| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রিয়াঙ্কা-ফারহানের অন্তরঙ্গ মুহূর্ত ফাঁস   * বিপিএল-পিএসএলে ফিক্সিংয়ের কথা স্বীকার করেছেন নাসির   * মেসি পরবর্তী সময়ে কী করবে বার্সেলোনা?   * পারলেন না সোহেল রানা, এশিয়ার সেরা গোল ডাচ ফরোয়ার্ড ক্লকের   * পারলেন না সোহেল রানা, এশিয়ার সেরা গোল ডাচ ফরোয়ার্ড ক্লকের   * রংপুরের স্পন্সর ইনসেপটা, রইলো বাকি কুমিল্লা   * যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং রোধে মেয়রের সঙ্গে বৈঠকে পরিবহন সংশ্লিষ্টরা   * ১৬ ডিসেম্বর থেকে ‘জয় বাংলা’ জাতীয় স্লোগান   * ভিপি নুরের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা   * ‘যানজটের অজুহাতে’ বিএনপির মানবাধিকার দিবসের র‌্যালিতে বাধা  

   লাইফস্টাইল -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
চুল সবচেয়ে সুন্দর রাখবে যেসব হেয়ারমাস্ক

লাইফস্টাইল ডেস্ক

চুলের নানা সমস্যা যখন প্রকট হয় আর নানা উপায় কাজে লাগিয়েও কোনো উপকার পাওয়া যায় না, তখন নিজের চুল নিজেরই ছিঁড়তে ইচ্ছে করে! বছরের অন্যান্য সময় যেমন-তেমন, শীত এলে তো চুলে আরও বেশি সমস্যা দেখা দেয়।

এই সময়ে চুল সবচেয়ে বেশি ঝলমলে ও সুন্দর রাখতে চাইলে ব্যবহার করতে হবে কিছু হেয়ারমাস্ক। তবে তা তৈরি করে নিতে পারবেন ঘরোয়া কিছু উপাদান দিয়েই। সেইসঙ্গে পান করতে হবে প্রচুর পানি এবং খেতে হবে পুষ্টিকর খাবার। কারণ ভেতর থেকে পুষ্টি না পৌঁছালে হেয়ারমাস্ক কাজ করবে না।

ডিম, তেল মধু: ডিমের কুসুম, মধু, আর দুই টেবিল চামচ আপনার পছন্দের তেল নিন। আমন্ড অয়েল, অলিভ অয়েল বা নারিকেলের তেলের যেকোনো একটি ব্যবহার করুন। ভালো করে ফেটিয়ে নিন। এর মধ্যেও কয়েক ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল মেশাতে পারেন। তার পর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে কন্ডিশনার লাগিয়ে নিতে হবে।


নারিকেল তেল, মধু, লেবুর রস: শীতের দিনে অনেকের স্ক্যাল্পেই প্রচুর খুশকি জন্মায়। চুল নরম রাখার পাশাপাশি তাকে খুশকিমুক্ত রাখতেও সাহায্য করবে এই বিশেষ মাস্কটি। তিনটিকে খুব ভালো করে মিশিয়ে মাথায় লাগান, এক ঘণ্টা অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন। শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার লাগানো বাধ্যতামূলক।

অ্যালোভেরা, মধু, নারিকেল তেল: দুই টেবিল চামচ ফ্রেশ অ্যালো ভেরা জুস, দুই টেবিলচামচ এক্সট্রা ভার্জিন নারিকেল তেল আর এক চাচামচ মধু একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। তার পর চুলের আগা থেকে গোড়া ভালো করে মাখান। এক ঘণ্টা প্যাকটা চুলে বসতে দিন। তার পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে কন্ডিশনার লাগিয়ে নিন ভালো করে। তিন মিনিট পর কন্ডিশনার ধুয়ে নিন। কন্ডিশনার যেন মাথার তালু পর্যন্ত না পৌঁছায়, সেদিকে লক্ষ রাখবেন।

 

অ্যাভোকাডো, ডিম, তেল: পাকা অ্যাভোকাডোর শাঁস, ডিমের কুসুম, অলিভ অয়েল ভালো করে মিশিয়ে নিন। তার চুলে লাগিয়ে মাথায় শাওয়ার ক্যাপ পরে থাকুন ঘণ্টাখানেকের জন্য। আগে চুল ভালো করে ধুয়ে নিন। তারপর শ্যাম্পু করে নিন।


নারিকেলের দুধ: এককাপ নারিকেল কুরিয়ে আধাকাপ গরম পানতে ভিজিয়ে রাখুন দশ মিনিট। তারপর ব্লেন্ডারে ভালো করে পিষে ছেঁকে নিন। নারিকেলের গাঢ় দুধ আর মধু মিশিয়ে চুলে ভালো করে মাখিয়ে নিন। একটা তোয়ালে গরম পানিতে ভিজিয়ে নিয়ে মাথায় জড়িয়ে রাখুন। এক ঘণ্টা গরম পানির ভাপ চুলে বসার পর শ্যাম্পু করে নিন।


ডিম ও দই: আপনার চুল স্বাভাবিক হলে পুরো ডিম নিন। তেলতেলে হলে বাদ দেবেন কুসুম, রুক্ষ হলে সাদা ভাগ। এর মধ্যে দুই টেবিল চামচ পানি ঝরানো দই মিশিয়ে নিন। তীব্র গন্ধ বেরোবে, তাই এই প্যাকে দু’-এক ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েলও মিশিয়ে নিতে পারেন। মাথায় লাগিয়ে আধাঘণ্টা রাখুন। তারপর শ্যাম্পু আর কন্ডিশনার ব্যবহার করে ধুয়ে নেবেন।

চুল সবচেয়ে সুন্দর রাখবে যেসব হেয়ারমাস্ক
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক

চুলের নানা সমস্যা যখন প্রকট হয় আর নানা উপায় কাজে লাগিয়েও কোনো উপকার পাওয়া যায় না, তখন নিজের চুল নিজেরই ছিঁড়তে ইচ্ছে করে! বছরের অন্যান্য সময় যেমন-তেমন, শীত এলে তো চুলে আরও বেশি সমস্যা দেখা দেয়।

এই সময়ে চুল সবচেয়ে বেশি ঝলমলে ও সুন্দর রাখতে চাইলে ব্যবহার করতে হবে কিছু হেয়ারমাস্ক। তবে তা তৈরি করে নিতে পারবেন ঘরোয়া কিছু উপাদান দিয়েই। সেইসঙ্গে পান করতে হবে প্রচুর পানি এবং খেতে হবে পুষ্টিকর খাবার। কারণ ভেতর থেকে পুষ্টি না পৌঁছালে হেয়ারমাস্ক কাজ করবে না।

ডিম, তেল মধু: ডিমের কুসুম, মধু, আর দুই টেবিল চামচ আপনার পছন্দের তেল নিন। আমন্ড অয়েল, অলিভ অয়েল বা নারিকেলের তেলের যেকোনো একটি ব্যবহার করুন। ভালো করে ফেটিয়ে নিন। এর মধ্যেও কয়েক ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল মেশাতে পারেন। তার পর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে কন্ডিশনার লাগিয়ে নিতে হবে।


নারিকেল তেল, মধু, লেবুর রস: শীতের দিনে অনেকের স্ক্যাল্পেই প্রচুর খুশকি জন্মায়। চুল নরম রাখার পাশাপাশি তাকে খুশকিমুক্ত রাখতেও সাহায্য করবে এই বিশেষ মাস্কটি। তিনটিকে খুব ভালো করে মিশিয়ে মাথায় লাগান, এক ঘণ্টা অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন। শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার লাগানো বাধ্যতামূলক।

অ্যালোভেরা, মধু, নারিকেল তেল: দুই টেবিল চামচ ফ্রেশ অ্যালো ভেরা জুস, দুই টেবিলচামচ এক্সট্রা ভার্জিন নারিকেল তেল আর এক চাচামচ মধু একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। তার পর চুলের আগা থেকে গোড়া ভালো করে মাখান। এক ঘণ্টা প্যাকটা চুলে বসতে দিন। তার পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে কন্ডিশনার লাগিয়ে নিন ভালো করে। তিন মিনিট পর কন্ডিশনার ধুয়ে নিন। কন্ডিশনার যেন মাথার তালু পর্যন্ত না পৌঁছায়, সেদিকে লক্ষ রাখবেন।

 

অ্যাভোকাডো, ডিম, তেল: পাকা অ্যাভোকাডোর শাঁস, ডিমের কুসুম, অলিভ অয়েল ভালো করে মিশিয়ে নিন। তার চুলে লাগিয়ে মাথায় শাওয়ার ক্যাপ পরে থাকুন ঘণ্টাখানেকের জন্য। আগে চুল ভালো করে ধুয়ে নিন। তারপর শ্যাম্পু করে নিন।


নারিকেলের দুধ: এককাপ নারিকেল কুরিয়ে আধাকাপ গরম পানতে ভিজিয়ে রাখুন দশ মিনিট। তারপর ব্লেন্ডারে ভালো করে পিষে ছেঁকে নিন। নারিকেলের গাঢ় দুধ আর মধু মিশিয়ে চুলে ভালো করে মাখিয়ে নিন। একটা তোয়ালে গরম পানিতে ভিজিয়ে নিয়ে মাথায় জড়িয়ে রাখুন। এক ঘণ্টা গরম পানির ভাপ চুলে বসার পর শ্যাম্পু করে নিন।


ডিম ও দই: আপনার চুল স্বাভাবিক হলে পুরো ডিম নিন। তেলতেলে হলে বাদ দেবেন কুসুম, রুক্ষ হলে সাদা ভাগ। এর মধ্যে দুই টেবিল চামচ পানি ঝরানো দই মিশিয়ে নিন। তীব্র গন্ধ বেরোবে, তাই এই প্যাকে দু’-এক ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েলও মিশিয়ে নিতে পারেন। মাথায় লাগিয়ে আধাঘণ্টা রাখুন। তারপর শ্যাম্পু আর কন্ডিশনার ব্যবহার করে ধুয়ে নেবেন।

জীবনে এই চার মন্ত্র রপ্ত করলেই আপনি সফল!
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক

চাওয়া আর পাওয়ার হিসাব মেলাতেই পার হয়ে যায় আমাদের একটা জীবন। মন ঠিক কী চায়, তা আমাদের মনও জানে না। কোনো একটি জিনিস পাওয়ার পরে মনে হয়, এটা নয় ওটা চাই! সারাক্ষণ শুধু দোলাচলে দুলতে থাকে। জীবনের কাছেও কিছু চাওয়া থাকতে পারে আপনার। কীসে সফলতা আসবে তা চিন্তা করার আগে চারটি বিষয়ে নজর রাখুন। যা-ই ঘটুক না কেন, এই বিষয়গুলোতে ছাড় দেবেন না।


তৈরি করুন নিজস্ব মূল্যবোধ: প্রত্যেকের জীবনেই স্বপ্ন থাকে। আপনিও নিশ্চয়ই ব্যতিক্রম নন! নিজের জীবনের স্বপ্ন আর সম্পর্ক নিয়ে কখনো ছেলেখেলা করবেন না। যদি আপনার মনে হয় যে সম্পর্কে আপনি আছেন তাই নিয়ে খুশি তাহলে সেরকমই থাকুন। তার ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তাভাবনা করুন। সময় দিন।


প্রশ্ন করুন নিজেকে: অন্যের মতামতকে গুরুত্ব দিন, তবে নিজের থেকে বেশি নয়। জীবনে কোনটা ঠিক, কোনটা ভুল সেটা অন্য কেউ বলে দেওয়ার আগে নিজে যাচাই করে নিন। কারণ আপনার মনের থেকে ভালো উত্তর আর কেউ দিতে পারবে না। তাই নিজে নিজের কাছে সৎ থাকুন। যদি মনে হয় যা করেছেন ঠিক করেছেন, তাহলে পৃথিবীর কেউ আপনাকে আটকাতে পারবে না।

 

প্যাশন বজায় রাখুন: ভালোবেসে অনেককিছুই জয় করা সম্ভব। তাই যে কাজই করবেন, ভালোবেসে করুন। সেই কাজের প্রতি যেন অবশ্যই আপনার কোনো প্যাশন থাকে। করতে হয়, তাই করছি এভাবে কোনো কাজ হয় না। আর করলেও তার স্থায়িত্ব বেশিদিন হয় না। কাজের প্রতি যত্নশীল থাকুন।


টাকা নিয়ে ভাববেন না: বাঁচতে হলে টাকার প্রয়োজন। কিন্তু কখনোই অতিরিক্ত টাকা টাকা করবেন না। আজ না থাকলেও অন্য একদিন নিশ্চয় আসবে। আর ইচ্ছে থাকলে জীবনে টাকার জন্য কিছুই আটকাবে না।

আসছে শীত, নিজেই তৈরি করে নিন পেট্রোলিয়াম জেলি
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক

শীত এলেই আমরা ত্বকের শুষ্কতা ও রুক্ষতা তাড়াতে নানা উপায় খুঁজে বের করি। যেসব জিনিস নিয়ে আমরা শীতকে মোকাবিলা করতে প্রস্তুত হই, তার মধ্যে একটি হলো পেট্রোলিয়াম জেলি। পেট্রোলিয়াম জেলির রাসায়নিক উপাদানগুলো আমাদের ত্বকের ছিদ্রগুলোর ওপর আস্তরণ তৈরি করে ত্বককে শুষ্কতা থেকে রক্ষা করে। কিন্তু অনেক সময় ধরে ব্যবহারের কারণে এটি ত্বকের ক্ষতিও করতে পারে ।


রাসায়নিক উপাদন ব্যবহার না করে ঘরে বসে প্রাকৃতিক উপাদান দিয়েই তৈরি করে নিতে পারেন আপনার প্রয়োজনীয় পেট্রোলিয়াম জেলি। চলুন জেনে নেয়া যাক-


পেট্রোলিয়াম জেলি তৈরিতে যা যা লাগবে:

২ টেবিল চামচ বিস ওয়াক্স
১/৮ কাপ অলিভ অয়েল
১/৪ কাপ নারিকেল তেল
টি ট্রি অয়েল কয়েক ফোটা।

 

যেভাবে তৈরি করবেন:

ছোট একটি সসপ্যানে পানি নিয়ে তাতে একটি পাত্র বসিয়ে নিন। ছোট পাত্রটির মধ্যে নারিকেল তেল এবং বিস ওয়াক্স দিয়ে মৃদু আঁচে গরম করুন। নারিকেল তেল ও বিস ওয়াক্স ভালোভাবে মিশে গেলে তা নামিয়ে রাখুন। এরপর এর সাথে অলিভ অয়েল এবং টি ট্রি এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে নিন।


সব উপাদান ভালোভাবে মিশে গেছে কিনা তা একবার দেখে নিন। এরপর কিছুক্ষণ ঠান্ডা হওয়ার জন্য অপেক্ষা করুন। যখন দেখবেন ঠান্ডা হয়ে ক্রিমের মতো দেখতে হয়েছে তখনই বুঝবেন পেট্রোলিয়াম জেলি প্রস্তুত।

এই পেট্রোলিয়াম জেলি সংরক্ষণের জন্য পরিষ্কার কাঁচের কৌটাতে রাখতে পারেন। এটি ৪ থেকে ৫ মাস পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারবেন।

শীত না আসতেই ঠোঁট খসখসে? নজর দিন লিপস্টিকে
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক

হালকা হোক কিংবা গাঢ়, যেকোনো রকম সাজগোজের অন্যতম উপাদান হলো লিপস্টিক। ডার্ক মেরুন বলুন আর হালকা গোলাপি- লিপস্টিক ছাড়া নারীর সাজে পূর্ণতা মেলে না যেন। কিন্তু শীতের শুরু হতে না হতেই এই লিপস্টিক নিয়ে চিন্তায় পড়তে হয়। কারণ বছরের অন্যান্য সময় নিশ্চিন্তে ম্যাট লিপস্টিক ব্যবহার করলেও এই শুষ্ক আবহাওয়ায় তা যেন সম্ভব হয় না। বরং ঠোঁট হয়ে পড়ে খসখসে। তাই এই সময় নজর দিন লিপস্টিকের দিকে-


গ্লসি লিপস্টিক: তেলতেলে ভাবের কারণে গ্লসি লিপস্টিককে সেকেলে বলে মনে করেন অনেকে। আশির দশকের চিত্রনায়িকাদের ছবি চোখে ভেসে ওঠে। কিন্তু গ্লসি লিপস্টিক এখন অনেক আধুনিক হয়েছে এবং ঠোঁট চকচক করে না আগের মতো, ঠোঁটের স্বাভাবিক আর্দ্র ভাবও বজায় থাকে। যারা ঠোঁট পুরন্ত আর সরস দেখাতে চান, তারা ম্যাটের বদলে গ্লসি লিপস্টিক বেছে নিন। শীতের দিনে ওয়াইন, বেরি আর ব্রাউন শেডের গ্লসি লিপস্টিক পরলে চমৎকার দেখাবে।


স্যাটিন লিপস্টিক: স্যাটিন লিপস্টিক টেক্সচার হলো সবচেয়ে সাধারণ আর চেনা টেক্সচার, যা শীতকালের জন্য সেরা। স্যাটিন লিপস্টিকে একটা ক্রিমের মতো ভাব আছে, যা শীতকালের পক্ষে একদম সঠিক। এই ধরনের লিপস্টিক ব্যবহার করলে ঠোঁটে একটা হালকা সুন্দর রঙের আভাস থাকে ঠিক টিন্টেড বামের মতোই, যা এই সময়ের পক্ষে আদর্শ পছন্দ।

 

ম্যাট লিপস্টিক: দীর্ঘদিন ধরে ম্যাট লিপস্টিক ব্যবহারের কারণে অন্যকিছু ভালো নাও লাগতে পারে। যারা এই সময়েও ম্যাট লিপস্টিকই ব্যবহার করতে চান, তাদের ঠোঁটের প্রতি আলাদা যত্নশীল হতে হবে। ম্যাট লিপস্টিক পরার আগে প্রথমে ঠোঁটে পেট্রোলিয়াম জেলি লাগিয়ে নিন যাতে ঠোঁট আর্দ্র থাকে। ব্রাশ ব্যবহার করে ঠোঁট এক্সফোলিয়েট করুন, এরপর লাগান লিপ বাম। তারপরে লিপস্টিক পরুন। এতে লিপস্টিকের ম্যাটি টেক্সচার খানিকটা কম হলেও আপনার ঠোঁট থাকবে সতেজ।

মাথায় চুলকানি? দূর করবে এই ৫ তেল
                                  


লাইফস্টাইল ডেস্ক

শীতের শুরু হতে না হতেই মুখে, হাত-পায়ে টান ধরতে শুরু করে। এই সমস্যা দেখা দেয় মাথার ত্বকেও। ধীরে ধীরে আমাদের স্ক্যাল্প শুকনো হয়ে যায়। বাড়ে খুশকির সমস্যা। সেইসঙ্গে মাথায় চুলকানি তো থাকেই। যখন তখন মাথা চুলকানোর কারণে পড়তে হয় অস্বস্তিতে। চুলের গোড়া দুর্বল হয়ে চুল পড়ার সমস্যাও শুরু হয়। চলুন জেনে নেয়া যাক মাথায় চুলকানির সমস্যা হলে তা দূর করার উপায়-


নারিকেল তেল: তালুর শুষ্কতার কারণেই মূলত মাথা চুলকায়। এই সমস্যা কমাতে দু’চামচ নারিকেল তেল বাটিতে নিয়ে গরম করুন। গরম তেলে তুলো ডুবিয়ে সারা মাথায় তেলটুকু লাগিয়ে মিনিট পাঁচেক মাসাজ করুন। সারারাত তেলটা রেখে দিন, সকালে কোমল শ্যাম্পু দিয়ে হালকা গরম পানিতে ধুয়ে নেবেন। সপ্তাহে দু’বার করলে স্ক্যাল্পের চুলকানি কমে যাবে।


টি ট্রি অয়েল: টি ট্রি অয়েল আমাদের স্ক্যাল্প আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া টি ট্রি অয়েল অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল আর অ্যান্টি-ফাঙ্গাল গুণে সমৃদ্ধ, ফলে সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে। তুলোয় করে কয়েক ফোঁটা টি ট্রি অয়েল নিয়ে মাথায় লাগান। পাঁচ মিনিট মাসাজ করুন। দু’ঘণ্টা রেখে শ্যাম্পু দিয়ে উষ্ণ গরম পানিতে ধুয়ে নিন।

 

অলিভ অয়েল: দু’ টেবিল চামচ অর্গানিক অলিভ অয়েল নিয়ে হালকা গরম করে নিন। এবার স্ক্যাল্পে, চুলের গোড়ায় গোড়ায় মাসাজ করুন যাতে তেল চুলে পুরো শুষে যায়। সারারাত রেখে দিন, সকালে উঠে শ্যাম্পু করে নিন। সপ্তাহে দু’বার করলে চুলকানি কমবে, চুলের স্বাস্থ্যও ভালো হবে।


পেপারমিন্ট অয়েল: ত্বক শীতল রাখতে পেপারমিন্ট অয়েল দারুণ কাজের। আধ চা চামচ পেপারমিন্ট এসেনশিয়াল অয়েলের সঙ্গে দেড় চা চামচ নারিকেল তেল বা অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন। এবার তুলো দিয়ে তেলটা সারা মাথায় লাগিয়ে একঘণ্টা রেখে শ্যাম্পু করে নিন। সপ্তাহে দু’বার করলে মাথার চুলকানি কমবে।


আর্গান অয়েল: খাঁটি আর্গান অয়েল নিয়ে চুলে আর স্ক্যাল্পে হালকা হাতে মাসাজ করুন। তেলটা চুলে পুরো শুষে যাবে। সারা রাত তেলটা চুলে রেখে দিন। সকালে উঠে শ্যাম্পু করে নেবেন। সপ্তাহে একদিন নিয়মিত করলে তফাৎ বুঝতে পারবেন, চুলের জৌলুসও বাড়বে।

বেকারত্বের চেয়ে কম বেতনের চাকরি খারাপ!
                                  


নিউজ ডেস্ক

বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থায় একজন চাকরিজীবীর তুলনায় একজন বেকারের অবস্থা খুবই খারাপ – এটাই ভাবা হয় তাইনা? কিন্তু এটি সব সময় সত্যি না। নতুন একটি গবেষণায় এমনটাই বলা হয়েছে যে, বেকারত্বের চেয়ে নিম্নমানের চাকরি মনের উপর খারাপ প্রভাব ফেলে বেশি। গবেষণাটির বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নিই চলুন।

গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয় অকুপেশনাল এন্ড এনভায়রনমেন্টাল মেডিসিন নামক জার্নালে। অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা বলেন, চাকরি না থাকার চেয়ে যারা নিম্নমানের চাকরি করেন (যেমন- উচ্চ চাহিদার কাজ, সিদ্ধান্ত গ্রহণের উপর কম নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তাহীনতা, প্রচেষ্টার ভারসাম্যহীনতা এবং পুরস্কৃত না করা ইত্যাদি) তাদের এই ধরণের অভিজ্ঞতা মানসিক স্বাস্থ্যের উপর খারাপ প্রভাব ফেলে বেশি।

সাত বছরের গবেষণার ফলাফলে দেখানো হয় যে, যদিও চাকরিহীন বেকার মানুষদের মানসিক অবস্থা উল্লেখযোগ্য হারেই খারাপ থাকে চাকরিজীবীদের তুলনায়। তবে যারা খুবই নিম্নমানের চাকরি করেন তাদের তুলনায় বেকার মানুষদের মানসিক অবস্থা উন্নত থাকে। এছাড়াও কম পরিতৃপ্তির কাজ করেন যারা তাদের মানসিক অবস্থা সময়ের সাথে সাথে অবনতি হতে থাকে।

গবেষণায় অংশগ্রহণকারীরা খুব দৃঢ় ভাবেই এই বিবৃতি দেয় যে, “আমি আমার চাকরির ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত” এবং “আমার চাকরিটি খুবই জটিল এবং কঠিন”।

গবেষণায় দেখানো হয়েছে যে, কীভাবে কাজের মান কর্মচারীদের মানসিক স্বাস্থ্যের সাথে ওতপ্রোত ভাবে জড়িত। অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর মেন্টাল হেলথ রিসার্চ এর সিনিয়র রিসার্চ ফেলো এবং এই গবেষণার প্রধান লেখক পিটার বাটারওরথ এর মতে, “আসলে বেকার থাকাটা মানসিক স্বাস্থ্যের অনেক বেশি ক্ষতিকর, কিন্তু বেকারত্ব থেকে সরে নিম্নমানের কাজ নিলে মানসিক স্বাস্থ্যের উপকার হয় না”।

তিনি বলেন, সার্বিকভাবে যারা চাকরি পাননা তাদের মানসিক অবস্থা যারা নতুন চাকরি পেয়েছেন বা কাজের চাপ বেশি যাদের বা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন যারা তাদের চেয়ে ভালো থাকে।

বেকারত্ব কোন মজার বিষয় নয়। যদি আপনার পরিবার আপনার সার্টিফিকেটগুলোকে মূল্যহীন বলেন, তাহলে আপনার কাছে এখন বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আছে যেকোন চাকরি না করার। যে কোন চাকরিই ভালো এটা একটি ভ্রান্ত ধারণা। সাইকোলজিক্যাল ক্ষেত্রে একমত প্রকাশ করা হয়েছে যে, আয় এবং চাকরির নিরাপত্তা সুখের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

ভালো একটি কাজ পাওয়া বেকার থাকার চেয়ে অবশ্যই অনেক ভালো। বাটারওরথ তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখেন যে, মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে – আপনার চাকরি প্রয়োজন বলে আপনাকে চরমভাবে অসুখি করে তুলে এমন কাজে যোগ দেয়া কখনোই ভালো ধারণা হতে পারেনা।

আসলে খারাপ চাকরি কোনগুলো? বেশিরভাগ মানুষই তার চাকরি নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে পারেন না। বরং তারা তাদের চাকরিকে অপছন্দ করেন কোন না কোন দিক দিয়ে। Mashable এর মতে, “কোন কাজ ভালো না খারাপ তা নির্ভর করে নিয়ন্ত্রণ, স্বায়ত্তশাসন, চ্যালেঞ্জ, বিভিন্নতা এবং কাজের বিচক্ষণতা ইতাদির মাত্রার উপর। ভালো চাকরির ক্ষেত্রে কর্মীরা থাকে যোগ্য এবং তারা কাজকে উপভোগ করেন। নিম্নমানের কাজের ক্ষেত্রে বিরক্তিকর রুটিন বা কর্মীর দক্ষতার চেয়ে নিম্নমানের কাজ করানো হয়”।

আপনার পিতামাতা বা শিক্ষক হয়তো আপনাকে বলে থাকবেন যে, নাই মামার চেয়ে কানা মামা ভালো অর্থাৎ যেকোন একটা চাকরি থাকা ভালো, তা সে যত কষ্টকর বা বিপদজনকই হোকনা কেন। কিন্তু যেকোন পদক্ষেপ নেয়ার আগে এটা স্মরণ করবেন যে, মানসিক সুস্থতা শারীরিক সুস্থতার মতোই গুরুত্বপূর্ণ। তাই আপনি যদি আপনার বর্তমান চাকরি নিয়ে অসুখি থাকেন তাহলে এখনই সময় তা থেকে বেড়িয়ে আসার এবং নতুন কিছু খুঁজে নেয়ার।

তথ্যসুত্র: ইন্টারনেট।

পুরুষদের জন্য গর্ভনিরোধক ইনজেকশন!
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক

পুরুষদের জন্য গর্ভনিরোধক ইনজেকশন তৈরি করছে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকাল রিসার্চ। পরীক্ষার পর তা অনুমোদনের জন্যে পাঠানো হয়েছে ড্রাগ কনট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়ার কাছে (DCGI)।

জানা গেছে, একবার এই কনট্রাসেপ্টিভ ইনজেকশন নিলে প্রভাব থাকবে ১৩ বছর। এরপরই চলে যাবে এর প্রভাব। সার্জিকাল ভ্যাসেক্টমির বিকল্প হিসেবেই ব্যবহার করা হবে এই ইনজেকশন।



ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকাল রিসার্চের সিনিয়র বিজ্ঞানী ডা. আর এস শর্মা জানিয়েছেন, ‘প্রডাক্ট তৈরি হয়েছে। ড্রাগস কনট্রোলারের থেকে অনুমোদন পাওয়ার অপেক্ষায় আমরা। ট্রায়ালও হয়ে গেছে। এর জন্যে ৩০৩ জনকে নিয়োগ করা হয়েছিল। ৯৭.৩ শতাংশ সাকসেস রেট পেয়েছি। দেখা দেয়নি কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। এই প্রডাক্টকে নিশ্চিন্তে বিশ্বের প্রথম পুরুষ কনট্রাসেপ্টিভ বলা যেতে পারে।’

পুরুষদের জন্যে গর্ভনিরোধকের নিয়ে গবেষণা করছেন মার্কিন বিজ্ঞানীরাও। তবে তাঁরা এখন পর্যন্ত কোনও সাফল্য পাননি।

ইউকে-র ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে লেখা হয়েছে, ২০১৬ সালে পুরুষদের কনট্রাসেপ্টিভের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হয়েছিল। কিন্তু তা মাঝ পথেই বন্ধ করা হয় এবং বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেওয়ায়।



ভারতের তৈরি এই কনট্রাসেপ্টিভ এক ধরনের পলিমার। যা টেসটিকিলসের কাছে শুক্রাণু টিউবের মধ্যে ইনজেক্ট করতে হবে। তবে এর জন্যে লোকাল অ্যানাস্থেশিয়ার প্রয়োজন হবে বলেই জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।


এই পলিমারটি ৭০-এর দশকে প্রথম তৈরি করেন ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির অধ্যাপক এস কে গুহ। ১৯৮৪ সাল থেকে এর উপর বিভিন্ন পর্যায়ে গবেষণা চালানো হয়েছে।

রান্নাঘরের এসব উপাদানেই ত্বক থাকবে ঝকঝকে
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক

ঝটপট ত্বকের যত্ন নিতে গিয়ে আমরা কিছু ভুল করে ফেলি। যেমন দ্রুত ফল পাওয়ার আশায় প্রাকৃতিক উপাদান বাদ দিয়ে ব্যবহার করি কেমিক্যালযুক্ত প্রসাধনী। তাতে লাভের চেয়ে ক্ষতিই বেশি হয়। কারণ সাময়িক সুফল মিললেও দেখা দিতে পারে দীর্ঘ সমস্যা।

অনেকে ধারণা, ঘরোয়া পদ্ধতিতে ত্বকের যত্ন নিতে সময় বেশি লাগে। কিন্তু রূপবিশেষজ্ঞদের মতে, খুব সহজে এবং অল্প সময় ব্যয় করেই ঘরোয়া উপায়ে ত্বকের যত্ন নেয়া সম্ভব। আর তাতে ক্ষতিও কম। এই সামগ্রীগুলো প্রাকৃতিক হওয়ায় নেই কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও। রান্নাঘরের কিছু অতি পরিচিত উপাদান দিয়েই নিতে পারবেন ত্বকের যত্ন। আর অল্প কদিনেই ত্বক হয়ে উঠবে ঝকঝকে-



আটা-ময়দা-বেসন: এগুলো দিয়ে বানিয়ে ফেলুন ফেস প্যাকের বেস। আটায় ভুসির পরিমাণ বেশি থাকায় প্রাকৃতিক স্ক্রাব হিসাবেও দারুণ কাজ করে। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য আটার প্যাক উপযোগী।


মধু: প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসাবে মধুর কোনো তুলনা হয় না। এছাড়া মধুতে থাকা অ্যান্টি ব্যাকটিরিয়াল উপাদান ব্রণ বা ফুসকুড়ি কমাতেও খুব কার্যকরী। যেকোনো ঘরোয়া ফেসপ্যাকের সঙ্গে মধু মিশিয়ে ব্যবহার করলে ত্বক কোমল ও আর্দ্র থাকবে।

 


দই: মধু এবং দই মিশিয়ে ফেস প্যাক তৈরি করে তা লাগান। ত্বকে পুষ্টি জোগান দেবে। এছাড়া ফুল ফ্যাট দুধ থেকে তৈরি দই শুষ্ক ত্বকের জন্য খুব উপকারী।

 

ওটমিল: তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ওটমিল দিয়ে তৈরি ফেসমাস্ক অত্যন্ত কার্যকরী। দই ও ওটমিল দিয়ে মাস্ক তৈরি করে মুখে ব্যবহার করুন। ত্বক উজ্জ্বল হবে। এছাড়া কোমল স্ক্রাব হিসেবেও খুব ভালো কাজ করে এটি।

 

নারিকেল তেল: চোখের কোলে কালি, শুষ্ক ঠোঁট কিংবা খসখসে ত্বক- এধরনের যেকোনো সমস্যায় ব্যবহার করুন নারিকেল তেল। এছাড়া প্রাকৃতিক উপায়ে হেয়ার ট্রিটমেন্ট করতে চাইলে নারিকেল তেল গরম করে মাথায় লাগান। এর ফলে চুলের গোড়া পুষ্টি পাবে, কমবে চুল পড়া ও খুশকির সমস্যা।

দাম্পত্য সম্পর্ক ভালো রাখতে করুন আর্ট থেরাপি
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার ভালোবাসার সম্পর্কটা ধীরে ধীরে পানসে হয়ে আসাটা খুব একটা অস্বাভাবিক নয়। নিত্যদিনের অভ্যস্ততায় চেনা মানুষটিকে তখন আর নতুন করে অনুভব করা হয় না। হৃদয়ের টানটা যেন শিথিল হয়ে আসে। যাপিত জীবনের নানা চাপ, দুশ্চিন্তা, ক্লান্তি তাতে রসদ জোগায় আরও। তবে এভাবে চলতে থাকলে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখাই একটা সময় মুশকিল হয়ে দাঁড়ায়।

 

সব বাঁধা দূর করে সম্পর্কটি সুন্দর রাখতে সাহায্য নিতে পারেন আর্ট থেরাপির। বিশেষজ্ঞেরা বলেন, আর্ট বা শিল্পের মধ্যে একটা আশ্চর্য থেরাপিউটিক ক্ষমতা রয়েছে। রং-তুলি দিয়ে ইচ্ছেমতো টান, খাতার পাতায় ড্রয়িং করার মতো কাজগুলো করলে একদিকে যেমন মনের উপর থেকে চাপ কাটবে, তেমনি দু’জনে পরস্পরের কাছাকাছি আসতে পারবেন।

 

পেশাদার আর্ট থেরাপিস্টের উপস্থিতিতে আর্ট থেরাপি করালে তা আপনাদের সম্পর্কে নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে, এমনকী ব্যক্তিগত আশাআকাঙ্ক্ষা পূরণ করতেও সাহায্য করতে পারে। তবে সবসময় থেরাপিস্টের সাহায্য নিতেই হবে, তা নয়। নিজেদের মতো করেও আর্ট থেরাপি করতে পারেন আপনারা, তাতেই বাঁচবে সম্পর্কের বাঁধন।

 


যেভাবে কাজ করে আর্ট থেরাপি: ডেভিড জিমারমান নামে এক মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে এক দম্পতি আর্ট থেরাপি করিয়েছিলেন। সেই ওয়ার্কশপে একজন অপরজনকে বলে দিচ্ছিলেন কী আঁকতে হবে। শুনতে সহজ মনে হলেও আসলে ব্যাপারটা ততটা সহজ নয়। কারণ আপনাকে নির্দিষ্ট করে বলে দিতে হবে আপনি স্বামীর কাছ থেকে ঠিক কী আঁকা চাইছেন। স্বামীর সঙ্গে আপনি কীভাবে কথা বলছেন সেটা যেমন মাথায় রাখতে হবে, তেমনি সঠিকভাবে ব্যাপারটা তাকে বোঝাতেও হবে। অর্থাৎ এক্ষেত্রে কমিউনিকেশন স্কিলটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। তবে একবার অভ্যাস হয়ে গেলে পরস্পরকে বোঝা এবং সেই অনুসারে কথা বলাটাও রপ্ত হয়ে যাবে আপনাদের।

 

বাড়িতেই করুন আর্ট থেরাপি: বিশেষজ্ঞের সাহায্য না নিয়ে একদম নিজেদের মতো করেও শুরু করতে পারেন আর্ট থেরাপি। সাপ্তাহিক ছুটির দিনটিতে কয়েক ঘণ্টা ফাঁকা সময় হাতে রাখুন দুজনে। ক্যানভাসে বা ড্রয়িং খাতায় দুজন মিলে একটাই ছবি আঁকতে শুরু করুন। যে যার নিজের কল্পনা, রেখা, রং উপুড় করে দিন ছবিতে। একটা সময় রংতুলির রং ছড়িয়ে পড়তে শুরু করবে দুজনের হৃদয়েও।

পুষ্টিগুণ ঠিক রাখতে যেভাবে রান্না করতে হবে
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক

আমরা অনেক যত্ন করে বাজার করি, রান্না করি। কিন্তু খাবার মজা করতে যতটা চেষ্টা থাকে আমাদের। খাবারের পুষ্টিমান ঠিক রাখতে ততটা কিন্তু নয়।


জেনে নিন পুষ্টিগুণ ঠিক রাখতে যেভাবে রান্না করবেন:

সেদ্ধ
নানা ধরনের সবজি-ডাল আমরা প্রায়ই সেদ্ধ করে ভর্তা বানিয়ে খাই। জানেন তো, এতেই খাবারের পুরো পুষ্টিটাই পেতে পারি।

স্টিম
পছন্দের যে কোনও মাছ-মাংস-সবজি ভালো করে ধুয়ে নিয়ে লবণ-গোলমরিচ-লেবুর রস বা আদা-কাঁচা মরিচ-টক দই দিয়ে মাখিয়ে রেখে দিন খানিকক্ষণ। তারপর পানি ফোটান একটি পাত্রে, অন্য পাত্রে বা কলার পাতায় মুড়ে টিফিনবাক্সে ভরে ভাপিয়ে নিন আপনার মাছ বা মাংস। এভাবে খেতেও মজার, পুষ্টিও পাবেন পুরোটাই।

গ্রিল
ওই একই পদ্ধতিতে মেরিনেট করে নিন প্রথমে, এরপর ভাপানোর বদলে নন-স্টিক ফ্রাই প্যানে খাবারটি গ্রিল করে নিন।


খাবারের পুষ্টিগুণ ঠিক রাখতে রান্নায় অন্য তেলের পরিবর্তে অল্প পরিমাণে অলিভ অয়েল ব্যবহার করুন।

 
গ্রিন টি ফেসিয়াল
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক

ত্বকের জন্য কত কিছুই তো করি আমরা। এই আবহাওয়ায় ত্বক উজ্জ্বল-কোমল রাখতে ঘরেই করুন গ্রিন টি ফেসিয়াল।


জেনে নিন সহজ ধাপগুলো:

ক্লিঞ্জিং
প্রথমে ক্লিঞ্জিং মিল্ক তুলা ভিজিয়ে ত্বক পরিষ্কার করে নিন।

ক্রিম ম্যাসাজ
ফেসিয়াল ক্রিম দিয়ে ১০ মিনিট ত্বকে হালকা হাতে ম্যাসাজ করুন

স্ক্র্যাবিং
এবার স্ক্র্যাব দিয়ে মুখ আলতো ভাবে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ঘষুন। তারপর হালকা গরম পানিতে ভেজানো তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছে ফেলুন। উজ্জ্বল ত্বকের জন্য চালের গুঁড়া, সুজি অথবা চিনি হতে পারে সবচেয়ে ভালো স্ক্র্যাব।

টোনিং
সমপরিমাণ ভিনেগার ও গোলাপ জল মিশিয়ে তৈরি করতে পারেন টোনার। যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে খুবই উপযোগী। তুলা দিয়ে টোনার মুখে লাগান কিন্তু ভুলেও ঘষবেন না। চোখের কাছে লাগাবেন না।

প্যাক

ফুটন্ত গরম পানিতে ১ চামচ গ্রিন টি কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন। ১টি বাটিতে ২ চামচ মুলতানি মাটি নিন। তাতে ২-৩ চামচ গ্রিন টি ভেজানো পানি মেশান। অ্যালোভেরার জেল বের করে নিন। এবার মুলতানি মাটি ও গ্রিন টির মিশ্রণে মিলিয়ে নিন।

প্যাকটি মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট রাখুন, তারপর পরিষ্কার পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

 

 
মাইগ্রেনের যন্ত্রণায় কাতর?
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক

দীর্ঘ সময় মাইগ্রেনের মাথা ব্যথা থাকলে সে যন্ত্রণা হয়ে ওঠে অসহনীয়। মাইগ্রেনের ব্যথা কমাতে যা করতে পারেন:


• ঘরের লাইট বন্ধ করে ঘুমান
• আইস প্যাক অথবা হিট প্যাক কপালে লাগান
• ক্যাফেইন জাতীয় পানীয় যেমন চা, কফি পান করা যেতে পারে
• ম্যাগনেশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার, যেমন- ঢেকি ছাঁটা চালের ভাত ও এ চালের বিভিন্ন পদ, আলু ও বার্লি মাইগ্রেন প্রতিরোধক
• বিভিন্ন ফল বিশেষ করে খেজুর ও ডুমুর ব্যথা উপশম করে

• সবুজ, হলুদ ও কমলা রঙের শাকসবজি নিয়মিত খেলে উপকার হয়
• ঘুমানোর রুটিন অনুসরণ করুন। প্রতিদিন একই সময় ঘুমান এবং একই সময় উঠুন
• বেশিক্ষণ ক্ষুধা নিয়ে থাকবেন না
• চিজ, চকলেট, অ্যালকোহল জাতীয় খাবার মাইগ্রেনের ব্যথা বাড়ায়।

যেকোনো ধরনের ওষুধ খাওয়ার আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

 
মানসিক চাপ দূর করে লবঙ্গ !
                                  

লবঙ্গের গুণাগুণ শুধু রান্নাতেই নয়, তার বাইরেও আছে। সুস্বাস্থ্যে লবঙ্গ নানাভাবে আমাদের উপকারে আসে। যেমন-

  • দাঁতের যন্ত্রণায় কষ্ট পেলে লবঙ্গ চিবিয়ে খেলে যন্ত্রণা কমবে।
  • লবঙ্গ মুখে রাখলে বা জলের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা লবঙ্গ তেল মিশিয়ে খেলে আপনার বমি বমি ভাব দূর হবে।
  • হাল্কা গরম পানিতে ১০ ফোঁটা লবঙ্গ তেল ও মধু যোগ করে, সেটা খেয়ে নিন। ভাইরাল ফিভারে কাজে দেবে।
  • মানসিক চাপ দূর করে লবঙ্গ। পঞ্চ ইন্দ্রিয়কে শিথিল রাখতে সাহায্য করে। লবঙ্গের সঙ্গে তুলসি পাতা, পুদিনা পাতা ও দারচিনি মিশিয়ে আপনি ফ্লেভার্ড চা তৈরি করতে পারেন।
  • সর্দি, কাশিতে লবঙ্গ খেলে আরাম পাওয়া যায়। কফ দূর হয়। নিঃশ্বাসে বাজে দুর্গন্ধও দূর হয়।
ত্বক সুন্দর হবে টমেটো ব্যবহারে
                                  

টুকটুকে লাল টমেটোয় ভরে উঠতে শুরু করেছে বাজার। এ যেন শীতের আগমনী বার্তা। বছরজুড়ে টমেটো পাওয়া গেলেও এটি মূলত শীতকালীন সবজি। পুষ্টিকর এ সবজিটি আমাদের শরীরের জন্য বেশ উপকারী। সালাদ, চাটনিসহ নানারকম মজার রান্নায় এটি ব্যবহার করা হয়। এটি আমাদের ত্বকের যত্নেও কিন্তু সমান কার্যকরী। চলুন জেনে নেয়া যাক টমেটো দিয়ে ত্বক সুন্দর রাখার ৫ উপায়:

ত্বকের তৈলাক্তভাব দূর করতে: মুখের অতিরিক্ত তেলতেলেভাব নিয়ে মুশকিলে পড়েন অনেকেই। এই সমস্যা দূর করতে মুখে টমেটোর রস মাখলে বেশ উপকার পাবেন। টমেটোতে থাকা অ্যাস্ট্রিনজেন্ট রয়েছে আমাদের মুখের অতিরিক্ত তেল কাটিয়ে ত্বক উজ্জ্বল রাখে। আর সেইসাথে মুক্তি মেলে ব্রণ, ব্ল্যাকহেডস, হোয়াইটহেডসের মতো সমস্যা থেকেও। উপকার পেতে একটুকরো টমেটো কেটে নিয়ে সারা মুখে ঘষুন, যাতে রসটা ভালোভাবে লেগে থকে। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। ত্বক সুন্দর হবেই।

ত্বক উজ্জ্বল করতে: প্রতিদিনের নানারকম দূষণে আমাদের ত্বক মলিন হয়ে পড়ে। ত্বকের ক্লান্তি কাটিয়ে উজ্জ্বল করে তুলতে টমেটো বেশ কার্যকরী। একটি টমেটো নিন। এবার তার শাঁস বের করে দুই চা চামচ মুলতানি মাটি আর এক চা চামচ টাটকা পুদিনা পাতা বাটা মেশান। সারা মুখে এই মিশ্রণ মেখে না শুকোনো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এরপর ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একবার ব্যবহার করলেই উপকার পাবেন।

রোদে পোড়া দাগ দূর করতে: বাইরে বের হলে রোদ গায়ে লাগবে না, তাই কি হয়? রোদের কারণে আমাদের ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তখন রোদে পোড়া কালো কালো দাগ বসতে পারে ত্বকে। এই সমস্যা সমাধানে একটি টমেটো থেঁতো করে তাতে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ মুখ আর শরীরের অন্যান্য রোদে পোড়া অংশে ভালো করে মেখে নিন। ১৫ মিনিট রেখে পরিষ্কার ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন। উপকার মিলবে।

টমেটো-চিনির স্ক্রাব: স্ক্রাবের কাজ জানে নিশ্চয়ই। ত্বকের উপরের মৃত কোষ দূর করে ত্বককে পরিষ্কার ও উজ্জ্বল করে স্ক্রাব। এক্ষেত্রে ব্যবহার করুন টমেটো। দুটি খোসাসহ লেবু, দুটি বরফের কিউব, ২০টি পরিষ্কার পুদিনা পাতা আর দুটি টোমেটো ব্লেন্ডারে দিয়ে মিশিয়ে নিন। এবার এতে পাঁচ টেবিল চামচ চিনি মিশিয়ে নিন। এই তা মুখে, গলায়, হাতে লাগিয়ে স্ক্রাব করুন। ত্বক ভিতর থেকে পরিষ্কার হয়ে উঠবে, পুষ্টিও পাবে। ভালো ফল পেতে সপ্তাহে দুইবার ব্যবহার করুন।

টমেটো দিয়ে টোনার: ত্বকের কোমলতা ধরে রাখতে ব্যবহার করতে পারেন টমেটোর টোনার। একটি শসা আর একটি টমেটোর রস নিয়ে একসঙ্গে মিশিয়ে এয়ার টাইট স্প্রে বোতলে ভরে ফ্রিজে রেখে দিন। বাইরে থেকে ফিরে মুখে ছিটিয়ে নিন। মুহূর্তেই ত্বক সতেজ হবে। এই টোনারটি ফ্রিজে রাখলে অন্তত চারদিন ব্যবহার করতে পারবেন।

নিয়মিত মাসাজের গুণ
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : নানা অস্থিরতা আর শারীরিক অসুবিধায় দ্রুত আরাম মেলে মাসাজের কারণে। ছোট্ট শিশুকে তেল মালিশ করে রোদে রাখার অভ্যাসও বেশ পুরনো। শুধু শিশু নয়, সব বয়সীর নানা ধরনের ব্যথা দূর করতে মাসাজের জুড়ি নেই।

মাসাজের কারণে যে শুধু সাময়িক আরাম মেলে তা কিন্তু নয়। বরং এটি অনেকরকম সমস্যা তাড়াতে বেশ কার্যকরী। জেনে নিন মাসাজের কয়েকটি গুণ সম্পর্কে-

দুশ্চিন্তা দূর করে: অফিস আর বাসা মিলিয়ে নানারকম চাপে থাকেন প্রায় প্রত্যেকেই। প্রতিদিনের কাজগুলো গুছিয়ে করতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয়। তারপর একটা সময় মনে হয়, আর সম্ভব নয়! কারণ বিভিন্ন ঝামেলা নিয়ে অনেকরকম দুশ্চিন্তা মাথায় গিজগিজ করতে থাকে। এমনটা যদি আপনার সঙ্গেও ঘটে তবে সাহায্য নিন মাসাজের। আপনার সব ধরনের স্ট্রেস হরমোন আর টক্সিন তাড়াবে মাসাজ, ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই একদম ঝরঝরে আর নির্ভার অনুভব করবেন।

ব্যথা কমায়: আধুনিক জীবন যাপনে কমে এসেছে কায়িক শ্রমের কাজের সংখ্যা। এখন বেশিরভাগ মানুষই বসে থেকে কাজ করতে অভ্যস্ত। আবার দিনশেষে বাড়ি ফিরেও সোফায় বসে বা খাটে শুয়ে টিভি দেখা, একটু জিরিয়ে নেয়া। যার ফলে বসে থাকা হয় দিনের বেশিরভাগ সময়েই। এর ফলে পায়ে ও কোমরে বিভিন্ন সমস্যা ও ব্যথা দেখা দেয়। এ ধরনের সমস্যায় আপনাকে আরাম দিতে পারে মাসাজ। এক্ষেত্রে তেল মালিশ করলে বেশ উপকার পাবেন। এমন সমস্যায় মাসাজের মাধ্যমে কমানো সম্ভব আর্থারাইটিস, মাইগ্রেন, রিউম্যাটয়েড আর্থারাইটিসের ব্যথাও। তবে আগে থেকে মাসাজের নিয়মটা জানা থাকা চাই।

মাসলের উত্তেজনা কমায়: নিয়মিত ব্যায়াম করেন বা বিভিন্নরকম খেলাধুলা করেন, এমন মানুষের সংখ্যাও কম নয়। এক্ষেত্রে তাদের মাসল অনেক টানাপোড়েনের মধ্যে দিয়ে যায়। এক্ষেত্রে তাদের ব্যথাবোধ থেকে মুক্তি দিতে পারে মাসাজ। সেই সঙ্গে তা ফ্লেক্সিবিলিটি বাড়াতেও দারুণ কার্যকর। তবে প্রশিক্ষিত কারও কাছ থেকে মাসাজ করালেই উপকার মিলবে।

মাথাব্যথা দূর করে: মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা ইত্যাদি থেকে মাথাব্যথা হওয়া খুব স্বাভাবিক একটি বিষয়। আর এই মাথাব্যথা একবার শুরু হলে তা দূর না হওয়া পর্যন্ত অস্বস্তি। এসব কারণে যাদের মাথা, কাঁধ, চোয়াল, ঘাড়ে ব্যথা হয়, তারা খুব উপকার পাবেন মাসাজ করালে। যেহেতু মাসাজ শরীরের সব টক্সিন বের করে দেয়, তাই ক্রমশ বাড়তে থাকে আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও। তাই সুস্থ থাকতে মাসাজকে সঙ্গী করে নিন।

গাজরের গুন
                                  

গাজরের রং যেমন আকর্ষণীয়, তেমনি পাতাও বেশ সুদর্শন। পাতার গড়ন অনেকটা ধনেপাতার মতোই। মুলা বা আলুর মতোই এই সবজি মাটির নিচে জন্মে। শীতের এই সবজি পুষ্টি ও গুণমানে অনন্য। সালাদ, রান্না সবজি ও হালুয়া তৈরিতে গাজরের ব্যবহার লক্ষণীয়।

গাজর (Daucus carota) দেশের সর্বত্র চাষ হয়। বর্ষজীবী খাড়া বিরুৎ, ফুলসহ ১০০-১২০ সেন্টিমিটার লম্বা। মূল শিকড় লম্বা, মোটা, মাংসল, ক্রমান্বয়ে সরু, হলুদাভ-কমলা রঙের। পাতা একই স্থান থেকে হয়, কর্তিত। ফুল সাদা। সবজি হিসেবে কাঁচা খাওয়া যায়। খাদ্যাংশ থেকে বিভিন্ন খাদ্য তৈরি হয়। বীজ থেকে উৎপন্ন হয় চারা।

গাজরের পুষ্টিগুণ শরীর ও ত্বক দুটির জন্যই উপকারী। প্রতি ১০০ গ্রাম গাজরে আছে ক্যারোটিন ১০, ৫২০ মাইক্রোগ্রাম, শর্করা ১২.৭ গ্রাম, আমিষ ১.২ গ্রাম, জলীয় অংশ ৮৫.০ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ২৭.০ মিলিগ্রাম, আয়রন ২.২ মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি১ ০০.০৪ মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি২ ০.০৫ মিলিগ্রাম, চর্বি ০.২ গ্রাম, ভিটামিন সি ১৫ মিলিগ্রাম, আঁশ ১.২ গ্রাম, অন্যান্য খনিজ ০.৯ গ্রাম, খাদ্যশক্তি ৫৭ ক্যালরি।

গাজরে আছে বিটা ক্যারোটিন, যা লিভারে গিয়ে ভিটামিন এ-তে রূপান্তর হয়। পরে সেটি চোখের রেটিনায় গিয়ে দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। গাজরে বিদ্যমান ফ্যালক্যারিনল ও ফ্যালক্যারিডিওল উপাদান ক্যান্সারের ক্ষতিকর কোষ গঠনে বাধা দিতে সক্ষম। আবার সংক্রমণ রোধেও গাজর খুব কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। খানিকটা গাজর ব্লেন্ড করে কাটা জায়গায় লাগিয়ে দিলে উপকার পাওয়া যায়। গাজরের ক্যারোটিনয়েডগুলো হৃৎপিণ্ডের নানা অসুখের কাজ করে। ওজন কমানোর জন্যও গাজর উপযুক্ত সবজি।

শীতে ত্বকের শুষ্কতা রোধে গাজরের জুস করে খেলে ত্বক নরম ও কোমল থাকবে। এ ছাড়া খাবার তালিকায় নিয়মিত গাজর থাকলে ত্বকের বাহ্যিক সমস্যা কমে যায়। গাজরে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে, যেগুলো ত্বককে ব্রণ থেকে রক্ষা করে। এমনকি ব্রণ আক্রান্ত জায়গায় গাজরের রস লাগালেও উপশম হয়। তবে অতিরিক্ত গাজর শরীরে ইউরিক এসিড বাড়ায়।


   Page 1 of 14
     লাইফস্টাইল
চুল সবচেয়ে সুন্দর রাখবে যেসব হেয়ারমাস্ক
.............................................................................................
জীবনে এই চার মন্ত্র রপ্ত করলেই আপনি সফল!
.............................................................................................
আসছে শীত, নিজেই তৈরি করে নিন পেট্রোলিয়াম জেলি
.............................................................................................
শীত না আসতেই ঠোঁট খসখসে? নজর দিন লিপস্টিকে
.............................................................................................
মাথায় চুলকানি? দূর করবে এই ৫ তেল
.............................................................................................
বেকারত্বের চেয়ে কম বেতনের চাকরি খারাপ!
.............................................................................................
পুরুষদের জন্য গর্ভনিরোধক ইনজেকশন!
.............................................................................................
রান্নাঘরের এসব উপাদানেই ত্বক থাকবে ঝকঝকে
.............................................................................................
দাম্পত্য সম্পর্ক ভালো রাখতে করুন আর্ট থেরাপি
.............................................................................................
পুষ্টিগুণ ঠিক রাখতে যেভাবে রান্না করতে হবে
.............................................................................................
গ্রিন টি ফেসিয়াল
.............................................................................................
মাইগ্রেনের যন্ত্রণায় কাতর?
.............................................................................................
মানসিক চাপ দূর করে লবঙ্গ !
.............................................................................................
ত্বক সুন্দর হবে টমেটো ব্যবহারে
.............................................................................................
নিয়মিত মাসাজের গুণ
.............................................................................................
গাজরের গুন
.............................................................................................
ওজন বাড়ানোর ৭ উপায়
.............................................................................................
দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় আদা
.............................................................................................
ঠাণ্ডার সমস্যা দূর করতে যা করবেন
.............................................................................................
পূজায় গাজরের লাড্ডু তৈরির রেসিপি
.............................................................................................
রাত জেগে মোবাইল টিপলে যেসব ক্ষতি হয়
.............................................................................................
অল্প পেঁয়াজেই সুস্বাদু রান্না
.............................................................................................
হজমে সহায়ক পুদিনা পাতা
.............................................................................................
দশমীর সাজ
.............................................................................................
ত্বকের যত্নে বরফ
.............................................................................................
পেট থেকে গ্যাস দূর করার উপায়
.............................................................................................
ত্বক সুন্দর করে পেঁয়াজের রস
.............................................................................................
হেঁচকি থামানোর উপায়
.............................................................................................
পুষ্টিগুণ ভরপুর
.............................................................................................
সকালে বমি ভাব হয় যেসব কারণে
.............................................................................................
যে ৫ কারণে কমছে না আপনার ওজন
.............................................................................................
সাতটি রোগ প্রতিরোধ করবে ভুট্টা
.............................................................................................
চিনিতেই পান সুন্দর ত্বক
.............................................................................................
চা পাতার যত ব্যবহার
.............................................................................................
অকালে চুল পাকা, খুশকি দূর করবে যে ফল
.............................................................................................
ঘরেই তৈরি করুন প্রাণজুড়ানো বরফ গোলা
.............................................................................................
সাইকেল চালানাো শরীরের জন্য উপকারী
.............................................................................................
খুশকির সমস্যা দূর করে আমের আঁটি
.............................................................................................
ডায়াবেটিস কমাবে তেঁতুল
.............................................................................................
উকুন তাড়ানোর সহজ পদ্ধতি !
.............................................................................................
দই কেনো খাবেন?
.............................................................................................
বয়স কমাবে চাল কুমড়া
.............................................................................................
নখ খেলে কি হয় জানেন?
.............................................................................................
যে কারণে বাদাম খাবেন
.............................................................................................
আমড়া খাওয়ার উপকারিতা
.............................................................................................
ত্বক সুন্দর রাখবে কলার খোসা
.............................................................................................
যে কারণে অজান্তেই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আমাদের মেরুদণ্ড
.............................................................................................
৫ উপায়ে বর্ষায় ওজন নিয়ন্ত্রণ
.............................................................................................
ডেঙ্গু থেকে সুস্থ হতে পেঁপে পাতার রস
.............................................................................................
ঝাল খেলে স্মৃতিশক্তি কমে!
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]