| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * ঈদে রেলের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু ২৯ জুলাই   * সুন্দরবনে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ বনদস্যু বাহিনী প্রধানসহ নিহত ২   * ছেলেধরা ও গণপিটুনি বিষয়ে পুলিশের সব ইউনিটকে নির্দেশনা   * উত্তরাঞ্চলে পানি কিছুটা কমলেও নদীগুলোর পানি এখনও বিপদসীমার ওপর   * সৌদি পৌঁছেছেন ৭৫ হাজার ৫৯০ হজযাত্রী   * হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ থেকে প্রিয়া সাহা বহিষ্কার   * দুদক পরিচালক এনামুল বাছির গ্রেফতার   * চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ৮ বাড়িতে বন্য হাতির তাণ্ডব   * আদালতে মিন্নির দু`টি আবেদন নামঞ্জুর   * পেশায় ইমাম, জিন তাড়ানোর নামে করতেন নারী-শিশু ধর্ষণ  

   লাইফস্টাইল -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
বয়স বাড়লেও ত্বকে পড়বে না ছাপ

লাইফস্টাইল ডেস্ক : শৈশবে আমাদের ত্বক যতটা কোমল থাকে, তারুণ্যে তার অনেকটাই উধাও হয়ে যায়। আবার বয়সের সাথে সাথে তারুণ্যের সতেজতা, ত্বকের টানটান ভাব হারাতে থাকে। বয়স বাড়লে তার ছাট সবার আগে পড়ে মুখে আর গলায়। সৌন্দর্য হারাতে কে চায়! তাই আমরাও সচেষ্ট থাকি বয়সের ছাপ যতটা ঠেকানো যায়।

আমাদের ত্বককে টানটান রাখে কোলাজেন নামক এক ধরনের উপাদান। বয়সের কারণে ত্বকের কোলাজেন সিন্থেসিসের হারে মন্দা আসতে বাধ্য। আর কোলাজেনের কার্যকারিতা কমতে আরম্ভ করলেই বলিরেখা পড়বে। তারপর ক্রমশ ত্বক আলগা হতে আরম্ভ করবে- এটাই প্রকৃতির নিয়ম। এই পদ্ধতিটা একবার শুরু হয়ে গেলে আর পরিবর্তন করা যায় না, তবে হ্যাঁ, নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে চললে অবশ্যই ঠেকিয়ে রাখা যায়, গতিটা বিলম্বিত হয়।

বাজারে অনেক রকম অ্যান্টি এজিং ক্রিম পাওয়া যায়। কিন্তু সেগুলোর কার্যকারিতা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যায়। এদিকে সামান্য কয়েকটি ঘরোয়া সমাধানই আপনাকে ফিরিয়ে দিতে পারে প্রথম যৌবনের তারুণ্য।

যেকোনো এন্টি এজিং ক্রিমের চেয়ে ভালো কাজে দেয় ঠান্ডা কনকনে পানির ব্যবহার। সকালবেলা ঘুম থেকে ওঠার পর যদি ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখে মাসাজ করা যায় রোজ, তাহলেই ত্বক বহুদিন ভালো থাকবে। তবে সরাসরি ত্বকে বরফ লাগাবেন না, অতিরিক্ত ঠান্ডার কারণেও ত্বক কুঁচকে যায়।

ত্বক সতেজ রাখতে খুব ভালো কাজ করে নারিকেল তেল, অলিভ অয়েল, সরিষার তেল বা আমন্ড অয়েল। আপনার ত্বকে কোনটি সবচেয়ে ভালো কাজ করবে সেটা অবশ্য আপনাকেই বুঝে নিতে হবে। খুব ভালো মানের তেল কেনা আবশ্যক।

মুখে, ঘাড়ে, গলায় আলতো হাতে মালিশ করুন গোসলের আগে ও রাতে শোওয়ার আগে। ত্বক শুষ্ক হয়ে গেলে কিন্তু বলিরেখার পড়ার আশঙ্কাও বাড়বে। আর্দ্র ও কোমল ত্বকে বয়সের ছাপ পড়ে না চট করে।

মুলতানি মাটি, ডিমের সাদা অংশ আর অ্যালোভেরা জেলের মাস্ক মুখ আর গলার ত্বক টানটান রাখতে খুব কার্যকর। অ্যালোভেরা জেল প্রতিদিন ব্যবহার করতে পারেন।

ডিমের সাদা অংশ আর মধুর মাস্ক মাসে তিনবার আর মাড প্যাক সপ্তাহে একবার ব্যবহার করা যায়। দই-মধু বা পাকা পেঁপে-মধুর প্যাকও খুব ভালো। তবে প্যাক মেখে চুপচাপ শুয়ে থাকবেন। ভুরু কোঁচকানো, হাসা সব বারণ- তাতেও কিন্তু বলিরেখা পড়তে পারে।

বয়স বাড়লেও ত্বকে পড়বে না ছাপ
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : শৈশবে আমাদের ত্বক যতটা কোমল থাকে, তারুণ্যে তার অনেকটাই উধাও হয়ে যায়। আবার বয়সের সাথে সাথে তারুণ্যের সতেজতা, ত্বকের টানটান ভাব হারাতে থাকে। বয়স বাড়লে তার ছাট সবার আগে পড়ে মুখে আর গলায়। সৌন্দর্য হারাতে কে চায়! তাই আমরাও সচেষ্ট থাকি বয়সের ছাপ যতটা ঠেকানো যায়।

আমাদের ত্বককে টানটান রাখে কোলাজেন নামক এক ধরনের উপাদান। বয়সের কারণে ত্বকের কোলাজেন সিন্থেসিসের হারে মন্দা আসতে বাধ্য। আর কোলাজেনের কার্যকারিতা কমতে আরম্ভ করলেই বলিরেখা পড়বে। তারপর ক্রমশ ত্বক আলগা হতে আরম্ভ করবে- এটাই প্রকৃতির নিয়ম। এই পদ্ধতিটা একবার শুরু হয়ে গেলে আর পরিবর্তন করা যায় না, তবে হ্যাঁ, নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে চললে অবশ্যই ঠেকিয়ে রাখা যায়, গতিটা বিলম্বিত হয়।

বাজারে অনেক রকম অ্যান্টি এজিং ক্রিম পাওয়া যায়। কিন্তু সেগুলোর কার্যকারিতা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যায়। এদিকে সামান্য কয়েকটি ঘরোয়া সমাধানই আপনাকে ফিরিয়ে দিতে পারে প্রথম যৌবনের তারুণ্য।

যেকোনো এন্টি এজিং ক্রিমের চেয়ে ভালো কাজে দেয় ঠান্ডা কনকনে পানির ব্যবহার। সকালবেলা ঘুম থেকে ওঠার পর যদি ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখে মাসাজ করা যায় রোজ, তাহলেই ত্বক বহুদিন ভালো থাকবে। তবে সরাসরি ত্বকে বরফ লাগাবেন না, অতিরিক্ত ঠান্ডার কারণেও ত্বক কুঁচকে যায়।

ত্বক সতেজ রাখতে খুব ভালো কাজ করে নারিকেল তেল, অলিভ অয়েল, সরিষার তেল বা আমন্ড অয়েল। আপনার ত্বকে কোনটি সবচেয়ে ভালো কাজ করবে সেটা অবশ্য আপনাকেই বুঝে নিতে হবে। খুব ভালো মানের তেল কেনা আবশ্যক।

মুখে, ঘাড়ে, গলায় আলতো হাতে মালিশ করুন গোসলের আগে ও রাতে শোওয়ার আগে। ত্বক শুষ্ক হয়ে গেলে কিন্তু বলিরেখার পড়ার আশঙ্কাও বাড়বে। আর্দ্র ও কোমল ত্বকে বয়সের ছাপ পড়ে না চট করে।

মুলতানি মাটি, ডিমের সাদা অংশ আর অ্যালোভেরা জেলের মাস্ক মুখ আর গলার ত্বক টানটান রাখতে খুব কার্যকর। অ্যালোভেরা জেল প্রতিদিন ব্যবহার করতে পারেন।

ডিমের সাদা অংশ আর মধুর মাস্ক মাসে তিনবার আর মাড প্যাক সপ্তাহে একবার ব্যবহার করা যায়। দই-মধু বা পাকা পেঁপে-মধুর প্যাকও খুব ভালো। তবে প্যাক মেখে চুপচাপ শুয়ে থাকবেন। ভুরু কোঁচকানো, হাসা সব বারণ- তাতেও কিন্তু বলিরেখা পড়তে পারে।

ওজন কমায় ভাত না রুটি?
                                  

অনলাইন ডেস্ক : ওজন কমানোর জন্য অনেকেই রুটি খেতে পছন্দ করেন। কেউ কেউ মনে করেন ভাতে ক্যালরি বেশি থাকে। কারও আবার ধারণা রুটি বেশি পুষ্টিকর।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভাত বা রুটি দুটিতেই একই পরিমাণ ক্যালরি থাকে। তবে শরীরে কতটা ক্যালরি যাচ্ছে সেটা নির্ভর করে খাওয়ার পরিমাণের ওপর। রুটি যেহেতু গুনে খাওয়া হয এ কারণে খাওয়ার সময় এর পরিমাণ সীমিত থাকে৷ কিন্তু ভাত খেতে গেলে বেশিরভাগ সময়ই কোনও হিসেব থাকে না।

শরীরের শক্তির অন্যতম উৎস কার্বোহাইট্রেড জাতীয় খাবার৷ যেহেতু আমরা সিদ্ধ চালের ভাত খাই এ কারণে চাল থেকে অনেক ফাইবার চলে যায়। তখন বেশি পরিমাণ কার্বোহাইড্রেট শরীরে পৌঁছায়৷ অন্যদিকে, আটায় কার্বোহাইড্রেট সমান থাকলেও সঙ্গে ফাইবার থাকে। এ কারণে ভাত খেলে শরীরে বেশি শক্তি পাওয়া যায়।

ভাতের তুলনায় রুটিতে বেশি প্রোটিন থাকে। কিন্তু ভাতে লাইসিনের মতো অ্যামাইনো অ্যাসিড থাকার কারণে ভাতের প্রোটিনের মান বেশি ভাল৷ সঙ্গে ডাল, মাছ, মাংস খেলে প্রোটিনের ঘাটতি পুরোপুরি দূর হয়।

ভাত বা রুটি দুটিই তৈরি হয় শস্য থেকে। আর এই শস্যতে ফ্যাটের পরিমাণ খুব কম থাকে৷ এ কারণে ভাত বা রুটি দুটিতেই ফ্যাটের পরিমাণ সমান হয়।

রুটিতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকায় এটি খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে।

হাড়ের স্বাস্থ্য, কিডনি, পেশীর স্বাস্থ্য ও হৃৎপিণ্ড ভাল রাখার জন্য ফরফরাস খুবই প্রযোজনীয় একটি খনিজ। রুটিতে ভাতের তুলনায় বেশি পরিমাণ ফসফরাস থাকে৷

সূত্র: এনডিটিভি

চুল পড়া বন্ধে তেজপাতা
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : রান্নার স্বাদ আর গন্ধ বাড়াতে তেজপাতার ব্যবহার বেশ পুরনো। কিন্তু উপকারী এই পাতাটি যে আপনার চুলের যত্নেও সমান কার্যকরী সেকথা কি জানতেন? যারা চুল পড়ার সমস্যায় ভুগছেন, তারা একবার তেজপাতার নির্যাস ব্যবহার করেই দেখুন। মাত্র এক সপ্তাহ ব্যবহার করলেই চোখে পড়ার মতো ফল পাবেন।

শুধু চুল পড়া বন্ধেই নয়, খুশকি আর চুলের রুক্ষতা কমাতেও দারুণ কার্যকর তেজপাতা। তেজপাতা ব্যবহার করে সহজেই নির্মূল করতে পারবেন আপনার চুলের যাবতীয় সমস্যা। কীভাবে? জেনে নিন-

চুল পড়া বন্ধ করতে
তেজপাতার নির্যাস ব্যবহার করলে মাত্র পনেরো দিনের মধ্যে চুল পড়া কমে যাবে। তার জন্য গোটা দশেক ভালো তেজপাতা পরিষ্কার করে ধুয়ে নিন। এবার একটা পাত্রে এক লিটার পানি গরম করুন। পানি ফুটে উঠলে তাতে তেজপাতাগুলো দিয়ে দিতে হবে। তেজপাতাসমেত পানিটুকু পাঁচ থেকে ছয় মিনিট ফুটতে দিন। তারপর আঁচ থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করে তেজপাতা তুলে ফেলে দিন। এই তেজপাতা ফোটানো পানিটুকু দিয়ে চুল আর মাথা ধুয়ে নিন। প্রতিদিন ব্যবহার করা যাবে।

রুক্ষ চুলের যত্নে
দুই কাপ পানিতে চার-পাঁচটা তেজপাতা দিয়ে ফুটিয়ে নিন। ফুটে গেলে তেজপাতা ফেলে দিয়ে পানিটুকু ছেঁকে নিন। শ্যাম্পু করা চুলে এই পানিটুকু ঢেলে মিনিট পাঁচেক অপেক্ষা করুন, তারপর পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। সপ্তাহে একদিন করলে চুলের রুক্ষতা অনেক কমে যাবে, চুল পড়াও কমবে।

খুশকি তাড়াতে
চারটা ভালো তেজপাতা গ্রাইন্ডারে বা শিলপাটায় দিয়ে গুঁড়া করুন। আধকাপ নারিকেল তেলে ওই পাতার গুঁড়াটা ঢেলে দিন। নারিকেল তেলের বদলে অলিভ অয়েলও নিতে পারেন। পাতার গুঁড়া মেশানো তেলটা মিনিট পাঁচেক হালকা আঁচে গরম করে নিন। তারপর এই গরম তেলে তুলো ভিজিয়ে চুলের গোড়ায় আর চুলে মেখে খুব ভালো করে মাসাজ করুন। এক ঘণ্টা রেখে শ্যাম্পু করে নিন। কন্ডিশনার মাখতেও ভুলবেন না। সপ্তাহে একদিন ব্যবহার করলে খুশকি আর ধারেপাশেও ঘেঁষবে না।

দাঁড়িয়ে পানি পান স্বাস্থ্যঝুঁকি ?
                                  

অনলাইন ডেস্ক : দেহের কোষ, কলা বা টিস্যু, বিভিন্ন অঙ্গ তথা মস্তিষ্ক, কিডনী, পাকস্থলী, ত্বক, চুল ইত্যাদির যথাযথ কার্যকারীতার জন্য পানি অত্যাবশ্যকীয়। শরীরের সকল প্রকার কার্যাবলী সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করা প্রয়োজন। কিন্তু অনেক সময় ভুল নিয়মে পানি পান করে নিজেকে ঝুঁকির মুখে ফেলে দেই আমরা। দাঁড়িয়ে পানি পান করলে দেখা দিতে পারে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা।

চলুন জেনে নেই দাঁড়িয়ে পানি পানের ক্ষতিকর দিকগুলো সম্পর্কে।

১. দাঁড়িয়ে পানি পান করলে তা সরাসরি পাকস্থলীতে গিয়ে আঘাত করে। স্টমাক থেকে নিঃসৃত অ্যাসিডের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়। বদহজমের আশঙ্কা বাড়ে। তলপেটে যন্ত্রণাসহ একাধিক সমস্যা তৈরি হয়।
২. দাঁড়িয়ে পানি পান করা হলে তা দ্রুত কোলন বা মলাশয়ে চলে যায়। ফলে পানির প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপকরণ শরীরে শোষিত হয় না।

৩. গ্যাস্ট্রো ইসোফেগাল রিফ্লাক্স ডিজিজ বা G.E.R.D দাঁড়িয়ে পানি পান করলে তা সরাসরি ইসোফেগাসে গিয়ে ধাক্কা মারে। এরফলে পাকস্থলীর ভেতরের সরু নালিটি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হয়। যার ফলে গ্যাস্ট্রো ইসোফেগাল রিফ্লাক্স ডিজিজ বা G.E.R.D এর মতো রোগ শরীরে বাসা বাঁধে।

৪. পানি পান করার পরেই ছাঁকনিগুলো শরীর পরিশ্রুত করার কাজ শুরু করে দেয়। দাঁড়িয়ে পানি পান করলে শরীরের অন্দরে থাকা ছাকনিগুলো সংকুচিত হয়ে যায়। পরিশ্রুত করার কাজ বাধা পায়। শরীরে টক্সিনের মাত্রা বাড়তে থাকে।

৫. দাঁড়িয়ে পানি পান করলে নার্ভ উত্তেজিত হয়ে যায়, উদ্বেগ বাড়তে থাকে।

৬. কিডনি ক্ষতিগ্রস্থ হয় দাঁড়িয়ে পানি পান করলে। এতে কিডনির কর্মক্ষমতা কমে। কিডনি ড্যামেজের সম্ভাবনা থাকে।

চোখ উঠেছে? জেনে নিন সুস্থতার উপায়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : চোখ ওঠা এমনই এক সমস্যা যা খুব মারাত্মক না হলেও ভীষণ অস্বস্তিদায়ক। এই সমস্যা গুরুতর নয় তাই আক্রান্ত হওয়ার সপ্তাহখানেকের মধ্যে নিজ থেকেই সেরে যায়। তবে এই সময়টুকুই বেশ পীড়া দিয়ে থাকে। চোখ ওঠা সমস্যায় ভয় না পেয়ে কিছুটা যত্ন নিলেই সেরে যায়। জেনে নিন-

যে কারণে চোখ ওঠে :
চোখ ওঠার জন্য অপরিষ্কার জীবনযাপন দায়ী। চোখ ওঠা হতে পারে ব্যাকটেরিয়া দিয়ে। এছাড়া ভাইরাস আক্রমণের কারণেও চোখ ওঠার সমস্যা হতে পারে। বেশিরভাগ সময় ভাইরাসের কারণে চোখ ওঠে।

চোখ ওঠার লক্ষণ :
* চোখ লাল হয়ে যায়।
* ঘুম থেকে ওঠার পর চোখ আঠা আঠা লাগে।
* সবসময় চোখের ভেতর কিছু একটা পড়েছে এমন অনুভূতি হয়।
* চোখ চুলকায় এবং জ্বালাপোড়া করে।
* আলোর দিকে তাকালে অস্বস্তি লাগে।
* সবকিছু দেখতে ঘোলা ঘোলা লাগে।
* চোখ দিয়ে পানি পড়ে।
* চোখের কোনায় ময়লা জমে।
* চোখ ফুলে যায়।

চোখ উঠলে করণীয় :
চোখ উঠলে অনেকে বারবার পানি দিয়ে পরিষ্কার করেন বা চোখে পানির ঝাপটা দেন। এটি একদমই করতে যাবেন না। শুধু সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরে চোখে পানি দিয়ে পরিষ্কার করে নেবেন। খেয়াল রাখতে হবে, নোংরা পানি, ধুলাবালি, দূষিত বাতাস যেন চোখে প্রবেশ না করে।

চোখ উঠলেও নিত্যদিনের অনেক কাজ থেকে বিরত থাকা সম্ভব হয় না। আর সেজন্য বাইরে বের হতেই হয়। এই সময়ে বাইরে হতে হলে সানগ্লাস পরে নেবেন। এটি রোদের কারণে চোখ জ্বলা থেকে মুক্তি দেবে।

চোখ ওঠা রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রুমাল, কাপড়চোপড়, তোয়ালে অন্য কারো ব্যবহার করা ঠিক না। কারণ এটি ছোঁয়াচে রোগ। তাই এটি দ্রুত ছড়ায়। এমনকী হ্যান্ডশেকের মাধ্যমেও অন্যরা আক্রান্ত হতে পারেন।

দৃষ্টি ঝাপসা হলে, চোখ খুব বেশি লাল হলে, খুব বেশি চুলকালে বা অতিরিক্ত ফুলে গেলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

গরমে শরীর ঠান্ডা রাখবে যেসব খাবার
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : বর্ষাকালে আমাদের জন্য বৃষ্টি যতটা স্বস্তিদায়ক, ভ্যাপসা গরম ঠিক ততটাই অসহ্যকর। এই ভ্যাপসা গরমের মধ্যে খাওয়াদাওয়ায় একটুখানি অনিয়ম হলেই আর দেখতে হবে না! শরীর খারাপ করবেই। ঠিকভাবে হজম না হলে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে অ্যাসিডিটি আর গ্যাসের সমস্যা। এমনকি ঘুমেও ব্যাঘ্যাত ঘটবে নিয়মিত।

অতিরিক্ত গরমে যাদের বাইরে বের হতে হয়, তারা পানি পানের পরিমাণ বাড়ান। তা না হলে শরীরের তাপমাত্রা অতিরিক্ত বেড়ে গিয়ে হিট স্ট্রোক হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। হতে পারে জ্বর। থাইরয়েড গ্ল্যান্ডও গরমের প্রভাবে অতি সক্রিয় হয়ে শরীরের তাপমাত্রা আরও বাড়িয়ে তোলে।

বেশি তেলমশলাদার খাবার এড়িয়ে চলুন, যে পানি পান করছেন তা বিশুদ্ধ কি না সে বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে নিন। রাস্তার পাশের খোলা খাবার খাবেন না। জেনে নিন কোন খাবারগুলো খেলে এই ভ্যাপসা গরমেও শরীর ভেতর থেকে ঠান্ডা থাকবে-

প্রোটিন হজম করার সময় শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। তাই এসময় মাংস-ডিমের পরিমাণটা কমানো দরকার। একান্ত প্রোটিন খেতে হলে আস্থা রাখতে পারেন ডাল, মটরশুঁটি বা ছাতুর উপর। চলতে পারে দই, ছানাও।

ঘরের তাপমাত্রার বা ঠান্ডা পানি পানের পরিমাণ বাড়ান। যেদিন বাইরে ঘোরাঘুরির পর শরীরে জ্বালাভাব টের পাবেন, সেদিন ঠান্ডা পানির বালতিতে পা ডুবিয়ে খানিকক্ষণ বসে থাকুন, আরাম পাবেন। খেতে পারেন ডাবের পানি, দইয়ের ঘোল ইত্যাদিও। চলতে পারে আদা দেওয়া চা-ও।

এই মৌসুমে বিভিন্নরকম ফল পাওয়া যায়। এসময় বেদানা বা নানা ধরনের লেবুর রস বা আস্ত ফল খেতে পারলে খুব ভালো হয়। কমলা, পাতিলেবু, বাতাবিলেবু শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে দারুণ কার্যকর।

শসা, তরমুজ, লাউ, কুমড়ো, করলা, ঝিঙে ইত্যাদি খাবারের তালিকায় রাখুন। তবে রাতের দিকে তরমুজ খেলে অনেকে হজম করতে পারেন না, কারণ এর মধ্যে প্রচুর ফাইবার থাকে। আপনার সেরকম কোনো সমস্যা আছে কিনা দেখে নিন।

গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে পুদিনা পাতার জুড়ি নেই। প্রতিদিন এক গ্লাস পুদিনা পাতার রস পান করুন। এটি আপনার শরীর ভিতর থেকে ঠান্ডা করে দিবে। এই সময়ে কাঁচা পেঁয়াজও খুব উপকারী। পেঁয়াজে এক ধরনের ‘অ্যান্টি অ্যালার্জেন’ রয়েছে যা শরীর ভিতর থেকে ঠান্ডা রাখে।

কোমল পানীয়র বদলে লেবুর শরবত খেতে পারেন। এটি ভ্যাপসা গরমে আপনার শরীরকে সতেজ রাখতে সাহায্য করবে। এছাড়া প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস দুধে কয়েক ফোঁটা মধু মিশিয়ে খেলেও সারাদিন শরীর ঠান্ডা ও ক্লান্তিহীন থাকবে।

এসময়ের সবচেয়ে ভালো খাবার হলো টক দই। কারণ এতে এমন কিছু উপাদান থাকে যা শরীরকে চনমনে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। একই সঙ্গে শরীরের সমতা বজায় রাখতেও সাহয্য করে দই ৷

মানসিক অস্থিরতা কমাবে তেজপাতা !
                                  

অনলাইন ডেস্ক : রান্নাঘর থেকে তেজপাতার গন্ধ ভেসে আসা মানেই সুস্বাদু খাবারের ইঙ্গিত। ফোড়নের ঝাঁজ আর তেজপাতার গন্ধই যেন জানান দেয় জোরালো মেনুর ইঙ্গিত। তবে শুধু রান্নায় স্বাদ বাড়ানোই নয়, তেজপাতার কিন্তু আরও অনেক গুণ রয়েছে।

রান্নার মশলা হিসেবে তেজপাতা অপরিচিত নয়। কিন্তু তার অন্যান্য গুণের কদর অনেকেই জানেন না। তাই হাতের সামনে থাকলেও হয়তো সঠিকভাবে একে কাজে লাগানো হয় না। অনেক দেশেই অ্যারোমা থেরাপির ব্যবহার চলছে। শব্দটি নিতান্ত আধুনিক হলেও এই পদ্ধতির প্রয়োগ বহু প্রাচীন। মানসিক অস্থিরতা কাটাতে এবং টেনশন হটাতে সুগন্ধীর ব্যবহার আগেও করা হত। এখনও করা হয়। আজও বিভিন্ন যোগ সেন্টারে বা হোটেলের লবিতে এই সুগন্ধীর ব্যবহার দেখা যায়। ভেষজের এই গন্ধ শুধু ঘরের দুর্গন্ধ দূর করার জন্য নয়। বরং এই গন্ধ মানসিক অস্থিরতা কমিয়ে স্নায়ুকে প্রশান্তি দিতেই ব্যবহার করা হয়।

ঠিক এখানেই গুরুত্বপূর্ণ তেজাপাতা। এমনিতেই রান্নার সময়ই তেজপাতার গন্ধে প্রত্যেকেরই ভালো লাগে। তার কারণ তেজপাতা পোড়ানোর গন্ধ আমাদের স্নায়ুকে চাঙ্গা করে। তাই ক্লান্তিবোধ আমাদের আকড়ে ধরলে অল্প কিছু তেজপাতা পুড়িয়ে নিলেই ভালো কাজে আসবে।
শুধু তাই নয় এতে যন্ত্রণাবোধ এমনকী ভাইরাস জনিত সংক্রমণও পিছু হটে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। মানসিক স্বাস্থ্যও চাঙ্গা রাখে। আসলে তেজপাতার মধ্যে থাকে লিনালুল (C10H18O)। এর কারণেই তেজপাতার এই সুগন্ধ। এই যৌগই উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করে। মানসিক অস্থিরতাও কমায়।

এছাড়া অন্যান্য যৌগের কারণেই নিঃশ্বাসের সমস্যা কমায়। বিশেষত যাঁরা অ্যালির্জিতে ভোগেন বা চট করে যাঁদের ঠাণ্ডা লেগে যায় তাঁদের জন্যও তেজপাতা পোড়ানোর এই গন্ধ খুবই উপকারী।

অ্যারোমা থেরাপির জন্য নামী দামী অনেক উপকরণই বাজারে মেলে। বহমূল্যের সে সব জিনিসকে খাটো না করেই বলা যায়, ঘরে পড়ে থাকা তেজপাতা যে উপকারে লাগতে পারে, তার তুলনা মেলা ভার।

যে তেল মুখে মাখলে বয়স বাড়বে না!
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : চেহারায় বয়সের ছাপ পড়া নিয়ে উদ্বিগ্ন? এমনটা হওয়াই স্বাভাবিক। কারণ বয়সের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের চেহারায় তার ছাপ পড়ে। অনেক সময় খাদ্যাভ্যাস, দূষিত আবহাওয়া, ধুলোবালি ইত্যাদির কারণে চেহারায় দ্রুতই বয়সের ছাপ পড়ে। অ্যান্টি-এজিং ক্রিম থেকে শুরু করে কেমিক্যাল ট্রিটমেন্ট কত কী চেষ্টা চলতেই থাকে। কিন্তু জানেন কি, এত কষ্ট না করেও বয়সের ছাপ এড়িয়ে চলা সম্ভব। আর সেজন্য দরকার খুবই পরিচিত একটি উপাদান। সেটি হলো নারিকেল তেল।

চিরপরিচিত নারিকেল তেলেই রয়েছে বলিরেখা আর কালো দাগছোপ দূরে রাখার অব্যর্থ গুণ! বিশ্বাস না হলে নিচের উপায়গুলো থেকে যেকোনো একটা মেনে চলার চেষ্টা করুন-

নারিকেল তেল
প্রথমে মুখ পরিষ্কার করে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে নিন। তোয়ালে দিয়ে চেপে পানিটা মুছে নিতে হবে। এরপর আঙুলের ডগায় সামান্য ভার্জিন নারিকেল তেল দিয়ে গোটা মুখে আর গলায় বৃত্তাকারে মাসাজ করুন। সারারাত তেলটা মুখে বসতে দিতে হবে। প্রতিরাতে শুতে যাওয়ার আগে এভাবে মুখে তেল মাসাজ করলে আপনার মুখে বয়সের ছাপ পড়বে না।

আপেল সাইডার ভিনিগার ও নারিকেল তেল
১ টেবিল চামচ আপেল সাইডার ভিনিগার, ১ টেবিল চামচ পানি আর কয়েক ফোঁটা ভার্জিন নারিকেল তেল একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবার তুলোর সাহায্যে সারা মুখে লাগিয়ে স্বাভাবিকভাবে শুকোতে দিন। এবার আরও খানিকটা নারিকেল তেল সারা মুখে মাসাজ করে সারা রাত রেখে দিন। আপেল সাইডার ভিনিগার ত্বকে অ্যাস্ট্রিনজেন্টের কাজ করে, আর নারিকেল তেল ত্বকে প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা জুগিয়ে দূরে রাখে বয়সের চিহ্ন।

ভিটামিন ই ও নারিকেল তেল
একটা ভিটামিন ই ক্যাপসুল কেটে ভিতরের তরল জিনিসটা বের করে নিন। এবার তাতে কয়েক ফোঁটা অর্গানিক নারিকেল তেল দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। পরিষ্কার মুখে এই তেলের মিশ্রণটা লাগিয়ে কয়েক মিনিট মাসাজ করুন। প্রতি রাতে করলে ত্বকের চোখে পড়ার মতো উন্নতি হবে। নিষ্প্রভ ও বয়সের ছাপ পড়া ত্বকে এই তেলের মিশ্রণটি বিশেষভাবে কার্যকর।

লেবু ও নারিকেল তেল
১ চা চামচ কাঁচা দুধে কয়েক ফোঁটা পাতিলেবুর রস মিশিয়ে ভালোভাবে নাড়ুন। দুধে কিছুক্ষণের মধ্যেই ছানা কেটে যাবে। এবার ওই ছানায় ১ টেবিল চামচ ভার্জিন নারিকেল তেল যোগ করে আরেকবার ভালো করে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে দুই-তিন মিনিট মাসাজ করুন। তারপর ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলতে হবে। লেবুর রস ত্বক পরিষ্কার করে, রোমছিদ্রগুলোও সঙ্কুচিত করে দেয়। লেবুর ভিটামিন সি ত্বকের টানটানভাব বাড়িয়ে তুলে বলিরেখার উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো কমিয়ে দেয়। পাশাপাশি ছানা কাটা দুধ আর নারিকেল তেল ত্বকে আর্দ্রতা জোগায়।

হলুদ গুঁড়া ও নারিকেল তেল
১ টেবিলচামচ ভার্জিন নারিকেল তেলে এক চিমটি হলুদ গুঁড়া দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। বলিরেখার উপর এই মিশ্রণটি লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট রাখতে হবে। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। হলুদের অ্যান্টি অক্সিডান্ট ফ্রি র‍্যাডিকালের ক্ষতি থেকে ত্বককে সুরক্ষিত রাখে এবং কোলাজেন উৎপাদন বাড়িয়ে ত্বক টানটান রাখে আর নারিকেল তেল ত্বকে আর্দ্রতা আর কোমলতা জোগায়। ফলে আপনি পেয়ে যান তারুণ্যে ভরপুর টানটান কোমল ত্বক।

গরমে চুলের যত্ন
                                  

অনলাইন ডেস্ক : গরমকালে ঘামে ভিজে চুলের গোড়া হয়ে পড়ে দুর্বল। ফলে সহজেই চুল উঠতে শুরু করে। এ ছাড়াও ঘাম ও মাথার ত্বক বা স্কাল্প-এর স্বাভাবিক তেলের ফলে চুলে তৈলাক্ত ভাব এসে যায়। চুলে জট পড়ে যায়। ফলে চুল আঁচড়াতে গেলেই চিরুনিতে চুল জড়িয়ে যায়। চুলের ফুরফুরে ভাবও নষ্ট হয়ে যায়। চুল নষ্ট হওয়ার আগেই যত্ন নিন। রোজ মেনে চলুন কিছু সহজ ঘরোয়া টোটকা। জীবনযাত্রায় আনুন ছোট ছোট পরিবর্তন।

গরমে চুল সুন্দর রাখতে একদিন অন্তর অবশ্যই শ্যাম্পু করার চেষ্টা করুন। শ্যাম্পু করার সময়ে আঙুল দিয়ে হালকা হাতে মাথায় মাসাজ করুন। শ্যাম্পুর পর ব্যবহার করুন কোনো ভাল কন্ডিশনার।

একটি পাত্রে তিন-চার চামচ পাতিলেবুর রস নিন। তাতে অল্প পরিমাণে জল মিশিয়ে নিন। চুলের গোড়ায় আলতো হাতে মাসাজ করুন। ৩০ মিনিট রাখুন। তার পরে তিন-চার চামচ নারকেল তেল বা আমন্ড তেল মাথায় মাসাজ করুন। ৩০ মিনিট পর শ্যাম্পু করে ধুয়ে নিন। সপ্তাহে দুই দিন স্নান করার আগে এটি করার চেষ্টা করুন। চুলের গোড়া মজবুত হবে।
অ্যালোভেরার রস যে কোনও ধরনের চুলের জন্য বেশ উপকারি। সপ্তাহে এক-দুই দিন স্নানের এক ঘণ্টা আগে স্ক্যাল্প-এ অ্যালোভেরা-এর রস লাগান। এক মাস করলেই উপকার টের পাবেন।

চুলে মেহেদি বা কলপ ব্যবহার কম করাই ভাল। একান্তই করতে হলে নামী সংস্থার ভাল মানের কলপ ব্যবহার করুন। কলপ ব্যবহারের পর অবশ্যই চুলে ভাল করে শ্যাম্পু করুন।

বাইরে বের হওয়ার সময় অবশ্যই ছাতা ব্যবহার করুন। পরিস্কার এবং সঠিক মাপের টুপি পরলে ভালো।

চুলে জেল, ওয়াক্স, হেয়ার স্প্রে-এর ব্যবহার এড়িয়ে চলুন। ব্যবহার করলেও বাড়ি ফিরে ভাল করে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে নিন।

হেয়ার স্পা করা খুবই উপকারি চুলের পক্ষে। মাসে এক-দু`বার হেয়ার স্পা করতে পারলে চুল ভাল থাকবে।

প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। খাবারের পাতে রাখুন প্রচুর পরিমাণ শাক-সবজি ও ফল। নিয়মিত খান কাঁচা আমন্ড। টাটকা ছোট মাছ বেশি করে খান। রোজ সকালে খান এক চামচ মধু।

গোসল করে বেরিয়েই জোরে জোরে চুল মুছবেন না। এতে চুলের গোড়া দুর্বল হয়ে যাবে। চুলে তোয়ালে জড়িয়ে শুকিয়ে নিন।

চুলে হেয়ার ড্রায়ার বা হেয়ার স্ট্রেটনার ব্যবহার না করাই ভাল। এতে চুল সাময়িকভাবে দেখতে ভাল লাগলেও আখেরে ক্ষতি হয়।

কালো ঠোঁট গোলাপী করার উপায়
                                  

অনলাইন ডেস্ক : মুখমণ্ডলের যত্মের পাশাপাশি ঠোঁটেরও সমান যত্মের প্রয়োজন। ঠোঁট মানুষের খুব সংবেদনশীল অংশ। তাই এই অংশকে নিয়মিত যত্মে রাখা অবশ্যক। ঠোঁটের সৌন্দর্য নষ্ট হলে ব্যক্তিত্বের ওপর প্রভাব পড়ে। তাই সবাই ঠোঁট সব সময় গোলাপি রাখতে চায়। কারণ গোলাপি ঠোঁটই স্বাস্থ্যকর ঠোঁটের পরিচয়।

গোলাপি ঠোঁট পেতে যা করনীয়:

* ঠোঁটের ত্বক খুবই পাতলা হওয়ায় দরুন খুব দ্রুত তা শুষ্ক হয়ে ফেটে যায়। ঠোঁটকে ভাল রাখতে তাই প্রতিনিয়ত মরা কোষ দূর করা দরকার।

* মানুষের দেহের চামড়াই শুধু রোদে পুড়ে না, ঠোঁটের চামড়াও রোদের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সূর্যের বেগুনে রশ্মি থেকে ঠোঁট রক্ষা করা খুব জরুরি। তাই খুব বেশি রোদে ঘোরাঘুরি না করাই ভালো। আর রোদে গেলেও ছাতা ব্যবহার করা উচি।

* ধূমপান ঠোঁটের গোলাপি রং কালো করে দেয়। তাই ঠোঁট সুন্দর রাখতে ধূমপান বর্জনের কোনো বিকল্প নেই। সিগারেটের নিকোটিন ঠোঁটের প্রবেশ করে বিবর্ণ করে তোলে ঠোঁটকে।

* আমরা বেশীর ভাগ সময় মুখমণ্ডলের যত্নে ব্যস্ত থাকি। কিন্তু ঠোঁটের দিকে নজর দেওয়া হয় না। ধীরে ধীরে ঠোঁট বিবর্ণ হয়ে পড়ছে। আর যখন পুরো বিবর্ণ হয়ে যায় তখনই খেয়ালে হয় ঠোঁটের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। ততক্ষণে যা হবার হয়েছে। তাই মুখমণ্ডলের পাশাপাশি একই ভাবে ঠোঁটের যত্মও নিতে হবে।`

* আর্দ্রতা কমে গেলে ঠোঁটের রং নষ্ট হয়। রুক্ষ হয়ে পড়ে। তাই সব সময় আর্দ্রতা ধরে রাখতে লিপবাম ব্যবহার খুব প্রয়োজন।

কাঁচা পেঁপের এই উপকারিতাগুলো জানতেন?
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : পেঁপে বেশ সুস্বাদু একটি ফল। পাকলে এটি বেশ রসালো ও মিষ্টি হয়। এই পেঁপে কাঁচা থাকতেও খাওয়া যায়। সালাদ করে, তেঁতুল-মরিচ দিয়ে মাখিয়ে কিংবা সবজি হিসেবে রান্না করে খাওয়া হয় কাঁচা পেঁপে। কাঁচা পেঁপেতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন। বিভিন্ন রকম অসুখ সারাতে কাঁচা পেঁপে খুবই উপকারি। অন্যান্য ফলের তুলনায় পেঁপেতে ক্যারোটিন অনেক বেশি থাকে। কিন্তু ক্যালরির পরিমাণ অনেক কম থাকায় যারা মেদ সমস্যায় ভুগছেন তারা অনায়াসে খেতে পারেন এ ফলটি। জেনে নিন কাঁচা পেঁপের কিছু উপকারিতা-

পেঁপেতে আছে এন্টি- অ্যামোবিক ও এন্টি-প্যারাসিটিক বৈশিষ্ট্য যা অন্ত্রের চলাচলকে নিয়ন্ত্রণ করে। এমনকি এটি বদহজম, কোষ্ঠকাঠিন্য, এসিড রিফ্লাক্স, হৃদযন্ত্রের সমস্যা, অন্ত্রের সমস্যা, পেটের আলসার ও গ্যাস্ট্রিক সমস্যা থেকেও রক্ষা করে।

পেঁপের পুষ্টিগুণ ব্রণ ও ত্বকের যেকোনো ধরনের সংক্রামক থেকে রক্ষা করে। এমনকি এটি ত্বকের ছিদ্র মুখগুলো খুলে দেয়। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এটি ফেসপ্যাক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। কাঁচা পেঁপে ত্বকের মরা কোষগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করে তুলতে সাহায্য করে।

পেঁপের পুষ্টিগুণ মেয়েদের জন্য সবচেয়ে বেশি দরকারী। কারণ এটি মহিলাদের যেকোনো ধরনের ব্যথা কমাতে কার্যকারী ভূমিকা রাখে। পেঁপের পাতা, তেঁতুল ও লবণ একসাথে মিশিয়ে পানি দিয়ে খেলে ব্যথা একেবারে ভালো হয়ে যায়।

এটি ব্লাড প্রেসার ঠিক রাখার পাশাপাশি রক্তের প্রবাহকে নিয়ন্ত্রণ করে। এমনকি শরীরের ভেতরের ক্ষতিকর সোডিয়ামের পরিমাণকেও কমিয়ে দেয়। ফলে হৃদরোগের সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি।

পেঁপে ভিটামিন এ-তে ভরপুর। যা দৃষ্টিশক্তিকে ভালো রাখে। যারা ক্ষীণ দৃষ্টিশক্তিতে ভুগছে, তারা নিয়মিত পেঁপে খেলে উপকার পাবেন। পেঁপের মধ্যে থাকে ভিটামিন সি। যা স্কার্ভি প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। এর মধ্যে থাকে প্রচুর ক্যালসিয়াম যা দাঁত ও হাড়ের জন্য খুবই উপকারি। পেঁপের রস ১ টেবিল চামচ, গাজরের রস ১ টেবিল চামচ, মধু ১ টেবিল চামচ ও আনারসের রস ১ টেবিল চামচ মিশিয়ে একটি জুস বানিয়ে খেতে পারেন।

ঋতুস্রাবের সমস্যা থেকেও পেঁপে আপনাকে রক্ষা করবে। যারা বাচ্চাদের বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন, তারা নিয়মিত পেঁপে খেতে পারলে তাদের বুকের দুধের পরিমাণ অনেক বেড়ে যাবে। যাদের আঁচিল রয়েছে তারা আঁচিলের উপর পেঁপের কষ লাগাতে পারেন। এভাবে দীর্ঘদিন লাগালে আঁচিল সেরে যাবে। কাঁচা পেঁপে বা পাকা পেঁপে দুটিই কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। আর পেঁপে খেলে পেট পরিষ্কার হয়ে যায়।

সব থেকে ভালো হয় যদি কাঁচা পেঁপে খেতে পারেন। পেঁপে সেদ্ধ করে, ডালের মধ্যে দিয়ে, তরকারী করেও খেতে পারেন। যকৃতের ক্ষেত্রে পেঁপে ভীষণ উপকারি। আপনি যদি নিয়মিত পেঁপের রস তবে তা আপনার লিভারকেও ভালো রাখবে।শুধু পেঁপের রসই নয়, পেঁপের আঠাও খুব ভালো কাজ করে শরীর সুস্থ রাখার জন্য।

কাঁচা পেঁপে কিভাবে খাবেন? কাঁচা পেঁপে ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিন। এর মধ্যে গোল মরিচের গুঁড়ো ও লেবু মিশিয়ে নিতে হবে। তারপর এটি খেতে পারেন। এভাবে কাঁচা পেঁপে খেলে মুখের অরুচিভাব দূর হবে। এমন কি জ্বর হলেও কাঁচা পেঁপে খেতে পারেন। আর এটি জ্বর ভালো করতেও সাহায্য করবে। এছাড়াও পেঁপে খেলে দাদ, চুলকানি যেকোনো ধরণের চর্মরোগ, ফুসকুড়ি, ব্রণ ইত্যাদি কমে যাবে। নিয়মিত পেঁপে খেলে তা ওজন কমাতে সাহায্য করবে।

রান্নাঘর পরিষ্কার রাখবেন যেভাবে
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : সুস্থতার জন্য স্বাস্থ্যোকর উপায়ে খাবার তৈরি ও পরিবেশন জরুরি। সেজন্য সবার আগে প্রয়োজন রান্নাঘর পরিষ্কার রাখা। কারণ রান্না করতে গিয়ে সবজির খোসা, তেল-ঝোল ইত্যাদি ছড়িয়ে ছিটিয়ে খুব সহজেই রান্নাঘর নোংরা হয়ে যায়। আর সেখান থেকেই ছড়াতে পারে জীবাণু। তাই রান্নাঘর পরিষ্কার করতে হবে নিয়মিত। জেনে নিন সহজ কিছু উপায়-

রান্না হয়ে গেলেই চুলা ও চুলার চারপাশ পরিষ্কার করে ফেলুন। পরে করবেন বলে ফেলে রাখবেন না। খাবার সার্ভ করার সময়ে বা তেল ঢালার সময়ে পড়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে মুছে নিতে হবে। দাগ পুরনো হলেই তা তুলতে সমস্যা হয়।

রান্নাঘরের মেঝে দিনে দু’বার মুছে পরিষ্কার করুন। সকালে ও রাতে রান্নার পরে মুছলেই ভালো। রাতে মুছতে অসুবিধা হলে মব দিয়ে পরিষ্কার করে নিতে পারেন।

রান্নাঘরের বেসিন সব সময় যেন ঝকঝকে থাকে। বেসিনে এঁটো কাপ, প্লেট জমিয়ে রাখবেন না। যদি এঁটো থালা বাটি রাখতেই হয়, বেসিনের নিচে ঢাকা দেওয়া জায়গায় রাখুন। বেসিনের মুখে কিছু আটকে গেলে ভিনিগার ঢেলে রাখতে পারেন। কয়েক ঘণ্টা পরে নিজে থেকেই বেসিনের মুখ খুলে যাবে।

রান্নাঘরে চিমনির গায়েও কিন্তু তেল জমে। প্রতিদিনের তেলময়লা তুলে নিলে ঝামেলা কম। অটোক্লিন চিমনি না হলে চিমনি খুলে পরিষ্কার করার ব্যাপার থাকে। তাহলে সপ্তাহে একদিন পরিষ্কার করুন। কিন্তু চিমনির চারপাশে, উপরে রোজ ভেজা টিসু বা স্পঞ্জ দিয়ে ঘষে মুছে নিতে হবে।

রান্নাঘরে তেলাপোকার উৎপাত প্রায় প্রতি ঘরের সমস্যা। তা এড়াতে একটি পাত্রে বাসন মাজার লিকুইড সোপের মধ্যে পরিমাণমতো পানি মিশিয়ে নিন। এক চামচ সাবান হলে ছোট এক বাটি পানি নিলেই চলে। তারপরে মিশ্রণটি রান্নাঘরের নানা জায়গায় ছড়িয়ে দিন। যেসব জায়গা থেকে তেলাপোকা, পোকামাকড়ের উৎপত্তি, সেখান ছড়ালে নির্বংশ হবে তারা।

সপ্তাহান্তে রান্নাঘরের কৌটো সাফ করে নিন। কৌটোর উপরেও ময়লা জমে। একগ্লাস পানিতে ১ টেবিল চামচ বেকিং সোডা গুলে নিন। সেই পানিতে পরিষ্কার কাপড় ভিজিয়ে কৌটোর মুখের ময়লা তুলে নিন।

চিমনি খুলে পরিষ্কার করতে হবে। চিমনি অটো ক্লিন হলে তো ঝামেলা নেই। তবুও চিমনির বাইরের তেলময়লা ঈষদুষ্ণ পানিতে সাবান গুলে পরিষ্কার করতে পারেন। বছরে দু’বার কোম্পানির থেকে যে সার্ভিস করানো হয়, তা করাতে হবে।

রান্নাঘরের দেওয়ালে টাইলস পরিষ্কার করতে পুরনো টুথব্রাশ বা কাপড় কাচার ব্রাশ আর সাবানজল ব্যবহার করতে পারেন।

রান্নাঘরে জানালার গ্রিল বা এগজস্ট ফ্যানেও তেলঝুল জমে। তাই মাসে এক দিন নিজে বা প্রশিক্ষিত লোক ডেকেও তা পরিষ্কার করিয়ে নিতে পারেন।

ক্যাবিনেটও পরিষ্কার করুন। ভিতরটা মুছুন শুকনো কাপড় দিয়ে। বাইরেটা সাফ করতে ভিজে তোয়ালে ব্যবহার করতে পারেন।

রান্নাঘরে যেসব ইলেকট্রিক অ্যাপ্লায়েন্স থাকে অর্থাৎ টোস্টার, গ্রিলার বা মিক্সার-গ্রাইন্ডার, সেগুলো তাকে তুলে রাখুন। ব্যবহার করার সময়ে বার করে পরে মুছে তুলে রাখুন। কভারও ব্যবহার করা যায়। কুরুশের বা ডাব্ল লেয়ারের প্রিন্টেড কভার পেয়ে যাবেন বাজারে।

একগাদা বাসন রান্নাঘরের টেবিলে স্তূপ করে না রেখে কাজ শেষে তা ক্যাবিনেটে ঢুকিয়ে রাখুন।

ঢাকনা দিয়ে রান্না করুন। তাহলে তেলকালির দাগ বেশি পড়বে না। ফোড়ন দেওয়ার সময়েও এক হাতে সাঁড়াশি দিয়ে ঢাকনা ধরে রাখুন কড়াইয়ের উপরে।

কিডনি ভালো রাখতে যা খাবেন
                                  

আমরা অনেক ধরনের খাবারই খেয়ে থাকি। কিন্তু এমন কিছু খাবার আছে যেগুলো কিডনি ভালো রাখতে সহায়তা করে। দেখে নিন সেরকম কয়েকটি খাবারের নাম-

আপেল: বলা হয়ে থাকে, প্রতিদিন একটি করে আপেল খেলে ডাক্তারের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন হয় না। নিয়মিত আপেল খাওয়ার অভ্যাস করলে তা কিডনির স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে সাহায্য করে। এছাড়াও রক্তে কোলেস্টেরল কমাতে, হৃদরোগ এবং ক্যানসার প্রতিরোধেও অনন্য ভূমিকা পালন করে এটি।

ডিমের সাদা অংশ: আমরা অনেকেই মোটা হওয়ার ভয়ে ডিমকে খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেই। কিন্তু আপনি কি জানেন ডিমের সাদা অংশই হচ্ছে বিশুদ্ধ প্রোটিন যা আপনার কিডনির জন্য খুবই দরকারি।

পেঁয়াজ: পেঁয়াজের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো ফ্লাভনয়েড যা রক্তনালীতে চর্বি জমা প্রতিহত করে। এর এন্টিঅক্সিডেন্ট কিডনিজনিত উচ্চরক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। ক্যান্সার প্রতিরোধেও এর ভূমিকা আছে।

রসুন: রসুনের গুণের কথা আমাদের সবারই জানা। এটি কিডনি প্রদাহ উপশম করার পাশাপাশি রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমায়। কিডনি রোগীদের জন্য এর কোন বিকল্প নেই।

ক্যাপসিকাম: আপনার কিডনি সুস্থ রাখতে ক্যাপসিকাম হতে পারে প্রথম পছন্দ। সালাদ এবং যেকোনও রান্নাকে সুস্বাদু করতে এর জুড়ি নেই। এতে আছে ভিটামিন এ, সি, বি-৬, ফলিক এসিড এবং ফাইবার। এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ এন্টিঅক্সিডেন্ট লাইকোপিন এর প্রধান উপাদান যা ক্যান্সার প্রতিরোধেও সহায়ক।

যে পাঁচটি বিষয় নিয়ে পুরুষরা কথা বলে না
                                  

অনলাইন ডেস্ক : প্রতি ৪০ সেকেন্ডে পৃথিবীতে একজন ব্যক্তি আত্মহত্যা করে। যারা নিজের জীবন এভাবে শেষ করে দেন এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তারা পুরুষ।

নিজেদের সমস্যা নিয়ে কথা বলা অথবা কোন বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়ার প্রবণতা সম্ভবত তাদের কম।

এক্ষেত্রে জেনে নেয়া জরুরি যে পাঁচটি বিষয় নিয়ে পুরুষদের কথা বলা দরকার।

নিঃসঙ্গতা নিয়ে কথা বলুন
বিবিসি নিজে ওয়েলকাম কালেকশন নামে একটি সংস্থার সাথে নিঃসঙ্গতা নিয়ে জরিপ চালিয়েছিল।

তাতে দেখা গেছে ১৬ থেকে ২৪ বছর বয়সীরা সবচেয়ে বেশি নিঃসঙ্গতা অনুভব করে।

খুব দীর্ঘ সময়ের নিঃসঙ্গতা একজন মানুষের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার উপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলে।

গবেষণায় দেখা গেছে সহজে নিরাময় হয়না শরীরে এমন রোগের জন্ম দেয় নিঃসঙ্গতা।

তা মানুষের মধ্যে বেপরোয়া আচরণের জন্ম দেয়।

একাকীত্বের সাথে স্মৃতিভ্রংশ জনিত রোগেরও সম্পর্ক রয়েছে।

২০১৭ সালে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা বলছে বিশেষ করে পুরুষদের জন্য এই নিঃসঙ্গতা থেকে বেরিয়ে আসা মুশকিল।

এই গবেষণার প্রধান রবিন ডানবার বলছেন, যোগাযোগ ও বন্ধুত্ব বজায় রাখার ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের মধ্যে বিশাল ফারাক তারা দেখতে পেয়েছেন।

পুরুষরা নিজেদের একাকীত্ব স্বীকারও করেন না। ২০১৭-১৮ সালে যুক্তরাজ্যের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, `একা বোধ করি না` এই কথাটিই বরং পুরুষরা মেয়েদের তুলনায় বেশি বলেন।

কান্না ও পুরুষালী ধারণা
সমাজের প্রচলিত একটি কথাই রয়েছে যে `ছেলেদের কাঁদতে নেই`।

যুক্তরাজ্য ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইউগভ-এর ২০১৮ সালের এক হিসেব অনুযায়ী দেশটির ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সী পুরুষদের ৫৫ শতাংশ মনে করেন কান্না পুরুষের আচরণের সাথে যায় না বা কান্না পুরুষালী বিষয় নয়।

আত্মহনন প্রবণতায় ভোগে এমন মানুষদের সহায়তা করে অস্ট্রেলিয়ান দাতব্য প্রতিষ্ঠান লাইফলাইন। সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক কোলম্যান ওড্রিসকল বলছেন, "আমরা খুব ছোটবেলা থেকে ছেলেদের এমনভাবে তৈরি করি যেন তাদের আবেগ প্রকাশ করতে নেই। সমাজ সেভাবেই ছেলেদের বড় করে তোলে। তাদের ধারনা দেয়া হয় যে আবেগ প্রকাশ করা দুর্বলতার লক্ষণ।"

অথচ বহু গবেষণায় দেখা গেছে নিজের মন হালকা করার জন্য কান্না খুব কাজে আসে।


পরিবারের জীবিকার প্রধান দায়িত্ব পুরুষের জন্য বড় চাপ
যুক্তরাজ্যে এক গবেষণায় দেখা গেছে ৪২ শতাংশ পুরুষরা মনে করে তাদের নারী সঙ্গীদের তুলনায় তাদের আয় বেশি হওয়া উচিৎ।

সেরকম একজন নাইজেরিয়ান ফুটবলার অলুমাইড ডরুযাইয়ে। তিনি বলছেন, "আমি দেখেছি আমার বাবা ছিলেন পরিবারের প্রধান রুটির যোগানদাতা। দিনরাত খাটতেন। আমিও সেরকমই হয়েছি। যেকোনভাবেই হোক আমাকে অর্থ উপার্জন করতে হয়েছে কারণ আমাকে সেই পুরুষের ভূমিকাটি নিতে হয়েছে।"

পরিবারের সবার রুটির যোগান দেয়া পুরুষের দায়িত্ব এই ধারনার কারণে পুরুষরা অনেকেই বাড়তি চাপের মধ্যে থাকেন।

পুরুষদের জন্য এই দায়িত্ব বাড়তি বোঝা বলে মনে করা হয়। অর্থনৈতিক বোঝা মানসিক স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলে।

বেকারত্বের সাথে আত্মহত্যার সম্পর্ক রয়েছে বলে ২০১৫ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে।


সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ও বাস্তবতা
গবেষকরা বলছেন, মানসিক স্বাস্থ্যের উপর সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম সম্ভবত খুব গভীর প্রভাব ফেলছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা বলছে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে আমরা যত বেশি সময় কাটাই তাতে আমরা আরও বেশি নি:সংগ ও বিষণ্ণ হয়ে পরি।

এই গবেষণার লেখক মেলিসা হান্ট বলছেন, "সামাজিক যোগাযোগের ব্যবহার কমিয়ে দিলে সাধারণত বিষণ্ণতা ও নিঃসঙ্গতার মাত্রা উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসে।"

কিন্তু সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে এমন কি আছে যা আসলে ক্ষতিকর?

মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক অস্কার ইয়াবারা বলছেন, "সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে যা দেখা যায় তা খুব কম ক্ষেত্রেই বাস্তব জীবনের প্রতিফলন। আপনি এতে ঢুকে যা দেখছেন তা সচরাচর খুবই বাছাই করা বিষয়াদি। কিন্তু মানুষ তবুও নিজের জীবনের সাথে তার তুলনা করে।"

নিজের শরীর সম্পর্কে ধারণা
যুক্তরাজ্যে গত বছর লাভ আইল্যান্ড নামে টেলিভিশনে একটি রিয়ালিটি শোতে অংশ নিয়ে কিছুটা খ্যাতি অর্জন করেছিলেন এমন একজন জশ ডেনজেল।

তিনি বলছেন, এই অনুষ্ঠানে অংশ নেয়ার আগে তিনি সারাদিন জিমে কাটাতেন।

তারপরও আয়নায় নিজের দিকে তাকাতেন এবং নিজের শরীর নিয়ে সংকোচ বোধ করতেন।

তিনি বলছেন, "এখনো সৈকতে হয়ত আমার পাশ দিয়ে দারুণ সিক্স প্যাক শরীর নিয়ে কেউ হেঁটে যাচ্ছে, আমি তখন নিজের দিকে তাকিয়ে নিজেকেই খুব হীন পুরুষ মনে হয়েছে।"

তরুণ প্রজন্মের মধ্যে একটি দারুণ ফিগার নিয়ে এখন অনেকেই খুব চিন্তা করেন।

তাই স্থূল হয়ে যাওয়া বা শরীরের কোন খুঁতের সাথেও মানসিক স্বাস্থ্যের যোগসূত্র রয়েছে বলে মনে করা হয়।

এই সকল বিষয় নিয়ে পুরুষদের খোলাখুলি আলাপ করাকেই এখন উৎসাহিত করা হচ্ছে।

নিজের আবেগকে দুরে ঠেলে না দিয়ে, বোতল বন্দি করে না রেখে তার সংস্পর্শে এলেই বরং মানসিক স্বাস্থ্যের উপকার হয়- সেই বার্তা দেয়া হচ্ছে পুরুষদের।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

টাক পড়া বন্ধে যা খাবেন
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : টাক পড়ে যাওয়া এখন খুব স্বাভাবিক একটি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বয়স হয়তো ত্রিশও ছোঁয়নি, অথচ টাক পড়ার কারণে দেখতে লাগে বয়স্ক। এরকম সমস্যায় ভুগে থাকেন অধিকাংশ পুরুষই।

বেশ কয়েকটি কারণে অকালে চুল ঝরে যেতে পারে। তার মধ্যে মাত্রাতিরিক্ত মানসিক চাপ, ব্যাকটেরিয়ার কারণে সংক্রমণ বা অ্যালার্জি, রক্তস্বল্পতা, আবহাওয়া, অপুষ্টি এবং দূষিত পানি অন্যতম। তবে অকালে চুল ঝরে যাওয়ার ক্ষেত্রে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই কারণ হিসেবে সামনে আসে অপুষ্টি।

পুষ্টিবিদদের মতে, কয়েকটি খাবার বা মশলা নিয়মিত খেতে পারলে অপুষ্টিজনিত কারণে চুল ঝরা বন্ধ হয়ে যাবে। নতুন চুলও গজাবে। চলুন জেনে নেই কোন খাবারগুলো আপনার টাক পড়া রোধ করবে-

আমলকীতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। চুলের পরিচর্যায় যুগ যুগ ধরেই আমলকীর ব্যবহার হয়ে আসছে। প্রতিদিন একটা করে আমলকী খেতে পারলে অকালে চুল ঝরে যাওয়া থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব।

পালং শাকে রয়েছে ভিটামিন বি, সি, ই, আর ভিটামিন এ। এ ছাড়াও এতে রয়েছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড ও আয়রন। এই উপাদানগুলি চুলের গোড়া শক্ত করতে সাহায্য করে।

চুলের পরিচর্যায় মেথি অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। মেথিতে রয়েছে প্রচুর প্রোটিন ও নিকোটিনিক অ্যাসিড যা চুলের গোড়া শক্ত করে অকালে অতিরিক্ত চুল ঝরে যাওয়া রুখতে সাহায্য করে। প্রতিদিন মেথি ভেজানো পাবেন খেতে পারলে ফল পাবেন।

নারিকেল তেলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে লরিক অ্যাসিড যা চুলে প্রোটিনের জোগান দিয়ে গোড়া মজবুত করতে সাহায্য করে। মাথায় নারিকেল তেল মাখার সঙ্গে সঙ্গে নারিকেল তেলে রান্না করে খেতে পারলেও অকালে চুল ঝরে যাওয়ার সমস্যায় দুর্দান্ত ফল মিলবে।

ইফতারে পান করুন লেবুর শরবত
                                  

অনলাইন ডেস্ক : রমজান মাসে প্রচণ্ড গরমে প্রাণ ওষ্ঠাগত সবার। এই গরমে প্রাণ জুড়াতে শরবতের জুড়ি নেই। গরমে লেবুর শরবত শরীরের জন্য বেশ উপকারি। তাই ইফতারে খেতে পারেন লেবুর শরবত। লেবুর শরবত সারাদিনের রোজার ক্লান্তি দূর করবে। এছাড়া নিয়মিত লেবু পানি খাওয়া শুরু করলে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।

লেবুর শরবতে সারবে যে সব রোগ:

১. একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, লেবু শরবত লিভারে উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদান বের করে। ফলে লিভারের যেকোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা যায় কমে।

২. লেবুতে রয়েছে ভিটামিন সি, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম, যা দেহের ভেতরে পুষ্টির ঘাটতি দূর করে।

৩. ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে লেবু পানি খেলে দেহের ভেতরে পিএইচ লেভেলের ভারসাম্য ঠিক থাকে। ফলে দেহের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

৪. সম্প্রতি প্রকাশিত একটি গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, টিবি রোগের চিকিৎসায় ওষুধের সঙ্গে লেবুর মতো ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল খেলে ওষুধের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

৫. বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন লেবু খেলে দেহের ভেতরে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

৬. লেবুর পানি ব্যবহারে ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ে। ত্বকের হারিয়ে যাওয়া ঔজ্জ্বল্য ফিরিয়ে আনে। পাশাপাশি ব্ল্যাক হেডস এবং বলিরেখা কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৭. নিয়মিত লেবু পানি খেলে শরীরে জমে থাকা অতিরিক্তি মেদ ঝরে যায়। লেবুর ভেতরে পেকটিন নামক একটি উপাদান, শরীরে প্রবেশ করার পর অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে বারে বারে খাবার খাওয়ার ইচ্ছা চলে যায়। ওজনও কমে।

৮. লেবু খেলে এনার্জির ঘাটতি দূর হয়। ঘুম থেকে উঠে চা বা কফি না খেয়ে প্রতিদিন এক গ্লাস করে লেবুর পানি খান। ফলে সকাল সকাল শরীর এবং মস্তিষ্ক চাঙ্গা হয়ে উঠতে একেবারেই সময় লাগে না।

৯. লেবুর শরবতে শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা কমে যায়। যারা অ্যাসমা বা কোনও ধরনের রেসপিরেটরি প্রবলেমে ভুগছেন তারা খেতে পারেন লেবুর শরবত।

১০. স্ট্রেস এবং অবসাদের থেকে মুক্তি দেবে লেবুর শরবত। একাধিক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, নিয়মিত লেবুর পানি খেলে স্ট্রেস একেবারে কমে যায়।

১১. লেবু পানিতে থাকে প্রচুর মাত্রায় পটাশিয়াম, যা রক্তচাপকে স্বাভাবিক রাখে। যারা এ রোগে ভুগছেন তারা প্রতিদিন সকাল-বিকাল লেবু পানি খাওয়া শুরু করুন, দেখবেন দারুন ফল পাবেন।

১২. বদ হজম, কনস্টিপেশন, বারংবার পেট খারাপসহ নানাবিধ পেটের রোগে খেতে পারেন লেবুর শরবত। ফলে স্টমাক অ্যাসিডের ক্ষরণ ঠিক মতো হতে শুরু করবে। ফলে রোগের প্রকোপ তো কমবেই, শরীরে জমে থাকা ক্ষতিকর উপাদান বা টক্সিনও বেরিয়ে যাবে।

১৩. মুখ থেকে খুব দুর্গন্ধ হলে লেবু পানি খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন বদগন্ধ একেবারে কমে যাবে। এছাড়া মাড়ি থেকে রক্তপাত এবং দাঁতে যন্ত্রণা হওয়ার মতো সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে লেবুর শরবত।

১৪. লেবুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল প্রপাটিজ। যে কোনও ধরনের সংক্রমণ, বিশেষত গলার সংক্রমণ কমাতে দারুণভাবে কাজ করে লেবুর পানি।


   Page 1 of 11
     লাইফস্টাইল
বয়স বাড়লেও ত্বকে পড়বে না ছাপ
.............................................................................................
ওজন কমায় ভাত না রুটি?
.............................................................................................
চুল পড়া বন্ধে তেজপাতা
.............................................................................................
দাঁড়িয়ে পানি পান স্বাস্থ্যঝুঁকি ?
.............................................................................................
চোখ উঠেছে? জেনে নিন সুস্থতার উপায়
.............................................................................................
গরমে শরীর ঠান্ডা রাখবে যেসব খাবার
.............................................................................................
মানসিক অস্থিরতা কমাবে তেজপাতা !
.............................................................................................
যে তেল মুখে মাখলে বয়স বাড়বে না!
.............................................................................................
গরমে চুলের যত্ন
.............................................................................................
কালো ঠোঁট গোলাপী করার উপায়
.............................................................................................
কাঁচা পেঁপের এই উপকারিতাগুলো জানতেন?
.............................................................................................
রান্নাঘর পরিষ্কার রাখবেন যেভাবে
.............................................................................................
কিডনি ভালো রাখতে যা খাবেন
.............................................................................................
যে পাঁচটি বিষয় নিয়ে পুরুষরা কথা বলে না
.............................................................................................
টাক পড়া বন্ধে যা খাবেন
.............................................................................................
ইফতারে পান করুন লেবুর শরবত
.............................................................................................
গরমে ডাবের পানি কেন খাবেন?
.............................................................................................
রোজায় খেজুর খাবেন যে কারণে
.............................................................................................
ঝড়-বৃষ্টিতে ত্বকে যেসব সমস্যা হতে পারে
.............................................................................................
হাঁটুর সুস্থতায় যা করবেন
.............................................................................................
গরমে সুস্থ থাকতে ১০ পরামর্শ
.............................................................................................
সকালে কাঁচা ছোলা খাওয়ার উপকারিতা
.............................................................................................
মুখে ব্রণের দাগ? জেনে নিন দূর করার উপায়
.............................................................................................
গরমে অসুস্থতা থেকে রক্ষা পেতে যা জানা জরুরি
.............................................................................................
বেলের কিছু উপকারিতা
.............................................................................................
রাতে দেরি করে খেলে যেসব অসুখের সম্ভাবনা থাকে
.............................................................................................
বৈশাখে কী খাবেন?
.............................................................................................
কেমন হবে পহেলা বৈশাখের সাজ
.............................................................................................
বয়স ধরে রাখবে যেসব খাবার
.............................................................................................
ওজন কমাতে প্রতিদিন একটি কলা
.............................................................................................
মেদ বাড়ার ৫ কারণ
.............................................................................................
ব্লিচ ছাড়াই কাপড় সাদা করতে. . .
.............................................................................................
গরমে মাথা ব্যথা কমাতে যা করবেন...
.............................................................................................
বরফের ৫ ব্যবহার, যা আপনার জানা প্রয়োজন
.............................................................................................
অতিরিক্ত ঘাম থেকে মুক্তি পেতে . . .
.............................................................................................
ঘামের দুর্গন্ধ দূর করতে...
.............................................................................................
ছারপোকা ও তেলাপোকা থেকে বাঁচতে বেকিং সোডা
.............................................................................................
কোমর ব্যথা তৈরি করে যে ৫টি অভ্যাস
.............................................................................................
কিডনি সুস্থ রাখতে যা খাবেন, যা খাবেন না
.............................................................................................
শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় চিরতা
.............................................................................................
গোলমরিচের যত গুণাগুণ!
.............................................................................................
ত্বক ফর্সা করুন ৫ উপায়ে
.............................................................................................
চুল পড়া বন্ধে যা করবেন
.............................................................................................
যে ৫ কারণে স্ট্রবেরি খাবেন
.............................................................................................
ত্বক ভালো রাখতে ফলের রস
.............................................................................................
দাঁড়িয়ে পানি পান স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ায়
.............................................................................................
ফাগুনের সাজ
.............................................................................................
ঘরোয়া উপায়ে আঁচিল দূর করুন
.............................................................................................
সকালে খালি পেটে পানি পানের সুফল
.............................................................................................
খেজুরের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]