| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * রোজায় অফিস সময় ৯টা থেকে সাড়ে ৩টা   * দীর্ঘদিন জেলখাটা আসামিদের মুক্তি দেয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর   * সন্ধ্যার পর ওষুধের দোকান ছাড়া সব বন্ধ   * ঢাকায় মোট ৬৪ জনের করোনা শনাক্ত   * নামাজ-প্রার্থনা নিজঘরে, জুমায় সর্বোচ্চ ১০ জন   * চট্টগ্রামে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা পুলিশের   * ফরিদপুরে আইসোলেশনে বৃদ্ধের মৃত্যু   * দেশে করোনায় নতুন করে ২৯ করোনা রোগী শনাক্ত, মোট ১১৭   * করোনায় দেশে একদিনে ৪ জনের মৃত্যু, সংখ্যা বেড়ে ১৩   * এবার বাঘের শরীরে মিললো করোনাভাইরাস  

   লাইফস্টাইল -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
যেসব লক্ষণে বুঝবেন কিডনিতে পাথর জমেছে

আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ হল বৃক্ক বা কিডনি। শরীরের সার্বিক সুস্থতা বজায় রাখতে কিডনির যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। আর কিডনি ভাল রাখতে আমাদের কিছু নিয়ম অবশ্যই মেনে চলা উচিৎ। আমাদের শরীরের রক্ত পরিশোধনের অঙ্গ কিডনি। শরীরে জমে থাকা অনেক রকম বর্জ্যও পরিশোধিত হয় কিডনির মাধ্যমে। কিডনির নানা সমস্যার মধ্যে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে কিডনিতে পাথর হওয়া। কিডনিতে পাথর জমার বা তৈরি হওয়ার প্রকৃত কারণ এখনও জানা যায়নি। তবে কিছু কিছু বিষয় কিডনিতে পাথর তৈরির কারণ বলে বিবেচিত হয়। যেমন-

১। শরীরে পানির স্বল্পতা। কম পানি খাওয়া।

২। একাধিকবার কিডনিতে ইনফেকশন হওয়া এবং এর জন্য যথাযথ চিকিত্‍সার ব্যবস্থা না করা।

৩। অত্যাধিক পরিমাণে দুধ, পনির বা দুগ্ধজাত খাবার খাওয়ার অভ্যাস।

৪। শরীরে ক্যালসিয়ামের মাত্রাতিরিক্ত আধিক্য।

কিডনিতে পাথর হওয়ার উপসর্গ-

১। রক্তবর্ণের প্রসাব।

২। বমি বমি ভাব। অনেক সময় বমিও হতে পারে।

৩। কোমরের পিছন দিকে ব্যথা হওয়া। এই ব্যথা তীব্র তবে সাধারণত খুব বেশি ক্ষণ স্থায়ী হয় না। ব্যথা কিডনির অবস্থান থেকে তলপেটেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।

যেসব লক্ষণে বুঝবেন কিডনিতে পাথর জমেছে
                                  

আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ হল বৃক্ক বা কিডনি। শরীরের সার্বিক সুস্থতা বজায় রাখতে কিডনির যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। আর কিডনি ভাল রাখতে আমাদের কিছু নিয়ম অবশ্যই মেনে চলা উচিৎ। আমাদের শরীরের রক্ত পরিশোধনের অঙ্গ কিডনি। শরীরে জমে থাকা অনেক রকম বর্জ্যও পরিশোধিত হয় কিডনির মাধ্যমে। কিডনির নানা সমস্যার মধ্যে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে কিডনিতে পাথর হওয়া। কিডনিতে পাথর জমার বা তৈরি হওয়ার প্রকৃত কারণ এখনও জানা যায়নি। তবে কিছু কিছু বিষয় কিডনিতে পাথর তৈরির কারণ বলে বিবেচিত হয়। যেমন-

১। শরীরে পানির স্বল্পতা। কম পানি খাওয়া।

২। একাধিকবার কিডনিতে ইনফেকশন হওয়া এবং এর জন্য যথাযথ চিকিত্‍সার ব্যবস্থা না করা।

৩। অত্যাধিক পরিমাণে দুধ, পনির বা দুগ্ধজাত খাবার খাওয়ার অভ্যাস।

৪। শরীরে ক্যালসিয়ামের মাত্রাতিরিক্ত আধিক্য।

কিডনিতে পাথর হওয়ার উপসর্গ-

১। রক্তবর্ণের প্রসাব।

২। বমি বমি ভাব। অনেক সময় বমিও হতে পারে।

৩। কোমরের পিছন দিকে ব্যথা হওয়া। এই ব্যথা তীব্র তবে সাধারণত খুব বেশি ক্ষণ স্থায়ী হয় না। ব্যথা কিডনির অবস্থান থেকে তলপেটেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।

জেনেনিন বিয়ের আগে যা জানা উচিত
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট:

যে মানুষটির সঙ্গে সারাজীবন কাটাবেন তার মনের পাশাপাশি তার শারীরিক বিষয়গুলোও জানা খুব গুরুত্বপূর্ণ। তা না হলে সমস্যায় পরতে পারে আপনাদের ভবিষ্যত। তাই বিয়ের আগে অবশ্যই কিছু মেডিকেল পরীক্ষা করানো উচিত।

১. রক্ত পরীক্ষা:
রক্তবাহিত নানারকম রোগ হয়। যেমন- হিমোফিলিয়া, থ্যালাসেমিয়া ইত্যাদি। যার প্রভাব পরতে পারে আপনাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের উপর। তাই আগেই জেনে নিন।

২. জেনেটিক পরীক্ষা:
জেনেটিক ডিসঅর্ডার কিন্তু এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে ছড়ায়। তাই বিয়ের আগে জেনেটিক টেস্ট করা খুবই জরুরী। আর পারলে বিয়ের আগে দুই পরিবারেরই মেডিক্যাল হিস্ট্রি জেনে নিন।

৩. HIV পরীক্ষা:
বিয়ের আগে HIV বা অন্য কোনরকম সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ডিসিসেজ (STD), যেমন গনোরিয়া, সিফিলিস, ওয়ার্টস, ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিস আছে কিনা জানার জন্য HIV টেস্ট করানো খুবই প্রয়োজনীয়।

৪. ফার্টিলিটি পরীক্ষা:
যতই চিকিৎসা পদ্ধতি আধুনিক হোক না কেন, স্বীকার করতেই হবে বন্ধ্যাত্ব সমস্যা কিন্তু বেড়েই চলেছে। তাই বিয়ের আগে দুজনই করান ফার্টিলিটি টেস্ট। পুরুষের ফার্টিলিটি চেক করার জন্য সিমেন টেস্ট আর মেয়েদের জন্য ওভিউলেশন টেস্ট করানো হয়। আর জননতন্ত্রে কোনরকম জেনেটিক অ্যাবনর্মালিটি আছে কিনা তা দেখার জন্য পেলভিক আল্ট্রাসাউন্ড পরীক্ষা করানো দরকার। তাছাড়াও প্রোল্যাক্টিন, FSH, LH, টেস্টোস্টেরন, ইস্ট্রোজেন, প্রোজেস্টেরন ইত্যাদি হরমোনের পরীক্ষা করতে ভুলবেন না।

 
হঠাৎ হার্ট অ্যাটাক হলে তাৎক্ষণিক যা করবেন
                                  

হঠাৎ কেউ অসুস্থ হয়ে গেলে বা হার্ট অ্যাটাক করলে সেখানেই সঙ্গে সঙ্গে রিসাসিটেশন চিকিৎসা দিতে হয়।

যেভাবে করতে হবে
এজন্য রোগীকে প্রথমে সমতলের ওপর চিৎ করে শোয়াতে হবে। এরপর একটি হাত প্রসারিত করে অন্য হাতের আঙুল দিয়ে লক তৈরি করতে হবে। হাতের তালুর উঁচু অংশটি পাঁজরের নিচের অংশে ঠিক মাঝ বরাবর স্থাপন করতে হবে। প্রতি সেকেন্ডে ২ বার জোরে জোরে চাপ দিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে যেন হাত ভাঁজ না হয়। এমনভাবে চাপ দিতে হবে যেন বুকের ওপর-নিচ প্রতিবার দেড় থেকে দুই ইঞ্চি দেবে যায়। এ পদ্ধতিতে ৩০ বার চাপ দিয়ে রোগীর মুখ দিয়ে বাতাস প্রবেশ করাতে হবে। দ্রুত রিসাসিটেশন শেষ করে রোগীকে হাসপাতালে নিতে হবে।

 
বন্ধ্যাত্ব এবং এর কারণগুলো
                                  

দুই বছর বা এর অধিক সময় কোন ধরণের জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ছাড়া গর্ভধারণে ব্যর্থ হলে তাকে ডাক্তারি ভাষায় বন্ধ্যাত্ব হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়। প্রতি ১০০টি দম্পতির মধ্যে ৮৪টি প্রথম বছরে এবং ৯২টি দম্পতি দ্বিতীয় বছরের মধ্যে গর্ভধারণ করতে সমর্থ হন। তাই বলা যায়, প্রতি ১০০টি দম্পতির মধ্যে ৮টি দম্পতি বন্ধ্যাত্বের শিকার হন। বন্ধ্যাত্ব ও এর কারণগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন চট্টগ্রামের ইমপেরিয়াল হাসপাতালের এসোসিয়েট কনসালট্যান্ট (অবস-গাইনি) ডা. নুসরাত জাহান।

কখন কনসিভ না হওয়ার কারণ নির্ণয় করা দরকার? এক বছর বা এর অধিক সময় কোন ধরণের জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ছাড়া গর্ভধারণে ব্যর্থ হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। তবে কারো কারো ক্ষেত্রে কনসিভ না হওয়ার কারণ নির্ণয় করতে দেরি করা যাবে না। যেমন,
- বয়স ৩৬ বা এর বেশি হলে
- রোগীর পূর্বে এমন কোন হিস্ট্রি থাকলে যেগুলো তার বন্ধ্যাত্বের কারণ হতে পারে; যেমন, পেলভিক ইনফেকশন এর হিস্ট্রি, অথবা
- এমন কোন অপারেশন যা তার ফার্টিলিটি কমিয়ে দিতে পারে।

বন্ধ্যাত্বের কারণসমূহ:
বন্ধ্যাত্বের বহুবিধ কারণ থাকে, স্বামী-স্ত্রী যেকোন একজন বা উভয়ের ক্ষেত্রে সমস্যা থাকতে পারে। গর্ভধারনের জন্য দরকার একটি সুস্থ্ ওভাম (ডিম), সবল বীর্য, নরমাল ইউটেরাস বা জরায়ু এবং নরমাল পেলভিক এ্যানাটমি। এর যেকোন জায়গায় সমস্যা হলে গর্ভধারণে ব্যর্থতা দেখা দিতে পারে।

প্রাথমিকভাবে বন্ধাত্ব্যের কারণকে তিন ভাগে ভাগ করা যেতে পারে। এগুলো হচ্ছে-
১। এনুভলেশন (ডিম্বাশয় থেকে ওভাম বা ডিম নিঃসরণ না হওয়া),
২। জরায়ু বা ডিম্বনালীর সমস্যা এবং
৩। পুরুষ সঙ্গীর সমস্যা।

ওভুলেসন বা ডিম্বস্ফুটন না হওয়ার কিছু কারণ:
• পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম
• হরমোনের অস্বাভাবিক মাত্রায় নিঃসরণ। কিছু কিছু হরমোন যেমন প্রলেক্টিন, থাইরয়েড হরমোন অথবা পিটুইটারি FSH, LH হরমোনের অস্বাভাবিক মাত্রায় নিঃসরণ ওভুলেশন ব্যাহত করে।
• শরীরের ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশী বা কম থাকা।
• প্রিমেচিউর ওভারিয়ান ফেইলিউর
• অতিরিক্ত মানসিক চাপ।
• অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, ক্যান্সার কিংবা কিডনি রোগেও ওভুলেশন ব্যাহত হতে পারে।
• কেমোথেরাপি বা রেডিওথেরাপি সাময়িক বা পরোপুরিভাবে ওভারিকে অকার্যকর করে দিতে পারে।
• ধূমপান, অথবা অনিয়ন্ত্রিত মদ্যপান।

জরায়ু বা ডিম্বনালীর সমস্যা:
• জরায়ুর টিউমার যেমন এডিনোমায়োসিস, ফাইব্রয়েড বা পলিপ।
• পেলভিক ইনফ্লামেটরি ডিজিজ (পি আই ডি) অথবা যেকোনো ইনফেকশনের কারণে ডিম্বনালী বন্ধ হয়ে ওভাম এবং শুক্রাণু নিষিক্তকরণের পথ বন্ধ করে দিতে পারে।
• এন্ডোমেত্রিওসিস বন্ধ্যাত্বের একটি পরিচিত কারণ। এ রোগের লক্ষণ মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, পেটে ব্যথা ইত্যাদি।
• ইনফেকশন বা এন্ডোমেত্রিওসিস জরায়ু এবং এর আশেপাশের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের স্বাভাবিক এনাটমি নষ্ট করে বন্ধাত্ব্যের কারণ ঘটায়।

মেল (পুরুষ) ফ্যাক্টর:
প্রতি একশত জনের মধ্যে ৩০ ভাগ ক্ষেত্রে পুরুষ সঙ্গীর সমস্যার কারণে বন্ধ্যাত্ব্ হতে পারে।
• শুক্রাণু বা বীর্য যথেষ্ট গতিশীল না হলে বা অস্বাভাবিক গঠনগত কারণে বন্ধ্যাত্ব হতে পারে।
• কোনো কারণে শুক্রাণু তৈরী ব্যাহত হলে, যেমন জিনগত ত্রুটি, ভেরিকোসেলি, টেস্টিসের টিউমার বা ইনফেকশন অথবা কোন ঔষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াজনিত কারণে নরমাল শুক্রাণু তৈরী বাধাপ্রাপ্ত হতে পারে।

পুরুষ এবং মহিলা উভয়ের ক্ষেত্রেই গর্ভধারণের হার বয়স বাড়ার সাথে সাথে কমে যায়। ৩৫ বছরের পর থেকে মেয়েদের ওভুলেশনের হার কমতে থাকে, একইসাথে শুক্রাণুর কার্যকারিতাও বয়সের সাথে সাথে কমে। তাই এই চিকিৎসায় বিলম্ব হলে সাফল্যের হারও কমে যায়।

চুল ঝরে যাওয়া রোধে কার্যকরী লাল শাক
                                  

শাক-সবজি খাওয়ার পরামর্শ চিকিৎসকরা সব সময় দেন। আর এই শাক-সবজির মধ্যে অতি পরিচিত একটি হলো লাল শাক। এই লাল শাকের মধ্যে কিছু প্রয়োজনীয় উপাদান থাকে যা শরীরের পক্ষে উপকারি। ৩০ বছর বয়সের পর আমাদের শরীরে নানান সমস্যা দেখা যায়। সেই সব দূরে রাখতে লাল শাক খুবই উপযোগী। যদি প্রতিদিন লাল শাক খাওয়া যায় তাহলে খুবই উপকারি। নিয়মিত লাল শাক খেলে কী কী উপকার পাওয়া যায় তা দেখে নেওয়া যাক-

লাল শাকের মূল দিয়ে দাঁত মেজে, লবণ দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এর ফলে দাঁতের মধ্যে থাকা হলুদ ভাব কেটে যায়। এছাড়াও দাঁত জনিত অন্যান্য সমস্যাগুলিও আর হয়ে না।
লাল শাকে ভিটামিন সি থাকায় চোখের রেটিনার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, যা দৃষ্টি শক্তির উন্নতিতে সাহায্য করে। যারা গ্লুকোমার সমস্যায় ভুগছেন, তারা প্রতিদিন এই শাক খান।

লাল শাক ভাল করে বেটে তার মধ্যে এক চামচ লবণ মিশিয়ে নিন। প্রতিদিন এই মিশ্রণটি খান। চুল পড়া কমে যাবে অনেকটাই। নিয়মিত লাল শাক খেলে কিডনির কার্যক্ষমতা বেড়ে যায়। এছাড়াও রক্ত পরিশুদ্ধ হয়ে। লাল শাক শরীরে রক্তের পরিমাণ বাড়ায়। তাই কেউ যদি অ্যানিমিয়ায়ে ভোগেন তাহলে আজ থেকেই খাওয়া শুরু করুন লাল শাক।

পেঁয়াজ খেলে যৌন ক্ষমতা ৩ গুণ বৃদ্ধি পাবে
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক:
ব্যক্তিগত ব্যস্ততা, মানসিক অশান্তি, খাবারের মান খারাপ হওয়াসহ নানা কারেণই মানুষের যৌনজীবন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আবার থাইরয়েড বা ডায়াবেটিসসহ নানা রোগেও যৌনতা হ্রাস পেতে পারে। কখনো কখনো আবার ইচ্ছা থাকলেও শারীরিক অক্ষমতায় শারীরিক মেলামেলায় ভাটা পড়তে পারে। তবে এমন সমস্যা হলে হাতের কাছেই রয়েছে সমাধান। প্রতিদিনের রান্নায় ব্যবহৃত পেঁয়াজই আপনার যৌন ক্ষমতাকে তিন গুণ বৃদ্ধি করতে পারে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জি নিউজ জানায়, একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে পেঁয়াজের রস টেস্টোস্টেরন হরমোনের ক্ষরণ বৃদ্ধি করে।

এর ফলে শারীরিক মেলামেশার ইচ্ছা বৃদ্ধি পায়। হরমোন বিশেষজ্ঞ এলিসা ভিটির মতে, ধীরে ধীরে সময় নিয়ে পেঁয়াজের রস খেতে পারলে তা যৌন আকাঙ্খা বাড়িয়ে তোলে। পেঁয়াজের রস যৌনাঙ্গকেও সক্রিয় করে তোলে। হালকা একটু মাখনে পেঁয়াজ কুচি ভেজে মধু দিয়ে প্রতিদিন সকালে খেতে পারলে আমাদের যৌন ক্ষমতা প্রায় তিন গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে।

 
মোটা পুরুষেরাই বেশি সক্রিয় শারীরিক সম্পর্কে!
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক

অতিরিক্ত ওজন হওয়ার অনেক অসুবিধাগুলো এবং স্বাস্থ্যের ঝুঁকি রয়েছে তবে পুরুষের যৌন জীবন এর ব্যতিক্রম, এমনটাই জানাচ্ছে গবেষণা। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, পাতলা পুরুষের তুলনায় মোটা পুরুষেরা যৌন জীবনে বেশি সক্রিয় ও আত্মবিশ্বাসী হন।


নিয়মিত যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হন এমন প্রায় পাঁচ হাজার ব্রিটিশের উপর জরিপ করার পরে যুক্তরাজ্যের অ্যাংলিয়া রুসকিন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী এবং গবেষকরা এই আকর্ষণীয় সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে, মোটা পুরুষরা পাতলা পুরুষদের চেয়ে বেশি যৌন সম্পর্কে মিলিত হতে সক্ষম। জরিপ প্রকাশিত হয়েছিল পিএলওএস ওয়ান জার্নালে। আশ্চর্যজনকভাবে, বেশি মোটা পুরুষেরা পাতলা পুরুষদের তুলনায় যৌনমিলনে বেশি আত্মবিশ্বাসী।


পর্যবেক্ষণ বলছে, স্বাস্থ্যবান ব্যক্তিদের বেশি সুখী এবং সন্তোষজনক সম্পর্কের সম্ভাবনা রয়েছে। গবেষক ডক্টর লী স্মিথ বলেন, আমি বিশ্বাস করি যে, স্বাস্থ্যবান পুরুষেরা সহজেই স্ত্রীর সঙ্গে স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে পারেন কারণ তারা আকৃতিগতভাবে খুব বেশি আকর্ষণীয় না হওয়ায় অন্যরা সহজে আকৃষ্ট হয় না। সুতরাং তারা তাদের পারিবারিক জীবনেই মনোযোগী হন এবং ঘন ঘন যৌন ক্রিয়ায় লিপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

 

ওজন কমানোর আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন তাদের জন্য এটি স্বস্তিদায়ক তথ্য বটে। এদিকে অন্যান্য জরিপে দেখা গেছে, অতিরিক্ত ওজনযুক্ত ব্যক্তি বা উচ্চতর বিএমআইযুক্ত ব্যক্তিরা যৌন সমস্যায় ভোগেন। ওয়েবএমডি-তে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন অনুসারে, ৩০% পর্যন্ত স্থূল লোকেরা তাদের ওজন নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা করেন এবং সেক্স ড্রাইভ, আকাঙ্ক্ষা, পারফর্মেন্স বা তিনটি ক্ষেত্রেই সমস্যা চিহ্নিত করেন। সর্বশেষ গবেষণায় দেখা যায়, এই শারীরিক সমস্যাগুলো স্থুলতার পাশাপাশি অবস্থান করছে।


দেখতে আকর্ষণীয় হওয়া কিংবা সেলিব্রেটিদের মতো হওয়ার জন্য ওজন কমানোর চেষ্টা থাকলে আজই সেই মনোভাব বাদ দিন। কারণ এর থেকে অনেক বেশি জরুরি নিজের একটি নিখুঁত বিএমই (বডি ম্যাস ইনডেক্স) বা ওজন ও উচ্চতার সমন্বয় করা। যেহেতু বলা হয়ে থাকে স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। আপনি সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হলে মন এমনিতেই ভালো থাকবে এবং ব্যক্তি ও যৌন জীবনে সুখী থাকবেন।

 
গাঢ় লিপস্টিক পরলে কি ঠোঁট কালো হয়?
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক

একটু পরিপাটি না হয়ে বাইরে বের হতে চান না বেশিরভাগ তরুণীই। নিজেকে সুন্দর করে সাজাতে লিপস্টিকের ব্যবহার করেন। কারও কারও গাঢ় শেড বেশি পছন্দ লিপস্টিকের ক্ষেত্রে। তবে অনেকে ভয় করেন, নিয়মিত গাঢ় রঙের লিপস্টিক ব্যবহার করলে ঠোঁট কালো হয়ে যেতে পারে! ঠোঁট যাতে কালো হয়ে না যায় সেজন্য আপনাকেই যত্নশীল হতে হবে।

নিয়মিত বাড়ি ফিরে ঠোঁট পরিষ্কার করুন এবং লিপস্টিকের সর্বশেষ চিহ্নটুকুও মুছে ফেলুন যত্ন নিয়ে। ঠোঁটের আর্দ্রতায় কোনো ঘাটতি যেন না পড়ে, সে বিষয়ে যত্নবান হতে হবে। সারাদিনে যতবার মুখ ধুচ্ছেন বা কুলকুচি করছেন, ততবার মুখ-ঠোঁট মুছে প্রথমে লিপ বাম লাগান, তারপর লিপস্টিক টাচআপ করুন।


ঠোঁটে এমন লিপ বাম ব্যবহার করতে হবে যার মধ্যে সান প্রোটেকশন ফ্যাক্টর বা এসপিএফ আছে। কারণ ত্বকের মতো আপনার ঠোঁটেও কালচেভাব ফেলতে পারে সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি।


ত্বকের পাশাপাশি ঠোঁটেরও এক্সফোলিয়েশন একান্ত প্রয়োজনীয়। সর, মধু আর লেবুর রসের মিশ্রণ তৈরি করে ঠোঁটে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে সামান্য চিনি নিয়ে ঠোঁটের উপর চক্রাকারে ঘষুন। এর ফলে সমস্ত মৃত কোষ সরে যাবে।


এরপরেও যদি মনে হয় যে ঠোঁটের কালচেভাব বাড়ছে ক্রমশ, তাহলে বদলে ফেলুন আপনার টুথপেস্ট। টুথপেস্টের কোনো বিশেষ উপাদান থেকে অ্যালার্জির কারণেও ঠোঁটের স্বাভাবিক রং বদলে গাঢ় হয়ে যেতে পারে।

 

ঠোঁটের রং কালো হয়েই যায়, তাহলে কীভাবে দূর করবেন? এক্ষেত্রে আপনি একজন ডার্মাটোলজিস্টের সঙ্গে কথা বলে নিতে পারেন। কারণ কোনো শারীরিক সমস্যা থেকে এই পিগমেন্টেশন হচ্ছে কিনা, তা জেনে নেয়া দরকার।

ঠোঁটের কালচেভাব দূর করার জন্য নারিকেল তেলের পরত লাগান ঠোঁটে- তা ময়েশ্চরাইজার হিসেবে কাজ করবে, ঠোঁটের স্বাভাবিক রং বজায় রাখতেও সাহায্য করবে।

লেবুর রস আর মধু মিশ্রণ বানিয়ে প্রতিদিন একবার করে ঠোঁটে লাগিয়ে দেখতে পারেন, ব্যবহার করা যায় অ্যালোভেরাও। শসার রস আর বেদানার রসও ঠোঁটের স্বাভাবিক রং ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।

 
যেসব খাবার এড়িয়ে চলেবন এই শীতে
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক

সহজে হজম হয় ও শরীরে চর্বি জমবে না এমন খাবার খাওয়া উচিত।

পুষ্টি-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে শীতকালে এড়িয়ে চলা ভালো এমন কয়েকটি খাবারের তালিকা এখানে দেওয়া হল।

গরম কফি: শীতকালে এক কাপ গরম কফি মানে অমৃত। তবে এই সময় অনেকেই কফি না খাওয়ার পরামর্শ দেন। কারণ কফি ক্যাফেইন সমৃদ্ধ যা শরীরে পানি স্বল্পতার সৃষ্টি করে। গরমকালের তুলনায় এই সময় মানুষ স্বাভাবিকভাবেই পানি কম পান করেন। তাই এই সময় কফি খাওয়া শরীরে পানি স্বল্পতার অন্যতম কারণ। কফি খুব বেশি খেতে ইচ্ছা করলে এর পরিবর্তে ‘হট চকলেট’ খেতে পারেন। আর কফি বা চা খাওয়া হলেও পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে মনে করে।

টমেটো: গরমকালের শেষের দিকে যে টমেটো পাওয়া যায় তা বেশ সুস্বাদু। শীতকালে টমেটো দেখতে সুন্দর লাল টসটসে হলেও এর স্বাদ হয় ঠিক বিপরীত। তাই টমেটো শীতকালে না খেয়ে বরং গরমকালেই খাওয়া ভালো।

বেইক করা খাবার: এক কাপ গরম চকলেট এবং মাত্র বেইক করা বিস্কুট যেন এক অসাধারণ জুড়ি। খেতে মজাদার হলেও আমরা এর হজম হওয়া নিয়ে খুব একটা চিন্তা করি না। শীতকালে স্যাচুরেইটেড ফ্যাট ধীর গতিতে হজম হয়। ফলে চর্বি জমতে থাকে। এই সময় শারীরিক পরিশ্রম কম হয়, বেইক করা খাবার স্যাচুরেইটেড ফ্যাট সমৃদ্ধ যা হজম হতে সময় লাগে। তাই এই ঋতুতে বেইক করা খাবার এড়িয়ে চলা ভালো।

মরিচ: শীতকালে ঝাল খাবার নাক বন্ধ সমস্যায় খুব ভালো কাজ করে। তাছাড়া ঝাল খাবার খাওয়া হলে তা ঠাণ্ডা ও সাইনাসের সমস্যা জন্যেও ভালো। তবে পেটের জন্য মোটেও উপকারী নয়। সহজে হজম হয় এবং অতিরিক্ত ঝাল নয় এমন খাবার খাওয়া উচিত। শীত ঋতুতে অতিরিক্ত ঝাল খাওয়া বাদ দিন। আর শীত থেকে উষ্ণ রাখবে এমন খাবার খান। ঝাল মরিচের বদলে গোল মরিচ ও আদা এক্ষেত্রে উপকারী।

প্যাকেটজাত সবজি: আগে থেকে কাটা, বাছা ও পরিষ্কার করা সবজি হাতের কাছে পাওয়া বেশ আরামদায়ক। তবে এগুলো মোটেও স্বাস্থ্যকর নয়। সবজি কাটা, বাছা করা ও ধোয়া কষ্টকর হলেও এতে থাকা ভিটামিন অক্ষত থাকে। তাই বাজার থেকে প্যাকেটজাত সবজি পাওয়া যতই সহজলভ্য হোক না কেনো তা ব্যবহার না করাই ভালো।

শীতে পায়ের দুর্গন্ধে করণীয়!
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক

শীতে পায়ে দুর্গন্ধ হয় অনেকের। জুতা খুললেই পায়ের এমন দুর্গন্ধ এলে, এমন পরিস্থিতিতে অন্যদের কাছে বেশ বিব্রত হতে হয়।


রেই পায়ের দুর্গন্ধ দূর করতে যা করতে হবে:


• সৌন্দর্য সাবানের পরিবর্তে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল সাবান দিয়ে নিয়মিত পা পরিষ্কার রাখতে হবে
• বাইরে থেকে ফিরে হালকা গরম পানিতে পুদিনাপাতা ও বেকিং সোডা দিয়ে ১০ মিনিট পা ভিজিয়ে রাখুন, চাইলে সঙ্গে কোনো সুগন্ধি শ্যাম্পু দিয়ে নিতে পারেন
• সপ্তাহে অন্তত দু’দিন স্ক্রাব করে মরাকোষ পরিষ্কার রাখতে হবে
• এক লিটার হালকা গরম পানিতে আধা কাপ অ্যাপল সিডার ভিনেগার দিয়ে পা ১০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন
• প্রতিবার পা ধুয়ে পরিষ্কার শুকনো টাওয়াল দিয়ে চেপে চেপে মুছে নিন। ভেজা পায়ে জুতা-মোজা পরবেন না
• দীর্ঘ সময় জুতা মোজা পরে থাকবেন না, সম্ভব হলে অফিসের জন্য আলাদা স্যান্ডেল রাখুন
• প্রতিদিনই ধোয়া-পরিষ্কার সুতির মোজা ব্যবহার করুন ‍
• জুতার ভেতর ট্যালকম পাউডার, বরিক এসিড পাউডার বা দুর্গন্ধনাশক ব্যবহার করতে পারেন
• চামড়া বা কাপড়ের জুতা ব্যবহার করুন। এতে বাইরের বাতাস জুতার ভেতর যাওয়া-আসা করতে জুতা পারবে, ফলে ঘামবে কম
• সপ্তাহে অন্তত একদিন জুতা রোদে দিন। তাই এক জোড়া জুতাই পর পর দুই দিন ব্যবহার না করে কয়েক জোড়া জুতা রাখুন
• শীতের সময়ে পায়ে নিয়মিত ভালোমানের ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

এসব করার পরও যদি পায়ে দুর্গন্ধ হয়, তবে অবশ্যই বিষেশজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

খালি পেটে ভুল করেও কোন সিদ্ধান্ত নেবেন না!
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক


খালি পেটে ভুল করেও কোন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেবেন না। কারণ খালি পেটে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিলেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে আপনি বড় কোন ভুল করতে পারেন। গবেষণা করে এই বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছেন সুইডেনের একদল গবেষক। এর পিছনে রয়েছে ঘ্রেলিন নামক একটি হরমোন। কারণ এই হরমোনটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং আবেগের উপরে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

খালি পেটে থাকলে অথবা খাওয়ার আগে শরীরে এই হরমোনটির নিঃসরণ হয়। সুইডেনের গোটেনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্লগ্রেনস্কা অ্যাকাডেমির গবেষকরা এমনটাই দাবি করেছেন।

তাদের মতে, গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, খালি পেটে থাকলে অথবা খাওয়ার আগে শরীরে ঘ্রেলিন নিঃসরণের পরিমাণ অনেকটাই বেড়ে যায়। যার সরাসরি প্রভাবে মস্তিষ্ক আবেগতাড়িত হয়ে পড়ে এবং যুক্তিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।
ইঁদুরদের উপরে নির্দিষ্ট কিছু পদ্ধতিতে গবেষণা চালিয়েই এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন গবেষকরা। ইঁদুরগুলোর মস্তিষ্কে ঘ্রেলিন হরমোনটি ঢুকিয়ে দিয়ে তাঁদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করেছিলেন তারা।

শীত মৌসুমে মেসতার দাগে করণীয়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক

শীতের সময়ে সঠিক যত্ন না নিলে, ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। মুখে গাঢ় কালো বা বাদামি দাগ বসে মেসতা হতে পারে। মনে রাখতে হবে, মেসতার দাগ দ্রুত যায় না। এর পেছনে সময় দিতে হবে এবং ধৈর্য রাখতে হবে। মেসতা হলে দুশ্চিন্তা না করে যত্ন নিন। মেনে চলুন নিয়মগুলো তাহলেই দূর হবে অবাঞ্চিত মেসতার বিরক্তিকর দাগ।


যা করতে হবে:

• মেসতা কার্যকরভাবে মোকাবিলা করার জন্য দিনে অন্তত দুই লিটার পানি পান করুন এবং পর্যাপ্ত ঘুমান

• ত্বকে বাইরে বেরোনো বা রান্নার সময় কখনই সানস্ক্রিন ক্রিম লাগাতে ভুলবেন না


• সপ্তাহে অন্তত একবার চালের গুঁড়া ও টকদই দিয়ে নিয়মিত মুখে স্ক্র্যাবিং করতে হবে। এতে মুখের অবাঞ্ছিত দাগ অনেকটাই কমে যাবে

• মেসতার বসে যাওয়া দাগ দূর করতে এক চা চামচ করে মুলতানি মাটি, চন্দনের গুঁড়া, টক দই ও মধু একসঙ্গে মিশিয়ে নিন।

• স্ক্র্যাবের জন্য চিনির গুঁড়া ও অলিভ অয়েল দিয়ে হালকা মাসাজ করে রেখে দিন, ২০ মিনিট পর পাতলা কাপড় দিয়ে ঘষে তুলে ফেলুন

• এছাড়া গোলাপজল ও সমপরিমাণ লেবুর রসের সঙ্গে শসা অথবা আলুর রস মিশিয়ে তুলার সাহায্যে মেসতার দাগে লাগাতে হবে। এতে ধীরে ধীরে মেসতার দাগ কমে আসবে

• ত্বকে কোমল রাখতে হালকা ক্লিনজার দিয়ে ত্বক পরিষ্কার রাখুন ও নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

যদি দেখেন মেসতার দাগ যাচ্ছেই না, তবে অবহেলা না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

শীতকাল এলেই বিয়ের ধুম পড়ে যায় কেন?
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক

শীতকে বলা হয় বিয়ের মৌসুম। কারণ শীতকাল এলেই বিয়ের ধুম পড়ে যায়। প্রতিবছর শীতে নিশ্চয়ই অনেকগুলো করে বিয়ের দাওয়াত পেয়ে থাকেন? একটু ভেবে বলুন তো, শীত এলেই কেন চারপাশে বিয়ের এত আয়োজন? এভাবে ভেবে দেখেননি? তাহলে জেনে নিন-

ছুটি: ডিসেম্বর মাসে ছেলেমেয়েদের বার্ষিক পরীক্ষার শেষে স্কুল বন্ধ থাকে। এসময় তাদের সঙ্গে ছুটি মিলিয়ে বড়রাও সহজে বেড়াতে যেতে পারেন। আর এই সুযোগেই সব আত্মীয়-পরিজন একত্রিত হতে পারেন। বছরের অন্যান্য সময় সবাইকে একত্রে পাওয়া এমন সহজ হয় না। তাই বিয়ের জন্য বেশিরভাগ মানুষ শীতকালই বেছে নেন।


খাওয়া দাওয়া: গরমের সময়ে খেতে হয় রয়ে-সয়ে। খাবারে একটু এদিক-সেদিক হলেই পেটের ভেতর গুড়গুড় শুরু হয়ে যায়। কিন্তু শীতকালে সেই চিন্তা নেই। এমনিতেই নানা পিঠাপুলি পেট ভরে খাওয়া হয়, পাশাপাশি দাওয়াতেও খাওয়া যায় কবজি ডুবিয়ে। আর বিয়ে মানেই বিশেষ খানাপিনা। তাই বিয়ের জন্য শীতকালই উপযুক্ত সময়।

 

খাটা-খাটনি: গরমের দিনে একটু পরিশ্রম করলেই হাপিয়ে উঠতে হয়। ঘেমেনেয়ে একাকার হতে হয়। কিন্তু শীতে সেই ভয় একদমই নেই। বরং কাজ করলে শীতের অনুভূতিটা কম হয়। বিয়েতে হাজারটা কাজ করার লোকের অভাব হয় না। সবাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজ করে দিতে আগ্রহী থাকে। তাই এসময় বিয়ের ধুম পড়ে যায়।


ফুলের সাজ: ফুল ছাড়া আবার বিয়ে হয় নাকি! আর কে না জানে, শীত মানেই ফুলে ফুলে রঙিন চারদিক। হাত বাড়ালেই ফুল আর ফুল। ফুলের সহজলভ্যতা বিয়ের উৎসবকে আরও বেশি জমকালো আর অভিজাত করে তোলে। ফুলের রঙ আর গন্ধে মন ভালো হয়ে যায় সবার।


সাজ: বরের সাজ নিয়ে খুব বেশি মাথাব্যথা না হলেও চলে কিন্তু কনের সাজ? বিয়ের সাজে কনেকে দেখতে সবার থেকে সুন্দর লাগা চাই। আর তাইতো মনের মতো করে সাজতে চান প্রত্যেক কনেই। কিন্তু গরমের সময়ে তা কতটুকু সম্ভব? যত দামি প্রসাধনীই ব্যবহার করা হোক না কেন, গরমে ঘেমে সব নষ্ট হবে। আর শীতে? যত খুশি সাজুন, নষ্ট হওয়ার এতটুকু ভয় নেই।


হানিমুন: শীতের সময়টা ঘোরাঘুরির জন্য উপযুক্ত সময়। তাই এসময় বিয়ে এবং এর পরে হানিমুনে ঘোরাঘুরিটা জমে বেশ। পরস্পরের পাশাপাশি থেকে উষ্ণতাও ভাগাভাগি, সেই সুযোগে সঙ্গীকে চিনে নেয়া, জেনে নেয়া। তাই বিয়ে এবং হানিমুনের জন্য শীতের সময়টাই উপযুক্ত।

যে কারণে প্রতিদিন সকালে এক কোয়া কাঁচা রসুন খাবেন
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক

সকালে খালি পেটে রসুন খাওয়ার কথা প্রায়ই শুনে থাকেন কিন্তু এটি কতটুকু উপকারী তা নিয়ে সংশয়ে থাকেন অনেকেই। তাহলে শুনুন বিশেষজ্ঞরা কী বলে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সকালে খালি পেটে এক কোয়া রসুন খেলে প্রতিদিনের অনিয়ম, যখন তখন ডায়েট ভাঙার কুপ্রভাব অনায়াসেই নাকি ঢেকে দিতে পারে।

প্রাকৃতিকভাবে অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে ঠাসা রসুনের অনেক কার্যকরী দিক রয়েছে। খালি পেটে এটি খেলে এর রস সহজে শরীরকে ডিটক্সিফাই করতে পারে বেশি। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মেটাবলিক রেটও একটু বেশি থাকে। তাই খালিপেটে এটি খেলে উপকার মেলে।

ক্রনিক ঠান্ডা লাগার অসুখ যাদের, খালিপেটে এককোয়া রসুন তাদের জন্য খুব উপকারী। একটানা দু’সপ্তাহ সকালে রসুন খেলে ঠান্ডা লাগার প্রবণতা অনেকটা কমে।


অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে ঠাসা রসুন রক্তকে পরিশুদ্ধ রাখে। রক্তে উপস্থিত শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে রসুন।


শরীরকে ডিটক্সিফাই করার কাজে লাগে রসুন। সকালে খালিপেটে রসুনের কোয়া খেলে সারা রাত ধরে চলা বিপাকক্রিয়ার কাজ যেমন উন্নত হয়, তেমনই শরীরের দূষিত টক্সিনও মূত্রের মাধ্যমে বেরিয়ে যেতে পারে।


হার্টের রোগীদের ক্ষেত্রে রসুন বিশেষ কার্যকরী। হৃদস্পন্দনের হার নিয়ন্ত্রণ করতে ও হৃদপেশীর দেয়ালে চাপ কমাতে কাজে আসে এটি।

রক্ত সঞ্চালন ঠিক রাখে রসুন। কমায় রক্তবাহ নালীর উপর রক্তের চাপও। তাই উচ্চ রক্তচাপের অসুখে ভুগছেন এমন রোগীদের ডায়েটে থাকুক রসুন।


কিছু ভাইরাস ও সংক্রমণজনিত অসুখ- যেমন ব্রংকাইটিস, নিউমোনিয়া, হাঁপানি, হুপিং কাফ ইত্যাদি প্রতিরোধে রসুনের ভূমিকা অনেক। স্নায়বিক চাপ কমিয়ে মানসিক চাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সক্ষম এই রসুন।

যকৃত ও মূত্রাশয়কে নিজের কাজ করতে সাহায্য করে রসুন। এছাড়া পেটের নানা গোলমাল ঠেকাতে, হজমের সমস্যা মেটাতেও রসুন বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

চুল সবচেয়ে সুন্দর রাখবে যেসব হেয়ারমাস্ক
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক

চুলের নানা সমস্যা যখন প্রকট হয় আর নানা উপায় কাজে লাগিয়েও কোনো উপকার পাওয়া যায় না, তখন নিজের চুল নিজেরই ছিঁড়তে ইচ্ছে করে! বছরের অন্যান্য সময় যেমন-তেমন, শীত এলে তো চুলে আরও বেশি সমস্যা দেখা দেয়।

এই সময়ে চুল সবচেয়ে বেশি ঝলমলে ও সুন্দর রাখতে চাইলে ব্যবহার করতে হবে কিছু হেয়ারমাস্ক। তবে তা তৈরি করে নিতে পারবেন ঘরোয়া কিছু উপাদান দিয়েই। সেইসঙ্গে পান করতে হবে প্রচুর পানি এবং খেতে হবে পুষ্টিকর খাবার। কারণ ভেতর থেকে পুষ্টি না পৌঁছালে হেয়ারমাস্ক কাজ করবে না।

ডিম, তেল মধু: ডিমের কুসুম, মধু, আর দুই টেবিল চামচ আপনার পছন্দের তেল নিন। আমন্ড অয়েল, অলিভ অয়েল বা নারিকেলের তেলের যেকোনো একটি ব্যবহার করুন। ভালো করে ফেটিয়ে নিন। এর মধ্যেও কয়েক ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল মেশাতে পারেন। তার পর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে কন্ডিশনার লাগিয়ে নিতে হবে।


নারিকেল তেল, মধু, লেবুর রস: শীতের দিনে অনেকের স্ক্যাল্পেই প্রচুর খুশকি জন্মায়। চুল নরম রাখার পাশাপাশি তাকে খুশকিমুক্ত রাখতেও সাহায্য করবে এই বিশেষ মাস্কটি। তিনটিকে খুব ভালো করে মিশিয়ে মাথায় লাগান, এক ঘণ্টা অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন। শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার লাগানো বাধ্যতামূলক।

অ্যালোভেরা, মধু, নারিকেল তেল: দুই টেবিল চামচ ফ্রেশ অ্যালো ভেরা জুস, দুই টেবিলচামচ এক্সট্রা ভার্জিন নারিকেল তেল আর এক চাচামচ মধু একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। তার পর চুলের আগা থেকে গোড়া ভালো করে মাখান। এক ঘণ্টা প্যাকটা চুলে বসতে দিন। তার পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে কন্ডিশনার লাগিয়ে নিন ভালো করে। তিন মিনিট পর কন্ডিশনার ধুয়ে নিন। কন্ডিশনার যেন মাথার তালু পর্যন্ত না পৌঁছায়, সেদিকে লক্ষ রাখবেন।

 

অ্যাভোকাডো, ডিম, তেল: পাকা অ্যাভোকাডোর শাঁস, ডিমের কুসুম, অলিভ অয়েল ভালো করে মিশিয়ে নিন। তার চুলে লাগিয়ে মাথায় শাওয়ার ক্যাপ পরে থাকুন ঘণ্টাখানেকের জন্য। আগে চুল ভালো করে ধুয়ে নিন। তারপর শ্যাম্পু করে নিন।


নারিকেলের দুধ: এককাপ নারিকেল কুরিয়ে আধাকাপ গরম পানতে ভিজিয়ে রাখুন দশ মিনিট। তারপর ব্লেন্ডারে ভালো করে পিষে ছেঁকে নিন। নারিকেলের গাঢ় দুধ আর মধু মিশিয়ে চুলে ভালো করে মাখিয়ে নিন। একটা তোয়ালে গরম পানিতে ভিজিয়ে নিয়ে মাথায় জড়িয়ে রাখুন। এক ঘণ্টা গরম পানির ভাপ চুলে বসার পর শ্যাম্পু করে নিন।


ডিম ও দই: আপনার চুল স্বাভাবিক হলে পুরো ডিম নিন। তেলতেলে হলে বাদ দেবেন কুসুম, রুক্ষ হলে সাদা ভাগ। এর মধ্যে দুই টেবিল চামচ পানি ঝরানো দই মিশিয়ে নিন। তীব্র গন্ধ বেরোবে, তাই এই প্যাকে দু’-এক ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েলও মিশিয়ে নিতে পারেন। মাথায় লাগিয়ে আধাঘণ্টা রাখুন। তারপর শ্যাম্পু আর কন্ডিশনার ব্যবহার করে ধুয়ে নেবেন।

জীবনে এই চার মন্ত্র রপ্ত করলেই আপনি সফল!
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক

চাওয়া আর পাওয়ার হিসাব মেলাতেই পার হয়ে যায় আমাদের একটা জীবন। মন ঠিক কী চায়, তা আমাদের মনও জানে না। কোনো একটি জিনিস পাওয়ার পরে মনে হয়, এটা নয় ওটা চাই! সারাক্ষণ শুধু দোলাচলে দুলতে থাকে। জীবনের কাছেও কিছু চাওয়া থাকতে পারে আপনার। কীসে সফলতা আসবে তা চিন্তা করার আগে চারটি বিষয়ে নজর রাখুন। যা-ই ঘটুক না কেন, এই বিষয়গুলোতে ছাড় দেবেন না।


তৈরি করুন নিজস্ব মূল্যবোধ: প্রত্যেকের জীবনেই স্বপ্ন থাকে। আপনিও নিশ্চয়ই ব্যতিক্রম নন! নিজের জীবনের স্বপ্ন আর সম্পর্ক নিয়ে কখনো ছেলেখেলা করবেন না। যদি আপনার মনে হয় যে সম্পর্কে আপনি আছেন তাই নিয়ে খুশি তাহলে সেরকমই থাকুন। তার ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তাভাবনা করুন। সময় দিন।


প্রশ্ন করুন নিজেকে: অন্যের মতামতকে গুরুত্ব দিন, তবে নিজের থেকে বেশি নয়। জীবনে কোনটা ঠিক, কোনটা ভুল সেটা অন্য কেউ বলে দেওয়ার আগে নিজে যাচাই করে নিন। কারণ আপনার মনের থেকে ভালো উত্তর আর কেউ দিতে পারবে না। তাই নিজে নিজের কাছে সৎ থাকুন। যদি মনে হয় যা করেছেন ঠিক করেছেন, তাহলে পৃথিবীর কেউ আপনাকে আটকাতে পারবে না।

 

প্যাশন বজায় রাখুন: ভালোবেসে অনেককিছুই জয় করা সম্ভব। তাই যে কাজই করবেন, ভালোবেসে করুন। সেই কাজের প্রতি যেন অবশ্যই আপনার কোনো প্যাশন থাকে। করতে হয়, তাই করছি এভাবে কোনো কাজ হয় না। আর করলেও তার স্থায়িত্ব বেশিদিন হয় না। কাজের প্রতি যত্নশীল থাকুন।


টাকা নিয়ে ভাববেন না: বাঁচতে হলে টাকার প্রয়োজন। কিন্তু কখনোই অতিরিক্ত টাকা টাকা করবেন না। আজ না থাকলেও অন্য একদিন নিশ্চয় আসবে। আর ইচ্ছে থাকলে জীবনে টাকার জন্য কিছুই আটকাবে না।


   Page 1 of 15
     লাইফস্টাইল
যেসব লক্ষণে বুঝবেন কিডনিতে পাথর জমেছে
.............................................................................................
জেনেনিন বিয়ের আগে যা জানা উচিত
.............................................................................................
হঠাৎ হার্ট অ্যাটাক হলে তাৎক্ষণিক যা করবেন
.............................................................................................
বন্ধ্যাত্ব এবং এর কারণগুলো
.............................................................................................
চুল ঝরে যাওয়া রোধে কার্যকরী লাল শাক
.............................................................................................
পেঁয়াজ খেলে যৌন ক্ষমতা ৩ গুণ বৃদ্ধি পাবে
.............................................................................................
মোটা পুরুষেরাই বেশি সক্রিয় শারীরিক সম্পর্কে!
.............................................................................................
গাঢ় লিপস্টিক পরলে কি ঠোঁট কালো হয়?
.............................................................................................
যেসব খাবার এড়িয়ে চলেবন এই শীতে
.............................................................................................
শীতে পায়ের দুর্গন্ধে করণীয়!
.............................................................................................
খালি পেটে ভুল করেও কোন সিদ্ধান্ত নেবেন না!
.............................................................................................
শীত মৌসুমে মেসতার দাগে করণীয়
.............................................................................................
শীতকাল এলেই বিয়ের ধুম পড়ে যায় কেন?
.............................................................................................
যে কারণে প্রতিদিন সকালে এক কোয়া কাঁচা রসুন খাবেন
.............................................................................................
চুল সবচেয়ে সুন্দর রাখবে যেসব হেয়ারমাস্ক
.............................................................................................
জীবনে এই চার মন্ত্র রপ্ত করলেই আপনি সফল!
.............................................................................................
আসছে শীত, নিজেই তৈরি করে নিন পেট্রোলিয়াম জেলি
.............................................................................................
শীত না আসতেই ঠোঁট খসখসে? নজর দিন লিপস্টিকে
.............................................................................................
মাথায় চুলকানি? দূর করবে এই ৫ তেল
.............................................................................................
বেকারত্বের চেয়ে কম বেতনের চাকরি খারাপ!
.............................................................................................
পুরুষদের জন্য গর্ভনিরোধক ইনজেকশন!
.............................................................................................
রান্নাঘরের এসব উপাদানেই ত্বক থাকবে ঝকঝকে
.............................................................................................
দাম্পত্য সম্পর্ক ভালো রাখতে করুন আর্ট থেরাপি
.............................................................................................
পুষ্টিগুণ ঠিক রাখতে যেভাবে রান্না করতে হবে
.............................................................................................
গ্রিন টি ফেসিয়াল
.............................................................................................
মাইগ্রেনের যন্ত্রণায় কাতর?
.............................................................................................
মানসিক চাপ দূর করে লবঙ্গ !
.............................................................................................
ত্বক সুন্দর হবে টমেটো ব্যবহারে
.............................................................................................
নিয়মিত মাসাজের গুণ
.............................................................................................
গাজরের গুন
.............................................................................................
ওজন বাড়ানোর ৭ উপায়
.............................................................................................
দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় আদা
.............................................................................................
ঠাণ্ডার সমস্যা দূর করতে যা করবেন
.............................................................................................
পূজায় গাজরের লাড্ডু তৈরির রেসিপি
.............................................................................................
রাত জেগে মোবাইল টিপলে যেসব ক্ষতি হয়
.............................................................................................
অল্প পেঁয়াজেই সুস্বাদু রান্না
.............................................................................................
হজমে সহায়ক পুদিনা পাতা
.............................................................................................
দশমীর সাজ
.............................................................................................
ত্বকের যত্নে বরফ
.............................................................................................
পেট থেকে গ্যাস দূর করার উপায়
.............................................................................................
ত্বক সুন্দর করে পেঁয়াজের রস
.............................................................................................
হেঁচকি থামানোর উপায়
.............................................................................................
পুষ্টিগুণ ভরপুর
.............................................................................................
সকালে বমি ভাব হয় যেসব কারণে
.............................................................................................
যে ৫ কারণে কমছে না আপনার ওজন
.............................................................................................
সাতটি রোগ প্রতিরোধ করবে ভুট্টা
.............................................................................................
চিনিতেই পান সুন্দর ত্বক
.............................................................................................
চা পাতার যত ব্যবহার
.............................................................................................
অকালে চুল পাকা, খুশকি দূর করবে যে ফল
.............................................................................................
ঘরেই তৈরি করুন প্রাণজুড়ানো বরফ গোলা
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD