| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * ময়মনসিংহে ‘বন্দুকযুদ্ধে ডাকাত সর্দার’ নিহত   * ‘গণভবনে যুবলীগের কাকে ডাকবেন এটা প্রধানমন্ত্রীর বিষয়’   * কাউন্সিলর পদ হারালেন সাঈদ   * অ্যাম্বুলেন্সের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহত ২   * কলকাতার আকাশে ভারতীয় যুদ্ধবিমানের মহড়া   * গাবতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে নব্য জেএমবি’র ৩ সদস্য গ্রেফতার   * প্রধানমন্ত্রীকে জার্সি উপহার দিলেন ফিফা সভাপতি   * ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে ৪ জনের মৃত্যু   * বিজ্ঞাপনে বিদেশি শিল্পী নিলে উচ্চ কর, হচ্ছে নীতিমালা   * হানিফ ফ্লাইওভারে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চালক নিহত  

   আদালত -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
যুদ্ধাপরাধ মামলায় রাজশাহীর টিপুর রায় যেকোন দিন

অনলাইন ডেস্ক : মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধ তথা যুদ্ধাপরাধের মামলায় রাজশাহীর বোয়ালিয়ার মো. আব্দুস সাত্তার ওরফে টিপু রাজাকার ওরফে টিপু সুলতানের বিষয়ে যেকোনো দিন রায় ঘোষণা করবেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল মামলায় যুক্তিতর্ক শেষে আজ এ আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউটর ছিলেন মোখলেসুর রহমান বাদল। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী গাজী এম এইচ তামিম।

গত বছরের ২৭ মার্চ এ আসামির বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এরপর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়। পরে একই বছরের ৮ আগস্ট তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।
এ আসামীর বিরুদ্ধে মামলায় মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রাজশাহীর বোয়ালীয়ায় দশ জনকে হত্যা, দুই জনকে দীর্ঘদিন আটকে রেখে নির্যাতন, ১২ থেকে ১৩টি বাড়ির মালামাল লুট করে আগুন দেয়ার অভিযোগ এসেছে। মুক্তিযুদ্ধের প্রথম দিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়েও গণহত্যা চালিয়েছিল পাকিস্তানি আর্মি ও স্থানীয় রাজাকাররা। স্থানীয় সেই সব রাজাকারদের মধ্যে টিপু সুলতানই বেঁচে আছেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় এ আসামি জামায়াতে ইসলামী ছাত্র সংগঠন ‘ইসলামী ছাত্র সংঘ’ করতেন। এ আসামি ১৯৮৪ সালে নাটোরের লালপুর উপজেলার গোপালপুর ডিগ্রি কলেজে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। ২০১১ সালে অবসরে যান। এ আসামী ১৯৭৪ সালের ১০ আগস্ট একবার গ্রেফতার হন। পরবর্তীতে তিনি ছাড়া পান। গত বছরের ১ জানুয়ারি বিস্ফোরক আইনের মামলায় মতিহার থানার পুলিশ তাকে ফের গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে তাকে যুদ্ধাপরাধের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।

আব্দুস সাত্তারের বিরুদ্ধে যে দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে তা হলো- ১৯৭১ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর দুপুর দেড়টা থেকে পরদিন মধ্যরাত পর্যন্ত আসামি মো. আব্দুস সাত্তার ওরফে টিপু সুলতান ওরফে টিপু রাজাকার স্থানীয় অন্যান্য রাজাকার ও পাক সেনারা বোয়ালীয়া থানার সাহেব বাজারের এক নং গদিতে (বর্তমানে জিরো পয়েন্ট) হামলা চালিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা বাবর মন্ডলকে আটক করে। পরে তাকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শামসুজ্জোহা হলে স্থাপিত সেনা ক্যাম্পে নিয়ে দিনভর নির্যাতন করার পর গুলি করে হত্যা করে তার লাশ মাটিচাপা দেয়। ১৯৭১ সালের ২ নভেম্বর রাত আনুমানিক ২টায় এ আসামি, স্থানীয় রাজাকার ও ৪০ থেকে ৫০ পাক সেনা বোয়ালিয়া থানার তালাইমারী এলাকায় হামলা চালায়। এ হামলায় আওয়ামী লীগ নেতা চাঁদ মিয়া, আজহার আলী শেখসহ ১১ জনকে আটক করে নির্যাতন চালায়। এসময় তারা তালাইমারী এলাকার ১২ থেকে ১৩টি বাড়ি লুট করে। পরে আটক ১১ জনকে রাবির শহীদ শামসুজ্জোহা হলে স্থাপিত অস্থায়ী ক্যাম্প ও টর্চার সেলে নিয়ে ৪ নভেম্বর মাঝরাতে নয় জনকে গুলি করে হত্যা করে মাটিচাপা দেয়।

এটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ৪১ তম রায়। বাসস

যুদ্ধাপরাধ মামলায় রাজশাহীর টিপুর রায় যেকোন দিন
                                  

অনলাইন ডেস্ক : মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধ তথা যুদ্ধাপরাধের মামলায় রাজশাহীর বোয়ালিয়ার মো. আব্দুস সাত্তার ওরফে টিপু রাজাকার ওরফে টিপু সুলতানের বিষয়ে যেকোনো দিন রায় ঘোষণা করবেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল মামলায় যুক্তিতর্ক শেষে আজ এ আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউটর ছিলেন মোখলেসুর রহমান বাদল। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী গাজী এম এইচ তামিম।

গত বছরের ২৭ মার্চ এ আসামির বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এরপর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়। পরে একই বছরের ৮ আগস্ট তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।
এ আসামীর বিরুদ্ধে মামলায় মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রাজশাহীর বোয়ালীয়ায় দশ জনকে হত্যা, দুই জনকে দীর্ঘদিন আটকে রেখে নির্যাতন, ১২ থেকে ১৩টি বাড়ির মালামাল লুট করে আগুন দেয়ার অভিযোগ এসেছে। মুক্তিযুদ্ধের প্রথম দিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়েও গণহত্যা চালিয়েছিল পাকিস্তানি আর্মি ও স্থানীয় রাজাকাররা। স্থানীয় সেই সব রাজাকারদের মধ্যে টিপু সুলতানই বেঁচে আছেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় এ আসামি জামায়াতে ইসলামী ছাত্র সংগঠন ‘ইসলামী ছাত্র সংঘ’ করতেন। এ আসামি ১৯৮৪ সালে নাটোরের লালপুর উপজেলার গোপালপুর ডিগ্রি কলেজে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। ২০১১ সালে অবসরে যান। এ আসামী ১৯৭৪ সালের ১০ আগস্ট একবার গ্রেফতার হন। পরবর্তীতে তিনি ছাড়া পান। গত বছরের ১ জানুয়ারি বিস্ফোরক আইনের মামলায় মতিহার থানার পুলিশ তাকে ফের গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে তাকে যুদ্ধাপরাধের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।

আব্দুস সাত্তারের বিরুদ্ধে যে দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে তা হলো- ১৯৭১ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর দুপুর দেড়টা থেকে পরদিন মধ্যরাত পর্যন্ত আসামি মো. আব্দুস সাত্তার ওরফে টিপু সুলতান ওরফে টিপু রাজাকার স্থানীয় অন্যান্য রাজাকার ও পাক সেনারা বোয়ালীয়া থানার সাহেব বাজারের এক নং গদিতে (বর্তমানে জিরো পয়েন্ট) হামলা চালিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা বাবর মন্ডলকে আটক করে। পরে তাকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শামসুজ্জোহা হলে স্থাপিত সেনা ক্যাম্পে নিয়ে দিনভর নির্যাতন করার পর গুলি করে হত্যা করে তার লাশ মাটিচাপা দেয়। ১৯৭১ সালের ২ নভেম্বর রাত আনুমানিক ২টায় এ আসামি, স্থানীয় রাজাকার ও ৪০ থেকে ৫০ পাক সেনা বোয়ালিয়া থানার তালাইমারী এলাকায় হামলা চালায়। এ হামলায় আওয়ামী লীগ নেতা চাঁদ মিয়া, আজহার আলী শেখসহ ১১ জনকে আটক করে নির্যাতন চালায়। এসময় তারা তালাইমারী এলাকার ১২ থেকে ১৩টি বাড়ি লুট করে। পরে আটক ১১ জনকে রাবির শহীদ শামসুজ্জোহা হলে স্থাপিত অস্থায়ী ক্যাম্প ও টর্চার সেলে নিয়ে ৪ নভেম্বর মাঝরাতে নয় জনকে গুলি করে হত্যা করে মাটিচাপা দেয়।

এটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ৪১ তম রায়। বাসস

১০ দিনের রিমান্ডে সম্রাট
                                  

অনলাইন ডেস্ক : যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের বহিষ্কৃত সভাপতি ক্যাসিনো সম্রাট খ্যাত ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার সম্রাটকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। তাকে গ্রেফতার দেখানো পূর্বক ২০ দিনের রিমান্ড শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। এদিন সম্রাটের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন।

শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম তোফাজ্জল হোসেন অস্ত্র মামলায় ৫ দিন ও মাদক মামলায় ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আজ ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনছারী তাকে এই দুই মামলায় গ্রেফতার দেখান।

এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রায়সাহেব বাজার থেকে ঢাকার সিএমএম আদালতের গেট পর্যন্ত অবস্থান নেন যুবলীগের সমর্থকরা। তারা সম্রাটের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ করে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

৯ অক্টোবর সম্রাটকে গ্রেফতার দেখানো পূর্বক ২০ দিনের রিমান্ড শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। ওইদিন শারীরিক অসুস্থতার কারণে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে ভর্তি থাকায় সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে আদালতে হাজির করা সম্ভব হচ্ছে না বলে আদালতকে চিঠি দেন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ইকবাল কবির চৌধুরী। সম্রাট অসুস্থ থাকায় আদালতে উপস্থিত না করায় ঢাকার মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনসারী এ বিষয় শুনানির জন্য ১৫ অক্টোবর দিন ধার্য করেন।

৮ অক্টোবর সকালে বুকে ব্যথা অনুভব করায় সম্রাটকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে সেখান থেকে তাকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তাকে প্রথমে ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়।

শনিবার (১২ অক্টোবর) বেলা ১১টা ২০ মিনিটে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট থেকে কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়া হয় সম্রাটকে। জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ড. মহসিন আহমেদ বলেন, সম্রাটের জন্য গঠিত সাত সদস্যের মেডিকেল বোর্ডের সবাই তাকে দেখেছেন। তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। বোর্ডের সদস্যরা মনে করেন, তার হাসপাতালে থাকার প্রয়োজন নেই। তাই তাকে ছাড়পত্র দেয়া হয়।

গত ৭ অক্টোবর রমনা থানা পুলিশ অস্ত্র ও মাদক আইনের মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো পূর্বক ১০ দিন করে মোট ২০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। পরে ঢাকা মহানগর হাকিম ইয়াসমিন আরা আসামি সম্রাটের উপস্থিতিতে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন ও রিমান্ড শুনানির জন্য ৯ অক্টোবর দিন ধার্য করেন।

র্যাব-১ বাদী হয়ে রমনা মডেল থানায় এ মামলা দুটি দায়ের করে। দুই মামলার বাদী র্যাব-১ এর ডিএডি আব্দুল খালেক। এর মধ্যে মাদক মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সহ-সভাপতি এনামুল হক আরমানকেও আসামি করা হয়েছে।

ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরুর পর সম্রাটের নাম আসার পর থেকেই তাকে নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়। অভিযান শুরুর পর হাইপ্রোফাইল কয়েকজন গ্রেফতার হলেও খোঁজ মিলছিল না সম্রাটের। এসবের মধ্যে তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞাও জারি করা হয়। এরপর ৫ অক্টোবর রাত থেকেই তার গ্রেফতার হওয়ার খবর এলেও পরদিন সকালে তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রামে আত্মগোপনে থাকা সম্রাটকে গ্রেফতার করা হয়। তার সঙ্গে আরমানকেও আটক করা হয়। পরে ঢাকায় এনে তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদও করে র্যাব।

৬ অক্টোবর দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে র‌্যাবের একটি দল কাকরাইলে ভূঁইয়া ট্রেড সেন্টারে তালা ভেঙে সম্রাটের কার্যালয়ে ঢুকে অভিযান শুরু করে। নিজ কার্যালয়ে পশুর চামড়া রাখার দায়ে তার ছয় মাসের জেল দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম।

 
মানবতাবিরোধী অপরাধে গাইবান্ধার পাঁচ আসামির মৃত্যুদণ্ড
                                  

অনলাইন ডেস্ক : মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গাইবান্ধার পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালে ১৭৬ পৃষ্ঠার এ রায় পড়ে শোনানো হয়।

আসামিরা হলেন- মো. রঞ্জু মিয়া, আবদুল জব্বার মণ্ডল, মো. জাসিজার রহমান খোকা, মো. আবদুল ওয়াহেদ মণ্ডল ও মো. মমতাজ আলী বেপারি ওরফে মমতাজ। তাদের মধ্যে কেবল রঞ্জু মিয়া কারাগারে আছেন; বাকিরা পলাতক।

এর আগে সোমবার (১৪ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ রায়ের জন্য এ দিন ঠিক করে।

মুক্তিযুদ্ধের সময় অপহরণ, নির্যাতন, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, দেশেত্যাগে বাধ্য করা ও হত্যার মত মানবতাবিরোধী অপরাধের চারটি ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ তাদের বিরুদ্ধে।

এর আগে উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল গত ২১ জুলাই মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখে।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে এ মামলায় শুনানি করেন মোখলেসুর রহমান বাদল। কারাগারে থাকা একমাত্র আসামির পক্ষে এবং পলাতক আসামিদের রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে শুনানি করেন মোহাম্দ আবুল হাসান।

এ মামলায় মোট আসামি ছয় জন। তাদের মধ্যে আজগর হোসেন খান মামলার তদন্ত চলাকালে মারা যান। ২০১৮ সালের ১৭ মে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বাকি পাঁচ আসামির যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু করে ট্রাইব্যুনাল।

প্রসিকিউশন বলছে, আসামিরা সবাই গাইবান্ধা সদর উপজেলার নান্দিনা ও চক গয়েশপুর গ্রামের বাসিন্দা। একাত্তরে তারা সবাই ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সক্রিয় কর্মী অথবা সমর্থক। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে পাকিস্তানি বাহিনীর পক্ষ নিয়ে তারা রাজাকার বাহিনীতে নাম লেখান এবং ওই এলাকার বিভিন্ন গ্রামে যুদ্ধাপরাধ ঘটনা।

 
মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় গাইবান্ধার পাঁচ আসামীর রায় আজ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গাইবান্ধার পাঁচ আসামীর বিষয়ে আজ মঙ্গলবার রায় ঘোষণা করবেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। সোমবার ১৪ অক্টোবর বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ দিন ধার্য করে আদেশে দেন। এ মামলায় প্রসিকিউটর ছিলেন মোখলেসুর রহমান বাদল। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী আবুল হাসান।

এর আগে গত ২১ জুলাই এ মামলার শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমান রাখা হয়। মামলায় মোট আসামি ছিল ছয়জন। তাদের মধ্যে মো. রঞ্জু মিয়া গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন।

পলাতক আসামিরা হলেন- রাজাকার কমান্ডার আবদুল জব্বার (৮৬), মো. জাফিজার রহমান খোকা (৬৪), মো. আবদুল ওয়াহেদ মন্ডল (৬২), মো. মমতাজ আলী বেপারি মমতাজ (৬৮) ও মো. আজগর হোসেন খান (৬৬)। তাদের মধ্যে আজগর হোসেন খান মারা গেছেন।

আসামীদের বিরুদ্ধে একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে হত্যা-গণহত্যা, ধর্ষণ, আটক, অপহরণ, নির্যাতন, বাড়িঘরে হামলা, লুটপাট-অগ্নিসংযোগ, ভয়-ভীতি এবং আতঙ্ক ছড়িয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের ধর্মান্তর ও দেশান্তরে বাধ্য করাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের চারটি অভিযোগ আনা হয়েছে।
আসামীরা গাইবান্ধা সদরের নান্দিদা ও ফুলবাড়ি গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা এবং সবাই জামায়াতের সক্রিয় কর্মী। আসামীদের মধ্যে মো. আবদুল জব্বার, মো. জাফিজার রহমান খোকা ও মো. আবদুল ওয়াহেদ মন্ডল ১৯৭১ সালের আগে থেকেই জামায়াতের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। জব্বার ও খোকা মানবতাবিরোধী অপরাধে ১৯৭২ সালে গ্রেফতার হলেও তাদের কোনো বিচার হয়নি।

খোকার বর্তমান ঠিকানা রাজধানীর কাফরুল থানার উত্তর ইব্রাহিমপুর। তিনি ১৯৭৫ সালে পুলিশের চাকরিতে যোগ দিয়ে ২০১৪ সালে অবসর নেন। মো. মমতাজ আলী বেপারি মমতাজ ১৯৭৪ সালে কৃষি বিভাগে চাকরিতে যোগ দিয়ে ২০১২ সালে অবসর নেন বলে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। বাসস

ড. ইউনূসের গ্রেফতারি পরোয়ানা হাইকোর্টে স্থগিত
                                  

অনলাইন ডেস্ক : প্রতিষ্ঠানে ট্রেড ইউনিয়ন গঠন করায় চাকরিচ্যুতের অভিযোগে দায়ের করা তিন মামলায় শান্তিতে নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে জারি হওয়া গ্রেফতারি পরোয়ানা স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া তিনটি মামলার কার্যক্রম (অল প্রসেডিং) আগামী ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করেছেন আদালত।

মামলা বাতিলের আবেদন শুনানি নিয়ে সোমবার হাইকোর্টের বিচারপতি মুহাম্মদ আব্দুল হাফিজ ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে এদিন ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রুকন উদ্দিন মাহমুদ। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হাফিজুর রহমান।

এর আগে গত ৯ অক্টোবর ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতের চেয়ারম্যান রহিবুল ইসলাম তিন মামলায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

সেদিন ওই তিন মামলায় ড. ইউনূসের সমনের জবাব দেওয়ার জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু তিনি আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

অন্যদিকে গ্রামীণ কমিউনিকেশন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজনীন সুলতানা ও উপ-মহাব্যবস্থাপক খন্দকার আবু আবেদীন আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ৩ জুলাই ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন তার প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ কমিউনিকেশন্সের সদ্য চাকরিচ্যুত সাবেক তিন কর্মচারী। আদালত ৮ অক্টোবর তাদের হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেন। অপর দুজন হলেন- ড. ইউনূস ছাড়াও একই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজনীন সুলতানা ও উপ-মহাব্যবস্থাপক খন্দকার আবু আবেদীন।

এক মাসের মধ্যে রাজীবের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা দেয়ার নির্দেশ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : সড়ক দুর্ঘটনায় তিতুমীর কলেজের ছাত্র রাজীবের মৃত্যুর ঘটনায় তার পরিবারকে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এ ক্ষতিপূরণ দিতে স্বজন পরিবহন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে, এই মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১৭ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

রোববার (১৩ অক্টোবর) সকালে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের বিচারপতির আপিল বিভাগের বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালতে আজ স্বজন পরিবহনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম বাবুল। রিটের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

এর আগে গত ২০ জুন রাজীবের দুই ভাইকে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। দুই মাসের মধ্যে বিটিআরসি ও স্বজন পরিবহনের মালিককে ২৫ লাখ টাকা করে পরিশোধ করতে বলা হয়। পরে এই আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করে স্বজন পরিবহন কর্তৃপক্ষ। তারই ধারাবাহিকতায় আজ আবেদনটি শুনানি হয়।

আদালতে স্বজন পরিবহনের আইনজীবী বলেন, এই মামলার রায় ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। আমরা লিভ টু আপিল দায়ের করব। তখন আদালত বলেন, আপনারা এক মাসের মধ্যে আগে ১০ লাখ টাকা রাজীবের পরিবারকে দিয়ে আসেন। তারপর আপনাদের আবেদন শুনব। বিআরটিসির ক্ষতিপূরণ দেয়ার বিষয়টি দেখবেন বলে মন্তব্য করেন আদালত।

গত বছরের ৩ এপ্রিল রাজধানীর কারওয়ান বাজারের সার্ক ফোয়ারার কাছে বিআরটিসি ও স্বজন পরিবহনের দুই বাসের রেষারেষিতে হাত হারান ছাত্র রাজীব। দুই বাসের চাপায় তার ডান হাত কনুইয়ের ওপর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। দুর্ঘটনার পরপরই তাকে পান্থপথের শমরিতা হাসপাতালে নেয়া হয়।

পরদিন ৪ এপ্রিল রাজীবের চিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিটটি দায়ের করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজীবের অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে স্থানান্তর করা হয়। ১৩ দিন চিকিৎসার পর ১৬ এপ্রিল মধ্যরাতে সেখানেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন রাজীব। পরে রাজীবের পরিবারকে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বাঁশবাড়ি গ্রামের রাজীব তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় মা এবং অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় বাবাকে হারান। ঢাকার মতিঝিলে খালার বাসায় থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পাস করে ভর্তি হন স্নাতকে। কখনও টিউশনি করে, কখনও বা পার্টটাইম কাজ করে নিজে পড়াশোনা করেছেন এবং দুই ভাইকেও বানিয়েছেন কোরআনের হাফেজ।

আবরার হত্যার আসামি অমিত-তোহা ৫ দিনের রিমান্ডে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাত হত্যা মামলায় অমিত সাহা ও তোহাকে ৫ দিন করে রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। শুক্রবার (১১ অক্টোবর) এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত।

এর আগে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে আবরার হত্যা মামলায় গ্রেফতার ছাত্রলীগ নেতা অমিত সাহা ও এজহারভুক্ত আসামি হোসেন মোহাম্মদ তোহার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ।

গত বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) সকাল এগারোটার দিকে রাজধানীর সবুজবাগ এলাকা থেকে অমিত সাহা ও বিকেল তিনটায় গাজীপুরের মাওয়া থেকে তোহাকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ।

অমিত বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ১৬তম ব্যাচের ছাত্র। বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের উপ-আইনবিষয়ক সম্পাদক তিনি। আবরার হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই পলাতক ছিলেন তিনি। তার কক্ষেই ডেকে নিয়ে প্রথমে পেটানো হয়। হোসেন মোহাম্মদ তোহা বুয়েটের এমই বিভাগের ১৭তম ব্যাচের ছাত্র। তিনি এ মামলার মামলার ১১ নম্বর আসামি।

গত রোববার (৬ অক্টোবর) দিবাগত মধ্যরাতে বুয়েটের সাধারণ ছাত্র ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আবরার ফাহাদকে শেরে-ই-বাংলা হলের দ্বিতীয় তলা থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সোমবার (৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন ছিল।

আবরার ফাহাদ বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের (ইইই) বিভাগের লেভেল-২ এর টার্ম ১ এর ছাত্র ছিলেন। তিনি শের-ই-বাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন। তার বাড়ি কুষ্টিয়া শহরে। কুষ্টিয়া জেলা স্কুলে তিনি স্কুলজীবন শেষ করে নটরডেম কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন।

স্কুলছাত্রী রিশা হত্যা মামলার রায় আজ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : রাজধানীর কাকরাইলে উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের ছাত্রী সুরাইয়া আক্তার রিশা হত্যা মামলার রায় আজ। বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশ এ রায় ঘোষণা করবেন।

গত ১১ সেপ্টেম্বর উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে একই আদালত রায় ঘোষণার এ দিন ধার্য করেন।

২০১৬ সালের ২৪ আগস্ট দুপুরে কাকরাইলের উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের সামনের ফুটওভার ব্রিজে রক্তাক্ত অবস্থায় রিশাকে উদ্ধার করা হয়।
স্কুলের শিক্ষার্থীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসাধীন ২৮ আগস্ট সকালে রিশার মৃত্যু হয়। নৃশংস বর্বরোচিত এ হত্যাকাণ্ডের পর ব্যাপক প্রতিক্রিয়া ও খুনিকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে আন্দোলন হয়।

২৪ আগস্ট রিশার মা তানিয়া রাজধানীর রমনা থানায় একটি মামলা করেন। ওই বছরের ৩১ আগস্ট নীলফামারীর ডোমার উপজেলার সোনারগাঁও থেকে তাকে গ্রেফতার হয় এই মামলায় অভিযুক্ত ঘাতক ওবায়দুলকে।

প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় রিশাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন বলে আদালতে স্বীকারোক্তি দেন একমাত্র আসামি ওবায়দুল হক। তিনি রাজধানীর ইস্টার্ন মল্লিকা শপিংমলের বৈশাখী টেইলাসের কর্মচারী ছিলেন।

আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত কৌঁসুলি তাপস কুমার পাল বলেন, চাঞ্চল্যকর এ মামলায় যে সাক্ষ্যপ্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে, তাতে আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি আমরা প্রত্যাশা করছি।

 
সম্রাটের রিমান্ড শুনানি পিছিয়ে ১৫ অক্টোবর
                                  

অনলাইন ডেস্ক : ক্যাসিনো সম্রাট খ্যাত যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি (বহিষ্কৃত) ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনের পৃথক দুই মামলায় ১০ দিন করে মোট ২০ দিনের রিমান্ড শুনানি জন্য ১৫ অক্টোবর (মঙ্গলবার) দিন ধার্য করেছেন আদালত।

আজ বুধবার (৯ অক্টোবর) সম্রাটকে গ্রেফতার দেখানো পূর্বক ২০ দিনের রিমান্ড শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে তিনি অসুস্থ থাকায় আদালতে উপস্থিত না করায় ঢাকার মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনসারী নতুন এ দিন ধার্য করেন।

গত সোমবার রাতে রমনা থানা পুলিশ অস্ত্র ও মাদক আইনে মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো-পূর্বক ১০ দিন করে মোট ২০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। পরে ঢাকা মহানগর হাকিম ইয়াসমিন আরা আসামি সম্রাটের উপস্থিতিতে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন ও রিমান্ড শুনানির জন্য আজ বুধবার (৯ অক্টোবর) দিন ধার্য করেন।

এদিকে শারীরিক অসুস্থতার কারণে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে ভর্তি থাকায় সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে আদালতে হাজির করা সম্ভব হচ্ছে না বলে আদালতকে চিঠি দিয়েছেন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ইকবাল কবির চৌধুরী।

অন্যদিকে রমনা থানায় দায়ের করা মাদক মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সহ-সভাপতি এনামুল হক আরমানের বিরুদ্ধে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদনের শুনানির জন্য একই দিন ধার্য করেছেন আদালত। এছাড়া তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

র‌্যাব-১ বাদী হয়ে রমনা মডেল থানায় এ মামলা দুটি দায়ের করে। দুই মামলার বাদী র‌্যাব-১ এর ডিএডি আব্দুল খালেক। এর মধ্যে মাদক মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সহ-সভাপতি এনামুল হক আরমানকেও আসামি করা হয়েছে।

রমনা থানার ওসি কাজী মাইনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, মামলা দু’টি নথিভুক্ত হওয়ার পর আমরা আইনি প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেব। র‌্যাবের পক্ষ থেকে মামলার স্বপক্ষে আলামতও পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আমরা সেগুলো খতিয়ে দেখব এবং আদালতে পেশ করব।

ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরুর পর সম্রাটের নাম আসার পর থেকেই তাকে নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়। অভিযান শুরুর পর হাইপ্রোফাইল কয়েকজন গ্রেফতার হলেও খোঁজ মিলছিল না সম্রাটের। এসবের মধ্যে তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞাও জারি করা হয়। এরপর শনিবার রাত থেকেই তার গ্রেফতার হওয়ার খবর এলেও রোববার সকালে তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

রোববার ভোর ৫টার দিকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রামে আত্মগোপনে থাকা সম্রাটকে গ্রেফতার করা হয়। তার সঙ্গে আরমানকেও আটক করা হয়। পরে ঢাকায় এনে তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদও করে র‌্যাব।

সেলিম প্রধানের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন
                                  

অনলাইন ডেস্ক : রাজধানীর গুলশান থানায় মানি লন্ডারিং আইনে দায়ের করা মামলায় অনলাইনে ক্যাসিনো খেলার মূলহোতা সেলিম প্রধানসহ দুইজনের ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেছে সিআইডি। পরে আদালত এ বিষয়ে শুনানির জন্য ১৩ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন।

বুধবার (৯ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর হাকিম সাব্বির ইয়াসির আহসান চৌধুরীর আদালতে এ রিমান্ড আবেদন করেন সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক শহিদুল ইসলাম।

একই থানায় (গুলশান থানা) মাদক আইনে দায়ের করা অন্য মামলায় চারদিনের রিমান্ড শেষে গতকাল মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) আদালতে নেয়া হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম মাসুদুর রহমান এ আদেশ দেন।

গত বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম মইনুল ইসলাম চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করছিলেন।

এছাড়া র‌্যাবের অভিযানে বাসা থেকে হরিণের চামড়া উদ্ধারের ঘটনায় বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে সেলিম প্রধানকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

তার আগে থাই এয়ারওয়েজের টিজি-৩২২ নম্বর ফ্লাইটটি ছাড়ার আগ মুহূর্তে সেলিম প্রধানকে আটক করা হয়। তিনি বাংলাদেশে অনলাইনে ক্যাসিনো ব্যবসার মূলহোতা বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

 
রিশা হত্যার রায় ফের পেছাল
                                  

অনলাইন ডেস্ক : রাজধানীর উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী সুরাইয়া আক্তার রিশা (১৪) হত্যা মামলার রায় পিছিয়ে আগামী ১০ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

রোববার (৬ অক্টোবর) রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু কাশিমপুর কারাগার থেকে মামলার একমাত্র আসামি ওবায়দুলকে আদালতে উপস্থিত করেনি পুলিশ। এজন্য ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ রায় ঘোষণার জন্য ১০ অক্টোবর দিন ধার্য করেন।

১১ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ আসামি ও রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য ৬ অক্টোবর দিন ধার্য করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, পাঁচ-ছয় মাস আগে রিশা ও তার মা তানিয়া ইস্টার্ন মল্লিকা মার্কেটে বৈশাখী টেইলার্সে কাপড় সেলাই করাতে যান। এ সময় তার মা ওই দোকানের রসিদের রিসিভ কপিতে ফোন নম্বর দিয়ে আসেন। ওই টেইলার্সের কর্মচারী ওবায়দুল রিসিভ কপি থেকে ফোন নম্বর নিয়ে রিশাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে বিরক্ত করতেন। রিশার মা এ বিষয়ে ওবায়দুলকে সতর্ক করেন।

২০১৬ সালের ২৪ আগস্ট রিশা ও তার বন্ধু মুনতারিফ রহমান রাফি পরীক্ষা শেষে কাকরাইল ওভারব্রিজ পার হওয়ার সময় ওবায়দুল রিশাকে আবারও প্রেমের প্রস্তাব দেন। রিশা তা প্রত্যাখ্যান করলে ওবায়দুল তাকে ছুরিকাঘাত করেন।

পরে রক্তাক্ত অবস্থায় রিশাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৮ আগস্ট রিশা মারা যায়।

ছুরিকাঘাতের ঘটনায় ২৪ আগস্ট রিশার মা তানিয়া হোসেন বাদী হয়ে রমনা থানায় একটি মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।

২০১৬ সালের ১৪ নভেম্বর ওবায়দুলকে একমাত্র আসামি করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আলী হোসেন।

২০১৭ সালের ১৭ এপ্রিল ঢাকা মহানগর অষ্টম অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবুল কাশেম আসামি ওবায়দুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলায় ২৬ সাক্ষীর মধ্যে বিভিন্ন সময়ে ২১ জনের সাক্ষ্য নেয়া হয়েছে।

 
সেলিম প্রধান ৪ দিনের রিমান্ডে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : রাজধানীর গুলশান থানায় মাদক আইনে করা মামলায় অনলাইনে ক্যাসিনো খেলার মূলহোতা সেলিম প্রধানসহ তার দুই সহযোগীর ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। দুই সহযোগী হলেন- আক্তারুজ্জামান ও রোকন।

বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম মইনুল ইসলাম শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শুনানির আগে ঢাকা মহানগর হাকিম ধীমান চন্দ্র মণ্ডল মাদক মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন।

গুলশান থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা শেখ রকিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে বুধবার ঢাকা মহানগর হাকিম ধীমান চন্দ্র মন্ডলের আদালতে তাদের গ্রেফতার দেখানোর আবেদন ও সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেন গুলশান থানার পরিদর্শক (অপারেশন) আমিনুল ইসলাম। আদালত শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেছেন।

অপরদিকে তার বিরুদ্ধে গুলশান থানার মানি লন্ডারিং ও মাদক আইনের মামলার এজাহার গ্রহণ করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ৩ নভেম্বর দিন ধার্য করেন আদালত।

গুলশান থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক রকিবুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিন (বুধবার) গুলশান থানায় মানি লন্ডারিং ও মাদক আইনে তার বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করে র‌্যাব। এর আগে মঙ্গলবার অফিসে দুটি হরিণের চামড়া রাখায় সেলিম প্রধানকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

র‌্যাব জানায়, হরিণের চামড়া উদ্ধারের ঘটনায় সেলিম প্রধানকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া সেলিম ও তার দুই কর্মীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও মানি লন্ডারিং আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

সোমবার দুপুরে থাই এয়ারওয়েজের টিজি-৩২২ নম্বর ফ্লাইটটি ছাড়ার আগ মুহূর্তে সেলিম প্রধানকে আটক করা হয়। তিনি বাংলাদেশে অনলাইনে ক্যাসিনো ব্যবসার মূলহোতা বলে জানায় র‌্যাব।

এরপর সেলিমকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় রাজধানীর গুলশান-২ এর ১১/এ রোডে সেলিম প্রধানের অফিসে অভিযান শুরু করে র‌্যাব। রাতভর অভিযানের পর দুপুরে বনানীর আরেকটি অফিসে অভিযান চালানো হয়।

দুই জায়গায় অভিযান চালিয়ে ৪৮টি বিদেশি মদের বোতল, ২৯ লাখ ৫ হাজার ৫০০ নগদ টাকা, ২৩টি দেশের বৈদেশিক মুদ্রা (যার মূল্য ৭৭ লাখ ৬৩ হাজার টাকা), ১২টি পাসপোর্ট, ১২টি ব্যাংকের ৩২টি চেকবই, একটি বড় সার্ভার, চারটি ল্যাপটপ এবং দুটি হরিণের চামড়া উদ্ধার করে র‌্যাব।

র‌্যাবের তদন্তে সেলিমের গুলশানে ‘প্রধান ফ্যাশন’ ও ‘প্রধান বিউটি কেয়ার অ্যান্ড স্পা’ নামে আরও দুটি প্রতিষ্ঠানের সন্ধান পাওয়া যায়। সেখানে অভিযান চালিয়ে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

 
সেফুদার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক লাইভে পবিত্র কোরআনকে অবমাননার অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় সেফাত উল্লাহ সেফুদার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আস সামস জগলুল হোসেন প্রতিবেদন আমলে নিয়ে এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। গ্রেফতার-সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৯ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বুধবার সকালে ট্রাইব্যুনালের পেশকার শামীম আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সেফুদার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। আদালত প্রতিবেদনটি আমলে নিয়ে গত ২৯ সেপ্টেম্বর তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

এর আগে ১০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের উপ-পরিদর্শক পার্থ প্রতিম ব্রহ্মচারী আসামি সেফাত উল্লাহর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এর ২৫/২৯/৩১ ধারার অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় প্রতিবেদন দাখিল করেন।

প্রতিবেদনে তদন্তকারী কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, আসামি সেফাত উল্লাহ সেফুদা অনলাইনে একাধিকবার বিভিন্নভাবে একাধিক ভিডিও আপলোড করেছে, যা ভাইরাল হয়েছে। তিনি এসব ভিডিওর মাধ্যমে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অনেকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন কুরুচিপূর্ণ, অশ্লীল ও আক্রমণাত্মক অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছেন, যা আক্রমণাত্মক, মিথ্যা বা ভীতি প্রদর্শক, তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ, মানহানিকর তথ্য প্রকাশ এবং একাধিক গোষ্ঠীর মধ্যে মতবিরোধ সৃষ্টি করেছেন। ফলে দেশের আইনশৃঙ্খলার অবনতি হয়েছে। যা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এর ২৫/২৯/৩১ ধারার অপরাধের শামিল। তাই তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আদালতের নিকট প্রতিবেদন প্রেরণ করা হলো।

গত ২৩ এপ্রিল বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতে এ মামলাটি করেন ঢাকা বারের আইনজীবী আলীম আল রাজী (জীবন)। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটককে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ৯ এপ্রিল বাদী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেখতে পান যে, অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা প্রবাসী সেফাতউল্লাহ সেফুদা তার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে পবিত্র কোরআন সম্পর্কে বিভিন্ন ধরনের বাজে কথা বলছেন এবং কোরআনকে অবমাননা করছেন, যা সমগ্র ইসলামী বিশ্বকে মারাত্মকভাবে আহত করছে। লাইভটি ভাইরাল হওয়ায় প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে।

এছাড়া এ আসামি একইভাবে বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে বিভিন্ন সময় লাইভে এসে কুরুচিপূর্ণ, অশ্লীল, আক্রমণাত্মক ও অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেছেন। তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে নিয়েও কটূক্তি করেছেন।

 
প্রধান বিচারপতির এজলাসে টাঙানো হলো বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি
                                  

অনলাইন ডেস্ক : প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের এজলাসে টাঙানো হয়েছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি। মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের এক নং আদালত কক্ষে বঙ্গবন্ধুর ছবি টাঙানো হয়।

এ সময় প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল ড. মো. জাকির হোসেন, হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার গোলাম রাব্বানী, আপিল বিভাগের রেজিস্ট্রার বদরুল আলম ভূঁইয়া ও হাইকোর্টের স্পেশাল অফিসার মো. সাইফুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ উপস্থিত ছিলেন।

হাইকোর্ট দেশের সকল আদালতে দুই মাসের মধ্যে জাতির পিতার প্রতিকৃতি টাঙানো ও সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন। ওই নির্দেশের প্রেক্ষিতে আজ (মঙ্গলবার) দেশের সর্বোচ্চ আদালতে প্রধান বিচারপতির এজলাসে জাতির পিতার প্রতিকৃতি টাঙানো হলো।

নুসরাত হত্যার রায় ২৪ অক্টোবর
                                  

অনলাইন ডেস্ক : ফেনীর সোনাগাজী ইসলামীয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসার ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলার রায় আগামী ২৪ অক্টোবর ঘোষণা করা হবে।

আজ সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদ রায়ের এ তারিখ ঘোষণা করেন।

দু’পক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে তিনি এই রায় দেন বলে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হাফেজ আহমেদ জানান।

নুসরাত গেল ৬ এপ্রিল ওই মাদরাসা কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে গেলে কৌশলে ছাদে ডেকে নিয়ে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার বিরুদ্ধে করা শ্লীলতাহানির মামলা তুলে না নেয়ায় তাকে হত্যা করা হয় বলে পরিবারের অভিযোগ।

সুপ্রিম কোর্ট বারে মিন্নি
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় প্রধান সাক্ষী থেকে আসামি হওয়া নিহতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি ঢাকায় এসেছেন। রোববার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে বাবাসহ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী জেডআই খান পান্নার কক্ষে যান মিন্নি।

এর আগে শনিবার বিকেল ৪টায় বরগুনা লঞ্চঘাট থেকে এমভি শাহরুখ লঞ্চে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন মিন্নি। সঙ্গে আছেন বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর।

মোজাম্মেল হোসেন কিশোর জানিয়েছেন, মিন্নি শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হওয়ায় চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে আসা। এ ছাড়া মামলার বিষয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করতে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী জেডআই খান পান্নার কক্ষে এসেছি।

মিন্নির আইনজীবীরা জানান, সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনি লড়াই চালিয়ে যেতে আইনি পরামর্শের জন্যই মূলত ঢাকায় এসেছেন তিনি।

যদিও আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকায় গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলবেন না মিন্নি।

এর আগে গত ২ সেপ্টেম্বর মিন্নিকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালত বহাল রাখায় কারাগার থেকে মুক্তি পান মিন্নি। আদালতে মিন্নির পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জেড আই খান পান্না ও সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ এম আমিন উদ্দীন।

গত ২৯ আগস্ট মিন্নিকে স্থায়ী জামিন দেন হাইকোর্ট। তবে জামিনে থাকাকালে গণমাধ্যমের সঙ্গে কোনো কথা বলা যাবে না বলে শর্ত দেন আদালত।

হাইকোর্টের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় দেন। পরে ওই রায়ের বিরুদ্ধে মিন্নির জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করে। তবে ওই আবেদনে কোনো সাড়া না পেয়ে নিয়মিত আবেদনের সিদ্ধান্ত নেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা।

উল্লেখ্য, গত ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে প্রকাশ্যে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয় রিফাত শরীফকে। স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি হামলাকারীদের সঙ্গে লড়াই করেও সন্ত্রাসীদের ঠেকাতে পারেননি। গুরুতর অবস্থায় রিফাতকে ওইদিন বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রিফাত শরিফের মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ ও পাঁচ-ছয়জনকে অজ্ঞাত করে বরগুনা থানায় হত্যা মামলা করেন।

পরে ১৬ জুলাই সকাল পৌনে ১০টায় মিন্নিকে তার বাবার বাড়ি বরগুনা পৌর শহরের নয়াকাটা-মাইঠা এলাকা থেকে পুলিশ লাইন্সে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাত ৯টায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

পরদিন (১৭ জুলাই) মিন্নিকে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করলে বিচারক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজী পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এরপর কয়েক দফা আবেদন জানালেও নিম্ন আদালতে জামিন মেলেনি মিন্নির।


   Page 1 of 32
     আদালত
যুদ্ধাপরাধ মামলায় রাজশাহীর টিপুর রায় যেকোন দিন
.............................................................................................
১০ দিনের রিমান্ডে সম্রাট
.............................................................................................
মানবতাবিরোধী অপরাধে গাইবান্ধার পাঁচ আসামির মৃত্যুদণ্ড
.............................................................................................
মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় গাইবান্ধার পাঁচ আসামীর রায় আজ
.............................................................................................
ড. ইউনূসের গ্রেফতারি পরোয়ানা হাইকোর্টে স্থগিত
.............................................................................................
এক মাসের মধ্যে রাজীবের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা দেয়ার নির্দেশ
.............................................................................................
আবরার হত্যার আসামি অমিত-তোহা ৫ দিনের রিমান্ডে
.............................................................................................
স্কুলছাত্রী রিশা হত্যা মামলার রায় আজ
.............................................................................................
সম্রাটের রিমান্ড শুনানি পিছিয়ে ১৫ অক্টোবর
.............................................................................................
সেলিম প্রধানের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন
.............................................................................................
রিশা হত্যার রায় ফের পেছাল
.............................................................................................
সেলিম প্রধান ৪ দিনের রিমান্ডে
.............................................................................................
সেফুদার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
.............................................................................................
প্রধান বিচারপতির এজলাসে টাঙানো হলো বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি
.............................................................................................
নুসরাত হত্যার রায় ২৪ অক্টোবর
.............................................................................................
সুপ্রিম কোর্ট বারে মিন্নি
.............................................................................................
জিকে শামীমের ১০ দিনের রিমান্ড
.............................................................................................
রিফাত হত্যা : পলাতক ৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
.............................................................................................
রাজশাহীতে মা-ছেলে হত্যায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, চারজনের যাবজ্জীবন
.............................................................................................
মাসিক বেতনের ভিত্তিতে চালক নিয়োগের নির্দেশ হাইকোর্টের
.............................................................................................
ব্যারিস্টার মইনুলের জামিন
.............................................................................................
মিন্নির জামিন বহাল, মুক্তিতে বাধা নেই
.............................................................................................
অবশেষে মিন্নির জামিন
.............................................................................................
সব আদালতের এজলাস কক্ষে বঙ্গবন্ধুর ছবি টানানোর নির্দেশ
.............................................................................................
মশা নিধনে সারাদেশে ওষুধ ছিটাতে হাইকোর্টের নির্দেশ
.............................................................................................
মিন্নির জামিন শুনানি শেষ, আদেশ বৃহস্পতিবার
.............................................................................................
মিন্নির জামিন নিয়ে শুনানি আজ
.............................................................................................
ভোক্তা অধিকার নিশ্চিত করতে হটলাইন চালুর নির্দেশ হাইকোর্টের
.............................................................................................
রাজাকার আব্দুস সামাদের মৃত্যুদণ্ড
.............................................................................................
কাবিননামায় কুমারী শব্দ ব্যবহার করা যাবে না: হাইকোর্ট
.............................................................................................
কার্য বিরতিতে হাইকোর্টের তিন বিচারপতি
.............................................................................................
নবম ওয়েজ বোর্ডের গেজেট প্রকাশে বাধা নেই
.............................................................................................
নতুন বেঞ্চে মিন্নির জামিন আবেদন দাখিল
.............................................................................................
চামড়ার অস্বাভাবিক দরপতনের তদন্ত চেয়ে রিট
.............................................................................................
নবম ওয়েজ বোর্ড : রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি ১৯ আগস্ট
.............................................................................................
হাইকোর্টে মিন্নির জামিন শুনানি বৃহস্পতিবার
.............................................................................................
মিন্নির জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন
.............................................................................................
মশার ওষুধ আনতে গড়িমসি: সচিবকে হাইকোর্টে তলব
.............................................................................................
তিতাসের মৃত্যু : যুগ্ম সচিবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে রিট
.............................................................................................
পা হারানো রাসেলকে আরও পাঁচ লাখ টাকা দিল গ্রীনলাইন কর্তৃপক্ষ
.............................................................................................
খালেদার জামিন আবেদন শুনানি মঙ্গলবার
.............................................................................................
গণপিটুনিতে নিহত রেনুর পরিবারকে ৫ কোটি টাকা দিতে রিট
.............................................................................................
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে আরো দুই মামলা রায়ের অপেক্ষায়
.............................................................................................
এডিস মশা নির্মূলে ৭ দিনের মধ্যে কার্যকর ওষুধ আনবেন: দুই সিটিকে হাইকোর্ট
.............................................................................................
ডেঙ্গুর ব্যাখ্যা দিতে দুই সিটির স্বাস্থ্য কর্মকর্তা হাইকোর্টে
.............................................................................................
ব্যারিস্টার সুমনের বিরুদ্ধে মামলা
.............................................................................................
প্রিয়া সাহার বিরুদ্ধে ব্যারিস্টার সুমনের রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা খারিজ
.............................................................................................
প্রিয়া সাহার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা
.............................................................................................
প্রিয়া সাহার বিরুদ্ধে মামলা করতে আদালতে ব্যারিস্টার সুমন
.............................................................................................
আদালতে খুন : বিচারকদের নিরাপত্তা চেয়ে রিট
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]