| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * করোনা নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে ৩২ দেশের ২৩৯ গবেষকের চ্যালেঞ্জ   * আবারও হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ব্যবহারে ‘না’ করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা   * বিশ্বব্যাপী করোনা আক্রান্তের সর্বোচ্চ রেকর্ড আজ   * সৌদিতে করোনায় পাঁচ শতাধিক বাংলাদেশির মৃত্যু, আক্রান্ত প্রায় ২০ হাজার   * ট্রাম্পের বিপক্ষে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন কার্দাশিয়ানের স্বামী কেনি   * মৃত্যু বেড়ে ২০৫২, মোট শনাক্ত ১৬২৪১৭   * কাতার বিশ্বকাপের চমক ‘রোবট রেফারি’   * শ্রীলঙ্কার কুশল মেন্ডিস গ্রেফতার   * ১ কোটি ১৩ লাখ ছাড়াল আক্রান্ত, মৃত্যু ৫ লাখ ৩৩ হাজার   * করোনায় মৃত্যুর তালিকায় পাঁচে মেক্সিকো  

   লাইফস্টাইল -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
মাইগ্রেনের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কার্যকরী ঘি

 মাইগ্রেন কেবল একটি সাধারণ ধরণের মাথাব্যথা নয়। এটি আরও তীব্র এবং বারবার ফিরে আসে, বিশেষত কেবল মাথার একপাশে অনুভূত হয়। আপনি বা আপনার কাছের কেউ যদি মাইগ্রেনের সমস্যায় ভুগে থাকেন তবে এটি নিশ্চয়ই জানেন, মাইগ্রেন সহ্য করা কতটা কষ্টকর!

হরমোন পরিবর্তন, স্ট্রেস এবং অ্যালকোহল গ্রহণ- এমন একাধিক কারণে মাইগ্রেন বাড়তে পারে এবং তিন ঘণ্টা থেকে কয়েকদিন স্থায়ী হতে পারে। বেশিরভাগ মানুষ কিছুটা স্বস্তির জন্য ওষুধের দিকে ঝোঁকেন, তবে কিছু প্রাকৃতিক উপায় রয়েছে, যা আপনাকে মাইগ্রেন থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করতে পারে।
দীর্ঘদিন থেকেই ঘি আমাদের খাবারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে আছে। ঘি ডার্ক সার্কেল, ঠোঁট ফাটা, শুষ্ক ত্বক এবং শুষ্ক চুলের চিকিৎসাও ব্যবহৃত হয়। মজার বিষয় হল, এটি মাইগ্রেনের চিকিৎসার একটি কার্যকরী প্রতিকার।

মাইগ্রেনের চিকিৎসার জন্য কীভাবে ঘি ব্যবহার করবেন:

ঘি গলিয়ে নিন এবং নাকের ছিদ্রে ২-৩ ফোঁটা গরম ঘি দিন। মাইগ্রেন বা মাথাব্যথার হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আপনি দিনে দুইবার এটি করতে পারেন।

মাইগ্রেন থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আরও কয়েকটি জিনিস আপনি করতে পারেন:

* প্রচুর পানি পান করুন। ডিহাইড্রেশন মাথা ব্যথার বড় কারণ।
* প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমান। নিদ্রাহীনতা মাইগ্রেনের সমস্যাকে বাড়িয়ে তুলতে পারে।
* প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট ব্যায়াম করুন।
* প্রতিদিন একই সময়ে খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। খাবারের সময় ওঠানামা মাইগ্রেন বাড়িয়ে তুলতে পারে।

মাইগ্রেনের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কার্যকরী ঘি
                                  

 মাইগ্রেন কেবল একটি সাধারণ ধরণের মাথাব্যথা নয়। এটি আরও তীব্র এবং বারবার ফিরে আসে, বিশেষত কেবল মাথার একপাশে অনুভূত হয়। আপনি বা আপনার কাছের কেউ যদি মাইগ্রেনের সমস্যায় ভুগে থাকেন তবে এটি নিশ্চয়ই জানেন, মাইগ্রেন সহ্য করা কতটা কষ্টকর!

হরমোন পরিবর্তন, স্ট্রেস এবং অ্যালকোহল গ্রহণ- এমন একাধিক কারণে মাইগ্রেন বাড়তে পারে এবং তিন ঘণ্টা থেকে কয়েকদিন স্থায়ী হতে পারে। বেশিরভাগ মানুষ কিছুটা স্বস্তির জন্য ওষুধের দিকে ঝোঁকেন, তবে কিছু প্রাকৃতিক উপায় রয়েছে, যা আপনাকে মাইগ্রেন থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করতে পারে।
দীর্ঘদিন থেকেই ঘি আমাদের খাবারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে আছে। ঘি ডার্ক সার্কেল, ঠোঁট ফাটা, শুষ্ক ত্বক এবং শুষ্ক চুলের চিকিৎসাও ব্যবহৃত হয়। মজার বিষয় হল, এটি মাইগ্রেনের চিকিৎসার একটি কার্যকরী প্রতিকার।

মাইগ্রেনের চিকিৎসার জন্য কীভাবে ঘি ব্যবহার করবেন:

ঘি গলিয়ে নিন এবং নাকের ছিদ্রে ২-৩ ফোঁটা গরম ঘি দিন। মাইগ্রেন বা মাথাব্যথার হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আপনি দিনে দুইবার এটি করতে পারেন।

মাইগ্রেন থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আরও কয়েকটি জিনিস আপনি করতে পারেন:

* প্রচুর পানি পান করুন। ডিহাইড্রেশন মাথা ব্যথার বড় কারণ।
* প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমান। নিদ্রাহীনতা মাইগ্রেনের সমস্যাকে বাড়িয়ে তুলতে পারে।
* প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট ব্যায়াম করুন।
* প্রতিদিন একই সময়ে খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। খাবারের সময় ওঠানামা মাইগ্রেন বাড়িয়ে তুলতে পারে।

সর্দি-কাশি মানেই ‘করোনা’ নয়! এই ঘরোয়া উপায়ে দূর করুন
                                  

এই গরম, তো এই বৃষ্টি। আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনায় নাজেহাল। সর্দি-কাশিতে খারাপ অবস্থা শরীরের। তার ওপর মাথাব্যাথা, জ্বর তো আছেই। তবে মাথায় রাখবেন সর্দি-কাশি আর জ্বর মানেই করোনা নয়। ঋতু পরিবর্তনের সময় এই উপসর্গগুলো অনেকেরই দেখা দেয়। কাজেই ভয় না পেয়ে, আগেভাগেই কড়া কড়া অ্যান্টিবায়োটিক না খেয়ে সহজ ঘরোয়া উপায়ে দূর করুন সর্দি-কাশি।

সর্দি-কাশি সারানোর সবচেয়ে সহজ ওষুধ- পেঁয়াজ। একটা মাঝারি মাপের পেঁয়াজ কুচি কুচি করে কেটে নিন। একটা ছোট বাটিতে পানি  নিয়ে পেঁয়াজ কুচি ফেলে ৬-৮ ঘণ্টা ভিজতে দিন। এর সঙ্গে ২-৩ চামচ মধু মিশিয়ে দিন দুবার করে খান। শিশুদের জন্যও খুব উপকারী। সর্দি কাশি তাড়ানোর পাশাপাশি শরীরকে ভেতর থেকে সতেজ করে তোলে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে ভাইরাসের আক্রমণ রুখে দেয়।

প্রতিদিন সকালে খালি পেটে দু’কোয়া কাঁচা রসুন আর কাঁচা আদা চিবিয়ে খেলে উপকার পাবেন। রসুনের অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল ও অ্যান্টিফাংগাল উপাদান শরীরে তাপমাত্রার ভারসাম্য রক্ষা করে, রক্ত সঞ্চালন ক্ষমতা বাড়ায়, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।

গরম পানিতে সামান্য মধু, লেবুর রস আর আদার রস মিশিয়ে দিনে দুবার খান। কফ এবং গলাব্যথা থেকে মুক্তি পেতে পারেন অতি সহজে।

একটি আদার টুকরোকে ছোট ছোট করে কেটে লবণ মিশিয়ে নিন। এই লবণ মেশানো আদা মুখে নিয়ে কিছুক্ষণ চিবোন। সর্দি-কাশিতে আরাম পাবেন।

আদা, তুলসি পাতা থেঁতো করে মধু মিশিয়েও খেতে পারেন। উপকার পাবেন এই স্বর্দি-কাশিতে। হলুদ মেশানো গরম দুধও খেতে পারেন। সর্দি-কাশি, জমা কফের সমস্যা দূর হয়ে যেতে পারে।

সূত্র: নিউজ এইটিন।

কালোজামের ঔষধিগুণ
                                  

গ্রীষ্মকালের ফল হচ্ছে জাম। বছরের এই সময়ে মাত্র কয়েক দিনই কিন্তু জাম পাওয়া যায়। কালচে বেগুনি রঙের এই ফল খেতেও যেমন সুস্বাদু, তেমনই পুষ্টিগুণেও সেরা।

কালোজাম আমরা খেলেও এর পুষ্টিগুণের কথা অনেকের জানা নেই। আসুন জেনে নিই কালোজামের পুষ্টিগুণ-

১. কালোজামে রয়েছে আয়রন, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম এবং ভিটামিন সি, যা রক্তশূন্যতা ও হাড়ক্ষয় রোগ দূর করে এবং শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

২. দাঁত ও মাড়ি শক্ত ও মজবুত করে এবং মুখের দুর্গন্ধ দূর করে। এ ছাড়া মুখের বিভিন্ন ইনফেকশন কমাতে সাহায্য করে।

৩. ঠাণ্ডা ও অ্যালার্জির সমস্যা দূর করে এবং হজমশক্তি বাড়ায় এই ফল।

৪. হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায় এবং কোলেস্টেরল ও হাইপারটেনশন নিয়ন্ত্রণ করে। জাম ও জামের বীজ ডায়াবেটিস হলে রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণে করে।

৫. জামে থাকা পলিফেনল উপাদান ক্যান্সার প্রতিরোধ ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

৬. ডায়ারিয়া হলে জামের রস খেলে উপকার পাওয়া যায়।
নিয়মিত জামের রস খেলে মূত্রথলিও ভালো থাকে।

৭. জামে ক্যালরির পরিমাণ খুব কম থাকায় ওজন কমাতে সাহায্য করে।

৮. জাম মস্তিষ্কের কার্যকারিতা, রক্তশূন্যতা ও অ্যাজমা সমস্যা প্রতিরোধ করে।

লিচু খেলে কী হয়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : দেশীয় ফলের ভেতর লিচু বেশ জনপ্রিয়। সুন্দর গন্ধযুক্ত সুমিষ্ট এই ফল স্বাদেও অনন্য। গোলগাল, লাল রঙের এই ফলগুলো আমাদের দেশের গ্রীষ্মকালীন ফলের শোভা বাড়ায়। গরমে প্রাণ জুড়াতে লিচু বেশ কার্যকরী। এর ভক্ষণযোগ্য রসালো অংশ অত্যন্ত তৃপ্তিদায়ক। লিচু পুষ্টিতেও ভরপুর। এই মৌসুমী ফলটি খুব বেশিদিন পাওয়া যায় না। তবে বেশি উপকারিতা পাওয়ার আশায় একসঙ্গে অনেকগুলো লিচু খাবেন না যেন! এতে হিতে বিপরীত হতে পারে। হজমের সমস্যাসহ আরও নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। টাইমস অব ইন্ডিয়া জানাচ্ছে লিচুর কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা-

* লিচুতে ভালো পরিমাণে ভিটামিন সি, ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স এবং ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট ফ্ল্যাভোনয়েড থাকে।

* এটি পুষ্টির একটি সমৃদ্ধ উৎস যা রক্তের উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয়। এটি ম্যাঙ্গানিজ, ম্যাগনেসিয়াম, তামা, আয়রন এবং ফোলেট সরবরাহ করে যা আরবিসি গঠনের জন্য প্রয়োজনীয়।

* লিচুতে রয়েছে প্রচুর ফাইবার এবং ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স যা বিপাকের ফ্যাট, প্রোটিন এবং কার্বোহাইড্রেট বাড়ায়।

* এতে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা প্রাথমিক বয়সকতা রোধে কার্যকর।


* লিচুতে প্রচুর পটাসিয়াম থাকে, যা সোডিয়াম স্তর বজায় রাখতে প্রয়োজনীয়।

* এটি রক্তচাপ বজায় রাখতে সহায়তা করে। স্ট্রোক এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি হ্রাস করে। এছাড়াও এতে ম্যাঙ্গানিজ, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, তামা এবং ফোলেট জাতীয় খনিজ রয়েছে যা রক্তচাপ বজায় রাখে।

* লিচুতে উচ্চ পরিমাণে ডায়েটরি ফাইবার রয়েছে যা কার্ডিওভাসকুলার স্বাস্থ্যের জন্য পুষ্টি নিশ্চিত করে।

কিছু আকর্ষণীয় রেসিপি:

১. লিচুর শরবত: কিছুটা লিচুকে চিনির সাথে মিশিয়ে শরবত তৈরি করে নিন। এটি ঠান্ডা করে পান করুন। গরমে এটি বেশ প্রশান্তিদায়ক।

২. থাই চিংড়ি এবং লিচুর সালাদ: কিছুটা লাল মরিচের গুঁড়া, ব্রাউন সুগার, লেবুর রস এবং ফিশ সস দিয়ে একসাথে মিশিয়ে নিন। ড্রেসিংয়ের সাথে কিছু চিংড়ি, পুদিনা, ধনিয়া, লিচু এবং চিনাবাদাম একত্রিত করুন এবং ভালোভাবে টস করুন। আরও কিছু চিনাবাদাম এবং রসুন ও পেঁয়াজকুচি সহ একটি প্লেটে পরিবেশন করুন।

৩. লিচু এবং লেবুর পানীয়: লিচু ১/২ কাপ, ১ চামচ লেবুর রস, ৩ কাপ পানি এবং ১০ টুকরো বরফ নিন। চাইলে পুদিনা পাতা যোগ করতে পারেন। সব একসঙ্গে মিশিয়ে পরিবেশন করুন।

বৃষ্টি দিনের প্রস্তুতি
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বৃষ্টিদিনে প্রকৃতির এমন রূপ যতই ভালো লাগুক, বৃষ্টির বিড়ম্বনাও কিন্তু কম নয়। ঘর থেকে বের হতে না পারা, রাস্তাঘাটে কাদাপানি, চলতি পথে হঠাৎ বৃষ্টিতে কাদাজলে একাকার হওয়াসহ নানা যাতনা। তাই বলে বৃষ্টি উপভোগ করবেন না তা কি হয়! বৃষ্টি দিনে বৃষ্টি হোক বা না হোক ঘর থেকে বের হওয়ার আগে কিছু প্রস্তুতি নিয়ে বের হোন।

তাহলে হঠাৎ বৃষ্টি বিড়ম্বনা নয়, হয়ে উঠবে উপভোগ্য। সেইসঙ্গে এ করোনাকালেও ঘরের বাইরে যেতে কিছু প্রস্তুতি নেয়া জরুরি।

বর্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হল ছাতা। হঠাৎ বৃষ্টি থেকে বাঁচতে এ সময় বৃষ্টি হোক বা না হোক ছাতা ছাড়া বাইরে যাওয়া মোটেই উচিত নয়।

ছাতাতে কাঁধে ঝোলানো ব্যাগটি নিরাপদে রাখা অনেক সময়ই সম্ভব হয় না। তাই এ আবহাওয়ার জন্য বেছে নিন ওয়াটার প্রুফ ব্যাগ। আর করোনা থেকে সুরক্ষিত থাকতে ঘরে ফিরে প্রতিদিন ব্যাগটি অবশ্যই ধুয়ে দিতে হবে।
বৃষ্টি বাদলের এ সময়টা সুতি কাপড়ের বদলে আরামদায়ক জর্জেট, সিল্ক কাপড়ের পোশাক পরুন। বৃষ্টিতে ভিজলেও তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে।

বৃষ্টির দিনে কাপড় বা চামড়ার জুতা এড়িয়ে চলুন। বৃষ্টিতে এ ধরনের জুতা যেমন নষ্ট হতে পারে তেমনি চামড়ার জুতা ভিজে পায়ে দুর্গন্ধও হতে পারে।

ফ্ল্যাট স্যান্ডেল আরামদায়ক হলেও এ সময় তা এড়িয়ে চলুন। কারণ ফ্ল্যাট স্যান্ডেল থেকে কাদা ছিটে কাপড় নষ্ট হয়। আবার কাদা লেগে পা নোংরাও হয়। তাই এ সময়টা একটু উঁচু এবং পা ঢাকা জুতা পরুন। আর করোনা থেকে সুরক্ষিত থাকতেও পা ঢাকা জুতা পরা উচিত।

বাইরে যাওয়ার সময় ছোট প্লাস্টিকের জিপার ব্যাগে মোবাইল, হেডফোনসহ বিভিন্ন গ্যাজেট রাখুন। নয়তো সঙ্গে পলিব্যাগ রাখুন গ্যাজেট রাখার জন্য। এতে যেমন বৃষ্টি থেকে গ্যাজেট ভালো থাকবে তেমনি করোনাভাইরাস থেকেও সুরক্ষিত থাকবে।
বৃষ্টি এবং করোনার হাত থেকে বাঁচতে এখন একটু বড় হ্যান্ডব্যাগ ব্যবহার করতে চেষ্টা করুন। আর সঙ্গে থাকা ব্যাগটিতে রেখে দিন প্রয়োজনীয় কসমেটিকস, রুমাল, ছোট টাওয়াল, টিস্যু, অতিরিক্ত একজোড়া হ্যান্ড গ্লভস, একটি মাস্ক, স্যানেটাইজার, অ্যালকোহল ওয়াইপস (অষপড়যড়ষ ঢ়ধফ : স্যালাইন দেয়ার জন্য হাসপাতালে যা ব্যবহার করে), ছোট একটি সাবান বা হ্যান্ডওয়াশসহ আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র।

কর্মক্ষেত্রে বা বাইরে গেলে আধা ঘণ্টা বা এক ঘণ্টা পরপর সাবান দিয়ে হাত ধুতে চেষ্টা করুন এবং অবশ্যই ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধুতে হবে। হাত ধোয়া শেষে স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন। বাইরে থেকে ঘরে ফিরেও একঘণ্টা পরপর হাত ধোয়ার অভ্যাস করুন।

বাস, ট্রেন, লঞ্চসহ বিভিন্ন ধরনের গণপরিবহনে যদি উঠতেই হয় তবে প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ব্যবস্থা নিন। গাড়ির সিটে জীবাণুনাশক স্প্রে করে ল্যাগেজ রাখুন এবং নিজে বসুন।

বাইরে গেলে আংটি, চুড়ি, ঘড়ি, ব্রেসলেট ইত্যাদি এক্সসরিজ এখন ব্যবহার করবেন না। বিশেষ করে মেটাল জাতীয় অনুষঙ্গ। কারণ মেটালে করোনাভাইরাস প্রায় ৩ দিন পর্যন্ত জীবিত থাকে। আর যদি ব্যবহার করতেই হয় তবে এসব অনুষঙ্গগুলোও জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করুন। ব্যবহার্য জিনিসপত্র পরিষ্কারের জন্য হেক্সিসল আর মোবাইল/ল্যাপটপ/ডিস্কটপ/মাউসসহ অন্য ডিভাইসগুলো পরিষ্কারের জন্য অ্যালকোহল ওয়াইপস ব্যবহার করতে পারেন। বৃষ্টি থেকে হাতের ঘড়িটি সুরক্ষিত রাখতে ওয়াটার প্রুফ ঘড়ি পরুন।

বর্ষায় হাত-পায়ে ইনফেকশন, চুলকানিসহ বিভিন্ন ধরনের চর্মরোগ এবং করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকতে বাইরে থেকে ঘরে ফিরে সরাসরি গোসলে যান। গোসলে কুসুম গরম পানি ব্যবহার করতে চেষ্টা করুন এবং পরিধেয় পোশাক একঘণ্টা ডিটারজেন্টে ভিজিয়ে রেখে ধুয়ে দিন।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে `ইমিউনিটি সন্দেশ`
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : মহামারী করোনাভাইরাসের এখনো কোনো প্রতিষেধক বা টিকা আবিষ্কার হয়নি। এখন এই ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ও শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো সবচেয়ে জরুরি।

এই ভাইরাস রোধে শরীরে ইমিউনিটি বাড়াতে বিশেষ একটি মিষ্টি কলকাতার বাজারে এনেছে জনপ্রিয় মিষ্টি নির্মাতা `বলরাম মল্লিক এবং রাধারমণ মল্লিক`। এই বিশেষ মিষ্টির নাম `ইমিউনিটি সন্দেশ`।

দোকানের মালিক সুদীপ্ত মল্লিক বলেন, ইমিউনিটি শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। যা করোনাভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করতে পারে। এখনও যেহেতু কোনও ভ্যাকসিন নেই। তাই এই মিষ্টি তৈরি করেছি।

তিনি বলেন, ১৫ টি বিভিন্ন মশলা দিয়ে এই মিষ্টি তৈরি করা হয়েছে। প্রতিটি সন্দেশের দাম ২৫ টাকা।

বলরাম মল্লিক এবং রাধারমণ মল্লিক কলকাতার প্রাচীনতম মিষ্টির দোকানিদের মধ্যে অন্যতম। ১৫ গুল্ম এবং মশলা দিয়ে বিশেষভাবে পরীক্ষা করে তৈরি করা হয়েছে এই `ইমিউনিটি সন্দেশ`।

হলুদ, লবঙ্গ, এলাচ, দারুচিনি জাফরান, কালোজিরে, মুলেথি, তেজপাতা, মধু এবং আরও বেশ কিছু স্বাস্থ্যগুণ সম্পন্ন মশলা দিয়ে এই মিষ্টি তৈরি করা হয়েছে।

সুদীপ্ত মল্লিক বলেন, মিষ্টিতে ব্যবহৃত উপাদানগুলো নিয়ে আমরা বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করেছি। সবচেয়ে ভালো বিষয় হলো আমরা এতে কোনও চিনি যোগ করছি না। ইমিউনিটি সন্দেশ পুরোপুরিভাবেই হিমালয়ের মধু দিয়ে তৈরি করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: এনডিটিভি

সুস্থ থাকতে যা মেনে চলা জরুরি
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : করোনাভাইরাস ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ায় মাস্ক পরা, হাত ধোয়া, স্যানিটাইজিং ব্যবহার ও সতর্কতা অবলম্বন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই সঙ্গে ডায়েট, স্বাস্থ্য এবং ফিটনেসের যত্ন নেয়া জরুরি।

এ সময় সুস্থ থাকতে যা করবেন-

১. সূর্যোদয়ের আগে ঘুম থেকে উঠুন। এ সময়ে ধ্যান, শ্বাসপ্রশ্বাসেরব্যায়াম, প্রার্থনা এবং অন্যান্য কাজ করুন।

২. জানালা দিয়ে বাইরে দেখুন। ঘুম থেকে ওঠার পরে প্রাকৃতিক আলোয় থাকুন।

৩. প্রতিদিন একই সময়ে আপনার সমস্ত খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন।

৪. সকাল এবং দুপুরের খাবারে দিনের বেশিরভাগ ক্যালোরি গ্রহণ করুন। এই সময়ে বেশিরভাগ ক্যালোরি ব্যবহার হয়ে যায়।

৫. বিকেলে ৩০ মিনিট ঘুমিয়ে নিন।

৬. রাতের খাবার তাড়াতাড়ি খেয়ে ফেলুন। যতটা সম্ভব সূর্যাস্তের কাছাকাছিই রাতের খাবার খেয়ে ফেলার চেষ্টা করুন।

তথ্যসূত্র: এনডিটিভি

চুলে মেহেদি ব্যবহারের যত উপকার
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : মেহেদি চুলের যত্নে খুবই উপকারী। চুলের খুশকি, রুক্ষতা, শুষ্কতা, অকালপক্বতা দূর করে প্রাকৃতিক উপাদান মেহেদি।

রূপচর্চাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে চুলের মেহেদির ব্যবহার ও রঙ করা সম্পর্কে জানানো হয়েছে।

চুলে মেহেদি ব্যবহারে যত উপকার

১. মেহেদি মাথার ত্বক ঠাণ্ডা করে ও খুশকি দূর করে। এ ছাড়া চুলের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

২. মেহেদি চুলের খুশকি দূর করে। চার টেবিল চামচ মেহেদির গুঁড়ার সঙ্গে একটা পুরো একটা লেবুর রস এবং দুই টেবিল চামচ দই মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এর পর চুলে মেখে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করে শ্যাম্পু করুন। এর পর কন্ডিশনার ব্যবহার করুন।

৩. মেহেদি চুল পড়া কমায়। ছয় টেবিল চামচ আমলকীর গুঁড়া, তিন টেবিল চামচ মেহেদির গুঁড়া, দুই টেবিল চামচ মেথি গুঁড়া একটা পাত্রে ভালোভাবে মেশাতে হবে।এর পর এতে ১০ টেবিল চামচ পানি, একটা ডিমের সাদা অংশ এবং একটা লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। প্রয়োজন হলে এতে পানি যোগ করতে পারেন।

প্যাকটি তৈরি করে এক ঘণ্টা রেখে এর পর চুলে আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত লাগিয়ে এক ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। এর পর শ্যাম্পু দিয়ে চুল পরিষ্কার করে কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। সপ্তাহে দুবার ব্যবহার করলে উপকার পাবেন।

৪. চুল রঙ করতে মেহেদি ব্যবহার করতে পারেন। এক টেবিল চামচ কফি পাউডার পানিতে ফুটিয়ে ঠাণ্ডা করে নিন।একটা পাত্রে পাঁচ টেবিল চামচ মেহেদির গুঁড়া নিয়ে গরম কফি মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন।

চুল কয়েকভাগে ভাগ করে এই প্যাক আগা থেকে গোড়ায় ব্যবহার করুন। তিন ঘণ্টা পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে চুল ধুয়ে নিন। এর পর কন্ডিশনার ব্যবহার করুন।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে যেভাবে খাবেন কাঁচা হলুদ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : দীর্ঘদিন ধরে রান্নায় মশলা হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে হলুদ। কিন্তু মশলা ছাড়াও কাঁচা হলুদের রয়েছে নানা উপকারিতা। হলুদের গুঁড়ার পাশাপাশি কাঁচা হলুদও সমান উপকারী। হালকা গরম দুধ, পানি বা চায়ের সাথে কাঁচা হলুদ খেলে তা ঠান্ডা ও ফ্লু প্রতিরোধে সহায়তা করে। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।

পাবলিক লাইব্রেরি অব সায়েন্সের জার্নালে প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুসারে, হলুদে থাকা কারকিউমিনের মধ্যে রয়েছে প্রদাহ প্রতিরোধী বৈশিষ্ট্য। এটি প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করতে পারে বলে জানা যায়। হলুদে অ্যান্টি-ভাইরাল, অ্যান্টি-ফাঙ্গাল এবং অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে এবং অন্ত্রে স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

হলুদের আরও কিছু উপকারিতা:
হলুদে বিটা ক্যারোটিন, অ্যাসকরবিক অ্যাসিড, ক্যালসিয়াম, ফাইবার, আয়রণ, নিয়াসিন, পটাসিয়াম, দস্তা, ফ্ল্যাভোনয়েডস এবং অন্যান্য পুষ্টি সহ তিনশোরও বেশি পুষ্টি রয়েছে। তবে বিশ্বব্যাপী বিজ্ঞানীদের দৃষ্টি আকর্ষণকারী সর্বাধিক সক্রিয় যৌগটি হলো কারকিউমিন।
হলুদ খাওয়ার সেরা উপায়:
কালো গোল মরিচের গুঁড়ার সঙ্গে হলুদ মিশিয়ে খেলে এর উপকারিতা অনেকাংশে বেড়ে যায়। তাই চেষ্টা করুন কাঁচা হলুদের সঙ্গে গোল মরিচ মিশিয়ে খেতে।

হলুদ খাওয়া শুরু করার দুটি সহজ উপায়:
এক ইঞ্চি কাঁচা হলুদ এবং এক চা চামচ ঘি মিশিয়ে নিন। আপনার যদি অবিরাম শুকনো কাশি হয় তবে এটি প্রতিদিন খান।

দুধের সঙ্গে হলুদ ফুটিয়েও পান করতে পারেন। এটি অত্যন্ত উপকারী। কারণ এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি আরও অনেক স্বাস্থ্য সুবিধা দেয়। বিশেষ করে শ্বাসনালীর সংক্রমণে আক্রান্তদের হলুদ দুধ খাওয়া উচিত, যাকে গোল্ডেন মিল্কও বলা হয়। বিভিন্ন রোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রেও হলুদ উপকারী হিসাবে পরিচিত।

এছাড়াও হজমের সমস্যা দূর করতে কাঁচা হলুদ খেতে পারেন। এতে প্রাকৃতিক অ্যান্টি-সেপ্টিক হিসেবে এটি ঠাণ্ডা-জ্বর থেকে দূরে রাখবে। কাঁচা হলুদ রক্তের দূষিত উপাদান বের করতে সক্ষম। ত্বক সুন্দর ও উজ্জ্বল রাখতে এর জুড়ি নেই।

কাপড়ে কালির দাগ তোলার ৪ উপায়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : অসাবধানতার কারণে শখের জামাটাতে লেগে যেতে পারে কালির দাগ। কালির দাগ তুলতে বিপাকে পড়ে যান আপনি। বুঝে ওঠতে পারেন না যে কী করবেন বা কী করা উচিত।

তবে মন খারাপের কিছু নেই। খুব সহজে কাপড়ের এই দাগ তোলা যায়।

আসুন জেনে নিই কী করবেন

লবণ ব্যবহার
জামাকাপড় থেকে কালির দাগ তোলার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো– দাগের জায়গায় ভিজিয়ে তার ওপর অল্প পরিমাণ লবণ ছিটিয়ে দেয়া। লবণ ছেটানোর পর একটি ভেজা পেপার টাওয়েল দিয়ে আলতভাবে দাগের ওপরে ঘষুণ। দাগ হালকা হয়ে উঠে এলে পানিতে ধুয়ে নিতে হবে।

নেইলপলিশ রিমুভার
কাপড়ের কালির দাগ তোলার জন্য নেইলপলিশ রিমুভার ব্যবহার করুন। রিমুভার নিয়ে সরাসরি জামার কালিযুক্ত স্থানে লাগাতে হবে এবং ভালোভাবে ঘষতে হবে। দাগ উঠে যাওয়ার পর কাপড়টি ধুয়ে নিন।


হেয়ার স্প্রে
কালির দাগ তুলতে হেয়ার স্প্রের ব্যবহার করুন। কালির দাগের ওপর সরাসরি হেয়ার স্প্রে প্রয়োগ করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে এবং শুকিয়ে আসলে পরে আবারও স্প্রে করে শুকাতে হবে। এর পর দাগযুক্ত স্থানটিতে ব্রাশের সাহায্যে আলতভাবে ঘষে ধুয়ে নিন।

হোয়াইট ভিনেগার
কাপড়ে কালির দাগ তুলতে হোয়াইট ভিনেগার ব্যবহার করুন। ২ চা চামচ ভিনেগারের সঙ্গে ৩ চা চামচ কর্ণস্টার্চ মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে কালির স্থানে ভিনেগারের পেস্ট লাগাতে হবে। কালির স্পটটি ভালোভাবে পেস্টের সাহায্যে ঢেকে গেলে শুকানোর জন্য অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে ব্রাশ করে কাপড় ধুয়ে নিন।

ছাতুর শরবত
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : প্রচণ্ড দাবদহে শরীরে পানির ঘাটতি দেখা দেয়। শরীরে পানির শূন্যতা পূরণে শরবতের জুড়ি নেই।

গরমে স্বস্তি পেতে ও পানির শূন্যতা পূরণে খেতে পারেন ছাতুর শরবত।

এই শরবত শরীর ঠাণ্ডা করার পাশাপাশি গরমে আপনাকে সুস্থ রাখবে। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, প্রোটিন, ফাইবার, কার্ব, আয়রন ও ক্যালসিয়াম আর মিনারেলস।

কীভাবে খেতে পারেন
লাড্ডু ও পরোটা বানিয়েও খেতে পারেন। তবে ছাতুর শরবত আইসক্রিমের মতোই স্বাদু। এতে কোনো ক্ষতিকারক ক্যালোরি ও কৃত্রিম মিষ্টি নেই।

ছাতুর শরবত কীভাবে বানাবেন

উপকরণ
ছাতুর গুঁড়ো, ঠাণ্ডা পানি, লেবুর রস ও পুদিনা পাতা, শুকনো খোলায় ভাজা জিরা গুঁড়ো, লবণ ও গোলমরিচ।

যেভাবে তৈরি করবেন শরবত
এক গ্লাস ঠাণ্ডা পানিতে ২ চা-চামচ ছাতু মিশিয়ে এতে জিরা, গোলমরিচ, লবণ ও লেবুর রস মিশিয়ে দিন। ওপরে পুদিনা পাতা দিয়ে সাজিয়ে ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে পরিবেশন করুন।

ছাতুর শরবত

লকডাউনে ত্বকের যত্ন
                                  

অনলাইন ডেস্ক : সুন্দর ত্বক আমাদের সবারই স্বপ্ন। তাই ত্বকের ছোট একটি সমস্যাও আমাদের অনেক বেশি ভাবিয়ে তোলে। বর্তমানে করোনা পরিস্থিতিতে আমরা সবচেয়ে বেশি সময় ঘরে অবস্থান করছি। বাইরের ক্ষতিকারক ধুলাবালি থেকে আমাদের ত্বক এখন অনেকটাই মুক্ত। তাই কিছু সাধারণ নিয়ম মেনে চললে খুব সহজে ঘরে বসেই আমরা আমাদের ত্বককে সুস্থ রাখতে পারব।

ক্লিনজিং : আমাদের ত্বকের সবচেয়ে বাইরের আবরণটি কিছু মৃত কোষ দিয়ে তৈরি, যা প্রতিনিয়ত বাইরের প্রতিকূল পরিবেশ থেকে আমাদের ত্বককে রক্ষা করে যাচ্ছে। ক্লিনজিংয়ের মাধ্যমে আমরা এই মৃত কোষ, ত্বকের ওপর জমে থাকা জীবাণুগুলোকে পরিষ্কার রাখতে পারি। ক্লিনজিংয়ের সময় নরম/সফট কিছু সেরামাইড বা গ্লিসারিনসমৃদ্ধ ক্লিনজার ব্যবহার করা ভালো। অতিরিক্ত ক্লিনজিংয়ের জন্য ত্বকের আবরণী নষ্ট হতে পারে। তাই দিনে দু’বারের বেশি ক্লিনজিং করা উচিত নয়। তবে শুষ্ক ত্বকের জন্য এর মাত্রা হবে আরও কম।

ময়েশ্চারাইজিং : আমাদের ত্বকের হাইড্রেশন তথা পানি ধরে রাখার ক্ষমতা বা কোমনীয়তা রক্ষার জন্য ময়েশ্চারাইজার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সুস্থ ও সুন্দর ত্বকের জন্য দিনে অন্তত দু’বার ময়েশ্চারাইজিং জরুরি। ময়েশ্চারাইজার হিসেবে ক্রিম, লোশন, অলিভ অয়েল, ভ্যাসলিন, পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে তা অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ব্যবহার করা উচিত।

সানস্ক্রিন : সূর্যরশ্মির অতিরিক্ত আল্ট্রাভায়োলেট রেডিয়েশন আমাদের ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। এটি আমাদের ত্বককোষের ডিএনএকে ধংস করে ত্বককে মৃতপ্রায় করে। ফলে ত্বক কুচকে যাওয়া, মেছতাসহ বিভিন্ন কালো দাগ, খুব দ্রুতই ত্বকে বয়স বৃদ্ধির ছাপ, এমনকি ত্বকে ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে। তাই এসব সমস্যা থেকে পরিত্রাণের জন্য সানস্ক্রিন ব্যবহার খুব গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি রোদে গেলে অবশ্যই ছাতা এবং প্রয়োজনে ফুল স্লিভ জামা ও মাথায় টুপি ব্যবহার করা উচিত।

কিছু পরামর্শ : দৈনন্দিন জীবনে আমরা নানারকম মানসিক অশান্তিতে থাকি। এর ফলে আমাদের শরীরে ‘কর্টিসল’ নামক হরমোন নিঃসৃত হয়। অতিরিক্ত পরিমাণে এই হরমোন নিঃসরণের জন্য আমাদের ত্বক দুর্বল হয়ে যায় এবং ব্রন হওয়া ও ত্বক কুঁচকে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ে। তাই যথাসম্ভব চিন্তামুক্ত থাকার চেষ্টা করুন।

ক্লিনজার বা ময়েশ্চারাইজার ডাক্তারের পরামর্শমতো ব্যবহার করবেন। যথাযথ নিয়ম মেনে সানস্ক্রিন প্রয়োগ করুন এবং রোদে যাওয়ার আধঘণ্টা আগে আপনার মুখে ব্যবহার করুন। মানহীন সব রকম প্রসাধনী ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। প্রচুর পরিমাণে দুধ, ডিম, সামুদ্রিক মাছ, গাজর, মিস্টিকুমড়া, আম, লেবু, শিম, চর্বিহীন মাংস ইত্যাদি স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করুন। মনে রাখবেন, সুস্থ ত্বক হল সুস্থ শরীরেরই একটি দর্পণ। সুতরাং সময় থাকতে সুস্থ ও সুন্দর ত্বকের লক্ষ্যে নিজেকে তৈরি করুন।

ডা. মুনিরা ফেরদৌস : চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ

ঘরবন্দি সময়ে বারান্দায় ও ছাদে লাগাতে পারেন যেসব গাছ
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেড়েই চলেছে। প্রতিদিন বাড়ছে লাশের সারি। নিরাপদে থাকতে বেশিরভাগ মানুষ এখন ঘরবন্দি জীবন কাটাচ্ছেন।

অবসরের এই সময় বাসার ছাদে ও বারান্দায় টবে লাগাতে পারেন পছন্দের গাছ। লাগাতে পারেন ঔষধি, ফুল ও রূপচর্চায় ব্যবহার করা হয় এমন গাছ। এ ছাড়া ভেষজ ও মসলার গাছও লাগাতে পারেন।

যেসব গাছ লাগাতে পারেন-

১. বারান্দায় লাগাতে পারেন গোলাপ, হাসনাহেনা ও বেলি ফুলের গাছ। এসব গাছ টবে ভালো হয়।

২. লাগাতে পারেন সৌন্দর্যবর্ধন করে এমন গাছ। ওপর থেকে ঝুলিয়ে দিলে বদলে যাবে বারান্দার সৌন্দর্য।

৩. অ্যালোভেরা লাগাতে পারেন টবে। এটি খুবই প্রয়োজনীয় ভেষজ। রূপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যরক্ষায় এই গাছের রয়েছে অনেক ব্যবহার।

৪. পুদিনা ও ধনেয়া হচ্ছে ঔষধিগুণসমৃদ্ধ গাছ। এসব গাছ টবে দ্রুত হয়। আস্ত ধনেয়া ঘণ্টা কয়েক পানিতে ভিজিয়ে রেখে টবে ফেলে ওপরে মাটি দিয়ে পানি ছিটিয়ে দিন। দেখবেন কয়েক দিনের মধ্যেই চারা গজাবে।

৫. একটু বড় ধরনের ড্রাম বা টবে লাগাতে পারেন লেবুগাছ।

৬. পুঁইশাক, করলা, কাঁচামরিচের গাছ টবে ভালোই হয়।

ঈদে স্পেশাল নওয়াবি সেমাই
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : করোনাভাইরাসের ঝুঁকির মধ্যেই পালিত হতে যাচ্ছে এবারের ঈদ। এবারের ঈদ অন্যরকম। সবাই সবার বাসাতেই থাকতে হবে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার স্বার্থে। তাই এবারের ঈদ অন্যরকম হলেও নিজেদের জন্যই সব আয়োজন। তাই ঈদে বানিয়ে ফেলতে পারেন মজার ডেসার্ট।

ডেসার্ট হিসেবে নওয়াবি সেমাই কেমন হয়? এটির উপরের অংশ মচমচে থাকে ও ভেতরে থাকে ক্রিমের লেয়ার, খেতেও ভীষণ মজা। জেনে নিন কীভাবে তৈরি করবেন এই মজাদার ডেসার্ট নওয়াবি সেমাই।

যা যা লাগবে
* লাচ্ছা সেমাই- ১ প্যাকেট
* ঘি- দেড় টেবিল চামচ
* কিসমিস- ২ টেবিল চামচ
* বাদাম কুচি- ২ টেবিল চামচ
* গুঁড়া দুধ- ১/৩ কাপ ও ১ কাপ
* চিনি- স্বাদ মতো
* কনডেন্সড মিল্ক - ১/৩ কাপ
* কর্ন ফ্লাওয়ার - ২ টেবিল চামচ

যেভাবে তৈরি করবেন
প্রথমে প্যানে ঘি গরম করে কিসমিস ও বাদাম কুচি ভেজে নিন। লাচ্ছা সেমাই ভেজে দিয়ে দিন প্যানে। সামান্য নেড়েচেড়ে চিনি ও ১/৩ গুঁড়া দুধ দিন। চুলার আঁচ কম থাকবে। খুব সামান্য পানি ছিটিয়ে দিতে পারেন। এতে চিনি দ্রুত গলবে ও সেমাই অতিরিক্ত মচমচে হবে না।

এবার প্যানে পৌনে এক কাপ পানি ও ১ কাপ গুঁড়া দুধ দিন আরেকটি প্যানে। চাইলে ১ লিটার তরল দুধ জ্বাল দিয়ে অর্ধেক করে নিতে পারেন। ঘন দুধে কনডেন্সড মিল্ক ও কর্ন ফ্লাওয়ার দিন। সামান্য পানিতে গুলে তরল করে তারপর ধীরে ধীরে মেশাবেন কর্ন ফ্লাওয়ার মিশ্রণটি ঘন হয়ে গেলে নামিয়ে ঠাণ্ডা করুন।
সার্ভিং ডিসে সার্ভ করুন। ছোট গ্লাস কাপ কিংবা বড় পাত্রে সার্ভ করতে পারেন। প্রথমে অর্ধেক অংশ লাচ্ছা সেমাই দিয়ে উপরে দুধের ফিলিং দিন। উপরে আরেক লেয়ার করে দিয়ে দিন সেমাই। পরিবেশনের আগে ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে নিতে পারেন।

ইফতারে পুষ্টিকর বাঙ্গি
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইফতারে ভাজা-পোড়া কমিয়ে বেশি বেশি ফল রাখাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। অতি পরিচিত ফল বাঙ্গি। এছাড়া এটি ফুটি নামেও যথেষ্ট পরিচিত।

জেনে নিন বাঙ্গির পুষ্টিগুণ:- পটাসিয়াম: বাঙ্গিতে এই উপাদানের কোনো ঘাটতি নেই। শসা জাতীয় তাই উচ্চ রক্তচাপ সামলাতে পারে।

দৃষ্টিশক্তি : বাঙ্গি দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখার জন্য বেশি কার্যকর। কারণ এতে আছে ভিটামিন ‘এ’ ও বিটা ক্যারোটিন। ছানি পড়ার ঝুঁকি কমানো ছাড়াও দৃষ্টিকে প্রখর করে বাঙ্গি।
চর্বি কাটে : ফুটিতে রয়েছে উপকারী কার্বোহাইড্রেট। এটি সহজে ভেঙে শরীরে মিশে যায়। আরও আছে ফাইবার, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। পটাসিয়ামের উচ্চ মাত্রা পেটের অনাকাঙ্ক্ষিত চর্বিকেও বিদায় জানায়।

ডায়াবেটিস : রক্তে গ্লুকোজের বিস্ফোরণ সামলে নিতে দক্ষ বাঙ্গি। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কার্যকর।

কোলেস্টরলমুক্ত : বাঙ্গি কিন্তু একেবারেই কোলেস্টেরলমুক্ত ফল। এর ফাইবার সহজে ভক্ষণযোগ্য।

সূত্র : হেলথ জার্নাল।

সর্দি-কাশি কমাবে হলদি দুধ
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে বেড়েছে সর্দি-কাশির প্রকোপ। এ জন্য খেতে পারেন হলুদ ও দুধের মিশ্রণ। যাকে বলা হয় হলদি দুধ।

রোজ এই দুধ খেলে ঠাণ্ডা-কাশি থেকে সুরক্ষা পাওয়া যায়। এছাড়া বিভিন্ন রোগ সারাতে এই দুধ খুব ভালো কাজ করে।

দুধের মধ্যে থাকা প্রোটিন, ভিটামিন বি ১২, এ, ডি, কে, ই, ক্যালসিয়াম আপনাকে সুস্থ রাখে।

আসুন জেনে নিই হলদি দুধের পুষ্টিগুণ-

সর্দি-কাশি কমায়

গরম একগ্লাস দুধে সিকি চা-চামচ হলুদ আর একচিমটে মরিচগুঁড়ো মিশিয়ে খেলে সর্দি-কাশি ও সংক্রমণ রোগ প্রতিরোধ করে। বাড়ায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা।

গাঁটের ব্যথা কমায়

দুধে থাকা ক্যালসিয়াম আর হলুদের মধ্যে থাকা সংক্রমণ ও প্রদাহনাশক উপাদান একযোগে গাঁটের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।

মগজের ধার বাড়ায়

অ্যালজাইমার্স কমিয়ে মগজকে রাখে ধারালো।

ত্বকের বয়স ধীর করে

ত্বক চর্চায় হলুদের ব্যবহার অনেক আগে থেকেই হয়ে আসছে। ত্বক উজ্জ্বল দেখাতে চাইলে এই পানীয় খেতে পারেন। ত্বকের নীচে জমে থাকা ফ্রি-র্যা ডিক্যালস কমিয়ে অসময়ে ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া আটকায়। বলিরেখা মুছে ত্বকে ফিরে আসে তারুণ্য।

তথ্যসূত্র: এনডিটিভি


   Page 1 of 16
     লাইফস্টাইল
মাইগ্রেনের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কার্যকরী ঘি
.............................................................................................
সর্দি-কাশি মানেই ‘করোনা’ নয়! এই ঘরোয়া উপায়ে দূর করুন
.............................................................................................
কালোজামের ঔষধিগুণ
.............................................................................................
লিচু খেলে কী হয়
.............................................................................................
বৃষ্টি দিনের প্রস্তুতি
.............................................................................................
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে `ইমিউনিটি সন্দেশ`
.............................................................................................
সুস্থ থাকতে যা মেনে চলা জরুরি
.............................................................................................
চুলে মেহেদি ব্যবহারের যত উপকার
.............................................................................................
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে যেভাবে খাবেন কাঁচা হলুদ
.............................................................................................
কাপড়ে কালির দাগ তোলার ৪ উপায়
.............................................................................................
ছাতুর শরবত
.............................................................................................
লকডাউনে ত্বকের যত্ন
.............................................................................................
ঘরবন্দি সময়ে বারান্দায় ও ছাদে লাগাতে পারেন যেসব গাছ
.............................................................................................
ঈদে স্পেশাল নওয়াবি সেমাই
.............................................................................................
ইফতারে পুষ্টিকর বাঙ্গি
.............................................................................................
সর্দি-কাশি কমাবে হলদি দুধ
.............................................................................................
মাস্ক পরিষ্কার রাখবেন যেভাবে
.............................................................................................
যে কারণে কাপড়ের মাস্ক পরার পরামর্শ দিলেন দেবী শেঠি (ভিডিও)
.............................................................................................
যেসব লক্ষণে বুঝবেন কিডনিতে পাথর জমেছে
.............................................................................................
জেনেনিন বিয়ের আগে যা জানা উচিত
.............................................................................................
হঠাৎ হার্ট অ্যাটাক হলে তাৎক্ষণিক যা করবেন
.............................................................................................
বন্ধ্যাত্ব এবং এর কারণগুলো
.............................................................................................
চুল ঝরে যাওয়া রোধে কার্যকরী লাল শাক
.............................................................................................
পেঁয়াজ খেলে যৌন ক্ষমতা ৩ গুণ বৃদ্ধি পাবে
.............................................................................................
মোটা পুরুষেরাই বেশি সক্রিয় শারীরিক সম্পর্কে!
.............................................................................................
গাঢ় লিপস্টিক পরলে কি ঠোঁট কালো হয়?
.............................................................................................
যেসব খাবার এড়িয়ে চলেবন এই শীতে
.............................................................................................
শীতে পায়ের দুর্গন্ধে করণীয়!
.............................................................................................
খালি পেটে ভুল করেও কোন সিদ্ধান্ত নেবেন না!
.............................................................................................
শীত মৌসুমে মেসতার দাগে করণীয়
.............................................................................................
শীতকাল এলেই বিয়ের ধুম পড়ে যায় কেন?
.............................................................................................
যে কারণে প্রতিদিন সকালে এক কোয়া কাঁচা রসুন খাবেন
.............................................................................................
চুল সবচেয়ে সুন্দর রাখবে যেসব হেয়ারমাস্ক
.............................................................................................
জীবনে এই চার মন্ত্র রপ্ত করলেই আপনি সফল!
.............................................................................................
আসছে শীত, নিজেই তৈরি করে নিন পেট্রোলিয়াম জেলি
.............................................................................................
শীত না আসতেই ঠোঁট খসখসে? নজর দিন লিপস্টিকে
.............................................................................................
মাথায় চুলকানি? দূর করবে এই ৫ তেল
.............................................................................................
বেকারত্বের চেয়ে কম বেতনের চাকরি খারাপ!
.............................................................................................
পুরুষদের জন্য গর্ভনিরোধক ইনজেকশন!
.............................................................................................
রান্নাঘরের এসব উপাদানেই ত্বক থাকবে ঝকঝকে
.............................................................................................
দাম্পত্য সম্পর্ক ভালো রাখতে করুন আর্ট থেরাপি
.............................................................................................
পুষ্টিগুণ ঠিক রাখতে যেভাবে রান্না করতে হবে
.............................................................................................
গ্রিন টি ফেসিয়াল
.............................................................................................
মাইগ্রেনের যন্ত্রণায় কাতর?
.............................................................................................
মানসিক চাপ দূর করে লবঙ্গ !
.............................................................................................
ত্বক সুন্দর হবে টমেটো ব্যবহারে
.............................................................................................
নিয়মিত মাসাজের গুণ
.............................................................................................
গাজরের গুন
.............................................................................................
ওজন বাড়ানোর ৭ উপায়
.............................................................................................
দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় আদা
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD