বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * এ সফর ছিল সংক্ষিপ্ত কিন্তু অত্যন্ত ফলপ্রসূ : প্রধানমন্ত্রী   * ভেদরগঞ্জে ৩০ বস্তা সরকারি সার জব্দ   * মৌলভীবাজারে বন্যার পানি কমলেও কমেনি দুর্ভোগ   * তামিলনাড়ুতে বিষাক্ত মদপানে মৃত বেড়ে ৫৬   * মির্জাপুরের পুকুরপাড়ে গ্রেনেড উদ্ধার   * যমুনায় বিলীন হচ্ছে স্কুল, হুমকিতে আশ্রয়ন প্রকল্প   * দেশে ফিরেছেন ১৪ হাজার ৮১৬ হাজি   * দুর্নীতির মচ্ছব বন্ধে এখনই ‘বিশেষ কমিশন’ গঠন করুন: মেনন   * রাশিয়ায় অফিস ভবনে আগুন, নিহত ৮   * কৃষিক্ষেত্রে অবদানে ‘এআইপি’ সম্মাননা পাচ্ছেন ২২ জন  

   লাইফস্টাইল -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
কাঁঠালের বিচি যেসব রোগের ঝুঁকি কমাতে পারে

কাঁঠালের প্রতিটি কোয়া যেন অমৃত। যারা কাঁঠাল পছন্দ করেন তারা জানেন এর তৃপ্তি কোথায়। গ্রীষ্মের বাজারে আম, লিচুর পাশাপাশি কাঁঠালের চাহিদাও তুঙ্গে থাকে। কাঁঠালের এমন কোনো অংশ নেই যা কাজে লাগে না। যেমন ধরুন এর বিচি। এগুলো কী ফেলে দেন? উত্তর হ্যাঁ হলে, এর চেয়ে বোকামির আর কিছু হতে পারে না।


কাঁঠালের কোয়ার চেয়েও বেশি জনপ্রিয় এর বীজ। মটর-ডাল হোক কিংবা নিরামিষ তরকারি, কাঁঠালের বীজ দিলে স্বাদটাই বদলে যায়। তাছাড়া ডালের সঙ্গে কাঁঠালের বীজ ভাজা কিন্তু মন্দ নয়। কাঁঠালের বীজ শুধু সুস্বাদু, তা নয়। এর স্বাস্থ্যগুণও রয়েছে।

শরীরের জন্য কতটা কার্যকরী এই বীজ?

ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি, প্রোটিন— সব আছে কাঁঠালের বিচিতে। সঙ্গে আছে প্রচুর পরিমাণ আয়রন। রক্তাল্পতার সমস্যা থাকলে এই বীজ খাওয়া অতি জরুরি। ফাইবারের পরিমাণ অনেকটাই থাকে কাঁঠালের বীজে। তার প্রভাবে কোলেস্টেরল কমে। সঙ্গে হজমের সুবিধাও হয়। হজম প্রক্রিয়া ভালো হওয়ায় ওজন কমাতেও সাহায্য করে কাঁঠালের বীজ।

ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্যও এই বীজ বেশ উপকারী। এতে উপস্থিত ফাইবার খাদ্যের কার্বোহাইড্রেট শুষে নেয়। ফলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেশি বাড়তে পারে না।

চোখের জন্যও উপকারী কাঁঠালের বীজ। এতে উপস্থিত ভিটামিন এ দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে। চোখের জ্যোতি বাড়িয়ে তুলতেও কাঁঠালের বীজ কার্যকরী। চোখের সমস্যা থাকলে কাঁঠালের বীজ খেতে পারেন। উপকার পাবেন।

কাঁঠালের বিচি যেসব রোগের ঝুঁকি কমাতে পারে
                                  

কাঁঠালের প্রতিটি কোয়া যেন অমৃত। যারা কাঁঠাল পছন্দ করেন তারা জানেন এর তৃপ্তি কোথায়। গ্রীষ্মের বাজারে আম, লিচুর পাশাপাশি কাঁঠালের চাহিদাও তুঙ্গে থাকে। কাঁঠালের এমন কোনো অংশ নেই যা কাজে লাগে না। যেমন ধরুন এর বিচি। এগুলো কী ফেলে দেন? উত্তর হ্যাঁ হলে, এর চেয়ে বোকামির আর কিছু হতে পারে না।


কাঁঠালের কোয়ার চেয়েও বেশি জনপ্রিয় এর বীজ। মটর-ডাল হোক কিংবা নিরামিষ তরকারি, কাঁঠালের বীজ দিলে স্বাদটাই বদলে যায়। তাছাড়া ডালের সঙ্গে কাঁঠালের বীজ ভাজা কিন্তু মন্দ নয়। কাঁঠালের বীজ শুধু সুস্বাদু, তা নয়। এর স্বাস্থ্যগুণও রয়েছে।

শরীরের জন্য কতটা কার্যকরী এই বীজ?

ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি, প্রোটিন— সব আছে কাঁঠালের বিচিতে। সঙ্গে আছে প্রচুর পরিমাণ আয়রন। রক্তাল্পতার সমস্যা থাকলে এই বীজ খাওয়া অতি জরুরি। ফাইবারের পরিমাণ অনেকটাই থাকে কাঁঠালের বীজে। তার প্রভাবে কোলেস্টেরল কমে। সঙ্গে হজমের সুবিধাও হয়। হজম প্রক্রিয়া ভালো হওয়ায় ওজন কমাতেও সাহায্য করে কাঁঠালের বীজ।

ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্যও এই বীজ বেশ উপকারী। এতে উপস্থিত ফাইবার খাদ্যের কার্বোহাইড্রেট শুষে নেয়। ফলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেশি বাড়তে পারে না।

চোখের জন্যও উপকারী কাঁঠালের বীজ। এতে উপস্থিত ভিটামিন এ দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে। চোখের জ্যোতি বাড়িয়ে তুলতেও কাঁঠালের বীজ কার্যকরী। চোখের সমস্যা থাকলে কাঁঠালের বীজ খেতে পারেন। উপকার পাবেন।

সাপে কাটলে করা যাবে না যে ৫ কাজ
                                  

সাপের দংশনে প্রতিবছরই অনেক মানুষ প্রাণ হারান। মে থেকে অক্টোবরের মধ্যে সাপের উপদ্রব বেশি দেখা যায়। এর বাইরে সারা বছরই সাপের কামড়ে অনেকে আক্রান্ত হন। সাবধানী হওয়ার পরও দুর্ভাগ্যক্রমে সাপের দংশনের শিকার হতে পারেন অনেকে। তেমন অবস্থায় ঠিকঠাক ব্যবস্থা নিলে মৃত্যুর আশঙ্কা অনেকটাই কমে যায়। সাপের দংশনে আক্রান্ত হওয়ার পরবর্তী পদক্ষেপগুলো কী হতে পারে, চলুন জেনে নিই।

সাপে কাটলে কী করবেন—

সাপের ধরন নির্ণয়: সাপ কামড়ালে প্রথমেই আঘাতের স্থান পর্যবেক্ষণ করে জানতে হবে সেটি বিষধর নাকি নির্বিষ। দুই ধরনের সাপের কামড়ের চিকিৎসা দুই রকম। বিষধর সাপের কামড়ে সাধারণত দুটি ক্ষত হয়, তবে নির্বিষ সাপের কামড়ে চার থেকে ১৬টি পর্যন্ত ক্ষত দেখা যেতে পারে।

উপসর্গ:

কিছু সাপ কাটলে তাৎক্ষণাৎ টের পাওয়া যায় না। যেমন: কালাচ। এ সাপ অত্যন্ত বিষধর, কিন্তু বিষদাঁত ছোট হওয়ায় প্রাথমিকভাবে বোঝা যায় না, শুধু বমিভাব বা পেট খারাপের মতো উপসর্গ দেখা যায়। তাই এসব লক্ষণ দেখলে কোনোভাবেই অবহেলা করা যাবে না।

যা করতে হবে:

দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন
হাত বা পা ভাঙলে যেমন করে শক্ত কিছু দিয়ে কাপড় দিয়ে হলকা করে বাধা হয়, সেভাবে বাধুন
সাপে কাটা পেশী যতটা কম সম্ভব নড়াচড়া করুন, পেশীর নড়াচড়া যত কম হবে, বিষ তত কম ছড়াবে।
যা করবেন না:

আতংকিত হওয়া যাবে না
ওঝা বা ঝাড়ফুঁকের অপেক্ষা করে কালক্ষেপণ করবেন না
চিকিৎসক দেখার আগ পর্যন্ত কিছু খাওয়া উচিত না
সাপে কাটা জায়গায় শক্ত করে বাঁধা যাবে না, কারণ রক্ত জমে গিয়ে আক্রান্ত ব্যক্তি পঙ্গু হয়ে যেতে পারেন। যেখানে সাপ কেটেছে, তার কিছুটা ভেতরের দিকে খুব হালকা করে শুধু একটি গিঁট দিয়ে বেঁধে দেয়া যেতে পারে। বাঁধন এমনই হালকা হতে হবে যেন চাইলে ভেতরে আঙুল প্রবেশ করা যায়।
কোন মলম বা মালিশ লাগানো উচিত না

ম্যাজিকের মতো ক্লান্তি দূর করবে এই পাওয়ারবুস্টার
                                  

শারীরিক ও মানসিক চাপের কারণে শরীরে ক্লান্তি আসে। কম ঘুম ও অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার কারণেও ক্লান্তির সমস্যা সৃষ্টি করে। ক্লান্তি কাজে মনোযোগের ঘাটতি ঘটায় এবং কাজের গতি কমিয়ে দেয়। এই ক্লান্তি ভাব নিয়মিত হতে থাকলে তা শরীরের জন্য খুবই নেতিবাচক একটা দিক। এতে আপনার দেহ-মন অবসাদে চলে যেতে পারে। কিন্তু রান্নাঘরের সামান্য কয়েকটা মসলা গুঁড়ো করে যদি প্রতিদিন খান তাহলে কিন্তু আপনার দুর্বলতা কাটবে। কাজে এনার্জিও পাবেন।

এবার জেনে নেই কোন মসলাগুলো শরীর সুস্থ রেখে দ্রুত ক্লান্তি দূর করে—

ছোট এলাচ, পোস্তর দানা, দেশি ঘি এগুলো একসঙ্গে গুঁড়ো করে যদি নিয়মিত কয়েকদিন খেতে পারেন তাহলে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়বে। এমনকী আপনার শরীর ক্লান্ত লাগবে না, দুর্বল হবেন না। শরীর থেকে দুর্বল ভাব কমাতে ও এনার্জি বাড়াতে ছোট এলাচ প্রতিদিন খেতে পারেন।

যেসব উপকার পাবেন—

বিভিন্ন জায়গায় গবেষণায় প্রকাশিত রিপোর্টের ভিত্তিতে জানা গেছে, এই মসলাগুলো ক্লান্তিভাব দূর করতে জ্বালানির মতো ভূমিকা রাখে। যা দুর্বল ভাব কমাতে ও এনার্জি বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়াও আরও যেসব উপকার পাবেন জেনে নিন।

রক্ত সঞ্চালন ভালো হবে, আপনার মস্তিষ্ক ভালোভাবে কাজ করতে সাহায্য করে।
শরীরে শক্তিই পাবেন আপনি, হাড় মজবুত করতে নিয়মিত দুধের সঙ্গে পান করতে হবে এগুলো।
পোস্তর দানা ও গোল মরিচ খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খুব ভালো। এতে আপনি সহজে উত্তেজিত হবেন না। মাথা ঠান্ডা থাকবে।
শরীর দুর্বলতা কমাতে ও শরীরে শক্তি বাড়াতে অবশ্যই দেশি ঘি খান।
এটি খেলে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা অনেকটাই বাড়বে।
পেস্তা খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খুব ভালো। এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, জিঙ্ক, কপার থাকে। যা আপনার হাড় আরও মজবুত করতে সাহায্য করবে। শুধু তাই নয়, আপনার শরীরে ক্লান্তি কমাবে।
ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খাবেন। একটি খেলে আপনার শরীরের টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বৃদ্ধি পাবে।
যেভাবে তৈরি করবেন এই মসলা—

ছোট এলাচ নিয়ে এলাচের দানা বের করে নিন। তারপরে এটিকে ভালো করে গুঁড়ো করুন। এবার পেস্তা নিয়ে এক চামচ ঘি নিন সেটিকে পাত্রে নিয়ে গরম করুন, কিছু পেস্তর দানা নিয়ে হালকাভাবে ভেজে নিন। তারপরে সেগুলো ভালোভাবে গুঁড়ো করুন। মসলার গুঁড়ো একটি পাত্রে রাখুন। তারপর এক গ্লাস গরম দুধের সঙ্গে আপনি যদি এই মসলার গুঁড়ো খান তাহলে আপনার রক্ত সঞ্চালন ভালো হবে। শরীরে ইমিউনিটি পাওয়ার অর্থাৎ রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়বে। হাড় দুর্বল হবে না, হার্ট অ্যাটাকেরও ঝুঁকি কমবে। অল্প পরিশ্রমেই যদি শরীর দুর্বল হয়ে যায় তবে বুঝতে হবে আপনার এনার্জির ঘাটতি রয়েছে। এনার্জির অভাবে শরীর ঘনঘন ক্লান্ত হয়। এই ক্লান্তি কমিয়ে দিনভর কর্মক্ষম থাকতে চাইলে দৈনন্দিন খাবারের তালিকায় রাখতে পারেন এই পাওয়ারবুস্টার।

যেসব খাবার পানিশূন্যতা তৈরি করে
                                  

সুস্থ থাকার জন্য হাইড্রেটেড থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু আপনি কি জানেন যে, কিছু খাবার আপনাকে গোপনে ডিহাইড্রেট করতে পারে? যদিও আমরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ডিহাইড্রেশনকে পর্যাপ্ত পানি না খাওয়ার ফল হিসেবে মনে করি। তবে কিছু খাবার মূত্রবর্ধক বৈশিষ্ট্য বা অতিরিক্ত লবণের কারণে ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা বাড়িয়ে তুলতে পারে। সেই খাবারগুলো সম্পর্কে জানা থাকলে পানিশূন্যতা প্রতিরোধ করা সহজ হবে। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক-

ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়

কফি, চা এবং কিছু কোমল পানীয়তে ক্যাফেইন থাকে, যা হালকা মূত্রবর্ধক। যদিও সকালে এককাপ কফি বা চা উপভোগ করা ভালো, তবে অত্যধিক পান করার ফলে প্রস্রাব বাড়তে পারে। পর্যাপ্ত পানি পানের সঙ্গে ভারসাম্য না থাকলে ডিহাইড্রেশন হতে পারে।


অ্যালকোহল

অ্যালকোহলযুক্ত পানীয় এর মূত্রবর্ধক প্রভাবের কারণে আপনাকে ডিহাইড্রেট করতে পারে। এগুলো প্রস্রাব উৎপাদন বৃদ্ধি করে, যার ফলে শরীরের তরল কমে যায় হয়। তাই অ্যালকোহলযুক্ত পানীয় পান করা থেকে বিরত থাকাই শরীরের জন্য সবচেয়ে ভালো।


লবণাক্ত স্ন্যাকস

চিপস, প্রিটজেল এবং ক্র্যাকারের মতো প্রক্রিয়াজাত খাবারে সোডিয়াম বেশি থাকে। অত্যধিক লবণ গ্রহণ করলে তা আপনাকে তৃষ্ণার্ত করে তুলতে পারে এবং প্রস্রাবের মাধ্যমে পানির ক্ষয় বৃদ্ধি করতে পারে। নোনতা নাস্তা খাওয়ার বিষয়ে সচেতন হোন এবং পানি-সমৃদ্ধ খাবারের সঙ্গে ভারসাম্য বজায় রাখুন।


উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার

প্রোটিন-সমৃদ্ধ খাবার, যেমন লাল মাংস, হাঁস-মুরগি এবং দুগ্ধজাত পণ্য ইত্যাদি ডিহাইড্রেশনে অবদান রাখতে পারে। আপনি যখন প্রোটিন গ্রহণ করেন, তখন আপনার শরীর অতিরিক্ত ইউরিয়া তৈরি করে। এটি একটি বর্জ্য পদার্থ যা প্রস্রাবের মাধ্যমে বের করে দিতে হয়, এর ফলে পানির ক্ষয় বৃদ্ধি পায়।

চিনিযুক্ত খাবার

কেক, কুকিজ এবং ক্যান্ডির মতো চিনিযুক্ত খাবারও আপনাকে ডিহাইড্রেট করতে পারে। আপনি যখন প্রচুর পরিমাণে চিনি গ্রহণ করেন, তখন আপনার শরীর এটিকে পাতলা করতে পানি ব্যবহার করে, যা ডিহাইড্রেশনের দিকে নিয়ে যা। তাই হাইড্রেটেড থাকার জন্য তাজা ফল বেছে নিন।

ঝাল খাবার

মসলাদার খাবার আপনার বিপাককে উদ্দীপিত করতে পারে এবং শরীরের তাপমাত্রা বাড়াতে পারে, যার ফলে ঘাম হতে পারে, যা আপনাকে ডিহাইড্রেট করে। মসলাদার খাবার উপভোগ করার সময় হাইড্রেটেড থাকার জন্য প্রচুর পানি পান করতে ভুলবেন না।

ভাজা খাবার

ভাজা খাবারে লবণ এবং চর্বি বেশি থাকে, যা আপনাকে ডিহাইড্রেট করতে পারে। উচ্চ চর্বিযুক্ত উপাদান হজমকেও ধীর করে দিতে পারে। ভাজা খাবার খাওয়া সীমিত করুন এবং শাকসবজির মতো পানি-সমৃদ্ধ খাবার বেশি খান।

ইতিবাচক চিন্তার আহ্বানে বিশ্ব মেডিটেশন দিবস উদযাপিত
                                  

মেডিটেশন চর্চায় একজন মানুষের ভাবনাটা ভালো হয়। ইতিবাচক হয়। আর ভালো ভাবতে পারলেই সহজ হয় ভালো মানুষ হওয়া, ভালো দেশ গড়া। তাই ঘরে ঘরে মেডিটেশন ছড়িয়ে দেয়া এবং নিয়মিত চর্চা এখন খুবই জরুরি।

মঙ্গলবার ২১ মে বিশ্ব মেডিটেশন দিবসে জাতীয় প্রেস ক্লাবে দুই সহস্রাধিক মানুষের উপস্থিতিতে প্রশান্তির আমেজে এ আহ্বান জানানো হয়।

ঘরে ঘরে মেডিটেশনের মাধ্যমে আগামী প্রজন্মকে শুদ্ধাচারী ভালো মানুষে রূপান্তর সম্ভব বলেও জানান আলোচকরা।
‘ভালো মানুষ ভালো দেশ স্বর্গভূমি বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্য নিয়ে দেশে এটি চতুর্থবারের মতো আয়োজন। ভোরের শুরুতেই প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে জড়ো হতে থাকে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ।
দিবস পালনের আয়োজক কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ভোর ৬টায় প্রাণায়াম বা দমচর্চা আর প্রত্যয়নের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর নীরব ধ্যানে লীন হন সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা ঘরে ঘরে মেডিটেশন চর্চার গুরুত্বকে তুলে ধরেন। দিবসটি উপলক্ষে আয়োজন করা হয় মেডিটেশন বিষয়ক বিশেষ আলোকচিত্র প্রদর্শনীর।

মেডিটেশন দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে কোয়ান্টাম মেথডের প্রবর্তক শহীদ আল বোখারী মহাজাতক অডিও বাণীতে বলেন, ‘ভ্রান্ত জীবনাচারে সৃষ্ট বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি এবং টোটাল ফিটনেসের জন্যে প্রয়োজন মেডিটেশন ও সুস্থ জীবনাচার।’

দিবসের এই শুভক্ষণে তিনি সবাইকে সমাজ ও দেশের জন্যে মহৎ ভাবনার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ২০২১ সাল থেকে দিবস পালনের মধ্য দিয়ে ধ্যান ও সুস্থ জীবনাচারের বাণী এখন পৌঁছে গেছে সমাজের সর্বস্তরের সচেতন মহলে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ২০২২ সালে যোগ মেডিটেশনকে স্বাস্থ্যসেবার পরিপূরক হিসেবে গ্রহণ করেছে। ২০২৩ সালে শিক্ষা ও শিক্ষক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের অংশে পরিণত হয়েছে ধ্যান।

প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে ঘণ্টাব্যাপী এ আয়োজনে বক্তব্য রাখেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ও মাছরাঙা টেলিভিশনের হেড অব নিউজ রেজওয়ানুল হক রাজা,যুগ্ম সম্পাদক আশরাফ আলী, সিনিয়র সাংবাদিক কাজী রওনাক হোসেন, একাত্তর টেলিভিশনের সিনিয়র সাংবাদিক শাহনাজ শারমিন, চিত্রনায়ক ইমন।

এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিক, মিডিয়া ব্যক্তিত্বসহ নানা পেশার মানুষ।

রাজধানীর প্রেস ক্লাব ছাড়াও দেশ-বিদেশের নানা স্থানে একযোগে উদযাপিত হয় দিবসটি।

প্রসঙ্গত, আত্মশক্তির বিকাশ, রোগ নিরাময়, সাফল্য কিংবা প্রশান্তি লাভে মেডিটেশনের গুরুত্ব এখন প্রমাণিত সত্য। প্রশান্তি আর সুখানুভূতি নিয়ে বিশ্বজুড়ে বর্তমানে প্রায় ৫০ কোটিরও বেশি মানুষ নিয়মিত ধ্যান বা মেডিটেশন করেন।

নিয়মিত অনুশীলন মানুষের ভেতরের ইতিবাচক সত্ত্বাকে জাগিয়ে তোলে। নিয়মিত চর্চায় কমে যায় মনের রাগ ক্ষোভ দুঃখ হতাশা টেনশন স্ট্রেস কিংবা মানসিক চাপ। নেতিবাচকতা থেকে দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যায় ইতিবাচকতায়। সমমর্মী হয়ে ওঠে মন। ফলে পারিবারিক পেশাগত সামাজিক সম্পর্কগুলো আরো সুন্দর হয়ে ওঠে।

মেডিটেশন দিবসের প্রত্যাশা, নিয়মিত চর্চায় সমমর্মিতা নিয়ে দেশের মানুষ রূপান্তরিত হবে সুস্থ সবল কর্মদ্যোমী সুশৃঙ্খল মানবিক এক মহাসমাজে।

আম খেলে কি ওজন বাড়ে?
                                  

গ্রীষ্মের মৌসুমের জন্য আমাদের সারা বছরের অপেক্ষা। কারণ এসময়েই যে সবচেয়ে সুস্বাদু আর রসালো ফলগুলোর দেখা মেলে। সুমিষ্ট স্বাদের আম খেতে পছন্দ করেন না এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া মুশকিল। আমাদের ছেলেবেলার সঙ্গেও জড়িয়ে আছে আমের মধুর স্মৃতি। এই ফলের কথা ভেবে তাই নস্টালজিক হয়ে যাওয়া তাই খুব স্বাভাবিক। এটি শিশুদের কাছেও সম্ভবত সবচেয়ে পছন্দের ফল।

ফলের রাজা আম শুধুমাত্র মিষ্টি স্বাদের জন্য পরিচিত নয়, এর রয়েছে অনেক উপকারিতাও। সুঘ্রাণের পাশাপাশি এতে থাকে অনেক পুষ্টি উপাদানও। আমের মৌসুমে অনেকে ইচ্ছা থাকার পরেও খুব বেশি আম খেতে পারেন না বা এড়িয়ে চলেন। কারণ হিসেবে মনে করা হয় যে আম খেলে ওজন বাড়ে। আসলেই কি তাই? চলুন জেনে নেওয়া যাক-

আজকাল অনেকেই ইচ্ছেমতো আম খাওয়া এড়িয়ে চলেন। তারা মনে করেন প্রতিদিন আম খেলে ওজন বেড়ে যেতে পারে। পুষ্টিবিদ জসলিন কৌরের মতে, আম চর্বিমুক্ত, কোলেস্টেরলমুক্ত এবং লবণমুক্ত। এটি গ্রীষ্মের জন্য সুপার ফল। আম শরীরের জন্য দারুণ পুষ্টিকর। এর মানে এই নয় যে কেউ সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবার এবং রাতের খাবারেও আম খাবেন। যেকোনো খাবারই অতিরিক্ত খেলে তা আপনার ওজন বাড়িয়ে দেবে। আমের ক্ষেত্রেও একই রকম, আপনি যদি অতিরিক্ত খান তবে আপনার ওজন বাড়তে বাধ্য। সুতরাং, আম সম্পর্কে যে ধারণা করা হয় যে এটি ওজন বাড়ায় তা সত্য নাও হতে পারে। এখানে পরিমিত খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

আম ওজন কমাতে সাহায্য করতে পারে, শুধুমাত্র যদি তা একটি নির্দিষ্ট ক্যালোরি সীমার মধ্যে খাওয়া হয়। জসলিন কৌরের মতে, আম ভিটামিন সি এবং ভিটামিন এ, আয়রন, কপার এবং প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম সমৃদ্ধ যা শরীরের জন্য দারুণ। এটি একটি এনার্জি ফুড এবং শরীরে সুগার রাশ সরবরাহ করে যা আমাদের সারাদিন উদ্যমী এবং সক্রিয় রাখে। যাইহোক, আপনার ক্যালরির সীমার উপর নজর রাখা অপরিহার্য কারণ অতিরিক্ত আম খেলে তা আপনার পেট ফুলে যাওয়ার কারণ হতে পারে এবং হজমের জন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে।

একটি মাঝারি আকারের আমে সামান্য ফ্যাট, খুব কম পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট এবং প্রোটিন সহ ১৫০ ক্যালোরি থাকে। জসলিন বলেন, আমি আপনাকে আপনার ওয়ার্কআউট সেশনের ৩০ মিনিট আগে একটি আম খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি যাতে আপনি আপনার সেরা কাজটি করার জন্য একেবারে সতেজ এবং উদ্যমী বোধ করেন। অতিরিক্ত ক্যালোরি এড়াতে এবং ওজন বৃদ্ধি রোধ করতে আপনাকে অবশ্যই খাবারের ঠিক পরে আম খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। সকালের আশেপাশে বা সন্ধ্যার নাস্তা হিসাবে আমের স্বাদ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এইভাবে আপনি অতিরিক্ত ক্যালোরি খাওয়া থেকে নিজেকে বাঁচাতে পারবেন।

কলাপাতার ফেসপ্যাকে ত্বক-চুলের যত্ন
                                  

কলার অনেক গুণের কথা নিশ্চই শুনেছেন। চিংড়ি মাছ দিয়ে মোচার তরকারিও কবজি ডুবিয়ে খেয়েছেন। আবার থোড় ভাজা দিয়েও পাতের ভাত সাবাড় করে দিয়েছেন। কিন্তু কলার পাশাপাশি এর পাতায়ও যে অনেক উপকার, তা কী জানেন। সবুজ এই পাতা আপনার সৌন্দর্যের চাবিকাঠি।

জেনে নিন কলাপাতার গুণাগুণ-

বিশেষজ্ঞরা বলছেন কলাপাতা ত্বক ও চুলের ক্ষেত্রে দারুণ উপকারী। সবুজ এই পাতার আস্তরণ আপনার শরীরকে ক্ষতিকারক UV রশ্মি থেকে বাঁচায়। এর স্নিগ্ধতা আপনার দেহের প্রতিটি কোষকে আরাম দেয়।

কলাপাতার মধ্যে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে; যা স্কিন ড্যামেজকে আটকে দেয়। বর্তমান জীবনের দৌড়ে বয়স যেন কমে আসছে। অকালেই ত্বকে ভাঁজ পড়ছে। তা আটকাতে সাহায্য করে কলাপাতার ফেসপ্যাক।

অ্যালানটয়েন নামে এক যৌগ থাকে কলাপাতার মধ্যে। এর ফলে প্রাণী শরীরে নাইট্রোজেন মেটাবলিজম তৈরি হয়। তা ত্বকের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

ত্বকের রোদে পোড়া ভাব বা ট্যান কমাতে সক্ষম কলাপাতার ফেসপ্যাক। এতে ক্ষত সারানোর ক্ষমতাও রয়েছে। অ্যাগজিমার মতো চর্মরোগও সারায় এই পাতা।

যাদের ঘুমের সমস্যা রয়েছে, তারাও কলাপাতা ব্যবহার করে উপকার পাবেন।

চুলের খুশকি সমস্যার সমাধানেও কলা পাতার জুড়ি মেলা ভার। এতে চুলের গোড়ার চুলকানি ভাবও কমে যায়। কলাপাতা শীতল। যে কারণে তা মাথায় ব্যবহার করলে আরাম পাওয়া যায়। পাশাপাশি মাথাও ঠান্ডা করে। এতে চিন্তা শক্তি বাড়ে। নতুন উদ্যমে কাজ করার অনুপ্রেরণা পাওয়া যায়।

পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখার ঘরোয়া উপায়
                                  

আমরা কী খাই তার ওপর অনেকটাই নির্ভর করে যে আমাদের পেটের স্বাস্থ্য কেমন থাকবে। একটি সুস্থ অন্ত্র ভালো হজম, ভিটামিন এবং খনিজ শোষণ এবং ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাসের বিরুদ্ধে সুরক্ষা সক্ষম করে। অন্ত্রের মাইক্রোবায়োম শব্দটি আপনার অন্ত্রে বসবাসকারী ব্যাকটেরিয়াকে বোঝায়। জার্নাল নিউট্রিয়েন্টস অনুসারে, প্রতিটি ব্যক্তির পরিপাকতন্ত্রে ২০০টিরও বেশি স্বতন্ত্র ধরণের ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস এবং ছত্রাক থাকে। তাই পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে খেতে হবে এই খাবারগুলো-

১. ফাইবার-সমৃদ্ধ খাবার

ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়াকে পুষ্ট করে এবং তাদের বৈচিত্র্য বৃদ্ধি করে। পর্যাপ্ত ফাইবার গ্রহণ নিশ্চিত করতে আপনার খাবারে ফল, শাক-সবজি, লেবু, বাদাম এবং দানা শস্য যোগ করুন। বাদাম খাদ্যতালিকাগত ফাইবারের একটি ভালো উৎস হওয়ায় সহজেই আপনার খাদ্যতালিকায় যোগ করা যেতে পারে। কাঁচা বাদাম খেলে তুলনামূলক বেশি উপকার পাবেন। সেইসঙ্গে অন্যান্য খাবারের সঙ্গেও এটি মিশিয়ে খেতে পারেন।

২. প্রোবায়োটিক

গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিতে থেরাপিউটিক অ্যাডভান্সেস অনুসারে, প্রোবায়োটিক খেলে তা স্বাস্থ্যকর অন্ত্র বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে এবং অন্ত্রের প্রদাহ এবং অন্যান্য সমস্যা এড়াতে পারে। প্রোবায়োটিক হলো জীবন্ত অণুজীব যা পর্যাপ্ত পরিমাণে খাওয়া হলে অসংখ্য স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যায়। এই উপকারী ব্যাকটেরিয়া একটি সুষম অন্ত্রের মাইক্রোবায়োটা বজায় রাখে এবং হজমে সাহায্য করে করে। দই, বাটার মিল্ক, ফার্মেন্টেড রাইস ডিশ, কিমচি এবং ফার্মেন্টেড আচারের মতো খাবারে অন্ত্র-বান্ধব ব্যাকটেরিয়া থাকে যা আপনার পেটের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সাহায্য করে।


৩. প্রিবায়োটিক

প্রিবায়োটিক খাবার উপকারী অণুজীবের জন্য খাদ্য হিসাবে কাজ করে, তাদের বৃদ্ধি এবং অন্ত্রে বিস্তারে সহায়তা করে। আপনার খাদ্যতালিকায় প্রিবায়োটিক খাবার যেমন রসুন, পেঁয়াজ, অ্যাসপারাগাস, কাঁচা কলা, ফ্ল্যাক্সসিড, লেগুম, আপেল এবং এ জাতীয় আরও খাবার যোগ করে একটি স্বাস্থ্যকর অন্ত্রের মাইক্রোবায়োম তৈরি করুন। এই খাবারগুলো হজমের স্বাস্থ্য এবং সামগ্রিক সুস্থতায় অবদান রাখতে পারে।

৪. হাইড্রেটেড থাকুন

পর্যাপ্ত হাইড্রেশন সর্বোত্তম হজম এবং সামগ্রিক অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভালো অন্ত্রের কার্যকারিতা এবং পুষ্টির জন্য প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। প্রতিদিন আট গ্লাস পানি পানের লক্ষ্য রাখুন এবং চিনিযুক্ত পানীয় এবং অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন। আল্ট্রা-প্রসেসড খাবার খাওয়া কমিয়ে দিন। এর পরিবর্তে পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার বেছে নিন।

ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াবে এই ফলগুলো
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ব্রণ এবং দাগমুক্ত সুন্দর ত্বক আর কে না চায়? আপনি যদি সত্যিই উজ্জ্বল ত্বক চান তবে খাবারের তালিকায় কিছু ফল যোগ করা জরুরি। যেসব ফল ভিটামিন, খনিজ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং হাইড্রেশনের মাধ্যমে স্বাস্থ্যকর ও উজ্জ্বল ত্বকে অবদান রাখে। ত্বক ভালো রাখার জন্য আপনার খাবারে এই ফলগুলো যোগ করুন-

১. কমলা

নিউট্রিয়েন্টস জার্নাল অনুসারে, কমলা ভিটামিন সি সমৃদ্ধ। যা কোলাজেন উৎপাদন, ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা, সূর্যের এক্সপোজার এবং দূষণ থেকে অক্সিডেটিভ ক্ষতির বিরুদ্ধে সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে নিয়মিত কমলা খেতে হবে।

২. স্ট্রবেরি

২০১৯ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, স্ট্রবেরিতে থাকা ভিটামিন সি ত্বকে অ্যান্টি-এজিং সুবিধা প্রদান করে। এটি ত্বকের হাইড্রেশন এবং স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখে। স্ট্রবেরিতে ভিটামিন সি এবং পলিফেনলসহ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা ত্বককে বার্ধক্য, প্রদাহ এবং ফ্রি র‌্যাডিক্যালের কারণে ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।

৩. পেঁপে

পেঁপেতে প্যাপেইনের মতো এনজাইম রয়েছে। এর এক্সফোলিয়েটিং বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা ত্বকের মৃত কোষ অপসারণ করতে এবং ত্বকের পুনর্নবীকরণে সহায়তা করে। এতে ভিটামিন সি এবং বিটা-ক্যারোটিনও রয়েছে, যা কোলাজেন উৎপাদন এবং ত্বক মেরামত করতে সাহায্য করে।

৪. তরমুজ

তরমুজে প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে, যা ত্বককে হাইড্রেটেড এবং পুষ্ট রাখতে সাহায্য করে। এতে লাইকোপিনও রয়েছে, লাইকোপেন হলো একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ত্বককে সূর্যের ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।

৫. আনারস

আনারসে রয়েছে ব্রোমেলিন, এটি একটি এনজাইম যার প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এই এনজাইম ত্বকের গঠন এবং টোন উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে। সুস্বাদু এই ফলে থাকে ভিটামিন সি এবং ম্যাঙ্গানিজ, যা কোলাজেন সংশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয়।

৬. পেয়ারা

পেয়ারা ভিটামিন সি সমৃদ্ধ, যা কোলাজেন উৎপাদন বাড়াতে, ত্বকের গঠন উন্নত করতে এবং অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। এতে লাইকোপিনও নামক শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা ত্বককে ইউভি ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।

আপনার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ফলগুলো যোগ করুন। এগুলো আপনার ত্বককে স্বাস্থ্যকর, হাইড্রেটেড এবং উজ্জ্বল থাকার জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করবে। ত্বকের সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রচুর পানি পান করুন, পর্যাপ্ত ঘুমান এবং ফল, শাক-সবজি এবং আস্ত শস্য সমৃদ্ধ সুষম খাবার খেতে ভুলবেন না।

চোখের রং দেখে বুঝে নিন কোনো রোগের ঝুঁকি আছে কি না
                                  

চোখ স্বাস্থ্য সম্পর্কে নানা বিষয় বলে দেয়। এ কারণে চিকিৎসকের কাছে গেলে, তিনি সবার প্রথমে চোখ পরীক্ষা করেন। অবাক করা বিষয় হলেও সত্যিই যে, চোখের রংও কিন্তু আগাম জানান দেয় আপনার কোনো রোগের ঝুঁকি আছে কি না। চলুন তবে এ বিষয়ে জেনে নেওয়া যাক-

নীল, সবুজ বা ধূসর চোখের মানুষের দেখা পেলেই আমরা অবাক হয়ে তাদেরকে দেখি! তবে জানেন কি, যাদের চোখের রং নীল, সবুজ কিংবা ধূসর তাদের চোখে একটি নির্দিষ্ট ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। যাকে বলা হয় ইউভেল মেলানোমা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবছর প্রায় ২৫০০ মানুষ এই ক্যানসারে আক্রান্ত হন।

২০১১ সালের একটি ইউরোপীয় গবেষণায় জানানো হয়, নীল চোখ ও ফর্সা ত্বকের মানুষেরা বেশি টাইপ ১ ডায়াবেটিসে ভোগেন। যদিও এ বিষয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, বাদামি বা নীল আভা চোখ যাদের বয়স বাড়তেই তাদের শ্রবণশক্তি কমে অন্যদের চেয়ে।

এর কারণ হলো, বাদামি চোখের মানুষের চোখ ও কানে বেশি মেলানিন থাকে। শব্দের মাত্রা বেড়ে গেলে এটি তাদের কিছুটা বেশি সুরক্ষা দেয়। তবে এর কারণে পরবর্তী সময়ে শ্রবণশক্তি কমে।

আবার যে নারীদের চোখ নীল রঙের তাদের এন্ডোমেট্রিওসিসের ঝুঁকি বেশি। এক্ষেত্রে জরায়ুর ভেতরের টিস্যু এর বাইরেও বেড়ে যায়। যখন এটি মূত্রাশয় ও অন্ত্রের মতো অঙ্গগুলিতে আক্রমণ করে, তখন একে বলা হয় গভীর অনুপ্রবেশকারী এন্ডোমেট্রিওসিস। যেসব নারীর চোখের রঙ নীল তাদের ক্ষেত্রে এই রোগের ঝুঁকি বেশি।

অন্যদিকে গাঢ় বাদামি চোখের মানুষের মধ্যে ছানির সমস্যা বেশি দেখা দেয়। অস্ট্রেলিয়ার এক গবেষণায় এমনই তথ্য জানানো হয়েছে। তবে বিভিন্ন চোখের রং নির্বিশেষেও ছানি পড়তে পারে।

এছাড়া যাদের চোখের মধ্যে বাদামি বা নীল রঙের কোনো দাগ আছে, তা হত পারে ওয়ার্ডেনবার্গ সিন্ড্রোমের একটি উপসর্গ। এই জেনেটিক ব্যাধির কারণে চুল, ত্বক ও চোখের রঙ্গক হারাতে পারে।

এক গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব নারীর চোখের রং গাঢ় তারা প্রসবের সময় বেশি কষ্ট পান। অস্ট্রেলিয়ার এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যাদের চোখের রং হালকা তাদের বয়সজনিত ম্যাকুলার ডিজেনারেশন হওয়ার ঝুঁকিও বেশি।

এর কারণ হলো কম ইউভি আলো আইরিস দ্বারা শোষিত হয়। তাই আলো বেশি রেটিনাতে প্রবেশ করে ও ক্ষতির কারণ হতে পারে, রোগটি দৃষ্টিশক্তি হ্রাস করতে পারে।

সূত্র: ওয়েবএমডি

এসির গ্যাস লিক হতে পারে যেসব কারণে
                                  

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক : এসির গ্যাস লিক হওয়া বা এসি ব্যবহারেও যে গ্যাসের প্রয়োজন তা হয়তো জানেন। বিভিন্ন কারণে এসির গ্যাস লিক হতে পারে। তীব্র তাপ প্রবাহে জনজীবন অতিষ্ঠ। একটু স্বস্তি পেতে ঘরে এসি ব্যবহার করছেন।

অনেক সময় এমন হয় যে দীর্ঘক্ষণ এসি চালিয়েও ঘর ঠিকভাবে ঠান্ডা হচ্ছে না। ফিল্টার অনেকদিন পরিষ্কার না করা হলে, টেম্পারেচারের সেটিং মোডে উল্টাপাল্টা হলে এই সমস্যা হয়ে থাকে। তবে এর আরও একটি বড় কারণ হল এসি গ্যাস লিক।

আসলে, এসির মধ্য়ে বাতাস ঠান্ডা করার গ্য়াস থাকে। যা গরম হাওয়াকে শীতল করে ব্লোয়ারের মাধ্যমে গোটা ঘরে ছড়িয়ে দেয়। তাই এই গ্যাসের লেভেল কোনো কারণে কমে গেলে কিংবা তা লিক করলে ঘর পর্যাপ্ত পরিমাণ ঠান্ডা হয় না। জেনে নিন কী কী কারণে এসির গ্যাস লিক করতে পারে-

>> অনেকদিন ব্যবহারের ফলে অনেক সময় কন্ডেনসর পাইপে ক্ষয় ধরে। এর কারণে লিকেজ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

>> কমপ্রেসর মটরের ভাইব্রেশন সঠিকভাবে কাজ না করলে কিংবা সুরক্ষিত না থাকলে গ্যাস লিক হতে পারে।

>> এসি ইনস্টল করার সময় কোনো উল্টাপাল্টা হলেও গ্যাস লিকের সম্ভাবনা তৈরি হয়।

জেনে নিন এসির গ্যাস লিক হওয়া কীভাবে রোধ করতে পারেন-

>> অ্যালুমিনিয়াম কনডেনসারের চেয়ে তামার কনডেনসার ক্ষয় হওয়ার সম্ভাবনা কম। তাই এসি কেনার সময় অ্যালুমিনিয়াম কনডেনসারের বদলে তামার কনডেনসার কিনুন। নিয়মিত কনডেনসার পরিষ্কার করুন।

>> এসির আউটডোর ইউনিট কোথায় বসাচ্ছেন, সেটাও ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। চেষ্টা করুন, যেখানে সূর্যের আলো কম পড়ে অর্থাৎ ছায়া থাকে, সেখানে বসাতে।

>> শীতকালে এসির প্রয়োজন পড়ে না। খুব ভালো হয় সেই সময় আউটডোর ইউনিটটি ঢেকে রাখতে পারলে।

>> নিয়মিত সময়ের ব্যবধানে এসি পরিষ্কার করুন। যাতে কোনো সমস্যা চোখে পড়তে দ্রুত সার্ভিসিং করান।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

আলিয়ার এই শাড়ি তৈরিতে কতজনের কত ঘণ্টা লেগেছে?
                                  

শাড়িতে বরাবরই নজর কাড়েন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী আলিয়া ভাট। এমনকি তার পরিহিত শাড়ির ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়।

তার পরা শাড়িগুলো বাজারে বিক্রি শুরু হয় আলিয়া ভাট ইন্সপায়ার্ড শাড়ি হিসেবে। এবারও নতুন এক ডিজাইনেই শাড়িতে আলিয়াকে দেখা গেল মেট গালায়।

সব্যসাচীর ডিজাইন করা এই শাড়িতে ছিল এক লম্বা আঁচল, যা সবারই নজর কেড়েছে। চলতি বছরে দ্বিতীয়বার মেট গালায় অংশ নিলেন আলিয়া ভাট।

গত বছরে প্রবাল গুরুংয়ের গাউন পরলেও এবার তিনি সব্যসাচী মুখোপাধ্যায়ের শাড়িতেই সেজে উঠলেন। তার সাজেও ছিল ভারতীয় সংস্কৃতির ছোঁয়া।

আলিয়া ভাটের এই কাস্টম মেড শাড়িটি ডিজাইন করেন সব্যসাচী মুখোপাধ্যায়। ‘দ্য গার্ডেন অব টাইম’ থিমটিকে ফ্যাশনের এক অপরূপ ভাষায় বিশ্লেষণ করেছিলেন তিনি।

ডিজাইনারের দেওয়া তথ্য় অনুযায়ী, মিন্ট গ্রিন শাড়িটি ছিল হ্যান্ড ক্রাফ্টেড। সম্পূর্ণ শাড়িজুড়ে অপূর্ব কারুকার্য করা হয়েছিল। বিশেষভাবে নজর কেড়েছিল চমৎকার ফ্লোরাল মোটিফ।

১৯২০ এর ফ্রিঞ্জ ডিটেলিং স্টাইল ফুটে উঠেছিল আলিয়ার শাড়িতে। এটির কালার প্যালেটে ছিল পৃথিবী, আকাশ ও সমুদ্রের রঙের ছোঁয়া।

জানলে অবাক হবেন, ১৬৩ জন মিলে ১৯৬৫ ঘণ্টা ধরে শাড়িটি তৈরি করেন, যার সৌন্দর্য মুহূর্তেই মন ছুঁয়ে গিয়েছিল প্রত্যেকের।

আলিয়ার শাড়িতে স্টোন ওয়ার্ক ও অন্যান্য এমবেলিশমেন্ট ছিল দেখার মতো। আর এর সঙ্গে জুড়ে দেওয়া লম্বা ট্রেইন লুকে দিয়েছিল ড্রামাটিক এফেক্ট।

শাড়িটির সঙ্গে ব্রালেট পরেন আলিয়া ভাট। আর এই ব্রালেটের পেছনের বো ডিজাইনও সবাইকে মুগ্ধ করেছিল।

এই অভিনেত্রীকে শাড়ি পরিয়ে দিয়েছিলেন বলিউডের জনপ্রিয় শাড়ি ড্রেপার ডলি জৈন। আর তার সাজ সম্পন্ন করেন লক্ষ্মী লেহর ও অনিতা শ্রফ অদাজনিয়া।

এদিন আলিয়ার জুয়েলারিও ছিল দেখার মতো। সব্যসাচীর ‘বেঙ্গল রয়্যাল কালেকশন’ এর জুয়েলারিতে সেজে উঠেছিলেন তিনি।

সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

এসি বিস্ফোরণ কেন ঘটে? সতর্ক থাকবেন যেভাবে
                                  

তীব্র তাপপ্রবাহে এখন জনজীবন অতীষ্ট। এই গরমে যাদের ঘরে আছে এসি তারাই একটু স্বস্তিতে আছেন। আবার অনেকেই এই গরম সহ্য করতে না পেরে এসি কিনছেন। যারা নিয়মিত এসি ব্যবহার করেন, তাদের কমবেশি ধারণা আছে সেটি রক্ষণাবেক্ষণে কী করণীয় আর কী নয়!

তবে অনেক ব্যবহারকারীদেরই হয়তো জানা নেই কীভাবে বা কতদিন পরপর এসি সার্ভিসিং করতে হয় কিংবা কীভাবে এসি থেকে দুর্ঘটনা ঘটে ইত্যাদি। বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের ব্যবহার ও দিকনির্দেশনা মেনে সেগুলো অপারেট করতে হবে। না হলে ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেকে রুমের লোড অনুপাতে এসি ব্যবহার করেন না। ফলে এসি অনেকক্ষণ ধরে চলার পর ঘর ঠান্ডা হয়। ফলে এসি অতিরিক্ত গরম হয়ে যায়।


নিম্নমানের এসি কিনলে সেগুলোর ভেতরে ফ্যান, তারের, বিদ্যুতের ব্যবস্থাগুলো ঠিক থাকে না। ফলে সেখানেও কারিগরি ক্রুটি দেখা যায়, যা অনেক সময় আগুনের সূত্রপাত করতে পারে।

এসি দুর্ঘটনার আরেকটি বড় কারণ হলো রক্ষণাবেক্ষণের অভাব। ফলে কারিগরি ক্রুটির কারণে এসিতে আগুন ধরে যেতে পারে বা এসির গ্যাসে আগুন লেগে সেটি ঘরে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

অনেক সময় উইন্ডো এসির সামনে জানালা বা দরজার পর্দা চলে এলে বাতাস চলাচলে বাধাগ্রস্ত হয়। সেটিও এসিকে গরম করে তুলতে পারে বলে তিনি জানান।


এসি দুর্ঘটনার সম্ভাব্য আরও কয়েকটি কারণ হলো-

১. অনেক পুরোনো বা নিম্নমানের এসির ব্যবহার করা
২. রুমের আকার অনুযায়ী সঠিক ক্ষমতার এসি ব্যবহার না করা
৩. কম্প্রেসরের ভেতরে ময়লা আটকে জ্যাম তৈরি হওয়া
৪. এসি থেকে গ্যাস লিক হওয়া ও সেটি রুমে বা এসির ভেতরে জমে থাকা
৫. দীর্ঘক্ষণ টানা এসি চালানো, যার ফলে এসির প্রেশার বেড়ে যায় ও সেটিকে গরম করে তোলে
৬. এসির ভেতরের বা বাইরের বৈদ্যুতিক তার নড়বড়ে হয়ে থাকা, যা শর্টসার্কিটের তৈরি করতে পারে
৭. বৈদ্যুতিক হাই ভোল্টেজের কারণে ইলেকট্রনিক যন্ত্রের ওপর চাপ তৈরি হওয়া
৮. অনেকদিন এসির সার্ভিসিং না করানো ইত্যাদি।


এসি দুর্ঘটনা এড়াতে---

১. পেশাদারদের মাধ্যমে নিয়মিত সার্ভিসিং করানো
২. রুমের আকার অনুযায়ী সঠিক মাত্রার এসি নির্ধারণ
৩. নির্ভরযোগ্য ব্র্যান্ডের এসি কেনা
৪. দীর্ঘসময় একটানা এসি না চালিয়ে মাঝে মধ্যে বিরতি দেওয়া
৫. বৈদ্যুতিক সংযোগ, সকেট, ফিল্টার নিয়মিতভাবে পরীক্ষা করা
৬. হাই ভোল্টেজ এড়াতে বাড়িতে সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করা ও
৭. বৃষ্টি ও বজ্রপাতের সময় এসির ব্যবহার বন্ধ রাখা। এছাড়া বাড়ির ছাড়ে বজ্র নিরোধক ব্যবস্থা রাখা যেতে পারে।

সূত্র: বিবিসি

গরমে গর্ভবতী নারীরা সুস্থতায় করনীয়
                                  

এই গরমে সুস্থ থাকাটাই বড় চ্যালেঞ্জের। বিশেষ করে শিশু, গর্ভবতী ও বয়স্কদের বিশেষ যত্ন নেওয়া জরুরি গ্রীষ্মকালে। গরমে গর্ভবতীরা প্রায়শই অসুস্থ বোধ করেন।

এ সময় ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতার সমস্যায় ভোগেন অনেক গর্ভবতীই। তাই এ সময় তাদের উচিত পর্যাপ্ত পানি পান করা। পানি শরীরের তাপমাত্রায় ভারসাম্য রক্ষা করে।

এর পাশাপাশি গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে খেতে হবে পুষ্টিকর সব খাবার। গরমে ভাজাপোড়া খাবার খাবেন না। এমন খাবার খেতে হবে যা সহজে হজম হয়। মনে রাখবেন, গর্ভের শিশুর বিকাশের জন্য মায়ের শরীরের সব অঙ্গ গর্ভকালীন সময়ে অতিরিক্ত কাজ করে।

তাই এ সময় খাদ্য হজমের হারও বেড়ে যায়। অতি মেটাবলিক হারের কারণে শরীরে বাড়তি তাপ উৎপন্ন হয়। এ কারণে এমনিতেই গর্ভবতীরা গরম অনুভব করেন বেশি। ফলে পরিবেশের তাপমাত্রার কারণে আরও বেশি গরম লাগে।

গর্ভাবস্থায় শরীরে বিভিন্ন হরমোন এর মাত্রায় তারতম্য ঘটে। কিছু কিছু হরমোনের মাত্রা এ সময় বেড়ে যায়, যা শারীরিক তাপমাত্রার তারতম্য ও গরম লাগার জন্য দায়ী।

এ কারণে গর্ভবতী নারীদের এই সময় নিজের যত্ন নিতে হবে। এছাড়া পরিবারের অন্যান্য সদস্য যারা আছেন তারা অবশ্যই খেয়াল রাখবেন গর্ভবতী নারী যেন পরিপূর্ণ বিশ্রাম পান ও স্বাস্থ্যসম্মত পুষ্টিকর খাবার খান। না হলে কম ওজন নিয়ে অনাগত সন্তান জন্ম নিতে পারেম, এমনকি অকাল গর্ভপাতও ঘটতে পারে।

৫ মিনিটেই স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণ করার উপায়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : বর্তমান ব্যস্ত জীবনে স্ট্রেস আমাদের জীবনের যাত্রায় একটি অনাকাঙ্ক্ষিত সঙ্গী হয়ে ওঠে মাঝে মাঝে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ, সম্পর্ক, ব্যক্তিগত ও পেশাগত দায়িত্বের চাপ আমাদেরকে সহজেই আবিষ্ট করতে পারে। কোন কারণগুলোর ফলে স্ট্রেস বেড়ে যেতে পারে সেগুলো চিহ্নিত করতে পারলে এটি নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়। আপনিও যদি এ ধরনের সমস্যার মধ্য দিয়ে যেতে থাকেন তবে চলুন জেনে নেওয়া যাক, পাঁচ মিনিটেই কীভাবে স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণ করবেন-

১. গভীর নিঃশ্বাস

আপনার নিঃশ্বাসের প্রতি মনোযোগ দিন। ধীরে ধীরে গভীর নিঃশ্বাস নিন। এই পদ্ধতিটি আপনার শরীরে আরও অক্সিজেন প্রবেশ করতে এবং আপনার মনকে শিথিল করতে সাহায্য করবে।

২. হাইড্রেশন

পানির অভাবে আমাদের শরীরে অনেককিছুই ঘটতে পারে। যার প্রভাব পড়ে আমাদের মন-মেজাজেও। শরীরে ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতার ফলে মেজাজ খিটখিটে হয়ে যেতে পারে। দেখা দিতে পারে স্ট্রেসও। তাই নিয়মিত বিরতিতে পানিতে চুমুক দিলে আপনি হাইড্রেটেড এবং শিথিল থাকবেন।

৩. লিখে রাখা

কাগজে কলম রাখুন এবং আপনার মনে কী আছে এবং কীভাবে এটি আপনার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে তা ক্যাপচার করুন। লেখার এই অভ্যাস আপনার দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করতে এবং মনের ভেতরে চলতে থাকা বকবক কমাতে সাহায্য করবে।

৪. হাঁটাচলা করুন

আপনার মন শান্ত করতে আপনার শরীর ব্যবহার করুন, হাত-পা প্রসারিত করুন, আপনার শারীরিক ভঙ্গী পরিবর্তন করুন, হাঁটাচলা করুন। এক জায়গায় একইভাবে দীর্ঘ সময় বসে থাকবেন না। এমনিতে এক জায়গায় দীর্ঘ সময় বসে থাকলে তা শরীরেও নানা ক্ষতি করে।

৫. কথা বলুন

আপনি একা এই সমস্যার মধ্য দিয়ে যাবেন না, বরং একজন ভালো বন্ধুর সঙ্গে কথা বলুন। হতে পারে সে আপনার পরিবারের কেউ, হতে পারে সহকর্মী কিংবা সহপাঠী। যে আপনাকে ভালো বুঝতে পারে তাকে মন খুলে কথাগুলো বলুন। আপনার মনের ভেতরে কী চলছে তা তাকে বুঝিয়ে বলুন। এতে আপনার মন অনেকটাই হালকা হবে।

৬. পাওয়ার ন্যাপ

ভালোভাবে কাজ করা এবং উৎপাদনশীল হওয়ার জন্য বিশ্রাম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কখনও কখনও দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত ঘুম আপনাকে চাপ ঝেড়ে ফেলতে এবং শক্তি ফিরে পেতে সাহায্য করতে পারে। তাই স্ট্রেস দূর করার জন্য ছোট্ট একটি পাওয়ার ন্যাপ নিতে পারেন

৭. প্রকৃতিতে সময় কাটান

আপনার আশেপাশের বাগান বা সবুজ মাঠে হাঁটাহাঁটি করে আসতে পারেন। এতে আপনার মনের ভেতরে চলতে থাকা অস্থিরতা দূর হবে অনেকটাই। বাসায় ফিরে দেখবেন, অনেকটাই সতেজ লাগছে। তাই স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণে এই কাজ করতে পারেন।

ডায়াবেটিসের জন্য অপকারী ৪টি ফল
                                  

 

ডায়াবেটিস হলে কিংবা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ভয় থাকলে খাবারের বিষয়ে সতর্ক হওয়া জরুরি। কারণ খাবারের দিকে মনোযোগী হলে ডায়াবেটিস অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। অনেক সময় না বুঝেই এমন খাবার খাওয়া হয়ে যায়, যেগুলো ডায়াবেটিসের জন্য অপকারী। এই তালিকায় রয়েছে কিছু ফলও। আমাদের পরিচিত কিছু ফল আছে যা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের না খাওয়াই ভালো।


জেনে নিন এমন চারটি ফল সম্পর্কে-

১. আম

আম খেতে কে না পছন্দ করেন? সুস্বাদু ও সুমিষ্ট এই আমের রয়েছে অনেক উপকারিতা। কিন্তু এটি ডায়াবেটিস
রোগীদের জন্য উপকারের বদলে অপকারই বেশি করে থাকে। এতে চিনির পরিমাণ বেশি যে কারণে ডায়াবেটিসের
জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এর মানে এই নয় যে ডায়াবেটিস হলে আম মোটেও খাওয়া যাবে না। বরং খেতে হবে
পরিমাপ বুঝে। এবং সেইসঙ্গে নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে।

২. আঙুর

আমের মতো আঙুরেও প্রাকৃতিক চিনির পরিমাণ বেশি। এর মধ্যে উপস্থিত ফ্রুক্টোজ রক্তে শর্করার মাত্রায় হঠাৎ স্পাইক সৃষ্টি করতে পারে। তাই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর ক্ষেত্রে আঙুর খুব একটা উপকারী না-ও হতে পারে। তবে পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কতটুকু আঙুর খেতে পারবেন তা বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে জেনে নেওয়া ভালো।

৩. লিচু

আরেকটি ফল যেটি আপনাকে ডায়াবেটিস ডায়েট থেকে বাদ দিতে হবে, সেটি হলো লিচু। লিচুর দিনে আপনার লিচু
খেতে ইচ্ছে হবেই। তবে তা পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে, ভুল করেও একসঙ্গে অনেকগুলো খেয়ে ফেলা যাবে না। অতিরিক্ত পরিমাণে লিচু খাওয়া হলে তা রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে পারে এবং পরিস্থিতি আরও খারাপ করতে পারে।

৪. কলা

কলায়ও প্রচুর পরিমাণে চিনি থাকে। তাই ডায়াবেটিস থাকলে কলা খাওয়া এড়াতে হবে বা খাওয়ার পরিমাণ কমাতে হবে। যদিও এই ফলে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, তবে পরিমিত পরিমাণে খেলেই উপকার পাবেন। তাই পুরোপুরি এড়িয়ে না গিয়ে পরিমাপ জেনে সেই অনুযায়ী খাবেন।


   Page 1 of 16
     লাইফস্টাইল
কাঁঠালের বিচি যেসব রোগের ঝুঁকি কমাতে পারে
.............................................................................................
সাপে কাটলে করা যাবে না যে ৫ কাজ
.............................................................................................
ম্যাজিকের মতো ক্লান্তি দূর করবে এই পাওয়ারবুস্টার
.............................................................................................
যেসব খাবার পানিশূন্যতা তৈরি করে
.............................................................................................
ইতিবাচক চিন্তার আহ্বানে বিশ্ব মেডিটেশন দিবস উদযাপিত
.............................................................................................
আম খেলে কি ওজন বাড়ে?
.............................................................................................
কলাপাতার ফেসপ্যাকে ত্বক-চুলের যত্ন
.............................................................................................
পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখার ঘরোয়া উপায়
.............................................................................................
ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াবে এই ফলগুলো
.............................................................................................
চোখের রং দেখে বুঝে নিন কোনো রোগের ঝুঁকি আছে কি না
.............................................................................................
এসির গ্যাস লিক হতে পারে যেসব কারণে
.............................................................................................
আলিয়ার এই শাড়ি তৈরিতে কতজনের কত ঘণ্টা লেগেছে?
.............................................................................................
এসি বিস্ফোরণ কেন ঘটে? সতর্ক থাকবেন যেভাবে
.............................................................................................
গরমে গর্ভবতী নারীরা সুস্থতায় করনীয়
.............................................................................................
৫ মিনিটেই স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণ করার উপায়
.............................................................................................
ডায়াবেটিসের জন্য অপকারী ৪টি ফল
.............................................................................................
অনেকদিন পর এসি চালানোর আগে যা খেয়াল রাখবেন
.............................................................................................
ত্বকের যত্নে পেঁপে
.............................................................................................
ফেসিয়াল করার ঘরোয়া উপায়
.............................................................................................
ডার্ক সার্কেল? জেনে নিন দূর করার ৫ ঘরোয়া উপায়
.............................................................................................
মধু দিয়ে বানিয়ে নিন ঘরোয়া সিরাপ! সেরে যাবে কাশি
.............................................................................................
শীতে শিশুর যত্ন নেবেন যেভাবে
.............................................................................................
পেঁয়াজ ছাড়া সুস্বাদু খাবার রান্না
.............................................................................................
শীতের ফলে সুস্থ থাকুন সারা বছর
.............................................................................................
গাজরের কেক তৈরির রেসিপি
.............................................................................................
কমলার অবাক করা কিছু গুণ
.............................................................................................
হঠাৎ জ্বরে যে ৩ খাবার খাবেন
.............................................................................................
পূজার আগেই ত্বক করুণ উজ্জ্বল-টানটান
.............................................................................................
পার্লারে খরচ বাঁচিয়ে বাড়িতেই ম্যানিকিওর
.............................................................................................
পূজায় থাকুক উজ্জ্বল রং
.............................................................................................
প্রতিদিন এক ঘণ্টা নীরব থাকবেন যে কারণে
.............................................................................................
ঘন ঘন কানে ব্যথা মুখের ক্যানসারের লক্ষণ হতে পারে
.............................................................................................
রাতারাতি ভুঁড়ি কমাবে সবজি
.............................................................................................
রাতে যে ৬ ফল খাবেন না
.............................................................................................
মাশরুমের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
.............................................................................................
তাল খাওয়ার উপকারিতা
.............................................................................................
খুসখুসে কাশি থেকে মুক্তি দিতে পারে আদা-মধু
.............................................................................................
ডিপ ফ্রিজে সেদ্ধ ডিম কতদিন ভালো থাকে
.............................................................................................
মশা কাদের বেশি কামড়ায়?
.............................................................................................
ডেঙ্গু হলে কী খাবেন আর কী খাবেন না
.............................................................................................
ঈদের বাজারে জাল নোট চিনবেন যেভাবে
.............................................................................................
লিচুর খোসায় রুপচর্চা
.............................................................................................
ভয়ানক রোগ থেকে মুক্তি দেবে কলার মোচা
.............................................................................................
কত তাপমাত্রায় এসি চালালে বিদ্যুৎ বিল কম আসবে?
.............................................................................................
গরমে ফাটা ঠোঁটের সমস্যা দূর করবেন যে উপায়ে
.............................................................................................
গর্ভকালীন মুখের সুরক্ষা
.............................................................................................
ঘরেই তৈরি করুন চিকেন তন্দুরি
.............................................................................................
নারী দিবসের প্রতীক কেন বেগুনি রং?
.............................................................................................
সোলাস্তায় বসন্তে পোশাক কিনলে ঈদে ছাড়
.............................................................................................
যেসব কারণে শ্রবণশক্তি কমে যায়
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: [email protected]
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Dynamic Scale BD