| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * টিকা নিতে ১ কোটির বেশি মানুষের নিবন্ধন   * দৌলতদিয়ায় উভয়মুখী যাত্রীর চাপ   * পদ্মা সেতুর পিলারে ধাক্কা: ফেরির ২ চালককে দায়ী করে প্রতিবেদন   * নেত্রকোনায় একদিনে পানিতে ডুবে ৩ শিশুর মৃত্যু   * লীগ শব্দ জুড়ে আ. লীগের রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার সুযোগ নেই : কাদের   * মতিঝিলে গাড়ির গ্যারেজে আগুন, পুড়ল বাস-প্রাইভেটকার   * চীনে গুদামে আগুন, নিহত ১৪   * বিশ্বজুড়ে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু কমেছে   * করোনা-উপসর্গে কুষ্টিয়ায় ঝরল আরও ১৯ প্রাণ   * আফগানিস্তানে সেনা অভিযানে ২৬৯ তালেবান নিহত  

   লাইফস্টাইল -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
গরুর মাথার মাংস ভুনা

কোরবানির ঈদ এলেই বেড়ে যায় খাবারের আইটেম। বাংলাদেশে মূলত গরু ও খাসিই কোরবানি হয়ে থাকে বেশি। কোরবানির ঈদ উপলক্ষে আরটিভি অনলাইনের বিশেষ রেসিপির তালিকায় আজ থাকছে গরুর মাথার মাংস ভুনা। অনেকেই আছেন গরুর মাংস থেকে গরুর মাথার মাংস খেতে বেশি পছন্দ করেন। তবে যেমন তেমন করে রান্না করলে কেউ তেমন একটা পছন্দ করবে না এই খাবারটি। তাই আমাদের দেয়া রেসিপি দেখে এবারের ঈদে রান্না করে ফেলুন।

রান্নায় যা লাগবে

গরুর মাথার মাংস ১ কেজি, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, টমেটো কুচি আধা কাপ, হলুদ গুঁড়া আধা চা চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, ধনে গুঁড়া আধা চা চামচ, সরিষার তেল আধা কাপ, গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ, তেজপাতা ২টি, গরম মসলা গুঁড়া ১ চা চামচ।

যেভাবে রাঁধবেন

তেলে পেঁয়াজ বাদামী করে ভেজে হলুদ গুঁড়া, তেজপাতা, মরিচ গুঁড়া, আদা বাটা, রসুন বাটা, পেঁয়াজ বাটা, টমেটো দিয়ে কষাতে হবে। তারপর পরিমাণমতো গরম পানি দিয়ে ঢেকে দিন। গরম মসলা গুঁড়া, জিরা গুঁড়া, ধনে গুঁড়া, জয়ফল ও জয়ত্রী গুঁড়া দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। মাংস সিদ্ধ হয়ে গেলে নামিয়ে পরিবেশন করুন ভাতের সঙ্গে।

গরুর মাথার মাংস ভুনা
                                  

কোরবানির ঈদ এলেই বেড়ে যায় খাবারের আইটেম। বাংলাদেশে মূলত গরু ও খাসিই কোরবানি হয়ে থাকে বেশি। কোরবানির ঈদ উপলক্ষে আরটিভি অনলাইনের বিশেষ রেসিপির তালিকায় আজ থাকছে গরুর মাথার মাংস ভুনা। অনেকেই আছেন গরুর মাংস থেকে গরুর মাথার মাংস খেতে বেশি পছন্দ করেন। তবে যেমন তেমন করে রান্না করলে কেউ তেমন একটা পছন্দ করবে না এই খাবারটি। তাই আমাদের দেয়া রেসিপি দেখে এবারের ঈদে রান্না করে ফেলুন।

রান্নায় যা লাগবে

গরুর মাথার মাংস ১ কেজি, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, টমেটো কুচি আধা কাপ, হলুদ গুঁড়া আধা চা চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, ধনে গুঁড়া আধা চা চামচ, সরিষার তেল আধা কাপ, গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ, তেজপাতা ২টি, গরম মসলা গুঁড়া ১ চা চামচ।

যেভাবে রাঁধবেন

তেলে পেঁয়াজ বাদামী করে ভেজে হলুদ গুঁড়া, তেজপাতা, মরিচ গুঁড়া, আদা বাটা, রসুন বাটা, পেঁয়াজ বাটা, টমেটো দিয়ে কষাতে হবে। তারপর পরিমাণমতো গরম পানি দিয়ে ঢেকে দিন। গরম মসলা গুঁড়া, জিরা গুঁড়া, ধনে গুঁড়া, জয়ফল ও জয়ত্রী গুঁড়া দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। মাংস সিদ্ধ হয়ে গেলে নামিয়ে পরিবেশন করুন ভাতের সঙ্গে।

ঘর থেকে মাংসের গন্ধ দূর করবেন যেভাবে
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ঈদুল আজহায় সবাই পশু কোরবানি দিয়ে থাকেন। কোরবানির পর মাংস ঘরে এনে ভাগ বাটোয়ারা করা হয়ে থাকে। এর ফলে ঘর যেমন নোংরা হয় সেইসঙ্গে মাংসের গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে ঘরে। সহজে এই গন্ধ ঘর থেকে দূর হয় না। এমনকি কয়েকদিনও থেকে যায় এই গন্ধ।

তাই ঘর থেকে মাংসের গন্ধ দূর করার জন্য কিছু নিয়ম মানতে হবে। এরপর ঘর পরিষ্কার করলে দ্রুতই গন্ধ দূর হয়ে যাবে। জেনে নিন কীভোবে ঘর পরিষ্কার করলে দ্রুত মাংসের গন্ধ দূর হবে-

> মাংস ভাগ করার সময় মেঝেতে বড় প্লাস্টিক ক্লথ বিছিয়ে নিন। যেন মেঝেতে মাংস কিংবা রক্ত না লাগে। মাংস গোছানোর কাজ শেষ হয়ে গেলে প্লাস্টিক ক্লথটি ফেলে দিন বাইরের ডাস্টবিনে।

> মাংস প্যাকেট করে ফ্রিজে রাখুন। যেহেতু অনেক ফ্রিজ খোলা হয়, তাই ফ্রিজের গায়ে বা হ্যান্ডেলে মাংসের গন্ধ হয়ে থাকে। তাই মাংস ফ্রিজে রাখা শেষ হলে এর বাইরের অংশ পরিষ্কার করুন হালকা গরম পানিতে ডিশ ক্লিনিং সোপ মিশিয়ে।

> যেসব পাত্রে কাঁচা মাংস রাখা হয়েছিল, সেগুলো দ্রুত ধুয়ে ফেলতে হবে। এসব পাত্র থেকে চর্বি সহজে দূর করতে হালকা গরম পানিতে ডিশ ক্লিনিং সোপ দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে নিন।

> হালকা গরম পানিতে ভিনেগার অথবা লেবুর রস মিশিয়ে পুরো ঘর মুছে ফেলুন। এতে ঘরে মাংসের গন্ধ হয়ে থাকলে সেটা চলে যাবে।

> সবার জুতো দরজার বাইরে রাখুন। কারণ জুতোর সঙ্গে বাইরের ময়লা ও দুর্গন্ধ ঘরে ঢুকতে পারে।

> ঘরের সব জানালা ও দরজা খুলে রাখুন। এতে ঘরে জমে থাকা গন্ধ চলে যাবে। সুগন্ধী এয়ার ফ্রেশনার স্প্রে করে দিন ঘরে। তাহলে দ্রুত ঘরের গন্ধ দূর হয়ে যাবে।

পশু কুরবানির স্থান পরিষ্কার করবেন যেভাবে
                                  

ফিচার ডেস্ক : হিজরি জিলহজ মাসের ১০ তারিখে মুসলমানরা ঈদুল আজহা পালন করেন। ঈদুল আজহার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে পশু কুরবানি। সবাই সাধ্য অনুযায়ী কুরবানি করে থাকেন। তবে পশু কুরবানির পর স্বাস্থ্যবিধি মেনে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। আসুন জেনে নেই পশু কুরবানির পর ওই স্থান কীভাবে পরিষ্কার করবেন—

পশু কুরবানির পর যা করবেন-


১. শহর বা গ্রামে কোনো একটি এলাকার লোকজন বিচ্ছিন্নভাবে কুরবানি না দিয়ে বেশ কয়েকজন মিলে একই স্থানে কুরবানি করা ভালো।

২. পশু কুরবানির জায়গাটি যেন খোলামেলা হয়। গ্রামে গর্ত করা যায় এমন জায়গা, আর শহরে রাস্তার কাছাকাছি হলে বর্জ্যের গাড়ি পৌঁছানো সহজ হবে।

৩. পশু কুরবানির পর রক্ত ঝরা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। যদি রক্ত মাটি থেকে সরানো সম্ভব না হয়। তাহলে পর্যাপ্ত পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এসময় জীবাণুনাশকও ব্যবহার করতে হবে।

৪. গর্তের মধ্যে কিছু চুন বা ব্লিচিং পাউডার বা জীবাণুনাশক, যেমন- ফাম-৩০ ইত্যাদি দেওয়া। যাতে দুর্গন্ধ না ছড়ায় এবং শেয়াল বা কুকুর মাটি খুঁড়ে রক্ত ছড়াতে বা খেতে না পারে।

৫. পশুর দেহ থেকে নাড়ি-ভুঁড়ির উচ্ছিষ্ট বের করে যেখানে-সেখানে ফেলে দিলে তা পচে মারাত্মক দুর্গন্ধ ছড়াবে এবং পরিবেশ দূষিত হয়ে বিভিন্ন রোগ ছড়াবে। তাই বিষয়টি আগেই মাথায় রাখতে হবে।

৬. জবেহ পর্ব শেষে রক্তের মতো শরীরের যাবতীয় উচ্ছিষ্ট এক করে মাটিতে তিন বা চার ফুট গর্ত করে তার ওপর চুন, ব্লিচিং পাউডার বা ফাম-৩০ নামক জীবাণুনাশক স্প্রে করে তার ওপর কাঁটাজাতীয় কিছু ডালপালা এবং খড়কুটা দিয়ে ঢেকে শক্ত করে মাটিচাপা দিতে হবে।

৭. মাটিচাপার ওপরে কিছু মোটা তুষ ছিটিয়ে দিলে শেয়াল বা কুকুর মাটি গর্ত করে ময়লা তুলতে পারবে না। মূল কথা হচ্ছে, কুরবানির পশুর বর্জ্য নিজের উদ্যোগে পরিষ্কার করাই ভালো।

৮. শহর হলে পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশনের বর্জ্য সংগ্রহের গাড়ির শরণাপন্ন হতে হবে। ময়লা গাড়িতে উঠিয়ে জবেহ করার স্থান পর্যাপ্ত পানি ও জীবাণুনাশক দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

৯. ভবনের আন্ডারগ্রাউন্ডে পশু জবেহ করলে প্রথমেই রক্ত ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। এরপর মাংস সংগ্রহ করা হয়ে গেলে গাড়িতে আবর্জনা তুলে দিয়ে পুনরায় ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে।

১০. মনে রাখতে হবে, পশুর রক্ত ও তরল বর্জ্য খোলা স্থানে রাখা যাবে না। এগুলো গর্তের ভেতরে পুঁতে মাটিচাপা দিতে হবে অথবা পরিচ্ছন্নতা কাজে নিয়োজিত গাড়িতে দিতে হবে। কারণ রক্ত আর নাড়ি-ভুঁড়ি কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দুর্গন্ধ ছড়ায়।

রেসিপি: গরুর ভুড়ি ভুনা
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : গরুর ভুড়ি বা বট খেতে কে না পছন্দ করে! বিশেষ করে ভুনা করলে সবচেয়ে বেশি মজাদার হয় গরুর ভুড়ি। কমবেশি সবাই গরুর ভুড়ি পাতে পেলে কবজি ডুবিয়ে খেয়ে থাকেন।

আর মাত্র কয়েকদিন পরেই কোরবানি ঈদ। এ সময় অনেকেই গরুর ভুড়ি রান্না করে খাবেন! তাই ঈদের আগেই জেনে নিন সঠিক উপায়ে গরুর ভুড়ি রান্নার রেসিপি।


গরুর ভুড়ি ভুনা করা খুবই সহজ। সামান্য কয়েকটি উপকরণ হাতের কাচে থাকলেই রান্না করে নিতে পারবেন মজাদার এই পদটি। জেনে নিন গরুর ভুড়ি রান্নার সহজ রেসিপি-

 

উপকরণ

১. ভুড়ি দেড় কেজি
২. তেল পৌনে ১ কাপ
৩. পেঁয়াজ ২ কাপ
৪. আদা/রসুন বাটা ২ টেবিল চামচ
৫. গরম মশলার গুঁড়ো ১ চা চামচ
৬. হলুদ গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ
৭. মরিচ গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ
৮. ধনে গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ
৯. জিরা গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ
১০. শুকনো বা কাঁচা মরিচ ৪-৫টি
১১. পানি ২ কাপ
১২. লবণ স্বাদমতো


পদ্ধতি

প্রথমে গরুর ভুড়ি ভালো করে ধুয়ে নিন। তারপর একটি প্যানে তেল গরম করে নিতে হবে। মাঝারি আঁচে পেঁয়াজ, আদা-রসুন বাটা দিয়ে সামান্য কষিয়ে নিন।

তারপর একটু পানি দিয়ে নেড়ে একেক করে সব গুঁড়ো মশলাসহ লবণ মিশিয়ে নিন। তারপর ভালো করে নেড়ে হালকা আঁচে ঢেকে কষিয়ে নিতে হবে।

মশলা ভালো করে কষানো হলে, এর মাঝে পরিষ্কার করে রাখা বট বা ভুড়ি দিয়ে ৫-৬ মিনিট বারবার নেড়েচেড়ে কষিয়ে নিন। এরপর ২ কাপ পানি দিয়ে মাঝারি আঁচে ডেকে রান্না করুন।

কিছুক্ষণ পরপর ঢাকনা উঠিয়ে নেড়ে দিন, যাতে নিচে লেগে না যায়। পানি শুকিয়ে গেলে টালা জিড়া গুঁড়ো ও সামান্য গরম মশলার গুঁড়ো উপরে ছড়িয়ে ভালো করে নেড়ে নিন।

যদি আপনি ভুড়ি ভুনায় সামান্য ঝোল বা গ্রেভি রাখতে চান তাহলে এ পর্যায়ে সামান্য গরম পানি মিশিয়ে দিন। ৫ মিনিট চুলার আঁচ বাড়িয়ে দিয়ে অনবরত নাড়তে থাকুন।

আর যদি ভাজা ভাজ করতে চান; তাহলে চুলার আঁচ কমিয়ে আরও ৭-৮ মিনিট ভেজে নিন। এ পর্যায়ে দেখবে ভুড়ি ভুনা অনেকটা কালো হতে শুরু করেছে।

তারপর নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন মজাদার ভুড়ি ভুনা। ভাত, রুটি, পরোটা দিয়ে দারুন মানিয়ে যায় মুখোরোচক এই পদটি।

আমলকির ঔষধি গুণ ও উপকারিতা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : আমলকি। ভেষজ গুণে অনন্য একটি ফল। এর ফল ও পাতা দু`টিই ওষুধরূপে ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন অসুখ সারানো ছাড়াও আমলকি রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে দারুণ সাহায্য করে। আমলকির গুণাগুণের জন্য আয়ুর্বেদিক ওষুধেও এখন আমলকির নির্যাস ব্যবহার করা হয়।

আমলকিতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’। পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, আমলকিতে পেয়ারা ও কাগজি লেবুর চেয়ে তিন গুণ ও ১০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। আমলকিতে কমলালেবুর চেয়ে ১৫ থেকে ২০ গুণ বেশি, আপেলের চেয়ে ১২০ গুণ বেশি, আমের চেয়ে ২৪ গুণ এবং কলার চেয়ে ৬০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে।

চলুন জেনে নিই আমলকি খাওয়ার ১০টি উপকারিতা সম্পর্কে :

১. আমলকি চুলের টনিক হিসেবে কাজ করে এবং চুলের পরিচর্যার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি কেবল চুলের গোড়া মজবুত করে তা নয়, এটি চুলের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে। এটি চুলের খুসকির সমস্যা দূর করে ও পাকা চুল প্রতিরোধ করে।
২. আমলকির রস কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যা দূর করতে পারে। এছাড়াও এটি পেটের গোলযোগ ও বদহজম রুখতে সাহায্য করে।
৩. এক গ্লাস দুধ বা পানির মধ্যে আমলকি গুঁড়ো ও সামান্য চিনি মিশিয়ে দিনে দু’বার খেতে পারেন। এ্যাসিডেটের সমস্যা কম রাখতে সাহায্য করবে।

৪. আধা চূর্ণ শুষ্ক ফল এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে খেলে হজম সমস্যা কেটে যাবে। খাবারের সঙ্গে আমলকির আচার হজমে সাহায্য করে।

৫. প্রতিদিন সকালে আমলকির রসের সঙ্গে মধু মিশে খাওয়া যেতে পারে। এতে ত্বকের কালো দাগ দূর হবে ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে।

৬. আমলকির রস দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছড়াও চোখের বিভিন্ন সমস্যা যেমন চোখের প্রদাহ। চোখ চুলকানি বা পানি পড়ার সমস্যা থেকে রেহাই দেয়। আমলকি চোখ ভাল রাখার জন্য উপকারী। এতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের সঙ্গে জড়িও ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

৭. প্রতিদিন আমলকির রস খেলে নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর হয় এবং দাঁত শক্ত থাকে। আমলকির টক ও তেতো মুখে রুচি ও স্বাদ বাড়ায়। রুচি বৃদ্ধি ও খিদে বাড়ানোর জন্য আমলকী গুঁড়োর সঙ্গে সামান্য মধু ও মাখন মিশিয়ে খাওয়ার আগে খেতে পারেন।

৮. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমায়। কফ, বমি, অনিদ্রা, ব্যথা-বেদনায় আমলকি অনেক উপকারী। ব্রঙ্কাইটিস ও এ্যাজমার জন্য আমলকির জুস উপকারী।

৯. শরীর ঠাণ্ডা রাখে, শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে, পেশী মজবুত করে। এটি হৃদযন্ত্র, ফুসফুসকে শক্তিশালী করে ও মস্তিষ্কের শক্তিবর্ধন করে। আমলকির আচার বা মোরব্বা মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্রের দুর্বলতা দূর করে। শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে।

১০. ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরল লেভেলেও কম রাখাতে যথেষ্ট সাহায্য করে।

ঘামের দুর্গন্ধ দূর করতে ঘরেই তৈরি করুন ডিওডোরেন্ট
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : অফিসে মিটিংয়ে অংশ নিতে খুব সুন্দর জামাকাপড় পরে রওনা হলেন। যেতে যেতে ঘেমে নেয়ে একাকার অবস্থা। এবার কীভাবে যাবেন সবার সামনে? নিজের মনোবল যেমন হারিয়ে ফেলবেন, অন্যদিকে সবার হাসির পাত্রও হলেন। কী একটা অবস্থা!

শরীরে ঘাম হওয়া এবং দুর্গন্ধ হওয়া খুবই স্বাভাবিক। বিশেষ করে গরমের এই সময়টাতে। ধুলাবালি, ঘামের মাধ্যমে শরীরে দুর্গন্ধ হতে পারে। এটি নিজের কাছে যেমন অস্বস্তিকর ব্যাপার; তেমনি সামাজিকভাবেও হেয় হতে হয়।

মানুষের ত্বকে দুই ধরণের গ্ল্যান্ড বা গ্রন্থি থেকে ঘামের উৎপত্তি হয়। শরীরচর্চা বা পরিশ্রমের ফলে উৎপন্ন ঘাম তৈরি করে একরিন নামক গ্রন্থি। এই ঘামে কোনো দুর্গন্ধ নেই। বরং তা শরীরকে ঠান্ডা রাখে। অন্য গ্রন্থটি হলো অ্যপোক্রিন গ্রন্থি।

যেটি বগল ও গোপনাঙ্গের আশপাশে থাকে। অবাঞ্ছিত লোম থেকে উৎপন্ন ঘামে এক বিশেষ ধরনের প্রোটিন থাকে। এতে প্রথমে দুর্গন্ধ না থাকলেও ব্যাকটেরিয়ার কারণে পরে দুর্গন্ধ তৈরি হয়। ব্যাকটেরিয়া ক্ষুদ্র হলেও বেশ শক্তিশালী কারণ তারা সেই বিশেষ প্রোটিনটি ব্যবহার করে।

তবে খুব সহজেই শরীরে দুর্গন্ধ দূর করতে পারেন। এজন্য ডিওডোরেন্ট ও অ্যান্টি-পার্সপির্যান্ট সুগন্ধি ব্যবহার করে অনেকেই ঘামের দুর্গন্ধ দূর করার চেষ্টা করেন।ডি ওডোরেন্ট দুর্গন্ধকে আড়াল করে রাখে। এতে ব্যাকটেরিয়া রোধ করে এমন কিছু উপাদানও থাকে।

আর অ্যান্টি-পার্সপির্যান্ট ঘামের পরিমাণ কমিয়ে দেয়। বাজারের ডিওডোরেন্টগুলো নানান সুগন্ধি দিয়ে তৈরি হলেও, এর মধ্যে থাকে প্রচুর কেমিকেল। যা আপনার ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। এজন্য বাড়িতে খুব সহজে তৈরি করে নিতে পারেন পছন্দমতো ডিওডোরেন্ট।


চলুন জেনে নেয়া যাক ঘরোয়া কোন উপাদানগুলো আপনাকে ঘামের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি দিতে পারে-


বেকিং সোডা:
বহু শতাব্দী থেকে দুর্গন্ধ দূর করতে ব্যবহার হয়ে আসছে বেকিং সোডা। এর এমন বৈশিষ্ট্য আছে, যা ঘাম শোষণ এবং দুর্গন্ধ দূর করতে করতে সহায়তা করে।

শিয়া বাটার:
এই উপকরণটি রান্নার কাজে যেমন ব্যবহার করা হয় তেমনি ওষুধি এবং সৌন্দর্য চর্চায় ব্যবহার হয়ে আসছে। এতে রয়েছে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট বৈশিষ্ট্য।

মোম :
সৌন্দর্যচর্চায় মোমের ব্যবহার বহুকাল আগে থেকেই। এটি ত্বককে হাইড্রেট রাখতে সহায়তা করে এবং মসৃণ করে।

নারকেল তেল:
চুলের পাশাপাশি ত্বকের জন্য খুবই উপকারী নারকেল তেল। এটি শরীরের দুর্গন্ধ শোষণ করে এবং দূর করতে সহায়তা করে। এক্ষেত্রে অল্প পরিমাণ নারকেল তেল নিয়ে শরীররে যে যে অংশে বেশি মাত্রায় ঘাম হয়; সেখানে লাগালেই দেখবেন অল্প সময়েই ঘামের গন্ধ দূর হয়ে যাবে।


জবা, গ্রিনটি এবং ল্যাভেন্ডার তেল:
এই তেলগুলো এসেন্স হিসেবেও কাজ করবে। এতে উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং ট্যানিক অ্যাসিড গায়ের গন্ধ দূর করতে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

এবার চলুন জেনে নেওয়া যাক ঘরেই ডিওডোরেন্ট কীভাবে তৈরি করবেন-

প্রথম পদ্ধতি: দুই কাপ বেকিং সোডার সঙ্গে সমপরিমাণ এরারুট, ৫ চামচ নারকেল তেল, ৫ ফোঁটা করে জবা, গ্রিনটি এবং ল্যাভেন্ডার তেল। প্রথমে বেকিং সোডা এবং এরারুট একসঙ্গে একটি ব্লেন্ডারে নিয়ে মিশিয়ে নিন। বাকি উপকরণগুলো মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করুন।

ব্লেন্ড করতে করতেই দেখবেন ঘন মিশ্রণ তৈরি হয়ে গেছে। এবার এই মিশ্রণ এয়ার টাইট জার কিংবা আপনার খালি ডিওডোরেন্টের বোতলে ভরে রাখুন। একবার বানিয়ে সংরক্ষণ করতে পারবেন ৩ থেকে ৬ মাস পর্যন্ত।

দ্বিতীয় পদ্ধতি: প্রথমটির মতো একই উপকরণ প্রয়োজন। বাড়তি লাগবে শুধু গলানো মোম ও শিয়া বাটার। এজন্য ১/৮ কাপ বেকিং সোডা, ১/৩ কাপ এরারুট, আধা কাপ জোজোবা তেল, আধা কাপ শিয়া বাটার, আধা কাপ মোম, নারকেল তেল ১০ ফোঁটা, ল্যাভেন্ডার তেল ১০ ফোঁটা।

এবার একটি পাত্রে পানি ফুটিয়ে নিন। এর উপর আরেকটি পাত্রে মোম গলতে দিন। এটাকে বলে ডাবল বয়লার পদ্ধতি। অন্য একটি বাটিতে, বেকিং সোডা, এরারুট এবং জোজোবা তেল নিয়ে মেশাতে থাকুন। মোমের সঙ্গে মিশিয়ে ডাবল বয়লার পদ্ধতিতে গরম করে নিন।

এবার এই মিশ্রণের সঙ্গে শিয়া বাটার মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করুন। নামিয়ে কিছুটা ঠান্ডা করে বাকি তেলগুলো মিশিয়ে নিন। এবার একটি পরিষ্কার এয়ার-টাইট জারে সংরক্ষণ করুণ ৩ থেকে ৬ মাস পর্যন্ত।

সূত্র: বেভারলি হিলস

গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে যা করবেন
                                  

অনলাইন ডেস্ক : মাছে-ভাতে বাঙালির পাতে মাছ না হলে চলে না। নিত্যদিনের ব্যস্ততার মধ্যে, তাড়াহুড়োয় কাঁটা বাছার ঝামেলা এড়াতেই মাছ খেতে চান না অনেকে।


ইলিশের স্বাদও অনেকে দূরে সরিয়ে রাখেন শুধু অতিরিক্ত কাঁটার জন্য। তৃপ্তিভরে মাছ ভাত খেতে গিয়ে হঠাৎ গলায় কাঁটা বিঁধে গেলেই সর্বনাশ!

অনেকেই গলায় বিঁধে যাওয়া মাছের কাঁটা দূর করার সহজ উপায় হিসাবে এক দলা সাদা ভাতের মণ্ড খেয়ে থাকেন। নরম ছোট কাঁটা হলে এতে অনেক সময় নেমেও যায়। তবে এ ছাড়াও বেশ কিছু ঘরোয়া উপায়ে গলায় বিঁধে থাকা মাছের কাঁটা দূর করা যায়। আসুন জেনে নেওয়া যাক সেই সব ঘরোয়া উপায়গুলো…….

• গলায় কাঁটা বিঁধলে দেরি না করে অল্প অলিভ অয়েল খেয়ে নিন। অলিভ অয়েল অন্য তেলের তুলনায় বেশি পিচ্ছিল। তাই গলা থেকে কাঁটা পিছলে নেমে যাবে সহজেই।

• গলায় কাঁটা আটকালে হালকা গরম পানিতে একটু লেবুর রস মিশিয়ে খান। লেবুর অ্যাসিডিক ক্ষমতা কাঁটাকে নরম করে দেয়। তাই গরম পানিতে একটু লেবুর রস মিশিয়ে খেলে কাঁটা নরম হয়ে নামবে সহজেই।

• পানির সঙ্গে ভিনিগার মিশিয়ে নিন। ভিনিগার গলায় বিঁধে থাকা মাছের কাঁটাকে নরম করার ক্ষমতা রাখে। তাই পানির সঙ্গে ভিনিগার মিশিয়ে খেলে কাঁটা সহজেই নেমে যায়।

• লবণও কাঁটা নরম করে। তবে শুধু লবণ না খেয়ে পানিতে মেশিয়ে নিন। প্রথমে একটু পানি সামান্য উষ্ণ গরম করে নিয়ে সেই পানিতে বেশ খানিকটা লবণ মিশিয়ে নিন। এই উষ্ণ লবণ-পানি খেলে গলায় বিঁধে থাকা মাছের কাঁটা সহজেই নেমে যাবে।

করোনা থেকে বাঁচতে মাধুরী টিপস
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : করোনায় বিধ্বস্ত পৃথিবী। মহামারির দ্বিতীয় ঢেউয়ে বিপর্যস্ত ভারত। রোজ হাজার হাজার মানুষ মারা যাচ্ছেন। আক্রান্ত হচ্ছেন লাখো মানুষ। এতেও অনেকে সতর্ক হচ্ছেন না।

তাদের সতর্ক করে করোনা থেকে বাঁচার উপায় বাতলে দিয়েছেন বলিউডের জনপ্রিয় নায়িকা মাধুরী দীক্ষিত।

করোনার শুরুর দিকে স্বামী আর দুই ছেলেকে নিয়ে ঘরেই সময় কাটছিল মাধুরির। সম্প্রতি করোনার দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিয়ে কাজে ফিরেছেন তিনি।

করোনাভাইরাস এখন সারা বিশ্বেই ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। এমন পরিস্থিতিতে সবাইকে সতর্ক করতে মাস্ক ব্যবহারের নিয়ম বললেন এ বলিউড প্রিয়মুখ। মাধুরী বলেন, ‘শুধু মাস্ক পরলেই হবে না, জানতে হবে ব্যবহারবিধি’।

মাস্ক ব্যবহারের সঠিক পদ্ধতি শেখাতে ২৮ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেছেন তিনি। বলিউড তারকার এই ভিডিও দেওয়ার পরপরেই সেটি সাড়া ফেলেছে নেটদুনিয়ায়।

তার পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা যায়, প্রথমে তিনি একটি কালো মাস্ক হাতে নিয়ে থুঁতনিতে পরেন এবং হাতের ইশারায় জানান সেটি ভুল নিয়ম, এভাবে মাস্ক পরা যাবে না। এর পরে তিনি নাক না ঢেকে শুধু মুখে মাস্ক পরেন। আবার বলেন সেটিও ভুল নিয়ম, কারণ করোনার জীবাণু নাক দিয়ে প্রবেশ করতে পারে।

এর পরে তিনি সঠিকভাবে মাস্ক ব্যবহার করে দর্শকদের দেখান। জানান যে, মাস্ক দিয়ে সুন্দর করে নাক ও মুখ ঢাকতে হবে। বলেন, মাস্ক যেন সব দিক দিয়ে মুখ ও নাক ভালো মত ঢেকে রাখে, মাস্ক এড়িয়ে বাইরের বাতাস যেন নাক ও মুখে প্রবেশ করতে না পারে।

তিনি বলেন, মহামারি করোনা থেকে সুরক্ষা পেতে সঠিকভাবে মাস্ক ব্যবহারের কোনো বিকল্প নেই এখনও। এমনকি টিকাও পুরোপুরি সুরক্ষা দিতে পারছে না করোনা থেকে।

করোনা মোকাবেলায় যে ব্যায়াম করবেন
                                  

অনলাইন ডেস্ক : করোনাভাইরাসে নাকাল বিশ্ববাসী। বাজারে প্রতিষেধকের আকাল, চড়া দামে বিকোচ্ছে অক্সিজেন। একটা অক্সিজেন সিলিন্ডার জোগাড় করতে হাহাকার মানুষের। এই অবস্থায় শ্বাসযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে বাড়িতে বসে নিজেই করুন ব্যায়াম।

এছাড়া স্বাস্থ্যবিধি মানার পাশাপাশি সুষম খাবার, ফুসফুসের ব্যায়াম, অ্যারোবিক ব্যায়াম করে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে হবে।

কোভিড আক্রান্তদের শ্বাসকষ্ট কমাতে এবং বুকে জমে থাকা কফ বের করে তাদের সুস্থ করে তুলতে রেসপিরেটরি ফিজিওথেরাপি বেশ সুফল আনে। সিঁড়ি বেয়ে ওঠানামা হতে পারে দারুণ কার্যিকরী ব্যায়াম। বয়স্ক রোগীরা শারীরিক কাজকর্ম না করায় রক্তে জমে থাকা খারাপ হরমোন-কর্টিসলের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে রক্ত জমাট বাঁধার আশঙ্কা বেড়ে যায়। আর এখনোই শুরু হয় শ্বাসকষ্ট।তাই তাদের বয়স অনুযায়ী ব্যায়াম করা উচিত।

যাদের শরীরে অতিরিক্ত ফ্যাট রয়েছে তাদের পেটের চর্বির জন্য ফুসফুসের নিচের অংশের কার্যকক্ষমতা কমে যায়। তাই পেটের ব্যায়াম, ব্রিদিং এক্সারসাইজ, ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ, অ্যারোবিক এক্সারসাইজ করা উচিত। এতে ওজন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়বে।

মনে রাখবেন শ্বাসকষ্ট শুরু হওয়ার আগে থেকেই অক্সিজেন স্যাচুরেশন লেভেল কমতে থাকে। তাই আগে থেকেই যদি অক্সিজেন স্যাচুরেশন ঠিক রাখতে ফিজিওথেরাপি শুরু করেন তাহলে এই হাহাকারের মধ্যে নাও পড়তে পারেন। আর শ্বাসকষ্ট শুরু হলেও ভয় পাবেন না , এতে শ্বাসকষ্ট বাড়বে বৈ কমবে না। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, সঠিক খাদ্যাভাস, ব্যায়াম আর মনোবল হতে পারে কোভিড মোকাবেলায় কার্যেকর হাতিয়ার।

তৈলাক্ত ত্বক মন্দ নয়, উপকারিতা জানলে চমকাবেন !
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : তৈলাক্ত ত্বক বা অয়েলি স্কিন হওয়ায় অনেকেরই দুশ্চিন্তার শেষ নেই! ত্বকের তৈলাক্তভাব কমানোর জন্য তারা সর্বদা উদগ্রীব থাকেন। সবার ধারণা, তৈলাক্ত ত্বক মানেই ব্রণ, ফুসকুড়ি থেকে শুরু করে ত্বক আরও কালচে হয়ে যাওয়া। অনেকে এজন্য হিনমন্যতায়ও ভোগেন।

তবে তৈলাক্ত ত্বক মানেই যে মন্দ, তা কিন্তু নয়। বরং আপন ভাগ্যবান যে তৈলাক্ত ত্বক পেয়েছেন। তৈলাক্ত ত্বকের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, ত্বক সবসময় আঁঠালো বা চিটচিকে হয়ে যাওয়া। আবার তৈলাক্ত ত্বকে বেশি ব্রণও হয়ে থাকে।

তবে আপনি জানলে অবাক হবেন, তৈলাক্ত ত্বকের উপকারিতা কতটুকু। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক, তৈলাক্ত ত্বকের উপকারিতাসমূহ-

>> তৈলাক্ত ত্বক হলে ময়েশ্চরাইজিং ক্রিম কিনতে হবে না। ত্বকের ছিদ্র থেকে বের হওয়া সিবাম, মুখের ত্বককে আর্দ্র রাখার কারণে ত্বক শুষ্ক হতে দেয় না।

>> ত্বক থেকে যে তেল বের হয়, তাতে ভিটামিন-ই থাকে। যা প্রাকৃতিক সানস্ক্রিন এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। ভিটামিন-ই এর কারণে ত্বক সূর্যের আলো, বায়ুদূষণ এবং ঠান্ডা আবহাওয়া থেকে রক্ষা পায়।

>> গবেষকদের মতে, তৈলাক্ত ত্বকে খুব সহজে রিঙ্কেলস পড়ে না। এজন্য শোওয়ার আগে হালকা ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম ত্বকে ব্যবহার করুন।

>> তৈলাক্ত ত্বক হলে অতিরিক্ত স্কিন কেয়ার প্রসাধনী ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে না। আর ব্যবহার করলেও সামান্য পরিমাণ হলেই যথেষ্ট।

>> শীতে তৈলাক্ত ত্বক ফাটার সম্ভাবনা কম থাকে অন্যদের তুলনায়।

সূত্র: বোল্ডস্কাই

ঈদের পোশাকের সঙ্গে কিনুন মানানসই ভ্যানিটি ব্যাগ
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : হাল ফ্যাশনে পোশাকের সঙ্গে থাকা চায় মানানসই ব্যাগ। বর্তমানে সাজসজ্জার অন্যতম এক অনুষঙ্গ হলো ফ্যাশনেবল ব্যাগ। যে সে ব্যাগ হলে আবার পুরো সৌন্দর্যটাই নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। ঈদের ফ্যাশনেও থাকা চায় মানানসই লেডিস ভ্যানিটি ব্যাগ।

ঈদের বাকি আর মাত্র কয়েকদিন! লকডাউনের কারণে রোজার শুরু দিকে মার্কেট শপিংমল খোলা না থাকায়, এখন এসব স্থানে ভিড় বাড়ছে। তাই সতর্ক থেকেই কেনাকাটা করা উচিত। ঈদেরি সবাই কমেবেশি নতুন পোশাক নিশ্চয়ই কিনছেন!

জানেন কি, পোশাকের ধরনের উপর অনেকটাই নির্ভর করে আপনি কেমন ব্যাগ ক্যারি করবেন। ডিজাইনার পোশাক, ট্রেন্ডি গয়নার সঙ্গে মানানসই ব্যাগ না থাকলে সাজটাই যেন সম্পূর্ণ হয় না। জেনে নিন ঈদে পছন্দের পোশাকের সঙ্গে কীভাবে মানানসই ভ্যানিটি ব্যাগ বেছে নিবেন-

লেদার ব্যাগ

চামড়ার ব্যাগ সবারই পছন্দের। এখন বিভিন্ন রঙের চামড়ার ব্যাগ পাওয়া যায়। এগুলো যদিও দামে একটু চড়া; তবে বেশ টেকসই। পার্টি লুক থেকে শুরু করে অফিস, বিশ্ববিদ্যালয় সব জায়গাতেই মানানসই লেদারের ব্যাগ।

গাঢ় রং থেকে শুরু করে হালকা বিভিন্ন রঙের লেদারের ছোট-বড় ভ্যানিটি ব্যাগ বা পার্স পেয়ে যাবেন। পোশাকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে বা চাইলে কন্ট্রাস্ট হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন প্রিয় ব্যাগটি।

সিন্থেটিক লেদার ব্যাগ

লেদার ব্যাগের দাম বেশি হওয়ার কারণে অনেক নারীরাই এখন সিন্থেটিক লেদারের ব্যাগ ব্যবহার করতে পছন্দ করেন। সেক্ষেত্রে চামড়ার বদলে বেছে নিতে পারেন সিন্থেটিক লেদারের ব্যাগ।

চামড়ার ব্যাগের তুলনায় এগুলোর দামও কম আবার ফ্যাশনেবল। আবার খুব বেশি যত্নও নিতে হয় না। ময়লা হলে ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে শুকিয়ে নিলেই হয়ে যায়। তাই এবারের ঈদের পোশাকের সঙ্গে কিনে নিতে পারে বাহিারি রঙের সিন্থেটিক লেদারের ব্যাগ।

ট্রান্সপারেন্ট ব্যাগ

ব্যাগপ্যাক এমনকি ভ্যানিটি ব্যাগও দেখা যায় এই নকশার। ট্রান্সপারেন্ট এই ব্যাগগুলো এরই মধ্যে হাল ফ্যাশনে জায়গা করে নিয়েছে। মূলত এই ব্যাগ পলিথিন দিয়ে তৈরি হয়। ফলে পরিষ্কার করতেও খুব সমস্যা হয় না।

এই ধরনের ব্যাগগুলো আপনার সাজে ভিন্ন এনে দেয়। ওয়েস্টার্ন পোশাকের সঙ্গে বেশ মানানসই এই ব্যাগগুলো। এগুলো খুবই স্বচ্ছ হয়ে থাকে। তাই এমন ব্যাগে ব্যক্তিগত কোনো জিনিস না ক্যারি করাই ভালো।

ইক্কত ব্যাগ

হাল ফ্যাশনে ইক্কত ব্যাগ বেশ ট্রেন্ডিংয়ে আছে। ট্র্যাডিশনাল বা ওয়েস্টার্ট যে পোশাকই পরুন না কেন মানিয়ে যায় এই ব্যাগগুলো। ইক্কত ব্যাগগুলোর ডিজাইন, মাপ ও রঙের ক্ষেত্রে ভিন্নতা দেখা যায়।

পছন্দের রং অনুযায়ী পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারেন এই ব্যাগগুলো। এই ধরনের ব্যাগ ব্যবহারের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এগুলো ওয়াশেবল। আপনি নিয়মিত ধুয়ে পরিষ্কার করলেও নষ্ট হবে না ব্যাগগুলো।

সিকুইন ক্লচ

যেকোনো পার্টি ড্রেসের সঙ্গে সিকুইন ক্লচ ঘরানার ব্যাগ বেশ মানানসই। এই ব্যাগগুলোর বেশিরভাগই জরি সুতা, পুঁতি-পাথর ও সিকুইনের হয়ে থাকে। তাই আলোতে চকচক করে ওঠে ব্যাগগুলো।

সিকুয়েন্সের একটা ব্যাগ হাতে থাকলে ভিড়ের মধ্যেও আপনি হয়েং উঠবেন অনন্য। এই ধরনের ব্যাগেরও বেশি যত্ন নিতে হয় না। মাঝে মাঝে শুকনো নরম কাপড় দিয়ে মুছে নিলেই নতুনের মতো দেখাবে।

বিডস

ফ্রাশনে আলাদা মাত্রা যোগ করে বিডস ব্যাগগুলো। এগুলো দেখতেও যেমন সুন্দর, ব্যবহারেও আরামদায়ক ও ফ্যাশনেবল। তবে এই ব্যাগগুলো সবসময় ক্যারি করার জন্য নয়। এতে বেশি জিনিস নেওয়া যায় না। কাঁধের একপাশে বেল্ট বা চেইন দিয়ে ঝুলিয়ে কিংবা হাতল ধরেও ব্যবহার করা যায় এই ব্যাগগুলো।

হয়তো একটি মোবাইল ফোন ও ছোট-খাট ১-২টি মেকআপের জিনিসেই ব্যাগ ভরে যায়। ছোট্ট সাইজের হয়ে থাকে বিডস ব্যাগগুলো। ঈদের পোশাকের সঙ্গে সুন্দর এই ব্যাগেগুলো বেছে নিতে পারেন।

ইফতারে ঘরেই তৈরি করুন মুচমুচে জিলাপি
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : অন্যান্য সময়ের তুলনায় রোজা এলে জিলাপির কদর অনেক বেড়ে যায়। ইফতারে হরেক পদের সঙ্গে মুচমুচে জিলাপি না থাকলে চলেই না! জিলাপি খেতে ছোট-বড় সবাই কমবেশি পছন্দ করে থাকেন।

সবসময় তো হোটেল থেকেই জিলাপি কিনে খেয়ে থাকেন! এবার না হয় ঘরে তৈরি জিলাপি খেয়ে দেখুন কেমন লাগে? এটি তৈরি করা কঠিন মনে হলেও কিন্তু অনেক সহজ!


সামান্য কিছু উপকরণ হাতের কাছে থাকলেই অল্প সময়ের মধ্যেই তৈরি করে নেওয়া যায় মুচমুচে ঘরে তৈরি পারফেক্ট জিলাপি। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক রেসিপি-

উপকরণ

১. ময়দা ২ কাপ
২. চিনি ২-৩ কাপ
৩. গোলাপ জল সামান্য
৪. চালের গুড়ো আধা কাপ
৫. বেকিং পাউডার ২ চা চামচ
৬. দারুচিনি ও এলাচ ২-৩টি
৭. জাফরান সামান্য
৮. পানি পরিমাণমতো
৯. তেল পরিমাণমতো


পদ্ধতি

প্রথমে একটি পাত্রে ২ কাপ ময়দা ও আধা কাপ চালের গুড়ো মিশিয়ে নিন। এবার ময়দা ও চালের গুড়ার মধ্যে বেকিং পাউডার, গোলাপ জল ও জাফরান মিশিয়ে পরিমাণমতো পানি দিয়ে একসঙ্গে মাখিয়ে নিন।

মিশ্রণটি খুব পাতলাবা ঘন হবে না। এই মিশ্রণটি এবার ৮/৯ ঘণ্টা কিছুটা গরম স্থানে রেখে দিন। এবার চুলায় একটি পাত্রে চিনি, পরিমাণমতো পানি, দারুচিনি ও এলাচ দিয়ে ভালো করে জ্বাল দিন। শিরা কিছুটা ঘন হয়ে গেলে নামিয়ে ঠান্ডা করে রাখুন।

এবার আরেকটি পাত্রে তেল গরম করুন। জিলাপির মিশ্রণটি নরম পাতলা কাপড়ের মধ্যে নিয়ে ফুটো করে নিন অথবা সরু মুখের প্লাস্টিকের সসের বোতলেও ভরে নিতে পারেন। তারপর মিশ্রণটি গরম তেলে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে জিলাপির আকারে ছেড়ে দিন।

জিলাপির দুই পাশ লালচে করে ভেজে করতে হবে। লক্ষ্য রাখবেন যেন পুড়ে না যায়। এবার জিলাপি ভাজা মাত্র চুলা থেকে তুলে সরাসরি চিনির সিরায় ডুবিয়ে রাখুন। প্রায় ২-৩ মিনিট সিরায় ডুবিয়ে রাখার পর জিলাপিগুলো উঠিয়ে অন্য একটি পাত্রে তুলে রাখুন।

তৈরি হয়ে গেল মুচমুচে রসা

লো জিলাপি। ইফতারে ঘরে তৈরি এই জিলাপি সবাই মিলে উপভোগ করুন। দোকানের জিলাপির চেয়ে আরও স্বাস্থ্যকর হবে এই জিলাপি।

ঘরে বসেই চটজলদি তৈরি করুন চিকেন পরোটা
                                  

বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা হলেই হালকা কিছু খাওয়ার জন্য মুখ চেয়ে থাকে। এমন সময় ভাজাপোড়া জাতীয় কিছু না থাকলে কি হয়? আয়োজনই কেমন যেন হয়ে যায়। তবে তাই বলে এমন কিছু বেছে নেয়া যাবে না যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এবার তাহলে সহজে ঘরে বসে চটজলদি স্বাস্থ্যসম্মত নাস্তা চিকেন পরোটা তৈরির রেসিপি জেনে নেয়া যাক-

উপকরণ : ১ কাপ কিমা, ২ কাপ আটা, আধা চামচ পেঁয়াজ মিহি কুচি, আধা চা চামচ কাঁচামরিচ, ৩টি এলাচ, ৩টি লবঙ্গ, ১টি দারুচিনি, ১ চামচ রসুন বাটা, ১ চামচ জিরা গুঁড়ো, ১ চামচ ধনে গুঁড়ো,

১ চামচ মরিচ গুঁড়ো, ১ চামচ হলুদ গুঁড়ো, হালকা লেবুর রস ও লবণ স্বাদমত।

প্রণালী : প্রথমে আটা, লবণ ও তেল মিশিয়ে পানি দিয়ে ডো বানিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এবার অন্য একটি পাত্রে কিমা, আদা-রসুন বাটা, জিরা-মরিচ-হলুদ-ধনে গুঁড়ো, লেবুর রস ও লবণ ভালো করে মিশিয়ে মেরিনেট করে ২০ মিনিটের মতো রাখুন। মেরিনেট হয়ে গেলে প্যানে তেল দিয়ে মাংস পেঁয়াজ কুচি, কাঁচামরিচ কুচি, দারুচিনি, এলাচ ও লবঙ্গ দিয়ে ভেজে নামিয়ে ফেলুন। এলাচ, দারুচিনি, লবঙ্গ আলাদা করে ফেলে দিন।

এখন আটার ডো নিয়ে পরোটার জন্য লুচি বানিয়ে নিন। তাতে এবার কিমা দিয়ে ভালো করে মুড়িয়ে নিয়ে বেলতে থাকুন। বেলার সময় মনে হতে পারে কিমা বের হয়ে যাবে, আসলে বের হবে না। ধীরে ধীরে বেলা শেষ হলে প্যানে তেল গরম করে পরোটা নামিয়ে দিন। একপাশ ভাজা হলে অপরপাশ ভালো করে ভাজুন। এভাবে দুই পাশই ভাজুন। ভাজা শেষ হলে গরম গরম পরিবেশন করুন চিকেন পরোটা।

কারোনাকালে যেসব ফল বেশি খাবেন
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন সি এর বিকল্প নেই। একমাত্র শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ন্ত থাকলেই এ সময় কোভিড-১৯ এ আক্রান্তরা বেঁচে ফিরতে পারবে। সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় জানা গেছে, কোভিড-১৯ এর চিকিৎসায় ভিটামিন সি এর ভূমিকা অনেক।

ওটাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষক দাবি করেছেন, ভিটামিন সি গুরুতর করোনাভাইরাস রোগীদের চিকিত্সায়ও সহায়তা করতে পারে। গবেষণাটি নিউট্রিয়েন্টস জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের বেশ কিছু গবেষণা অনুসারে, ভিটামিন সি বিভিন্ন কঠিন রোগ যেমন- নিউমোনিয়া এবং সেপসিসের মতো শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত অসুস্থতা প্রতিরোধ এবং চিকিত্সায় কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিটামিন সি তে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি, অ্যান্টি-থ্রোমোটিক এবং ইমিউনো-মডুলেটরি থাকায় মারাত্মক শ্বাস-প্রশ্বাসের সংক্রমণের সমস্যা থেকেও রক্ষা পাওয়া যায়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং নিউমোনিয়া থেকে দ্রুত পুনরুদ্ধারের জন্য ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পরমর্শ দেন চিকিৎসকরা।

ভারতীয় পুষ্টিবিদ রূপালী দত্তের মতে, ‘ভিটামিন সি এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটি হলো এটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। যা কোভিড-১৯ এর সময়ে অত্যন্ত উপকারী হতে পারে।’

এজন্য এ সময় আপনার ডায়েটে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার রাখা অতীব জরুরি। মনে রাখবেন, ভিটামিন সি নির্দিষ্ট অনুপাতে প্রতিদিন গ্রহণ করতে হয়। কারণ একদিনে আপনি যত বেশিই ভিটামিন সি গ্রহণ করুন না কেন তা কিন্তু শরীরে থাকে না। এজন্য প্রতিদিনই ভিটামিন সি গ্রহণ করতে হবে। জেনে নিন এ সময় কোন কোন ফলগুলো বেশি করে খাবেন-

>> বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, প্রতিদিন একটি করে লেবু বা কমলা খেলে আপনার প্রতিদিনের ভিটামিন সি েএর চাহিদা পূরণ হবে।

>> টমেটো এ সময় বাজারে সহজলভ্য। সালাদ বা তরকারিতে টমেটো প্রায় সময়ই খেয়ে থাকেন। এতেও পর্যাপ্ত ভিটামিন সি আছে। নিয়মিত টমেটো খাবারে রাখতে পারেন।

>> সব খাবারের সঙ্গেই আমরা কমবেশি মরিচ খেয়ে থাকি। এ সময় বেল পেপার খেতে পারেন। এতে প্রচুর ভিটামিন সি আছে।

>> পেয়ারা বাজারে সহজলভ্য। পর্যাপ্ত ভিটামিন সি থাতে পেয়ারায়। প্রতিদিন মাঝারি আকৃতির একটি করে পেয়ারা খেতে পারেন এ সময়।

>> একটি পেয়ারার চেয়েও ৭০ গুণ বেশি ভিটামিন সি থাকে আমলকি। ছোট্ট হলেও এর উপকারিতা অনেক। এ সময় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে নিয়মিত আমলকি খেতে পারেন।

সূত্র: এনডিটিভি

শিশুর কাশি কমানোর ৫ উপায়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : গরমের এ সময় শিশুরা সর্দি-কাশিসহ নানা রোগে ভুগে থাকে! সর্দি-কাশি একবার শুরু হলে সহজে সারতে চায় না। তার উপর গরমে ফ্যানের বাতাস বা এসিতে থাকার কারণে শিশুর সর্দি-কাশিতে নিউমোনিয়া পর্যন্ত হতে পারে।

সর্দির সমস্যা ওষুধ খাওয়ার পর সেরে গেলেও খুশখুশে কাশি সহজে কমতে চায় না। এজন্য শিশুরা বেশ ভুগে থাকে ও কষ্ট পায়। ক্রমাগত কাশি হওয়ার বিষয়টিও খুবই চিন্তার। এর ফলে গলায় সমস্যা হতে পারে, অতিরিক্ত কাশির হলে বাচ্চার রাতে ঘুমের সমস্যা হতে পারে।

শুধু ঠান্ডা লাগলেই শিশুর কাশির সমস্যা হয় না। আরও বেশ কয়েকটি কারণে শিশুর কাশি হতে পারে। যেমন- অ্যাসিড রিফ্লাক্সের একটি লক্ষণ হলো কাশি। কাশি চলাকালীন শ্বাসের সমস্যা, বিশেষত রাতে কাশির অবস্থার অবনতি হওয়া হাঁপানির অন্যতম লক্ষণ। এ ছাড়াও সাইনাস বা অ্যালার্জির কারণেও কাশি হতে পারে।

যদিও কাশির সারানোর জন্য অনেক ওষুধই আছে; তারপরও ঘরোয়া উপায়ে শিশুর কাশি সারানোর উপায়গুলো পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়াহীন। জেনে নিন শিশুর কাশি হলে কী করবেন-

>> শিশুর কাশি সারানোর ঘরোয়া উপায় হলো গরম পানিতে গার্গল করানো। এতে কাশি ও গলা ব্যথা থেকে মুক্তি মিলবে সহজেই। এক গ্লাস গরম পানিতে সামান্য লবণ মিশিয়ে দিনে ৩ বার গার্গল করা খুব উপকারি।

>> সর্দি-কাশি থেকে মুক্তি পাওয়ার এক দুর্দান্ত উপাদান হলো আদা। শিশুকে এক টুকরো আদার সঙ্গে মধু মিশিয়ে খাওয়াতে পারেন।

>> কাশির সমস্যা হলে শিশুকে বারবার গরম স্যুপ খাওয়ান। এতে শিশুর কাশি এবং গলা ব্যথা দু`টোই কমবে।

>> মিছরি খাওয়াতে পারেন শিশুকে। মিছরি গলার আর্দ্রতা বজায় রাখে; ফলে গলার খুশখুশেভাব কমে।

>> মধুতে অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্য আছে। যা সর্দি-কাশির সঙ্গে লড়াই করতে সাহায্য করে। গরম পানিতে এক চামচ মধু ও সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে শিশুকে খাওয়ান। তবে এক বছরের কম বয়সী বাচ্চাদের মধু দেবেন না।

>> শিশুর কাশি সারাতে আপনি হলুদ দুধ ব্যবহার করতে পারেন। এক গ্লাস গরম দুধে আধা চা চামচ হলুদ মিশিয়ে শিশুকে খাওয়ালে কাশি থেকে স্বস্তি মিলবে।

সূত্র: বোল্ডস্কাই

এই সময়ে ঘামাচি থেকে মুক্তির ঘরোয়া উপায়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : গরমে শরীর থেকে অতিরিক্ত ঘাম বের হওয়া স্বাভাবিক। ঘামে শরীরের দূষিত পদার্থও থাকে। তাই ঘামে মিশে থাকা লবণের কারণে লোমকূপের মুখ বন্ধ হয়ে সেই অংশ দিয়ে ঘাম বের হতে পারে না।

আর তখনই ওই স্থানগুলো ফুলে ওঠে। বিভিন্ন চর্মরোগ যেমন ঘামাচি, র‌্যাশ, চুলকানির সৃষ্টি হয়। গরমে সবচেয়ে বেশি যে সমস্যায় সবাই ভুগে থাকেন, সেটি হলো ঘামাচি। ছোট-বড় সবাই এ সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকেন।

ঘামাচি কতটা বিরক্তিকর তা সবারই জানা আছে। তবে এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। কিছু নিয়ম মেনে চললে ঘামাচি হবে না। তাই ঘামাচি হওয়ার আগে এখন থেকেই এসব বিষয় মেনে চলুন।

> ঘাম হলেই কিছুক্ষণ পরপর শরীর মুছে ফেলুন। তবে ঘাম মোছার সময় অতিরিক্ত চাপ দিয়ে মুছবেন না। পরিষ্কার কাপড় দিয়ে ঘাম মুছবেন।

> দিনে অন্তত দুইবার গোসল করুন। ক্ষারযু্ক্ত সাবান ব্যবহার করবেন না। ঘামাচি হলে শরীর বেশি ঘঁষবেন না।

> গোসলের পানিতে অ্যান্টিসেপ্টিক ব্যবহার করুন। এ ছাড়াও পানিতে লেবুর রস, নিম পাতার রস মিশিয়ে নিতে পারেন। এতে ত্বকে জীবাণু বাসা বাঁধতে পারবে না।

> গরমে হালকা রঙের পোশাক পরুন। এতে গরম কম লাগবে। খোলামেলা পোশাক পরুন এবং টাইট পোশাক এড়িয়ে চলুন।

> ঘামাচি হলে একদম চুলকাবেন না। অ্যালোভেরার রস, নিম পাতার রস, পাতি লেবুর রস পানিতে মিশিয়ে ঘামাচির স্থানে ব্যবহার করুন।

> ঘামাচি হলেই অনেকে ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করেন। এতে লোমকূপের মুখ বন্ধ হয়ে যায়।

> গরমে যেহেতু বেশি ঘাম হয়ে থাকে; তাই এ সময় প্রচুর পানি পান করতে হবে।

> বিভিন্ন ফলের রস ও শাক-সবজি খাবারের তালিকায় রাখুন। তাহলে সব ধরনের চর্মরোগ থেকেই ত্বক বাঁচবে।

সূত্র: জিনিউজ


   Page 1 of 13
     লাইফস্টাইল
গরুর মাথার মাংস ভুনা
.............................................................................................
ঘর থেকে মাংসের গন্ধ দূর করবেন যেভাবে
.............................................................................................
পশু কুরবানির স্থান পরিষ্কার করবেন যেভাবে
.............................................................................................
রেসিপি: গরুর ভুড়ি ভুনা
.............................................................................................
আমলকির ঔষধি গুণ ও উপকারিতা
.............................................................................................
ঘামের দুর্গন্ধ দূর করতে ঘরেই তৈরি করুন ডিওডোরেন্ট
.............................................................................................
গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে যা করবেন
.............................................................................................
করোনা থেকে বাঁচতে মাধুরী টিপস
.............................................................................................
করোনা মোকাবেলায় যে ব্যায়াম করবেন
.............................................................................................
তৈলাক্ত ত্বক মন্দ নয়, উপকারিতা জানলে চমকাবেন !
.............................................................................................
ঈদের পোশাকের সঙ্গে কিনুন মানানসই ভ্যানিটি ব্যাগ
.............................................................................................
ইফতারে ঘরেই তৈরি করুন মুচমুচে জিলাপি
.............................................................................................
ঘরে বসেই চটজলদি তৈরি করুন চিকেন পরোটা
.............................................................................................
কারোনাকালে যেসব ফল বেশি খাবেন
.............................................................................................
শিশুর কাশি কমানোর ৫ উপায়
.............................................................................................
এই সময়ে ঘামাচি থেকে মুক্তির ঘরোয়া উপায়
.............................................................................................
এই গরমে চাই আরামের পোশাক
.............................................................................................
ভয়াবহ সব রোগ থেকে মুক্তি দেবে পেঁপের বীজ!
.............................................................................................
টমেটো খেলে কী হয়?
.............................................................................................
২০ মিনিটে তৈরি করুন পাকা কলার শাহি হালুয়া
.............................................................................................
ত্বকের হারিয়ে যাওয়া উজ্জ্বলতা ফিরে পাওয়ার উপায়
.............................................................................................
আজ বসন্ত
.............................................................................................
ভালোবাসা দিবস ও পয়লা ফাল্গুন বরণে সাজ
.............................................................................................
ত্বক, চুল ও চোখের পুষ্টিতে পেয়ারা
.............................................................................................
ওজন কমিয়ে শরীর ফিট রাখার উপায়
.............................................................................................
ব্রণ দূর করার উপায় জানালেন শ্রদ্ধা!
.............................................................................................
দ্রুত ওজন কমাবে গুড়-লেবুর পানীয়
.............................................................................................
২০২১ সাল কেমন যাবে আপনার?
.............................................................................................
সিঁড়ি দিয়ে ওঠা-নামা করলে যেসব উপকার হয়
.............................................................................................
আপনার বাসায় কি ফ্রিজে ডিম রাখেন, অজান্তেই ডেকে আনছেন বড় বিপদ
.............................................................................................
ভিটামিন `ডি`র ঘাটতি পূরণে রোদে কখন কীভাবে থাকতে হবে
.............................................................................................
শীতে জুতো-মোজা পরলে পায়ে বাজে গন্ধ হচ্ছে?
.............................................................................................
হরমোনের ভারসাম্য রক্ষায় রেইনবো ডায়েট
.............................................................................................
জলপাই দিয়ে টক-ঝাল আচার তৈরির রেসিপি
.............................................................................................
শীতকালে সুস্থ থাকতে ৯টি পরামর্শ
.............................................................................................
রেসিপি : প্রেসার কুকারে রসগোল্লা তৈরি
.............................................................................................
শীতে ত্বক সজীব রাখতে যা খাবেন
.............................................................................................
রেসিপি : বুন্দিয়ার লাড্ডু
.............................................................................................
কলার চিপস
.............................................................................................
চিকেন চিজ বল তৈরির রেসিপি
.............................................................................................
শীতে যে ৫টি ফলে ত্বক হবে উজ্জ্বল
.............................................................................................
ক্যালসিয়ামের ঘাটতি হলে কী হয়?
.............................................................................................
রেসিপি: গাজরের সন্দেশ
.............................................................................................
ত্বক ভালো রাখতে চিনির ব্যবহার
.............................................................................................
কফি পান করলে কমবে চর্বি
.............................................................................................
অতিরিক্ত চুল পড়া কমাতে যা করবেন
.............................................................................................
চুলের খুসকি দূর করতে সাহায্য করে নিম পাতা
.............................................................................................
করোনায় জুসের বদলে যা খাবেন
.............................................................................................
শীতে ঠোঁট ফাটা রোধে যা করবেন
.............................................................................................
করোনা: মোবাইল ফোন জীবাণুমুক্ত রাখতে কী করবেন
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop