| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * বাংলাদেশের ভয়াবহ ১১ ট্রেন দুর্ঘটনা   * মায়ের জন্য সুপাত্র চান ছেলে   * সৌদিতে লাইভ শো চলাকালে ৩ জনকে ছুরিকাঘাত   * পরীক্ষার চাপ কমাতে শিক্ষার্থীদের ‘কবরে শুয়ে থাকার’ পরামর্শ   * মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গাম্বিয়ার মামলা, স্বাগত জানিয়েছে কানাডা   * হাসপাতালে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার   * গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ইসলামিক জিহাদের কমান্ডার নিহত   * মেক্সিকোতে রাজনৈতিক আশ্রয় নিচ্ছেন বলিভিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট   * রাজস্থানে লেকের ধারে হাজার হাজার পাখির মৃত্যু   * ৩১ বছর পরেও দর্শক মাতাচ্ছেন সেই মাধুরী  

   শিক্ষাঙ্গন -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
সংশোধিত প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির নীতিমালা জারি

 নিজস্ব প্রতিবেদক 

 

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হতে ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা হতে হবে স্নাতক ডিগ্রি। বিদ্যোৎসাহী দুই সদস্যের শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগবে এসএসসি পাস।

 

এসব শর্ত যুক্ত করে নতুন নীতিমালা জারি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। গতকাল সোমবার রাতে এ নীতিমালা জারি করা হয়েছে।

 

নীতিমালা অনুযায়ী, ১১ সদস্যের ব্যবস্থাপনা কমিটির মেয়াদ হবে তিন বছর। কমিটির সদস্য সচিব থাকবেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। এছাড়া শিক্ষক প্রতিনিধি থাকবেন একজন। বিদ্যালয়ের জমিদাতা বা তার উত্তরাধিকারী সদস্য থাকবেন একজন। উপজেলা শিক্ষা কমিটির সিদ্ধান্তে এ সদস্য মনোনীত হবেন।

 

অভিভাবকদের মধ্যে একজন বিদ্যোৎসাহী নারী ও একজন পুরুষ সদস্য থাকবেন। এ দুজন সদস্যের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা হতে হবে এসএসসি পাস। তাদের মনোনীত করার ক্ষেত্রে প্রধান শিক্ষককে স্থানীয় সংসদ সদস্যের পরামর্শ নিতে হবে। অভিভাবকদের মধ্য থেকে দুজন পুরুষ ও দুজন নারী অভিভাবক থাকবেন। এই চারজন সদস্য নির্বাচিত করবেন অভিভাবকরা। সহকারী উপজেলা বা সহকারী থানা শিক্ষা অফিসারের নেতৃত্বে নির্বাচন পরিচালনা করতে হবে।

 

একই উপজেলার সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় এলাকার কাছাকাছি যেকোনো সরকারি বা বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক বা শিক্ষিকা সদস্য হিসেবে থাকবেন।

 

এছাড়া সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় এলাকার ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য বা পৌর এলাকার ওয়ার্ড কমিশনার বা সিটি করপোরেশন এলাকার কাউন্সিলর সদস্য হিসেবে থাকবেন।

 

 

কোনো বিদ্যালয়ে যুক্তিসঙ্গত কারণে ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা না গেলে সর্বোচ্চ ছয় মাসের জন্য অ্যাডহক কমিটি গঠন করা যেতে পারে। ছয় মাসের মধ্যে নিয়মিত কমিটি গঠন করতে হবে। সভাপতি হবেন সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টারের সহকারী উপজেলা বা থানা শিক্ষা অফিসার। পাঁচ সদস্যের অ্যাডহক কমিটির সদস্য সচিব থাকবেন প্রধান শিক্ষক।

সংশোধিত প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির নীতিমালা জারি
                                  

 নিজস্ব প্রতিবেদক 

 

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হতে ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা হতে হবে স্নাতক ডিগ্রি। বিদ্যোৎসাহী দুই সদস্যের শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগবে এসএসসি পাস।

 

এসব শর্ত যুক্ত করে নতুন নীতিমালা জারি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। গতকাল সোমবার রাতে এ নীতিমালা জারি করা হয়েছে।

 

নীতিমালা অনুযায়ী, ১১ সদস্যের ব্যবস্থাপনা কমিটির মেয়াদ হবে তিন বছর। কমিটির সদস্য সচিব থাকবেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। এছাড়া শিক্ষক প্রতিনিধি থাকবেন একজন। বিদ্যালয়ের জমিদাতা বা তার উত্তরাধিকারী সদস্য থাকবেন একজন। উপজেলা শিক্ষা কমিটির সিদ্ধান্তে এ সদস্য মনোনীত হবেন।

 

অভিভাবকদের মধ্যে একজন বিদ্যোৎসাহী নারী ও একজন পুরুষ সদস্য থাকবেন। এ দুজন সদস্যের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা হতে হবে এসএসসি পাস। তাদের মনোনীত করার ক্ষেত্রে প্রধান শিক্ষককে স্থানীয় সংসদ সদস্যের পরামর্শ নিতে হবে। অভিভাবকদের মধ্য থেকে দুজন পুরুষ ও দুজন নারী অভিভাবক থাকবেন। এই চারজন সদস্য নির্বাচিত করবেন অভিভাবকরা। সহকারী উপজেলা বা সহকারী থানা শিক্ষা অফিসারের নেতৃত্বে নির্বাচন পরিচালনা করতে হবে।

 

একই উপজেলার সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় এলাকার কাছাকাছি যেকোনো সরকারি বা বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক বা শিক্ষিকা সদস্য হিসেবে থাকবেন।

 

এছাড়া সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় এলাকার ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য বা পৌর এলাকার ওয়ার্ড কমিশনার বা সিটি করপোরেশন এলাকার কাউন্সিলর সদস্য হিসেবে থাকবেন।

 

 

কোনো বিদ্যালয়ে যুক্তিসঙ্গত কারণে ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা না গেলে সর্বোচ্চ ছয় মাসের জন্য অ্যাডহক কমিটি গঠন করা যেতে পারে। ছয় মাসের মধ্যে নিয়মিত কমিটি গঠন করতে হবে। সভাপতি হবেন সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টারের সহকারী উপজেলা বা থানা শিক্ষা অফিসার। পাঁচ সদস্যের অ্যাডহক কমিটির সদস্য সচিব থাকবেন প্রধান শিক্ষক।

ইডেন কলেজে এক নেত্রীকে কোপালেন আরেক নেত্রী
                                  

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক    

রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজে এক নেত্রীকে কুপিয়ে আহত করলেন আরেক নেত্রী।

 

হলে বহিরাগত ছাত্রী রাখা নিয়ে শনিবার ভোরে ছাত্রলীগের দুই নেত্রীর মধ্যে সংঘর্ষের সময় এই কোপানোর ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হন। ঘটনার পর কলেজ ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

 

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুবা নাসরিন রূপা বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা হলের ২১৯ নং কক্ষে নাবিলা নামের একজন বহিরাগত শিক্ষার্থীকে (প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের) টাকার বিনিময়ে রাখতেন। তাকে রাখাকে কেন্দ্র করে হলে অন্য নেত্রীদের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে রূপা তার অনুসারীদের নিয়ে অন্য নেত্রীদের ওপর হামলা করেন। এ সময় রূপা সাবিকুন্নাহার তামান্নার হাতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ দেন।

 

মাহবুবা নাসরিন রূপা ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক। তার বাড়ি ঝিনাইদহ জেলায়। সাবিকুন্নাহার তামান্না ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য, তার বাড়ি বরগুনা জেলায়।

 

ঘটনার পরপরই ইডেন কলেজে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

 

লালবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আশরাফ উদ্দিন বলেন, আমরা শুনেছি হলে মেয়েদের মধ্যে ঝামেলা হয়েছে। কয়েকজন আহত হয়েছেন।

 
নিষেধাজ্ঞার দ্বিতীয় দিনেও জাবিতে বিক্ষোভ-সমাবেশ
                                  

জাবি প্রতিনিধি


জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা ভেঙে দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ মিছিল করছেন উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।


বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) দুপুর ১টায় ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারে এ মিছিল করেন আন্দোলনকারীরা। মিছিল নিয়ে আন্দোলনকারীরা উপাচার্যের বাসভবনের দিকে যাচ্ছেন। সেখানেই অবস্থান নেবেন বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

এর আগে, উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের অপসারণ দাবিতে চলমান আন্দোলন ঠেকাতে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়। তারপর বুধবার রাত ৮টায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ, মিছিল ও অফিস বা আবাসিক এলাকায় শিক্ষার্থীদের অবস্থানে নিষেধাজ্ঞাও জারি করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

তবে এই নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই আন্দোলনকারীরা মিছিল বের করেন। তারা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণাকে প্রশাসনের ‘অবৈধ’ সিদ্ধান্ত বলে আখ্যা দেন এবং সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেন।

 
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও পাবেন গৃহঋণ
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক 

 

সরকারের ব্যবস্থাপনায় ব্যাংক থেকে পাঁচ শতাংশ সরল সুদে (সুদের ওপর সুদ নয়) সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ টাকা পর্যন্ত গৃহনির্মাণ ঋণ পাচ্ছেন সরকারি কর্মচারীরা। তবে প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীরা এ ঋণের আওতায় ছিলেন না। তবে এবার শিক্ষক-কর্মচারীদের এ ঋণের আওতায় আনার নীতিমালা চূড়ান্ত করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

 

চলতি মাসের মধ্যেই প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে। সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের বাজেট অনুবিভাগ-১ এর অতিরিক্ত সচিব মো. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে এ-সংক্রান্ত একটি সভা হয়েছে। সভায় ছয়জন শিক্ষক প্রতিনিধিসহ বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

সভায় উপস্থিত একাধিক শিক্ষক প্রতিনিধি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের যুগ্ম মহাসচিব মেহেদী হাসান বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয়ে আমাদের একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, শিক্ষকরা ৬৪ বছর পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীরাও এ ঋণ পাবেন। সবকিছু ঠিক থাকলে এ মাসের মধ্যেই চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপনের জন্য এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যাবে।

 

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রও জানিয়েছে, এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করতে কাজ করছে অর্থ বিভাগ।

 

এর আগে ২০১৮ সালের ১৭ অক্টোবর পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের এ ঋণের আওতায় আনা যায় কি-না তা ভেবে দেখতে অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ।

 

 

২০১৮ সালের ৩০ জুলাই অর্থ বিভাগ থেকে ‘সরকারি কর্মচারীদের জন্য ব্যাংকিং-ব্যবস্থার মাধ্যমে গৃহ নির্মাণ ঋণ প্রদান নীতিমালা-২০১৮’ প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হয়।

 

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, চাকরি স্থায়ী হওয়ার পাঁচ বছর পর থেকে সরকারি চাকরিজীবীরা এই ঋণ পাওয়ার যোগ্য হবেন। আর আবেদনের জন্য সর্বোচ্চ বয়সসীমা হবে ৫৬ বছর। এ ঋণের সীমা ঠিক করা হয়েছে ২০ লাখ থেকে ৭৫ লাখ টাকা। ঋণ পরিশোধের জন্য সর্বোচ্চ সময় ২০ বছর।

 

এ ঋণের জন্য ব্যাংক ১০ শতাংশ হারে সরল সুদ নেবে। অর্থাৎ চক্রবৃদ্ধি সুদ (সুদের ওপর সুদ) নেয়া হবে না। তবে ঋণগ্রহীতাকে দিতে হবে ৫ শতাংশ। বাকিটা সরকারের পক্ষ থেকে পরিশোধ করা হবে ভর্তুকি হিসেবে। শুধু সরকারি কর্মচারীরা যারা স্থায়ী পদে চাকরি করেন তারাই এ ঋণ পাবেন। চুক্তিভিত্তিক, খণ্ডকালীন, অস্থায়ী ভিত্তিতে নিযুক্ত এবং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কেউ এই ঋণ পাবেন না।

 

কার জন্য কেমন ঋণ :

 

জাতীয় বেতন স্কেলে প্রথম থেকে পঞ্চম গ্রেডভুক্তরা ঢাকাসহ সব সিটি কর্পোরেশন ও বিভাগীয় সদরের (উপ-সচিব থেকে সচিব পদমর্যাদার) জন্য ৭৫ লাখ, জেলা সদরের জন্য ৬০ লাখ এবং অন্য এলাকার জন্য ৫০ লাখ টাকা ঋণ নিতে পারবেন।

 

৬ষ্ঠ থেকে ৯ম গ্রেডভুক্তরা ঢাকাসহ বিভাগীয় সদর এলাকার জন্য ৬৫ লাখ, জেলা সদরের জন্য ৫৫ লাখ এবং অন্য এলাকার জন্য ৪৫ লাখ টাকা ঋণ পাবেন।

 

১০ম থেকে ১৩তম গ্রেডভুক্তরা ঢাকাসহ বিভাগীয় সদরের জন্য ৫৫ লাখ, জেলা সদরের জন্য ৪০ লাখ এবং অন্য এলাকার জন্য ৩০ লাখ টাকা ঋণ পাবেন।

 

১৪তম থেকে ১৭তম গ্রেডভুক্তরা ঢাকাসহ বিভাগীয় সদরের জন্য ৪০ লাখ, জেলা সদরের জন্য ৩০ লাখ এবং অন্য এলাকার জন্য ২৫ লাখ টাকা ঋণ পাবেন।

 

১৮তম থেকে ২০তম গ্রেডভুক্তরা ঢাকাসহ বিভাগীয় সদরের জন্য ৩০ লাখ, জেলা সদরের জন্য ২৫ লাখ এবং অন্য এলাকার জন্য ২০ লাখ টাকা ঋণ পাবেন।

 
হল থেকে বেরিয়ে বিক্ষোভে জাবি শিক্ষার্থীরা
                                  

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

উপাচার্যের অপসারণের একদফা দাবিতে হল থেকে বেরিয়ে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থীরা। বুধবার বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল থেকে তারা বেরিয়ে এসে বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেন।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলের গেট বন্ধ থাকলেও শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পরে তা খুলে দেয়া হয়।

জাবি প্রশাসন মঙ্গলবার এক জরুরি সিন্ডিকেট সভায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করে বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেয়। সেই নির্দেশ অগ্রাহ্য করে শিক্ষার্থীরা আজ বিভিন্ন হল থেকে বেরিয়ে এসে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করতে থাকেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের অপসারণে একদফা দাবির পক্ষে স্লোগানে প্রকম্পিত হয় ক্যাম্পাস। পরে বিক্ষোভ মিছিলটি ক্যাম্পাসের মুরাদ চত্বরে আসলে সেখানে অবস্থান নেয়া শিক্ষকরা এতে যোগ দেন। এরপর মিছিলটি শহীদ মিনার ঘুরে পুরাতন প্রশাসনিক ভবনের সামনে যায়। সেখানে সড়কে বসে বিক্ষোভ করেন তারা। দুপুর ১২টার পর সেখানে সংহতি সমাবেশ শুরু করেছেন।

সমাবেশে জাবির অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আনু মুহাম্মদের নেতৃত্বে ঢাকা থেকে আসা একটি প্রতিনিধিদল অংশ নিয়েছেন।

 
আতঙ্ক নিয়ে হল ছাড়ছেন জাবি শিক্ষার্থীরা
                                  

 বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক    

 

 

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার পরে প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী হল ছাড়ছেন শিক্ষার্থীরা। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৪টা থেকে হল ছাড়তে শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।

 

এর আগে দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের সভাপতিত্বে সিন্ডিকেটের এক জরুরি সভায় অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্যাম্পাস বন্ধ ও বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেয়া হয়। এরপর হল ছাড়ার সময়সীমা কয়েক দফায় পরিবর্তন করা হয়। সর্বশেষ বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে হল ছাড়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায় প্রশাসন।

 

সরেজমিনে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬টি আবাসিক হলের শিক্ষার্থীরা যেন দ্রুত হল ত্যাগ করে সে বিষয়ে সকাল থেকে প্রতিটি কক্ষে গিয়ে হল প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার তাদের নির্দেশ দেয়া হচ্ছে। প্রশাসনের এমন নির্দেশনা ও আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার ঘটনায় ক্যাম্পাসে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যে কোনো সময় আবারও হামলার আশঙ্কা করছেন আন্দোলনকারীরা। এমন পরিস্থিতিতে নিজেদের নিরাপদ রাখতে অধিকাংশ সাধারণ শিক্ষার্থী বাড়ির উদ্দেশে রওনা হচ্ছেন।

 

 

হল খালি করার এ সিদ্ধান্তে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। আইন ও বিচার বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের এক শিক্ষার্থী জানান, হঠাৎ হল ছাড়ার এ সিদ্ধান্তে বিপাকে পড়েছেন তারা। সামনের মাসেই তাদের ফাইনাল পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পড়াশোনা বাদ দিয়ে তাদের এখন বাড়ির পথে রওনা দিতে হচ্ছে।

 

আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার পরে আন্দোলনে অনেক সাধারণ শিক্ষার্থীকে অংশ নিতে দেখা গেছে। এ কারণে তারাও ক্যাম্পাসে অবস্থানের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

 

 

তবে আন্দোলনকারীরা হল খালি করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। তারা তাদের আন্দোলন অব্যাহত রাখতে প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত মানতে নারাজ।

 

 

তারা বলছেন, উপাচার্যের অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। এর আগে তারা ক্যাম্পাস ছেড়ে যাবেন না।

 

এদিকে হল ছাড়ার এ সিদ্ধান্তে সাড়া দেয়নি জাবি ছাত্রলীগ। সাধারণ শিক্ষার্থীরা হল ছাড়তে শুরু করলেও আন্দোলনকারীদের সঙ্গে তারাও ক্যাম্পাসে থাকছেন।

জাবিতে আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করেন সমবেত বিশিষ্টজনেরা
                                  

জাবি প্রতিনিধি

 

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যবিরোধী আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করতে সমবেত হচ্ছেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকসহ বিশিষ্টজনেরা। আজ বুধবার সকাল থেকে তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আসা শুরু করেন। এরপর বিক্ষোভ মিছিল থেকে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানা গেছে।

 

এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে আন্দোলনকারীদের পক্ষে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক শোভন রহমান বলেন, আজ সকাল পৌনে ১০টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন কলা ভবনসংলগ্ন মুরাদ চত্বরে আসতে শুরু করেন বিশিষ্টজনেরা। তবে সংহতি সমাবেশে যোগ দেওয়ার আগে আন্দোলনকারীরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে মিছিল করবেন। তিনি বলেন, উপাচার্য অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত এ আন্দোলন চলবে।

 

 

আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের ঘোষণা মানছেন না শিক্ষার্থীরা। গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত ছেলেদের আটটি হলের বেশির ভাগ শিক্ষার্থী হল ছেড়ে যাননি। রাতে ছাত্রীরাও হলের তালা ভেঙে বাইরে বেরিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশে যোগ দিয়েছেন।

 

আন্দোলনরত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের হামলার পর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা ও শিক্ষার্থীদের হলত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হলেও বেশির ভাগ শিক্ষার্থী তা মানেননি। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে পুঁজি করে শিবির নাশকতা ঘটাতে পারে—এ আশঙ্কায় গতকাল মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে হলত্যাগের নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ।

 

ছাত্রলীগের হামলা ও হঠাৎ করে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণার প্রতিবাদে বিকেল থেকে আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন চত্বরে বিক্ষোভ করেন। অন্যদিকে উপাচার্যপন্থী শিক্ষকেরা ও ছাত্রলীগ অবস্থান নেয় উপাচার্যের বাসভবনের সামনে।

 

রাত সাড়ে আটটার দিকে আন্দোলনকারী এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা মিছিল করে বিভিন্ন আবাসিক হলের সামনে যান। একপর্যায়ে আন্দোলনকারীদের মধ্য থেকে ছাত্রীরা হলের ফটকের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ছাত্রীদের বের হয়ে এসে আন্দোলনে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান। পরে এসব হলের ছাত্রীরাও আন্দোলনে যোগ দেন। তবে বন্ধ ঘোষণার পর অনেক ছাত্রী আগেই হল ত্যাগ করেন। পরে আন্দোলনকারীরা মিছিল নিয়ে উপাচার্যের বাসভবনের সামনের রাস্তায় অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন। তাঁরা বলছেন, উপাচার্যের বিদায় না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন চলবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটের দুজন সদস্য আবুল কালাম আজাদ ও শিহাবউদ্দিন খান আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশ করে বক্তব্য দেন।

 

গত সোমবার সন্ধ্যা থেকে আন্দোলনকারীরা উপাচার্য ফারজানা ইসলামের বাসভবন অবরুদ্ধ করে রেখেছিলেন। গতকাল সকালে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা হামলা চালিয়ে আন্দোলনকারীদের সেখান থেকে হটিয়ে দেন। এ হামলায় অন্তত ৭ জন শিক্ষকসহ ৩৫ জন আহত হন।

 

এ ঘটনার পর জরুরি সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুসারে বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। গতকাল বিকেল পাঁচটার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান বলেন, উপাচার্যবিরোধী আন্দোলনে শিবিরের যোগসাজশ আছে। এটার প্রমাণ প্রশাসনের কাছে আছে। শিবির যেকোনো সময় নাশকতা করতে পারে। তাই পরিস্থিতি শান্ত রাখতে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করে হলত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

হঠাৎ হলত্যাগের নির্দেশ পেয়ে বিপাকে পড়েন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। যাঁরা আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন না, হল ছাড়ার নির্দেশে তাঁরাও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। অনেক ছাত্রী বাসের টিকিট না পেয়ে দুর্ভোগে পড়েন। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

 

ছেলেরা অনেকে হল ছেড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের বিভিন্ন মেসে এবং স্বজনদের বাসায় গেলেও বেশির ভাগ হলে রয়ে গেছেন। বেশির ভাগ মেয়ে হল ছেড়ে গেছেন।

 

‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’-এর ব্যানারে প্রায় আড়াই মাস ধরে আন্দোলন করে আসছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের একটি অংশ। উপাচার্য ফারজানা ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্প থেকে ছাত্রলীগকে বড় অঙ্কের আর্থিক সুবিধা দিয়েছেন—এ অভিযোগ তদন্তের দাবিতে এ আন্দোলন শুরু হয়। গত ২ অক্টোবর শুরু হয় উপাচার্যের অপসারণের দাবিতে আন্দোলন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গত রোববার রাতে রাজধানীর হেয়ার রোডে শিক্ষামন্ত্রীর বাসভবনে আন্দোলনকারী শিক্ষক প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। এ বৈঠকের পরও শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। গতকাল সন্ধ্যা সাতটা থেকে উপাচার্যের বাসভবন অবরুদ্ধ করে রাখেন তাঁরা। গতকাল সকালেও তাঁদের এ কর্মসূচি চলছিল।

উপাচার্যের বাসভবন অবরোধের প্রতিবাদে গতকাল বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারসংলগ্ন সড়কে মানববন্ধন করেন উপাচার্যপন্থী শিক্ষকেরা। মানববন্ধন শেষে একটি মৌন মিছিল নিয়ে তাঁরা উপাচার্যের বাসভবনের সামনে যান। সেখানে আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে উপাচার্যপন্থী শিক্ষকদের কথা-কাটাকাটি হয়। উপাচার্যপন্থী শিক্ষকেরা উপাচার্যের বাসভবনে ঢোকার চেষ্টা করলে আন্দোলনকারীরা বাধা দেন।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এ ঘটনার ১০ মিনিটের মধ্যে পরিবহন চত্বর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল রানার নেতৃত্বে ছাত্রলীগের একটি মিছিল বের হয়। মিছিলটি উপাচার্যের বাসভবনের সামনে গিয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর চড়াও হয়। আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ‘শিবির’ অভিহিত করে মারধর করেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। সরকার ও রাজনীতি বিভাগের দুই ছাত্রীও মারধরের শিকার হন।

 

ছাত্রলীগকে ধন্যবাদ উপাচার্যের

ছাত্রলীগ হামলা করে আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দিয়ে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেয়। বেলা দেড়টার দিকে ছাত্রলীগ ও উপাচার্যের সমর্থক শিক্ষকদের নিয়ে উপাচার্য ফারজানা ইসলাম বাসা থেকে বের হন। এরপর তিনি পুরোনো প্রশাসনিক ভবনে তাঁর কার্যালয়ে যান। সেখানে কিছুক্ষণ অবস্থানের পর উপাচার্য নতুন প্রশাসনিক ভবনের কাউন্সিল কক্ষে যান।

নতুন প্রশাসনিক ভবনের কাউন্সিল কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘আন্দোলনকারীরা তিন মাস ধরে বিভিন্নভাবে বাধা দিচ্ছে। কোনো প্রমাণ ছাড়াই একটা মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে আমাকে অসম্মান ও অপদস্থ করেছে। আজকে গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে এ সংকটের মোকাবিলা করেছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। এ জন্য আমার সহকর্মী কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সব ছাত্রছাত্রী, বিশেষ করে ছাত্রলীগের প্রতি কৃতজ্ঞতা।’

 

এরপর কাউন্সিল কক্ষেই জরুরি সিন্ডিকেট সভা করেন উপাচার্য। সভা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ও সিন্ডিকেটের সদস্যসচিব রহিমা কানিজ বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের সিদ্ধান্তের কথা জানান। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার বরাবর ৩০০ পুলিশ সদস্য পাঠানোর আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল রানা। তিনি বলেন, উপাচার্যবিরোধী আন্দোলনে শিবিরের সংশ্লিষ্টতা আছে। তাঁরা বলার পরও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ফলে শিবির এ আন্দোলন করার সুযোগ পাচ্ছে। ছাত্রলীগের আন্দোলন শিবিরের বিরুদ্ধে। সাধারণ শিক্ষার্থী বা উপাচার্যবিরোধী আন্দোলনের প্রতি কোনো বিদ্বেষ নেই।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান বলেন, ঠিক হামলা নয়, ছাত্রলীগ মিছিল নিয়ে গেলে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে তাঁদের কথা-কাটাকাটি, ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেছে। বিশ্ববিদ্যালয় স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে গেলে এ বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হবে।

 

গতকাল ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, জাহাঙ্গীরনগরের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আছে, এর সর্বশেষ খবর প্রধানমন্ত্রী জানেন। কোনো ব্যবস্থা নিতে হলে তিনি খোঁজখবর নিয়ে নেবেন। সরকারপ্রধান এ ব্যাপারে খুব সজাগ। তিনি বিষয়টা পর্যবেক্ষণ করছেন, অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেবেন।

 
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা
                                  

স্টাফ রিপোর্টার

 

উপাচার্যকে অপসারণের দাবিতে আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ও সিন্ডিকেটের সদস্যসচিব রহিমা কানিজ এ তথ্য জানিয়েছেন। আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে চারটার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

আজই দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের মিছিল থেকে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ৩০ জন আহত হন। উপাচার্যের বাসভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।


কাল সন্ধ্যা সাতটা থেকে আন্দোলনকারী শিক্ষকেরা উপাচার্যের বাসভবন ঘেরাও করে রাখেন। যত দিন না উপাচার্যকে অপসারণ করা হবে, তত দিন অবরোধ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা। আজ বেলা ১১টায় আন্দোলনকারীরা যখন উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছিলেন, তখন উপাচার্যপন্থী শিক্ষকেরা সেখানে যান। তাঁরা আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের তুলে দিয়ে উপাচার্যের বাসভবনে ঢোকার চেষ্টা করেন। তবে আন্দোলনকারীদের বাধার মুখে তাঁরা উপাচার্যের বাসভবনে ঢুকতে পারেননি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, এর কিছুক্ষণ পর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের ব্যানারবাহী একটি মিছিল সেখানে আসে। ওই মিছিলে দুই শতাধিক নেতা-কর্মী ছিলেন। মিছিল থেকে উপাচার্যবিরোধী আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা হয়। মিছিলকারীরা উপাচার্যবিরোধী আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী-শিক্ষকদের সেখান থেকে হটিয়ে দেন। তারপরে তাঁরা ওই জায়গায় অবস্থান নেন। এরপর ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী ও তাঁর সমর্থক শিক্ষকদের নিয়ে উপাচার্য ফারজানা ইসলাম পুরোনো প্রশাসনিক ভবনে তাঁর নিজ কার্যালয়ে যান। সেখানে পাঁচ মিনিট থাকার পর তিনি নতুন প্রশাসনিক ভবনের কাউন্সিল কক্ষে যান। সেখানে তিনি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর কোনো হামলা হয়নি। ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা সুশৃঙ্খলভাবে আন্দোলনকারীদের আমার


উপাচার্য ফারজানা বলেন, ‘ছাত্রলীগ কর্মীরা গণ-অভ্যুত্থানের মতো করে অনৈতিক আন্দোলনকে সরিয়ে দিয়েছে। সে জন্য ছাত্রলীগের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।’

উপাচার্যের এই সংবাদ সম্মেলনের পরে কাউন্সিল কক্ষেই জরুরি সিন্ডিকেট সভা হয়। আর সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণার সিদ্ধান্ত হয়।

আজকের হামলার ঘটনায় এ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে ১২ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। অন্তত ২০ জনকে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

 

ঢাবি অধিভুক্ত সাত কলেজে ডিগ্রীর ফল বিপর্যয়: সুষ্ঠু সমাধানের দাবীতে মানববন্ধন
                                  

নিজস্ব সংবাদদাতা : ২০১৬ সালের ডিগ্রি পাস ও সার্টিফিকেট কোর্স (৩য় বর্ষ) পরীক্ষার ফল বিপর্যয়ে দ্রুত সুষ্ঠু সমাধানের দাবি জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধিভুক্ত কবি নজরুল সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) কবি নজরুল সরকারি কলেজের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে এ দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা জানান, ডিগ্রি ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা নানাভাবে অবহেলিত। কারণ ৩ বছরের কোর্স ৬ বছরেও শেষ হয়নি। ডিগ্রি তৃতীয় বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা শেষ হবার প্রায় ১ বছর পর ফল প্রকাশ হয়। প্রকাশিত ফলাফলে ৮০-৮৫ ভাগ শিক্ষার্থী ফেল করেছে। গণহারে এ ফেল কোনোভাবেই কাম্য নয়।

তারা বলেন, এ ফল বিপর্যয়ের বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেছি। কিন্তু কোনো সাড়া পাইনি। এমনিতেই সেশনজটে চাকরির বয়স পার হয়ে যাচ্ছে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি ফলাফল বিপর্যয়ে মানবিক দিক বিবেচনা করে শিক্ষার্থীদের মাস্টার্সে ভর্তির সুযোগ করে দিন।

একই সঙ্গে সেশনজটমুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা চালুর দাবি জানান তারা।

ফজলে রাব্বির সঞ্চালনায় মানববন্ধনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কবি নজরুল সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। মানববন্ধন শেষে কলেজের অধ্যক্ষ বরাবর একটি স্বারকলিপি জমা দেন শিক্ষার্থীরা।

 

জাবিতে আন্দোলনরতদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা
                                  

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের অপসারণ দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করেছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ ঘটনায় সাংবাদিকসহ অন্তত ৩৫ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

এর আগে সোমবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা থেকে উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের অপসারণের দাবিতে তার বাসভবন অবরুদ্ধ করেন আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। অপরদিকে আন্দোলনকারীদের ঘিরে চার স্তর বিশিষ্ট বহর তৈরি করে মুখোমুখি অবস্থান নেন উপাচার্যপন্থী শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

 
জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষায় বসেছে সাড়ে ২৬ লাখ শিক্ষার্থী
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০১৯ সালের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) এবং জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা শুরু হয়েছে।


শনিবার সকাল ১০টা থেকে সারাদেশের ২ হাজার ৯৮২টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা শুরু হয়। ২৯ হাজার ২৬২ প্রতিষ্ঠানের ২৬ লাখ ৬১ হাজার ৬৮২ জন শিক্ষার্থী জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।

২০১৮ সালে এই পরীক্ষায় মোট অংশ নিয়েছিল ২৬ লাখ ৭০ হাজার ৩৩৩ জন। গত বারের চেয়ে এবার পরীক্ষার্থী কমেছে ৮ হাজার ৬৫১ জন।

এর মধ্যে আটটি সাধারণ বোর্ডের অধীনে জেএসসিতে ২২ লাখ ৬০ হাজার ৭১৬ এবং মাদ্রাসা বোর্ডের জেডিসিতে চার লাখ ৯৬৬ জন।

প্রথম দিন জেএসসি শিক্ষার্থীরা বাংলা এবং জেডিসি শিক্ষার্থীরা কুরআন মাজীদ ও তাজবিদ বিষয়ের পরীক্ষা দেবে।

পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ১২ লাখ ২১ হাজার ৬৯৫ জন ছাত্র ও ১৪ লাখ ৩৯ হাজার ৯৮৭ জন ছাত্রী রয়েছে।

এছাড়া ২০১৯ সালের জেএসসি পরীক্ষায় অনিয়মিত ২ লাখ ৩৩ হাজার ৩১০ জন ও জেডিসি পরীক্ষায় ৩০ হাজার ২৯১ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে।

আগের বছরের পরীক্ষায় এক, দুই ও তিন বিষয়ে অকৃতকার্য জেএসসিতে দুই লাখ ১১ হাজার ৩৩২ জন ও জেডিসিতে ২১ হাজার ৯৭৮ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে।

এর বাইরে এছাড়া বিদেশের মোট ৯টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় বসছে ৪৫৪ জন শিক্ষার্থী।

পরীক্ষায় মোট সাতটি বিষয়ে ৬৫০ নম্বরের পরীক্ষা দিতে হবে। ইংরেজি ছাড়া সব বিষয়ের পরীক্ষা হবে সৃজনশীল প্রশ্নে।

শনিবার সকাল ৯টায় ঢাকার কেরানীগঞ্জের জিঞ্জিরা পিএম পাইলট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জেএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শন করেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

 
রাজনৈতিক নয়, শিক্ষাগত যোগ্যতায় হবে প্রাইমারি স্কুলের কমিটি
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক

>> সভাপতি পদে লাগবে স্নাতক পাস
>> দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেল কমিটির
>> আগামী সপ্তাহে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুল ম্যানেজিং কমিটিতে (এসএমসি) আমূল পরিবর্তন আনছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সভাপতিসহ ১১ সদস্যবিশিষ্ট এসএমসির দায়িত্ব ও কর্তব্য নির্ধারণ করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনের নীতিমালা চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, নীতিমালায় সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে সর্বনিম্ন স্নাতক (অনার্স) পাস নির্ধারণ করা হয়েছে। রাজনৈতিক বিবেচনায় মনোনীত বিদ্যোৎসাহী সদস্যদেরকেও এসএসসি পাস হতে হবে। তবে অভিভাবক প্রতিনিধিসহ অন্য ক্যাটাগরির সদ্যসদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়নি। তবে দেশের প্রত্যন্ত এলাকার স্কুলের এসএমসি গঠনে স্নাতক পাস সভাপতি পাওয়া নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। কারণ এসএমসির ১১ সদস্যের ভোটেই সভাপতি নির্বাচিত হবেন।

জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গুণগতমান নিশ্চিত করতে এসএমসিতে বড় পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। শিক্ষিত ও যোগ্য লোককে এ কমিটির প্রধান করা হবে। যে কারণে সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক নির্ধারণ করা হয়েছে। বিদ্যোৎসাহী সদস্য হতে হলেও এসএসসি পাস হতে হবে। অবশ্যই তাদের সন্তানকে স্কুলে পড়তে হবে। কারণ নিজের সন্তান স্কুলে না পড়লে প্রতিষ্ঠানের প্রতি তার দরদ থাকে না। স্কুলের প্রতি যাতে তার দরদ থাকে, স্কুলের উন্নয়নের কথা ভাবে, কেউ যেন স্কুল নিয়ে বাণিজ্য করতে না পারে, সেজন্য এসএমসি গঠনে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হচ্ছে।’

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তৈরি করা এ-সংক্রান্ত নতুন প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘১১ সদস্যবিশিষ্ট এসএমসি গঠিত হবে। তাতে স্কুলের প্রধান শিক্ষক বা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন। সংশ্লিষ্ট এলাকার এমপির সুপারিশে স্কুলে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের মধ্য থেকে একজন বিদ্যোৎসাহী নারী ও একজন পুরুষ সদস্য মনোনয়ন দেবেন প্রধান শিক্ষক। তবে তাদের অবশ্যই এসএসসি পাস হতে হবে। বিদ্যালয়ের জমিদাতা বা তাদের উত্তরাধিকারীদের মধ্য থেকে একজন সদস্য মনোনীত হবেন। জমিদাতারা নিজেরা প্রতিনিধি মনোনীত করতে না পারলে উপজেলা শিক্ষা কমিটি নির্ধারণ করে দেবে।

সংশ্লিষ্ট স্কুলের নিকটবর্তী সরকারি-বেসরকারি হাইস্কুলের একজন শিক্ষক কমিটির সদস্য মনোনীত হবেন। ওই হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক তা নির্ধারণ করে দেবেন। স্কুলের শিক্ষকদের মধ্য থেকে একজন শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন। শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের ভোটে দুজন নারী ও দুজন পুরুষ সদস্য নির্বাচিত হবেন। স্কুলটি ইউনিয়ন বা পৌরসভার যে ওয়ার্ডে অবস্থিত সেখানকার ইউপি সদস্য বা কাউন্সিলর পদাধিকার বলে সদস্য মনোনীত হবেন। এ ১১ জনের ভোটে সভাপতি ও সহ-সভাপতি নির্বাচিত হবেন। সভাপতিকে অবশ্যই স্নাতক ডিগ্রিধারী হতে হবে। একই স্কুলে টানা দুবারের বেশি কোনো ব্যক্তি সভাপতি হতে পারবেন না। কমিটির সদস্যরা সভাপতিকে লিখিতভাবে না জানিয়ে টানা তিনটি সভায় অনুপস্থিত থাকলে সদস্য পদ বাতিল হবে। কমিটির মেয়াদ হবে তিন বছর। কোনো কারণে নির্ধারিত সময়ে কমিটি গঠনে ব্যর্থ হলে ছয় মাসের জন্য অ্যাডহক কমিটি গঠন করতে হবে। অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হবেন সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা।


এ বিষয়ে কথা হয় বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজের সভাপতি এবং যশোর অভয়নগর উপজেলার আড়পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক তপন কুমার মণ্ডলের সঙ্গে। কমিটিতে সভাপতির স্নাতক পাস নিয়ে তিনি দ্বিমত পোষণ করেন। এতে করে অনেক স্কুলে সভাপতি নির্বাচন করা কঠিন হবে বলে তিনি মনে করেন। এর কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে গ্র্যাজুয়েটের সংখ্যা বাড়েনি। সভাপতি যিনি হন তাকে স্বচ্ছ ও উদার মানসিকতার শিক্ষাবান্ধব হতে হয়। দেখা গেল ডিগ্রি পাস না কিন্তু নীতি-নৈতিকতাসম্পন্ন ব্যক্তি এসএমসির সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। নীতিমালার শর্তের কারণে তিনি সভাপতি হতে পারবেন না।’

তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষকরা সভাপতি হতে পারবেন না। চারজন অভিভাবক প্রতিনিধি ও ইউপি সদস্য বা কাউন্সিলর অশিক্ষিত হতে পারেন। দুজন বিদ্যোৎসাহী সদস্যের শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি পাস নির্ধারণ করা হয়েছে। সে ক্ষেত্রে এসএমসি গঠন করাই তো সম্ভব হবে না।’

কমিটির দায়িত্ব ও কর্তব্য

প্রতি বছর মে, আগস্ট ও ডিসেম্বর মাসের ৩০ তারিখের মধ্যে স্কুল ব্যবস্থাপনা, শিক্ষার্থী উপস্থিতি ও শিক্ষকদের দায়িত্ব পালনের ওপর প্রতিবেদন উপজেলা বা থানা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে দিতে হবে এসএমসিকে। শিক্ষার্থীদের শারীরিক শাস্তি বন্ধ নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষার্থীদের সততা, নৈতিক শিক্ষা প্রদানে ভূমিকা রাখতে হবে। কমিটির সকল সদস্যকে প্রতি মাসের শেষ কর্মদিবসে ক্লাস শেষে অন্তত এক ঘণ্টা শিক্ষার্থীদের অভিযোগ ও সুপারিশ শুনতে হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উপজেলা শিক্ষা কমিটির কাছে প্রতিবেদন দিতে হবে।

কমিটি স্কুলের সার্বিক উন্নয়নে জনগণের কাছ থেকে জমি, ভবন, আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি, শিখন ও শেখানো সামগ্রী, শিক্ষা উপকরণ, নগদ অর্থ নিতে পারবে। দানকারীদের নাম প্রধান শিক্ষকের রুমের বোর্ডে প্রদর্শন করতে হবে। ভবন নির্মাণে স্কুলের খেলার মাঠ ও অন্যান্য স্থাপনা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে বিষয়ে উপজেলা বা থানা প্রকৌশলীর প্রত্যায়ন নিতে হবে।

স্কুলের উন্নয়ন পরিকল্পনা (এসএলআইপি) তৈরি

কমিটির সদস্যদের স্কুলের শিখন-শেখানো পরিবেশ সম্পর্কিত অবস্থা বিশ্লেষণ এবং সমস্যা চিহ্নিত করতে হবে। স্থানীয় জনগণের কাছ থেকে স্কুলের উন্নয়নে তহবিল সংগ্রহ করতে হবে। স্কুলের ক্যাচমেন্ট (আশপাশের নির্ধারিত এলাকা) এলাকার সকল শিশুকে স্কুলে ভর্তি ও গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করতে এসএমসিকে শিশু জরিপে সহায়তা করতে হবে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু চিহ্নিতকরণ ও ভর্তিসহ তাদের সহযোগিতা করতে হবে। তাদের চাহিদা কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। একীভূত শিক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রাপ্ত অর্থ সঠিকভাবে খরচ নিশ্চিত করতে হবে। এসএমসি সদস্যদের প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষাসামগ্রী ক্রয়সহ সার্বিক তদারকি করতে হবে। স্কুলের অবকাঠামো নির্মাণ ও সংস্কারে এসএমসি তিন লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ করতে পারবে। তবে উপজেলা শিক্ষা কমিটির অনুমোদন নিতে হবে। স্থানীয়দের অনুদানের মাধ্যমে নির্মাণকাজে এ শর্ত কার্যকর হবে না।

স্কুলের ক্যাচমেন্ট এলাকার প্রাথমিক স্তরে ঝরে পড়া শিশুদের শনাক্ত করতে হবে। তাদের দ্বিতীয় দফায় শিক্ষা কার্যক্রমে সুযোগ দিতে হবে। ঝরে পড়া শিশুর অভিভাবকদের দ্বিতীয়বার শিক্ষা চালিয়ে নিতে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। এ-সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনায় শিক্ষক নির্বাচনে সহায়তা দিতে হবে। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণে শিক্ষক যাচাই করবে এসএমসি। এছাড়া স্কুলে সকল প্রশিক্ষণ ও সাব ক্লাস্টারের কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তা করতে হবে। দুর্যোগকালীন সময়ে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষকদের সতর্ক এবং দুর্যোগকালীন প্রস্তুতি ও পরবর্তীতে করণীয় নির্ধারণ করবে এসএমসি।

এসএমসির ১১ সদস্যের মধ্যে শিক্ষক ছাড়া অন্যদের পর্যায়ক্রমে চারজনকে প্রতি মাসে অন্তত ছয়দিন স্কুলের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করতে হবে। এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন এসএমসির মাসিক সভায় উপস্থাপন করতে হবে। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিশুদের স্কুলে ভর্তি ও নিয়মিত উপস্থিত নিশ্চিত করতে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে তদারকি করতে হবে।

এসএমসি অনুমোদনের পরবর্তী তিন বছর দায়িত্ব পালন করবে। মেয়াদ শেষ হওয়ার ছয় মাস আগে প্রধান শিক্ষক পরবর্তী কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেবেন। সরকারি আদেশ অমান্য, দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ, আর্থিক অনিয়ম এবং যেকোনো শৃঙ্খলা পরিপন্থী কারণে এসএমসি বাতিল করে আইনি ব্যবস্থা নিতে পারবে সংশ্লিষ্ট এলাকার শিক্ষা কর্মকর্তা। এ প্রজ্ঞাপন জারির আগে গঠিত এসএমসি পূর্ণ মেয়াদ শেষ করতে পারবে। তবে প্রজ্ঞাপনটি পার্বত্য তিন জেলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

খুবিতে চলছে ১ম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষা
                                  

খুলনা প্রতিনিধি

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়েছে।


শনিবার (০২ নভেম্বর) সকাল ৮টায় এ পরীক্ষা শুরু হয়। বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এ বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটি ইউনিটের অধীন ৮টি স্কুলের অন্তর্ভুক্ত ২৯টি ডিসিপ্লিনে ১২১৭ আসনে (মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ও উপজাতি কোটাসহ) ভর্তির জন্য অনলাইনে ৩২ হাজার ৬শ ৩৬ জন আবেদন করেছেন। আসন প্রতি ভর্তিচ্ছু পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ২৭ জন।

ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের জন্য খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মূল কেন্দ্র ছাড়াও খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট), হোপ পলিটেকনিক এবং রেভারেন্ড পলস হাই স্কুল উপ-কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় মূল কেন্দ্রে ১ থেকে ৫১৮৪, কুয়েট উপ-কেন্দ্রে ৫১৮৫ থেকে ১২৫৩৩, হোপ পলিটেকনিক উপ-কেন্দ্রে ১২৫৩৪ থেকে ১৩২৫৮ এবং রেভারেন্ড পলস হাই স্কুল উপ-কেন্দ্রে ১৩২৫৯ থেকে ১৪৬২৩ পর্যন্ত রোল নম্বরধারীদের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত ‘সি’ ইউনিটের অধীন ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায় প্রশাসন স্কুলের ভর্তি পরীক্ষা কেবলমাত্র খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস মূলকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়।

সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ‘এ’ ইউনিটের অধীন বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা স্কুল এবং জীব বিজ্ঞান স্কুলের ভর্তি পরীক্ষা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মূল কেন্দ্র, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট), হোপ পলিটেকনিক এবং রেভারেন্ড পলস হাই স্কুল উপ-কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

দুপুর দেড়টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ‘বি’ ইউনিটের অধীন কলা ও মানবিক স্কুল, সামাজিক বিজ্ঞান স্কুল, আইন স্কুল এবং শিক্ষা স্কুলের ভর্তি পরীক্ষা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মূল কেন্দ্র এবং খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) উপ-কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।

বিকেল ৪টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত ‘ডি’ ইউনিটের অধীনে চারুকলা স্কুলের ভর্তি পরীক্ষা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মূল কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।

খুবির জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আতিয়ার রহমান বাংলানিউজকে এসব তথ্য জানান।

তিনি জানান, পরীক্ষা শুরুর পর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান পরীক্ষার হলগুলো পরিদর্শন করেন।

এদিকে ক্যাম্পাস ও ক্যাম্পাসের বাইরে আশপাশের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় অতিরিক্ত পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা, র‌্যাব ও সাদাপোশাকে নিরাপত্তা সদস্য এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনসিসি সদস্যরা নিয়োজিত রয়েছেন।

 
জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা শুরু
                                  

স্টাফ রিপোর্টার

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে শুরু হওয়া জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ২ লাখ ৮ হাজার ৯৮৮ জন শিক্ষার্থী। ১ হাজার ২৭৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা শনিবার (২ নভেম্বর) সকাল ১০টায় বাংলা পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। এ পরীক্ষা শেষ হবে সোমবার (১১ নভেম্বর)।


চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ মাহবুব হাসান জানান, ২৩১টি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে জেএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কেন্দ্র পরিদর্শনে আছে ১০টি পরিদর্শক দল। এ বছর পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রের তুলনায় ছাত্রীর সংখ্যা বেশি। ছাত্র ৯২ হাজার ৫৫৯ জন, ছাত্রী ১ লাখ ১৬ হাজার ৪২৯ জন। অনিয়মিত পরীক্ষার্থী ২৭ হাজার ৭৫৩ জন। এছাড়া ১১ জন পরীক্ষার্থী মানউন্নয়ন পরীক্ষা দিচ্ছে।

ছবি: উজ্জ্বল ধরশিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী পরীক্ষার্থীরা সাধারণ ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবে। প্রোগ্রামিং ক্যালকুলেটর ও মোবাইল ফোন ব্যবহার করা যাবে না। শুধুমাত্র কেন্দ্র সচিব একটি সাধারণ ফোন ব্যবহার করতে পারবেন।

নতুন নিয়মে ৭টি বিষয়ে চূড়ান্ত পরীক্ষা দিতে হবে। গত বছর থেকে এ নিয়ম চালু হয়। বাকি ৫টি বিষয়ে নিজ প্রতিষ্ঠানের মূল্যায়ন শিক্ষার্থীর নম্বর ফর্দে উল্লেখ থাকবে, যা ফলাফলে প্রভাব ফেলবে না। এর আগে ১২টি বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে হতো।

হিসেবে এ বছর চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড থেকে সর্বোচ্চ সংখ্যক পরীক্ষার্থী জেএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। গত বছর জেএসসি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৫ হাজার ৫৩৭ জন।

এবার পরীক্ষার্থীদের ৭টি বিষয়ে ৬৫০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। ইংরেজি ছাড়া সকল বিষয়ে সৃজনশীল প্রশ্নে পরীক্ষা দিতে হবে। শারীরিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, কর্ম ও জীবনমুখি শিক্ষা, চারু ও কারুকলা, কৃষি শিক্ষা, গার্হস্থ্য বিজ্ঞান, আরবি, সংস্কৃত, পালি বিষয়গুলো এনসিটিবির নির্দেশনা অনুসারে ধারাবাহিক মূল্যায়ন করা হয়েছে।

এদিকে একই সময়ে জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষাও শুরু হয়েছে শনিবার (২ নভেম্বর)। প্রথম দিন জেডিসির কোরআন মাজিদ ও তাজভিদ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

 
ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ, ফেল ৮৬.৭৪ শতাংশ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

এবারের ফলাফলে পাসের হার ১৩.২৬ শতাংশ। অকৃতকার্য হয়েছেন ৮৬.৭৪ শতাংশ।

মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি অফিসে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান ফলাফল ঘোষণা করেন।

এসময় সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম ও বিভিন্ন অনুষদের ডিন এবং শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

এবার ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় আসন সংখ্যা ১৫৬০ আসনের বিপরীতে আবেদনকারীর সংখ্যা ছিল ৯৭৫০৬ জন। পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী সংখ্যা ছিল ৮৪১১৭ জন।

লিখিত পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত (MCQ উত্তীর্ণ) ১২৬৬৭ এবং সমন্বিত পাসের সংখ্যা ১১১৫৮ জন (বিজ্ঞান ৮৪৮৫, ব্যবসায় শিক্ষা ২১০৪, মানবিক ৫৬৯ জন) পাসের হার ১৩.২৬ শতাংশ।

ভর্তি পরীক্ষায় প্রতি ছাত্র/ছাত্রী উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার রোল নম্বর, বোর্ডের নাম, পাসের সন এবং মাধ্যমিক পরীক্ষার রোল নম্বর এর মাধ্যমে admission.eis.du.ac.bd ওয়েবসাইট থেকে ফলাফল জানতে পারবেন।

এছাড়াও আবেদনকারীরা যে কোনো মোবাইল অপারেটর থেকে টাইপ করে DU GHA টাইপ করে 16321 নম্বরে সেন্ড করে ফিরতি SMS-এ ফল জানতে পারবে।

উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের আগামী ৩১ অক্টোবর ২০১৯ হতে ১৪ নভেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইটে বিস্তারিত ফরম ও বিষয়ের পছন্দক্রম ফরম পূরণ করতে হবে।

ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ বিভিন্ন কোটায় আবেদনকারীদের ৩ নভেম্বর থেকে ১৪ নভেম্বর মধ্যে সংশ্লিষ্ট ফরম অনুষদের ডিন অফিস থেকে সংগ্রহ করতে হবে এবং যথাযথভাবে ফরম পূরণ করে ওই সময়ের মধ্যে অফিসে জমা দিতে হবে।

ফল নিরীক্ষণের আবেদন ফলাফল নিরীক্ষণের জন্য ফি প্রদান সাপেক্ষে আগামী ১৬ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর থেকে ৬ নভেম্বর পর্যন্ত সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অফিসে আবেদন করা যাব।

 
জেএসসি ও জেডিসি: মোট পরীক্ষার্থী ২৬ লাখ ৬১ হাজার ৬৮২
                                  

ডেস্ক রিপাের্ট : চলতি বছরের ২ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) এবং জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা। এ বছর মোট ২৬ লাখ ৬১ হাজার ৬৮২ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে। গত বছর এ সংখা ছিল ২৬ লাখ ৭০ হাজার ৩৩৩ জন। এবার জেএসসিতে ২২ লাখ ৬০ হাজার ৭১৬ জন ও জেডিসিতে ৪ লাখ ৯৬৬ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণের কথা রয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা-২০১৯ সংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।

দীপু মনি বলেন, এবার সারাদেশে মোট ২৯ হাজার ২৬২টি পরীক্ষা কেন্দ্রে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। গত বছর ২৯ হাজার ৬৭৭টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এবার সারাদেশে মোট ২৬ লাখ ৬১ হাজার ৬৮২ জন শিক্ষার্থী জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। এর মধ্যে ১২ লাখ ২১ হাজার ৬৯৫ জন ছাত্র ও ১৪ লাখ ৩৯ হাজার ৯৮৭ জন ছাত্রী রয়েছে। ২০১৯ সালের জেএসডি পরীক্ষায় অনিয়মিত ২ লাখ ৩৩ হাজার ৩১০ জন ও জেডিসি পরীক্ষায় ৩০ হাজার ২৯১ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে।

বলা হয়, পরীক্ষায় এক, দুই ও তিন বিষয়ে অকৃতকার্য জেএসসিতে ২ লাখ ১১ হাজার ৩৩২ জন ও জেডিসিতে ২১ হাজার ৯৭৮ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। এছাড়া বিদেশি মোট ৯টি কেন্দ্রে ৪৫৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে।

পরীক্ষায় ৭টি বিষয়ে ৬৫০ নম্বরের পরীক্ষা দিতে হবে। ইংরেজি ছাড়া সকল বিষয়ে সৃজনশীল প্রশ্নে পরীক্ষা আয়োজন করা হবে। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। যদি কেউ এ সময়ের পরে আসে তবে তার কারণ ও যাবতীয় তথ্য লিখে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দিতে হবে। সেই তথ্য পরীক্ষা শেষে সংশ্লিষ্ট বোর্ডে পাঠাতে হবে।

 

   Page 1 of 15
     শিক্ষাঙ্গন
সংশোধিত প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির নীতিমালা জারি
.............................................................................................
ইডেন কলেজে এক নেত্রীকে কোপালেন আরেক নেত্রী
.............................................................................................
নিষেধাজ্ঞার দ্বিতীয় দিনেও জাবিতে বিক্ষোভ-সমাবেশ
.............................................................................................
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও পাবেন গৃহঋণ
.............................................................................................
হল থেকে বেরিয়ে বিক্ষোভে জাবি শিক্ষার্থীরা
.............................................................................................
আতঙ্ক নিয়ে হল ছাড়ছেন জাবি শিক্ষার্থীরা
.............................................................................................
জাবিতে আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করেন সমবেত বিশিষ্টজনেরা
.............................................................................................
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা
.............................................................................................
ঢাবি অধিভুক্ত সাত কলেজে ডিগ্রীর ফল বিপর্যয়: সুষ্ঠু সমাধানের দাবীতে মানববন্ধন
.............................................................................................
জাবিতে আন্দোলনরতদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা
.............................................................................................
জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষায় বসেছে সাড়ে ২৬ লাখ শিক্ষার্থী
.............................................................................................
রাজনৈতিক নয়, শিক্ষাগত যোগ্যতায় হবে প্রাইমারি স্কুলের কমিটি
.............................................................................................
খুবিতে চলছে ১ম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষা
.............................................................................................
জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা শুরু
.............................................................................................
ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ, ফেল ৮৬.৭৪ শতাংশ
.............................................................................................
জেএসসি ও জেডিসি: মোট পরীক্ষার্থী ২৬ লাখ ৬১ হাজার ৬৮২
.............................................................................................
বুয়েট ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
.............................................................................................
ঢাবির ‘ক’ ইউনিটে ৮৭ শতাংশই ফেল
.............................................................................................
বিকাল ৫টায় পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাবেন বুয়েটের শিক্ষার্থীরা
.............................................................................................
বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষা শুরু
.............................................................................................
ঢাবি ‘খ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ, ৭৬ শতাংশ ফেল
.............................................................................................
বুয়েট ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদকের কক্ষ সিলগালা
.............................................................................................
আন্দোলন শিথিল, বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষা ১৪ অক্টোবর
.............................................................................................
উপাচার্য চাইলে ৫ দফা দাবি এক ঘণ্টাতেই পূরণ সম্ভব
.............................................................................................
ঢাবি ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ রোববার
.............................................................................................
৫ দফা পূরণ না হওয়া পর্যন্ত বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত
.............................................................................................
বুয়েটে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ
.............................................................................................
মাস্টার্স পরীক্ষার পর ১৫ দিনের মধ্যে ছাড়তে হবে হল
.............................................................................................
পিস্তল দেখিয়ে হুমকি, ঢাবির হল থেকে আটক ২
.............................................................................................
১৪ অক্টোবরের ডিগ্রি পরীক্ষা স্থগিত
.............................................................................................
ঢাবিতে আবরারের গায়েবানা জানাজা
.............................................................................................
আবরার হত্যা : বিক্ষোভে উত্তাল ঢাবি
.............................................................................................
বুয়েটের হলে ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
.............................................................................................
ঢাবির ‘গ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ
.............................................................................................
বশেমুরবিপ্রবি’র আরেক সহকারী প্রক্টরের পদত্যাগ
.............................................................................................
গোপালগঞ্জে ভিসির পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চলছে
.............................................................................................
ঢাবিতে ছাত্রদলের ওপর ছাত্রলীগের হামলা
.............................................................................................
ডেন্টালে ভর্তি পরীক্ষা ১ নভেম্বর
.............................................................................................
৫ম দিনের মতো বশেমুরবিপ্রবিতে আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা
.............................................................................................
বশেমুরবিপ্রবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, আহত ২০
.............................................................................................
আন্দোলনের মুখে বশেমুরবিপ্রবি বন্ধ ঘোষণা
.............................................................................................
ভিসির পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল বশেমুরবিপ্রবি
.............................................................................................
ঢাবিতে ডিনের কার্যালয় ঘেরাও নিয়ে উত্তেজনা
.............................................................................................
জাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো প্রশাসনিক ভবন অবরোধ
.............................................................................................
এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ
.............................................................................................
মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা ৪ অক্টোবর
.............................................................................................
ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি: ঢাবির ৬৯ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার
.............................................................................................
ডেঙ্গুতে ঢাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু
.............................................................................................
অনির্দিষ্টকাল ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা ঢাবি শিক্ষার্থীদের
.............................................................................................
অধিভুক্তি সাত কলেজ বাতিলের দাবিতে ঢাবির ভবনে ভবনে তালা, ক্লাস বর্জন
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]