| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * ঢাকাকে হারিয়ে জয়ে ফিরল খুলনা   * ঢাকাকে হারিয়ে জয়ে ফিরল খুলনা   * ব্রহ্মপুত্রে বাঁধ দিচ্ছে চীন, পানি সংকটের আশঙ্কা ভারতে   * চূড়ান্ত ফল প্রকাশ, ৯৪% কার্যকর মডার্নার ভ্যাকসিন   * সাপাহারে বে-সরকারি ক্লিনিকে অভিযান, অর্থদন্ড ৭৫ হাজার টাকা   * ভাস্কর্যকে মূর্তির সাথে তুলনা বিভ্রান্তি-উস্কানির অপচেষ্টা মাত্র : তথ্যমন্ত্রী   * ২৩ পৌরসভায় বিএনপির মনোনয়ন পেলেন যারা   * ৯৯৯-এ ফোন করে মিথ্যা তথ্য দিলে শাস্তি   * ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নির্বাচনে নোমানী সভাপতি, মশিউর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত   * কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের উদ্যোগে ২ দিন ব্যাপী জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের সূচনা  

   অর্থ-বাণিজ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
করদাতার সংখ্যা এক দশকে বেড়েছে ৩৫৭ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিগত এক দশকে দেশে করদাতার সংখ্যা বেড়েছে ৩৫৭ শতাংশ। একই সময়ে রিটার্ন দাখিলকারীর সংখ্যা বেড়েছে ১২৫ শতাংশ।

সোমবার (৩০ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলন কক্ষে জাতীয় আয়কর দিবস উপলক্ষে `স্বচ্ছ ও আধুনিক কর সেবা প্রদানের মাধ্যমে করদাতা বান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতকরণ` শীর্ষক সেমিনারে এসব তথ্য জানান জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (কর নীতি) মো. আলমগীর হোসেন।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে তিনি বলেন, `১ দশকে কর জনসংখ্যা করদাতা অনুপাত বেড়েছে ৩১৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ, আয়কর খাতে প্রবৃদ্ধি ১৬ শতাংশের অধিক।`

এ সময় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম বলেন, `করবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। স্বচ্ছ পরিবেশ নিশিত হলে বাড়বে করদাতার সংখ্যা। করবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে আমরা কর হার কমিয়েছি। বিভিন্ন অটোমেশনের মাধ্যমে রির্টান দাখিলের ব্যবস্থা করছি। ভবিষ্যৎ এমন অনেক কার্যক্রম থাকবে।`

করদাতার সংখ্যা এক দশকে বেড়েছে ৩৫৭ শতাংশ
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিগত এক দশকে দেশে করদাতার সংখ্যা বেড়েছে ৩৫৭ শতাংশ। একই সময়ে রিটার্ন দাখিলকারীর সংখ্যা বেড়েছে ১২৫ শতাংশ।

সোমবার (৩০ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলন কক্ষে জাতীয় আয়কর দিবস উপলক্ষে `স্বচ্ছ ও আধুনিক কর সেবা প্রদানের মাধ্যমে করদাতা বান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতকরণ` শীর্ষক সেমিনারে এসব তথ্য জানান জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (কর নীতি) মো. আলমগীর হোসেন।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে তিনি বলেন, `১ দশকে কর জনসংখ্যা করদাতা অনুপাত বেড়েছে ৩১৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ, আয়কর খাতে প্রবৃদ্ধি ১৬ শতাংশের অধিক।`

এ সময় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম বলেন, `করবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। স্বচ্ছ পরিবেশ নিশিত হলে বাড়বে করদাতার সংখ্যা। করবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে আমরা কর হার কমিয়েছি। বিভিন্ন অটোমেশনের মাধ্যমে রির্টান দাখিলের ব্যবস্থা করছি। ভবিষ্যৎ এমন অনেক কার্যক্রম থাকবে।`

বাড়ছে না আয়কর রিটার্নের সময়সীমা
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : চলতি বছর ৩০ নভেম্বরের পর আয়কর রিটার্নের সময়সীমা আর বাড়ছে না বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম।

রোববার (২৯ নভেম্বর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলন কক্ষে মাসব্যাপী করসেবা প্রদান এবং ৩০ নভেম্বর জাতীয় আয়কর দিবস উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, রিটার্ন জমা দেয়ার শেষ দিন ৩০ নভেম্বরই থাকছে। নির্ধারিত সময়ে যারা আয়কর রিটার্ন জমা দিতে পারবেন না, তারা সংশ্লিষ্ট কর অফিসে আবেদন করতে পারবেন। তবে ২ শতাংশ জরিমানার বিষয়টি বাধ্যতামূলক নয়। গ্রাহক সঠিক সময়ে কেন রিটার্ন জমা দিতে পারেননি, এর যৌক্তিক কারণ দেখাতে পারলে জরিমানা মওকুফ করা হবে। কমিশনারের কাছে যদি কারণ যৌক্তিক মনে না হয়, তবে জরিমানা গুনতে হবে।

উল্লেখ্য, আয়কর আইন অনুযায়ী উপ-কর কমিশনার করদাতার আবেদনের প্রেক্ষিতে সময় দিতে পারেন। তবে করদাতা ২ শতাংশ হারে জরিমানা দিয়ে সময় বাড়াতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত ১৩ লাখ ২০ হাজার ৮২৫টি রিটার্ন জমা হয়েছে এতে দুই হাজার ৩৮৭ কোটি টাকার কর আদায় হয়েছে। ২০১৯ সালে ১২ লাখ ৫৭ হাজার ৬২৬টি রিটার্নের দুই হাজার ৫৮০ কোটি টাকার কর আদায় হয়েছিল।

এতে আরও উপস্থিত ছিলেন- এনবিআরের সদস্য (করনীতি) আলমগীর হোসেন, সদস্য অপূর্ব কান্তি দাস, হাফিজ মোর্শেদ প্রমুখ।

শীতের সবজির দাম কমেছে
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : সরবরাহ বাড়ায় শীতের সবজি ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, মূলার দাম আরও কমেছে। এ নিয়ে টানা দুই সপ্তাহ শীতের সবজির দাম কমলো। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কমেছে শিমের দাম। দুই সপ্তাহের ব্যবধানে শিমের দাম তিনভাগের একভাগে নেমেছে।

শীতের সবজির দাম কমায় ক্রেতাদের মধ্যে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে। তবে আলু ও পেঁয়াজের দামে অস্বস্তি রয়েই গেছে। যদিও সপ্তাহের ব্যবধানে দেশি পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমেছে। তবে ৬৫ টাকার নিচে দেশি পেঁয়াজের কেজি মিলছে না। আর সরকারের বেধে দেয়া দামের তোয়াক্কা না করে আগের মতই বাড়তি দামে আলু বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।

শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৫০ থেকে ৬০ টাকা। আর দুই সপ্তাহ আগে ছিল ১২০ টাকা কেজি।

শিমের পাশাপাশি শীতের অন্যতম সবজি ফুলকপি ও বাঁধাকপির দামও কমেছে। মাঝারি সাইজের ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৪০ টাকার মধ্যে, যা গত সপ্তাহে ছিল ৩০ থেকে ৫০ টাকা। আর ছোট ফুলকপি গত সপ্তাহের মতো ২০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। দুই সপ্তাহ আগে ছোট ফুলকপির দাম ৪০ টাকার ওপরে ছিল।

মাঝারি আকারের বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকার মধ্যে, যা গত সপ্তাহে ছিল ৩০ থেকে ৫০ টাকা। আর ছোট বাঁধাকপির পিস ২০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। দুই সপ্তাহ আগে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া মূলা এখন ২০ থেকে ৩০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে।

শীতের সবজির দাম কমার সঙ্গে অন্য কিছু সবজির দামও কমেছে। গত সপ্তাহে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া পাকা টমেটো ১০০ টাকায় নেমে এসেছে। বাজারে নতুন আসা কাঁচা টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকা কেজিতে।

বাজারে নতুন আসা শীতের আরেক সবজি শাল গমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৭০ টাকা। আর চড়া দামে বিক্রি হওয়া লাউয়ের দাম কিছুটা কমে ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে চলে এসেছে। যা গত সপ্তাহে ছিল ৭০ থেকে ৮০ টাকা।

তবে গাজর ও বরবটির দাম আগের মতোই চড়া রয়েছে। বাজার ও মান ভেদে গাজরের কেজি আগের মতোই বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা। বরবটি গত সপ্তাহের মতো ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে এবং উস্তে বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকার মধ্যে। সপ্তাহের ব্যবধানে এ দুটি সবজির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

সপ্তাহের ব্যবধানে দাম অপরিবর্তিত থাকার তালিকায় রয়েছে ঢেড়স, ঝিঙা, পটল, উসি, কচুর লতি। অবশ্য গত সপ্তাহে এ সবজিগুলোর দাম কিছুটা কমে। ঢেড়সের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা; যা দুই সপ্তাহ আগে ছিল ৭০ থেকে ৯০ টাকা। পটলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, যা দুই সপ্তাহ আগে ছিল ৬০ থেকে ৮০ টাকা।

এছাড়া উসি ও ঝিঙা ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে চলে এসেছে। দুই সপ্তাহ আগে এই দুই সবজির কেজি ৬০ টাকার ওপরে ছিল। ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া কচুর লতির দাম কমে ৪০ থেকে ৫০ টাকা হয়েছে।

এদিকে সরকার দু`দফায় দাম বেঁধে দিলেও এখন আলু বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। সরকার প্রথমে খুচরা পর্যায়ে আলুর কেজি সর্বোচ্চ ৩০ টাকা এবং পরবর্তীতে ৩৫ টাকা বেঁধে দেয়। তবে সরকারের বেঁধে দেয়া এই দামে ক্রেতারা আলু কিনতে পারছেন না।

আলুর সঙ্গে বাড়তি দাম দিতে হচ্ছে পেঁয়াজের জন্যও। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে দেশি পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমেছে। গত সপ্তাহে ৭০ থেকে ৯০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া দেশি পেঁয়াজ এখন ৬৫ থেকে ৭৫ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। আমদানি করা বড় পেঁয়াজের কেজি গত সপ্তাহের মতো ৪০ থেকে ৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। কাঁচামরিচ আগের সপ্তাহের মতো এক পোয়া (২৫০ গ্রাম) বিক্রি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকায়।

এদিকে গত সপ্তাহের মতো এক ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ৯৫ টাকায়। তবে কিছুটা বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম। গত সপ্তাহে ১২০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়ে ১৩০ টাকা হয়েছে।

ফের সাইবার হামলার আশঙ্কায় ব্যাংকে সতর্কতা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোর ওপর আবারও সাইবার হামলার আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। ইতোমধ্যেই অনলাইন লেনদেন ব্যবস্থা ও এটিএম বুথে নজরদারি বাড়িয়েছে ব্যাংকগুলো। কোনো কোনো ব্যাংক রাতে এটিএম বুথ বন্ধ রাখা শুরু করেছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এ নিয়ে ব্যাংকগুলোকে চিঠি দেয়। এতে বলা হয়, উত্তর কোরিয়াভিত্তিক হ্যাকার গ্রুপ `বিগল বয়েজ` ২০১৬ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে অর্থ চুরির সঙ্গে জড়িত ছিল। তারা আবার বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলন ও সুইফট নেটওয়ার্ক হ্যাক করতে পারে। এর পরিপ্রেক্ষিতে অনলাইন ব্যাংকিং ব্যবস্থায় নিরাপত্তা বাড়িয়েছে ব্যাংকগুলো।

এর আগে গত আগস্টে বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোর ওপর নতুন করে সাইবার হামলার আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। উত্তর কোরিয়ার একটি হ্যাকার গ্রুপ এই হামলা চালাতে পারে বলে ব্যাংকগুলোকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এর ফলে অনেক ব্যাংক অনলাইন ব্যাংকিং সেবা সীমিত করে। আবার কোনো ব্যাংক অন্য ব্যাংকের গ্রাহকদের এটিএম থেকে টাকা উত্তোলন বন্ধ করে দেয়।

জানা গেছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে আগস্ট মাসের মাঝামাঝিতে তথ্য আসে, `বিগল বয়েজ` নামে একটি হ্যাকার গ্রুপ ব্যাংকগুলোতে সাইবার হামলা চালাতে পারে। গ্রুপটি উত্তর কোরিয়ার বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে জানানো হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৭ আগস্ট ব্যাংকগুলোকে সতর্ক থাকার জন্য চিঠি দেয়। চিঠি পাওয়ার পর সব ব্যাংকই বিশেষ ব্যবস্থা নেয়। তবে কোনো হামলার খবর পাওয়া যায়নি। এই গ্রুপই নতুন করে হামলা চালাতে পারে বলে তথ্য এসেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই ব্যবস্থা নিয়েছে ব্যাংকগুলো। সূত্র: সময় সংবাদ

স্বস্তি ফিরছে সবজিতে
                                  

সাইফ আহমেদ সনি : শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়ায় রাজধানীর বাজারগুলোতে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম কমতে শুরু করেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে দাম কমে অর্ধেকে নেমে এসেছে।

সবজির দাম কমায় ক্রেতাদের মধ্যে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে। তবে আলু ও পেঁয়াজের দামে অস্বস্তি রয়েই গেছে।

শুক্রবার (২০ নভেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সপ্তাহের ব্যবধানে সবচেয়ে বেশি দাম কমেছে শিমের। গত সপ্তাহে ১২০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া শিমের কেজি ৫০-৬০ টাকায় নেমে এসেছে।

বাজারে ফুলকপির সরবরাহ যেমন বেড়েছে তেমনি কিছুটা বড় আকারের ফুলকপিও আসছে। গত সপ্তাহে ছোট একটি ফুলকপি বিক্রি হয় ৩০ থেকে ৫০ টাকায়। এখন তার চেয়ে বড় ফুলকপি ৩০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। আর ছোট ফুলকপি ২০ টাকা দিয়ে পাওয়া যাচ্ছে। গত সপ্তাহে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া মুলা এখন ২০ থেকে ৩০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে।

শীতের সবজির দাম কমলেও আগের মতো চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে গাজর ও পাকা টমেটো। বাজার ও মান ভেদে গাজরের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ১০০ টাকায়। গত কয়েক মাসের মতো পাকা টমেটোর কেজি ১২০ থেকে ১৪০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজারে নতুন আসা কাঁচা টমেটো ৪০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে।

এদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে বরবটির দাম কিছুটা কমে ৬০ থেকে ৮০ টাকা মধ্যে কেজি বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে বরবটির কেজি ছিল ৮০ থেকে ১০০ টাকা। ৮০ থেকে ১১০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া বেগুনের দাম কমে ৪০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে চলে এসেছে। আর ৯০ থেকে ১১০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া উস্তা ৬০ থেকে ৭০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে।

দাম কমার এ তালিকায় রয়েছে ঢেঁড়স, ঝিঙা, পটল, উস্তা ও কচুরলতি। ঢেঁড়সের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৭০ থেকে ৯০ টাকা। পটলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৬০ থেকে ৮০ টাকা।

এছাড়া উস্তা ও ঝিঙা ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে চলে এসেছে। গত সপ্তাহে এই দুই সবজির কেজি ৬০ টাকার ওপরে ছিল। ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া কচুরলতির দাম কমে ৪০ থেকে ৫০ টাকা হয়েছে। তবে লাউয়ের পিস গত সপ্তাহের মতো বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। এক হালি কাঁচা কলা বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৫০ টাকা।

এদিকে সরকার দুই দফায় দাম বেঁধে দিলেও এখন আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। সরকার প্রথমে খুচরা পর্যায়ে আলুর কেজি সর্বোচ্চ ৩০ টাকা এবং পরবর্তীতে ৩৫ টাকা বেঁধে দেয়। বাজারে আসা নতুন আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা।

মালিবাগ হাজীপাড়া বৌবাজার থেকে সবজি কেনা রিপন হোসেন বলেন, তিন-চার দিন আগেও এক কেজি শিমের দাম ১২০ টাকা চাওয়া হচ্ছিল। আজ ৫০ টাকা কেজি শুনে প্রথমে ভড়কে গিয়েছিলাম। পর আবার দাম শুনি। দাম কমায় আজ এক কেজি শিম কিনলাম।

তিনি বলেন, শিমের সঙ্গে মুলা ও ফুলকপির দামও কমেছে। অনেকদিন পর সবজির দাম কমায় কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছি। তবে সবজির দাম আরও কমা উচিত। কারণ এখনও অনেক সবজির দাম অস্বাভাবিক পর্যায়ে রয়েছে।

এদিকে গত সপ্তাহে ১১০ থেকে ১১৫ টাকা ডজন বিক্রি হওয়া ফার্মের মুরগির ডিমের দাম কমে ৯০ থেকে ৯৫ টাকা হয়েছে। ডিমের দাম কমার বিষয়ে খিলগাঁওয়ের ব্যবসায়ী আসাদ বলেন, বাজারে এখন ডিমের সরবরাহ ভালো। দাম কমার এটি একটি অন্যতম কারণ। এছাড়া বিভিন্ন সবজির দাম কমেছে। এতে সবজি কেনা বেড়েছে, বিপরীতে ডিমের ওপর কিছুটা চাপ কমেছে। এসব কারণেই ডিমের দাম কমেছে বলে আমাদের ধারণা।

সবজিতে স্বস্তি আসছেই না
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর বাজারগুলোতে শীতের আগাম সবজির সরবরাহ বাড়লেও দাম চড়া। এ কারণে সবজি কিনতে গিয়ে স্বস্তি পাচ্ছেন না ক্রেতারা। সবজির সঙ্গে পেঁয়াজ ও আলুর জন্যেও দিতে হচ্ছে চড়া দাম। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে, বাজারে গিয়ে পণ্যের দামে এক প্রকার নাকানিচুবানি খাচ্ছেন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ।

শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, নতুন করে কোনো সবজির দাম বাড়েনি। আবার দাম কমেওনি। আগের সপ্তাহের দামেই সব ধরনের সবজি বিক্রি হচ্ছে। গাজর, টমেটো, শিম, উস্তা, বেগুন, বরবটির কেজি একশ টাকার ঘরে রয়েছে। বাকি সবজিগুলোর দামও ব্যাপক চড়া। বেশিরভাগের দাম একশ টাকার কাছাকাছি।

বাজার ও মানভেদে গাজরের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা। গত কয়েক মাসের মতো পাকা টমেটোর কেজি ১২০ থেকে ১৪০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা। এছাড়া বরবটির ৮০ থেকে ১০০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ১১০ টাকা, উস্তে ৯০ থেকে ১১০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

সরকার দুই দফায় দাম বেঁধে দিলেও এখন আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। সরকার প্রথমে খুচরা পর্যায়ে আলুর কেজি সর্বোচ্চ ৩০ টাকা এবং পরবর্তীতে ৩৫ টাকা বেঁধে দেয়। বাজারে আসা নতুন আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা।

শীতের অন্যতম প্রধান সবজি ফুলকপি ও বাঁধাকপির দামেও স্বস্তি পাওয়া যাচ্ছে না। ছোট একটি ফুলকপি কিনতে ৪০ থেকে ৫০ টাকা গুনতে হচ্ছে। একই দাম দিতে হচ্ছে বাঁধাকপির জন্য।

এদিকে ঢেঁড়সের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৯০ টাকা। পটলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা। উস্তা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ঝিঙা ৭০ থেকে ৮০ টাকা, কাঁকরোল ৬০ থেকে ৭০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। একই দামে বিক্রি হচ্ছে কচুর লতি। লাউয়ের পিস বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। এক হালি কাঁচা কলা বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা।

স্বস্তি মিলছে না কাঁচামরিচ ও পেঁয়াজের দামেও। এক পোয়া (২৫০ গ্রাম) কাঁচামরিচ বিক্রি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। বাজার ও মানভেদে দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৯০ টাকা। আমদানি করা বড় পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা।

কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী জয়নাল মন্ডল বলেন, সবজির দাম কমতে আরও সময় লাগবে। শীতের সবজি বাজারে ভরপুর আসার আগে দাম কমার সম্ভাবনা কম। এখন বাজারে যে হারে আগাম সবজি আসছে চাহিদা তার চেয়ে বেশি। এ কারণেই দাম এমন চড়া।

মালিবাগ হাজীপাড়ায় সবজি বিক্রি করা ফজর আলী বলেন, আমি প্রায় ৬ বছর ধরে সবজি বিক্রি করছি। আগে কখনো এত দীর্ঘ সময় ধরে সবজি এমন চড়া দামে বিক্রি করিনি। সবজির দাম বেশি হওয়ায় আমাদের বিক্রি কমে গেছে। ফলে লাভও হচ্ছেকম, যা আয় হচ্ছে তা দিয়ে কোনো রকমে সংসার চালাচ্ছি।

সবজি বিক্রি কমার পরও দাম কেন কমছে না, জানতে চাইলে এই ব্যবসায়ী বলেন, বিক্রি যে হারে কমেছে বাজারে সবজি আসা কমেছে তার চেয়ে বেশি হারে। আড়তে গিয়ে আমরাই অনেক সময় পছন্দের সবজি কিনতে পারি না। তবে শীতের সবজি ওঠা শুরু হয়ে গেছে। আমাদের ধারণা, সামনের মাস থেকে দাম কিছুটা কমতে পারে।

এদিকে সবজির চড়া দামের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি দিচ্ছে ব্রয়লার মুরগি ও ডিম। ব্রয়লার মুরগি গত সপ্তাহের মতো ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আর ফার্মের মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১০৫ থেকে ১১০ টাকা ডজন।

খিলগাঁও তালতলা থেকে বাজার করা আলেয়া বেগম বলেন, এক মাসের বেশি হয়ে গেছে সবজি খাওয়া এক প্রকার ছেড়েই দিয়েছি। সবজির যে দাম, একশ টাকার সবজি দিয়ে একদিনও হয় না। হিসাব করে দেখেছি, সবজির থেকে এখন ব্রয়লার মুরগি কিনলে খরচ কম। তবে একেবারেই সবজি না খেলে হয় না। তাই মাঝে মাঝে কিছু সবজি কিনি।

রিটার্ন জমার সময় নিয়ে যা বললেন এনবিআর চেয়ারম্যান
                                  

অনলাইন ডেস্ক : জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম বলেছেন, ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের বার্ষিক আয়কর রিটার্ন জমা দেয়ার সময় এবার ঢালাওভাবে বাড়ানো হবে না।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচার এনবিআর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

করোনার কারণে রিটার্ন জমার সময় বাড়ানো হবে কিনা- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ঢালাওভাবে বাড়ানো হবে না। তবে যারা নির্ধারিত সময়ে রিটার্ন জমা দিতে পারবেন না, তারা আইনানুযায়ী সময়ের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত রিটার্ন জমা দেয়া যাবে। করোনার কারণে এবার কর মেলা হচ্ছে না।

তিনি বলেন, করদাতাদের সুবিধার জন্য প্রতিটি কর অঞ্চলে কর মেলার পরিবেশে রিটার্ন গ্রহণ, কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) প্রদান, কর তথ্যসেবা প্রদান করা হচ্ছে। রিটার্ন দাখিলের পর করদাতাদের তাৎক্ষণিকভাবে প্রাপ্তি স্বীকারপত্রও দেয়া হচ্ছে।

অনতিবিলম্বে সব ইন্টারনেট ভিত্তিক কোম্পানি যেমন গুগল-ফেসবুক, ইউটিউব, অ্যামাজন কোম্পানিগুলোকে পরিশোধিত অর্থ থেকে বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী সব ধরনের ট্যাক্স, ভ্যাট এবং অন্যান্য রাজস্ব আদায় করতে নির্দেশ দিয়ে গত ৮ নভেম্বর একটি রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।

হাইকোর্টের এই নির্দেশনার বিষয়ে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, রায় এখনও হাতে আসেনি। এই খাত থেকে রাজস্ব আদায়ে অসুবিধা হল- শুধু ব্যাংকের মাধ্যমে পাঠানো অর্থ থেকেই আমরা রাজস্ব পাই। হুন্ডির মতো অন্যান্য মাধ্যমে অর্থ পাঠানো হলে তা থেকে রাজস্ব পাওয়া যায় না। এসব নিয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ, তথ্য ও প্রযুক্তি, বাণিজ্য এবং তথ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে এনবিআরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তিন মাসে মাছ রফতানি ৭৬২ কোটি টাকা, চীনের বাজার হাতছাড়া
                                  

অনলাইন ডেস্ক : করোনার প্রাদুর্ভাব কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে মাছ রফতানি খাত। টানা কয়েক মাস বন্ধ থাকার পর আবারও শুরু হয়েছে মাছ রফতানি।

জুলাই-সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন মাসে দক্ষিণাঞ্চল খুলনা বিভাগ থেকে মাছ রফতানি হয়েছে ৭৬২.৪৬ কোটি টাকার। রফতানি হওয়া মাছের মধ্যে বাগদা, গলদা ও হরিণা চিংড়ি উল্লেখযোগ্য। এছাড়া দেশীয় প্রজাতির সামান্য কিছু মাছও রফতানি হয়েছে।

সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুর বড় মাছের বাজার। অর্ধশত প্রজাতির মিষ্টি ও লোনা পানির মাছের পর্যাপ্ত সরবরাহ এ বাজারে। প্রতিদিন এ বাজার থেকে মাছ বেচা-বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১২-১৫ টন।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, মিষ্টি পানির মাছের থেকে লোনা পানির মাছের স্বাদ বেশি হওয়ায় খুচরা ক্রেতাদের কাছে এ মাছের চাহিদা বেশি।

সাতক্ষীরা বড় বাজারের মাছ ব্যবসায়ী আমির হোসেন জানান, চিংড়ি মাছ রফতানিতে এগিয়ে থাকলেও অভ্যন্তরীণ বাজারে ক্রেতাদের মাঝে চাহিদা বেশি দেশীয় সুস্বাদু মাছের। খুচরা ক্রেতারা সাধারণত বেশি ক্রয় করেন ভেটকি, ভাঙান, পারশে, ট্যাংরা, দাতিনা, ভোলা ও ছোট হরিণা, চাকা, চামনি চিংড়ির। এছাড়া বাজারে রুই, কাতল, সিলভার, তেলাপিয়া, পাঙাসসহ অর্ধশত প্রজাতির মাছের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে।

সাতক্ষীরা মৎস্য অধিদপ্তরের কার্যালয় থেকে জানা গেছে, জেলায় মোট বাগদা চিংড়ির চাষী রয়েছে ৫২৩৪৫ জন। এসব চাষীর ঘের রয়েছে ৫৪৯৩৫টি। চাষীরা বাগদার চাষ করেছেন ৬৬ হাজার ৮৬২ হেক্টর জমিতে।

এ বছর বাগদা চিংড়ির উৎপাদন হয়েছে ২১ হাজার ৪৪১ মেট্রিক টন। তাছাড়া গলদা চিংড়ির চাষী রয়েছে ৯৮৬৭ জন। ঘেরের সংখ্যা ১১৬৬২টি। এসব চাষী ৯৩৭৮ হেক্টর জমিতে গলদার চাষ করেছেন। উৎপাদন হয়েছে ৬৫৪২.৫ মেট্রিক চন। এসব মাছের ঘেরে হরিণা চিংড়ির উৎপাদন হয়েছে ৩৪১০ মেট্রিকটন। এ ছাড়া এসব মাছের ঘেরে অন্যান্য বিভিন্ন প্রজাতির মাছের উৎপাদন হয়েছে ৩১৩৯৩.৫ মেট্রিক টন।

সাতক্ষীরা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মশিউর রহমান জানান, মাছের ঘেরগুলোতে মাছের উৎপাদন বেড়েছে। তাছাড়া করোনাভাইরাসের প্রার্দুভাবের শুরুতে টানা কয়েকমাস রফতানি কার্যক্রম বন্ধ থাকায় ঘের ব্যবসায়ীরা মাছ ধরতে পারেনি। এবার মাছের ঘেরে পানির পরিমাণ বেশি থাকায় মাছের আকারও বড় হয়েছে। করোনায় রফতানি বন্ধের কারণে মাছে জেলায় আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছিল ২০০ কোটি টাকা। রফতানি শুরু হয়েছে আবার উৎপাদনও বেড়েছে ফলে চাষীরা করোনাকালীন ক্ষতি পুষিতে নিতে পারবেন।

তিনি বলেন, মূলত বিদেশে চিংড়ি মাছ বেশি রফতানি হয়। আর দেশীয় প্রজাতির সুস্বাদু মাছগুলো চলে যায় দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে। চট্টগ্রাম, সিলেট, রংপুর ও ঢাকায় দক্ষিণাঞ্চলের মাছের চাহিদা অনেক বেশি। রফতানিতে চিংড়ি মাছ এগিয়ে থাকলেও অভ্যন্তরীণ বাজারে দেশি মাছের চাহিদা বেশি রয়েছে। কি পরিমাণ মাছ বিদেশে রফতানি হয়েছে সেটির পরিসংখ্যান করেন খুলনা কোয়ালিটি কন্ট্রোল কার্যালয়।

Fish-3

খুলনা কোয়ালিটি কন্ট্রোল কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, চলতি অর্থ বছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন মাসে খুলনা বিভাগ থেকে ৯৯২৮ মেট্রিক টন বিভিন্ন প্রজাতির মাছ রফতানি হয়েছে। রফতানি হওয়া মাছের মধ্যে গলদা, বাগদা ও হরিণা চিংড়ি উল্লেখযোগ্য।

গলদা চিংড়ি রফতানি হয়েছে ৮১০ মেট্রিক টন, বাগদা ৬৫২০ মেট্রিক টন, হরিণা চিংড়ি ২৪২ মেট্রিক টন, ৭২ মেট্রিক টন বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় সাদা মাছ, কাকড়া ১২৫ মেট্রিক টন। বাকিগুলো মাছের আশ ও চিংড়ির খোসা রফতানি হয়েছে।

জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন মাসে ৭৬২.৪৬ কোটি টাকার মাছ রফতানি হয়েছে। এর মধ্যে গলদা রফতানি হয়েছে এক কোটি ২৯ লাখ ৯৬ হাজার ২৩৫ ডলার, বাগদা ৬ কোটি ১৪ লাখ ৪১ হাজার ১৬ ডলার, হরিণা চিংড়ি ১৯ লাখ ৫১ হাজার ১২৮ ডলার ও বিভিন্ন প্রজাতির মাছ রফতানি হয়েছে ৪ লাখ ৩৫ হাজার ৬৪১ ডলার।

সাতক্ষীরা সদরের বিনেরপোতা বাজারে প্রতিদিন দেড় কোটি টাকার মাছ ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে বলে জানান আড়ৎ ব্যবসায়ীদের নেতা আসাদুজ্জামান।

ওই বাজারের সাতক্ষীরা ফিস এর স্বত্ত্বাধিকারী আলহাজ নূরালী মোড়ল জানান, বিনেরপোতা মাছের আড়ৎ থেকে প্রতিদিন ৬-৭ ট্রাক মাছ রফতানি হচ্ছে। এসব মাছ চলে যাচ্ছে সিলেট, চট্টগ্রাম, রংপুর ও ঢাকার বাজারগুলোতে।

সাতক্ষীরা সদরের মাছের ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন বলেন, বর্তমানে প্রতিদিন ৩-৪ ট্রাক মাছ রফতানি করছি। আমি চট্টগ্রামে মাছ পৌঁছে দেই। প্রতি ট্রাকে ১৫-১৬ টন মাছ রফতানি হয়। এক ট্রাক মাছের মূল্য কমপক্ষে ৫-৬ লাখ টাকা। করোনাভাইরাসের প্রার্দুভাবে সবকিছু বন্ধ থাকায় টানা কয়েকমাস রফতানি কার্যক্রম বন্ধ ছিল। এখন পুনরায় রফতানি কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়েছে।

খুলনা কোয়ালিটি কন্ট্রোল কার্যালয়ের মৎস্য পরিদর্শন ও মাননিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা এটিএম তৌফিক মাহমুদ বলেন, শতকরা ৮০ ভাগ বাগদা চিংড়ি রফতানি হয় ইউরোপের ২৭টি দেশে। ২০ ভাগ যায় আমেরিকা, জাপান, ভারতসহ বিভিন্ন দেশে। এছাড়া মোট রফতানির শতকরা দুই ভাগ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ রফতানি হয় অন্যান্য দেশগুলোতে।

তিনি বলেন, করোনা দুর্যোগ কাটিয়ে জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে বিদেশে মাছ রফতানি হয়েছে ৭৬২.৪৬ কোটি টাকার। অক্টোবর মাসের হিসাব কার্যক্রম এখনও শেষ হয়নি। করোনার প্রার্দুভাব কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে মাছ রফতানি খাত। বর্তমানে কুচিয়া ও কাকড়া রফতানি বাজারটি হারিয়েছি আমরা। কেননা, কুচিয়া ও কাকড়া রফতানি বড় বাজার চীন। করোনার কারণে চীনে এখনও রফতানি শুরু হয়নি। সূত্র: জাগোনিউজ২৪

সবজির বাজারে নেই শীতের আমেজ
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : শীতকাল মানেই বাহারি সবজির পসরা। কম দামে পছন্দের সবজি কেনার সুযোগ। ভ্যাপসা গরম শেষে রাজধানীতে দেখা দিয়েছে শীতের আমেজ। তবে কম দামে সবজি মিলছে না কোথাও।

গরম শেষে শীতের আমেজ আসার পাশাপাশি বাজারে সবজির সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে। তবে দাম কমেনি। উল্টো কিছু কিছু সবজির দাম নতুন করে বেড়েছে। এর সঙ্গে পেঁয়াজ ও আলুর চড়া দাম তো আছেই। সবমিলিয়ে বাজারে গিয়ে মোটেই স্বস্তি পাচ্ছেন না নিম্ন আয়ের মানুষ। স্বস্তি পাবেন কিভাবে, তাদের পকেট যে বাজারের খরচ টানতে পারছে না।

শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহে গাজরের দাম কিছুটা কমলেও চলতি সপ্তাহে আবার বেড়েছে। গত সপ্তাহে ৫০ থেকে ৭০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া গাজরের দাম বেড়ে ৮০ থেকে ১০০ টাকা হয়েছে। এর মাধ্যমে আবারও আগের দামে ফিরে গেল গাজর। গত সপ্তাহ বাদ দিলে তিন মাসের বেশি সময় ধরে গাজরের কেজি এক`শ টাকায় রয়েছে।

গাজরের মতোই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে পাকা টমেটো, শিম, উস্তে, বেগুন, বরবটি। গত কয়েক মাসের মতো পাকা টমেটোর কেজি ১২০ থেকে ১৪০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

মাসের অধিক সময় ধরে বাজারে শীতের আগাম সবজি শিম পাওয়া গেলেও তা এখনও অনেকটাই নিম্ন আয়ের নাগালের বাইরে। অবশ্য সময়ের সঙ্গে বাজারে শিমের সরবরাহ বেড়েছে। তবে এতে দাম কিছুটা কমার সম্ভাবনা থাকলেও উল্টো বেড়েছে। বাজার ও মান ভেদে শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা, তা গত সপ্তাহে ছিল ৮০ থেকে ১১০ টাকা।

স্বস্তি মিলছে না শীতের অন্যতম সবজি ফুলকপি ও বাঁধাকপির দামেও। ছোট একটি ফুলকপি কিনতে ৪০ থেকে ৫০ টাকা গুনতে হচ্ছে। একই দাম দিতে হচ্ছে বাঁধাকপির জন্য। মাসের অধিক সময় ধরে শীতের আগাম এই দুই সবজি এমন চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া বরবটির ৮০ থেকে ১০০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ১১০ টাকা, উস্তে ৯০ থেকে ১১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। সপ্তাহের ব্যবধানে এ সবজিগুলোর দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

তবে নতুন করে কিছুটা দাম বেড়েছে ঢেড়সের। গত সপ্তাহে ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া ঢেড়সের দাম বেড়ে ৭০ থেকে ৯০ টাকা হয়েছে।

এর সঙ্গে পটল, শসা, ঝিঙা, ধুন্দুল, কচুর লতি, কাঁকরোল কোনো সবজির দামই ক্রেতাদের স্বস্তি দিচ্ছে না। শসার কেজি গত সপ্তাহের মতো বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৭০ টাকায়।

পটলের বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে। উসি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা। ঝিঙার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা, কাঁকরোল ৬০ থেকে ৭০ টাকা, একই দামে বিক্রি হচ্ছে কচুর লতি। এ সবজিগুলোর দাম সপ্তাহের ব্যবধানে অপরিবর্তিত রয়েছে।

এছাড়া লাউয়ের পিস গত সপ্তাহের মতো বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। এক হালি কাঁচা কলা বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা।

স্বস্তি মিলছে না কাঁচামরিচ ও পেঁয়াজের দামেও। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে কাঁচামরিচের দাম কিছুটা কমেছে। গত সপ্তাহে ৫০ থেকে ৬০ টাকা পোয়া (৩৫০ গ্রাম) বিক্রি হওয়া কাঁচামরিচ ৩০ থেকে ৪০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। আর পেঁয়াজ আগের মতো কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা।

এদিকে সরকার দুই দফায় আলুর দাম বেঁধে দিলেও বাজারে সরকারের নির্দেশনার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। সরকার প্রথমে খুচরা পর্যায়ে আলুর কেজি সর্বোচ্চ ৩০ টাকা এবং পরবর্তীতে ৩৫ টাকা বেঁধে দেয়। তবে ভোক্তারা এক কেজি আলু ৪৫ টাকার নিচে কিনতে পারছেন না। এমনকি এখন কোথাও কোথাও আলুর কেজি ৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। আর বাজারে আসা নতুন আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকার ওপরে।

মহামারির ৪ মাসেও রেমিট্যান্স বেড়েছে ৪৩ শতাংশ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : মহামারি করোনাভাইরাসের মধ্যেও প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো রেমিট্যান্সের প্রবাহের ইতিবাচক ধারা অব্যাহত আছে। সদ্যসমাপ্ত অক্টোবর মাসে ২১১ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।

রোববার বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, অর্থবছরের চতুর্থ মাস অক্টোবরে ২১১ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ১৭ হাজার ৭৪০ কোটি টাকা ছা‌ড়ি‌য়ে‌ছে; (প্রতি ডলার ৮৪ টাকা ধরে)। একক মাস হিসে‌বে যা বাংলাদেশের ইতিহাসে এযাবৎকালের তৃতীয় সর্বোচ্চ রে‌মিট্যান্স আহরণ। এর আগে সর্বোচ্চ রেকর্ড রে‌মিট্যান্স এসে‌ছিল চল‌তি বছ‌রের জুলাই‌য়ে। ওই মাসে রে‌মিট্যান্স এসে‌ছে ২৫৯ কোটি ৯৫ লাখ ডলার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২১৫ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলারের রে‌মিট্যান্স পাঠিয়েছেন চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে।

চলতি বছরের অক্টোবরে পাঠানো রেমিট্যান্সের অর্থ আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৪৭ কোটি ডলার বা ২৮ দশমিক ৬২ শতাংশ বেশি। গত বছর অক্টোবরে ১৬৪ কোটি ২০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা।

২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) রেমিট্যান্স এসেছে ৮৮২ কোটি ৫০ লাখ ডলার। গত অর্থবছরের একই সময় রেমিট্যান্স এসেছিল ৬১৬ কোটি ১০ লাখ ডলার। সেই হিসাবে চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে প্রবাসী আয়ে প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৪৩ দশমিক ২৪ শতাংশ।

এদিকে ২০২০ সালে বাংলাদেশে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সপ্রবাহ বেড়েছে এবং এ বছর প্রবাসী আয় আহরণে বাংলাদেশ অষ্টম অবস্থানে থাকবে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংস্থা বিশ্বব্যাংক। গত ২৯ অক্টোবর প্রকাশিত ওয়াশিংটনভিত্তিক শীর্ষস্থানীয় সংস্থার `কোভিড-১৯ ক্রাইসিস থ্রু এ মাইগ্রেশন লেন্স` শীর্ষক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়।

বিশ্বব্যাংকের ধারণা অনুযায়ী, মহামারির প্রাদুর্ভাব সত্ত্বেও দক্ষিণ এশিয়ার দুটি দেশে রেমিট্যান্সপ্রবাহ বাড়তে থাকবে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, চলতি বছর বাংলাদেশে রেমিট্যান্সপ্রবাহ আরও ৮ শতাংশ বাড়বে। বাংলাদেশে চলতি বছর রেমিট্যান্স প্রবাহের পরিমাণ দাঁড়াবে ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

রেমিট্যান্সপ্রবাহ চাঙা থাকায় ইতিবাচক অবস্থায় রয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয়ন (রিজার্ভ)। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবর শেষে দেশে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৪১ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৩২ দশমিক ৪৩ বিলিয়ন ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বল‌ছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রবাসীরা মোট এক হাজার ৮২০ কোটি ৪৯ লাখ ডলার সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠিয়েছেন। দেশীয় মুদ্রায় যার এক লাখ ৫৪ হাজার ৭৪২ কোটি টাকা (পরিমাণ প্রতি ডলার ৮৫ টাকা ধরে)। এর আগে কোনো অর্থবছরে এত অর্থ দেশে আসেনি। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স আহরণে রেকর্ড হয়। ওই সময়ে প্রবাসীরা এক হাজার ৬৪২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন। সে হিসাবে আগের অর্থবছরের তুলনায় সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৭৮ কোটি ৫৩ লাখ ডলার বা ১৫ হাজার কোটি টাকা।

রেমিট্যান্সের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, `যারা কষ্ট করে অর্থ প্রেরণ করে আমাদের অর্থনীতিকে গতিশীল রাখতে চালকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন আমি পুরো দেশবাসীর পক্ষ থেকে তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাস যখন অসাধারণ এবং অবিশ্বাস্য গতিতে রেমিট্যান্স অর্জিত হচ্ছিল তখন অনেকই বলতে শুরু করলেন এগুলো ঠিক নয়, থাকবে না, টেকসই নয়। কর্মীরা তাদের কাজকর্ম বা ব্যবসা গুটিয়ে দেশে ফিরে আসছেন সহ বিভিন্ন মন্তব্য।`

তিনি বলেন, `সেই সমস্ত লোকদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থাও তাল মিলিয়ে বলতে শুরু করল এ প্রবাহ ঠিক নয়, টেকসই হবে না। খুবই আশ্চর্যের বিষয় যে, দেশের মানুষ তাদের সর্বশক্তি নিয়োগ করে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে তাদের কষ্টার্জিত অর্থ দেশের মানুষের জন্য তাদের পরিবারের জন্য প্রেরণ করে দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করছে, সেই সমস্ত মানুষের মূল্যায়ন না করে তাদেরকে বিভিন্ন কথা বলে অনুপ্রাণিত করার পরিবর্তে আমরা নিরুৎসাহিত করতে শুরু করলাম কীভাবে! শেষ পর্যন্ত আমি বিশ্বব্যাংকে আমাদের এ সমস্ত রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের কষ্টের স্বীকৃতি দিতে তাদের বার্ষিক সভায় অনুরোধ জানালাম।`

মন্ত্রী আরও বলেন, `বিশ্ব ব্যাংক এখন নিজেই বলছে, ২০২০ সালে বাংলাদেশে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে এবং এবছর রেমিট্যান্স প্রবাহে বাংলাদেশ অষ্টম অবস্থানে থাকবে। চলতি বছর বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।`

রেমিট্যান্স প্রবাহে ২০২০ সালে বাংলাদেশ অষ্টম অবস্থানে থাকবে : বিশ্বব্যাংক
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, ২০২০ সালে বাংলাদেশে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে এবং এ বছর রেমিট্যান্স প্রবাহে বাংলাদেশ অষ্টম অবস্থানে থাকবে।

২৯ অক্টোবর প্রকাশিত ওয়াশিংটন ভিত্তিক শীর্ষস্থানীয় সংস্থার `কোভিড-১৯ ক্রাইসিস থ্রু এ মাইগ্রেশন লেন্স` শীর্ষক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।
বিশ্বব্যাংকের ধারণা অনুযায়ী, মহামারির প্রাদুর্ভাব সত্ত্বেও দক্ষিণ এশিয়ার দুটি দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়তে থাকবে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, চলতি বছর বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ আরো ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। বাংলাদেশে চলতি বছর রেমিট্যান্স প্রবাহের পরিমাণ দাঁড়াবে ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

এতে বলা হয়, ২০২০ সালে দক্ষিণ এশিয়ায় রেমিটেন্স প্রবাহের হার প্রায় ৪ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ১৩৫ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়াবে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থ্িবরতার প্রভাবে পাকিস্তান ও বাংলাদেশে মূলত ভ্রমণ নিয়ন্ত্রণের কারণে অপ্রাতিষ্ঠানিক থেকে প্রাতিষ্ঠানিক চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ চলছে। বন্যার পর জুলাই মাসে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পায়।
দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের মধ্যে পাকিস্তানেও এ বছর রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে। চলতি বছর রেমিট্যান্স প্রবাহ ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দেশটির অবস্থান হবে ষষ্ঠ।

ভারত মোট রেমিট্যান্স প্রবাহে প্রথম স্থানে থাকবে। তবে, গত বছরের চেয়ে এ বছর ভারতে রেমিট্যান্স প্রবাহ হ্রাস পেয়ে ৯ শতাংশে দাঁড়াবে। বাসস

সরবরাহ বেশি হওয়ায় রাজধানীতে সবজির দাম কমেছে
                                  

মিয়া আবদুল হান্নান : একদিকে বৃষ্টির কারণে পাইকার কম। অন্যদিকে সরবরাহ বেশি হওয়ায় রাজধানীর কারওয়ান বাজারে সব সবজির দাম কমেছে। দু-তিনটি ছাড়া প্রায় সব সবজির দামই কেজিতে কমেছে ৫ থেকে ১০ টাকা। অন্যদিকে সরকারের দাম বেঁধে দেয়ায় স্বস্তি ফিরেছে আলুর বাজারে। রাজধানীর ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলা বিভিন্ন হাট-বাজারে ও খুচরা সবজির দাম কিছুটা কমেছে।

রুহিতপুর কাচাঁমাল সবজির পুরান ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলাম( সিরাজ বেপারী) ও মোঃ ওর সেলিম মেম্বার( সেলিম বেপারী) জানান, পাইকারী বাজারে কিছুটা কমলেও বৃষ্টির কারণে এলাকার গেরস্ত কৃষকরা নতুন শাক-সবজি তৈরি করতে পারছেনা। ফলে কাওরানবাজার ও শ্যামবাজারের কাচাঁমাল ক্রয় করে আনতেই হয়। রুহিতপুর বাজার আজকের কাচাঁ বাজার দর: গাজর-৮০ টাকা,করলা-৮০ টাকা, কাঁচামরিচ -২০০ টাকা, বেগুন-৫০টাকা, জলপাই -৬০ টাকা, কচুর লতি -৫০টাকা, সিম-১০০ টাকা, ঢেঁড়স -৮০ টাকা, কচুর মূকী -৬০ টাকা, মূলা-৫০ টাকা, পটল-৬০ টাকা, টমেটো -১০০ টাকা, মূলা-৩০ টাকা, পটল-৬০ টাকা, শশা-৪০ টাকা, বরবটি-৬০ টাকা, বনসিম-৮০ টাকা, লাউ প্রতিটি ৬০-৭০টাকা, মিষ্টিকুমড়ো -৪০ টাকা, পাতাকপি -৪০ টাকা( ছোট আকার),ফুলকপি -৪০টাকা(ছোট সাইজ),কাচা কলা -৪০টাকা হালি,লেবু ৩০ টাকা হালি,গুল লেবু -২০ টাকা হালি,ধনেপাতা- ২০০টাকা, কাঁচামরিচ-১৮০ টাকা।

আজ সকালে রুহিতপুর বাজারে পাইকারী-(৫কেজি) খুচরা সবজির বেপারী মোঃ আয়াত শেখ ফেসবুকে কাচাঁ মাল কমদাম আসেন নিয়ে যান, কমদাম আসেন বৃষ্টির কারণে এলাকার কাদা পানি একাকার বেচা-কেনা কম, সেজন্য হকডাক জোরে শোরে।
আজ ২৩ অক্টোবর শুক্রবার রাত ২টা, রাজধানীর কারওয়ান বাজার। নিত্যপণ্য হিসেবে কাঁচা সবজির আমদানিতে যে কমতি নেই, তা বাস্তবেই বলে দিচ্ছে বাজারে আসা ট্রাকের সারি। একদিকে সরবরাহ পর্যাপ্ত, অন্যদিকে বৃষ্টির কারণে বাজারে নেই প্রতিদিনের মতো পাইকার। এতে প্রতিটি সবজির দাম কেজিতে কমেছে ৫ থেকে ১০ টাকা। প্রতি পিস লাউ ২০-২৫, প্রতি কেজি ধুন্দল-চিচিঙ্গা ৩৫, করলা- ৫০, বেগুন ৪৫-৪৮ ও শসা বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকায়। তবে নতুন সবজি হিসেবে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে শিম ও ফুলকপি। প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ৮০-৯০ টাকায়।

কারওয়ান বাজারে সব ধরনের সবজির দাম কমেছে। পাইকাররা দৈনিক এশিয়া বাণীকে জানান, অন্যদিনের তুলনায় বাজারে সবজি বেশি। সে সঙ্গে পাইকাররাও কম। দামও কিছুটা কমেছে।
এদিকে পাইকারিতে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭৮-৮০ টাকা দরে। আর সরকারের দাম বেঁধে দেয়ায় কয়েক দিনের মধ্যে অস্থির আলুর বাজার ফিরেছে আগের অবস্থায়। আমদানিও বেড়েছে বলে জানান আড়তদাররা।

আলুর আড়তদাররা জানান, বাজারে আগে চেয়ে আলুর সরবরাহ বেশি। এখন ৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কেননা সরকারের দামের বাইরে-তো যাওয়া যাবে না।
বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে রাজধানীতে রাতের বেলায় খুব বেশি বৃষ্টি না হলেও ভোগান্তির কমতি ছিল না। দিনের বেলার ভারি বৃষ্টিতে কর্দমাক্ত এ বাজারে চলাফেরা কষ্টদায়ক হয়ে পড়ে ক্রেতা-বিক্রেতারদের।

ডিলার ছাড়া স্বর্ণালঙ্কার আমদানি করা যাবে না
                                  

অনলাইন ডেস্ক : স্বর্ণ নীতিমালার আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদিত স্বর্ণ আমদানির ডিলারদের মাধ্যমে এখন থেকে স্বর্ণালঙ্কার আমদানি করতে হবে। অনুমোদিত ডিলারদের বাইরে এককভাবে বা প্রতিষ্ঠানিকভাবে কেউ স্বর্ণালঙ্কার আমদানি করতে পারবে না।

এ বিষয়ে বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। নতুন এই নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে সার্কুলারে জানানো হয়েছে।

সূত্র জানায়, ২০১৮ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক স্বর্ণ আমদানির নীতিমালা জারি করে। এর আওতায় স্বর্ণ আমদানির জন্য ১৯টি প্রতিষ্ঠানকে স্বর্ণ আমদানির ডিলার হিসেবে লাইসেন্স প্রদান করে গত বছরের অক্টোবরে। গত এক বছরে মাত্র দুটি প্রতিষ্ঠান বৈধভাবে ব্যাংকে এলসি খুলে সামান্য পরিমাণ স্বর্ণ আমদানি করেছে। বাকি স্বর্ণ অবৈধভাবে বা চোরাইপথে আমদানি হচ্ছে।

নীতিমালাতে স্বর্ণের বিস্কুট বা গোল্ড বার আমদানির পাশাপাশি স্বর্ণালংকার আমদানিরও বিধান রাখা হয়েছে। কিন্তু এতদিন স্বর্ণালংকার আমদানি হতো বাণিজ্যিকভাবে। এতে দামের হেরফেরের কারণে দামও বেশি পড়ত। এখন ডিলারদের মাধ্যমে আমদানি করতে হবে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজার দরের সঙ্গে সমন্বয় রেখে স্বর্ণালঙ্কার আমদানি করা যাবে।

উল্লে­খ্য, গত বছর বাংলাদেশ ব্যাংক একটি ব্যাংকসহ ১৯টি প্রতিষ্ঠানকে স্বর্ণ আমদানির লাইন্সেস প্রদান করে। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে একটি ব্যাংক হচ্ছে, বেসরকারি খাতের নতৃন প্রজন্মের মধুমতি ব্যাংক। বাকি ১৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে- ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড, জুয়েলারি হাউস, রতনা গোল্ড, অরোসা গোল্ড কর্পোরেশন, আমিন জুয়েলার্স, শ্রীজা গোল্ড প্যালেস লিমিটেড, জরোয়া হাউস লিমিটেড, মিলন বাজার, এসকিউ ট্রেডিং, এমকে ইন্টারন্যাশনাল, আমিন জুয়েলার্স, বোরাক কমোডিটিস এক্সচেঞ্জ, গোল্ডেন ওয়ার্ল্ড জুয়েলার্স, রিয়া জুয়েলার্স, লক্ষ্মী জুয়েলার্স, বিডেক্স গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ড এবং ডি ডামাস দ্য আর্ট অব গ্যালারি।

২৫ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করবে টিসিবি
                                  

অনলাইন ডেস্ক : আলুর দামের লাগাম টানতে এবার টিসিবির মাধ্যমে বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যে ২৫ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করা হবে।

রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে সচিবালয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে একথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি । তিনি আরো বলেন, কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের বেঁধে দেয়া দাম বাস্তবায়নে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কাজ করবে।

এই সপ্তাহের মধ্যেই টিসিবি আলু নিয়ে বাজারে নামবে। বাজারে যে আলু ৩০ টাকা করে ধরা হয়েছে তার চেয়েও ৫ টাকা কমে ২৫ টাকা কেজিতে আলু বিক্রি করবে টিসিবি। বাজা মনিটরিংয়ে ভোক্তা অধিকার র‍্যাব দ্রুত মাঠে নামবে অ্যাকশনে যাবে।

সবজিতে আগুন !
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : দীর্ঘদিন ধরেই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সবজি। এর মধ্যে নতুন করে আরও দাম বেড়েছে। সাতটি সবজির কেজি ১০০ টাকা ছুঁয়েছে। বাকি সবজিগুলোর বেশিরভাগের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকার কাছাকাছি। আর হঠাৎ করে দাম বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হওয়া আলুর কেজি এখনও ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা ব্যবসায়ীরা আলুর কেজি বিক্রি করছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, যা এক মাস আগে ছিল ৩০ টাকা।

হঠাৎ আলুর এমন অস্বাভাবিক দাম বাড়ায় সম্প্রতি খুচরা, পাইকারি ও কোল্ড স্টোর পর্যায়ে সর্বোচ্চ দামে বেঁধে দিয়েছে সরকার। সরকারের নির্দেশে অনুযায়ী, খুচরায় প্রতিকেজি আলুর দাম হবে ৩০ টাকা। তবে সরকারের এ নির্দেশনার কোনো প্রতিফলন বাজারে দেখা যাচ্ছে না।

এ বিষয়ে মধ্য বাড্ডার ব্যবসায়ী আরিফুল ইসলাম বলেন, সরকারের সব কথা কি মানুষ শোনে? আমরা ৩০ টাকা কেজি কিনতে না পারলে বিক্রি করবো কীভাবে? পাইকারিতে আমাদের প্রতিকেজি আলু কেনা পড়ছে ৪০-৪২ টাকা। অন্যান্য খরচ যোগ করে এক কেজি আলু ৫০ টাকার নিচে বিক্রি করা সম্ভব না।

তিনি বলেন, শুধু দাম বেঁধে দিলে হবে না। আড়ৎ ও কোল্ড স্টোরে কড়া নজরদারি করতে হবে। আড়ৎ ও কোল্ড স্টোরে আলুর দাম কমলে, খুচরা বাজারেও দাম কমে যাবে।

এদিকে গত সপ্তাহের মতো এখনও শিম, টমেটো, গাজর, বেগুন, বরবটি ও উস্তার কেজি একশর ঘরে রয়েছে। এর সঙ্গে নতুন করে একশ টাকার তালিকায় নাম লিখিয়েছে শসা।

এর মধ্যে টমেটো গত কয়েক মাসের মতো এখনও ১২০ থেকে ১৪০ টাকা এবং গাজর ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহের মতো শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা। আর শসার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৬০ থেকে ৭০ টাকার মধ্যে।

বরবটির কেজি গত সপ্তাহের মতো ৮০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বেগুনও গত সপ্তাহের মতো ৮০ থেকে ১১০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। দাম অপরিবর্তিত রয়েছে উস্তারও। এক কেজি উস্তা বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা।

এগুলোর পাশাপাশি বাজারে অন্য সবজিগুলোও স্বস্তি দিচ্ছে না। পটলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা, তা গত সপ্তাহে ছিল ৬০ থেকে ৭০ টাকা। গত সপ্তাহে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া ঢেঁড়সের দাম বেড়ে ৭০ থেকে ৮০ টাকা হয়েছে।

দাম বাড়ার তালিকায় রয়েছে ঝিঙা, কাঁকরোল, ধুন্দুল, কচুর লতি। ঝিঙার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা, তা গত সপ্তাহে ছিল ৫০ থেকে ৬০ টাকা। গত সপ্তাহে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া কাঁকরোলের দাম বেড়ে ৭০ টাকা হয়েছে। একই দামে বিক্রি হচ্ছে কচুর লতি, যা গত সপ্তাহে ছিল ৫০ থেকে ৬০ টাকা।

লাউয়ের পিস গত সপ্তাহের মতো বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। এক হালি কাঁচকলা বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। বাজারে আসা শীতের আগাম সবজি ফুলকপি ও বাঁধাকপির পিস বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা। ৫০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে শুধু মুলা ও পেঁপে। এর মধ্যে মুলার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। পেঁপের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৫০ টাকায়।

স্বস্তি মিলছে না কাঁচা মরিচ ও পেঁয়াজের দামেও। এক কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায়। দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকায়। আমদানি করা বড় আকারের ভারতীয় পেঁয়াজের কেজির জন্যও গুনতে হচ্ছে ৮০ টাকা। গত মাসে ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের ঘোষণা দেয়ার পর থেকেই এমন চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে।

নিত্যপণ্যের এমন চড়া দামে ক্রেতাদের মুখ থেকে শুধু হতাশার কথায় শোনা যাচ্ছে। মধ্য বাড্ডার বাসিন্দা রেজা বলেন, অনেক দিন ধরেই সবজির দাম বেশি। আর এক সপ্তাহে ধরে বাজারে সবকিছুর দাম আগুন। একশ টাকার সবজি কিনলে এক বেলাও ঠিক মতো হয় না। এক সপ্তাহে শুধু সবজির পেছনেই দেড়-দুই হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে, আমাদের পক্ষে টেকাই মুশকিল হয়ে যাচ্ছে।

কারওয়ান বাজার থেকে সবজি কেনা মিলন কর্মকার বলেন, আমাদের কপাল থেকে সবজি প্রায় উঠে গেছে। বেশিরভাগ সবজির কেজি একশ টাকা। এত দাম দিয়ে সবজি কি করে কিনব? হিসাব করে দেখলে সবজির থেকে এখন বয়লার মুরগি সস্তা। কারণ বয়লার মুরগির কেজি ১২০ থেকে ১৩০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।

সবজির দামের বিষয়ে কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী মো. মিন্টু বলেন, বন্যার পর টানা বৃষ্টিতে সবজির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। চাহিদার তুলনায় বাজারে সবজির সরবরাহ অনেক কম। এ কারণে সবজির দাম এমন চড়া। সামনের সপ্তাহে সব সবজির কেজি একশ টাকা হয়ে গেলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। পরিস্থিতি যা তাতে জানুয়ারির আগে সবজির দাম কমার সম্ভাবনা কম।

রামপুরার এক ব্যবসায়ী বলেন, সবজির দাম বাড়ায় আমরাও বিপাকে আছি। বিক্রি অনেক কমে গেছে। আবার দাম বেশি হওয়ায় কারণে অল্প লাভে সবজি বিক্রি করতে হচ্ছে। এছাড়া আড়ৎ থেকে সবজি আনার পর নষ্ট অনেক সবজি ফেলে দিতে হচ্ছে। সবমিলিয়ে কোনো রকমে আসল টিকছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে এক সময় ব্যবসা বন্ধ করে দিতে হবে।

স্বর্ণের ভ‌রি বেড়ে ৭৬ হাজার ৩৪১ টাকা !
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : ভরিতে ২ হাজার ৩৩৩ টাকা বাড়িয়ে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। ফ‌লে দে‌শের বাজা‌রে ভা‌লো মা‌নের স্ব‌র্ণের ভ‌রির দাম বে‌ড়ে ৭৬ হাজার ৩৪১ টাকায় দাঁড়ি‌য়ে‌ছে।

১৪ অক্টোবর বাজুসের সভাপতি এনামুল হক খান ও সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) থেকে স্বর্ণের এ নতুন দর কার্যকর হবে।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক সংকট, চীন-যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য যুদ্ধ ও যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মার্কিন ডলারের নিম্নমুখী ভাব, তেলের দরপতন ও নানাবিধ জটিল অর্থনৈতিক সমীকরণের মাঝেও চলতি বছর চার দফায় স্বর্ণের মূল্য কমানো হলেও বর্তমানে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বুলিয়ন মার্কেটে স্বর্ণের মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে।

সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এনে বাজুসের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১৫ অক্টোবর থেকে বাংলাদেশের বাজারে স্বর্ণ ও রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৩৩৩ টাকা বা‌ড়ি‌য়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৬ হাজার ৩৪১ টাকা। ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ ৭৩ হাজার ১৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ ৬৪ হাজার ৪৪৪ টাকায় ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ৫৪ হাজার ১২১ টাকা নির্ধারণ করা হ‌য়ে‌ছে।

স্ব‌র্ণের দাম বাড়‌লেও আগের দামেই বিক্রি হবে রুপা। ক্যাটাগরি অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে এক হাজার ৫১৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের রূপার দাম এক হাজার ৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক হাজার ২২৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৯৩৩ টাকা নির্ধারণ করা হ‌য়েছে।

এদি‌কে আজ‌কে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত দে‌শের বাজা‌রে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বি‌ক্রি হ‌য়ে‌ছে ৭৪ হাজার ৮ টাকা। ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ ৭০ হাজার ৮৫৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ ৬২ হাজার ১১১ টাকায় ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ৫১ হাজার ৭৮৮ টাকায়।

এর আগে গত ২৪ সে‌প্টেম্বর প্র‌তি ভ‌রি‌তে দুই হাজার ৪৪৯ টাকা দাম ক‌মি‌য়েছিল বাজুস। তার আগে ১৮ সে‌প্টেম্বর দাম বাড়ানো হয়। এরও আগে ১৩ ও ২১ আগস্ট স্বর্ণের দাম কমিয়েছিল স্বর্ণ ব্যবসায়ী‌দের সংগঠন‌টি।


   Page 1 of 23
     অর্থ-বাণিজ্য
করদাতার সংখ্যা এক দশকে বেড়েছে ৩৫৭ শতাংশ
.............................................................................................
বাড়ছে না আয়কর রিটার্নের সময়সীমা
.............................................................................................
শীতের সবজির দাম কমেছে
.............................................................................................
ফের সাইবার হামলার আশঙ্কায় ব্যাংকে সতর্কতা
.............................................................................................
স্বস্তি ফিরছে সবজিতে
.............................................................................................
সবজিতে স্বস্তি আসছেই না
.............................................................................................
রিটার্ন জমার সময় নিয়ে যা বললেন এনবিআর চেয়ারম্যান
.............................................................................................
তিন মাসে মাছ রফতানি ৭৬২ কোটি টাকা, চীনের বাজার হাতছাড়া
.............................................................................................
সবজির বাজারে নেই শীতের আমেজ
.............................................................................................
মহামারির ৪ মাসেও রেমিট্যান্স বেড়েছে ৪৩ শতাংশ
.............................................................................................
রেমিট্যান্স প্রবাহে ২০২০ সালে বাংলাদেশ অষ্টম অবস্থানে থাকবে : বিশ্বব্যাংক
.............................................................................................
সরবরাহ বেশি হওয়ায় রাজধানীতে সবজির দাম কমেছে
.............................................................................................
ডিলার ছাড়া স্বর্ণালঙ্কার আমদানি করা যাবে না
.............................................................................................
২৫ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করবে টিসিবি
.............................................................................................
সবজিতে আগুন !
.............................................................................................
স্বর্ণের ভ‌রি বেড়ে ৭৬ হাজার ৩৪১ টাকা !
.............................................................................................
ঢাকা-সিঙ্গাপুর ফ্লাইট চলবে ২০ অক্টোবর থেকে
.............................................................................................
আবার বাড়ছে স্বর্ণের দাম
.............................................................................................
বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অর্থনীতির বর্তমান উত্তরণের সাথে সামঞ্জস্যহীন : অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
চড়া সবজির বাজার
.............................................................................................
বৈধপথে রেমিট্যান্স আসা ৪০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম
.............................................................................................
দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে খারাপ মন্দার রেকর্ড, শ্রমজীবীদের অগ্রাধিকার দিতে হবে : বিশ্ব ব্যাংক
.............................................................................................
সোনার বাজার দর
.............................................................................................
নিটল মটরস ও প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ নিয়ে এলো টাটা এয়ার কন্ডিশন্ড বাস
.............................................................................................
বিনিয়োগকারীদের পছন্দের শীর্ষে ওয়ালটন
.............................................................................................
ব্যাংক হিসাবে আগের মতোই স্বাভাবিক লেনদেন করতে পারবে ইভ্যালি
.............................................................................................
আরও কমছে সোনার দাম
.............................................................................................
ক্রেডিট কার্ডের সুদ ২০ শতাংশের মধ্যে রাখার নির্দেশ
.............................................................................................
ফের কমলো সোনার দাম
.............................................................................................
আইপিওতে আসতে ২৬ বীমা কোম্পানিকে ছাড়
.............................................................................................
বেশি পেঁয়াজ না কেনার আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
স্বর্ণের মত চার ক্যাটাগরিতে বি‌ক্রি হবে রূপা
.............................................................................................
বেড়েছে চালের দাম
.............................................................................................
ফের পেঁয়াজ আটকে দিল ভারত
.............................................................................................
বন্দরে আটকে থাকা পেঁয়াজ দিতে সম্মতি, বাংলাদেশ পাবে ২৫ হাজার টন
.............................................................................................
ভরিতে স্বর্ণের দাম বাড়ল ২৪৪৯ টাকা
.............................................................................................
৮.২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের আশা অর্থমন্ত্রীর
.............................................................................................
সীমান্তে আটকে পড়া পেঁয়াজের ট্রাকগুলো বাংলাদেশে ঢুকবে আজ
.............................................................................................
পেঁয়াজের বাজারে সেঞ্চুরি
.............................................................................................
ভারতের পেঁয়াজ রফতানি বন্ধে বিপাকে বাংলাদেশি আমদানিকারকরা
.............................................................................................
দেশে প্রথমবারের মতো ১৫ হাজার টন পরিবেশবান্ধব লো-সালফার অয়েল আমদানি
.............................................................................................
পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করল ভারত
.............................................................................................
বিশ্ববাজারে লাগাতার কমছে সোনার দাম
.............................................................................................
রোববার থেকে ৩০ টাকা দরে টিসিবির পেঁয়াজ বিক্রি
.............................................................................................
এক সপ্তাহে বেড়েছে ৬ নিত্যপণ্যের দাম
.............................................................................................
আগস্টে বিশ্বসেরা বাংলাদেশের পুঁজিবাজার
.............................................................................................
স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়ল ১৭৫০ টাকা
.............................................................................................
ব্যাংকিং খাতে খেলাপির ৮৭ শতাংশই মন্দ ঋণ
.............................................................................................
পেঁয়াজ আমদানিতে শুল্ক তুলে নিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের চিঠি
.............................................................................................
টিসিবি শীঘ্রই পেয়াঁজ বিক্রি শুরু করবে
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD