| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * শিশু ধর্ষণ মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কেন দেয়া হবে না : হাইকোর্ট   * মতিউর রহমানসহ ছয়জনকে গ্রেফতার ও হয়রানি না করার নির্দেশ   * প্রিন্স হ্যারি-মেগান রাজকীয় পদবি হারাচ্ছেন   * ইয়েমেনে সামরিক প্রশিক্ষণ শিবিরে হামলায় নিহত ৬০   * যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের ওপর `বিপজ্জনক আক্রমণ` : ট্রাম্পের আইনজীবী   * মাঘের শুরুতেই বৃষ্টিতে ভিজলো রাজশাহী   * আওয়ামী লীগ ও নৌকার ব্যাকগ্রাউন্ড লাগে না : আতিকুল ইসলাম   * গণমাধ্যমের স্বাধীনতার কোন সম্পর্ক নেই গ্রেফতারি পরোয়ানার সঙ্গে   * নারীর আয়ে ৬৪ দেশের শীর্ষে বাংলাদেশ   * ওজনের কারণে ট্রাকে করে নেওয়া হলো গ্রেপ্তারকৃত আইএস নেতা নিমাহ  

   আদালত -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
শিশু ধর্ষণ মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কেন দেয়া হবে না : হাইকোর্ট

 

নিজস্ব প্রতিবেদক   

 

১৬ বছরের কম বয়সীদের শিশু ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কেন দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে নারী নির্যাতন ও ধর্ষণ ঠেকাতে একজন বিশেষজ্ঞসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে একটি কমিশন গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এ কমিশন ধর্ষণ ঠেকানোসহ অন্যান্য নির্যাতন প্রতিরোধের বিষয়ে সুপারিশ করবে।

 

জনস্বার্থে এ সংক্রান্ত এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রোববার (১৯ জানুয়ারি) হাইকোর্টের বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রুলসহ আদেশ দেন। আইন মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

 

 

 

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রাবেয়া ভূঁইয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

 

অন্তর্বর্তী আদেশের পাশাপাশি ১৬ বছরের নিচে কেউ ভিকটিম হলে সেক্ষেত্রে ধর্ষকের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রণয়ন করায় সরকারের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি হবে না, তা রুলে জানতে চেয়েছেন আদালত। পাশাপাশি ধর্ষণের ঘটনায় কারও মৃত্যু ঘটলে সেক্ষেত্রে আইনে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি যাবজ্জীবন সাজার যে বিধান রয়েছে, সে যাবজ্জীবন সাজা উঠিয়ে দিতে সরকারের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ হবে না, তা-ও জানতে চাওয়া হয়েছে।

 

এছাড়া ধর্ষণের ভিকটিমদের জন্য সাক্ষী সুরক্ষা আইন কেন প্রণয়ন করা হবে না, ধর্ষকদের ডিএনএ সংরক্ষণের জন্য কেন ডিএনএ ডাটাবেজ করা হবে না, প্রতিটি জেলায় ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের মাধ্যমে ভিকটিমদের সুরক্ষায় কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, ভিকটিমদের ছবি গণমাধ্যমে প্রচারের ক্ষেত্রে কেন সতর্কতা অবলম্বন করা হবে না, সব ধরনের ধর্ষণের অপরাধের জন্য কেন পৃথক একটি আদালত গঠন করা হবে না এবং সে আদালতে দ্রুত মামলা নিষ্পত্তি করার ক্ষেত্রে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, তা-ও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।

 

এর আগে গত সপ্তাহের ধর্ষণের ঘটনায় পৃথক নির্দেশনা চেয়ে এ রিট দায়ের করা হয়। ব্যারিস্টার রাবেয়া ভূঁইয়া হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট দায়ের করেন। ওই রিটের শুনানি নিয়ে আদালত এ আদেশ দিলেন।

 
শিশু ধর্ষণ মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কেন দেয়া হবে না : হাইকোর্ট
                                  

 

নিজস্ব প্রতিবেদক   

 

১৬ বছরের কম বয়সীদের শিশু ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কেন দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে নারী নির্যাতন ও ধর্ষণ ঠেকাতে একজন বিশেষজ্ঞসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে একটি কমিশন গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এ কমিশন ধর্ষণ ঠেকানোসহ অন্যান্য নির্যাতন প্রতিরোধের বিষয়ে সুপারিশ করবে।

 

জনস্বার্থে এ সংক্রান্ত এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রোববার (১৯ জানুয়ারি) হাইকোর্টের বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রুলসহ আদেশ দেন। আইন মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

 

 

 

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রাবেয়া ভূঁইয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

 

অন্তর্বর্তী আদেশের পাশাপাশি ১৬ বছরের নিচে কেউ ভিকটিম হলে সেক্ষেত্রে ধর্ষকের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রণয়ন করায় সরকারের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি হবে না, তা রুলে জানতে চেয়েছেন আদালত। পাশাপাশি ধর্ষণের ঘটনায় কারও মৃত্যু ঘটলে সেক্ষেত্রে আইনে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি যাবজ্জীবন সাজার যে বিধান রয়েছে, সে যাবজ্জীবন সাজা উঠিয়ে দিতে সরকারের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ হবে না, তা-ও জানতে চাওয়া হয়েছে।

 

এছাড়া ধর্ষণের ভিকটিমদের জন্য সাক্ষী সুরক্ষা আইন কেন প্রণয়ন করা হবে না, ধর্ষকদের ডিএনএ সংরক্ষণের জন্য কেন ডিএনএ ডাটাবেজ করা হবে না, প্রতিটি জেলায় ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের মাধ্যমে ভিকটিমদের সুরক্ষায় কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, ভিকটিমদের ছবি গণমাধ্যমে প্রচারের ক্ষেত্রে কেন সতর্কতা অবলম্বন করা হবে না, সব ধরনের ধর্ষণের অপরাধের জন্য কেন পৃথক একটি আদালত গঠন করা হবে না এবং সে আদালতে দ্রুত মামলা নিষ্পত্তি করার ক্ষেত্রে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, তা-ও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।

 

এর আগে গত সপ্তাহের ধর্ষণের ঘটনায় পৃথক নির্দেশনা চেয়ে এ রিট দায়ের করা হয়। ব্যারিস্টার রাবেয়া ভূঁইয়া হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট দায়ের করেন। ওই রিটের শুনানি নিয়ে আদালত এ আদেশ দিলেন।

 
মতিউর রহমানসহ ছয়জনকে গ্রেফতার ও হয়রানি না করার নির্দেশ
                                  

 

নিজস্ব প্রতিবেদক   

 

ঢাকার রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্র নাইমুল আবরারের (১৫) মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলায় প্রথম আলো পত্রিকার সম্পাদক মতিউর রহমান ও সহযোগী সম্পাদক আনিসুল হকসহ ছয়জনকে গ্রেফতার ও হয়রানি না করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

 

রোববার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে হাইকোর্টের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ তাদের জামিন আবেদনের ওপর আংশিক শুনানি শেষে এমন আদেশ দেন। একই সঙ্গে আগামীকাল সোমবার আবেদনের ওপর পূর্ণাঙ্গ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

 

 

 

মতিউর রহমানসহ ছয়জনের জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার এম আমির-উল ইসলাম। পরে তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

 

জামিন আবেদন করা অন্য চারজন হলেন- কিশোর আলোর জ্যেষ্ঠ সহসম্পাদক মহিতুল আলম, প্রথম আলোর হেড অব ইভেন্ট অ্যান্ড অ্যাকটিভেশন কবির বকুল, নির্বাহী শাহ পরাণ তুষার এবং নির্বাহী শুভাশীষ প্রামাণিক।

 

রোববার দুপুরে হাইকোর্টের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ থেকে জামিন আবেদনের জন্য অনুমতি নিয়ে আবেদন করেন মতিউর রহমানসহ ছয়জনের আইনজীবী। এ সময় জামিন শুনানিরও আবেদন জানানো হয়। কিন্তু আদালত আগামীকাল (সোমবার) শুনানির জন্য প্রথমে সময় নির্ধারণ করেন। কিন্তু জামিন আবেদনের পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার এম আমির-উল ইসলাম আজ (রোববার) ‘নো অ্যারেস্ট নো হ্যারাস’- এমন আদেশ চাইলে আদালত বিকাল সাড়ে ৩টার পর বসবেন বলে জানান।

 

গত ১৬ জানুয়ারি ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. কায়সারুল ইসলাম প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান, সাময়িকীটির সম্পাদক ও লেখক আনিসুল হকসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

 

এর আগে নাইমুল আবরার নিহত হওয়ায় কিশোর আলো কর্তৃপক্ষের অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেছে মর্মে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল আলিম এ প্রতিবেদন দাখিল করেন।

 

প্রতিবেদন আমলে নিয়ে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. কায়সারুল ইসলাম গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

 

 

 

প্রতিবেদনটিতে মতিউর রহমান ও আনিসুল হক ছাড়াও কবির বকুল, শুভাশিস প্রামাণিক শুভ, মুহিতুল আলম পাভেল, শাহপরাণ তুষার, জসিম উদ্দিন তপু, মোশারফ হোসেন, মো. সুমন ও কামরুল হাওলাদারকে ঘটনার জন্য দায়ী করা হয়।

 

ওইদিন আইনজীবী ওমর ফারুক বলেন, প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০৪ (ক) ধারায় অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগ আনা হয়েছিল। একইসঙ্গে এ ঘটনায় আর কারা জড়িত এবং কার কী দায় রয়েছে, তা তদন্তের জন্য আমরা আবেদন জানিয়েছিলাম। স্বল্প সময়ের মধ্যেই এর প্রতিবেদন দাখিল করেছে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ। যে ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছিল, সে ধারাতেই কিশোর আলোর সঙ্গে সম্পৃক্ত ১০ জনকে ঘটনার জন্য দায়ী করে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। আমরা এই প্রতিবেদনে সন্তুষ্ট।

 

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার আদালত প্রতিবেদনটি আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। এছাড়া এই ধারায় বিচারে চূড়ান্তভাবে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আসামিদের সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড হতে পারে।

 
খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন : সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত
                                  

স্টাফ রিপোর্টার


জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের বিষয়ে করা আপিল আবেদন খারিজ করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়েছে।

রোববার সকালে সুপ্রিম কোর্টের ওয়েব সাইটে ১৫ পৃষ্ঠার এ রায় প্রকাশ করা হয়। এর আগে গত ১২ ডিসেম্বর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন চেয়ে করা আপিল আবেদন খারিজ করে দেন সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ।



প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে ৬ বিচারকের আপিল বেঞ্চ ওই আদেশ দিয়েছিলেন।

গত ৫ ডিসেম্বর খালেদা জিয়ার সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা জানতে মেডিকেল বোর্ডের প্রতিবেদন চেয়েছিলেন আপিল বিভাগ। রাষ্ট্রপক্ষকে ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে ওই প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দেন আদালত।

মেডিকেল বোর্ডের রিপোর্টের আলোকে খালেদার জামিন খারিজ করে আদেশ দেন আপিল বিভাগ।

 
খালেদার দণ্ড স্থগিতে সরকার বিশেষ বিবেচনায় নিতে পারে : অ্যাটর্নি জেনারেল
                                  

 

নিজস্ব প্রতিবেদক   

 

দুর্নীতির দুই মামলায় ১৭ বছরের কারাদণ্ড নিয়ে কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিত করে তাকে দেশে বা বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দিতে সরকারের প্রতি দাবির বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, ‘অনেকদিন সাজা খাটার পরে এটা সরকার বিশেষ বিবেচনায় করতে পারে।’

 

গত ৯ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সুপ্রিম কোর্ট বারে এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিত করে তাকে দেশে বা বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) এ বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

 

 

 

নিজ কার্যালয়ে প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘সাধারণত সাজা সাসপেন্ড করা হয় অনেকদিন সাজা খাটার পর, সরকার বিশেষ বিবেচনায় এটা করে, করতে পারে। সে রকম কেস যদি তারা মেক আউট করতে পারে, সেটা সরকারের ব্যাপার।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘জেলখানায় যারা থাকেন এবং বহুদিন কারাভোগ করেন, ৪০১ অনুযায়ী তাদের নানাবিধ বিবেচনায় রিমিশন দেয়া হয় এবং অনেক সময় স্থগিতও করা হয়। কিন্তু তারা যদি প্রমাণ করতে পারেন, কেস মেক আউট করতে পারেন, সে ব্যাপারে সরকার দেখবে।’

 

৯ জানুয়ারি ওই সংবাদ সম্মেলনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আহ্বায়ক ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছিলেন, ‘জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের মামলায় সবোচ্চ সাজা পাঁচ বছর দেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে খালেদা জিয়া ২ বছর কারাগারে আটক রয়েছেন। তাই আইনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ছাড়াও তিনি একজন বয়স্ক অসুস্থ নারী, এ কারণেও দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী তিনি জামিন প্রাপ্য।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য দেশের সর্বোচ্চ আদালত এ মামলায় তার জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন। ফলে দেশের বিচার বিভাগের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে আমরা মনে করি।’

 
রিফাত হত্যা : মিন্নির জামিন বাতিলের বিষয়ে আদেশ আজ
                                  

 

বরগুনা প্রতিনিধি 

 

বহুল আলোচিত বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ও অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের সাক্ষ্যগ্রহণের ধার্য তারিখ আজ। একই দিনে এ মামলার অন্যতম আসামি নিহত রিফাতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির জামিন বাতিলের বিষয়ে আবেদনের শোকজের উত্তর দেবেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবী।

 

এদিকে মামলার ধার্য তারিখ থাকায় অন্যান্য দিনের চেয়ে মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) আদালতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আদালত প্রাঙ্গণে দায়িত্ব পালন করছেন ডিবি পুলিশসহ গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও।

 

 

মামলার ধার্য তারিখ থাকায় সকাল ৮টার দিকে এ মামলার প্রাপ্তবয়স্ক আট আসামিকে বরগুনা জেলা কারাগার থেকে আদালতে হাজির করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে এ মামলার অপ্রাপ্তবয়স্ক ১১ আসামিকেও বরগুনার কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। আদালতে হাজির হয়েছেন উচ্চ আদালতের আদেশে জামিনে থাকা নিহত রিফাতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি।

 

সকালে রিফাত শরীফ হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির বিরুদ্ধে বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে সাক্ষ্য দেবেন নিহত রিফাতের দুই চাচাসহ এ মামলার তিনজন সাক্ষী। একই দিন বিকেলে বরগুনা শিশু আদালতে অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবেন নিহত রিফাতের মা ডেইজি বেগম এবং চাচাতো বোন নুসরাত জাহান অনন্যা।

 

এ মামলার সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা জানান, রিফাত হত্যা মামলার দুই সাক্ষীকে হুমকি দেয়ার অভিযোগে নিহত রিফাতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির জামিন বাতিলের আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। গত ৮ জানুয়ারি বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে এ জামিন বাতিলের আবেদন করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের প্রেক্ষিতে মিন্নির জামিন কেন বাতিল করা হবে না এ মর্মে শোকজ করেছেন আদালত। আজ এই শোকজের উত্তর আদালতে উপস্থাপন করার কথা রয়েছে মিন্নির আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাহবুবুল বারী আসলামের।

 

মিন্নির জামিন কেন বাতিল করা হবে না এই মর্মে আদালতের করা শোকজের বিষয়ে গত ৯ জানুয়ারি মিন্নির আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাহবুবুল বারী আসলাম বলেছিলেন, মিন্নির জামিন বাতিলের জন্য রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে যে অভিযোগ করেছে তার সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং অবিশ্বাসযোগ্য। মঙ্গলবার আদালতে শোকজের জবাব উপস্থাপন করবেন তিনি।

 

এ বিষয়ে রিফাত হত্যা মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মুজিবুল হক কিসলু বলেন, বহুল আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণের ধার্য তারিখ রয়েছে। একই সঙ্গে এ মামলার অন্যতম আসামি নিহত রিফাতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির জামিন কেন বাতিল হবে না- এই মর্মে আদালতে শোকজের উত্তর দেয়ার কথা রয়েছে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীর।

 

 

তিনি আরও বলেন, মিন্নির জামিন বাতিল করা বা না করার এখতিয়ার সম্পূর্ণ আদালতের। সংশ্লিষ্ট আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে উপস্থাপন করা শোকজের উত্তরে যদি আদালত সন্তুষ্ট হয় তাহলে মিন্নির জামিন বাতিল নাও হতে পারে। অথবা আদালত চাইলে মিন্নির জামিন বাতিল করতে পারেন অথবা এ বিষয়ে তদন্তের আদেশ দিতে পারেন।

 

গত ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রিফাত হত্যাকাণ্ড ঘটে। গত ১ সেপ্টেম্বর বিকেলে ২৪ জনকে অভিযুক্ত করে প্রাপ্তবয়স্ক ও অপ্রাপ্তবয়স্ক দুই ভাগে বিভক্ত করে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ। এর মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক ১০ জন এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ জন।

 

এ মামলার চার্জশিটভুক্ত প্রাপ্তবয়স্ক আসামি মো. মুসা এখনো পলাতক রয়েছেন। এছাড়া নিহত রিফাতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি ও অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামি প্রিন্স মোল্লা উচ্চ আদালতের আদেশে এবং বরগুনার শিশু আদালতের আদেশে মারুফ মল্লিক এবং আরিয়ান হোসেন শ্রাবণ জামিনে রয়েছেন। আর বাকি আসামিরা কারাগারে।

 

গত ১ জানুয়ারি রিফাত হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালত। অন্যদিকে গত ৮ জানুয়ারি রিফাত হত্যা মামলার অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন বরগুনার শিশু আদালত।

 

রিফাত হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক অভিযুক্তরা হলেন- রাকিবুল হাসান রিফাত ফরাজি, আল কাইউম ওরফে রাব্বি আকন, মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত, রেজওয়ান আলী খান হৃদয় ওরফে টিকটক হৃদয়, মো. হাসান, মো. মুসা, আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি, রাফিউল ইসলাম রাব্বি, মো. সাগর, এবং কামরুল ইসলাম সাইমুন।

 

রিফাত হত্যা মামলার অপ্রাপ্তবয়স্ক অভিযুক্তরা হলেন মো. রাশিদুল হাসান রিশান ফরাজী, মো. রাকিবুল হাসান রিফাত হাওলাদার, মো. আবু আবদুল্লাহ রায়হান, মো. ওলিউল্লাহ অলি, জয় চন্দ্র সরকার চন্দন, মো. নাইম, মো. তানভীর হোসেন, নাজমুল হাসান, রাকিবুল হাসান নিয়ামত, মো. সাইয়েদ মারুফ বিল্লাহ মহিবুল্লাহ, মারুফ মল্লিক, প্রিন্স মোল্লা, রাতুল সিকদার জয় এবং আরিয়ান হোসেন শ্রাবণ।

 
আবরার হত্যা : বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় বদলির আদেশ আদালতের
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক   

 

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে করা মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় বদলির আদেশ দিয়েছেন আদালত।

 

সোমবার (১৩ জানুয়ারি) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম কায়সারুল ইসলাম এ আদেশ দেন। এদিন পলাতক অসামিদের আদালতে হাজির হওয়ার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। তাদের বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছে মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

 

 

 

আইনুযায়ী মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় এ মামলা মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলির জন্য সিএমএম বরাবর নথি পাঠান বিচারক। এখন সিএমএম মামলাটি মহানগরে পাঠাবেন। মহানগর আদালতে মামলাটির পরবর্তী বিচার কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে।

 

চকবাজার থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

এর আগে পালিয়ে থাকা এজাহারভুক্ত আসামি মোর্শেদ অমত্য ইসলাম রোববার আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

 

এ মামলায় গত ৫ জানুয়ারি চার পলাতক শিক্ষার্থীকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিলেন আদালত, যার প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল।

 

এর আগে বছরের ১৮ নভেম্বর চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম কায়সারুল ইসলাম। গ্রেফতার-সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ৩ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন।

 

৩ ডিসেম্বর আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ওই চার আসামির সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দেন আদালত। একই সঙ্গে, এ সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ৫ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছিলেন।

 

আসামিরা হলেন- মোর্শেদুজ্জামান জিসান, এহতেশামুল রাব্বি তানিম, মোর্শেদ অমত্য ইসলাম ও মোস্তবা রাফিদ। তাদের মধ্যে প্রথম তিনজন এজাহারভুক্ত ও শেষের জন এজাহারবহির্ভূত।

 

গত বছরের ১৩ নভেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ওয়াহিদুজ্জামান।

 

 

 

অভিযুক্ত ২৫ জনের মধ্যে এজাহারনামীয় ১৯ জন এবং তদন্তে প্রাপ্ত এজাহারবহির্ভূত ছয়জন। এজাহারভুক্ত ১৯ জনের মধ্যে ১৬ জন ও এজাহারবহির্ভূত ছয়জনের মধ্যে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারদের মধ্যে বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন আটজন।

 

গ্রেফতার ২১ জন হলেন- মেহেদী হাসান রাসেল, মো. অনিক সরকার, ইফতি মোশাররফ সকাল, মো. মেহেদী হাসান রবিন, মো. মেফতাহুল ইসলাম জিওন, মুনতাসির আলম জেমি, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভির, মো. মুজাহিদুর রহমান, মুহতাসিম ফুয়াদ, মো. মনিরুজ্জামান মনির, মো. আকাশ হোসেন, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মাজেদুর রহমান, শামীম বিল্লাহ, মোয়াজ আবু হুরায়রা, এ এস এম নাজমুস সাদাত, ইসতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, অমিত সাহা, মো. মিজানুর রহমান ওরফে মিজান, শামসুল আরেফিন রাফাত ও এস এম মাহমুদ সেতু।

 

উল্লেখ্য, ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ার জেরে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে গত ৬ অক্টোবর রাতে ডেকে নেয় বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। এরপর রাত ৩টার দিকে শেরেবাংলা হলের নিচতলা ও দোতলার সিঁড়ির করিডোর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

পরদিন ৭ অক্টোবর দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে আবরারের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। নিহত আবরার বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি শেরেবাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন। ওই ঘটনায় নিহত আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে চকবাজার থানায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে ওই হত্যা মামলা করেন।

 
রিফাত হত্যা : ১৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন
                                  

বরগুনা প্রতিনিধি

বহুল আলোচিত বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যা মামলার অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেছেন আদালত। বুধবার (০৮ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে বরগুনার শিশু আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এ চার্জ গঠন করেন।

চার্জ গঠন উপলক্ষে এ মামলার অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৩ আসামিকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এদিন আদালতে উপস্থিত হন জামিনে থাকা অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামি প্রিন্স মোল্লাও। পরে আসামিদের উপস্থিতিতে তাদের বিরুদ্ধ আনা অভিযোগ পড়ে শুনানো হয়। চার্জ গঠন শেষে কারাগারে থাকা ১৩ আসামিকে ফের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

এ বিষয়ে রিফাত হত্যা মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী মজিবুল হক কিসলু বলেন, রিফাত হত্যা মামলা অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন সম্পন্ন হয়েছে। ১৪ আসামির মধ্যে ১৩ আসামির বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে ৩০২ এবং ৩৪ ধারায় অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। এরই মধ্য দিয়ে রিফাত হত্যার বিচার শুরু হলো।

রিফাত শরীফ হত্যা মামলার অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামিরা হলো- রাশিদুল হাসান রিশান ফরাজী, মো. রাকিবুল হাসান রিফাত হাওলাদার, মো. আবু আবদুল্লাহ রায়হান, মো. ওলিউল্লাহ অলি, জয় চন্দ্র সরকার চন্দন, মো. নাইম, মো. তানভীর হোসেন, নাজমুল হাসান, রাকিবুল হাসান নিয়ামত, মো. সাইয়েদ মারুফ বিল্লাহ মহিবুল্লাহ, মারুফ মল্লিক, প্রিন্স মোল্লা, রাতুল সিকদার জয় ও আরিয়ান হোসেন শ্রাবণ।


অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামি আরিয়ান হোসেন শ্রাবণের বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ডে ষড়যন্ত্র, সহযোগিতা এবং আসামিদের পালাতে সহায়তার অভিযোগে ৩০২ এবং ১২০ (বি) ১ এবং ২১২ ধারায় চার্জ গঠন করা হয়েছে। আগামী ১৩ জানুয়ারি অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন আদালত।


এর আগে যশোর শিশু কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্র থাকা ১৩ আসামিকে বরগুনা আদালতে পাঠানো হয়। পুলিশি নিরাপত্তায় বুধবার সকাল ৮টার দিকে তাদের আদালতে আনা হয়। গত ১ জানুয়ারি এ মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন সম্পন্ন হয়েছিল।

গত ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রিফাত হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়। এ ঘটনায় ১ সেপ্টেম্বর ২৪ জনকে অভিযুক্ত করে প্রাপ্তবয়স্ক ও অপ্রাপ্তবয়স্ক; দুই ভাগে বিভক্ত করে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ। এর মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক ১০ জন এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ জন।

এ মামলার চার্জশিটভুক্ত প্রাপ্তবয়স্ক আসামি মো. মুসা এখনো পলাতক। এছাড়া নিহত রিফাতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি ও অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামি প্রিন্স মোল্লা উচ্চ আদালতের নির্দেশে জামিনে রয়েছেন। অন্য সব আসামি কারাগারে রয়েছেন।

 
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাইকোলজিস্ট নিয়োগ দিতে হাইকোর্টের রুল
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, মাদরাসা ও স্কুলসহ দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কাউন্সিলর (পরামর্শক) ও ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট নিয়োগ কেন করা হবে না তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান, শিক্ষা মন্ত্রণালয় সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সচিব, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সচিব এবং শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদেরকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

রোববার (৫ জানুয়ারি) এ-সংক্রান্ত এক রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্টের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন।



আদালতে আজ রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুর্টি অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট অমিত তালুকদার।

আইনজীবী জানান, শিক্ষার্থীদের পারিবারিক, সামাজিক ও ইভটিজিংসহ বিভিন্ন কারণে নৈতিক অবক্ষয়, মাদকাসক্ত ও মানসিক বিকৃতি থেকে রক্ষা করতে এ নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ২৪ নভেম্বর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া রিটটি দায়ের করেন।

দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কাউন্সিলর ও ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট নিয়োগের নিস্ক্রিয়তা বাংলাদেশ সংবিধানের ১৭ (ক ও খ), ১৮ (১ ও ২) ও ৩২ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় এ রিট দায়ের করা হয়েছে বলে রিটে উল্লেখ করেন সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবী।

রিট আবেদনে তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি নাগরিকের উপযুক্ত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। এগুলো নিশ্চিতের বিষয়ে রাষ্ট্র কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। কিন্তু ক্রমাগত তথ্যপ্রযুক্তির ব্যাপ্তির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদকাসক্তি, যৌন হয়রানি ও আত্মহত্যা চেষ্টা, হত্যাসহ নানারকম নৈতিক অবক্ষয়, বেপরোয়া জীবনযাপন, ব্যক্তিত্বের সংকট, পড়াশোনায় অমনোযোগিতা, অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খল জীবনযাপনের ঘটনা ঘটছে। সাম্প্রতিককালে এ বিষয়গুলো আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। এসব বিষয় ইতোমধ্যে বিভিন্ন গণমাধ্যমেও উঠে এসেছে। যার কারণে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একটি অনিশ্চিত পরিণতির দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

রিটে আরও বলা হয়, সংবিধানের ১৫(ক) অনুচ্ছেদ অনুসারে একটি পরিকল্পিত অর্থনৈতিক ও কর্মক্ষম জনশক্তি গড়ে তোলা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রত্যেক নাগরিকের সুস্বাস্থ্য ও মানসম্পন্নভাবে বেঁচে থাকার অধিকার রাষ্ট্র নিশ্চিত করবে। অথচ সে সুবিধা থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছে এবং এর ফলে বিভিন্ন রকম অপ্রীতিকর ঘটনা বিগত কয়েকবছর ধরে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সমাজে মারাত্মক আকারে ছড়িয়ে পড়ছে। তাই প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কাউন্সিলর (পরামর্শক) ও ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট নিয়োগ হওয়া প্রয়োজন।

 
রিজার্ভ চুরি: প্রতিবেদন ২৩ জানুয়ারি
                                  

 

 

আদালত প্রতিবেদক

 

 

 

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের অর্থ চুরির ঘটনায় মুদ্রা পাচার ও তথ্যপ্রযুক্তি আইনে দায়ের করা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পিছিয়েছে আদালত। আগামী ২৩ জানুয়ারি পরবর্তী তারিখ ধার্য করেছেন আদালত।

 

 

সোমবার মামলাটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ধার্য ছিল। কিন্তু এ দিন মামলার তদন্ত সংস্থা সিআইডি প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি। এ জন্য ঢাকা মহানগর হাকিম  মোহাম্মদ জসিম প্রতিবেদন দাখিলের নতুন এ তারিখ ঠিক করেন।

 

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে জালিয়াতি করে সুইফট কোডের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি হয়ে যায়। পরে ওই টাকা ফিলিপাইনে পাঠানো হয়। দেশের অভ্যন্তরের কোনো একটি চক্রের সহায়তায় হ্যাকার গ্রুপ রিজার্ভের অর্থ পাচার করেছে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

এ ঘটনায় গত বছরের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্টের উপ-পরিচালক জোবায়ের বিন হুদা অজ্ঞাতানামাদের আসামি করে মতিঝিল থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করেন। বর্তমানে মামলাটি সিআইডি তদন্ত করছেন।

২০ জানুয়ারি শমী কায়সারের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল
                                  

 

আদালত ডেস্ক


অভিনেত্রী শমী কায়সারের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পিছিয়ে আগামী ২০ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।


সোমবার মামলাটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন মামলার তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি। এ জন্য ঢাকা মহানগর হাকিম জিয়াউর রহমান প্রতিবেদন দাখিলের এ তারিখ ঠিক করেন।

এর আগে গত ২ অক্টোবর শমী কায়সারের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা পায়নি মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মাহাবুবুর রহমান। গত ২৪ অক্টোবর প্রতিবেদনটি আদালতে উপস্থাপন করা হয়।

ওই দিন মামলার বাদী অনলাইন নিউজ পোর্টাল স্টুডেন্ট জার্নালবিডির সম্পাদক মিঞা মো. নুজহাতুল হাসান প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি দিবেন বলে আদালতকে জানান। গত ২৫ নভেম্বর নারাজির বিষয়ে শুনানির তারিখ ধার্য করেন। এদিন বাদী নারাজি দাখিল করেন। পরে শুনানি শেষে আদালত পিবিআইকে মামলাটি পুনরায় তদন্তের আদেশ দেন।

এর আগে প্রতিবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, গত ২৪ এপ্রিল প্রেসক্লাবে ই-কমার্সভিত্তিক পর্যটন বিষয়ক সাইট ‘বিন্দু-৩৬৫’ এর উদ্ধোধনকালে মিডিয়া কর্মীসহ সরকারি ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তা ও সেলিব্রেটি ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষের উপস্থিতিতে শমী কায়সারের দুটি ফোন খোয়া যায়। ফলে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন।

খোয়া যাওয়া স্মার্ট ফোন দুটি উদ্ধারের লক্ষ্যে ওই স্থানে আগত কিছু সংখ্যক লোককে চেক করার জন্য তার সহকর্মীদের বললেও তারা কাউকে চেক করেননি। কিন্তু শমী কায়সারের কথায় ওই স্থানে উপস্থিত কতিপয় সংবাদকর্মী চোর সম্বোধন করেছে মর্মে ভুল বুঝেছেন।

পরবর্তীতে শমী কায়সার ঘটে যাওয়া অপ্রীতিকর ঘটনার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। কিন্তু সেখানে শমী কায়সার সাংবাদিকদের চোর বলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন, বা উপস্থিত সাংবাদিকদের আটকে রাখেন বা তার দেহরক্ষীরা সাংবাদিকদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছেন প্রাথমিক তদন্তে এর কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।

মামলায় বাদীর অভিযোগ, গত ২৪ এপ্রিল বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে ই-কমার্সভিত্তিক পর্যটনবিষয়ক সাইট ‘বিন্দু-৩৬৫’ উদ্বোধনকালে সংবাদকর্মীসহ সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও গণ্যমান্য মানুষের উপস্থিতিতে শমী কায়সার তার দুটি স্মার্ট ফোন খোয়া গেছে মর্মে অভিযোগ করেন।

এর পর শমী কায়সার সাংবাদিকদের চোর বলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। উপস্থিত সাংবাদিকদের আটকে রাখেন এবং তার দেহরক্ষীরা সাংবাদিকদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এক পর্যায়ে শমী কায়সার আধা ঘণ্টা গেটে দাঁড়িয়ে থেকে সাংবাদিকদের দেহ তল্লাশি করান। এতে সাংবাদিকদের মমর্যাদাহানি হওয়ার অভিযোগে মিঞা মো. নুজহাতুল হাসান ৩০ এপ্রিল মামলাটি দায়ের করেন।

১৪ জানুয়ারি ১০ জঙ্গির অভিযোগ গঠন : কল্যাণপুরে আস্তানায় অভিযান
                                  

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদক   

 

  

কল্যাণপুরে আস্তানায় অভিযান : ১০ জঙ্গির অভিযোগ গঠন ১৪ জানুয়ারি

রাজধানীর কল্যাণপুরের জঙ্গি আস্তানায় অভিযানে হতাহতের ঘটনায় করা মামলায় ১০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আগামী ১৪ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল। বৃহস্পতিবার ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবুর রহমান এ দিন ধার্য করেন।

 

আজ পলাতক আসামি আজাদুল কবিরের বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। এরপর আইনুযায়ী মামলার পরবর্তী কার্যক্রম হিসেবে চার্জ গঠন শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।

 

 

 

ট্রাইব্যুনালের পেশকার রুহুল আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

৩ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবুর রহমান পলাতক আসামি আজাদুল কবিরের বিরুদ্ধে আজকের দিনে (১৯ ডিসেম্বর) পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন। সেইসঙ্গে প্রতিবেদন দাখিলের জন্যও ১৯ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন।

 

১৮ জুলাই অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে আজাদুলের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

 

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২৫ জুলাই রাজধানীর কল্যাণপুরের ৫ নম্বর সড়কে ‘জাহাজ বিল্ডিং’-এ রাতভর অভিযান চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সকালে এক ঘণ্টার মূল অভিযানে ৯ জঙ্গি নিহত হন। ওই ঘটনায় আহত হন রিগ্যান নামে আরও একজন। তারা সবাই নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন নব্য জেএমবির (জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ) সদস্য বলে জানায় পুলিশ।

 

অভিযানের দু-দিন পর মিরপুর মডেল থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মো. শাহ জালাল আলম সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা করেন। মামলায় ১০ জনকে আসামি করা হয়।

 

গত ১১ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের তদন্ত সংস্থা কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের পরিদর্শক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ১০ জনকে অভিযুক্ত করে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে চার্জশিট জমা দেন।

 

চার্জশিটভুক্ত আসামিরা হলেন- রাকিকুল হাসান রিগ্যান (২১), সালাহ উদ্দিন কামরান (৩০), আব্দুর রউফ প্রধান (৬৩), আসলাম হোসেন ওরফে রাশেদ ওরফে আবু জাররা ওরফে র্যাশ (২০), শরীফুল ইসলাম ওরফে খালেদ ওরফে সোলায়মান (২৫), মামুনুর রশিদ রিপন ওরফে মামুন (৩০), আজাদুল কবিরাজ ওরফে হার্টবিট (২৮), মুফতি মাওলানা আবুল কাশেম ওরফে বড় হুজুর (৬০), আব্দুস সবুর খান হাসান ওরফে সোহেল মাহফুজ ওরফে নাসরুল্লা হক ওরফে মুসাফির ওরফে জয় ওরফে কুলমেন (৩৩) ও হাদিসুর রহমান সাগর (৪০)।

 

 

 

উল্লেখ্য, গত ২৭ নভেম্বর দেশের ইতিহাসে ভয়াবহতম জঙ্গি হামলা (হলি আর্টিসানে) মামলার আট আসামির মধ্যে সাত জনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। তাদের মধ্যে কল্যাণপুরে জঙ্গি আস্তানায় অভিযানে হতাহতের ঘটনায় করা মামলার ছয় আসামি রয়েছেন। তারা হলেন- আসলাম হোসেন র্যাশ, মো. হাদিসুর রহমান, রাকিবুল হাসান রিগ্যান, মো. আব্দুল সবুর খান, শরিফুল ইসলাম খালেক ও মামুনুর রশীদ রিপন।

রাজাকারের তালিকায় নাম : তিন মন্ত্রণালয়ে গোলাম আরিফ টিপুর চিঠি
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তৈরি রাজাকারের তালিকা থেকে নাম প্রত্যাহার চেয়ে তিন মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর ও ভাষাসৈনিক গোলাম আরিফ টিপু। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইন মন্ত্রণালয়ে এ চিঠি পাঠানো হয়েছে।

সিকিউটর সুলতান মাহমুদ সিমন চিঠি পাঠানোর খবরের সতত্য নিশ্চিত করেছেন। তবে এ চিঠি নাম প্রত্যাহারের আবেদন নয় বলেও জানিয়েছেন তিনি। তার ভাষায়, এটা কোনো আবেদন নয়। আমরা চিঠি পাঠিয়েছি।



১৫ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ১০ হাজার ৭৮৯ রাজাকারের তালিকা প্রকাশ করে। তবে এ তালিকায় এমন কিছু নাম এসেছে যা তালিকাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। তেমনই একটি নাম গোলাম আরিফ টিপু; যিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর ও ভাষাসৈনিক।

বঙ্গবন্ধুর স্বজন ও পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট কালরাতে ঘাতকের হাতে নিহত শহীদ সেরনিয়াবাতের বাবা আব্দুল হাই সেরনিয়াবাতের নামও রয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে সদ্য প্রকাশিত রাজাকারের তালিকায়।

রাজাকারের তালিকায় নাম উঠেছে বঙ্গবন্ধুর সহপাঠী ও বন্ধু মজিবুল হকের। তিনি দীর্ঘ ৪০ বছর ছিলেন বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। ছিলেন মুক্তি সংগ্রাম পরিষদের সভাপতিও।

রাজাকারের তালিকায় গোলাম আরিফ টিপুর নাম আসার পর মঙ্গলবার তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় দেশের মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ পরিবারসহ গোটা বাঙালি জাতির পবিত্র আমানত। সেই মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত ও প্রচারিত রাজাকারের তালিকায় আমার নাম যুক্ত থাকায় আমি হতবাক, বিস্মিত, মর্মাহত ও অপমানিত। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ রাজাকারের তালিকা প্রচার ও প্রকাশের ক্ষেত্রে সীমাহীন অযত্ন এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষা না করে অত্যন্ত অবহেলার সঙ্গে এ তালিকা প্রচার-প্রকাশ করেছে। বিষয়টি প্রমাণিত।’

রাজাকারের তালিকায় মুক্তিযোদ্ধাদের নাম চলে আসায় মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানে দুঃখ প্রকাশ করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। তিনি বলেছেন, ভুলের পরিমাণ বেশি হলে রাজাকারের তালিকা প্রত্যাহার করা হবে। আর ভুলের পরিমাণ কম হলে ভুলবশত যাদের নাম এ তালিকায় এসেছে, সেগুলো প্রত্যাহার করা হবে।

গ্রাম পুলিশকে ১৯ ও ২০ গ্রেডে উন্নীত করার নির্দেশ
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের গ্রাম পুলিশকে সরকারি চাকরিবিধির ১৯ এবং ২০ গ্রেডে (পে স্কেল) উন্নীত করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এই আদেশ ২০১১ সালের জুন মাস থেকে কার্যকর করার জন্য বলা হয়েছে। ২০২০ সালের মার্চের মধ্যে গ্রেডে উন্নীত করার বিষয়টি কার্যকর করে প্রতিবেদন দিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন।


পরে বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান রিটকারী আইনজীবী হুমায়ুন কবির পল্লব।

এর আগে গত রোববার (১৫ ডিসেম্বর) আদালত গ্রাম পুলিশকে সরকারি চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীর পদমর্যাদা দিতে এবং সে অনুযায়ী জাতীয় বেতন স্কেলে অন্তর্ভুক্ত করে তা প্রদান করতে নির্দেশ দেন।

সেদিন রিটকারী আইনজীবী হুমায়ুন কবির পল্লব জানান, এই আদেশের ফলে ৪৭ হাজার গ্রাম পুলিশের ভাগ্য খুলতে যাচ্ছে।

সম্রাট-আরমানের মাদক মামলা আমলে নিয়েছেন আদালত
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর রমনা থানায় মাদক আইনে করা মামলায় যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের বহিষ্কৃত সভাপতি ‘ক্যাসিনো সম্রাট’ খ্যাত ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট ও সহ-সভাপতি এনামুল হক আরমানের বিরুদ্ধে চার্জশিট আমলে নিয়েছেন আদালত।

আজ (রোববার) ঢাকা মহানগর হাকিম মাসুদ উর রহমান চার্জশিট আমলে নিয়ে মামলা বদলির আদেশ দেন। নিয়মানুযায়ী মামলাটি বিচারের জন্য মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হবে।



এর আগে ৯ ডিসেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম মাসুদ উর রহমানের আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা র‍্যাব-১ এর উপ-পরিদর্শক আবদুল হালিম।

ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরুর পর সম্রাটের নাম আসার পর থেকেই তাকে নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়। অভিযান শুরুর পর হাইপ্রোফাইল কয়েকজন গ্রেফতার হলেও খোঁজ মিলছিল না সম্রাটের। এসবের মধ্যে তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞাও জারি করা হয়। এরপর ৫ অক্টোবর রাত থেকেই তার গ্রেফতার হওয়ার খবর এলেও পরদিন সকালে তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

৬ অক্টোবর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রামে আত্মগোপনে থাকা সম্রাটকে গ্রেফতার করে র‍্যাব। তার সঙ্গে আরমানকেও গ্রেফতার করা হয়। পরে ঢাকায় এনে তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে র‍্যাব।

৬ অক্টোবর দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে র‍্যাবের একটি দল কাকরাইলে ভূঁইয়া ট্রেড সেন্টারে তালা ভেঙে সম্রাটের কার্যালয়ে ঢুকে অভিযান শুরু করে। নিজ কার্যালয়ে পশুর চামড়া রাখার দায়ে ছয় মাসের জেল দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

অন্যদিকে, আরমানকে গ্রেফতার করার সময় তাকে মদ্যপ অবস্থায় পাওয়া যায় এবং তার পকেটে ১৪০ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। পরে মাদক সেবনের দায়ে র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত আরমানকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন।

র‍্যাব-১ এর উপ-সহকারী পরিচালক (ডিএডি) আব্দুল খালেক বাদী হয়ে সম্রাটের নামে অস্ত্র ও মাদক আইনে মামলা করেন। মাদক মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সহ-সভাপতি এনামুল হক আরমানকেও আসামি করা হয়।

জামিন চাইলেন ডেসটিনির চেয়ারম্যান-এমডি, আদেশ মঙ্গলবার
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক

ডেসটিনি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রফিকুল আমীন ও ডেসটিনি-২০০০ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসাইন জামিন চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেছেন। আবেদনের ওপর শুনানি শেষে আদেশের জন্য আগামী মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) দিন ধার্য করেছেন আদালত।

ওই আবেদনের ওপর শুনানি শেষে রোববার (১৫ ডিসেম্বর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন ছয় বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন।



আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি। দু’জনের বিরুদ্ধে মামলার বাদী দুদকের পক্ষে ছিলেন মো. খুরশীদ আলম খান।

পরে খুরশীদ আলম খান সাংবাদিকদের বলেন, ২০১৬ সালের নভেম্বরে ডেসটিনির গাছ বিক্রি করে গ্রাহকদের টাকা ফেরত দেবেন, এমন শর্তে দুইজনকে জামিন দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ। এ শর্ত সংশোধন চেয়ে তারা ২০১৭ সালে আপিল বিভাগে আবেদন করেন। সে আবেদন ওই বছরের ৩০ নভেম্বর খারিজ হয়ে যায়। এখন তারা আবার জামিন চাইলেন। কিন্তু কোনো শর্ত পূরণ করলেন না। আমরা আবেদন খারিজ করার আর্জি জানিয়েছি।

২০১২ সালের ৩১ জুলাই রফিকুল আমীন ও মোহাম্মদ হোসাইনসহ ডেসটিনি গ্রুপের ২২ জনের বিরুদ্ধে রাজধানীর কলাবাগান থানায় দু’টি মামলা করে দুদক। ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ (এমএলএম) ও ট্রি-প্ল্যানটেশন প্রকল্পের নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে ৩ হাজার ২৮৫ কোটি ২৫ লাখ ৮৮ হাজার ৫২৪ টাকা আত্মসাৎ করে পাচারের অভিযোগে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা দু’টি করা হয়। বর্তমানে এ মামলায় দু’জনই কারাগারে রয়েছেন।

২০১৬ সালের ২০ জুলাই শর্তসাপেক্ষে রফিকুল আমীন ও মোহাম্মদ হোসাইনকে জামিন দেন হাইকোর্ট। পরে দুদকের আবেদনে তা স্থগিত করে দেন আপিল বিভাগ। এ আবেদনের শুনানির এক পর্যায়ে আত্মসাৎ করা টাকা জমা দেওয়ার কথাও বলেন সর্বোচ্চ আদালত।

সে অনুসারে ওই বছরের ১৩ নভেম্বর ডেসটিনির পক্ষ থেকে গাছ বিক্রি করে টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়। ওইদিন হলফনামা দিয়ে আদালতকে জানানো হয় যে, তাদের কাছে ৩৫ লাখ গাছ আছে। প্রতিটি গাছ আট হাজার টাকায় বিক্রি করে ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা দিতে পারবেন তারা।



এর পরিপ্রেক্ষিতে জামিনের শর্ত পূরণে আপিল বিভাগ দুই আসামি যে কারাগারে আছেন, সেখানে তাদের সঙ্গে গাছ বিক্রির সব কাগজপত্রে স্বাক্ষর ও আলোচনার সুযোগ দিতে কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন। আদালত বলেন, ডেসটিনি ট্রি-প্ল্যান্টেশনের সিইও ড. শামসুল হক ভূঁইয়ার তত্ত্বাবধানে সব কাজ সম্পন্ন হবে। যদি গাছ বিক্রি করে ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা দিতে না পারেন, তাহলে নগদ ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে জমা দেবেন তারা। এর অনুলিপি দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যানকে পাঠাতে হবে। এরপর যারা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি, যাচাই করে তাদের কাছে টাকা হস্তান্তরের পর জামিনে মুক্তি পাবেন দুই কর্মকর্তা।

কিন্তু কয়েকমাস পরে তারা এ আদেশের সংশোধন চেয়ে আবেদন করেন। কারাগারে থাকায় এ শর্ত পূরণ সম্ভব হচ্ছে না বলে আবেদনে দাবি করেন তারা। পরে ২০১৭ সালের ৩০ নভেম্বর আপিল বিভাগ শর্ত সংশোধন চেয়ে দু’জনের করা আবেদন খারিজ করে দেন।

১৬ ডিসেম্বর থেকে ‘জয় বাংলা’ জাতীয় স্লোগান
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে ‘জয় বাংলা’কে জাতীয় স্লোগান হিসেবে সর্বস্তরে ব্যবহারের জন্য মৌখিক নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) এ-সংক্রান্ত রিটের শুনানিতে হাইকোর্টের বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।



আদালতে আজ রিটের পক্ষে ছিলেন ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। এসময় অন্যদের মধ্যে ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ, আব্দুল মতিন খসরু ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির (বার) সভাপতি এ এম আমিন উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।


   Page 1 of 37
     আদালত
শিশু ধর্ষণ মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কেন দেয়া হবে না : হাইকোর্ট
.............................................................................................
মতিউর রহমানসহ ছয়জনকে গ্রেফতার ও হয়রানি না করার নির্দেশ
.............................................................................................
খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন : সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত
.............................................................................................
খালেদার দণ্ড স্থগিতে সরকার বিশেষ বিবেচনায় নিতে পারে : অ্যাটর্নি জেনারেল
.............................................................................................
রিফাত হত্যা : মিন্নির জামিন বাতিলের বিষয়ে আদেশ আজ
.............................................................................................
আবরার হত্যা : বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় বদলির আদেশ আদালতের
.............................................................................................
রিফাত হত্যা : ১৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন
.............................................................................................
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাইকোলজিস্ট নিয়োগ দিতে হাইকোর্টের রুল
.............................................................................................
রিজার্ভ চুরি: প্রতিবেদন ২৩ জানুয়ারি
.............................................................................................
২০ জানুয়ারি শমী কায়সারের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল
.............................................................................................
১৪ জানুয়ারি ১০ জঙ্গির অভিযোগ গঠন : কল্যাণপুরে আস্তানায় অভিযান
.............................................................................................
রাজাকারের তালিকায় নাম : তিন মন্ত্রণালয়ে গোলাম আরিফ টিপুর চিঠি
.............................................................................................
গ্রাম পুলিশকে ১৯ ও ২০ গ্রেডে উন্নীত করার নির্দেশ
.............................................................................................
সম্রাট-আরমানের মাদক মামলা আমলে নিয়েছেন আদালত
.............................................................................................
জামিন চাইলেন ডেসটিনির চেয়ারম্যান-এমডি, আদেশ মঙ্গলবার
.............................................................................................
১৬ ডিসেম্বর থেকে ‘জয় বাংলা’ জাতীয় স্লোগান
.............................................................................................
ভিপি নুরের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা
.............................................................................................
ভুয়া ওয়ারেন্টওয়ালা খুঁজে বের করতে সিআইডিকে নির্দেশ
.............................................................................................
ভিপি নুরের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন
.............................................................................................
মাদক মামলায় সম্রাট-আরমানের বিরুদ্ধে চার্জশিট
.............................................................................................
সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিচারপতিদের সৌজন্য সাক্ষাৎ
.............................................................................................
বাড়াবাড়ির একটা সীমা আছে: প্রধান বিচারপতি
.............................................................................................
বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা আদালত অবমাননা করেছেন
.............................................................................................
খালেদার মেডিকেল বোর্ডের প্রতিবেদন দাখিল করেনি কর্তৃপক্ষ
.............................................................................................
খালেদার জামিন শুনানি, হট্টগোলে এজলাস ছাড়লেন বিচারকরা
.............................................................................................
খালেদার বিষয়ে জাতি উচ্চ আদালতের দিকে তাকিয়ে
.............................................................................................
অনিয়মের অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টের এফিডেভিট শাখার সবাইকে বদলি
.............................................................................................
এফিডেভিট শাখার অনিয়ম নিয়ে হতাশ প্রধান বিচারপতি
.............................................................................................
রাজীব-দিয়ার মৃত্যু : জাবালে নূরের চালকসহ তিনজনের যাবজ্জীবন
.............................................................................................
সর্ষের ভেতরে ভূত : আইএসের টুপি নিয়ে হাইকোর্ট
.............................................................................................
দিয়ার আত্মা শান্তি পাবে এমন রায় চাই
.............................................................................................
তলবে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম হাইকোর্টে
.............................................................................................
রাজীব-দিয়ার মৃত্যুর রায় বিকেলে, সর্বোচ্চ শাস্তি চায় রাষ্ট্রপক্ষ
.............................................................................................
বাসচাপায় রাজীব-দিয়ার মৃত্যু : রায় রোববার
.............................................................................................
আদালতে মিন্নি, রিফাত হত্যার চার্জ গঠনের শুনানি ১ জানুয়ারি
.............................................................................................
নুসরাতের ভিডিও ছড়ানোয় ওসি মোয়াজ্জেমের ৮ বছরের কারাদণ্ড
.............................................................................................
খালেদার মেডিকেল রিপোর্ট চেয়েছেন আপিল বিভাগ
.............................................................................................
এমপি লিটন হত্যায় কাদের খানসহ ৭ জনের ফাঁসি
.............................................................................................
গ্যাটকো মামলায় খালেদার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ৮ জানুয়ারি
.............................................................................................
জঙ্গিদের মূলোৎপাটনের চেষ্টার প্রমাণ রায়ে
.............................................................................................
পটিয়ার চার গ্রামে ভূগর্ভস্থ পানি তোলা নিষেধ
.............................................................................................
আবরারের মৃত্যু : ক্ষতিপূরণ শুনানিতে পরিবারকে চান হাইকোর্ট
.............................................................................................
গণপিটুনিতে রেনু হত্যা : প্রতিবেদন ২৪ ডিসেম্বর
.............................................................................................
গ্রামীণফোনকে ২ হাজার কোটি টাকা পরিশোধের নির্দেশ
.............................................................................................
গ্রামীণফোনের পাওনা টাকার মীমাংসা বাইরে নয় : আপিল বিভাগ
.............................................................................................
আবরার হত্যা : চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
.............................................................................................
দুদকের মামলায় সম্রাট ৬ দিনের রিমান্ডে
.............................................................................................
সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধাদের অবসরের বয়স হবে ৬০ বছর
.............................................................................................
৬৯ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন
.............................................................................................
চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদার জামিন খারিজের বিরুদ্ধে আপিল
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]