| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * খিলক্ষেতে ক্রেনের ধাক্কায় শ্রমিক নিহত   * চালের বাজারে কিছুটা স্বস্তি, বেড়েছে মাছ-মুরগি-চিনির দাম   * বিশ্বে করোনায় মৃতের সংখ্যা সরকারি হিসাবের দ্বিগুণ: আইএইচএমই   * দৌলতদিয়ায় ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড়   * স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই গণপরিবহনে, চলছে আন্তঃজেলা বাসও   * উন্নত দেশগুলোর চেয়ে একাই বেশি গ্রিনহাউস গ্যাস ছড়ায় চীন   * জার্মানিতে একদিনে ১০ লাখ মানুষের টিকা গ্রহণ   * করোনা থেকে মুক্তি পেতে জুমাতুল বিদায় বিশেষ দোয়া   * মাস্ক পরা নিয়ে সরকারের ৮ নির্দেশনা   * বাংলাদেশ ১০ হাজার রেমডেসিভির দিল ভারতকে  

   আইন শৃঙ্খলা -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
আট বছর পর ৫৪ মামলার তদন্তে ‘গতি’

অনলাইন ডেস্ক: আট বছর আগে মতিঝিল শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের ভয়াবহ তাণ্ডবের ঘটনায় করা ৭০টি মামলার মাত্র ১৬টিতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে একটি মামলা রায়ের মুখ দেখেছে। ওই রায়ে আবার সবাই খালাস পেয়েছেন। এর মাধ্যমে শাপলা চত্বরের ঘটনায় করা মামলা নিয়ে বিচারহীনতার করুণ চিত্রই ফুটে উঠেছে। তবে সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফর ঘিরে সারাদেশে হেফাজতের ফের তাণ্ডবের পর নড়েচড়ে বসেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। নতুন মামলার সঙ্গে ‘শাপলা চত্বরের’ মামলাগুলোও সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

এসব পুরনো মামলায় সম্প্রতি হেফাজতের অনেক রথী-মহারথীকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বেরিয়ে আসছে সরকার পতনের চেষ্টাসহ অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য। ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হেফাজত অবস্থান কর্মসূচির নামে জ্বালাও-পোড়াওসহ ব্যাপক তাণ্ডব চালায় এবং তাতে অন্তত ১৩ জন নিহত, বহু আহত হয়। শাপলা চত্বর ও তার আশপাশ রীতিমতো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। ওই ঘটনায় রাজধানী ঢাকায় যে অর্ধশতাধিক মামলা হয় তার মধ্যে পল্টন থানার মামলার সংখ্যাই ৩৩টি।

কথা হয় পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিকির সঙ্গে। তিনি বলেন, ২০১৩ সালের পুরনো মামলার আসামিদের নতুন সহিংসতার মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তারা তাদের পুরনো মামলায়ও গ্রেফতার করে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

তদন্ত কর্মকর্তা আসামিকে যে কোনো সময় গ্রেফতার করতে পারেন। দীর্ঘদিন আসামি গ্রেফতার না হলেও তদন্ত চলছিল। বর্তমানে আসামি গ্রেফতারের সংখ্যা বেড়েছে। তাদের নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। রিমান্ডে আসামিরা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিচ্ছেন। সেগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

দীর্ঘ আট বছর আগে হেফাজত নেতাদের বিরুদ্ধে করা মামলাগুলোর তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন করেছেন। তারা বলছেন, ঐসব মামলার বিচারে দীর্ঘসূত্রতার কারণেই তাণ্ডবের পুনরাবৃত্তি ঘটেছে। এ প্রসঙ্গে মানবাধিকার কর্মী অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল বলেন, দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি গেড়ে বসেছে। তাই হেফাজতের তাণ্ডবের বিচার না হওয়ায় আমি মোটেও আশ্চর্য হইনি। বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

‘নাস্তিক ব্লগারদের’ বিচারের দাবিতে হেফাজতে ইসলামের শাপলা চত্বরে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য অবস্থানের কথা বলে শেষ পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা এবং সেই সঙ্গে ওই এলাকাজুড়ে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালানো শুরু হলে সারাদেশে ব্যাপক অস্বস্তি নেমে আসে। বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং ব্যাংকের বুথে আগুন দেওয়া, লুটপাট, সড়কের মাঝের শত শত গাছ উপড়ে ফেলা হয়। ফুটপাতের শত শত বইয়ের দোকান পুড়িয়ে দেওয়া হয়।

পুলিশের সঙ্গে দিনভর ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। কয়েক হাজার হেফাজতকর্মীর এই সমাবেশ নেতাদের উত্তেজনাকর বক্তব্য ঘিরে ব্যাপক অস্থিরতা তৈরি হয়। দেশের বিভিন্ন স্থানেও শুরু হয় ব্যাপক সহিংসতা। এসব ঘটনায় হেফাজতের নেতা-কর্মীদের আসামি করে অন্তত ৭০টি মামলা হয়। গভীর রাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের মধ্য দিয়ে তাদের অবস্থান কর্মসূচির অবসান ঘটে।

ওই ঘটনায় রাজধানীর ৫৩টি মামলার মধ্যে রমনা থানায় ৩টি, শাহবাগ থানায় ৪টি, কলাবাগান থানায় ২টি, শেরেবাংলা নগর থানায় ১টি, মতিঝিল থানায় ৬টি, পল্টন থানায় ৩৩টি, রামপুরা থানায় ১টি ও যাত্রাবাড়ী থানায় ৩টি মামলা হয়। এতে হেফাজতের অর্ধশতাধিক কেন্দ্রীয় নেতাসহ কয়েক হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। এগুলোর মধ্যে রমনার ১টি, শাহবাগের ১টি ও কলাবাগান থানার ২টি মামলায় অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জের ৯টি মামলার ৭টিরই অভিযোগপত্র দেওয়া হয়নি। চট্টগ্রামের ৩টি মামলা তদন্তাধীন ও বাগেরহাটের ৪টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে ও একটি মামলার রায়ে সব আসামি খালাস পায়। ঢাকার সব মামলাতেই সদ্য ভেঙে দেওয়া হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় মহাসচিব মাওলানা জুনায়েদ বাবুনগরীকে প্রধান আসামি করা হয়।

এছাড়া ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান আবদুল লতিফ নেজামী এবং যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবির নেতাকর্মীদের মামলার আসামি করা হয়। জানতে চাইলে সদ্য সাবেক মহাসচিব মাওলানা নুরুল ইসলাম জিহাদি বলেন, ২০১৩ সালে আমি কোনো দায়িত্বে ছিলাম না। আমি ওই সময় দেশের বাইরে ছিলাম। এ ব্যাপারে আমি কিছু বলতে পারব না। এছাড়া সদ্য সাবেক হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব ও ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মুফতি ফয়জুল্লাহকে বারবার মুঠোফোনে চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকার সফরকে কেন্দ্র করে ব্যাপক তাণ্ডবের ঘটনায় জ্বালাও-পোড়াওসহ সহিংসতার মামলায় হেফাজতের সদ্য বিলুপ্ত যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকসহ বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বেশিরভাগ নেতাকে দফায় দফায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। নতুন মামলার সঙ্গে শাপলা চত্বরের ঘটনায় করা মামলায়ও তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

সদ্য গ্রেফতার হেফাজত নেতাদের মধ্যে রয়েছেন-হেফাজতে ইসলাম ঢাকা মহানগর শাখার সহসভাপতি ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা কোরবান আলী কাসেমী, সদ্য বিলুপ্ত যুগ্ম মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ আল হাবিব, যুগ্ম-মহাসচিব খালিদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ও কেন্দ্রীয় নেতা জালাল উদ্দিনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এছাড়া পুরনো মামলায় হেফাজতের সাবেক নায়েবে আমির অধ্যাপক আহমদ আবদুল কাদের ও মুফতি নুরুজ্জামান নোমানী, কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদী, সহকারী মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দিন ও ঢাকা মহানগর কমিটির সহসভাপতি মাওলানা জুবায়ের আহমেদ, ঢাকা মহানগরের সহ-দফতর সম্পাদক ও ইসলামী ছাত্র সমাজের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ইহতেশামুল হক সাখী, কেন্দ্রীয় নেতা আবদুল কাদেরকে কয়েক দফা রিমান্ডে নিয়ে শাপলা চত্বরের মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

এদিকে বিস্ফোরকদ্রব্য আইনে পুরনো অপর মামলায় গ্রেফতার হেফাজত নেতাদের মধ্যে রয়েছেন-হেফাজতের সাবেক সহকারী মহাসচিব, ঢাকা মহানগর সহসভাপতি ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির খুরশিদ আলম কাসেমী, হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও খেলাফতে মজলিসের সাধারণ সম্পাদক মুফতি শরাফত হোসাইন, হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী মহাসচিব ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমেনী, হেফাজত ইসলামের ঢাকা মহানগরীর সহসভাপতি মাওলানা জুবায়ের আহমদ ও হেফাজত নেতা মাওলানা সানাউল হক।

জানতে চাইলে ডিএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার (মিডিয়া) ইফতেখায়রুল ইসলাম বলেন, শাপলা চত্বরে হেফাজতের সমাবেশ থেকে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে রাজধানীতে মোট ৫৩টি মামলা করা হয়।

এর মধ্যে চারটি মামলার অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। বাকি ৪৯টি এখনও তদন্তাধীন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তদন্ত কর্মকর্তা যদি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করে আসামিকে রিমান্ডে নেওয়া যৌক্তিক মনে করেন, তবে সেক্ষেত্রে তিনি আদালতের কাছে আসামির রিমান্ড চাইতে পারেন। পুরাতন মামলায় সম্প্রতি কয়েকজন আসামিকে গ্রেফতার করা হলেও এটা একটা চলমান প্রক্রিয়া। সর্বাধিক গুরুত্ব সহকারে আমরা বাকি ৪৯টি মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি।

সূত্র : যুগান্তর

আট বছর পর ৫৪ মামলার তদন্তে ‘গতি’
                                  

অনলাইন ডেস্ক: আট বছর আগে মতিঝিল শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের ভয়াবহ তাণ্ডবের ঘটনায় করা ৭০টি মামলার মাত্র ১৬টিতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে একটি মামলা রায়ের মুখ দেখেছে। ওই রায়ে আবার সবাই খালাস পেয়েছেন। এর মাধ্যমে শাপলা চত্বরের ঘটনায় করা মামলা নিয়ে বিচারহীনতার করুণ চিত্রই ফুটে উঠেছে। তবে সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফর ঘিরে সারাদেশে হেফাজতের ফের তাণ্ডবের পর নড়েচড়ে বসেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। নতুন মামলার সঙ্গে ‘শাপলা চত্বরের’ মামলাগুলোও সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

এসব পুরনো মামলায় সম্প্রতি হেফাজতের অনেক রথী-মহারথীকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বেরিয়ে আসছে সরকার পতনের চেষ্টাসহ অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য। ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হেফাজত অবস্থান কর্মসূচির নামে জ্বালাও-পোড়াওসহ ব্যাপক তাণ্ডব চালায় এবং তাতে অন্তত ১৩ জন নিহত, বহু আহত হয়। শাপলা চত্বর ও তার আশপাশ রীতিমতো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। ওই ঘটনায় রাজধানী ঢাকায় যে অর্ধশতাধিক মামলা হয় তার মধ্যে পল্টন থানার মামলার সংখ্যাই ৩৩টি।

কথা হয় পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিকির সঙ্গে। তিনি বলেন, ২০১৩ সালের পুরনো মামলার আসামিদের নতুন সহিংসতার মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তারা তাদের পুরনো মামলায়ও গ্রেফতার করে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

তদন্ত কর্মকর্তা আসামিকে যে কোনো সময় গ্রেফতার করতে পারেন। দীর্ঘদিন আসামি গ্রেফতার না হলেও তদন্ত চলছিল। বর্তমানে আসামি গ্রেফতারের সংখ্যা বেড়েছে। তাদের নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। রিমান্ডে আসামিরা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিচ্ছেন। সেগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

দীর্ঘ আট বছর আগে হেফাজত নেতাদের বিরুদ্ধে করা মামলাগুলোর তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন করেছেন। তারা বলছেন, ঐসব মামলার বিচারে দীর্ঘসূত্রতার কারণেই তাণ্ডবের পুনরাবৃত্তি ঘটেছে। এ প্রসঙ্গে মানবাধিকার কর্মী অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল বলেন, দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি গেড়ে বসেছে। তাই হেফাজতের তাণ্ডবের বিচার না হওয়ায় আমি মোটেও আশ্চর্য হইনি। বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

‘নাস্তিক ব্লগারদের’ বিচারের দাবিতে হেফাজতে ইসলামের শাপলা চত্বরে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য অবস্থানের কথা বলে শেষ পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা এবং সেই সঙ্গে ওই এলাকাজুড়ে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালানো শুরু হলে সারাদেশে ব্যাপক অস্বস্তি নেমে আসে। বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং ব্যাংকের বুথে আগুন দেওয়া, লুটপাট, সড়কের মাঝের শত শত গাছ উপড়ে ফেলা হয়। ফুটপাতের শত শত বইয়ের দোকান পুড়িয়ে দেওয়া হয়।

পুলিশের সঙ্গে দিনভর ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। কয়েক হাজার হেফাজতকর্মীর এই সমাবেশ নেতাদের উত্তেজনাকর বক্তব্য ঘিরে ব্যাপক অস্থিরতা তৈরি হয়। দেশের বিভিন্ন স্থানেও শুরু হয় ব্যাপক সহিংসতা। এসব ঘটনায় হেফাজতের নেতা-কর্মীদের আসামি করে অন্তত ৭০টি মামলা হয়। গভীর রাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের মধ্য দিয়ে তাদের অবস্থান কর্মসূচির অবসান ঘটে।

ওই ঘটনায় রাজধানীর ৫৩টি মামলার মধ্যে রমনা থানায় ৩টি, শাহবাগ থানায় ৪টি, কলাবাগান থানায় ২টি, শেরেবাংলা নগর থানায় ১টি, মতিঝিল থানায় ৬টি, পল্টন থানায় ৩৩টি, রামপুরা থানায় ১টি ও যাত্রাবাড়ী থানায় ৩টি মামলা হয়। এতে হেফাজতের অর্ধশতাধিক কেন্দ্রীয় নেতাসহ কয়েক হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। এগুলোর মধ্যে রমনার ১টি, শাহবাগের ১টি ও কলাবাগান থানার ২টি মামলায় অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জের ৯টি মামলার ৭টিরই অভিযোগপত্র দেওয়া হয়নি। চট্টগ্রামের ৩টি মামলা তদন্তাধীন ও বাগেরহাটের ৪টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে ও একটি মামলার রায়ে সব আসামি খালাস পায়। ঢাকার সব মামলাতেই সদ্য ভেঙে দেওয়া হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় মহাসচিব মাওলানা জুনায়েদ বাবুনগরীকে প্রধান আসামি করা হয়।

এছাড়া ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান আবদুল লতিফ নেজামী এবং যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবির নেতাকর্মীদের মামলার আসামি করা হয়। জানতে চাইলে সদ্য সাবেক মহাসচিব মাওলানা নুরুল ইসলাম জিহাদি বলেন, ২০১৩ সালে আমি কোনো দায়িত্বে ছিলাম না। আমি ওই সময় দেশের বাইরে ছিলাম। এ ব্যাপারে আমি কিছু বলতে পারব না। এছাড়া সদ্য সাবেক হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব ও ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মুফতি ফয়জুল্লাহকে বারবার মুঠোফোনে চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকার সফরকে কেন্দ্র করে ব্যাপক তাণ্ডবের ঘটনায় জ্বালাও-পোড়াওসহ সহিংসতার মামলায় হেফাজতের সদ্য বিলুপ্ত যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকসহ বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বেশিরভাগ নেতাকে দফায় দফায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। নতুন মামলার সঙ্গে শাপলা চত্বরের ঘটনায় করা মামলায়ও তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

সদ্য গ্রেফতার হেফাজত নেতাদের মধ্যে রয়েছেন-হেফাজতে ইসলাম ঢাকা মহানগর শাখার সহসভাপতি ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা কোরবান আলী কাসেমী, সদ্য বিলুপ্ত যুগ্ম মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ আল হাবিব, যুগ্ম-মহাসচিব খালিদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী ও কেন্দ্রীয় নেতা জালাল উদ্দিনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এছাড়া পুরনো মামলায় হেফাজতের সাবেক নায়েবে আমির অধ্যাপক আহমদ আবদুল কাদের ও মুফতি নুরুজ্জামান নোমানী, কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদী, সহকারী মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দিন ও ঢাকা মহানগর কমিটির সহসভাপতি মাওলানা জুবায়ের আহমেদ, ঢাকা মহানগরের সহ-দফতর সম্পাদক ও ইসলামী ছাত্র সমাজের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ইহতেশামুল হক সাখী, কেন্দ্রীয় নেতা আবদুল কাদেরকে কয়েক দফা রিমান্ডে নিয়ে শাপলা চত্বরের মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

এদিকে বিস্ফোরকদ্রব্য আইনে পুরনো অপর মামলায় গ্রেফতার হেফাজত নেতাদের মধ্যে রয়েছেন-হেফাজতের সাবেক সহকারী মহাসচিব, ঢাকা মহানগর সহসভাপতি ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির খুরশিদ আলম কাসেমী, হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও খেলাফতে মজলিসের সাধারণ সম্পাদক মুফতি শরাফত হোসাইন, হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী মহাসচিব ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমেনী, হেফাজত ইসলামের ঢাকা মহানগরীর সহসভাপতি মাওলানা জুবায়ের আহমদ ও হেফাজত নেতা মাওলানা সানাউল হক।

জানতে চাইলে ডিএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার (মিডিয়া) ইফতেখায়রুল ইসলাম বলেন, শাপলা চত্বরে হেফাজতের সমাবেশ থেকে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে রাজধানীতে মোট ৫৩টি মামলা করা হয়।

এর মধ্যে চারটি মামলার অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। বাকি ৪৯টি এখনও তদন্তাধীন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তদন্ত কর্মকর্তা যদি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করে আসামিকে রিমান্ডে নেওয়া যৌক্তিক মনে করেন, তবে সেক্ষেত্রে তিনি আদালতের কাছে আসামির রিমান্ড চাইতে পারেন। পুরাতন মামলায় সম্প্রতি কয়েকজন আসামিকে গ্রেফতার করা হলেও এটা একটা চলমান প্রক্রিয়া। সর্বাধিক গুরুত্ব সহকারে আমরা বাকি ৪৯টি মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি।

সূত্র : যুগান্তর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তাণ্ডবের ঘটনায় গ্রেপ্তার আরও ৬
                                  

অনলাইন ডেস্কঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতে ইসলামের তাণ্ডবে জড়িত থাকার অভিযোগে আরও ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানিক দল বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে হেফাজতকর্মী ও সমর্থক এ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে। মঙ্গলবার জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

গ্রেপ্তার একজন ব্রাহ্মণবাড়িয়া কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক বেল্লাল হোসেন। তাকে শহরের কান্দিপাড়ার জামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসার সামন থেকে সোমবার বিকেলে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন, গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ হেফাজতের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশে সরকার উৎখাতের লক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জামিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসাসহ আশপাশের মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকদের নিয়ে তাণ্ডব চালিয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সহিংসতার ঘটনায় হেফাজতের এ পর্যন্ত ৪১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, তাণ্ডবের স্থির ও ভিডিও চিত্র দেখে দেখে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। সোমবার রাত পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এ পর্যন্ত ৫৬টি মামলা হয়েছে। এরমধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় ৪৯টি, আশুগঞ্জ থানায় চারটি, সরাইল থানায় দুইটি এবং আখাউড়া রেলওয়ে থানায় একটি। এসব মামলায় ৪১৪ জনের নাম উল্লেখ ছাড়াও আরও প্রায় ৩৫ হাজার জনকে আসামি করা হয়েছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করতে গিয়ে গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশন, সরকারি বিভিন্ন অফিসসহ আরও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে হেফাজতে ইসলাম।

সূত্র : সমকাল

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযান, গ্রেপ্তার ৪৪
                                  

অনলাইন ডেস্কঃ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য বিক্রয় ও সেবনের দায়ে ৪৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন থানা ও গোয়েন্দা বিভাগ।

গ্রেপ্তারের সময় তাদের হেফাজত থেকে ১১ হাজার ৯৪১ পিস ইয়াবা, ১৪১ গ্রাম ১২৩ পুরিয়া হেরোইন, ১০৩ বোতল ফেনসিডিল ও ৪৯ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধারমূলে জব্দ করা হয়।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে রবিবার সকাল ছয়টা থেকে আজ সকাল ছয়টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তারসহ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ২৭টি মামলা হয়েছে।

সূত্র : দেশ রূপান্তর

দৌলতপুরে বিএসএফের গুলিতে ১ বাংলাদেশি আহত
                                  

অনলাইন ডেস্ক: কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে বিএসএফ এর গুলিতে জহির (২৬) নামে এক বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। বুধবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের জামালপুর সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।

আহত জহির জামালপুর গ্রামের জব্বারের ছেলে। এ ঘটনায় বিএসএফ পতাকা বৈঠক করে প্রতিবাদ জানিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জামালপুর গ্রামের জহিরের নেতৃত্বে একদল মাদক চোরাকারবারী ১৫২/১৩(এস) সীমান্ত পিলার সংলগ্ন এলাকা দিয়ে ভারত থেকে মাদক পাচার করছিল। এ সময় ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার হোগলবাড়িয়া থানার নাসিরাপাড়া বিএসএফ ক্যাম্পের টহল দল তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালালে জহির ডান পায়ে গুলি লাগে। পরে তাকে উদ্ধার করে বাংলাদেশ সীমানায় পালিয়ে আসে তারা। গুলিবিদ্ধ জহির গোপনে রাজশাহীতে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে গুলি বর্ষণের ঘটনায় বিএসএফ এর আমন্ত্রণের ১৫২/১৩(এস) সীমান্ত পিলার সংলগ্ন এলাকায় বিজিবি-বিএসএফ এর মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার সকালে অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠকে বিজিবি’র পক্ষে ৬ সদস্য প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ৪৭ বিজিবি ব্যাটালিয়ন অধিনস্থ প্রাগপুর কোম্পানী কমান্ডার সুবেদার আমজাদ হোসেন। বিএসএফ’র পক্ষে ৬ সদস্য প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার হোগলবাড়িয়া থানার মেঘনা বিএসএফ ক্যাম্পের অধিনায়ক এসকে রাজেশ কুমার।

সূত্র : বাংলাদেশ জার্নাল

গুলশানের ফ্ল্যাট থেকে কলেজছাত্রীর লাশ উদ্ধার
                                  

অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীর গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে মোসারাত জাহান মুনিয়া নামের এক কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার সন্ধ্যার দিকে লাশটি উদ্ধার করে গুলশান থানা পুলিশ। এ ঘটনায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ এনে নিহত মুনিয়ার বড় বোন বাদী হয়ে গুলশান থানায় একটি মামলা করেছেন।

গুলশান বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) সুদীপ কুমার চক্রবর্তী গতকাল সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ডিসি সুদীপ কুমার চক্রবর্তী বলেন, ‘আমরা শুনেছি মুনিরা তাঁর বোনকে ফোনে জানিয়েছিলেন, তিনি বিপদে পড়েছেন। বোনকে সেখানে আসতেও বলেন তিনি। তারপর সোমবার সন্ধ্যায় গুলশান ২ নম্বরের ১২০ নম্বর সড়কের ওই ফ্ল্যাটে গিয়ে মুনিয়ার বড় বোন দরজা বন্ধ পান। ধাক্কাধাক্কি করলেও দরজা খোলা হচ্ছিল না। এর কিছুক্ষণ আগে থেকে মুনিয়ার ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর ফ্ল্যাট মালিকের উপস্থিতিতে মিস্ত্রি দিয়ে পুলিশ দরজা ভেঙে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় ওই তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করে।’

সুদীপ কুমার চক্রবর্তী বলেন, ‘এ ঘটনায় সোমবার দিবাগত রাতে মুনিয়ার বড় বোন নুসরাত জাহান বাদী হয়ে ৩০৬ ধারায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ এনে গুলশান থানায় মামলা করেন। মামলা নম্বর-২৭।’

ডিসি আরও বলেন, ‘মুনিয়া রাজধানীর একটি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর বাড়ি কুমিল্লা শহরে। সেখানেই থাকে তাঁর পরিবার। মুনিয়ার বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। আমরা ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ জব্দ করেছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় কেউ জড়িত কি না তাও দেখা হচ্ছে।’

এদিকে মামলার বাদীর বরাত দিয়ে গুলশান জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) নাজমুল হাসান ফিরোজ বলেন, ‘মুনিয়ার সঙ্গে একটি শিল্প গোষ্ঠীর এক কর্মকর্তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গুলশানের একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে মুনিয়া সেখানে একাই থাকতেন। মুনিরার সঙ্গে যার প্রেমের সম্পর্ক ছিল, তিনি ওই বাসায় নিয়মিত যাতায়াত করতেন।’

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মরদেহ উদ্ধারের পর গুলশান থানার পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে। এরপর ঘটনাস্থলে যায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ক্রাইম সিন ইউনিট। পুলিশ সিসি ক্যামেরার ফুটেজ ও মুনিয়ার ব্যবহৃত ডিজিটাল ডিভাইসগুলো জব্দ করেছে।

রাতে ডিএমপির এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে ব্রিফিংকালে বলেন, ‘ওই তরুণীর মরদেহ আমরা ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) মর্গে পাঠিয়েছি। তাঁর বড় বোন নুসরাত জাহান আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেছেন। তাঁর যে মূল অভিযোগ তা হলো—ভিক্টিমের সঙ্গে বসুন্ধরা গ্রুপের যে এমডি—তাঁর দুই বছরের সম্পর্ক থাকা অবস্থায় এক বছর ভিকটিমকে তিনি বনানীর একটি ফ্ল্যাটে রাখেন। এরপর মনোমালিন্যের পরিপ্রেক্ষিতে ভিকটিম তাঁর বোনের কাছে ফোন করে জানান যে, যেকোনো মুহূর্তে তাঁর যেকোনো ঘটনা ঘটতে পারে।’

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘তিনি (মুনিয়া) আত্মহত্যা করেছেন কি না, বা সার্বিকভাবে কী কী পারিপার্শ্বিকতার পরিপ্রেক্ষিতে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে, সেগুলোর জন্য যে আইনগত বিষয়—এগুলো আমরা নিচ্ছি।

ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয়ে ‘ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার
                                  

অনলাইন ডেস্ক: বাবা প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব, মা শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তা আর নিজে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট- এ পরিচয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন অভিজিৎ ঘোষ (২২) নামে এক যুবক। ওই তরুণীকে ‘ধর্ষণ’ও করেন তিনি। এ অভিযোগে গতকাল শনিবার রাতে চট্টগ্রামের ফিরিঙ্গিবাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার নোবেল চাকমা বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় ওই ছাত্রীর সঙ্গে অভিজিতের পরিচয় হয় ফেসবুকে। পরিচয়ের পর থেকে মেসেঞ্জারে মেসেজ আদান প্রদানের মাধ্যমে দুজনের মধ্যে বন্ধুত্ব হয়। এক পর্যায়ে ওই ছাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাব দেন অভিজিৎ।’

পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘অভিজিৎ নিজেকে বিসিএস পরীক্ষা দিয়ে পুলিশ ক্যাডারে চান্স পেয়েছেন বলে ছাত্রীকে জানান। তাকে বাংলাদেশের নামি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আইনের প্রভাষক পদে যোগদান করার জন্য ই-মেইলে বার্তা দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান। সর্বশেষ, ১২তম ব্যাচে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন বলে ওই তরুণীকে ভূয়া তথ্য দেন।’

সহকারী কমিশনার নোবেল বলেন, ‘গ্রেপ্তারের কয়েক মাস আগে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক বন্ধুর সহায়তায় মেয়েটিকে ফিরিঙ্গিবাজারে একটি বাসায় নিয়ে ধর্ষণ করেন অভিজিৎ। পরে প্রতারণার বিষয়টি পরিস্কার হয়ে গেলে ওই তরুণী অভিজিতের বিরেুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে অভিজিৎকে গ্রেপ্তার করা হয়।’

হামদর্দের শরবত রুহ্ আফজার জার্সি উদ্বোধন
                                  

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:  হামদর্দ ল্যাবরেটরীজ (ওয়াক্ফ) বাংলাদেশ এর কর্মীদের জন্য রুহ্ আফজা’র দৃষ্টিনন্দন ছবি ও লোগোখচিত জার্সি উদ্বোধন করা হয়েছে। হামদর্দ ল্যাবরেটরীজ (ওয়াক্ফ) বাংলাদেশ এর চিফ মোতাওয়াল্লী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক; হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ড. হাকীম মো. ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া জার্সির মোড়ক উন্মোচন করে তা প্রদর্শন করেন। রমজানে হামদর্দ এর পক্ষ থেকে দেশব্যাপী রুহ্ আফজা ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়। আনন্দঘন এ আয়োজনের সভাপতিত্ব করেন পরিচালক বিপণন মো. শরীফুল ইসলাম।

এ সময় ড. হাকীম মো. ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া বলেন, সময়ের পরিক্রমায় হামদর্দের রুহ্ আফজা আজ ঘরে ঘরে সমাদৃত একটি পানীয়। হামদর্দের কর্মীদের নিরলস প্রচেষ্টার কারণে শত বছর ধরে বাংলাদেশের মানুষের কাছে রুহ্ আফজা বিশ্বস্ত ও আস্থার প্রতিকে পরিণত হয়েছে।

আধুনিক হামদর্দের এই প্রতিষ্ঠাতা আরো বলেন, শুধু রমজানে নয়, যেকোন মৌসুমের জন্য রুহ্ আফজা একটি তৃপ্তিকর পানীয়। এটি এখন বাংলাদেশের মানুষের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির একটি অংশে পরিণত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে হামদর্দের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও মোতাওয়াল্লী মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন রাসেলসহ প্রতিষ্ঠানের পরিচালকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সাপাহারে সরকার ঘোষিত নির্দেশনা বাস্তবায়নে অভিযান অব্যাহত
                                  
জাহাঙ্গীর আলম মানিক, সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ নওগাঁর সাপাহারে করোনার দ্বিতীয় ধাপে সংক্রমণ বিস্তার রোধে সরকার ঘোষিত নির্দেশনা বাস্তবানে অভিযান অব্যাহত রেখেছে উপজেলা প্রশাসন।
 
বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা সদরের বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সাপাহার থানা পুলিশের সহায়তায় মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সোহরাব হোসেন।
 
এসময় স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন সংক্রান্ত  সরকারি নির্দেশনা অমান্য করায় ৬ টি মামলায় বিভিন্ন অঙ্কের অর্থদন্ড দেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট। এছাড়া বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণসহ জনসাধারণকে বৈশ্বিক মহামারী করোনা মোকাবেলায়  সচেতন হতে সরকার ঘোষিত নির্দেশনা পরিপালনের জন্য অনুরোধ করা হয়।
মহাদেবপুরে মানবিক পুলিশের দু:স্থদের মধ্যে ইফতারি বিতরণ
                                  

কাজী রওশন জাহান, মহাদেবপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি :  নওগাঁর মহাদেবপুর থানা পুলিশ করোনাভাইরাস প্রতিরোধে কঠোর বিধিনিষেধ (লকডাউন) পালনের সময় প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত উপজেলা সদর ও প্রত্যন্ত পল্লী এলাকায় সরকারী নির্দেশনা মেনে চলার জন্য সাধারণ পথচারীদের মধ্যে প্রচারণা, মাস্ক বিতরণ ও বিধিনিষেধ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

এর মধ্যেই সারাদিনের ক্লান্তি ভূলে তারা সন্ধ্যার আগেই নেমে পড়ছেন মানবিকতার কাজে।
প্রতিদিন তারা নিজেদের মধ্যে সংগ্রহ করা অর্থে হোটেল থেকে প্যাকেট করা ইফতারি বক্স কিনে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে ঘুরে দু:স্থদের মধ্যে বিতরণ করছেন। ইফতারের আগে এই দৃশ্য দৃষ্টি কেড়েছে সর্বস্তরের মানুষের। প্রশংসা কুড়িয়েছেন তারা। সরকারী কাজের বাইরে তাদের এই মানবিকতা স্থানীয় বিভিন্ন বেসরকারী সংস্থা নেতাকর্মী ও সাধারণ সমাজকর্মীদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে সুধীমহল মনে করেন।


মহাদেবপুর থানার ওসি আজম উদ্দিন মাহমুদ জানান, নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার প্রকৌশলী মো: আব্দুল মান্নান মিয়া বিপিএম এর নির্দেশে থানা পুলিশ নিজেদের অর্থে এসব বিতরণ করছে। দু:স্থদের মধ্যে ইফতারি বিতরণের এই কার্যক্রম তাদের সামর্থ অনুযায়ী অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।
মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) সন্ধ্যার আগে তাদের ইফতারি বিতরণে তার সাথে অন্যদের মধ্যে থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আবুল কালাম, এসআই জাহাঙ্গীর আলম, এসআই এএসএম রাইহান আলম, এসআই শাহজাহান প্রমুখ তার সঙ্গে ছিলেন।

শিশুদের তথ্য ব্যবহারের দায়ে টিকটকের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ
                                  

অনলাইন ডেস্কঃ শিশুদের তথ্য সংগ্রহ করে ব্যবহার করার দায়ে ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপ টিকটকের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে ইংল্যান্ডের প্রাক্তন শিশু কমিশনার অ্যানে লংফিল্ড। যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের লাখ লাখ শিশু এই অভিযোগ করেছে।

অভিযোগ প্রমাণ হলে ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের প্রত্যেককে কয়েক হাজার পাউন্ড ক্ষতিপূরণ দেবে টিকটক। এদিকে টিকটক বলছে, ঘটনাটি ভিত্তিহীন ও তারা এর বিরুদ্ধে মামলা করবে।

আইনজীবীরা অভিযোগ করেছেন, শিশুদের সম্মতি ছাড়াই তাদের ব্যক্তিগত তথ্য, ফোন নম্বর, ভিডিও, সঠিক অবস্থান এবং বায়োমেট্রিক ডেটা নিয়ে নিচ্ছে টিকটক। এর প্রতিক্রিয়া হিসেবে টিকটকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গোপনীয়তা আর নিরাপত্তা টিকটটের প্রথম প্রাধান্য, আমরা আমাদের নীতি প্রক্রিয়া এমভাবে শক্তিশালী করেছি যা সবার সাহায্য করে।

বিশ্বজুড়ে টিকটকের ৮০ কোটির বেশি ব্যবহারকারী রয়েছে। যেসব শিশুরা ২০১৮ সালের ২৫ মে থেকে টিকটক ব্যবহার করছে, তাদের পক্ষ থেকে টিকটকের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনা হয়েছে।

টিকটকের বিরুদ্ধে এটিই প্রথম কোনো অভিযোগ দায়েরের ঘটনা নয়। ২০১৯ সালে শিশুদের তথ্য অপব্যহারের দায়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ট্রেড কমিশন টিকটককে ৫৭ লাখ ডলার জরিমানা করে।

সূত্র: বিবিসি

করোনাকালে বেড়েছে ধর্ষণ: সিআইডি
                                  

অনলাইন ডেস্কঃ করোনাকালে ধর্ষণের সংখ্যা বেড়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। বুধবার দুপুরে সিআইডির সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি মো. ইমাম হোসেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, কয়েক বছর ধরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা বেড়েছে। এ ধরনের ধর্ষকরা ভিকটিমকে নিজেদের আখড়ায় নিয়ে ধর্ষণ করে। যাতে কোনো ঝুঁকি থাকে না। এসব গ্রুপে তিন থেকে চারজন থাকে।

সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুক্তাধর বলেন, গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে চাঞ্চল্যকর গৃহবধূ গণধর্ষণের ঘটনায় এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। গত ৪ এপ্রিল সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে মুকসুদপুরের কদমপুর গ্রামের পাথরাইল কালিদার দিঘির পাড় এলাকায় তিন আসামি ফাঁকা বাড়িতে প্রবেশ করে। তারা ঘরের সামনে থেকে মেয়েলি কণ্ঠে ডাক দিয়ে কৌশলে দরজা খুলে ঘরে ঢুকে পড়ে। এ সময় তারা দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে গৃহবধূকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। তারা গৃহবধূর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও নয় হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়।

এ ঘটনায় মুকসুদপুর থানায় নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা হয়। আসামিরা হলেন- হেমায়েত শেখ, ইয়াছিন মোল্লা ও বশির শেখ। পরে সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুক্তাধরের নির্দেশনায় ২০ এপ্রিল রাতে নওগাঁওয়ের নজিপুর এলাকা থেকে আসামি ইয়াছিন মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত ইয়াছিন জিজ্ঞাসাবাদে তার সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করেছে। ঘটনার সাথে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানায় সিআইডি।

সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুক্তাধর এবং জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার জিসানুল হক উপস্থিত ছিলেন।

সুত্রঃ ঢাকা টাইমস

হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের আইনের আওতায় আনার ইঙ্গিত সিআই‌ডি’র
                                  

অনলাইন ডেস্ক: হেফাজত নেতাদের বিরুদ্ধে ২৩ মামলার তদন্তের কথা জানিয়েছেন সিআইডি প্রধান ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান। এছাড়া হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের আইনের আওতায় আনার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) সিআইডির মালিবাগ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা জানান।

মামুনুল হক বিষয়ে ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান জানান, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমনকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জে নাশকতার ঘটনার মামলায় মামুনুল হককে গ্রেফতার দেখিয়ে রিমান্ডে নেওয়া হতে পারে। এসময় সিআইডি প্রধান হেফাজতের শীর্ষ নেতাদেরও আইনের আওতায় আনার ইঙ্গিত দেন।

এর আগে সিআইডি প্রধান জানিয়েছেন, ২০১৬ সালের পাঁচটি মামলা ও সাম্প্রতিক সময়ের ১৮টি মামলাসহ মোট ২৩টি মামলার তদন্ত করবে সিআইডি। আমরা আশা করছি, খুব দ্রুততম সময়ের মধ্যেই তদন্ত শেষ করব এবং যারা এখনো আইনের আওতায় আসেনি তাদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করব।

হামলা, ভাঙচুর ও সহিংসতার ঘটনায় যারা উপস্থিত ছিল, মদত দিয়েছে, উসকানি দিয়েছে, জ্বালাও-পোড়াও করেছে তাদের ফুটেজ ফরেনসিক করা হবে। ফরেনসিক করে যাদের পাওয়া যাবে তাদের সবাইকেই আমরা আইনের আওতায় আনব। এরই মধ্যে যেসব হেফাজত নেতা পুলিশের কাছে গ্রেফতার হয়েছেন প্রয়োজনে তাদেরও সিআইডি জিজ্ঞাসাবাদ করবে বলে জানান ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান।

৪ দিনে ‘মুভমেন্ট পাস’ ওয়েবসাইটে ১৭ কোটি ২৬ লাখ হিট
                                  

অনলাইন ডেস্কঃ সরকারের ঘোষিত কঠোর বিধি-নিষেধের ‘লকডাউনে’ জরুরি প্রয়োজনে চলাচলের জন্য পুলিশের চালু করা মুভমেন্ট পাসের ওয়েবসাইটে চার দিনে ১৭ কোটি ২৫ লাখ ৯৭ হাজার ৯০৩টি হিট (নক) হয়েছে। এই হিসাবে প্রতি মিনিটে হিট হয়েছে ৪৩ হাজার ৬০৭টি।

গত মঙ্গলবার থেকে শনিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত ছয় লাখ ২১ হাজার ৩৫৯ জন আবেদন রেজিস্ট্রেশন করেছেন। এর মধ্যে মুভমেন্ট পাস ইস্যু করা হয়েছে চার লাখ ৭৬ হাজার ৩৯৪টি। পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-মিডিয়া) মো. সোহেল রানা এসব তথ্য জানান।

এদিকে আজই পুলিশ সদর দপ্তর চেকপোস্টে চিকিৎসক ও সাংবাদিকদের হয়রানির ব্যাপারে একটি বিবৃতি দিয়েছে। এতে বলা হয়, পরিচয় যাচাই করাকে কেন্দ্র করে ঘটনাগুলো ঘটছে। বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে জরুরি পেশার ব্যক্তিদের পরিচয়পত্র দেখিয়ে পুলিশকে সহায়তার আহ্বান জানানো হয় ওই বিবৃতিতে।

এআইজি সোহেল রানা বলেন, একটি নির্দিষ্ট সময় ও নির্দিষ্ট গন্তব্যের জন্য এই মুভমেন্ট পাস ইস্যু করা হয়। ওই সময় শেষ হলে বা নির্ধারিত গন্তব্য থেকে অন্য কোথাও যেতে হলে ফের পাস নিতে হবে। পাস শুধু জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহারযোগ্য।

পুলিশ সদর দপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনেক মানুষ নিয়ম ভেঙে বাইরে বের হচ্ছেন। জিজ্ঞাসাবাদে অনেকেই বাইরে বেরোনোর সপক্ষে উপযুক্ত কোনো প্রমাণ দিতে পারছেন না। কোনো কোনো ব্যক্তি দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের কাছে পরিচয়পত্র দেখাতেও অনীহা দেখাচ্ছেন। অনেকে পরিচয়পত্র দেখাতেও ব্যর্থ হচ্ছেন।

চলতি বিধিনিষেধের সুনির্দিষ্ট আইনের আওতায় জরিমানা করেছেন পুলিশ সদস্যরা। এ ক্ষেত্রে পুলিশ সদস্যরা আইনের প্রয়োগ করেছেন মাত্র। জরিমানা আরোপকারী পুলিশ সদস্যের এতে ব্যক্তিগত কোনো স্বার্থ নেই।

সূত্র : প্রতিদিনের সংবাদ

হেফাজতের সহকারী মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন গ্রেপ্তার
                                  

অনলাইন ডেস্কঃ হেফাজতে ইসলামের সহকারী মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ৮ বছর আগে দায়ের করা একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

শনিবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) হাফিজ আক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘২০১৩ সালের মামলায় আজ মোহাম্মদপুর থেকে জালালুদ্দীন আহমাদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজই তাকে আদালতে তুলে রিমান্ড চাওয়া হবে।’

সম্প্রতি হেফাজতের তাণ্ডবের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা আছে কিনা জানতে চাইলে ডিবির এই কর্মকর্তা বলেন, ‘মামলা আছে কিনা যাচাই করা হচ্ছে। বিস্তারিত পরে জানা যাবে।’

এর আগে হেফাজতের ঢাকা মহানগর শাখার প্রচার সম্পাদক মুফতি আব্দুল মোমিন জানান, শনিবার দুপুরে মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদকে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের টাউন হল এলাকার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ হেফাজতে ইসলামের সহকারী মহাসচিব এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব।

 

এর আগে, গতকাল শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাজধানীর লালবাগ এলাকা হেফাজতে ইসলাম ঢাকা মহানগরীর সহ-সভাপতি মাওলানা জুবায়ের আহমদকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) লালবাগের টিম। পরে আজ শনিবার তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড চাওয়া হলে ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

উল্লেখ্য, মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদসহ এখন পর্যন্ত হেফাজতের কেন্দ্রীয় ৮ জন নেতাকে গ্রেপ্তার করা হলো। এর বাইরে বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকেও শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মোদিবিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে তাণ্ডব চালানোর অভিযোগে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে প্রায় অর্ধশতাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে। 

লকডাউন বাস্তবায়নে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করবে পুলিশ
                                  

অনলাইন ডেস্কঃ লকডাউন বাস্তবায়নে সরকারের দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করবে পুলিশ। জনসচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি ক্ষেত্র বিশেষে আইন প্রয়োগ করে হলেও সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এছাড়া করোনায় নিজেদের সুরক্ষার পাশাপাশি পুলিশ সাধারণ মানুষের সুরক্ষায়ও কাজ করবে নিয়মিত। গত বছর দেশে করোনা সংক্রমণ শুরু হলে আক্রান্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক পুলিশ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিল পুলিশ। সেই সুনাম অব্যাহত রাখতে চায় সরকারের এই আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। এরইমধ্যে করোনায় মানুষের সচেতনতা বাড়াতে কাজ শুরু করেছে পুলিশ।

পুলিশ সদর দফতরের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, করোনায় কার্যক্রম চালাতে পুলিশ সদর দফতর ‘স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর কমব্যাট কোভিড-১৯ পেনডামিক-২০২০’ নামে একটি এসওপি তৈরি করেছে। সে অনুযায়ী পুলিশ সদর দফতরের নির্দেশনায় সারা দেশের পুলিশ ইউনিটগুলো করোনার বিরুদ্ধে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও সরকারের পক্ষ থেকে যখন যেই নির্দেশনা দেওয়া হবে, সে অনুযায়ী কাজ চালাবে তারা। এসওপি অনুযায়ী প্রতিটি ইউনিটে অপারেশনাল কমিটি ও টেকনিক্যাল কমিটিসহ একাধিক কমিটি রয়েছে। যারা পুলিশের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে দিক নির্দেশনা দেবেন। একইসঙ্গে পুলিশ সদস্যদের মনোবল অটুট রাখতে তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য নগদ সহায়তাসহ বিভিন্ন উদ্যোগ হাতে নেওয়া হয়েছে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত পুলিশ সদস্যদের দেখা শোনার জন্য ‘বিশেষ টিম’ গঠন করা আছে। এই টিম করোনা আক্রান্ত পুলিশ সদস্যদের প্রয়োজনীয় সবকিছুর ব্যবস্থা করবে।

গত ২১ মার্চ থেকে দ্বিতীয় দফায় পুলিশ করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে জনগণের মাঝে সচেতনতা বাড়াতে উদ্ধুদ্ধকরণ কর্মসূচি হাতে নেয়। জনগণকে উদ্ধুদ্ধ করতে মাস্ক বিতরণ করে তারা। করোনামুক্ত থাকতে হলে সচেতনতার কোনও বিকল্প নেই বলেও মনে করেন পুলিশ কর্মকর্তারা।

পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি করোনা মোকাবিলায়ও পুলিশ মাঠে থেকে কাজ করে যাচ্ছে। করোনা সংকটে যখন কেউ পাশে থাকে না, তখন পুলিশ সদস্যরা গিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন। করোনায় মৃত্যুর পর লাশ দাফন ও সৎকারের কাজও করছে পুলিশ। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায়ও মানুষের পাশে দাঁড়াতে পিছপা হবে না পুলিশ। এরইমধ্যে প্রায় ২০ হাজার পুলিশ সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ৮৯ জন।

পুলিশ সদর দফতরের জনসংযোগ বিভাগের এআইজি মো. সোহেল রানা বলেন, ‘সরকার যেসব নির্দেশনা দিয়েছে বা দেবে— তার আলোকেই লকডাউন বাস্তবায়নে কাজ করবে পুলিশ। এছাড়া করোনাকালে পুলিশের দায়িত্ব পালনের বিষয়ে পুলিশ সদর দফতর থেকে একটি আন্তর্জাতিক মানের এসওপি তৈরি করা হয়েছে। সেখানে সুস্পষ্টভাবে বলা আছে— পুলিশ করোনাকালে কীভাবে দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করবে। সেই এসওপি অনুসরণ করে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবেন পুলিশ সদস্যরা।

ঢাকা মহানগর পুলিশের জনসংযোগ বিভাগের অতিরিক্ত উপ কমিশনার ইফতেখায়রুল ইসলাম বলেন, লকডাউন বাস্তবায়নে সরকারের যে বিধিবদ্ধ দায়িত্ব সেটা পালন করবে পুলিশ। তাছাড়া নিয়মিত চেকপোস্টগুলো তাদের কাজ চালিয়ে যাবে।

পুলিশের একজন কর্মকর্তা বলেন, লকডাউন বাস্তবায়নে সরাসরি শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নেওয়ার কোনও সুযোগ নেই পুলিশের। এক্ষেত্রে মোবাইল কোর্টের প্রয়োজন হয়। সংক্রমণ আইনে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয় আছে। সেটাও বাস্তবায়ন করতে হলে ম্যাজিস্ট্রেট লাগবে। তবে স্থানীয় সিভিল প্রশাসন ও মেডিক্যাল অথরিটি তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী পুলিশকে নির্দেশনা নেবে।

সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন

কেরাণীগঞ্জে ১৫ আইপিএল জুয়াড়ি গ্রেফতার
                                  

অনলাইন ডেস্কঃ কেরাণীগঞ্জ থেকে ১৫ আইপিএল জুয়াড়িকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। রোববার (১১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় র‌্যাব-১০ থেকে আরো জানানো হয়, এদিন সকাল থেকে র‌্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল ঢাকার কেরাণীগঞ্জ মডেল থানার মধ্য চরাইল এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত আইপিএল খেলার ওপর টাকা দিয়ে জুয়া খেলা অবস্থায় ১৫ জন জুয়াড়িকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত হলো— মো. সনি মিয়া (২৪), মো. রিয়াজ, মো. সেলিম (২৮), মো. লুৎফর (৪৮), মো. মামুনুর রশিদ (২৭), মো. কাউসার, মো. হানিফ বয়াতি, মো. জুয়েল, মো. নজরুল ইসলাম, মো. রাসেল, মো. সোলায়মান হাওলাদার, মো. রমজান আলী, রবিউল, মো. নাঈমুল গাজী (২৪), মো. শাকিল হাওলাদার ও মো. ডায়মন্ড (২৪)। এসময় তাদের কাছ থেকে ১টি টেলিভিশন, ১টি রিমোট কন্ট্রোল, ১৩টি মোবাইল ফোন ও নগদ ৯০২০ (নয় হাজার বিশ) টাকা উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা পেশাদার অনলাইন জুয়াড়ি। তারা বেশ কিছুদিন যাবৎ একে অন্যের সাথে টেলিভিশনে সম্প্রচারিত হওয়া আইপিএল খেলার প্রতি বল ও ওভার প্রতি টাকা দিয়ে জুয়া খেলার মাধ্যমে নিজেদের সর্বস্ব হারাচ্ছে এবং জুয়া খেলে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা করা হয়েছে।


   Page 1 of 15
     আইন শৃঙ্খলা
আট বছর পর ৫৪ মামলার তদন্তে ‘গতি’
.............................................................................................
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তাণ্ডবের ঘটনায় গ্রেপ্তার আরও ৬
.............................................................................................
রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযান, গ্রেপ্তার ৪৪
.............................................................................................
দৌলতপুরে বিএসএফের গুলিতে ১ বাংলাদেশি আহত
.............................................................................................
গুলশানের ফ্ল্যাট থেকে কলেজছাত্রীর লাশ উদ্ধার
.............................................................................................
ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয়ে ‘ধর্ষণ’, যুবক গ্রেপ্তার
.............................................................................................
হামদর্দের শরবত রুহ্ আফজার জার্সি উদ্বোধন
.............................................................................................
সাপাহারে সরকার ঘোষিত নির্দেশনা বাস্তবায়নে অভিযান অব্যাহত
.............................................................................................
মহাদেবপুরে মানবিক পুলিশের দু:স্থদের মধ্যে ইফতারি বিতরণ
.............................................................................................
শিশুদের তথ্য ব্যবহারের দায়ে টিকটকের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ
.............................................................................................
করোনাকালে বেড়েছে ধর্ষণ: সিআইডি
.............................................................................................
হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের আইনের আওতায় আনার ইঙ্গিত সিআই‌ডি’র
.............................................................................................
৪ দিনে ‘মুভমেন্ট পাস’ ওয়েবসাইটে ১৭ কোটি ২৬ লাখ হিট
.............................................................................................
হেফাজতের সহকারী মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন গ্রেপ্তার
.............................................................................................
লকডাউন বাস্তবায়নে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করবে পুলিশ
.............................................................................................
কেরাণীগঞ্জে ১৫ আইপিএল জুয়াড়ি গ্রেফতার
.............................................................................................
ময়মনসিংহে উসকানিমূলক বক্তব্য দেয়ায় একজন আটক
.............................................................................................
শীর্ষ ৪ হেফাজত নেতা গ্রেপ্তার
.............................................................................................
টাঙ্গাইলে ৩৫৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ আটক ২
.............................................................................................
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া ২০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার
.............................................................................................
অরাজকতা সৃষ্টি করলে কঠোর ব্যবস্থা : আইনমন্ত্রী
.............................................................................................
৫ দিনের সফরে ঢাকায় ভারতের সেনাপ্রধান
.............................................................................................
সোনারগাঁও থানার ওসিকে বদলি
.............................................................................................
সেই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ
.............................................................................................
সাড়ে ১৯ হাজার পুলিশ করোনায় আক্রান্ত, ৮৮ জনের মৃত্যু
.............................................................................................
সারাদেশে দুই সপ্তাহের জন্য ১৮ দফা জরুরি নির্দেশনা জারি
.............................................................................................
শবে বরাতে বাজি-পটকা ফোটানো নিষেধ
.............................................................................................
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেনে হামলা হেফাজতের, সিলেট-চট্টগ্রামে ট্রেন বন্ধ
.............................................................................................
সাইনবোর্ডে পুলিশ-বিজিবির সঙ্গে হরতাল সমর্থকদের সংঘর্ষ
.............................................................................................
হেফাজতের হরতালকে ঘিরে কঠোর অবস্থানে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী
.............................................................................................
বিজিবি মোতায়েন রাজধানীসহ সারা দেশে
.............................................................................................
মোদিবিরোধী কার্যক্রম কঠোরভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে
.............................................................................................
ঢাকায় মোদিবিরোধী মিছিলে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া
.............................................................................................
মতিঝিলে বিক্ষোভ থেকে ‘শিশুবক্তা’ রফিকুল আটক
.............................................................................................
গভীর রাতে মাদরাসায় জিন নিয়ে খেলা, আটক শিক্ষক
.............................................................................................
ভিআইপি মুভমেন্ট, বন্ধ থাকবে সড়ক
.............................................................................................
হিন্দুপল্লিতে হামলার মূল হোতা যুবলীগ নেতা স্বাধীন মেম্বার গ্রেফতার
.............................................................................................
করোনা রোধে পুলিশের কার্যক্রম শুরু ২১ মার্চ: আইজিপি
.............................................................................................
`যারা জাতির পিতাকে অস্বীকার করে তারা এ দেশের মানুষই না`
.............................................................................................
মোদিবিরোধী মিছিল-মিটিংয়ে কঠোর হচ্ছে পুলিশ
.............................................................................................
সাতছড়িতে বনে অস্ত্রের সন্ধানে বিজিবির অভিযান, ১৮টি রকেট লঞ্চার উদ্ধার
.............................................................................................
সাবরিনাসহ ৮ আসামির অভিযোগ গঠন শুনানি ১৩ আগস্ট
.............................................................................................
সিনহা হত্যা মামলায় ওসি প্রদীপের আত্মসমর্পণ
.............................................................................................
রিমান্ড শেষে সাতক্ষীরা কারাগারে সাহেদ
.............................................................................................
ডা. সাবরিনা-আরিফসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিচ্ছে ডিবি
.............................................................................................
কুলাউড়া সীমান্তে বিজিবির গুলিতে চোরাকারবারি নিহত
.............................................................................................
পল্লবী থানায় বিস্ফোরণে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি : ডিবি
.............................................................................................
র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে তথ্য দিয়েছেন সাহেদ
.............................................................................................
ক্রেস্ট সিকিউরিটিজের পরিচালক গ্রেপ্তার
.............................................................................................
রিমান্ড শেষে আদালতে সাহেদ
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop