| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * বিভাগ হলেই সিটি করপোরেশন হবে ফরিদপুর   * সিলেটে ৪০ যাত্রীসহ চলন্ত বাসে আগুন   * শামীম-খালেদের বিরুদ্ধে দুদকে মামলা   * পারিশ্রমিক বাড়ানোর দাবিতে ক্রিকেটারদের ধর্মঘটে   * বিএনপির এমপি হারুন অর রশীদের ৫ বছরের কারাদণ্ড   * অনির্দিষ্টকালের জন্য ভোলায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ   * ভোলার ঘটনার প্রতিবাদে মোহাম্মদপুরে সড়ক অবরোধ   * বোরহানউদ্দিন সহিংসতা: পুলিশের মামলায় আসামি ৫ হাজার   * আইনজীবীর সহকারী হত্যার দায়ে ১২ জনের মৃত্যুদণ্ড   * বাস ভাড়া বৃদ্ধি : সহিংস বিক্ষোভে চিলিতে নিহত ৮  

   লাইফস্টাইল -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ত্বক সুন্দর হবে টমেটো ব্যবহারে

টুকটুকে লাল টমেটোয় ভরে উঠতে শুরু করেছে বাজার। এ যেন শীতের আগমনী বার্তা। বছরজুড়ে টমেটো পাওয়া গেলেও এটি মূলত শীতকালীন সবজি। পুষ্টিকর এ সবজিটি আমাদের শরীরের জন্য বেশ উপকারী। সালাদ, চাটনিসহ নানারকম মজার রান্নায় এটি ব্যবহার করা হয়। এটি আমাদের ত্বকের যত্নেও কিন্তু সমান কার্যকরী। চলুন জেনে নেয়া যাক টমেটো দিয়ে ত্বক সুন্দর রাখার ৫ উপায়:

ত্বকের তৈলাক্তভাব দূর করতে: মুখের অতিরিক্ত তেলতেলেভাব নিয়ে মুশকিলে পড়েন অনেকেই। এই সমস্যা দূর করতে মুখে টমেটোর রস মাখলে বেশ উপকার পাবেন। টমেটোতে থাকা অ্যাস্ট্রিনজেন্ট রয়েছে আমাদের মুখের অতিরিক্ত তেল কাটিয়ে ত্বক উজ্জ্বল রাখে। আর সেইসাথে মুক্তি মেলে ব্রণ, ব্ল্যাকহেডস, হোয়াইটহেডসের মতো সমস্যা থেকেও। উপকার পেতে একটুকরো টমেটো কেটে নিয়ে সারা মুখে ঘষুন, যাতে রসটা ভালোভাবে লেগে থকে। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। ত্বক সুন্দর হবেই।

ত্বক উজ্জ্বল করতে: প্রতিদিনের নানারকম দূষণে আমাদের ত্বক মলিন হয়ে পড়ে। ত্বকের ক্লান্তি কাটিয়ে উজ্জ্বল করে তুলতে টমেটো বেশ কার্যকরী। একটি টমেটো নিন। এবার তার শাঁস বের করে দুই চা চামচ মুলতানি মাটি আর এক চা চামচ টাটকা পুদিনা পাতা বাটা মেশান। সারা মুখে এই মিশ্রণ মেখে না শুকোনো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এরপর ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একবার ব্যবহার করলেই উপকার পাবেন।

রোদে পোড়া দাগ দূর করতে: বাইরে বের হলে রোদ গায়ে লাগবে না, তাই কি হয়? রোদের কারণে আমাদের ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তখন রোদে পোড়া কালো কালো দাগ বসতে পারে ত্বকে। এই সমস্যা সমাধানে একটি টমেটো থেঁতো করে তাতে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ মুখ আর শরীরের অন্যান্য রোদে পোড়া অংশে ভালো করে মেখে নিন। ১৫ মিনিট রেখে পরিষ্কার ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন। উপকার মিলবে।

টমেটো-চিনির স্ক্রাব: স্ক্রাবের কাজ জানে নিশ্চয়ই। ত্বকের উপরের মৃত কোষ দূর করে ত্বককে পরিষ্কার ও উজ্জ্বল করে স্ক্রাব। এক্ষেত্রে ব্যবহার করুন টমেটো। দুটি খোসাসহ লেবু, দুটি বরফের কিউব, ২০টি পরিষ্কার পুদিনা পাতা আর দুটি টোমেটো ব্লেন্ডারে দিয়ে মিশিয়ে নিন। এবার এতে পাঁচ টেবিল চামচ চিনি মিশিয়ে নিন। এই তা মুখে, গলায়, হাতে লাগিয়ে স্ক্রাব করুন। ত্বক ভিতর থেকে পরিষ্কার হয়ে উঠবে, পুষ্টিও পাবে। ভালো ফল পেতে সপ্তাহে দুইবার ব্যবহার করুন।

টমেটো দিয়ে টোনার: ত্বকের কোমলতা ধরে রাখতে ব্যবহার করতে পারেন টমেটোর টোনার। একটি শসা আর একটি টমেটোর রস নিয়ে একসঙ্গে মিশিয়ে এয়ার টাইট স্প্রে বোতলে ভরে ফ্রিজে রেখে দিন। বাইরে থেকে ফিরে মুখে ছিটিয়ে নিন। মুহূর্তেই ত্বক সতেজ হবে। এই টোনারটি ফ্রিজে রাখলে অন্তত চারদিন ব্যবহার করতে পারবেন।

ত্বক সুন্দর হবে টমেটো ব্যবহারে
                                  

টুকটুকে লাল টমেটোয় ভরে উঠতে শুরু করেছে বাজার। এ যেন শীতের আগমনী বার্তা। বছরজুড়ে টমেটো পাওয়া গেলেও এটি মূলত শীতকালীন সবজি। পুষ্টিকর এ সবজিটি আমাদের শরীরের জন্য বেশ উপকারী। সালাদ, চাটনিসহ নানারকম মজার রান্নায় এটি ব্যবহার করা হয়। এটি আমাদের ত্বকের যত্নেও কিন্তু সমান কার্যকরী। চলুন জেনে নেয়া যাক টমেটো দিয়ে ত্বক সুন্দর রাখার ৫ উপায়:

ত্বকের তৈলাক্তভাব দূর করতে: মুখের অতিরিক্ত তেলতেলেভাব নিয়ে মুশকিলে পড়েন অনেকেই। এই সমস্যা দূর করতে মুখে টমেটোর রস মাখলে বেশ উপকার পাবেন। টমেটোতে থাকা অ্যাস্ট্রিনজেন্ট রয়েছে আমাদের মুখের অতিরিক্ত তেল কাটিয়ে ত্বক উজ্জ্বল রাখে। আর সেইসাথে মুক্তি মেলে ব্রণ, ব্ল্যাকহেডস, হোয়াইটহেডসের মতো সমস্যা থেকেও। উপকার পেতে একটুকরো টমেটো কেটে নিয়ে সারা মুখে ঘষুন, যাতে রসটা ভালোভাবে লেগে থকে। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। ত্বক সুন্দর হবেই।

ত্বক উজ্জ্বল করতে: প্রতিদিনের নানারকম দূষণে আমাদের ত্বক মলিন হয়ে পড়ে। ত্বকের ক্লান্তি কাটিয়ে উজ্জ্বল করে তুলতে টমেটো বেশ কার্যকরী। একটি টমেটো নিন। এবার তার শাঁস বের করে দুই চা চামচ মুলতানি মাটি আর এক চা চামচ টাটকা পুদিনা পাতা বাটা মেশান। সারা মুখে এই মিশ্রণ মেখে না শুকোনো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এরপর ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একবার ব্যবহার করলেই উপকার পাবেন।

রোদে পোড়া দাগ দূর করতে: বাইরে বের হলে রোদ গায়ে লাগবে না, তাই কি হয়? রোদের কারণে আমাদের ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তখন রোদে পোড়া কালো কালো দাগ বসতে পারে ত্বকে। এই সমস্যা সমাধানে একটি টমেটো থেঁতো করে তাতে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ মুখ আর শরীরের অন্যান্য রোদে পোড়া অংশে ভালো করে মেখে নিন। ১৫ মিনিট রেখে পরিষ্কার ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন। উপকার মিলবে।

টমেটো-চিনির স্ক্রাব: স্ক্রাবের কাজ জানে নিশ্চয়ই। ত্বকের উপরের মৃত কোষ দূর করে ত্বককে পরিষ্কার ও উজ্জ্বল করে স্ক্রাব। এক্ষেত্রে ব্যবহার করুন টমেটো। দুটি খোসাসহ লেবু, দুটি বরফের কিউব, ২০টি পরিষ্কার পুদিনা পাতা আর দুটি টোমেটো ব্লেন্ডারে দিয়ে মিশিয়ে নিন। এবার এতে পাঁচ টেবিল চামচ চিনি মিশিয়ে নিন। এই তা মুখে, গলায়, হাতে লাগিয়ে স্ক্রাব করুন। ত্বক ভিতর থেকে পরিষ্কার হয়ে উঠবে, পুষ্টিও পাবে। ভালো ফল পেতে সপ্তাহে দুইবার ব্যবহার করুন।

টমেটো দিয়ে টোনার: ত্বকের কোমলতা ধরে রাখতে ব্যবহার করতে পারেন টমেটোর টোনার। একটি শসা আর একটি টমেটোর রস নিয়ে একসঙ্গে মিশিয়ে এয়ার টাইট স্প্রে বোতলে ভরে ফ্রিজে রেখে দিন। বাইরে থেকে ফিরে মুখে ছিটিয়ে নিন। মুহূর্তেই ত্বক সতেজ হবে। এই টোনারটি ফ্রিজে রাখলে অন্তত চারদিন ব্যবহার করতে পারবেন।

নিয়মিত মাসাজের গুণ
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : নানা অস্থিরতা আর শারীরিক অসুবিধায় দ্রুত আরাম মেলে মাসাজের কারণে। ছোট্ট শিশুকে তেল মালিশ করে রোদে রাখার অভ্যাসও বেশ পুরনো। শুধু শিশু নয়, সব বয়সীর নানা ধরনের ব্যথা দূর করতে মাসাজের জুড়ি নেই।

মাসাজের কারণে যে শুধু সাময়িক আরাম মেলে তা কিন্তু নয়। বরং এটি অনেকরকম সমস্যা তাড়াতে বেশ কার্যকরী। জেনে নিন মাসাজের কয়েকটি গুণ সম্পর্কে-

দুশ্চিন্তা দূর করে: অফিস আর বাসা মিলিয়ে নানারকম চাপে থাকেন প্রায় প্রত্যেকেই। প্রতিদিনের কাজগুলো গুছিয়ে করতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয়। তারপর একটা সময় মনে হয়, আর সম্ভব নয়! কারণ বিভিন্ন ঝামেলা নিয়ে অনেকরকম দুশ্চিন্তা মাথায় গিজগিজ করতে থাকে। এমনটা যদি আপনার সঙ্গেও ঘটে তবে সাহায্য নিন মাসাজের। আপনার সব ধরনের স্ট্রেস হরমোন আর টক্সিন তাড়াবে মাসাজ, ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই একদম ঝরঝরে আর নির্ভার অনুভব করবেন।

ব্যথা কমায়: আধুনিক জীবন যাপনে কমে এসেছে কায়িক শ্রমের কাজের সংখ্যা। এখন বেশিরভাগ মানুষই বসে থেকে কাজ করতে অভ্যস্ত। আবার দিনশেষে বাড়ি ফিরেও সোফায় বসে বা খাটে শুয়ে টিভি দেখা, একটু জিরিয়ে নেয়া। যার ফলে বসে থাকা হয় দিনের বেশিরভাগ সময়েই। এর ফলে পায়ে ও কোমরে বিভিন্ন সমস্যা ও ব্যথা দেখা দেয়। এ ধরনের সমস্যায় আপনাকে আরাম দিতে পারে মাসাজ। এক্ষেত্রে তেল মালিশ করলে বেশ উপকার পাবেন। এমন সমস্যায় মাসাজের মাধ্যমে কমানো সম্ভব আর্থারাইটিস, মাইগ্রেন, রিউম্যাটয়েড আর্থারাইটিসের ব্যথাও। তবে আগে থেকে মাসাজের নিয়মটা জানা থাকা চাই।

মাসলের উত্তেজনা কমায়: নিয়মিত ব্যায়াম করেন বা বিভিন্নরকম খেলাধুলা করেন, এমন মানুষের সংখ্যাও কম নয়। এক্ষেত্রে তাদের মাসল অনেক টানাপোড়েনের মধ্যে দিয়ে যায়। এক্ষেত্রে তাদের ব্যথাবোধ থেকে মুক্তি দিতে পারে মাসাজ। সেই সঙ্গে তা ফ্লেক্সিবিলিটি বাড়াতেও দারুণ কার্যকর। তবে প্রশিক্ষিত কারও কাছ থেকে মাসাজ করালেই উপকার মিলবে।

মাথাব্যথা দূর করে: মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা ইত্যাদি থেকে মাথাব্যথা হওয়া খুব স্বাভাবিক একটি বিষয়। আর এই মাথাব্যথা একবার শুরু হলে তা দূর না হওয়া পর্যন্ত অস্বস্তি। এসব কারণে যাদের মাথা, কাঁধ, চোয়াল, ঘাড়ে ব্যথা হয়, তারা খুব উপকার পাবেন মাসাজ করালে। যেহেতু মাসাজ শরীরের সব টক্সিন বের করে দেয়, তাই ক্রমশ বাড়তে থাকে আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও। তাই সুস্থ থাকতে মাসাজকে সঙ্গী করে নিন।

গাজরের গুন
                                  

গাজরের রং যেমন আকর্ষণীয়, তেমনি পাতাও বেশ সুদর্শন। পাতার গড়ন অনেকটা ধনেপাতার মতোই। মুলা বা আলুর মতোই এই সবজি মাটির নিচে জন্মে। শীতের এই সবজি পুষ্টি ও গুণমানে অনন্য। সালাদ, রান্না সবজি ও হালুয়া তৈরিতে গাজরের ব্যবহার লক্ষণীয়।

গাজর (Daucus carota) দেশের সর্বত্র চাষ হয়। বর্ষজীবী খাড়া বিরুৎ, ফুলসহ ১০০-১২০ সেন্টিমিটার লম্বা। মূল শিকড় লম্বা, মোটা, মাংসল, ক্রমান্বয়ে সরু, হলুদাভ-কমলা রঙের। পাতা একই স্থান থেকে হয়, কর্তিত। ফুল সাদা। সবজি হিসেবে কাঁচা খাওয়া যায়। খাদ্যাংশ থেকে বিভিন্ন খাদ্য তৈরি হয়। বীজ থেকে উৎপন্ন হয় চারা।

গাজরের পুষ্টিগুণ শরীর ও ত্বক দুটির জন্যই উপকারী। প্রতি ১০০ গ্রাম গাজরে আছে ক্যারোটিন ১০, ৫২০ মাইক্রোগ্রাম, শর্করা ১২.৭ গ্রাম, আমিষ ১.২ গ্রাম, জলীয় অংশ ৮৫.০ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ২৭.০ মিলিগ্রাম, আয়রন ২.২ মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি১ ০০.০৪ মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি২ ০.০৫ মিলিগ্রাম, চর্বি ০.২ গ্রাম, ভিটামিন সি ১৫ মিলিগ্রাম, আঁশ ১.২ গ্রাম, অন্যান্য খনিজ ০.৯ গ্রাম, খাদ্যশক্তি ৫৭ ক্যালরি।

গাজরে আছে বিটা ক্যারোটিন, যা লিভারে গিয়ে ভিটামিন এ-তে রূপান্তর হয়। পরে সেটি চোখের রেটিনায় গিয়ে দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। গাজরে বিদ্যমান ফ্যালক্যারিনল ও ফ্যালক্যারিডিওল উপাদান ক্যান্সারের ক্ষতিকর কোষ গঠনে বাধা দিতে সক্ষম। আবার সংক্রমণ রোধেও গাজর খুব কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। খানিকটা গাজর ব্লেন্ড করে কাটা জায়গায় লাগিয়ে দিলে উপকার পাওয়া যায়। গাজরের ক্যারোটিনয়েডগুলো হৃৎপিণ্ডের নানা অসুখের কাজ করে। ওজন কমানোর জন্যও গাজর উপযুক্ত সবজি।

শীতে ত্বকের শুষ্কতা রোধে গাজরের জুস করে খেলে ত্বক নরম ও কোমল থাকবে। এ ছাড়া খাবার তালিকায় নিয়মিত গাজর থাকলে ত্বকের বাহ্যিক সমস্যা কমে যায়। গাজরে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে, যেগুলো ত্বককে ব্রণ থেকে রক্ষা করে। এমনকি ব্রণ আক্রান্ত জায়গায় গাজরের রস লাগালেও উপশম হয়। তবে অতিরিক্ত গাজর শরীরে ইউরিক এসিড বাড়ায়।

ওজন বাড়ানোর ৭ উপায়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ওজন কমানো নিয়ে যেমন অনেকে মুশকিলে পড়েন, তেমনই ওজন বাড়ানো নিয়েও ভুগে থাকেন অনেকেই। যত চেষ্টাই করা হোক না কেন, ওজন বাড়ে না।

আমাদের শরীরের ওজন সঠিক কি না তা পরীক্ষা করার উপায় হলো বডি মাস ইনডেক্স (বিএমআই) বা উচ্চতা ও ওজনের অনুপাত। বিএমআই চার্ট অনুযায়ী ওজন কম হলে তা বাড়ানো জরুরি। নয়তো ওজনহীনতা আপনার নানারকম ভোগান্তির কারণ হতে পারে।

এমনকিছু উপায় আছে যা মেনে চললে মাত্র সাত দিনেই আপনি স্বাস্থ্যবান হতে পারবেন। তবে সেজন্য অনিয়ম করলে চলবে না। ওজন বাড়াতে হবে নিয়ম মেনেই। জেনে নিন মাত্র সাত দিনে ওজন বাড়ানোর সাত উপায়-

শুকনো ফল: ওজন বাড়াতে খেতে পারেন শুকনো ফল। এক্ষেত্রে আপনার জন্য সবচেয়ে উপকারী হলো বাদাম, খেজুর ও কিসমিস। দিনের শুরুটা হোক বাদাম. কিসমিস ও খেজুর দিয়ে। কারণ এসব খাবার থেকে প্রচুর ক্যালরি মেলে। এই ক্যালরি আপনার ওজন বাড়াতে সাহায্য করে।

একটু বেশি করে খান: আপনার ওজন না বাড়ার কারণ কিন্তু কম খাবার খাওয়া। তাই প্রতিদিন যতটুকু খান, তার থেকে খানিকটা বাড়িয়ে খেতে হবে। প্রতিদিনের খাবারের চার ভাগের একভাগ বাড়িয়ে খেতে হবে। তবে অতিরিক্ত খাবেন না যেন। সেক্ষেত্রে হিতে বিপরীত হতে পারে।

উচ্চ ক্যালরি যুক্ত খাবার: খাবার যেন উচ্চ ক্যালরি যুক্ত হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন। খেতে পারেন ঘি, মাখন, ডিম, পনির, কোমল পানীয়, গরু-খাসির মাংস, আলু ভাজা, মিষ্টি জাতীয় খাবার, চকলেট, কন্ডেনস্ড মিল্ক, ডিম, কিসমিস, খেজুর, দই, কলা, আঙুরের জুস, আনারস ইত্যাদি। কারণ এসব খাবারে প্রচুর ক্যালরি থাকে।

ফল ও শাক-সবজি: ফল ও শাক-সবজি যেমন ওজন কমাতে সাহায্য করে তেমনই ওজন বাড়াতেও সাহায্য করে। কারণ কিছু ফল আছে যাতে প্রচুর ক্যালরি থাকে। তাই ওজন বাড়াতে চাইলে আম, কাঁঠাল, লিচু, কলা, পাকা পেঁপে, মিষ্টি কুমড়া, মিষ্টি আলু, কাঁচা কলা ইত্যাদি খান।

ঘুমের আগে মধু ও দুধ: ওজন বাড়াতে প্রতিবেলা পেটপুরে পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার পাশাপাশি আরও কিছু দিকে খেয়াল রাখতে হবে। যেমন ঘুমের আগে মধু ও দুধ খাবেন। এটি আপনার শরীরে বাড়তি ওজন যোগ করবে। প্রতিরাতে ঘুমের আগে এক গ্লাস দুধের সাথে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে খাবেন।

শরীরচর্চা করুন: শরীরচর্চা যে শুধু ওজন কমানোর ক্ষেত্রে প্রয়োজন, এমন নয়। ওজন বাড়াতেও এটি কার্যকর। কিভাবে? আপনি যদি প্রতিদিন শরীরচর্চা করেন তবে হজমশক্তি ও ক্ষুধাভাব বাড়বে। নির্ধারিত সময়ে ক্ষুধা লাগার কারণে খাবারে রুচিও বাড়বে। আর তখন পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করলে ওজন বাড়বেই।

পর্যাপ্ত ঘুম: ওজন বাড়াতে আপনাকে সাহায্য করবে পর্যাপ্ত ঘুম। এর পাশাপাশি দুশ্চিন্তামুক্ত থাকাও জরুরি। কারণ দুশ্চিন্তামুক্ত থাকলে খুব সহজেই আপনার ভালো ঘুম হবে। দৈনিক অন্তত সাত-আট ঘণ্টা ঘুম হলেই আপনার ওজন বাড়বে নিশ্চিত।

দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় আদা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : আদা কুচি বা আদা বাটা আমরা সাধারণত খাবারের স্বাদ বাড়ানোর কাজেই ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু আপনি জানেন কি, আদা খাবারে স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি আমাদের দেহের সুস্থতার জন্য বিশেষভাবে উপযোগী।

এক নজরে দেখে নিন কি গুন আছে আদায়:

আদার রস শরীর শীতল করে এবং হার্টের জন্য উপকারী।
কাশি এবং হাঁপানির জন্য আদার রসের সাথে মধু মিশিয়ে সেবন করলে বেশ উপশম হয়।

বমি বমি ভাব দূর করতে এর ভূমিকা অপরিহার্য। তাই বমি বমি ভাব হলে কাঁচা আদা চিবিয়ে খেতে পারেন। এতে মুখের স্বাদ বৃদ্ধি পায়।

মাইগ্রেনের ব্যথা ও ডায়াবেটিসজনিত কিডনির জটিলতা দূর করে আদা। গর্ভবতী মায়েদের সকালবেলা, বিশেষ করে গর্ভধারণের প্রথম দিকে সকালবেলা শরীর খারাপ লাগে। কাঁচা আদা দূর করবে এ সমস্যা।

দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। গবেষণায় দেখা গেছে, আদার রস দাঁতের মাড়িকে শক্ত করে, দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা জীবাণুকে ধ্বংস করে।

আমাশয়, জন্ডিস, পেট ফাঁপা রোধে আদা চিবিয়ে বা রস করে খেলে উপকার পাওয়া যায়। এছাড়া যারা গলার চর্চা করেন তাদের গলা পরিষ্কার রাখার জন্য আদা খুবই উপকারী।

প্রতিদিন মাত্র ১ ইঞ্চি পরিমাণের আদা কুচি খাওয়া অভ্যাস সাইনাসের সমস্যা প্রতিরোধে সহায়তা করে।

ত্বকে পড়ে যাচ্ছে বয়সের ছাপ? এক কাজ করুন প্রতিদিন সামান্য আদা কাচা চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস করুন। আদার মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিএইজিং উপাদান ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা দেহের টক্সিন দূর করে এবং দেহে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে ত্বকে বয়সের ছাপ প্রতিরোধ করে অনেকটা সময়।

 
ঠাণ্ডার সমস্যা দূর করতে যা করবেন
                                  

আদার উপকারিতা সম্পর্কে কম বেশি সবারই জানা। এটা ঠাণ্ডা ও কফ দূর করতে সাহায্য করে। আদা ও মধুর তৈরি পানীয় গলা ব্যথায় আরাম দেয় এবং ভাইরাস সংক্রমণে বাধা দেয়। এছাড়া আদা ও মধুর রয়েছে নানা উপকারিতা।

ঠাণ্ডা লেগে বুকে গলায় অস্বস্তি হলে মধু, ময়দা, আদা ও জলপাইয়ের তেল মাখানো মিশ্রণ উপকার দিতে পারে। স্বাস্থ্য বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে প্রাকৃতিক উপাদান আদা ও মধুর মিশ্রণ তৈরি ও ব্যবহার পদ্ধতি এখানে দেয়া হলো।

প্রাকৃতিক উপাদানের সাহায্যে ঠাণ্ডা ও গলা ব্যথার চিকিৎসা করা হলে তা খরচ বাঁচানোর পাশাপাশি কার্যকরভাবে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই দ্রুত রোগ মুক্তিতে সাহায্য করে।

প্রয়োজন হবে: আদা কুচি, খাঁটি মধু, জলপাইয়ের তেল, ময়দা, টিস্যু পেপার, গজ এবং ফিতা। মধু ও ময়দা একসঙ্গে মিশিয়ে তাতে আদার কুচি এবং দুই-তিন ফোঁটা জলপাইয়ের তেল মেশান। মিশ্রিণটি সামান্য পরিমাণে টিস্যুতে নিয়ে বুকে টেপ দিয়ে আটকে নিন। এটা রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ব্যবহার করা ভালো। আদা একটা মসলাদার মূল যা ঘাম সৃষ্টি করে এবং ঠাণ্ডার লক্ষণ কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

পূজায় গাজরের লাড্ডু তৈরির রেসিপি
                                  

পূজার খাবারে লাড্ডু থাকবে না তাই কি হয়! নানা স্বাদের লাড্ডু তৈরি হয় পূজায়। গাজরের লাড্ডু তবে বাদ যাবে কেন! চলুন জেনে নেয়া যাক গাজরের লাড্ডু তৈরির রেসিপি-

উপকারণ:
গাজর ৩ কেজি
গুঁড়াদুধ ২ টেবিল চামচ
লবণ ১ চা চামচ
ঘি ১ চা চামচ
চিনি স্বাদমতো
তেল পরিমাণমতো
তেজপাতা ১টি
দারুচিনি ২টি
এলাচ ২টি।

প্রণালি:
প্রথমে গাজর ভালো করে ধুয়ে নিন। গাজর মিহি কুচি করে নিন। এরপর প্যানে তেল দিয়ে এতে তেজপাতা, দারুচিনি আর এলাচ দিয়ে নাড়তে থাকুন। গন্ধ ছড়িয়ে গেলে গাজর মিহিকুচি দিন। সঙ্গে সামান্য লবণ আর পরিমাণমতো চিনি দিয়ে নাড়তে থাকুন। মাঝারি আঁচে নাড়বেন।

গাজরের পানি শুকিয়ে অর্ধেক হয়ে আসলে গুঁড়াদুধ দিয়ে আবার নাড়তে থাকুন। দুধ শুকিয়ে আসলে ঘি দিয়ে নাড়তে থাকুন। নাড়তে নাড়তে আঠালোভাব হয়ে আসলে চুলার জ্বাল বন্ধ করে ছড়িয়ে দিন। হালুয়া ঠান্ডা হয়ে গেলে এবার গোল আকার করে নিন।

রাত জেগে মোবাইল টিপলে যেসব ক্ষতি হয়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : চোখে প্রায়ই সমস্যা হচ্ছে? চোখ লাল, চোখ দিয়ে পানি পড়া সেইসঙ্গে চোখে ব্যথাও আছে? এমনকী অসুবিধা হচ্ছে দেখতেও! ভাবছেন দূষণ আর ঘুম ঠিকমতো না হওয়ার জন্য এরকমটা হচ্ছে? কিন্তু জানেন কি, দূষণ এবং চোখের রক্তচাপ হঠাৎ করে বেড়ে গিয়ে রক্তজালিকা ছিঁড়ে যেতে পারে! এমনকী চোখ শুকনো হয়ে যেতেও পারে। আর এর কারণ কিন্তু আপনার অতিরিক্ত মোবাইল এবং ল্যাপটপ ব্যবহার। এরকম বহু মানুষই এই সমস্যার ভুক্তভোগী। আপনি এমনই সমস্যায় ভুগে থাকলে এখনই সচেতন হোন।

চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, রাতের বেলার শুয়ে স্মার্ট ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহারই ডেকে আনছে বিপত্তি। কারণ ফোনের ওই নীল রং মস্তিষ্কের কাজে বাধা দেয়। ফলে ঘুম আসতে দেরি বয়। এছাড়াও চোখের মধ্যে রক্ত সঞ্চালন ব্যহত হয়। ই-বুকে একলাইন পড়তে যে সময় লাগে, বই পড়তে তার চেয়ে অনেক কম সময় লাগে।

রাত জেগে মোবাইল ঘাঁটলে ক্ষুধার কারণে ভুলভাল খেয়ে ফেলা হয়। যেখান থেকে টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিসের আশঙ্কা থাকে। সেইসঙ্গে শারীরিক নানা সমস্যা তো রয়েছেই।

চিকিৎসকেরা পরামর্শ দিচ্ছেন, ঘুমোতে যাওয়ার দু’ঘণ্টা আগে মোবাইল বা ল্যাপটপ ব্যবহার করবেন না। এতে ঘুমের ব্যাঘাত হয়। যেখান থেকে শরীরের নানা সমস্যা আসে। এমনকী দুরারোগ্য ব্যধি পর্যন্ত হতে পারে।

আপনারও এই অভ্যাস থাকলে এখনই সাবধান। ঘুমোতে যাওয়ার আগে মোবাইল ব্যবহার করলে এখনই বন্ধ করুন। ই-বুক না পড়ে আলাদা করে বই পড়ুন। নেটফ্লিক্সের বদলে পর্দায় সিনেমা দেখা অভ্যেস করুন।

 
অল্প পেঁয়াজেই সুস্বাদু রান্না
                                  

অনলাইন ডেস্ক : দেশের বাজারে সম্প্রতি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। এর ফলে অনেকেই চিন্তার মধ্যে পড়েছেন মাসিক বাজেট নিয়ে। তবে রান্না সুস্বাদু করতে যে সবসময়ই বেশি পেঁয়াজ ব্যবসার করতে হবে এমন কোনো কথা নেই। নিচের উপায়গুলো মেনে রান্না করলে অল্প পেঁয়াজ ব্যবহার করলেও আপনার রান্না হবে সুস্বাদু।

১. বেশিরভাগ মানুষই কাটা পেঁয়াজ দিয়ে রান্না করতে পছন্দ করেন। তবে এই লাগামহীন বাজারে কাটার পরিবর্তে বাটা পেঁয়াজ দিয়ে তরকারি রান্নার অভ্যাস করুন। এতে আপনার তরকারিও সুস্বাদু হবে।

২. মুরগির ঝোল ঘন করতে বেশি পেঁয়াজ ব্যবহার করার অভ্যাস বাদ দিয়ে কয়েক টুকরো পেঁপে দিয়ে রান্না করুন। বেশি পেঁয়াজ ছাড়াই সুন্দর ঝোল হবে।

৩. তরকারিতে ঘন ঝোল খেতে চাইলে আলু সেদ্ধ করে মিহি করে চটকেও ব্যবহার করতে পারেন। এমনকি তা ভুনা তরকারিতেও দিতে পারেন।

৪. ভর্তা, ডিম ভাজিতে পেঁয়াজ মোটা করে না কেটে চিকন করে কুচি করুন। এতে পেঁয়াজ কম লাগবে।

৫. সবজি ভাজি করার ক্ষেত্রে অনেকগুলো পেঁয়াজের বদলে অল্প পেঁয়াজ ব্যবহার করুন। কারণ পেঁয়াজ বেশি দিলেই ভাজির স্বাদ বাড়ে না। বরং ভাজি সুস্বাদু করতে তেল গরম হলে কাঁচা মরিচের ফালি ও অল্প পেঁয়াজ কুচি দিয়ে দিন, নেড়েচেড়ে গন্ধ ছড়ালে সবজি দিয়ে দিন এবং আপনার রেগুলার রেসিপি অনুযায়ী ভাজুন।

 
হজমে সহায়ক পুদিনা পাতা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : খাবার কিংবা সালাদের স্বাদ বাড়াতে পুদিনা পাতার জুড়ি নেই। যুগ যুগ ধরে এ পাতাটি ওষুধি হিসেবেও ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এ পাতাটি খেলে যেসব স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যাবে-

১. দাঁতের সুরক্ষায় পুদিনা পাতা দারুণ কাজ করে। মুখের দুর্গন্ধ দূর করতেও এ পাতার জুড়ি নেই। দাঁত ও মুখের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রতিদিন ৫ থেকে ৬ টি পুদিনা পাতা চিবিয়ে খেতে পারেন। এ পাতার তৈরি চা পান করলে মুখের স্বাস্থ্য ভালো থাকে।

২. ঠাণ্ডা- কাশির চিকিৎসায় পুদিনা পাতার জুড়ি নেই। এটি খেলে নিঃশ্বাস নেওয়া কিছুটা সহজ হয়।

৩. মাংসপেশির ব্যথা দূর করতেও পুদিনা ভালো কাজ করে। বিশেষ করে পুদিনা পাতার তৈরি তেল, অলিভ অয়েল কিংবা বাদামের তেলের সঙ্গে মিশিয়ে আক্রান্ত স্থানে মালিশ করলে মাংসপেশির ব্যথা অনেকটা কমে যায়।

৪. যাদের ব্রণের সমস্যা রয়েছে তারা আক্রান্ত স্থানে পুদিনা পাতা বেটে লাগাতে পারেন। এ মিশ্রণটি ব্রণের সমস্যা কমাতে ভালো কাজ করে।

৫. বদহজম দূর করতে পুদিনা পাতা বেশ কার্যকরী। কারও হজমে সমস্যা হলে পুদিনা পাতার চা খেতে পারেন। সূত্র : হেলদিবিল্ডার্জড

 
দশমীর সাজ
                                  

দশমীর সাজ হবে বেশ জমকালো। এইসময় প্রচুর ঘোরাফেরা, দাওয়াত ইত্যাদি থাকে। তাই মেকআপটা এক্সপেরিমেন্টাল হলে মন্দ হয় না! প্রথমেই ত্বকটাকে মেকআপের জন্য তৈরি করে নিয়ে প্রাইমার লাগিয়ে নেবেন। দূর্গা পূজা বলে কথা! অবশ্যই মেকআপ ফুল কভারেজ হবে। মেকআপটাও ভারী হবে।

বেছে নিন পছন্দের ফুল কভারেজ ফাউন্ডেশন। ফাউন্ডেশন ত্বকে লাগিয়ে ব্রাশ বা বিউটি স্পঞ্জের সাহায্যে ব্লেন্ড করে নিন। মুখটাকে উজ্জ্বল দেখানোর জন্যে ক্রিম হাইলাইটিং করতে পারেন। এর জন্য আপনার ত্বকের থেকে ২-৩ শেইড লাইট একটা কন্সিলার নিয়ে আপনার চোখের নিচে, কপালে, নাকের উপরে, থুঁতনিতে, কন্ট্যুরিং লাইনের নিচের দিকে লাগিয়ে নিন। কন্সিলারটি ব্রাশ/বিউটি স্পঞ্জের সাহায্যে ব্লেন্ড করে নিন।

এরপর পুরো ফেইস লুজ পাউডার দিয়ে সেট করে নিন। মুখ স্লিম এবং শার্প দেখাতে পাউডার কন্ট্যুরিং করে নিন। চাইলে আগে ক্রিম কন্ট্যুরিংও করে নিতে পারেন। চিকসের নিচে, কপালে হেয়ার লাইনে, নাকের দুই পাশে, থুঁতনির নিচে কন্ট্যুরিং করে নিন এবং ব্লেন্ড করে নিন। মুখে একটু কালার যোগ করতে ব্লাশ হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন পিংক, কোরাল, অরেঞ্জ, ব্রাউন, পিচ ইত্যাদি রং।

পূজার গর্জিয়াস মেকআপের সাথে হাইলাইটার কিন্তু বেশ জমকালো লুক আনতে সাহায্য করবে। হাইলাইটার ব্রাশের সাহায্যে পাউডার হাইলাইটার নিয়ে চিক বোনে, কপালে, আইব্রো বোনে, আইব্রোর উপরের দিকে, নাকের উপরে, থুঁতনিতে এবং ঠোঁটের উপরে লাগিয়ে নিন।

আই মেকআপের শুরুতে আইব্রোগুলো একটু ড্রামাটিকভাবই এঁকে নিলেই ভালো লাগবে। আই মেকআপ হিসেবে আপনি কাট ক্রিজ, হাফ কাট ক্রিজ, গ্লিটারি আই মেকআপ, স্মোকি, গ্লিটার কাট ক্রিজ, হেলো স্মোকি আই, স্পটলাইট আই মেকআপ ইত্যাদি ট্রাই করতে পারেন। দেখতে কিন্তু বেশ দারুণ লাগবে।

আইশ্যাডো হিসেবে বেছে নিন ব্রাউন, রেড, ব্লু, গ্রিন, পিচ, কোরাল, ইয়েলো, পিংক, পার্পল, গোল্ডেন, সিলভার, রোজ গোল্ড, অরেঞ্জ, কপার, শ্যাম্পেইন, পার্ল, ব্রোঞ্জি, ব্ল্যাক ইত্যাদি কালার। আইলাইনার, মাশকারা, মোটা করে কাজল লাগিয়ে নিন মনমতো। চাইলে লেন্স এবং ফলস আইল্যাশও পরতে পারেন।

লিপস্টিক হিসেবে আপনার পছন্দসই যেকোনো রং বেছে নিতে পারেন। পূজায় কিন্তু লাল রংটা প্রাধান্য পায়। পরতে পারেন ব্রাউন, ম্যাজেন্টা, পার্পল, বারগেন্ডি, ন্যুড, কোরাল, পিংকিস ব্রাউন, পিচ ইত্যাদি কালার-ও লাগাতে পারেন। এছাড়াও পূজার সাজে কপালে টিপ কিন্তু বেশ মানাবে। দীর্ঘসময় মেকআপ ধরে রাখতে চাইলে সবশেষে মেকআপ সেটিং স্প্রে ব্যবহার করবেন।

ত্বকের যত্নে বরফ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : ত্বকের যত্নে বরফ ব্যবহার করতে পারেন। এটি যেমন ত্বকে নিয়ে আসবে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা, তেমনি রোদে পোড়া দাগ দূর করতেও কার্যকর এটি। বরফের ট্রেতে গ্রিন টি ও পুদিনা পাতা জমিয়ে নিতে পারেন। আবার শসার টুকরা দিয়েও বানিয়ে নিতে পারেন বরফ। জেনে নিন কীভাবে ত্বকের যত্নে বরফ ব্যবহার করবেন।


চলুন জেনে নেয়া যাক ত্বকের যত্নে কিভাবে ব্যবহার করবেন বরফ:

১/ প্রতিদিন ত্বকের পুড়ে যাওয়া অংশে বরফ ঘষুন। ধীরে ধীরে কমে যাবে দাগ।
২/ চোখের ফোলা ভাব কমাতে পাতলা কাপড়ে বরফ মুড়ে কয়েক মিনিট রেখে দিন চোখের উপর।
৩/ ত্বকে ঝটপট ঔজ্জ্বল্য নিয়ে আসতে বরফ পাতলা কাপড়ে মুড়ে ত্বকে ঘষুন চক্রাকারে।
৪/ ব্রণের ব্যথা ও চুলকানি কমাতে বরফ ঘষে নিন।
৫/ মেকআপ দীর্ঘস্থায়ী করতে ফাউন্ডেশন ব্যবহারের আগে বরফ ঘষে নিন ত্বকে।
৬/ ত্বক অতিরিক্ত তেলতেলে যাদের, তারা বরফ ঘষে নিলে উপকার পাবেন।

 
পেট থেকে গ্যাস দূর করার উপায়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : পেটে গ্যাস জমে থাকা খুবই কমন একটি সমস্যা। খাওয়া-দাওয়ায় একটু অনিয়ম হলেই এটি দেখা দিতে পারে। এমনকি একটু ভাজাভুজি খেলেও পেটে জমতে পারে গ্যাসের খনি। কিন্তু কতক্ষণ আর সতর্ক থাকা যায়! কোনো না কোনো ছুঁতোয় গ্যাস ঠিকই পেটে এসে জমে। জেনে নিন এমন অবস্থায় সমাধানের উপায়-

দই আমাদের হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এতে করে দ্রুত খাবার হজম হয়, ফলে পেটে গ্যাস হওয়ার ঝামেলা দূর হয়।

পেঁপেতে রয়েছে পাপায়া নামক এনজাইম যা হজমশক্তি বাড়ায়। নিয়মিত পেঁপে খাওয়ার অভ্যাস করলেও গ্যাসের সমস্যা কমে।

কলা ও কমলা পাকস্থলির অতিরিক্ত সোডিয়াম দূর করতে সহায়তা করে। এতে করে গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এছাড়াও কলার সলুবল ফাইবারের কারণে কলা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ক্ষমতা রাখে। সারাদিনে অন্তত দুটি কলা খান। পেট পরিষ্কার রাখতে কলার জুড়ি মেলা ভার।

পেট ঠান্ডা রাখতে অনেক বেশি কার্যকরী খাদ্য হলো শসা। এতে রয়েছে ফ্লেভানয়েড ও অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান যা পেটে গ্যাসের উদ্রেক কমায়।

আদা সবচাইতে কার্যকরী অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানসমৃদ্ধ খাবার। পেট ফাঁপা এবং পেটে গ্যাস হলে আদা কুচি করে লবণ দিয়ে কাঁচা খান, দেখবেন গ্যাসের সমস্যা সমাধান হবে।

পাকস্থলির গ্যাস্ট্রিক এসিডকে নিয়ন্ত্রণ করে অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি দেয় ঠান্ডা দুধ। এক গ্লাস ঠান্ডা দুধ পান করলে অ্যাসিডিটি দূরে থাকে।

হজমের জন্য খুবই ভালো। এক গ্লাস পানিতে আধ চামচ দারুচিনির গুঁড়া দিয়ে ফুটিয়ে দিনে ২ থেকে ৩ বার খেলে গ্যাস দূরে থাকবে।

২/৩টি লবঙ্গ মুখে দিয়ে চুষলে একদিকে বুক জ্বালা, বমিবমিভাব, গ্যাস দূর হয়। সঙ্গে মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়। লবঙ্গের মতো এলাচ গুঁড়া খেলে গ্যাস্ট্রিক দূরে থাকে।

এককাপ পানিতে ৫টা পুদিনা পাতা দিয়ে ফুটিয়ে খান। পেট ফাঁপা, বমিভাব দূরে রাখতে এর বিকল্প নেই। আবার মৌরি ভিজিয়ে সেই পানি খেলেও গ্যাস থাকে না।

ত্বক সুন্দর করে পেঁয়াজের রস
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : খাবারের স্বাদ বাড়াতে ঝাঁঝালো পেঁয়াজের প্রয়োজন পড়ে। আবার কাঁচা পেয়াজের সালাদও খেতে ভালোবাসেন অনেকে। পেঁয়াজের রয়েছে অনেক উপকারিতা। কিন্তু এই পেঁয়াজ যে আপনার রূপচর্চার কাজেও লাগতে পারে তা কি কখনো ভেবেছেন?

পেঁয়াজে প্রচুর পরিমাণে ফ্ল্যাভোনয়েড আর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে। এসব উপাদান আমাদের ত্বকের কোষগুলোকে ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মির হাত থেকে রক্ষা করে। শুধু পেঁয়াজের রস লাগিয়েই ত্বকের নানান সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি পেতে পারেন।

ত্বক উজ্জ্বল করে: নানা অযত্নে ত্বক প্রাণহীন হয়ে পড়ে। নিয়মিত পেঁয়াজের রস ব্যবহার করলে বিবর্ণ, প্রাণহীন ত্বকে উজ্জ্বলতার ছোঁয়া লাগে। পেঁয়াজের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আর ভিটামিন ত্বকের প্রাণ ফিরিয়ে আনে ঝটপট।

দাগছোপ দূর করে: পেঁয়াজে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি। শরীরের যেকোনো কালো দাগ, পিগমেন্টেশন কমাতে তাই পেঁয়াজ বেশ কার্যকরী। পেঁয়াজ থেঁতো করে টাটকা রস বের করে নিন, তাতে দিন এক চিমটি হলুদ! এবার এই মিশ্রণটা মুখে প্রতিদিন মাসাজ করুন। ত্বক হবে দাগছোপ মুক্ত।

বয়স কমায়: মুখে পেঁয়াজের রস লাগালে আপনার ত্বকের কোষগুলোয় রক্ত সংবহন ক্ষমতা জোরদার হয়ে ওঠে, ফলে ত্বকে লাগে তারুণ্যের ছোঁয়া। একটা টাটকা মাঝারি আকারের পেঁয়াজ টুকরো করে কেটে রস করে নিন। এবার ওই রসে তুলো ভিজিয়ে সারা মুখে লাগান। মুখে বয়সের ছাপ পড়বে না।

ব্রণ কমায়: ব্রণের সমস্যা থাকলে এক টেবিল চামচ পেঁয়াজের রসের সঙ্গে এক টেবিল চামচ অলিভ অয়েল বা আমন্ড অয়েল ভালো করে মিশিয়ে নিন। এই পেঁয়াজের প্যাক মুখে লাগিয়ে হালকা হাতে মাসাজ করুন। ১৫ মিনিট রেখে তারপর ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন। ব্রণ তো বিদায় নেবেই, সংক্রমণ হয়ে থাকলে তাও কমে যাবে।

হেঁচকি থামানোর উপায়
                                  

অনলাইন ডেস্ক : হঠাৎই হেঁচকি ওঠা খুব সাধারণ একটি বিষয়। খাবার খাওয়ার সময় বা গুরুত্বপূর্ণ কোনো কাজের মধ্যে, এমনকি কোনো কারণ ছাড়াই যখন তখন মানুষের হেঁচকি শুরু হলে তা নিয়ে অবাক হওয়ার কিছু নেই।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিপাকতন্ত্রের গোলমালের কারণেই মানুষের হেঁচকি ওঠে।

চিকিৎসকরা জানান, হেঁচকির সবচেয়ে সাধারণ কারণ দ্রুত খাবার গ্রহণ করা। দ্রুত খাওয়ার কারণে খাবারের সঙ্গে সঙ্গে পেটের ভেতর বাতাস প্রবেশ করার কারণে `ভ্যাগাস` নার্ভের কার্যকলাপ বাধাগ্রস্ত হয়, ফলে হেঁচকি ওঠে। চেতনানাশক, উত্তেজনাবর্ধক, পার্কিনসন্স রোগ বা কেমোথেরাপির বিভিন্ন ধরণের ওষুধ নেওয়ার ফলেও হেঁচকি উঠতে পারে। এছাড়াও কিডনি ফেল করলে, স্ট্রোকের ক্ষেত্রে, মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস বা মেনিনজাইটিসের ক্ষেত্রেও অনেকের হেঁচকি হতে পারে।

কিন্তু অধিকাংশ সময়ই হেঁচকি শুরু হওয়ার জন্য এসব কোনো কারণেরই দরকার হয় না। হাসি বা কাশির মধ্যে, অতিরিক্ত মদ্যপান, অতিদ্রুত খাবার গ্রহণ করা বা ঝাঁঝসহ পানীয় বেশি পরিমাণে খেলে হেঁচকি শুরু হতে পারে, তবে কোনো ধরণের কারণ ছাড়াও হেঁচকি আসাটা একেবারেই অস্বাভাবিক কোনো বিষয় নয়।

হেঁচকি ওঠাটা খুবই স্বাভাবিক একটি ঘটনা এবং সাধারণত মিনিটখানেকের মধ্যেই তা স্বাভাবিক পর্যায়ে পৌঁছে যায়। তবে হেঁচকি ওঠা দীর্ঘয়িত হলে থামানোর প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে মূলত দুইটি মূলনীতি অনুসরণ করা হয়।

একটি হলো রক্তে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বাড়িয়ে দেওয়া যেন শ্বাসনালীতে খিঁচুনি বন্ধ হয়। আরেকটি হলো শ্বাসপ্রশ্বাস ও গলধকরণের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা `ভ্যাগাস` স্নায়ুকে উদ্দীপ্ত করা।

এছাড়া যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের ওয়েবসাইটের হেঁচকি থামানোর কয়েকটি পদ্ধতির কথা জানানো হয়েছে।

# কাগজের ব্যাগে নিশ্বাস ফেলা (ব্যাগের মধ্যে মাথা ঢুকাবেন না)

# দুই হাঁটু বুক পর্যন্ত টেনে ধরে সামনের দিকে ঝুঁকে পড়া

# বরফ ঠাণ্ডা পানি খাওয়া

# কিছু দানাদার চিনি খাওয়া

# লেবুতে কামড় দেয়া বা একটু ভিনেগারের স্বাদ নেওয়া

# স্বল্প সময়ের জন্য দম বন্ধ করে রাখা

এসব পদ্ধতি অবলম্বেনের পরও যদি হেঁচকি উঠতে থাকে তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

পুষ্টিগুণ ভরপুর
                                  

পুষ্টিগুণে ভরপুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ বেদানা।

রক্ত চলাচল ভালো রাখে
হার্টে পর্যাপ্ত পরিমানে অক্সিজেন সরবরাহ করে
রক্তে হিমোগ্লোবিন বাড়ায়
ক্যানসার প্রতিরোধ করে
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে
এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, সি, ই ও ফলিক অ্যাসিড রয়েছে
গ্রিনটি-তে যতটা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, তার প্রায় তিন গুণ মেলে বেদানায়
তারুণ্য ধরে রাখে, যৌনক্ষমতা ও স্মৃতিশক্তি বাড়ে
শরীরকে ভেতর থেকে শক্তিশালী করে
লাল দানার ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট সমৃদ্ধ ফলটি খেতে পারেন ডায়াবেটিক রোগীরাও।


   Page 1 of 13
     লাইফস্টাইল
ত্বক সুন্দর হবে টমেটো ব্যবহারে
.............................................................................................
নিয়মিত মাসাজের গুণ
.............................................................................................
গাজরের গুন
.............................................................................................
ওজন বাড়ানোর ৭ উপায়
.............................................................................................
দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় আদা
.............................................................................................
ঠাণ্ডার সমস্যা দূর করতে যা করবেন
.............................................................................................
পূজায় গাজরের লাড্ডু তৈরির রেসিপি
.............................................................................................
রাত জেগে মোবাইল টিপলে যেসব ক্ষতি হয়
.............................................................................................
অল্প পেঁয়াজেই সুস্বাদু রান্না
.............................................................................................
হজমে সহায়ক পুদিনা পাতা
.............................................................................................
দশমীর সাজ
.............................................................................................
ত্বকের যত্নে বরফ
.............................................................................................
পেট থেকে গ্যাস দূর করার উপায়
.............................................................................................
ত্বক সুন্দর করে পেঁয়াজের রস
.............................................................................................
হেঁচকি থামানোর উপায়
.............................................................................................
পুষ্টিগুণ ভরপুর
.............................................................................................
সকালে বমি ভাব হয় যেসব কারণে
.............................................................................................
যে ৫ কারণে কমছে না আপনার ওজন
.............................................................................................
সাতটি রোগ প্রতিরোধ করবে ভুট্টা
.............................................................................................
চিনিতেই পান সুন্দর ত্বক
.............................................................................................
চা পাতার যত ব্যবহার
.............................................................................................
অকালে চুল পাকা, খুশকি দূর করবে যে ফল
.............................................................................................
ঘরেই তৈরি করুন প্রাণজুড়ানো বরফ গোলা
.............................................................................................
সাইকেল চালানাো শরীরের জন্য উপকারী
.............................................................................................
খুশকির সমস্যা দূর করে আমের আঁটি
.............................................................................................
ডায়াবেটিস কমাবে তেঁতুল
.............................................................................................
উকুন তাড়ানোর সহজ পদ্ধতি !
.............................................................................................
দই কেনো খাবেন?
.............................................................................................
বয়স কমাবে চাল কুমড়া
.............................................................................................
নখ খেলে কি হয় জানেন?
.............................................................................................
যে কারণে বাদাম খাবেন
.............................................................................................
আমড়া খাওয়ার উপকারিতা
.............................................................................................
ত্বক সুন্দর রাখবে কলার খোসা
.............................................................................................
যে কারণে অজান্তেই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আমাদের মেরুদণ্ড
.............................................................................................
৫ উপায়ে বর্ষায় ওজন নিয়ন্ত্রণ
.............................................................................................
ডেঙ্গু থেকে সুস্থ হতে পেঁপে পাতার রস
.............................................................................................
ঝাল খেলে স্মৃতিশক্তি কমে!
.............................................................................................
ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় গাজর
.............................................................................................
লিভারের জন্য ক্ষতিকর যেসব অভ্যাস
.............................................................................................
বয়স বাড়লেও ত্বকে পড়বে না ছাপ
.............................................................................................
ওজন কমায় ভাত না রুটি?
.............................................................................................
চুল পড়া বন্ধে তেজপাতা
.............................................................................................
দাঁড়িয়ে পানি পান স্বাস্থ্যঝুঁকি ?
.............................................................................................
চোখ উঠেছে? জেনে নিন সুস্থতার উপায়
.............................................................................................
গরমে শরীর ঠান্ডা রাখবে যেসব খাবার
.............................................................................................
মানসিক অস্থিরতা কমাবে তেজপাতা !
.............................................................................................
যে তেল মুখে মাখলে বয়স বাড়বে না!
.............................................................................................
গরমে চুলের যত্ন
.............................................................................................
কালো ঠোঁট গোলাপী করার উপায়
.............................................................................................
কাঁচা পেঁপের এই উপকারিতাগুলো জানতেন?
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]