| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * ঈদে রেলের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু ২৯ জুলাই   * সুন্দরবনে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ বনদস্যু বাহিনী প্রধানসহ নিহত ২   * ছেলেধরা ও গণপিটুনি বিষয়ে পুলিশের সব ইউনিটকে নির্দেশনা   * উত্তরাঞ্চলে পানি কিছুটা কমলেও নদীগুলোর পানি এখনও বিপদসীমার ওপর   * সৌদি পৌঁছেছেন ৭৫ হাজার ৫৯০ হজযাত্রী   * হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ থেকে প্রিয়া সাহা বহিষ্কার   * দুদক পরিচালক এনামুল বাছির গ্রেফতার   * চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ৮ বাড়িতে বন্য হাতির তাণ্ডব   * আদালতে মিন্নির দু`টি আবেদন নামঞ্জুর   * পেশায় ইমাম, জিন তাড়ানোর নামে করতেন নারী-শিশু ধর্ষণ  

   অর্থ-বাণিজ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
হিলিতে ঢুকছে ভারতীয় পেঁয়াজ, দাম প্রতিকেজি ২১ টাকা

অনলাইন ডেস্ক : কুরবানি ঈদকে সামনে রেখে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে বেড়েছে পেঁয়াজ আমদানি। কয়দিন আগেও এই বন্দর দিয়ে ২০ থেকে ২৫ ট্রাক পেঁয়াজ আমদানি হলেও গেলো কয়েকদিন থেকে আমদানি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ ট্রাক।

এদিকে, বন্দরে ক্রেতা সংকট থাকায় বিপাকে পড়েছে বন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক ব্যবসায়ীরা। হিলি স্থলবন্দরে প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রকারভেদে ২১ থেকে ২৩ টাকা দরে।

এদিকে হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক সাইফুল ইসলাম জানান, কুরবানি ঈদকে সামনে রেখে অনেক এলসি খোলা হয়েছে। এবং পাইপলাইনে পর্যাপ্ত পেঁয়াজ লোডিং করা হয়েছে। আশা করি ঈদের আগে বন্দরে পেঁয়াজের সংকট হবে না। তবে ভারতের বাজারে বেশি দামে কিনে বন্দরে কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে, এতে লোকসানে পড়তে হচ্ছে।

এদিকে বন্দরে কম দামে পেঁয়াজ কিনতে পেড়ে খুশি পাইকাররা। চলতি সপ্তাহের ২ কর্ম দিবস ৯৮ ট্রাকে ২ হাজার ৫শ’ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে এ বন্দর দিয়ে।

হিলিতে ঢুকছে ভারতীয় পেঁয়াজ, দাম প্রতিকেজি ২১ টাকা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : কুরবানি ঈদকে সামনে রেখে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে বেড়েছে পেঁয়াজ আমদানি। কয়দিন আগেও এই বন্দর দিয়ে ২০ থেকে ২৫ ট্রাক পেঁয়াজ আমদানি হলেও গেলো কয়েকদিন থেকে আমদানি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ ট্রাক।

এদিকে, বন্দরে ক্রেতা সংকট থাকায় বিপাকে পড়েছে বন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক ব্যবসায়ীরা। হিলি স্থলবন্দরে প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রকারভেদে ২১ থেকে ২৩ টাকা দরে।

এদিকে হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক সাইফুল ইসলাম জানান, কুরবানি ঈদকে সামনে রেখে অনেক এলসি খোলা হয়েছে। এবং পাইপলাইনে পর্যাপ্ত পেঁয়াজ লোডিং করা হয়েছে। আশা করি ঈদের আগে বন্দরে পেঁয়াজের সংকট হবে না। তবে ভারতের বাজারে বেশি দামে কিনে বন্দরে কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে, এতে লোকসানে পড়তে হচ্ছে।

এদিকে বন্দরে কম দামে পেঁয়াজ কিনতে পেড়ে খুশি পাইকাররা। চলতি সপ্তাহের ২ কর্ম দিবস ৯৮ ট্রাকে ২ হাজার ৫শ’ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে এ বন্দর দিয়ে।

ভারতীয় পেঁয়াজের দাম বেড়ে দ্বিগুণ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : এক সপ্তাহের ব্যবধানে হিলি স্থলবন্দরে ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম বেড়ে হয়েছে দ্বিগুণ। এর কারণ হিসেবে পেঁয়াজ রপ্তানিতে ভারত সরকারের দেয়া প্রণোদনা প্রত্যাহার ও উৎপাদন কম হওয়াকেই দায়ী করছেন আমদানিকারকরা। তবে, এই যুক্তি মানতে নারাজ পাইকাররা। তাদের দাবি আমদানি কমিয়ে বাড়ানো হয়েছে দাম।

চলতি বছরের শুরু থেকেই বৈরী আবহাওয়ার কারণে পেঁয়াজের উৎপাদন কমেছে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে। এই প্রেক্ষাপট বিবেচনায় অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে নিত্য দরকারি এই পণ্য রপ্তানিতে দেয়া ৫ শতাংশ নগদ প্রণোদনা প্রত্যাহার করে নেয় দেশটির সরকার। এতে বেড়ে যায় পেঁয়াজ আমদানি মূল্য। সেই সঙ্গে তীব্র গরমে আমদানি পথেই নষ্ট হচ্ছে অনেক পেঁয়াজ। এসব কারণেই ভারতীয় পেঁয়াজের দাম বেড়েছে বলে মনে করেন আমদানিকারকরা।

তাদের দেয়া তথ্য মতে, এক সপ্তাহ আগে যে মানের পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১০ থেকে ১২ টাকা কেজি দরে, সেই মানের পেঁয়াজের বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ২৪ থেকে ২৭ টাকায়।

হঠাৎ দাম বেড়ে যাওয়ায় হিলি স্থলবন্দরে নিত্য প্রয়োজনীয় মসলা জাতীয় এই পণ্য কিনতে এসে বিপাকে পড়ছেন ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পাইকাররা।

স্যানিটারি ন্যাপকিনের কাঁচামালের ওপর থেকে ভ্যাট প্রত্যাহার
                                  

এশিয়া বাণী নিউজ ডেস্ক : স্যানিটারি ন্যাপকিনের কাঁচামাল আমদানির ওপর থেকে আরোপিত মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ও সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে।

গত রোববার (৩০ জুন) অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে বলে সোমবার (১ জুলাই) জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এ বছর স্যানিটারি ন্যাপকিন-প্যাডে নতুন করে ভ্যাট আরোপ হচ্ছে না। আগের ১৫ শতাংশ ভ্যাটই বহাল থাকছে।

নতুন অর্থবছরের (২০১৯-২০) বাজেটে স্যানিটারি ন্যাপকিনের কাঁচামাল আমদানিতে ৪০ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করেছিল সরকার। প্যাড তৈরির কাঁচামালের ওপর আরও রয়েছে কাস্টমস ডিউটি, অগ্রিম আয়কর, রেগুলেটরি ডিউটি।

এসব কারণে স্যানিটারি ন্যাপকিনের দাম পড়ে ১২০-১৬০ টাকা, যা সচ্ছল পরিবারের কাছে স্বাভাবিক হলেও অসচ্ছল পরিবারের কাছে বেশ কষ্টকর।

বগুড়ার শেরপুরে প্রায় পাঁচশ’ দেশি মুরগির খামার গড়ে উঠেছে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : জেলার শেরপুর উপজেলায় দেশি মুরগির খামার করে বিকল্প কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে বহু বেকার ও শিক্ষিত নারী-পুরুষের। এপর্যন্ত মুরগির খামার করে অর্ধসহস্রাধিক উদ্যোক্তা বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি পেয়ে স্বাবলম্বি হয়েছেন। পাশাপাশি, এলাকায় কর্মসংস্থান হয়েছে বহু মানষের।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শেরপুর উপজেলার প্রানীসম্পদ বিভাগের ভেটেরিনারী সার্জন ডা. মো. রায়হানের অনুপ্রেরনায় ২০১৫ সালে দুইটি ‘বানিজ্যিক ভিত্তিক মুরগির (অরগ্যানিক) খামার’ দিয়ে যাত্রা শুরু। পর্যায়ক্রমে তার বিস্তৃতি ঘটেছে।

স্বল্প পুঁজিতে স্বালম্বি হওয়ার গল্পশুনে ও দেশি মুরগির খামার দেখে জাকারিয়া হোসেন, সুমাইয়া আখতার, হারুন অর রশিদ প্রমুখ আগ্রহি হন। পরে তাদেরকে দেখে অন্যরাও এগিয়ে আসেন।
স্নাতক (সম্মান) পাশ করে কোথাও চাকরি না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়া জাকারিয়া মাত্র ১০টি মুরগির বাচ্চা দিয়ে খামার শুরু করেন। এরপর জাকারিয়াকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। এখন তার খামারে ৫টি শেডে ৮শ’ মুরগি। প্রতিমাসে তার আয় ৩০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা।

জাকারিয়ার মতো পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি শেরপুর উপজেলার ধড় মোকামতলার সুমাইয়া আখতারকে। মাত্র একটি মুরগির বাচ্চা দিয়ে তার খামারের যাত্রা শুরু। এখন তার খামারে পাঁচ শতাধিক মুরগি।

সুমাইয়া জানান, এক সময় তার ঘরে খাবারের খরচ জোগাড় করতে হিমশিম খেতে হতো। প্রাণীসম্পদ বিভাগের ভেটেরিনারী সার্জণ ডা. মো. রায়হানের কাছে প্রশিক্ষন নিয়ে এখন তিনি সফল খামারি। তার খামারে ৫ জনকে চাকরি দিয়েছেন। পাল্টে গেছে তার জীবনমান।

শেরপুর টাউন কলেনীর হারুন অর রশিদ ১০ হাজার টাকা দিয়ে খামার শুরু করেন। এখন তার খামারে দেড়লাখ টাকার মুরগি আছে। প্রতিমাসে তিনি ৩০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা আয় করেন।
সম্প্রতি, বাজারে দেশী মুরগির চাহিদা ও দাম বেশি হওয়ায় মানুষ বিকল্প খুঁজছেন। বাজারে দেশি মুরগী প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকা থেকে ৫৩০ টাকায়। আর বানিজ্যিক ভিত্তিতে দেশি (অরগ্যানিক) খামারের মুরগি বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ৩৫০ টাকায়।

খামারিরা জানান, সম্পূর্ণ এন্টিবায়টিক ও স্টেরয়েড মুক্ত ভাকে চাষ হচ্ছে এই দেশি (অরগ্যানিক) মুরগি। তাই এই মুরগির চাহিদা বাড়ছে। তারা আরও জানান, তাদের অনেকেই বাচ্চা ফোটানো, কেউ মাংস অথবা ডিম উৎপাদনের ব্যবসা করেন। একসঙ্গে একাধিক কার্যক্রমও চলে কিছু খামারে।

শেরপুর উপজেলা প্রানীসম্পদ অধিদপ্তরের ভেটেরিনারী সার্জন ডা. মো. রায়হান বলেন, দেশি মুরগির (অরগ্যানিক) খামার সম্ভাবনাময় খাত। স্বল্প বিনিয়োগে বেকারদের বিকল্প কর্মসংস্থান হচ্ছে এই খাতে।
তিনি আরও বলেন, সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে দেশি (অরগ্যানিক) মুরগি পালন পদ্ধতির প্রশিক্ষন নিয়ে উপজেলায় প্রায় পাঁচশ’ খামার গড়ে উঠেছে। কর্মসংস্থান হয়েছে সহস্রাধিক মানুষের। পাশাপাশি নিরাপদ মাংস ও ডিমের চাহিদাও পূরন হচ্ছে। বাসস

সবজির দাম দ্বিগুণ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : রোজার মাসের তুলনায় রাজধানীর বাজারগুলোতে সবজির দাম কিছুটা কমলেও, শুক্রবার একদিনের ব্যবধানে বেশিরভাগ সবজির দাম বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে মাছ ও মাংসের দাম।

শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ানবাজার, শান্তিনগর, সেগুনবাগিচা, রামপুরা, মালিবাগ হাজীপাড়া, খিলগাঁও অঞ্চলের বিভিন্ন বাজার ঘুরে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, ঢেঁড়সের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, যা গতকাল ছিল ৩০ থেকে ৪০ টাকা। গতকাল ২০ থেকে ৩০ টাকা কেজির মধ্যে বিক্রি হওয়া ঝিঙ্গার দাম বেড়ে হয়েছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা।

দাম বাড়ার এই তালিকায় আরও রয়েছে- করলা, কাকরল, পটল, উসি, বেগুন, গাজর, শসা, পেঁপে। গতকাল ২০ থেকে ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া উসি বাজারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে। একই দামে বিক্রি হচ্ছে পটল। গতকাল বিভিন্ন বাজারে পটল ২০ থেকে ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয়।

গতকাল ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া করলার দাম বেড়ে হয়েছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা। কাকরোল বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি, যা গতকাল ছিল ২০ থেকে ৩০ টাকা। বেগুনের কেজি পাওয়া যাচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকার মধ্যে, যা গতকাল ২০ থেকে ৩০ টাকার মধ্যে।

এছাড়া গতকাল ২০ থেকে ২৫ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া পেঁপের দাম বেড়ে হয়েছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা। ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া বরবটির দাম বেড়ে হয়েছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা। ২০ থেকে ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া শসার দাম বেড়ে হয়েছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা। একই দামে বিক্রি হচ্ছে গাজর। পাকা টমেটো পাওয়া যাচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে, যা গতকাল ছিল ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি।

সবজির দাম বাড়লেও অপরিবর্তিত রয়েছে পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচের দাম। পেঁয়াজ আগের মতো খুচরা বাজারে ৩০ থেকে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আর পাইকারিতে পেঁয়াজের পাল্লা (৫ কেজি) বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকা। আগের মতোই কাঁচা মরিচের পোয়া (২৫০ গ্রাম) বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা।

এদিকে রোজার মাসের তুলনায় কিছুটা কমেছে মুরগির দাম। ব্যবসায়ীরা ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি করছেন ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি, যা রোজার মাসে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা ছিল। মুরগির দাম কিছুটা কমলেও অপরিবর্তিত রয়েছে গরু ও খাসির মাংস এবং ডিমের দাম। গরুর মাংস বাজারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৫২৫ থেকে ৫৫০ টাকা কেজি দরে। আর খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ থেকে ৮৫০ টাকা কেজি। আর ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১০৬ টাকা।

এদিকে কয়েক মাস ধরে চড়া দামে বিক্রি হওয়া মাছের দাম এখনও বেশ চড়া। তেলাপিয়া মাছ আগের মতো বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি। পাঙাশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি। রুই মাছ ২৮০ থেকে ৬০০ টাকা, পাবদা ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, টেংরা ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা, শিং ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা এবং চিতল মাছ বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি।

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড-এর পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত
                                  

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড-এর পরিচালনা পর্ষদের সভা ১৮ জুন ২০১৯, মঙ্গলবার কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়। ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো: নাজমুল হাসান, পিএইচডি-র সভাপতিত্বে সভায় ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান সৌদি আরবের আল-রাজি গ্রুপের ইউসিফ আব্দুল্লাহ আল-রাজী, ভাইস চেয়ারম্যান মো. সাহাবুদ্দিন, পরিচালক ও আইডিবি প্রতিনিধি ড. আরিফ সুলেমানসহ অন্যান্য পরিচালক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মো. মাহবুব উল আলম এবং ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও কোম্পানি সচিব জে.কিউ.এম হাবিবুল্লাহ, এফসিএস উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

এমটিবি পীরেরবাগ এজেন্ট ব্যাংকিং সেন্টার-এ ডেসকো বিল সংগ্রহ সেবার উদ্বোধন
                                  

অনলাইন ডেস্ক : সম্প্রতি ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত এমটিবি পীরেরবাগ এজেন্ট ব্যাংকিং সেন্টার-এ ডেসকো বিল সংগ্রহ সেবার উদ্বোধন করা হয়েছে। এমটিবি’র উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চীফ বিজনেস অফিসার, সৈয়দ রফিকুল হক এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও এই অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে এমটিবি’র হেড অব এজেন্ট ব্যাংকিং, মদন মোহন কর্মকার, গ্রুপ চীফ কমিউনিকেশন্স অফিসার, আজম খান এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ এমটিবি’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

বিকাশ-রকেট-নগদের ব্যালেন্স জানতে পয়সা লাগবে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : এখন থেকে মুঠোফোনভিত্তিক আর্থিক সেবার (এমএফএস) ক্ষেত্রে প্রতিবার আর্থিক হিসাব দেখতে মোবাইল ফোন 

অপারেটরকে ৪০ পয়সা চার্জ দিতে হবে। আজ সোমবার এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

মুঠোফোনে আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশ, রকেট, নগদ, এম ক্যাশ, শিওরক্যাশের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যদিও এত দিন এই সেবা মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো বিনামূল্যে দিয়ে এসেছে। তবে চার্জের এই অর্থ প্রতিষ্ঠানগুলো নিজে পরিশোধ করবে নাকি গ্রাহকের কাছ থেকে নেবে তা এখনো নিশ্চত হওয়া যায়নি।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রতিটি লেনদেন, ব্যালেন্স যাচাই বা স্টেটমেন্ট নেওয়াসহ নানা ধরনের কাজকে একটি সেশন ধরা হবে। আর প্রতিটি সেশনের সময় হবে ৯০ সেকেন্ড। প্রতি সেশনের জন্য মোবাইল ফোন অপারেটরদের ৮৫ পয়সা করে দিতে হবে। একেকটি সেশনের মধ্যে দুটি এসএমএসও থাকবে। তবে শুধু ব্যালেন্স চেক করতে গ্রাহককে সেশনের চার্জ দিতে হবে ৪০ পয়সা।

এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলো আর্থিক লেনদেনের জন্য মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে। মূলত এই নেটওয়ার্ক ব্যবহারের জন্যই পয়সা দিতে হবে এমএফএস অপারেটরদের। যদিও এর আগে কখনো গ্রাহকরা আর্থিক হিসাব দেখতে পয়সা খরচ করেনি। তবে এখন থেকে আর বিনামূল্যে এই সেবা পাবে না গ্রাহক।

বেড়েছে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম
                                  

দিনাজপুর প্রতিনিধি : ভারত সরকার পেঁয়াজ রপ্তানিতে ইনসেনটিপ (প্রণোদনা) প্রত্যাহার করায় এর প্রভাব পড়েছে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে। সেইসঙ্গে বন্দরে বেড়েছে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম। গত দুই দিনের ব্যবধানে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ছয় থেকে সাত টাকা।

পেঁয়াজের দাম বাড়ার কারণ হিসেবে আমদানিকারক সাইফুল ইসলাম জানান, গেল বুধবার ভারত সরকার ইনসেনটিপ (প্রণোদনা) প্রত্যাহার করায় পেঁয়াজ আমদানি করতে এখন এক রুপি বেশি দিয়ে আমদানি করতে হচ্ছে। সেইসঙ্গে নতুন অর্থ বাজেটে পেঁয়াজের ওপর বাংলাদেশ সরকার শুল্ক (এটি ট্যাক্স) নির্ধারণ করায় পেঁয়াজের দাম বেড়েছে।

পেঁয়াজ আমদানিতে বাংলাদেশের সরকার পাঁচ পার্সেন্ট ট্যাক্স নির্ধারণ করায় হিলি শুল্ক স্টেশনে বেড়েছে সরকারের রাজস্ব। চলতি সপ্তাহের গেল দুই দিনে এক হাজার ৬৫৬ মেট্রিকটন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। যা থেকে সরকার রাজস্ব পেয়েছে ১০ লাখ ৯৪ হাজার ২৩১ টাকা।

হিলি কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা আবু বকর সিদ্দিক জানান, সরকার নতুন বাজেট ঘোষণার পর ২০১৯-’২০ অর্থবছরে পেঁয়াজ আমদানিতে পাঁচ পার্সেন্ট ট্যাক্স নির্ধারণ করে।এই ট্যাক্স নির্ধারণের পর ১৫ ও ১৬ জুন এই বন্দর দিয়ে ৫৬ ট্রাকে এক হাজার ৫৬ মেট্রিকটন পেঁয়াজ ভারত থেকে আমদানি হয়েছে। যা থেকে সরকার রাজস্ব পেয়েছে ১০ লাখ ৯৪ হাজার ২৩১ টাকা।

হংসবলাকার পর ২৪ জুলাই বিমানে যুক্ত হচ্ছে ‘গাঙচিল’
                                  

অনলাইন ডেস্ক : ড্রিমলাইনার হংসবলাকার পর এবার বাংলাদেশ বিমানে যুক্ত হচ্ছে ‘গাঙচিল’। আসন্ন ২৪ জুলাই বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে যুক্ত হবে তৃতীয় বোয়িং ৭৮৭-৮ মডেলের এই ড্রিমলাইনার। উড়োজাহাজটি যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটল থেকে সরাসরি বাংলাদেশের পথে যাত্রা করবে ২৩ জুলাই। এর মধ্য দিয়ে বিমানবহরে ড্রিমলাইনারের সংখ্যা দাঁড়াবে ৩টি।

বিমানের সদ্যবিদায়ী মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) শাকিল মেরাজ জানান, চারটি ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজের নাম পছন্দ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেগুলো হলো- ‘আকাশবীণা’, ‘হংসবলাকা’, ‘গাঙচিল’ ও ‘রাজহংস’। প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি পেলে ‘গাঙচিল’ উড়োজাহাজটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে ২৮ জুলাই।

জানা গেছে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ২০০৮ সালে মার্কিন বোয়িং কোম্পানির সঙ্গে ১০টি নতুন বিমান ক্রয়ের জন্য ২ দশমিক ১ বিলিয়ন ইউএস ডলারের চুক্তি করে। ইতোমধ্যে বহরে যুক্ত হয়েছে ৮টি বিমান। বাকি ১টি বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার আসবে সেপ্টেম্বর মাসে।

বেসামরিক বিমান পরিবহন সচিব মহিবুল হক বলেন, ‘নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হলে বিমানের নতুন নতুন রুট চালু করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে যাত্রী সেবার মান বৃদ্ধি পাবে। এ ছাড়া বর্তমান রুটগুলোতেও ফ্লাইট সংখ্যা বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে।’

বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২৭১টি আসন রয়েছে এবারের ড্রিমলাইনার ‘গাঙচিল’-এ। এর মধ্যে বিজনেস ক্লাস ২৪টি, ইকোনমি ক্লাস ২৪৭টি। বিজনেস ক্লাসের আসন ১৮০ ডিগ্রি পর্যন্ত সম্পূর্ণ ফ্ল্যাটবেড করা সম্ভব। টানা ১৬ ঘণ্টা উড়তে সক্ষম ড্রিমলাইনারে অন্যান্য বিমানের তুলনায় ২০ শতাংশ কম জ্বালানির প্রয়োজন হবে।

ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজ ঘণ্টায় ৬৫০ কিলোমিটার বেগে উড়তে পারে। বিমানটির ইঞ্জিন প্রস্তুত করেছে জেনারেল ইলেক্ট্রিক (জিই)। ইঞ্জিনের সঙ্গে শেভরন প্রযুক্তি যুক্ত থাকায় উড়োজাহাজটিতে শব্দ কম হবে। বিমানটির উচ্চতা ৫৬ ফুট। দুটি পাখার আয়তন ১৯৭ ফুট। উড়োজাহাজের মোট ওজন ১ লাখ ১৭ হাজার ৬১৭ কিলোগ্রাম।

বাজেটে সবই ভালো দেখছে এফবিসিসিআই
                                  

অনলাইন ডেস্ক : প্রস্তাবিত বাজেটকে জনকল্যাণমুখী ও ব্যবসা সহায়ক অভিহিত করে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই বলেছে, তা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনার বাস্তবায়নকে ত্বরান্বিত করবে বলে তারা আশা করছে।

সংসদে বাজেট উপস্থাপনের দুদিন বাদে শনিবার সংবাদ সম্মেলন করে এর ২০টি ইতিবাচক দিক তুলে ধরে এফসিসিসিআই বলেছে, তারা বাজেট নিয়ে আরও বিশ্লেষণ করছেন, ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সংগঠনগুলোর মতামতের ভিত্তিতে বিস্তারিত প্রস্তাবনা পরে অর্থমন্ত্রীকে দেবে।

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার বৃহস্পতিবার ২০১৯-২০ অর্থ বছরের বাজেট সংসদে প্রস্তাব করেছে। ৫ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকার এই বাজেট আগেরটির চেয়ে ১৮ শতাংশ বড়।

প্রস্তাবিত বাজেটকে মোটা দাগে সাধুবাদ জানালেও করপোরেট করের হার না কমায় হতাশা প্রকাশ করে মেট্রোপলিটন চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই)। বিজিএমইএ জানায়, তারা এই বাজেটে ’৭০ শতাংশ’ খুশি।

আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় এফবিসিসিআই বাজেট নিয়ে সন্তোষ জানিয়ে বলেছে, প্রস্তাবিত বাজেট যেমন ব্যবসা সহায়ক, তেমনি জনকল্যাণমুখী।

শুধু ঘাটতি পূরণে দেশের ব্যাংক ঋণের উপর নির্ভরতা কমাতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠনটি।

প্রস্তাবিত বাজেটকে কেন ব্যবসা বান্ধব বলছেন- সাংবাদিকদের এই প্রশ্নে এফবিসিসিআইর সহ সভাপতি ও বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, “অতীতের বাজেটগুলোর সঙ্গে তুলনা করলে এই বাজেটে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যবসার সুযোগ-সুবিধা বেড়েছে। কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা থাকলেও তা আলোচনার মাধ্যমে সংশোধনের সুযোগ এখনও আছে।”

লিখিত বক্তব্যের বাইরে এফবিসিসিআই নেতারা বলেছেন, বড় আকারের এই বাজেট বাস্তবায়নে যেন ব্যবসায়ীরা হয়রানির শিকার না হয়।

এফবিসিসিআই সভাপতি শেথ ফজলে ফাহিম বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, গবেষণা ও উন্নয়ন, উদ্ভাবন, আইসিটি, অবকাঠামো, আর্থ-সামাজিক, দারিদ্র্য বিমোচন, মানবসম্পদ, শিক্ষা, কৃষি, স্বাস্থ্য খাতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ায় এবারের বাজেট যুগোপযোগী হয়েছে।

বাজেটের ইতিবাচক দিক তুলে ধরে তিনি বলেন, যুব সমাজকে উদ্যোক্তা বানাতে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ, মুক্তিযোদ্ধা, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা, অসচ্ছল প্রতিবন্ধীসহ বিভিন্ন সুবিধা বঞ্চিত মানুষের জন্য সুবিধা বৃদ্ধি একটি মানবিক উদ্যোগ।

১০ শতাংশ প্রতিবন্ধী জনশক্তির বিপরীতে প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য কর রেয়াত সুবিধা সামাজিক দায়িত্বশীলতার চর্চাকে উৎসাহিত করবে বলে মনে করেন শেখ ফাহিম।

বাজেটে শিক্ষার মানোন্নয়নে ও আধুনিক কারিকুলাম গঠনের উদ্যোগগুলোর প্রশংসা করার পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার কারিকুলামে কর-মূসক পরিশোধে নাগরিক দায়িত্ববোধ, ভোকেশনাল ট্রেনিং, ইন্টারনেট অব থিংস বা আইওটি, কোডিংকে অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

রাজস্ব আয়ের যে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে তা সহজ, স্বচ্ছ এবং ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আদায় করা হবে এবং হয়রানীমুক্ত হবে বলে আশা করছে এফবিসিসিআই।
মতিঝিল ফেডারেশন ভবনে এফবিসিসিআর এই সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন শুরু
                                  

অনলাইন ডেস্ক : শুরু হয়েছে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন। এটি দেশের ৪৮তম এবং বর্তমান সরকারের তৃতীয় মেয়াদের প্রথম বাজেট। ‘সমৃদ্ধ আগামীর পথযাত্রায় বাংলাদেশ : সময় এখন আমাদের, সময় এখন বাংলাদেশের’ শিরোনামে প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে পাঁচ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। দেশের ৪৮ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেট এটি।

বৃহস্পতিবার বেলা ৩টায় স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়। বাজেট পেশ করছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। নতুন অর্থমন্ত্রী হিসেবে এটি তার প্রথম বাজেট। যদিও গত সরকারের পরিকল্পনামন্ত্রী হিসেবে অনেক বাজেট প্রণয়নে পরোক্ষভাবে জড়িত ছিলেন তিনি।

প্রস্তাবিত বাজেট পাস হবে আগামী ৩০ জুন। ১ জুলাই থেকে শুরু হবে নতুন অর্থবছর।

এর আগে মন্ত্রিসভা ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের অনুমোদন দেয়। বাজেট ঘোষণার আগে দুপুর ১টার একটু পর জাতীয় সংসদ ভবনে বিশেষ বৈঠকে মন্ত্রিসভা এ অনুমোদন দেয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ ভবনে মন্ত্রিসভার এ বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

অসুস্থ থাকার কারণে আসতে দেরি হওয়ায় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালকে ছাড়াই মন্ত্রিসভার বৈঠক শুরু হয়। পরে অর্থমন্ত্রী অ্যাপোলো হাসপাতাল থেকে সরাসরি বৈঠকে যোগ দেন।

চলতি অর্থবছরে মূল বাজেটের আকার দাঁড়ায় চার লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা। তবে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, রাজস্ব আদায় করতে না পারা এবং উন্নয়ন প্রকল্পে পরিকল্পনা অনুযায়ী অর্থখরচ করতে না পারায় চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের আকার নির্ধারণ করা হয় চার লাখ ৪২ হাজার ৫৪১ কোটি টাকা। অর্থাৎ আগামী বাজেটের আকার সংশোধিত বাজেট থেকে ৮০ হাজার ৬৪৯ কোটি টাকা বেশি।

প্রস্তাবিত বাজেটে মোট আয়
আসছে অর্থবছরে মোট রাজস্ব আয় তিন লাখ ৭৭ হাজার ৮১০ কোটি টাকা ধরা হয়েছে। এটি পরবর্তীতে বাড়তে কিংবা কমতে পারে। চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটে এটি ছিল তিন লাখ ৩৯ হাজার ২৮০ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেটে ছিল তিন লাখ ১৬ হাজার ৬১২ কোটি টাকা।

রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) অধীন আয় তিন লাখ ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। এনবিআর-বহির্ভূত কর ব্যবস্থা থেকে ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা পাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এছাড়া সরকারের বিভিন্ন সেবার ফি, হাসপাতালের টিকিট মূল্য, সেতুর টোলসহ বিভিন্ন খাত থেকে ৩৭ হাজার ৭১০ কোটি টাকা আদায়ের পরিকল্পনা রয়েছে।

অভ্যন্তরীণ আয়ের বাইরে আগামী অর্থবছরে বিদেশ থেকে চার হাজার ১৬৮ কোটি টাকা অনুদান পাওয়ার আশা করছে সরকার। অনুদান যেহেতু ফেরত দিতে হয় না, তাই এ পরিমাণ অর্থ পাওয়া গেলে মোট আয় দাঁড়াবে তিন লাখ ৮১ হাজার ৯৭৮ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে চার হাজার ৫১ কোটি টাকা অনুদানের আশা করলেও বাজেট সংশোধনকালে তা কমিয়ে তিন হাজার ৭৮৭ কোটিতে নামিয়ে আনা হয়।

ব্যয়ের খাত
পাঁচ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার মধ্যে নতুন অর্থবছরের পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে তিন লাখ ১০ হাজার ২৬২ কোটি টাকা, যা আগে অনুন্নয়ন ব্যয় হিসেবে উল্লেখ করা হতো। এর মধ্যে সরকারের আবর্তক ব্যয় দুই কোটি ৭৭ লাখ ৯৩৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ ঋণের সুদ পরিশোধে ৫২ হাজার ৭৯৭ কোটি টাকা এবং বিদেশি ঋণের সুদ পরিশোধে চার হাজার ২৭৩ কোটি টাকা ব্যয় হবে। এছাড়া সরকারের মূলধন খাতে ৩২ হাজার ৩২৮ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে।

নতুন অর্থবছরে উন্নয়ন খাতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে দুই লাখ ১১ হাজার ৬৮৩ কোটি টাকা। সেখান থেকে ইতোমধ্যে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাবদ দুই লাখ দুই হাজার ৭২১ কোটি টাকা ব্যয় প্রস্তাব অনুমোদন করেছে জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল (এনইসি)। এছাড়া এডিপিবহির্ভূত বিশেষ প্রকল্প, স্কিম ও কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচিতে বাকি অর্থ ব্যয়ের প্রস্তাব করবেন অর্থমন্ত্রী।

সাধারণত দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান ও গ্রামীণ অবকাঠামোর সংস্কার কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে সরকার। এ খাতে নতুন অর্থবছরে বরাদ্দ রাখা হয়েছে দুই হাজার ১৮৪ কোটি টাকা।

ঘাটতি অর্থায়ন
অনুদান না পেলে নতুন বাজেটে ঘাটতি দাঁড়াবে এক লাখ ৪৫ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা। এটি মোট দেশজ উৎপাদনের পাঁচ শতাংশ। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাবে, কোনো দেশের বাজেট ঘাটতি পাঁচ শতাংশের মধ্যে থাকলে তা ঝূঁকিপূর্ণ নয়। চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটে এক লাখ ২৫ হাজার ২৯৩ কোটি টাকার ঘাটতি ধরা হয়েছিল, যা ছিল জিডিপির ৪ দশমিক ৯ শতাংশ। রাজস্ব আয় কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় অর্জন না হওয়ায় সংশোধিত বাজেটে ঘাটতি বাড়িয়ে এক লাখ ২৫ হাজার ৯২৯ কোটি টাকা ধরা হয়, যা জিডিপির পাঁচ শতাংশ। তবে বিদেশি অনুদান পাওয়া গেলে নতুন অর্থবছরে ঘাটতি দাঁড়াবে এক লাখ ৪১ হাজার ২১২ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৪ দশমিক ৮ শতাংশ।

এ ঘাটতি মেটাতে বিদেশ থেকে ৭৫ হাজার ৩৯০ কোটি টাকা ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। সেখান থেকে বিদেশি ঋণ পরিশোধে ব্যয় হবে ১১ হাজার ৫৪২ কোটি টাকা। অর্থাৎ নতুন অর্থবছরে নিট বৈদেশিক ঋণ নেয়া হবে ৬৩ হাজার ৮৪৮ কোটি টাকা। বাকি ৭৭ হাজার ৩৬৩ কোটি টাকা দেশের ভেতর থেকে ঋণ নেয়া হবে, যার মধ্যে তারল্য সংকটে থাকা ব্যাংক খাত থেকে ৪৭ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকা নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।

চলতি অর্থবছর ব্যাংক খাত থেকে ৪২ হাজার ২৯ কোটি টাকা ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও সংশোধিত বাজেটে তা কমিয়ে ৩০ হাজার ৮৯৫ কোটি টাকায় নামিয়ে আনা হয়।

এছাড়া ব্যাংক-বহির্ভূত খাত থেকে নিট ৩০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেয়া হবে, যার মধ্যে সঞ্চয়পত্র থেকে ২৭ হাজার কোটি টাকা এবং অন্যান্য খাত থেকে তিন হাজার কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটে সঞ্চয়পত্র থেকে ২৬ হাজার ১৯৭ কোটি টাকা ঋণ নেয়ার লক্ষ্য থাকলেও উচ্চ সুদহারের কারণে মানুষ এ খাতে বেশি বিনিয়োগ করেছে। ফলে সংশোধিত বাজেটে লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে ৪৫ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়।

জিডিপির প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতি
আসছে বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৮ দশমিক ২০ শতাংশ। চলতি অর্থবছর ধরা হয় ৭ দশমিক ৮ শতাংশ। তবে এ প্রবৃদ্ধি ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ ছাড়িয়ে যাবে বলে প্রত্যাশা করেন অর্থমন্ত্রী। নতুন অর্থবছরের জন্য আকার প্রাক্কলন করা হচ্ছে ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৮৭২ কোটি টাকা। এছাড়া ২০১৯-২০ অর্থবছরে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের দাম কম থাকবে। ফলে অন্যান্য পণ্যের দাম কিছুটা নিম্নমুখী থাকবে। এদিক বিবেচনায় নতুন বাজেটে মূল্যস্ফীতি ধরা হয়েছে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ।

করের বোঝা নয়, আওতা বাড়ছে
২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে জনগণের ওপর করের বোঝা না চাপিয়ে এর আওতা বাড়ানো হচ্ছে। সেজন্য নতুন করে ৮০ লাখ করদাতা বাড়ানোর ঘোষণা দেয়া হবে। বর্তমানে কর দিচ্ছেন দেশে এমন লোকের সংখ্যা ২০ লাখ। ফলে করের আওতায় এক কোটি লোককে আনা হবে। করের আওতা বাড়াতে সারাদেশে জেলা ও উপজেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় নয় লাখ হাট-বাজারের করযোগ্য ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে এর আওতা বাড়ানো হবে। এছাড়া দেশব্যাপী করযোগ্য হলেও যারা কর দিচ্ছেন না, তাদের শনাক্ত করে করের আওতায় আনা হবে।

সংসদে অর্থমন্ত্রী
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বাজেট অধিবেশনে যোগ দিতে হাসপাতাল থেকে সংসদে পৌঁছেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব তুলে ধরার কথা রয়েছে তার।

অসুস্থ থাকায় গাড়ি থেকে নামার পর তাকে ধরে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। দুপুর ১টা ২০ মিনিটের দিকে তিনি সংসদ ভবনে প্রবেশ করেন।

এর আগে, রাজধানীর বসুন্ধরায় অ্যাপোলা হাসপাতালে অবস্থান করছিলেন তিনি। কয়েক দিন জ্বরে ভোগার পর মঙ্গলবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে যান তিনি। পরে চিকিৎসকের পরামর্শে রাতে হাসপাতালেই থেকে যান। এছাড়া বুধবার (১২ জুন) বাজেট অধিবেশনে যোগ দিতে হাসপাতাল থেকে পার্লামেন্টে যান তিনি। অধিবেশনে যোগ দিয়ে তিনি আবার হাসপাতালে ফিরে আসেন।

চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য ব্যক্তিগত বিষয় হওয়ায় মন্ত্রীর অসুস্থতা সম্পর্কে বিস্তারিত বলতে রাজি হননি হাসপাতালের কর্মকর্তারা।

এদিকে, সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বাজেট সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠক শুরু হয়েছে।

২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা আজ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল আজ একাদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে ২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট পেশ করবেন। এটি দেশের ৪৮তম, আওয়ামী লীগ সরকারের ২০তম এবং অর্থমন্ত্রী হিসেবে মুস্তফা কামালের প্রথম বাজেট।

এবারের বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটের চেয়ে আগামী বাজেট ১২ দশমিক ৬১ শতাংশ ও সংশোধিত বাজেটের চেয়ে ১৮ দশমিক ২২ শতাংশ বড়। আগামী ৩০ জুন এই বাজেট পাস হবে।

গতবছর সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জন্য ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট পেশ করেছিলেন। তিনি টানা ১০-বার জাতীয় বাজেট পেশ করে স্বাধীন বাংলাদেশে রেকর্ড গড়েন।

ভ্যাট আইন কার্যকর ও বেকারদের জন্য ঋণ তহবিল গঠনসহ বেশ কিছু নতুন বিষয় থাকতে পারে এবারের বাজেটে। ব্যাপক সংস্কারের প্রস্তাব করা হতে পারে ব্যাংকিংখাত,পুঁজিবাজার,সঞ্চয়পত্রসহ সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে। ঘোষণা থাকতে পারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভূক্তির।

দেশের জনগনের ওপর নতুন কোন করচাপ তৈরি করতে চান না অর্থমন্ত্রী। এজন্য তিনি এবারের বাজেটে করজাল সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেবেন, যাতে করহার না বাড়িয়ে অতিরিক্ত রাজস্ব আহরণ করা যায়।
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এবারের বাজেটের করহারের বিষয়ে একাধিবার বলেছেন, করের হার বাড়িয়ে কোন ধরনের করচাপ তৈরি হোক, এটা তিনি চান না। বরং করজাল সম্প্রসারণের মাধ্যমে রাজস্ব আয় বাড়াতে চানা।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য কানন কুমার রায় বাসসকে জানান, আগামী এক বছরে উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় করদাতা বাড়ানোর লক্ষে বিশেষ উদ্যোগ থাকবে এবারের বাজেটে।
বেকারদের জন্য প্রথমবারের মত ‘উদ্যোক্তা তহবিল’ গঠন করা হচ্ছে। এই তহবিল গঠনের উদ্দেশ্য হলো নতুন উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। এছাড়া রফতানি বহুমুখীকরণের লক্ষে আগামী বাজেটে বিশেষ উদ্যোগ থাকতে পারে।

অর্থমন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বাসসকে বলেন, তৈরি পোশাক পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে যেভাবে প্রনোদনা পেয়ে আসছে, আরো কয়েকটি পণ্যের ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রনোদনা দেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
এদিকে,পুঁজিবাজারের ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ ঋণ ব্যবস্থার প্রস্তাব থাকবে এবারের বাজেটে।
প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব আহরণের সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৮১০ কোটি টাকা, যা জিডিপির ১৩ দশমিক ১ শতাংশ। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) নিয়ন্ত্রিত কর ৩ লাখ ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা, এনবিআর-বহির্ভূত কর ১৪ হাজার ৫০০ কোটি,কর ব্যতীত প্রাপ্তি ৩৭ হাজার ৭১০ কোটি এবং বৈদেশিক অনুদানের পরিমাণ ধরা হচ্ছে ৪ হাজার ১৬৮ কোটি টাকা।

প্রস্তাবিত বাজেটের পরিচালন ব্যয় ধরা হচ্ছে ৩ লাখ ১০ হাজার ২৬২ কোটি টাকা। উন্নয়ন ব্যয় ধরা হচ্ছে ২ লাখ ১১ হাজার ৬৮৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) ২ লাখ ২ হাজার ৭২১ কোটি টাকা।
আসন্ন বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ধরা হচ্ছে ৮ দশমিক ২ শতাংশ। এছাড়া নতুন বাজেটে মূল্যস্ফীতির চাপ ৫ দশমিক ৫ শতাংশে রাখার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। বাসস

এবার ঈদ বাজারে ৩০ হাজার কোটি টাকার কেনাকাটা
                                  
 

অনলাইন ডেস্ক : পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে জমজমাট হয়ে উঠেছে রাজধানীর পোশাকের দোকানগুলো। ইতোমধ্যে ঈদকে রাঙিয়ে দিতে নিজের ও পরিবারের পছন্দের পোশাক কিনে নিয়েছেন অনেকেই। যারা এখনও কেনাকাটা শেষ করতে পারেননি, তারা পছন্দের পোশাকটি কিনতে ছুটছেন এক মার্কেট থেকে আরেক মার্কেটে। ফলে সকাল থেকে রাত অবধি ক্রেতাদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠছে বিভিন্ন মার্কেট।

শুধু ঈদুল ফিতর নয়, যে কোনো উৎসবেই উৎসব প্রিয় বাঙালি মেতে ওঠেন নতুন পোশাক কেনাকাটায়। তবে অন্যান্য উৎসবের তুলনায় ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পোশাক বিক্রি হয় সবচেয়ে বেশি। অবশ্য নতুন পোশাক বিক্রির ধুম পড়ে যাওয়া রোজার মাস ধরে কতো টাকার পোশাক বিক্রি হয় তার কোনো সঠিক পরিসংখ্যান নেই।

সঠিক পরিসংখ্যান না থাকলেও ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো অনুমান নির্ভর একটি ধারণা দিয়ে থাকেন। রোজার মাসব্যাপী পোশাক বিক্রি পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে এই ধারণা দেয়া হয়। ঈদ কেন্দ্রিক বিক্রি পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন বলেছেন, আমরা আশা করছি এবার ঈদ কেন্দ্রিক পোশাক বিক্রি হবে ২৫ থেকে ৩০ হাজার কোটি টাকা।

এই ব্যবসায়ী নেতা বলেন, এবার ঈদ কেন্দ্রিক কী পরিমাণ বিক্রি হয়েছে, তার সঠিক তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তবে গত বছর ২৫ হাজার কোটি টাকার মতো বিক্রি হয়েছিল। এবার এখন পর্যন্ত বিক্রি পরিস্থিতি বেশ ভালো। ধারণা করা হচ্ছে, এবার বিক্রির পরিমাণ ২৫ থেকে ৩০ হাজার কোটি টাকার কম হবে না।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ উৎসব প্রিয়। আর যে কোনো উৎসবেরই কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে নতুন পোশাক। তাই উৎসব আসলেই নতুন পোশাকের বিক্রি বেড়ে যায়। সারা বছর বিক্রি হয় ২০ শতাংশের মতো, বাকি ৮০ শতাংশ বিক্রি বিভিন্ন উৎসব কেন্দ্র করে। আর উৎসব কেন্দ্রিক যে বিক্রি, তার সিংহভাগই হয় রোজার ঈদে।

তিনি আরও বলেন, মাসব্যাপী রোজা থাকার পর সবাই নতুন পোশাক পরে ঈদের আনন্দে মেতে ওঠেন। পৃথিবীর কোনো দেশে আমাদের মতো এতো উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে ঈদ উদযাপন করা হয় না।

এদিকে বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঈদ বাজারের কেনাকাটার মূল আকর্ষণ হিসেবে নতুন পোশাক থাকলেও জুতা, লেডিস ব্যাগ, মানিব্যাগ, স্বর্ণালঙ্কার ও ইমিটেশন, প্রসাধনী, বেল্ট, ফার্নিচার, মোবাইল ফোন, টেলিভিশন, গাড়িসহ বিভিন্ন পণ্যের বিক্রির পরিমাণ বহুগুণ বেড়ে যায়। এসব বিষয় হিসাবে নিলে ঈদ কেন্দ্রিক বিভিন্ন পণ্যের বিক্রির পরিমাণ ৫০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।

রাজধানীতে যে কয়টি বড় পোশাকের মার্কেট আছে তার মধ্যে অন্যতম নিউ মার্কেট। নিম্ন, মধ্যবিত্ত থেকে উচ্চবিত্ত সব শ্রেণি-পেশার মানুষ পছন্দের পোশাক কিনতে রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসেন এই মার্কেটে। মেয়েদের শাড়ি, থ্রি-পিস, টু-পিস, ওয়ান-পিস, থান কাপড়সহ সকল ধরনের ব্যবহার্য পণ্য আছে এখানে। ছেলেদের জন্যও লুঙ্গি, পাঞ্জাবি, জামা, প্যান্ট, গেঞ্জিসহ সব পণ্য আছে।

নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ীদের মতে, এবার ঈদ কেন্দ্রিক মার্কেটিতে হাজার কোটি টাকার ওপরে পোশাক বিক্রি হয়েছে। এছাড়া বাসা-বাড়ির ব্যবহারের পণ্যের বিক্রির পরিমাণও বেশ ভালো। তবে ছেলেদের পোশাকের তুলনায় বরাবরের মতো মেয়েদের পোশাকের বিক্রির পরিমাণই বেশি।

মো. মিলন নামের এক ব্যবসায়ী বলেন, নিউ মার্কেটে সরাবছরই ক্রেতাদের ভিড় থাকে। তবে ঈদের সময় ক্রেতাদের ভিড় কয়েকগুণ বাড়ে। আমাদের ধারণা সরা বছর যা বিক্রি হয়, শুধু রোজার ঈদ কেন্দ্রিক তার সমান বিক্রি হয়। এবার রোজার ঈদ উপলক্ষে এখনেও পর্যন্ত যা বিক্রি হয়েছে, তাতে এই মার্কেটের সবাই মিলে আনুমানিক হাজার কোটি টাকার ওপরে বিক্রি করেছেন।

নিম্ন-মধ্যবিত্তদের পছন্দের আরেকটি স্থান রাজধানী সুপার মার্কেট। এই মার্কেটে নারী, পুরুষ ও শিশুদের পোশাক বিক্রি করেন শতাধিক ব্যবসায়ী। ব্যবসায়ীরা বলছেন, রোজার ঈদ কেন্দ্রিক এবার প্রত্যেক ব্যবসায়ী গড়ে ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকার পোশাক বিক্রি করেছেন। আর সব ব্যবসায়ীর বিক্রির পরিমাণ একত্র করলে এর পরিমাণ ৪০ থেকে ৫০ কোটি টাকা হবে।

মার্কেটটিতে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করছে মো. মাসুম। তিনি বলেন, এবার ঈদ উপলক্ষে বিক্রির পরিমাণ বেশ ভালো। আমরা আশা করছি, চাঁদ রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের ভিড় থাকবে। অনেক ক্রেতা আছেন কিছুটা কম দামে পাওয়ার আশায় চাঁদ রাতে কেনেন। আমরাও বাড়তি বিক্রির আশায় চাঁদ রাতে দাম কিছুটা কম রাখি।

মাসুম বলেন, এবার গড়ে প্রতিদিন দেড় লাখ টাকার মতো বিক্রি করেছি। আমাদের আরেকটি দোকান আছে, ওটাতেও বিক্রির চিত্র এমনই। নারী-পুরুষ সবার পোশাকই বেশ ভালো বিক্রি হচ্ছে। তবে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে নারীদের পোশাক। শুধু এবার নয়, যে কোনো উৎসবেই নারীদের পোশাক সব থেকে বেশি বিক্রি হয়।

শুধু নিউ মার্কেট ও রাজধানী সুপার মার্কেট নয়, ঈদ উপলক্ষে গাউসিয়া, সদরঘাট, ইসলামপুর, গুলিস্থান, কারওয়ান বাজার, বসুন্ধরা, মালিবাগ, শান্তিনগর, মৌচাকসহ রাজধানীর প্রতিটি অঞ্চলের পোশাকের মার্কেটগুলো জমজমাট হয়ে উঠেছে। সকাল থেকে রাত অবধি বিরামহীন ক্রেতাদের সামলাচ্ছেন ব্যবসায়ী ও বিক্রয়কর্মীরা।

শান্তিনগরে অবস্থিত টুইন টাওয়ারের ব্যবসায়ী মো. রুহুল আমিন বলেন, এবার রোজার শুরুতে বিক্রি পরিস্থিতি খুব একটা ভালো ছিল না। তবে ১৫ রোজার পর থেকে বিক্রি বেশ ভালো হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত যা বিক্রি হয়েছে তাতে গড়ে প্রতিদিন দেড় থেকে দুই লাখ টাকা বিক্রি করতে পেরিছি। শুধু আমি না, ঈদ উপলক্ষে এই মার্কেটের প্রত্যেক ব্যবসায়ী প্রতিদিন গড়ে কমপক্ষে দেড় থেকে দুই লাখ টাকার পোশাক বিক্রি করেছে।

হিলিতে হঠাৎ চড়া ভারতীয় পেঁয়াজ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : হিলি স্থলবন্দরে হঠাৎ করে বেড়েছে ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম। কয়েকদিনের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে বেড়েছে ৫ থেকে ৬ টাকা।

গত সপ্তাহে যে পেঁয়াজ বিক্রি হয় প্রকারভেদে ১০ থেকে ১১ টাকা, সেই পেঁয়াজ প্রকারভেদে এখন বিক্রি হচ্ছে ১৬ থেকে ১৭ টাকা।

হিলি স্থলবন্দর পেঁয়াজ আমদানিকারক সাইফুল ইসলাম আরটিভি অনলাইনকে জানান, চাহিদার তুলনায় পেঁয়াজের আমদানি কম হওয়ায় দাম বেড়েছে। এছাড়া রমজান ও ঈদ আমদানি করা পেঁয়াজের বাজারে প্রভাব ফেলছে।

কাস্টমস্ সুত্র জানিয়েছে, গত সাত কর্ম দিবসে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ১৩৩ ট্রাকে ৩৫০০
মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হলেও গতকাল শনিবার সপ্তাহের প্রথম কর্ম দিবসে ৩১ ট্রাকে ৭৫০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়।
হিলি স্থলবন্দরে পেঁয়াজ কিনতে আসা পাইকাররা আরটিভি অনলাইনকে জানান, হঠাৎ করে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির কারণে কিছুটা বিপাকে পরতে হচ্ছে। তারপরেও বাজারে চাহিদা থাকার জন্য পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে।


   Page 1 of 10
     অর্থ-বাণিজ্য
হিলিতে ঢুকছে ভারতীয় পেঁয়াজ, দাম প্রতিকেজি ২১ টাকা
.............................................................................................
ভারতীয় পেঁয়াজের দাম বেড়ে দ্বিগুণ
.............................................................................................
স্যানিটারি ন্যাপকিনের কাঁচামালের ওপর থেকে ভ্যাট প্রত্যাহার
.............................................................................................
বগুড়ার শেরপুরে প্রায় পাঁচশ’ দেশি মুরগির খামার গড়ে উঠেছে
.............................................................................................
সবজির দাম দ্বিগুণ
.............................................................................................
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড-এর পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
এমটিবি পীরেরবাগ এজেন্ট ব্যাংকিং সেন্টার-এ ডেসকো বিল সংগ্রহ সেবার উদ্বোধন
.............................................................................................
বিকাশ-রকেট-নগদের ব্যালেন্স জানতে পয়সা লাগবে
.............................................................................................
বেড়েছে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম
.............................................................................................
হংসবলাকার পর ২৪ জুলাই বিমানে যুক্ত হচ্ছে ‘গাঙচিল’
.............................................................................................
বাজেটে সবই ভালো দেখছে এফবিসিসিআই
.............................................................................................
প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন শুরু
.............................................................................................
সংসদে অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা আজ
.............................................................................................
এবার ঈদ বাজারে ৩০ হাজার কোটি টাকার কেনাকাটা
.............................................................................................
হিলিতে হঠাৎ চড়া ভারতীয় পেঁয়াজ
.............................................................................................
ঈদ উপলক্ষে নতুন নোট বিনিময় শুরু
.............................................................................................
জমে উঠেছে জামদানির হাট
.............................................................................................
এনইসি বৈঠকে আগামী অর্থ বছরের এডিপি অনুমোদন হবে আজ
.............................................................................................
এখনও জমেনি ঈদের বাজার
.............................................................................................
এস আলম সিমেন্ট ক্রিকেট টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতলো ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড
.............................................................................................
এক জিলাপির দাম ৪০০ টাকা
.............................................................................................
রোজার আগে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম
.............................................................................................
কমেছে ডিমের দাম
.............................................................................................
এফবিসিসিআইয়ের নির্বাচনে কোনো বাধা নেই
.............................................................................................
স্বর্ণ আমদানির ঘোষণার সময় তিনমাস বাড়ানো হবে : এনবিআর চেয়ারম্যান
.............................................................................................
রমজান সামনে রেখে বাড়ছে আলু-পেঁয়াজের দাম
.............................................................................................
রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়বে না : বাণিজ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
২২ এপ্রিল ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ
.............................................................................................
বিজিএমইএ`র প্রথম নারী সভাপতি রুবানা হক
.............................................................................................
বিজিএমইএ নির্বাচনের ভোট চলছে
.............................................................................................
কমছে না সবজি ও মাংসের দাম
.............................................................................................
দাম বেড়েছে পেঁয়াজের
.............................................................................................
আবারো কমেছে চালের দাম
.............................................................................................
চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ৮.১৩%, মাথাপিছু আয় ১৯০৯ ডলার
.............................................................................................
৪ দিন বন্ধ থাকবে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের সব ধরনের লেনদেন
.............................................................................................
২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ৩৬ হাজার ৬৬৮ দশমিক ১৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
.............................................................................................
৭ মার্চ থেকে ভার্নিশ যুক্ত ১০০ টাকা মূল্যমানের ব্যাংক নোট চালু হবে
.............................................................................................
ফেসবুক-ইউটিউব-গুগলের বিজ্ঞাপনে ১৫ শতাংশ ভ্যাট কাটার নির্দেশ
.............................................................................................
গত ৮ মাসে রেমিটেন্স বেড়েছে ১০ দশমিক ৩ শতাংশ
.............................................................................................
একনেকে ১২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ১৩ প্রকল্প পাস
.............................................................................................
পুরান ঢাকার ঠিকানায় কেমিক্যাল আমদানি বন্ধ করতে চায় এনবিআর
.............................................................................................
আজ থেকে শুরু সপ্তাহব্যাপী সঞ্চয় সপ্তাহ
.............................................................................................
অবশেষে নির্বাচনের পথে হাঁটছে বিজিএমইএ
.............................................................................................
অনুমোদন পেল আরও তিন ব্যাংক
.............................................................................................
ফুল চাষে লাভবান রংপুরের চাষীরা
.............................................................................................
মধ্যপ্রাচ্য থেকে রেমিট্যান্স বেড়েছে
.............................................................................................
সবজির দাম বেড়েছে
.............................................................................................
আজ পর্দা নামছে বাণিজ্য মেলার
.............................................................................................
এফবিসিসিআই নির্বাচন আগামী ২৭ এপ্রিল
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]