| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * শিশু ধর্ষণ মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কেন দেয়া হবে না : হাইকোর্ট   * মতিউর রহমানসহ ছয়জনকে গ্রেফতার ও হয়রানি না করার নির্দেশ   * প্রিন্স হ্যারি-মেগান রাজকীয় পদবি হারাচ্ছেন   * ইয়েমেনে সামরিক প্রশিক্ষণ শিবিরে হামলায় নিহত ৬০   * যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের ওপর `বিপজ্জনক আক্রমণ` : ট্রাম্পের আইনজীবী   * মাঘের শুরুতেই বৃষ্টিতে ভিজলো রাজশাহী   * আওয়ামী লীগ ও নৌকার ব্যাকগ্রাউন্ড লাগে না : আতিকুল ইসলাম   * গণমাধ্যমের স্বাধীনতার কোন সম্পর্ক নেই গ্রেফতারি পরোয়ানার সঙ্গে   * নারীর আয়ে ৬৪ দেশের শীর্ষে বাংলাদেশ   * ওজনের কারণে ট্রাকে করে নেওয়া হলো গ্রেপ্তারকৃত আইএস নেতা নিমাহ  

   লাইফস্টাইল -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
মোটা পুরুষেরাই বেশি সক্রিয় শারীরিক সম্পর্কে!

লাইফস্টাইল ডেস্ক

অতিরিক্ত ওজন হওয়ার অনেক অসুবিধাগুলো এবং স্বাস্থ্যের ঝুঁকি রয়েছে তবে পুরুষের যৌন জীবন এর ব্যতিক্রম, এমনটাই জানাচ্ছে গবেষণা। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, পাতলা পুরুষের তুলনায় মোটা পুরুষেরা যৌন জীবনে বেশি সক্রিয় ও আত্মবিশ্বাসী হন।


নিয়মিত যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হন এমন প্রায় পাঁচ হাজার ব্রিটিশের উপর জরিপ করার পরে যুক্তরাজ্যের অ্যাংলিয়া রুসকিন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী এবং গবেষকরা এই আকর্ষণীয় সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে, মোটা পুরুষরা পাতলা পুরুষদের চেয়ে বেশি যৌন সম্পর্কে মিলিত হতে সক্ষম। জরিপ প্রকাশিত হয়েছিল পিএলওএস ওয়ান জার্নালে। আশ্চর্যজনকভাবে, বেশি মোটা পুরুষেরা পাতলা পুরুষদের তুলনায় যৌনমিলনে বেশি আত্মবিশ্বাসী।


পর্যবেক্ষণ বলছে, স্বাস্থ্যবান ব্যক্তিদের বেশি সুখী এবং সন্তোষজনক সম্পর্কের সম্ভাবনা রয়েছে। গবেষক ডক্টর লী স্মিথ বলেন, আমি বিশ্বাস করি যে, স্বাস্থ্যবান পুরুষেরা সহজেই স্ত্রীর সঙ্গে স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে পারেন কারণ তারা আকৃতিগতভাবে খুব বেশি আকর্ষণীয় না হওয়ায় অন্যরা সহজে আকৃষ্ট হয় না। সুতরাং তারা তাদের পারিবারিক জীবনেই মনোযোগী হন এবং ঘন ঘন যৌন ক্রিয়ায় লিপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

 

ওজন কমানোর আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন তাদের জন্য এটি স্বস্তিদায়ক তথ্য বটে। এদিকে অন্যান্য জরিপে দেখা গেছে, অতিরিক্ত ওজনযুক্ত ব্যক্তি বা উচ্চতর বিএমআইযুক্ত ব্যক্তিরা যৌন সমস্যায় ভোগেন। ওয়েবএমডি-তে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন অনুসারে, ৩০% পর্যন্ত স্থূল লোকেরা তাদের ওজন নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা করেন এবং সেক্স ড্রাইভ, আকাঙ্ক্ষা, পারফর্মেন্স বা তিনটি ক্ষেত্রেই সমস্যা চিহ্নিত করেন। সর্বশেষ গবেষণায় দেখা যায়, এই শারীরিক সমস্যাগুলো স্থুলতার পাশাপাশি অবস্থান করছে।


দেখতে আকর্ষণীয় হওয়া কিংবা সেলিব্রেটিদের মতো হওয়ার জন্য ওজন কমানোর চেষ্টা থাকলে আজই সেই মনোভাব বাদ দিন। কারণ এর থেকে অনেক বেশি জরুরি নিজের একটি নিখুঁত বিএমই (বডি ম্যাস ইনডেক্স) বা ওজন ও উচ্চতার সমন্বয় করা। যেহেতু বলা হয়ে থাকে স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। আপনি সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হলে মন এমনিতেই ভালো থাকবে এবং ব্যক্তি ও যৌন জীবনে সুখী থাকবেন।

 
মোটা পুরুষেরাই বেশি সক্রিয় শারীরিক সম্পর্কে!
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক

অতিরিক্ত ওজন হওয়ার অনেক অসুবিধাগুলো এবং স্বাস্থ্যের ঝুঁকি রয়েছে তবে পুরুষের যৌন জীবন এর ব্যতিক্রম, এমনটাই জানাচ্ছে গবেষণা। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, পাতলা পুরুষের তুলনায় মোটা পুরুষেরা যৌন জীবনে বেশি সক্রিয় ও আত্মবিশ্বাসী হন।


নিয়মিত যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হন এমন প্রায় পাঁচ হাজার ব্রিটিশের উপর জরিপ করার পরে যুক্তরাজ্যের অ্যাংলিয়া রুসকিন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী এবং গবেষকরা এই আকর্ষণীয় সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে, মোটা পুরুষরা পাতলা পুরুষদের চেয়ে বেশি যৌন সম্পর্কে মিলিত হতে সক্ষম। জরিপ প্রকাশিত হয়েছিল পিএলওএস ওয়ান জার্নালে। আশ্চর্যজনকভাবে, বেশি মোটা পুরুষেরা পাতলা পুরুষদের তুলনায় যৌনমিলনে বেশি আত্মবিশ্বাসী।


পর্যবেক্ষণ বলছে, স্বাস্থ্যবান ব্যক্তিদের বেশি সুখী এবং সন্তোষজনক সম্পর্কের সম্ভাবনা রয়েছে। গবেষক ডক্টর লী স্মিথ বলেন, আমি বিশ্বাস করি যে, স্বাস্থ্যবান পুরুষেরা সহজেই স্ত্রীর সঙ্গে স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে পারেন কারণ তারা আকৃতিগতভাবে খুব বেশি আকর্ষণীয় না হওয়ায় অন্যরা সহজে আকৃষ্ট হয় না। সুতরাং তারা তাদের পারিবারিক জীবনেই মনোযোগী হন এবং ঘন ঘন যৌন ক্রিয়ায় লিপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

 

ওজন কমানোর আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন তাদের জন্য এটি স্বস্তিদায়ক তথ্য বটে। এদিকে অন্যান্য জরিপে দেখা গেছে, অতিরিক্ত ওজনযুক্ত ব্যক্তি বা উচ্চতর বিএমআইযুক্ত ব্যক্তিরা যৌন সমস্যায় ভোগেন। ওয়েবএমডি-তে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন অনুসারে, ৩০% পর্যন্ত স্থূল লোকেরা তাদের ওজন নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা করেন এবং সেক্স ড্রাইভ, আকাঙ্ক্ষা, পারফর্মেন্স বা তিনটি ক্ষেত্রেই সমস্যা চিহ্নিত করেন। সর্বশেষ গবেষণায় দেখা যায়, এই শারীরিক সমস্যাগুলো স্থুলতার পাশাপাশি অবস্থান করছে।


দেখতে আকর্ষণীয় হওয়া কিংবা সেলিব্রেটিদের মতো হওয়ার জন্য ওজন কমানোর চেষ্টা থাকলে আজই সেই মনোভাব বাদ দিন। কারণ এর থেকে অনেক বেশি জরুরি নিজের একটি নিখুঁত বিএমই (বডি ম্যাস ইনডেক্স) বা ওজন ও উচ্চতার সমন্বয় করা। যেহেতু বলা হয়ে থাকে স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। আপনি সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হলে মন এমনিতেই ভালো থাকবে এবং ব্যক্তি ও যৌন জীবনে সুখী থাকবেন।

 
গাঢ় লিপস্টিক পরলে কি ঠোঁট কালো হয়?
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক

একটু পরিপাটি না হয়ে বাইরে বের হতে চান না বেশিরভাগ তরুণীই। নিজেকে সুন্দর করে সাজাতে লিপস্টিকের ব্যবহার করেন। কারও কারও গাঢ় শেড বেশি পছন্দ লিপস্টিকের ক্ষেত্রে। তবে অনেকে ভয় করেন, নিয়মিত গাঢ় রঙের লিপস্টিক ব্যবহার করলে ঠোঁট কালো হয়ে যেতে পারে! ঠোঁট যাতে কালো হয়ে না যায় সেজন্য আপনাকেই যত্নশীল হতে হবে।

নিয়মিত বাড়ি ফিরে ঠোঁট পরিষ্কার করুন এবং লিপস্টিকের সর্বশেষ চিহ্নটুকুও মুছে ফেলুন যত্ন নিয়ে। ঠোঁটের আর্দ্রতায় কোনো ঘাটতি যেন না পড়ে, সে বিষয়ে যত্নবান হতে হবে। সারাদিনে যতবার মুখ ধুচ্ছেন বা কুলকুচি করছেন, ততবার মুখ-ঠোঁট মুছে প্রথমে লিপ বাম লাগান, তারপর লিপস্টিক টাচআপ করুন।


ঠোঁটে এমন লিপ বাম ব্যবহার করতে হবে যার মধ্যে সান প্রোটেকশন ফ্যাক্টর বা এসপিএফ আছে। কারণ ত্বকের মতো আপনার ঠোঁটেও কালচেভাব ফেলতে পারে সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি।


ত্বকের পাশাপাশি ঠোঁটেরও এক্সফোলিয়েশন একান্ত প্রয়োজনীয়। সর, মধু আর লেবুর রসের মিশ্রণ তৈরি করে ঠোঁটে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে সামান্য চিনি নিয়ে ঠোঁটের উপর চক্রাকারে ঘষুন। এর ফলে সমস্ত মৃত কোষ সরে যাবে।


এরপরেও যদি মনে হয় যে ঠোঁটের কালচেভাব বাড়ছে ক্রমশ, তাহলে বদলে ফেলুন আপনার টুথপেস্ট। টুথপেস্টের কোনো বিশেষ উপাদান থেকে অ্যালার্জির কারণেও ঠোঁটের স্বাভাবিক রং বদলে গাঢ় হয়ে যেতে পারে।

 

ঠোঁটের রং কালো হয়েই যায়, তাহলে কীভাবে দূর করবেন? এক্ষেত্রে আপনি একজন ডার্মাটোলজিস্টের সঙ্গে কথা বলে নিতে পারেন। কারণ কোনো শারীরিক সমস্যা থেকে এই পিগমেন্টেশন হচ্ছে কিনা, তা জেনে নেয়া দরকার।

ঠোঁটের কালচেভাব দূর করার জন্য নারিকেল তেলের পরত লাগান ঠোঁটে- তা ময়েশ্চরাইজার হিসেবে কাজ করবে, ঠোঁটের স্বাভাবিক রং বজায় রাখতেও সাহায্য করবে।

লেবুর রস আর মধু মিশ্রণ বানিয়ে প্রতিদিন একবার করে ঠোঁটে লাগিয়ে দেখতে পারেন, ব্যবহার করা যায় অ্যালোভেরাও। শসার রস আর বেদানার রসও ঠোঁটের স্বাভাবিক রং ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।

 
যেসব খাবার এড়িয়ে চলেবন এই শীতে
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক

সহজে হজম হয় ও শরীরে চর্বি জমবে না এমন খাবার খাওয়া উচিত।

পুষ্টি-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে শীতকালে এড়িয়ে চলা ভালো এমন কয়েকটি খাবারের তালিকা এখানে দেওয়া হল।

গরম কফি: শীতকালে এক কাপ গরম কফি মানে অমৃত। তবে এই সময় অনেকেই কফি না খাওয়ার পরামর্শ দেন। কারণ কফি ক্যাফেইন সমৃদ্ধ যা শরীরে পানি স্বল্পতার সৃষ্টি করে। গরমকালের তুলনায় এই সময় মানুষ স্বাভাবিকভাবেই পানি কম পান করেন। তাই এই সময় কফি খাওয়া শরীরে পানি স্বল্পতার অন্যতম কারণ। কফি খুব বেশি খেতে ইচ্ছা করলে এর পরিবর্তে ‘হট চকলেট’ খেতে পারেন। আর কফি বা চা খাওয়া হলেও পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে মনে করে।

টমেটো: গরমকালের শেষের দিকে যে টমেটো পাওয়া যায় তা বেশ সুস্বাদু। শীতকালে টমেটো দেখতে সুন্দর লাল টসটসে হলেও এর স্বাদ হয় ঠিক বিপরীত। তাই টমেটো শীতকালে না খেয়ে বরং গরমকালেই খাওয়া ভালো।

বেইক করা খাবার: এক কাপ গরম চকলেট এবং মাত্র বেইক করা বিস্কুট যেন এক অসাধারণ জুড়ি। খেতে মজাদার হলেও আমরা এর হজম হওয়া নিয়ে খুব একটা চিন্তা করি না। শীতকালে স্যাচুরেইটেড ফ্যাট ধীর গতিতে হজম হয়। ফলে চর্বি জমতে থাকে। এই সময় শারীরিক পরিশ্রম কম হয়, বেইক করা খাবার স্যাচুরেইটেড ফ্যাট সমৃদ্ধ যা হজম হতে সময় লাগে। তাই এই ঋতুতে বেইক করা খাবার এড়িয়ে চলা ভালো।

মরিচ: শীতকালে ঝাল খাবার নাক বন্ধ সমস্যায় খুব ভালো কাজ করে। তাছাড়া ঝাল খাবার খাওয়া হলে তা ঠাণ্ডা ও সাইনাসের সমস্যা জন্যেও ভালো। তবে পেটের জন্য মোটেও উপকারী নয়। সহজে হজম হয় এবং অতিরিক্ত ঝাল নয় এমন খাবার খাওয়া উচিত। শীত ঋতুতে অতিরিক্ত ঝাল খাওয়া বাদ দিন। আর শীত থেকে উষ্ণ রাখবে এমন খাবার খান। ঝাল মরিচের বদলে গোল মরিচ ও আদা এক্ষেত্রে উপকারী।

প্যাকেটজাত সবজি: আগে থেকে কাটা, বাছা ও পরিষ্কার করা সবজি হাতের কাছে পাওয়া বেশ আরামদায়ক। তবে এগুলো মোটেও স্বাস্থ্যকর নয়। সবজি কাটা, বাছা করা ও ধোয়া কষ্টকর হলেও এতে থাকা ভিটামিন অক্ষত থাকে। তাই বাজার থেকে প্যাকেটজাত সবজি পাওয়া যতই সহজলভ্য হোক না কেনো তা ব্যবহার না করাই ভালো।

শীতে পায়ের দুর্গন্ধে করণীয়!
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক

শীতে পায়ে দুর্গন্ধ হয় অনেকের। জুতা খুললেই পায়ের এমন দুর্গন্ধ এলে, এমন পরিস্থিতিতে অন্যদের কাছে বেশ বিব্রত হতে হয়।


রেই পায়ের দুর্গন্ধ দূর করতে যা করতে হবে:


• সৌন্দর্য সাবানের পরিবর্তে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল সাবান দিয়ে নিয়মিত পা পরিষ্কার রাখতে হবে
• বাইরে থেকে ফিরে হালকা গরম পানিতে পুদিনাপাতা ও বেকিং সোডা দিয়ে ১০ মিনিট পা ভিজিয়ে রাখুন, চাইলে সঙ্গে কোনো সুগন্ধি শ্যাম্পু দিয়ে নিতে পারেন
• সপ্তাহে অন্তত দু’দিন স্ক্রাব করে মরাকোষ পরিষ্কার রাখতে হবে
• এক লিটার হালকা গরম পানিতে আধা কাপ অ্যাপল সিডার ভিনেগার দিয়ে পা ১০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন
• প্রতিবার পা ধুয়ে পরিষ্কার শুকনো টাওয়াল দিয়ে চেপে চেপে মুছে নিন। ভেজা পায়ে জুতা-মোজা পরবেন না
• দীর্ঘ সময় জুতা মোজা পরে থাকবেন না, সম্ভব হলে অফিসের জন্য আলাদা স্যান্ডেল রাখুন
• প্রতিদিনই ধোয়া-পরিষ্কার সুতির মোজা ব্যবহার করুন ‍
• জুতার ভেতর ট্যালকম পাউডার, বরিক এসিড পাউডার বা দুর্গন্ধনাশক ব্যবহার করতে পারেন
• চামড়া বা কাপড়ের জুতা ব্যবহার করুন। এতে বাইরের বাতাস জুতার ভেতর যাওয়া-আসা করতে জুতা পারবে, ফলে ঘামবে কম
• সপ্তাহে অন্তত একদিন জুতা রোদে দিন। তাই এক জোড়া জুতাই পর পর দুই দিন ব্যবহার না করে কয়েক জোড়া জুতা রাখুন
• শীতের সময়ে পায়ে নিয়মিত ভালোমানের ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

এসব করার পরও যদি পায়ে দুর্গন্ধ হয়, তবে অবশ্যই বিষেশজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

খালি পেটে ভুল করেও কোন সিদ্ধান্ত নেবেন না!
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক


খালি পেটে ভুল করেও কোন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেবেন না। কারণ খালি পেটে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিলেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে আপনি বড় কোন ভুল করতে পারেন। গবেষণা করে এই বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছেন সুইডেনের একদল গবেষক। এর পিছনে রয়েছে ঘ্রেলিন নামক একটি হরমোন। কারণ এই হরমোনটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং আবেগের উপরে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

খালি পেটে থাকলে অথবা খাওয়ার আগে শরীরে এই হরমোনটির নিঃসরণ হয়। সুইডেনের গোটেনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্লগ্রেনস্কা অ্যাকাডেমির গবেষকরা এমনটাই দাবি করেছেন।

তাদের মতে, গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, খালি পেটে থাকলে অথবা খাওয়ার আগে শরীরে ঘ্রেলিন নিঃসরণের পরিমাণ অনেকটাই বেড়ে যায়। যার সরাসরি প্রভাবে মস্তিষ্ক আবেগতাড়িত হয়ে পড়ে এবং যুক্তিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।
ইঁদুরদের উপরে নির্দিষ্ট কিছু পদ্ধতিতে গবেষণা চালিয়েই এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন গবেষকরা। ইঁদুরগুলোর মস্তিষ্কে ঘ্রেলিন হরমোনটি ঢুকিয়ে দিয়ে তাঁদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করেছিলেন তারা।

শীত মৌসুমে মেসতার দাগে করণীয়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক

শীতের সময়ে সঠিক যত্ন না নিলে, ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। মুখে গাঢ় কালো বা বাদামি দাগ বসে মেসতা হতে পারে। মনে রাখতে হবে, মেসতার দাগ দ্রুত যায় না। এর পেছনে সময় দিতে হবে এবং ধৈর্য রাখতে হবে। মেসতা হলে দুশ্চিন্তা না করে যত্ন নিন। মেনে চলুন নিয়মগুলো তাহলেই দূর হবে অবাঞ্চিত মেসতার বিরক্তিকর দাগ।


যা করতে হবে:

• মেসতা কার্যকরভাবে মোকাবিলা করার জন্য দিনে অন্তত দুই লিটার পানি পান করুন এবং পর্যাপ্ত ঘুমান

• ত্বকে বাইরে বেরোনো বা রান্নার সময় কখনই সানস্ক্রিন ক্রিম লাগাতে ভুলবেন না


• সপ্তাহে অন্তত একবার চালের গুঁড়া ও টকদই দিয়ে নিয়মিত মুখে স্ক্র্যাবিং করতে হবে। এতে মুখের অবাঞ্ছিত দাগ অনেকটাই কমে যাবে

• মেসতার বসে যাওয়া দাগ দূর করতে এক চা চামচ করে মুলতানি মাটি, চন্দনের গুঁড়া, টক দই ও মধু একসঙ্গে মিশিয়ে নিন।

• স্ক্র্যাবের জন্য চিনির গুঁড়া ও অলিভ অয়েল দিয়ে হালকা মাসাজ করে রেখে দিন, ২০ মিনিট পর পাতলা কাপড় দিয়ে ঘষে তুলে ফেলুন

• এছাড়া গোলাপজল ও সমপরিমাণ লেবুর রসের সঙ্গে শসা অথবা আলুর রস মিশিয়ে তুলার সাহায্যে মেসতার দাগে লাগাতে হবে। এতে ধীরে ধীরে মেসতার দাগ কমে আসবে

• ত্বকে কোমল রাখতে হালকা ক্লিনজার দিয়ে ত্বক পরিষ্কার রাখুন ও নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

যদি দেখেন মেসতার দাগ যাচ্ছেই না, তবে অবহেলা না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

শীতকাল এলেই বিয়ের ধুম পড়ে যায় কেন?
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক

শীতকে বলা হয় বিয়ের মৌসুম। কারণ শীতকাল এলেই বিয়ের ধুম পড়ে যায়। প্রতিবছর শীতে নিশ্চয়ই অনেকগুলো করে বিয়ের দাওয়াত পেয়ে থাকেন? একটু ভেবে বলুন তো, শীত এলেই কেন চারপাশে বিয়ের এত আয়োজন? এভাবে ভেবে দেখেননি? তাহলে জেনে নিন-

ছুটি: ডিসেম্বর মাসে ছেলেমেয়েদের বার্ষিক পরীক্ষার শেষে স্কুল বন্ধ থাকে। এসময় তাদের সঙ্গে ছুটি মিলিয়ে বড়রাও সহজে বেড়াতে যেতে পারেন। আর এই সুযোগেই সব আত্মীয়-পরিজন একত্রিত হতে পারেন। বছরের অন্যান্য সময় সবাইকে একত্রে পাওয়া এমন সহজ হয় না। তাই বিয়ের জন্য বেশিরভাগ মানুষ শীতকালই বেছে নেন।


খাওয়া দাওয়া: গরমের সময়ে খেতে হয় রয়ে-সয়ে। খাবারে একটু এদিক-সেদিক হলেই পেটের ভেতর গুড়গুড় শুরু হয়ে যায়। কিন্তু শীতকালে সেই চিন্তা নেই। এমনিতেই নানা পিঠাপুলি পেট ভরে খাওয়া হয়, পাশাপাশি দাওয়াতেও খাওয়া যায় কবজি ডুবিয়ে। আর বিয়ে মানেই বিশেষ খানাপিনা। তাই বিয়ের জন্য শীতকালই উপযুক্ত সময়।

 

খাটা-খাটনি: গরমের দিনে একটু পরিশ্রম করলেই হাপিয়ে উঠতে হয়। ঘেমেনেয়ে একাকার হতে হয়। কিন্তু শীতে সেই ভয় একদমই নেই। বরং কাজ করলে শীতের অনুভূতিটা কম হয়। বিয়েতে হাজারটা কাজ করার লোকের অভাব হয় না। সবাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজ করে দিতে আগ্রহী থাকে। তাই এসময় বিয়ের ধুম পড়ে যায়।


ফুলের সাজ: ফুল ছাড়া আবার বিয়ে হয় নাকি! আর কে না জানে, শীত মানেই ফুলে ফুলে রঙিন চারদিক। হাত বাড়ালেই ফুল আর ফুল। ফুলের সহজলভ্যতা বিয়ের উৎসবকে আরও বেশি জমকালো আর অভিজাত করে তোলে। ফুলের রঙ আর গন্ধে মন ভালো হয়ে যায় সবার।


সাজ: বরের সাজ নিয়ে খুব বেশি মাথাব্যথা না হলেও চলে কিন্তু কনের সাজ? বিয়ের সাজে কনেকে দেখতে সবার থেকে সুন্দর লাগা চাই। আর তাইতো মনের মতো করে সাজতে চান প্রত্যেক কনেই। কিন্তু গরমের সময়ে তা কতটুকু সম্ভব? যত দামি প্রসাধনীই ব্যবহার করা হোক না কেন, গরমে ঘেমে সব নষ্ট হবে। আর শীতে? যত খুশি সাজুন, নষ্ট হওয়ার এতটুকু ভয় নেই।


হানিমুন: শীতের সময়টা ঘোরাঘুরির জন্য উপযুক্ত সময়। তাই এসময় বিয়ে এবং এর পরে হানিমুনে ঘোরাঘুরিটা জমে বেশ। পরস্পরের পাশাপাশি থেকে উষ্ণতাও ভাগাভাগি, সেই সুযোগে সঙ্গীকে চিনে নেয়া, জেনে নেয়া। তাই বিয়ে এবং হানিমুনের জন্য শীতের সময়টাই উপযুক্ত।

যে কারণে প্রতিদিন সকালে এক কোয়া কাঁচা রসুন খাবেন
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক

সকালে খালি পেটে রসুন খাওয়ার কথা প্রায়ই শুনে থাকেন কিন্তু এটি কতটুকু উপকারী তা নিয়ে সংশয়ে থাকেন অনেকেই। তাহলে শুনুন বিশেষজ্ঞরা কী বলে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সকালে খালি পেটে এক কোয়া রসুন খেলে প্রতিদিনের অনিয়ম, যখন তখন ডায়েট ভাঙার কুপ্রভাব অনায়াসেই নাকি ঢেকে দিতে পারে।

প্রাকৃতিকভাবে অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে ঠাসা রসুনের অনেক কার্যকরী দিক রয়েছে। খালি পেটে এটি খেলে এর রস সহজে শরীরকে ডিটক্সিফাই করতে পারে বেশি। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মেটাবলিক রেটও একটু বেশি থাকে। তাই খালিপেটে এটি খেলে উপকার মেলে।

ক্রনিক ঠান্ডা লাগার অসুখ যাদের, খালিপেটে এককোয়া রসুন তাদের জন্য খুব উপকারী। একটানা দু’সপ্তাহ সকালে রসুন খেলে ঠান্ডা লাগার প্রবণতা অনেকটা কমে।


অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে ঠাসা রসুন রক্তকে পরিশুদ্ধ রাখে। রক্তে উপস্থিত শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে রসুন।


শরীরকে ডিটক্সিফাই করার কাজে লাগে রসুন। সকালে খালিপেটে রসুনের কোয়া খেলে সারা রাত ধরে চলা বিপাকক্রিয়ার কাজ যেমন উন্নত হয়, তেমনই শরীরের দূষিত টক্সিনও মূত্রের মাধ্যমে বেরিয়ে যেতে পারে।


হার্টের রোগীদের ক্ষেত্রে রসুন বিশেষ কার্যকরী। হৃদস্পন্দনের হার নিয়ন্ত্রণ করতে ও হৃদপেশীর দেয়ালে চাপ কমাতে কাজে আসে এটি।

রক্ত সঞ্চালন ঠিক রাখে রসুন। কমায় রক্তবাহ নালীর উপর রক্তের চাপও। তাই উচ্চ রক্তচাপের অসুখে ভুগছেন এমন রোগীদের ডায়েটে থাকুক রসুন।


কিছু ভাইরাস ও সংক্রমণজনিত অসুখ- যেমন ব্রংকাইটিস, নিউমোনিয়া, হাঁপানি, হুপিং কাফ ইত্যাদি প্রতিরোধে রসুনের ভূমিকা অনেক। স্নায়বিক চাপ কমিয়ে মানসিক চাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সক্ষম এই রসুন।

যকৃত ও মূত্রাশয়কে নিজের কাজ করতে সাহায্য করে রসুন। এছাড়া পেটের নানা গোলমাল ঠেকাতে, হজমের সমস্যা মেটাতেও রসুন বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

চুল সবচেয়ে সুন্দর রাখবে যেসব হেয়ারমাস্ক
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক

চুলের নানা সমস্যা যখন প্রকট হয় আর নানা উপায় কাজে লাগিয়েও কোনো উপকার পাওয়া যায় না, তখন নিজের চুল নিজেরই ছিঁড়তে ইচ্ছে করে! বছরের অন্যান্য সময় যেমন-তেমন, শীত এলে তো চুলে আরও বেশি সমস্যা দেখা দেয়।

এই সময়ে চুল সবচেয়ে বেশি ঝলমলে ও সুন্দর রাখতে চাইলে ব্যবহার করতে হবে কিছু হেয়ারমাস্ক। তবে তা তৈরি করে নিতে পারবেন ঘরোয়া কিছু উপাদান দিয়েই। সেইসঙ্গে পান করতে হবে প্রচুর পানি এবং খেতে হবে পুষ্টিকর খাবার। কারণ ভেতর থেকে পুষ্টি না পৌঁছালে হেয়ারমাস্ক কাজ করবে না।

ডিম, তেল মধু: ডিমের কুসুম, মধু, আর দুই টেবিল চামচ আপনার পছন্দের তেল নিন। আমন্ড অয়েল, অলিভ অয়েল বা নারিকেলের তেলের যেকোনো একটি ব্যবহার করুন। ভালো করে ফেটিয়ে নিন। এর মধ্যেও কয়েক ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল মেশাতে পারেন। তার পর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে কন্ডিশনার লাগিয়ে নিতে হবে।


নারিকেল তেল, মধু, লেবুর রস: শীতের দিনে অনেকের স্ক্যাল্পেই প্রচুর খুশকি জন্মায়। চুল নরম রাখার পাশাপাশি তাকে খুশকিমুক্ত রাখতেও সাহায্য করবে এই বিশেষ মাস্কটি। তিনটিকে খুব ভালো করে মিশিয়ে মাথায় লাগান, এক ঘণ্টা অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন। শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার লাগানো বাধ্যতামূলক।

অ্যালোভেরা, মধু, নারিকেল তেল: দুই টেবিল চামচ ফ্রেশ অ্যালো ভেরা জুস, দুই টেবিলচামচ এক্সট্রা ভার্জিন নারিকেল তেল আর এক চাচামচ মধু একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। তার পর চুলের আগা থেকে গোড়া ভালো করে মাখান। এক ঘণ্টা প্যাকটা চুলে বসতে দিন। তার পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে কন্ডিশনার লাগিয়ে নিন ভালো করে। তিন মিনিট পর কন্ডিশনার ধুয়ে নিন। কন্ডিশনার যেন মাথার তালু পর্যন্ত না পৌঁছায়, সেদিকে লক্ষ রাখবেন।

 

অ্যাভোকাডো, ডিম, তেল: পাকা অ্যাভোকাডোর শাঁস, ডিমের কুসুম, অলিভ অয়েল ভালো করে মিশিয়ে নিন। তার চুলে লাগিয়ে মাথায় শাওয়ার ক্যাপ পরে থাকুন ঘণ্টাখানেকের জন্য। আগে চুল ভালো করে ধুয়ে নিন। তারপর শ্যাম্পু করে নিন।


নারিকেলের দুধ: এককাপ নারিকেল কুরিয়ে আধাকাপ গরম পানতে ভিজিয়ে রাখুন দশ মিনিট। তারপর ব্লেন্ডারে ভালো করে পিষে ছেঁকে নিন। নারিকেলের গাঢ় দুধ আর মধু মিশিয়ে চুলে ভালো করে মাখিয়ে নিন। একটা তোয়ালে গরম পানিতে ভিজিয়ে নিয়ে মাথায় জড়িয়ে রাখুন। এক ঘণ্টা গরম পানির ভাপ চুলে বসার পর শ্যাম্পু করে নিন।


ডিম ও দই: আপনার চুল স্বাভাবিক হলে পুরো ডিম নিন। তেলতেলে হলে বাদ দেবেন কুসুম, রুক্ষ হলে সাদা ভাগ। এর মধ্যে দুই টেবিল চামচ পানি ঝরানো দই মিশিয়ে নিন। তীব্র গন্ধ বেরোবে, তাই এই প্যাকে দু’-এক ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েলও মিশিয়ে নিতে পারেন। মাথায় লাগিয়ে আধাঘণ্টা রাখুন। তারপর শ্যাম্পু আর কন্ডিশনার ব্যবহার করে ধুয়ে নেবেন।

জীবনে এই চার মন্ত্র রপ্ত করলেই আপনি সফল!
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক

চাওয়া আর পাওয়ার হিসাব মেলাতেই পার হয়ে যায় আমাদের একটা জীবন। মন ঠিক কী চায়, তা আমাদের মনও জানে না। কোনো একটি জিনিস পাওয়ার পরে মনে হয়, এটা নয় ওটা চাই! সারাক্ষণ শুধু দোলাচলে দুলতে থাকে। জীবনের কাছেও কিছু চাওয়া থাকতে পারে আপনার। কীসে সফলতা আসবে তা চিন্তা করার আগে চারটি বিষয়ে নজর রাখুন। যা-ই ঘটুক না কেন, এই বিষয়গুলোতে ছাড় দেবেন না।


তৈরি করুন নিজস্ব মূল্যবোধ: প্রত্যেকের জীবনেই স্বপ্ন থাকে। আপনিও নিশ্চয়ই ব্যতিক্রম নন! নিজের জীবনের স্বপ্ন আর সম্পর্ক নিয়ে কখনো ছেলেখেলা করবেন না। যদি আপনার মনে হয় যে সম্পর্কে আপনি আছেন তাই নিয়ে খুশি তাহলে সেরকমই থাকুন। তার ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তাভাবনা করুন। সময় দিন।


প্রশ্ন করুন নিজেকে: অন্যের মতামতকে গুরুত্ব দিন, তবে নিজের থেকে বেশি নয়। জীবনে কোনটা ঠিক, কোনটা ভুল সেটা অন্য কেউ বলে দেওয়ার আগে নিজে যাচাই করে নিন। কারণ আপনার মনের থেকে ভালো উত্তর আর কেউ দিতে পারবে না। তাই নিজে নিজের কাছে সৎ থাকুন। যদি মনে হয় যা করেছেন ঠিক করেছেন, তাহলে পৃথিবীর কেউ আপনাকে আটকাতে পারবে না।

 

প্যাশন বজায় রাখুন: ভালোবেসে অনেককিছুই জয় করা সম্ভব। তাই যে কাজই করবেন, ভালোবেসে করুন। সেই কাজের প্রতি যেন অবশ্যই আপনার কোনো প্যাশন থাকে। করতে হয়, তাই করছি এভাবে কোনো কাজ হয় না। আর করলেও তার স্থায়িত্ব বেশিদিন হয় না। কাজের প্রতি যত্নশীল থাকুন।


টাকা নিয়ে ভাববেন না: বাঁচতে হলে টাকার প্রয়োজন। কিন্তু কখনোই অতিরিক্ত টাকা টাকা করবেন না। আজ না থাকলেও অন্য একদিন নিশ্চয় আসবে। আর ইচ্ছে থাকলে জীবনে টাকার জন্য কিছুই আটকাবে না।

আসছে শীত, নিজেই তৈরি করে নিন পেট্রোলিয়াম জেলি
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক

শীত এলেই আমরা ত্বকের শুষ্কতা ও রুক্ষতা তাড়াতে নানা উপায় খুঁজে বের করি। যেসব জিনিস নিয়ে আমরা শীতকে মোকাবিলা করতে প্রস্তুত হই, তার মধ্যে একটি হলো পেট্রোলিয়াম জেলি। পেট্রোলিয়াম জেলির রাসায়নিক উপাদানগুলো আমাদের ত্বকের ছিদ্রগুলোর ওপর আস্তরণ তৈরি করে ত্বককে শুষ্কতা থেকে রক্ষা করে। কিন্তু অনেক সময় ধরে ব্যবহারের কারণে এটি ত্বকের ক্ষতিও করতে পারে ।


রাসায়নিক উপাদন ব্যবহার না করে ঘরে বসে প্রাকৃতিক উপাদান দিয়েই তৈরি করে নিতে পারেন আপনার প্রয়োজনীয় পেট্রোলিয়াম জেলি। চলুন জেনে নেয়া যাক-


পেট্রোলিয়াম জেলি তৈরিতে যা যা লাগবে:

২ টেবিল চামচ বিস ওয়াক্স
১/৮ কাপ অলিভ অয়েল
১/৪ কাপ নারিকেল তেল
টি ট্রি অয়েল কয়েক ফোটা।

 

যেভাবে তৈরি করবেন:

ছোট একটি সসপ্যানে পানি নিয়ে তাতে একটি পাত্র বসিয়ে নিন। ছোট পাত্রটির মধ্যে নারিকেল তেল এবং বিস ওয়াক্স দিয়ে মৃদু আঁচে গরম করুন। নারিকেল তেল ও বিস ওয়াক্স ভালোভাবে মিশে গেলে তা নামিয়ে রাখুন। এরপর এর সাথে অলিভ অয়েল এবং টি ট্রি এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে নিন।


সব উপাদান ভালোভাবে মিশে গেছে কিনা তা একবার দেখে নিন। এরপর কিছুক্ষণ ঠান্ডা হওয়ার জন্য অপেক্ষা করুন। যখন দেখবেন ঠান্ডা হয়ে ক্রিমের মতো দেখতে হয়েছে তখনই বুঝবেন পেট্রোলিয়াম জেলি প্রস্তুত।

এই পেট্রোলিয়াম জেলি সংরক্ষণের জন্য পরিষ্কার কাঁচের কৌটাতে রাখতে পারেন। এটি ৪ থেকে ৫ মাস পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারবেন।

শীত না আসতেই ঠোঁট খসখসে? নজর দিন লিপস্টিকে
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক

হালকা হোক কিংবা গাঢ়, যেকোনো রকম সাজগোজের অন্যতম উপাদান হলো লিপস্টিক। ডার্ক মেরুন বলুন আর হালকা গোলাপি- লিপস্টিক ছাড়া নারীর সাজে পূর্ণতা মেলে না যেন। কিন্তু শীতের শুরু হতে না হতেই এই লিপস্টিক নিয়ে চিন্তায় পড়তে হয়। কারণ বছরের অন্যান্য সময় নিশ্চিন্তে ম্যাট লিপস্টিক ব্যবহার করলেও এই শুষ্ক আবহাওয়ায় তা যেন সম্ভব হয় না। বরং ঠোঁট হয়ে পড়ে খসখসে। তাই এই সময় নজর দিন লিপস্টিকের দিকে-


গ্লসি লিপস্টিক: তেলতেলে ভাবের কারণে গ্লসি লিপস্টিককে সেকেলে বলে মনে করেন অনেকে। আশির দশকের চিত্রনায়িকাদের ছবি চোখে ভেসে ওঠে। কিন্তু গ্লসি লিপস্টিক এখন অনেক আধুনিক হয়েছে এবং ঠোঁট চকচক করে না আগের মতো, ঠোঁটের স্বাভাবিক আর্দ্র ভাবও বজায় থাকে। যারা ঠোঁট পুরন্ত আর সরস দেখাতে চান, তারা ম্যাটের বদলে গ্লসি লিপস্টিক বেছে নিন। শীতের দিনে ওয়াইন, বেরি আর ব্রাউন শেডের গ্লসি লিপস্টিক পরলে চমৎকার দেখাবে।


স্যাটিন লিপস্টিক: স্যাটিন লিপস্টিক টেক্সচার হলো সবচেয়ে সাধারণ আর চেনা টেক্সচার, যা শীতকালের জন্য সেরা। স্যাটিন লিপস্টিকে একটা ক্রিমের মতো ভাব আছে, যা শীতকালের পক্ষে একদম সঠিক। এই ধরনের লিপস্টিক ব্যবহার করলে ঠোঁটে একটা হালকা সুন্দর রঙের আভাস থাকে ঠিক টিন্টেড বামের মতোই, যা এই সময়ের পক্ষে আদর্শ পছন্দ।

 

ম্যাট লিপস্টিক: দীর্ঘদিন ধরে ম্যাট লিপস্টিক ব্যবহারের কারণে অন্যকিছু ভালো নাও লাগতে পারে। যারা এই সময়েও ম্যাট লিপস্টিকই ব্যবহার করতে চান, তাদের ঠোঁটের প্রতি আলাদা যত্নশীল হতে হবে। ম্যাট লিপস্টিক পরার আগে প্রথমে ঠোঁটে পেট্রোলিয়াম জেলি লাগিয়ে নিন যাতে ঠোঁট আর্দ্র থাকে। ব্রাশ ব্যবহার করে ঠোঁট এক্সফোলিয়েট করুন, এরপর লাগান লিপ বাম। তারপরে লিপস্টিক পরুন। এতে লিপস্টিকের ম্যাটি টেক্সচার খানিকটা কম হলেও আপনার ঠোঁট থাকবে সতেজ।

মাথায় চুলকানি? দূর করবে এই ৫ তেল
                                  


লাইফস্টাইল ডেস্ক

শীতের শুরু হতে না হতেই মুখে, হাত-পায়ে টান ধরতে শুরু করে। এই সমস্যা দেখা দেয় মাথার ত্বকেও। ধীরে ধীরে আমাদের স্ক্যাল্প শুকনো হয়ে যায়। বাড়ে খুশকির সমস্যা। সেইসঙ্গে মাথায় চুলকানি তো থাকেই। যখন তখন মাথা চুলকানোর কারণে পড়তে হয় অস্বস্তিতে। চুলের গোড়া দুর্বল হয়ে চুল পড়ার সমস্যাও শুরু হয়। চলুন জেনে নেয়া যাক মাথায় চুলকানির সমস্যা হলে তা দূর করার উপায়-


নারিকেল তেল: তালুর শুষ্কতার কারণেই মূলত মাথা চুলকায়। এই সমস্যা কমাতে দু’চামচ নারিকেল তেল বাটিতে নিয়ে গরম করুন। গরম তেলে তুলো ডুবিয়ে সারা মাথায় তেলটুকু লাগিয়ে মিনিট পাঁচেক মাসাজ করুন। সারারাত তেলটা রেখে দিন, সকালে কোমল শ্যাম্পু দিয়ে হালকা গরম পানিতে ধুয়ে নেবেন। সপ্তাহে দু’বার করলে স্ক্যাল্পের চুলকানি কমে যাবে।


টি ট্রি অয়েল: টি ট্রি অয়েল আমাদের স্ক্যাল্প আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া টি ট্রি অয়েল অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল আর অ্যান্টি-ফাঙ্গাল গুণে সমৃদ্ধ, ফলে সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে। তুলোয় করে কয়েক ফোঁটা টি ট্রি অয়েল নিয়ে মাথায় লাগান। পাঁচ মিনিট মাসাজ করুন। দু’ঘণ্টা রেখে শ্যাম্পু দিয়ে উষ্ণ গরম পানিতে ধুয়ে নিন।

 

অলিভ অয়েল: দু’ টেবিল চামচ অর্গানিক অলিভ অয়েল নিয়ে হালকা গরম করে নিন। এবার স্ক্যাল্পে, চুলের গোড়ায় গোড়ায় মাসাজ করুন যাতে তেল চুলে পুরো শুষে যায়। সারারাত রেখে দিন, সকালে উঠে শ্যাম্পু করে নিন। সপ্তাহে দু’বার করলে চুলকানি কমবে, চুলের স্বাস্থ্যও ভালো হবে।


পেপারমিন্ট অয়েল: ত্বক শীতল রাখতে পেপারমিন্ট অয়েল দারুণ কাজের। আধ চা চামচ পেপারমিন্ট এসেনশিয়াল অয়েলের সঙ্গে দেড় চা চামচ নারিকেল তেল বা অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন। এবার তুলো দিয়ে তেলটা সারা মাথায় লাগিয়ে একঘণ্টা রেখে শ্যাম্পু করে নিন। সপ্তাহে দু’বার করলে মাথার চুলকানি কমবে।


আর্গান অয়েল: খাঁটি আর্গান অয়েল নিয়ে চুলে আর স্ক্যাল্পে হালকা হাতে মাসাজ করুন। তেলটা চুলে পুরো শুষে যাবে। সারা রাত তেলটা চুলে রেখে দিন। সকালে উঠে শ্যাম্পু করে নেবেন। সপ্তাহে একদিন নিয়মিত করলে তফাৎ বুঝতে পারবেন, চুলের জৌলুসও বাড়বে।

বেকারত্বের চেয়ে কম বেতনের চাকরি খারাপ!
                                  


নিউজ ডেস্ক

বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থায় একজন চাকরিজীবীর তুলনায় একজন বেকারের অবস্থা খুবই খারাপ – এটাই ভাবা হয় তাইনা? কিন্তু এটি সব সময় সত্যি না। নতুন একটি গবেষণায় এমনটাই বলা হয়েছে যে, বেকারত্বের চেয়ে নিম্নমানের চাকরি মনের উপর খারাপ প্রভাব ফেলে বেশি। গবেষণাটির বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নিই চলুন।

গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয় অকুপেশনাল এন্ড এনভায়রনমেন্টাল মেডিসিন নামক জার্নালে। অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা বলেন, চাকরি না থাকার চেয়ে যারা নিম্নমানের চাকরি করেন (যেমন- উচ্চ চাহিদার কাজ, সিদ্ধান্ত গ্রহণের উপর কম নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তাহীনতা, প্রচেষ্টার ভারসাম্যহীনতা এবং পুরস্কৃত না করা ইত্যাদি) তাদের এই ধরণের অভিজ্ঞতা মানসিক স্বাস্থ্যের উপর খারাপ প্রভাব ফেলে বেশি।

সাত বছরের গবেষণার ফলাফলে দেখানো হয় যে, যদিও চাকরিহীন বেকার মানুষদের মানসিক অবস্থা উল্লেখযোগ্য হারেই খারাপ থাকে চাকরিজীবীদের তুলনায়। তবে যারা খুবই নিম্নমানের চাকরি করেন তাদের তুলনায় বেকার মানুষদের মানসিক অবস্থা উন্নত থাকে। এছাড়াও কম পরিতৃপ্তির কাজ করেন যারা তাদের মানসিক অবস্থা সময়ের সাথে সাথে অবনতি হতে থাকে।

গবেষণায় অংশগ্রহণকারীরা খুব দৃঢ় ভাবেই এই বিবৃতি দেয় যে, “আমি আমার চাকরির ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত” এবং “আমার চাকরিটি খুবই জটিল এবং কঠিন”।

গবেষণায় দেখানো হয়েছে যে, কীভাবে কাজের মান কর্মচারীদের মানসিক স্বাস্থ্যের সাথে ওতপ্রোত ভাবে জড়িত। অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর মেন্টাল হেলথ রিসার্চ এর সিনিয়র রিসার্চ ফেলো এবং এই গবেষণার প্রধান লেখক পিটার বাটারওরথ এর মতে, “আসলে বেকার থাকাটা মানসিক স্বাস্থ্যের অনেক বেশি ক্ষতিকর, কিন্তু বেকারত্ব থেকে সরে নিম্নমানের কাজ নিলে মানসিক স্বাস্থ্যের উপকার হয় না”।

তিনি বলেন, সার্বিকভাবে যারা চাকরি পাননা তাদের মানসিক অবস্থা যারা নতুন চাকরি পেয়েছেন বা কাজের চাপ বেশি যাদের বা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন যারা তাদের চেয়ে ভালো থাকে।

বেকারত্ব কোন মজার বিষয় নয়। যদি আপনার পরিবার আপনার সার্টিফিকেটগুলোকে মূল্যহীন বলেন, তাহলে আপনার কাছে এখন বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আছে যেকোন চাকরি না করার। যে কোন চাকরিই ভালো এটা একটি ভ্রান্ত ধারণা। সাইকোলজিক্যাল ক্ষেত্রে একমত প্রকাশ করা হয়েছে যে, আয় এবং চাকরির নিরাপত্তা সুখের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

ভালো একটি কাজ পাওয়া বেকার থাকার চেয়ে অবশ্যই অনেক ভালো। বাটারওরথ তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখেন যে, মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে – আপনার চাকরি প্রয়োজন বলে আপনাকে চরমভাবে অসুখি করে তুলে এমন কাজে যোগ দেয়া কখনোই ভালো ধারণা হতে পারেনা।

আসলে খারাপ চাকরি কোনগুলো? বেশিরভাগ মানুষই তার চাকরি নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে পারেন না। বরং তারা তাদের চাকরিকে অপছন্দ করেন কোন না কোন দিক দিয়ে। Mashable এর মতে, “কোন কাজ ভালো না খারাপ তা নির্ভর করে নিয়ন্ত্রণ, স্বায়ত্তশাসন, চ্যালেঞ্জ, বিভিন্নতা এবং কাজের বিচক্ষণতা ইতাদির মাত্রার উপর। ভালো চাকরির ক্ষেত্রে কর্মীরা থাকে যোগ্য এবং তারা কাজকে উপভোগ করেন। নিম্নমানের কাজের ক্ষেত্রে বিরক্তিকর রুটিন বা কর্মীর দক্ষতার চেয়ে নিম্নমানের কাজ করানো হয়”।

আপনার পিতামাতা বা শিক্ষক হয়তো আপনাকে বলে থাকবেন যে, নাই মামার চেয়ে কানা মামা ভালো অর্থাৎ যেকোন একটা চাকরি থাকা ভালো, তা সে যত কষ্টকর বা বিপদজনকই হোকনা কেন। কিন্তু যেকোন পদক্ষেপ নেয়ার আগে এটা স্মরণ করবেন যে, মানসিক সুস্থতা শারীরিক সুস্থতার মতোই গুরুত্বপূর্ণ। তাই আপনি যদি আপনার বর্তমান চাকরি নিয়ে অসুখি থাকেন তাহলে এখনই সময় তা থেকে বেড়িয়ে আসার এবং নতুন কিছু খুঁজে নেয়ার।

তথ্যসুত্র: ইন্টারনেট।

পুরুষদের জন্য গর্ভনিরোধক ইনজেকশন!
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক

পুরুষদের জন্য গর্ভনিরোধক ইনজেকশন তৈরি করছে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকাল রিসার্চ। পরীক্ষার পর তা অনুমোদনের জন্যে পাঠানো হয়েছে ড্রাগ কনট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়ার কাছে (DCGI)।

জানা গেছে, একবার এই কনট্রাসেপ্টিভ ইনজেকশন নিলে প্রভাব থাকবে ১৩ বছর। এরপরই চলে যাবে এর প্রভাব। সার্জিকাল ভ্যাসেক্টমির বিকল্প হিসেবেই ব্যবহার করা হবে এই ইনজেকশন।



ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকাল রিসার্চের সিনিয়র বিজ্ঞানী ডা. আর এস শর্মা জানিয়েছেন, ‘প্রডাক্ট তৈরি হয়েছে। ড্রাগস কনট্রোলারের থেকে অনুমোদন পাওয়ার অপেক্ষায় আমরা। ট্রায়ালও হয়ে গেছে। এর জন্যে ৩০৩ জনকে নিয়োগ করা হয়েছিল। ৯৭.৩ শতাংশ সাকসেস রেট পেয়েছি। দেখা দেয়নি কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। এই প্রডাক্টকে নিশ্চিন্তে বিশ্বের প্রথম পুরুষ কনট্রাসেপ্টিভ বলা যেতে পারে।’

পুরুষদের জন্যে গর্ভনিরোধকের নিয়ে গবেষণা করছেন মার্কিন বিজ্ঞানীরাও। তবে তাঁরা এখন পর্যন্ত কোনও সাফল্য পাননি।

ইউকে-র ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে লেখা হয়েছে, ২০১৬ সালে পুরুষদের কনট্রাসেপ্টিভের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হয়েছিল। কিন্তু তা মাঝ পথেই বন্ধ করা হয় এবং বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেওয়ায়।



ভারতের তৈরি এই কনট্রাসেপ্টিভ এক ধরনের পলিমার। যা টেসটিকিলসের কাছে শুক্রাণু টিউবের মধ্যে ইনজেক্ট করতে হবে। তবে এর জন্যে লোকাল অ্যানাস্থেশিয়ার প্রয়োজন হবে বলেই জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।


এই পলিমারটি ৭০-এর দশকে প্রথম তৈরি করেন ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির অধ্যাপক এস কে গুহ। ১৯৮৪ সাল থেকে এর উপর বিভিন্ন পর্যায়ে গবেষণা চালানো হয়েছে।

রান্নাঘরের এসব উপাদানেই ত্বক থাকবে ঝকঝকে
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক

ঝটপট ত্বকের যত্ন নিতে গিয়ে আমরা কিছু ভুল করে ফেলি। যেমন দ্রুত ফল পাওয়ার আশায় প্রাকৃতিক উপাদান বাদ দিয়ে ব্যবহার করি কেমিক্যালযুক্ত প্রসাধনী। তাতে লাভের চেয়ে ক্ষতিই বেশি হয়। কারণ সাময়িক সুফল মিললেও দেখা দিতে পারে দীর্ঘ সমস্যা।

অনেকে ধারণা, ঘরোয়া পদ্ধতিতে ত্বকের যত্ন নিতে সময় বেশি লাগে। কিন্তু রূপবিশেষজ্ঞদের মতে, খুব সহজে এবং অল্প সময় ব্যয় করেই ঘরোয়া উপায়ে ত্বকের যত্ন নেয়া সম্ভব। আর তাতে ক্ষতিও কম। এই সামগ্রীগুলো প্রাকৃতিক হওয়ায় নেই কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও। রান্নাঘরের কিছু অতি পরিচিত উপাদান দিয়েই নিতে পারবেন ত্বকের যত্ন। আর অল্প কদিনেই ত্বক হয়ে উঠবে ঝকঝকে-



আটা-ময়দা-বেসন: এগুলো দিয়ে বানিয়ে ফেলুন ফেস প্যাকের বেস। আটায় ভুসির পরিমাণ বেশি থাকায় প্রাকৃতিক স্ক্রাব হিসাবেও দারুণ কাজ করে। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য আটার প্যাক উপযোগী।


মধু: প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসাবে মধুর কোনো তুলনা হয় না। এছাড়া মধুতে থাকা অ্যান্টি ব্যাকটিরিয়াল উপাদান ব্রণ বা ফুসকুড়ি কমাতেও খুব কার্যকরী। যেকোনো ঘরোয়া ফেসপ্যাকের সঙ্গে মধু মিশিয়ে ব্যবহার করলে ত্বক কোমল ও আর্দ্র থাকবে।

 


দই: মধু এবং দই মিশিয়ে ফেস প্যাক তৈরি করে তা লাগান। ত্বকে পুষ্টি জোগান দেবে। এছাড়া ফুল ফ্যাট দুধ থেকে তৈরি দই শুষ্ক ত্বকের জন্য খুব উপকারী।

 

ওটমিল: তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ওটমিল দিয়ে তৈরি ফেসমাস্ক অত্যন্ত কার্যকরী। দই ও ওটমিল দিয়ে মাস্ক তৈরি করে মুখে ব্যবহার করুন। ত্বক উজ্জ্বল হবে। এছাড়া কোমল স্ক্রাব হিসেবেও খুব ভালো কাজ করে এটি।

 

নারিকেল তেল: চোখের কোলে কালি, শুষ্ক ঠোঁট কিংবা খসখসে ত্বক- এধরনের যেকোনো সমস্যায় ব্যবহার করুন নারিকেল তেল। এছাড়া প্রাকৃতিক উপায়ে হেয়ার ট্রিটমেন্ট করতে চাইলে নারিকেল তেল গরম করে মাথায় লাগান। এর ফলে চুলের গোড়া পুষ্টি পাবে, কমবে চুল পড়া ও খুশকির সমস্যা।


   Page 1 of 14
     লাইফস্টাইল
মোটা পুরুষেরাই বেশি সক্রিয় শারীরিক সম্পর্কে!
.............................................................................................
গাঢ় লিপস্টিক পরলে কি ঠোঁট কালো হয়?
.............................................................................................
যেসব খাবার এড়িয়ে চলেবন এই শীতে
.............................................................................................
শীতে পায়ের দুর্গন্ধে করণীয়!
.............................................................................................
খালি পেটে ভুল করেও কোন সিদ্ধান্ত নেবেন না!
.............................................................................................
শীত মৌসুমে মেসতার দাগে করণীয়
.............................................................................................
শীতকাল এলেই বিয়ের ধুম পড়ে যায় কেন?
.............................................................................................
যে কারণে প্রতিদিন সকালে এক কোয়া কাঁচা রসুন খাবেন
.............................................................................................
চুল সবচেয়ে সুন্দর রাখবে যেসব হেয়ারমাস্ক
.............................................................................................
জীবনে এই চার মন্ত্র রপ্ত করলেই আপনি সফল!
.............................................................................................
আসছে শীত, নিজেই তৈরি করে নিন পেট্রোলিয়াম জেলি
.............................................................................................
শীত না আসতেই ঠোঁট খসখসে? নজর দিন লিপস্টিকে
.............................................................................................
মাথায় চুলকানি? দূর করবে এই ৫ তেল
.............................................................................................
বেকারত্বের চেয়ে কম বেতনের চাকরি খারাপ!
.............................................................................................
পুরুষদের জন্য গর্ভনিরোধক ইনজেকশন!
.............................................................................................
রান্নাঘরের এসব উপাদানেই ত্বক থাকবে ঝকঝকে
.............................................................................................
দাম্পত্য সম্পর্ক ভালো রাখতে করুন আর্ট থেরাপি
.............................................................................................
পুষ্টিগুণ ঠিক রাখতে যেভাবে রান্না করতে হবে
.............................................................................................
গ্রিন টি ফেসিয়াল
.............................................................................................
মাইগ্রেনের যন্ত্রণায় কাতর?
.............................................................................................
মানসিক চাপ দূর করে লবঙ্গ !
.............................................................................................
ত্বক সুন্দর হবে টমেটো ব্যবহারে
.............................................................................................
নিয়মিত মাসাজের গুণ
.............................................................................................
গাজরের গুন
.............................................................................................
ওজন বাড়ানোর ৭ উপায়
.............................................................................................
দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় আদা
.............................................................................................
ঠাণ্ডার সমস্যা দূর করতে যা করবেন
.............................................................................................
পূজায় গাজরের লাড্ডু তৈরির রেসিপি
.............................................................................................
রাত জেগে মোবাইল টিপলে যেসব ক্ষতি হয়
.............................................................................................
অল্প পেঁয়াজেই সুস্বাদু রান্না
.............................................................................................
হজমে সহায়ক পুদিনা পাতা
.............................................................................................
দশমীর সাজ
.............................................................................................
ত্বকের যত্নে বরফ
.............................................................................................
পেট থেকে গ্যাস দূর করার উপায়
.............................................................................................
ত্বক সুন্দর করে পেঁয়াজের রস
.............................................................................................
হেঁচকি থামানোর উপায়
.............................................................................................
পুষ্টিগুণ ভরপুর
.............................................................................................
সকালে বমি ভাব হয় যেসব কারণে
.............................................................................................
যে ৫ কারণে কমছে না আপনার ওজন
.............................................................................................
সাতটি রোগ প্রতিরোধ করবে ভুট্টা
.............................................................................................
চিনিতেই পান সুন্দর ত্বক
.............................................................................................
চা পাতার যত ব্যবহার
.............................................................................................
অকালে চুল পাকা, খুশকি দূর করবে যে ফল
.............................................................................................
ঘরেই তৈরি করুন প্রাণজুড়ানো বরফ গোলা
.............................................................................................
সাইকেল চালানাো শরীরের জন্য উপকারী
.............................................................................................
খুশকির সমস্যা দূর করে আমের আঁটি
.............................................................................................
ডায়াবেটিস কমাবে তেঁতুল
.............................................................................................
উকুন তাড়ানোর সহজ পদ্ধতি !
.............................................................................................
দই কেনো খাবেন?
.............................................................................................
বয়স কমাবে চাল কুমড়া
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]