| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * ঢাকাকে হারিয়ে জয়ে ফিরল খুলনা   * ঢাকাকে হারিয়ে জয়ে ফিরল খুলনা   * ব্রহ্মপুত্রে বাঁধ দিচ্ছে চীন, পানি সংকটের আশঙ্কা ভারতে   * চূড়ান্ত ফল প্রকাশ, ৯৪% কার্যকর মডার্নার ভ্যাকসিন   * সাপাহারে বে-সরকারি ক্লিনিকে অভিযান, অর্থদন্ড ৭৫ হাজার টাকা   * ভাস্কর্যকে মূর্তির সাথে তুলনা বিভ্রান্তি-উস্কানির অপচেষ্টা মাত্র : তথ্যমন্ত্রী   * ২৩ পৌরসভায় বিএনপির মনোনয়ন পেলেন যারা   * ৯৯৯-এ ফোন করে মিথ্যা তথ্য দিলে শাস্তি   * ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নির্বাচনে নোমানী সভাপতি, মশিউর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত   * কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের উদ্যোগে ২ দিন ব্যাপী জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের সূচনা  

   লাইফস্টাইল -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
রেসিপি: ক্রিসপি রূপচাঁদা ফ্রাই

রূপচাঁদা প্রায় সবার কাছেই পছন্দের একটি মাছ। সামুদ্রিক এই মাছটি বেশ সুস্বাদু ও পুষ্টিকর। এই মাছ দিয়ে তৈরি করা যায় নানারকম সুস্বাদু পদ। তেমনই একটি পদ হলো ক্রিসপি রূপচাঁদা ফ্রাই। চলুন রেসিপি জেনে নেয়া যাক-

উপকরণ:
রূপচাঁদা মাছ- ৩টি
হলুদ গুঁড়া- হাফ চামচ
গোল মরিচ- ১ চামচ
ঘন দই- ২ চামচ
ধনে পাতা- ২ চামচ
মরিচের গুঁড়া- ২ চামচ
মাখন- ২ চামচ
লবণ- স্বাদমতো।


প্রণালি:
মাছ ভালো করে ধুয়ে নিন। তারপর ছুরি দিয়ে মাছের গাটা হলকা করে চিরে দিন। এবার একটা বাটিতে হলুদ, লবণ, লেবুর রস, গোল মরিচ এবং মরিচের গুঁড়া নিয়ে মাছের গায়ে ভালো করে লাগিয়ে দিন। ১৫ মিনিট এইভাবে মাছটাকে রেখে দিন।

মাছটা যতক্ষণ ম্যারিনেট হচ্ছে ততক্ষণ একটা পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। পেস্টাটা বানাতে একটা বাটিতে দই, মরিচের গুঁড়া এবং ধনে পাতা পাতা নিয়ে ভালো করে মেখে নিন। পেস্টটা বানানো হয়ে গেলে মাছের গায়ে ভালো করে লাগিয়ে দিন।

১ ঘণ্টা মাছটা এইভাবে রেখে দিন। সময় হয় গেলে একটা ননস্টিক তাওয়া গরম করে তাতে পরিমাণ মতো মাখন দিয়ে দিন।

যখন দেখবেন মাখনটা গলে গেছে তখন তাতে একে একে তিনটি মাছ দিয়ে দিন। ৮-১০ মিনিট হালকা আঁচে ফ্রাই করার পর মাছগুলো উল্টে দিন। যাতে আরেক দিকও ভালো করে ফ্রাই হয়।

যখন দেখবেন দুই দিকই ভালো করে ভাজা হয়ে গেছে তখন আঁচটা বন্ধ করে মাছগুলো একটি প্লেটে তুলে নিন। এবার ফ্রাই ক্রিসপি রূপচাঁদা পরিবেশনের জন্য তৈরি।

রেসিপি: ক্রিসপি রূপচাঁদা ফ্রাই
                                  

রূপচাঁদা প্রায় সবার কাছেই পছন্দের একটি মাছ। সামুদ্রিক এই মাছটি বেশ সুস্বাদু ও পুষ্টিকর। এই মাছ দিয়ে তৈরি করা যায় নানারকম সুস্বাদু পদ। তেমনই একটি পদ হলো ক্রিসপি রূপচাঁদা ফ্রাই। চলুন রেসিপি জেনে নেয়া যাক-

উপকরণ:
রূপচাঁদা মাছ- ৩টি
হলুদ গুঁড়া- হাফ চামচ
গোল মরিচ- ১ চামচ
ঘন দই- ২ চামচ
ধনে পাতা- ২ চামচ
মরিচের গুঁড়া- ২ চামচ
মাখন- ২ চামচ
লবণ- স্বাদমতো।


প্রণালি:
মাছ ভালো করে ধুয়ে নিন। তারপর ছুরি দিয়ে মাছের গাটা হলকা করে চিরে দিন। এবার একটা বাটিতে হলুদ, লবণ, লেবুর রস, গোল মরিচ এবং মরিচের গুঁড়া নিয়ে মাছের গায়ে ভালো করে লাগিয়ে দিন। ১৫ মিনিট এইভাবে মাছটাকে রেখে দিন।

মাছটা যতক্ষণ ম্যারিনেট হচ্ছে ততক্ষণ একটা পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। পেস্টাটা বানাতে একটা বাটিতে দই, মরিচের গুঁড়া এবং ধনে পাতা পাতা নিয়ে ভালো করে মেখে নিন। পেস্টটা বানানো হয়ে গেলে মাছের গায়ে ভালো করে লাগিয়ে দিন।

১ ঘণ্টা মাছটা এইভাবে রেখে দিন। সময় হয় গেলে একটা ননস্টিক তাওয়া গরম করে তাতে পরিমাণ মতো মাখন দিয়ে দিন।

যখন দেখবেন মাখনটা গলে গেছে তখন তাতে একে একে তিনটি মাছ দিয়ে দিন। ৮-১০ মিনিট হালকা আঁচে ফ্রাই করার পর মাছগুলো উল্টে দিন। যাতে আরেক দিকও ভালো করে ফ্রাই হয়।

যখন দেখবেন দুই দিকই ভালো করে ভাজা হয়ে গেছে তখন আঁচটা বন্ধ করে মাছগুলো একটি প্লেটে তুলে নিন। এবার ফ্রাই ক্রিসপি রূপচাঁদা পরিবেশনের জন্য তৈরি।

সাদা পোশাক সুরক্ষিত রাখবেন যেভাবে
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ওয়ারড্রোবে সাদা রঙের পোশাক বেশিদিন সংরক্ষণ করে রাখার কথা ভাবলেই একটি ভয় কাজ করে, তাহলো- সময়ের সাথে সাথে পোশাকের রং হলুদ হয়ে যাওয়া। তা বেশিদিন রাখার কারণেই হোক কিংবা রাসায়নিক কারণেই হোক।

তবে সাদা পোশাক ধুয়ে এবং এটি সঠিকভাবে সংরক্ষণ করতে পারলে উজ্জ্বল এবং একেবারে নতুনের মতো করে রাখতে পারবেন।

এজন্য কিছু নিয়ম অনুসরণ করতে পারেন-

১. সাদা পোশাকগুলো সংরক্ষণ করার আগে ভালোভাবে ধুয়ে নিন। নোংরা কাপড়গুলো দাগ সৃষ্টি করতে পারে এবং হলুদ বর্ণহীনতা তৈরি করতে পারে। তাই নিশ্চিত হয়ে নিন, এটি পরিষ্কার আছে কি না। কিভাবে সাদা পোশাক ধুয়ে ফেলতে হয়, তা জানতে কাপড়ের ট্যাগটি চেক করুন।

২. সাদা পোশাক ধোয়ার জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ ডিটারজেন্ট ব্যবহার করুন। কাপড়ের ডিটারজেন্ট ধারক পরীক্ষা করুন। দেখুন যে, স্বাভাবিক নির্দিষ্ট পরিমাণটি কী। যদি খুব সামান্য ডিটারজেন্ট ব্যবহার করেন, তবে এটি সাদা অংশে ময়লা তুলতে সক্ষম হবে না, হলুদ থেকেই যাবে। বেশি ডিটারজেন্ট ব্যবহার করা হলে এটি আপনার পোশাককে নষ্ট করে দিতে পারে।

৩. ফেব্রিক সফটনার ব্যবহার করবেন না। ফেব্রিক সফটনার ব্যবহারে কাপড় হলুদ হয়ে যেতে পারে। ব্লিচিং পাউডারও ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। ব্লিচিং পাউডার সাময়িকভাবে আপনার জামা সাদা করতে পারে, তবে এটি তন্তুগুলো নষ্ট করে দেয় এবং দুর্বল করে দেয়। যা পরে রং পরিবর্তন করতে পারে বা ছিঁড়ে যেতে পারে।

৪. ওয়াশিং মেশিনে কাপড় ধুয়ে ফেলার পর সাবান স্কাম ফেব্রিকের উপর আটকে থাকে, যা সময়ের সাথে সাথে হলুদ হতে পারে। ওয়াশিং মেশিনে আপনার পোশাককে দুইবার ধৌত করলে সমস্যাটি দূর হবে।

৫. সংরক্ষণ করার আগে বাতাসে শুকিয়ে নিন। কাপড়টি কাঠের হ্যাঙ্গারে ঝুলিয়ে রাখুন। প্রচুর খোলা বাতাসপূর্ণ একটি স্থানে রাখুন। পোশাকের কোনো অংশ সম্পূর্ণ না শুকানো পর্যন্ত সংরক্ষণ করবেন না। স্যাঁতসেঁতে কাপড় সংরক্ষণ করলে হলুদসহ অন্য অপ্রীতিকর সমস্যা দেখা দিতে পারে।

৬. অ্যাসিডমুক্ত টিস্যু পেপার দিয়ে সাজানো বক্সে কাপড় সংরক্ষণ করতে পারেন। এটি পোশাক সংরক্ষণ করার সময় সুরক্ষা দেবে। এ ধরনের টিস্যু পেপার দিয়ে সাজানো বক্স অনলাইনে বা যেকোনো ধরনের দোকান থেকে কিনতে পারবেন। অতিরিক্ত সুরক্ষার জন্য বাক্সে ন্যাপথলিন রাখতে পারেন, যা বাক্সে আর্দ্রতা ধরে রাখবে এবং পোকামাকড় থেকে মুক্ত রাখবে।

৭. কুঁচকানো প্রতিরোধে বছরে একবার কাপড়ের ভাঁজ খুলুন। আবার কাপড় ভাঁজ করুন, যাতে পোশাক বেশিদিন সংরক্ষণ করলেও কুঁচকে না যায়।

এসব পদ্ধতি অনুসরণ করলে আপনার প্রিয় বা পছন্দের সাদা কাপড়টি অনেক দিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করে রাখা সম্ভব।

সূত্র: উইকিহাউ

শীতকালে ঠান্ডা-কাশি সারাবে তুলসি পাতা
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : গত কয়েক দিনে শীত জেকে বসেছে। ফলে ঠান্ডা, কাশি কিংবা জ্বরের প্রকোপ বাড়ছে। এ অবস্থায় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন ওষুধই হতে পারে সমাধান। তেমনই একটি সমাধান তুলসি পাতা। প্রাচীনকাল থেকেই এ পাতা ব্যবহার হয়ে আসছে। দেশের সব অঞ্চলেই তুলসি গাছ দেখা যায়। এটি খুবই সহজলভ্য একটি প্রতিকার।

কেননা তুলসির রয়েছে নানা ধরনের গুণাগুণ। তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি গুণ তুলে ধরছেন মো. বিল্লাল হোসেন-

ঠান্ডা-কাশি কমায়: প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকে ঠান্ডা, জ্বর ও কাশি সারাতে ব্যবহার হচ্ছে তুলসি পাতা। তুলসি পাতা ও মধু একসাথে নিয়মিত কয়েক দিন খেলে ঠান্ডা বা জ্বর সেরে যায়। আগের দিনে ঠান্ডা বা জ্বরের একমাত্র ওষুধ ছিল তুলসি পাতা। কারণ এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।

শ্বাসতন্ত্রের রোগ প্রতিরোধ: তুলসিতে আছে ইসেনশিয়াল ওয়েল, যেমন- লিনোলেয়িক অ্যাসিড; যা আমাদের শ্বাসতন্ত্রের জন্য খুবই উপকারী। এ ছাড়া এ অ্যাসিড ত্বকের জন্য দারুণ উপকারী। ইসেনশিয়াল ওয়েল ছাড়াও এতে আছে কিছু উদ্বায়ী তেল; যা অ্যালার্জি, ইনফেকশন ও রোগসৃষ্টিকারী জীবাণু থেকে আমাদের দেহকে সুরক্ষা দেয়।

ব্রণ ও পিম্পল কমায়: যাদের ব্রণ ও পিম্পলের সমস্যা আছে; তাদের জন্য দারুণ একটি টোটকা হলো তুলসি পাউডার। যদি এ সমস্যায় ভোগেন, তাহলে তুলসি পাউডারের সাথে নিম অথবা হলুদের গুড়া মিশিয়ে ব্যবহার করুন। সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

ক্লিনিং ও ডিটক্সিফাইং এজেন্ট: তুলসি পাতা দেহের পরিষ্কারক ও ডিটক্সিফাইং এজেন্ট হিসেবে কাজ করে। এতে উপস্থিত নানা ধরনের ফাইটোকেমিক্যালস ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস মূলত এ ভূমিকা পালন করে থাকে।

তুলসি চা: তুলসি পাতা দিয়ে চা বানিয়ে খেতে পারেন। যা দেবে মানসিক প্রশান্তি। এ ছাড়া এ চা আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও ভূমিকা রাখবে।

ইমিউনিটি বুস্টিং: এতে প্রচুর ভিটামিন এ ও সি রয়েছে। যা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য খুবই জরুরি উপাদান।

ডায়াবেটিস ও উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: এতে উপস্থিত বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস ডায়াবেটিস ও উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে দারুণ ভূমিকা পালন করে।

তাই এই শীতে নিজেকে এবং পরিবারকে সুরক্ষিত রাখতে চাইলে নিয়মিত তুলসি পাতা খান, সুস্থ থাকুন।

লেখক: ফিচার লেখক ও শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া।

২টি উপকরণে মোজারেলা চিজ তৈরির রেসিপি
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : মোজারেলা চিজ অনেক রকম খাবার তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। খাবারের স্বাদ অনেকটাই বাড়িয়ে দেয় এই চিজ। আবার চিজ খাওয়া যে ক্ষতিকর, এমন কিন্তু নয়। পরিমাণমতো চিজ খাওয়া যেতেই পারে। তবে বাইরে থেকে বেশি দামে না কিনে ঘরে থাকা মাত্র দু’টি উপাদানেই তৈরি করতে পারেন এই মোজারেলা চিজ। চলুন জেনে নেয়া যাক-

উপকরণ:
দুধ (ফুল ক্রিম)
সাদা ভিনেগার।


প্রণালি:
প্রথমে এক লিটার ফুলক্রিম দুধ হাড়িতে নিয়ে চুলায় বসাতে হবে, অনবরত নাড়তে হবে। দুধ ফুটে উঠলে চুলা বন্ধ করে দিন। এরপর চার টেবিল চামচ সাদা ভিনেগার নিয়ে অল্প অল্প করে দিতে হবে আর নাড়তে হবে। ছানা হওয়া শুরু হলে ২/৩ মিনিট এর জন্য ঢেকে দিতে হবে তাহলে ছানাটা ভালো করে জমবে।

এরপর ছানাটা ছেকে নিতে হবে। ছানা হাতের মুঠোয় নিয়ে চেপে চেপে পানি বের করে নিতে হবে। তারপর একটি পাত্রে গরম পানি নিয়ে ছানাটা সেই পানিতে দশ সেকেন্ডের মতো রেখে আবার পানি চেপে বের করে নিতে হবে। এটি প্রায় ৪ মিনিটের মতো করতে হবে। এরপর এয়ারটাইট পলিথিনে ভালো করে আটকেনরমাল ফ্রিজে ২ ঘণ্টা রাখলেই হয়ে যাবে পারফেক্ট মোজারেলা চিজ।

শীত নিয়ে ৪ ভুল ধারণা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : শীত চলেই এলো অবশেষে। শীতের দিনে আমাদের স্বাস্থ্যের দরকার বাড়তি যত্ন। অনেক সময় শীতের কারণে আমরা নানা রোগে পড়ি। শীত নিয়ে আমাদের মাঝে অনেক ভুল ধারণা প্রচলিত রয়েছে। তারই কিছু আজ পাঠকদের সামনে তুলে ধরা হলো।

শীতকালে নয় সানস্ক্রিন
অনেকে ভাবে শীতের আবহাওয়ায় লোশন বা ভ্যাসলিন জাতীয় ময়েশ্চারাইজার ছাড়া তেমন কিছু প্রয়োজন নেই। শীতের মধ্যদুপুরের সূর্যের আলো আপনার ত্বকের ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই শীতকালেও সানস্ক্রিন ব্যবহার প্রয়োজনীয়।

ভিটামিন সি তে ঠাণ্ডা সর্দি ভালো হয়
শীতকালে ভিটামিন সি যুক্ত অনেক ফল ও সবজি পাওয়া যায়। তবে এসব ফল খেলে সর্দি বা ঠাণ্ডা ভালো হবে এমন কোন তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। তবে ভিটামিন সি, শরীর চর্চা, পর্যাপ্ত ঘুম আপনার শরীরের পরিপাক প্রক্রিয়াকে ভালো রাখে যা বিভিন্ন শীতকালীন রোগ ব্যাধির প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় ব্যায়াম নয়
শীত শীত আবহাওয়ায় বাইরে হাঁটা বা দৌড়ানোর সময় শরীর থেকে এন্ডোরফিন নিঃসৃত হয় যা আপনার শরীরে অধিক শক্তি দেয়। এজন্যই শীতকালে তুলনামুলক ভাবে মানুষের হাঁটা বা দৌড়ানোর গতি বৃদ্ধি পায়। প্রয়োজনীয় গরম কাপড় পড়ে শীতকালেও শরীরচর্চার জন্য বের হতে পারেন।

মাথা ঢাকলেই শীত থেকে নিরাপদ

শীতের ভয়ে মাথা-নাক-কান ঢেকে রাখার দৃশ্য অনেক দেখা যায়। তবে শরীরের অন্যান্য অঙ্গের মত মাথা থেকেও একই অনুপাতে তাপ নিঃসরিত হয়। তাই সাধারণত মাথা দিয়ে অধিক তাপ বের হয় বলে যে প্রচলিত ধারণা আছে তা মোটেই ঠিক নয়।

উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সজনে পাতার চা
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : সজনে গাছের পাতা খুবই উপকারী। এই গাছের পাতা শাক হিসেবে যেমন খাওয়া যায়। তেমনি পাতা শুকিয়ে গুঁড়ো করে চা-কফি বা খাবারের সঙ্গে মিশিয়েও খাওয়া যায়। এ ছাড়া ভেষজ গুণসমৃদ্ধ এই গাছের ছাল ও বীজও শুকিয়ে গুঁড়ো করে খেলে নানা স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে।

সজনে পাতার গুঁড়ো দিয়ে তৈরি চা নিয়মিত খেলে অনেক উপকার পাওয়া যায়।

সজনে পাতায় রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। গবেষণায় দেখা গেছে, সজনে পাতায় ফ্যাটের বদলে প্রচুর পরিমাণে শক্তি পাওয়া যায়। এ কারণে এটি ওজন কমাতে কার্যকরী। এ ছাড়া লো-ফ্যাটের হওয়ায় বারবার এই চা খেলেও ওজনের কোনো সমস্যা হয় না।

সজনে পাতার চা খেলে ওজন কমার পাশাপাশি উচ্চরক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে থাকে। এর মধ্যে থাকা কিউএরসেটিন উপাদান উচ্চরক্তচাপ কমাতে ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে এই চা প্রদাহ কমাতেও সাহায্য করে।

যেভাবে বানাবেন সজনে পাতার চা

অনেক সুপারশপ বা অনলাইন শপে আজকাল সজনে পাতার গুঁড়ো পাওয়া যায়। বাড়িতে গাছ থাকলে সেটি শুকিয়েও গুঁড়ো করতে পারেন। কিছু গুঁড়ো পানিতে ফুটিয়ে ছেঁকে নিলেই তৈরি হবে সবুজ মোরিঙ্গা চা।

চাইলে এর সঙ্গে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে নিতে পারেন। এ ছাড়া সজনে পাতা ভালো করে ধুয়ে পানিতে ফুটিয়ে ছেঁকে নিলেও ভালো ফল পাওয়া যায়।

তবে কারও যদি দীর্ঘমেয়াদি কোনো অসুস্থতা থাকে, তা হলে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে এই চা খেতে পারেন।

সূত্র : এনডিটিভি

১ মাসে মোটা হবেন ?
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : রোগা হওয়া যেমন কঠিন; আবার মোটা হওয়াও খুব সহজ নয়। দুটোই কিন্তু কষ্টের কাজ। একজন পরিণত মানুষের ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে কম হলে আন্ডার ওয়েট সমস্যায় ভুগতে হয়। এ ক্ষেত্রে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে যায়। তাই কখনো কখনো মোটা হওয়াও জরুরি। আসুন জেনে নেই মাত্র ১ মাসে মোটা হওয়ার উপায়-

স্ট্রেস থেকে মুক্তি: শরীরের ওজন দ্রুত কমে যাওয়ার একটি অন্যতম কারণ স্ট্রেস। তাই ওজন বাড়াতে প্রথমেই স্ট্রেস বা অতিরিক্ত কাজের চাপ থেকে মুক্ত হতে হবে। তাই প্রতিদিন ১৫ মিনিট করে মেডিটেশন করতে হবে। এতে মস্তিস্ক রিল্যাক্সড হবে। এ ছাড়া দুপুরে আরাম করে ২ ঘণ্টা ঘুমিয়ে নিন। এতে সহজেই ফল পাবেন।

পি-নাট বাটার: পি-নাট বাটার হাই ক্যালোরিযুক্ত একটি খাবার। প্রতিদিন একবার করে রুটি বা বিস্কুটের সাথে পি-নাট বাটার খান। তবে পেট বাঁচিয়ে। এতে খুব তাড়াতাড়ি ওজন বাড়ে। তাই তাড়াতাড়ি ওজন বাড়াতে চাইলে কিনে ফেলুন পি-নাট বাটার।

ড্রাই ফ্রুটস: ড্রাই ফ্রুটস আদর্শ খাবার মোটা হওয়া বা ওজন বাড়ানোর জন্য। এতে ক্যালোরির মাত্রা অনেক বেশি। তাই কাজু, কিশমিশ, খেজুর ও আমন্ড খেলে মোটা হওয়ার ইচ্ছা খুব তাড়াতাড়ি পূরণ হবে। ব্রেকফাস্টের সাথে ১০-১২টি আমন্ড বা কাজু, কিশমিশ বা খেজুর খেতে পারেন। খাওয়ার আগে রাতে ১-২ কাপ পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খাওয়া ভালো। দিনে অন্তত ৩ বার খেলে তাড়াতাড়ি ফল পাবেন।

ক্ল্যারিফায়েড বাটার: এতে শুধু ওজনই বাড়ে না। তার সাথে শরীরকে বেশি পরিমাণে ভিটামিন নিতে সক্ষম করে। তাই ক্ল্যারিফায়েড বাটার খুব কার্যকরী দেহের ওজন বাড়ানোর জন্য। তবে ১ চামচ ক্ল্যারিফায়েড বাটারের সাথে ১ চামচ চিনি নিতে পারেন। বাটার ও চিনি মিশিয়ে দিনে-রাতে খাবারের ৩০ মিনিট আগে খেতে হবে। ১ মাস এ রুটিন মানলেই দেহের ওজন বাড়বে।

আলু: কার্বোহাইড্রেট ও কমপ্লেক্স সুগারে পরিপূর্ণ উপাদান। এ উপাদান আপনাকে খুব ভালোভাবে সাহায্য করবে। এর জন্য প্রতিদিন দু`বার করে সেদ্ধ আলু খান। এ ছাড়া আলুর চিপস অলিভ অয়েলে ভেজে প্রিজার্ভ করে রেখেও খেতে পারেন। নিয়মিত খেলেই পার্থক্য চোখে পড়বে।

ডিম: এটি ওজন বাড়ানোর জন্য ভরসাযোগ্য একটি উপাদান। এতে বর্তমান ফ্যাট, প্রোটিন ও গুড ক্যালোরি দেহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই ৩-৪টি ডিমের সাদা অংশ খান প্রতিদিন। তবে কাঁচা ডিম খাবেন না। সেদ্ধ করা ডিমের সাদা অংশই খাওয়া উচিত।

হাত থেকে মেহেদি তোলার সহজ উপায়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : হাতে মেহেদি পরতে সবাই পছন্দ করেন। বিশেষভাবে উৎসব-অনুষ্ঠানে নারীরা হাতে-পায়ে মেহেদি পরেন। মেহেদি পরার পর কিছুদিন দেখতে সুন্দর লাগে। তবে যখন রং হালকা হতে শুরু করে; তখন দেখতে খারাপ লাগে।

কখনো কখনো মেহেদির রং হাত থেকে উঠতে না উঠতেই আবার মেহেদি পরার সময় হয়ে যায়। তাই হাত-পা থেকে পুরোপুরি মেহেদি তোলার উপায় সম্পর্কে জানতে হবে-

লেবু: লেবুতে ব্লিচিং উপাদান রয়েছে, যা মেহেদির রং দ্রুত দূর তুলতে সাহায্য করে। তাই লেবু কেটে তা দিয়ে হাত-পায়ে কিছুক্ষণ ধীরে ধীরে ম্যাসাজ করুন।

টুথপেস্ট: যেখানে মেহেদি লেগে আছে; সেখানে টুথপেস্ট দিয়ে ঘঁষতে থাকুন। তারপরে একটি ভেজা কাপড় দিয়ে হাত-পা মুছে নিন। দিনে দুইবার কাজটি করুন।

লেবু ও বেকিং সোডা: লেবু ও বেকিং সোডা সমপরিমাণ নিয়ে ভালোভাবে মেশান। ঘন পেস্ট তৈরি করুন। এটি পাঁচ মিনিটের জন্য হাত-পায়ে লাগিয়ে রাখুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন। এতে হাত-পা শুষ্ক লাগলে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

সাবান: জীবাণুনাশক সাবান দিয়ে বারবার হাত-পা ধুতে হবে। তাতে মেহেদির রং দ্রুত ম্লান হয়ে যায়।

কন্ডিশনার: চুল কোমল ও সিল্কি করার জন্য হেয়ার কন্ডিশনার ব্যবহার করা হয়। তবে এর পাশাপাশি হাত-পা থেকে মেহেদি তুলতেও সাহায্য করে।

শীতের শুরুতে হাতের যত্ন
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : যদিও প্রকৃতিতে এখনও হেমন্তকাল, এদিকে শীত পড়তে শুরু করেছে অল্প অল্প। আর তাতেই আমাদের ত্বকের অবস্থা মলিন হতে শুরু করেছে। কারণ শীত এলে সবার আগে প্রভাব পড়ে আমাদের ত্বকেই। তাই শীতের সময়ে নিতে হয় একটু বাড়তি যত্ন। তবে সবার খেয়াল থাকে মুখ আর ঠোঁটের দিকে। হাতের দিকে ততটা মনোযোগী হতে দেখা যায় না।

সারাদিনে সবচেয়ে কাজ করে আমাদের হাতদুটি। তাই শীতের সময়ে হাতের জন্য নেয়া বেশি জরুরি। হাত শুকিয়ে গেলে বা চামড়া উঠে গেলে দেখতে খারাপ লাগে, এমনকী হতে পারে ইনফেকশনও। চলুন জেনে নেয়া যাক হাতের যত্ন নেয়ার কিছু পদ্ধতি-

প্রতিদিন থালাবাসন পরিষ্কার কিংবা কাপড় কাচার কারণে হাত অনেকটাই শুষ্ক হয়ে যায়। তাই প্রথমেই খেয়াল রাখুন, খুব খারযুক্ত কোনো সাবান যেন ব্যবহার করা না হয়। থালা-বাসন পরিষ্কারের সময় গ্লাভস পরার অভ্যাস করুন। গোসলের সময় চিনি আর অলিভ অয়েল মিশিয়ে ভালো করে স্ক্রাবিং করতে পারেন। এরপর ঠান্ডা পানিতে ভালো করে হাত ধুয়ে নিন।

হাতের কাজ শেষ হলে দুপুরে তিন চামচ চালের গুঁড়া, ২ চামচ গ্লিসারিন আর মধু দিয়ে প্যাক বানান। ১৫ মিনিট হাতে রেখে ধুয়ে ফেলুন। এরপর অন্তত ২ ঘণ্টা সাবান ব্যবহার করবেন না।

মধু, লেবুর রস আর চিনি মিশিয়ে হাতে লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। এরপর শুকনো হলে ইষদুষ্ণ জলে ধুয়ে ফেলুন। এতেও হাত নরম থাকে।

মসুর ডাল বাটার সঙ্গে দুধের সর, লেবুর রস, চিনি আর গ্লিসারিন ভালো করে মিশিয়ে নিন। এবার হাতে লাগিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ। শুকনো হলে ধুয়ে নিয়ে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। এটা রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে করুন। এতে ত্বক ভালো থাকবে, ভেতর থেকেও পুষ্টি পাবে। এসবের পাশাপাশি হাতের ব্যয়াম করতেও ভুলবেন না। সেই সঙ্গে খেয়াল রাখবেন হাত যেন কখনও ভিজে না থাকে।

এলাচ চা খেলে কী হয়?
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : বাঙালির আড্ডা কিংবা অতিথি আপ্যায়নে চা সারা বছরই চলে। তবে শীত এলে তার পরিমাণ আরও বেড়ে যায়। চায়ের সঙ্গে দুধ, এলাচ মিশিয়ে খাওয়ার অভ্যাস আছে অনেকের। এটি শরীরের জন্যও উপকারী। এলাচে এমন কিছু উপাদান থাকে যা আমাদের মন ভালো রাখতে সাহায্য করে। ডিপ্রেশন, ডায়াবেটিসও দূরে রাখতে সাহায্য করে এলাচ।

চায়ের সঙ্গে দুধ মেশানো কতটা উপকারী এ নিয়ে তর্ক-বিতর্ক রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন দুধ চায়ের দুধ চর্বিহীন হলেই ভালো। অর্থাৎ দুধ থেকে ফ্যাট তুলে নিয়ে তারপর চা বানালে সেই চায়ের স্বাদ কিন্তু অনেক বেশি হয়।

কনডেন্স মিল্ক ছাড়া চা করলে দুধে পানি মিশিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে নিতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। খুব ভালো করে পানি-দুধ ফুটলে তারপর তাতে চায়ের পাতা, এলাচ মেশান।

দুধ চায়ের ক্ষেত্রে গুঁড়া দুধ ব্যবহার করতে নিষেধ করেন বিশেষজ্ঞরা। শীতের সময়ে হজম ক্ষমতায় একটু সমস্যা প্রায় সবারই হয়। আর তাই তাতে যদি মেশে এলাচ তাহলে হজম ক্ষমত ভালো হয়। এছাড়াও শীতে ঠান্ডা লাগা, সর্দি কাশি দূর করতেও উপকারী এলাচ চা।

এলাচের মধ্যে আছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি উপাদান। যা পাচন তন্ত্রের কাজ ভালো করে। হজমে সাহায্য করে।

আছে ফাইবার, উপকারী কোলেস্টেরল যা হার্টের জন্য ভালো। আর তাই সবুজ এলাচের বদলে কালো এলাচের চা বেশি ভালো।

ডিপ্রেশনের জন্য এলাচ খুব ভালো। বেশ কিছু সমীক্ষা থেকে দেখা গেছে যারা ডিপ্রেশনের সমস্যায় ভুগছেন তারা প্রতিদিন দুটি করে এলাচ চিবিয়ে খেলে ভালো উপকার পাবেন। আর তা দুধের সঙ্গে মেশালে আরও ভালো কাজ করে।

যাদের শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা আছে তাদের জন্য উপকারী একটি মশলা হলো এলাচ। সর্দি, কাশি এসব সমস্যা হলে এলাচ চা খেতে বলা হয়। মুখের দুর্গন্ধ দূর করতেও খুব ভালো এলাচ। এছাড়াও মুখে কোনো রকম সংক্রমণের সম্ভাবনা থাকে না। জেনে নিন এলাচ চা তৈরির পদ্ধতি-

উপকরণ:
সবুজ এলাচ- ৫টি, দারুচিনি- ১ টুকরো, চিনি- স্বাদ মতো, দুধ- ১ কাপ, গোলমরিচ- ১টি, লবঙ্গ- ৪টি, চা পাতা- ২ চা চামচ, আদা গুঁড়া- ১ চা চামচ, আদা- মিহি করে কাটা কয়েক টুকরো।

প্রণালি:
এলাচের খোসা ফেলে ভেতরের দানা বের করে নিন। সব মশলা একসঙ্গে গুঁড়া করে নিন। প্যানে ৪ কাপ জল গরম করে চা পাতা দিন। গুঁড়া করে রাখা মশলা ও চিনি দিন। দুধ ও আদা গুঁড়া দিয়ে ফোটান। নামানোর আগে আদা কুচি দিয়ে অল্প আঁচে রেখে দিন কয়েক মিনিট। পরিবেশন করুন গরম গরম।

খাওয়া ছাড়াও ডিম যেসব কাজে ব্যবহার করা যায়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ডিম একটি পুষ্টিকর খাবার। বিশ্বের সব দেশেই খাবার হিসেবে বেশ জনপ্রিয়। শুধু খাবার হিসেবে নয়, ডিম রূপচর্চায়ও ব্যবহার করা হয়। ডিম দিয়েই আপনি সারিয়ে ফেলতে পারেন কাটাছেঁড়ার দাগ কিংবা ঝকঝকে করে ফেলতে পারেন ব্যবহৃত গয়নাও।

এছাড়াও অনেক কাজ করা যায় ডিম দিয়ে। জেনে নিন খাওয়া ছাড়া ডিম আরও সেব কাজে ব্যবহার করা যায়।

কন্ডিশনার: হঠাৎ কন্ডিশনার শেষ হয়ে গেলে চিন্তার কারণ নেই। অলিভ অয়েল আর ডিমের কুসুম একসঙ্গে মিশিয়ে শ্যাম্পুর পর লাগিয়ে রাখুন চুলে। বাজারচলতি কন্ডিশনারের চেয়ে এই ঘরোয়া ব্যবহারে চুল ভালো হবে।

গাছের জন্য: ডিম সেদ্ধর পর সেই পানি ও ডিমের খোসা গুঁড়িয়ে গাছের গোড়ায় দিন। ডিমের খোসার গুঁড়া গাছের শরীরে ক্যালসিয়ামের জোগান বাড়াতে খুব কার্যকর। গাছকে নানা পতঙ্গের হাত থেকেও বাঁচায় ডিমের খোসা।

গয়না পরিষ্কার: রূপার গয়না দিনকয়েক পরলেই কালো হয়ে যাওয়ার ভয় থাকে। বাতাসের অক্সিজেনের প্রভাবেই এমনটা হয়। ডিম এই গয়নাগুলোকে পরিষ্কার করে ঝকঝকে করে দিতে পারে সহজেই। ডিম অনেকক্ষণ ধরে খুব শক্ত করে সেদ্ধ করে নিতে হবে এ ক্ষেত্রে। এরপর খোসা ছাড়িয়ে দু`ভাগ করে কুসুম ছাড়িয়ে নিন।

এবার সেই কুসুম একটি ঢাকনাযুক্ত পাত্রে রেখে হাত দিয়ে ঝুরঝুরো করে গুঁড়িয়ে নিন। এবার তাতে হালকা কোনও পেপার টাওয়েল বিছিয়ে তার উপর রাখুন রূপার গয়নাগুলো।

পাত্রের মুখের চার পাশে ময়দার প্রলেপ লেপে বায়ুনিরুদ্ধ করে বন্ধ করে দিন। দু`দিন পর সেই গয়নাগুলো বের করলেই দেখবেন, কালোভাব একেবারে উধাও। ডি-অক্সিডাইজার হিসেবে ডিমের এই ব্যবহার নানা গয়নাতেও ব্যবহার করা হয়।

রক্ত বন্ধ করতে: পিকনিকে গিয়ে বা বাড়ির মধ্যেই কোনও দুর্ঘটনাবশত কেটে গেলে দেখা যায় অনেক সময় রক্ত বন্ধ হতে চায় না। এ সময় ডিমকে কাজে লাগান। এমনিতে বাড়িতে ডিম মজুত থাকে প্রায় সকলেরই।

কিংবা কোথাও পিকনিকে গেলে ডিম সেদ্ধ সঙ্গে নিয়ে যাওয়া আমাদের বরাবরের অভ্যাস। সেদ্ধ ডিমের খোলা ও সাদা অংশের মাঝে যা পাতলা খোসা থাকে তা ছাড়িয়ে নিন। সেই খোসা ক্ষতস্থানে চেপে ধরে থাকলেই রক্ত বন্ধ হবে দ্রুত। এমনকি দ্রুত ক্ষতের দাগ মেলাতেও এটি বেশ কার্যকর।

জুতা পরিষ্কারে: পুরনো চামড়ার জুতার মধ্যে সাদা ঘোলাটে দাগ পড়ে যায়। ছত্রাকও জন্মাতে পারে। ডিমের সাদা অংশ কাপড়ে নিয়ে ঘষে ঘষে পরিষ্কার করুন।

আঠা হিসেবে: বাড়িতে আঠা শেষ হলে ময়দা, চিনি, ডিমের সাদা অংশ আর অল্প পানি মিশিয়ে তৈরি করা যাবে আঠা। সেই আঠাই ব্যবহার করতে পারেন বিকল্প হিসেবে।

শীতের আগে ত্বক ভালো রাখতে যা করবেন
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ভোরে উঠলে আপনি কুয়াশার দেখা পাবেন। যদিও প্রকৃতিতে হেমন্ত ঋতু, কিন্তু জানান দিচ্ছে শীতের আগমনের। শুধু কি প্রকৃতিতেই পরিবর্তন? নিজের দিকে তাকান। পরিবর্তনের শুরুটা দেখতে পাবেন। হাত-পা কিছুটা খসখসে হতে শুরু করেছে। ঠোঁটও শুকিয়ে যাচ্ছে। শরীরেও কেমন শুকনোভাব। শীতের এই আগাম বার্তা আপনাকে বলছে ত্বকের যত্ন নিতে। এই সময় থেকেই ত্বকের বাড়তি পরিচর্যা শুরু করা প্রয়োজন। বিস্তারিত প্রকাশ করেছে ইন্ডিয়া টাইমস-

ঠোঁটের যত্ন
রাতে ঘুমাতে যাওয়া আগে ঠোঁটে নারিকেল তেল ব্যবহার করতে পারেন। পেট্রোলিয়াম জেলিও এক্ষেত্রে বেশ কাজে দেয়। পেট্রোলিয়াম জেলি চামড়ার খসখসে ভাব দূর করে সহজেই। রোদে বের হলে এটি ব্যবহার করবেন না। কারণ তাতে খুব সহজেই শুকনো হয়ে যায় ঠৌঁট। এর বদলে লিপস্টিক ব্যবহার করুন।

ময়েশ্চারাইজার
গোসলের পরে ময়েশ্চারাইজার লাগান। এতে ত্বকের অর্দ্রতা বজায় থাকবে। এছাড়াও ময়দা, দুধ, মধু মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। এতেও ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকবে। যাদের ত্বক একটু বেশি শুকনো তারা ভারী ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করবেন।

সুগন্ধি সাবান নয়
শীতে অতিরিক্ত কেমিক্যাল আপনার ত্বককে আরও রুক্ষ করে তুলতে পারে। তাই খুব চড়া গন্ধযুক্ত সাবান বা পারফিউম ব্যবহার করবেন না। প্রয়োজনে বডি মিস্ট ব্যবহার করুন। সবথেকে ভালো গ্লিসারিন যুক্ত সাবান ব্যবহার করতে পারলে।

ভিটামিন সি
আমলকি, লেবু, বাদাম, মাছের তেল এসবে পাওয়া যায় ভিটামিন সি। তাই এসময় খাদ্যতালিকায় এসব খাবার রাখার চেষ্টা করুন। পাশাপাশি প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করুন। ফলের রস খান। সুস্থ ও সতেজ থাকবেন।

গরম পানি
একেবারে ঠান্ডা পানি পান না করুন চেষ্টা করুন হালকা গরম পানি পান করতে। গোসলের সময়ও হালকা গরম পানি ব্যবহার করুন। তবে পানি যেন ফুটন্ত গরম না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখবেন। গোসলের আগে গায়ে তেল মাখুন।

থানকুনি পাতা শরীরের যেসব উপকার করে
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : যত্ন নিয়ে চাষ করতে হয়, এমন নয়। অনেকটা অনাদরেই বেড়ে ওঠে এই থানকুনি পাতা। কিন্তু এর উপকারিতা বেশ দামি। এখন অবশ্য চাষও হচ্ছে অনেক জায়গায়। তেতো স্বাদের এই পাতা আমাদের শরীরের জন্য অসংখ্য উপকার বয়ে আনে। মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়াতেও এই পাতা বাটা খুবই উপকারী। থানকুনি পাতার কিছু উপকারিতার কথা প্রকাশ করেছে ইন্ডিয়ান টাইমস-

ক্ষত সারাতে
শরীরের কোথাও কেটে গেলে রক্তপাত থামাতে ব্যবহার করতে পারেন থানকুনি পাতা। থানকুনি পাতা বেটে আক্রান্ত স্থানে লাগালে ব্যথা কম হবে আর রক্ত পড়াও বন্ধ হয়ে যাবে। এমনকী ক্ষত থেকে সংক্রমণের আশঙ্কাও থাকে না।

শরীরে রক্ত প্রবাহ ঠিক থাকে-
অনেকের থ্রম্বোসিসের সমস্যা থাকে। এছাড়াও অনেকের দেহেই অন্যান্য শারীরিক সমস্যার কারণে রক্তপ্রবাহে সমস্যা হয়। থানকুনি পাতার রস খেলে রক্ত শুদ্ধ থাকে। ফলে শরীরের প্রতি কোশে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত পৌঁছে যায়। ফলে অনেক সমস্যা দূর হয়।

শরীরে জ্বালাপোড়া দূর করে
থানকুনি পাতার মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটারি উপাদান। যার ফলে খুব তাড়াতাড়ি জ্বালা, যন্ত্রণা কমে যায়। এছাড়াও ক্লান্তি ভাব দূর হয়। সেই সঙ্গে অনেক রকম ইনফেকশন থেকেও দূরে রাখে।

অলসার দূর করে
পেটের যে কোনো রোগে থানকুনি পাতা ভীষণ উপকারী। আমাশয় থেকে আলসার সেরে যায় এই পাতার গুণেই। আর নিয়মিত থানকুনি পাতা খেলে হজমের সমস্যা থেকে মুক্তি মেলে।

মানসিক অবসাদ দূর করে
মানসিক অবসাদে ভুগলে তা দূর করার জন্য খুব ভালো থানকুনি পাতার রস। থানকুনি স্ট্রেস হরমোনের ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে মানসিক চাপ আর অস্থিরতা দুই কমে। এর ফলে অ্যাংজাইটির আশঙ্কাও কমে যায়।

মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ে
নিয়মিত থানকুনি পাতা খাওয়া শুরু করলে শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং পেন্টাসাক্লিক ট্রিটারপেনস নামের একটি উপাদানের মাত্রা বাড়তে শুরু করে, যে কারণে ব্রেনসেল ভালোভাবে কাজ করতে পারে। স্মৃতিশক্তির উন্নতি তো ঘটেই, সেই সঙ্গে বুদ্ধির ধারও বাড়ে চোখে পড়ার মতো।

ঘুম ভালো হয়
ঘুম না আসার সমস্যা রয়েছে অনেকেরই। আপনারও এমন সমস্যা থাকলে খেতে পারেন থানকুনি পাতা ভেজানো পানি। এতে স্নায়ু শিথিল হবে। ঘুম আসবেই।

৫টি প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : দ্রুত বিপাক আমাদের জন্য আশীর্বাদ। এর ফলে স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা সহজ হয়। একটি ভালো বিপাক শরীরে দ্রুত ক্যালোরি বার্ন করতে সাহায্য করে এবং ওজন বৃদ্ধি রোধ করে। তবে প্রাকৃতিকভাবে দ্রুত বিপাক পাওয়ার মতো সৌভাগ্য সবার হয় না। যাদের বিপাক ধীরে হয় তাদের ওজন দ্রুত বাড়ে, এমনকী ক্যালোরি ঝরানোও কঠিন হয়। ভাগ্যক্রমে, এমন কিছু খাবার রয়েছে যা বিপাক বাড়াতে এবং ওজন হ্রাস প্রক্রিয়াটি গতিশীল করতে সহায়তা করে। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতিদিনের ডায়েটে যোগ করতে হবে কিছু ভিটামিন ও খনিজ। বিস্তারিত প্রকাশ করেছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

ভিটামিন বি
ভিটামিন বি নিশ্চিত করে যে আপনার খাওয়া সমস্ত খাবার শক্তি উৎপাদন করে এবং চর্বি হিসাবে এটি শরীরে জমা হয় না। ফ্যাট, কার্বস বা প্রোটিন যা-ই হোক না কেন, এই পুষ্টিগুণ সব ধরণের খাবার বিপাক করতে সহায়তা করতে পারে। এই পুষ্টির ঘাটতি প্রায়শই বিপাককে ব্যহত করে এবং ওজন বাড়িয়ে তোলে। চর্বিযুক্ত মাংস, দুধ, আস্ত শস্য, কলা, আপেল এবং পালংশাক ভিটামিন বি এর কিছু উৎস।

ম্যাগনেসিয়াম
ম্যাগনেসিয়ামের অভাবে, আমাদের বিপাক এবং শক্তি উৎপাদন প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। এগুলো ছাড়াও ৩০০টিরও বেশি এনজাইমেটিক প্রতিক্রিয়ার জন্য ম্যাগনেসিয়াম প্রয়োজন যা মস্তিষ্কের কার্যকারিতা সমর্থন করে এবং পেশীগুলোকে শিথিল করতে সহায়তা করে। ম্যাগনেসিয়ামের সাধারণ উৎস হলো আলু, বাদাম এবং বীজ এবং লেবু।

আয়রন
বিপাক বাড়ানোর প্রসঙ্গ এলে প্রয়োজন পড়ে এই পুষ্টির। রক্তে আয়রনের স্তর কম হওয়ার অর্থ হলো, পেশীগুলোতে অক্সিজেন চলাচল কম হবে। এটি স্বাস্থ্যকর বৃদ্ধি, বিকাশ এবং বিপাক জোরদারকরণের জন্য প্রয়োজনীয় একটি প্রয়োজনীয় পুষ্টি। আয়রনের কয়েকটি সাধারণ উৎস হলো বাদাম, মাছ, মাংস এবং সয়াবিন।

ক্যালসিয়াম
বেশ কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে যে ক্যালসিয়াম রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে এবং বিপাক বিকাশে সহায়তা করতে পারে। এটি যুক্তিযুক্ত যে পুষ্টিকর শরীরের মূল তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি করতে পারে, যা থার্মোজেনেসিস এফেক্ট হিসাবে পরিচিত। এটি বিপাক বৃদ্ধি করতে এবং আমাদের দেহকে মেদ পোড়াতে সহায়তা করতে পারে। আপনি যদি ক্যালসিয়াম গ্রহণ বাড়িয়ে নিতে চান তবে দুগ্ধজাত পণ্য, বাদাম এবং বীজ আপনার ডায়েটের অংশ হওয়া উচিত।

ভিটামিন সি
ভিটামিন সি আরেকটি দুর্দান্ত মেজাজ এবং বিপাক-বর্ধনকারী পুষ্টি। কিছু গবেষণা অনুসারে, ভিটামিন সি অক্সিডেটিভ স্ট্রেস মোকাবেলায় সহায়তা করতে পারে যা দেহের বিপাকীয় হারকে ধীর করে দেয়। টমেটো, কমলা এবং লেবু ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবারের কিছু সাধারণ উৎস।

টনসিলে ইনফেকশন হলে করণীয়
                                  

অধ্যাপক ডা. জাহীর আল-আমিন 

টনসিলে ইনফেকশন সব বয়সী মানুষের হতে পারে। বিশেষ শীত ও বৃষ্টির দিনে এই রোগ বেড়ে যায়। ঘনঘন গলাব্যথা, জ্বর, খাবার খেতে অনীহা টনসিলে ইনফেকশনের অন্যতম লক্ষণ। খাবার ঠিক মত গিলতে না পারায় এ সময় খাওয়া বন্ধ করে দেয় অনেক রোগী। ফলে পানিশূন্যতা ও ক্যালরির অভাব দেখা দেয়।


টনসিল কি?

টনসিল হলো আমাদের শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থার একটা অংশ এবং আমাদের মুখের ভেতরেই চারটি গ্রুপে তারা অবস্থান করে। এদের নাম লিঙ্গুয়াল, প্যালাটাইন, টিউবাল ও অ্যাডেনয়েড। এই টনসিলগুলোর কোনো একটির প্রদাহ হলেই তাকে বলে টনসিলাইটিস।

টনসিলের কাজ

এর প্রধান কাজ জন্মের পূর্বে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সৃষ্টি করা। টনসিনের সমস্যা হলে রোগী ঘনঘন সর্দিকাশিতে ভোগে এবং টনসিল ও এডেনায়ড বড় হয়ে যায়।

সুস্থ ব্যক্তি যাদের ঘনঘন সর্দিকাশি হয় না কিংবা টনসিলে ইনফেকশন হয় না; তাদের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে টনসিল ক্রমান্বয়ে সংকুচিত হয়ে যায় ও একসময় এ অঙ্গ অকার্যকর হয়ে পড়ে।

টনসিল ইনফেকশনের উপসর্গ

১. ঘনঘন গলাব্যথা ও সঙ্গে জ্বর। সাধারণত গলাব্যথার সঙ্গে জ্বর থাকে, যা অনেক সময় ১০৩ থেকে ১০৪ ডিগ্রি পর্যন্ত হতে পারে।

গলাব্যথার কারণে শিশু খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দেয়। অনেক সময় শিশুর দেহে পানিশূন্যতা ও ক্যালোরির অভাব দেখা দিতে পারে।

২. ঘনঘন টনসিলে ইনফেকশন হলে এটি আকারে বড় হয়ে যায় এবং শ্বাসের রাস্তা ও খাদ্য গ্রহণের পথ বাধাগ্রস্ত হয়।

৩. অনেকে ঘুমানোর সঙ্গে সঙ্গে নাক ডাকতে শুরু করে। নাক ডাকা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। শ্বাসের রাস্তা ক্রমাগত ছোট হতে হতে যখন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়; তখন শ্বাস নেয়া সম্পূর্ণ বন্ধ করে রাখে। এ পর্যায়ে শরীরের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ।

৪. শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা দ্রুত কমতে থাকে এবং কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই শরীর ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে উপনীত হবে। এ সময়ে শরীরের ভেতরের জীবন বাঁচানোর প্রক্রিয়াগুলো (রিরিক্স মেকানিজম) সক্রিয় হয়ে ওঠে।

৫. এডেনয়েড গ্রন্থি বড় হলে ঘনঘন সর্দি-কাশি ও ঠাণ্ডায় ভোগে এবং ঠাণ্ডা সহজে সারতে চায় না। কোনো কোনো ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্ট এবং রাতের বেলায় কাশিতে ভোগে।

৬. গলা বা নাকের প্রদাহ কানের ভেতর চলে যায়। ফলে কানের মধ্যে ঘনঘন ব্যথা হয় এবং কানে কম শোনে। অনেক সময় ব্যথা ছাড়াও কানের মধ্যে পুঁজ বা পানি জমতে পারে।

৭. কানের ভেতর ঘনঘন ইনফেকশন বা কানের ভেতর লম্বা সময় পুঁজ পানি জমা থাকার ফলে কানের পর্দাগুলো ক্ষতিসাধিত হয় এবং একসময় পর্দা সম্পূর্ণরূপে ছিদ্র হয়ে যায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কান পাকা রোগ এবং শ্রবণের সমস্যা এভাবে শুরু হয়ে থাকে।

৮. টনসিলে ঘনঘন ইনফেকশন থেকে বাতজ্বর (রিউম্যাটিক ফিভার) হতে পরে। এ রোগের ফলে হার্টের এবং কিডনির মারাত্মক ক্ষতিসাধিত হতে পারে। অল্প বয়সে হার্টের বাল্ব নষ্ট হয়ে যাওয়া বা কিডনি নষ্ট হয়ে যাওয়ার (কিডনি ফেইলিওরের) অন্যতম প্রধান কারণ বাতজ্বর, যা টনসিলে ইনফেকশন থেকেই হয়ে থাকে।

কী করবেন

এসব উপসর্গ দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

লেখক: নাক কান গলা রোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন, ইমপালস হাসপাতাল, তেজগাঁও, ঢাকা।

স্টার সিনেপ্লেক্স খুলছে ২৩ অক্টোবর
                                  

বিনোদন ডেস্ক : প্রায় সাত মাস বন্ধ থাকার পর খুলছে সিনেমা হল। ১৬ অক্টোবর থেকে দেশের সব সিনেমা হল খোলার অনুমতি দিয়েছে সরকার। জনপ্রিয় সিনেমা হল স্টার সিনেপ্লেক্স খুলছে আগামী ২৩ অক্টেবর।

দর্শক এবং নিজেদের কর্মীদের স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের সুবিধার্থে এক সপ্তাহ সময় নিয়ে ২৩ অক্টোবর থেকে কার্যক্রম শুরু করবেন বলে জানান স্টার সিনেপ্লেক্সের মিডিয়া অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের সিনিয়র ম্যানেজার মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার কারণে প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরা অনেকে ঢাকার বাইরে ছিলেন। সিনেমা হল খোলার বিষয়ে সরকারের অনুমতির খবরে তারা ঢাকায় আসার পর তাদের করোনা টেস্ট করা এবং প্রয়োজনসাপেক্ষে কোয়ারেন্টাইনে রাখাসহ স্বাস্থ্য নিরাপত্তার জন্য যাবতীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। এক সপ্তাহ সময় লাগবে স্টার সিনেপ্লেক্সের।

স্টার সিনেপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, তারা বরাবরই হলের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং স্বাস্থ্যসম্মত রাখতে সচেষ্ট। স্বাস্থ্যবিধির শতভাগ মেনেই তারা সিনেমা হলের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। দুরত্ব বজায় রাখার জন্য ধারণক্ষমতার অর্ধেক টিকিট বিক্রি করা হবে। প্রত্যেক দর্শককে মাস্ক পরিধান নিশ্চিতকরণ, হলের প্রবেশমুখে জীবাণুমুক্তকরণ টানেল স্থাপন, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

এদিকে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার কারণে সিনেমা হলগুলো চরম সংকটময় অবস্থায় পড়েছে। বড় অংকের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন হল মালিকরা। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেন হল মালিক এবং চলচ্চিত্রশিল্প সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠন। প্রধানমন্ত্রী সে আবেদনে সাড়া দিয়ে আর্থিক সহায়তা তহবিল প্রদান করেন। এজন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন স্টার সিনেপ্লেক্সের চেয়ারম্যান মাহবুব রহমান।

তিনি বলেন, `আমাদের সংকটকে গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন এজন্য আমরা কৃতজ্ঞতা জানাই। বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার এ সহায়তা আমাদের জন্য অনেক বড় অনুপ্রেরণা। একই সাথে অশেষ ধন্যবাদ জানাতে চাই আমাদের অগণিত দর্শক, শুভানুধ্যায়ীদের, যাদের ভালোবাসা স্টার সিনেপ্লেক্সকে আজকের অবস্থানে নিয়ে এসেছে। দর্শকদের ভালোবাসা অব্যাহত থাকলে যে কোনো সংকট মোকাবিলা করে আমরা এগিয়ে যেতে সক্ষম হবো।`

প্রসঙ্গত, সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের অন্যতম প্রিয় এই মাল্টিপ্লেক্স রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি শপিংমলে যাত্রা শুরু করে ২০০৪ সালে। পথচলার ১৬ বছরে দেশের দর্শকদের অনেক নতুনত্ব উপহার দিয়েছে তারা। পরিবার নিয়ে সিনেমা দেখার পরিবেশ তৈরি করে হলবিমুখ দর্শকদের হলমুখী করেছে। দর্শকদের ভালোবাসায় দিন দিন প্রসার ও পরিধি বাড়ছে মাল্টিপ্লেক্সটির।

বর্তমানে বসুন্ধরা শপিংমলের পাশাপাশি রাজধানীর ঝিগাতলার সীমান্ত সম্ভার ও মহাখালীর এসকেএস টাওয়ারে দুটি শাখা রয়েছে। মিরপুরে আরেকটি শাখা উদ্বোধনের অপেক্ষায়।


   Page 1 of 18
     লাইফস্টাইল
রেসিপি: ক্রিসপি রূপচাঁদা ফ্রাই
.............................................................................................
সাদা পোশাক সুরক্ষিত রাখবেন যেভাবে
.............................................................................................
শীতকালে ঠান্ডা-কাশি সারাবে তুলসি পাতা
.............................................................................................
২টি উপকরণে মোজারেলা চিজ তৈরির রেসিপি
.............................................................................................
শীত নিয়ে ৪ ভুল ধারণা
.............................................................................................
উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সজনে পাতার চা
.............................................................................................
১ মাসে মোটা হবেন ?
.............................................................................................
হাত থেকে মেহেদি তোলার সহজ উপায়
.............................................................................................
শীতের শুরুতে হাতের যত্ন
.............................................................................................
এলাচ চা খেলে কী হয়?
.............................................................................................
খাওয়া ছাড়াও ডিম যেসব কাজে ব্যবহার করা যায়
.............................................................................................
শীতের আগে ত্বক ভালো রাখতে যা করবেন
.............................................................................................
থানকুনি পাতা শরীরের যেসব উপকার করে
.............................................................................................
৫টি প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ
.............................................................................................
টনসিলে ইনফেকশন হলে করণীয়
.............................................................................................
স্টার সিনেপ্লেক্স খুলছে ২৩ অক্টোবর
.............................................................................................
করোনা থেকে দূরে থাকতে খান এই ভিটামিন
.............................................................................................
ডাবের মিল্ক সেক রেসিপি
.............................................................................................
হাড় ক্ষয় রোগের উপসর্গ ও চিকিৎসা
.............................................................................................
যেসব কারণে মাইগ্রেন হতে পারে
.............................................................................................
হজমের সমস্যার ৬ সমাধান
.............................................................................................
পা সুন্দর রাখার কিছু ঘরোয়া উপায়
.............................................................................................
যেসব অসুখ চিকিৎসকের কাছে গোপন করবেন না
.............................................................................................
লবঙ্গের চা এত উপকারী!
.............................................................................................
অতিরিক্ত দুশ্চিন্তার কারণে হতে পারে নানা রোগ
.............................................................................................
চুল পড়া কমাতে কাজে লাগান লাল শাকের অব্যর্থ টোটকা
.............................................................................................
কোন রঙের ক্যাপসিকাম বেশি উপকারী?
.............................................................................................
ভ্রমণে বমি হয়, কী করবেন?
.............................................................................................
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় আদা
.............................................................................................
চুল পড়া বন্ধ করতে যেভাবে ব্যবহার করবেন সরিষার তেল
.............................................................................................
বিফ ফিঙ্গার তৈরির সহজ রেসিপি
.............................................................................................
গরমে চুলপড়া কমাতে করণীয়
.............................................................................................
কিডনি রোগীর করোনাঝুঁকি ও করণীয়
.............................................................................................
দৈহিক সম্পর্কের রসায়নে সঙ্গে রাখুন পল কেলি`র বয়সের গণিত
.............................................................................................
মুখে র‍্যাশ বেরনো করোনার নতুন উপসর্গ?
.............................................................................................
মানবদেহে যেভাবে কাজ করবে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন
.............................................................................................
করোনা পরীক্ষা করা যাবে ২০ মিনিটেই
.............................................................................................
খাবারে রুচি নেই? ফিরিয়ে আনতে যা করবেন
.............................................................................................
পাওয়া গেছে করোনাভাইরাসের আরও ৩ নতুন লক্ষণ
.............................................................................................
উপসর্গ নেই তবু করোনা পজিটিভ, কী করবেন?
.............................................................................................
মাইগ্রেনের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কার্যকরী ঘি
.............................................................................................
সর্দি-কাশি মানেই ‘করোনা’ নয়! এই ঘরোয়া উপায়ে দূর করুন
.............................................................................................
কালোজামের ঔষধিগুণ
.............................................................................................
লিচু খেলে কী হয়
.............................................................................................
বৃষ্টি দিনের প্রস্তুতি
.............................................................................................
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে `ইমিউনিটি সন্দেশ`
.............................................................................................
সুস্থ থাকতে যা মেনে চলা জরুরি
.............................................................................................
চুলে মেহেদি ব্যবহারের যত উপকার
.............................................................................................
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে যেভাবে খাবেন কাঁচা হলুদ
.............................................................................................
কাপড়ে কালির দাগ তোলার ৪ উপায়
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD