাত হাদিস বিশারদ হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানি (র.) হজরত ইবনে আব্বাস (রা.)-এর বর্ণনা উল্লেখ করেছেন, যাতে হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, তোমরা আশুরার দিন রোজা রাখ। তবে এতে যেন ইহুদিদের সঙ্গে সামঞ্জস্য না হয়ে যায়। সেজন্য এর সঙ্গে মিলিয়ে হয় আগের দিন কিংবা পরের দিনসহ রোজা পালন কর। (তিরমিজি ৭৫৫)

আশুরার রোজার বিধান প্রসঙ্গে ইসলামি স্কলারদের অভিমত হলো, কেউ যদি শুধু মহররম মাসের ১০ তারিখ রোজা রাখেন এবং এর আগে বা পরে একটি রোজা যোগ না করেন, তবে তা মাকরুহ নয়; বরং এতে মুস্তাহাব বিঘ্নিত হবে।

প্রকৃত সুন্নাত হলো, আগের ৯ মহররম বা পরের দিনের সঙ্গে ১১ মহররম মিলিয়ে মোট ২ দিন রোজা রাখা।
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) হতে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ (সা) বলেছেন, তোমরা মহররমের নবম ও দশম দিবসে রোজা রাখ। (তিরমিজি ৭৫৫)

অন্য হাদিসে নবি করিম (সা.) বলেছেন, আমি যদি আগামি বছর পর্যন্ত জীবিত থাকি তাহলে মহররম মাসের নয় তারিখের রোজাও পালন করব। (মুসলিম ১১৩৪)

তবে যে এ আশুরার দিন রোজা রাখতে পারল না, তার জন্য কোনো সমস্যা কিংবা আশাহত হওয়ার কিছু নেই। যদি কেউ ৯, ১০ এবং ১১ তারিখ মোট ৩ দিন রোজা রাখেন তবে তা সর্বোত্তম হিসেবে গণ্য হবে। ইমাম ইবনুল কাইয়ুম এ মত উল্লেখ করেছেন।

লেখক: মুহাদ্দিস, ইসলামি চিন্তাবিদ ও প্রাবন্ধিক

আজ জুম`আ বার মহররম মাসের শুরু
                                  

মিয়া আবদুল হান্নান : আজ শুক্রবার ইসলামী আরবী নববর্ষের ১৪৪২ হিজরি ১ মহররম মাস শুরু। জুম`আ নামাজ পূর্বক বয়ানে উলামায়ে কেরামগন সারা দেশে মহররম মাস নিয়ে ইসলাম ধর্মীয় আলোচনা সমালোচনা পর্যালোচনা খুৎবাহ পূর্ব বয়ানে পেশ করছেন মসজিদের ইমাম শাইখ মাওলানাগন।

বাংলাদেশের আকাশে গতকাল মাগরিবের আজানের পূর্বক (বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট) ১৪৪২ হিজরি সনের পবিত্র মুহাররম মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে আজ শুক্রবার থেকে পবিত্র মুহাররম মাস গণনা শুরু আগামী ৩০ আগস্ট রোববার সারাদেশে পবিত্র আশুরা পালিত হবে। অতএব আগামী ৩০ আগস্ট রোববার সারাদেশে পবিত্র আশুরা পালিত হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো: আলতাফ হোসেন চৌধুরী। সভায় তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো: মিজান-উল-আলম, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আনিস মাহমুদ (অতিরিক্ত সচিব), বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের পিএসও আবু মোহাম্মদ ,বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক ড. মোঃ আবদুল মান্নান, সরকারি আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো: আলমগীর রহমান, বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, চকবাজার শাহী জামে মসজিদের খতীব মাওলানা শেখ নাঈম রেজওয়ান ও লালবাগ শাহী জামে মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মদ নেয়াম তুল্লাহসহ বিশিষ্ট আলেম-ওলামারা উপস্থিত ছিলেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সভায় ১৪৪২ হিজরি সনের পবিত্র মুহাররম মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সকল জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়সমূহ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান হতে প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, আজ ২৯ জিলহজ ১৪৪১ হিজরি, ০৫ ভাদ্র ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২০ আগস্ট ২০২০ ঈসায়ী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র মুহাররম মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার সংবাদ পাওয়া গিয়েছে। এমতাবস্থায়, আজ শুক্রবার (জুম`আ) ০৬ ভাদ্র ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২১ আগস্ট ২০২০ ঈসায়ী থেকে পবিত্র মুহাররম মাস গণনা শুরু হলো। এই প্রেক্ষিতে, আগামী ১০ মুহাররম ১৪৪২ হিজরি, ১৫ ভাদ্র ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৩০ আগস্ট ২০২০ ঈসায়ী, রোববার সারাদেশে পবিত্র আশুরা পালিত হবে।

৩০ আগস্ট পবিত্র আশুরা
                                  

ডেস্ক রিপাের্ট : বাংলাদেশের আকাশে আজ (বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট) ১৪৪২ হিজরি সনের পবিত্র মুহাররম মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে আগামীকাল শুক্রবার থেকে পবিত্র মুহাররম মাস গণনা শুরু আগামী ৩০ আগস্ট রবিবার সারাদেশে পবিত্র আশুরা পালিত হবে। অতএব আগামী ৩০ আগস্ট রোববার সারাদেশে পবিত্র আশুরা পালিত হবে।

সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো: আলতাফ হোসেন চৌধুরী।

সভায় তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো: মিজান-উল-আলম, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আনিস মাহমুদ (অতিরিক্ত সচিব), বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের পিএসও আবু মোহাম্মদ ,বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক ড. মোঃ আবদুল মান্নান, সরকারি আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো: আলমগীর রহমান, বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, চকবাজার শাহী জামে মসজিদের খতীব মাওলানা শেখ নাঈম রেজওয়ান ও লালবাগ শাহী জামে মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মদ নেয়ামতুল্লাহসহ বিশিষ্ট আলেম-ওলামারা উপস্থিত ছিলেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সভায় ১৪৪২ হিজরি সনের পবিত্র মুহাররম মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সকল জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়সমূহ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান হতে প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, আজ ২৯ জিলহজ ১৪৪১ হিজরি, ০৫ ভাদ্র ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২০ আগস্ট ২০২০ খ্রিস্টাব্দ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র মুহাররম মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার সংবাদ পাওয়া গিয়েছে। এমতাবস্থায়, আগামীকাল ০৬ ভাদ্র ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২১ আগস্ট ২০২০ খ্রিস্টাব্দ শুক্রবার থেকে পবিত্র মুহাররম মাস গণনা শুরু হবে। এই প্রেক্ষিতে, আগামী ১০ মুহাররম ১৪৪২ হিজরি, ১৫ ভাদ্র ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৩০ আগস্ট ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার সারাদেশে পবিত্র আশুরা পালিত হবে।

হাজিদের কোয়ারেন্টিন নিশ্চত করতে এ্যাপ ও ব্রেসলেট ব্যবহার
                                  

সদ্য হজ সমাপ্তকারীদের বাড়ি ফেরার পর কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে বেশ তৎপর সৌদি আরবের হজ ও ওমরা বিভাগ এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। হাজিদের হাতে থাকা ব্রেসলেট ও এ্যাপের সাহায্যে তা নিশ্চিত করা হবে জানা যায়।

সৌদি গণমাধ্যমে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে বলা হয়, হজের শেষ দিন পর্যন্ত হাজিদের কেউ করোনা ভাইরাইসে আক্রান্ত হননি।

এবারের সীমিত হজে অংশগ্রহণকারীদের জন্য হজের শুরু হওয়ার আগে ও সমাপ্ত হওয়ার পর কোয়ারেন্টিন বাধ্যতামূলক করা হয়। হজের আগে মোট ১৪ দিন ও শেষ হওয়ার বাড়িতে ১৪ দিন কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করা হবে বলে জানায় সৌদি সংবাদ মাধ্যম।

সৌদি সরকারের হজ ও ওমরা কর্তৃপক্ষ হাজিদের হাতে থাকা ব্রেসলেটের সাহায্যে হাজিদের কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করবে। এছাড়া ‘তাতাম্মান’ (tatamman - সুস্থ থাকুন) এ্যাপের সাহায্যে সব সময় নিরীক্ষণ করা হবে হাজিদের স্বাস্থ্যের অবস্থা। করোনা ভাইরাসরোধে কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মতে হজের শুরুতে ব্রেসলেটের সাহায্যে সব হাজির কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করা হয়েছে।

সৌদি আরবে ইতিমধ্যে কোভিড-১৯ এ আক্রান্তের হার কমতে শুরু করেছে। গতকাল সোমবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে, নতুনকরে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১২ শ ৫৮ জন। এখন পর্যন্ত সৌদি আরবে মোট আক্রান্ত হয়েছেন, দুই লক্ষ ৮০ হাজার ৯৩ জন। ইতিমধ্যে সুস্থ হয়েছেন দুই লক্ষ ৪২ হাজার ৫৩ জন।

উল্লেখ্য, সৌদি আরবে করোনা আক্রান্তের হার আগের চেয়ে কমে আসছে। ইতিমধ্যে শতকরা ৮৫ ভাগ রোগী সুস্থ হয়ে ফিরেছে। করোনারোধে সৌদি আরব অনুসরণ করছে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি। সবার মধ্যে সামাজিক দূরত্ব, হাত ধৌত করা, গণসমাগম পরিহার ও মাস্ক পরাকে বাধ্যতামূলক করেছে।

সূত্র : আরব নিউজ

শুরু হলো হজের কার্যক্রম, হাজিরা যাচ্ছেন মিনায়
                                  

শুরু হলো হজের মূল কার্যক্রম। ২৯ জুলাই (বুধবার) হজের প্রথম দিন মক্কা থেকে ইহরাম বেধে ১০০০ হাজি ইতিমধ্যে মিনায় পৌঁছেছেন। খবর আরব নিউজ।

নিয়ম অনুযায়ী পবিত্র নগরী মক্কা থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে মিনায় এ দিন জোহরের আগেই হজে অংশগ্রহণকারীদের সবাইকে মিনায় পৌছানোর কথা। সেখানে তারা ৫ ওয়াক্ত (জোহর, আসর, মাগরিব, ইশা ও হজের দিন ফজর) নামাজ আদায় করবেন।

মহামারি করোনার মধ্য দিয়ে ব্যাপক স্বাস্থ্য সতর্কতা ও নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ১৪৪১ হিজরির পবিত্র হজ শুরু হলো। ইতিমধ্যে ১০০০ হজযাত্রী মিনায় পৌছেছেন। সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় যথাযথ নিরাপত্তার মাধ্যমে হজে অংশগ্রহণকারীদের পবিত্র নগরী মক্কা থেকে মিনায় নেয়া হচ্ছে।

মিনায় গিয়ে অবস্থানকারী হজ পালনকারীরা বৃহস্পতিবার সকাল সকাল আরাফাতের ময়দানে গিয়ে অবস্থান নেবে। সেখানে তারা সকাল থেকে দিনভর ইবাদত-বন্দেগি ও রোনাজারিতে সময় অতিবাহিত করবে। সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করবেন তারা।

মক্কা থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে প্রায় ২৫ লাখ লোকের জন্য তাবু স্থাপিত শহর মিনায় এবার স্বল্প সংখ্যক হজপালনকারীরা অবস্থান নেবে। মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে এবার সীমিত পরিসরে অল্প সংখ্যক লোক হজে অংশগ্রহণ করেছে।

এ বছর হজের উদ্দেশ্যে মক্কায় আসা নির্বাচিত হজপালনকারীদের আগে থেকেই তাপ পরীক্ষা করে আলাদা আলাদা স্থানে রাখা হয়েছে। স্বাস্থ্যকর্মীরা তাদের ব্যাগপত্র জীবানুমুক্ত করার কাজ সম্পন্ন করেছে।

স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা কর্মীরা পবিত্র নগরী কাবা শরিফের চারদিকে জীবানুমুক্তকরণ করতে বিশেষভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করেছে।

এবারের হজে অংশগ্রহণকারীদের নিরাপত্তায় এবং কাবা শরিফের পরিচ্ছন্নতায় কাবা শরিফের চারদিক ঘেরাও করে দেয়া হয়েছে। কোনো হজপালনকারীকেই কাবা শরিফ স্পর্শ করতে দেয়া হবে না। যথাযথ দূরত্ব বজায় (১.৫ মিটার তথা ৫ ফিট) রেখে তাওয়াফ, নামাজে অংশগ্রহণ ও সাঈসহ হজের সব কার্যক্রম পালন করতে হবে।

মিনায় পাথর নিক্ষেপসহ সব কাজের সময় মাস্ক ব্যবহার ও দূরত্ব বজায় রাখা বাধ্যতামূলক। মিনায় পাথর নিক্ষেপের নুড়ি হজ কর্তৃপক্ষ বিশেষ ব্যাগের মাধ্যমে সরবার করবে।

৩০ জুলাই মোতাবেক ৯ জিলহজ (বৃহস্পতিবার সকাল সকাল সব হজ পালনকারী আরাফাতের ময়দানে উপস্থিত হবেন।

সৌদি সরকারে এমন কঠোর স্বাস্থবিধি ও নিরাপত্তা মেনে হজ ব্যবস্থাপনার জন্য হজে অংশগ্রহণকারীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

এবার অনলাইন আবেদনের মাধ্যমে হজে অংশগ্রহণের বিষয়টি বাছাই করা হয়। এ প্রক্রিয়া সৌদিতে বসবাসকারী ১৬০ দেশের লোকজন হজ পালনের সুযোগ পেলেন। তাদের মধ্যে দুই ইরানি বন্ধু জাকের কারিম ও সাইফুল্লাহ মোহাম্মাদানি যারা মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন। তারা হজের নিবন্ধন করেছেন।

সাইফুল্লাহ মোহাম্মাদানি বলেন, আবেদনের পর থেকে আমি নিয়মিত চোখ রাখছিলাম যে, আমার আবেদন গৃহিত হয়েছে কিনা। হজের অনুমোদন পেয়ে আমি খুশি হলাম। জাকের করিমকে ফোন করলে সেও অনুমোদন পেয়েছে বলে জানায়। এতে জাকের করিমও খুব খুশি হয়েছেন।

আজারবাজাইনের জেলকিন, তিনি জুবাইলে কাজ করেন। তিনি বলেন, এ কঠিন সময়ে হজের অনুমোদন পাওয়ায় তিনি সৌদি সরকারকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে স্বল্প সময়ে এ ব্যবস্থাপনা অনেক কষ্টকর কাজ। সর্বোপরি এবারের হজ আয়োজনে অংশগ্রহণকারীরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও হজ ব্যবস্থাপনায় সন্তুষ্ট।

ভালোবেসে বিয়ে, স্ত্রীকে হত্যা করে শ্বশুরবাড়িত টানিয়ে রাখল স্বামী
                                  

বরগুনায় ভালোবেসে বিয়ের ছয়মাস যেতে না যেতেই শ্বশুরবাড়িতে কিশোরী স্ত্রীকে হত্যা করে তার লাশ ঝুলিয়ে রেখে পালিয়ে যায় স্বামী। শুক্রবার সকালে বরগুনা সদর ইউনিয়নের কালিরতবক গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার হয় স্বামী ইয়াছিন (২৩)।

গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে এ হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছে ইয়াছিন। ইয়াছিন সদর উপজেলার ধুপতি-সুজার খেয়া এলাকার আবু সালেহ মুসুল্লীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি। নিহত স্ত্রীর নাম স্বর্ণা (১৬)। নিহত স্বর্ণা কালিরতবক এলাকার চায়ের দোকানদার আনোয়ার খাঁয়ের মেয়ে।

বরগুনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম তারিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধারের পর সুরোতহাল রিপোর্ট শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। একইসাথে মোবাইল ফোন ট্র্যাকিং করে বরগুনার কেজিস্কুল সড়কের একটি বাড়ি থেকে ইয়াছিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) মো. মফিজুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্ত্রী স্বর্ণাকে হত্যার পর ওরনা দিয়ে ঝুলিয়ে রাখার কথা স্বীকার করেছে গ্রেপ্তারকৃত ইয়াছিন। এ সময় তিনি আরও বলেন, স্ত্রী স্বর্নাকে হত্যার পর তার লাশ ঝুলিয়ে রেখে পালিয়ে যাওয়ার পর ইয়াছিন তার শাশুড়ির কাছে ফোন দিয়ে স্বর্ণার কিছু হয়েছে কি না তা দেখার জন্য তাকে বাড়িতে যেতে বলে ইয়াছিন।

স্বর্ণার মা মাহমুদা বেগমের (৪০) সাথে কথা বলে জানা গেছে, স্বর্নার স্বামী ইয়াছিন গত তিন দিন ধরে তাদের বাড়িতেই ছিলো। বেশিরভাগ সময়ই স্বর্ণা এবং ইয়াছিন ঘরেই থাকত। স্বর্ণার পিতা আনোয়ার খাঁ স্থানীয় কালিতবক স্লুইজ এলাকায় একটি চায়ের দোকান দিয়ে জীবীকা নির্বাহ করেন। স্বামী আনোয়ার খাঁর চায়ের দোকানেই কাজ করেন স্বর্ণার মা মাহমুদা বেগম। শুক্রবার সকালেও ইয়াছিন এবং স্বর্ণা একত্রেই তাদের ঘরে ছিল। সকাল ১১টার দিকে ইয়াছিন তার শাশুড়ি মাহমুদা বেগমের কাছে ফোনে জানায় যে, স্বর্ণাকে একাধিকবার ফোন দিলেও স্বর্ণা তা ধরছে না। তাই বাড়িতে গিয়ে স্বর্ণার কিছু হয়েছে কিনা তা দেখতে শাশুড়ি মাহমুদাকে অনুরোধ জানায় ইয়াছিন। এসময় স্বর্ণার মা মাহমুদা তাদের ঘরে গিয়ে তার মেয়ে স্বর্ণার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান।
স্বর্ণার মা মাহমুদা আরও জানান, ছয় থেকে সাত মাস আগে একে অপরকে পছন্দ করে নিজেরাই পালিয়ে বিয়ে করেছিলো স্বর্ণা ও ইয়াছিন।

নতুন ইতিহাস-বিশ্বজুড়ে একইদিনে হতে পারে কোরবানি
                                  

 মঙ্গলবার বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের আকাশ থেকেও জিলহজ মাসের নতুন চাঁদ স্পষ্ট দেখা যাবে এমনটাই বলছেন জোতির্বিজ্ঞান নিয়ে গবেষণাকারীরা। চাঁদের অবস্থান জানানো ওয়েবসাইটের তথ্য বিশ্লেষণ করে তারা বলছেন, বিশ্বের সব মুসলিম দেশে একই দিনে রোজা শুরু বা ঈদ পালন নিয়ে বাংলাদেশে বছরের পর বছর ধরে যে বিতর্ক চলছে, এবার সুযোগ হয়েছে তার অবসান হওয়ার। তবে ধর্ম মন্ত্রণালয় বলছে, বৃহৎ জনগোষ্ঠীর আবেগ অনুভূতির বিষয়টি মাথায় রেখেই তারা সিদ্ধান্ত নেবেন।
নাসা থেকে তথ্য নিয়ে প্রকাশিত চাঁদের অবস্থান জানানো ওয়েবসাইট মুন সাইটিং ডটকম বলছে, জুলাইয়ের ২০ তারিখ বিশ্বের কোনো জায়গা থেকেই জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যাবে না। তবে ২১ জুলাই বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ থেকেই তা স্পষ্ট দেখা যাবে।
মুন সাইটিং ডটকম বলছে, বাংলাদেশ থেকে পশ্চিম দিকের দেশগুলো চাঁদ দেখবে খালি চোখেই। এছাড়া আকাশ পরিস্কার থাকলে বাংলাদেশসহ আশপাশের দেশ থেকেও স্পষ্ট চাঁদ দেখা যাবে।
সাইটটির তথ্য বিশ্লেষণ করে পরমাণু ও জোতির্বিজ্ঞানিরা বলছেন, ২১ জুলাই বাংলাদেশে যখন ২৮০ ডিগ্রি এঙ্গেলে সূর্য অস্ত যাবে, ঠিক একই সময় তার ১৩ ডিগ্রি উত্তরে অর্থাৎ ২৯৩ ডিগ্রি এঙ্গেলে পশ্চিম আকাশে জিলহজ মাসের নতুন চাঁদ দেখা যাবে। নতুন চাঁদটি বাংলাদেশের আকাশে ৩৫ মিনিট স্থায়ী হবে বলেও জানাচ্ছেন তারা।
জোতির্বিজ্ঞানী ও গবেষক এয়ার কমডোর ড. সৈয়দ জিলানী মাহবুবুর রহমান বলেন, অন্যান্য বছর চাঁদের যে অবস্থান থাকে, চাঁদের বয়স থাকে; সেটা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এ বছর বাংলাদেশে চাঁদ দেখা যাবে। কিন্তু কিছু আলেম করে, সৌদি আরবের পরের দিন বাংলাদেশ ঈদ। এটা ভুল। কোন দলিল নেই। এই বৈজ্ঞানিক চার্ট অনুযায়ী ৩০ জুলাই হজের দিন। আর ৩১ জুলাই পবিত্র ঈদুল আজহা।
পরমাণু বিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ এম শমশের আলী বলেন, আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলেছি, গত ৩০ বছর ধরে নাসার যে প্রেডিকশন আছে, তার ভিত্তিতে মুন সাইটিং ডট কমেও সেখানে চাঁদ দেখা দিয়েছে। চাঁদ উঠে গেলে আর বাকি কি থাকে?
তারা বলছেন, এর ফলে একই দিন রোজা শুরু ও ঈদ পালন নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্কের অবসান হবে। চাঁদ দেখা কমিটির অনেকে বিজ্ঞান মানতে চান না বলে রাষ্ট্র এ বিষয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না বলেও দাবি তাদের।
ধর্ম সচিব বলছেন, ওআইসির সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তারা অবগত নন। এছাড়া মঙ্গলবার বাংলাদেশের আকাশে চাঁদ দেখা সাপেক্ষেই তারিখের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে বলে জানান তিনি।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নুরুল ইসলাম বলেন, ২১ জুলাই মঙ্গলবার চাঁদ দেখা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেদিন চাঁদ দেখা যাবে, এরকম বার্তা আমাদের কাছে নেই। যদি চাঁদ দেখা যায় তাহলে সেভাবে নির্দেশনা দেওয়া হবে।
হিজরি ক্যালেন্ডার বাস্তবায়ন পরিষদের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বের ১৯৫টির মধ্যে ১৮৯টি দেশই এ বছর একই তারিখে রোজা শুরু ও ঈদুল ফিতর পালন করেছে। একইভাবে ওআইসির সদস্যভুক্ত ৫৭টির মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশ ছাড়া বাকি ৫৬ দেশই একই দিন রোজা ও ঈদ পালন করেছে।

জেরুজালেমের ৫০০ বছরের ইতিহাস উন্মুক্ত
                                  

জেরুজালেমের ইতিহাসসংক্রান্ত বৃহৎ তথ্যভাণ্ডার উন্মুক্ত করেছে ‘দি ইউনাইডেট নেশন রিলিফ অ্যান্ড ওয়ার্ক এজেন্সি ফর প্যালেস্টাইন রিফিউজিস ইন দ্য নেয়ার ইস্ট’ (ইউএনআরডাব্লিউএ)। উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডারের মধ্যে আছে আড়াই লাখ পৃষ্ঠার বই, ম্যাপ, পাণ্ডুলিপি ও জেরুজালেমের বিভিন্ন সময়ের ছবি। ১৫২৮ সাল-পরবর্তী জেরুজালেমের ঐতিহাসিক তথ্য-উপাত্ত এতে উঠে এসেছে। সংস্থাটির অনলাইন লাইব্রেরিতে এসব নথিপত্র পাওয়া যাবে।

সৌদি আরবের কিং আবদুল আজিজ পাবলিক লাইব্রেরি ইউএনআরডাব্লিউএ-কে এসব তথ্য সংগ্রহ ও উন্মুক্তকরণের কাজে সহযোগিতা করে। কিং আবদুল আজিজ লাইব্রেরির আরব ইউনিয়ন বিভাগ বিশ্বের বিভিন্ন পাঠাগারকে আরব ও ইসলামী সংস্কৃতি তুলে ধরতে সহযোগিতা করে থাকে। আরবের অন্যতম সমৃদ্ধ এই পাঠাগারে রয়েছে বই, জার্নাল, নথিপত্র, পাণ্ডুলিপি ও ছবির তিন মিলিয়নের একটি বিরাট সংগ্রহশালা।

সূত্র : আরব নিউজ

এবারের হজে কাবা ছোঁয়া নিষিদ্ধ
                                  

 প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে বিপর্যস্ত গোটা বিশ্ব। এই ভাইরাসের তাণ্ডবে অসহায় হয়ে পড়েছে বিশ্বের আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা। অন্যান্য দেশের মতো সৌদি আরবেও হানা দিয়েছে এই ভাইরাস। এর বিষাক্ত ছোবলে ইতোমধ্যে দেশটিতে আক্রান্ত হয়েছে ২ লাখ ৯ হাজার ৫ শতাধিক মানুষ। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৯১৬ জনের।

করোনাভাইরাসের এমন পরিস্থিতিতে এবারের হজ বাতিলের শঙ্কা জেগেছিল। শেষ পর্যন্ত হজ হচ্ছে, তবে সৌদি আরবের বাইরের কেউ হজ করতে পারবেন না। প্রাণঘাতী ভাইরাসের সংক্রমণ নতুন করে বেড়ে যাওয়ার পর হজের জন্য কিছু স্বাস্থ্যবিধি ঘোষণা করেছে সৌদি সরকার।
সোমবার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সি জানায়, এবারের হজ পালনের সময় কাবা স্পর্শ করতে পারবেন না হাজীরা। নিষিদ্ধ করা হয়েছে সব ধরনের সমাবেশ ও সভা।

করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে এবারের হজে এক হাজার জনকে সুযোগ দেওয়ার কথা গত জুনে জানায় সৌদি সরকার। আধুনিক যুগে প্রথমবার বিদেশি মুসলিমদের জন্য হজ নিষিদ্ধ করে দেশটির কর্তৃপক্ষ। এবার নতুন করে কিছু স্বাস্থ্যবিধি যুক্ত করল সৌদি সরকার।

ইসলামের পবিত্র নির্দশন কাবা স্পর্শ করা যাবে না এবারের হজে। নামাজের সময় তো বটেই, কাবা শরীফ তাওয়াফের সময়ও দেড় মিটার দূরত্ব বজায় রাখতে হবে হাজীদের মধ্যে। রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র (সিডিসি) এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানায়।

সীমিত সংখ্যক হাজী মিনা, মুজদালিফা ও আরাফাতে যাওয়ার অনুমতি পাবেন। ১৯ জুলাই থেকে শুরু হয়ে ২ আগস্ট পর্যন্ত চলবে এবারের হজ, এই সময়ে হাজী ও আয়োজকদের প্রত্যেকের জন্য সর্বদা মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা  হয়েছে। সূত্র: রয়টার্স, সৌদি প্রেস এজেন্সি, দ্য স্ট্রেইট টাইমস

১২ জুলাই থেকে টাকা ফেরত পাবেন হজ নিবন্ধনকারীরা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে হজে যাওয়ার জন্য যারা নিবন্ধন করেছেন, তারা টাকা ১২ জুলাই থেকে টাকা ফেরত পাবেন বলে জানিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

হজ বিষয়ক সভা শেষে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো নুরুল ইসলাম বুধবার (২৪ জুন) এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি আরো জানান, প্রাক-নিবন্ধন এবং নিবন্ধন যথারীতি ২০২১ (১৪৪২ হিজরি) সালের প্রাক নিবন্ধন এবং নিবন্ধন হিসেবে কার্যকর থাকবে। ২০২১ সালে কোনো কারণে হজ প্যাকেজ এর ব্যয় বৃদ্ধি বা হ্রাস পেলে তা বর্তমানে হজযাত্রীর জমাকৃত অর্থের সমন্বয় করা হবে।

কোন হজযাত্রী হজের টাকা উত্তোলন করতে চাইলে সরকারি-বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ যাত্রীদের জন্য তিনি অনলাইনে মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আবেদন করবেন এবং কোন প্রকার সার্ভিস চার্জ কর্তন ছাড়াই তাকে তার সমুদয় অর্থ ফেরত প্রদান করা হবে।

তবে এবছর যারা নিবন্ধন করেছেন, তারা ২০২১ সালে অগ্রাধিকার পাবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন হাব সভাপতি।

আল্লাহর ভয় মন-দীলে রাখতে হবে, করোনা আক্রান্ত রোগী থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবেন না : জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি মুহিববুল্লাহ হিল বাকী নদভী
                                  

মিয়া আবদুল হান্নান : প্রাণঘাতী মহামারি করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে আজ শুক্রবার রাজধানীসহ সারাদেশে মসজিদগুলোতে জুমার নামাজে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে মুসল্লিদের উপচে পড়া ভিড় পরিলক্ষিত হয়েছে। জুমার নামাজের দু’ঘন্টা আগ থেকেই বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের প্রত্যেক প্রবেশ পথে জীবাণুনাশক বুথ স্থাপন করা হয়। অনেক মসজিদে জায়গা সঙ্কুলান না হওয়ায় মুসল্লিরা রাস্তার ওপর বৃষ্টিতে ভিজে জুমার নামাজ আদায় করেন। নগরীর মহাখালীস্থ মসজিদে গাউছুল আজমেও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এবং যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে জুমার নামাজে প্রচুর মুসল্লির সমাগম ঘটে। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে আজ জুমার খুৎবা পূর্ববয়ানে মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি মুহিববুল্লাহ হিল বাকী নদভী বলেন, প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবেন না। করোনা রোগী হলেই তার সেবাশ্রুষাএ আমরাবাদ দিয়ে দিচ্ছি। তিনি বলেন, হাদীসে আছে যতক্ষণ একজন ব্যক্তিরোগীর সেবা করবেন ততক্ষণ পর্যন্ত ফেরেশতারা তার জন্য দোয়া করতে থাকবে। কেউ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে আতঙ্কিত না হয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে তার সেবায় আত্মনিয়োগ করতে হবে।
পেশ ইমাম মুফতি মুহিববুল্লাহ হিল বাকী নদভী আরও বলেন, যতে গুলো লোক করোনায় আক্রান্ত হয়েছে তাদের সেবা করতে গিয়ে শতকরা কত ভাগ লোক আক্রান্ত হয়েছে। বরং সেবা করতে গিয়ে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা খুবই কম। আক্রান্ত হবার শঙ্কায় এসব রোগীর সেবা বাদ দেয়া একেবারেই অমানবিক। তিনি বলেন, সুস্থ্য থাকতে আপনি যদি কোনো রোগীর সেবা থেকে দূরে সরে থাকেন আপনি আক্রান্ত হলে অন্যরাও আপনার সেবা থেকে দূরে থাকবে। পেশ ইমাম মুফতি মুহিববুল্লাহ হিল বাকী নদভী বলেন, করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে মারা গেলে তার প্রতি কোনো খারাপ ধারণার পরিবর্তে উনি যে শহীদি মর্যাদা পেয়েছেন তার জন্য তারপ্রতি সম্মানবোধ থাকতে হবে। তিনি বলেন, করোনা ভাইরাসের আক্রান্ত হয়ে মারা গেলে তার দাফন কাফনের সহযোগিতা থেকেও দূরে থাকছে কতিপয় নিকটতম প্রতিবেশী আত্মীয়-স্বজনরা। সঃঝচঁচঁ এ ধরণের কাজ মোটেই উচিত হবে না। অনেক জায়গায় শোনা যাচ্ছে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত ব্যক্তির লাশ দাফন কাফনে বাধা দেয়া হচ্ছে। অথচ করোনায় মৃত ব্যক্তির ৩ ঘন্টা পরে তার জীবাণুর অস্তিত্ব থাকে না বলে চিকিৎসা বিজ্ঞানে স্বীকৃত।
চকবাজারের ইসলামবাগ বড় মসজিদের খতীব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দি আজ খুৎবার বয়ানে বলেন, মুমিনকে যে কোনো পরিস্তিতিতে ঈমানের ওপর অবিচল থাকতে হবে। ঈমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। ধৈর্য্য ও সংযমের মাধ্যমে ঈমানী গুণ অর্জন করতে হবে। সক্ষমদেরকে অক্ষমদের পাশে থাকতে হবে। মাওলানা আফেন্দি বলেন,সকল ধরণের অমানবিক আচরণ বন্ধ করতে হবে। অনাচারের পথ ছেড়ে আল্লাহ ও তার রসূলের (সা.) পূর্ণ অনুগত হতে হবে। তা’হলেই আল্লাহর রহমত মুমিনের ওপর বর্ষিত হবে।
কেরানীগঞ্জ উপজেলার ধর্মশুর হামিদিয়া মাদরাসার মোহতামীম ও রুহিতপুর বাজার শাহী মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা নুরুল হক হামিদী খলিফা পীর সাহেব মধুপুর খুৎবাহ পূর্ব বয়ানে বলেন,করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবকে ভয় নহে, ভয় করতে হবে মহান আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জৎকে। করোনার আতংকে মানবতা হারিয়ে ফেলছি, এই মানবতাকে ফিরিয়ে আনতে হবে। ঈমানী শক্তি ধরে রাখতে হবে। অনেকে হজ করার জন্য নিয়ত করেছেন, তাঁদের মন-দীল পরিস্কার করতে হবে। শুধু জুম`আর নামাজ আদায় করলে হবে না, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতে হবে। মুসলমানদের পাঁচ বেনা বাঁ স্তম্ভ নামাজ,রোজা, কালেমা,হজ ও যাকাত পুনাঙ্গভাবে আকরে ধরে রাখতে হবে। অর্থসম্পদ থাকলে হজ করা জরুরি। যাকাত বাঁ দানের মাধ্যমে আল্লাহ তার বান্দাকে বিভিন্ন মহামারির বিপদ থেকে রক্ষা করবেন। করোনা ভাইরাসের আক্রান্ত হতে নিরাপদ দূরত্বই বজায় রেখে নামাজ আদায় করি।

কামরাঙ্গীরচর হাফেজ্জী হুজুর (রহ.) মসজিদের খতিব মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী খুৎবার বয়ানে বলেন, আল্লাহ তায়ালা তারবান্দাদেরকে অসংখ্যা নেয়ামত দান করেছেন। বান্দার উচিৎ সেসব নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করা এবং অধিকহারে আল্লাহ তায়ালার ইবাদত বন্দেগিতে লিপ্ত থাকা। আল্লাহ প্রদত্ত নেয়ামত সমূহের মধ্যে সবচেয়ে বড় নেয়ামত হচ্ছে তাওহিদ অথাৎ ঈমানের নেয়ামত। মুসলমানদের ঈমান নষ্ট করার জন্য চতুরমুখী ষড়যন্ত্র চলছে। আল্লাহপ্রদত্ত দ্বিতীয় নেয়ামত হচ্ছে এলেম। এলেম যাতে মুসলমানদের সন্তানরা শিখতে না পারে এ জন্য হাটহাজারী মাদরাসাসহ দ্বীনি মাদরাসগুলোর বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র করে চলছে। যে কোনো মূল্যে মুসলমানদের ঈমান ও আমলের হেফাজত করতে হবে। মাওলানা মিয়াজী মরণঘাতী করোনা ভাইরাসের পাদুর্ভাব থেকে হেফাজতের লক্ষ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনেচলা এবং বেশি বেশি তাওবা ও ইস্তিগফার পড়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।


   Page 1 of 9
     ইসলাম
পবিত্র আখেরি চাহার শোম্বা ১৪ অক্টোবর
.............................................................................................
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে যেসব পরামর্শ দেয় ইসলাম
.............................................................................................
আশুরায় যেসব আমল করতে হবে
.............................................................................................
১০ মহররম পবিত্র আশুরা: বিশেষ তাৎপর্য পূর্ণ দিন
.............................................................................................
বিশ্রামের সময় যে দোয়া পড়তেন বিশ্বনবি
.............................................................................................
আশুরার রোজায় এক বছরের গুনাহ মাফ হয়
.............................................................................................
আজ জুম`আ বার মহররম মাসের শুরু
.............................................................................................
৩০ আগস্ট পবিত্র আশুরা
.............................................................................................
হাজিদের কোয়ারেন্টিন নিশ্চত করতে এ্যাপ ও ব্রেসলেট ব্যবহার
.............................................................................................
শুরু হলো হজের কার্যক্রম, হাজিরা যাচ্ছেন মিনায়
.............................................................................................
ভালোবেসে বিয়ে, স্ত্রীকে হত্যা করে শ্বশুরবাড়িত টানিয়ে রাখল স্বামী
.............................................................................................
নতুন ইতিহাস-বিশ্বজুড়ে একইদিনে হতে পারে কোরবানি
.............................................................................................
জেরুজালেমের ৫০০ বছরের ইতিহাস উন্মুক্ত
.............................................................................................
এবারের হজে কাবা ছোঁয়া নিষিদ্ধ
.............................................................................................
১২ জুলাই থেকে টাকা ফেরত পাবেন হজ নিবন্ধনকারীরা
.............................................................................................
আল্লাহর ভয় মন-দীলে রাখতে হবে, করোনা আক্রান্ত রোগী থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবেন না : জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি মুহিববুল্লাহ হিল বাকী নদভী
.............................................................................................
মুসলিম কখনও হিংসুক হতে পারে না
.............................................................................................
অহংকার যে কারণে পতনের মূল
.............................................................................................
জুমার খুতবা চলাকালীন দানবাক্স চালানো কি জায়েজ?
.............................................................................................
শাওয়াল মাসের ৬ রোজার গুরুত্ব
.............................................................................................
পবিত্র জুমআতুল বিদা আজ
.............................................................................................
যে কারণে রমজানকে রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতে ভাগ করা হয়েছে
.............................................................................................
শর্ত সাপেক্ষে দেশের সব মসজিদ খুলে দেয়া হচ্ছে
.............................................................................................
এবার ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে সত্তর টাকা থেকে দুই হাজার দুইশত টাকা
.............................................................................................
মসজিদে খুৎবাহ পূর্ব বয়ানে করোনা ভাইরাসের মহামারি থেকে আল্লাহর নিকট পানাহ চাইতে হবে
.............................................................................................
চাঁদ দেখা গেছে, কাল থেকে রোজা শুরু
.............................................................................................
রোজায় ইফতার মাহফিল নয়, তারাবিতে অংশ নিতে পারবে ১২ জন
.............................................................................................
কবে শুরু রমজান, জানা যাবে শুক্রবার
.............................................................................................
আল-গাফুর, আল্লাহর মহান এক নাম
.............................................................................................
একাকী ইবাদতের মাধ্যমে শবেবরাত পালন করুন : আল্লামা শফী
.............................................................................................
পবিত্র শবে বরাত আজ
.............................................................................................
অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এ সময়ের জরুরি আমল
.............................................................................................
নামাজ-প্রার্থনা নিজঘরে, জুমায় সর্বোচ্চ ১০ জন
.............................................................................................
মসজিদে জামাত চলবে, তবে সংক্ষিপ্ত: ইফা
.............................................................................................
মহামারী বা দূরারোগ্য ব্যধি থেকে পরিত্রাণের দোয়া
.............................................................................................
পারস্পরিক ঘৃণা বিদ্বেষ সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি করে
.............................................................................................
যেমন ছিল মহানবী (সা.)-এর মেহমানদারি
.............................................................................................
মানুষের মনের গোপন কথাও কি আল্লাহ জানেন?
.............................................................................................
আল্লাহ যাদের ওপর কখনো নাখোশ হবেন না
.............................................................................................
হজরত আবু বকরকে যে দোয়া পড়তে বলেছেন বিশ্বনবি
.............................................................................................
মুসলিমরা বাবরি মসজিদ না পেলেও শিখরা পেয়েছে শহীদগঞ্জ গুরুদারা!
.............................................................................................
১০ নভেম্বর পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী
.............................................................................................
নামাজে ভুল হলে সাহু সেজদা দেবেন কীভাবে?
.............................................................................................
জান্নাতে মুমিনদের জন্য জুমআর দিন যেমন হবে
.............................................................................................
নরওয়েতে প্রতিদিন গড়ে ৮ জন ইসলাম গ্রহণ করছেন!
.............................................................................................
সৌদিতে ১০৩ দেশের কুরআন প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় বাংলাদেশের শিহাব
.............................................................................................
মুহররম আল্লাহর মাস
.............................................................................................
পবিত্র আশুরা ১০ সেপ্টেম্বর
.............................................................................................
যে বিশেষ ২ গুণে নারীদের জান্নাত সুনিশ্চিত
.............................................................................................
কোরবানির গোশতের সামাজিক বণ্টন কি জায়েজ?
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD