| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * ডিএনসিসির কবরস্থানগুলোতে জিয়ারত বন্ধ   * করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসায় মিস ইংল্যান্ড   * নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকার ২০ জন, নারায়ণগঞ্জের ১৫   * বঙ্গবন্ধুর খুনি আবদুল মাজেদ গ্রেফতার   * করোনা: নতুন শনাক্ত ৪১ জন, মৃত্যু ৫   * ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ নমুনা পরীক্ষা   * মানিকগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে স্বউদ্যোগে লকডাউন   * করোনা নিয়ে গুজব ছড়িয়ে কলেজ শিক্ষক গ্রেপ্তার   * করোনায় বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা ৭৪ হাজার ছাড়ালো   * যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যু  

   আন্তর্জাতিক -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসায় মিস ইংল্যান্ড

অনলাইন ডেস্ক : চিকিৎসা পেশায় ফিরলেন মিস ইংল্যান্ড- ২০১৯ প্রতিযোগিতার চ্যাম্পিয়ন ভাষা মুখার্জি। ভারতীয় বংশোদ্ভূত বাঙালি তিনি। এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্যই ২৪ বছর বয়সী তরুণী চিকিৎসা পেশা থেকে দূরে সরেছিলেন। শিরোপা জেতার পর মডেলিং নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করেছেন। কিন্তু সারা বিশ্ব যখন করোনাভাইরাসের তাণ্ডবে কাঁপছে তখন আবারও নিজের আসল পেশায় ফিরলেন তিনি। এমন সংকটের দিনে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে মানব সেবা করার পথই বেছে নিলেন মিস ইংল্যান্ড ভাষা।

এরই মধ্যে বেশ কিছু দাতব্য প্রতিষ্ঠান থেকে অ্যাম্বাসেডর হওয়ারও প্রস্তাব পেয়েছেন তিনি।

ভাষা মুখার্জি সিএনএনকে বলেন, আফ্রিকা, তুরস্ক, ভারত, পাকিস্তানসহ এশিয়ার আরও কয়েকটি দেশ থেকে চ্যারিটি প্রতিষ্ঠানের অ্যাম্পাসেডর হওয়ার প্রস্তাব পেয়েছি। আমার মনে হয়েছে মিস ইংল্যান্ডের খেতাব জেতার চেয়ে মানবতার জন্য কাজ করাটাই বড়।
জানা গেছে, গত মাসে ভাষা চার সপ্তাহের জন্য ভারতে এসেছিলেন কভেন্ট্রি মার্সিয়া লায়নস ক্লাবের সম্মানে। সেখানে বিভিন্ন স্কুলে পরিস্কার পরিচ্ছনাতায় শিক্ষার্থীদের সচেতন করেছেন ও প্রতিবন্ধী মেয়ে শিশুদের আর্থিক সহযোগীতা করেছেন লায়নস ক্লাবের হয়ে। কিন্তু করোনাভাইরাসের সক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে শুরু করলে তার পুরনো কর্মস্থল বস্টনের পিলগ্রিম হাসপাতাল থেকে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। এরপর তিনি নিজের দেশ ইংল্যান্ডে ফিরে যান ও তার পুরোনো কর্মস্থলে চিকিৎসক হিসেবে কাজ শুরু করেন। এর আগে ১৪ দিনের সেলফ আইসোলেশনে থাকেন।

ভাষা মুখার্জি ইংল্যান্ডের ডার্বি শহরে বসবাস করেন। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ‘মেধাবী’ উপাধি পাওয়া এই তরুণী পাঁচটি ভাষায় অনর্গল কথা বলতে পারেন। শুধু তাই নয়, নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একটি চিকিৎসা বিজ্ঞান, অন্যটি মেডিসিন ও সার্জারি বিষয়ে দুটি পৃথক ডিগ্রিও অর্জন করেছেন তিনি। মেডিক্যালে পড়া শুরুর কিছুদিন পর মডেলিং শুরু করেন তিনি। ভাষা মুখার্জির জন্ম ভারতে। তার বয়স যখন নয় বছর, তখন তার পরিবার পাড়ি জমায় ইংল্যান্ডে।

করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসায় মিস ইংল্যান্ড
                                  

অনলাইন ডেস্ক : চিকিৎসা পেশায় ফিরলেন মিস ইংল্যান্ড- ২০১৯ প্রতিযোগিতার চ্যাম্পিয়ন ভাষা মুখার্জি। ভারতীয় বংশোদ্ভূত বাঙালি তিনি। এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্যই ২৪ বছর বয়সী তরুণী চিকিৎসা পেশা থেকে দূরে সরেছিলেন। শিরোপা জেতার পর মডেলিং নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করেছেন। কিন্তু সারা বিশ্ব যখন করোনাভাইরাসের তাণ্ডবে কাঁপছে তখন আবারও নিজের আসল পেশায় ফিরলেন তিনি। এমন সংকটের দিনে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে মানব সেবা করার পথই বেছে নিলেন মিস ইংল্যান্ড ভাষা।

এরই মধ্যে বেশ কিছু দাতব্য প্রতিষ্ঠান থেকে অ্যাম্বাসেডর হওয়ারও প্রস্তাব পেয়েছেন তিনি।

ভাষা মুখার্জি সিএনএনকে বলেন, আফ্রিকা, তুরস্ক, ভারত, পাকিস্তানসহ এশিয়ার আরও কয়েকটি দেশ থেকে চ্যারিটি প্রতিষ্ঠানের অ্যাম্পাসেডর হওয়ার প্রস্তাব পেয়েছি। আমার মনে হয়েছে মিস ইংল্যান্ডের খেতাব জেতার চেয়ে মানবতার জন্য কাজ করাটাই বড়।
জানা গেছে, গত মাসে ভাষা চার সপ্তাহের জন্য ভারতে এসেছিলেন কভেন্ট্রি মার্সিয়া লায়নস ক্লাবের সম্মানে। সেখানে বিভিন্ন স্কুলে পরিস্কার পরিচ্ছনাতায় শিক্ষার্থীদের সচেতন করেছেন ও প্রতিবন্ধী মেয়ে শিশুদের আর্থিক সহযোগীতা করেছেন লায়নস ক্লাবের হয়ে। কিন্তু করোনাভাইরাসের সক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে শুরু করলে তার পুরনো কর্মস্থল বস্টনের পিলগ্রিম হাসপাতাল থেকে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। এরপর তিনি নিজের দেশ ইংল্যান্ডে ফিরে যান ও তার পুরোনো কর্মস্থলে চিকিৎসক হিসেবে কাজ শুরু করেন। এর আগে ১৪ দিনের সেলফ আইসোলেশনে থাকেন।

ভাষা মুখার্জি ইংল্যান্ডের ডার্বি শহরে বসবাস করেন। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ‘মেধাবী’ উপাধি পাওয়া এই তরুণী পাঁচটি ভাষায় অনর্গল কথা বলতে পারেন। শুধু তাই নয়, নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একটি চিকিৎসা বিজ্ঞান, অন্যটি মেডিসিন ও সার্জারি বিষয়ে দুটি পৃথক ডিগ্রিও অর্জন করেছেন তিনি। মেডিক্যালে পড়া শুরুর কিছুদিন পর মডেলিং শুরু করেন তিনি। ভাষা মুখার্জির জন্ম ভারতে। তার বয়স যখন নয় বছর, তখন তার পরিবার পাড়ি জমায় ইংল্যান্ডে।

করোনায় বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা ৭৪ হাজার ছাড়ালো
                                  

অনলাইন ডেস্ক : করোনাভাইরাসে বিশ্বজুড়ে বাড়ছে আক্রান্ত রোগী ও মৃতের সংখ্যা। বিশ্বের অন্তত ১৩১টি দেশে চলছে লকডাউন। থেমে নেই মৃত্যুর মিছিল, প্রতি মুহুর্তেই বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। ওয়ার্ল্ড ওমিটারের তথ্য অনুযায়ী মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গোটা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১৩ লাখ ৪৬ হাজার ৫৬৬ জন। আর মারা গেছে ৭৪ হাজার ৬৯৭ জন।

সবচেয়ে খারাপ অবস্থা ইউরোপ ও আমেরিকার। বেশিরভাগ মৃত্যু হয়েছে এ দুই মহাদেশে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি ও স্পেনে প্রতিদিন মৃত্যুর নতুন রেকর্ড হচ্ছে। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহর থেকে প্রথম ছড়ায় প্রাণঘাতী এ ভাইরাস। দেশটিতে দ্বিতীয় দফায় তা ছড়াতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

ওয়ার্ল্ড ওমিটারসের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ইতালিতে- ১৬ হাজার ৫২৩ জন। এরপরই আছে স্পেন। দেশটিতে মারা গেছেন ১৩ হাজার ৩৪১ জন। এ দুই দেশের পর বেশি মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ১০ হাজার ৮৭১ জন।
মৃতের সংখ্যায় এরপর যথাক্রমে রয়েছে- ফ্রান্সে ৮ হাজার ৯১১ জন, যুক্তরাজ্যে ৫ হাজার ৩৭৩ জন, ইরানে ৩ হাজার ৭৩৯ জন, চীনে ৩ হাজার ৩৩১ জন।
করোনাভাইরান গোটা বিশ্বকে মৃত্যুপুরী বানিয়ে ফেলছে। মানুষকে করে ফেলেছে গৃহবন্দি। এ অবস্থায় সবার উচিৎ ঐক্যবদ্ধ হয়ে এ মহামারীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা।

যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যু
                                  

অনলাইন ডেস্ক : করোনা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে মৃত্যুর মিছিলে প্রতিদিনই যোগ হচ্ছেন শত শত মানুষ। গত ২৪ ঘণ্টায় মার্কিন মুলুকে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৯০০ জন। এনিয়ে সেখানে মৃত্যুর সংখ্যা ১০ হাজার (১০,৫১৬) ছাড়িয়ে গেলো।

সর্বাধিক করোনা রোগী শনাক্ত হওয়া দেশও যুক্তরাষ্ট্র। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে নতুন করে ১৯ হাজার ৯৮০ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। সব মিলিয়ে ৩ লাখ ৬৫ হাজার ৬৫৩ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ১৯ হাজার ৩০৮ জন সুস্থ হয়ে ফিরেছেন।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে ফ্রান্সে। দেশটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৩৩ জন করোনা রোগী মারা গেছেন। সব মিলিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৮ হাজার ৯১১ জনের। দেশটিতে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ৯৮ হাজার ১০ জন।

করোনার ভয়াবহ তাণ্ডব চলা ইতালি এবং স্পেনে মৃত্যুর হার কমে আসলোও আশার আলো খুব একটা দেখা যাচ্ছে না এখনো। ইতালিতে নতুন করে ৬৩৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। সব মিলিয়ে দেশটিতে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ৫২৩ জনের মৃত্যু হলো। ইতালিতে মোট করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১ লাখ ৩২ হাজার ৫৪৭ জন।

এদিকে স্পেনে নতুন করে ৫২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে ১৩ হাজার ১৬৯ জন। আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৩৫ হাজার ৩২ জন।

এদিকে যুক্তরাজ্যে নতুন করে ৪৩৯ জন, বেলজিয়ামে ১৮৫ জন, ইরানে ১৩৬ জন, নেদারল্যান্ডসে ১০১ জন, এবং জার্মানিতে ৯৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

ময়লা ফেলার ব্যাগ পরে চিকিৎসা দিচ্ছেন ব্রিটিশ ডাক্তাররা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : সারা বিশ্বেই এখন পিপিই (ব্যক্তিগত সুরক্ষাসরঞ্জাম) সংকট। করোনাভাইরাস রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহৃত স্বাস্থ্যকর্মীদের পিপিই সংকটের এ খবর বারবারই সামনে আসছে বিশ্ব গণমাধ্যমে।

করোনার অন্যতম হটস্পট স্পেন-ব্রিটেনও এর ব্যতিক্রম নয়। যেভাবে দ্রুতগতিতে দেশ দুটিতে ছড়িয়ে পড়ছে সংক্রমণ, তাতে পরিস্থিতি সামাল দেয়া যথেষ্ট মুশকিল হচ্ছে।

কিন্তু তারপরও থেমে থাকছেন না চিকিৎসকরা। ময়লা ফেলার প্লাস্টিকের ব্যাগ দিয়ে নিজেদের গা-মাথা-পা মুড়ে চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন রোগীদের।

শুধু ব্রিটেন নয়, একই উপায়ে চিকিৎসা দিচ্ছেন স্পেনের ডাক্তার-নার্সরাও। স্পেনে করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে ১৫ হাজার ডাক্তার-নার্স সংক্রমিত হয়েছেন, যা মোট আক্রান্তের প্রায় ১৫ শতাংশ।

ইতালিতে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন চার হাজারের বেশি স্বাস্থ্যকর্মী। রোববার চিকিৎসক-নার্সদের ক্রান্তিকালীন স্বাস্থ্যসেবার এ দৃশ্য তুলে ধরেছে বিভিন্ন গণমাধ্যম।

লন্ডনের খ্যাতনামা চিকিৎসক ডা. রবার্টসের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, প্রতিটি হাসপাতালের আইসিইউ এখন কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীতে পরিপূর্ণ।

তার কথায়, ‘এই অবস্থায় ময়লা ফেলার প্লাস্টিকের ব্যাগ (বিন ব্যাগ) দিয়ে বানানো পিপিই পরতে হচ্ছে আমাদের। অনেক হাসপাতাল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

অনেক ক্যান্সার ক্লিনিকও বন্ধ। শুধু যে হাসপাতালগুলোয় করোনার চিকিৎসার পরিকাঠামো রয়েছে, সেগুলোই খোলা। তারপরেও সেগুলোর বেশির ভাগেই স্বাস্থ্যকর্মীর অভাব আছে। রয়েছে বেডের অভাব। একদম সাধারণ মানের ভেন্টিলেটরও সব জায়গায় নেই।’

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ১৪ থেকে ১৫ এপ্রিলের মধ্যে ব্রিটেনে বড় আঘাত হানবে করোনাভাইরাস। এই সময়টাকেই বিশ্লেষকদের ভাষায় বলা হচ্ছে ‘পিক টাইম’।

আর চিকিৎসাকর্মীরা এখনই হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন, কী তীব্র সংকটময় সময় আসছে সামনে। এখনই প্রত্যেক চিকিৎসক ১৩-১৪ ঘণ্টা করে কাজ করছেন প্রতিদিন।

সেটাও করতে হচ্ছে ময়লা ফেলার পলিথিন, প্লাস্টিকের এপ্রোন ও স্কিইং করার চশমা পরে। কোনো রকমে কাজ চালিয়ে নিচ্ছেন তারা।

যথাযথ সুরক্ষা ব্যবস্থা ছাড়াই করোনা আক্রান্ত রোগীদের থেকে কয়েক সেন্টিমিটার দূরত্বে থেকে কাজ করছেন ডাক্তাররা।

যেখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইনে সাধারণ মানুষকে বলা হচ্ছে- ১ থেকে ২ মিটার ন্যূনতম দূরত্ব বজায় রাখতে। চিকিৎসকদের তো তেমন উপায় নেই। এর ফলে যে মারাত্মক প্রভাব পড়তে পারে তাদের জীবনে, সেটা এখনই ভাবাচ্ছে ব্রিটেনের স্বাস্থ্যকর্মীদের।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক চিকিৎসক বিবিসিকে জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে তার তিনজন সহকর্মী ভেন্টিলেশনে আছেন, যারা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

কিন্তু তাদেরও অবস্থা একই। ওই চিকিৎসকের কথায়, ‘আমরা অসুস্থ চিকিৎসকদেরও সেরা ভেন্টিলেটর দিতে পারছি না, সর্বোচ্চ নার্সিং কেয়ার দিতে পারছি না।

নার্সরাও অমানবিকভাবে খেটে চলেছেন, তারাও যে কোনো সময় অসুস্থ হয়ে পড়বেন।’ ব্রিটেনের ‘ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস’ অবশ্য দাবি করেছে, স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিতরা করোনাভাইরাসে কর্মক্ষেত্রে সংক্রমিত হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে কোনো তথ্য নেই তাদের কাছে। কিন্তু স্বাস্থ্যকর্মীদের অভিযোগ, সঠিক সুরক্ষার অভাবে অনেক কর্মীই ভুগছেন সংক্রমণে, মারাও যাচ্ছেন কেউ কেউ।

একই অবস্থা চলছে স্পেন-ইতালিতেও। ইউরোপে এ দুটি দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও এর ফলে মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। স্পেনে যেখানে সরকারি হিসেবে রোববার পর্যন্ত ১৫ হাজার স্বাস্থ্যকর্মীর করোনাভাইরাস পজিটিভ শনাক্ত করা হয়েছে।

এ সংখ্যা দেশটিতে মোট আক্রান্তের প্রায় ১৫ শতাংশ। এদিকে ইতালিতে আক্রান্ত হয়েছেন চার হাজারের বেশি স্বাস্থকর্মী। এরপরেই জীবনবাজি রেখে রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন তারা। স্পেনে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ ৩০ হাজারের বেশি। মারা গেছেন ১২ হাজার ৪১৮ জন। ইতালিতে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ ২৫ হাজারের বেশি। মারা গেছেন ১৫ হাজার ৩৬২ জন।

এবার বাঘের শরীরে মিললো করোনাভাইরাস
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : এর আগে পোষা কুকুর ও বিড়ালের শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়েছিল। তবে এবার প্রথম বাঘের শরীরে ধরা পড়লো করোনাভাইরাস।

শুধু একটি বাঘ নয়। নিউইয়র্কের ব্রঙ্কস চিড়িয়াখানায় একাধিক বাঘের শরীরে করোনার উপসর্গ দেখা গেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের এগ্রিকালচার বিভাগের ভেটেনারি সার্ভিস ল্যাবরেটরি। আপাতত বন্ধ করে দেয়া হয়েছে ওই চিড়িয়াখানা।

নিউইয়র্কের ব্রঙ্কস চিড়িয়াখানায় একাধিক বাঘ ও সিংহকে সম্প্রতি অসুস্থ হয়ে পড়তে দেখা যায়। প্রত্যেকেরই শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এরপর ওই বাঘটিকে পরীক্ষা করা হয়। চার বছর বয়সী মালয়েশিয়ান বাঘটির নাম নাদিয়া।
শুধু এই বাঘটিই নয়, বাঘটির বোনসহ আরও দুটি বাঘ ও তিনটি আফ্রিকার সিংহের শুকনো কাশি হতে দেখা যায়। যেহেতু পশুদের অজ্ঞান করে পরীক্ষা করতে হয়, তাই সব পশুকে পরীক্ষা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পশু চিকিৎসকরা।

চিড়িয়াখানার এক কর্মীর শরীর থেকে ওই ভাইরাস পশুদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। আপাতত ওই বাঘগুলোকে আলাদা করে রাখা হয়েছে, যাতে বাকি পশুদের শরীরে ভাইরাস না ছড়িয়ে পড়ে। এমনিতে গত ১৬ মার্চ থেকে ওই চিড়িয়াখানা বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে বাঘগুলোর ক্ষুধা কমে গেলেও আপাতত তারা সুস্থ আছে বলেও জানা গেছে।

যদিও পোষা প্রাণীদের ক্ষেত্রেও সতর্কতা মেনে চলার নির্দেশ আগেই দেয়া হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে কোনও পোষা প্রাণী শরীরে এই ভাইরাস দেখা যায়নি। যুক্তরাষ্ট্রে এই প্রথম কোনও পশুর শরীরে এই ভাইরাস দেখা গেল।

এর আগে করোনায় আক্রান্ত হয় একটি বিড়াল। বেলজিয়ামের এই খবরে বেশ আতঙ্কিত হয়ে পড়ে মানুষ। তবে এর আগে হংকংয়ে ১৭টি কুকুর ও ৮টি বিড়ালের ওপর করোনা পরীক্ষা করা হয়। এরমধ্যে দুটি কুকুরের শরীরে করোনা ধরা পড়ে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই কুকুর-বিড়ালগুলো করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছিল। সেখান থেকেই এদের শরীরেও করোনা সংক্রমণ হয়েছে। তবে এদের থেকে অন্য পশু বা মানুষের মধ্যে সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা কম বলেই জানান তারা।

ইউরোপে কমতে শুরু করেছে মৃত্যুর মিছিল
                                  

অনলাইন ডেস্ক : অনেকদিন পর আসার আলো দেখলো ইউরোপ। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হু হু করে বাড়তে থাকা একদিনে মৃতের সংখ্যা ইতালি, স্পেন, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যে কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ইতালিতে ২ সপ্তাহের মধ্যে সবচেয়ে কম মানুষ মারা গেছে।

একই সঙ্গে ইরান ও নিউইর্য়কে আক্রান্তের সংখ্যা কমেছে। এসব দেশের কর্মকর্তারা এটিকে লকডাউনের সুফল হিসেবেই মনে করছেন।

ইতালিতে রোববার (৫ এপ্রিল) ৫২৫ জন করোনা ভাইরাস সংক্রমণে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত রোগী মারা গেছেন। গত দুই সপ্তাতে এটিই সর্বনিম্ন মৃত্যুর রেকর্ড।

ইতালির জনস্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান সিলভিও ব্রুসাফেরো বলেন, লকডাউনের যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল তা কাজে দিয়েছে।

এখনো করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যায় শীর্ষে রয়েছে ইতালি। এ পর্যন্ত দেশটিতে মোট ১৫ হাজার ৮৮৭ জন মানুষ মারা গেছেন। আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার ৯৪৮ জন।

একই দিনে স্পেনে করোনা আক্রান্ত ৬৭৪ জন মারা গেছেন। ২৬ মার্চের পর ২৪ ঘণ্টায় রোববারই সবচেয়ে কম মানুষ মারা গেছেন। এখন পর্যন্ত স্পেনে ১২ হাজার ৬৪১ জন মানুষ মারা গেছেন এবং আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৩০ হাজার ছাড়িয়েছে।

রোববার যুক্তরাজ্যেও মৃত্যর সংখ্যা বৃদ্ধিও আগের দিনের চেয়ে কমেছে। যুক্তরাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ৪৭ হাজার ৮০৬ জন এবং মৃতের সংখ্যা প্রায় ৫ হাজার।

যুক্তরাজ্যের বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, আরও সাত থেকে ১০ দিন পর যুক্তরাজ্যে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা আসতে পারে। তারপর সংক্রমণের হার নিম্নগামী হবে।

রোববার ফ্রান্সে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৩৫৭ জন মারা গেছেন, যা আগের দিনের চেয়ে ৮৪ জন কম। ফ্রান্সে এ পর্যন্ত প্রায় ৮ হাজার মানুষ মারা গেছেন এবং আক্রান্তের সংখ্যা ৯০ হাজার ছাড়িয়েছে।

ইরানে টানা পঞ্চম দিনের মতো মৃতের সংখ্যা কমেছে। ইরানে এ পর্যন্ত ৩ হাজার ৬০৩ জন মানুষ মারা গেছেন এবং আক্রান্তের সংখ্যা ৫৮ হাজারের মতো।

নিউইয়র্কে মৃত ও আক্রান্তের সংখ্যা প্রথমবারের মতো আগের দিনের চেয়ে কমেছে। রোববার যুক্তরাজ্যের নিউইয়র্ক রাজ্যে ৫৯৪ জন মানুষ মারা গেছেন, আগের দিন এ সংখ্যা ছিল ৬৩০ জন। করোনা ভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যায় এ মুহূর্তে বিশ্বে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৯ হাজারের বেশি এবং আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লাখ ২৫ হাজারের বেশি।

সোমবার (৬ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সারাবিশ্বে করোনা ভাইরাস সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছেন ১২ লাখ ৭৩ হাজার ৭০৯ জন। ভাইরাস সংক্রমণে এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৬৯ হাজার ৪৫৬ জনের। সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ২ লাখ ৬২ হাজার ৪৮৬ জন।

হাসপাতালে ভর্তি করোনা আক্রান্ত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
                                  

অনলাইন ডেস্ক : শরীরে করোনাভাইরাস ধরা পড়ার ১০ দিন পর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। কভিড-১৯ এর প্রথাগত লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ায় রোববার (৫ এপ্রিল) তার কার্যালয় ডউনিং স্ট্রিট থেকে জানানো হয়েছে। খবর আল-জাজিরার।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় তার হাসপাতালে ভর্তির বিষয়টিকে `পূর্ব সতর্কতামূলক` ব্যবস্থা হিসেবে উল্লেখ করেছে।

ডাউনিং স্ট্রিট এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, চিকিৎসকের পরামর্শে প্রধানমন্ত্রী আজ রাতে হাসপাতালে পরীক্ষার জন্য ভর্তি হয়েছেন।

এতে বলা হয়েছে, `প্রধানমন্ত্রীর করোনা ধরা পড়ার ১০ দিন পর করোনার প্রথাগত উপসর্গ থাকায় পূর্ব সতর্কতামূলক এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

গত ২৭ মার্চ বিশ্বের শক্তিশালী রাষ্ট্রনেতাদের মধ্যে প্রথম ব্যক্তি হিসেবে করোনা ধরা পড়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের। এরপর ডাউনিং স্ট্রিটের একটি ফ্লাটে তিনি সেল্ফ আইসোলেশনে চলে যান। গত শুক্রবার বরিস জানান, তিনি ভালো অনুভব করছেন তবে শরীরে জ্বর আছে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় সর্বাধিক মৃত্যুর দিক দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পরেই আছে যুক্তরাজ্য। দেশটিতে নতুন ৬২১ জন রোগী শনাক্তের খবর পাওয়া গেছে। সব মিলিয়ে মারা গেছেন ৪ হাজার ৯৩৪ জন। আর আক্রান্ত হয়েছেন ৪৭ হাজার ৮০৬ জন।

করোনা আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে ১২ লাখ ছাড়াল
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বিশ্বজুড়ে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে ১২ লাখ ছাড়িয়েছে। ২০৮টি দেশে ছড়িয়ে পড়া এ ভাইরাস সোমবার ( ৬ এপ্রিল) পর্যন্ত ৬৯ হাজারেরও বেশি মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির তথ্য বলছে, এ পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১২ লাখ ৭৩ হাজার ৭১২ জন। মারা গেছেন ৬৯ হাজার ৪৫৮ জন। আর সুস্থ হয়েছেন ২ লাখ ৬২ হাজার ৪৮৬ জন।

করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কেন্দ্রস্থল এখন ইউরোপ। বিশেষ করে বলা যায় যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি ও স্পেন। যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৩ লাখ ৩০ হাজার। ইতালিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ২৮ হাজার ৯৪৮জন। আর স্পেনে ১ লাখ ৩১ হাজার ৬৪৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন করোনা ভাইরাসে। ১ লাখ ছুঁয়েছে জার্মানির আক্রান্তের সংখ্যাও।

বিশ্বজুড়ে ২ লাখ ৬২ হাজার ৪৮৬ জন সুস্থ হয়েছেন। এর মধ্যে চীনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৭৭ হাজারেরও বেশি মানুষ। ইরানে সুস্থ হয়েছেন ১৯ হাজার ৭৩৬ জন। ইতালিতে ২১ হাজার ৮১৫ ও স্পেনে ৩৮ হাজার ৮০ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

সামনে মারা যাবে বহু মানুষ, কিছুই করার নেই মেনে নিতেই হবে: ট্রাম্প
                                  

অনলাইন ডেস্ক : করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র কঠিনতম সপ্তাহে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, দুর্ভাগ্যবশত, এই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে বহু মৃত্যু হতে পারে।

বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসে যুক্তরাষ্ট্রে শনিবার একদিনেই ১২২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এ সময়ে দেশটিতে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা তিন লাখ ছাড়িয়ে গেছে। আর মৃত্যু হয়েছে আট হাজারের বেশি মানুষের। জনস হপকিনস বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাবে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

শনিবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, এটা হবে সম্ভাব্য কঠিনতম সপ্তাহ, চলতি সপ্তাহ এবং আগামী সপ্তাহের মধ্যে। এ সময়ে প্রচুর মানুষের মৃত্যু হবে।

ভয়াবহভাবে আক্রান্ত রাজ্যগুলোতে সেনা সদস্য ও চিকিৎসাকর্মী মোতায়েন করা হবে বলেও জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

তিনি বলেন, অঙ্গরাজ্যগুলোতে ঘাটতি পূরণে সহায়তা করতে প্রচুর সেনা সদস্য মোতায়েন করা হবে। হাজার হাজার সেনা সদস্য, হাজার হাজার চিকিৎসাকর্মী, পেশাদার নার্স ও চিকিৎসক নিয়োগ দেয়া হবে।

অঙ্গরাজ্যগুলোতে করোনাভাইরাসের অনেক সঙ্কটজনক রোগীকে বাঁচানোর জন্য ভেন্টিলেটরের প্রয়োজন হলেও কেন্দ্রীয় সরকার তা সরবরাহে যথেষ্ট ভূমিকা পালন করছে না, এমন সমালোচনাকেও উড়িয়ে দেন তিনি।

কয়েকটি অঙ্গরাজ্যের গভর্নর তাদের প্রয়োজনের চেয়েও বেশি ভেন্টিলেটর মেশিন চেয়ে পাঠাচ্ছে আর তাতেই এমন কথা উঠছে বলে পাল্টা অভিযোগ করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

ট্রাম্প বলেন, সঙ্কট দেখা দিতে পারে এমন শঙ্কায় অনেকে বেশি পাঠানোর অনুরোধ জানাচ্ছে।

‘আমাদের সামনে এমন সময় আসছে যা খুব ভয়ঙ্কর হতে পারে। যুদ্ধ চলাকালে, দুটি বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে অথবা অন্য কয়েকটি ঘটনায় সম্ভবত এ ধরনের সংখ্যা (মৃত্যুর) দেখলেও আর কখনো আমরা সম্ভবত এমনটি দেখিনি।’

চীনের একটি শহর থেকে উৎপত্তি হয়ে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসটিতে মৃত্যুর সংখ্যায় এখন পুরো চীনকে ছাড়িয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্য।

করোনায় বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা ৫৯ হাজার ছাড়িয়েছে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছেন বিশ্বের ৫৯ হাজারের বেশি মানুষ। আর এ ভাইরাসটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ১০ লাখ ৯৮ হাজারের বেশি মানুষ।

আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডওমিটারস এ তথ্য জানিয়েছে।

শনিবার বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টার দিকে সংস্থাটির ওয়েবসাইটে দেখা যায়, বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১০ লাখ ৯৮ হাজার ৩৯০ জন। আর ভাইরাসটিতে সংক্রমিত হয়ে এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ৫৯ হাজার ১৫৯ জন।

ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের হুবেইপ্রদেশের উহান শহরে এ ভাইরাসটি প্রথমে দেখা যায়। পরে ভাইরাসটি মহামারী আকারে বিশ্বের ১৯৯ দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।

বর্তমানে এ ভাইরাসটিতে সবচেয়ে বেশি সংক্রমিত দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র সবার ওপরে রয়েছে। আর মৃত্যুর দিক দিয়ে ইতালি এগিয়ে রয়েছে। এর পরেই অবস্থান স্পেনের। এদিক থেকে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

করোনায় আক্রান্তের সংখ্যায় যুক্তরাষ্ট্রই এখন সবার ওপরে। দেশটিতে দুই লাখ ৭৭ হাজার ১৬১ জনের দেহে কোভিড-১৯ ধরা পড়েছে। মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৭ হাজার ৩৯২ জনে।

করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি এখনও ইতালিতে। শুক্রবার পর্যন্ত পর্যন্ত দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ ১৯ হাজার ৮২৭ জন, আর প্রাণ হারিয়েছেন ১৪ হাজার ৬৮২ জন।

করোনাভাইরাস সংক্রমণে স্পেনে মৃতের সংখ্যা ১১ হাজার ছাড়িয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ১১ হাজার ১৯৮ জনে।

ফ্রান্সে মোট মৃত্যু হয়েছে ৬ হাজার ৫০৭ জনের। আক্রান্ত হয়েছেন ৬৪ হাজার ৩৩৮ জন।

ইরানে এ পর্যন্ত মারা গেছেন তিন হাজার ২৯৪ জন। আক্রান্ত হয়েছেন ৫৩ হাজার ১৮৩ জন। তবে এর মধ্যে ১৬ হাজার ৭১১ জন সুস্থ হয়েছেন।

মৃত্যুপুরী ইতালিতে আজও ৭৬৬ প্রাণহানি
                                  

অনলাইন ডেস্ক : প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে ইতালি। দেশটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭৬৬ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে দেশটিতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৬৮১ জনে। যা এখন পর্যন্ত বিশ্বে সর্বোচ্চ।

গত বৃহস্পতিবার দেশটিতে করোনায় ৭৬০ জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৪ হাজার ৫৮৫ জনের দেহে করোনার উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা এখন ১ লাখ ১৯ হাজার ৮৮৭ জন।

ইতালিতে করোনায় মৃত্যুহার আশঙ্কাজনকভাবে বাড়তে থাকায় উদ্বেগ জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইতালি শিগগিরই করোনা সংক্রমণের সর্বোচ্চ চূড়ায় পৌঁছে যাবে। এরপর থেকেই সেখানে এ মহামারির প্রকোপ কিছুটা কমতে শুরু করবে।

এ পর্যন্ত বিশ্বের অন্তত ২০০টির বেশি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে করোনা। এতে আক্রান্ত হয়েছেন ১০ লাখের বেশি মানুষ। মারা গেছেন ৫৬ হাজারের বেশি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন প্রায় ৩৯ হাজার। তবে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২ লাখের বেশি রোগী।

ফ্রান্সে একদিনেই করোনা কেড়ে নিল ১১২০ প্রাণ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গেল ২৪ ঘণ্টায় ফ্রান্সের ১ হাজার ১২০ জন প্রাণ হারিয়েছে। গতকাল এ মৃতের সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৩৫৫ জন। এনিয়ে দেশটিতে মোট মৃতের সংখ্যা এখন ৬ হাজার ৫০৭ জন।

এদিকে এখন পর্যন্ত সারাবিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে প্রায় ১১ লাখ মানুষ। প্রাণ হারিয়েছে ৫৮ হাজার ১৪৯ জন।

ইতালিতে ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৭৬৬ জন। দেশটিতে মোট মারা গেছে ১৪ হাজার ৬৮১ জন। যুক্তরাষ্ট্রে ৭৩৩ জনসহ মোট মারা গেছে ৬ হাজার ৮০৩ জন। এছাড়া যুক্তরাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৮৪ জন, স্পেনে মারা গেছেন ৫৮৭ জন।

সব রেকর্ড ভাঙল ফ্রান্স, একদিনেই মৃত্যু ১৩৫৫
                                  

অনলাইন ডেস্ক : করোনা ভাইরাসে মৃত্যুর সব রেকর্ড ভেঙেছে ফ্রান্স। দেশটিতে শেষ ২৪ ঘণ্টায় এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১ হাজার ৩৫৫ জন। এ নিয়ে দেশটিতে মৃতের সংখ্যা ৫ হাজার ৩৮৭ জন।

এর আগে ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটেছিল স্পেনে। দেশটিতে ২৪ ঘণ্টায় মারা যায় ৯৫০ জন।

দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৫৯ হাজার ১০৫ জন। আর সুস্থ হয়েছেন ১২ হাজার ৪২৪ জন।

সারা বিশ্বে এখন পর্যন্ত এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১০ লাখ ১৫ হাজার ৪৬৬ জন। প্রাণ হারিয়েছেন ৫৩ হাজার ১৯০ জন এবং আক্রান্তদের ২ লাখ ১২ হাজার ২২৯ জন সুস্থ হয়েছেন।

এ ভাইরাসে সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ৪৫ হাজার ৬৬ জন এবং মারা গেছেন ৬ হাজার ৭৫ জন।

মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ইতালিতে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত এ ভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ১৩ হাজার ৯১৫ জনের। এছাড়া আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ২৪২ জন।

চ্যালেঞ্জের মুখে সৌদি, ২২২ বছর পর ফের হজ বাতিলের শঙ্কা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : করোনা ভাইরাসের কারণে সৌদি আরবের পবিত্র দুই নগরী মক্কা-মদিনায় চলছে কারফিউ, পুরো দেশ লকডাউন। এ পরিস্থিতিতে চলতি বছর মুসলমানদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় জমায়েত পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে কি-না সেটা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। তবে এর আগে ১৭৯৮ সালে একবার হজ স্থগিত করা হয়েছিল। ২২২ বছর আগের সেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হওয়ার শঙ্কা দেখা যাচ্ছে এবার।

এদিকে সৌদি কর্মকর্তাদের বরাতে ব্রিটিশ গণমাধ্যম গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনা পরিস্থিতির কারণে এ বছর হজ বাতিল হতে পারে। ইসলামের ইতিহাসে অবশ্য হজ বাতিলের ঘটনা আগেও ঘটেছে। তবে আধুনিক ইতিহাসে এটা বিরল ঘটনা। সর্বশেষ প্রায় ২০০ বছর আগে ১৭৯৮ সালে হজ বাতিল করা হয়েছিল।

এছাড়া, করোনা ভাইরাসের কারণে হজ অনুষ্ঠিত হবে কিনা তা জানতে মুসলিম সম্প্রদায়কে অপেক্ষা করতে বলেছে সৌদি আরব। দেশটির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রী মোহাম্মদ বাতেন মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এ কথা বলেছেন।

এদিকে, করোনা পরিস্থিতিতে এখনই হজের পরিকল্পনা না করতে মুসলিম বিশ্বের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সৌদি আরব। মুঠোফোনে সময় সংবাদকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাবের সভাপতি শাহাদাত হোসাইন তসলিম।

তিনি জানান, হজ চলাকালীন সৌদি আরবে হাজীদের আবাসনের আগাম বুকিং, ক্যাটারিং সার্ভিস ও বিমান টিকিট কাটার কার্যক্রম স্থগিত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির হজ ও ওমরাহমন্ত্রী ড. সালেহ বিন তাহের বিন তাজ।

মার্চের প্রথম দিকে করোনাভাইরাসের কারণে ওমরাহ স্থগিত করেছিল সৌদি। সেই স্থাগিতাদেশ এখনও বহাল আছে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, ইন্ডিপেন্ডেন্ট

ফিলিপাইনে লকডাউন না মানলে গুলির নির্দেশ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : লকডাউন না মানলে গুলি করে হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট রোদ্রিগো দুতার্তে। গতকাল বুধবার (১ এপ্রিল) রাতে জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে এ নির্দেশ দেন তিনি।

ভাষণে প্রেসিডেন্ট বলেন, সরকারের বিধিনিষেধ এখন মানুন। কারণ পরিস্থিতি এখন জটিল।

ঘরের বাইরে বের হয়ে কারো বিপদ ডেকে না আনার অনুরোধ করেছেন ফিলিপিন্স প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন স্বাস্থ্যকর্মী, চিকিৎসকদের কোনো ক্ষতি করবেন না। কারণ এটা গুরুতর অপরাধ। পুলিশ ও সামরিক বাহিনীকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে, কেউ যদি ঝামেলা করে এবং অন্যের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেয়; তাহলে তাদের গুলি করে হত্যা করুন।

এদিকে দুই সপ্তাহ আগে থেকে দেশটিতে শুরু হয়েছে লকডাউক। কিন্তু খাবার ও ত্রাণ না পাওয়ায় ম্যানিলার কুয়েজন সিটির একটি মহাসড়কে বস্তিবাসীদের তীব্র প্রতিবাদের পর দুতার্তে এ হুঁশিয়ারি দিলেন। গ্রামের নিরাপত্তাকর্মী ও পুলিশ সবাইকে ঘরে থাকার নির্দেশ দিলেও শোনেনি অনেকে। আন্দোলন ছত্রভঙ্গ করে পুলিশ ২০ জনকে গ্রেফতার করেছে।

এখন পর্যন্ত ফিলিপাইনে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ২ হাজার ৩১১ জন। মারা গেছেন অন্তত ৯৬ জন।

যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়াল ২ লাখ
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আক্রান্তের সংখ্যায় অনেক আগেই চীনকে ছাড়িয়ে গিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। এবার মৃত্যুসংখ্যাতেও বহুদূর এগিয়ে গেল তারা। বুধবার দেশটিতে করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ৯০৮ জন। এখন পর্যন্ত এটাই যুক্তরাষ্ট্রে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড। এ নিয়ে সেখানে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ হাজারেরও বেশি।

যুক্তরাষ্ট্রে করোনা আক্রান্তের সংখ্যাও দুই লাখ ছাড়িয়েছে। এদিন দেশটিতে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন অন্তত ২৫ হাজার ৬৭৬ জন।

মৃত্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের ওপরে শুধু ইতালি (১২ হাজার ৪২৮ জন) ও স্পেন (৯ হাজার ৫৩ জন)। আর আক্রান্তের সংখ্যায় সবার ওপরে তারা।

যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি করোনায় ভুক্তভোগী নিউ ইয়র্ক। গোটা দেশের প্রায় ৪০ শতাংশ রোগীই এ অঙ্গরাজ্যের। বুধবার এ অঞ্চলে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৭ হাজার ৯১৭ জন। এ নিয়ে সেখানে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৩ হাজার ৭১২ জন। এদিন সেখানে মারা গেছেন আরও ৩১৯ জন। ফলে শুধু নিউ ইয়র্কেই মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯৪১ জন।

এরপর নিউ জার্সিতে আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ১৯ হাজার মানুষ, মারা গেছেন ২৬৭ জন।

রাতারাতিই যুক্তরাষ্ট্রে করোনার সংক্রমণের তৃতীয় হটস্পট হয়ে উঠেছে মিশিগান। এ অঙ্গরাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৭৫ জন। এ নিয়ে সেখানে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫৯ জন। এ অঞ্চলে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন সাড়ে সাত হাজারেরও বেশি মানুষ।

সূত্র: ডেইলি মেইল


   Page 1 of 144
     আন্তর্জাতিক
করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসায় মিস ইংল্যান্ড
.............................................................................................
করোনায় বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা ৭৪ হাজার ছাড়ালো
.............................................................................................
যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যু
.............................................................................................
ময়লা ফেলার ব্যাগ পরে চিকিৎসা দিচ্ছেন ব্রিটিশ ডাক্তাররা
.............................................................................................
এবার বাঘের শরীরে মিললো করোনাভাইরাস
.............................................................................................
ইউরোপে কমতে শুরু করেছে মৃত্যুর মিছিল
.............................................................................................
হাসপাতালে ভর্তি করোনা আক্রান্ত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
করোনা আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে ১২ লাখ ছাড়াল
.............................................................................................
সামনে মারা যাবে বহু মানুষ, কিছুই করার নেই মেনে নিতেই হবে: ট্রাম্প
.............................................................................................
করোনায় বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা ৫৯ হাজার ছাড়িয়েছে
.............................................................................................
মৃত্যুপুরী ইতালিতে আজও ৭৬৬ প্রাণহানি
.............................................................................................
ফ্রান্সে একদিনেই করোনা কেড়ে নিল ১১২০ প্রাণ
.............................................................................................
সব রেকর্ড ভাঙল ফ্রান্স, একদিনেই মৃত্যু ১৩৫৫
.............................................................................................
চ্যালেঞ্জের মুখে সৌদি, ২২২ বছর পর ফের হজ বাতিলের শঙ্কা
.............................................................................................
ফিলিপাইনে লকডাউন না মানলে গুলির নির্দেশ
.............................................................................................
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়াল ২ লাখ
.............................................................................................
বিপর্যস্ত স্পেন, একদিনে করোনায় প্রাণ গেল ৯২৩ জনের
.............................................................................................
এশিয়ার বৃহত্তম বস্তিতে করোনা হানা, শঙ্কায় মুম্বাই
.............................................................................................
দূষণের ক্ষত সারিয়ে ধীরে ধীরে সুস্থ হয় উঠছে ওজন স্তর!
.............................................................................................
২য় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতিতে বিশ্ব
.............................................................................................
কোয়ারেন্টাইন না মানলে রাশিয়ায় ৭ বছরের কারাদণ্ড!
.............................................................................................
করোনার মধ্যেই ইয়েমেনে সৌদির হামলা
.............................................................................................
ভারতে করোনায় আক্রান্ত ১,৬১৬ জন, মৃত্যু বেড়ে ৩৫
.............................................................................................
যুক্তরাষ্ট্রে একদিনে ৭৭০ মৃত্যুর রেকর্ড, ছাড়াল চীনকেও
.............................................................................................
আক্রান্ত ছাড়িয়েছে সাড়ে আট লাখ, মৃত ৪২ হাজার
.............................................................................................
অর্থনৈতিক মন্দায় পড়বে উন্নয়নশীল দেশগুলো: জাতিসংঘ
.............................................................................................
নেই পিপিই, হেলমেট-রেইনকোটেই লড়ছেন ভারতীয় চিকিৎসকরা
.............................................................................................
করোনা ঠেকাতে ম্যালেরিয়ার ওষুধ সেবন, ভারতীয় চিকিৎসকের মৃত্যু
.............................................................................................
লাশের সারি দীর্ঘ হচ্ছে স্পেনে, ২৪ ঘণ্টায় মারা গেলেন আরও ৮৪৯ জন
.............................................................................................
করোনায় প্রথম মার্কিন সেনা সদস্যের মৃত্যু
.............................................................................................
দিল্লির মসজিদে তাবলিগ জামাত, করোনায় ৬ জনের মৃত্যু
.............................................................................................
বিশ্বব্যাপী করোনার ছোবলে মৃত বেড়ে ৩৭৮১৫
.............................................................................................
নেপালে লকডাউনের সময়সীমা আরও বাড়লো
.............................................................................................
উপদেষ্টা করোনায় আক্রান্ত, কোয়ারেন্টাইনে নেতানিয়াহু
.............................................................................................
স্পেনে লাশের স্তূপ, আজও প্রাণ গেল ৮১২ জনের
.............................................................................................
করোনায় সিরিয়ায় প্রথম মৃত্যু
.............................................................................................
পাকিস্তানে জামাতে নামাজের নিষেধাজ্ঞা না মানায় ইমামসহ আটক ৪৩
.............................................................................................
করোনা: ইতালির পর ফ্রান্স এখন মৃত্যুপুরী!
.............................................................................................
করোনা ঠেকাতে ২৫০ কোটি মানুষ নজরদারিতে
.............................................................................................
করোনা ঠেকাতে ২৫০ কোটি মানুষ নজরদারিতে
.............................................................................................
ইরানের ১৯ প্রদেশে প্রবল বন্যা: চলছে উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা
.............................................................................................
করোনা ঠেকাতে নিউজিল্যান্ডে জরুরি অবস্থা জারি
.............................................................................................
করোনাভাইরাস: ইরানে কমেছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা
.............................................................................................
চীনা পণ্যে করোনার ভয়, চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিহারের অনুরোধ
.............................................................................................
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে তিন সপ্তাহ ‘লকডাউনে’ যুক্তরাজ্য
.............................................................................................
করোনা ছড়ানোর পেছনে এশিয়ান আমেরিকানদের কোনো হাত নেই: ট্রাম্প
.............................................................................................
করোনাভাইরাসে এবার প্রাণ গেল ১৩ বছরের কিশোরীর
.............................................................................................
করোনায় মৃতের সংখ্যা সাড়ে ১৪ হাজার ছাড়াল
.............................................................................................
এবার ভারতের ৮০ শহর লকডাউন
.............................................................................................
ক্যালিফোর্নিয়ায় করোনা পরিস্থিতিকে দুর্যোগ ঘোষণায় সম্মতি ট্রাম্পের
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD