| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * লকডাউনে বিয়ে: ইউএনও`র আগমনে খাবার রেখেই পালালো বরযাত্রী   * বার্সেলোনার সঙ্গে নেইমারের নতুন চুক্তি   * বগুড়ায় করোনায় নার্সের মৃত্যু   * একদিনে সর্বোচ্চ ১২৩ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি   * চট্টগ্রামে বিধিনিষেধ অমান্য করায় ২১৮ মামলা, জরিমানা লাখ টাকা   * জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের মার্কেটে আগুন   * তিউনিসে আল-জাজিরার ব্যুরো অফিসে অভিযান   * স্বজনের লাশ দেখতে গিয়ে সড়কে ঝরল নারীর প্রাণ   * কক্সবাজারের ঈদগাঁও-কে নতুন উপজেলা ঘোষনা   * করোনায় করণীয় নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক বসছে  

   আইন শৃঙ্খলা -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
এলএস ডি শনাক্তে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

অনলাইন ডেস্ক: মাইক্রোগ্রামে (১ গ্রামের ১০ লাখ ভাগের এক ভাগ) ব্যবহার হওয়া ভয়ংকর মাদক এলএসডি শনাক্তে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে যে কোনো মূল্যে এ মাদকের মূলোৎপাটন করতে বদ্ধপরিকর তারা। এজন্য দফায় দফায় বৈঠক করছেন বাহিনীর কর্মকর্তারা। বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি। ইতোমধ্যে নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে অর্ধশতাধিক সেবনকারী ও সরবরাহকারীকে। পাশাপাশি বেচাকেনায় ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ডার্ক ওয়েব ও কুরিয়ার সার্ভিসেও চোখ রয়েছে। এ মাদক শনাক্তে ডগ স্কোয়াড প্রস্তুত করবে এলিট ফোর্স র‌্যাব। ঢাকার অভিজাত এলাকাসহ সন্দেহভাজন এলাকাগুলোতে তৎপরতা বাড়িয়েছে পুলিশ। আর বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়কে ‘অ্যালার্ট’ থাকতে বলেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এমন তৎপরতার মধ্যে রোববার ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে এলএসডিসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে খিলগাঁও থানা পুলিশ।

মাদকদ্রব্য উদ্ধার সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ২০১৯ সালে দেশে প্রথমবারের মতো এলএসডি মাদক শনাক্ত হলেও তখন এটি নিয়ে সেভাবে আলোচনা হয়নি। কিন্তু এবার এলএসডি সেবন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্টরা নড়েচড়ে বসেছেন। শুরুতেই এলএসডিকে সমূলে শেষ করতে কাজ করছেন তারা। যেহেতু এ মাদক গ্রহণকারীদের অধিকাংশই ধনী পরিবারের সন্তান তাই তাদের কীভাবে নজরদারির আওতায় আনা যায় সেটা নিয়ে চলছে আলাপ-আলোচনা। রোববার এ মাদক সেবনের পর গুলশানে একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রীর সন্তান গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। একটি সংস্থার মাদক নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত এক বৈঠকে এ বিষয়টিও উঠে আসে। সাধারণত সড়কে দামি গাড়িগুলো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তল্লাশির আওতায় কম আসে। এক্ষেত্রে কী করা যায়- তা নিয়েও আলোচনা চলছে।

জানতে চাইলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আহসানুল জব্বার বলেন, এ মাদকটি মাইক্রো লেভেলে আসছে। এটা যদি ইয়াবার মতো হতো বা অন্যান্য মাদকের বড় সাইজে বড় হতো তাহলে শনাক্ত করা সহজ হতো। এখন এটা শনাক্ত করা নতুন চ্যালেঞ্জ আমাদের জন্য। হয়তো এটার জন্য নতুন ইনস্ট্রুমেন্ট লাগবে। আমরা ডগ স্কোয়াডের কথা বলেছি। তিনি বলেন, ভয়ংকর এ মাদক নিয়ন্ত্রণে আমরা অত্যন্ত সতর্ক অবস্থানে আছি। বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়কে অ্যালার্ট থাকতে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে আজকেও (রোববার) মিটিং করে টেলিফোনে সবাইকে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, কোনোভাবেই এ মাদককে ইয়াবার মতো বিস্তৃত হতে দেওয়া হবে না। এজন্য সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে থাকবেন তারা। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম বলেন, আমরা শুরুতেই বড় ধাক্কা দিতে চাই। কারণ যে কোনো মাদকের শুরুতেই বড় ধরনের ধাক্কা দিতে হবে- যাতে গ্রহণকারী, বিক্রয়কারী কেউ আর এটা নিয়ে চিন্তাও করতে না পারে। শুরুতেই ক্র্যাশ করতে না পারলে, একবার রাস্তা ওপেন হয়ে যায় এবং বিপণন সিস্টেম চালু হয়ে যায় তাহলে নিয়ন্ত্রণ খুবই কঠিন। শুরুতেই সিস্টেম ভেঙে দেওয়া গেলে বিপণন বন্ধ হয়ে যাবে। আমরা সেই বড় ধাক্কাটাই দিতে চাই। গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে আশা করছি সেটা করতে পারব। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে আরও দুটো চক্র নিয়ে কাজ চলছে। এর গ্রহণকারীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। আমরা অনেক তথ্য পেয়েছি। এখন কাজ চলছে মূল চক্রটিকে ধরার।

অনলাইনে বিশেষ নজরদারির পাশাপাশি নতুন মাদকটির ধরন বিবেচনায় নিয়ে কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করছে র‌্যাব। এ নিয়ে কয়েক দফা বৈঠকও হয়েছে সংস্থাটির বিভিন্ন পর্যায়ে। র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, করোনার এ সময়ে মাদক বেচাকেনায় অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো বেশি ব্যবহার হচ্ছে। ভয়ংকর এলএসডির ক্ষেত্রেও সেটিই দেখা যাচ্ছে। আমরা এর সরবরাহকারী ও গ্রহণকারীদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করছি। বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা তৎপরতা। যেহেতু এ মাদকটি এখনো সেভাবে পরিচিত নয় এবং এর ব্যবহার ও ধরনে কিছুটা ভিন্নতা দেখা যাচ্ছে, তাই এর মূলোৎপাটনেও কিছু নতুন চ্যালেঞ্জ আছে। আমরা এক্ষেত্রে ডগ স্কোয়াডকে প্রস্তুত করব। যাতে এটি সহজেই শনাক্ত করা যায়। পাশাপাশি অনলাইনেও চলবে নজরদারি।

উচ্চবিত্ত পরিবারগুলোর সন্তাদের বিশেষ নজরদারির আওতায় আনা হবে কিনা এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এই মাদক নিয়ন্ত্রণের জন্য যা যা করণীয় সবই করব।

তিন শিক্ষার্থীর ৫ দিনের রিমান্ড : এদিকে রাজধানীর একটি বাসা থেকে এলএসডি (লাইসার্জিক অ্যাসিড ডাইথ্যালামাইড) মাদক জব্দের মামলায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থীর ৫ দিন করে রিমান্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বাকী বিল্লাহর ভার্চুয়াল আদালত রিমান্ডের এ আদেশ দেন। রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন- নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাদমান সাকিব (রূপল) ও আসহাব ওয়াদুদ (তুর্য) ও ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী আদিন আশরাফ।

২৭ মে ধানমন্ডি থানায় করা এ মামলায় তিন আসামির ৭ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সালাহউদ্দিন কাদের। ওইদিন আদালত আসামিদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়ে রোববার রিমান্ড শুনানির জন্য ধার্য করেন। আদালতে এদিন আসামিদের হাজির করা হয়নি। কারাগার থেকে তাদের ভার্চুয়ালি উপস্থিত দেখানো হয়। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে এর বিরোধিতা করা হয়। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত রিমান্ড আদেশ দেন।

ডিবি বলছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের ছাত্র হাফিজুর রহমানের মৃত্যুর ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে তারা এলএসডি মাদকের সন্ধান পান। ২৬ মে রাতে রাজধানীর একটি বাসা থেকে এলএসডি জব্দ করে ডিবি পুলিশ। এরপর এলএসডি বিক্রির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তিন শিক্ষার্থীকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছে পাওয়া যায় ২০০ পিস এলএসডি।

সূত্র: যুগান্তর

এলএস ডি শনাক্তে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
                                  

অনলাইন ডেস্ক: মাইক্রোগ্রামে (১ গ্রামের ১০ লাখ ভাগের এক ভাগ) ব্যবহার হওয়া ভয়ংকর মাদক এলএসডি শনাক্তে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে যে কোনো মূল্যে এ মাদকের মূলোৎপাটন করতে বদ্ধপরিকর তারা। এজন্য দফায় দফায় বৈঠক করছেন বাহিনীর কর্মকর্তারা। বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি। ইতোমধ্যে নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে অর্ধশতাধিক সেবনকারী ও সরবরাহকারীকে। পাশাপাশি বেচাকেনায় ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ডার্ক ওয়েব ও কুরিয়ার সার্ভিসেও চোখ রয়েছে। এ মাদক শনাক্তে ডগ স্কোয়াড প্রস্তুত করবে এলিট ফোর্স র‌্যাব। ঢাকার অভিজাত এলাকাসহ সন্দেহভাজন এলাকাগুলোতে তৎপরতা বাড়িয়েছে পুলিশ। আর বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়কে ‘অ্যালার্ট’ থাকতে বলেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এমন তৎপরতার মধ্যে রোববার ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে এলএসডিসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে খিলগাঁও থানা পুলিশ।

মাদকদ্রব্য উদ্ধার সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ২০১৯ সালে দেশে প্রথমবারের মতো এলএসডি মাদক শনাক্ত হলেও তখন এটি নিয়ে সেভাবে আলোচনা হয়নি। কিন্তু এবার এলএসডি সেবন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্টরা নড়েচড়ে বসেছেন। শুরুতেই এলএসডিকে সমূলে শেষ করতে কাজ করছেন তারা। যেহেতু এ মাদক গ্রহণকারীদের অধিকাংশই ধনী পরিবারের সন্তান তাই তাদের কীভাবে নজরদারির আওতায় আনা যায় সেটা নিয়ে চলছে আলাপ-আলোচনা। রোববার এ মাদক সেবনের পর গুলশানে একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রীর সন্তান গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। একটি সংস্থার মাদক নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত এক বৈঠকে এ বিষয়টিও উঠে আসে। সাধারণত সড়কে দামি গাড়িগুলো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তল্লাশির আওতায় কম আসে। এক্ষেত্রে কী করা যায়- তা নিয়েও আলোচনা চলছে।

জানতে চাইলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আহসানুল জব্বার বলেন, এ মাদকটি মাইক্রো লেভেলে আসছে। এটা যদি ইয়াবার মতো হতো বা অন্যান্য মাদকের বড় সাইজে বড় হতো তাহলে শনাক্ত করা সহজ হতো। এখন এটা শনাক্ত করা নতুন চ্যালেঞ্জ আমাদের জন্য। হয়তো এটার জন্য নতুন ইনস্ট্রুমেন্ট লাগবে। আমরা ডগ স্কোয়াডের কথা বলেছি। তিনি বলেন, ভয়ংকর এ মাদক নিয়ন্ত্রণে আমরা অত্যন্ত সতর্ক অবস্থানে আছি। বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়কে অ্যালার্ট থাকতে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে আজকেও (রোববার) মিটিং করে টেলিফোনে সবাইকে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, কোনোভাবেই এ মাদককে ইয়াবার মতো বিস্তৃত হতে দেওয়া হবে না। এজন্য সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে থাকবেন তারা। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম বলেন, আমরা শুরুতেই বড় ধাক্কা দিতে চাই। কারণ যে কোনো মাদকের শুরুতেই বড় ধরনের ধাক্কা দিতে হবে- যাতে গ্রহণকারী, বিক্রয়কারী কেউ আর এটা নিয়ে চিন্তাও করতে না পারে। শুরুতেই ক্র্যাশ করতে না পারলে, একবার রাস্তা ওপেন হয়ে যায় এবং বিপণন সিস্টেম চালু হয়ে যায় তাহলে নিয়ন্ত্রণ খুবই কঠিন। শুরুতেই সিস্টেম ভেঙে দেওয়া গেলে বিপণন বন্ধ হয়ে যাবে। আমরা সেই বড় ধাক্কাটাই দিতে চাই। গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে আশা করছি সেটা করতে পারব। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে আরও দুটো চক্র নিয়ে কাজ চলছে। এর গ্রহণকারীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। আমরা অনেক তথ্য পেয়েছি। এখন কাজ চলছে মূল চক্রটিকে ধরার।

অনলাইনে বিশেষ নজরদারির পাশাপাশি নতুন মাদকটির ধরন বিবেচনায় নিয়ে কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করছে র‌্যাব। এ নিয়ে কয়েক দফা বৈঠকও হয়েছে সংস্থাটির বিভিন্ন পর্যায়ে। র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, করোনার এ সময়ে মাদক বেচাকেনায় অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো বেশি ব্যবহার হচ্ছে। ভয়ংকর এলএসডির ক্ষেত্রেও সেটিই দেখা যাচ্ছে। আমরা এর সরবরাহকারী ও গ্রহণকারীদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করছি। বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা তৎপরতা। যেহেতু এ মাদকটি এখনো সেভাবে পরিচিত নয় এবং এর ব্যবহার ও ধরনে কিছুটা ভিন্নতা দেখা যাচ্ছে, তাই এর মূলোৎপাটনেও কিছু নতুন চ্যালেঞ্জ আছে। আমরা এক্ষেত্রে ডগ স্কোয়াডকে প্রস্তুত করব। যাতে এটি সহজেই শনাক্ত করা যায়। পাশাপাশি অনলাইনেও চলবে নজরদারি।

উচ্চবিত্ত পরিবারগুলোর সন্তাদের বিশেষ নজরদারির আওতায় আনা হবে কিনা এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এই মাদক নিয়ন্ত্রণের জন্য যা যা করণীয় সবই করব।

তিন শিক্ষার্থীর ৫ দিনের রিমান্ড : এদিকে রাজধানীর একটি বাসা থেকে এলএসডি (লাইসার্জিক অ্যাসিড ডাইথ্যালামাইড) মাদক জব্দের মামলায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থীর ৫ দিন করে রিমান্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বাকী বিল্লাহর ভার্চুয়াল আদালত রিমান্ডের এ আদেশ দেন। রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন- নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাদমান সাকিব (রূপল) ও আসহাব ওয়াদুদ (তুর্য) ও ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী আদিন আশরাফ।

২৭ মে ধানমন্ডি থানায় করা এ মামলায় তিন আসামির ৭ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সালাহউদ্দিন কাদের। ওইদিন আদালত আসামিদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়ে রোববার রিমান্ড শুনানির জন্য ধার্য করেন। আদালতে এদিন আসামিদের হাজির করা হয়নি। কারাগার থেকে তাদের ভার্চুয়ালি উপস্থিত দেখানো হয়। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে এর বিরোধিতা করা হয়। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত রিমান্ড আদেশ দেন।

ডিবি বলছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের ছাত্র হাফিজুর রহমানের মৃত্যুর ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে তারা এলএসডি মাদকের সন্ধান পান। ২৬ মে রাতে রাজধানীর একটি বাসা থেকে এলএসডি জব্দ করে ডিবি পুলিশ। এরপর এলএসডি বিক্রির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তিন শিক্ষার্থীকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছে পাওয়া যায় ২০০ পিস এলএসডি।

সূত্র: যুগান্তর

আলোচিত শাবাব-মাহি হত্যার চার বছর পর আসামি গ্রেপ্তার
                                  

অনলাইন ডেস্ক: মৌলভীবাজারে ২০১৭ সালের ৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় শাবাব ও মাহিকে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্রাবাস এলাকায় ডেকে নিয়ে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়। আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের আসামি ফাহিম মুনতাসির (২১)কে চার বছর পর গ্ৰেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

শনিবার (২২ মে) দিবাগত রাতে হবিগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ তথ্য জানিয়েছেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এর পুলিশ সুপার মো. আবু ইউসুফ।

তিনি বলেন, চার্জশিট থেকে আসামিকে বাদ দেওয়ায় মামলা বাদিনী আদালতে নারাজি জানিয়েছেন। আমরা তদন্ত করে উপযুক্ত তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করেছি। মামলার তদন্তের জন্য পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। পুলিশ আদালতে তার রিমান্ড চাইবে। অচিরেই মামলাটির পুলিশি প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়া হবে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় শাবাব ও মাহিকে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্রাবাস এলাকায় ডাকা হয়। সেখানে শাবাব ও মাহিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। এ সময় ঘটনাস্থলে থাকা শাবাব-মাহির বন্ধুরা ও পথচারীরা গুরুতর অবস্থায় তাদের মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালে পৌঁছালে চিকিৎসক তাদের মৃত বলে ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহত শাবাবের মা সেলিনা রহমান চৌধুরী মৌলভীবাজার মডেল থানায় ১২ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ জানায়, লোমহর্ষক এ হত্যাকাণ্ডের দীর্ঘ ১ বছর পর আদালতে চার্জশিট দায়ের করেন মডেল থানার তৎকালীন ওসি সোহেল আহাম্মদ। তিনি তুষারসহ ১০ জনকে আসামি করে চার্জশিট জমা দেন। কিন্তু বাকী আসামিকে চার্জশিটের অন্তর্ভুক্ত না করায় বাদীর নারাজির প্রেক্ষিতে মামলা পিবিআইতে প্রেরণ করেন আদালত।

সূত্র : সিলেট মিরর

ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি, মাদ্রাসাছাত্র গ্রেফতার
                                  

অনলাইন ডেস্ক: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করায় তথ্যপ্রযুক্তি আইনে শেখ রাসেল (১৯) নামে এক মাদ্রাসার ছাত্রকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৮ মে) ভোরে তাকে গ্রেপ্তারের পর দুপুর ১২টার দিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আটক রাসেল বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার বারাশিয়া গ্রামের শেখ বেল্লাল হেসেনের ছেলে। তিনি গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়া উপজেলার বাশঁবাড়িয়া কওমী মাদ্রাসার সাত জামাতের শিক্ষার্থী।

চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএইচএম কামরুজ্জামান বলেন, গত ১৭ মে শেখ রাসেল নামে একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ছবি দিয়ে ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য প্রকাশ ও প্রচার করে। এ ঘটনায় চিতলমারী উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি হায়দার আলী শেখ বাদী হয়ে সোমবার (১৭ মে) রাতে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর আসামি শেখ রাসেলকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কোয়ারেন্টিনে থাকা তরুণীকে ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত এএসআই বরখাস্ত
                                  

অনলাইন ডেস্কঃ খুলনায় কোয়ারেন্টিনে থাকা ভারতফেরত তরুণীকে ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত মহানগর পুলিশের এএসআই মোকলেছুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার জাহাঙ্গীর আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি এক প্রেস বার্তায় জানান, গত ১৩ মে রাত ১২টা থেকে ১৪ মে সকাল ৮টা পর্যন্ত খুলনা মহানগরীর খুলনা থানাধীন পিটিআই মোড়স্থ প্রাইমারি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (পিটিআই) মহিলা হোস্টেলে ভারত ফেরত বাংলাদেশি নাগরিকদের ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনের ব্যবস্থা করা হয়। অস্থায়ী প্রাতিষ্ঠানিক এ কোয়ারেন্টিনে নিরাপত্তার ডিউটিতে ছিলেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগে কর্মরত এএসআই মোকলেছুর রহমান। ডিউটিতে থাকাকালীন এএসআই মোকলেছুর রহমান নিচতলা থেকে দ্বিতীয়তলায় উঠে কোয়ারেন্টিনে থাকা তরুণীর (২২) কক্ষে ঢুকে তাকে ধর্ষণ করে।

পরদিন এএসআই মোকলেছুর আবারও তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় ভিকটিম তরুণী চিৎকার করলে মোকলেছুর চলে যায়। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে এলে সত্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রাথমিক অনুসন্ধান করা হয়। অনুসন্ধানকালে ঘটনার সত্যতা মিলেছে। ফলে মোকলেছুরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

বাদীর লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে খুলনা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করা হয়। ওই মামলায় এএসআই মোকলেছুরকে গ্রেফতারপূর্বক আদালতে প্রেরণ করা হয়। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন।

সাংবাদিক রোজিনাকে ৫ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ
                                  

অনলাইন ডেস্ক: স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিবের একান্ত সচিবের কক্ষ থেকে নথিপত্রের তথ্য চুরির অভিযোগে হওয়া মামলায় দৈনিক প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামকে পাঁচ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ।

আজ মঙ্গলবার (১৮ মে) সকালে আদালতের নিবন্ধন শাখা থেকে এতথ্য জানা গেছে।

এর আগে আজ সকাল ৮টার দিকে রাজধানীর শাহবাগ থানা থেকে পুরান ঢাকার সিএমএম আদালতে নেওয়া হয় প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামকে। রোজিনার স্বামী মনিরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রোজিনাকে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।

গতকাল সোমবার (১৭ মে) সচিবালয়ে পাঁচ ঘণ্টার বেশি সময় আটকে রেখে দৈনিক প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামকে শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করা হয়। রাত সাড়ে ৮টার পর শাহবাগ থানা পুলিশের একটি দল সচিবালয় থেকে নিয়ে যায় তাঁকে।

পুলিশ জানায়, সোমবার স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিবের একান্ত সচিবের কক্ষ থেকে মোবাইল ফোনে ছবি তুলে এবং শরীরে লুকিয়ে নথিপত্রের তথ্য চুরি অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে অফিশিয়াল সিক্রেসি অ্যাক্টের ৩ ও ৫ ধারায় মামলা হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপসচিব শিব্বির আহমেদ ওসমানী বাদী হয়ে মামলাটি করেন। রাতে পুলিশ হেফাজতে রোজিনা ইসলামকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

রোজিনা ইসলামের সহকর্মী ও স্বজনরা বলছেন, দুর্নীতি নিয়ে রিপোর্ট করার কারণে পরিকল্পিতভাবে তাঁকে হয়রানি করা হচ্ছে। গতকালই কভিড ভ্যাক্সিন নেওয়া রোজিনাকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হয়েছে। আটকের পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে আটকের প্রতিবাদে গতকাল রাতে শাহবাগ থানার ওসির কক্ষের সামনে অবস্থান নেন সহকর্মী-স্বজনরা। তাঁরা সেখানে স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ করেন।

সাংবাদিক সংগঠনের নেতা ও মানবাধিকার সংগঠনের নেতারা এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে রোজিনা ইসলামের মুক্তির দাবি করেছেন।

সূত্র : কালের কণ্ঠ

বাংলাদেশে বিশেষ অভিযান চালাবে ইন্টারপোল
                                  

অনলাইন ডেস্ক: আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ, মাদক চোরাচালান ও মানবপাচারে জড়িতদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণে বাংলাদেশে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করবে পুলিশের আন্তর্জাতিক সংস্থা- ইন্টারপোল। করোনা ভাইরাসের প্রকোপ হ্রাস পেলে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরে এই অভিযান পরিচালনার কথা রয়েছে। এর আগে এ বছর জুলাই মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে ইন্টারপোলের ইন্টিগ্রেটেড বর্ডার ম্যানেজমেন্ট টাস্কফোর্সের (আইবিএমটিএফ) প্রতিনিধি দল দেশের আন্তর্জাতিক ওই দুই বন্দর পরিদর্শন করবে।

আইবিএমটিএফের সমন্বয়কের পক্ষ থেকে গত ২২ এপ্রিল ইন্টারপোলের বাংলাদেশ শাখা অফিসে (এনসিবি) একটি চিঠি পাঠানো হয়। এনসিবি বলছে, বাংলাদেশের বিমানবন্দর এবং সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক অপরাধীরা কীভাবে অন্য দেশে যাতায়াত করছে, মানবপাচার কিংবা অবৈধ পণ্য পরিবহন হচ্ছে সেসব বিষয় শনাক্তসহ সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণ হবে অভিযানের মূল কাজ। এ নিয়ে পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশ, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক), চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ নিজেদের মধ্য আলোচনা করবে।

আইবিএমটিএফের চিঠিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধী গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগদানে বাংলাদেশ থেকে নারী-পুরুষরা সংঘাতময় অঞ্চলে গমন করছে। নারী-শিশু পাচারসহ পাচারকারীরা নিজ দেশে অবাধে যাতায়াত করছে। বৈশ্বিক ক্রসবর্ডারের সুবিধা নিয়ে চোরাচালানি এবং পাচারকারীরা কার্গো ফ্লাইটে অবৈধ পণ্য এক দেশ থেকে অন্য দেশে পাচার এবং অবৈধ উপায়ে অভিবাসন প্রত্যাশীরা বিদেশ গমনে মরিয়া।

বাংলাদেশকে উদ্দেশ করে ইন্টারপোলের চিঠিতে আরও বলা হয়, বিচারের মুখোমুখি না হয়ে অপরাধীরা বিভিন্ন দেশে পলায়ন করছে। সমন্বিত সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাধ্যমেই কেবল আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ দমন এবং আন্তঃদেশীয় অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব। এজন্য পরস্পর সহযোগিতার মাধ্যমে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সীমান্ত বা বর্ডার পয়েন্টগুলোয় নিরাপত্তাবিষয়ক প্রশিক্ষণ দিতে চায় আইবিএমটিএফ। জাপান সরকার এই প্রকল্পে অর্থায়ন করবে।

ইতোমধ্যে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া এবং ফিলিপাইনে ইন্টারপোলের নেতৃত্বে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। ফিলিপাইনে ২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট হিসেবে রুদ্রিগো দুতেতে ক্ষমতা গ্রহণের পর মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঘোষণা করেন। এরপর আন্তর্জাতিক মাদক চোরাচালান, মানবপাচারসহ নানা অভিযোগে ২০১৮ সালের ২৩ এপ্রিল থেকে ১৫ মে পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়া, মিয়ানমার এবং ফিলিপাইনে অভিযান চালায় ইন্টারপোল। ওই তিন দেশে অভিযানকালে পুলিশ এবং ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ২১ লাখেরও বেশি ডাটা সংগ্রহ করে ইন্টারপোল।

এসব ডাটা যাচাই করে ১৪৮টি গুরুত্বপূর্ণ হুমকি শনাক্ত করা হয়, যার মধ্যে ইন্টারপোল ঘোষিত ৪৯ জন আন্তর্জাতিক মোস্ট ওয়ানটেড অপরাধীর তথ্যও ছিল। এ সময় চারজন পলাতক অপরাধী ইন্টারপোলের হাতে গ্রেপ্তার হয়, যারা হত্যা ও প্রতারণায় মামলায় সাজাপ্রাপ্ত।

সংশ্লিষ্টরা বলছে, বাংলাদেশের বিমানবন্দর ব্যবহার করেও বিভিন্ন অপরাধীরা যাতায়াতের তথ্য আছে ইন্টারপোলের কাছে। ইতোমধ্যে দুবাই-লিবিয়াভিত্তিক কয়েকজন মানবপাচারকারী গ্রেপ্তারের পর সেই তথ্য উঠে আসে।

বাংলাদেশ পুলিশের এনসিবি শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত এআইজি মহিউল ইসলাম বলেন, ইন্টারপোল মূলত ইমিগ্রেশন পয়েন্টে এসে ডাটা যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে শনাক্ত করে যে, কীভাবে অপরাধীরা যাতায়াত করে। অভিযানের আগে তাদের একটি কমিটি দুটি বন্দর পরিদর্শন করতে চাচ্ছে। এর আগে আমরা সংশ্লিষ্ট সবকটি সংস্থা হোম ওয়ার্ক করে মতামত গ্রহণ করব, কীভাবে তাদের সহায়তা করা যায়।

এদিকে ইন্টারপোলের চিঠি অনুযায়ী, তারা প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বা অপরাধপ্রবণ এলাকা টার্গেট করে। যার মূল লক্ষ্য ‘ফরেন টেররিজম ফাইটার্স’রা (এফটিএফ) কীভাবে বাংলাদেশের স্থল, নৌ, আকাশপথের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় যাতায়াত করছে।

সূত্র : আমাদের সময়

মুনিয়ার বোন নুসরাতের বিরুদ্ধেই বহু অভিযোগ
                                  

অনলাইন ডেস্ক: গুলশানের ফ্ল্যাটে মারা গেছেন মুনিয়া। তার মৃত্যুর পর তার বোন নুসরাত তানিয়া গুলশান থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছেন। এই অপমৃত্যু মামলা তদন্ত করছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা মামলার তদন্ত শেষ পর্যায়ে নিয়ে এসেছেন। কিন্তু এই মামলা তদন্ত করতে যেয়ে তাদের নতুন ধরনের অভিজ্ঞতা হচ্ছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। তারা এই মামলার বাদী নুসরাতের বিরুদ্ধেই বহু অভিযোগ পাচ্ছেন। টেলিফোনে এবং বিভিন্নভাবে নুসরাতের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীদেরকে ব্ল্যাকমেইল করা, ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়া সহ নানারকম প্রতারণার অভিযোগ আসছে। আর এই সব অভিযোগগুলোর কারণেই এই মামলার তদন্তে সময় লাগছে।

যে মামলাটি করা হয়েছে সেটি উদ্দেশ্য প্রণোদিত মামলা নাকি সত্যিকারের মামলা এটি এখন তদন্তের অন্যতম মূল উপজীব্য বিষয় হয়েছে। যদি শেষ পর্যন্ত প্রমাণিত হয় যে নুসরাত কোন কিছু প্রাপ্তির আশায় কারো দ্বারা প্ররোচিত হয়ে এই আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলাটি করেছেন তাহলে শেষ পর্যন্ত নুসরাতের বিরুদ্ধেই পাল্টা মামলা হতে পারে। কারণ কাউকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য বা কারো ক্ষতি সাধনের জন্য উদ্দেশ্য প্রণোদিত মামলা ফৌজদারি কার্যবিধিতে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

এই ২৬শে এপ্রিলের পর থেকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে নুসরাত এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন রকম অভিযোগ আসছে। এই অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে- প্রথমত, বহু ব্যবসায়ীকে ব্ল্যাকমেইলিং করা। মুনিয়া দীর্ঘদিন ঢাকায় থাকতেন এবং তার অভিভাবক হিসেবে নুসরাত তানিয়া সবকিছু দেখভাল করতেন। অভিযোগ পাওয়া গেছে যে, মুনিয়াকে ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যবসায়ীকে ফাঁদে ফেলতেন নুসরাত এবং মুনিয়া। ফাঁদে ফেলার পর এই সমস্ত ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ব্ল্যাকমেইলিং করে এবং চাপ দিয়ে টাকা আদায় করতেন। সেই সময় লোকলজ্জায় অনেক ব্যবসায়ী কথা বলেননি। তারা নীরবে নুসরাত-মুনিয়ার দাবি মেনে নিয়ে টাকাপয়সা দিয়েছেন। কিন্তু এখন এই মামলার পর কেউ কেউ মুখ খুলছেন। তবে পুলিশের সূত্রগুলো বলছে যে, আনঅফিসিয়ালি কথা বললে হবে না। তারা চান যে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করে কেউ মামলা করুক।

দ্বিতীয়ত, নুসরাত মুনিয়াকে যে বাসা ভাড়া করে দিয়েছেন সেটিও এক ধরনের প্রতারণা বলে মনে করছেন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা। কারণ, নুসরাত তার এজাহারে উল্লেখ করেছেন যে এই বাড়িটি বসুন্ধরার এমডি ভাড়া করে দিয়েছেন। কিন্তু বাড়িওয়ালার সঙ্গে কথা বলে এবং বাড়ির দলিল এবং অন্যান্য কাগজপত্রগুলো বিশ্লেষণ করে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা নিশ্চিত হয়েছেন যে এই বাড়ি ভাড়াটি নুসরাত এবং তার স্বামী মিলে করে দিয়েছেন। এডভান্স এর টাকাও তিনি দিয়েছেন। কাজেই এই ভাড়ার সঙ্গে বসুন্ধরার এমডির সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। আর এই প্রেক্ষিতে প্রশ্ন উঠেছে যে নুসরাত এজাহারে কেন এই মিথ্যাচার এবং প্রতারণার আশ্রয় নিলেন। এর ফলে বাদীর অভিযোগ অনেক দুর্বল হয়েছে বলেও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মনে করছেন।

তৃতীয়ত, নুসরাত মুনিয়ার শিক্ষাজীবন এবং তার চারিত্রিক বিষয় নিয়েও অনেক অসত্য তথ্য পুলিশের কাছে দিয়েছেন যা পরবর্তীতে প্রমাণিত হয়েছে। মুনিয়া যে কলেজের ছাত্রী বলে বাদী এজাহারে উল্লেখ করেছেন আসলে মুনিয়া সে কলেজের ছাত্রী নয়। মুনিয়ার সম্পর্কে নুসরাত যে সমস্ত তথ্য দিয়েছেন বাস্তবে দেখা গেছে যে সেই তথ্যগুলো সঠিক নয়। বরং অপমৃত্যু মামলা তদন্ত করতে যেয়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা মুনিয়া সম্পর্কে অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য পাচ্ছেন।

ফলে শেষ পর্যন্ত এই মামলাটি এখন দুর্বল হয়ে পড়েছে। বরং নুসরাতের বিরুদ্ধেই বেশ কিছু অভিযোগ উঠেছে। এখন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা সেই সমস্ত অভিযোগগুলো তদন্ত করার চিন্তাভাবনা করছে বলে জানা গেছে।

সূত্র : পূর্বপশ্চিমবিডি

নওগাঁয় সাপাহারে আনসার-ভিডিপি সদস্যদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরন
                                  

জাহাঙ্গীর আলম মানিক,সাপাহার  ( নওগাঁ) প্রতিনিধি : “মুজিব বর্ষের উদ্দীপনা আনসার ও ভিডিপি আছে সারাক্ষন” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কাজ করে আসছে বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির সদস্যরা।

মঙ্গলবার সকাল১১টায়  সাপাহারে আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি বাহিনীর মহাপরিচালক মিজানুর রহমান শামীমের পক্ষ থেকে উপজেলার ৫০জন হতদরিদ্র, অসহায় ও দু:স্থ্য আনসার ও ভিডিপির সদস্য এবং সদস্যাদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরন করা হয়েছে।

ঈদ উপহার হিসেবে প্রতিজনকে চাল ৩ কেজি, আলু ২কেজি, পেয়াজ ১কেজি, ডাল ১ কেজি, তেল ১লিটার খাদ্য সামগ্রী প্রদান করা হয়। উপজেলা আনসার ও ভিডিপির কার্যালয়ে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বিতরন কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন।উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন, আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা সাহারা বানু,  যুব উন্নয়ন সহকারী অফিসার আব্দুল মান্নান,ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর ফিল্ড সুপারভাইজার তোফাজ্জল হোসেন , প্রেসক্লাব সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম মানিক, রিপোর্টার্স ফোরাম সভাপতি হাফিজুল হক, সাংবাদি সোহেল চৌধুরী রানা প্রমুখ।

উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা সাহারা বানু বলেন গ্রামের প্রতিটি ঘরে ঘরে গিয়ে সেবা দিয়ে আসেন এই সব আনসার ও ভিডিপির সদস্যরা। করোনা ভাইরাস মহামারির শুরু থেকে সম্মুখ যোদ্ধা হিসেবে এই সদস্যরা কাজ করে আসছেন। কিন্তু এই সদস্যদের সুযোগ-সুবিধা অনেক কম থাকায় মহাপরিচালক মহোদয় হতদরিদ্র ও অসহায় সদস্যের পরিবারের মাঝে ঈদের কিছুটা আনন্দ পৌছে দেওয়ার লক্ষ্যে এই সামান্য ঈদ উপহার প্রদান করেছেন।

সেগুলো আমরা প্রকৃত সদস্যদের মাঝে পৌছে দিচ্ছি। আগামীতেও এই ধরনের কর্মকান্ড অব্যাহত রাখা হবে বলে জানিয়েছেন।

আট বছর পর ৫৪ মামলার তদন্তে ‘গতি’
                                  

অনলাইন ডেস্ক: আট বছর আগে মতিঝিল শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের ভয়াবহ তাণ্ডবের ঘটনায় করা ৭০টি মামলার মাত্র ১৬টিতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে একটি মামলা রায়ের মুখ দেখেছে। ওই রায়ে আবার সবাই খালাস পেয়েছেন। এর মাধ্যমে শাপলা চত্বরের ঘটনায় করা মামলা নিয়ে বিচারহীনতার করুণ চিত্রই ফুটে উঠেছে। তবে সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফর ঘিরে সারাদেশে হেফাজতের ফের তাণ্ডবের পর নড়েচড়ে বসেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। নতুন মামলার সঙ্গে ‘শাপলা চত্বরের’ মামলাগুলোও সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

এসব পুরনো মামলায় সম্প্রতি হেফাজতের অনেক রথী-মহারথীকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বেরিয়ে আসছে সরকার পতনের চেষ্টাসহ অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য। ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হেফাজত অবস্থান কর্মসূচির নামে জ্বালাও-পোড়াওসহ ব্যাপক তাণ্ডব চালায় এবং তাতে অন্তত ১৩ জন নিহত, বহু আহত হয়। শাপলা চত্বর ও তার আশপাশ রীতিমতো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। ওই ঘটনায় রাজধানী ঢাকায় যে অর্ধশতাধিক মামলা হয় তার মধ্যে পল্টন থানার মামলার সংখ্যাই ৩৩টি।

কথা হয় পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিকির সঙ্গে। তিনি বলেন, ২০১৩ সালের পুরনো মামলার আসামিদের নতুন সহিংসতার মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তারা তাদের পুরনো মামলায়ও গ্রেফতার করে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

তদন্ত কর্মকর্তা আসামিকে যে কোনো সময় গ্রেফতার করতে পারেন। দীর্ঘদিন আসামি গ্রেফতার না হলেও তদন্ত চলছিল। বর্তমানে আসামি গ্রেফতারের সংখ্যা বেড়েছে। তাদের নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। রিমান্ডে আসামিরা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিচ্ছেন। সেগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

দীর্ঘ আট বছর আগে হেফাজত নেতাদের বিরুদ্ধে করা মামলাগুলোর তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন করেছেন। তারা বলছেন, ঐসব মামলার বিচারে দীর্ঘসূত্রতার কারণেই তাণ্ডবের পুনরাবৃত্তি ঘটেছে। এ প্রসঙ্গে মানবাধিকার কর্মী অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল বলেন, দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি গেড়ে বসেছে। তাই হেফাজতের তাণ্ডবের বিচার না হওয়ায় আমি মোটেও আশ্চর্য হইনি। বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

‘নাস্তিক ব্লগারদের’ বিচারের দাবিতে হেফাজতে ইসলামের শাপলা চত্বরে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য অবস্থানের কথা বলে শেষ পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা এবং সেই সঙ্গে ওই এলাকাজুড়ে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালানো শুরু হলে সারাদেশে ব্যাপক অস্বস্তি নেমে আসে। বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং ব্যাংকের বুথে আগুন দেওয়া, লুটপাট, সড়কের মাঝের শত শত গাছ উপড়ে ফেলা হয়। ফুটপাতের শত শত বইয়ের দোকান পুড়িয়ে দেওয়া হয়।

পুলিশের সঙ্গে দিনভর ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। কয়েক হাজার হেফাজতকর্মীর এই সমাবেশ নেতাদের উত্তেজনাকর বক্তব্য ঘিরে ব্যাপক অস্থিরতা তৈরি হয়। দেশের বিভিন্ন স্থানেও শুরু হয় ব্যাপক সহিংসতা। এসব ঘটনায় হেফাজতের নেতা-কর্মীদের আসামি করে অন্তত ৭০টি মামলা হয়। গভীর রাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের মধ্য দিয়ে তাদের অবস্থান কর্মসূচির অবসান ঘটে।

ওই ঘটনায় রাজধানীর ৫৩টি মামলার মধ্যে রমনা থানায় ৩টি, শাহবাগ থানায় ৪টি, কলাবাগান থানায় ২টি, শেরেবাংলা নগর থানায় ১টি, মতিঝিল থানায় ৬টি, পল্টন থানায় ৩৩টি, রামপুরা থানায় ১টি ও যাত্রাবাড়ী থানায় ৩টি মামলা হয়। এতে হেফাজতের অর্ধশতাধিক কেন্দ্রীয় নেতাসহ কয়েক হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। এগুলোর মধ্যে রমনার ১টি, শাহবাগের ১টি ও কলাবাগান থানার ২টি মামলায় অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জের ৯টি মামলার ৭টিরই অভিযোগপত্র দেওয়া হয়নি। চট্টগ্রামের ৩টি মামলা তদন্তাধীন ও বাগেরহাটের ৪টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে ও একটি মামলার রায়ে সব আসামি খালাস পায়। ঢাকার সব মামলাতেই সদ্য ভেঙে দেওয়া হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় মহাসচিব মাওলানা জুনায়েদ বাবুনগরীকে প্রধান আসামি করা হয়।

এছাড়া ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান আবদুল লতিফ নেজামী এবং যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবির নেতাকর্মীদের মামলার আসামি করা হয়। জানতে চাইলে সদ্য সাবেক মহাসচিব মাওলানা নুরুল ইসলাম জিহাদি বলেন, ২০১৩ সালে আমি কোনো দায়িত্বে ছিলাম না। আমি ওই সময় দেশের বাইরে ছিলাম। এ ব্যাপারে আমি কিছু বলতে পারব না। এছাড়া সদ্য সাবেক হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব ও ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মুফতি ফয়জুল্লাহকে বারবার মুঠোফোনে চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকার সফরকে কেন্দ্র করে ব্যাপক তাণ্ডবের ঘটনায় জ্বালাও-পোড়াওসহ সহিংসতার মামলায় হেফাজতের সদ্য বিলুপ্ত যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকসহ বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বেশিরভাগ নেতাকে দফায় দফায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। নতুন মামলার সঙ্গে শাপলা চত্বরের ঘটনায় করা মামলায়ও তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

সদ্য গ্রেফতার হেফাজত নেতাদের মধ্যে রয়েছেন-হেফাজতে ইসলাম ঢাকা মহানগর শাখার সহসভাপতি ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা কোরবান আলী কাসেমী, সদ্য বিলুপ্ত যুগ্ম মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ আল হাবিব, যুগ্ম-মহাসচিব খালিদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ও কেন্দ্রীয় নেতা জালাল উদ্দিনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এছাড়া পুরনো মামলায় হেফাজতের সাবেক নায়েবে আমির অধ্যাপক আহমদ আবদুল কাদের ও মুফতি নুরুজ্জামান নোমানী, কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদী, সহকারী মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দিন ও ঢাকা মহানগর কমিটির সহসভাপতি মাওলানা জুবায়ের আহমেদ, ঢাকা মহানগরের সহ-দফতর সম্পাদক ও ইসলামী ছাত্র সমাজের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ইহতেশামুল হক সাখী, কেন্দ্রীয় নেতা আবদুল কাদেরকে কয়েক দফা রিমান্ডে নিয়ে শাপলা চত্বরের মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

এদিকে বিস্ফোরকদ্রব্য আইনে পুরনো অপর মামলায় গ্রেফতার হেফাজত নেতাদের মধ্যে রয়েছেন-হেফাজতের সাবেক সহকারী মহাসচিব, ঢাকা মহানগর সহসভাপতি ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির খুরশিদ আলম কাসেমী, হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও খেলাফতে মজলিসের সাধারণ সম্পাদক মুফতি শরাফত হোসাইন, হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী মহাসচিব ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমেনী, হেফাজত ইসলামের ঢাকা মহানগরীর সহসভাপতি মাওলানা জুবায়ের আহমদ ও হেফাজত নেতা মাওলানা সানাউল হক।

জানতে চাইলে ডিএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার (মিডিয়া) ইফতেখায়রুল ইসলাম বলেন, শাপলা চত্বরে হেফাজতের সমাবেশ থেকে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে রাজধানীতে মোট ৫৩টি মামলা করা হয়।

এর মধ্যে চারটি মামলার অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। বাকি ৪৯টি এখনও তদন্তাধীন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তদন্ত কর্মকর্তা যদি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করে আসামিকে রিমান্ডে নেওয়া যৌক্তিক মনে করেন, তবে সেক্ষেত্রে তিনি আদালতের কাছে আসামির রিমান্ড চাইতে পারেন। পুরাতন মামলায় সম্প্রতি কয়েকজন আসামিকে গ্রেফতার করা হলেও এটা একটা চলমান প্রক্রিয়া। সর্বাধিক গুরুত্ব সহকারে আমরা বাকি ৪৯টি মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি।

সূত্র : যুগান্তর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তাণ্ডবের ঘটনায় গ্রেপ্তার আরও ৬
                                  

অনলাইন ডেস্কঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতে ইসলামের তাণ্ডবে জড়িত থাকার অভিযোগে আরও ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানিক দল বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে হেফাজতকর্মী ও সমর্থক এ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে। মঙ্গলবার জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

গ্রেপ্তার একজন ব্রাহ্মণবাড়িয়া কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক বেল্লাল হোসেন। তাকে শহরের কান্দিপাড়ার জামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসার সামন থেকে সোমবার বিকেলে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন, গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ হেফাজতের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশে সরকার উৎখাতের লক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জামিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসাসহ আশপাশের মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকদের নিয়ে তাণ্ডব চালিয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সহিংসতার ঘটনায় হেফাজতের এ পর্যন্ত ৪১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, তাণ্ডবের স্থির ও ভিডিও চিত্র দেখে দেখে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। সোমবার রাত পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এ পর্যন্ত ৫৬টি মামলা হয়েছে। এরমধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় ৪৯টি, আশুগঞ্জ থানায় চারটি, সরাইল থানায় দুইটি এবং আখাউড়া রেলওয়ে থানায় একটি। এসব মামলায় ৪১৪ জনের নাম উল্লেখ ছাড়াও আরও প্রায় ৩৫ হাজার জনকে আসামি করা হয়েছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করতে গিয়ে গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশন, সরকারি বিভিন্ন অফিসসহ আরও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে হেফাজতে ইসলাম।

সূত্র : সমকাল

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযান, গ্রেপ্তার ৪৪
                                  

অনলাইন ডেস্কঃ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য বিক্রয় ও সেবনের দায়ে ৪৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন থানা ও গোয়েন্দা বিভাগ।

গ্রেপ্তারের সময় তাদের হেফাজত থেকে ১১ হাজার ৯৪১ পিস ইয়াবা, ১৪১ গ্রাম ১২৩ পুরিয়া হেরোইন, ১০৩ বোতল ফেনসিডিল ও ৪৯ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধারমূলে জব্দ করা হয়।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে রবিবার সকাল ছয়টা থেকে আজ সকাল ছয়টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তারসহ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ২৭টি মামলা হয়েছে।

সূত্র : দেশ রূপান্তর

দৌলতপুরে বিএসএফের গুলিতে ১ বাংলাদেশি আহত
                                  

অনলাইন ডেস্ক: কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে বিএসএফ এর গুলিতে জহির (২৬) নামে এক বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। বুধবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের জামালপুর সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।

আহত জহির জামালপুর গ্রামের জব্বারের ছেলে। এ ঘটনায় বিএসএফ পতাকা বৈঠক করে প্রতিবাদ জানিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জামালপুর গ্রামের জহিরের নেতৃত্বে একদল মাদক চোরাকারবারী ১৫২/১৩(এস) সীমান্ত পিলার সংলগ্ন এলাকা দিয়ে ভারত থেকে মাদক পাচার করছিল। এ সময় ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার হোগলবাড়িয়া থানার নাসিরাপাড়া বিএসএফ ক্যাম্পের টহল দল তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালালে জহির ডান পায়ে গুলি লাগে। পরে তাকে উদ্ধার করে বাংলাদেশ সীমানায় পালিয়ে আসে তারা। গুলিবিদ্ধ জহির গোপনে রাজশাহীতে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে গুলি বর্ষণের ঘটনায় বিএসএফ এর আমন্ত্রণের ১৫২/১৩(এস) সীমান্ত পিলার সংলগ্ন এলাকায় বিজিবি-বিএসএফ এর মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার সকালে অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠকে বিজিবি’র পক্ষে ৬ সদস্য প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ৪৭ বিজিবি ব্যাটালিয়ন অধিনস্থ প্রাগপুর কোম্পানী কমান্ডার সুবেদার আমজাদ হোসেন। বিএসএফ’র পক্ষে ৬ সদস্য প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার হোগলবাড়িয়া থানার মেঘনা বিএসএফ ক্যাম্পের অধিনায়ক এসকে রাজেশ কুমার।

সূত্র : বাংলাদেশ জার্নাল

গুলশানের ফ্ল্যাট থেকে কলেজছাত্রীর লাশ উদ্ধার
                                  

অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীর গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে মোসারাত জাহান মুনিয়া নামের এক কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার সন্ধ্যার দিকে লাশটি উদ্ধার করে গুলশান থানা পুলিশ। এ ঘটনায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ এনে নিহত মুনিয়ার বড় বোন বাদী হয়ে গুলশান থানায় একটি মামলা করেছেন।

গুলশান বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) সুদীপ কুমার চক্রবর্তী গতকাল সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ডিসি সুদীপ কুমার চক্রবর্তী বলেন, ‘আমরা শুনেছি মুনিরা তাঁর বোনকে ফোনে জানিয়েছিলেন, তিনি বিপদে পড়েছেন। বোনকে সেখানে আসতেও বলেন তিনি। তারপর সোমবার সন্ধ্যায় গুলশান ২ নম্বরের ১২০ নম্বর সড়কের ওই ফ্ল্যাটে গিয়ে মুনিয়ার বড় বোন দরজা বন্ধ পান। ধাক্কাধাক্কি করলেও দরজা খোলা হচ্ছিল না। এর কিছুক্ষণ আগে থেকে মুনিয়ার ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর ফ্ল্যাট মালিকের উপস্থিতিতে মিস্ত্রি দিয়ে পুলিশ দরজা ভেঙে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় ওই তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করে।’

সুদীপ কুমার চক্রবর্তী বলেন, ‘এ ঘটনায় সোমবার দিবাগত রাতে মুনিয়ার বড় বোন নুসরাত জাহান বাদী হয়ে ৩০৬ ধারায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ এনে গুলশান থানায় মামলা করেন। মামলা নম্বর-২৭।’

ডিসি আরও বলেন, ‘মুনিয়া রাজধানীর একটি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর বাড়ি কুমিল্লা শহরে। সেখানেই থাকে তাঁর পরিবার। মুনিয়ার বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। আমরা ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ জব্দ করেছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় কেউ জড়িত কি না তাও দেখা হচ্ছে।’

এদিকে মামলার বাদীর বরাত দিয়ে গুলশান জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) নাজমুল হাসান ফিরোজ বলেন, ‘মুনিয়ার সঙ্গে একটি শিল্প গোষ্ঠীর এক কর্মকর্তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গুলশানের একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে মুনিয়া সেখানে একাই থাকতেন। মুনিরার সঙ্গে যার প্রেমের সম্পর্ক ছিল, তিনি ওই বাসায় নিয়মিত যাতায়াত করতেন।’

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মরদেহ উদ্ধারের পর গুলশান থানার পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে। এরপর ঘটনাস্থলে যায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ক্রাইম সিন ইউনিট। পুলিশ সিসি ক্যামেরার ফুটেজ ও মুনিয়ার ব্যবহৃত ডিজিটাল ডিভাইসগুলো জব্দ করেছে।

রাতে ডিএমপির এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে ব্রিফিংকালে বলেন, ‘ওই তরুণীর মরদেহ আমরা ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) মর্গে পাঠিয়েছি। তাঁর বড় বোন নুসরাত জাহান আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেছেন। তাঁর যে মূল অভিযোগ তা হলো—ভিক্টিমের সঙ্গে বসুন্ধরা গ্রুপের যে এমডি—তাঁর দুই বছরের সম্পর্ক থাকা অবস্থায় এক বছর ভিকটিমকে তিনি বনানীর একটি ফ্ল্যাটে রাখেন। এরপর মনোমালিন্যের পরিপ্রেক্ষিতে ভিকটিম তাঁর বোনের কাছে ফোন করে জানান যে, যেকোনো মুহূর্তে তাঁর যেকোনো ঘটনা ঘটতে পারে।’

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘তিনি (মুনিয়া) আত্মহত্যা করেছেন কি না, বা সার্বিকভাবে কী কী পারিপার্শ্বিকতার পরিপ্রেক্ষিতে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে, সেগুলোর জন্য যে আইনগত বিষয়—এগুলো আমরা নিচ্ছি।

ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয়ে ‘ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার
                                  

অনলাইন ডেস্ক: বাবা প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব, মা শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তা আর নিজে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট- এ পরিচয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন অভিজিৎ ঘোষ (২২) নামে এক যুবক। ওই তরুণীকে ‘ধর্ষণ’ও করেন তিনি। এ অভিযোগে গতকাল শনিবার রাতে চট্টগ্রামের ফিরিঙ্গিবাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার নোবেল চাকমা বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় ওই ছাত্রীর সঙ্গে অভিজিতের পরিচয় হয় ফেসবুকে। পরিচয়ের পর থেকে মেসেঞ্জারে মেসেজ আদান প্রদানের মাধ্যমে দুজনের মধ্যে বন্ধুত্ব হয়। এক পর্যায়ে ওই ছাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাব দেন অভিজিৎ।’

পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘অভিজিৎ নিজেকে বিসিএস পরীক্ষা দিয়ে পুলিশ ক্যাডারে চান্স পেয়েছেন বলে ছাত্রীকে জানান। তাকে বাংলাদেশের নামি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আইনের প্রভাষক পদে যোগদান করার জন্য ই-মেইলে বার্তা দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান। সর্বশেষ, ১২তম ব্যাচে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন বলে ওই তরুণীকে ভূয়া তথ্য দেন।’

সহকারী কমিশনার নোবেল বলেন, ‘গ্রেপ্তারের কয়েক মাস আগে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক বন্ধুর সহায়তায় মেয়েটিকে ফিরিঙ্গিবাজারে একটি বাসায় নিয়ে ধর্ষণ করেন অভিজিৎ। পরে প্রতারণার বিষয়টি পরিস্কার হয়ে গেলে ওই তরুণী অভিজিতের বিরেুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে অভিজিৎকে গ্রেপ্তার করা হয়।’

হামদর্দের শরবত রুহ্ আফজার জার্সি উদ্বোধন
                                  

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:  হামদর্দ ল্যাবরেটরীজ (ওয়াক্ফ) বাংলাদেশ এর কর্মীদের জন্য রুহ্ আফজা’র দৃষ্টিনন্দন ছবি ও লোগোখচিত জার্সি উদ্বোধন করা হয়েছে। হামদর্দ ল্যাবরেটরীজ (ওয়াক্ফ) বাংলাদেশ এর চিফ মোতাওয়াল্লী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক; হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ড. হাকীম মো. ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া জার্সির মোড়ক উন্মোচন করে তা প্রদর্শন করেন। রমজানে হামদর্দ এর পক্ষ থেকে দেশব্যাপী রুহ্ আফজা ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়। আনন্দঘন এ আয়োজনের সভাপতিত্ব করেন পরিচালক বিপণন মো. শরীফুল ইসলাম।

এ সময় ড. হাকীম মো. ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া বলেন, সময়ের পরিক্রমায় হামদর্দের রুহ্ আফজা আজ ঘরে ঘরে সমাদৃত একটি পানীয়। হামদর্দের কর্মীদের নিরলস প্রচেষ্টার কারণে শত বছর ধরে বাংলাদেশের মানুষের কাছে রুহ্ আফজা বিশ্বস্ত ও আস্থার প্রতিকে পরিণত হয়েছে।

আধুনিক হামদর্দের এই প্রতিষ্ঠাতা আরো বলেন, শুধু রমজানে নয়, যেকোন মৌসুমের জন্য রুহ্ আফজা একটি তৃপ্তিকর পানীয়। এটি এখন বাংলাদেশের মানুষের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির একটি অংশে পরিণত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে হামদর্দের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও মোতাওয়াল্লী মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন রাসেলসহ প্রতিষ্ঠানের পরিচালকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সাপাহারে সরকার ঘোষিত নির্দেশনা বাস্তবায়নে অভিযান অব্যাহত
                                  
জাহাঙ্গীর আলম মানিক, সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ নওগাঁর সাপাহারে করোনার দ্বিতীয় ধাপে সংক্রমণ বিস্তার রোধে সরকার ঘোষিত নির্দেশনা বাস্তবানে অভিযান অব্যাহত রেখেছে উপজেলা প্রশাসন।
 
বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা সদরের বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সাপাহার থানা পুলিশের সহায়তায় মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সোহরাব হোসেন।
 
এসময় স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন সংক্রান্ত  সরকারি নির্দেশনা অমান্য করায় ৬ টি মামলায় বিভিন্ন অঙ্কের অর্থদন্ড দেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট। এছাড়া বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণসহ জনসাধারণকে বৈশ্বিক মহামারী করোনা মোকাবেলায়  সচেতন হতে সরকার ঘোষিত নির্দেশনা পরিপালনের জন্য অনুরোধ করা হয়।

   Page 1 of 16
     আইন শৃঙ্খলা
এলএস ডি শনাক্তে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
.............................................................................................
আলোচিত শাবাব-মাহি হত্যার চার বছর পর আসামি গ্রেপ্তার
.............................................................................................
ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি, মাদ্রাসাছাত্র গ্রেফতার
.............................................................................................
কোয়ারেন্টিনে থাকা তরুণীকে ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত এএসআই বরখাস্ত
.............................................................................................
সাংবাদিক রোজিনাকে ৫ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ
.............................................................................................
বাংলাদেশে বিশেষ অভিযান চালাবে ইন্টারপোল
.............................................................................................
মুনিয়ার বোন নুসরাতের বিরুদ্ধেই বহু অভিযোগ
.............................................................................................
নওগাঁয় সাপাহারে আনসার-ভিডিপি সদস্যদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরন
.............................................................................................
আট বছর পর ৫৪ মামলার তদন্তে ‘গতি’
.............................................................................................
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তাণ্ডবের ঘটনায় গ্রেপ্তার আরও ৬
.............................................................................................
রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযান, গ্রেপ্তার ৪৪
.............................................................................................
দৌলতপুরে বিএসএফের গুলিতে ১ বাংলাদেশি আহত
.............................................................................................
গুলশানের ফ্ল্যাট থেকে কলেজছাত্রীর লাশ উদ্ধার
.............................................................................................
ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয়ে ‘ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার
.............................................................................................
হামদর্দের শরবত রুহ্ আফজার জার্সি উদ্বোধন
.............................................................................................
সাপাহারে সরকার ঘোষিত নির্দেশনা বাস্তবায়নে অভিযান অব্যাহত
.............................................................................................
মহাদেবপুরে মানবিক পুলিশের দু:স্থদের মধ্যে ইফতারি বিতরণ
.............................................................................................
শিশুদের তথ্য ব্যবহারের দায়ে টিকটকের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ
.............................................................................................
করোনাকালে বেড়েছে ধর্ষণ: সিআইডি
.............................................................................................
হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের আইনের আওতায় আনার ইঙ্গিত সিআই‌ডি’র
.............................................................................................
৪ দিনে ‘মুভমেন্ট পাস’ ওয়েবসাইটে ১৭ কোটি ২৬ লাখ হিট
.............................................................................................
হেফাজতের সহকারী মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন গ্রেপ্তার
.............................................................................................
লকডাউন বাস্তবায়নে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করবে পুলিশ
.............................................................................................
কেরাণীগঞ্জে ১৫ আইপিএল জুয়াড়ি গ্রেফতার
.............................................................................................
ময়মনসিংহে উসকানিমূলক বক্তব্য দেয়ায় একজন আটক
.............................................................................................
শীর্ষ ৪ হেফাজত নেতা গ্রেপ্তার
.............................................................................................
টাঙ্গাইলে ৩৫৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ আটক ২
.............................................................................................
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া ২০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার
.............................................................................................
অরাজকতা সৃষ্টি করলে কঠোর ব্যবস্থা : আইনমন্ত্রী
.............................................................................................
৫ দিনের সফরে ঢাকায় ভারতের সেনাপ্রধান
.............................................................................................
সোনারগাঁও থানার ওসিকে বদলি
.............................................................................................
সেই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ
.............................................................................................
সাড়ে ১৯ হাজার পুলিশ করোনায় আক্রান্ত, ৮৮ জনের মৃত্যু
.............................................................................................
সারাদেশে দুই সপ্তাহের জন্য ১৮ দফা জরুরি নির্দেশনা জারি
.............................................................................................
শবে বরাতে বাজি-পটকা ফোটানো নিষেধ
.............................................................................................
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেনে হামলা হেফাজতের, সিলেট-চট্টগ্রামে ট্রেন বন্ধ
.............................................................................................
সাইনবোর্ডে পুলিশ-বিজিবির সঙ্গে হরতাল সমর্থকদের সংঘর্ষ
.............................................................................................
হেফাজতের হরতালকে ঘিরে কঠোর অবস্থানে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী
.............................................................................................
বিজিবি মোতায়েন রাজধানীসহ সারা দেশে
.............................................................................................
মোদিবিরোধী কার্যক্রম কঠোরভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে
.............................................................................................
ঢাকায় মোদিবিরোধী মিছিলে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া
.............................................................................................
মতিঝিলে বিক্ষোভ থেকে ‘শিশুবক্তা’ রফিকুল আটক
.............................................................................................
গভীর রাতে মাদরাসায় জিন নিয়ে খেলা, আটক শিক্ষক
.............................................................................................
ভিআইপি মুভমেন্ট, বন্ধ থাকবে সড়ক
.............................................................................................
হিন্দুপল্লিতে হামলার মূল হোতা যুবলীগ নেতা স্বাধীন মেম্বার গ্রেফতার
.............................................................................................
করোনা রোধে পুলিশের কার্যক্রম শুরু ২১ মার্চ: আইজিপি
.............................................................................................
`যারা জাতির পিতাকে অস্বীকার করে তারা এ দেশের মানুষই না`
.............................................................................................
মোদিবিরোধী মিছিল-মিটিংয়ে কঠোর হচ্ছে পুলিশ
.............................................................................................
সাতছড়িতে বনে অস্ত্রের সন্ধানে বিজিবির অভিযান, ১৮টি রকেট লঞ্চার উদ্ধার
.............................................................................................
সাবরিনাসহ ৮ আসামির অভিযোগ গঠন শুনানি ১৩ আগস্ট
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop