| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * উদ্বোধনের অপেক্ষায় ড্রিমলাইনার রাজহংস   * জাবি ভিসির অপসারণ চাইলেন ফখরুল   * ‘দুর্নীতিবাজ বিআরটিসি কর্মকর্তাদের প্রয়োজন নেই’   * ক্লিনিকের ছাদে গৃহকর্মীকে সারারাত পালাক্রমে ধর্ষণ   * ভারতের ড. কালাম স্মৃতি পদক পাচ্ছেন শেখ হাসিনা   * প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ: লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৫৫,২৯৫ জন   * আদালতে ছুরি নিয়ে প্রবেশের সময় নারী আটক   * সৌদির তেলক্ষেত্রে হামলা, তেলের দাম ১০ শতাংশ বৃদ্ধি   * কলম্বিয়ায় বাড়ির ওপর বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৭   * ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশে নৌকাডুবিতে ১২ জনের মৃত্যু  

   লাইফস্টাইল -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
চিনিতেই পান সুন্দর ত্বক

লাইফস্টাইল ডেস্ক : চিনি খেতে গেলে কতই না হিসেব-নিকেশ। ছেলেবেলায় যেমন শুনতে হয়েছে, এত চিনি খেয়ো না পেটে কৃমি হবে, বড়বেলাও তেমন শুনতে হয়, বেশি চিনি খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। দিন কতটুকু চিনি খাওয়া যাবে, তাও ঠিক করে দেন ডায়েটিশিয়ানরা।

চিনি খেতে নানারকম নিষেধ থাকলেও ত্বকের যত্নে এর ব্যবহারে নিষেধ নেই। প্রাকৃতিক এই স্ক্রাবারকে ত্বকের অন্যতম সেরা যত্নের উপাদান বলে মেনে নিয়েছেন অনেক রূপ বিশেষজ্ঞই। শুধু লেবুর রসের সঙ্গে মিশিয়ে কনুইয়ের কালো দাগ তোলা ছাড়াও আরও অনেক ম্যাজিকাল গুণ রয়েছে এর। ত্বকের কালো দাগ দূর করা, উজ্জ্বলতা বাড়ানোসহ নানা উপকারে লাগে এই চিনি-

এক্সফোলিয়েশন: ত্বকের মৃত কোষ দূর করে ত্বককে সজীব করে তোলা চিনির অন্যতম কাজ। অলিভ অয়েল ও কয়েক ফোঁটা নারিকেল তেলের সঙ্গে এক চামচ চিনি মিশিয়ে স্ক্রাব করুন মুখে। যতক্ষণ না চিনি গলে যায়, ততক্ষণ স্ক্রাবিং করুন। এর পর ঠান্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে নিন। মৃত কোষ উঠে ঝলমলে হবে ত্বক।

গ্লো: ত্বকের উজ্জ্বলতা ফেরাতে চিনির ভূমিকা অনেকটা রয়েছে বেশ। কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল ও এক চামচ লেবুর রসের সঙ্গে চিনি মিশিয়ে লাগিয়ে রাখুন মুখে। মিনিট ১৫ পর ধুয়ে নিন মুখ। ধোয়ার সময় স্ক্রাব করেও নিতে পারেন।

ঠোঁট ফাটা: শীতকাল হোক কিংবা গরম, প্রায় সারা বছরই ঠোঁট ফাটার সমস্যা লেগে থাকে অনেকের। তাই ঠোঁট ফাটা বন্ধ করতে ব্যবহার করতে পারেন চিনি। বিটের রস ও চিনি মিশিয়ে লাগিয়ে নিন ঠোঁটে। নরম ও লালচে হওয়ার পাশাপাশি ফাটবেও না ঠোঁট।

স্ট্রেচ মার্ক: স্ট্রেচ মার্ক নিয়ে সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। হঠাৎ ওজন কমলে বা বাড়লে ত্বকে স্ট্রেচ মার্ক পড়ে। প্রেগন্যান্সির পরেও এমন দাগ দেখা যায়। তেমন সমস্যা হলে কফি, চিনি, আমন্ড তেল ও মধু মিশিয়ে নিয়মিত মালিশ করুন। ধীরে ধীরে হালকা হবে স্ট্রেচ মার্ক।

চিনিতেই পান সুন্দর ত্বক
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : চিনি খেতে গেলে কতই না হিসেব-নিকেশ। ছেলেবেলায় যেমন শুনতে হয়েছে, এত চিনি খেয়ো না পেটে কৃমি হবে, বড়বেলাও তেমন শুনতে হয়, বেশি চিনি খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। দিন কতটুকু চিনি খাওয়া যাবে, তাও ঠিক করে দেন ডায়েটিশিয়ানরা।

চিনি খেতে নানারকম নিষেধ থাকলেও ত্বকের যত্নে এর ব্যবহারে নিষেধ নেই। প্রাকৃতিক এই স্ক্রাবারকে ত্বকের অন্যতম সেরা যত্নের উপাদান বলে মেনে নিয়েছেন অনেক রূপ বিশেষজ্ঞই। শুধু লেবুর রসের সঙ্গে মিশিয়ে কনুইয়ের কালো দাগ তোলা ছাড়াও আরও অনেক ম্যাজিকাল গুণ রয়েছে এর। ত্বকের কালো দাগ দূর করা, উজ্জ্বলতা বাড়ানোসহ নানা উপকারে লাগে এই চিনি-

এক্সফোলিয়েশন: ত্বকের মৃত কোষ দূর করে ত্বককে সজীব করে তোলা চিনির অন্যতম কাজ। অলিভ অয়েল ও কয়েক ফোঁটা নারিকেল তেলের সঙ্গে এক চামচ চিনি মিশিয়ে স্ক্রাব করুন মুখে। যতক্ষণ না চিনি গলে যায়, ততক্ষণ স্ক্রাবিং করুন। এর পর ঠান্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে নিন। মৃত কোষ উঠে ঝলমলে হবে ত্বক।

গ্লো: ত্বকের উজ্জ্বলতা ফেরাতে চিনির ভূমিকা অনেকটা রয়েছে বেশ। কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল ও এক চামচ লেবুর রসের সঙ্গে চিনি মিশিয়ে লাগিয়ে রাখুন মুখে। মিনিট ১৫ পর ধুয়ে নিন মুখ। ধোয়ার সময় স্ক্রাব করেও নিতে পারেন।

ঠোঁট ফাটা: শীতকাল হোক কিংবা গরম, প্রায় সারা বছরই ঠোঁট ফাটার সমস্যা লেগে থাকে অনেকের। তাই ঠোঁট ফাটা বন্ধ করতে ব্যবহার করতে পারেন চিনি। বিটের রস ও চিনি মিশিয়ে লাগিয়ে নিন ঠোঁটে। নরম ও লালচে হওয়ার পাশাপাশি ফাটবেও না ঠোঁট।

স্ট্রেচ মার্ক: স্ট্রেচ মার্ক নিয়ে সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। হঠাৎ ওজন কমলে বা বাড়লে ত্বকে স্ট্রেচ মার্ক পড়ে। প্রেগন্যান্সির পরেও এমন দাগ দেখা যায়। তেমন সমস্যা হলে কফি, চিনি, আমন্ড তেল ও মধু মিশিয়ে নিয়মিত মালিশ করুন। ধীরে ধীরে হালকা হবে স্ট্রেচ মার্ক।

চা পাতার যত ব্যবহার
                                  

অনলাইন ডেস্ক : সকালের নাস্তার পর, কাজের ফাঁকে, আড্ডায় চা ছাড়া চলেই না। চা এখন দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বেশিরভাগ মানুষ চা খাওয়ার পর ব্যবহৃত চা পাতা বা টি ব্যাগটা ফেলে দেন। কিন্তু ফেলে দেওয়া টি ব্যাগ বা চা পাতা দিয়ে অনেক সমস্যার সমাধান করা যায়। যেমন-

ডার্ক সার্কল দূর করে : অনেকের চোখের নিচে ডার্ক সার্কল বা কালো দাগ কিছুতেই যেতে চায় না। সেই অংশ ফুলেও থাকে। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পরিত্যক্ত টি ব্যাগ প্রথমে ঠাণ্ডা করে নিন। তারপর চোখের নিচে সেটা কিছুক্ষণ রেখে দিন। এতে চোখের ফোলা ভাব এবং ডার্ক সার্কেল দুটিই দূর হবে।

রোদে পোড়া ভাব দূর করে: অনেকেরই রোদে পুড়ে ত্বকে পোড়া ভাব দেখা দেয়। টি ব্যাগ দিয়ে এ সমস্যার সমাধান করতে পারেন। প্রথমে ব্যবহৃত টি ব্যাগ নিয়ে একটু ঠাণ্ডা পানিতে চুবিয়ে পানিটা ঝরিয়ে নিন। এবার সেটি ত্বকের পোড়া জায়গাগুলোতে হালকা করে চেপে ধরে রাখুন। কিছুদিন এটা করলে ত্বকের রোদে পোড়া ভাব দূর হবে।

রুক্ষ চুলকে করে চকচকে : শ্যাম্পু করার পর ব্যবহৃত টি ব্যাগটি ১০ থেকে ১৫ মিনিট পানিতে ফুটিয়ে সেই পানি চুলে ব্যবহার করুন। দশ মিনিট পর চুলটা আবার ধুয়ে ফেলুন। এতে চুলের রুক্ষতা দূর হয়ে ফুরফুরে ভাব দেখা দেবে।

পায়ের গন্ধ দূর করে : অনেকেরই জুতা থেকে দুর্গন্ধ বের হয়। এ সমস্যা সমাধানে টি ব্যাগ ব্যবহার করতে পারেন। ব্যবহৃত টি ব্যাগটি সারারাত জুতায় রেখে দিন । এতে জুতার গন্ধ সহজেই চলে যাবে।এ ছাড়া বালতিতে গরম পানি দিয়ে তাতে টি ব্যাগ রেখে পা চুবিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ। এতেও পায়ের গন্ধ কমে যাবে।

গাছের সার : অনেকেই বাড়িতে ছোট ছোট টবে নানা গাছ রাখেন। সেগুলোতে সার হিসেবে চা পাতা ব্যবহার করতে পারেন। সূত্র; দ্য ওয়াল

অকালে চুল পাকা, খুশকি দূর করবে যে ফল
                                  

অনলাইন ডেস্ক : মিশমিশে কালো, খুশকিমুক্ত, স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুল পেতে আপনাকে সাহায্য করতে পারে একটি ফল। ছোট্ট, গোলাকার এই ফলটি ভিটামিন সি-তে ভরপুর। শরীর সুস্থ রাখতে চিকিৎসকরা এটি নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দেন। এটি ত্রিফলার তিনটি ফলের একটি। কী? বুঝে গেছেন? জ্বী, ঠিক ধরেছেন। বলছি আমলকির কথা।

আমলকি নিয়ে বিভিন্ন গবেষণায় জানা গিয়েছে, এতে থাকা বিশেষ কিছু অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ক্যান্সারের মতো অসুখকেও দূরে রাখতে সাহায্য করে। চুলের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি চুল ঝরে যাওয়া, খুশকি, অ্যালোপেশিয়া অ্যারিয়েটাসহ নানা সমস্যা দূর করতে এটি সিদ্ধহস্ত।

আমলকিতে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইটো কেমিক্যালস। এগুলো চুল ত্বক সবই ভালো রাখতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। চলুন জেনে নেই চুল সুন্দর রাখতে আমলকি কিভাবে কাজ করে-

চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে আমলকির ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস এবং ভিটামিন সি। এরা মাথার ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে চুল লম্বা হতে এবং ঘন হতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেয়। আমলকির ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস চুলের কোলাজেন নামে এক বিশেষ প্রোটিন তৈরি করে। তাই চুল ভালো রাখতে আমলকি ব্যবহার করুন নিয়মিত।

অনেকেই খুশকির সমস্যায় ভোগেন। এই সমস্যা দূর করতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেয় আমলকি। আমলকির ভিটামিন সি ইনফ্যামেশন ও সংক্রমণ প্রতিরোধ করার পাশাপাশি শুষ্ক স্ক্যাল্পকে ময়েশ্চারাইজ করে খুশকির সমস্যা সারিয়ে তোলে।

আমলকি হলো প্রাকৃতিক কন্ডিশনার। চুলের ধরন শুষ্কই হোক বা তেলতেলে- আমলকি শুকিয়ে গুঁড়ো করে পানি দিয়ে পেস্ট করে মাথায় লাগিয়ে রাখুন ঘণ্টাখানেক। শ্যাম্পু করে নিলেই সুন্দর ফুরফুরে চুল পাবেন।

ধোঁয়া, ধুলো, দূষণের পাশাপাশি চুলের স্টাইল করতে গিয়ে জেল লাগানো, স্ট্রেটনিং, ড্রাইং ইত্যাদির কারণেও চুলের অনেক ক্ষতি হয়। তা দূর করে আমলকির অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। সপ্তাহে অন্তত দু’দিন কাঁচা আমলকির রস করে তা চুলের গোড়ায় লাগিয়ে রাখুন। গোসলের সময় ধুয়ে ফেলতে হবে।

বিভিন্ন কারণে অকালে চুল পেকে যায়। রাসায়ানিক রং দিয়ে চুল না ঢেকে আমলকির তেল মাথায় মাখুন। চুল পাকার সমস্যা কমবে অনেক।

আমলকি খেলেও চুল ও ত্বক ভালো থাকে। তবে বাজারচলতি জুসের পরিবর্তে বাড়িতে টাটকা আমলকি শুকিয়ে গুঁড়ো করে রেখে পানিতে ভিজিয়ে পরের দিন সকালে খেলে উপকার পাবেন।

যেভাবে তৈরি করবেন আমলকির তেল:
আমলকি পাতলা করে কেটে শুকিয়ে গুঁড়ো করে রাখুন। তাতে নারিকেল তেলে মিশিয়ে রোদ্দুরে দিন। রোদে গরম হওয়া তেল নিয়ম কলে মাথার ত্বকে মাখুন। অথবা কাঁচা আমলকি বেটে নিয়ে নারকেল তেলের সঙ্গে মৃদু আঁচে ফুটিয়ে ছেঁকে রাখুন। এই তেল অনেক দিন ব্যবহার করতে পারবেন।

ঘরেই তৈরি করুন প্রাণজুড়ানো বরফ গোলা
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ভাদ্রের ভ্যাপসা গরমে ঠান্ডা কিছু না খেলে প্রাণ জুড়ায় না যেন। আইসক্রিম, বিভিন্নরকম ফলের রস ইত্যাদি খাওয়া হয় এসময়। কিন্তু বাইরে থেকে না কিনে ঘরেই তৈরি করে নিতে পারেন। তাতে অস্বাস্থ্যকর হওয়ার ভয় থাকে না। আজ চলুন জেনে নেই বরফ গোলা তৈরির রেসিপি-

উপকরণ:
আইস কিউব (একটি গোলা বানানোর জন্য অন্তত ৮-১০টি বরফ কিউব প্রয়োজন হবে)
একটি লাঠি বা আইসক্রিমের লাঠি (এটি বাজারে সহজেই পাওয়া যায়)
ছোট আকারের গ্লাস
মশলা
সিরাপ আপনার পছন্দ অনুযায়ী

প্রণালি:
প্রথম পদক্ষেপ হল বরফকে চূর্ণ করা। যাতে ছাঁচে বরফ পরিপূর্ণভাবে দেওয়া যায়। এছাড়াও মিক্সিতেও বরফ গুঁড়ো করে নিতে পারেন। বরফ ভালো ভাবে চূর্ণ হলে তা একটি বাটিতে রাখতে হবে।

এরপর চূর্ণ করা বরফ ছাঁচে ঢোকাতে হবে। এই জন্য, আপনি ছাঁচ বা ছোট আকারের গ্লাস ব্যবহার করতে পারেন। একটি চামচের সাহায্যে ছাঁচে বরফকুচি গুলো ভিতরে দিয়ে দিতে হবে। তারপর, সেই বরফের মাঝখানে একটি কাঠের স্টিক দিতে হবে এবং এটিকে আটকে রাখার জন্য স্টিকের চারপাশে আরও বরফকুচি যোগ করতে হবে।

স্টিকের খোলা প্রান্তটি ধরে রাখুন, এটি আস্তে আস্তে ঘোরান এবং আলতো করে গ্লাস থেকে বরফ গোলাটি সরিয়ে দিন। এই সময় খুব সতর্ক হয়ে কাজটা করুন। কারণ একটু অসতর্ক হলেই বরফ গলে যেতে পারে এবং টুকরো টুকরো হয়ে যেতে পালে।

তৈরি হয়ে গেলে, গ্লাসে আপনার পছন্দসই সিরাপ যোগ করুন। চাইলে সব ফ্লেভার একসাথে যোগ করতে পারেন। এটিকে একটু ভিন্ন স্বাদ দিতে যোগ করতে পারেন হালকা সুগন্ধি মসলা। তৈরি হয়ে গেল ঠান্ডা ঠান্ডা মজাদার বরফ গোলা।

সাইকেল চালানাো শরীরের জন্য উপকারী
                                  

অনলাইন ডেস্ক : সুস্থ থাকার জন্য বিভিন্ন ধরনের ব্যায়াম করে থাকি আমরা।তবে সবচেয়ে ভালো ব্যায়াম হচ্ছে সাইক্লিং। সাইক্লিংয়ে শারীরিক পরিশ্রম হয়। ফলে ওজন কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া ক্যান্সারসহ নানা ধরনের রোগের ঝুঁকিও কমিয়ে দেয়।

সম্প্রতি গ্লাসগো ইউনিভার্সিটির এক সমীক্ষায় সাইক্লিংয়ের উপকারিতা সম্পর্কে জানা গেছে।

আসুন জেনে নেই সাইক্লিংয়ের উপকারিতা-

১. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে।

২. পা, উরু, কোমর ও নিতম্বের পেশি সুগঠিত হয়।

৩. হাঁটু, গিঁটের ব্যথা নিরাময়ে সহজ ব্যায়াম সাইক্লিং।

৪. রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে, হার্ট ও ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়ে।

৫. শারীরিক পরিশ্রম হয়। ফলে ওজন কমে।

৬. শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে।

৭. মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ে।

সাবধানতা
সাইকেল কেনার সময় নিরাপত্তা গিয়ার ঠিক আছে কিনা দেখে নিন। সব সময় রাস্তার একপাশ দিয়ে সাইকেল চালাতে হবে। এছাড়া বাই সাইকেল চালালেও ট্রাফিক আইন মেনে চলুন ও হেলমেট ব্যবহার করুন।

সাইকেল চালানোর সময় অনেক ঘাম হয়। তাই ক্লান্তি দূর করতে সঙ্গে এক বোতল পানি রাখুন।

খুশকির সমস্যা দূর করে আমের আঁটি
                                  

অনলাইন ডেস্ক : আমের আঁটি ফেলে না দিয়ে যত্নে রাখুন কেননা এটির রয়েছে নানা গুণাগুণ। গবেষকরা জানিয়েছেন, প্রতি ১০০ গ্রাম আমের আঁটিতে রয়েছে ৬ গ্রাম প্রোটিন, ২০ গ্রাম ম্যাগনেসিয়াম, ৩২ গ্রাম কার্বোহাইড্রেড, ৩ গ্রাম ডায়েটরি ফাইবার আর প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-৬ ও বি-১২। এছাড়াও আমের আঁটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যামাইনো অ্যাসিড, খনিজ এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান।

আমের আঁটি নানা সমস্যা সমাধানে ব্যবহার করতে প্রথমে এটি গুঁড়া করে নিন। এবার জেনে নিন আমের আঁটির গুঁড়ার গুণাবলিগুলো-

১. আপনি যদি খুশকির যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে যান তবে আমের আঁটি ব্যবহার করতে পারেন। এক চিমটি আমের আঁটির গুঁড়ার সঙ্গে ২-৩ চামচ সরিষার তেল মিশিয়ে চুলের গোড়ায় ভাল করে মালিশ করুন। এতে চুল উজ্জ্বল হবে পাশাপাশি খুশকির সমস্যা দূর হবে।
২. শুষ্ক ও রুক্ষ ত্বকের আমের আটির জুড়ি নেই। এজন্য আমের আঁটির গুঁড়ার সঙ্গে সরিষার তেল মিশিয়ে ত্বকে মালিশ করুন। নিয়মিত এটি ব্যবহার করলে ত্বক তেলতেলে ও উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।
৩. দাঁতের যত্নেও আমের আঁটি ব্যবহার করতে পারেন। ঝকঝকে দাঁত আর সুস্থ মাড়ি পেতে আমের আঁটির গুঁড়া দিয়ে দাঁত মাজুন।

৪. পিঁপড়া, মৌমাছি বা অন্যান্য কীট কামড়ালে জ্বালা-পোড়া করে। এই জ্বালা-পোড়া দূর করতে আক্রান্ত স্থানে আমের রস বা আমের আঁটির গুঁড়া লাগালে সাময়িক ভাবে ব্যথার বোধ দ্রুত কমে যায়।

৫. যে কোনও খাবারের সঙ্গে আমের আঁটির গুঁড় মিশিয়ে খেতে পারলে উচ্চ কোলেস্টেরল, উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতা বা ডায়াবেটিসের মতো সমস্যা সহজেই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

ডায়াবেটিস কমাবে তেঁতুল
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : তেঁতুল শব্দটি শুনলে জিভে পানি আসবে না এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া মুশকিল। এমনকি যারা তেঁতুল একদমই পছন্দ করেন না, তাদের ক্ষেত্রেও এটি সত্যি। আচার তৈরিতে সবচেয়ে পরিচিত ফলগুলোর মধ্যেও একটি এই তেঁতুল। একটু বেশিই টক স্বাদের এই ফলটি কিন্তু আমাদের শরীরের নানা উপকারেও লাগে। তেঁতুলে এমন অনেক স্বাস্থ্যগুণ রয়েছে যা শরীরের একাধিক সমস্যা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। চলুন জেনে নেয়া যাক-

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, তেঁতুলে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন ও খনিজ থাকায় এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতেও তেঁতুল দারুণ ভূমিকা রাখে। ফলে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও কমে।

তেঁতুল ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম। আবার রক্তে চিনির মাত্রাও ঠিক রাখে। এতে উপস্থিত এক ধরণের এনজাইম যার নাম রক্তে চিনির মাত্রা কমায়। এ কারণে নিয়মিত তেঁতুল খেলে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেক কমে যায়।

তেঁতুলের রস শরীরে এইচসিএ বা হাইড্রোক্সিসিট্রিক এসিডের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। এই এসিড সহজে মেদ ঝরাতে ভূমিকা রাখে। তেঁতুলে উচ্চ মাত্রায় ফাইবার আছে আবার একই সঙ্গে এটা সম্পূর্ণ ফ্যাট ফ্রি। গবেষণায় দেখা গেছে যে রোজ তেঁতুল খেলে ওজন কমে।

পেপটিক আলসার বেশির ভাগ সময় পেটে এবং ক্ষুদ্রান্ত্রে হয়। এই আলসার খুব বেদনাদায়ক। রিসার্চে দেখা গেছে তেঁতুলের বীজের গুঁড়ো নিয়মিত খেলে পেপটিক আলসার সেরে যাচ্ছে।

তেঁতুলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আর অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান থাকে। এগুলো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। যেকোনো ধরনের ক্ষত সারাতেও তেঁতুল অত্যন্ত কার্যকর।

তেঁতুলে প্রচুর পরিমাণে ম্যালিক এসিড, টারটারিক এসিড এবং পটাশিয়াম থাকে। এগুলো কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।

তেঁতুলে উচ্চ পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আছে যা কিডনি ফেলিওর এবং ক্যান্সার রোধ করতে সাহায্য করে। তাই ক্যান্সার থেকে দূরে থাকতে তেঁতুল খান।

তেঁতুলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান থাকায় এটি ত্বকের সুরক্ষা করে। এটি ক্ষতিকারক আলট্রা ভায়োলেট রে-র হাত থেকে ত্বককে বাঁচাতে সাহায্য করে। যাদের ব্রণ আছে তাদের জন্যেও উপকারী তেঁতুল। তেঁতুলে উপস্থিত হাইড্রক্সি অ্যাসিড ত্বকের এক্সফলিয়েশন করতেও সাহায্য করে। যার ফলে মরা কোষ উঠে যায় এবং ত্বক উজ্জ্বল দেখায়।

উকুন তাড়ানোর সহজ পদ্ধতি !
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : উকুন এমনই এক পোকা যার বসবাস আমাদের চুলে! ভেবে দেখুন তো, আপনারই মাথায় ঘর-সংসার পেতে বসেছে একদল পোকা! ভাবতেই কেমন গা ঘিনঘিন লাগছে না? এই পোকাটি শুধু অস্বস্তিদায়কই নয়, বিভিন্ন অসুখেরও কারণ হতে পারে।

তাই শুরুতেই উকুনকে প্রতিরোধ না করলে তা একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াতে পারে। আবার উকুন মারার জন্য ক্ষতিকারক কেমিক‍্যাল ব্যাবহার করলে তা চুলের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই কিছু সহজ উপায় জেনে নিন উকুন দূর করার-

নারিকেল তেল: উকুন তাড়ানোর জন্য কিন্তু নারিকেল তেলের কোনো জুড়ি নেই। নারিকেল তেল উকুনের শ্বাসরোধ করতে সাহায্য করে। রাতে ৩-৪ চামচ নারিকেল তেল এবং কর্পূর গরম করে তা চুলে এবং মাথার তালুতে ভালো করে লাগাতে হবে। সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে শ্যাম্পু করতে হবে। মোটামুটি সপ্তাহে ৫ দিন নিয়ম করে এই পদ্ধতি অনুসরণ করার পর উকুনমুক্ত হতে পারবেন।

লেবুর রস: লেবুর রসে আ্যাসিড থাকে যা উকুন তাড়াতে এবং আটকাতে উপযোগী। লেবুর রসের সাথে আদা বেটে সেই মিশ্রণটি চুলে প্রায় আধ ঘণ্টা রেখে দিতে হবে। এরপর পানি এবং শ্যাম্পু দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেলতে হবে। এই মিশ্রণটি পর পর ৪-৫ দিন চুলে লাগালে পুরোপুরি উকুন তাড়ানো যায়।

ভিনেগার: উকুনকে প্রতিরোধ করার জন্য ভিনেগার হলো এক মোক্ষম উপায়। ভিনেগারে প্রচুর আসিটিক আ্যাসিড থাকে যা আমাদের চুলে হওয়া উকুনকে মারতে সাহায্য করে। ভিনিগার উকুনের ডিম বা নিটকে আমাদের চুলের থেকে বিলীন করে দেয়। সমান পরিমাণ ভিনেগার আর মিনারেল অয়েল মিশিয়ে ঘুমোনোর আগে তা আমাদের মাথার তালুতে এবং চুলে লাগিয়ে রাখতে হবে। আবার সকালে ঘুম থেকে উঠে শ্যাম্পু করতে হবে। মোটামুটি সপ্তাহে ২-৩ বার এই মিশ্রণটি লাগালে কিছু সপ্তাহের মধ্যেই উকুন থেকে বাঁচা সম্ভব।

পেঁয়াজ: পেঁয়াজ একটি খুবই সহজ এবং ঘরোয়া উপায়ে যা দিয়ে উকুন তাড়ানো যায়। কিছুটা পরিমানে পেঁয়াজ বেটে রাখতে হবে। তারপর ছাকনি দিয়ে তার রস বের করেতা আমাদের চুলে এবং মাথার তালুতে লাগাতে হবে। এরপর মাথা ঢেকে তা মোটামুটি ২ ঘণ্টার জন্য রেখে দিতে হবে। সময় হয়ে গেলে মাথায় হালকা গরম পানি এবং শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এই পদ্ধতি তা প্রথমে পর পর ৩ দিন অনুসরণ করে তারপর সপ্তাহে একদিন লাগাতে হবে। এইভাবে যতদিন না আমরা পুরো উকুন মুক্ত হচ্ছেন ততদিন মাসে ১ দিন করে লাগাতে হবে।

মেয়োনিজ: মেয়োনিজ আরেকটি সহজ উপায় যা উকুন মারতে সাহায্য করে। মেয়োনিজ চুলে লাগালে মেয়োনিজ উকুনকে শ্বাসরোধ করে দেয় এবং অবশেষে উকুনগুলো মারা যায়। প্রথমে চুলে মেয়োনিজ লাগিয়ে প্রায় ৫-৬ ঘন্টা সেটা রেখে দিতে হবে। ৫-৬ ঘণ্টা হয়ে যাওয়ার পর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধোয়ার পর হেয়ার ড্রাইয়ের দিয়ে চুল শুকোতে লাগবে। এর পর সরু দাঁতের চিরুনি দিয়ে চুলের উকুন এবং নিটগুলো ঝেড়ে ফেলতে হবে। এই পদ্ধতিটি সপ্তাহে একবার করে ২ মাস অনুসরণ করতে হবে পুরোপুরি উকুন তাড়ানোর জন্য।

উল্লেখ করা প্রত্যেকটি মিশ্রণ লাগিয়ে কিন্তু অবশ্যই শাওয়ার ক‍্যাপ বা কোনো প্লাস্টিক দিয়ে আমাদের চুল ঢেকে রাখতে হবে। যেমন দিন উল্লেখ করা আছে ঠিক সেই সময় মতই আমাদের উল্লেখিত মিশ্রণটি লাগাতে হবে। যেকোনো একটি পদ্ধতিই উকুন মারতে সক্ষম।

দই কেনো খাবেন?
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : শেষপাতে একটুখানি দই না হলে খাবার সম্পূর্ণ হয় না অনেকের। ভোজনরসিক বাঙালির খাবারের তালিকায় দই থাকবেই। দুধের ব্যাকটেরিয়া গাঁজন থেকে দই তৈরি হয়। ল্যাকটিক অ্যাসিড দুধের প্রোটিনকে দইয়ে পরিবর্তিত করে। এই পুষ্টিকর ও সুস্বাদু খাবার খেলে আমাদের শরীর নানাভাবে উপকৃত হয়। গরমের সময়ে শরীর ঠান্ডা রাখতে মূখ্য ভূমিকা রাখে টক দই।

দইয়ে সাধারণত প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, রাইবোফ্ল্যাভিন, ভিটামিন বি৬ এবং ভিটামিন বি১২ থাকে। প্রতি ১০০ গ্রাম দইয়ে শক্তি থাকে ২৫৭ ক্যালরি, শর্করা ৪.৭, চিনি ৪.৭, স্নেহ পদার্থ ৩.৩ গ্রাম, সুসিক্ত স্নেহ পদার্থ ২.১ গ্রাম, প্রোটিন ৩.৫ গ্রাম, ভিটামিনসমূহ ০.১৪ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ১২১ মিলিগ্রাম।

ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন অনটারিও-এর মাইক্রোবায়োলজিস্ট ও লৌসন হেলথ রিসার্চ ইনস্টিটিউট-এর হিউম্যান মাইক্রোবায়োলজি এন্ড প্রোবায়োটিকসের সভাপতি হলেন গ্রেগর রেইড। তিনি দাবী করেছেন গাঁজন প্রক্রিয়ায় তৈরি দই খেলে মানবদেহে পাকস্থলীর উপকারী ব্যাকটেরিয়ার বা প্রোবায়োটিক্সের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়, যার ফলে বিষাক্ত রাসায়নিকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে শরীর সুরক্ষিত থাকে।

দইয়ের উপকারিতা:
দই নিয়মিত খেলে শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট কমে যায়। দই খেলে খাবার খুব সহজে হজম হয়ে যায়। শরীরে খাবার পরিপাক হতে সমস্যা হয় না। পাচনক্রিয়া ঠিকভাবে হয়। হজম শক্তি বাড়ে। শরীরে ফ্যাট জমতে পারে না। ফলে মোটা হওয়ার ভয় থাকে না। শরীর সুস্থ থাকে। গরমকালে দই খেলে শরীর ঠান্ডা থাকে। পেট ঠান্ডা রাখতে গরমকালে অবশ্যই দই খাওয়া ভালো।

মাথাধরা বা মাইগ্রেনের সমস্যা থাকলে সেটা দই দূর করতে পারে। রোজ সকালে একবাটি টক দই চিনি মিশিয়ে খেলে মাথাধরা বা মাইগ্রেনের ব্যথা হবে না। কাজ করার উৎসাহ বাড়বে।

দই হার্টের সমস্যা থাকলে তা দূর করতে সাহায্য করে। যদি কারও হার্টের সমস্যা থাকে বা হাইপার টেনশন থাকে তাহলে তা দই খেলে স্বাভাবিক রাখা যায়। রোজ দুপুরে খাবার পর একবাটি দই খেলে হার্ট ভালো থাকে। শরীরে কোলেস্টরল কমিয়ে দেয় দই।

চুলের যত্নে দই:
চুলের জেল্লা ফেরাতে দইয়ের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি ভালো। চুল খুব শুষ্ক হলে সপ্তাহে ২ দিন করে চুলে টক দই লাগালে চুল মসৃণ হয়। শুষ্কতা কমে যায়। চুলে উজ্জ্বলতার জন্য মাসে ২ বার করে টক দই লাগানো যেতে পারে। চুলের পরিমাণ অনুযায়ী দই নিয়ে মাথায় লাগিয়ে রাখতে হবে। চুল শুকিয়ে গেলে ভালো করে ঠান্ডা পানিতে চুল ধুয়ে নিতে হবে। তাছাড়া দইয়ের সাথে পেঁয়াজের রস মিশিয়ে চুলে লাগালে চুল পরা কমে যায়।

ত্বকের যত্নে দই:
ত্বকের সমস্যায় দইয়ের ব্যবহার করা যায়। গরমকালে ত্বক ঘামে তেলতেলে হয়ে যায়। অনেকের ত্বক তৈলাক্ত হয়। এই তেলতেলে ভাব দূর করতে দই মুখে লাগানো কার্যকরী। দই আর বেসন মিশিয়ে মুখে লাগালে মুখের তৈলাক্ততা দূর হয়ে যায়। ত্বক পরিষ্কার ও মসৃণ থাকে। যাদের ব্রণ হয় খুব তারা নিয়মিত দই মাখলে ব্রণও হবার থেকে মুক্তি পাবে।

বয়স কমাবে চাল কুমড়া
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : পরিচিত একটি সবজি চাল কুমড়া। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ঘরের চালে এ সবজি ফলানো হয় বলে এটি চাল কুমড়া নামে পরিচিত। তবে চাল কুমড়া শুধু চালে নয়, মাচায় এবং জমিতেও চাষ করলে ফলন ভালো হয়। চাল কুমড়া তরকারি হিসেবে খাওয়া ছাড়াও মোরব্বা, হালুয়া, পায়েস ও কুমড়া বড়ি তৈরি করে খাওয়া যায়।

শুধু চাল কুমড়াই নয় এর কচি পাতা ও ডগা শাক হিসেবে খাওয়া যায়। চাল কুমড়া একটি পুষ্টিকর সবজি এতে বিভিন্ন ধরণের ভিটামিন, মিনারেল, শর্করা ও ফাইবার রয়েছে তাই চাল কুমড়ার উপকারিতা অনেক। যক্ষ্মা, কোষ্ঠকাঠিন্য ও গ্যাস্ট্রিকসহ বহু রোগের উপশম করে চাল কুমড়া। চলুন জেনে নেয়া যাক আরও কিছু উপকারিতা-

চাল কুমড়া এন্টি মাইক্রোবিয়াল এজেন্ট হিসাবে পেট এবং অন্ত্রের ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া দূর করতে সাহায্য করে। এটি গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ইনফেকশন বা আলসার রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করে। এটি মসলাযুক্ত খাবার বা দীর্ঘদিনের জন্য উপবাসের কারণে পাকস্থলিতে তৈরি হওয়া এসিড দূর করতে সাহায্য করে।

চাল কুমড়া মানসিক রোগীদের জন্য পথ্য হিসেবে কাজ করে, কারণ এটি মস্তিষ্কের নার্ভ ঠান্ডা রাখে। এজন্য চাল কুমড়াকে ব্রেইন ফুড বলা হয়।

প্রতিদিন চাল কুমড়ার রস খেলে যক্ষ্মা রোগের উপসর্গ কেটে যায়। চাল কুমড়া রক্তপাত বন্ধ করতে সাহায্য করে, যাদের কাশের সঙ্গে রক্ত বের হয়, এমন ক্ষেত্রে চাল কুমড়ার রস খেলে ভালো হয়ে যায়। এতে রক্ত বের হওয়া থেমে যায়।

চাল কুমড়া শরীরের ওজন ও মেদ কমাতে অনেক উপকারি একটি সবজি। এটি রক্তনালীতে রক্ত চলাচল সহজতর করে। চাল কুমড়া অধিক ক্যালরি যুক্ত খাবারের বিকল্প হিসেবেও খাওয়া যায়।

মুখের ত্বক এবং চুলের যত্নেও চাল কুমড়ার রস অনেক সাহায্য করে। চাল কুমড়ার রস নিয়মিত চুল ও ত্বকে মাখলে চুল চকচকে হয় এবং ত্বক সুন্দর হয়, বয়সের ছাপ প্রতিরোধ করতেও চাল কুমড়া সাহায্য করে।

এছাড়া চাল কুমড়ার বিচি গ্যাস্ট্রিক রোগের উপশম করে। কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফাঁপা এবং প্রস্রাব কোনো কারণে অনিয়মিত হয়ে গেলে চাল কুমড়া খেলে অনেক উপকার হয়।

নখ খেলে কি হয় জানেন?
                                  

নখ কামড়ানোর অভ্যাস ছোটদের ক্ষেত্রে বেশি দেখা যায়। কিন্তু এই অভ্যাস থেকে দূরে সরে নেই বড়রাও। অনেক প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিরও নখ কামড়ানোর অভ্যাস থাকে। আমাদের নখে অনেক রকম জীবাণু থাকতে পারে। আর নখ কামড়ানোর মাধ্যমে সেসব জীবাণু সহজেই শরীরে প্রবেশ করতে পারে।

বড়রা নখ খেলে আমরা বুঝতে পারি যে, কোনোরকম উদ্বেগ বা উত্কণ্ঠা থেকেই এমন কাজ করছেন তারা। তবে বিজ্ঞানীদের আবিষ্কারে শুধু এটি বাজে অভ্যেস হিসেবেই থাকেনি, বরং এর সঙ্গে এক অদ্ভুত ব্যক্তিত্ব ফুটে উঠেছে। নখ কামড়ানো মানুষেরা কিছুটা আলাদা বৈশিষ্ট্যের হয়ে থাকেন।

বিজ্ঞানীদের ভাষায় এটি অনিকোফাগিয়া নামে পরিচিত। তারা বলছেন, কলম চিবুনো, নিজের চুল টানা এমনই স্বভাবের ভাগে পড়ে নখ খাওয়া। এরা শুধু স্ট্রেস বা উদ্বেগই নয়, এক ধরনের পারফেকশনিস্ট হন।

মন্ট্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা একে বলেছেন, নখ খাওয়া মানুষেরা রিল্যাক্স করতে পারেন না, যেকোনো কাজ করতেই থাকেন। সেই কাজের গতিটাই ধরে রাখতে চান তারা।

আবার অনেকেই একঘেয়েমি কাটানোর জন্যও নখ খান। অনেকে আবার খুব আনন্দ-উচ্ছ্বাসে নখ খেয়ে ফেলেন। তবে যে কারণেই নখ খাওয়ার অভ্যাস থাকুক না কেন, এটি ত্যাগ করারই পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকেরা।

যে কারণে বাদাম খাবেন
                                  

অনলাইন ডেস্ক : স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস সুস্থ থাকার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে কোন খাবারে কী ধরনের পুষ্টিগুণ থাকে সবারই তা নিয়ে একটা প্রাথমিক ধারণা থাকা প্রয়োজন। যখন তখন ক্ষুধা লাগলে হালকা খাবার হিসেবে বিভিন্ন ধরনের বাদাম খেতে পারেন। যা একদিকে পেট ভরাবে অন্যদিকে শরীরে পুষ্টি জোগাবে।

চিনাবাদাম : আকারে ছোট হলেও এই বাদামে প্রচুর পুষ্টিগুণ রয়েছে। খাবারে প্রোটিনের পরিমাণ বাড়াতে এই বাদামের জুড়ি নেই। একমুঠো চিনাবাদামে শরীরের প্রয়োজনীয় পলিফেনল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফ্ল্যাভানয়েড এবং অ্যামাইনো অ্যাসিড থাকে ।প্রতি ১০০ গ্রাম চিনাবাদামে ৫৬৭ ক্যালরি, ২৫ দশমিক ৮০ গ্রাম প্রোটিন, ৪৯ দশমিক ২৪ গ্রাম ফ্যাট, ১৬ দশমিক ১৩ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ৮ দশমিক ৫০ গ্রাম ফাইবার এবং মাত্র ৪ দশমিক ৭২ গ্রাম চিনি থাকে। এছাড়া এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালশিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, পট্যাশিয়াম পাওয়া যায়।

কাজুবাদাম : সুস্বাদু কাজুবাদাম রান্নার পাশাপাশি হালকা খাবার হিসেবে অনেকে খেতে পছন্দ করেন। প্রতি ১০০ গ্রাম কাজুবাদামে ৫৫৩ ক্যালরি, ১৮ দশমিক ২২ গ্রাম প্রোটিন, ৪৩ দশমিক ৮৫ গ্রাম ফ্যাট, ৩০ দশমিক ১৯ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ৩ দশমিক ৩০ গ্রাম ফাইবার, ৫ দশমিক ৯১ গ্রাম চিনি থাকে। এছাড়া এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও খনিজও পাওয়া যায়।

আখরোট : আখরোট খাদ্য গুণে ভরপুর একটি খাবার। প্রতি ১০০ গ্রাম আখরোটে ৬৫৪ ক্যালরি, ১৫ দশমিক ২৩ গ্রাম প্রোটিন, ৬৫ দশমিক ২১ গ্রাম ফ্যাট, ১৩ দশমিক ৭১ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ৬ দশমিক ৭ গ্রাম ফাইবার এবং ২ দশমিক ৬১ গ্রাম চিনি রয়েছে।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ বাদাম মানসিক চাপ , ওজন কমাতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে ত্বক এবং চুলের সজীবতাও বজায় রাখে। সূত্র : এই সময়

আমড়া খাওয়ার উপকারিতা
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : দেশি ফল আমড়া। টক-মিষ্টি স্বাদের এই ফলটি বেশ জনপ্রিয়। কাঁচা খাওয়ার পাশাপাশি এটি খাওয়া যায় আরও অনেকভাবে। আচার, মোরব্বা, সালাদ, চাটনি ইত্যাদি তৈরি করা যায় আমড়া দিয়ে। অবাক ব্যাপার হলো, একটি আমড়ায় প্রায় তিনটি আপেলের সমান পুষ্টি রয়েছে।

আমড়ার পুষ্টিগুণ: প্রতি ১০০ গ্রাম আমড়ায় ১ দশমিক ১ গ্রাম প্রোটিন, ১৫ গ্রাম শ্বেতসার, ০.১০ গ্রাম স্নেহ জাতীয় পদার্থ এবং ৮০০ মাইক্রোগ্রাম ক্যারোটিন আছে। এ ছাড়াও আছে ০.২৮ মিলিগ্রাম থায়ামিন, ০.০৪ মিলিগ্রাম রিবোফ্লাভিন, ৯২ মিলিগ্রাম ভিটামিন-সি, ৫৫ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম এবং৩.৯ মিলিগ্রাম লৌহ। আমড়ার খাদ্যশক্তি ৬৬ কিলোক্যালোরি। খনিজ পদার্থ বা মিনারেলসের পরিমাণ ০.৬ গ্রাম।

ভিটামিন সি-এর উৎস: আমড়া ভিটামিন সি এ সমৃদ্ধ যা একটি অত্যাবশ্যকীয় ভিটামিন ও প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। প্রতিদিন যদি অন্তত একটি আমড়া খেতে পারেন তবে ভিটামিন সি এর চাহিদার ৩৯%-৪৯% পূরণ হবে। ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং কোলাজেনের উৎপাদনে সাহায্য করে। কোলাজেন স্কিন, লিগামেন্ট, টেন্ডন ও কার্টিলেজকে স্বাস্থ্যবান রাখতে সাহায্য করে।

ক্যালসিয়ামের অভাব পূরণ: ক্যালসিয়ামের অভাবে হাড়ের রোগ, মাংস পেশীর খিঁচুনি ছাড়াও যেসব সমস্যা দেখা যায় আমড়া তা প্রতিরোধ করে। তাই প্রতিদিনের ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণে আমরা আমড়া খান।

ব্রণ দূর করে: ব্রণ নিয়ে মুশকিলে? খাবারের তালিকায় রাখুন আমড়া। ত্বকের ব্রণ কমাতে, ত্বক উজ্জ্বল রাখতে আমড়া দারুণ উপকার করে থাকে। আমড়ায় প্রচুর ভিটামিন সি রয়েছে। আর ভিটামিন ‘সি’ ত্বক উজ্জ্বল রাখতে অত্যন্ত দরকার। তাই ত্বক সুস্থ ও উজ্জ্বল রাখতে খেতে পারেন আমড়া।

রক্তস্বল্পতা দূর করে: অনেকেই রক্তস্বল্পতায় ভুগে থাকেন। তাদের জন্য আমড়া বেশ উপকারী। কারণ আমড়ায় প্রচুর আয়রন থাকার কারণে এটি রক্তস্বল্পতা রোধ করে। সাথে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা সঠিক পর্যায়ে রাখে।

হজমশক্তি বাড়ায়: আমড়ায় রয়েছে বিভিন্ন দ্রবণীয় ফাইবার। এই ফাইবার আমাদের পাকস্থলীর ক্রিয়া প্রক্রিয়া স্বাভাবিক পর্যায়ে রাখে। ফলে বদ হজম, পেট ফাঁপা, কোষ্ঠকাঠিন্যে দূরে রাখতে আমড়া খান।

সর্দি-কাশি দূরে রাখে: আমড়া সর্দি কাশি, ইনফ্লুয়েঞ্জা রোগের জীবাণুর বিরুদ্ধে কাজ করে। যার ফলে নানা সংক্রমণ থেকে সহজেই বেঁচে থাকা যায়। ঠান্ডার সমস্যা থেকে দূরে থাকতে আমড়া খান নিয়মিত।

স্ট্রোক ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়: আমড়া রক্তের ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। তাই আমড়া খেলে স্ট্রোক ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। এতে প্রচুর ভিটামিন সি রয়েছে যা দাঁত ও মাড়ির বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করে।

ক্যান্সার প্রতিরোধ করে: আমড়ায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা ক্যান্সারসহ অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। ফলে সহজেই সুস্থ থাকা সম্ভব হয়।

রুচি বাড়ায়: রোগীর মুখের স্বাদ ফিরিয়ে আনতে আমড়ার দারুণ কার্যকর। আমড়া খেলে মুখের অরুচিভাব দূর হয় ও ক্ষুধা বৃদ্ধি পায়। তাই রুচি বাড়াতে নিয়মিত ফলটি খাওয়া যেতে পারে।

ত্বক সুন্দর রাখবে কলার খোসা
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : কলার গুণ সম্পর্কে সবাই জানি। এটি এমন একটি ফল যা কিনা একসঙ্গে সহজলভ্য ও পুষ্টিকর। কিন্তু অনেকেই হয়তো জানেন না, কলার মতো কলার খোসাও উপকারী। বিশেষ করে রূপচর্চার নানা কাজে কলার খোসা বেশ কার্যকরী। কলার খোসায় প্রচুর প্রয়োজনীয় মিনারেল আর পর্যাপ্ত অ্যান্টি অক্সিডান্ট রয়েছে। তাই কলা খেয়ে খোসা না ফেলে দিয়ে বরং তা রূপচর্চার কাজে লাগান-

ব্রণের সমস্যায়: ব্রণের সমস্যায় ভুক্তভোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এই ব্রণ দূর করতেও কার্যকরী কলার খোসা। ব্রণ লাল হয়ে ফুলে আছে, সঙ্গে ব্যথাও রয়েছে? ব্রণর উপর কলার খোসা ঘষুন। এক সপ্তাহের মধ্যে হাতেনাতে ফল পাবেন।

বলিরেখা দূর করতে: নিয়মিত কলা খেলে বলিরেখা বা সূক্ষ্ম রেখার সমস্যা এমনিতেই কম হয়। বাড়তি উপকার পেতে একটা কলার খোসা বেটে নিন। তাতে একটা ডিমের কুসুম মিশিয়ে পেস্টের মতো তৈরি করুন। এই পেস্টটা মুখে মেখে পাঁচ মিনিট রেখে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে নিন। ত্বক নরম আর মসৃণ হয়ে যাবে।

দাঁতের যত্নে: বিশ্রী হলদে ছোপ ধরেছে দাঁতে? এক্ষেত্রে আপনাকে মুক্তি দিতে পারে কলার খোসা। খোসার ভিতরদিকের সাদা অংশটা দাঁতে প্রতিদিন খানিকক্ষণ ঘষুন। এক সপ্তাহ পর মুক্তোর মতো দাঁত দেখে নিজেই চমকে যাবেন!

আঁচিল কমাতে: যাদের ঘন ঘন আঁচিল হয়, তারাও কলার খোসা থেকে উপকার পাবেন। আঁচিলের উপর কলার খোসার সাদা অংশটা ঘষুন। তারপর একটুকরো খোসা আঁচিলের উপর চাপা দিয়ে গজ ব্যান্ডেজ দিয়ে মুড়ে দিন। কিছুদিন করলেই চিরতরে বিদায় নেবে আঁচিল।

মশার কামড়: হাত-পায়ে মশার কামড়ের ফলে চুলকে চুলকে লাল হয়ে ফুলে উঠেছে? আপনাকে জ্বালা আর চুলকানি থেকে মুক্তি দিতে পারে কলার খোসা। কামড়ানোর জায়গাটায় কলার খোসা ঘষুন, দেখতে দেখতে জ্বালা আর চুলকানি দুটোই কমে যাবে, ত্বকও শীতল হবে।

যে কারণে অজান্তেই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আমাদের মেরুদণ্ড
                                  

অনলাইন ডেস্ক : শিরদাঁড়া বা মেরুদণ্ড আমাদের শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। শিরদাঁড়া বা মেরুদণ্ডে গুরুতর সমস্যা হলে তা মানুষকে পঙ্গু পর্যন্ত করে দিতে পারে। বর্তমানে দৈনন্দিন ব্যস্ততার চাপে শিরদাঁড়া বা মেরুদণ্ডের নানা সমস্যায় বা ব্যথায় অনেকেই ভোগেন। এই সমস্যা ক্রমশ বাড়ছে।

সারা দিনের কাজকর্মের মধ্যে আমাদের বেশ কিছু ভুল বা খারাপ অভ্যাসের কারণে শিরদাঁড়া বা মেরুদণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আমাদের অজান্তেই ওই অভ্যাসগুলি আমাদের মেরুদণ্ডের ক্ষতি করে চলেছে। আসুন জেনে নেওয়া যাক এমনই কয়েকটি অভ্যাসের কথা যেগুলি অজান্তেই আমাদের মেরুদণ্ডের ক্ষতি করছে-.

১) আপনি কি সারা দিন এক জায়গায় বসে কাজ করেন? দীর্ঘদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা এ ভাবে কাজ করতে হলে শিরদাঁড়া বা মেরুদণ্ডের সমস্যা হতেই পারে।
২) পর্যাপ্ত বিশ্রামের অভাবে যেমন শিরদাঁড়ার সমস্যা হতে পারে, তেমনই অতিরিক্ত বিশ্রাম, আলস্যের ফলেও মেরুদণ্ডের সমস্যা হতে পারে।

৩) খুব ভারি ব্যাগ (যেমন, ল্যাপটপ ব্যাগ, বইয়ের ব্যাগ বা অন্যান্ত ভারি জিনিসপত্র) নিয়মিত পিঠে নিলে কাঁধে আর পিঠে অতিরিক্ত চাপ পড়ে মেরুদণ্ডে সমস্যা দেখা দিতে পারে।

৪) ঘুমানোর সময় অনেকেই অদ্ভুত ভঙ্গিতে শুয়ে থাকেন। অস্বাভাবিক ভঙ্গিতে পিঠ, কোমর বেঁকিয়ে শোওয়ার অভ্যাস মেরুদণ্ডের ক্ষতি করে।

৫) দীর্ঘক্ষণ ঝুঁকে বসে মোবাইলে চ্যাট বা ল্যাপটপে ব্যাস্ত থাকলে মেরুদণ্ডে অতিরিক্ত চাপ পড়ে। পরবর্তীকালে এর ফলে মেরুদণ্ডে মারাত্মক সমস্যা হতে পারে।

৬) আচমকা খুব ভারী কোনও জিনিস তোলার চেষ্টায় টান পড়ে মেরুদণ্ডে চোট লাগতে পারে। এছাড়া খুব শক্ত, অসমান বিছানায় দীর্ঘদিন ধরে শুলে মেরুদণ্ডের সমস্যা হতে পারে।

৫ উপায়ে বর্ষায় ওজন নিয়ন্ত্রণ
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : বর্ষা মানেই ভোজনবিলাসী হয়ে ওঠা। দুপুরে জমিয়ে ভুনা খিচুড়ি, সন্ধ্যায় চায়ের সঙ্গে মুখরোচক সব নাস্তা। আর তাতে আপনার ওজনও বাড়তে থাকে তড়তড়িয়ে। ভাজাভুজি বেশি খাওয়ায় এবং বর্ষায় ভাইরাস-ব্যাকটিরিয়ার প্রকোপ বেশি হওয়ায় আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে যায়। তাই জেনে নিন বর্ষাকালে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার পাঁচটি উপায়-

বর্ষায় যতই ভাজাপোড়া খাওয়ার ইচ্ছে বেড়ে যাক না কেন, পাকোড়া বা সিঙারা থেকে দূরে থাকুন। তার বদলে বেছে নিন রোস্টেড কর্ন, বাদাম, ছোলা চাটের মতো মুখরোচক অথচ স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস।

আমাদের উচিত সব রকম মৌসুমী ফলমূল খেতে অভ্যস্ত থাকা। বর্ষায় জাম, পিচ, চেরি, নাসপাতি বেশ করে খান। এসব ফলে ফাইবার থাকায় হজম ক্ষমতা বাড়বে এবং ওজন কমবে।

স্যুপ খাওয়ার আদর্শ সময় হলো বর্ষাকাল। শাক-সবজি দিয়ে পছন্দমতো স্যুপ বানিয়ে নিন। খাদ্যগুণে ঠাসা এক বাটি স্যুপ আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে। শরীরে পানির ভারসাম্য বজায় রাখে স্যুপ।

আদা চা ওজন কমাতে ব্যাপক সাহায্য করে। এর মধ্যে গোলমরিচ, লবঙ্গও যোগ করে নিতে পারেন। দুধ ও চিনি ছাড়া চা খেলে তা আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করবে।

বর্ষাকালে আমাদের গরমের সময়ের মতো ঘন ঘন পানি তৃষ্ণা পায় না। তাই বলে পানি পানের পরিমাণ কমালে চলবে না। শরীরকে আর্দ্র রাখতেই হবে। জানেন নিশ্চয়ই, পানি কম পান করলেও ওজন বাড়তে পারে।


   Page 1 of 12
     লাইফস্টাইল
চিনিতেই পান সুন্দর ত্বক
.............................................................................................
চা পাতার যত ব্যবহার
.............................................................................................
অকালে চুল পাকা, খুশকি দূর করবে যে ফল
.............................................................................................
ঘরেই তৈরি করুন প্রাণজুড়ানো বরফ গোলা
.............................................................................................
সাইকেল চালানাো শরীরের জন্য উপকারী
.............................................................................................
খুশকির সমস্যা দূর করে আমের আঁটি
.............................................................................................
ডায়াবেটিস কমাবে তেঁতুল
.............................................................................................
উকুন তাড়ানোর সহজ পদ্ধতি !
.............................................................................................
দই কেনো খাবেন?
.............................................................................................
বয়স কমাবে চাল কুমড়া
.............................................................................................
নখ খেলে কি হয় জানেন?
.............................................................................................
যে কারণে বাদাম খাবেন
.............................................................................................
আমড়া খাওয়ার উপকারিতা
.............................................................................................
ত্বক সুন্দর রাখবে কলার খোসা
.............................................................................................
যে কারণে অজান্তেই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আমাদের মেরুদণ্ড
.............................................................................................
৫ উপায়ে বর্ষায় ওজন নিয়ন্ত্রণ
.............................................................................................
ডেঙ্গু থেকে সুস্থ হতে পেঁপে পাতার রস
.............................................................................................
ঝাল খেলে স্মৃতিশক্তি কমে!
.............................................................................................
ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় গাজর
.............................................................................................
লিভারের জন্য ক্ষতিকর যেসব অভ্যাস
.............................................................................................
বয়স বাড়লেও ত্বকে পড়বে না ছাপ
.............................................................................................
ওজন কমায় ভাত না রুটি?
.............................................................................................
চুল পড়া বন্ধে তেজপাতা
.............................................................................................
দাঁড়িয়ে পানি পান স্বাস্থ্যঝুঁকি ?
.............................................................................................
চোখ উঠেছে? জেনে নিন সুস্থতার উপায়
.............................................................................................
গরমে শরীর ঠান্ডা রাখবে যেসব খাবার
.............................................................................................
মানসিক অস্থিরতা কমাবে তেজপাতা !
.............................................................................................
যে তেল মুখে মাখলে বয়স বাড়বে না!
.............................................................................................
গরমে চুলের যত্ন
.............................................................................................
কালো ঠোঁট গোলাপী করার উপায়
.............................................................................................
কাঁচা পেঁপের এই উপকারিতাগুলো জানতেন?
.............................................................................................
রান্নাঘর পরিষ্কার রাখবেন যেভাবে
.............................................................................................
কিডনি ভালো রাখতে যা খাবেন
.............................................................................................
যে পাঁচটি বিষয় নিয়ে পুরুষরা কথা বলে না
.............................................................................................
টাক পড়া বন্ধে যা খাবেন
.............................................................................................
ইফতারে পান করুন লেবুর শরবত
.............................................................................................
গরমে ডাবের পানি কেন খাবেন?
.............................................................................................
রোজায় খেজুর খাবেন যে কারণে
.............................................................................................
ঝড়-বৃষ্টিতে ত্বকে যেসব সমস্যা হতে পারে
.............................................................................................
হাঁটুর সুস্থতায় যা করবেন
.............................................................................................
গরমে সুস্থ থাকতে ১০ পরামর্শ
.............................................................................................
সকালে কাঁচা ছোলা খাওয়ার উপকারিতা
.............................................................................................
মুখে ব্রণের দাগ? জেনে নিন দূর করার উপায়
.............................................................................................
গরমে অসুস্থতা থেকে রক্ষা পেতে যা জানা জরুরি
.............................................................................................
বেলের কিছু উপকারিতা
.............................................................................................
রাতে দেরি করে খেলে যেসব অসুখের সম্ভাবনা থাকে
.............................................................................................
বৈশাখে কী খাবেন?
.............................................................................................
কেমন হবে পহেলা বৈশাখের সাজ
.............................................................................................
বয়স ধরে রাখবে যেসব খাবার
.............................................................................................
ওজন কমাতে প্রতিদিন একটি কলা
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]