| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * তুরস্কে বিমান বিধ্বস্ত   * ঢাকা কলেজ ছাড়লেন আবরারের ছোট ভাই   * চট্টগ্রামে কভার্ড ভ্যান-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ২   * সুন্দরবনে র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৪ বনদস্যু নিহত   * ১০ দিনের রিমান্ডে সম্রাট   * হাগিবিসের তাণ্ডবে মৃত বেড়ে ৬৬   * সম্রাটকে আদালতে নেওয়া হয়েছে   * চাঞ্চল্যকর তুহিন হত্যায় ১০ জনকে আসামি করে মামলা   * মানবতাবিরোধী অপরাধে গাইবান্ধার পাঁচ আসামির মৃত্যুদণ্ড   * ইসলামপুরে ৫ কোটি টাকার অবৈধ বন্ডেড কাপড় জব্দ  

   সু-সংবাদ -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
মানব উন্নয়ন সূচকে তিন ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক
বৈশ্বিক মানব উন্নয়ন সূচকে আগের বারের চেয়ে তিন ধাপ এগিয়ে ১৩৬তম স্থান অর্জন করেছে বাংলাদেশ। আগেরবার বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৩৯তম। শুক্রবার ইউএনডিপির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
গড় আয়ু, জনস্বাস্থ্য, শিক্ষা ও মাথাপিছু আয়সহ বিভিন্ন আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে অগ্রগতির ফলে বাংলাদেশের অবস্থানের এ উন্নতি হয়েছে। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি ইউএনডিপির মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন অনুযায়ী ১৮৯টি দেশকে নিয়ে এই সূচক তৈরি করা হয়েছে।
প্রকাশিত সূচকে ভারত এক ধাপ এগিয়ে অবস্থান করছে ১৩০তম স্থানে। অন্যদিকে পাকিস্তানের অবস্থান ১৫০তম।
১৮৯ দেশ ও অঞ্চল নিয়ে তৈরি করা সূচকের প্রথম দিকে আছে নরওয়ে, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, আয়ারল্যান্ড ও জার্মানি। শেষের দিকে আছে নাইজার, মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্র, দক্ষিণ সুদান, চাদ ও বুরুন্ডি।

মানব উন্নয়ন সূচকে তিন ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ
                                  

অনলাইন ডেস্ক
বৈশ্বিক মানব উন্নয়ন সূচকে আগের বারের চেয়ে তিন ধাপ এগিয়ে ১৩৬তম স্থান অর্জন করেছে বাংলাদেশ। আগেরবার বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৩৯তম। শুক্রবার ইউএনডিপির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
গড় আয়ু, জনস্বাস্থ্য, শিক্ষা ও মাথাপিছু আয়সহ বিভিন্ন আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে অগ্রগতির ফলে বাংলাদেশের অবস্থানের এ উন্নতি হয়েছে। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি ইউএনডিপির মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন অনুযায়ী ১৮৯টি দেশকে নিয়ে এই সূচক তৈরি করা হয়েছে।
প্রকাশিত সূচকে ভারত এক ধাপ এগিয়ে অবস্থান করছে ১৩০তম স্থানে। অন্যদিকে পাকিস্তানের অবস্থান ১৫০তম।
১৮৯ দেশ ও অঞ্চল নিয়ে তৈরি করা সূচকের প্রথম দিকে আছে নরওয়ে, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, আয়ারল্যান্ড ও জার্মানি। শেষের দিকে আছে নাইজার, মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্র, দক্ষিণ সুদান, চাদ ও বুরুন্ডি।

হজযাত্রীরা পাচ্ছেন ফ্রি বাস সার্ভিস
                                  

অনলাইন ডেস্ক
হজযাত্রীদের নিরাপদে আশকোনার হজক্যাম্প থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে দিতে ফ্রি বাস সার্ভিস দিচ্ছে ঢাকা উত্তর মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ।
রোববার দুপুরে এ ফ্রি বাস সার্ভিস উদ্বোধন করেন ট্রাফিক উত্তর বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) প্রবীর কুমার রায়।
তিনি বলেন, এয়ারপোর্ট ক্রসিং একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং ব্যস্ততম ক্রসিং। হজযাত্রীরা পায়ে হেঁটে এই ক্রসিং অতিক্রম করলে দুর্ঘটনা কবলিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। একইসঙ্গে উক্ত ক্রসিং-এ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় সমস্যাসহ যানজটের সৃষ্টি হয়। তাই হজযাত্রীদের গমনাগমন নিরাপদ এবং সুশৃঙ্খল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার জন্যই ট্রাফিক উত্তর বিভাগের এই উদ্যোগ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক গুলশান) মোহাম্মদ নাজমুল আলম, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক উত্তরা) রহিমা আক্তার লাকী, সহকারী পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন) ট্রাফিক উত্তর আলী আকবর শরীফ, সহকারী পুলিশ কমিশনার (এয়ারপোর্ট ট্রাফিক জোন) শচীন মৌলিকসহ ট্রাফিক বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

নৌবাহিনীর যৌথ টহল শুরু আজ
                                  

অনলাইন ডেস্ক
বঙ্গোপসাগরে প্রথমবারের মতো দুই দেশের সমুদ্রসীমার নির্ধারিত এলাকায় বাংলাদেশ ও ভারতীয় নৌবাহিনীর জাহাজ ও টহল বিমানের (মেরিটাইম পেট্রোল এয়ারক্রাফট) অংশগ্রহণে শুরু হচ্ছে যৌথ টহল-করপ্যাট। আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশি জলসীমা হতে এই টহল শুরু হয়ে ৩ জুলাই ভারতের বিশাখাপত্তমে পৌঁছে শেষ হবে।
সমুদ্র এলাকায় অবৈধভাবে মত্স্য আহরণ, চোরাচালান ও মানবপাচার, জলদস্যুতা ও সন্ত্রাসবাদ এবং মাদক পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড নিরসনের লক্ষ্যে এ যৌথ টহল পরিচালিত হচ্ছে। এ উপলক্ষে গতকাল বুধবার চট্টগ্রামে বানৌজা ঈসাখানের এসএমডব্লিউটি মিলনায়তনে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ ও ভারতীয় নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল সুনীল লানবা।
যৌথ এ টহলে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধজাহাজ ও এমপিএ এবং ভারতীয় নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধজাহাজ ও এমপিএ অংশগ্রহণ করবে। বাংলাদেশ ও ভারতীয় সমুদ্রসীমার নির্ধারিত এলাকায় নিয়মিতভাবে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রাথমিকভাবে এ কার্যক্রমে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ‘বানৌজা আবু বকর’ ও ‘বানৌজা ধলেশ্বরী’ এবং ভারতীয় নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ‘আইএনএস সাতপুরা’ ও ‘আইএনএস খেদমত’ অংশগ্রহণ করছে।
দুই দেশের এই যৌথ টহল বঙ্গোপসাগরে নিজ নিজ জলসীমায় সমুদ্র বিষয়ক অপরাধ সম্পর্কিত তথ্য আদান-প্রদান, তথ্যাদির সঠিক ব্যবস্থাপনা, সমুদ্রপথে অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনাকারী জাহাজসমূহ চিহ্নিতকরণ ও বিভিন্ন অপরাধ নিরসনকল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এই পদক্ষেপ আঞ্চলিক সমুদ্র নিরাপত্তা রক্ষা, সমুদ্র নিরাপত্তার ঝুঁকি মোকাবেলা ও সমুদ্র অর্থনীতির উন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে বলে আশা করা যায়। এছাড়া পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, অভিজ্ঞতা অর্জনের লক্ষ্যে দুইজন ভারতীয় নৌবাহিনীর কর্মকর্তা বাংলাদেশ নৌবাহিনী জাহাজযোগে এবং দুইজন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ভারতীয় নৌবাহিনী জাহাজযোগে বিশাখাপত্তমে যাবেন।
এ যৌথ টহল দুই দেশের জলসীমায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে নৌবাহিনী প্রধান উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, বিশাল সমুদ্র এলাকায় এককভাবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা একটি চ্যালেঞ্জের বিষয়। এক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা, এ সংক্রান্ত তথ্যাদির আদান-প্রদান এবং সমন্বিত নজরদারী সমুদ্র এলাকার নিরাপত্তাকে জোরদার করতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে; যা এ অঞ্চলের সমুদ্র বিষয়ক সচেতনতাকে বহুলাংশে বৃদ্ধি করতে সহায়তা করবে। সেইসাথে বঙ্গোপসাগরে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এ ধরণের যৌথ টহল আয়োজনের জন্য তিনি বাংলাদেশ ও ভারতীয় সরকারকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানান। একইসাথে যৌথ এ টহলকে ফলপ্রসূ করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার জন্য ভারতীয় নৌবাহিনী প্রধানকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
যৌথ এ টহলের সাফল্য কামনা করে ভারতীয় নৌবাহিনী প্রধান বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ ও ভারত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের একটি যুগান্তকারী সময় পার করছে। বিশাল সমুদ্র এলাকার নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে ঐতিহাসিক এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি আশা করি। ভারত সব সময়ই বাংলাদেশের সাথে সহ-অবস্থানে থেকে বিশাল সমুদ্র এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সন্ত্রাসবাদ দমন, যে কোন দুর্যোগ মোকাবেলা, সমুদ্র সম্পদ রক্ষাসহ ব্লু ইকনোমির উন্নয়নে একসাথে কাজ করে যেতে আগ্রহী। দুই দেশের সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমানে নৌপ্রধানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ নৌবাহিনী এখন এগিয়ে গিয়েছে। সম্প্রতি বঙ্গোপসাগরে অনুষ্ঠিত আইএমএমএসএআরইএক্স এর মতো আন্তর্জাতিক সমুদ্র মহড়া সফলভাবে শেষ করায় বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসা করেন। আইএসপিআর।

যমজ পুত্রসন্তানের বাবা হলেন রেলমন্ত্রী
                                  

অনলাইন ডেস্ক
যমজ পুত্রসন্তানের বাবা হয়েছেন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক। সোমবার দিবাগত রাত ১২টা ৩২ মিনিটের দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে যমজ সন্তান জন্ম দেন তার স্ত্রী হনুফা আক্তার রিক্তা।
বর্তমানে মা ও নবজাতকরা সুস্থ আছেন বলে জানা গেছে। রেলমন্ত্রীর পারিবারিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এর আগে ২০১৬ সালের মে মাসে কন্যা সন্তানের বাবা হন মুজিবুল হক।
এদিকে, রেলমন্ত্রী মজিবুল হক বলেন, সবাই আমার বাচ্চাদের জন্য দোয়া করবেন। তাদের যেন মানুষের মতো মানুষ হিসেবে গড়তে পারি।

হজযাত্রীদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ হচ্ছে
                                  

অনলাইন ডেস্ক
সৌদি আরব হজযাত্রীদর জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী হজ মৌসুম থেকে এটি কার্যকর করা হবে। ধর্মমন্ত্রণালয়ের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ তথ্য জানান।
এ কর্মকর্তা বলেন, সৌদি কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে হজযাত্রীরা পবিত্র হজব্রত পালরে উদ্দেশে জেদ্দা ও মদিনা গমনের জন্য বাংলাদেশের বিমানবন্দর থেকে ইমিগ্রেশন ও কাস্টমসের জন্য প্রি-ক্লিয়ারেন্স পাবেন।
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনিসুর রহমান বাসসকে বলেন, ‘এর ফলে হজযাত্রীদের সৌদি বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন পয়েন্টগুলোতে দীর্ঘ লাইন দিয়ে অপেক্ষার ঝমেলা পোহাতে হবে না।’
তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন বিমান বন্দরে প্রি-ক্লিয়ারেন্স চালু করার উপায় খুঁজে বের করতে শিগিগির সৌদি আরবের একটি প্রতিনিধি দল ঢাকা আসবে।
তিনি বলেন, সৌদি ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা ফিরে যাওয়ার আগেই এখানে ইমিগ্রেশন ও কাস্টমসের যাবতীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন। আনিসুর রহমান বলেন, সরকার সৌদি কর্তৃপক্ষকে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট দেশের এই তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সব ক’টিতে প্রি-ক্লিয়ারেন্স চালুর অনুরোধ জানাবে।
হজ এজেন্সিস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)-এর সভাপতি শাহাদাত হোসেন তাসলিম সৌদি কর্তৃপক্ষের এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এটি হজ ব্যবস্থাপনাকে সহজ করে তুলবে। আমাদের দেশের হজযাত্রীরা সৌদি বিমান বন্দরে নেমে সোজা লাগেজ এরিয়ায় চলে যেতে পারবেন।
সৌদি আরবের কোটা অনুযায়ী বাংলাদেশ ২০১৮ সালে এক লাখ ২৭ হাজার হজযাত্রী পাঠাতে পারবে। এ পর্যন্ত দুই লাখের বেশি হজ গমনেচ্ছু ব্যক্তি আগামী বছরের জন্য নাম নিবন্ধন করেছেন।
তিনি জানান, সৌদি হজ ও ওমরা মন্ত্রণালয় চলতি বছর হজ মৌসুমে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে প্রি-ক্লিয়ারেন্স ব্যবস্থার সফল বাস্তবায়ন করেছে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আজ নেপিডো’তে সমঝোতা সই
                                  

অনলাইন ডেস্ক
রাখাইনে সহিংসতার মুখে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে আজ বৃহস্পতিবার সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হচ্ছে। গতকাল বুধবার নেপিদো’তে এই সমঝোতার খসড়া নিয়ে দিনভর বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী গতকাল সন্ধ্যায় নেপিদো’তে সাংবাদিকদের জানান, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন নিয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে আমাদের ভালো আলোচনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (আজ) সমঝোতা স্মারক সই হবে আশা করি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলে পররাষ্ট্র সচিব ছাড়াও মিয়ানমারে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সুফিউর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা রয়েছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আজ মিয়ানমারের কার্যত সরকার প্রধান, স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চির সঙ্গে বৈঠক করবেন।
আজ নেপিদো’তে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে দুই দেশের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর হলে এটা হবে তৃতীয় উদ্যোগ। এর আগে ১৯৭৮ সালে দুই দেশ চুক্তি করেছিল। সেই চুক্তির অধীনে দুই লাখ ৪০ হাজার রোহিঙ্গা ছয় মাসের মধ্যে ফেরত যায়। পরে ১৯৯২ সালে দুই দেশের মধ্যে আরেকটি সমঝোতা হয়, যার অধীনে ২০০৫ সাল পর্যন্ত দুই লাখ ৩৬ হাজার রোহিঙ্গা মিয়ানমারে ফেরত যায়।
রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়া বিষয়ে ১৯৯২ এর বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল সেটাই এবারও অনুসরণ করতে চায় মিয়ানমার। তবে এবার বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের ফেরত দেওয়ার ক্ষেত্রে মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে এবং এবার যাতে অধিক নিরাপদ প্রত্যাবাসন হয় তা নিশ্চিত করতে চাইছে। এ লক্ষ্যেই জাতিসংঘকে যুক্ত করতে চাইছে বাংলাদেশ।

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ২ ডিসেম্বর
                                  

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশের আকাশে রবিবার সন্ধ্যায় রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। এজন্য মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) থেকে রবিউল আউয়াল মাস গণনা শুরু হবে।
আগামী ২ ডিসেম্বর (১২ রবিউল আউয়াল) শনিবার পালিত হবে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)।
বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে রবিবার সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব আনিছুর রহমান।
সভায় সচিব জানান, সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, আবহাওয়া অধিদফতর, মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের আকাশে ১৪৩৯ হিজরির রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। এজন্য সোমবার (২০ নভেম্বর) সফর মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হচ্ছে। মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) থেকে রবিউল আউয়াল মাস গণনা শুরু হবে। আগামী ২ ডিসেম্বর (১২ রবিউল আউয়াল) দেশে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হবে।

দাউদকান্দি-হোমনা নৌপথে ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের উদ্যোগ
                                  


অনলাইন ডেস্ক :
বাংলাদেশে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ সার্বক্ষণিক সচল রাখতে দাউদকান্দি-হোমনা-রামকৃষ্ণপুর ৫০ কিলোমিটার নৌপথ ক্যাপিটাল ড্রেজিং কার্যক্রমের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ কাজও শেষ হয়েছে। সে অনুযায়ী উপদেষ্টা প্রতিষ্ঠান নৌপথের ডিজাইন কাজ সম্পন্ন করেছে। ইতিমধ্যে ড্রেজিং কাজও শুরু হয়েছে। ড্রেজিংয়ের কাজ শেষ হলে দাউদকান্দি থেকে হোমনা ও রামকৃষ্ণপুর এলাকায় নৌপথে সরাসরি নৌযোগাযোগ চালু হবে এবং সার্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থাও উন্নত হবে বলে সংশ্লিষ্ট ড্রেজিং বিভাগের প্রকৌশলীরা জানান।
অভ্যন্তরীণ নৌপথে পণ্য ও যাত্রীবাহী নৌযান নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে চলাচলের জন্য আগামীকাল ৮ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৩টায় এ প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান। দাউদকান্দি ব্রিজ সংলগ্ন পার্কের পাশে অনুষ্ঠিত মঞ্চে সভাপতিত্ব করবেন বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমোডর এম মোজাম্মেল হক। এ সময় অন্যদের মধ্যে কুমিল্লা-১ আসনের এমপি মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ সুবিদ আলী ভূঁইয়া, নৌ সচিব মো. আবদুস সামাদ, বিআইডব্লিউটিএ সচিব কাজি ওয়াকিল নওয়াজ উপস্থিত থাকবেন।
জানা গেছে, অভ্যন্তরীণ নৌপথে ৫৩টি রুটে (প্রথম পর্যায়ে ২৪টি রুট) নদী খনন প্রকল্পের আওতায় দাউদকান্দি, হোমনা ও রামকৃষ্ণপুর নৌপথের ক্যাপিটাল ড্রেজিং কাজ বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। জুলাই থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং ২০১৯ সালের জুন মাসে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে বলে বিআইডব্লিউটিএ সূত্র জানায়।
বিআইডব্লিটিএর ড্রেজিং বিভাগের প্রকৌশলীরা জানান, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে দেশের ৫৩টি নৌপথ আর ঝুঁকিপূর্ণ থাকবে না। ১৯ লাখ ঘনমিটার ড্রেজিং করা হবে। নৌপথের মার্কিং হিসেবে প্রয়োজনীয় লাইটেড বয়া, বিকন বাতি স্থাপন করা হবে। এতে সারাবছর ৪ মিটার গভীরতার নৌযানগুলো চলাচল করতে পারবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। ৫০ কোলোমিটার নৌপথের মধ্যে দাউদকান্দি ব্রিজ থেকে হোমনা হয়ে রামকৃষ্ণপুর পর্যন্ত নৌপথটি ২০০ ফুট প্রশস্ততা ও ১২ ফুট গভীরতায় খনন করা হবে বলে জানা গেছে। দাউদকান্দি, হোমনা ও রামকৃষ্ণপুর নৌপথের মধ্যে গোমতী, মেঘনা ও তিতাস নদীও রয়েছে।
বিআইডব্লিউটএ সূত্রে জানা গেছে, বিআইডব্লিউটিএর সংরক্ষণ, খনন কর্মসূচির আওতায় নৌচলাচলে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ ফেরি ও নৌপথগুলোর নাব্য অক্ষুণ্ন রাখার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ নৌপথগুলোর নাব্য উন্নয়ন কল্পে ৫৩টি নৌপথে ৯ বছর মেয়াদি ড্রেজিং কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।
এ পরিকল্পনার আওতায় আড়িয়াল খাঁ ও কুমার নদীভুক্ত মাদারীপুর-চরমুগুরিয়া-টেকেরহাট-গোপালগঞ্জ নৌপথের নাব্য বৃদ্ধির জন্য মাদারীপুর-চরমুগুরিয়া-টেকেরহাট-গোপালগঞ্জ-নৌপথে ড্রেজিং শীর্ষক একটি প্রকল্প ২৫ জানুয়ারি একনেক অনুমোদন দিয়েছে এবং বাস্তবায়ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রথম পর্যায়ে ২৪টি নৌপথে ক্যাপিটাল ড্রেজিং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অভ্যন্তরীণ নৌপথের ৫৩টি নৌপথে ক্যাপিটাল ড্রেজিং (১ম পর্যায় ২৪ নৌপথ) শীর্ষক একটি প্রকল্প এবং ১২টি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে ড্রেজিং শীর্ষক অন্য একটি প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, ৫৩টি পথে ক্যাপিটাল ড্রেজিং (১ম পর্যায় ২৪ নৌপথ) প্রকল্পের ডিপিপির ওপর পরিকল্পনা কমিশনে ২০১০ সালের ২২ আগস্ট পিইসি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ড্রেজিং দরপত্র পুনঃনির্ধারকপূর্বক ডিপিপি পুনর্গঠন করা হয়।
প্রথম পর্যায়ে যে ২৪টি পথে ড্রেজিংয়ের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে সেগুলো হচ্ছে ঢাকা-মুন্সীগঞ্জ-গজারিয়া-চাঁদপুর-চট্টগ্রাম-পথ, চাঁদপুর-হিজলা-বরিশাল পথ, গাশিয়াখালী-বরিশাল- কালিগঞ্জ-চাঁদপুর-আরিচা নৌপথ, ভৈরব বাজার-লিপসা-চটক-সিলেট নৌপথ, গাজলাজর-মোহনগঞ্জ পথ, লোয়ারগা-দুলোভপুর পথ, চিটরি-নবীনগর-কুটিবাজার নৌপথ, নরসিংদী-কাটিয়াদী নৌপথ, নরসিংদী-মরিচাকান্দি- সেলিমগঞ্জ-বাঞ্জারামপুর-হোমনা নৌপথ, দাউদকান্দি-হোমনা-রামকৃষ্ণপুর পথ, চাঁদপুর-ইচুলি-ফরিদগঞ্জ পথ, বরিশাল-ঝালকাঠি-পাথরঘাটা নৌপথ, খুলনা-গাজিরহাট- মানিকদা পথ, নন্দীবাজার-মাদারীপুর নৌপথ, দিলালপুর- গৌরাদিঘার-চামড়াঘাট-নীলকিয়াটপাড়া-নেত্রকোনা পথ, মনুমুখ-মৌলভীবাজার নৌপথ, মিরপুর-সাভার নৌপথ, শ্রীপুর- ভোলা খেয়াঘাট-গঙ্গাপুর-ভোলা নৌপথ, চৌকিঘাটা- কালীগঞ্জ পথ, পটুয়াখালী-মীর্জাগঞ্জ পথ, হোসনাবাদ-টরকী-ফাঁসিতলা নৌপথ এবং দালারচর-বালিয়াকান্দি-বোয়ালমারী- কাশিয়ানি নৌপথ।
অপর যে ১২টি নৌপথ ড্রেজিংয়ের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে সেগুলো হলো ঢাকা-তালতলা-ডহুরী, জারিরা-মাদারীপুর-কবিরাজপুর-চৌধুরীরহাট-পিজাখালি-চরজানাজাত- কেওড়াকান্দি নৌপথ, লাহার হাট-ভেদুরিয়া নৌপথ, শাহেবের হাট-টঙ্গীবাড়ি-লাহারহাট পথ, ঢাকা সদর ঘাট-ভিরুলিয়া-পাটুরিয়া-বাঘাবাড়ী পথ, ডেমরা-ঘোড়াশাল-পলাশ পথ, ঢাকা-রামচর-মাদারীপুর নৌপথ, ঢাকা-শরীয়তপুর নৌপথ, চাঁদপুর-নন্দীরবাজার-শিকারপুর- হুলারহাট পথ, হুলারহাট-চরচাপালি-গোপালগঞ্জ পথ, নারায়ণগঞ্জ-দাউদকান্দি পথ এবং ঢাকা-সুরেশ্বর- আঙ্গারিয়া-মাদারীপুর-নৌপথ।
এ প্রসঙ্গে নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেন, দেশের অনেক নদী নাব্য হারিয়ে ফেলেছিল, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে নদীগুলোর নাব্য ফিরিয়ে আনা ও খননের কাজ গতিশীল করেছে। ২০০৯ সাল থেকে ১৩ সাল পর্যন্ত ১৪টি ড্রেজার কিনেছে সরকার।
তিনি বলেন, ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত আরো ২০টি ড্রেজার কেনার কাজ চলছে। এ ছাড়া বেসরকারিভাবে আরো ৫০টি ড্রেজার সংগ্রহ করা হয়েছে। এসব ড্রেজার দিয়ে নদী খননের কাজ চলছে। এ পর্যন্ত ১ হাজার ৩৮০ কিলোমিটার নৌপথ খনন করা হয়েছে। নদী খনন ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের জন্য তিনটি এক্সাভেডর ক্রয় করা হয়েছে, আরো ৬টি এক্সাভেডর ক্রয়া করার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও মন্ত্রী জানান।

৬৮ রোহিঙ্গা ছাত্রকে স্কলারশীপ দিচ্ছে তুরস্ক
                                  


অনলাইন ডেস্ক
মিয়ানমারের আরাকান রাজ্য থেকে ৫৩ জন রোহিঙ্গা ছাত্রকে স্কলারশীপ দিবে তুরস্ক। তাদেরকে তুরস্কের ভাসির্টিতে ভর্তির সুযোগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তুরস্কের উপপ্রধানমন্ত্রী হাকান জায়েশ উগলু।
জায়েশ উগলু বলেন, তার দেশ আরাকানী ছাত্রদের ভার্সিটির বিভিন্ন বিভাগে সিট দিবে। যেমন : যোগাযোগ, অধিকার, রাজনীতি এবং মানবাধিকার।
তিনি আরো বলেন, ইতিমধ্যে ১৫ আরাকানি ছাত্র তুরস্কে পৌঁছে গেছে। বাকি ৫৩ জন অচিরেই চলে আসবে।
রোহিঙ্গাদের ত্রাণ সহায়তা সর্ম্পকে উপপ্রধানমন্ত্রী বলেন, তার দেশ সেখানে অসুস্থদের জন্য ভ্রাম্যমাণ চিকিৎসাকেন্দ্রসহ মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে।
তিনি জাতিসংঘের অধীন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠনকে আরাকানে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। গত ১৯ সেপ্টেম্বরে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এবং এ্যামিনেষ্টি ইন্টারন্যাশনাল জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে রোহিঙ্গাদের জাতিগত নিধন বন্ধ করতে মিয়ানমার সরকারের উপর চাপ দিতে আহ্বান জানায়।
২৫ আগষ্ট থেকে মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও বৌদ্ধ মিলিশিয়ারা আরাকানের সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলমানদের উপর পাশবিক হত্যাকাণ্ড শুরু করে। গণধর্ষণ , হত্যা যেন মিয়ানমারের নৈমত্তিক ঘটনা। তাদের পাশবিক নির্যাতনে এ পর্যন্ত পাঁচ সহস্ত্রাধিক বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে। কয়েক লক্ষ্য নিরীহ মানুষ জীবন বাচাতে বাংলাদেশের কক্সবাজার সীমান্তে আশ্রয় নিয়েছে।
সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি

৫০ হাজার শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ প্রদানে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের সাথে মাইক্রোসফট যুক্ত
                                  

অনলাইন ডেস্ক : দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৫০ হাজার শিক্ষার্থীকে প্রাথমিক কম্পিউটার প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য দেশের বৃহৎ যুব নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত হয়েছে মাইক্রোসফট।

ইয়াং বাংলা নামের যুব নেটওয়ার্ক দেশের প্রায় ২ হাজার ১শ` টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত এবং প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ২৫ জন শিক্ষার্থীকে `মাইক্রোসফট ডিজিটাল লিটারেসি` শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় প্রশিক্ষণ প্রদান করছে।

ইয়াং বাংলার সচিবালয় হিসেবে কাজ করা সেন্টার ফর রিসার্স এন্ড ইনফরমেশন (সিআরআই)-এর সহকারি সমন্বয়কারী তন্ময় আহমেদ বলেন, আমরা মার্চ এবং জুন মাসে ৮৪০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২১ হাজার শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দিয়েছি।

তিনি বলেন, আগামী বছরের মধ্যে অবশিষ্ট স্কুল ও কলেজগুলোর শিক্ষার্থীদের একইভাবে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

মাইক্রোসফটের সহায়তায় সারা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ইয়াং বাংলার স্বেচ্ছাসেবীদের প্রশিক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।

প্রশিক্ষণ স্কিমে শিক্ষার্থীদের কম্পিউটারে প্রাথমিক ধারণা, অপারেটিং সিস্টেম এবং হার্ডওয়ার সমস্যা সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হচ্ছে।

মাইক্রোসফট্ বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোনিয়া বশির কবির বলেন, আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির ক্ষেত্রে আইসিটি খাতের ভবিষ্যতে সুযোগ রয়েছে, তাই আমরা প্রান্তিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে আইসিটি শিক্ষা এগিয়ে নিতে চাই।
তিনি বলেন, মাইক্রোসফট বাংলাদেশকে প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তোলার অবদান রাখতে আগ্রহী।
শিক্ষার্থীরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে এবং এই স্কিমের প্রতি তাদের আগ্রহ দেখিয়ে বলেছে, এটি তাদের কম্পিউটার ব্যবহারের মৌলিক জ্ঞান অর্জনে ব্যাপকভাবে সহায়ক হবে।
পলাশবাড়ি এসএম পাইলট মডেল হাইস্কুলের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র শামিমুল ইসলাম বলেন, `যতক্ষণ আমি প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে অংশ নেইনি ততক্ষণ কম্পিউটার চালনা ছিল আমার জন্য চ্যালেঞ্জ। এই প্রশিক্ষণ কম্পিউটার ব্যবহারে আমাকে আস্থাশীল করেছে।`

বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষকরা আরো ছাত্র ও শিক্ষকদের জন্য একই ধরনের প্রশিক্ষণ অব্যাহত রাখার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। এর ফলে আইটিতে দক্ষ অনেক শিক্ষক পাওয়া যাবে, যা দেশের প্রত্যন্ত এলাকায় এখনো পর্যাপ্ত নয়।

গাইবান্ধা আসাদুজ্জামান গার্লস হাইস্কুলের অধ্যক্ষ ইদ্রিস আলী `প্রশিক্ষণ মডিউল এবং প্রশিক্ষকদের গুণগত মান নির্দেশ করে বলেন, `এই ধরনের প্রকল্প সত্যিই আইটি বিষয় শিক্ষার্থীদের জ্ঞানের ভিত্তি এগিয়ে নেবে।`

২০১৮ সাল নাগাদ শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে ২০ হাজার দক্ষ ফ্রিল্যান্সার তৈরিও এই কার্যক্রমের লক্ষ্য। এতে তারা আত্ম কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারবে।বাসস

আগস্টে কর্ণফুলী নদীর টানেল নির্মাণ কাজ শুরু হবে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : কর্ণফুলী নদীর নিচ দিয়ে বহুল প্রতীক্ষিত বহুমুখী টানেল সড়কের নির্মাণ কাজ আগামী মাসে শুরু হবে বলে আশা করা হয়েছে। এতে ব্যয় হবে সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকা। প্রকল্পের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার কবির আহমেদ বাসসকে বলেন, `টানেল এবং কর্ণফুলী নদীর দুই তীরে টুইন সিটি নির্মাণের প্রাথমিক কাজ সম্পন্ন হয়েছে।`

চীনের আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতায় টানেল নির্মিত হবে এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সেতু বিভাগ নির্মাণ কাজ তদারক করবে।

কবির আহমেদ বলেন, চীনা ইঞ্জিনিয়ার এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীদের আবাসিক ভবনসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি বলেন, `সম্ভাব্যতা যাচাই সমীক্ষা এবং টানেলের জন্য ১,১০০ একর জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।`
টানেল নির্মাণ কাজে বিদ্যুতের চাহিদা সম্পর্কে তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে আজ পর্যন্ত ২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া গেছে। নির্মাণ কাজ স্বাভাবিকভাব চালিয়ে যেতে ১৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহে সক্ষম একটি সাব-স্টেশন শিগগিরই স্থাপন করা হবে।

টানেলের দৈর্ঘ হবে ৩ দশমিক ৫ কিলোমিটার নদীর উভয় পাড়ে এপ্রোচ রোড হবে প্রায় ৬ কিলোমিটার। টানেল প্রস্তাবিত এশিয়ান হাইওয়ে থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের সঙ্গে যুক্তি হবে।

চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (সিসিসিআই) সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, টানেল চট্টগ্রামের ব্যবসা-বাণিজ্যের নতুন দিগন্তের উন্মোচন ঘটাবে এবং দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
তিনি বলেন, টানেল চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মধ্যে সড়ক দূরত্ব কমাবে, এছাড়াও ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী যানবাহনের যানজট কমাবে।বাসস

চট্টগ্রাম ৫শ` শয্যাবিশিষ্ট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণ করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশ রেলওয়ে (বিআর) দেশের প্রধান বন্দরী চট্টগ্রামে একটি ৫শ` শয্যাবিশিষ্ট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণ করবে। বাংলাদেশ রেলওয়ের একজন কর্মকর্তা এ কথা জানান।

রেলওয়ের শিক্ষা ও প্রতিষ্ঠান বিষয়ক সহকারী মহাব্যবস্থাপক আমজাদ হোসেন বাসসকে বলেন, `সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে সিআরবি পাহাড়ে অবস্থিত বর্তমান ৫০ শয্যাবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় রেল ভবন (সিআরবি) হাসপাতালের ছয় একর জায়গায় এই কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে।`

প্রকল্প পরিচালক আবদুল জলিল জানান, আগামী ৮ বছরে দুই দফায় এই মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে। প্রথম দফার কাজ সম্পন্ন হবে ২০২১ সালের মধ্যে। এ সময় ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের কার্যক্রম শুরু হবে।
তিনি বলেন, `নির্মাণ কাজ শেষ হলে এই মেডিকেল কলেজে প্রতিবছর ৫শ` শিক্ষার্থী ভর্তি হতে পারবে। আর হাসপাতালে থাকবে ৫শ` শয্যা এবং চিকিৎসার আধুনিক সকল সুযোগ-সুবিধা।`

প্রকল্প পরিচালক বলেন, পিপিপি পলিসি গাইড লাইনের আওতায় মনোনীত কোম্পানি এই কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণ করবে এবং রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তান্তরের আগে ৪০ বছরের জন্য এটি পরিচালনা করবে।
রেলওয়ের ওই কর্মকর্তা জানান, বর্তমান ৫০ শয্যার হাসপাতালটিকে ৫শ` শয্যার মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে উন্নীতকরণের জন্য প্রাইসওয়াটারহাউস কো-অপার্স প্রাইভেট লি., ইন্ডিয়াকে (পিডাব্লিউসি) পরামর্শক সেবা প্রদানে কনসালটেন্ট নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

এই প্রকল্পের কারিগরি, বাণিজ্যিক, আর্থিক, পরিবেশগত ও সামাজিক উপযোগিতা নিরূপণেও বিআরকে সহায়তা দেবে পিডাব্লিউসি।
জলিল বলেন, `আমরা এখন দরপত্রের কাগজ প্রস্তুত করছি, যা রেল মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন লাভের পর ছাড়া হবে।`
বিআর-এর চিফ স্টেট অফিসার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন বলেন, গত মে মাসে প্রস্তাবিত মেডিকেল কলেজের কারিগরি ও আর্থিক সম্ভাব্যতা দেয়ার কাজ শেষ হয়েছে।

বিআর-এর মহাপরিচালক আমজাদ হোসেনের নেতৃত্বে সংস্থার একটি বিশেষ দল বর্তমান সুযোগ-সুবিধা, সম্পদ ও অন্যান্য দিক দেখতে কয়েক মাস আগে ওই হাসপাতাল এলাকা পরিদর্শন করেছে।
রেল মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটি গত ২৪ এপ্রিল চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে অনুষ্ঠিত এক সভায় এই হাসপাতাল প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে।
জলিল বলেন, সব কিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী অগ্রসর হলে ২০১৮ সালে এই মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নির্মাণ কাজ শুরু হবে।বাসস

নববর্ষে নতুন রূপে ঢাকা-কলকাতা মৈত্রী এক্সপ্রেস
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : নতুন ১০টি বগি নিয়ে নববর্ষে নতুন রূপে যাত্রা শুরু করলো ঢাকা-কোলকাতা রুটে মৈত্রী এক্সপ্রেস। আগে যেখানে ৩টি বগি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ছিলো, এখন দশটি বগিতেই সেই সুবিধা। এছাড়াও রেল-সার্ভিসটিতে বেড়েছে বিভিন্ন সেবার মান। সকালে দু দেশের রেলমন্ত্রী দু দেশ থেকে ছেড়ে আসা ট্রেন দুটির উদ্বোধন করেন।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট রেলওয়ে স্টেশনে বাংলাদেশ থেকে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনটির উদ্বোধন করেন রেলমন্ত্রী মুজিবল হক। তিনি বলেন, নতুন রূপের এই মৈত্রী এক্সপ্রেস প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে দেশবাসীর জন্য পহেলা বৈশাখের উপহার।

স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৭টায় ভিডিও কনফারেন্সে কোলকাতা থেকে ছেড়ে আসা মৈত্রী এক্সপ্রেসটির উদ্বোধন করেন ভারতের কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী সুরেশ প্রভু।
২০০৮ সালের এই দিনেই ঢাকা-কলকতা রুটে প্রথম যাত্রীবাহী ট্রেনের সূচনা হয়। গত ৯ বছরে ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠে এই সার্ভিসটি।

নাটোরে রসুনের উৎপাদন ২ লাখ টন ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : দেশের ৩০ ভাগ রসুন উৎপাদনকারী জেলা নাটোরে চলতি মৌসুমে ২ লাখ টন উৎপাদন ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। জমি থেকে কৃষকদের রসুন সংগ্রহ এখন শেষের পথে। বাড়ির আঙিনায় গায়ের বধূরা ব্যস্ত সময় পার করছেন রসুন প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সংরক্ষণ কাজে।

চলতি মৌসুমের কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, দেশের ১৪টি কৃষি অঞ্চলের ৬৪ জেলায় রসুনের আবাদি জমির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮০ হাজার হেক্টর। এর মধ্যে রাজশাহী অঞ্চলের ২৭ হাজার ৫৫০ হেক্টর আবাদি জমির বেশিরভাগটাই নাটোর জেলায়। অর্থাৎ দেশের রসুনের আবাদি জমির ৩০ ভাগই নাটোর জেলায়।
কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি রবি মৌসুমে নাটোর জেলায় ২০ হাজার হেক্টর জমিতে রসুন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে চাষ হয়েছে ২৫ হাজার ৮০০ হেক্টর। কৃষি বিভাগের প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত তথ্যে এবার রসুনের উৎপাদন হবে অন্তত ১ লাখ ৯৫ হাজার ২৬৮ টন। অর্থাৎ বিঘাপ্রতি ফলন ২৫.২৩ মণ। তবে এলাকার রসুন চাষিদের সঙ্গে কথা বলে ধারণা করা যায়, মোট উৎপাদন ২ লক্ষ টন ছাড়িয়ে যাবে।
কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ সূত্রে আরও জানা গেছে, বিগত বছরগুলোতে জেলায় রসুনের আবাদি জমির পরিধি ও উৎপাদন উভয়ই ক্রমশঃ বেড়েছে। ২০১২ সালে ১৪ হাজার ৮০৫ হেক্টর জমিতে রসুন আবাদ করে ফলন পাওয়া গিয়েছিল ১ লক্ষ ১১ হাজার ৪৩৮ টন। ২০১৩ সালে ১৭ হাজার ৮৪০ হেক্টর আবাদি জমি থেকে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৫৮৪ টন এবং ২০১৪ সালে ১৯ হাজার ৫০ হেক্টর জমি থেকে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩৩১ টন রসুন পাওয়া গিয়েছিল। গত বছর ২০ হাজার ১০ হেক্টর জমিতে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯২৬ টন ফলন পাওয়া যায়।
নাটোরে উৎপাদিত রসুনের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে- বিনা চাষে রসুন উৎপাদন। প্রচলিত পদ্ধতিতে জমি চাষ করে রসুন লাগানো হয়। নাটোরে রসুনের আবাদি জমির প্রায় ৮০ ভাগই বিনা চাষের রসুন। ১৯৯৪-৯৫ সালে জেলার সীমান্তবর্তী বড়াইগ্রাম ও গুরুদাসপুর উপজেলার কৃষকরা স্বপ্রণোদিত হয়ে বিনা চাষে রসুন আবাদ করেন। গুরুদাসপুর উপজেলার কাছিকাটা এলাকার কৃষক জেহের আলী কার্তিক মাসে বর্ষার পানি নেমে যাওয়ার পর জমিতে রসুনের কোয়া বুনে বিনা চাষে রসুন উৎপাদনের প্রচলন করেন। এই পদ্ধতিতে রসুন আবাদে জমি চাষ করতে হয় না, সেচও লাগেনা। আগাছা থাকে কম এবং সারের ব্যবহার খুবই কম। উৎপাদন ব্যয় তুলনামূলক কম হওয়ার পাশাপাশি উৎপাদনের পরিমাণ বেশী হওয়ায় এই পদ্ধতি কৃষকদের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। প্রসার ঘটে জেলার অন্যসব উপজেলা ছাড়িয়ে দেশের অন্য জেলাগুলোতে।
জেলার বেশিরভাগ রসুন উৎপাদিত হয় গুরুদাসপুর ও বড়াইগ্রাম উপজেলায়। জমি থেকে রসুন সংগ্রহ প্রায় শেষ হয়েছে বলা চলে। তবে জমি থেকে রসুন সংগ্রহের ব্যস্ততা এখন কৃষকদের বাড়ির আঙিনায়। সফলতা ও সমৃদ্ধির সুখ স্বপ্নে বিভোর গ্রামের বধূরা এখন রসুন প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সংরক্ষণ কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
বড়াইগ্রাম উপজেলার তিরাইল গ্রামের রসুন চাষি তোফাজ্জল হোসেন চলতি মৌসুমে ১০ বিঘা জমিতে রসুন আবাদ করেছেন। তিনি বলেন, মৌসুমের শুরুতে অনুকূল আবহাওয়া বিরাজ করায় রসুন বীজের অঙ্কুরোদগম ভাল হয়েছিল। পরে আগাম ঝড়-বৃষ্টির শংকার মাঝেও বিঘাপ্রতি ৩০ মণ ফলন পেয়েছেন তিনি। এই ফলনেও অসন্তুষ্ট তোফাজ্জ্বল গত বছর বিঘাপতি ৪০ মণ পর্যন্ত ফলন পেয়েছিল বলে জানান। আহমদপুর এলাকার রুহুল আমিন বিঘায় ফলন পেয়েছেন ৩২ মণ। গুরুদাসপুর উপজেলার সিধুলি গ্রামের খলিলুর রহমানের বিঘায় ফলন ২৭ মণ। তবে কিছু কৃষক জানান, গড়ে তারা ২০ মণ করে ফলন পেয়েছেন।
বড়াইগ্রাম উপজেলা কৃষি অফিসার ইকবাল আহমেদ রসুনের গড় ফলনে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। কিছু ক্ষেত্রে রসুনের উৎপাদন কম হওয়ার কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, একই জমিতে বার বার রসুন চাষ এবং মাটিতে জৈব সারের ঘাটতির কারণে ক্ষেত্র বিশেষে এমন হতে পারে।
গুরুদাসপুর উপজেলার কৃষি অফিসার আব্দুল করিম জানান, শুধু বিনা হালে রসুন চাষই নয়, রসুনের জমিতে সাথী ফসল হিসেবে তরমুজ ও বাঙ্গী চাষের উদ্ভাবনও এই এলাকা থেকেই হয়েছে।
বড়াইগ্রাম উপজেলার সরকার বাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খাদেমুল ইসলাম বলেন, ৯০-এর দশকে উদ্ভাবনের পর থেকে রসুন চাষের মাধ্যমে এলাকার মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন ঘটেছে। এলাকার কাঁচাবাড়িগুলো পাঁকা হয়েছে। বাড়িতে বাড়িতে শিক্ষার্থীরা ব্যয় নির্বাহ করে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছেন।
বিগত দুই দশকে নাটোরে কৃষি ক্ষেত্রে ব্যাপক বৈচিত্রকরণ হয়েছে। কৃষকদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং কৃষি বিভাগের নতুন প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণের সমন্বয়ে প্রচলিত শস্যের বাইরে কৃষকরা অপ্রচলিত কিন্তু লাভজনক শস্যের প্রতি ঝুঁকে পড়েছেন। এক্ষেত্রে রসুন অগ্রগামী শস্য। বর্তমানে রসুন চলনবিল অধ্যুষিত গুরুদাসপুর ও বড়াইগ্রাম এলাকার সবচেয়ে লাভজনক শস্য।
নাটোর কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ পরিচালক মোঃ রফিকুল ইসলাম বাসসকে বলেন, কৃষকদের প্রচেষ্টা এবং কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও সহযোগিতায় রসুনের আশাতীত উৎপাদন হয়েছে। রসুনের বহুমুখী ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়াতে মৌসুমের শুরুতেই উর্ধ্বমুখী বাজার দর ভবিষ্যতে আরো বৃদ্ধি পেয়ে কৃষকরা অধিক লাভবান হবেন বলে আশা প্রকাশ করেন উপ পরিচালক।বাসস


   Page 1 of 1
     সু-সংবাদ
মানব উন্নয়ন সূচকে তিন ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ
.............................................................................................
হজযাত্রীরা পাচ্ছেন ফ্রি বাস সার্ভিস
.............................................................................................
নৌবাহিনীর যৌথ টহল শুরু আজ
.............................................................................................
যমজ পুত্রসন্তানের বাবা হলেন রেলমন্ত্রী
.............................................................................................
হজযাত্রীদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ হচ্ছে
.............................................................................................
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আজ নেপিডো’তে সমঝোতা সই
.............................................................................................
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ২ ডিসেম্বর
.............................................................................................
দাউদকান্দি-হোমনা নৌপথে ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের উদ্যোগ
.............................................................................................
৬৮ রোহিঙ্গা ছাত্রকে স্কলারশীপ দিচ্ছে তুরস্ক
.............................................................................................
৫০ হাজার শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ প্রদানে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের সাথে মাইক্রোসফট যুক্ত
.............................................................................................
আগস্টে কর্ণফুলী নদীর টানেল নির্মাণ কাজ শুরু হবে
.............................................................................................
চট্টগ্রাম ৫শ` শয্যাবিশিষ্ট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণ করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে
.............................................................................................
নববর্ষে নতুন রূপে ঢাকা-কলকাতা মৈত্রী এক্সপ্রেস
.............................................................................................
নাটোরে রসুনের উৎপাদন ২ লাখ টন ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]