| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * খিলক্ষেতে ক্রেনের ধাক্কায় শ্রমিক নিহত   * চালের বাজারে কিছুটা স্বস্তি, বেড়েছে মাছ-মুরগি-চিনির দাম   * বিশ্বে করোনায় মৃতের সংখ্যা সরকারি হিসাবের দ্বিগুণ: আইএইচএমই   * দৌলতদিয়ায় ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড়   * স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই গণপরিবহনে, চলছে আন্তঃজেলা বাসও   * উন্নত দেশগুলোর চেয়ে একাই বেশি গ্রিনহাউস গ্যাস ছড়ায় চীন   * জার্মানিতে একদিনে ১০ লাখ মানুষের টিকা গ্রহণ   * করোনা থেকে মুক্তি পেতে জুমাতুল বিদায় বিশেষ দোয়া   * মাস্ক পরা নিয়ে সরকারের ৮ নির্দেশনা   * বাংলাদেশ ১০ হাজার রেমডেসিভির দিল ভারতকে  

   ফিচার -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ভেষজ উদ্ভিদে করোনা চিকিৎসায় সাফল্যের দাবি কৃষিবিজ্ঞানীর

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রাণঘাতি মহামারি করোনাভাইরাসের তাণ্ডবে সারা বিশ্ব যখন টালমাটাল ঠিক এমনি একটি সময়ে এই রোগের প্রতিষেধক হিসেবে ভেষজ উদ্ভিদের সন্ধান দিয়েছেন কৃষিবিজ্ঞানী ড. মো. এনায়েত আলী প্রামাণিক। তিনি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের সরেজমিন গবেষণা বিভাগের বরেন্দ্র কেন্দ্রে কর্মরত ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা।

এ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা দাবি করছেন, কোভিড-১৯ ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় একটি ভেষজ উদ্ভিদের পাতার রস ব্যবহার করে তিনি অভূতপূর্ব সফলতা পেয়েছেন। এই পাতার রস অ্যাজমা, নিউমোনিয়া ও ব্রঙ্কাইটিস রোগের প্রতিষেধক হিসাবে কাজ করে। বিশেষ করে কোভিড-১৯ জনিত নিউমোনিয়া নিরাময়ে এই পাতার জুড়ি নেই।

বাংলায় `মনসাসিজ` নামে পরিচিত এই উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নাম Euphorbia nerifolia Linn। এর ইংরেজি নাম Indian spurge tree এবং এটি Euphorbiaceae পরিবারের অর্ন্তভূক্ত একটি উদ্ভিদ। Euphorbia nerifolia গাছটি দেখতে ক্যাকটাসের মতো এবং কাটাযুক্ত কাণ্ড ট্রাঙ্ক এবং শাখা-প্রশাখা রুপান্তরে মাধ্যমে অনিয়মিত (৪-৫টি ধার) আকার ধারণ করে। সাধারণত গাছের অনুজ অংশ থেকে পাতা বের হয়। পাতা মাংশল প্রকৃতির এবং চিরসবুজ।

ড. প্রামাণিক E. nerifolia উদ্ভিদের পাতার রসের কার্যকারীতা সম্পর্কে বলেন, করোনাভাইরাসের `এস` প্রোটিন ফুসফুসের কোষের এনজিওটেনসিং হিউমান কনভার্টিং এনজাইম রিসেপটর-২ এর মাধ্যমে ভি-ফিউশন পদ্ধতিতে কোষে প্রবেশ করে। এরপর মেসেঞ্জার আরএনএ (mRNA) এর দু`টি সাব-ইউনিট ৪০s এবং ৬০s এর মধ্যে ৪০s সাব-ইউনিটের সঙ্গে কমপ্লেক্স তৈরি করে জেনোমিক ভাইরাল আরএনএ সিনথেসিস শুরু করে।

তিনি জানান, এ অবস্থায় আক্রান্ত রোগী যদি E. nerifolia এর পাতার রস খাওয়া শুরু করেন, তাহলে এটি প্রত্যক্ষভাবে ভাইরাল প্রোটিন সিনথেসিসে বাধা প্রদান করে। এই উদ্ভিদে রয়েছে প্রায় ২৩ প্রকারের ডাই-টারফিনয়েড এবং এক ধরনের গ্লাইকোসাইড। এর মধ্যে তিন বেটা ফ্রাইডেনাশল সবচেয়ে বেশি কার্যকরি এবং এই টারফিনয়েডের রয়েছে দারুণ অ্যান্টিভাইরাল কার্যকারীতা।

গবেষণায় দেখা গেছে, এর কিছু টারফিনয়েড HIV NL4 ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত কোষের প্রতিকারে সাফল্যজনকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। কোভিড-১৯ ভাইরাসে প্রায় ২৭টি রিকাম্বিন্যান্ট আর এনএ থাকার কারণে প্রতিনিয়ত এর প্রতিটি ষ্ট্রেইন মিউটেশনের মাধ্যমে পরিবর্তিত হচ্ছে। কোভিড-১৯ ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত ব্যক্তির ফুসফুস অতি দ্রুত নিউমোনিয়া দ্বারা আক্তান্ত হয় এবং ফুসফুসের ভেতর দিয়ে যে রক্তকণিকা প্রবাহিত হয়, তা জমাট বাঁধার মাধ্যমে ক্ষুদ্র দলার সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত প্রবাহকে বাধাগ্রস্থ করে হঠাৎ স্ট্রোক ঘটায়। যার ফলে দ্রুত মানুষের মৃত্যু ঘটছে।

এই বিজ্ঞানীর দাবি, প্রায় ২০০০ জন করোনা পজেটিভ রোগী এই পাতার রস সেবন করে সুস্থ হয়েছেন। প্রবাহমান পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে পরিস্কার পাতা রোগের মাত্রানুযায়ী দৈনিক ২-৩টি পাতা চিবিয়ে রস খেয়ে অবশিষ্টাংশ ফেলে দিতে হবে। এভাবে প্রতিদিন ২-৩ বার E. nerifolia এর পাতার রস খেতে হবে পুরোপুরি আরোগ্য হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত। তবে এ ক্ষেত্রে অবশ্যই মনে রাখতে হবে Euphorbiaceae পরিবারের অধিকাংশ উদ্ভিদ খুবই বিষাক্ত। তবে E. nerifolia এর পাতা সরাসারি চিবিয়ে খাওয়া যায়।

তিনি বলেন, এই উদ্ভিদটির সনাক্তকরণের সতর্কতার সঙ্গে করতে হবে। এটি চেনার উপায় হচ্ছে পাতাটি ডিম্বাকৃতির এবং পাতার বোটার নিচে কাণ্ডের সঙ্গে দু`টি কাঁটা থাকবে। শ্বাসকষ্টজনিত বিভিন্ন রোগ যেমন- অ্যাজমা, ব্রঙ্কাইটিস ও চেস্ট কনজেশন রোগে আক্রান্তদের চিকিৎসায় এই উদ্ভিদের ব্যবহার বহুকাল থেকেই প্রচলিত।

ড. মো. এনায়েত আলী প্রামাণিকসহ Euphorbia nerifolia উদ্ভিদের জার্মপ্লাজমটি গাজীপুরের বিএআরআই উদ্ভিদ কৌলিসম্পদ কেন্দ্র থেকে ইতোমধ্যে সংগ্রহ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে বিশদ গবেষণার জন্য এই জার্মপ্লাজমটি ওই কেন্দ্রে সংরক্ষণ করা হচ্ছে।

ভেষজ উদ্ভিদে করোনা চিকিৎসায় সাফল্যের দাবি কৃষিবিজ্ঞানীর
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রাণঘাতি মহামারি করোনাভাইরাসের তাণ্ডবে সারা বিশ্ব যখন টালমাটাল ঠিক এমনি একটি সময়ে এই রোগের প্রতিষেধক হিসেবে ভেষজ উদ্ভিদের সন্ধান দিয়েছেন কৃষিবিজ্ঞানী ড. মো. এনায়েত আলী প্রামাণিক। তিনি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের সরেজমিন গবেষণা বিভাগের বরেন্দ্র কেন্দ্রে কর্মরত ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা।

এ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা দাবি করছেন, কোভিড-১৯ ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় একটি ভেষজ উদ্ভিদের পাতার রস ব্যবহার করে তিনি অভূতপূর্ব সফলতা পেয়েছেন। এই পাতার রস অ্যাজমা, নিউমোনিয়া ও ব্রঙ্কাইটিস রোগের প্রতিষেধক হিসাবে কাজ করে। বিশেষ করে কোভিড-১৯ জনিত নিউমোনিয়া নিরাময়ে এই পাতার জুড়ি নেই।

বাংলায় `মনসাসিজ` নামে পরিচিত এই উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নাম Euphorbia nerifolia Linn। এর ইংরেজি নাম Indian spurge tree এবং এটি Euphorbiaceae পরিবারের অর্ন্তভূক্ত একটি উদ্ভিদ। Euphorbia nerifolia গাছটি দেখতে ক্যাকটাসের মতো এবং কাটাযুক্ত কাণ্ড ট্রাঙ্ক এবং শাখা-প্রশাখা রুপান্তরে মাধ্যমে অনিয়মিত (৪-৫টি ধার) আকার ধারণ করে। সাধারণত গাছের অনুজ অংশ থেকে পাতা বের হয়। পাতা মাংশল প্রকৃতির এবং চিরসবুজ।

ড. প্রামাণিক E. nerifolia উদ্ভিদের পাতার রসের কার্যকারীতা সম্পর্কে বলেন, করোনাভাইরাসের `এস` প্রোটিন ফুসফুসের কোষের এনজিওটেনসিং হিউমান কনভার্টিং এনজাইম রিসেপটর-২ এর মাধ্যমে ভি-ফিউশন পদ্ধতিতে কোষে প্রবেশ করে। এরপর মেসেঞ্জার আরএনএ (mRNA) এর দু`টি সাব-ইউনিট ৪০s এবং ৬০s এর মধ্যে ৪০s সাব-ইউনিটের সঙ্গে কমপ্লেক্স তৈরি করে জেনোমিক ভাইরাল আরএনএ সিনথেসিস শুরু করে।

তিনি জানান, এ অবস্থায় আক্রান্ত রোগী যদি E. nerifolia এর পাতার রস খাওয়া শুরু করেন, তাহলে এটি প্রত্যক্ষভাবে ভাইরাল প্রোটিন সিনথেসিসে বাধা প্রদান করে। এই উদ্ভিদে রয়েছে প্রায় ২৩ প্রকারের ডাই-টারফিনয়েড এবং এক ধরনের গ্লাইকোসাইড। এর মধ্যে তিন বেটা ফ্রাইডেনাশল সবচেয়ে বেশি কার্যকরি এবং এই টারফিনয়েডের রয়েছে দারুণ অ্যান্টিভাইরাল কার্যকারীতা।

গবেষণায় দেখা গেছে, এর কিছু টারফিনয়েড HIV NL4 ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত কোষের প্রতিকারে সাফল্যজনকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। কোভিড-১৯ ভাইরাসে প্রায় ২৭টি রিকাম্বিন্যান্ট আর এনএ থাকার কারণে প্রতিনিয়ত এর প্রতিটি ষ্ট্রেইন মিউটেশনের মাধ্যমে পরিবর্তিত হচ্ছে। কোভিড-১৯ ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত ব্যক্তির ফুসফুস অতি দ্রুত নিউমোনিয়া দ্বারা আক্তান্ত হয় এবং ফুসফুসের ভেতর দিয়ে যে রক্তকণিকা প্রবাহিত হয়, তা জমাট বাঁধার মাধ্যমে ক্ষুদ্র দলার সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত প্রবাহকে বাধাগ্রস্থ করে হঠাৎ স্ট্রোক ঘটায়। যার ফলে দ্রুত মানুষের মৃত্যু ঘটছে।

এই বিজ্ঞানীর দাবি, প্রায় ২০০০ জন করোনা পজেটিভ রোগী এই পাতার রস সেবন করে সুস্থ হয়েছেন। প্রবাহমান পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে পরিস্কার পাতা রোগের মাত্রানুযায়ী দৈনিক ২-৩টি পাতা চিবিয়ে রস খেয়ে অবশিষ্টাংশ ফেলে দিতে হবে। এভাবে প্রতিদিন ২-৩ বার E. nerifolia এর পাতার রস খেতে হবে পুরোপুরি আরোগ্য হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত। তবে এ ক্ষেত্রে অবশ্যই মনে রাখতে হবে Euphorbiaceae পরিবারের অধিকাংশ উদ্ভিদ খুবই বিষাক্ত। তবে E. nerifolia এর পাতা সরাসারি চিবিয়ে খাওয়া যায়।

তিনি বলেন, এই উদ্ভিদটির সনাক্তকরণের সতর্কতার সঙ্গে করতে হবে। এটি চেনার উপায় হচ্ছে পাতাটি ডিম্বাকৃতির এবং পাতার বোটার নিচে কাণ্ডের সঙ্গে দু`টি কাঁটা থাকবে। শ্বাসকষ্টজনিত বিভিন্ন রোগ যেমন- অ্যাজমা, ব্রঙ্কাইটিস ও চেস্ট কনজেশন রোগে আক্রান্তদের চিকিৎসায় এই উদ্ভিদের ব্যবহার বহুকাল থেকেই প্রচলিত।

ড. মো. এনায়েত আলী প্রামাণিকসহ Euphorbia nerifolia উদ্ভিদের জার্মপ্লাজমটি গাজীপুরের বিএআরআই উদ্ভিদ কৌলিসম্পদ কেন্দ্র থেকে ইতোমধ্যে সংগ্রহ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে বিশদ গবেষণার জন্য এই জার্মপ্লাজমটি ওই কেন্দ্রে সংরক্ষণ করা হচ্ছে।

আদা চা যে ৩ কারণে খাবেন
                                  

অনলাইন ডেস্ক : চা শুধুমাত্র একটু পানীয় নয় এটি মনকে শান্ত রাখার একটি কার্যকরী উপায়। যে কোনো অবস্থায় আমরা মনে করি চা পান করলে সমস্যার সমাধান হতে পারে কারণ সে ক্ষেত্রে আমরা মানসিকভাবে শান্ত হয়ে পড়ি।

যদিও ব্যাপারটি পুরোপুরি মানসিক ব্যাপার কিন্তু চা পানের কিছু বিশেষ গুণ রয়েছে যা আপনি কখনোই এড়িয়ে যেতে পারেন না। স্বাস্থ্য ও মন দু`টোই ভালো রাখতে এখন মানুষ নিয়মিতভাবে চা পান করছেন। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হলো যে ৩ কারণে নিয়মিত পান করবেন আদা চা।

১. ভ্রমণে বের হলেই অনেককেই বমি হওয়া কিংবা বমি ভাব নিয়ে বসে থাকতে দেখা যায়। এর মত বিরক্তিকর অনুভূতি থেকে আরাম পেতে পারেন এক কাপ আদা চা পান করলেই। তাই যে কোনো অবস্থাতেই নির্বিঘ্ন ভ্রমণের জন্য গাড়িতে বসার আগে এক কাপ আদা চা পান করে নিতে ভুলবেন না। এর কড়া গন্ধের কারণেই বমিভাব চলে যায়।

২. বিভিন্ন কৃত্রিম ওষুধ খেয়ে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর থেকে আদা চা পান করে দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে নিন। এতে থাকে প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট । এটি বর্তমানের মারণ ভাইরাস করোনাসহ সব ধরনের বড় রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার শক্তি যোগায় ভেতর থেকে।

৩. একটু কিছু খেলেই আজকাল হজমের সমস্যায় ভুগছেন? এই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে এই পানীয় পান করুন। গবেষণায় দেখা গেছে- আদা চা পানের পর দ্রুত হজমের সমস্যা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। এছাড়াও এটি খাবারে আমাদের রুচি বাড়াতেও সাহায্য করে।

এই গরমে ডিহাইড্রেশন থেকে বাঁচবেন যেভাবে
                                  

ফিচার ডেস্ক : কিছুদিন ধরে দেশে প্রচুর গরম পড়তে শুরু করেছে। দিনের তাপমাত্রা প্রায় ৪০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের কাছাকাছি থাকে বা কখনো কখনো এর উপরেও চলে যায়। এত বেশি তাপমাত্রা আমাদের শরীরে নানা ধরনের সমস্যা তৈরি করে। তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ দুটি সমস্যা হলো- ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা এবং হিট স্ট্রোক। বিস্তারিত জানাচ্ছেন মো. বিল্লাল হোসেন-

ডিহাইড্রেশন কী
পরিবেশের তাপমাত্রা বেশি হওয়ার ফলে দেহ থেকে প্রয়োজনীয় পানি বের হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে ডিহাইড্রেশন বলা হয়। ডিহাইড্রেশনের ফলে দেহের জন্য প্রয়োজনীয় মিনারেল সমূহের ঘাটতি দেখা দেয়। ডিহাইড্রেশন তাপমাত্রাজনিত মারাত্মক একটি সমস্যা। পানিশূন্যতার ফলে আমাদের ডায়রিয়া, বমি এবং জ্বর হতে পারে; যা অনেক সময় খুবই মারাত্মক আকার ধারণ করে। বিশেষ করে শিশুরা ও যাদের বয়স ৬০ বছর কিংবা তার কাছাকাছি, এ ধরনের লোকই পানিশূন্যতায় বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকে।

ডিহাইড্রেশনের কারণ
স্বাভাবিক অবস্থায় আমাদের দেহ থেকে ঘাম, কান্না, শ্বাস-প্রশ্বাস, মূত্র ও পায়খানার মাধ্যমে পানি নিঃসরিত হয়। একজন স্বাস্থ্যবান ব্যক্তির ক্ষেত্রে পানিশূন্যতা পূরণ হয় বিভিন্ন ধরনের তরল পান ও খাবারের মাধ্যমে। কিন্তু যখন কোনো ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে যান বিশেষ করে যাদের জ্বর, ডায়রিয়া কিংবা বমি হয়; তাদের ক্ষেত্রে ডিহাইড্রেশন ঘটে। এছাড়াও এটি অতিরিক্ত তাপমাত্রা যুক্ত স্থানে থাকার কারণে বা রোদে থাকার কারণে হয়ে থাকে। এটি মূলত ঘটে তখনই; যখন আমাদের দেহের প্রয়োজনীয় মিনারেল যেমন- সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ইত্যাদি দেহ থেকে বের হয়ে যায়। এছাড়াও ডিহাইড্রেশন হয়ে থাকে অনেক সময় ডাইইউরেটিক্স জাতীয় ওষুধ সেবনের কারণে। কেননা এ জাতীয় ওষুধগুলো দেহ থেকে তরল এবং ইলেকট্রোলাইটসমূহ শোষণ করে থাকে। ফলে সহজেই ডিহাইড্রেশন হয়ে যায়।

লক্ষণসমূহ
ডিহাইড্রেশনের অনেকগুলো লক্ষণ রয়েছে। সেগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণসমূহ নিম্নে উল্লেখ করা হলো-
• অতিরিক্ত তৃষ্ণা পাওয়া
• মূত্র নিঃসরণ কমে যাওয়া
• ত্বক শুকিয়ে যাওয়া
• মাথা ব্যথা করা
• অবসাদ
• মাথা ঘোরা
• কোনো কাজ করতে গেলে সন্দেহে ভোগা
• মুখ ও মিউকাস মেমব্রেন শুকিয়ে যাওয়া
• হৃদস্পন্দন এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের হার বেড়ে যাওয়া।

তবে শিশুদের ক্ষেত্রে আরও কিছু অতিরিক্ত লক্ষণ দেখা যেতে পারে, যেমন-
• মুখ এবং গলা শুকিয়ে যাওয়া
• কান্নার সময় চোখ দিয়ে পানি বের না হওয়া
• অনেকক্ষণ ধরে ডায়াপার ভিজে না যাওয়া
• উদাসীনতা
• বিরক্তিভাব ইত্যাদি।

ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধের উপায়
কিছু পূর্ব সতর্কতা ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধে দারুণ ভূমিকা পালন করে। সেগুলো নিম্নে তুলে ধরা হলো-
• প্রচুর পানি পান করুন। বিশেষ করে যখন প্রচুর রোদে থাকেন অথবা কাজের মধ্যে থাকেন।
• দেহ থেকে যে পরিমাণে তরল বের হয়ে যাচ্ছে, অবশ্যই তার থেকে বেশি পানি পান করুন এবং তরল খাবার খান।
• বাইরে যেসব কাজ থাকে, সেগুলো দিনের ঠান্ডা সময় বা তুলনামূলক কম তাপমাত্রার সময় করার চেষ্টা করুন।
• আপনি চাইলে সকালে এবং বিকেলে দিনের কাজগুলো শেষ করতে পারেন।
• দেহে ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য রক্ষা করতে বিভিন্ন ধরনের তরল, যেমন- ডাবের পানি কিংবা স্যালাইন পান করুন।
• শিশুদের জন্য পেডিওলাইট নামক একধরনের তরল পাওয়া যায়, সেগুলো তাদের পান করানোর চেষ্টা করুন।
• কখনোই বাড়িতে পানীয় কিংবা লবণের দ্রবণ তৈরি করে পান করানোর চেষ্টা করবেন না।

রোজায় পানিশূন্যতা যেন না হয়
                                  

কেয়া আমান : গরমে বেশি বেশি পানি পান করতে হয়। কিন্তু রোজা রেখে তো আর সারাদিন পানি খাওয়ার সুযোগ নেই। তারওপর ঘাম, প্রসাবের মাধ্যমে সারাদিনে শরীর থেকে প্রচুর পানি বেরিয়ে যায়। কিন্তু রোজা রাখায় তা আর পূরণ করা সম্ভব হয় না। বয়স্কদের এ সমস্যা আরও বেশি। আবার যারা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ রাখার জন্য ডাই-ইউরেটিকজাতীয় ওষুধ সেবন করেন, তাদেরও এ সমস্যা হতে পারে।

এদিকে ইফতারে শরবত বা অন্য কোনো পানীয় খেয়ে পিপাসা মেটানোর পর অনেকেই পর্যাপ্ত পানি খাবার কথা মনে রাখেন না। এতে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয়; যা থেকে সৃষ্টি হয় নানারকম শারীরিক সমস্যা। শরীরে পানির ঘাটতি দেখা দিলে শরীরে ইলেকট্রোলাইট ইমব্যালান্স হয়। অর্থাৎ শরীরে তরলরূপে থাকা বিভিন্ন লবণ যেমন- সোডিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ক্লোরাইড, ক্যালসিয়াম, ফসফেট, পটাসিয়ামের মতো বিভিন্ন উপাদানের অসামঞ্জস্যতা দেখা দেয়। এই অসামঞ্জস্যতার মাত্রা বাড়লে মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। তাই রোজা রাখলেও শরীর যেন পানিশূন্য না হয় সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।

পানিশূন্যতার লক্ষণ
শরীরে পানিশূন্যতা হলে চোখ গর্তে চলে যায়, দৃষ্টি ঝাপসা হওয়া, প্রস্রাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়া, মাথাব্যথা, কর্মক্ষমতা কমে যাওয়া, দুর্বলতা, ত্বক শুকিয়ে যাওয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেওয়াসহ বিভিন্ন সমস্যা হয়।

প্রতিকার
সাধারণত প্রতি ঘণ্টায় এক গ্লাস পানি খেতে হয়। রোজা রাখলে সারাদিনের পানির চাহিদা পূরণ করতে সেই হিসাবে ইফতার থেকে সাহরি পর্যন্ত বয়স, ওজন ও উচ্চতাভেদে প্রায় ১২ থেকে ১৬ গ্লাস পানি খাওয়া প্রয়োজন। ইফতারিতে বেশি খাবার খাওয়া ঠিক নয়। কারণ খাদ্য পরিপাকি করতে গিয়ে প্রচুর পানি ব্যয় হয়। ফলে শরীরে দ্রুত পানিশূন্যতা দেখা দেয়। পানিশূন্যতা থেকে বাঁচতে রমজানে শুধু পানি পরিমাণমতো খেলেই চলবে না। পাশাপাশি বেশি বেশি অন্যান্য তরল খাবার খেতে হবে, যাতে ইলেকট্রোলাইট ইমব্যালান্স না হয়। যেমন: ডাবের পানি, লেবুর শরবত, স্যালাইন, গুড়ের শরবত, ফলের জুস, লাচ্ছি, দুধ, স্যুপ ইত্যাদি। মাছের ঝোল, ডাল খেলেও কিছুটা পানির চাহিদা পূরণ হবে।

ইলেকট্রোলাইট ব্যালান্সে ফলের রস
পানির চাহিদা পূরণের জন্য ফলের রস খেতে পারেন। এটি ইলেকট্রোলাইট ব্যালেন্স করবে। এখন তরমুজ, বাঙ্গি, কাঁচা আম, মাল্টা, নাশপাতি, কমলা, বেলসহ নানারকম মৌসুমি ফল বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। এসব ফল দিয়ে জুস বা শরবত বানিয়ে খেতে পারেন।

শিশুদের পানিশূন্যতা রোধে
অনেক পরিবারেই ছোটদেরও রোজা রাখতে দেখা যায়। এতে শিশুদেরও দেখা দিতে পারেন পানিশূন্যতা। শিশুদের পানিশূন্যতা দূর করার জন্য ইফতারের পর বেশি পানি, ফলের জুস, ফল, ডাবের পানি খাওয়াতে হবে। কিছুক্ষণ পর পর খাওয়ানো ভালো। খেয়াল রাখুন বাচ্চারা যেন খুব বেশি ঠাণ্ডা পানি পানি না করে। নয়তো গলাব্যথা, জ্বর, ঠাণ্ডা বা টনসিলের সমস্যা দেখা দিতে পারে। বড়দের মতো ইফতারে ভাজাপোড়া বা তেলজাতীয় খাবার শিশুরাও খুব পছন্দ করে। কিন্তু এগুলো কম খেতে দিয়ে ফল, সালাদ বেশি খাওয়াতে হবে। পেট ঠাণ্ডা থাকবে।

বাড়তি সতর্কতা
আসলে রোজার সময় একটু সতর্ক হলেই আমরা পানিশূন্যতা থেকে বাঁচতে পারি। প্রয়োজন শুধু নিয়ম করে সঠিক পরিমাণে পানি খাওয়া আর যেসব কারণে শরীর থেকে পানি বেরিয়ে যায় সেগুলো এড়ানো। এজন্য ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত দৈনিক কমপক্ষে ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন। একবারে বেশি পানি খাবেন না, বরং অল্প অল্প করে তৃষ্ণা অনুযায়ী পানি পান করুন। সাহরি ও ইফতারে তাজা ফল আর শাকসবজি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এই খাবারগুলোতে আছে প্রচুর আঁশ আর পানি। ফলে দেহে পানিশূন্যতা কমায়। খুব ঝাল-মসলাযুক্ত, ভাজাপোড়া খাবার সাহরি বা ইফতারে এড়িয়ে চলুন। এসব খাবার তৃষ্ণা বাড়ায়। খাবারে লবণ কম ব্যবহার করুন। অতিরিক্ত লবণ শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি করে। ইফতারের পর চা বা কফি পানের অভ্যাস থাকলে তা নিয়ন্ত্রণে আনুন, অতিরিক্ত চা-কফি প্রস্রাবের পরিমাণ বাড়ায়, যার ফলে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। ইফতারে কোমল পানীয় এড়িয়ে চলতে চেষ্টা করুন। এতে তৃষ্ণা তো মেটেই না বরং শরীর আরও পানি হারায়, এর সাথে যোগ হয় অতিরিক্ত ক্যালোরি। ঘামের সাথেও শরীর থেকে প্রচুর লবণ ও পানি বের হয়ে যায়। তাই রোজায় বাইরে গেলে রোদ এড়াতে ছাতা ব্যবহার করুন এবং দীর্ঘক্ষণ রোদে থাকা এড়িয়ে চলুন।

সেহরীতে কী খাবেন, কী খাবেন না
                                  

পবিত্র রমজান মাস। এ মাসে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা রোজা রাখেন এবং ইবাদত করেন।

রমজানে কোভিড-১৯ এর কথা মাথায় রেখে এবং আমাদের সকলের সুস্থতার জন্য চাই একটু বাড়তি সতর্কতা। এ মাসে খাদ্যাভ্যাস এমন হওয়া প্রয়োজন যেন আমরা পর্যাপ্ত পরিমাণ পুষ্টি খাবার থেকে পাই এবং আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।

রমজানের সময় এমনিতেই আমাদের দৈনন্দিন রুটিনে পরিবর্তন আসে এবং অনেকে পানিশূণ্যতা, কোষ্ঠকাঠিন্য, এসিডিটি, বুকে পেটে ব্যাথা, বদ-হজম সহ নানা জটিলতায় ভোগেন। তবে খাবার গ্রহণে কিছুটা সতর্কতা ও নিয়ম মেনে চললে অনেক স্বাস্থ্যগত সমস্যা এড়ানো সম্ভব।

ইফতার, রাতের খাবার ও সেহেরীর প্রতি সমান গুরুত্ব দেয়া একান্ত প্রয়োজন। অনেকে সেহেরীর সময় শুধু পানি, খেজুর খেয়ে রোজা রাখেন। পানি, খেজুর আমাদের শরীরের জন্য অবশ্যই ভালো। তবে এই দুটো জিনিস আমাদের সারাদিনের শক্তি সরবরাহের জন্য যথেষ্ট নয়। কেমন হবে সেহেরীর খাবার চলুন জেনে নেই।

এই সময়ের খাবারে জটিল শর্করা যেমন- লাল চাল, লাল আটা, ওটস, বার্লি, শস্য দানা খেলে অনেক সময় পর্যন্ত শক্তি পাওয়া যায়। কেননা এই জাতীয় খাবার ধীরে হজম হয় এবং সময় নিয়ে রক্তে গ্লুকোজ সরবরাহ করে।

সেহেরীতে প্রোটিন জাতীয় খাবার অবশ্যই রাখতে হবে। প্রথম শ্রেণির প্রোটিন যেমন- মাছ,মাংস, ডিম, দুধ এই ধরণের খাবার খেতে হবে।

রোজায় ডাল জাতীয় খাবার পরিমাণে বেশি খাওয়া হয় বলে মাছ, মাংস, দুধ ও ডিমের দিকে একটু খেয়াল রাখতে হবে।

প্রাণি থেকে প্রাপ্ত প্রোটিন হাই বায়োলজিক্যাল ভ্যালু সম্পন্ন হওয়ায় এটি অধিক সময় আমাদের কর্মক্ষম রাখে এবং শরীরের ক্ষয় পূরণ করে।

সেহেরীতে আঁশ সমৃদ্ধ খাবারকে বেছে নিতে হবে। আঁশ সমৃদ্ধ খাবারের মধ্যে বিভিন্ন শাক-সবজি রয়েছে। রঙিন ও পানি জাতীয় সবজি (লাউ, পটল, পেঁপে, ঝিঙা, চিচিঙ্গা, টমেটো, চালকুমড়া, ক্যাপ্সিকাম, বীট, গাজর, ইত্যাদি) পাকস্থলিতে উত্তেজনা কমায় এবং সহজে হজম হয়। তাই মিশ্র সব্জিও সেহেরীতে রাখতে পারেন। তবে যারা সেহেরীতে তরকারি জাতীয় খাবার খেতে চান না তারা দুধ, কলা, আম দিয়েও খেয়ে নিতে পারেন। সেই সঙ্গে বিভিন্ন ড্রাই ফ্রুট যেমন কিসমিস, কাঠবাদাম, খেজুর (১/২ টি)-ও এসময় খাওয়া যায়। এগুলো শরীরে শক্তি সরবরাহ করে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, শ্বাস-তন্ত্রের জটিলতা দূর করে, হজমে সহায়তার পাশাপাশি হার্ট ভালো রাখে।
ইফতার থেকে সেহেরী পর্যন্ত সারা দিনের বরাদ্দকৃত ১.৫-২ লিটার পানি পান অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে। তবে সেহেরীতে একবারে অনেকটা পানি খাওয়া ঠিক নয়। কোনোভাবেই যেন পানিশূন্যতা না হয় সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে।

অনেকের সেহেরীর পর চা, কফি খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে। চা, কফি ডাইইউরেটিক হওয়ার ফলে সহজেই শরীর থেকে প্রস্রাবের মাধ্যমে পানি বের হবে দেয়। ফলে খুব দ্রুত পানি পিপাসা পায়। অনেক সময় পেটে অস্বস্তি বৃদ্ধি করে। চা, কফির ক্যাফেইন আমাদের শরীরে আয়রন শোষণে ব্যাঘাত ঘটায়।

তাই চেষ্টা করুন এই জাতীয় খাবার সেহেরীতে না খাওয়ার। ডায়বেটিক রোগীদের মিষ্টির ক্ষেত্রে সর্তক থাকতে হবে। এ সকল রোগীর রক্তের গ্লুকোজ বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়া কোনটিই ভালো নয়। সেহেরী যথাসম্ভব দেরি করে খেলে পেট দীর্ঘ সময় ভরা থাকে। সুষম খাবার আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে বলে আমাদের সকলেরই খাবারের ৬টি উপাদানের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে।

সস্তা সবজি টমেটো স্বাস্থ্যের পুষ্টগুনে ভরপুর
                                  

মিয়া আবদুল হান্নান : টমেটো ২৫ কেজিতে ১কেরেট বর্তমান পাইকারি বাজারে ১ কেরেট টমেটো ১ শত ৮০ টাকা। কাঁচা বাজারে ১ কেজি ১০ টাকায় পাওয়া যায়। সস্তা সবজি গুনগত মানে প্রচুর পরিমানে পুষ্টিগুন। বেশি বেশি টমেটো খেয়ে ভিটামিন ও পুষ্টির ঘাটতি পুরণ করুন। টমেটো একটি ক্ষুধাবর্ধক, তৃপ্তিদায়ক ফল ও সবজি। পাকা টমেটো ছোট বড় সকলের পছন্দনীয় ও সালাতে অতুলনীয়। টমেটোতে রয়েছে আমিষ, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন `এ` এবং ভিটামিন `সি`। টমেটো খেলে রক্তের লাল কণিকা বৃদ্ধি পায় এবং শরীরের ফ্যাকাশে ভাব ও রক্তস্বল্পতা দূর হয়। বিজ্ঞানীদের মতে, শরীরের পুষ্টির জন্য যা যা দরকার লৌহ এবং অন্য ক্ষার টমেটোতে প্রচুর পরিমাণে রয়েছে। আপেল, কমলালেবু, আঙুর প্রভৃতি দামি ফলের চেয়ে টেমেটোতে রক্ত তৈরির ক্ষমতা বেশি আছে। এতে লবণ, পটাশ, লোহা, চুন আর ম্যাঙ্গানিজ যথেষ্ট পরিমাণে রয়েছে। তাছাড়াও কাঁচা ও পাকা টমেটো রান্না করে খেতে বেশ মজাদার। চলুন তাহলে জেনে নেই টমেটোর প্রচুর ঔষধি গুণ সম্পর্কে।

পুষ্টি তালিকা
প্রতি ১০০ গ্রাম টমেটোতে আছে ০.৯ গ্রাম আমিষ, ৩.৬ গ্রাম শর্করা, ০.৮ মি. গ্রাম আঁশ, ০.২ মি. গ্রাম চর্বি, ২০ কিলোক্যালরি শক্তি, ৪৮ মি. গ্রাম ক্যালসিয়াম, ২০ মি. গ্রাম ফসফরাস, ০.৬৪ মি. গ্রাম লৌহ, ৩৫১ মাইক্রোগ্রাম ক্যারোটিন ও ২৭ মি. গ্রাম ভিটামিন `সি`।

ঔষধি গুণ
টমেটোর লাইকোপেন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ক্যান্সার প্রতিরোধ ও হৃদরোগে কার্যকর। * যারা সবসময় রোগা অবস্থায় থাকেন বা দুর্বল লাগে তারা সকাল বিকাল পাকা টমেটো সালাদ করে খান বা রস খান উপকার পাবেন। * যাদের পায়খানা কম হয় বা শক্ত হয় তারা সকাল বিকাল দুই/একটা টমেটো কামড়িয়ে খান। সমস্যা কমে আসবে। * যাদের চামড়ায় নানা রোগ আছে বা মসৃণতা কমে গেছে। তারা টমেটো সালাদ করে অথবা রস খান উপকার পাবেন। * নিয়মিত টমেটো খেলে পাকস্থলী ও অন্ত্র সুস্থ ও সবল থাকে। * যাদের মুখে অরুচি ও খিদে কম পায় তারা টমেটো টুকরো টুকরো করে কেটে তাতে শুকনো আদার গুঁড়ো ও সামান্য মিশিয়ে খান বেশ উপকার পাবেন। * টমেটো মূত্রথলির অ¤তাকে নিরপেক্ষ রাখতে সাহায্য করে। ফলে মূত্রাশয়ের সংক্রামণ ও পাথর তৈরি হয় না। * ফ্যাকাশে চেহারার লোকেরা বা যাদের শরীরে রক্তের পরিমাণ কম তারা প্রতিদিন বড় মাপের একটি পাকা টমেটো নিয়মিত খান বেশ উপকার পাবেন। * যাদের অর্শ্ব, জন্ডিস, পুরনো জ্বর আছে তারা নিয়মিত টমেটো খান উপকার পাবেন। * গর্ভবতী মা ও যাদের বাচ্চা হয়েছে তারা নিয়মিত টমেটো খান শরীরিক ও মানসিক শক্তি বাড়বে। যা মা ও বাচ্চার খুবই উপকার হবে। * যাদের পেটে গ্যাস জমা হয়, হজম কম হয় তারা টমেটো খান সমস্যা কমে আসবে। * ছোট বাচ্চাদের দিনে তিনবার অল্প করে টমেটোর রস খাওয়ালে বাচ্চা নিরোগ ও সবল দেহ নিয়ে গড়ে উঠে। * আমাদের হৃদপিন্ডের ন্যায় টমেটোতেও চারটি প্রকোষ্ঠ রয়েছে। আবার হৃদপি-ের বর্ণের সাথে টমেটোর সাদৃশ্য লক্ষ্য করা যায়। তাই টমেটো হৃদরোগ ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর। এছাড়াও টমেটো ভিটামিন এ ও সি এর এক অনন্য উৎস। টমেটো মহান আল্লাহ তায়ালার এক অপূর্ব দান। এর উপকারিতার শেষ নেই। তাই সুস্থ, নিরোগ থাকতে যদি চান, নিত্যদিন একটি করে টমেটো খান। ডাক্তার মাওলানা লোকমান হেকিমের লেখা টমেটোর গুনা-গুন থেকে।

সংসার সুখের হয় রমণীর গুনে, গুনধর স্বামী যদি থাকে তার সনে
                                  

মিয়া আবদুল হান্নান : কামরুল হাসান সোহেল কেরানীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কর্মকর্তা ( ভূমি) নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট ও কেরানীগঞ্জ দলমত নির্বিশেষে জনপ্রিয়তায় জনতার কাতারে। দুর্বল মানুষের ভূমি, ভিটি অবৈধ দখলদারত্বের হাত থেকে রক্ষা করে, অসহায় মানুষটির জবরদখল হয়ে পুনঃ ফিরিয়ে দেয়া, সেই লোকটি রুটি-রুজির পথ করে দেয়া, নালা খাল দখলকারীদের উচ্ছেদ করে, এলাকার পরিবেশ, সৌন্দর্য বৃদ্ধির, সাহসী পুরুষ, একটি ভালোবাসার মানুষ। প্রতি দিন ফেসবুক খুলতেই কেরানীগঞ্জ মডেল উপজেলার যুগান্তকারী পদক্ষেপকারী কামরুল হাসান সোহেলের ছবি। কেরানীগঞ্জ প্রেসক্লাবের বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়া পত্রিকার, ইলেকট্রিক মিডিয়ার কর্মরত সাংবাদিকদের মূখে একটি নাম শোনা যায় কামরুল হাসান সোহেল ভাই। কেরানীগঞ্জ সহকারী কর্মকর্তা ( ভূমি) কামরুল হাসান সোহেল ও নববধূ তার সহধর্মিণীকে নিয়ে দু`কলম লেখাঃ-নববধূ সুখী সংসার বিবাহের পর সাংসারিক জীবনের শুরু একজন মানুষের জীবনে টার্নিংপয়েন্ট। তখন থেকে কারো কারো জীবনে নেমে আসে অনাবিল শান্তি। স্বর্গের সুখ তারা এ দুনিয়াতে থেকেই ভোগ করতে থাকেন। এর জন্য প্রয়োজন পাত্র-পাত্রী যোগ্য হওয়া। ইবনে মাজার এক হাদিসে এসেছে, তাকওয়ার পর একজন মানুষের সবচেয়ে বড় অর্জন হচ্ছে যোগ্য পাত্রী পাওয়া। নবী করিম (সা.) সেখানে যোগ্য পাত্রীর কিছু বর্ণনা দিয়েছেন। যোগ্য পাত্রীর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, পাত্রী নেককার, স্বামীর অনুগত, স্বামীর আনন্দের কারণ ও স্বামীর আমনত হেফাজতকারী হওয়া। স্বামীরও কিছু গুণাগুণ আছে, যেগুলো থাকলেই স্বামী যোগ্য বলে বিবেচিত হবে। তিরমিজী শরিফের এক হাদিসে এসেছে, স্বামীর গুণাগুণের অন্যতম দু`টি গুণ হচ্ছে, স্বভাব-চরিত্র ঠিক থাকা ও দ্বীনদার হওয়া। মূলত এ দু`টি ঠিক থাকলে শাখাগত বিষয় হিসেবে বাকিগুলো এমনিতেই চলে আসবে।

মানুষের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলোর অন্যতম হচ্ছে বৈবাহিক জীবন। যখন মানুষ অবিবাহিত থাকে, মনে হয় জীবন যেন নীড় হারা পাখি। এক পর্যায়ে তার সঙ্গে জীবনসঙ্গী হিসেবে অপরিচিত একজন যুক্ত হয়। তখন সবকিছুতে কেমন যেন একটা পরিবর্তন। স্বভাব-চরিত্র থেকে নিয়ে সর্বত্র একটা শান্তভাব, স্থিতিশীলতা ফিরে আসে। পূর্ণতা পায় ঈমান আমল।

ইমাম বাইহাকি হজরত আনাস (রা.) এর সূত্রে, নবী করিম (সা.) থেকে এ প্রসঙ্গে একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন। রাসূল (সা.) উম্মতে মুসলিমাকে লক্ষ্য করে বলেছেন, `বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপনের দ্বারা মানুষের অর্ধেক দ্বীনদারি পূর্ণ হয়ে যায়। এখন সে যেন বাকি অর্ধেকের পূর্ণতার চিন্তা করে।` বৈবাহিক সম্পর্কের দ্বারা দু`জন মানুষের মনে যে প্রেম ভালোবাসা জন্ম নেয় তা তুলনাহীন। আমৃত্য সে বন্ধন নিবিড় থেকে আরো নিবিড় হতে থাকে।

হাদিসের প্রসিদ্ধ গ্রন্থ `সুনানে ইবনে মাজাহ`তে এ প্রসঙ্গে হাদিস বর্নিত হয়েছে। হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) রাসূল (সা.) থেকে বর্ণনা করেন, রাসূল (সা.) বলেছেন, বৈবাহিক সম্পর্কের দ্বারা স্থাপিত ভালোবাসার সম্পর্ক তুলনাহীন। আমি অন্য কোনো ক্ষেত্রে এমন গভীর সম্পর্ক দেখি না।` এই ভালোবাসা শুধু স্বামী-স্ত্রীর মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকে না। বরং তারা দু`জনকে ছাড়িয়ে অন্যান্য আত্মীয়-স্বজনের মাঝেও তা ছড়িয়ে পড়ে। গ্রাম বাংলায় এমন দৃশ্য প্রায়ই দেখা যায়, বিবাদমান দু`টি গোষ্ঠির মাঝে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপনের ফলে সম্প্রীতি ফিরে এসেছে।

(কামরুল হাসান সোহেল এর উত্তর পেলে লেখার স্বার্থকতা। মিয়া আবদুল হান্নান, কাউন্সিলর বিএফইউজে-বাংলাদেশ। কার্যনির্বাহী সদস্য কেরানীগঞ্জ প্রেসক্লাব, ঢাকা।)

ভালোবাসার দিন আজ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি, ভ্যালেন্টাইনস ডে বা ভালোবাসা দিবস। আজ আবার পহেলা ফাল্গুনও। ঋতুরাজ বসন্তের প্রথম দিনটির সঙ্গে ভালোবাসা মিলেমিশে একাকার।

ফুলে রাঙা বাসন্তী মোহ আজ যুগলদের মনের উচ্ছ্বাসকে বাড়িয়ে দেবে কয়েকগুণ। শুধু তরুণ-তরুণী নয়, নানা বয়সের মানুষই ভালোবাসার এই দিনে একসঙ্গে সময় কাটাবেন। দিনটি পশ্চিমা সংস্কৃতির অনুষঙ্গ হলেও ভ্যালেন্টাইনস ডে বা ভালোবাসা দিবসে এখন বাঙালি জীবনের সঙ্গেও মিশে গেছে।

অনেকেই বলে থাকেন, ফেব্রুয়ারির এ সময়ে পাখিরা তাদের জুটি খুঁজে বাসা বাঁধে। নিরাভরণ বৃক্ষে কচি কিশলয় জেগে ওঠে। তীব্র সৌরভ ছড়িয়ে ফুল সৌন্দর্যবিভায়। পরিপূর্ণভাবে বিকশিত হয়। এ দিনে চকোলেট, পারফিউম, গ্রিটিংস কার্ড, ই-মেইল, মুঠোফোনের এসএমএস-এমএমএসে প্রেমবার্তা, হীরার আংটি, প্রিয় পোশাক, জড়াজড়ি করা খেলনা মার্জার অথবা বই ইত্যাদি শৌখিন উপঢৌকন প্রিয়জনকে উপহার দেয়া হয়।

নীল খামে হালকা লিপস্টিকের দাগ, একটা গোলাপ ফুল, চকোলেট, ক্যান্ডি, ছোট্ট চিরকুট আর তাতে দু`ছত্র গদ্য অথবা পদ্য হয়ে উঠতে পারে উপহারের অনুষঙ্গ।

ইতিহাসবিদদের মতে, দুটি প্রাচীন রোমান প্রথা থেকে এ উৎসবের সূত্রপাত। এক খ্রিস্টান পাদ্রী ও চিকিৎসক ফাদার সেন্ট ভ্যালেনটাইনের নামানুসারে দিনটির নাম `ভ্যালেনটাইনস ডে` করা হয়। ২৭০ খ্রিস্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি খ্রিস্টানবিরোধী রোমান সম্রাট গথিকাস আহত সেনাদের চিকিৎসার অপরাধে সেন্ট ভ্যালেনটাইনকে মৃত্যুদণ্ড দেন। মৃত্যুর আগে ফাদার ভ্যালেনটাইন তার আদরের একমাত্র মেয়েকে একটি ছোট্ট চিঠি লেখেন, যেখানে তিনি নাম সই করেছিলেন `ফ্রম ইওর ভ্যালেনটাইন`। সেন্ট ভ্যালেনটাইনের মেয়ে এবং তার প্রেমিক মিলে পরের বছর থেকে বাবার মৃত্যুর দিনটিকে ভ্যালেনটাইনস ডে হিসেবে পালন করা শুরু করেন। যুদ্ধে আহত মানুষকে সেবার অপরাধে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত সেন্ট ভ্যালেনটাইনকে ভালোবেসে দিনটি বিশেষভাবে পালন করার রীতি ক্রমে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।

ভ্যালেনটাইনস ডে সার্বজনীন হয়ে ওঠে আরও পরে প্রায় ৪০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে। দিনটি বিশেষভাবে গুরুত্ব পাওয়ার পেছনে রয়েছে আরও একটি কারণ। সেন্ট ভ্যালেনটাইনের মৃত্যুর আগে প্রতি বছর রোমানরা ১৪ ফেব্রুয়ারি পালন করত `জুনো` উৎসব। রোমান পুরানের বিয়ে ও সন্তানের দেবী জুনোর নামানুসারে এর নামকরণ। এ দিন অবিবাহিত তরুণরা কাগজে নাম লিখে লটারির মাধ্যমে তার নাচের সঙ্গীকে বেছে নিত। ৪০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে রোমানরা যখন খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীতে পরিণত হয় তখন `জুনো` উৎসব আর সেন্ট ভ্যালেনটাইনের আত্মত্যাগের দিনটিকে একই সূত্রে গেঁথে ১৪ ফেব্রুয়ারি `ভ্যালেনটাইনস ডে` হিসেবে উদযাপন শুরু হয়। কালক্রমে এটি সমগ্র ইউরোপ এবং ইউরোপ থেকে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।

বাংলাদেশে `ভালোবাসা দিবস` উদযাপন যিনি চালু করেন তিনি হচ্ছেন সাংবাদিক শফিক রেহমান। ১৯৯৩ সালে তার সম্পাদিত যায়যায়দিন পত্রিকায় প্রথম এই দিনটিকে উপলক্ষ করে বিশেষ `ভালোবাসা সংখ্যা` বের করেছিলেন তিনি। দিনে দিনে সে ভালোবাসা দিবস বাংলাদেশে রূপ নিয়েছে রীতিমত উৎসবে।

এ প্রসঙ্গে ২০২০ সালে বিবিসি বাংলাকে সাংবাদিক শফিক রেহমান বলেন, ১৯৯৩ সালে আমি ঢাকায় যায়যায় দিন পত্রিকাটি প্রকাশ করি। সে বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইন্স ডে সামনে রেখে আমরা একটি বিশেষ সংখ্যা বের করার পরিকল্পনা করি এবং পাঠকদের কাছে লেখা আহ্বান করি। আমি তখন বলেছিলাম, একটি দিনে প্রতিটি মানুষের অন্তত সবার কাছে ভালোবাসাটা প্রকাশ করা উচিত। ভালোবাসা দিবস শুধু স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে নয়, সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেয়া উচিত। অর্থাৎ বাবা-মার সঙ্গে ছেলে মেয়ের, দাদা-দাদির সঙ্গে নাতি-নাতনির, এমনকি বাড়িওয়ালার সঙ্গে ভাড়াটিয়ার। পুলিশের সঙ্গে পাবলিকের, যদি সম্ভব হয়। আমি মনে করেছি এতে দেশে সহিংসতা কমে আসবে।

তিনি আরো বলেন, আমি তখন পাঠকদের কাছে তাদের অভিজ্ঞতা চেয়ে পাঠালাম এবং আমি বিপুল সাড়া পাই। বলতেই হবে, বাঙালি আসলেই প্রেমিক। নইলে এত লেখা আমরা কেমন করে পেতাম।

ভ্যালেন্টাইন্স ডে কেন বাংলাদেশে ভালোবাসা দিবস নামে চালু করলেন সে প্রশ্নের উত্তরও দেন শফিক রেহমান। তিনি বলেন, আমি বহুবছর লন্ডনে থাকার সুবাদে জানতাম, সেখানে কীভাবে ভ্যালেন্টাইন্স ডে উদযাপিত হয়। কিন্তু বাংলাদেশে এ নামের পরিবর্তে ভালোবাসা দিবস দিয়েছিলাম ইচ্ছে করে। ভ্যালেন্টাইন্স ডে বললে অনেকে বলবে এটা খ্রিস্টানদের ব্যাপার। ধর্মকে জড়িয়ে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হতো তাহলে। যে সপ্তাহে আমাদের ভালোবাসা সংখ্যা বের হয়, ওই একই সপ্তাহে বিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিন তাদের প্রথম ভালোবাসা সংখ্যা প্রকাশ করে। সেজন্য অনেকে বলেন, আমি টাইম ম্যাগাজিনের চেয়ে একটু এগিয়ে ছিলাম। আমি কিন্তু কখনই ভাবিনি এ ভালোবাসা দিবস এত বড় রূপ নেবে।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে অন্য যেসব উৎসব হয়, সেগুলো হয় ধর্মীয় নয়তো রাজনৈতিক। অথবা নববর্ষের সঙ্গে জড়িত। কিন্তু ভালোবাসা দিবস ছিল সেদিক থেকে আলাদা। এখন অনেকেই ১৪ ফেব্রুয়ারিতে বিয়েও করছে। এই দিনটি বাংলাদেশে অনেক পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। যশোরে এক দিনেই বিক্রি হয় ১২ কোটি টাকার ফুল। আমার ধারণা এটি আরও বড় হবে। এটাকে আমি পারিবারিক রূপ দেবার চেষ্টা করেছি।

শীতকালে নলেন গুড়ের পাঁচটি রসালো খাবার
                                  

অনলাইন ডেস্ক : শীতকাল মানেই যেমন কমলালেবু, সবুজ সবজি, বিট-গাজরের সমাহার, তেমনই শীতকাল মানেই কিন্তু নলেন গুড়। মিষ্টিপ্রিয় বাঙালির ঘরে ঘরে এই সময় নলেন গুড় পাওয়া যায়। কেউ গুড় দিয়ে রুটি খেতে পছন্দ করেন। কেউ চিড়ের সঙ্গে, কেউ বা পিঠার সঙ্গে।

কিন্তু এই সব ছাড়াও গুড়ের একাধিক রেসিপি হয়। তার মধ্যেই বিখ্যাত কয়েকটি বাঙালির অতি প্রিয়।

নলেন গুড়ের রসগোল্লা
রসে টইটম্বুর, লালচে গোলাকার মিষ্টি মানেই শীতকালে বাঙালির কাছে নলেন গুড়ের রসগোল্লা। সাদা রসগোল্লার থেকে এই সময়ে গুড়ের রসগোল্লাই বেশিরভাগ মানুষের ফেভারিট। এ ক্ষেত্রে রসগোল্লার রসে চিনির বদলে অল্প গুড় মেশানো হয়, রসগোল্লার মন্ডতেও গুড় মেশানো হয়ে থাকে। তাই মুখে দিলেই গলে যাওয়া আর সঙ্গে গুড়ের গন্ধ, যেকোনো মিষ্টিপ্রিয় মানুষ একসঙ্গে পাঁচ-ছ`টা খেয়ে নিতে পারে। আর যদি রসগোল্লা হয় গরম তা হলে তো কথাই নেই!

নলেন গুড়ের সন্দেশ

শীতে নলেন গুড় হল বাঙালির মাস্ট হ্যাভ। রসগোল্লা খেতে পছন্দ না করলেও অপশন রেডি। রয়েছে নলেন গুড়ের সন্দেশ। লালচে রঙের বিভিন্ন ছাঁচে তৈরি এই সন্দেশও কিন্তু হৃদয় হরণ করতে পারে যে কারও। সাধারণত, ছানা, দুধ, আর চিনি দিয়ে তৈরি হয় সন্দেশ। এ ক্ষেত্রে চিনির পরিবর্তে নলেন গুড় ব্যবহার করা হয়। সন্দেশের উপরে অনেক সময় বিভিন্ন বাদামও ব্যবহার করা হয়। কড়া পাকের সন্দেশ, নরম পাকের সন্দেশ- উভয়ই পাওয়া যায়।

নলেন গুড়ের কাঁচাগোল্লা

সন্দেশ যে উপকরণ দিয়ে তৈরি হয়, কাঁচাগোল্লাও সাধারণত সেই উপকরণ দিয়েই তৈরি হয়। কিন্তু পাক কম হয় এবং খুবই নরম হয়। প্রাণহরা বা কাঁচাগোল্লা এই সময়ে চিনির পরিবর্তে খেজুর গুড়ের রস দিয়ে তৈরি হয়।

নলেন গুড়ের পাটিসাপটা

ইংরেজিতে বোঝাতে গেলে প্যানকেক রোল বলা যেতে পারে। কিন্তু বাঙালিদের কাছে জনপ্রিয় পাটিসাপটা নামেই! মাঝে ক্ষীর বা নারকেলের পুর আর বাইরে হালকা একটা লেয়ার এই খাবারের টেক্সচারই বদলে দেয়। অনেকেই পাটি সাপটার ব্যাটারে গুড়ের ব্যবহার করে থাকেন। অনেকে আবার নারকেলের পুর গুড় দিয়ে করে থাকেন। সাধারণত, পৌষ সংক্রান্তিতে এই খাবার সকলের ঘরে ঘরে হয়ে থাকে।

নলেন গুড়ের পায়েস

শীতে পায়েস মানেই বেশিরভাগ বাড়িতে নলেন গুড়ের পায়েস তৈরি করা হয়। গোবিন্দভোগ চালের গন্ধ সঙ্গে গুড়ের গন্ধ একদম স্পেশ্যাল একটা আমেজ তৈরি করে। সূত্র: নিউজএইটিন।

নলেন গুড়ের পায়েস তৈরির সহজ রেসিপি
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : পায়েসের গন্ধ ও স্বাদে মুগ্ধ সব বাঙালিই। ছোট-বড় সবার প্রিয় পায়েস বিভিন্নভাবে তৈরি করা যায়। আবার বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে পায়েস তৈরি হয়, যেমন- লাউ, গাজর ও সাবুর পায়েস।

শীত এলেই ধুম পড়ে যায় গুড়ের পায়েস তৈরির। তার মধ্যে নলেন গুড়ের পায়েস সবচেয়ে জনপ্রিয়। এ পায়েস একবার খেলে এর স্বাদ মুখে লেগে থাকবে।

জেনে নিন নলেন গুড়ের পায়েস তৈরির রেসিপি-

উপকরণ
১. ফুল ক্রিম দুধ আধা লিটার
২. পোলাও চাল ১০০ গ্ৰাম
৩. খেজুর গুড়ের পাটালি ২৫০গ্ৰাম
৪. ঘি ১ টেবিল চামচ
৫. তেজপাতা ১টি
৬. এলাচ ২টি
৭. কাজুবাদাম ১ টেবিল চামচ
৮. কিসমিস ১ টেবিল চামচ


পদ্ধতি: একটি প্যান গরম করে এক টেবিল চামচ ঘি’তে তেজপাতা আর এলাচ থেঁতো করে ভেজে নিন। একটু পর ধুয়ে রাখা পোলাও চাল দিয়ে একটু ভেজে নিন।

এরপর এক কাপ পানি দিয়ে চাল সেদ্ধ করে নিতে হবে। যখন চালের পানি শুকিয়ে আসবে; তখন দুধটুকু ঢেলে দিন। মাঝে মাঝে নেড়ে দিতে হবে, যাতে না লেগে যায়।

যখন দেখবেন দুধ অর্ধেক হয়ে যাবে আর চালও সেদ্ধ হয়ে গেছে; তখন কাজুবাদাম কুচি দিয়ে নেড়ে আরেকটু ঘন করে চুলা বন্ধ করে দিন। এবার পাটালি গুড় সামান্য পানিতে গুলিয়ে পায়েসের মধ্যে মিশিয়ে ভালো করে নেড়ে দিন।

আবারো চুলা জ্বালিয়ে দুই মিনিট ফুটিয়ে নিতে হবে পায়েস। নামিয়ে সার্ভিং বলে ঢেলে উপরে ছিটিয়ে দিন কিসমিস, পেস্তা ও কাজুবাদাম কুচি। তৈরি হয়ে গেল সুস্বাদু নলেন গুড়ের পায়েস।

বার্ড ফ্লু কতটা মারাত্মক, জেনে নিন এখনই
                                  

ফিচার ডেস্ক : মহামারি করোনার মধ্যেই ছড়িয়ে পড়ছে বার্ড ফ্লু। ভারতে এরই মধ্যে ৯টি রাজ্য আক্রান্ত হয়েছে বার্ড ফ্লুতে। এতই মারাত্মক হতে পারে বার্ড ফ্লু যে, এর কারণে মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হয়। তাই সামান্য জ্বর-সর্দি হলেও সচেতন থাকুন। কারণ বার্ড ফ্লু হলেও জ্বর-সর্দির মতো লক্ষণ প্রকাশ পায়।

বার্ড ফ্লু


একটি ইনফ্লুয়েঞ্জা জাতীয় রোগ এটি। এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের কারণে বার্ড ফ্লু মানুষের শরীরে বাসা বাঁধে। ভাইরাসটি সাধারণত পাখির শরীর থেকে ছড়িয়ে পড়ে। আক্রান্ত পাখিরা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় সহজেই চলে যায় বলে রোগটিও দ্রুত ছড়ায়। বার্ড ফ্লু বায়ুবাহিত রোগ হিসেবে বিবেচিত।

লক্ষণ

>> এ ভাইরাস সংক্রমণের পর রোগীর দেহে প্রাথমিকভাবে জ্বরের লক্ষণ প্রকাশ পায়।

>> জ্বরের পাশাপাশি শরীর ব্যথা, ঠান্ডা লাগা, হাঁচি, কাশি, মাথা ব্যথা, মাংসপেশী ব্যথা, বমি, পেট খারাপ- এ ধরনের উপসর্গ থাকে। অনেকের ক্ষেত্রে এ লক্ষণ খুব বেশি দেখা যায়। মৃত্যুর ঝুঁকিও থাকতে পারে।

>> অনেক সময় ফুসফুসে সংক্রমণ হয়ে মারাত্মক নিউমোনিয়া হয়। এক্ষেত্রে প্রচণ্ড কাশি, শ্বাসকষ্ট এবং এআরডিএস অর্থাৎ অ্যাকিউট রেসপিরেটরি ডিস্ট্রেসের ঝুঁকি থাকে।

>> এর থেকে এনসেফেলাইটিস, হৃদপিণ্ডের সংক্রমণ, মায়োসাইটিস হয়। বার্ড ফ্লুর জন্য প্রয়োজনীয় অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ওষুধ রয়েছে।

রোগের বিস্তার

>> আক্রান্ত ব্যক্তির প্রত্যক্ষ সংস্পর্শে অন্য ব্যক্তির মাঝে বার্ড ফ্লু ছড়াতে পারে।

>> আক্রান্ত পাখির ডিম বা মাংস সঠিকভাবে সেদ্ধ করে না খেলে বার্ড ফ্লু হতে পারে।

>> এটি ভাইরাসজনিত একটি ছোঁয়াচে রোগ।

>> বার্ড ফ্লু নির্ণয়ের ক্ষেত্রে; রক্তে এ ভাইরাসের অ্যান্টিবডি পিসিআর পদ্ধতিতে দেখে ভাইরাসটি শনাক্ত করা যায়।

 

প্রতিরোধের উপায়

>> যেকোনো ফ্লুর মতোই বার্ড ফ্লু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার বিকল্প নেই।

>> মাস্ক পরার অভ্যাসকে জীবনের অঙ্গ করে নিতে পারলে যেকোনো ফ্লু-র সংক্রমণ প্রতিরোধ করা অনেক সহজ হয়ে যাবে।

>> খাওয়ার আগে সাবান দিয়ে ভালো করে হাত-মুখ ধুয়ে নেওয়ার অভ্যাস করা জরুরি।

>> মাংস বা ডিম খুব ভালো করে সেদ্ধ করে খাওয়া উচিত। কাঁচা মাংস খুব ভালো করে ধুয়ে অবশ্যই হাত সাবান দিয়ে পরিষ্কার করবেন।

>> মাংস ধোয়ার সময় কাছাকাছি যেন কোনো ধরনের খাবার না থাকে, সে দিকে খেয়াল রাখুন।

ঘুম ভাঙার পর মাথাব্যথা কেন হয়
                                  

ডা. শরিফুল ইসলাম : সকালে ঘুম থেকে উঠে সবারই প্রত্যাশা থাকে একটি সুন্দর সকালের। কিন্তু হঠাৎ ঘুম ভাঙার পর যদি মাথাব্যথা শুরু হয়, তবে পুরো দিনটাই মাটি। দিনভর তীব্র যন্ত্রণা সঙ্গী হয়।

শুধু সকালে নয়, অনেকের রাতেও হঠাৎ ঘুম ভেঙে যাওয়ার পর মাথাব্যথা হয়ে থাকে। বিকালে যাদের ঘুমের অভ্যাস তাদেরও এমন সমস্যা দেখা দেয়।

আসুন জেনে নিই যেসব কারণে মাথাব্যথা হতে পারে-

১. নাক ও চোখের চারপাশে হাড়ের ভেতরের বায়ুপূর্ণ কুঠুরিকে সাইনাস বলা হয়। যখন এই সাইনাসগুলোতে প্রদাহ হয়, তখন তাকে বলা হয় সাইনোসাইটিস। আইটিস অর্থ ইনফ্লামেশন। প্রধান সাইনাসগুলো জোড়ায় জোড়ায় থাকে। সাইনাসে প্রদাহ হলে নাক দিয়ে সর্দি পড়তে পারে এবং মাথা ব্যথা করতে পারে। সাইনাসের মধ্যে পুজ জমতে পারে, টিউমার হতে পারে।

২. সুস্থ থাকতে কমপক্ষে ৬ ঘণ্টা ঘুমাতে বলেন চিকিৎসকরা। রাতে ঘুম ভালো না হলে সকালে মাথাব্যথার সমস্যা হতে পারে। এ ছাড়া চোখ জ্বালাপোড়া ও চোখ লাল হয়েও যেতে পারে।

৩. কোনো কারণে যদি ঘাড়ের পেশির ওপর বেশি ধকল যায়, তবে মাথাব্যথা হতে পারে। যেমন– বালিশের সমস্যা ও বেকায়দায় ঘুমানোর কারণে ঘাড়ের কোনো পেশির ওপর যদি রাতের লম্বা একটা সময় টান পড়ে থাকে, তবে সেটি থেকেও ঘাড় আটকে যাওয়া, মাথাব্যথা ইত্যাদি দেখা দিতে পারে।


৪. মস্তিষ্কে `টিউমার` হলে বাড়তি চাপ থেকে সকালে মাথাব্যথা হতে পারে। `টিউমার` যদি ফুলে থাকে, তবে তা মস্তিষ্কের চাপ সৃষ্টি করে, যে কারণে দিনে একাধিকবার মাথাব্যথা দেখা দিতে পারে।

৫. মাইগ্রেনের সমস্যা মাথাব্যথার অন্যতম কারণ হতে পারে। বেশিরভাগ `মাইগ্রেনের রোগীর মাথাব্যথা দেখা দেয় সকালে কিংবা রাতে। তাই `মাইগ্রেনের ব্যথার সমস্যাটা একেবারে উড়িয়ে দেয়া যায় না।

৬. মানসিকচাপ ও অতিরিক্ত কাজের চাপ থেকেও মাথাব্যথা হতে পারে।

কী করবেন

এসব সমস্যা দেখা দিলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

লেখক: সহযোগী অধ্যাপক, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

নিমের উপকারিতা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : নিম একটি ঔষধি গাছ। যার ডাল, পাতা, রস সবই কাজে লাগে। নিম ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া নাশক হিসেবে নিম খুবই কার্যকর। আর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও এর জুড়ি মেলা ভার।

আসুন জেনে নেওয়া যাক নিমের উপকারিতাগুলো:

ত্বক : বহুদিন ধরে রূপচর্চায় নিমের ব্যবহার হয়ে আসছে। ত্বকের দাগ দূর করতে নিম খুব ভালো কাজ করে। এছাড়াও এটি ত্বকে ময়েশ্চারাইজার হিসেবেও কাজ করে। ব্রণ দূর করতে নিমপাতা বেটে লাগাতে পারেন। মাথার ত্বকে অনেকেরই চুলকানি ভাব হয়। নিমপাতার রস মাথায় নিয়মিত লাগালে এই চুলকানি কমে। নিয়মিত নিমপাতার সঙ্গে কাঁচা হলুদ পেস্ট করে লাগালে ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধি ও স্কিন টোন ঠিক হয়।

চুল : উজ্জ্বল, সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দন চুল পেতে নিমপাতার ব্যবহার বেশ কার্যকর। চুলের খুসকি দূর করতে শ্যাম্পু করার সময় নিমপাতা সিদ্ধ পানি দিয়ে চুল ম্যাসেজ করে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। খুসকি দূর হয়ে যাবে। চুলের জন্য নিম পাতার ব্যবহার অদ্বিতীয়। সপ্তাহে ১ দিন নিমপাতা ভালো করে বেটে চুলে লাগিয়ে ১ ঘণ্টার মতো রাখুন। এবার ১ ঘণ্টা পর ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন চুল পড়া কমার সঙ্গে সঙ্গে চুল নরম ও কোমল হবে।

কৃমিনাশক : পেটে কৃমি হলে শিশুরা রোগা হয়ে যায়। পেটে বড় হয়। চেহারা ফ্যাকাশে হয়ে যায়। বাচ্চাদের পেটের কৃমি নির্মূল করতে নিমের পাতার জুড়ি নেই।

দাঁতের রোগ : দাঁতের সুস্থতায় নিমের ডাল দিয়ে মেসওয়াক করার প্রচলন রয়েছে সেই প্রাচীনকাল থেকেই। নিমের পাতা ও ছালের গুড়া কিংবা নিমের ডাল দিয়ে নিয়মিত দাঁত মাজলে দাঁত হবে মজবুত, রক্ষা পাবেন দন্ত রোগ থেকেও।

জবা ফুলের চায়ের যত গুণ !
                                  

অনলাইন ডেস্ক : জবা ফুলে এমনিতেই বেশ কিছু ওষধি গুণ রয়েছে। আর জবা ফুল থেকে তৈরি চা এখন খুবই জনপ্রিয়। ফুলের মত জবা ফুলের চাও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। সারা বিশ্বে জবা চায়ের জনপ্রিয়তা ক্রমেই বাড়ছে।

জবা চায়ের কি কি উপকারিতা আছে তা জানলে হয়তো কেউই এটা মিস করতে চাইবেন না। এবার তা জেনে নিন...

ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখে
সম্প্রতি আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রকাশ করা এক রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, এই বিশেষ চায়ে উপস্থিত অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপাটিজ নিমেষে রক্তচাপকে স্বাভাবিক অবস্থায় নিয়ে আসতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই জবা ফুলের চা খেতে পারেন যারা আজকাল অফিসে কাজের চাপ এবং দৈনন্দিন জীবনের নানা সমস্যা থেকে রক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন।

কোলেস্টেরল কমায়
রক্তচাপ বাড়লে এবং খাওয়া দাওয়া নিয়মমতো না হলেই বাড়ে কোলেস্টেরল। সেখান থেকে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনাও বাড়ে। জবার চা হার্টে রক্ত জমাট বাঁধতে দেয় না। কোলেস্টেরলও জমতে দেয় না। এছাড়া ব্রেন ও হার্টের কোনও রকম ক্ষতির হাত থেকে বাঁচায় জবা ফুলের চা।

লিভারের কর্মক্ষমতা বাড়ে
সম্প্রতি বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে জবা ফুলে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেয়। এর ফলে লিভারের কর্মক্ষমতা বাড়ে। সেই সঙ্গে অনেক উপকারও পাওয়া যায়। ক্যান্সারের আশঙ্কা কমে। সেই সঙ্গে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।

সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে
জবা ফুলের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যাসকরবিক অ্যাসিড। এই অ্যাসিড আমাদের শরীরে ভিটামিন সি`র চাহিদা মেটায়। সেই সঙ্গে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। যে কারণে সর্দি-কাশির আর্য়ুবেদিক ওষুধ তৈরিতেও জবা ফুল ব্যবহার করা হয়।

পিরিয়ডের সমস্যা মেটায়
মেয়েদের বিশেষ সময়ে যদি নিয়মিত জবা ফুল দিয়ে বানানো চা খাওয়া যায়, তাহলে পিরিয়ড ক্র্যাম্প এবং যন্ত্রণা অনেকটাই কমে। সেই সঙ্গে অন্যান্য অস্বস্তিও দূর হয়। প্রসঙ্গত, হরমোনাল ইমব্যালেন্স কমাতেও এই পানীয়টি দারুন কাজে আসে। তাই মেয়েরা যদি প্রতিদিন এই চা পান করতে পারেন, তাহলে দারুন উপকার মেলে।

মানসিক অবসাদ কমায়
নানা কারণে মনটা খারাপ হলে ঝটপট এক কাপ জবার চা বানিয়ে পান করুন। এমনটা করলে দেখবেন মুড একেবারে ফ্রেশ হয়ে যাবে। কারণ এতে উপস্থিত উপকারি ভিটামিন এবং মিনারেল স্নায়ুতন্ত্রে তৈরি হওয়া প্রদাহ কমানোর পাশাপাশি অ্যাংজাইটি কমাতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়।

ওজন কমায়
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত জবার চা খেলে শরীরে শর্করা এবং স্টার্চের শোষণ কমে যায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ওজন কমতে শুরু করে। বেশ কয়েকজন গবেষক এ প্রসঙ্গে আলোচনা করতে গিয়ে আরেকটি বিষয়ের উপর আলোকপাত করেছেন। তাদের মতে জবা ফুলের চায়ে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা শরীরে অ্যামিলেস নামক একটি উপাদানের উৎপাদন কমিয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ওজন কমার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়।

যেভাবে বানাবেন
জবা ফুলের পাঁপড়িগুলো ছিড়ে নিন সাবধানে। এবার মাঝখানের ডাঁটি ফেলে দিন। পানির মধ্যে দারচিনি বা এলাচ ফেলে ফুটিয়ে নিন। দশ মিনিট ফোটানোর পর রং বদলালে ছেঁকে নিন। মধু মিশিয়ে খান। গ্রিন টি ব্যবহার করতে পারলে খুবই ভালো।

আর জবা ফুলের পাঁপড়ি সাতদিন রোদে ফেলে শুকিয়ে তা কাঁচের জারে সংরক্ষণ করেও রাখতে পারেন। তারপর চা তৈরির সময় মিলিয়ে নিতে পারেন।

চল্লিশের পর সুস্থ থাকতে যেসব খাবার খাবেন
                                  

পুষ্টিবিদ আখতারুন নাহার আলো : বয়স চল্লিশ পার হলে স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নটা একটু বেশিই নিতে হয়। নিয়ম মেনে না চললে এই বয়সে বহু জটিল রোগ বাসা বাধতে পারে দেহে। তাই এই বয়সে শরীর ঠিক রাখতে চাই প্রয়োজনীয় পুষ্টি।


৪০-এর পর অতিরিক্ত চর্বিজাতীয় খাবার খাওয়া যাবে না। প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার যেমন– মাছ, মাংস, ডিম ও দুধ খেতে হবে নিয়মিত। খাবার খেতে হবে সময়মতো।

চল্লিশের পর যেসব খাবার খাবেন

১. লোহিত রক্তকণিকা ও মস্তিষ্ক শুষ্ক রাখতে ভিটামিন বি ১২ জরুরি, যা দুধের তৈরি খাবার, মুরগি, মাছ ও ডিমে পাবেন।

২. এ বয়সে হাড়ের জন্য ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার খান। হাড়ের ভর নিয়ন্ত্রণ করতে এস্ট্রোজেন উপকারী। তাই মেনোপোজের পর নারীদের হার অপেক্ষাকৃত ভঙ্গুর হয়ে পড়ে।

এ ছাড়া ভিটামিন ডির মাত্রা কমে গেলে ক্যান্সার, হাঁপানি, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। আলাদাভাবে ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট নেয়া ভালো হবে।

৩. এ সময় পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম গ্রহণ করা না হলে হাড় থেকে এর ঘাটতি পূরণ হয়। ফলে হাড় দুর্বল হওয়া শুরু করে। ৪০ থেকে ৫০ বছর বয়স্ক নারীদের জন্য দৈনিক এক হাজার মিলিগ্রাম এবং পুরুষদের জন্য ১২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়ামের প্রয়োজন। পঞ্চাশোর্ধ্ব নারীরা খাদ্য তালিকায় ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার যেমন- কাঠবাদাম, কমলা, মটর, কপি ও পালংশাক যুক্ত করলে উপকার পাবেন।

৪. এ সময় ত্বক ভালো রাখতে ও দেহে বয়সের ছাপ কমাতে এবং হৃদরোগ, ক্যান্সার ও অন্যান্য রোগ থেকে বাঁচতে
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া জরুরি।

৫. তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ওমেগা থ্রি হলো- ইপিএ, ডিএইচএ এবং এএলএ। ইপিএ ও ডিএইচএ পাওয়া যায় মাছ থেকে। এএলএ পাওয়া যায় উদ্ভিজ্জ খাবার যেমন- আখরোট, তিসির বীজ ও চিয়া বীজ থেকে।

ওমেগা থ্রি হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করে। তাই ৪০ এর পর এই খাবারগুলো নিয়মিত খেতে হবে।

যে কোনো ধরনের ওষুধ ও ভিটামিন ট্যাবলেট খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

লেখক: প্রধান পুষ্টিবিদ, বারডেম জেনারেল হাসপাতাল।

কাজুবাদামের যতো উপকারিতা
                                  

ফিচার ডেস্ক : বর্তমানে মানুষ অনেক স্বাস্থ্য সচেতন। শরীর সুস্থ রাখতে অনেকেই কাজুবাদাম খেতে খুব পছন্দ করেন। কাজুবাদাম খুবই পুষ্টিকর একটি খাবার। এতে অনেক ধরনের পুষ্টি উপাদান বিদ্যমান। তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো- ফাইবার, প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেলস, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস, ফাইটোকেমিক্যালস, ওমেগা-৩ এবং ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড ইত্যাদি। এর উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানাচ্ছেন মো. বিল্লাল হোসেন-

হৃদরোগ প্রতিরোধ: হৃদরোগ মৃত্যুর অন্যতম কারণ। কাজুবাদামে আছে স্বাস্থ্যকর ওমেগা-৩ এবং ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড। যা দেহে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের (এলডিএল) পরিমাণ কমিয়ে দেয়। আর ভালো কোলেস্টেরলের (এইচডিএল) পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে যায়।

চোখের যত্ন: যারা শহরে বসবাস করেন; ধুলা-বালি ও দূষিত বায়ু তাদের জন্য নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। প্রতিদিন যদি চোখের মধ্যে ধুলা যায়। তাহলে খুব সহজেই চোখের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। তাই তাদের উচিত নিয়মিত কাজুবাদাম খাওয়া। কারণ কাজুবাদামে আছে জিয়াজ্যানথিন নামের একটি পিগমেন্ট। যা চোখের রেটিনায় একটি আবরণ তৈরি করে চোখকে ধুলা-বালি ও আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি থেকে রক্ষা করে। এ ছাড়া এটি ম্যাকুলার ডিজেনেরেশন নামক চোখের রোগ প্রতিরোধ করে।

রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ: এতে উপস্থিত কপার অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা নামক রোগ প্রতিরোধ করে। কপার একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস। তাই এটি দেহ থেকে ফ্রি র্যাডিকেল বের করে দেয় এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। বিশেষ করে যেসব নারীর অ্যানেমিয়া আছে; তাদের প্রতিদিন কাজুবাদাম খাওয়া উচিত।

ত্বকের সুরক্ষা: কাজুবাদামের তেলে রয়েছে সেলেনিয়াম, জিংক, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন ও ফসফরাস। যা ত্বককে দেবে দারুণ সুরক্ষা। তাছাড়া এতে উপস্থিত সেলেনিয়াম একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস, যা ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক হিসেবে কাজ করে।

ওজন কমাতে: ওজন কমাতে কাজুবাদামের জুড়ি মেলা ভার। এতে উপস্থিত ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড দেহের অতিরিক্ত ফ্যাট বার্নিং করতে সাহায্য করে। কাজুবাদামে উপস্থিত ফাইবার ক্ষুধা কমিয়ে দেয়। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণ করা অনেক সহজ হয়। তবে ওজন কমানোর জন্য কাজুবাদাম খেতে হবে কাঁচা ও লবণ ছাড়া।

কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ: কাজুবাদামে উপস্থিত ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য, কোলন ক্যান্সার ও হৃদরোগ প্রতিরোধে দারুণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

চুলের যত্ন: কাজুবাদামে উপস্থিত কপার চুলের রঞ্জক পদার্থ মেলাটোনিন বাড়াতে সহায়তা করে। ফলে চুল হয় মসৃণ ও স্বাস্থ্যবান। তাই পুষ্টিকর কাজুবাদাম খান, চুলকে সুস্থ রাখুন।

লেখক: শিক্ষার্থী, ফলিত পুষ্টি ও খাদ্যপ্রযুক্তি বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া।


   Page 1 of 7
     ফিচার
ভেষজ উদ্ভিদে করোনা চিকিৎসায় সাফল্যের দাবি কৃষিবিজ্ঞানীর
.............................................................................................
আদা চা যে ৩ কারণে খাবেন
.............................................................................................
এই গরমে ডিহাইড্রেশন থেকে বাঁচবেন যেভাবে
.............................................................................................
রোজায় পানিশূন্যতা যেন না হয়
.............................................................................................
সেহরীতে কী খাবেন, কী খাবেন না
.............................................................................................
সস্তা সবজি টমেটো স্বাস্থ্যের পুষ্টগুনে ভরপুর
.............................................................................................
সংসার সুখের হয় রমণীর গুনে, গুনধর স্বামী যদি থাকে তার সনে
.............................................................................................
ভালোবাসার দিন আজ
.............................................................................................
শীতকালে নলেন গুড়ের পাঁচটি রসালো খাবার
.............................................................................................
নলেন গুড়ের পায়েস তৈরির সহজ রেসিপি
.............................................................................................
বার্ড ফ্লু কতটা মারাত্মক, জেনে নিন এখনই
.............................................................................................
ঘুম ভাঙার পর মাথাব্যথা কেন হয়
.............................................................................................
নিমের উপকারিতা
.............................................................................................
জবা ফুলের চায়ের যত গুণ !
.............................................................................................
চল্লিশের পর সুস্থ থাকতে যেসব খাবার খাবেন
.............................................................................................
কাজুবাদামের যতো উপকারিতা
.............................................................................................
জেনে নিন যে ৭ কারণে কমে যাচ্ছে আপনার আয়ু
.............................................................................................
আজ রাত ১২ টার পর বিদায়- ১০- ১০ -২০২০ ঈসায়ী
.............................................................................................
চিকেন স্যুপ রেসিপি
.............................................................................................
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে কামরাঙা
.............................................................................................
ক্যাপসিকামের আচার তৈরি করবেন যেভাবে
.............................................................................................
ঘাড়ব্যথায় কী করবেন?
.............................................................................................
শরতের শুভ্রতা ছড়াচ্ছে কাশফুল
.............................................................................................
যে কারণে বাংলাদেশে পিরানহা ও আফ্রিকান মাগুর মাছ নিষিদ্ধ
.............................................................................................
চা আর সিগারেট এক সঙ্গে খাওয়ার ভয়ংকর ফলাফল জানেন কি?
.............................................................................................
ব্রণ দূর করবে অ্যালোভেরা
.............................................................................................
দুই মাথাওয়ালা মহিষশাবক
.............................................................................................
সুইচবোর্ডে পাখির বাসা, ডিম ও বাচ্চা বাঁচাতে ৩৫ দিন অন্ধকারে গ্রামবাসী!
.............................................................................................
করোনাকালেও থেমে নেই কুকর্ম, লাখ লাখ টাকা উড়িয়ে সংঘবদ্ধ যৌনতা!
.............................................................................................
লক্ষাধিক টাকায় বিক্রি হচ্ছে সোনার মাস্ক, প্রশ্ন তুলছেন নেটিজেনরা
.............................................................................................
আলোচনায় `নবাবগঞ্জের নবাব`
.............................................................................................
নিজের পছন্দ একজন, পরিবারের আরেকজন; এক আসরে দু`জনকে বিয়ে!
.............................................................................................
চাচির সঙ্গে ভাতিজার প্রেম, বিয়ে করে ভয়ঙ্কর পরিণতি!
.............................................................................................
রিকশাচালক থেকে ৫০০ কোটি টাকার মালিক আমিনুল
.............................................................................................
স্বামী জীবিত থাকতেই বিধবাভাতা উত্তোলন করেন স্ত্রী
.............................................................................................
১৬ বছরেই মেয়েটি রান্নায় চ্যাম্পিয়ন, জিতল পাঁচ লাখ টাকা
.............................................................................................
করোনায় ফুসফুস ভালো রাখে যে ৫ খাবার
.............................................................................................
পুষ্টিগুণে ভরা শজনে ডাঁটা সারাবে যেসব রোগ
.............................................................................................
যেভাবে নির্ধারিত হয় রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোন
.............................................................................................
পাতিলেবুর এত গুণ!
.............................................................................................
করোনার সংক্রমণ থেকে বাঁচাবে জুতা!
.............................................................................................
ধূমপায়ীদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ১৪ গুণ বেশি
.............................................................................................
করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির হাতে তৈরি খাবার থেকে কি সংক্রমণ ছড়ায়?
.............................................................................................
করোনায় তরুণদের আক্রান্ত হবার পেছনে ধুমপান অন্যতম কারণ
.............................................................................................
সংসার সুখি হয় পুরুষের রোজগারে
.............................................................................................
হাতিরঝিলে দেখা মিলল ভিয়েনার ‘হিউম্যান ডগ’র
.............................................................................................
বাংলাদেশের হারিয়ে যাওয়া সবচেয়ে ছোট হরিণ!
.............................................................................................
বাংলাদেশের ভয়াবহ ১১ ট্রেন দুর্ঘটনা
.............................................................................................
পরীক্ষার চাপ কমাতে শিক্ষার্থীদের ‘কবরে শুয়ে থাকার’ পরামর্শ
.............................................................................................
ফিনল্যান্ডের সৈকতে ‘বরফের ডিম’
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop