| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * কক্সবাজারে ইয়াবা ও আগ্নেয়াস্ত্র সহ মাদক ব্যবসায়ী আটক   * স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ৪০০ মণ আম ধ্বংস   * হুয়াওয়ের সাথে প্যানাসনিকের ব্যবসা স্থগিত   * বিজেপি এগিয়ে ৩৩৯ আসনে, কংগ্রেস ৯০   * ৩২ দলেই হবে কাতার বিশ্বকাপ   * সংগীতশিল্পী খালিদ হোসেনকে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা   * টিকিট নিয়ে বিভ্রান্তি, ভোগান্তিতে মানুষ   * গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে আগুন ধরে একই পরিবারের ৪ জন নিহত   * সঙ্গীতশিল্পী খালিদ হোসেনের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক   * মেক্সিকোতে অপরাধী চক্রের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ১০  

   ইসলাম -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
সারা দেশে আজকের ইফতার ও সেহেরির সময়সূচি

রমজান মাসের ইফতার খাওয়ার শেষ সময় ও সেহেরি গ্রহণের সময়সূচি তুলে ধরা হলো ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সৌজন্যে।

প্রদত্ত প্রথম ছকে পুরো মাস এবং আজকের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচী শুধুমাত্র ঢাকা জেলার জন্য প্রযোজ্য। বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার সাথে ঢাকা জেলার সময়ের কিছুটা পার্থক্য আছে।

ঢাকার সময়ের সাথে কিছু সময় যোগ বা বিয়োগ করে অন্যান্য কতিপয় জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচী পাওয়া যেতে পারে। সেক্ষেত্রে, ঢাকার সময়ের সাথে কত মিনিট যোগ বা বিয়োগ করলে অন্য জেলার সেহরি ও ইফতারের সময় পাওয়া যাবে তা জানতে নিচের ছক দেখুন।

সারা দেশে আজকের ইফতার ও সেহেরির সময়সূচি
                                  

রমজান মাসের ইফতার খাওয়ার শেষ সময় ও সেহেরি গ্রহণের সময়সূচি তুলে ধরা হলো ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সৌজন্যে।

প্রদত্ত প্রথম ছকে পুরো মাস এবং আজকের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচী শুধুমাত্র ঢাকা জেলার জন্য প্রযোজ্য। বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার সাথে ঢাকা জেলার সময়ের কিছুটা পার্থক্য আছে।

ঢাকার সময়ের সাথে কিছু সময় যোগ বা বিয়োগ করে অন্যান্য কতিপয় জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচী পাওয়া যেতে পারে। সেক্ষেত্রে, ঢাকার সময়ের সাথে কত মিনিট যোগ বা বিয়োগ করলে অন্য জেলার সেহরি ও ইফতারের সময় পাওয়া যাবে তা জানতে নিচের ছক দেখুন।

যে কাজে রোজার কাজা-কাফফারা বাধ্যতামূলক
                                  

ধর্ম ডেস্ক : কুরআন নূর ও হেদায়েত লাভে রমজানের রোজা পালনের বিকল্প নেই। এটি পালন করা মহান আল্লাহর বিধান ও নির্দেশ। যা মুসলিম উম্মাহর জন্য ফরজ। আল্লাহ বলেন-

‘হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে। যেভাবে তোমাদের আগের লোকদের ওপর ফরজ করা হয়েছিল। যাতে তোমরা আল্লাহর ভয় অর্জন করতে পারো।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ১৮৩)

অন্য আয়াতে রমজানে হেদায়েত লাভে আল্লাহ ঘোষণা করেন- ‘যারা রমজান মাস পাবে তারা যেন রোজা রাখে।’ (সুরা বাক্বারা : আয়াত ১৮৫)

আল্লাহ তাআলা বান্দার কষ্ট হবে এসব বিষয়েও দৃষ্টি রেখেছেন। যেমন যারা দূরে কোথাও সফর করবে। কিংবা রোগে-শোকে অসুস্থ থাকবে তাদের জন্য রমজানের রোজা পরে আদায় সাপেক্ষে শিথিল করার ঘোষণাও দিয়েছেন।

সুরা বাক্বারার ১৮৪ ও ১৮৫নং আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে যারা অসুস্থ কিংবা ভ্রমণ অবস্থায় থাকে তারা পরে তা পালন করে নয়।’

আবার অসুস্থতার জন্য যারা কোনোভাবেই রোজা রাখতে সক্ষম নয়, তারা যদি সম্পদশালী হয় তবে তাদের রোজার বিধান হলো, তারা প্রতিটি রোজার পরিবর্তে একজন করে মিসকিনকে সাহরি ও ইফতার খাওয়াবে। যদি তারা একাধিক ব্যক্তিকে খাবার দেয় তবে তা আরো উত্তম বলেও ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

রোজা রাখার ব্যাপারে যেমন শর্তারোপ করা হয়েছে আবার যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে রোজা ভেঙে ফেলে তবে তার জন্য রয়েছে কাজা ও কাফফারার বিধান। সেসব কাজ ও বিধান হলো-

>> দিনের বেলায় স্ত্রী সহবাস
রোজা রেখে দিনের বেলায় স্বামী-স্ত্রী মেলামেশা করলে। তাতে বীর্যপাত হোক আর না হোক। সে ক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রী উভয়ের ওপর কাযা ও কাফফারা আবশ্যক হয়ে যাবে। হাদিসে এসেছে-

- ‘এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এসে বলল, আমি রোজা রেখে স্ত্রী সহবাস করেছি। বিশ্বনবি তার উপর কাফফারা আবশ্যক করেছিলেন। (বুখারি, তিরমিজি, মুসনাদে আহমদ)

- মুহাম্মাদ ইবনে কা’ব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘বিশ্বনবি ঐ ব্যক্তিকে (যে স্ত্রী-সহবাসে লিপ্ত হয়েছিল) কাফফারা আদায়ের সঙ্গে সঙ্গে কাযা আদায়েরও আদেশ করেছিলেন।’ (মুসান্নাফ আবদুর রাযযাক)

তবে রোজার মাসে রাতের বেলায় স্ত্রী সঙ্গে মেলামেশায় কোনো বাঁধা নেই। আর তাতে রোজার কোনো ক্ষতিও হবে না।

>> খাওয়া ও পান করা
বিনা কারণে দিনের বেলায় ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো খাবার খেলে কিংবা পানীয় গ্রহণ করলে ওই ব্যক্তির ওপর কাজা ও কাফফারা উভয়টি আদায় করা আবশ্যক।

- এক ব্যক্তি রমজানে রোজা রেখে (ইচ্ছাকৃতভাবে) পানাহার করলো। বিশ্বনবি তাকে আদেশ করলেন, ‘সে যেন একজন ক্রীতদাস মুক্ত করে দেয় অথবা (একাধারে) দুই মাস রোজা রাখে কিংবা ৬০জন মিসকিনকে (এক বেলা) খাবার খাওয়ায়।’ (দারাকুতনি)

- ইমাম জুহরি রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, ‘রমজানে রোজা রেখে যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে পানাহার করবে; তার হুকুম ইচ্ছাকৃতভাবে দিনে সহবাসকারীর অনুরূপ।’ অর্থাৎ তাকে কাযা ও কাফফারা উভয়টি আদায় করতে হবে।

>> ধূমপান
বিড়ি-সিগারেট, হুক্কা পান করলেও রোজা ভেঙে যাবে এবং এ কাজে কাযা ও কাফফারা উভয়টি জরুরি হবে।

বিশেষ করে-
সাহরির শেষ সময় জেনেও যারা পানাহার করে (সুবহে সাদিক হয়ে গেছে জানা সত্ত্বেও) আজান শোনা যায়নি বা এখনো ভালোভাবে আলো ছড়ায়নি এ ধরনের ভিত্তিহীন অজুহাতে খাবার গ্রহণ করে কিংবা স্ত্রীর সঙ্গে মেলামেশায় লিপ্ত হয়। সে ব্যক্তির রোজ বিশুদ্ধ হবে না।

আর যদি এ কাজগুলো ঐ নির্ধারিত সময়ে রোজার নিয়ত করার পর পুনরায় করে থাকে তবে তাদের জন্য কাযা-কাফফারা দুটোই জরুরি হবে। আল্লাহ তাআলা বলেন-
‘রোজার রাতে তোমাদের জন্য স্ত্রী সহবাস বৈধ করা হয়েছে। তারা তোমাদের পোষক এবং তোমরা তাদের পোষাক। আল্লাহ জানতেন, তোমরা আত্ম প্রতারণা করছ। তাই তিনি তোমাদের প্রতি সদয় হয়েছেন এবং তোমাদের অপরাধ ক্ষমা করেছেন। অতএব তোমরা তোমাদের পত্নীদের সঙ্গে সহবাস করতে পার এবং আল্লাহ তোমাদের জন্য যা (সন্তান) লিখে রেখেছেন, তা কামনা কর। আর তোমরা পানাহার কর; যতক্ষণ সকালের কালো রেখা থেকে সাদা রেখা প্রকাশ হয়, তৎপর রোজাকে রাত পর্যন্ত পূর্ণ কর এবং তোমরা মসজিদে ইতেকাফ অবস্থায়ও স্ত্রী সহবাস করো না। এগুলো আল্লাহর সীমারেখা। সুতরাং এ সবের ধারে কাছেও যেও না। এভাবে আল্লাহ মানব জাতির জন্য নিদর্শনসমূহ বর্ণনা করে থাকেন; হয়তো তরা পরহেজগারী অবলম্বন করবে। (সুরা বাকারা : আয়াত ১৮৭)

রোজার বিধান মানুষের জন্য কল্যাণের বিধান। এ বিধান পালনেই মানুষ আল্লাহর রহমত বরকত মাগফেরাত ও নাজাত পেয়ে থাকে। তাই রোজার বিধান পালনে কৃপনতা কিংবা অবহেলা নয় বরং কুরআনের হেদায়েত গ্রহণের চেষ্টা নিয়োজিত হওয়াই সর্বোত্তম কাজ।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে রোজা কাজা ও কাফফরা আবশ্যক হওয়ার বিষয়গুলো থেকে হেফাজত থাকার তাওফিক দান করুন। রোজার বিধানগুলো যথাযথ পালন করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

রোজার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মাসআলা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : প্রত্যেক মুসলিমের জন্য রোজা রাখা ফরজ। তবে প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থমস্তিষ্কসম্পন্ন, মুকিম (মুসাফির নয়), সুস্থদেহি হতে হবে। রোজা রাখার ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধ রয়েছে।

পাঠকদের জন্য রোজার কিছু গুরুত্বপূর্ণ মাসআলা বর্ণনা করা হলো-
রোজা অবস্থায় শরীর থেকে রক্ত বের হলে রোজা ভাঙ্গবে না। তবে ইচ্ছাকৃত এ পরিমাণ রক্ত বের করা মাকরুহ, যার দ্বারা রোজাদার খুব দুর্বল হয়ে যায়। (ফাতওয়ায়ে আলমগীরী ১/১৯৯-২০০)

দাঁত থেকে রক্ত বের হয়ে যদি তা থুথুর সাথে ভেতরে চলে যায়, আর রক্তের পরিমাণ থুথুর সমান বা বেশি হলে রোজা ভেঙ্গে যাবে। (আহসানুল ফাতওয়া ৪/৪৩৪)

হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) ও ইকরিমা (রহ.) বলেন, (পেটে বা মস্তিস্কে) কোনো কিছু প্রবেশ করলে রোজা ভেঙ্গে যায়। (বুখারী শরীফ ১/২৬০)

ছোলা-দানার চেয়েও কম দাঁতের ফাঁকে লেগে থাকা খাবার খেয়ে ফেললে রোজা ভাঙ্গবে না, তবে মাকরুহ হবে। হ্যাঁ মুখ থেকে বের করে তা খেলে রোজা ভেঙ্গে যাবে এবং কাজা ওয়াজিব হবে। (ফাতওয়ায়ে আলমগীরী ১/২০৩)

দাঁতের ফাঁকে থেকে যাওয়া (একটি ছোলা পরিমাণ বা তার অধিক) খাবার মুখ থেকে বের না করে খেয়ে ফেললে রোজা ভেঙ্গে যাবে। (ফাতওয়ায়ে আলমগীরী ১/২০২)

রোজা অবস্থায় টুথপেস্ট, টুথ পাউডার, মাজন বা কয়লা দিয়ে দাঁত মাজা মাকরুহ। রোজা অবস্থায় ইনহেলার ব্যবহার করলে রোজা ভেঙে যাবে। কোনো ব্যক্তি যদি হাঁপানি অথবা অ্যাজমার কারণে ইনহেলার ব্যবহার করতে বাধ্য হয়, তাহলে রোজা ভাঙার অনুমতি আছে। তবে ওই রোজা পরে কাজা করতে হবে। (ফাতাওয়ায়ে শামি : ২/৩৯৫)

রোজার কথা স্মরণ থাকা অবস্থায় কুলি করার সময় যদি পানি গলার ভেতর চলে যায়, তাহলে রোজা ভেঙে যাবে। এতে শুধু কাজা ওয়াজিব হবে। কাফফারা ওয়াজিব হবে না। (দুররে মুখতার : ১/১৫০)

কোনো কারণে রোজা ভেঙে গেলেও দিনের বেলায় পানাহার করা যাবে না। সারা দিন রোজাদারের মতো থাকা ওয়াজিব। (হিদায়া : ১/১৮৫)

কানে তেল বা ওষুধ প্রবেশ করালে রোজা ভেঙে যাবে। এতে শুধু কাজা ওয়াজিব হবে। কাফফারা ওয়াজিব হবে না। তবে গোসল করার সময় যদি অনিচ্ছাকৃতভাবে কানে পানি প্রবেশ করে, তাহলে রোজা ভাঙবে না। (রদ্দুল মুহতার : ২/৩৯৬)

পায়খানার রাস্তায় ডুশ ব্যবহার করলে রোজা ভেঙে যাবে। এতে শুধু কাজা ওয়াজিব হবে। কাফফারা ওয়াজিব হবে না। (ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া : ১/২০৪)

ভুলক্রমে পানাহার করলে রোজা ভঙ্গ হবে না। (বুখারি : ১৯৩৩)

রোজা অবস্থায় চোখে সুরমা বা শরীরে তেল, আতর ইত্যাদি ব্যবহার সম্পূর্ণ জায়েজ। এতে রোজার কোনো ক্ষতি হয় না। এমনকি যদি সুরমা ব্যবহারের পর থুথু কিংবা শ্লেষ্মায় রং পরিলক্ষিত হয়, তবু রোজার কোনো ক্ষতি হবে না। (ফাতহুল কাদির : ৪/৩২৭)

পবিত্র মাহে রমজান শুরু
                                  

আজ থেকে শুরু পবিত্র মাহে রমজান। মুসলমানদের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাস এটি। সোমবার (৬ মে) সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক শেষে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান। রাতে প্রথম তারাবির নামাজ আদায়ে মসজিদগুলোতে মুসল্লিদের ঢল নামে।

সোমবার মাগরিবের নামাজের পর চট্টগ্রামের আকাশে ভেসে ওঠে পবিত্র মাহে রমজান মাসের চাঁদ। প্রায় একই সময় রাজধানী ও ফেনীসহ দেশের অন্যান্য জেলা থেকেও রমজানের চাঁদ দেখার খবর পাওয়া যায়। ইসলাম ধর্মের বিধান অনুযায়ী চাঁদ দেখা যাওয়ায় পরের দিন থেকেই শুরু হবে রোজা পালন।

পরে সোমবার সন্ধ্যায় বায়তুল মোকাররম মসজিদে ইসলামি ফাউন্ডেশন আয়োজিত জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলন থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে চাঁদ দেখা যাওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ। এছাড়া আগামী ১ জুন দিবাগত রাতে সারা দেশে পবিত্র শবে কদর পালনের ঘোষণাও দেন তিনি।

রমজানের চাঁদ দেখা যাওয়ার ঘোষণার মধ্য দিয়ে রাতেই এশার নামাজের সঙ্গে মসজিদে মসজিদে শুরু হয়েছে তারাবির নামাজ আদায়। প্রথম দিনের তারাবির নামাজ হওয়ায় রাজধানীসহ সব মসজিদে মুসল্লিদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়।

পবিত্র রমজান উপলক্ষে সারাদেশে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাসব্যাপি কর্মসূচি
                                  

অনলাইন ডেস্ক : পবিত্র রমজান যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্য পরিবেশে পালনের জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশন সারাদেশে মাসব্যাপি বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষায় র‌্যালি ও সমাবেশ, পবিত্র কুরআন শিক্ষা, ইসলামী বইমেলা, হালাল পণ্য বিক্রি ও প্রদর্শনী, ইসলামি ক্যালিগ্রাফি, পুস্তক ও মহানবী (সা.) এর জীবনীভিত্তিক পোস্টার প্রদর্শনী, ইফতার মাহফিল প্রভৃতি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ রোববার একথা জানানো হয়।

মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষায় র‌্যালি ও সমাবেশ : পবিত্র রমযানের পবিত্রতা রক্ষায় জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে আগামীকাল সোমবার সকাল ১০টায় বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেট থেকে র‌্যালি শুরু হবে।

ধর্মপ্রতিমন্ত্রী শেখ মোঃ আব্দুল্লাহর নেতৃত্বে এই র‌্যালি বায়তুল মুকাররম মসজিদের উত্তর গেট থেকে শুরু হয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাব, সচিবালয় ও জিপিও হয়ে বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেটে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হবে। এছাড়া সকল বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে অনুরূপ র‌্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

পবিত্র কুরআন শিক্ষা : বায়তুল মুকাররমে ১ হতে ২৫ রমজান পর্যন্ত বয়স্কদের জন্য বোগদাদী কায়দায় কুরআন শিক্ষা দেয়া হবে। মহিলা ও পুরুষদের পৃথক ব্যাচে প্রতিদিন ৩টি ব্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। ১ম ব্যাচ: বেলা ১২টা হতে দুপুর ১টা, ২য় ব্যাচ: দুপুর ২টা হতে বিকাল ৩টা এবং ৩য় ব্যাচ: বিকাল ৫টা হতে ৬ টা।

ইসলামী বইমেলা: বায়তুল মুকাররমের দক্ষিণ চত্বরে ১ রমযান থেকে মাসব্যাপি ইসলামি বইমেলা অনুষ্ঠিত হবে। মেলা প্রতিদিন সকাল ১০ টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকবে।

হালাল পণ্য বিক্রি ও প্রদর্শনী : মাহে রমজানে বায়তুল মুকাররমের দক্ষিণ সাহানে মাসব্যাপি হালাল পণ্য বিক্রয় ও প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। প্রদর্শনী প্রতিদিন সকাল ১০ টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকবে। মেলায় বিশেষ কমিশনের ইসলামী বই বিক্রয় করা হবে।

ইসলামি ক্যালিগ্রাফি, পুস্তক ও মহানবী (সা.) এর জীবনীভিত্তিক পোস্টার প্রদর্শনী : বায়তুল মুকাররমের উত্তর সাহানে ইসলামি ক্যালিগ্রাফি, পুস্তক ও নবী করিম (সা.) এর জীবনীভিত্তিক পোস্টার প্রদর্শনী হবে। প্রতিদিন বাদ যোহর থেকে মাগরিব নামাযের পূর্ব পর্যন্ত প্রদর্শনী দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

ইফতার মাহফিল : জাতীয় মসজিদের পূর্ব সাহানে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার রোজাদার মুসল্লিদের জন্য ইফতারের ব্যবস্থা করা হবে।

বাদ যোহর তাফসির ও প্রাক তারাবীহ্ আলোচনা : মাহে রমজানে জাতীয় মসজিদে প্রতিদিন বাদ যোহর তাফসিরুল কুরআন মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া প্রতিদিন তারাবীহ নামাজে পঠিতব্য আয়াতের ওপর তারাবীহ নামাজের পূর্বে আলোচনা করা হবে।

খতমে বোখারী ও মাসয়ালা-মাসায়েল আলোচনা: পবিত্র রমজান মাসে বায়তুল মুকাররমের পূর্ব সাহানে প্রতিদিন বাদ আসর থেকে খতমে বোখারী (দরসে হাদীস) ও রমযানে মাসয়ালা মাসায়েল সম্পর্কে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

কিয়ামুল লাইল : জাতীয় মসজিদে ২০ রমজান দিবাগত রাত থেকে ২৬ রমজান দিবাগত রাত পর্যন্ত প্রতিদিন রাত ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত ৭ দিনব্যাপি কিয়ামুল লাইল নামাযে তিলাওয়াতের মাধ্যমে পবিত্র কুরআন শরীফ এক খতম সম্পন্ন করা হবে।

ইতিকাফের ব্যবস্থা : পবিত্র রমজান মাসের শেষ ১০ দিন বায়তুল মুকাররমে আগ্রহী মুসল্লীদের জন্য ইতিকাফের ব্যবস্থা করা হবে।

সালাতুত্তাসবীহ্ আদায় : মাহে রমজানের ২৮ তারিখ দিবাগত রাতে জাতীয় মসজিদে ফজিলতপূর্ণ নামাজ সালাতুত্তাসবীহ আদায় করা হবে।

৬৭ হাজার ৩৬৮টি মসজিদে কুরআন শিক্ষা প্রদান : মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পের আওতায় সারাদেশে ৬৭ হাজার ৩৬৮টি কেন্দ্রের প্রতিটিতে নিয়মিত পাঠদানের পাশাপাশি পবিত্র রমজান মাসে এলাকাবাসীদের কুরআন শিক্ষা প্রদান করা হবে।

১ হাজার ১০টি দারুল আরকাম মাদ্রাসায় আলোচনা সভা : ইসলামিক ফাউন্ডেশন পরিচালিত ১হাজার ১০টি দারুল আরকাম ইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের পবিত্র রমজানের গুরুত্ব ও মাসয়ালা-মাসায়েল শিক্ষা প্রদান করা হবে।

ইসলামিক মিশনের ৫০টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠান : ইসলামিক মিশনের ৫০টি কেন্দ্রের ৪২৫টি মক্তব ও ১৯টি ইবতেদায়ী মাদ্রাসার মাধ্যমে পবিত্র রমজান মাসে এলাকাবাসীকে পবিত্র কুরআন শিক্ষা প্রদান করা হবে এবং তাফসিরুল কুরআন মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। বাসস

ঘূর্ণিঝড়ে যে দোয়া পড়বেন
                                  

ধর্ম ডেস্ক : ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও ঝড়ো বাসাত থেকে মুক্ত থাকতে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইতেন। কেননা মহান আল্লাহই মানুষের সবচেয়ে বড় আশ্রয়দাতা।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘তোমরা বাতাসকে গালি দিও না। তবে যদি তোমরা একে তোমাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে দেখতে পাও, তবে এ দোয়া করবে-

اَللَّهُمَّ اِنَّا نَسْئَالُكَ مِنْ خَيْرِ هَذِهِ الرِّيْحِ وَ خَيْرِ مَا فَيْهَا وَ خَيْرِمَا أُمِرَتْ بِهِ وَ نَعُوْذُبِكَ مِنْ شَرِّ هَذِهِ الرِّيْحِ وَ شَرِّ مَا فَيْهَا وَ شَرِّ مَا أُمِرَتْ بِهِ
উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্না নাসআলুকা মিন খাইরি হাজিহির রিহি ওয়া খাইরি মা ফিহা ওয়া খাইরি মা উমিরাত বিহি, ওয়া নাউজুবিকা মিন শাররি হাজিহির রিহি ওয়া শাররি মা ফিহা ওয়া শাররি মা উমিরাত বিহি’ (তিরমিজি, মিশকাত)

অর্থ : হে আল্লাহ! আমরা তোমার নিকট এ বাতাসের ভালো দিক, এতে যে কল্যাণ রয়েছে তা এবং যে উদ্দেশ্যে তা নির্দেশপ্রাপ্ত হয়ে এসেছে তার উত্তম দিকটি প্রার্থনা করছি। এবং তোমার নিকট এর খারাপ দিক হতে, এতে যে অকল্যাণ রয়েছে তা হতে এবং এটা যে উদ্দেশ্যে আদেশপ্রাপ্ত হয়ে এসেছে তার মন্দ দিক হতে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।

বিপদাপদ থেকে আত্ম-রক্ষায় প্রতিদিনের দোয়া
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতিদিন সকাল এবং সন্ধ্যায় নিন্মোক্ত দোয়াটি পড়ে; তাকে কোনো বিপদাপদ ও বালা-মুছিবত স্পর্শ করবে না-
بِسْمِ اللهِ الَّذِيْ لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِيْ الْأَرْضِ وَلَا فِيْ السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيْعُ الُعَلِيْم
উচ্চারণ : ‘বিসমিল্লাহিল লাজি লা ইয়াদূররু মাআস মিহি শাইয়ুন ফিল আরদি ওয়ালা ফিস সামিই ওয়াহুয়া সামিয়ুল আলিম।’ (তিরমিজি, ইবনু মাজাহ, মিশকাত)

প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর উম্মতের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করেছেন, যেন তাঁর উম্মতকে দুর্যোগ ও বিপর্যয় দিয়ে এক সঙ্গে ধ্বংস করে দেয়া না হয়।

এ সব বিপদকালীন সময়ে বিশ্বনবি বেশি বেশি তাওবা ও ইসতেগফার করতেন এবং অন্যদেরকেও তা পড়তে নির্দেশ দিতেন।

সুতরাং মুসলিম উম্মাহর উচিত ঘূর্ণিঝড়, প্রবল ঝড়ো বাতাস ও বিপদ-আপদে উল্লেখিত দোয়া পড়া এবং বেশি বেশি তাওবা-ইসতেগফার করা।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে ঘূর্ণিঝড়ে হাদিসের শেখানো দোয়া পড়ার এবং বেশি বেশি তাওবা-ইসতেগফার করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

রমজানে যে বিশেষ দোয়া পড়বেন
                                  

ধর্ম ডেস্ক : রমজান অনেক মর্যাদা ও ফজিলতপূর্ণ মাস। এ মাসে মহান আল্লাহ বান্দার প্রতি অবিরত রহমত বরকত নাজিল করেন। আর বান্দাকে মাগফেরাত ও নাজাত দান করেন। শাবান মাসের শেষ দিন প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর উম্মতদের বিশেষ তাসবিহ ও দোয়া পড়তে বলেছেন।

প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমজান মাস জুড়ে তাসবিহ, ইসতেগফার ও দোয়ার মাধ্যমে অতিবাহিত করা ছিল উম্মতের জন্য বিশেষ নসিহত। যাতে মানুষ এ বিশেষ তাসবিহ, ইসতেগফার ও দোয়ার মাধ্যমে নিজেকে দুনিয়া ও পরকালের কল্যাণে পরিপূর্ণভাবে তৈরি করতে পারেন। হাদিসে পাকে এসেছে-

হজরত সালমান ফারসি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, ‘শাবান মাসের শেষ দিন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের উদ্দেশ্য বক্তব্য দেন যে, ‘হে লোক সকল! অবশ্যই তোমাদের সামনে মহান মাস, বরকতময় মাস উপস্থিত। এ মাসে তোমরা ৪টি কাজ বেশি বেশি আদায় কর। এর মধ্যে দু’টি কাজ আল্লাহর জন্য আর দু’টি কাজ তোমাদের নিজেদের জন্য।

আল্লাহ জন্য ২ কাজ হলো (তাসবিহ) এ সাক্ষ্য দেয়া যে, তিনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা।
আর নিজের জন্য যে দুই কাজ করতে বলেছেন, তাহলো- জান্নাত লাভের দোয়া করা এবং জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি চাওয়া।’

হাদিসে ঘোষিত বিশেষ দোয়া

> তাসবিহ পড়া অর্থাৎ এ সাক্ষ্য দেয়া-
- لَا اِلَهَ اِلَّا الله
উচ্চারণ : ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’
অর্থ : আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই।

> ইসতেগফার করা অর্থাৎ ক্ষমা চাওয়া। হাদিসে অনেক ইসতেগফার এসেছে। এর যে কোনোটি পড়লেই হবে-
- اَسْتَغْفِرُوا اللهَ العَظِيْم اِنَّ اللهَ غَفُوْرُ الرَّحِيْم
উচ্চারণ : আসতাগফিরুল্লাহাল আজিম ইন্নাল্লাহা গাফুরুর রাহিম।
অর্থ : মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই, নিশ্চয় তিনি ক্ষমাশীল, দয়ালু।

- اَسْتَغْفِرُوا اللهَ العَظِيْم اّللَّذِى لَا اِلَهَ اِلَّا هُوَ الْحَىُّ الْقَيُّوْمُ وَ اَتُوْبُ اِلَيْهِ
উচ্চারণ : আসতাগফিরুল্লাহাল আজিম আল্লাজি লা ইলাহা ইল্লাহুয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুমু ওয়া আতুবু ইলাইহি।
অর্থ : মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই, যিনি এক ব্যতিত কোনো ইলাহ নেই। তিনি চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী এবং তার দিকেই আমরা ফিরে যাবো।’

- رَبِّ اغْفِرْ لِي وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيمُ
উচ্চারণ : রাব্বিগফিরলি ওয়া তুব্ আলাইয়্যা ইন্নাকা আংতাত তাওয়াবুর রাহিম।`
অর্থ : হে আমার প্রতিপালক! আমাকে ক্ষমা করে দিন, আমার তাওবা কবুল করুন। নিশ্চয় আপনি অতিশয় তাওবাকবুলকারী, দয়াবান।`

- اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ وَأَبُوءُ بِذَنْبِي فَاغْفِرْ لِي فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ
উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা আনতা রাব্বি লা ইলাহা ইল্লা আনতা খালাক্বতানি; ওয়া আনা আ’বদুকা ওয়া আনা আ’লা আ’হদিকা ওয়া ওয়া’দিকা মাসতাত্বা’তু, আউজুবিকা মিন শাররি মা সানা’তু আবুউলাকা বিনি’মাতিকা আলাইয়া; ওয়া আবুউ বিজামবি ফাগফিরলি ফা ইন্নাহু লা ইয়াগফিরুজ জুনুবা ইল্লা আনতা।’

অর্থ : ‘হে আল্লাহ! তুমি আমার প্রতিপালক, তুমি ছাড়া ইবাদতের যোগ্য কোনো উপাস্য নেই। তুমি আমাকে সৃষ্টি করেছ। আমি তোমার বান্দা। আমি আমার সাধ্যমত তোমার প্রতিশ্রুতিতে অঙ্গীকারাবদ্ধ রয়েছি। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্টতা থেকে তোমার নিকট আশ্রয় চাই। আমার ওপর তোমার অনুগ্রহকে স্বীকার করছি এবং আমার পাপও স্বীকার করছি। অতএব তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও। নিশ্চয়ই তুমি ব্যতিত কোনো ক্ষমাকারী নেই।’

> জান্নাত লাভ ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির দোয়া-
- اَللَّهُمَّ اَدْخِلْنَا الْجَنَّةَ وَ اَجْرِنَا مِنَ النَّارِ
উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা আদখিলনাল জান্নাতা ওয়া আঝিরনা মিনান নার।’
অর্থ : হে আল্লাহ! আমাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করাও এবং জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি দাও।’

- اَللهُمَّ انَّ نَسْئَلُكَ الْجَنَّةَ وَ نَعُوْذُبِكَ مِنَ النَّارِ
উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্না নাসআলুকাল জান্নাতা ওয়া নাউজুবিকা মিনান নার।’
অর্থ : হে আল্লাহ! আপনার কাছে জান্নাত চাই এবং জাহান্নামের আগুন থেকে আশ্রয় চাই।’

হাদিসে পাকে আরো এসেছে, ‘যে ব্যক্তি সকাল সন্ধ্যা ৩ বার জান্নাতের আশা ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির জন্য প্রার্থনা করবে, জান্নাত-জাহান্নাম আল্লাহর কাছে ওই ব্যক্তির দোয়া কবুলে সুপারিশ করবে।

প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পুরো রমজান মাস জুড়ে বেশি বেশি তাওহিদের ঘোষণা, ইসতেগফার বা ক্ষমা প্রার্থনা করা, জান্নাতের আশা ও জাহান্নাম থেকে নাজাতের দোয়া করার কথা বলেছেন।

আল্লাহ তাআলা রমজানজুড়ে হাদিসের নির্দেশনা অনুযায়ী উল্লেখিত তাসবিহ, ইসতেগফার ও দোয়াগুলো বেশি বেশি পড়ার তাওফিক দান করুন। হাদিসের ওপর যথাযথ আমল করে রমজানের রহমত বরকত মাগফেরাত ও নাজাত লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।

নামাজরত অবস্থায় কল বেজে উঠলে কী করবেন?
                                  

প্রশ্ন : নামাজের মাঝখানে কল বেজে উঠলে তখন কী করণীয়। নামাজ নষ্ট না করে রিং বন্ধ করার কোনো ব্যবস্থা আছে কি? বিস্তারিত জানতে চাই।

উত্তর: নামাজ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। পরিপূর্ণ একাগ্রতা ও খুশু-খুযুর সঙ্গে তা আদায় করা কাম্য। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন-“নিশ্চয়ই সফল মুমিন তারাই যারা নিজেদের নামাজে আন্তরিকভাবে বিনীত”-সূরা মুমিনুন:১

খুশুর অর্থ, অন্তরকে বিনয়ের সঙ্গে নামাজের অভিমুখী করা। আর খুযুর অর্থ,বাহ্যিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে নত করা। নামাজে উভয়টি কাম্য। তাই নামাজে পরিপূর্ণ একাগ্রতা আনার জন্য মসজিদে প্রবেশের আগেই হয় মোবাইল একেবারে বন্ধ করা, আর নাহয় অন্তত রিংটোন বন্ধ করে রাখা আবশ্যক।

কারণ মসজিদে রিং বেজে উঠলে শুধু নিজের নামাজেরই একাগ্রতা নষ্ট হয় না;বরং অন্যদের নামাজেও বিঘ্নতা সৃষ্টি হয় যা অপরাধের মাত্রাকে আরও বাড়িযে দেয়।

উল্লিখিত সতর্কতা অবলম্বন করা সত্ত্বেও ভুলে কখনো মোবাইল বন্ধ করা না হলে এবং নামাজ অবস্থায় রিং বেজে উঠলে সেক্ষেত্রে নামাজ থেকেই রিং বন্ধ করতে হবে। নামাজ অবস্থায় রিং বন্ধ করার ক্ষেত্রে লক্ষণীয় হলো-

. এক হাতের সাহায্যে মোবাইল পকেটে রেখেই বন্ধ করবে। দুই হাত ব্যবহার করবেন না। পকেট থেকে মোবাইল বের করতে হলে সেক্ষেত্রেও এক হাতে বন্ধ করবেন। মোবাইল বের করে পকেটের কাছে রেখেই না দেখে দ্রুত বন্ধ করে পকেটে রেখে দিবেন।

. এক হাত দ্বারা বন্ধ করতে গিয়ে মোবাইল পকেট থেকে বের করে দেখে দেখে বন্ধ করবেন না। অবশ্য বন্ধ করার জন্য বাটন দেখার প্রয়োজন হলে সেক্ষেত্রে বাটন দেখে দ্রুত বন্ধ করা যাবে। এ কারণে নামাজ নষ্ট হবে না। তবে কার কল আসল তা ইচ্ছাকৃত দেখলে নামাজ মাকরুহ হবে। কেননা নামাজ অবস্থায় কোন লেখা দেখা এবং বোঝার চেষ্টা করা মাকরুহ। তাই এ থেকে বিরত থাকা জরুরি। (আলমুহীতুল বুরহানী ২/১৫৯;শরহুল মুনইয়া,পৃ.৪৪৭;আদ্দুররুল মুখতার ১/৬৩৪,৬২৪)

. মোবাইল বন্ধের জন্য একসঙ্গে দুই হাত ব্যবহার করা যাবে না। কারণ একসঙ্গে দুই হাত ব্যবহার করলে নামাজ নষ্ট হয়ে যাবে। অবশ্য দুই হাত ব্যবহার করা ছাড়া বন্ধ করা সম্ভব না হলে সেক্ষেত্রেও বন্ধ করতে হবে। যেন অন্যদের নামাজে বিঘ্নতা সৃষ্টি না হয়। আর ওই নামাজ পুনরায় পড়তে হবে। . সেজদা অবস্থায় রিং বেজে উঠলে সেক্ষেত্রে সেজদা থেকে না ওঠে পূর্বোক্ত পন্থায় এক হাতে রিং বন্ধ করবে। এক্ষেত্রে রিং বা মোবাইল বন্ধ করার জন্য ইমামকে সেজদায় রেখে সেজদা থেকে উঠা যাবে না।

উত্তর দিয়েছেন: মুফতি আব্দুল্লাহ মাসুম
উস্তায ও নায়েবে মুফতি,ফতোয়া বিভাগ,জামিয়া শারইয়্যাহ মালিবাগ,ঢাকা-১২১৭

কুরআন মুখস্থ করলো ৩ বছরের শিশু
                                  

ধর্ম ডেস্ক : কুরআন আল্লাহর কিতাব। এ কিতাবের সংরক্ষণের দায়িত্ব মহান আল্লাহ নিজেই গ্রহণ করেছেন। আর আল্লাহ তাআলা তা মানুষের হৃদয়ে সংরক্ষণ করেছেন। যা ইচ্ছা করলেও কেউ হৃদয় থেকে মুছে দিতে পারবে না। যার প্রমাণ আজারবাইজানের ৩ বছরের ফুটফুটে জাহরা। এ বয়সেই সে মুখস্থ করেছে পবিত্র কুরআন।

জাহরা হোসাইন। বয়স মাত্র ৩ বছর। এ বয়সে কুরআন মুখস্থ করে সারা বিশ্বকে অবাক করে দিয়েছে সে। আর তাতেই সে দেশটির সবচেয়ে কনিষ্ঠ হাফেজ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে বসবাসকারী কনিষ্ঠ হাফেজ জাহরার মা জানান, ‘জাহরা যখন তার গর্ভে তখন তিনি বেশি বেশি কুরআন তেলাওয়াত করতেন। উচ্চস্বরের কুরআনের তেলাওয়াত মনোযোগ সহকারে শুনতেন।

জাহরার জন্মের পর ছড়া কিংবা কবিতার পরিবর্তে জাহরাকে ঘুম পাড়াতে কুরআনের ছোট ছোট সুরাগুলো তেলাওয়াত করতেন।

জাহরার বয়স যখন ১ বছর তখন থেকেই তার মা লক্ষ্য করেন যে, জাহরা তার তেলাওয়াত করা ছোট ছোট সুরাগুলো তার সাথে তেলাওয়াতের চেষ্টা করছে। মেয়ের এ আগ্রহ দেখে সে কুরআন তেলাওয়াত বাড়িয়ে দেন। আর এভাবেই ৩ বছর বয়সে কোনো শিক্ষক ছাড়াই মায়ের কাছ থেকে শুনে শুনে জাহরা পবিত্র কুরআনের ৩৭টি সুরা মুখস্থ করে ফেলেছে।

জাহরার কুরআন মুখস্থে তার মায়ের অবদানই সবচেয়ে বেশি। কারণ তার জন্মের আগে থেকে মায়ের নিয়মিত কুরআন তেলাওয়াত এবং জন্মের পর ঘুম লাগানোর সময় কুরআনের অবিরাম তেলাওয়াতই জাহরাকে কুরআনের প্রতি আগ্রহী করে তুলেছে।

আল্লাহ তাআলা ৩ বছরের ছোট্ট জাহরা হোসাইনকে কুরআনের পাখি হিসেবে কবুল করুন। জাহরার মতো সব শিশুকেই কুরআনের আবহে বেড়ে ওঠার তাওফিক দান করুন। আমিন।

যে ৪ আমলে রমজান মাস সাজাতে বলেছেন বিশ্বনবি
                                  

ধর্ম ডেস্ক : রহমত বরকত মাগফেরাত ও নাজাতের মাস পবিত্র রমজান। এ মাস মানুষকে দুনিয়া ও পরকালের জন্য সব নেয়ামত আহরণের প্রতি আহ্বান করে। মুমিন মুসলমান যদি রমজান মাস জুড়ে আল্লাহর কাছে ৪টি কাজ করে তবে তার দুনিয়া ও পরকাল হবে সফলকাম।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘এই রোজার মাসে তোমরা ৪টি কাজ বেশি বেশি কর-
- ২টি কাজ তোমাদের প্রতিপালকের জন্য করবে। এ ২ কাজে তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের প্রতি সন্তুষ্ট হবে।
- ২টি কাজ নিজেদের জন্য করবে। এ কাজ দুটি এমন যে, তা না করে তোমাদের কোনো উপায় নেই।

প্রতিপালকের জন্য ২ কাজ
- বেশি বেশি কালেমা শাহাদাত ‘আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ পড়া। আর
- আল্লাহর কাছে বেশি বেশি ইসতেগফার করা।

আর নিজেদের জন্য যে ২ কাজ করতে হবে
- আল্লাহর কাছে জান্নাত প্রার্থনা করা। আর
- জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি চাওয়া।

কালেমা পাঠের কারণ
শাহাদাতের এ কালেমা মানুষকে আল্লাহর একত্ববাদের দিকে ধাবিত করবে। মানুষ একত্ববাদের গোলাম। আর একত্ববাদের প্রতিষ্ঠার জন্যই আল্লাহ তাআলা দুনিয়ার সব কিছু সৃষ্টি করেছেন। রমজান মাস দান করেছেন। পবিত্র কুরআন দান করেছেন। সব আম্বিয়া কেরামকে একত্ববাদের প্রতিষ্ঠার জন্য পাঠিয়েছেন।
তাই কুরআন নাজিলের মাসে মহান আল্লাহর একত্ববাদের স্বীকৃতি বেশি বেশি দেয়ার মাধ্যমে একত্ববাদের দিকে নিজেকে একনিষ্ঠ করে তোলা।

ইসতেগফারের কারণ
আল্লাহ বলেন, তোমরা তোমাদের রবের কাছে ইসতেগফার কর। তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল।’ ইসতেগফারের কারণে আল্লাহ তাআলা অনেক কঠিন অবস্থা থেকে মানুষকে হেফাজত করবেন।
- দেশ যদি খড়া কবলিত হয় তবে- আকাশ থেকে মেঘ বর্ষণ করবেন। দেশ মরুভূমি হবে না।
- নিজেদের আয় রোজগার বেড়ে যাবে। কখনো অভাব আসবে না।
- সন্তান-সন্তুতি না থাকলে আল্লাহ সন্তান-সন্তুতি দান করবেন।
- পরিবেশেকে সবুজময় করে দেবেন।
- পরিবেশকে সুন্দর করতে নদি-নালা প্রবাহিত করবেন।

জান্নাত চাওয়ার কারণ
মুমিন মুসলমানের আদি নিবাস জান্নাত লাভের আবেদন করা। যেটা দুনিয়ার কোনো বাড়ি নয়। যে বাড়িতে অবস্থানকারী ব্যক্তি কখনো বৃদ্ধ হবে না। পরিধানের জামা-কাপড় হবে পুরনো।
যেখানে বিরাজমান থাকবে মধু প্রবাহিত নদী। মদের নদী । যে মদ মানুষকে কখনো নেশাগ্রস্ত করবে না। যে বাড়িতে মানুষ কখনো বুড়ো হবে না। না শেষ হবে তার যৌবন।
এ জান্নাত আল্লাহর কাছে চাইতে হবে। হাদিসে এসেছে- যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে কোনো কিছু চায় না আল্লাহ তাআলা তার প্রতি রাগান্বিত হন।’ তাই জান্নাত লাভে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা, আকুতি জানাতে হবে।

জাহান্নাম থেকে মুক্তি চাওয়া
পরকালের চিরস্থায়ী জীবন যেন আল্লাহর ভয়াবহ আজাবে পরিণত না হয় সে জন্যেই আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। আল্লাহর কোনো বান্দা জাহান্নামের আগুনে জ্বলবে, এটা মহান আল্লাহ পছন্দ করেন না। যার প্রমাণ কুরআন এবং হাদিসের সব নসিহত। সব স্থানেই আল্লাহ তাআলা বান্দাকে জাহান্নামের ব্যাপারে সতর্ক করেছেন। আর তা থেকে মুক্তির পথ দেখিয়েছেন।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে রহমত বরকত মাগফেরাত ও নাজাতের মাস রমজান জুড়ে এ ৪টি কাজ যথাযথ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

নেককার বান্দার ৩ আলামাত
                                  

ধর্ম ডেস্ক : নেককার বান্দা কারা? কেমন অবস্থার সৃষ্টি হলে কিংবা অনুভূতি কেমন হলে বুঝবেন যে আপনি নেককার। তাদের চেনার বা নিজেকে নেককার বান্দা হিসেবে বুঝার উপায়ই বা কী?

নেককার বান্দার ৩টি হালত বা অবস্থার কথা তুলে ধরেছেন হজরত শাকিক বিন ইবরাহিম রাহমাতুল্লাহি আলাইহি। তাকে নেককাবার বান্দার হালত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি এ ৩টি বিষয় তুলে ধরেন-

> প্রসিদ্ধ ও তাকওয়াবান আলেমের কাছে নিজের আমল ইবাদতের অবস্থা বর্ণনার পর যদি তিনি তাতে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন, তবে বুঝতে হবে যে তিনি পুণ্যবান বা নেককার বান্দা। অতঃপর এ আমলের ধারা অব্যাহত রাখা।
>> জিনিস যত দামিই হোক কেন? কিংবা দুনিয়ার যত মূল্যবান সম্পদই হোক না কেন? যদি দামি ধন-সম্পদ দেখার পরও কারো মধ্যে সম্পদের লোভ বা আকর্ষন না জন্মে।তবে বুঝতে হবে তা নেককার বান্দার গুণ।
>> যে নিজের সামনে এ প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয় যে, এক্ষুনি সে মৃত্যুবরণ করবে, আর তাতে নিজেকে মৃত্যুর জন্য উপযুক্ত ভাবে কিংবা মৃত্যুর সংবাদে স্বাচ্ছন্যবোধ করে বা মৃত্যুর জন্য সে প্রস্তুত। তবে বুঝতে হবে যে এ ব্যক্তির মাঝেও নেককার বান্দার গুণ বা স্বভাব রয়েছে।

সুতরাং নেককার বান্দার জন্য উল্লেখিত ৩টি হালত নিজের মধ্যে অর্জন করা জরুরি। যে কোনো সময় মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থাকা জরুরি।

যারাই এ গুণ ৩টি অর্জন করতে সক্ষম; তাদের উচিত মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করা এবং বেশি বেশি নিজের অক্ষমতা প্রকাশ করা। যেন কোনো ব্যক্তির আমলে রিয়া বা লোক দেখানো ইবাদত স্থান না পায়।

আর এ সব নেককার বান্দার জন্য রয়েছে অনেক সুসংবাদ। আল্লাহ তাআলার সে সুসংবাদ হলো-
> আর আল্লাহর নেককার বান্দা হওয়ার অন্যতম উপায় হলো তাকওয়া বা আল্লাহর ভয় অর্জন করা। যারা আল্লাহকে ভয় করে তারাই পাবে সর্বোচ্চ পুরস্কারের ঘোষণা। আল্লাহ বলেন, ‘কিন্তু যারা তাদের প্রতিপালককে ভয় করে, তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত। যার তলদেশে নদী প্রবাহিত, সেখানে তারা চিরস্থায়ী হবে।’ (সুরা আল-ইমরান : আয়াত ১৯৩)
> ‘নিশ্চয় পুণ্যবানগণ তো থাকবে পরম সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যে।’ (সুরা ইনফিতার : আয়াত ১৩)
> নিশ্চয় সৎকর্মশীলগণ পান করবে এমন পানীয় যার মিশ্রণ হবে কার্পুরের অর্থাৎ ঠাণ্ডা ও সুগন্ধযুক্ত।’ (সুরা ইনসান : আয়াত ৫)
>‘অবশ্যই পুণ্যবানদের আমলনামা থাকবে ইল্লিয়্যিনে।’ (সুরা আল মুতাফ্ফিফিন : আয়াত ১৮) এটা আরশের নিকটবর্তী স্থান।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে রিয়ামুক্ত থেকে নিজেদের মধ্যে উল্লেখিত ৩টি হালত তৈরি করার তাওফিক দিন। আমিন।

২১ এপ্রিল দিবাগত রাতে পবিত্র শবে বরাত
                                  

অনলাইন ডেস্ক : আগামী ২১ এপ্রিল দিবাগত রাতে সারাদেশে পবিত্র লাইলাতুল বরাত উদ্যাপিত হবে।

আজ সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মুকাররম সভা কক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
আজ ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব এডভোকেট শেখ মোঃ আব্দুল্লাহর সভাপতিত্বে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা শেষে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
এতে জানানো হয়, বাংলাদেশের আকাশে আজ কোথাও ১৪৪০ হিজরি সনের পবিত্র শাবান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে আগামী ৭ এপ্রিল রবিবার পবিত্র রজব মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে।

সভায় ধর্মসচিব মোঃ আনিছুর রহমান, তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাঃ আজহারুল হক, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মোঃ জাকির হোসেন, বাংলাদেশ ওয়াক্ফ প্রশাসক মোঃ শহীদুল ইসলাম, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মুঃ. আঃ হামিদ জমাদ্দার, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক কাজী নূরুল ইসলাম, সরকারী মাদ্রাসা-ই-আলিয়ার প্রিন্সিপাল প্রফেসর মোঃ আলমগীর রহমান, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের পিএসও শাহ মোঃ মিজানুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় ১৪৪০ হিজরি সনের পবিত্র শাবান মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সকল জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন-এর প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়সমূহ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সকল কার্যালয় এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান হতে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করে সর্বসম্মত দিবাগত রাতে সারাদেশে পবিত্র লাইলাতুল বরাত উদ্যাপিত হবে। বাসস

তাহাজ্জুদ নামাজে বিশ্বনবি যে দোয়া পড়তেন
                                  

ধর্ম ডেস্ক : রাতের নামাজ তাহজ্জুদ। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ হওয়ার আগে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওপর এ নামাজ পড়া আবশ্যক ছিল। তিনি রাত জেগে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করতেন। কুরআনে পাকে আল্লাহ তাআলা প্রিয় নবিকে তাহাজ্জুদ আদায়ের নির্দেশ দিয়েছিলেন।

প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রাত জেগে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়তেন। আর আবেগঘন কণ্ঠে আল্লাহর প্রশংসা করতেন। হাদিসে পাকে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সে প্রশংসা ওঠে এসেছে। আর তাহলো-

হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রাতে তাহাজ্জুদের উদ্দেশে যখন দাঁড়াতেন,ম তখন (এ) দোয়া পড়তেন-

اللَّهُمَّ لَكَ الْحَمْدُ أَنْتَ قَيِّمُ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضِ وَمَنْ فِيهِنَّ وَلَكَ الْحَمْدُ، لَكَ مُلْكُ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضِ وَمَنْ فِيهِنَّ،
وَلَكَ الْحَمْدُ أَنْتَ نُورُ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضِ، وَلَكَ الْحَمْدُ أَنْتَ الْحَقُّ، وَوَعْدُكَ الْحَقُّ، وَلِقَاؤُكَ حَقٌّ، وَقَوْلُكَ حَقٌّ، وَالْجَنَّةُ حَقٌّ، وَالنَّارُ حَقٌّ،
وَالنَّبِيُّونَ حَقٌّ، وَمُحَمَّدٌ صلى الله عليه وسلم حَقٌّ، وَالسَّاعَةُ حَقٌّ، اللَّهُمَّ لَكَ أَسْلَمْتُ، وَبِكَ آمَنْتُ وَعَلَيْكَ تَوَكَّلْتُ، وَإِلَيْكَ أَنَبْتُ، وَبِكَ خَاصَمْتُ، وَإِلَيْكَ حَاكَمْتُ، فَاغْفِرْ لِي مَا قَدَّمْتُ وَمَا أَخَّرْتُ، وَمَا أَسْرَرْتُ وَمَا أَعْلَنْتُ، أَنْتَ الْمُقَدِّمُ وَأَنْتَ الْمُؤَخِّرُ، لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ ـ أَوْ لاَ إِلَهَ غَيْرُكَ

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা লাকাল হামদু আংতা কায়্যিমুস সামাওয়অতি ওয়াল আরদি ওয়া মান ফিহিন্না ওয়া লাকালহামদু। লাকা মুলকুস সামাওয়অতি ওয়াল আরদি ওয়া মান ফিহিন্না। ওয়া লাকাল হামদু আংতা নুরুস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ। ওয়া লাকাল হামদু আংতাল হাক্কু। ওয়া ওয়া’দুকাল হাক্কু। ওয়া লিক্বাউকা হাক্কু। ওয়াল ঝান্নাতু হাক্কু। ওয়ান নারু হাক্কু। ওয়ান নাবিয়্যুনা হাক্কু। ওয়া মুহাম্মাদুন সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা হাক্কু। ওয়াস সাআতু হাক্কু। আল্লাহুম্মা লাকা আসলামতু। ওয়াবিকা আমাংতু ওয়া আলাইকা তাওয়াক্কালতু। ওয়া ইলাইকা আনাবতু। ওয়া বিকা খাসামতু। ওয়া ইলাইকা হাকামতু। ফাগফিরলি মা কাদ্দামতু ওয়া মা আখ্খারতু। ওয়া মা আসরারতু ওয়া মা আ’লাংতু। আংতাল মুকাদ্দিমু ওয়া আংতাল মুআখ্খিরু। লা ইলাহা ইল্লা আংতা। লা ইলাহা গাইরুকা।’ (বুখারি)

অর্থ : ‘হে আল্লাহ! সব প্রশংসা আপনারই, আপনিই আসমান-জমিন ও উভয়ের মাঝে বিদ্যমান সব কিছুর নিয়ামক এবং আপনারই জন্য সব প্রশংসা। আসমান-জমিন এবং এর মাঝে বিদ্যমান সব কিছুর কর্তৃত্ব আপনারই। আপনারই জন্য সব প্রশংসা। আপনি আসমান-জমিনের নুর। আপনারই জন্য সব প্রশংসা। আপনি আসমান-জমিনের মালিক, আপনারই জন্য সব প্রশংসা।

আপনিই চির সত্য। আপনার ওয়াদা চির সত্য। (পরকালে) আপনার সাক্ষাৎ সত্য। আপনার বাণী সত্য। আপনার জান্নাত সত্য। আপনার জাহান্নাম সত্য। আপনার (প্রেরিত) নবিগণ সত্য। মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম সত্য, কেয়ামত সত্য।

হে আল্লাহ! আপনার কাছেই আমি আত্মসমর্পণ করলাম, আপনার ওপর ঈমান আনলাম, আপনার ওপরই ভরসা করলাম, আপনার দিকেই রুজু করলাম, আপনার (সন্তুষ্টির জন্যই) শত্রুতায় লিপ্ত হলাম, আপনাকেই বিচারক মেনে নিলাম। তাই আপনি আমার আগের-পরের প্রকাশ্য ও গোপন সব পাপ/অপরাধ ক্ষমা করুন। আপনিই শুরু এবং আপনিই শেষ মালিক। আপনি ব্যতিত সত্য কোনো প্রকৃত ইলাহ নেই অথবা আপনি ব্যতিত (ইবাদতের উপযুক্ত) অন্য কেউ নেই।’

তাহাজ্জুদ নামাজ যেমন বান্দার সঙ্গে আল্লাহর গভীর সম্পর্ক তৈরির সেতুবন্ধ। ঠিক তেমনি এ দোয়াও আল্লাহ এবং বান্দার মাঝে একান্ত সুসম্পর্ক তৈরির আবেগঘন কথপোকথন। প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাহাজ্জুদ নামাজে আল্লাহর সঙ্গে এ আবেগঘন বাক্য বিনিময় করতেন।

প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম গভীর রাতে তাহাজ্জুদের নামাজ আদায়ের জন্য ওঠে কুরআনের এ আয়াতসহ-

رَبَّنَا مَا خَلَقْتَ هَذا بَاطِلاً سُبْحَانَكَ فَقِنَا عَذَابَ النَّارِ - رَبَّنَا إِنَّكَ مَن تُدْخِلِ النَّارَ فَقَدْ أَخْزَيْتَهُ وَمَا لِلظَّالِمِينَ مِنْ أَنصَارٍ - رَّبَّنَا إِنَّنَا سَمِعْنَا مُنَادِيًا يُنَادِي لِلإِيمَانِ أَنْ آمِنُواْ بِرَبِّكُمْ فَآمَنَّا رَبَّنَا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَكَفِّرْ عَنَّا سَيِّئَاتِنَا وَتَوَفَّنَا مَعَ الأبْرَارِ

উচ্চারণ : রাব্বানা মা খালাক্বতা হাজা বাত্বিলান, সুবহানাকা ফাক্বিনা ‘আজাবান্নার। রাব্বানা ইন্নাকা মাং তুদখিলিন্নারা ফাক্বাদ্ আখঝাইতাহু, ওয়া মা লিজজ্বালিমিনা মিন্ আংছার।

রাব্বানা ইন্নানা সামি’না মুনাদিআই ইউনাদি লিল ইমানি আন আমিনু বিরাব্বিকুম ফাআমান্না; রাব্বানা ফাগফিরলানা জুনুবানা ওয়া কাফ্‌ফির আন্না সাইয়্যেআতিনা ওয়া তাওয়াফ্ফানা মাআ’ল আবরার।’

সুরা আল-ইমরানের শেষ পর্যন্ত পড়তেন। যা পড়া সুন্নাত। (বুখারি, মুসলিম ও মিশকাত)

উম্মতে মুহাম্মাদির উচিত, প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আবেগঘন এ কথাগুলো এবং কুরআন তেলাওয়াতের এ আমল নিজেদের রাতের তাহাজ্জুদ নামাজে পড়ার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনে এগিয়ে যাওয়া।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে তাহাজ্জুদ নামাজে এ দোয়া পড়ার এবং নৈকট্য অর্জনে একনিষ্ঠ হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

আজ পবিত্র শবে মেরাজ
                                  

ডেস্ক রিপাের্ট : আজ বুধবার (৩ এপ্রিল) পবিত্র লাইলাতুল মিরাজ। সারাদেশে আজ রাতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পালিত হবে লাইলাতুল মিরাজ।

মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মদ নিজাম উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আগামীকাল বাদ আসর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ‘লাইলাতুল মিরাজের গুরুত্ব ও তাৎপর্য’ শীর্ষক এক ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মহিউদ্দিন কাসেম মিরাজের গুরুত্ব ও তাৎপর্য বিষয়ে জ্ঞানগর্ভ আলোচনা করবেন।

ইসলামী শরিয়ত মতে, পবিত্র এ রাতে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মিরাজে গমন করে আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করেন এবং পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের বিধান নিয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসেন। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা হিজরি সনের রজব মাসের ২৬ তারিখ দিবাগত রাতে লাইলাতুল মেরাজ পালন করেন।

আগামীকাল পবিত্র শবে মিরাজ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : আগামীকাল রাতে পবিত্র শবে মি’রাজ। যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্য পরিবেশে আগামীকাল বুধবার দিবাগত রাতে সারাদেশে পবিত্র শবে মি’রাজ উদযাপিত হবে বলে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ জানানো হয়।

এ উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগ আগামীকাল বাদ আসর বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদে ‘লাইলাতুল মি’রাজের গুরুত্ব ও তাৎপর্য’ শীর্ষক এক ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।
সেখানে বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মহিউদ্দিন কাসেম মি‘রাজের গুরুত্ব ও তাৎপর্য বিষয়ে জ্ঞানগর্ব আলোচনা করবেন।

এতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সচিব কাজী নূরুল ইসলাম সভাপতিত্ব করবেন । বাসস

আগামীকাল পবিত্র শবে মি‘রাজ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : আগামীকাল রাতে পবিত্র শবে মি’রাজ। যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্য পরিবেশে আগামীকাল বুধবার দিবাগত রাতে সারাদেশে পবিত্র শবে মি’রাজ উদযাপিত হবে বলে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ জানানো হয়।

এ উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগ আগামীকাল বাদ আসর বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদে ‘লাইলাতুল মি’রাজের গুরুত্ব ও তাৎপর্য’ শীর্ষক এক ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।
সেখানে বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মহিউদ্দিন কাসেম মি‘রাজের গুরুত্ব ও তাৎপর্য বিষয়ে জ্ঞানগর্ব আলোচনা করবেন।

এতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সচিব কাজী নূরুল ইসলাম সভাপতিত্ব করবেন। বাসস


   Page 1 of 5
     ইসলাম
সারা দেশে আজকের ইফতার ও সেহেরির সময়সূচি
.............................................................................................
যে কাজে রোজার কাজা-কাফফারা বাধ্যতামূলক
.............................................................................................
রোজার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মাসআলা
.............................................................................................
পবিত্র মাহে রমজান শুরু
.............................................................................................
পবিত্র রমজান উপলক্ষে সারাদেশে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাসব্যাপি কর্মসূচি
.............................................................................................
ঘূর্ণিঝড়ে যে দোয়া পড়বেন
.............................................................................................
রমজানে যে বিশেষ দোয়া পড়বেন
.............................................................................................
নামাজরত অবস্থায় কল বেজে উঠলে কী করবেন?
.............................................................................................
কুরআন মুখস্থ করলো ৩ বছরের শিশু
.............................................................................................
যে ৪ আমলে রমজান মাস সাজাতে বলেছেন বিশ্বনবি
.............................................................................................
নেককার বান্দার ৩ আলামাত
.............................................................................................
২১ এপ্রিল দিবাগত রাতে পবিত্র শবে বরাত
.............................................................................................
তাহাজ্জুদ নামাজে বিশ্বনবি যে দোয়া পড়তেন
.............................................................................................
আজ পবিত্র শবে মেরাজ
.............................................................................................
আগামীকাল পবিত্র শবে মিরাজ
.............................................................................................
আগামীকাল পবিত্র শবে মি‘রাজ
.............................................................................................
শবে মেরাজ উপলক্ষে বায়তুল মোকাররমে ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিল
.............................................................................................
আগুন নেভাতে যে দোয়া পড়তে হয়
.............................................................................................
তাহাজ্জুদ নামাজে যে সুফল লাভ করে মুমিন
.............................................................................................
রমজানের প্রস্তুতিতে রজব মাস
.............................................................................................
শবে মেরাজ ৩ এপ্রিল
.............................................................................................
নারীর যে মর্যাদা দিয়েছে ইসলাম
.............................................................................................
বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় ধাপে বৃষ্টিতে মুসল্লীদের দুর্ভোগ : মঙ্গলবার আখেরী মোনাজাত
.............................................................................................
সাদপন্থীদের ইজতেমা শুরু, বৃষ্টিতে দুর্ভোগ
.............................................................................................
সব প্রস্তুতি শেষ, শুক্রবার শুরু বিশ্ব ইজতেমা
.............................................................................................
আন্তর্জাতিক কিরাত সম্মেলন শুক্রবার
.............................................................................................
মুমিন বান্দার কুরআনি আমল যেমন হবে
.............................................................................................
বিশ্ব হিজাব দিবস ও পর্দা প্রসঙ্গ
.............................................................................................
যে পোশাকে নারীদের নামাজ নিষিদ্ধ
.............................................................................................
যৌন মিলন নিষিদ্ধ, এবার উপায় !
.............................................................................................
নামাজে ভয় প্রসঙ্গে বিশ্বনবি যা বললেন
.............................................................................................
আখেরি চাহর সোম্বা আজ
.............................................................................................
এবছর সৌদিতে মারা গেছেন ১৩১ জন, দেশে ফিরেছেন ৮৫ হাজার হাজি
.............................................................................................
পবিত্র হজ আজ
.............................................................................................
এবার হজে যাওয়া হলো না ৬০৬ জনের
.............................................................................................
সৌদির উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছে প্রথম হজ ফ্লাইট
.............................................................................................
অহঙ্কার মানুষকে ধ্বংস করে
.............................................................................................
নামাজের সময় আল্লাহ প্রিয়নবিকে যে দোয়া পড়তে বলেছেন
.............................................................................................
পবিত্র শবে মেরাজ আজ
.............................................................................................
৩০০ আসনে প্রার্থী দেবে হেফাজতে
.............................................................................................
ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু কাল
.............................................................................................
তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষকে নিয়ে বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
.............................................................................................
ইজতেমায় অংশ নিচ্ছেন না মাওলানা সাদ
.............................................................................................
ইজতেমায় বাংলাদেশ রেলওয়ের বিশেষ ট্রেন সুবিধা
.............................................................................................
বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে কাকরাইলে মাওলানা সাদ
.............................................................................................
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আজ
.............................................................................................
আল হাদিস
.............................................................................................
হজের প্রস্তুতিতে অবশ্যই যা মনে রাখতে হবে
.............................................................................................
আরশের ছায়া লাভ করা যায় যে দানে
.............................................................................................
আল্লাহর যে গুণ বাস্তবায়নে বান্দার পরকাল নিরাপদ
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]