| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * একাদশ জাতীয় সংসদের ১৫তম অধিবেশন শুরু ১৪ নভেম্বর   * আগামীকাল প্রেসক্লাব কোলকাতায় `বঙ্গবন্ধু সংবাদ কেন্দ্র` উদ্বোধন করবেন তথ্যমন্ত্রী   * শীতে ত্বক ও পা ফাটা রোধে এখনই যা করবেন   * ২০২২ সালের পর উন্মুক্ত স্থানে বর্জ্য থাকবে না: তাপস   * আফগান ইস্যুতে ইরানে ছয় দেশের বৈঠক   * অভিমান করে হাঁটছিলেন রেললাইনে, বাঁশঝাড়ে নিয়ে ধর্ষণ   * গুলশানের দগ্ধ ৩ জন শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে   * এসএসসি পরীক্ষায় নজরদারি থাকবে ফেসবুক-টুইটারে   * বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এক সপ্তাহের মধ্যেই টিকাদান   * জাতীয় প্রয়োজনে সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত থাকবে  

   লাইফস্টাইল -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
বিকেলের নাস্তায় রাখুন সুস্বাদু ডিমের হালুয়া

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ডিম দিয়ে বাহারি পদ তৈরি করা যায়। ঝটপট রান্না থেকে শুরু করে, মুখরোচক সব খাবারে ডিম ব্যবহার না করলে স্বাদই যেন বাড়ে না।

ডিমের কোরমা থেকে শুরু করে ডিম ভাজির নেই কোনো তুলনা। চাইলে ডিম দিয়েই ঘরে তৈরি করতে পারেন মজাদার বিকেলের নাস্তা।

এজন্য ঝটপট তৈরি করুন ডিমের হালুয়া। চলুন তবে জেনে নেওয়াক ডিমের হালুয়া তৈরির সহজ উপায়-

 

উপকরণ

১. ডিম ২টি
২. ঘি ১ টেবিল চামচ
৩.গুঁড়া দুধ ১ কাপ
৪. চিনি ১ কাপ
৫. দারুচিনি ২/৩ টা
৬. এলাচ ২/৩ টা
৭. কিসমিস ও
৮. লবণ সামান্য।


পদ্ধতি

প্রথমে একটি বাটিতে ডিমগুলো ভালো করে ফেটিয়ে নিন। এবার ফেটানো ডিমে গুঁড়া দুধ মিশিয়ে আবারও ভালো করে নেড়ে নিন।

এরপর হালকা আঁচে চুলায় একটি প্যানে ঘি গরম করুন। এবার গরম ঘি’তে সব উপকরণ একেক করে মিশিয়ে দিয়ে নাড়তে থাকুন।

মিশ্রণটি নাড়তে নাড়তে যখন দেখবেন আঁঠালো হয়ে আসছে, তখন এতে কিসমিস ছড়িয়ে দিন। তারপর নামিয়ে একটি চারকোণা বাটিতে ঢেলে নিন। হালুয়া উপর থেকে সমান করে দিন।

হালুয়া ঠান্ডা হলে ছুড়ি দিয়ে চার কোণা করে বরফির মতো কেটে নিন। এরপর পরিবেশন করুন জিভে জল আনা সুস্বাদু ডিমের হালুয়া।

বিকেলের নাস্তায় রাখুন সুস্বাদু ডিমের হালুয়া
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ডিম দিয়ে বাহারি পদ তৈরি করা যায়। ঝটপট রান্না থেকে শুরু করে, মুখরোচক সব খাবারে ডিম ব্যবহার না করলে স্বাদই যেন বাড়ে না।

ডিমের কোরমা থেকে শুরু করে ডিম ভাজির নেই কোনো তুলনা। চাইলে ডিম দিয়েই ঘরে তৈরি করতে পারেন মজাদার বিকেলের নাস্তা।

এজন্য ঝটপট তৈরি করুন ডিমের হালুয়া। চলুন তবে জেনে নেওয়াক ডিমের হালুয়া তৈরির সহজ উপায়-

 

উপকরণ

১. ডিম ২টি
২. ঘি ১ টেবিল চামচ
৩.গুঁড়া দুধ ১ কাপ
৪. চিনি ১ কাপ
৫. দারুচিনি ২/৩ টা
৬. এলাচ ২/৩ টা
৭. কিসমিস ও
৮. লবণ সামান্য।


পদ্ধতি

প্রথমে একটি বাটিতে ডিমগুলো ভালো করে ফেটিয়ে নিন। এবার ফেটানো ডিমে গুঁড়া দুধ মিশিয়ে আবারও ভালো করে নেড়ে নিন।

এরপর হালকা আঁচে চুলায় একটি প্যানে ঘি গরম করুন। এবার গরম ঘি’তে সব উপকরণ একেক করে মিশিয়ে দিয়ে নাড়তে থাকুন।

মিশ্রণটি নাড়তে নাড়তে যখন দেখবেন আঁঠালো হয়ে আসছে, তখন এতে কিসমিস ছড়িয়ে দিন। তারপর নামিয়ে একটি চারকোণা বাটিতে ঢেলে নিন। হালুয়া উপর থেকে সমান করে দিন।

হালুয়া ঠান্ডা হলে ছুড়ি দিয়ে চার কোণা করে বরফির মতো কেটে নিন। এরপর পরিবেশন করুন জিভে জল আনা সুস্বাদু ডিমের হালুয়া।

পানের বহু উপকার
                                  

অনলাইন ডেস্ক : ভারতবর্ষের প্রাচীন ভেষজ গ্রন্থ আয়ুর্বেদে নিঃশ্বাস দুর্গন্ধমুক্ত রাখার জন্য পান সেবনের উল্লেখ আছে। নিয়মিত পান খেলে নিঃশ্বাসে কোনো দুর্গন্ধ থাকে না, হজমও ভালো হয়। এটি এ উপমহাদেশের এক প্রাচীন ধারণা ও লোক অভ্যাস। এখনো কেউ কেউ মূত্রকৃচ্ছতায় ভালোভাবে মূত্র নিঃসরণের জন্য দুধের সঙ্গে পানের রস ও চিনি মিশিয়ে পান করেন। এতে প্রস্রাবের ওই সমস্যাটা চলে যায় ও মূত্র নিঃসরণ ভালো হয় এবং স্নায়ু ও শরীরের দুর্বলতা থাকলে তাও দূর হয়। দেহের ক্লান্তি ও স্নায়ুবিক দুর্বলতা কাটানোর জন্য কয়েকটা পান পাতার রস এক চামচ মধু দিয়ে খেলে তা টনিকের মতো কাজ করে। এ মিশ্রণের এক চা চামচ পরিমাণ একবার খেতে হয়। এভাবে দিনে ২ থেকে ৩ বার খাওয়া যায়। পান পাতা সেবনে দেহের চর্বি বা মেদ কমে এবং ওজন কমে। পানের সঙ্গে চুন ও জর্দা খাওয়া একদম ঠিক নয়। যতটা সম্ভব সুপারি ছাড়া শুধু পান খাওয়ার অভ্যাস করুন। তবে পানের সঙ্গে কালোজিরা ও অন্যান্য মসলা অল্প পরিমাণে খেতে পারেন।

পান খাওয়ার কিছু উপকারিতার কথা নিচে বর্ণনা করা হলো।

হজমে সাহায্য করে
পান খেলে লালাগ্রন্থির নিঃসরণ বেড়ে যায়। এ লালার কারণেই হজমের প্রথম ধাপের কাজ শুরু হয়। লালার মধ্যে থাকা বিভিন্ন এনজাইম বা উৎসেচক খাদ্যকে কণায় ভাঙতে সাহায্য করে যার ফলে হজম ভালো হয়। শুধু পান পাতা চিবিয়ে খেলেও এ উপকার পাওয়া যায়। বিশেষ করে গুরুপাক বা ভারী খাবার খাওয়ার পর অনেকেরই হজমের সমস্যা হয়। এজন্য যে কোনো উৎসব ও অনুষ্ঠানে খাবার পরিবেশনের শেষে পান পরিবেশন করা হয় যা খেলে ওসব খাবার দ্রুত হজম হয়ে যায়। কোমল পানীয় খাওয়ার চেয়ে এটা নিশ্চয়ই ভালো। বদহজম হলে পানিতে পান পাতা টুকরো করে কেটে কিছুক্ষণ সিদ্ধ করতে হবে। সিদ্ধ করা বা জ্বাল দেয়ার সময় তাতে কয়েকটা গোলমরিচ দিতে হবে। তারপর তা নামিয়ে ছাঁকতে হবে। তারপর ঠাণ্ডা করে তা খেতে হবে। শিশুদের ২ চা চামচ খাওয়াতে হবে। এতে হজম ভালো হবে, বদহজম বা অজীর্ণ হলে সেটাও চলে যাবে।

মুখের দুর্গন্ধ দূর করে

খাবার গ্রহণের পর তার কণা মুখের ভেতরে, দাঁতের ফাঁকে লেগে থাকে। এগুলো ব্যাকটেরিয়া পচিয়ে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে। পান খেলে তার রস জীবাণুনাশক হিসেবে কাজ করে এসব ব্যাকটেরিয়াকে জন্মাতে দেয় না। ফলে মুখের স্বাস্থ্য ভালো থাকে ও মুখে দুর্গন্ধ হয় না।

যৌন শক্তি বাড়ায়

এটি একটি পুরনো প্রথা, তবে কার্যকর। নববিবাহিত দম্পতিদের অনেকেই যৌন মিলনে যাওয়ার আগে পান খান। এতে তাদের যৌন ক্ষমতা ও মিলনের স্থায়িত্বকাল বৃদ্ধি পায়।

গ্যাস্ট্রিক আলসার নিরাময় করে

পান খেলে পেটে বায়ু কম হয় ও গ্যাস হয় না। এর ফলে গ্যাস্ট্রিক ও তা থেকে আলসার সৃষ্টির সুযোগ কমে যায়। পানের রস হজমে সাহায্য করায় তা পেটে বদ গ্যাস তৈরি রোধ করে। ফলে পেট ফাঁপে না ও গ্যাস্ট্রিক হয় না।

পান গাছের শিকড়ে জন্মরোধ

পান গাছের শিকড় বেটে রস করে খেলে ছেলেপুলে হয় না। জন্ম নিরোধক বড়ি না খেয়েও জন্মনিয়ন্ত্রণে এটা সেবন করা যায়। বিভিন্ন দেশের গবেষণায় এর প্রমাণ পাওয়া গেছে।

উঁকুন মরে

মাথায় উঁকুন হলে গোসলের কিছুক্ষণ আগে পান পাতার রস মাথায় লাগিয়ে বসে থাকলে উঁকুন সবংশে মরে যায়। এ কাজে ঝাল পান হলে ভালো হয়।

ফোঁড়া ফাটায়

পান পাতার চকচকে সবুজ পিঠে ঘি মাখিয়ে একটু সেঁক দিয়ে গরম করে ফোঁড়ার ওপর লাগিয়ে দিলে দ্রুত ফোঁড়া পেকে ফেটে যায়। আবার পাতার উল্টো পিঠে ঘি মাখিয়ে একইভাবে বসিয়ে রাখলে তা পুঁজ টেনে বের করে আনে। ঘিয়ের বদলে ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহার করেও একই ফল পাওয়া যায়।

কান পাকা সারায়

কান পেকে পুঁজ হয়ে গেলে সেসব কানে পান পাতার রস গরম করে ১-২ ফোঁটা কানের ভেতরে দিলে এ সমস্যা চলে যায়।

চর্মরোগ সারায়

দেহের কোথাও দাদ হলে বা চুলকানি পাঁচড়া হলে সেখানে ঘষে পান পাতার রস লাগিয়ে দিলে কয়েক দিনের মধ্যে তা সেরে যায়।

পাইওরিয়া ভালো করে

দাঁতের মাঢ়ি দূষিত হলে সেখানে ফুলে যায় ও পুঁজ হয়, ক্ষত হয়। এক্ষেত্রে পানের রসের সাথে অল্প পানি মিশিয়ে কুলকুলি করলে সেখান থেকে আর পুঁজ পড়ে না, ধীরে ধীরে ক্ষতও শুকিয়ে যায়। মুখগহ্বরে কোনো ক্ষত হলে পানের রসে তার উপশম হয়। পানের রসে এসকরবিক এসিড আছে যা একটি চমৎকার এন্টিঅক্সিডেন্ট। এটা মুখের ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

নখকুনির কষ্ট সারায়

নখকুনিতে নখের কোণায় ব্যথা হয়। এ অবস্থায় সেখানে কয়েক ফোঁটা পানের রস দিলে ব্যথাটা চলে যায়।

আঁচিল দূর করে

আঁচিল হলে সে আঁচিলের ওপর কয়েক দিন পানের রস লাগালে তা ধীরে ধীরে খসে পড়ে ও সেখানে আর আঁচিল তৈরি হয় না।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে

পান রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে বলে গবেষণায় জানা গেছে। পানের ডায়াবেটিস প্রতিরোধী বৈশিষ্ট্য আছে।

সর্দি বের করে

বুকের ভেতর কফ/সর্দি বা শ্লেষ্মা জমা হলে তা বের করতে পানের রস কার্যকর। এ ক্ষেত্রে পানের রসের সাথে মধু মিশিয়ে চেটে চেটে কয়েক দিন খেতে হবে। এতে বুকে জমা কফ বেরিয়ে যাবে।

মাথা ব্যথা দূর করে

মাথা ব্যথা হলে কপালে পানের রস লেপে দিলে দ্রুত মাথাব্যথা কমে যায়।

ক্ষত ও ব্যথা সারায়

পানের বেদনানাশক ও ক্ষত সারানোর ক্ষমতা আছে। ক্ষতস্থানে পানের রস লাগিয়ে ব্যান্ডেজ করে রাখলে দুই-চার দিনের মধ্যেই ক্ষতস্থান শুকিয়ে যায়। কোথাও ব্যথা হলে পান পাতা বেটে মলমের মতো সেখানে লেপে দিলে দ্রুত ব্যথা কমে। দেহের ভেতরে কোথাও ব্যথা হলে পানের রস করে পানিতে মিশিয়ে তা শরবতের মতো খেতে হবে। শুধু পান পাতা চিবিয়ে রস খাওয়ার পার পানি খেলেও এ উপকার পাওয়া যায়।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে

গ্রামের এ এক পুরনো অভ্যাস। বিশেষ করে শিশুদের কোষ্ঠকাঠিন্য হলে পানের বোঁটা ক্যাস্টর অয়েল বা সরষের তেলে ডুবিয়ে তা মলদ্বারে ঢুকিয়ে ডুস দেয়া হয়। এতে শিশুদের পেটে জমে থাকা মল বেরিয়ে আসে। বড়দের এর সাথে ইসবগুলের ভুসি পানিতে ভিজিয়ে শরবত করে রোগীকে খাওয়ানো হয়, ত্রিফলা ভিজিয়ে সেই পানিও খাওয়ানো হয়। রাতে ১টি পান পাতা কুচি কুচি করে কেটে এক গ্লাস পানিতে সারারাত ভিজিয়ে রেখে সকালে তা ছেঁকে খালি পেটে কয়েক দিন খেলে কোষ্ঠ্যকাঠিন্য চলে যায়। না ভিজিয়ে রাখতে পারলে সকালে পান ছেঁচে রস বের করে তা পানির সাথে মিশিয়ে খালি পেটে খেতে হবে।

ঠাণ্ডা লাগা দূর করে

ঠাণ্ডা লাগা সারাতে পান চমৎকার কাজ করে। ঠাণ্ডা লাগলে সর্দি কাশিও হয়। এক্ষেত্রে একটি পানপাতা গরম পানি দিয়ে ছেঁচে রস বের করতে হবে। এ রসের সাথে এক চিমটি গোলমরিচের গুঁড়া ও এক চিমটি আদার গুঁড়া মিশাতে হবে। ভারতে একে বলে কাশ্যম। শিশুদের ক্ষেত্রে ৩ বছরের ঊর্ধ্বে বয়স হলে এ কাশ্যমের ১ চা চামচ খাওয়াতে হবে, বড়দের ক্ষেত্রে খাওয়াতে হবে ২ চা চামচ। ৩ বছরের নিচে বয়স হলে সেসব শিশুদের এটা খাওয়ানো যাবে না। সেক্ষেত্রে ২ চা চামচ পানের রসের সাথে ১ চা চামচ নারিকেল তেল ও এক টুকরো কর্পুর মিশিয়ে শিশুর বুকে মালিশ করতে হবে। সর্দি-কাশি সারানোর জন্য ২ গ্রাম পান পাতা ও দারচিনি ১১০ মিলিলিটার পানিতে জ্বাল দিয়ে তা নামিয়ে একটু ঠা-া করে রোজ একবার খেতে হবে। এতে ৭ দিনের মধ্যে সর্দি কাশি সেরে যাবে।

ক্ষুধা বৃদ্ধি করে

পাকস্থলী গড়বড় হলে সবই উল্টে যায়। খিদেও লাগে না। পাকস্থলীতে অম্লমান বা পিএইচের মাত্রা স্বাভাবিক না থাকলেই এরূপ হয়। পান তা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। ফলে শুধু পান পাতা চিবিয়ে খেলেও ক্ষুধা বাড়ে।

এন্টিসেপটিকের কাজ করে

কোথাও কেটে গেলে দ্রুত সেখানে পানের রস লাগিয়ে দিলে জীবাণু সংক্রমণের ভয় থাকে না। পান পাতা পলিফেনল বিশেষত চাভিকল নামক রাসায়নিক উপাদানে পূর্ণ। এটা জীবাণুর বিরুদ্ধে কাজ করে। এ ছাড়া সেখানে ফোলাও বন্ধ করে, ব্যথার উপশম করে। শরীরের যেসব অংশ প্রায় সময়ই ঘামে ভেজা থাকে সেখানে নানা রকম ছত্রাক জন্ম নেয় ও দাদের মতো চর্ম রোগের জন্ম দেয়। পানের রস সেখানে লাগালে তা এন্টিসেপটিকের কাজ করে ও ছত্রাক জীবাণু ধ্বংস করে।

পিঠে ব্যথার উপশম করে

নানা কারণে পিঠে ব্যথা হতে পারে। শোয়া থেকেও হয়। বয়স্কদের এ সমস্যা প্রায়ই দেখা দেয়। মাংসপেশির টান থেকেও এরূপ ব্যথা হতে পারে। এক্ষেত্রে ব্যথা জায়গায় পান পাতার গরম পুলটিস দিয়ে সেঁক দিলে উপকার হয়। এ ছাড়া পান পাতার রসের সাথে নারিকেল তেল মিশিয়ে ব্যথা জায়গায় মালিশ করলে ব্যথা কমে যায়।

মূত্র স্বল্পতা ও মূত্রকৃচ্ছতার উপশম করে

যাদের কম প্রস্রাব হয় বা প্রস্রাব করতে গেলে কষ্ট হয় তারা পান পাতার রস সেবন করে উপকার পেতে পারেন। এক্ষেত্রে ১টি পান পাতা ছেঁচে রস করতে হবে। সেই রস একটু দুধের সাথে মিশিয়ে পান করলে উপকার হবে। এতে দেহে পানি ধারণ ক্ষমতা বাড়বে ও মূত্রকৃচ্ছতা চলে যাবে।

ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়

পান পাতায় আছে চমৎকার এন্টিঅক্সিডেন্ট যা ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় ও দেহে ক্যান্সার সৃষ্টি প্রতিরোধ করে। এজন্য রোজ ১০-১২টি পান পাতা পানিতে ৫ মিনিট জ্বাল দিতে হবে। এরপর তা নামিয়ে ছাঁকতে হবে। একটু ঠা-া হলে তাতে কয়েক ফোঁটা মধু মিশিয়ে কুসুম গরম থাকতেই পান করতে হবে। রোজ এটা খেতে পারলে ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেক কমে যায়।

মেছতা দূর করে

পান অনেক ধরনের চর্মরোগ ভালো করার ক্ষমতা রাখে। মেছতা, এলার্জি, চুলকানি, দেহে দুর্গন্ধ সৃষ্টি ইত্যাদিও উপশম করতে পারে। এরূপ অবস্থায় ২টি পান পাতা ছেঁচে রস বের করতে হবে। এর সাথে একটু হলুদের গুঁড়া বা কাঁচা হলুদের রস মিশিয়ে মেছতা ও এলার্জির কারণে ফুলে ওঠা জায়গাগুলোতে লাগাতে হবে। এতে এসব সমস্যা ধীরে ধীরে কয়েক দিনের মধ্যে চলে যাবে। পাতা সিদ্ধ করা পানিটা ফেলে না দিয়ে তা ঠাণ্ডা করে সেই পানি ফেস ওয়াশের মতো ব্যবহার করে মুখম-ল ধুতে পারলে তাতে মুখের অনেক দাগ চলে যায়, মুখে মসৃণতা আসে। দেহে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হলে গোসলের আগে পানপাতার রস তিল, নারিকেল বা সরষের তেলের সাথে মিশিয়ে গায়ে মেখে তারপর গোসল করলে সারা দিন আর গায়ে কোনো দুর্গন্ধ থাকে না, মনও থাকে চনমনে।

শিশুদের পেট ব্যথা কমায়

পেটে ব্যথা হলে ছোট্ট শিশুরা কাঁদতে থাকে। বড় শিশুরা হয়তো বলতে থােক, পেট চেপে ধরে কাতরাতে থাকে। এ অবস্থায় পান পাতার চকচকে পিঠে নারিকেল তেল মাখিয়ে তা গরম করে সেই পাতা পেটের ওপর চেপে ধরে সেঁক দিতে হবে। ৩-৪ মিনিট পর পর এভাবে কয়েকবার সেঁক দিলে পেটে ব্যথা কমে যাবে। খেয়াল রাখতে হবে সেঁকের সময় তাপটা যেন বেশি না হয়।

গলাব্যথা দূর করে

গলাব্যথা হলে খুব সহজেই তা পান পাতা ব্যবহার করে দূর করা যায়। এক্ষেত্রে ১ চা চামচ পান পাতার রস এ গ্লাস গরম পানিতে মিশিয়ে গড়গড়া বা গার্গেল করতে হবে।

দাঁতে ব্যথা কমায়

দাঁতে ব্যথা হলে ২ কাপ পানিতে ২-৩টি পান পাতা সিদ্ধ করতে হবে। জ্বাল দিতে দিতে ১ কাপ থাকতে নামিয়ে ঠাণ্ডা করে তা দিয়ে কুলকুলি করতে হবে। এতে দাঁতে ব্যথা কমে যাবে।

পোড়া সারায়

পুড়ে গেলে সেখানে প্রচণ্ড জ্বালাপোড়া হয়। পোড়া জায়গায় পান পাতা বেটে তার সাথে ১ টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে প্রলেপ দিলে যন্ত্রণার উপশম হয় ও সহজে ঘা হতে পারে না।

পানের দোষ গুণ

পান যেমন বলকারক ও একাধিক রোগ নিরাময়কারী তেমনি বলহানিকর ও অস্বাস্থ্যেরও কারণ। যেমন নতুন পান পাতা শ্লেষ্মা বাড়ায়, পুরনো পাতা শ্লেষ্মা দূর করে। পান হজম করে বটে তবে বেশি খেলে অজীর্ণ হয়। পাতার রস বিশেষ ইন্দ্রিয়ের শক্তি বৃদ্ধি করে আবার বোঁটা ও শিরার রস সেই ইন্দ্রিয়ের শক্তি কমিয়ে দেয়। তাই পানের বোঁটা খাওয়া উচিত নয়। যে কোনো চর্মরোগে পান পাতার রস লাগালে তা দাহ সৃষ্টি করে, আবার পোড়া জায়গায় লাগালে তা প্রশান্তি দেয়। পাতার রস মুখে জড়তা ও অরুচি দূর করে। আবার বেশি খেলে বা রস বাসি হলে ঠিক এগুলোই বেড়ে যায়। পান খাওয়ার পর অনেক খাবারের স্বাদ ঠিকমতো পাওয়া যায় না।

সতর্কতা

যারা রুগ্ন, দুর্বল, ক্ষীণ স্বাস্থ্যের তারা পান খাবেন না। মূর্চ্ছা রোগী, যক্ষ্মা রোগী ও যাদের চোখ উঠেছে তারও পান খাবেন না। অতিরিক্ত নেশার পর পান খাওয়া চলবে না।

সূত্র : বাংলাদেশ সরকারের কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)

৪ উপাদানেই কমবে ধূমপানের আসক্তি
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ধূমপান কর্কট রোগের কারণ, এ কথা সবারই জানা। তবুও ধূমপানের অভ্যাসের কারণে প্রতিবছর লাখ লাখ মানুষ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।

এমনকি ধূমপান মৃত্যুর কারণও হতে পারে। ধূমপানের খারাপ দিক সম্পর্কে জানার পরও অনেকো অভ্যাসের দাসে পরিণত হন। আজ বা কাল করেও ধূমপান ছাড়া হয় না।

এক বা দু’দিন ধূমপান ছেড়ে থাকলেও শেষ মুহূর্তে আবারও ফিরে যান ধূমপানের কাছেই। আপনিও যদি শত চেষ্টা করেও ধূমপান ছাড়তে না পারেন তাহলে এবার ভরসা রাখুন ঘরোয়া উপাদানে।

কয়েকটি উপাদান আছে যেগুলো অত্যাধিক ভেষজ গুণসম্পূর্ণ। এই ঘরোয়া টোটকার সাহায্যে ধূমপানের প্রতি আগ্রহ কমবে খুব দ্রুত। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক উপায়-

>> ধূমপান ছাড়তে চাইলে প্রতিদিন কাঁচা বা সেদ্ধ আমলকি খান। ধূমপানের ফলে শরীরে জমা দূষিত পদার্থ বা টক্সিন দ্রুত পরিষ্কার হয়ে যাবে।

একইসঙ্গে ধূমপানের প্রতি দ্রুত আগ্রহও কমবে। নিয়মিত আমলকি খেলে ৭ দিনেই ধূমপানের ইচ্ছা কমে যাবে!

>> ধূমপানের আসক্তি কমাতে আদার জুড়ি নেই। যখনই ধূমপানের ইচ্ছা জাগবে মনে তখনই অল্প বিট লবণ মিশিয়ে আদা কুচি মুখে দিন। ধূমপানের প্রতি আগ্রহ কমবে।

>> কাঁচা পুদিনা পাতা ভালো করে ধুয়ে নিন। ধূমপানের ইচ্ছা হলেই পুদিনা পাতাগুলো চিবিয়ে খান। নিকোটিনের প্রতি আগ্রহ অনেকটাই কমবে।

>> ত্রিফলার স্বাস্থ্যগুণ অনেক। ধূমপান ছাড়তেও দুর্দান্ত কার্যকরী এই উপাদান। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ত্রিফলা ভেজানো পানি খান। দেখবেন ধূমপানের ইচ্ছা কমবে।

সূত্র: আরোগ্যধাম ডট ইন

তেজপাতার ৫ ঔষধি গুণ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বিরিয়ানি হোক কিংবা পোলাও, তাতে অবশ্যই তেজপাতার ছোয়া থাকতে হবে। তেজপাতা ছাড়া রান্নার কথা চিন্তা করাই মুশকিল। শুধু রান্নায় নয়, তেজপাতা আরও নানা কাজে ব্যবহৃত হয়। খাবার স্বাদ বৃদ্ধির পাশাপাশি ঔষধি গুণ থাকার কারণেও তেজপাতা কদর রয়েছে বিশ্বের বহু দেশে।

জেনে নিন তেজপাতা কোন কোন রোগের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে।

১. ঠান্ডা-কাশিতে
ঠান্ডাজনিত যেকোনো রোগ, ফ্লু ও অন্যান্য সংক্রমণ রোধে লড়াই করে তেজপাতা। শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা হলে, পানিতে দু-তিনটি তেজপাতা দিয়ে ১০ মিনিট গরম করুন। এই পানিতে ভেজানো একটি কাপড় বুকের ওপর রাখুন। ফ্লু, ঠান্ডা ও কাশি থেকে আরাম পাওয়া যাবে। জ্বর সারাতেও সহায়তা করে তেজপাতা।
২. বদহজমে
তেজপাতা হজমক্রিয়া বাড়াতে সহায়তা করে। হজমক্রিয়ায় সমস্যা থাকলে তা সারিয়ে তোলে। বুক জ্বালাপোড়া, পেট ফাঁপা, কোষ্ঠকাঠিন্য হলে তেজপাতা দিয়ে গরম করা এক গ্লাস পানি পান করুন। স্বস্তি পাবেন।

৩. ডায়াবেটিসে
টাইপ-২ ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় তেজপাতার কার্যকারিতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তেজপাতায় রক্তে শর্করা বা চিনি, কোলেস্টেরল কমাতে ও ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে সহায়তা করে। সর্বোচ্চ ফল পেতে তেজপাতা গুঁড়ো করে টানা এক মাস খেতে পারেন। তেজপাতায় থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরের সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি হৃৎপিণ্ডের কার্যক্রম ভালো রাখে।

৪. ব্যথা উপশমে
তেজপাতার তেল বাতের ব্যথা, মচকানো, কোনো কিছুর চাপ লেগে আঘাতপ্রাপ্ত স্থানে বা যেকোনো সাধারণ বা দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা উপশম করে। মাইগ্রেন ও মাথাব্যথায় কপালি তেজপাতার তেল মালিশ করলে আরাম পাওয়া যায়।

৫. হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক রোধে
তেজপাতায় এমন সব ভেষজ উপাদান আছে, যা হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের মতো রোগ প্রতিরোধ হৃদযন্ত্রকে রাখে নিরাপদ। বাড়ায় হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা।

পায়ের যে লক্ষণে বুঝবেন আপনার কোলেস্টেরলের মাত্রা মারাত্মক
                                  

অনলাইন ডেস্ক : কোলেস্টেরল আসলে কী? মোমের মতো এক ধরনের ফ্যাটি পদার্থ। তৈরি হয় যকৃত (লিভার) থেকে। লাইপোপ্রোটিনের মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন অংশ ছড়িয়ে পড়ে কোলেস্টেরল। স্বাভাবিক অবস্থায় থাকলে হরমোন নিয়ন্ত্রণ এবং নতুন কোষ তৈরি করতে সাহায্য করে এই কোলেস্টেরল। কিন্তু শরীরে প্রোটিনের অভাব হলে এবং ফ্যাটের পরিমাণ অনেক বেশি হয়ে গেলে, তা কোলেস্টেরলের সঙ্গে মিশে ‘লো ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন’ বা এলডিএল হয়ে যায়। তখনই কোলেস্টেরল শরীরের পক্ষে খুব ক্ষতিকর হয়ে যায়। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় যদি অস্বাস্থ্যকর ফ্যাটের পরিমাণ বেশি হয়ে যায় এবং কোনও রকম শরীরচর্চা করা না হয়, তাহলে কোলেস্টেরলের মাত্রা অনেকটা বেড়ে যেতে পারে।

কীভাবে শরীর জানান দেবে

কোলেস্টেরলের মাত্রা যতক্ষণ না মারাত্মক বেড়ে যাচ্ছে, ততক্ষণ শরীরে কোনও রকম লক্ষণই দেখা দেয় না। সেটাই মুশকিল হয়ে যায়। সেই কারণেই নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা করিয়ে কোলেস্টেরলের মাত্রার ওপর নজর রাখা প্রয়োজন। কোলেস্টেরল খুব বেড়ে গেলে পায়ের টেন্ডন লিগামেন্টগুলোতে প্রভাব পড়ে। পায়ের ধমনীগুলো সরু হয়ে গেলে পায়ের নিচের অংশ অনেকটা অক্সিজেন-সহ রক্ত পৌঁছতে পারে না। তাতে পা ভারী হয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়ে সহজেই। পায়ের অসম্ভব যন্ত্রণা হওয়াও অস্বাভাবিক নয়। উরু বা পায়ের হাঁটুর নীচে পিছনের দিকে ব্যথা হতে পারে। হাঁটার সময়েই এই ধরনের ব্যথা বাড়ে। অল্প দূরত্ব হাঁটলেও এই ব্যথা হতে পারে। তাই এই লক্ষণগুলো দেখলেই সাবধান হওয়া প্রয়োজন।
ঘুমের মধ্যে পায়ের পাতায় বা আঙুলে হঠাৎ টান ধরা যাওয়াও উচ্চ কোলেস্টেরলের ইঙ্গিত হতে পারে। রাতে এই ধরনের সমস্যা বেশি হয়। পা নিচের দিকে ঝুলিয়ে রাখলে রক্ত চলাচল কিছুটা স্বাভাবিক হতে পারে। তাতে পায়ের টান ধরার যন্ত্রণা কমতে পারে।

রক্ত চলাচল স্বাভাবিক না হলে পায়ের আঙুলের রঙেও বদল আসতে পারে। পায়ের নখের রং বদলে গেলেও সতর্ক হতে হবে।

শরীরকে সুস্থ ও সচল রাখার সহজ ৪ উপায়
                                  

অনলাইন ডেস্ক : স্বাস্থ্যই সম্পদ- এই কথা নিশ্চয়ই আপনি শুনেছেন। এই সম্পদকে ধরে রাখার জন্য প্রয়োজন সঠিক বিপাক ক্রিয়া। বিপাক ক্রিয়া আমাদের শরীরের এমন একটি কার্য‌ যেটা আমরা যা খাই বা পান করি সেগুলিকে শক্তিতে রুপান্তর করে।

এটি এক প্রকার রাসায়নিক বিক্রিয়া যা আমাদের শরীরেই ঘটে। বিপাকীয় হার এবং বিপাক অনেক সময় অদলবদল করে ব্যবহার হয়। আপনার বিপাকীয় হার আপনার শরীরে বার্ন ক্যালোরির সংখ্যা নির্ধারণ করে। তবে আপনার বিপাক কেবল আপনার বিপাকীয় হারের চেয়ে বেশি পরিচালিত হয়। এটি আপনার রক্তে শর্করা, কোলেস্টেরল, ট্রাইগ্লিসারাইড এবং রক্তচাপের মতো সব কিছুর ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

যদি আপনার বিপাকীয় হার বেশি হয়, আপনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আরও ক্যালোরি দহন করে পারবেন এবং ক্যালোরি বার্নের সাহায্য আপনি দ্রুত ওজন কমাতে পারবেন। যদি আপনার বিপাকীয় হার ধীর হয়, তাহলে জীবনধারায় পরিবর্তন করেই আপনি আপনার বিপাক গতিকে সচল রাখতে পারবেন।
প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন এবং ফাইবার খান-

প্রোটিন আপনাকে পেশি তৈরিতে সহায়তা করে, যেখানে ফাইবার আপনাকে দীর্ঘ সময় ধরে খাবারের চাহিদা পূরণ রাখতে সাহায্য করে। আপনার দৈনন্দিন ডায়েটে এই দুইটি উপাদান যুক্ত করুন। এর সাহায্যে আপনার বিপাক ক্রিয়া আরও সচল হয়ে উঠবে এবং আপনার ওজন কমানোর প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করবে।

সব সময় হাইড্রেট থাকুন-

আপনি যদি ওজন কমাতে চান এবং সুস্থ থাকতে চান তাহলে নিশ্চয়ই জানবেন যে প্রতিদিন আট গ্লাস পানি পান করা উচিত। সারাদিন হাইড্রেট থাকলে শরীরের অনেক রোগই কমে যায়। পানি ছাড়া, আপনার শরীর সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না। পানি ছাড়াও আপনি উদ্ভিজ্জ রস, ফলের রস, লেমোনেড বা ডাবের পানিও পান করতে পারেন শরীরকে হাইড্রেট ও সুস্থ রাখার জন্য। পর্যাপ্ত পানি ছাড়া বিপাক ক্রিয়াও সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না।

ব্যায়াম-

শরীরকে সুস্থ রাখতে এবং বিপাক ক্রিয়াকে সচল রাখতে নিয়মিত যোগব্যায়াম করা খুব জরুরি। শারীরিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও দারুণ প্রভাব ফেলে যোগব্যায়াম। করোনার প্রকোপে কম বেশি সব মানুষেরই জীবনযাত্রার পরিবর্তন ঘটেছে। অনেকটা সময় গৃহবন্দি দশায় কেটেছে। এই ক্ষেত্রে নিস্ক্রিয়তা, বিপাক ক্রিয়ার ওপরও প্রভাব ফেলে। তাই যদি বিপাকক্রিয়াকে সচল রাখতে চান তাহলে নিয়মিত যোগব্যায়াম করুন এবং সুস্থ থাকুন।

পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম-

সুস্বাস্থ্যের জন্য ঘুম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনার প্রয়োজনের চেয়ে কম সময় ঘুম হলে, এটি আপনার মধ্যে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এবং হতাশাসহ বেশ কয়েকটি অসুস্থতার ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলতে পারে। এটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ যে আপনি আপনার শরীরকে পুনরুজ্জীবিত করতে কমপক্ষে ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমান। এতেও দূর হয়ে যাবে আপনার অনেক রোগ।

অল্প উপকরণে রাঁধুন মালাই চিকেন কারি
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : মুরগির যে কোনো পদ ছোটরা যেমন পছন্দ করে তেমনি বড়রাও কিন্তু সবজি কিংবা মাছের চেয়ে মাংসই বেশি পছন্দ করেন। তাই তো সপ্তাহে দু-তিনদিন মেন্যুতে মুরগি রাখেন অনেকে। একঘেয়েমি রান্না খেয়ে যারা কিছুটা বিরক্ত হচ্ছেন, তাদের জন্য আজকের রেসিপি। স্বাদ বদলাতে রাঁধুন মালাই চিকেন কারি।

অল্প উপকরণে খুব কম সময়ে রান্না করে ফেলতে পারবেন এটি। অল্প উপকরণ হলেও স্বাদে হার মানাবে অথেনটিক যে কোনো মুরগির রেসিপি। চলুন জেনে নেওয়া যাক মালাই চিকেন কারি রান্নার সহজ রেসিপিটি-


উপকরণ

১. মুরগির মাংস ৫০০ গ্রাম
২. রসুন বাটা ১ চা চামচ
৩. ফ্রেশ ক্রিম ১ কাপ
৪. লেবুর রস ১/২ চা চামচ
৫ .দুধ ১ কাপ
৬. তেজপাতা ২/৩টা
৭. ঘি ১ টেবিল চামচ
৮. পেঁয়াজ কুঁচি ১টি
৯. এলাচ গুঁড়া ২ টি
১০. দারুচিনি ১-২ টা
১১. আদা বাটা ২ চা চামচ
১২.বাদাম বাটা ১ টেবিল চামচ
১৩. কসৌরি মেথি ২ চা চামচ
১৪. কালো গোলমরিচ প্রয়োজন মতো
১৫. লবণ স্বাদমতো

পদ্ধতি

প্রথমে মুরগির মাংস ভালোভাবে ধুয়ে পানি ঝড়িয়ে নিন। এবার বাটিতে মুরগির মাংস নিন। এতে গোলমরচি ও লবণ দিয়ে মেরিনেট করে ফ্রিজে রাখুন ২ ঘণ্টা। এবার মেরিনেট করা মাংসের সঙ্গে আদা বাটা, রসুন বাটা, বাদাম বাটা, লেবুর রস ও ক্রিম ভালো ভাবে মিশিয়ে আবারও ২০ মিনিট রেখে দিন।

চুলায় একটি প্যান বসিয়ে হালকা গরম করে নিন। ঘি দিয়ে অপেক্ষা করুন গরম হওয়া পর্যন্ত। এবার পেঁয়াজ, এলাচ দিয়ে ভাজতে খাকুন। ভাজা হলে তাতে মেরিনেট করা মাংস দিয়ে ভালোভাবে ৮-১০ মিনিট কষিয়ে রান্না করুন। এই পর্যায়ে খানিকটা দুধ, তেজপাতা, দারুচিনি, কসৌরি মেথি দিয়ে আবারও রান্না করুন কিছুক্ষণ। মাংস ভালো মতো সিদ্ধ হয়ে ঝোল কমে এলে চুলা বন্ধ করে ঢেকে রাখুন ৪ থেকে ১০ মিনিট। ব্যাস তৈরি হয়ে গেলো মালাই চিকেন কারি। এবার গরম গরম ভাত, পোলাও কিংবা রুটি-পরোটার সঙ্গে পরিবেশন করুন।

অঙ্কুর গজানো আলু খেলে কী হয় জানেন?
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : দীর্ঘদিন ঘরে আলু জমিয়ে রাখলে, তার গায়ে অঙ্কুর গজাতে শুরু করে। অনেকেই আবার সেই আলু দিয়ে বিভিন্ন পদ রান্নাও করেন। তবে এই অঙ্কুর গজানো আলু খাওয়া হতে পারে বিপজ্জনক, তবে কেন?

জীববিজ্ঞানীদের মতে, আলু নিজেই সোলানাইন নামক এক ধরনের বিষ উপাদন করে। আলু গাছ চেষ্টা করে যাতে কোনো পোকা বা জীবাণু আলুর ক্ষতি করতে না পারে। তাই গাছ নিজেই এতে সোলানাইন নামক বিষ তৈরি করে।

যদিও যে অবস্থায় আলু খাওয়া হয় তখন পর্যন্ত সোলানাইন তৈরি শুরু হয় না। তাই শরীরের কোনো ক্ষতি হয় না। তবে অঙ্কুর গজাতেই ওই আলুতে তৈরি হতে থাকে এই বিষ।

অনেকেই আলুর অঙ্কুর কেটে ফেলে বাকিটা রান্না করেন। ফলে ওই আলু পেটে গেলেও শরীরে বিষক্রিয়া হতে পারে। কী হয় অঙ্কুর গজানো আলু খেলে?

আলুতে থাকা সোলানাইন যদি অল্প পরিমাণে শরীরে যায় তাহলে পেটে সমস্যা হতে পারে। অনেকের মাথাব্যথাও হতে পারে।


বেশি পরিমাণে গেলে কেউ আবার কোমায় চলে যেতে পারেন। এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। দীর্ঘ দিন ধরে শরীরে সোলানাইন গেলে স্নায়ুর ক্ষতি হয়।

ভাবতে পারেন, সামান্য আলুও কীভাবে বিপজ্জনক হতে পারে। তবে আলুতে যাতে অঙ্কুর না জন্মায় এজন্য তা অন্ধকার ও ঠান্ডা জায়গায় সংরক্ষণ করুন।

সূত্র: হেলথলাইন

দশমীতে রাঁধুন লুচি ও মাটন কোরমা
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : দুর্গাপূজার আয়োজনে লুচি আর খাসির পদ থাকবে না তা কি হয়! তাই দশমীতে আজ পাতে রাখুন গরম গরম লুচি ও মাটন কোরমা। চলুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে তৈরি করবেন-

লুচি তৈরির রেসিপি


উপকরণ

১. আটা ও ময়দার মিশ্রণ ১ কাপ
২. লবণ স্বাদমতো
৩. তেল পরিমাণমতো ও
৪. পানি প্রয়োজনমতো।

পদ্ধতি

ময়দা দিয়ে ডো তৈরি করে নিন। এসময় সামান্য তেল ও লবণ মিশিয়ে নিতে ভুলবেন না। ডো তৈরি পরর ৩০ মিনিটের জন্য ঢেকে রাখুন।


এবার ডো থেকে ছোট ছোট লেচি কেটে গোল করে রুটি বেলে নিন। চুলায় একটি প্যানে তেল গরম করে ভেজে নিন লুচি। এরপর পরিবেশন করুন গরম গরম লুচি।

শাহী মাটন কোরমা তৈরির রেসিপি

উপকরণ

১. খাসির মাংস ১ কেজি
২. পেঁয়াজ বাটা ১/৪ কাপ
৩. আদা বাটা ১ টেবিল চামচ
৪. দারুচিনি ৩ টুকরা
৫. এলাচ ৪টি
৬. তেজপাতা ২টি
৭. রসুন বাটা ২ চা চামচ
৮. কেওড়া জল ২ টেবিল চামচ
৯. জাফরান আধা চা চামচ
১০. ঘন দুধে কাঠবাদাম, কাজুবাদাম ও পোস্তদানা বাটা ৩ টেবিল চামচ
১১. লবণ ২ চা চামচ
১২. চিনি ২ চা চামচ
১৩. তেল ১/৪ কাপ
১৪. ঘি ১/৪ কাপ
১৫. পেঁয়াজ ৬টি মিহি স্লাইস
১৬. কাঁচা মরিচ ৮টি
১৭. টকদই আধা কাপ
১৮. লেবুর রস আধা টেবিল চামচ ও
১৯. বাদাম ও পেস্তা কুচি ২ টেবিল চামচ।

পদ্ধতি

চর্বি বাদ দিয়ে মাংস পরিষ্কার করে নিন। এরপর আধা চা চামচ লবণ দিয়ে মাংস আধা ঘণ্টা মাখিয়ে রাখুন। তারপর ভালো করে ধুয়ে আবারও জল ঝরিয়ে নিন। এই ফাঁকে কেওড়াজলে জাফরান ভিজিয়ে নিন।

অন্যদিকে হাঁড়িতে মাংস নিয়ে ঘি, দারুচিনি, এলাচ, তেজপাতা, চিনি, লেবুর রস, কেওড়াজল, জাফরান ও কাঁচা মরিচ বাদে সব উপকরণ একত্রে মিশিয়ে ২০-৩০ মিনিট রেখে দিন।

আধা ঘণ্টা পর মেরিনেট করা মাংসের হাঁড়ি মাঝারি আঁচে চুলায় ঢেকে রান্না করুন। মাংস সেদ্ধ না হলে ১-২ কাপ ফুটন্ত গরম পানি মিশিয়ে নিন। এ পর্যায়ে কাঁচা মরিচ মিশিয়ে দিন।

কিছুক্ষণ পর চিনি ও কেওড়াজল মেশানো জাফরান তিয়ে নাড়ুন। অন্য প্যানে ঘি গরম করে তেজপাতা ও গরম মসলার ফোঁড়ন দিয়ে পেঁয়াজ কচি ভেজে নিন। তারপর এই ফোঁড়ন মাংসে মিশিয়ে নেড়ে দিন।

চুলার আঁচ কমিয়ে এবার দমে ১০-১৫ মিনিট রান্না করুন। সবশেষে মিশিয়ে দিন লেবুর রস। ব্যাস তৈরি হয়ে গেল শাহী মাটন কোরমা। এবার গরম গরম পরিবেশন করুন লুচি ও শাহী মাটন কোরমা।

রাতারাতি মুখের ব্রণ দূর করার কৌশল
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : মুখের ব্রণ নিয়ে অনেকেই দুশ্চিন্তায় থাকেন। যে কোনো উৎসব বা অনুষ্ঠানের আগে ত্বকে ব্রণ হলে সৌন্দর্য অনেকখানি ফিঁকে হয়ে যায়! তবে এমন ক্ষেত্রে কীভাবে রাতারাতি ব্রণ দূর করা যায়, তা নিয়ে অনেকেই গবেষণা করতে বসে পড়েন ইন্টারনেটে।

আবার কেউ কেউ ধৈর্য না ধরে ফাটিয়ে ফেলেন ব্রণ। এতে আক্রান্ত স্থান আরও ফুলে যায়। ব্রণ ফাটানোর পরে রক্ত বেরিয়ে কিছুদিন পর ফোলাভাব ঠিকই কমে যায়; তবে দাগ বসে যায় মুখে। তাহলে কী করে ব্রণ দূর করা যায় রাতারাতি?

এক্ষেত্রে বেনজয়েল পারোক্সাইড, সালফার, টি-ট্রি অয়েল বা স্যালিসিলিক অ্যাসিডের ওপর ভরসা রাখতে পারেন। যারা ব্রণের সমস্যায় ভোগেন তারা এগুলোর মধ্যে কোনো একটি ঘরে রাখতে পারেন।

টি-ট্রি অয়েল বা স্যালিসিলিক অ্যাসিড আছে এমন কোনো ক্রিম ব্রণে সারারাত লাগিয়ে রাখলে পরের দিন অনেকটাই ঠিক হয়ে যায় ব্রণ।

রাতারাতি ব্রণ কমাতে প্রথমে ফেসওয়াশ দিয়ে ভালো করে মুখ ধুয়ে নিন। তারপর একটি পাতলা কাপড়ে বরফ মুড়ে ব্রণের উপর সেঁক দিন। এতে ব্রণের ফোলাভাব কমে যাবে।

তারপর টি-ট্রি অয়েল, স্যালিসিলিক অ্যাসিড বা বেনজয়েল পারোক্সাইড আঙুলে ঠিক ব্রণের উপর লাগিয়ে নিন। এভাবে সারারাত রাখলেই ব্রণ কমে যাবে।

এছাড়াও কয়েকটি ঘরোয়া টোটকার সাহায্যেও ব্রণ রাতারাতি দূর করতে পারবেন। জেনে নিন কৌশল-

>> বাড়িতে অ্যাসপিরিন থাকলে ট্যাবলেট নিয়ে গুঁড়া করে পেস্ট তৈরি করে ব্রণে লাগিয়ে রাখুন সারারাত। লালচেভাব কমে যাবে এক রাতেই।

>> টুথপেস্টও ব্রণ সারাতে কাজ করে। ব্রণে এটি লাগালে ফোলাভাব কমে যায় কয়েক ঘণ্টাতেই। তবে জেল টুথপেস্ট ব্যবহার করবেন না।

>> গরম পানিতে তুলা ভিজিয়ে ভাপ দিলেও ব্রণের ফোলাভাব কমে যায়। এমনকি ব্রণ থেকে ত্বকের অন্যান্য সংক্রমণের আশঙ্কাও কমে।

>> পাশাপাশি ব্রণ বের হলে তেল, মশলা ও ভাজাপোড়া খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।

>> বেশি করে পানি খেতে হবে। যাতে শরীরের ভেতরের সব বিষাক্ত পদার্থ বেরিয়ে যায়।

পূজার সন্ধ্যা জমবে চিকেন তান্দুরির স্বাদে
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসবের দেবীপক্ষের ক্ষণগণনা শুরু হয়েছে মহালয়ার মধ্য দিয়ে। ১১ অক্টোবর থেকে ষষ্ঠীপূজার মাধ্যমে দুর্গাপূজা শুরু হবে। তবে এখন থেকেই সবার মধ্যে দুর্গা পূজার আমেজ শুরু হয়েছে।

এ সময় অনেকেই ব্যস্ত শপিং নিয়ে আবার অনেকেই পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন চুটিয়ে। পরিবার ও বন্ধুরা মিলে পূজার সন্ধ্যায় নিশ্চয়ই জম্পেশ আড্ডা দিচ্ছেন!


তবে খালি মুখে কি আর আড্ডা জমে? তাই এসময় পরিবার ও প্রিয়জনের জন্য তৈরি করুন চিকেন তান্দুরি। খুব সহজেই ঘরে এটি তৈরি করে নিতে পারবেন রেসিপি অনুযায়ী-

 

উপকরণ

১. মুরগির লেগ পিস ৪টি
২. টকদই ৪ টেবিল চামচ
৩. তন্দুরি মসলা ২ টেবিল চামচ
৪. আদা বাটা ১ চা চামচ
৫. রসুন বাটা ১ চা চামচ
৬. মরিচের গুঁড়া ১ চা চামচ
৭. পাতিলেবুর রস ২ চা চামচ
৮. সাদা তেল আধা কাপ
৯. লবণ স্বাদমতো

 

পদ্ধতি

প্রথমে চিকেন ভালো করে ধুয়ে নিন। এরপর ছুরি দিয়ে হালকা কেটে দিতে হবে। যাতে মসলা ভালোভাবে চিকেনে ঢুকতে পারে। এবার মেরিনেশনের জন্য লেবুর রস, লবণ ও হলুদ গুঁড়া মিশিয়ে নিন। ঢেকে রাখুন আধা ঘণ্টা।

আবারও মেরিনেশনের পালা। এবার চিকেনে একে একে মিশিয়ে নিন আদা-রসুন বাটা। তারপর আবারও আধা ঘণ্টার জন্য অপেক্ষা করুন। অন্যদিকে একটি বাটিতে টকদই, তান্দুরি মসলা ও মরিচের গুঁড়া ভালো করে মিশিয়ে নিন।

এবার চিকেনের সঙ্গে টকদইয়ের মিশ্রণ ভালো করে মাখিয়ে নিন। যাতে চিকেনের সব অংশে মসলা পৌঁছায়। শেষবারের মতো আবারও আধা ঘণ্টার জন্য মেরিনেট করুন চিকেন।

এবার প্যানে তেল গরম করে নিন। তার মধ্যে মেরিনেট করে নেওয়া চিকেন একে একে দিয়ে ভেজে নিতে হবে। কম আঁচে চিকেনগুলো এপিঠ-ওপিঠ করে ভেজে নিন।

যখন চিকেন সম্পূর্ণ সেদ্ধ হয়ে যাবে তখন প্যান থেকে তুলে নিন। তারপর গ্যাসের উপর একটি তারজালিতে চিকেনগুলো রেখে দু’পিঠ ভালো করে গ্যাসে সেঁকে নিন।

চিকেনের দু’পিঠ একটু পোড়া পোড়া হলে খুব সুন্দর তান্দুরি মসলার গন্ধ বের হবে। ব্যাস তৈরি হয়ে গেলো চিকেন তন্দুরি। এবার গরম গরম পরিবেশনের পালা।

চিকেন তান্দুরি পুদিনা সস দিয়ে পরিবেশ করুন। তাছাড়াও টমেটো সস বা চিলি সস দিয়েও খেতে ভালো লাগে। এই মুখোরোচক পদ পূজার আড্ডা জমিয়ে দেবে।

যেভাবে ৬ মাসে ১২ কেজি ওজন কমান শেহনাজ
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : শেহনাজ কৌর গিল নামটির সঙ্গে এখন হয়তো সবাই কমবেশি পরিচিত। সম্প্রতি ভারতীয় টেলিভিশন অভিনেতা, মডেল ও উপস্থাপক সিদ্ধার্থ শুক্লার মৃত্যুর খবরের পর থেকে শিরোনামে বারবার উঠে এসেছে শেহনাজ গিলের নাম।

তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিয়ের করার কথা থাকলেও খুব দ্রুতই ওপারে পাড়ি দিলেন সিদ্ধার্থ শুক্লা। যদিও এ কষ্ট পুষিয়ে নেওয়ার নয়, তবুর জীবিকার দায়ে সবকিছু ভুলে আবারও কাজে ফিরেছেন শেহনাজ।

শেহনাজ হলেন একাধারে একজন অভিনেত্রী, গায়িকা ও মডেল। তবে যে বিষয়টির জন্য তিনি চর্চায় উঠে এসেছেন তা হলো ‘বিগ বস সিজন ১৩’ এর একজন জনপ্রিয় প্রতিযোগী তিনি।

প্রতিযোগিতার সময় থেকেই লাখ লাখ মানুষের প্রশংসা ও ভালোবাসা পেয়ে যাচ্ছেন শেহনাজ। ভারতের চণ্ডীগড়ের বংশোদ্ভূত শেহনাজকে সবাই পাঞ্জাবের ক্যাটরিনা কাইফ বলেই জানেন।

তবে করোনা মহামারির শুরুর দিকে শেহনাজের ওজন অনেক বেশি ছিল। যদিও এর কারণ হিসেবে শেহনাজ জানান, বিগ বস থেকেই তা ওজন কিছুটা বাড়াতে বলা হয়েছিল।

তবে অনেকেই শেহনাজের বাড়তি ওজন নিয়ে কটাক্ষ করায় এই অভিনেত্রী কষ্ট পান। এ কারণে করোনা মহামারির শুরুর দিকে দীর্ঘ লকডাউন থাকাকালীন শেহনাজ অতিরিক্ত ওজন কমানোর সিদ্ধান্ত নেন।

মাত্র ৬ মাসে ১২ কেজি ওজন কমিয়ে সবাইকে তাঁক লাগিয়ে দেন তিনি। অনেকেরই হয়তো এ বিষয়ে জানার আগ্রহ আছে! কীভাবে শেহনাজ ওজন কমিয়েছিলেন?

সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, কোনো ব্যায়াম না করে শুধু খাদ্যতালিকা সীমাবদ্ধ করেই ১২ কেজি ওজন কমান শেহনাজ। তবে কেন ওজন কমিয়েছিলেন শেহনাজ?

তিনি এক সাক্ষাৎকারে জানান, ‘আমার ওজন নিয়ে কয়েকজন উপহাস করেছিলেন। এরপর আমি ওজন কমাতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই। স্লিম হয়ে সবাইকে দেখানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।’

শেহনাজ দীর্ঘ লকডাউনের সময়কে কাজে লাগান। গত বছর মার্চ মাসে লকডাউন শুরু হওয়ার সময় তার ওজন ছিল ৬৭ কেজি। আর এখন তার ওজন ৫৫ কেজি।

ওজন কমাতে যে ডায়েট মেনেছেন শেহনাজ গিল জানলে অবাক হবেন, শরীরচর্চা না করেই ১২ কেজি ওজন ঝরান শেহনাজ। মাত্র ৬ মাসে ১২ কেজি ওজন কমানোর রহস্য তিনি নিজেই প্রকাশ করেন।

শেহনাজ বলেন, ‘বিশ্বাস করুন, আমি শুধু খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন এনেছি। নিরামিষ খাবার, চকলেট ও আইসক্রিম বাদ দিয়েছি। আর কিছু নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি খাদ্যতালিকায় বেশি পরিবর্তন আনি নি। উদাহরণস্বরূপ, যদি আমি দুপুরের খাবারে ডাল খেয়ে থাকি, তবে রাতের খাবারে ওই একই খাবার খেয়েছি।’

‘শুধু খাবারের পরিমাণ কমিয়েছি। যখন দু’টি রুটি খাওয়ার ইচ্ছে করে, তখন একটি খেয়েছি। এভাবেই দ্রুত ওজন কমাতে পেরেছি।’

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া/হার জিন্দেগি

মাধুরীর গোপন হেয়ার অয়েল
                                  

অনলাইন ডেস্ক : মাধুরী দীক্ষিত ৫৪ বছর বয়সেও সৌন্দর্য ধরে রেখেছেন ঠিক তরুণীর মতোই। তার মেদহীন শরীর আর ঝকঝকে ও টানটান ত্বক দেখে সবাই অবাক হয়ে যান। নিশ্চয়ই তার ফিটনেস ও স্কিন কেয়ারের কোনো রহস্য আছে! এমনটিই ভাবেন সবাই।

বিশেষ করে মাধুরীর একরাশ ঘন কালো চুল দেখে অনেকেরই তার বিউটি কেয়ারের গোপন রহস্য জানতে ইচ্ছে হয়। মাধুরী তার চুলের যত্নে ঘরোয়া উপায়ে তৈরি এক সিক্রেট হেয়ার অয়েল ব্যবহার করেন।

সম্প্রতি মাধুরী তার ইউটিউব চ্যানেলের এক ভিডিওতে তিনি ঘরোয়া উপায়ে প্রস্তুতকৃত হেয়ার অয়েলের রেসিপি সবার সঙ্গে শেয়ার করেছেন। চলুন জেনে নেয়া যাক, তার ঘন কালো চুলের আসল রহস্য। এজন্য যা যা লাগবে-

নারকেল তেল ১ কাপ, মেথি বীজ ১ চা চামচ, কারিপাতা ১৫-২০টি ও পেঁয়াজ কুচি ১টি।

যেভাবে তৈরি করবেন: প্রথমে একটি প্যানে সবগুলো উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। তারপর চুলার জ্বাল মাঝারি আঁচে রেখে তেল ফুটিয়ে নিন। তেল ফুটে উঠলে একটি বাটিতে ছেঁকে তুলে নিন। তারপর ঠান্ডা করে একটি কাঁচের বোতলে ঢেলে রাখুন। এরপর যখন চুলে তেল দেওয়ার প্রয়োজন হবে, তখন বোতল থেকে ঢেলে চুলের গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত ব্যবহার করুন।

নিয়মিত এই তেল ব্যবহারে চুলের গোড়া মজবুত হবে। একইসঙ্গে চুল পড়া বন্ধ হবে ও চুল পাকা রোধ হবে। নারকেল তেল চুলের জন্য কতটা উপকারী তা সবারই জানা। একইসঙ্গে মেথি, কারি পাতা ও পেঁয়াজ চুল পড়া বন্ধ করতে সাহায্য করে।

এসব উপকরণে থাকা পুষ্টি উপাদান চুলের স্বাস্থ্য রক্ষা করে। খুশকি থেকে শুরু করে চুলের যাবতীয় সমস্যা সমাধানে মাধুরীর সিক্রেট এই হেয়ার অয়েল নিয়মিত ব্যবহার করুন। ফলাফল পাবেন হাতেনাতে। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

ক্যালসিয়ামের চাহিদা মেটাতে যা খেতে হবে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : সাধারণত আমরা শরীরে ক্যালসিয়ামের চাহিদা মেটানোর জন্য দুধকেই আমাদের খাদ্য তালিকায় রাখি। কিন্তু আবার অনেকেই দুধ খেতে পছন্দ করেন না। তাদের শরীরের তো ক্যালসিয়ামেরও প্রয়োজন। তাই আজকের এই প্রতিবেদনে এমন কিছু খাদ্যের তালিকা দেওয়া হল যা আপনার শরীরে ক্যালসিয়ামের চাহিদাকে পূরণ করবে।

তোকমার বীজ
৪৫ গ্রাম তোকমা বীজে থাকে এক গ্লাস দুধের সমান ক্যালসিয়াম। তোকমা বীজে প্রোটিন ও ফাইবারও থাকে।

তিলের বীজ
ক্যালসিয়ামের পাশাপাশি ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক এবং কপারে সমৃদ্ধ হয় তিলের বীজ। মাত্র ৩০ গ্রাম তিলের বীজে থাকে ৩০০ মিগ্রা ক্যালসিয়াম।
বাদাম
ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ এবং ভিটামিন ই-তে সমৃদ্ধ হয় আমন্ড। তার সাথে রয়েছে ক্যালসিয়াম। যার ফলে উচ্চ রক্তচাপ, শরীরের চর্বি এবং বিপাকীয় রোগের অন্যান্য ঝুঁকির কারণগুলি কমাতে সহায়তা করে আমন্ড।

সবুজ শাকসবজি
যেকোনও সবুজ শাক পাতায় প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম রয়েছে। ১৫০ থেকে ২০০ গ্রাম শাক-সবজি গ্রহণ করলেই আপনার শরীরে ক্যালসিয়ামের চাহিদাকে পূরণ করা সম্ভব।

ক্যালসিয়ামের আরও কিছু দুর্দান্ত উৎস হল সজিনা, বাদাম, ডুমুর, ব্রকোলি, মিষ্টি আলু, সূর্যমুখী বীজ, ঢেঁড়স, কমলা এবং আরও অনেক খাবার।

বিকেলের নাস্তায় চিকেন মিটবল
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : চিকেন মিটবল খেতে ছোট-বড় সবাই পছন্দ করে। এর স্বাদ সবারই নিশ্চয়ই মুখে লেগে আছে! ঝটপট অতিথি আপ্যায়ন থেকে শুরু করে বিকেলের নাস্তায় সহজেই তৈরি করে নিতে পারেন দারুন স্বাদের চিকেন মিটবল। জেনে নিন রেসিপি-

উপকরণ

১. মাটন কিমা ২ কাপ
২. চিজ ১ চা চামচ
৩. রসুন কুচি ১ টেবিল চামচ
৪. পেঁয়াজ পাউডার ১ চা চামচ
৫. লবণ স্বাদমতো
৬. গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ
৭. অলিভ অয়েল ১ টেবিল চামচ
৮. ডিম ১টি ও
৯. টমেটো সস ৪ টেবিল চামচ।

পদ্ধতি

কিমা ভালো করে পরিষ্কার করে নিন। এবার এতে তেল, টমেটো সস ও চিজ ছাড়া বাকি সব উপকরণ দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে নিন।

এরপর এই মিশ্রণ থেকে ছোট ছোট লেচি কেটে বলের আকারে গড়ে নিন। এবার অন্য একটি পাত্রে টমেটো সস তৈরি করে নিন।

প্যানে অলিভ অয়েল গরম করে এতে টমেটো সস দিয়ে ভালো করে ভাজতে থাকুন। তেল ছাড়তে শুরু করলে আঁচ বন্ধ করে সরিয়ে রাখুন।

মিটবল আপনি ভাঁপেও তৈরি করতে পারেন। এতে স্বাদ ভালো হবে। এক্ষেত্রে তেল লাগিয়ে স্টিমারে রেখে ভালো করে রান্না করুন। যাতে মাংস সেদ্ধ হয়ে যায়।

এবার একটি পাত্রে অল্প অলিভ অয়েল দিয়ে সেঁকে নিন। আপনি চাইলে মাইক্রোওয়েভেও ১৮০ ডিগ্রিতে ৫-৬ মিনিট রান্না করতে পারেন।

এই টমেটো সসের মধ্যে ভালো করে মিটবলগুলো রোল করে নিয়ে প্লেটে সাজান। উপরে চিজ ছড়িয়ে পরিবেশন করুন চিকেন মিটবল।

দৈনিক মাত্র ৫ মিনিটের ব্যায়ামেই কমবে ওজন
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ওজন কমাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জিমে সময় কাটানোর প্রয়োজন নেই! দৈনিক মাত্র ৫ মিনিটের ব্যায়ামেও ওজন কমানো যায়। ব্যস্ততার কারণে যারা নিয়মিত শরীরচর্চা করতে পারেন না তাদের জন্য এক উপায় জানালেন সেলিব্রিটি ফিটনেস ট্রেনারের ইয়াসমিন করাচিওয়ালা।

এমন ব্যক্তিদের জন্য দৈনিক ৫ মিনিটের ফ্যাট বার্ন ওয়ার্কআউটের পরামর্শ দিয়েছেন এই ফিটনেস ট্রেনার। মাত্র ৫ মিনিটের এই ব্যায়ামেই অতিরিক্ত ওজন কমাতে পারবেন।


সম্প্রতি ইয়াসমিন তার ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন, যেখানে তাকে ৫টি ওয়ার্কআউট অনুশীলন করতে দেখা যায়। এগুলো আপনি বাড়িতেই করতে পারেন। ওজন কমাতে ও ফিটনেস বজায় রাখতে সাহায্য করবে ব্যায়ামগুলো। এই ৫টি ব্যায়াম মাত্র ৫ মিনিটেই করা সম্ভব।


ইয়াসমিন করাচিওয়ালা শেয়ার করা ভিডিওর ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘সারাদিন কাজ করার জন্য জোর দেন কিন্তু ব্যায়ামের সময় নেই? কোনো সমস্যা নেই, আমি আপনাকে এই ৫ মিনিটের ফ্যাট বার্ন ওয়ার্কআউট রুটিন সম্পর্কে বলেছি। এর জন্য আপনাকে কেবল সকালে ঘুম থেকে উঠতে হবে ও এগুলো করতে হবে।’

‘প্রতিটি ব্যায়াম এক মিনিটের জন্য করুন। এর সাহায্যে শরীরের চর্বি গলতে সাহায্য করবে।যদি আপনি আরও চান ও সময় পান তাহলে ২ বা ৩ রাউন্ড করেও করতে পারেন।


যে ব্যায়ামগুলো করবেন-

>> স্কোয়াট + অল্ট হ্যামার প্রেস (১ মিনিট)
>> ফ্রন্ট স্কোয়াট + গুডমর্নিং (১ মিনিট)
>> জোটম্যান কার্লস (১ মিনিট)
>> সুপাইন চেস্ট প্রেস + সাইকেল (১ মিনিট))
>> ল্যাটারাল লঞ্জ থেকে ন্যারো স্কোয়াট জাম্প (১ মিনিট)

ওয়ার্ক আউটের উপকারিতা

এই স্কোয়াটগুলো শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য কাজ করা ছোট পেশীগুলোকে সক্রিয় করে। শরীরের ভারসাম্যহীনতা সংশোধন করে ও স্থিতিশীলতাও উন্নত করে।
এছাড়াও এসব ব্যায়াম করলে শরীরের নিচের অংশ শক্তিশালী হয়। পা ও পেশী টোন হয়। এছাড়াও মূল পেশী শক্তিশালী করে।


   Page 1 of 15
     লাইফস্টাইল
বিকেলের নাস্তায় রাখুন সুস্বাদু ডিমের হালুয়া
.............................................................................................
পানের বহু উপকার
.............................................................................................
৪ উপাদানেই কমবে ধূমপানের আসক্তি
.............................................................................................
তেজপাতার ৫ ঔষধি গুণ
.............................................................................................
পায়ের যে লক্ষণে বুঝবেন আপনার কোলেস্টেরলের মাত্রা মারাত্মক
.............................................................................................
শরীরকে সুস্থ ও সচল রাখার সহজ ৪ উপায়
.............................................................................................
অল্প উপকরণে রাঁধুন মালাই চিকেন কারি
.............................................................................................
অঙ্কুর গজানো আলু খেলে কী হয় জানেন?
.............................................................................................
দশমীতে রাঁধুন লুচি ও মাটন কোরমা
.............................................................................................
রাতারাতি মুখের ব্রণ দূর করার কৌশল
.............................................................................................
পূজার সন্ধ্যা জমবে চিকেন তান্দুরির স্বাদে
.............................................................................................
যেভাবে ৬ মাসে ১২ কেজি ওজন কমান শেহনাজ
.............................................................................................
মাধুরীর গোপন হেয়ার অয়েল
.............................................................................................
ক্যালসিয়ামের চাহিদা মেটাতে যা খেতে হবে
.............................................................................................
বিকেলের নাস্তায় চিকেন মিটবল
.............................................................................................
দৈনিক মাত্র ৫ মিনিটের ব্যায়ামেই কমবে ওজন
.............................................................................................
নারকেল নাড়ু তৈরির সহজ রেসিপি
.............................................................................................
আক্কেল দাঁতের ব্যথা কমানোর ৭ উপায়
.............................................................................................
ভাত রান্নার ভুলে বাড়ছে ক্যানসারের ঝুঁকি, বলছে গবেষণা
.............................................................................................
তালের পোড়া পিঠা তৈরির সহজ রেসিপি
.............................................................................................
বিশ্রামের পরেও ক্লান্তি বোধ করছেন, খাবেন যে খাবার
.............................................................................................
ওজন বশে রাখার ৫ মন্ত্র
.............................................................................................
কারিনার বিশেষ ফেসমাস্ক, ত্বক হবে ফর্সা ও দাগহীন
.............................................................................................
রাত হলেই কেন বাড়ে হাঁপানি?
.............................................................................................
অতিরিক্ত পানি পানে ৭ মারাত্মক ক্ষতি
.............................................................................................
আদা যত রোগের সমাধান
.............................................................................................
পুরুষদের যে ব্যায়ামগুলো নিয়মিত করা উচিত
.............................................................................................
কাঁচা পেঁপের যত পুষ্টিগুণ
.............................................................................................
অতিরিক্ত ঘুম হতে পারে যেসব রোগের কারণ
.............................................................................................
কিয়ারার রূপের রহস্য
.............................................................................................
নিয়মিত হাঁটলে যেসব রোগ থেকে মুক্তি মিলবে
.............................................................................................
করোনার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব : লক্ষণ ও করণীয়
.............................................................................................
গরুর মাথার মাংস ভুনা
.............................................................................................
ঘর থেকে মাংসের গন্ধ দূর করবেন যেভাবে
.............................................................................................
পশু কুরবানির স্থান পরিষ্কার করবেন যেভাবে
.............................................................................................
রেসিপি: গরুর ভুড়ি ভুনা
.............................................................................................
আমলকির ঔষধি গুণ ও উপকারিতা
.............................................................................................
ঘামের দুর্গন্ধ দূর করতে ঘরেই তৈরি করুন ডিওডোরেন্ট
.............................................................................................
গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে যা করবেন
.............................................................................................
করোনা থেকে বাঁচতে মাধুরী টিপস
.............................................................................................
করোনা মোকাবেলায় যে ব্যায়াম করবেন
.............................................................................................
তৈলাক্ত ত্বক মন্দ নয়, উপকারিতা জানলে চমকাবেন !
.............................................................................................
ঈদের পোশাকের সঙ্গে কিনুন মানানসই ভ্যানিটি ব্যাগ
.............................................................................................
ইফতারে ঘরেই তৈরি করুন মুচমুচে জিলাপি
.............................................................................................
ঘরে বসেই চটজলদি তৈরি করুন চিকেন পরোটা
.............................................................................................
কারোনাকালে যেসব ফল বেশি খাবেন
.............................................................................................
শিশুর কাশি কমানোর ৫ উপায়
.............................................................................................
এই সময়ে ঘামাচি থেকে মুক্তির ঘরোয়া উপায়
.............................................................................................
এই গরমে চাই আরামের পোশাক
.............................................................................................
ভয়াবহ সব রোগ থেকে মুক্তি দেবে পেঁপের বীজ!
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop