| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * ঢাকায় সু-প্রভাত বাস চলবে না : আতিকুল   * মোজাম্বিকে ঝড়ে ১ হাজারের বেশি লোকের মৃত্যু   * সন্ত্রাসীর নাম মুখে দিতে নারাজ নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী   * নাটোরে মার্কেটে আগুন   * দুর্ঘটনা ঘটানো বাসের রুট পারমিট বাতিলের দাবি   * রংপুরে বাস-কাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষে নিহত ৩   * মোশাররফ রুবেলের সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন   * রাঙ্গামাটিতে আ.লীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা   * রাজধানীতে বাসচাপায় বিইউপির ছাত্র নিহত, সড়ক অববোধ   * ডিএসইতে লেনদেন ও সূচক কমেছে  

   ইসলাম -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
রমজানের প্রস্তুতিতে রজব মাস

ধর্ম ডেস্ক : আরবি সাল গননায় সপ্তম মাস রজব। মুমিন মুসলমানের অন্তরে পূণ্যের বীজ বুনে দেয় এ মাস। কেননা এ মাস থেকেই রমজান পাওয়ার আবদার করার কথা বলেছেন প্রিয় নবি। রমজানের রহমত বরকত ও মাগফেরাত কামনায় এ মাস থেকেই প্রস্তুতি নেয় মুসলিম উম্মাহ।

আল্লাহর ঘোষণায় হারাম মাসের অন্তর্ভূক্ত ‘রজব মাস’। ইসলামে এ মাসের গুরুত্ব এ কারণে বেশি যে, এ মাসে সব ধরণের অন্যায় ও রক্তপাত থেকে মুক্ত থাকার নিদের্শ এসেছে কুরআনে। আল্লাহ তাআলা বলেন-
‘নিশ্চয় আসমান ও জমিন সৃষ্টির দিন থেকেই আল্লাহর বিধান ও গণনায় মাসের সংখ্যা বারোটি। এর মধ্যে চারটি হচ্ছে (যুদ্ধ-বিগ্রহের জন্য নিষিদ্ধ) সম্মানিত। এটাই সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান। সুতরাং এর মধ্যে তোমরা নিজেদের প্রতি অত্যাচার করো না।’ (সুরা তাওবা : আয়াত ৩৬)


তাছাড়া রজব মাস প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রশান্তি লাভের মাস। এ মাস প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ‘রাইসুল রাসুল’ হয়ে শ্রেষ্ঠত্ব লাভের মাস। এ মাস উম্মতে মুহাম্মাদির শ্রেষ্ঠ উপহার ‘নামাজ’ লাভের মাস।

রজব মাস থেকেই রমজানের প্রস্তুতি

রমজানের সিয়াম-সাধনায় নিজেদেরকে শারীরিক আত্মিক ও মানসিকভাবে প্রস্তুতির জন্য দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। রজব মাস আসলেই প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজেই প্রস্তুতি গ্রহণ করতেন। ইবাদত-বন্দেগিসহ সব কাজেই পরিবর্তন পরিলক্ষিত হতো।

রজব মাস আসলেই প্রিয় নবি নিজে দোয়া করতে অন্যদেরকেও এ দোয়া করতে বলতেন-

اَللهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِىْ رَجَبَ وَ شَعْبَانَ وَ بَلِّغْنَا رَمَضَانَ

উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফি রাজাবা ওয়া শাবানা ওয়া বাল্লিগনা রামাদান।’
অর্থ : ‘হে আল্লাহ! রজব ও শাবান মাসে আমাদের জন্য বরকত দান করুন আর রমজান পর্যন্ত আমাদের জীবিত রাখুন।’ (বায়হাকি, মুসনাদে আহমদ)

হাদিসে বর্ণিত এ দোয়ার ব্যাখ্যায় আল্লামা মোল্লা আলী কারি রহমাতুল্লাহি আলাইহি তার বিখ্যাত গ্রন্থ মেরকাতে উল্লেখ করেন-

‘হে আল্লাহ! রজব ও শাবান মাসে আমাদের ইবাদত-বন্দেগিতে বরকত দান করুন এবং রমজানের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সিয়াম-কিয়াম তথা রোজা ও নামাজ (তারাবিহ/তাহাজ্জুদ) যথাযথ আদায়ের তাওফিক দান করুন।’
৭২৭৬৭

তবে রজব মাসে বিশেষ দিন বা বিশেষ পদ্ধতির নির্ধারিত রোজা ও নামাজসহ কোনো আমল নেই। প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিসে পাকে হারাম মাসের (রজব) আমল সম্পর্কে বলেন- ‘হারাম মাসগুলোতে রোজা রাখো এবং রোজা ভাঙ্গও।’ (আবু দাউদ)

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে রজব মাসে বেশি বেশি ইবাদত-বন্দেগি করে রমজানের প্রস্তুতি গ্রহণ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

রমজানের প্রস্তুতিতে রজব মাস
                                  

ধর্ম ডেস্ক : আরবি সাল গননায় সপ্তম মাস রজব। মুমিন মুসলমানের অন্তরে পূণ্যের বীজ বুনে দেয় এ মাস। কেননা এ মাস থেকেই রমজান পাওয়ার আবদার করার কথা বলেছেন প্রিয় নবি। রমজানের রহমত বরকত ও মাগফেরাত কামনায় এ মাস থেকেই প্রস্তুতি নেয় মুসলিম উম্মাহ।

আল্লাহর ঘোষণায় হারাম মাসের অন্তর্ভূক্ত ‘রজব মাস’। ইসলামে এ মাসের গুরুত্ব এ কারণে বেশি যে, এ মাসে সব ধরণের অন্যায় ও রক্তপাত থেকে মুক্ত থাকার নিদের্শ এসেছে কুরআনে। আল্লাহ তাআলা বলেন-
‘নিশ্চয় আসমান ও জমিন সৃষ্টির দিন থেকেই আল্লাহর বিধান ও গণনায় মাসের সংখ্যা বারোটি। এর মধ্যে চারটি হচ্ছে (যুদ্ধ-বিগ্রহের জন্য নিষিদ্ধ) সম্মানিত। এটাই সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান। সুতরাং এর মধ্যে তোমরা নিজেদের প্রতি অত্যাচার করো না।’ (সুরা তাওবা : আয়াত ৩৬)


তাছাড়া রজব মাস প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রশান্তি লাভের মাস। এ মাস প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ‘রাইসুল রাসুল’ হয়ে শ্রেষ্ঠত্ব লাভের মাস। এ মাস উম্মতে মুহাম্মাদির শ্রেষ্ঠ উপহার ‘নামাজ’ লাভের মাস।

রজব মাস থেকেই রমজানের প্রস্তুতি

রমজানের সিয়াম-সাধনায় নিজেদেরকে শারীরিক আত্মিক ও মানসিকভাবে প্রস্তুতির জন্য দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। রজব মাস আসলেই প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজেই প্রস্তুতি গ্রহণ করতেন। ইবাদত-বন্দেগিসহ সব কাজেই পরিবর্তন পরিলক্ষিত হতো।

রজব মাস আসলেই প্রিয় নবি নিজে দোয়া করতে অন্যদেরকেও এ দোয়া করতে বলতেন-

اَللهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِىْ رَجَبَ وَ شَعْبَانَ وَ بَلِّغْنَا رَمَضَانَ

উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফি রাজাবা ওয়া শাবানা ওয়া বাল্লিগনা রামাদান।’
অর্থ : ‘হে আল্লাহ! রজব ও শাবান মাসে আমাদের জন্য বরকত দান করুন আর রমজান পর্যন্ত আমাদের জীবিত রাখুন।’ (বায়হাকি, মুসনাদে আহমদ)

হাদিসে বর্ণিত এ দোয়ার ব্যাখ্যায় আল্লামা মোল্লা আলী কারি রহমাতুল্লাহি আলাইহি তার বিখ্যাত গ্রন্থ মেরকাতে উল্লেখ করেন-

‘হে আল্লাহ! রজব ও শাবান মাসে আমাদের ইবাদত-বন্দেগিতে বরকত দান করুন এবং রমজানের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সিয়াম-কিয়াম তথা রোজা ও নামাজ (তারাবিহ/তাহাজ্জুদ) যথাযথ আদায়ের তাওফিক দান করুন।’
৭২৭৬৭

তবে রজব মাসে বিশেষ দিন বা বিশেষ পদ্ধতির নির্ধারিত রোজা ও নামাজসহ কোনো আমল নেই। প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিসে পাকে হারাম মাসের (রজব) আমল সম্পর্কে বলেন- ‘হারাম মাসগুলোতে রোজা রাখো এবং রোজা ভাঙ্গও।’ (আবু দাউদ)

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে রজব মাসে বেশি বেশি ইবাদত-বন্দেগি করে রমজানের প্রস্তুতি গ্রহণ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

শবে মেরাজ ৩ এপ্রিল
                                  

এশিয়া বাণী অনলাইন ডেস্ক : আগামী ৩ এপ্রিল (২৬ রজব) পালিত হবে পবিত্র শবে মেরাজ। চাঁদ দেখা না যাওয়ায় আগামী ৯ মার্চ শুরু হবে হিজরি সনের রজব মাস।

বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক থেকে এ সিদ্ধান্ত হয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট শেখ মো. আব্দুল্লাহ।

বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) নবুওয়াত লাভের একাদশ বর্ষের রজব মাসের ২৬ তারিখ দিনগত রাতে আল্লাহর বিশেষ মেহমান হিসেবে আরশে আজিমে আরোহণ করেন। তিনি আল্লাহ তায়ালার দিদার লাভ করেন এবং পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের হুকুম নিয়ে দুনিয়ায় প্রত্যাবর্তন করেন। তিনি অবলোকন করেন সৃষ্টিজগতের সমস্ত কিছুর অপার রহস্য। মুহাম্মদ (সা.) এর জীবনের সবচেয়ে আলোড়ন সৃষ্টিকারী ঘটনা ‘মেরাজ’।

নারীর যে মর্যাদা দিয়েছে ইসলাম
                                  

ধর্ম ডেস্ক : আল্লাহ তাআলা দুনিয়াতে নারীদের অনন্য মর্যাদা দিয়েছেন। প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নারীদের মর্যাদায় অনেক নসিহত করেছেন। নারীদের পরিপূর্ণ আত্মমর্যাদা দিয়ে ইসলাম যে বিশেষ দিক-নির্দেশনা তুলে ধরেছে, তার কিছু তুলে ধরা হলো-

বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, যে নারী দুনিয়াতে ৪টি কাজ যথাযথভাবে আদায় করবে, সে নারীর জন্য জান্নাতের ৮টি দরজাই খোলা থাকবে। কাজ ৪টি হলো-


- পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়বে।
- রমজানের রোজা রাখবে।
- স্বামীর আনুগত্য করবে। এবং
- লজ্জাস্থানের হেফাজত করবে।

নারীর জন্য সতর্কবাণী

প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নারীদের জন্য বিশেষ সর্তকর্তা বর্ণনা করেছেন-
- যেসব নারী সুগন্ধি ব্যবহার করে রাস্তায় বের হবে, কেয়ামতের দিন তাদেরকে জেনাকারীর কাতারে দাঁড় করানো হবে।

- আবার নারীদের পরচুলা (আলগা চুল) ব্যবহার এবং ব্রু প্ল্যাক করতেও নিষেধ করেছেন । ব্রু প্ল্যাক করলে নারীদের দৃষ্টি শক্তি লোপ পায়। পুরুষের জন্যও পরচুলা ও ব্রু প্ল্যাক করা নিষেধ।

নারীর পোশাক যেমন হবে

ইসলাম নারীদের জন্য শালীন ও মার্জিত রুচির পোশাক পরার দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন। এমন কোনো পোশাক পরা যাবে না, যা পরলে কার্যত উলঙ্গই মনে হয়। পোশাকের ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো মেনে চলা জরুরি। তাহলো-

- পুরো শরীর ঢেকে রাখা

নারীর সারা শরীর কাপড়ে ঢেকে রাখতে হবে। যদি কোনো নারী চেহারা খুলে রাখে তবে পর্দা হয়নি এ কথা বলা যাবে না। কেননা চেহারা ও দুই হাতের কব্জি পর্যন্ত খোলা রাখার বিধান রয়েছে ইসলামে। তবে চেহারাও ঢেকে রাখা উত্তম। কেননা চেহারা হচ্ছে সৌন্দর্যের রাজধানী। চেহারা দেখলেই নারী সুন্দরী কিনা তা বুঝা যায়।

তবে বাইরে বের হলে কখনো পা উন্মুক্ত রাখা যাবে না। কেননা পা পর্দার অন্তর্ভূক্ত। নারীদের পা যেন দেখা না যায় স জন্য প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পায়ের নিচের দিকে এক হাত প্রয়োজন দুই হাত পর্যন্ত কাপড় ঝুলিয়ে রাখতে বলেছেন।

তবে ঘরে অবস্থানকালে নারী যে শালিন ও মার্জিত পোশাক স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবে সে পোশাকই পরবেন।

- নারীদের পোশাক হবে ঢিলেঢালা

পোশাক এমন ঢিলেঢালা হবে, যাতে নারীদের শরীরের কোনো আকৃতি প্রকাশ হয়ে না যায়। পোশাক হতে হবে শালীন ও নিরাপদ।

- পোশাক হবে মোটা কাপড়ের

এমন মোটা কাপড় পরা উচিত, যাতে কোনোভাবেই শরীর স্পষ্ট না হয়। অর্থাৎ কাপড়ের ভেতর দিয়ে শরীর, পশম কিংবা কোনো গোপনাঙ্গ বা আকৃতি প্রকাশ হয়ে না যায়।

- পুরুষের পোশাক হতে পারবে না

নারীরা তাদের জন্য নির্ধারিত পোশাক (ঢিলেঢালা সালোয়ার-কামিজ) পরবে। কোনোভাবেই শাড়ি কাপড় পরবে না। কারণ শাড়ি কাপড় পরলে তাতে সালোয়ার-কামিজের ন্যায় পর্দা রক্ষা হয় না।

বিশেষ করে পুরুষের অনুকরণে পুরুষের পোশাক পরা যাবে না। আবার পুরুষরাও নারীদের অনুকরণে পোশাক পরতে পারবে না।

নারীরা যেভাবে পরিবারের জন্য বরকতময়

ইসলাম নারীদের যে অধিকার ও মর্যাদা দিয়েছে দুনিয়ার অন্য কোনো ধর্ম এ অধিকার দেয়নি। ইসলামে কন্যা সন্তানের জন্মকে সবচেয়ে বড় বরকতের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- কোনো ব্যক্তির যদি প্রথম সন্তান কন্যা হয় তবে বুঝতে হবে এ মেয়ে পরিবারের জন্য বরকতওয়ালা মেয়ে।
- কন্যা সন্তান যখন বড় হতে শুরু করে তখন এ কন্যা সন্তান তার ভাইয়ের জন্য বরকতময়।
- কন্যা যখন বিয়ের উপযুক্ত হয় তখন সে বাবার জন্য বরকতময়। কেননা বিশ্বনবি বলেছেন, দুই মেয়ের বাবা মানেই ২ জান্নাতের অধিকারী। আবার যদি তিন মেয়ে সন্তান জন্ম নেয় তবে সে ৩ জান্নাতের অধিকারী।

- বিয়ের পরে নারী যখন স্বামী কাছে যায় তখন সে স্বামীর জন্য বরকতময়। ওই স্বামী মহান আল্লাহর কাছে সেরা যে স্বামী তার স্ত্রীর কাছে সেরা। স্ত্রী যদি স্বামীকে ভালো বলে তবে স্বামী আল্লাহর কাছে ভালো হিসেবে পরিগণিত হয়। আর স্ত্রী যদি খারাপ বলে তবে সে ব্যক্তি আল্লাহর কাছেও খারাপ হিসেবে পরিগণিত হবে।

- স্বামী যদি স্ত্রীর হাতে হাত রাখে তবে তাদের উভয়ের হাতে সগিরা গোনাহ মাফ হয়ে যায়। আবার তারা যদি এক অপরের প্রতি ভালোবাসার দৃষ্টিতে তাকায় তবে তাদের চোখের সগিরা গোনাহ মাফ হয়ে যায়।

- স্বামী তার স্ত্রীর জন্য যেসব খরচ তার সবই আল্লাহর দরবারে তা সাদকা হিসেবে গণ্য হয়ে যায়।

- আবার কেনো নারী যখন গর্ভধারণ করে আর সুস্থভাবে সন্তান প্রসব করে তবে তার পায়ের নিচে তৈরি হয় সন্তানের জন্য বেহেশত। অর্থাৎ আল্লাহ তাআলা সন্তানের কাছে মায়ের মর্যাদা অনেক বাড়িয়ে দেন।

- আবার কোনো নারী যখন গর্ভধারণ করে। অতঃপর সন্তান প্রসব করতে গিয়ে মারা যান, তখন সে নারী মৃত্যু আল্লাহর দরবারে শাহাদাতের মর্যাদা লাভ করে।

- আর নারী যখন মা হয়ে যায় তখন তার মর্যাদাও অনেক গুণে বেড়ে যায়। কেননা ইসলাম মায়ের মর্যাদা বাবার চেয়ে অনেক বেশি বাড়িয়ে দিয়েছেন। প্রমাণ হলো-

হাদিসে পাকে প্রিয় নবি মায়ের খেদমতের কথা তিন বার বলেছেন আর ৪র্থ বার বলেছেন বাবার খেদমতের কথা। তাইতো গীতিকার আপন মনে গেয়ে ওঠেন-

‘ওগো মা, তুমি এ ধরণীর শ্রেষ্ঠ নেয়ামত
তোমারই পদতলে রয়েছে জান্নাত।’

এ সব কারণেই নারী জাতির সঙ্গে উত্তম আচরণ করতে হবে। আবার নারী জাতিকে উত্তম আচরণ শিক্ষা দিতে হবে। কেননা দুনিয়ার প্রতিটি নারীই তার সন্তানের জন্য প্রথম ও সার্বক্ষনিক বিশ্ববিদ্যালয়। নারী কাছেই সন্তান শিখে উত্তম আচরণ।

ইসলামের বিরুদ্ধে এ কথা ঠিক নয় যে-

ইসলাম নারীকে সঠিক মর্যাদা দেয়নি বরং ঠকিয়েছে। ইসলামের বিরুদ্ধে এ অপবাদের জবাব তাদের মাঝেই রয়েছে যারা এ অপবাদ দেয়।

ইসলাম নারীকে যে মর্যাদা দিয়েছে তা অনুধাব করতে হলে অতিতের ইউনানী সমাজে, রুমান সমাজে, ইয়াহুদি সমাজে, খ্রিস্টান সমাজে, বৌদ্ধ সমাজ, আইয়্যামে জাহেলিয়াতের যুগে তথা হিন্দু সমাজে নারী অবস্থানের দিকে তাকাতে হবে।

আর তখনই নারীর অধিকারের বিষয়ে ইসলাম যে পরিপূর্ণ মর্যাদা দিয়েছে তা ফুটে ওঠবে।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর সব নারীকে কুরআন-সুন্নাহর বিধান মেনে নিজেদের জীবন পরিচালনার তাওফিক দান করুন। আমিন।

বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় ধাপে বৃষ্টিতে মুসল্লীদের দুর্ভোগ : মঙ্গলবার আখেরী মোনাজাত
                                  

অনলাইন ডেস্ক : তাবলীগ জামাতের বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় ধাপে বৃষ্টিতে মুসল্লীদের দুর্ভোগ সৃষ্টি হওয়ায় ইজতেমার কার্যক্রম একদিন বাড়িয়ে আগামী মঙ্গলবার আখেরী মোনাজাতের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

যুব ও ক্রীড়ী প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ইজতেমার উভয় পক্ষের সাথে আলেচনা করে সকল পক্ষের সম্মতিতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে একদিন বাড়িয়ে ইজতেমা ময়দানে মুসল্লিদের চরম দুর্ভোাগ পোহাতে হয়। দ্বিতীয় ধাপে ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের তাদের অনুশীলনীয় কার্যক্রম জানাতে আগত দেশ-বিদেশী ইসলামী চিন্তাবিদরা যাতে তাদের মূলবান বক্তব্য দিতে পারেন সেই জন্যই সবাই এই সময় বৃদ্ধি করতে সম্মত হয়ছে। সংবাদ সম্মেলন করে তা জানানো হবে। প্রথম ধাপের মতো দ্বিতীয় ধাপের ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের নিরাপত্তাসহ সকল প্রস্তুতি অব্যাহত রয়েছে।

গাজীপুর জেলা প্রশাসক ড. দেওয়ান মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির জানান, আগামী মঙ্গলবার সকাল ১০টায় আখেরী মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।

আজ বাদ ফজর তাবলীগের শীর্ষ মুরুব্বী ভারতের মাওলানা ইকবাল হাফিজের আ’ম বয়ানের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় ধাপের ইজতেমার কার্যক্রম শুরু হয়। দ্বিতীয় ধাপের ইজতেমায় মুসল্লীরা শনিবার রাত থেকে ময়দানে আসতে শুরু করেন। রোববার ভোর রাত থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হলে দ্বিতীয় ধাপে অংশগ্রহণকারী ইজতেমা ময়দানের লাখ লাখ মুসল্লী চরম দুর্ভোগে পড়েন। এসময় চটের প্যান্ডেলের নিচে অবস্থানরত মুসল্লীদের মালামাল ভিজে একাকার হয়ে যায়। প্রায় ৩ ঘন্টাব্যাপী বৃষ্টি ও বাতাসে মুসল্লীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন।

গাজীপুর পুলিশ কমিশনার জানান, বিশ্ব ইজতেমা ঘিরে টঙ্গীর পুরো এলাকা ৫ স্তরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পোশাক এবং সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা অবস্থান করছে।
টঙ্গী শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতাল আজ রোববার সকাল থেকে ৫ হাজার রোগীর ফ্রি চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
এছাড়াও গাজীপুর সিটি করপোরেশন, হামদর্দ, ইবনে সিনা, ইসলামিক মিশন, যমুনা ব্যাংক ফাউন্ডেশন, জহিরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, হাফেজি হুজুর সেবা সংস্থা, হোমিওপ্যাথিক ওয়েলফেয়ার, বাংলাদেশ ইউনানি-আয়ুর্বেদিক, বঙ্গবন্ধু ইউনানী-আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, টঙ্গী প্রেসক্লাবের মিডিয়া সেন্টারসহ বেশ কিছু সংগঠন ইজতেমা ময়দানে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন। বাসস

সাদপন্থীদের ইজতেমা শুরু, বৃষ্টিতে দুর্ভোগ
                                  

চার দিনব্যাপী বিশ্ব ইজতেমার তৃতীয় দিন চলছে আজ। প্রথম দুইদিন মাওলানা জোবায়ের অনুসারীদের শনিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) আখেরি মোনাজাতের মধ্যদিয়ে তাদের পর্ব শেষ হয়েছে।

আজ রোববার বাদ ফজর তাবলিগের শীর্ষ মুরব্বি ভারতের মাওলানা ইকবাল হাফিজের আমবয়ানের মধ্যদিয়ে মাওলানা সাদ অনুসারীদের পরিচালনায় দুই দিনের ইজতেমা শুরু শুরু হয়েছে।

তবে সকাল থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হওয়ায় ইজতেমায় আগত বয়স্ক মুসল্লিরা বৃষ্টির কারণে চরম দূর্ভোগে পড়েছেন।

শনিবার মধ্যরাতের আগেই মাওলানা জোবায়ের অনুসারীরা ইজতেমা ময়দান ত্যাগ করার পর ধীরে ধীরে ময়দানে প্রবেশ করতে থাকেন মাওলানা সাদ অনুসারী মুসল্লিরা। কাল সোমবার আখেরি মোনাজাতের মধ্যদিয়ে এবারের ৫৪তম বিশ্ব ইজতেমা পরিসমাপ্তির কথা রয়েছে।

গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর জানান, ইজতেমা সমাপ্তির পর ইজতেমার সকল মালামাল প্রশাসনের হেফাজতে থাকবে। পরে উভয়পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। মুসল্লিদের সার্বিক বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসন খোঁজখবর রাখছে বলেও জানান তিনি।

সব প্রস্তুতি শেষ, শুক্রবার শুরু বিশ্ব ইজতেমা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : টঙ্গীতে আগামীকাল শুক্রবার থেকে শুরু হতে যাচ্ছে বিশ্ব ইজতেমা। এ উপলক্ষে ইজতেমা ময়দানে জড়ো হয়েছেন লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসল্লি। ফলে ইজতেমা ময়দান বিশ্ব মুসলিমদের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। ইতিমধ্যে ইজতেমার সকল প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। শুক্রবার শুরু হয়ে ১৮ ফেব্রেুয়ারি শেষ হবে এবারের বিশ্ব ইজতেমা।

বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে মুসল্লিদের নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিতকরণ, সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে টঙ্গী, বিমানবন্দর, তেজগাঁও ও কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে প্রয়োজনীয়সংখ্যক ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক কিরাত সম্মেলন শুক্রবার
                                  

আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ১৯তম আন্তর্জাতিক কিরাত সম্মেলন।

সকাল ১০টায় জাতীয় মাসজিদ বায়তুল মোকাররম চত্বরে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। আন্তর্জাতিক কুরআন তিলাওয়াত সংস্থার (ইক্বরা) উদ্যোগে ও পিএইচপি ফ্যামিলির পৃষ্ঠপোষকতায় এ সম্মেলন হচ্ছে।

সম্মেলনে প্রধান অতিধি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আবদুল্লাহ।

এবারের সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন- দক্ষিণ আফ্রিকার কারি আব্দুর রহমান সা’দিয়ান, মিশরের শাইখ ইয়াসির মাহমুদ শারকাওয়ী, ইরানের কারি হামিদ শাকেরনেজাদ, ফিলিপাইনের কারি নো’মান পিমবায়াবায়া,তুরস্কের কারি ইয়াশার চৌহাদার। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করবেন কারি শায়খ আহমদ বিন ইউসুফ আল-আযহারী।

মুমিন বান্দার কুরআনি আমল যেমন হবে
                                  

ধর্ম ডেস্ক : মুমিন বান্দা আল্লাহর নির্দেশ মোতাবেক ইবাদত ও আমলের মাধ্যমে নিজেদের জীবন পরিচালনা করে। তাদের জীবনের প্রতিটি কাজই হয় কুরআন সুন্নাহর নির্দেশক্রমে। আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারিমের একাধিক আয়াতে সেসব আমলের বিবরণ দিয়েছেন। আর মুমিন বান্দাও সেসব আমল পালন করে থাকে।

যারা কুরআন অনুযায়ী আমল ও ইবাদতের মাধ্যমে জীবন পরিচালনা করে তাদের জীবন ও সম্পদ মহান আল্লাহ তাআলা জান্নাতের বিনিময় খরিদ করে নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে কুরআনে। আল্লাহ তাআলা বলেন-

‘নিশ্চয় আল্লাহ মুমিনদের থেকে জান্নাতের বিনিময়ে তাদের জীবন ও সম্পদের কিনে নিয়েছেন। তারা (মুমিনগণ) আল্লাহর পথে লড়াই করে। অতএব তারা (আল্লাহর পথে) মারে ও মরে। এ সম্পর্কে তাওরাত, ইঞ্জিল ও কুরআনে রয়েছে সত্য ওয়াদা।
আর নিজ ওয়াদা পূরণে আল্লাহর চেয়ে অধিক কে হতে পারে? সুতরাং তোমরা (আল্লাহর সঙ্গে) যে কেনা-বেচা করেছো, সে ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য আনন্দি হও। আর সেটাই মহাসাফল্য।’ (সুরা তাওবা : আয়াত ১১১)

আল্লাহ তাআলা ঘোষিত এ পুরস্কার ও সফলতা সেব মুমিন বান্দার জন্য যারা নিয়মিত কুরআনে ঘোষিত ইবাদত ও আমলে নিজেদের নিয়োজিত রাখে। আল্লাহ তাআলা পরবর্তী আয়াতে মুমিন বান্দার সেসব আমল ও ইবাদত তুলে ধরেছেন-

‘তারা (মুমিনগণ) :
> তাওবাকারী,
> ইবাদতকারী,
> আল্লাহর প্রশংসাকারী,
> রোজা পালনকারী,
> রুকু সেজদাকারী,
> সৎ কাজের নির্দেশদানকারী ও
> অসৎ কাজের নিষেধকারী এবং
> আল্লাহর নির্ধারিত সীমারেখা সংরক্ষণকারী।
আর (হে রাসুল! আপনি) মুমিনদেরকে সুসংবাদ দিন।’ (সুরা তাওবা : আয়াত ১১২)

প্রত্যেক মুমিন বান্দার উচিত, কুরআনে ঘোষিত আমলগুলো অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করা। দুনিয়ার জীবনে প্রতিটি আমলই যথাযথ আদায় করা।

আর এ আমলের মাধ্যমেই আল্লাহর সঙ্গে বান্দার এবং বান্দার সঙ্গে আল্লাহর সুসম্পর্ক তৈরি হয়। ফলে আল্লাহ তাআলা তখনই বান্দার সঙ্গে করা ওয়াদা পূরণ করবেন। সুতরাং মুমিন বান্দা আল্লাহ ঘোষিত আমলে নিজেদের নিয়োজিত রাখা। তবেই চূড়ান্ত সফলতা লাভ হবে।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে কুরআনের নির্দেশনা অনুযায়ী যথাযথ আমল ও ইবাদত করে চিরস্থায়ী জান্নাত লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।

বিশ্ব হিজাব দিবস ও পর্দা প্রসঙ্গ
                                  

এসএম আরিফুল কাদের, অতিথি লেখক, ইসলাম


হিজাব নারী জীবনের একটি মহান অনুষঙ্গ। হিজাব নারীকে সম্মানিত ও মর্যাদাশীল করেছে। এর মাধ্যমে ইসলাম নারীর মর্যাদাকে সমুন্নত করে সমাজের স্বাভাবিক কর্মপ্রবাহকে করেছে মার্জিত ও পরিশীলিত।

‘নারীর হিজাব পরার পক্ষে দাঁড়ান’—এ আহ্বানকে সামনে রেখে ১লা ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী ‘হিজাব দিবস’ পালিত হচ্ছে। বাংলাদেশসহ বর্তমানে বিশ্বের ১৯০টিরও বেশি দেশে এ দিবসটি পালিত হচ্ছে। ২০১৩ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক হিজাব দিবস পালন শুরু হয়। আর এটা অত্যন্ত গর্বের বিষয় যে, একজন বাংলাদেশী নারীর আহ্বানেই এই হিজাব দিবসের যাত্রা শুরু হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বসবাসরত বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত নাজমা খান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সর্বপ্রথম হিজাব দিবস পালনের পক্ষে প্রচারণা চালান। এর ধারাবাহিকতায় পরে মুসলিম দেশগুলোতে এই দিবসটি পালনের প্রচলন শুরু হয়। শুরু হওয়ার পরপরই হিজাব দিবস বিশ্বজুড়ে দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করে। প্রথম বছরেই ৬৭টি দেশের মুসলিম নারীরা ছাড়াও খ্রিস্টান, ইহুদি, হিন্দু, বৌদ্ধ এবং অন্যান্য ধর্মের লোকেরাও হিজাব দিবস পালন করেন। গত বছর ১৫০টি দেশে এ দিবস পালিত হয়েছিল।

অন্য বছরের ন্যায় এ বছরও বিশ্ব হিজাব দিবসের মূল অনুষ্ঠান হবে নিউইয়র্কের সিটি হলের বারান্দায়। বাংলাদেশী, ভারতীয়, আফগান, তুরস্ক, সৌদি আরব, মিশর, কুয়েত, কাতার ও ইরানের নারীরা হিজাব দিবসের চেতনা ভিন্ন ধর্মের অনুসারীদের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষ্যে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেবেন।

হিজাব দিবসের আহ্বানকারী নাজমা খান ১১ বছর বয়সে বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় গিয়েছিলেন। তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে মুসলিম নারীরা ছাড়াও খ্রিস্টান, ইহুদি, হিন্দু, বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী নারীরা হিজাব পরিধান করে দিবসটি পালন করেন। মুসলিম নারীদের হিজাব পরিধানের সংস্কৃতি দেখে তারাও হিজাবের দৃষ্টিনন্দন সংস্কৃতির প্রতি আকৃষ্ট হয়েছেন। হিজাব পরিহিতা অমুসলিম নারীরা হিজাবের ব্যাপারে তাদের নিজ নিজ অনুভূতিও ব্যক্ত করেছিলেন।

বিশ্ব হিজাব দিবস অনুষ্ঠিত হওয়ার পূর্বে দ্য মুসলিম ওইমেন সোসাইটি (এমডব্লুএস) এবং মুসলিম অ্যাসোসিয়েশন অব ব্রিটেন (এমএবি) দুইটি সংগঠন ‘অ্যাসেম্বলি ফর প্রটেকশন অব হিজাব’ নামে একটি ইভেন্টের আয়োজন করে ১৭ জানুয়ারি ২০০৪ সালে। এই সম্মেলনটি পরিচালনা করেন আল্লামা ইউসুফ আল কারজাভি। বাংলাদেশের এই ইভেন্টের সমর্থনে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায়। অ্যাসেম্বলি ফর প্রটেকশন অব হিজাব বর্তমানে সমাজ সচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে থাকে।

এ দিক বিবেচনা করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হিজাব সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য হিজাব মেলার আয়োজন করা হয়ে থাকে। বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো হিজাব মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে ২০১৪ সালে। মেলার আয়োজক ছিলেন মার্সি মিশন বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট। মেলার আয়োজকেরা জানান, মেলার মূল উদ্দেশ্য ছিল নারী-পুরুষ সবাইকে শালীন পোশাক সম্পর্কে সচেতন করা ও ইসলামি সংস্কৃতির সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততা বাড়ানো।

আরবি হিজাব শব্দের বাংলা প্রতিশব্দ আবরণ বা অন্তরায়। আর শরিয়তের পরিভাষায় অশ্লীলতা ও ব্যাভিচার রোধকল্পে ইসলামী শরিয়ত নারীকে পরপুরুষ ও গায়রে মাহরাম ব্যক্তি থেকে নিজ রূপ-লাবণ্য ও সৌন্দর্য গোপন করার জন্য যে বিধিবদ্ধ নিয়ম পালনের আদেশ রয়েছে, তাতে নারী তার রূপ-লাবণ্য ও সৌন্দর্য গায়রে মাহরাম থেকে আড়ালে রাখা এবং তাদের সঙ্গে অবাধ মেলামেশা পরিহার করাই হলো হিজাব।

পর্দার তাৎপর্য ও গুরুত্ব বর্তমানে বিদ্যমান। আর হিজাব-পর্দার মাধ্যমে নারী জাতির ইজ্জত সংরক্ষণ সম্ভব। কেননা, আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেন,‘হে নবী (সা.)! আপনি আপনার স্ত্রীদের, আপনার কন্যাদের ও মুমিনদের নারীদের বলে দিন, তারা যেন তাদের চাদরের একাংশ নিজেদের (মুখের) উপর নামিয়ে দেয়ে।’ (সুরা আহজাব, আয়াত : ৫৯)

উপরোক্ত আয়াতে মুখের উপর নামিয়ে দেওয়া মানে এমন বড় চাদর দ্বারা আবৃত করা, যা দ্বারা মুখমন্ডল ও পূর্ণ দেহ আবৃত করা যায়। বোরকার দ্বারা এ উদ্দেশ্য উত্তমরূপে পূরণ হয়। (তাফসিরে কুরতুবি)

আমেরিকার অন্যতম মানসিক রোগের চিকিৎসক ড. এডওয়ার্ড বগলার বলেন, প্রত্যেক মানুষের মনের আড়ালে আত্মা ধ্বংসকারী একটিউপাদান অতি সংগোপনে অবস্থান করছে। এর অস্তিত্ব সম্পর্কে মানুষ সচেতন নয়। অনেক সময় এর প্রভাবে মানুষ অজানা কারণে মানবিক অস্বস্তি ও অহেতুক নানা প্রকার শারিরীক ও মানসিক ব্যাধিতে ভুগে থাকেন। এই মারাত্মক উপাদানই স্নায়ুবিক বিকৃতি ও দুর্বলতার মূল কারণ। কুচিন্তা ও কুভাবনা এই উপাদানকে আরো শক্তিশালী করে তোলে। খারাপ চিন্তা-ভাবনা পরিহারই এই ক্রিয়াকে কেবল নিষ্ক্রিয় ও দমন করতে পারে। বলা বাহুল্য যে, এমন আত্মঘাতী বিষক্রিয়া থেকে মানুষকে রক্ষা করার জন্য নারীকে পর্দার আড়ালে অবস্থানের নির্দেশ দিয়েছে ইসলাম।

প্রসঙ্গত ফ্যাশন অনুষঙ্গ হিসেবে নারীদের কাছে হিজাব একটি চলমান ট্রেন্ড। কিন্তু পর্দা করা ছাড়াও হিজাবের রয়েছে নানা উপকারী দিক। বাইরের ধুলাবালি থেকে ত্বক ও চুলের সুরক্ষা দিতে এর তুলনা হয় না। আর সৌন্দর্যের ব্যাপার তো আছেই। তাই আজকাল পর্দা করার সঙ্গে সঙ্গে হিজাবের চাহিদা অনেক বেড়েছে।

লেখক, আলেম, প্রাবন্ধিক ও গবেষক।
নির্বাহী পরিচালক, পানাহার ইবতেদায়ি মাদরাসা, কিশোরগঞ্জ

যে পোশাকে নারীদের নামাজ নিষিদ্ধ
                                  

নারীদের জন্য নফল নামাজ পড়ার কোনো তাগিদ নেই। তারপরও নারীরা নফল নামাজ পড়ায় পুরুষের তুলনায় এগিয়ে। কিন্তু অনেক নারীই বসে বসে সব নামাজ আদায় করেন। নারী-পুরুষের কেউ যদি বসে ফরজ নামাজ আদায় করে তবে তাদের নামাজ হবে না।

ফরজ নামাজ অবশ্যই দাঁড়িয়ে আদায় করতে হবে। কারণ সবার জন্য দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করাও একটি ফরজ কাজ।
সাধারণত নারীরা শাড়ি পড়ে নামাজ পড়েন। আর শাড়িতে কোনোভাবেই পর্দা আদায় হয় না। কেননা শাড়ি পড়ে নামাজ আদায় করলে পর্দার লংঘন হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। যেহেতু পর্দা নামাজের মতোই ফরজ তাই নামাজের আগে পর্দা ঠিক রেখেই নামাজ আদায় করা জরুরি।

নারীরা যে পোশাকই পরিধান করুক না কেন, সে নারী যদি অন্ধকার ঘরে একাও নামাজ আদায় করে তবে নামাজের সময় এ বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে। যার ব্যতিক্রম হলে নামাজ হবে না-
- যদি কপালের কাছে কিছু চুল বেরিয়ে যায়
- কান একটা বা দুটো বেরিয়ে যায়
- কানের পাশে ঝুলফির চুল বেরিয়ে যায়
- পেছনের চুল বেরিয়ে যায়
- থুতনির নিচে গলার কাছে কোনো অংশ বেরিয়ে যায়
- হাতের কাছে কিছু অংশ বেরিয়ে যায়
- পেট বা পিঠের কাছে কিছু অংশ বেরিয়ে যায়।
অর্থাৎ শুধু মুখমণ্ডল, হাতের কব্জি ও পায়ের পাতা ছাড়া আর কোনো অংশ যদি নামাজের সময় বেরিয়ে যায় এভাবে সারা জীবন নামাজ পড়লে সে নামাজ আদায় হবে না। সে নারী বেনামাজি হিসেবে গণ্য হবে।
সর্বাবস্থায় নারীদের পোশাক যেমন হবে
- নারীদের ফরজ ও সুন্নাত পোশাক হলো কামিজ বা ম্যাক্সি। যা গলা থেকে শুরু করে পায়ের গোড়ালির নিচু বা পাতা পর্যন্ত ঝুলাবে। কামিজের বা ম্যাক্সির হাতা কব্জি কিংবা হাতের আঙ্গুল পর্যন্ত লম্বা হতে হবে।
- আর মাথায় এমন হিজাব বা ওড়না পরিধান করতে হবে যাতে কোনোভাবেই গলা, ঘাড়, কান, মাথা ও ঝুলপির চুল কিংবা বুকের কোনো অংশ তথা চামড়া দেখা না যায়।
- আর ম্যাক্সির নিচে পাজামা অথবা সায়া পরিধান করতে হবে। স্বামীর সামনে ছাড়া অন্য সব জায়গায় সর্বাবস্থায় এ পোশাকগুলো পরিধান করা নারীর জন্য ফরজ।

বাড়ি কিংবা ঘরের ভেতরে বাহিরের কাজ কর্ম করাসহ সর্বাবস্থায় এ পোশাক পরিধান করা ফরজ এবং এটিই সুন্নাতি পোশাক।

যেহেতু সর্বাবস্থায় এ পোশাক ফরজ তাই নামাজের ক্ষেত্রেও নারীকে এ পোশাক পরিধান করেই নামাজ আদায় করতে হবে। শাড়ি পরিধানে যদি এ অবস্থার ব্যতিক্রম হয় তবে শাড়িতে যেমন পর্দার ফরজ আদায় হবে না তেমনি নামাজও আদায় হবে না।
মনে রাখতে হবে
যদি কারো কাপড় না থাকে তবে সে ব্যক্তি নারী-পুরুষ যে-ই হোক; যদি একাকি ঘরে কিংবা অন্ধকার ঘরে ন্যাংটা হয়ে নামাজ আদায় করে তাতে তার নামাজ আদায় হয়ে যাবে।

কিন্তু কাপড় আছে অবহেলা করে পোশাক পরেননি, ফরজ সতর বেরিয়ে গেছে তাতে নারী-পুরুষ কারো নামাজই আদায় হবে না। জীবনভর নামাজ আদায় করলেও নামাজ আদায় হবে না।

যেমন কোনো পুরুষ কাপড় থাকা স্বত্ত্বেও একটা প্যান্ট এমনভাবে ডিল করে পরিধান করে; যার ফলে রুকু করতে গেলে নাভির কাছে কিছু অংশ কিংবা কোমরের কিছু অংশ বেরিয়ে যায় তাতে তার নামাজ আদায় হবে না।

নারীদের পোশাকের ক্ষেত্রে পুরুষ ও দায়িত্বশীলদের জন্য সতর্কতা
যে পুরুষের দায়িত্বে কোনো নারী থাকে। হতে পারে সে নারী তার মা, বোন কিংবা স্ত্রী। তাদের নামাজের পোশাক ঠিক আছে কিনা, তারা পর্দা পারন করে কিনা, সে বিষয়ে খোঁজ খবার রাখাও কর্তা ব্যক্তির একান্ত দায়িত্ব।
যদি সে দায়িত্বশীল ব্যক্তি নারীর নামাজের ব্যাপারে কোনো খোঁজ খবর না রাখে; কিংবা নারীর পর্দা ও নামাজের পোশাকের ব্যাপারে সতর্ক না করে, ব্যবস্থা না করে তবে এ সব নারী তাদের দায়িত্বশীল পুরুষকে অপরাধী হিসেবে সাব্যস্ত করবে।

সুতরাং দায়িত্বশীল সব পুরুষের উচিত নারীর নামাজের পোশাক কিংবা পর্দার পোশাক ঠিক আছে কিনা সে বিষ্র খোঁজ খবর নেয়া। এটা পুরুষের জন্য ফরজ দায়িত্ব। কেননা দুনিয়াতে প্রতিটি মানুষই দায়িত্বশীল, তাকে তার দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর সব নারীকে পর্দা পালন করার এবং নামাজের ক্ষেত্রে উল্লেখিত বিষয়গুলো মেনে নামাজ আদায় করার তাওফিক দান করুন। দায়িত্বশীল পুরুষদেরকে এ বিষয়ে তদারকি করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

যৌন মিলন নিষিদ্ধ, এবার উপায় !
                                  

সহবাসের স্বাভাবিক পন্থা হলো এই যে, স্বামী উপরে থাকবে আর স্ত্রী নিচে থাকবে। প্রত্যেক প্রাণীর ক্ষেত্রেও এই স্বাভাবিক পন্থা পরিলক্ষতি হয়। এ দিকেই অত্যন্ত সুক্ষভাবে ইঙ্গিত করা হয়েছে আল কুরআনে।

আয়াতের অর্থ হলোঃ “যখন স্বামী -স্ত্রীকে ঢেকে ফেললো তখন স্ত্রীর ক্ষীণ গর্ভ সঞ্চার হয়ে গেলো।

আর স্ত্রী যখন নিচে থাকবে এবং স্বামী তার উপর উপুড় হয়ে থাকবে তখনই স্বামীর শরীর দ্বারা স্ত্রীর শরীর ঢাকা পড়বে। তাছাড়া এ পন্থাই সর্বাধিক আরামদায়ক। এতে স্ত্রীরও কষ্ট সহ্য করতে হয় না এবং গর্ভধারণের জন্যেও তা উপকারী ও সহায়ক।

বিখ্যাত চিকিতসা বিজ্ঞানী বু-আলী ইবনে সীনা তার অমর গ্রন্থ “কানুন” নামক বইয়ে এই পন্থাকেই সর্বোত্তম পন্থা হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং ‘স্বামী নিচে আর স্ত্রী উপরে’ থাকার পন্থাকে নিকৃষ্ট পন্থা বলেছেন।

কেননা এতে পুংলিংগে বীর্য আটকে থেকে দুর্গন্ধ যুক্ত হয়ে কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই অবশ্যই আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে যেন আনন্দঘন মুহুর্তটা পরবর্তিতে বেদনার কারণ হয়ে না দাড়ায়।

স্বামী-স্ত্রী সহবাসে উভয়ের বীর্য বাহির হওয়ার পর কিছু সময় নড়াচড়া না করে মিলিত অবস্থায় থাকতে হবে। অর্থাৎ স্ত্রী নীচে এবং স্বামী উপরে থাকবে। তাতে বীর্য জরায়ুতে ঠিক মত প্রবেশ করতে সুবিধা হয়। তা না হলে বীর্য বাহিরে পড়ে যেতে পারে। আর বীর্য বাহিরে পড়লে গর্ভ সঞ্চার হয় না। সহবাসের পর হালকা গরম পানি দিয়ে স্বামী স্ত্রীর দুই জনের যৌনাঙ্গ ধুয়ে ফেলতে হয়। ঠাণ্ডা পানিতে ধোয়া উচিৎ নয়। তারপর স্বামী স্ত্রী দুইজনে কিছু মধু সেবন করে নিবেন। তারপর দুই জনে ফরজ গোসল করে ফযরের নামাজ আদায় করে নিবেন।

সকল নেয়ামতের মধ্যে সবচাইতে তীব্র আনন্দের নেয়ামত স্বামী-স্ত্রীর সহবাস। স্বামী-স্ত্রীর সহবাসের মাধ্যমে মানুষ পৃথিবীতেই জান্নাতের সুখের কিঞ্চিত নিদর্শন পেয়ে থাকে। আল্লাহ সহবাসের আহবায়ক করেছেন পুরুষ মানুষকে। সাধারণত স্ত্রী লাজুক স্বভাবের হয়ে থাকে এবং সহজাতভাবে সহবাসের জন্য তাড়িত হয় না।

কেবলমাত্র যখন তার স্বামী তাকে বুকে টেনে নেয় ও নানাবিধ উপায়ে আদর-সোহাগ করতে থাকে, তখনই স্ত্রীর দেহ-মনে সহবাসের কামনা জেগে উঠে। স্বামীর পুরুষাঙ্গ স্বাভাবিক অবস্থায় নরম থাকে ও সহবাসকালীন যোনিগহবরে প্রবেশের উপযুক্ততা অর্জনের জন্য শক্ত হয়। এ সময় তা নরম অবস্থার চাইতে কারও ক্ষেত্রে ছোট হয়, কারও ক্ষেত্রে অপরিবর্তিত থাকে, তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে কিঞ্চিত বর্ধিত হয়।

সূরা আল-আলাক্বে বর্ণনা অনুযায়ী আল্লাহ মানুষকে একফোঁটা বীর্য থেকে সৃষ্টি করেন। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে এক থেকে তিন মিলিলিটার পরিমাণ বীর্যপাত হয়, যা ঘনীভূত হয়ে থাকে বলে এক ফোঁটার ন্যায় দেখায়, যা ক্বোর’আনের বর্ণনার সাথে একেবারে মিলে যায় এবং ক্বোর’আনের সত্যতা প্রমাণ করে। তবে অনেক স্বামীর বীর্যের পরিমাণ বেশি এবং এমনকি দশ-বারো ফোঁটা পর্যন্ত বীর্যও সহবাসে নির্গত হতে পারে।

তবে সন্তান জন্মদানে ব্যয় হবে এক ফোঁটাই, বাকি অংশ স্ত্রীর গর্ভে শুকিয়ে যাবে।

সহবাসকে সার্থক ও আনন্দদায়ক করে তুলতে স্বামী-স্ত্রী উভয়েরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে।

স্ত্রী যদি অকার্যকর হয়ে কেবল পড়ে থাকে, স্বামীর সাথে সাথে নিজের মত করে অগ্রসর না হয়, তাহলে সেই সহবাসে স্ত্রীও আনন্দ পায় না, স্বামীও স্ত্রীর প্রতি অসন্তুষ্ট হয়ে পড়ে, এমনকি পরনারীর প্রতি আকর্ষণ পর্যন্ত এভাবেই জন্মায়। তাই সহবাসকালীন স্ত্রীর করণীয় সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকা সকল নারীরই কর্তব্য।

সহবাস অন্তে স্বামী অত্যন্ত ক্লান্ত হয়ে পড়ে এমনকি কথা বার্তাও বলা থেকে বিরত থাকতে পারে। এই সময় স্বামীকে মিষ্টি দুগ্ধজাতীয় কোন খাদ্য দিলে স্ত্রীর প্রতি তার মহব্বত অত্যন্ত বৃদ্ধি পায়। সহবাসের পূর্বেই এই খাবারের ব্যবস্থা রাখবে। স্বামীর গায়ে হাত বুলিয়ে দিবে। স্বামীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে চুম্বন করবে।

প্রথম কয়েকদিনেই জেনে নিবে কোন স্থানে চুম্বন ও স্পর্শ স্বামীর পছন্দনীয়। ওই সমস্ত স্থানে অধিক মনোযোগ দিবে কিন্তু অবশিষ্ট শরীরেও সোহাগ করবে। তবে নারীসুলভ কোমলতায়। স্বামী উগ্রভাবে আদর করলেও স্ত্রীর উচিত হবে স্পর্শে কোমলতা বজায় রাখা।

তবে চুম্বনে স্বামীর সাথে সমভাবে অংশগ্রহণ করবে এমনকি চুম্বনের প্রতিযোগিতা করবে। স্বামীকে আদরের সময় মৃদুভাবে অণ্ডথলিতে স্পর্শ করে রাখলে স্বামী স্ত্রীর ভক্ত হয়ে যায়। তবে সাবধান থাকবে, কেননা অণ্ডোথলি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও অতি মৃদু আঘাতেও মারাত্মক যন্ত্রণা হতে পারে।

স্বামীর আনন্দ স্ত্রীর যোনিগহবরে প্রবেশের মাধ্যমে। কিন্তু স্বামী অনেক সময় জানে না যে স্ত্রীর আনন্দ সহবাসের পূর্বে আদর সোহাগে। তাই এই বিষয়ে অসন্তুষ্টি থাকলে স্বামীকে খুলে বলতে হবে এবং নিজের চাহিদা স্বামীর গোচরে আনতে হবে। ২৫ বছরের কম বয়সী পুরুষ সাধারনত বেশি সময় নিয়ে মিলন করতে পারে না। তবে তারা খুব অল্প সময় ব্যাবধানে পুনরায় উত্তেজিত/উত্তপ্ত হতে পারে। ২৫ এর পর বয়স যত বাড়বে মিলনে পুরুষ তত বেশি সময় নেয়।

কিন্তু বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে পুনরায় জাগ্রত (ইরিকশান) হওয়ার ব্যাবধানও বাড়তে থাকে। এক নারী কিংবা একপুরুষের সাথে বার বার মিলন করলে যৌন মিলনে বেশি সময় দেয়া যায় এবং মিলনে বেশি তৃপ্তি পাওয়া যায়। কারন স্বরুপ: নিয়মিত মিলনে একে অপরের শরীর এবং ভাললাগা/ মন্দলাগা, পছন্দসই আসনভঙ্গি, সুখ দেয়া নেয়ার পদ্ধতি ইত্যাদি সম্পর্কে ভালভাবে অবহিত থাকে।

যারা বলেন “এক তরকারী দিয়ে প্রতিদিন খেতে ভাল লাগে না – তাই পর নারী ভোগের লালসা” – তাদেরকে অনুরোধ করছিঃ দয়াকরে মিথ্যাচার করবেন না। এমন যুক্তি ভিত্তিহীন। পরকীয়া আমাদের সমাজ ব্যবস্থাকে ধ্বংস করছে।

মাত্র কয়েক মিনিটের কাম যাতনা নিবারনের জন্য আজীবনের সম্পর্কে অবিশ্বাসের কালো দাগ লাগাবেন কেন? আজকালকের দিনে এমনকি আমাদের দেশের ১০-১২ বছরের ছেলে-মেয়েরা পর্যন্ত জেনে যাচ্ছে কিভাবে সেক্স করতে হয়।

তাই বলা যায় বিয়ে তো বহুদূরের কথা, এখনকার ছেলেমেয়েদের গার্লফ্রেন্ড-বয়ফ্রেন্ড হওয়ার আগেই তারা এ বিষয়ে বহু কিছু জানে। ঠোট নারীদেহের সবচাইতে যৌনত্তেজক অঙ্গগুলোর মধ্যে একটি। ঠোটের মাধ্যমেই সমগ্র নারীদেহ উত্তেজনার সূচনার সবচেয়ে জোরালো সংকেতটি গ্রহন করে থাকে।

মেয়েটি তার সঙ্গীর গালে, গলায়, বুকে, কান এদের স্পর্শ করলে ছেলেটি যেমন আনন্দ পায়, তেমনি মেয়েটিও অন্যরকম এক আনন্দ লাভ করে। অনেক পর্ন মুভিতে দেখা যায় যে সেখানে মেয়েগুলো ছেলেদের লিঙ্গ চুষতে খুব পছন্দ করে। বিদেশে বাস্তবেও অনেক মেয়েই ছেলেদের লিঙ্গ শুধু তাকে আনন্দ দেওয়ার জন্যই চুষে না। সে নিজেও এতে আনন্দ পায়। এর মূল কারনই হল তার ঠোট ও জিহবার স্পর্শকাতরতা। ছেলেটির দেহের অন্যান্য অংশে এ দুটি দিয়ে স্পর্শ করে সে যে আনন্দ লাভ করে, একই কারনে নিজের ছেলেটির লিঙ্গের স্পর্শে তার আনন্দ হয়। মেয়েদের যৌন চাহিদা ছেলেদের ৪ ভাগের এক ভাগ।

কিশোরী এবং টিনেজার মেয়েদের যৌন ইচ্ছা সবচেয়ে বেশী। ‘ইসলামে নারীদের যৌন চাহিদার কোন মূল্য নেই’, ‘ইসলামে পুরুষকে স্ত্রীর ওপর যথেচ্ছ যৌনাচারের ফ্রি লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে’, ‘ইসলামে যৌন অধিকার একতরফাভাবে পুরুষকে দেওয়া হয়েছে’ এই জাতীয় অভিযোগ সুস্থবুদ্ধিসম্পন্ন কেউ আশা করি করবেন না।

সূরা বাকারার ২২৩ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে-তোমাদের স্ত্রীরা হলো তোমাদের জন্য শস্য ক্ষেত্র। তোমরা যেভাবে ইচ্ছা তাদেরকে ব্যবহার কর।

মক্কাবাসিদের ভেতর এই কুসংস্কার ছিল না। মক্কার মুহাজিররা হিজরত করে মদিনায় আসার পর, জনৈক মুহাজির যখন তার আনসার স্ত্রীর সাথে পেছন দিক থেকে সঙ্গম করতে গেলেন, তখন এক বিপত্তি দেখা দিল।

আনসার স্ত্রী এই পদ্ধতিকে ভুল মনে করে জানিয়ে দিলেন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর অনুমতি ব্যতিত এই কাজ তিনি কিছুতেই করবেন না। ফলে ঘটনাটি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পর্যন্ত পৌঁছে গেল।

এ প্রসঙ্গেই কুরআনের আয়াত (২:২২৩) নাযিল হয়, যেখানে বুঝানো হচ্ছে- সামনে বা পেছনে যেদিক দিয়েই যোনিপথে গমন করা হোক না কেন, তাতে কোন সমস্যা নেই। শস্যক্ষেত্রে যেদিক দিয়ে বা যেভাবেই গমন করা হোক না কেন তাতে শস্য উত্পাদনে যেমন কোন সমস্যা হয় না, তেমনি স্বামী তার স্ত্রীর যোনিপথে যেদিক দিয়েই গমন করুক না কেন তাতে সন্তান উত্পাদনে কোন সমস্যা হয় না এবং এর সাথে ট্যারা চোখবিশিষ্ট সন্তান হবার কোন সম্পর্ক নেই।

বিয়ের পর প্রথম কিছুদিন স্বাভাবিক নিয়মে সহবাস করার পর ভিন্ন ভিন্ন আসনে চেষ্টা করে দেখতে হবে নিজেদের সবচাইতে উপযুক্ত আসন কোনটি এবং কোন আসনে পরস্পরের সর্বাধিক সুখ বোধ হয়। তারপর সেই আসনেই সর্বদা মিলিত হবে। কেননা ভিন্ন ভিন্ন আসনে সহবাস অনেক সময় দাম্পত্য জীবনে পারস্পরিক লজ্জার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

স্বামী আনন্দ পাচ্ছে, কিন্তু স্ত্রী সুখ বোধ করছে না, অথবা স্ত্রী সন্তুষ্ট, কিন্তু স্বামী সুখী নয়, এরূপ আসন নির্বাচন করা যাবে না। তাতে দাম্পত্য জীবনে আনন্দের ঘাটতি দেখা দিবে।

স্বামী কোন নির্দিষ্ট আসনে সহবাস না করে প্রায়ই ভিন্ন ভিন্ন আসনে সহবাস করে, এরূপ হলে স্ত্রীর বুঝতে হবে সে স্বামীকে পূর্ণাঙ্গরূপে তৃপ্ত করতে পারছে না, যা একজন পুরুষ চায়। তখন স্বামীকে পূর্ণ তৃপ্তি দিতে সচেষ্ট হতে হবে।

নবীজী (সঃ) আরো বলেছেন, জানোয়ারের মত হঠাত করে স্ত্রীর উপর কেউ ঝাঁপিয়ে পড়বে না, বরং তার উচিত হলো প্রথমে চুমু খেয়ে আলিঙ্গন করে এবং মিষ্টি মধুর কথায় তাকে আগ্রহী করে তোলা।

বীর্যপাতের পর সাথে সাথে স্বামী সরে যাবে না বরং ঐ অবস্থাতেই কিছুক্ষণ পড়ে থাকবে। যাতে স্ত্রীর চাহিদা পুরা হয়ে যায়। কেননা কোন কোন মহিলার বীর্যপাত দেরীতে হয়। তারপর স্বামী-স্ত্রী উভয়েই আলাদা আলাদা কাপড় দিয়ে লজ্জাস্থান মুছে পৃথক হয়ে যাবে।

আমি দুনিয়ার সম্পদ চাই না , আমার স্বামীকে চাই ’ – এ সব কথা যে স্ত্রী বলেন তিনি কি সুখী না অসুখী ? যে কোন বিবেকবান মানুষ বলবেন এসব স্বামী গর্বে গর্বিতা সুখী স্ত্রীর মনের কথা । বাইবেলের পুরাতন সমাচারে আছে স্রষ্টার ছেলে দাউদ বৃদ্ধ বয়সে মৃত্যুশয্যায় শুয়ে অল্পবয়সের কুমারীকে বিয়ে করেছিলেন ।

এটা প্রমাণ করে যে মেয়ের বয়স কম হওয়া বা স্বামী – স্ত্রীর মধ্যে বয়সের ব্যবধান বেশী হলেও সেটা ইয়াহুদী বা খ্রিস্টানদের বিয়েতে কোন বাধা নয় । খ্রিস্টানদের প্রভু যিশুর কুমারী মা মেরীর সাথে জোসেফের যখন বিয়ে হয় , তখন সেই যুগের রীতি অনুসারে মেরীর বয়স খুব বেশী হলে ১৩/১৪ ছিল ; জোসেফের বয়স ছিল ত্রিশের বেশী।

আল্লাহ তা’আলা আমাদের ইসলামী নিয়মানুযায়ী চলার তৌফিক দান করুন। আমিন।

নামাজে ভয় প্রসঙ্গে বিশ্বনবি যা বললেন
                                  

কুফর থেকে মানুষকে মুসলিম পরিচয় প্রদান করে নামাজ। তাই যে ব্যক্তি নামাজ ছেড়ে দেয় তার কোনো দ্বীন নেই। শুধু তাই নয়, যার নামাজ নেই তার ঈমানও নেই। এ সবই হাদিসের পরিভাষা।

আবার যারা নামাজ পড়ে কিন্তু নামাজে ভয় থাকে না, তারা কি মুক্তি পাবে নাকি শাস্তি পাবে? ভয়ের সঙ্গে নামাজ আদায় প্রসঙ্গে আল্লাহর প্রতিশ্রুতি কী? ভয় ছাড়া নামাজ আদায়েই বা প্রতিশ্রুতি কী? এ প্রসঙ্গে হাদিসে বিশ্বনবি বর্ণনা করেন-
হজরত উবাদাহ ইবনে সামিত রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, আল্লাহ তাআলা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করেছেন। যে ব্যক্তি উত্তমরূপে ওজু করে সঠিক সময়ে নামাজ পড়বে, নামাজে রুকু ও খুশুকে পরিপূর্ণ করবে , তার জন্য আল্লাহর অঙ্গীকার হলো- আল্লাহ তাআলা তাকে ক্ষমা করবেন। আর যে এরূপ করবে না, তার (নামাজের) জন্য আল্লাহর কোনো প্রতিশ্রুতি নেই। তিনি ইচ্ছা করলে ক্ষমা করবে অথবা শাস্তি দেবেন।’ (আবু দাউদ)

মানুষ সাধারণত নামাজে রুকু, সেজদা ইত্যাদি রোকনগুলো আদায় করে কিন্তু নামাজে আল্লাহর ভয় একান্ত মনের ব্যাপার। এখানে তা প্রকাশ করার কিছুই নেই। সুতরাং যাদের নামাজে আল্লাহর ভয় নেই, তাদের নামাজের ব্যাপারে আল্লাহর কোনো প্রতিশ্রুতিও নেই।
হাদিসের আলোকে বুঝা গেল, যারা ভয়ের সঙ্গে নামাজ আদায় করবে, আল্লাহ তাআলা তাদেরকে ক্ষমা করে দেবেন। অন্য হাদিসে ভয়ের সঙ্গে নামাজ আদায় প্রসঙ্গে এসেছে-

> ‘যে মুসলিম বান্দা ফরজ নামাজে উপস্থিত হয় অতঃপর ভালোভাবে ওজু করে এবং নামাজের খুশু ও রুকু (ইত্যাদি সুন্দরভাবে) আদায় করে। ওই নামাজ তার আগের সব গোনাহের কাফফারা হবে। যতক্ষণ না সে কবিরা গোনাহে লিপ্ত না হয়।’ (মুসনাদে আহমদ)

> ‘যে ব্যক্তি উত্তমরূপে ওজু করে দাঁড়িয়ে জিকির ও খুশুর সঙ্গে ২ রাকাআত নামাজ আদায় করলো এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করলো। আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন।’ (মুসনাদে আহমদ)

শুধু তাই নয়, যারা আল্লাহর নির্দেশ মোতাবেক নামাজের হক আদায় করে নামাজ আদায় করে তাদের ব্যাপারে প্রিয়নবি ঘোষণা করেন-
> ‘যে ব্যক্তি নামাজের রুকু-সাজদা ও ওয়াক্তের প্রতি লক্ষ্য রেখে ৫ ওয়াক্ত নামাজের হেফাজত করে এবং (৫ ওয়াক্ত) নামাজকে আল্লাহর পক্ষ থেকে হক্ব তথা অর্পিত দায়িত্ব হিসেবে জানে; সে জান্নাতে প্রবেশ করবে কিংবা তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাবে অথবা সে জাহান্নামের জন্য হারাম হয়ে যাবে।’ (মুসনাদে আহমদ)

> ‘যদি কোনো ব্যক্তি আল্লাহর নির্দেশিত পন্থায় ওজু করে এবং নামাজ আদায় করে তবে তার আগের (মন্দ) আমল ক্ষমা করে দেয়া হয়।’ (নাসাঈ, ইবনে মাজাহ, ইবনে হিব্বান)

সুতরাং নামাজের হকসমূহ যথাযথভাবে পালন করা জরুরি। বিশেষ করে নামাজের সময় অন্তরে আল্লাহর ভয় পোষণ করা আবশ্যক।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে যথাযথভাবে ওজু, রুকু, সেজদা ও খুশুর সঙ্গে নামাজ আদায় করার তাওফিক দান করুন। হাদিসে ঘোষিত ফজিলত লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।

আখেরি চাহর সোম্বা আজ
                                  

ইসলাম ডেস্ক : হিজরি সনের সফর মাসের শেষ বুধবারকে ‘আখেরি চাহর সোম্বা’ বলা হয়। সে হিসেবে আজ সফর মাসের শেষ বুধবার দেশব্যাপী ‘আখেরি চাহর সোম্বা পালিত হচ্ছে। এ উপলক্ষ্যে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে।
৬৩২ হিজরি বর্ষের সফর মাসের শেষ বুধবার মোতাবেক ২৭ সফর প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কঠিন অসুস্থতা থেকে সুস্থতা লাভ করেছিলেন। প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুস্থতা লাভের দিন হিসেবে মুসলিম উম্মাহর কাছে এ দিনটি বিশেষভাবে স্মরণীয়।
আখেরি চাহর সোম্বা কী?
সফর মাসের শেষ বুধবারকে আখেরি চাহর সোম্বা বলা হয়। মুসলিম উম্মাহ এ দিনটিকে খুশির দিন হিসেবে উদযাপন করে। কিন্তু অনেকেই জানে না যে, আখেরি চাহর সোম্বা কী? আখেরি চাহর সোম্বা সম্পর্কে ইসলামের দিক-নির্দেশনাই বা কী?

আখেরি চাহর সোম্বা হলো- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সফর মাসে গুরুতর অসুস্থ হয়ে যান। সফর মাসের শেষ বুধবার তিনি অনেকটাই সুস্থতা লাভ করেন। এ খুশিতে অনেক সাহাবি বিভিন্নভাবে দান-সাদকা করেছেন। এ দান-সাদকা নিঃসন্দেহে উত্তম কাজ।

পরবর্তীতে সাহাবায়ে কেরাম এ দিনটি খুশির দিন হিসেবে উদযাপন করেছেন বা প্রতি বছর এ দিনে দান-সাদকা করেছেন এ সম্পর্কে কোনো হাদিসের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

যেহেতু সাহাবায়ে কেরাম, তাবেয়ী ও তাবে-তাবেয়ীদের যুগে আনুষ্ঠানিক কোনো উদযাপন ছিল না, তাই আখেরি চাহর সোম্বা নিয়ে ‘রুসুম-রেওয়াজ বা ঘটা করে তা পালনে বিশেষ কোনো ফজিলত বা যৌক্তিকতা নেই।

সফর মাস সম্পর্কে হাদিসের একটি বর্ণনা পাওয়া যায়। কেউ এটিকে জাল বলেছেন। আবার কেউ কেউ এটিকে সহিহ হাদিস বলেছেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আমাকে সফর মাস শেষ হওয়ার সুসংবাদ দেবে, আমি তাকে জান্নাতের সুসংবাদ দেব।’

উল্লেখিত হাদিসটি সম্পর্কে ইসলামি চিন্তাবিদদের দু’টি মতামত পাওয়া যায়। আর তাহলো-

প্রথম মত
হাদিস বিশারদের মতে, এটি সম্পূর্ণ জাল, মিথ্যা। যা আসলে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদিস নয়, রবং যারা এ হাদিসটি বর্ণনা করেছেন তাদের কেউই হাদিস সংরক্ষণকারীদের অন্তর্ভূক্ত নয়।

দ্বিতীয় মত
হাদিসটি সহিহ, তবে এ হাদিসের পেছনে প্রেক্ষাপট কী তা জানতে হবে। মূলত হাদিসটি একটি ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামে এ সংবাদ দেয়ার কথা বলেছেন। ঘটনাটি হলো-

একবার হজরত আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু ইসলামের দাওয়াত নিয়ে দূরের এক জনপদে যান। সেখান দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হয়। তাঁর কোনো খবর না পাওয়ায় প্রিয়নবি চিন্তিত হয়ে পড়েন।

হজরত আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু কাছ থেকে একদিন একটি চিঠি এলো, তাতে লেখা ছিল- ‘হে আল্লাহর রাসুল! সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আমি সফর মাস শেষে মদিনায় ফিরব। কিন্তু তখনো সফর মাস অনেক দূরে।
সে সময়টিতে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হজরত আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুর ফিরে আসার অপেক্ষায় থাকাকালীন সময়ে দ্রুত সফর মাস শেষ হওয়ার কথাগুলো বলেছিলেন। আর এ হাদিসটি সে সময়ের।

তবে...
প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিয়মিত আমল ছিল প্রত্যেক আরবি মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে নফল রোজা রাখা। যাকে আইয়ামে বিজের রোজা বলা হয়ে থাকে।

সুতরাং আইয়ামে বিজের রোজা রাখলে অনেক সওয়াব পাওয়া যায়। সুতরাং বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিয়মিত আমল আইয়ামে বিজের রোজা রাখা অনেক সাওয়াবের কাজ এবং গুরুত্বপূর্ণ আমল।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে সুন্নাতের নেক আমলগুলো যথাযথ পালন করার তাওফিক দান করুন। কুরআন-সুন্নাহ মোতাবেক জীবন-যাপন করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

এবছর সৌদিতে মারা গেছেন ১৩১ জন, দেশে ফিরেছেন ৮৫ হাজার হাজি
                                  

অনলাইন ডেস্ক
এবছর সৌদিতে মারা গেছেন ১৩১ জন, দেশে ফিরেছেন ৮৫ হাজার হাজি
২০১৮সালে পবিত্র হজব্রত পালন করতে সৌদি আরব গিয়ে শনিবার মধ্যরাত পর্যন্ত মারা গেছেন ১৩১ জন বাংলাদেশি। এর মধ্যে ১১০ পুরুষ এবং ২১ জন নারী রয়েছেন। মক্কায় ৮২, মদীনায় ১৬, জেদ্দায় ৫, মিনায় ১৮ এবং আরাফায় ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে সৌদি আরবের বাংলাদেশ হজ মিশন।
এ বছর সরকারী এবং বেসরকারী ৫২৮টি এজেন্সির মাধ্যমে হজ পালনে সৌদি আরবে এসেছিলেন ১ লক্ষ ২৭ হাজার বাংলাদেশি। পবিত্র হজ পালন শেষে দেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন প্রায় ৮৫ হাজার বাংলাদেশি হাজি। আগামী ২৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ফিরবেন বাকীরা।
এদিকে, বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় আগত ১৩তম হাজিরা বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তনের জন্য শনিবার বিকেল ৩টায় মদিনা থেকে জেদ্দার উদ্দেশে যাত্রা করেন। মদিনায় মৌসুমী হজ অফিসার এ বি এম আমিন উল্লাহ নূরীসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সংশ্লিষ্ট বাড়িতে উপস্থিত থেকে হাজিদের বিদায় জানান।
গত ২৭ আগস্ট থেকে ফিরতি হজ ফ্লাইট শুরু হয়। হজযাত্রীদের শেষ ফিরতি ফ্লাইট ২৬ সেপ্টেম্বর।

পবিত্র হজ আজ
                                  

অনলাইন ডেস্ক
আজ ইয়াওমুল আরাফা। আজ পবিত্র হজ। ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইক লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হা’মদা ওয়াননি’ মাতা লাকা ওয়ালমুলক লা শারিকা লাক...মধুধ্বনি-প্রতিধ্বনিতে পবিত্র আরাফাতের পাহাড় ঘেরা ময়দান ছাপিয়ে আকাশ-বাতাস মুখর ও প্রকম্পিত এখন। সু-উচ্চকণ্ঠ নিনাদের তালবিয়ায় মহান আল্লাহ তায়ালার একত্ব ও মহত্ত্বের কথা বিঘোষিত হচ্ছে প্রতি অনুক্ষণ। ‘আমি হাজির। ও আল্লাহ! আমি হাজির। তোমার কোন শরিক নেই। সব প্রশংসা ও নিয়ামত শুধুই তোমার। সাম্রাজ্য তোমার। তোমার কোন শরিক নেই।’ শুরু হলো বিশ্ব মুসলিমের মহাসম্মিলন পবিত্র হজ।
আজ সোমবার (২০ আগস্ট) ফজরের পর গোটা দুনিয়া থেকে আগত ৩০ লক্ষাধিক মুসলমান হজযাত্রী ঐতিহাসিক আরাফাতের ময়দানে উপস্থিত হয়েছেন। এখানে সূর্যাস্ত পর্যন্ত থাকবেন তারা। সৌদি সময় দুপুর ১২টার পর আরাফাতের ময়দানের মসজিদে নামিরা থেকে হজের খুতবা পাঠ করবেন মদিনা মসজিদে নববির ইমাম ও খতিব, মদিনা সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি শায়খ ড. হোসাইন বিন আব্দুল আজিজ আল শাইখ।একই সাথে এই খুতবার মূল পয়গাম যেন গোটা দুনিয়ার মানুষ সরাসরি শুনতে পারে সেজন্য সৌদি সরকার বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। আজ খুতবা পাঠ শেষে জোহর ও আসরের ওয়াক্তের মাঝামাঝি সময়ে হাজীরা জামায়াতের সাথে কছর নামাজ আদায় করবেন। সূর্যাস্ত পর্যন্ত তারা আরাফাতের ময়দানে অবস্থন করে আল্লাহ তা’আলার জিকির আসকার ইবাদতে মশগুল থাকবেন। অত:পর মুযদালিফার উদ্দেশ্যে আরাফার ময়দান ত্যাগ করবেন এবং মুযদালিফায় গিয়ে মাগরিব ও এশা’র নামায এশা’র ওয়াক্তে একত্রে পড়বেন এবং সমস্ত রাত খোলা প্রান্তরে অবস্থান করবেন। মীনায় জামরাতে নিক্ষেপ করার জন্য ৭০টি কংকর এখান থেকে সংগ্রহ করবেন। মুযদালিফায় ফজরের নামায পড়ে মীনার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন। ১০ জিলহজ্ব মিনায় পৌঁছার পর হাজীদের পর্যায়ক্রমে চারটি কাজ সম্পন্ন করতে হয়। প্রথমে মিনাকে ডান দিকে রেখে হাজীরা দাঁড়িয়ে শয়তানকে (জামারা) পাথর নিক্ষেপ করবেন। দ্বিতীয় কাজ আল্লাহর উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করা। অনেকেই মিনায় না পারলে মক্কায় ফিরে গিয়ে পশু কোরবানি দেন। তৃতীয় পর্বে মাথা ন্যাড়া করা। চতুর্থ কাজ তাওয়াফে জিয়ারত। হাজীরা মক্কায় ফিরে কাবা শরীফ ‘তাওয়াফ’ ও ‘সাঈ’ (কাবার চারদিকে সাতবার ঘোরা ও সাফা-মারওয়া পাহাড়ে সাতবার দৌঁড়ানো) করে আবার মিনায় ফিরে যাবেন।
জিলহজ্বের ১১ তারিখ মিনায় রাত যাপন করে দুপুরের পর থেকে সূর্যাস্তের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে হাজীরা বড়, মধ্যম ও ছোট শয়তানের উপর সাতটি করে পাথর নিক্ষেপ করবেন। আর এ কাজটি করার সুন্নত। পরদিন ১২ জিলহজ্ব মিনায় অবস্থান করে পুনরায় একইভাবে হাজীরা তিনটি শয়তানের উপর পাথর নিক্ষেপ করবেন। শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ করা শেষ হলে অনেকে সূর্যাস্তের আগেই মিনা ছেড়ে মক্কায় চলে যান। আর মক্কায় পৌঁছার পর হাজীদের একটি কাজ অবশিষ্ট থাকে। সেটি হচ্ছে কাবা শরীফ তাওয়াফ করা। একে বলে বিদায়ী তাওয়াফ। স্থানীয়রা ছাড়া বিদায়ী তাওয়াফ অর্থাত্ কাবা শরীফে পুনরায় সাতবার চক্কর দেয়ার মাধ্যমে হাজীরা সম্পন্ন করবেন পবিত্র হজ্বব্রত পালন।

এবার হজে যাওয়া হলো না ৬০৬ জনের
                                  

অনলাইন ডেস্ক
ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান বলেছেন, হজ এজেন্সিগুলোর অবহেলা আর অনাগ্রহের কারণে এ বছর ৬০৬ জন হজে যেতে পারলেন না। এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বুধবার সকালে রাজধানীর আশকোনায় হজ ক্যাম্পে শেষ হজ ফ্লাইট উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত ১ লাখ ২১ হাজার ৮৬৮ জন হজযাত্রী সৌদি আরব পৌঁছেছেন। বাকিরা ১৭ আগস্টের মধ্যে সৌদি পৌঁছাবেন। গুরুতর অসুস্থ, মৃত্যু এজেন্সিদের অনাগ্রহের কারণে ৬০৬ জন ভিসার আবেদন করেননি। শেষ পর্যন্ত ১০ হাজার ৯৪২ জন রিপ্লেসমেন্ট আবেদনের বিপরীতে ১০ হাজার ৭৭৪ জনকে দেয়া হয়েছে। কিছু এজেন্সির বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে, ফিরে এসে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে ধর্ম সচিব আনিছুর রহমান, হাব মহাসচিব শাহাদাত হেসেন তসলিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে ২০ আগস্ট। সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় মোট হজযাত্রীর সংখ্যা ১,২৬,৭৯৮ জন। হজযাত্রীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট ২৭ আগস্ট এবং শেষ ফিরতি ফ্লাইট ২৫ সেপ্টেম্বর।


   Page 1 of 4
     ইসলাম
রমজানের প্রস্তুতিতে রজব মাস
.............................................................................................
শবে মেরাজ ৩ এপ্রিল
.............................................................................................
নারীর যে মর্যাদা দিয়েছে ইসলাম
.............................................................................................
বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় ধাপে বৃষ্টিতে মুসল্লীদের দুর্ভোগ : মঙ্গলবার আখেরী মোনাজাত
.............................................................................................
সাদপন্থীদের ইজতেমা শুরু, বৃষ্টিতে দুর্ভোগ
.............................................................................................
সব প্রস্তুতি শেষ, শুক্রবার শুরু বিশ্ব ইজতেমা
.............................................................................................
আন্তর্জাতিক কিরাত সম্মেলন শুক্রবার
.............................................................................................
মুমিন বান্দার কুরআনি আমল যেমন হবে
.............................................................................................
বিশ্ব হিজাব দিবস ও পর্দা প্রসঙ্গ
.............................................................................................
যে পোশাকে নারীদের নামাজ নিষিদ্ধ
.............................................................................................
যৌন মিলন নিষিদ্ধ, এবার উপায় !
.............................................................................................
নামাজে ভয় প্রসঙ্গে বিশ্বনবি যা বললেন
.............................................................................................
আখেরি চাহর সোম্বা আজ
.............................................................................................
এবছর সৌদিতে মারা গেছেন ১৩১ জন, দেশে ফিরেছেন ৮৫ হাজার হাজি
.............................................................................................
পবিত্র হজ আজ
.............................................................................................
এবার হজে যাওয়া হলো না ৬০৬ জনের
.............................................................................................
সৌদির উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছে প্রথম হজ ফ্লাইট
.............................................................................................
অহঙ্কার মানুষকে ধ্বংস করে
.............................................................................................
নামাজের সময় আল্লাহ প্রিয়নবিকে যে দোয়া পড়তে বলেছেন
.............................................................................................
পবিত্র শবে মেরাজ আজ
.............................................................................................
৩০০ আসনে প্রার্থী দেবে হেফাজতে
.............................................................................................
ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু কাল
.............................................................................................
তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষকে নিয়ে বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
.............................................................................................
ইজতেমায় অংশ নিচ্ছেন না মাওলানা সাদ
.............................................................................................
ইজতেমায় বাংলাদেশ রেলওয়ের বিশেষ ট্রেন সুবিধা
.............................................................................................
বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে কাকরাইলে মাওলানা সাদ
.............................................................................................
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আজ
.............................................................................................
আল হাদিস
.............................................................................................
হজের প্রস্তুতিতে অবশ্যই যা মনে রাখতে হবে
.............................................................................................
আরশের ছায়া লাভ করা যায় যে দানে
.............................................................................................
আল্লাহর যে গুণ বাস্তবায়নে বান্দার পরকাল নিরাপদ
.............................................................................................
রমজানের শেষ দিনগুলোর বিশেষ কিছু আমল
.............................................................................................
রোজা ভঙ্গের কারন
.............................................................................................
ইফতারের অশেষ প্রতিদান
.............................................................................................
যেসব কারণে রোজা নষ্ট হয় না
.............................................................................................
ইফতারের সময় দোয়া কবুল হয়
.............................................................................................
রোজাদারকে ইফতার করান: রয়েছে দ্বিগুণ সাওয়াব
.............................................................................................
ইফতারের সুন্নত ও ফজিলত
.............................................................................................
তারাবির নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত
.............................................................................................
রমজানের দোয়া
.............................................................................................
রবিবার থেকে পবিত্র মাহে রমজান শুরু
.............................................................................................
মা-বাবার জন্য কুরআনে উল্লেখিত দোয়া
.............................................................................................
আজ পবিত্র শবে বরাত
.............................................................................................
কুরআনে মুসলমানের পরিচয়
.............................................................................................
ইসলামের অন্যতম রুকন সালাতের বিবরণ
.............................................................................................
সাহাবীদের পরিচয়, সংখ্যা ও মর্যাদা
.............................................................................................
হেদায়েত মিলবে সত্যের সামনে বিনয়ী ও নত হলে
.............................................................................................
খরচ বাদে অতিরিক্ত এক হাজার ডলার নিতে পারবেন হজযাত্রীরা
.............................................................................................
কেয়ামতে সাত ধরনের ব্যক্তি আল্লাহর ছায়ায় আশ্রয় পাবে
.............................................................................................
মিরাজ রাতের কথা
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]