| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * শিশু ধর্ষণ মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কেন দেয়া হবে না : হাইকোর্ট   * মতিউর রহমানসহ ছয়জনকে গ্রেফতার ও হয়রানি না করার নির্দেশ   * প্রিন্স হ্যারি-মেগান রাজকীয় পদবি হারাচ্ছেন   * ইয়েমেনে সামরিক প্রশিক্ষণ শিবিরে হামলায় নিহত ৬০   * যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের ওপর `বিপজ্জনক আক্রমণ` : ট্রাম্পের আইনজীবী   * মাঘের শুরুতেই বৃষ্টিতে ভিজলো রাজশাহী   * আওয়ামী লীগ ও নৌকার ব্যাকগ্রাউন্ড লাগে না : আতিকুল ইসলাম   * গণমাধ্যমের স্বাধীনতার কোন সম্পর্ক নেই গ্রেফতারি পরোয়ানার সঙ্গে   * নারীর আয়ে ৬৪ দেশের শীর্ষে বাংলাদেশ   * ওজনের কারণে ট্রাকে করে নেওয়া হলো গ্রেপ্তারকৃত আইএস নেতা নিমাহ  

   আন্তর্জাতিক -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
প্রিন্স হ্যারি-মেগান রাজকীয় পদবি হারাচ্ছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ব্রিটিশ প্রিন্স হ্যারি এবং তার স্ত্রী মেগান মার্কেলের রাজকীয় পদবি আর থাকছে না। বাকিংহাম প্যালেস এক ঘোষণায় জানিয়েছে, প্রিন্স হ্যারি এবং মেগান তাদের রাজকীয় পদবি আর ব্যবহার করবেন না। এমনকি তারা রাজপরিবারের হয়ে দায়িত্ব পালনের জন্য যে অর্থ পেতেন সেটাও আর পাবেন না।

প্রিন্স হ্যারি এবং মেগান এখন থেকে আর রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের প্রতিনিধিত্ব করবেন না। যুক্তরাজ্যে এই দম্পতির ফ্রগমোর কটেজ সংস্কারে সরকারি কোষাকার থেকে প্রায় ২৪ লাখ পাউন্ড ব্যয় হয়েছে। ওই অর্থ হ্যারি এবং মেগানকে পরিশোধ করতে হবে।

 

এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, রাজপ্রাসাদ ছাড়ার পর ওই কটেজেই বসবাস শুরু করবেন তারা। বাকিংহাম প্যালেস জানিয়েছে, চলতি বছরের বসন্তেই রাজপরিবার থেকে আলাদা হয়ে যাচ্ছেন প্রিন্স হ্যারি ও মেগান।

এক বিবৃতিতে রানি এলিজাবেথ জানিয়েছেন, কয়েক মাসের কথোপকথন এবং সাম্প্রতিক আলোচনায় তিনি এ বিষয়ে সন্তুষ্ট যে, তার পরিবার এবং নাতি প্রিন্স হ্যারির জন্য একটি গঠনমূলক ও সহায়ক পথ খুঁজে পাওয়া গেছে।

সম্প্রতি ব্রিটিশ প্রিন্স হ্যারি এবং তার স্ত্রী মেগান মার্কেল রাজপরিবারের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়ে স্বাধীন জীবনযাপনের সিদ্ধান্তের কথা জানান। পরে তাতে সমর্থন জানান রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। রাজপরিবারের জ্যেষ্ঠ সদস্যদের সঙ্গে এক বৈঠকের পর তিনি বলেন, হ্যারি এবং মেগান যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাদের সেভাবে থাকার অনুমতি দিচ্ছেন তিনি।

রানি বলেন, হ্যারি, মেগান এবং তাদের ছেলে আর্চি সব সময়ই আমার পরিবারের সবচেয়ে প্রিয় সদস্য হিসেবে থাকবে। তারা সবার ভালোবাসা পাবে। দেশের জন্য হ্যারি ও মেগান যেভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তার জন্য তাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন রানি এলিজাবেথ।

 
প্রিন্স হ্যারি-মেগান রাজকীয় পদবি হারাচ্ছেন
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ব্রিটিশ প্রিন্স হ্যারি এবং তার স্ত্রী মেগান মার্কেলের রাজকীয় পদবি আর থাকছে না। বাকিংহাম প্যালেস এক ঘোষণায় জানিয়েছে, প্রিন্স হ্যারি এবং মেগান তাদের রাজকীয় পদবি আর ব্যবহার করবেন না। এমনকি তারা রাজপরিবারের হয়ে দায়িত্ব পালনের জন্য যে অর্থ পেতেন সেটাও আর পাবেন না।

প্রিন্স হ্যারি এবং মেগান এখন থেকে আর রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের প্রতিনিধিত্ব করবেন না। যুক্তরাজ্যে এই দম্পতির ফ্রগমোর কটেজ সংস্কারে সরকারি কোষাকার থেকে প্রায় ২৪ লাখ পাউন্ড ব্যয় হয়েছে। ওই অর্থ হ্যারি এবং মেগানকে পরিশোধ করতে হবে।

 

এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, রাজপ্রাসাদ ছাড়ার পর ওই কটেজেই বসবাস শুরু করবেন তারা। বাকিংহাম প্যালেস জানিয়েছে, চলতি বছরের বসন্তেই রাজপরিবার থেকে আলাদা হয়ে যাচ্ছেন প্রিন্স হ্যারি ও মেগান।

এক বিবৃতিতে রানি এলিজাবেথ জানিয়েছেন, কয়েক মাসের কথোপকথন এবং সাম্প্রতিক আলোচনায় তিনি এ বিষয়ে সন্তুষ্ট যে, তার পরিবার এবং নাতি প্রিন্স হ্যারির জন্য একটি গঠনমূলক ও সহায়ক পথ খুঁজে পাওয়া গেছে।

সম্প্রতি ব্রিটিশ প্রিন্স হ্যারি এবং তার স্ত্রী মেগান মার্কেল রাজপরিবারের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়ে স্বাধীন জীবনযাপনের সিদ্ধান্তের কথা জানান। পরে তাতে সমর্থন জানান রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। রাজপরিবারের জ্যেষ্ঠ সদস্যদের সঙ্গে এক বৈঠকের পর তিনি বলেন, হ্যারি এবং মেগান যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাদের সেভাবে থাকার অনুমতি দিচ্ছেন তিনি।

রানি বলেন, হ্যারি, মেগান এবং তাদের ছেলে আর্চি সব সময়ই আমার পরিবারের সবচেয়ে প্রিয় সদস্য হিসেবে থাকবে। তারা সবার ভালোবাসা পাবে। দেশের জন্য হ্যারি ও মেগান যেভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তার জন্য তাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন রানি এলিজাবেথ।

 
ইয়েমেনে সামরিক প্রশিক্ষণ শিবিরে হামলায় নিহত ৬০
                                  

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলে একটি সামরিক প্রশিক্ষণ শিবিরে হামলার ঘটনায় ৬০ সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। সৌদির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরে বলা হয়েছে, শনিবার ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা ওই হামলা চালিয়েছে। ওই হামলায় আরও কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছে।

মারিব শহরে অবস্থিত ওই সামরিক প্রশিক্ষণ শিবিরে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।



২০১৪ সালে সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে রাজধানী সানা এবং দেশটির উত্তরাঞ্চলের বেশিরভাগ স্থানের নিয়ন্ত্রণ নেয় হুতি বিদ্রোহীরা। সে বছরই আরব দেশগুলোকে নেতৃত্ব দিয়ে একটি জোট গঠন করে সৌদি আরব।

হুতিদের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে তাদের পরাজিত করতে এবং প্রেসিডেন্ট আব্দ রাব্বু মানসুর হাদি সরকারকে পুণরায় ক্ষমতা ফিরিয়ে দিতেই এই জোট গঠন করা হয়।

তবে ইরানের বুদ্ধিতে লড়াই করার কথা অস্বীকার করেছে হুতি বিদ্রোহীরা। তারা বলছে, দেশের দুর্নীতিগ্রস্ত বিভিন্ন পদক্ষেপের বিরুদ্ধে লড়াই করছে তারা। তবে এখনও পর্যন্ত শনিবারের ওই হামলার দায় স্বীকার করেনি হুতি বিদ্রোহীরা। পাঁচ বছর ধরে চলা ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধ বিশ্বের সবচেয়ে তীব্র মানবিক সংকটের সূচনা করেছে।

 
যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের ওপর `বিপজ্জনক আক্রমণ` : ট্রাম্পের আইনজীবী
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিশংসনের যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে সেগুলোকে বেআইনি বলে উল্লেখ করেছেন তার আইনজীবীরা। প্রথমবারের মতো ট্রাম্পের আইনজীবী দল এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জবাব দিয়েছে। এসব অভিযোগকে যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের ওপর `বিপজ্জনক আক্রমণ` বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এক বিবৃতিতে ট্রাম্পের আইনজীবী দল জানিয়েছে, অভিশংসনের যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে সেগুলো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে কোন অপরাধ প্রমাণ হয়নি এবং ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করার এটি একটি নির্লজ্জ চেষ্টা।

আগামী সপ্তাহেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিশংসনের বিচার শুরু হবে। তার আগেই ডেমোক্রেট সদস্যরা আনুষ্ঠানিকভাবে অভিশংসনের পক্ষে প্রয়োজনী নথি জমা দিয়েছেন। ফলে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় প্রেসিডেন্ট হিসেবে অভিশংসনের মুখে পড়তে যাচ্ছেন। তবে মার্কিন ইতিহাসে এখনও পর্যন্ত কোন প্রেসিডেন্টকে অভিশংসনের কারণে প্রেসিডেন্টের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়নি।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং কংগ্রেসের কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ট্রাম্প। তিনি এসব অভিযোগকে ধাপ্পাবাজি বলে উল্লেখ করেছেন।

গত মাসে ডেমোক্রেট নিয়ন্ত্রিত মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে অভিশংসিত হন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
তবে ট্রাম্পকে হোয়াইট হাউস ছাড়তে হবে কিনা সে বিষয়ে এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত সিনেটে।

ইতোমধ্যেই ট্রাম্পের আইনজীবীরা ছয় পৃষ্ঠার বিশাল একটি সারসংক্ষেপ প্রস্তুত করেছেন। আইনজীবীদের ওই দলটি জানিয়েছে, অভিশংসন প্রস্তাবকে সাংবিধানিক এবং পদ্ধতিগত দুইভাবেই মোকাবিলা করা হবে।


তাদের মতে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভুল কিছু করেননি এবং তাকে যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়নি। অপরদিকে শনিবার ডেমোক্রেট সদস্যরা অভিশংসনের যে কাগজপত্র জমা দিয়েছেন তাতে ট্রাম্পকে কেন অভিশংসিত করা উচিত সে সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, বিশ্বস্ততার সাথে আইন কার্যকর এবং নিজের দায়িত্ব পালনে প্রেসিডেন্ট যে শপথ নিয়েছেন তা তিনি ভঙ্গ করেছেন এবং তিনি জনগণের বিশ্বাস ভেঙেছেন।

 
নারীর আয়ে ৬৪ দেশের শীর্ষে বাংলাদেশ
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিশ্বের নির্ধারিত ৬৪ দেশের মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশেই প্রতি ঘণ্টায় পুরুষদের চেয়ে নারীরা বেশি আয় করেন। সম্প্রতি জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আর মাসিক আয়ের ক্ষেত্রেও এই ব্যবধান অত্যন্ত কম। দেশে পুরুষদের চেয়ে নারীদের মাসিক আয় মাত্র ২ দশমিক ২ শতাংশ কম।

বিশ্বের অনেক উন্নত দেশের তুলনায় এটাকে অনেক ভালো পরিস্থিতি হিসেবেই দেখা যায়। পুরো বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশেই লিঙ্গভিত্তিক পারিশ্রমিকের ব্যবধান সবচেয়ে কম।



গত ১৬ জানুয়ারি জাতিসংঘের ‘বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং সম্ভাবনা ২০২০’ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। শ্রমিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, বয়স, পার্ট-টাইম/ফুল-টাইম চাকরি, সরকারি/বেসরকারি চাকরি প্রভৃতি বিষয় বিবেচনায় নিয়েই এই জরিপ চালানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘণ্টা হিসেবে একই কাজে পুরুষদের তুলনায় বাংলাদেশের নারীরা ৪ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি পারিশ্রমিক পান, যা যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, সুইডেন, নেদারল্যান্ডসের মতো উচ্চ-আয়ের দেশের চেয়েও বেশি।

প্রতিবেদনটিতে ৬৪ দেশে নারী-পুরুষের মাসিক ও প্রতি ঘণ্টার আয়ের পার্থক্য তুলে ধরা হয়েছে। ২০২৮-১৯ অর্থবছরে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) বিশ্ব পারিশ্রমিক প্রতিবেদনের সঙ্গে তুলনা করে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

জাতিসংঘের ওই প্রতিবেদনে ২০৩০ সালে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের বিষয়েও বলা হয়েছে। এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যের মধ্যে পাঁচ নম্বরেই রয়েছে লিঙ্গসমতা ও নারীর ক্ষমতায়ন।


মাসিক আয়ের পার্থক্য কমেছে
২০১৮-১৯ অর্থবছরে আইএলও’র প্রতিবেদন অনুসারে, প্রতি ঘণ্টায় নারীরা পুরুষদের চেয়ে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি আয় করেন। তবে মাসিক হিসাবে পুরুষদের আয় ৭ দশমিক ২ শতাংশ বেশি। জাতিসংঘের সবশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বর্তমানে নারী-পুরুষের পারিশ্রমিক ব্যবধান কমেছে অন্তত ৫ পয়েন্ট। সে হিসাবে মাত্র এক বছরেই বাংলাদেশ অনেক উন্নতি করেছে।

বিশ্বের চিত্র সন্তোষজনক নয়
বৈশ্বিক হিসাবে প্রতি ঘণ্টায় নারীদের আয় পুরুষদের চেয়ে গড়ে ১৮ দশমিক ৮ শতাংশ কম। মাসিক আয়ের ক্ষেত্রে এর অবস্থা আরও খারাপ। সেখানে নারীরা পুরুষদের চেয়ে গড়ে ২১ দশমিক ২ শতাংশ কম পারিশ্রমিক পান।



২০১৮-১৯ অর্থবছরের আইএলওর ওই প্রতিবেদনে দেখা গেছে, প্রতি ঘণ্টায় নারীরা পুরুষদের চেয়ে ১৫ দশমিক ৬ শতাংশ কম আয় করতেন, আর মাসিক আয় কম ছিল ২০ দশমিক ৫ শতাংশ। এ থেকে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে, বিশ্বব্যাপী গত এক বছরে লিঙ্গভিত্তিক পারিশ্রমিক ব্যবধান বেড়েছে।

ব্যবধান বেড়েছে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশে
জাতিসংঘের চোখে পারিশ্রমিকে নারী-পুরুষ সমতার ক্ষেত্রে ১৭টি উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশ খুব খারাপ পরিস্থিতিতে রয়েছে। জরিপের জন্য নির্বাচিত ৩০টি উচ্চ আয়ের দেশে মাসিক পারিশ্রমিক ব্যবধান সবচেয়ে কম। তবে আশ্চর্যজনকভাবে পাঁচটি নিম্ন আয়ের দেশও এক্ষেত্রে অত্যন্ত ভালো করেছে। প্রতি ঘণ্টার আয় ব্যবধানও এই পাঁচটি দেশে সর্বনিম্ন।

উচ্চ আয়ের দেশগুলোতে প্রতি ঘণ্টার আয় ব্যবধান ১৫ দশমিক ৫ শতাংশ এবং মাসিক আয় ব্যবধান ১৮ দশমিক ৩ শতাংশ। আর নিম্ন আয়ের দেশগুলোতে প্রতি ঘণ্টার আয় ব্যবধান ১২ দশমিক ৬ শতাংশ এবং মাসিক আয় ব্যবধান ২০ দশমিক ২ শতাংশ।

তলানিতে পাকিস্তান
নারী-পুরুষের পারিশ্রমিকে ঘণ্টা আর মাসিক উভয় ক্ষেত্রেই সবচেয়ে বড় ব্যবধান পাকিস্তানে। দেশটির নারীরা প্রতি ঘণ্টায় পুরুষদের তুলনায় ৩৬ দশমিক ৩ শতাংশ কম পারিশ্রমিক পান। আর একই কাজ করেও মাসিক আয়ে পুরুষদের চেয়ে দ্বিগুণ ব্যবধানে পিছিয়ে নারীরা। পাকিস্তানে মাসিক আয়ের ক্ষেত্রে লিঙ্গভিত্তিক পারিশ্রমিক ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ৪৩ দশমিক ৮ শতাংশ।

খারাপ অবস্থার দিক দিয়ে পাকিস্তানের পরেই রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। দেশটিতে ঘণ্টা হিসাবে ব্যবধান ২৮ দশমিক ৫ শতাংশ আর মাসিক হিসাবে ব্যবধান ৩১ দশমিক ১ শতাংশ।

উচ্চ আয়ের দেশ হয়েও এই তালিকার তিনে রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। সেখানে ঘণ্টা হিসাবে নারীরা পুরুষদের তুলনায় পারিশ্রমিক কম পান ২৬ দশমিক ২ শতাংশ আর মাসিক হিসেবে এই ব্যবধান ২৮ দশমিক ৩ শতাংশ।



দক্ষিণ এশিয়ার অবস্থা
ওই জরিপে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ছাড়াও নির্বাচিত ছিল দক্ষিণ এশিয়ার শ্রীলঙ্কা ও নেপাল। তবে সেখানে জায়গা হয়নি ভারতের। শ্রীলঙ্কায় লিঙ্গভিত্তিক পারিশ্রমিক ব্যবধান বেশ চড়া, সেক্ষেত্রে নেপালের অবস্থান যথেষ্ট ভালো। তবে একমাত্র বাংলাদেশ ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে এই ব্যবধান বিশ্বের গড় ব্যবধানের চেয়ে বেশি।

হিসাব পদ্ধতি
আইএলওর সংজ্ঞা অনুসারে, একজন ব্যক্তির নিয়মিত মজুরি, বোনাস, উপহার, বার্ষিক ছুটি, অসুস্থতাজনিত ছুটি, অর্জিত ছুটি সবকিছু মিলিয়ে মোট সম্মানী হিসাব করে আয়ের প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

 
ওজনের কারণে ট্রাকে করে নেওয়া হলো গ্রেপ্তারকৃত আইএস নেতা নিমাহ
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইসলামিক স্টেটের (আইএস) অন্যতম ‘গডফাদার’ আবু আবদুল বারীকে গ্রেপ্তার করেছেন ইরাকের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। ওজনের কারণে আইএসের এই নেতাকে পুলিশের জিপে করে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। ইরাকের মসুল থেকে গ্রেপ্তার করার পর তাঁকে ট্রাকে করে নিয়ে গেছে পুলিশ।

আবু আবদুল বারীর ওজন ২৫০ কেজি। ক্ষমতাতেও তিনি ‘হেভি ওয়েট’। আইএস প্রধান আবু বকর-আল বাগদাদির পরই জঙ্গি সংগঠনের অন্যতম ‘গডফাদার’ আবু আবদুল বারী। ইরাকের মসুলের গোপন আস্তানা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আইএসের শিফা আল-নিমাহ নামেও পরিচিত।


আবু-বকর আল বাগদাদি নিহত হওয়ার পর বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আইএসের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল আবু আবদুল বারীর কাজ। শিফা আল-নিমাহ ওরফে আবু আবদুল বারীর কাছে আইএসের আরও অনেক গোপন আস্তানার খোঁজ মিলবে বলে মনে করছেন ইরাকের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা।


নাম ও আস্তানা পাল্টে পাল্টে সিরিয়ার নানা জায়গায় আত্মগোপনে ছিলেন আবু আবদুল বারী। গণহত্যা, ধর্ষণ, নাশকতা-বিস্ফোরণসহ তাঁর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে। বাগদাদির মতোই ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ তালিকায় ছিলেন শিফা আল-নিমাহ।

‘নিউইয়র্ক পোস্ট’-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরাকের মসুল থেকে গ্রেপ্তার করার পর আবু আবদুল বারীকে ট্রাকে করে নিয়ে গেছে পুলিশ। ইরাকের নিরাপত্তা বাহিনীর সোয়াটের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে উসকানিমূলক ভাষণ দিতেন আবু আবদুল বারী। তিনি ছিলেন আইএসের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা। আইএসের অনুগত না হলে আবু আবদুল বারী ইসলামিক নেতাদের হত্যার ‘ফতোয়া’ দিতেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই জঙ্গি নেতার নাম ‘জাব্বা দ্য জিহাদি’। হলিউডের বিখ্যাত ‘স্টার ওয়ার্স’ সিরিজের চরিত্র ‘জাব্বা দ্য হাট’-এর সঙ্গে মিল রেখে তাঁর এই নাম রাখা হয়েছে। বিশাল দেহের জন্য তিনি পরিচিতি পেয়ে যান সহজেই। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি ও আইএএনএস

 
ভড়কে গিয়েই ভুল করেছে ইরান: রাশিয়া
                                  


আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তেহরান যখন মিসাইল ছুড়ে ইউক্রেনের যাত্রীবাহী প্লেন ভূপাতিত করে ঠিক সে সময়ই অন্তত ৬টি মার্কিন যুদ্ধবিমান হামলার উদ্দেশ্যে ইরান সীমান্তে অবস্থান করছিল বলে নতুন তথ্য জানিয়েছে রাশিয়া। সম্ভাব্য মার্কিন হামলার ওই খবরে ভড়কে গিয়েই ইরান ভুলবশত মিসাইল ছুড়ে ইউক্রেনের ওই প্লেনটি ভূপাতিত করে বলে জানায় তারা।


শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) মস্কোতে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ বার্ষিক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

লাভরভ বলেন, ইরাকের মার্কিন বিমানঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রতিশোধ নিতে সেদিন ইরান সীমান্তে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ৬টি অত্যাধুনিক স্টিলথ এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান অবস্থান করছিল। যদিও এ তথ্য আরও যাচাইবাছাইয়ের প্রয়োজন আছে।

আমাদের কাছে তথ্য আছে যে, মার্কিনঘাঁটিতে হামলা চালানোর পরপরই যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা হামলার আশঙ্কা করছিল ইরান। কিন্তু, তারা ঠিক জানতো যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে হামলা চালাবে। কিন্তু, ওই ধরনের পরিস্থিতিতে (কোনো দেশ, যেমন ইরানের ওপর) কী ধরনের চাপ তৈরি হয় আমি সে কথাই বলতে চাইছি। পরিস্থিতির চাপেই ইরান ভুলবশত ইউক্রেনের যাত্রিবাহী প্লেনে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে বলে অভিমত রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর।

সের্গেই লাভরভ আরও বলেন, আমি এই ঘটনার পক্ষে কোনো অজুহাত খাড়া করছি না। কিন্তু বলতে চাইছি ঠিক ওই দিনের উদ্ভূত পরিস্থিতির কথা। সেদিনের বাস্তবতা দিয়েই ইউক্রেনের যাত্রীবাহী বিমান ধংসের ঘটনাটাকে বোঝা গুরুত্বপূর্ণ।

লাভরভ আরও বলেন, ইউক্রেনের যাত্রীবাহী প্লেন ধংসের ঘটনা খুবই মর্মান্তিক। এটি একই সাথে একটি রক্তনিশান, যা আমাদের বলে, ওই অঞ্চলে চলমান উত্তেজনা ও হুমকি নিরসনের কথা। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা বাড়তে থাকলে মধ্যপ্রাচ্যে কোনো সমস্যারই সমাধান হবে না।

যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের কমান্ডার কাসেম সোলেমানির গুপ্তহত্যার তীব্র সমালোচনা করেন লাভরভ। তিনি এটিকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেন।

জানুয়ারির ৮ তারিখ তেহরানে ইউক্রেনের যাত্রীবাহী প্লেনটি ভূপাতিত করে ইরান। এতে পাইলট, ক্রুসহ ওই প্লেনে থাকা ১৭৬ আরোহীই নিহত হন। নিহতদের মধ্যে বেশিরভাগই ইরানি নাগরিক ছিলেন।

 
ইারান ইউক্রেনের বিমান বিধ্বস্ত : ২৫ হাজার ডলার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কানাডা
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরানের রাজধানী তেহরানে ইমাম খামেনি বিমানবন্দরে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত কানাডার নাগরিকদের প্রত্যেকের পরিবারকে ২৫ হাজার ডলার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কানাডা। গত ৮ জানুয়ারি ভুলবশত ইউক্রেনের একটি যাত্রীবাহী বিমান গুলি করে ভূপাতিত করে তেহরান।

ওই বিমানটিতে ইরানের ৮২ জন, কানাডার ৫৭ জন, ইউক্রেনের ১১ জন, সুইডেনের ১০ জন, আফগানিস্তানের চারজন এবং যুক্তরাজ্যের তিনজন নিহত হয়। কানাডা জানিয়েছে, নিহত ৫৭ জনের প্রত্যেকের পরিবারকে ২৫ হাজার ডলার করে দেওয়া হবে।

আনাদোলু নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এই ঘোষণা দিয়েছেন।

তিনি যখন এই ঘোষণা দেন তখন ওমানের রাজধানী মাসকাটে মুখোমুখি বৈঠক করছিলেন কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রাসোয়া ফিলিপ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাভেদ জারিফ।

ইউক্রেনের ওই বিমানটি এমন এক সময় বিধ্বস্ত হয়েছে যখন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। গত ৩ জানুয়ারি ইরাকের রাজধানী বাগদাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা চালিয়ে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী কুদস ফোর্সের প্রধান জেনারেল কাসেম সোলেইমানিকে হত্যা করা হয়।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির পর দ্বিতীয় শক্তিধর ব্যক্তি ছিলেন জেনারেল সোলেইমানি। তার মৃত্যুর প্রতিশোধ হিসেবে গত ৮ জানুয়ারি ইরাকে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালায় তেহরান। এর কয়েক ঘণ্টার পরেই ইউক্রেনের যাত্রীবাহী বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।


প্রথমদিকে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিজেদের দায় অস্বীকার করে ইরান। তবে দুর্ঘটনার তিনদিন পর ওই ঘটনার দায় স্বীকার করে ইরান জানায় যে, ভুলবশত ওই বিমানটি ভূপাতিত করা হয়েছে। বিমান বিধ্বস্তের ঘটনা তদন্তে ইউক্রেনকে অংশ নেয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে ইরান। তারা স্বচ্ছভাবে ব্ল্যাক-বক্সের তথ্য বিশ্লেষণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

ট্রুডো জানিয়েছেন, দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সাম্প্রতিক উত্তেজনা কমিয়ে আনতে জাভেদ জারিফকে আহ্বান জানিয়েছেন ফ্রাসোয়া ফিলিপ।

সংবাদ সম্মেলনে ট্রুডো বলেন, নিহতদের মরদেহ দেশে আনা, তাদের শেষকৃত্য সম্পন্ন এবং অন্যান্য কাজে ব্যয়ের জন্য ২৫ হাজার ডলার করে সহায়তা দেওয়া হবে। এর পুরোটাই কানাডা কর্তৃপক্ষের সহায়তা। এখনও নিহতদের পরিবারকে ইরানের তরফ থেকে কোনো ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়নি। ট্রুডো বলেন, আমরা আশা করছি ইরান এই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তা প্রদান করবে।

 
চীনের প্রেসিডেন্টের মিয়ানমার সফর : সমুদ্রবন্দর নির্মাণে চুক্তি
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

দুই দিনের সফরে শুক্রবার মিয়ানমার পৌঁছেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ক্ষমতায় আসার পর শি জিনপিংয়ের প্রথম সফর। আর ১৯ বছর পর চীনের কোনো প্রেসিডেন্টের মিয়ানমার সফর এটি।

চীনা প্রেসিডেন্টের এই সফরকে চীনের গ্লোবাল বেল্ট ও রোড উদ্যোগের অংশ হিসেবে দেখছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।


মিয়ানমারের ডেপুটি বাণিজ্যমন্ত্রী অং জেঁইয়ের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, জিনপিং তার সফরে মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চি, প্রেসিডেন্ট উইন মিনত ও সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন। তাদের এই বৈঠকে চামসু বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ ও রাখাইন রাজ্যে ১৩০ কোটি ডলার ব্যয়ে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণে চুক্তি হওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া প্রায় হাজার কোটি ডলারের বিনিয়োগ চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে। বৈঠকগুলো আজ শনিবার রাজধানী নেইপিদোতে অনুষ্ঠিত হতে পারে।

২০১৩ সালে ক্ষমতায় আসেন শি জিনপিং। ইতোমধ্যে আসিয়ানভুক্ত সব দেশ সফর করেছেন তিনি। শুধু বাকি ছিল মিয়ানমার। বিশ্লেষকরা বলছেন, ঐতিহাসিক এই সফরের মাধ্যমে মূলত মিয়ানমারকে কাছে পেতে চাইছে চীন। আর এটা চীনের স্বার্থেই-গ্লোবাল বেল্ট ও রোড উদ্যোগেরই অংশ।

২০১৭ সালে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর কঠোর অভিযানে ৭ লাখ ৩০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়েছে। জাতিসংঘের তদন্তকারী কর্মকর্তারা বলেন, অভিযানে ১০ হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। রাখাইনে মিয়ানমারের গণহত্যার অভিযোগ এনে দেশটিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) দাঁড় করিয়েছে গাম্বিয়া। এমতাবস্থায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অনেক চাপে রয়েছে মিয়ানমার। সেই মুহূর্তে প্রেসিডেন্টের এই সফর দেশটির পাশে দাঁড়ানোরই শামিল চীনের।

গত বছরের শেষ দিকে আন্তর্জাতিক আদালতে গাম্বিয়ার মামলার পর মিয়ানমার চীনের সঙ্গে আরও সম্পর্ক জোরদার করতে থাকে। রাখাইনে রোহিঙ্গাদের নির্যাতন করে বাস্তুচ্যুত করার সময়ও চীনের ভূমিকা ছিল কার্যত মিয়ানমারের পক্ষেই। তবে জিনপিংয়ের এই সফরে রোহিঙ্গা ইস্যুতে কোনো আলোচনা হবে কিনা তা জানা যায়নি।


ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদন বলা হয়েছে, রাখাইনে গভীর সমুদ্রবন্দর ও পূর্ব থেকে পশ্চিমে দ্রুতগামী ট্রেন চলাচলের মাধ্যমে মিয়ানমারের চেহারা বদলে যেতে পারে।

 
বিশ্বের সবচেয়ে খাটো মানুষ খগেন্দ্র থাপা মগার মারা গেছেন
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড অনুসারে বিশ্বের সবচেয়ে খাটো মানুষ নেপালের খগেন্দ্র থাপা মগার মারা গেছেন।


শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) নেপালের পোখারায় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন খগেন্দ্র। পরিবারের বরাত দিয়ে শনিবার (১৮ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক সংবাদমাদ্যম এ তথ্য জানায়।

খবরে বলা হয়, নিউমোনিয়ায় ভুগে তার মৃত্যু হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি এ রোগে ভুগছিলেন। তার বয়স হয়েছিল ২৭ বছর।

খগেন্দ্র থাপার উচ্চতা ছিল ৬৭.০৮ সেন্টিমিটার (২ ফুট ২.৪১ ইঞ্চি)। পরিবারের সঙ্গে পোখারাতেই বসবাস করতেন তিনি।

সংবাদ সংস্থা এএফপিকে খগেন্দ্রর ভাই মহেশ থাপা জানান, নিউমোনিয়ার কারণে খগেন্দ্র হাসপাতালে যাওয়া-আসার মধ্যেই ছিল। কিন্তু এবারে ওর হৃদপিণ্ডও সংক্রমিত হয়। আজ (শুক্রবার) ও চলে গেছে।

২০১০ সালে ১৮ বছর বয়সে খগেন্দ্রকে বিশ্বের সবচেয়ে ছোট মানুষের স্বীকৃতি দেয় গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড। সে সময়কার একটি ছবিতে দেখা যায়, খগেন্দ্র গিনেজ রেকর্ডের সার্টিফিকেট ধরে দাঁড়িয়ে আছেন। সার্টিফিকেটের চেয়ে কিছুটা লম্বা তিনি।

এরপর অবশ্য কিছুদিনের জন্য খগেন্দ্র সবচেয়ে ছোট মানুষের স্বীকৃতি হারান। ৫৪.৬ সেন্টিমিটার উচ্চতার কারণে নেপালের চন্দ্রবাহাদুর দখল করে নেন ওই আসন। পরে ২০১৫ সালে চন্দ্র বাহাদুরের মৃত্যুর পর পুনরায় খগেন্দ্রর মাথায় ওঠে বিশ্বের সবচেয়ে ছোট মানুষের মুকুট।

গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড সূত্রে জানা যায়, খগেন্দ্রর বাবা রূপ বাহাদুর জানান, জন্মের সময় খগেন্দ্র এতোটাই ছোট ছিল যে ওকে হাতের তালুতেই ধরে রাখা যেত। এতোটাই ছোট যে, ওকে গোছল করানো খুব কঠিন ছিল।

২৭ বছর বয়সী খগেন্দ্র গিনেজ বুকে নাম ওঠানোর পর সেলিব্রেটি হিসেবে ইউরোপ আমেরিকাসহ বিশ্বের অনেক দেশ ভ্রমণ করেন। রেডিও, টেলিভিশন, সংবাদমাধ্যমের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

নেপালের রাষ্ট্রীয় পর্যটন ক্যাম্পেইনেও কাজে লাগানো হয় খগেন্দ্রকে। ক্যাম্পেইনে বলা হয়, খগেন্দ্র নেপালের সবচেয়ে ছোট মানুষ, যা কিনা আবার পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু পর্বত মাউন্ট এভারেস্টের দেশ।

তার মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছে গিনেজ বোর্ড।

 
নরেন্দ্র মোদী ভারতের নাগরিক কি-না নথিপত্র চেয়ে পিটিশন
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) ও জাতীয় নাগরিকপঞ্জি (এনআরসি) নিয়ে উত্তাল ভারত। এরই মধ্যে দেশটির কেরালা রাজ্যের এক ব্যক্তি তথ্য অধিকার দপ্তরে পিটিশন দাখিল করে জানতে চেয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভারতের নাগরিক কি-না এবং তা হয়ে থাকলে প্রয়োজনীয় নথিপত্র দিয়ে সেটি প্রমাণ করতে পারবেন কি-না।


শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানায়।

খবরে বলা হয়, গত ২৩ ডিসেম্বর ভারতের কেরালা রাজ্যের থ্রিসুর জেলার চালাকুদ্য এলাকার বাসিন্দা যোশি কাল্লুভিত্তিল তার পৌরসভার পাবলিক ইনফরমেশন অফিসারের কাছে তথ্য অধিকার (আরটিআই) আইনের প্রেক্ষিতে একটি অনুসন্ধানের আবেদন দাখিল করেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভারতের নাগরিকত্ব আছে কি-না এবং থাকলে সেটি তিনি প্রমাণ করতে পারবেন কি-না, তা জানতে চান যোশি।

চালাকুদ্য পৌরসভার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, ওই আবেদন নয়াদিল্লির সেন্ট্রাল পাবলিক ইনফরমেশন অফিসারের কাছে পাঠানো হয়েছে।

‘আম আদমি পার্টি’র কর্মী যোশি জানান, এ পিটিশন তিনি নিজের প্রচারের জন্য দেননি। জনগণের পক্ষ থেকে তিনি এ কাজ করেছেন।

তিনি বলেন, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) নিয়ে উদ্বিগ্ন হাজার হাজার মানুষের চিন্তার প্রতিফলন এ পিটিশন। পাসপোর্ট অথবা আধার কার্ড নাগরিকত্ব প্রমাণ করার জন্য যথেষ্ট নয় বলে মানুষ আতঙ্কিত। তাই আমি জানতে চাই, প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিজেকে ভারতের নাগরিক প্রমাণ করার জন্য ‘অনন্য’ কোনো নথিপত্র আছে কি-না।

 
সিঙ্গাপুরে শ্রমিক সঙ্কট : ফেরত পাঠানো শ্রমিকদের খুঁজছে কোম্পানীগুলো
                                  

নিউজ ডেস্ক

সিঙ্গাপুরে অর্থনৈতিক মন্দার কারণে নির্মাণ ও মেরিন সেক্টরসহ অনেক কোম্পানি থেকে অভিবাসী শ্রমিকরা চাকরি হারিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার ও চীনের শ্রমিকরাও। মন্দা কাটাতেই কোম্পানিগুলো নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠায় তাদের। তবে আগের তুলনায় এখন দেশটির শ্রমবাজার অনেক ভালো অবস্থায় রয়েছে।

১৬ জানুয়ারি সিঙ্গাপুরের ট্রেড ও ইন্ডাস্ট্রি মন্ত্রী চান চুন সিং এক অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, এ বছর সিঙ্গাপুরিয়ানদের জন্য নতুন কর্মক্ষেত্র তৈরি করা হবে। এ ছাড়া অভিবাসী শ্রমিক নিয়োগে আলাদা বাজেট করা হবে। বিভিন্ন দেশে ফেরত পাঠানো অভিজ্ঞ ও দক্ষদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া হবে। পুরাতন শ্রমিকদের সিঙ্গাপুরে আনতে কার্যক্রম চলছে।

সিঙ্গাপুরে অভিবাসী শ্রমিকদের আস্থার জায়গা ক্যাপেল শিপইয়ার্ড। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কোম্পানিটির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইদানিং সিঙ্গাপুরের অনেক কোম্পানি শ্রমিক সংকটে ভুগছে। তারা মনে করে নতুন শ্রমিক নিয়োগ মানেই অর্থ সময় নষ্ট। এ কারণে তারা ফেরত পাঠানো অভিজ্ঞ ও দক্ষ শ্রমিকদের নিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করছে।

সিঙ্গাপুরের অবকাঠামো খাতই দেশটির অর্থনীতিকে চাঙা করে রেখেছে। আর এজন্য দেশটিকে প্রচুর বিদেশি শ্রমিকের ওপর নির্ভর করতে হয়। জনশক্তি মন্ত্রণালয়ের ২০১৯ সালের জুনের এক হিসাবে দেখা গেছে, বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার ও চীন থেকে ৩ লাখ ৭০০ শ্রমিক দেশটির নির্মাণশিল্পে নিয়োজিত।

জানা গেছে, অনেকের ‘আইপি’ মিনিস্টার অব ম্যানপাওয়ার থেকে রিজেক্ট আসছে। বাংলাদেশি শ্রমিকদের আগ্রহ থাকলেও সিঙ্গাপুরে আসতে পারছে না। দেশটির জনশক্তি মন্ত্রণালয় এই আইপি রিজেক্ট হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে আগ্রহী নয়।


সিঙ্গাপুরের জাতীয় দৈনিক স্ট্রেইট টাইমস এর মতে, অভিবাসী গৃহকর্মী বাদে সিঙ্গাপুরে সকল কর্মক্ষেত্রেই কর্মী নিয়োগের পরিমাণ বেড়েছে। তবে স্থানীয় শ্রম বাজারে রয়েছে দক্ষ কর্মীর অভাব। পরিবর্তিত অর্থনীতি ও বিশ্বজুড়ে টানাপোড়েনের ফলে গত বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে সব সেক্টরে কর্মী নিয়োগের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও বেড়েছে বেকারত্ব। কাজের সুযোগ থাকার পরেও নির্দিষ্ট অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার অভাবে স্থানীয়রা নতুন চাকরিতে যোগ দিতে সংগ্রাম করছেন।

দেশটিতে দক্ষতার অভাবে স্থানীয়রাও বেকার হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। সেপ্টেম্বর মাসে ৭৪ হাজার ২০০ রেসিডেন্ট বেকার থাকার খবর পাওয়া গেছে। বর্তমানে বেকারত্বের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২.৩ গুন। এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত এই বেকারত্বের হার ছিল ২.২ শতাংশ।

স্থানীয়দের বেকারত্ব সরকারকে ভাবিয়ে তুলেছে। তাই চলতি বছরে সরকার স্থানীয়দের জন্য আরও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে। যারা বর্তমানে সিঙ্গাপুরে আছেন তাদের চাকরি টিকিয়ে রাখতে হলে দক্ষতা অর্জন ও কাজের ধরণ অনুযায়ী সিঙ্গাপুরের বিভিন্ন ট্রেনিং সেন্টার থেকে কোর্স করা জরুরি। সার্টিফিকেট থাকলে সরকার স্থানীয়দের নেয়োগ দিবে।

সিঙ্গাপুরের জনসম্পদমন্ত্রী জোসেফিন তিও বলেন, কাজ এবং দক্ষতার সাথে সংশ্লিষ্টতা নেই। নিয়োগকর্তাদের কর্মী নিয়োগে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হচ্ছে। অভিবাসী গৃহকর্মী বাদে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে ২১ হাজার ৭০০ যা তিনগুন বেশি। পূর্ববর্তী সময়ে ছিল ৬২০০।

তবে দুশ্চিন্তার বিষয় হলো বেশকিছু সেক্টরে পর্যাপ্ত কাজের সুযোগ থাকার পরও উল্লেখযোগ্য বেকার হয়ে হয়ে কাজ খুঁজছে। তিনিও শ্রমবাজার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্ম খালি থাকার অর্থ হলো কর্মীদের আত্মবিশ্বাস ততটা শক্তিশালী নয়।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে অভিবাসী গৃহকর্মী বাদে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পেয়েছে ৩৮ হাজার ৬০০ যা গত ৫ বছরের তুলনায় সর্বোচ্চ। নির্মাণ শিল্পে তৃতীয় প্রান্তিকে ৫ হাজার ৪০০ সার্ভিস সেক্টরে ১৫ হাজার ৩০০ রিটেইল ট্রেড সেক্টরে ১২০০ কাজের সৃষ্টি হয়েছে।

জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর পরিসংখ্যান মোতাবেক চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে বহির্গমন ছাড়পত্র নিয়ে তিন লাখ ৪৭ হাজার ২৭ জন শ্রমিক মালয়েশিয়া, সৌদি আরব, জর্ডান, মরিশাস, কুয়েত, কাতার, ফিজিসহ বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমিয়েছে। তার মধ্যে সৌদি আরবে অনেক শ্রমিক সমস্যার মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যে সিঙ্গাপুরে গেছে ১৭ হাজার ৫৩৫ জন।

 
ঢাকা দুই সিটি নির্বাচন : `সরকারকে দোষারোপ করা অযৌক্তিক`
                                  

স্টাফ রিপোর্টার

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচন সংক্রান্ত যে কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার নির্বাচন কমিশনের। এখানে সরকারকে দোষারোপ করা অযৌক্তিক।


ওবায়দুল কাদের বলেন, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব সরস্বতী পূজা। এ ধর্মীয় উৎসবের প্রতি সম্মান দেখিয়ে তাদের সঙ্গে ইসি আলাপ-আলোচনা করে একটা সমাধান করতে পারে।

শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সম্পাদকমণ্ডলীর মুলতবি বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে এসব কথা বলেন তিনি। এসময় সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, নির্বাচন আগানো বা পেছানো ইসির এখতিয়ার। এ ব্যাপারে আমাদের সরকারের কোনো কিছু বলার বা করার ছিল না। এখানে সরকারকে দোষারোপ করা অযৌক্তিক।

তাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে এ সমস্যার সমাধান করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

 
মিয়ানমার যাচ্ছেন চীনের প্রেসিডেন্ট
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রোহিঙ্গা গণহত্যা নিয়ে অভিযোগে যখন মিয়ানমার থেকে পশ্চিমাবিশ্ব মুখ ফিরিয়ে ‍নিচ্ছে,ঠিক তখনই বড় বিনিয়োগ নিয়ে কোটি কোটি ডলারের অবকাঠামো চুক্তি করতে দেশটিতে সফরে যাচ্ছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।

১৭ জানুয়ারি শুক্রবার দু’দিনের সফরে মিয়ানমার যাচ্ছেন জিনপিং।১৯ বছরের মধ্যে তিনিই প্রথম কোনো চীনা প্রেসিডেন্ট হিসাবে দেশটিতে যাচ্ছেন।

সফরের প্রথম দিন রাজধানী নেপিধোতে মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সুচি,সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইং এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করবেন শি জিনপিং।

এরপর চীন-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডরের আওতায় উভয় দেশ বেশ কয়েকটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই করতে পারে।

এ সফরে পশ্চিমাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যে ১৩০ কোটি ডলারের গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ, পূর্বদিকে দ্রুতগামী ট্রেন এবং বাণিজ্যিক প্রাণকেন্দ্র ইয়াঙ্গনে আরো কিছু শিল্প গড়ে তোলা নিয়ে চুক্তি হওয়ার কথা রয়েছে।

রাখাইনে কিয়াউকফিউ গভীর সমুদ্রবন্দর গড়ে চীন নাগালে পেতে চায় বঙ্গোপসাগর এবং এর মাধ্যমে সরাসরি ভারত মহাসাগরকে। তাছাড়া, দ্রুতগামী ট্রেনের মাধ্যমেও চীনের ইউনান প্রদেশের সঙ্গে মিয়ানমারের ওই বন্দরকে জোড়ার পরিকল্পনা রয়েছে বেইজিংয়ের।

এ পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নে চীন-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডর প্রকল্পের পথ সুগম করা এবং মিয়ানমারে সবচেয়ে বড় বিদেশি বিনিয়োগকারি দেশ হিসেবে চীনের প্রভাব প্রতিষ্ঠা করাই শি-র সফরের লক্ষ্য।

কিয়াউকফিউ বন্দর প্রকল্পের জন্য চীন ৭২০ কোটি ডলার বিনিয়োগে ইচ্ছুক ছিল। কিন্তু চীনা লগ্নিতে ঋণের ফাঁদে পড়ে দেশ বিকিয়ে যাওয়ার ভয়ে সে বিনিয়োগ ১৩০ কোটি ডলারে নামিয়ে এনেছে মিয়ানমার।

বন্দর নির্মাণ ছাড়াও বিস্তীর্ণ শস্যভূমি ও বন এলাকায় চীনের বিনিয়োগে গার্মেন্টস ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ কারখানা গড়ে তোলারও পরিকল্পনা রয়েছে।

মিয়ানমারের সঙ্গে চীনের সম্পর্ক ইতোপূর্বে কখনো কখনো সমস্যাশঙ্কুল থাকলেও রোহিঙ্গা প্রশ্নে চীন মিয়ানমারের পাশে দাঁড়ানোর পর থেকে দু’দেশের সম্পর্ক অনেকটাই উষ্ণ হয়েছে।

 
ইদলিবে বিমান হামলায় নিহত ১৮
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সিরিয়ার ইদলিব প্রদেশে বিমান হামলায় অন্তত ১৮ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।


বুধবার (১৫ জানুয়ারি) ইদলিব প্রদেশের রাজধানী ইদলিবের আল-হাল মার্কেট ও একটি বাণিজ্যিক এলাকায় ওই হামলা চালানো হয়। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম থেকে এ তথ্য জানা যায়।

খবরে বলা হয়, সরকার বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে থাকা ইদলিবের একটি মার্কেট ও বাণিজ্যিক এলাকায় বিমান হামলায় ওই ১৮ বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। বিদ্রোহীদের কাছ থেকে ইদলিব পুনরুদ্ধারে দেশটির সরকার বদ্ধপরিকর। ইদলিবই বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে থাকা সিরিয়ার সর্বশেষ অঞ্চল।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক পর্যবেক্ষক সংস্থা ‘এসওএইচআর’ জানায়, সিরিয়া সরকার ও রাশিয়া ওই বিমান হামলা চালায়।

সংবাদ সংস্থা এএফপি জানায়, হামলায় বাণিজ্যিক এলাকার বেশ কিছু গাড়িতে আগুন ধরে যায়। গাড়িগুলোর ভেতর মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় চালকদের।

এ মাসের শুরুতে রাশিয়া-তুরস্কের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত সত্ত্বেও এ হামলা চালানো হলো। আগামী রোববার থেকে ওই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে।

এদিকে সিরিয়া সরকার বা রুশ মিত্র কারও কাছ থেকেই এ হামলার ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

 
সিনেটে পাঠানো হলো ট্রাম্পের অভিশংসনের অভিযোগপত্র
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিশংসনের অভিযোগপত্র মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটে পাঠানো হয়েছে।


বুধবার (১৫ জানুয়ারি) এ অভিযোগপত্র সিনেটে পাঠানোর সংবাদ জানায় আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।

দুই অভিযোগে অভিশংসনের শুনানি হচ্ছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। ক্ষমতার অপব্যবহার এবং তদন্তে বাধা দেওয়ার বিষয়ের অভিযোগপত্রটি নীল ফাইলে কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের সাত প্রতিনিধি সিনেটে পৌঁছে দেন।

অভিযোগপত্রে স্বাক্ষরের পর প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি বক্তব্যে বলেন, ‘আমাদের দেশের জন্য মর্মান্তিক ও দুঃখজনক, আমাদের জাতীয় নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলে প্রেসিডেন্টের নেওয়া পদক্ষেপ, যা তার শপথের বিপরীত এবং আমাদের নির্বাচনের নিরাপত্তাকে বিপন্ন করেছে, আমাদের এ অবস্থানে এনেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রেসিডেন্টকে এ বিষয়ে জবাবদিহি করতে হবে। কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়।’

সিনেটে রিপাবলিকান প্রতিনিধিদের নেতা মিচ ম্যাককনেল জানান, বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুরে (বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা) আনুষ্ঠানিকভাবে সিনেটে অভিযোগপত্র পড়া হবে।

অভিযোগপত্র পাঠ করার পর মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি জন রবার্টসকে অভিশংসনের শুনানির বিচারের জন্য শপথ করানো হবে।

এর আগে ১৮ ডিসেম্বর মার্কিন কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদে ক্ষমতার অপব্যবহার ও তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অভিশংসনের প্রস্তাব পাস করা হয়। প্রস্তাব পাসের পর বুধবার অভিশংসনের চূড়ান্ত শুনানির জন্য উচ্চকক্ষ সিনেটে পাঠানো হয়েছে।

শুনানির পর ১০০ সদস্যের সিনেটে যদি দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য অভিশংসনের পক্ষে সমর্থন জানায়, তবেই চূড়ান্তভাবে অভিশংসিত হবেন ট্রাম্প।

কিন্তু সিনেটে ৪৭ রিপাবলিকান সদস্য থাকায় আপাতত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অভিশংসনের সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।

‘কোনো দেশের অতিথিকেও হত্যা করতে পারে আমেরিকা এটা ভাবিনি’
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক


মার্কিন সেনাবাহিনীর ড্রোন হামলায় ইরাকের রাজধানী বাগদাদে নিহত হয়েছেন ইরানের দ্বিতীয় ক্ষমতাধর ব্যক্তি জেনারেল কাসেম সোলেমানি। তিনি ছিলেন ইরানের প্রভাবশালী সামরিক কমান্ডার এবং বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কুদস ফোর্সের প্রধান। ইরাক ও সিরিয়ার জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে প্রতিরোধে সোচ্চার ছিলেন সোলেমানি।


ইরানিদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয় ছিলেন তিনি। গত ২ জানুয়ারি দিনগত রাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে তাকে হত্যা করা হয়। এ হামলাকে যুক্তরাষ্ট্রের দিক থেকে ‘যুদ্ধের সূচনা’ হিসেবে দেখছে ইরান সরকার।

এক বিবৃতিতে ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ‘সন্ত্রাসীদের গুরু’ তা আমরা জানতাম। কিন্তু আমরা ঘুণাক্ষরেও ভাবিনি তারা অন্য দেশের অতিথিকে লক্ষ্য করে হামলা চালাবে। তিনি বলেন, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ‘সেরা কমান্ডার’ ছিলেন শহীদ জেনারেল সোলেমানি। এর সমুচিত জবাব দিতেই ইরাকে মার্কিনিদের আইন আল-আসাদ ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় আমাদের সেনাবাহিনী।

রুহানি বলেন, এ অঞ্চলের মানুষ যদি মার্কিনিদের বিতাড়িত করার চেষ্টা করে, সেটি হবে সোলেমানির মৃত্যুর অন্যতম প্রতিদান।

অপরদিকে ট্রাম্প বলেছেন, সোলেমানিকে হত্যার নির্দেশ দেওয়ার পেছনের কারণ হচ্ছে, তিনি মার্কিন দূত ও সেনা কর্মকর্তাদের ওপর হামলার ছক কষছিলেন। তার আগেই আমরা তাকে সরাতে সক্ষম হয়েছি।

তবে সোলেমানি এ ধরনের হামলার ছক কষছিলেন, এমন কোনো প্রমাণ দিতে পারেনি মার্কিন সরকার।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্ক এসপারও একই কথা জানান। তিনি বলেন, ইরানি জেনারেল মার্কিন দূতাবাসে হামলার পরিকল্পনা করছিলেন, এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

তার মৃত্যুর পর ইরাকি প্রধানমন্ত্রী আদেল আবদুল মাহদি জানান, তারই আমন্ত্রণে ইরাকে গিয়েছিলেন সোলেমানি। ইরান, ইরাক ও সৌদি আরবের মধ্যকার উত্তেজনা প্রশমন করতে একটি শান্তিপূর্ণ উদ্যোগের অংশ হিসেবে আমন্ত্রিত হয়েছিলেন তিনি।

সোলেমানির ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে মাহদি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এ হামলা ইরানের বিরুদ্ধে ‘আক্রমণাত্মক’ এবং দেশের সার্বভৌমত্বের ভয়াবহ অবমাননা।

২ জানুয়ারির হামলায় সোলেমানিসহ নিহত হয়েছিলেন ৯ জন। নিহতদের মধ্যে সোলেমানি ছাড়াও ছিলেন পিপল’স মোবালাইজেশন ইউনিটের (পিএমইউ) উপ-প্রধান আবু মাহদি আল-মুহান্দিস এবং দলটির মুখপাত্র মোহাম্মেদ আল-জাবেরি। পিএমইউ মিলিশিয়ারা ইরাকের সামরিক বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত।

তবে মার্কিন সরকার মনে করে, পিএমইউ মিলিশিয়ারা ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কুদস ফোর্সের ‘একটু বেশিই ঘনিষ্ঠ’। এ ফোর্সেরই নেতৃত্বে ছিলেন সোলেমানি। প্রধানমন্ত্রী মাহদি বলেন, সোলেমানি ও আল-মুহান্দিস দু’জন শহীদ, যারা আইএসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জয়ী হতে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন।

গত ৬ জানুয়ারি ইরাকি সংসদে ভোটের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ইরাক থেকে সব বিদেশি সেনা প্রত্যাহার করা হবে। এ সিদ্ধান্তের পরও দেশটিতে নিযুক্ত পাঁচ হাজার মার্কিন সেনা সরাতে অস্বীকৃতি জানায় যুক্তরাষ্ট্র। তাদের দাবি, ‘মার্কিন সেনাদের উপস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যের জন্য ভালো।’

 

   Page 1 of 130
     আন্তর্জাতিক
প্রিন্স হ্যারি-মেগান রাজকীয় পদবি হারাচ্ছেন
.............................................................................................
ইয়েমেনে সামরিক প্রশিক্ষণ শিবিরে হামলায় নিহত ৬০
.............................................................................................
যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের ওপর `বিপজ্জনক আক্রমণ` : ট্রাম্পের আইনজীবী
.............................................................................................
নারীর আয়ে ৬৪ দেশের শীর্ষে বাংলাদেশ
.............................................................................................
ওজনের কারণে ট্রাকে করে নেওয়া হলো গ্রেপ্তারকৃত আইএস নেতা নিমাহ
.............................................................................................
ভড়কে গিয়েই ভুল করেছে ইরান: রাশিয়া
.............................................................................................
ইারান ইউক্রেনের বিমান বিধ্বস্ত : ২৫ হাজার ডলার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কানাডা
.............................................................................................
চীনের প্রেসিডেন্টের মিয়ানমার সফর : সমুদ্রবন্দর নির্মাণে চুক্তি
.............................................................................................
বিশ্বের সবচেয়ে খাটো মানুষ খগেন্দ্র থাপা মগার মারা গেছেন
.............................................................................................
নরেন্দ্র মোদী ভারতের নাগরিক কি-না নথিপত্র চেয়ে পিটিশন
.............................................................................................
সিঙ্গাপুরে শ্রমিক সঙ্কট : ফেরত পাঠানো শ্রমিকদের খুঁজছে কোম্পানীগুলো
.............................................................................................
ঢাকা দুই সিটি নির্বাচন : `সরকারকে দোষারোপ করা অযৌক্তিক`
.............................................................................................
মিয়ানমার যাচ্ছেন চীনের প্রেসিডেন্ট
.............................................................................................
ইদলিবে বিমান হামলায় নিহত ১৮
.............................................................................................
সিনেটে পাঠানো হলো ট্রাম্পের অভিশংসনের অভিযোগপত্র
.............................................................................................
‘কোনো দেশের অতিথিকেও হত্যা করতে পারে আমেরিকা এটা ভাবিনি’
.............................................................................................
মার্কিন সেনা প্রত্যাহার দাবি : ১০ লাখ মানুষের পদযাত্রার ঘোষণা সদরের
.............................................................................................
ইউক্রেনের প্লেন ধ্বংসের ভিডিওধারণকারী গ্রেফতার
.............................................................................................
মিয়ানমারের গণহত্যার মামলার রায় ২৩ জানুয়ারি
.............................................................................................
গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে ডা. জাফরুল্লাহ তালাবদ্ধ
.............................................................................................
তুষারধসে পাকিস্তানে নিহত অন্তত ৫৭
.............................................................................................
অলিম্পিক মেডেলজয়ী একমাত্র ইরানি নারী দেশ ছাড়লেন
.............................................................................................
২১ সৌদি সেনা সদস্যকে বহিষ্কার যুক্তরাষ্ট্রের
.............................................................................................
মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে একত্র হতে হবে : আয়াতুল্লাহ খামেনি
.............................................................................................
সোলেইমানিকে হত্যা ১৮ মাসের পরিকল্পনায়
.............................................................................................
ঝড়-ভারী বৃষ্টিপাতে যুক্তরাষ্ট্রে ৮ জনের মৃত্যু
.............................................................................................
সীমান্ত হত্যাকাণ্ড নিয়ে উদ্বিগ্ন বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী
.............................................................................................
বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় ইরানে বিক্ষোভ
.............................................................................................
আরও মুসলিম দেশ যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা পেতে যাচ্ছে
.............................................................................................
হাইথাম বিন তারিক আল-সাঈদ ওমানের নয়া সুলতান
.............................................................................................
ইরানের আরেক শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাকে হত্যার চেষ্টা ব্যর্থ মার্কিনিদের
.............................................................................................
১৭৯ যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত : দায় স্বীকার ইরানের
.............................................................................................
বাগদাদে প্রতিশোধের হামলার পরই সোলেইমানির দাফন সম্পন্ন
.............................................................................................
ইরানে হামলার প্রস্তুতি : ৫২ যুদ্ধবিমানের মহড়া যুক্তরাষ্ট্রের
.............................................................................................
যুক্তরাষ্ট্রের মুখে চপেটাঘাত এই হামলা : খামেনি
.............................................................................................
১৮০ আরোহীসহ ইরানে বিমান বিধ্বস্ত : বেঁচে নেই কেউ
.............................................................................................
ইরানের দাবি : বাগদাদে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় নিহত ৮০
.............................................................................................
বাগদাদ থেকে সৈন্য সরিয়ে নেয়ার ঘোষণা কানাডার
.............................................................................................
ইরানকে সমর্থন তুরষ্কের
.............................................................................................
তেহরান যুদ্ধ বা উত্তেজনা বাড়াতে চায় না : ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
.............................................................................................
হামলার পর টুইট বার্তায় ট্রাম্প বললেন ‌অল ইজ ওয়েল`
.............................................................................................
আমিরাত ও ইসরায়েলেও হামলার হুমকি ইরানের
.............................................................................................
সোলেইমানিকে হত্যার ‘কঠোর প্রতিশোধ’ নেয়া শুরু : ইরান
.............................................................................................
মার্কিন ভূখণ্ডে হামলার হুমকি ইরানের
.............................................................................................
এক ঘণ্টার ব্যবধানে মার্কিন ঘাঁটিতে দ্বিতীয় হামলা ইরানের
.............................................................................................
৬ বোমারু বিমান পাঠাচ্ছে পেন্টাগন : ইরানে হামলার প্রস্তুতি
.............................................................................................
ইরানকে কখনও হুমকি দিবেন না : ট্রাম্পকে রুহানি
.............................................................................................
বিপুল সংখ্যক উট গুলি করে মেরে ফেলার সিদ্ধান্ত অস্ট্রেলিয়ার
.............................................................................................
পরমাণু চুক্তি থেকে সরে আসার ঘোষণা ইরানের
.............................................................................................
হোয়াইট হাউসে হামলার হুমাক ইরানি এমপি
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]