| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * পঞ্চম দফায় ভাসানচরে যাচ্ছেন আরও তিন হাজার রোহিঙ্গা   * ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পুনর্বিবেচনার আহ্বান জাতিসংঘের   * নাইজেরিয়ায় হিজাব বিতর্ক: মুসলিম ছাত্রীদের পক্ষে রায়   * দিহানের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন জমার সময় পেছাল   * বিশ্বে করোনায় মৃত্যু সাড়ে ২৫ লাখ ছুঁই ছুঁই   * খাশোগি হত্যা: ওয়াশিংটন-রিয়াদ সম্পর্কে টানাপোড়েন   * টিকা নিলেন ৩২ লাখ, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ৭৫৪ জনের   * মোহামেডানের সভাপতি হতে যাচ্ছেন সাবেক সেনাপ্রধান আবদুল মুবীন   * আসছে কালবৈশাখী ঝড়, শিলাবৃষ্টিরও পূর্ভাবাস   * ফ্রান্সের সাবেক প্রেসিডেন্টের তিন বছরের কারাদণ্ড  

   জাতীয় -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
বাংলাদেশের প্রথম পতাকা এই দিনে উড়েছিল

আজ ২ মার্চ। ১৯৭১ সালের এই দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় প্রথমবারের মতো উত্তোলন করা হয় বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত পতাকা। দুর্নীতি, বঞ্চনা, শোষণ ও সাম্প্রদায়িকতামুক্ত দেশ গড়তে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে সেদিন পতাকা উত্তোলন করেছিলেন তৎকালীন ছাত্রনেতা আ স ম আব্দুর রব ও নুরে আলম সিদ্দিকী।

পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শোষণ-নির্যাতন থেকে মুক্তি পেতে সেদিনই আনুষ্ঠানিকভাবে পাস করা হয় স্বাধীনতার প্রস্তাব। প্রস্তুতি শুরু হয় সশস্ত্র সংগ্রামের।

সেদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতাদের আয়োজিত জনসভায় উপস্থিত হয়েছিলেন কয়েক লাখ মানুষ।

১৯৭১ সালের ২ মার্চ ছিল মঙ্গলবার। সেদিন সন্ধ্যা ৭টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত ঢাকায় অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ জারি থাকলেও তা ভেঙে রাস্তায় নেমেছিল বিক্ষুব্ধ জনতা। বিভিন্ন জায়গায় মিছিল সমাবেশে গুলিবর্ষণ হয়। ৩ মার্চ থেকে ৬ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সারাদেশে হরতাল পালনের করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

বাংলাদেশের প্রথম পতাকা এই দিনে উড়েছিল
                                  

আজ ২ মার্চ। ১৯৭১ সালের এই দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় প্রথমবারের মতো উত্তোলন করা হয় বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত পতাকা। দুর্নীতি, বঞ্চনা, শোষণ ও সাম্প্রদায়িকতামুক্ত দেশ গড়তে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে সেদিন পতাকা উত্তোলন করেছিলেন তৎকালীন ছাত্রনেতা আ স ম আব্দুর রব ও নুরে আলম সিদ্দিকী।

পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শোষণ-নির্যাতন থেকে মুক্তি পেতে সেদিনই আনুষ্ঠানিকভাবে পাস করা হয় স্বাধীনতার প্রস্তাব। প্রস্তুতি শুরু হয় সশস্ত্র সংগ্রামের।

সেদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতাদের আয়োজিত জনসভায় উপস্থিত হয়েছিলেন কয়েক লাখ মানুষ।

১৯৭১ সালের ২ মার্চ ছিল মঙ্গলবার। সেদিন সন্ধ্যা ৭টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত ঢাকায় অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ জারি থাকলেও তা ভেঙে রাস্তায় নেমেছিল বিক্ষুব্ধ জনতা। বিভিন্ন জায়গায় মিছিল সমাবেশে গুলিবর্ষণ হয়। ৩ মার্চ থেকে ৬ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সারাদেশে হরতাল পালনের করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

টিকা নিলেন ৩২ লাখ, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ৭৫৪ জনের
                                  

ডেস্ক রিপাের্ট : সারা দেশে করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়ার ১৯তম দিন অতিবাহিত হলো আজ সোমবার (০১ মার্চ)। এখন পর্যন্ত টিকা নিয়েছেন ৩২ লাখ ২৬ হাজার ৮২৫ মানুষ। এর মধ্যে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেছে ৭৫৪ জনের। তথ্যটি নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

সোমবার (০১ মার্চ) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের টিকা বিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। মোট টিকা নেওয়া ৩২ লাখ ২৬ হাজার ৮২৫ জনের মধ্যে পুরুষ ২০ লাখ ৮১ হাজার ৮১৬ জন আর নারী ১১ লাখ ৪৫ হাজার ৯ জন। প্রতিদিন সকাল সাড়ে আটটা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত পরিচালিত হচ্ছে।

সোমবার টিকা নিয়েছেন এক লাখ ১৬ হাজার ৩০০ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ৬৯ হাজার ৬৩৫ জন আর নারী ৪৬ হাজার ৬৬৫ জন।

মোট টিকা নেওয়া ৩২ লাখ ২৬ হাজার ৮২৫ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে আছেন নয় লাখ ৮৪ হাজার ৪৮৮ জন, তাদের মধ্যে পুরুষ ছয় লাখ ৪২ হাজার ৪৯৩ জন আর নারী তিন লাখ ৪১ হাজার ৯৯৫ জন। ময়মনসিংহ বিভাগে টিকা নিয়েছেন এক লাখ ৩৯ হাজার ২৮ জন, তাদের মধ্যে পুরুষ ৮৭ হাজার ৫৩৭ জন আর নারী ৫১ হাজার ৪৯১ জন। চট্টগ্রাম বিভাগে টিকা নিয়েছেন সাত লাখ চার হাজার ৫৯৯ জন, তাদের মধ্যে পুরুষ চার লাখ ৫৮ হাজার ১৬৯ জন আর নারী দুই লাখ ৪৬ হাজার ৪৩০ জন। রাজশাহী বিভাগে টিকা নিয়েছেন তিন লাখ ৫৫ হাজার ৩৮১ জন, তাদের মধ্যে পুরুষ দুই লাখ ২৭ হাজার ২৭২ জন আর নারী এক লাখ ২৮ হাজার ১০৯ জন; রংপুর বিভাগে টিকা নিয়েছেন দুই লাখ ৯৩ হাজার ৪২৬ জন, তাদের মধ্যে পুরুষ এক লাখ ৮৮ হাজার ৭২৮ জন আর নারী এক লাখ চার হাজার ৬৯৮ জন। খুলনা বিভাগে টিকা নিয়েছেন চার লাখ ৯০৬ জন, তাদের মধ্যে পুরুষ দুই লাখ ৫৩ হাজার ৪২ জন আর নারী এক লাখ ৪৭ হাজার ৮৬৪ জন। বরিশাল বিভাগে টিকা নিয়েছেন এক লাখ ৫১ হাজার ৯৩১ জন, তাদের মধ্যে পুরুষ ৯৯ হাজার ৭৯৫ জন আর নারী ৫২ হাজার ১৩৬ জন আর সিলেট বিভাগে মোট টিকা নিয়েছেন এক লাখ ৯৭ হাজার ৬৬ জন, তাদের মধ্যে পুরুষ এক লাখ ২৪ হাজার ৭৮০ জন আর নারী টিকা নিয়েছেন ৭২ হাজার ২৮৬ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, সোমবার বিকাল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত নিবন্ধন করেছেন ৪৪ লাখ ১৩ হাজার ৮৯২ জন। গত ৭ ফেব্রুয়ারি দেশে শুরু হওয়া টিকাদান কর্মসূচি।

পুলিশের সমালোচকদের মুখে ছাই পড়ুক : আইজিপি
                                  

অনলাইন ডেস্ক : পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বলেছেন, `পুলিশকে কেন প্রতিপক্ষ বানানো হয়? এই প্রশ্ন বাংলাদেশের শান্তিপ্রিয় মানুষের প্রতি। যারা দেশের ও পুলিশের সমালোচনা করে তাদের মুখে ছাই পড়ুক।

রাজধানীর মিরপুরে পুলিশ স্টাফ কলেজে `পুলিশ মেমোরিয়াল ডে-২০২১` উপলক্ষে আজ সোমবার (১ মার্চ) এক অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এবারের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। কর্মস্থলে নিহতদের স্মরণে প্রতি বছর ১ মার্চ `পুলিশ মেমোরিয়াল ডে`র আয়োজন করা হয়।

আইজিপি বলেন, দেশের মধ্যে যে একটা ছোট অংশ আছে সেটা দেখলেই বোঝা যায়। কারণ দেশের কোনো ভালো কিছুর প্রতি তাদের আগ্রহ নেই। ভিন্ন সংস্কৃতির, ভিন্ন চেতনার মানুষগুলো আমাদের দেশের মানুষ হিসেবে দাবি করে। এই মানুষগুলোকে আমাদের দেশের বৃহত্তর জাতিসত্তা থেকে আলাদা করার সময় এসেছে। এরা আমাদের জাতির অংশ নয়।`

জাতীয় প্রেসক্লাবে পুলিশ ও ছাত্রদলের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনার বিষয়ে আইজিপি বলেন,`পুলিশ তো কারও প্রতিপক্ষ নয়। ওই ছোট একটা গ্রুপ যারা দেশের কোনো ভালো কিছু দেখেন না এবং সমালোচনা করেন। এমনকি তারা পুলিশের সমালোচনা করেন তাদের মুখে ছাই পড়ুক। এ দেশের প্রকৃতিতে যারা বড় হয়ে ছুরি মারতে চায় তাদের মুখে আমরা দেশবাসী সবাই মিলে ছাই ছুড়ে দিতে চাই।`

তিনি আরও বলেন, `দেশের শত্রুদের বিরুদ্ধে, বনশত্রুদের বিরুদ্ধে, রাষ্ট্রের শত্রুদের বিরুদ্ধে এবং রাষ্ট্রকে নিরাপত্তা দেয়ার জন্য পুলিশ যুদ্ধ করে। এই যুদ্ধ ক্রমাগত, অবিরত ও অবিরাম। আর যুদ্ধ হলেই অবিরামভাবে আসে মৃত্যু। সে কারণে প্রতি বছর আমাদের ডজন ডজন সহকর্মীকে হারাই। পুলিশে এই মৃত্যুর মিছিল, শাহাদাৎবরণকারীদের মিছিল দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। আমরা আর কোনো মৃত্যু দেখতে চাই না। আমাদের পরিবারও মৃত্যু দেখতে চায় না।`

আইজিপি বলেন, `এই করোনাকালেও পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার ৮৫ জন সদস্যকে আমরা হারিয়েছি। সেই সঙ্গে করোনাকালে প্রায় ২১ হাজার সদস্য দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন, সুস্থ হয়েছেন এবং আবার সুস্থ হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন। যেকোনো পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ পুলিশ সম্মুখ সাড়িতে থেকে দায়িত্ব পালন করে। বাংলাদেশ পুলিশ তাদের দক্ষতা ও দৃঢ়তার যে সাক্ষ্য দিয়েছে তা দিয়ে তারা জনগণের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিতে সক্ষম হয়েছে।`

২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৫৮৫
                                  

এশিয়া বাণী ডেস্ক : মহামারি করোনা ভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ৮ জন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮ হাজার ৪১৬ জনে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে আরও ৫৮৫ জনের শরীরে। এ নিয়ে দেশে মোট করোনা শনাক্ত দাঁড়াল ৫ লাখ ৪৬ হাজার ৮০১ জন।

করোনাভাইরাস নিয়ে সোমবার (১ মার্চ) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংস্থার অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এদিন সুস্থ হয়েছেন আরও ৮৭৩ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লাখ ৯৭ হাজার ৭৯৭ জন।

এর আগে রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দেশে আরও ৩৮৫ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। এছাড়া আক্রান্তদের মধ্যে মারা যান ৮ জন।

এদিকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, সোমবার (১ মার্চ) সকাল পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১১ কোটি ৪৬ লাখ ৭৭ হাজার ১৫৩ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২৫ লাখ ৪৩ হাজার ১৪ জনের। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৯ কোটি ২৩ লাখ ২ হাজার ৬৪৮ জন।

করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত হয়েছেন দুই কোটি ৯২ লাখ ৫৫ হাজার ৩৪৪ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫ লাখ ২৫ হাজার ৭৭৬ জনের।

আক্রান্তে দ্বিতীয় ও মৃত্যুতে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভারতে এখন পর্যন্ত সংক্রমিত হয়েছেন ১ কোটি ১১ লাখ ১২ হাজার ৫৬ জন এবং মারা গেছেন ১ লাখ ৫৭ হাজার ১৯৫ জন।

আক্রান্তে তৃতীয় এবং মৃত্যুতে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে এখন পর্যন্ত করোনায় ১ কোটি ৫ লাখ ৫১ হাজার ২৫৯ জন সংক্রমিত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ৫৫ হাজার ১৮ জনের।

আক্রান্তের দিক থেকে চতুর্থ স্থানে রয়েছে রাশিয়া। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪২ লাখ ৪৬ হাজার ৭৯ জন। ভাইরাসটিতে মারা গেছে ৮৬ হাজার ১২২ জন।

আক্রান্ত ও মৃত্যুর হিসাবে যুক্তরাজ্য রয়েছে পঞ্চম স্থানে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৪১ লাখ ৭৬ হাজার ৫৫৪ জন। এর মধ্যে মারা গেছে ১ লাখ ২২ হাজার ৮৪৯ জন।

এদিকে আক্রান্তের তালিকায় ফ্রান্স ষষ্ঠ, স্পেন সপ্তম, ইতালি অষ্টম, তুরস্ক নবম এবং জার্মানি দশম স্থানে আছে। এ ছাড়া বাংলাদেশের অবস্থান ৩৩তম।

গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৮টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯।

ভারতও বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করবে
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতও উদযাপন করবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী।

সোমবার (১ মার্চ) জাতীয় প্রেস ক্লাবের মিডিয়া সেন্টার উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন। পরে মিডিয়া সেন্টারটি ঘুরে দেখেন তিনি।

পরে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় বিক্রম দোরাইস্বামী বলেন, প্রেস ক্লাব সাংবাদিকদের পেশাগত কাজে ভূমিকা রাখছে। এখানে শুধু সাংবাদিকই নয় কবি, লেখক, চলচ্চিত্র নির্মাতারাও রয়েছেন। আমরা প্রেস ক্লাবের মিডিয়া সেন্টারের উন্নয়ন কাজের সহযোগী হতে পেরে আনন্দবোধ করছি। যদি আমরা সুযোগ পাই আগামীতে আরও ভূমিকা রাখব।

তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সাল থেকে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশ ভারতের বিভিন্ন ক্ষেত্রের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী। একাত্তর সালে যে সম্পর্ক হয়েছিল, সেটি এখনও রয়েছে। ভবিষ্যতে এ দুই দেশের সম্পর্ক আরও ভালো হবে। আর এ বছর বাংলাদেশের স্বাধীনতার যে সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপিত হবে সেই আয়োজন দুই দেশ একসঙ্গে উদযাপন করবে।

এ সময় প্রেস ক্লাবের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ সিনিয়র সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

বিমার ওপর আস্থা তৈরিতে আরো প্রচার প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বিমা খাতের সুফল নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টির ক্ষেত্রে দেশ এখনো পিছিয়ে রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বিমার ওপর মানুষের আস্থা তৈরিতে আরো প্রচার প্রয়োজন।

সোমবার (১ মার্চ) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় বিমা দিবস-২০২১-এর আয়োজনে এ কথা বলেন তিনি।

এ সময় বিমা খাতকে ডিজিটাল প্রযুক্তির আওতায় সেবা দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা জানান, দেশে স্বাস্থ্য বিমা আরো ব্যাপকভাবে চালু করা উচিত।

তিনি বলেন, অর্থনীতি যত বেশি আমাদের শক্তিশালী হবে, বিস্তৃত হবে মানুষের মধ্যে সচেতন হবে বিমার গুরুত্বটাও কিন্তু ততটা বাড়বে। আর এ বিমা থেকে সুফলটা পেতে পারে মানুষ এ সম্পর্কে সচেতনার যথেষ্ট অভাব রয়েছে। আমি আশা করি আপনারা যারা বিমার সঙ্গে জড়িত তারা উদ্যোগ নিবেন মানুষের মাঝে সচেতনাটা বৃদ্ধি করা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন তো আধুনিক প্রযুক্তি এসে গেছে তাছাড়া ডিজিটাল বাংলাদেশ, ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন বিমা সেবার দেওয়ার জন্য, যেটা মানুষকে আরো সহজ করে দিবে। তবে আমাদের স্বাস্থ্য বিমাটা আরো ব্যাপকভাবে চালু করা একান্তভাবে প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। আমার দেশের মানুষ সচেতন না, করোনা ভাইরাসের পরে আমি মনে করি মানুষের মধ্যে সেই সচেতনা সৃষ্টি হবে।

পুলিশ চরম ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
                                  

অনলাইন ডেস্ক : প্রেসক্লাবের সামনে ছাত্রদলের কর্মসূচির সময় পুলিশ চরম ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

`পুলিশ মেমোরিয়াল ডে-২০২১` উপলক্ষে সোমবার (১ মার্চ) পুলিশ স্টাফ কলেজের স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা এবং স্বীকৃতি স্মারক প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ।

এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গতকালও (রোববার) আমরা দেখলাম প্রেসক্লাবের সামনে একা একজন পুলিশকে পেয়ে কীভাবে পেটানো শুরু হয়েছিল। তা সবাই দেখেছেন। সেখানে পুলিশ ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে।

তিনি বলেন, প্রেসক্লাবে কোনোদিন আমাদের পুলিশ ভেতরে ঢোকে না এবং এদিন যেভাবে ইটপাটকেল ছুড়ছিল সে সময় দু-একজন হয়তো ঢুকেছে। কিন্তু যেভাবে ইটপাটকেল ও মারামারির সৃষ্টি হয়েছিল সেখানে উচিত ছিল মারামারি না করা। চরম ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছে পুলিশ।

পুলিশ স্টাফ কলেজ মিরপুর-১৪-তে আয়োজিত মেমোরিয়াল ডে-তে জানানো হয় ২০২০ সালে করোনাসহ বিভিন্ন সময় মারা গেছেন ২০৮ জন সদস্য। দায়িত্বপালনকালে তাদের এ মৃত্যুতে শোক জানিয়ে নিহতের পরিবারবর্গের হাতে সম্মানতা তুলে দেওয়া হয়।

আজ থেকে দুই মাস ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ ৬ জেলায়
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : জাটকা সংরক্ষণে আজ ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের ছয়টি জেলার পাঁচটি ইলিশ অভয়াশ্রমে ইলিশসহ সবধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকবে।

রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারি) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়েছে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. ইফতেখার হোসেনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাটকা সংরক্ষণে ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের ছয়টি জেলার পাঁচটি ইলিশ অভয়াশ্রমে ইলিশসহ সবধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকবে।

এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় বরিশাল, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, ভোলা, শরীয়তপুর ও পটুয়াখালী জেলার ইলিশ অভয়াশ্রম সংশ্লিষ্ট নদ-নদীতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ থাকবে।

পাঁচটি অভয়াশ্রম এলাকা হলো- চাঁদপুর জেলার ষাটনল থেকে লক্ষীপুর জেলার চর আলেকজান্ডার পর্যন্ত মেঘনা নদীর নিম্ন অববাহিকার ১০০ কিলোমিটার এলাকা; ভোলা জেলার মদনপুর বা চর ইলিশা থেকে চর পিয়াল পর্যন্ত মেঘনা নদীর শাহবাজপুর শাখা নদীর ৯০ কিলোমিটার এলাকা; ভোলা জেলার ভেদুরিয়া থেকে পটুয়াখালী জেলার চর রুস্তম পর্যন্ত তেঁতুলিয়া নদীর প্রায় ১০০ কিলোমিটার এলাকা।

এছাড়া শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া ও ভেদরগঞ্জ উপজেলা এবং চাঁদপুর জেলার মতলব উপজেলার মধ্যে অবস্থিত পদ্মা নদীর ২০ কিলোমিটার এলাকা এবং বরিশাল জেলার হিজলা, মেহেন্দীগঞ্জ ও বরিশাল সদর উপজেলার কালাবদর, গজারিয়া ও মেঘনা নদীর প্রায় ৮২ কিলোমিটার এলাকা।

প্রতিবছর মার্চ ও এপ্রিল দুই মাস উল্লিখিত অভয়াশ্রমে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ আহরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকে। এ সময় ইলিশের অভয়াশ্রমগুলোতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। কেউ এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে তিনি কমপক্ষে এক বছর থেকে সর্বোচ্চ দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড অথবা পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

উল্লেখ্য, নিষিদ্ধ সময়ে অভয়াশ্রম সংশ্লিষ্ট ছয়টি জেলার জাটকা আহরণে বিরত থাকা ২ লাখ ৪৩ হাজার ৭৭৮ জন জেলেদের জন্য মাসে ৪০ কেজি করে দুই মাসে ৮০ কেজি হারে মোট ১৯ হাজার ৫০২ মেট্রিক টন ভিজিএফ চাল ইতোমধ্যে বরাদ্দ করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

স্বাধীনতার ৫০ বছরের অগ্নিঝরা মার্চে বাংলাদেশ
                                  

ডেস্ক রিপাের্ট : স্বাধীনতার ৫০ বছরের অগ্নিঝরা মার্চে পা দিলো লাল সবুজের বাংলাদেশ। এ উপলক্ষে রাত ১২টা এক মিনিটে ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ।

মার্চ মাস শুরুর ক্ষণে স্বাধীনতার জন্য জীবন দেয়া বীর শহীদদের স্মরণ করে মোমবাতি প্রজ্বলন করেন নেতা কর্মীরা। এ সময় শ্লোগানে শ্লোগানে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর সড়ক মুখর করে বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ করেন তারা।

মোমবাতি প্রজ্বলন ও ফুল নিবেদন শেষে এক মিনিট নীরবতা পালন করে বীর শহীদদের স্মরণ করেন স্বেচ্ছাসেবক নেতা কর্মীরা।

কাল থেকে ৬ জেলায় দুই মাস মাছ ধরা নিষিদ্ধ
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : জাটকা সংরক্ষণে আগামীকাল ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের ছয়টি জেলার পাঁচটি ইলিশ অভয়াশ্রমে ইলিশসহ সবধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকবে।

রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারি) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়েছে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. ইফতেখার হোসেনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাটকা সংরক্ষণে আগামীকাল (১ মার্চ) থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের ৬টি জেলার ৫টি ইলিশ অভয়াশ্রমে ইলিশসহ সবধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকবে।

করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৮ মৃত্যু, শনাক্ত ৩৮৫
                                  

ডেস্ক রিপাের্ট : মহামারি করোনা ভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ৮ জন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮ হাজার ৪০৮ জনে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে আরও ৩৮৫ জনের শরীরে। এ নিয়ে দেশে মোট করোনা শনাক্ত দাঁড়াল ৫ লাখ ৪৬ হাজার ২১৬ জন।

করোনাভাইরাস নিয়ে রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংস্থার অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এদিন সুস্থ হয়েছেন আরও ৮১৭ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লাখ ৯৬ হাজার ৯২৪ জন।

এর আগে শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দেশে আরও ৪০৭ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। এছাড়া আক্রান্তদের মধ্যে মারা যান ৫ জন।

এদিকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১১ কোটি ৪৩ লাখ ৬৫ হাজার ৯৫১ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২৫ লাখ ৩৬ হাজার ৭১১ জনের। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৮ কোটি ৯৯ লাখ ২১ হাজার ২৫৮ জন।

করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত হয়েছেন দুই কোটি ৯২ লাখ ২ হাজার ৮২৪ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫ লাখ ২৪ হাজার ৬৬৯ জনের।

আক্রান্তে দ্বিতীয় ও মৃত্যুতে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভারতে এখন পর্যন্ত সংক্রমিত হয়েছেন ১ কোটি ১০ লাখ ৯৬ হাজার ৪৪০ জন এবং মারা গেছেন ১ লাখ ৫৭ হাজার ৮৭ জন।

আক্রান্তে তৃতীয় এবং মৃত্যুতে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে এখন পর্যন্ত করোনায় ১ কোটি ৫ লাখ ১৭ হাজার ২৩২ জন সংক্রমিত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ৫৪ হাজার ২৬৩ জনের।

আক্রান্তের দিক থেকে চতুর্থ স্থানে রয়েছে রাশিয়া। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪২ লাখ ৩৪ হাজার ৭২০ জন। ভাইরাসটিতে মারা গেছে ৮৫ হাজার ৭৪৩ জন।

আক্রান্ত ও মৃত্যুর হিসাবে যুক্তরাজ্য রয়েছে পঞ্চম স্থানে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৪১ লাখ ৭০ হাজার ৫১৯ জন। এর মধ্যে মারা গেছে ১ লাখ ২২ হাজার ৭০৫ জন।

এদিকে আক্রান্তের তালিকায় ফ্রান্স ষষ্ঠ, স্পেন সপ্তম, ইতালি অষ্টম, তুরস্ক নবম এবং জার্মানি দশম স্থানে আছে। এ ছাড়া বাংলাদেশের অবস্থান ৩৩তম।

গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৮টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯।

কার্টুনিস্ট কিশোর কবিরের রিমান্ড নামঞ্জুর
                                  

অনলাইন ডেস্ক : ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোরের রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারি) মহানগর দায়রা জজ আদালত তার রিমান্ড নামঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলায় কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোরসহ তিনজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয় পুলিশ।

২০২০ সালের ৫ মে র‍্যাব-৩ ও সিপিসি-১-এর ওয়ারেন্ট অফিসার মো. আবু বকর সিদ্দিক বাদী হয়ে ১১ জনের নামে রমনা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা করেন। এ ছাড়া অজ্ঞাত ৫-৬ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার আসামিরা হলেন- কার্টুনিস্ট আহমেদ কবীর কিশোর, ব্যবসায়ী মোস্তাক আহম্মেদ, ‘রাষ্ট্রচিন্তা’র সংগঠক দিদারুল ইসলাম, মিনহাজ মান্নান ইমন, প্রবাসী সাংবাদিক তাসনিম খলিল, শায়ের জুলকারনাইন, আশিক ইমরান, ফিলিপ শুমেকার, স্বপন ওয়াহিদ, শাহেদ আলম ও ব্লগার আসিফ মহিউদ্দিন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আসামিরা ‘আই এম বাংলাদেশি’ নামে ফেসবুক পেজ থেকে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি বা সুনাম ক্ষুণ্ণ করতে বা বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশে অপপ্রচার বা গুজবসহ বিভিন্ন ধরনের পোস্ট দিতেন, যা জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটায়।

ওই পেজের অ্যাডমিন শায়ের জুলকারনাইন এবং আমি কিশোর, আশিক ইমরান, ফিলিপ শুমেকার, স্বপন ওয়াহিদ, মোস্তাক আহম্মেদ নামীয় ফেসবুক আইডিসহ পাঁচজন এডিটর পরস্পর যোগসাজশে ফেসবুক পেজটি দীর্ঘদিন পরিচালনা করেন।

আহমেদ কবীর কিশোর, তাসনিম খলিল, জুলকারনাইন, শাহেদ আলম ও আসিফ মহিউদ্দিনের মধ্যে ‘রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক চ্যাটিং’ এর প্রমাণ পাওয়া গেছে উল্লেখ করে এজাহারে বলা হয়েছে, ‘তাদের ব্যবহৃত স্যামসাং মোবাইল ফোনে ‘আমি কিশোর’ ফেসবুক অ্যাকাউন্ট লগইন অবস্থায় পাওয়া যায়।

আলামত পর্যালোচনা করে রাষ্ট্রবিরোধী পোস্ট, মহামারি করোনাভাইরাস, সরকারদলীয় বিভিন্ন নেতার কার্টুন দিয়ে গুজব ছড়িয়ে জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির প্রমাণ পাওয়া যায়। এ ছাড়া হোয়াটসঅ্যাপ ও ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে তাসনিম খলিল, শায়ের জুলকারনাইন, শাহেদ আলম, আসিফ মহিউদ্দিনের সঙ্গে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক চ্যাটিংয়ের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

ছেলে শিক্ষার্থী কমে যাচ্ছে কেন, ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছেলে শিক্ষার্থী কেন কমে যাচ্ছে, তার কারণ উদঘাটন করে ব্যবস্থা নিতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সবসময়ই চেয়েছে শিক্ষাখাতের প্রসার। বর্তমানে শিক্ষার হার ৭৪ দশমিক ৪ শতাংশ।

সরকার দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে বিজ্ঞান ও কারিগরি শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নয়নশীল দেশের এই ধারা অব্যাহত রাখতে উপযুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থার কোনো বিকল্প নেই।

রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাসহায়তা ট্রাস্ট থেকে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে উপবৃত্তি, টিউশন ফি, ভর্তি সহায়তা ও চিকিৎসা অনুদান বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন।

অনলাইন মাধ্যমে ২০২০-২১ অর্থবছরে স্নাতক পর্যায়ে উপবৃত্তি, ভর্তি ও চিকিৎসা অনুদান হিসেবে ৮৭ কোটি ৫২ লাখ ৫৫ হাজার ৪০০ টাকা প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শিক্ষার উন্নয়ন ও প্রসারে বিত্তবানদেরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, `আমরা শিক্ষাসহায়তা ট্রাস্টের মাধ্যমে সারাদেশের লাখ লাখ শিক্ষার্থীদের শিক্ষাসহায়তা দিয়ে যাচ্ছি। আমরা শিক্ষিত ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। এ ক্ষেত্রে বিত্তশালীরাও এগিয়ে আসবেন। আমাদের শিক্ষাসহায়তা ট্রাস্ট ফান্ডে সহায়তা করবেন বা নিজ নিজ এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সহায়তা করবেন। নিজে যে প্রতিষ্ঠান থেকে পড়াশোনা করেছেন, সেটার উন্নয়নে ও সেখানকার শিক্ষার্থীদের সহায়তায় এগিয়ে আসলেই তো হয়।`

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, `২০০৯ সালে সরকার গঠন করে এই ট্রাস্ট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিলাম। ২০১২ সালে এটি প্রতিষ্ঠা করি। এর মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে উপবৃত্তি, টিউশন ফি, ভর্তি সহায়তা ও চিকিৎসা অনুদান দেয়া হচ্ছে। উচ্চশিক্ষায় ফেলোশিপ দেয়া হচ্ছে।`

গণভবন প্রান্ত থেকে এ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া। বক্তব্য দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, উপমন্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মাহবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব আমিনুল ইসলাম খান প্রমুখ।

দেশে টিকা নিয়েছেন ৩০ লাখ মানুষ
                                  

ডেস্ক রিপাের্ট : দেশে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০ লাখ মানুষ করোনা টিকা গ্রহণ করেছেন। টিকার প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন ২৯ লাখ ৮৪ হাজার ৭৭৩ জন। এদের মধ্যে ১৯ লাখ ৩৭ হাজার ২৬ জন পুরুষ এবং ১০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৭ জন নারী রয়েছেন।

শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত ৪২ লাখ ৩ হাজার ৮৩৫ জন মানুষ টিকা নেয়ার জন্য নিবন্ধিত হয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৮৩৩ জন করোনা টিকা গ্রহণ করেছেন। এদের মধ্যে পুরুষ ৮০ হাজার ৭৬১ জন এবং নারী ৫৩ হাজার ৭২ জন।

এ পর্যন্ত ঢাকা বিভাগে টিকা গ্রহণ করেছেন ৮ লাখ ৯৫ হাজার ৩৯৪ জন। এরমধ্যে ঢাকা মহানগরীতে ৪ লাখ ২০ হাজার ২৫৫ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১ লাখ ৩০ হাজার ৯৯৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৬ লাখ ৫৭ হাজার ৭০ জন, রাজশাহী বিভাগে ৩ লাখ ৩২ হাজার ৩১ জন, রংপুর বিভাগে ২ লাখ ৭৩ হাজার ৯৭৩ জন, খুলনা বিভাগে ৩ লাখ ৬৬ হাজার ১০০ জন, বরিশাল বিভাগে ১ লাখ ৪২ হাজার ১৫১ জন এবং সিলেট বিভাগে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৫৯ জন করোনা টিকার প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ২৭ জানুয়ারি করোনার টিকা কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। ওইদিন ২১ জনকে টিকা দেয়া হয়। পরদিন রাজধানীর পাঁচটি হাসপাতালে ৫৪৬ জনকে পর্যবেক্ষণমূলক টিকা দেয়া হয়েছিল। এরপর গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশব্যাপী গণ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। টিকা গ্রহণকারী ব্যক্তিদের মধ্যে এখনো তেমন কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

উন্নয়নশীল দেশের চূড়ান্ত সুপারিশ লাভ করেছে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
                                  

ডেস্ক রিপাের্ট : বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের জন্য জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ লাভ করেছে। এতে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পূর্ণ যোগ্যতা অর্জন করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদায় উত্তরণে জাতিংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্যে তিনি এ কথা জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য তুলে ধরা হলো-

করোনাভাইরাসের মহামারির কারণে প্রায় এক বছর পর আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। তবুও সরাসরি নয়; ভার্চুয়ালি। আজ অবশ্য আমি আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি বাংলাদেশের একটি মহৎ এবং গৌরবোজ্জ্বল অর্জনের সুসংবাদ দেওয়ার জন্য।

বাংলাদেশ গতকাল স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের জন্য জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ লাভ করেছে। আমরা উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পূর্ণ যোগ্যতা অর্জন করেছি।

সমগ্র জাতির জন্য এটা অত্যন্ত আনন্দের এবং গর্বের। আমাদের এই উত্তরণ এমন এক সময়ে ঘটলো, যখন আমরা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করছি; আমরা মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের দ্বারপ্রান্তে।

বাংলাদেশের জন্য এ উত্তরণ এক ঐতিহাসিক ঘটনা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মাত্র সাড়ে তিন বছরে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশকে ধ্বংসস্তূপের মধ্যে থেকে টেনে তুলে স্বল্পোন্নত দেশের কাতারে নিয়ে গিয়েছিলেন। স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে তারই হাতে গড়া বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দেশকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদায় উন্নীত করলো।

এ কৃতিত্ব এ দেশের আপামর জনসাধারণের। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা এই মাইলফলক অর্জন করতে পেরেছি। এই শুভ মুহূর্তে আমি দেশ ও দেশের বাইরে অবস্থানরত বাংলাদেশের সব নাগরিককে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি। আমাদের উন্নয়ন সহযোগীদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি। জাতির পিতার কন্যা হিসেবে, জনগণের একজন নগণ্য সেবক হিসেবে এই কৃতিত্ব অর্জনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে পেরে আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি। মহান আল্লাহতায়ালার দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি।

আমি এই অর্জনকে উৎসর্গ করছি আমাদের দেশের নতুন প্রজন্মকে। যারা আজকের বাংলাদেশকে আরও সামনে এগিয়ে নিয়ে উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ হিসেবে আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। স্মরণ করছি জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এএইচএম কামারুজ্জামানকে।

শ্রদ্ধা জানাচ্ছি ৩০-লাখ শহীদ এবং ২ লাখ নির্যাতিত মা-বোনের প্রতি। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি আমার সশ্রদ্ধ সালাম। এ ভাষা আন্দোলনের মাসে আমি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি মহান ভাষা শহীদদের।

আমি গভীর বেদনার সঙ্গে স্মরণ করছি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকদের হাতে নিহত আমার মা শেখ ফজিলাতুত্রেসা মুজিব, তিন ভাই ক্যান্টেন শেখ কামাল, লে. শেখ জামাল ও দশ বছরের শেখ রাসেল, দুই ভ্রাতৃবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল, চাচা শেখ আবু নাসের-সহ সেই রাতের শহীদদের।

প্রিয় সাংবাদিকবৃন্দ, পাকিস্তান রাষ্ট্রের পূর্ববঙ্গ শুধু অবহেলিতই ছিল না, এখানকার সম্পদ নিয়ে গিয়ে পশ্চিম পাকিস্তানকে সমৃদ্ধ করা হচ্ছিল। শতকরা ৫৬ ভাগ মানুষের জন্য ব্যয় করা হতো ২৫-৩০ ভাগ সম্পদ। আর পশ্চিম পাকিস্তানের ৪৪ শতাংশ জনগণের জন্য ৭০-৭৫ ভাগ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব এই বৈষম্য এবং শোষণের বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম সোচ্চার হন। শুরু করেন রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক মুক্তির আন্দোলন। সেই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালে ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে এবং ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা অর্জন করি স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ।

কিন্তু পাকিস্তানি জান্তারা পরাজয় নিশ্চিত জেনে বাংলাদেশের সব অবকাঠামো ধ্বংস করে দিয়ে যায়। রাস্তা-ঘাট নেই, রেললাইন-ব্রিজ-কালভার্ট ধ্বংসপ্রাপ্ত, সমুদ্রবন্দর-নদীবন্দর অচল, কলকারখানা বন্ধ, অফিস-আদালত ধ্বংস। একটা প্রদেশের প্রশাসনকে তিনি অত্যন্ত দ্রুততম সময়ে একটা স্বাধীন দেশের উপযোগী করে একেবারে শূন্য হাতে দেশের পুনর্গঠনের কাজ শুরু করেন। ভারত থেকে ফিরে আসা এক কোটি শরণার্থীসহ দেশের অভ্যন্তরে উদ্বাস্তু হয়ে পড়া প্রায় সাড়ে তিন কোটি মানুষকে পুনর্বাসন করেন। শহীদ পরিবার, নির্যাতিত পরিবার, মুক্তিযোদ্ধা, ঘরবাড়ি হারানো সবাইকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। বঙ্গবন্ধু সরকারের সময় জিডিপি প্রবৃদ্ধি হার ৭ শতাংশ অতিক্রম করে। বাংলাদেশ উন্নয়নের মহাসড়কে প্রবেশ করে।

কিন্তু পাকিস্তানি জান্তার পরাজয় নিশ্চিত জেনে বাংলাদেশের সব অবকাঠামো ধ্বংস করে দিয়ে যায়। রাস্তা-ঘাট নেই, রেললাইন-ব্রিজ-কালভার্ট ধ্বংসপ্রাপ্ত, সমুদ্রবন্দর-নদীবন্দর অচল, কলকারখানা বন্ধ, অফিস-আদালত ধ্বংস। একটা প্রদেশের প্রশাসনকে তিনি অত্যন্ত দ্রুততম সময়ে একটা স্বাধীন দেশের উপযোগী করে একেবারে শূন্য হাতে দেশের পুনর্গঠনের কাজ শুরু করেন। ভারত থেকে ফিরে আসা এক কোটি শরণার্থীসহ দেশের অভ্যন্তরে উদ্বাস্তু হয়ে পড়া প্রায় সাড়ে তিন কাটি মানুষকে পুনর্বাসন করেন। শহীদ পরিবার, নির্যাতিত পরিবার, মুক্তিযোদ্ধা, ঘরবাড়ি হারানো সকলকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। বঙ্গবন্ধু সরকারের সময় জিডিপি প্রবৃদ্ধি হার ৭ শতাংশ অতিক্রম করে। বাংলাদেশ উন্নয়নের মহাসড়কে প্রবেশ করে।

কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীনতা বিরোধী কুচক্রীরা তাকে পরিবারের অধিকাংশ সদস্যসহ হত্যার মাধ্যমে শুধু মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকেই ধ্বংস করেনি, তারা বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে স্তব্ধ করে দেয়। এর প্রমাণ আপনারা দেখেছেন ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর একুশ বছরে।

তখন বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের পরিচিতি ছিল বন্যা-খরা, দুর্যোগ, ভিক্ষুকের দেশ হিসেবে। বার্ষিক বাজেটের একটা বড় অংশ আসতো বিদেশি সাহায্য থেকে। খাদ্যের জন্য বিদেশি সাহায্যের দিকে তাকিয়ে থাকতে ৭৫-পরবর্তী সরকারগুলো। গ্রামগুলো ছিল সবচেয়ে অবহেলিত। গ্রামের মানুষের দিকে তাকানোর কেউ ছিল না। যোগাযোগের জন্য রাস্তা ছিল না, বিদ্যুৎ ছিল না, মানুষের হাতে কাজ ছিল না। অনাহারে, অর্ধাহারে মানুষ দিন পার করতো। সারাদিন মজুরি খেটে ২ সের চালও জুটতো না।

৬ বছর নির্বাসিত জীবন শেষে ১৯৮১ সালে দেশে আসার পর আমি ব্যাপকভাবে দেশের প্রত্যন্ত এলাকা সফর করি। আমি সে সময়ই প্রতিজ্ঞা করি যদি কোনোদিন আল্লাহ আমাকে সুযোগ দেন দেশ পরিচালনার, তাহলে গ্রামোন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেব। গ্রামের মানুষের উন্নয়নে কিছু করবো। তখন ৭০-৮০ ভাগ মানুষ গ্রামে বাস করতো। আমার মনে হয়েছিল এদের যদি দারিদ্র্যমুক্ত করতে পারি, তাহলেই বাংলাদেশ দারিদ্র্যমুক্ত হবে।

১৯৯৬ সালে জনগণের রায় নিয়ে আমি প্রথমবার সরকার গঠন করে আমার চিন্তা-চেতনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার চেষ্টা করেছি। নতুন নতুন পরিকল্পনা, কর্মসূচি গ্রহণ করেছি। সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি প্রবর্তনের মাধ্যমে গরিব, প্রান্তিক মানুষদের সরকারি ভাতার আওতায় নিয়ে এসেছি। কৃষি উৎপাদনের ওপর বিশেষ জোর দিয়ে দেশকে খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলাম। মাঝখানে ৫ বছর বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় ছিল। তারা কী করেছিল আপনারা জানেন। ২০০৯ সালে দায়িত্ব নিয়ে আমরা অব্যাহতভাবে মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। আজকের যে অর্জন, স্বল্নোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ, তা আমাদের বিগত ১২ বছরের নিরলস পরিকল্পনা, পরিশ্রম এবং প্রচেষ্টার ফসল। দেশের মানুষই এসব করেছেন। আমরা সরকারে থেকে শুধু নীতি-সহায়তা দিয়ে সুযোগ তৈরি করে দিয়েছি।

মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ এবং অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ভঙ্গুরতা - এই তিনটি সূচকের ভিত্তিতে জাতিসংঘ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের বিষয়টি পর্যালোচনা করে। ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম ত্রিবার্ষিক পর্যালোচনা সভায় বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের তিনটি মানদণ্ডই খুব ভালোভাবে পূরণ করে। তারই ধারাবাহিকতায় এ বছর অনুষ্ঠিত ত্রি-বার্ষিক পর্যালোচনা সভায় বাংলাদেশ পুনরায় সব মানদণ্ড অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে পূরণের মাধ্যমে স্বল্পোন্নত দেশ হতে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করলো।

জাতিসংঘের পর্যালোচনায় ২০১৯ সালে মাথাপিছু আয়ের মানদণ্ড নির্ধারিত ছিল ১ হাজার ২২২ মার্কিন ডলার। ওই বছর বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ছিল ১ হাজার ৮২৭ ডলার। আর বর্তমানে আমাদের মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৬৪ ডলার। অর্থাৎ মানদণ্ডের প্রায় ১.৭ গুণ। মানবসম্পদ সূচকে নির্ধারিত মানদণ্ড ৬৬-এর বিপরীতে বাংলাদেশের অর্জন ৭৫.৪। অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ভঙ্গুরতা সূচকে উত্তরণের জন্য মান নির্ধারিত ছিল ৩২ বা তার কম। কিন্তু ওই সময়ে এক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ২৭।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব দারিদ্র্য, ক্ষুধা, নিরক্ষাতামুক্ত একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার তার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে। এক যুগ আগের বাংলাদেশ আর আজকের বাংলাদেশ এক নয়। আজকের বাংলাদেশ এক বদলে যাওয়া বাংলাদেশ। আর্থিক এবং অন্যান্য সূচকগুলির দিকে লক্ষ্য করুন। ২০০৮-০৯ বছরে জিডিপির আকার ছিল মাত্র ১০৩.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০১৯-২০ সালে তা ৩৩০.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। এই ১২ বছরে সরকারি ব্যয় ৪.৭ গুণ বৃদ্ধি পেয়ে ৮৭ হাজার ৯৬০ কোটি থেকে ২০১৯-২০ বছরে ৪ লাখ ১৫ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা হয়েছে। ২০০৮-০৯ বছরে রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ছিল ১৫.৫৭ বিলিয়ন ডলার। আর ২০১৮-১৯ বছৱে তা ৪০ দশমিক পাঁচ-চার বিলিয়ন ডলারে বৃদ্ধি পায়।

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২০০৮-০৯ বছরের ৭ দশমিক চার-সাত বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৪৪ দশমিক শূন্য-তিন বিলিয়ন ডলারে উন্নত হয়েছে। ২০০১ সালে আমাদের দেশের দারিদ্র্যর হার ছিল ৪৮.৯ শতাংশ এবং হত-দারিদ্র্যের হার ছিল ৩৪.৩ শতাংশ। ২০১৯ সালে দারিদ্র্যের হার কমে দাঁড়িয়েছে শতকরা ২০.৫ ভাগ এবং হত-দারিদ্র্যের হার ১০.৫ শতাংশে। খাদ্য উৎপাদনে বাংলাদেশ আজ স্বয়ংসম্পূর্ণ। ২০১৯-২০ অর্থবছরে দানাদার খাদ্যশস্য উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ৪ কোটি ৫৩ লাখ ৪৪ হাজার মেট্রিক টন। বাংলাদেশ বিশ্বে ধান উৎপাদনে ৩য় এবং মাছ-মাংস, ডিম, শাকসবজি উৎপাদনেও স্বয়ংসম্পূর্ণ। অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মাছ উৎপাদন বৃদ্ধির হারে বাংলাদেশ দ্বিতীয় স্থানে এবং ইলিশ উৎপাদনকারী ১১ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান প্রথম। ২০০৯-১০ বছরে বিদ্যুতের স্থাপিত ক্ষমতা ছিল মাত্র ৫,২৭১ মেগাওয়াট। বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৪ হাজার ৪২১ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে।

বিদ্যুৎ সুবিধাভোগী জনসংখ্যা ৪৭ থেকে ৯৯ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। মানুষের গড় আয়ু ২০০৯-১০ বছরের ৬৯ দশমিক ছয়-এক বছর থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২০১৯-২০ সালে দাঁড়িয়েছে ৭২.৬ বছর। ২০০৯-১০ বছরের তুলনায় ৫-বছর বয়সী শিশুমৃত্যুর হার অর্ধেক কমে দাঁড়িয়েছে প্রতি হাজারে ২৮। মাতৃমৃত্যুর হার কমে দাঁড়িয়েছে লাখে ১৬৫ জনে যা ২০০৯-১০-এ ছিল ২৮০ জন।

বাংলাদেশের উন্নয়ন অভিযাত্রায় `ডিজিটাল বাংলাদেশ` এর সুবিধা আজ শহর থেকে প্রান্তিক গ্রাম পর্যায়ে বিস্তৃত হয়েছে। প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত ব্রডব্যান্ড সুবিধা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। `বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট` এর সুবিধা কাজে লাগিয়ে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন সূচিত হয়েছে।

মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে দেশের গৃহহীনদের ঘর প্রদান কর্মসূচির আওতায় ৮ লাখ ৯২ হাজার গৃহহীনকে ঘর প্রদান করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৭০ হাজার ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে। আরও ৫০ হাজার গৃহ নির্মাণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ১৯৯৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত মোট ৯ লাখ ৯৮ হাজার ৩৪৬ পরিবারকে বাসস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে।

সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনি খাতে চলতি বাজেটে ৯৫ হাজার ৫৭৪ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। যা বাজেটের ১৬ দশমিক আট-তিন শতাংশ এবং জিডিপির ৩ দশমিক শূন্য-এক শতাংশ। উপকারভোগীর সংখ্যা প্রায় ৩ কোটি ২৫ লাখ। প্রাথমিক থেকে উচ্চ শিক্ষা পর্যন্ত ২ কোটি ৫৩ লাখ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি, উপ-বৃত্তি প্রদান করা হয়।

করোনাকালে মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন, অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের কর্মী, নন-এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজে-মাদ্রাসার শিক্ষক, শিল্পী, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রায় আড়াই কোটি মানুষকে নগদ ও অন্যান্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশের নারীরা আজ স্বাবলম্বী। জেন্ডার গ্যাপ ইনডেক্সে ১৫৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৫০তম এবং নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে ৭ম। করোনাভাইরাস মহামারির কারণে ২০২০ সাল শুধু আমাদের জন্য নয় গোটা বিশ্বের জন্য ছিল সঙ্কটময়। এ মহামারিতে যাদের মৃত্যু হয়েছে আমি তাদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করছি। আমরা ইতোমধ্যে টিকা প্রদান শুরু করেছি। গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ২৮ লাখ ৫০ হাজার ৯৪০ জনকে প্রথম ডোজ টিকা প্রদান করা হয়েছে।

অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখতে এখন পর্যন্ত আমরা ১ লাখ ২৪ হাজার কোটি টাকার ২৩টি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছি, যা মোট জিডিপি’র ৪.৪৪ শতাংশ।

স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের ফলে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশ একটি প্রত্যয়ী ও মর্যাদাশীল দেশ হিসেবে জায়গা করে নেবে। আমাদের এ অর্জনকে সুসংহত এবং টেকসই করতে হবে। ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন, ২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চমধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়া এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের জন্য এটি একটি বিশেষ ধাপ।

ইতোমধ্যে আমরা অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। টেকসই উয়ন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন কৌশল এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, কর্ণফুলি নদীর তলদেশে টানেল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প, মহেশখালী-মাতারবাড়ি সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্পসহ বেশকিছু মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। এগুলোর কতগুলো এ বছর বা আগামি বছরের শুরুতে চালু হবে।

এছাড়া সারা দেশে একশত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, দুই ডজনের বেশি হাইটেক পার্ক এবং আইটি ভিলেজ নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলছে। এসব বাস্তবায়ন হলে কর্মসংস্থান তৈরিসহ আমাদের অর্থনীতিতে আরও গতি সঞ্চার হবে। বাঙালি বীরের জাতি। মাত্র নয় মাসে আমরা আমাদের স্বাধীনতার লাল সূর্যকে ছিনিয়ে এনেছি। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি আমাদের এই উন্নয়নের গতিধারা অব্যাহত থাকলে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশ অচিরেই একটি উন্নত-সমৃদ্ধ মর্যাদাশীল দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে, ইনশাআল্লাহ।

আসুন, দলমত নির্বিশেষে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীয় এ মাহেন্দ্রক্ষণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করি। সবাইকে ধন্যবাদ।

স্বল্পোন্নত দেশ হতে উত্তরণ: শনিবার প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন
                                  

ডেস্ক রিপাের্ট : বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ হতে উন্নত দেশে উত্তরণের জন্য জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ লাভ করায় সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪টায় গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় প্রান্তে ভার্চুয়ালি প্রেস কনফারেন্স যুক্ত হবেন প্রধানমন্ত্রী।

শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস উইং থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে বের হতে দ্বিতীয় দফায় জাতিসংঘের আনুষ্ঠানিক পর্যালোচনার মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। ২২-২৫ ফেব্রুয়ারি জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি) এলডিসিগুলোর জন্য ত্রিবার্ষিক পর্যালোচনা বৈঠক করে। সিডিপি দ্বিতীয় দফায় এলডিসি থেকে বের হওয়ার প্রয়োজনীয় মানদণ্ড বাংলাদেশ পূরণ করতে পেরেছে কিনা তা নিয়ে পর্যালোচনা হয়। বাংলাদেশের পক্ষে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল অংশ নেন।

প্রথম দফায় ২০১৮ সালের মার্চে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে বের হওয়ার যোগ্য হিসেবে সিডিপির সুপারিশ লাভ করে। নিয়ম হচ্ছে এলডিসি থেকে বের হতে সিডিপির পরপর দুটি পর্যালোচনায় উত্তরণের স্বীকৃতি পেতে হয়। এ স্বীকৃতি পাওয়ার পর আরো তিন বছর এলডিসি হিসেবে থাকে একটি দেশ। তারপর উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে যাত্রা শুরু হয়। এ তিন বছরকে এলডিসি থেকে বের হওয়ার প্রস্তুতির সময় ধরা হয়। সে অনুযায়ী বাংলাদেশের ২০২৪ সালে এলডিসি থেকে বের হওয়ার কথা। কিন্তু বাংলাদেশ সম্প্রতি অনুষ্ঠিত স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণ সম্পর্কিত এক্সপার্ট গ্রুপের সভায় সিডিপির কাছে এ উত্তরণকাল তিন বছর থেকে বাড়িয়ে পাঁচ বছর করার আহ্বান জানিয়েছে।


   Page 1 of 261
     জাতীয়
বাংলাদেশের প্রথম পতাকা এই দিনে উড়েছিল
.............................................................................................
টিকা নিলেন ৩২ লাখ, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ৭৫৪ জনের
.............................................................................................
পুলিশের সমালোচকদের মুখে ছাই পড়ুক : আইজিপি
.............................................................................................
২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৫৮৫
.............................................................................................
ভারতও বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করবে
.............................................................................................
বিমার ওপর আস্থা তৈরিতে আরো প্রচার প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
পুলিশ চরম ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
.............................................................................................
আজ থেকে দুই মাস ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ ৬ জেলায়
.............................................................................................
স্বাধীনতার ৫০ বছরের অগ্নিঝরা মার্চে বাংলাদেশ
.............................................................................................
কাল থেকে ৬ জেলায় দুই মাস মাছ ধরা নিষিদ্ধ
.............................................................................................
করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৮ মৃত্যু, শনাক্ত ৩৮৫
.............................................................................................
কার্টুনিস্ট কিশোর কবিরের রিমান্ড নামঞ্জুর
.............................................................................................
ছেলে শিক্ষার্থী কমে যাচ্ছে কেন, ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
.............................................................................................
দেশে টিকা নিয়েছেন ৩০ লাখ মানুষ
.............................................................................................
উন্নয়নশীল দেশের চূড়ান্ত সুপারিশ লাভ করেছে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
স্বল্পোন্নত দেশ হতে উত্তরণ: শনিবার প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন
.............................................................................................
মোট টিকাগ্রহীতা সাড়ে ২৮ লাখ, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ৬৯৬ জনের
.............................................................................................
সারা দেশে ছাত্র ছাত্রীদের বিক্ষোভ সমাবেশ স্কুল কলেজ খোলার দাবি
.............................................................................................
২৪ ঘণ্টায় ৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৪১০
.............................................................................................
ঢাকা-জলপাইগুড়ি ট্রেন চলাচল শুরু ২৬ মার্চ
.............................................................................................
জিয়ার খেতাব বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু
.............................................................................................
যুক্তরাষ্ট্রে অনিবন্ধিত বাংলাদেশিদের বৈধ করার আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
.............................................................................................
টিকা নেয়ার ১২ দিন পর করোনা আক্রান্ত ত্রাণ সচিব
.............................................................................................
কর্মসংস্থান সৃষ্টিই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
পিলখানা হত্যাকাণ্ডের এক যুগ: নানা কর্মসূচিতে শহীদদের স্মরণ
.............................................................................................
দেশে পৌঁছেছে `আকাশ তরী`
.............................................................................................
করোনার টিকা নিলেন ২৬ লাখের বেশি মানুষ
.............................................................................................
সাত কলেজের আন্দোলন স্থগিত
.............................................................................................
জাতীয় প্রেসক্লাবে সৈয়দ আবুল মকসুদের জানাজা
.............................................................................................
করোনার টিকা নিলেন শেখ রেহানা
.............................................................................................
শিক্ষার্থীদের কল্যাণেই সিদ্ধান্ত নেবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী
.............................................................................................
দেশে করোনায় মৃত্যু কমল চারগুণ
.............................................................................................
সিইসি ও মেয়র রেজাউলের বিরুদ্ধে মামলা
.............................................................................................
লিবিয়া থেকে ৭ বাংলাদেশির মরদেহ পৌঁছেছে
.............................................................................................
পরীক্ষার দাবিতে নীলক্ষেতে ফের অবরোধ
.............................................................................................
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ মারা গেছেন
.............................................................................................
করোনা টিকা নিয়ে এখন পর্যন্ত ৬৩০ জনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
.............................................................................................
সৈয়দ আবুল মকসুদের মৃত্যুতে বিভিন্ন মহলের শোক
.............................................................................................
সৈয়দ আবুল মকসুদ আর নেই
.............................................................................................
ভ্যাকসিন কিনতে ৯৪০ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে এডিবি
.............................................................................................
প্রায় ২৪ লাখ মানুষ টিকা নিয়েছেন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
৭ এপ্রিল থেকে দেয়া হবে টিকার দ্বিতীয় ডোজ
.............................................................................................
দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের সবচেয়ে বড় ব্যবসায়িক পার্টনার বাংলাদেশ
.............................................................................................
২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ও শনাক্ত বাড়ল
.............................................................................................
আইজিপি-বিএনপি বৈঠক বৃহস্পতিবার
.............................................................................................
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার
.............................................................................................
দেশেই তৈরি হবে যুদ্ধবিমান: প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
ভারত থেকে এলো টিকার দ্বিতীয় চালান
.............................................................................................
সামিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলার আদেশ আজ
.............................................................................................
পাপুলের এমপি পদ বাতিল
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop