| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * শিক্ষাসনদ ও মালামাল গায়েব, কারাগারে ছাত্রাবাসের মালিক   * করোনা নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে ৩২ দেশের ২৩৯ গবেষকের চ্যালেঞ্জ   * আবারও হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ব্যবহারে ‘না’ করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা   * বিশ্বব্যাপী করোনা আক্রান্তের সর্বোচ্চ রেকর্ড আজ   * সৌদিতে করোনায় পাঁচ শতাধিক বাংলাদেশির মৃত্যু, আক্রান্ত প্রায় ২০ হাজার   * ট্রাম্পের বিপক্ষে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন কার্দাশিয়ানের স্বামী কেনি   * মৃত্যু বেড়ে ২০৫২, মোট শনাক্ত ১৬২৪১৭   * কাতার বিশ্বকাপের চমক ‘রোবট রেফারি’   * শ্রীলঙ্কার কুশল মেন্ডিস গ্রেফতার   * ১ কোটি ১৩ লাখ ছাড়াল আক্রান্ত, মৃত্যু ৫ লাখ ৩৩ হাজার  

   আদালত -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
আশির্বাদ করোনা, পৌনে দুই মাসে ৫৮৯ বন্দি শিশুর জামিন

আবু কাউসার (১০) (ছদ্দনাম)। মাদক মামলার আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে প্রায় একবছর টঙ্গীর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে বন্দি। সম্প্রতি এই রোহিঙ্গা শিশুটির জামিনের পর তাকে কক্সবাজারে তার পরিবারের হাতে তুলে দিয়েছে সমাজসেবা অধিদপ্তর।

ইউনিসেফের আর্থিক সহযোগিতায় করোনা থেকে নিরাপদ থাকার সামগ্রীসহ কাউসারকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। আরো একটি শিশুকে যশোর থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় বরিশালে, একটি মেয়ে শিশুকে গাজীপুরের কোনাবাড়ী থেকে পটুয়াখালীর গলাচিপায় নিজ বাড়িতে অভিভাবকের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

কেবল এই তিনটি শিশুই নয়, সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, বিভিন্ন অভিযোগের মামলায় তিনটি শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে বন্দি এমন ৫৩টি মেয়ে শিশুসহ ৫৮৯টি শিশুকে গত ১২ মে থেকে ২ জুলাই পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন শিশু আদালত থেকে জামিন দেওয়া হয়েছে। করোনাকালে জামিন দেওয়া এসব শিশুর মধ্যে ৫৮৩টি শিশুকে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র থেকে মুক্তি দিয়ে নিজ নিজ অভিভাবকের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

আর মুক্তি পাওয়া এসব শিশুর মধ্যে ২৬ জনের অভিভাবক উন্নয়ন কেন্দ্রে না আসায় তাদেরকে ইউনিসেফের আর্থিক সহযোগিতায় নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগে যেসব শিশুকে আটক করা হয়, তাদেরকে কারাগারে না রেখে দেশের তিনটি শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে রাখা হয়। যাতে তারা কারাগারে বড়দের সঙ্গে মিশে নতুন নতুন অপরাধে জড়িত হয়ে না পড়ে, পেশাদার অপরাধী হয়ে না ওঠে সেজন্যই শিশুদের উপযোগী করে গড়ে তোলা শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে রাখা হয়। বিভিন্ন অপরাধের মামলায় আটক এসব শিশুকে সংশোধনের জন্য গাজীপুরের টঙ্গী ও কোনাবাড়ী এবং যশোরের পুলেরহাট এলাকায় পৃথক তিনটি শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

এই তিনটি কেন্দ্রের মধ্যে গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে মেয়ে শিশুদের রাখা হয়। বাকি দুটিতে রাখা হয় ছেলে শিশু।

জানা গেছে, গত ১২ মে পর্যন্ত এ তিনটি কেন্দ্রে বন্দি ছিল ১১৪৭টি শিশু। এদের মধ্যে গত ২ জুলাই পর্যন্ত জামিন হয়েছে ৫৮৯ জনের। এ সময় নতুন শিশু এসেছে তিন শ। জামিনে মুক্তির পর গত ২ জুলাই তিনটি কেন্দ্রে থাকা শিশুর সংখ্যা ৮৪৪। এরমধ্যে মেয়ে শিশুর সংখ্যা ৮১টি।  

এসব শিশু বন্দি দশা থেকে নিজ বাসায় ফিরে গেলেও তাদের জামিনের ব্যবস্থা কিন্তু করেননি তাদের অভিভাবক। আপিল বিভাগের বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলীর নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের শিশুবিষয়ক বিশেষ কমিটির নির্দেশনা এবং শিশু আদালত ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের সমন্বয়ে তাদের জামিনে মুক্তির ব্যবস্থা করা হয়েছে। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করার চিন্তা থেকেই এসব শিশুকে মুক্তির পদক্ষেপ নেয় বিশেষ কমিটি বলে জানা গেছে।

সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র ও হাইকোর্ট বিভাগের বিশেষ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুর রহমান বলেন, `মাননীয় প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের বিশেষ নিদের্শনায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের মাননীয় বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলীর নেতৃত্বাধীন শিশুবিষয়ক কমিটি শিশুদের জামিনের পদক্ষেপ নিয়েছেন। এরইমধ্যে যেসব শিশু জামিন পেয়েছে, তাদের বিষয়ে সময়ে সময়ে প্রধান বিচারপতিকে অবহিত করা হয়েছে।`
 
সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক(প্রতিষ্ঠান-২) এম এম মাহমুদুল্লাহ বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে দেশে ভার্চুয়াল আদালত চালু হয় ১১ মে। আর এর পরদিন গত ১২ মে থেকে ভার্চুয়াল আদালতে শিশুর জামিন দেওয়া শুরু  হয়। গত ২ জুলাই পর্যন্ত ভার্চুয়াল আদালত থেকে তিনটি উন্নয়ন কেন্দ্রে থাকা ৫৮৯টি শিশুকে জামিন দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে ৫৮৩টি শিশুকে তাদের অভিভাবকের কাছে পৌছে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, যেসব শিশুর অভিভাবক আসেননি, সেসব শিশুকে ইউনিসেফের সহযোগিতায় নিজ নিজ বাড়িতে পৌছে দেওয়া হয়েছে।

ইউনিসেফের বাংলাদেশস্থ শিশুর সুরক্ষা বিশেষজ্ঞ শাবনাজ জাহেরীন বলেন, বিভিন্ন অপরাধে প্রতিদিনই কিছু না কিছু শিশুকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদের রাখা হয় দেশের তিনটি শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে। প্রতিদিন কিছু শিশু কেন্দ্রে আসে। আবার কিছু শিশুর জামিন হয়ে যায়। ফলে নতুন নতুন শিশুর আসা-যাওয়া চলতে থাকে নিয়মিত। ৬০০ শিশু রাখার মতো ধারণ ক্ষমতা রয়েছে এই তিনটি কেন্দ্রের। কিন্তু করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের প্রেক্ষাপটে নিয়মিত আদালত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শিশুর জামিন বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ১০-১২ দিনের মধ্যে কেন্দ্রে শিশুর সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে যায়।

এ অবস্থায় কেন্দ্রগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিশু রাখা দুষ্কর হয়ে ওঠে। এ প্রেক্ষাপটে ইউনিসেফ শিশুদের জামিনের জন্য পদক্ষেপ নেয়। তিনি বলেন, আপনারা সবাই জানেন, ইউনিসেফ গোটা বিশ্বজুড়ে শিশুদের কল্যাণে কাজ করে। এরই অংশ হিসেবে বাংলাদেশের এসব শিশুকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করতে ইউনিসেফ পদক্ষেপ নেয়। তিনি বলেন, শিশুদের তাদের পরিবারের সঙ্গে রেখেই তাদের সুরক্ষা ও সেবা দেওয়ার দায়িত্ব থেকেই ইউনিসেফ এ পদক্ষেপ নিয়েছে।

করোনা সংক্রমণের প্রেক্ষাপটে গত ২৬ মার্চ থেকে সারাদেশে নিয়মিত আদালত বন্ধ। এ প্রেক্ষাপটে ভার্চুয়াল আদালত চালু করতে গত ৯ মে আদালতে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার অধ্যাদেশ, ২০২০ নামে গেজেট প্রকাশ করা হয়। এই অধ্যাদেশের ক্ষমতাবলে ভার্চুয়াল উপস্থিতি নিশ্চিত করার মাধ্যমে আদালতকে মামলার বিচার, বিচারিক অনুসন্ধান, দরখাসত্ম বা আপিল শুনানি, সাক্ষ্যগ্রহণ, যুক্তিতর্ক গ্রহণ, আদেশ বা রায় দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়।

এরপর ১১ মে থেকে ভার্চুয়াল আদালত কার্যক্রম শুরু হলেও শিশুদের জামিন বিষয়ে শিশু আদালতে কার্যক্রম শুরু হয় ১২ মে থেকে। যা এখনও চলমান।

আশির্বাদ করোনা, পৌনে দুই মাসে ৫৮৯ বন্দি শিশুর জামিন
                                  

আবু কাউসার (১০) (ছদ্দনাম)। মাদক মামলার আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে প্রায় একবছর টঙ্গীর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে বন্দি। সম্প্রতি এই রোহিঙ্গা শিশুটির জামিনের পর তাকে কক্সবাজারে তার পরিবারের হাতে তুলে দিয়েছে সমাজসেবা অধিদপ্তর।

ইউনিসেফের আর্থিক সহযোগিতায় করোনা থেকে নিরাপদ থাকার সামগ্রীসহ কাউসারকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। আরো একটি শিশুকে যশোর থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় বরিশালে, একটি মেয়ে শিশুকে গাজীপুরের কোনাবাড়ী থেকে পটুয়াখালীর গলাচিপায় নিজ বাড়িতে অভিভাবকের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

কেবল এই তিনটি শিশুই নয়, সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, বিভিন্ন অভিযোগের মামলায় তিনটি শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে বন্দি এমন ৫৩টি মেয়ে শিশুসহ ৫৮৯টি শিশুকে গত ১২ মে থেকে ২ জুলাই পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন শিশু আদালত থেকে জামিন দেওয়া হয়েছে। করোনাকালে জামিন দেওয়া এসব শিশুর মধ্যে ৫৮৩টি শিশুকে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র থেকে মুক্তি দিয়ে নিজ নিজ অভিভাবকের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

আর মুক্তি পাওয়া এসব শিশুর মধ্যে ২৬ জনের অভিভাবক উন্নয়ন কেন্দ্রে না আসায় তাদেরকে ইউনিসেফের আর্থিক সহযোগিতায় নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগে যেসব শিশুকে আটক করা হয়, তাদেরকে কারাগারে না রেখে দেশের তিনটি শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে রাখা হয়। যাতে তারা কারাগারে বড়দের সঙ্গে মিশে নতুন নতুন অপরাধে জড়িত হয়ে না পড়ে, পেশাদার অপরাধী হয়ে না ওঠে সেজন্যই শিশুদের উপযোগী করে গড়ে তোলা শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে রাখা হয়। বিভিন্ন অপরাধের মামলায় আটক এসব শিশুকে সংশোধনের জন্য গাজীপুরের টঙ্গী ও কোনাবাড়ী এবং যশোরের পুলেরহাট এলাকায় পৃথক তিনটি শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

এই তিনটি কেন্দ্রের মধ্যে গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে মেয়ে শিশুদের রাখা হয়। বাকি দুটিতে রাখা হয় ছেলে শিশু।

জানা গেছে, গত ১২ মে পর্যন্ত এ তিনটি কেন্দ্রে বন্দি ছিল ১১৪৭টি শিশু। এদের মধ্যে গত ২ জুলাই পর্যন্ত জামিন হয়েছে ৫৮৯ জনের। এ সময় নতুন শিশু এসেছে তিন শ। জামিনে মুক্তির পর গত ২ জুলাই তিনটি কেন্দ্রে থাকা শিশুর সংখ্যা ৮৪৪। এরমধ্যে মেয়ে শিশুর সংখ্যা ৮১টি।  

এসব শিশু বন্দি দশা থেকে নিজ বাসায় ফিরে গেলেও তাদের জামিনের ব্যবস্থা কিন্তু করেননি তাদের অভিভাবক। আপিল বিভাগের বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলীর নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের শিশুবিষয়ক বিশেষ কমিটির নির্দেশনা এবং শিশু আদালত ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের সমন্বয়ে তাদের জামিনে মুক্তির ব্যবস্থা করা হয়েছে। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করার চিন্তা থেকেই এসব শিশুকে মুক্তির পদক্ষেপ নেয় বিশেষ কমিটি বলে জানা গেছে।

সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র ও হাইকোর্ট বিভাগের বিশেষ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুর রহমান বলেন, `মাননীয় প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের বিশেষ নিদের্শনায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের মাননীয় বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলীর নেতৃত্বাধীন শিশুবিষয়ক কমিটি শিশুদের জামিনের পদক্ষেপ নিয়েছেন। এরইমধ্যে যেসব শিশু জামিন পেয়েছে, তাদের বিষয়ে সময়ে সময়ে প্রধান বিচারপতিকে অবহিত করা হয়েছে।`
 
সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক(প্রতিষ্ঠান-২) এম এম মাহমুদুল্লাহ বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে দেশে ভার্চুয়াল আদালত চালু হয় ১১ মে। আর এর পরদিন গত ১২ মে থেকে ভার্চুয়াল আদালতে শিশুর জামিন দেওয়া শুরু  হয়। গত ২ জুলাই পর্যন্ত ভার্চুয়াল আদালত থেকে তিনটি উন্নয়ন কেন্দ্রে থাকা ৫৮৯টি শিশুকে জামিন দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে ৫৮৩টি শিশুকে তাদের অভিভাবকের কাছে পৌছে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, যেসব শিশুর অভিভাবক আসেননি, সেসব শিশুকে ইউনিসেফের সহযোগিতায় নিজ নিজ বাড়িতে পৌছে দেওয়া হয়েছে।

ইউনিসেফের বাংলাদেশস্থ শিশুর সুরক্ষা বিশেষজ্ঞ শাবনাজ জাহেরীন বলেন, বিভিন্ন অপরাধে প্রতিদিনই কিছু না কিছু শিশুকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদের রাখা হয় দেশের তিনটি শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে। প্রতিদিন কিছু শিশু কেন্দ্রে আসে। আবার কিছু শিশুর জামিন হয়ে যায়। ফলে নতুন নতুন শিশুর আসা-যাওয়া চলতে থাকে নিয়মিত। ৬০০ শিশু রাখার মতো ধারণ ক্ষমতা রয়েছে এই তিনটি কেন্দ্রের। কিন্তু করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের প্রেক্ষাপটে নিয়মিত আদালত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শিশুর জামিন বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ১০-১২ দিনের মধ্যে কেন্দ্রে শিশুর সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে যায়।

এ অবস্থায় কেন্দ্রগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিশু রাখা দুষ্কর হয়ে ওঠে। এ প্রেক্ষাপটে ইউনিসেফ শিশুদের জামিনের জন্য পদক্ষেপ নেয়। তিনি বলেন, আপনারা সবাই জানেন, ইউনিসেফ গোটা বিশ্বজুড়ে শিশুদের কল্যাণে কাজ করে। এরই অংশ হিসেবে বাংলাদেশের এসব শিশুকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করতে ইউনিসেফ পদক্ষেপ নেয়। তিনি বলেন, শিশুদের তাদের পরিবারের সঙ্গে রেখেই তাদের সুরক্ষা ও সেবা দেওয়ার দায়িত্ব থেকেই ইউনিসেফ এ পদক্ষেপ নিয়েছে।

করোনা সংক্রমণের প্রেক্ষাপটে গত ২৬ মার্চ থেকে সারাদেশে নিয়মিত আদালত বন্ধ। এ প্রেক্ষাপটে ভার্চুয়াল আদালত চালু করতে গত ৯ মে আদালতে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার অধ্যাদেশ, ২০২০ নামে গেজেট প্রকাশ করা হয়। এই অধ্যাদেশের ক্ষমতাবলে ভার্চুয়াল উপস্থিতি নিশ্চিত করার মাধ্যমে আদালতকে মামলার বিচার, বিচারিক অনুসন্ধান, দরখাসত্ম বা আপিল শুনানি, সাক্ষ্যগ্রহণ, যুক্তিতর্ক গ্রহণ, আদেশ বা রায় দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়।

এরপর ১১ মে থেকে ভার্চুয়াল আদালত কার্যক্রম শুরু হলেও শিশুদের জামিন বিষয়ে শিশু আদালতে কার্যক্রম শুরু হয় ১২ মে থেকে। যা এখনও চলমান।

দেওয়ানি মামলা করা যাবে ভার্চুয়াল আদালতে
                                  

এবার স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিম্ন আদালতে নতুন দেওয়ানি মামলা ও পুরাতন দেওয়ানি মামলায় আপিল দাখিল করার সিদ্ধান্ত দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সংশ্লিষ্ট দেওয়ানি আদালতের সেরেস্তায় এসব নতুন মামলা ও আপিল দাখিল করতে হবে। সেক্ষেত্রে স্ব স্ব আদালত মামলা ও আপিল দাখিল বা গ্রহণের প্রয়োজনীয় পদ্ধতি নির্ধারণ করবেন। এছাড়া আগের মতোই ফৌজদারি মামলাও পরিচালিত হবে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সারাদেশে এভাবে চলবে ভার্চুয়াল দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত। ভার্চুয়াল বেঞ্চে বিচার কাজে অংশ নিতে আগ্রহী আইনজীবীদের ‘প্র্যাকটিস নির্দেশনা’ অনুসরণ করতে হবে।

এবিষয়ে আজ বুধবার সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. আলী আকবরের স্বাক্ষরে একটি বিজ্ঞপ্তি  জারি করা হয়েছে। এরআগে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে ফৌজদারি মামলা এবং ডেক ডিজঅনার মামলা পরিচালনার বিষয়ে গত ১৫ জুন বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। এবার দেওয়ানি মামলঅ দাখিল ও আপিল দাখিল করার সুযোগ সৃস্টি করে নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করা হলো।

আজ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ বিচারপতিগনের সাথে আলোচনাক্রমে এই মর্মে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন-স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত স্বাস্থ্যবিধি এবং শারীরিক ও সামাজিক দূরত্ব কঠোরভাবে অনুসরণ করে অধস্তন দেওয়ানী আদালতের সংশ্লিষ্ট সেরেস্তায় মোকদ্দমা ও আপিল দায়ের করা যাবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেওয়ানী আদালত সমূহ স্ব স্ব সেরেস্তায় শারীরিক ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার জন্য মোকাদ্দমা ও আপিল দায়ের/গ্রহণের প্রয়োজনীয় পদ্ধতি নির্ধারণ করবেন। দেওয়ানি মোকাদ্দমা ও আপিল গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট আদালত দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসরণ করে সমন জারি করবেন।’

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের প্রেক্ষাপটে ঘোষিত সাধারণ ছুটির কারণে নিয়মিত আদালত বন্ধ থাকায়  ভার্চুয়াল আদালত চালু করতে গত ৯ মে আদালতে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার অধ্যাদেশ, ২০২০ নামে গেজেট প্রকাশ করে। ভার্চুয়াল উপস্থিতিকে স্বশরীরে উপস্থিতি হিসেবে গণ্য করে আদালতকে মামলার বিচার, বিচারিক অনুসন্ধান, দরখাস্ত বা আপিল শুনানি, সাক্ষ্যগ্রহণ, যুক্তিতর্ক গ্রহণ, আদেশ বা রায় দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়। এই অধ্যাদেশ জারি পর গত ১০ মে সুপ্রিম কোর্টসহ সারাদেশে ভার্চুয়াল আদালত চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওইদিনই ভার্চুয়াল আদালত পরিচালনার জন্য আপিল বিভাগ, হাইকোর্ট বিভাগ এবং অধস্তন আদালত জন্য আলাদা আলাদা ‘প্র্যাকটিস নির্দেশনা’ এবং  আইনজীবীদের জন্য ‘ভার্চুয়াল কোর্টরুম ম্যানুয়াল’ প্রকাশ করা হয়। এরপর এই নির্দেশনা মেনেই ১১ মে থেকে আইনজীবীরা আবেদন করছেন এবং আদালতে বিচার কার্যক্রম চলছে।

করোনা রোগী শনাক্তে দ্রুত প্রতিবেদন চেয়ে হাইকোর্টে রিট
                                  

করোনা শনাক্তে নেওয়া নমুনার পরীক্ষা করে দ্রুত প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। বিচারপতি জেবিএম হাসানের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চে এই রিট আবেদন দাখিল করা হয়েছে। দেড় মাসেরও বেশি সময় আগে আইনি নোটিশ দেওয়ার পর দ্রুত প্রতিবেদন দিতে ব্যবস্থা না নেওয়ায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. মনিরুজ্জামান লিংকন এ রিট আবেদন করেছেন। আবেদনে স্বাস্থ্য সচিব ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে বিবাদী করা হয়েছে।

রিট আবেদনের বিষয়ে আইনজীবী বলেন, দেশের সকল জেলায় করোনা ভাইরাস সংক্রমিত হয়েছে। এ অবস্থায় যাদের নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে তাদের প্রতিবেদন দিতে ৭ থেকে ১০ দিন সময় লেগে যাচ্ছে। নমুনা দেওয়া ব্যক্তি নিজেই আক্রান্ত কিনা তা চিহ্নিত করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আইসোলেশনে পাঠানো হচ্ছে না বা তার চিকিৎসার সুযোগ তৈরি হচ্ছে না। এই সংক্রামক ব্যাধি প্রতিরোধের একমাত্র পদ্ধতি আইসোলেশনে থাকা। কিন্তু আক্রান্ত ব্যক্তি সাধারণভাবে চলাফেরা করার কারণে অধিক সংখ্যক মানুষ সংক্রমণের আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে। এই ব্যাধিতে অধিক সংখ্যক মানুষ সংক্রমিত কি না, সেটা পরীক্ষা করা ছাড়া এই ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব না। তাই নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদন দ্রুত দেওয়া জরুরি। 

ভ্রাম্যমাণ আদালতে শিশুর সাজা অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে রায় প্রকাশ
                                  

ভ্রাম্যমাণ আদালতে(মোবাইল কোর্টে) শিশুদের সাজা দেয়া অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া রায় প্রকাশ করা হয়েছে। হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ হাসান আরিফের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চের বিচারকরা রায়ের কপিতে স্বাক্ষর করার পর সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ৩১ পৃষ্ঠার এই রায় প্রকাশ করা হয়। বৃহস্পতিবার ব্যারিস্টার আব্দুল হালিম ও অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান রায় প্রকাশের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন।

রায়ে ১২১ শিশুকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের (মোবাইল কোর্টে) দেয়া সাজা বাতিল করা হয়েছে।

রায়ে বলা হয়েছে, শিশুর বিরুদ্ধে যেকোনো অভিযোগের বিচার শুধু শিশু আদালতেই করতে হবে। ভ্রাম্যমাণ আদালত দূরের কথা, অধস্তন আদালতের কোনো বিচারক যদি শিশুদের বিচার করেন সেটিও হবে বে-আইনি।

কোনো অপরাধ সংঘটনে প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশু একত্রে জড়িত থাকলেও শিশুর বিচার শুধু শিশু আদালতই করবে। অন্য কোনো আদালত দণ্ড দিলে তা অবৈধ হবে। শিশুদের মোবাইল কোর্ট (ভ্রাম্যমাণ আদালত) কোনো দণ্ড দিতে পারবে না। কারণ, মোবাইল কোর্ট কোনো শিশুকে দণ্ড দিলে সেই দণ্ড সংবিধানের ৩০ এবং ৩৫ অনুচ্ছেদে মৌলিক ও মানবাধিকার লঙ্ঘিত হবে। ১২১ শিশুকে দণ্ডদানের ক্ষেত্রেও মৌলিক ও মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে।

এর আগে গত ১১ মার্চ এ বিষয়ে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মো. মাহমুদ হাসান তালুকদারের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।

আদালত তার রায়ে বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে একইসময়ে ওই ১২১ শিশুকে যে প্রক্রিয়ায় সাজা দেয়া হয়েছে তা মানবাধিকারের লঙ্ঘন এবং অমানবিক। একইসঙ্গে এই ধরনের সাজাপ্রদান আমাদের বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে বহির্বিশ্বে দেশের সুনামকে ব্যাহত করেছে। তাই এখনই তা বন্ধ করতে হবে।

শিশুদের সাজা বাতিল করে আদালত বলেন, ১২১ শিশুর সাজা বাতিলের ফলে তারা যে পুরোপুরি নিষ্পাপ এটা প্রতিষ্ঠিত হলো। ভবিষ্যতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাজার ছায়াও যেন তাদের জীবনে না পড়ে।

২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর ভ্রাম্যমাণ আদালতের দেয়া দণ্ডে যশোর ও টঙ্গীর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে অন্তরীণ ১২১ শিশুকে মুক্তির নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে শিশুদের দেয়া দণ্ড ও আটকাদেশ কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত। আদালতের আদেশে পরে এসব শিশুকে মুক্তি দেয়া হয়।

এর আগে “আইনে মানা, তবু ১২১ শিশুর দণ্ড’ শিরোনামে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি আমলে নিয়ে হাইকোর্ট শিশুদের মুক্তির নির্দেশ ও রুল জারি করেন। প্রতিবেদনটি আদালতের নজরে এনে শুনানি করেন ব্যারিস্টার আব্দুল হালিম। তার সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান।

আদালত খুলতে ৬০ হাজার আইনজীবীর আবেদন
                                  

অনলাইন ডেস্ক : স্বাস্থ্যবিধি মেনে ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে আইনজীবীদের জীবন-জীবিকার স্বার্থে সুপ্রিমকোর্টসহ দেশের সব আদালতের নিয়মিত কোর্ট চালু করার দাবি জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

রোববার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের কাছে ৬০ হাজার আইনজীবীর পক্ষে আইনজীবী মমতাজ উদ্দিন আহমদ মেহেদী এ আবেদন করেন।

মমতাজ উদ্দিন আহমদ মেহেদী সাধারণ আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক ও সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক। আবেদনের বিষয়টি তিনিই গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন।

আবেদনে বলা হয়েছে, ১৩ মার্চ থেকে সুপ্রিমকোর্ট ও ২৬ মার্চ থেকে দেশের সব আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

গত ৩ মাস আইনজীবীরা নিয়মিত কোর্ট করতে না পারায় অধিকাংশ আইনজীবী চরম অর্থ সংকটে পড়েছেন ও বিচারপ্রার্থী জনগণের চাপ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন।

ইতোমধ্যে সরকার ভার্চুয়াল বিচার ব্যবস্থা চালু করেছে। দেশের ৯৫ শতাংশ আইনজীবীর প্রশিক্ষণ না থাকায় ও ইন্টারনেট সুবিধার অভাবে ভার্চুয়াল কোর্টে মামলা করতে পারছেন না। অধিকাংশ আইনজীবীর সঞ্চিত টাকা নেই।

আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, অধিকাংশ আইনজীবী স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিয়মিত কোর্ট চালুর পক্ষে।
বর্তমানে করোনা পরিস্থিতির কারণে নিয়মিত কোর্ট না থাকায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি, যাদের আপিল দায়রা জজ আদালতে ও হাইকোর্ট বিভাগে বিচারাধীন। তারা আইনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত।

হাজারও আসামি পলাতক, তারা আইনের আশ্রয় লাভের সাংবিধানিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়ে ফেরারি জীবন-যাপন করছেন।

হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন ব্যতীত অন্য কোনো আইনে নতুন কোনো মামলা ফাইলিং হচ্ছে না। এ অবস্থায় আইনজীবীদের মাঝে মারাত্মক অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।

রেড জোনভুক্ত এলাকায় আদালত সংশ্লিষ্টদের সাধারণ ছুটি
                                  

অনলাইন ডেস্ক : যে সব অধস্তন আদালত রেড জোনের মধ্যে পড়েছে, সে সব আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটির আওতাভুক্ত থাকবেন।

একইসঙ্গে অধস্তন আদালতের যে সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর বাসভবন রেড জোনের মধ্যে পড়েছে তারাও সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটির আওতাভুক্ত থাকবেন।

প্রধান বিচারপতির আদেশক্রমে সুপ্রিমকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. আলী আকবর স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঘোষিত লাল অঞ্চলে (রেড জোন) অবস্থিত অধস্তন আদালত/আদালতসমূহ এবং বসবাসকারী অধস্তন আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ সরকার কর্তৃক ঘোষিত সাধারণ ছুটির আওতাভুক্ত থাকবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, সাধারণ ছুটিকালে আদালতের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী নিজ কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবেন না।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় লাল অঞ্চলসহ দেশের প্রত্যেকটি জেলায় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং মেট্রোপলিটন এলাকায় চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জরুরি মামলার জন্য এক বা একাধিক ম্যাজিস্ট্রেট কর্তব্যরত থাকবেন। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। সূত্র: বাসস

রোগীদের না ফিরিয়ে চিকিৎসা নিশ্চিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট
                                  

অনলাইন ডেস্ক : করোনাকালীন হাসপাতাল-ক্লিনিকে সাধারণ রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সরকারি নির্দেশনার বাস্তবায়ন চেয়ে রিট দায়ের করা হয়েছে।

রিটে সরকারের নির্দেশনা সত্ত্বেও কেন সাধারণ রোগীদের চিকিৎসা ছাড়াই ফেরত পাঠানো অবৈধ হবে না- এই মর্মে রুল জারির আর্জি জানানো হয়েছে।

শনিবার সুপ্রিম কোর্টের চার আইনজীবী এএম জামিউল হক, মো. নাজমুল হুদা, মোহাম্মাদ মেহেদী হাসান ও ব্যারিস্টার একেএম এহসানুর রহমান এ রিট দায়ের করেন।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সচিব, অতিরিক্ত সচিব (হাসপাতাল), উপ-সচিব, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ও পরিচালককে বিবাদী করা হয়েছে রিটে।

রোববার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের ভার্চুয়াল বেঞ্চে রিটটি শুনানি হতে পারে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

রিটে বলা হয়েছে, করোনা পরিস্থিতির মধ্যে করোনা বা অন্যান্য রোগের উপসর্গ নিয়ে দেশের সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক ঘুরে ঘুরে মানুষ চিকিৎসার অভাবে মারা যাচ্ছে। এ কারণে গত ১১ মে দেশের সব হাসপাতাল ও ক্লিনিকে আসা রোগীদের ফেরত না পাঠিয়ে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে নির্দেশনা জারি করে সরকারের স্বাস্থ্য অধিদফতর। ওই নির্দেশনা অমান্য করলে তাদের বিরুদ্ধে লাইসেন্স বাতিলসহ প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে জানানো হয়। অথচ সরকারের সেসব নির্দেশনা উপেক্ষা করে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক সাধারণ রোগীদের করোনা সার্টিফিকেট ছাড়া ভর্তি নিচ্ছে না।

করোনা টেস্ট করাতে রোগীর জন্য ৪ থেকে ৫ দিন সময় লাগতে পারে। অথচ গুরুতর অসুস্থ রোগীর ক্ষেত্রে টেস্ট করানো ও সেই রিপোর্ট পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করাটা অসম্ভব হয়ে থাকে। তাই প্রতিদিনই চিকিৎসা না পেয়ে মৃত্যুর ঘটনা দেশের সংবাদমাধ্যমে উঠে আসছে। এ কারণেই রিট দায়ের করা হয়েছে হয়েছে বলে জানান আইনজীবীরা।

নাম-পিতার নাম এক হওয়ায় আড়াই মাস জেল খেটে জামিনে মুক্তি পেল রুবেল
                                  

অনলাইন ডেস্ক : নাম ও পিতার নাম এক হওয়ায় বিনা অপরাধে আড়াই মাস জেল খেটে অবশেষে জামিনে মুক্তি পেলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নের চরপাঁকা এলাকার মন্টু আলির ছেলে রুবেল (২৬)। চাঁপাইনবাবগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বুধবার (০৩ জুন) তার জামিন মঞ্জুর করেন।

শিবগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শামসুল আলম শাহ জানান, দুজনের নাম ও পিতার নাম এক ছিল। ওয়ারেন্টে গ্রামের নাম জামাইপাড়া উল্লেখ না থাকায় পুলিশ ওই ভুল করে। এছাড়াও ওই সময় বিষয়টি রুবেলের পরিবার পুলিশকে যথাযথভাবে বুঝাতে ব্যর্থ হয়।

শিবগঞ্জ থানা পুলিশ বিষয়টি জানতে পেরে তদন্ত করে তাদের ভুলের ব্যাপারটি নিশ্চিত হয়। সে প্রেক্ষিতে বুধবার আদালতে ঘটনার বিস্তারিত জানিয়ে ভুল স্বীকার করে এবং নিরপরাধ রুবেলকে জামিন দেবার আবদেন করে। সেইসঙ্গে অভিযুক্ত রুবেলের নামে জারি করা ওয়ারেন্টটি পুনরায় থানায় ফেরত পাঠানোর আবেদন করে।
আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে নিরপরাধ রুবেলকে জামিনে মুক্তি দেন। সন্ধ্যায় রুবেল চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পায়।

অপরাধী রুবেলকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলে জানায় ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

উল্লেখ্য, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার কালুপুর থেকে গাঁজা সেবনের অভিযোগে ২০১৮ সালের ৬ এপ্রিল গ্রেফতার করা হয় পাঁকা ইউনিয়নের চরপাঁকা কদমতলা গ্রামের মন্টু আলীর ছেলে রুবেল আলী ওরফে রুবেল বাবুলকে (২৬)। শিবগঞ্জ থানার উপ পরিদর্শক আবদুস সালাম ওইদিনই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ২৬ ধারায় রুবেল বাবুলের বিরুদ্ধে মামলা করেন (মামলা নং-১৫)। পরে তাকে জেলে পাঠানো হয়। এর ৫ দিন পর রুবেল জামিনে মুক্তি পান। তিন দফা আদালতে হাজিরা দেয়ার পর হঠাৎ তিনি উধাও হয়ে যান। একপর্যায়ে ওই বছর ১০ জুলাই এসআই বাবুল ইসলাম আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দিলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রুবেল বাবুলের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। এরপর পরোয়ানাটি দীর্ঘ সময় শিবগঞ্জ থানায় পড়ে ছিল। কিন্তু চলতি বছরের ১০ মার্চ রাতে ওই পরোয়ানা আমলে নিলে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ পাঁকা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট আতাউর রহমানের গ্রামের বাড়ি থেকে মাদকসেবী রুবেলের পরিবর্তে জামাইপাড়া গ্রামের মো. মন্টুর ছেলে মো. রুবেলকে (২৩) গ্রেফতার করেন।

ফলে পুলিশের ভুলের কারণে গ্রামের নাম আলাদা হলেও আসামি ও তার বাবার নামে মিল থাকায় একজন নিরপরাধ অসুস্থ ব্যক্তিকে আড়াই মাস ধরে জেলে থাকতে হলো। সূত্র: সময় সংবাদ

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল লকডাউন
                                  

অনলাইন ডেস্ক : নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ানের (এপিবিএন) ২২ সদস্যের করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল লকডাউন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর (প্রশাসন) জেয়াদ আল মালুম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, এক এক করে ট্রাইব্যুনালের দু`টি ব্যারাকে থাকা এপিবিএন`র প্রায় ২২ সদস্য করোনায় আত্রান্ত হয়েছে। এর আগে কয়েকজনকে চিকিৎসার জন্য বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এখনো প্রায় ১৭ জন সদস্য ট্রাইব্যুনালের ভেতরে অবস্থান করছেন। এ কারণে পুরো ট্রাইব্যুনাল লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।

এদিকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আপাদত প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

এর আগে গত ২৪ এপ্রিল ব্যারাকের এক সদস্যের মধ্যে করোনা পজেটিভ পাওয়া যায়। এরপর গত ২৭ এপ্রিল নতুন করে আরও দুই এপিবিএন সদস্যের শরীরে করোনা পরীক্ষায় পজেটিভ পাওয়া যায়। এরপর সেখানে দায়িত্বে থাকা প্রায় ২২ সদস্যের মধ্যে করোনা ছড়িয়ে পড়ে।

হাইকোর্টের প্রথম ভার্চুয়াল শুনানিতে ডলফিন রক্ষার আদেশ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : চট্টগ্রামের হালদা নদীর ডলফিন রক্ষার নির্দেশ দিয়েছেন উচ্চ আদালত। এ বিষয়ে কি পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে তা ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ই-মেইলের মাধ্যমে জানাতে বলা হয়েছে। জনস্বার্থে করা রিট আবেদন নিয়ে প্রথম ভার্চুয়াল শুনানি শেষে এ আদেশ দেয়া হয়। এদিকে ডলফিল হত্যা এবং মারা যাওয়ার জন্য বন বিভাগের উদাসীনতাকে দুষলেন বিশেষজ্ঞরা।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হালদা রিভার রিসার্চ ল্যাবরেটরির এক জরিপ বলছে, ২০১৮-১৯ সালে হালদা নদীতে ১৭০টি ডলফিনের অস্তিত্ব ছিল। এক বছরেই প্রাণ গেছে ২৪টির। গত সপ্তাহে একটি ডলফিনকে পিটিয়ে মারা হয়, আরেকটি মারা যায় যন্ত্রচালিত নৌকার আঘাতে।

বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে উচ্চ আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়। মঙ্গলবার (১২ মে) দেশের ইতিহাসে প্রথম ভার্চুয়াল আদালতে শুনানি করে স্তন্যপায়ী এ প্রাণী রক্ষার আদেশ দেয়া হয়।

ব্যারিস্টার আব্দুল কাইয়ুম লিটন বলেন, হালদা নদীতে আর যেন একটি ডলফিনও মারা না যায় সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে কী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে, তা ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জানাতে বলা হয়েছে।

ডলফিন রক্ষায় বনবিভাগের উদাসীনতার সমালোচনা করে জনসচেতনতা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন হালদা রিভার রিসার্স ল্যাবরেটরি অধ্যাপক ড.মনজুরুল কিবরিয়া।

তিনি বলেন, ডলফিনের চামড়া নিচে একটা চর্বির লেয়ার থাকে। ওই লেয়ারের মাধ্যমে তারা পানিতে বাঁচতে পারে। একটা গুজব ওঠে ডলফিনের চর্বি থেকে যদি তেল সংগ্রহ করা সেটা মানুষের বিভিন্ন রোগ সারবে।

গাঙ্গেয় প্রজাতির এ ডলফিন বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের নদীতে দেখা যায়। পদ্মা, সুন্দরবনের আশপাশের নদী এবং চট্টগ্রামের হালদা ও কর্নফুলী নদী এ প্রজাতির ডলফিনের বিচরনক্ষেত্র।

কুমিল্লায় ভার্চুয়াল আদালতে প্রথম এক আসামির জামিন
                                  

অনলাইন ডেস্ক : হাইকোর্টসহ সারা দেশের অধস্তন আদালতে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে অনলাইনে আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সোমবার (১১ মে) সকাল থেকে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আবেদন দাখিলের মধ্য দিয়ে কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথমদিনেই ভার্চুয়াল কোর্টে জামিন আবেদনের শুনানির পর কুমিল্লায় এক আসামিকে স্থায়ী জামিন দিয়েছেন আদালত।

কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ মো. আতাবুল্লাহ সারোয়ার নামে ওই আসামির জামিন মঞ্জুর করেন। রাষ্ট্রপক্ষে পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম সেলিম এবং আসামিপক্ষে অ্যাডভোকেট মাসুদ সালাউদ্দিন ভিডিও কনফারেন্সে শুনানিতে অংশ নেন।

আইনজীবীরা জানান, তিতাস থানার একটি মারামারির মামলায় ওই আসামিকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ।

ভার্চুয়াল কোর্টের অধ্যাদেশ জারি
                                  

অনলাইন ডেস্ক : দেশে করোনা ভাইরাসের চলমান পরিস্থিতিতে ভার্চুয়াল কোর্ট সম্পর্কিত অধ্যাদেশ জারি করেছে সরকার। ফলে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার ও ভিডিও কানফারেন্সের মাধ্যমে বিচার কাজ পরিচালনা করা যাবে।

শনিবার (০৯ মে) রাতে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। `আদালত কর্তৃক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার অধ্যাদেশ, ২০২০` নামের ওই অধ্যাদেশ জারি করা হয়।

এর আগে ৭ মে ওই অধ্যাদেশের খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। এরপর সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদের প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ওই অধ্যাদেশ জারি করেন। অধ্যাদেশে আদালত বলতে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ বা হাইকোর্ট বিভাগসহ সব অধস্তন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল বোঝানো হয়েছে। ভার্চ্যুয়াল উপস্থিতি বলতে অডিও-ভিডিও বা অনুরূপ অন্য কোনো ইলেকট্রনিক পদ্ধতির মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির আদালতের বিচার বিভাগীয় কার্যধারায় উপস্থিত থাকা বা অংশগ্রহণ বোঝানো হয়েছে।

অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, যেহেতু মামলার বিচার, বিচারিক অনুসন্ধান বা দরখাস্ত বা আপিল শুনানি বা সাক্ষ্যগ্রহণ বা যুক্তিতর্ক গ্রহণ বা আদেশ বা রায় প্রদানকালে পক্ষগণের ভার্চুয়াল উপস্থিতি নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে আদালতকে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষমতা প্রদানের জন্য বিধান প্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়। যেহেতু সংসদ অধিবেশন নেই এবং রাষ্ট্রপতির কাছে উহা সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে যে, আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান আছে।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গণভবনে মন্ত্রিসভার বৈঠকে `আদালত কর্তৃক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার অধ্যাদেশ ২০২০` এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়। কোভিড-১৯ সংক্রমণের কারণে ফিজিক্যালি আদালত চালানোর সুযোগ না থাকায় তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে যার যার অবস্থানে থেকে বিচার কার্যক্রম চালানোর ব্যবস্থা করতে সরকাকে অনুরোধ করেন সুপ্রিম কোর্ট।

বিদ্যমান বিধান অনুযায়ী, আদালতে মামলার পক্ষরা বা তাদের পক্ষে নিযুক্ত আইনজীবীদের সশরীরে উপস্থিতি থেকে মামলার বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হয়।

দীর্ঘ সময় ধরে আদালত বন্ধ থাকায় মামলাজট বাড়ার পাশাপাশি বিচারপ্রার্থীরা বিচারপ্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন- এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে ডিজিটাল মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম করার অধ্যাদেশের খসড়া মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করে আইন মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ের মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানান, করোনা পরিস্থিতির কারণে সাধারণ ছুটিতে গত ২৬ মার্চ থেকে অফিস-আদালত বন্ধ রয়েছে। এখন পার্লামেন্ট চালু না থাকায় আইন করা যাবে না। এজন্য জরুরিভিত্তিতে এ বিষয়ে অধ্যাদেশ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বিদ্যমান বিধান অনুযায়ী আদালতে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ বা তাদের পক্ষে নিযুক্ত বিজ্ঞ আইনজীবীদের এবং সাক্ষীদের উপস্থিতির মাধ্যমে মামলার বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়ে থাকে। সমগ্র বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও কোভিড-১৯ মহামারি রোধকল্পে এক মাসের অধিক সময় ধরে কতিপয় ব্যতিক্রম ব্যতীত আদালতসহ সরকারি-বেসরকারি সকল ধরনের প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। মানুষের সমাগম হয় এমন সব কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে আদালত বন্ধ থাকার মামলাজট যেমন বৃদ্ধি পাচ্ছে তেমনি বিচারপ্রার্থীরা বিচার প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণের লক্ষে ভিডিও কনফারেন্সিংসহ অন্যান্য ডিজিটাল মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম করতে এই অধ্যাদেশের খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে।

মন্ত্রিপিরষদ সচিব বলেন, এই ব্যবস্থায় আসামিকে জেলখানায় রেখে, আইনজীবীকে বাসায় রেখে ও সাক্ষীকে অন্য জায়গায় রেখে ভিডিও কনফারেন্সিং ও অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতি অ্যাপ্লাই করে বিচারকার্য করা সম্ভব হবে। এটাই হল এই অধ্যাদেশের মূল বিষয়।

এর আগে ২৪ এপ্রিল প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের সভাপতিত্বে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিদের অংশগ্রহণে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের ফুল কোর্ট সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে ভার্চ্যুয়াল কোর্ট পরিচালনার জন্য রাষ্ট্রপতিকে অনুরোধ জানানোর বিষয়েও সিদ্ধান্ত হয় বলে সভাসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে।

বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের প্রাণভিক্ষার আবেদন খারিজ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলার আত্মস্বীকৃত খুনি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আব্দুল মাজেদের প্রাণভিক্ষার আবেদন নাকচ করে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ।

বুধবার (৮ এপ্রিল) প্রাণভিক্ষার আবেদন করেন বলে কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল। বঙ্গভবনের একটি সূত্রে জানা যায়, রাতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ওই আবেদন খারিজ করে দেন।
এদিকে আব্দুল মাজেদের প্রাণভিক্ষার আবেদন প্রত্যাখ্যাত হওয়ায় কারা কর্তৃপক্ষের সামনে দণ্ড কার্যকরে আর কোনও বাধা থাকছে না।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাজধানীর মিরপুর থেকে গ্রেপ্তার হন বঙ্গবন্ধু হত্যায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আব্দুল মাজেদ। দীর্ঘদিন তিনি ভারতে আত্মগোপনে ছিলেন তিনি।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার চার বছরের মধ্যে ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট স্বাধীনতার স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে একদল সেনা সদস্য। এরপর সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানের আমলে এই হত্যাকাণ্ডের বিচারের পথ রুদ্ধ করে দেওয়া হয়।

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফেরার পর বিচারের পথ খোলে; মামলা হওয়ার পর ১৯৯৮ সালের ৮ নভেম্বর ঢাকার তখনকার জেলা ও দায়রা জজ কাজী গোলাম রসুল এ মামলার রায়ে আবদুল মাজেদসহ ১৫ জন সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন।
২০০১ সালের ৩০ এপ্রিল হাই কোর্টের রায়ে ১২ আসামির মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল থাকে। এরপর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ২০০৯ সালের ১৯ নভেম্বর চূড়ান্ত রায়ে হাই কোর্টের সিদ্ধান্ত বহাল রাখলে পাঁচ আসামি রিভিউ আবেদন করেন।

তা খারিজ হয়ে যাওয়ার পর ২০১০ সালের ২৮ জানুয়ারি ফাঁসিতে ঝুলিয়ে আসামি সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশীদ খান, মহিউদ্দিন আহমদ (ল্যান্সার), এ কে বজলুল হুদা ও এ কে এম মহিউদ্দিনের (আর্টিলারি) মৃত্যুদণ্ডাদেশ কার্যকর করা হয়।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে আবদুল মাজেদ ছাড়াও খন্দকার আবদুর রশিদ, এ এম রাশেদ চৌধুরী, শরিফুল হক ডালিম, এসএইচএমবি নূর চৌধুরী, আবদুল মাজেদ ও রিসালদার মোসলেম উদ্দিন খান সে সময় পলাতক ছিলেন।

আবরার হত্যা হত্যা মামলার শুনা‌নি ৬ এপ্রিল
                                  

দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এ স্থানান্ত‌র হচ্ছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার ন‌থি ।আদালতের নি‌র্দেশে আগামী ৬ এপ্রিল অভিযোগ গঠন শুনা‌নি হ‌বে। মামলা‌টি দ্রুতবিচা‌র ট্রাইব্যুনালে স্থানান্ত‌রের বিষ‌য়ে সরকা‌রি গে‌জে‌টের পর আজ বুধবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশ এ আদেশ দেন। এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়া‌রি মামলা‌টি দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্ত‌রে আবরা‌রের বাবা বরকতউল্লাহ সরকা‌রি দফতরে চি‌ঠি দেন। প‌রে গত ১৫ ম‌ার্চ মামলা‌টি দ্রুতবিচার ট্রাইব‌্যুনাল-১ এ স্থানান্ত‌রের আদেশ দি‌য়ে গে‌জেট প্রকাশ ক‌রে আইন মন্ত্রণালয়।

গত ১২ জানুয়া‌রি ঢাকার অতি‌রিক্ত মেট্রোপ‌লিটন ম্যা‌জি‌স্ট্রেট মো. কায়সারুল ইসলাম মামলা‌র বিষ‌য়ে পরবর্তী পদ‌ক্ষেপ নি‌তে মহানগর দায়রা জজ আদাল‌তে বদ‌লির আদেশ দেন। এরপর দুই দফায় অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য দিন রাখা হলেও মামলা‌টি দ্রুত বিচা‌রে স্থানান্তরের গে‌জেট না হওয়ায় শুনা‌নি পি‌ছি‌য়ে যায়।

গত বছর ১৩ ন‌বেম্বর মামলায় ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল ক‌রেন গো‌য়েন্দা পু‌লিশের (ডি‌বি) লালবাগ জোনাল টি‌মের প‌রিদর্শক মো. ওয়া‌হিদুজ্জামান। প‌রে ১৮ নবেম্বর অভিযোগপত্র গ্রহণ করে পলাতক চার আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। প‌রোয়ানা অনুযায়ী গ্রেফতার কর‌তে না পারায় গত ৩ ডি‌সেম্বর তা‌দের সম্পদ ক্রো‌কের নি‌র্দেশ দেওয়া হয়। ৫ জানুয়া‌রির ম‌ধ্যে ক্রোকী প‌রোয়ানা তা‌মি‌লের নি‌র্দেশ দেওয়া হ‌য়ে‌ছিল।

এরপর গত ৫ জানুয়া‌রি পলাতক আসা‌মি‌দের হা‌জি‌রে বিজ্ঞ‌প্তি প্রকাশের আদেশ দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তি প্রকা‌শের বিষ‌য়ে প্র‌তি‌বেদন দা‌খি‌লের এক‌দিন আগে মোর্শেদ অমত্য ইসলাম না‌মে পলাতক এক আসা‌মি আদাল‌তে আত্মসমর্পণ ক‌রে জা‌মিন আবেদন ক‌রেন। আদালত জা‌মিন আবেদন নামঞ্জুর ক‌রে তা‌কে কারাগা‌রে পাঠান। এখন পলাতক থাকলেন আর তিন আসা‌মি। তারা হ‌লেন- মোর্শেদুজ্জামান জিসান, এহতেশামুল রাব্বি তানিম ও মোস্তবা রাফিদ। এর ম‌ধ্যে মোস্তবা রা‌ফিদের নাম এজাহা‌রে ছিল না।

মামলায় অভিযুক্ত ২৫ জনের মধ্যে এজাহারভুক্ত ১৯ জন এবং এজাহার বহির্ভূত ৬ জন। গ্রেফতারদের মধ্যে ৮ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
তদন্ত চলাকালে মামলায় অভিযুক্ত ২৫ জনের মধ্যে ২১ জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গ্রেফতারদের ম‌ধ্যে ইসতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, অমিত সাহা, মিজানুর রহমান মিজান, শামসুল আরেফিন রাফাত ও এস এম মাহমুদ সেতু ছাড়া বাকি সবাই এজাহারভুক্ত আসামি।

এর ম‌ধ্যে আটজন আদাল‌তে স্বীকা‌রো‌ক্তিমূলক জবানব‌ন্দি দেন। তারা হলেন- ইফতি মোশাররফ সকাল, মেফতাহুল ইসলাম জিওন, অনিক সরকার, মুজাহিদুর রহমান, মেহেদি হাসান রবিন, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভীর, মনিরুজ্জামান মনির ও এএসএম নাজমুস সাদাত। গত ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরে বাংলা হলে ছাত্রলীগের কিছু উচ্ছৃঙ্খল কর্মীর হাতে নির্দয় পিটুনির শিকার হয়ে মারা যান বুয়েটের মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদ।

 
সাংবাদিক আরিফুলের সাজার মামলার নথি তলব করেছে আদালত
                                  

কুড়িগ্রামে মধ্যরাতে অভিযান চালিয়ে সাংবাদিক আরিফুল ইসলামকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজার মামলার নথি তলব করেছেন হাইকোর্ট। আজ সোমবারের মধ্যে এ নথি জমা দিতে হবে। একইসঙ্গে সম্ভব হলে আরিফুল ইসলামকেও আসতে বলেছেন আদালত। বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার দুপুরে এ আদেশ দেন।

এদিকে সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম রিগ্যানকে ২৫ হাজার টাকায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সুজাউদ্দৌলা রোববার জামিন দেন। কুড়িগ্রামে মধ্যরাতে সাংবাদিককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড দেওয়ার অভিযোগের তদন্ত করছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। কুড়িগ্রামের সাংবাদিক আরিফুল ইসলামের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, শুক্রবার (১৩ মার্চ) মধ্যরাতে জেলা প্রশাসনের লোকজন তার বাড়িতে গিয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকেন।

পরে তাকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়ে বাড়িতে ‘আধা বোতল মদ ও দেড়শ গ্রাম গাঁজা’ পাওয়ার ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে সাংবাদিক আরিফের সহকর্মী ও পরিবারের দাবি, একটি পুকুর সংস্কার নিয়ে পত্রিকায় প্রতিবেদন করায় জেলা প্রশাসক মোছা. সুলতানা পারভীন ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে ফাঁসিয়েছেন।মধ্যরাতে সাংবাদিককে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে জেলে পাঠানোর ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনার মধ্যে বিষয়টি আমলে নেয় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

 
করোনা আতঙ্ক: সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে রিট
                                  

দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। ওই রিটে দেশের স্থল ও নৌবন্দর বন্ধের নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে।

আজ রবিবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট আবেদন করেন আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ। গত ৮ মার্চ প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে তিনজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করা হয়। তবে তারা সুস্থ হয়ে গেছেন বলে দাবি সরকারের আইইডিসিআরের। শনিবার (১৪ মার্চ) রাতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক সংবাদ সম্মেলন করে জানান, দেশে আরও দুজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস বৈশ্বিক মহামারি রূপ নিলেও বাংলাদেশ সরকার বলছে, দেশে এখনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। অনেকে বলছেন, করোনাভাইরাস ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ার আগেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করা দরকার। এরই মধ্যে ইউনুছ আলী আকন্দ এ রিট করলেন।

 

   Page 1 of 40
     আদালত
আশির্বাদ করোনা, পৌনে দুই মাসে ৫৮৯ বন্দি শিশুর জামিন
.............................................................................................
দেওয়ানি মামলা করা যাবে ভার্চুয়াল আদালতে
.............................................................................................
করোনা রোগী শনাক্তে দ্রুত প্রতিবেদন চেয়ে হাইকোর্টে রিট
.............................................................................................
ভ্রাম্যমাণ আদালতে শিশুর সাজা অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে রায় প্রকাশ
.............................................................................................
আদালত খুলতে ৬০ হাজার আইনজীবীর আবেদন
.............................................................................................
রেড জোনভুক্ত এলাকায় আদালত সংশ্লিষ্টদের সাধারণ ছুটি
.............................................................................................
রোগীদের না ফিরিয়ে চিকিৎসা নিশ্চিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট
.............................................................................................
নাম-পিতার নাম এক হওয়ায় আড়াই মাস জেল খেটে জামিনে মুক্তি পেল রুবেল
.............................................................................................
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল লকডাউন
.............................................................................................
হাইকোর্টের প্রথম ভার্চুয়াল শুনানিতে ডলফিন রক্ষার আদেশ
.............................................................................................
কুমিল্লায় ভার্চুয়াল আদালতে প্রথম এক আসামির জামিন
.............................................................................................
ভার্চুয়াল কোর্টের অধ্যাদেশ জারি
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের প্রাণভিক্ষার আবেদন খারিজ
.............................................................................................
আবরার হত্যা হত্যা মামলার শুনা‌নি ৬ এপ্রিল
.............................................................................................
সাংবাদিক আরিফুলের সাজার মামলার নথি তলব করেছে আদালত
.............................................................................................
করোনা আতঙ্ক: সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে রিট
.............................................................................................
জাতীয় স্লোগান ‘জয় বাংলা’ হাইকোর্টের রায়
.............................................................................................
সায়মার ঘটনা আমাদের জন্য লজ্জার: আদালত
.............................................................................................
জি কে শামিমের জামিন বাতিল চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন
.............................................................................................
চাচা হত্যার দায়ে ভাতিজার ফাঁসি, ৩ জনের যাবজ্জীবন
.............................................................................................
জুয়ার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্টের নির্দেশনা স্থগিত
.............................................................................................
আদালতের কার্যতালিকা থেকে বাদ সাগর-রুনি হত্যা মামলা
.............................................................................................
শিশু ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড
.............................................................................................
নুসরাত হত্যা- ডেথ রেফারেন্স শুনানির জন্য হাইকোর্ট বেঞ্চ
.............................................................................................
পুঠিয়ার সাবেক ওসির বিষয়ে হাইকোর্টের রায় বহাল
.............................................................................................
দিল্লির সহিংসতায় নিহতের সংখ্যা ২৭
.............................................................................................
চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার জামিন শুনানি আজ
.............................................................................................
গভর্নিং বডি বা ম্যানেজিং কমিটিতে দুই বারের বেশি কেউ থাকতে পারবে না
.............................................................................................
পিকে হালদারের দেড় হাজার কোটি টাকার হদিস নেই
.............................................................................................
সব মসজিদে পুরুষের সাথে নারীদের নামাজের ব্যবস্থা চেয়ে রিট
.............................................................................................
১০০০ কোটি টাকা দেওয়ার নির্দেশ গ্রামীণফোনকে
.............................................................................................
চ্যারিটেবল মামলার জামিন শুনানি রবিবার
.............................................................................................
সব কারখানায় ৬০ দিনের মধ্যে ব্রেস্টফিডিং কর্নার স্থাপনের নির্দেশ
.............................................................................................
কয়লা খনি দুর্নীতি বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ২৯ মার্চ
.............................................................................................
অ্যাটর্নি জেনারেলের পদে থাকার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট
.............................................................................................
ইব্রাহিম খালেদসহ ২ জনকে আপিল বিভাগে তলব
.............................................................................................
শাজাহান খানের বিরুদ্ধে ইলিয়াস কাঞ্চনের মামলা আমলে নিয়েছে আদালত
.............................................................................................
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ছাড়লেন ব্যারিস্টার সুমন
.............................................................................................
ঢাকা ক্লাবসহ সারা দেশের ১৩ ক্লাবে জুয়া নিষিদ্ধ
.............................................................................................
ডিআইজি মিজানের স্ত্রী ও ভাইয়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
.............................................................................................
আওয়ামী লীগ নেতা হত্যা মামলায় ৩ জনের ফাঁসি, ৫ জনের যাবজ্জীবন
.............................................................................................
নাইকো দুর্নীতি মামলার পরবর্তি শুনানি ৩১ মার্চ
.............................................................................................
বিএনপি নেতা হত্যা মামলায় আদালতে চার্জশিট
.............................................................................................
৩ বছরের কারাদণ্ড ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমীনের
.............................................................................................
মুচলেকায় জামিন পেয়েছেন ড. ইউনূস
.............................................................................................
নবম ওয়েজ বোর্ড : হাইকোর্টে রুল নিষ্পত্তির নির্দেশ আপিল বিভাগের
.............................................................................................
নির্বাচনী এলাকায় পলিথিনে মোড়ানো পোস্টারে নিষেধাজ্ঞা হাইকোর্টের
.............................................................................................
আবরার ফাহাদ হত্যায় অভিযোগ গঠন ৩০ জানুয়ারি
.............................................................................................
শিশু ধর্ষণ মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কেন দেয়া হবে না : হাইকোর্ট
.............................................................................................
মতিউর রহমানসহ ছয়জনকে গ্রেফতার ও হয়রানি না করার নির্দেশ
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD