| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * কক্সবাজারে ইয়াবা ও আগ্নেয়াস্ত্র সহ মাদক ব্যবসায়ী আটক   * স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ৪০০ মণ আম ধ্বংস   * হুয়াওয়ের সাথে প্যানাসনিকের ব্যবসা স্থগিত   * বিজেপি এগিয়ে ৩৩৯ আসনে, কংগ্রেস ৯০   * ৩২ দলেই হবে কাতার বিশ্বকাপ   * সংগীতশিল্পী খালিদ হোসেনকে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা   * টিকিট নিয়ে বিভ্রান্তি, ভোগান্তিতে মানুষ   * গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে আগুন ধরে একই পরিবারের ৪ জন নিহত   * সঙ্গীতশিল্পী খালিদ হোসেনের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক   * মেক্সিকোতে অপরাধী চক্রের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ১০  

   কৃষি সংবাদ -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
বরগুনায় কাঁকড়া চাষ প্রসার লাভ করছে

অনলাইন ডেস্ক : জেলার মৎস্য চাষিরা বাণিজ্যিকভাবে কাঁকড়া চাষে ব্যাপক সাফল্য পাচ্ছেন। গত ১৫ বছরে এ অঞ্চলে কাঁকড়ার চাষ প্রসার লাভ করেছে। জেলার প্রায় দেড় হাজার কাঁকড়া ঘেরে কয়েক হাজার মৎস্য চাষির জীবিকা নির্বাহ হচ্ছে। অনুকূল পরিবেশের কারণে দিনদিন কাঁকড়া চাষ জনপ্রিয়তা পাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট চাষি ও মৎস্য দপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছে। শুরুর দিকে বরগুনা জেলার আমতলী, পাথরঘাটা, তালতলী উপজেলায় বেশীরভাগ কাঁকড়া ঘের গড়ে উঠলেও বামনা, বেতাগী ও বরগুনা সদরের মৎস্য চাষিরাও আগ্রহভরে কাঁকড়া চাষ শুরু করেছেন।

আমতলী উপজেলার কড়ইবাড়িয়ায় মনির গাজীর বড় সাইজের ডোবা সাদৃশ্য পুকুরটির চারপাশ বাশেঁর চাটাই ও মশারীর জাল দিয়ে ঘেরা। মাঝ বরাবর চাটাইয়ের বেড়া ও মশারীর জাল পুকুর দুইভাগে ভাগ করেছে। এ এলাকায় সাধারণত মাছ চাষের জলাশয়ে এত সুরক্ষা দেখা যায় না। সবুজ নামের এক কর্মী পুকুরে নেমে হাতরিয়ে বড় বড় সাইজের কাঁকড়াতুলে আনছে। ঐ যুবকটি জানাল এখানে ছোট ছোট কাঁকড়া পরিচর্যা করে বড় করা হয়। কাঁকড়া জন্য খুব বেশী পরিচর্যা দরকার পড়েনা। নিয়মিত খাবার দিলেই চলে। তবে পুকুরপাড়ে শক্ত ও ভাল বেড়ার দরকার পড়ে। না হলে কাঁকড়াগুলো হেটে হেটেই চলে যাবে। এখানকার কাঁকড়া খুলনা ও বাগেরহাটে চালান করা হয়।

ঘেরের পাশেই মনির গাজী’র তার মাছের আড়ত। প্রথম ব্যক্তি হিসেবে গত ১৫ বছর ধরে তিনি গলদা ও বাগদা চিংড়িসহ বিভিন্ন সাদা মাছের আড়তদারী করছেন। স্থানীয় জেলেদের কাছ থেকে কাঁকড়া কিনে তা খুলনা, বাগেরহাট এলাকায় চালান করতেন। জেলেদের জালে ধরা কাঁকড়াগুলো আড়তে আসতে আসতেই দুর্বল হয়ে পড়ত। কাঁকড়াগুলোকে খুলনা পাঠানোর সময়ে অর্ধেকই মারা পড়ত। সেসময় থেকেই মনির ভাবতে শুরু করলেন কীভাবে তরতাজা কাঁকড়া চালানে পাঠানো যায়। সে ভাবনা থেকেই গত বছর তিনি কাঁকড়া নাসিং শুরু করেন। মনির জানালেন, ‘চালানে পাঠালে এখনও কাঁকড়া মারা পড়ে। তবে খুবই কম পরিমানে।’ মনির গাজীর সাফল্য দেখে ঐ এলাকার শতাধিক উদ্যোগী মানুষ কাঁকড়া চাষ শুরু করেছেন।

আমতলী উপজেলার মৎস্য দপ্তরের একজন কর্মকর্তা জগদিশ চন্দ্র বসু জানিয়েছেন, ‘উপকূলীয় এলাকা হিসেবে বরগুনাতে কাঁকড়া মোটাতাজা করণ ও প্রজননের উপযোগী পরিবেশ রয়েছে। ভার্দ্র থেকে কার্তিক মাস পর্যন্ত জেলেদের জালে প্রচুর কাঁকড়ার বাচ্চা ধরা পড়ে এবং অহেতুক মারা পড়ে। সেগুলোকে মোটতাজাকরণের মাধ্যমে প্রচুর অর্থ উপার্জন সম্ভব। জেলা মৎস্য বিভাগ কাঁকড়া চাষে উদ্যোগীদের প্রশিক্ষণসহ সর্বাত্মক সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।’

জেলার পাথরঘাটায় কয়েক বছর আগে প্রায় তিন একর জায়গা ইজারা নিয়ে কাঁকড়ার ঘের করেছিলেন বরিশালের সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, স্থানীয় জেলেদের কাছ থেকে কাঁকড়া সংগ্রহ করে ঘেরে তা বড় করা হয়। বাজার থেকে ছোট ও গুড়া মাছ কিনে কাঁকড়াকে খাওয়ানো হয়। ৪১ দিন পড়ে ঐ কাঁকড়াগুলো প্রায় ৭শ থেকে ৮শ গ্রাম ওজনের হয়। বারমাস চলে কাঁকড়ার ব্যবসা। প্রতি দেড় মাসে ৫০ হাজার টাকা মূলধনে ১ লাখের বেশী টাকা আসে বলে তিনি জানান।

উন্নত পদ্ধতিতে কাঁকড়ার চাষ ও মোটাতাজাকরণে পাথরঘাটায় এখন পর্যন্ত প্রায় দেড় শতাধিক প্রশিক্ষিত চাষি রয়েছেন। যাদের আয়ের উৎসই এখন কাঁকড়া চাষ। পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) অর্থায়নে এ চাষিদের কারিগরী সহযোগিতা করছে সংগ্রাম নামের একটি স্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা।

চাষিরা বলছেন, মৎস্য আহরণ ও ধান চাষের চেয়ে বেশি লাভবান হওয়াতে কাঁকড়া চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন তারা। সাধারণ শক্ত খোলসযুক্ত ও নরম খোলসযুক্ত এ দুই ধরনের কাঁকড়া রফতানি করা হয়। রফতানিকরা কাঁকড়ার ৯৫ ভাগ হলো শক্ত খোলসযুক্ত। পাথরঘাটার বিভিন্ন ছোট ছোট খাল, বলেশ্বর ও বিষখালী নদীতে আহরণকারীরা আহরণ করে চাষিদের কাছে বিক্রি করে। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আহরণকারীরা নদী-নালায় ছোট ছোট কাঁকড়া আহরণ করছেন। খামারে বাচ্চা কাঁকড়া বড় করা এবং খোলস পাল্টানো কাঁকড়া ও অপ্রাপ্ত বয়স্ক কাঁকড়ার বিক্রয়যোগ্য আকার পর্যন্ত মোটাতাজাকরণ করা হয়।

পাথরঘাটার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শিশির কুমার বড়াল জানান, কৃষি চাষের বিকল্প কাঁকড়া চাষ। এ ক্ষেত্রে কৃষি বিভাগের কোনো আইনগত বাধা নেই। চাষি যেটাকে লাভবান মনে করবে সেটিই করতে পারবে।
বরগুনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সরদার মহিউদ্দিন জানিয়েছেন, কাঁকড়া চাষ লাভজনক। সরকারিভাবে আমরা কিছু সংখ্যক কাঁকড়া চাষিকে প্রশিক্ষণ দিয়েছি। আমরা সব সময় তাদের পরমার্শ দিচ্ছি। অনেকেই কাঁকড়া চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে। বাসস

বরগুনায় কাঁকড়া চাষ প্রসার লাভ করছে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : জেলার মৎস্য চাষিরা বাণিজ্যিকভাবে কাঁকড়া চাষে ব্যাপক সাফল্য পাচ্ছেন। গত ১৫ বছরে এ অঞ্চলে কাঁকড়ার চাষ প্রসার লাভ করেছে। জেলার প্রায় দেড় হাজার কাঁকড়া ঘেরে কয়েক হাজার মৎস্য চাষির জীবিকা নির্বাহ হচ্ছে। অনুকূল পরিবেশের কারণে দিনদিন কাঁকড়া চাষ জনপ্রিয়তা পাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট চাষি ও মৎস্য দপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছে। শুরুর দিকে বরগুনা জেলার আমতলী, পাথরঘাটা, তালতলী উপজেলায় বেশীরভাগ কাঁকড়া ঘের গড়ে উঠলেও বামনা, বেতাগী ও বরগুনা সদরের মৎস্য চাষিরাও আগ্রহভরে কাঁকড়া চাষ শুরু করেছেন।

আমতলী উপজেলার কড়ইবাড়িয়ায় মনির গাজীর বড় সাইজের ডোবা সাদৃশ্য পুকুরটির চারপাশ বাশেঁর চাটাই ও মশারীর জাল দিয়ে ঘেরা। মাঝ বরাবর চাটাইয়ের বেড়া ও মশারীর জাল পুকুর দুইভাগে ভাগ করেছে। এ এলাকায় সাধারণত মাছ চাষের জলাশয়ে এত সুরক্ষা দেখা যায় না। সবুজ নামের এক কর্মী পুকুরে নেমে হাতরিয়ে বড় বড় সাইজের কাঁকড়াতুলে আনছে। ঐ যুবকটি জানাল এখানে ছোট ছোট কাঁকড়া পরিচর্যা করে বড় করা হয়। কাঁকড়া জন্য খুব বেশী পরিচর্যা দরকার পড়েনা। নিয়মিত খাবার দিলেই চলে। তবে পুকুরপাড়ে শক্ত ও ভাল বেড়ার দরকার পড়ে। না হলে কাঁকড়াগুলো হেটে হেটেই চলে যাবে। এখানকার কাঁকড়া খুলনা ও বাগেরহাটে চালান করা হয়।

ঘেরের পাশেই মনির গাজী’র তার মাছের আড়ত। প্রথম ব্যক্তি হিসেবে গত ১৫ বছর ধরে তিনি গলদা ও বাগদা চিংড়িসহ বিভিন্ন সাদা মাছের আড়তদারী করছেন। স্থানীয় জেলেদের কাছ থেকে কাঁকড়া কিনে তা খুলনা, বাগেরহাট এলাকায় চালান করতেন। জেলেদের জালে ধরা কাঁকড়াগুলো আড়তে আসতে আসতেই দুর্বল হয়ে পড়ত। কাঁকড়াগুলোকে খুলনা পাঠানোর সময়ে অর্ধেকই মারা পড়ত। সেসময় থেকেই মনির ভাবতে শুরু করলেন কীভাবে তরতাজা কাঁকড়া চালানে পাঠানো যায়। সে ভাবনা থেকেই গত বছর তিনি কাঁকড়া নাসিং শুরু করেন। মনির জানালেন, ‘চালানে পাঠালে এখনও কাঁকড়া মারা পড়ে। তবে খুবই কম পরিমানে।’ মনির গাজীর সাফল্য দেখে ঐ এলাকার শতাধিক উদ্যোগী মানুষ কাঁকড়া চাষ শুরু করেছেন।

আমতলী উপজেলার মৎস্য দপ্তরের একজন কর্মকর্তা জগদিশ চন্দ্র বসু জানিয়েছেন, ‘উপকূলীয় এলাকা হিসেবে বরগুনাতে কাঁকড়া মোটাতাজা করণ ও প্রজননের উপযোগী পরিবেশ রয়েছে। ভার্দ্র থেকে কার্তিক মাস পর্যন্ত জেলেদের জালে প্রচুর কাঁকড়ার বাচ্চা ধরা পড়ে এবং অহেতুক মারা পড়ে। সেগুলোকে মোটতাজাকরণের মাধ্যমে প্রচুর অর্থ উপার্জন সম্ভব। জেলা মৎস্য বিভাগ কাঁকড়া চাষে উদ্যোগীদের প্রশিক্ষণসহ সর্বাত্মক সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।’

জেলার পাথরঘাটায় কয়েক বছর আগে প্রায় তিন একর জায়গা ইজারা নিয়ে কাঁকড়ার ঘের করেছিলেন বরিশালের সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, স্থানীয় জেলেদের কাছ থেকে কাঁকড়া সংগ্রহ করে ঘেরে তা বড় করা হয়। বাজার থেকে ছোট ও গুড়া মাছ কিনে কাঁকড়াকে খাওয়ানো হয়। ৪১ দিন পড়ে ঐ কাঁকড়াগুলো প্রায় ৭শ থেকে ৮শ গ্রাম ওজনের হয়। বারমাস চলে কাঁকড়ার ব্যবসা। প্রতি দেড় মাসে ৫০ হাজার টাকা মূলধনে ১ লাখের বেশী টাকা আসে বলে তিনি জানান।

উন্নত পদ্ধতিতে কাঁকড়ার চাষ ও মোটাতাজাকরণে পাথরঘাটায় এখন পর্যন্ত প্রায় দেড় শতাধিক প্রশিক্ষিত চাষি রয়েছেন। যাদের আয়ের উৎসই এখন কাঁকড়া চাষ। পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) অর্থায়নে এ চাষিদের কারিগরী সহযোগিতা করছে সংগ্রাম নামের একটি স্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা।

চাষিরা বলছেন, মৎস্য আহরণ ও ধান চাষের চেয়ে বেশি লাভবান হওয়াতে কাঁকড়া চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন তারা। সাধারণ শক্ত খোলসযুক্ত ও নরম খোলসযুক্ত এ দুই ধরনের কাঁকড়া রফতানি করা হয়। রফতানিকরা কাঁকড়ার ৯৫ ভাগ হলো শক্ত খোলসযুক্ত। পাথরঘাটার বিভিন্ন ছোট ছোট খাল, বলেশ্বর ও বিষখালী নদীতে আহরণকারীরা আহরণ করে চাষিদের কাছে বিক্রি করে। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আহরণকারীরা নদী-নালায় ছোট ছোট কাঁকড়া আহরণ করছেন। খামারে বাচ্চা কাঁকড়া বড় করা এবং খোলস পাল্টানো কাঁকড়া ও অপ্রাপ্ত বয়স্ক কাঁকড়ার বিক্রয়যোগ্য আকার পর্যন্ত মোটাতাজাকরণ করা হয়।

পাথরঘাটার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শিশির কুমার বড়াল জানান, কৃষি চাষের বিকল্প কাঁকড়া চাষ। এ ক্ষেত্রে কৃষি বিভাগের কোনো আইনগত বাধা নেই। চাষি যেটাকে লাভবান মনে করবে সেটিই করতে পারবে।
বরগুনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সরদার মহিউদ্দিন জানিয়েছেন, কাঁকড়া চাষ লাভজনক। সরকারিভাবে আমরা কিছু সংখ্যক কাঁকড়া চাষিকে প্রশিক্ষণ দিয়েছি। আমরা সব সময় তাদের পরমার্শ দিচ্ছি। অনেকেই কাঁকড়া চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে। বাসস

গম চাষে ভালো ফলন পেয়ে খুশি হিলির চাষিরা
                                  

আবহাওয়া অনুকূলে থাকার পাশাপাশি পোঁকা মাকড়ের প্রকোপ না থাকায় দিনাজপুরের হিলিতে গম চাষে প্রত্যাশামতো ফলন পেয়েছেন চাষিরা।

উপজেলায় বিঘাপ্রতি ১০ থেকে ১২ মণ গম উৎপাদন হওয়ায় বেশ খুশি কৃষক। এতে আবাদ খরচ উঠে আসার পাশাপাশি আগামী মৌসুমের জন্য উন্নতমানের বীজ সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে বলেও মনে করছেন তারা। স্থানীয় কৃষি অফিস বলছে, চলতি বছর শুধু হিলিতেই দেড়শো হেক্টর জমিতে চাষ করা হয়েছে কয়েক জাতের গম।

যশোরের গদখালিতে ৫০ কোটি টাকার ফুল বিক্রির সম্ভাবনা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালিতে জমে ওঠেছে ফুলের বেচাকেনা।এ বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত এ বাজারে ৫০ কোটি টাকার ফুল বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানালেন বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার সোসাইটির সভাপতি আব্দুর রহিম। সামনের আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, বসন্ত উৎসব ও ভ্যালেনটাইন দিবস উপলক্ষে ফুল বেচা-কেনায় ব্যস্ত ফুল চাষি ও ক্রেতারা। রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে পাইকারি ফুল ক্রেতারা আসতে শুরু করেছেন গদখালিতে।সারা বছর ফুলচাষিরা ফুল বিক্রি করলেও তাদের মূল লক্ষ্য থাকে ফেব্রুয়ারি মাসের তিনটি উৎসব। এছাড়া বাংলা নববর্ষেও ফুলের জমজমাট বেচাকেনা হয়ে থাকে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গদখালি ও পানিসার এলাকায় সাড়ে ৬ হাজারের বেশি কৃষক বাণিজ্যিকভাবে চাষ করছেন রজনীগন্ধ্যা, গোলাপ, রডস্টিক, গাঁদা, গ্লাডিওলাস, জারবেরা, জিপসি, কেলেনডোলা, চন্দ্রমল্লিকাসহ ১২ ধরনের ফুল।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, জেলার ৩ উপজেলায় ফুল চাষ হয়ে থাকে।এ জেলায় মোট ৬৪৬ হেক্টর জমিতে ফুল চাষ হয়েছে। এর মধ্যে ঝিকরগাছা উপজেলায় ফুল চাষ হয়েছে ৬৩৫ হেক্টর জমিতে। ঝিকরগাছায় ফুল চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে প্রায় ৮শ’ হেক্টর জমিতে ফুল চাষ হয়েছে বলে জানান ফ্লাওয়ার সোসাইটির সভাপতি আব্দুর রহিম ।এ উপজেলার গদখালি, পানিসারা, হাড়িয়া, নীলকন্ঠ নগর, চাওরা, কৃষ্ণচন্দ্রপুর, চাঁদপুর, বাইশা, পাটুয়াপাড়া, নারানজালি গ্রামসহ প্রায় ৫০টি গ্রামে ফুল চাষ হয়ে থাকে। এছাড়া শার্শা উপজেলায় ১০ হেক্টর জমিতে এবং কেশবপুর উপজেলায় ফুল চাষ হয়েছে ১ হেক্টরের সামান্য বেশি জমিতে।
পানিসারা গ্রামের ফুলচাষি হারুন-অর-রশিদ ও আবু মুসা জানান, তারা প্রত্যেকে এক একরের বেশি জমিতে ফুল চাষ করেছেন। ফুলের উৎপাদনও ভালো হয়েছে।ইংরেজি নববর্ষসহ সামনের তিনটি উৎসবে তারা সবচেয়ে বেশি ফুল বিক্রি করে থাকেন।গদখালি বাজারের ফুলের পাইকারি ব্যবসায়ী আবু সাইদ জানান, ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম থেকেই ফুলের বাজার দর বেশ ভালো। চলতি মাসে সামনের তিন উৎসবের আগে ফুলের দাম আরো বাড়বে। ফলে চাষিরা লাভবান হবে বলে তিনি জানান। এ বাজারের ফুলের আরেক পাইকারি ব্যবসায়ী শেখ আহমেদ বাসসকে বলেন, তিনি প্রতিদিন ঢাকা ও চট্রগ্রামে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকার ফুল পাইকারি বিক্রি করেন।

ঝিকরগাছা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দীপংকর দাস বাসসকে জানান,এ উপজেলার গদখালি, পানিসারা, নাভারন ও মাগুরা ইউনিয়নে বাণিজ্যিকভাবে ফুলের চাষ হয়ে থাকে।এ চারটি ইউনিয়নের সাড়ে ৬ হাজারের বেশি ফুল চাষি ফুল চাষের সঙ্গে সম্পৃক্ত আছেন।এ বছর উপজেলায় ৬৩৫ হেক্টর জমিতে ফুলের চাষ হয়েছে। ফুলের চাষ বাড়াতে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে প্রদর্শনীসহ ফুলচাষিদের উদ্বুদ্ধকরণ এবং নিয়মিতভাবে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়ে থাকে। বাসস

সীমান্ত এলাকায় গম চাষে নিষেধাজ্ঞা
                                  


অনলাইন ডেস্ক
ভারতে আগামী দুই বছর বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকার পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে গম চাষ করা যাবে না বলে জানিয়েছে সে দেশের কৃষি দপ্তর। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে গমের ফসলে হুইট ব্লাস্ট নামের একটি ছত্রাক রোগ ছড়িয়ে পড়ার পরে কৃষি বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত দিয়ে ওই রোগ ভারতেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।
সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত অঞ্চলের যেসব এলাকায় এবছর গম চাষ করেছিলেন, তা ইতিমধ্যেই জ্বালিয়ে নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। আর পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত এলাকায় পরের দুবছর যাতে কেউ গম চাষ না করেন, তার জন্য এলাকাগুলিতে শুরু হয়েছে ব্যাপক প্রচার।
পশ্চিমবঙ্গের দুটি জেলা - নদীয়া এবং মুর্শিদাবাদের ওপরে কৃষি দপ্তরের বিশেষ নজর দিচ্ছে - কারণ সেখান থেকেই ভারতে রোগ ছড়ানোর সবথেকে বেশী সম্ভাবনা রয়েছে বলে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন।
মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের কৃষি কর্মাধ্যক্ষ ও সীমান্তবর্তী এলাকা হরিহরপাড়ার জন প্রতিনিধি মোশারফ হোসেন জানান, "গত মরসুমে শুধু আমাদের মুর্শিদাবাদ জেলাতেই প্রায় ৪৮০ হেক্টর জমিতে বোনা গম এই রোগে আক্রান্ত হয়েছিল।
প্রথমে ব্রাজিলে গমের ফলনে এই ছত্রাক রোগ দেখা যায় - তারপরে সেটি দক্ষিণ আমেরিকার নানা দেশেও ছড়ায়। এটা এশিয়ার এই অঞ্চলের রোগ নয়। তবে বাংলাদেশও সম্প্রতি ওই রোগ ছড়িয়ে পড়ে।

এশিয়ার দেশগুলোর জন্য যৌথ গবেষণা কেন্দ্র চালু
                                  

অনলাইন ডেস্ক : এশিয়ার দেশগুলোর জন্য একটি যৌথ কৃষি গবেষণা কেন্দ্র চালু হয়েছে। 

চীন-দক্ষিণ এশিয়ার এক্সপো কর্তৃপক্ষের একটি ওয়েব পোস্ট অনুযায়ী দক্ষিণ-দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই যৌথ গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি কৃষিখাতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির নতুন উদ্ভাবনে যৌথভাবে কাজ করবে।
গত ১২ থেকে ১৮ জুন কুনমিংয়ে অনুষ্ঠিত সাউথ এশিয়া কমিউনিটি এক্সপো এন্ড ইনভেস্টমেন্ট ফেয়ার (এসএসএসিইআইএফ) -এ ইউনান প্রদেশের ভাইস-গভর্নর ঝাং ঝুলিন এ কথা জানান।
ইউনান একাডেমি অফ এগ্রিকালচার সায়েন্স এবং জিয়াংসু একাডেমি এগ্রিকালচার সায়েন্স সেন্টারটি প্রতিষ্ঠায় একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে।
এ সময় ভাইস-গভর্নর ঝাং বলেন, ইউনান দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জলবায়ু ও পরিবেশের অংশ, তাই টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের মাধ্যমে কৃষির উন্নয়নে সহযোগিতা করা প্রয়োজন।বাসস

দক্ষিণাঞ্চলের ৫ জেলার ধানে `ব্লাস্টের সংক্রমণ`
                                  

অনলাইন ডেস্ক : গমের পর এবার দক্ষিণাঞ্চলের খুলনা, চুয়াডাঙ্গা, সাতক্ষীরা, নড়াইল ও যশোরে ধানে ব্লাস্ট রোগ দেখা দিয়েছে। কৃষকরা বলছেন, কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শে ছত্রাক নাশক ছিটিয়েও রোধ করা যাচ্ছে না ব্লাস্টের সংক্রমণ। ভয়াবহ এ রোগের সংক্রমণ যাতে অন্য এলাকায় ছড়িয়ে না পড়ে সে ব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার তাগিদ কৃষি বিজ্ঞানীদের।

আর কদিন পরেই শুরু হবে বোরো ধান মাড়াই মৌসুম। সবুজ বর্ণ ফিকে হয়ে সোনালী বর্ণ ধারণ করতে শুরু করেছে মাঠের ধান। পাকা ধানে গোলা ভরার স্বপ্নে কৃষক যখন বিভোর ঠিক তখনি দক্ষিণাঞ্চলের পাঁচ জেলায় দেখা দিয়েছে ভয়াবহ ব্লাস্ট রোগের সংক্রমণ। ছত্রাকজনিত এ রোগের আক্রমণে ধানের শীষ সাদা ও পাতা ধূসর বর্ণ ধারণ করছে। শুকিয়ে চিটায় পরিণত হচ্ছে ধান।

খুলনা, চুয়াডাঙ্গা সাতক্ষীরা নড়াইল বাগেরহাট ও যশোর জেলায় এ বছর ধানে ব্লাস্টের সংক্রমণ ঘটেছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, পাঁচ জেলার ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত হয়েছে অন্তত ১১শ` হেক্টর জমির ধান। শেষ সময়ে এসে ধানে ব্লাস্টের সংক্রমণ দেখা দেয়ায় দিশেহারা কৃষকেরা।

গমের পর প্রধান খাদ্যশস্য ধানে ব্লাস্টের সংক্রমণ ভবিষ্যতে দেশের খাদ্য নিরাপত্তাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলবে বলে সর্তক করেছেন কৃষি বিজ্ঞানীরা।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক ড. তোফাজ্জল ইসলাম বলেন, `যখন শীষে আক্রমণ হয় তখন ছত্রাক নাশক দিয়ে কোন উপকার হয় না। সম্মিলিত একটা প্রয়াস এবং জরুরি ব্যবস্থা নেয়া উচিত এই ব্লাস্ট প্রতিরোধে। কারণ এটা আমাদের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য একটা বড় চ্যালেঞ্জ।`

২০১৬ সালে মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গাসহ ৮ জেলার ১৫ হাজার হেক্টর জমিতে ব্লাস্ট রোগ সংক্রমণে গমের আবাদ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর ঐ এলাকার ৮০-৯০ শতাংশ গমের আবাদ কমে যায়। এমন অবস্থায় ঐ অঞ্চলে ব্লাস্ট সংক্রমণ ঠেকাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার দাবি কৃষকের। সূত্র: সময় টিভি

হালদায় ডিম ছেড়েছে কার্প জাতীয় মাছ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : চট্টগ্রামের হালদা নদীতে কার্প জাতীয় মা-মাছ ডিম ছেড়েছে। এক বছরের বিরতিতে পুনরায় ডিম সংগ্রহ করতে পেরে আনন্দিত হালদা তীরের মৎস্যজীবীরা।

আজ শনিবার সকালে হালদা নদীর গবেষক অধ্যাপক ড. মনজুরুল কিবরিয়া জানান, হালদা একমাত্র নদী যেখান থেকে প্রাকৃতিকভাবে মাছের ডিম সংগ্রহ করা হয়ে থাকে। তবে দূষণসহ মানবসৃষ্ট কিছু কারণে গত বছর ডিম সংগ্রহ করা যায়নি।
স্থানীয় লোকজন এ পর্যন্ত প্রায় এক হাজার ৭০০ কেজি ডিম সংগ্রহ করেছেন বলে তিনি জানান।

সংগ্রহ করা এসব ডিম থেকে ১১ কোটির বেশি রেণু উৎপাদিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। চার দিন বয়স হলে এসব রেণু বেচাকেনার হাট বসবে হালদার তীরে।

এবার ধানে ব্লাস্ট রোগ সংক্রমণ
                                  

এশিয়া বাণী ডেস্ক : এবার ধানে দেখা দিয়েছে ব্লাস্ট রোগ। এতে দিশেহারা যশোর, চুয়াডাঙ্গাসহ আশেপাশের কয়েক জেলার কৃষকরা। ধান কাটার আগ মুহুর্তে শীষ শুকিয়ে চিটা হয়ে যাওয়ায় ক্ষতির মুখে এ অঞ্চলের চাষীরা। কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, এ রোগে আক্রান্ত হলে ক্ষতি প্রায় শতভাগ। ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা করে সহায়তার আশ্বাস তাদের।

কৃষকরা জানান, বেশ হৃষ্টপুষ্টই ছিলো ক্ষেতের ধানগাছ। তাই আশা ছিলো, বাম্পার ফলনের। কিন্তু হঠাৎই ব্লাস্ট রোগের আক্রমণে, সব স্বপ্ন ধূলিস্যাৎ তাদের।

ব্লাস্ট একটি ছত্রাক জনিত রোগ। তাপমাত্রার তারতম্য ও বাতাসে আর্দ্রতা বাড়লে, দেখা দেয় এ রোগের প্রকোপ। প্রথমে ধানের শীষে আক্রমণ করে জীবানু। ফলে, উপরিভাগে পৌঁছায় না কোনো খাদ্য। এতে, ধানের বদলে দেখা দেয় চিটা। কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, ব্লাস্ট রোগে ক্ষতির সম্ভাবনা শতভাগ।

এমন পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। তবে, শুধু আশ্বাস নয়; সহায়তার অর্থপ্রাপ্তির নিশ্চয়তা চান, কৃষকরা।

ভোলায় যে কারণে অসময়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে তরমুজ
                                  

ভোলায় তরমুজের ভালো ফলন হলেও টানা বৃষ্টি আর প্রবল জোয়ারে অধিকাংশ ক্ষেতের তরমুজ নষ্ট হয়ে গেছে। লক্ষ্য ছাড়িয়ে তরমুজের আবাদ হওয়ায় শুরুতে খুশি থাকলেও ক্ষেতে পানি জমে নষ্ট হয়ে যায় তরমুজ।

ভোলায় এ বছর লক্ষমাত্রার চেয়ে অনেক বেশী তরমুজের আবাদ হয়েছে। চলতি মৌসুমে লক্ষমাত্রা ছিল ১০ হাজার পাঁচশ হেক্টর জমিতে। আবাদ হয়েছে ১২ হাজার পাঁচশ হেক্টরে। তবে ফসল ঘরে তোলার ১০/১৫ দিন আগে টানা বৃষ্টি আর প্রবল জোয়ারে অধিকাংশ অপরিপক্ক তরমুজে পঁচন ধরে নষ্ট হয়ে গেছে।

বৃষ্টির কারণে জেলার প্রায় ৪০ ভাগ ক্ষেতের তরমুজ নষ্ট হয়ে গেছে। চলতি মৌসুমে প্রায় আড়াই লাখ মেট্রিক টন তরমুজের ফলন কম হওয়ার আশঙ্কা করছে কৃষি বিভাগ।

কিশোরগঞ্জে পাহাড়ি ঢলে ক্ষতির মুখে পড়েছে বোরো আবাদ
                                  

ডেস্ক রিপাের্ট : কিশোরগঞ্জের ভৈরবে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে চারটি ইউনিয়নে বোরো আবাদ ক্ষতির মুখে পড়েছে। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা।

কৃষি কর্মকর্তা জানান, ভৈরবের ৭টি ইউনিয়নে ৬ হাজার ২শ ৩৫ হেক্টর ইরি ও বোরে ধানের আবাদ হয়েছে। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে মেঘনা, কালি ও ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী চারটি ইউনিয়নের প্রায় ৩শ ৫০ হেক্টর জমির ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেকটা বাধ্য হয়ে কৃষকরা আধাপাকা ধান কেটে ঘরে আনলেও বেশির ভাগই চিটা। এতে ক্ষতির মুখে পড়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা।


   Page 1 of 1
     কৃষি সংবাদ
বরগুনায় কাঁকড়া চাষ প্রসার লাভ করছে
.............................................................................................
গম চাষে ভালো ফলন পেয়ে খুশি হিলির চাষিরা
.............................................................................................
যশোরের গদখালিতে ৫০ কোটি টাকার ফুল বিক্রির সম্ভাবনা
.............................................................................................
সীমান্ত এলাকায় গম চাষে নিষেধাজ্ঞা
.............................................................................................
এশিয়ার দেশগুলোর জন্য যৌথ গবেষণা কেন্দ্র চালু
.............................................................................................
দক্ষিণাঞ্চলের ৫ জেলার ধানে `ব্লাস্টের সংক্রমণ`
.............................................................................................
হালদায় ডিম ছেড়েছে কার্প জাতীয় মাছ
.............................................................................................
এবার ধানে ব্লাস্ট রোগ সংক্রমণ
.............................................................................................
ভোলায় যে কারণে অসময়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে তরমুজ
.............................................................................................
কিশোরগঞ্জে পাহাড়ি ঢলে ক্ষতির মুখে পড়েছে বোরো আবাদ
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]