| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * বাংলাদেশের ভয়াবহ ১১ ট্রেন দুর্ঘটনা   * মায়ের জন্য সুপাত্র চান ছেলে   * সৌদিতে লাইভ শো চলাকালে ৩ জনকে ছুরিকাঘাত   * পরীক্ষার চাপ কমাতে শিক্ষার্থীদের ‘কবরে শুয়ে থাকার’ পরামর্শ   * মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গাম্বিয়ার মামলা, স্বাগত জানিয়েছে কানাডা   * হাসপাতালে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার   * গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ইসলামিক জিহাদের কমান্ডার নিহত   * মেক্সিকোতে রাজনৈতিক আশ্রয় নিচ্ছেন বলিভিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট   * রাজস্থানে লেকের ধারে হাজার হাজার পাখির মৃত্যু   * ৩১ বছর পরেও দর্শক মাতাচ্ছেন সেই মাধুরী  

   খেলাধুলা -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
গোলাপি বলে অনুশীলন করছে ভারত, বাংলাদেশের কী খবর ?

স্পোর্টস ডেস্ক

রোববার রাতে নাগপুরে শেষ হয়েছে বাংলাদেশ-ভারত টি-টোয়েন্টি সিরিজ। ওই ম্যাচ শেষ হওয়ার দু’দিন আগেই নাড়পুরে গিয়ে পৌঁছান বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মুমিনুল হকসহ টেস্ট স্পেশালিস্ট ৮ জন ক্রিকেটার। তারাসহ গতকাল সোমবার নাগপুর থেকে ইন্দোরে উড়ে গেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। আজই হয়তো সাদা পোশাকের ক্রিকেটের জন্য অনুশীলন শুরু করবে টাইগার ক্রিকেটাররা।

অন্যদিকে, টি-টোয়েন্টির কারণে ব্যস্ততা থাকলেও ভারতের টেস্ট দলের ক্রিকেটাররা কিন্তু আরও দুইদিন আগে থেকেই মাঠে নেমে পড়েছেন। ব্যাঙ্গালুরুর ক্রিকেট অ্যাকাডেমি মাঠে টেস্ট দলের বাকি ক্রিকেটাররা (টি-টোয়েন্টির বাইরে থাকা) যেন-তেনভাবে কিন্তু প্রস্তুতি নিচ্ছেন না।

গোলাপি বলে খেলে যাওয়ার চেষ্টা করছেন তারা। প্রসঙ্গতঃ এর আগে ফ্লাডলাইটের আলোয় গোলাপি বলে খেলার অভিজ্ঞতা থাকলেও ভারতীয় ক্রিকেট দল নিজ দেশের মাটিতে এই অভিজ্ঞতা এখনও পর্যন্ত নেয়নি। যার ফলে ২২ নভেম্বর থেকে ইডেন গার্ডেন্সে শুরু হতে যাওয়া ম্যাচটিকে সামনে রেখে এখনই গোলাপি বলে অনুশীলন করে যাচ্ছে ভারতীয় ক্রিকেট দল।

তার আগেই কিন্তু ইন্দোরে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে সিরিজের প্রথম টেস্ট। বাংলাদেশ ক্রিকেট দল আজ এবং আগামীকাল অনুশীলনের সুযোগ পাচ্ছে। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ইন্দোর থেকেই যাত্রা শুরু হবে ভারতের।

অথচ আরো দুইদিন আগে থেকেই প্রস্তুতি শুরু করেছে টেস্টে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারত। ইডেন গার্ডেন্সে গোলাপি বল ব্যবহার করা হবে এসজি কোম্পানির। যে কারণে ভারতীয়দের জন্যও এটা হবে নতুন অভিজ্ঞতা। অনভিজ্ঞতাই যেন বড় সমস্যা হয়ে না দাঁড়ায়, সে জন্য আগে থেকেই এসজির গোলাপি বলে অনুশীলন করে যাচ্ছে ভারতীয়রা।

লাল বল আর গোলাপি বল- খেলার মাঠে কি ধরনের পার্থক্য তৈরি করবে? ভারতীয় টেস্ট দলের সিনিয়র সদস্য চেতেশ্বর পুজারা অবশ্য খুব বেশি যে সমস্যা হবে না- সেটাই বললেন। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় না, লাল বলের সঙ্গে গোলাপি বলের বিশেষ পার্থক্য হবে। আমি অবশ্য এস জির গোলাপি বলে খেলিনি। তাই জোর দিয়ে কিছু বলছি না। তবে মনে হয় না, লাল এসজি বলের সঙ্গে গোলাপি এসজি বলের বিশেষ পার্থক্য হবে। ভারতে এখন এসজি বলের মান অনেক ভাল হয়েছে।’


২০১৬ মৌসুমে, দলিপ ট্রফি গোলাপি বলে খেলা হয়েছিল। যেখানে দুটি সেঞ্চুরিসহ সবচেয়ে বেশি রান করেছিলেন পুজারাই (৪৫৩)। এর মধ্যে ছিল অপরাজিত ২৫৬ রানের ইনিংসও; কিন্তু সেই প্রতিযোগিতামূলক খেলা হয়েছিল কোকাবুরা বলে।

ভারতে ঘরোয়া ক্রিকেটে এখন পর্যন্ত কোকাবুরার গোলাপি বলই ব্যবহার করা হয়েছে। যদিও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে টেস্ট খেলা হবে এসজি বলে। পুজারা মনে করেন, দিবা-রাত্রির টেস্টে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জটা হতে পারে সন্ধ্যার সময় গোলাপি বলে ব্যাট করা।

এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘মাঝে মাঝে ঠিক সন্ধ্যা হওয়ার সময় গোলাপি বলে ব্যাট করাটা সমস্যার হয়ে যায়।’ কী করলে সেই সমস্যা থেকে বের হয়ে আসা সম্ভব, তাও বলেছেন পুজারা। তার মন্তব্য, ‘ঠিক ওই সময়টা (সন্ধ্যা) গোলাপি বলে ব্যাটিং অনুশীলন করতে হবে। কয়েকবার ওই ভাবে অনুশীলন করতে পারলে ম্যাচে মনে হয় সমস্যায় পড়তে হবে না। আমি এখন সুযোগ পেলেই গোলাপি বলে অনুশীলন করে যাব।’

বিসিসিআই সূত্র ভারতীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, ইন্দোরেই ক্রিকেটারদের কাছে গোলাপি বল পৌঁছে দেবে তারা। যদিও এখানে ম্যাচ হবে শুধু দিনের আলোয়। তবুও অনুশীলনের সুবিধার্থে গোলাপি বল পাচ্ছে ক্রিকেটাররা। এর অর্থ মুমিনুল হকরাও গোলাপি বলে অনুশীলনের সুযোগ পাচ্ছেন ইন্দোরেই। কিন্তু কবে তারা গোলাপি বলে অনুশীলন শুরু করবে?

চেতেশ্বর পুজারা, মোহাম্মদ শামিরা অবশ্য আগে থেকেই ইন্দোরে অনুশীলন শুরু করে দিয়েছেন। ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের মধ্যে পুজারাই বেশি অভিজ্ঞ গোলাপি বলে খেলার ব্যাপারে। ঘরোয়া ক্রিকেটে গোলাপি বলে খেলে সফল হয়েছেন। এতে কি টেস্টে সুবিধে হবে?

পুজারার জবাব, ‘আমি বছর তিনেক আগে গোলাপি বলে খেলেছি। অনেক দিন আগের কথা। এটাকে বাড়তি সুবিধা বলে ধরা যাবে না। তবে এটা বলব, অভিজ্ঞতাটা আমার কাজে লাগবে। গোলাপি বলে খেলার ফলে একটা ধারণা করা যাবে, টেস্টে কী হতে পারে।’

 
গোলাপি বলে অনুশীলন করছে ভারত, বাংলাদেশের কী খবর ?
                                  

স্পোর্টস ডেস্ক

রোববার রাতে নাগপুরে শেষ হয়েছে বাংলাদেশ-ভারত টি-টোয়েন্টি সিরিজ। ওই ম্যাচ শেষ হওয়ার দু’দিন আগেই নাড়পুরে গিয়ে পৌঁছান বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মুমিনুল হকসহ টেস্ট স্পেশালিস্ট ৮ জন ক্রিকেটার। তারাসহ গতকাল সোমবার নাগপুর থেকে ইন্দোরে উড়ে গেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। আজই হয়তো সাদা পোশাকের ক্রিকেটের জন্য অনুশীলন শুরু করবে টাইগার ক্রিকেটাররা।

অন্যদিকে, টি-টোয়েন্টির কারণে ব্যস্ততা থাকলেও ভারতের টেস্ট দলের ক্রিকেটাররা কিন্তু আরও দুইদিন আগে থেকেই মাঠে নেমে পড়েছেন। ব্যাঙ্গালুরুর ক্রিকেট অ্যাকাডেমি মাঠে টেস্ট দলের বাকি ক্রিকেটাররা (টি-টোয়েন্টির বাইরে থাকা) যেন-তেনভাবে কিন্তু প্রস্তুতি নিচ্ছেন না।

গোলাপি বলে খেলে যাওয়ার চেষ্টা করছেন তারা। প্রসঙ্গতঃ এর আগে ফ্লাডলাইটের আলোয় গোলাপি বলে খেলার অভিজ্ঞতা থাকলেও ভারতীয় ক্রিকেট দল নিজ দেশের মাটিতে এই অভিজ্ঞতা এখনও পর্যন্ত নেয়নি। যার ফলে ২২ নভেম্বর থেকে ইডেন গার্ডেন্সে শুরু হতে যাওয়া ম্যাচটিকে সামনে রেখে এখনই গোলাপি বলে অনুশীলন করে যাচ্ছে ভারতীয় ক্রিকেট দল।

তার আগেই কিন্তু ইন্দোরে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে সিরিজের প্রথম টেস্ট। বাংলাদেশ ক্রিকেট দল আজ এবং আগামীকাল অনুশীলনের সুযোগ পাচ্ছে। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ইন্দোর থেকেই যাত্রা শুরু হবে ভারতের।

অথচ আরো দুইদিন আগে থেকেই প্রস্তুতি শুরু করেছে টেস্টে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারত। ইডেন গার্ডেন্সে গোলাপি বল ব্যবহার করা হবে এসজি কোম্পানির। যে কারণে ভারতীয়দের জন্যও এটা হবে নতুন অভিজ্ঞতা। অনভিজ্ঞতাই যেন বড় সমস্যা হয়ে না দাঁড়ায়, সে জন্য আগে থেকেই এসজির গোলাপি বলে অনুশীলন করে যাচ্ছে ভারতীয়রা।

লাল বল আর গোলাপি বল- খেলার মাঠে কি ধরনের পার্থক্য তৈরি করবে? ভারতীয় টেস্ট দলের সিনিয়র সদস্য চেতেশ্বর পুজারা অবশ্য খুব বেশি যে সমস্যা হবে না- সেটাই বললেন। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় না, লাল বলের সঙ্গে গোলাপি বলের বিশেষ পার্থক্য হবে। আমি অবশ্য এস জির গোলাপি বলে খেলিনি। তাই জোর দিয়ে কিছু বলছি না। তবে মনে হয় না, লাল এসজি বলের সঙ্গে গোলাপি এসজি বলের বিশেষ পার্থক্য হবে। ভারতে এখন এসজি বলের মান অনেক ভাল হয়েছে।’


২০১৬ মৌসুমে, দলিপ ট্রফি গোলাপি বলে খেলা হয়েছিল। যেখানে দুটি সেঞ্চুরিসহ সবচেয়ে বেশি রান করেছিলেন পুজারাই (৪৫৩)। এর মধ্যে ছিল অপরাজিত ২৫৬ রানের ইনিংসও; কিন্তু সেই প্রতিযোগিতামূলক খেলা হয়েছিল কোকাবুরা বলে।

ভারতে ঘরোয়া ক্রিকেটে এখন পর্যন্ত কোকাবুরার গোলাপি বলই ব্যবহার করা হয়েছে। যদিও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে টেস্ট খেলা হবে এসজি বলে। পুজারা মনে করেন, দিবা-রাত্রির টেস্টে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জটা হতে পারে সন্ধ্যার সময় গোলাপি বলে ব্যাট করা।

এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘মাঝে মাঝে ঠিক সন্ধ্যা হওয়ার সময় গোলাপি বলে ব্যাট করাটা সমস্যার হয়ে যায়।’ কী করলে সেই সমস্যা থেকে বের হয়ে আসা সম্ভব, তাও বলেছেন পুজারা। তার মন্তব্য, ‘ঠিক ওই সময়টা (সন্ধ্যা) গোলাপি বলে ব্যাটিং অনুশীলন করতে হবে। কয়েকবার ওই ভাবে অনুশীলন করতে পারলে ম্যাচে মনে হয় সমস্যায় পড়তে হবে না। আমি এখন সুযোগ পেলেই গোলাপি বলে অনুশীলন করে যাব।’

বিসিসিআই সূত্র ভারতীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, ইন্দোরেই ক্রিকেটারদের কাছে গোলাপি বল পৌঁছে দেবে তারা। যদিও এখানে ম্যাচ হবে শুধু দিনের আলোয়। তবুও অনুশীলনের সুবিধার্থে গোলাপি বল পাচ্ছে ক্রিকেটাররা। এর অর্থ মুমিনুল হকরাও গোলাপি বলে অনুশীলনের সুযোগ পাচ্ছেন ইন্দোরেই। কিন্তু কবে তারা গোলাপি বলে অনুশীলন শুরু করবে?

চেতেশ্বর পুজারা, মোহাম্মদ শামিরা অবশ্য আগে থেকেই ইন্দোরে অনুশীলন শুরু করে দিয়েছেন। ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের মধ্যে পুজারাই বেশি অভিজ্ঞ গোলাপি বলে খেলার ব্যাপারে। ঘরোয়া ক্রিকেটে গোলাপি বলে খেলে সফল হয়েছেন। এতে কি টেস্টে সুবিধে হবে?

পুজারার জবাব, ‘আমি বছর তিনেক আগে গোলাপি বলে খেলেছি। অনেক দিন আগের কথা। এটাকে বাড়তি সুবিধা বলে ধরা যাবে না। তবে এটা বলব, অভিজ্ঞতাটা আমার কাজে লাগবে। গোলাপি বলে খেলার ফলে একটা ধারণা করা যাবে, টেস্টে কী হতে পারে।’

 
মাঠ থেকে তুলে নেয়ায় দেশেই চলে গেলেন রোনালদো
                                  

স্পোর্টস ডেস্ক

এক ম্যাচে ঘটনাটা সীমাবদ্ধ থাকলে কথা ছিল। টানা দ্বিতীয় ম্যাচেও মাঝপথে এসে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে মাঠ থেকে তুলে নেন কোচ মাওরিসিও সারি। কিন্তু এসি মিলানের বিপক্ষে ম্যাচের ৫৫ মিনিটে মাঠ থেকে তুলে নেয়াটাকে ভালোভাবে মেনে নিতে পারেননি রোনালদো। যার ফলে দেখিয়েছেন ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া।

মাঠ থেকে যখন রোনালদোকে তুলে কোচ সারি নামান পাওলো দিবালাকে, তখন সিআর সেভেন ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করে সাইড বেঞ্চে না বসে সোজা চলে যান ড্রেসিং রুমে এবং সেখান থেকে সোজা বাসায়। সেখানেই সীমাবদ্ধ থাকলো না বিষয়টা। সিআর সেভেন সোজা উড়াল দিলেন নিজ দেশ পর্তুগালের উদ্দেশ্যে। সেখানে তিনি যোগ দিয়েছেন জাতীয় দলের ক্যাম্পে।

এর আগে চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও লোকোমোটিভ মস্কোর বিপক্ষে ম্যাচে রোনালদোকে মাঝপথে তুলে নেন কোচ সারি। তিনি মাঠে নামান পাওলো দিবালাকে। ম্যাচ শেষে সারি যদিও যুক্তি তুলে ধরে বলেন, ‘আমি অনুভব করেছি, রোনালদো বাঁ-পায়ের গোড়ালিতে একটু টান লেগেছে। এ কারণেই তাকে তুলে নিতে বাধ্য হয়েছি।’

লোকোমোটিভ মস্কোর বিপক্ষে রোনালদোকে তুলে নেয়ার পর ইনজুরি সময়ের গোলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে জুভেন্টাস। রোববার রাতেও ম্যাচের ৫৫ মিনিটে সিআর সেভেনকে তুলে মাঠে নামান পাওলো দিবালাকে। তার গোলেই শেষ পর্যন্ত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে জুভরা।


ম্যাচের ৫৫ মিনিটে রোনালদোকে যখন তুলে নিচ্ছেন কোচ সারি, তখন তাকে হাত ছুড়ে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায়। দিবালার সঙ্গে আলতো করে হাত মেলান মাঠ ছাড়ার সময়। এরপর কটমট দৃষ্টিতে সারির দিকে তাকিয়ে ছিলেন কিছুটা সময়। মুখও নড়তে দেখা যায় তার। তবে কিছু বলেছেন কি না শোনা যায়নি।


এরপরই রিজার্ভ বেঞ্চের দিকে না হেঁটে সোজা চলে যান টানেলে। সেই সময় জুভ সমর্থকরাও ব্যঙ্গ করে তাকে লক্ষ্য করে। ড্রেসিংরুমে গিয়ে ড্রেস চেঞ্জ করে গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে যান স্টেডিয়াম ছেড়ে। ম্যাচ শেষ হতে তখনও মিনিট তিনেক বাকি। এর মানে, দিবালা ৭৭ মিনিটে যে গোলটি করেছেন, তা না দেখলেও জেনে গিয়েছিলেন সিআরসেভেন। ইতালির স্কাই টিভি এই রিপোর্ট প্রকাশ করে।

এটুকুতেই শেষ নয়। চলতি সপ্তাহে বৃহস্পতিবার ও রবিবার পর্তুগালের ইউরো কোয়ালিফায়ারের ম্যাচ আছে। বৃহস্পতিবারের ম্যাচ পর্তুগালের ঘরের মাঠে লিথুয়ানিয়ার বিরুদ্ধে। সেই ম্যাচ খেলতে রোনাল্দো নাকি রোববার রাতেই তুরিন ছেড়ে পর্তুগালের দিকে পাড়ি দিয়েছেন।

রোনালদোর এই আচরণে বিরক্ত হয়ে তাকে তীব্র আক্রমণ করেছেন সাবেক ইংল্যান্ড ও রিয়াল মাদ্রিদ কোচ ফাবিও ক্যাপেলো। ইতালিয়ান এই কোচের বক্তব্য হচ্ছে, ‘ক্রিস্তিয়ানো অবশ্যই বড় চ্যাম্পিয়ন; কিন্তু গত তিন বছরে একজনকেও ড্রিবল করে বেরোতে পারেনি।’

সঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন, ‘এই মুহূর্তে রোনালেদো মোটেই ভালো ফর্মে নেই। তাই ওকে পরিবর্তন করা খুব স্বাভাবিক। এ জন্য সারিকে সাহসী হতে হবে না। ক্রিস্তিয়ানো যে কোচের সঙ্গে তর্ক করেছে, রিজার্ভে বেঞ্চে বসেনি, সেটা খুব খারাপ।’

 
বার্সেলোনা যেন একটি হাসপাতাল!
                                  

স্পোর্টস ডেস্ক

সেল্টা ভিগোর বিপক্ষে ম্যাচ শুরুর ২০ মিনিটের মধ্যেই পরিবর্তিত খেলোয়াড় মাঠে নামাতে বাধ্য হন বার্সেলোনা কোচ আর্নেস্তো ভালাভার্দে। গোড়ালির ইনজুরির কারণে মাঠ ছাড়েন নেলসন সেমেদো। তার পরিবর্তে মাঠে নামানো হয় সার্জিও বুস্কেটসকে।

নেলসন সেমেদোকে নিয়ে চলতি মৌসুমের মাত্র তিন মাস না যেতেই বার্সেলোনার ইনজুরিতে পড়া খেলোয়াড়ের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৩ জনে। এর অর্থ, বার্সেলোনার অর্ধেকেরও বেশি খেলোয়াড় ইনজুরিতে পড়লেন। আক্ষরিক অর্থে, বার্সেলোনা যেন এখন পুরোপুরি একটি হাসপাতাল।

ইনজুরিতে পড়া বার্সা ফুটবলারদের মধ্যে রয়েছেন মেসি, সুয়ারেজরাও। যদিও, তারা সেই ইনজুরি কাটিয়ে এখন মাঠে ফিরতে পেরেছেন। কাদেরকে ইনজুরিতে পড়ে মাঠের বাইরে যেতে হয়েছে, নিম্নে তাদের একটা তালিকা দেয়া হলো।

নেতো : ভ্যালেন্সিয়ার সাবেক এই ফুটবলার বার্সার হয়ে খেলতে নামার আগে প্রি-মৌসুমেই হাতের আঙ্গুল ভাঙেন। যে কারণে মৌসুমের শুরুতেই চারটি ম্যাচ মিস করেন তিনি।

সেমেদো : নেলসন সেমেদো হচ্ছে বার্সার ইনজুরি মিছিলের সর্বশেষ সদস্য। গোড়ালির ইনজুরিতে পড়ে সম্ভবত এক মাস তাকে মাঠের বাইরে থাকতে হচ্ছে।

 

তোদিবো : মাসল স্ট্রেইনের কারণে, মৌসুমের প্রথম তিন ম্যাচ মিস করেন তেহাদিবো। এরপর সেভিয়ার বিপক্ষে খেলতে নেমে আরও একবার ইনজুরিতে পড়েন তিনি।

উমতিতি : ফরাসি ফুটবলার স্যামুয়েল উমতিতি মৌসুমের শুরুতে ৭টি ম্যাচ মিস করেন। যতবারই তিনি ইনজুরি থেকে ফিরে আসেন, ততবারই আবার ইনজুরিতে পড়েন। কখনো মেটাটারসাল কিংবা কখনো হাঁটুর ইনজুরিতে পড়েন তিনি।

জর্দি আলবা : উরুর ইনজুরিতে পড়ে এই লেফট ব্যাক বেশ সমস্যায় ভুগছেন এই মৌসুমে। ঠিকমত খেলতেই নামতে পারছে না।

আর্থার মেলো : লেভান্তের বিপক্ষে হঠাৎ করেই মাঠের বাইরে চলে যেতে হয় তাকে। কোচ আর্নেস্তো ভালভার্দে পরে জানিয়ে দেন, এই বাইরে যাওয়া শুধুমাত্র ইনজুরির কারণে।

সার্জি রবের্তো : এইবারের বিপক্ষে বসিয়ে রাখতে হয় তাকে। এরপর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রাগের বিপক্ষে খেলতে পারেননি হাঁটুর লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়ার কারণে।

জুনিয়র ফিপরো : আরও একটি হাঁটুর লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়ার গল্প এখানে। যে কারণে ওসাসুনার বিপক্ষে ম্যাচে মাঠে নামতে পারেননি জুনিয়র ফিপরো। এরপর এক মাস পর আবারও মাসলে টান লাগে তার।


ডেম্বেলে : ফরাসি ফুটবলার উসমান ডেম্বেলেও পড়েছেন ইনজুরিতে। সান মামেসে বিতর্ক জন্ম দেয়ার পরই ৫ ম্যাচের জন্য বাইরে চলে যেতে হয় তাকে। মাসলে টান লাগার কারণে গেটাফের বিপক্ষেও মাঠে নামতে পারেননি তিনি।

মেসি : গোড়ালির ইনজুরির কারণে বার্সেলোনার প্রথম পাঁচটি ম্যাচই খেলতে পারেননি লিওনেল মেসি। এরপর ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে খেলেন মাত্র ৪৫ মিনিট।

সুয়ারেজ : পায়ের পাতায় আঘাত লাগার কারণে মাঠের বাইরে চলে যেতে হয় লুইস সুয়ারেজকেও। অ্যাথলেটিক বিলবাও এবং লেভান্তের বিপক্ষে মাঠে নামতে পারেননি তিনি। শেষ পর্যন্ত তিন ম্যাচ মিস করেন তিনি।

আনসু ফাতি : বার্সেলোনার ভবিষ্যৎ তারকা বলা হচ্ছে তাকে। সেই আনসু ফাতি মাঠে নামতে না নামতেই ইনজুরিতে। হাঁটুতে অসুবিধা হওয়ার কারণে গেটাফে এবং চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ইন্টার মিলানের বিপক্ষে খেলতে নামতে পারেননি তিনি।

চার্লস পেরেজ : স্পেন অনুর্ধ্ব-২১ ফুটবল দলের হয়ে খেলার সময় মাসল ফুলে ওঠার কারণে বার্সেলোনার হয়ে কয়েকটি ম্যাচ মিস করেন তরুণ ফুটবলার চার্লস পেরেজ।

 
ইডেনের ইনডোর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
                                  

স্পোর্টস ডেস্ক       

ইডেন গার্ডেন্স টেস্টকে স্মরণীয় করে রাখতে আর কি কি আয়োজনের বাকি রাখবেন বিসিসিআইয়ের নতুন সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি! ইডেন গার্ডেন্স টেস্টকে ঘণ্টা বাজিয়ে উদ্বোধন করার জন্য ইতোমধ্যেই তিনি আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। তার সঙ্গে থাকবেন পশ্চিম বঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যয়।

 

প্রধানমন্ত্রীর জন্য কি কি উপহার থাকছে- ইতোমধ্যেই বেশ কয়েকটি নিউজে সেটা জানানো হয়েছে পাঠকদের। শুধু তাই নয়, ৫০ পদের রাজকীয় ভোজেরও আয়োজন করা হচ্ছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জন্য।

 

তবে আরও একটি বিশেষ সম্মানে ভূষিত হবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার হাত দিয়েই উদ্বোধন হবে ইডেন গার্ডেন্সের নতুন ইনডোর স্টেডিয়াম। যাকে তুলনা করা হচ্ছে লর্ডস-মেলবোর্নের চেয়েও আধুনিক ইনডোর হিসেবে। কলকাতার এই সময় পত্রিকা তো বলেই দিয়েছে, ‘ইডেনের নয়া ইনডোর। যেন আলাদিনের সেই দৈত্য জাদু নিয়ে হাজির ইডেন উদ্যানে।’

 

ইডেন গার্ডেন্সের ইনডোরে কি থাকছে যে এটা এত আধুনিক? এই সময় তাদের রিপোর্টে বলে দিয়েছে সেগুলো, ‘পাশাপাশি চারটি নেটে করা যাবে ব্যাট। থাকবে ভুল-ত্রুটি দেখে নেওয়ার জন্য স্মার্ট লেন। প্রত্যেক নেটের সঙ্গে থাকবে কম্পিউটার স্ক্রিন। যেখানে একজন বোলার বা ব্যাটসম্যান একটা শট বা ডেলিভারি করেই এসে দেখে নিতে পারবেন, কোথায় কী ভুল-ঠিক হল। আর আধুনিক ম্যাটের উইকেট তো আছেই। আর আছে একাধিক বোলিং মেশিন। সেটাও অত্যন্ত আধুনিক। যা চলে এসেছে। শুধু প্যাকেট খোলা হয়নি।’

 

এই হলো ইডেন গার্ডেন্সের আধুনিক ইনডোরের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা। এই ইনডোর স্টেডিয়ামটিই ২২ নভেম্বর উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপরই তিনি ইডেন গার্ডেন্সের ভিভিআইপি লাউঞ্জে যাবেন বাংলাদেশ-ভারত দিবা-রাত্রির টেস্ট উদ্বোধনের জন্য।

 

এই সময় তাদের রিপোর্টে জানিয়েছে, ‘সোমবার সন্ধ্যায় সেখানেই (ইনডোরে) পা রেখে একের পর এক চমকে দেওয়ার মতো রসদ পাওয়া গেল। ইনডোরে ঢোকার আগে ঠিক পাশেই তৈরি হচ্ছে বিশান কনফারেন্স রুম। যার আয়তন প্রায় চার হাজার স্কয়ার ফিট। এখন থেকে ক্রিকেটারদের মিটিং হোক বা বড় কোনও মিডিয়া কনফারেন্স, সবই হবে এখানে।’

 
মহারণে ম্যানসিটিকে বিধ্বস্ত করল লিভারপুল
                                  

স্পোর্টস ডেস্ক


অনেকেই বলেছিল এই ম্যাচ দিয়েই হয়তো এবারের ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা নিষ্পত্তি হয়ে যাবে। মৌসুম শেষ হতে এখনও অনেক বাকি। এখনই শিরোপা নিষ্পত্তির কোনো প্রশ্ন উঠার কথা নয়। কিন্তু ১২ ম্যাচ না যেতেই দ্বিতীয় স্থানে থাকা লেস্টার সিটির সঙ্গে ৮ পয়েন্টের ব্যবধান তৈরি করে ফেলেছে লিভারপুল।

অ্যানফিল্ডে আজ ছিল মহারণ। কারণ ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে এখন যে দুটি দলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়, সে দুটি দল হচ্ছে লিভারপুল এবং ম্যানসিটি। অ্যানফিল্ডে আজ মুখোমুখি হলো এই দুটি দলই। সারা বিশ্বের ফুটবল প্রেমীদের চোখ নিবদ্ধ ছিল এনফিল্ডে। লিভারপুল এবং ম্যানসিটির মধ্যে ম্যাচটার ফল কী হয়, সেদিকেই নজর ছিল সবার।

নিজেদের মাঠে ম্যানসিটিকে বেশ ভালই আতিথেয়তা দিয়েছে লিভারপুল। পেপ গার্দিওলার শিষ্যদের ৩-১ গোলে বিধ্বস্ত করেছে স্বাগতিক লিভারপুল। অল রেডদের হয়ে গোল তিনটি করেন ব্রাজিলিয়ান ফ্যাবিনহো, মিশরের মোহামেদ সালাহ এবং সেনেগালের সাদিও মানে। ম্যানসিটির হয়ে একটি গোল শোধ করেন বার্নার্দো সিলভা। একইসঙ্গে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে এখনো পর্যন্ত অপরাজিতই থাকলো লিভারপুল। ১২ ম্যাচের মধ্যে একটিতে শুধু ড্র করতে হয়েছে তাদেরকে।

এই জয়ের মধ্য দিয়ে ১২ ম্যাচ শেষে লিভারপুলের পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে ৩৪ দ্বিতীয় স্থানে থাকা লেস্টার সিটির পয়েন্ট সমান সংখ্যক ম্যাচে ২৬। ২৫ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে চেলসি। ম্যানসিটিরও পয়েন্ট ২৫। তবে গোল ব্যবধানে পিছিয়ে রয়েছে তারা।

শুরুতেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় লিভারপুল। খেলার শুরুতেই গোল করে বসে তারা। খেলা শুরুর ছয় মিনিটের মাথায় গোল করেন ব্রাজিলের ফ্যাবিনহো। ইলকায় গুণ্ডোগান একটি বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে দিয়ে দেন ফ্যাবিনহোর পায়ে। বল পেয়েই ক্লদিও ব্রাভোকে বোকা বানান ফ্যাবিনহো।

১৩ মিনিটের মাথায় আরো একবার এগিয়ে যায় লিভারপুল। অ্যান্ডি রবার্টসনের ক্রস থেকে বল পেয়ে দুর্দান্ত এক হেডে খুব কাছ থেকে গোল করেন মোহামেদ সালাহ।


দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আবারো এগিয়ে যায় লিভারপুল। তবে এবার সাদিও মানের গোলটা ছিল দেখার মত। ডান উইং থেকে জর্ডান হেন্ডারসনের দারুণ এক ক্রস থেকে ভেসে আসা বলে ফ্লাইং হেড করেন সাদিও মানে।

৩-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর জলে উঠে ম্যানসিটি। লিভারপুলের পোস্টে একের পর এক আক্রমণের পসরা সাজিয়ে তোলে তারা। তবে দুর্ভাগ্য গার্দিওলার শিষ্যদের। কারণ দুটি নিশ্চিত পেনাল্টি তাদেরকে দেয়নি রেফারি। ডি বক্সের মধ্যে লিভারপুল ডিফেন্ডারদের হাতে বল লাগার পরও রেফারি ভিএআর-এর সাহায্য নেননি। অথচ টিভি রিপ্লেতে দেখা গেছে লিভারপুল ডিফেন্ডারদের হাতে বল লেগেছিল। এছাড়া বেশ কয়েকটি সহজ গোলের সুযোগ মিস করেছে ম্যানসিটি স্ট্রাইকাররা।

তবে ম্যাচের ৭৮ মিনিটে দারুণ এক ক্রস থেকে দুর্দান্ত এক শটে লিভারপুলের জালে বল জড়ান বার্নার্দো সিলভা। শেষ পর্যন্ত ওই ৩-১ গোলের ব্যবধানেই ম্যাচ শেষ করে মাঠ ছাড়ে দুই দল।

 
দিবালার গোলে এসি মিলানকে হারাল জুভেন্টাস
                                  

স্পোর্টস ডেস্ক

সপ্তাহ দুয়েক আগে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে দুই মিনিটের জাদুতে জুভেন্টাসকে দারুণ এক জয় এনে দিয়েছিলেন আর্জেন্টাইন তারকা খেলোয়াড় পাওলো দিবালা। সে স্মৃতি উজ্জ্বল থাকতেই ফের দলের জয়ের নায়ক হলেন তিনি।

এবার টুর্নামেন্টটি ঘরোয়া সিরি `আ`। তবে প্রতিপক্ষ শক্তিশালী এসি মিলান। লিগ শিরোপার দৌড়ে যে কয়টি দল পারে জুভেন্টাসকে রুখতে, তার মধ্যে অন্যতম এসি মিলান।

 

মাঠের খেলায়ও এর প্রমাণ দিয়েছে মিলানের ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটি। তাদের হারাতে রীতিমতো ঘাম ছুটেছে মাউরিসিও সারির শিষ্যদের। বদলি খেলোয়াড় হিসেবে নেমে ম্যাচের একমাত্র গোল করে দলকে জিতিয়েছেন দিবালা।

পুরো ম্যাচ জুড়েই ছিলো দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা। গোলের উদ্দেশ্যে সমান ১৩টি করে শট নেয় দুই দলই। কিন্তু মিলান লক্ষ্যে রাখতে পারে মাত্র ৩টি, যার একটিও পায়নি জালের ঠিকানা। অন্যদিকে জুভেন্টাসের ৫টি লক্ষ্য বরাবর শটের মধ্যে গোলে পরিণত হয় একটি।

 

ম্যাচের শুরু থেকে খানিক ছন্নছাড়া ফুটবল খেলতে থাকে দুই দল। তবে গুছিয়ে ওঠে সময়ের সঙ্গে। প্রথমার্ধে বেশ কিছু সুযোগও তৈরি করে ফেলে মিলান। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি একটিও।


দ্বিতীয়ার্ধে খেলতে নেমে ম্যাচের ৫৫ মিনিটের মাথায় হুট করেই দলের সবচেয়ে বড় তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে উঠিয়ে নেন জুভেন্টাস কোচ। তার জায়গায় নামানো হয় পাওলো দিবালাকে।

মাঠে নেমেই দলকে এগিয়ে দেয়ার প্রচেষ্টা চালান দিবালা। কিন্তু তার জোরালো শটটি আঘাত হানে সাইড নেটে। তবে ৭৭ মিনিটের মাথায় আর কোনো ভুল হয়নি।

স্বদেশি ফরোয়ার্ড গনজালো হিগুয়াইনের কাছ থেকে বল পেয়ে আলতো টোকায় ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন দিবালা। পরে কোনাকুনি এক শটে ম্যাচের জয়সূচক গোলটি করেন এ তরুণ তারকা।

এ জয়ের পর ১২ ম্যাচে ১০ জয় ও ২ ড্রতে ৩২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধার করেছে জুভেন্টাস। সমান ম্যাচে ৩১ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ইন্টার মিলান। আর ১২ ম্যাচে ৭ পরাজয় দেখা এসি মিলানের অবস্থান ১৪তম।

 
সিরিজ শেষে বাংলাদেশের তৃপ্তি-অতৃপ্তি
                                  

 স্পোর্টস ডেস্ক

 

ভারত সফরে যাওয়ার আগে কেউ যদি বলতো বাংলাদেশ দল টি-টোয়েন্টি সিরিজটি হারবে ২-১ ব্যবধানে, তা হলে যে কেউ এটিকে মেনে নিতো দারুণ ফল হিসেবে। কেননা ভারতের বিপক্ষে এর আগে কখনো টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জেতেনি বাংলাদেশ। তার ওপর সাম্প্রতিক অস্থির অবস্থা কাটিয়ে একটি জয় তখন পরিস্থিতি বিবেচনায় টাইগারদের জন্য অনেক কিছু।

 

কিন্তু রোববার সিরিজের শেষ ম্যাচের পর সেই ২-১ ব্যবধানে সিরিজ হারের পর সকলের মনে শুধুই আক্ষেপ আর সুযোগ হাতছাড়া করার আক্ষেপ। কেননা শেষ ম্যাচটি জিতে সিরিজ নিজেদের করে নেয়ার সহজ সুযোগ হেলায় হারিয়েছে বাংলাদেশ। নাইম শেখের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের পর আর কেউই দাঁড়াতে পারেননি, যার ফলে হারতে হয়েছে ৩০ রানের ব্যবধানে।

 

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে সিরিজের প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি, তৃপ্তি-অতৃপ্তি নিয়ে কথা বলেছেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তার মতে তরুণ তুর্কি নাইম শেখ ও আমিনুল ইসলামদের পারফরম্যান্স বড় তৃপ্তির জায়গা। অন্যদিকে সিরিজ জিততে না পারাটাই অতৃপ্তির।

 

মাহমুদউল্লাহ বলেন, ‘(সিরিজে) তৃপ্তির জায়গা বলতে আমার মনে হয়, নাঈম ও আমিনুলের পারফরম্যান্স। আমাদের বোলিং ইউনিটের পারফরম্যান্স খুব ভালো ছিল। মুশফিকের ম্যাচ জেতানো পারফরম্যান্স ছিল। এগুলো ছিল ইতিবাচক।’

 

তিনি বলতে থাকেন, ‘আর অতৃপ্তি বলতে গেলে- আমরা প্রথম ম্যাচ জিতেছি। অবশ্যই ভালো একটা মোমেন্টাম পেয়েছিলাম। যেটা আমরা সব সময় ফিল করি- এটাই বাংলাদেশ দলের শক্তি। তারপর ওখান থেকে যখন সিরিজটা হারি, সেদিক থেকে কিছুটা হলেও হতাশাজনক।’

 

এসময় নাইম শেখের ৪৮ বলে ৮১ রানের ইনিংসের প্রশংসা ঝরে টাইগার অধিনায়কের কণ্ঠে। চাপের মুখে যেভাবে খেলেছেন তরুণ নাইম, তাতে অধিনায়কের কাছ থেকে লেটার মার্কই পেয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে নাইমের এমন ইনিংসের পর ম্যাচ জিততে না পারার হতাশাও শোনা যায় মাহমুদউল্লাহর কণ্ঠে।

 

 

নাইমের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে টাইগার অধিনায়কের জবাব, ‘এককথায় বললে, খুবই দৃষ্টিনন্দন ছিল ওর (নাইম শেখ) ইনিংসটা। আমার খারাপ লাগছে এত সুন্দর একটা ইনিংস খেলেছে, আমরা ফিনিশ করতে পারিনি। মিডল অর্ডারদের ব্যর্থতা ছিল। এই কারণে আমার হতাশাটা আরও বেশি। সুন্দর একটা ইনিংস খেলেছে, খুব ভালো ব্যাটিং করেছে। ওর জন্য হলেও আমরা যদি ভালো করে শেষ করতে পারতাম তাহলে ও অনেক ক্রেডিট পেত।’

 

দীর্ঘদিন পর দলে ফিরে দারুণ বোলিং করেছেন ডানহাতি পেসার আলআমিন হোসেন। তিন ম্যাচেই করেছেন নিয়ন্ত্রিত বোলিং, রান খরচ করেছেন একদম হিসেব করে। মাহমুদউল্লাহর মতে দেশের অন্যতম সেরা টি-টোয়েন্টি বোলার হলেন আলআমিন।

 

তিনি অলেন, ‘আলআমিন অসাধারণ খেলেছে। আমার মনে হয়, ও আমাদের দেশের অন্যতম সেরা টি-টোয়েন্টি বোলার। ব্যক্তিগতভাবে আমি এটা অনুভব করি। ওর আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ার দেখলে দেখা যাবে, সব সময় ধারাবাহিক পারফর্ম করেছে। সেদিক থেকে বিশ্বাস ছিল আল আমিন হয়তোবা ভালো করতে পারে।’

 
কোহলিকে ‘সতর্কবার্তা’ দিয়ে রাখলেন রোহিত
                                  

স্পোর্টস ডেস্ক


টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হিসেবে যখনই সুযোগ পেয়েছেন দেখিয়েছেন নিজের সামর্থ্য, সাফল্য এনে দিয়েছেন দলকে। নিয়মিত অধিনায়ক বিরাট কোহলির বিশ্রাম তথা অনুপস্থিতিজনিত কারণে রোহিত শর্মা এখনও সফল ভারতের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হিসেবে।

শুধু সফল বললে কমই বলা হবে। অধিনায়ক হিসেবে টি-টোয়েন্টি ইতিহাসের তৃতীয় সেরা জয়-পরাজয়ের অনুপাত (৩.৫:১) এখন রোহিতের। তার অধীনে এখনও পর্যন্ত ১৮টি কুড়ি ওভারের ম্যাচ খেলে ১৪টিতেই জিতেছে ভারত। বাংলাদেশের বিপক্ষে সবশেষ সিরিজটিতেই যেমন, প্রথম ম্যাচ হেরেও রোহিতের দারুণ ক্যাপ্টেন্সিতে ঘুরে দাঁড়িয়েছে ভারত।

এ সিরিজের আগে থেকেই ভারতের ক্রিকেট অঙ্গনে শুরু হয়ে গিয়েছিল আগামী বছর অস্ট্রেলিয়াতে হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ব্যাপারে আলোচনা। বিশ ওভারের ক্রিকেটের বিশ্ব মঞ্চে ভালো করার জন্য এখন থেকেই নিজেদের গোছাতে শুরু করেছে ভারতীয় ক্রিকেট দল।

আর সে লক্ষ্যে কাজটা মোটেও সহজ হবে না বলে মনে করছেন ভারতের আপাতকালীন অধিনায়ক রোহিত। বিশেষ করে বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলোয়াড়দের এমন দুর্দান্ত প্রদর্শনীর পর দল গোছাতে নিয়মিত অধিনায়ক বিরাট কোহলি ও টিম ম্যানেজম্যান্টের যে বেশ কাঠখড় পোড়াতে হবে- সেই সতর্কবার্তাই দিয়ে রাখলেন রোহিত।

ম্যাচ শেষে পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রসঙ্গ এলে রোহিত বলেন, ‘বিশ্বকাপ আসার আগেই আমাদের ভারসাম্যপূর্ণ দল গুছিয়ে ফেলতে হবে। এই দলের কয়েকজন নেই, তারা ফিরে আসবে। সবকিছু বিবেচনায় রেখে বললে, (বিশ্বকাপ খেলতে) অস্ট্রেলিয়ার বিমানে ওঠার আগে আমরা আরও কিছু ম্যাচ পাবো। যদি আজকের ম্যাচের ধারাবাহিকতা সামনের দিনগুলোতেও ধরে রাখতে পারি, তাহলে দল সাজানোর কাজটা বেশ কঠিনই হতে যাচ্ছে কোহলি এবং নির্বাচকদের জন্য।’

এসময় স্বাভাবিকভাবেই কথা হয় ম্যাচে পাওয়া অসাধারণ জয়ের ব্যাপারে। যেখানে ৩০ রানের জয়ের পুরো কৃতিত্ব বোলারদের দেন ভারতীয় অধিনায়ক।


তিনি বলেন, ‘বোলাররাই আমাদের ম্যাচ জিতিয়েছে। শিশিরের কারণে বোলিং করা কতটা কঠিন ছিলো তা বেশ ভালোই বুঝেছি আমি। একটা সময় ওদের ৮ ওভারে ৭০ রানের মতো দরকার ছিলো। পরিস্থিতি কঠিন ছিলো আমাদের জন্য। বোলাররা দায়িত্ব নিয়ে ম্যাচটা ভালোভাবে শেষ করেই ফিরেছে।’

 
চাহারকে ‘প্রথম’ ঘোষণা দিয়ে নেটিজেনদের তোপে বিসিসিআই
                                  

স্পোর্টস ডেস্ক


রোববার রাতে বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ম্যাচে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন ভারতের পেসার দ্বীপক চাহার। মাত্র ৭ রান খরচায় নিয়েছেন ৬টি উইকেট। যা কি না আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সেরা বোলিং ফিগারের বিশ্ব রেকর্ড।

এই জাদুকরী বোলিং করার দিনে পুরুষ ক্রিকেটে ভারতের প্রথম বোলার হিসেবে টি-টোয়েন্টি হ্যাটট্রিকও করেছেন চাহার। নিজের তৃতীয় ওভারের শেষ বল ও চতুর্থ ওভারের প্রথম দুই বলে নিয়েছেন টানা তিন উইকেট।

হ্যাটট্রিক পূরণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই চাহারকে ‘ভারতীয় হিসেবে প্রথম হ্যাটট্রিক করা’ বোলার ঘোষণা দিয়ে টুইটারে পোস্ট করে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। যা আসলে ঠিক নয়।

কেননা ভারতীয় নাগরিক হিসেবে চাহারের সাত বছর আগেই আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে হ্যাটট্রিক করেছেন ভারতের নারী দলের বাঁহাতি স্পিনার একতা বিশ্ত। ২০১২ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এ কীর্তি গড়েছিলেন একতা।

যা মনে করিয়ে দিতে একদমই সময় নেননি নেটিজেনরা। এ ভুল ধরিয়ে দেয়ার পাশাপাশি কেউ কেউ আবার এক হাত নিচ্ছেন বিসিসিআইয়ের। যাদের মতে শুধুমাত্র নারী বলে একতার কীর্তিকে মূল্যায়ন করেনি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।

এদের মধ্যে রয়েছেন জনপ্রিয় ক্রিকেট ভিত্তিক ওয়েবসাইট ইএসপিএন ক্রিকইনফোর সাংবাদিক অন্বেষা ঘোষও। বিসিসিআইয়ের টুইটটি রিটুইট করে তিনি লিখেন, ‘দ্বীপক চাহার আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে হ্যাটট্রিক করা প্রথম ভারতীয় পুরুষ। তার আগে নারী দলের বাঁহাতি স্পিনার একতা বিশ্ত ২০১২ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এই কীর্তি গড়ে রেখেছেন।’


ডোনাল্ড ডি সুজা নামের একজন লিখেন, ‘বিসিসিআই, তুমি ভুল। ভারতের পক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি হ্যাটট্রিক করা বোলার হলে একতা বিশ্ত। শুধুমাত্র নারী হওয়ার কারণে তোমরা তার কীর্তি ভুলে যাচ্ছো। অথচ একজন পুরুষ এই সাফল্য পাওয়ার সাত বছর আগেই, ২০১২ সালে একতা এটি করেছিলেন।’

কিরন স্বজন নামক টুইটার ব্যবহারকারী লিখেন, ‘বিসিসিআইয়ের এ কেমন নির্বোধের মতো কাণ্ড! ভারতের হয়ে এই কীর্তি আরও ৭ বছর আগেই করেছেন একতা বিশ্ত। তিনিও একজন ভারতীয় ক্রিকেটার।’

 
ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে রুবেলের ৭ উইকেট
                                  

স্পোর্টস ডেস্ক

জাতীয় দলের বাইরে রয়েছেন সবশেষ শ্রীলঙ্কা সফরের পর থেকে। তাকে ছাড়াই ঘরের মাঠে ত্রিদেশীয় সিরিজ এবং ভারত সফরের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলে ফেলেছে বাংলাদেশ দল। খেলবে ভারত সফরের দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজও।

আর দলে ফেরার মিশনে নিজেকে প্রমাণ করার তাগিদে রুবেল হোসেন খেলছেন চলতি জাতীয় ক্রিকেট লিগে। যেখানে প্রথম চার রাউন্ডে তেমন কিছু করতে না পারলেও, পঞ্চম রাউন্ডে আগুন ঝরিয়েছেন বর্তমান চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী বিভাগের বিপক্ষে।

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে হওয়া বৃষ্টির কারণে পঞ্চম রাউন্ডের ম্যাচে প্রথম দুই দিন খেলা হয়েছে মাত্র ১২ ওভার। দ্বিতীয় দিন শেষে বিনা উইকেটে ২৬ রান করেছিল জাতীয় লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

আজ (সোমবার) ম্যাচের তৃতীয় দিন তাদের অলআউট করতে সবমিলিয়ে ৩৮.৪ ওভার খরচ করেছে রুবেলের খুলনা বিভাগ। ডানহাতি পেসার রুবেল একাই নিয়েছেন ৭টি উইকেট। আগের দিনের ২৬ রানের সঙ্গে আরও ১২৫ রান যোগ করতে পেরেছে রাজশাহী।

টেস্ট বা প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে আজকের আগে ইনিংসে ৫ উইকেট মাত্র ৩ বার নিতে পেরেছিলেন রুবেল। কোনোবারই পাননি ৫টির বেশি উইকেট। সেরা বোলিং ফিগার ছিলো ২২ রানে ৫ উইকেট।

সেটিকে ছাড়িয়ে ক্যারিয়ারের ৫৭তম প্রথম শ্রেণির ম্যাচে এসে প্রথমবারের মতো পেলেন ৭টি উইকেট। রুবেলের বোলিং তোপে একে একে সাজঘরে ফিরেছেন অভিষেক মিত্র, মিজানুর রহমান, সাব্বির রহমান, মুক্তার আলি, ফরহাদ রেজা, সুজন হাওলাদার ও সানজামুল ইসলাম।


রাজশাহী যখন অলআউট হয় ১৫১ রানে তখন রুবেলের বোলিং ফিগার: ১৭.৪-৪-৫১-৭! এছাড়া আব্দুর রাজ্জাক ২ ও জিয়াউর রহমান নিয়েছেন ১ উইকেট। রাজশাহীর পক্ষে ব্যাট হাতে সানজামুল ইসলাম সর্বোচ্চ ৪৮ রান করেন, মিজানুরের ব্যাট থেকে আসে ৪৩ রান।

 
২০১৯ যেন হ্যাটট্রিকের বছর
                                  

স্পোর্টস রিপোর্টার


পরপর তিন বলে তিন উইকেট- অর্থাৎ হ্যাটট্রিক। যেকোনো বোলারের পুরো ক্যারিয়ারেরই অন্যতম একটি অর্জন এই হ্যাটট্রিক। যা নেই অনেক কিংবদন্তি বোলারেরও। তবে ক্যারিয়ারের মাত্র অষ্টম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে নেমেই জাদুকরী এ অর্জন পেয়ে গেছেন ভারতের ডানহাতি পেসার দ্বীপক।

বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ম্যাচে ইনিংসের শেষ তিনটি উইকেট নিয়ে এ কীর্তি গড়েছেন চাহার। তার হ্যাটট্রিকটি হয়েছে দুই ওভার মিলিয়ে। ১৮তম ওভারের শেষ বলে শফিউল ইসলাম এবং ২০তম ওভারের প্রথম দুই বলে মোস্তাফিজ ও আমিনুল আউট হলে হ্যাটট্রিক পূরণ হয় চাহারের।

দুই ওভার মিলিয়ে হওয়ায় প্রথমে হ্যাটট্রিকে ব্যাপারে বুঝতেই পারেননি চাহার। যা তিনি ম্যাচ শেষে স্বীকার করে নেন চাহাল টিভির সাক্ষাৎকারে। চাহার বুঝতে না পারলেও আমিনুল বিপ্লবকে বোল্ড করার সঙ্গে সঙ্গে হ্যাটট্রিকের কথা বলেন ধারাভাষ্যকাররা। মনে করিয়ে দেন ভারতের প্রথম বোলার হিসেবে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে হ্যাটট্রিক করলেন চাহার।

তার এই হ্যাটট্রিকটি সবমিলিয়ে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ১২তম। বিশ্বের ১১ জন বোলার মিলে করেছেন এই ১২টি হ্যাটট্রিক। একাই জোড়া হ্যাটট্রিক রয়েছে লাসিথ মালিঙ্গার। মজার বিষয় হলো, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম ১২ বছরে হ্যাটট্রিক হয়েছিল মাত্র ৬টি। সেখানে চলতি বছরে এরই মধ্যে হ্যাটট্রিক হয়েছে আরও ৬টি।

সবমিলিয়ে ওয়ানডেতে ২ ও টেস্টে আরও ১টিসহ চলতি বছর মোট ৯টি হ্যাটট্রিক দেখেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট। এছাড়া আইসিসি স্বীকৃত লিস্ট এ ম্যাচে ৩টি এবং টি-টোয়েন্টিতে আরও ৬টি হ্যাটট্রিক হয়েছে চলতি বছর। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি।

অর্থাৎ চলতি বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৯টি এবং আইসিসি স্বীকৃত ক্রিকেটে অন্তত আরও ৯টি হ্যাটট্রিকের সাক্ষী হয়েছে ক্রিকেট বিশ্ব। যা কি না কোনো নির্দিষ্ট বছরের জন্য বিশ্ব রেকর্ড। এর আগে কখনোই কোনো বছরে এতগুলো হ্যাটট্রিক দেখেনি ক্রিকেট বিশ্ব।


কুড়ি ওভারের ক্রিকেটে চলতি বছরের প্রথম হ্যাটট্রিকটা করেন আফগানিস্তানের লেগস্পিনার রশিদ খান। তিনি শুধু হ্যাটট্রিকই করেননি, নিয়েছিলেন চার বলে চারটি উইকেট। ফেব্রুয়ারিতে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ৩২ রানে জেতা ম্যাচে ১৬তম ওভারের শেষ বলে কেভিন ওব্রায়েন এবং ১৮তম ওভারের প্রথম তিন বলে যথাক্রমে জর্জ ডকরেল, শন গেটকেট এবং সিমি সিংকে ফেরান রশিদ খান।

রশিদের দেখাদেখি সেপ্টেম্বরে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও টানা চার বলে চারটি উইকেট নেন শ্রীলঙ্কার তারকা পেসার লাসিথ মালিঙ্গা। তিনি ইনিংসের তৃতীয় ওভারের শেষ চার বলে যথাক্রমে ফেরান কলিন মুনরো, হ্যামিশ রাদারফোর্ড, কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম এবং রস টেলরকে। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি এটি ছিলো মালিঙ্গার দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক।

এরপর চলতি বছর টি-টোয়েন্টিতে হ্যাটট্রিক করে রেকর্ডের পাতায় নাম তুলেছেন পাকিস্তানি পেসার মোহাম্মদ হাসনাইন (শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে), ওমানের লেগস্পিনার খাওয়ার আলি (নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে), পাপুয়া নিউগিনির পেসার নরম্যান ভানুয়া (বারমুডার বিপক্ষে) আর সবশেষ ভারতীয় পেসার দ্বীপক চাহার (বাংলাদেশের বিপক্ষে)।

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ৬টি হ্যাটট্রিকে পাশাপাশি চলতি বছর হ্যাটট্রিক হয়েছে ওয়ানডে এবং টেস্ট ক্রিকেটেও। সাদা পোশাকের ক্রিকেটে হওয়া একমাত্র হ্যাটট্রিকটি করেছেন ভারতীয় পেসার জাসপ্রিত বুমরাহ। তিনি পরপর তিন ডেলিভারিতে সাজঘরে পাঠান ড্যারেন ব্রাভো, শামার ব্রুকস ও ড্যারেন ব্রাভোকে।

আর ওয়ানডে ক্রিকেটে চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত হয়েছে দুইটি হ্যাটট্রিক। এ দুইটিই ছিলো বিশ্বকাপে। প্রথমে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে লর্ডসে নিউজিল্যান্ডের পেসার ট্রেন্ট বোল্ট এবং পরে আফগানিস্তানের সঙ্গে সাউদাম্পটনে ভারতের পেসার মোহাম্মদ শামি করেন এ কীর্তি। বোল্টের হ্যাটট্রিকের শিকার ছিলেন উসমান খাজা, মিচেল স্টার্ক ও জেসন বেহরেনডর্ফ। অন্যদিকে শামি পরপর তিন বলে ফেরান মোহাম্মদ নবী, আফতাব আলম ও মুজিব উর রহমানকে।

উল্লেখ্য, এখনও পর্যন্ত টেস্ট ক্রিকেটে ৪৪টি, ওয়ানডে ক্রিকেটে ৪৮টি এবং টি-টোয়েন্টিতে হ্যাটট্রিক হয়েছে মোট ১২টি। এর মধ্যে টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে হ্যাটট্রিক করেছেন অলক কাপালি এবং সোহাগ গাজী। ওয়ানডেতে এ কীর্তি দেখিয়েছেন শাহাদাত হোসেন রাজীব, রুবেল হোসেন, তাইজুল ইসলাম এবং তাসকিন আহমেদ। টি-টোয়েন্টিতে এখনও পর্যন্ত হ্যাটট্রিক করতে পারেননি বাংলাদেশের কোনো বোলার।

এছাড়া টেস্টে বাংলাদেশের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেছেন জিম্বাবুয়ের অ্যান্ডি ব্লিগনট ও নিউজিল্যান্ডের জেমস ফ্রাংকলিন। ওয়ানডেতে করতে পেরেছেন শ্রীলঙ্কার চামিন্দা ভাস, দক্ষিণ আফ্রিকার কাগিসো রাবাদা ও ভাসের স্বদেশি শেহান মাদুশাঙ্কা। আর টি-টোয়েন্টি ইতিহাসের প্রথম হ্যাটট্রিকই হয় বাংলাদেশের বিপক্ষে, ২০০৭ সালের বিশ্ব টি-টোয়েন্টিতে যেটি করেন অস্ট্রেলিয়ান গতি তারকা ব্রেট লি। এরপর শ্রীলঙ্কার লাসিথ মালিঙ্গা এবং ভারতের দ্বীপক চাহার করলেন বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি হ্যাটট্রিক।

 
ভেঙে পড়ল ব্যাটিং, মাহমুদউল্লাহ বললেন ‘আমাদেরই ভুল’
                                  

স্পোর্টস ডেস্ক

 

 

অনেকের কাছেই অবিশ্বাস্য লাগছে হারটা। ৪৩ বলে দরকার ৬৫ রান, হাতে ৮ উইকেট—এই ম্যাচ তো জিতে বেরিয়ে আসবে দুনিয়ার যেকোনো দলই। খুব আহামরি বোলিংও যে ভারতীয় বোলাররা করছিলেন, এমনটা নয়। কিন্তু তারপরেও ম্যাচটা জিততে পারেনি বাংলাদেশ। জয়ের পথে থেকেও শেষ পর্যন্ত ৩৩ রানের হার সঙ্গী মাহমুদউল্লাহদের।


শুরুতে লিটন দাস আর সৌম্য সরকারের উইকেট হারালেও মোহাম্মদ নাঈম আর মোহাম্মদ মিঠুনের তৃতীয় উইকেটে ৬১ বলে ৯৮ রানের জুটিটাই ম্যাচে ফিরিয়ে এনেছিল বাংলাদেশকে। কেবল ফিরিয়েই আনেনি নাগপুরের বিদর্ভ স্টেডিয়ামের হাজার হাজার দর্শককে রীতিমতো স্তব্ধ করেই দিয়েছিল। কপালে ভাঁজ পড়েছিল ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মার। কিন্তু মিঠুন ফিরতেই দলের ব্যাটিং ভেঙে পড়ল তাসের ঘরের মতো। ভাবা যায় নাঈমের ৮৮ আর মিঠুনের ২৭ ছাড়া দলের কোনো ব্যাটসম্যানেরই সংগ্রহ দুই অঙ্কের নয়!

৪৩ বলে দরকার ৬৫ রান, হাতে ৮ উইকেট। এমন অবস্থাতেও ৩৪ রানে বাংলাদেশ হারিয়েছে শেষ ৮ উইকেট। এমন পারফরম্যান্সের কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারলেন না অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ।

ম্যাচ শেষে মাহমুদউল্লাহর কাছে এই বিপর্যয়ের ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি বলতে পারেননি তেমন কিছুই। বলেছেন ভবিষ্যতে এমন বিপর্যয় যেন না হয়, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকার কথা, ‘আমরা জেতার পথেই ছিলাম। কিন্তু ৬-৭ বলের মধ্যে ৩-৪ উইকেট হারিয়ে ফেলেছি। আমার মনে হয়, এটাই ম্যাচের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এমন ভুল যেন ভবিষ্যতে না হয়, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।’


কাল বাংলাদেশ যে পরিস্থিতিতে ছিল, সে অবস্থা থেকে যেকোনো দলই খেলা শেষ করে আসত। বড় দল তো করতই। মাহমুদউল্লাহ কোনো ব্যাখ্যা-ট্যাখ্যায় না গিয়ে বললেন সেটিই, ‘এমন পরিস্থিতিতে আসলে বড় দলগুলো খেলা শেষ করে আসে। আমাদের কীসের ঘাটতি, দৃঢ়তার কিনা, জানি না। উইকেটও ভালো ছিল। আসলে আমরা ব্যাটসম্যানরাই ব্যর্থ হয়েছি। এটা আমাদেরই ভুল।’

 
মানসিক সমস্যা : ম্যাক্সওয়েলের পর সরে দাঁড়ালেন ম্যাডিনসন
                                  

স্পোর্টস ডেস্ক


কি হলো অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে। একের পর এক মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন ক্রিকেটাররা। সপ্তাহ খানেক আগেই মানসিক অবসাদে আক্রান্ত হয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের মাঝপথেই ক্রিকেট থেকে আপাতত সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল।

এবার ম্যাক্সওয়েলের মতোই মানসিক সমস্যায় ভুগতে শুরু করেছেন অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলের মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান নিক ম্যাডিনসন। যে কারণে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দল থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন তিনি। শনিবার ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া এই খবর জানিয়েছে।

অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দলের হয়েও খেলেছেন ম্যাডিনসন। ২০১৬ সালে অভিষেক হওয়ার পর থেলেছেন তিনটি টেস্ট। মানসিক সমস্যায় ভোগা তার অবশ্য নতুন নয়, অভিষেকের পর ২০১৭ সালে টেস্ট স্কোয়াড থেকে বাদ পড়ার পর ক্রিকেট থেকে বেশ কিছুদিন বাইরে ছিলেন, মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ম্যাডিনসন।

এবারও হঠাৎ সিদ্ধান্ত নিলেন সরে দাঁড়ানোর। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ শুরু হওয়ার আগে যখন তার ফেরার একটা সুযোগ তৈরি হচ্ছিল, তখনই এই সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এই প্রস্তুতি ম্যাচে ভালো পারফরম্যান্স করলে আসন্ন টেস্ট সিরিজের দরজা খোলার সুযোগ থাকত ম্যাডিনসনের সামনে।

শুক্রবার ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে নিজের সিদ্ধান্ত জানানোর পর একে সমর্থন জানিয়েছে তারা। অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলের কোচ গ্রাহাম হিক এক বিবৃতিতে জানান, ‘নিক সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে, আমরা সবাই তার পাশে আছি। নিঃশব্দে থাকার চেয়ে সকলের সঙ্গে সবকিছু শেয়ার করে নেওয়া সাহসী সিদ্ধান্ত। নিকের এই সাহসী সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই।’

ম্যাডিনসনের পরিবর্তে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলে খেলার সুযোগ পেয়েছেন ক্যামেরন ব্যানক্রফট।

উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সিরিজ চলাকালীন হঠাৎই মানসিক অবসাদের কারণে ক্রিকেট থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিরতি নেয়ার সিদ্ধান্ত নেন পিঞ্চ হিটার গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ২১ নভেম্বর ব্রিসবেনে সিরিজের প্রথম ম্যাচ শুরু হওয়ার আগে অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলের বিরুদ্ধে দু’টি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে পাকিস্তান।

 
মাহমুদউল্লাহর নেতৃত্বকে ধোনির সঙ্গে তুলনা করলেন ইরফান পাঠান
                                  

স্পোর্টস ডেস্ক

তিনি নিয়মিত অধিনায়ক নন। মাঝেমধ্যে সুযোগ মেলে, নিয়মিত অধিনায়ক যদি অনুপস্থিত থাকেন। তবে যতটুকু সুযোগ মেলে, তার পূর্ণ সদ্ব্যবহারই করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

ভারত সফরে প্রথম ম্যাচেই যেমন চমক দেখালেন নেতৃত্বে। সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ভারতকে তাদেরই মাঠে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়ে দেয় টাইগাররা। দ্বিতীয় ম্যাচে অবশ্য প্রতিশোধ নিয়ে সমতায় ফিরেছে ভারত।

তারপরও মাহমুদউল্লাহর নেতৃত্বগুণ নিয়ে প্রশংসা চলছে। ভারতের সাবেক পেসার ইরফান পাঠান তো বাংলাদেশ দলপতিকে তুলনা করে বসলেন একেবারে মহেন্দ্র সিং ধোনির সঙ্গেই। ভারতকে দু দুটি বিশ্বকাপ জেতানো অধিনায়কের সঙ্গে মাহমুদউল্লাহর কি কারণে মিল পাচ্ছেন, সেই ব্যাখ্যাও দিয়েছেন তিনি।

প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের জয় নিয়ে ইরফান পাঠান বলেন, ‘বিশ্বের একটি সেরা দলের বিপক্ষে যখন আপনি ম্যাচ জিতবেন, এটা আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেবে। ম্যাচের সময় তার পরিবর্তনগুলো দেখলে বোঝা যাবে অধিনায়ক হিসেবে কি দারুণ নেতৃত্বগুণ দেখিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ।’

বাংলাদেশ অধিনায়কের কোন দিকটি ঠিক ধোনির মতো সেটিও আলাদা করে জানালেন ইরফান পাঠান। তার ভাষায়, ‘ধোনির নেতৃত্বের একটা ছাপ দেখা গেল তার পার্টটাইম বোলার ব্যবহারে। ধোনিকেও প্রায়শই পাওয়ার প্লে’র পর পার্টটাইম বোলার ব্যবহার করতে দেখা যায়।’

 
ফিক্সিং করে ভারতে গ্রেফতার দুই ক্রিকেটার
                                  

স্পোর্টস ডেস্ক       

ম্যাচ ফিক্সিংয়ের কালো থাবা কোনেভাবেই ছাড়ছে না ক্রিকেটকে। সেটা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট হোক কিংবা কোনো দেশের ঘরোয়া ক্রিকেট। সেই কলঙ্কিত অধ্যায়ের শিকার এবার ভারতের দুই ক্রিকেটার। ফিক্সিং করে এবার গ্রেফতার হলেন ভারতের ওই দুই ক্রিকেটার। একজন আবার খেলেন ভারতীয় ‘এ’ দলে সিএম গৌতম এবং অন্যজন খেলেন কর্নাটকে, আবরার কাজি।

 

ফিক্সিংয়ের ঘটনা ঘটেছে কর্নাটক প্রিমিয়ার লিগে। যেখানে সিএম গৌতম এবং আবরার কাজি হলেন দুই সতীর্থ। গত দু’মৌসুমেই কর্নাটক প্রিমিয়ার লিগে ম্যাচ ফিক্সিং অভিযোগ নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত করছে ব্যাঙ্গালুরু সেন্ট্রাল ক্রাইম ব্রাঞ্চ।

 

এই সংস্থাই গ্রেফতার করল গৌতম এবং কাজিকে। ব্যাঙ্গালুরুর অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সন্দীপ পাতিল সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘কেপিএল ম্যাচ ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার কারণে আমরা দু’জন ক্রিকেটারকে গ্রেফতার করেছি।’

 

একই সঙ্গে তিনি এটাও জানান, গ্রেফতারের সংখ্যাটা বাড়তে পারে। উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান গৌতম আইপিএলেও খেলেছেন তিনটি দলের হয়ে। দিল্লি ডেয়ারডেভিলস, মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স এবং রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর হয়ে।

 

শুধু তাই নয়, কর্নাটকের হয়ে তিনি নিয়মিত রঞ্জি ট্রফিতে খেলেছেন সিএম গৌতম। এই মৌসুমে গোয়া’র হয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মুস্তাক আলি ট্রফিতে খেলার জন্য। কেপিএলে গৌতমের সতীর্থ আবরার কাজি এখন খেলেন মিজোরামের হয়ে। তিনিও রাজ্য দলে রয়েছেন।

 

কেপিএলে এই দু’জন ছিলেন বেলারি টাস্কার্স দলে। গৌতম ছিলেন আবার অধিনায়কও। পুলিশ জানিয়েছে, ফাইনালে হুবলি টাইগার্সের বিরুদ্ধে খেলার সময় ফিক্সিং করেছিলেন তারা। পুলিশের বক্তব্য, মন্থর ব্যাটিং করার জন্য দু’জনের প্রত্যেককে ২০ লাখ টাকা করে দেওয়া হয়েছিল। ওই ফাইনালে হুবলি টাইগার্স জেতে আট রানে।

 

 

এক তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, ‘অর্থের বিনিময়ে মন্থর ব্যাটিং এবং আরও কয়েকটা ব্যাপারে জড়িয়ে পড়ে এই দু’জন। শুধু ফাইনালে নয়, ব্যাঙ্গালুরু দলের বিরুদ্ধে আরও একটা ম্যাচে ফিক্সিং করেছিল তারা।’

 

কয়েকদিন আগে ব্যাঙ্গালুরু দলের এক ক্রিকেটারকেও গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। দু’মাস আগে কেপিএলে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের বিষয়টা সামনে চলে আসার পরে একটি দলের মালিকসহ তিন জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে সেগুলো নিয়ে এতটা তোলপাড় হয়নি, গৌতমকে নিয়ে যা হচ্ছে। তিনিই হলেন সবচেয়ে বড় নাম, যাকে এই ফিক্সিং বিতর্কে গ্রেফতার করা হলো।

 

৯৪টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেছেন গৌতম। কাজি খেলেছেন ১৭টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ। পাশাপাশি আরসিবির হয়ে সেই ২০১১ সালে একটি ম্যাচ খেলেছিলেন আইপিএলে। ২৬ অক্টোবর ব্যাঙ্গালুরু ব্লাস্টার্সের বোলিং কোচ বিনু প্রসাদ এবং ব্যাটসম্যান বিশ্বনাথনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ।

 
সৌম্যকে ‘নটআউট’ ঘোষণা, রোহিতের গালি এবং আউট
                                  

স্পোর্টস ডেস্ক       

বাংলাদেশ-ভারতের ম্যাচ মানেই এখন আলাদা একটা উত্তেজনা, যুদ্ধ যুদ্ধ ভাব। সেই উত্তেজনার বারুদ শুধু খেলোয়াড়দের গায়েই থাকে, এমন নয়, অনেক সময় ছুঁয়ে যায় আম্পায়ারদেরও। তাই এমন খেলায় দুই একটা বিতর্কিত সিদ্ধান্ত দেখা যায় হরহামেশাই।

 

রাজকোটে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশি ওপেনার সৌম্য সরকারের আউট নিয়ে যেমন বিতর্ক চলছে। মাঠের আম্পায়ারদের ভুল হতেই পারে। কিন্তু যার কাছে প্রযুক্তি থাকে, বারবার রিপ্লে টেনে দেখতে পারেন, সেই তৃতীয় আম্পায়ার যখন ভুল করে বসেন সেটা তো আলোচনার খোরাক জোগাবেই।

 

 

বাংলাদেশ ইনিংসের ১৩তম ওভার চলছিল তখন। ৩০ রানে ব্যাটিংয়ে থাকা সৌম্য সরকার ইয়ুজবেন্দ্র চাহালকে ডাউন দ্য উইকেটে মারতে এসে স্ট্যাম্পিংয়ের ফাঁদে পড়েন। পরিষ্কারভাবেই স্ট্যাম্প ভেঙে দেন রিশাভ পান্ত। এটুকু পর্যন্ত ঠিক আছে।

 

কিন্তু পান্ত যেভাবে স্ট্যাম্পিংটা করেছেন, সেটা নিয়ে আছে প্রশ্ন। এই ম্যাচেই বাংলাদেশ ইনিংসের পঞ্চম ওভারে প্রায় একইরকম ঘটনা ঘটেছিল। ইয়ুজবেন্দ্র চাহালের ওভারের দ্বিতীয় ডেলিভারিটি ডাউন দ্য উইকেট খেলতে গিয়ে অনেকটাই এগিয়ে এসেছিলেন লিটন। উইকেটকিপার পান্ত সেই বল ধরে স্ট্যাম্প ভেঙে দেন।

 

কিন্তু রিপ্লেতে দেখা যায়, বল স্ট্যাম্প পার হওয়ার আগেই সেটি ধরে ফেলেছেন পান্ত। আম্পায়ার ‘নো’ বল ডাকেন, আউট হওয়ার বদলে উল্টো ‘ফ্রি হিট’ পেয়ে যান লিটন।

 

কিন্তু সৌম্যর বেলায় ঘটলো বিতর্কিত এক ঘটনা। এবারও দেখা যায়, পান্ত সম্ভবত স্ট্যাম্পের আগে হাত রেখে বল ধরেছেন। সৌম্য বাউন্ডারি লাইনে গিয়ে তৃতীয় আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের জন্য দাঁড়িয়েও ছিলেন।

 

 

এমন সময় জায়ান্ট স্ক্রিনে ভেসে ওঠে ‘নটআউট’। স্বস্তি ফিরে বাংলাদেশ সমর্থকদের মনে। স্বভাবতই খেপে যান ভারতীয় অধিনায়ক রোহিত। মনের অজান্তেই হয়তো তার মুখ ফুটে বেরিয়ে আসে খারাপ একটি গালি। যে গালির ভিডিও এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল।

 

রোহিতের ওই গালি দেয়ার সময় আর সিদ্ধান্ত বদলের সময়ে খুব একটা পার্থক্য হয়নি। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই তৃতীয় আম্পায়ার ‘নটআউট’ মুছে ‘আউট’ ঘোষণা করেন সৌম্যকে। জায়ান্ট স্ক্রিনে সেটি ভেসে ওঠায় মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশি ওপেনারকে।

 

   Page 1 of 52
     খেলাধুলা
গোলাপি বলে অনুশীলন করছে ভারত, বাংলাদেশের কী খবর ?
.............................................................................................
মাঠ থেকে তুলে নেয়ায় দেশেই চলে গেলেন রোনালদো
.............................................................................................
বার্সেলোনা যেন একটি হাসপাতাল!
.............................................................................................
ইডেনের ইনডোর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
.............................................................................................
মহারণে ম্যানসিটিকে বিধ্বস্ত করল লিভারপুল
.............................................................................................
দিবালার গোলে এসি মিলানকে হারাল জুভেন্টাস
.............................................................................................
সিরিজ শেষে বাংলাদেশের তৃপ্তি-অতৃপ্তি
.............................................................................................
কোহলিকে ‘সতর্কবার্তা’ দিয়ে রাখলেন রোহিত
.............................................................................................
চাহারকে ‘প্রথম’ ঘোষণা দিয়ে নেটিজেনদের তোপে বিসিসিআই
.............................................................................................
ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে রুবেলের ৭ উইকেট
.............................................................................................
২০১৯ যেন হ্যাটট্রিকের বছর
.............................................................................................
ভেঙে পড়ল ব্যাটিং, মাহমুদউল্লাহ বললেন ‘আমাদেরই ভুল’
.............................................................................................
মানসিক সমস্যা : ম্যাক্সওয়েলের পর সরে দাঁড়ালেন ম্যাডিনসন
.............................................................................................
মাহমুদউল্লাহর নেতৃত্বকে ধোনির সঙ্গে তুলনা করলেন ইরফান পাঠান
.............................................................................................
ফিক্সিং করে ভারতে গ্রেফতার দুই ক্রিকেটার
.............................................................................................
সৌম্যকে ‘নটআউট’ ঘোষণা, রোহিতের গালি এবং আউট
.............................................................................................
ক্রিকেটে নিষিদ্ধ হয়ে ফুটবল ধরলেন সাকিব
.............................................................................................
ইডেন টেস্টে ঘণ্টা বাজাবেন শেখ হাসিনা-মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
.............................................................................................
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য ইডেনে গোলাপি শাল
.............................................................................................
সাইফের নতুন কোচ মালদ্বীপের মোহাম্মদ নিজাম
.............................................................................................
শেষ মুহূর্তেই সর্বনাশ যুব ফুটবল দলের
.............................................................................................
দারুণ কীর্তির সামনে বাংলাদেশ আর মাহমুদউল্লাহ
.............................................................................................
রদ্রিগোর হ্যাটট্রিক, তুর্কি ক্লাবে গোলের বন্যা রিয়ালের
.............................................................................................
রাজকোটের আকাশ মেঘমুক্ত, ম্যাচ নিয়ে শঙ্কা নেই
.............................................................................................
আন্তর্জাতিক খেলাধুলায় ভরপুর থাকবে ‘মুজিববর্ষ’
.............................................................................................
অতীতের ধারাবাহিকতা নাকি নতুন দিনের সূচনা?
.............................................................................................
দিল্লির দূষণে অসুস্থ হয়ে বমি করেছিলেন দুই বাংলাদেশি তারকা
.............................................................................................
সমর্থককে ঘুষি মারলেও শাস্তি পাননি নেইমার
.............................................................................................
শেখ হাসিনার জন্য ৫০ পদের রাজকীয় ভোজের আয়োজন গাঙ্গুলির
.............................................................................................
শুধু নো বলের জন্য থাকবে আলাদা আম্পায়ার!
.............................................................................................
যেভাবে বদলে গেল বাংলাদেশ, শোনালেন আফিফ
.............................................................................................
হ্যাটট্রিক জয়ে শীর্ষে লিভারপুল
.............................................................................................
ওয়ানডে ক্রিকেট বদলে দিতে শচিনের মাস্টারপ্ল্যান
.............................................................................................
ঘরের মাঠেও এই দশা বার্সেলোনার!
.............................................................................................
নিজের সব কিছু দান করবেন ম্যারাডোনা
.............................................................................................
ইডেনে ঐতিহাসিক টেস্টে থাকবেন ধোনিও
.............................................................................................
ইসলামাবাদ থেকে সরিয়ে নেওয়া হলো ভারত-পাকিস্তান লড়াই
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধু বিপিএলের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
বিসিবি থেকে সাময়িক বরখাস্ত হচ্ছেন লোকমান!
.............................................................................................
ধোনির মতো ‘ঠাণ্ডা মাথার ফিনিশার’ মুশফিক: শেহবাগ
.............................................................................................
আইপিএলে আসছে নতুন নিয়ম ‘পাওয়ার প্লেয়ার’
.............................................................................................
বাতিল হতে পারে বাংলাদেশ-ভারতের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি
.............................................................................................
দুপুরেই দিল্লি ছেড়ে রাজকোট যাচ্ছে টাইগাররা
.............................................................................................
‘দ্বিতীয় ম্যাচেই হতে পারে সিরিজ জয়’
.............................................................................................
স্পেশাল ইনিংস ও জয় পুত্র মায়ানকে উৎসর্গ করলেন মুশফিক
.............................................................................................
বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট ধন্যবাদ জানালেন টাইগারদের
.............................................................................................
টাইগারদের অভিনন্দন জানালেন সাকিব
.............................................................................................
ভারতে কয়েকটি জয়ই হাসি ফেরাবে: মুশফিক
.............................................................................................
বিপজ্জনক ফাউল করে কান্নায় ভেঙে পড়লেন হিয়ুং-মিন
.............................................................................................
ভারতকে হারিয়ে দেখিয়ে দিল বাংলাদেশ
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]