| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * ডিএনসিসির কবরস্থানগুলোতে জিয়ারত বন্ধ   * করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসায় মিস ইংল্যান্ড   * নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকার ২০ জন, নারায়ণগঞ্জের ১৫   * বঙ্গবন্ধুর খুনি আবদুল মাজেদ গ্রেফতার   * করোনা: নতুন শনাক্ত ৪১ জন, মৃত্যু ৫   * ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ নমুনা পরীক্ষা   * মানিকগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে স্বউদ্যোগে লকডাউন   * করোনা নিয়ে গুজব ছড়িয়ে কলেজ শিক্ষক গ্রেপ্তার   * করোনায় বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা ৭৪ হাজার ছাড়ালো   * যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যু  

   প্রতিবেশী -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
মোদির ভাষণকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অভিবাদন

মুজিববর্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দেয়া ভাষণকে স্বাগত জানিয়েছেন বাংলাদেশের রাজনীতিবিদরা। তারা বলেছেন, এই ভাষণ দুই সম্পর্ক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম বলেছেন, মোদির ভাষণ দুই দেশের উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে। ভারত আমাদের পরীক্ষিত বন্ধু রাষ্ট্র। ১৯৭১ সালে এই সম্পর্কের বন্ধন তৈরি হয়। এই সম্পর্ক উভয় দেশকে রক্ষা করতে হবে।

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম বলেছেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে ভাষণ দিয়েছেন আমি তাকে সাধুবাদ জানাই। এর আগে তিনি মৃতপ্রায় সার্ককে উজ্জীবিত করার প্রচেষ্টা উদ্যোগ নিয়েছেন। এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে অনেক প্রশংসার যোগ্য। উপমহাদেশের দেশগুলোকে এগিয়ে নিতে হলে ভারতকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। পরস্পরের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাস অর্জনের প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। পরস্পর পরস্পরের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখার অব্যাহত প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড আরও সম্প্রসারিত ও ত্বরান্বিত করতে হবে। নরেন্দ্র মোদি, আপনার উদ্যোগ সফল হোক এবং মানুষের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক এবং উপমহাদেশের প্রতিটি দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হোক। ডাকসুর সাবেক ভিপি ও ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সুলতান মোহাম্মদ মনসুরের আহমদ এমপি বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর শতজন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ১৩০ কোটি মানুষের দেশের প্রধানমন্ত্রী যে ভাষণ দিয়েছেন, আমি বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে একজন মুজিব অনুসারী হিসেবে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

তিনি তার বক্তব্যে জাতির জনককে ``শতাব্দীর অন্যতম মহান ব্যক্তিত্ব`` বলেছেন। তিনি বলেছেন, তার অনুপ্রেরণা আমাদের ঐতিহ্যকে বিস্তৃত করেছে। তিনি বাঙালি জাতির গৌরবকে, বাংলাদেশের মানুষকে সম্মনিত করেছেন। তিনি উন্নয়নের কথা বলেছেন। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ-ভারত একসঙ্গে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে এরইমধ্যে পরিগনিত হয়েছে। আমার বিশ্বাস, ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি ভারতবাসীর পক্ষে যে ওয়াদা করেছেন আগামী দিনে বাংলাদেশ-ভারতের অমীমাংসিত সমস্যা সমাধানের মধ্যে দিয়ে তা বাস্তবে রূপলাভ করবে। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে রক্তের মধ্যে দিয়ে গড়ে উঠা যে সুসম্পর্ক তা অটুট থাকবে এবং সেই ক্ষেত্র তিনি তৈরি করবেন।

সাবেক সংসদ সদস্য প্রফেসর আবদুল মান্নান বলেছেন, জাতির পিতা শেখ মুজিবের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারতের ১৩০ কোটি লোকের পক্ষ থেকে আমাদের মহান নেতা এবং বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। এটি নিঃসন্দেহে বন্ধুপ্রতিম প্রতিবেশী রাষ্ট্রের অকুণ্ঠ ভালোবাসা ও সহানুভূতির উদাহরণ। তিনি মুজিব শতবর্ষে আমাদের জাতির জনককে সকল শুভ কর্মের উৎস হিসেবে অবহিত করেছেন। বাংলাদেশ-ভারতের বন্ধুত্ব সোনালী পর্বের জন্য দুই দেশের মানুষের মধ্যে বন্ধুত্বের সেতু বন্ধন মোদি তা আরও দৃঢ় করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন। তিনি ক্রীড়া, সংস্কৃতি, শিক্ষার আদান প্রদানের উপর জোর দিয়েছেন। বিশ্ব সভায় এই দুই দেশ একে অপরের হাত ধরে সমভূমিকায় উপস্থিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে ভারত অনেক গুরুত্ব দেয়। প্রতিবেশী দেশ হিসেবে সে সম্পর্ক উচ্চ পর্যায়ে আছে। বিশেষ করে ভারতের সঙ্গে স্থল, নৌ, আকাশ পথে বাংলাদেশের যে কানেক্টিভিটি আছে তা ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সুসম্পর্কের পরিচয় বহন করে। এ উপমহাদেশে বাংলাদেশকে যারা প্রতিহিংসার চোখে দেখতো তাদের তুলনায় বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে গেছে। বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের ক্ষেত্রে রোল মডেল।

 
মোদির ভাষণকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অভিবাদন
                                  

মুজিববর্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দেয়া ভাষণকে স্বাগত জানিয়েছেন বাংলাদেশের রাজনীতিবিদরা। তারা বলেছেন, এই ভাষণ দুই সম্পর্ক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম বলেছেন, মোদির ভাষণ দুই দেশের উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে। ভারত আমাদের পরীক্ষিত বন্ধু রাষ্ট্র। ১৯৭১ সালে এই সম্পর্কের বন্ধন তৈরি হয়। এই সম্পর্ক উভয় দেশকে রক্ষা করতে হবে।

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম বলেছেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে ভাষণ দিয়েছেন আমি তাকে সাধুবাদ জানাই। এর আগে তিনি মৃতপ্রায় সার্ককে উজ্জীবিত করার প্রচেষ্টা উদ্যোগ নিয়েছেন। এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে অনেক প্রশংসার যোগ্য। উপমহাদেশের দেশগুলোকে এগিয়ে নিতে হলে ভারতকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। পরস্পরের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাস অর্জনের প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। পরস্পর পরস্পরের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখার অব্যাহত প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড আরও সম্প্রসারিত ও ত্বরান্বিত করতে হবে। নরেন্দ্র মোদি, আপনার উদ্যোগ সফল হোক এবং মানুষের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক এবং উপমহাদেশের প্রতিটি দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হোক। ডাকসুর সাবেক ভিপি ও ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সুলতান মোহাম্মদ মনসুরের আহমদ এমপি বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর শতজন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ১৩০ কোটি মানুষের দেশের প্রধানমন্ত্রী যে ভাষণ দিয়েছেন, আমি বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে একজন মুজিব অনুসারী হিসেবে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

তিনি তার বক্তব্যে জাতির জনককে ``শতাব্দীর অন্যতম মহান ব্যক্তিত্ব`` বলেছেন। তিনি বলেছেন, তার অনুপ্রেরণা আমাদের ঐতিহ্যকে বিস্তৃত করেছে। তিনি বাঙালি জাতির গৌরবকে, বাংলাদেশের মানুষকে সম্মনিত করেছেন। তিনি উন্নয়নের কথা বলেছেন। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ-ভারত একসঙ্গে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে এরইমধ্যে পরিগনিত হয়েছে। আমার বিশ্বাস, ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি ভারতবাসীর পক্ষে যে ওয়াদা করেছেন আগামী দিনে বাংলাদেশ-ভারতের অমীমাংসিত সমস্যা সমাধানের মধ্যে দিয়ে তা বাস্তবে রূপলাভ করবে। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে রক্তের মধ্যে দিয়ে গড়ে উঠা যে সুসম্পর্ক তা অটুট থাকবে এবং সেই ক্ষেত্র তিনি তৈরি করবেন।

সাবেক সংসদ সদস্য প্রফেসর আবদুল মান্নান বলেছেন, জাতির পিতা শেখ মুজিবের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারতের ১৩০ কোটি লোকের পক্ষ থেকে আমাদের মহান নেতা এবং বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। এটি নিঃসন্দেহে বন্ধুপ্রতিম প্রতিবেশী রাষ্ট্রের অকুণ্ঠ ভালোবাসা ও সহানুভূতির উদাহরণ। তিনি মুজিব শতবর্ষে আমাদের জাতির জনককে সকল শুভ কর্মের উৎস হিসেবে অবহিত করেছেন। বাংলাদেশ-ভারতের বন্ধুত্ব সোনালী পর্বের জন্য দুই দেশের মানুষের মধ্যে বন্ধুত্বের সেতু বন্ধন মোদি তা আরও দৃঢ় করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন। তিনি ক্রীড়া, সংস্কৃতি, শিক্ষার আদান প্রদানের উপর জোর দিয়েছেন। বিশ্ব সভায় এই দুই দেশ একে অপরের হাত ধরে সমভূমিকায় উপস্থিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে ভারত অনেক গুরুত্ব দেয়। প্রতিবেশী দেশ হিসেবে সে সম্পর্ক উচ্চ পর্যায়ে আছে। বিশেষ করে ভারতের সঙ্গে স্থল, নৌ, আকাশ পথে বাংলাদেশের যে কানেক্টিভিটি আছে তা ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সুসম্পর্কের পরিচয় বহন করে। এ উপমহাদেশে বাংলাদেশকে যারা প্রতিহিংসার চোখে দেখতো তাদের তুলনায় বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে গেছে। বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের ক্ষেত্রে রোল মডেল।

 
ভারতে উহান থেকে ফিরেছেন ২৩ বাংলাদেশি
                                  

চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে আটকে পড়া ২৩ বাংলাদেশিকে দিল্লিতে ফেরত এনেছে ভারত। ভারতীয় বিমান বাহিনীর বিশেষ বিমানে ভারতের অন্যান্য নাগরিকের সাথে বৃহস্পতিবার সকালে তাদেরকেও ফিরিয়ে আনা হয়। তাদেরকে আগামি দুই সপ্তাহ দিল্লীতের বিশেষ ব্যবস্থায় কোরান্টেনড করে রাখা হবে। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে উহান শহর থেকেই করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকে উহান শহরকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছে।

 
ভারতে ‘কীর্তন’ উৎসবে বিস্ফোরণ, নিহত ১৫
                                  

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:
ভারতের পাঞ্জাবের ‘কীর্তন’ উৎসবে বাজি বিস্ফোরিতে হয়ে কমপক্ষে ১৫ জন নিহত হয়েছেন। শনিবারের এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো ৩০ জন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

খবরে বলা হয়, পাঞ্জাবের তরণ তারণ জেলার পাহু গ্রামের কাছে ধর্মীয় উৎসব ‘নগর কীর্তন` উপলক্ষে আয়োজিত একটি মিছিলে বাজি বিস্ফোরণ হয়। ওই মিছিলের সঙ্গে থাকা একটি ট্রাক্টর ট্রলিতে বেশ কিছু বাজি বোঝাই করা ছিল। সেখানেই কোনো কারণে অগ্নিসংযোগ ঘটে। পাঞ্জাবের আইজিপি এসপিএস পারমার এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।এদিকে এই ঘটনায় তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী আমারিন্দার সিং ।

 
গরু খেলে বাঘেরও শাস্তি হওয়া উচিত!
                                  

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:
বিগত কয়েক বছর থেকেই ভারতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে গরু। প্রাণীটিকে নিয়ে হাস্যকর এবং বিতর্কিত মন্তব্যের অভাব নেই। সেই তালিকায় এবার নাম জড়ালেন ভারতের গোয়ার বিধায়ক চার্চিল আলেমাও। তার দাবি, গরু খেলে বাঘেরও শাস্তি হওয়া উচিত। মহাদায়ি অভয়ারণ্যে চারটি বাঘের মৃত্যু নিয়ে গতকাল বুধবার সরগরম হয়ে ওঠে গোয়া বিধানসভা।

বিষয়টি উত্থাপন করেন বিরোধী দলনেতা দিগম্বর কামাট। উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই এক বাঘিনী ও তার তিন শাবককে পিটিয়ে মারে গ্রামবাসীরা। গ্রামে হানা দিয়ে বেশ কয়েকটি গরু মেরেছিল ওই বাঘিনী বলে অভিযোগ গ্রামের মানুষের। সেই বিষয়েই চলছিল তর্ক। তপ্ত বিতর্কের মাঝেই এনসিপি দলের বিধায়ক চার্চিল বলেন, “গরু খেলে বাঘেরও সাজা পাওয়া উচিত। মানুষ যদি গোমাংস খেলে শাস্তি পায়, তাহলে বাঘেরাই বা বাদ যাবে কেন?” এখানেই শেষ নয়, ওই বিধায়ক আরও বলেন, “পরিবেশ ও বন্যপ্রাণীরা গুরুত্বপূর্ণ। তবে মানুষেরও গুরুত্ব রয়েছে। এই গোটা ঘটনায় মানুষের কথা আগে ভেবে দেখতে হবে।”


এদিকে, বিধানসভায় গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাবন্ত জানিয়েছেন, রিপোর্ট মোতাবেক মহাদায়ি অভয়ারণ্যের পাশের একটি গ্রামে কয়েকদিন থেকেই হানা দিচ্ছিল বাঘ। বেশ কয়েকটি গরুও নিহত হয় বাঘের হামলায়। এতেই ক্ষেপে ওঠে গ্রামবাসীরা। তিনি আরও জানান, বাঘের হামলায় যারা গরু হারিয়েছেন, তাদের এককালীন আর্থিক সহায়তা দেবে রাজ্য সরকার। উল্লেখ্য, মানুষ ও বন্যপ্রাণীদের মধ্যে ক্রমেই বেড়ে চলেছে সংঘাত। সংকীর্ণ হয়ে আসা জঙ্গল ও সভ্যতার অগ্রসনে কোণঠাসা হয়ে মানব বসতিতে হামলা চালাচ্ছে বাঘ, হাতির মতো প্রাণীরা।

 
আমদানি করা পেয়াজ নিয়ে বিপাকে ভারত
                                  

নিউজ ডেস্ক

ভারতে দেশীয় পেঁয়াজের উৎপাদন অনেকটাই বেড়ছে। এরই মাঝে ধীরে ধীরে সেসব পেঁয়াজ বাজারেও আসতে শুরু করেছে। পশ্চিমবঙ্গের বাজারগুলোতে কিছুদিন আগ পর্যন্ত ১৩০ রুপি কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি হলেও এখন দাম অপেক্ষাকৃত কম। সার্বিক পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের কাছ থেকে বিদেশ থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ নিতে চাইছে না অনেক রাজ্যই। ফলে আমদানি করা পেঁয়াজ নিয়ে বিপাকে পড়েছে মোদি সরকার।


সূত্র জানায়, এখন পর্যন্ত অন্ধ্রপ্রদেশ, কেরালা, তেলেঙ্গানা, উত্তরপ্রদেশ ও পশ্চিমবঙ্গ কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে সস্তায় পেঁয়াজ নিলেও বাকি রাজ্যগুলো আর কেন্দ্রের কাছ থেকে পেঁয়াজ নিতে চাইছে না। ফলে এরই মাঝে আমদানি করা পেঁয়াজ পচতে শুরু করেছে। অবস্থা এতোটাই বেগতিক যে বাংলাদেশকে শস্তায় পেঁয়াজ দিতে চাইলেও তাতে তেমন আগ্রহ দেখাচ্ছে না দেশটির সরকার।

কেন্দ্রীয় সরকারের উপভোক্তা সচিব অবিনাশ শ্রীবাস্তব জানান, দেশে পেঁয়াজের ঘাটতি থাকায় রাজ্যগুলোর আবেদন অনুযায়ী বিদেশ থেকে ৪২ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি করার কথা ছিল। কিন্তু সে সময় কেন্দ্র নিজ থেকেই তা কমিয়ে ৩৮ হাজার মেট্রিক টন করেছিল। এরই মধ্যে তিন দফায় ১৮ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ এসেছে আফগানিস্তান, মিশর ও তুরষ্ক থেকে। তবে রাজ্যগুলি এখন আর পেঁয়াজ নিতে চাইছে না। আবার চুক্তি অনুযায়ী আমদানির অর্ডারও বাতিল করা যায় না। ফলে আমাদের হাতে এখন অতিরিক্ত পেঁয়াজ।

অবিনাশ শ্রীবাস্তব আরও জানান, যেসব রাজ্য এখনও কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে পেঁয়াজ নিচ্ছে তাদের মাত্র ২২ রুপি কেজি দরে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু বিদেশি পেঁয়াজের মান, ভারতের মতো না হওয়ায় খুচরা ক্রেতারা আগ্রহী কম। সব মিলিয়ে বিদেশি পেঁয়াজ নিয়ে পস্তাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার।

 
আরও ৫৭ ‘বাংলাদেশি’কে পুশব্যাক করতে সীমান্তে আনছে ভারত
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভারতে আটক ৫৭ ‘বাংলাদেশি’কে পশ্চিমবঙ্গ দিয়ে পুশব্যাক করতে চলেছে ভারত সরকার। সম্প্রতি কর্ণাটকের ব্যাঙ্গালুরুতে আটক আরও ৮২ জনকে বনগাঁ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ফেরত পাঠায় ভারত। আটকদের মধ্যে ২২ জন পুরুষ, ২৫ জন নারী ও ১০ শিশু।

আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, ২৬ দিন ব্যাঙ্গালুরুর একটি হোমে আটক ছিলেন এই ৫৭ জন। শুক্রবার অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে তাদের ট্রেনে চাপানো হয়। পথে কেউ যেন পালাতে না পারে সে জন্য ব্যাঙ্গালুরু পুলিশের ৪০ জনের একটি দল পাহারা দিয়ে এনেছে।

ব্যাঙ্গালুরু পুলিশের দাবি, আটকদের কাছে ভারতীয় নাগরিকত্বের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। জেরায় তারা নিজেদের বাংলাদেশি বলে স্বীকার করেন এবং কোনো কাগজপত্র ছাড়াই ভারতে প্রবেশে করেছে।

পুলিশের দাবি, আটকদের ফোনকল ঘেঁটে প্রমাণ পাওয়া গেছে যে তারা বাংলাদেশি। তাদের কাজের কথা বলে ভারতে নেয়া হয়েছিল। তাই তারা পাচার হয়ে এসেছে গণ্য করে তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা রুজু করা হয়নি।

আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে আরও বলা হয়, ব্যাঙ্গালুরু পুলিশ হাওড়ায় রেল পুলিশের হাতে আটকদের তুলে দেবে। তারা সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কাছে বাংলাদেশ সীমান্তে পৌঁছে দেবে। এরপর সীমান্তরক্ষী বাহিনী তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠাবে।

জানা গেছে, বনগাঁ সীমান্ত দিয়ে এই ৫৭ জনকে বাংলাদেশে পুশব্যাক করা হবে। রাজ্য পুলিশ কর্তারা স্বীকার করেন, সম্প্রতি এত বড় সংখ্যায় বাংলাদেশি নাগরিকদের এভাবে এ রাজ্য দিয়ে ‘পুশব্যাক’ করা হয়েছে বলে তারা মনে করতে পারেন না।


এদিকে এ ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেছেন দেশটির মানবাধিকারকর্মী রঞ্জিত সুর। তিনি বলেন, ‘ভয়াবহ ঘটনা। কর্ণাটক সরকার দেশের আইন-সংবিধান লঙ্ঘন করেছে। কাউকে এভাবে পুশব্যাক করা যায় নাকি? কোনো মামলা নেই ওদের বিরুদ্ধে। পুলিশ কী করে নিশ্চিন্ত হলো ওরা বাংলাদেশি? ওরা পশ্চিমবাংলার বাঙালিও হতে পারে।’

তিনি বলেন, পুলিশকে বাংলাদেশি নির্ধারণের ক্ষমতা কে দিল? কোন আইনে? পুশব্যাকের অর্ডার কে দিল? কোর্টের আদেশ ছাড়া পুশব্যাক কখনওই করা যায় না। কর্ণাটক সরকার ফেরত পাঠাচ্ছে, তাতে সাহায্য করছে বাংলার সরকার। আমরা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে দাবি করছি, এই পুশব্যাক বন্ধ করুন।

জাতীয় নাগরিক নিবন্ধন (এনআরসি) আতঙ্কে ভারত থেকে বাংলাদেশে অবৈধ অনুপ্রবেশ হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে। প্রায় প্রতিদিনই ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ভারত সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকছে মানুষ। গত দুই সপ্তাহে দুই শতাধিক ভারতীয় অনুপ্রবেশকারীকে আটক করেছেন খালিশপুরস্থ ৫৮ বিজিবির সদস্যরা।

বিজিবি বলছে, যারা অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে এদের মধ্যে বেশির ভাগই মুসলমান। এরা এনআরসি আতঙ্ক ও স্থানীয় নির্যাতনে দেশ ছেড়ে চলে আসছেন। তারা আর ভারতে যাবেন না বলে বিজিবির কাছে জানিয়েছেন। সহায়-সম্বল নিয়ে তারা এদেশে চলে এসেছেন। তাদের আটকের পর অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে আটকরা জানিয়েছেন, সীমান্তের ওপারে অপেক্ষমাণ আরও অসংখ্য নারী-পুরুষ। তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে সুযোগের অপেক্ষায়।

রাজস্থানে লেকের ধারে হাজার হাজার পাখির মৃত্যু
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভারতের রাজস্থানের জয়পুরের একটি লেকের কাছে কয়েক হাজার মৃত পাখি পাওয়া গেছে। সামভার লেকের কাছে প্রায় ১০ প্রজাতির অতিথি পাখির মৃত্যু হয়েছে।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাদের ধারণা লেকের দূষিত পানির কারণেই ওই পাখিগুলোর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে পাখিগুলোর মৃত্যুর বিষয়ে তদন্তের পরেই এ বিষয়ে সঠিকভাবে জানা যাবে।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে প্রায় ১৫শ পাখির মৃত্যু হয়েছে। তবে স্থানীয় লোকজন বলছে প্রায় পাঁচ হাজার পাখির মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় পাখি পর্যবেক্ষক অভিনব বৈষ্ণব (২৫) বলেন, আমরা এমন ঘটনা আর দেখিনি। পাঁচ হাজারের বেশি পাখি মারা গেছে।

বনরক্ষক রাজেন্দ্র জাখার বলেন, হয়তো কিছুদিন আগের শিলাবৃষ্টির কারণেই পাখিগুলোর মৃত্যু হয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের ধারণা ১০ প্রজাতির প্রায় ১৫শ পাখির মৃত্যু হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, পানির দুষণ, ব্যাকটেরিয়া বা বিভিন্ন ধরনের ভাইরাস থেকেও পাখিগুলোর মৃত্যু হতে পারে। আমরা সবকিছুই খতিয়ে দেখছি। ওই এলাকা থেকে মৃত পাখি এবং পানি স্যাম্পল হিসেবে নিয়ে গেছে জয়পুরের একটি মেডিকেল টিম।

 
অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ: ফিরে দেখা পাঁচ শতাব্দী
                                  

নিউজ ডেস্ক

১৫২৮: কিছু হিন্দুর মতে, হিন্দুধর্মের অন্যতম আরাধ্য দেবতা রাম যেখানে জন্মগ্রহণ করেছিলেন, সেখানে একটি মসজিদ তৈরি করা হয়।

১৮৫৩: ধর্মকে কেন্দ্র করে প্রথমবারের মতো সহিংসতার ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।

১৯৪৯: মসজিদের ভেতর রামের মূর্তি দেখা যায়। হিন্দুদের বিরুদ্ধে মূর্তিগুলো রাখার অভিযোগ ওঠে। মুসলমানরা প্রতিবাদ জানান এবং দুই পক্ষই দেওয়ানি মামলা করে। সরকার ওই চত্বরকে বিতর্কিত জায়গা বলে ঘোষণা দেয় এবং দরজা বন্ধ করে দেয়।

১৯৮৪: বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (ভিএইচপি) নেতৃত্বে রামের জন্মস্থান উদ্ধার এবং তাঁর সম্মানে একটি মন্দির প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি কমিটি গঠন করেন হিন্দুরা। তৎকালীন বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আদভানি (পরবর্তী সময়ে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) ওই প্রচারণায় নেতৃত্ব নেন।


১৯৮৬: বিচারক আদেশ দেন, যেন বিতর্কিত মসজিদের দরজা উন্মুক্ত করে দিয়ে হিন্দুদের সেখানে উপাসনার সুযোগ দেওয়া হয়। মুসলমানরা এর প্রতিবাদে বাবরি মসজিদ অ্যাকশন কমিটি গঠন করেন।

১৯৮৯: বিতর্কিত মসজিদসংলগ্ন জায়গায় রামমন্দিরের ভিত্তি স্থাপন করে নতুন প্রচারণা শুরু করে ভিএইচপি।

১৯৯০: ভিএইচপির কর্মীরা মসজিদের আংশিক ক্ষতিসাধন করেন। প্রধানমন্ত্রী চন্দ্রশেখর আলোচনার মাধ্যমে বিতর্ক সমাধানের চেষ্টা করলেও তা পরের বছর বিফল হয়।

১৯৯২: ভিএইচপি, বিজেপি এবং শিবসেনা পার্টির সমর্থকেরা মসজিদটি ধ্বংস করে। এর ফলে পুরো ভারতে হিন্দু–মুসলমানের মধ্যে দাঙ্গায় ২ হাজারের বেশি মানুষ মারা যায়।

২০০১: মসজিদ ধ্বংসের বার্ষিকীতে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ওই স্থানে আবারও মন্দির তৈরির দাবি তোলে ভিএইচপি।

জানুয়ারি ২০০২: নিজের কার্যালয়ে অযোধ্যা সেল তৈরি করেন প্রধানমন্ত্রী বাজপেয়ি।

ফেব্রুয়ারি ২০০২: উত্তর প্রদেশের নির্বাচনের তফসিলে মন্দির তৈরির বিষয়টি বাদ দেয় বিজেপি। ভিএইচপি ১৫ মার্চের মধ্যে মন্দির নির্মাণকাজ শুরু করার ঘোষণা দেয়। শত শত স্বেচ্ছাসেবক বিতর্কিত স্থানে জড়ো হন। অযোধ্যা থেকে ফিরতে থাকা হিন্দু অ্যাকটিভিস্টদের বহনকারী একটি ট্রেনে হামলার ঘটনায় অন্তত ৫৮ জন মারা যায়।

মার্চ ২০০২: ট্রেন হামলার জের ধরে গুজরাটে হওয়া দাঙ্গায় ১ হাজার থেকে ২ হাজার মানুষ মারা যায়।

এপ্রিল ২০০২: ধর্মীয়ভাবে পবিত্র হিসেবে বিবেচিত জায়গাটির মালিকানার দাবিদার কারা, তা নির্ধারণ করতে হাইকোর্টের তিনজন বিচারক শুনানি শুরু করেন।

জানুয়ারি ২০০৩: ওই স্থানে ঈশ্বর রামের মন্দিরের নিদর্শন আছে কি না, তা যাচাই করতে আদালতের নির্দেশে নৃতত্ত্ববিদেরা জরিপ শুরু করেন।

আগস্ট ২০০৩: জরিপে প্রকাশিত হয় যে মসজিদের নিচে মন্দিরের চিহ্ন রয়েছে, কিন্তু মুসলমানরা এই দাবির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

সেপ্টেম্বর ২০০৩: বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পেছনে উসকানি দেওয়ায় সাতজন হিন্দু নেতাকে বিচারের আওতায় আনা উচিত বলে রুল জারি করেন একটি আদালত।

অক্টোবর ২০০৪: বিজেপি নেতা আদভানি জানান, তাঁর দল এখনো অযোধ্যায় মন্দির প্রতিষ্ঠা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং তা অবশ্যম্ভাবী।

নভেম্বর ২০০৪: উত্তর প্রদেশের একটি আদালত রায় দেন যে মসজিদ ধ্বংস করার সঙ্গে সম্পৃক্ত না থাকায় আদভানিকে রেহাই দিয়ে আদালতের জারি করা পূর্ববর্তী আদেশ পুনর্যাচাই করা উচিত।

জুলাই ২০০৫: দুর্বৃত্তরা বিস্ফোরকভর্তি একটি জিপ দিয়ে বিতর্কিত স্থানটিতে হামলা চালিয়ে সেখানকার চত্বরের দেয়ালে গর্ত তৈরি করে। নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে নিহত হয় ছয়জন, যাদের মধ্যে পাঁচজনই জঙ্গি বলে দাবি করে নিরাপত্তারক্ষীরা।

জুন ২০০৯: মসজিদ ধ্বংস হওয়া সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে থাকা লিবারহান কমিশন তদন্ত শুরু করার ১৭ বছর পর তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়।

নভেম্বর ২০০৯: প্রকাশিত লিবারহান কমিশনের প্রতিবেদনে মসজিদ ধ্বংসের পেছনে বিজেপির শীর্ষ রাজনীতিবিদদের ভূমিকার বিষয়টি উল্লেখ করা হয় এবং এ নিয়ে সংসদে হট্টগোল হয়।

সেপ্টেম্বর ২০১০: এলাহাবাদ হাইকোর্ট রায় দেন যে স্থানটির নিয়ন্ত্রণ ভাগাভাগি করে দেওয়া উচিত। কোর্টের রায় অনুযায়ী, এক-তৃতীয়াংশের নিয়ন্ত্রণ মুসলমানদের, এক-তৃতীয়াংশ হিন্দুদের এবং বাকি অংশ ‘নির্মোহী আখারা’ গোষ্ঠীর কাছে দেওয়া উচিত। যেই অংশটি বিতর্কের কেন্দ্র, যেখানে মসজিদ ধ্বংস করা হয়েছিল, তার নিয়ন্ত্রণ দেওয়া হয় হিন্দুদের কাছে। একজন মুসলমান আইনজীবী বলেন, এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন।

মে ২০১১: ২০১০ সালের রায়ের বিরুদ্ধে হিন্দু ও মুসলিম দুই পক্ষই আপিল করায় হাইকোর্টের পূর্ববর্তী রায় বাতিল করেন সুপ্রিম কোর্ট।

৯ নভেম্বর ২০১৯: সে জায়গাটিতে মন্দির তৈরির পক্ষেই চূড়ান্ত রায় দিয়েছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।

সুত্র: বিবিসি

 
ঘূর্ণিঝড় বুলবুল: পশ্চিমবঙ্গে প্রাণ হারালেন ৭ জন
                                  

নিউজ ডেস্ক


ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’–এর তাণ্ডবে পশ্চিমবঙ্গে সাতজন প্রাণ হারিয়েছেন। কলকাতার আবহাওয়া দপ্তর থেকে আজ রোববার এ তথ্য জানানো হয়।

নিহত ছয়জনের মধ্যে পাঁচজন বসিরহাটে, একজন কলকাতায় ও একজন পূর্ব মেদিনীপুরে মারা গেছেন। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে, গাছ চাপা পড়ে এবং দেয়াল ধসে পড়ে এই ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে।


রাজ্য সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, বুলবুলের তাণ্ডবে পশ্চিমবঙ্গে ৭ হাজার বাড়ি ধসে পড়েছে। গাছ ভেঙেছে ৯ হাজার। মোবাইল ফোনের টাওয়ার ভেঙে পড়েছে ৯৫০টি। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রচুর ফসলি জমি। কলকাতা-হাওড়ার মধ্যে এখনো ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে।

এদিকে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে খবর নিতে আজ সকালে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত লোকদের সহায়তার আশ্বাস দেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলে সাহায্যের আশ্বাস দেন।

আলীপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বঘোষণা অনুযায়ী গতকাল শনিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে বুলবুল প্রথম আঘাত করে পশ্চিমবঙ্গের সমুদ্র উপকূলবর্তী দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বকখালিতে। তবে সুন্দরবনের কারণে বহু মানুষ ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পেয়েছে।

আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, কলকাতাসহ রাজ্যের সাতটি জেলায় আজ সারা দিনই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব থাকবে। দিঘা, মন্দারমণি, তাজপুর, বকখালিসহ অন্যান্য পর্যটনকেন্দ্রে পর্যটকদের ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। বকখালি এবং দিঘায় অনেক পর্যটক আটকে পড়েছেন। আগামীকাল সোমবার সকাল থেকে আবহাওয়া স্বাভাবিক হবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।

 
বাংলাদেশকে না দিলেও মালদ্বীপকে পেঁয়াজ দিচ্ছে ভারত
                                  

নিউজ ডেস্ক


বাংলাদেশকে না দিলেও মালদ্বীপকে পেঁয়াজ দিচ্ছে ভারত
বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে ভারত। দেশটিতে পেঁয়াজের ঘাটতিও দেখা দিয়েছে। রাজ্য ভেদে ৬০ থেকে ১০০ টাকা দরে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। তবে ঘাটতির অজুহাতে বাংলাদেশকে পেঁয়াজ না দিলেও মালদ্বীপকে ঠিকই দিচ্ছে ভারত। নিজের দেশে ঘাটতি থাকায় ‘আমদানি করে’ মালদ্বীপে পেঁয়াজ রপ্তানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে পার্শ্ববর্তী দেশটি।

পেঁয়াজসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের জন্য ভারতের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল মালদ্বীপ। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, দেশে পেঁয়াজের সংকট থাকা সত্ত্বেও মালদ্বীপে পেঁয়াজ রপ্তানি করবে ভারত। এতে পরিমাণেরও কোনো হেরফের হবে না। আগে দেশটিতে যে পরিমাণ পেঁয়াজ রপ্তানি হতো সেই পরিমাণই রপ্তানি করা হবে পেঁয়াজ।

মালদ্বীপে নিযুক্ত ভারতীয় মিশন রোববার এক টুইট বার্তায় জানায়, ‘আমরা আমাদের বন্ধু মালদ্বীপকে আশ্বস্ত করতে চাই যে, টানা দাম বৃদ্ধি ও দেশে এক লাখ টন পেঁয়াজের ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও মালদ্বীপে পেঁয়াজ রপ্তানি করতে চায় ভারত।’

ভারতে রান্নার নিত্য অনুষঙ্গ পেঁয়াজের ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে। চাহিদা মেটাতে আফগানিস্তান, তুরস্ক, ইরান ও মিশর থেকে পেঁয়াজ আমদানি করতে হয় ভারতকে।

সূত্র বলছে, শুধু পেঁয়াজই নয়, সব ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র মালদ্বীপে রপ্তানি অব্যাহত রাখবে ভারত। চাহিদা মেটাতে এক লাখ টন পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত থাকবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন ভারতের খাদ্যমন্ত্রী রাম বিলাস পাসওয়ান।

সম্প্রতি ভারত সফরে বাংলাদেশে ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের বিষয়ে অনেকটা কৌতুকের ছলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের একটা সমস্যা হয়েছে...আপনারা পেঁয়াজ পাঠাচ্ছেন না। তাই আমি পেঁয়াজ খাওয়াই ছেড়ে দিয়েছে। রন্ধনশালার কর্মীদের তরকারিতে পেঁয়াজ না দিতে বলেছি। ভবিষ্যতে এ ধরনের কোনো পণ্য রফতানি বন্ধ করার আগে জানালে বাংলাদেশ পণ্য সংকট মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি নিতে পারে।’


২৯ সেপ্টেম্বর ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়ায় বাংলাদেশের বাজারে হু হু করে বেড়ে যায় পেঁয়াজের দাম। কেজিপ্রতি পেঁয়াজ বর্তমানে ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

 
বেঙ্গালুরুতে শুরু বাংলাদেশি চিহ্নিতকরণ, আতঙ্কিত বাংলাভাষীরা
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অবৈধ বাংলাদেশিদের ধরতে পথে নেমেছে বেঙ্গালুরুর প্রশাসন। সেখানকার বিভিন্ন অ্যাপার্টমেন্টে বাঙালি আর বাংলাদেশি চিহ্নিতকরণের কাজ চলছে। অ্যাপার্টমেন্টের বাঙালি বাসিন্দাদের ধরেই অন্যসব বাঙালির ভৌগলিক অবস্থান জানার চেষ্টা চালাচ্ছে প্রশাসন। আর এর জেরেই আতঙ্কিত সেখানকার বাংলাভাষী শ্রমিকরা।

অনেকে নিজেদের পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা দাবি করেন। কিন্তু যখন তাদের কাছে পশ্চিমবঙ্গে নির্দিষ্ট অবস্থানের কথা জানতে চাওয়া হয়, তখন তারা বলতে পারেননি। কিন্তু যারা বাংলাদেশের, তারা এ রাজ্যের (পশ্চিমবঙ্গের) নির্দিষ্ট স্থান সম্পর্কে বলতে গিয়ে অসুবিধায় পড়ছেন বলে মন্তব্য করেনে বেঙ্গালুরুর বাঙালি সংগঠন নেতারা।

মুনেকোল্লার একটি অ্যাপার্টমেন্টের এক বাঙালি বলেন, ভাষা প্রায় এক। অনেক সময়ই তা নিয়েই সমস্যা তৈরি হচ্ছে। ফলে জিজ্ঞাসাবাদই একমাত্র উপায় বলেই মনে করছেন তারা।

এই অ্যাপার্টমেন্টের অন্য বাসিন্দারা জানিয়ে দিয়েছেন, আইনি ঝামেলা থেকে দূরে থাকতে, তারা যেন কোনও বাঙালি সহকারী না রাখেন। এই নির্দেশের ফলে প্রভাব পড়েছে বেঙ্গালুরুর বিভিন্ন রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি, পৌরসভা কিংবা পুলিশ কমিশনারের অফিসে।

সেইসব অ্যাপার্টমেন্টে কাজ করা অনেকেই সম্ভাব্য প্রবাসী বাংলাদেশি। অ্যাপার্টমেন্টের বাঙালিদের স্পষ্ট বলে দেয়া হচ্ছে, তারা যেন বাংলাভাষী কাজের লোক না রাখেন। না হলে অ্যাপান্টমেন্টের সবাই বিপদে পড়ে যাবেন।

হোয়াইট ফিল্ড, মারাঠাহাল্লি এবং ইলেক্ট্রনিক সিটির মতো জায়গা, যেখানে বেঙ্গালুরুর প্রযুক্তিবিদরা থাকেন, সেখানকার অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্স থেকে এজেন্সিগুলোকে বলেই দেয়া হচ্ছে সেখানে যেন কোন বাংলাভাষী কাজের লোক কিংবা সিকিউরিটি গার্ড কিংবা অন্য কাজের লোক না পাঠানো হয়। বেঙ্গালুরুর অনেক বাঙালিই এই কাজে অসন্তুষ্ট। তারা বলছেন, ভাষার কারণে বাঙালি থেকে বাংলাদেশি পৃথক করার কাজ কঠিন। সেজন্য বাঙালি প্রমিকদের ওপর প্রভাব পড়ছে। সূত্র : ওয়ান ইন্ডিয়া ডটকম ।

 
প্রকাশ হলো ভারতের নতুন মানচিত্র
                                  

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ করা হলো ভারতের নতুন মানচিত্র। সেই সঙ্গে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রকাশ করেছে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে দ্বিখণ্ডিত হওয়া জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখের পৃথক মানচিত্র। গতকাল শনিবার সার্ভে জেনারেল অব ইন্ডিয়া এই দুই মানচিত্র প্রকাশ করে।

গত ৩১ অক্টোবর ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী আনুষ্ঠানিকভাবে জম্মু ও কাশ্মীরের রাজ্যের মর্যাদা রদ করে পৃথক দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘোষণা করা হয়। এর একটি জম্মু ও কাশ্মীর, অন্যটি লাদাখ।


ভারতে ছিল ২৯টি রাজ্য, আর ৭টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল। গত ৩১ অক্টোবর রাত ১২টার পর একটি রাজ্যের সংখ্যা কমে গেছে। আর বেড়ে গেছে ২টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সংখ্যা।

বর্তমানে ভারতের রাজ্যসংখ্যা ২৮টি। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সংখ্যা ৯টি।

এই ২৮ রাজ্য ও ৯টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল নিয়ে গঠিত নতুন ভারতের নতুন মানচিত্র গতকাল প্রকাশ করা হলো। আর নতুন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখের পৃথক মানচিত্রও প্রকাশ করা হলো।

নতুন মানচিত্র অনুযায়ী, জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ পুনর্গঠনের ফলে এখন জম্মু ও কাশ্মীরের জেলার সংখ্যা ১১ থেকে বাড়িয়ে ২৮টি করা হয়েছে। পাশাপাশি লাদাখের একটি জেলা বাড়িয়ে ২টি করা হয়েছে। কারগিল ও লেহ।

ইতিমধ্যে জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখের জন্য দুই রাজ্যপালও নিয়োগ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। জম্মু ও কাশ্মীরের রাজ্যপাল বা গভর্নর হয়েছেন গিরিশ চন্দ্র মুর্মু। লাদাখের গভর্নর হয়েছেন রাধাকৃষ্ণ মাথুর। তাঁরা রাজ্যপাল হিসেবে শপথও নিয়েছেন।

গত ৫ আগস্ট ভারতের পার্লামেন্ট সংবিধানের ৩৭০ ধারা বিলোপ করে জম্মু ও কাশ্মীরের রাজ্যের মর্যাদা রদ করে। পাশাপাশি জম্মু ও কাশ্মীরকে ভেঙে দ্বিখণ্ডিত করে পৃথক দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘোষণা করা হয়।

ভারতের বাজারে পিয়াজের দামে ধস
                                  

অনলাইন ডেস্ক : ভারতে পিয়াজের বাজারে ধস নেমেছে। সর্বকালের সবচেয়ে কম দামে পণ্যটি বিক্রি হচ্ছে দেশটিতে। গতকাল লাসাগাঁও অনলাইন মার্কেটে কেজিপ্রতি পণ্যটি ৬ থেকে ১০ রুপি দরে বিক্রি হয়েছে। ন্যায্য মূল্য না পেয়ে দেশটির কৃষকরা এখন রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা তুলে দিতে কেন্দ্রকে চাপ দিচ্ছেন। এদিকে কৃষকের চাপে কর্ণাটকে উৎপাদিত পিয়াজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে ভারত। প্রতি চালানে সর্বোচ্চ ৯ হাজার মেট্রিক টন রপ্তানি করা যাবে বেঙ্গালুরু পিয়াজ। দেশটির হর্টিকালচার কমিশনারের অনুমতি নিয়ে চেন্নাই সমুদ্রবন্দর দিয়ে এ পিয়াজ রপ্তানি করা যাবে। জানা গেছে, কর্ণাটকের গোলাপি জাতের বেঙ্গালুরু পিয়াজ বাজারে চলে আসায় স্থানীয়ভাবে পণ্যটির দাম কমতে শুরু করেছে। ফলে ব্যবসায়ীরা তাদের রাজ্য সরকারকে চাপ দিচ্ছেন, যাতে করে রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা তুলে দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মহারাষ্ট্রে নির্বাচনও শেষ হয়ে গেছে। ফলে এ মুহূর্তে পিয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা রাখার আর কোনো যৌক্তিক কারণ দেখছেন না ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। শেষে ২৮ অক্টোবর ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক বাণিজ্য শাখা এক আদেশে শুধু কর্ণাটক রাজ্যে উৎপাদিত ‘বেঙ্গালুরু গোলাপি পিয়াজ’ রপ্তানির অনুমতি দেয়। এর আগে ২৯ সেপ্টেম্বর এক আদেশে পিয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয় ভারত। এর পর থেকেই বাংলাদেশে পণ্যটির দাম বাড়তে থাকে দফায় দফায়। শেষ পর্যন্ত গতকাল পাইকারি বাজারে পণ্যটির দাম কেজিপ্রতি ১১০ থেকে ১১৫ টাকা এবং খুচরা বাজারে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তবে ভারতের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ঘোষণায় পিয়াজের দাম দু-চার দিনের মধ্যে কমে আসবে বলে জানিয়েছেন খাতুনগঞ্জের পিয়াজ ব্যবসায়ীরা।

চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের পিয়াজ ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম মুঠোফোনে গতকাল সন্ধ্যায় বলেন, ‘আমরা শুনেছি কর্ণাটকি পিয়াজের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য রাজ্যের পিয়াজেও দ্রুত এলসি খোলা যাবে বলে ভারতের রপ্তানিকারকরা আমাদের এটি জানিয়েছেন। আশা করছি ২ নভেম্বরের মধ্যে নতুন এলসি শুরু হবে। আমদানি করা মাল সীমান্ত দিয়ে আসতে শুরু করলেই দ্রুত বাজারে দাম কমে যাবে।’ আমদানিকৃত পিয়াজ না আসার কারণেই গত তিন-চার দিনে পণ্যটির দাম বেড়েছে বলে জানান এই ব্যবসায়ী। খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীরা জানান, কর্ণাটকের পাশাপাশি ভারতের অন্যান্য রাজ্যের কৃষক ও ব্যবসায়ীরাও পিয়াজ রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে কেন্দ্রকে চাপ দিচ্ছেন। তারা শুধু একটি রাজ্য থেকে পিয়াজ রপ্তানির এই আদেশে ক্ষুব্ধ। বিশেষ করে এশিয়ার পিয়াজের সবচেয়ে বড় বাজার লাসাগাঁওয়ের চাষিরা পিয়াজ রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার জন্য কেন্দ্রের কাছে আবেদন করেছেন।

অনলাইনে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, নতুন পিয়াজ বাজারে আসায় ভারতের বৃহত্তম বাজার লাসগাঁওয়ে কেজিপ্রতি পিয়াজের দাম ৬ থেকে ১০ টাকায় নেমে এসেছে। ফলে দেশটির পিয়াজচাষিরা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। লাসাগাঁও এগ্রিকালচার প্রডিউস মার্কেট কমিটির সভাপতি সুভর্না জগতাপ সম্প্রতি দেশটির ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসকে বলেছেন, বিভিন্ন রাজ্য থেকে পিয়াজ আসা শুরু হওয়ায় পাইকারিতে পিয়াজের দাম দ্রুত কমছে। এর ফলে কৃষকরা ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন না। এখনই রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা এবং গুদামজাতের পরিমাণের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে না নিলে কৃষকরা আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

এদিকে ভারতের পাশাপাশি মিসর ও তুরস্ক থেকে প্রায় ৬০ মেট্রিক টন পিয়াজ নিয়ে তিনটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের পথে রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য সচিব ড. জাফর উদ্দীন। তিনি বলেন, ‘যে কোনো মুহূর্তে পিয়াজের দাম কমে যাবে। আমরা শুনেছি ভারতের পিয়াজের ওপর নিষেধাজ্ঞা উঠে যাচ্ছে। দেশের তিনটি বড় কোম্পানির আমদানিকৃত পিয়াজ এখন পথে। দু-এক দিনের মধ্যে বন্দরে জাহাজ ভিড়বে। এ ছাড়া কৃষি মন্ত্রণালয়ে খোঁজ নিয়ে জেনেছি, আগাম জাতের যে পিয়াজ উৎপাদিত হয় দেশে, সেটিও চলতি মাসে বাজারে চলে আসবে। ফলে পিয়াজ মজুদ রেখে কেউ যদি বেশি দাম পাওয়ার অনৈতিক চেষ্টা করেন, তবে সেই ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।’

 
জমানো ৮৩ হাজার টাকার কয়েন দিয়ে মোটরসাইকেল কিনলেন যুবক
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : পকেটে টাকা না থাকলে জমানো কয়েনকে চতুর্দশীর চাঁদ হিসেবে দেখেন অনেকে। সেই চতুর্দশীতেই ৮৩ হাজার টাকার কয়েন দিয়ে নিজের পছন্দের মোটরসাইকেল কিনলেন ভারতের মধ্যপ্রদেশের এক যুবক।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিওয়ালিতে নিজের জন্য উপহার কিনতে চেয়েছিলেন মধ্যপ্রদেশের সাতানার যুবক রাকেশকুমার গুপ্ত। মোটরসাইকেল ডিলারের কাছে গিয়ে পছন্দ করেছিলেন প্রিয় মডেলটাই। ১২৫ সিসির ওই মোটরসাইকেলে রয়েছে ডিস্ক ব্রেকসহ নানা সুবিধা। মোটরসাইকেলটির দাম ৮৩ হাজার টাকা। শো-রুমে গিয়ে নিজের পছন্দের গাড়িটিই কিনেছেন রাকেশ।

মোটরসাইকেলে দাম মেটাতে তিনি ক্রেডিট কার্ড, ডিজিটাল অ্যাপ বা ইএমআই এর সাহায্যও নেননি। তিনি দাম মিটিয়েছেন নগদেই। তবে পুরোটাই খুচরোয়। ৫ টাকা ও ১০ টাকার কয়েন মিলে, মোট ৮৩ হাজার টাকা দিয়ে মোটরসাইকেল কিনেছেন রাকেশ। বিপুল পরিমাণ খুচরো পয়সা গুনতে প্রায় তিন ঘণ্টা সময় লাগে।

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

 
ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশে নৌকাডুবিতে ১২ জনের মৃত্যু
                                  

অনলাইন ডেস্ক : ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশে নৌকাডুতিতে এখন পর্যন্ত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সময় রোববার বিকেলে রাজ্যের দেবীপটনম এলাকা সংলগ্ন গোদাবরি নদীতে ৬৩ জন যাত্রী নিয়ে এ নৌকা ডুবির ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় উদ্ধারকারী কর্মকর্তার বরাতে এনডিটিভি জানায়, রোববার ঝড়ের কবলে পড়ে দুর্ঘটনার পর নৌকাটির ২৩ জন আরোহীকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তবে এখনও বহু যাত্রী নিখোঁজ রয়েছে। সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স (এনডিআরএফ) -এর দু’টি দল উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছে।

উদ্ধার তৎপরতা সম্পর্কে খোঁজ নিয়েছেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ওয়াইএস জগমোহন রেড্ডি। ওই অঞ্চলের যেকোনো ধরনের নৌ-বিহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

এদিকে নৌকাডুবির ঘটনার মাত্র দুই দিন আগে মধ্যপ্রদেশে গণেশের প্রতিমা বিসর্জন দিতে গিয়ে পানিতে ডুবে মারা যায় ১২ জন। বিশালাকৃতির গণেশ প্রতিমা বহনকারী আরোহীরা নৌকার এক পাশে বসে পড়লে তা ডুবে যায়।

হিন্দিকে জাতীয় ভাষা করার দাবি অমিত শাহ`র
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : হিন্দিকে জাতীয় ভাষা করার দাবি জানিয়েছেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শনিবার হিন্দি দিবস উপলক্ষে এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, দেশের সর্বাধিক কথিত ভাষা হল হিন্দি। আর এই ভাষা দেশের মানুষের মধ্যে একতা তৈরির ক্ষমতা রাখে। তাই এই ভাষাকেই জাতীয় ভাষা করা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তবে তিনি একথাও স্বীকার করেছেন যে, ভারত বহু ভাষাভাষী মানুষের দেশ এবং প্রতিটি ভাষারই নিজস্ব গুরুত্ব রয়েছে। তার পরেও হিন্দির গুরুত্ব উল্লেখ করে দেশের জাতীয় ভাষা হিসাবে ঘোষণা করার প্রস্তাব জানান তিনি।

এক টুইট বার্তায় অমিত শাহ বলেন, হিন্দিই পারে দেশকে একসূত্রে গাঁথতে। প্রতি বছর ১৪ সেপ্টেম্বর হিন্দি ভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। ১৯৪৯ সালের এই দিনেই ভারতের গণপরিষদ হিন্দিকে দেশটির সরকারি ভাষা হিসেবে গ্রহণ করে। ওই দিনের তাৎপর্য তুলে ধরতেই প্রতি বছর এই দিনটি পালন করা হয়। দেবনাগরী লিপিতে রচিত হিন্দি, দেশের ২২টি নির্ধারিত ভাষার একটি। তবে হিন্দি হলো কেন্দ্রীয় সরকারের দু`টি সরকারি ভাষার মধ্যে একটি, অন্যটি হল ইংরেজি ভাষা।

ভারতের জাতীয় পর্যায়ে দুটি সরকারি ভাষা এবং রাষ্ট্রীয় স্তরে ২২টি ভাষার স্বীকৃত থাকলেও দেশটিতে এখনও কোনও জাতীয় ভাষা নেই। অমিত শাহ হিন্দিকে জাতীয় ভাষা করার কথা উল্লেখ করে বলেন, ভারত বহু ভাষাভাষীর দেশ এবং প্রতিটি ভাষারই নিজস্ব গুরুত্ব থাকলেও বিশ্বব্যাপী পরিচিতির জন্য একটি অভিন্ন ভাষার প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে যদি এমন একটিও ভাষা থাকে যা জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার ক্ষমতা রাখে তবে তা হলো হিন্দি। এই ভাষাটি ভারতের সর্বাধিক ব্যবহৃত এবং সহজবোধ্য ভাষা।


   Page 1 of 8
     প্রতিবেশী
মোদির ভাষণকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অভিবাদন
.............................................................................................
ভারতে উহান থেকে ফিরেছেন ২৩ বাংলাদেশি
.............................................................................................
ভারতে ‘কীর্তন’ উৎসবে বিস্ফোরণ, নিহত ১৫
.............................................................................................
গরু খেলে বাঘেরও শাস্তি হওয়া উচিত!
.............................................................................................
আমদানি করা পেয়াজ নিয়ে বিপাকে ভারত
.............................................................................................
আরও ৫৭ ‘বাংলাদেশি’কে পুশব্যাক করতে সীমান্তে আনছে ভারত
.............................................................................................
রাজস্থানে লেকের ধারে হাজার হাজার পাখির মৃত্যু
.............................................................................................
অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ: ফিরে দেখা পাঁচ শতাব্দী
.............................................................................................
ঘূর্ণিঝড় বুলবুল: পশ্চিমবঙ্গে প্রাণ হারালেন ৭ জন
.............................................................................................
বাংলাদেশকে না দিলেও মালদ্বীপকে পেঁয়াজ দিচ্ছে ভারত
.............................................................................................
বেঙ্গালুরুতে শুরু বাংলাদেশি চিহ্নিতকরণ, আতঙ্কিত বাংলাভাষীরা
.............................................................................................
প্রকাশ হলো ভারতের নতুন মানচিত্র
.............................................................................................
ভারতের বাজারে পিয়াজের দামে ধস
.............................................................................................
জমানো ৮৩ হাজার টাকার কয়েন দিয়ে মোটরসাইকেল কিনলেন যুবক
.............................................................................................
ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশে নৌকাডুবিতে ১২ জনের মৃত্যু
.............................................................................................
হিন্দিকে জাতীয় ভাষা করার দাবি অমিত শাহ`র
.............................................................................................
কিশোরী সাঁতারুকে যৌন হেনস্থায় কোচ গ্রেফতার
.............................................................................................
২৪ ঘণ্টায় মমতার কাছে ১ লাখ ফোনকল
.............................................................................................
তিন তালাকের দিন শেষ ভারতে
.............................................................................................
এবার ভারতে ছেলেধরা সন্দেহে একজনকে পিটিয়ে হত্যা
.............................................................................................
ভারতে গরু চুরির সন্দেহে গণপিটুনি, নিহত ৩
.............................................................................................
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যায় ১০ জনের মৃত্যু
.............................................................................................
ডিমের প্রলোভন দেখিয়ে কুকুরকে গণধর্ষণ
.............................................................................................
মাদরাসা মানেই জঙ্গি শিবির নয় ॥ মমতা
.............................................................................................
বাবার স্মার্টফোনে ভিডিও দেখে আত্মহত্যা করল মেয়ে
.............................................................................................
পার্লারের নামে অবৈধ কর্মকাণ্ড, ভারতে আটক ৩৫
.............................................................................................
সদ্যোজাত শিশুকে নিয়ে নার্সদের টিকটক
.............................................................................................
ভারতের সংসদে বাংলায় শপথ নিলেন নুসরাত-মিমি
.............................................................................................
ধর্মঘট প্রত্যাহার, কাজে যোগ দিলেন পশ্চিমবঙ্গের চিকিৎসকরা
.............................................................................................
ভারতজুড়ে চিকিৎসকদের কর্মবিরতি
.............................................................................................
কলকাতায় বিজেপির বিক্ষোভ পুলিশের পিটুনিতে ছত্রভঙ্গ
.............................................................................................
ভারতে তীব্র তাপপ্রবাহে ৪ জনের মৃত্যু
.............................................................................................
ফেরদৌসের ভিসা বাতিল করায় যা বললেন ক্ষুব্ধ মমতা
.............................................................................................
জেএমবিকে নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী দল ঘোষণা ভারতের
.............................................................................................
ধ্যান ভাঙলেন মোদি
.............................................................................................
প্রতিদিন ২০ কিলোমিটার হাঁটেন মমতা!
.............................................................................................
মোরগের দাম ১ লাখ ৩২ হাজার টাকা!
.............................................................................................
তীব্র গরমে ঘোড়াকে স্যালাইন!
.............................................................................................
ষষ্ঠ দফায় আজ ভোট হচ্ছে ৫৯টি আসনে
.............................................................................................
লিভ-ইন পার্টনার মডেলকে ধর্ষণ, চিকিৎসক গ্রেফতার
.............................................................................................
থামছেই না মোদি-মমতা বাকযুদ্ধ
.............................................................................................
বিজেপি প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয়র গাড়ি ভাঙচুর
.............................................................................................
ভারতের লোকসভায় চতুর্থ দফার ভোটগ্রহণ আজ
.............................................................................................
ভারতে লোকসভা নির্বাচনের তৃতীয় দফার ভোট গ্রহণ চলছে
.............................................................................................
ভারতে ট্রেন লাইনচ্যুত হয়ে আহত ১৩
.............................................................................................
‘রহস্যময় কালো ট্রাঙ্ক’ ঘিরে ভারতের রাজনীতিতে উত্তাপ
.............................................................................................
ফেসবুকে বন্ধুত্ব : শিক্ষিকাকে ধর্ষণ
.............................................................................................
আহত মুরগিকে হাসপাতালে নিয়ে পুরস্কার পেল এই শিশু
.............................................................................................
রমজানেই ভোটের দিন, `কষ্ট` ভাগ করতে রোজা রাখবেন মিমি`ও
.............................................................................................
ভারতীয় গণমাধ্যমে ‘ঢাকার সুপারম্যান’
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD