| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * জুভেন্টাসের জয় রোনালাদোর জোড়া গোলে   * জগৎপ্রকাশ নড্ডা বিজেপির নতুন সভাপতি   * ১০ জনের মৃত্যুদণ্ড, দুইজন খালাস, সিপিবির সমাবেশে বোমা হামলা মামলায়   * শিশু ধর্ষণ মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কেন দেয়া হবে না : হাইকোর্ট   * মতিউর রহমানসহ ছয়জনকে গ্রেফতার ও হয়রানি না করার নির্দেশ   * প্রিন্স হ্যারি-মেগান রাজকীয় পদবি হারাচ্ছেন   * ইয়েমেনে সামরিক প্রশিক্ষণ শিবিরে হামলায় নিহত ৬০   * যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের ওপর `বিপজ্জনক আক্রমণ` : ট্রাম্পের আইনজীবী   * মাঘের শুরুতেই বৃষ্টিতে ভিজলো রাজশাহী   * আওয়ামী লীগ ও নৌকার ব্যাকগ্রাউন্ড লাগে না : আতিকুল ইসলাম  

   অর্থ-বাণিজ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
স্বর্ণের ভরি ছাড়াল ৬০ হাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক

আন্তর্জাতিক বাজারে অব্যাহত দাম বাড়ায় দুই সপ্তাহের ব্যবধানে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

প্রতি ভরি স্বর্ণে এক হাজার ১৬৬ টাকা বাড়িয়ে নতুন দর নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি। নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম হবে ৬০ হাজার ৩৬১ টাকা।

 

শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় বাজুস। আগামীকাল রোববার (৫ জানুয়ারি) থেকে স্বর্ণের এ নতুন দর কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈশিক অস্থিরতার কারণে আন্তর্জাতিক বাজার ও দেশীয় বুলিয়ন মার্কেটে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬০ হাজার ৩৬১ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ৫৮ হাজার ২৮ এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৫৩ হাজার ১২ টাকা।

এদিকে সনাতন পদ্ধতিতে স্বর্ণ ৪০ হাজার ২৪১ টাকা আর ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম পূর্বের নির্ধারিত ৯৩৩ টাকাই বহাল রয়েছে।


এর আগে গত ১৯ ডিসেম্বর স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছিল বাজুস। দেশীয় মুদ্রার বিপরীতে ডলারের মূল্যবৃদ্ধি পাওয়ায় দাম বাড়ানোর কথা বলেছিল সংগঠনটি।

ওই সময় ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ধরা হয়েছিল ৫৯ হাজার ১৯৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ৫৫ হাজার ৬৯৬ এবং ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ প্রতি ভরি ৫০ হাজার ৬৪০ টাকা।

 
স্বর্ণের ভরি ছাড়াল ৬০ হাজার
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক

আন্তর্জাতিক বাজারে অব্যাহত দাম বাড়ায় দুই সপ্তাহের ব্যবধানে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

প্রতি ভরি স্বর্ণে এক হাজার ১৬৬ টাকা বাড়িয়ে নতুন দর নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি। নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম হবে ৬০ হাজার ৩৬১ টাকা।

 

শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় বাজুস। আগামীকাল রোববার (৫ জানুয়ারি) থেকে স্বর্ণের এ নতুন দর কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈশিক অস্থিরতার কারণে আন্তর্জাতিক বাজার ও দেশীয় বুলিয়ন মার্কেটে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬০ হাজার ৩৬১ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ৫৮ হাজার ২৮ এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৫৩ হাজার ১২ টাকা।

এদিকে সনাতন পদ্ধতিতে স্বর্ণ ৪০ হাজার ২৪১ টাকা আর ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম পূর্বের নির্ধারিত ৯৩৩ টাকাই বহাল রয়েছে।


এর আগে গত ১৯ ডিসেম্বর স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছিল বাজুস। দেশীয় মুদ্রার বিপরীতে ডলারের মূল্যবৃদ্ধি পাওয়ায় দাম বাড়ানোর কথা বলেছিল সংগঠনটি।

ওই সময় ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ধরা হয়েছিল ৫৯ হাজার ১৯৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ৫৫ হাজার ৬৯৬ এবং ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ প্রতি ভরি ৫০ হাজার ৬৪০ টাকা।

 
আইপিও বন্ধ থাকায় দেশের পুঁজিবাজার অর্থ সংগ্রহে ধস
                                  

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

  

বন্ধ আইপিও, পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহে ধস

প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) বন্ধ থাকায় দেশের পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহে একপ্রকার ধস নেমেছে। বিদায়ী ২০১৯ সালে আইপিও ও রাইট শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে কোম্পানিগুলোর অর্থ সংগ্রহের পরিমাণ ১১ বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে পৌঁছেছে।

 

তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০১৯ সালে আইপিও ও রাইট শেয়ার ইস্যু করে পুঁজিবাজার থেকে ৬৪১ কোটি ৯৩ লাখ টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে। ২০১৮ সালে এ দুই মাধ্যমে বাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করা হয় ৬৫৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা।

 

 

 

এ হিসাবে বছর ব্যবধানে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ কমেছে ১৩ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। কেবল ২০১৮ সালের তুলনায় নয়, ২০০৯ সাল বা বিগত ১১ বছরের মধ্যে আইপিও ও রাইট শেয়ারের মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে এত কম অর্থ সংগ্রহ আর হয়নি।

 

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালে আইপিও ও রাইট শেয়ারের মাধ্যমে এক হাজার ৪৪১ কোটি ৩৯ লাখ, ২০১৬ সালে ৯৫০ কোটি ১২ লাখ, ২০১৫ সালে ৬৭৫ কোটি ৭২ লাখ, ২০১৪ সালে তিন হাজার ২৬৩ কোটি ৮৮ লাখ, ২০১৩ সালে ৯১০ কোটি ৮০ লাখ, ২০১২ সালে এক হাজার ৮৪২ কোটি ৯৭ লাখ, ২০১১ সালে তিন হাজার ২৩৩ কোটি ৬৫ লাখ, ২০১০ সালে তিন হাজার ৩৯০ কোটি ৩৩ লাখ এবং ২০০৯ সালে ৯১৭ কোটি ৮৫ লাখ টাকা সংগ্রহ করে বিভিন্ন কোম্পানি।

 

২০১৯ সালে আইপিও ও রাইট শেয়ার- এ দুই পদ্ধতির সম্মিলিত অর্থ উত্তোলনের পরিমাণ কমলেও শুধু আইপিও হিসাবে নিলে ২০১৮ সালের তুলনায় ২০১৯ সালে অর্থ উত্তোলনের পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে রিং শাইন টেক্সটাইল। কোম্পানিটি আইপিও’র মাধ্যমে ১৫০ কোটি টাকা উত্তোলন করেছে।

 

২০১৮ সালের তুলনায় আইপিও’র মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনের পরিমাণ বাড়লেও ২০১৯ সালের এপ্রিল থেকে আইপিও দেয়া বন্ধ রয়েছে। অর্থাৎ বছরের মাত্র চার মাস আইপিও দেয়া হয়েছে। বাকি আট মাস আইপিও বন্ধ রয়েছে।

 

 

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) বর্তমান চেয়ারম্যান এম খায়রুল হোসেনের নেতৃত্বাধীন কমিশন থেকে অনুমোদন দেয়া প্রায় অর্ধশতাধিক কোম্পানির শেয়ারের দাম ইস্যু মূল্য অথবা ফেসভ্যালুর নিচে নেমে গেছে। আইপিওতে আসা কোম্পানিগুলোর এমন করুণ অবস্থার কারণে সমালোচনার মুখে পড়ে বর্তমান কমিশন।

 

 

বিভিন্ন মহল থেকে অভিযোগ করা হয়, একের পর এক দুর্বল কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেয়া হচ্ছে। ফলে সার্বিক পুঁজিবাজার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তবে সবচেয়ে বেশি সমালোচনা হয় কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজের আইপিও অনুমোদন নিয়ে। বড় ধরনের সমালোচনার মুখে গত ৩০ এপ্রিল কমিশন সভা করে নতুন আইপিও না দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বিএসইসি।

 

ওই সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পাবলিক ইস্যু) রুলস ২০১৫ সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত ৩০ এপ্রিল থেকে আইপিও সংক্রান্ত নতুন কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না। অবশ্য ওই সিদ্ধান্তের আড়াই মাসের মধ্যে আইপিওতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কোটা বাড়িয়ে পাবলিক ইস্যু রুলস ২০১৫-এর সংশোধন আনে বিএসইসি। এরপর দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও নতুন কোনো আইপিও আর অনুমোদন পায়নি।

 

 

 

ফলে আইপিওতে আসা কোম্পানির সংখ্যা কমেছে। ২০১৯ সালে স্থির মূল্য (ফিক্সড প্রাইস) পদ্ধতিতে পাঁচটি কোম্পানি ২৪৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। আর বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে তিনটি কোম্পানি ৩০৭ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। অর্থাৎ আইপিও’র দুই পদ্ধতিতে আটটি কোম্পানি ৫৫২ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে।

 

আগের বছর ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে ১১টি কোম্পানি ২৬৬ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। আর বুক বিল্ডিংয়ে দুটি কোম্পানি ২৮০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। এ হিসাবে দুই পদ্ধতিতে আইপিও’র মাধ্যমে ১৩টি কোম্পানি ৫৪৬ কোটি টাকা সংগ্রহ করে।

 

অপরদিকে ২০১৯ সালে রাইট শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো ৮৯ কোটি ৯৩ লাখ টাকা সংগ্রহ করেছে। আগের বছর এর পরিমাণ ছিল ১০৯ কোটি ৪০ লাখ টাকা। এ হিসাবে রাইট শেয়ারের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের পরিমাণ কমেছে ১৯ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।

 

এ বিষয়ে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও বিএসইসির সাবেক চেয়ারম্যান এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, পুঁজিবাজারে আইপিও বন্ধ করা সঠিক সিদ্ধান্ত নয়। বাজার ভালো করতে হলে ভালো ভালো কোম্পানি তালিকাভুক্তির ব্যবস্থা করতে হবে। এজন্য প্রয়োজনে প্রণোদনা দিয়ে হলেও ভালো কোম্পানি তালিকাভুক্ত করতে হবে।

 

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. বখতিয়ার হাসান বলেন, শিল্পায়নে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নে মূল উৎস হলো পুঁজিবাজার। কিন্তু আমাদের দেশে শিল্পে অর্থ জোগান দেয়ার প্রধান মাধ্যমে হয়ে দাঁড়িয়েছে ব্যাংক। পুঁজিবাজার শিল্পায়নে দীর্ঘমেয়াদি অর্থের প্রধান উৎস হয়ে উঠতে না পারায় সার্বিক অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

 

 

তিনি বলেন, পুঁজিবাজারে ভালো কোম্পানি তালিকাভুক্তের কোনো বিকল্প নেই। যেকোনো উপায়ে ভালো কোম্পানি পুঁজিবাজারে আনতে হবে। সম্প্রতি বাজারে যে মন্দাভাব দেখা দিয়েছে এর অন্যতম কারণ হলো- দুর্বল কোম্পানি তালিকাভুক্ত হওয়া। তাই দুর্বল কোম্পানির আইপিও বন্ধ করতে হবে। তবে কোনো অবস্থায় আইপিও বন্ধ করা ঠিক হবে না।

 

যা আছে সংশোধিত পাবলিক ইস্যুতে

 

পাবলিক ইস্যুতে সংশোধনী এনে বুক বিল্ডিংয়ে যোগ্য বিনিয়োগকারীর কোটা ৬০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫০ শতাংশ করা হয়। আর সাধারণ বিনিয়োগকারীর কোটা ৩০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৪০ শতাংশ করা হয়। একইভাবে স্থির মূল্যে পাবলিক ইস্যুর ক্ষেত্রে যোগ্য বিনিয়োগকারীর কোটা ৪০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩০ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীর কোটা (এনআরবি ছাড়া) ৪০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করা হয়।

 

এতে শর্ত রাখা হয়, পূর্বের ইস্যু করা মূলধনের ৮০ শতাংশ ব্যবহার না করে পাবলিক ইস্যুর প্রস্তাব করা যাবে না। স্থির মূল্যের (ফিক্সড প্রাইস) পাবলিক ইস্যুর পরিমাণ কমপক্ষে ৩০ কোটি টাকা অথবা ইস্যুয়ারের পরিশোধিত মূলধনের ১০ শতাংশ বেশি হতে হবে।

 

 

 

তবে ইস্যুপরবর্তী মূলধন কমপক্ষে ৫০ কোটি টাকা হতে হবে। বুক বিল্ডিংয়ের মাধ্যমে পাবলিক ইস্যুর ক্ষেত্রে এর পরিমাণ কমপক্ষে ৭০ কোটি টাকা হতে হবে। বুক বিল্ডিংয়ের মাধ্যমে পাবলিক ইস্যুর ক্ষেত্রে যোগ্য বিনিয়োগকারীর শেয়ারের কোটা বিডিংয়ের মাধ্যমে সম্পূর্ণরূপে বিক্রি না হলে সে ইস্যু বাতিল হয়ে যাবে।

 

এতে আরও শর্ত রাখা হয় যে, স্টক এক্সচেঞ্জকে পাবলিক ইস্যুর তালিকাভুক্তির আবেদন পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে পাবলিক ইস্যু রুলস বা অন্যান্য সিকিউরিটিজ আইন অথবা অ্যাকাউন্টিং স্ট্যান্ডার্ডের ব্যত্যয়, যদি থাকে, উল্লেখপূর্বক তাদের মতামত কমিশনে প্রেরণ করতে হবে।

 

এ সময়ের মধ্যে মতামত প্রদান না করলে ধরে নেয়া হবে যে, স্টক এক্সচেঞ্জের এ বিষয়ে কোনো পর্যবেক্ষণ নেই। বুক বিল্ডিংয়ের মাধ্যমে পাবলিক ইস্যুর বিডিংয়ের সময় কোনো তথ্য প্রকাশ করা যাবে না। বুক বিল্ডিংয়ের মাধ্যমে পাবলিক ইস্যুর বিডিংয়ে যোগ্য বিনিয়োগকারীর বিডের ১০০ শতাংশ মূল্য যে এক্সচেঞ্জ বিডিং পরিচালনা করছে তাকে জমা দিতে হবে।

১৭ মার্চ আসছে ২০০ টাকার নোট
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বাজারে আসছে ২০০ টাকার নোট। আগামী ১৭ মার্চ এ নতুন নোট বাজারে ছাড়বে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সূত্র জানায়, প্রথম বছরে স্মারক ও প্রচলিত বা নিয়মিত, এই দুই ধরনের ২০০ টাকার নোট থাকবে। দ্বিতীয় বছর থেকে বাজারে স্মারক নোট ছাড়া হবে না, নিয়মিত নোট থাকবে। নিয়মিত নোটেই শুধু লেনদেন করা যায়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে দেশে প্রথমবারের মতো ২০০ টাকা মূল্যমানের নোট বাজারে ছাড়া হবে। ২০০ টাকার নোটের পাশাপাশি ২০০ টাকার স্মারক নোটও বাজারে ছাড়া হবে।

বিশেষ বিশেষ ঘটনাকে স্মরণীয় রাখতে এর আগে ৬ ধরনের স্মারক নোট তৈরি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই বহরে যুক্ত হচ্ছে ২০০ টাকার নোট। এ ছাড়া এই পর্যন্ত স্মারক মুদ্রা তৈরি করেছে ১২ ধরনের। অন্যদিকে লেনদেনের জন্য এখন পর্যন্ত বিভিন্ন মানের ৫২ ধরনের প্রচলিত নোট ও ১১ ধরনের মুদ্রা বাজারে আছে।

স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের প্রথম নোট ছাপা হয়। ১৯৭২ সালের ২ জুন প্রথম বাজারে ছাড়া হয় ১০ টাকার নোট। এরপর ধীরে ধীরে বাজারে আসে ১, ৫, ১০, ২০, ৫০, ১০০ ও ৫০০ টাকার নোট। এর প্রায় সবই বাজারে আসে ১৯৭২-৭৬ সালের মধ্যে। পরে ১৯৭৯ সালে ২০ টাকার নোট ও ১৯৮৮ সালে ২ টাকার নোট ছাড়া হয়। ২০০৮ সালে প্রথম বাজারে আসে ১০০০ টাকার নোট। এ ছাড়া স্বাধীনতার পর থেকে ধীরে ধীরে বাজারে ছাড়া হয় ১, ৫, ১০, ২৫, ৫০ পয়সা ও ১, ২, ৫ টাকার কয়েন।

বেড়েই চলছে খেলাপি ঋণ
                                  

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

 

 

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় আসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকার। নতুন মন্ত্রিসভায় অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পান সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। দায়িত্ব পাওয়ার পরই তিনি ঘোষণা দেন, খেলাপি ঋণ এক টাকাও বাড়বে না। কিন্তু তার সেই হুঁশিয়ারির পর গত নয় মাসে খেলাপি ঋণ না কমে উল্টো বেড়েছে।

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের তৈরি করা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ প্রান্তিকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর শেষে ব্যাংক খাতে বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে নয় লাখ ৬৯ হাজার ৮৮২ কোটি টাকা। এর মধ্যে অবলোপন বাদে খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে প্রায় এক লাখ ১৬ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা। যা মোট ঋণের ১১ দশমিক ৯৯ শতাংশ। অবলোপনসহ খেলাপি ঋণের পরিমাণ দেড় লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। গত বছর একই সময়ে (সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে) খেলাপি ঋণ ছিল ৯৯ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা। এ হিসাবে গত এক বছরের ব্যবধানে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১৬ হাজার ৯১৮ কোটি টাকা।

 

সম্প্রতি দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকের চেয়ারম্যান এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের (এমডি) সঙ্গে বৈঠক করে অর্থমন্ত্রী জানান, খেলাপি ঋণ বৃদ্ধির একটি মাত্র কারণ হচ্ছে ঋণের সুদহার খুব বেশি। আমাদের মতো এত বেশি সুদহার পৃথিবীর আর কোথাও নেই। তিনি বলেন, ঋণে সুদহার কমানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সুদহার কমলে খেলাপি ঋণও কমবে।

 

সরকার ও সংশ্লিষ্টদের নানা উদ্যোগের পরও কমছে না খেলাপি ঋণ। বড় বড় ঋণ জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাৎ আর নানা অনিয়মে দুরবস্থায় ১৩ ব্যাংক। এর মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ছয় ব্যাংক, বেসরকারি পাঁচ ব্যাংক এবং বিশেষায়িত ব্যাংক রয়েছে দুটি। যাদের মোট ঋণের ১৫ থেকে ৯৮ শতাংশই খেলাপি হয়েছে।

 

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর শেষে দেশের ছয়টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক মোট এক লাখ ৭৪ হাজার ২২২ কোটি ২৫ লাখ টাকার ঋণ বিতরণ করেছে। এর মধ্যে খেলাপি (শ্রেণিকৃত) ঋণের পরিমাণ ৫৪ হাজার ৯২২ কোটি ৫০ লাখ টাকা, যা মোট বিতরণ করা ঋণের ৩১ দশমিক ৫২ শতাংশ।

 

 

রাষ্ট্রায়ত্ত ছয় ব্যাংকের মধ্যে সবচেয়ে বেশি খেলাপি ঋণ জনতা ব্যাংকের। ব্যাংকটিতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ পুরো ঋণের ৪৪ দশমিক ৫৭ শতাংশ বা ২১ হাজার ৬৬০ কোটি টাকা। সোনালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ১২ হাজার ৭৪৭ কোটি টাকা, যা বিতরণ করা ঋণের ২৯ দশমিক ২৭ শতাংশ।

 

চলতি বছরের সেপ্টেম্বর শেষে খেলাপি ঋণে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে বেসিক ব্যাংকের অবস্থা ছিল সবচেয়ে খারাপ। ব্যাংকটির বিতরণ করা ঋণের ৫৮ দশমিক ৬২ শতাংশই খেলাপি হয়েছে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর শেষে বেসিক ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে আট হাজার ৭৩৮ কোটি টাকা।

 

বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেডের (বিডিবিএল) অবস্থাও নাজুক। প্রতিষ্ঠানটির বিতরণ করা ঋণের ৫৭ দশমিক ১৩ শতাংশ বা ৯১৪ কোটি টাকা খেলাপি হয়েছে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর শেষে রূপালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে চার হাজার ৬২৬ কোটি ১৫ লাখ টাকা, যা মোট বিতরণ করা ঋণের ১৭ দশমিক ১৬ শতাংশ।

 

আলোচিত সময়ে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে অগ্রণী ব্যাংকের খেলাপি শতাংশের দিক দিয়ে সবচেয়ে কম। ব্যাংকটির খেলাপি দাঁড়িয়েছে ছয় হাজার ২৩৫ কোটি টাকা বা ১৬ দশমিক ১৫ শতাংশ।

 

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, নানা অনিয়ম ও রাজনৈতিক বিবেচনায় বিতরণ করা ঋণ আদায় হচ্ছে না। এছাড়া বিশেষ সুবিধায় ঋণ পুনর্গঠন পুনঃতফসিল করা খেলাপিরাও নিয়মিত ঋণ পরিশোধ করছেন না। এসব কারণে খেলাপি ঋণ বাড়ছে।

 

তিনি বলেন, ব্যাংকারদের মধ্যে খেলাপি ঋণ আদায়ে আগ্রহ কম। চাপ দিয়ে আদায় করার পরিবর্তে তাদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেয়া হচ্ছে, এতে কাজ হচ্ছে উল্টো। খেলাপি বাড়ছে। তাই খেলাপি ঋণ কমাতে হলে এখন ব্যাংকারদের কঠোর হওয়ার কোনো বিকল্প নেই।

 

সাবেক এ গভর্নর আরও বলেন, খেলাপিদের যদি যথাযথ শাস্তির আওতায় আনা না যায় তাহলে তাদের নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে না। যারা বড় ঋণ খেলাপি তাদের বেশির ভাগই প্রভাবশালী। ঋণ নিয়ে ফেরত দিচ্ছেন না। তাই খেলাপি ঋণের বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে শক্ত অবস্থানে যেতে হবে। একই সঙ্গে ব্যাংকগুলোকে সময়োচিত ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে বলে জানান প্রবীণ এ অর্থনীতিবিদ।

 

বেসরকারি এবি ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক (সাবেক ফারমার্স ব্যাংক) এবং বিদেশি ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের খেলাপি ঋণ নাজুক অবস্থায় রয়েছে। এসব ব্যাংকের বেশির ভাগের খেলাপি ঋণ ৫০ শতাংশের বেশি। এর মধ্যে এবি ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ২৪ দশমিক ১৩ শতাংশ বা পাঁচ হাজার ৯৩ কোটি টাকা, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ৯৫৭ কোটি বা ৪৪ দশমিক ২৭ শতাংশ, আইসিবি ইসলামী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ৭১১ কোটি ৪০ লাখ টাকা বা ৮৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ। পদ্মা ব্যাংকের বিতরণ করা ঋণের মধ্যে খেলাপি ৭১ দশমিক ৬২ শতাংশ বা তিন হাজার ৯৩২ কোটি ১২ লাখ টাকা। শতাংশের দিক দিয়ে সবচেয়ে বেশি খেলাপি ঋণ বিদেশি ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের। ব্যাংকটির মোট বিতরণ করা ঋণের ৯৮ দশমিক ১২ শতাংশ বা এক হাজার ৩৮৯ কোটি টাকা খেলাপি হয়েছে।

 

এদিকে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর পাশাপাশি বিশেষায়িত বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকও খারাপ অবস্থায় আছে। সেপ্টেম্বর শেষে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে তিন হাজার ৫৬৬ কোটি টাকা, যা মোট বিতরণ করা ঋণের ১৭ দশমিক ২০ শতাংশ। রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের মোট বিতরণ করা ঋণের খেলাপি ২০ দশমিক ১৫ শতাংশ বা ১ হাজার ৯৯ কোটি টাকা।

খেলাপি ঋণ সংকটের মধ্যেও বাড়ছে ব্যাংকের সম্পদ
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক

খেলাপি ঋণ আর তারল্য সংকটে ভুগতে থাকা ব্যাংক খাতের সম্পদের পরিমাণ প্রতিনিয়ত বাড়ছে। চলতি বছরের জুলাই, আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বর- এ তিন মসে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলোর সম্পদের পরিমাণ সম্মিলিতভাবে বেড়েছে ১৫ হাজার কোটি টাকার ওপরে। আর জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর- এ নয় মাসে বেড়েছে পৌনে এক লাখ কোটি টাকা।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সম্পদের পরিমাণ বাড়লেও সার্বিকভাবে ব্যাংক খাত সংকটের মধ্যে রয়েছে। ব্যাংকের এ সংকটের অন্যতম কারণ খেলাপি ঋণ। হু হু করে খেলাপি ঋণ বাড়ার কারণে দিন যত যাচ্ছে ব্যাংকের সংকট তত ভয়াবহ হয়ে উঠছে। থমকে পড়ছে বেসরকারি বিনিয়োগ।



তাদের মতে, ব্যাংক খাতের পরিস্থিতি দেশের সার্বিক অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করবে। বিনিয়োগের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বাধাগ্রস্ত হবে কর্মসংস্থান। সেই সঙ্গে প্রবৃদ্ধির ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ার শঙ্কা রয়েছে।

নিয়ম অনুযায়ী, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে প্রতি তিন মাস পরপর আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করতে হয়। এরই আলোকে তালিকাভুক্ত ৩০টি ব্যাংক চলতি বছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিক শেষে তাদের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

ব্যাংকগুলোর ওই আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে তালিকাভুক্ত ছয়টি ব্যাংকের সম্পদের পরিমাণ চলতি বছরের জুনের তুলনায় কমে গেছে। বিপরীতে ২৩টি ব্যাংকের সম্পদের পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে। আর ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের তথ্য পাওয়া যায়নি।


জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে সম্পদের পরিমাণ কমে যাওয়া ছয় ব্যাংকের মধ্যে রয়েছে- আইসিবি ইসলামী ব্যাংক, দি সিটি ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক ও স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক।

সম্পদ কমে যাওয়া ছয় ব্যাংকের সম্পদের চিত্র-

ব্যাংকের নাম

মোট সম্পদ

 

২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর

২০১৯ সালের জুন

 

 

আইসিবি ইসলামী ব্যাংক

১১৩০,২৭,০৩,৯০৫

১১৬৩,৭২,৯২,৪৫৩

 

দি সিটি ব্যাংক

৩৪৯১১,৬৫,৪৬,২৩৭

৩৪৯৮০,৩৩,৩২,১৮৯

 

যমুনা ব্যাংক

২৩৯১৫,৯৭,৩১,২৬৫

২৪৩২৪,৯৭,৯৮,১৪৪

 

ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক

৪৩০০৮,২৭,৬৮,১৫২

৪৩৪৫১,৩৩,৯০,১০৯

 

ঢাকা ব্যাংক

২৮৫২৬,৯৯,৭৯,২৯৬

২৯০৪৩,৬৩,০২,৮৯৩

 

স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক

২১৬১৯,৬২,৮০,৪৯২

২১৮৬৮,৭৮,৮২,৫৭৭

 

 


ব্যাংকগুলোর দেয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর শেষে ২৯টি ব্যাংকের সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে নয় লাখ ৫৪ হাজার ৪৪৫ কোটি নয় লাখ ২৪ হাজার টাকা। যা গত জুন শেষে ছিল নয় লাখ ৩৮ হাজার ৪৭৫ কোটি ৭৯ হাজার টাকা। এ হিসাবে তিন মাসে সম্মিলিতভাবে ব্যাংকের সম্পদের পরিমাণ বেড়েছে ১৫ হাজার ৯৭০ কোটি আট লাখ ৪৬ হাজার টাকা। ২০১৮ সালের ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকগুলোর সম্পদের পরিমাণ ছিল আট লাখ ৭৯ হাজার ৭৪৬ কোটি ৩০ লাখ ২৩ হাজার টাকা। এ হিসাবে চলতি বছরের নয় মাসে ২৯টি ব্যাংকের সম্পদের পরিমাণ বেড়েছে ৭৪ হাজার ৬৯৮ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।

সম্পদের দিক থেকে বরাবরের মতো সবার ওপরে রয়েছে ইসলামী ব্যাংক। ব্যাংকটির সম্পদের পরিমাণ এক লাখ নয় হাজার ৩১৮ কোটি ৭৯ লাখ ২৮ হাজার টাকা। গত জুন শেষে ব্যাংকটির সম্পদের পরিমাণ ছিল এক লাখ পাঁচ হাজার ৯৩৬ কোটি ৬৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা। অর্থাৎ তিন মাসে ব্যাংকটির সম্পদের পরিমাণ বেড়েছে তিন হাজার ৩৮২ কোটি ১৫ লাখ ৪৮ হাজার টাকা।



তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে সম্পদের দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে রূপালী ব্যাংক। প্রতিষ্ঠানটির সম্পদের পরিমাণ ৪৭ হাজার ৪২৭ কোটি ৮৮ লাখ ২৯ হাজার টাকা। গত জুন শেষে এ সম্পদের পরিমাণ ছিল ৪৬ হাজার ৩৯৭ কোটি ৬৮ লাখ ৫১ হাজার টাকা। এ হিসাবে তিন মাসে ব্যাংকটির সম্পদের পরিমাণ বেড়েছে এক হাজার ৩০ কোটি ১৯ লাখ ৭৮ হাজার টাকা।

সম্পদের দিক থেকে তৃতীয় স্থানে রয়েছে পূবালী ব্যাংক। প্রতিষ্ঠানটির সম্পদের পরিমাণ ৪৫ হাজার ২৬১ কোটি ৫১ লাখ ৭৩ হাজার টাকা। গত জুন শেষে সম্পদের পরিমাণ ছিল ৪৪ হাজার ৩৭০ কোটি ৫৮ লাখ ৪৪ হাজার টাকা। এ হিসাবে তিন মাসে ব্যাংকটির সম্পদের পরিমাণ বেড়েছে ৮৯০ কোটি ৯৩ লাখ ২৯ হাজার টাকা।

জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে সম্পদের পরিমাণ কমলেও এখন সম্পদের দিক থেকে শীর্ষ চারে রয়েছে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক। প্রতিষ্ঠানটির সম্পদের পরিমাণ ৪৩ হাজার আট কোটি ২৭ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। গত জুন শেষে ব্যাংকটির সম্পদের পরিমাণ ছিল ৪৩ হাজার ৪৫১ কোটি ৩৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা। এ হিসাবে তিন মাসে ব্যাংকটির সম্পদের পরিমাণ কমেছে ৪৪৩ কোটি ছয় লাখ ২২ হাজার টাকা।

এদিকে, সম্পদের পরিমাণ বাড়লেও প্রতিনিয়ত ব্যাংক খাতে বাড়ছে খেলাপি ঋণের পরিমাণ। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কী পরিমাণ ঋণ খেলাপি রয়েছে সে তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে জুন শেষে অবলোপন বাদে খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে প্রায় এক লাখ ১২ হাজার ৪২৫ কোটি টাকা। অবলোপনসহ খেলাপি ঋণের পরিমাণ দেড় লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। আগের বছরের জুন পর্যন্ত অবলোপন বাদে খেলাপি ঋণ ছিল ৯০ হাজার ৩৭২ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে খেলাপি ঋণ বেড়েছে প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা।

এ বিষয়ে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, ব্যাংক খাতের অবস্থা খারাপ। ব্যাংকের প্রধান সমস্যা খেলাপি ঋণ। খেলাপি ঋণের সমস্যার সমাধান করা না গেলে ব্যাংক খাতের সমস্যা সমাধান হবে না। ক্রমেই খেলাপি ঋণ বাড়ছে।



তিনি বলেন, নিঃসন্দেহে ব্যাংক খাত সংকটের মধ্যে রয়েছে। ইতোমধ্যে আমাদের সামনে ব্যাংকের সংকট প্রকট হয়ে দেখা দিয়েছে। এই পরিমাণ খেলাপি ঋণ নিয়ে একটি দেশের ব্যাংকিং সিস্টেম চলতে পারে না। ফলে দেখা যাচ্ছে, ব্যাংকের ওপর মানুষের আস্থা কমে গেছে। যার কারণে আমানতের প্রবৃদ্ধি কমে গেছে। ব্যাংকের এ অবস্থার কারণে সার্বিক অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হবে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে না। কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জন করা সম্ভব হবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রতিনিয়ত ব্যাংকের খেলাপি ঋণ বাড়ছে। এতে ব্যাংকের মুনাফা ও সম্পদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

‘একদিকে ব্যাংকের খেলাপি ঋণ বাড়ছে, অন্যদিকে ব্যাংক নতুন করে ঋণ দিতে পারছে না। সব মিলিয়ে ব্যাংক সমস্যার মধ্যে রয়েছে। ব্যাংকের সমস্যার কারণে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি কমে যাচ্ছে। এতে অর্থনীতির ওপর এক ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। কারণ ব্যাংক সমস্যার মধ্যে থাকলে বিনিয়োগ ও উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হবে। উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হলে কর্মসংস্থান হবে না। কর্মসংস্থান না হলে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাবে।

 

সম্পদ বাড়া ব্যাংকগুলোর চিত্র-

ব্যাংকের নাম

মোট সম্পদ

 

২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর

২০১৯ সালের জুন

২০১৮ সালের ডিসেম্বর

 

 

এক্সিম ব্যাংক

৪০৭৯৩,৬০,১৪,১৬২

৩৯২৩৩,৭২,৪০,৮৭৯

৩৭১৫১,০০,৬৭,৫০৫

 

আইএফআইসি ব্যাংক

৩০৫৩৭,২১,৭৮,২৭৪

৩০৪২০,১১,৪০,৫৬৯

২৮৬৫২,৮৭,৮৫,০৫২

 

ব্র্যাক ব্যাংক

৩৮৮৬১,২৩,২৫,১২৭

৩৮৩১৯,০২,২৮,৪৮৯

৩৫৮০০,৪৬,২৬,০৮৩

 

এবি ব্যাংক

৩৫৯৩২,৪১,৬১,৪৮৪

৩৩৯১৭,৮০,৫৩,৫৭৫

৩২,৫১৫,৩৮,২৩,৬৭২

 

উত্তরা ব্যাংক

১৮৪৬৮,১৯,৭১,৬৫৬

১৮৪০৩,৮০,৫২,৭৫৮

১৮৯৯৪,৯৩,৬১,৮৩৩

 

ট্রাস্ট ব্যাংক

২৯১১৩,১৩,৩৬,৬২৬

২৮৯৫০,৭৯,০৩,২৬২

২৬১০৭,৬৪,০০,১২৬

 

সাউথইস্ট ব্যাংক

৪১৯৩৬,৫৫,৭৯,৩৭৬

৪১১৮০,৪৭,৮৪,২২২

৩৮১৫৭,৫৬,৭৮,৮৮০

 

প্রিমিয়ার ব্যাংক

২৪১৯১,০৭,৮৩,১৪৪

২২৯৪৫,৯২,০২,৯৬৩

২১৬৮০,৯৮,৮১,০৬০

 

শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক

২৬৯৫৫,৪২,০০,১৪৭

২৬৫১২,৩৮,৫৮,২৭৪

২৪৬৭৪,৫৩,০০,৩৫৩

 

এনসিসি ব্যাংক

২৫৫৪২,৫৩,১৪,৪৭২

২৫৫৪২,১৮,১৫,৪৯৫

২৪১৯৯,৫৪,১২,৪৫৩

 

প্রাইম ব্যাংক

৩১৪৮৫,০৫,৬৯,০৪৮

৩১০৫৯,২৪,৯৭,৭৯২

২৯৫০১,১৩,২৫,২০৫

 

ওয়ান ব্যাংক

২৮৫২৪,৩৫,৬৯,০৫১

২৮২৮৬,৪৬,১৩,০৮০

২৬৬১৭,০৯,৪৪,৭৯৪

 

ইস্টার্ন ব্যাংক

৩২২৪৮,৫৭,১০,৯৩৫

৩১৩৩৮,৬০,২৫,৫৭০

২৮৫৫০,০০,৬৯,৯৪৭

 

ন্যাশনাল ব্যাংক

৪৩৬৯৩,৩৫,৩২,১০২

৪৩২১৬,৯০,৫৬,৩১৩

৪০৭০৭,৫৫,৫০,১৮৩

 

আল-আরাফাহ ব্যাংক

৩৬৭৫৮,১৬,০১,১৩৮

৩৬৪৪৩,১৪,৬০,০৪৪

৩৩৮৪৬,৫২,৯৫,২১২

 

ডাচ-বাংলা ব্যাংক

৩৮০১৮,২৩,৬৩,০০৩

৩৬৮৬৯,৬৮,২৬,৪৬৯

৩৪৬৪৬,৮৭,৯০,৯৬৯

 

ইসলামী ব্যাংক

১০৯৩১৮,৭৯,২৮,৯৭৬

১০৫৯৩৬,৬৩,৮০,৭৬৪

৯৯৭৯৫,৯৩,০৩,০৫০

 

মার্কেন্টাইল ব্যাংক

৩১৭৭৮,৮৫,৩০,৭০২

৩০৯৯০,১৩,০৩,৬৯৭

২৯২৭৪,৪২,৬৪,৬০১

 

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক

৩৩১৯৫,৮৫,০৮,৭৫০

৩২৩৬৪,৩৬,৯৪,২৫৯

৩০৭৪০,২৮,৫৫,৩১১

 

মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক

২৪৯৪২,৯২,২১,১৮২

২৪৫১৭,২৭,৮৪,৮২৬

২২২৪৪,৪৮,৯৭,৮৫০

 

পূবালী ব্যাংক

৪৫২৬১,৫১,৭৩,৪৬৮

৪৪৩৭০,৫৮,৪৪,৬৫৫

৪১০২২,৫৬,৯৩,১৪৯

 

রূপালী ব্যাংক

৪৭৪২৭,৮৮,২৯,৪৮৮

৪৬৩৯৭,৬৮,৫১,১১৪

৪৪৩৭০,৫৮,৪৪,৬৫৫

 

ব্যাংক এশিয়া

৩৩৭৭৫,২৩,৪২,৬৬৩

৩২৮২২,৯৩,১২,০২৯

৩০৯২২,৭৮,৭০,৬৫৮

 

আরচারি থেকে স্বর্ণের সুবাতাস আসছেই
                                  

স্পোর্টস ডেস্ক

হতাশ করেছে জাতীয় খেলা কাবাডি তবে প্রত্যাশা মেটাচ্ছে আরচারি। আজ (রোববার) কাবাডিতে পুরুষ দল চতুর্থ হলেও, আরচারি থেকে একের পর এক আসছে সুসংবাদ।

আরচারির মাধ্যমে আজ এরই মধ্যে চলে এসেছে তিনটি স্বর্ণ। দিনের তৃতীয় স্বর্ণটি রিকার্ভ মিশ্র দলগত ইভেন্টে ভুটানকে হারানোর মাধ্যমে। এর আগে আজ আরচারিতে রিকার্ভ পুরুষ ও নারী এককেও স্বর্ণপদক জিতেছে বাংলাদেশ।

সবমিলিয়ে চলতি আসরে বাংলাদেশের স্বর্ণপদকের সংখ্যা এখন দাঁড়াল ৯।

আরচারি থেকে আরও ৪টি স্বর্ণ জেতার সম্ভাবনা রয়েছে আজ। যেখানে রিকার্ভ পুরুষ এককের ফাইনালে রোমান সানা, মেয়েদের রিকার্ভ এককের ফাইনালে ইতি খাতুন, ছেলেদের কমপাউন্ড এককের ফাইনালে সোহেল রানা, মেয়েদের কমপাউন্ড এককের ফাইনালে লড়বেন সোমা বিশ্বাস।

এর আগে গত সাতদিনে আরও ৭টি স্বর্ণ জিতেছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় দিন দেশকে প্রথম স্বর্ণ এনে দিয়েছিলেন তায়কোয়ান্দোর দিপু চাকমা।

পরে তৃতীয় দিন তিনটি স্বর্ণ জেতেন কারাতেকারা। মাঝে তিনদিন স্বর্ণখরা থাকার পর গতকাল (শনিবার) ২টি স্বর্ণ আসে ভারোত্তলন থেকে, ফেন্সিং থেকেও আসে ১টি স্বর্ণ।

পাঁচ মাসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে রেমিট্যান্স ৪৫০ কোটি ডলার
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক   

 

রেমিট্যান্স বাড়াতে নগদ প্রণোদনাসহ নানা উদ্যোগ গ্রহণ ও ডলারের বিপরীতে বেশি টাকা পাওয়ায় ব্যাংকিং চ্যানেলে বাড়ছে রেমিট্যান্স প্রবাহ। এর ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকেও রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ছে।

 

চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের (জুলাই-নভেম্বর) প্রথম পাঁচ মাসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় ৪৫০ কোটি ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ৮৫ টাকা ধরে) প্রায় ৩৮ হাজার কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, চলতি অর্থবছরে প্রথম পাঁচ মাসে ব্যাংকিং চ্যানেলে ৭৭১ কোটি ৪১ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এর মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে থাকা প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৪৪৯ কোটি ৭৯ লাখ ডলার। যা মোট আহরিত রেমিট্যান্সের ৫৮ দশমিক ৩০ শতাংশ। আর বিশ্বের অন্য দেশগুলো থেকে রেমিট্যান্স এসেছে ৩২১ কোটি ৬২ লাখ ডলার।

 

তথ্য বলছে, প্রবাসী আয় পাঠানোর শীর্ষে থাকা ১০ দেশের মধ্যে ৬টি হলো মধ্যপ্রাচ্যের দেশ। এর মধ্যে গত পাঁচ মাসে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে সৌদি আরব থেকে। চলতি অর্থবছরে দেশটি থেকে প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ১৬১ কোটি ৮৫ লাখ ডলার। যা মোট আহরিত রেমিট্যান্সের প্রায় ২০ শতাংশ।

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রেমিট্যান্স পাঠানোয় শীর্ষ ১০ দেশের মধ্যে অন্য দেশগুলো হচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, কুয়েত, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, ওমান, কাতার, ইতালি ও বাহরাইন।

 

অর্থবছরের পাঁচ মাসে রেমিট্যান্স আহরণের দ্বিতীয় স্থানে থাকা মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত, দেশটি থেকে রেমিট্যান্স এসেছে ১১০ কোটি ৪৬ লাখ ডলার, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৮৯ কোটি ৩৭ লাখ ডলার, কুয়েত থেকে ৬০ কোটি ৯৯ লাখ ডলার, যুক্তরাজ্য থেকে ৬০ কোটি ২৫ লাখ ডলার, মালয়েশিয়া থেকে ৫২ কোটি ৯৮ লাখ ডলার, ওমান থেকে ৫২ কোটি ৭৯ লাখ ডলার, কাতার থেকে ৪৫ কোটি ৭৬ লাখ ডলার, ইতালি থেকে ৩৩ কোটি ৪২ লাখ ডলার এবং বাহরাইন থেকে ১৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার।

 

 

এদিকে রেমিট্যান্সের প্রণোদনার অর্থ যেন সহজে প্রবাসীরা পায় বিভিন্ন শর্ত শিথিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সম্প্রতি এক সার্কুলারে দেড় লাখ টাকার রেমিট্যান্সে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো প্রকার কাগজপত্র লাগবে না। আগে ১৫০০ মার্কিন ডলার বা সমমূল্যের অন্য বৈদেশিক মুদ্রা পাঠালে বিনা প্রশ্নে প্রণোদনার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু প্রবাসীদের বুঝার সুবিধার্থে টাকার পরিমাণ উল্লেখ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পাশাপাশি দেড় লাখ টাকার ওপরে রেমিট্যান্সের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিলের সময়সীমাও বাড়ানো হয়েছে।

 

এদিকে দেড় লাখ টাকা বা দেড় হাজার ডলারের বেশি রেমিট্যান্সে প্রেরণকারীকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করার নিয়ম ছিল। সেটা বাড়িয়ে ১৫ কার্যদিবস করা হয়েছে।

 

জানা গেছে, দেড় লাখ টাকার বেশি রেমিট্যান্সের নগদ প্রণোদনা পাওয়ার জন্য রেমিট্যান্স প্রদানকারী ব্যাংকের শাখায় পাসপোর্টের কপি এবং বিদেশি নিয়োগদাতার দেয়া নিয়োগপত্রের কপি জমা দিতে হয়। রেমিট্যান্স প্রেরণকারী ব্যক্তি ব্যবসায় নিয়োজিত হলে ব্যবসার লাইসেন্সের কপি দিতে হয়।

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স আহরণে রেকর্ড হয়েছে। ওই অর্থবছরে প্রবাসীরা ১ হাজার ৬৪২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আহরণ।

 

রেমিট্যান্সের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গত চার বছরের মধ্যে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল। ওই সময় রেমিট্যান্স আসে এক হাজার ৫৩১ কোটি ৬৯ লাখ মার্কিন ডলার। এরপর ২০১৫-১৬ অর্থবছরে আসে এক হাজার ৪৯৩ কোটি ১১ লাখ মার্কিন ডলার, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে আসে এক হাজার ২৭৬ কোটি ৯৪ লাখ মার্কিন ডলার আর ২০১৭-১৮ অর্থবছরের আসে এক হাজার ৪৯৮ কোটি ডলার। যা তার আগের অর্থবছরের চেয়ে ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি।

ব্যাংকাররা সুবিধা নিল কিন্তু সুদহার কমাল না : বাণিজ্যমন্ত্রী
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক   

 

সুদহার এক অংকে নামিয়ে আনার জন্য ব্যাংকাররা অনেক সুবিধা নিলেন, কিন্তু সুদহার কমালেন না বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

 

বৃহস্পতিবার রাজধানীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টার বসুন্ধরায় তিনদিনব্যাপী সিরামিক এক্সপো বাংলাদেশ ২০১৯ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট শেখ ফজলে ফাহিম, বাংলাদেশ সিরামিক ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক ইফরান উদ্দিন প্রমুখ।

 

টিপু মুনশি বলেন, ‘১২ থেকে ১৪ শতাংশ সুদে ঋণ নিয়ে ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করতে পারে না। এত সুদ হলে একটার পর একটা ফ্যাক্টরি বন্ধ হয়ে যাবে। ঋণ খেলাপির সংখ্যা বাড়বে। এ বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রী ব্যাংক ঋণে সুদহার এক অংকে নামিয়ে আনার নির্দেশ দিলেন। এ জন্য ব্যাংকারদের নানা সুবিধা দেয়া হলো। ব্যাংকররা সুবিধাটা পুরোপুরি নিল। কিন্তু এক বছর পার হয়ে গেলেও সুদহার এক অংকে আনল না।’

 

তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রীও অনেকবার তাগাদা দিয়েছেন কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো প্রাইভেট ব্যাংক সুদহার সিঙ্গেল ডিজিটে আনেনি। আমাদের দেশেই পৃথিবীর ব্যতিক্রমই দেশ, যেখানে স্প্রেড অনেক হাই। অন্যান্য দেশে যেখানে স্প্রেড আড়াই থেকে তিন। আমাদের দেশে এটা ৬ শতাংশরও ওপরে। যেটা হওয়া উচিত নয়।’

 

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি যা বলি তার উল্টোটা পত্রিকায় ছাপা হয়। সেদিন পেঁয়াজের দাম বাড়ার বিষয়ে বললাম যে, আমি পদত্যাগ করলে যদি পেঁয়াজের দাম কমে যায় তাহলে পদত্যাগ করাটা এক মিনিটের ব্যাপার। পরের দিন পেপারে খবর আসল যে, আমি পদত্যাগ করব। এটা আমাদের প্রবলেম। ব্যাংকারদের ক্ষেত্রেও একই কথা। তারা সুবিধা নিল, প্রধানমন্ত্রী বার বার বললেন তারপরও কাজের কাজের কিচ্ছুই হলো না।’

 

তিনি বলেন, ‘এই যদি অবস্থা হয়, তাহলে আমাদের অর্থনীতি, ব্যবসায়ীরা যাব কোথায়। এ ধরনের কথা বললে মনে হবে যে মন্ত্রী বলছে না, ব্যবসায়ীদের পক্ষে কোনো ব্যবসায়ী বলছে। কিন্তু আসল কথা হচ্ছে আমি একজন ব্যবসায়ী। তার জন্য আমার কথাবার্তা ব্যবসায়ীদের মতো। মন্ত্রীর মতো ভাব-টাব এখনও আসে না।’

 

 

‘আমি অর্থমন্ত্রীর দিকে তাকিয়ে থাকি, আর অর্থমন্ত্রী আমার দিকে তাকিয়ে থাকেন। সুদহার এক অংকে নামিয়ে না আনলে কোনো ব্যবসা করা যাবে না। অন্তত জেনুইন ব্যবসা করা যাবে না। অন্য কিছু করা গেলে যাবে।’

 

টিপু মুনশি বলেন, ‘কয়েকদিন আগে অর্থমন্ত্রী ব্যাংকারদের নিয়ে বসেছিলেন। সম্ভবত জানুয়ারি থেকে সুদহার এক অংকে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। দেখি কী হয়, আমাদের ভরসা করা ছাড়াতো আর কিছু করার নেই।’

 

এনবিআরের রাজস্ব সংগ্রহ পদ্ধতির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এনবিআর যে পদ্ধতিতে রাজস্ব সংগ্রহ করে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, এ পদ্ধতিটা পরিবর্তন করা প্রয়োজন। বাংলাদেশে অনেক জনগণ আছে আয়কর দেয়ার যোগ্য। কিন্তু কয়জন দেয়। এই পরিধিটা যদি বড় না করে যারা দেয় তাদের ওপরই চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে যারা দেয় তাদের তো নাভিশ্বাস উঠে যাবে।’

 

‘ট্যাক্স প্রদানকারীর সংখ্যা বাড়ছে না, যারা দিচ্ছে তাদের ওপরেই চাপ বাড়ছে। তাহলে ব্যবসার প্রসারটা হবে কীভাবে? তারপরও ব্যবসায়ীদের স্যালুট জানাই এসব প্রতিবন্ধকতা উপেক্ষা করে তারা দেশের বাণিজ্যকে বাড়িয়ে নিচ্ছে। আমি আগামীতে এনবিআরের সঙ্গে বসব। এ ব্যাপারে কথা বলব। ট্যারিফ কমিশন হচ্ছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিষ্ঠান। এনবিআরকে ট্যারিফ কামিশনের সঙ্গে বসে ট্যাক্স আরোপের বিষয়ে বলবো’,- যোগ করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

উল্টো পথে সুদহার: মুদ্রাবাজার পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক

ব্যাংকঋণের সুদহার এক অঙ্কে নামিয়ে আনতে দেড় বছর ধরে চলছে নানা আলোচনা। সরকারের পক্ষ থেকে দেয়া হয়েছে নানা সুযোগ-সুবিধা। তারপরও কাজ হয়নি। ঋণের সুদহার উল্টো বাড়ছে। সুদহার কমাতে মুদ্রাবাজার পর্যালোচনা জরুরি। এজন্য ঋণ ও আমানতের পরিমাণ ও সুদহারসহ বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হচ্ছে। এগুলো হাতে পেলে তা যাচাই-বাছাই করে সুদহার কমানোর করণীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকে সুদহার এক অঙ্কে নামিয়ে আনতে গঠিত সাত সদস্যের কমিটির প্রথম বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। ডেপুটি গভর্নর এস এম মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে বৈঠকে অংশ নেয়া কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. জায়েদ বখত, ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি ও স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের চেয়ারম্যান কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ, রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এবং অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, আইএফআইসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহ আলম সরওয়ার ও এনআরবি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মেহমুদ হোসেন।



বৈঠকের বিষয়ে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এমডি ও এবিবি চেয়ারম্যান সৈয়দ মাহবুবুর রহমান জানান, কিভাবে সুদহার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনা যায় এ বিষয়ে আজকে প্রথম মিটিং হয়েছে। বর্তমানে ঋণ ও আমানতের সুদহার কি অবস্থায় আছে, কোন খাতে কত টাকা ঋণ আছে ও আমানত আসছে, এছাড়া কোন খাতে কত টাকা ঋণের সুদ ধার্য আছে, এসব তথ্য সংগ্রহ করা হবে এবং তা যাচাই-বাছাই করা হবে। এরপর মুদ্রাবাজার পর্যালোচনার পর কমিটি পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।

বৈঠকে উপস্থিত কমিটির আরেক সদস্য কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ জাগো নিউজকে জানান, আমরা চেষ্টা করছি কিভাবে সুদহার কমানো যায়। এখন উভয় দিক বিবেচনা করে বাস্তবমুখি সিন্ধান্ত নিতে হবে। তবে তাৎক্ষণিক ১২ শতাংশ থেকে তিন শতাংশ সুদহার কমানো বেশ কঠিন। কারণ এখন যাদের ২০ হাজার কোটি টাকা ঋণ আছে তাদের প্রায় ৬০০ কোটি টাকা লাভ থাকবে না। অন্যদিকে ৬ শতাংশ হারে সরকারি আমানত ব্যাংকগুলো পাচ্ছে না। ব্যাংকগুলোর পরিচালন ব্যয় হয় প্রায় ৯ শতাংশ। তাই হঠাৎ করে কমানো যাবে না। আমরা চেষ্টা করছি। আশা করছি ভালো ফল আসবে।

এর আগে রোববার সকালে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকের চেয়ারম্যান এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের (এমডি) সঙ্গে বৈঠক করে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জানান, খেলাপি ঋণ বৃদ্ধির একটি মাত্র কারণ হচ্ছে ঋণে সুদহার খুব বেশি। আমাদের মতো এত বেশি সুদহার পৃথিবীর আর কোথাও নেই। তবে তিনি বলেন, ঋণে সুদহার কমানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তৈরি ২০১৯ প্রান্তিকের সর্বশেষ প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর শেষে ব্যাংক খাতে বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯ লাখ ৬৯ হাজার ৮৮২ কোটি টাকা। এর মধ্যে অবলোপন বাদে খেলাপিঋণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ লাখ ১৬ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা; যা মোট ঋণের ১১ দশমিক ৯৯ শতাংশ। আর অবলোপনসহ খেলাপিঋণের পরিমাণ দেড় লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। গত বছর একই সময়ে (সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে) খেলাপিঋণ ছিল ৯৯ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা। এ হিসাবে গত এক বছরের ব্যবধানে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১৬ হাজার ৯১৮ কোটি টাকা।


এদিকে ঋণের সুদহার সিঙ্গেল ডিজিট বা এক অঙ্কে নামিয়ে আনবেন বলে গত বছর ২০ জুন এক বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয় ব্যাংকের উদ্যোক্তাদের সংগঠন বিএবি। ওই বছর ১ জুলাই থেকে এক অঙ্ক সুদে ঋণ বিতরণের ঘোষণা আসে। এজন্য প্রণোদনা হিসাবে সরকারি আমানতের ৫০ শতাংশ বেসরকারি ব্যাংকে রাখার সুযোগ দেয় সরকার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকে বিধিবদ্ধ নগদ জমা বা সিআরআর সংরক্ষণের হার সাড়ে ৬ শতাংশ থেকে কমিয়ে সাড়ে ৫ শতাংশ করে। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ধার নেওয়ার `রেপো` সুদহার ৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ থেকে ৬ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়। এর আগের বছর করপোরেট কর আড়াই শতাংশ কমিয়ে সাড়ে ৩৭ শতাংশ করে সরকার। এসব সুবিধা দেওয়ার মূল উদ্দেশ্য ছিল, ব্যাংকগুলো এক অঙ্ক সুদে ঋণ বিতরণ করবে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি উল্টো সুদহার বেড়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর ব্যাংকগুলো ক্ষুদ্র ও মাঝারিশিল্পের মেয়াদি ঋণে সুদ নিয়েছে ১২ থেকে সাড়ে ১৬ শতাংশ। দুটি ব্যাংক ১৮ শতাংশ পর্যন্ত সুদে এসএমই ঋণ দিয়েছে। ২০১৮ সালে ব্যাংকের উদ্যোক্তা পরিচালকরা যখন সিঙ্গেল ডিজিট সুদে ঋণ বিতরণের ঘোষণা দিয়েছিলেন, ব্যাংকগুলো এসএমইর মেয়াদি ঋণ বিতরণ করে ১১ থেকে ১৫ শতাংশ সুদে। এর আগে ২০১৭ সালের জুনে ৯ থেকে ১৩ শতাংশ সুদ ছিল। একইভাবে ২০১৭ সালের জুন পর্যন্ত বড় শিল্পের মেয়াদি ঋণে সুদের হার ১০ শতাংশের কম ছিল। ২০১৮ সালে যা ১২ থেকে ১৩ শতাংশের ওপরে ওঠে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে ১৩ থেকে ১৭ শতাংশে উঠেছে। বাড়ি-গাড়ি কেনার ঋণে ১৪ থেকে ১৭ শতাংশ সুদ নিচ্ছে ব্যাংক। ক্রেডিট কার্ডে অধিকাংশ ব্যাংকের সুদহার রয়েছে ১৮ থেকে ২৭ শতাংশ।

এদিকে ঋণের উচ্চ সুদহারের কারণে বেসরকারি ঋণ প্রবৃদ্ধির হার ধারাবাহিক কমছে। চলতি অর্থবছরের অক্টোবরে ঋণ প্রবৃদ্ধির ১০ দশমিক ০৪ শতাংশ হয়েছে। আগের মাস সেপ্টেম্বর ছিল ১০ দশমিক ৬৬ শতাংশে। এর আগে আগস্টে ছিল ১০ দশমিক ৬৮ শতাংশ। জুলাই শেষে ছিল ১১ দশমিক ২৬ শতাংশ। জুনে ঋণ প্রবৃদ্ধি ছিল ১১ দশমিক ২৯ শতাংশ, মে মাসে যা ছিল ১২ দশমিক ১৬ শতাংশ। এর আগের মাস এপ্রিলে ছিল ১২ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ, মার্চে প্রবৃদ্ধি ছিল ১২ দশমিক ৪২ শতাংশ। ফেব্রুয়ারিতে ছিল ১২ দশমিক ৫৪ শতাংশ এবং জানুয়ারিতে ১৩ দশমিক ২০ শতাংশ।

বেসরকারি খাতের ঋণে নিম্নগতি
                                  

 

নিজস্ব প্রতিবেদক   

 

আশানুরূপ বাড়ছে না বেসরকারি ঋণ। গত কয়েক মাস ধরে ঋণ প্রবৃদ্ধির হার ধারাবাহিক কমছে। চলতি অর্থবছরের অক্টোবরে ঋণ প্রবৃদ্ধি ১০ দশমিক ০৪ শতাংশ হয়েছে। যা আগের মাস সেপ্টেম্বরে ছিল ১০ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

 

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, খেলাপি ঋণ লাগামহীনভাবে বাড়ছে। এ কারণে ব্যাংকগুলোকে বাড়তি নিরাপত্তা সঞ্চিতি (প্রভিশন) রাখতে হচ্ছে। অন্যদিকে আশানুরূপ আমানত পাচ্ছে না ব্যাংকগুলো। ফলে ব্যাংকে এখন পর্যাপ্ত নগদ অর্থ নেই। বেসরকারি বিনিয়োগ কমে যাওয়ার এর অন্যতম কারণ। এছাড়া আর্থিক খাতের নানা কেলেঙ্কারি ও সঞ্চয়পত্রে সুদ বেশি হওয়ায় ব্যাংকে আমানত প্রবৃদ্ধি কমে গেছে। ফলে একদিকে চাহিদা থাকা সত্ত্বেও ঋণ দিতে পারছে না ব্যাংকগুলো। অন্যদিকে উচ্চ সুদহারের কারণে ঋণ নিতেও আগ্রহী নয় উদ্যোক্তা ব্যবসায়ীরা। সব মিলিয়ে বেসরকারি ঋণ কাঙ্ক্ষিত হারে বাড়ছে না। আর যে হারে বাড়ছে তা মুদ্রানীতির লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম। এত কম হারে বাড়লে কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব নয়।

 

 

 

চলতি (২০১৯-২০) অর্থবছরের ঘোষিত মুদ্রানীতিতে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলন কমিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। মুদ্রানীতিতে ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ ধরা হয়েছে ১৪ দশমিক ৮ শতাংশ। এর মধ্যে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত লক্ষ্য ঠিক করেছে ১৩ দশমিক ২ শতাংশ। যা গেল অর্থবছরের জুন পর্যন্ত লক্ষ্য ছিল ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ। অন্যদিকে চলতি অর্থবছর (জুলাই-জুন) পর্যন্ত সরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধির প্রক্ষেপণ করা হয়েছে ২৪ দশমিক ৩ শতাংশ। আর অভ্যন্তরীণ ঋণ প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছিল ১৫ দশমিক ৯০ শতাংশ।

 

বেসরকারি খাতের ঋণের বিষয়ে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, বিভিন্ন অনিয়মের কারণে ব্যাংকের উপর মানুষের আস্থা কমেছে। এতে প্রত্যাশা অনুযায়ী আমানত আসছে না। ফলে ব্যাংকে অর্থ সংকট রয়েছে। এছাড়া অবকাঠামোগত সমস্যা, ঋণের উচ্চ সুদহারসহ বিভিন্ন কারণে অনেক উদ্যোক্তা ঝুঁকি নিয়ে ঋণও নিতে চাচ্ছে না। এসব কারণে বেসরকারি খাতে ঋণ কমে গেছে।

 

তিনি আরও বলেন, কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধির জন্য বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর বিকল্প নেই। তাই এ জন্য সরকারকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে হবে। সুশাসন নিশ্চিত করে আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে। উদ্যোক্তাদের মধ্যে আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। তাহলে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগের পাশাপাশি ঋণের চাহিদাও বাড়বে।

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরের তুলনায় চলতি বছরের (২০১৯) অক্টোবরে ঋণ প্রবৃদ্ধির ১০ দশমিক ০৪ শতাংশ হয়েছে। এর আগের মাস সেপ্টেম্বরে ঋণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১০ দশমিক ৬৬ শতাংশ। আগস্টে ছিল ১০ দশমিক ৬৮ শতাংশ। এর আগের মাস জুলাই শেষে ছিল ১১ দশমিক ২৬ শতাংশ। জুনে ঋণ প্রবৃদ্ধি ছিল ১১ দশমিক ২৯ শতাংশ, মে মাসে যা ছিল ১২ দশমিক ১৬ শতাংশ। এর আগের মাস এপ্রিলে ছিল ১২ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ, মার্চে প্রবৃদ্ধি ছিল ১২ দশমিক ৪২ শতাংশ। ফেব্রুয়ারিতে ছিল ১২ দশমিক ৫৪ শতাংশ এবং জানুয়ারিতে ১৩ দশমিক ২০ শতাংশ।

 

 

 

চলতি অর্থবছরের বাজেট ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক খাত থেকে সরকারের ঋণ গ্রহণের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করে ৪৭ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে গত ১ জুলাই থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সরকার ঋণ নিয়েছে ৩৮ হাজার ৬৯৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ মাত্র চার মাসেই সরকার পুরো অর্থবছরের ৮১ শতাংশের বেশি ঋণ নিয়েছে।

 

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরের মুদ্রানীতিতে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবাহের প্রক্ষেপণ ছিল সাড়ে ১৬ শতাংশ। কিন্তু গত জুন শেষে এ খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ১১ দশমিক ৩০ শতাংশ। এটি গত অর্থবছরের ঘোষিত মুদ্রানীতির লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ৫ শতাংশ কম। এখন বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি আরও কমেছে।

দুই কারণে বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ছে
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক

নগদ প্রণোদনা প্রদান ও টাকার বিপরীতে ডলারের মূল্য বৃদ্ধিতে বৈধ পথে বাড়ছে রেমিট্যান্স প্রবাহ। চলতি (২০১৯-২০) অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) রেমিট্যান্স এসেছে ৭৭১ কোটি ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২২ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি। গত বছর একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ৬২৯ কোটি ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, একক মাস হিসাবে গত নভেম্বরের চেয়ে এ বছর নভেম্বরে রেমিট্যান্স পাঠানোর পরিমাণ বেড়েছে। সদ্য সমাপ্ত নভেম্বর মাসে ব্যাংকিং চ্যানেলে ১৫৫ কোটি ৫২ লাখ ডলার সমমূল্যের অর্থ দেশে পাঠান প্রবাসীরা, যা গত বছরের নভেম্বরের চেয়ে ৩১ দশমিক ৭৫ শতাংশ বেশি। গত বছর নভেম্বর মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৮০ কোটি ৪ লাখ ডলার।



ব্যাংকার ও খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ছে মূলত দুটি কারণে। একটি হলো - সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী দুই শতাংশ প্রণোদনা দেয়া শুরু করেছে। অন্যটি হচ্ছে - ডলারের দাম বেড়েছে। অর্থাৎ এখন ডলারের বিপরীতে বেশি টাকা পাওয়া যাচ্ছে। এসব কারণে প্রবাসীরা দেশে বৈধ পথে টাকা পাঠাতে উৎসাহিত হচ্ছেন।

এ ধারা অব্যাহত থাকলে এ বছরও বৈধ চ্যানেলে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স আসবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

এদিকে রেমিট্যান্সের প্রণোদনার অর্থ যেন সহজে প্রবাসীরা পান সেজন্য বিভিন্ন শর্ত শিথিল করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সার্কুলারে বলা হয়, দেড় লাখ টাকার রেমিট্যান্সে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো প্রকার কাগজপত্র লাগবে না। আগে ১,৫০০ মার্কিন ডলার বা সমমূল্যের অন্যান্য বৈদেশিক মুদ্রা পাঠালে বিনা প্রশ্নে প্রণোদনার কথা বলা হয়েছিল। কিন্ত প্রবাসীদের বুঝার সুবিধার্থে টাকার পরিমাণ উল্লেখ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পাশাপাশি দেড় লাখ টাকার ওপরে রেমিট্যান্সের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিলের সময়সীমাও বাড়ানো হয়েছে।

তবে দেড় লাখ টাকা বা দেড় হাজার ডলারের বেশি রেমিট্যান্স প্রেরণকারীকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করতে হয়। আগে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে রেমিট্যান্সের কাগজপত্রাদি দাখিলের সময়সীমা ছিল। এটি বাড়িয়ে ১৫ কার্যদিবস করা হয়েছে।

 

জানা গেছে, দেড় লাখ টাকার বেশি রেমিট্যান্সের নগদ প্রণোদনা পাওয়ার জন্য রেমিট্যান্স প্রদানকারী ব্যাংকের শাখায় পাসপোর্টের কপি এবং বিদেশি নিয়োগদাতার দেয়া নিয়োগপত্রের কপি জমা দিতে হয়। রেমিট্যান্স প্রেরণকারী ব্যক্তি ব্যবসায় নিয়োজিত হলে ব্যবসার লাইসেন্সের কাগজপত্র জমা দিতে হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছরে (২০১৮-১৯) দেশে রেমিট্যান্স আহরণে রেকর্ড হয়। ওই অর্থবছরে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ১ হাজার ৬৪২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠান, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আহরণ।



রেমিট্যান্সের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, এর আগে গত চার বছরের মধ্যে দেশে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল। এ সময় রেমিট্যান্স আসে এক হাজার ৫৩১ কোটি ৬৯ লাখ মার্কিন ডলার। এরপর ২০১৫-১৬ অর্থবছরে আসে এক হাজার ৪৯৩ কোটি ১১ লাখ মার্কিন ডলার, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর পরিমাণ ছিল এক হাজার ২৭৬ কোটি ৯৪ লাখ মার্কিন ডলার। আর ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এক হাজার ৪৯৮ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠান প্রবাসীরা, যা তার আগের অর্থবছরের চেয়ে ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি।

এডিবির নতুন প্রেসিডেন্ট জাপানের আসাকাওয়া
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) নতুন প্রেসিডেন্ট হলেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের বিশেষ উপদেষ্টা মাসসাতুগু আসাকাওয়া (৬১)। আজ সোমবার (২ ডিসেম্বর) বোর্ড অব গভর্নরদের সর্বসম্মতিক্রমে এডিবির দশম প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হলেন তিনি।

এডিবির নবম ও বর্তমান প্রেসিডেন্ট টেকহিকো নাকাও ২০১৩ সাল থেকে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তিনিও একজন জাপানি। আগামী ১৬ জানুয়ারি তিনি এডিবির অফিস ত্যাগ করবেন। ১৭ জানুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণ করবেন নতুন প্রেসিডেন্ট মাসসাতুগু আসাকাওয়া।

এডিবির গভর্নর বোর্ডের সভাপতি হংক নাম-কি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক অর্থনীতি ও উন্নয়নে আসাকাওয়ার বিস্তৃত ও বৈচিত্র্যপূর্ণ অভিজ্ঞতা এডিবির যে লক্ষ্য, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সমৃদ্ধ, অন্তর্ভুক্তি, স্থিতিস্থাপকতা ও টেকসই উন্নয়ন, তা অর্জনে ভূমিকা রাখবে।’

কর্মজীবনের প্রায় চার দশক জাপানের অর্থ মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন আসাকাওয়া। ২০১২ থেকে ২০১৫ সালে টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের এবং সাইতামা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০০৬ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত অধ্যাপনা করেন তিনি।

আসাকাওয়া টোকিং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮১ সালে ব্যাচেলর ডিগ্রি এবং প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৫ সালে এমপিএ ডিগ্রি লাভ করেন।

১৮টি প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে স্বর্ণ আমদানির লাইসেন্স
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক

বৈধ পথে স্বর্ণ আমদানি করতে একটি ব্যাংকসহ ১৮ প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স দিচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। দুই বছরের জন্য এ লাইসেন্স দেয়া হবে। এসময়ে প্রতিষ্ঠানগুলোর আমদানি কার্যক্রম সন্তোষজনক হলে পরবর্তীতে লাইসেন্স নবায়ন করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে অবৈধ পথে স্বর্ণ আমদানি ঠেকাতে নীতিমালা করে সরকার। সেই নীতিমালা বাস্তবায়নে চলতি বছরের ১৯ মার্চ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্বর্ণের ডিলার নিয়োগের আবেদন করার সুযোগ দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এসময়ে মাত্র ৪৭টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করে। এর মধ্য থেকে যাচাই-বাছাই করে চতুর্থ প্রজন্মের মধুমতি ব্যাংকসহ ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড, আমিন জুয়েলার্স, ভেনাস জুয়েলার্স ও শারমিন জুয়েলার্সসহ ১৮ প্রতিষ্ঠানকে স্বর্ণ আমদানির অনুমোদন দেয়া হয়।

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ রোববার (১ ডিসেম্বর) বিকেল মনোনীত প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিদের লাইসেন্স হস্তান্তর করবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, ৪৭টি প্রতিষ্ঠান স্বর্ণ আমদানির অনুমতির জন্য আবেদন করেছিল। যাচাই-বাছাই করে প্রথমে ১৮টি প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স দেয়া হচ্ছে। পরবর্তীতে প্রয়োজন হলে আরও লাইসেন্স দেয়া হবে।

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের স্বর্ণ আমদানির লাইসেন্সে পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিলীপ কুমার আগারওয়ালা জানান, কেন্দ্রীয় ব্যাংক আমাদের ডিলারশিপ দেবে বলে চিঠি দিয়েছে। আজ রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা আসবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দেশে ছোট-বড় সবমিলিয়ে এক লাখ ২৮ হাজার স্বর্ণ ব্যবসায়ী আছে। এর মধ্যে বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যভু্ক্ত ব্যবসায়ী ৩২ হাজার। দেশে বছরে গড়ে ২০-৪০ টন স্বর্ণের চাহিদা রয়েছে। এতদিন কোনো নীতিমালা না থাকায় ৯০ শতাংশ অবৈধ পন্থায় এসব স্বর্ণ আসত।


এর ফলে বৈধ পথে দেশে স্বর্ণ না আসায় একদিকে যেমন সরকার রাজস্ব হারায়, অপরদিকে পাচার হয়ে যায় দেশের কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সরকার স্বর্ণ আমদানি উন্মুক্ত করার জন্য স্বর্ণ নীতিমালার ওপর একটি গেজেট প্রকাশ করে। গত বছর ২৯ অক্টোবর এ নীতিমালা জারি করার পর কীভাবে স্বর্ণ আমদানি করা হবে, কারা আমদানি করবে-এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার দায়িত্ব বাংলাদেশ ব্যাংকের ওপর দেয়া হয়।

জানা গেছে, স্বর্ণ আমদানির নীতিমালা অনুযায়ী প্রতি ভরি স্বর্ণ আমদানিতে সরকারকে দুই হাজার টাকা শুল্ক দিতে হবে। তবে এ শুল্কের পরিমাণ কমিয়ে এক হাজার টাকা করার দাবি জানিয়েছে স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা।

ব্যাংকারদের সঙ্গে বৈঠকে অর্থমন্ত্রী
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক   

 

ঋণের সুদহার এক অঙ্কে (সিঙ্গল ডিজিট) নামিয়ে আনতে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকের চেয়ারম্যান এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের (এমডি) নিয়ে বৈঠকে বসেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

 

রোববার (১ ডিসেম্বর) পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে বেলা ১১টায় এ বৈঠক শুরু হয়।

 

 

 

জানা গেছে, ব্যাংক মালিকরা ঋণের সুদহার এক অঙ্কে (সিঙ্গল ডিজিট) নামিয়ে আনতে গত বছরের আগস্টে প্রধানমন্ত্রীকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এ প্রতিশ্রুতির বিনিময়ে ব্যাংক মালিকরা সরকারের কাছ থেকে একের পর এক সুবিধা নিয়েছেন। কিন্তু ঋণের সিঙ্গেল ডিজিট বা এক অঙ্কের সুদহার বাস্তবায়ন অধরাই রয়ে গেছে।

 

গত ১৬ মাসে প্রধানমন্ত্রীকে দেয়া এ প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছে সরকারি-বেসরকারি মিলে মাত্র ১১টি ব্যাংক। এখনও বেসরকারি খাতের ৩৭ ব্যাংকের ঋণের সুদহার ১২-২০ শতাংশের ঘরে। এ অবস্থায় ব্যাংক খাতে ঋণের সিঙ্গেল ডিজিট সুদহার বাস্তবায়ন হচ্ছে না কেন তা ক্ষতিয়ে দেখতেই এ বৈঠকে বসেছেন অর্থমন্ত্রী।

 

বৈঠকের পর সাংবাদিকদের অর্থমন্ত্রী ব্রিফ করবেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা গাজী তৌহিদুল ইসলাম।

 

এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে দেয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সুদের হার কমার বদলে উল্টো বেড়েই চলছে। এতে নতুন শিল্প স্থাপন ও চলমান শিল্প সম্প্রসারণে অনেকেই আগ্রহ হারাচ্ছেন। ঋণের সিঙ্গেল ডিজিট বা এক অঙ্কের সুদহার কীভাবে বাস্তবায়ন করা যায় সেটাই এ বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয়। এছাড়া খেলাপি ঋণ কীভাবে কমানো যায় সেটিও আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

 

 

সূত্র জানায়, ঋণের সুদহার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ব্যাংক মালিকরা সরকারি আমানতের ৫০ শতাংশ বেসরকারি ব্যাংকে রাখা, বাণিজ্যিক ব্যাংক কর্তৃক কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সংরক্ষিত নগদ জমা বা সিআরআর সংরক্ষণের হার কমানো এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে স্বল্পমেয়াদি ধারের নীতিনির্ধারণী ব্যবস্থা রেপোর সুদহার কমিয়ে নিয়েছে।

 

 

 

এসব সুবিধা দেয়ার লক্ষ্যই ছিল সুলভ বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিতের মাধ্যমে বিনিয়োগ উৎসাহিত করা। নানা সুবিধা পাওয়ার পর ব্যাংকের উদ্যোক্তারা গত বছরের জুনে সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ সুদে ঋণ বিতরণের ঘোষণা দেন এবং একই বছরের ১ জুলাই থেকে এটি কার্যকর হওয়ার কথা জানান। কিন্তু গত ১৬ মাসে বেসরকারি ৪১ ব্যাংকের মধ্যে মাত্র তিনটি ব্যাংক এক অঙ্কের ঋণের সুদহার কার্যকর করেছে। গত বছরই সরকারি খাতের আটটি ব্যাংক ঋণের সুদহার এক অঙ্কে নামিয়ে আনে।

 

এদিকে সর্বশেষ গত ৫ নভেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবারও ব্যাংক ঋণের সুদহার এক অঙ্কের ঘরে নামিয়ে আনার নির্দেশ দেন।

২০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের নতুন ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশে
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক   

 

লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, অটোমোবাইল, অবকাঠামো, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও পর্যটনসহ কয়েকটি সম্ভাবনাময় খাতে বাংলাদেশে প্রায় দুই হাজার ৮০০ কোটি ডলার (২০.৮ বিলিয়ন ডলার) বিনিয়োগের নতুন ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে।

 

কনফেডারেশন অব এশিয়া প্যাসিফিক চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (সিএসিসিআই) আওতাধীন ২৮টি দেশের সম্মেলন শেষে এমনটাই প্রত্যাশা করছেন ব্যবসায়ীরা।

 

 

বৃহস্পতিবার রাজধানীর সোনারগাঁ হোটেলে বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশন (এফবিসিসিআই) ও সিএসিসিআইয়ের যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। সম্মেলনে সিএসিসিআই আওতাধীন বাংলাদেশসহ ২৮টি দেশের উদ্যোক্তা ব্যবসায়ীরা সম্ভাবনাময় বিভিন্ন খাত নিয়ে বিটুবি (বিজনেস টু বিজনেস) আলোচনা করেন।

 

সংবাদ সম্মেলনে ঢাকায় বুধবার (২৭ নভেম্বর) ও বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী ৩৩তম সিএসিসিআই সম্মেলনের অর্জনের বিষয়ে তুলে ধরেন এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম ও সিএসিসিআই সভাপতি সামির মোদি।

 

এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, সিএসিসিআই সম্মেলনে দুটি সমঝোতা হয়েছে। এর মধ্যে রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী দেশের ব্যবসায়িক চেম্বার ও এফবিআইয়ের মেম্বাররা সবাই ই-চেম্বারের গ্লোবাল প্ল্যাটফর্মে সংযুক্ত হবে। এতে করে আমাদের প্রত্যন্ত এলাকার চেম্বার ও মেম্বারদের উৎপাদিত পণ্য বিটুবি প্ল্যাটফর্মে বিশ্ব বাজারে তুলে ধরতে পারবেন।

 

তিনি আর বলেন, আরেকটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে ইন্টারন্যাশনাল কলেজ অব এডাভান্স ইডুকেশন অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে। তারা এফবিসিসিআইয়ের সঙ্গে ট্রেনিং মডিউল শেয়ার করবে। ফলে আমাদের উদ্যোক্তাদের কর্ম সক্ষমতা বাড়বে।

 

 

ফজলে ফহিম জানান, সিএসিসিআই নেটওয়ার্কের ভেতরে আমরা ২০.৮ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগের ক্ষেত্র পেয়েছি। এই বিনিয়োগ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ হবে। সিএসিসিআই অর্থনৈতিক অঞ্চলের ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। সেখানে সিএসিসিআই আওতাধীন দেশগুলো বিনিয়োগ করতে পারবে। নতুন বিনিয়োগে খাতগুলোর মধ্যে ইনফাস্ট্রেকচার, হসপিটালিটি, মোটরবাইকের বাই পার্টস লিংকেজসহ অন্যান্য ইন্ড্রাস্ট্রি রয়েছে।

 

সামির মোদি জানান, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অগ্রগতি বেশ আশাব্যঞ্জক। বিদেশি বিনিয়োগের জন্য দেশটি প্রস্তুত। তাই বাংলাদেশে আগের তুলনায় বেশি বিনিয়োগের আগ্রহী বলে জানান সিএসিসিআইয়ের সভাপতি।

মুদ্রার বিনিময় হার : ২৫ নভেম্বর ২০১৯
                                  


নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশের এক কোটিরও বেশি মানুষ পাড়ি জমিয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। প্রবাসীদের পাঠানো কষ্টার্জিত অর্থে সচল রয়েছে দেশের অর্থনীতির চাকা। বিদেশে পাড়ি জমানো এই প্রবাসীদের লেনদেনের সুবিধার্থে ২৫ নভেম্বর ২০১৯ মুদ্রার বিনিময় হার তুলে ধরা হলো-

মুদ্রা

ক্রয় (টাকা)

বিক্রয় (টাকা)

ইউএস ডলার

৮৩.৮৫

৮৪.৮৫

পাউন্ড

১০৬.৭০

১১১.২৪

ইউরো

৯১.৩৯

৯৬.০২

জাপানি ইয়েন

০.৭৭

০.৮২

অস্ট্রেলিয়ান ডলার

৫৬.৯৮

৫৮.৬৭

হংকং ডলার

১০.৭১

১০.৮৪

সিঙ্গাপুর ডলার

৬১.৪৬

৬৩.৩২

কানাডিয়ান ডলার

৬৩.০৬

৬৩.৮২

ইন্ডিয়ান রুপি

১.১৪

১.১৮

সৌদি রিয়েল

২২.৩১

২২.৬৩

মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত

২০.০৩

২০.৩২

এসআই/জেডএ/পিআর


   Page 1 of 13
     অর্থ-বাণিজ্য
স্বর্ণের ভরি ছাড়াল ৬০ হাজার
.............................................................................................
আইপিও বন্ধ থাকায় দেশের পুঁজিবাজার অর্থ সংগ্রহে ধস
.............................................................................................
১৭ মার্চ আসছে ২০০ টাকার নোট
.............................................................................................
বেড়েই চলছে খেলাপি ঋণ
.............................................................................................
খেলাপি ঋণ সংকটের মধ্যেও বাড়ছে ব্যাংকের সম্পদ
.............................................................................................
আরচারি থেকে স্বর্ণের সুবাতাস আসছেই
.............................................................................................
পাঁচ মাসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে রেমিট্যান্স ৪৫০ কোটি ডলার
.............................................................................................
ব্যাংকাররা সুবিধা নিল কিন্তু সুদহার কমাল না : বাণিজ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
উল্টো পথে সুদহার: মুদ্রাবাজার পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত
.............................................................................................
বেসরকারি খাতের ঋণে নিম্নগতি
.............................................................................................
দুই কারণে বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ছে
.............................................................................................
এডিবির নতুন প্রেসিডেন্ট জাপানের আসাকাওয়া
.............................................................................................
১৮টি প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে স্বর্ণ আমদানির লাইসেন্স
.............................................................................................
ব্যাংকারদের সঙ্গে বৈঠকে অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
২০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের নতুন ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশে
.............................................................................................
মুদ্রার বিনিময় হার : ২৫ নভেম্বর ২০১৯
.............................................................................................
সুপারিতে উজ্জ্বল গ্রামীণ অর্থনীতি, সম্ভাব্য আয় ৩৫০ কোটি টাকা
.............................................................................................
সাধারণ বীমার সম্পদের ৬০% পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ
.............................................................................................
আমানতকারীদের অর্থ ফেরতে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ
.............................................................................................
আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ডের লেনদেনে নজরদারি
.............................................................................................
আয়কর মেলায় উপচেপড়া ভিড়
.............................................................................................
শিল্পখাতে সিআইপি হচ্ছেন ৪৮ উদ্যোক্তা
.............................................................................................
বিমান বহরে যুক্ত হচ্ছে আরও দুই ড্রিমলাইনার
.............................................................................................
সংশোধিত বাজেটে পিকেএসএফ পাচ্ছে ২৫০ কোটি টাকা
.............................................................................................
ঊর্ধ্বমুখী বাজারে বাড়ল মূল্য আয় অনুপাত
.............................................................................................
পিপলস লিজিং অবসায়ন চান না আমানতকারীরা
.............................................................................................
ট্যাক্স কার্ড পাচ্ছেন পাঁচ সাংবাদিক
.............................................................................................
সর্বোচ্চ কর দিয়ে ট্যাক্স কার্ড পাচ্ছেন মাশরাফি সাকিব তামিম
.............................................................................................
ট্যাক্স কার্ড পাচ্ছেন তাহসান, এস ডি রুবেল ও মমতাজ
.............................................................................................
সুইস ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগে আগ্রহী করে তুলেছে বাংলাদেশ : রাষ্ট্রদূত
.............................................................................................
সেরা ১৪১ করদাতা ট্যাক্স কার্ড পাচ্ছেন
.............................................................................................
ব্যবসায়ীদের দোষে তৈরি পোশাক খাতে নেতিবাচক প্রভাব: টিপু মুনশি
.............................................................................................
এক হিসাবেই সব মোবাইল ব্যাংকিংয়ে লেনদেন
.............................................................................................
এটিএম বুথে জাল ও ছেঁড়া নোটে ভোগান্তি
.............................................................................................
ব্যাংকের সংকট বাড়ছে
.............................................................................................
দুর্দিনে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক
.............................................................................................
তৈরি পোশাক শিল্পে ঘাড়ে ভিয়েতনামের নিশ্বাস
.............................................................................................
মোবাইল ব্যাংকিংয়ে গ্রাহক সাড়ে ৭ কোটি ছাড়িয়েছে
.............................................................................................
রাজধানীতে বেড়েছে শীতকালীন সবজির সরবরাহ
.............................................................................................
বাজারে পেঁয়াজের ঘাটতি নেই শিগগির মূল্য স্বাভাবিক হয়ে আসবে
.............................................................................................
৪৫ টাকায় পেঁয়াজ মিলবে ঢাকার ৩৫ পয়েন্টে
.............................................................................................
কমেছে পেঁয়াজের দাম
.............................................................................................
শেয়ার বিক্রি করবে এনসিসি ব্যাংকের উদ্যোক্তা
.............................................................................................
কৃষি পদক পেল প্রাণ
.............................................................................................
পেঁয়াজের ঝাঁজ বেড়েছে
.............................................................................................
হিলিতে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে
.............................................................................................
স্বর্ণের দাম কমল
.............................................................................................
হিলিতে আমদানিকৃত পেঁয়াজের দাম বেড়েছে
.............................................................................................
সেপ্টেম্বরে ঢাকায় টেক্সটাইল গার্মেন্টস শিল্প প্রদর্শনী
.............................................................................................
স্বর্ণের নতুন দাম আজ থেকে কার্যকর
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]