| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * কক্সবাজারে ইয়াবা ও আগ্নেয়াস্ত্র সহ মাদক ব্যবসায়ী আটক   * স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ৪০০ মণ আম ধ্বংস   * হুয়াওয়ের সাথে প্যানাসনিকের ব্যবসা স্থগিত   * বিজেপি এগিয়ে ৩৩৯ আসনে, কংগ্রেস ৯০   * ৩২ দলেই হবে কাতার বিশ্বকাপ   * সংগীতশিল্পী খালিদ হোসেনকে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা   * টিকিট নিয়ে বিভ্রান্তি, ভোগান্তিতে মানুষ   * গ্যাস সিলিন্ডার লিকেজ থেকে আগুন ধরে একই পরিবারের ৪ জন নিহত   * সঙ্গীতশিল্পী খালিদ হোসেনের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক   * মেক্সিকোতে অপরাধী চক্রের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ১০  

   শেয়ারবাজার -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
সূচকে মিশ্রভাব বেড়েছে লেনদেন

অনলাইন ডেস্ক : সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মূল্য সূচকে মিশ্রভাব দেখা গেছে। তবে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সবকটি সূচক বেড়েছে। সূচকে মিশ্রভাব দেখা গেলেও সিএসইর পাশাপাশি ডিএসইতেও বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ।

ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের কার্যদিবসের তুলনায় ২৫ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার ২৬৬ পয়েন্টে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ সূচক তিন পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ২১৪ পয়েন্টে। তবে ডিএসই-৩০ সূচক চার পয়েন্ট কমে এক হাজার ৮৬৩ পয়েন্টে নেমেছে।

মূল্য সূচকে এমন মিশ্রভাব দেখা গেলেও এদিন ডিএসইতে যে পরিমাণ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে বেড়েছে তার দ্বিগুণ। দিনভর বাজারে লেনদেনে অংশ নেয়া ২০২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১০২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪০টির দাম।

এদিকে লেনদেন খরার মধ্যে ডিএসইতে টাকার অঙ্কে লেনদেন কিছুটা বেড়েছে। তবে মোট লেনদেনের পরিমাণ ৩০০ কোটির ঘর ছাড়াতে পারেনি। টাকার অঙ্কে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৮২ কোটি ৯৭ লাখ টাকার। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৩৩২ কোটি ৮৪ লাখ টাকার। সে হিসাবে লেনদেন বেড়েছে ৫০ কোটি ১৩ লাখ টাকা।

বাজারে টাকার পরিমাণে সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছে ফরচুন সুজের। কোম্পানিটির ২২ কোটি ৭৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ১৬ কোটি ৮৪ লাখ টাকা লেনদেনে দ্বিতীয় স্থানে মুন্নু সিরামিক এবং ১৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা লেনদেনে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে ন্যাশনাল টিউবস।

এছাড়া লেনদেনের শীর্ষ ১০ কোম্পানির মধ্যে রয়েছে- বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলস, ব্র্যাক ব্যাংক, ফাইন ফুডস, ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন, অ্যাকটিভ ফাইন, সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ এবং যমুনা ব্যাংক।

অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএসসিএক্স ৬১ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৭৬৯ পয়েন্টে। লেনদেন হয়েছে ১৮ কোটি এক লাখ টাকা। লেনদেন অংশ নেয়া ২৩৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ার দাম বেড়েছে ১৪৫টির, কমেছে ৭৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২০টির।

সূচকে মিশ্রভাব বেড়েছে লেনদেন
                                  

অনলাইন ডেস্ক : সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মূল্য সূচকে মিশ্রভাব দেখা গেছে। তবে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সবকটি সূচক বেড়েছে। সূচকে মিশ্রভাব দেখা গেলেও সিএসইর পাশাপাশি ডিএসইতেও বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ।

ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের কার্যদিবসের তুলনায় ২৫ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার ২৬৬ পয়েন্টে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ সূচক তিন পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ২১৪ পয়েন্টে। তবে ডিএসই-৩০ সূচক চার পয়েন্ট কমে এক হাজার ৮৬৩ পয়েন্টে নেমেছে।

মূল্য সূচকে এমন মিশ্রভাব দেখা গেলেও এদিন ডিএসইতে যে পরিমাণ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে বেড়েছে তার দ্বিগুণ। দিনভর বাজারে লেনদেনে অংশ নেয়া ২০২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১০২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪০টির দাম।

এদিকে লেনদেন খরার মধ্যে ডিএসইতে টাকার অঙ্কে লেনদেন কিছুটা বেড়েছে। তবে মোট লেনদেনের পরিমাণ ৩০০ কোটির ঘর ছাড়াতে পারেনি। টাকার অঙ্কে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৮২ কোটি ৯৭ লাখ টাকার। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৩৩২ কোটি ৮৪ লাখ টাকার। সে হিসাবে লেনদেন বেড়েছে ৫০ কোটি ১৩ লাখ টাকা।

বাজারে টাকার পরিমাণে সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছে ফরচুন সুজের। কোম্পানিটির ২২ কোটি ৭৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ১৬ কোটি ৮৪ লাখ টাকা লেনদেনে দ্বিতীয় স্থানে মুন্নু সিরামিক এবং ১৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা লেনদেনে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে ন্যাশনাল টিউবস।

এছাড়া লেনদেনের শীর্ষ ১০ কোম্পানির মধ্যে রয়েছে- বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলস, ব্র্যাক ব্যাংক, ফাইন ফুডস, ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন, অ্যাকটিভ ফাইন, সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ এবং যমুনা ব্যাংক।

অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএসসিএক্স ৬১ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৭৬৯ পয়েন্টে। লেনদেন হয়েছে ১৮ কোটি এক লাখ টাকা। লেনদেন অংশ নেয়া ২৩৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ার দাম বেড়েছে ১৪৫টির, কমেছে ৭৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২০টির।

ডিএসইতে লেনদেন ও সূচক কমেছে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের বড় পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে বড় ধরনের দরপতন হয়েছে। এ দিন সিংহভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমার পাশাপাশি মূল্যসূচকও হ্রাস পেয়েছে।

ডিএসই’র সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সোমবার ৩৪৫ টি কোম্পানির ৮ কোটি ৮২ লাখ ২৬ হাজার ১৮৮ টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। মোট লেনদেনের পরিমাণ ৪৭৬ কোটি ৬৭ লাখ ৯৯ হাজার ২৩৪ টাকা।
ডিএসই ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) আগের কার্যদিবসের চেয়ে ৫০ দশমিক ৯১ পয়েন্ট কমে ৫৬০৪ দশমিক ৯০ পয়েন্ট, ডিএস-৩০ মূল্য সূচক ৫ দশমিক ৭৬ পয়েন্ট কমে ২০১৭ দশমিক ৯০ পয়েন্ট এবং ডিএসইএস শরীয়াহ সূচক (ডিএসইএস) ৯ দশমিক ৮২ পয়েন্ট কমে ১২৮৩ দশমিক ০১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হওয়া কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৪২ টির, কমেছে ২৭৯ টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৪ টি কোম্পানির শেয়ার।
টাকার লেনদেনের ভিত্তিতে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো: ব্র্যাক ব্যাংক লি., বৃটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, ইউনাইটেড পাওয়ার, স্কয়ার ফার্মা, ডাচ্ বাংলা ব্যাংক লি.,সিঙ্গার বিডি,মুন্নু সিরামিকস, মেরিকো ইন্ডাঃ,বাটা সুজ ও লিগেসী ফুটওয়্যার।
দর বৃদ্ধির শীর্ষে প্রধান ১০টি কো¤পানি হলো, মেরিকো ইন্ডাঃ, রেকিট বেঙ্কাইজার, ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস, গ্লোবাল হেভী কোং, বৃটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, রিলায়েন্স ইন্সুঃ, আইসিবি এএমসিএল ২য় মি. ফা., রেনউইক যজ্ঞেশ্বর, ব্যাংক এশিয়া ও রূপালি লাইফ ইন্সুঃ।
অন্যদিকে দর কমার শীর্ষে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো: ইউনাইটেড ইন্সুঃ, লিগেসী ফুটওয়্যার, অগ্রনী ইন্সুঃ, তাক্কাফুল ইন্সুঃ, বিডি অটোকারস, মুন্নু সিরামিকস,আইসিবি সোনালি ফার্স্ট মি. ফা.,এসএস স্টিল, বিআইএফসি ও নরদার্ন ইন্সুঃ।

বিনিয়োগকারীদের আতঙ্ক যেন কাটছেই না
                                  

সব দলের অংশগ্রহণে আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে- এটি এখন অনেকটাই নিশ্চিত। ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেয়ার প্রস্তুতিও নিচ্ছে। ফলে সারাদেশে নির্বাচনী আমেজ বিরাজ করছে।

তবে নির্বাচন নিয়ে এখনও এক ধরনের আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীরা। তারা বলছেন, বিএনপিসহ সব দলের অংশগ্রহণে একাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও সেই নির্বাচনের পরিবেশ কেমন হবে তা নিশ্চিত নয়। ভোটাররা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট নিতে পারবেন- এটা কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারবে না। ২০১৪ সালের মতো আবারও ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটবে না- এ নিশ্চয়তাও কেউ দিতে পারবে না।

তারা আরও জানান, বিএনপির পক্ষ থেকে নির্বাচন নিয়ে এখনও নানা ধরনের অভিযোগ করা হচ্ছে। সরকারি দল আওয়ামী লীগও বিএনপিকে সমালোচনা করতে ছাড়ছে না। নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে মনোনয়নপত্র জামা দিলেও বাছাইয়ে ৭৮৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করে দিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। এর বড় অংশই সরকারবিরোধী মতাদর্শের।

পুঁজিবাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হলেও এক ধরনের অনিশ্চয়তা থেকেই যাবে। কোন দল সরকার গঠন করবে, নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারবে না। ফলে বিনিয়োগ কিছুটা হলেও মন্থর হবে। এতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা শঙ্কা দেখা দেয়াই স্বাভাবিক।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, প্রায় তিন মাস ধরে পুঁজিবাজারে এক ধরনের অস্থিতিশীল অবস্থা বিরাজ করছে। ফলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স প্রায় এক বছর আগের অবস্থানে ফিরে গেছে। কমেছে লেনদেনের গতি। বাজার মূলধনেও পড়েছে নেতিবাচক প্রভাব।

আগস্ট মাসের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ছিল ৫ হাজার ৬০০ পয়েন্ট। সেখান থেকে ৩ ডিসেম্বর লেনদেন শেষে সূচক দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ২৯৬ পয়েন্টে। অর্থাৎ তিন মাসের ব্যবধানে ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক কমেছে ৩০৪ পয়েন্ট।

এদিকে সেপ্টেম্বর মাসে ডিএসইতে প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন হয়েছে ৭০০ কোটি টাকার ওপরে। তবে অক্টোবর মাসে বাজারটিতে অধিকাংশ দিন ৪০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকার ঘরে লেনদেন হয়। নভেম্বর মাসের শেষদিকে এসে লেনদেনের কিছুটা গতি বাড়লেও চলতি মাসের প্রথম দুই কার্যদিবসে লেনদেন ৫০০ কোটির ঘরে রয়েছে।

বাজার অস্থিরতার প্রভাব পড়েছে মূলধনেও। আগস্ট মাসের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইর বাজার মূলধনের পরিমাণ ছিল তিন লাখ ৯৬ হাজার ২২৬ কোটি টাকা। ৩ ডিসেম্বর লেনদেন শেষ তা কমে দাঁড়িয়েছে তিন লাখ ৮১ হাজার ৭৮৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ তিন মাসের বাজার মূলধন কমেছে ১৫ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা।

বিনিয়োগকারী আলমগীর বলেন, দুই মাস আগেও জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে কিনা, তা নিয়ে সংশয় ছিল। ঐক্যফ্রন্টের নেতৃত্বে বিএনপি নির্বাচনে যাওয়ার ঘোষণা দেয়ায় সেই অনিশ্চয়তা অনেকটা কেটে যায়। এরপর বিএনপিপ্রার্থীদের মনোনয়ন ফরম ক্রয় ও জমা দেয়ার মাধ্যমে আগামী সংসদ নির্বাচন অংশগ্রণহমূলক হবে- এমনটি স্পষ্ট হয়। কিন্তু এখন যেভাবে মনোনয়নপত্র বাতিল হচ্ছে তাতে নির্বাচন নিয়ে নতুন শঙ্ক দেখা দিচ্ছে। আবারও ভাঙচুর, জ্বালাও-পোড়াওয়ের ঘটনা একেবারে উড়িয়ে দেয়া যায় না।

তিনি বলেন, আমরা ছোট বিনিয়োগকারী, পুঁজিও কম। হাউজে গিয়ে শুনি বড় বড় বিনিয়োগকারী এখন প্রায় নিষ্ক্রিয়। তারা বাজার পর্যবেক্ষণ করছেন। হাউজের পরিচিতরাও এখন নতুন বিনিয়োগ না করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দিচ্ছেন। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্বাচনের পর নতুন বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছি।

ইব্রাহীম হোসেন নামে অপর এক বিনিয়োগকারী বলেন, নির্বাচনকেন্দ্রীক সব আতঙ্ক এখনও কাটেনি। নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে নাকি, বড় গণ্ডগোল হবে সে বিষয়ে কিছুই বলা যাচ্ছে না। আমাদের যে সংস্কৃতি তাতে কেউ ক্ষমতা ছাড়তে চাই না। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করবে। বিএনপিও ছাড় দেবে না। তারাও এবার যেকোনো মূল্যে ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করবে। এমন পরিস্থিতিতে কীভাবে আতঙ্কমুক্ত থাকা যায়?

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. বখতিয়ার হাসান এ প্রসঙ্গে বলন, ‘আগামী নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ নিয়ে যে শঙ্কা ছিল, তা অনেকটা কেটে গেছে। তবে রাজনৈতিক সংঘাতের আশঙ্কা কাটেনি। নির্বাচনের সময় যত ঘনিয়ে আসছে আশঙ্কা-শঙ্কা-দুশ্চিন্তা তত বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা আতঙ্ক থাকবে- এটা স্বাভাবিক। কারণ পুঁজিবাজার খুবই স্পর্শকাতর। যেকোনো বিষয়ের প্রভাব এখানে দেখা যায়।’

ডিএসইর এক সদস্য বলেন, এবারের নির্বাচন বিএনপির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার নির্বাচন। সুতরাং এ নির্বাচনে কোনো সংঘাত হবে না- এটা কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারবে না। আবার নির্বাচনের মাধ্যমে কোন দল সরকার গঠন করবে, তাও নিশ্চিত নয়। আমাদের বড় বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ কোনো না কোনো দলের মতাদর্শের। সুতরাং তারাও বিনিয়োগ নিয়ে এখন সতর্কাবস্থায় আছেন।

সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় লেনদেন চলছে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার দেশের উভয় পুঁজিবাজারে সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় লেনদেন চলছে।

আজ দুপুর ১২টা পর্যন্ত ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হয়েছে ৪৬০ কোটি ৭০ লাখ টাকার শেয়ার। বেলা ১১টা পর্যন্ত এই এক্সচেঞ্জে লেনদেন হয় ১৪৯ কোটি ৪৮ লাখ টাকার শেয়ার। এক ঘণ্টার ব্যবধানে এখানে লেনদেন বেড়েছে প্রায় ৩১১ কোটি টাকার।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, এ সময়ে ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নিয়েছে ২৪৮টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৫৬টির, কমেছে ৫১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪১টির।

ডিএসই প্রধান বা ডিএসইএক্স সূচক ১০ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৫ হাজার ৭৬০ পয়েন্টে। ডিএসইএস বা শরিয়াহ সূচক ২ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১ হাজার ৩০৯ পয়েন্টে। ডিএস৩০ সূচক ১ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ১০৫ পয়েন্টে।

অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) দুপুর ১২টা পর্যন্ত লেনদেন হয়েছে ২৭ কোটি ৬০ লাখ টাকার শেয়ার। বেলা ১১টা পর্যন্ত এই এক্সচেঞ্জে লেনদেন হয় ৮ কোটি ৬০ লাখ টাকার শেয়ার। এক ঘণ্টার ব্যবধানে এখানে লেনদেন বেড়েছে প্রায় ১৯ কোটি টাকার।

এখন পর্যন্ত সিএসই সার্বিক সূচক (সিএএসপিআই) ৬ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১৭ হাজার ৮২৫ পয়েন্টে। এ সময়ে সিএসইতে লেনদেনে অংশ নিয়েছে ১১৩টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৬২টির, কমেছে ২৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৩টির।

আগামী বুধবার থেকে পুঁজিবাজারে আবারো লেনদেন সাড়ে ১০টা থেকে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পুঁজিবাজারে লেনদেন এখন বন্ধ। ঈদের পর আগামী ২৮ জুন, বুধবার থেকে শুরু হবে লেনদেন। তখন আগের নিয়মে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে লেনদেন হবে দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে। লেনদেন বিরতিহীনভাবে চলবে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত।

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ২৩ জুন, শুক্রবার থেকে আগামী ২৭ জুন পর্যন্ত পুঁজিবাজার বন্ধ থাকবে। ঈদুল ফিতরের ছুটির পর দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জের অফিস সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকবে এবং লেনদেন সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হয়ে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলবে।

দুই পুঁজিবাজারে সূচক সামান্য বেড়েছে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : আজ সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস লেনদেনের গতি বেশ কম ডিএসইতে। অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সূচক সামান্য বেড়েছে। গতি কম লেনদেন।

এ ছাড়া বেড়েছে বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর।
গত কার্যদিবস রোববার ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স সূচক ৩৫ পয়েন্ট কমে অবস্থান করে ৫৩৬৩ পয়েন্টে।

ডিএসইতে আজ দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ ডিএসইএক্স সূচক ৪ দশমিক ৬৮ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৫৩৬৮ পয়েন্টে। দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত লেনদেন হয়েছে প্রায় ২৭০ কোটি টাকা। গতকাল এ সময় পর্যন্ত লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১৯৬ কোটি ২০ লাখ টাকা। লেনদেনে অংশ নিয়েছে ৩০৫টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৩১টির, কমেছে ১১৬টির। দর অপরিবর্তিত রয়েছে ৫৮টি কোম্পানির।

অন্যদিকে, সিএসইতে আজ দুপুর ১২টা নাগাদ সার্বিক সূচক বেড়েছে ৭ দশমিক ৩০ পয়েন্ট। মোট লেনদেনের পরিমাণ এখন পর্যন্ত ১৪ কোটি টাকা। গতকাল এ সময় পর্যন্ত লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৮ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। আজ দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ সিএসইতে লেনদেনে অংশ নিয়েছে ১৭৭টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৮৩টির, কমেছে ৬৭টির। দর অপরিবর্তিত রয়েছে ২৭টি কোম্পানির।

রোববার লেনদেন স্থগিত ৩ কোম্পানির, চালু ৬ কোম্পানির
                                  

ডেস্ক রিপাের্ট : রেকর্ড ডেটের কারণে রোববার পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত তিন কোম্পানির লেনদেন বন্ধ রাখবে। আর বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) জন্য স্থগিত রাখা ছয় কোম্পানির লেনদেন আগামীকাল থেকে আবার চালু হচ্ছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

লেনদেন বন্ধ রাখা কোম্পানিগুলো হলো: রূপালী ব্যাংক, রূপালী ইন্স্যুরেন্স এবং অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড।

সূত্র মতে, রোববার কোম্পানিগুলোর এজিএম সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট। আর এ কারণে লেনদেন স্থগিত রাখবে কোম্পানিগুলো। আগামী ২২ মে, সোমবার থেকে এসব কোম্পানির লেনদেন স্বাভাবিক নিয়মে চলবে।

এদিকে ব্যাংক এশিয়া, প্রগতি ইন্স্যুরেন্স, ঢাকা ইন্স্যুরেন্স, বিজিআইসি, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স এবং নর্দান জেনারেল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের লেনদেন রোববার থেকে চালু হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার কোম্পানিগুলোর এজিএম সংক্রান্ত রেকড ডেট ছিল। আর এ কারণে লেনদেন স্থগিত রাখে কোম্পানিগুলোর পরিচালনা পর্ষদ। আগামীকাল রোববার থেকে এসব কোম্পানির লেনদেন স্বাভাবিক নিয়মে চলবে।

উর্ধ্বমুখী ধারায় ফিরেছে শেয়ারবাজর
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : কিছুটা উর্ধ্বমুখী ধারায় ফিরেছে শেয়ারবাজর। মূল্য সূচক বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে।

গত সপ্তাহে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন বেড়েছে ২৩ দশমিক ২১ শতাংশ। আর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৬ দশমিক ২৯ পয়েন্ট। তবে কমেছে লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।

ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স`র পাশাপাশি সপ্তাহজুড়ে বেড়েছে ডিএসই শরিয়াহ সূচক। এই সূচকটি সপ্তাহজুড়ে বেড়েছে ১ দশমিক ১৪ পয়েন্ট। তবে কমেছে অপর সূচক ডিএসইএক্স। এই সূচকটি আগের সপ্তাহের তুলনায় কমেছে ১ পয়েন্ট।

গত সপ্তাহে চার কার্যদিবসে (৩০ এপ্রিল থেকে ৪ মে) ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৮৪১ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয় ২ হাজার ৮৮৩ কোটি ১৯ লাখ টাকা। অর্থাৎ গত সপ্তাহে মোট লেনদেন কমেছে ৪২ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। অবশ্য শেষ সপ্তাহে আগের সপ্তাহের তুলনায় এক কার্যদিবস কম লেনদেন হয়েছে।

মোট লেনদন কমলেও বেড়েছে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ। গত সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন হয়েছে ৭১০ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। যা তার আগের সপ্তাহে ছিল ৫৭৬ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন বেড়েছে ১৩৩ কোটি ৮৩ লাখ টাকা।

সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৩১টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের মধ্যে ১৩১টির বা ৪০ শতাংশের দাম বেড়েছে। অপরদিকে দাম কমেছে ১৮৩টির বা ৫৫ শতাংশের। আর অপরিবর্তিত রয়েছে ১৭টির বা ৫ শতাংশের।

গত সপ্তাহে মোট লেনদেনের ৯৩ দশমিক ৫৮ শতাংশই ছিল `এ` ক্যাটাগরিভুক্ত কোম্পানির শেয়ারের দখলে। এছাড়া বাকি ৪ দশমিক ১৯ শতাংশ `বি` ক্যাটাগরিভুক্ত, ১ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ `এন` ক্যাটাগরিভুক্ত এবং ১ দশমিক ১৯ শতাংশ `জেড` ক্যাটাগরিভুক্ত কোম্পানির শেয়ারের।

সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশনের শেয়ার। কোম্পানিটির ১৩৩ কোটি ১০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা সপ্তাহজুড়ে হওয়া মোট লেনদেনের ৪ দশমিক ৬৮ শতাংশ।

দ্বিতীয় স্থানে থাকা লংকাবাংলা ফিন্যান্সের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১০১ কোটি ৯৪ লাখ টাকার, যা সপ্তাহের মোট লেনদেনের ৩ দশমিক ৫৯ শতাংশ। ৮৭ কোটি ৩৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে শাহজিবাজার পাওয়ারের।

লেনদেনে এরপর রয়েছে- সাইফ পাওয়ার, বাংলাদেশ ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, প্রাইম ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, ইসলামী ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট এবং আর্গন ডেনিমস।

গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৪৪৬ কোটি টাকা। যা তার আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ৩ লাখ ৭৩ হাজার ৭১৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছ ৭২৯ কোটি টাকা।

আট দিন পর ঊর্ধ্বমুখী ডিএসইর সূচক
                                  

অনলাইন ডেস্ক : টানা আট কার্যদিবস দরপতনের পর ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা ফিরে পেয়েছে দেশের শেয়ারবাজার। সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) মূল্য সূচকের সঙ্গে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ।

দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৩ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৫৯৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৭৬০ কোটি ৮২ লাখ টাকা। আগের দিন লেনদেন হয় ৭২৪ কোটি ৪২ লাখ টাকা। অর্থাৎ লেনদেন আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে ৩৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা বেশি। মূল্য সূচক ও লেনদেন বাড়লেও এদিন ডিএসইতে লেনদেন হওয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের মূল্য কমেছে। লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১৬৩টি প্রতিষ্ঠানেরই শেয়ারের দরপতন হয়েছে। অপরদিকে দাম বেড়েছে ১২৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৯টির।

টাকার অঙ্কে ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে লংকাবাংলা ফাইন্যান্সের শেয়ার। এদিন কোম্পানির ৫৮ কোটি ৪৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। লেনদেনে দ্বিতীয় স্থানে থাকা এসপিসিএলর ৩৩ কোটি ৪৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ২৯ কোটি ৫০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে আরএসআরএম স্টিল। লেনদেনে এরপর রয়েছে- ডরিন পাওয়ার, সেন্ট্রাল ফার্মা, ব্র্যাক ব্যাংক, বেক্সিমকো ফার্মা, রিজেন্ট টেক্সটাইল, বিডিকম অনলাইন লি. এবং আইডিএলসি।

অপর শেয়ারবাজার সিএসইতে সিএসসিএক্স সূচক ৯ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৫১০ পয়েন্টে। বাজারটিতে ৫২ কোটি ২৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আগের দিন লেনদেন হয় ৪৭ কোটি ২০ লাখ টাকা। সোমবার সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৩৮টি ইস্যুর মধ্যে দাম বেড়েছে ৯০টির, কমেছে ১২০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৮টির দাম।

পুঁজিবাজারের উন্নয়নে ডিএসই ও সিএসইর একগুচ্ছ প্রস্তাব
                                  

অনলাইন ডেস্ক : পুঁজিবাজারের উন্নয়ন ও প্রসারতা বাড়াতে একগুচ্ছ প্রস্তাবনা তুলে ধরেছে দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষ (ডিএসই ও সিএসই)।

সোমবার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) নব-নিযুক্ত চেয়ারম্যান ড. এ কে আব্দুল মোমেনের নেতৃত্বে ৬ সদস্যের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে একগুচ্ছ প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়। বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন ডিএসই-র চেয়ারম্যান ড. আবুল হাশেম।

ডিএসইর প্রস্তাবনাগুলো হলো- আগামী তিন অর্থবছরের জন্য উভয় স্টক এক্সচেঞ্জের শতভাগ কর মওকুফ সুবিধা, উভয় এক্সচেঞ্জের ৬০ শতাংশ শেয়ার বিক্রি থেকে এককালীন মূলধনী আয়ের ওপর কর অবকাশ সুবিধা দেওয়া।

তালিকাভুক্ত কোম্পানি থেকে তালিকাবহির্ভূত কোম্পানির কর্পোরেট করহারের ব্যবধান কমপক্ষে আরো ১০ শতাংশ বৃদ্ধি করা, নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানির জন্য কমপক্ষে ৩ বছর কর অবকাশ সুবিধা, ৫৩ বিবিবি ধারায় কর হার শতকরা ০.০৫ থেকে কমিয়ে ০.০১৫ করা, করমুক্ত লভ্যাংশ আয় ২৫ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ টাকায় উন্নীত করা।

এছাড়াও সরকারি কোম্পানি এবং আরও অধিক সংখ্যক ভালো কোম্পানির শেয়ার পুঁজিবাজারে নিয়ে আসার উদ্যোগ, ট্রেডিংয়ের সময় বৃদ্ধি এবং স্বল্প মূলধনী বোর্ড চালুর সুবিধা দেওয়া। ডিএসইর ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আব্দুল মতিন পাটওয়ারী প্রস্তাবনাগুলো তুলে ধরেন।

সিএসইর প্রস্তাবনাগুলো হচ্ছে- দেশীয় শিল্প রক্ষা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প রক্ষা, আগামী জাতীয় বাজেটে পুঁজিবাজার উন্নয়নে সুনির্দিষ্ট ও কৌশলগত দিক নির্দেশনার উপস্থিতি এবং স্বল্প, মধ্য, দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ ও তার বাস্তবায়ন করা।

এছাড়াও যৌথভাবে ট্রেডিং সফটওয়্যার তৈরি, ভালো মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য আর্থিক প্রণোদনা দেওয়া, সামগ্রিক বাজার উন্নয়নে পণ্যের বৈচিত্র্যতা আনার মাধ্যমে বাজারকে গতিশীল করা, ব্রোকারেজ হাউজগুলোর নতুন শাখা খোলার অনুমোদন, ডে-ট্রেডিং এবং বাজার উন্নয়নের কাজ করার জন্য উভয় এক্সচেঞ্জের সমন্বয় যৌথ কমিটি গঠন করা। সিএসইর এমডি এম. সাইফুর রহমান মজুমদার এ প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।

বৈঠকে ডিএসই-র চেয়ারম্যান ড. আবুল হাশেম সিএসই-র চেয়ারম্যান বলেন, গত দিনগুলোতে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জ দেশের পুঁজিবাজার উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করেছে। যার ফলে পুঁজিবাজার আজকের এ গৌরবময় অবস্থানে পৌঁছেছে। দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জেরই উদ্দেশ্য এক ও অভিন্ন, তা হলো পুঁজিবাজার উন্নয়ন। পুঁজিবাজার তথা বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে যেকোনো উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড যৌথভাবে প্রস্তাবনা দেওয়া হলে তার গুরুত্ব অনেকাংশে বৃদ্ধি পায় এবং বাস্তবায়নের গতিও বৃদ্ধি পায়। এতে পুঁজিবাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে।

সিএসই-র চেয়ারম্যান বলেন, বর্তমানে দেশে উন্নয়নের মহোৎসব চলছে এবং সেই প্রেক্ষাপটে পুঁজিবাজারের প্রসারতা বৃদ্ধির যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। সবার সহযোগিতায় পুঁজিবাজারের উন্নয়নের এ সুযোগ কাজে লাগানোর সুযোগ।

সিএসই-র প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ শামিম চৌধুরী, এনডব্লিওসি, পিএসসি (অব.), অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, মেজর (অব.) এমদাদুল ইসলাম এবং ডিএসই-র পক্ষে পরিচালক বিচারপতি ছিদ্দিকুর রহমান মিয়া, মনোয়ারা হাকিম আলী, ওয়ালিউল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মো. এম কায়কোবাদ, অধ্যাপক ড. মো. মাসুদুর রহমান, মো. রকিবুর রহমান, মো. শাকিল রিজভী, শরীফ আতাউর রহমান এবং মো. হানিফ ভূইয়া।


   Page 1 of 1
     শেয়ারবাজার
সূচকে মিশ্রভাব বেড়েছে লেনদেন
.............................................................................................
ডিএসইতে লেনদেন ও সূচক কমেছে
.............................................................................................
বিনিয়োগকারীদের আতঙ্ক যেন কাটছেই না
.............................................................................................
সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় লেনদেন চলছে
.............................................................................................
আগামী বুধবার থেকে পুঁজিবাজারে আবারো লেনদেন সাড়ে ১০টা থেকে
.............................................................................................
দুই পুঁজিবাজারে সূচক সামান্য বেড়েছে
.............................................................................................
রোববার লেনদেন স্থগিত ৩ কোম্পানির, চালু ৬ কোম্পানির
.............................................................................................
উর্ধ্বমুখী ধারায় ফিরেছে শেয়ারবাজর
.............................................................................................
আট দিন পর ঊর্ধ্বমুখী ডিএসইর সূচক
.............................................................................................
পুঁজিবাজারের উন্নয়নে ডিএসই ও সিএসইর একগুচ্ছ প্রস্তাব
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]