| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * ঢাকায় সু-প্রভাত বাস চলবে না : আতিকুল   * মোজাম্বিকে ঝড়ে ১ হাজারের বেশি লোকের মৃত্যু   * সন্ত্রাসীর নাম মুখে দিতে নারাজ নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী   * নাটোরে মার্কেটে আগুন   * দুর্ঘটনা ঘটানো বাসের রুট পারমিট বাতিলের দাবি   * রংপুরে বাস-কাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষে নিহত ৩   * মোশাররফ রুবেলের সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন   * রাঙ্গামাটিতে আ.লীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা   * রাজধানীতে বাসচাপায় বিইউপির ছাত্র নিহত, সড়ক অববোধ   * ডিএসইতে লেনদেন ও সূচক কমেছে  

   লাইফস্টাইল -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
কোমর ব্যথা তৈরি করে যে ৫টি অভ্যাস

লাইফস্টাইল ডেস্ক : বর্তমানে আমাদের বিভিন্ন বদ অভ্যাসের কারণে বেশির ভাগ সময় ব্যথায় ভুগে থাকি। শুধু ব্যথা নয় বদ অভ্যাসের কারণে শ্বাসকষ্ট, বদহজম, সারকুলেটরি সিস্টেম সর্বোপরি শারীরিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে। গবেষকরা বলছেন- প্রতি দুই জন পূর্ণ বয়স্ক লোকের মধ্যে একজন মাস্কুলোস্কেলিটাল অসুস্থতায় ভুগছেন। গবেষণায় দেখা গেছে, সারা বিশ্বে ডিজএ্যাবিলিটি তৈরিতে মাস্কুলোস্কেলিটাল অসুস্থতার অবস্থান সর্বোচ্চ দ্বিতীয় স্থানে।

আসুন জেনে নিই এমন ৫টি বদ অভ্যাস সম্পর্কে যা আমাদের কোমরের ব্যথার কারণ:

১. পেছনের হিপ পকেটে মানিব্যাগ ব্যবহার করা: পেছনের পকেটে মানি ব্যাগ ব্যবহার করলে আমাদের পেলভিস টুইস্ট হয়। পাইরিফরমিস মাসেলের উপর চাপ পড়ে ফলে সায়াটিকা, পায়রিফরমিস সিনড্রম এবং কোমর ব্যথা হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

২. কাঁধে ভারী ব্যাগ বহন করা : বর্তমানে আমরা প্রায় সবাই কাঁধে ভারী ব্যাগ বহন করে থাকি। ব্যাগের মধ্যে থাকে যেমন- ওয়ালেট, মোবাইল ফোন, নোট বুক, আইপ্যাড, মেকআপ বক্স, ল্যাপটপ ইত্যাদি। এছাড়া আজকাল দেখা যায় বাচ্চারা কাঁধের ব্যথায়, পিঠের ব্যথায় ভুগছে শুধু বেশি ওজনের ব্যাগ বহন করার জন্য। গবেষকরা বলছেন- বাচ্চারা তার ওজনের ১৫% এর বেশি ওজন কাঁধে বহন করবে না। বেশি ওজন বহন করায় টেনশন হেডেক, কাঁধে ব্যথা, ফরোয়ার্ড হেড পোশ্চার ইত্যাদি হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

৩. ভুল জুতার ব্যবহার: আমরা অনেকেই আরামদায়ক বা অয়েল ফিটেড জুতা ব্যবহার করি না। বিশেষ করে নারীরা বর্তমানে অনেক উঁচু হিল পরে । উচুঁ হিল পরার ফলে ওয়াকিং গেট অর্থাৎ হাঁটার ভঙ্গি পরিবর্তন হয়। এছাড়া উঁচু জুতার ব্যবহারে কোমর, হিপ, হাঁটু এবং পায়ের গোড়ালির উপর বাড়তি চাপ পড়ে । ফলে কোমর ব্যথা, হাঁটু ব্যথা, পায়ের গোড়ালি ব্যথা তৈরি হয় ।

৪. দীর্ঘ সময় বসে থাকা: গবেষণায় দেখা গেছে, আমরা প্রতিদিন গড়ে ১০ ঘণ্টা বসে থাকি। আরেকটি গবেষণায় বলা হয়েছে একজন প্রাপ্তবয়স্ক লোক তার জীবনের ৫০-৭০ ভাগ সময় বসে কাটায়। দীর্ঘসময় বসার ফলে কোমরের অর্থাৎ লামবারের লোরডোটিক কার্ভ কমে যায়, মেরুদণ্ডে সেন্টার অব গ্রাভেটি পরিবর্তন ফলে স্পাইনে ও ডিক্সে চাপ পড়ে এবং কোমর ব্যথা হয় ।
৫. ভুল উপায়ে শারীরিক ব্যায়াম: ব্যায়ামের সঠিক নিয়ম না জেনেই অনেক সময় আমরা প্রয়োজন অতিরিক্ত ব্যায়াম করি। আমরা জানি না কোন ব্যায়াম আমাদের জন্য সঠিক আর কোনটি ক্ষতিকর। অবশ্যই যেকোনও শারীরিক ব্যায়ামের পূর্বে একজন ফিজিওথেরাপি চিকিৎকের পরামর্শ নিতে হবে ।

লিখেছেন-
প্রফেসর ডা. আলতাফ সরকার
মাস্কুলোস্কেলিটাল ডিজঅর্ডারস বিশেষজ্ঞ।

কোমর ব্যথা তৈরি করে যে ৫টি অভ্যাস
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : বর্তমানে আমাদের বিভিন্ন বদ অভ্যাসের কারণে বেশির ভাগ সময় ব্যথায় ভুগে থাকি। শুধু ব্যথা নয় বদ অভ্যাসের কারণে শ্বাসকষ্ট, বদহজম, সারকুলেটরি সিস্টেম সর্বোপরি শারীরিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে। গবেষকরা বলছেন- প্রতি দুই জন পূর্ণ বয়স্ক লোকের মধ্যে একজন মাস্কুলোস্কেলিটাল অসুস্থতায় ভুগছেন। গবেষণায় দেখা গেছে, সারা বিশ্বে ডিজএ্যাবিলিটি তৈরিতে মাস্কুলোস্কেলিটাল অসুস্থতার অবস্থান সর্বোচ্চ দ্বিতীয় স্থানে।

আসুন জেনে নিই এমন ৫টি বদ অভ্যাস সম্পর্কে যা আমাদের কোমরের ব্যথার কারণ:

১. পেছনের হিপ পকেটে মানিব্যাগ ব্যবহার করা: পেছনের পকেটে মানি ব্যাগ ব্যবহার করলে আমাদের পেলভিস টুইস্ট হয়। পাইরিফরমিস মাসেলের উপর চাপ পড়ে ফলে সায়াটিকা, পায়রিফরমিস সিনড্রম এবং কোমর ব্যথা হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

২. কাঁধে ভারী ব্যাগ বহন করা : বর্তমানে আমরা প্রায় সবাই কাঁধে ভারী ব্যাগ বহন করে থাকি। ব্যাগের মধ্যে থাকে যেমন- ওয়ালেট, মোবাইল ফোন, নোট বুক, আইপ্যাড, মেকআপ বক্স, ল্যাপটপ ইত্যাদি। এছাড়া আজকাল দেখা যায় বাচ্চারা কাঁধের ব্যথায়, পিঠের ব্যথায় ভুগছে শুধু বেশি ওজনের ব্যাগ বহন করার জন্য। গবেষকরা বলছেন- বাচ্চারা তার ওজনের ১৫% এর বেশি ওজন কাঁধে বহন করবে না। বেশি ওজন বহন করায় টেনশন হেডেক, কাঁধে ব্যথা, ফরোয়ার্ড হেড পোশ্চার ইত্যাদি হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

৩. ভুল জুতার ব্যবহার: আমরা অনেকেই আরামদায়ক বা অয়েল ফিটেড জুতা ব্যবহার করি না। বিশেষ করে নারীরা বর্তমানে অনেক উঁচু হিল পরে । উচুঁ হিল পরার ফলে ওয়াকিং গেট অর্থাৎ হাঁটার ভঙ্গি পরিবর্তন হয়। এছাড়া উঁচু জুতার ব্যবহারে কোমর, হিপ, হাঁটু এবং পায়ের গোড়ালির উপর বাড়তি চাপ পড়ে । ফলে কোমর ব্যথা, হাঁটু ব্যথা, পায়ের গোড়ালি ব্যথা তৈরি হয় ।

৪. দীর্ঘ সময় বসে থাকা: গবেষণায় দেখা গেছে, আমরা প্রতিদিন গড়ে ১০ ঘণ্টা বসে থাকি। আরেকটি গবেষণায় বলা হয়েছে একজন প্রাপ্তবয়স্ক লোক তার জীবনের ৫০-৭০ ভাগ সময় বসে কাটায়। দীর্ঘসময় বসার ফলে কোমরের অর্থাৎ লামবারের লোরডোটিক কার্ভ কমে যায়, মেরুদণ্ডে সেন্টার অব গ্রাভেটি পরিবর্তন ফলে স্পাইনে ও ডিক্সে চাপ পড়ে এবং কোমর ব্যথা হয় ।
৫. ভুল উপায়ে শারীরিক ব্যায়াম: ব্যায়ামের সঠিক নিয়ম না জেনেই অনেক সময় আমরা প্রয়োজন অতিরিক্ত ব্যায়াম করি। আমরা জানি না কোন ব্যায়াম আমাদের জন্য সঠিক আর কোনটি ক্ষতিকর। অবশ্যই যেকোনও শারীরিক ব্যায়ামের পূর্বে একজন ফিজিওথেরাপি চিকিৎকের পরামর্শ নিতে হবে ।

লিখেছেন-
প্রফেসর ডা. আলতাফ সরকার
মাস্কুলোস্কেলিটাল ডিজঅর্ডারস বিশেষজ্ঞ।

কিডনি সুস্থ রাখতে যা খাবেন, যা খাবেন না
                                  

কিডনি সুস্থ রাখার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো সঠিক খাদ্যাভ্যাস। আমাদের না জানার কারণে প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় থেকে যায় কিডনির জন্য ক্ষতিকর কিছু খাবার। আবার এমন অনেক খাবার বাদ পড়ে যায়, যা খেলে কিডনি সুস্থ থাকে। তাই কিডনি সুস্থ রাখতে খাবার তালিকায় পরিবর্তন আনা জরুরি। চলুন জেনে নেয়া যাক কিডনি সুস্থ রাখতে কী খাবেন এবং কী খাবেন না-


যা খাবেন
পানি
কিডনিকে ভালো রাখতে খুব প্রয়োজন পানির। শরীর অনুযায়ী পানি কতটা প্রয়োজন, তার পরামর্শ নিন চিকিৎসকের কাছে। সেই অনুযায়ী পানি খান রোজ। প্রতি দিন পর্যাপ্ত পানি না খেলে কিডনির উপর চাপ পড়ে এবং কিডনি তার সাধারণ কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। শীতকালেও পানি খাওয়ার পরিমাণ কমাবেন না। তেষ্টা না পেলেও সময়মতো পানি খাওয়ার অভ্যাস করুন।

দারুচিনি
রক্তে শর্করার মাত্রা যাতে কোনোভাবে বৃদ্ধি না পায় সেদিকে খেয়াল রাখে এই প্রকৃতিক উপাদানটি। সেই সঙ্গে কিডনি ফাংশনারেও উন্নতি ঘটায়।

চেরি
এই ফলটিতে উপস্থিত ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, ফলেট, ভিটামিন বি৬ ও ম্যাগনেসিয়াম শরীরে প্রবেশ করার পর কিডনি ফাংশানের মারাত্মক উন্নতি ঘটায়। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমাতে শুরু করে। আর যত ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমে, তত অর্থ্রাটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

ক্যানবেরি
চেরির মতো এই ফলটিতেও রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন সি ও ম্যাগনেসিয়াম। আর যেমনটা ইতিমধ্যেই জেনে ফেলেছেন যে এই দুটি উপাদান কিডনির ক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

অলিভ অয়েল
সম্প্রতি প্রকাশিত একটি গবেষণা পত্র অনুসারে এই তেলটির অন্দরে উপস্থিত নানাবিধ আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট ও ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড কিডনি ফাংশনের উন্নতি ঘটাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

পেঁয়াজ ও রসুন
কিডনির ক্ষমতা বাড়াতে এই দুটি সবজি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আসলে পিঁয়াজ এবং রসুনের মধ্যে কুয়েরসেটিন নামক একটি উপাদান থাকে, যা কিডনিকে নানাবিধ ক্ষতিকর উপাদানের হাত থেকে রক্ষা করে।

বাদাম
কিডনি স্টোনের আশঙ্কা কমানোর পাশাপাশি শরীরের এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটির কর্মক্ষমতা বাড়াতেও সাহায্য করে বাদামজাতীয় খাবার। বিশেষত কিডনি বিনস বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

 

যা খাবেন না

পেইন কিলার
সামান্য ব্যথা হলেই পেইন কিলার খাওয়ার অভ্যাস থাকলে আজই তা ত্যাগ করুন। কিডনির কোষের অতিরিক্ত ক্ষতি করে পেইন কিলার। ব্যথা একান্ত অসহ্য হলে তবেই পেইন কিলার খান।

অতিরিক্ত লবণ
খাওয়ার পাতে অতিরিক্ত লবণ খাওয়ার অভ্যাস থাকলে আজই বাদ দিন। কিডনি অতিরিক্ত সোডিয়াম শরীর থেকে বের করতে পারে না। ফলে বাড়তি লবণের সোডিয়ামটুকু রয়ে যায় কিডনিতেই। এতে ক্ষতিগ্রস্থ হয় কিডনি।

মাংস
মাংসের বদলে পাতে রাখুন মাছ আর শাক-সবজির পরিমাণ। চর্বি কিডনির জন্য খুব ক্ষতিকারক। মাংসের ফাইবারও পরিমাণে বেশি হলে তা কিডনির উপর চাপ ফেলে। তাই ঘন ঘন মাংস খাওয়ার প্রবণতা থাকলে তা কমান, খেলেও অল্প পরিমাণ খান।

মদ
মদ্যপান লিভারের ক্ষতি করে একথা আমরা সকলেই জানি। তাই মদ্যপান এড়িয়ে চলা আবশ্যক।

শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় চিরতা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : হৃৎপিণ্ড ও যকৃতের সবলকারক, চোখের জ্যোতিবর্ধক ও জ্বর রোগে বিশেষ উপকারী চিরতা। চিরতার উপকারিতা ও গুণাগুণ সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করা হল-

চিরতা শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। নিয়মিত তিতা খাবার খেলে অসুখ হওয়ার প্রবণতা কম থাকে। চিরতা এরমধ্যে অন্যতম। চিরতা খেলে যেকোনো কাটা, ছেঁড়া, ক্ষতস্থান দ্রুত শুকায়। ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য চিরতা ভীষণ জরুরি পথ্য। চিরতার রস দ্রুত রক্তে চিনির মাত্রা কমিয়ে দেয়।
উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরল, উচ্চরক্তচাপ, অতি ওজনবিশিষ্ট ব্যক্তির জন্যও চিরতা দরকারি। টাইফয়েড জ্বর হওয়ার পর আবারও অনেকের প্যারাটাইফয়েড জ্বর হয়। তাই টাইফয়েড জ্বরের পরে চিরতার রস খেলে যথেষ্ট উপকার পাওয়া যায়। চিরতার রস কৃমিনাশক। তারুণ্য ধরে রাখতেও চিরতার গুরুত্ব অপরিসীম। শরীরের ঝিমুনিভাব, জ্বরজ্বর লাগা দূর করে চিরতার রস। নিয়মিত তিতা বা চিরতার রস খেলে ফুড পয়জনিং হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে। চিরতা রক্ত পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে। যাদের ডায়াবেটিস নেই কিন্তু রক্তে চিনির পরিমাণ সবসময় স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকে, তাদের জন্য চিরতা গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার।

গোলমরিচের যত গুণাগুণ!
                                  

সঠিক পদ্ধতি মেনে ওজন কমাতে যথেষ্ট সময় লেগে যায়। এমনটা নয় যে আপনি ক্র্যাশ ডায়েটের খপ্পড়ে পড়ে গেলেন আর দ্রুত ওজন কমিয়ে ফেললেন। সেটা কিন্তু পরে আপনার শরীরের উপরে বিরূপ প্রভাব ফেলবে। আর এ জন্য প্রয়োজন সঠিক ডায়েট। ভালো মেটাবলিজম বা হজমশক্তি ওজন কমাতে অনেকটাই সাহায্য করে। বেশ কিছু খাবার আছে যা নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখলে ওজন কমবে দ্রুত। কিন্তু শরীর থাকবে একদম সুস্থ ও ঝরঝরে।

তেমনই একটি খাবার হল গোলমরিচ বা কালোমরিচ। রান্নাঘরে গোলমরিচ বহুল ব্যবহৃত হয়। তবে এটি যে হজমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয় তা জানতেন?

আসলে গোলমরিচ হজমে সাহায্য করে, খিদে বৃদ্ধি করে, শরীর থেকে টক্সিন বের করতে সাহায্য করে এবং ফুসফুস ও ব্রঙ্কিয়ালের ইনফেকশন কমায়। এ ছাড়া স্ট্রেস ও শক কমাতেও এর জুড়ি নেই।

গোলমরিচের থার্মোজেনিক এফেক্টের জন্য সঠিক মাত্রায় শরীরের ক্যালোরি ক্ষয় হয়। গোলমরিচ গোটা বা গুঁড়া উভয়ভাবেই খাওয়া যায়। তবে বেশিদিন গুঁড়া করে রেখে দিলে এর গুণ নষ্ট হয়ে যায়। সর্বোচ্চ উপকার পেতে মধুর সঙ্গে গোলমরিচ মিশিয়ে খেয়ে দেখুন। আর যদি অন্যরকম স্বাদ চান তাহলে আপনার ডেজার্ট পদে এক চিমটি গোলমরিচ মিশিয়ে নিন। এতে স্বাদও বাড়বে পুষ্টিও।

ত্বক ফর্সা করুন ৫ উপায়ে
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : জন্মগতভাবে প্রত্যেকের গায়ের রং আলাদা হয়ে থাকে। কেউ ফর্সা, কেউ শ্যামলা। গায়ের রং চাপা হলে তা নিয়ে মন খারাপ করেন অনেকেই। আরেকটু উজ্জ্বল ত্বক পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা থাকেই তাদের। আবার জন্মগতভাবে ফর্সা ত্বক পেয়েও ধুলোবালি আর রোদের কারণে তা হারাতে বসেন অনেকেই। তাই ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে তখন নানারকম ক্রিম ব্যবহার করে থাকেন। তাই ফর্সা পেতে মেনে চলতে পারেন ঘরোয়া এই উপায়গুলো-

পেঁপে আর ডিমের মাস্ক
পেঁপে আর ডিম একসঙ্গে ব্যবহার করলে ত্বকের রঙ আস্তে আস্তে ফর্সা হচ্ছে আর হালকা হবে। তার সঙ্গে আসছে একটা সুন্দর উজ্জ্বল ভাব। ডিমের প্রোটিন ত্বককে টানটান রাখবে। এর সঙ্গে দই যখন যোগ হবে তখন তা আপনার স্কিনকে ভিতর থেকে পরিষ্কার করবে।

৩ চামচ পেপের রস, ২ চামচ দই, ৪ চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনিগার, ৩ চামচ আমন্ড অয়েল, গ্লিসারিন ও একটি ডিমের সাদা অংশ নিন। গ্লিসারিন আর ডিম ছাড়া বাকি সবকটি উপকরণ একটি পাত্রে নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। একটা ঘন পেস্ট মতো তৈরি হবে। সেটা এবার ফ্রিজে রেখে দিন ঘণ্টা দুয়েকের মতো। তারপর বের করে তাতে দিন গ্লিসারিন আর ডিমের সাদা অংশ। খুব ভালো করে মেশান। এবার এই পেস্ট মুখে মাখুন আর রেখে দিন প্রায় ২০ থেকে ২৫ মিনিট। তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।

টমেটো আর মধুর প্যাক
মুখে যদি রোদের থেকে হওয়া পোড়া দাগ থাকে বা মুখ অতিরিক্ত কালো হতে শুরু করে, তাহলে এটি ব্যবহার করুন। টমেটো এই দাগ খুব ভালোভাবে হালকা করতে পারে।

একটি টমেটো ও ৪ চামচ মধু নিন। একটি পাত্রে আগে টমেটো চটকে নিন। তার মধ্যে এবার মধু মিশিয়ে ভালো করে মেশান। এই প্যাক মুখে মেখে রেখে দিন ২০ মিনিট মতো। তারপর গরম পানিতে ধুয়ে নিন। মুখ সঙ্গে সঙ্গেই তরতাজা লাগবে।

মধু আর লেবুর রসের প্যাক
লেবুর রস মুখ পরিষ্কার করে, ডিটক্সিফাই করে সেটা তো আমরা সবাই জানি। সঙ্গে মধু খুব সুন্দর ভাবে মুখের ময়েশ্চার ধরে রাখে। তাই এই মাস্ক কিন্তু খুব কার্যকরী।

২ চামচ মধু ও ২ চামচ লেবুর রস নিন। দুটি উপকরণ মিশিয়ে মুখে মাখতে হবে। তারপর তা রেখে দিতে হবে ২০ মিনিট। এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। সপ্তাহে তিন দিন এটা করাই যায়।

দুধ আর লেবুর রসের প্যাক
দুধ ত্বকের জন্য যে কত ভালো তা আমরা সকলে জানি। এটি ত্বককে পরিষ্কার করে, নরম রাখে।

৩ চামচ দুধ, ২ চামচ লেবুর রস, ১ চামচ মধু ও হলুদ গুঁড়া নিন। একটি পাত্রে দুধ নিয়ে তাতে বাকিসব উপকরণ মেশান। তারপর এই প্যাক মুখে মাখুন। শুকোতে দিন আর গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। মুখে সঙ্গে সঙ্গে একটা উজ্জ্বলতা দেখতে পাবেন। সপ্তাহে এক দিন করে করুন।

বেসন আর লেবুর রসের প্যাক
ত্বকের জন্য বেসন বেশ উপকারী। আর এর পাশাপাশি লেবু খুব ভালোভাবে ত্বককে পরিষ্কার করে।

৩ চামচ বেসন, ২ চামচ লেবুর রস, ১ চামচ হলুদ গুঁড়া ও সামান্য গোলাপ জল নিন। সবকটি উপকরণ খুব ভালো করে একটি পাত্রে মিশিয়ে নিন। তারপর তা মুখে মাখুন। মিশ্রণটা মুখে শুকোতে দিন। তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। এটা আপনি সপ্তাহে দুদিন করতে পারেন। হলুদ আপনার ত্বকে উজ্জ্বলতা বাড়াবে আর এর অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান কোনো রকম দাগ হতে দেবে না।

চুল পড়া বন্ধে যা করবেন
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : প্রতিদিন যে পরিমাণ চুল ঝরে, জৈবিক নিয়মে সে পরিমাণ চুলই গজায়। কিন্তু এই অনুপাত সবসময় সমান থাকে না। চুল গজানোর চেয়ে ঝরে যাওয়ার পরিমাণ বেড়ে গেলেই বিপত্তি আসে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন ৮০-১০০টি চুল ঝরে। গজানোর কথাও ততগুলিই। কিন্তু মানুষের মাথার ত্বকের ধরন, আবহাওয়া, চুলের প্রকৃতি, যত্ন ও কোনো রকম অ্যালার্জি আছে কি না এসবকিছুর উপর নির্ভর করে কার চুল কত বেশি বা কম ঝরবে। চুল গজানোর চেয়ে ঝরে যাওয়ার সংখ্যা বেশি হতে হতেই এক সময় টাকের সমস্যা দেখা যায়।

নিয়মিত চুলের যত্ন নেয়ার পাশাপাশি খেয়াল রাখতে হবে আরও কিছু বিষয়ে। সমাধান খুঁজতে হবে কিছু সমস্যারও। চলুন জেনে নেয়া যাক-

শরীরে রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া বাসা বাঁধলেও চুলের ক্ষতি হয়। তাই অ্যানিমিয়া সামলানোর ওষুধ শুরু করতে দেরি করবেন না। প্রয়োজনীয় পথ্য ও ওষুধ নিলে চুলের স্বাস্থ্যও ফিরবে ও অকালে টাক পড়া কমবে।

মাথার ত্বকে কোনো অ্যালার্জি বা সংক্রমণ থাকলে অযত্ন করবেন না। অনেকেরই মাথার ত্বক থেকে মাছের আঁশের মতো খোসা ওঠে, অতিরিক্ত চুলকায়, ফুসকুড়ি দেখা যায়। এমন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ভিটামিন বি-এর অভাব, ডায়েটে পরিমাণ মতো শাক-সবজি ও ভিটামিন সি না থাকাও চুল ঝরে যাওয়ার অন্যতম কারণ। তাই ডায়েটে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি ও ভিটামিন সি যোগ করুন। এতে চুলের স্বাস্থ্যোন্নতি ঘটবে।

ঠিক সময় খাওয়াদাওয়া বা ঘুম না হলে তার ছাপ পড়ে মনের স্বাস্থ্যের উপর। যে কোনো বিষয়ে খুব বেশি চিন্তা বা উদ্বেগও চুলের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। চুলের রঞ্জক পদার্থ কমে গিয়ে চুল পেকে যাওয়া থেকে চুলের গোড়া পাতলা হয়ে যাওয়া- সবকিছুর নেপথ্যে মানসিক চাপ অন্যতম কারণ।

যে ৫ কারণে স্ট্রবেরি খাবেন
                                  

স্ট্রবেরি ফলটি দেখতে যতটাই সুন্দর, খেতেও ঠিক ততটাই সুস্বাদু। এর আছেব বেশ কিছু উপকারিতা। চলুন জেনে নেই স্ট্রবেরির এমন পাঁচটি গুণ-


* স্ট্রবেরি আমাদের হার্ট ভালো রাখতে সাহায্য করে। এর ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বীজ জোগায় ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডস।

* প্রচুর পানি থাকে স্ট্রবেরিতে, কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ খুব কম। তাই যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছেন, তারা খেতে পারেন নিশ্চিন্তে।

* স্ট্রবেরিতে প্রচুর ভিটামিন এ, সি ফোলেট, ফসফরাস আর ম্যাঙ্গানিজ পাওয়া যায়। সারা দিনে গোটা তিন-চারটি স্ট্রবেরি খেতে পারলেই আপনার ভিটামিন সি লক্ষ্যমাত্রার দিকে অনেকটা এগিয়ে যেতে পারবেন।

* স্ট্রবেরি খেলে ভালো থাকবে আপনার দাঁত ও হাড়ের স্বাস্থ্য। তাই দাঁত ও হাড় নিয়ে নিশ্চিন্ত থাকতে চাইলে পাতে রাখতে পারেন স্ট্রবেরি।

* স্ট্রবেরির অ্যান্টিঅক্সিডান্টস আর প্লান্ট কম্পাউন্ড রক্তে উপস্থিত শর্করা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ঠেকায় ফ্রি র্যাডিকালসের বাড়বাড়ন্তও। আর ফ্রি র্যাডিকালস নিয়ন্ত্রণে থাকলে ক্যান্সারও দূরে থাকে।

ত্বক ভালো রাখতে ফলের রস
                                  

ফল খেতে কে না পছন্দ করেন! এটি আমাদের শরীরের জন্য তো বটেই, এমনকি উপকার বয়ে আনে ত্বকেরও। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ফল থাকে সবারই। অনেকে ফল চিবিয়ে না খেয়ে ফলের রস খেতে বেশি ভালোবাসেন। আজ আসুন জেনে নিই, এই ফলের রস শরীরের পাশাপাশি আমাদের ত্বকের জন্য কতটা উপকারী-

তরমুজের রস
তরমুজে থাকা ভিটামিন এ, বি৬, সি ত্বকের ভিতর থেকে টক্সিন বের করে দেয়। ফলে পাওয়া যায় উজ্জ্বল দাগহীন ত্বক। ত্বক থেকে অতিরিক্ত তেলের সমস্যা দূর করে ব্রণ বা অন্যান্য সমস্যাও কম হতে দেয়। ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে। তরমুজ এমনিতেই খুব মিষ্টি। তাই সরাসরি তরমুজ থেকে রস বের করে খেয়ে নিন। কিছু আর যোগ করতে হবে না।

পাতিলেবুর রস
পাতিলেবুতে আছে ভিটামিন সি। আর ভিটামিন সি থাকায় একসঙ্গে অনেকগুলো উপকার হয়। ভিটামিন সি ত্বককে ভিতর থেকে পরিষ্কার করে। তাই ত্বক উজ্জ্বল হয়। এছাড়া ত্বককে টানটান রাকে ভিটামিন সি। তাই বলিরেখাও কম হয়। ত্বকের পি.এইচ ব্যাল্যান্স বজায় রাখতেও পাতিলেবুর রস খেতে পারেন। এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে দুই চামচ লেবুর রস নিন। তার মধ্যে এক চামচ মধু নিন। এটা রোজ সকালে ঘুম থেকে উঠে খেয়ে নিন। দেখবেন খুব সুন্দর উপকার পাবেন।

আমের রস
স্বাদের জন্য আম তো ফলের রাজা বটেই। কিন্তু ত্বকের উপকার করার জন্যও আমকে রাজা বলাই যায়। আপেলে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট শরীরের কোষ পুনর্গঠন করতে সাহায্য করে। নিয়মিত আমের রস খেলে ত্বকের কালো ছোপ দূর হয়। এতে থাকা ভিটামিন সি ত্বকের থেকে মেলানিন কম করে। ত্বক উজ্জ্বল করে।

পাকা পেপের রস
পাকা পেপেতে থাকা অ্যান্টি অ্যাজিং প্রপার্টি ত্বকের বয়স ধরে রাখে। ডার্ক সার্কেল যেমন হতে দেয় না, তেমনই সান ট্যান হওয়ার থেকেও আমাদের রেহাই দেয়। পেপেতে থাকা প্যাপেন নামের এনজাইম স্কিন ড্যামেজ হতে দেয় না। তাই পেপের রস খান। পাকা পেপে ভালো করে কুড়িয়ে নিয়ে তার থেকে রস বের করে নিন। অল্প চিনি দিতে পারেন। এবার এটা খেয়ে নিন সকালের নাস্তায়।

পাকা পেপের রস
পাকা পেপেতে থাকা অ্যান্টি অ্যাজিং প্রপার্টি ত্বকের বয়স ধরে রাখে। ডার্ক সার্কেল যেমন হতে দেয় না, তেমনই সান ট্যান হওয়ার থেকেও আমাদের রেহাই দেয়। পেপেতে থাকা প্যাপেন নামের এনজাইম স্কিন ড্যামেজ হতে দেয় না। তাই পেপের রস খান। পাকা পেপে ভালো করে কুড়িয়ে নিয়ে তার থেকে রস বের করে নিন। অল্প চিনি দিতে পারেন। এবার এটা খেয়ে নিন সকালের নাস্তায়।

আপেলের রস
ত্বকের জন্য খুবই উপকারী এই আপেলের রস। আপেলের রসে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট বলিরেখা দূর করে। আমাদের ত্বকের টিস্যু নষ্ট হতে দেয় না, বরং নতুন কোষ জন্মাতে সাহায্য করে। আপেলের মধ্যে থাকা কপার, ক্লোরিন, জিঙ্ক, ম্যাগনেসিয়াম ত্বককে উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। আপেল এমনিতেই খেতে খুব ভালো। তাই আপেলের রস সরাসরি সকালে খেয়ে নিন এক গ্লাস। পেটও ভরবে আর ত্বকও ভালো থাকবে।

আনারসের রস
আনারসে থাকা আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড ত্বকের বয়স ধরে রাখে। রক্ত ভিতর থেকে পরিষ্কার করে ত্বক উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে আনারসের রস। ব্রণর দাগ বা কালো ছোপ সরিয়ে ফেলতেও আনারসের রসের তুলনা নেই। আনারস থেকে রস বের করে নিন। এর পর সামান্য নুন যোগ করুন। দেখবেন এতে স্বাদ খানিক ভালো হবে।

দাঁড়িয়ে পানি পান স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ায়
                                  

অনলাইন ডেস্ক : দেহের কোষ, কলা বা টিস্যু, বিভিন্ন অঙ্গ তথা মস্তিষ্ক, কিডনী, পাকস্থলী, ত্বক, চুল ইত্যাদির যথাযথ কার্যকারীতার জন্য পানি অত্যাবশ্যকীয়। শরীরের সকল প্রকার কার্যাবলী সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করা প্রয়োজন। কিন্তু অনেক সময় ভুল নিয়মে পানি পান করে নিজেকে ঝুঁকির মুখে ফেলে দেই আমরা। দাঁড়িয়ে পানি পান করলে দেখা দিতে পারে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা।

চলুন জেনে নেই দাঁড়িয়ে পানি পানের ক্ষতিকর দিকগুলো সম্পর্কে।

১. দাঁড়িয়ে পানি পান করলে তা সরাসরি পাকস্থলীতে গিয়ে আঘাত করে। স্টমাক থেকে নিঃসৃত অ্যাসিডের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়। বদহজমের আশঙ্কা বাড়ে। তলপেটে যন্ত্রণাসহ একাধিক সমস্যা তৈরি হয়।
২. দাঁড়িয়ে পানি পান করা হলে তা দ্রুত কোলন বা মলাশয়ে চলে যায়। ফলে পানির প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপকরণ শরীরে শোষিত হয় না।
৩. গ্যাস্ট্রো ইসোফেগাল রিফ্লাক্স ডিজিজ বা G.E.R.D দাঁড়িয়ে পানি পান করলে তা সরাসরি ইসোফেগাসে গিয়ে ধাক্কা মারে। এরফলে পাকস্থলীর ভেতরের সরু নালিটি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হয়। যার ফলে গ্যাস্ট্রো ইসোফেগাল রিফ্লাক্স ডিজিজ বা G.E.R.D এর মতো রোগ শরীরে বাসা বাঁধে।
৪. পানি পান করার পরেই ছাঁকনিগুলো শরীর পরিশ্রুত করার কাজ শুরু করে দেয়। দাঁড়িয়ে পানি পান করলে শরীরের অন্দরে থাকা ছাকনিগুলো সংকুচিত হয়ে যায়। পরিশ্রুত করার কাজ বাধা পায়। শরীরে টক্সিনের মাত্রা বাড়তে থাকে।
৫. দাঁড়িয়ে পানি পান করলে নার্ভ উত্তেজিত হয়ে যায়, উদ্বেগ বাড়তে থাকে।
৬. কিডনি ক্ষতিগ্রস্থ হয় দাঁড়িয়ে পানি পান করলে। এতে কিডনির কর্মক্ষমতা কমে। কিডনি ড্যামেজের সম্ভাবনা থাকে।

ফাগুনের সাজ
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ঋতুরাজকে বরণ করে নিতে প্রত্যেক নারীই হয়ে উঠতে চান অনন্যা। রঙিন শাড়ি, ফুলেল সাজে ঘুরে বেড়ান প্রজাপতির মতো। কিন্তু সুন্দর পোশাক পরলেই তো হবে না, সেইসঙ্গে সাজটাও হতে হবে মানানসই। কেমন মেকআপ এই সময়ে উপযুক্ত, কোন রঙের লিপস্টিক বেশি মানানসই হবে, জুতা কি হিল পরবেন নাকি ফ্ল্যাট- থাকে নানা চিন্তা।

শাড়ি, সালোয়ার কামিজ, ফতুয়া, ফ্রক যে যাই পরুক না কেন তাতে থাকা চাই হলুদ, বাসন্তী কিংবা লাল রঙের ছোঁয়া। তবে এরসঙ্গে ব্যবহৃত হচ্ছে আরও নানা রঙ। কন্ট্রাস্ট রঙ হিসেবে বেগুনি, সবুজ, গাঢ় নীল রঙগুলোও মানিয়ে যাচ্ছে বেশ।

বসন্তে ভারী মেকআপ না দিয়ে বরং নিজের স্বাভাবিক রূপকেই রঙিন করে ফুটিয়ে তুলুন। চোখে গাঢ় করে কাজলের রেখা টেনে ঠোঁটে দিন লাল লিপস্টিক। কপালে টিপ দিতে ভুললে চলবে না। আর হাতে পরুন কাচের চুরি। তবে মেকআপ ঠিক কতটুকু বা কীভাবে করবেন তা ব্যক্তিগত পছন্দ। তবে ফাউন্ডেশন বা বেইজ মেকআপ স্বাভাবিক রাখাই ভালো।

ফাগুন দিনের সাজটা অনেকইটাই চুলের সাজের ওপর নির্ভরশীল। কারণ চুলের সাজে নানা রঙের তাজা ফুলের ব্যবহারই আপনাকে এদিন আরও বেশি রঙিন করে তুলবে। খোঁপা বা বেণি করে চুলে গাদা ফুলের মালা পেঁচিয়ে নিন। চুল ছেড়ে রাখতে চাইলে একপাশে গুঁজে নিতে পারেন গোলাপ বা জারবেরা ফুল।

রঙ মিলিয়ে শাড়ি কিংবা সালোয়ার-কামিজ সবকিছুর সঙ্গেই পরতে পারেন ফুল। বড় হলে একটা ফুলই থাক। ছোট ফুল হলে দুটি বা তিনটি নিন। যখন বড় ফুল পরবেন, তখন গলা ও কানের গয়নাটা একটু হাল্কা বেছে নিন। গাঁদা, গোলাপের পাশাপাশি মেরুন, হলুদ, সাদা, নীল রঙের চন্দ্রমল্লিকা, ক্যালানডুলা ফুলগুলোও আপনাকে রঙিন করে তুলতে সাহায্য করবে।

ফাগুনের প্রথম দিনে সারাদিনের জন্য বের হলে হাই হিল এড়িয়ে আরামদায়ক স্যান্ডেল পরুন। অল্প উঁচু বা ফ্ল্যাট স্যান্ডেল পরলেই হাঁটতে সুবিধা হবে। বেরোনোর আগে প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস সঙ্গে নিয়ে নিন। পানির বোতল, ছাতা, টিস্যু পেপার সঙ্গে রাখা চাই। পাশাপাশি লিপস্টিক, কম্প্যাক্ট পাউডার আর চিরুনিও গুছিয়ে নিন যেন প্রয়োজনে ব্যবহার করা যায়।

সঙ্গে রাখা চাই ছোট একটি আয়নাও। ঘর থেকে বেরোনোর আগে ছিটিয়ে নিন সুগন্ধি। এরপর সারাদিন প্রিয়জনদের সঙ্গে ঘুরে বেড়ান ফাগুনের সাজে। আনন্দ আর ভালোবাসায় রাঙিয়ে তুলুন ফাগুনের প্রথম দিনটি।

ঘরোয়া উপায়ে আঁচিল দূর করুন
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : আঁচিল নিয়ে খুবই সমস্যায় পড়তে হয়। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েও অনেক সময় কাজ হয় না। কিন্তু আপনি চাইলে ঘরেই এর চিকিৎসা চালাতে পারেন। দেখে নিন আঁচিল নিরাময়ে যা করবেন-

অ্যাপল সিডার ভিনেগার
ভিনেগারে ভেজানো তুলা আঁচিলের ওপর রেখে দিন সারা রাত। পাঁচ দিন এরকম করুন। অ্যাপল সিডার ভিনেগারে প্রচুর এসিড রয়েছে। এই এসিড প্রাকৃতিকভাবে আঁচিল দূর করবে।

অ্যালোভেরা
একটা অ্যালোভেরা পাতা কেটে নিন। ভেতরের থকথকে জেলিটা আঁচিলে লাগিয়ে দিন। কয়েকদিন করলেই এটা শুকিয়ে যাবে। নিজে থেকে ঝরেও যাবে। অ্যালোভেরার মধ্যে উপস্থিত ম্যালিক এসিড এই ম্যাজিক করে দেখাবে।

রসুন
ত্বকের যত্নে রসুন খুবই উপকারি। রসুনে রয়েছে অ্যালিসিন। অ্যালিসিন অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল। রসুন থেঁতো করে ওই জায়গায় লাগালে উপকার হবে।

বেকিং পাউডার
ক্যাস্টর অয়েল এবং বেকিং পাউডারের একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। মিশ্রণটা আঁচিলের ওপর ভালো করে লাগিয়ে বেঁধে রাখুন জায়গাটা। সারারাত এইভাবে রেখে দিন। দু-তিন দিন পর থেকেই ফল পেতে শুরু করবেন। ক্রমশ আঁচিল অদৃশ্য হয়ে যাবে।

কলার খোসা
কলা খেতে ভালোবাসেন? খোসাটা ফেলবেন না। খোসার উৎসেচক ত্বককে রক্ষা করে। প্রতিদিন কলার খোসা আঁচিলের ওপর ঘষলে ফল পাবেন।

সকালে খালি পেটে পানি পানের সুফল
                                  

অনলাইন ডেস্ক : আমরা অনেকেই জানি, সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে পানি পান করা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। কিন্তু এটা ঠিক কী কী উপকারে আসে এবং এর সুফল হয়তো অনেকেরই অজানা। অল্প কিছু বিষয় মেনে চললেই সকালে খালি পেটে পানি পান করে সুস্থ-সবল থাকার পথে একধাপ এগিয়ে থাকা সম্ভব।

সকালে পানি পানে শুধু পাকস্থলীই পরিষ্কার হয় না, এটা অনেকগুলো রোগের ঝুঁকি থেকে আমাদের বাঁচতে সহায়তা করে। প্রথমত, এই অভ্যাস মলাশয়কে ঠিকঠাক ও সচল রাখতে সহায়তা করে এবং পরিপাকক্রিয়া থেকে সঠিকভাবে নানা পুষ্টি উপাদান গ্রহণে শরীরকে সাহায্য করে। ভালো হজমশক্তি আপনা থেকেই অনেকগুলো স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধানে উপকারে আসে।

দ্বিতীয়ত, পর্যাপ্ত পানি পানে শরীরের ত্বক উজ্জ্বল ও সুন্দর থাকে। রক্ত থেকে ‘টক্সিন’ বা বিষাক্ত নানা উপাদান দূর করে পানি। শরীরের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এই পানি। কেননা, পানি নতুন রক্ত কোষ এবং পেশি কোষ জন্মানোর প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। আর ওজন কমিয়ে রাখতেও পানি পান করা পর্যাপ্ত উপকারী।

সকালে পানি পানের পর অল্প কিছুক্ষণ অন্য কিছু না খাওয়াই ভালো। এই পানি-চিকিত্সার কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই এবং এটা পরিপাক ক্রিয়ার জন্য দারুণ উপকারী। প্রতিদিন সকালে গড়ে চার গ্লাস পানি (প্রায় এক লিটার) পান করা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো। প্রথম দিকে এটা অনেক বেশি মনে হলেও কিছুদিন এভাবে পানি পান করলে বিষয়টা সহজেই আয়ত্ত হয়ে যাবে এবং এর উপকারিতাও টের পাওয়া যাবে।

খেজুরের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা
                                  

খেজুর অত্যন্ত সুস্বাদু ও বেশ পরিচিত একটি ফল। যা ফ্রুকটোজ এবং গ্লাইসেমিক সমৃদ্ধ। এটা রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়ায়। খেজুর ফলকে চিনির বিকল্প হিসেবে ধরা হয়ে থাকে। খেজুর শক্তির একটি ভালো উৎস। তাই খেজুর খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শরীরের ক্লান্তিভাব দূর হয়। আছে প্রচুর ভিটামিন বি। যা ভিটামিন বিসিক্স মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।


খেজুরের পুষ্টি উপাদান সম্পর্কে বলা হয়, চারটি বা ৩০ গ্রাম পরিমাণ খেজুরে আছে ৯০ ক্যালোরি, এক গ্রাম প্রোটিন, ১৩ মি.লি. গ্রাম ক্যালসিয়াম, ২ দশমিক ৮ গ্রাম ফাইবার। এছাড়াও খেজুরের রয়েছে আরও অনেক পুষ্টি উপাদান।

ক্যান্সার প্রতিরোধ: পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ ও প্রাকৃতিক আঁশে পূর্ণ খেজুর ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। তাই যারা নিয়মিত খেজুর খান, তাঁদের বেলায় ক্যান্সারের ঝুঁকিটাও অনেক কম থাকে।

দুর্বল হৃদপিণ্ড: হৃদপিণ্ডের সবচেয়ে নিরাপদ ওষুধ খেজুর।

মুটিয়ে যাওয়া রোধ: মাত্র কয়েকটি খেজুর ক্ষুধার তীব্রতা কমিয়ে দেয় এবং পাকস্থলীকে কম খাবার গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করে। অল্পতেই শরীরের প্রয়োজনীয় শর্করার ঘাটতি পূরণ করে।

মায়ের বুকের দুধ: খেজুর বুকের দুধ খাওয়ানো মায়েদের জন্য সমৃদ্ধ এক খাবার, যা মায়ের দুধের পুষ্টিগুণ আরো বাড়িয়ে দেয় এবং শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

হাড় গঠন: ক্যালসিয়াম হাড় গঠনে সহায়ক। আর খেজুরে আছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম, যা হাড়কে মজবুত করে।

অন্ত্রের গোলযোগ: অন্ত্রের কৃমি ও ক্ষতিকারক পরজীবী প্রতিরোধে খেজুর বেশ সহায়ক। অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়া তৈরি করে।

দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি: খেজুর দৃষ্টিশক্তি বাড়িয়ে রাতকানা প্রতিরোধেও সহায়ক।

কোষ্ঠকাঠিন্য: খেজুরে আছে এমন সব পুষ্টিগুণ, যা খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করে।

সংক্রমণ রোধ: যকৃতের সংক্রমণে খেজুর উপকারী। এ ছাড়া গলাব্যথা এবং বিভিন্ন ধরনের জ্বর, সর্দি ও ঠাণ্ডায় বেশ কাজ দেয়।

শিশুদের রোগবালাই: খেজুর শিশুদের মাড়ি শক্ত করতে সাহায্য করে এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে ডায়রিয়াও প্রতিরোধ করে। তাই শুধু রমজান মাসে কেন, বছরজুড়েই খাদ্যতালিকায় থাকুক খেজুর।

মিষ্টি খেলেই ডায়াবেটিস নয়!
                                  

অনেকেই ডায়াবেটিসের ভয়ে মিষ্টি খাওয়া থেকে বিরত থাকেন। মিষ্টি বা চিনি খেলে ডায়াবেটিস হয় এমন ধারণা থেকেই মূলত এটা।

তবে চিকিৎসকরা বলেন ভিন্ন কথা, মিষ্টি খেলেই ডায়াবেটিস হবে বা সুগার বেড়ে যাবে এই ধারণা ভুল। বরং এই রোগ থেকে দূরে থাকতে কিছু নিয়ম-নীতি মেনে চলতে হয় এবং খাবারেও থাকতে হয় সতর্ক।

মূলত পরিবারে কারো ডায়াবেটিস থাকলে, শরীরের ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকলে, শারীরিক পরিশ্রম কম করলে, জীবনযাপনে শৃঙ্খলা মেনে না চললে ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই চিনি খেলেই ডায়াবেটিস হয় না তবে যদি ডায়াবেটিস হয়েই যায় তখন চিনি খাওয়া বন্ধ করতে হবে।

দুই ধরণের ডায়াবেটিস আছে যার একটি হয় বাচ্চাদের এবং অন্যটি বড়দের। বাচ্চাদের ছোট থেকেই ইনসুলিন নিতে হয়। যদি বাচ্চাদের ডায়াবেটিস ধরা পড়ে তবে তাদের মিষ্টি খাওয়া যাবেই না।

জেনে নিন হলুদের উপকারিতা
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : হলুদ খুবই সহজলভ্য একটি মসলা। সবার ঘরেই এটা থাকে। তরকারি রান্নার পাশাপাশি এই মসলা দিয়ে আরও কিছু কাজ করা যায়। দেখে নিন হলুদের উপকারিতা-

গায়ের রঙ উজ্জ্বল করে
আপনি যদি প্রাকৃতিকভাবেই গায়ের রঙ উজ্জ্বল করতে চান তবে হলুদ ব্যবহার করুন। বিয়ের আগে গায়ে হলুদের আয়োজন করা হয়ে গায়ের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতেই। হলুদে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং জীবাণু-নিরোধক উপাদান। যে কারণে এটি ব্যবহারে গায়ের রঙ উজ্জ্বল, সজীব ও সতেজ হয়ে ওঠে।

ব্রণের সঙ্গে যুদ্ধ করে
মুখের ব্রণ দূর করতে হলুদ দারুণ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে কারণ এতে প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক থাকে। লালচে ভাব ও ব্যথা কমিয়ে এটি ধীরে ধীরে ব্রণ সারিয়ে তোলে। আপনি যদি অ্যাপল সাইডার ভিনেগারের সঙ্গে হলুদ মিশিয়ে টোনার বানিয়ে কিছুদিন ব্যবহার করতে থাকেন, তবে উল্লেখযোগ্য ফলাফল পাবেন। ব্রণের দাগ সারাতেও এটি সমান উপকারি।

চোখের নিচের কালো দাগ দূর করে
চোখের নিচের কালোদাগ চেহারার সৌন্দর্য নষ্ট করে। বাজারে অনেক ধরনের সামগ্রী পাওয়া যায় এটি দূর করার জন্যে, কিন্তু সবগুলোই কি নিরাপদ ও কার্যকরী? প্রতিদিন নিয়ম করে হলুদ দিয়ে তৈরি ফেসপ্যাক চোখের আশেপাশে লাগালে কয়েক দিনের মধ্যেই পার্থক্য লক্ষ্য করতে পারবেন।

দাঁত সাদা করে
আপনার হয়তো মনে হতে পারে হলুদ আবার কীভাবে দাঁত সাদা করবে? কিন্তু হ্যাঁ, হলুদ দাঁতকে প্রাকৃতিকভাবে মুক্তোর মতন সাদা করে তোলে এবং দাঁত ব্যথা এবং জিঙ্গাইভিটিস দূর করে। আপনি প্রতি সকালে টুথপেস্ট হিসেবে হলুদ ব্যবহার করতে পারেন, ফলাফল কিছুদিনের মধ্যেই দেখতে পাবেন।

বয়সের ছাপ কমিয়ে দেয়
আপনার ত্বকে বয়সের ছাপ পড়ছে? কিংবা সূর্যের আলোতে অধিক সময়ে অবস্থানের কারণে কালো ছোপ ছোপ দাগ পড়েছে? চিন্তার কিছু নেই। আধা চা-চামচ হলুদ গুড়োর সঙ্গে এক টেবিল-চামচ মধু মিশিয়ে মুখে লাগান। দশ মিনিট রেখে হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ধীরে ধীরে ত্বকে লাবণ্য ফিরে আসবে।

নাক ডাকার সমস্যা দূর করবে যে পানীয়
                                  

নাক ডাকার সমস্যায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভুক্তভোগী হন রোগীর পাশের ব্যক্তি। অর্থাৎ যিনি নাক ডাকেন তিনি ঘুমের ভেতর শুনতে না পেলেও পাশের জনের ঘুমে ব্যাঘ্যাত ঘটে। এই অভ্যাস কেবল অন্যের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় এমন নিরীহ বিষয় নয়, বরং এই সমস্যা আক্রান্তের স্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর। গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বের প্রায় ৪০ শতাংশ পুরুষ ও ২০ শতাংশ মহিলা ঘুমের মধ্যে নাক ডাকেন।
স্লিপিং অ্যাপনিয়ার কারণে এমনটা ঘটে থাকলে তা হৃদপিণ্ডের ডান এবং বাঁ দিকের ভেন্ট্রিকুলারের মারাত্মক ক্ষতি করে। এক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া একান্ত জরুরি। তবে সাধারণ শ্বাসজনিত সমস্যা বা শোয়ার পদ্ধতিগত ত্রুটি থেকেও অনেক সময় নাক ডাকার সমস্যা হয়।
এক্ষেত্রে ভেষজ উপায়েও সমাধান পাওয়া সম্ভব। সেজন্য আপনাকে খুব বেশি কষ্ট করতে হবে না। শুধু প্রতিদিন নিয়ম করে দুইরকম ভেষজ পানীয়র যেকোনো একটি পান করলে নাক ডাকার সমস্যা দূর হবে। চলুন জেনে নেই কিভাবে তৈরি করবেন-

১. শ্বাসজনিত ও শ্লেষ্মার সমস্যা দূর করতে বেশ কার্যকরী একটি উপাদান হলো হলুদ। মাঝারি আঁচে দুই কাপ পানি ফুটিয়ে তাতে এক চামচ কাঁচা হলুদ বাটা যোগ করে আবার পানি ফোটাতে থাকুন। পানি ফুটে এক কাপের মতো হয়ে এলে তা ছেঁকে নিন। এবার ছাঁকা চায়ে এক চামচ মধু ও কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে নিন। ঘুমাতে যাওয়ার আধ ঘণ্টা আগে এই পানীয় পান করলে নাক ডাকার সমস্যা কমবে খুব দ্রুত।
২. আপেল ও গাজর- এই দুটি উপাদানই শ্বাসজনিত সমস্যা কাটায় অনেকটাই। ২টি আপেল ও ২টি গাজর মিহি করে বেটে নিন। এবার তাতে কিছুটা লেবুর রস ও আদার রস মিশিয়ে নিন। লেবু ও আদা প্রাকৃতিক অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল। এবার এই মিশ্রণ পানির সঙ্গে মিশিয়ে ছেঁকে নিন। দিনের যেকোনো সময় খালি পেটে এই পানীয় প্রতিদিন খেলে নাক ডাকার সমস্যা দূর হবে সহজেই।


   Page 1 of 8
     লাইফস্টাইল
কোমর ব্যথা তৈরি করে যে ৫টি অভ্যাস
.............................................................................................
কিডনি সুস্থ রাখতে যা খাবেন, যা খাবেন না
.............................................................................................
শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় চিরতা
.............................................................................................
গোলমরিচের যত গুণাগুণ!
.............................................................................................
ত্বক ফর্সা করুন ৫ উপায়ে
.............................................................................................
চুল পড়া বন্ধে যা করবেন
.............................................................................................
যে ৫ কারণে স্ট্রবেরি খাবেন
.............................................................................................
ত্বক ভালো রাখতে ফলের রস
.............................................................................................
দাঁড়িয়ে পানি পান স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ায়
.............................................................................................
ফাগুনের সাজ
.............................................................................................
ঘরোয়া উপায়ে আঁচিল দূর করুন
.............................................................................................
সকালে খালি পেটে পানি পানের সুফল
.............................................................................................
খেজুরের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা
.............................................................................................
মিষ্টি খেলেই ডায়াবেটিস নয়!
.............................................................................................
জেনে নিন হলুদের উপকারিতা
.............................................................................................
নাক ডাকার সমস্যা দূর করবে যে পানীয়
.............................................................................................
বালিশের নিচে রসুন রাখলে কী হয়?
.............................................................................................
নতুন বছরে সম্পর্কে আনুন নতুনত্ব
.............................................................................................
‘নারী-পুরুষের সম্মতির ভিত্তিতে শারীরিক সম্পর্ক ধর্ষণ নয়’
.............................................................................................
‘মাইক্রো চিটিং’ করছে না তো প্রিয় মানুষটি !
.............................................................................................
চাকরি যেভাবে ত্বকের বয়স বৃদ্ধির কারণ
.............................................................................................
তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছলে যেসব ক্ষতি হয়
.............................................................................................
দাম্পত্য জীবন সুন্দর রাখার উপায়
.............................................................................................
শীতেও থাকুন ফ্যাশনেবল
.............................................................................................
শিশুর যত সুন্দর নাম
.............................................................................................
সারাদিন ক্লান্তিহীন থাকতে যা করবেন
.............................................................................................
যে গুণগুলো থাকা জরুরি সেরা স্বামী হতে চাইলে
.............................................................................................
অল্প খরচেই স্ট্রেট চুল পেতে যা করবেন
.............................................................................................
বিশ্বজুড়ে দম্পতিদের যৌনতায় আকর্ষণ কমছে
.............................................................................................
প্রিয় মানুষটি ‘মাইক্রো চিটিং’ করছে না তো!
.............................................................................................
হাতের লেখাই বলে দেবে আপনি কেমন মানুষ!
.............................................................................................
শিশু দেখলেই আদর করা ব্যক্তিরা কম আবেগী
.............................................................................................
মানুষ কেন প্রেমে পড়ে
.............................................................................................
বিয়ের আগেই বড় ধাক্কা খেলেন রাখি
.............................................................................................
হালকা মেকআপেই গর্জিয়াস হতে চাইলে
.............................................................................................
প্রেমে প্রত্যাখ্যাত হলে কী করবেন
.............................................................................................
জেনে নিন আপনি কেমন ব্যক্তিত্বের মানুষ
.............................................................................................
যেভাবে দূর করবেন স্বামীর সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি
.............................................................................................
প্রেম না ভ্রম? যেভাবে বুঝবেন
.............................................................................................
প্রেম না ভ্রম? যেভাবে বুঝবেন
.............................................................................................
আলিঙ্গনে কমবে রাগ
.............................................................................................
নিজেকে একা লাগলে জেনে নিন সমাধান
.............................................................................................
প্রতারণা করেছে স্বামী? এখন কী করবেন?
.............................................................................................
শাহরুখ-কাজলের স্থানে টাইগার-আলিয়া
.............................................................................................
প্রেমে খরচ কমাবেন যেভাবে
.............................................................................................
জেনে নিন বিয়ের ক্ষেত্রে বিপদসংকেত কোনগুলো!
.............................................................................................
এই দুষ্টু প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে কী আপনার সঙ্গী?
.............................................................................................
মোজায় দুর্গন্ধ হলে কী করবেন?
.............................................................................................
কোষ্ঠকাঠিন্যে প্রাকৃতিক চিকিৎসা
.............................................................................................
ঘুমোতে যাওয়ার করনীয়
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]