| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * ১ অক্টোবর সৌদিতে বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালু : ল্যান্ডিং পারমিশন মেলেনি   * স্ত্রীর স্বপ্ন পূরণে ১৭ লাখ টাকায় হাতি কিনে দিলেন স্বামী   * অ্যাটর্নি জেনারেলের শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন   * স্বাস্থ্য খাতের ১২ কর্মকর্তা-কর্মচারিসহ ২০ জনের সম্পদের বিবরণী চেয়ে দুদকের নোটিশ   * সাভারে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, গ্রেফতার ৬   * ইয়াঙ্গুনে লকডাউন জারি   * করোনার প্রভাব বেড়ে যাওয়ায় চেক রিপাবলিকের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ   * তিন দিনের মাথায় উঠে যাচ্ছে সড়কের পিচ   * ইরাক দিয়ে তেল চুরি করে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র: সিরিয়া   * অনুমতি মিলেছে এন্টিজেনভিত্তিক র‌্যাপিড টেস্টের  

   শেয়ারবাজার -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
টানা ১৩ সপ্তাহ ঊর্ধ্বমুখী শেয়ারবাজার

অনলাইন ডেস্ক : আরও একটি সপ্তাহ ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে পার করেছে দেশের শেয়ারবাজার। গত সপ্তাহজুড়ে লেনদেনে অংশ নেয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। ফলে বেড়েছে সবকটি মূল্য সূচক। সেই সঙ্গে বেড়েছে বাজার মূলধন। এর মাধ্যমে টানা ১৩ সপ্তাহ ‍ঊর্ধ্বমুখী থাকল দেশের শেয়ারবাজার।

গত সপ্তাহজুড়ে সূচক ও বাজার মূলধন বাড়ার পাশাপাশি লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে। প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গড়ে প্রতিদিন হাজার কোটি টাকার উপরে লেনদেন হয়েছে। গত সপ্তাহে বাজারটিতে গড় লেনদেন বেড়েছে ৬ দশমিক ৪৩ শতাংশ। বিপরীতে ডিএসইর প্রধান সূচক বেড়েছে প্রায় দুই শতাংশ।

গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে ৬ হাজার ৬৯১ কোটি টাকা। বাজার মূলধন বাড়ার অর্থই হলো তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার ও ইউনিটের দাম সম্মিলিতভাবে ওই পরিমাণ বেড়েছ। সপ্তাহ শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৬৩২ কোটি টাকা। যা তার আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ৩ লাখ ৭৮ হাজার ৯৪১ কোটি টাকা।

এদিকে গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৯৩ দশমিক ৩৬ পয়েন্ট বা এক দশমিক ৮৬ শতাংশ। এর মাধ্যমে টানা ১৩ সপ্তাহ সূচকটি বাড়ল। ১৩ সপ্তাহের টানা এই উত্থানে ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক বেড়েছে এক হাজার ১৪১ পয়েন্ট।

প্রধান মূল্য সূচকের পাশাপাশি টানা ১৩ সপ্তাহ বেড়েছে ডিএসইর শরিয়াহ সূচক। শরিয়াহ ভিত্তিতে পরিচালিত কোম্পানি নিয়ে গঠিত এ সূচকটি গত সপ্তাহে বেড়েছে ৪ দশমিক ৫৩ পয়েন্ট বা দশমিক ৩৯ শতাংশ। এর মাধ্যমে টানা ১৩ সপ্তাহের উত্থানে সূচকটি বাড়ল ২৪৫ পয়েন্ট।

বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসইর আরেকটি সূচক ডিএসই-৩০, এ সূচকটি গত সপ্তাহে বেড়েছে ২১ দশমিক ৩৭ পয়েন্ট বা এক দশমিক ২৩ শতাংশ। এর মাধ্যমে সূচকটি টানা ৯ সপ্তাহ বাড়ল। টানা ৯ সপ্তাহে সূচকটি বেড়েছে ৩৯২ পয়েন্ট।

এদিকে, গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয়া ২১২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১১৯টির। আর ২৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে এক হাজার ১২৭ কোটি ৬ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয় এক হাজার ৫৮ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন বেড়েছে ৬৮ কোটি ১১ লাখ টাকা বা ৬ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

আর গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৫ হাজার ৬৩৫ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয় ৫ হাজার ২৯৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। সে হিসাবে মোট লেনদেন বেড়েছে ৩৪০ কোটি ৫৪ লাখ টাকা।

গত সপ্তাহে ডিএসইর মোট লেনদেনে `এ` গ্রুপ বা ভালো কোম্পানির অবদান ছিল ৭৯ দশমিক ২৯ শতাংশ। এছাড়া `বি` গ্রুপের অবদান ১৬ দশমিক ১৬ শতাংশ, `জেড` গ্রুপের ২ দশমিক ৭৭ শতাংশ এবং `এন` গ্রুপের এক দশমিক ৭৮ শতাংশ।

গত সপ্তাহে ডিএসইর মূল বাজারে টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া ১০ কোম্পানির মধ্যে রয়েছে- বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, বেক্সিমকো, ব্র্যাক ব্যাংক, ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন, ওরিয়ন ইনফিউশন, ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিং, ওরিয়ন ফার্মা, সিটি ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক এবং মুন্নু সিরামিক।

টানা ১৩ সপ্তাহ ঊর্ধ্বমুখী শেয়ারবাজার
                                  

অনলাইন ডেস্ক : আরও একটি সপ্তাহ ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে পার করেছে দেশের শেয়ারবাজার। গত সপ্তাহজুড়ে লেনদেনে অংশ নেয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। ফলে বেড়েছে সবকটি মূল্য সূচক। সেই সঙ্গে বেড়েছে বাজার মূলধন। এর মাধ্যমে টানা ১৩ সপ্তাহ ‍ঊর্ধ্বমুখী থাকল দেশের শেয়ারবাজার।

গত সপ্তাহজুড়ে সূচক ও বাজার মূলধন বাড়ার পাশাপাশি লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে। প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গড়ে প্রতিদিন হাজার কোটি টাকার উপরে লেনদেন হয়েছে। গত সপ্তাহে বাজারটিতে গড় লেনদেন বেড়েছে ৬ দশমিক ৪৩ শতাংশ। বিপরীতে ডিএসইর প্রধান সূচক বেড়েছে প্রায় দুই শতাংশ।

গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে ৬ হাজার ৬৯১ কোটি টাকা। বাজার মূলধন বাড়ার অর্থই হলো তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার ও ইউনিটের দাম সম্মিলিতভাবে ওই পরিমাণ বেড়েছ। সপ্তাহ শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৬৩২ কোটি টাকা। যা তার আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ৩ লাখ ৭৮ হাজার ৯৪১ কোটি টাকা।

এদিকে গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৯৩ দশমিক ৩৬ পয়েন্ট বা এক দশমিক ৮৬ শতাংশ। এর মাধ্যমে টানা ১৩ সপ্তাহ সূচকটি বাড়ল। ১৩ সপ্তাহের টানা এই উত্থানে ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক বেড়েছে এক হাজার ১৪১ পয়েন্ট।

প্রধান মূল্য সূচকের পাশাপাশি টানা ১৩ সপ্তাহ বেড়েছে ডিএসইর শরিয়াহ সূচক। শরিয়াহ ভিত্তিতে পরিচালিত কোম্পানি নিয়ে গঠিত এ সূচকটি গত সপ্তাহে বেড়েছে ৪ দশমিক ৫৩ পয়েন্ট বা দশমিক ৩৯ শতাংশ। এর মাধ্যমে টানা ১৩ সপ্তাহের উত্থানে সূচকটি বাড়ল ২৪৫ পয়েন্ট।

বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসইর আরেকটি সূচক ডিএসই-৩০, এ সূচকটি গত সপ্তাহে বেড়েছে ২১ দশমিক ৩৭ পয়েন্ট বা এক দশমিক ২৩ শতাংশ। এর মাধ্যমে সূচকটি টানা ৯ সপ্তাহ বাড়ল। টানা ৯ সপ্তাহে সূচকটি বেড়েছে ৩৯২ পয়েন্ট।

এদিকে, গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয়া ২১২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১১৯টির। আর ২৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে এক হাজার ১২৭ কোটি ৬ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয় এক হাজার ৫৮ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন বেড়েছে ৬৮ কোটি ১১ লাখ টাকা বা ৬ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

আর গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৫ হাজার ৬৩৫ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয় ৫ হাজার ২৯৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। সে হিসাবে মোট লেনদেন বেড়েছে ৩৪০ কোটি ৫৪ লাখ টাকা।

গত সপ্তাহে ডিএসইর মোট লেনদেনে `এ` গ্রুপ বা ভালো কোম্পানির অবদান ছিল ৭৯ দশমিক ২৯ শতাংশ। এছাড়া `বি` গ্রুপের অবদান ১৬ দশমিক ১৬ শতাংশ, `জেড` গ্রুপের ২ দশমিক ৭৭ শতাংশ এবং `এন` গ্রুপের এক দশমিক ৭৮ শতাংশ।

গত সপ্তাহে ডিএসইর মূল বাজারে টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া ১০ কোম্পানির মধ্যে রয়েছে- বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, বেক্সিমকো, ব্র্যাক ব্যাংক, ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন, ওরিয়ন ইনফিউশন, ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিং, ওরিয়ন ফার্মা, সিটি ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক এবং মুন্নু সিরামিক।

১৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন ডিএসইতে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : করোনার মধ্যে সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে রোববার (২১ জুন) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সূচক বাড়লেও লেনদেন ব্যাপক হারে কমেছে। এদিন ডিএসইতে মাত্র ৩৮ কোটি ৬২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা ১৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। ডিএসই সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

আজ দিন শেষে ডিএসইতে ২৪৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৭টির, দর কমেছে ১৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২১৪টির শেয়ার ও ইউনিট দর।
এর আগে ২০০৭ সালের ২৩ এপ্রিল ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ৩৭ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। মূলত রোববার ব্লক মার্কেটে লেনদেন কমে যাওয়ার কারণে ডিএসইতে মোট লেনদেন ব্যাপক হারে কমেছে। আর চলতি বছরের ৪ জুন ডিএসইতে ৪২ কোটি ৯৭ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছিল।

এদিন ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৯৬৩ পয়েন্টে। ডিএসইর অপর সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ্ সূচক ০.৩৪ পয়েন্ট, ডিএসই-৩০ সূচক ১ পয়েন্ট এবং সিডিএসইটি ১ পয়েন্ট বেড়ে অবস্খান করছে যথাক্রমে ৯১৯ পয়েন্টে, ১৩২৭ পয়েন্টে এবং ৭৮৬ পয়েন্টে।
অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) প্রধান সূচক সিএসইএক্স ১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৬ হাজার ৮১৬ পয়েন্টে। আর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১১ হাজার ২৫১ পয়েন্টে। এদিন সিএসইতে ৯১টি প্রতিষ্ঠান লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৮টির, কমেছে ৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৭৪টির। দিন শেষে সিএসইতে ৯ কোটি ২৪ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।

করোনা পরিস্থিতি ও ফ্লোর প্রাইস নির্ধারণের কারণে লেনদেনের পরিমাণ আশঙ্কাজনক হারে কমেছে বলে মনে করছেন বিনিয়োগকারী ও বাজার সংশ্লিষ্টরা।

১৩ বছরের মধ্যে ডিএসইতে সর্বনিম্ন লেনদেন
                                  

অনলাইন ডেস্ক : একদিন উত্থানের পর টানা চার কার্যদিবস ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূচকের পতন হয়েছে। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবারও (৪ জুন) ডিএসইর সূচক ১০ পয়েন্ট কমলেও অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সিএএসপিআই ৬ পয়েন্ট বেড়েছে। তবে ডিএসইতে বৃহস্পতিবার লেনদেন হয়েছে ৪২ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। যা ১৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন।

ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। বৃহস্পতিবার ডিএসই প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ১০ পয়েন্ট কমে ৩ হাজার ৯৫৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসইর শরীয়াহ সূচক ৩ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৭ পয়েন্ট কমে যথাক্রমে ৯১৫ ও ১৩২১ পয়েন্টে অবস্থান করছে। ডিএসইতে এ দিন ৪২ কোটি ৯৭ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। যা আগের দিনের চেয়ে ১১০ কোটি টাকা কম। আগের দিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ১৫২ কোটি টাকার।

এদিকে বৃহস্পতিবার ডিএসইতে ১৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন হয়েছে। এর আগে ২০০৭ সালের ২৪ এপ্রিল আজকের চেয়ে কম লেনদেন হয়েছিল। ওই দিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ৪০ কোটি ৩৯ লাখ টাকার। আজ ডিএসইতে ৩০৯ টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১১টি কোম্পানি কমেছে ৩৬টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৬২টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দর। বৃহস্পতিবার লেনদেনের শীর্ষে থাকা দশ প্রতিষ্ঠান হলো- বেক্সিমকো ফার্মা, গ্রামীণফোন, সেন্ট্রাল ফার্মা, লিন্ডে বিডি, স্কয়ার ফার্মা, ইন্দো-বাংলা, বেক্সিমকো লিমিটেড, বিএসসিসিএল, একমি ল্যাব ও রেকিট বেনকেজার।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই এদিন ৬ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ২৩৭ পয়েন্টে। এদিন সিএসইতে হাত বদল হওয়া ১০৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ার দর বেড়েছে ৯টির, কমেছে ১৯টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৭৫টির কোম্পানির শেয়ার দর। সিএসইতে ৪ কোটি ৯৫ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। যা আগের দিনের চেয়ে ১ কোটি টাকা বেশি। আগের দিন সিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ৩ কোটি ৬০ লাখ টাকার।

কর্মকর্তাদের মূল্যায়ন বন্ধে ডিএসইতে ক্ষোভ
                                  

নিউজ ডেস্ক : দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) কর্মকর্তাদের কাজের মূল্যায়ন করে প্রতি বছরই পদোন্নতি অথবা বেতন বাড়ানো হয়। কিন্তু নিয়মিত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) না থাকার অজুহাতে এবার কর্মকর্তাদের মূল্যায়ন বন্ধ রাখা হয়েছে। 

অথচ নিয়মিত এমডি না থাকা অবস্থায় ডিএসইতে প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) ও এমটিও পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি মহাব্যবস্থাপক (জিএম) পদে নিয়োগের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। নিয়মিত কর্মকর্তাদের কাজের মূল্যায়ন না করে উচ্চ পদে একের পর এক নিয়োগ দেয়ায় ডিএসইর কর্মকর্তাদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

 

কর্মকর্তাদের অভিযোগ, ডিএসইর ভারপ্রাপ্ত এমডির দায়িত্ব পালন করা প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) আব্দুল মতিন পাটোয়ারীর হস্তক্ষেপে কর্মকর্তাদের পদোন্নতি অর্থাৎ বেতন বাড়ানোর প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা হয়েছে।

 

তারা জানান, আব্দুল মতিন পাটোয়ারী ডিএসইতে সিএফও পদে যোগদানের পর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল্যায়নের ক্ষেত্রে কেপিআই (কি পারফরমেন্স ইন্ডিকেটর) পদ্ধতি চালু করেন। এতে দীর্ঘদিন ধরে ডিএসইতে কাজ করা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদোন্নতি ও বেতন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এক ধরনের জটিলতা তৈরি হয় এবং কর্মকার্তাদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়।

 

এতে কর্মকর্তাদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দেয়। নিয়ন্ত্রক সংস্থা- বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনেও (বিএসইসি) একাধিক কর্মকর্তা এ নিয়ে অভিযোগ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের শুরুর দিকে ডিএসইর সার্ভিস রুল করে দেয়ার উদ্যোগ নেয় বিএসইসি। ইতোমধ্যে সার্ভিস রুল করে তা ডিএসই কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। তবে তা ধামাচাপা দিয়ে এখনও ডিএসইতে পদোন্নতির ক্ষেত্রে কেপিআই ভিত্তিক মূল্যায়ন পদ্ধতি বহাল রয়েছে।

 

ডিএসইর একাধিক কর্মকর্তার অভিযোগ, কেপিআই ভিত্তিক মূল্যায়নের ফলে এক ধরনের অরাজকতা তৈরি হয়েছে। এর ফলে কর্মকর্তাদের সমস্যা দূর হওয়ার বদলে দিন যত যাচ্ছে বৈষম্য তত বাড়ছে। প্রতি বছর মূল্যায়নের সময় পার হওয়ার পরও তা দিতে বিলম্ব করা, জোরপূর্বক জুনিয়রদের পুওর মার্কিং (কম নম্বর দেয়া) করে ডিপার্টমেন্টাল হেডদের আউটস্ট্যান্ডিং মার্কিং (বেশি নম্বর) দেয়া হয়।

  

যেসব কর্মকর্তাকে পুওর মার্কিং দেয়া হয় বছর শেষে তাদের পদোন্নতি বা বেতন বাড়ানো হয় না। যারা আউটস্ট্যান্ডিং মার্কিং পান তাদের পদোন্নতি দেয়া হয়। এতে ৫ শতাংশ বেতন বাড়ে। এছাড়া যাদের গুড মার্কিং দেয়া হয় তাদের বেতন বাড়ে ৪ শতাংশ, তবে তারা পদোন্নতি পান না।

 

এ বিষয়ে ডিএসইর এক কর্মকর্তা বলেন, বিএসইসি থেকে সার্ভিস রুল করে দেয়া হলেও তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না। আবার কেপিআই চালু থাকলেও তা-ও বাস্তবায়ন হচ্ছে না। নিয়মিত এমডি না থাকার অজুহাত দেখিয়ে ভারপ্রাপ্ত এমডি আমাদের বঞ্চিত করছেন। অথচ তার ঘনিষ্ঠ হওয়ায় সিওও পদে একজনকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। আবার এমটিও পদেও নিয়োগ দেয়া হয়েছে তার পরিচিতকে। এমডি না থাকার কারণ দেখিয়ে আমাদের কাজের মূল্যায়ন করা হচ্ছে না, তাহলে বিভিন্ন পদে নতুন নতুন কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হচ্ছে কীভাবে?

 

তিনি আরও বলেন, ডিএসইর এক শ্রেণির কর্মকর্তা দীর্ঘদিন ধরে নানাভাবে বঞ্চিত। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাদের ঘনিষ্ঠদের নানাভাবে সুযোগ-সুবিধা দিয়ে আসছেন। ফলে একদিকে কর্মকর্তাদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে, অন্যদিকে ডিএসই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কারণ ভালো কাজের পরও মূল্যায়ন না হওয়ায় তারা কর্মস্পৃহা হারাচ্ছেন।

 

ডিএসইর এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, আমাদের কেজিআই দেয়ার জন্য ইতোমধ্যে পরিচালনা পর্ষদ থেকে মৌখিক নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এরপরও ভারপ্রাপ্ত এমডি কেপিআই আটকে রেখেছেন। অথচ তিনি চাইলেই তা দিয়ে দিতে পারেন। কোন স্বার্থে তিনি আমাদের কেপিআই আটকে রেখেছেন তা বুঝতে পারছি না। এতে কর্মকর্তাদের মধ্যে হতাশা যেমন বাড়ছে, তেমনি ক্ষোভও বাড়ছে। কিন্তু আমাদের কিছুই করার নেই। এখন সবকিছু নির্ভর করছে ভারপ্রাপ্ত এমডির হাতে।

 

এ বিষয়ে ডিএসইর ভারপ্রাপ্ত এমডি আব্দুল মতিন পাটোয়ারীর মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শেয়ারবাজারে দশ মিনিটে সূচক পড়ল ৫০ পয়েন্ট
                                  

 

নিজস্ব প্রতিবেদক   

 

দেশের শেয়ারবাজারে পরপর দুই কার্যদিবস বড় উত্থানের পর মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) লেনদেনের শুরুতেই বড় ধরনের পতনের আভাস দেখা দিয়েছে। লেনদেনের প্রথম ১০ মিনিটে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্য সূচক ৫০ পয়েন্ট পড়ে গেছে। সেই সঙ্গে লেনদেনে অংশ নেয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে।

 

শেয়ারবাজার বড় ধরনের ধসের কবলে পড়লে গত ১৬ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কার্যালয়ে যায় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এরপর শেয়ারবাজার উন্নয়নে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়ার কথা বলে বিএসইসি।

 

 

এতে হতাশায় নিমজ্জিত বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়। শেয়ারবাজারের ওপর বাড়ে আস্থা। ফলে রোববার (১৯ জানুয়ারি) মূল্য সূচকের বড় উত্থান হয়। পরদিন সোমবারও সূচকের বড় উত্থান অব্যাহত থাকে।

 

এ পরিস্থিতিতে সোমবার বিকেলে বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) সঙ্গে জরুরি বৈঠক করে পুঁজিবাজার উন্নয়নে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উদ্যোগে গঠিত সমন্বয় ও তদারকি কমিটি।

 

আইসিবির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠক শেষে বিএমবিএ সভাপতি সাইদুর রহমান বলেন, বৈঠকে পুঁজিবাজারের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। একটা বিষয় স্পষ্ট, পুঁজিবাজার উন্নয়নে সরকার অত্যন্ত আন্তরিক ও আগ্রহী। ইতোমধ্যে পুঁজিবাজার উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ সরকারের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও নেয়া হবে।

 

বিএমবিএ সভাপতির এমন আশার বাণী শোনালেও আজ মঙ্গলবার লেনদেনের শুরুতেই শেয়ারবাজারে নেতিবাচক প্রভাব দেখা যায়। লেনদেনে অংশ নেয়া একের পর এক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমতে থাকে।

 

 

এতে প্রথম ১০ মিনিটের লেনদেনের ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ৫০ পয়েন্ট পড়ে যায়। আর প্রথম আধা ঘণ্টার লেনদেনে ডিএসইর প্রধান সূচক কমেছে ২৭ পয়েন্ট। এছাড়া লেনদেনে অংশ নেয়া ৬৮ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১৭৫টির। আর ৫৯টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

 

এর আগে পুঁজিবাজার উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী উদ্যোগ নেয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে রোববার দেশের শেয়ারবাজারে সাত বছরের মধ্যে সব থেকে বড় উত্থান হয়। একদিনেই ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়ে ১৫ হাজার কোটি টাকার ওপরে। আর প্রধান মূল্য সূচক বাড়ে ২৩২ পয়েন্ট বা সাড়ে পাঁচ শতাংশ।

 
৮০ পয়েন্ট সূচক বাড়ল দুই মিনিটে
                                  

শেয়ারবাজার ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের পর দেশের শেয়ারবাজার বড় ধরনের উত্থানের আভাস দিচ্ছে। রোববার (১৯ জানুয়ারি) লেনদেন শুরুর মাত্র দুই মিনিটে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক বেড়েছে ৮০ পয়েন্ট।

আজ লেনদেনের শুরুতেই সূচকের বড় উত্থানের আভাস দেখা দেয়। লেনদেনে অংশ নেয়া একের পর এক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ে।



প্রথম ১০ মিনিটের লেনদেনে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক বেড়েছে ১৩৫ পয়েন্ট। লেনদেনে অংশ নেয়া ২৫৯ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে তিনটির। আর ১৩টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

এর আগে গত ৫ জানুয়ারি থেকে ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের শেয়ারবাজারে বড় ধরনের দরপতন ঘটে। এ সময়ে লেনদেন হওয়া আট কার্যদিবসের মধ্যে সাত কার্যদিবসেই বড় পতন হয়। এতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্য সূচক ৪২৩ পয়েন্ট কমে যায়।

শেয়ারবাজারে এমন ভয়াবহ পতনের কবলে পড়লে ১৪ জানুয়ারি অংশীজনদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসার ঘোষণা দেয় অর্থ মন্ত্রণালয়। দুদিন পর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার কর্যালয়ে একটি আলোচনা সভা করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) শীর্ষব্যক্তিরা।

 
শেয়ারবাজারের ভয়াবহ দরপতন : বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন বিনিয়োগকারীরা
                                  

নিউজ ডেস্ক

মামলার ভয়কে দূরে ঠেলে শেয়ারবাজারের ভয়াবহ দরপতনের প্রতিবাদে মতিঝিলে অবস্থিত ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) আগের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার দুপুরে ‘বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ’র ব্যানারে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।

বিক্ষোভ থেকে বরাবরের মতো বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যানের পদত্যাগসহ কমিশন পুনর্গঠনের দাবি জানানো হয়।



এর আগে দরপতনের প্রতিবাদে দিনের পর দিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সামনে বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ করায় গত ২৭ আগস্ট ডিএসইর পক্ষ থেকে মতিঝিল থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়।

সাধারণ ডায়রিতে বলা হয়েছিল, ২৭ আগস্ট আনুমানিক দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত বাংলাদেশ পুঁজিবাজার ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের ব্যানারে ৯-১০ জন লোক ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেডের সামনে ব্যানার ও মাইকসহ বিক্ষোভ মিছিল করে। ফলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্য, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যাতায়াত এবং অফিসের স্বাভাবিক কার্যক্রম সম্পাদনে বিঘ্ন ঘটে।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সামনে বেশ কিছুদিন ধরে তারা এ ধরনের বিক্ষোভ প্রদর্শন করে আসছে এবং পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা ও পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সম্পর্কে সম্মানহানিকর মন্তব্য করছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ মনে করে এ ধরনের কার্যকলাপ দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং বহির্বিশ্বে বাংলাদেশ পুঁজিবাজারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে। ফলে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে বিদেশি বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত হচ্ছে বলে সাধারণ ডায়েরিতে উল্লেখ করা হয়েছে।


এতে বলা হয়েছে, ‘ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ দেশের প্রাচীন বৃহৎ পুঁজিবাজার। একটি জাতীয় ও জনস্বার্থমূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে দৈনিক এখানে হাজার হাজার লোকের আগমন ঘটে। অতএব, বিষয়টি বিবেচনাকরত পুঁজিবাজারের স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে মহোদয় সমীপে আরজ এ ব্যাপারে আপনার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি নথিভুক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে বাধিত করবেন।’

ডিএসইর পক্ষ থেকে এই সাধারণ ডায়েরি করা হলে বন্ধ হয়ে যায় বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের বিক্ষোভ। তবে শেয়ারবাজারে চলতে থাকে দরপতন। দরপতনের ধারা সম্প্রতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে।



শেষ ৮ কার্যদিবসের মধ্যে সাত দিনই বড় পতন হয়েছে। এই সাত দিনে ডিএসইর প্রধান সূচক কমেছে ৪০০ পয়েন্টের ওপর। এর মধ্যে মঙ্গলবার কমেছে ৮৭ পয়েন্ট। সূচকের এই বড় পতনের প্রতিবাদে লেনদেন শেষ হওয়ার আগেই রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন বিনিয়োগকারীরা। আধঘণ্টা চলে এ বিক্ষোভ।

বিক্ষোভ থেকে বরাবরের মতো বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খায়রুল হোসেনের পদত্যাগ দাবি করা হয়।

বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সভাপতি মিজান উর রশিদ চৌধুরী বলেন, বিএসইসির এই চেয়ারম্যানকে দায়িত্বে রেখে শেয়ারবাজার ভালো করা যাবে না। আমরা বিএসইসির চেয়ারম্যানের পদত্যাগ চাই। সেই সঙ্গে পুরো কমিশন পুনর্গঠন করতে হবে।

 
দেড় ঘণ্টা পর বাজার আপডেট দিল ডিএসই
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক

কারিগরি জটিলতার কারণে প্রায় দেড় ঘণ্টা বাজার আপডেট দেয়া বন্ধ রাখার পর দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে আবার বাজার আপডেট দিয়েছে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)।

সোমবার সকালে স্বাভাবিকভাবেই ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয়। ১০টা ৫৬ মিনিটে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ২১ পয়েন্ট পড়ে যায়। এরপরই বন্ধ হয়ে যায় ডিএসইর বাজার আপডেট দেয়া। প্রায় দেড় ঘণ্টা বন্ধ রাখার পর দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে আবার বাজার আপডেট দেয় ডিএসই।

দীর্ঘসময় বাজার আপডেট বন্ধ রাখার বিষয়ে ডিএসইর জনসংযোগ বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) শফিকুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, টেকনিক্যাল কারণে এ সমস্যা হয়েছে।

শেয়ারবাজারে দুর্বল কোম্পানির দাপট
                                  

শেয়ার বাজার ডেস্ক

দেশের শেয়ারবাজরে মন্দা প্রবণতা চললেও গত সপ্তাহে শেয়ারের দাম বাড়ার ক্ষেত্রে দাপট দেখিয়েছে দুর্বল কোম্পানির শেয়ারগুলো। গত সপ্তাহে ডিএসইতে দাম বাড়ার শীর্ষ দশ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দুটি স্থান দখল করেছে ‘পচা’ বা ‘জেড’ গ্রুপের কোম্পানি। এছাড়া বাকি আটটির মধ্যে তিনটি রয়েছে ‘বি’ গ্রুপের প্রতিষ্ঠান।

এছাড়া ভালো কোম্পানি বা ‘এ’ গ্রুপের প্রতিষ্ঠান রয়েছে চারটি। বাকি একটি ‘এন’ গ্রুপের প্রতিষ্ঠান। তবে ‘এ’ গ্রুপের এ প্রতিষ্ঠানগুলো শীর্ষ দাম বাড়ার তালিকায় স্থান করে নিয়েছে তাদের মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

সপ্তাহজুড়ে পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের কাছে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে চাহিদার শীর্ষে ছিল নতুন তালিকাভুক্ত সি পাল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা। ফলে সপ্তাহজুড়ে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে এ কোম্পানিটির শেয়ার দামে বড় ধরনের উত্থান ঘটেছে।

মূল্যে বড় ধরনের উত্থান হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ কোম্পানিটির শেয়ার বিক্রি করতে রাজি হননি। ফলে সপ্তাহজুড়ে লেনদেন হয়েছে ৯ কোটি ১৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা। আর প্রতি কার্যদিবসে গড়ে লেনদেন হয়েছে ২ কোটি ২৯ লাখ ১৭ হাজার টাকা।

এদিকে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম সপ্তাহজুড়ে বেড়েছে ১৪ দশমিক ৮৬ শতাংশ। টাকার অঙ্কে বেড়েছে ৩ টাকা ৩০ পয়সা। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস শেষে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম দাঁড়িয়েছে ২৫ টাকা ৫০ পয়সা, যা আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ২২ টাকা ২০ পয়সা।

সি পাল বিচ রিসোর্টের পরেই গত সপ্তাহে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহে ছিল এসইএমএল এফবিএলএসএল গ্রোথ ফান্ড। সপ্তাহজুড়ে এই মিউচ্যুয়াল ফান্ডটির দাম বেড়েছে ১৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ। এর পরেই রয়েছে অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির শেয়ার দাম বেড়েছে ১৩ দশমিক ৫৯ শতাংশ।


শেয়ারের এমন দাম হলেও ২০০৫ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া অগ্রণী ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশের ইতিহাস খুব একটা ভালো না। শেয়ারহোল্ডাদের নামমাত্র লভ্যাংশ দেয়ার কারণে কোম্পানিটির বর্তমান স্থান ‘বি’ গ্রুপে।

২০১৫ সালে ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার, ২০১৬ সালে ৩ শতাংশ নগদ ও ৭ শতাংশ বোনাস শেয়ার, ২০১৭ সালে ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দেয়া প্রতিষ্ঠানটি ২০১৮ সালে শেয়ারহোল্ডারদরে ৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ হিসেবে দেয়।

ডিএসইর তথ্যানুযায়ী, ৩০ কোটি ২৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা পরিশোধিত মূলধনের এ কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ৩ কোটি ২ লাখ ৪৪ হাজার ৬৮৭টি। এর মধ্যে ৩৪ দশমিক ৩১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের হাতে। বাকি অংশের মধ্যে ৪৭ দশমিক ৪১ শতাংশ আছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে। আর প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৮ দশমিক ২৮ শতাংশ শেয়ার আছে।

সপ্তাহজুড়ে দাম বাড়ার শীর্ষ তালিকায় চতুর্থ স্থান দখল করেছে ‘বি’ গ্রুপের প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ফিড। ২০১৫ সালে তালিকাভুক্ত হওয়া কোম্পানিটি থেকে শেয়ারহোল্ডাররা কখনো লভ্যাংশ হিসেবে নগদ টাকা পায়নি। প্রতি বছরই প্রতিষ্ঠানটি লভ্যাংশ হিসেবে বিনিয়োগকারীদের বোনাস শেয়ার বা কাগজ ধরিয়ে দিয়েছে।

এর পরের স্থানে রয়েছে রূপালী লাইফ। এ কোম্পানিটি ২০১৮ সালে শেয়ারহোল্ডারদের ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়। তার আগে ২০১৭ সালে ৮ শতাংশ নগদ ও ৪ শতাংশ বোনাস শেয়ার, ২০১৬ ও ২০১৫ সালে ১০ শতাংশ নগদ, ২০১৪ সালে ১০ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ হিসেবে দেয় প্রতিষ্ঠানটি।

এছাড়া গত সপ্তাহে দাম বাড়ার শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় থাকা ‘জেড’ গ্রুপের প্রতিষ্ঠান সমতা লেদারের ১২ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ, গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্সের ১০ দশমিক ৯১ শতাংশ, সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্সের ১০ দশমিক ৮০ শতাংশ দাম বেড়েছে।

শেয়ার বাজার কিছুটা প্রাণ ফিরে পাচ্ছে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : আজ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে মোট ৩৪৫টি কো¤পানির ৯ কোটি ৮ লাখ ৩৪ হাজার ১২৫টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। ডিএসইতে আজ মোট লেনদেনের পরিমাণ ৩০৪ কোটি ৬৬ লাখ ৯৯ হাজার ২৯০ টাকা।

ডিএসই ব্রড ইনডেক্স আগের কার্য দিবসের চেয়ে ২৫.২২ পয়েন্ট বেড়ে ৫৪০২.৯৭ পয়েন্ট, ডিএস-৩০ মূল্য সূচক ১২.৪৪ পয়েন্ট বেড়ে ১৮৮৯.০৪ পয়েন্ট এবং ডিএসইএস শরীয়াহ সূচক ৫.৮২ পয়েন্ট বেড়ে ১২২০.০৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেনকৃত কো¤পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৭১ টির, কমেছে ১২৫ টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৯ টি কোম্পানির শেয়ার।

লেনদেনের ভিত্তিতে প্রধান ১০টি কো¤পানি হলো:- ন্যাশনাল লাইফ ইন্সুঃ, ইউনাইটেড পাওয়ার, ইস্টার্ন হাউজিং, ইস্টার্ন কেবলস, নিউ লাইন ক্লোথিং, জেএমআই সিরিঞ্জ, বিএসসিসিএল, এফএএস ফাইন্যান্স, ফরচুন সুজ ও খুলনা পাওয়ার কোম্পানি।
দর বৃদ্ধির শীর্ষে প্রধান ১০টি কো¤পানি হলো:- ইস্টার্ন হাউজিং, ফার্স্ট প্রাইম ফাইন্যান্স মি. ফা., ন্যাশনাল লাইফ ইন্সুঃ, প্রগতি লাইফ ইন্সুঃ, এসইএমএল এফবিএসএল গ্রোথ ফান্ড, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, মাইডাস ফাইন্যান্স, ন্যাশনাল হাউজিং, সিনোবাংলা ইন্ডাঃ ও ইন্টারন্যাশনাল লিজিং।

অন্যদিকে দর কমার শীর্ষে প্রধান ১০টি কো¤পানি হলো:- মার্কেন্টাইল ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, শাহজালাল ব্যাংক, এনএলআই ফার্স্ট মি. ফা., এমারেল্ড অয়েল, নিউ লাইন ক্লোথিং, সোনার বাংলা ইন্সুঃ, গ্রীনডেল্টা ইন্সুঃ ও কে অ্যান্ড কিউ। বাসস

সূচকে মিশ্রভাব বেড়েছে লেনদেন
                                  

অনলাইন ডেস্ক : সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মূল্য সূচকে মিশ্রভাব দেখা গেছে। তবে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সবকটি সূচক বেড়েছে। সূচকে মিশ্রভাব দেখা গেলেও সিএসইর পাশাপাশি ডিএসইতেও বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ।

ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের কার্যদিবসের তুলনায় ২৫ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার ২৬৬ পয়েন্টে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ সূচক তিন পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ২১৪ পয়েন্টে। তবে ডিএসই-৩০ সূচক চার পয়েন্ট কমে এক হাজার ৮৬৩ পয়েন্টে নেমেছে।

মূল্য সূচকে এমন মিশ্রভাব দেখা গেলেও এদিন ডিএসইতে যে পরিমাণ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে বেড়েছে তার দ্বিগুণ। দিনভর বাজারে লেনদেনে অংশ নেয়া ২০২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১০২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪০টির দাম।

এদিকে লেনদেন খরার মধ্যে ডিএসইতে টাকার অঙ্কে লেনদেন কিছুটা বেড়েছে। তবে মোট লেনদেনের পরিমাণ ৩০০ কোটির ঘর ছাড়াতে পারেনি। টাকার অঙ্কে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৮২ কোটি ৯৭ লাখ টাকার। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৩৩২ কোটি ৮৪ লাখ টাকার। সে হিসাবে লেনদেন বেড়েছে ৫০ কোটি ১৩ লাখ টাকা।

বাজারে টাকার পরিমাণে সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছে ফরচুন সুজের। কোম্পানিটির ২২ কোটি ৭৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ১৬ কোটি ৮৪ লাখ টাকা লেনদেনে দ্বিতীয় স্থানে মুন্নু সিরামিক এবং ১৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা লেনদেনে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে ন্যাশনাল টিউবস।

এছাড়া লেনদেনের শীর্ষ ১০ কোম্পানির মধ্যে রয়েছে- বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলস, ব্র্যাক ব্যাংক, ফাইন ফুডস, ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন, অ্যাকটিভ ফাইন, সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ এবং যমুনা ব্যাংক।

অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএসসিএক্স ৬১ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৭৬৯ পয়েন্টে। লেনদেন হয়েছে ১৮ কোটি এক লাখ টাকা। লেনদেন অংশ নেয়া ২৩৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ার দাম বেড়েছে ১৪৫টির, কমেছে ৭৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২০টির।

ডিএসইতে লেনদেন ও সূচক কমেছে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের বড় পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে বড় ধরনের দরপতন হয়েছে। এ দিন সিংহভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমার পাশাপাশি মূল্যসূচকও হ্রাস পেয়েছে।

ডিএসই’র সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সোমবার ৩৪৫ টি কোম্পানির ৮ কোটি ৮২ লাখ ২৬ হাজার ১৮৮ টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। মোট লেনদেনের পরিমাণ ৪৭৬ কোটি ৬৭ লাখ ৯৯ হাজার ২৩৪ টাকা।
ডিএসই ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) আগের কার্যদিবসের চেয়ে ৫০ দশমিক ৯১ পয়েন্ট কমে ৫৬০৪ দশমিক ৯০ পয়েন্ট, ডিএস-৩০ মূল্য সূচক ৫ দশমিক ৭৬ পয়েন্ট কমে ২০১৭ দশমিক ৯০ পয়েন্ট এবং ডিএসইএস শরীয়াহ সূচক (ডিএসইএস) ৯ দশমিক ৮২ পয়েন্ট কমে ১২৮৩ দশমিক ০১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হওয়া কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৪২ টির, কমেছে ২৭৯ টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৪ টি কোম্পানির শেয়ার।
টাকার লেনদেনের ভিত্তিতে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো: ব্র্যাক ব্যাংক লি., বৃটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, ইউনাইটেড পাওয়ার, স্কয়ার ফার্মা, ডাচ্ বাংলা ব্যাংক লি.,সিঙ্গার বিডি,মুন্নু সিরামিকস, মেরিকো ইন্ডাঃ,বাটা সুজ ও লিগেসী ফুটওয়্যার।
দর বৃদ্ধির শীর্ষে প্রধান ১০টি কো¤পানি হলো, মেরিকো ইন্ডাঃ, রেকিট বেঙ্কাইজার, ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস, গ্লোবাল হেভী কোং, বৃটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, রিলায়েন্স ইন্সুঃ, আইসিবি এএমসিএল ২য় মি. ফা., রেনউইক যজ্ঞেশ্বর, ব্যাংক এশিয়া ও রূপালি লাইফ ইন্সুঃ।
অন্যদিকে দর কমার শীর্ষে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো: ইউনাইটেড ইন্সুঃ, লিগেসী ফুটওয়্যার, অগ্রনী ইন্সুঃ, তাক্কাফুল ইন্সুঃ, বিডি অটোকারস, মুন্নু সিরামিকস,আইসিবি সোনালি ফার্স্ট মি. ফা.,এসএস স্টিল, বিআইএফসি ও নরদার্ন ইন্সুঃ।

বিনিয়োগকারীদের আতঙ্ক যেন কাটছেই না
                                  

সব দলের অংশগ্রহণে আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে- এটি এখন অনেকটাই নিশ্চিত। ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেয়ার প্রস্তুতিও নিচ্ছে। ফলে সারাদেশে নির্বাচনী আমেজ বিরাজ করছে।

তবে নির্বাচন নিয়ে এখনও এক ধরনের আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীরা। তারা বলছেন, বিএনপিসহ সব দলের অংশগ্রহণে একাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও সেই নির্বাচনের পরিবেশ কেমন হবে তা নিশ্চিত নয়। ভোটাররা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট নিতে পারবেন- এটা কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারবে না। ২০১৪ সালের মতো আবারও ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটবে না- এ নিশ্চয়তাও কেউ দিতে পারবে না।

তারা আরও জানান, বিএনপির পক্ষ থেকে নির্বাচন নিয়ে এখনও নানা ধরনের অভিযোগ করা হচ্ছে। সরকারি দল আওয়ামী লীগও বিএনপিকে সমালোচনা করতে ছাড়ছে না। নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে মনোনয়নপত্র জামা দিলেও বাছাইয়ে ৭৮৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করে দিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। এর বড় অংশই সরকারবিরোধী মতাদর্শের।

পুঁজিবাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হলেও এক ধরনের অনিশ্চয়তা থেকেই যাবে। কোন দল সরকার গঠন করবে, নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারবে না। ফলে বিনিয়োগ কিছুটা হলেও মন্থর হবে। এতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা শঙ্কা দেখা দেয়াই স্বাভাবিক।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, প্রায় তিন মাস ধরে পুঁজিবাজারে এক ধরনের অস্থিতিশীল অবস্থা বিরাজ করছে। ফলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স প্রায় এক বছর আগের অবস্থানে ফিরে গেছে। কমেছে লেনদেনের গতি। বাজার মূলধনেও পড়েছে নেতিবাচক প্রভাব।

আগস্ট মাসের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ছিল ৫ হাজার ৬০০ পয়েন্ট। সেখান থেকে ৩ ডিসেম্বর লেনদেন শেষে সূচক দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ২৯৬ পয়েন্টে। অর্থাৎ তিন মাসের ব্যবধানে ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক কমেছে ৩০৪ পয়েন্ট।

এদিকে সেপ্টেম্বর মাসে ডিএসইতে প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন হয়েছে ৭০০ কোটি টাকার ওপরে। তবে অক্টোবর মাসে বাজারটিতে অধিকাংশ দিন ৪০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকার ঘরে লেনদেন হয়। নভেম্বর মাসের শেষদিকে এসে লেনদেনের কিছুটা গতি বাড়লেও চলতি মাসের প্রথম দুই কার্যদিবসে লেনদেন ৫০০ কোটির ঘরে রয়েছে।

বাজার অস্থিরতার প্রভাব পড়েছে মূলধনেও। আগস্ট মাসের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইর বাজার মূলধনের পরিমাণ ছিল তিন লাখ ৯৬ হাজার ২২৬ কোটি টাকা। ৩ ডিসেম্বর লেনদেন শেষ তা কমে দাঁড়িয়েছে তিন লাখ ৮১ হাজার ৭৮৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ তিন মাসের বাজার মূলধন কমেছে ১৫ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা।

বিনিয়োগকারী আলমগীর বলেন, দুই মাস আগেও জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে কিনা, তা নিয়ে সংশয় ছিল। ঐক্যফ্রন্টের নেতৃত্বে বিএনপি নির্বাচনে যাওয়ার ঘোষণা দেয়ায় সেই অনিশ্চয়তা অনেকটা কেটে যায়। এরপর বিএনপিপ্রার্থীদের মনোনয়ন ফরম ক্রয় ও জমা দেয়ার মাধ্যমে আগামী সংসদ নির্বাচন অংশগ্রণহমূলক হবে- এমনটি স্পষ্ট হয়। কিন্তু এখন যেভাবে মনোনয়নপত্র বাতিল হচ্ছে তাতে নির্বাচন নিয়ে নতুন শঙ্ক দেখা দিচ্ছে। আবারও ভাঙচুর, জ্বালাও-পোড়াওয়ের ঘটনা একেবারে উড়িয়ে দেয়া যায় না।

তিনি বলেন, আমরা ছোট বিনিয়োগকারী, পুঁজিও কম। হাউজে গিয়ে শুনি বড় বড় বিনিয়োগকারী এখন প্রায় নিষ্ক্রিয়। তারা বাজার পর্যবেক্ষণ করছেন। হাউজের পরিচিতরাও এখন নতুন বিনিয়োগ না করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দিচ্ছেন। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্বাচনের পর নতুন বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছি।

ইব্রাহীম হোসেন নামে অপর এক বিনিয়োগকারী বলেন, নির্বাচনকেন্দ্রীক সব আতঙ্ক এখনও কাটেনি। নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে নাকি, বড় গণ্ডগোল হবে সে বিষয়ে কিছুই বলা যাচ্ছে না। আমাদের যে সংস্কৃতি তাতে কেউ ক্ষমতা ছাড়তে চাই না। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করবে। বিএনপিও ছাড় দেবে না। তারাও এবার যেকোনো মূল্যে ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করবে। এমন পরিস্থিতিতে কীভাবে আতঙ্কমুক্ত থাকা যায়?

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. বখতিয়ার হাসান এ প্রসঙ্গে বলন, ‘আগামী নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ নিয়ে যে শঙ্কা ছিল, তা অনেকটা কেটে গেছে। তবে রাজনৈতিক সংঘাতের আশঙ্কা কাটেনি। নির্বাচনের সময় যত ঘনিয়ে আসছে আশঙ্কা-শঙ্কা-দুশ্চিন্তা তত বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা আতঙ্ক থাকবে- এটা স্বাভাবিক। কারণ পুঁজিবাজার খুবই স্পর্শকাতর। যেকোনো বিষয়ের প্রভাব এখানে দেখা যায়।’

ডিএসইর এক সদস্য বলেন, এবারের নির্বাচন বিএনপির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার নির্বাচন। সুতরাং এ নির্বাচনে কোনো সংঘাত হবে না- এটা কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারবে না। আবার নির্বাচনের মাধ্যমে কোন দল সরকার গঠন করবে, তাও নিশ্চিত নয়। আমাদের বড় বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ কোনো না কোনো দলের মতাদর্শের। সুতরাং তারাও বিনিয়োগ নিয়ে এখন সতর্কাবস্থায় আছেন।

সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় লেনদেন চলছে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার দেশের উভয় পুঁজিবাজারে সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় লেনদেন চলছে।

আজ দুপুর ১২টা পর্যন্ত ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হয়েছে ৪৬০ কোটি ৭০ লাখ টাকার শেয়ার। বেলা ১১টা পর্যন্ত এই এক্সচেঞ্জে লেনদেন হয় ১৪৯ কোটি ৪৮ লাখ টাকার শেয়ার। এক ঘণ্টার ব্যবধানে এখানে লেনদেন বেড়েছে প্রায় ৩১১ কোটি টাকার।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, এ সময়ে ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নিয়েছে ২৪৮টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৫৬টির, কমেছে ৫১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪১টির।

ডিএসই প্রধান বা ডিএসইএক্স সূচক ১০ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৫ হাজার ৭৬০ পয়েন্টে। ডিএসইএস বা শরিয়াহ সূচক ২ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১ হাজার ৩০৯ পয়েন্টে। ডিএস৩০ সূচক ১ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ১০৫ পয়েন্টে।

অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) দুপুর ১২টা পর্যন্ত লেনদেন হয়েছে ২৭ কোটি ৬০ লাখ টাকার শেয়ার। বেলা ১১টা পর্যন্ত এই এক্সচেঞ্জে লেনদেন হয় ৮ কোটি ৬০ লাখ টাকার শেয়ার। এক ঘণ্টার ব্যবধানে এখানে লেনদেন বেড়েছে প্রায় ১৯ কোটি টাকার।

এখন পর্যন্ত সিএসই সার্বিক সূচক (সিএএসপিআই) ৬ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১৭ হাজার ৮২৫ পয়েন্টে। এ সময়ে সিএসইতে লেনদেনে অংশ নিয়েছে ১১৩টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৬২টির, কমেছে ২৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৩টির।

আগামী বুধবার থেকে পুঁজিবাজারে আবারো লেনদেন সাড়ে ১০টা থেকে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পুঁজিবাজারে লেনদেন এখন বন্ধ। ঈদের পর আগামী ২৮ জুন, বুধবার থেকে শুরু হবে লেনদেন। তখন আগের নিয়মে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে লেনদেন হবে দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে। লেনদেন বিরতিহীনভাবে চলবে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত।

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ২৩ জুন, শুক্রবার থেকে আগামী ২৭ জুন পর্যন্ত পুঁজিবাজার বন্ধ থাকবে। ঈদুল ফিতরের ছুটির পর দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জের অফিস সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকবে এবং লেনদেন সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হয়ে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলবে।

দুই পুঁজিবাজারে সূচক সামান্য বেড়েছে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : আজ সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস লেনদেনের গতি বেশ কম ডিএসইতে। অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সূচক সামান্য বেড়েছে। গতি কম লেনদেন।

এ ছাড়া বেড়েছে বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর।
গত কার্যদিবস রোববার ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স সূচক ৩৫ পয়েন্ট কমে অবস্থান করে ৫৩৬৩ পয়েন্টে।

ডিএসইতে আজ দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ ডিএসইএক্স সূচক ৪ দশমিক ৬৮ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৫৩৬৮ পয়েন্টে। দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত লেনদেন হয়েছে প্রায় ২৭০ কোটি টাকা। গতকাল এ সময় পর্যন্ত লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১৯৬ কোটি ২০ লাখ টাকা। লেনদেনে অংশ নিয়েছে ৩০৫টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৩১টির, কমেছে ১১৬টির। দর অপরিবর্তিত রয়েছে ৫৮টি কোম্পানির।

অন্যদিকে, সিএসইতে আজ দুপুর ১২টা নাগাদ সার্বিক সূচক বেড়েছে ৭ দশমিক ৩০ পয়েন্ট। মোট লেনদেনের পরিমাণ এখন পর্যন্ত ১৪ কোটি টাকা। গতকাল এ সময় পর্যন্ত লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৮ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। আজ দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ সিএসইতে লেনদেনে অংশ নিয়েছে ১৭৭টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৮৩টির, কমেছে ৬৭টির। দর অপরিবর্তিত রয়েছে ২৭টি কোম্পানির।


   Page 1 of 2
     শেয়ারবাজার
টানা ১৩ সপ্তাহ ঊর্ধ্বমুখী শেয়ারবাজার
.............................................................................................
১৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন ডিএসইতে
.............................................................................................
১৩ বছরের মধ্যে ডিএসইতে সর্বনিম্ন লেনদেন
.............................................................................................
কর্মকর্তাদের মূল্যায়ন বন্ধে ডিএসইতে ক্ষোভ
.............................................................................................
শেয়ারবাজারে দশ মিনিটে সূচক পড়ল ৫০ পয়েন্ট
.............................................................................................
৮০ পয়েন্ট সূচক বাড়ল দুই মিনিটে
.............................................................................................
শেয়ারবাজারের ভয়াবহ দরপতন : বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন বিনিয়োগকারীরা
.............................................................................................
দেড় ঘণ্টা পর বাজার আপডেট দিল ডিএসই
.............................................................................................
শেয়ারবাজারে দুর্বল কোম্পানির দাপট
.............................................................................................
শেয়ার বাজার কিছুটা প্রাণ ফিরে পাচ্ছে
.............................................................................................
সূচকে মিশ্রভাব বেড়েছে লেনদেন
.............................................................................................
ডিএসইতে লেনদেন ও সূচক কমেছে
.............................................................................................
বিনিয়োগকারীদের আতঙ্ক যেন কাটছেই না
.............................................................................................
সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় লেনদেন চলছে
.............................................................................................
আগামী বুধবার থেকে পুঁজিবাজারে আবারো লেনদেন সাড়ে ১০টা থেকে
.............................................................................................
দুই পুঁজিবাজারে সূচক সামান্য বেড়েছে
.............................................................................................
রোববার লেনদেন স্থগিত ৩ কোম্পানির, চালু ৬ কোম্পানির
.............................................................................................
উর্ধ্বমুখী ধারায় ফিরেছে শেয়ারবাজর
.............................................................................................
আট দিন পর ঊর্ধ্বমুখী ডিএসইর সূচক
.............................................................................................
পুঁজিবাজারের উন্নয়নে ডিএসই ও সিএসইর একগুচ্ছ প্রস্তাব
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD