| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * ভুতুড়ে বিলের ঘটনায় ডিপিডিসির ৫ জন বরখাস্ত   * এবার রাশিয়ার শহর নিজের বলে দাবি চীনের!   * আরো ৩২৮৮ জনের করোনা শনাক্ত   * দেশে করোনায় ঝরল আরো ২৯ প্রাণ   * ট্রাম্পের পরিবারে ঢুকে গেছে করোনা, ছেলের প্রেমিকা আক্রান্ত   * বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসে পাঁচ লাখ ২৬ হাজার ৪১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে   * পরীক্ষা ছাড়াই একাদশের শিক্ষার্থীরা দ্বাদশে   * শনিবার থেকে ওয়ারীর ৪১নং ওয়ার্ড লকডাউন   * সাহারা খাতুনকে থাইল্যান্ড নেওয়া হচ্ছে সোমবার   * দেশে করোনায় নতুন ৩১১৪ জন শনাক্ত  

   অর্থ-বাণিজ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
বিকাশ অ্যাকাউন্ট নেই এমন নম্বরেও টাকা পাঠানো যাবে

গ্রাহকদের সুবিধার্থে বিকাশ অ্যাকাউন্ট নেই, এমন নম্বরেও টাকা পাঠানোর সেবা চালু করেছে দেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশ।

বিকাশ গ্রাহক অ্যাপ অথবা *২৪৭# ব্যবহার করে যেকোনো নম্বরে টাকা পাঠাতে পারবেন। যে নম্বরে টাকা পাঠানো হবে সেই গ্রাহক টাকা পাওয়ার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বিকাশ অ্যাকাউন্ট খুলে টাকা ক্যাশআউট করাসহ অন্যান্য সব সেবা ব্যবহার করতে পারবেন। কোনো কারণে টাকাগ্রহীতা যদি ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অ্যাকাউন্ট খুলতে না পারেন, তাহলে পাঠানো টাকা আবার প্রেরকের বিকাশ অ্যাকাউন্টে তিন কার্যদিবসের মধ্যে ফেরত চলে যাবে।

নতুন এই সেবা চালু উপলক্ষে ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ক্যাশব্যাক দিচ্ছে বিকাশ। বিকাশ অ্যাকাউন্ট নেই, এমন নম্বরে সেন্ডমানি সফল হলে প্রেরক বিকাশ গ্রাহক পেয়ে যাবেন ১৫ টাকা ক্যাশব্যাক।

বিকাশ অ্যাকাউন্ট নেই এমন নম্বরেও টাকা পাঠানো যাবে
                                  

গ্রাহকদের সুবিধার্থে বিকাশ অ্যাকাউন্ট নেই, এমন নম্বরেও টাকা পাঠানোর সেবা চালু করেছে দেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশ।

বিকাশ গ্রাহক অ্যাপ অথবা *২৪৭# ব্যবহার করে যেকোনো নম্বরে টাকা পাঠাতে পারবেন। যে নম্বরে টাকা পাঠানো হবে সেই গ্রাহক টাকা পাওয়ার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বিকাশ অ্যাকাউন্ট খুলে টাকা ক্যাশআউট করাসহ অন্যান্য সব সেবা ব্যবহার করতে পারবেন। কোনো কারণে টাকাগ্রহীতা যদি ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অ্যাকাউন্ট খুলতে না পারেন, তাহলে পাঠানো টাকা আবার প্রেরকের বিকাশ অ্যাকাউন্টে তিন কার্যদিবসের মধ্যে ফেরত চলে যাবে।

নতুন এই সেবা চালু উপলক্ষে ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ক্যাশব্যাক দিচ্ছে বিকাশ। বিকাশ অ্যাকাউন্ট নেই, এমন নম্বরে সেন্ডমানি সফল হলে প্রেরক বিকাশ গ্রাহক পেয়ে যাবেন ১৫ টাকা ক্যাশব্যাক।

শেয়ারবাজারে প্রায় ৮৮ হাজার কোটি টাকা হারিয়েছে বিনিয়োগকারীরা
                                  

শেয়ারবাজারে ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রায় ৮৮ হাজার কোটি টাকা হারিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০১৯-২০ অর্থবছরে শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরুর আগে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন ছিল তিন লাখ ৯৯ হাজার ৮১৬ কোটি টাকা। অর্থবছর শেষে তা নেমে এসেছে তিন লাখ ১১ হাজার ৯৬৭ কোটি টাকায়। অর্থাৎ বাজারে মূলধন কমেছে ৮৭ হাজার ৮৪৯ কোটি টাকা।

বাজার মূলধন কমার অর্থ তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার ও ইউনিটের দাম ওই পরিমাণ কমেছে। সে হিসাবে ২০১৯-২০ অর্থবছরে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে ৮৭ হাজার ৮৪৯ কোটি টাকা। অর্থাৎ এ পরিমাণ অর্থ হারিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।

পতনের কবলে দিনের পর দিন পুঁজিহারা বিনিয়োগকারীরা মতিঝিলের রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন। এমনকি দেশের শেয়ারবাজারের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রতীকী গণঅনশনও করেছেন তারা ২০১৯-২০ অর্থবছরে। শেয়ারবাজারকে পতনের হাত থেকে রক্ষা করতে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নিলেও বাজার পরিস্থিতি ভালো হয়নি। বরং অর্থবছরের শেষ প্রান্তিকে করোনার কারণে পতন আরও বেড়েছে।

কাঁচামরিচ ২০০ টাকা!
                                  

বাগেরহাটের শরণখোলায় এক সপ্তাহর ব্যবধানে ৬০ টাকা থেকে লাফিয়ে ২০০ টাকায় উঠে গেছে কাঁচামরিচের দাম। উপজেলার গ্রামাঞ্চলের হাট-বাজারে আরো বেশি দামে বিক্রির খবর পাওয়া গেছে। অন্যান্য তরিতরকারির দামও বেড়েছে কেজিতে ১৫-২০ টাকা।

মঙ্গলবার সকালে উপজেলা সদর রায়েন্দা বাজার, পাঁচরাস্তা বাদল চত্বর ও রাজৈর খেয়াঘাট কঁচাবাজার ঘুরে দামের এমন তারতম্য দেখা গেছে। গত সপ্তাহের ৫০ টাকার করলা এখন ৭০ টাকা, কাঁকরোল ৪০ টাকা থেকে ৬০ টাকা, পটোল ৩০ টাকা থেকে ৫০ টাকা, ধুন্দল ৩৫ টাকা থেকে ৫০ টাকা, আলু ২০ টাকা থেকে ৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

হঠাৎ দাম বাড়ার কারণ জানতে চাইলে কাঁচামাল ব্যবসায়ী মো. বাদল, শহিদুল খান, বাবুল হাওলাদা জানান, আগে স্থানীয় এবং পার্শ্ববর্তী মঠবাড়িয়া উপজেলার বড়মাছুয়া ও মাঝের চরের চাষিদের উৎপাদিত কাঁচামরিচসহ বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি পাইকারি কিনে বিক্রি করা হতো। বন্যা ও অতিবৃষ্টির কারণে ক্ষেতে পানি জমে তা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় এখন ওই সব এলাকা থেকে কাঁচামাল আসছে না। যার ফলে খুলনা থেকে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে এসব পণ্য। এ কারণে বিক্রিও করতে হচ্ছে বেশি দামে।

স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী নজরুল ইসলাম আকন জানান, তরিতরকারির দাম বেড়ে নিম্ন আয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। তিনি মঙ্গলবার সকালে রায়েন্দা কাঁচাবাজার থেকে ১০০ গ্রাম কাঁচামরিচ ২০ টাকায়, এক কেজি কাঁকরোল ৬০ টাকায়, ধুন্দল ৬০ টাকায়, করলা ৭০ টাকায় কিনেছেন। হঠাৎ করে দাম বৃদ্ধিতে তিনি অবাক হয়েছেন।

শরণখোলার কাাঁচামালের পাইকারি ব্যবসায়ী মো. বাচ্চু হাওলাদার বলেন, খুলনার মোকামেও সব মালের দাম বৃদ্ধি। এক সপ্তাহ আগে যে দামে কুচরা ব্যবসায়ীদের বিক্রি করেছি সেই দামে এখন পাইকারি কিনতে হচ্ছে। যে কারণে খুচরা বাজারে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

চালের বাজার অস্থিতিশীল করলে সরকার কঠোর অবস্থানে যাবে: খাদ্যমন্ত্রী
                                  

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, এই করোনাকালীন  যদি অপচেষ্টার মাধ্যমে চালের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়, তাহলে সরকার কঠোর অবস্থানে যাবে। প্রয়োজনে সরকারিভাবেই চাল আমদানি করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আজ শনিবার সকাল ১১টায় নওগাঁ জেলার পোরশা উপজেলা কৃষি ও বন বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত গাছের চারা এবং সবজির বীজসহ অন্যান্য উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে মিন্টো রোডের মন্ত্রীর সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, দেশের এক ইঞ্চি জমিও যেন পতিত পড়ে না থাকে। প্রতি ইঞ্চি জমি যেন চাষাবাদ করা হয়। সেই আলোকেই এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গাছের চারা ও সবজির বীজসহ অন্যান্য উপকরণ বিতরণ করা হয়। স্বাস্থ্যবিধি মেনে গাছের চারা, সবজির বীজ ও অন্যান্য উপকরণ কৃষকরা গ্রহণ করেন।

মন্ত্রী বলেন, একটি গাছ নিধন করা আর একজন মানুষ হত্যা করা প্রায় সমান, যেহেতু গাছের মাধ্যমে আমরা অক্সিজেন গ্রহণ করি। কোনো গাছ যেন কাটা না হয় সেদিকে লক্ষ রাখার জন্য তিনি স্থানীয় প্রশাসনসহ উপস্থিত সবাইকে নির্দেশ দেন।

চালকল মালিকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, এই করোনাকালীন মানবতার সেবায় এগিয়ে আসুন। আপনারা সরকারের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ চাল সরকারি গুদামে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমা  দেবেন। এখন ভরা মৌসুম, এই সময়ে চালের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার কোনো কারণ নেই।

সাবধান করে দিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, চালের বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করবেন না। ইতিমধ্যেই সরকার চাল আমদানি করার চিন্তাভাবনা শুরু করেছে। এই করোনাকালীন অপচেষ্টার মাধ্যমে যদি চালের মূল্য বাড়ানো হয়, তাহলে সরকারিভাবেই চাল আমদানি করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

চালকল মালিকদের চালের বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং সরকারি গুদামে চাল দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বাজার অস্থিতিশীল হলে সরকার কঠোর অবস্থানে যাবে।

অনুষ্ঠানে পোরশা উপজেলা কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, পোরশা উপজেলা বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ স্থানীয় কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।

সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থ কমেছে
                                  

সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থের পরিমাণ কিছুটা কমেছে। ২০১৯ সালে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থের পরিমাণ ২ দশমিক ২৬ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৬০ কোটি ৩০ লাখ ফ্রাঁ, বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৫ হাজার ৪২৭ কোটি টাকা।

বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক (এসএনবি) `ব্যাংকস ইন সুইজারল্যান্ড–২০১৯` শীর্ষক বার্ষিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

এসএনবির তথ্যমতে, ২০১৮ সালে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থ ছিল প্রায় ৫ হাজার ৫৫৩ কোটি টাকা এবং ২০১৭ সালে ছিল ৪ হাজার ৩২৯ কোটি টাকা। তবে এর মধ্যে কতটা বৈধভাবে জমা এবং কতটা অবৈধ তা উল্লেখ নেই।

মূলত বাংলাদেশ থেকে অবৈধ উপায়ে পাচার হওয়া অর্থ যেমন সুইস ব্যাংকে জমা হয়, তেমনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী বাংলাদেশিরাও সেখানে অর্থ জমা রাখেন। ফলে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে থাকা বাংলাদেশিদের মোট অর্থের মধ্যে বৈধ–অবৈধ সবই রয়েছে।

সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের মোট অর্থের পরিমাণ কমলেও দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে এখনও দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জমা তাদেরই। প্রথম স্থানে ভারত, এর পরেই রয়েছে পাকিস্তান, নেপাল ও শ্রীলঙ্কা।

২০১৯ সালে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকে ভারতীয় নাগরিকদের জমা অর্থের পরিমাণ প্রায় অর্ধেকে নেমে গেছে। পকিস্তানিদের জমা অর্থের পরিমাণও পাঁচ বছরে কমেছে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। তবে এক বছরে বাংলাদেশিদের সম্পদ কমেছে মাত্র ১২৬ কোটি টাকা।

বিশ্লেষকরা বলছেন, সুইজারল্যান্ডে অর্থ সংক্রান্ত গোপনীয়তা কিছুটা কমে যাওয়ায় অনেকেই এখন অবৈধ টাকা রাখতে লুক্সেমবার্গ, কেম্যান আইল্যান্ড, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ড, পানামা কিংবা বারমুডার মতো দেশগুলোর দিকে ঝুঁকছেন।

৫ সমুদ্র বন্দরের মালিক হচ্ছে বাংলাদেশ
                                  

স্বাধীনতার আগে থেকেই বাংলাদেশে সমুদ্র বন্দরের সংখ্যা ছিল মাত্র দুইটি। চট্টগ্রাম এবং মংলা। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে নির্মাণাধীন রয়েছে আরো তিনটি সমুদ্রবন্দর। সময় সংবাদের পাঠকদের জন্য আজ তুলে ধরা হলো বাংলাদেশের বর্তমান ও নির্মাণাধীন সমুদ্রবন্দরগুলোর বিস্তারিত তথ্য।

১. চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর:

১৮৮৭ সালে চালু হওয়া বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম। বাংলাদেশের আমদানি রপ্তানির ৯০% এই বন্দর ব্যবহার করেই হয়ে থাকে। বিশ্বের সব থেকে ব্যস্ততম বন্দরের তালিকাগুলো লয়েডস প্রতি বছর প্রকাশ করে। ২০১৯ সালে এই বন্দরটিকে বিশ্বের ৬৪তম ব্যস্ত বন্দরের স্বীকৃতি দিয়েছে তারা। ৯.৫ মিটার ড্রাফটের ছোট জাহাজ ভিড়তে পারে এই বন্দরে। ১০ হাজার টনের বেশি জাহাজ ভিড়ানোর ক্ষমতা নেই বন্দরটির। এজন্য মাদার ভেসেল এখানে ভিড়তে পারে না। স্বাধীনতার এত বছর পার হলেও কিছু গ্যানট্রি ক্রেন ছাড়া আহামরি কোন উন্নয়ন হয়নি এই বন্দরে। বন্দরটি বর্ধিত টার্মিনাল করবার স্থান ও নেই। তবে সম্প্রতি চট্টগ্রাম বন্দরের এক্সটেনশন হিসাবে বে টার্মিনাল নির্মাণ করা হচ্ছে।

সমুদ্রের মোহনায় জেগে উঠা চরে প্রায় ১২০০ একরের বেশি জমিতে বে টার্মিনাল নির্মাণের কাজ চলছে। এতে খরচ হবে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা। এখানে বন্দর চ্যানেলের গভীরতা এমন হবে যাতে প্রায় ১৩ মিটার গভীরতার জাহাজ ভিড়তে পারে। ফলে বড় মাদার ভেসেল গুলি ভিড়তে আর অসুবিধা হবে না। ৫০০০ কন্টেইনার বাহী জাহাজ সহজেই ভিড়তে পারবে। সেই সাথে আনলোড করার সময় কমে হবে ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টা। গতি আসবে বন্দরের কার্যক্রমে। এখানে মোট তিনটি টার্মিনাল নির্মাণ করা হবে। ১৫০০ মিটার বা ১.৫ কিমি এর মাল্টিপারপাস টার্মিনাল, ১২২৫ মিটারের কন্টেইনার টার্মিনাল ১, এবং ৮৩০ মিটারের কন্টেইনার টার্মিনাল-২।

২. মংলা সমুদ্র বন্দর:

পাটকেন্দ্রিক গড়ে উঠা শত শত শিল্প প্রতিষ্ঠান ছিল খুলনায়। মংলা ছিল জমজমাট একটি বন্দর। কিন্তু কালক্রমে পাটকলসহ অন্যান্য শিল্প প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাবার কারণে মংলা বন্দর তার গুরুত্ব হারিয়েছে। বন্দর চ্যানেলে বেশ কিছু জাহাজ ডুবে যাওয়া এবং গভীরতা কমে যাবার ফলে এখন মংলায় ৭.৫ মিটারে বেশি ড্রাফটের কোন জাহাজ ভিড়তে পারেনা। এক প্রকার অচল বলা চলে এই বন্দর। এই বন্দরের করুণ অবস্থার জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা। পদ্মার উপর কোন সেতু না থাকায় এই বন্দর এক প্রকার রাজধানী হতে বিচ্ছিন্ন। তবে পদ্মা সেতুর কাজ শেষ হলে এবং সরাসরি রেল সংযোগ নিয়ে চলমান প্রকল্প শেষ হলে এই বন্দর কিছুটা হলেও তার গুরুত্ব ফিরে পাবে। মংলা বন্দরকে আধুনিকায়ন করার অংশ হিসাবেই রেল সংযোগ প্রকল্প এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের সব থেকে বড় রেলসেতু রূপসা রেলসেতুর নির্মাণ কাজ অনেক এগিয়েছে। সেই সাথে ভবিষ্যতে এই বন্দর ব্যবহার করবে নেপাল, ভারত। তখন এই বন্দরের চাহিদা বৃদ্ধি পাবে।



৩. পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর:

পটুয়াখালীর পায়রা নদীর মোহনায় রাবনাবাদ চ্যানেলে পায়রা বন্দরের অবস্থান। একটি দ্বীপে বন্দর করবার থেকে মূল ভূখণ্ডের সাথে বন্দর করলে বন্দরকেন্দ্রিক অন্যান্য স্থাপনা করবার সুযোগ অনেক বেশি। সেই হিসাবে পায়রা বন্দর একটি অনন্য পদক্ষেপ। ব্রিটিশ ফার্ম এইচ আর ওয়ালিংটন এন্ড কনসোর্টিয়াম এর মূল্যায়ন অনুসারে বাংলাদেশে ১৪.৫ মিটার ড্রাফটের একটি সমুদ্র বন্দর করা খুব জরুরি। অবস্থান বিবেচনায় সাতক্ষীরা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত সমুদ্র উপকূল থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সমুদ্র উপকূলের এই জেলাগুলির অবদান সামান্য বলা চলে। অর্থাৎ সমুদ্রের সম্ভাবনা হিসাবে বাংলাদেশের মোট জিডিপির অর্ধেক অন্তত এই জেলাগুলি থেকে আসার কথা থাকলেও অবকাঠামোগত অপ্রতুলতার জন্য সমুদ্রের সুবিধাকে আমরা কাজে লাগাতে পারিনি। যেহেতু দক্ষিণাঞ্চলের ঠিক মাঝ বরাবর পায়রা বন্দরের অবস্থান সেক্ষেত্রে বন্দরকে ঘিরে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন শক্তি সঞ্চার হবে সেটা সহজেই বোঝা যায়।

পায়রা বন্দরের প্রাথমিক, মধ্যম এবং চূড়ান্ত পর্বে এটি বাংলাদেশের সর্ব বৃহৎ বন্দর হয়ে উঠবে। প্রকল্পটি প্রায় ৭ হাজার একর জমির উপর। পায়রা বন্দরের প্রবেশ চ্যানেলে নদীর প্রশস্ততা প্রায় ৪ কিমি। আর বন্দর থেকে সমুদ্রের দিকে টানা ১১ কিমি দীর্ঘ টার্মিনাল করা হবে। বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দর টার্মিনালে মাত্র ১৫০০ কন্টেইনার রাখবার মত ব্যবস্থা আছে। পায়রার ক্ষেত্রে টার্মিনালে প্রায় ৭৫০০০ কন্টেইনার রাখা যাবে। ১ লক্ষ বর্গ ফিটের ওয়ারহাউজের কাজ প্রাথমিক ভাবেই শেষ করা হবে। গভীরতার বিচারে পায়রা বন্দরে প্রায় ১৪ মিটার ড্রাফটের জাহাজ ভেড়ানোর ব্যবস্থা থাকবে। যেখানে চট্টগ্রাম বন্দরে সর্বোচ্চ ৯.৫ মিটার ড্রাফটের জাহাজ ভিড়তে পারে। আর ১২ মিটারের বেশি ড্রাফট থাকলে সেটাকে গভীর সমুদ্র বন্দর বলা যায়।

উল্লেখ্য পাকিস্তানের গোয়াধর বন্দরের গভীরতাও ১৪ মিটার। ড্রেজিং করে সেটাকে ১৮ মিটার করা হবে। পায়রাকেও সেরকম গভীরতায় চাইলেই নেয়া সম্ভব হবে। মূল ভূখণ্ডের সাথে সংযুক্ত হবার জন্য এটিকে ঘিরে বিশাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন করা সম্ভব হবে। বন্দরের মোট প্রকল্পকে ১৯ টি ভাগে ভাগ করে কাজ এগিয়ে নেয়া হচ্ছে। সেক্ষেত্রে প্রায় ১২ থেকে ১৮ বিলিয়ন ডলারের মত বিনিয়োগ হবে। সেই সাথে বিদ্যুৎ উৎপাদন হাব করা হচ্ছে। থাকছে এলএনজি টার্মিনাল।

এই বন্দরের চাহিদার প্রধান গ্রাহক হবে বন্দর ঘিরে গড়ে তোলা বিদ্যুৎ হাব এবং ১০,০০০ একরের অর্থনৈতিক অঞ্চল। সেই সাথে জাহাজ নির্মাণের জন্য আলাদা অঞ্চল সৃষ্টি করা হচ্ছে। পদ্মা সেতু চালু হলে এবং ঢাকা থেকে পায়রা পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ শেষ হলে সহজেই স্বল্প সময়ে পণ্য ঢাকাসহ সারাদেশে পৌঁছানো সম্ভব হবে। সরাসরি সড়ক যোগাযোগের জন্য লেবুখালিতে পায়রা নদীর উপর সেতুর নির্মাণ কাজ চলছে যেটি কয়েক বছরের ভেতরেই ঢাকার সাথে পায়রার সরাসরি সংযোগ ঘটাবে। পিছিয়ে পড়া দক্ষিণাঞ্চলের জিডিপি বৃদ্ধিতে এই বন্দর বড় রকমের ভূমিকা রাখবে। ইতোমধ্যে পায়রাকে ঘিরে গড়ে উঠা কয়লা ভিত্তিক দেশের সব থেকে বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের নির্মাণ শেষ হয়েছে।

৪. মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর:

বাংলাদেশের সব থেকে গভীরতম সমুদ্রবন্দর হচ্ছে মাতারবাড়ি সমুদ্রবন্দর। মহেশখালী দ্বীপের আয়তন প্রায় ১৪ বর্গকিলোমিটার। সেই সাথে মাতারবাড়ি চ্যানেলের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৪.৫ কিমি। ভাটার সময় গভীরতা থাকে প্রায় ১৪ মিটার। আর জোয়ারের সময় প্রাকৃতিক ভাবেই গভীরতা হয় প্রায় ১৮.৫ মিটার। যদি ড্রেজিং করা হয় তবে গভীরতাকে আরো বাড়ানো সম্ভব।

মাতারবাড়ি এর লোকেশন নির্ধারণ এবং কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ-কেন্দ্র নির্মাণ আর এসবের নিমিত্তে বন্দর করবার কাজ পেয়েছে জাপান। শুরু থেকেই প্রকল্পটি নিয়ে খুব বেশি ঝামেলা পোহাতে হয়নি। খরচ ছিল ৩৬ হাজার কোটি টাকা যার ভেতর জাপান অর্থায়ন করবে ২৯ হাজার কোটি টাকা। আপাতত প্রায় ৪৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ তৈরি করা হবে। কয়লা নামানোর জন্য বন্দর সুবিধা এই প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত।

মাতারবাড়ি বন্দরের কাজ শেষ হলে এই দ্বীপে ২৪০০০ একরের বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহৎ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিশাল বিনিয়োগ আসবে। ইতোমধ্যে চীন সেখানে ৩ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ করার জন্য আগ্রহ দেখিয়েছে। জাপান তাদের বিশাল বিনিয়োগ এখানে আনছে। এই বন্দরকে কক্সবাজারের সাথে যুক্ত করার জন্য রেল ও সড়ক সংযোগ ঘটানো হবে। অর্থনৈতিক অঞ্চলের শিল্প কারখানা এবং দেশের সবথেকে বড় বিদ্যুৎ হাবের জন্য কয়লা বহন এই বন্দরের প্রধান কাজ হবে। এছাড়া এলএনজি এবং অন্যান্য কার্গো বহনেও ব্যাবহার হবে এই বন্দর।

৫. মিরসরাই ইকোনমিক জোন সংলগ্ন প্রথম বেসরকারি সমুদ্রবন্দর:

জাপানের জেডিয়াই, সজিত কর্পোরেশন এবং আমাদের দেশের এনার্জিপ্যাক জোটবদ্ধ হয়ে প্রায় ২.৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করে উপমহাদেশের সব থেকে বড় ইকোনমিক জোন মিরসরাই সংলগ্ন একটি সমুদ্রবন্দর নির্মাণ করবে। জাইকা এখানে ২ বিলিয়ন ডলার অর্থায়ন করার জন্য রাজি হয়েছে। আইএফসি অর্থায়ন করবে ১০০ মিলিয়ন ডলার।

সারাবিশ্বে মিরসরাই ইকোনমিক জোনের মত এত আকর্ষণীয় ইকোনমিক জোন খুব কম আছে। ইকোনমিক জোন করার প্রকল্প নেয়ার পর এটি এখন কর্মমুখর একটি অঞ্চলে পরিণত হয়েছে। ৩০ হাজার একরের উপর উপমহাদেশের সব থেকে বড় ইকোনমিক জোনের সাথেই মিশে আছে সমুদ্র। এই ইকোনমিক জোনের চাহিদা বিবেচনায় আরো ১৩,০০০ একর জমি যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। সেটি হলে অর্থনৈতিক অঞ্চলের আয়তন হবে ৪৩,০০০ একর। ঢাকা চট্টগ্রাম হাইওয়ে এখান থেকে মাত্র ১৮ কিমি দূরে। বিমান বন্দর খুব কাছেই। সেই সাথে চট্টগ্রাম বন্দর ও খুব কাছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের উপর এই বিশাল অঞ্চলে গড়ে উঠা শিল্প প্রতিষ্ঠানের চাপ যেন না পড়ে সে কারণেই সজিত কর্পোরেশন এখানে একটি সমুদ্র বন্দর করবে যেটার কাজ মূলত শুধু এখানে বিনিয়োগ করা বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য পণ্য আমদানি এবং রপ্তানি করা। এর অর্থ দাঁড়ায় এই ইকোনমিক জোনের নিজস্ব একটি ডেডিকেটেড সমুদ্রবন্দর থাকবে। ৪০০০০ টনের মাদার ভেসেল ভিড়তে পারবে এখানে। যদিও বন্দরের আকার ছোট হবে তবুও এত বিশাল বিশাল জাহাজ ভিড়তে পারার সুবিধাযুক্ত ইকোনমিক জোন বিশ্বের কয়টি দেশে আছে?

একই কাজ কিন্তু মাতারবাড়িতেও হচ্ছে। ২৪০০০ একর অর্থনৈতিক অঞ্চলের সাথেই যুক্ত মাতারবাড়ি বন্দর। ভবিষ্যৎ বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে নতুন করে চেনাতে এই দুটি বন্দর এবং অর্থনৈতিক অঞ্চল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না।

৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কিস্তি বা ঋণকে খেলাপি দেখানো যাবে না
                                  

করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়েছে। এর ফলে অর্থনীতির অধিকাংশ খাতই ক্ষতিগ্রস্ত এবং এর নেতিবাচক প্রভাব দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা করছে সরকার। তাই এনজিও বা ক্ষুদ্র ঋণ প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়ে যেসব ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ব্যবসা করছেন আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাদের কাউকে নতুন করে ঋণ খেলাপি না করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে সনদপ্রাপ্ত সব ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট পাঠিয়েছে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ)। এর আগে এমআরএ গত ২২ মার্চ প্রজ্ঞাপন জারি করে ৩০ জুন পর্যন্ত কাউকে ঋণ খেলাপি না করার নির্দেশ দিয়েছিল। নতুন প্রজ্ঞাপনে সেটি আরও তিন মাস বাড়ানো হলো।

নতুন প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, `বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কনোনাভাইরাসের নেতিবাচক প্রভাব ও ক্ষুদ্রঋণ গ্রাহকদের স্বাভাবিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে গত ২২ মার্চ প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ঋণ শ্রেণিকরণের বিষয়ে এ মর্মে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছিল যে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি ঋণের শ্রেণিমান যা ছিল, আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত উক্ত ঋণ তদাপেক্ষা বিরূপমাণে শ্রেণিকরণ করা যাবে না। অর্থাৎ এ সময়ে ঋণের কিস্তি পরিশোধ না করলেও কাউকে ঋণ খেলাপি ঘোষণা করা যাবে না। তবে কোনো ঋণের শ্রেণিমানের উন্নতি হলে তা বিদ্যমান নিয়মানুযায়ী শ্রেণিকরণ করা যাবে।`

`কিন্তু করোনার কারণে অর্থনীতির অধিকাংশ খাতই ক্ষতিগ্রস্ত এবং এর নেতিবাচক প্রভাব দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়ায় শিল্প, সেবা ও ব্যবসা খাত তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছে না। বর্ণিত বিষয়াবলি বিবেচনায় এবং ক্ষুদ্র ঋণগ্রহীতাদের ব্যবসা-বাণিজ্য তথা স্বাভাবিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর করোনার নেতিবাচক প্রভাব সহনীয় মাত্রায় রাখার লক্ষ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে যে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি ঋণের শ্রেণিমান যা ছিল আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উক্ত ঋণ তদাপেক্ষা বিরুপমানে শ্রেণিকরণ করা যাবে না।`

`অর্থাৎ করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ঋণগ্রহীতাদের আর্থিক অক্ষমতার কারণে ক্ষুদ্রঋণের কিস্তি অপরিশোধিত থাকলেও তাদের আর্থিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রাপ্য কোনো কিস্তি বা ঋণকে বকেয়া বা খেলাপি দেখানো যাবে না। তবে কোনো ঋণের শ্রেণিমানের উন্নতি হলে তা বিদ্যমান নিয়মানুযায়ী শ্রেণিকরণ করা যাবে।`

এতে আরও বলা হয়, `এই সংকট সময়ে ক্ষুদ্র ঋণ প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ঋণ গ্রহীতাদের কিস্তি পরিশোধে বাধ্য করা যাবে না। তবে কোনো আগ্রহী সক্ষম গ্রাহক ঋণের কিস্তি পরিশোধে ইচ্ছুক হলে সে ক্ষেত্রে কিস্তি গ্রহণে কোনো বাধা থাকবে না।`

`এ ছাড়া গ্রামীণ ক্ষুদ্র অর্থনীতির চাকা সচল রাখার স্বার্থে অথরিটি কর্তৃক ইতোপূর্বে জারি সার্কুলারের প্রদত্ত নির্দেশনা অনুযায়ী ঋণ বিতরণ, সঞ্চয় উত্তোলন/ফেরত, জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ, রেমিট্যান্স সেবা ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতনভাতা প্রদানসহ বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য অধিদফতর কর্তৃক ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।`

`মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি আইন, ২০০৬ এর ধারা ৯ (চ) ও ধারা ৪৮ এ প্রদত্ত ক্ষমতা বলে এ নির্দেশনা জারি করা হলো। এই নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে,`- বলা হয় প্রজ্ঞাপনে।

চীনে ৫১৬১ পণ্যের শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা পেল বাংলাদেশ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : চীনে আরও ৫ হাজার ১৬১টি পণ্যের শুল্কমুক্ত রপ্তানির সুবিধা পেয়েছে বাংলাদেশ। এর মাধ্যমে দেশটিতে মোট শুল্কমুক্ত পণ্যের সংখ্যা দাঁড়াল ৮ হাজার ২৫৬টি। চীনের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের ৯৭ শতাংশই শুল্কমুক্ত সুবিধার আওতায় এলো।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বৃহস্পতিবার রাতে গণমাধ্যমকে জানান, বাংলাদেশ যে ইকোনমিক ডিপ্লোমেসি বা অর্থনৈতিক কূটনীতি চালু করেছে, এটা তারই বড় অর্জন। এই সিদ্ধান্তের ফলে চীনের বাজারে বাংলাদেশের ৯৭ শতাংশ পণই শুল্ক মুক্ত সুবিধা পাবে। এটাকে শত ভাগ শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধাও বলা যায়। কারণ বাংলাদেশ থেকে যত ধরনের পণ্য চীনে রপ্তানি হয় তার মধ্যে মাত্র ৩টি বাদে সবই বিনা শুল্কে দেশটির বাজারে ঢুকতে পারবে।

এলডিসি কান্ট্রি হিসাবে বাণিজ্যের ওই প্রাধিকারটি পেতে দীর্ঘ দিন ধরে ঢাকা-বেইজিং আলোচনা চলছিল। ১৬ জুন সুবিধাটি দিতে সম্মত হয় শি জিন পিংয়ের নেতৃত্বাধীন সরকার। আগামী ১ জুলাই থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।
জানা যায়, বাংলাদেশ সরকার তথা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক কূটনীতির অংশ হিসাবে এমন সুবিধার অনুরোধ করে চীন সরকারকে চিঠি দেয়া হয়। এ অনুরোধের প্রেক্ষিতে চীনের স্টেটকাউন্সিলের ট্যারিফ কমিশন সম্প্রতি এ সুবিধা প্রদান করে নোটিশ জারি করে। বাংলাদেশ আগে থেকে চীনে ‍Asia Pacific Trade Agreement (APTA) এর আওতায় ৩০৯৫ পণ্যের শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা ভোগ করে আসছে।

লকডাউনের খবরে দাম বাড়ল চাল-ডালের
                                  

অনলাইন ডেস্ক : দেশে মহামারি করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়া রোধের পাশাপাশি অর্থনীতির চাকা সচলে দেশকে তিনটি রংয়ে- রেড, ইয়োলো ও গ্রিন জোনে ভাগ করছে সরকার। রোববার (১৪ জুন) ঢাকার ৪৫ এলাকাকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এরইমধ্যে জোনভিত্তিক লকডাউন বাস্তবায়নে কাজ শুরু হয়েছে। এমন খবরে একদিনের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারগুলোতে চাল, আলু, ব্রয়লার মুরগিসহ সাতটি নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে।

বাজারগুলোতে গিয়ে দেখা যায়, গত দুই দিনে সব থেকে বেশি বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম। চলতি সপ্তাহে একাধিক দফায় দাম বেড়ে ব্রয়লার মুরগির কেজি আবার ১৭০ টাকায় উঠেছে, যা গত শুক্রবারও ছিল ১৪০ টাকার মধ্যে।

কেনাকাটা বাড়ায় দাম বেড়েছে সব ধরনের চালের। মোটা চালের দাম বেড়ে কেজি ৩৮ থেকে ৪৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে, যা দুদিন আগে ছিল ৩৪ থেকে ৩৬ টাকার মধ্যে। ৪০ থেকে ৪২ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া মাঝারি মানের চালের দাম বেড়ে হয়েছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। চিকন চালের দাম বেড়ে কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৬ থেকে ৬২ টাকা, যা আগে ছিল ৫৪ থেকে ৫৮ টাকার মধ্যে।

দুদিন আগে ২৬ থেকে ২৮ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া আলুর দাম বেড়ে ৩০ টাকা হয়েছে। দেশি রসুনের দাম বেড়ে কেজি আবার ১০০ টাকা ছাড়িয়েছে। কয়েক দফা দাম কমে গত সপ্তাহে দেশি রসুনের কেজি ৮০ থেকে ৯০ টাকা হয়েছিল। এখন তা আবার বেড়ে ১১০ থেকে ১২০ টাকা হয়েছে। রসুনের সঙ্গে দাম বেড়েছে দেশি পেঁয়াজের। ৪০ টাকা থেকে দেশি পেঁয়াজের দাম বেড়ে এখন ৪৫ থেকে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

হঠাৎ চালের দাম বাড়ার বিষয়ে খিলগাঁও তালতলার চাল ব্যবসায়ী জানে আলম ভূঁইয়া বলেন, নতুন চাল আসায় কিছু চালের দাম কম ছিল। তবে কয়েকদিন ধরে চাল বিক্রি বেড়েছে। এ কারণেই হয়তো দাম একটু বেশি।

ব্রয়লার মুরগির দাম বাড়ার বিষয়ে রামপুরার এক ব্যবসায়ী বলেন, ঈদের পর কয়েক দফা ব্রয়লার মুরগি দাম কমে। তবে গত সপ্তাহে ব্রয়লার মুরগির দাম কিছুটা বেড়ে যায়। এখন আবার লকডাউন হবে এমন গুঞ্জন শুনছি। এতে দুদিন ধরে বিক্রি একটু বেড়েছে। সেই সঙ্গে বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম।

হাজীপাড়ার ব্যবসায়ী মো. জাহাঙ্গীর বলেন, কয়েক দিন ধরে শুনছি ঢাকার বিভিন্ন অঞ্চল আবার লকডাউন হবে। এ কারণেই হয়তো মানুষ বাড়তি কেনাকটা করছে। এর আগে করোনাভাইরাসের শুরুর দিকেও এমন বাড়তি কেনাকাটা শুরু হয়েছিল। ফলে সবকিছুর দাম বেড়ে গিয়েছিল।

আমদানি মোবাইলের ন্যূনতম মূল্য নির্ধারণের প্রস্তাব
                                  

অনলাইন ডেস্ক : ২০২০-২০২১ অর্থবছরের জন্য ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এতে যথাযথ রাজস্ব আহরণের স্বার্থে আমদানি পর্যায়ে মোবাইল ফোনের মূল্য নির্ধারণের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তৃতায় স্থানীয় মোবাইল সংযোজন খাতে ৫ শতাংশ রেয়াতি হারের মূসক একবছর বাড়ানোরও প্রস্তাব করেন।

তিনি বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে মোবাইল টেলিফোন সেট উৎপাদনের উপর মূসক অব্যাহতি এবং সংযোজন খাতে ৫ শতাংশ হারে মূসক বিদ্যমান রয়েছে। উক্ত অব্যাহতির মেয়াদ ৩০ জুন শেষ হবে। দ্রুত বর্ধনশীল এ খাতের সম্প্রসারণের লক্ষ্যে উক্ত সুবিধা আরও এক বছর বৃদ্ধির প্রস্তাব করছি।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, অইসিটি খাতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অনুসঙ্গ সেলুলার ফোন উৎপাদন ও সংযোজন। এ শিল্পে রেয়াতি সুবিধা প্রদানের কারণে স্থানীয় পর্যায়ে বেশ কয়েকটি সেলুলার ফোন উৎপাদন ও সংযোজনকারী শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। সেলুলার ফোন উৎপাদন উৎসাহিত করা ও সংযোজন শিল্প প্রসারে উক্ত শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে বিদ্যমান রেয়াতি সুবিধা আরও বিনিয়োগ বান্ধব ও যৌক্তিকীকরণ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

এছাড়া, এ শিল্পের প্রতিরক্ষণ এবং আমদানি পর্যায়ে সঠিক মূল্য নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে যথাযথ রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যে সেলুলার ফোনের ন্যূনতম মূল্য নির্ধারণের প্রস্তাব করছি।

বর্তমানে দেশে আটটটি প্রতিষ্ঠান মোবাইল ফোন উৎপাদন ও সংযোজন করছে।

মোবাইল হ্যান্ডসেট আমদানিকারকদের সংগঠন বাংলাদশে মোবাইল ফোন ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমপিআইএ) তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে (বছরে) ১০ হাজার কোটি টাকার হ্যান্ডসেট মার্কেট রয়েছে।

টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থার হিসাবে, চলতি বছর জানুয়ারি নাগাদ দেশে নয়টি মোবাইল ফোন কারখানা স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং এর মধ্যে প্রায় সব কারখানা উৎপাদন ও সংযোজন শুরু করেছে।

ফোনের ন্যুনতম মূল্য নির্ধারণের প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে বিএমপিআইএ যুগ্ম সম্পাদক মো. মেজবাহ উদ্দিন সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, মানসম্মত হ্যান্ডসেট বিক্রিতে এটি দরকার ছিল। আমাদের জানামতে, হ্যান্ডসেটের ন্যূনতম মূল্য সাড়ে ৪ ইঞ্চি পর্যন্ত ৩০ ডলার এবং এর উপরে ৪০ ডলারের মতো প্রস্তাব রয়েছে।

তবে বিশ্ববাজারের দাম বৃদ্ধি বা হ্রাসের সঙ্গে সঙ্গে সমন্বয় করা হলে ব্যবসায়ীদের সমস্যা থাকবে না বলে তিনি মনে করেন।

মেজবাহ বলেন, স্মার্টফোন ও ফিচার ফোনে আমদানি শুল্ক বৃদ্ধি না হওয়াতে করোনাকালীন সময়ে সুবিধা হবে। হ্যান্ডসেট আমদানিতে প্রায় ৬০ শতাংশ আমদানি শুল্ক দিতে হয়।

ব্যাংকে টাকা রাখতে আবগারি শুল্ক বাড়বে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : আগামী ব্যাংক অ্যাকাউন্টে যতো বেশি টাকা থাকবে ততো বেশি আবগারি শুল্ক দিতে হবে। অ্যাকাউন্টে বছরের যে কোনো সময়ে ১০ লাখ থেকে ১ কোটি টাকা থাকলে ৩ হাজার টাকা আবগারি শুল্ক হিসেবে কেটে নেয়া হবে। এতদিন নেয়া হতো আড়াই হাজার টাকা।

একইভাবে ১ কোটি থেকে ৫ কোটি টাকা থাকলে ১২ হাজার টাকার পরিবর্তে ১৫ হাজার টাকা কেটে নেয়া হবে। আর ৫ কোটির বেশি টাকা থাকলে ৪০ হাজার টাকা আবগারি শুল্ক আদায় করা হয়েছে, এতো দিন ২৫ হাজার টাকা আদায় করা হতো। তবে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ব্যাংক হিসাবের আবগারি শুল্ক আগের মতো রাখা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাস মহামারীর ভয়াবহ পরিস্থিতিতে এবারের বা অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের প্রত্যাশায় আগামী অর্থবছরের জন্য ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

বৃহস্পতিবার বিকাল সোয়া ৩টার দিকে এ বাজেট ঘোষণা করা হয়। এটি দেশের ৪৯তম এবং অর্থমন্ত্রী হিসেবে মুস্তফা কামালের দ্বিতীয় বাজেট উপস্থাপন।

দাম কমবে যেসব পণ্যের
                                  

অনলাইন ডেস্ক : ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এবারের বাজেটের আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকাল ৩টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হওয়ার পর অর্থমন্ত্রী বাজেট বক্তব্য শুরু করেন। এ বাজেট বক্তব্যের মধ্য দিয়ে আসন্ন ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট পেশ সম্পন্ন হবে।

এবারের বাজেটে যেসব পণ্যের দাম কমবে:

মাস্ক, হ্যান্ডগ্লাবস, ওষুধ, স্বর্ণ, চিনি, হস্তচালিত কৃষি যন্ত্রপাতি, পল্ট্রি, ডেইরি, মৎসশিল্পে ব্যবহৃত উপকরণ, ডিটারজেন্ট, ইলেক্ট্রিকাল সিগনাল যন্ত্রপাতি, আইসিইউ যন্ত্রপাতি।

বাজেট পেশের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী সংসদ কক্ষে উপস্থিত ছিলেন। তবে শারীরিকভাবে অসুস্থ বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ অধিবেশনে যোগ দেননি। তবে সিডিউল অনুযায়ী যোগ দেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদে বিরোধী দলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদের।

এর আগে প্রস্তাবিত বাজেটে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এ বাজেট অনুমোদনের জন্য দুপুরে জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বিশেষ মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে আগামী বাজেটের অনুমোদন দেয়া হয়।

করোনার নাজুক পরিস্থিতিতে অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের প্রত্যাশায় আগামী অর্থবছরের জন্য বাজেট প্রস্তাব করছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এটি দেশের ৪৯তম এবং অর্থমন্ত্রী হিসেবে মুস্তফা কামালের দ্বিতীয় বাজেট উপস্থাপন।

দাম বাড়বে যেসব পণ্যের
                                  

অনলাইন ডেস্ক : ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এবারের বাজেটের আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকাল ৩টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হওয়ার পর অর্থমন্ত্রী বাজেট বক্তব্য শুরু করেন। এ বাজেট বক্তব্যের মধ্য দিয়ে আসন্ন ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট পেশ সম্পন্ন হবে।

এবারের বাজেটে যেসব পণ্যের দাম বাড়বে:

রঙ, অনলাইন খাবার, অনলাইন কেনাকাটা, বিদেশি টিভি, সিগারেট, সোডিয়াম সালফেট, আয়রন, স্টিল, স্ক্রু, আলোকসজ্জা সামগ্রী, কম্প্রেসার শিল্পে ব্যবহৃত উপকরণ, বার্নিশ বাইসাইকেল, আমদানি করা অ্যালকোহল, গাড়ি রেজিস্ট্রেশন খরচ, গাড়ি, শ্যাম্পু, জুস, ইন্টারনেট খরচ, আমদানি করা দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য, মোবাইল খরচ, চকলেট, বিদেশি মোটরসাইকেল, বডি স্প্রে।

বাজেট পেশের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী সংসদ কক্ষে উপস্থিত ছিলেন। তবে শারীরিকভাবে অসুস্থ বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ অধিবেশনে যোগ দেননি। তবে সিডিউল অনুযায়ী যোগ দেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদে বিরোধী দলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদের।

এর আগে প্রস্তাবিত বাজেটে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এ বাজেট অনুমোদনের জন্য দুপুরে জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বিশেষ মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে আগামী বাজেটের অনুমোদন দেয়া হয়।

করোনার নাজুক পরিস্থিতিতে অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের প্রত্যাশায় আগামী অর্থবছরের জন্য বাজেট প্রস্তাব করছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এটি দেশের ৪৯তম এবং অর্থমন্ত্রী হিসেবে মুস্তফা কামালের দ্বিতীয় বাজেট উপস্থাপন।

মোবাইল ফোনে কথা বলার খরচ বাড়ছে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : মোবাইল সেবার ওপর আরেক দফা কর বাড়িয়েছে সরকার। এই দফার বাজেটে সম্পূরক শুল্ক ৫ শতাংশ বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে, যা গত বছরও একই হারে বাড়ানো হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকাল ৩টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হওয়ার পর অর্থমন্ত্রী ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করেন। এবারের বাজেটের আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা।

বাজেটে মোবাইল খরচে নতুন করে এই কর বাড়ানো হয়। বাজেটের কর প্রস্তাব ঘোষণার পরপরই কার্যকর হয়। ফলে বাড়তি কর টেলিযোগাযোগ কোম্পানি নিজেরা বহন না করলে গ্রাহকদের ওপরই পড়বে।

নতুন করহারে মোবাইল সেবার ওপর মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট) ১৫ শতাংশ, সম্পূরক শুল্ক ১৫ শতাংশ ও সারচার্জ ১ শতাংশ। ফলে মোট করভার দাঁড়িয়েছে ৩৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ।

অতএব, প্রতি ১০০ টাকা রিচার্জে সরকারের কাছে কর হিসেবে যাবে ২৫ টাকার মত। এতদিন যা ছিল ২২ টাকার মতো।

বাজেটে সর্বাধিক গুরুত্ব পাচ্ছে স্বাস্থ্যখাত
                                  

অনলাইন ডেস্ক : অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জাতীয় সংসদে ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে উপস্থাপন করবেন। এটি হবে দেশের ৪৯তম এবং অর্থমন্ত্রী হিসেবে মুস্তফা কামালের দ্বিতীয় বাজেট উপস্থাপন।

প্রাণঘাতী কোভিড-১৯ মহামারির পরিপ্রেক্ষিতে এবারের বাজেট গতানুগতিক হচ্ছে না। বরং সরকারের অতীতের অর্জন ও উদ্ভূত পরিস্থিতির সমন্বয়ে প্রস্তুত করা হয়েছে।

`অর্থনৈতিক উত্তরণ ও ভবিষ্যত পথ পরিক্রমা` শিরোনামের এ বাজেটে সঙ্গত কারণে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে স্বাস্থ্যখাত। পাশাপাশি কৃষি, খাদ্য উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা এবং নতুন কর্মসংস্থান তৈরির প্রতি দেয়া হচ্ছে অগ্রাধিকার।

অর্থ মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এসব অগ্রাধিকার খাতের পাশাপাশি বাজেটে ক্ষতিগ্রস্ত শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্য পুনরুদ্ধারে বিভিন্ন প্রস্তাব থাকবে। ২০০৯ সাল থেকে একাধিক্রমে তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের এটি হচ্ছে দ্বিতীয় বাজেট।

করোনা সৃষ্ট পরিস্থিতিতে এবারের বাজেট অধিবেশনে মিডিয়া কাভারেজের জন্য সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার থাকছে না। এমতাবস্থায় সাংবাদিকদের বাজেট ডকুমেন্টস সংসদ ভবনের বাইরে পশ্চিম পার্শ্ববর্তী মিডিয়া সেন্টার থেকে ৩টা ১৫ মিনিটে বিতরণ করা হবে।

বাজেটকে অধিকতর অংশগ্রহণমূলক করার লক্ষ্যে অর্থ বিভাগের ওয়েবসাইট www.mof.gov.bd এ বাজেটের সব তথ্যাদি ও গুরুত্বপূর্ণ দলিল যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান পাঠ ও ডাউনলোড করতে পারবে এবং দেশ-বিদেশ থেকে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফিডব্যাক ফরম পূরণ করে বাজেট সম্পর্কে মতামত ও সুপারিশ পাঠানো যাবে।

অর্থ মন্ত্রণালয় বলছে, এভাবে প্রাপ্ত মতামত ও সুপারিশ বিবেচনায় নেয়া হবে। জাতীয় সংসদ কর্তৃক বাজেট অনুমোদনের সময়ে ও পরে বিবেচিত প্রস্তাব কার্যকর করা হবে।
এছাড়া বাজেটকে ব্যাপকভিত্তিক অংশগ্রহণমূলক করতে সরকারের কয়েকটি ওয়েবসাইট লিংক ব্রাউজ করে বাজেট সংক্রান্ত তথ্যাদি পাওয়ার ব্যবস্থা থাকছে।

সূত্র: বাসস।

বিকেলে বসছে বাজেট অধিবেশন
                                  

অনলাইন ডেস্ক : একাদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন আজ শুরু হচ্ছে।

সংসদে বাজেট পেশের ইতিহাসে এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিস্থিতিতে বর্তমান জাতীয় সংসদের এ অষ্টম অধিবেশন শুরু হচ্ছে। বুধবার বিকেল ৫টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ অধিবেশন শুরু হবে।
করোনা মহামারির বর্তমান পরিস্থিতিতে সংসদ সচিবালয় থেকে এবার সম্পূর্ণ নতুনভাবে এমনকি অনেক ক্ষেত্রে বিধি নিষেধ ও কড়াকড়ি আরোপ করে বাজেট অধিবেশন পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এর মধ্যে গণমাধ্যমকর্মীদের সংসদে না গিয়ে সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশন থেকে বাজেট অধবেশনের সংবাদ সংগ্রহ করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য ঝুঁকির বিবেচনায় বাজেট উত্থাপনের দিন বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গকে বাজেট প্রত্যক্ষ করার আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
করোনা পরিস্থিতির কারণে এবার বাজেট অধিবেশনে সংসদ সদস্যদের উপস্থিতিও সীমিত করা হয়েছে। ৩৫০ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে তালিকা করে ৮০ থেকে ৯০ জনকে অধিবেশনে যোগদানের জন্য বলা হবে। এরই মধ্যে তালিকা করে হুইপদের পক্ষ থেকে ওই সব সংসদ সদস্যকে বৈঠকে যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। যারা একটু বয়স্ক সংসদ সদস্য তাদের সংসদে আসতে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।

অধিবেশন পরিচালনার জন্য সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আসাও সীমিত করা হয়েছে। শুধুমাত্র যাদের প্রয়োজন হবে তারাই আসবেন। আর যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী করোনা পজিটিভ তাদের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে।
করোনা সংক্রমণ রোধে সংসদে আসন বিন্যাসেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। সেক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর আশপাশের বেশ কয়েকটি আসন ফাঁকা রাখা হবে।
একইভাবে অন্যদের আসনও ফাঁকা রেখে বিন্যাস করা হবে। সংসদে যোগদানকারী সংসদ সদস্যদের অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন করতে হবে। প্রত্যেকের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। এছাড়া টানেলের ভিতর স্থাপন করা জীবাণুমক্তকরণ চেম্বারের ভেতর দিয়ে সব সংসদ সদস্য ও সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারীদের প্রবেশ করতে হবে।

এছাড়া করোনা পরিস্থিতির কারণে এবার বাজেট অধিবেশন খুবই সংক্ষিপ্ত করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। জানা গেছে ১২ কার্যদিবস চলবে এবারের অধিবেশন। এরইমধ্যে বাজেট অধিবেশন নিয়ে সংসদ সচিবালয় একটি সূচি তৈরি করা হয়েছে।
আজ বুধবার সংসদের অধিবেশন শুরুর পরদিন কাল ১১ জুন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বিকেল ৩টায় ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের বাজেট উত্থাপন করবেন। এবারের বাজেটের আকার হতে পারে ৫ লাখ ৬০ হাজায় কোটি টাকারও বেশি। বাজেট পেশের পর ১২ ও ১৩ জুন সাপ্তাহিক ছুটি অধিবেশনের মুলতবি থাকবে। ১৪ ও ১৫ জুন ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের সম্পূরক বাজেটের ওপর আলোচনা এবং সম্পূরক বাজেট পাস করা হতে পারে।

এর পরদিন ১৬ জুন প্রস্তাবিত (২০২০-২০২১ অর্থ বছরের) সাধারণ বাজেটের ওপর আলোচনা শুরু হবে। ২৯ জুন সোমবার বাজেটের ওপর সমাপনী আলোচনা হবে। এদিনই পাস হবে অর্থবিল। ৩০ জুন মূল বাজেট ও নির্দিষ্টকরণ বিল পাস করা হবে। ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, অধিবেশন শুরু ও বাজেট পেশের দিন ছাড়া প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টায় সংসদের বৈঠক শুরু করে একটানা দুপুর দেড়টা পর্যন্ত চালানোর কথা রয়েছে। সূত্র: বাসস


   Page 1 of 17
     অর্থ-বাণিজ্য
বিকাশ অ্যাকাউন্ট নেই এমন নম্বরেও টাকা পাঠানো যাবে
.............................................................................................
শেয়ারবাজারে প্রায় ৮৮ হাজার কোটি টাকা হারিয়েছে বিনিয়োগকারীরা
.............................................................................................
কাঁচামরিচ ২০০ টাকা!
.............................................................................................
চালের বাজার অস্থিতিশীল করলে সরকার কঠোর অবস্থানে যাবে: খাদ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থ কমেছে
.............................................................................................
৫ সমুদ্র বন্দরের মালিক হচ্ছে বাংলাদেশ
.............................................................................................
৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কিস্তি বা ঋণকে খেলাপি দেখানো যাবে না
.............................................................................................
চীনে ৫১৬১ পণ্যের শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা পেল বাংলাদেশ
.............................................................................................
লকডাউনের খবরে দাম বাড়ল চাল-ডালের
.............................................................................................
আমদানি মোবাইলের ন্যূনতম মূল্য নির্ধারণের প্রস্তাব
.............................................................................................
ব্যাংকে টাকা রাখতে আবগারি শুল্ক বাড়বে
.............................................................................................
দাম কমবে যেসব পণ্যের
.............................................................................................
দাম বাড়বে যেসব পণ্যের
.............................................................................................
মোবাইল ফোনে কথা বলার খরচ বাড়ছে
.............................................................................................
বাজেটে সর্বাধিক গুরুত্ব পাচ্ছে স্বাস্থ্যখাত
.............................................................................................
বিকেলে বসছে বাজেট অধিবেশন
.............................................................................................
আগামী ১১ জুন বা‌জেট অধি‌বেশন
.............................................................................................
জরিমানা ছাড়া আয়কর জমার মেয়াদ ২৯ জুন পর্যন্ত বাড়ল
.............................................................................................
ছয়দিন পর আজ থেকে ব্যাংক খোলা
.............................................................................................
করোনা সঙ্কট কাটাতে জামানতের ৫০% অর্থ ফেরত পাচ্ছে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো
.............................................................................................
৩০ মে পর্যন্ত স্টক এক্সচেঞ্জের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা
.............................................................................................
মসলার দাম কমলো ১০ থেকে ২৫ ভাগ
.............................................................................................
শনিবার থেকে ২৫ টাকা কেজিতে পেঁয়াজ বিক্রি করবে টিসিবি
.............................................................................................
১০ মে থেকে ব্যাংকে লেনদেন হবে আড়াইটা পর্যন্ত
.............................................................................................
শর্ত দিয়ে দোকানপাট ও শপিংমল খোলার অনুমতি
.............................................................................................
কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে ৬৬টি দেশের মধ্যে অর্থনৈতিকভাবে বাংলাদেশের অবস্থান ভাল : ইকোনমিস্ট
.............................................................................................
করোনায় দেশে ৭০ শতাংশ মানুষের আয় বন্ধ, দ্বিগুণ হবে দারিদ্র্যের হার
.............................................................................................
ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতে ১০ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিল
.............................................................................................
আদা-পেঁয়াজসহ ৭ নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে
.............................................................................................
রোববার থেকে ফের ব্যাংক লেনদেনের সময় কমল
.............................................................................................
সাধারণ ছুটিতে ৩ ঘণ্টা ব্যাংক লেনদেন
.............................................................................................
আতিঙ্কত হওয়ার কিছু নাই, পণ্যের যথেষ্ট মজুত আছে: বাণিজ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞায় রপ্তানিতে ধস
.............................................................................................
‘করোনার প্রভাবে’ প্রথম দিনেই শেয়ারবাজারে ধস
.............................................................................................
দাম কমেছে পেঁয়াজের
.............................................................................................
চীন থেকে আকাশ পথে আসছে পোশাক খাতের কাঁচামাল, বাড়ছে খরচ
.............................................................................................
আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
.............................................................................................
পাইকারি ও খুচরা বাজারে কমেছে সব ধরনের পেঁয়াজের দাম
.............................................................................................
শিঘ্রই পেঁয়াজ রফতানি করবে ভারত
.............................................................................................
সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত জরুরী: অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
দ্বিগুণ উৎপাদন সক্ষমতা সর্ম্পূন দেশের ইস্পাত খাত
.............................................................................................
সোনার দাম প্রতি ভরিতে ১১৬৬ টাকা বাড়ছে
.............................................................................................
মিয়ানমার থেকে পিয়াজ আমদানি অব্যাহত, একদিনেই ৯৯৫ মেট্রিক টন খালাস
.............................................................................................
ব্রোকারেজ হাউজগুলোকে ৭ শতাংশ সুদে ঋণ নেয়ার সুযোগ
.............................................................................................
প্রয়োজনে রপ্তানি হবে কাঁচা চামড়া, সরক‍ারের উদ্যোগ
.............................................................................................
বিদেশ ভ্রমণে ১০ হাজার ডলার, শর্ত প্রযোজ্য
.............................................................................................
বিশেষ তহবিলের খবরে শেয়ার সূচক চাঙ্গা
.............................................................................................
পেঁয়াজের কেজি ৫০ টাকায় নামবে: বাণিজ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
তিন রাষ্ট্রীয় ব্যাংককে পুঁজিবাজারে আনার উদ্যোগ
.............................................................................................
করোনায় বড় অঙ্কের ক্ষতির আশঙ্কা বাংলাদেশের পোশাক খাতেও
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD