| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * খাগড়াছড়িতে বজ্রাঘাতে মা-ছেলের মৃত্যু   * হন্ডুরাসে বিমান বিধ্বস্ত, পাইলটসহ নিহত ৫   * এসএ পরিবহনের কুরিয়ারে এলো এক লাখ ইয়াবা   * ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারির ফল প্রকাশ   * অভিনেত্রী মায়া ঘোষ আর নেই   * সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে অনলাইন কজ-লিষ্ট ব্যবহারের অনুরোধ   * উপসাগরে উত্তেজনা : জরুরি বৈঠকের আহ্বান সৌদি আরবের   * বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু আজ   * ধ্যান ভাঙলেন মোদি   * সৌদি আরবে যাওয়ার চেষ্টা, শাহজালালে ডিজিটাল পাসপোর্টসহ ৪ রোহিঙ্গা আটক  

   শিল্প-সাহিত্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
আগামীকাল কথাশিল্পী শওকত ওসমানের ২১তম মৃত্যুবার্ষিকী

অনলাইন ডেস্ক : বাংলা সাহিত্যের খ্যাতনামা কথাশিল্পী ও শক্তিশালী লেখক শওকত ওসমানের ২১তম মৃত্যুবার্ষিকী আগামীকাল ১৪ মে। সাহিত্যের বিভিন্ন ঘরানায় প্রায় ছয় দশক অত্যন্ত সাবলিলভাবে লেখালেখি করে তিনি বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করে গেছেন।

শওকত ওসমান ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি অবিভক্ত বাংলার পশ্চিমবঙ্গের হুগলী জেলার সবল সিংহপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান। তার পিতার নাম শেখ মোহাম্মদ ইয়াহিয়া। ছাত্রজীবন থেকেই কথাশিল্পী শওকত ওসমান বৃটিশ শাসনবিরোধী ও বাঙালি জাতীয়তাবাদ, বাঙালি শিল্প, সাহিত্য-সংস্কৃতির বিভিন্ন ঘরানায় সাহিত্য চর্চা ও লেখালেখি করেন।
তিনি অধ্যয়ন করেন মক্তব, মাদ্রাসা ও কলেজে এবং কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৪১ সালে বাংলা সাহিত্যে ¯œাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন।

তিনি পেশাগত জীবন শুরু করেন কলকাতা কর্পোরেশনে চাকুরীর মধ্যদিয়ে। পরে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য বিভাগেও কিছুদিন চাকুরী করেন। এমএ পাস করার পর কলকাতা সরকারী কমার্স কলেজে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। ১৯৪৭ সালে চট্টগ্রাম কমার্স কলেজে প্রভাষক এবং পরবর্তীতে ঢাকা কলেজে শিক্ষকতা করেন এবং ১৯৭২ সালে এই কলেজ থেকে স্বেচ্ছায় অবসর নেন। এরপর লেখালেখিই ছিলো তাঁর পেশা। ছাত্রাবস্থায় তিনি কলকতায় ‘কৃষক ’নামে একটি পত্রিকায় সাংবাদিকতা করেন।

১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর তিনি ঢাকায় চলে আসেন। শুরু থেকেই তার গল্প ও উপন্যাসে সকল ধরণের অন্যায়, অবিচার, শোষনের বিরুদ্ধে গণমানুষের কথামালা এবং তাদের আশা-আকাংখা ওঠে আসে। ক্রমে পশ্চিমা শোষনের সমালোচনামূলক কথাসাহিত্যে তিনি বিপুল সৃষ্টিশীলতার সাক্ষর রাখেন। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানী জান্তার অত্যাচার নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরে তিনি লিখেন ‘জননী’ এবং ‘জাহান্নাম থেকে বিদায়’ দুটি উপন্যাস। তিনি জীবিত থাকাকালেই ‘জননী’ উপন্যাস বিশ্বের অন্যতম সেরা প্রকাশনা সংস্থা প্যাংগুইন ইংরেজী ভাষায় প্রকাশ করে।

বাংলাদেশের একজন চিন্তক এই কথাসিাহিত্যিক বহুমুখী লেখক ছিলেন। তার প্রকাশিত উপন্যাস ১৬টি, গল্পগ্রন্থ ৩টি, প্রবন্ধগ্রন্থ ৩টি, নাটক ৪টি, রম্যরচনা ১টি,স্মৃতিকথা ১৫টি, অনুবাদ ১১টি, বিভিন্ন বিষয়ে সমগ্র ৭টি এবং অন্যান্য বিষয়ে ৯টি গ্রন্থ রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ গল্পগ্রন্থ হচ্ছে, ইশ্বরের প্রতিদ্বন্ধি, মনিব ও তার কুৃকুর, জন্ম যদি তব বঙ্গে, সাবেক কাহিনী, জুনু আপা ও অন্যান্য গল্প, উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে-জননী, ক্রীতদাসের হাসি, বনী আদম, রাজ উপাখ্যান, জাহান্নাম হতে বিদায়, পুরাতন খঞ্জর, জলাঙ্গী, দুই সৈনিক, নেকড়ে অরণ্যে।
সাহিত্যে অবাদনের জন্য শওকত ওসমান বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, একুশে পদক, স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার, আদমজী সাহিত্য পুরস্কার, মুক্তধারা সাহিত্য পুরস্কারসহ বেশকিছু পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৯৮ সালের ১৪ মে খ্যাতিমান এই কথাশিল্পী ঢাকায় ইন্তেকাল করেন। বাসস

আগামীকাল কথাশিল্পী শওকত ওসমানের ২১তম মৃত্যুবার্ষিকী
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বাংলা সাহিত্যের খ্যাতনামা কথাশিল্পী ও শক্তিশালী লেখক শওকত ওসমানের ২১তম মৃত্যুবার্ষিকী আগামীকাল ১৪ মে। সাহিত্যের বিভিন্ন ঘরানায় প্রায় ছয় দশক অত্যন্ত সাবলিলভাবে লেখালেখি করে তিনি বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করে গেছেন।

শওকত ওসমান ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি অবিভক্ত বাংলার পশ্চিমবঙ্গের হুগলী জেলার সবল সিংহপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান। তার পিতার নাম শেখ মোহাম্মদ ইয়াহিয়া। ছাত্রজীবন থেকেই কথাশিল্পী শওকত ওসমান বৃটিশ শাসনবিরোধী ও বাঙালি জাতীয়তাবাদ, বাঙালি শিল্প, সাহিত্য-সংস্কৃতির বিভিন্ন ঘরানায় সাহিত্য চর্চা ও লেখালেখি করেন।
তিনি অধ্যয়ন করেন মক্তব, মাদ্রাসা ও কলেজে এবং কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৪১ সালে বাংলা সাহিত্যে ¯œাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন।

তিনি পেশাগত জীবন শুরু করেন কলকাতা কর্পোরেশনে চাকুরীর মধ্যদিয়ে। পরে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য বিভাগেও কিছুদিন চাকুরী করেন। এমএ পাস করার পর কলকাতা সরকারী কমার্স কলেজে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। ১৯৪৭ সালে চট্টগ্রাম কমার্স কলেজে প্রভাষক এবং পরবর্তীতে ঢাকা কলেজে শিক্ষকতা করেন এবং ১৯৭২ সালে এই কলেজ থেকে স্বেচ্ছায় অবসর নেন। এরপর লেখালেখিই ছিলো তাঁর পেশা। ছাত্রাবস্থায় তিনি কলকতায় ‘কৃষক ’নামে একটি পত্রিকায় সাংবাদিকতা করেন।

১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর তিনি ঢাকায় চলে আসেন। শুরু থেকেই তার গল্প ও উপন্যাসে সকল ধরণের অন্যায়, অবিচার, শোষনের বিরুদ্ধে গণমানুষের কথামালা এবং তাদের আশা-আকাংখা ওঠে আসে। ক্রমে পশ্চিমা শোষনের সমালোচনামূলক কথাসাহিত্যে তিনি বিপুল সৃষ্টিশীলতার সাক্ষর রাখেন। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানী জান্তার অত্যাচার নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরে তিনি লিখেন ‘জননী’ এবং ‘জাহান্নাম থেকে বিদায়’ দুটি উপন্যাস। তিনি জীবিত থাকাকালেই ‘জননী’ উপন্যাস বিশ্বের অন্যতম সেরা প্রকাশনা সংস্থা প্যাংগুইন ইংরেজী ভাষায় প্রকাশ করে।

বাংলাদেশের একজন চিন্তক এই কথাসিাহিত্যিক বহুমুখী লেখক ছিলেন। তার প্রকাশিত উপন্যাস ১৬টি, গল্পগ্রন্থ ৩টি, প্রবন্ধগ্রন্থ ৩টি, নাটক ৪টি, রম্যরচনা ১টি,স্মৃতিকথা ১৫টি, অনুবাদ ১১টি, বিভিন্ন বিষয়ে সমগ্র ৭টি এবং অন্যান্য বিষয়ে ৯টি গ্রন্থ রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ গল্পগ্রন্থ হচ্ছে, ইশ্বরের প্রতিদ্বন্ধি, মনিব ও তার কুৃকুর, জন্ম যদি তব বঙ্গে, সাবেক কাহিনী, জুনু আপা ও অন্যান্য গল্প, উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে-জননী, ক্রীতদাসের হাসি, বনী আদম, রাজ উপাখ্যান, জাহান্নাম হতে বিদায়, পুরাতন খঞ্জর, জলাঙ্গী, দুই সৈনিক, নেকড়ে অরণ্যে।
সাহিত্যে অবাদনের জন্য শওকত ওসমান বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, একুশে পদক, স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার, আদমজী সাহিত্য পুরস্কার, মুক্তধারা সাহিত্য পুরস্কারসহ বেশকিছু পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৯৮ সালের ১৪ মে খ্যাতিমান এই কথাশিল্পী ঢাকায় ইন্তেকাল করেন। বাসস

বিশ্বকবির ১৫৮তম জন্মবার্ষিকী আজ
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : আজ পঁচিশে বৈশাখ, ১২৬৮ বঙ্গাব্দের এই দিনে জন্মেছিলেন বাংলা সাহিত্যের অনন্যপ্রতিভা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

কলকাতায় জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে ক্ষণজন্মা এই কবি তার লেখনীতে বাংলা সাহিত্যের সব কটি ধারা পরিপুষ্ট করেন।

তার বাবা ছিলেন ব্রাহ্ম ধর্মগুরু দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর, মাতা সারদাসুন্দরী দেবী। রবীন্দ্রনাথ ছিলেন মা-বাবার চতুর্দশ সন্তান। জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবার ছিল ব্রাহ্ম আদিধর্ম মতবাদের প্রবক্তা।

মূলত সার্থক বাংলা ছোটগল্পের সূত্রপাত রবীন্দ্রনাথের হাতেই। মাইকেল মধুসূদন দত্ত ও বিহারীলালের লেখনীর মাধ্যমে বাংলা কবিতায় আধুনিকতার সূচনা হলেও রবীন্দ্রনাথের হাতেই তা পূর্ণতা পায়। একইভাবে রাজা রামমোহন রায়, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের হাতে জন্ম নেয়া বাংলা গদ্যকেও তিনি চূড়াস্পর্শী সাফল্য দান করেন।

রবীন্দ্রনাথ ছিলেন অগ্রণী বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী ও দার্শনিক। তাকে বাংলা ভাষার সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক মনে করা হয়। রবীন্দ্রনাথকে গুরুদেব, কবিগুরু ও বিশ্বকবি অভিধায় ভূষিত করা হয়।

রবীন্দ্রনাথের ৫২টি কাব্যগ্রন্থ, ৩৮টি নাটক, ১৩টি উপন্যাস, ৩৬টি প্রবন্ধ ও অন্যান্য গদ্যসংকলন তার জীবদ্দশায় বা মৃত্যুর অব্যবহিত পরে প্রকাশিত হয়। তার সর্বমোট ৯৫টি ছোটগল্প ও ১৯১৫টি গান যথাক্রমে গল্পগুচ্ছ ও গীতবিতান সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় প্রকাশিত ও গ্রন্থাকারে অপ্রকাশিত রচনা ৩২ খণ্ডে রবীন্দ্র রচনাবরি নামে প্রকাশিত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় পত্রসাহিত্য উনিশ খণ্ডে চিঠিপত্র ও চারটি পৃথক গ্রন্থে প্রকাশিত। এ ছাড়া তিনি প্রায় দুই হাজার ছবি এঁকেছিলেন।

রবীন্দ্রনাথের রচনা বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে।

১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী তিনিই প্রথম এশীয় ও একমাত্র বাঙালি লেখক। তিনি ভানুসিংহ ঠাকুর ছদ্মনামে লিখতেন।

১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২শে শ্রাবণ, ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই বিশ্বকবি।

পল্লীকবি জসীমউদ্‌দীনের মৃত্যুবার্ষিকী আজ
                                  

সাহিত্য ডেস্ক : পল্লীকবি জসীমউদ্‌দীনের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৭৬ সালের আজকের এ দিনে তিনি ঢাকায় ইন্তেকাল করেন।

তাকে দাফন করা হয় ফরিদপুর সদর উপজেলার অম্বিকাপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুরে পৈতৃক বাড়িতে তার প্রিয় ডালিমগাছের তলায়।

১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

মোহাম্মাদ জসীমউদ্‌দীন মোল্লা তার পূর্ণ নাম হলেও তিনি জসীমউদ্‌দীন নামেই পরিচিত। তার বাবার নাম আনসার উদ্দিন মোল্লা, তিনি পেশায় একজন স্কুল শিক্ষক ছিলেন। মা আমিনা খাতুন ওরফে রাঙাছুট।

বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় এ কবির লেখা উপন্যাস ‘বেদের মেয়ে’, কাব্য ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’, ‘নকশী কাঁথার মাঠ’ এবং ‘কবর’, আসমানীসহ বিভিন্ন কবিতা পাঠকমনে নাড়া দেয়। তার নকশী কাঁথার মাঠ কাব্যটি দি ফিল্ড অব এমব্রয়ডার্ড কুইল্ট এবং বাঙালির হাসির গল্পগ্রন্থটি ফোক টেল্স অব ইস্ট পাকিস্তান নামে ইংরেজিতে অনূদিত হয়।

বাংলা সাহিত্যে অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৬৮ সালে তিনি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের ডি. লিট উপাধি ও ১৯৭৬ সালে একুশে পদক, ১৯৭৬ ইউনেস্কো পুরস্কার, ১৯৭৮ স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার (মরণোত্তর) পান।

১৯৭৪ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেন জসীমউদ্‌দীন।

৪ হাজার ৮৩৪ বই প্রকাশে রেকর্ড মেলায়
                                  

আজই পর্দা নামলো বইমেলার। ১ ফেব্রুয়ারি মাসব্যাপী মেলার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রকাশক সমিতির অনুরোধে এবারে মেলা দু’দিন বর্ধিত করা হয়।

অমর একুশে বইমেলায় এবারে ৪ হাজার ৮৩৪টি নতুন বই প্রকাশিত হয়েছে। এটি বইমেলার ইতিহাসে রেকর্ড বলে বাংলা একাডেমি সূত্রে জানা গেছে। গত বছর নতুন বই প্রকাশিত হয়েছিল ৪ হাজার ৫৯১টি।

অন্যান্য বারের মতো এবারও সর্বোচ্চ কবিতার বই প্রকাশিত হয়েছে। মেলার শেষ দিনেও নতুন ৬৪টি বই এসেছে।

এবারে বইমেলার বিষয়ভিত্তিক বই হচ্ছে, গল্প ৭৫৭টি, উপন্যাস ৬৯৮টি, প্রবন্ধ ২৭২টি, কবিতা ১ হাজার ৬০৮টি, গবেষণা ৮০টি, ছড়া ১৪৮টি, শিশুতোষ ১৫০টি, জীবনী ১৬৭টি, রচনাবলী ১৫টি, মুক্তিযুদ্ধ ১১০টি, নাটক ৪৩টি, বিজ্ঞান ৭৭টি, ভ্রমণ ৮৫টি, ইতিহাস ৭৭টি, রাজনীতি ৩৩টি, রম্য/ধাঁধা ৩৭টি, কম্পিউটার ৫টি, ধর্মীয় ২৫টি, অনুবাদ ৩৮টি, অভিধান ৬টি, সায়েন্স ফিকশন ৪৫টি এবং অন্যান্য ৩৩০টি।

এবারের বইমেলায় ৫২৩টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছিল। এ ছাড়াও ১৮০টি লিটলম্যাগকে স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়। এবার বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ১০৪টি প্রতিষ্ঠানকে ১৫০টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৩৯৫টি প্রতিষ্ঠানকে ৬২০টি ইউনিটসহ মোট ৪৯৯টি প্রতিষ্ঠানকে ৭৭০টি ইউনিট বরাদ্দ দেয়া হয়।

এ ছাড়াও বাংলা একাডেমিসহ ২৪টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানকে ২৪টি প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল। লিটল ম্যাগাজিন চত্বরে ১৮০টি লিটলম্যাগকে ১৫৫টি স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ২৫টি স্টলে দুটি করে লিটল ম্যাগাজিনকে স্থান দেয়া হয়। এ ছাড়া স্টল পেয়েছিল অন্য ১৩০টি প্রতিষ্ঠানও।

প্রাণের বইমেলা শেষ হচ্ছে আজ
                                  

ডেস্ক রিপাের্ট : লেখক ও প্রকাশকদের দাবির প্রেক্ষিতে দুইদিন সময় বাড়ানো পর আজ (২ মার্চ, শনিবার) শেষ হচ্ছে অমর একুশে বইমেলা ২০১৯। যদিও মেলার শেষ দিন হিসেবে গত বৃহস্পতিবারই মেলার পরিসমাপ্তির সকল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে।

গত ১ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একুশে বইমেলা ২০১৯ এর উদ্বোধন করেন। এবারের মেলায় ৪৯৯টি প্রতিষ্ঠানের ৭৭০টি স্টল অংশ নেয়। এ বছর বাংলা একাডেমি ৩ লাখ বর্গফুটের ওপর মেলার আয়োজন করে।

বৃহস্পতিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে বাংলা একাডেমির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের সভাপতিত্বে মেলা অনুষ্ঠান মঞ্চে প্রতিবেদ তুলে ধরেন সদস্য সচিব ড. জালাল আহমেদ।

মেলা মঞ্চে আজকের আয়োজিত অনুষ্ঠানে চারটি বিভাগে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া ২০১৮ সালে প্রকাশিত বিষয় ও গুণমানসম্মত সর্বাধিক সংখ্যক গ্রন্থ প্রকাশের জন্য কথাপ্রকাশকে ‘চিত্তরঞ্জন সাহা স্মৃতি পুরস্কার-২০১৯’ প্রদান করা হয়।

২০১৮ সালে প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে গুণগতমান ও শৈল্পিক বিচারে সেরা গ্রন্থ বিভাগে গোলাম মুরশিদের বিদ্রোহী রণক্লান্ত : নজরুল-জীবনী গ্রন্থের জন্য প্রথমা প্রকাশনকে, মইনুদ্দীন খালেদের মনোরথে শিল্পের পথে গ্রন্থের জন্য জার্নিম্যান বুক্সকে এবং মারুফুল ইসলামের মুঠোর ভেতর রোদ গ্রন্থের জন্য চন্দ্রাবতী একাডেমিকে ‘মুনীর চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার ২০১৯’ প্রদান করা হয়।

এছাড়া ২০১৮ সালে প্রকাশিত শিশুতোষ গ্রন্থের মধ্য থেকে গুণমান বিচারে সর্বাধিক গ্রন্থ প্রকাশের জন্য পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স লিমিটেডকে রোকনুুজ্জামান খান ‘দাদাভাই স্মৃতি পুরস্কার-২০১৯’ প্রদান করা হয়।

২০১৯ সালের অমর একুশে বইমেলায় অংশগ্রহণকারী প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্য থেকে নান্দনিক অঙ্গসজ্জায় সেরা প্রতিষ্ঠান হিসেবে মধ্যমা (এক ইউনিট), বাতিঘর (বহু ইউনিট), পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স লি.-(প্যাভেলিয়ন)-কে ‘শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার ২০১৯’ প্রদান করা হয়।

পুরস্কারপ্রাপ্ত সকল প্রকাশককে ২৫ হাজার টাকার চেক, সনদ ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়েছে।

বইমেলার সময় বাড়ল ২ দিন
                                  

অনলাইন ডেস্ক : অমর একুশে বইমেলার সময় দুইদিন বাড়ানো হয়েছে। লেখক ও প্রকাশকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় এই সময় বাড়ানো হয়েছে। ফলে ২ মার্চ পর্যন্ত মেলা চলবে।

মাসব্যাপী চলা প্রাণের এই মেলা আজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। গত ১ ফেব্রুয়ারি মেলার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও মেলার আয়োজক প্রতিষ্ঠান বাংলা একাডেমি।

এবারের বইমেলায় ৫২৩টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। ১৮০টি লিটলম্যাগকে স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এবার বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ১০৪টি প্রতিষ্ঠানকে ১৫০টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৩৯৫টি প্রতিষ্ঠানকে ৬২০টি ইউনিটসহ মোট ৪৯৯টি প্রতিষ্ঠানকে ৭৭০টি ইউনিট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

এ ছাড়া বাংলা একাডেমিসহ ২৪টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানকে ২৪টি প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। লিটল ম্যাগাজিন চত্বরে ১৮০টি লিটলম্যাগকে ১৫৫টি স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ২৫টি স্টলে দুটি করে লিটল ম্যাগাজিনকে স্থান দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া স্টল পেয়েছে অন্য ১৩০টি প্রতিষ্ঠানও।

প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা উন্মুক্ত থাকে। ছুটির দিনে বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা চলে।

পর্দা নামছে বইমেলার
                                  

এশিয়া বাণী ডেস্ক : আজ পর্দা নামছে অমর একুশে বইমেলার। মাসব্যাপী চলা প্রাণের মেলা শেষ হবে আজ রাতেই। এবার মেলা উপলক্ষে রেকর্ড সংখ্যক বই প্রকাশিত হয়েছে। পাঠক ও দর্শকের উপস্থিতিও ছিল অন্যবারের চেয়েও বেশি।

গত ১ ফেব্রুয়ারি মেলার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রতি বছরের ন্যয় এবারও আয়োজক প্রতিষ্ঠান বাংলা একাডেমি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে মেলার সার্বিক তথ্য তুলে ধরবেন।

এবারের বইমেলায় ৫২৩টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। এ ছাড়াও ১৮০টি লিটলম্যাগকে স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এবার বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ১০৪টি প্রতিষ্ঠানকে ১৫০টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৩৯৫টি প্রতিষ্ঠানকে ৬২০টি ইউনিটসহ মোট ৪৯৯টি প্রতিষ্ঠানকে ৭৭০টি ইউনিট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

এ ছাড়াও বাংলা একাডেমিসহ ২৪টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানকে ২৪টি প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ দেয়া হয়। লিটল ম্যাগাজিন চত্বরে ১৮০টি লিটলম্যাগকে ১৫৫টি স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ২৫টি স্টলে দুটি করে লিটল ম্যাগাজিনকে স্থান দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া স্টল পেয়েছে অন্য ১৩০টি প্রতিষ্ঠানও।

প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত গ্রন্থমেলা উন্মুক্ত থাকে। ছুটির দিনে বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা চলে। আর ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত চালু ছিল।

বইমেলায় কথাসাহিত্যিক অরুণ কুমার বিশ্বাসের ১১ বই
                                  

ভৌতিক ও রম্য লেখায় ইতোমধ্যে একটি নিজস্ব ধারা তৈরি করেছেন কথাসাহিত্যিক অরুণ কুমার বিশ্বাস। মূলত ডিটেকটিভ ও অ্যাডভেঞ্চার লিখে অভ্যস্ত। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্যে পড়েছেন। সেই সুবাদে আর্থার কোনান ডয়েল, এলান পো, আগাথা ক্রিস্টি কিংবা সিডনি শেলডনের লেখা অংসখ্য বই তিনি পড়েছেন। লেখালেখির শুরুটা পদ্য দিয়ে হলেও এখন তিনি গদ্য লিখছেন। যেন মনে মনে বলছেন, কবিতা তোমায় দিলাম আজকে ছুটি। তার গোয়েন্দা চরিত্র অলোকেশ রয় একের পর এক রহস্য উদঘাটন করে চলেছে। তার উল্লেখযোগ্য গোয়েন্দা উপন্যাস জলপিপি, অমীমাংসিত খুন, কফিমেকার, অথই আঁধার, আলিম বেগের খুলি। আরও দুটো গোয়েন্দা চরিত্র আছে তার- কিশোরদের জন্য ডিটেকটিভ রোহান আর একেবারে ছোট্ট যারা তাদের জন্য গোয়েন্দা গুবলু। তিনি রহস্য পত্রিকার নিয়মিত লেখক।

এছাড়াও তিনি জাতীয় বিভিন্ন দৈনিকে নিয়মিত কলাম ও রম্য লিখে নিজের একটি পাঠকশ্রেণি তৈরি করেছেন। শতাধিক বইয়ের লেখক অরুণ কুমার বিশ্বাসের এবারের বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে ১১টি বই। আরও দুটি বই প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে।

আলিম বেগের খুলি
অন্যপ্রকাশ থেকে প্রকাশিত হয়েছে তার গোয়েন্দা উপন্যাস ‘আলিম বেগের খুলি’। বইটির প্রচ্ছদ এঁকেছেন মোস্তাফিজ কারিগর। মূল্য ৩০০ টাকা।
প্রায় দুশ বছর আগেকার এক বাঙালি সৈনিক আলিম বেগের মাথার খুলি নিয়ে রীতিমতো রশি টানাটানি শুরু করেন দুঁদে গোয়েন্দা অলোকেশ রয় আর কুইন মেরি ইউনিভার্সিটির বর্ষীয়ান প্রফেসর কিম ওয়াগনার। খুলির ভেতরে পাওয়া চিরকুটের বয়ান ধরে তদন্ত শুরু করেন ডিটেকটিভ রয়। সাথে যুক্ত হন স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের অসম সাহসী সার্জেন্ট বিল নিক্সন। কিন্তু তারপর..! আলিম বেগের খুলিকে ঘিরে ক্রমশ জমে ওঠে রহস্যের পাহাড়। সেই রহস্য ঘাঁটতে গিয়ে অলোকেশ খুঁজে পান এক ভয়ঙ্কর সত্য।

অথই আঁধার
অনিন্দ্যপ্রকাশ প্রকাশ করেছে ‘অথই আঁধার’। প্রচ্ছদশিল্পী ধ্রুব এষ। মূল্য ২০০ টাকা।
গোয়েন্দা অলোকেশের গল্প এটি। কয়েকটি আখ্যান মিলে গড়ে উঠেছে গ্রন্থের শরীর। প্রতিটি গল্পে দেখা যায় সম্পর্কের টানাপোড়েন থেকে একরকম রহস্যময়তা এবং তারপর দেখা দেয় ক্রাইসিস। কিছু কিছু ক্ষেত্রে অঘটন ঘটে, তখন দৃশ্যে আবির্ভূত হন গোয়েন্দা অলোকেশ। তার বন্ধু ও প্রিয়তমা উর্বী এ কাজে তাকে সহযোগিতা করে। আরও যুক্ত হন ক্রাইম রিপোর্টার শুভজিত।

ওরা ডিটেকটিভ
পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স প্রকাশিত উপন্যাস ‘ওরা ডিটেকটিভ’। এ বইটির প্রচ্ছদশিল্পীও ধ্রুব এষ। মূল্য ২৩০ টাকা। হোটেল মায়া ইন্টারন্যাশনাল, কুয়ালালামপুর। ব্যস্ততম বুকিত বিনতাং এলাকায় বিলাসবহুল অভিজাত হোটেল মায়া’র সাতশ সতের নম্বর স্যুটে খুন হন ভারতীয় বিজনেস ম্যাগনেট রাকেশ প্যাটেল। দুঃখজনক হলেও সত্যি, রাকেশ মার্ডার কেসের প্রাইম সাসপেক্ট দুজন- বাংলাদেশের মেধাবী ছেলে দীপ্র ও কায়েস। অথচ তারা দাবি করছে এই কেসে ওদের কোনও দায় নেই। লাশের কাঁধে ও পিঠে টকটকে লিপস্টিকের দাগ যেনো শুকনো রক্ত। কে খুনি! কে বাঁচাবে দীপ্র ও কায়েসকে!

গোয়েন্দা রোহান
তাম্রলিপি প্রকাশন থেকে প্রকাশিত ‘গোয়েন্দা রোহান’-এর গল্প নটরডেম কলেজের ছাত্র রোহানকে নিয়ে। রোহানের ভাগনে সজল আর কাজল মিলে গড়ে ওঠে এক গোয়েন্দাবাহিনী। তারা একের পর এক জটিল সব রহস্য উদ্ধার করে রীতিমতো হিরো বনে যায়। ওরা ঢাকার মোহাম্মদপুরের জানপান গার্ডের সিটিতে থাকে। হঠাৎ একদিন সজলের এক বন্ধু উধাও হয়। সবাই মনে করে কিডন্যাপ। আসলেই কি তাই? কিন্তু তাহলে ওর আইপ্যাড কোথায় গেল! বা চার্জার! সেখানেই রোহান খুঁজে পায় রহস্যের ঝিলিক। আইপ্যাড আর চার্জারের সূত্র ধরে ওরা পৌঁছে যায় রহস্যের খুব কাছে। বইটির প্রচ্ছদশিল্পী নিয়াজ চৌধুরী তুলি। মূল্য ১৬০ টাকা।

লাল বিলুর কাণ্ডকীর্তি
লাল বিলুর কাণ্ডকীর্তি তিন বন্ধুকে ঘিরে। লালু বিলু পল্টন তিন বন্ধু। স্কুলে যাবার চেয়ে পালানোর দিকেই ওদের আগ্রহ বেশি। সেই সাথে সাগরেদ হিসেবে যোগ দেয় কাশীনাথ ওরফে কাশু। ওদের স্কুলের টিচার নিউটন দেশের ভালো দেখতে পারে না। সে মনে করে পাকিস্তান ফিরে গেলেই ভালো। লালু বিলু দেশকে ভালোবাসে। সুযোগ পেলেই নিউটন ওদের কান টেনে গাধার কানের মতো লম্বা করে দেয়। এরপর হঠাৎ একদিন চুরি যায় স্কুলের জাতীয় পতাকা উত্তোলনের দড়ি। নতুন দড়ি কেনা হয়। কিন্তু দড়ি আবার চুরি যায়, যেতেই থাকে। লালু বিলু চোর ধরার দায়িত্ব পায়। সাথে পল্টন আর কাশু। চোর ঠিক ধরা পড়ে একদিন। কিন্তু নিউটন! তার কী সাজা হবে এখন! বইটির প্রকাশক শুদ্ধপ্রকাশ। প্রচ্ছদ: রজত। মূল্য ১৫০ টাকা।

হানাবাড়ি খুনরহস্য
কথাপ্রকাশ থেকে প্রকাশিত ভৌতিক এ উপন্যাসটি রহস্যে ঘেরা। প্রচ্ছদশিল্পী ধ্রুব এষ। মূল্য ১২৫ টাকা।
প্রায় দুশ বছর পুরনো যোগিন্দরলালের কুঠিবাড়িতে সহসাই কী সব ভৌতিক আনাগোনা শুরু হয়। শোনা যায়, ডাফলিন নামের এক বিলিতি সাহেবকে নাচ দেখাতে এসে কুঠিতেই নাকি খুন হন এক নেটিভ নর্তকী। তারপর কেটে যায় আরও কত কাল! বারবার হাতবদল হয় যোগিন্দরলালের কুঠি। কিন্তু কেউ স্থায়ীভাবে থিতু হতে পারে না। গুগলের সূত্র ধরে একদিন সেই কুঠিবাড়িতে গিয়ে ঢোকে বনি ও তার বন্ধুরা। সেখানে গিয়ে ওদের অদ্ভুত সব অভিজ্ঞতা হয়। সহসাই হলঘরে চোখধাঁধানো আলো জ্বলে ওঠা, নাচঘরে মাঝরাতে বিকট আর্তনাদ, আরাম কেদারার অবিরাম দুলতে থাকা, চিতাবাঘের চিৎকার ওদের বিষম ভড়কে দেয়। বনির বড়বোন মলি সিদ্ধান্ত নেয়, ওরা সেখানে যাবে। কী রহস্য লুকিয়ে আছে তাকে সেটা জানতেই হবে। পুলিশের সোর্স মিশু ওদের সঙ্গে থাকবে বলে জানায়। কিন্তু তারপর?

কালোচিতার প্রেতাত্মা
কথাপ্রকাশ থেকে প্রকাশিত হয়েছে ‘কালোচিতার প্রেতাত্মা’। বইটির প্রচ্ছদ এঁকেছেন ধ্রুব এষ। মূল্য ১২৫ টাকা।
জর্জ চাচার কাছে বেড়াতে গিয়ে ভয়ঙ্কর বিপদে পড়ে কাজল। চীন দেশের তিয়ানজিন শহর থেকে সহসাই কে বা কারা ওর চাচাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। চাচাকে খুঁজতে গিয়ে কাজলের সঙ্গে আলাপ হয় বাংলাদেশি ছেলে অর্জুনের। কদিন বাদে জর্জ চাচার চিঠি আসে যে সে ভালো আছে। তাকে কোনও এক গভীর অরণ্যে লুকিয়ে রেখেছে ওরা। যেখানে কিনা চেপাং মানে কালোচিতার প্রেত্মাতার ডাক শোনা যায়। অর্জুনের সহপাঠি ছি-মা ওয়্যাং ওরফে মাছি ওদের সাথে হাত মেলায়। দুর্ধর্ষ অভিযাত্রী মাছির নেতৃত্বে জর্জ চাচাকে খুঁজতে থাকে কাজল, অর্জুন আর ইন্ডিয়ান ক্যাবচালক পাঞ্চু।

ট্যাঙ্কিতে কালো ভূত
‘ট্যাঙ্কিতে কালো ভূত’ প্রকাশ করেছে অর্জন প্রকাশন। প্রচ্ছদ এঁকেছেন রজত। মূল্য ১৩০ টাকা। এটি নিপাট ভূতের বই। যারা ভূতে অবিশ্বাসী তাদের জন্য এই বই নয়, দূরে থাকুন। হরেকরকম ভূতের গল্প আছে এখানে। কেউ মাছ খায়, কেউ মুণ্ডু চিবায়, কেউ ঘাড় ভাঙে, আবার কোনও কোনও ভূত অমাবস্যায় নাচে। মোদ্দাকথা এই ভূতে ভয় না পেলে চলে! ছেলেবেলায় আমরা কতরকম ভূতের কথা শুনেছি! এবার সেসব ভূত বাসা বেঁধেছে বইয়ের পাতায়। রকমারি ভূতের কাজ-কারবার নিয়ে ‘ট্যাঙ্কিতে কালো ভূত’।

এছাড়া মূর্ধণ্য থেকে ‘তেল ও আঁতেল’, কারুবাক থেকে ‘ফাইটার বুড়ো’ এবং ঝিঙেফুল থেকে ‘শঙ্কুর বিজয় নিশান’ প্রকাশিত হয়েছে। আগামী সপ্তাহে প্রকাশিত হবে পাঠক সমাবেশ থেকে ‘নীল দুশমন’ও আগামী প্রকাশনী থেকে ‘মুক্তিযুদ্ধের গল্প’।

বায়তুল মোকাররম মসজিদে আল মাহমুদের জানাজা
                                  

আজ বাদ জোহর কবি আল মাহমুদের নামাজে জানাজা হবে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে। কবির বড় ছেলে শরিফ আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কবি আল মাহমুদ গতকাল শুক্রবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার পর বার্ধক্যজনিত কারণে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

আল মাহমুদ শুধু আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি নন, তিনি একাধারে ছিলেন ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্প লেখক, শিশুসাহিত্যিক ও সাংবাদিক।

কবি আল মাহমুদের প্রকৃত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ। ১৯৩৬ সালের ১১ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মোড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন আল মাহমুদ।

সাহিত্যে অবদানের জন্য রাষ্ট্রীয় সম্মান একুশে পদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, ফিলিপস সাহিত্য পুরস্কার, শিশু একাডেমি (অগ্রণী ব্যাংক) পুরস্কার, ফররুখ স্মৃতি পুরস্কার, জীবনানন্দ দাশ স্মৃতি পুরস্কারসহ বিভিন্ন সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন এই কবি। লোক লোকান্তর (১৯৬৩), কালের কলস (১৯৬৬), সোনালী কাবিন (১৯৬৬) ইত্যাদি আল মাহমুদের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ।

কবি আল মাহমুদ আর নেই
                                  

বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান কবি আল মাহমুদ আর নেই। শুক্রবার রাতে রাজধানীর ধানমন্ডির ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

আল মাহমুদের শুভানুধ্যায়ী কবি আবিদ আজম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে ৯ ফেব্রুয়ারি রাতে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় কবিকে ধানমন্ডির ইবনে সিনা হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। তিনি নিউমোনিয়াসহ বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন।

মৃত্যুকালে আল মাহমুদের বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি স্ত্রী সন্তানসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

কবি আল মাহমুদ ১৯৩৬ সালের ১১ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মোড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার প্রকৃত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ। তার পিতার নাম মীর আবদুর রব ও মাতার নাম রওশন আরা মীর। তার দাদা আব্দুল ওহাব মোল্লা হবিগঞ্জ জেলার বিখ্যাত জমিদার ছিলেন।

আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি আল মাহমুদ। তিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্প লেখক, শিশুসাহিত্যিক এবং সাংবাদিক। বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়াংশে সক্রিয় থেকে তিনি আধুনিক বাংলা কবিতাকে নতুন আঙ্গিকে, চেতনায় ও বাকভঙ্গিতে বিশেষভাবে সমৃদ্ধ করেছেন। তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সম্মুখ সমরে অংশ নিয়েছেন। স্বাধীনতা পরবর্তীকালে তিনি সরকার বিরোধী হিসেবে পরিচিত দৈনিক গণকণ্ঠ (১৯৭২-১৯৭৪) পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।

১৯৫০-এর দশকে যে কয়েকজন লেখক বাংলা ভাষা আন্দোলন, জাতীয়তাবাদ, রাজনীতি, অর্থনৈতিক নিপীড়ন এবং পশ্চিম পাকিস্তানি সরকার বিরোধী আন্দোলন নিয়ে লিখেছেন তাদের মধ্যে আল মাহমুদ একজন। লোক লোকান্তর (১৯৬৩), কালের কলস (১৯৬৬), সোনালী কাবিন (১৯৬৬) ইত্যাদি তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ।

১৯৬৮ সালে ‘লোক লোকান্তর’ ও ‘কালের কলস’ নামে দুটি কাব্যগ্রন্থের জন্য তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। তার সবচেয়ে সাড়া জাগানো সাহিত্যকর্ম ‘সোনালি কাবিন’। ১৯৯০-এর দশক থেকে তার কবিতায় বিশ্বস্রষ্টার প্রতি বিশ্বাস উৎকীর্ণ হতে থাকে; এর জন্য তিনি প্রগতিশীলদের সমালোচনার মুখোমুখি হন। ১৯৯৩ সালে বের হয় তার প্রথম উপন্যাস ‘কবি ও কোলাহল’। কোনো কোনো তাত্ত্বিকের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বিশ্বাসগ্রস্থতার কারণে তার বেশকিছু কবিতা লোকায়তিক সাহিত্যদর্শন দৃষ্টান্তবাদ দ্বারা অগ্রহণযোগ্য।

বইমেলায় হুমায়ুন কবিরের `কাব্যঘর`
                                  

জাকির হোসেন : অমর একুশে বইমেলায় পাওয়া যাচ্ছে কবি ও সাহিত্যিক মোঃ হুমায়ুন কবিরের ‘কাব্যঘর’ বইটি। ৪০ পৃষ্ঠার বইটি প্রকাশ করেছে শব্দ শিল্প প্রকাশনী।

বইটি পাওয়া যাচ্ছে বইমেলায় প্রকাশনীর ৬৬৯/৭০ নম্বর স্টলে।

মো. হুমায়ুন কবির বইটি সম্পর্কে বলেন, ‘বইটিতে রয়েছে ভিন্ন রকমের কবিতা। যা পাঠকের মন ছুয়ে যাবে।’

আইসিইউতে কবি আল মাহমুদ
                                  

বিনোদন ডেস্ক : কবি আল মাহমুদের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটেছে। গুরুতর অসুস্থ হওয়ায় তাকে রাজধানীর ইবনে সিনা হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউতে) রাখা হয়েছে।

শনিবার রাতে কবি আল মাহমুদের ব্যক্তিগত সহকারী আবিদ আজম জানান, কবি আল মাহমুদ খুব বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ায় সন্ধ্যায় তাকে ধানমন্ডির ইবনে সিনা হাসপাতা‌লে আনা হয়। চিকিৎসকরা তাকে আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা দিচ্ছেন।

৮২ বছর বয়সী কবি আল মাহমুদ বয়সজনিত নানা ধরনের জটিলতায় ভুগছেন। ১৯৩৬ সালের ১১ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মোড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার প্রকৃত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ। সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯৬৮ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান তিনি।

বই মেলায় উল্লেখযোগ্য বিক্রির জন্য ছুটির দিনের অপেক্ষায় প্রকাশকরা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : একুশের গ্রন্থমেলায় উল্লেখযোগ্য বিক্রির জন্য সাপ্তাহিক ছুটির দিনের জন্য অপেক্ষা করছেন প্রকাশকরা। তারা বলেছেন, মেলায় নতুন পুরনো মিলে অসংখ্য ভাল বই এসেছে। কিন্তু সে অনুসারে এখনও উল্লেখযোগ্য বিক্রি শুরু হয়নি। ছুটির দিনই ভরসা।

বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সভাপতি সৈয়দ জাকির হোসেন বলেন, মেলার ছয়দিনে অসংখ্য ভাল বই প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন স্টলে। ছয়দিন চলে যাচ্ছে। বিক্রি আশানুরুপ নয়। সাধারণত: আমরা ছুটির দিনের অপেক্ষায় থাকি। এবারও সেই অপেক্ষায় রয়েছি।

অন্যন্য’র স্বত্বাধিকারী মনিরুল আলম বলেন, তাদের স্টলে এ পর্যন্ত ২৯টি নতুন বই এসেছে। এর মধ্যে গবেষণার বই বেশি। উপন্যাস ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বই রয়েছে। বিক্রি আশানুরুপ নয় বলে তিনি জানান।
তিনি অভিযোগ করেন, মেলায় কোন স্টলে কি বই পাওয়া যাবে, এই ব্যবস্থাটা এবারও করতে পারেনি আয়োজকরা। ক্রেতার পক্ষে সব স্টল ঘুরে বই খোঁজ করা সম্ভব হয়ে উঠে না।

অস্বেষা প্রকাশনীর স্বত্ত্বাধিকারী শাহাদাত হোসেন বলেন, আজ ছয়দিন চলছে মেলার। আমাদের ৩৩টি নতুন বই এসেছে। এর মধ্যে গবেষণা, উপন্যাস, মুক্তিযুদ্ধ, ভাষা আন্দোলনের বই রয়েছে। বিক্রি তেমন উল্লেখযোগ্য নয়। গত বছরের প্রথম সপ্তাহে যে বিক্রি হয়েছিল, এবার তার চেয়ে কম।

কথা প্রকাশনী এবার ৮০টির মতো নতুন বই স্টলে এনেছে। তাদের বিক্রিও আকাংখা অনুযায়ি নয় বলে স্টল থেকে একজন বিক্রেতা জানান। তারা চিরায়ত সাহিত্যের বেশ কয়েকটি রচনাবলীও এবার প্রকাশ করেছে। প্রকাশ করেছে শ্রেষ্ঠ প্রবন্ধ সিরিজের পাঁচটি বই।

প্রায় চারশত বইয়ের প্যাভিলিয়ন অবসর প্রকাশনীর। নতুন বই এসেছে ১৯টি। এ স্টল থেকে বিক্রেতা সাদিয়া আফরোজ জানান, গত দুইদিনে বিক্রি কিছুটা ভাল। তবে ছুটির দিনে ভাল বিক্রির জন্য তারা অপেক্ষা করছেন।
ক্রেতাদের জন্য বই খোঁজ করার ব্যাপারে মেলা কমিটির সদস্য সচিব ও বাংলা একাডেমির পরিচালক ড. জালাল আহমদ বাসসকে জানান, প্রতিদিনের নতুন বই বাংলা একাডেমির ভেতরে বর্ধমান হাউজের পাশে একাডেমির স্টলে দর্শকদের জন্য প্রদর্শন করা হচ্ছে। সেখান থেকে ক্রেতারা নতুন বইয়ের নাম ও প্রকাশনা সংস্থার নাম জানতে পারছেন। আর স্টলের খোঁজ করতে পারবেন সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও একাডেমির ভেতরে স্টলম্যাপ থেকে।

আজ মেলার মূলমঞ্চে বিকেলে ‘কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায় : জন্মশতবর্ষ শ্রদ্ধাঞ্জলি ’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আবুল হাসনাত। সভাপতিত্ব করেন কবি আসাদ চৌধুরী। আলোচনায় অংশ নেন বিকল গুহ, গোলাম কিবরিয়া পিনু ও শোয়াইব জিবরান। পরে কবিকণ্ঠে কবিতা পাঠ, আবৃত্তি এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিল্পীরা গান পরিবেশন করেন। বাসস

ভাষার সংগ্রাম ছিল মূলত স্বাধীনতার সংগ্রাম : ভাষাসৈনিক আহমদ রফিক
                                  

ভাষাসৈনিক আহমদ রফিক বলেছেন, ভাষার সংগ্রাম ছিল মূলত স্বাধীনতার সংগ্রাম। ভাষা আন্দোলন চেতনার যে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করেছিল তারই বিচ্ছুরিত শিখায় আমরা আমাদের জাতিসত্ত্বার স্বরূপ আবিষ্কার করেছি এবং আঁধার রাতের পরিধি ভেঙে সম্ভব করেছি স্বাধীনতার সুবর্ণ সকাল।

বাংলা একাডেমিতে অমর একুশের গ্রন্থমেলায় ‘বিজয় : ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি সভাপতির ভাষণে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ভাষা আন্দোলনে বাঙালি জাতিসত্বার জাগরণ ঘটেছিল। যা থেকে ক্রমে স্বাধীনতা সংগ্রামের দিকে এগিয়ে গিয়েছি আমরা।
মেলার মূলমঞ্চে গতকাল সন্ধ্যায় বাংলা একাডেমি আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রাবন্ধিক-গবেষক আবুল মোমেন। আলোচনায় অংশ নেন লেখক-সাংবাদিক হারুন হাবীব, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এমরান কবির চৌধুরী এবং গবেষক মোফাকখারুল ইকবাল।

আবুল মোমেন প্রবন্ধে বলেন, ভাষা আন্দোলন পূর্ববাংলার মানুষকে মুক্তি ও স্বাধীনতার দিশা দিয়েছে। ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির লড়াই ক্রমশ পরিণত হয়েছে সায়ত্ত্বশাসন এবং স্বাধীনতামুখী অনিবার্য সংগ্রামে। এ অঞ্চলের চিন্তানায়ক, লেখক, বুদ্ধিজীবী ও সংস্কৃতিকর্মীদের দীর্ঘ সংগ্রামের পরম্পরায় বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে স্বাধীনতা ও মুক্তির লক্ষ্যে বাঙালিরা যে পথে নেমেছিল সে পথ ছিল বীরত্ব, ত্যাগ, সংগ্রাম ও বিজয়ের পথ।
তিনি বলেন, বিজয়ের পথে শেষ গন্তব্যে পৌঁছেছি আমরা নয়মাসের দীর্ঘ সংগ্রাম, অসীম ত্যাগ ও বিপুল বীরত্বের বিনিময়ে। তখন ১৬ ডিসেম্বরের শীতবিকেলের সূর্য পশ্চিম দিগন্তে লালিমা ছড়াচ্ছিল, সে আলোয় উদ্ভাসিত হয়ে উঠেছিল রমনার সবুজ চত্বরÑ আর সেই লাল-সবুজের অপরূপ আলোয় আমাদের বিজয়ের মাহেন্দ্রক্ষণ যেন বাংলার ও বঙ্গবন্ধুর জয়ধ্বনিতে মুখর হয়ে উঠেছিল।
রুন হাবীব বলেন , ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধের মোহনায় পৌঁছুতে সাংস্কৃতিক সংগ্রামের গুরুত্ব অপরিসীম। মূলত ভাষা-আন্দোলন বাহিত চেতনাই আমাদের ধারাবাহিকভাবে উপনীত করেছে মহান মুক্তিযুদ্ধের দুয়ারে। ভাষার সংগ্রাম আমাদের উদ্বুদ্ধ করেছে জাতিসত্তার আত্মপরিচয় অন্বেষণে। তবে এ পথের যাত্রা কুসমাস্তীর্ণ ছিল না মোটেও। নানামুখী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতি বায়ান্নকে সফল করে তুলেছে একাত্তরে। বাসস

একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি বেলাল চৌধুরী আর নেই
                                  

অনলাইন ডেস্ক
একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি বেলাল চৌধুরী আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে রাজধানীর আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন তিনি। মৃত্যু কালে তার বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর।
ক্রনিক কিডনি ডিজিজ, রক্তশূন্যতা, হাইপোথাইরোটিজসহ নানা দুরারোগ্য ব্যাধিতে ভুগছিলেন এই কবি। অবস্থান অবনতি হওয়ায় শুক্রবার বিকেল ৩টায় লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়েছিল তাকে।
লাইফ সাপোর্ট খোলার আগেই বেলাল চৌধুরী মারা যান বলে প্রাথমিক খবরে জানা গেছে।
বেলাল চৌধুরী আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালের অধ্যাপক ফিরোজ আহমেদ কোরেশীর তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন ছিলেন। কবি পরিচয়ের পাশপাশি সাংবাদিক, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক এবং সম্পাদক হিসেবেও খ্যাতিমান ছিলেন তিনি। কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৪ সালে একুশে পদক পান তিনি।
২১ এপ্রিল কবি বেলাল চৌধুরীর বড় ছেলে আবদুল্লাহ প্রতীক চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেছিলেন, দীর্ঘ চার মাস ধরে তিনি অসুস্থ। ১৭ আগস্ট থেকে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বৃহস্পতিবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেয়া হয়। শুক্রবার তাকে লাইফ সাপোর্টে দেয়া হয়। তার জন্য আমি দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইছি।

সুরের মূর্ছনায় বর্ষবরণ
                                  

অনলাইন ডেস্ক
পুরোনো দিনের ব্যর্থতা, গ্লানি ঝেড়ে ফেলে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় নিয়ে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতেছে বর্ষবরণের বৈশাখী উৎসবে। ১৪২৫ সালকে বরণ করে নিলো বাংলাদেশের অন্যতম সংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানট। ‘বিশ্বায়নের বাস্তবতায় শিকড়ের সন্ধান’ প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে বর্ষবরণের অনুষ্ঠান শুরু করে সংগঠনটি।
আজ শনিবার পহেলা বৈশাখের সকাল সোয়া ৬টায় ছায়নটের আয়োজনে শুরু হয় বর্ষবরণের প্রভাতী আয়োজন। হলুদ সবুজ পোশাকে এ সময় রমনার বটমূলে প্রায় দেড় শতাধিক শিল্পী তাদের সুর-ছন্দ আর তাল-লয়ে বৈশাখের বন্দনা করে স্বাগত জানান নতুন বছর ১৪২৫কে। তাদের সে আয়োজনে ছিলো বৈশাখের মগ্নতা, হৃদয়ে নতুনকে কাছে পাবার তৃষ্ণা আহ্বান।
ছায়ানটের শিল্পী-কর্মীদের জন্য বটমূল সংলগ্ন সামান্য জায়গা ছাড়া প্রায় গোটা প্রাঙ্গনই উন্মুক্ত রয়েছে সবার জন্য। বটমূলের বর্ষবরণ আয়োজন সুষ্ঠু রাখতে সার্বক্ষণিক সহায়তা দিচ্ছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনীর সদস্যরা।
সংগঠনের ৫১ বছর পূর্তি উপলক্ষে এবারের আয়োজনে ছিল অনেক নতুনত্ব। ছায়ানটের প্রভাতি সংগীতানুষ্ঠান থেকে শুরু করে মঞ্চ সাজানোয় পরিবর্তন আনা হয়েছে। এছাড়া গানের তালিকায় আছে মানবতা, দেশপ্রেম ও উদ্দীপনামূলক কালজয়ী গান।


   Page 1 of 3
     শিল্প-সাহিত্য
আগামীকাল কথাশিল্পী শওকত ওসমানের ২১তম মৃত্যুবার্ষিকী
.............................................................................................
বিশ্বকবির ১৫৮তম জন্মবার্ষিকী আজ
.............................................................................................
পল্লীকবি জসীমউদ্‌দীনের মৃত্যুবার্ষিকী আজ
.............................................................................................
৪ হাজার ৮৩৪ বই প্রকাশে রেকর্ড মেলায়
.............................................................................................
প্রাণের বইমেলা শেষ হচ্ছে আজ
.............................................................................................
বইমেলার সময় বাড়ল ২ দিন
.............................................................................................
পর্দা নামছে বইমেলার
.............................................................................................
বইমেলায় কথাসাহিত্যিক অরুণ কুমার বিশ্বাসের ১১ বই
.............................................................................................
বায়তুল মোকাররম মসজিদে আল মাহমুদের জানাজা
.............................................................................................
কবি আল মাহমুদ আর নেই
.............................................................................................
বইমেলায় হুমায়ুন কবিরের `কাব্যঘর`
.............................................................................................
আইসিইউতে কবি আল মাহমুদ
.............................................................................................
বই মেলায় উল্লেখযোগ্য বিক্রির জন্য ছুটির দিনের অপেক্ষায় প্রকাশকরা
.............................................................................................
ভাষার সংগ্রাম ছিল মূলত স্বাধীনতার সংগ্রাম : ভাষাসৈনিক আহমদ রফিক
.............................................................................................
একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি বেলাল চৌধুরী আর নেই
.............................................................................................
সুরের মূর্ছনায় বর্ষবরণ
.............................................................................................
‘আমি বোকাসোকা মানুষ, ভয় পাই না’
.............................................................................................
বর্ণ আর ভাষার ঝংকারে জমে উঠেছে মেলা
.............................................................................................
না ফেরার দেশে কথাসাহিত্যিক শওকত আলী
.............................................................................................
আজ মরমী সাধক হাসন রাজার মৃত্যুবার্ষিকী
.............................................................................................
বাংলা একাডেমির ৬২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ
.............................................................................................
হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিন আজ
.............................................................................................
রাঁধুনি
.............................................................................................
কবি সুফিয়া কামালের ১০৬তম জন্মদিন আজ
.............................................................................................
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের ৪১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
.............................................................................................
জাতীয় কবি নজরুলের ১১৮তম জন্মবার্ষিকী
.............................................................................................
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের ১৫৬তম জন্মদিন আজ
.............................................................................................
মঙ্গলবার ভোরে দেশে পৌঁছাবে কাজী আরিফের মরদেহ
.............................................................................................
চলে গেলেন আবৃত্তিশিল্পী কাজী আরিফ
.............................................................................................
সায়েন্স ফিকশন || সিনেস্থেশিয়া
.............................................................................................
প্রেমেন্দ্র মিত্র পড়ে গল্প লিখতে শেখা
.............................................................................................
ইলোরার গল্প -সোনালি স্বপ্ন-
.............................................................................................
বাংলা সনের প্রবর্তকের খোঁজে
.............................................................................................
চলে গেলেন সাহিত্যিক শান্তনু কায়সার
.............................................................................................
জীবনানন্দের চোখ
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]