| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * পঞ্চম দফায় ভাসানচরে যাচ্ছেন আরও তিন হাজার রোহিঙ্গা   * ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পুনর্বিবেচনার আহ্বান জাতিসংঘের   * নাইজেরিয়ায় হিজাব বিতর্ক: মুসলিম ছাত্রীদের পক্ষে রায়   * দিহানের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন জমার সময় পেছাল   * বিশ্বে করোনায় মৃত্যু সাড়ে ২৫ লাখ ছুঁই ছুঁই   * খাশোগি হত্যা: ওয়াশিংটন-রিয়াদ সম্পর্কে টানাপোড়েন   * টিকা নিলেন ৩২ লাখ, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ৭৫৪ জনের   * মোহামেডানের সভাপতি হতে যাচ্ছেন সাবেক সেনাপ্রধান আবদুল মুবীন   * আসছে কালবৈশাখী ঝড়, শিলাবৃষ্টিরও পূর্ভাবাস   * ফ্রান্সের সাবেক প্রেসিডেন্টের তিন বছরের কারাদণ্ড  

   আদালত -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
দিহানের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন জমার সময় পেছাল

ডেস্ক রিপাের্ট : রাজধানীর কলাবাগানে `ও` লেভেল শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে করা মামলার একমাত্র আসামি ফারদিন ইফতেফার দিহানের (১৮) বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সময় চেয়ে আবেদন করলে আগামী ২১ মার্চ দিন ধার্য করা হয়।

মঙ্গলবার (২ মার্চ) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন তদন্ত কর্মকর্তা কলাবাগান থানার পুলিশ পরিদর্শক আ ফ ম আসাদুজ্জামান প্রতিবেদন না দিয়ে সময় চেয়ে আবেদন করেন। আবেদন মঞ্জুর করে নতুন এ দিন ধার্য করেন ঢাকা মহানগর হাকিম বেগম ইয়াসমিন আরা।

এর আগে গত ৮ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর হাকিম মামুনুর রশীদের আদালতে দায় স্বীকার করে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন দিহান।

এদিকে রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সিআইডি এক সংবাদ সম্মেলনে জানায় ফরেন বডি থেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মৃত্যু হয় `ও` লেভেলের ছাত্রীর। সিআইডির সাইবার ক্রাইম কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টারের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. কামরুল আহসান ময়নাতদন্তের বরাত দিয়ে বলেন, শারীরিক সম্পর্কের সময় এক ধরনের ফরেন বডি ব্যবহার করা হয়েছিল। বিকৃত যৌনাচার ফলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মারা যায় সে।

ওই স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় গত ৭ জানুয়ারি রাতে ফারদিন ইফতেফার দিহানকে একমাত্র আসামি করে কলাবাগান থানায় মামলা করেন নিহতের বাবা।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ৭ জানুয়ারি সকাল আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা মা কর্মস্থলের উদ্দেশে বাসা থেকে বের হয়ে যান। এর এক ঘণ্টা পর তার বাবাও ব্যবসায়িক কাজে বাসা থেকে বের হয়ে যান। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ওই শিক্ষার্থী তার মাকে ফোন করে কোচিং থেকে পড়ালেখার পেপার্স আনার কথা বলে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন।

গত ৭ জানুয়ারি সকালে বন্ধু দিহানের মোবাইল কল পেয়ে বাসা থেকে বের হন রাজধানীর ধানমন্ডির মাস্টারমাইন্ড স্কুলের `ও` লেভেলের ওই শিক্ষার্থী। এরপর তাকে কলাবাগানের ডলফিন গলির নিজের বাসায় নিয়ে যান দিহান।

শারীরিক সম্পর্কের একপর্যায়ে মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়লে দিহানসহ চার বন্ধু তাকে ধানমন্ডির একটি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ছাত্রীকে মৃত ঘোষণা করেন। ধর্ষণের পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয় বলে জানান চিকিৎসকরা। এ ঘটনার মামলায় দিহান গ্রেফতার রয়েছেন। তিনি ১৬৪ ধারায় আদালতে জবানবন্দিও দিয়েছেন।

দিহানের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন জমার সময় পেছাল
                                  

ডেস্ক রিপাের্ট : রাজধানীর কলাবাগানে `ও` লেভেল শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে করা মামলার একমাত্র আসামি ফারদিন ইফতেফার দিহানের (১৮) বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সময় চেয়ে আবেদন করলে আগামী ২১ মার্চ দিন ধার্য করা হয়।

মঙ্গলবার (২ মার্চ) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন তদন্ত কর্মকর্তা কলাবাগান থানার পুলিশ পরিদর্শক আ ফ ম আসাদুজ্জামান প্রতিবেদন না দিয়ে সময় চেয়ে আবেদন করেন। আবেদন মঞ্জুর করে নতুন এ দিন ধার্য করেন ঢাকা মহানগর হাকিম বেগম ইয়াসমিন আরা।

এর আগে গত ৮ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর হাকিম মামুনুর রশীদের আদালতে দায় স্বীকার করে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন দিহান।

এদিকে রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সিআইডি এক সংবাদ সম্মেলনে জানায় ফরেন বডি থেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মৃত্যু হয় `ও` লেভেলের ছাত্রীর। সিআইডির সাইবার ক্রাইম কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টারের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. কামরুল আহসান ময়নাতদন্তের বরাত দিয়ে বলেন, শারীরিক সম্পর্কের সময় এক ধরনের ফরেন বডি ব্যবহার করা হয়েছিল। বিকৃত যৌনাচার ফলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মারা যায় সে।

ওই স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় গত ৭ জানুয়ারি রাতে ফারদিন ইফতেফার দিহানকে একমাত্র আসামি করে কলাবাগান থানায় মামলা করেন নিহতের বাবা।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ৭ জানুয়ারি সকাল আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা মা কর্মস্থলের উদ্দেশে বাসা থেকে বের হয়ে যান। এর এক ঘণ্টা পর তার বাবাও ব্যবসায়িক কাজে বাসা থেকে বের হয়ে যান। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ওই শিক্ষার্থী তার মাকে ফোন করে কোচিং থেকে পড়ালেখার পেপার্স আনার কথা বলে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন।

গত ৭ জানুয়ারি সকালে বন্ধু দিহানের মোবাইল কল পেয়ে বাসা থেকে বের হন রাজধানীর ধানমন্ডির মাস্টারমাইন্ড স্কুলের `ও` লেভেলের ওই শিক্ষার্থী। এরপর তাকে কলাবাগানের ডলফিন গলির নিজের বাসায় নিয়ে যান দিহান।

শারীরিক সম্পর্কের একপর্যায়ে মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়লে দিহানসহ চার বন্ধু তাকে ধানমন্ডির একটি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ছাত্রীকে মৃত ঘোষণা করেন। ধর্ষণের পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয় বলে জানান চিকিৎসকরা। এ ঘটনার মামলায় দিহান গ্রেফতার রয়েছেন। তিনি ১৬৪ ধারায় আদালতে জবানবন্দিও দিয়েছেন।

মাদক মামলায় ইরফান সেলিমকে অব্যাহতি
                                  

অনলাইন ডেস্ক : মাদক আইনে করা মামলায় ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিমের ছেলে ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের বরখাস্ত হওয়া কাউন্সিলর ইরফান সেলিমকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর হাকিম শাহিনুর রহমান চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে তাকে অব্যাহতি দেন।

গত ৫ জানুয়ারি সেলিমকে অব্যাহতির সুপারিশ করে মাদক ও অস্ত্র মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন পরিদর্শক মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন। এর আগে, ১৮ ফেব্রুয়ারি অস্ত্র মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি গ্রহণ করে ওই মামলা থেকে ইরফান সেলিমকে অব্যাহতি দেন আদালত।

গত ২৫ অক্টোবর রাতে রাজধানীর কলাবাগান সিগন্যালের পাশে নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ আহমদ খান মোটরসাইকেটিকে ধাক্কা দেয় হাজী সেলিমের ‘সংসদ সদস্য’ লেখা সরকারি গাড়ি। এরপর নিজের পরিচয় দেওয়ার পর গাড়ি থেকে নেমে নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধর করা হয়। এ ঘটনায় ২৬ অক্টোবর ভোরে হাজী সেলিমের ছেলে ইরফানসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়। পরে দুপুরে ইরফানকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

এদিকে অবৈধ ওয়াকিটকি রাখার দায়ে ছয় মাস ও বিদেশি মাদক রাখার দায়ে ছয় মাস করে মোট এক বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে ইরফান সেলিম ও তার দেহরক্ষী জাহিদকে। নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধর এবং বাড়ি তল্লাশির পর র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় ইরফানকে কাউন্সিলরের পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টাইমস্কেল সংক্রান্ত রিট খারিজ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : জাতীয়করণ করা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের টাইমস্কেল কেটে নেয়া সংক্রান্ত অর্থমন্ত্রণালয়ের পরিপত্র বাতিল চেয়ে করা রিট খারিজ করে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এ আদেশের ফলে সারা দেশে মোট ৪৮ হাজার ৭২০ জন শিক্ষকের টাইম স্কেল কেটে নিতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারি করা পরিপত্র বাস্তবায়নে আর বাধা থাকছে না।

রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ আদেশ দেন।

আদালত বলেছেন, চাকরি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির যথাযথ জায়গা হলো প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল। এ নিয়ে রিট আবেদন চলতে পারে না।

শিক্ষকদের টাইম স্কেল কেটে নিতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র কেন বাতিল করা হবে না তা জানতে চেয়ে জারি করা রুলের ওপর গত ২৫ ফেব্রুয়ারি শুনানি সম্পন্ন হয়। এই রুল খারিজ করে রায় দিলেন হাইকোর্ট। এসময় আদালত উল্লেখিত মন্তব্য করেন।

আদালতে রিট আবেদনকারীরপক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার মোকছেদুল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়।

২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি ২৬ হাজার ১৯৩টি বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ১ লাখ ৪ হাজার ৭৭২ জন শিক্ষকের চাকরি জাতীয়করণের ঘোষণা দেয় সরকার।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন কর্তৃপক্ষ অধিগ্রহণ করা এসব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের চাকরির শর্ত ঠিক করে একটি বিধিমালা জারি করে। এই বিধিমালার আলোকে শিক্ষকরা টাইমস্কেল পেয়ে আসছেন। কিন্তু গতবছর ১২ আগস্ট অর্থ মন্ত্রণালয় ৪৮ হাজার ৭২০ জন শিক্ষকের ওই টাইমস্কেল বাতিল করে একটি আদেশ জারি করে। এতে এরইমধ্যে টাইম স্কেল বাবদ নেয়া অর্থ ফেরত দিতে বলা হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের এ আদেশটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গতবছর ৩১ আগস্ট হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়।

বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক কল্যাণ সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক ও রাজশাহীর গাঙ্গোপাড়া বাগমারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হাবিবুর রহমানসহ কয়েকজন শিক্ষক এ রিট আবেদন করেন। ওইদিন হাইকোর্ট ৬ মাসের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের আদেশ স্থগিত করে দেন। এরপর হাইকোর্টের আদেশের অনুলিপি গতবছর ৮ সেপ্টেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতির আদালত গতবছর ১৩ সেপ্টেম্বর এক আদেশে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করে দেন। চেম্বার বিচারপতির আদালতের আদেশ প্রত্যাহার চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেন রিট আবেদনকারীরা। এ আবেদনের ওপর শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে আপিল বিভাগ রিট আবেদনটি নিষ্পত্তি করতে হাইকোর্টকে নির্দেশ দেন।

এরই ধারাবাহিকতায় রুলের ওপর গত ২৫ ফেব্রুয়ারি শুনানি সম্পন্ন হয়। এরপর ওই রুল খারিজ করে রায় দেন।

সূত্র: সময় সংবাদ

সভাপতি সহ ১৪ টি পদে আওয়ামী লীগ ও সাধারণ সম্পাদক সহ ৮ পদে বিএনপির প্রার্থী বিজয়ী
                                  

মিয়া আবদুল হান্নান : ঢাকা আইনজীবী সমিতির ২০২১-২২ মেয়াদের কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাদা প্যানেল থেকে সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট আবুল বাতেন নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি সমর্থিত নীল প্যানেল থেকে খোন্দকার মো. হযরত আলী। সভাপতি ছাড়াও আরও ১৪টি পদে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেল। এছাড়া সাধারণ সম্পাদকসহ আট পদে জয়ী হয়েছেন বিএনপি সমর্থিত নীল প্যানেলের প্রার্থীরা।শনিবার ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১ শনিবার সকালে ভোট গণনা শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি আব্দুল্লাহ আবু এ ফলাফল ঘোষণা করেন।আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাদা প্যানেলের বিজয়ীরা হলেন- সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট আবুল বাতেন, সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে এ কে এম সালাহউদ্দিন, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে এস এম মনিরুজ্জামান (তারেক), কোষাধ্যক্ষ পদে একেএম আরিফুল ইসলাম কাওছার, গ্রন্থাগার সম্পাদক পদে শারমিন সুলতানা হ্যাপী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে শায়লা পারভীন পিয়া, দপ্তর সম্পাদক পদে জাকির হোসাইন (লিঙ্কন), ক্রীড়া সম্পাদক পদে মো. রফিকুল ইসলাম ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক এ এস ইমরুল কায়েশ।সাদা প্যানেল থেকে সদস্য পদে বিজয়ীরা হলেন- এ বি এম ফয়সাল সারোয়ার, বাহারুল ইসলাম (বাহার), মো. মহিন উদ্দিন (মহিন), জুয়েল চন্দ্র মাদক, সুলতানা রাজিয়া রুমা ও মো. আহসান হাবিব।অপরদিকে বিএনপি সমর্থিত নীল প্যানেল থেকে বিজয়ীরা হলেন- সাধারণ সম্পাদক পদে খোন্দকার মো. হযরত আলী, সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে আলহাজ কামাল উদ্দিন ও সহ-সভাপতি পদে মো. আনিসুর রহমান (আনিস)।এ প্যানেল থেকে সদস্য পদে বিজয়ী হয়েছেন- বাবুল আক্তার (বাবু), এম আর কে রাসেল, মো. হোসনী মোবারক (রকি), মো. সোহাগ হাসান রনি ও মোসা. তাসলিমা আক্তার। গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার ঢাকা আইনজীবী সমিতি ভবনে এই নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিদিন সকাল ৯টায় শুরু হয়ে মাঝে এক ঘণ্টা বিরতি দিয়ে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ভোট নেওয়া হয়। ঢাকা আইনজীবী সমিতির মোট ১৭ হাজার ৭৫৬ জন ভোটারের মধ্যে ৮ হাজার ৭০৬ জন ভোট দেন।এরপর গতকাল ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১ শুক্রবার দুপুরের পর থেকে ভোট গণনা শুরু হয়। ভোট গণনা শেষে ভোটের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

ঢাকা বারের নির্বাচনে দ্বিতীয় দিনের ভোট চলছে
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : এশিয়ার বৃহত্তম বার ঢাকা আইনজীবী সমিতির (ঢাকা বার) ২০২১-২২ কার্যকরী কমিটি গঠনের নির্বাচনে দ্বিতীয় দিনের ভোট চলছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় আইনজীবী সমিতি ভবনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিকেলে ভোট শেষে চলবে গণনা। এরপর ঘোষণা করা হবে ফল।

এর আগে বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) প্রথম দিন ভোট দিয়েছেন ৩ হাজার ৯৮৮ জন। ঢাকা আইনজীবী সমিতিতে ২৫ হাজার ২০০ জন আইনজীবী সদস্য রয়েছেন। যার মধ্যে ১৭ হাজার ৫৬৫ জন এ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

নির্বাচনে সিনিয়র আইনজীবী ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আব্দুল্লাহ আবু প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করছেন। তার অধীনে ১০ জন কমিশনার ও ১০০ জন সদস্য সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্নের জন্য কাজ করছেন। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাদা প্যানেল এবং বিএনপি সমর্থিত নীল প্যানেলে মোট ৪৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

সাদা প্যানেলের সভাপতি পদে সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল বাতেন ও সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন অ্যাডভোকেট মো. ফিরোজুর রহমান মন্টু।

নীল প্যানেলের সভাপতি পদে হিসেবে লড়ছেন সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. মোসলে উদ্দিন জসিম ও সাধারণ সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট খোন্দকার মো. হযরত আলী।

সাদা প্যানেলের অন্যান্য পদের প্রার্থীরা হলেন- সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট মো. দেলোয়ার হোসেন পাটোয়ারী, সহ-সভাপতি পদে শ্রী প্রাণ নাথ, ট্রেজারার পদে এ কে এম আরিফুল ইসলাম কাওছার, সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে এ কে এম সালাহউদ্দিন, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে এ এম মনিরুজ্জামান তারেক, লাইব্রেরি সম্পাদক পদে শারমিন সুলতানা হ্যাপী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে সাইলা পারভীন পিয়া, অফিস সম্পাদক পদে জাকির হোসেন লিংকন, ক্রীড়া সম্পাদক পদে মো. রফিকুল ইসলাম ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক পদে এ এস ইমরুল কায়েশ।

সদস্য পদে রয়েছেন মো. বাহারুল ইসলাম বাহার, সুলতানা রাজিয়া রুমা, এ বি এম ফয়সাল সারোয়ার ও ইমতিয়াজ আহমেদ প্রিন্স। নতুন প্রার্থী গোলাম ইমন হোসেন, জুয়েল চন্দ্র মাদক, মো. আহসান হাবিব, মো. মহিদ উদ্দিন মহিন, মো. জাকির হোসেন, সাজিদা সুলতানা পম্পি ও সুলতানা রোজারিও।

নীল প্যানেলের অন্যান্য পদের প্রার্থীরা হলেন- সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে গতবারের পরাজিত প্রার্থী কামাল উদ্দিন, সহ-সভাপতি পদে গতবারের পরাজিত প্রার্থী মো. আনিসুর রহমান আনিস, কোষাধ্যক্ষ পদে নতুন প্রার্থী আব্দুর রশিদ মোল্লা, সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে নতুন প্রার্থী মো. আবুল কালাম আজাদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে নতুন প্রার্থী মোহাম্মাদ আনিসুজ্জমান আনিস, লাইব্রেরি সম্পাদক পদে গতবারের পরাজিত প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে গতবারের পরাজিত প্রার্থী হাবিবা কাদের মিলি, অফিস সম্পাদক পদে নতুন প্রার্থী নারগিস পারভীন আলিজা, ক্রীড়া সম্পাদক পদে নতুন প্রার্থী মো. নাসির উদ্দিন ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে নতুন প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মিজান।

নীল প্যানেলের সদস্য পদে রয়েছেন- মোহাম্মদ আনোয়ার পারভেজ (শামীম), এম আর কে রাসেল, মো. হোসনী মোবারক ও বাবুল আক্তার বাবু, নতুন প্রার্থী মো. সোহাগ হাসান রনি, মো. রাশেদ তপন, মোসা. তাসলিমা আক্তার, মো. ইয়াকুব আলী, রেজাউল ইসলাম, এস এম কবিরুজ্জামান ও দেওয়ান ইমদাদুল আলম ইমন।

উল্লেখ্য, ২০২০-২১ ঢাকা আইনজীবী নির্বাচনে ২৩টি পদের মধ্যে নীল প্যানেল সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১০টি পদে এবং সাদা প্যানেল ৬টি সম্পাদকীয় পদসহ ১৩টি পদে জয়লাভ করে।

আলজাজিরার সেই ৪ ব্যক্তির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা ফেরত দিল আদালত
                                  

অনলাইন ডেস্ক : কাতারভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল আল জাজিরায় রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী প্রতিবেদন প্রকাশের জেরে প্রতিবেদনটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জুলকারনাইন সামি ও তাসনিম খলিলসহ চারজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করা হয়। সেই মামলাটি গ্রহণ না করে তা ফেরত দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) মামলাটি গ্রহণের বিষয়ে আইনগত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন ঢাকা মহানগর হাকিম শহিদুল ইসলাম।

বিচারক আদেশে বলেন, নথি পর্যালোচনায় প্রতীয়মান হয় যে, মামলাটি দায়ের করার ক্ষেত্রে নালিশকারীকে সরকার কর্তৃক কোনো ধরনের অথরটি প্রদান করা হয় নাই। তাই মামলাটি উক্ত নালিশকারী বরাবর ফেরত দেয়া হলো।

এর আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর হাকিম আশেক ইমামের আদালতে মামলাটি করেন বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সভাপতি আবদুল মালেক ওরফে মশিউর মালেক। পরের দিন আদালত মামলাটি গ্রহণের বিষয় আদেশের জন্য ২৩ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন।

মামলার আসামিরা হলেন- আল জাজিরা টেলিভিশনের ডিরেক্টর জেনারেল মোস্তেফা স্যোউয়াগ, শায়ের জুলকারনাইন ওরফে সামি, নেত্র নিউজের সম্পাদক তাসনিম খলিল ও যুক্তরাজ্য প্রবাসী ডেভিড বার্গম্যান।

মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে একই উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সরকার ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সুনামহানি করে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে অপপ্রচার চালিয়ে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড চালিয়ে রাষ্ট্রদ্রোহিতামূলক অপরাধে লিপ্ত আছে। তারা যৌথভাবে তাদের অজ্ঞাতনামা সহযোগীদের নিয়ে ভুয়া মিথ্যা তথ্য-সম্বলিত প্রতিবেদন তৈরি করে গত ১ ফেব্রুয়ারি রাতে ‘অল দ্য প্রাইম মিনিস্টার্স মেন’ নামে বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী একটি প্রতিবেদন প্রচার করে। উক্ত প্রতিবেদন ইউটিউবেও ব্যাপকভাবে প্রচার করা হয়। যা পরদিন বিভিন্ন মুদ্রিত ও অনলাইন পত্রিকায় প্রকাশ হয়।

মামলায় আরও বলা হয়, আসামিরা উক্ত প্রতিবেদনে কোনো সুনির্দিষ্ট ও সুস্পষ্ট বক্তব্য না দিয়ে এবং তথ্য-উপাত্ত বা দলিলাদি উপস্থাপন না করেই ষড়যন্ত্রমূলক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শুধু কিছু ব্যক্তিগত পারিবারিক অনুষ্ঠানাদি ও সাক্ষাৎকারের ছবি ব্যবহার করে। এছাড়া কণ্ঠস্বর সম্পাদনা করে একটি কাল্পনিক ভুয়া, মিথ্যা ও সাজানো তথ্যচিত্রের প্রতিবেদন তৈরি করে। তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহারের মাধ্যমে আল জাজিরা টেলিভিশনসহ ইউটিউবের মাধ্যমে সমগ্র বিশ্বে অপপ্রচার করেছে। যা দেশ-বিদেশে বাংলাদেশ সরকার ও রাষ্ট্রের সুনাম-মর্যাদাহানি ঘটিয়েছে। এ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আসামিরা বাংলাদেশের দণ্ডবিধির ১২৪/১২৪(এ)/১০৯/৩৪ ধারায় অপরাধ করেছে।

সামিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার আদেশ ২৩ ফেব্রুয়ারি
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশ ও সরকারের সুনাম ক্ষুন্ন করে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল জাজিরা টেলিভিশন তথ্যচিত্র প্রচার করার দায়ে শায়ের জুলকার নাইন সামি ও ডেভিড বার্গম্যান সহ চারজনের বিরুদ্ধে করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাটি আমলে নেয়ার বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারী দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকা মহানগর হাকিম আশেক ইমাম এ দিন ধার্য করেন। মামলার বাদী মশিউর মালেক গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকা মহানগর হাকিম আশেক ইমামের আদালতে এ মামলার আবেদন করেন বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের নির্বাহী সভাপতি আবদুল মালেক ওরফে মশিউর মালেক।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সেনা প্রধানকে নিয়ে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রকাশের অভিযোগ আনার পাশাপাশি আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশ ও সরকারের সুনাম ক্ষুন্ন করছে বলে উল্লেখ করা হয়।

এছাড়া, আল জাজিরায় প্রচারিত তথ্যচিত্রে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে ইসরাইল থেকে যে গোয়েন্দা সরঞ্জাম কেনার বিষয়ে অভিযোগ তোলা হয়েছে তার পক্ষে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি বলেও মামলার আবেদনে বলা হয়।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- আল জাজিরা টেলিভিশনের ডিরেক্টর জেনারেল মোস্তেফা স্যোউয়াগ ও নেত্র নিউজের প্রধান সম্পাদক তাসনিম খলিল।

ড. ইউনূসকে হাইকোর্টে তলব
                                  

অনলাইন ডেস্ক : নিজ প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের বিষয়ে আদালতের আদেশ পালন না করায় আদালত অবমাননার অভিযোগে শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে তলব করেছেন হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে গ্রামীণ টেলিকমের একজন পরিচালককেও আদালতে তলব করা হয়েছে। আগামী ১৬ মার্চ তাদের আদালতে উপস্থিত হয়ে আদালত অবমাননার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলেছেন হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতের আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন অ্যাডভোকেট মো. ইউসুফ আলী।

আল জাজিরার প্রতিবেদন নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশনা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : কাতারভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল আল জাজিরা টেলিভিশনের সাম্প্রতিক ভিডিও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে সরাতে বিটিআরসিকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৩টায় বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন। অন্যদিকে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন রিটকারী ব্যারিস্টার এনামুল কবীর ইমন। বিটিআরসির পক্ষে শুনানিতে ছিলেন খন্দকার রেজা ই রাকিব।

এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি আল জাজিরার সম্প্রচার বন্ধ এবং ‘অল দ্য প্রাইম মিনিস্টার্স মেনস’ প্রতিবেদনটি ফেসবুক ও ইউটিউব থেকে সরানোর নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এনামুল কবির ইমন এ রিট দায়ের করেন। রিটে ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব, তথ্য ও প্রযুক্তি সচিব, বিটিআরসির চেয়ারম্যান, পুলিশ মহাপরিদর্শকসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়।

১০ ফেব্রুয়ারি রিটের শুনানিতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে আদালত বলেছিলেন, আল জাজিরার প্রতিবেদনটি ১ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয়, যা গেল ৯ দিনে দেশ-বিদেশের লাখো মানুষ দেখেছে। আর আপনি ১০ দিন পর আদালতের কাছে এসেছেন ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটারসহ সব অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে এটি সরিয়ে নেওয়ার আদেশ নিতে। এত দিন কী করেছেন?

শুধু তাই নয়, আল জাজিরার প্রতিবেদনের বিষয়ে তথ্য মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসি কেন কিছু করেনি সে বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন হাইকোর্ট। বিটিআরসির পক্ষে থাকা আইনজীবী রেজা ই রাকিবকে হাইকোর্ট প্রশ্ন করেন, আপনাদের তো এ ধরনের কন্টেন্টের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সুর্নিদিষ্ট আইন আছে। তাহলে আপনারা বা তথ্য মন্ত্রণালয় কেন কিছু করেনি। অতীতের বিভিন্ন সময় তো এ ধরনের ইস্যুতে আপনারা ব্যবস্থা নিয়েছিলেন, তাহলে আল জাজিরা ইস্যুতে কেন আপনারা নিজেরা কিছু না করে আদালতের কাছে এসেছেন?

আল জাজিরার তথ্যচিত্র: সামিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরার তথ্যচিত্রের প্রধান চরিত্র জুলকারনাইন ওরফে সামিসহ চার জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার বাকি তিন আসামি হলেন- চ্যানেলটির ডিরেক্টর জেনারেল মোস্তেফা স্যোউগ, সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান ও তাসনিম খলিল।

বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আাশেক ইমামের আদালতে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট মশিউর মালেক মামলাটি দায়ের করেন। মামলায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সেনা প্রধানকে নিয়ে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রকাশের অভিযোগ আনা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে অ্যাডভোকেট মশিউর মালেক বলেন, `প্রধানমন্ত্রী ও সেনা প্রধানের বিরুদ্ধে সম্মানহানিকর বক্তব্য দিয়ে যড়যন্ত্র করা হয়েছে। অবৈধভাবে মিথ্যা বানোয়াট তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়েছে, যা রাষ্ট্রদ্রোহের সামিল। দণ্ডবিধির ১৮৬০ সালের আইনের ১২৪, ১২৪এ, ১৪৯, ৩৪ ধারায় মামলাটি করা হয়েছে।`

দীপন হত্যা: হাইকোর্টে পৌঁছেছে আট আসামির ডেথ রেফারেন্স
                                  

ডেস্ক রিপাের্ট : প্রকাশক ফয়সল আরেফিন দীপন হত্যা মামলায় আট আসামির ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পৌঁছেছে। নিয়ম অনুযায়ী বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিদের দণ্ড কার্যকর করতে হাইকোর্টের অনুমোদন লাগে। এটিই ডেথ রেফারেন্স হিসেবে পরিচিত।

ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান গত ১০ ফেব্রুয়ারি আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে সেনাবাহিনীর চাকরিচ্যুত মেজর সৈয়দ জিয়াউল হকসহ মোট আট জঙ্গির সবাইকে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। তাদের মধ্যে জিয়াসহ দুজন পলাতক।

এ প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র ও হাইকোর্ট বিভাগের বিশেষ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, সোমবার এ মামলার রায়সহ ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে। এখন হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখা এসব নথি যাচাই-বাছাই করে পেপারবুক তৈরির জন্য প্রস্তুতি নেবে।

এ মামলার আসামিরা হলেন- বরখাস্তকৃত মেজর জিয়া, আকরাম হোসেন, মইনুল হাসান শামীম ওরফে সামির ওরফে ইমরান, আবদুস সবুর সামাদ ওরফে সুজন ওরফে রাজু ওরফে সাদ, খাইরুল ইসলাম ওরফে জামিল ওরফে জিসান, আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব ওরফে সাজিদ ওরফে শাহাব, মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন ওরফে শাহরিয়ার এবং শেখ আবদুল্লাহ ওরফে জুবায়ের ওরফে জায়েদ ওরফে জাবেদ ওরফে আবু ওমায়ের। আসামিদের মধ্যে জিয়া ও আকরাম হোসেন পলাতক আছে।

২০১৫ সালের ৩১ অক্টোবর রাজধানীর শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেটে জাগৃতি প্রকাশনীর কার্যালয়ে ফয়সল আরেফিন দীপনকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। একই দিন লালমাটিয়ায় শুদ্ধস্বর প্রকাশনীর কার্যালয়ে ঢুকে এর স্বত্বাধিকারী আহমেদুর রশীদ টুটুল, লেখক রণদীপম বসু ও প্রকৌশলী আবদুর রহমানকে হত্যার চেষ্টা করা হয়।

ফয়সল আরেফিন দীপন হত্যাকাণ্ডের দিনেই তার স্ত্রী রাজিয়া রহমান শাহবাগ থানায় মামলা করেন। ২০১৮ সালের ১৫ নভেম্বর তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সহকারী কমিশনার ফজলুর রহমান চার্জশিট দাখিল করেন। গত বছর ১৩ অক্টোবর আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা: বহাল থাকল ১০ জনের ফাঁসির আদেশ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় দুই দশক আগে বোমা পুঁতে রেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলার রায়ে ১০ জনের ফাঁসির আদেশ বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) হাইকোর্টের বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মো. বদরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

ভাষার মাসে বাংলা ভাষার জন্য জীবন উৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলার রায় বাংলায় ঘোষণা করেন হাইকোর্ট।

এর আগে, গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় বোমা পুঁতে রেখে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলায় ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর শুনানি শেষ হয়েছিল। গত ১ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মো. বদরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত দ্বৈতবেঞ্চে রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) আদালত রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন।

সোমবার যুক্তিতর্কে রাষ্ট্রপক্ষ ২০০০ সালে গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়ায় তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৯ আসামির সাজা বহাল চেয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার মামলায় ২০১৭ সালের ২০ আগস্ট ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মমতাজ বেগম ১০ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড দিয়ে রায় দেন। এছাড়া চার আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়। এ মামলার রায়সহ সব নথি ওই বছরের ২৪ আগস্ট হাইকোর্টে পাঠানো হয়। এরপর প্রধান বিচারপতির কাছে নথি উপস্থাপন করা হলে তিনি জরুরি ভিত্তিতে পেপারবুক তৈরির নির্দেশ দেন। মামলাটি শুনানির জন্য প্রস্তুত শেষে কার্যতালিকায় দেয়া হয়।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ওয়াসিম আকতার, রাশেদ ড্রাইভার ওরফে আবুল কালাম, ইউসুফ ওরফে আবু মুসা হারুন, শেখ ফরিদ ওরফে মাওলানা শওকত ওসমান, হাফেজ জাহাঙ্গীর আলম বদর, মাওলানা আবু বক্কর, হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া, মুফতি শফিকুর রহমান, মুফতি আবদুল হাই ও মাওলানা আবদুর রউফ ওরফে আবু ওমর।

এছাড়া মেহেদি হাসান ওরফে আবদুল ওয়াদুদকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে। আনিসুল ওরফে আনিস, মো. মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান এবং সরোয়ার হোসেন মিয়াকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের দণ্ড দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, ২০০০ সালের ২০ জুলাই গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমাবেশস্থলের পাশে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ৭৬ কেজি ওজনের বোমা পুঁতে রাখা হয়। শেখ লুৎফর রহমান মহাবিদ্যালয়ের উত্তর পাশের একটি চায়ের দোকানের পেছনে এ বোমা বিস্ফোরণের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে তদন্তে উঠে আসে। এ ঘটনায় তৎকালীন কোটালীপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নূর হোসেন মামলা করেন।

২০০১ সালের ৮ এপ্রিল ১৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়া হয়। পরবর্তীকালে ২০০৯ সালের ২৯ জুন আরও নয়জনকে আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে সম্পূরক অভিযোগপত্র দেয়া হয়। এরপর ২০১০ সালে মামলাটি নিষ্পত্তির জন্য ঢাকা-২ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। সেখানে এই মামলার বিচার সম্পন্ন হয়।

অভিজিৎ হত্যা: ৫ আসামির মৃতুদণ্ড, ফারাবীর যাবজ্জীবন
                                  

অনলাইন ডেস্ক : মুক্তমনা ব্লগার ও লেখক অভিজিৎ রায়কে হত্যা মামলায় ৫ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি ফারাবীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার পর ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে হত্যা করতেই জঙ্গিরা অভিজিৎকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে বলে পর্যবেক্ষণে জানান আদালত।

এর আগে গত ৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবুর রহমান রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য ১৬ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ব্লগার ও লেখক অভিজিৎ রায়কে ২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত সোয়া ৯টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসি এলাকায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পাশে সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে জখম করে। আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেয়া হলে ওইদিন রাত সাড়ে ১০টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

২৭ ফেব্রুয়ারি অভিজিতের বাবা বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অজয় রায় শাহবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। ২০১৯ সালের ১৩ মার্চ ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনসারীর আদালতে ছয়জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের পরিদর্শক মনিরুল ইসলাম।

১১ এপ্রিল ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান ছয় আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) গ্রহণ করেন। ১ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান। মামলায় ৩৪ জন সাক্ষীর মধ্যে বিভিন্ন সময় ২৮ জন সাক্ষ্য দেন।

মামলার আসামিরা হলেন- মেজর (চাকরিচ্যুত) সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হক ওরফে জিয়া, মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন (সাংগঠনিক নাম শাহরিয়ার), আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব ওরফে সাজিদ ওরফে শাহাব, আকরাম হোসেন ওরফে আবির, মো. আরাফাত রহমান ও শফিউর রহমান ফারাবি।

এদের মধ্যে মেজর (চাকরিচ্যুত) সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হক ওরফে জিয়া ও আকরাম হোসেন ওরফে আবির শুরু থেকেই পলাতক।

দেশে আল-জাজিরার সম্প্রচার বন্ধে আনা রিটের পরবর্তী শুনানি বুধবার
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশে কাতারভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল আল-জাজিরার সম্প্রচার বন্ধে আনা রিটের পরবর্তী শুনানি বুধবার ।

বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লা সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চে বিষয়টি নিয়ে আজ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার এটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন শুনানি করবেন বলে আদালত সূত্র জানায়।
আজ শুনানিতে ছয় এমিকাস কিউরির মতামত নিয়েছেন আদালত। গত ১০ ফেব্রুয়ারি ৬ বিশিষ্ট আইনজীবীকে এমিকাস কিউরি নিয়োগ দেন হাইকোর্ট।

বাংলাদেশে কাতারভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল আল-জাজিরার সম্প্রচার বন্ধে আনা রিটের শুনানিতে আজ মতামত দিয়েছেন ছয় এমিকাস কিউরি সাবেক এটর্নি জেনারেল সিনিয়র আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী, ব্যারিষ্টার কামাল-উল আলম, সাবেক এটর্নি জেনারেল ফিদা এম কামাল, আব্দুল মতিন খসরু, আইনজীবী প্রবীর নিয়োগী ও ড. শাহদীন মালিক।
এমিকাস কিউরিগন এই রিট দায়েরের যৌক্তিকতা, রিটকারীর সংক্ষুব্ধতা, বিটিআরসি`র এখতিয়ার, এ সংক্রান্ত বিভিন্ন আইন, রেফারেন্স, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিষয়ে নিজ নিজ মত তুলে ধরেন। এমিকাস কিউরিগন তাদের লিখিত বক্তব্যও আদালতে পেশ করেছেন।
`অল দ্য প্রাইম মিনিস্টার্স মেন` শিরোনামে ডকুমেন্টারি প্রচারের প্রেক্ষাপটে কাতারভিত্তিক টিভি চ্যানেল আল-জাজিরার সম্প্রচার বন্ধ ও এ সংক্রান্ত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে অপসারনের নির্দেশনা চেয়ে রিটটি করা হয়েছে। গত ৮ ফেব্রুয়ারি রিটটি দায়ের করেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী মো. এনামুল কবির ইমন।

গত ১০ ফেব্রুয়ারি শুনানিকালে রিট আবেদনকারীকে প্রশ্ন করা হয়- আল-জাজিরায় সম্প্রচারিত তথ্যচিত্রে তিনি কীভাবে সংক্ষুব্ধ হয়েছেন, সংক্ষুব্ধ হয়ে থাকলে রিট আবেদনের আগে সংশ্লিষ্টদের উকিল নোটিস বা ডিমান্ডিং জাস্টিস দেয়া হয়েছিল কিনা এবং এই রিটকে তিনি `জনস্বার্থে` বলছেন কীভাবে। জবাবে রিটকারী আইনজীবী মো. এনামুল কবির ইমন বলেন, `রাষ্ট্রের নিরাপত্তা অক্ষুণ্ন রাখতে এই রিট করা হয়েছে।`
ওইদিন শুনানিতে যুক্ত হয়ে বিটিআরসি`র আইনজীবী খন্দকার রেজা-ই রাকিব বলেন, আল-জাজিরার কোন বাংলা ভার্সন নেই। কিন্তু ওই কন্টেনটি বাংলায় করেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেয়া হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যাতে এ সংক্রান্ত ডকুমেন্টারি আর প্রচার না করা হয় সেজন্য পদক্ষেপ নিতে আদালত আদেশ দিতে পারেন। যেমনটি নোয়াখালীর এক নারীর নির্যাতনের ভিডিও ছড়িয়ে পরার ঘটনায় দেয়া হয়েছিলো। আর দেশের মধ্যে আল-জাজিরার সম্প্রচার বন্ধ করা সম্ভব।

এ সময় ডেপুটি এটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী বলেন,
ডিমান্ডিং জাষ্টিস না দিলেও রিট করা যায়। আল-জাজিরার ওই রিলেটেড ইস্যুতে আরো পর্ব আসতে পারে। বিটিআরসির উচিত ছিলো পদক্ষেপ নেয়া। কিন্তু এক্ষেত্রে তারা নিষ্ক্রিয়তা (ফেলিউর) দেখিয়েছে।

রিটকারী আইনজীবী মো. এনামুল কবির ইমন বলেন, রিটে বাংলাদেশে আল-জাজিরার সম্প্রচার বন্ধের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি `অল দ্য প্রাইম মিনিস্টারস মেন` নামে সম্প্রচারিত প্রতিবেদনটি ইউটিউব, ফেসবুক ও টুইটার থেকে অপসারণের নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে।

রিটে ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব, তথ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, বিটিআরসির চেয়ারম্যান, পুলিশের আইজিসহ সংশ্লিষ্টদেরকে বিবাদী (রেসপনডেন্ট) করা হয়েছে।
আল-জাজিরায় ১ ফেব্রুয়ারি রাতে `অল দ্য প্রাইম মিনিস্টারস মেন` শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রচার করা হয়। ইতোমধ্যে প্রতিবেদনটিকে মিথ্যা ও মানহানিকর আখ্যা দিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এদিকে সেনা সদরের তরফ থেকে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক বিবৃতিতে ওই প্রতিবেদনকে বর্ণনা করা হয় `সাজানো এবং দুরভিসন্ধিমূলক` হিসেবে। বাসস

মানবতাবিরোধী অপরাধ : ৩ জনের আমৃত্যু, ৫ জনের ২০ বছর কারাদণ্ড
                                  

অনলাইন ডেস্ক : মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ময়মনসিংহের তিনজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে পাঁচজনকে ২০ বছর করে কারাদণ্ড এবং একজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১২টার দিকে ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান মো. বিচারপতি শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এ রায় ঘোষণা করা হয়। সদস্য বিচারপতিরা হলেন আমির হোসেন ও আবু আহমেদ জমাদার।

রায়ে মো. সামসুজ্জামান ওরফে আবুল কালাম, এ এফ এম ফয়জুল্লাহ (পলাতক), আব্দুর রাজ্জাক মণ্ডলকে (পলাতক) আমৃত্যু দণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মো. খলিলুর রহমান, মো. আব্দুল্লাহ, মো. রইছ উদ্দিন আজাদী ওরফে আক্কেল আলী, আলিম উদ্দিন খান (পলাতক) ও সিরাজুল ইসলাম তোতাকে ২০ বছর করে সাজা এবং আব্দুল লতিফকে খালাস দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

আসামি পক্ষের আইনজীবী আব্দুস সাত্তার পালোয়ান বলেন, এ মামলায় ১১ আসামির বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের ৪ মার্চ অভিযোগ গঠন করেছিলেন আদালত। এর মধ্যে গ্রেফতার ছিলেন মো. খলিলুর রহমান মীর, মো. সামসুজ্জামান ওরফে আবুল কালাম, মো. আব্দুল্লাহ, মো. আব্দুল মালেক আকন্দ ওরফে আবুল হোসেন ওরফে আবুল মেম্বার, মো. রইছ উদ্দিন আজাদী ওরফে আক্কেল আলী ও আব্দুল লতিফ।

পলাতক ছিলেন এ এফ এম ফয়জুল্লাহ, আব্দুর রাজ্জাক মণ্ডল, সিরাজুল ইসলাম তোতা, আলিম উদ্দিন খান ও নুরুল আমিন শাহজাহান।

এর মধ্যে বিচার চলাকালে মো. আব্দুল মালেক আকন্দ ওরফে আবুল হোসেন ওরফে আবুল মেম্বার ও পলাতক থাকা অবস্থায় নুরুল আমিন শাজাহান মারা যান।

আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগ, অপহরণ, আটক, নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ আনা হয়েছে।

২০১৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি তাদের বিরুদ্ধে তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগ, অপহরণ, আটক, নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায়ের চারটি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে চারজনকে হত্যা, নয়জনকে আটক ও নির্যাতনের অভিযোগ। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার নিগুয়ারী ইউনিয়নের সাধুয়া গ্রাম ও টাঙ্গাব ইউনিয়নের রৌহা গ্রামে তারা এসব অপরাধ করেন বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে।

দীপন হত্যা: বরখাস্ত মেজর জিয়াসহ ৮ আসামির ফাঁসি
                                  

অনলাইন ডেস্ক : প্রকাশক ফয়সল আরেফিন দীপন হত্যা মামলায় আট আসামির ফাঁসির রায় ঘোষণা করা হয়েছে। বুধবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয় মত প্রকাশের দায়ে যারা মানুষ হত্যা করতে পারে তারা সমাজ ও রাষ্ট্রের শত্রু।

এ মামলার আসামিরা হলেন-বরখাস্তকৃত মেজর জিয়া, আকরাম হোসেন, মইনুল হাসান শামীম ওরফে সামির ওরফে ইমরান, আবদুস সবুর সামাদ ওরফে সুজন ওরফে রাজু ওরফে সাদ, খাইরুল ইসলাম ওরফে জামিল ওরফে জিসান, আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব ওরফে সাজিদ ওরফে শাহাব, মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন ওরফে শাহরিয়ার এবং শেখ আবদুল্লাহ ওরফে জুবায়ের ওরফে জায়েদ ওরফে জাবেদ ওরফে আবু ওমায়ের। আসামিদের মধ্যে জিয়া ও আকরাম হোসেন পলাতক আছে।

সকালে বিশেষ ব্যবস্থায় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আট আসামির মধ্যে ৬ জনকে হাজির করা হয়। এ রায় ঘিরে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৪ জানুয়ারি দুপুরে ঢাকার সন্ত্রাস বিরোধী ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবুর রহমানের আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবী যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে এ তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

এর আগে রাষ্ট্রপক্ষ আট আসামির সবার সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড প্রত্যাশা করে।

গত ১৭ জানুয়ারি রাষ্ট্রপক্ষে গোলাম ছারোয়ার খান জাকির যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে ৮ আসামির সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড প্রত্যাশা করেন।

গত ২৩ ডিসেম্বর এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। মামলায় অভিযোগভুক্ত ২৬ সাক্ষীর মধ্যে ২১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন আদালত। ৫ জানুয়ারি আত্মপক্ষ শুনানিতে আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন।

২০১৫ সালের ৩১ অক্টোবর রাজধানীর শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেটে জাগৃতি প্রকাশনীর কার্যালয়ে ফয়সল আরেফিন দীপনকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। একই দিন লালমাটিয়ায় শুদ্ধস্বর প্রকাশনীর কার্যালয়ে ঢুকে এর স্বত্বাধিকারী আহমেদুর রশীদ টুটুল, লেখক রণদীপম বসু ও প্রকৌশলী আবদুর রহমানকে হত্যার চেষ্টা করা হয়।

ফয়সল আরেফিন দীপন হত্যাকাণ্ডের দিনেই তার স্ত্রী রাজিয়া রহমান শাহবাগ থানায় মামলা করেন। ২০১৮ সালের ১৫ নভেম্বর তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সহকারী কমিশনার ফজলুর রহমান চার্জশিট দাখিল করেন। গত বছর ১৩ অক্টোবর আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।


   Page 1 of 48
     আদালত
দিহানের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন জমার সময় পেছাল
.............................................................................................
মাদক মামলায় ইরফান সেলিমকে অব্যাহতি
.............................................................................................
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টাইমস্কেল সংক্রান্ত রিট খারিজ
.............................................................................................
সভাপতি সহ ১৪ টি পদে আওয়ামী লীগ ও সাধারণ সম্পাদক সহ ৮ পদে বিএনপির প্রার্থী বিজয়ী
.............................................................................................
ঢাকা বারের নির্বাচনে দ্বিতীয় দিনের ভোট চলছে
.............................................................................................
আলজাজিরার সেই ৪ ব্যক্তির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা ফেরত দিল আদালত
.............................................................................................
সামিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার আদেশ ২৩ ফেব্রুয়ারি
.............................................................................................
ড. ইউনূসকে হাইকোর্টে তলব
.............................................................................................
আল জাজিরার প্রতিবেদন নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশনা
.............................................................................................
আল জাজিরার তথ্যচিত্র: সামিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা
.............................................................................................
দীপন হত্যা: হাইকোর্টে পৌঁছেছে আট আসামির ডেথ রেফারেন্স
.............................................................................................
শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা: বহাল থাকল ১০ জনের ফাঁসির আদেশ
.............................................................................................
অভিজিৎ হত্যা: ৫ আসামির মৃতুদণ্ড, ফারাবীর যাবজ্জীবন
.............................................................................................
দেশে আল-জাজিরার সম্প্রচার বন্ধে আনা রিটের পরবর্তী শুনানি বুধবার
.............................................................................................
মানবতাবিরোধী অপরাধ : ৩ জনের আমৃত্যু, ৫ জনের ২০ বছর কারাদণ্ড
.............................................................................................
দীপন হত্যা: বরখাস্ত মেজর জিয়াসহ ৮ আসামির ফাঁসি
.............................................................................................
আল জাজিরার প্রতিবেদন: ফেসবুক ও ইউটিউব থেকে সরাতে রিট
.............................................................................................
ফেনীতে অটোরিকশা চালক হত্যার দায়ে ৩ জনের ফাঁসি
.............................................................................................
জি কে শামীম ও তার মায়ের বিরুদ্ধে চার্জশিট
.............................................................................................
অভিজিৎ হত্যার রায় ১৬ ফেব্রুয়ারি
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধুকে কটূক্তি: তারেকের দুই বছর কারাদণ্ড
.............................................................................................
শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা : আপিলের রায় ১৭ ফেব্রুয়ারি
.............................................................................................
ইউল্যাব শিক্ষার্থী ধর্ষণ ও হত্যা: দুই বন্ধু ৫ দিনের রিমান্ডে
.............................................................................................
দিহানের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১১ ফেব্রুয়ারি
.............................................................................................
গোল্ডেন মনিরের বিরুদ্ধে চার্জশিট
.............................................................................................
প্রকাশক দীপন হত্যা মামলার রায় ১০ ফেব্রুয়ারি
.............................................................................................
বরগুনার রিফাত হত্যা: সাজাপ্রাপ্ত ৩ আসামির জামিন
.............................................................................................
কাকরাইলে স্ত্রী-সন্তান হত্যা: সবার ফাঁসির আদেশ
.............................................................................................
জন্মনিবন্ধনে ফিঙ্গার প্রিন্ট-আইরিশ বাধ্যতামূলক করতে রুল
.............................................................................................
কলেজ ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ : ৮ ছাত্রলীগ নেতার বিচার শুরু
.............................................................................................
পাপিয়া দম্পতির মাদক মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু
.............................................................................................
আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা : আপিল মামলা কার্যতালিকা থেকে বাদ
.............................................................................................
উপজেলায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের শুনানি ৩০ জানুয়ারি
.............................................................................................
পিকে হালদারের বিরুদ্ধে রেড এলার্ট জারির জন্য ইন্টারপোলে চিঠি
.............................................................................................
জামিন বাতিল সংক্রান্ত হাইকোর্টের নির্দেশনা আপিল বিভাগে স্থগিত
.............................................................................................
টিকটক-লাইকি বন্ধে হাইকোর্টে রিট
.............................................................................................
ডা. সাবরিনাকে জামিন দেননি হাইকোর্ট
.............................................................................................
জামিন পেলেন পাপুলের স্ত্রী-মেয়ে
.............................................................................................
আইনজীবীকে আটক রাখার অভিযোগে বিচারকের অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ
.............................................................................................
দ্বৈত নাগরিক ও পাসপোর্টধারীদের তালিকা চান হাইকোর্ট
.............................................................................................
একাধিক গার্লফেন্ডের একাউন্টে পিকে হালদারের টাকা
.............................................................................................
সামিউল হত্যা: মা ও পরকীয়া প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধুর চার খুনির মুক্তিযোদ্ধা খেতাব স্থগিত
.............................................................................................
ধর্ষণের পর শিশু মীমকে হত্যায় ৮ জনের ফাঁসি
.............................................................................................
জামিন পেলেও মুক্তি পাচ্ছেন না সাবরিনা
.............................................................................................
চট্টগ্রামে চেয়ারম্যান আমজাদ হত্যায় ১০ জনের মৃত্যুদণ্ড
.............................................................................................
বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট দিবস ১৮ ডিসেম্বর
.............................................................................................
বিডিনিউজ সম্পাদকের জামিন বাতিল প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল
.............................................................................................
সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন ছুটি কমল
.............................................................................................
সারাদেশে বঙ্গবন্ধুর সব ভাস্কর্যের নিরাপত্তা নিশ্চিতের নির্দেশ
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop