| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * ১ অক্টোবর সৌদিতে বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালু : ল্যান্ডিং পারমিশন মেলেনি   * স্ত্রীর স্বপ্ন পূরণে ১৭ লাখ টাকায় হাতি কিনে দিলেন স্বামী   * অ্যাটর্নি জেনারেলের শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন   * স্বাস্থ্য খাতের ১২ কর্মকর্তা-কর্মচারিসহ ২০ জনের সম্পদের বিবরণী চেয়ে দুদকের নোটিশ   * সাভারে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, গ্রেফতার ৬   * ইয়াঙ্গুনে লকডাউন জারি   * করোনার প্রভাব বেড়ে যাওয়ায় চেক রিপাবলিকের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ   * তিন দিনের মাথায় উঠে যাচ্ছে সড়কের পিচ   * ইরাক দিয়ে তেল চুরি করে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র: সিরিয়া   * অনুমতি মিলেছে এন্টিজেনভিত্তিক র‌্যাপিড টেস্টের  

   লাইফস্টাইল -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
যেসব অসুখ চিকিৎসকের কাছে গোপন করবেন না

লাইফস্টাইল ডেস্ক : কোনো ধরনের শরীরিক সমস্যা বা অসুখ চিকিৎসকের কাছে গোপন করা উচিত। ছোট অনেক অসুখ রয়েছে যা পরবর্তী সময় বড় রোগের কারণ হয়ে থাকে। তাই শরীরিক যে সমস্যায় থাকুন না কেন, তা চিকিৎসকে খুলে বলুন।

আসুন জেনে নিই যেসব রোগ বা রোগের লক্ষণ কখনও লুকাবেন না-

১. পেটে অসহ্য ব্যথা হয় এবং পেট ফুলে যাওয়ার সমস্যা দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। পেট ফুলে যাওয়া কেবল খাবারের সমস্যার কারণে হয়- তা নয়। আলসার, গ্যাস্ট্রিক অ্যালার্জির কারণে পেটব্যথা হতে পারে।

২. বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া ও ওজন হ্রাস অনুভব করেন, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

৩. ঠাণ্ডা লাগা বা কানে ময়লা জমে যাওয়ার কারণে শুধু শ্রবণশক্তি হ্রাস হয়, মন নয়। হঠাৎ শ্রবণশক্তি হ্রাস অডিটরি নার্ভে টিউমার বা মাল্টিপল স্ক্লেরোসিসের লক্ষণও হতে পারে।
৪. অসহ্য মাথাব্যথা হলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কারণ অবহেলা থেকে পরে ব্রেন টিউমার, স্ট্রোকের সমস্যা হতে পারে।

৫. স্নায়ু বা কিডনির সমস্যা, হার্নিয়া বা টিউমার হওয়ার ফলে প্রস্রাবের সমস্যা দেখা দেয়। প্রস্রাবের সমস্যা হলে চিকিৎসকে জানান। প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে।
৬. সাধারণত পিঠে বসা বা শোবার কোনো সমস্যা থেকেই ব্যথা হতে পারে। এ সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

তথ্যসূত্র: বোল্ডস্কাই

যেসব অসুখ চিকিৎসকের কাছে গোপন করবেন না
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : কোনো ধরনের শরীরিক সমস্যা বা অসুখ চিকিৎসকের কাছে গোপন করা উচিত। ছোট অনেক অসুখ রয়েছে যা পরবর্তী সময় বড় রোগের কারণ হয়ে থাকে। তাই শরীরিক যে সমস্যায় থাকুন না কেন, তা চিকিৎসকে খুলে বলুন।

আসুন জেনে নিই যেসব রোগ বা রোগের লক্ষণ কখনও লুকাবেন না-

১. পেটে অসহ্য ব্যথা হয় এবং পেট ফুলে যাওয়ার সমস্যা দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। পেট ফুলে যাওয়া কেবল খাবারের সমস্যার কারণে হয়- তা নয়। আলসার, গ্যাস্ট্রিক অ্যালার্জির কারণে পেটব্যথা হতে পারে।

২. বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া ও ওজন হ্রাস অনুভব করেন, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

৩. ঠাণ্ডা লাগা বা কানে ময়লা জমে যাওয়ার কারণে শুধু শ্রবণশক্তি হ্রাস হয়, মন নয়। হঠাৎ শ্রবণশক্তি হ্রাস অডিটরি নার্ভে টিউমার বা মাল্টিপল স্ক্লেরোসিসের লক্ষণও হতে পারে।
৪. অসহ্য মাথাব্যথা হলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কারণ অবহেলা থেকে পরে ব্রেন টিউমার, স্ট্রোকের সমস্যা হতে পারে।

৫. স্নায়ু বা কিডনির সমস্যা, হার্নিয়া বা টিউমার হওয়ার ফলে প্রস্রাবের সমস্যা দেখা দেয়। প্রস্রাবের সমস্যা হলে চিকিৎসকে জানান। প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে।
৬. সাধারণত পিঠে বসা বা শোবার কোনো সমস্যা থেকেই ব্যথা হতে পারে। এ সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

তথ্যসূত্র: বোল্ডস্কাই

লবঙ্গের চা এত উপকারী!
                                  

চা প্রায় কমবেশি সবাই খায়। তবে আমরা যদি চায়ের উপাদান ও সেই উপাদানগুলোর উপকারিতা সম্পর্কে সচেতন হই, তাহলে শরীরের অনেক রোগ ও সমস্যার নিরাময় হতে পারে। বৃদ্ধি পেতে পারে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও।

কিছু মশলা তথা উপাদান রয়েছে, যা চায়ে মিশিয়ে পান করলে শরীরের বহু রোগ দূর হতে পারে। এমনই এক মশলা হল লবঙ্গ। যদি আপনি নিয়ম মেনে লবঙ্গ চা পান করেন তাহলে আপনার অতিরিক্ত ওজন হ্রাস পেতে পারে। শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কয়েক গুণ বেড়ে যায়। এমনকি ডায়াবেটিসও নিয়ন্ত্রণে থাকে। কিন্তু কেন পান করবেন লবঙ্গ চা? সেক্ষেত্রে জানতে হবে লবঙ্গের উপকারিতা।

লবঙ্গের উপকারিতা
লবঙ্গে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে গুরপত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
লবঙ্গ থেকে যে তেল পাওয়া যায়, তাতে ইউজেনল নামে একপ্রকার উপাদান থাকে। এটি দাঁতে ব্যথা, মাড়িতে ঘা বা আলসার জাতীয় কোনও রোগের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে।

মনে রাখবেন- লবঙ্গ অ্যান্টিসেপটিক ও অ্যান্টিভাইরাল গুণ সম্পন্ন। এর মধ্যে থাকা উপাদানগুলো গলা ব্যথা, সর্দি-কাশি কিংবা মাথা ব্যথা কমাতে দারুণ কাজ দেয়।

লবঙ্গে থাকা ইউজেনল হজম প্রক্রিয়াতেও সাহায্য করে। আর যদি খাবার ভালোভাবে হজম হয়, তাহলে শরীরও সুস্থ থাকে। হঠাৎ করে ওজন কমে যাওয়ার প্রবণতা কমে যায়। তবে শুধু হজম নয় স্বাভাবিক ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিপাক ক্রিয়াতেও সাহায্য করে এই ইউজেনল।

রোগ প্রতিরোধের পাশাপাশি ত্বকের সৌন্দর্য বজায় রাখতে লবঙ্গের ভূমিকা অপরিসীম।

শরীরে ব্লাডসুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে লবঙ্গ। জার্নাল ন্যাচারাল মেডিসিনে প্রকাশিত একটি সমীক্ষাতেও এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়েছে।

লবঙ্গের উপকারিতা পেতে হলে এটিকে চায়ে মিশিয়ে পান করা যেতে পারে। কিন্তু কীভাবে বানাবেন লবঙ্গের চা, দেখে নিন সহজ উপায়-

প্রথমে এক চামচ লবঙ্গ চূর্ণ নিন। তারপর এক কাপ পানি নিয়ে তাতে ওই লবঙ্গচূর্ণ মিশিয়ে ফোটাতে শুরু করুন। এরপর তিন-চার মিনিট রাখুন ও ঠাণ্ডা করুন। যদি চান তাহলে এই লবঙ্গ চায়ে এক চামচ মধুও দিতে পারেন। প্রতিদিন সকালে এই চা পান করুন। তবে মাথায় রাখবেন লবঙ্গ চা পান করার মাত্রা যেন বেড়ে না যায়। কারণ অতিরিক্ত মাত্রায় যেকোনওকিছুই আপনার স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে। তাই নিয়ম মতো চা পান করুন এবং সুস্থ থাকুন। সূত্র: জিনিউজ

অতিরিক্ত দুশ্চিন্তার কারণে হতে পারে নানা রোগ
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : দুশ্চিন্তা আমাদের এমন এক সঙ্গী, না চাইতেও যে সঙ্গে সঙ্গে থাকে। একটি দূর হতে না হতেই আরেকটি চলে আসে। আর একবার একে মেনে নিলেই সর্বনাশ। দুশ্চিন্তা তখন আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরবে। বর্তমান সময়ে চাইলেও দুশ্চিন্তামুক্ত থাকা হচ্ছে না। আশেপাশের কেউ হাঁচি কিংবা কাশি দিলেও চিন্তিত হতে হয়, করোনা নয়তো! নিজেকে এবং পরিবারের সবাইকে ভালো রাখতে নানা দুশ্চিন্তা এসে ভর করে। কিন্তু এই দুশ্চিন্তাই নানা রকম রোগ ডেকে আনতে পারে। এমনটাই প্রকাশ করেছে আনন্দবাজার পত্রিকা।

যেসব সমস্যা হতে পারে:

* দুশ্চিন্তা বাড়লে অনেকেই যা সামনে যা পান তাই খেতে শুরু করেন, অলস হয়ে শুয়ে কিংবা বসে থাকেন। কেউবা হয়ে পড়েন নেশাগ্রস্ত। ফলে বাড়ে ওজন। ওজন বাড়লে এর সঙ্গেসম্পর্কিত অসুখবিসুখের আশঙ্কাও বাড়ে। যেমন উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবিটিস, হাই কোলেস্টেরল, ফ্যাটি লিভার, হৃদরোগ, গেঁটে বাত ইত্যাদি।
* মানসিক চাপের সঙ্গে সরাসরি যোগ রয়েছে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগের। অনিদ্রা ও খিটখিটে মেজাজেরও সম্পর্ক রয়েছে মানসিক চাপের সঙ্গে। এসবের ফলে কমে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। বাড়ে সংক্রমণের আশঙ্কা।
* দুশ্চিন্তার কারণে গ্যাস্ট্রিক, বদহজম বাড়ে।
* ঋতুস্রাব অনিয়মিত হওয়ার মূলেও রয়েছে এই দুশ্চিন্তাই।

দুশ্চিন্তা কমাতে যেসব নিয়ম মেনে চলবেন:

* নতুন স্বাস্থ্যকর অভ্যাসগুলোর সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে যান। ‘নিউ নর্মাল জীবন’কে মেনে নিন। যত তাড়াতাড়ি মানতে পারবেন, তত ভালো থাকবেন।
* মনের উপর চাপ পড়তে দেবেন না। সব সময় মন হালকা রাখার উপায় খুঁজে নিন। বই পড়া হোক কি গান শোনা, ঘরে বসে সিনেমা দেখা বা হালকা ব্যায়াম করা যেকোনো পথ বেছে নিন।
* সব সময় খবর, সিরিয়াস টক শো দেখবেন না। কমেডি শো, কার্টুন এসব দেখতে পারেন টিভিতে।
* ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও স্থুলতার সমস্যা থাকলে নিয়ম মেনে শরীরচর্চা করুন।
* মন চাইলেই কিছু একটা খেয়ে ফেলবেন না। শরীর ও মন সুস্থ রাখতে খাবারে নিয়ন্ত্রণ আনা জরুরি। অতিরিক্ত লবণ, ভাজাভুজি, অতিরিক্ত মিষ্টি যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন।
* ভালো ঘুম আপনার দুশ্চিন্তা অনেকটাই কমিয়ে দেবে। কিন্তু দুশ্চিন্তা কাটাতে ঘন ঘন চা-কফি-কোল্ড ড্রিঙ্কস পান করবেন না। তাতে ঘুমে ব্যাঘাত ঘটবে।
* এসবের পরেও সমস্যা বাড়তে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। নিজে থেকে ওষুধ খেয়ে সমস্যা ডেকে আনবেন না।

চুল পড়া কমাতে কাজে লাগান লাল শাকের অব্যর্থ টোটকা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : সবুজ শাক-সবজি খেতে চিকিৎসকরা সব সময় বলেন। কিন্তু লাল শাকের মধ্যে কিছু প্রয়োজনীয় উপাদান থাকে যা শরীরের পক্ষে উপকারি। ৩০ বছর বয়সের পর আমাদের শরীরে নানান সমস্যা দেখা যায়। সেই সব দূরে রাখতে লাল শাক খুবই উপযোগী। যদি প্রতিদিন লাল শাক খাওয়া যায় তাহলে খুবই উপকারি। নিয়মিত লাল শাক খেলে কী কী উপকার পাওয়া যায় তা দেখে নেওয়া যাক-

লাল শাকে ভিটামিন সি থাকায় চোখের রেটিনার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, যা দৃষ্টি শক্তির উন্নতিতে সাহায্য করে। যারা গ্লুকোমার সমস্যায় ভুগছেন, তারা প্রতিদিন এই শাক খান।

নিয়মিত লাল শাক খেলে কিডনির কার্যক্ষমতা বেড়ে যায়। এছাড়াও রক্ত পরিশুদ্ধ হয়ে। এছাড়াও লাল শাক শরীরে রক্তের পরিমাণ বাড়ায়। তাই কেউ যদি অ্যানিমিয়ায়ে ভোগেন তাহলে আজ থেকেই খাওয়া শুরু করুন লাল শাক।
লাল শাকের মূল দিয়ে দাঁত মেজে, লবণন[আনি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এর ফলে দাঁতের মধ্যে থাকা হলুদ ভাব কেটে যায়। এছাড়াও দাঁত জনিত অন্যান্য সমস্যাগুলিও আর হয়ে না।

লাল শাক ভাল করে বেটে তার মধ্যে এক চামচ বেটে লবণ মিশিয়ে নিন। প্রতিদিন এই মিশ্রণটি খান। চুল পড়া কমে যাবে অনেকটাই।

কোন রঙের ক্যাপসিকাম বেশি উপকারী?
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : দেখতে অনেকটা টমেটোর মতো, তবে টমেটো নয়। যেন বড়সড় এক মরিচ! নজরকাড়া রঙের এই সবজির নাম ক্যাপসিকাম। ক্যাপসিকাম লাল, সবুজসহ বেশ কয়েক রঙের হয়ে থাকে। আমাদের দেশে সাধারণত লাল ও সবুজ ক্যাপসিকাম বেশি দেখা যায়। বিদেশি সবজি হলেও এর চাহিদা দিনদিন বেড়ে চলেছে। সেইসঙ্গে বাড়ছে এর চাষও।

ক্যাপসিকামের অনেক গুণ। এতে থাকে প্রচুর ভিটামিন সি। তাই এই সবজি কখনোই অতিরিক্ত তাপমাত্রায় রান্না করা উচিত নয়। এতে এর ভিটামিন নষ্ট হয়ে যায়। পুষ্টিগুণ পুরোপুরি পেতে চাইলে কাঁচা খেতে পারেন।

ক্যাপসিকামে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকে, যা শরীরের জন্য ভীষণ উপকারী। ভিটামিন ই, এ-ও পাওয়া যায় ক্যাপসিকামে। চোখ ভালো রাখতেও এটি উপকারী। চুল ও ত্বকের জন্যও খুব ভালো এই সবজি। পাশাপাশি ভালো রাখে হাড় ও হার্ট।

ক্যাপসিকামে পটাসিয়াম, ফোলেট ইত্যাদি উপাদানও প্রচুর পাওয়া যায়। তাই এটি খেলে শরীরের আয়রন গ্রহণ করার ক্ষমতাও বাড়ে। ক্যাপসিকাম দীর্ঘদিন ফ্রিজে রেখে না খাওয়াই ভালো। কিনে আনার দুই-তিন দিনের মধ্যে খেয়ে নিলেই উপকার বেশি। কোন ক্যাপসিকামে উপকার বেশি, সবুজ না-কি লাল? বিস্তারিত প্রকাশ করেছে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

লাল ক্যাপসিকাম
লাল ও সবুজ ক্যাপসিকামের মধ্যে লালটি বেশি পুষ্টিগুণসম্পন্ন। এতে প্রচুর ভিটামিন সি রয়েছে, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও বেশি থাকে। লাল ক্যাপসিকাম খেলে ত্বক সুন্দর থাকে। চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। চোখ ভালো থাকে। এতে কোলেস্টেরল কম থাকার কারণে মোটা হওয়ার প্রবণতা কমে যায়।

ত্বক পরিষ্কার রাখতে ক্যাপসিকাম বেশ উপকারী। ত্বকের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত রোগের ক্ষেত্রে ক্যাপসিকাম রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি করে। বিশেষ করে ত্বকের ব্রণ ও র্যাশের হাত থেকে রক্ষা করে। লাল ক্যাপসিকাম যেকোনো ব্যথা থেকে মুক্তি দিতে সহায়ক।

ক্যাপসিকাম খেলে মাথার তালুর রক্ত চলাচল বজায় রাখতে সাহায্য করে। নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে এই সবজি। খনিজের অভাব পূরণ করে। পটাশিয়াম বেশি থাকার কারণে বয়স্কদের জন্য লাল ক্যাপসিকাম খাওয়াই ভালো। বিভিন্ন উপকরণ বেশি থাকার কারণে বাজারে লাল ক্যাপসিকামের চাহিদা তুলনামূলক বেশি।

সবুজ ক্যাপসিকাম
সবুজ ক্যাপসিকামও বিভিন্ন পুষ্টি উপকরণে ভরপুর। এই ক্যাপসিকাম অল্পবয়সীদের জন্য বেশি উপকারী। এতে ক্যাপসাইসিনস নামক উপাদান ডিএনএর সঙ্গে যুক্ত হয়ে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদানের সংযুক্ত হওয়াতে বাধা দেয়। এটি ক্যান্সার প্রতিরোধে কাজ করে।

সবুজ ক্যাপসিকাম মাইগ্রেন, সাইনাস, ইনফেকশন, দাঁতে ব্যথা, অস্টিওআর্থ্রাইটিস ইত্যাদি ব্যথা দূর করতে কাজ করে। এটি শরীরের বাড়তি ক্যালরি পূরণে কাজ করে। ফলে চর্বি জমে না, একই সঙ্গে ওজনও বৃদ্ধি পায় না। সবুজ ক্যাপসিকাম রক্তের অণুচক্রিকা উদ্দীপিত করে সংক্রমণ রোধ করে থাকে। সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সব রঙের ক্যাপসিকামই পাতে রাখুন।

ভ্রমণে বমি হয়, কী করবেন?
                                  

ডা. মো. আব্দুল হাফিজ (শাফী) : বাসে বা যে কোনো ধরনের যানবাহনে ভ্রমণের সময় অনেকে বমি করেন। এই বমির সমস্যায় শিশুদের ক্ষেত্রে বেশি দেখা গেলেও সব বয়সীর এই সমস্যা হতে পারে।

ভ্রমণে বমি কেন হয়?

বমির জন্য দায়ী আমাদের অন্তঃকর্ণের সমন্বয়হীনতা। চলন্ত বাসের ঝাঁকুনিতে আমাদের কানের ভেতরের ফ্লুইড নড়াচড়া করে। যার কারণে অন্তঃকর্ণ ব্রেইনকে ইনফরমেশন দেয়, বডি মুভ করে, কিন্তু এদিকে আমাদের চোখ আবার ব্রেইনকে ইনফরমেশন দেয় যে বডি স্থির আছে। শরীর নড়াচড়া করছে না। দুই রকম ইনফরমেশনের জন্য মস্তিষ্কের সমন্বয়হীনতার সৃষ্টি হয়! আর এ ধরনের অবস্থাকে ব্রেইন বিষ হিসেবে শনাক্ত করে! তাই বিষ কে বডি থেকে বের করে দেয়ার জন্য যাত্রাকালে বমি হয় বা বমি বমি ভাব হয়।
বমির সমস্যা রোধে করণীয়

১. বাসে বসে ঘুমিয়ে গেলে বমি হয় না। কারণ চোখ তখন ইনফরমেশন দেয় না; ফলে ব্রেইনে কোনো কনফিউশন তৈরি হয় না! ঘুম না এলেও হালকাভাবে দুচোখ বন্ধ করে রাখুন।

২. যানবাহনে ভ্রমণের সময় জানালা দিয়ে বাইরে তাকান। সামনের দিকে বা জানালার কাছে আসন নিন। জানালাটা খুলে দিন। ঠাণ্ডা বাতাস লাগবে শরীর ভালো লাগবে।

৩. ভ্রমণের সময় বই, পত্রিকা পড়লে বমির সমস্যা হতে পারে। তাই কোনো কিছু পড়া থেকে বিরত থাকুন।

৪. গাড়িতে আড়াআড়িভাবে বা যেদিকে গাড়ি চলছে, সেদিকে পেছন ফিরে বসবেন না। এতে মাথা ঘোরা ও বমির সমস্যা হতে পারে।

৫. যাত্রা শুরুর আগে ভরা পেট খাবেন না বা পানি পান করবেন না।

৬. কিছু ওষুধ আছে, যা খেলে বমিভাব বন্ধ করতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শমতো তা সেবন করতে পারেন।

৭.গাড়িতে বসে আদা কিংবা চুইংগাম চিবালেও উপকার পাওয়া যায়।

লেখক:
বিসিএস (স্বাস্থ্য)
নাক-কান-গলা বিভাগ
বিএসএমএমইউ (প্রেষণে), ঢাকা।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় আদা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : আদা কুচি বা আদা বাটা আমরা সাধারণত খাবারের স্বাদ বাড়ানোর কাজেই ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু আপনি জানেন কি, আদা খাবারে স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি আমাদের দেহের সুস্থতার জন্য বিশেষভাবে উপযোগী।

এক নজরে দেখে নিন কি গুন আছে আদায়:

আদার রস শরীর শীতল করে এবং হার্টের জন্য উপকারী।
কাশি এবং হাঁপানির জন্য আদার রসের সাথে মধু মিশিয়ে সেবন করলে বেশ উপশম হয়।

বমি বমি ভাব দূর করতে এর ভূমিকা অপরিহার্য। তাই বমি বমি ভাব হলে কাঁচা আদা চিবিয়ে খেতে পারেন। এতে মুখের স্বাদ বৃদ্ধি পায়।

মাইগ্রেনের ব্যথা ও ডায়াবেটিসজনিত কিডনির জটিলতা দূর করে আদা। গর্ভবতী মায়েদের সকালবেলা, বিশেষ করে গর্ভধারণের প্রথম দিকে সকালবেলা শরীর খারাপ লাগে। কাঁচা আদা দূর করবে এ সমস্যা।

দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। গবেষণায় দেখা গেছে, আদার রস দাঁতের মাড়িকে শক্ত করে, দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা জীবাণুকে ধ্বংস করে।

আমাশয়, জন্ডিস, পেট ফাঁপা রোধে আদা চিবিয়ে বা রস করে খেলে উপকার পাওয়া যায়। এছাড়া যারা গলার চর্চা করেন তাদের গলা পরিষ্কার রাখার জন্য আদা খুবই উপকারী।

প্রতিদিন মাত্র ১ ইঞ্চি পরিমাণের আদা কুচি খাওয়া অভ্যাস সাইনাসের সমস্যা প্রতিরোধে সহায়তা করে।

ত্বকে পড়ে যাচ্ছে বয়সের ছাপ? এক কাজ করুন প্রতিদিন সামান্য আদা কাচা চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস করুন। আদার মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিএইজিং উপাদান ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা দেহের টক্সিন দূর করে এবং দেহে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে ত্বকে বয়সের ছাপ প্রতিরোধ করে অনেকটা সময়।

চুল পড়া বন্ধ করতে যেভাবে ব্যবহার করবেন সরিষার তেল
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : কমবেশি সবার ঘরে আর যাই থাকুক না কেন, সরিষার তেল থাকবেই। শুধু রান্নাতে ব্যবহার করা ছাড়াও ইমিউনিটি বাড়ানো, ঠাণ্ডার চিকিৎসা করা, ত্বক মসৃণ করা এবং সর্বোপরি চুলের বিভিন্ন উপকারে লাগে সরিষার তেল।

সরিষার তেল নিয়মিত ব্যবহারে চুলের যে সব সমস্যার থেকে মুক্তি পেতে পারেন-
সরিষার তেলে আলফা ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে যা চুল সুন্দর, স্বাস্থ্যজ্বল রাখে। এছাড়া আলফা ফ্যাটি অ্যাসিড দারুণ কন্ডিশনারের কাজ করে। ফলে চুল দ্রুত বৃদ্ধি হয়।
বর্তমানে চুল পড়া খুবই সাধারণ সমস্যা। এর কারণ চুলের ফলিকল দুর্বল হয়ে নষ্ট হয়ে যাওয়া হতে পারে। চুলে নিয়মিত সরিষার তেল মালিশ করলে ফলিকল মজবুত হয়ে চুল পড়া বন্ধ হবে।

চুল রুক্ষ, শুষ্ক, নিষ্প্রাণ হয়ে গেলে নিয়মিত মাথার তালুতে সরিষার তেল মালিশ করুন। এর ফলে মাথার তালুতে রক্ত সঞ্চালন ঠিক ভাবে হবে এবং চুলের গোড়া মজবুত হয়ে চুল পড়া বন্ধ হবে।

সরিষার তেল ও অ্যালোভেরা মিশিয়ে মাথার তালুতে ভালোভাবে মালিশ করে ৩০ থেকে ৪০ রাখলেও চুল মসৃণ, স্বাস্থ্যজ্বল হবে ও চুল পড়া বন্ধ করবে। ভালো ফল পেতে সপ্তাহে দুই দিন এই পদ্ধতি অবলম্বন করুন।

সরিষার তেলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ইত্যাদি মিনারেল ছাড়াও ভিটামিন A, D, E ও K থাকে। এতে আছে জিঙ্ক, বিটা ক্যারোটিন ও সেলেনিয়াম যা চুল লম্বা হতে সাহায্য করে।
সূত্র- এনডিটিভি।

বিফ ফিঙ্গার তৈরির সহজ রেসিপি
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : বিকেলের নাস্তায় ঝটপট সুস্বাদু কিছু খেতে চাইলে বেছে নিন বিফ ফিঙ্গার। ফিশ ফিঙ্গার তো খাওয়া হয়-ই, একটু ব্যতিক্রমী এই খাবার নাহয় চেখে দেখলেন! চলুন জেনে নেয়া যাক সুস্বাদু বিফ ফিঙ্গার তৈরির রেসিপি-

উপকরণ:
এককাপ মাংসের কিমা
দেড় চা চামচ আদা ও রসুনের পেস্ট
এক টেবিল চামচ গরম মসলার গুঁড়া
এক চা চামচ শুকনো মরিচের গুঁড়া
এক চা চামচ জিরা বাটা
এক টেবিল চামচ লেবুর রস
এক টেবিল চামচ পেঁয়াজ কুঁচি
স্বাদমতো লবণ
একটি ডিম
প্রয়োজনমতো ব্রেডক্রাম্ব
ভাজার জন্য তেল।

প্রণালি:
পেঁয়াজ বাদে অন্যান্য সব মসলা, লবণ ও লেবুর রসের সাথে কিমা খুব ভালোভাবে মাখিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। ১৫ মিনিট পরে পেঁয়াজ কুঁচি ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। এক্ষেত্রে জেনে রাখা উচিত যে, কোনো মসলা মেশাতে হাত ব্যবহার করলে মেশানোটা সবচেয়ে ভালো হয়। এবার এই মিশ্রণটা আঙুলের মতো আকৃতিতে ডো তৈরি করতে হবে।

ভাজার জন্য অন্য একটি বাটিতে ফাটানো ডিম ও আরেকটি বাটিতে ব্রেডক্রাম্ব মিশিয়ে পরপর ডোগুলো এই দুই উপাদানে মাখিয়ে ডুবো তেলে ভাজতে হবে। লালচে হয়ে গেলেই প্রস্তুত হয়ে গেল মজাদার বিফ ফিঙ্গার। সস দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

গরমে চুলপড়া কমাতে করণীয়
                                  

বিউটিশিয়ান শারমিন কোচি : গরমে ত্বকের গ্রন্থি থেকে অতিরিক্ত তেল নিঃসরণ হওয়ার কারণে অতিরিক্ত চুল পড়ে। তাই গরমে চুলের জন্য চাই বাড়তি যত্ন।

গরমে বেশ কিছু কারণে অতিরিক্ত চুল পড়ে। এর মধ্যে রয়েছে-
চুলের গোড়ার ঘাম না শুকালে, অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার খেলে এবং চুলের সঙ্গে মানানসই নয় এমন শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করলে।

চুলের যত্নে নারিকেল, জোজোবা, আমল্ড কিংবা সরিষার তেল ব্যবহার করতে পারেন। আর চুল বেশি পড়লে ক্যাস্টর অয়েলও ব্যবহার করতে পারেন।

চুলপড়া রোধ করতে ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুল পেতে প্রতিদিন চুল ধোয়ার পর ভালোভাবে পানি ঝরিয়ে শুকিয়ে নিতে হবে। চুল নিয়মিত পরিষ্কার করবেন ও ভিটামিনযুক্ত খাবার খাবেন। আর মানসিক চাপমুক্ত থাকবেন।


চুলপড়া বন্ধে তেল
চুলপড়া বন্ধ করতে চুল ঘন ও মজবুত রাখতে নিয়মিত তেল পুরো চুলে তেল ম্যাসাজ করুন। শ্যাম্পু করার আগে চুলে তেল দিতে পারেন।

নিয়মিত তেল ব্যবহারে কম বয়সে চুল পাকা রোধ করবে। আর খুশকি দূর করে চুলের গোড়ায় পুষ্টি জোগাবে ও চুলের বৃদ্ধি দ্রুত করবে।

এ ছাড়া চুল মজবুত রাখা, আগা ফাটা রোধ করা, চুল মসৃণ ও ঝলমলে করা, চুলের গোড়া শক্ত করা, চুল পড়া কমবে এবং মাথার রক্ত চলাচল ভালো হয়।

লেখক:
বিন্দিয়া বিউটি পার্লারের স্বত্বাধিকারী ও বিউটি কনসালট্যান্ট।

কিডনি রোগীর করোনাঝুঁকি ও করণীয়
                                  

করোনায় আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে যারা সহরোগে ভুগছে বা যারা কো-মরবিডি রোগী, যেমন—কিডনি জটিলতা, হৃদেরাগ বা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত, তারাই বেশি ঝুঁকিতে থাকে। ক্রনিক কিডনি রোগ, কিডনি বিকল বা কিডনি ট্রান্সপ্লান্টেশনের রোগীরা করোনায় আক্রান্ত হলে ঝুঁকিতে থাকে বেশি। তাই কিডনি রোগীদের করোনাঝুঁকি ও সতর্কতার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে নিতে হবে।

যারা অতিমাত্রার ঝুঁকিপূর্ণ
►        কিডনি সংযোজিত রোগী।

►        নিয়মিত ডায়ালিসিস নেয়, এমন রোগী।

►        যাঁদের বয়স ৬০-৭০ বছর বা এর বেশি।

►        প্রদাহজনিত কিডনি রোগে ভুগছে যারা।

►        রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাসকারী, যেমন—স্টেরয়েড, সাইক্লোফসফামাইড, সাইক্লোস্পোরিন, টেকরোলিমাস, এজাথিওপ্রিন, এমটিএক্স ও রিটুক্সিম্যাব সেবনকারী। শিশু কিডনি রোগী উল্লিখিত ওষুধ কম ডোজে খেলেও অতিঝুঁকির তালিকাভুক্ত হবে।

করোনায় আক্রান্ত হলে
যেকোনো ধরনের কিডনি রোগী কভিড-১৯-এ আক্রান্ত হলে কিছু সতর্ক পদক্ষেপ নিতে হবে। যেমন :

►        দেহে তাপমাত্রা ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি থাকা, কফ-কাশি থাকা, নাকে গন্ধ না পাওয়া, মুখে স্বাদ না পাওয়া ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিলে রোগীকে ১৪ দিনের আইসোলেশনে থাকতে হবে।

►        উপসর্গ থাকার কারণে কভিড-১৯ টেস্ট করাতে হবে। যদি পজিটিভ রিপোর্ট আসে তাহলে সাম্প্রতিক সময়ে যারা তার সংস্পর্শে ছিল তাদেরও নজরে রাখতে হবে।

►        সশরীরে চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে ফোনে যোগাযোগ করে বা টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে চিকিৎসা গ্রহণ করা উচিত।

►        সামাজিকভাবে মানুষের সঙ্গে ওঠাবসা কমিয়ে দিতে হবে। বিশেষ করে কিডনি রোগের মাত্রা বেশি থাকলে বা সিকেডি স্টেজ ৪ বা ৫ হলে হাট-বাজার, কর্মক্ষেত্র বা উপাসনালয়ে যাওয়া একেবারে বন্ধ করে যতটা সম্ভব বাড়িতে থাকতে হবে।

►        পাবলিক বাহনে চলাফেরা করা যাবে না, ব্যক্তিগত গাড়ি বা বিকল্প গাড়িতে চলাফেরা করতে হবে।

►        কারো সঙ্গে মুখোমুখি হয়ে কথা বলা যাবে না, পাশাপাশি হয়ে কথা বলতে হবে।

►        বাইরে বের হলে অবশ্যই ফেস মাস্ক বা ফেস কাভারিং ব্যবহার করতে হবে। বাসায় ফিরেই সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলতে হবে।

বাইরে যেতে হলে
করোনাকালে কিডনি রোগীদের বাড়িতেই অবস্থান করা উচিত। তবে জীবন ও জীবিকার প্রয়োজনে একান্তই বাইরে গেলে কিছু সতর্ক পদক্ষেপ নিতে হবে। যেমন :

►        প্রতিদিন একবার এবং খুব বেশি প্রয়োজনে দুবারের বেশি বাড়ির বাইরে বের হওয়া নয়। বাইরে বের হওয়ার সময়টা খুব সকাল বা যখন নির্জন অবস্থা বা মানুষের চলাফেরা কম থাকে এমন সময় হলে ভালো হয়।

►        মানুষ থেকে মানুষে দু-এক মিটার দূরত্ব বজায় রাখা জরুরি।

ডায়ালিসিস রোগীদের জন্য
►        নিয়মিত হেমোডায়ালিসিসের রোগীদের আগেই যোগাযোগ করে ডায়ালিসিস ইউনিটকে জানাতে হবে এবং তাদের দেওয়া শিডিউল মোতাবেক ডায়ালিসিস করাতে হবে।

►        যদি সম্ভব হয় সপ্তাহে তিনটির পরিবর্তে দুটি হেমোডায়ালিসিস নেবেন। তবে বাসায় ডায়ালিসিস করালে আগের নিয়মেই করাবেন।

►        শ্বাসকষ্ট, খাবারে পটাসিয়াম ও পানির পরিমাণের ব্যাপারে বেশি সতর্ক থাকতে হবে। এ ক্ষেত্রে https://kitchen.kidneyfund.org সাইটের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে।

►        ঘর থেকে বের হওয়ার পর ফিরে আসা পর্যন্ত মুখে তরল প্রতিরোধী সার্জিক্যাল মাস্ক পরিধান করুন। এই মাস্ক পরার উদ্দেশ্য হলো নিজের, ডায়ালিসিস ইউনিটের অন্য রোগীদের এবং হাসপাতালের অন্যান্য স্টাফসহ সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

►        ডায়ালিসিস চলাকালীন মুখের মাস্ক সরিয়ে কিছু খাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ। এই সময় হাসপাতাল স্টাফ এবং অন্য রোগীরা অবশ্যই দুই মিটার দূরত্ব বজায় রাখবে। খাওয়াদাওয়া শেষ হওয়া মাত্রই রোগী মাস্ক বা কাভারিং দিয়ে মুখ ঢাকবে।

►        যাতায়াতের জন্য সম্ভব হলে ব্যক্তিগত বা বিকল্প গাড়ি ব্যবহার করবেন।

►        উপসর্গযুক্ত রোগীরা কয়েকজন একত্রে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে একই গাড়িতে যেতে পারে।

হোম ডায়ালিসিস রোগীর করণীয়
►        রোগী বাসায় আলাদা রুমে অবস্থান করবে।

►        বাসায় যদি এমন ব্যক্তি থাকে, যাকে প্রয়োজনে ঘরের বাইরে যেতে হয়, তার সঙ্গেও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখবে।

►        ডায়ালিসিসের উপকরণগুলো খুব সতর্কতার সঙ্গে বাসায় পৌঁছাতে হবে।

►        রুটিন চেক আপ করাতে দূরের হাসপাতাল পরিহার করে বাসার কাছাকাছি কোনো ল্যাব থেকে বা সম্ভব হলে হোম সার্ভিসের মাধ্যমে করিয়ে নেওয়া কম ঝুঁকিপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে ল্যাব টেকনিশিয়ান অবশ্যই পিপিই পরে নমুনা সংগ্রহ করবেন।

শিশু কিডনি রোগী
সাধারণত শিশু কিডনি রোগীরা বড়দের তুলনায় কভিড-১৯-এ কম ভুগে থাকে। অনেক ক্ষেত্রে তারা সম্পূর্ণ উপসর্গবিহীন থাকে। কভিড-১৯-এ শিশু মৃত্যুহার একেবারেই নগণ্য। যদি শিশুদের জ্বর, সর্দি, কাশি দেখা যায়, তবে অন্যান্য ভাইরাল ফিভারের মতোই তাদের যত্ন নিতে হবে।

কিন্তু শিশু কিডনি রোগী যদি স্টেরয়েড বা স্লাইক্লোফসফামাইড পায়, ডায়ালিসিস পায় বা কিডনি সংযোজিত হয়, তবে তারা বড় রকমের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এ ক্ষেত্রে কভিড-১৯-এ আক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভাইরাস সম্পূর্ণ ছড়িয়ে বড় ধরনের জটিলতা তৈরি করতে পারে।

নারী কিডনি রোগী
এই করোনাকালে নারী কিডনি রোগীদের গর্ভধারণের ব্যাপারে নিরুৎসাহ করা হচ্ছে। কারণ গর্ভবতী অবস্থায় কভিডে আক্রান্ত হলে মা ও শিশু উভয়েই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পড়ে যেতে পারে।

তবে কেউ এরই মধ্যে গর্ভবতী হয়ে গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক ১২ সপ্তাহের আইসোলেশনে থাকবেন। এ ক্ষেত্রে নিয়মিত কিডনির কার্যক্ষমতা মনিটর করতে হবে। তিনি অ্যান্টিন্যাটাল ক্লিনিক সেবা টেলিফোনের মাধ্যমে নেওয়ার চেষ্টা করবেন।

যাদের একটি কিডনি
যেসব রোগীর একটি কিডনি আছে তাদের কভিডের ঝুঁকি বাড়ায় না। যদি একটি কিডনি সম্পূর্ণ কর্মক্ষম থাকে, তবে তা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার কোনো পরিবর্তন আনবে না। সে ক্ষেত্রে ঝুঁকি অন্য সাধারণ মানুষের মতোই।

কিন্তু যদি সেই একটি কিডনি অসুস্থ হয়ে থাকে, তবে অতিরিক্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। কোনো বিশেষ রোগের কারণে একটি কিডনি ফেলে দিতে হয়েছিল, এমন ক্ষেত্রে (যেমন—ডায়াবেটিস থেকে এমফাইসেমাটাস পাইলোনেফ্রাইটিস) কভিড-১৯-এর ঝুঁকি বাড়তে পারে।

পলিসিস্টিক কিডনি রোগী
দুটি কিডনি সম্পূর্ণ কর্মক্ষম থাকলে জন্মগত বা পলিসিস্টিক কিডনি রোগী অধিকতর ঝুঁকিপূর্ণ নয়। তবে কিডনির কার্যক্ষমতা কমে গেলে ঝুঁকি বাড়তে থাকে। যেমন—সিকেডি স্টেজ ৩ থেকে স্টেজ ৪ এবং স্টেজ ৪ থেকে স্টেজ ৫ বেশি ঝুঁকি বহন করে।

কিডনি সংযোজিত রোগী
কিডনি সংযোজিত রোগীদের এই সময় হাসপাতালে এসে ফলোআপ করা থেকে নিরুৎসাহ করা হচ্ছে। কভিডের সময় এই ধরনের রোগীরাই সর্বোচ্চ ঝুঁকির মধ্যে থাকে। তারা টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে চিকিৎসকের সঙ্গে নিয়মিত বিরতিতে যোগাযোগ রক্ষা করে চলবে।

করোনাকালে এখন সব কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট সেন্টারও বন্ধ আছে। কারণ ট্রান্সপ্লান্টের পর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাসকারী ওষুধ দেওয়া হয়। তাই তারা করোনায় আক্রান্ত হলে তা প্রাণঘাতী হতে পারে।

দৈহিক সম্পর্কের রসায়নে সঙ্গে রাখুন পল কেলি`র বয়সের গণিত
                                  

দিন-রাতের ঠিক কখন শারীরিক সম্পর্কে জড়ানোর উৎকৃষ্ট সময়, তা নির্ভর করে আপনার বয়সের ওপর। অন্তত শরীরতত্ত্ববিদরা সে কথাই জানিয়েছেন। ওপেন ইউনিভার্সিটির ঘুম ও স্নায়ুতন্ত্রবিদ ড. পল কেলি বলেছেন, রাত ৩টা হলো তরুণদের জন্য উৎকৃষ্ট সময়। ভোরবেলাও অনেক উৎকৃষ্ট হিসেবে জানিয়েছেন তিনি। তবে সেটাও তরুণদের জন্য।

৩০ বছরের কাছাকাছি বয়সীরা তরুণদের চেয়ে একটু আগেই ঘুম থেকে জেগে ওঠে। সে কারণে সকালের সূর্যের আলো তারা শরীরের ওপর ফেলতে পারে। এতে করে যৌন চাহিদা বিষয়ক হরমোন বেড়ে যায়। সেটা নারী-পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই। এ বয়সের নারী-পুরুষের জন্য সকাল ৮টা ২০ মিনিট উৎকৃষ্ট সময়।

তবে মাঝ বসয়ীদের ঘুমে ব্যত্যয় ঘটলেই ঝামেলা। সে কারণে ৪০ বছর বয়সীদের রাত ১০ টা ২০ মিনিটে শারীরিক সম্পর্কে জড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন পল কেলি। আর যাদের বয়স ৫০ এর কোঠায় উঠে গেছে, তাদের জন্য রাত ১০ টা শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে উপযুক্ত বলে মনে করেন তিনি।

পল আরো জানিয়েছেন, যাদের বয়স ৬০ বছরের বেশি, তাদের আগে ঘুমানো এবং ভোরবেলা ঘুম থেকে ওঠা দরকার। এজন্য তাদের শারীরিক সম্পর্কের উৎকৃষ্ট সময় রাত ৮টা।

সূত্র : দ্য আইরিশ নিউজ

মুখে র‍্যাশ বেরনো করোনার নতুন উপসর্গ?
                                  

কভিড-১৯ ও সাধারণ ফ্লুয়ের মধ্যে পার্থক্য করা অত্যন্ত মুশকিল ৷ সাধারণ ফ্লুয়ের মতো করোনাভাইরাসের লক্ষণও জ্বর, সর্দি-কাশি, নিঃশ্বাস নিতে সমস্যা৷এছাড়াও কভিড- ১৯ এর যে লক্ষণ রয়েছে সেগুলো হল- কোনো জিনিসের গন্ধ না পাওয়া, মুখে কোনো স্বাদ না থাকা ইত্যাদি৷ তবে প্রতিনিয়ত এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন উপসর্গ। এবার সেই তালিকায় যোগ হল আরো একটি।

নতুন যে লক্ষণ সম্পর্কে জানা গেছে, সেটা হচ্ছে মুখে র‍্যাশ বেরনো৷ তবে এখনো পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা এই বিষয়ে কিছু জানায়নি৷ ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিচার্সও (আইসিএমআর) নতুন এই লক্ষণ সম্পর্কে এখনো পর্যন্ত কিছু জানায়নি এবং এটিকে করোনা লক্ষণের মধ্যে অন্তর্ভূক্তও করা হয়নি৷

মুখে র‍্যাশ হওয়া করোনা ভাইরাসের নতুন লক্ষণের মধ্যে সামিল করা হয়েছে ৷ স্পেনের এক চিকিৎসক এই বিষয়ে জানিয়েছেন৷ তিনি জানিয়েছেন, গত কয়েকদিন তার কাছে এরকম একাধিক করোনা রোগী এসেছেন যাদের মুখের ভিতরে র‍্যাশের সমস্যা রয়েছে ৷ এই সমস্যাকে চিকিৎসার পরিভাষায় `ইনানথেম` বলা হয়ে থাকে৷

জামা ডার্মাটোলজিতে ১৫ জুলাই প্রকাশিত একটি রিসার্চে বলা হয়েছে, গত কিছু দিন ধরে যারা করোনা আক্রান্ত হয়েছেন তাদের মধ্যে ২১ জন রোগীর স্কিন র‍্যাশ ও ৬ জনের মাউথ র‍্যাশের সমস্যা ছিল৷

সূত্র : নিউজ ১৮।

মানবদেহে যেভাবে কাজ করবে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন
                                  

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তৈরি করোনার ভ্যাকসিন নিরাপদ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক। বিশ্বে প্রথম মানবদেহে ভ্যাকসিনের সফল প্রয়োগের পর সোমবার এ ফল প্রকাশ করে অক্সফোর্ড কর্তৃপক্ষ। বলা হয়, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তৈরি করোনার ভ্যাকসিন মানবদেহে পরীক্ষার প্রথম ধাপ সফল হয়েছে। করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এখন পর্যন্ত বিশ্বে কোনও ভ্যাকসিনের চূড়ান্ত পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়নি।

অক্সফোর্ডের বিজ্ঞানীদের দাবি, তাদের তৈরি করোনা ভ্যাকসিন নিরাপদ এবং রোগ প্রতিরোধে সহায়ক। ১ হাজার ৭৭ জনের ওপর চালানো পরীক্ষামূলক প্রয়োগে দেখা গেছে তাদের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে। একইসঙ্গে শ্বেত কণিকা তৈরিতেও সহায়ক যা করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখে। তবে অক্সফোর্ড জানায়, করোনা প্রতিরোধে এ ভ্যাকসিন শতভাগ কার্যকর তা এখনই বলা যাচ্ছে না, আরও গবেষণা এবং প্রয়োগ করতে হবে।

যেকোনো ভ্যাকসিন তৈরি এবং চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য বছরের পর বছর এমনকি কয়েক দশকও লেগে যায়। তবে অক্সফোর্ডের এ ভ্যাকসিন যদি সফল হয় তাহলে আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যেই মানুষের শরীরে প্রয়োগ শুরু করা যেতে পারে। অক্সফোর্ডের একটি সূত্র ব্রিটিশ দৈনিক দ্য টেলিগ্রাফকে জানিয়েছে, ভ্যাকসিন নেয়া স্বেচ্ছাসেবীদের দেহ থেকে রক্তের নমুনা সংগ্রহের পর পরীক্ষায় দেখা গেছে- এটি দেহে অ্যান্টিবডি তৈরিতে সক্ষম হয়েছে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে ঠিক কীভাবে মানব দেহে কাজ করবে এ ভ্যাকসিন? কতগুলো ডোজ উৎপাদন করা হবে? কারা আগে পাবে? দাম কেমন পড়বে?  

যেভাবে কাজ করবে এ ভ্যাকসিন-

অক্সফোর্ডের তৈরি ভ্যাকসিনটির নাম ChAdOx1 nCoV-19. অভূতপূর্ব গতিতে এটার উন্নতি সাধিত হয়েছে। এটি তৈরি করা হয়েছে শিম্পাঞ্জির ঠান্ডা লাগার জন্য যে মৌলিক বিষয়টি দায়ী সেটার জিন নিয়ে গবেষণা করে। গবেষণার মাধ্যমে প্রচুর পরিমার্জন ও পরিবর্ধন শেষে মানুষের শরীরে প্রয়োগযোগ্য করা হয়েছে এ ভ্যাকসিন। ফলে এটি মানুষের শরীরে কোনও সংক্রমণ ঘটাতে দেবে না এবং একই প্রক্রিয়ায় এটি করোনাভাইরাসকেও রুখে দিতে সক্ষম হবে।

করোনাভাইরাসের যে স্পাইক প্রোটিন মানবদেহের কোষকে আক্রমণ করে সেটা নিয়ে গবেষণা করে এর ভিত্তিতে জেনেটিক নির্দেশনা অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছে এই ভ্যাকসিন। সুতরাং এটি করোনাভাইরাস রুখে দিতে পারবে এবং অ্যান্টিবডি তৈরি করতে সক্ষম হবে।

আমাদের শরীরের ইমিউন সিস্টেমের মাধ্যমে যে প্রোটিন উৎপাদিত হয় (অ্যান্টিবডি) এবং যে প্রোটিনটি করোনাভাইরাসের উপরিভাগে থাকে সেটাকে নিষ্ক্রিয় করে দিতে সক্ষম এই ভ্যাকসিন। অ্যান্টিবডিকে নিষ্ক্রিয় করে দেওয়ার মাধ্যমে ভাইরাসটিকে অক্ষম করে দেয়া সম্ভব।

পাশাপাশি আমাদের শরীরের যে টি-সেল রয়েছে (এক ধরনের লোহিত রক্ত কণিকা) যেটা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে সহায়তা করে এবং ভাইরাস/ব্যাকটেরিয়াকে প্রতিরোধ ও ধ্বংস করে সেটার সক্ষমতা বাড়াবে অক্সফোর্ডের এই ভ্যাকসিন।

করোনা পরীক্ষা করা যাবে ২০ মিনিটেই
                                  

করোনা পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে পিসিআর (পলিমারেজ চেইন রিঅ্যাকশন) পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে পরীক্ষার ফল পেতে বেশ সময় লেগে যায়। নমুনা সংগ্রহের প্রক্রিয়াও খানিকটা জটিল। এ অবস্থায় মাত্র ২০ মিনিটে রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে করোনা শনাক্তের পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন অস্ট্রেলিয়ার গবেষকরা। তাঁদের দাবি, করোনা শনাক্তে এই পরীক্ষা ‘বিশ্বের প্রথম সাফল্য’।

নতুন এই পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন মোনাশ ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক। তাঁদের গবেষণাপত্র ছাপা হয়েছে ‘এসিএস সেন্সর’ সাময়িকীতে। সেখানে গবেষকরা বলেছেন, কোনো ব্যক্তি বর্তমানে করোনায় আক্রান্ত কি না, অথবা আগে আক্রান্ত ছিল কি না, তা এই পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যাবে। অর্থাৎ অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডি উভয় বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, ব্যাপক হারে করোনা পরীক্ষা করার ক্ষেত্রে কিংবা আক্রান্তদের চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

গবেষকরা বলছেন, তাঁদের উদ্ভাবিত এই পদ্ধতিতে প্রথমে নমুনা হিসেবে রক্ত নেওয়া হয়। এরপর পরীক্ষা করা হয় ওই রক্তের ২৫ মাইক্রোলিটার প্লাজমা। তারপর দেখা হয়, ওই প্লাজমার রূপগত পরিবর্তন ঘটেছে কি না কিংবা লাল রক্ত কণিকা জমাট বেঁধেছে কি না। সাধারণত করোনায় আক্রান্ত হলে এই দুটি পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।

গবেষকরা বলছেন, এই পদ্ধতিতে প্রতি ঘণ্টায় হাজার হাজার নমুনা পরীক্ষা করা সম্ভব। এ ছাড়া ভ্যাকসিন প্রয়োগের ফলে কারো শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হলো কি না, তা-ও এই পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে। সূত্র : এনডিটিভি।

খাবারে রুচি নেই? ফিরিয়ে আনতে যা করবেন
                                  

কভিড সংক্রমণ চলাকালীন বা সংক্রমণ থেকে কাটিয়ে ওঠার পর অনেকেরই খাবারে রুচি থাকছে না। ফলে সুস্থতার বদলে খাবার খেতে না পেরে আরো দুর্বল হয়ে পড়ছে লোকজন। এতে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে স্বাস্থ্যের ওপর। এই সময়ে রুচি বাড়াতে করণীয় বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টিবিদ সোনিয়া আহমেদ

♦ করোনাকালীন অসুস্থতা ও অরুচির কারণে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। তাই এ সময় অনন্ত ৮-১০ গ্লাস পানি ও পানীয়জাতীয় খাবার খান প্রতিদিন।

♦ নিয়মিত খেতে পারেন আদাপানি, লেবুপানি, ডাবের পানি, মাল্টার জুস, বাতাবি লেবুর রস, হালকা লিকারের মসলা চা ইত্যাদি। এগুলো পানিশূন্যতা পূরণের পাশাপাশি স্বাদের বিভিন্নতার জন্য মুখে রুচি ফিরিয়ে আনতে বেশ সহায়তা করে।

♦ সহজপাচ্য খাবার, যেমন জাউ ভাত, সিদ্ধ ভাত, সাবু দানার তৈরি খাবার এই সময়ে হতে পারে উত্তম কার্বোহাইড্রেটের উৎস। এসব খাবার সহজে খাওয়া যায়, যা রুচি বাড়াতে বেশ সহায়ক।

♦ খেতে পারেন মুরগির মাংস, মুরগির স্যুপ, বিভিন্ন ডাল, বাদাম এবং বিচিজাতীয় খাবার, যা আগের শক্তি ও রুচি ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করবে।

♦ সয়াবিন বা অনান্য ভোজ্য তেলের বদলে রান্নায় নারকেল তেল ব্যবহার করতে পারেন কিছুদিন। এতে উপস্থিত লরিক এসিড এবং ক্যাপ্রিলিক এসিড ভাইরাসের বিরুদ্ধে ভালো প্রতিরোধব্যবস্থা গড়ে তুলতে সহায়তা করবে। পাশাপাশি খাবারের স্বাদেও নিয়ে আসবে ভিন্নতা।

♦ মুখের স্বাদ ফেরাতে দুধ, দই, পনির, মিল্কশেক হতে পারে দারুণ খাবার।

♦ আদা, পেঁয়াজ, রসুন, হলুদ, এলাচ, লবঙ্গ, তেজপাতার মতো মসলা ব্যবহার খাবারকে সুগন্ধি করতে পারে, যা রুচি আনে।

♦ খাবার যা-ই খান আকর্ষণীয় করে সাজিয়ে পরিবেশন করুন আগে। দেখতে ভালো লাগলে সেই খাবারে রুচি আসে।

♦ খাবারে বৈচিত্র্য রাখুন। পছন্দের পুষ্টিকর খাবারকে প্রাধান্য দিন। প্রতিদিন একই ধরনের খাবার খাবেন না।

♦ দিন-রাতে অনন্ত দুই-তিনবার দাঁত ব্রাশ করুন।

♦ কুসুম গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে বা তেজপাতা সিদ্ধ পানিতে কয়েকবার কুলকুচা করতে পারেন, এতে জিভের স্বাদ ফিরে আসবে।

♦ পরিবারের সবার সঙ্গে বসে খাবার খান। এটা রুচি বাড়াতে টনিকের মতোই কাজ করবে।

♦ খাবারের আগে এবং পরে সঙ্গে সঙ্গে পানি খাবেন না।

♦ দুধ চা, কড়া লিকারের চা, অ্যালকোহলিক বেভারেজ খাওয়া ও ধূমপান থেকে বিরত থাকুন।

♦ প্রতিদিন কিছুক্ষণ হাঁটুন। দৈনিক আট ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন। এটাও হারানো রুচি ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হবে।


   Page 1 of 17
     লাইফস্টাইল
যেসব অসুখ চিকিৎসকের কাছে গোপন করবেন না
.............................................................................................
লবঙ্গের চা এত উপকারী!
.............................................................................................
অতিরিক্ত দুশ্চিন্তার কারণে হতে পারে নানা রোগ
.............................................................................................
চুল পড়া কমাতে কাজে লাগান লাল শাকের অব্যর্থ টোটকা
.............................................................................................
কোন রঙের ক্যাপসিকাম বেশি উপকারী?
.............................................................................................
ভ্রমণে বমি হয়, কী করবেন?
.............................................................................................
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় আদা
.............................................................................................
চুল পড়া বন্ধ করতে যেভাবে ব্যবহার করবেন সরিষার তেল
.............................................................................................
বিফ ফিঙ্গার তৈরির সহজ রেসিপি
.............................................................................................
গরমে চুলপড়া কমাতে করণীয়
.............................................................................................
কিডনি রোগীর করোনাঝুঁকি ও করণীয়
.............................................................................................
দৈহিক সম্পর্কের রসায়নে সঙ্গে রাখুন পল কেলি`র বয়সের গণিত
.............................................................................................
মুখে র‍্যাশ বেরনো করোনার নতুন উপসর্গ?
.............................................................................................
মানবদেহে যেভাবে কাজ করবে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন
.............................................................................................
করোনা পরীক্ষা করা যাবে ২০ মিনিটেই
.............................................................................................
খাবারে রুচি নেই? ফিরিয়ে আনতে যা করবেন
.............................................................................................
পাওয়া গেছে করোনাভাইরাসের আরও ৩ নতুন লক্ষণ
.............................................................................................
উপসর্গ নেই তবু করোনা পজিটিভ, কী করবেন?
.............................................................................................
মাইগ্রেনের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কার্যকরী ঘি
.............................................................................................
সর্দি-কাশি মানেই ‘করোনা’ নয়! এই ঘরোয়া উপায়ে দূর করুন
.............................................................................................
কালোজামের ঔষধিগুণ
.............................................................................................
লিচু খেলে কী হয়
.............................................................................................
বৃষ্টি দিনের প্রস্তুতি
.............................................................................................
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে `ইমিউনিটি সন্দেশ`
.............................................................................................
সুস্থ থাকতে যা মেনে চলা জরুরি
.............................................................................................
চুলে মেহেদি ব্যবহারের যত উপকার
.............................................................................................
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে যেভাবে খাবেন কাঁচা হলুদ
.............................................................................................
কাপড়ে কালির দাগ তোলার ৪ উপায়
.............................................................................................
ছাতুর শরবত
.............................................................................................
লকডাউনে ত্বকের যত্ন
.............................................................................................
ঘরবন্দি সময়ে বারান্দায় ও ছাদে লাগাতে পারেন যেসব গাছ
.............................................................................................
ঈদে স্পেশাল নওয়াবি সেমাই
.............................................................................................
ইফতারে পুষ্টিকর বাঙ্গি
.............................................................................................
সর্দি-কাশি কমাবে হলদি দুধ
.............................................................................................
মাস্ক পরিষ্কার রাখবেন যেভাবে
.............................................................................................
যে কারণে কাপড়ের মাস্ক পরার পরামর্শ দিলেন দেবী শেঠি (ভিডিও)
.............................................................................................
যেসব লক্ষণে বুঝবেন কিডনিতে পাথর জমেছে
.............................................................................................
জেনেনিন বিয়ের আগে যা জানা উচিত
.............................................................................................
হঠাৎ হার্ট অ্যাটাক হলে তাৎক্ষণিক যা করবেন
.............................................................................................
বন্ধ্যাত্ব এবং এর কারণগুলো
.............................................................................................
চুল ঝরে যাওয়া রোধে কার্যকরী লাল শাক
.............................................................................................
পেঁয়াজ খেলে যৌন ক্ষমতা ৩ গুণ বৃদ্ধি পাবে
.............................................................................................
মোটা পুরুষেরাই বেশি সক্রিয় শারীরিক সম্পর্কে!
.............................................................................................
গাঢ় লিপস্টিক পরলে কি ঠোঁট কালো হয়?
.............................................................................................
যেসব খাবার এড়িয়ে চলেবন এই শীতে
.............................................................................................
শীতে পায়ের দুর্গন্ধে করণীয়!
.............................................................................................
খালি পেটে ভুল করেও কোন সিদ্ধান্ত নেবেন না!
.............................................................................................
শীত মৌসুমে মেসতার দাগে করণীয়
.............................................................................................
শীতকাল এলেই বিয়ের ধুম পড়ে যায় কেন?
.............................................................................................
যে কারণে প্রতিদিন সকালে এক কোয়া কাঁচা রসুন খাবেন
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD