| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * পঞ্চম দফায় ভাসানচরে যাচ্ছেন আরও তিন হাজার রোহিঙ্গা   * ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পুনর্বিবেচনার আহ্বান জাতিসংঘের   * নাইজেরিয়ায় হিজাব বিতর্ক: মুসলিম ছাত্রীদের পক্ষে রায়   * দিহানের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন জমার সময় পেছাল   * বিশ্বে করোনায় মৃত্যু সাড়ে ২৫ লাখ ছুঁই ছুঁই   * খাশোগি হত্যা: ওয়াশিংটন-রিয়াদ সম্পর্কে টানাপোড়েন   * টিকা নিলেন ৩২ লাখ, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ৭৫৪ জনের   * মোহামেডানের সভাপতি হতে যাচ্ছেন সাবেক সেনাপ্রধান আবদুল মুবীন   * আসছে কালবৈশাখী ঝড়, শিলাবৃষ্টিরও পূর্ভাবাস   * ফ্রান্সের সাবেক প্রেসিডেন্টের তিন বছরের কারাদণ্ড  

   অর্থ-বাণিজ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
দাম বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির

নিজস্ব প্রতিবেদক : সবজির দরে স্বস্তির পর্যায়ে থাকলেও ক্রেতাদের ভোগাচ্ছে ব্রয়লার মুরগি। সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারগুলোতে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। মাসের ব্যবধানে বাজার ভেদে বেড়েছে ৩০ টাকা পর্যন্ত।

শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, খুচরা পর্যায়ে ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়। যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকার মধ্যে। আর মাসখানেক আগে ব্রয়লারের কেজি ছিল ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা।

এ দাম বৃদ্ধির বিষয়ে মালিবাগ হাজীপাড়ার ব্যবসায়ী জহিরুল ইসলাম বলেন, মাসখানেক ধরে বাজারে ব্রয়লার মুরগির চাহিদা বেড়ে গেছে। কিন্তু সরবরাহ তুলনামূলক কম। এ কারণেই দাম বেড়েছে।

তিনি বলেন, সরবরাহ বেশি থাকায় কিছুদিন আগেও কেজি প্রতি ১২৫ টাকায় ব্রয়লার মুরগি বিক্রি করেছি। এখন সেই মুরগি ১৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

যেভাবে দাম বাড়ছে তাতে ব্রয়লার মুরগির কেজি দুইশ টাকায় গিয়ে ঠেকতে পারে বলেও জানান এই ব্যবসায়ী।

খিলগাঁওয়ের কোনো কোনো দোকানে ১৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ব্রয়লার মুরগি। ব্যবসায়ী মো. রবিউল বলেন, এখন অনেক অনুষ্ঠান হচ্ছে। এসব অনুষ্ঠানের জন্য ব্রয়লার মুরগি কেনা হচ্ছে। তাছাড়া চাইনিজ রেস্টুরেন্টগুলোতে প্রচুর মুরগি কেনা হচ্ছে। আমাদের ধারণা এসব কারণে দাম বেড়েছে।

এদিকে, প্রাণিজ আমিষের এই সহজলভ্য উৎসের দাম বেড়ে যাওয়ায় অসুবিধায় পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ। খিলগাঁওয়ের বাসিন্দা ফরিদা বেগম নামের একজন বলেন, এক কেজি গরুর মাংসের দাম ৬০০ টাকা। খাসির মাংসের দাম ৮০০ টাকা। এতো দাম দিয়ে মাংস কিনে খাওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব না। অনেক আগেই গরু-খাসির মাংস খাওয়া ছেড়ে দিতে হয়েছে। এখন ব্রয়লার মুরগিও মনে হচ্ছে কপাল থেকে উঠে যাবে। আগে এক কেজি বয়লার মুরগি কিনতাম ১৩০ টাকা দিয়ে, এখন ১৬০ টাকা লাগছে।

রামপুরা বাজারের ক্রেতা রহিম বিশ্বাস বলেন, সপ্তাহে একদিন মাংস খাই। গরুর মাংসের অনেক দাম হওয়ায় আমাদের পক্ষে কেনা সম্ভব হয় না। তাই প্রতি শুক্রবার মুরগি কিনি। কিন্তু ব্রয়লার মুরগির দাম যেভাবে বাড়ছে, তাতে আমাদের মতো গরিব মানুষেরা সমস্যায় পড়ে যাচ্ছে।

এদিকে, ব্রয়লারের পাশাপাশি বেড়েছে সোনালী ও লাল কক মুরগির দামও। গত সপ্তাহে ২৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হওয়া সোনালী মুরগির দাম বেড়ে ৩০০ টাকা হয়ে গেছে। লাল কক মুরগির দাম ২৫০ টাকায় উঠেছে, তা গত সপ্তাহে দুইশ টাকার আশেপাশে ছিল।

রামপুরার ব্যবসায়ী ইব্রাহিম বলেন, ব্রয়লার মুরগির দাম বাড়লে স্বাভাবিক ভাবেই অন্যান্য মুরগির দাম বাড়ে। এখনও তাই হচ্ছে। ব্রয়লারের দাম কমলে অন্যান্য মুরগির দাম এমনিতেই কমে যাবে।

মুরগির দামে অস্বস্তি দেখা দিলেও স্বস্তি বিরাজ করছে সবজির দামে। শীতের সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় রাজধানীর বাজারগুলো পাকা টমেটো, গাজর, বেগুন, ফুলকপি, বাঁধাকপি তুলনামূলক কম দামেই কিনতে পারছেন ক্রেতারা।

তবে গত সপ্তাহের মতো এখনো বাজারে সব থেকে দামি সবজির তালিকায় রয়েছে পটল ও ঢেঁড়স। এ দুটি সবজির কেজি এখনও কোনো কোনো বাজারে একশ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

পাকা টমেটোর কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকায়। শশার কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকার মধ্যে। শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৪০ টাকায়।

এছাড়া, মুলার প্রতি কেজি ১৫ থেকে ২৫ টাকা, বেগুন ২০ থেকে ৩০ টাকা, পেঁপে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, গাজর ১৫ থেকে ২৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। সপ্তাহের ব্যবধানে এ সবজিগুলোর দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

ফুলকপি, বাঁধাকপির ও লাউয়ের দামও সপ্তাহের ব্যবধানে অপরিবর্তিত রয়েছে। গত সপ্তাহের মতো ফুলকপি ও বাঁধাকপির পিস বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। লাউ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকা পিস।

সবজির মতো সপ্তাহের ব্যবধানে অপরিবর্তিত রয়েছে পেঁয়াজ, আলু ও ডিমের দাম। খুচরা পর্যায়ে দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা। আলু বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকা। এক ডজন ডিম পাওয়া যাচ্ছে ৯৫ টাকায়।

কারওয়ানবাজারের ব্যবসায়ী নূর আলম বলেন, শীতের সবজির সরবরাহ এখনও ভালো আছে। তাই তুলনামূলক কম দামেই সবজি কিনতে পারছেন ক্রেতারা। তবে আর খুব বেশিদিন এই দামে সবজি পাওয়া যাবে না। টমেটো, কপির সরবরাহ কমে আসলেই সব ধরনের সবজির দাম বেড়ে যাবে।

দাম বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : সবজির দরে স্বস্তির পর্যায়ে থাকলেও ক্রেতাদের ভোগাচ্ছে ব্রয়লার মুরগি। সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারগুলোতে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। মাসের ব্যবধানে বাজার ভেদে বেড়েছে ৩০ টাকা পর্যন্ত।

শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, খুচরা পর্যায়ে ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়। যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকার মধ্যে। আর মাসখানেক আগে ব্রয়লারের কেজি ছিল ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা।

এ দাম বৃদ্ধির বিষয়ে মালিবাগ হাজীপাড়ার ব্যবসায়ী জহিরুল ইসলাম বলেন, মাসখানেক ধরে বাজারে ব্রয়লার মুরগির চাহিদা বেড়ে গেছে। কিন্তু সরবরাহ তুলনামূলক কম। এ কারণেই দাম বেড়েছে।

তিনি বলেন, সরবরাহ বেশি থাকায় কিছুদিন আগেও কেজি প্রতি ১২৫ টাকায় ব্রয়লার মুরগি বিক্রি করেছি। এখন সেই মুরগি ১৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

যেভাবে দাম বাড়ছে তাতে ব্রয়লার মুরগির কেজি দুইশ টাকায় গিয়ে ঠেকতে পারে বলেও জানান এই ব্যবসায়ী।

খিলগাঁওয়ের কোনো কোনো দোকানে ১৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ব্রয়লার মুরগি। ব্যবসায়ী মো. রবিউল বলেন, এখন অনেক অনুষ্ঠান হচ্ছে। এসব অনুষ্ঠানের জন্য ব্রয়লার মুরগি কেনা হচ্ছে। তাছাড়া চাইনিজ রেস্টুরেন্টগুলোতে প্রচুর মুরগি কেনা হচ্ছে। আমাদের ধারণা এসব কারণে দাম বেড়েছে।

এদিকে, প্রাণিজ আমিষের এই সহজলভ্য উৎসের দাম বেড়ে যাওয়ায় অসুবিধায় পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ। খিলগাঁওয়ের বাসিন্দা ফরিদা বেগম নামের একজন বলেন, এক কেজি গরুর মাংসের দাম ৬০০ টাকা। খাসির মাংসের দাম ৮০০ টাকা। এতো দাম দিয়ে মাংস কিনে খাওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব না। অনেক আগেই গরু-খাসির মাংস খাওয়া ছেড়ে দিতে হয়েছে। এখন ব্রয়লার মুরগিও মনে হচ্ছে কপাল থেকে উঠে যাবে। আগে এক কেজি বয়লার মুরগি কিনতাম ১৩০ টাকা দিয়ে, এখন ১৬০ টাকা লাগছে।

রামপুরা বাজারের ক্রেতা রহিম বিশ্বাস বলেন, সপ্তাহে একদিন মাংস খাই। গরুর মাংসের অনেক দাম হওয়ায় আমাদের পক্ষে কেনা সম্ভব হয় না। তাই প্রতি শুক্রবার মুরগি কিনি। কিন্তু ব্রয়লার মুরগির দাম যেভাবে বাড়ছে, তাতে আমাদের মতো গরিব মানুষেরা সমস্যায় পড়ে যাচ্ছে।

এদিকে, ব্রয়লারের পাশাপাশি বেড়েছে সোনালী ও লাল কক মুরগির দামও। গত সপ্তাহে ২৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হওয়া সোনালী মুরগির দাম বেড়ে ৩০০ টাকা হয়ে গেছে। লাল কক মুরগির দাম ২৫০ টাকায় উঠেছে, তা গত সপ্তাহে দুইশ টাকার আশেপাশে ছিল।

রামপুরার ব্যবসায়ী ইব্রাহিম বলেন, ব্রয়লার মুরগির দাম বাড়লে স্বাভাবিক ভাবেই অন্যান্য মুরগির দাম বাড়ে। এখনও তাই হচ্ছে। ব্রয়লারের দাম কমলে অন্যান্য মুরগির দাম এমনিতেই কমে যাবে।

মুরগির দামে অস্বস্তি দেখা দিলেও স্বস্তি বিরাজ করছে সবজির দামে। শীতের সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় রাজধানীর বাজারগুলো পাকা টমেটো, গাজর, বেগুন, ফুলকপি, বাঁধাকপি তুলনামূলক কম দামেই কিনতে পারছেন ক্রেতারা।

তবে গত সপ্তাহের মতো এখনো বাজারে সব থেকে দামি সবজির তালিকায় রয়েছে পটল ও ঢেঁড়স। এ দুটি সবজির কেজি এখনও কোনো কোনো বাজারে একশ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

পাকা টমেটোর কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকায়। শশার কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকার মধ্যে। শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৪০ টাকায়।

এছাড়া, মুলার প্রতি কেজি ১৫ থেকে ২৫ টাকা, বেগুন ২০ থেকে ৩০ টাকা, পেঁপে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, গাজর ১৫ থেকে ২৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। সপ্তাহের ব্যবধানে এ সবজিগুলোর দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

ফুলকপি, বাঁধাকপির ও লাউয়ের দামও সপ্তাহের ব্যবধানে অপরিবর্তিত রয়েছে। গত সপ্তাহের মতো ফুলকপি ও বাঁধাকপির পিস বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। লাউ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকা পিস।

সবজির মতো সপ্তাহের ব্যবধানে অপরিবর্তিত রয়েছে পেঁয়াজ, আলু ও ডিমের দাম। খুচরা পর্যায়ে দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা। আলু বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকা। এক ডজন ডিম পাওয়া যাচ্ছে ৯৫ টাকায়।

কারওয়ানবাজারের ব্যবসায়ী নূর আলম বলেন, শীতের সবজির সরবরাহ এখনও ভালো আছে। তাই তুলনামূলক কম দামেই সবজি কিনতে পারছেন ক্রেতারা। তবে আর খুব বেশিদিন এই দামে সবজি পাওয়া যাবে না। টমেটো, কপির সরবরাহ কমে আসলেই সব ধরনের সবজির দাম বেড়ে যাবে।

সোনালী ব্যাংকের আড়াই কোটি গ্রাহকের লেনদেন হবে বিকাশে
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : সোনালী ব্যাংকের আড়াই কোটি গ্রাহক এখন তাৎক্ষণিক মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস বিকাশ অ্যাকাউন্টে টাকা আনতে পারবেন এবং বিকাশ থেকে সোনালী ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা জমাও দিতে পারবেন। ফলে ব্যাংকিং সময়সীমার মধ্যে নির্ধারিত শাখায় গিয়ে লেনদেনের বাধ্যবাধকতা এড়িয়ে গ্রাহক প্রয়োজন মতো ২৪ ঘণ্টা লেনদেনে আরও সুবিধা পাবেন।

সোনালী ব্যাংক এবং বিকাশের মধ্যে যৌথ সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।

সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ লক্ষ্য পূরণে ডিজিটাল আর্থিক অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে দেশের মানুষের জীবনমানের সার্বিক উন্নয়নে এই যৌথ সেবা চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশজুড়ে সোনালী ব্যাংকের ১২২৫টি শাখার সব গ্রাহকের জন্য ব্যাংকিং লেনদেন আরও সহজ এবং সময় ও খরচ সাশ্রয়ী হলো।

এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক, বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. আসাদুল ইসলাম এবং সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান জিয়াউল হাসান সিদ্দিকী।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সোনালী ব্যাংকের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. আতাউর রহমান প্রধান এবং বিকাশের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার কামাল কাদীর সহ বাংলাদেশ ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক ও বিকাশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এই সেবা পেতে প্রথমে গ্রাহকদের বিকাশ অ্যাকাউন্ট ও সোনালী ব্যাংকের অ্যাকাউন্টের মধ্যে লিংক করতে হবে। লিংক স্থাপনের ক্ষেত্রে উভয় অ্যাকাউন্টের তথ্য একই হতে হবে। লিংক স্থাপন হয়ে গেলে বিকাশ অ্যাপের `অ্যাড মানি`-এর মাধ্যমে সোনালী ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে সহজেই বিকাশ অ্যাকাউন্টে টাকা নিয়ে আসতে পারবেন এবং প্রয়োজন মতো ব্যবহার করতে পারবেন।

আবার ব্যাংকে না গিয়ে সোনালী ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দেয়া সহ ডিপিএস, ঋণের কিস্তি ইত্যাদি নানাবিধ সেবা বিকাশ অ্যাপের `ট্রান্সফার মানি`-এর মাধ্যমে গ্রাহকরা ঘরে বসেই নিতে পারবেন। উল্লেখ্য অ্যাড মানি বা ট্রান্সফার মানি উভয় ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ধারিত `ট্রানজেকশন লিমিট` প্রযোজ্য হবে।

রেমিট্যান্সে বাংলাদেশের চমক
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : ২০২০ সালে প্রবাসী আয়ে শীর্ষ তিন দেশের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশও। প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ব্রিটেনের ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট। ২০২১ সালে রেমিট্যান্স ৭ শতাংশ কমবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি। প্রবাসী আয়ে রেকর্ড করা বাকি দুই দেশ মেক্সিকো আর পাকিস্তান।

মহামারিতে ২০২০ সালের পুরোটাই বিপর্যস্ত ছিলো বিশ্ব অর্থনীতি। বন্ধ ছিলো আন্তর্জাতিক যোগাযোগ। বিভিন্ন দেশে প্রবাসী আয় ছিলো নিম্নমুখী। কিন্তু বাংলাদেশের চিত্র ভিন্ন। ব্রিটিশ গবেষণা সংস্থা ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্সের রিপোর্ট বলছে, ২০২০ সালে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও মেক্সিকো।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২০ সালে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৯শ` ৮০ কোটি ডলার। যেখানে ২০১৯ সালে রেমিট্যান্স এসেছিলো ১৮শ` ৪০ কোটি ডলার। গেলো বছর মেক্সিকোর রেমিট্যান্স এসেছে ৪ হাজার ৫০ কোটি ডলার। পাকিস্তানের রেমিট্যান্স এসেছে ২৪শ` ১০ কোটি ডলার। এই তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে বাংলাদেশ। বিশ্বব্যাংক বলছে, ২০১৯ সালে মেক্সিকোর রেমিট্যান্স ছিলো ৩৯শ কোটি ডলার আর পাকিস্তানের রেমিট্যান্স ছিলো ২২শ` ২০ কোটি ডলার।

কোভিড নাইনটিন অ্যান্ড মাইগ্র্যান্ট রেমিট্যান্স বিষয়ক এই প্রতিবেদনে বলা হয়, সারাবিশ্বে ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২০ সালে রেমিট্যান্স প্রবাহ কমেছে অন্তত ৫ হাজার কোটি ডলার। সারাবিশ্বের বিভিন্ন দেশ গেলো বছর ৬৬ হাজার ৬শ` কোটি ডলার রেমিট্যান্স পেয়েছে, যেখানে ২০১৯ সালে পেয়েছিলো ৭১ হাজার ৬শ` কোটি ডলার। ২০২১ সালেও নিম্নমুখী এ প্রবণতা অব্যাহত থাকবে বলে জানায় সংস্থাটি। সংস্থাটি বলছে, ২০২১ সালে সারাবিশ্বে রেমিট্যান্স প্রবাহ কমেছে ৭ শতাংশ, যেখানে ২০০৯ সালের মহামন্দার সময় রেমিট্যান্স প্রবাহ কমেছিলো ৫ শতাংশ।

মহামারিতে রেমিট্যান্স প্রবাহে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। অথচ এই রেমিট্যান্স আয়ই অনেক দরিদ্র দেশের আয়ের অন্যতম উৎস। প্রবাসী আয় বেশি আসে এমন শীর্ষ ১০টি উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে ৭টিরই গেলো বছর রেমিট্যান্স কমেছে।

প্রবাসী আয় কমার তালিকায় আছে ভারত, চীন, ফিলিপিন্স, মিসর, নাইজেরিয়া, ভিয়েতনাম ও ইউক্রেন। ভারতে প্রবাসী আয় ২০১৯ সালের চেয়ে ৮শ` কোটি ডলার কমেছে। ২০২০ সালে দেশটিতে প্রবাসী আয় এসেছে ৭ হাজার ৫শ` ৯০ কোটি ডলার। চীনের প্রবাসী আয় কমেছে ৯শ` কোটি ডলার, রেমিট্যান্স এসেছে ৫ হাজার ৯শ` ৫০ কোটি ডলার।

সূত্র: সময় সংবাদ

স্বর্ণের বাজারে বড় পতন, নিম্নমুখী তেলও
                                  

অনলাইন ডেস্ক : গেল সপ্তাহে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন হয়েছে। এতে সাত মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে চলে গেছে স্বর্ণের দাম। স্বর্ণের পাশাপাশি গত সপ্তাহ জুড়ে অপরিশোধিত তেলের দামও কমেছে। দরপতনের এ তালিকায় রয়েছে রূপাও।

গেল এক সপ্তাহে স্বর্ণের দাম কমেছে ২ দশমিক ১৪ শতাংশ। রূপার দাম কমেছে দশমিক ৩০ শতাংশ। অপরদিকে পরিশোধিত তেলের দাম দশমিক ৮৭ শতাংশ কমেছে। তবে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম সপ্তাহের ব্যবধানে দশমিক শূন্য ৩৭ শতাংশ বেড়েছে।

মহামারি করোনাভাইরাসের প্রকোপ কমে আসায় কয়েক সপ্তাহ ধরেই বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম নিম্নমুখী। বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম নিম্নমুখী হওয়ায় গত ১৩ জানুয়ারি থেকে দেশের বাজারেও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

১২ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত বাজুসের কার্যনির্বাহী কমিটির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৩ জানুয়ারি থেকে দেশের বাজারে ভালো মানের, অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতিভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম এক হাজার ৯৮৩ টাকা কমিয়ে ৭২ হাজার ৬৬৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ ৬৯ হাজার ৫১৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ ৬০ হাজার ৭৬৯ টাকায় ও সনাতন পদ্ধতির প্রতিভরি স্বর্ণ ৫০ হাজার ৪৪৭ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

স্বর্ণের দাম কমলেও রুপার পূর্বনির্ধারিত দাম বহাল রয়েছে। ক্যাটাগরি অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫১৬ টাকায়। ২১ ক্যারেটের রূপার দাম ১ হাজার ৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ হাজার ২২৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রূপার দাম ৯৩৩ টাকা।

বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম কমানোর পর বিশ্ববাজারে কয়েক দফা দাম কমেছে। গেল সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৮ দশমিক ৯০ ডলার বাড়ার পরও সপ্তাহের ব্যবধানে দাম কমেছে ২ দশমিক ১৪ শতাংশ। এতে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম কমে ১৭৮৪ দশমিক ৩৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর মাধ্যমে মাসের ব্যবধানে স্বর্ণের দাম কমেছে ৪ দশমিক ৬২ শতাংশ।

অপরদিকে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দশমিক ৯৩ শতাংশ বাড়ার পরও সপ্তাহের ব্যবধানে বিশ্ববাজারে রূপার দাম কমেছে দশমিক ৩০ শতাংশ। এতে প্রতি আউন্স রূপার দাম দাঁড়িয়েছে ২৭ দশমিক ২৭ ডলার।

এদিকে স্বর্ণ ও রূপার দরপতনের সঙ্গে গেল সপ্তাহে তেলের দামেও নেতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম ১ দশমিক ৫১ ডলার কমে ৫৮ দশমিক ৯৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এই দরপতনের ফলে সপ্তাহের ব্যবধানে অপরিশোধিত তেলের দাম কমেছে দশমিক ৮৭ শতাংশ।

অপরিশোধিত তেলের পাশাপাশি সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দাম কমেছে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের। প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ১ দশমিক ২৭ ডলার কমে ৬২ দশমিক ৬৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। শেষ কার্যদিবসে দাম কমলেও সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম বেড়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম বেড়েছে দশমিক ৩৭ শতাংশ। আর মাসের ব্যবধানে বেড়েছে ১১ দশমিক ৭৩ শতাংশ। এর মাধ্যমে ১৩ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম।

বাংলাদেশে ৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করতে চায় সৌদি আরব
                                  

অনলাইন ডেস্ক : পর্যটনসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে সৌদি বিনিয়োগকারীরা প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত এসসা ইউসেফ এসসা আল দুলাইহান ।


বৃহস্পতিবার( ১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলীর সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের পর্যটন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেন সৌদি রাষ্ট্রদূত।

এ সময় সৌদি রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, বাংলাদেশ থেকে যাওয়া কর্মীরা দক্ষ ও কর্মনিষ্ঠ। তাদের কাজের দক্ষতায় নিয়োগদাতারা সন্তুষ্ট। ফেরত যেতে না পারা ও নতুন ভিসা প্রাপ্তদের সৌদি আরবে নিয়ে যেতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সৌদি আরবে কর্মরত প্রত্যেক বাংলাদেশি নাগরিককে বিনামূল্যে টিকাদান করা হবে।

বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে সৌদি বিনিয়োগকারীরা প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করতে আগ্রহী জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, সৌদি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পে বিনিয়োগ করতে খুবই আগ্রহী। এছাড়াও এভিয়েশন শিল্পের উন্নয়নে সৌদি আরব বাংলাদেশের সাথে যৌথভাবে কাজ করতে আগ্রহী।

এ সময় পর্যটন খাতে বিনিয়োগের উদ্যোগকে স্বাগত জানানো হবে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। প্রতিমন্ত্রী এ সময় বলেন, সৌদি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বাংলাদেশের পর্যটন উন্নয়নে একত্রে কাজ করাটা হবে আনন্দের। একই সঙ্গে আমরা এভিয়েশন শিল্পের উন্নয়নেও একত্রে কাজ করতে পারবো বলে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।

কোভিড-১৯ মহামারীর এই সময়ে সৌদি আরবে বসবাসরত বাংলাদেশী নাগরিকদের দিকে খেয়াল রাখায় সৌদি কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান প্রতিমন্ত্রী।

বর্তমানে বিশেষ ব্যবস্থায় বিমান সৌদি আরবে ফ্লাইট পরিচালনা করছে জানিয়ে বিমানের সিডিউল ফ্লাইট পরিচালানার অনুমোদন ও কোভিড-১৯-এর কারণে সৌদি আরবে ফেরত যেতে না পারা ও নতুন ভিসাপ্রাপ্ত ৮৬ হাজার বাংলাদেশী কর্মীর দ্রুত ফেরত যাওয়ার ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সৌদি রাষ্ট্রদূতকে আহ্বান জানান তিনি।

জবাবে সৌদি রাষ্ট্রদূত বলেন, আমরা সবসময়ই বাংলাদেশের সাথে আমাদের সম্পর্কে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করি। এজন্যই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সৌদি আরবের বিমান যোগাযোগ বন্ধ থাকলেও বাংলাদেশের সঙ্গে তা বন্ধ হয়নি। সিডিউল ফ্লাইট পরিচালনার অনুমোদন শুরু হলে বাংলাদেশ বিমান প্রথমেই অগ্রাধিকারভিত্তিতে তা পাবে।

রমজানের জন্য ভোগ্যপণ্যের পর্যাপ্ত মজুত আছে : বাণিজ্যমন্ত্রী
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, `রমজান মাসের চাহিদা সামাল দিতে ব্যবসায়ী ও টিসিবির কাছে ভোজ্যতেল, চিনি, গুড়, খেজুর, পেঁয়াজসহ সব ধরনের পণ্যের পর্যাপ্ত মজুত আছে। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা আশ্বাস দিয়েছেন, রমজানে ভোগ্যপণ্যের দাম যৌক্তিক পর্যায়ে রাখবেন।`

বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রামে বাংলাদেশ চা বোর্ডের প্রধান কার্যালয়ে `বঙ্গবন্ধু স্মৃতি গ্যালারি` ও `বঙ্গবন্ধু কর্নার` উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, `ভোগ্যপণ্যের দর নির্ধারণে মন্ত্রণালয়ে একটি কমিটি আছে। যেখানে ব্যবসায়ীরাও আছেন। এ কমিটি বসে মূল্য নির্ধারণ করে থাকে। সমস্ত ডাটা নিয়ে বিস্তৃত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে এটা করা হয়।`

আন্তর্জাতিক বাজারে গত ৬ মাসে তেলের দাম ৬৭ শতাংশ বেড়েছে জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, `যেটা ৭০০ ডলার ছিল, সেটা এখন বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ১১ শ ডলার। সেই দামসহ সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। যেহেতু, দেশে প্রয়োজনের ৯০ ভাগ তেল আমদানি করতে হয়, তাই আন্তর্জাতিক বাজারের ওপর নির্ভর করতে হয়।`

আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে দেশে খুচরা পর্যায়ে ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ করা হলেও সাধারণ মানুষের জন্য টিসিবির মাধ্যমে ভর্তুকি মূল্যে তেল বিক্রি অব্যাহত থাকবে বলেও জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, `এখন মানুষের কষ্ট হচ্ছে। তারপরেও আমরা টিসিবির মাধ্যমে ভর্তুকি দিয়ে সাধারণ মানুষকে তেল দেয়ার চেষ্টা করেছি। আগামীতেও আমরা এটি করব।`

খুচরা বাজারে চালের দাম প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, `আমদানির চাল দেশে আসা শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারেও চালের দাম কিছুটা বাড়তি। আমাদের বোরো ধান উঠে গেলে আর সমস্যা হবে না। আশা করি আর দাম বাড়বে না।`

পুরস্কার পেল প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের ১০ প্রতিষ্ঠান
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : শিল্পখাতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং গুণগতমানের পণ্য তৈরির জন্য `ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি অ্যান্ড কোয়ালিটি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০১৯` পেয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের ১০টি প্রতিষ্ঠান।

এই ১০ প্রতিষ্ঠান হলো- বঙ্গ বিল্ডিং ম্যাটেরিয়াল লিমিটেড, আরএফএল ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড, রংপুর মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, নাটোর এগ্রো লিমিটেড, আরএফএল প্লাস্টিকস লিমিটেড, ডিউরেবল প্লাস্টিক লিমিটেড, গেট ওয়েল লিমিটেড, বঙ্গ প্লাস্টিক ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, প্যাকম্যাট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এবং রংপুর ফাউন্ড্রি লিমিটেড।

সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে এক অনুষ্ঠানে এই ১০ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন।

২০১৯ সালের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং গুণগতমানের পণ্য তৈরির তথ্য যাচাই করে এ পুরস্কার দেয়া হয়েছে। পাঁচটি ক্যাটাগরিতে এ বছর প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের ১০ প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি এ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে মোট ৩১টি প্রতিষ্ঠান। অ্যাওয়ার্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠানগুলোকে ট্রফি ও সনদ দেয়া হয়েছে।

এর মধ্যে বৃহৎ শিল্প ক্যাটাগরিতে ইস্পাত ও প্রকৌশল খাতের জন্য তিনটি অ্যাওয়ার্ড-ই পেয়েছে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পৃথক তিনটি প্রতিষ্ঠান।

প্রথম পুরস্কারের জন্য মনোনীত হওয়া বঙ্গ বিল্ডিং মেটেরিয়ালস লিমিটেডের পক্ষে ট্রফি ও সনদ গ্রহণ করেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক দীলিপ কুমার সূত্রধর।

দ্বিতীয় স্থানে থাকা আরএফএল ইলেক্ট্রনিক্স লিমিটেডের পক্ষে ট্রফি ও সনদ গ্রহণ করেন চিফ অপারেটিং অফিসার মো. নূর আলম এবং তৃতীয় স্থানে থাকা রংপুর মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পক্ষে ট্রফি ও সনদ গ্রহণ করেন পরিচালক মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান।

বৃহৎ ক্যাটাগরিতে খাদ্য শিল্পখাতে দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে প্রাণের নাটোর এগ্রো লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে ট্রফি ও সনদ গ্রহণ করের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইলিয়াছ মৃধা।

বৃহৎ ক্যাটাগরিতে প্লাস্টিক খাতের জন্য দুটি অ্যাওয়ার্ড প্রাণ-আরএফএল-এর। এর মধ্যে প্রথম আরএফএল প্লাস্টিকসের পক্ষে ট্রফি ও সনদ গ্রহণ করেন নির্বাহী পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম এবং দ্বিতীয় ডিউরেবল প্লাস্টিকসের পক্ষে ট্রফি ও সনদ গ্রহণ করেন নির্বাহী পরিচালক মো. তকিরুল ইসলাম।

মাঝারি শিল্প ক্যাটাগরিতে ইস্পাত ও প্রকৌশল খাতে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে আরএফএল-এর গেট ওয়েল লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে ট্রফি ও সনদ গ্রহণ করেন চিফ অপারেটিং অফিসার মো. সাইদ হোসেন চৌধুরী।

মাঝারি শিল্পে প্লাস্টিক খাতে প্রথম হিসেবে অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে আরএফএল-এর বঙ্গ প্লাস্টিক ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে ট্রফি ও সনদ গ্রহণ করেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ কাজী আব্দুল কাইয়ুম।

মাঝারি শিল্পে ক্যাটাগরিতে অন্যান্য শিল্পখাতের মধ্যে প্রথম প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্বাচন হয়েছে প্রাণ-আরএফএল-এর প্যাকম্যাট ইন্ডাস্ট্রিজ। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে ট্রফি ও সনদ গ্রহণ করেন নির্বাহী পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান।

আর ক্ষুদ্র শিল্প ক্যাটাগরিতে দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে আরএফএল-এর রংপুর ফাউন্ড্রি। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে ট্রফি ও সনদ গ্রহণ করেন চিফ অপারেটিং অফিসার মো. আফজালুর রহমান।

ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও) ২০১২ সাল থেকে এ অ্যাওয়ার্ড কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এবার দিয়ে ৭ বার শিল্পখাতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং গুণগতমানের পণ্য তৈরির জন্য পুরস্কার দিল এনপিও।

শিল্প সচিব কে এম আলী আজমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার এবং এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম।

দাম কমেছে পেঁয়াজের
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর বাজারগুলোতে পেঁয়াজের দাম কমেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত কমেছে পেঁয়াজের দাম। এতে আবার আগের দামে ফিরল পেঁয়াজ।

শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা পর্যায়ে পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা, যা গত সপ্তাহে এক লাফে ৪০ টাকায় উঠেছিল। তার আগে পেঁয়াজের কেজি ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল।

খুচরার পাশাপাশি পাইকারিতেও সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কমেছে। গত সপ্তাহে ১৭৫ টাকা পাল্লা বিক্রি হওয়া পেঁয়াজ এখন ১২৫ থেকে ১৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সেই হিসাবে পাইকারিতে এক কেজি পেঁয়াজের দাম পড়ছে ২৫ থেকে ২৭ টাকা।

এদিকে পেঁয়াজের পাশাপাশি আলু ও ডিমের দাম কিছুটা কমেছে। খুচরা বাজারে এক কেজি নতুন আলু বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ১৮ টাকা, তা গত সপ্তাহে ২০ টাকায় উঠেছিল। আর গত সপ্তাহে ১০০ টাকা ডজন বিক্রি হওয়া ডিমের দাম কিছুটা কমে ৯০ থেকে ৯৫ টাকা ডজন বিক্রি হচ্ছে।

ডিমের দামের বিষয়ে হাজীপাড়ার ব্যবসায়ী মো. সাবু বলেন, গত সপ্তাহে দাম বাড়ায় এক ডজন ডিম ১০০ টাকায় বিক্রি করি। এখন কম দামে কিনতে পারায় ৯০ টাকা ডজন বিক্রি করছি।

এদিকে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় সবজির দামে খুব একটা হেরফের হয়নি। আগের মতো পাকা টমেটোর কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। শসার কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকার মধ্যে। শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৪০ টাকা।

এছাড়া মুলার কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকা, বেগুনের কেজি ৩০ থেকে ৪০ টাকা, পেঁপের কেজি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, গাজরের কেজি ১৫ থেকে ২৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে। সপ্তাহের ব্যবধানে এ সবজিগুলোর দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

ফুলকপি, বাঁধাকপি ও লাউয়ের দামও সপ্তাহের ব্যবধানে অপরিবর্তিত রয়েছে। গত সপ্তাহের মতো ফুলকপি ও বাঁধাকপির পিস বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। লাউ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা পিস।

স্বর্ণের দাম নিয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ বাজুসের
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিভ্রান্ত না হয়ে গত ১৩ জানুয়ারি নির্ধারণ করা দামে স্বর্ণ ও রুপা ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ অনুরোধ জানানো হয়েছে। এতে সই করেন বাজুসের সভাপতি এনামুল হক খান এবং সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা।

এর আগে গত ৬ ফেব্রুয়ারিতে এক বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বাজুস জানায়, ৩ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত অতিরিক্ত সাধারণ সভায় (ইজিএম) স্বর্ণের মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট ও মজুরি যোগ করে পুনরায় মূল্য নির্ধারণ করার বিষয়টি কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে।

এর প্রেক্ষিতে একাধিক গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়- স্বর্ণের দাম নির্ধারণে নতুন নিয়ম আসছে। এতে স্বর্ণের ও রুপার দাম বেড়ে যাবে।

এ নিয়ে ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বর্ণের দাম নিয়ে এক ধরনের বিভ্রান্তি দেখা দেয়, যা নিয়ে ৭ ফেব্রুয়ারি জাগো নিউজে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। ওই প্রতিবেদনে স্বর্ণের দাম নতুন করে বাড়বে বা কমবে না বলেও তথ্য প্রকাশ করা হয়।

জাগো নিউজে প্রতিবেদন প্রকাশ করার একদিন পরই আনুষ্ঠানিকভাবে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এখন স্বর্ণের দাম নিয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানাল বাজুস।

বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি বলেছে, `স্বর্ণের মূল্যের সব সিদ্ধান্তই অতীতের ন্যায় যথারীতি লিখিতভাবে সবাইকে জানানো হবে। এখানে বিভ্রান্ত হওয়ার কিছু নেই।`

ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে বাজুস বলেছে, `আপাতত বাংলাদেশের সব জুয়েলারি ব্যবসায়ী ও ক্রেতা সাধারণকে পূর্বের (২০২১ সালের ১৩ জানুয়ারি নোটিশে প্রকাশিত) মূল্যে স্বর্ণ ও রৌপ্য ক্রয় বিক্রয় করার জন্য অনুরোধ করা হলো।`

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, ৩ ফেব্রুয়ারির ইজিএমে স্বর্ণের মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট ও মজুরি যোগ করে পুনরায় মূল্য নির্ধারণ করার সিদ্ধান্ত কণ্ঠভোটে পাস হলে, অধিকতর স্বচ্ছতার জন্য বিষয়টিতে বিদ্যমান আইনের আলোকে পরামর্শ চেয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সংশ্লিষ্ট শাখায় চিঠি দেয়া হয়েছে।`

এছাড়া সিদ্ধান্ত প্রয়োগের ক্ষেত্রে একটি বিশদ বিশ্লেষণ ও পরিবর্তিত স্বর্ণের মূল্যে ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে কি ধরনের প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হতে পারে বা করোনার সময়ে এ ধরনের একটি সিদ্ধান্তের ফলে এই সেক্টর কি কি চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে পারে তার মূল্যায়ন করে এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চিঠি পাওয়ার পর নতুন সিদ্ধান্ত প্রয়োগের সময় নির্ধারণের জন্য বাজুসের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা আয়োজন করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে বাজুস।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে বাজুসের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা জাগো নিউজকে বলেন, আমাদের ৬ ফেব্রুয়ারির বিজ্ঞপ্তির প্রেক্ষিতে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় যে ধরনের নিউজ এসেছে, তাতে মনে হচ্ছে আমরা নতুন করে স্বর্ণের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছি। এতে ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে এক ধরনের বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো- নতুন নিয়ম কার্যকর হলেও গ্রাহক পর্যায়ে স্বর্ণ-অলঙ্কারের দামের পরিবর্তন হবে না।

গত ১২ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত বাজুসের কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৩ জানুয়ারি থেকে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণ ৭২ হাজার ৬৬৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এতে ৫ শতাংশ ভ্যাট ও মজুরি যোগ করে এখন এক ভরি ভালো মানের স্বর্ণালঙ্কার কিনতে ক্রেতাদের প্রায় ৮০ হাজার টাকা দিতে হচ্ছে।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ ৬৯ হাজার ৫১৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ ৬০ হাজার ৭৬৯ ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ৫০ হাজার ৪৪৭ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। এই মানের স্বর্ণালঙ্কার কিনতেও ক্রেতাদের ৫ শতাংশ ভ্যাট ও মজুরি যোগ করে মূল্য পরিশোধ করতে হয়।

চাল-তেলের বাজার গরম
                                  

ডেস্ক রিপাের্ট : বাজারে সবজি ও মাছের দাম নিয়ন্ত্রণে থাকলেও চাল, ডাল, ভোজ্য তেল, আটা ও পেঁয়াজের দাম ঊর্ধ্বগতি রয়েছে।

এ সপ্তাহে পেঁয়াজ, রসুন ও আদার দাম বেড়েছে কেজিতে পাঁচ থেকে ১০ টাকা। বিক্রেতারা বলছেন, কুয়াশার কারণে পণ্যবোঝাই গাড়ি আসতে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে, তাই বাজারে পেঁয়াজসহ কয়েকটি পণ্যের সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। তবে বাজার ঘুরে পেঁয়াজ ও রসুনের তেমন ঘাটতি চোখে পড়েনি। সবজির বাজারে স্বস্তি থাকলেও বাজারভেদে দামে বেশ পার্থক্য দেখা গেছে।

এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় ভোজ্য তেলের বাজারে এ অস্থিরতা চলছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তবে ভোজ্য তেলে সুখবর আসতে পারে আগামী মার্চে। ব্রাজিল, আর্জেন্টিনাসহ ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলোতে সামনে সয়াবিনের মৌসুম শুরু হচ্ছে। তখন আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমে আসবে। এ সময় মালয়েশিয়ার পাম অয়েলের পিক সিজনও শুরু হবে।

ব্যবসায়ীরা বলেছেন, ৩ থেকে ৪ দিনের ব্যবধানে সব ধরনের চালে কেজিতে ৩ থেকে ৪ টাকা করে বেড়েছে। প্রতি বস্তা মিনিকেট চাল ৩ হাজার ৫০ টাকা থেকে ৩ হাজার ১০০ টাকা পর্যন্ত দরে বিক্রি হচ্ছে। রাজধানীর তেজকুনিপাড়া কাঁচা বাজার, কাওরানবাজারসহ আরও কয়েকটি বাজার ঘুরে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র জানা গেছে।

 

বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে দেখা যায়, আগের সপ্তাহে দেশি পেঁয়াজ ২৮ থেকে ৩৫ টাকায় বিক্রি হলেও গতকাল কেজিতে সাত টাকা পর্যন্ত বেড়ে এখন ৩৫ থেকে ৪০ টাকা চলছে। একই অবস্থা রসুনেরও। আগের সপ্তাহে দেশি রসুন ১০০ থেকে ১১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও গতকাল ১২০ টাকা পর্যন্ত দাম চাইলেন বিক্রেতারা। আমদানি করা রসুনের দাম ১০ টাকা বেড়ে ১১৫ থেকে ১৩০ টাকায় উঠেছে। দেশি আদা কেনা যেত ৭০ থেকে ১১০ টাকা কেজিতে, এখন ৮০ থেকে ১২০ টাকা কেজি, আমদানি করা আদা কিনতে হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায়।

কাওরানবাজারের এক চালের আড়তদার সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, দুই মাস ধরে চালের দাম উঠানামা করছে। কখনো বাড়ছে আবার কখনো কমছে। মাঝে চালের দাম স্থির থাকলেও এখন আবার চালের দাম বেড়ে গেছে। সব ধরনের চাল ৩ থেকে ৪ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। প্রতি বস্তা মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৩০ হাজার ৫০ টাকা থেকে ৩ হাজার ১০০ টাকা পর্যন্ত। প্রকারভেদে আরও বেশিও বিক্রি হচ্ছে।

রাজধানীর তেজকুনিপাড়া কাঁচা বাজারের এক মুদি ব্যবসায়ী বলেন, `তেলের দাম এখনো কমেনি বরং বেড়েছ। প্রতি লিটার রূপচাঁদা তেল এক মাস আগে ১০৭ টাকা দামে পাইকারি বিক্রি করেছি। এখন সেটা বিক্রি করছি ১৩৫ টাকা, যেটির গায়ের রেট ১৪০ টাকায় খুচরা বিক্রি হবে। একইভাবে বাড়ছে খোলা সয়াবিন তেলও।

তিনি আরও বলেন, ২ কেজি আটা গত সপ্তাহ বিক্রি করেছি ৬৫ টাকা, এখন বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৭২ টাকা পর্যন্ত। চিনি দামও এক সপ্তাহে বেড়েছে। আগে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি করেছি ৭০ টাকা, এখন সেটি বিক্রি হচ্ছে ৭২ থেকে ৭৫ টাকা পর্যন্ত।

এদিকে সবজি বাজারে গিয়ে দেখা গেছে- সবজি ও মাছের দাম স্বাভাবিক থাকলেও বেড়েছে ডিমের দাম। ১০ টাকা বেড়ে প্রতি ডজন ফার্মের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা করে। হাঁসের ডিম বিক্রি হচ্ছে প্রতি ডজন ১৭০ টাকা করে।

দাম বেড়েছে আলু-পেঁয়াজ, ডিম-মুরগি, সবজির
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : হঠাৎ করেই রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলো যেন গরম হয়ে উঠেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে আলু, পেঁয়াজ, ডিম, মুরগিসহ প্রায় সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে।

শুক্রবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা পর্যায়ে কেজিতে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ১০ টাকা পর্যন্ত। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি ৩০ টাকায় বিক্রি হওয়া দেশি পেঁয়াজ এক লাফে উঠেছে ৪০ টাকায়। পাইকারিতেও কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে হয়েছে ৩৫ টাকা।

পেঁয়াজের দামের বিষয়ে কারওয়ানবাজারের ব্যবসায়ী সফর আলী বলেন, `এখন ঢাকার বাজারে দেশি যে পেঁয়াজ পাওয়া যাচ্ছে তার বড় অংশ আসছে ফরিদপুর থেকে। হঠাৎ করেই ফরিদপুরে পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে। আর বাড়তি দামে কিনে আনার কারণে আমরাও বাড়তি দামে বিক্রি করছি।`

তিনি আরও বলেন, `গত সপ্তাহে পেঁয়াজের দাম যে হারে কমেছিল তাতে আমরা ধারণা করছিলাম সামনে আরও কমবে। কিন্তু উল্টো বেড়েছে। গত সপ্তাহে এক পাল্লা পেঁয়াজ ১২৫ টাকায় বিক্রি করেছি, এখন তা ১৭৫ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। তবে আমাদের ধারণা পেঁয়াজের দাম আবার কমে যাবে।`

এদিকে, পেঁয়াজের পাশাপাশি দাম বেড়েছে নতুন আলুর। খুচরা বাজারে এক কেজি নতুন আলু বিক্রি হচ্ছে ১৮ টাকায়। কয়েক দফা কমে যা দুদিন আগে ১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল।

আলুর দাম বৃদ্ধির বিষয়ে মালিবাগ হাজীপাড়ার ব্যবসায়ী মো. জাহাঙ্গীর বলেন, `নতুন আলু দুই দিন আগেও ১৫ টাকা কেজিতে বিক্রি করেছি। কিন্তু বৃহস্পতিবার শ্যামবাজারে গিয়ে দেখি আলুর দাম কেজিতে তিন টাকা বেড়ে গেছে। সে কারণে এখন আমরা ১৮ টাকা কেজি বিক্রি করছি।`

এই ব্যবসায়ী বলেন, `আলু এখনও হিমাগারে যাওয়া শুরু হয়নি। বাজারে আলুর সরবরাহেরও কোনো সমস্যা নেই। আড়তে প্রচুর বড় আলু। এরপরও দাম বেড়েছে। আমাদের ধারণা, পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির কারণে আলুরও দাম বেড়েছে।`

আলু ও পেঁয়াজের পাশাপাশি দাম বেড়েছে বয়লার মুরগি ও ডিমের। গত সপ্তাহে ৮৫ টাকা ডজন বিক্রি হওয়া ডিমের দাম বেড়ে এক লাফে ১০০ টাকা হয়েছে। আর ১২০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়ে ১৪০ টাকা হয়েছে।

কুড়িলের মুরগি ব্যবসায়ী শরিফুল বলেন, `মাঝে ব্রয়লার মুরগির চাহিদা কমে গিয়েছিল। যে কারণে দাম কমে ১১৫ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে। তবে কিছুদিন ধরে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দামও বেড়েছে। গত সপ্তাহে ব্রয়লার মুরগির কেজি ১২০ টাকা বিক্রি করেছি এখন ১৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।`

তিনি আরও বলেন, `ব্রয়লার মুরগির দাম পাইকারি বাজারের ওপর নির্ভর করে। পাইকারিতে দাম বাড়লে আমরা দাম বাড়াতে বাধ্য হই। কয়েকদিন ধরে পাইকারি বাজারের যে চিত্র দেখছি তাতে সহসা দাম কমার সম্ভাবনা কম।`

ডিমের দামের বিষয়ে মালিবাগ হাজীপাড়ার ব্যবসায়ী মো. সাবু বলেন, `গত সপ্তাহে এক ডজন ডিম ৮৫ টাকায় বিক্রি করেছি। পাইকারিতে দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে এখন ১০০ টাকা ডজন বিক্রি করছি। পাইকারিতে দাম কমলে আবার কম দামে বিক্রি করব।`

এদিকে, শীতের সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহে সবজির দামে স্বস্তি ফিরে এসেছিল। কিন্তু হঠাৎ করে সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম বেড়ে গেছে। গত সপ্তাহে ১০ থেকে ২০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া পাকা টমেটোর দাম বেড়ে ২০ থেকে ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৪০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৫ থেকে ৩০ টাকা। মুলার কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১০ থেকে ১৫ টাকা। ১০ থেকে ২৫ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া বেগুনের দাম বেড়ে ৩০ থেকে ৪০ টাকা হয়েছে।

হঠাৎ সবজির দাম বাড়লেও গাজর, ফুলকপি ও বাঁধাকপির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। গত সপ্তাহের মতো গাজরের কেজি ১৫ থেকে ৩০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। ফুলকপি ও বাঁধাকপির পিস বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। তবে লাউয়ের দাম কিছুটা বেড়ে ৫০ থেকে ৬০ টাকা হয়েছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ৪০ টাকার মধ্যে।

জানুয়ারিতে প্রবাসী আয় এসেছে ১৯৬ কোটি ডলার
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : ২০২১ সালের প্রথম মাস জানুয়ারিতে ১৯৬ কোটি ২৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। যা গত বছরের জানুয়ারি মাসের চেয়ে প্রায় ২০ শতাংশ বেশি। গত বছরের জানুয়ারি মাসে প্রবাসীরা দেশে ১৬৩ কোটি ৮৪ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত হালনাগাদ তথ্যে এ চিত্র উঠে এসেছে।

এর আগে সদ্য বিদায়ী বছরের ৩০ ডিসেম্বর দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো রিজার্ভ ৪৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়। জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে নভেম্বর-ডিসেম্বর মেয়াদের আমদানি বিল পরিশোধের পর রিজার্ভ ৪২ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে এসেছিল।

সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) দিন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪২ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলারে। যা আবারও ৪৩ বিলিয়ন ডলার ছুঁই ছুঁই। প্রতি মাসে চার বিলিয়ন ডলার হিসাব ধরলে এ রিজার্ভ দিয়ে সাড়ে দশ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।

খেলাপি ঋণ নিয়ে কঠোর নির্দেশনা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের
                                  

অনলাইন ডেস্ক : ঋণ খেলাপিদের আর কোনো ছাড় না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্যাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে খেলাপি ঋণ যাতে তৈরি হতে না পারে সে বিষয়েও কঠোর হয়েছে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সব ঋণের বিপরীতে নিয়মিত কিস্তি পরিশোধের বাধ্যবাধকতা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

রোববার (৩১ জানুয়ারি) এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

তবে, কেবলমাত্র মেয়াদি ঋণের ক্ষেত্রে ব্যাংক-গ্রাহক `সম্পর্কেরভিত্তিতে` চলমান মেয়াদ শেষের দিন থেকে ৫০ শতাংশ বাড়ানো যাবে। এই সীমা কোনোক্রমেই দুই বছরের বেশি বাড়ানো যাবে না। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করে দেওয়া এসব শর্ত জারির দিন থেকেই কার্যকর হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট দফতর এবং ব্যাংকগুলোকে এর লিখিত নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।

নতুন সার্কুলারে বলা হয়েছে, করোনার প্রভাব মোকাবিলায় আগের দেয়া সুবিধা আর না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এর ফলে যে কারণে ১ জানুয়ারি থেকে যেসব ঋণ বা ঋণের কিস্তি পরিশোধের সময় হলে তা পরিশোধ করতে হবে। এগুলো পরিশোধে ব্যর্থ হলে নিয়ম অনুযায়ী খেলাপি হিসাবে চিহ্নিত করা হবে। অর্থাৎ খেলাপি ঋণের বর্তমান সংজ্ঞা অনুযায়ী, তলবী ঋণের কিস্তি পরিশোধের দিন থেকে ৬ মাস অপরিশোধিত থাকলে এবং মেয়াদি ঋণের কিস্তি পরিশোধের দিন থেকে নয় মাস অপরিশোধিত থাকলে তা খেলাপি হিসাবে চিহ্নিত করা হবে।

তবে সার্কুলারে মেয়াদি ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় দেয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, গত ১ জানুয়ারি থেকে কেবলমাত্র নিয়মিত মেয়াদি ঋণের ক্ষেত্রে পরিশোধের সময়সীমা চলমান মেয়াদের সঙ্গে আরও ৫০ শতাংশ বাড়ানো যাবে ব্যাংকার গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে। তবে তা কোনোক্রমেই এই মেয়াদ দুই বছরের বেশি বাড়ানো যাবে না। কোন খেলাপি বা মেয়াদি ঋণ ছাড়া অন্য কোনো ঋণের মেয়াদ বাড়ানো যাবে না।

এতে আরও বলা হয়, অন্যান্য ঋণ আদায়ের ক্ষেত্রে বিদ্যমান নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে। বিভিন্ন প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় বিতরণ করা ঋণের ক্ষেত্রে সংশ্লিস্ট প্যাকেজের নীতিমালা অনুযায়ী ঋণ আদায় করতে হবে।

সবার আগে আমি ভ্যাকসিন নেব : অর্থমন্ত্রী
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ভারত থেকে আনা ভ্যাকসিন সবার আগে নেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে অনলাইনে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক ও সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন মন্ত্রী। সভায় সভাপতিত্বও করেন তিনি।

করোনার ভ্যাকসিন নেবেন কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, `আমি নেব, অবশ্যই নেব। আমি সবার আগেই নেব। আমার তো ভ্যাকসিন দরকার, আমার বয়স হয়েছে। আপনার (সাংবাদিক) লাগবে না। আমি বয়স্ক, আমার লাগবে।`

সরকার যে ভ্যাকসিন আনছে সেটাই নেবেন কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, `সরকার যেটা আনছে সেটাই নেব। যেখান থেকে আগে আসে। সব তো একই ভ্যাকসিন। একই কোম্পানির ভ্যাকসিন। ম্যানুফ্যাকচারার যদি বলে একই ভ্যাকসিন তাহলে একই ভ্যাকসিন। এ পর্যন্ত আমরা দ্বিতীয় সোর্স থেকে ভ্যাকসিন আনছি বলে তথ্য পাইনি।`

১৭ মার্চ হচ্ছে না বাণিজ্য মেলা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : এ বছর আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা জানুয়ারির পরিবর্তে ১৭ মার্চ শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে তা আর হচ্ছে না। এ মেলা আপাতত স্থগিতই থাকছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, ১৭ মার্চকে নির্ধারণ করে ছাড়পত্রের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়। কিন্তু ওই দিন বঙ্গবন্ধুর জন্ম দিন ও জাতীয় শিশু দিবস হওয়ায় ১৭ মার্চের পরিবর্তে ১৪ মার্চকে পুনঃনির্ধারণ করে আবার প্রস্তাব পাঠানো হয়। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে মেলা আপাতত স্থগিতের কথা জানানো হয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে।

এ বিষয়ে বাণিজ্য সচিব ড. জাফর উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেছেন, নতুন স্থানে (পূর্বাচলে) মেলার আয়োজন নিয়ে রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সবধরনের প্রস্তুতি আছে। কিন্তু মহামারি করোনার উদ্বেগের কারণে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নির্দেশনায় আপাতত স্থগিত করা হলো এই মেলা।`

এ মেলা কি এবার হবে? এমন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্য সচিব বলেন, `আপাতত হচ্ছে না, বা না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি; এতটুকু বলা যায়। আগামীকাল সব ক্লিয়ার করে বলা যাবে।`

রেমিট্যান্সের ঊর্ধ্বগতি মানেই প্রবাসীরা ভালো আছে ভাবা উচিত নয় : অধ্যাপক তাসনীম সিদ্দিকী
                                  

মিয়া আবদুল হান্নান : মরণঘাতী মহামারি করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে অনেক রেমিট্যান্স এসেছে দেশে। এ নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে। মহামারি করোনার মধ্যে এত রেমিট্যান্স কিভাবে আসছে, ভবিষ্যতে এ প্রবাহ বহাল থাকবে কিনা, এ প্রশ্নগুলোই অন্যতম। ১৭ জানুয়ারি ২০২১ রোববার আয়োজিত এই সংলাপে এসডিজি প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ও সিপিডি’র সম্মানীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, প্রবাসী আয়ের এ ঊর্ধ্বমুখী ধারা যেমন স্বস্তিদায়ক, ঠিক একইভাবে তা নিয়ে রয়েছে নানা আলোচনা। এই অর্থের উৎস নিয়েও রয়েছে নানা বিতর্ক। গত বছর ২০২০ সালে মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে দেশে ফিরেছেন প্রায় ২ লাখ প্রবাসী। এরপরও বাংলাদেশ প্রবাসী আয়ে রেকর্ড সৃষ্টি করেছে।

এর মধ্যে রেমিট্যান্স প্রবাহকে গতিশীল কততে ২ শতাংশ প্রণোদনা ঘোষণা করেছে সরকার। যা ইতিবাচক প্রভাব ফেলে এ খাতে।‘সাম্প্রতিক সময়ে প্রবাসী আয়, এত টাকা আসছে কোথা থেকে’ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল সেমিনারের আয়োজন করে সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ সিপিডি । প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, প্রবাসী আয়ের ওপর সরকারি ২ শতাংশ প্রণোদনা যদি আরও কিছুটা বাড়ানো যায়, তবে এই প্রবৃদ্ধি টেকসই হবে। এরইমধ্যে দেশে ফিরে আসা প্রবাসীদের জন্য ২০০ কোটি টাকার তহবিল গঠন করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

যেই টাকা ঋণ হিসাবে বিতরণ করা হবে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে। ফিরে আসা বাংলাদেশিদের কাজে লাগাতে মাত্র চার শতাংশ সুদে সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা পর্যন্ত জামানতবিহীন এই ঋণের ব্যবস্থা করছে সরকার। এ বিষয়ে সেন্টার ফর নন-রেসিডেন্ট বাংলাদেশি (এনআরবি)’র চেয়ারপার্সন এম এস শাকিল চৌধুরী বলেন, একটা সময় হুন্ডির মাধ্যমে প্রচুর বিদেশি অর্থ দেশে আসত। কিন্তু সেটাও এখন ব্যাংকিং চ্যানেলে আসছে। প্রবাসীরা প্রতিবছর দুই থেকে একবার দেশে আসার সময় অনেক নগদ টাকা আনতেন। এখন সেটার প্রয়োজন পড়ছে না। কারণ ব্যাংকিং চ্যানেলে টাকা পাঠালে দুই শতাংশ প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার। এছাড়া, যেসব ব্যবসায়ী হুন্ডির মাধ্যমে ভারী লেনদেন করতেন তাদের মধ্যেও বৈধ পথে টাকা লেনদেনের আগ্রহ বেড়েছে। রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটিং মুভমেন্ট রিসার্চ ইউনিট (রামরু)’র চেয়ারপার্সন অধ্যাপক তাসনীম সিদ্দিকী বলেন, রেমিট্যান্সের ঊর্ধ্বগতি মানেই প্রবাসীরা ভালো আছেন, এটা ভাবা উচিত নয়। তবে যেসব প্রবাসী এরইমধ্যে কাজ হারিয়ে দুরবস্থায় আছেন, তাদের বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া উচিত। ড.দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে ২০০ কোটি টাকা বিতরণ কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে মাত্র কয়েক লাখ টাকা বিতরণ করেছে ব্যাংকটি। নানা সমস্যার কারণে প্রবাসীদের কাছে টাকা পৌঁছাতে পারছে না তারা। এখন প্রশ্ন উঠেছে, কেন অন্য কোনো ব্যাংকের মাধ্যমে এই ঋণ বিতরণ করা হবে না। এসব মানুষের সহযোগিতায় সরকারকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ সিডিপি সংগঠনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।


   Page 1 of 26
     অর্থ-বাণিজ্য
দাম বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির
.............................................................................................
সোনালী ব্যাংকের আড়াই কোটি গ্রাহকের লেনদেন হবে বিকাশে
.............................................................................................
রেমিট্যান্সে বাংলাদেশের চমক
.............................................................................................
স্বর্ণের বাজারে বড় পতন, নিম্নমুখী তেলও
.............................................................................................
বাংলাদেশে ৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করতে চায় সৌদি আরব
.............................................................................................
রমজানের জন্য ভোগ্যপণ্যের পর্যাপ্ত মজুত আছে : বাণিজ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
পুরস্কার পেল প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের ১০ প্রতিষ্ঠান
.............................................................................................
দাম কমেছে পেঁয়াজের
.............................................................................................
স্বর্ণের দাম নিয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ বাজুসের
.............................................................................................
চাল-তেলের বাজার গরম
.............................................................................................
দাম বেড়েছে আলু-পেঁয়াজ, ডিম-মুরগি, সবজির
.............................................................................................
জানুয়ারিতে প্রবাসী আয় এসেছে ১৯৬ কোটি ডলার
.............................................................................................
খেলাপি ঋণ নিয়ে কঠোর নির্দেশনা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের
.............................................................................................
সবার আগে আমি ভ্যাকসিন নেব : অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
১৭ মার্চ হচ্ছে না বাণিজ্য মেলা
.............................................................................................
রেমিট্যান্সের ঊর্ধ্বগতি মানেই প্রবাসীরা ভালো আছে ভাবা উচিত নয় : অধ্যাপক তাসনীম সিদ্দিকী
.............................................................................................
ব্রিটিশ তরুণীকে ধর্ষণ, বাংলাদেশির ৬ বছরের কারাদণ্ড
.............................................................................................
কমেছে আলু-টমেটোর দাম
.............................................................................................
এক দেশে ভ্যাকসিনের দাম বেশি হলে অন্য দেশে যাবো
.............................................................................................
কমল সোনার দাম
.............................................................................................
স্বর্ণের দাম একদিনে কমলো সাড়ে তিন শতাংশ
.............................................................................................
কালো টাকা সাদা হওয়ায় অর্থনীতিতে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে
.............................................................................................
সোনার দাম আবার বাড়ল
.............................................................................................
ডিসেম্বরে গতি হারিয়েছে রফতানি বাণিজ্য
.............................................................................................
১০ প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি
.............................................................................................
একদিনে ৭ হাজার ডলার কমলো বিটকয়েনের দাম
.............................................................................................
ফের বাড়ছে সোনা-রূপার দাম
.............................................................................................
ভারতীয় পেঁয়াজ ৫০ টাকার নিচে বিক্রি সম্ভব নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
আগামী বাজেটে অগ্রাধিকার পাবে করোনাসহ ৯টি বিষয়
.............................................................................................
করোনা সংকট কেটে মাসে দেড় লাখ ডলারের কাঁকড়া রফতানি
.............................................................................................
নতুন বছরের প্রথম দিনে কাঁচাবাজারে স্বস্তি
.............................................................................................
রিজার্ভে ইতিহাস গড়ে বছর শেষ
.............................................................................................
জেনেক্স ইনফোসিসের অস্বাভাবিক লেনদেন, ৩ বিও হিসাব জব্দ
.............................................................................................
পেঁয়াজ রফতানির নিষেধাজ্ঞা ভারতের প্রত্যাহার
.............................................................................................
ঊর্ধ্বমুখী চালের বাজার, সংবাদ সম্মেলনে আসছেন খাদ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
দেশের অর্থনীতি ভালো অবস্থানে আছে : অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
স্বর্ণের দাম বেড়েই চলেছে
.............................................................................................
কুমিল্লার খাদি কাপড়ের কদর এখন বিশ্বজুড়ে
.............................................................................................
বেড়েছে আলু-পেঁয়াজের দাম
.............................................................................................
শীতের পোশাক কিনতে ক্রেতার ঢল
.............................................................................................
সবজি নাগালের মধ্যে, বেড়েছে ডিমের দাম
.............................................................................................
অবশেষে কমল আলুর দাম
.............................................................................................
ফের স্বর্ণের দাম বাড়ছে
.............................................................................................
আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম কমেছে
.............................................................................................
কমেছে মূল্যস্ফীতি
.............................................................................................
ফের কমেছে সোনার দাম
.............................................................................................
করদাতার সংখ্যা এক দশকে বেড়েছে ৩৫৭ শতাংশ
.............................................................................................
বাড়ছে না আয়কর রিটার্নের সময়সীমা
.............................................................................................
শীতের সবজির দাম কমেছে
.............................................................................................
ফের সাইবার হামলার আশঙ্কায় ব্যাংকে সতর্কতা
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop