| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * দেশ লকডাউন হওয়া উচিত: হাইকোর্ট   * বগুড়ায় বাস-ট্রাক সংঘর্ষে ৬ শ্রমিক নিহত   * আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালেদা জিয়ার মুক্তি: কাদের   * করোনা: ইতালির পর ফ্রান্স এখন মৃত্যুপুরী!   * প্রক্রিয়া শেষে দ্রুত মুক্তি খালেদা জিয়ার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী   * করোনা ঠেকাতে ২৫০ কোটি মানুষ নজরদারিতে   * করোনা ঠেকাতে ২৫০ কোটি মানুষ নজরদারিতে   * করোনাভাইরাস: বিদেশফেরতরা আত্মগোপনে থাকলেই গ্রেফতার   * নগরীতে জীবানুনাশক ঔষধ স্প্রে করলো সিসিক   * ইরানের ১৯ প্রদেশে প্রবল বন্যা: চলছে উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা  

   প্রবাস -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
বাংলাদেশিদের কাতারে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের নাগরিকদের আপাতত কাতারে প্রবেশ করতে দেবে না দেশটির সরকার রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার থেকেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে রোববার এক ঘোষণায় জানিয়েছে কাতার সরকার। বাংলাদেশ ছাড়াও চীন, মিশর, ভারত, ইরান, ইরাক, লেবানন, নেপাল, পাকিস্তান, ফিলিপিন্স, দক্ষিণ কোরিয়া, শ্রীলংকা, সিরিয়া ও থাইল্যান্ডের নাগরিকরা আপাতত মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে প্রবেশ করতে পারবেন না।

বাংলাদেশে প্রথমবারের মত তিনজনের দেহে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর কাতার সরকারের এ ঘোষণা এলো। কাতারেও রবিবার আরও তিনজন নতুন রোগী ধরা পড়েছে। সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটিতে মোট ১৫ জন এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে আলআরাবিয়ার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

 
বাংলাদেশিদের কাতারে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা
                                  

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বাংলাদেশসহ ১৪ দেশের নাগরিকদের আপাতত কাতারে প্রবেশ করতে দেবে না দেশটির সরকার রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার থেকেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে রোববার এক ঘোষণায় জানিয়েছে কাতার সরকার। বাংলাদেশ ছাড়াও চীন, মিশর, ভারত, ইরান, ইরাক, লেবানন, নেপাল, পাকিস্তান, ফিলিপিন্স, দক্ষিণ কোরিয়া, শ্রীলংকা, সিরিয়া ও থাইল্যান্ডের নাগরিকরা আপাতত মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে প্রবেশ করতে পারবেন না।

বাংলাদেশে প্রথমবারের মত তিনজনের দেহে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর কাতার সরকারের এ ঘোষণা এলো। কাতারেও রবিবার আরও তিনজন নতুন রোগী ধরা পড়েছে। সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটিতে মোট ১৫ জন এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে আলআরাবিয়ার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

 
যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশিদের পরিচয়পত্র দিতে নিবন্ধন শুরু
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট:
গত বছর যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশিদের জাতীয় পরিচয়পত্র দেয়ার অনুরোধ জানিয়ে বাংলাদেশ হাই কমিশন বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনকে একটি চিঠি লিখেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় লন্ডন মিশনে জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদানের জন্য নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন করেন লন্ডন সফররত প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা।

এর ফলে বর্তমানে ব্রিটেনের বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশির দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে। গেল বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) লন্ডনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই নিবন্ধন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা। সিইসি জানান, যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশিরা এখন ঘরে বসেই জাতীয় পরিচয়ত্রের জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীম জানান, বাংলাদেশ হাই কমিশন লন্ডনে ২৩ মার্চ থেকে ‘মুজিববর্ষ বিশেষ কন্স্যুলার সেবা সপ্তাহ’ পালন করবে। তখন লন্ডনে প্রথম পর্যায়ে জাতীয় পরিচয়পত্র দেয়া হবে। শুধু পরিচয়পত্র দেয়ার মাঝেই সীমাবদ্ধ না থেকে বিদেশ থেকে ভোট দেয়ার সুযোগ দেওয়ার দাবি জানায় বাংলাদেশি কমিউনিটি।

গ্রিসে এনামুলের মরদেহের ছবি ভাইরাল, পাওয়া যাচ্ছে না লাশ
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট:
তুরস্ক থেকে গ্রিস যাওয়ার পথে সিলেটের এনামুল এহসানের মৃত্যু হয়েছে শিরোনামে বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে নিউজ প্রকাশিত হয়। যা পরবর্তীতে ফেসবুকে ভাইরাল হয়। বিষয়টি জানতে ইউরো-বাংলা প্রেসক্লাব সভাপতি তাইজুল ফায়েজ গ্রিস দূতাবাসের কাউন্সিলর ড. ফারহানা নূর চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বিষয়টি দূতাবাসের পক্ষ থেকে গ্রিসের বর্ডার পোস্ট গার্ড ও পুলিশ প্রশাসনের প্রতিটি বিভাগকে জানানো হয়।

জানা যায়, এনামুল এহসানের সাথে থাকা নিকট আত্মীয় ফয়েজ বলেছেন, তুরস্ক বর্ডার অতিক্রম করে গ্রিস বর্ডারে প্রবেশ করলে বরফের মধ্যে এনামুল অজ্ঞান হয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে তার জ্ঞান ফিরে আসে এবং খাবার চান। পরবর্তীতে এনামুল মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। তারা দালালের চোখকে ফাঁকি দিয়ে এনামুলের মৃতদেহের বেশ কয়েকটি ছবি তুলেন। দালাল হুমকি-ধামকি দিয়ে লাশটি ফেলে দিয়ে তাদেরকে গাড়িতে তুলে নিয়ে চলে আসে।

এনামুলের সঙ্গে থাকা ফয়েজ নামের ওই ব্যক্তি এথেন্সে পৌঁছেছেন। তবে এনামুলের মরদেহের ছবি পেলেও লাশ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। গ্রিস বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে দেশটির সরকারের সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। এনামুলের পরিবার ও আত্মীয় স্বজনরা তার লাশ ফেরত পেতে সরকারের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেছেন।

কাফালা ব্যবস্থা বাতিল করতে যাচ্ছে সৌদি আরব
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট:
নানামুখী সংস্কারের অংশ হিসেবে বিদেশি কর্মীদের জন্য কাফালা বা স্পন্সরশিপ পদ্ধতি শিগগিরই বাতিল করছে সৌদি আরব। সূত্রের বরাত দিয়ে দেশটির সংবাদপত্র সৌদি গেজেটের খবরে এই তথ্য জানানো হয়েছে। অভিবাসন খাতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই কাফালা ব্যবস্থা বিলুপ্ত হলে দেশটিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিসহ বিদেশি কর্মীরা নিয়োগকর্তার কঠোর নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্তি পাবেন। তাদের মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত হবে।

প্রায় সাত দশক আগে প্রবর্তিত এই কাফালা ব্যবস্থায় প্রবাসী কর্মীদেরকে নিয়োগকর্তার নির্দেশে চলতে হয়। এমনকি তাদের অনুমতি ছাড়া সৌদি আরবে আসা-যাওয়া করতে পারে না। এক কথায় নিয়োগকর্তারা শ্রমিকদের ভিসা ও আইনি অবস্থান নিয়ন্ত্রণ করেন। এমনকি তাদের ভবিষ্যত্ কী হবে, সেটাও তারা নির্ধারণ করেন। এই ব্যবস্থা শুধু সৌদি আরব নয়, পুরো উপসাগরীয় দেশগুলোতে প্রচলিত রয়েছে। তবে সম্প্রতি কাতার এই ব্যবস্থায় কিছুটা সংস্কার এনেছে। সৌদি গেজেটের খবরে বলা হয়েছে, অভিবাসী কর্মীদের অধিকার লঙ্ঘন নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্কের মুখে কাফালা ব্যবস্থা শিগগিরই বাতিল করতে যাচ্ছে সৌদি আরব কর্তৃপক্ষ।

এর ফলে বিদেশি শ্রমিকদের সৌদি আরবে যাওয়া ও সেখান থেকে চলে আসার স্বাধীনতা থাকবে। এক্ষেত্রে তাদের নিয়োগকর্তা বা স্পন্সরের অনুমোদন লাগবে না। এছাড়া সরকারি অনুমোদন ছাড়াই কাজে যোগ দিতে পারবেন শ্রমিকরা। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট মনিটরের খবরে বলা হয়েছে, বিদেশি কর্মীদের মূলত নির্মাণ ও গৃহকর্মে নিযুক্ত করা হয়। কাজের সময় তাদের নির্যাতনের সম্মুখীন হতে হয়।

মজুরি না পাওয়া, কম মজুরি প্রদানসহ শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ প্রায়ই উঠছে। যে কারণে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠন কাফালা ব্যবস্থা বাতিলের জোর দাবি জানিয়ে আসছে। আর এটা বাতিল হলে তা হবে—সৌদি যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্বে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কাজ।

 
নিউইয়র্কে মুজিববর্ষ সম্মেলনে অংশ নেবে ৩১ সংগঠন
                                  

বিশেষ প্রতিবেদক:

মুজিববর্ষ উপলক্ষে নিউইয়র্কে সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠান হবে আগামী ২৮-২৯ মার্চ। এতে ৩১টিরও অধিক সাংস্কৃতিক-পেশাজীবী সংগঠনের শিল্পীসহ কবি-লেখক-সাংবাদিক-বুদ্ধিজীবী-সমাজসেবকরা অংশ নেবেন। ‘বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ সম্মেলন’ শিরোনামে দুই দিনব্যাপী এই কর্মসূচির আলোকে ৭ জানুয়ারি শুক্রবার সন্ধ্যায় এক প্রস্তুতি সভা থেকে আরো জানানো হয়, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন-ইতিহাস বহুজাতিক সমাজে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিপ্রায়ে প্রবাস প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে।

নতুন প্রজন্মের এই বাঙালিরাই ভিনদেশি বন্ধু-বান্ধবের কাছে বঙ্গবন্ধুকে সবিস্তারে উপস্থাপনে সক্ষম হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন এই সম্মেলনের কর্মকর্তারা। উল্লেখ্য, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সার্বিক সহায়তায় যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু পরিষদ এবং ইউএস কমিটি ফর সেক্যুলার এ্যান্ড ডেমক্র্যাটিক বাংলাদেশ যৌথভাবে এই কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এটি অনুষ্ঠিত হবে লাগোয়ার্ডিয়া এয়ারপোর্ট সংলগ্ন ম্যারিয়ট হোটেলের বলরুমে। দু’দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালার বাজেট ধার্য করা হয়েছে লাখ ডলারের। প্রস্তুতি সভার শুরুতেই এবছরের একুশে পদকে ভূষিত মুক্তিযোদ্ধা-বিজ্ঞানী-লেখক ড. নূরুন্নবীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

উল্লেখ্য, এই ‘বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ সম্মেলন’ কমিটির আহ্বায়ক হচ্ছেন ড. নূরুন্নবী। এ সময় প্রদত্ত শুভেচ্ছা বক্তব্যে ‘বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ সম্মেলন’ কমিটির সদস্য-সচিব ও নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকারিয়া চৌধুরী বলেন, ‘একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধা নূরুন্নবী চার দশকেরও অধিক সময় যাবত এই প্রবাসে থাকলেও এক মুহূর্তের জন্য বঙ্গবন্ধু এবং তার অবদানকে ভুলে থাকেননি। পেশাগত জীবনের বাইরে ১৯৮৫ সাল থেকেই যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বর্তমান কমিটির তিনি হলেন সভাপতি। পাশাপাশি রণাঙ্গনের অভিজ্ঞতার আলোকে কয়েকটি গ্রন্থ রচনাও করেছেন নূরন্নবী।

এসব কাজেরই মূল্যায়ন করলেন জাতিরজনকের যোগ্য উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এজন্যে প্রবাসীদের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনাকে গভীর কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।’ মুজিববর্ষ আলোকে দু’দিনব্যাপী সভা-সেমিনার-সিম্পোজিয়াম এবং বঙ্গবন্ধু কনসার্টের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে প্রধান সমন্বয়কারী যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি আব্দুল কাদের মিয়া বলেন, ‘এ উপলক্ষে নিউইয়র্কসহ বাংলাদেশি অধ্যুষিত সকল সিটিতে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সবগুলোতেই আমাদের অকুণ্ঠ সমর্থন থাকবে। একইসাথে আমরাও আশা করছি নিউইয়র্কে সবচেয়ে বড় আয়োজনে দু’দিনের কর্মসূচিতেও সর্বস্তরের প্রবাসীর সহায়তা পাব। ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারপারসন শারমিন রেজা ইভা বলেন, এখন পর্যন্ত ৩১টি সংগঠন তালিকাভুক্ত হয়েছে অনুষ্ঠান করার জন্য। সকলেই বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ এবং শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দীপ্ত প্রত্যয়ে এগিয়ে চলা বাংলাদেশ বিষয়ক অনুষ্ঠান তৈরি করছেন।

মোট কথা অভূতপূর্ব একটি সাড়া পরিলক্ষিত হচ্ছে মুজিববর্ষ ঘিরে। কবি মিশুক সেলিম, সাংস্কৃতিক সংগঠক আবির আলমগীর, জীবন বিশ্বাস, মোশারফ হোসেন, কবির কিরণ এবং সাংবাদিক আকবর হায়দার কিরন নিজ নিজ সাব কমিটির প্রস্তুতি-তৎপরতা উপস্থাপনকালে বলেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিরা আসবেন নিজ নিজ মতামত এবং অভিজ্ঞতার ডালি নিয়ে। এ সময় প্রস্তুতি আলোকে আরও বক্তব্য রাখেন আব্দুল হাই জিয়া, রেফায়েত উল্লাহ চৌধুরী, মোস্তফা কামাল পাশা মানিক, আশরাব আলী খান লিটন, সুব্রত তালুকদার, স্মৃতি ভদ্র, শুক্লা সাহা প্রমুখ। সদস্য-সচিব জাকারিয়া চৌধুরী সকলকে অনুরোধ করেছেন নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের জন্য। একইসাথে বিশাল এ আয়োজনে তহবিল সংগ্রহের জন্যও সকলের প্রতি আহ্বান রেখেছেন। সভাপতির সমাপনী বক্তব্যে ড. নুরুন্নবী বলেন, নিউইয়র্ক অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি বাস করছি। তাই মুজিববর্ষ উপলক্ষে গৃহিত এই কর্মসূচিকেও সেভাবেই সাফল্যমন্ডিত করতে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে।

 
স্বপ্নের শহর বার্গামো
                                  

অনলাইন ডেস্ক:

বার্গামো উত্তর ইতালির আলপাইন লম্বার্ডি অঞ্চলের একটি শহর। মিলানের উত্তর-পূর্বে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে আলপস পর্বতমালার কোলে এই শহরটি অবস্থিত। বার্গামো শহরটি একটি পুরোনো প্রাচীরযুক্ত কোর দ্বারা গঠিত, যা সিটি আল্টা বা উঁচু শহর নামে পরিচিত।

বার্গামো শহরের নাম এসেছে ‘জার্মানিক-কেল্টিক’ উৎস থেকে। যার অর্থ ‘পাহাড়ে বাড়ি’৷ শহরের উঁচু অংশ থেকে আশপাশের সুন্দর সব প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করা যায়। ষষ্ঠ শতাব্দীর শুরুর দিকে বার্গামোতে প্রথম বসতি স্থাপিত হয়। শহরটি কয়েকটি অংশে বিভক্ত। শহরের নিচু অংশটা আধুনিক। পর্যটকরা প্রথমে সেখানেই আসেন। আর উঁচু অংশটা ঐতিহাসিক। এছাড়া আছে পাহাড়। এই তিন অংশের মধ্যে যাতায়াতের জন্য আছে দুটি কেবল কার। বার্গামোর বাসিন্দা ও পর্যটকরা শহরে যাতায়াত করতে এগুলো ব্যবহার করে থাকেন। বার্গামো শহরের মূল আকর্ষণ পিয়াৎসা ভ্যাককিয়া আর টোররে চিভিকাস।

মধ্যযুগে নির্মিত এই টোররে চিভিকাসেই প্রতিদিন সন্ধ্যায় ঘণ্টা বাজিয়ে বাসিন্দাদের শহরে ঢোকার আহ্বান জানানো হতো। শহরের ধর্মীয় এলাকা বলে পরিচিত ক্যাথেড্রাল চত্বরের ইতিহাস আরও বেশি সমৃদ্ধ। সেখানে আছে ১২ শতকে নির্মিত ব্যাসিলিকা সান্তা মারিয়া মাজোরে এবং ১৫ শতকে তৈরি হওয়া কোলিওনি চ্যাপল ব্যাসিলিকার দেয়ালজুড়ে পুরোনো ট্যাপিস্ট্রি আর সিলিং স্টকো ফিগার্স দিয়ে সজ্জিত।

ইতালির অন্যতম কম্পোজার গায়েটেনো ডোনেৎসিটির সমাধিও আছে সেখানে। বার্গামোর সবচেয়ে বিখ্যাত মানুষ গায়েটেনো ডোনেৎসিটি ১৮৪৮ সালে মারা যাওয়ার পর সেখানে মিউজিয়াম স্থাপিত হয়। ডোনেৎসিটি মিউজিয়ামের কাছে আছে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ প্রাচীন শহরের দেয়াল। সেখানে মানুষজন হাঁটতে যেতে পছন্দ করেন।

আইসক্রিম খেতে চাইলে যেতে হবে ‘লা মারিয়ানা’। শহরের এই লা মারিয়ানা এলাকার এক বাসিন্দাই ষাটের দশকে সুস্বাদু স্ট্রাচিয়াতেল্লা আইসক্রিম উদ্ভাবন করেছিলেন। বার্গামোতে আরও অনেক সুস্বাদু খাবার আছে। এছাড়া শহরের শপিং ও থিয়েটার এলাকার সৌন্দর্য চোখে পড়ার মতো।

যেভাবে যাবেন
বার্গামো যাতায়াতের জন্য সহজ মাধ্যম হলো রেলপথ। ইতালির রাজধানী রোম, মিলান, লেকো, ক্রোমোনা, ট্র্যাভিগ্লিও, ব্রেসিয়া শহর থেকে সহজেই রেলপথে যাওয়া যায় বার্গামোতে। এছাড়াও সড়ক ও বিমান পথে যাওয়া যায় ঐতিহাসিক এই শহরে।

৯২ বাংলাদেশি আটক, মালয়েশিয়ায় বিচারে বসছে বিশেষ আদালত
                                  

 নিউজ ডেস্ক

   

মালয়েশিয়ায় অবৈধ প্রবাসীদের সাধারণ ক্ষমার সুযোগ শেষ হওয়ার পর থেকেই অভিযান শুরু করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন পুলিশ। বছরের প্রথম চারদিনে অভিযানে বাংলাদেশিসহ ৩১৫ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। এর মধ্যে ৯২ বাংলাদেশি রয়েছেন। আটকদের রাখা হচ্ছে ডিটেনশন ক্যাম্পে।

 

এদিকে আটকদের বিচার করতে আগামীকাল সোমবার দুটি বিশেষ আদালত বসছে। একটি বসবে দেশটির সেলাঙ্গর রাজ্যের সিমুনিয়ায় অন্যটি কেডা লঙ্কাতে।

 

অভিবাসন বিভাগের আইনের ১৯৫৯ ধারায় অবৈধ অভিবাসীদের আটকের পর বিশেষ আদালতে দ্রুত বিচার পরিচালনা করা হবে বলে দেশটির সরকারি সংবাদ সংস্থা বার্নামার খবরে বলা হয়েছে।

 

মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা গেছে, অবৈধ অভিবাসীদের গ্রেফতারে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন পুলিশ ১ থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত ১২৫টি অভিযান পরিচালনা করে। এসব অভিযানে ২ হাজার ১০ জনকে আটক করে দেশটির ইমিগ্রেশন পুলিশ। এর মধ্যে কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে ৩১৫ জন অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেফতার দেখানো হয়। এর মধ্যে বাংলাদেশি রয়েছেন ৯২ জন, বাকিরা অন্য দেশের।

 

মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, যেসব অবৈধ কর্মী সাধারণ ক্ষমার সুযোগ নেননি, তাদের আটক করা হবে। মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশন আটক কর্মীদের বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার চেষ্টা চালাচ্ছে।

 

 

 

ইমিগ্রেশন বিভাগের প্রধান খায়রুল দাজাইমি দাউদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ১ আগস্ট থেকে সরকারের দেয়া সাধারণ ক্ষমা কর্মসূচির সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন দেশের ১ লাখ ৯০ হাজার ৪৭১ জন দেশে ফিরে গেছেন।

 

এর আগে ২৯ নভেম্বর মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাধারণ ক্ষমার মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য আহ্বান জানালেও তা আমলে নেয়নি দেশটির সরকার। পরবর্তী সময়ে গত ২৭ ডিসেম্বর মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তান সেরি মহিউদ্দিন ইয়াছিন স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, অবৈধ অভিবাসীদের বিভিন্ন সুযোগ দেয়ার কারণেই অবৈধ অভিবাসীদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। সরকার আর কোনো সুযোগ দিতে চায় না। এদিকে পাঁচ বছরের মধ্যে পাঁচটি রূপরেখার মাধ্যমে বছরে ৭০ হাজার অবৈধ শ্রমিক বা অভিবাসীকে বিতাড়িত করার ঘোষণা দিয়েছেন মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

 

তিনি বলেন, পাঁচটি রূপরেখার ভিত্তিতে দেশজুড়ে অবৈধ অভিবাসীবিরোধী অভিযান পরিচালিত হবে। আর সেই অভিযানে যারা গ্রেফতার হবেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেবে সরকার।

 

অবৈধ অভিবাসীদের ধরতে মালয়েশিয়া সরকারের নেয়া নতুন পাঁচ কৌশল হচ্ছে—এক, প্রয়োগকৃত অভিযান পদ্ধতি, যা দেশব্যাপী অবৈধদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন। দুই, আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ নীতি, যা নতুন আইনের খসড়া প্রণয়ন এবং অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে প্রয়োগের নীতিগুলোর সমন্বয় সম্পর্কিত বাস্তবায়ন। তিন, প্রবেশপথ ও বর্ডার নিয়ন্ত্রণ কৌশল, যা দেশের সীমানা এবং প্রবেশপথগুলোর নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ ও পর্যবেক্ষণ। চার, বিদেশি নাগরিকদের সঙ্গে সম্পর্কিত নীতিগুলোর সমন্বয়। পাঁচ, মিডিয়া এবং প্রচার কৌশল, যা অবৈধদের বিষয়ে মিডিয়া কাভারেজ, প্রচার ও সচেতনতা বৃদ্ধি।

 

প্রসঙ্গত, গত ১ আগস্ট থেকে ‘ব্যাক ফর গুড’ কর্মসূচি চালু করে মালয়েশিয়ার সরকার। এ কর্মসূচির আওতায় সুযোগ নিয়ে এরই মধ্যে বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের ১ লাখ ৯০ হাজার ৪৭১ কর্মী দেশে ফিরে গেছেন। এরপরও বিভিন্ন দেশের অবৈধ অভিবাসীও রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে টানা অভিযান পরিচালনা করবে অভিবাসন বিভাগ। এর আগে ২০১৬ সালে অবৈধকর্মীদের বৈধ হওয়ার সুযোগ দিয়েছিল মালয়েশিয়ার সরকার। ওই সময় বৈধ হতে আবেদন করেছিলেন প্রায় ছয় লাখ বাংলাদেশি শ্রমিক। তবে শেষ পর্যন্ত বৈধ হওয়ার সুযোগ পান ২ লাখ ৮০ হাজার ১১০ জন।

 

জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে নতুন করে কোনো বাংলাদেশি কর্মীকে ভিসা দেয়নি মালয়েশিয়া। তবে এর আগে ভিসা পাওয়া কর্মীরা সেপ্টেম্বরের পরও মালয়েশিয়া গেছেন। সব মিলিয়ে ২০১৮ সালে মালয়েশিয়ায় গেছেন ১ লাখ ৭৫ হাজার ৯২৭ জন।

মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশনে শেষ সময়ে অবৈধ অভিবাসীদের ঢল
                                  

 

নিউজ ডেস্ক

সাধারণ ক্ষমা কর্মসূচির শেষের দিকে বাঁধভাঙা ঢল নেমেছে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন অফিসগুলোতে। আর এ ঢল সামলাতে সাপ্তাহিক বন্ধের দিনেও ইমিগ্রেশন বিভাগের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলছে এই কার্যক্রম।

 

সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল ৮টায় কাউন্টার খোলার আগে, মধ্যরাতের প্রথম দিকে বা তার আগে থেকে বিভিন্ন দেশের অভিবাসীরা লাইনে দাঁড়িয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় রয়েছেন। হাজার হাজার অভিবাসী লাইনে প্রতীক্ষায় থাকলেও একটি ইমিগ্রেশন অফিস থেকে প্রতিদিন গড়ে ইস্যু করা হচ্ছে ৪০০টি ‘স্পেশাল পাস’। বাকিদের লাইনেই থাকতে হচ্ছে পরের দিনের প্রত্যাশায়। কারণ অবৈধ হয়ে দুর্বিষহ জীবন কাটাতে চায় না তারা। তাই প্রতিক্ষা কষ্টের হলেও শুধু জরিমানা দিয়ে দেশে ফেরার এ সহজ সুযোগ কোনো অভিবাসী হাতছাড়া করতে চায় না।

 

এদিকে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় তিনগুণ বেড়েছে ফ্লাইটের ভাড়া। ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া ও বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় ফ্লাইটে বিশেষ ছাড় দেয়া হয়েছে। ইন্দোনেশিয়া মালয়েশিয়ার প্রতিবেশী দেশ হওয়ায় আকাশ পথের পাশাপাশি সাগর পথেই বেশি লোক ফিরছে।

 

বাংলাদেশ থেকে সাগরপথে লোক আসলেও যাওয়ার সময় আকাশ পথই একমাত্র উপায়। বাংলাদেশ সরকার টিকিট প্রতি ১২ হাজার বাংলাদেশি টাকা করে ভর্তুকি দিচ্ছে। তবে শর্ত হলো, অবশ্যই ট্রাভেল পারমিট থাকতে হবে। এই ভর্তুকির টিকিট বিমানের কুয়ালালামপুরের অফিস থেকে সরাসরি কিনতে হবে। এজেন্টের কাছ থেকে কেনার সুযোগ দেয়নি বিমান। ফলে বাংলাদেশিরা সরকার প্রদত্ত সুবিধা সহজে নিতে পারছে না।

 

গত ১ আগস্ট থেকে চালু হওয়া ‘ব্যাক ফর গুড’ কর্মসূচির সুবিধা দিতে মালয়েশিয়ায় বিভিন্ন ইমিগ্রেশন অফিসে ৮০টি বুথ খোলে। ডেটলাইন ৩১ ডিসেম্বর যতই কাছে আসছে, ভিড় ততই বাড়ছে। শুরুর দিকে ভিড় ছিল পুত্রজায়া ও জালান দুতা ইমিগ্রেশনে। অন্যান্য ইমিগ্রেশনে তেমন ভিড় ছিল না।

 

 

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বাংলাদেশি ‘ব্যাক ফর গুড’ কর্মসূচির মাধ্যমে দেশে ফেরত যেতে পুত্রাজায়া ইমিগ্রেশন অফিসে টোকেনের অপেক্ষা করছিলেন। তিনি কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ‘টানা ৪ দিন রাস্তায় দাঁড়িয়ে থেকে মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) স্পেশাল পাস হাতে পাই। এই কয়দিনে গোসল কিংবা খাওয়া-দাওয়া কিছুই করতে পারিনি। পেট বাঁচানোর তাগিদে শুধু রুটি খেয়েছি। কারণ আমি ভয়ে ছিলাম যে, এই লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে টোকেন পাবো কি না।’

 

দুই দফায় ইমিগ্রেশন অফিসে উপস্থিত হয়েও সিরিয়াল না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত টিকিট ফেলে দিতে হলো সিলেটের সুমন চন্দ্র দেব, জামালপুরের ইসমাইল ও ময়মনসিংহের জামালকে।

 

তারা জানান, ‘আমরা দুই দফা আসার পরও রেজিস্ট্রেশন করতে পারলাম না। মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) রাত ১০টায় এয়ার এশিয়ায় দেশে ফেরার কথা ছিল। স্পেশাল পাস না পাওয়ায় আর যাওয়া হয়নি। বাড়তি কোনো টাকা-পয়সা না থাকায় দেশ থেকে টাকা এনে আবার টিকিট নিয়ে ফিরতে হবে।’

 

মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশনের ফেসবুক পেজে পেনাং ইমিগ্রেশন অফিসের তথ্য প্রকাশ করে বলা হয়েছে, বিদেশি অবৈধ নাগরিকদের সেবা দিতে সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত কাজ করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে ৪০০ জনকে স্পেশাল পাসে দিতে পারছে। ধারণা করা হচ্ছে, এ চিত্র কমবেশি সবকটি ইমিগ্রেশন অফিসের। বাকি থেকে যাচ্ছে অনেকেই।

 

 

এই বাকিরা আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে স্পেশাল পাস না পেলে কী হবে? এমন প্রশ্ন করছেন অনেকেই। কেউ বলছেন মেয়াদ বেড়েছে, কেউ বলছেন মেয়াদ বাড়বে। এমন দ্বিধাদ্বন্দ্বের মাঝে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশনের মহাপরিচালক দাতো ইনদিরা খায়রুল জাইমি স্পষ্ট বলেছেন, এখন পর্যন্ত ‘ব্যাক ফর গুড’ কর্মসূচি মেয়াদ বৃদ্ধির কোনো সিদ্ধান্ত সরকারের তরফ থেকে হয়নি।

 

বাংলাদেশ হাইকমিশন সূত্রে জানা গেছে, অবৈধ অভিবাসীদের দেশে ফিরে যাওয়ার চাহিদাকে বিবেচনা করে এর মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য মালয়েশিয়া সরকারের কাছে অনুরোধপত্র পাঠানো হয়েছে।

 

এদিকে বাংলাদেশ হাইকমিশন মালয়েশিয়া সরকারের প্রবর্তিত ‘ব্যাক ফর গুড’ কর্মসূচির আওতায় অনিয়মিত কর্মীদের দেশে প্রত্যাবর্তনে গড়ে প্রতিদিন গড়ে ২ থেকে ৩শ ট্রাভেল পাস ইস্যু করা হচ্ছে।

 

এতো ট্রাভেল পাস এবং পাসপোর্টধারী অবৈধদের ঠিক কতজন সুবিধা নিচ্ছে এমন তথ্য প্রকাশ করেছে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন। আগস্ট থেকে শুরু হওয়া সাধারণ ক্ষমার সুযোগ নিয়ে গত ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিজ নিজ দেশে ফিরেছেন ৩৯ হাজার বাংলাদেশীসহ ১ লাখ ৩৮ হাজার ৯০১ জন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ইন্দোনেশিয়ার ৫৩ হাজার ৩২৮ জন। ভারতের ২২ হাজার ৯৬৪ ও মিয়ানমারের ৬ হাজার ৯২৩ জন। বাকিরা বিভিন্ন দেশের নাগরিক।

 

এ পরিসংখ্যান উল্লেখ করে ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন যে, আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে অবৈধ অভিবাসীকে ‘বি-ফোর-জি’ পদ্ধতি অনুসরণ করে নিজ নিজ দেশে ফিরে না গেলে তাদের বিরুদ্ধে অভিবাসন আইনের ১৫(১) ২৯৫৯/৬৩ ধারায় ২ লাখ টাকা জরিমানা ও ৫ বছরের জেল অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে এবং বেত্রাঘাত শাস্তি দেয়া হবে।

 

তবে যারা ইতোমধ্যে প্রস্তুতি নিয়ে ইমিগ্রেশনে গিয়ে নির্দিষ্ট সময়ে স্পেশাল পাস পাচ্ছেন না তাদের কী হবে? এমন প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ হাইকমিশনের শ্রম কাউন্সিলর মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘হাইকমিশনার মহ. শহীদুল ইসলামের নির্দেশে ট্রাভেল পারমিট যেদিন আবেদন করছেন সেদিন বিকেলেই দিচ্ছি, সামাজিকে যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করছি। বিভিন্নভাবে প্রচার করে লোকদেরকে উদ্বুদ্ধ করছি যেন সরাসরি দূতাবাস ও ইমিগ্রেশন থেকে সেবা নেয়। মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশনের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে যাচ্ছি। অনেকে আমাদের কাছে জানাচ্ছে, আমরা ইমিগ্রেশনকে জানাচ্ছি, ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা নিচ্ছে।’

 

 

তিনি আরও বলেন, ‘অপরদিকে বিমানবন্দরে গিয়েও অনেকের ট্রাভেল পারমিট সম্পর্কে এয়ারলাইন্সগুলো সন্দিহান হলে সেগুলোও ক্লিয়ার (পরিষ্কার) করে দিচ্ছি। কারণ ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন অন্য দেশের নাগরিক ফলস বা ছবি বদল করে অন্যের ট্রাভেল পারমিট নিয়ে ইমিগ্রেশনে বা বিমানবন্দরে গিয়ে বাংলাদেশে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু আমাদের কাছে রেকর্ড থাকায় তাৎক্ষণিক যাচাই করে এদের থামিয়ে দেয়া হয়েছে। অনেকে গ্রেফতার হয়েছে। অনেকে পালিয়ে গেছে। এভাবে হাইকমিশন থেকে ইস্যু করা ট্রাভেল পারমিটে ছবি বা তথ্য পরিবর্তন করে ব্যবহার করার কোনো সুযোগ নেই।’

 

জহিরুল ইসলাম বলেন, আমাদের দেশের বিপদগ্রস্ত নাগরিক যাতে সেবা পায় সেজন্য হাইকমিশনার মহ. শহীদুল ইসলাম একটি টিম করে দিয়েছেন।

 

মালয়েশিয়ার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের তথ্য মতে, গত ১৪ ডিসেম্বর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স অতিরিক্ত ১৬টি ফ্লাইট চালু করেছে। এই ১৬টি ফ্লাইটে ‘ব্যাক ফর গুড’ এর টিকিটধারী যাত্রীরা শুধু এই ১২ হাজার টাকা ভর্তুকি পাচ্ছেন। তবে অধিকাংশ যাত্রী-ক্রেতা জানাচ্ছেন, বিমান অফিসে গেলেও ভর্তুকি মূল্যের টিকিট পাওয়া যাচ্ছে না।

 

অন্যদিকে এ কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ বিমান ছাড়া অন্য এয়ারলাইন্সে ব্যাক ফর গুডের যাত্রীরা এ সুবিধা পাচ্ছেন না। এ নিয়ে দেশে ফিরে যেতে যারা অন্য এয়ারলাইন্সে টিকিট করেছে বা যাবে তাদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে।

 

এ বিষয়ে প্রবাসীদের অধিকার ও কল্যাণ নিয়ে সোচ্চার সংগঠনগুলো বলছে, ব্যাক ফর গুডের আওতায় দেশে ফেরত আসছেন এমন সবাইকে এই ভর্তুকির আওতায় আনা হলে কোনো বৈষম্য হবে না। রাষ্ট্র তার নাগরিকদের মধ্যে বৈষম্য করতে পারে না। বৈষম্য করলে তা স্পষ্ট সংবিধানের লঙ্ঘন হবে।

 

তারা বলছেন, শেষের দিকে যেভাবে বাংলাদেশসহ অন্য ১৬টি দেশের অবৈধ নাগরিকদের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে, তাতে এ কর্মসূচির মেয়াদ বৃদ্ধি করলে মালয়েশিয়া সরকারের উদ্দেশ্য সফল হবে।

মালয়েশিয়া ত্যাগে সময় কমছে, কর্মীদের নাভিশ্বাস উঠছে
                                  

মিয়া আবদুল হান্নান : বাংলাদেশ বিমান টিকেটে ১২ হাজার টাকা ভর্তকি দিবে সরকার। আমগামীকাল ১৪ ডিসেম্বর তা কার্যকরী হবে। মালয়েশিয়া থেকে সারাধণ ক্ষমার ( ব্যাক ফর গুড) আওতায় আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সকল অবৈধ প্রবাসী কর্মীদের নিজ নিজ দেশে ফিরতে হবে। বাংলাদেশিসহ ১ লাখ ১১ হাজার অবৈধ অভিবাসী কর্মী মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগে আত্মসমর্পণ করে স্বেচ্ছায় নিজ নিজ দেশে ফিরে যেতে নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে। দেশে ফেরার ফ্লাইটের টিকিটের মূল্য আকাশচুম্বি হওয়ায় অসহায় কর্মীদের ওয়ান ওয়ে টিকিট কিনতে নাভিশ্বাস উঠেছে। জনশক্তি রফতানির অন্যতম দেশ মালয়েশিয়ায় ৭ লক্ষাধিক বাংলাদেশি কর্মী কঠোর পরিশ্রম করে প্রচুর রেমিট্যান্স দেশে পাঠাচ্ছে।

দশ সিন্ডিকেটের অনৈতিক কারণে ২০১৮ সনে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ড. মাহথির মোহাম্মদ বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগ বন্ধ ঘোষণা করেন। গত ৬ নভেম্বর প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী ইমরান আহমদের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালুকরণের লক্ষ্যে মালয়েশিয়ার পুত্রাজায়ায় দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রী এম কুলাসেগারানের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন। বহু দেন দরবারের পর চলতি মাসের প্রথম দিকে মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রীর এম কুলাসেগারান নেতৃত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দলের বাংলাদেশে সফরে আসার কথা ছিল। কিন্ত দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রী বাংলাদেশের সফর বাতিল করে ভারতের দিল্লী চলে যান।

বায়রার ইসির অন্যতম সদস্য মোহাম্মদ আলী মালয়েশিয়ার ওয়ান ওয়ে ফ্লাইটের টিকিটের মূল্য অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে গতকাল বলেন, সরকার বার বার অভিবাসন ব্যয় কমাতে বলছেন। কিন্ত অসহায় কর্মীরা মালয়েশিয়া থেকে খালি হাতে দেশে ফিরবে তাদের এয়ার টিকিটের দাম কেন দ্বিগুণ বৃদ্ধি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ওয়ান ওয়ে টিকিটের দাম ছিল ২০ হাজার টাকা থেকে ২২ হাজার টাকা । বর্তমানে একজন কর্মীকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশে পাঠাতে ৫২ হাজার টাকা থেকে ৬০ হাজার টাকায় এয়ার টিকিট কিনতে হচ্ছে। এতে বিদেশগামী কর্মীদের অভিবাসন ব্যয় লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। তিনি বিদেশ গমনেচ্ছু কর্মীদের বিমান ভাড়া দ্রুত সহনীয় পর্যায়ে কমিয়ে আনা এবং মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্তকরণে জোরালো ভূমিকার রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।


মালয়েশিয়া থেকে একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ৩১ ডিসেম্বরের পরেও যেসব অবৈধ অভিবাসী দেশটিতে থেকে যাবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা নেয়ার হুমকি দিয়েছে মালয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ। গত ১ আগষ্ট থেকে ইতোমধ্যে প্রায় ৩০ হাজার অবৈধ বাংলাদেশি কর্মী দেশে ফিরেছে। অবৈধ প্রবাসী কর্মীদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে বহু দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স আগামী ১৪ ডিসেম্বর থেকে ঢাকা কুয়ালালামপুর রুটে অতিরিক্ত ১৬টি ফ্লাইট চালু করতে যাচ্ছে। তা’ও ওয়ান ওয়ে টিকিটের মূল্য ১২ শ’ ৯৪ রিংগিত নির্ধারণ করেছে (ল্যাগেজ ছাড়া)। ল্যাগেজসহ কুয়ালালামপুর থেকে দেশে ফেরার বিমানের টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭শ’ ৯৪ রিংগিত। বিজনেস ক্লাসের টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৪২৪ রিংগিত এবং ল্যাগেজসহ টিকিটের মূল্য ২৯২৯ রিংগিত। এতে অবৈধ প্রবাসী কর্মীরা চরমভাবে ক্ষুদ্ধ হয়েছে।
গত সোমবার মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাই কমিশনের লেবার কাউন্সেলর জহিরুল ইসলাম বিমানের ভাড়া বৃদ্ধি প্রসঙ্গে এশিয়াবাণীকে বলেন, বিমানের অতিরিক্ত ১৬ ফ্লাইটের ভাড়া হাই কমিশন নির্ধারণ করেনি। ভাড়া নির্ধারণ করেছে বিমান কর্তৃপক্ষ। এ যাবত কত অবৈধ বাংলাদেশি কর্মী দেশে ফিরেছে এমন প্রশ্নের জবাবে শ্রম সচিব বলেন, আমরা এ ব্যাপারে কিছুই বলতে পারবো না। তিনি বলেন, কোনো খবর জানতে হলে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করুন।
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী স্বেচ্ছায় নিজ নিজ দেশে চলে যাওয়ার সর্বাধিক সংখ্যক অংশগ্রহণকারী দেশ হচ্ছে, ইন্দোনেশিয়া (৪২,২৯৯), বাংলাদেশ (৩০,০৯৮), ভারত (১৯,৯৯৯), পাকিস্তান (৫,৭৫৫) এবং মিয়ানমার (৫,৩৩২)। এছাড়া নেপাল, নাইজেরিয়া, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইন এবং চীনা নাগরিকও রয়েছে।
মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক খায়রুল দাজাইমি আবু দাউদ ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সকল অবৈধ অভিবাসীকে বি-ফোর জি পদ্ধতি অনুসরণ করে নিজ নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে। যারা ঐ সময়ের মধ্যে দেশে ফিরবেন না তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। শেষ দিকে দেশটির ইমিগ্রেশনের প্রতিটি কাউন্টারে অবৈধ অভিবাসীদের প্রচন্ড ভিড় । এ ভিড় কমাতে দেশটি সরকারি ছুটি শনি ও রোববারেও ইমিগ্রেশন বিভাগ কাজ করছে।

জাতীয় শ্রমিক লীগ মালয়েশিয়া শাখার সভাপতি নামজুল ইসলাম বাবুল ও সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম হাওলাদার গত সোমবার কুয়ালালামপুর থেকে এশিয়াবাণীকে জানান, ওয়ান ওয়ে বিমানের টিকিট কিনতে অবৈধ কর্মীদের নাভিশ্বাস উঠছে। ৬/৭ শ’ রিংগিতের এয়ার টিকিট বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ১৬শ’ রিংগিত থেকে ২ হাজার রিংগিত। বিপুল সংখ্যক অবৈধ বাংলাদেশি কর্মী এয়ার টিকিট যোগাতে না পারায় ইমিগ্রেশনে আবেদন জমা দিতে পারেনি। কনফার্ম এয়ার টিকিট না থাকায় বি-ফোর জি কর্মসূচির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে অনেক অবৈধ কর্মী। নেতৃদ্বয় বিপদগ্রস্ত অবৈধ কর্মীদের স্বল্প ভাড়ায় দেশে ফিরিয়ে নেয়ার কার্যকরী উদ্যোগ নেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন। তারা দেশটি বন্ধ শ্রমবাজার অবিলম্বে চালুর জন্যও প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

কুয়ালালামপুরস্থ বেস্ট মার্কেটিং এসডিএন বিএইচ ডি’র পরিচালক রুহুল আমিন সাংবাদিকদের বলেন, ব্যাক ফর গুড কর্মসূচি ঘোষণার আগে দেশে ফিরতে ইচ্ছুক অবৈধ অভিবাসীদের জেল, জরিমানা ও বিভিন্ন ধরনের আইনানুগ শাস্তির সম্মুখীন হতে হতো, যা ছিল অত্যান্ত কষ্টকর। মালয়েশিয়া সরকারের সাধারণ ক্ষমার সুযোগ পেয়ে দেশে ফিরতে অবৈধ বাংলাদেশিরা দারুণভাবে উচ্ছ্বসিত। কিন্ত এয়ার টিকিটের দাম কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রবাসী কর্মীরা দিশেহারা। তিনি বলেন, কনফার্ম এয়ার সংগ্রহ করতে না পেরে হাজার হাজার অবৈধ বাংলাদেশি কর্মী ইচ্ছা থাকা সত্বেও বি ফোর জি কর্মসূচির সুবিধা নিতে পারছে না। মালয়েশিয়ায় কর্মরত অবৈধ কর্মীদের নির্বিঘেœ দেশে ফেরার সুবিধার্থে বি ফোর জি কর্মসূচির মেয়াদ আরো ছয় মাস বৃদ্ধির লক্ষ্যে মালয়েশিয়ার উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের সাথে দ্রুত আলোচনা করে কার্যকরী উদ্যোগ নেয়ার জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধির পরিচয়পত্র পেশ
                                  

 নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমা তার পরিচয়পত্র পেশ করেছেন। শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) জাতিসংঘ সদর দফতরে সংস্থাটির মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেজের কাছে এ পরিচয়পত্র পেশ করেন।

 

রাবাব ফাতিমা জাতিসংঘে বাংলাদেশের ৫০তম স্থায়ী প্রতিনিধি। পরিচয়পত্র পেশকালে জাতিসংঘ মহাসচিবের নিকট বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন তিনি। গত ২৯ নভেম্বর স্থায়ী মিশনের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা ।

 

এ সময় গুতেরেজ বাংলাদেশকে জাতিসংঘের বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করেন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের প্রশংসা করেন। মহাসচিব বলেন, `বাংলাদেশ জাতিসংঘের মর্যাদাপূর্ণ একটি সদস্যরাষ্ট্র হিসেবে বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে`।

 

ঢাকায় ২০২০ সালের ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকীর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য মহাসচিবকে আমন্ত্রণ জানান রাবাব ফাতিমা। তিনি বলেন, `জন্ম শতবার্ষিকীর এ অনুষ্ঠান যথাযোগ্য মর্যাদায় বৈশ্বিকভাবে উদযাপন করা হবে`।

 

ইউনেস্কো কর্তৃক জাতির পিতার জন্ম শতবার্ষিকীর অনুষ্ঠান উদযাপনের বিষয়টি উল্লেখ করে রাবাব ফাতিমা বলেন, `নিউইয়র্কের জাতিসংঘ সদর দফতরের সঙ্গেও জন্ম শতবার্ষিকীর কর্মসূচি উদযাপনের পরিকল্পনা নিয়েছে বাংলাদেশ`। এ সময় তিনি জাতিসংঘ মহাসচিবের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।

 

পেশাদার কূটনীতিক রাবাব ফাতিমা ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ পররাষ্ট্র সার্ভিসে যোগদান করেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি নিউইয়র্ক ও জেনেভায় জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন এবং কলকাতা ও বেইজিংয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমান কর্মস্থলে যোগদানের পূর্বে তিনি জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

 

 

মানবাধিকার বিষয়াবলিতে রাষ্ট্রদূত তার রয়েছে ব্যাপক অভিজ্ঞতা। লন্ডনের কমনওয়েলথ সেক্রেটারিয়েটে মানবাধিকার বিভাগের প্রধান এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার আঞ্চলিক প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতাও রয়েছে এ কূটনীতিকের।

 

পরিচয়পত্র প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- মিশনের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি তারিক মো. আরিফুল ইসলাম, মিনিস্টার মনোয়ার হোসেন, জাতিসংঘের রাজনৈতিক ও শান্তি-বিনির্মাণ বিষয়ের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল মিজ রোজম্যারি এ. ডিকারলো এবং মহাসচিবের শেফ দ্য ক্যাবিনেট মিজ মারিয়া লুইজা রিবিরিয়ো ভিয়োট্টি।

স্পেনে প্রবেশের চেষ্টায় ৪ বাংলাদেশির মৃত্যু
                                  

নিউজ ডেস্ক

ভাগ্য বদলের চেষ্টায় দালালের মাধ্যমে স্পেনে প্রবেশ করতে গিয়ে চার বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। মরক্কো থেকে প্লাস্টিকের নৌকায় ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে স্পেনের মেলেইয়াতে প্রবেশের চেষ্টা করলে মাঝ সমুদ্রে তাদের সলিল সমাধি হয়।

গত ২৬ নভেম্বর হৃদয়বিদারক ওই ঘটনা ঘটে। তবে শুক্রবার ঘটনাটি নিশ্চিত হওয়া যায়। নিহতদের পরিবারে এখন শোকের মাতম চলছে।



নৌকাডুবিতে তাদের দেহ মেলেইয়া দ্বীপে ভেসে উঠলে স্থানীয় পুলিশ দ্রুত উদ্ধার করে ম্যানিলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। রাতেই তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়।

গুরুতর আহত আরও ৫৯ জনকে ওই দ্বীপ থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নৌকাডুবিতে এখনও নিখোঁজ রয়েছেন ১৬জন। তবে, আহত বা নিখোঁজ কারও পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি ম্যানিলা কর্তৃপক্ষ।

নিহতদের মধ্যে অন্তত তিনজনের বাড়ি সিলেট জেলায় বলে জানা গেছে। স্পেনপ্রবাসী মেহরাজ হাসান ও নিহতদের পরিবার সূত্রে জানা যায়, নিহতদের একজন ১৮ বছরের তরুণ। তার নাম আবু আশরাফ। শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে তার পরিবার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।


আশরাফের বাড়ি সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার অলংকারী ইউনিয়নের পেছিখুমরা গ্রামে। তিনি আশিক মিয়ার ছেলে। এছাড়া একই নৌকায় থাকা বাকি তিন বাংলাদেশির মধ্যে দুজন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের একজন হলেন জাকির হোসেন। পিতা আফতাব উদ্দিন, গ্রামের বাড়ি বড়লেখা উপজেলার সুড়িকান্দি গ্রামে। অপর নিখোঁজ তরুণের নাম জালাল উদ্দীন, তার গ্রামের বাড়ি বড়লেখা উপজেলার পকুয়া গ্রামে।


নিহতদের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক বছর দুই মাস আগে স্পেনে যাওয়ার উদ্দেশে এক দালালের মাধ্যমে প্রথমে তারা আলজেরিয়ায় যান। সেখান থেকে ২০ দিন আগে আফ্রিকার মরক্কোয় পৌঁছান। পরে কয়েক দফায় দালালরা তাদের স্পেনে পাঠানোর চেষ্টা করে কিন্তু ব্যর্থ হয়। সর্বশেষ গত সোমবার দালালদের সহায়তায় মরক্কোর নাদুর এলাকা থেকে নৌকায় সাগরপথে আশরাফসহ ৭৮ জন তরুণ স্পেনের ম্যানিলার উদ্দেশে যাত্রা করেন।

সমুদ্র পাড়ি দেবার আগে গত রোববার নিহত আশরাফ ইমো অ্যাপের মাধ্যমে পরিবারের সঙ্গে শেষ কথা বলেন। তখন আশরাফ পরিবারকে জানান, ৭৮ জনের একটি দল নৌকায় করে স্পেনের ম্যানিলার উদ্দেশে রওনা হবেন। আশরাফ পরিবারকে এটাও জানান যে, ‘দালালরা বলেছে, নৌকায় বেশি দূরত্বে যেতে হবে না, নদী পার হবার দূরত্ব-সমান পথ পাড়ি দিতে হবে।’ যদিও বাস্তবে সেটা ছিল ভূমধ্যসাগরের জিব্রাল্টার চ্যানেল পাড়ি দেবার সমান।

এরপর পরিবারের সঙ্গে তার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকে। গত মঙ্গলবার সকালে দক্ষিণ আফ্রিকায় থাকা আশরাফের খালাত ভাই স্বজনদের জানান, আশরাফকে বহনকারী নৌকাটি সমুদ্রে ডুবে গেছে এবং আশরাফসহ চার বাংলাদেশি মারা গেছে।



একাধিক সূত্র ও নিহতদের পরিবার থেকে আরও জানা যায়, ভাগ্য বদলের জন্য ইউরোপে যাবার আশায় দালালদের সঙ্গে ১৫ লাখ টাকার চুক্তি হয়। টাকার বড় অংশও পরিশোধ করা হয়। নিহতদের মধ্যে আশরাফ প্রায় এক বছর দুই মাস আগে স্পেনে যাবার উদ্দেশে বাড়ি ছাড়েন।

মেহরাজ হাসান এক মাস আগে দালালের মাধ্যমে মরক্কো হয়ে স্পেনে সাগর পথে প্রবেশ করেন। তিনি জানান, ওই মানবপাচার গ্রুপে তিনিও ছিলেন। সৌভাগ্যবশত এক মাস আগে তিনি জীবিত স্পেনে প্রবেশ করতে পেরেছেন।

তিনি আরও জানান, নৌকাডুবিতে নিহত বেশির ভাগই বড়লেখা বিয়ানীবাজারের। দালালরা তাদের প্রথমে বিমানযোগে মরক্কো থেকে স্পেন পাঠানোর কথা বলে নিয়ে আসে। তারপর নৌকা দিয়ে সাগর পথে পাড়ি দিতে বলে। এর প্রতিবাদ করলে দালালরা তাদের বলে, এটা সাগর নয় ছোট একটি খাল। এটি পাড়ি দিলেই স্পেন।

মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে আসা মেহরাজ হাসান আরও বলেন, আমাদের এভাবেই ব্ল্যাকমেইল করে দালাল চক্র।

নিথর দেহে দেশের মাটিতে লিবিয়ায় নিহত ৩ বাংলাদেশি
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক   

 

 

লিবিয়ায় নিহত তিন কর্মীর মরদেহসহ ১৫২ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তাঁরা।

 

বিমানবন্দরের প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। নিহত তিনজন হলেন- রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার বাবুল হোসেন, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার এরশাদ, নাটোরের লালপুর উপজেলার নজরুল ইসলাম। তাদের তিনজনের মধ্যে বাবুল ড্রোন হামলায়, এরশাদ বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এবং নজরুল বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন।

 

 

 

ব্র্যাকের অভিবাসন কর্মসূচির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, লিবিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাসের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা, লিবিয়া ও বাংলাদেশ সরকারের তত্ত্বাবধানে এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সক্রিয় সহায়তায় লিবিয়ার মিসরাতা বিমানবন্দর থেকে একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে দেশে ফেরেন তারা।

 

 

১৫২ জনের মধ্যে ভূমধ্যসাগর থেকে উদ্ধার করা ও ত্রিপোলিতে ড্রোন হামলায় মারাত্মকভাবে আহত ১০ জন বাংলাদেশি রয়েছেন।

 

গত ১৮ নভেম্বর লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির অদূরে একটি বিস্কুট তৈরির কারখানায় ড্রোন হামলায় ৭ জন নিহতের খবর পাওয়া যায়। নিহতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি ছিলেন বলে দূতাবাসের শ্রম কাউন্সিলর এস এম আশরাফুল ইসলাম নিশ্চিত করেন।

দায় নিচ্ছেন না নিয়োগকর্তা, সৌদি থেকে ফিরলেন আরও ১২৫ বাংলাদেশি
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

সৌদি আরব থেকে আরও ১২৫ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। শুক্রবার (২২ নভেম্বর) দিবাগত রাত ১১টা ২০ মিনিটে সৌদি এয়ারলাইন্সের এসভি ৮০৪ বিমানযোগে দেশে ফেরেন তারা। এ নিয়ে নভেম্বরের তিন সপ্তাহে ২ হাজার ৬১৫ বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন।

 

বিমানবন্দরের প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক ও ব্র্যাকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের গত ১০ মাসে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন ২১ হাজার বাংলাদেশি।

 

 

 

শুক্রবার রাতে ফেরা নারায়ণগঞ্জ আড়াইহাজারে আফজাল (২৬) মাত্র আড়াই মাস আগে ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা খরচ করে সৌদি আরব গিয়েছিলেন। ভাগ্য এতটাই খারাপ যে, রুম থেকে বের হয়েছিলেন বাজার করার জন্য কিন্তু পথ থেকে তাকে ধরে দেশে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। আকামাও ছিল আফজালের।

 

আফজালের মত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কামরুলও ৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা খরচ করে আড়াই মাস আগে সৌদি গিয়েছিলেন। কিন্তু তাকেও দেশে ফিরতে হয়েছে শূন্য হাতে। দুই বছর ধরে সেলুনে কাজ করতেন কুমিল্লার নন্দন কুমার। আকামার মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই নিয়োগকর্তাকে সাড়ে ছয় হাজার রিয়াল দিয়েছিলেন কিন্তু আকামা করে দেয়া হয়নি তাকে। পুলিশের হাতে নন্দন গ্রেফতারর হলে নিয়োগকর্তাকে ফোন দিলেও দায়িত্ব নেয়নি। ফলে তাকেও শূন্য হাতে দেশে ফিরতে হয়েছে।

 

 

 

একই পরিস্থিতির শিকার হয়ে দেশে ফিরেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মন্টু মিয়া ও সাইদুল ইসলাম, নরসিংদির নাইম, হবিগঞ্জের ফারুক হোসেন ও ঢাকার সাইফুল ইসলাম।

 

দেশে ফেরা কর্মীদের অভিযোগ, আকামা তৈরির জন্য কফিলকে (নিয়োগকর্তা) টাকা প্রদান করলেও তিনি আকামা তৈরি করে দেয়নি। পুলিশের হাতে গ্রেফতারের পর কফিলের সাথে যোগাযোগ করলেও গ্রেফতার হওয়া কর্মীদের কোনো দায়-দায়িত্ব নেয়নি। বরং কফিল প্রশাসনকে বলেছেন, ক্রুশ (ভিসা বাতিল) দিয়ে দেশে পাঠিয়ে দিতে।

 

 

এদিকে বরাবরের মতো শুক্রবারও ফেরত আসা বাংলাদেশিদের প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের সহযোগিতায় ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম থেকে খাবার-পানিসহ নিরাপদে বাড়ি পৌঁছানোর জন্য জরুরি সহায়তা প্রদান করা হয়।

 

 

 

ব্র্যাক অভিবাসন কর্মসূচির প্রধান শরিফুল হাসান জানান, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ২২ হাজার বাংলাদেশিকে সৌদি আরব থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। চলতি মাসের তিন সপ্তাহে ২৬১৫ জন ফিরেছেন। প্রায় সবাই খালি হাতে ফিরেছেন। যারা কয়েক মাস আগে গিয়েছিলেন তাদের কেউই খরচের টাকা তুলতে পারেননি। তারা সবাই ভবিষ্যৎ নিয়ে এখন দুশ্চিন্তায়।

 

তিনি বলেন, আমরা আশা করছি তিনদিন পর সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের যে যৌথ বৈঠক হবে সেখানে নারীকর্মীদের পাশাপাশি পুরুষদের বিষয়েও আলোচনা হবে। বিশেষ করে ফ্রি ভিসার নামে প্রতারণা বন্ধ করতে দু`দেশকেই কাজ করতে হবে।

ধড়পাকড়ে স্বপ্ন এখন দুঃস্বপ্ন, ফিরলেন আরও ২১৫ কর্মী
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

 

>> এভাবে যেন কাউকে শূন্য হাতে ফিরতে না হয়

>> ফেরত আসা সবাই ভবিষ্যত নিয়ে দুশ্চিন্তায়

>> ফ্রি ভিসার নামে প্রতারণা বন্ধ করা উচিত

 

সৌদি আরব থেকে আরও ২১৫ জন বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বুধবার রাতে দুটি পৃথক ফ্লাইটে তারা ঢাকায় আসেন। বিমানবন্দরের প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক ও বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের তথ্য অনুযায়ী, এ নিয়ে নভেম্বর মাসের প্রথম দুই সপ্তাহে মোট এক হাজার ৫৬১ বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন। আর চলতি বছর সব মিলিয়ে সৌদি আরব থেকে ফিরলেন ২১ হাজার বাংলাদেশি।

 

 

 

বুধবার রাত ১১টা ২০ মিনিটে সৌদি এয়ারলাইন্সের এসভি ৮০৪ ফ্লাইটে ৮৬ জন এবং রাত ১টা ১৫ মিনিটে সৌদি এয়ারলাইন্সের এসভি ৮০২ বিমানযোগে ১২৯ জন বাংলাদেশি ফেরত আসেন।

 

গতকাল ফেরত অসাদের একজন কিশোরগঞ্জের সোহরাব। মাথায় জড়ানো মাফলার ছাড়া কিছুই আনতে পারেননি। তিনি জানান, দুই বছর আগে পাঁচ লাখ টাকা খরচ করে অনেক স্বপ্ন নিয়ে সৌদি আরব গিয়েছিলেন। কিন্তু ধরপাকড়ে তার সব স্বপ্ন এখন দুঃস্বপ্ন। সোহরাবের অভিযোগ, রুম থেকে তাকে ধরে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

 

সাড়ে ছয় লাখ টাকা খরচ করে সৌদি আরব গিয়েছিলেন গাজীপুরের হারুন। তিনি জানান, একটি নির্মাণাধীন কোম্পানিতে কাজ করতেন। কর্মস্থল থেকে রুমে ফেরার পথে ধরপাকড়ের শিকার হয়ে তাকে ফিরতে হলো।

 

 

 

 

টাঙ্গাইল জেলার শাহবুল ইসলাম জানান, বিদেশে যাওয়ার আগে দেশে তিনি নিয়মিত গাড়ি চালাতেন। দালাল ও রিক্রুটিং এজেন্সি মেসার্স জাভেদ ওভারাসিজের প্রলোভনে পড়ে চার মাস আগে ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা দিয়ে ড্রাইভিং ভিসা নিয়ে গিয়েছিলেন সৌদি আরবে। কিন্তু ৪ মাস কোনো বেতন পাননি। এখন ধরপাকড়ের শিকার হয়ে শূন্য হাতে দেশে ফিরতে হয়েছে তাকে।

 

সিলেটের কামাল আহাম্মেদ, টাঙ্গাইলের মো. জাহেদ আলী, গাজীপুরের ইমরান, কুমিল্লার ইব্রাহিম, নরসিংদীর বাবুলসহ আরও অনেকেই জানালেন, তারা তাদের খরচের টাকাটাও তুলতে পারেননি।

 

বরাবরের মতো প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের সহযোগিতায় গতকালও ফেরত আসাদের খাবার-পানিসহ নিরাপদে বাড়ি পৌঁছানোর জন্য জরুরি সহায়তা দেয় ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম।

 

ব্র্যাক অভিবাসন কর্মসূচির প্রধান শরিফুল হাসান জানান, চলতি বছর এখন পর্যন্ত প্রায় ২১ হাজার বাংলাদেশিকে শুধু সৌদি আরব থেকে ফেরত পাঠানো হলো। দেশে ফেরা অনেক কর্মীর অভিযোগ, আকামা তৈরির জন্য তারা কফিলকে (নিয়োগকর্তা) টাকা দিলেও কফিল আকামা তৈরি করে দেয়নি। এখন পুলিশ যখন তাদের গ্রেফতার করছে, কফিল কোনো দায় নিচ্ছে না। বিষয়গুলো দুঃখজনক। ফেরত আসা সবাই ভবিষ্যত নিয়ে দুশ্চিন্তায়। এভাবে যেন কাউকে শূন্য হাতে ফিরতে না হয়, সেজন্য যাওয়ার অগেই ব্যবস্থা নেয়া উচিত। বিশেষ করে ফ্রি ভিসার নামে প্রতারণা বন্ধ করা উচিত।

মালয়েশিয়ায় নতুন বীমার আওতায় দুই লাখেরও বেশি বাংলাদেশি
                                  

 

নিউজ ডেস্ক

মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মীদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন বীমার আওতায় নিবন্ধিত হচ্ছেন প্রবাসীরা। এর আওতায় দুই লাখেরও বেশি বাংলাদেশি কর্মী নিবন্ধিত হয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এ প্রক্রিয়ায় দেশটির সামাজিক নিরাপত্তা সংস্থার (সকসো) অধীনে কর্মীদের নাম নিবন্ধন করা হচ্ছে।

 

এদিকে দেশটিতে কর্মরত বৈধ বাংলাদেশি কর্মীদের শতভাগ বীমার আওতায় নিয়ে আসতে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের সংশ্লিষ্টরা নিরলস চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। নিবন্ধন নিশ্চিত করার জন্য নিয়োগকর্তা এবং সাকসোর সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করে অগ্রগতি ফলোআপ করছেন দূতাবাসের সংশ্লিষ্টরা।

 

 

বাংলাদেশ হাইকমিশন এবং বাংলাদেশে ওয়েজ অর্নাস ওয়েল ফেয়ার বোর্ডের সহযোগিতায় বেনিফিট প্রদান করবে মালয়েশিয়ার সোশ্যাল সিকিউরিটি অর্গানাইজেশন। তাই গত ২৩ অক্টোবর প্রবাসী কল্যাণ বোর্ডের অতিরিক্ত সচিব মো. শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে ৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি প্রতিনিধি দল মালয়েশিয়ার সামাজিক নিরাপত্তা সংস্থার সংশ্লিষ্ট কর্মকতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে মালয়েশিয়ার পক্ষে সকসোর ডেপুটি চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ইনকিক জন রিবা অনাক মারিনের নেতৃত্ব দেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের উপ-সচিব মো. আমিনুর রহমান, বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম কাউন্সিলার মো. জহিরুল ইসলাম, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের প্রোগ্রামার পাপ্পু মজুমদার ও দূতাবাসের লিগ্যাল অ্যাডভাইজার মি. সিলভা।

 

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ২১ নভেম্বর মালয়েশিয়ায় কর্মরত বিদেশি কর্মীদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন বিধান চালু করার ঘোষণা দিয়েছিল দেশটির মন্ত্রিপরিষদ। ওইদিনই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সে-দেশের মানবসম্পদমন্ত্রী এম কুলাসেগারান এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন। সে-দিন মানবসম্পদমন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়ার সামাজিক নিরাপত্তা সংস্থার অধীনে এই ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। সেই মোতাবেক কর্মরত বিদেশি কর্মীদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন বিধানের আওতায় কোম্পানির মালিকপক্ষ তাদের বিদেশি কর্মীদের বীমার আওতায় নিববন্ধন শুরু করেছেন।

 

 

এর আগে মালয়েশিয়ার সামাজিক নিরাপত্তা সংস্থার অধীনে শুধু স্থানীয় নাগরিকরাই এ সুবিধা পেতেন। মালয়েশিয়ার বিভিন্ন কর্মস্থলে দুর্ঘটনার পরিমাণ কমাতেই এ কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। এটি সফল বাস্তবায়ন হলে নিয়োগকর্তারা বিদেশি কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও সচেষ্ট হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

দেশটির মানবসম্পদমন্ত্রী এম কুলাসেগারান বলেলেন, বিদেশি কর্মীদের নিয়োগের ক্ষেত্রে নিয়োগকর্তাদের সামাজিক নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে নিবন্ধন করতে হবে এবং কর্মীদের সামাজিক নিরাপত্তা আইন ১৯৬৯ (অ্যাক্ট-৪) এর আওতায় আনতে হবে।

 

 

 

মন্ত্রী বলেন, এতে কর্মসংস্থানে ক্ষতির পরিকল্পনার অধীনে চিকিৎসা সুবিধা, অস্থায়ী কর্ম অক্ষমতা সুবিধা, স্থায়ী অক্ষমতা সুবিধা এবং পুনর্বাসন সুবিধার পাশাপাশি প্রত্যাবাসন খরচের সুবিধা দেয়া হবে।

 
পেনসিলভানিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি কৃতিছাত্রীর মৃত্যু
                                  


আন্তর্জাতিক ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের ফিলাডেলফিয়া শহরে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া বাংলাদেশি কৃতিছাত্রী। দুর্ঘটনায় আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বুধবার দিবাগত রাতে স্থানীয় হাসপাতালে মেহেরুন চৌধুরী (১৯) নামের এ কৃতিছাত্রীর মৃত্যু হয়। তাকে প্রায় ৩৮ ঘণ্টা লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল।

জানা গেছে, গত মঙ্গলবার ফিলাডেলফিয়া শহরে গাড়ি চালিয়ে যাবার সময় সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছিলেন মেহেরুন চৌধুরী। ঘটনার পর পুলিশ দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে পেন প্রেসবাইটেরিয়ান মেডিকেল সেন্টারে ভর্তি করে। এ সময় মেহেরুনের ভাইও ঐ গাড়িতে ছিলেন। প্রাথমিক চিকিৎসার পর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান তার ভাই।


মেহেরুন চৌধুরীর বাবা লুৎফর চৌধুরী মিঠুর ফিলাডেলফিয়ার অপারডারবি এলাকার বাসিন্দা। তিনি ফিলাডেলফিয়ার সকল প্রবাসীদের অত্যন্ত প্রিয়মুখ। তার দেশের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়ায়।

 

   Page 1 of 5
     প্রবাস
বাংলাদেশিদের কাতারে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা
.............................................................................................
যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশিদের পরিচয়পত্র দিতে নিবন্ধন শুরু
.............................................................................................
গ্রিসে এনামুলের মরদেহের ছবি ভাইরাল, পাওয়া যাচ্ছে না লাশ
.............................................................................................
কাফালা ব্যবস্থা বাতিল করতে যাচ্ছে সৌদি আরব
.............................................................................................
নিউইয়র্কে মুজিববর্ষ সম্মেলনে অংশ নেবে ৩১ সংগঠন
.............................................................................................
স্বপ্নের শহর বার্গামো
.............................................................................................
৯২ বাংলাদেশি আটক, মালয়েশিয়ায় বিচারে বসছে বিশেষ আদালত
.............................................................................................
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশনে শেষ সময়ে অবৈধ অভিবাসীদের ঢল
.............................................................................................
মালয়েশিয়া ত্যাগে সময় কমছে, কর্মীদের নাভিশ্বাস উঠছে
.............................................................................................
জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধির পরিচয়পত্র পেশ
.............................................................................................
স্পেনে প্রবেশের চেষ্টায় ৪ বাংলাদেশির মৃত্যু
.............................................................................................
নিথর দেহে দেশের মাটিতে লিবিয়ায় নিহত ৩ বাংলাদেশি
.............................................................................................
দায় নিচ্ছেন না নিয়োগকর্তা, সৌদি থেকে ফিরলেন আরও ১২৫ বাংলাদেশি
.............................................................................................
ধড়পাকড়ে স্বপ্ন এখন দুঃস্বপ্ন, ফিরলেন আরও ২১৫ কর্মী
.............................................................................................
মালয়েশিয়ায় নতুন বীমার আওতায় দুই লাখেরও বেশি বাংলাদেশি
.............................................................................................
পেনসিলভানিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি কৃতিছাত্রীর মৃত্যু
.............................................................................................
সৌদি থেকে পাঁচ দিনে ফিরলেন ৪২১ জন কর্মী
.............................................................................................
নির্যাতনের শিকার সেই সুমি সৌদি পুলিশের হেফাজতে
.............................................................................................
শিশু প্রতিবন্ধী, বাংলাদেশি পরিবারকে ফেরত পাঠাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া
.............................................................................................
মালয়েশিয়ায় ধরপাকড় আতঙ্কে প্রবাসী বাংলাদেশিরা
.............................................................................................
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার : চলছে মারিং কাটিং
.............................................................................................
বেলজিয়ামের পার্লামেন্ট নির্বাচনে বাংলাদেশি শায়লা
.............................................................................................
তিউনিশিয়ায় নৌকাডুবিতে ৩৭ বাংলাদেশি নিহত
.............................................................................................
পূর্ব লন্ডনে তারাবির সময় মসজিদে গুলি
.............................................................................................
মালয়েশিয়ায় কন্টেইনার চাপায় ১০ বাংলাদেশি আহত
.............................................................................................
সৌদিতে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ১১ বাংলাদেশি নিহত
.............................................................................................
মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ বাংলাদেশিসহ ১০ জন নিহত
.............................................................................................
স্পেনে নানা আয়োজনে জাতির জনকের জন্মবার্ষিকী পালন
.............................................................................................
নিউজিল্যান্ডে নিহতদের মধ্যে ২ বাংলাদেশি
.............................................................................................
মালয়েশিয়ায় বিনোদনকেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশিসহ নিহত ৬
.............................................................................................
ইন্দোনেশিয়ায় ২০০ ‘বাংলাদেশি’ আটক
.............................................................................................
মালয়েশিয়ায় হঠাৎ পুলিশের ফাঁদ : ৩২০ প্রবাসী আটক
.............................................................................................
শেখ হাসিনা সরকারের ধারাবাহিকতা চান সৌদি বাদশাহ
.............................................................................................
আমেরিকায় রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন বিচারপতি সিনহা
.............................................................................................
ভারত থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশের সময় ২ নাইজেরিয়ান আটক
.............................................................................................
মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ বাংলাদেশি আহত
.............................................................................................
সিন্ডিকেটমুক্ত মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, আলোচনার পর নতুন সিদ্ধান্ত
.............................................................................................
ভারত গেলেন এরশাদ
.............................................................................................
ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা
.............................................................................................
জেদ্দায় পৌঁছেছে প্রথম হজ ফ্লাইট
.............................................................................................
মদিনায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ বাংলাদেশি নিহত
.............................................................................................
নতুন জনপ্রশাসন সচিব ফয়েজ আহম্মদ
.............................................................................................
স্ত্রী হত্যাচেষ্টার দায়ে নিউইয়র্কে বাংলাদেশির ১৮ বছরের জেল
.............................................................................................
চীন, রাশিয়া, ভারত, জাপানকে পাশে চায় বাংলাদেশ
.............................................................................................
তারেককে দেশে ফিরিয়ে নিতে সক্ষম হব: প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
দণ্ডিত তারেক রহমানকে বাংলাদেশে ফেরাতে আলোচনা চলছে : প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
সৌদি আরবে প্রধানমন্ত্রী, লন্ডন যাবেন বিকেলে
.............................................................................................
মায়ের চিকিৎসার খরচ যোগাতে বিদেশে গিয়েছিলেন হিমেল
.............................................................................................
২৩ জনের লাশ আসছে আজ
.............................................................................................
মৃত্যুর কাছে হেরে গেলেন পাইলট আবিদ সুলতান
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD