বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * তুরস্ক-সিরিয়ায় হতাহতদের স্মরণে জাতিসংঘে নীরবতা পালন   * ডেঙ্গু আক্রান্ত আরও ১১ জন হাসপাতালে   * ১২ ঘণ্টা না যেতেই তুরস্ক-সিরিয়ায় ফের শক্তিশালী ভূমিকম্প   * তুুরস্ক-সিরিয়ায় ভূমিকম্প: মৃতের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ১৫০০   * দেশের মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯৭ লাখ : বিআইডিএস   * ভূমিকম্পে তুরস্কে প্রাণহানি ১০ হাজার ছাড়াতে পারে: ইউএসজিএস   * ভূমিকম্পে কেবল তুরস্কেই নিহত ৯১২   * যত দ্রুত সম্ভব আমরা এই ট্রাজেডি কাটিয়ে উঠব: এরদোগান   * লাশ হয়ে ফিরলেন ৭১৪ নারী : ক্ষতিপূরণ চেয়ে হাইকোর্টে রিট   * তুরস্কে উদ্ধারকারী দল পাঠাবে নেদারল্যান্ডস  

   লাইফস্টাইল -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
যেসব ভুল অভ্যাস আপনার শরীরের ক্ষতি করছে

লাইফস্টাইল ডেস্ক : প্রতিদিনের নানা অভ্যাস আমাদের যেমন সুস্থ থাকতে সাহায্য করে, তেমনই কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে অসুস্থতারও। কিছু অভ্যাস থাকে যেগুলো বিভিন্নভাবে শরীরের ক্ষতি করে। আমরা না বুঝেই সেসব অভ্যাসে অভ্যাস্ত হয়ে যাই। আমাদের খাদ্যাভ্যাস, চলাফেরা সবকিছুই প্রভাব ফেলে আমাদের স্বাস্থ্যে। যখন জীবনযাপন অস্বাস্থ্যকর হয় তখন আমাদের পুরো শরীর ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে। চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন কিছু অভ্যাসের কথা, যেগুলো আমাদের অজান্তেই শরীরের ক্ষতি করছে-

কাঁচা সালাদ খাওয়ার অভ্যাস

সালাদে কাঁচা সবজি ও ফল খাওয়ার অভ্যাস অনেকের। এই খাবার শরীরে শুষ্কতা ও শীতলতা তৈরি করে। তবে প্রতিদিন খেলে তা প্রভাব ফেলে পরিপাকতন্ত্রের ওপর। দীর্ঘদিন ধরে কাঁচা সালাদ খেতে থাকলে তা পেটে গ্যাস ও পেট ফাঁপার সমস্যার কারণ হতে পারে। তাই কাঁচা সালাদের পরিবর্তে হালকা মসলা ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট দিয়ে রান্না করা সালাদ খাওয়ার অভ্যাস করুন।

 

খালি পেটে চা-কফি পান করা

অনেকেই আছেন যারা এক কাপ কফি কিংবা চা না হলে দিনটি ঠিকভাবে শুরু করতে পারেন না। কিন্তু এই অভ্যাস কি ভালো? একদমই নয়। খালি পেটে চা কিংবা কফি পান করলে শরীরে টক্সিন বেড়ে যায়। তাই সকালে খালি পেটে হালকা গরম পানি পান করবেন, চা কিংবা কফি নয়।

ভরা পেটে গোসল করা

কোনো খাবার খাওয়ার পর তা হজমের জন্য কিছু সময় দরকার হয়। আমরা কিছু খাওয়ার পর তা শরীরে তাপ উৎপন্ন করে। এই তাপ বেশি তৈরি হয় পরিপাক অঞ্চলে। তাই খাওয়ার পরপরই কখনো গোসল করতে যাবেন না।


না চিবিয়ে খাবার খাওয়া

খাবার দেখলে গোগ্রাসে খেয়ে ফেলার অভ্যাস থাকলে তা বাদ দিন। কারণ আমাদের পেটের ভেতরে কোনো দাঁত নেই। তাই খাবার খেতে হবে ভালোভাবে চিবিয়ে। নিয়মিত খাবার চিবিয়ে খেলে তার সুফল নিজেই বুঝতে পারবেন। আর যদি ভালো করে না চিবিয়ে খান তাহলে হজমের সমস্যাসহ আরও অনেক সমস্যায় ভুগতে হতে পারে। খাবার খাওয়ার সময় অন্য কোনো কাজ করবেন না।

মলত্যাগের নির্দিষ্ট রুটিন না থাকা

খাবার খাওয়া কিংবা ঘুমের মতো মলত্যাগের জন্যও নির্দিষ্ট রুটিন থাকা চাই। অনেকেই আছেন যারা দিনের বিভিন্ন সময় মলত্যাগ করে থাকেন। এই অভ্যাস বদলাতে হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নির্দিষ্ট সময়ে মলত্যাগের অভ্যাস না থাকলে বর্জ্য দূর হয় না ঠিকভাবে। তাই সবচেয়ে ভালো হয় যদি ঘুম থেকে ওঠার দুই ঘণ্টার মধ্যে পেট পরিষ্কার করতে পারেন। এতে কোষ্ঠকাঠিন্যেরও ভয় থাকে না।

যেসব ভুল অভ্যাস আপনার শরীরের ক্ষতি করছে
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : প্রতিদিনের নানা অভ্যাস আমাদের যেমন সুস্থ থাকতে সাহায্য করে, তেমনই কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে অসুস্থতারও। কিছু অভ্যাস থাকে যেগুলো বিভিন্নভাবে শরীরের ক্ষতি করে। আমরা না বুঝেই সেসব অভ্যাসে অভ্যাস্ত হয়ে যাই। আমাদের খাদ্যাভ্যাস, চলাফেরা সবকিছুই প্রভাব ফেলে আমাদের স্বাস্থ্যে। যখন জীবনযাপন অস্বাস্থ্যকর হয় তখন আমাদের পুরো শরীর ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে। চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন কিছু অভ্যাসের কথা, যেগুলো আমাদের অজান্তেই শরীরের ক্ষতি করছে-

কাঁচা সালাদ খাওয়ার অভ্যাস

সালাদে কাঁচা সবজি ও ফল খাওয়ার অভ্যাস অনেকের। এই খাবার শরীরে শুষ্কতা ও শীতলতা তৈরি করে। তবে প্রতিদিন খেলে তা প্রভাব ফেলে পরিপাকতন্ত্রের ওপর। দীর্ঘদিন ধরে কাঁচা সালাদ খেতে থাকলে তা পেটে গ্যাস ও পেট ফাঁপার সমস্যার কারণ হতে পারে। তাই কাঁচা সালাদের পরিবর্তে হালকা মসলা ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট দিয়ে রান্না করা সালাদ খাওয়ার অভ্যাস করুন।

 

খালি পেটে চা-কফি পান করা

অনেকেই আছেন যারা এক কাপ কফি কিংবা চা না হলে দিনটি ঠিকভাবে শুরু করতে পারেন না। কিন্তু এই অভ্যাস কি ভালো? একদমই নয়। খালি পেটে চা কিংবা কফি পান করলে শরীরে টক্সিন বেড়ে যায়। তাই সকালে খালি পেটে হালকা গরম পানি পান করবেন, চা কিংবা কফি নয়।

ভরা পেটে গোসল করা

কোনো খাবার খাওয়ার পর তা হজমের জন্য কিছু সময় দরকার হয়। আমরা কিছু খাওয়ার পর তা শরীরে তাপ উৎপন্ন করে। এই তাপ বেশি তৈরি হয় পরিপাক অঞ্চলে। তাই খাওয়ার পরপরই কখনো গোসল করতে যাবেন না।


না চিবিয়ে খাবার খাওয়া

খাবার দেখলে গোগ্রাসে খেয়ে ফেলার অভ্যাস থাকলে তা বাদ দিন। কারণ আমাদের পেটের ভেতরে কোনো দাঁত নেই। তাই খাবার খেতে হবে ভালোভাবে চিবিয়ে। নিয়মিত খাবার চিবিয়ে খেলে তার সুফল নিজেই বুঝতে পারবেন। আর যদি ভালো করে না চিবিয়ে খান তাহলে হজমের সমস্যাসহ আরও অনেক সমস্যায় ভুগতে হতে পারে। খাবার খাওয়ার সময় অন্য কোনো কাজ করবেন না।

মলত্যাগের নির্দিষ্ট রুটিন না থাকা

খাবার খাওয়া কিংবা ঘুমের মতো মলত্যাগের জন্যও নির্দিষ্ট রুটিন থাকা চাই। অনেকেই আছেন যারা দিনের বিভিন্ন সময় মলত্যাগ করে থাকেন। এই অভ্যাস বদলাতে হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নির্দিষ্ট সময়ে মলত্যাগের অভ্যাস না থাকলে বর্জ্য দূর হয় না ঠিকভাবে। তাই সবচেয়ে ভালো হয় যদি ঘুম থেকে ওঠার দুই ঘণ্টার মধ্যে পেট পরিষ্কার করতে পারেন। এতে কোষ্ঠকাঠিন্যেরও ভয় থাকে না।

বিয়ের আগের রাতে হবু বর-কনের যা করা উচিত নয়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : বিয়ের আগে হবু বর-কনের বেশ কিছু নিয়মের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। চাইলেও বিয়ের আগে একে অন্যের সঙ্গে পরিবারের চোখ ফাঁকি দিয়ে দেখা করা যায় না।

এর পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হলো বিয়ে দুজনের মধ্যেই নয় বরং দুই পরিবারের মধ্যে ভালো সম্পর্ক তৈরি করে।

এ সময় হবু বর-কনে উভয়ের সামান্য ভুল-ভ্রান্তির কারণে দুই পরিবারে ঝামেলা সৃষ্টি হতে পারে। আবার ভুল বোঝাবুঝির কারণে বিয়ে ভেঙেও যেতে পারে।

তাই বিয়ের আগে হবু বর-কনের উচিত নিজেদের প্রতি নিয়ন্ত্রণ রাখা ও প্রতিটি পদক্ষেপ বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে নেওয়া।

ঠিক এমনই কয়েকটি কাজ আছে, যা বিয়ের আগের দিন বা রাতে হবু বর-কনের করা উচিত নয়।

সামান্য ভাবলেও এসব ভুলের কারণে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হতে পারে, এমনকি বিয়ে ভেঙে পর্যন্ত যেতে পারে। কোন কাজ করা থেকে বিরত থাকবেন জেনে রাখুন-

মদ্যপান করা বা নেশাগ্রস্ত হওয়া

বিয়ের আগের রাতে অনেক পুরুষরাই এখন ব্যাচেলর পার্টি করেন। নারীরাও এক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই। বন্ধু বা বান্ধবীদের সঙ্গে নিয়ে এই পার্টির আয়োজন করেন বর বা কনে।

এমন ক্ষেত্রে অনেকেই মজার ছলে মদ্যপান করেন কিংবা জেনে বুঝেই নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। এ ধরনের কর্মকাণ্ড কিন্তু বিয়ের আগের রাতে ভুলেও করবেন না।

দুর্ভাগ্যবশত হবু শ্বশুরবাড়ির কোনো সদস্য এ বিষয়ে জানলে বিয়েতে কুপ্রভাব পড়তে পারে। এমনকি আপনার ব্যক্তিত্বও নষ্ট হতে পারে। তাই এ ধরনের অঘটন ঘটানোর আগে বারবার ভাবুন ও সতর্ক থাকুন।

প্রাক্তনকে কল করা

প্রাক্তন প্রেমিক/প্রেমিকার সঙ্গে আপনার সম্পর্ক কীভাবে শেষ হয়েছে তা বিবেচ্য নয়, তবে বিয়ের আগের রাতে তাকে ফোন করার বোকামি করবেন না।

এতে আপনিই বিপদে পড়বেন! এটি কেবল ভুল নয় বরং আপনার বিবাহিত জীবনকেও প্রভাবিত করতে পারে।

বিয়ের আগের রাতে এমনিতেই মানসিক চাপের মধ্যে থাকেন হবু বর-কনে। এর মধ্যে অতীত নিয়ে ভাবলে আপনি দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়বেন।

আর আবেগের বশে নেওয়া কোনো সিদ্ধান্তই ভালো হয় না। তাই ভুলেও প্রাক্তনকে বিয়ের আগের রাতে কল করবেন না।

বাজেট নিয়ে হবু সঙ্গীর সঙ্গে কথা বলা

বিয়ের বাজেট বা আয়োজন সম্পর্কিত কোনো বিষয়ই হবু সঙ্গীর সঙ্গে শেয়ার করবেন না। নিজ পরিবারের ভাবমূর্তি রক্ষায় এ বিষয় এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন।

কারণ কথোপকথনের সময়, হবু স্বামী বা স্ত্রীর আপনার কোনো কথায় খারাপ লাগতেই পারে! যার কারণে বিয়ের দিন তার মেজাজ খারাপ থাকতে পারে। তাই বিয়ের আগের দিন বুঝে শুনে তবেই কথা বলুন হবু সঙ্গীর সঙ্গে।

অভিযোগ এড়িয়ে চলুন

বিয়েবাড়িতে অনেক মানুষের সমাগম ঘটে। আর এক জায়গায় অনেক মানুষ থাকলে তাদের মধ্যে মতভেদ বা বিভিন্ন বিষয়ে ঝামেলা হতেই পারে। এই পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ হলো, ছোট বিষয়ে অভিযোগ না করা বা কারও কথায় বেশি গুরুত্ব দিয়ে অশান্তি না করা।

এই একটি কারণে শুধু আপনার নয় আপনার পরিবারের সদস্যদেরও মেজাজ খারাপ হয়ে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে সবারই মেজাজ নিয়ন্ত্রণে রেখে বুদ্ধিমানের মতো কাজ করা উচিত।

সূত্র: প্রেসওয়ার১৮

গর্ভাবস্থায় প্রথম তিন মাস
                                  

গর্ভাবস্থা প্রতিটি নারীর জন্যই একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময়টিতে অনেক বেশি সচেতন থাকতে হয় অনাগত শিশু ও নিজের সুস্থতা নিয়ে। জনপ্রিয় প্যারেন্টিং সাইট প্যারেন্টস.কম-এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, গর্ভবতী নারী ও গর্ভের শিশুটির যেসব বিশেষ খেয়াল রাখা জরুরি।

জেনে নিন:

• গর্ভাবস্থায় প্রথম তিন মাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়। এজন্য প্রথম থেকেই একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে চলতে হবে

• নিয়মিত ব্লাডের সুগার, প্রেসার পরীক্ষা করতে হবে

• চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নিয়মিত হালকা কিছু ব্যায়াম করতে হবে

• নিয়মিত হাটাচলা, ঘরের সাধারণ কাজ করতে কোনো সমস্যা নেই।


তবে অতিরিক্ত কাজ, ভারী জিনিস তোলা, সিড়ি দিয়ে বেশি ওঠা-নামা করা যাবে না
• নিজের সুস্থতা ও গর্ভে থাকা শিশুর বিকাশের জন্য ভিটামিন এবং মিনারেলস বিশেষ করে ফলিক অ্যাসিড, ক্যালসিয়াম, আয়রন সমৃদ্ধ খাবার (পুঁইশাক, পাটশাক, মুলাশাক, সরিষা শাক, পেঁপে, লেবু, ব্রকলি, মটরশুঁটি, শিম, বরবটি, বাঁধাকপি, গাজর) নিয়মিত খেতে হবে
• এছাড়া ভাত, রুটি, দুধ, দই, মাছ, মাংস ও ডিম অল্প অল্প করে বারবার খাওয়া উচিত। কখনই খালি পেটে থাকা যাবে না।

• ওজন স্বাভাবিক থাকলে গর্ভাবস্থায় ২৫ থেকে ৩৫ পাউন্ড ওজন বাড়ে। এজন্য ২ মাস পরপর ওজন মাপতে হবে

• গর্ভাবস্থায় নিজেকে ও ব্যবহারের পোশাক, বিছানা, বাথরুম পরিষ্কার রাখতে হবে

• গর্ভবতী নারীদের প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমের প্রয়োজন। সঙ্গে দিনের যেকোনো সময় একঘণ্টা বিশ্রাম

• অতিরিক্ত চিন্তা বা উত্তেজনা এসময় মানসিক চাপ বাড়িয়ে দেয়, তাই এমন কিছু করতে হবে যেন সব সময় মন ভালো থাকে

• পরিবারের অনেক বড় একটা ভূমিকা রয়েছে গর্ভবতী ও গর্ভের শিশুর ভালো থাকায়। নারীদের শরীরে নানা রকম পরিবর্তন হয়। এগুলোকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করতে সাহায্য প্রয়োজন পরিবারের কাছ থেকে।

ডাক্তারের পরামর্শ না নিয়ে এসময় কোনো ওষুধ খাওয়া যাবে না। এটা কোনো অসুস্থতা নয়, গর্ভাবস্থায় সুস্থ থেকে পুরো সময়টা উপভোগ করুন।

পায়ের পাতায় ব্যথা হওয়া যেসব রোগের ঝুঁকি বাড়ায়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : পায়ের পাতায় বিভিন্ন কারণে যন্ত্রণা হতে পারে। তবে আঘাত না লাগা সত্ত্বেও যদি পায়ের পাতায় দীর্ঘদিন ধরে যন্ত্রণা হয় তাহলে সতর্ক হতে হবে। কারণ এটি হতে পারে বিভিন্ন রোগের লক্ষণ।

বিশেষ করে পেশাগত কারণে যারা দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে কাজ করেন, তাদের মধ্যে এ সমস্যা বেশি দেখঅ দেয়। এর থেকে পায়ে ব্যথা, কোমরে চাপ এমনকি নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়।

পায়ে ব্যথার কথা শুনতে যতটা সামান্য মনে হয় আসলে এটি কিন্তু হতে পারে গুরুতর সমস্যা। দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে কাজ নানা জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

চিকিৎসা পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মী, ইঞ্জিনিয়ারসহ দোকানে বা শপিং মলে কর্মরতরা প্রতিদিন ৮-১০ ঘণ্টা টানা দাঁড়িয়ে থাকেন। তাদের মধ্যে পায়ের পাতায় তীব্র ব্যথা ও যন্ত্রণার লক্ষণ বেশি দেখা দেয়। িএক্ষেত্রে যেসব সমস্যার সৃষ্টি হয় জেনে নিন-

১. এসব ক্ষেত্রে শিরদাড়ার উপরে খুব চাপ পড়ে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, লাম্বার স্পাইনে ক্রনিক ব্যথা হচ্ছে। ওই ব্যথা ক্রমশ পায়ের দিকে ছড়িয়ে পড়ে।

২. পায়ের তলার স্নায়ুগুলোতে চাপ পড়ার কারণে পায়ের পাতায় তীব্র ব্যথা হতে পারে। ভালো জুতো না পরলে এই সমস্যা আরও বাড়ে।

পায়ের পাতায় যে কার্ভ আছে, তাকে বলা হয় আর্চ অব দ্য ফুট। যারা সারাক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকেন, তাদের ওই আর্চের উপরে অসম্ভব চাপ পড়ে।

তার থেকে পায়ের তলার নার্ভে চাপ পড়ে ক্রনিক যন্ত্রণা শুরু হয়। যাদের ফ্ল্যাট ফুট অর্থাৎ আর্চ নেই, তাদের ক্ষেত্রে এ সমস্যা আরও বেশি।


৩. দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে কাজ করলে ভ্যারিকোস স্নায়ুর মতো সমস্যাও দেখা দেয়। এক্ষেত্রে পায়ের ধমনির ভাল্ভগুলো অকেজো হয়ে যায়। এতে রক্ত পায়ের শিরায় এসে জমতে থাকে ও শিরাগুলো দড়ির মতো ফুলে যায়।

একেই ভ্যারিকোস ভেন বলা হয়। অনেক সময়ে শিরাগুলো এমনভাবে জুড়ে যায় যে, পা ফুলতে শুরু করে ও তীব্র ব্যথা হয়।


৪. সাইটিক নার্ভের কারণে কোমর থেকে পা পর্যন্ত ব্যথা হয়। দাঁড়িয়ে কাজ করলে এই স্নায়ুর উপরেও চাপ পড়ে। আর পেশি শক্ত হয়ে গেলেই ব্যথা হয়। স্ট্রেচিং ব্যায়াম করলে অবশ্য এই সমস্যা থেকে মুক্তি মেলে।

সমস্যা এড়াতে কী করবেন?

প্রথমেই নজর রাখতে হবে চিকিৎসকরা নরম সোলের স্নিকার্স জুতো পরার পরমর্শ দেন। সিলিকন সোল কিনতে পাওয়া যায়। সেটি খুব সহজেই জুতার মধ্যে ফিট করে নিতে পারেন।

এছাড়া নিয়মিত শরীরচর্চা করতেই হবে। পায়ের রক্ত সঞ্চালন ঠিক করতে হস্ট্রেচিং, সাইক্লিং এর মতো ব্যায়াম নিয়ম করুন।

আর পায়ে যদি অসহ্য যন্ত্রণা করে তাহলে হালকা গরম পানিতে সামান্য লবণ মিশিয়ে পা ডুবিয়ে রাখুন। ক্লান্তিও কাটবে আর পায়ের পাতার পেশিগুলোও আরাম পাবে।

সূত্র: এভরিডেহেলথ

শীতকালে প্রতিদিন গোসল না করলে কী হয়?
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : শীতকালে আবহাওয়া অত্যধিক ঠান্ডা থাকলে কমবেশি সবাই গোসল করতে ভয় পান! বিশেষ করে ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসলের কথা কেউ ভাবতেও পারেন না!

আসলে শীতে বেশিরভাগ মানুষই সর্দি-কাশির সমস্যায় ভোগেন, এ কারণে ঠান্ডা পানি সবাই এড়িয়ে যাওয়াটাই ভালো মনে করেন।

শীতে ঠান্ডা পানিতে গোসলের অভ্যাস কি হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায়?

তবে গরম পানি দেখলে এ সময় সবাই স্বস্তি পান। বেশিরভাগ মানুষই শীতে গরম পানিতে দিয়েই গোসল সারেন। আবার অনেকে দুদিন কিংবা চারদিনও গোসল না করেই পার করে দেন।

কখনো ভেবে দেখেছেন, দিনের পর দিন গোসল না করলে কী হয়? চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত গোসল করলে শরীর পরিষ্কার থাকে, এমনকি শরীরে জমে থাকা বিভিন্ন জীবাণু ও ময়লাও সহজে পরিষ্কার হয়ে যায়।

শীতে গরম নাকি ঠান্ডা পানি দিয়ে চুল ধোবেন?

তবে শীতে দৈনিক গোসল না করলেও স্বাস্থ্যের ততটা ক্ষতি হয় না। আমেরিকার চর্মরোগ চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, প্রতিদিন গোসল না করলেও চলে, যদি আপনার শরীরে নোংরা না জমে।

আসলে গোসল নিয়ে বিশ্বের সব স্থানেই আছে সামাজিক ছুতমার্গ। নিয়মিত গোসল না করার কথা শুনলে অনেকেই মনে করেন, অন্য ব্যক্তি নোংরা। এটি একটি ভুল ধারণা।

শীতে গরম পানিতে বেশিক্ষণ গোসল করলে ত্বক আরও শুষ্ক হয়ে যায়, এমনটিই মত বিশেষজ্ঞদের। এ সময় অতিরিক্ত গরম পানিতে গোসলের ফলে অনেকেই চর্মরোগে ভোগেন।

বিশেষ করে অ্যাজমা, সোরিয়াসিস, দাদ’সহ বিভিন্ন ধরনের চর্মরোগ বেড়ে যায় শুধু গরম পানিতে গোসলের কারণে। এসব চর্মরোগের স্থান গরম পানিতে আসলে আরও শুষ্ক হয় ও ক্ষত বাড়ে।

গোসলের সঠিক সময় কখন?

এ কারণে দৈনিক গরম পানিতে গোসল করলেও ১০ মিনিটের বেশি সময় ধরে না করাই ভালো বলে মনে করেন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞরা।

গোসল না করলে কিছু ব্যাকটেরিয়া জন্ম নেয় শরীরে। এ সময় ত্বক ভালো রাখতে সেসব ব্যাকটেরিয়া খুব জরুরি। গোসল করলে সেই ব্যাকটেরিয়াগুলো চলে যায়।

খাওয়ার পর গোসল করলে কী হয়?

তাই শীতকালে সপ্তাহে ২-৩ বারের বেশি গোসল না করার পরামর্শ দিচ্ছেন চর্মরোগ চিকিৎসকরা। এমনকি এ সময় বেশি গোসল করলে নখেরও ক্ষতি হয়। কারণ এই মৌসুমে নখ আরও ভঙ্গুর হয়ে ওঠে।

আবার শীতে ঠান্ডা পানিতে গোসলের ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকুন। বিশেষজ্ঞদের মতে, কখনো ঠান্ডা পানি শরীরে হঠাৎ করে ঢালবেন না। প্রথমে স্বাভাবিক পানি ঢালুন তারপর আস্তে আস্তে ঠান্ডা পানি ব্যবহার করতে পারেন। তবে হৃদরোগীদের ঠান্ডা পানিতে গোসল না করাই ভালো।

নিয়মিত গোসল করার উপকারিতা জানেন তো?

যদিও ঠান্ডা পানিতে গোসলের কিছু স্বাস্থ্যগত উপকারিতাও আছে। নেদারল্যান্ডসের ৩ হাজার অংশগ্রহণকারীর উপর করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা প্রতিদিন ঠান্ডা পানিতে গোসল করেন তাদের অসুস্থতার কারণে কাজ থেকে ছুটি নেওয়ার সম্ভাবনা ২৯ শতাংশ কম ছিল অন্যদের তুলনায়।

অন্যান্য গবেষণায় জানা গেছে, ঠান্ডা পানিতে গোসল করলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে। এছাড়া শরীরের প্রদাহও কমে। অনেক চিকিৎসকদের মতে, ঠান্ডা পানির ঝরনা দীর্ঘায়ু বাড়ায়। এমনকি বিপাকক্রিয়াও উন্নত করে।

হার্টের রোগীরা গরম না ঠান্ডা পানিতে গোসল করবেন?

তবে অধ্যধিক ঠান্ডা ঠান্ডা পানি ও গরম পানি মিশিয়ে গোসল করুন, তবে পানি যেন বেশি ঠান্ডা বা গরম না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখুন।

সূত্র: ডিএনএ ইন্ডিয়া

শীতে সুস্থতায় করণীয়
                                  

দেশে শীত জেঁকে বসেছে। শীত তখনই উপভোগ্য হয় যখন সুস্থ থাকি।

তাই শীতে সুস্থ থাকতে যা করতে হবে:
গরম কাপড় পরিধান
অনেকে মনে করেন, গরম কাপড় অর্থাৎ সোয়েটার, শাল জড়ালে মনে হয় দেখতে হাস্যকর কিংবা বেমানান লাগে। এটি কিন্তু একদম ভুল ধারণা।

পর্যাপ্ত পরিমাণে গরম কাপড় পরুন। শরীরে সোয়েটার ও শাল, গলায় মাফলার, হাতে ও পায়ে মোজা পরুন।

খাদ্যাভ্যাস ঠিক রাখুন
শীতকালে অবশ্যই খাদ্যাভ্যাস ঠিক রাখতে হবে। প্রচুর পরিমাণে সবুজ শাক-সবজি এবং আঁশযুক্ত খাবার খান। তৈলাক্ত ও ভারী খাবার যতদূর সম্ভব পরিহার করুন।

প্রচুর পানি পান করুন
শীতকালে প্রচুর পানি পান করুন। দিনে অন্তত ২-৩ লিটার। সবসময় পানি পান করতে ভালো না লাগলে ভেষজ চা, তাজা ফলের শরবত বানিয়ে পান করতে পারেন। গরম পানিতে মধু মিশিয়ে পান করলে বেশ উপকার পাওয়া যাবে।

হাতের কাছে ওষুধ রাখুন
তীব্র শীতে শরীর ব্যথা, মাইগ্রেন, ঠাণ্ডা-জ্বরসহ যে কোনো ধরনের অসুস্থতা দেখা দিতে পারে। সেজন্য হাতের কাছে প্রয়োজনীয় কিছু ওষুধ রেখে দিন। অফিসে কিংবা বাসায় হাতের কাছেই ফার্স্ট এইড বক্স রাখুন।

জ্বর-সর্দি বা কাশি হলে:

• জ্বর হলে দু’একদিন বিশ্রাম নিন
• আক্রান্ত ব্যক্তির গ্লাস, প্লেট, তোয়ালে, বালিশ, চিরুনি অবশ্যই আলাদা করে দিন।
• যদি নাক বন্ধ থাকে, গরম পানিতে মেন্থল দিয়ে শ্বাস নিন
• গোসলে হালকা গরম পানি ব্যবহার করুন
• গোসলের পর খুব ভালো করে শরীর-মাথা মুছে নিন
• হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে চুল শুকিয়ে নিন
• সর্দি হলে নাক ছিলে যেতে পারে, অলিভ অয়েল বা পেট্রোলিয়াম জেলি লাগিয়ে নিন
• জ্বর হলে সাধারণত খাবার খাওয়ার রুচি থাকে না, না খেলে আরও অসুস্থ হয়ে যাবেন
• এ সময় তরল খাবার বেশি বেশি খেতে হবে
• ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল (লেবু, কমলা, আমলকি, পেয়ারা) খান
• ধুলাবালি থেকে নিজেকে দূরে রাখতে হবে
• হাত সব সময় পরিষ্কার রাখুন

শীতে ওজন বেড়ে যায় যে কারণে
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : শীতে শরীরে অলসভাব দেখা দেয়। এ সময় সব কাজে আলসেমি চলে আসে। শীতে কাজের গতিও কমে যায়। আবার শরীরচর্চাতেও ভাটা পড়ে এ সময়।

শরীরচর্চায় অলসতার কারণেই শীতে ওজন বেড়ে যায়। তবে কী কারণে শীতে শরীরে অলসতা আসে ও ওজন বাড়ে? তার অবশ্য কিছু কারণ আছে, জেনে নিন-

>> শীতে তাপমাত্রা স্বাভাবিকভাবেই কমে যায়। এ কারণে চনমনে ভাবও কমে। আলাদা করে শরীরচর্চা করা তো অনেক দূরের কথা, এমনিতে হাঁটাহাঁটি করতেও ভাল লাগে না। ফলে ওজনও বাড়তে থাকে।

>> শীতে দিন ছোট আর রাত বড়। খুব কম সময়ের জন্য দিনের আলো থাকায় পরিশ্রমের ইচ্ছাও কমে যায়। কায়িক শ্রমের অভাবে ওজন বাড়তে পারে।

>> এ সময় মন খারাপও জাঁকিয়ে বসে মনজুড়ে। দীর্ঘদিনের কোনো অবসাদ যেন মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। মনোবিজ্ঞানের ভাষায় যার নাম সিজন্যাল ডিপ্রেশন। মানসিক অবসাদ কিন্তু ওজন বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে।

>> শীতে বাইরের খাবারের প্রবণতা বাড়ে। ক্ষুধা লাগলেই বাইরের সুস্বাদু খাবার খেতে ইচ্ছে করে এ সময়। ফলে ওজন বেড়ে যায় সহজেই।

শীতকালে এই ওজন বেড়ে যাওয়া প্রতিরোধে যা করবেন-

>> শরীরে রোদ লাগান। দিনে ঘরের দরজা-জানলা বন্ধ করে রাখবেন না। ঘরে রোদ ঢুকতে দিন। সূর্যের আলো মনের কোনে লুকিয়ে থাকা অবসাদ দূর করে।

>> সকালে উঠে শরীরচর্চা করতে ইচ্ছে না হলে দিনে একবার অন্তত ব্যায়াম করুন। শরীরচর্চা একেবারে বন্ধ করে দেবেন না।

>> শীতে খাদ্যতালিকায় পুষ্টিকর খাবার পাতে রাখুন। এ সময় ইচ্ছে করলেই বাইরের খাবার খাবেন না। বিশেষ করে তেলে ভাজা বা কৃত্রিম উপায়ে সংরক্ষণ করা খাবার সম্পূর্ণরূপে এড়িয়ে চলুন। খেলেও তা অল্প পরিমাণে খান।

আস্ত জলপাইয়ের টক-ঝাল-মিষ্টি আচার
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : বাজারে এখন জলপাই সহজলভ্য। টকজাতীয় এই ফলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে, যা শরীরের জন্য অনেক উপকার।

অনেকে জলপাই দিয়ে বিভিন্ন পদ তৈরি করেন। তার মধ্যে আচার-মোরব্বা অন্যতম। জলপাই দিয়ে বিভিন্ন ধরনের আচার তৈরি করা যায়, তার মধ্যে অন্যতম হলো টক-ঝাল-মিষ্টি আচার। জেনে নিন রেসিপি-

উপকরণ
১. জলপাই ১ কেজি
২. সরিষার তেল দেড় কাপ
৩. ভিনেগার আধা কাপ
৪. আস্ত পাঁচফোড়ন ১ চা চামচ
৫. তেজপাতা ১টি
৬. সরিষা বাটা ২ টেবিল চামচ
৭. আদা বাটা দেড় টেবিল চামচ
৮. রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ
৯. কাঁচা মরিচ বাটা ১ টেবিল চামচ
১০. হলুদের গুঁড়া ১ চা চামচ
১১. চিনি ২ কাপ
১২. লবণ স্বাদমতো ও
১৩. পাঁচফোড়ন গুঁড়া ১ চা চামচ।

পদ্ধতি
জলপাইয়ের বোটা এড়িয়ে ধুয়ে নিন। এরপর সামান্য ভিনেগার দিয়ে কাঁচা মরিচ ও সরিষা বেটে নিতে হবে। এবার চুলায় প্যান বসিয়ে তাতে তেল গরম করে নিন।

তেল গরম হলে তাতে আস্ত পাঁচফোড়ন ও তেজপাতা ফোঁড়ন দিয়ে বাটা মসলাগুলো ও হলুদের গুঁড়াসহ কষিয়ে নিয়েছি।

এরপর জলপাই দিয়ে আরও কয়েক মিনিট কষিয়ে ভিনেগার দিয়ে মিশিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। এরপর মাঝারি আঁচে রান্না করেছি। জলপাই সেদ্ধ হয়ে গেলে চিনি মিশিয়ে দিন।


এই পর্যায়ে চুলার আঁচ কমিয়ে দিতে হবে। এতে জলপাইয়ের ভেতরে চিনি ও সব মসলা ঠিকভাবে ঢুকবে। তেল ছেড়ে এলে নামিয়ে ভাজা মসলা মিশিয়ে নিন।

ঠান্ডা করে কাঁচের এয়ার টাইট বয়ামে সংরক্ষণ করতে হবে। মাঝে মধ্যে রোদে দিতে হবে এই আচার। তাহলে দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করতে পারবেন।

মিরপুরে মেডিস্পা বাই মুসরাত`র যাত্রা শুরু
                                  

অনলাইন ডেস্ক : আন্তর্জাতিক মানের বিউটি স্কিন কেয়ার সেবা নিয়ে যাত্রা শুরু করলো ‘মেডিস্পা বাই মুসরাত’।

০৭ নভেম্বর সোমবার মিরপুর ০২ এ এক বর্ণাঢ্য আয়োজনে যাত্রা শুরু করলো ‘মেডিম্পা বাই মুসরাত’।

মেডিস্পা বাই মুসরাত প্রসঙ্গে প্রতিষ্ঠানের কর্নধার মুসরাত হাসান বলেন, আমরা একই ছাদের নিচে স্কিন, হেয়ার, বডি এবং লেজার কসমেটিক্স সার্ভিস দিচ্ছি। গ্রাহকদের কথা মাথায় রেখে আমরা আমাদের প্রথম প্রতিষ্ঠান মিরপুরে শুরু করেছি। কারণ, মিরপুরের বৃহত্তর জনগোষ্ঠি একই ছাদের নিচে যেনো সৌন্দর্যের সকল সেবার (স্কিন, হেয়ার, বডি এবং লেজার কসমেটিক্স’র সব) বেস্ট কোয়ালিটি সার্ভিস পায়, এই জন্যই এই উদ্যোগ।

হাসান বলেন, আমাদের এখানে সম্মানিত গ্রাহকরা আন্তর্জাতিক মানের সকল জনপ্রিয় ট্রিটমেন্টগুলো পাবেন। যেমন মেডি হাইড্রাফেসিয়াল ট্রিটমেন্ট, কসমেটিক্স, সকল ধরনের স্কিন ট্রিটমেন্ট, বডি ফেস পিলিং ট্রিটমেন্ট, পার্মানেন্ট লেজার হেয়ার রিডাকশন ট্রিটমেন্ট, হোয়াইটিনিং ইনজেকশন ট্রিটমেন্ট, অক্সিজেন লিপ্ট ট্রিটমেন্ট এবং আমাদের কিছু সিগনেচার প্রোডাক্টও পাবেন। সিগনেচার প্রোডাক্টগুলো ‘মেডিম্পা বাই মুসরাত’র নিজস্ব বিউটি এক্সপার্টের নিজস্ব উদ্ভাবন, যা সার্বিকভাবে নিরাপদ। এছাড়াও আমরা ফিলিপাইন, মালোয়েশিয়া, থাইল্যান্ড কোরিয়া থেকে মানসম্মত বিউটি প্রোডাক্ট ইমপোর্ট করে থাকি। আমাদের প্রোডাক্টগুলো কোন প্রকার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই গ্রাহকরা সর্বোত্তম ফলাফল পাবেন।

এ সকল সার্ভিসগুলো ছাড়াও ‘মেডিম্পা বাই মুসরাত’ এ পাবেন, ব্রাইডাল এবং পার্টি মেকআপ। যা কিনা হবে ব্র্যান্ডের ইমপোর্ট করা মেকআপ আইটেম দিয়ে। এক কথায় ‘মেডিম্পা বাই মুসরাত’ এ গ্রাহকরা সকল ধরনের আধুনিক সার্ভিসগুলো পাবেন। যা কিনা আপনার সৌন্দর্যকে নিয়ে যাবে অন্য মাত্রায়।

সার্বিক যোগাযোগ : medispabymosrat22@gmail.com
Facebook Page : facebook.com/medispa.mosrat

সকালে খালি পেটে কতটুকু পানি পান করবেন?
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : সকালে খালি পেটে পানি পানের কথা অনেকেই বলে থাকেন। অনেকে নিয়মিত পানি পানও করেন।

কিন্তু কতটুকু পানি পান করতে হবে সে বিষয়ে অনেকেই জানেন না। অনেকে ঢক ঢক করে চার-পাঁচ গ্লাস পানি পান করে থাকেন। কিন্তু চিকিৎসকদের পরামর্শ হলো, একবারে বেশি পানি পান করা উচিত নয়, অল্প অল্প করে পান করাই ভালো।

আমাদের শরীরের ৭০ শতাংশই পানি। তাই শরীর সুস্থ রাখতে পানি পানের বিকল্প নেই। পরিমাণ মতো পানি পানের ফলে ফলে শরীর থেকে অতিরিক্ত টক্সিন বের হয়ে যায় সহজেই, সেই সঙ্গে ত্বক সুস্থ থাকে। আর পরিমাণ মতো পানি পান করলে খাদ্যাভ্যাসও পরিমিত হয়ে যায়।

গরমের দিনে পানিশূন্যতা এড়াতে পরিমিত পানি পানের পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।

ওজন কমাতে পানিকেই দাওয়াই হিসেবে ব্যবহার করেন জাপানিজরা। প্রায় একশো বছরের বেশি সময় ধরে জাপানিজরা এই টোটকায় বিশ্বাস রেখে আসছে। ফলও মিলছে হাতেনাতে।

তাই স্বাস্থ্যকর ও সতেজ থাকতে আপনি দিন শুরু করুন এক গ্লাস পানি দিয়ে। দেখবেন কয়েক দিন পর হালকা অনুভব করবেন।

যাদের হজমের সমস্যা আছে, তারা সকাল বেলা পানি পানের উপকারিতা বুঝতে পারবেন। শরীরের শক্তি বেড়ে যাবে। সেই সঙ্গে হজমশক্তিও। ত্বক সুন্দর হবে। ত্বকের গ্লো বাড়বে।

জনপ্রিয়তা বাড়ছে কফির
                                  

অনলাইন ডেস্ক : চা না কফি? বর্তমানে নিত্যদিনের সাধারণ এক প্রশ্ন এটি। ঘরে-বাইরে সবখানে সমানভাবে প্রচলন হয়েছে কফি পানের। কিন্তু দুই যুগ আগেও সুযোগ ছিল না চায়ের বিকল্প কিছু বেছে নেওয়ার। ২০২২ সালে এসে, এখনো চায়ের মতো পরিচিত না হলেও কফি আর ততটা অপরিচিতও নয়। চা-কে ছাড়িয়ে যেতে না পারলেও বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে কফি।


ব্রিটিশ কফি অ্যাসোসিয়েশনের মতে, সারা পৃথিবীতে এখন সবচেয়ে জনপ্রিয় পানীয় কফি। তিন বছর আগে তারা হিসাব করে দেখিয়েছে, প্রতিদিন বিশ্বে প্রায় ২০০ কোটি কাপ কফি পান করা হয়। তবে সারা বিশ্বের হিসাবে কফি জনপ্রিয় হলেও এশিয়ায় হিসাব ভিন্ন। কারণ বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দুটি দেশ, ভারত এবং চীনে এখনো কফির চেয়ে চা-কেই বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়। বাংলাদেশেও তাই। যদিও ধারণা করা হয়, একসময় সারা বিশ্বের মতো এ অঞ্চলেও কফির জনপ্রিয়তা শীর্ষে যাবে।

বাংলাদেশে কফির অবস্থা:
এ দেশে চায়ের জনপ্রিয়তা শুরু ব্রিটিশ শাসনের শেষ ভাগে। আর কফি দুই যুগের। আবার কফি প্রচলনের শুরুটা একদম শ্লথ হলেও শেষ এক দশকে এর প্রচলন বেড়েছে বেশ। এখন ‘মাঝে-মধ্যে’ কফির স্বাদ নেন এমন অনেকে যেমন রয়েছেন, তেমনি নিয়মিত পানীয় হিসেবে চায়ের পরিবর্তে কফি পান করছেন অনেকে।

কফি বাজারজাতকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তথ্যানুযায়ী, দেশে বছরে প্রায় ৯০০ থেকে ১ হাজার টন কফির চাহিদা রয়েছে। এর প্রায় পুরোটাই আমদানিনির্ভর। আর এ বাজার বিদেশি কোম্পানিগুলোর দখলে। দেশি কিছু করপোরেট প্রতিষ্ঠান কফির ব্যবসা শুরু করলেও তাদের মার্কেট শেয়ার কম।

তথ্য মতে, বাংলাদেশে কফির যেসব ব্র্যান্ড রয়েছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে নেসলে বাংলাদেশ, নর্থ-এন্ড, লাভাজ্জা, ম্যাককফি, কফি, রোজ কফি ও ডিলাইট কফি। এর মধ্যে পুরো বাজারের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ দখল রয়েছে বিদেশি কোম্পানি নেসলের। বাকি এক অংশ অন্যান্য ব্র্যান্ডগুলোর।

নেসলে বাংলাদেশে কফির ব্যবসা করছে ১৯৯৪ সাল থেকে। এর আগেও ব্যক্তি উদ্যোগে কিছু কফি আমদানি হতো। তবে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে কফির বিপণন ও কফির প্রচারে নেসলের অবদান এখনো সবচেয়ে বেশি।

ঢাকার বিভিন্ন খাবার বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানে কথা বলে জানা গেছে, অন্যান্য খাবারের পরে কফি খাওয়া এখন শহুরে কালচারে পরিণত হয়েছে। ফলে খাবারের দোকান চালাতে গেলে একটি অবিচ্ছেদ্য অনুসঙ্গ এটি।

তারা বলছেন, বিগত চার-পাঁচ বছরে কফি মেশিনের প্রচলন এতটা বেড়েছে যে, প্রতিটি মোড়ে মোড়ে এখন কফি মিলছে। এমনকি গ্রামেও কফি মেশিন রয়েছে বিভিন্ন খাবারের দোকানে। মূলত কফি মেশিনের মাধ্যমে কফি ব্যবসা দ্রুত বড় হচ্ছে।

এছাড়া ৫-১০ টাকায় কফির ছোট প্যাকেট পাওয়া যায়। এর ফলে রাস্তার চায়ের টংগুলোতেও অনেকে কফি খাচ্ছেন। অনেকে আবার চায়ের সঙ্গে কফি মিশিয়ে খেতেও পছন্দ করেন।

বাংলাদেশে কফির সম্ভাবনা নিয়ে বাংলাদেশ সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট সোসাইটির প্রেসিডেন্ট ও নেসলে বাংলাদেশের সাবেক পরিচালক নকিব খান বলেন, দেশে এখন কফির সম্ভাবনা প্রচুর। কারণ নতুন প্রজন্ম কফিতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে। এমনকি মধ্যবিত্ত তরুণ থেকে মধ্যবয়সী পর্যন্ত একটি শ্রেণি, যাদের সংখ্যাই এখন দেশে সবচেয়ে বেশি, তাদের মধ্যেও এ অভ্যাস গড়ে উঠেছে। সেটাই এ বাজারের বড় সম্ভাবনা।

কফিতে সমস্যা উচ্চ শুল্ক

দেশে কফির জনপ্রিয়তা যে হারে বাড়ছে সেটি আরও বেশি হতো বলে মনে করেন বিপণনকারী কোম্পানিগুলো। তারা এর উচ্চহারে শুল্ককে একটি বড় সমস্যা মনে করেন। যে কারণে অবৈধভাবে কফির আমদানি বাড়ছে বলেও মনে করেন তারা।


কারণ দেশে কফি এখনো বিলাসী পণ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত। সেজন্য কফি বাজারজাত করতে গুণতে হচ্ছে চড়া মূল্য। ক্রেতারাও সে কারণে কম দামে কফির স্বাদ নিতে পারছেন না।


এ বিষয়ে নেসলে বাংলাদেশের পরিচালক (ল’ অ্যান্ড করপোরেট অ্যাফেয়ার্স) দেবব্রত রায় বলেন, কফি একটি স্বাস্থ্যকর পানীয়। এতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসহ প্রচুর ভালো উপাদান রয়েছে। কিন্তু সেটা বিলাসী পণ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত করায় সবার ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে নেই। সর্বস্তরের মানুষ এ পানীয়ের উপকারিতাও পাচ্ছেন না।

তিনি বলেন, কফিতে উচ্চহারে শুল্ক রয়েছে। ২৫ শতাংশ সাধারণ শুল্ক, ৩ শতাংশ আরডি, ২০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা আছে। সব শুল্ক কর হিসেবে নিলে সেটা প্রায় শতভাগ। অর্থাৎ এ দেশে কফির জন্য ভোক্তাকে দ্বিগুণ দাম দিতে হচ্ছে।

দেবব্রত রায় বলেন, এখন সরকারের নজর দেওয়া উচিত কীভাবে এ পরিস্থিতি থেকে বেরোনো যায়। কারণ এ উচ্চশুল্কের কারণে অনেক সমস্যা হচ্ছে। পণ্যটি নিয়ে সব স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছানো যায় না। এ একই কারণে প্রচুর কফি শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে আমদানি হচ্ছে। নিয়ম মেনে ব্যবসা করা কোম্পানিগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিদেশি নতুন বিনিয়োগও আসছে না।

দেশে হচ্ছে কফির চাষ
শুরুতে নব্বইয়ের দশকে পার্বত্য জেলাগুলোয় সীমিত পর্যায়ে সনাতন পদ্ধতিতে যে কফি চাষ শুরু হয়েছিল তা এখন বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাচ্ছে। শুধু পাহাড়ে নয়, পার্বত্য জেলাগুলো ছাড়িয়ে কফি চাষ ছড়িয়ে পড়েছে নীলফামারী, টাঙ্গাইল ও মৌলভীবাজারসহ উত্তরের কয়েকটি জেলায়। অপ্রচলিত অর্থকরী এই ফসল চাষে উৎসাহ দিতে এগিয়ে এসেছে বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট। প্রায় সোয়া ২০০ কোটি টাকার আলাদা প্রকল্প নিচ্ছে সরকার।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হর্টিকালচার উইং এ বিষয়ে বলছে, গত অর্থবছরে দেশে কফির উৎপাদন এলাকা ছিল প্রায় ১২২ হেক্টর, মোট উৎপাদন ছিল প্রায় ৬০ টন। যদিও এ উৎপাদন মোট চাহিদার ৫ শতাংশেরও কম। সেজন্য বাকি চাহিদা মেটানো হয় আমদানি করা কফি দিয়ে।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হচ্ছে কফি চাষ

জানা গেছে, বাংলাদেশে দুই ধরনের কফির চাষ হচ্ছে এখন। একটি আফ্রিকার জাত কফিয়া ক্যানিফোরা, যা রোবাস্তা কফি নামে পরিচিত। অন্যটি কফিয়া অ্যারাবিকা; বিশ্বজোড়া তুমুল চাহিদার এই কফিটি পর্বত কফি নামেও পরিচিত বেশ।

এদিকে কফির বাণিজ্যিক উৎপাদন এগিয়ে নিতে স্থানীয়ভাবে কফির নতুন জাত উদ্ভাবনেও কাজ করছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট। নতুন জাতের নাম হবে বারি কফি-১। রোবাস্তা ও অ্যারাবিকা প্রজাতি থেকে ভারত, ভিয়েতনাম ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে হাইব্রিড কফির নানা জাত উদ্ভাবিত হয়েছে। তবে ততটা উচ্চতর গবেষণার দিকে এখনো যায়নি পাহাড়ি গবেষণা কেন্দ্র।

যদিও এখন যে সনাতন পদ্ধতিতে কফি উৎপাদন হচ্ছে, তাতে উৎপাদিত কফির বড় একটি অংশ অদক্ষতায় নষ্ট হয়। সেজন্য সহজ প্রযুক্তিও আনছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট। পাশাপাশি কফি বাজারজাত করার কলাকৌশল শেখাতেও প্রশিক্ষণ জোরদার করা হচ্ছে।

বাংলাদেশে কফিকে এখনও ‘ইনফ্যান্ট ইন্ডাস্ট্রি’ হিসেবে বর্ণনা করে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি ব্যবসা অনুষদের সাবেক ডিন ও কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতির বর্তমান মহাসচিব মিজানুল হক কাজল বলেন, কফি চাষ খুবই সম্ভাবনাময়। এটি চাষে সরকারের অন্তরিকতা রয়েছে। এখন যদি কিছু প্রণোদনা দেওয়া যায়, ভবিষ্যতে সেটা লাভজনক হবে। আমরা আমদানি কমিয়ে আনতে পারবো। সেখান থেকে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।

নাক-কান-গলার ক্যানসার কেন হয়, কী করবেন?
                                  

ক্যানসার রোগটির কথা শুনলেই আমরা এক ধরনের আতঙ্কে আক্রান্ত হই। মনে করি, বোধ হয় জীবনটা শেষ হয়ে গেল, জীবনের আলো বুঝি নিভে গেল। দেশে প্রতিনিয়ত ক্যানসার রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। এর পরিসংখ্যান আরও ভয় পাইয়ে দিচ্ছে। তবে ক্যানসারের চিকিৎসা জটিল হলেও সময়মতো সঠিক চিকিৎসা হলে এবং নিয়মিত চিকিৎসকের ফলোআপে থাকলে সুস্থ হওয়া সম্ভব। শুরুতেই যদি আমরা সতর্ক হই, ক্যানসার যদি খুব দ্রুত নির্ণয় করা যায়, তাহলে দেখা যায়, তাদের পাঁচ বছরের যে সার্ভাইভাল সেটি অনেক বেশি হয়। শুরুতেই মানুষ চিকিৎসকের কাছে যেতে চান না। এবং তখন যা হয়, দেরিতে রোগ নির্ণয় হয় এবং শেষ দিকে ভালো কিছু হওয়ার থাকে না। মনে রাখতে হবে, হেলথ কেয়ার এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ক্যানসার বিষয়ে সচেতনতার ক্ষেত্রে পরিবারের সদস্য থেকে শুরু করে প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া-সবার অবদান রাখতে হবে।


এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজের হেড-নেক সার্জন ডা. মো. আব্দুল হাফিজ শাফী।

হেড-নেক ক্যানসার কী?

মাথার খুলির মুখের অঞ্চল এবং গলার ভেতরে অনেকগুলো স্ট্রাকচার বা অঙ্গ আছে যেমন- নাক, সাইনাস, নাকের পিছনে ন্যাসোফ্যারিংস, মুখ, মুখগহ্বর, জিহবা, গলার টনসিল, শ্বাসনালি, খাদ্যনালি, থাইরয়েড গ্রন্থি, লালাগ্রন্থি সেগুলোর সমষ্টিগত ক্যানসারকে হেড-নেক ক্যানসার বলা হয়। আমাদের গলার ভিতরের দিকে একটা আবরণ দিয়ে আবৃত থাকে যেটিকে আমরা মিউকাস মেমব্রেন বলি। এ মিউকাস মেমব্রেনের আবরণে ক্যানসারই বেশি হয় এবং যেটিকে আমরা চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় Squamous Cell ক্যানসার বলে থাকি। তবে একে বিশেষজ্ঞরা প্রতিরোধযোগ্য মরণব্যাধি নামে আখ্যায়িত করে থাকেন। যদি প্রাথমিক অবস্থায় রোগ নির্ণয় করা যায় তাহলে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা দ্বিগুণ হয়ে যায়।

নাক-কান-গলার ক্যানসারের কারণ কী

* তামাক ও মদ্যপান মূল কারণ বিবেচ্য হলেও আমাদের দেশের জন্য পান-সুপারি-জর্দা অনেকাংশে দায়ী। বলা হয়ে থাকে নাক-কান-গলার ক্যানসারের মধ্যে ৭৫ শতাংশই তামাক ও তামাকজাত দ্রব্যের কারণে হয়। বেশিরভাগ ওরোফ্যারেনজিয়াল ক্যানসারের প্রধান ঝুঁকিপূর্ণ কারণ হলো তামাকের ব্যবহার। মদ্যপানের সঙ্গে ধূমপান যৌথভাবে ওরোফ্যারেনজিয়াল ক্যানসারের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়াতে পারে।

* অতিরিক্ত রেডিয়েশনের সংস্পর্শে আসার ইতিহাস।

* সুপারি চেবানোর অভ্যাস/দীর্ঘক্ষণ সুপারি পাতা গালের চিপায় রেখে চেবানো থেকে এ ধরনের ক্যানসার হতে পারে।

* অতিরিক্ত ঝাল এবং মসলা জাতীয় খাবার নিয়মিতভাবে খাওয়ার অভ্যাস থেকে হতে পারে মুখ এবং মুখ গহ্বরের ক্যানসার।

* হিউম্যান প্যাপিলমা ভাইরাস (HPV-16) নামে এক ধরনের ভাইরাস এর সংক্রমণকে ইদানীং ওরোফ্যারেনজিয়াল ক্যানসারের জন্য দায়ী বলে ধরা হচ্ছে। এ ভাইরাস গলা ছাড়াও মহিলাদের জরায়ু ক্যানসারের কারণ হতে পারে।

* এ ছাড়া কিছু নির্দিষ্ট প্যাকেটজাত লবণাক্ত খাবার এবং যারা বিভিন্ন ফার্নিচার কারখানায় কাঠ ও রঙের কাজ করেন তাদের ক্ষেত্রে নাক এবং নাকের পিছনের ক্যানসার হওয়ার সম্ভবনা বা ঝুঁকি থাকে।

* জেনেটিকস বা বংশগত কারণ থেকে হতে পারে তবে খুব কম।

* GERD (Gastro Oesophageal Reflyx Disorder) অর্থাৎ এসিডিটি সমস্যা হতে খাবার পাকস্থলী থেকে বেরিয়ে আসার রোগে দীর্ঘদিন ভুগলে গলার ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

* সবুজ শাক-সবজি এবং ভিটামিন সি-জনিত পুষ্টিকারক খাবার নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণে গ্রহণ না করলে।

* Bad oral hygiene অর্থাৎ মুখের ভিতর অপরিষ্কার রাখলে এবং দাতের ক্রনিক ইনফেকশন।

* মহিলাদের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে রক্তশূন্যতায় (Iron defficiency) ভুগলে।

নাক, কান ও গলার ক্যানসারের উপসর্গগুলো কী কী

সাধারণত ৬০ শতাংশ রোগী অ্যাডভান্স স্টেজে ডাক্তারের নিকট আসেন। বিলম্বে আসার প্রধান কারণ হলো অসচেতনতা, অবহেলা, রোগের ভয়াবহতা সম্পর্কে অবহিত না থাকা এবং অর্থনৈতিক অসচ্ছলতা। প্রথমে এ রোগীরা কবিরাজ, হোমিওপ্যাথি ইত্যাদি চিকিৎসা নিয়ে রোগ সারানোর চেষ্টা করে। দেখা যায়, যাকে সামান্য টিউমার ভেবে গুরুত্ব দেননি, সেটিই বহুদিন ধরে বয়ে চলেছে প্রাণঘাতি ক্যানসারের জীবাণু। কারণ এটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ব্যথাহীন, এতে সামান্য কিছু শারীরিক পরিবর্তন দেখা যায় তা প্রায়শই উপেক্ষা করা হয়। তাই রোগীরা দেরি করে আসে। ঘাড়ের গোটা বা লিম্ফ নোড এবং আসল জায়গা থেকে অন্যান্য অঙ্গে ক্যানসারের বিস্তারের ভিত্তিতে ক্যানসারকে ৪টি পর্যায়ে ভাগ করা হয়েছে।

* মুখের এবং গলার ভেতরে বা বাইরে ঘা/ক্ষত/ আলসার যা প্রাথমিক চিকিৎসা সত্ত্বেও সহজে শুকায় না, বরং দিনে দিনে বেড়ে যায়। এ ক্ষতের কারণে খাবার চিবাতে বা গিলতে কষ্ট হয় এবং জলপান করতেও অসুবিধা হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে মনে হয় গলায় কিছু আটকে আছে।

* গলা বা হেড-নেক আক্রান্ত অঞ্চলে ফোলাভাব অর্থাৎ লাম্প যাকে টিউমার বলে থাকি। মুখ-গলা এবং ঘাড়ের পিছনে ফোলা অংশ সৃষ্টি।

* একপাশে গলাব্যথা যা স্বাভাবিক খাবার গ্রহণ প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে।

* জিহবা নাড়াতে অসুবিধা।

* দাঁত নড়ে যাওয়া বা দাঁতে ব্যথা এবং ফোলা।

* এ অঞ্চলের টিউমারের সঙ্গে কানে ব্যথা। এক্ষেত্রে কানে কোনো সমস্য নেই, গলার ক্যানসারের কারণে কানে ব্যথা হয়।

* কর্কশ কণ্ঠ। অর্থাৎ কোনো কোনো সময় গলার স্বরভঙ্গ নিয়েও রোগী আসতে পারেন। তবে স্বরভঙ্গ হলেই যে ক্যানসার মনে করে আতঙ্কিত হয়ে পড়বেন তা কিন্তু নয়। গলার কণ্ঠের পরিবর্তন বা গলা ভাঙা যে কোনো কারণে হতে পারে। প্রাথমিক ওষুধ খাওয়ার পরও তিন সপ্তাহের অধিক স্বরভঙ্গ থাকলে সে ক্ষেত্রে অবশ্যই দেরি না করে একজন নাক-কান-গলা এবং হেড-নেক বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হতে হবে। এ গলাভাঙা থেকে হঠাৎ করে শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়।

* অস্বাভাবিকভাবে ওজন হ্রাস। সঙ্গে অরুচি এবং ক্ষুধামান্দা।

* জিহবা অথবা মুখের ভিতরের উপরিত্বকে সাদা/লাল ছোপ বা প্যাচ।

* নাকের ক্যানসারের ক্ষেত্রে নাক দিয়ে রক্ত আসা। হঠাৎ মুখের গঠনগত পরিবর্তন।

* মুখ দিয়ে অস্বাভাবিক রক্তপাত। কাশির সঙ্গে রক্ত।

* চোয়াল শক্ত হয়ে যাওয়া এবং মুখ খুলতে অসুবিধা।

* থাইরয়েড গ্রন্থি যেটা গলার সামনের দিকে থাকে, সেটা দীর্ঘদিন ফুলে শক্ত হয়ে থাকা। অনেক সময় এ থাইরয়েড গ্রন্থির ফুলার সঙ্গে গলার কণ্ঠস্বর ভেঙে যেতে পারে।

* মুখের উভয় পাশে কানের ঠিক নিচে যে লালা গ্রন্থি আছে সেটি ধীরে ধীরে বড় হয়ে শক্ত হয়ে গিয়ে যদি মুখ বেঁকে যায় এবং সঙ্গে এ লালা গ্রন্থির ফোলায় ব্যথা থাকতে পারে।

এসব লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে অবশ্যই খোঁজ-খবর নিয়ে একজন নাক-কান-গলা এবং হেড-নেক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে দেখানো উচিত। মনে রাখবেন, সজাগ দৃষ্টিতে সচেতনভাবে বিবেক-বুদ্ধি দিয়ে আমাদের এ ধরনের সমস্যা দেখা দিলে নাক-কান-গলা এবং হেড-নেক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের ওপর ভরসা রাখতে হবে। নাক-কান-গলার ক্যানসারের সুচিকিৎসা আমাদের দেশেই সম্ভব।

নাক-কান-গলার ক্যানসারের চিকিৎসা পদ্ধতি

ক্যানসার চিকিৎসায় সার্জারি, রেডিওথেরাপি, কেমোথেরাপি, টারগেটেড থেরাপি এবং কম্বাইন্ড থেরাপি প্রচলিত আছে এবং এসবের ফলে ক্যানসারমুক্তির হার দিন দিন বাড়ছে। জনসচেতনতা ও চিকিৎসা পদ্ধতির প্রসারই এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তার পরও যে হারে ক্যানসার বাড়ছে সেই তুলনায় আমাদের দেশে চিকিৎসা সুবিধা অপ্রতুল। অবশ্য খুশির খবর হচ্ছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সব বিভাগীয় হাসপাতালে ক্যানসার হাসপাতাল স্থাপনের যুগোপযোগী প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ সার্জন দেখিয়ে ক্যানসার ধরা পড়লে যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসা করানো উচিত।

চিকিৎসাপদ্ধতি নির্বাচন বিভিন্ন বিষয়ের ওপর নির্ভর করে- ক্যানসারের ধরন এবং পর্যায়, টিউমারের অবস্থা, সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এবং রোগীর সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যের অবস্থার উপর। হেড-নেক ক্যানসারের চিকিৎসা রোগের এবং রোগীর ফ্যাক্টর বিবেচনা করে নিম্নে উল্লেখিত এক বা একাধিক প্রক্রিয়ার সাহায্যে করা হতে পারে-

* সার্জারি/অপারেশন : প্রাথমিক টিউমারের অস্ত্রোপচার যেমন-জিহবার ক্যানসার ক্ষত অপসারণ (গ্লসেকটমি)/চোয়ালের আক্রান্ত একটি অংশের অপসারণ (ম্যানডিবুল্যাকটমি)/মুখের শক্ত উপরিতলের একটি বা সমগ্র অংশের অপসারণ (ম্যাক্সিল্যাকটমি)/ঘাড়ের ব্যবচ্ছেদ এবং আংশিক বা গোটা ল্যারিংক্সের বা স্বরযন্ত্রের অপসারণ (ল্যারিঙ্গোটমি)/ঘাড়ের গোটা অপসারণ (নেক ডিসেকশন)/ক্যানসার আক্রান্ত থাইরয়েড গ্রন্থির টিউমার অপসারণ (থাইরয়েডেকটমি)/ক্যানসার আক্রান্ত লালাগ্রন্থি প্যারোটিড টিউমারের অপসারণ (প্যারোটিডেক্টমি) করে থাকেন আমাদের শ্রদ্ধেয় ইএনটি এবং হেড-নেক ক্যানসার বিশেষজ্ঞ সার্জনরা।

* রেডিওথেরাপি : বহিরাগত বিম রেডিয়েশন বা আভা বিকিরণ এবং অভ্যন্তরীণ রেডিয়েশন বা বিকিরণ থেরাপি মিলে রেডিয়েশন থেরাপি সৃষ্টি হয়। রেডিওথেরাপি নিয়ে সমাজে ভ্রান্ত ধারণা আছে যে অনেকে মনে করে থাকেন রেডিওথেরাপিতে ইলেকট্রিক শক দেওয়া হয়, এটা পুরোপুরি একটা কুসংস্কার। আসলে এক্সরে-তে যেভাবে রেডিয়েশন দেওয়া হয় ঠিক তেমনি রেডিওথেরাপিতে নির্দিষ্ট ক্যানসার আক্রান্ত স্থানে বিকিরণ দেওয়া হয়।

* কেমোথেরাপি দেওয়া যেতে পারে কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে।

* অ্যাডভানসড ক্ষেত্রে মিলিতভাবে সার্জারি এবং রেডিওথেরাপি।

ক্যানসারের চিকিৎসায় প্রায়ই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তাই বলে আতঙ্কিত না হয়ে ক্যানসার মোকাবিলার জন্য আল্লাহর উপর ভরসা করে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করে নিতে হবে। কারণ আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের যুগে সব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সমাধান রয়েছে। ভয়কে করতে হবে জয়। রোগীকে চিকিৎসার ব্যাপারে আগ্রহী হতে হবে, ইচ্ছাশক্তি থাকতে হবে।

হেড-নেক ক্যানসার প্রতিরোধে করণীয়

প্রতিরোধের উপায় একেকটা ক্যানসারের জন্য একেক ধরনের। যদিও পুরোপুরি প্রতিরোধ অসম্ভব, তবুও ঝুঁকি কমানোর জন্য আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারি।

* তামাক পাতা-জর্দাকে না বলুন : তামাক ও তামাকজাত দ্রব্য যেমন-কাঁচা তামাক, জর্দা, মুখের ভিতরে পান পাতা রেখে দেওয়া এবং অতিরিক্ত সুপারি খাওয়ার অভ্যাস থাকলে অবশ্যই ত্যাগ করতে হবে এবং মুখের ভিতর পরিষ্কার রাখতে এসব থেকে দূরে থাকতে হবে। প্রতিদিন উন্নতমানের টুথপেস্ট দিয়ে সঠিক নিয়মে দাত ব্রাশ করতে হবে।

* ধূমপান থেকে দূরে থাকুন : ধূমপানের সঙ্গে ক্যানসারের সম্পর্ক অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত। বিশ্বে যত ধরনের ক্যানসার আছে তার মধ্যে ৯০ শতাংশ ক্যানসারই ধূমপানের কারণে হয়। এমনটাই জানাছেন চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা। প্রতিদিন ধূমপানের ফলে ধীরে ধীরে শরীরে বাসা বাঁধে ক্যানসার। আমেরিকান ক্যানসার বিশেষজ্ঞ রিচার্ড ডেল ও রিচার্ড পেটোর মতে, মানবদেহে যত ধরনের ক্যানসার হতে পারে তার বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ধূমপান ও তামাকের সরাসরি ভূমিকা রয়েছে।

* দীর্ঘ সময় সূর্যের ক্ষতিকর আলো থেকে ত্বক রক্ষা করুন: সূর্যের তাপ নির্গত অতিবেগুনি রশ্মি আমাদের স্বাস্থ্য এবং ত্বকের ওপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। এ ছাড়াও মুঠো ফোন থেকে নির্গত রেডিয়েশন ক্যানসারের অন্যতম কারণ হতে পারে।

* স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণের অভ্যাস করা উচিত : শরীরের নানা রোগের পিছনে খাদ্যভাসের প্রত্যক্ষ প্রভাব রয়েছে। প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় প্রচুর পরিমাণে সবুজ শাকসবজি এবং ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল রাখুন। এ ছাড়াও খাদ্য তালিকায় রাখুন আঁশ জাতীয় খাবার।

* সহবাস করুন সুরক্ষিত উপায়ে : অবাঞ্ছিত যৌন সংসর্গেও ছড়াতে পারে ক্যানসার। সুতরাং সুরক্ষিত উপায়ে সহবাস করুন।

* প্রতিদিন হালকা ব্যায়াম করুন : ব্যায়াম ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। কারণ, যারা নিয়মিত ব্যায়াম করেন দেখা গিয়েছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তারা সুস্থ জীবনাচারী। এ ছাড়াও নিয়মিত ব্যায়ামে শরীরের হরমোন প্রবাহ, কোষ বৃদ্ধির হার থাকে স্বাভাবিক। সেইসঙ্গে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে।

* পরিহার করুন অতিরিক্ত মসলা জাতীয় ঝাল খাবার : সবসময় কম আঁচে খাবার রান্না করুন। গবেষকরা বলেন, যারা নিয়মিত অতিরিক্ত ভাজাপোড়া এবং অতিরিক্ত ঝাল মসলা জাতীয় খাবারে অভ্যস্ত তাদের ক্যানসারের ঝুঁকি থাকে।

* জানুন পরিবারের মেডিকেল ইতিহাস : ক্যানসারের লক্ষণ সম্পর্কে প্রকৃত তথ্য পেতে আপনার পারিবারিক চিকিৎসকের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করুন। এ ছাড়াও পরিবারের সদস্যদের পুরোনো এ ধরনের কোনো রোগ আছে কিনা সেই সম্বন্ধে আগে জানুন।

* মুখে কৃত্রিম দাঁত থাকলে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে, যেন দাঁত ভালোমতো ফিট থাকে।

চুল দ্রুত ঘন ও লম্বা করবেন যেভাবে
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : লম্বা ও ঘন চুল পেতে কে না চায়! তবে প্রতিদিনের দূষণ, চুলে তাপ দেওয়ার বিভিন্ন যন্ত্রসহ নানা ধরনের কেমিক্যালযুক্ত প্রসাধনী ব্যবহারের কারণে অনেকেই চুলের নানা সমস্যায় ভোগেন। যার মধ্যে অন্যতম হলো চুল পড়ার সমস্যা। অনেকের তো চুল পড়তে পড়তে টাক দেখা যায় মাথায়।

আপনিও যদি এই সমস্যায় ভোগেন তাহলে কয়েকটি প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহারের মাধ্যমেই চুল আরও ঘন ও লম্বা করতে পারবেন, তাও আবার দ্রুত। জেনে নিন করণীয়-

>> পেঁয়াজের রস চুলের জন্য খুবই উপকারী এক উপাদন। এতে থাকা পুষ্টিগুণ চুল ঘন ও লম্বা করতে সাহায্য করে। নারকেল তেল, লেবুর রস ও পেয়াঁজের রস একসঙ্গে মিশিয়ে চুলে ব্যবহার করুন। শুকিয়ে গেলে হালকা কোনো শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

>> চালের পানিও চুলের যত্নে দারুন কার্যকরী। সারারাত ভেজানো চালের পানি একটি স্প্রে বোতলে ঢেলে পুরো চুলে ব্যবহার করুন। নিয়মিত এটি ব্যবহারেই আপনি পাবেন ঘন ও লম্বা চুল।

>> চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ও নতুন চুল গজাতে ডিমের মাস্কের জুড়ি মেলা ভার। ঘরেই সপ্তাহে অন্তত একবার চুলে ব্যবহার করুন ডিমের মাস্ক।

>> ক্যানস্টর অয়েলও চুলের জন্য অনেক উপকারী। বিশেষ করে নতুন চুল গজাতে এই তেল দুর্দান্ত কাজ করে। মাথার ত্বকে আলতো হাতে ব্যবহার করুন এই তেল।

>> মেথি চুল আরও ঘন ও উজ্জ্বল করে। ৮-১০ ঘণ্টা মেথি ভিজিয়ে রেখে তা ব্লেন্ড করে ঘন পেস্ট তৈরি করে চুলে ব্যবহার করুন।

>> সালফেটমুক্ত শ্যাম্পু দিয়ে সপ্তাহে ২-৩ বার চুল ধুয়ে ফেলুন। এতে চুল ভালো থাকবে। কেমিক্যালযুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহারের কারণেও অনেক সময় চুল পড়ার সমস্যা বাড়ে।

>> চুল ঘন করতে চাইলে সঠিক খ্যাদ্যাভ্যাসও জরুরি। এজন্য পাতে রাখুন প্রোটিন, ফ্যাটি অ্যাডিস, ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও আয়রনসমৃদ্ধ খাবার।

>> চুলে অত্যধিক তাপ ব্যবহার করা বন্ধ করুন। এতে চুলের স্বাভাবিক বৃদ্ধি বাঁধাপ্রাপ্ত হয়।

>> নিয়মিত চুল আঁচড়াতে হবে। তাহলে চুলের ফলিকলগুলো আরও সক্রিয় হয়ে চুল দ্রুত ঘন ও লম্বা করে।

>> ক্যাস্টর অয়েলের পাশাপাশি চুলে নিয়মিত ব্যবহার করুন জলপাই তেল। এই তেলে থাকে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, যা চুলের জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ। হালকা গরম করে এই তেল মাথার ত্বকে মালিশ করুন।

প্রচণ্ড গরমে হিট স্ট্রোক থেকে বাঁচাবে ৫ পানীয়
                                  

বর্ষাকাল এলেও এখনো ঝুম বৃষ্টির দেখা নেই। প্রচণ্ড গরমে চারদিক তপ্ত হয়ে উঠেছে। এমন সময় হিট স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। এক্ষেত্রে দেহের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। ফলে দেখা দেয় শারীরিক জটিলতা। এক্ষেত্রে শরীর একবারেই পানিশূন্য হয়ে পড়ে।

রোদে যারা দীর্ঘক্ষণ পরিশ্রম করেন তাদের যেমন হিট স্ট্রোক হতে পারে, আবার বয়স্ক ও শিশুদের ক্ষেত্রেও এমনটি হতে পারে। এছাড়া শরীরে পানিশূন্যতা ও বিভিন্ন ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিার দরুনও গরমে হিট স্ট্রোক হতে পারে।

হিট স্ট্রোকের লক্ষণ কী কী?

প্রথমেই হতে পারে হিট ক্র্যাম্প। এর ফলে মাংসপেশিতে ব্যথা হয়, শরীর দুর্বল লাগে ও সব সময় পিপাসা পায়। পরবর্তী সময়ে দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস, মাথাব্যথা, ঝিমঝিম করা, বমিভাব, অসংলগ্ন আচরণ ইত্যাদি দেখা দেয়। এছাড়া শরীরের তাপ বেড়ে যায় ও প্রচুর ঘাম হয়।

হিট স্ট্রোক হলে শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট ছাড়িয়ে যায়। ঘাম বন্ধ হয়ে যায়। ত্বক শুষ্ক ও লালচে হয়ে যায়। এমনকি নিঃশ্বাস দ্রুত হয় ও নাড়ির স্পন্দন কমে আসে বা দ্রুত হয়।

রক্তচাপ কমে যায়। খিঁচুনি, মাথা ঝিমঝিম করা, অস্বাভাবিক আচরণ, হ্যালুসিনেশন, অসংলগ্ন ইত্যাদি। এমনকি রোগী অজ্ঞান হয়েও যেতে পারে।

তাই হিট স্ট্রোক হওয়ার আগেই তা প্রতিরোধ করা উচিত। ঘরোয়া উপায়েই হিট স্ট্রোকের ঝুঁকে এড়ানো সম্ভব। এজন্য পুষ্টিকর কিছু খাবার খেতে পারেন। বিশেষ করে কিছু পানীয় আছে, যেগুলো পান করলে গরমে শরীর ঠান্ডা থাকবে ও হিট স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমবে।

>> বাটার মিল্কে থাকে প্রোবায়োটিক, প্রোটিন এবং ভিটামিন। যা আপনার দেশের তাপমাত্রাকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে। তাই গরমে বাইরে থেকে ঘরে ফিরেই পান করুন বাটার মিল্ক।

>> আয়ুর্বেদ অনুসারে বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর সামান্য মধুর সঙ্গে পেঁয়াজের রস মিশিয়ে পান করার উপকারিতা অনেক। এতে দেহের তাপমাত্রা ও হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি কমবে।

>> গরম কাটানোর জন্য তেঁতুলও অনেক উপকারী। তেঁতুল দেহে প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে ও পানিশূন্যতা রোধ করে। এজন্য পানিতে কয়েকটি তেঁতুল সেদ্ধ করে সঙ্গে গুড় মিশিয়ে পান করুন। এতে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি কমবে আবার শরীরও থাকবে ঠান্ডা।

>> কাঁচা আমের জুস পান করলেও শরীর হবে ঠান্ডা। কাঁচা আমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। একইসঙ্গে ডায়রিয়াও প্রতিরোধ করে।

>> ছাতু খেলে পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিংক ইত্যাদি খনিজ চাহিদা পূরণ হয়। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও ভালো ছাতু। এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম হওয়ায় রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণও থাকে নিয়ন্ত্রণে।

হিট স্ট্রোক প্রতিরোধে ও পেটের স্বাস্থ্যের ভালো রাখে ছাতু। গরমে ছাতু খেলে শরীর ঠান্ডা হয় ও পানিশূন্যতাও দূর হয়।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

গরমে ঈদের পোশাক যেমন হবে
                                  

ঈদের আয়োজন শুরু হয়েগেছে। দোকানগুলোতে এখনই ভিড় জমতে শুরু করেছে। করোনায় অনেকগুলো উৎসব আমরা মন খুলে পালন করতে পারিনি। এবার সেই কড়াকড়ি নেই। আর তাই ঈদের আয়োজনে পোশাক কিনতে ভিড় করছেন মানুষেরা। যেহেতু গরমে ঈদ তাই পোশাক নির্বাচনে কিছু বিষয়ের দিকে খেয়াল রাখতেই হবে।

কাপড়

গরমে পোশাকের ক্ষেত্রে কাপড়ের দিকে নজর রাখা জরুরি। এসময় সবচেয়ে মানানসই হলো সুতির কাপড়। এতে গরম কম লাগবে, সেইসঙ্গে পাবেন আরামও। এতে সারাদিনের ঘোরাফেরায় মোটেই অস্বস্তি লাগবে না। পাতলা তাঁত ও খাদি কাপড়ের পোশাকও এসময় আরামদায়ক। সুতি কাপড়ের পাশাপাশি লিনেন, ধুপিয়ান, ভয়েল, মসলিন, চিকেন ও তাতের কাপড় গরমের জন্য উপযোগী। যেহেতু উৎসব তাই এর আমেজও ধরে রাখতে হবে। সেক্ষেত্রে পরতে পারেন কৃত্রিম মসলিন বা পাতলা চোষা কাতান।

পোশাকের রং

গরমে পোশাক নির্বাচনের ক্ষেত্রে কাপড়ের মতোই গুরুত্বপূর্ণ রং। শীতে যেমন খুশি তেমন রঙের কাপড় পরা গেলেও গরমে তা চলবে না। এসময় সাদা, হালকা গোলাপি, আকাশি, হালকা হলুদ, ধূসর, হালকা বেগুনি, হালকা নীল, বাদামিসহ হালকা রঙের পোশাক বেছে নিন।

সাদা ও অন্যান্য হালকা রঙের পোশাক তাপ শোষণ করার পাশাপাশি চোখকে প্রশান্তি দেয়। এসময় খুব বেশি উজ্জ্বল ও গাঢ় রঙের পোশাক পরবেন না। হালকা রঙের পোশাকেই আপনাকে সবচেয়ে বেশি উজ্জ্বল দেখাবে।

স্বস্তিদায়ক পোশাক

পোশাক ব্যবহারের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো স্বস্তি। যে পোশাক আপনাকে অস্বস্তি দেবে, সেটি পরে নিশ্চয়ই বেশি সময় থাকতে পারবেন না। এসময় খুব বেশি টাইট ফিটিংস পোশাক পরলে সেটি অস্বস্তিদায়ক হবে। তাই একটু ঢিলেঢালা পোশাক বেছে নিন।

হাইনেকের বদলে কলার ছাড়া গলার জামা পরতে পারেন। এতে আরাম পাবেন। হাতা ছোট হলেই ভালো। গরমে ফুল স্লিভ বা থ্রি কোয়ার্টার খুব একটা আরাম দেবে না।

ছেলেদের পোশাক

ঈদে ছেলেদের পোশাকের ক্ষেত্রেও সুতি কাপড়কে প্রাধান্য দেওয়া উচিত। এই কাপড়ের পাঞ্জাবি, শার্ট, ফতুয়া কিনতে পাবেন। বাটিক, ভেজিটেবল ডাই, টাইডাই, সুবোরি, স্ক্রিনপ্রিন্ট, ব্লক ইত্যাদির ডিজাইন করা পোশাক পাওয়া যাবে।

এসময় ফর্মালের বদলে কিনুন ক্যাজুয়াল শার্ট। এগুলো গরমে আরামদায়ক ও ফ্যাশনেবল। ফুল হাতার বদলে হাফ হাতার শার্ট পরতে পারেন। পোশাকের রং হিসেবে বেছে নিতে পারেন হালকা নীল, ধূসর, সাদা, অফহোয়াইট, অলিভ ঈত্যাদি। ঈদের নামাজ কিংবা দাওয়াতের জন্য এসময় সুতির পাঞ্জাবিই ভালো।

দাদের চিকিৎসায় জেনে নিন করণীয়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : বর্তমানে দাদের ওষুধ যত্রতত্র ব্যবহার হচ্ছে। দাদের ওষুধ ফর্সা হওয়ার জন্য ব্যবহার করেন অনেকেই। পেভিসন, মাইকোসন, ফাঙ্গারিলিক্সি, নিওস্টেনিক্সি- এগুলো মিক্স প্রেপারেশন ক্রিম। এগুলো ব্যবহার করলে দাদ কখনো ভালো হবে না।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন ইউনাইটেড হাসপাতালের ডার্মাটোলজি বিভাগের কনসালটেন্ট অধ্যাপক ডা. জিনাত মেরাজ।

দাদের ওষুধ এখন খুব স্লো কাজ করে। এজন্য ধৈর্য ধরে টানা চার-পাঁচ মাস দাদের ক্রিম ব্যবহার করতে হবে। দাদের জন্য যেসব ওষুধ ব্যবহার করতে পারেন- অক্সিফান লোশন, ফাঙ্গিট্যাক ক্রিম, লিউলিজল ক্রিম (Lulizol Cream), ক্লোট্রিমেজোল ক্রিম, ফাঙ্গিডাল ক্রিম (Fungidal cream)। এছাড়া নতুন ইবারকোনাজল ক্রিম (eberconazole cream) পাওয়া যায় এখন।

এ ধরনের ক্রিম চার মাস ব্যবহার করতে হবে। এছাড়া আপনার সঙ্গে যারা থাকে, বাচ্চা হোক বা স্বামী-স্ত্রী হোক তাদের সাবান ব্যবহার করতে হবে। কিটোকোনাজোল ও লুলিকোনাজোল সাবান পাওয়া যায়। এই সাবান গায়ে মেখে পাঁচ মিনিট পর ধুয়ে ফেলতে হবে।

আর যার দাদ হয়েছে তার ক্ষেত্রে গোসলের ১৫ মিনিট আগে সারা শরীরে কিটোকোনাজোল শ্যাম্পু লাগাতে হবে। অথবা সাইক্লোপাইরক্স শ্যাম্পু লাগাতে পারেন। শ্যাম্পু লাগানোর পর কাপড় পরতে হবে। আধা ঘণ্টা পর গোসল করতে হবে।

এই কাজটা শীতকালে সপ্তাহে তিনবার করতে পারেন। কিন্তু এটা অনেক সময় নিয়ে করতে হবে, অন্তত চার-পাঁচ মাস। এটা না করলে ঘন ঘন আপনাকে ওষুধ পরিবর্তন করতে হবে। চিকিৎসকরা আরও কঠিন কঠিন ওষুধ দেবেন, কিন্তু আপনার দাদ ভালো হবে না, আরও অনেক ঝামেলা হবে।

সূত্র: ডক্টর টিভি


   Page 1 of 13
     লাইফস্টাইল
যেসব ভুল অভ্যাস আপনার শরীরের ক্ষতি করছে
.............................................................................................
বিয়ের আগের রাতে হবু বর-কনের যা করা উচিত নয়
.............................................................................................
গর্ভাবস্থায় প্রথম তিন মাস
.............................................................................................
পায়ের পাতায় ব্যথা হওয়া যেসব রোগের ঝুঁকি বাড়ায়
.............................................................................................
শীতকালে প্রতিদিন গোসল না করলে কী হয়?
.............................................................................................
শীতে সুস্থতায় করণীয়
.............................................................................................
শীতে ওজন বেড়ে যায় যে কারণে
.............................................................................................
আস্ত জলপাইয়ের টক-ঝাল-মিষ্টি আচার
.............................................................................................
মিরপুরে মেডিস্পা বাই মুসরাত`র যাত্রা শুরু
.............................................................................................
সকালে খালি পেটে কতটুকু পানি পান করবেন?
.............................................................................................
জনপ্রিয়তা বাড়ছে কফির
.............................................................................................
নাক-কান-গলার ক্যানসার কেন হয়, কী করবেন?
.............................................................................................
চুল দ্রুত ঘন ও লম্বা করবেন যেভাবে
.............................................................................................
প্রচণ্ড গরমে হিট স্ট্রোক থেকে বাঁচাবে ৫ পানীয়
.............................................................................................
গরমে ঈদের পোশাক যেমন হবে
.............................................................................................
দাদের চিকিৎসায় জেনে নিন করণীয়
.............................................................................................
ওমিক্রনের নতুন উপধরন আরও বেশি সংক্রামক
.............................................................................................
কোথায় কতক্ষণ বেঁচে থাকে ওমিক্রন?
.............................................................................................
বিরল রোগে আক্রান্ত ৬ ভাই-বোনের বিশ্বরেকর্ড
.............................................................................................
খাওয়ার ধরনই বলে দেবে আপনি কেমন!
.............................................................................................
দাঁড়িয়ে পানি পান করে যেসব ক্ষতি করছেন নিজের
.............................................................................................
শীতে বাড়ছে চর্মরোগের প্রকোপ
.............................................................................................
বাঁধাকপি খেলে যেসব উপকারিতা পাওয়া যায়
.............................................................................................
ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় গাজর
.............................................................................................
শতবর্ষী বৃদ্ধা অনায়াসে তুলতে পারেন ৬০ কেজি
.............................................................................................
আপনার বাসায় কি ফ্রিজে ডিম রাখেন, অজান্তেই ডেকে আনছেন বড় বিপদ
.............................................................................................
ভিটামিন `ডি`র ঘাটতি পূরণে রোদে কখন কীভাবে থাকতে হবে
.............................................................................................
শীতে জুতো-মোজা পরলে পায়ে বাজে গন্ধ হচ্ছে?
.............................................................................................
হরমোনের ভারসাম্য রক্ষায় রেইনবো ডায়েট
.............................................................................................
জলপাই দিয়ে টক-ঝাল আচার তৈরির রেসিপি
.............................................................................................
শীতকালে সুস্থ থাকতে ৯টি পরামর্শ
.............................................................................................
রেসিপি : প্রেসার কুকারে রসগোল্লা তৈরি
.............................................................................................
শীতে ত্বক সজীব রাখতে যা খাবেন
.............................................................................................
রেসিপি : বুন্দিয়ার লাড্ডু
.............................................................................................
কলার চিপস
.............................................................................................
চিকেন চিজ বল তৈরির রেসিপি
.............................................................................................
শীতে যে ৫টি ফলে ত্বক হবে উজ্জ্বল
.............................................................................................
ক্যালসিয়ামের ঘাটতি হলে কী হয়?
.............................................................................................
রেসিপি: গাজরের সন্দেশ
.............................................................................................
ত্বক ভালো রাখতে চিনির ব্যবহার
.............................................................................................
কফি পান করলে কমবে চর্বি
.............................................................................................
অতিরিক্ত চুল পড়া কমাতে যা করবেন
.............................................................................................
চুলের খুসকি দূর করতে সাহায্য করে নিম পাতা
.............................................................................................
করোনায় জুসের বদলে যা খাবেন
.............................................................................................
শীতে ঠোঁট ফাটা রোধে যা করবেন
.............................................................................................
করোনা: মোবাইল ফোন জীবাণুমুক্ত রাখতে কী করবেন
.............................................................................................
পূজার রেসিপি : খাসির কষা মাংস
.............................................................................................
পেঁয়াজ সংরক্ষণের ৮ উপায়
.............................................................................................
শরতের সাজ
.............................................................................................
অ্যালোভেরার এই গুণগুলো জানতেন?
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Dynamic Scale BD