| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * ঢাকাকে হারিয়ে জয়ে ফিরল খুলনা   * ঢাকাকে হারিয়ে জয়ে ফিরল খুলনা   * ব্রহ্মপুত্রে বাঁধ দিচ্ছে চীন, পানি সংকটের আশঙ্কা ভারতে   * চূড়ান্ত ফল প্রকাশ, ৯৪% কার্যকর মডার্নার ভ্যাকসিন   * সাপাহারে বে-সরকারি ক্লিনিকে অভিযান, অর্থদন্ড ৭৫ হাজার টাকা   * ভাস্কর্যকে মূর্তির সাথে তুলনা বিভ্রান্তি-উস্কানির অপচেষ্টা মাত্র : তথ্যমন্ত্রী   * ২৩ পৌরসভায় বিএনপির মনোনয়ন পেলেন যারা   * ৯৯৯-এ ফোন করে মিথ্যা তথ্য দিলে শাস্তি   * ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নির্বাচনে নোমানী সভাপতি, মশিউর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত   * কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের উদ্যোগে ২ দিন ব্যাপী জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের সূচনা  

   আদালত -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
সাওদা হত্যা: মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে আসামির যাবজ্জীবন

অনলাইন ডেস্ক : বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সাওদা বেগম হত্যা মামলার আসামি একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের ছাত্র রাসেল মিয়ার মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। একই সঙ্গে ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

দীর্ঘ শুনানি শেষে সোমবার (২৩ নভেম্বর) বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ এবং বিচারপতি এ, এস, এম আবদুল মোবিন-এর দ্বৈত বেঞ্চ ডেথ রেফারেন্স এবং আপিল নামঞ্জুর করে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছাত্র রাসেলের সাজা কমিয়ে এই রায় দেওয়া হয়।

আদালতে প্রাথমিক শুনানিতে অংশ নেন সিনিয়র আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন। পরবর্তীতে মামলার পূর্ণাঙ্গ শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী এম. মাসুদ রানা, মো. আসাদ উদ্দিন ও মোহাম্মদ নোয়াব আলী। রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল শুনানিতে অংশ নেন।

মামলার ঘটনায় প্রকাশ, ২০১৩ সালের ৫ সেপ্টেম্বর বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সওদা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। ঘটনার দিন হত্যাকাণ্ডের শিকার সওদার মা সাহিদা বেগম বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রাসেল মিয়াসহ অজ্ঞাতনামা দু-তিনজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এজাহারে মা উল্লেখ করেন তার মেয়ে ও রাসেলের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পারিবারিক কারণে সাওদা রাসেলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে। ফলে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।

২০১৩ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর পুলিশ আসামি রাসেল মিয়াকে গ্রেফতার করে। একই দিনে আসামি রাসেল মিয়া ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। ২০১৪ সালের ৩০ এপ্রিল তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামি রাসেল মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

২০১৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর বরিশালের বিজ্ঞ ভারপ্রাপ্ত দায়রা জজ এস এম নাসিম রেজা ৩০২ ধারায় অভিযোগ গঠন করেন।

সব সাক্ষ্যপ্রমাণ গ্রহণ শেষে ২০১৫ সালের ১ জুন আদালত আসামি রাসেলকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। রায়ের বিরুদ্ধে আসামি হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করেন। ২০১৯ সালের ৯ মে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল শুনানি শুরু হয়। দীর্ঘ শুনানি শেষে সোমবার (২৩ নভেম্বর) রায়ের জন্য দিন ধার্য করা হয়। সূত্র: সময় সংবাদ

সাওদা হত্যা: মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে আসামির যাবজ্জীবন
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সাওদা বেগম হত্যা মামলার আসামি একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের ছাত্র রাসেল মিয়ার মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। একই সঙ্গে ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

দীর্ঘ শুনানি শেষে সোমবার (২৩ নভেম্বর) বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ এবং বিচারপতি এ, এস, এম আবদুল মোবিন-এর দ্বৈত বেঞ্চ ডেথ রেফারেন্স এবং আপিল নামঞ্জুর করে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ছাত্র রাসেলের সাজা কমিয়ে এই রায় দেওয়া হয়।

আদালতে প্রাথমিক শুনানিতে অংশ নেন সিনিয়র আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন। পরবর্তীতে মামলার পূর্ণাঙ্গ শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী এম. মাসুদ রানা, মো. আসাদ উদ্দিন ও মোহাম্মদ নোয়াব আলী। রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল শুনানিতে অংশ নেন।

মামলার ঘটনায় প্রকাশ, ২০১৩ সালের ৫ সেপ্টেম্বর বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সওদা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। ঘটনার দিন হত্যাকাণ্ডের শিকার সওদার মা সাহিদা বেগম বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রাসেল মিয়াসহ অজ্ঞাতনামা দু-তিনজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এজাহারে মা উল্লেখ করেন তার মেয়ে ও রাসেলের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পারিবারিক কারণে সাওদা রাসেলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে। ফলে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।

২০১৩ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর পুলিশ আসামি রাসেল মিয়াকে গ্রেফতার করে। একই দিনে আসামি রাসেল মিয়া ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। ২০১৪ সালের ৩০ এপ্রিল তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামি রাসেল মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

২০১৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর বরিশালের বিজ্ঞ ভারপ্রাপ্ত দায়রা জজ এস এম নাসিম রেজা ৩০২ ধারায় অভিযোগ গঠন করেন।

সব সাক্ষ্যপ্রমাণ গ্রহণ শেষে ২০১৫ সালের ১ জুন আদালত আসামি রাসেলকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। রায়ের বিরুদ্ধে আসামি হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করেন। ২০১৯ সালের ৯ মে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল শুনানি শুরু হয়। দীর্ঘ শুনানি শেষে সোমবার (২৩ নভেম্বর) রায়ের জন্য দিন ধার্য করা হয়। সূত্র: সময় সংবাদ

হলমার্কের ৩৮৩৪ শতক জমির মালিক এখন সোনালী ব্যাংক
                                  

অনলাইন ডেস্ক : হলমার্ক ফ্যাশন লিমিটেডের তিন হাজার ৮৩৪ শতক জমির ভোগ ও দখলের মালিক এখন রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সোনালী ব্যাংক।

হলমার্ক ফ্যাশনের এমডি তানভীর আহম্মেদ ও চেয়ারম্যান জেসমিন আক্তার সোনালী ব্যাংকের কাছ থেকে এই জমি বন্ধক দেয়ার শর্তে ঋণ নিয়েছিলেন। এরপর তারা সম্পত্তি বন্ধক দেননি।

এই ঋণের পরিমাণ সুদসহ দাঁড়ায় ৫৮৭ কোটি ৮৮ লাখ ৫৯ হাজার ৫১২ টাকা। এই ঋণের টাকার জন্য সোনালী ব্যাংক ২০১৮ সালে একটি মামলা দায়ের করে।

রোববার (২২ নভেম্বর) ঢাকার অর্থ-ঋণ আদালতের বিচারক জাহাঙ্গীর হোসেন সোনালী ব্যাংককে হলমার্ক ফ্যাশনের তিন হাজার ৮৩৪ শতক জমির ভোগ ও দখল বিষয়ে সদনপত্র প্রদান করেন।

সোনালী ব্যাংকের প্যানেল আইনজীবী জাহাঙ্গীর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, হলমার্ক এমডি ও চেয়ারম্যান সোনলী ব্যাংকে সম্পত্তি বন্ধক দেয়ার শর্তে ঋণ নিয়েছিলেন। তারা ঋণের টাকা পরিশোধ না করায় আমরা ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারি আদালতে মামলা করি। এরপর ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর হলমার্কের তিন হাজার ৮৩৪ শতক জমি ক্রোক করার আবেদন করি। আজ আদালত হলমার্কের জমির ভোগ ও দখলের মালিকানার সদন সোনালী ব্যাংককে প্রদান করেন। জাগোনিউজ২৪

অর্থ পাচারকারীদের তথ্য চেয়েছেন হাইকোর্ট
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বিদেশে অর্থ পাচারকারীদের সব ধরনের তথ্য চেয়েছেন হাইকোর্ট।

আগামী ১৭ ডিসেম্বরের মধ্যে পররাষ্ট্র সচিব, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে বাসস`কে জানান দুদক আইনজীবী খুরশীদ আলম খাঁন।

বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি আহমেদ সোহেল সমন্বয়ে গঠিত একটি ভার্চ্যুয়াল হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে রুলসহ আজ রোববার এ আদেশ দেন।
বিদেশে অর্থ পাচারকারীদের নিয়ে ১৯ এবং ২১ নভেম্বর জাতীয় বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে এ আদেশ দেন আদালত।

এ সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খাঁন ও ডেপুটি এটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক।
পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, রাজনীতিবিদেরা নন, বিদেশে বেশি অর্থ পাচার করেন সরকারি চাকুরেরা। বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) আয়োজিত মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। গোপনে কানাডার টরেন্টোতে অবস্থিত বাংলাদেশিদের বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, `আমার ধারণা ছিল রাজনীতিবিদদের সংখ্যা বেশি হবে, কিন্তু আমার কাছে যে তথ্য এসেছে, যদিও এটি সামগ্রিক তথ্য নয়, সেটিতে আমি অবাক হয়েছি। সংখ্যার দিক থেকে আমাদের অনেক সরকারি কর্মচারীর বাড়িঘর সেখানে বেশি আছে এবং তাদের ছেলেমেয়েরা সেখানে থাকে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, `আমার কাছে ২৮টি কেস এসেছে এবং এর মধ্যে রাজনীতিবিদ হলেন চারজন। এ ছাড়া কিছু আছেন আমাদের তৈরি পোশাক শিল্পের ব্যবসায়ী। আমরা আরও তথ্য সংগ্রহ করছি। পাচারে শুধু কানাডা নয়, মালয়েশিয়াতেও একই অবস্থা। তবে তথ্য পাওয়া খুব কঠিন। বিভিন্ন মিডিয়ায় যে তথ্য বের হয়, হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হচ্ছে, আসলে সংখ্যাটি তত নয়। `
পাচারের দায় বিদেশি সরকারও এড়াতে পারে না উল্লেখ করে আব্দুল মোমেন বলেন, `যেমন সুইজারল্যান্ডে কে ব্যাংকে টাকা রাখলেন, সেই তথ্য আমাদের দেয় না। তারা ট্রান্সপারেন্সির কথা বলে, কিন্তু যদি বলি কার কার টাকা আছে, সেই তথ্য দাও, তখন তারা দেয় না। এটি একটি ডাবল স্ট্যান্ডার্ড। `

খুরশীদ আলম খাঁন বাসস`কে জানান, এ বিষয়ে আদালত আজ অন্তর্বর্তীকালীন আদেশসহ রুলও জারি করেন। রুলে টাকা পাচারকারী সরকারি কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্ট টাকা পাচারকারীদের বিরুদ্ধে আইন অনুসারে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। চার সপ্তাহের মধ্যে দুদক চেয়ারম্যান, স্বরাষ্ট্র সচিব, পররাষ্ট্র সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ ফিনানসিয়াল ইন্টিলিজেন্স ইউনিট, এনবিআর চেয়ারম্যান এবং ঢাকা জেলা প্রশাসককে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এ রুল বিবেচনায় থাকা অবস্থায় বিদেশে টাকা পাচারকারীদের নাম ঠিকানাসহ যাবতীয় তথ্য (মামলাসহ, কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে কিনা) প্রতিবেদন আকারে জমা দিতে দুদক চেয়ারম্যান, স্বরাষ্ট্র সচিব, পররাষ্ট্র সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ ফিনানসিয়াল ইন্টিলিজেন্স ইউনিট, এনবিআর চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আদেশের জন্য ১৭ ডিসেম্বর দিন রেখেছেন হাইকোর্ট।

দুদক আইনজীবী বলেন, আদালতের এ আদেশের ফলে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ ছাড়া বিদেশে টাকা প্রেরণ নিষিদ্ধ হলো।
ডেপুটি এটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিকও আদালতের আদেশের বিষয়টি বাসস`কে জানান। বাসস

ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণ মামলার রায় দুপুরে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : চলতি বছরের জানুয়ারিতে রাজধানীর কুর্মিটোলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক ছাত্রীকে ধর্ষণ মামলার রায় বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) ঘোষণা করা হবে। বেলা ৩টায় ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক বেগম মোসাম্মৎ কামরুন্নাহার এ রায় ঘোষণা করবেন।

রায়ে কী প্রত্যাশা করছেন, এমন প্রশ্নের উত্তরে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি আফরোজা ফারহানা আহম্মেদ অরেঞ্জ জাগো নিউজকে বলেন, `ঢাবি শিক্ষার্থী ধর্ষণ মামলার রায় বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) বেলা ৩টায় ঘোষণা করা হবে। ১৩ কার্যদিবসে আমরা মামলার কার্যক্রম শেষ করেছি। মামলার একমাত্র আসামি মজনুর বিরুদ্ধে আমরা ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। এছাড়া তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন। তাই আমরা মজনুর সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রত্যাশা করছি।`

তবে মজনুর আইনজীবী (সরকার থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত) রবিউল ইসলামের দাবি, `মজনুর বিরুদ্ধে ধর্ষণের যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা রাষ্ট্রপক্ষ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়নি। রায়ে মজনু খালাস পাবেন।`

এর আগে ১২ নভেম্বর ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক বেগম মোসাম্মৎ কামরুন্নাহার উভয়পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য ১৯ নভেম্বর দিন ধার্য করেন। মামলার ২৪ সাক্ষীর মধ্যে ২০ জনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে। ১৩ কার্যদিবসে মামলাটির বিচার কার্যক্রম শেষ হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৫ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে চড়ে সন্ধ্যা ৭টার দিকে রাজধানীর কুর্মিটোলা বাসস্ট্যান্ডে নামেন ওই ঢাবি ছাত্রী। এরপর অজ্ঞাত এক ব্যক্তি তার মুখ চেপে ধরে সড়কের পেছনে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতন করে। নির্যাতনের একপর্যায়ে জ্ঞান হারান ওই ছাত্রী। ডাক্তারি পরীক্ষায় নির্যাতনের শিকার ছাত্রীর শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ক্ষতচিহ্ন পাওয়া গেছে।

রাতে জ্ঞান ফিরলে নিজেকে একটি নির্জন জায়গায় আবিষ্কার করেন ওই ছাত্রী। পরে সিএনজি অটোরিকশা নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে যান তিনি। রাত ১২টার দিকে তাকে ঢামেক হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করেন সহপাঠীরা।

পরদিন সকালে অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে ওই শিক্ষার্থীর বাবা ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করেন। মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি উত্তর)। ৮ জানুয়ারি মজনুকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। ৯ জানুয়ারি সাত দিনের রিমান্ডে নিয়ে মজনুকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পুলিশকে অনুমতি দেন আদালত। ১৬ জানুয়ারি ধর্ষণের দায় স্বীকার করে ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন অভিযুক্ত।

১৬ মার্চ ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে মজনুর বিরুদ্ধে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক আবু বক্কর। ২৬ আগস্ট ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক বেগম মোসাম্মৎ কামরুন্নাহার ভার্চুয়াল আদালতে মজনুর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। বর্তমানে মজনুকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয়েছে। সূত্র: জাগোনিউজ২৪

পিছিয়েছে গ্যাটকো মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানি
                                  

অনলাইন ডেস্ক : গ্যাটকো দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছানো হয়েছে। আগামী ২২ ডিসেম্বর শুনানির নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বুধবার (১৮ নভেম্বর) মামলা অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য থাকলে অসুস্থতার কারণে আদালতে উপস্থিত ছিলেন না বিএনপির চেয়ারপারসন। অনুপস্থিতির জন্য তার আইনজীবী জিয়া উদ্দিন জিয়া আদালতের কাছে সময় প্রার্থনা করেন। খালেদা জিয়ার আইনজীবীর প্রার্থনার পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা তিন নম্বর বিশেষ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক নজরুল ইসলাম শুনানি মুলতবি করে নতুন দিন ধার্য করেন।

২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপ-পরিচালক গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী চারদলীয় জোট সরকারের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় এ মামলা দায়ের করেন।

মামলার পরদিন খালেদা জিয়া ও কোকোকে গ্রেফতার করা হয়। ওই বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর মামলাটি অন্তর্ভুক্ত করা হয় জরুরি ক্ষমতা আইনে। পরের বছর ১৩ মে খালেদা জিয়াসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে এ মামলায় অভিযোগপত্র দেয়া হয়।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশ করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গ্যাটকোকে ঢাকার কমলাপুর আইসিডি ও চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের কাজ পাইয়ে দিয়ে রাষ্ট্রের ১৪ কোটি ৫৬ লাখ ৩৭ হাজার ৬১৬ টাকার ক্ষতি করেছেন। সূত্র: সময় সংবাদ

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আগুন
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের এজলাসে আগুন লেগেছে। সোমবার (১৬ নভেম্বর) বিকেলে এ আগুন লাগে।

আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট। প্রাথমিকভাবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আদালতে রেকর্ড রুমে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। যখন আগুন লাগে তখন এজলাস চলছিলো। ফায়ার সার্ভিস পানি ছাড়া আগুন নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা করছে। যাতে গুরুত্বপূর্ণ ফাইলগুলো রক্ষা করা যায়।

ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার রজিনা আক্তার গণমাধ্যমকে জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে তাদের দুটি ইউনিট কাজ করছে।

তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের খবর বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানাতে পারেননি তিনি।

হাজী সেলিমের দুর্নীতি মামলার নথি তলব হাইকোর্টের
                                  

অনলাইন ডেস্ক : আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিমের ১৩ বছর দণ্ডাদেশ মামলার বিচারিক আদালতে থাকা যাবতীয় নথি (এলসিআর) তলব করে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে ঢাকার বিশেষ জজ আদালতকে এসব নথি হাইকোর্টে পাঠাতে বলা হয়েছে।

বুধবার (১১ নভেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল বেঞ্চে এই আদেশ দেন।

আদালতে আজ দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। হাজী সেলিমের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান মনির।

এর আগে সোমবার (৯ নভেম্বর) হাইকোর্টে এ মামলার আপিল শুনানির জন্য কার্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে আবেদন করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

২০০৭ সালের ২৪ অক্টোবর হাজী সেলিমের বিরুদ্ধে লালবাগ থানায় অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ মামলায় ২০০৮ সালের ২৭ এপ্রিল তাকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত।

২০০৯ সালের ২৫ অক্টোবর এ রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন হাজী সেলিম। ২০১১ সালের ২ জানুয়ারি হাইকোর্ট এক রায়ে তার সাজা বাতিল করেন। পরবর্তীতে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে দুদক। ওই আপিলের শুনানি শেষে ২০১৫ সালের ১২ জানুয়ারি হাইকোর্টের রায় বাতিল করে পুনরায় হাইকোর্টে শুনানির নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ। সূত্র: জাগোনিউজ২৪

মানিলন্ডারিং মামলায় জি কে শামীমসহ ৮ জনের বিচার শুরু
                                  

অনলাইন ডেস্ক : অর্থপাচার আইনে করা মামলায় এসএম গোলাম কিবরিয়া শামীমসহ (জিকে শামীম) আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। অভিযোগ গঠনের ফলে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০-এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। একই সঙ্গে মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ১৯ নভেম্বর দিন ধার্য করেন।

মামলার অপর আসামিরা হলেন-দেলোয়ার হোসেন, মুরাদ হোসেন, মো. জাহিদুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, জামাল হোসেন, সামসাদ হোসেন ও আমিনুল ইসলাম।

এর আগে গত ৫ অক্টোবর ঢাকা মহানগর আদালতের জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালত এ অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০-এ বদলি করেন।

গত ৪ আগস্ট সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ইকোনমিক ক্রাইম স্কোয়াড) আবু সাঈদ আটজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এ মামলায় মোট ২৬ জনকে সাক্ষী করা হয়।

২০১৯ সালের ২১ সেপ্টেম্বর র‍্যাব-১-এর নায়েব সুবেদার মিজানুর রহমান বাদী হয়ে গুলশান থানায় আসামিদের বিরুদ্ধে অর্থপাচার প্রতিরোধ আইনে মামলাটি করেন।

২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর নিকেতনে শামীমের বাড়ি ও অফিসে অভিযান চালিয়ে আটটি আগ্নেয়াস্ত্র, বিপুল পরিমাণ গুলি, ১৬৫ কোটি টাকার এফডিআর এবং নগদ প্রায় এক কোটি ৮১ লাখ টাকা, বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা এবং মদ জব্দ করে র‌্যাব।

জমজ নবজাতক মৃত্যু : ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : তিন হাসপাতালে ঘুরে জমজ নবজাতক মৃত্যুর ঘটনা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ওই হাসপাতালগুলোর কর্তৃপক্ষকে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা শিশু হাসপাতাল ও মুগদার ইসলামিয়া হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ব্যাখা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
আজ সোমবার ২ নভেম্বর বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি আহমেদ সোহেল সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।

মুত্যুর পর মরদেহ নিয়ে জমজ নবজাতকের বাবা সুপ্রিমকোর্টের এমএলএসএস মো. আবুল কালাম আজাদ আদালত চত্বরে নিয়ে আসেন।
রুলে চিকিৎসা অবহেলায় বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ হবে না- তা জানতে চেয়েছেন।

ডেপুটি এটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক বলেন, আজ সোমবার সকালে সুপ্রিমকোর্টের এমএলএসএস মো.আবুল কালাম আজাদের স্ত্রী সায়েরা খাতুন অসুস্থবোধ করলে মুগদা হাসপাতাল নেয়ার পথে সিএনজিচালিত অটোরিকশার মধ্যে দু`টি বাচ্চা প্রসব করেন। এ সময় তারা প্রসূতিকে ইসলামিয়া হাসপাতালে ভর্তি করেন। ইসলামিয়া হাসপাতালে এ বিষয়ে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। তারা নবজাতকদের শ্যামলীতে ঢাকা শিশু হাসপাতালে নিতে বলা হয়। পরে দুই নবজাতককে অ্যাম্বুলেন্সে করে শিশু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বলে তাদের আইসিইউ খালি নেই। নরমাল বেডে ভর্তি করতে হবে। এ জন্য দিনে প্রতি বাচ্চার জন্য ৫ হাজার করে টাকা লাগবে। এ সময় আবুল কালাম আজাদ হাইকোর্টের এক বিচারপতির সঙ্গে এ বিষয়ে আলাপ করেন। বিচারপতি তার নবজাতকদের বঙ্গবন্ধু মেডিক্যালে নিয়ে আসতে বলেন এবং পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। পরে তিনি বঙ্গবন্ধু মেডিক্যালে নিয়ে আসেন এবং পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন। কিন্তু পরিচালকের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা তাকে জানান, পরিচালক মিটিংয়ে আছেন। পরে জানান, পরিচালক বাসায় চলে যান। এরপর পরিচালকের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা একজন চিকিৎসককে দিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে নবজাতকদের দেখান। তখন চিকিৎসক বলেন, জমজ নবজাতক আর বেঁচে নেই।

তারপর আবুল কালাম আজাদ অ্যাম্বুলেন্সে করে তাদের মরদেহ আদালত চত্বরে নিয়ে আসেন। এরপর আদালত আদেশ দেন বলে জানান আমিন উদ্দিন মানিক। বাসস

দুদকের তলব নোটিশ বিষয়ে ডিএজি রুপার রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করে দুদকের দেয়া নোটিশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ডেপুটি এটর্নি জেনারেল (ডিএজি) জান্নাতুল ফেরদৌসী রুপার রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে।

বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি আহমেদ সোহেল সমন্বয়ে গঠিত একটি ভার্চ্যুয়াল হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ আজ এ আদেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী জেড আই খান পান্না ও সুরাইয়া বেগম। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

দুদক আইনজীবী খুরশীদ আলম বলেন, আদালত এ রিটটি শুনতে অপারগতা প্রকাশ করে কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন।
ডিএজি রুপার পক্ষে তার আইনজীবী হিসেবে সুরাইয়া বেগম গতকাল ১ নভেম্বর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট পিটিশন দাখিল করেন।

রিটে স্বরাষ্ট্র সচিব, দুদক চেয়ারম্যান, দুদকের মহাপরিচালক (বিশেষ অনুসন্ধান এবং তদন্ত-২) এবং উপরিচালককে (বিশেষ অনুসন্ধান এবং তদন্ত-২) রেসপনডেন্ট করা হয়েছে। রিটে নোটিশের কার্যকারিতা স্থগিত ও রুল জারির আর্জি পেশ করা হয়েছে।
ডিএজি জান্নাতুল ফেরদৌসী রুপাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গত ২৮ অক্টোবর নোটিশ দেয় দুদক। ওই নোটিশে আগামী ৪ নভেম্বর সকাল ১০টায় তাকে রেকর্ডপত্র-কাগজপত্রসহ দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে।

দুদক নোটিশে ডিএজি রুপার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও জাল জালিয়াতির মাধ্যমে ঘুষ গ্রহণপূর্বক বিতর্কিত ঠিকাদার জিকে শামীমসহ বিভিন্ন আসামীর সঙ্গে আঁতাত করে জামিন করিয়ে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেয়াসহ জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে চাওয়া হয়েছে। বাসস

ইরফান সেলিম ও তার বডিগার্ড জাহিদ ফের রিমান্ডে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তাকে মারধর ও হত্যার হুমকির মামলায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছেলে মোহাম্মদ ইরফান সেলিম ও তার বডিগার্ড মোহাম্মদ জাহিদের আবারও দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

তিন দিনের রিমান্ড শেষে রোববার (১ নভেম্বর) তাদের ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য আবারও পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

অন্যদিকে তাদের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম জিয়াউর রহমান জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে বুধবার (২৮ অক্টোবর) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নুর তাদের দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত ২৫ অক্টোবর রাতে হাজী সেলিমের ‘সংসদ সদস্য’ লেখা সরকারি গাড়ি থেকে নেমে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ আহমদ খানকে মারধর করা হয়। রাজধানীর কলাবাগান সিগন্যালের পাশে এ ঘটনা ঘটে।

ওইদিন রাতে এ ঘটনায় জিডি হলেও পরদিন ভোরে ইরফান সেলিম, তার দেহরক্ষী মো. জাহিদ, এ বি সিদ্দিক দিপু এবং গাড়িচালক মিজানুর রহমানসহ অজ্ঞাত দু-তিনজনকে আসামি করে ওয়াসিফ আহমদ খান বাদী হয়ে ধানমন্ডি থানায় একটি মামলা করেন।

মামলায় সোমবার দুপুরে ইরফানকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। এছাড়া পুরান ঢাকায় তার বাসায় অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে ৩৮টি ওয়াকিটকি, পাঁচটি ভিপিএস সেট, একটি পিস্তল, একটি একনলা বন্দুক, একটি ব্রিফকেস, একটি হ্যান্ডকাফ, একটি ড্রোন এবং সাত বোতল বিদেশি মদ ও বিয়ার উদ্ধার করা হয়।

বাসায় বিদেশি মদ ও অনুমোদনহীন ওয়াকিটকি রাখায় কাউন্সিলর ইরফান সেলিম ও তার বডিগার্ড মো. জাহিদকে এক বছর করে জেল দেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। রাতেই তাদের কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। সূত্র: জাগোনিউজ২৪

৩ দিনের রিমান্ডে ইরফান সেলিম ও তার বডিগার্ড
                                  

মিয়া আবদুল হান্নান : ইরফান ও তার দেহরক্ষী আদালতে সবসময় ১২ দেহরক্ষী নিয়ে চলতেন ইরফান সেলিম, নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনার মামলায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ডিএসসিসি ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগের ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিমের ছেলে মোহাম্মদ ইরফান সেলিম ও তার বডিগার্ড মোহাম্মদ জাহিদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ ২৮ অক্টোবর বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নুর শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।গত ২৫ অক্টোবর রোববার রাতে সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিমের ‘সংসদ সদস্য’ লেখা সরকারি গাড়ি থেকে নেমে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ আহমদ খানকে মারধর করা হয়। রাজধানীর কলাবাগান সিগন্যালের পাশে এ ঘটনা ঘটে। রোববার রাতে এ ঘটনায় জিডি হলেও সোমবার ভোরে এরফান সেলিম, তার দেহরক্ষী মো. জাহিদ, এ বি সিদ্দিক দিপু এবং গাড়িচালক মিজানুর রহমানসহ অজ্ঞাত ২-৩ জনকে আসামি করে ওয়াসিফ আহমদ খান বাদী হয়ে ধানমন্ডি থানায় একটি মামলা করেন। এর আগে ২৭ অক্টোবর মঙ্গলবার নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তাকে মারধর ও হত্যার হুমকির ঘটনায় ধানমন্ডি থানায় করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাদের গ্রেফতার দেখানো-পূর্বক সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন ধানমন্ডি থানার পরিদর্শক (নিরস্ত্র) আশফাক রাজীব হায়দার। ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নুর এ বিষয় শুনানির জন্য আজ বুধবার পূর্ব নির্ধারিত দিন তারিখ। হাজী মোহাম্মদ সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিম পুরান ঢাকায় তার নিজস্ব নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গড়ে তোলাসহ, আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব চালিয়ে আসছিলেন। তার দেহরক্ষী হিসেবে ১২ জন মহিলা সবসময় তার পাশেই থাকতেন। গতকাল ২৭ অক্টোবর ২০২০ মঙ্গলবার ইরফানের দেহরক্ষী জাহিদুলের কাছ থেকে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উদ্ধার করেছেন র ্যাব । তার কাছ থেকে জানা যায়, ৭০ জনের বেশি সদস্যের এক শক্তিশালী গ্যাং আছে ইরফানের। তাদের সাথে ওয়াকিটকির মাধ্যমে যোগাযোগ করতো র ্যাব জানায়, ইরফানের অধিকাংশ দেহরক্ষীর কাছে অবৈধ অস্ত্র আছে। এই অবৈধ অস্ত্র ব্যবহারের চেয়ে ভয়ভীতি দেখানোর কাজে বেশি ব্যবহার করা হতো। এই অবৈধ অস্ত্রগুলো বিদেশ থেকে নিয়ে আসা। একইদিন তার দেহরক্ষী জাহিদুলের কাছ থেকে একটি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করে র‌্যাব। র‌্যাবের সূত্র বলছে, ইরফান দেহরক্ষীদের সঙ্গে নিয়ে নিয়মিত মদ পান করতেন। নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ আহম্মেদ এর সাথে মারধরের ঘটনার দিনও এরফান মাদক সেবন করেছিলেন। মদ খেয়ে মাতাল অবস্থাতেই মারধর করেন তিনি। ঘটনার পর বাসায় ফিরে নিজের ভুল বুঝতে পারেন ইরফান। ওইদিন রাতে আবার দাদাবাড়ীর চারতালায় নিজের বারে ঢুকে সারারাত মদ পান করেন ইরফান। অভিযানের দিন নিজের মদ পানের কথাও স্বীকার করেন তিনি। অভিযান চলাকালীন সময়েই র ্যাব তার ডোপ টেস্ট করে, স্থানীয় লোকজন ও র‌্যাব সূত্র জানা গেছে, ইরফান সেলিম ও তার পরিবারে মোট ৪০ জন দেহরক্ষী। তারা সবসময় `চাঁন সরদার দাদাবাড়ী` ঘিরে রাখত। এরমধ্যে ১২ জন দেহরক্ষী ছিল শুধু ইরফানের। সুঠাম দেহের অধিকারী এসব দেহরক্ষীকে তিনি নিজেই নিয়োগ দেন। ইরফান বা তার পরিবারের কেউ বাসভবনের বাইরে গেলে অন্তত আধাঘণ্টা আগেই ভিভিআইপি প্রটোকলের মতো করে চকবাজারের বিভিন্ন সড়ক বন্ধ করে দেওয়া হতো। তারা বাসায় ফেরার আগে একই কাজ করত ওই দেহরক্ষীরা।

স্থানীয়রা জানান, ইরফান বা তার পরিবারের যাতায়াতের সময়ে কেউ রাস্তায় থাকলে বা ভুলে কোনো রিকশা-গাড়ি রাস্তায় ঢুকলে তাদের বেদম পেটানো হতো। ওই ৪০ দেহরক্ষীর বাইরে অন্তত ১০০ বেতনভুক্ত ক্যাডার রয়েছে ইরফান এদিকে, গতকাল ২৭ অক্টোবর মঙ্গলবার দিবাগত রাতে চকবাজার থানায় ইরফান সেলিম ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে পৃথক দুটি করে মোট চারটি মামলা করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। উল্লেখ্য, গত ২৫ অক্টোবর রোববার রাতে ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিমের ‘সংসদ সদস্য’ লেখা সরকারি গাড়ি থেকে নেমে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ আহমেদ খানকে মারধর করা হয়। রাতে এ ঘটনায় জিডি হলেও ২৬ অক্টোবর সোমবার ভোরে হাজী সেলিমের ছেলেসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন ওয়াসিফ খান মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ইরফানের গাড়ি ওয়াসিমকে ধাক্কা মারার পর নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিম সড়কের পাশে মোটরসাইকেলটি থামান এবং গাড়ির সামনে দাঁড়ান। নিজের পরিচয় দেন। তখন গাড়ি থেকে আসামিরা একসঙ্গে বলতে থাকেন, তোর নৌবাহিনী/সেনাবাহিনী বের করতেছি, তোর লেফটেন্যান্ট/ক্যাপ্টেন বের করতেছি। তোকে এখনই মেরে ফেলব।

বিশ্বনবীকে নিয়ে কার্টুন : অবশেষে মুখ খুলল সৌদি
                                  

অনলাইন ডেস্ক : অবশেষে সীমিত পরিসরে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে মুখ খুলল ইসলাম ধর্মের তীর্থস্থানখ্যাত সৌদি আরব। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর বিতর্কিত কার্টুন প্রদর্শন এবং ইসলাম ধর্মের সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগের ঘটনায় ফ্রান্সের নিন্দা জানিয়েছে দেশটি। তবে এর বেশি আর কোনো প্রতিবাদ করেনি তারা।

এক বিবৃতিতে সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বাকস্বাধীনতা, এর সংস্কৃতি শ্রদ্ধা, সহনশীলতা এবং শান্তির ভিত্তিতে হওয়া উচিত; যা ঘৃণা, সহিংসতা এবং চরমপন্থার উৎপত্তি ও সহাবস্থানবিরোধী চর্চা প্রত্যাখ্যান করে।

গত ১৬ অক্টোবর ফ্রান্সের একটি সড়কে শিক্ষক স্যামুয়েল প্যাটিকে হত্যা করেছিল এক তরুণ। কারণ, ওই শিক্ষক ক্লাসে মহানবীর কার্টুন দেখিয়ে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন। তখনই শিক্ষকের ওপর হামলাকারী আবদৌলখ নামের ওই তরুণ ঘটনাস্থলেই পুলিশের গুলিতে নিহত হন।

এরপরই ইসলাম ধর্ম ও বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)কে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন বন্ধ করা হবে না বলে সাফ জানান প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। এমনকি বিশ্বনবীকে নিয়ে একটি বিতর্কিত কার্টুন দেখানোর জেরে খুন হওয়া ফরাসি শিক্ষক স্যামুয়েল প্যাটিকে সম্মান জানাতে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ম্যাক্রোঁ এ কথা বলেন। ইসলামিক বিচ্ছিন্নতাবাদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, এই বিচ্ছিন্নতাবাদ ফ্রান্সের মুসলমান সম্প্রদায়গুলোতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে।

মহানবী (সা.)-এর বিতর্কিত ছবি প্রদর্শনীর কারণে তুরস্ক, ইরানসহ মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ফ্রান্সের নিন্দা ও সমালোচনা করছে। ইসলামবিরোধী অবস্থানের প্রতিবাদে বিশ্বজুড়ে মুসলিমরা ফ্রান্সের পণ্যসামগ্রী বর্জনের ডাক দিয়েছে। প্যারিস থেকে রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করে নিতে পাকিস্তানের পার্লামেন্টে একটি প্রস্তাবনা পাস হয়েছে।

বিশ্বের বেশির ভাগ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে ফরাসি পণ্য বর্জনের ডাক দেয়া হয়। সৌদিতেও বর্জনের অন্যতম টার্গেটে পরিণত হয়েছে ফরাসি সুপার মার্কেট চেইন ক্যারেফোর। ফরাসি এই সুপারমার্কেট চেইনের পণ্য বর্জনের ডাক সৌদি আরবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রেন্ড হয়েছে। ভোক্তাদের এই মার্কেটের পণ্য কেনা থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

যদিও রয়টার্সের প্রতিবেদকরা সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের ক্যারেফোরের অন্তত দুটি দোকান পরিদর্শন করে অন্যান্য স্বাভাবিক সময়ের মতো সেগুলোতে ব্যস্ততা দেখতে পেয়েছেন। এই কোম্পানির একজন প্রতিনিধি বলেছেন, তারা এখনও পণ্য বর্জনের প্রভাব আঁচ করতে পারেননি।

রিফাত হত্যা: অপ্রাপ্তবয়স্ক ১১ জনের সাজা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলার অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ আসামির মধ্যে ৬ জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড, চার জনকে ৫ বছর করে এবং একজনের তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন বরগুনা জেলা শিশু আদালত। এছাড়া বাকি তিন জনের খালাস দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে এ রায় ঘোষণা করেন জেলা শিশু আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান।

এর আগে রিফাত শরীফ হত্যা মামলার অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ আসামির বিচারের রায় পড়া শুরু করেন জেলা শিশু আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান।

রায় উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বরগুনা কারাগারে থাকা এ মামলার অপ্রাপ্তবয়স্ক ৬ আসামিকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ ছাড়া বিভিন্ন সময় আদালতে হাজির হন এ মামলায় জামিনে থাকা ৮ আসামি।

রিফাত হত্যা মামলার অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ আসামির মধ্যে গ্রেফতার হওয়ার পর হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে ৭ আসামি।

গত ১৪ অক্টোবর আসামিদের পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে বরগুনা শিশু আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান রায়ের দিন মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ধার্য করেন।

এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর এ মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির রায় ঘোষণা করেন বরগুনা জেলা দায়রা ও জজ মো. আছাদুজ্জামান। ১০ আসামির মধ্যে নিহত রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকাসহ ৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত।

গত বছরের ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে প্রকাশ্যে রিফাত শরীফকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনায় পরদিন রিফাত শরীফের বাবা আবদুল হালিম শরীফ বাদী হয়ে বরগুনা থানায় ১২ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি ছিলেন এ মামলার প্রধান সাক্ষী।

এ মামলার প্রধান আসামি সাব্বির আহম্মেদ ওরফে নয়ন বন্ড ওই বছরের ২ জুলাই পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন। ১ সেপ্টেম্বর মামলায় ২৪ জনকে অভিযুক্ত করে প্রাপ্তবয়স্ক ও অপ্রাপ্তবয়স্ক দুভাগে বিভক্ত করে আদালতে পৃথক দুটি অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। এর মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক ১০ জন এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ জনকে আসামি করা হয়। সূত্র: সময় সংবাদ

রায়হানের মৃত্যু: ১৬৪ ধারায় তিন পুলিশের জবানবন্দি
                                  

অনলাইন ডেস্ক : সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি) বন্দরবাজার ফাঁড়িতে পুলিশের নির্যাতনের ফলে রায়হান আহমদ নিহতের ঘটনায় আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন ৩ পুলিশ সদস্য। এই তিন কনস্টেবল ১০ অক্টোবর রাতে বন্দরবাজার ফাঁড়ির নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন।

সোমবার বিকালে সিলেটের অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর আদালতের বিচারক মো. জিহাদুর রহমানের খাস কামরায় পুলিশ কনস্টেবল দেলোয়ার, সাইদুর ও শামীম ১৬৪ ধারায় এ সাক্ষ্য প্রদান করেন।

এই তিনজনই বন্দরবাজার ফাঁড়িতে কর্মরত রয়েছেন। রায়হানকে নির্যাতনের ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে এ তিন কনস্টেবল আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

পিবিআই সিলেটের পুলিশ সুপার খালেদুজ্জামান জানান, ঘটনার দিন এই তিনজন বন্দরবাজার ফাঁড়িতে রাতে নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন। তাই তদন্তের স্বার্থে তাদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। তবে তারা কী বলেছে সে বিষয়ে তিনি কিছু বলতে চাননি।

এ মামলায় আসামি হিসেবে এসএমপি পুলিশের বিভাগীয় তদন্তে যাদের দায়ী করা হয়েছে তাদের গ্রেফতার করা হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রক্রিয়া চলছে।

এ ঘটনা তদন্তে গত ১১ অক্টোবর এসএমপির উপ-কমিশনার (ডিসি-উত্তর) আজবাহার আলী শেখের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়। বন্দরবাজার ফাঁড়িতেই পুলিশের নির্যাতনে রায়হানের মৃত্যুর বিষয়ে প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণ পায় কমিটি।

তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী বন্দর ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন কনস্টেবল তৌহিদ মিয়া, টিটু চন্দ্র দাশ ও হারুনুর রশীদকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। আর বন্দরবাজার ফাঁড়ি থেকে প্রত্যাহার করা হয় এএসআই আশেক এলাহী, কুতুব আলী, কনস্টেবল সজীব হোসেনকে।

এর মধ্যে এসআই আকবর হোসেন পালিয়ে গেলেও বাকি ছয়জন পুলিশ লাইনে কড়া নিরাপত্তা হেফাজতে রয়েছেন।

উল্লেখ্য, ১১ অক্টোবর ভোরে পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতন করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় রায়হানের মৃত্যু হয়। রায়হান সিলেট নগরীর আখালিয়ার নেহারিপাড়ার মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি নগরীর রিকাবিবাজার স্টেডিয়াম মার্কেটে এক চিকিৎসকের চেম্বারে কাজ করতেন।

এ ঘটনায় ১২ অক্টোবর রাতে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু আইনে এসএমপির কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন রায়হানের স্ত্রী।

মামলাটি পুলিশ সদর দফতরের নির্দেশ পিবিআইতে স্থানান্তর হয়। তদন্তভার পাওয়ার পর পিবিআইর টিম ঘটনাস্থল বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ি, নগরীর কাস্টঘর, নিহতের বাড়ি পরিদর্শন করে। সর্বোপরি লাশ কবর থেকে তোলার পর পুনরায় ময়নাতদন্ত করা হয়।

নিহত রায়হানের মরদেহে ১১১ আঘাতের চিহ্ন উঠে এসেছে ফরেনসিক রিপোর্টে। এসব আঘাতের ৯৭টি ফোলা আঘাত ও ১৪টি ছিল গুরুতর জখমের চিহ্ন। এসব আঘাতগুলো লাঠি দ্বারাই করা হয়েছে। অসংখ্য আঘাতের কারণে হাইপোভলিউমিক শক ও নিউরোজেনিক শকে মস্তিষ্ক, হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস, কিডনিসহ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলো কর্মক্ষমতা হারানোর কারণে রায়হানের মৃত্যু হয়েছে। সূত্র: যুগান্তর

চেকের মামলা শুনানি শুধু যুগ্ম দায়রা জজ আদালতে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : চেক সংক্রান্ত মামলার শুনানি শুধু যুগ্ম দায়রা জজ আদালতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে এ বিষয়ে সব অধস্তন আদালতকে নির্দেশনা দিতে বলা হয়েছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নির্দেশনা জারি করতে হবে।

এক রিটের শুনানি শেষে রোববার বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার হুমায়ন কবির পল্লব। তিনি বলেন, এ ধরনের মামলার শুনানি অতিরিক্ত দায়রা জজ, যুগ্ম দায়রা জজ বা দায়রা জজ আদালতে হতো। এর জন্য কোনো আদালত নির্ধারিত ছিল না। এ কারণে রায়ের পর হাইকোর্টে আপিল করতে হতো।

এ বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে ২০১৮ সালে হাইকোর্টে ব্যারিস্টার হুমায়ন কবির পল্লব রিটটি করেন।

আইনজীবীরা জানিয়েছেন, এ রায়ে বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি কমবে। এখন যুগ্ম দায়রা জজ আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজ আদালতে আপিল করতে হবে।


   Page 1 of 45
     আদালত
সাওদা হত্যা: মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে আসামির যাবজ্জীবন
.............................................................................................
হলমার্কের ৩৮৩৪ শতক জমির মালিক এখন সোনালী ব্যাংক
.............................................................................................
অর্থ পাচারকারীদের তথ্য চেয়েছেন হাইকোর্ট
.............................................................................................
ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণ মামলার রায় দুপুরে
.............................................................................................
পিছিয়েছে গ্যাটকো মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানি
.............................................................................................
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আগুন
.............................................................................................
হাজী সেলিমের দুর্নীতি মামলার নথি তলব হাইকোর্টের
.............................................................................................
মানিলন্ডারিং মামলায় জি কে শামীমসহ ৮ জনের বিচার শুরু
.............................................................................................
জমজ নবজাতক মৃত্যু : ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ
.............................................................................................
দুদকের তলব নোটিশ বিষয়ে ডিএজি রুপার রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ
.............................................................................................
ইরফান সেলিম ও তার বডিগার্ড জাহিদ ফের রিমান্ডে
.............................................................................................
৩ দিনের রিমান্ডে ইরফান সেলিম ও তার বডিগার্ড
.............................................................................................
বিশ্বনবীকে নিয়ে কার্টুন : অবশেষে মুখ খুলল সৌদি
.............................................................................................
রিফাত হত্যা: অপ্রাপ্তবয়স্ক ১১ জনের সাজা
.............................................................................................
রায়হানের মৃত্যু: ১৬৪ ধারায় তিন পুলিশের জবানবন্দি
.............................................................................................
চেকের মামলা শুনানি শুধু যুগ্ম দায়রা জজ আদালতে
.............................................................................................
টাঙ্গাইলে গণধর্ষণ মামলায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড
.............................................................................................
আবরার হত্যা: আনিসুল হকসহ ১০ আসামির বিরুদ্ধে শুনানি
.............................................................................................
স্বামীসহ পাপিয়ার ২৭ বছরের কারাদণ্ড
.............................................................................................
চার দিনের রিমান্ডে সাহেদ
.............................................................................................
খালাস চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করলেন মিন্নি
.............................................................................................
অধ্যক্ষ গোপাল কৃষ্ণ মুহুরী হত্যা মামলায় তিন আসামির সাজা কমিয়ে আমৃত্যু কারাদন্ড
.............................................................................................
ড. ইউনূসের ৫ মামলা আপিল বিভাগেও স্থগিত
.............................................................................................
গৃহকর্মী নিয়োগে আদালতের ৬ নির্দেশনা
.............................................................................................
চাঞ্চল্যকর মাহফুজা হত্যা মামলায় ২ গৃহকর্মীর মৃত্যুদণ্ড
.............................................................................................
বাসচাপায় পা হারানো রাসেলকে আরো ২০ লাখ টাকা দেয়ার নির্দেশ
.............................................................................................
রিফাত হত্যা: মিন্নিসহ ৬ জনের ফাঁসির আদেশ
.............................................................................................
জামিন পেলেন সংগ্রামের সম্পাদক
.............................................................................................
আইনজীবী তালিকাভুক্তির লিখিত পরীক্ষা স্থগিত
.............................................................................................
সাহেদের অস্ত্র মামলার রায় ২৮ সেপ্টেম্বর
.............................................................................................
পাত্র চাই বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রতারণা, রিমান্ডে সাদিয়া
.............................................................................................
আইসিইউতে অ্যাটর্নি জেনারেল
.............................................................................................
প্রতারক সাহেদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দাবি রাষ্ট্রপক্ষের
.............................................................................................
ভারত এখন করোনার হটস্পট
.............................................................................................
বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার হত্যা মামলার বিচার শুরু
.............................................................................................
সিনহা হত্যায় এসপি মাসুদকে আসামি করার আবেদন খারিজ
.............................................................................................
স্বামীর সম্পত্তিতে ভাগ পাবেন হিন্দু বিধবারা
.............................................................................................
আবরার হত্যা : আসামিদের বিরুদ্ধে ৩০২ ধারায় অভিযোগ গঠনের আবেদন
.............................................................................................
ঢাবি শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ: মজনুর বিচার শুরু
.............................................................................................
চট্টগ্রামে ৮৪ হাতি মৃত্যুর তদন্ত চেয়ে রিট
.............................................................................................
কক্সবাজারে মা-মেয়ে নির্যাতন: তদন্তে গাফিলতি হলে হস্তক্ষেপ করবে হাইকোর্ট
.............................................................................................
সাবরিনা-আরিফের প্রতারণা মামলার শুনানি শুরু
.............................................................................................
হারুনের এমপি পদ কেন শূন্য ঘোষণা হবে না: হাইকোর্ট
.............................................................................................
জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে বঙ্গবন্ধুর ছবি প্রদর্শনের নির্দেশ
.............................................................................................
অবশেষে রিমান্ডে ওসি প্রদীপসহ ৩ জন
.............................................................................................
সিনহা হত্যা মামলা: ২৩ আগস্ট প্রতিবেদন তৈরি করে জমা
.............................................................................................
হাইকোর্টের বেঞ্চ অফিসার চাকরি থেকে বরখাস্ত
.............................................................................................
সাবরিনা-আরিফসহ ৮ জনের জামিন নামঞ্জুর
.............................................................................................
সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহাসহ ১১ জনের বিচার শুরু
.............................................................................................
সুপ্রিমকোর্ট খুলছে আজ
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD