| |
| জাতীয় প্রেস ক্লাবে কাদের গনি ও রনির স্বেচ্ছাচারিতা, সাবেক সম্পাদক ইলিয়াস খানের সদস্যপদ স্থগিত |
| |
|
|
|
|
|
|
|
| |
| |
|
| |
| |
| বিশেষ প্রতিবেদক: ৫ আগস্টের পট পরিবর্তনের পর কাদের গনি চৌধুরীও বিএনপির নাম ভাঙিয়ে প্রেস ক্লাবের প্রভাবশালী একজন সাংবাদিক নেতা বনে গিয়েছেন কাদের গনি ও জাহিদুল ইসলাম রনি। অথচ ফ্যাসিস্ট হাসিনার শাসনামলের সময় কাদের গনি চৌধুরীর সহায়তার ফলেই শ্যামল দত্তের মতো আওয়ামী দুর্বৃত্তরা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হতে পেরেছিলো। আগামী ডিসেম্বরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক পদে সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রার্থী প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান। ২০২১-২২ সালে পুরো বাংলাদেশে তিনি ছিলেন বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী একমাত্র নির্বাচিত প্রতিনিধি। হাসিনার ফ্যাসিস্ট শাসনের দিনগুলোতে বিএনপিসহ জাতীয়তাবাদী শক্তির সভা সমাবেশ করার একমাত্র জায়গা ছিল প্রেস ক্লাব। কিন্তু পরবর্তী নির্বাচনে পুরো রাষ্ট্রযন্ত্র; বিশেষ করে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা “র” মিলে মাত্র ১২ ভোটে ইলিয়াস খানকে ষড়যন্ত্র করে হারিয়ে দেয়। বিপুল অংকের টাকা ঘুষ খেয়ে ওই নির্বাচনে কাদের গনি গং শ্যামল দত্তকে বিজয়ী করতে কাজ করে। স্বৈরাচারের বিদায়ের পর প্রেস ক্লাবের চরিত্র এখনো বদলায়নি। আগমী ডিসেম্বরে প্রেস ক্লাবের নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে এই কাদের গনি-এবং জাহিদুল ইসলাম রনি মিলে প্যানেল দিতে চায়। নির্বাচনের কথা বলে ইতোমধ্যে তারা চাঁদাবাজি শুরু করেছে। যারাই তাদের চাঁদাবাজিতে বাধা, তাদের বিরুদ্ধেই তারা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তারা ইলিয়াস খানসহ ছয়জন সাংবাদিকের সদস্যপদ স্থগিত করেছে। ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ এবং সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়ার স্বাক্ষর করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থার কথা জানানো হয়। এই সিদ্ধান্তের পর বর্তমান ক্লাব নেতৃত্বের বিরুদ্ধে স্বৈরাচারী আচরণ, রাজনৈতিক ভোল পাল্টানো এবং আর্থিক অনিয়মের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে একজন সুবিধাভোগী ছিলেন এবং বিশেষ কোটায় প্লটসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করেছিলেন। আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তিনি তার অবস্থান পরিবর্তন করেছেন এবং বর্তমানে ক্লাবে স্বৈরাচারী ভূমিকা পালন করছেন। এর পাশাপাশি, বর্তমান নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে সদস্যপদ বিক্রি এবং উদ্দেশ্যমূলকভাবে ভিন্নমতাবলম্বী ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের সদস্যপদ বাতিল বা স্থগিত করার অভিযোগও উঠেছে। একটি সূত্রের দাবি, এ পর্যন্ত শতাধিক সাংবাদিকের সদস্যপদ বাতিল করা হয়েছে। এই চক্রের যাবতীয় অপকর্মের একমাত্র বাধা সিনিয়র সাংবাদিক ইলিয়াস খান। সাংবাদিক নেতা হিসেবে তিনি ভীষণ জনপ্রিয়। গত সাড়ে ১৫ বছর তিনি টিভি টকশো, সভা সেমিনারে আওয়ামী লীগের ফ্যাসিস্ট শাসনের বিরুদ্ধে উচ্চকন্ঠ ছিলেন। ইলিয়াস খানকে ঠেকাতে মিথ্যা অভিযোগে তার সদস্যপদ স্থগিত করেছে কাদের গনি এবং জাহিদুল ইসলাম রনির সিন্ডিকেট। এ নিয়ে ক্লাবের সাধারন সদস্যদের মধ্যেও তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। কাদের গনি চৌধুরী এবং জাহিদুল ইসলাম রনির দুর্বৃত্ত চক্র বিএনপি এবং তারেক রহমানের নামকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে। তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাংবাদিকবৃন্দ।
|
| |
|
|
|