| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * ভারতে করোনায় আক্রান্ত ১,৬১৬ জন, মৃত্যু বেড়ে ৩৫   * রমজান উপলক্ষে টিসিবির তিন পণ্য বিক্রি শুরু   * শরীয়তপু‌রে আইসোলেশনে থাকা যুব‌কের মৃত্যু   * যুক্তরাষ্ট্রে একদিনে ৭৭০ মৃত্যুর রেকর্ড, ছাড়াল চীনকেও   * শেষ হলো পদ্মাসেতুর সবক’টি পিলার বসানোর কাজ   * আক্রান্ত ছাড়িয়েছে সাড়ে আট লাখ, মৃত ৪২ হাজার   * অর্থনৈতিক মন্দায় পড়বে উন্নয়নশীল দেশগুলো: জাতিসংঘ   * মৃত শ্বশুরকে দেখতে যাওয়ার পথে জামাই-মেয়েসহ নিহত ৩   * নেই পিপিই, হেলমেট-রেইনকোটেই লড়ছেন ভারতীয় চিকিৎসকরা   * ১৭০০ দুস্থ পরিবারে খাদ্যসামগ্রী দিল বসুন্ধরা গ্রুপ  

   অর্থ-বাণিজ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
আতিঙ্কত হওয়ার কিছু নাই, পণ্যের যথেষ্ট মজুত আছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, ‘প্রত্যেকটি পণ্যের যথেষ্ট মজুত আছে। কাজেই আতিঙ্কত হওয়ার কিছু নাই। করোনার প্রভাবে আমাদের নিত্যপণ্যের আমদানি কমেনি।’ আজ বুধবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গত দুই দিনে স্কুল-কলেজ বন্ধ করে দেওয়ার পরপরই এই প্রভাব পড়েছে। মানুষ বেশি করে পণ্য কিনে প্যানিক সৃষ্টি করছে। তাই সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান—অহেতুক বাজারে অস্থিরতা তৈরি করবেন না।’

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘রমজানকে সামনে রেখে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) আরও বেশি তেল, চিনি, ছোলা ও পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করবে। মুজিববর্ষে ইতোমধ্যে এগুলো বিক্রি শুরু হয়েছে।’ টিপু মুনশি বলেন, ‘ক্রেতারা বেশি পরিমাণ পণ্য কিনছে দেখে বাজারে অস্থরিতা সৃষ্টি হয়েছে। পাইকারি বাজারে দাম বাড়েনি। প্রত্যেকটি পণ্যের ২৫-৩০ শতাংশ মজুত বেশি আছে। বৈশ্বিক সমস্যার পরও আমাদের সবকিছু সুদৃঢ় আছে। সাধারণ মানুষদের জন্য মোটিভেশন ক্যাম্পেইন প্রয়োজন।

মানুষ যেন বাজারে প্যানিক সৃষ্টি করতে না পারে। আতঙ্কিত হয়ে পণ্য কেনার কোনও কারণ নেই। মানুষ যদি সচেতন না হয় তাহলে লাখ লাখ খুচরা ব্যবসায়ীকে কন্ট্রোল করা কঠিন হয়ে পড়বে।’

 
আতিঙ্কত হওয়ার কিছু নাই, পণ্যের যথেষ্ট মজুত আছে: বাণিজ্যমন্ত্রী
                                  

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, ‘প্রত্যেকটি পণ্যের যথেষ্ট মজুত আছে। কাজেই আতিঙ্কত হওয়ার কিছু নাই। করোনার প্রভাবে আমাদের নিত্যপণ্যের আমদানি কমেনি।’ আজ বুধবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গত দুই দিনে স্কুল-কলেজ বন্ধ করে দেওয়ার পরপরই এই প্রভাব পড়েছে। মানুষ বেশি করে পণ্য কিনে প্যানিক সৃষ্টি করছে। তাই সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান—অহেতুক বাজারে অস্থিরতা তৈরি করবেন না।’

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘রমজানকে সামনে রেখে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) আরও বেশি তেল, চিনি, ছোলা ও পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করবে। মুজিববর্ষে ইতোমধ্যে এগুলো বিক্রি শুরু হয়েছে।’ টিপু মুনশি বলেন, ‘ক্রেতারা বেশি পরিমাণ পণ্য কিনছে দেখে বাজারে অস্থরিতা সৃষ্টি হয়েছে। পাইকারি বাজারে দাম বাড়েনি। প্রত্যেকটি পণ্যের ২৫-৩০ শতাংশ মজুত বেশি আছে। বৈশ্বিক সমস্যার পরও আমাদের সবকিছু সুদৃঢ় আছে। সাধারণ মানুষদের জন্য মোটিভেশন ক্যাম্পেইন প্রয়োজন।

মানুষ যেন বাজারে প্যানিক সৃষ্টি করতে না পারে। আতঙ্কিত হয়ে পণ্য কেনার কোনও কারণ নেই। মানুষ যদি সচেতন না হয় তাহলে লাখ লাখ খুচরা ব্যবসায়ীকে কন্ট্রোল করা কঠিন হয়ে পড়বে।’

 
বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞায় রপ্তানিতে ধস
                                  

করোনার সংক্রমণ রোধে বিভিন্ন দেশের বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা ও ফ্লাইট কমে যাওয়ায় কারণে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে সবজি, ফলমূল ও মাছ রপ্তানিতে ধস নেমেছে। ক্রেতাদের অর্ডার থাকলেও পর্যাপ্ত ফ্লাইট না থাকায় পণ্য সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। কাতার ও কুয়েতে বিমানের ফ্লাইট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বাড়তি ভাড়া আদায় করছে কাতার এয়ারসহ কিছু এয়ারলাইন্স। এদিকে যাত্রী প্রবেশে ভারতের নিষেধাজ্ঞায় শিল্পের কাঁচামাল আমদানি ও নিত্য পণ্যের বাজারে কৃত্রিম সংকটের আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।


ইউরোপের নানা শর্তের কারণে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশি সবজি, ফলমূল ও মাছের বড় বাজার হয়ে উঠেছে মধ্যপ্রাচ্য। পচনশীল হওয়ায় আকাশপথে রপ্তানি করা হয় এসব পণ্য। কিন্তু অন্যতম বড় ক্রেতা দেশ কাতার ও কুয়েতের করোনার ভয়ে বাংলাদেশ থেকে সরাসরি বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং চীন, থাইল্যান্ডসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে ফ্লাইট কমে যাওয়ায় সবজি ও মাছ রপ্তানি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এতে শুধু রপ্তানিকারক নয়, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সবজি ও মাছ চাষীরা। বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে অনেক প্যাকিং হাউস। এদিকে ফ্লাইট কমে যাওয়ায় পণ্য পরিবহনের ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক এয়ারলাইন্স।

ফলমূল ও সবজি রপ্তানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. মনসুর বলেন, কাতারে ৭৫ শতাংশ এক্সপোর্ট বন্ধ আছে। মিনিমাম পনের থেকে ষোলো লাখ ডলারের লস প্রতি মাসে। শুধু ফ্রেব্রুয়ারি মাসে শাহজালাল বিমানবন্দর দিয়ে গেল বছরের চেয়ে রপ্তানি কমেছে প্রায় ৪ হাজার টন। আমদানি কমে অর্ধেকে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে প্রতিবেশী দেশ ভারতের নিষেধাজ্ঞায় স্থলপথে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য সংকটে পড়ার আশঙ্কা করছেন পণ্য পরিবহনের সঙ্গে যুক্তরা।

বাংলাদেশ ফ্রেইটফরওয়ার্ডার অ্যাসোসিয়েশনের সহ সভাপতি সৈয়দ মো বখতেয়ার বলেন, বেশি যেটা এফেক্ট হয়েছে আমাদের এক্সপোর্টে। যেখানে সতেরো হাজার টন ছিলো এখন সেটা তেরো হাজার টন। ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য পরিমাণ বছরে ১০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি।

‘করোনার প্রভাবে’ প্রথম দিনেই শেয়ারবাজারে ধস
                                  

সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও প্রবেশ করেছে মরণঘাতী করোনা ভাইরাস। ফলে করোনার প্রভাবে দেশের শেয়ারবাজারে লেনদেনের শুরুতেই বড় দরপতন দেখা দিয়েছে। সোমবার (০৮ মার্চ) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স প্রথম ৬ মিনিটের লেনদেনেই হারিয়েছে ১০০ পয়েন্ট। এরপর আরও কমতে থাকে সূচক। সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে সূচকটি ১০৫ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৪১৮২ পয়েন্টে। তবে সকাল ১০টা ৩৭ মিনিটে সূচকটি ১২০ পয়েন্ট পর্যন্ত কমে।

গতকাল লেনদেন শেষে ডিএসইএক্স ৯৭ পয়েন্ট বা প্রায় সোয়া ২ শতাংশ কমে নেমে এসেছে ৪ হাজার ২৮৭ পয়েন্টে। করোনা ভাইরাস আতঙ্কে বিশ্বজুড়েই শেয়ারবাজারে এক ধরনের অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশের বাজারেও ধীরে ধীরে তার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। পাশাপাশি রয়েছে ব্যাংক খাতে ঋণ-আমানতের নয়-ছয় সুদহারের আতঙ্ক।

আজ সকাল ১০টা ৪৫ পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫৯ কোটি টাকার। বাজারে ক্রেতা নেই বললেই চলে। লেনদেন হওয়া শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে প্রায় সবগুলোর দর কমেছে। কমেছে ২৯১টির, বেড়েছে মাত্র ১২টির দর। অপরিবর্তিত আছে ১৬টির দর। অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সার্বিক সূচক সিএএসপিআই সকাল ১০টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত কমেছে ১২২ পয়েন্ট।

 
দাম কমেছে পেঁয়াজের
                                  

দেশের বাজারে কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম। ভারত রফতানি বন্ধের আদেশ তুলে নেয়ার পর থেকেই এ প্রবণতা দেখা যাচ্ছে বাজারে। গতকাল রাজধানীসহ দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম কেজিতে কমেছে ২০ টাকা। এর মাধ্যমে টানা দুই সপ্তাহে পেঁয়াজের দাম কেজিতে কমল প্রায় ৪০ টাকা।

বাজারে গতকাল মেহেরপুরের বড় পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৭০-৮০ টাকা। আর আমদানি করা বড় পেঁয়াজের কেজি আগের সপ্তাহের মতো ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি ভালো পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৭০-৭৫ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৮০-৯০ টাকা। দুই সপ্তাহ আগে ছিল ১০০-১২০ টাকা। আমদানি করা ভালো মানের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০-৮৫ টাকা কেজি, যা গত সপ্তাহে ছিল ৯০-১০০ টাকা।

 
চীন থেকে আকাশ পথে আসছে পোশাক খাতের কাঁচামাল, বাড়ছে খরচ
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক:

করোনা আতঙ্কের মধ্যেই চীন থেকে আকাশ পথে বাংলাদেশে আসতে শুরু করেছে পোশাক খাতের কাঁচামাল। তবে, আমদানি প্রক্রিয়া আবারও বন্ধ হবে কি না তা বুঝতে অপেক্ষা করতে হবে আরও অন্তত দুই সপ্তাহ। এমন পর্যবেক্ষণের কথা বলছে পোশাক খাতের দুই শীর্ষ সংগঠন বিকেএমইএ, বিজিএমইএ। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এখনও অনুমান করা যাচ্ছে না কত বড় ক্ষতির মুখে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তাই আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ কমাতে স্বাস্থ্য ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রস্তুতি বাড়ানোর পরামর্শ তাদের।

নিয়ন্ত্রণহীন করোনা ভাইরাসের কারণে কয়েক মাস ধরেই টালমাটাল বিশ্ব অর্থনীতি। ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা না গেলেও প্রতিদিনই ছাড়িয়ে যাচ্ছে আগের দিনের অনুমান। এর মধ্যেই অল্প পরিসরে খুলতে শুরু করেছে চীনের শিল্প কারখানা। বাংলাদেশেও আসতে শুরু করেছে পোশাক শিল্পে দরকারি পণ্যের ছোট ছোট চালান। একে ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও বিশ্ব মন্দার বিশাল ধাক্কা সামলাতে সরকারের সহযোগিতা চান শিল্প মালিকরা।

বিকেএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, সাংহাই থেকে বাই এয়ারে শিপমেন্ট হয়েছে। সারা বিশ্বই করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। আমাদের প্রতিযোগিতা ধরে রাখার জন্য সরকারের সহযোগিতা দরকার। পোশাক শিল্পের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ বলছে, দেশে-বিদেশে অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে কাঁচামালের দাম। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে চীন থেকে আমদানি পরিস্থিতির উন্নতি না হলে কাঁচামাল সঙ্কটে ব্যাহত হবে সব ধরনে পণ্যের উৎপাদন।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও এই ধাক্কা সামলাতে সময় লাগবে ৩-৪ মাস বিজিএমইএ’র জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ফয়সাল সামাদ বলেন, এয়ারে আসায় খরচ বেড়ে গেছে। ১৫ মার্চের পর বোঝা যাবে শিপমেন্টগুলো ঠিকভাবে হচ্ছে কিনা। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, অর্থনৈতিক ক্ষতি কমাতে স্বাস্থ্য ঝুঁকি মোকাবেলায় নিতে হবে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি।

পিআরআই’র নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণে অর্থনীতিতে কী বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে সেটা নিয়ে আমরা আলোচনাই করি না। এটা একটা বড় জিনিস যেটা সরকারকে ভাবতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী গেল মাসে প্রায় ২৫ শতাংশ কমেছে আমদানি। যার বড় কারণ ধরা হচ্ছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ।

 
আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
                                  

স্টাফ রিপোর্টার:
বাংলাদেশের এক কোটিরও বেশি মানুষ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। মাথার ঘাম পায়ে ঠেলে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ বা রেমিটেন্স বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি প্রধান চালিকাশক্তি হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশি অভিবাসীদের সংখ্যা দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, ফলে দেশের বার্ষিক রেমিটেন্সের পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে চলেছে। বিদেশে পাড়ি জমানো এ প্রবাসীদের লেনদেনের সুবিধার্থে সোমবার ২ মার্চ ২০২০ তারিখের মুদ্রার বিনিময় হার তুলে ধরা হলো:

দেশের বাজারে আজ ১ মার্কিন ডলার কেনা হচ্ছে ৮৬ টাকা ৫০ পয়সা দিয়ে, বিক্রি হচ্ছে ৮৭ টাকা ৫০ পয়সা দরে। ইউরোজোনের একক মুদ্রা ইউরো কেনা হচ্ছে ৯২ টাকা ৫০ পয়সায়, বিক্রি হচ্ছে ৯৫ টাকা ৫০ পয়সা দরে। ভারতীয় রুপি কেনা হচ্ছে ১ টাকা ২০ পয়সা দরে, বিক্রি হচ্ছে ১ টাকা ২৫ পয়সা দরে। মালয়েশিয়ার রিঙ্গিত কেনা হচ্ছে ২০ টাকা ৭০ পয়সা টাকা দরে। বিক্রি হচ্ছে ২১ টাকা ৫০ পয়সা দরে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিরহাম কেনা হচ্ছে ২৩ টাকা ১০ পয়সা দরে, বিক্রি হচ্ছে ২৪ টাকা দরে।

 
পাইকারি ও খুচরা বাজারে কমেছে সব ধরনের পেঁয়াজের দাম
                                  

নিজস্ব প্রতিনিধি:
ভারত পেঁয়াজ রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে পর হিলির পাইকারি ও খুচরা বাজারে কমেছে সব ধরনের পেঁয়াজের দাম। দু’দিনের ব্যবধানে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম কমেছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত। গত বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৯০ টাকা কেজিতে বিক্রি হলেও আজ কেজি প্রতি দাম কমে দাঁড়ায় ৫০ থেকে ৬০ টাকায়।

দাম কমতে থাকায় আড়তগুলোতে পেঁয়াজ বিক্রি কমে গেছে। এতে বিপাকে পড়েছেন পাইকাররা। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি হলে দাম আরও কমার আশঙ্কা করছেন আমদানিকারকরা।

 
শিঘ্রই পেঁয়াজ রফতানি করবে ভারত
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক:

উৎপাদন সঙ্কটে পড়ে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়ার পাঁচ মাস পর সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে যাচ্ছে ভারত সরকার। এবার বাম্পার ফলন হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান ভারতের খাদ্যমন্ত্রী রাম বিলাস পাসোয়ান। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সভাপতিত্বে এক আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। দেশটির খাদ্য ও ভোক্তা অধিকার বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী রাম বিলাস পাসোয়ান এ তথ্য নিশ্চিত করে টুইটারে পোস্ট দিয়েছেন। আগামী দু-একদিনের মধ্যে এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি হতে পারে। ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যমেও বিষয়টি প্রকাশিত হয়েছে।

ভারতের সংবাদ মাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া ও দ্য ইকোনোমিক টাইমস জানিয়েছে, বাম্পার ফলন হওয়ার কারণে দেশটিতে রবি মৌসুমে উৎপাদিত পেঁয়াজের ব্যাপক দরপতন হয়েছে। গত বছরের মার্চে যেখানে ২৮ দশমিক ৪ লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়েছে, সেখানে এবছর একই সময়ে বাজারে আসবে ৪০ লাখ টনের বেশি। আর দেশটির খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সূত্র বলছে, আগামী এপ্রিলে পেঁয়াজ উৎপাদন হতে পারে ৮৬ লাখ মেট্রিক টন যা গতবছরে হয়েছিল ৬১ লাখ মেট্রিক টন। ফলে কৃষকের স্বার্থে পেঁয়াজ রফতানির সিদ্ধান্ত নিতেই আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

এ বৈঠকের সিদ্ধান্ত বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক মহাপরিচালককে জানিয়ে দেয়া হয়েছে। তিনি এ ব্যাপারে বিজ্ঞপ্তি জারি করার পর আনুষ্ঠানিকভাবে পেঁয়াজ রফতানি শুরু করবে ভারত। গত বছরের সেপ্টেম্বরে ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়ার পর বাংলাদেশে এই পণ্যের বাজারে দেখা দেয় অস্থিরতা। এই নিত্যপণ্যের দাম প্রতি কেজি ৩০-৪০ টাকা থেকে আড়াইশ’ টাকায় উঠে যায়। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সরকার চীন, তুরস্ক, মিসর, মিয়ানমার থেকে আমদানি করে বাজার সামলানোর চেষ্টা চালালেও পেঁয়াজের দর এখনও একশ কেজির আশপাশে ঘোরাফেরা করছে।

এর মধ্যেই ভারত থেকে ফের পেঁয়াজ আমদানির পথ খুলল। বুধবার এক টুইটে পাসোয়ান বলেন, যেহেতু পেঁয়াজের বাজার এখন স্থিতিশীল, ফলনও হয়েছে বাম্পার, তাই সরকার রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বলেন, এ মৌসুমে ভারতে প্রতিমাসে ক্ষেত থেকে ৪০ লাখ টনের মতো পেঁয়াজ উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে, যেখানে গত বছর উঠত মাসে ২৮ লাখ ৪০ হাজার টন। গতবছর ভারত রফতানি বন্ধ করে দিলে বড় ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে দেশের ব্যবসায়ীরা মজুদ রেখে পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দেন বলেও অভিযোগ ওঠে।

সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত জরুরী: অর্থমন্ত্রী
                                  

স্টাফ রিপোর্টার:
অন্তর্ভূক্তিমুলক উন্নয়নের জন্য সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিতে সবাইকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। গতকাল রাতে (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস আয়োজিত একক বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। মন্ত্রী বলেন, একজন ব্যবসায়ী তিনি বলেছেন চার বছর আগে ফিলিপিন্স এবং ইন্দোনেশিয়ার যে অবস্থা ছিল, আজ বাংলাদেশের সে অবস্থা।

তিনি এখানে এসছেন বিনিয়োগ করার জন্য, তারমতে বাংলাদেশ এখন সর্বশ্রেষ্ঠ জায়গা এবং বিশ্বাসের জায়গা। গ্রোথ সবার জন্য, এত সম্পদের দেশ আমাদের, সেটা যেন সবার মাঝে বণ্টন করতে পারি সেই কাজটি করতে হবে।

 
দ্বিগুণ উৎপাদন সক্ষমতা সর্ম্পূন দেশের ইস্পাত খাত
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল- এসই জেডে ইস্পাত খাতে বিদেশি বিনিয়োগ দেশিয় উদ্যোক্তাদের বাজার থেকে ছিটকে দেবে। চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান কুনমিং স্টিলের বিনিয়োগ আগ্রহের পরিপ্রেক্ষিতে এমন আশঙ্কা এখাতের ব্যবসায়ীদের। তবে অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ-বেজা বলছে, বিদেশি বিনিয়োগ আনতে এমন কোন প্রতিশ্রুতি দেয়া হবে না, যাতে ক্ষতির মুখে পড়ে দেশীয় শিল্প। এক্ষেত্রে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য অভ্যন্তরীণ ও রপ্তানি বাজার বিবেচনায় আলাদা সুবিধা কাঠামো ঠিক করার পরামর্শ অর্থনীতিবিদদের।

অবকাঠামো উন্নয়নসহ নির্মাণ শিল্পে ক্রমবর্ধমান চাহিদার তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ উৎপাদন সক্ষমতা নিয়ে চলছে দেশের ইস্পাত খাত। পদ্মাসেতু চালু হলে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে এক লাফে ইস্পাতের চাহিদা বাড়বে অনেক। এমন সম্ভাবনার কথা বললেও এ খাতের ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ইস্পাত খাতে বিদেশি বিনিয়োগ কোণঠাসা করে ফলবে তাদের। বাংলাদেশ স্টিল প্রস্তুতকারক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ মাসুদুল আলম মাসুদ বলেন, আমাদের এই শিল্পগুলো ধীরে ধীরে জিম্মি হয়ে যাবে। আমাদের ট্যাক্সের টাকায় তাদের সুবিধা দেবেন, তাই তাদের বিনিয়োগগুলো আমাদের মাথায় রাখতে হবে। বেজার তথ্য, এরই মধ্যে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ৫শ’ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে জাপানি প্রতিষ্ঠান নিপ্পন স্টিল অ্যান্ড সুমিতমো মেটাল।

বিনিয়োগে আগ্রহী কুনমিং আয়রন অ্যান্ড স্টিল কোম্পানি লিমিটেড। এজন্য ২০১৭ সালে ১৯ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে ১ হাজার একর জমিতে ২০ লাখ টন উৎপাদন সক্ষমতার স্টিল মিল প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেয় এই চীনা প্রতিষ্ঠান। বেজা বলছে, প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে চূড়ান্ত কোনো চুক্তি হয়নি, আলোচনা চলছে। বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী বলেন, তারা যে জায়গাতে জমি চেয়েছিল, আমার সে জায়গাতে জমি দেয়নি। সেই জায়গাটা যদি ফাইনাল হয় তাহলে বিষয়টা বিবেচনার কথা আসে। সাধারণভাবে অর্থনৈতিক অঞ্চলে কিছু এনসেফটিপস থাকে। তবে বাজারে যাতে কোনো ধরনের ক্ষতি না হয়, সরকার সে দিকে নজর রাখবে।

বিদেশি বিনিয়োগ যেমন দরকার তেমনি কোনো প্রতিষ্ঠান যেন একচেটিয়া বাজার সুবিধা না পায় তা নিশ্চিত করেই নীতি-কৌশল ঠিক করার পরামর্শ অর্থনীতিবিদদের। গেল দেড় দশকের তথ্য, দেশে মাথাপিছু ইস্পাতের ব্যবহার দ্বিগুন বেড়ে ৪০ কেজি ছাড়িয়েছে, একই সময়ে টন প্রতি দাম কমছে প্রায় ১৫ হাজার টাকা।

সোনার দাম প্রতি ভরিতে ১১৬৬ টাকা বাড়ছে
                                  

স্টাফ রিপোর্টার:

দেড় মাসের ব্যবধানে বাড়ল সোনার দাম। অলংকার তৈরিতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহূত এ ধাতুর দাম আজ বুধবার থেকে প্রতি ভরি ১ হাজার ১৬৬ টাকা বাড়ছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) এক বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল নতুন এ মূল্য সম্পর্কে জানিয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সংগতি রেখে দেশের বাজারে সোনার দাম নির্ধারণ করা হয় বলে দাবি বাজুসের। বাজুস নির্ধারিত নতুন মূল্য তালিকায় দেখা গেছে, সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাত্ ২২ ক্যারেটের সোনা প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) বিক্রি হবে ৬১ হাজার ৫২৭ টাকা দরে। গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত এ মানের সোনার ভরি প্রতি বিক্রি মূল্য ছিল ৬০ হাজার ৩৬১ টাকা।

পরবর্তী দাম নির্ধারণ না হওয়া পর্যন্ত ২১ ক্যারেটের সোনা ভরি প্রতি বিক্রি হবে ৫৯ হাজার ১৬৪ টাকা দরে। আগে এ মানের প্রতি ভরি সোনার বিক্রি মূল্য ছিল ৫৮ হাজার ২৮ টাকা। আর ১৮ ক্যারেটের সোনা ভরি প্রতি বিক্রি দর দাঁড়িয়েছে ৫৪ হাজার ১১৭ টাকা। গতকাল পর্যন্ত এ মানের সোনার ভরি প্রতি দাম ছিল ৫৩ হাজার ১৩ টাকা।

মিয়ানমার থেকে পিয়াজ আমদানি অব্যাহত, একদিনেই ৯৯৫ মেট্রিক টন খালাস
                                  

অর্থনীতি ডেস্ক:

প্রতিবেশী মিয়ানমার থেকে কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে পিয়াজ আমাদানি অব্যাহত রয়েছে। কেবল গতকাল শনিবার ১৪টি ট্রলারে ৯৯৫ দশমিক ৬৪৭ মেট্রিক টন পিয়াজ বাংলাদেশে এসেছে। এ নিয়ে চলতি ফেব্রুয়ারি মাসে ১৩ দফায় মিয়ানমার থেকে নৌপথে ১৬ হাজার ৫৬৩ দশমিক ৩০২ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে।

এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ স্থলবন্দরের শুল্ক কর্মকর্তা আবসার উদ্দিন। তিনি বলেন, গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে পিয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয় ভারত। এরপর ৩০ সেপ্টেম্বর মিয়ানমার থেকে প্রথম চালানে ৬৫০ টন পিয়াজ আসে। এরপর থেকে শনিবার বিকাল পর্যন্ত মিয়ানমার থেকে ৯৩ হাজার ৩৬ দশমিক ৮০১টন পিয়াজ আমদানি করা হয়। সকালে ব্যবসায়ী জব্বারের ১৪০ দশমিক ৩৯৪, সজিবের ১৪২ দশমিক ৫৭০, যদু বাবুর ১৪২ দশমিক ৫৭০, সোহেলের ২৩ দশমিক ৬৮০, নাসিরের ৮৫ দশমিক ৫৪২, আবু আহমেদের ৩৯ দশমিক ১৩৭, কামরুলের ৭১ দশমিক ২৮৫, নুর মোহাম্মদের ৪২ দশমিক ৭৭১, আইয়াজের ৭১ দশমিক ২৮৫, সেলিমের ৭১ দশমিক ২৮৬, মো. হাশেমের ১৪২ দশমিক ৮৫৬, এনামের ২২ দশমিক ২৭১ মেট্রিক টন পিয়াজ স্থলবন্দরে আসে।

আরো অনেক পিয়াজ ভর্তি ট্রলার আসার পথে রয়েছে বলেও তিনি জানান। এ প্রসঙ্গে স্থলবন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের ইউনাইটেড ল্যান্ড পোহর্ট টেকনাফ লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক জসিম উদ্দিন বলেন, মিয়ানমার থেকে ব্যবসায়ীরা চাহিদা অনুযায়ী পিয়াজ আমদানি করছেন। আমদানিকৃত পিয়াজ দ্রুত সময়ে খালাস করা হচ্ছে। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত ৭৬টি পিয়াজ ভর্তি ট্রাক দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় শহরের উদ্দেশ্যে স্থলবন্দর ছেড়ে গেছে।

 
ব্রোকারেজ হাউজগুলোকে ৭ শতাংশ সুদে ঋণ নেয়ার সুযোগ
                                  

অর্থ নীতি ডেস্ক:

লাদেশ ব্যাংকের দেয়া প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রতিটি বাণিজ্যিক ব্যাংক বাড়তি ২০০ কোটি টাকা করে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ পেয়েছে। সেই সঙ্গে ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানগুলো পাচ্ছে ৭ শতাংশ সুদে ঋণ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব নীতির মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বাড়বে যা পুঁজিবাজারমুখী করবে সাধারণ বিনিয়োগকারীদেরও। তবে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, মৌলিক বিষয়ে ইতিবাচক পরিবর্তন না এনে, কেবল বাজারে তারল্য সরবরাহে দীর্ঘমেয়াদি সুফল আসবে না।

বছরের শুরুতে ধারাবাহিক পতনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সপ্তাহের ব্যবধানে প্রধান সূচক কমে ৯ শতাংশ। লেনদেন নেমে আসে আড়াই থেকে ৩০০ কোটির ঘরে। পরিস্থিতির বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রী পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে সরকারি প্রতিষ্ঠান বাজারে তালিকাভুক্তি, আইসিবির বিনিয়োগ সক্ষমতা বাড়ানোসহ বেশকিছু দিকনির্দেশনা আসে।

এর ধারাবাহিকতায় গেল সপ্তাহে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতিটি ব্যাংককে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগে ২০০ কোটি টাকার তহবিল গঠনের সুযোগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে। একই সঙ্গে দেয়া হয়, ব্রোকারেজ হাউজগুলোকে ৭ শতাংশ সুদে ঋণ নেয়ার সুযোগ। বাংলাদেশ মার্চেট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাইদুর রহমান বলেন, যেহেতু আমরা মার্কেটকে সাপোর্ট দেব। মার্কেটে টাকা আসলে বিনিয়োগ বাড়বে।

সে সময়ে বাজারের প্রতি সবার আগ্রহ বাড়বে, ইনডেক্স বাড়বে এবং শেয়ারের দামও বাড়বে। কেননা সবাই লাভ করতে চায়। যখনই নিম্নমুখী হয়, তখনই আগ্রহ কমে যায়। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপন জারির পর তিন কার্যদিবসে ডিএসইর প্রধান সূচক বেড়েছে ১৭৯ পয়েন্ট। দৈনিক লেনদেনও দীর্ঘদিন পর ছাড়িয়েছে ৭০০ কোটি টাকা। তবে অর্থনীতিবিদরা মনে করেন বাজারের এ গতি টেকসই হবে না। অর্থনীতিবিদ ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, এ ধরনের ইন্টারভেনশ কয়েক সপ্তাহ থাকবে। পরে আবার যেখানে ছিল সেখানে চলে যাবে।

যদি না ইকোনোমিক ফান্ডামেন্টালগুলো ইকোনোমিভাবে পরিবর্তন না করি। অর্থাৎ মানি মার্কেট ব্যাংকিং খাত, ব্যাংকি খাত এবং অন্যান্য লাভজনকপ্রতিষ্ঠানের সমস্যাগুলো সমাধান করতে পারি। তাহলে বাজার আবার ঘুরে দাঁড়াবে। এরই মধ্যে পাঁচটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও রাষ্ট্রীয় জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের সাত প্রতিষ্ঠানকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

প্রয়োজনে রপ্তানি হবে কাঁচা চামড়া, সরক‍ারের উদ্যোগ
                                  


গত বছরের কোরবানির পশুর চামড়া নিয়ে তিক্ত অভিজ্ঞার পর এবার কিছুটা আগে থেকেই সতর্ক অবস্থানে সরকার। বুধবার শিল্প মন্ত্রণালয়ে এক সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, এবার কোরবানির পশুর চামড়া ট্যানারি মালিকরা না কিনলে সেগুলো সরকারি উদ্যোগে জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্তত তিন মাস পর্যন্ত যাতে এ প্রক্রিয়ায় সংরক্ষণ করা যায়, সে ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া চামড়া সংরক্ষণের জন্য কওমি মাদ্রাসাগুলোকে প্রস্তুত রাখা হবে। এজন্য তাদের ভর্তুকি দেওয়া হবে। প্রয়োজনে উপজেলা পর্যায়ে অন্তত দুই জন ডিলারকে চামড়া সংরক্ষণ ও বিপণনের জন্য নিয়োগ দেওয়া হবে। এজন্য তাদেরকে প্রণোদনা দেওয়া হবে। শুধু তা-ই নয়, পরিস্থিতি বিবেচনায় সাময়িকভাবে কাঁচা চামড়া বা ওয়েট-ব্লু চামড়া রপ্তানির অনুমোদনও দেওয়া হবে।

এর জন্য সরকারের রপ্তানি নীতি সংশোধন করার দরকার হলে, তা-ও করা হবে বলে জানানো হয়। রাজধানীর মতিঝিলে শিল্প মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত ঐ সভায় সভাপতিত্ব করেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন। এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের কাছে বিস্তারিত তুলে ধরেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন। তিনি বলেন, আসন্ন কোরবানির চামড়া যথাযথভাবে সংগ্রহ ও সংরক্ষণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। কমিটি আলোচনা করে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে একটি সুপারিশ পেশ করবে।

সভায় আরো জানানো হয়, গত ঈদুল আজহায় আড়তদারদের কাছ থেকে চামড়া ক্রয়ের জন্য ট্যানারি মালিকদের অনুকূলে ৬৯৬ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হলেও ট্যানারিগুলো ৪৩৮ কোটি টাকা ঋণ গ্রহণ করে। আগামী ঈদুল আজহায় ট্যানারি মালিকদের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সংস্থানের বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গতবার অর্থছাড়ের ক্ষেত্রে যেসব দীর্ঘসূত্রতা ও সমস্যা দেখা দিয়েছিল, সেগুলো নিরসনের চেষ্টা করা হবে। এছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতায় কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণের জন্য পেশাদার ও মৌসুমি কোরবানির পশু প্রক্রিয়াজাতকারী, ফড়িয়া, মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ী ও আড়তদারদের মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে হাতেকলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এছাড়া এ বিষয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম ব্যাপকভাবে প্রচার করা হবে।

সভায় শিল্পমন্ত্রী বলেন, চীনে করোনা ভাইরাস বিস্তারের ফলে দেশীয় চামড়া শিল্প যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেজন্য সরকার বিকল্প বাজার অনুসন্ধান করছে। ইউরোপের বাজারে দেশীয় চামড়াজাত পণ্য রপ্তানির লক্ষ্যে ট্যানারিগুলোকে লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের (এলডব্লিউজি) সার্টিফিকেশন অর্জন করতে হবে। সার্টিফিকেশন অর্জনে অন্যান্য শর্ত পূরণে ট্যানারি মালিকদের আরো সক্রিয় হতে হবে। বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, কোরবানির চামড়ার সঙ্গে ধর্মীয় অনুভূতি জড়িত। দেশীয় চামড়া শিল্পের স্বার্থে ট্যানারিগুলোকে রক্ষা করতে হবে। সে সঙ্গে কোরবানির চামড়া যাতে নষ্ট না হয় এবং তৃণমূলের চামড়া ব্যবসায়ীরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে বিষয়টিও দেখতে হবে।

বিদেশ ভ্রমণে ১০ হাজার ডলার, শর্ত প্রযোজ্য
                                  

স্টাফ রিপোর্টার:
বাংলাদেশ থেকে অন্য দেশে যাওয়া বা আসার ক্ষেত্রে নিজের সঙ্গে রাখা যাবে ১০ হাজার ডলার। তবে নির্দিষ্ট ফরম (এফএমজে) পূরণের পর সেই অনুমতি পাবেন যাত্রীরা। এর জন্য মোট তিনটি ফরমের প্রয়োজন হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকে মূল কপি, শুল্ক (কাস্টমস) কর্তৃপক্ষের কাছে দ্বিতীয় কপি এবং তৃতীয় কপিটি রাখতে হবে যাত্রীর কাছে। গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা ও নীতি বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই নির্দেশনা জারি করা হয়।

গত ৩ ফেব্রুয়ারি জারিকৃত বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পাসপোর্টে এনডোর্সমেন্ট ছাড়াই একজন বাংলাদেশি নিজের সঙ্গে ১০ হাজার ডলার নিয়ে যেতে পারবেন। একইভাবে বিদেশিরাও নিজের সঙ্গে একই পরিমাণ অর্থ নিয়ে আসতে পারবেন। তবে অধিক স্বচ্ছতার জন্য আজ ফরম পূরণের নীতিমালা জারি করল বাংলাদেশ ব্যাংক। এর আগে ঘোষণা ছাড়া সর্বোচ্চ ৫ হাজার ডলার নিয়ে আসা বা নিয়ে যাওয়ার সুযোগ ছিল। বাংলাদেশ ব্যাংক ৩ ফেব্রুয়ারি বৈদেশিক লেনদেন নীতিমালা সংশোধন করে এ সীমা বাড়িয়েছে।

 
বিশেষ তহবিলের খবরে শেয়ার সূচক চাঙ্গা
                                  

স্টাফ রিপোর্টার:
পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের জন্য সরকার ব্যাংকগুলোকে বিশেষ তহবিল যোগানোর ঘোষণা দেওয়ায় সপ্তাহের তৃতীয় দিন লেনদেন চলছে চাঙ্গাভাব নিয়ে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বাজারের শুরুর পর দশ মিনিটেই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স এক লাফে ৯৩ পয়েন্ট বা দুই শতাংশ বেড়ে যায়। এরপর এক দফা সামান্য নামলেও পরে মোটামুটি স্থিতিশীল সূচক নিয়ে এগোতে থাকে লেনদেন।

বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ১০০ পয়েন্ট বা ২.২৯ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ৪৮৬ পয়েন্টে অবস্থান করছিল। আর ওই সময় পর্যন্ত চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) প্রধান সূচক সিএএসপিআই ২১৩ পয়েন্ট বা ১.৫ শতাংশ বেড়ে অবস্থান করছিল ১৩ হাজার ৫৯৪ পয়েন্টে। ডিএসইতে তখন পর্যন্ত ২১১ কোটি ৯৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। আর সিএসইতে হাতবদল হয় ৬ কোট ৫০ লাখ ৪১ হাজার টাকার শেয়ার।

ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৫০টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে তখন পর্যন্ত ৩১৯টির দর বাড়ে, আর কমে ১৫টির দাম। ১৬টি কোম্পানির শেয়ার দর তখনও অপরিবর্তিত ছিল। অন্যদিকে সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৫৪টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে ১৩৫টির দর বাড়ে, ১০টির কমে এবং ৯টির দাম অপরিবর্তিত থঅকে। জানুয়ারিতে পুঁজিবাজারে বড় ধসের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপে সপ্তাহ খানেক সূচকে উন্নতি দেখা গেলেও তা স্থায়ী হচ্ছিল না। শেষ ৭ কার্যদিবসের ৯৬ পয়েন্ট কমে যায় ডিএসইর প্রধান সূচক।

এরই মধ্যে সোমবার পুঁজিবাজার চাঙ্গা করতে দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনার আওতায় ব্যাংকগুলোকে বিশেষ তারল্য সুবিধা ও নীতিসহায়তা দেওয়ার ঘোষণা আসে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষণায় বলা হয়, এখন থেকে যে কোনো ব্যাংক তার নির্ধারিত সীমার বাইরেও পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের জন্য ২০০ কোটি টাকার ‘বিশেষ তহবিল’ গঠন করতে পারবে।

ব্যাংকগুলো নিজস্ব অর্থে এই তহবিল গঠন করতে পারবে। তা না পারলে ট্রেজারি বিল/ট্রেজারি বন্ড রেপোর মাধ্যমে তারা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে তহবিল গঠন করতে পারবে। ইচ্ছে করলে প্রথমে নিজেদের অর্থে তহবিল গঠন করে পরবর্তীতেও ট্রেজারি বিল/ট্রেজারি বন্ড রেপোর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ওই পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করা যাবে। এ সুবিধা ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।


   Page 1 of 15
     অর্থ-বাণিজ্য
আতিঙ্কত হওয়ার কিছু নাই, পণ্যের যথেষ্ট মজুত আছে: বাণিজ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞায় রপ্তানিতে ধস
.............................................................................................
‘করোনার প্রভাবে’ প্রথম দিনেই শেয়ারবাজারে ধস
.............................................................................................
দাম কমেছে পেঁয়াজের
.............................................................................................
চীন থেকে আকাশ পথে আসছে পোশাক খাতের কাঁচামাল, বাড়ছে খরচ
.............................................................................................
আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
.............................................................................................
পাইকারি ও খুচরা বাজারে কমেছে সব ধরনের পেঁয়াজের দাম
.............................................................................................
শিঘ্রই পেঁয়াজ রফতানি করবে ভারত
.............................................................................................
সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত জরুরী: অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
দ্বিগুণ উৎপাদন সক্ষমতা সর্ম্পূন দেশের ইস্পাত খাত
.............................................................................................
সোনার দাম প্রতি ভরিতে ১১৬৬ টাকা বাড়ছে
.............................................................................................
মিয়ানমার থেকে পিয়াজ আমদানি অব্যাহত, একদিনেই ৯৯৫ মেট্রিক টন খালাস
.............................................................................................
ব্রোকারেজ হাউজগুলোকে ৭ শতাংশ সুদে ঋণ নেয়ার সুযোগ
.............................................................................................
প্রয়োজনে রপ্তানি হবে কাঁচা চামড়া, সরক‍ারের উদ্যোগ
.............................................................................................
বিদেশ ভ্রমণে ১০ হাজার ডলার, শর্ত প্রযোজ্য
.............................................................................................
বিশেষ তহবিলের খবরে শেয়ার সূচক চাঙ্গা
.............................................................................................
পেঁয়াজের কেজি ৫০ টাকায় নামবে: বাণিজ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
তিন রাষ্ট্রীয় ব্যাংককে পুঁজিবাজারে আনার উদ্যোগ
.............................................................................................
করোনায় বড় অঙ্কের ক্ষতির আশঙ্কা বাংলাদেশের পোশাক খাতেও
.............................................................................................
করোনাভাইরাস: চীনের পুঁজিবাজার থেকে ৪০ হাজার কোটি ডলার হাওয়া
.............................................................................................
করোনা ভাইরাসের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বিশ্ব অর্থনীতিতে
.............................................................................................
সাত মাসে প্রবাসীদের রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি ২১ দশমিক ৪৩ শতাংশ বেশি
.............................................................................................
শিল্প খাতে খেলাপি ঋণ গত বছরের তুলনায় ২৫ শতাংশ বেশি
.............................................................................................
বাংলাদেশিদের জন্য খুলছে আমিরাতের শ্রমবাজার
.............................................................................................
স্বর্ণের ভরি ছাড়াল ৬০ হাজার
.............................................................................................
আইপিও বন্ধ থাকায় দেশের পুঁজিবাজার অর্থ সংগ্রহে ধস
.............................................................................................
১৭ মার্চ আসছে ২০০ টাকার নোট
.............................................................................................
বেড়েই চলছে খেলাপি ঋণ
.............................................................................................
খেলাপি ঋণ সংকটের মধ্যেও বাড়ছে ব্যাংকের সম্পদ
.............................................................................................
আরচারি থেকে স্বর্ণের সুবাতাস আসছেই
.............................................................................................
পাঁচ মাসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে রেমিট্যান্স ৪৫০ কোটি ডলার
.............................................................................................
ব্যাংকাররা সুবিধা নিল কিন্তু সুদহার কমাল না : বাণিজ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
উল্টো পথে সুদহার: মুদ্রাবাজার পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত
.............................................................................................
বেসরকারি খাতের ঋণে নিম্নগতি
.............................................................................................
দুই কারণে বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ছে
.............................................................................................
এডিবির নতুন প্রেসিডেন্ট জাপানের আসাকাওয়া
.............................................................................................
১৮টি প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে স্বর্ণ আমদানির লাইসেন্স
.............................................................................................
ব্যাংকারদের সঙ্গে বৈঠকে অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
২০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের নতুন ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশে
.............................................................................................
মুদ্রার বিনিময় হার : ২৫ নভেম্বর ২০১৯
.............................................................................................
সুপারিতে উজ্জ্বল গ্রামীণ অর্থনীতি, সম্ভাব্য আয় ৩৫০ কোটি টাকা
.............................................................................................
সাধারণ বীমার সম্পদের ৬০% পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ
.............................................................................................
আমানতকারীদের অর্থ ফেরতে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ
.............................................................................................
আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ডের লেনদেনে নজরদারি
.............................................................................................
আয়কর মেলায় উপচেপড়া ভিড়
.............................................................................................
শিল্পখাতে সিআইপি হচ্ছেন ৪৮ উদ্যোক্তা
.............................................................................................
বিমান বহরে যুক্ত হচ্ছে আরও দুই ড্রিমলাইনার
.............................................................................................
সংশোধিত বাজেটে পিকেএসএফ পাচ্ছে ২৫০ কোটি টাকা
.............................................................................................
ঊর্ধ্বমুখী বাজারে বাড়ল মূল্য আয় অনুপাত
.............................................................................................
পিপলস লিজিং অবসায়ন চান না আমানতকারীরা
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD