| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * জুভেন্টাসের জয় রোনালাদোর জোড়া গোলে   * জগৎপ্রকাশ নড্ডা বিজেপির নতুন সভাপতি   * ১০ জনের মৃত্যুদণ্ড, দুইজন খালাস, সিপিবির সমাবেশে বোমা হামলা মামলায়   * শিশু ধর্ষণ মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কেন দেয়া হবে না : হাইকোর্ট   * মতিউর রহমানসহ ছয়জনকে গ্রেফতার ও হয়রানি না করার নির্দেশ   * প্রিন্স হ্যারি-মেগান রাজকীয় পদবি হারাচ্ছেন   * ইয়েমেনে সামরিক প্রশিক্ষণ শিবিরে হামলায় নিহত ৬০   * যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের ওপর `বিপজ্জনক আক্রমণ` : ট্রাম্পের আইনজীবী   * মাঘের শুরুতেই বৃষ্টিতে ভিজলো রাজশাহী   * আওয়ামী লীগ ও নৌকার ব্যাকগ্রাউন্ড লাগে না : আতিকুল ইসলাম  

   শিক্ষাঙ্গন -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
আজীবন বহিষ্কার ঢাবির ৬৩ শিক্ষার্থী

নিউজ ডেস্ক

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ভর্তি জালিয়াতির অভিযোগে ৬৩ শিক্ষার্থীকে আজীবন বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়েছে।


মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. একেএম গোলাম রব্বানী সাংবাদিকদের বলেন, মোট ৮৭ জনের বিরুদ্ধে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ উঠেছিল। এরমধ্যে ৬৩ জনকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়েছে। ৯ জনকে আগেই সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছিল। তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।’

এর আগে গত বছরের ৬ আগস্ট ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ঢাবির ৬৯ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।

একইসঙ্গে এসব শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশও দেয়া হয়, যার জবাবের ওপর ভিত্তি করে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় স্থায়ী ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলা হয়।

পাঁচ মাসেরও বেশি সময় পর সাময়িক বহিষ্কার হওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৬৩জনকে আজীবন বহিষ্কার করা হলো আজ।

২০১২-১৩ থেকে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন বিভাগে ভর্তি হওয়া এসব শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে সিআইডি চার্জশিট দেয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা পরিষদের সভায় সাময়িক বহিষ্কারের সিদ্ধান্তটি নেয়া হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গত বছরের ২৩ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮৭ শিক্ষার্থীসহ ১২৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি।

 
আজীবন বহিষ্কার ঢাবির ৬৩ শিক্ষার্থী
                                  

নিউজ ডেস্ক

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ভর্তি জালিয়াতির অভিযোগে ৬৩ শিক্ষার্থীকে আজীবন বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়েছে।


মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. একেএম গোলাম রব্বানী সাংবাদিকদের বলেন, মোট ৮৭ জনের বিরুদ্ধে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ উঠেছিল। এরমধ্যে ৬৩ জনকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়েছে। ৯ জনকে আগেই সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছিল। তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।’

এর আগে গত বছরের ৬ আগস্ট ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ঢাবির ৬৯ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।

একইসঙ্গে এসব শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশও দেয়া হয়, যার জবাবের ওপর ভিত্তি করে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় স্থায়ী ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলা হয়।

পাঁচ মাসেরও বেশি সময় পর সাময়িক বহিষ্কার হওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৬৩জনকে আজীবন বহিষ্কার করা হলো আজ।

২০১২-১৩ থেকে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন বিভাগে ভর্তি হওয়া এসব শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে সিআইডি চার্জশিট দেয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা পরিষদের সভায় সাময়িক বহিষ্কারের সিদ্ধান্তটি নেয়া হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গত বছরের ২৩ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮৭ শিক্ষার্থীসহ ১২৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি।

 
ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনা তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
                                  

:: অনলাইন ডেস্ক ::

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ধর্ষণে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ঘটনাটি শুনেছি, মেয়েটি বেশ রাতে ফিরেছে। তার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত করছে। আমাদের কয়েকটি টিম এ নিয়ে কাজ করছে। আমরা এখনও সুনিশ্চিত নই, কী কারণে, কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। তবে তদন্ত প্রতিবেদন পেলে বিস্তারিত জানা যাবে।

সোমবার বিকালে রাজারবাগ পুলিশ লাইনস মাঠে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, গতকালকের ঘটনার তদন্ত চলছে, সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সবগুলো সংস্থা ঘটনাটি তদন্ত করছে।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আগে অনেক বড় বড় ঘটনা তদন্ত করে বের করেছে। এ ঘটনায়ও দ্রুত সময়ের মধ্যে হবে এবং দোষীদের দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনের আওতায় আনা হবে।

পুলিশের বিভিন্ন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামাল বলেন, মাঠ পর্যায়ে পুলিশের সব অভিযোগ প্রধানমন্ত্রী শুনেছেন। তিনি তাদের সব দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

রোবরাত রাতে রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের পাশে ঢাকির ওই ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হওয়ার খবর ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়ে। রাতেই রাজপথে নামে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ ও ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে আলাদা আলাদা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়।

একদিকে সহপাঠীকে ধর্ষণের নিন্দা ও বিচার দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ সময় তাদের ‘নো মোর মার্সি টু রেপিস্ট’ (ধর্ষকদের আর ক্ষমা নয়) স্লোগানে উত্তাল হয়ে ওঠে ক্যাম্পাস।

 

 

প্রাথমিকে পাস ৯৫.৫০, ইবতেদায়িতে ৯৫.৯৬ শতাংশ
                                  

 

নিজস্ব প্রতিবেদক   

 

  

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও ইবতেদায়ি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। প্রাথমিকে পাসের হার ৯৫ দশমিক ৫০ শতাংশ আর ইবতেদায়িতে ৯৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ। মঙ্গলবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন এসব তথ্য তুলে ধরেন।

 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিকে পাসের হার ৯৫ দশমিক ৫০ শতাংশ আর ইবতেদায়িতে ৯৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ। প্রাথমিকে জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন লাখ ২৬ হাজার ৮৮ জন, ইবতেদায়িতে ১১ হাজার ৮৭৭ জন।

 

 

এবার সমাপনীতে মোট ২৪ লাখ ৫৪ হাজার ১৫১ জন অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে ২৩ লাখ ৪৩ হাজার ৭৪৩ জন পাস করেছে। পাসের হার ৯৫ দশমিক ৫০ শতাংশ। উত্তীর্ণদের মধ্যে ১০ লাখ ৭২ হাজার ১৫৪ জন ছাত্র ও ১২ লাখ ৭১ ৫৮৯ জন ছাত্রী। জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন লাখ ২৬ হাজার ৮৮ জন। এদের মধ্যে ছাত্র এক লাখ ৪১ হাজার ৪৫১ ও ছাত্রী এক লাখ ৮৪ ৬৩৭ জন।

 

অন্যদিকে ইবতেদায়িতে এবার তিন লাখ চার হাজার ১৭৮ জন অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে পাস করেছে এক লাখ ৫৭ হাজার ৯৩৬ জন। পাসের হার ৯৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ। ছাত্র সংখ্যা এক লাখ ৫০ হাজার ৮৩৫ জন ও ছাত্রী এক লাখ ৪১ হাজার ৪০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ হাজার ৮৭৭ জন। জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের মধ্যে ছাত্র সংখ্যা ৫৬৮৫ জন ও এক হাজার ১৯২ জন ছাত্রী।

 

ফল বিশ্লেষণে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেন, এবার ইবতেদায়ি পরীক্ষায় ছাত্রদের সংখ্যা বেশি হলেও গড় পাসের দিক থেকে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। ছাত্রদের পাসের হার ৯৫ দশমিক ৫০ শতাংশ এবং ছাত্রীদের পাসের হার ৯৬ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

 

তিনি বলেন, সর্বোচ্চ পাসের হার বিবেচনায় ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় দেশের আট বিভাগের মধ্যে রাজশাহী বিভাগ শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। এ বিভাগে পাসের হার ৯৭ দশমিক ৮১ শতাংশ। নওগাঁ জেলায় পাসের হার শতভাগ।

 

 

তিনি আরও বলেন, এবার সারাদেশে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ২৪০ জন এবং ডিআরভুক্ত হয়ে ২১৪ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। তার মধ্যে ১৯৭ জন পাস করেছে। তার মধ্যে ছাত্র ১১৪ জন এবং ছাত্রী ৮৩ জন। এ স্তরে পাসের হার ৯২ দশমিক ০৬ শতাংশ।

 

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন, অধিদফতরের মহাপরিচালক এ এফ এম মনজুর কাদির, মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা প্রমুখ।

প্রাথমিক সমাপনীতে পাস ৯৫.৫০, ইবতেদায়িতে ৯৫.৯৬
                                  

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবার পরীক্ষায় পাসের হার ৯৫ দশমিক ৫০ শতাংশ। আর সমমানের ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় পাসের হার ৯৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ।


মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ফলাফলের এ তথ্য জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।

এর আগে গণভবনে সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। এরপর বিভিন্ন বোর্ডের চেয়ারম্যানরা নিজ নিজ বোর্ডের ফলাফল প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।

দুপুর ১২টার কিছু আগে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এরপর দুপুরে ঘোষণা করা হয় প্রাথমিক সমাপনী ও ইবতেদায়ি পরীক্ষার ফল।

পাস করেনি কেউ ১৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক

জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবারের ফলাফলে শুন্য ভাগ পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১৯টি। গত বছরের তুলনায় এবার এ সংখ্যা কমেছে চারটি।


মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে গণভবনে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত ফল প্রকাশের সময় এতথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

এর আগে, সকাল ১০টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। এরপর বিভিন্ন বোর্ডের চেয়ারম্যানরা নিজ নিজ বোর্ডের ফলাফল প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।

এবছর ১৭ থেকে ২৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষায় দেশব্যাপী ২৯ লাখ ৩ হাজার ৬৩৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। একই সময় অনুষ্ঠিত জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ২৬ লাখ ৬১ হাজার ৬৮২ জন।

২০২০ শিক্ষাবর্ষ : প্রাথমিকের ক্লাস-পরীক্ষার সূচি প্রকাশ
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক 


২০২০ শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিকের ক্লাস-পরীক্ষার সূচি প্রকাশ
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছুটির তালিকা অনুসারে ২০২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষা কার্যক্রমের নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। চলতি সপ্তাহে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর থেকে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, ২০২০ শিক্ষাবর্ষে এক শিফটের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত এবং দুই শিফটের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত করা হয়েছে।

এছাড়া যে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এক শিফটের কার্যক্রম পরিচালিত হবে সেখানে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা ২৫ মিনিট এবং দুই শিফটের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত পাঠদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

বিদ্যালয়ে পাঠদানের সময়সূচি অনুসারে এক শিফটের প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১ম ও ২য় শ্রেণিতে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত; ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম শ্রেণির সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত পাঠদান অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৯টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

দুই শিফটের প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১ম ও ২য় শ্রেণির সকাল ৯টা থেকে ১১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত; ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম শ্রেণির সকাল ১১টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত পাঠদান অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া সকাল ১১টা ৩০ মিনিট থেকে ১১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত সমাবেশ অনুুষ্ঠিত হবে।

পরীক্ষার সময়সূচি
প্রথম শ্রেণি থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত প্রথম সাময়িক পরীক্ষা- ১৫ এপ্রিল থেকে ২৩ এপ্রিলের মধ্যে, দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা- ৯ আগস্ট থেকে ২০ আগস্টের মধ্যে, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা- ১৯ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে।


এছাড়া ১ম শ্রেণি থেকে ৪র্থ শ্রেণি পর্যন্ত বার্ষিক পরীক্ষা ২ ডিসেম্বর থেকে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে।

জেএসসি পরীক্ষা : বিদেশ কেন্দ্রে পাসের হার ৯৬.৯৯%
                                  

স্টাফ রিপোর্টার


অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সমাপনী জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবার জেএসসি পরীক্ষায় বিদেশ কেন্দ্রে পাসের হার ৯৬ দশমিক ৯৯ শতাংশ।

মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, নয়টি বিদেশ কেন্দ্রে মোট ৪৩২ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪১৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছে, যা শতাংশের হিসাবে ৯৬ দশমিক ৯৯। উত্তীর্ণদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৩ জন।

গত বছর বিদেশ কেন্দ্র পাসের হার ছিল ৯৭ দশমিক ৯৭ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৫৬ জন পরীক্ষার্থী।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার ফলের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। এতে দেখা যায়, নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে জেএসসিতে এবার পাসের হার ৮৭ দশমিক ৫৮ শতাংশ। আর মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে জেডিসিতে পাসের হার ৮৯ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

দুই পরীক্ষা মিলিয়ে পাসের হার ৮৭ দশমিক ৯০ শতাংশ। যা গত বছর ছিল ৮৫ দশমিক ৮৩ শতাংশ। গতবারের চেয়ে এবার পাসের হার ২ দশমিক ০৭ শতাংশ বেড়েছে। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ৭৮ হাজার ৪২৯ জন, গত বছর পেয়েছিল ৬৮ হাজার ৯৫ জন। ফলে এবার জিপিএ-৫ বেড়েছে ১০ হাজার ৩৩৪ জন।

জেএসসি-জেডিসি : শতভাগ পাস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ৫২৪৩, ৩৩টিতে সবাই ফেল
                                  

স্টাফ রিপোর্টার

এবার জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষায় শতভাগ পাস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৪৭৪টি বেড়েছে। অপরদিকে শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১০টি কমেছে।

এবার পাঁচ হাজার ২৪৩টি স্কুল ও মাদরাসার সবাই পাস করেছে। অপরদিকে ৩৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করতে পারেনি।


গত বছর শতভাগ পাস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল চার হাজার ৭৬৯টি এবং শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৪৩টি।

মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ফলের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। এবার ২৯ হাজার ২৭৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় অংশ নেয়।

সংবাদ সম্মেলনে সরবরাহ করা ফলাফলের সার-সংক্ষেপ পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ঢাকা বোর্ডে ৩২৭, রাজশাহীতে ৮২০, কুমিল্লায় ২৩৯, যশোরে ৪৯৬, চট্টগ্রামে ১০২, বরিশালে ৭৮৩, সিলেটে ১৭৬, দিনাজপুরে ২৮৪ ও ময়মনসিংহ বোর্ডে ১৭৩টি শতভাগ পাস স্কুল রয়েছে।

মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডে শতভাগ পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এক হাজার ৮৪৩টি, গত বছর এ সংখ্যা ছিল এক হাজার ৭২৭টি।


অপরদিকে ঢাকা বোর্ডে ২, রাজশাহীতে ২, দিনাজপুরে ৯ ও ময়মনসিংহ বোর্ডে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি।

এছাড়া কুমিল্লা, যশোর, চট্টগ্রাম ও সিলেট বোর্ডে কোনো শূন্য পাস স্কুল নেই। তবে এক্ষেত্রে বরিশাল বোর্ডের কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।

মাদরাসা বোর্ডের ১৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেনি। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ২৩টি।

এবার জেএসসি ও জেডিসিতে গড় পাসের হার ৮৭ দশমিক ৯০ শতাংশ। এর মধ্যে পাসের হার জেএসসিতে ৮৭ দশমিক ৫৮ শতাংশ ও জেডিসিতে ৮৯ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

জেএসসি-জেডিসিতে পাসের হার ৮৭ দশমিক ৯০ শতাংশ
                                  

 

স্টাফ রিপোর্টার

অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সমাপনী পরীক্ষা জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এ পরীক্ষায় পাসের হার ৮৭ দশমিক ৯০ শতাংশ। যা গত বছর ছিল ৮৫ দশমিক ৮৩ শতাংশ। গত বারের চাইতে এ বছর ২ দশমিক ০৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ৭৮ হাজার ৪২৯ জন, যা গত বছর ছিল ৬৮ হাজার ৯৫ জন। ফলে এবার জিপিএ-৫ বেড়েছে ১০ হাজার ৩৩৪ জন।

দুই স্তরে পাস করেছে মোট ২২ লাখ ৭৮ হাজার ২৭১ জন পরীক্ষার্থী। এবার পাসের হার ও জিপিএ-৫ দুটোই বেড়েছে।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি সংবাদ সম্মেলন করে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেন।

এবছর জেএসসিতে মোট ২২ লাখ ২১ হাজার ৫৯১ জন। তার মধ্যে পাস করেছে ১৯ লাখ ৪৫ হাজার ৭১৮ জন।

জেডিসেতে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩ লাখ ৮০ হাজার ৪৪২ জন। তার মধ্যে পাস করেছে ৩ লাখ ৪১ হাজার ৫৫৩ জন।

দেশের বাইরের ৯টি কেন্দ্রে এবার জন জেএসসি পরীক্ষায় ৪২৩ অংশ নিয়ে পাস করেছে ৪১৯ জন।


উল্লেখ্য, এবার এই দুই পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ২৬ লাখ ৬১ হাজার ৬৮২ জন। এর মধ্যে জেএসসি পরীক্ষার্থী ২২ লাখ ৬০ হাজার ৭১৬ জন। মোট ২ হাজার ৯৮২টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা আয়োজন করা হয়। গত ২ নভেম্বর এ পরীক্ষা শুরু হয়ে ১৩ নভেম্বর শেষ হয়।

যেভাবে জানতে পারবেন পিইসি-জেএসসি পরীক্ষার ফল
                                  

নিজস্ব সংবাদদাতা


প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী এবং জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে আজ মঙ্গলবার।

সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফলের সারসংক্ষেপ তুলে দেবেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন।


প্রধানমন্ত্রী ফলাফল ঘোষণার পর বেলা সাড়ে ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। এরপর সারাদেশে এ পরীক্ষার ফলাফল পাঠিয়ে দেয়া হবে।

অন্যদিকে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে দুপুর ১টায় সংবাদ সম্মেলন করে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের ওয়েবসাইট (www.dpe.gov.bd) ও (dperesult.teletalk.com.bd) এ পাওয়া যাবে প্রাথমিক সমাপনীর ফল। এছাড়াও মোবাইল অ্যাপস থেকে জেএসসি-জেডিসির ফলাফল পাওয়া যাবে (www.educationboardresults.gov.bd) ঠিকানায়।

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীর ফল জানতে প্রথমে DPE লিখে স্পেস দিয়ে শিক্ষার্থীর আইডি লিখতে হবে। এরপর একটি স্পেস দিয়ে পাসের সন লিখে পাঠাতে হবে যেকোনো মোবাইল থেকে ১৬২২২ নম্বরে।


ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনীর ফল জানতে প্রথমে EBT লিখে একটি স্পেস দিয়ে শিক্ষার্থীর আইডি লিখতে হবে। এরপর আরও একটি স্পেস দিয়ে পাসের সন লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।

জেএসসি পরীক্ষার ফল জানতে প্রথমে JSC লিখে একটি স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখতে হবে। এরপর একটি স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখতে হবে। এরপর আরও একটি স্পেস দিয়ে পাসের সন লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।

জেডিসি পরীক্ষার ফল জানতে প্রথমে JDC লিখে একটি স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখতে হবে। এরপর স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখতে হবে। এরপর আরও একটি স্পেস দিয়ে পাসের সন লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।

চলতি বছরের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হয় পিইসি ও জেএসসি পরীক্ষা। প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনীতে এবার ২৯ লাখ ৩ হাজার ৬৩৮ জন এবং জেএসসি-জেডিসিতে ২৬ লাখ ৬১ হাজার ৬৮২ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়।

মধুর ক্যান্টিনের সামনে ফের ককটেলবাজি
                                  

স্টাফ রিপোর্টার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে তিন দিনের ব্যবধানে আবারও ককটেল বিস্ফোণের ঘটনা ঘটেছে।

নিউ মার্কেট ফাঁড়ি পুলিশের এসআই মোহাম্মদ রইচ উদ্দিন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, রোববার সকাল পৌনে ১০টার পর সেখানে পরপর তিনটি বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি জানিয়ে রইচ উদ্দিন বলেন, “বিস্ফোরণগুলো হয় প্রায় একই জায়গায়। ঘটনাস্থলে কালো টেপে মোড়ানো ছিন্ন ভিন্ন কিছু টুকরো পাওয়া গেছে।”

এর আগে গত ২৬ ডিসেম্বর সকালে মধুর ক্যান্টিনের সামনে একটি ককটেল পাওয়ার পর তাতে নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণ ঘটায় পুলিশের বোমা নিষ্ক্রিয়কারী ইউনিট।

প্রক্টর একেএম গোলাম রব্বানী সেদিন বলেছিলেন, যারাই এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকুক, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে।

“ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। কোনো অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে এসব করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন যা ঘটছে তার জন্য আমরা মর্মাহত। একইসাথে যা ঘটানোর চেষ্টা করা হচ্ছে এটি খুবই উদ্বেগজনক।”

নিজ শিক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করবেন শিক্ষকরাই
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা নিজ শিক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করবেন। এ জন্য প্রশ্নপত্র প্রণয়ন পদ্ধতির ওপর তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। একই সঙ্গে শিক্ষকদের বিষয় ভিত্তিক প্রশিক্ষণও দেয়া হবে। সম্প্রতি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মাসিক সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

সভা সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রশ্নপত্র তৈরিতে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। এর মাধ্যমে শিক্ষকরা নিজ নিজ শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরি করতে সক্ষম হবেন। বর্তমানে শিশু কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে প্রাথমিকের প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করা হয়ে থাকে।

শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেয়া হলে শিক্ষকরা নিজ শিক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করতে পারবেন। শিশু কল্যাণ ট্রাস্টের শিক্ষকদেরও এ প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। একই সঙ্গে পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করতে শিক্ষকদের সক্ষম করে তোলা হবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের তত্ত্বাবধানে বিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মেন্টররা (সরকারি কর্মকর্তারা) এ প্রশিক্ষণ পর্যবেক্ষণ করবেন।

সভা সূত্রে আরও জানা যায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সকল বিদ্যালয়ে ‘ওয়ান ডে ওয়ান ওয়ার্ড’ কর্মসূচি বাস্তাবয়নে শ্রেণিভিত্তিক সাবলীল ও দুর্বল শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রণয়ন করা হবে। দুর্বল শিক্ষার্থীদের প্রতি অধিকতর গুরুত্ব দিয়ে ডিসেম্বর মাসের মধ্যে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে তার অগ্রগতি জানাতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বদরুল হাসান বাবুল বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের বিষয় ভিত্তিক দক্ষতার অভাব রয়েছে। শিক্ষকদের স্বল্প মেয়াদে যে প্রশিক্ষণ দেয়া হয় তা পর্যাপ্ত নয়। তাই মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হলে শিক্ষকদের শতভাগ দক্ষ ও অভিজ্ঞ করে তোলা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, শিক্ষকদের দক্ষ করে তুলতে তাদের বিষয় ভিত্তিক প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। তার সঙ্গে নিজ নিজ শিক্ষকদের দ্বারা তাদের শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্ন তৈরি করার দায়িত্ব দেয়া হবে। সে জন্য তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।


বদরুল হাসান বাবুল আরও বলেন, ক্লাসে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমন্বয় আনতে দুর্বল শিক্ষার্থীদের আলাদা করে তাদের বিশেষ যত্ন নেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বিশেষ যত্নের মাধ্যমে তাদের দুর্বলতা কাটবে। এসব কার্যক্রম মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত মেন্টরদের নজরদারি করার নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে।

ঢাবির মধুর ক্যান্টিনে ককটেল ‘বিস্ফোরণ’
                                  

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক 


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মধুর ক্যান্টিনের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের তথ্য পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে এ ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। তবে এ ঘটনায় কেউ আহত হননি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মধুর ক্যান্টিনের পশ্চিম পাশের দরজার সামনে বিকট শব্দ হয়। পরে সেখানে গিয়ে একটি ককটেল অর্ধ বিস্ফোরিত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। তবে কে বা কারা এ কাজটি করছে তা কেউ জানাতে পারেননি।

 


এদিকে ককটেল বিস্ফোরণের তথ্য ঠিক নয় বলে দাবি করেছেন ঢাবির প্রক্টর অধ্যাপক গোলাম রব্বানী। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘ককটেল পড়ে আছে এ রকম একটি খবর পেয়ে সরেজমিনে দেখে এসেছি। ডাকসু ভবনের কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলেছি। ককটেল বিস্ফোরণ হওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি। পুলিশকে খবর দিয়েছি, ডিবিকে বিষয়টি দেখতে বলেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। একটি ঘটনা ঘটেছে, তদন্ত কমিটি কাজ করছে, সবাইকে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে হবে।’

তুহিন ফারাবির অবস্থার উন্নতি : লাইফ সাপোর্ট খুলে নেয়া হয়েছে
                                  

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের একাংশের নেতা-কর্মীদের হামলায় আহত বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র তুহিন ফারাবির অবস্থার উন্নতি হয়েছে। সোমবার সকালে তার লাইফ সাপোর্ট খুলে নেয়া হয়েছে।

 

 

পরবর্তীতে হাসপাতালের ইউরোলজি বিভাগের ওয়ার্ডে তাকে স্থানান্তর করা হয়েছে। ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম নাসির উদ্দিন বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

 

তিনি জানান, ফারাবীর শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা ছিল বলে তাকে সাপোর্টে দেয়া হয়েছিল। এখন সে আগের চেয়ে অনেক ভালোভাবে শ্বাস নিতে পারছে।

 

হামলায় আহত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুরকে কেবিনে নেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

 

এদিকে সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খান জানান,  সোমবার সকাল ৮টার দিকে তুহিন ফারাবী চোখ মেলেছিলেন। কিছুক্ষণ পর আবার চোখ বন্ধ করেন।

 

ভিপি নুরের অবস্থার বর্ণনায় তিনি জানান, ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুরের অবস্থা আগের মতোই আছে।

 

তুহিন ফারাবী বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং তিনি একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের হামলার সময় তিনি ভিপি নুরের সঙ্গে ছিলেন।

 

রোববার দুপুর ১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুর ও তার অনুসারীদের ওপর হামলা চালিয়েছে ছাত্র লীগ ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের একাংশের নেতাকর্মীরা।

 

প্রত্যাক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ডাকসু ভবনের মূল ফটক বন্ধ করে নুরের ওপর লাঠিসোটা নিয়ে হামলা করা হয়। এছাড়া বাইরে থেকেও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতাকর্মীরা ইট-পাটকেল ছুঁড়ছেন।

থমথমে ঢাবি: বিভিন্ন স্পটে পুলিশের সতর্ক অবস্থান
                                  

নিজস্ব সংবাদদাতা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুর ও তার অনুসারীদের ওপর মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

ওই হামলার জের ধরে আজ (সোমবার) ক্যাম্পাসে দু-পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে ফের সংঘর্ষ কিংবা অপ্রীতিকর কিছু ঘটার আশঙ্কা করছেন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা। এ কারণে যে কোনো ধরনের পরিস্থিত মোকাবিলায় ক্যাম্পাসে ইউনিফর্মধারী অতিরিক্ত পুলিশসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।



আজ সকালে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্পটে পুলিশের সতর্ক অবস্থান ও প্রহরা দেখা গেছে।

রোববার দুপুর ১টার দিকে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের একাংশের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী ওই হামলা চালান, এই মঞ্চের অধিকাংশ সদস্যই ছাত্রলীগের নেতাকর্মী।। হামলায় ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুরসহ অন্তত ৩২ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

গতকাল ওই হামলার পর ভিপি নুরুল হক নুরকে ডাকসুতে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন ছাত্র সংসদটির সাধারণ সম্পাদক (জিএস) গোলাম রাব্বানী। ভিপিকে ডাকসুতে আর ঢুকতে দেবেন না বলেও জানান তিনি।

প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যপুস্তকে পরিবর্তন আসছে
                                  

 নিজস্ব প্রতিবেদক

 

  

আমূল পরিবর্তন আনা হবে প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যপুস্তকে। ইতোমধ্যে সারাদেশের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কারিকুলাম বিশেষজ্ঞদের মতামত নেয়া হয়েছে। এখন চলছে সমন্বয় ও নতুন কারিকুলাম বা পাঠ্যক্রম প্রণয়নের কাজ।

 

পাশাপাশি দেশের শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়নে প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক পর্যন্ত বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হচ্ছে। মাধ্যমিক পর্যায়ে বিভাগ তুলে দিয়ে তা উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে নির্বাচন করতে হবে। পাবলিক পরীক্ষায় নম্বর কমিয়ে তা বাড়ানো হবে ক্লাস পরীক্ষার মূল্যায়নে। শিক্ষার মানোন্নয়নে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদদের নিয়ে গঠিত কমিটির সুপারিশের আলোকে এসব সিদ্ধান্ত ২০২৪ সাল থেকে বাস্তবায়ন হবে।

 

 

 

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

 

এ বিষয়ে এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহা জাগো নিউজকে বলেন, ‘কারিকুলাম পরিবর্তনের কাজ ২০১৭ সাল থেকে শুরু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এটি বাস্তবায়ন করা হবে। ২০২৩ সালে উচ্চমাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্পন্ন করার টার্গেট রয়েছে। সে লক্ষ্যে কর্মযজ্ঞ চলছে। কারিকুলাম বিশেষজ্ঞরা কয়েক বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছেন।’

 

এনসিটিবির সদস্য (শিক্ষাক্রম) অধ্যাপক ড. মশিউজ্জামানও একই কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘নতুন কারিকুলাম নিয়ে কাজ চলছে। এবারই প্রথমবারের মতো প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত সব বইয়ে পরিবর্তন আসবে।’

 

এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, এ পরিবর্তনে নবম শ্রেণি থেকে বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক বিভাগ পছন্দের আর সুযোগ থাকবে না। ২০২৩ সাল থেকে নবম-দশম শ্রেণির সব শিক্ষার্থী একই কারিকুলামের একই পাঠ্যবই পড়ার সুযোগ পাবে। একাদশ শ্রেণিতে গিয়ে বিভাগ বিভাজন শুরু হবে। এতে একজন শিক্ষার্থী মাধ্যমিক স্তরে সব বিষয়ে জ্ঞান লাভ করতে পারবে। ২০২১ সালে প্রথম ও ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী নতুন কারিকুলাম ও বই পাবে। যথাসময়ে বই পৌঁছানোর লক্ষ্যমাত্রা হাতে নিয়ে এ স্তরের নতুন কারিকুলাম চূড়ান্ত হবে ২০২০ সালের মাঝামাঝি সময়ে। ২০২২ সালে দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির এবং ২০২৩ সালে পঞ্চম শ্রেণির পাঠ্যবইও পরিবর্তন করা হবে। পাশাপাশি ২০২২ সালে সপ্তম, নবম ও একাদশ শ্রেণির পাঠ্যবই পরিবর্তন হবে। ২০২৩ সালে পরিবর্তন আনা হবে অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে।

 

সূত্র জানায়, কারিকুলাম পরিবর্তনের পাশাপাশি পাঠ্যবইও বদলে যাবে। এবারই প্রথমবারের মতো প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের কারিকুলাম একসঙ্গে পরিবর্তন ও সমন্বয় করা হচ্ছে। পরিবর্তিত কারিকুলামে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান বৃদ্ধিতে সহায়ক বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হবে। পাঠ্যবইয়ে দুর্যোগব্যবস্থাপনা, জঙ্গিবাদ, নিরাপত্তার বিষয়গুলো যুক্ত করা হবে। শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের পাশাপাশি হাতে-কলমে দেখানোর বিষয়ও গুরুত্ব দেয়া হবে। যুক্ত থাকবে খেলাধুলাও।

 

 

 

কারিকুলামে বড় পরিবর্তনের মধ্যে মাধ্যমিক স্তরে নবম শ্রেণি থেকে বিভাগ তুলে দিয়ে গুচ্ছ পদ্ধতি চালু করা হবে। ফলে এ স্তরে বিজ্ঞান, মানবিক বা বাণিজ্য নামে কোনো বিভাগ বা বিষয় থাকবে না। সবাইকে সব বিষয় পড়তে হবে। এতে একজন শিক্ষার্থী মাধ্যমিক স্তরেই সব বিষয়ের সঙ্গে পরিচিত ও জ্ঞান লাভ করবে।

 

এ ব্যাপারে শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের মত হচ্ছে, দশম শ্রেণি পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীর সব বিষয়ে সমান ধারণা থাকা উচিত। ২০২৩ সাল থেকে নবম শ্রেণির বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক বিভাগ উঠিয়ে দেয়া হবে এবং শিক্ষার্থীরা নতুন কারিকুলাম ও বই পাবে।

 

এক্ষেত্রে দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়- পাবলিক পরীক্ষার সংখ্যা ও নম্বর কমিয়ে আনা। এর পরিবর্তে শ্রেণিকক্ষে ধারাবাহিক মূল্যায়নের পরিমাণ বাড়ানো হবে। শ্রেণিকক্ষে সব বিষয়ে ধারাবাহিক মূল্যায়নে ২০ নম্বর রাখা হবে। এতে পাবলিক পরীক্ষার নম্বর কমে যাবে। বর্তমানে গার্হস্থ্য অর্থনীতি/কৃষি শিক্ষা পরীক্ষায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধারাবাহিকভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। এ অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নতুন কারিকুলামে যুক্ত হবে সব বিষয়।

 

বিশেষজ্ঞদের সুপারিশ অনুযায়ী, ২০১৮ সাল থেকে চতুর্থ বিষয়ের পরীক্ষা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধারাবাহিকভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। এ মূল্যায়নের নম্বর সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবোর্ডে পাঠানো হচ্ছে প্রতিষ্ঠান থেকে। মূল মার্কশিটে এসব বিষয়ের প্রাপ্ত নম্বর উল্লেখ থাকছে। তবে পরীক্ষার ফলে কোনো প্রভাব পড়ছে না।

 

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, মাধ্যমিক স্তরে বিভাগ বিভাজনের ফলে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা ব্যবহারিক পরীক্ষার সুযোগে বেশি নম্বর অর্জন করে। কিন্তু মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষার শিক্ষার্থীদের এ সুযোগ খুবই কম। এতে তারা একধরনের বৈষম্যের শিকার হচ্ছে।

 

এনসিটিবির বিশেষজ্ঞরা বলেন, দেশের হাইস্কুলগুলোতে প্র্যাকটিক্যাল করানোর মতো পর্যাপ্ত ল্যাবরেটরি সুবিধা বা সহকারী নেই। এরপরও বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা ১০০ নম্বর ব্যবহারিকের মধ্যে প্রায় শতভাগ নম্বর পায়। এতে মানবিক ও ব্যবসায় শাখার শিক্ষার্থীরা ফলাফলে চরম বৈষম্যের শিকার হচ্ছে।

 

 

 

মন্ত্রণালয় ও এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, মাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদদের নিয়ে ২০১৬ সালে একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সদস্যদের নিয়ে একই বছরের ২৫ ও ২৬ নভেম্বর কক্সবাজারে দুদিনের আবাসিক কর্মশালা হয়। এতে শিক্ষাবিদরা যে সুপারিশ করেছিলেন তারই আলোকে কয়েকটি উপ-কমিটি গঠন করা হয়। শিক্ষাক্রম পর্যালোচনা উপ-কমিটিগুলো ২০১৭ সালের ৩০ নভেম্বর ৮ দফা প্রস্তাব করেছিল। প্রস্তাবে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষাক্রম বিষয়বস্তুর গুরুত্ব অনুসারে তিন গুচ্ছে ভাগ করার জন্য সরকারকে পরামর্শ দেয়া হয়। `ক` গুচ্ছে বাংলা, ইংরেজি ও গণিত। `খ` গুচ্ছে বিজ্ঞান, সমাজ পাঠ (ইতিহাস, পৌরনীতি ও ভূগোল)। `ক` ও `খ` গুচ্ছ বাধ্যতামূলক। আর `গ` গুচ্ছে তথ্যপ্রযুক্তি, চারুকারুকলা, শরীরচর্চা ও খেলাখুলা, ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, কৃষি ও গার্হস্থ্য, নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি। এছাড়া এর বাইরে `ঘ` গুচ্ছে প্রকৌশল প্রযুক্তি (বিদ্যুৎ, যন্ত্র, কাঠ, ধাতু ইত্যাদির ব্যবহারিক জ্ঞান ও প্রয়োগ) যুক্ত করার মতো দেন শিক্ষাবিদরা। শিক্ষাবিদরা `গ` গুচ্ছের বিষয়গুলোর জন্য কোনো পাবলিক পরীক্ষা না নিয়ে বিদ্যালয়েই ধারাবাহিক মূল্যায়ন করার পরামর্শ দেন। শিক্ষার্থীর ভবিষ্যতের কর্ম ও পেশা নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে নবম ও দশম শ্রেণিতে আগের শ্রেণির গুচ্ছের সঙ্গে `ঘ` গুচ্ছ যুক্ত করার কথা বলেন। এই গুচ্ছে রয়েছে পদার্থ, রসায়ন, জীববিজ্ঞান, উচ্চতর গণিত, হিসাব, বিপণন, ব্যবস্থাপনা ও অর্থনীতি। `ঘ` গুচ্ছ থেকে যে কোনো দুটি বিষয় শিক্ষার্থীরা পছন্দ করে নিতে পারবে। শিক্ষার্থীরা ইচ্ছা করলে `ঘ` গুচ্ছ থেকে ঐচ্ছিকভাবে আরও একটি বিষয় নিতে পারবে। তবে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। নবম-দশম শ্রেণিতে পাঁচটি বাধ্যতামূলক বিষয় ছাড়া `গ` গুচ্ছ থেকে দুটি ও `ঘ` গুচ্ছ থেকে দুটি বা তিনটি বিষয় নিতে হবে। ফলে এসএসসি পরীক্ষায় ১৪টি থেকে চারটি বিষয় কম যাবে। অর্থাৎ ঐচ্ছিক বিষয়সহ মোট ১০টি বিষয়ের পাবলিক পরীক্ষা হবে।

 

তবে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষকরা প্রস্তাবিত গুচ্ছ পদ্ধতি সম্পর্কে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, বিজ্ঞান বিভাগ তুলে দিয়ে গুচ্ছ পদ্ধতি চালু করলে বিজ্ঞান বিষয়ের গুণগত মান কমে যাবে। নবম শ্রেণিতে বিজ্ঞান বিভাগ না থাকলে উচ্চমাধ্যমিকে গিয়ে শিক্ষার্থীরা বর্তমান সিলেবাসের সঙ্গে তাল মেলাতে পারবে না। কারণ বর্তমানে নবম-দশম শ্রেণির বিজ্ঞানের বিষয়ের বইগুলোয় যেসব কনটেন্ট আছে, তা মানসম্মত নয়। একাদশের যে কনটেন্ট রয়েছে, তা অনেকটাই দুর্বোধ্য মনে হয় শিক্ষার্থীদের কাছে। আর সিলেবাস রয়েছে, তাও অনেক বড় বা বেশি। এতে যে পরিমাণ শ্রেণি ও ক্লাস নেয়া হয় কলেজ পর্যায়ে তা দিয়ে সিলেবাস কাভার করা যায় না। এতে কিছুটা দুর্বল শিক্ষার্থীরা এইচএসসিতে খারাপ ফলাফল করে এবং পরে হতাশ হয়ে পড়ে।


   Page 1 of 17
     শিক্ষাঙ্গন
আজীবন বহিষ্কার ঢাবির ৬৩ শিক্ষার্থী
.............................................................................................
ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনা তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
.............................................................................................
প্রাথমিকে পাস ৯৫.৫০, ইবতেদায়িতে ৯৫.৯৬ শতাংশ
.............................................................................................
প্রাথমিক সমাপনীতে পাস ৯৫.৫০, ইবতেদায়িতে ৯৫.৯৬
.............................................................................................
পাস করেনি কেউ ১৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে
.............................................................................................
২০২০ শিক্ষাবর্ষ : প্রাথমিকের ক্লাস-পরীক্ষার সূচি প্রকাশ
.............................................................................................
জেএসসি পরীক্ষা : বিদেশ কেন্দ্রে পাসের হার ৯৬.৯৯%
.............................................................................................
জেএসসি-জেডিসি : শতভাগ পাস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ৫২৪৩, ৩৩টিতে সবাই ফেল
.............................................................................................
জেএসসি-জেডিসিতে পাসের হার ৮৭ দশমিক ৯০ শতাংশ
.............................................................................................
যেভাবে জানতে পারবেন পিইসি-জেএসসি পরীক্ষার ফল
.............................................................................................
মধুর ক্যান্টিনের সামনে ফের ককটেলবাজি
.............................................................................................
নিজ শিক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করবেন শিক্ষকরাই
.............................................................................................
ঢাবির মধুর ক্যান্টিনে ককটেল ‘বিস্ফোরণ’
.............................................................................................
তুহিন ফারাবির অবস্থার উন্নতি : লাইফ সাপোর্ট খুলে নেয়া হয়েছে
.............................................................................................
থমথমে ঢাবি: বিভিন্ন স্পটে পুলিশের সতর্ক অবস্থান
.............................................................................................
প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যপুস্তকে পরিবর্তন আসছে
.............................................................................................
অনেক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এখন দিনে সরকারি, রাতে বেসরকারি
.............................................................................................
ভিপি নুরকে পদত্যাগের আহ্বান রাব্বানীর
.............................................................................................
রুম্পা হত্যার বিচারের দাবিতে উত্তাল স্টামফোর্ড
.............................................................................................
দুই ইউনিটে ফেল, অন্য ইউনিটে প্রথম শিক্ষকের বোন!
.............................................................................................
খালেদার জামিন না হওয়ায় ঢাবিতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ
.............................................................................................
র‍্যাগিং ও রাজনীতিতে জড়িত হলে বুয়েট থেকে বহিষ্কার
.............................................................................................
৪১তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি বিকেলে
.............................................................................................
প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা শুরু
.............................................................................................
সংশোধিত প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির নীতিমালা জারি
.............................................................................................
ইডেন কলেজে এক নেত্রীকে কোপালেন আরেক নেত্রী
.............................................................................................
নিষেধাজ্ঞার দ্বিতীয় দিনেও জাবিতে বিক্ষোভ-সমাবেশ
.............................................................................................
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও পাবেন গৃহঋণ
.............................................................................................
হল থেকে বেরিয়ে বিক্ষোভে জাবি শিক্ষার্থীরা
.............................................................................................
আতঙ্ক নিয়ে হল ছাড়ছেন জাবি শিক্ষার্থীরা
.............................................................................................
জাবিতে আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করেন সমবেত বিশিষ্টজনেরা
.............................................................................................
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা
.............................................................................................
ঢাবি অধিভুক্ত সাত কলেজে ডিগ্রীর ফল বিপর্যয়: সুষ্ঠু সমাধানের দাবীতে মানববন্ধন
.............................................................................................
জাবিতে আন্দোলনরতদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা
.............................................................................................
জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষায় বসেছে সাড়ে ২৬ লাখ শিক্ষার্থী
.............................................................................................
রাজনৈতিক নয়, শিক্ষাগত যোগ্যতায় হবে প্রাইমারি স্কুলের কমিটি
.............................................................................................
খুবিতে চলছে ১ম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষা
.............................................................................................
জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা শুরু
.............................................................................................
ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ, ফেল ৮৬.৭৪ শতাংশ
.............................................................................................
জেএসসি ও জেডিসি: মোট পরীক্ষার্থী ২৬ লাখ ৬১ হাজার ৬৮২
.............................................................................................
বুয়েট ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
.............................................................................................
ঢাবির ‘ক’ ইউনিটে ৮৭ শতাংশই ফেল
.............................................................................................
বিকাল ৫টায় পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাবেন বুয়েটের শিক্ষার্থীরা
.............................................................................................
বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষা শুরু
.............................................................................................
ঢাবি ‘খ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ, ৭৬ শতাংশ ফেল
.............................................................................................
বুয়েট ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদকের কক্ষ সিলগালা
.............................................................................................
আন্দোলন শিথিল, বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষা ১৪ অক্টোবর
.............................................................................................
উপাচার্য চাইলে ৫ দফা দাবি এক ঘণ্টাতেই পূরণ সম্ভব
.............................................................................................
ঢাবি ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ রোববার
.............................................................................................
৫ দফা পূরণ না হওয়া পর্যন্ত বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]