| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * ১ অক্টোবর সৌদিতে বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালু : ল্যান্ডিং পারমিশন মেলেনি   * স্ত্রীর স্বপ্ন পূরণে ১৭ লাখ টাকায় হাতি কিনে দিলেন স্বামী   * অ্যাটর্নি জেনারেলের শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন   * স্বাস্থ্য খাতের ১২ কর্মকর্তা-কর্মচারিসহ ২০ জনের সম্পদের বিবরণী চেয়ে দুদকের নোটিশ   * সাভারে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, গ্রেফতার ৬   * ইয়াঙ্গুনে লকডাউন জারি   * করোনার প্রভাব বেড়ে যাওয়ায় চেক রিপাবলিকের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ   * তিন দিনের মাথায় উঠে যাচ্ছে সড়কের পিচ   * ইরাক দিয়ে তেল চুরি করে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র: সিরিয়া   * অনুমতি মিলেছে এন্টিজেনভিত্তিক র‌্যাপিড টেস্টের  

   অর্থ-বাণিজ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
বেশি পেঁয়াজ না কেনার আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক : বেশি পিঁয়াজ না কেনার জন্য ভোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, `অনেক দেশ থেকে পিঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছে। দেশে পণ্যটির কোনো সংকট হবে না। আমরা অস্থির না হয়ে শুধু প্রয়োজনীয় পিঁয়াজ ক্রয় করলে কোনো সমস্যা হবে না।` বাণিজ্যমন্ত্রী গতকাল সচিবালয়ে ই-কমার্সের আয়োজনে জুম প্ল্যাটফরমে টিসিবি`র `ঘরে বসে স্বস্তির পিঁয়াজ` কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, `দেশের অভ্যন্তরে দেশি ও আমদানিকৃত পর্যাপ্ত পিঁয়াজ মজুদ রয়েছে। ভারত ইতিমধ্যে ২৫ হাজার মেট্রিক টন পিঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি প্রদান করেছে, এগুলো বাংলাদেশে প্রবেশ করতে শুরু হয়েছে। আশা করা যায় আরও ১০ হাজার মেট্রিক টন পিঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি প্রদান করবে ভারত।` এছাড়া মিয়ানমার ও তুরস্ক থেকেও পণ্যটি আমদানি হচ্ছে বলে জানান তিনি।

বেশি পেঁয়াজ না কেনার আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রী
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বেশি পিঁয়াজ না কেনার জন্য ভোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, `অনেক দেশ থেকে পিঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছে। দেশে পণ্যটির কোনো সংকট হবে না। আমরা অস্থির না হয়ে শুধু প্রয়োজনীয় পিঁয়াজ ক্রয় করলে কোনো সমস্যা হবে না।` বাণিজ্যমন্ত্রী গতকাল সচিবালয়ে ই-কমার্সের আয়োজনে জুম প্ল্যাটফরমে টিসিবি`র `ঘরে বসে স্বস্তির পিঁয়াজ` কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, `দেশের অভ্যন্তরে দেশি ও আমদানিকৃত পর্যাপ্ত পিঁয়াজ মজুদ রয়েছে। ভারত ইতিমধ্যে ২৫ হাজার মেট্রিক টন পিঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি প্রদান করেছে, এগুলো বাংলাদেশে প্রবেশ করতে শুরু হয়েছে। আশা করা যায় আরও ১০ হাজার মেট্রিক টন পিঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি প্রদান করবে ভারত।` এছাড়া মিয়ানমার ও তুরস্ক থেকেও পণ্যটি আমদানি হচ্ছে বলে জানান তিনি।

স্বর্ণের মত চার ক্যাটাগরিতে বি‌ক্রি হবে রূপা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বাংলােদেশে এখন থেকে স্বর্ণের মতো চার ক্যাটাগরিতে বিক্রি হবে রূপা। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভালো মানের রূপা ২২ ক্যারেট, এরপর ২১ ক্যারেট, ১৮ ক্যারেট ও সনাতন পদ্ধতিতে হিসাব করা হবে।

রবিবার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানি‌য়ে‌ছে বাজুস।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় স্বর্ণের মতো রূপার মান নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। এক্ষেত্রে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এনে দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে ব্যবসায়ীদের হলমার্কিংয়ের আওতায় আনার জন্য রূপার অলংকারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) হতে বাংলাদেশের বাজারে রূপার অলংকারের মূল্য কার্যকর হবে।
নতুন ক্যাটাগরি অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫১৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের রূপার দাম ১৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১২২৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রূপার দাম ৯৩৩ টাকা নির্ধারণ করেছে।

বাজুসের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা বলেন, দেশে আগে রূপার কোনো ক্যাটাগরি ছিল না। মান অনুযায়ী ক্যাটাগরি নির্ধারণ করা হয়েছে। এই ক্যাটাগরিতেই এখন স্বর্ণের ন্যায় রূপার দামও কমানো বাড়ানো হবে।

বেড়েছে চালের দাম
                                  

অনলাইন ডেস্ক : রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না মোটা চাল। ফলে বেড়েছে মাঝারি ও চিকন চালের দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে মানভেদে চালের দাম কেজিতে ২ থেকে ৪ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। মৌসুম শেষে চালের সরবরাহ কমায় এই দাম বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারের খুচরা ব্যবসায়ীদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৮ থেকে ৬০ টাকা, যা আগে ছিল ৫৬ থেকে ৫৮ টাকা। নাজিরশাইল চালের দামও কেজিতে ২ টাকা বেড়ে ৬২ থেকে ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অপরদিকে, ৪৪ থেকে ৪৬ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া মাঝারি মানের চালের দাম বেড়ে ৪৮ থেকে ৫০ টাকা হয়েছে।

আড়তে চিকন চালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, যা আগে ছিল ৪৫ থেকে ৪৮ টাকা। আর মাঝারি মানের চালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪২ থেকে ৪৪ টাকা, যা আগে ছিল ৪০ থেকে ৪২ টাকা।

খুচরা বজারে চালের দাম বাড়ার বিষয়ে খিলগাঁও তালতলার চাল ব্যবসায়ী জানে আলম ভূঁইয়া বলেন, `এক সপ্তাহ ধরে চালের দাম বাড়তি। যা খবর শুনছি সামনে চালের দাম আরও বাড়বে। ইতোমধ্যে রশিদের মিনিকেট ২৫ কেজির বস্তা আমাদের কিনতে হচ্ছে এক হাজার ৪০০ টাকা দিয়ে। কিছুদিন আগে এই চাল আমরা এক হাজার ৩৫০ টাকায় বিক্রি করেছি।`

তিনি বলেন, `রশিদের চালের দাম বাড়লে, অন্য ব্যবসায়ীরাও চালের দাম বাড়িয়ে দেয়। গত কয়েকদিনে সবাই কেজিতে চালের দাম ২-৩ টাকা বাড়িয়ে দিয়েছে। ৫০ টাকার নিচে বাজারে এখন কোনো চাল নেই। দাম বাড়ায় মিনিকেট চাল বিক্রি করতে হচ্ছে ৫৮ থেকে ৬০ টাকা, যা আগে ৫৬ টাকাও বিক্রি করেছি। মোটা চাল তো বাজারে নেই। আর মাঝারি মানের আটাশ ও লতা চাল বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫২ টাকা, যা আগে ৪৬ টাকা ছিল। যা শুনছি, তাতে আগামী সপ্তাহ থেকে মাঝারি চাল ৫৫ টাকা এবং চিকন চাল ৬০ টাকার উপরে বিক্রি করতে হবে।`

প্রায় একই ধরনের কথা বললেন মালিবাগ হাজীপাড়ার ব্যবসায়ী মো. সোহাগ। তিনি বলেন, `দুদিন আগে রশিদের ২৫ কেজির বস্তা এক হাজার ৩৫০ টাকায় বিক্রি করেছি। কিন্তু গতকাল আমাদেরই কিনতে হয়েছে এক হাজার ৪০০ টাকা করে। সুতরাং এই চাল এক হাজার ৪২০ টাকার নিচে বিক্রি করার উপায় নেই। একইভাবে অন্যান্য চালের দামও বেড়েছে। আমাদের কাছে যে চাল আছে এর মধ্যে সব থেকে কম দামেরটা ৫০ টাকা কেজি।`

চালের দামের বিষয়ে জানতে চাইলে ঠাকুরগাঁওয়ের ন্যাশনাল রাইস মিলের কর্ণধার মোহাম্মদ হাসান রাজু বলেন, `ঠাকুরগাঁওয়ে এখন আমরা মাঝারি মানের চাল ৪২ থেকে ৪৪ টাকায় বিক্রি করছি। চিকন চাল বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা। চালের যে অস্বাভাবিক দাম বেড়েছে তার মূল কারণ ছোট ছোট হাসকি মিলগুলো এখন চলে না। সারাদেশে এক হাজারের মতো হাসকি মিল বন্ধ রয়েছে। শুধু বড় বড় অটো মিলে চাল উৎপাদন হচ্ছে। এ কারণে স্বাভাবিকভাবেই বাজারে চালের সরবরাহ কমে গেছে। আর সরবরাহ কমে গেলে দাম বাড়বে এটাই স্বাভাবিক।`

যোগাযোগ করা হলে বাংলাদেশ অটো মেজর অ্যান্ড হাসকিং মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সাধারণ সম্পাদক লায়েক আলী বলেন, `হাসকি মিল বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে চালের দাম বাড়ছে, এটা সঠিক না। হাসকি মিল থেকে চাল খুব বেশি আসে না। চালের দাম বাড়ার কারণ মৌসুম শেষের দিকে চলে এসেছে। তাছাড়া এবার বছরজুড়েই প্রাকৃতিক দুর্যোগ রয়েছে। এখনও প্রতিদিন বৃষ্টি হচ্ছে। যে কারণে বাজারে ধানের সরবরাহ কম, দামও বেশি। ধানের দাম বেশি হলে চালের দাম বাড়বে এটাই স্বাভাবিক।`

ফের পেঁয়াজ আটকে দিল ভারত
                                  

জেলা প্রতিনিধি : ওপারে আটকে পড়া পেঁয়াজ রফতানি আবারও বন্ধ করে দিয়েছে ভারত। রোববার দুপুর ১২টা পর্যন্ত হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে কোনো পেঁয়াজবাহী ট্রাক দেশে প্রবেশ করেনি। নতুন করে নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ রফতানির সম্ভাবনা নেই বলেও জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

হিলি স্থলবন্দর আমদানি রফতানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশীদ বলেন, ভারত সরকার গত সোমবার হঠাৎ করে কোনো কিছু না জানিয়ে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়। পরে শুক্রবার একটি নোটিফিকেশন জারি করে যে, গত রোববার টেন্ডার হওয়া পেঁয়াজগুলো তারা রফতানি করবে। সেই মোতাবেক অনুমতি দেয়ায় গতকাল শনিবার হিলি স্থলবন্দর দিয়ে মাত্র ১১টি ট্রাকে ২৪৬ টন পেঁয়াজ দেশে প্রবেশ করে। যে ১১ ট্রাক পেঁয়াজ রফতানি করেছে তার অধিকাংশ পেঁয়াজই ইতোমধ্যে পচে নষ্ট হয়ে পানি ঝরছে। এ কারণে আমদানিকারকরা এসব পেঁয়াজ নিয়ে এসেও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, এখনও ২০০’র বেশি পেঁয়াজবাহী ট্রাক দেশে প্রবেশের অপেক্ষায় ভারতের অভ্যন্তরে বিভিন্ন সড়কে দাঁড়িয়ে রয়েছে। এছাড়া যে ১০ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির জন্য আমাদের এলসি দেয়া রয়েছে তার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জানা যায়নি। এগুলোর বিষয়ে তারা কী সিদ্ধান্ত নিয়েছে বা কী করবে তা নিয়ে আমরা শঙ্কিত।

তিনি বলেন, আজ (রোববার) বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ প্রবেশ করবে কিনা সে বিষয়টি আমাদের জানা নেই। কারণ শুধু গত রোববারের টেন্ডার হওয়া পেঁয়াজ রফতানির জন্য অনুমতি পেয়েছে। কিন্তু নতুন করে কোনো নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত ভারতীয় কাস্টম বন্দর দিয়ে কোনো পেঁয়াজ রফতানি করতে দেবে না।

এদিকে আমদানি হওয়ায় ভালোমানের কিছু পেঁয়াজ কেজিতে ১০ টাকা কমে আজ ৪০-৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

হিলি স্থলবন্দরে পেঁয়াজ কিনতে আসা লুৎফর রহমান ও সিদ্দিক হোসেন বলেন, ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়ায় কয়েক দিন ধরেই পেঁয়াজের বাজার বেশ চড়া। পেঁয়াজ আমদানির খবরে কিছুটা কমলেও আমদানি না হওয়ায় দাম আবারও বেড়ে যায়। শনিবার বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি হওয়ার কারণে বন্দরের আড়তগুলোতে পেঁয়াজের দাম গতকালের চেয়ে কেজিপ্রতি ১০ টাকা কমেছে।

বন্দরে আটকে থাকা পেঁয়াজ দিতে সম্মতি, বাংলাদেশ পাবে ২৫ হাজার টন
                                  

অনলাইন ডেস্ক : নিষেধাজ্ঞার আগে রফতানির অনুমতিপ্রাপ্ত ২৫ হাজার টন পেঁয়াজ ছাড়ের অনুমতি দিয়েছে ভারত। দিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশন ও ঢাকার ভারতীয় কমিশনের সূত্রকে বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জি নিউজ।

সূত্র বলেছে, ভারত প্রায় ২৫ হাজার টন পেঁয়াজ (ইতোমধ্যে ট্রানজিট বা রফতানির জন্য প্রস্তুতকৃত) বাংলাদেশে রফতানির অনুমতি দিয়েছে। সূত্রটির মতে, বাংলাদেশের সঙ্গে ‘বিশেষ সম্পর্কের খাতিরে’ রফতানির এ অনুমতি দিয়েছে ভারত।

কূটনৈতিক সূত্রটি আরও বলেছে, আজ শনিবার থেকেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে পারে।

জি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বরের শুরুর দিকে প্রতিবেশী দেশগুলোতে, বিশেষ করে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের ঘোষণা দেয় ভারত। এতে ভারতের বিভিন্ন সড়কে প্রায় ২৫০ ট্রাক পেঁয়াজ বাংলাদেশে ঢোকা বন্ধ হয়ে যায়।

এদিকে ভারতের পেঁয়াজ ছাড়ের অনুমতির বিষয়টি ইতোমধ্যে ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশার মুহাম্মদ ইমরান পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনকে জানিয়েছেন বলে একটি সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে জি নিউজ।

ভারতীয় কৃষিপণ্যের মূল্য নির্ধারণকারী সংস্থা ‘ন্যাপেড’ গত সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) থেকে হঠাৎ করে প্রতি মেট্রিক টন পেঁয়াজের রফতানি মূল্য ৭৫০ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করে। এতে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ হয়ে গেছে। এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের বাজারে। কেজিতে পেঁয়াজের দাম হঠাৎ করে বেড়ে যায় ৪০-৫০ টাকা। তবে গত দুই দিন পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমেছে।

পরে পেঁয়াজ রফতানি শুরু করতে ভারতকে অনুরোধ জানিয়ে চিঠি পাঠায় বাংলাদেশ। দুই প্রতিবেশী দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে বিবেচনায় নেয়ার কথা উল্লেখ করেই বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ভারতীয় হাইকমিশনের কাছে পাঠানো চিঠিতে এ অনুরোধ জানানো হয়। চিঠি পাওয়ার দুইদিন পরেই পেঁয়াজ ছাড়ের অনুমতি দিল মোদি সরকার।

ভরিতে স্বর্ণের দাম বাড়ল ২৪৪৯ টাকা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : ভরিতে স্বর্ণের দাম দুই হাজার ৪৪৯ টাকা বাড়িয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। ফলে দেশের বাজারে ভালো মানের স্বর্ণের দাম ভরিতে বেড়ে ৭৬ হাজার ৪৫৮ টাকায় দাঁড়িয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) থেকে নতুন দর কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, করোনার কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক সঙ্কট, আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ, চীন-যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য যুদ্ধের কারণে ইউএস ডলারের প্রাধান্য খর্ব, তেলের দরপতন ও পর্যাপ্ত আমদানির অভাবে দেশীয় বুলিয়ন/পোদ্দার মার্কেটে স্বর্ণের মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এনে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) সিদ্ধান্ত মোতাবেক শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) থেকে দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রুপার মূল্য নির্ধারণ করেছে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) থেকে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতিভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম দুই হাজার ৪৪৯ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৬ হাজার ৪৫৮ টাকা। ২১ ক্যারেটের দাম ৭৩ হাজার ৩০৮ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৬৪ হাজার ৫৬০ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতিভরি স্বর্ণের দাম ৫৪ হাজার ২৩৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের প্রতিভরি রুপার দাম পূর্বের নির্ধারিত ৯৩৩ টাকাই বহাল রয়েছে।

এর আগে গত ১৩ ও ২১ আগস্ট স্বর্ণের দাম কমিয়েছিল বাজুস। পরে সর্বশেষ চলতি মাসের ৯ সেপ্টেম্বর স্বর্ণের দাম ভরিতে এক হাজার ৭৫০ টাকা বাড়িয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করে বাজুস। যা ১০ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়। সেই দাম অনুযায়ী আজকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতিভরি স্বর্ণ ৭৪ হাজার আট টাকা, ২১ ক্যারেটের দাম ৭০ হাজার ৮৫৯, ১৮ ক্যারেট ৬২ হাজার ১১১ ও সনাতন পদ্ধতির প্রতিভরি স্বর্ণ ৫১ হাজার ৭৮৮ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

৮.২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের আশা অর্থমন্ত্রীর
                                  

অনলাইন ডেস্ক : চলতি অর্থবছরে (২০২০-২১) বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৮ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। মঙ্গলবার এডিবি তাদের এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুকের (এডিও) হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

এডিবির পূর্বাভাসে সন্তোষ প্রকাশ করে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, বর্তমানে আমাদের রেমিট্যান্সের অবস্থা অত্যন্ত ভালো। গত দুই মাসে রফতানি বাণিজ্য পুনরায় আশানুরূপ অবস্থানে আসতে শুরু করেছে। তাই সবকিছু মিলিয়ে আশা করা যায়, লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী এ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৮.১ বা ৮.২ শতাংশ অর্জিত হবে। মঙ্গলবার অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, এডিবির এ প্রাক্কলন অনুযায়ী ২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি এ অঞ্চলে চীন ও ভারতের পরেই অবস্থান করছে। যেখানে কোরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, পাকিস্তান, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ডের কারো অবস্থান বাংলাদেশের উপরে নয়। এর আগে করোনার নেতিবাচক প্রভাবের মধ্যেও যে প্রবৃদ্ধির যে প্রাক্কলন এডিবি করেছিল, সেখানে অন্যান্য দেশের ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি থাকলেও বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ধনাত্মক এবং এশিয়ার মধ্যে সবার উপরে। আশা করা যায়, এ অর্থবছরেও এশিয়ার মধ্যে আমাদের অবস্থান সবার উপরে থাকবে।

এডিবির সংস্থাটির কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ বলেন, মহামারি থেকে বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার পেতে শুরু করেছে। স্বাস্থ্য ও মহামারি পরিচালন ব্যবস্থার ওপর উল্লেখযোগ্য চাপ সত্ত্বেও সরকার উপযুক্ত অর্থনৈতিক প্রণোদনা ও সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে অর্থনীতিকে সুসংহত করেছে। দরিদ্র ও দুর্বলদের জন্য মৌলিক সেবা ও পণ্যাদি নিশ্চিত করেছে। রফতানি এবং রেমিট্যান্সগুলোতে সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক সক্ষমতা, অর্থনৈতিক প্রণোদনা ও সামাজিক সুরক্ষার জন্য বিদেশি তহবিল সুরক্ষারসহ সরকারের সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার ফলে এই পুনরুদ্ধার সম্ভব হয়েছে।

এডিবি বলছে, চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতির হার সাড়ে ৫ শতাংশের ঘরে থাকবে। সুচিন্তিত সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা এবং সরকারের উদ্দীপনা ব্যবস্থার দ্রুত বাস্তবায়ন প্রত্যাশিত পুনরুদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে এই প্রবৃদ্ধি অর্জনের ক্ষেত্রে প্রধান ঝুঁকি হলো, দীর্ঘমেয়াদি মহামারি ও বাংলাদেশের রফতানির গন্তব্য।

এডিবি আরও বলছে, ২০২০ সালে এশিয়ার উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনীতি শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ সংকুচিত হবে। তবে ২০২১ সালে এই অঞ্চলের অর্থনীতি শক্তিশালী প্রত্যাবর্তন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। ২০২১ সালে অর্থনীতি ৬ দশমিক ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।

এদিকে এডিবির আজকের প্রতিবেদনে মহামারির প্রভাব এশিয়া অঞ্চলে ব্যাপকভাবে পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। করোনা মহামারি এশিয়া অঞ্চলের উন্নয়নশীল অর্থনীতিগুলোকে মন্দার দিকে টেনে নিয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

সীমান্তে আটকে পড়া পেঁয়াজের ট্রাকগুলো বাংলাদেশে ঢুকবে আজ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : স্থলবন্দরে আটকে থাকা পেঁয়াজের ট্রাক বাংলাদেশে ঢোকার শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দিয়েছে ভারত। আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) থেকে বেনাপোল ও হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দেশে পেঁয়াজ আমদানি পুনরায় শুরু হবে।

হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক হারুন উর রশিদ হারুন জানান, পুর্বের খোলা এলসির ঋণপত্রের বিপরীতে সীমান্তের ওপারে আটকে পড়া পেঁয়াজ বোঝাই ট্রাক দেশে প্রবেশ করবে।

দিল্লিতে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সরকারি পর্যায়ে এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের বরাত দিয়ে জানিয়েছেন দেশের পেঁয়াজ আমদানিকারকরা।

হিলি স্থলবন্দরের সীমান্তের ওপারে পেঁয়াজ বোঝাই দুই শতাধিক ট্রাক দেশে প্রবেশের অপেক্ষায় আটকা পড়ে আছে বলে জানান আমদানিকারকরা।

পেঁয়াজের বাজারে সেঞ্চুরি
                                  

অনলাইন ডেস্ক : ভারতের রফতানি বন্ধ করার সংবাদে অস্থির হয়ে উঠেছে পেঁয়াজের বাজার। একদিনের ব্যবধানে প্রায় দ্বিগুণ দাম বেড়ে পেঁয়াজের কেজি ১০০ টাকা হয়ে গেছে।

কোনো ধরনের পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই ভারত গতকাল হুট করে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়। এরপর ২৪ ঘণ্টা পার না হতেই দেশের বাজারে পেঁয়াজের এমন দাম বাড়ল।

গত বছরও সেপ্টেম্বর মাসে কোনো ঘোষণা ছাড়াই ভারত বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়। এতে হু হু করে দাম বেড়ে পেঁয়াজের কেজি ৩০০ টাকা পর্যন্ত ওঠে।

এবারও সেই সেপ্টেম্বরেই ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দিল। এতে পেঁয়াজের দাম আবারও অস্বাভাবিক হয়ে উঠতে পারে- এমন আশঙ্কায় কেউ কেউ বাড়তি পেঁয়াজ কেনা শুরু করে দিয়েছেন।

মঙ্গলবার রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা। আমদানি করা ভারতের পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকা। অথচ গতকাল দেশি পেঁয়াজের কেজি ছিল ৬০ থেকে ৬৫ টাকা এবং আমদানি করা পেঁয়াজের কেজি ছিল ৫০ থেকে ৫৫ টাকা।

খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, হঠাৎ করেই পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে। গতকাল পাইকারিতে যে দেশি পেঁয়াজের কেজি ৫০ টাকা ছিল তা আজ ৭৫ থেকে ৮০ টাকা হয়ে গেছে।

পেঁয়াজের দামের বিষয়ে মালিবাগ হাজীপাড়া বৌ-বাজারের ব্যবসায়ী মো. জাহাঙ্গীর বলেন, গতকাল দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি করেছি ৬০ টাকা। আজ পাইকারিতে দাম ৮০ টাকা। যে কারণে ৯০ টাকা কেজি পেঁয়াজ বিক্রি করছি।

তিনি বলেন, পরিস্থিতি যা তাতে মনে হচ্ছে পেঁয়াজের দাম আরও বাড়তে পারে। কারণ গতকাল ভারত রফতানি বন্ধ করার পর আজ পেঁয়াজ কেনার পরিমাণ বেড়ে গেছে। এ অবস্থা চললে বাজারে পেঁয়াজের এক ধরনের কৃত্রিম সংকট দেখা দিতে পারে। এতে আবারও গত বছরের মতো অবস্থা হবে কিনা বলা মুশকিল।

একই বাজারে ১০০ টাকা কেজি পেঁয়াজ বিক্রি করা মো. সোহেল বলেন, আজ ১০০ টাকা কেজি কিনতে পারছেন। আগামীকাল দেখবেন ১৫০ টাকা কেজি কিনে খেতে হবে। আজ বিকেলেই দাম আরও বেড়ে যায় কিনা দেখেন। ইতোমধ্যে পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের ক্রেতা বেড়ে গেছে।

এদিকে রামপুরায় ভ্যানে দেশি পেঁয়াজের কেজি ৮০ টাকা বিক্রি করছিলেন জয়নাল মিয়া। দুই মিনিটের মধ্যে তার সব পেঁয়াজ বিক্রি হয়ে যায়। এ বিষয়ে জয়নাল বলেন, আমার পেঁয়াজ গতকাল কেনা। কিছুটা লাভে ৮০ টাকা কেজি বিক্রি করেছি।

তিনি বলেন, একজন এসে পেঁয়াজের দাম জানতে চাইলেন। আমি ৮০ টাকা বলতেই, তিনি পাঁচ কেজি পেঁয়াজ দিতে বলেন। এরপর কয়েকজন এসে সব পেঁয়াজ কিনে নিলেন। এমন হুড়াহুড়ি করে পেঁয়াজ আমি আগে কখনো বিক্রি করিনি। কম দামে পেঁয়াজ বিক্রি করে ফেললাম কিনা জানি না।

এই ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলে রামপুরা বাজারে গিয়ে দেখা যায়, ব্যবসায়ীরা দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি করছেন ১০০ টাকা। ভারতের আমদানি করা পেঁয়াজের কেজি বিক্রি করছেন ৭০ থেকে ৭৫ টাকা। একই দামে পেঁয়াজ বিক্রি হতে দেখা গেছে খিলগাঁও তালতলা বাজারে।

খিলগাঁওয়ের ব্যবসায়ী মো. হিরু বলেন, গতকাল ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করায় আজ পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম কেজিতে বেড়েছে ২০ টাকার ওপরে। বাড়তি দামে কেনার কারণে আমাদের বাড়তি দামে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে পড়া মালিবাগের বাসিন্দা আরিফুর রহমান বলেন, বাজার থেকে ১০০ টাকা কেজিতে পাঁচ কেজি পেঁয়াজ কিনেছি। পাঁচ মিনিট হাঁটলেই বাসা। বাজার থেকে পেঁয়াজ হাতে বের হতেই অন্তত পাঁচজন পেঁয়াজের দাম জানতে চেয়েছেন। এতেই বোঝা যাচ্ছে পেঁয়াজ নিয়ে সবার মধ্যেই এক ধরনের আতঙ্ক রয়েছে।

পেঁয়াজের দামের বিষয়ে শ্যামবাজারের আজমেরী ভান্ডারের সোহেলুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, পাইকারিতে পেঁয়াজের দাম কিছুটা বেড়েছে। দেশি পেঁয়াজের কেজি ৭০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।


কী ঘটেছিল গত বছর

গত বছরের সেপ্টেম্বরে ভারত রফতানি বন্ধ করলে দেশের বাজারে হু হু করে দাম বেড়ে পেঁয়াজের কেজি ৩০০ টাকা পর্যন্ত উঠে যায়। এরপর পেঁয়াজের দাম কমাতে নানামুখী প্রচেষ্টা চালায় সরকার। মিয়ানমার, মিশর থেকে আমদানি করা হয় পেঁয়াজ। এতে কিছুটা দাম কমে। তারপরও পেঁয়াজের ঝাঁজ ছিল বেশ চড়া। একশ টাকার নিচে পেঁয়াজ মিলছিল না।

ফলে বাধ্য হয়ে বাড়তি দাম পেঁয়াজ কিনে খেতে হয় ক্রেতাদের। কম দামে নিম্ন আয়ের মানুষকে পেঁয়াজ দিতে ট্রাকে বিক্রি শুরু করে সরকারি প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। টিসিবির পেঁয়াজ কেনা নিয়ে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে।

এর মধ্যে গত বছরের নভেম্বর থেকে বাজারে আসতে শুরু করে নতুন দেশি পেঁয়াজ। যার প্রভাবে ক্রেতাদের মধ্যে কিছুটা হলেও স্বস্তি মিলতে থাকে। ডিসেম্বরেই নতুন পেঁয়াজের কেজি একশ টাকার নিচে নামে যায়। এরপর চলতি বছরের মার্চের শুরুতে রফতানির নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার ঘোষণা দেয় ভারত। যার প্রভাবে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম কমে কেজি ৪০ টাকায় নামে।

কিন্তু মহামারি করোনাভাইরাসের প্রকোপে মার্চের শেষ দিকে পেঁয়াজের দাম আবার কিছুটা বাড়ে। দাম বাড়ায় বাড়তি পেঁয়াজ কেনা শুরু করেন ক্রেতরা। এতে দেশি পেঁয়াজের কেজি ৮০ টাকায় ওঠে। পরিস্থিতি সামাল দিতে মাঠে নামে ভোক্তা অধিদফতর ও র্যাব। পেঁয়াজের বাজারে চলে একের পর এক অভিযান।

এর মধ্যেই বাজারে বাড়তে থাকে দেশি পেঁয়াজের সরবরাহ। সঙ্গে আসতে থাকে ভারতের পেঁয়াজ। এতে আবারও দফায় দফায় দাম কমে পেঁয়াজের কেজি ৩০ টাকায় নেমে আসে। তবে ঈদের আগে দেশি পেঁয়াজের কেজি ৪০ টাকায় উঠে। গত মাসেও আমদানি করা পেঁয়াজের কেজি ২০ থেকে ২৫ টাকার মধ্যে ছিল। আর দেশি পেঁয়াজ ছিল ৪০ থেকে ৪৫ টাকার মধ্যে।

ভারতের পেঁয়াজ রফতানি বন্ধে বিপাকে বাংলাদেশি আমদানিকারকরা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : দেশে সংকটের মধ্যেও দুর্গা পূজা উপলক্ষে বাংলাদেশ সরকার বন্ধুত্ব ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করতে ভারতকে ইলিশ আমদানির সুযোগ দিলেও ভারত সরকার সংকট দেখিয়ে বাংলাদেশে বন্ধ করেছে পেঁয়াজ রফতানি। এতে নানা মহলে বিরূপ প্রতিক্রিয়া এসেছে। গত বছরেও পূজা উপলক্ষে যেদিন ভারত সরকারকে ৫০০ মেট্রিক টন ইলিশ দেওয়া হয় ঠিক সেদিনেও বাংলাদেশে একই কারণ দেখিয়ে বন্ধ করা হয়েছিল পেঁয়াজের রফতানি।

বেনাপোল বন্দর দিয়ে ইলিশের চালান ঢোকার পর পরই হঠাৎ করে সোমবার বিকাল থেকে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয় ভারতের পেট্রাপোল কাস্টমস। এতে বেনাপোল বন্দরে প্রবেশের অপেক্ষায় পেট্রাপোল বন্দরে প্রায় শতাধিক পেঁয়াজ বোঝাই ট্রাক আটকা পড়ে। ফলে পচনশীল পণ্য নিয়ে বেকায়দায় পড়েছেন আমদানিকারকরা।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পেঁয়াজ আমদানিকারক খুলনার হামিদ এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি জনি ইসলাম জানান, পূজার সময় আমরা ভারতকে ইলিশ দিচ্ছি অথচ তারা হঠাৎ করে এভাবে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ না করে সময় দিতে পারতো। এখন এমন অবস্থা আটকে পড়া পেঁয়াজে মারাত্মক লোকসানের মুখে পড়বেন তারা।

জানা যায়, দেশে ইলিশ উৎপাদন কমে যাওয়ায় ২০১২ সালের পহেলা অক্টোবর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দেশের বাইরে ইলিশ রফতানি স্থগিত করে। তবে এরপর থেকে বাইরের কোন দেশে ইলিশ রফতানি না হলেও বন্ধুত্ব সম্পর্কের কারণে পূজা উপলক্ষে গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর ভারতকে ৫০০ মেট্রিক টন এবং এবছর ১৪৫০ মেট্রিক টন ইলিশ আমদানির সুযোগ দেয়। ১৪ সেপ্টেম্বর বিকালে প্রথম চালানে দুই ট্রাক ইলিশ ভারতে ঢুকেছে। আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে বাকি ইলিশ ঢুকবে। তবে দুই বারই দেখা গেছে যেদিন ইলিশ পাঠানো হয়েছে ঠিক সেদিনই বাংলাদেশি মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য পেঁয়াজ রফতানি তারা বন্ধ করেছে।

ভারতের পেট্রাপোল সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্তিক চন্দ্র জানান, সকাল ৯ টায় এক ট্রাক পেঁয়াজ বাংলাদেশে ঢোকে। এরপর কাস্টমস পেঁয়াজ রফতানিতে বাঁধা দেয়। তবে প্রাথমিকভাবে যেটা জানা গেছে, ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে বিশেষ করে যে অঞ্চল থেকে পেঁয়াজ আসে সেখানে বন্যায় ফসলের ক্ষেত তলিয়ে গেছে। এতে সংকট দেখা দেওয়ায় আপাতত দেশের বাইরেও পেঁয়াজ যাচ্ছে না। তবে সংকট কাটলে যে কোনো সময় এ নিষেধাজ্ঞা আবার প্রত্যাহার হতে পারে।

বেনাপোল বন্দরের উপপরিচালক (ট্রাফিক) মামুন কবীর তরফদার জানান, পেঁয়াজ আমদানি সহজ করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিনিধি দল ১৪ সেপ্টেম্বর দুপুরে বেনাপোল বন্দরে বৈঠক করেন। কিন্তু বিকালের পর হঠাৎ করে বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পারি ভারত থেকে আর পেঁয়াজ ঢুকছে না। তবে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের বিষয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তাদেরকে কোন চিঠি দেয়নি।

দেশে প্রথমবারের মতো ১৫ হাজার টন পরিবেশবান্ধব লো-সালফার অয়েল আমদানি
                                  

অনলাইন ডেস্ক : দেশে প্রথমবারের মতো মালয়েশিয়া থেকে সমুদ্রগামী জাহাজ ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহারের উপযোগী ১৫ হাজার টন পরিবেশবান্ধব ০.৫ মাত্রার লো-সালফারযুক্ত অয়েল আমদানি করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)।

আজ সকালে চট্টগ্রাম বন্দরের মেঘনা ডলফিন জেটিতে ভিড়েছে একটি জাহাজ। জাহাজটিতে প্রায় ১৫ হাজার টন ওজনের লো-সালফার অয়েল রয়েছে।

সোমবার দেশে প্রথমবারের মত শূণ্য দশমিক ৫ (০.৫) শতাংশ সালফার কন্টেন্টযুক্ত সমুদ্রগামী জাহাজের জ্বালানি তেল (আইএফও) গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বিপিসি`র চেয়ারম্যান মো. সামছুর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিপিসির পরিচালক (অপারেশন ও পরিঃ/বিপণন) সৈয়দ মেহেদী হাসান, ঊর্ধ্বতন মহাব্যবস্থাপক (বাঃ ও অপাঃ) মো. আবু হানিফ, পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মাসুদুর রহমান, মেঘনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মীর ছাইফুল্লাহ-আল-খালেদ, যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. গিয়াস উদ্দিন আনসারী ও বাংলাদেশ বাঙ্কার সাপ্লাইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মিজানুর রহমান মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক আবদুল রাজ্জাক।

বিপিসি`র চেয়ারম্যান মো. সামছুর রহমান বলেন, বেসরকারি বাঙ্কারিং খাত হতে পারে জাতীয় রাজস্ব আয়ের আরও একটি বড় খাত। প্রধানমন্ত্রীর ২য় দক্ষিণ এশিয়া মেরিটাইম এন্ড লজিস্টিক ফোরামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আইএমও রেগুলেশন অনুযায়ী সমুদ্রগামী জাহাজে ব্যবহারের জন্য দেশে মেরিন ফুয়েল মজুদ রাখার বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরে আসা বিদেশি জাহাজ গুলোর চাহিদা অনুযায়ী নতুন গ্রেডের জ্বালানি (বাঙ্কার) প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে বর্হিবিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হবে। এই জ্বালানি তেল ব্যবহার হলে পরিবেশদূষণের মাত্রা কমে যাবে।

জানা গেছে, মালয়েশিয়ার পিভি নিলি পার্ক বন্দর থেকে লোড হয়ে `এমপি টিএমএন প্রাইড` জাহাজটি ১৪ হাজার ৯৪৬ টন লো-সালফার অয়েল নিয়ে বিপিসির মেঘনা ডিপোতে বার্থিং হবে। বিপিসি থেকে চাহিদা অনুসারে চট্টগ্রাম বন্দর, পায়রা ও মোংলা বন্দরে এই অয়েল সরবরাহ করা হবে।

বিপিসির পরিচালক (অপারেশন ও পরিঃ/বিপণন) সৈয়দ মেহেদী হাসান জানান, ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের (আইএমও) বাধ্যবাধকতা থাকায় এই তেল আমদানি হচ্ছে। আগে বাংলাদেশে ব্যবহার করা হতো উচ্চমাত্রার কার্বন নিঃসৃত ফার্নেস অয়েল যা ৩.৫ মাত্রার সালফারযুক্ত। কিন্তু পরিবেশ রক্ষায় আইএমওর চাহিদা মতে এখন থেকে ব্যবহার করা হচ্ছে ০.৫ মাত্রার সালফারযুক্ত অয়েল। যদিও লো-সালফার অয়েলের মূল্য খানিকটা বেশি।

তিানি বলেন, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকেই এ তেল আমদানির কথা থাকলেও করোনা ভাইরাসের কারণে উদ্ভুদ্ধ পরিস্থিতিতে তা পিছিয়ে যায়। আগে বেশিরভাগ সমুদ্রগামী জাহাজই সিঙ্গাপুর বা কলম্বো বন্দর থেকে লো-সালফার অয়েল সংগ্রহ করতো।
বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসএএ) সভাপতি এহসানুল হক চৌধুরী বলেন, বিপিসি তুলনামূলক কাছাকাছি দরে এই তেল বিক্রি করতে পারলে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আয় ও রাজস্ব আদায় সম্ভব হবে।

বিপিসির মহাব্যবস্থাপক আবু হানিফ বলেন, ডিসেম্বর পর্যন্ত দেড় লাখ টন লো-সালফার অয়েল আমদানি করা হবে। এর মধ্যে অর্ধেক তেল দরপত্রের মাধ্যমে এবং বাকি অর্ধেক জি-টু-জির ভিত্তিতে আমদানি হবে। সিঙ্গাপুর ভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি এই জ্বালানি তেল বিপিসিকে সরবরাহ করছে।

এফএমএস শিপিং লাইনের স্বত্ত্বাধিকারী মোহাম্মদ জামাল সিকদার বলেন, স্বল্পমাত্রার কার্বন নিঃসৃত ফার্নেস অয়েল আমাদের দেশে সরবরাহ হচ্ছে- এটা খুবই আনন্দের। এতে ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড মেইনটেইন করা সহজ হবে। চট্টগ্রাম বন্দরে বাংকার জাহাজের আসা-যাওয়াও বাড়বে। এতে সরকার যেমন লাভবান হবে, বিশ্বে দেশের ভাবমূর্তিও উজ্জ্বল হবে বলে তিনি জানান। বাসস

পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করল ভারত
                                  

অনলাইন ডেস্ক : পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই বেনাপোল বন্দর দিয়ে বন্ধ হয়ে গেল পেঁয়াজের আমদানি। সোমবার বিকালে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয় ভারত। ফলে বেনাপোলের ওপারের পেট্রাপোলে আটকা পড়ে আছে পেঁয়াজ ভর্তি প্রায় ১৫০টি ট্রাক। একই অবস্থা ভোমরা বন্দরেও।

সোমবার সকাল থেকে ভোমরা বন্দর দিয়ে কোনো পেঁয়াজের গাড়ি বাংলাদেশে প্রবেশ করেনি।

ভারতের একটি সূত্র জানায়, দেশের সব বন্দর দিয়ে বাংলাদেশে পেঁয়াজের আমদানি বন্ধ রয়েছে। বেনাপোল বন্দর দিয়ে সকালের দিকে ৫০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ ঢোকার পরপরই দেশের সবগুলো বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয় ভারতের পেঁয়াজ রফতানিকারকদের সংগঠন।

বেনাপোলের ওপারে পেট্রাপোল রফতানিকারক সমিতির পক্ষে ব্যবসায়ী কার্তিক ঘোষ বলেন, পেঁয়াজ রফতানিকারক সমিতি সিদ্ধান্ত নিয়েছে ৭৫০ ডলারের নিচে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি করবে না। সে কারণে অনেকগুলো গাড়ি বর্ডারে দাঁড়িয়ে আছে।

বেনাপোলের পেঁয়াজ আমদানিকারক রফিকুল ইসলাম রয়েল জানান, ভারতের সঙ্গে আমদানি বাণিজ্য শুরুর পর থেকে ২৫০ মার্কিন ডলারে পেঁয়াজ আমদানি হয়ে আসছে। ভারতের নাসিকে বন্যার কারণে সেখানে পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে। এতে রফতানিকারকরা স্থানীয় বাজার দর হিসাবে ৭৫০ ডলারের নিচে বাংলাদেশে পেঁয়াজের রফতানি করবে না। এ কারণে তারা পেঁয়াজের রফতানি সাময়িক বন্ধ করে দিয়েছে।

ভারতের বনগাঁ এলাকার পেঁয়াজ ব্যবসায়ী অনিল মজুমদার টেলিফোনে জানান, বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি করতে তাদের আপত্তি নেই। বাজার দরে এলসি পেলে তারা পুনরায় রফতানি শুরু করবে। সে ক্ষেত্রে পুরানো যে সব এলসি দেয়া আছে সেগুলো ২৫০ ডলার সংশোধন করে ৭৫০ ডলার করা হলে পেঁয়াজের আমদানি প্রক্রিয়া স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

বেনাপোল কাস্টমস হাউজের কমিশনার আজিজুর রহমান বলেন, ভারত কোনো ঘোষণা ছাড়াই মূল্য বৃদ্ধির দাবিতে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দিয়েছে। পারস্পারিক বাণিজ্যে সমঝোতার বিকল্প নেই। তারা রফতানি বন্ধ না করে পেঁয়াজের আমদানিকারকদের সময় বেঁধে দিতে পারতেন। হঠাৎ করে এমন সিদ্ধান্তটা নেয়া ঠিক হয়নি।

বিশ্ববাজারে লাগাতার কমছে সোনার দাম
                                  

ডেস্ক রিপাের্ট : চলতি মাসের শুরুতে অল্প ওঠানামার মধ্যে থাকলেও কয়েক দিন ধরে বিশ্ববাজারে পতনের মুখে পড়েছে সোনার দাম। তবে, বড় ব্যবধানে সোনার পতন শুরু হয় গত মাসেই (আগস্ট)।

এর আগে করোনাভাইরাসের তাণ্ডবে বিশ্ব অর্থনীতি টালমাটাল হয়ে পড়লে কয়েক দফা রেকর্ড ভেঙে গেল জুলাইয়ে এ যাবতকালের দাম বৃদ্ধির রেকর্ড করে ধাতুটি।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স সোনা হাত বদল হয় ১৯৪০.৪৩ ডলারে। যা শনিবারের চেয়ে এক ডলারের কম। এর আগে ৯ সেপ্টেম্বর প্রতি আউন্স সোনার সবশেষ দাম ছিল ১৯৪৬.৫৬ ডলার। ১০ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫.২৩ ডলারে থামে সোনার লেনদেন। দরপতনের ধারা অব্যাহত থাকে ১১ সেপ্টেম্বরও। আগের দিনের চেয়ে প্রতি আউন্স সোনার দাম কমে ৩.৭২ ডলার; দিন শেষ হয় ১৯৪১.৫০ ডলারে। ১২ সেপ্টেম্বর আরেক দফা দরপতনে প্রতি আউন্স সোনার দাম নামে ১৯৪১.৩৬ ডলারে।

বিশ্ববাজারে সোনার দরপতনের কারণ হিসেবে আন্তর্জাতিক বাজার বিশ্লেষকরা ডলারের দুর্বল অবস্থান ও করোনাভাইরাসের টিকা আবিষ্কারের অগ্রগতিকে চিহ্নিত করছেন।

রোববার থেকে ৩০ টাকা দরে টিসিবির পেঁয়াজ বিক্রি
                                  

অনলাইন ডেস্ক : সারা দেশে ২৭৫টি ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে রোববার থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করবে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)।

একজন ভোক্তা নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যটি সর্বোচ্চ ২ কেজি করে কিনতে পারবেন। এ ছাড়া পেঁয়াজের সঙ্গে চিনি, মশুর ডাল ও সয়াবিন তেলও ভর্তুকি মূল্যে বিক্রি হবে।

টিসিবির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শুক্রবার এ তথ্য জানা গেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রতিকেজি চিনি ও মশুর ডাল ৫০ টাকা কেজি দরে একজন ভোক্তা সর্বোচ্চ ২ কেজি করে কিনতে পারবেন। এ ছাড়া সয়াবিন তেল প্রতিলিটার ৮০ টাকা দরে একজন ভোক্তা দুই লিটার থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ পাঁচ লিটার পর্যন্ত কিনতে পারবেন।

গত বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, পেঁয়াজের দাম বাজারে একটু বেড়েছে। বন্যার কারণে সরবরাহে সমস্যা হয়েছে। আমরা দাম কমাতে চেষ্টা করছি। টিসিবি বড় পরিসরে নামছে। আগামী ১৩ তারিখ (রোববার) থেকে ন্যায্যমূল্যে খোলাবাজারে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করবে টিসিবি। এ ছাড়া এবার আমরা সর্বকালের রেকর্ড ভঙ্গ করে সর্বোচ্চ পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানি করব। আমরা ফুল মনিটর করছি।

টিসিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমান করোনা পরিস্থিতি ও বন্য পরবর্তী পরিস্থিতিতে ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে করে টিসিবি এসব পণ্য বিক্রি করবে। সেক্ষেত্রে ঢাকায় ৪০টি ট্রাক, চট্টগ্রামে ১০টি, রংপুর ৭টি, ময়মনসিংহে ৫টি, রাজশাহীতে ৫টি, খুলনায় ৫টি, বরিশালে ৫টি, সিলেটে ৫টি, বগুড়ায় ৫টি, কুমিল্লায় ৫টি, ঝিনাইদহে ৩টি ও মাদারীপুরে ৩টি করে অবশিষ্ট জেলা ও উপজেলায় প্রত্যেকটিতে ২টি করে ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে পণ্য বিক্রি করা হবে। এ ছাড়া টিসিবির আঞ্চলিক কার্যালয়ের আওতাভুক্ত উপজেলায় অতিরিক্ত ৫টি ট্রাকে ও বন্যাকবলিত জেলা ও উপজেলায় পরিস্থিতি বিবেচনায় ১৩টি ট্রাক পণ্য বিক্রি করবে। আর এই বিক্রি কার্যক্রম শুক্রবার ও শনিবার বাদে ১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চলবে। এছাড়াও প্রতিটি ট্রাকে চিনি ৫০০-৭০০ কেজি বরাদ্দ থাকবে। সঙ্গে মশুর ডাল ৪০০-৬০০ কেজি, সয়াবিন তেল ৭০০ থেকে এক হাজার লিটাল ও পেঁয়াজ ২০০ থেকে সর্বোচ্চ ৪০০ কেজি বরাদ্দ থাকবে।

এক সপ্তাহে বেড়েছে ৬ নিত্যপণ্যের দাম
                                  

অনলাইন ডেস্ক : একটি একটি করে সব ধরনের নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে চলেছে। গত ১ মাস ধরে রাজধানীর খুচরা বাজারে চাল, ডাল, তেল, শাক-সবজির দাম বাড়ছে। গত ৭ দিনে খুচরা বাজারে ব্রয়লার মুরগি, মসুর ডাল (ছোট দানা), দেশি আদা, পেঁয়াজ, দারুচিনি, আলু- এ ছয়টি পণ্যের দাম বেড়েছে। এ পরিস্থিতিতে ভোক্তাদের নাভিশ্বাস উঠেছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার, নয়াবাজার ও মালিবাগ কাঁচাবাজার ঘুরে দাম বৃদ্ধির এ চিত্র দেখা গেছে।

নতুন করে ছয় পণ্যের দাম বাড়ার চিত্র ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) দৈনিক বাজার মূল্য তালিকায় লক্ষ্য করা গেছে। টিসিবি বলছে, গত ৭ দিনে নতুন করে প্রতিকেজি মসুর ডালে (ছোট দানা) দাম বেড়েছে ২ দশমিক ২২ শতাংশ। প্রতি কেজি আলুর দাম বেড়েছে ১০ দশমিক ৪৫ শতাংশ। দেশি পেঁয়াজে দাম বেড়েছে কেজিতে ২০ শতাংশ ও আমদানি করা পেঁয়াজে দাম বেড়েছে ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ। কেজিতে দেশি আদার দাম বেড়েছে ১১ দশমিক ১১ শতাংশ। প্রতি কেজি দারুচিনিতে ৭ দিনের ব্যবধানে দাম বেড়েছে ৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ। এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে ২ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ।

জানতে চাইলে বাজার তদারকি সংস্থা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মো. আবদুল

খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বৃহস্পতিবার প্রতি কেজি আলু মানভেদে বিক্রি হয়েছে ৩৮-৪২ টাকা; যা এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয় ৩৫ থেকে ৩৬ টাকা। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয় ১২৫ টাকা; যা এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয় ১২০ টাকা। প্রতি কেজি মসুর ডাল (ছোট দানা) বিক্রি হয় ১২০ টাকা; যা এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয় ১১৫ টাকা। প্রতি কেজি দেশি আদা বিক্রি হয় সর্বোচ্চ ১৮০ টাকা; এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয় ১৫০ টাকা। প্রতি কেজি দারুচিনি বিক্রি হয় সর্বোচ ৫০০ টাকা; যা এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয় ৪৮০ টাকা। এছাড়া দেশি পেঁয়াজ ৬০ থেকে ৬৫ টাকা এবং একটু ভালো মানের পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে সর্বোচ্চ ৭০ টাকা কেজি; যা এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হয় ৫৫-৬০ টাকা।

আগস্টে বিশ্বসেরা বাংলাদেশের পুঁজিবাজার
                                  

অনলাইন ডেস্ক : সদ্য সমাপ্ত আগস্ট মাসে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার বিশ্বের মধ্যে সব থেকে ভালো পারফরম্যান্স করেছে। পারফরম্যান্স শুধু শীর্ষ স্থানটিই দখল করেনি বাংলাদেশের পুঁজিবাজার, দ্বিতীয় স্থানে থাকা ভিয়েতনামের থেকে অনেকে এগিয়ে রয়েছে।

বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান ব্র্যাক ইপিএলের প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। একই ধরনের তথ্য উঠে এসেছে ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনেও।

দুই প্রতিবেদনের তথ্যেই দেখা গেছে, আগস্ট মাসে বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে ১৫ দশমিক ৮০ শতাংশ উত্থান হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ভিয়েতনামের শেয়ারবাজারে উত্থান হয়েছে ১০ দশমিক ৪০ শতাংশ। ৭ দশমিক ৪০ শতাংশ উত্থানের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে রোমানিয়া।

ব্র্যাক ইপিএলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লকডাউনের কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতি একধরনের চাপে ছিল। আমদানি ও রফতানি কমলেও শক্ত অবস্থানে ছিল রেমিট্যান্স।

আগস্টে `বিশ্বসেরা` বাংলাদেশের পুঁজিবাজার

তৈরি পোশাক খাতে রফতানি আদেশ বাড়ায় এবং রেমিট্যান্সের গতি অব্যাহত থাকায় অর্থনীতিতে এখন স্বাভাবিকতা দেখা যাচ্ছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রেকর্ড ৩৯ বিলিয়ন ডলার হয়েছে- বলেও ব্র্যাক ইপিএলের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়েছে, মে মাসের শেষে শেয়ারবাজারে পুনরায় লেনদেন চালুর পর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ২০ শতাংশ বেড়েছে। টেলিকম, ব্যাংক, ফার্মাসিউটিক্যালস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি এবং প্রকৌশল খাত ভালো অবস্থানে রয়েছে।

শেয়ারবাজারের এই উত্থানের জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল ইসলামের প্রশংসা করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

এ বিষয়ে বলা হয়েছে, একটি কঠিন সময়ে বিএসইসির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল ইসলাম। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি এবং তার টিম সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘনের কারণে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শক্ত পদক্ষেপ নিয়েছেন। বেশকিছু প্রতিষ্ঠানের আইপিও আবেদন বাতিল করে দিয়েছেন।

এদিকে ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগস্ট মাসে এশিয়ার শেয়ারবাজার উত্থান হয়েছে। এরমধ্যে বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে সবচেয়ে বেশি ১৫ দশমিক ৮০ শতাংশ উত্থান হয়েছে। যা বিশ্বের শেয়ারবাজারেও সেরা পারফর্ম।

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগস্ট মাসে বাংলাদেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ব্রড ইনডেক্স বেড়েছে ১৫ দশমিক ৮০ শতাংশ। যা এশিয়ারসহ বিশ্বের সেরা পারফরম্যান্স। বাংলাদেশের পরে এশিয়ার মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উত্থান হয়েছে ভিয়েতনামের ভিএন সূচকে। আগস্টে এ সূচকটি বেড়েছে ১০ দশমিক ৪০ শতাংশ। এশিয়ার মধ্যে তৃতীয় স্থানে রয়েছে পাকিস্তান। দেশটির কেএসই-১০০ সূচক বেড়েছে ৪ দশমিক ৭০ শতাংশ।

এই উত্থানের পর বাংলাদেশসহ এশিয়ার শেয়ারবাজার বিনিয়োগের জন্য আকর্ষণীয় বলে উল্লেখ করেছে ব্লুমবার্গ। মূল্য-আয় অনুপাত (পিই) বিবেচনায় তারা এ কথা বলেছে।

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৬ দশমিক ৫০ মূল্য আয় (পিই) নিয়ে সবচেয়ে বিনিয়োগযোগ্য অবস্থায় রয়েছে এশিয়ার কাজাগিস্তান। দ্বিতীয় স্থানে থাকা পাকিস্তানের বাজারে পিই ৭ দশমিক ৫০ পয়েন্ট।

১১ দশমিক ৮০ পিই নিয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার। বাংলাদেশের আগে রয়েছে শ্রীলঙ্কা। দেশটির শেয়ারবাজারের পিই ৮ দশমিক ৯০ পয়েন্ট।

এছাড়া ভিয়েতনামের ১৩ দশমিক ৮০, থাইল্যান্ডের ১৬ দশমিক ৫০, ফিলিপাইনের ১৭ দশমিক ৩০ এবং ভারতের শেয়ারবাজারের পিই ২৩ দশমিক ৯০ পয়েন্টে রয়েছে।


   Page 1 of 21
     অর্থ-বাণিজ্য
বেশি পেঁয়াজ না কেনার আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
স্বর্ণের মত চার ক্যাটাগরিতে বি‌ক্রি হবে রূপা
.............................................................................................
বেড়েছে চালের দাম
.............................................................................................
ফের পেঁয়াজ আটকে দিল ভারত
.............................................................................................
বন্দরে আটকে থাকা পেঁয়াজ দিতে সম্মতি, বাংলাদেশ পাবে ২৫ হাজার টন
.............................................................................................
ভরিতে স্বর্ণের দাম বাড়ল ২৪৪৯ টাকা
.............................................................................................
৮.২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের আশা অর্থমন্ত্রীর
.............................................................................................
সীমান্তে আটকে পড়া পেঁয়াজের ট্রাকগুলো বাংলাদেশে ঢুকবে আজ
.............................................................................................
পেঁয়াজের বাজারে সেঞ্চুরি
.............................................................................................
ভারতের পেঁয়াজ রফতানি বন্ধে বিপাকে বাংলাদেশি আমদানিকারকরা
.............................................................................................
দেশে প্রথমবারের মতো ১৫ হাজার টন পরিবেশবান্ধব লো-সালফার অয়েল আমদানি
.............................................................................................
পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করল ভারত
.............................................................................................
বিশ্ববাজারে লাগাতার কমছে সোনার দাম
.............................................................................................
রোববার থেকে ৩০ টাকা দরে টিসিবির পেঁয়াজ বিক্রি
.............................................................................................
এক সপ্তাহে বেড়েছে ৬ নিত্যপণ্যের দাম
.............................................................................................
আগস্টে বিশ্বসেরা বাংলাদেশের পুঁজিবাজার
.............................................................................................
স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়ল ১৭৫০ টাকা
.............................................................................................
ব্যাংকিং খাতে খেলাপির ৮৭ শতাংশই মন্দ ঋণ
.............................................................................................
পেঁয়াজ আমদানিতে শুল্ক তুলে নিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের চিঠি
.............................................................................................
টিসিবি শীঘ্রই পেয়াঁজ বিক্রি শুরু করবে
.............................................................................................
এবার পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে আগেই প্রস্তুত সরকার
.............................................................................................
ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে লেনদেন সীমা বাড়ল
.............................................................................................
ব্যাংকে সাইবার হামলার আশঙ্কা, সতর্কতা জারি
.............................................................................................
ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে তৈরি পোশাক খাত
.............................................................................................
আগস্টে এলো ১৯৬ কোটি ডলার রেমিট্যান্স
.............................................................................................
নিজস্ব ব্র্যান্ডের গাড়ি উৎপাদন করবে বাংলাদেশ
.............................................................................................
করোনায় জার্মানির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির রেকর্ড পতন
.............................................................................................
রাজধানীতে সবজির দাম আকাশছোঁয়া
.............................................................................................
পদ্মাসেতুর কাজ শেষ হবে ২০২২ সালে: অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
তিন মাসে খেলাপি ঋণ বাড়ল ৩৫০০ কোটি টাকা
.............................................................................................
মজুত থাকার পরেও চালের দাম বেড়েছে কেজি প্রতি ২ থেকে ৫ টাকা
.............................................................................................
ব্যাংকিং পরিচালনায় নতুন নির্দেশনা জারি
.............................................................................................
আবারও কমলো স্বর্ণের দাম
.............................................................................................
দেশে সোনার দাম কমছে ভরিতে সাড়ে ৩ হাজার
.............................................................................................
দেশের বাজারে কমছে স্বর্ণের দাম
.............................................................................................
বিশ্ব বাজারে স্বর্ণের দাম কমতে শুরু করেছে
.............................................................................................
মাথাপিছু আয় ১৫৫ ডলার বেড়ে হয়েছে ২০৬৪ ডলার
.............................................................................................
বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি মামলার প্রতিবেদন ১০ সেপ্টেম্বর
.............................................................................................
যুক্তরাষ্ট্রে পাঁচ মাসে ২৬০০ কোটি টাকার পোশাক রপ্তানি কমেছে
.............................................................................................
সোনার ভরি এবার ৭৭ হাজার ছাড়াল
.............................................................................................
আজ পুঁজিবাজারে তিন প্রতিষ্ঠানের লেনদেন বন্ধ
.............................................................................................
রপ্তানি বাজারে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
.............................................................................................
হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু
.............................................................................................
সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ কমেছে ৭১ শতাংশ
.............................................................................................
অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারে সম্প্রসারণমূলক মুদ্রানীতি ঘোষণা
.............................................................................................
পুঁজিবাজারে লেনদেনে আজ সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা
.............................................................................................
সকল রেকর্ড ভেঙে ইতিহাসের সর্বোচ্চ দামে স্বর্ণ
.............................................................................................
সোনার দাম আকাশচুম্বী
.............................................................................................
রাজধানীর কাঁচা বাজারে নাভিশ্বাস ক্রেতাদের
.............................................................................................
`করোনায় সঙ্কটের পাশাপাশি অনেক সম্ভাবনাও দেখা দিয়েছে`- বাণিজ্যমন্ত্রী
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD