| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * কক্সবাজারে ইয়াবা ও আগ্নেয়াস্ত্র সহ মাদক ব্যবসায়ী আটক   * স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ৪০০ মণ আম ধ্বংস   * হুয়াওয়ের সাথে প্যানাসনিকের ব্যবসা স্থগিত   * বিজেপি এগিয়ে ৩৩৯ আসনে, কংগ্রেস ৯০   * ৩২ দলেই হবে কাতার বিশ্বকাপ   * সংগীতশিল্পী খালিদ হোসেনকে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা   * টিকিট নিয়ে বিভ্রান্তি, ভোগান্তিতে মানুষ   * গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে আগুন ধরে একই পরিবারের ৪ জন নিহত   * সঙ্গীতশিল্পী খালিদ হোসেনের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক   * মেক্সিকোতে অপরাধী চক্রের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ১০  

   আদালত -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
চলন্ত বাসে পোশাক শ্রমিককে গণধর্ষণ, চারজনের যাবজ্জীবন

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে চলন্ত বাসে পোশাক শ্রমিককে গণধর্ষণ মামলায় চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ডা দেয়া হয়েছে। বুধবার দুপুরে টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন এ রায় দেন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- বাস চালক হাবিবুর রহমান, হেলপার খালেক আলী ভুট্টো, হেলপার আশরাফুল ও কনডাক্টর রেজাউল করিম জুয়েল। এর মধ্যে রেজাউল করিম জুয়েল পলাতক রয়েছেন।

টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি এস এম নাসিমুল আখতার রায়ের সত্যতা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

চলন্ত বাসে পোশাক শ্রমিককে গণধর্ষণ, চারজনের যাবজ্জীবন
                                  

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে চলন্ত বাসে পোশাক শ্রমিককে গণধর্ষণ মামলায় চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ডা দেয়া হয়েছে। বুধবার দুপুরে টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন এ রায় দেন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- বাস চালক হাবিবুর রহমান, হেলপার খালেক আলী ভুট্টো, হেলপার আশরাফুল ও কনডাক্টর রেজাউল করিম জুয়েল। এর মধ্যে রেজাউল করিম জুয়েল পলাতক রয়েছেন।

টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি এস এম নাসিমুল আখতার রায়ের সত্যতা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিচারাধীন বিষয়ে সংবাদ প্রকাশে সুপ্রিমকোর্টের জারীকৃত বিজ্ঞপ্তি স্পষ্টীকরণ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বিচারাধীন মামলার সংবাদ প্রকাশ বিষয়ে ফের বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে সুপ্রিমকোর্ট প্রশাসন।

আদালতের ভাবমূর্তি ও মর্যাদা ক্ষুন্ন হয় এবং বিচারকাজ প্রভাবিত করে, এমন সংবাদ পরিবেশন ও প্রচার প্রত্যাশিত নয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে নতুন এই বিজ্ঞপ্তিতে।
আজ মঙ্গলবার (২১ মে) সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল ড. জাকির হোসেনের সই করা এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিচারাধীন মামলার সংবাদ প্রকাশ বিষয়ে এর আগে সুপ্রিমকোর্ট প্রশাসনের জারি করা বিজ্ঞপ্তি স্পষ্ট করতে নতুন এ বিজ্ঞপ্তিটি জারি করা হয়েছে বলে এতে জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট সবসময় সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। আদালতের ভাবমূর্তি ও মর্যাদা ক্ষুন্ন হয় এবং বিচারকাজ প্রভাবিত হয়, এমন সংবাদ পরিবেশন ও প্রচার প্রত্যাশিত নয়। এ অবস্থায় গত ১৬ মে জারি করা ২৪৭/২০১৯ নম্বর বিজ্ঞপ্তিটি স্পষ্ট করা হলো এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবহিত করা হলো।

এর আগে, গত ১৬ মে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন থেকে এক বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার মো. গোলাম রব্বানীর সই করা ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইদানীং লক্ষ্য করা যাচ্ছে, কোনো কোনো ইলেকট্রনিক মিডিয়া তাদের চ্যানেলে এবং কোনো কোনো প্রিন্ট মিডিয়া তাদের পত্রিকায় বিচারাধীন মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে সংবাদ পরিবেশন/স্ক্রল করছে, যা একেবারেই অনভিপ্রেত। এ অবস্থায়, বিচারাধীন কোনো বিষয়ে সংবাদ পরিবেশন/স্ক্রল করা থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

সুপ্রিমকোর্ট প্রশাসনের ওই বিজ্ঞপ্তি সংশোধন তথা স্পষ্ট করার অনুরোধ জানিয়ে ল’ রিপোর্টার্স ফোরাম (এলআরএফ), ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে), ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) পৃথক পৃথক বিবৃতি দিয়েছে। এরপর গতকাল আইনমন্ত্রী প্রধান বিচারপতির সঙ্গে এক সাক্ষাত শেষে জানিয়েছেন বিষয়টি স্পষ্ট করা হবে। বাসস

সারাদেশের পাস্তুরিত দুধ পরীক্ষার নির্দেশ
                                  

ডেস্ক রিপাের্ট : ঢাকাসহ সারাদেশের বাজারে পাস্তুরিত (তরল) দুধ পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিএসটিআই, নিরাপদ খাদ্য অধিদফতরসহ সংশ্লিষ্টদের এ পরীক্ষা করতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ মে) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ নির্দেশ দিয়েছেন।

সরকারি প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ফুড সেফটি ল্যাবরেটরির (এনএফএসএল) প্রধান প্রফেসর ড. শাহনীলা ফেরদৌসি আজ হাইকোর্টে দুধ পরীক্ষার প্রক্রিয়া জানানোর পর বিচারকরা এ নির্দেশ দেন।

আমে কেমিকেল আছে কি-না তদারকির নির্দেশ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : গাছ থেকে নামানোর পর আড়তে বা বাজারে কেমিক্যাল মেশানো আম আসছে কি-না তা খতিয়ে দেখতে একটা মনিটরিং সেল গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে দেশের সকল আমের আড়ত ও বাজারে থাকা আম পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রতিবেদন দাখিল করতে সংশ্লিষ্টদের বলেছেন আদালত।

সোমবার হাইকোর্টের বিচারপতি এফ এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।

রূপপুরের বালিশকাণ্ড : গণপূর্তের প্রতিবেদন দেখতে চান হাইকোর্ট
                                  

অনলাইন ডেস্ক : পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প এলাকায় কর্মকর্তা কর্মচারীদের থাকার জন্য গ্রিনসিটি আবাসন পল্লীর বিছানা, বালিশ, আসবাবপত্র অস্বাভাবিক মূল্যে কেনা ও তা ভবনে তোলার ঘটনায় গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন দেখতে চান হাইকোর্ট।

এ জন্য গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে গঠিত কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালতের অবকাশকালীন ছুটির পর অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের মাধ্যমে এ প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট কোর্টে দাখিল করার জন্য বলা হয়েছে। একইসঙ্গে, এ সংক্রান্ত রিটের শুনানি মুলতবি (স্ট্যান্ডওভার) করে রেখেছেন আদালত।

সোমাবার রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্টের বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি মো. সরওয়ারদীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালতে আজ রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। এ সময় ডেপুর্টি অ্যাটর্নি জেনারেল আমাতুল করিম উপস্থিত ছিলেন।

শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেল আদালতকে বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের দুর্নীতির যে অভিযোগ উঠেছে তা তদন্তের জন্য ইতোমধ্যেই দুটি কমিটি গঠন করেছে সরকার। তাই এ মুহূর্তে আদালতের হস্তক্ষেপ করা ঠিক হবে না। তারা কি প্রতিবেদন দেন দেখা হোক।

এর আগে ওই গ্রিনসিটি আবাসন পল্লীর বিছানা, বালিশ, আসবারপত্র অস্বাভাবিক মূল্যে কেনা ও তা ভবনে তোলার ঘটনায় বিচারবিভাগীয় তদন্ত চেয়ে রোববার (১৯ মে) হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন জনস্বার্থে এই রিট আবেদনটি করেন।

রিটে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রণালয় সচিব, পাবনার গণপূর্ত অফিসারসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

আজ শুনানিতে রিটকারী আইনজীবী জানান, ১২৫টি ফ্ল্যাটের মালামাল কিনতে ও ওঠাতে ২৫ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে, যা প্রত্যেক ফ্ল্যাটের জন্য খরচ পড়ে ২২ লাখ ৭০ হাজার টাকার মতো।

গ্রিনসিটিতে আসবাবপত্র ও অন্যান্য জিনিসপত্র ক্রয়ে লাগামছাড়া দুর্নীতির তথ্য সম্প্রতি ফাঁস হয়। এতে দেখা যায়, একটি বালিশের পেছনে ব্যয় দেখানো হয়েছে ৬ হাজার ৭১৭ টাকা। এর মধ্যে এর দাম বাবদ ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা আর সেই বালিশ নিচ থেকে ফ্ল্যাটে ওঠাতে খরচ ৭৬০ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।

সরকারি টাকায় আকাশ সমান দামে এসব আসবাবপত্র কেনার পর তা ভবনের বিভিন্ন ফ্ল্যাটে তুলতে অস্বাভাবিক হারে অর্থ ব্যয়ের এ ঘটনা ঘটিয়েছেন গণপূর্ত অধিদফতরের পাবনা গণপূর্ত বিভাগের কর্মকর্তারা।

কেজিখানেক ওজনের একটি বৈদ্যুতিক কেটলি নিচ থেকে ফ্ল্যাটে তুলতেই খরচ হয়েছে প্রায় তিন হাজার টাকা। একই রকম খরচ দেখানো হয়েছে জামা-কাপড় ইস্ত্রি করার কাজে ব্যবহৃত প্রতিটি ইলেক্ট্রিক আয়রন ওপরে তুলতে; প্রায় আট হাজার টাকা করে কেনা প্রতিটি বৈদ্যুতিক চুলা ফ্ল্যাটে পৌঁছে দিতে খরচ দেখানো হয়েছে সাড়ে ছয় হাজার টাকার বেশি।

শুধু তাই নয় প্রকল্পটির গাড়ি চালকের বেতন ৭৩ হাজার ৭০৮ টাকা, যা একজন সচিবের কাছাকাছি। বর্তমানে সচিবের বেতন ৭৮ হাজার টাকা। তবে প্রকল্পটির গাড়িচালকরা ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের দায়িত্বও পালন করতে পারবেন। এতে আরও ১৮ হাজার টাকা পাবেন গাড়িচালকরা। এতে তাদের বেতন দাঁড়াবে ৯১ হাজার ৭০৮ টাকা। প্রকল্পটির সর্বনিম্ন বেতন রাঁধুনি বা মালির। প্রকল্প থেকে তিনি বেতন পাবেন ৬৩ হাজার ৭০৮ টাকা। আর ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব পালন করলে অতিরিক্ত পাবেন ১৬ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে তার বেতন পড়বে ৭৯ হাজার ৭০৮ টাকা, যা সচিবের বেতনের চেয়েও বেশি।

সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে অনলাইন কজ-লিষ্ট ব্যবহারের অনুরোধ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : ওয়েবসাইটে প্রকাশিত অনলাইন কজ-লিষ্ট ব্যবহারের জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করেছেন সুপ্রিমকোর্ট কর্তৃপক্ষ।

সুপ্রিমকোর্টের রেজিষ্ট্রার জেনারেল ড. মো: জাকির হোসেন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক স্মারকে বলা হয়, আজ ১৯ মে থেকে পিএস প্লেট সরবরাহ না হওয়া পর্যন্ত সরকারী প্রিন্টিং প্রেস সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের দৈনিক কার্যতালিকা (কজ-লিষ্ট) মুদ্রণ করতে পারছে না। এ বিষয়ে সুপ্রিমকোর্ট কর্তৃপক্ষ দুঃখ প্রকাশ করে সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত অনলাইন কজ-লিষ্ট ব্যবহারের জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করেছেন।

সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ওই স্মারকে একই সঙ্গে দৈনিক কার্যতালিকা (কজ-লিষ্ট) মুদ্রণের দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মহাপরিচালক, মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, তেজগাঁও, ঢাকাকে অনুরোধ করা হয়েছে।

স্মারকে বলা হয়, সরকারী প্রিন্টিং প্রেস থেকে সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের দৈনন্দিন কার্যতালিকা (কজ-লিষ্ট) মুদ্রণ হয়। এ কজ-লিষ্ট এতাদিন ১০০ ফর্মা হতো। বর্তমানে তা গড়ে ১৩০ ফর্মা হচ্ছে। এ ফর্মা সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় পিএস প্লেটের সংকট দেখা দিয়েছে। প্রয়োজনীয় পিএস প্লেট সরবরাহ নিশ্চিত করতে আরো ১৫ দিন সময় লাগবে। এ অবস্থায় হাইকোর্ট বিভাগের কজ-লিষ্ট মুদ্রণ এ সময়ে সম্ভব হবে না বলে সরকারী প্রিন্টিং প্রেস এক পত্রে জানায়। তাই আজ ১৯ মে থেকে পিএস প্লেট সরবরাহ না হওয়া পর্যন্ত সরকারী প্রিন্টিং প্রেস সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের দৈনিক কার্যতালিকা (কজ-লিষ্ট) মুদ্রণ করতে পারছে না। এ জন্য সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত অনলাইন কজ-লিষ্ট তথা দৈনন্দিন কার্যতালিকা ব্যবহার তথা অনুসরণের জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করা হয়েছে। বাসস

দুধে সীসা: এনএফএসএল এর ডা. শাহনীলাকে হাইকোর্টে তলব
                                  

অনলাইন ডেস্ক : জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের ন্যাশনাল ফুড সেফটি ল্যাবরেটরির (এনএফএসএল) গবেষণায় গাভীর দুধে সহনীয় মাত্রার চেয়ে বেশি কীটনাশক ও নানা ধরনের অ্যান্টিবায়োটিকের উপাদান পাওয়া সংক্রান্ত প্রতিবেদনসহ প্রতিষ্ঠানটির ডা. শাহনীলা ফেরদৌসকে হাজির হতে বলেছেন হাইকোর্ট। বুধবার (১৫ মে) বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কেএম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।


আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মুহম্মদ ফরিদুল ইসলাম। বিএসটিআইর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সরকার এম আর হাসান।

পরে আমিন উদ্দিন মানিক বলেন, গত ১১ ফেব্রুয়ারি এক আদেশে এনএফএসএল এর কারিগরি ব্যবস্থাপক অধ্যাপক ডা. শাহনীলা ফেরদৌসকে ওই প্রতিবেদন ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে দাখিল করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনি এখনো এ প্রতিবেদন আদালতে জমা দেননি। এ কারণে আগামী ২১ মে ওই প্রতিবেদনসহ হাইকোর্টে হাজির থাকতে বলা হয়েছে।

গত ১০ ফেব্রুয়ারি একটি জাতীয় দৈনিকে ‘গাভির দুধ ও দইয়ে অ্যান্টিবায়োটিক, কীটনাশক, সিসা!` শীর্ষক প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, গাভির দুধে (প্রক্রিয়াজাতকরণ ছাড়া) সহনীয় মাত্রার চেয়ে বেশি কীটনাশক ও নানা ধরনের অ্যান্টিবায়োটিকের উপাদান পাওয়া গেছে। পাওয়া গেছে বিভিন্ন অণুজীবও। একই সঙ্গে প্যাকেটজাত গাভীর দুধেও অ্যান্টিবায়োটিক ও সীসা পাওয়া গেছে মাত্রাতিরিক্ত। বাদ পড়েনি দইও। দুগ্ধজাত এ পণ্যেও মিলেছে সীসা।

সরকারি প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ফুড সেফটি ল্যাবরেটরির (এনএফএসএল) গবেষণায় এসব ফলাফল উঠে এসেছে। সংস্থাটি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) আর্থিক সহায়তায় গাভীর খাবার, দুধ, দই ও প্যাকেটজাত দুধ নিয়ে এ জরিপের কাজ করেছে।

ওই প্রতিবেদন নজরে আসার পর ১১ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট স্বতপ্রণোদিত হয়ে রুলসহ আদেশ দেন।

আদেশে গাভীর দুধ (প্রক্রিয়াজাতকরণ ছাড়া) ও বাজারের প্যাকেটজাত দুধ, দই এবং গো খাদ্যের নমুনা সংগ্রহ করে তাতে কি পরিমাণ ব্যাকটেরিয়া, কীটনাশক, অ্যান্টিবায়োটিক, সীসা, রাসায়নিক মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর তা নিরূপণে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এই কমিটিকে প্রতি ৬ মাস পরপর আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। নিজেদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্য মানুষ যাতে সঠিক তথ্য সম্পর্কে জানতে পারে সেজন্য কমিটির দেওয়া প্রতিবেদন নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতের এই আদেশ কার্যকর করতে ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, খাদ্য, স্বাস্থ্য, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, পরিবেশ সচিবের কাছে আদেশের অনুলিপি সরবরাহ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দুধ, দই ও গো-খাদ্যে ভেজাল মেশানোর ঘটনা তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে দুদককে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে দুধ, দই এবং গো-খাদ্যে ভেজাল মেশানোর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করতে একটি কমিটি গঠন করতে সরকারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ কমিটিকে তিনমাসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এছাড়া জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের জাতীয় নিরাপদ খাদ্য গবেষণাগারের কারিগরি ব্যবস্থাপক অধ্যাপক ডা. শাহনীলা ফেরদৌসের প্রতিবেদন ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রুলে নিরাপদ দুধ, দই ও গো-খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে ও ভেজাল প্রতিরোধে বিবাদীদের ব্যর্থতা ও নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি এবং অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ভেজাল দুধ, দই ও গো খাদ্য উৎপাদন, পরিবহন, প্যাকেটজাতকরণ, বাজারজাতকরণ এবং সংরক্ষণ করা কেন বেআইনী ও অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

এছাড়া বিভিন্ন দোকান, ডিপার্টমেন্টাল স্টোর ও খোলাবাজার থেকে এসব ভেজাল দুধ, দই ও গো-খাদ্য অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চাওয়া হয়েছে। এর সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়ার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তাও জানতে চেয়েছেন আদালত।

ওই আদেশের পর ৮ মে বুধবার নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম আদালতে ১৬ সদস্যের কমিটি গঠনের বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেন।

পরে ফরিদুল ইসলাম বলেছিলেন, ১৬ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটি কর্মপরিধিও তৈরি করেছেন। এর মধ্যে দুধ, দই ও পশুখাদ্যে ভেজাল মেশানোর সঙ্গে কারা জড়িত তাদের চিহ্নিত করার বিষয়টি যোগ করতে বলেছেন। এছাড়াও কমিটির ফাইনাল রিপোর্টে যেন জড়িতদের নাম থাকে সেটি বলেছেন আদালত।

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের দাখিল করা প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৭ ফেব্রুয়ারি নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাহফুজুল হকের সভাপতিত্বে একটি জরুরি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিস্তারিত আলোচনা ও পর্যালোচনাক্রমে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের লক্ষ্যে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য মো. মাহবুব কবিরকে আহ্বায়ক করে ১৬ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

২৭ ফেব্রুয়ারি কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির পরবর্তী কর্মপরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে, এক. চার সপ্তাহের (২৪ এপিল থেকে আগামী ২২ মে) মধ্যে কাঁচা, তরল ও পাস্তুরিত দুধের নমুনা সংগ্রহ, গবেষণাগারে পরীক্ষা ও কমিটির ফলাফল পর্যালোচনা; ২. পশু খাদ্যের নমুনা সংগ্রহ এবং গবেষণাগারে পরীক্ষা ও কমিটি কর্তৃক ফলাফল পর্যালোচনা (২৩ মে থেকে ২২ জুনের মধ্যে); ৩. (২৩ মে থেকে ২২ জুলাইয়ের মধ্যে) প্রাথমিক উৎপাদন ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ, ফলাফলের তুলনামূলক বিশ্লেষণ এবং কমিটির যথাযথ সুপারিশ প্রণয়ন।

হাজিরা দিলেন দুই সিটির সিইও, ফের প্রতিবেদন চান হাইকোর্ট
                                  

এশিয়া বাণী ডেস্ক : রাজধানীতে বায়ুদূষণ নিয়ে উচ্চ আদালতের আদেশের বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন দিতে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনকে একমাস সময় দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালতের তলবে দুই সিটির সিইও হাজিরের পর বুধবার (১৫ মে) এফ আর এম নাজমুল আহাসান এবং বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

একইসঙ্গে দুই প্রধান নির্বাহীকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দিয়ে আগামী ২৬ জুন পানি ছিটানোর বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার। সিটি করপোরেশনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী নুরুন্নাহার আক্তার।

গত ৫ মে ব্যাখ্যা দিতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান নির্বাহী মোস্তাফিজুর রহমান এবং উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রধান নির্বাহী আব্দুল হাইকোর্টে তলব করেছিলেন হাইকোর্ট। এ আদেশ অনুসারে তারা হাইকোর্টে হাজির হন। তবে পানি ছিটানোর বিষয়ে তাদের আইনজীবীর দেওয়া হলফনামা অসম্পূর্ণ হওয়ায় বিস্তারিত প্রতিবেদন দিতে আদালত এক মাস সময় দেন।

ঢাকার বায়ুদূষণ নিয়ে গণমাধ্যমে ২১ জানুয়ারি প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে এ রিট করা হয়। ওই রিটের শুনানি নিয়ে ২৮ জানুয়ারি আদালত রুলসহ আদেশ দেন।

ওইদিন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ জানিয়েছিলেন, রুলে ঢাকা শহরের বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে দুই সপ্তাহের রুল জারি করেছেন আদালত।

ওইদিন মনজিল মোরসেদ আরও জানিয়েছিলেন, অন্তর্বর্তীকালীন আদেশে ঢাকা শহরের যেসব এলাকায় উন্নয়ন ও সংস্কার (রাস্তায় এবং নির্মাণাধীন কাজের জায়গা) কাজ চলছে সেসব এলাকা ঘেরাও করে কাজ করার পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

১৫ দিনের মধ্যে আদালতের অন্তর্বর্তীকালীন এ আদেশ পালন করে এর দুই সপ্তাহের মধ্যে সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

এছাড়াও যেসব এলাকায় উন্নয়ন ও সংস্কার কাজ চলছে এবং যেসব এলাকা ধুলাবালি প্রবণ, যেসব এলাকায় ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দিনে দুইবার পানি ছিটাতে দুই সিটির মেয়র ও নির্বাহীকে নির্দেশ দেওয়া হয়।

যাদের কারণে বায়ুদূষণের সৃষ্টি হচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সপ্তাহে দুইবার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে পরিবেশ আদালতের মহাপরিচালকের প্রতি নির্দেশ দিয়েছিলেন।

মুক্তিযোদ্ধা শব্দের পূর্বে `ভুয়া` বলা যাবে না : হাইকোর্ট
                                  

অনলাইন ডেস্ক : কোনো মুক্তিযোদ্ধাকে ‘ভুয়া’ বলে সম্বোধন না করার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই-বাছাই সংক্রান্ত মামলার শুনানিকালে বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ এ নির্দেশ দেয়। আদালত বলেছেন, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও গণমাধ্যমের কেউ জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের ‘ভুয়া’ বলে সম্বোধন করলে তাদের তলব করা হবে।

এ সময় আদালতে ছিলেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল এ বি এম আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের যাচাই-বাছাই সংক্রান্ত মামলার শুনানিকালে আদালত বলেছেন, কোনো মুক্তিযোদ্ধাকে ‘ভুয়া’ বলে সম্বোধন করা যাবে না। যদি সরকারি-বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠান ও গণমাধ্যম এটা করে তাহলে তাদের তলব করা হবে। আদালত আরো বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধা সনদ ভুয়া হতে পারে, কিন্তু মুক্তিযোদ্ধারা কখনো ভুয়া হতে পারে না। তাই প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা শব্দের ব্যবহার করা যাবে না।

তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগের মূল্যায়নে আজকে স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি। আদালত বলেছেন মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইন ২০০২ এর ৭ (ঝ) এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, মুক্তিযোদ্ধা সনদ কোনো ব্যক্তি জালিয়াতির মাধ্যমে যদি ভুয়া সনদ নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা দাবি করে তাহলে সেটা সেই ব্যক্তির দোষ। এ কারণে সামগ্রিকভাবে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের কোনোভাবে ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে সম্বোধন করা যাবে না। কোনো ব্যক্তি যদি জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া সনদ নিয়ে নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা দাবি করেন সেটা সে ব্যক্তির নিজস্ব অপরাধ বা দোষ। প্রয়োজনে সে ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। তার এ ভুলের কারণে সামগ্রিকভাবে সকল মুক্তিযোদ্ধাদের যে অবদান, যে সম্মান সেটাকে কটাক্ষ করে ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা’ শব্দ ব্যবহার করা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন বৈ আর কিছু নয়। বাসস

মওদুদের আবেদন খারিজ, মামলা চলবে
                                  

সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকের মামলার কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদের করা আবেদন খারিজের আদেশ বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

এই আদেশের ফলে মওদুদের বিরুদ্ধে নিম্ন আদালতে মামলাটি চলমান থাকবে বলে জানিয়েছেন দুদকের আইনজীবী খুরশিদ আলম খান।

হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে মওদুদের পক্ষে করা আবেদন খারিজ করে মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতির সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন।

আদালতে মওদুদের পক্ষে ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ শুনানি করেন। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মাহমুদ। এ সময় ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান।

এর আগে গত ০৮ এপ্রিল বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ মওদুদের আবেদন খারিজ করে দেন। পরে এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন মওদুদ।

পরে খুরশীদ আলম খান সাংবাদিকদের জানান, এ মামলা ঢাকার ৬ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে। অনেক সাক্ষীও হয়ে গেছে। এর মধ্যে ৩১ মার্চ তার (মওদুদ আহমদ) একটি পিটিশনের অনুলিপি পেয়েছি, যেখানে তিনি বলছেন— হাইকোর্টে তার ফিন্যান্সিয়াল বিষয়ে মামলা আছে। সেগুলো নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এ মামলার কার্যক্রম বন্ধ রাখতে।

গত ৪ মার্চ বিচারিক আদালত এ আবেদন নাকচ করলে তিনি (মওদুদ আহমদ) হাইকোর্টে আবেদন করেন। পরে ৮ মে সেই আবেদন সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। ফলে এই মামলার কার্যক্রম চলমানই থাকছে।

উল্লেখ্য, এর আগে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ৭ কোটি ৩৮ লাখ ৪৮ হাজার ২৮৭ টাকার সম্পদ অর্জন এবং ৪ কোটি ৪০ লাখ ৩৭ হাজার ৩৭৫ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে মওদুদ আহমদের বিরুদ্ধে ২০০৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর গুলশান থানায় মামলা করে দুদক।

ওই মামলায় ২০১৮ সালের ২১ জুন মওদুদ আহমদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। এরপর মামলাটি স্থগিত চেয়ে তিনি হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন।

প্রাণের তিন পণ্যসহ ৫২ ভেজাল পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ
                                  

প্রাণের তিন পণ্যসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৫২টি মানহীন ও ভেজাল পণ্য আগামী ১০ দিনের মধ্যে বাজার থেকে তুলে নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে এসব পণ্যের উৎপাদক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৫২টি মানহীন ও ভেজাল পণ্য নিয়ে শুনানিতে রোববার হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালত এসব ভেজাল পণ্য অপসারণের পাশাপাশি সেগুলো ধ্বংস করার নির্দেশও দেন। আদালত বলেছেন, এগুলো ধ্বংস করে ফেলতে হবে যেন তৃতীয় কারও হাতে না যায়।

৫২টি পণ্য হলো- প্রাণের হলুদ গুঁড়া, ফ্রেশের হলুদ গুঁড়া, মোল্লা সল্টের আয়োডিন যুক্ত লবণ, প্রাণের কারি পাউডার, ড্যানিশের কারি পাউডার, সিটি ওয়েলের সরিষার তেল, গ্রিন ব্লিচিংয়ের সরিষার তেল, শমনমের সরিষার তেল, বাংলাদেশ এডিবল ওয়েলের সরিষার তেল, কাশেম ফুডের চিপস, আরা ফুডের ড্রিংকিং ওয়াটার, আল সাফির ড্রিংকিং ওয়াটার, মিজানের ড্রিংকিং ওয়াটার, মর্ণ ডিউয়ের ড্রিংকিং ওয়াটার, প্রাণের লাচ্ছা সেমাই, ডুডলি নুডলস, শান্ত ফুডের সফট ড্রিংক পাউডার, জাহাঙ্গীর ফুড সফট ড্রিংক পাউডার, ড্যানিশের হলুদের গুঁড়া, এসিআইয়ের ধনিয়ার গুঁড়া, বনলতার ঘি, পিওর হাটহাজারী মরিচ গুঁড়া, মিস্টিমেলার লাচ্ছা সেমাই, মধুবনের লাচ্ছা সেমাই, মিঠাইয়ের লাচ্ছা সেমাই, ওয়েল ফুডের লাচ্ছা সেমাই, এসিআইয়ের আয়োডিনযুক্ত লবণ, কিংয়ের ময়দা, রূপসার দই, মক্কার চানাচুর, মেহেদীর বিস্কুট, বাঘাবাড়ীর স্পেশাল ঘি, নিশিতা ফুডসের সুজি, মধুবনের লাচ্ছা সেমাই, মঞ্জিলের হলুদ গুঁড়া, মধুমতির আয়োডিনযুক্ত লবণ, সান ফুডের হলুদ গুঁড়া, গ্রিন লেনের মধু, কিরণের লাচ্ছা সেমাই, ডলফিনের মরিচের গুঁড়া, ডলফিনের হলুদের গুঁড়া, সূর্যের মরিচের গুঁড়া, জেদ্দার লাচ্ছা সেমাই, অমৃতের লাচ্ছা সেমাই, দাদা সুপারের আয়োডিনযুক্ত লবণ, মদিনার আয়োডিনযু্ক্ত লবণ ও নুরের আয়োডিনযুক্ত লবণ ডানকানের ন্যাচারাল মিনারেল ওয়াটার, আরার ডিউ ড্রিংকিং ওয়াটার, দীঘির ড্রিংকিং ওয়াটার।

এর আগে রোববার সকালে এসব মানহীন পণ্যের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্স অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের দুই কর্মকর্তা হাইকোর্টে আসেন। দুই কর্মকর্তা হলেন- বিএসটিআইয়ের পরিচালক প্রকৌশলী এসএম ইসহাক আলী ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের পরিচালক ড. সহদেব চন্দ্র সাহা।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান। বিএসটিআইয়ের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার সরকার এমআর হাসান আর নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের পক্ষে অ্যাডভোকেট ফরিদুল ইসলাম।

বিএসটিআইয়ের পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৫২টি পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহার করে নিতে রিটটি করেন কনসাস কনজুমার সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক পলাশ মাহমুদ।

পরিপ্রেক্ষিতে গত ৯ মে বিএসটিআইয়ের পরীক্ষায় প্রমাণিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৫২টি ভেজাল ও নিম্নমাণের পণ্য জব্দ এবং এসব পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহার ও উৎপাদন বন্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে কিনা সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বিএসটিআই ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য অধিদফতরের দুই কর্মকর্তাকে তলব করেন হাইকোর্ট।

এ ব্যাপারে কনসাস কনজুমার সোসাইটির (সিসিএসের) নির্বাহী পরিচালক পলাশ মাহমুদ বলেন, ‘প্রাণের মতো নামি প্রতিষ্ঠান আমাদের ভেজাল খাওয়ায়- এটা খুবই দুঃখজনক। মানুষ আসলে কাদের ওপর আস্থা রাখবে? এভাবে ১৬ কোটি মানুষের সঙ্গে প্রতারণা মেনে নেয়া যায় না। এজন্য আমরা আদালতে গিয়েছি। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী এসব পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহার হচ্ছে কিনা সেটি এখন তদারকির বিষয়।

বাজার থেকে ৫২ ভেজাল পণ্য সরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বাজারে থাকা ভেজাল ৫২টি পণ্য দ্রুত প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এসব পণ্য আগামী ১০ দিনের মধ্যে বাজার থেকে প্রত্যাহার করে প্রতিবেদন দাখিল করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

রোববার বিচারপতি শেখ হাসান আরিফের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালত বলেছেন, এগুলো ধ্বংস করে ফেলতে হবে যেন তৃতীয় কারও হাতে না যায়। সেইসঙ্গে উৎপাদক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৫২টি মানহীন ও ভেজাল পণ্য নিয়ে শুনানিতে রোববার হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এর আগে এসব মানহীন পণ্যের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্স অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের দুই কর্মকর্তা হাইকোর্টে আসেন। দুই কর্মকর্তা হলেন- বিএসটিআইয়ের পরিচালক প্রকৌশলী এস এম ইসহাক আলী ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের পরিচালক ড. সহদেব চন্দ্র সাহা।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে উপস্থিত আছেন ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান। বিএসটিআইয়ের পক্ষে ব্যারিস্টার সরকার এম আর হাসান আর নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের পক্ষে অ্যাডভোকেট ফরিদুল ইসলাম।
গত ৯ মে ৫২টি ভেজাল পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহার ও জব্দ চেয়ে রিটের শুনানিতে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্স অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) এর পরীক্ষায় প্রমাণিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৫২টি ভেজাল ও নিম্নমাণের পণ্য জব্দ এবং এসব পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহার ও উৎপাদন বন্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে কিনা সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বিএসটিআই ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য অধিদফতরের দুই কর্মকর্তাকে তলব করেন হাইকোর্ট।
কনসাস কনজুমার সোসাইটির পক্ষে ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান জনস্বার্থে রিট আবেদনটি দায়ের করেন।

যুদ্ধাপরাধে এবার ৩৮তম রায়ের অপেক্ষা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধ তথা যুদ্ধাপরাধে এবার ৩৮ তম রায় অপেক্ষমান রয়েছে।

এ মামলায় মুক্তিযদ্ধের সময় দানবীর রণদা প্রসাদ সাহা (আর পি সাহা) ও তার ছেলে হত্যাকান্ডসহ তিনটি গণহত্যার অভিযোগে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে যে কোন দিন রায় ঘোষণা করা হবে। গত ২৪ এপ্রিল মামলায় উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমান (সিএভি) রেখে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালেল চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল আদেশ দেয়। এটি হবে ট্রাইব্যুনালের ৩৮ তম রায়।
প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর রানা দাশগুপ্ত। আসামি মাহবুবুর রহমানের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী গাজী এম এইচ তামিম।

গত বছর ২৮ মার্চ এ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। গত বছর আগামী ২২ এপ্রিল সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং ষ্টেটমেনট) ও সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে মামলায় বিচার শুরু হয়। আসামির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাজার আর্জি পেশ করে যুক্তি উপস্থাপন শেষ করেছে প্রসিকিউশন। আসামীর বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাজার আর্জি জানিয়ে শুনানি করেন প্রসিকিউটর রানা দাস গুপ্ত।
রণদা প্রসাদ সাহার পৈত্রিক নিবাস ছিল টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে। সেখানে তিনি একাধিক শিক্ষা ও দাতব্য প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। এক সময় নারায়ণগঞ্জে পাটের ব্যবসা করেন রণদা প্রসাদ সাহা। থাকতেন নারায়ণগঞ্জের খানপুরের সিরাজদিখানে। সে বাড়ি থেকেই তাকে, তার ছেলে ও অন্যান্যদের ধরে নিয়ে যায় আসামি মাহবুবুর রহমান ও তার সহযোগীরা। বাসস

৫২ ভেজাল পণ্য প্রত্যাহারে হাইকোর্টে রিট
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্স অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) এর পরীক্ষায় নিম্নমান প্রমাণিত হওয়ায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৫২ পণ্য জব্দ করে বাজার থেকে প্রত্যাহার এবং এসব পণ্য উৎপাদন বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে আজ রিট দায়ের করা হয়েছে।

কনসাস কনজুমার সোসাইটির পক্ষে সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান জনস্বার্থে আজ এ রিটটি দায়ের করেন। বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিল সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চে এ রিটের শুনানি হতে পারে বলে জানিয়েছেন রিটকারী আইনজীবী। রিটে এসব পণ্যের গুণগত মান উন্নত না হওয়া পর্যন্ত উৎপাদন বন্ধেও নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

গত ৬ মে বিএসটিআই কর্তৃক বাজারে এসব পণ্যে ভেজাল ধরা পড়ার পরও জব্দ না করা, সেগুলো বাজার থেকে প্রত্যাহারের ব্যবস্থা না নেয়া ও প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ না নেয়ায় আইনি নোটিশ পাঠান ভোক্তা অধিকার সংস্থা কনসাস কনজুমার্স সোসাইটি (সিসিএস)। কিন্তু কোনো জবাব না পাওয়ায় আজ এ রিট দায়ের করা হয়। রিটে ওইসব প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট পণ্য কেনো জব্দ করা হবে না বা বাজার থেকে কেনো প্রত্যাহার করা হবে না এবং তাদের বিরুদ্ধে কেনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারির আর্জি পেশ করা হয়েছে।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্স অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)-এর মহাপরিচালক (ডিজি), বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালককে রিটে রেসপনডেন্ট করা হয়েছে।

গত ৩ মে ও ৪ মে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে উল্লেখ করা হয়েছে, বিএসটিআই সম্প্রতি ২৭ ধরনের ৪০৬টি খাদ্য পণ্যের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করেছে। এর মধ্যে ৩১৩টি পণ্যের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে যেখানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৫২টি পণ্য নিম্ন মানের ও ভেজাল রয়েছে। এর আগে গত ২ মে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের এ রিপোর্ট প্রকাশ করে বিএসটিআই। বিএসটিআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষ্যে খোলা বাজার থেকে ৪০৬টি পণ্যের নমুনা ক্রয় করে বিএসটিআইয়ের ল্যাবে পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৩১৩টি পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। যার মাধ্যে ৫২টি পণ্য পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে। ভেজাল পণ্যগুলো হলো-সিটি ওয়েলের সরিষার তেল, গ্রিন বি¬চিং এর সরিষার তেল, শমনমের সরিষার তেল, বাংলাদেশ এডিবল ওয়েলের সরিষার তেল, কাশেম ফুডের চিপস, আরা ফুডের ড্রিংকিং ওয়াটার, আল সাফির ড্রিংকিং ওয়াটার, মিজান ড্রিংকিং ওয়াটার, মর্ণ ডিউয়ের ড্রিংকিং ওয়াটার, ডানকান ন্যাচারাল মিনারেল ওয়াটার, আরার ডিউ ড্রিংকিং ওয়াটার, দিঘী ড্রিংকিং ওয়াটার, প্রাণের লাচ্ছা সেমাই, ডুডলি নুডলস, শান্ত ফুডের সফট ড্রিংক পাউডার, জাহাঙ্গীর ফুড সফট ড্রিংক পাউডার, ড্যানিশের হলুদের গুড়া, প্রাণের হলুদ গুড়া, ফ্রেশের হলুদ গুড়া, এসিআইর ধনিয়ার গুড়া, প্রাণের কারি পাউডার, ড্যানিশের কারী পাউডার, বনলতার ঘি, পিওর হাটহাজারী মরিচ গুড়া, মিস্টিমেলা লাচ্ছা সেমাই, মধুবনের লাচ্ছা সেমাই, মিঠাইর লাচ্ছা সেমাই, ওয়েল ফুডের লাচ্ছা সেমাই, এসিআইর আয়োডিন যুক্ত লবণ, মোল্লা সল্টের আয়োডিন যুক্ত লবণ, কিং’য়ের ময়দা, রূপসার দই, মক্কার চানাচুর, মেহেদীর বিস্কুট, বাঘাবাড়ীর স্পেশাল ঘি, নিশিতা ফুডস এর সুজি, মঞ্জিলের হলুদ গুড়া, মধুমতির আয়োডিন যুক্ত লবন, সান ফুডের হলুদ গুড়া, গ্রীন লেনের মধু, কিরণের লাচ্ছা সেমাই, ডলফিনের মরিচের গুড়া, ডলফিনের হলুদের গুড়া, সূর্যের মরিচের গুড়া, জেদ্দার লাচ্ছা সেমাই, অমৃতের লাচ্ছা সেমাই, দাদা সুপারের আয়োডিন যুক্ত লবণ, মদীনার আয়োডিন য্ক্তু লবণ, নুরের আয়োডিন যুক্ত লবণ। বাসস

তরল দুধের ৯৬ নমুনার ৯৩টিতেই সীসা-অণুজীব
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বাজারে প্রচলিত তরল দুধের ৯৬টির মধ্যে ৯৩টির নমুনাতে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান পাওয়া গেছে উল্লেখ করে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ একটি প্রতিবেদন দাখিল করেছে হাইকোর্টে। তবে কোন কোন কোম্পানির দুধে এসব ক্ষতিকর উপাদান রয়েছে তা সুনির্দিষ্ট না করায় ওইসব কোম্পানির নাম আদালতে উপস্থাপন করতে বলা হয়েছে।

বুধবার (০৮ মে) দুধ ও দইয়ে ভেজাল রয়েছে এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

একইসঙ্গে কারা এর সাথে জড়িত তাদের নাম-ঠিকানাও দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী ১৫ মে’র মধ্যে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষকে এই তালিকা দাখিল করতে বলা হয়েছে।

আদালতে দাখিল করা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাজার থেকে সংগৃহীত কাঁচা তরল দুধে ৯৬টি নমুনার মধ্যে ৯৩টিতেই সীসা ও অ্যান্টিবায়োটিক, অণুজীব পাওয়া গেছে। প্যাকেটজাত দুধে ৩১টি নমুনার মধ্যে ১৮টিতেই ভেজাল পাওয়া গেছে। এ ছাড়া দুধে ও দইয়ে উচ্চমাত্রার বিভিন্ন রাসায়নিক পাওয়া গেছে। কোন কোন কোম্পানি দুধে এই ভেজাল বা রাসায়নিক দ্রব্য মেশানোর সঙ্গে জড়িত, প্রতিবেদনে তাদের নাম-ঠিকানা না দেওয়ায় আদালত ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে আদালত তাদের নাম-ঠিকানা আগামী ১৫ মের মধ্যে দাখিলের নির্দেশ দেন।

আদালতে আজ রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক।

এর আগে গত ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকাসহ সারাদেশে গরুর দুধ, দুই এবং গো-খাদ্যে কী পরিমাণ ব্যাক্টেরিয়া, কীটনাশক, সীসা রয়েছে তা নিরূপণের জন্য একটি জরিপ পরিচালনার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। ১৫ দিনের মধ্যে খাদ্য সচিব, মৎস্য ও প্রাণী সচিব, কৃষি সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, নিরাপত্তার খাদ্য কর্তৃপক্ষ চেয়ারম্যানসহ সব সদস্য, কেন্দ্রীয় নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা সমন্বয় কমিটি এবং বিএসটিআই চেয়ারম্যানকে জরিপের প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে বলা হয়। এরই ধারাবাহিতায় আজ মামলাটি শুনানির জন্য আসে। এরপর এই আদেশ দেন আদালত।

যৌন হয়রানি প্রতিরোধ সংক্রান্ত রায় বাস্তবায়নে হাইকোর্টে রিট
                                  

অনলাইন ডেস্ক : সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কর্মস্থলে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুসারে কমিটি গঠন করা হয়েছে কিনা তা জানতে হাইকোর্টে আজ রিট দায়ের করা হয়েছে।

রিটে কমিটি সম্পর্কিত তালিকা আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের মাধ্যমে প্রতিবেদন আকারে আদালতে দাখিলের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

রিটকারী আইনজীবী এডভোকেট ফাওজিয়া করিম ফিরোজ রিটটি দায়ের করেন। তিনি বলেন, যৌন হয়রানি প্রতিরোধে নির্দেশনা সম্বলিত হাইকোর্টের ২০০৯ সালের রায়ের আলোকে কোনো আইন না হওয়া পর্যন্ত এই রায়টি (২০০৯ সালের) আইন হিসেবে মানতে সুপ্রিমকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল অফিস থেকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আবেদন জানিয়েছি। রিটে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি ও আইন মন্ত্রণালয়কে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে আইন করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সচিব, আইন মন্ত্রণালয় সচিব, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট ২১জনকে রিটে বিবাদী (রেসপনডেন্ট) করা হয়েছে। বিচারপতি এফ. আর. এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে, এম কামরুল কাদের সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হবে।

কর্মস্থল এবং শিক্ষাঙ্গনে নারী ও শিশুদের যৌন হয়রানি প্রতিরোধের জন্য দিক-নির্দেশনা চেয়ে ২০০৮ সালের ৭ আগস্ট হাইকোর্টে জনস্বার্থে একটি রিট দায়ের করা হয়। ওই রিটের শুনানি শেষে ২০০৯ সালের ১৪ মে হাইকোর্ট রায় দেয়। ওই রিট নিষ্পত্তি করে ২০০৯ সালের ১৫ মে যৌন নিপীড়নের সংজ্ঞাসহ যৌন হয়রানি রোধে সুনির্দিষ্ট দিক-নির্দেশনা দিয়ে মামলাটির রায় ঘোষণা করে হাইকোর্ট। বাসস


   Page 1 of 27
     আদালত
চলন্ত বাসে পোশাক শ্রমিককে গণধর্ষণ, চারজনের যাবজ্জীবন
.............................................................................................
বিচারাধীন বিষয়ে সংবাদ প্রকাশে সুপ্রিমকোর্টের জারীকৃত বিজ্ঞপ্তি স্পষ্টীকরণ
.............................................................................................
সারাদেশের পাস্তুরিত দুধ পরীক্ষার নির্দেশ
.............................................................................................
আমে কেমিকেল আছে কি-না তদারকির নির্দেশ
.............................................................................................
রূপপুরের বালিশকাণ্ড : গণপূর্তের প্রতিবেদন দেখতে চান হাইকোর্ট
.............................................................................................
সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে অনলাইন কজ-লিষ্ট ব্যবহারের অনুরোধ
.............................................................................................
দুধে সীসা: এনএফএসএল এর ডা. শাহনীলাকে হাইকোর্টে তলব
.............................................................................................
হাজিরা দিলেন দুই সিটির সিইও, ফের প্রতিবেদন চান হাইকোর্ট
.............................................................................................
মুক্তিযোদ্ধা শব্দের পূর্বে `ভুয়া` বলা যাবে না : হাইকোর্ট
.............................................................................................
মওদুদের আবেদন খারিজ, মামলা চলবে
.............................................................................................
প্রাণের তিন পণ্যসহ ৫২ ভেজাল পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ
.............................................................................................
বাজার থেকে ৫২ ভেজাল পণ্য সরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের
.............................................................................................
যুদ্ধাপরাধে এবার ৩৮তম রায়ের অপেক্ষা
.............................................................................................
৫২ ভেজাল পণ্য প্রত্যাহারে হাইকোর্টে রিট
.............................................................................................
তরল দুধের ৯৬ নমুনার ৯৩টিতেই সীসা-অণুজীব
.............................................................................................
যৌন হয়রানি প্রতিরোধ সংক্রান্ত রায় বাস্তবায়নে হাইকোর্টে রিট
.............................................................................................
সড়ক পরিবহন আইন কার্যকর প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল
.............................................................................................
সুপ্রিম কোর্টে এত মামলা! ফাইল রাখার জায়গা নেই : প্রধান বিচারপতি
.............................................................................................
যুদ্ধাপরাধে এবার ৩৮তম রায় যে কোন দিন, আপিলেও দুই মামলা নিষ্পত্তির অপেক্ষায়
.............................................................................................
প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি বন্ধের নির্দেশ
.............................................................................................
মোবাইল টাওয়ারের ক্ষতিকর দিক জানতে চেয়েছেন আদালত
.............................................................................................
আমিনবাজারে মধুমতি মডেল টাউন অবৈধই থাকল
.............................................................................................
গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের ৭ বছরের কারাদণ্ড
.............................................................................................
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ধর্ষণের পর তরুণীকে হত্যা, ৫জনের ফাঁসি
.............................................................................................
বৈশাখীর মালিকানা ডেসটিনিরই থাকল
.............................................................................................
জাহালমের ঘটনায় কারা জড়িত জানতে চান হাইকোর্ট
.............................................................................................
৫ দিনের রিমান্ডে নুসরাতের বান্ধবী মনি
.............................................................................................
ধর্ষণের মামলায় ভিকটিমদের জবানবন্দি নিবেন নারী ম্যাজিস্ট্রেট
.............................................................................................
রাবির শিক্ষক সফিউল হত্যায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড
.............................................................................................
নুসরাতের মামলায় গাফিলতি হলে হস্তক্ষেপ করবে হাইকোর্ট
.............................................................................................
বিকেলের মধ্যে রাসেলকে টাকা না দিলে গ্রিন লাইনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
.............................................................................................
মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আজহার ও কায়সারের আপিল শুনানি ১৮ জুন
.............................................................................................
সাবেক মন্ত্রীদের সরকারি বাসা ছাড়ার নির্দেশনা চেয়ে রিট
.............................................................................................
খালেদার বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলার শুনানি ২ মে
.............................................................................................
খালেদা জিয়ার জামিন আপিলে বহাল
.............................................................................................
প্রয়োজনে গ্রিন লাইনের বাস জব্দ করে টাকা আদায় হবে: হাইকোর্ট
.............................................................................................
বর্জ্যে মাছ-মুরগির খাবার তৈরির কারখানা বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশ
.............................................................................................
মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলায় সাবেক এমপি রানার জামিন বহাল
.............................................................................................
পুলিশের চাকরিতে অবিবাহিত থাকার শর্ত নিয়ে হাইকোর্টের রুল
.............................................................................................
পা হারানো রাসেলকে ৫০লাখ টাকা দেয়ার আদেশ বহাল
.............................................................................................
সুবর্ণচরের সেই রুহুল আমিনের জামিন বাতিল
.............................................................................................
জাহালমকে নিয়ে নাটক-সিনেমা নির্মাণে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা
.............................................................................................
আবরারের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা দেয়ার নির্দেশ
.............................................................................................
সুপ্রিমকোর্টে ১৩ দিনের অবকাশ শুরু : জরুরি মামলায় রয়েছে চেম্বার কোর্ট ও হাইকোর্ট বেঞ্চ
.............................................................................................
সুপ্রিম কোর্ট বারে আ.লীগ-বিএনপি ভাগাভাগি
.............................................................................................
সুপ্রিম কোর্ট বারের ভোট গ্রহণ শুরু
.............................................................................................
ঢাকা বার নির্বাচনে আওয়ামীপন্থীদের নিরঙ্কুশ জয়
.............................................................................................
এবার যুদ্ধাপরাধে ৩৭ তম রায়ের অপেক্ষা
.............................................................................................
ঢাকা দায়রা জজ আদালতের লিফট ছিঁড়ে আহত ১২
.............................................................................................
ঢাকা বারের দ্বিতীয় দিনের ভোটগ্রহণ শুরু
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]