| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * একাদশ জাতীয় সংসদের ১৫তম অধিবেশন শুরু ১৪ নভেম্বর   * আগামীকাল প্রেসক্লাব কোলকাতায় `বঙ্গবন্ধু সংবাদ কেন্দ্র` উদ্বোধন করবেন তথ্যমন্ত্রী   * শীতে ত্বক ও পা ফাটা রোধে এখনই যা করবেন   * ২০২২ সালের পর উন্মুক্ত স্থানে বর্জ্য থাকবে না: তাপস   * আফগান ইস্যুতে ইরানে ছয় দেশের বৈঠক   * অভিমান করে হাঁটছিলেন রেললাইনে, বাঁশঝাড়ে নিয়ে ধর্ষণ   * গুলশানের দগ্ধ ৩ জন শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে   * এসএসসি পরীক্ষায় নজরদারি থাকবে ফেসবুক-টুইটারে   * বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এক সপ্তাহের মধ্যেই টিকাদান   * জাতীয় প্রয়োজনে সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত থাকবে  

   ফিচার -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
নিম পাতার উপকারিতা

অনলাইন ডেস্ক : নিম একটি ঔষধি গাছ। যার ডাল, পাতা, রস সবই কাজে লাগে। নিম ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া নাশক হিসেবে নিম খুবই কার্যকর। আর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও এর জুড়ি মেলা ভার।

আসুন জেনে নেওয়া যাক নিমের উপকারিতাগুলো;

ত্বক : বহুদিন ধরে রূপচর্চায় নিমের ব্যবহার হয়ে আসছে। ত্বকের দাগ দূর করতে নিম খুব ভালো কাজ করে। এছাড়াও এটি ত্বকে ময়েশ্চারাইজার হিসেবেও কাজ করে। ব্রণ দূর করতে নিমপাতা বেটে লাগাতে পারেন। মাথার ত্বকে অনেকেরই চুলকানি ভাব হয়। নিমপাতার রস মাথায় নিয়মিত লাগালে এই চুলকানি কমে। নিয়মিত নিমপাতার সঙ্গে কাঁচা হলুদ পেস্ট করে লাগালে ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধি ও স্কিন টোন ঠিক হয়।
চুল : উজ্জ্বল, সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দন চুল পেতে নিমপাতার ব্যবহার বেশ কার্যকর। চুলের খুসকি দূর করতে শ্যাম্পু করার সময় নিমপাতা সিদ্ধ পানি দিয়ে চুল ম্যাসেজ করে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। খুসকি দূর হয়ে যাবে। চুলের জন্য নিম পাতার ব্যবহার অদ্বিতীয়। সপ্তাহে ১ দিন নিমপাতা ভালো করে বেটে চুলে লাগিয়ে ১ ঘণ্টার মতো রাখুন। এবার ১ ঘণ্টা পর ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন চুল পড়া কমার সঙ্গে সঙ্গে চুল নরম ও কোমল হবে।

কৃমিনাশক : পেটে কৃমি হলে শিশুরা রোগা হয়ে যায়। পেটে বড় হয়। চেহারা ফ্যাকাশে হয়ে যায়। বাচ্চাদের পেটের কৃমি নির্মূল করতে নিমের পাতার জুড়ি নেই।

দাঁতের রোগ : দাঁতের সুস্থতায় নিমের ডাল দিয়ে মেসওয়াক করার প্রচলন রয়েছে সেই প্রাচীনকাল থেকেই। নিমের পাতা ও ছালের গুড়া কিংবা নিমের ডাল দিয়ে নিয়মিত দাঁত মাজলে দাঁত হবে মজবুত, রক্ষা পাবেন দন্ত রোগ থেকেও।

নিম পাতার উপকারিতা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : নিম একটি ঔষধি গাছ। যার ডাল, পাতা, রস সবই কাজে লাগে। নিম ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া নাশক হিসেবে নিম খুবই কার্যকর। আর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও এর জুড়ি মেলা ভার।

আসুন জেনে নেওয়া যাক নিমের উপকারিতাগুলো;

ত্বক : বহুদিন ধরে রূপচর্চায় নিমের ব্যবহার হয়ে আসছে। ত্বকের দাগ দূর করতে নিম খুব ভালো কাজ করে। এছাড়াও এটি ত্বকে ময়েশ্চারাইজার হিসেবেও কাজ করে। ব্রণ দূর করতে নিমপাতা বেটে লাগাতে পারেন। মাথার ত্বকে অনেকেরই চুলকানি ভাব হয়। নিমপাতার রস মাথায় নিয়মিত লাগালে এই চুলকানি কমে। নিয়মিত নিমপাতার সঙ্গে কাঁচা হলুদ পেস্ট করে লাগালে ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধি ও স্কিন টোন ঠিক হয়।
চুল : উজ্জ্বল, সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দন চুল পেতে নিমপাতার ব্যবহার বেশ কার্যকর। চুলের খুসকি দূর করতে শ্যাম্পু করার সময় নিমপাতা সিদ্ধ পানি দিয়ে চুল ম্যাসেজ করে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। খুসকি দূর হয়ে যাবে। চুলের জন্য নিম পাতার ব্যবহার অদ্বিতীয়। সপ্তাহে ১ দিন নিমপাতা ভালো করে বেটে চুলে লাগিয়ে ১ ঘণ্টার মতো রাখুন। এবার ১ ঘণ্টা পর ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন চুল পড়া কমার সঙ্গে সঙ্গে চুল নরম ও কোমল হবে।

কৃমিনাশক : পেটে কৃমি হলে শিশুরা রোগা হয়ে যায়। পেটে বড় হয়। চেহারা ফ্যাকাশে হয়ে যায়। বাচ্চাদের পেটের কৃমি নির্মূল করতে নিমের পাতার জুড়ি নেই।

দাঁতের রোগ : দাঁতের সুস্থতায় নিমের ডাল দিয়ে মেসওয়াক করার প্রচলন রয়েছে সেই প্রাচীনকাল থেকেই। নিমের পাতা ও ছালের গুড়া কিংবা নিমের ডাল দিয়ে নিয়মিত দাঁত মাজলে দাঁত হবে মজবুত, রক্ষা পাবেন দন্ত রোগ থেকেও।

নেদারল্যান্ডসবাসী যে কারণে কাঠের জুতা পরেন
                                  

ফিচার ডেস্ক : বর্তমানে বাজারে বিভিন্ন ধরনের জুতার দেখা মেলে। সেখান থেকে পছন্দসই জুতা বেছে নেন সবাই নিজের জন্য। তবে রাবার, চামড়া, প্লাস্টিকের জুতাই আমাদের দেশে বেশি প্রচলিত। কাঁচামালের সহজলভ্যতা, আবহাওয়া এবং সংস্কৃতির উপর নির্ভর করেই এই ধরনের জুতা বেশি প্রচলিত। তবে জানেন কি?

নেদারল্যান্ডসবাসী কাঠের তৈরি এক ধরনের জুতা পরেন। পুরো বিশ্বের কাছে ডাচরা পরিচিত তাদের রং-বেরঙের টিউলিপ, ডাচ চিজ, উইন্ডমিল আর এই ঐতিহ্যবাহী কাঠের জুতার জন্য।

কাঠের এই ধরনের জুতাকে বলা হয় `ক্লোম্পেন`। মধ্যযুগ থেকে যা নেদারল্যান্ডসে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। শুধু নেদারল্যান্ডসেই নয়, কাঠের এই ধরনের জুতার ব্যবহার রয়েছে বিশ্বের অনেক উন্নত দেশে। যেমন জাপানের ‘গেটা’ এবং স্পেনের ‘আলবারকাস’। তবে গঠনশৈলীর দিক থেকে সামনের দিকে সুচালো পায়ের আঙুল এবং হাত দিয়ে আঁকা কাঠের জুতা সাধারণত ‘ডাচ ক্লগ’ হিসেবে স্বীকৃত।


ডাচদের সংস্কৃতির সঙ্গে এই কাঠের জুতা গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। এখনো গ্রামীণ অঞ্চলের কিছু মানুষ এই জুতা ব্যবহার করেন। ইতিহাস থেকে জানা যায়, ১২০০ শতকে কাঠের তৈরি জুতার ব্যবহার শুরু হয় নেদারল্যান্ডসে। কারখানার শ্রমিক, কারিগর, কৃষক, জেলেদের পা রক্ষার জন্য নকশা করা হয়েছিল এই জুতার।

তবে এই জুতা শুরুতে কাঠ দিয়ে তৈরি করা হয়নি, সে সময় কাঠের ওপর চামড়া ব্যবহার করা হতো। তবে সমস্যা হলো মাঠে, পানিতে ও কারখানায় কাজ করার জন্য সেগুলো উপযোগী নয়। এই সমস্যার সমাধান করতে পরবর্তী সময়ে তারা পুরো জুতাই কাঠ দিয়ে তৈরি করতে শুরু করলেন। তবে পেশার ভিন্নতায় জুতার নকশাতেও ভিন্নতা আসে। যারা খামারে কাজ করে, তাদের পা কাদায় ডুবে যেত। তাই জুতায় একটি বৃহৎ বর্গাকার নাক ব্যবহার করা হতো।জেলেরা ব্যবহার করতেন জুতার সামনের দিকে ধারালো ও সুচালো নাকযুক্ত ক্লগ।
অন্যদিকে সাদাসিধে জুতা ছিল কারখানার কর্মীদের। তবে ধীরে ধীরে এর ব্যবহার ছড়িয়ে পড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও। বাড়িতে পরার জন্যও জুতা তৈরি শুরু হয়। এমনকি গির্জা ও বিয়ের অনুষ্ঠানে পরার জন্য বিশেষ কাঠের জুতা বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে পুরো নেদারল্যান্ডসে। একপর্যায়ে এমন প্রথা শুরু হলো, পুরুষেরা তাদের বাগদত্তার কাছে এক জোড়া সুন্দর খোদাই করা জুতা দিয়ে প্রপোজ করতো।

এই কাঠের জুতা তৈরির রয়েছে বিশেষ পদ্ধতি। প্রথমে কাঠের একটি টুকরাকে জুতার আকার দেয়া হয় বিশেষ ধরনের কুড়াল দিয়ে। সেটিকে পানিতে ডুবিয়ে রাখা হয় তিন থেকে চার দিন। এরপর একটি ধারালো ছুরি দিয়ে জুতার পূর্ণাঙ্গ আকার দেয়া হয়। জুতা তৈরির পর তিন সপ্তাহজুড়ে রোদে শুকানো হয়। শুকানো হয়ে গেলে হাতে আঁকা হয় নকশা। জুতা বানানোর মেশিন উদ্ভাবিত হয় শিল্পবিপ্লবের পর। স্বাভাবিকভাবেই তখন উৎপাদন যায় বেড়ে। তবে নেদারল্যান্ডসে এখন হাতে গোনা কয়েকজন এমন জুতা তৈরি করেন। তাদের কারখানায় জুতা তৈরি দেখার সুযোগ রয়েছে।

নেদারল্যান্ডসের রাজধানী আমস্টারডামের অদূরে ঐতিহ্যবাহী ডাচ সংস্কৃতির জন্য জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র জায়ানস শ্যাঞ্চস। এটি একটি ছোট গ্রাম, যেখানে বিস্তৃত অঞ্চলজুড়ে খোলা আকাশের নিচে রয়েছে একটি জাদুঘর। সেখানেই রয়েছে কাঠের জুতা তৈরির কারখানা। কারিগরেরা পর্যটকদের কাছে দারুণভাবে উপস্থাপন করেন তৈরির প্রক্রিয়া। সেখানে জুতা কেনারও ব্যবস্থা রয়েছে। ১৯৮৮ সাল থেকে লাকডাল শহরে, এই কাঠের জুতার একটি জাতীয় জাদুঘর খোলা হয়েছে। যেখানে কাঠের বিভিন্ন জিনিসের প্রদর্শনী করা হয়।


সূত্র: নেদারল্যান্ডস ইন্সাইডার

৪০০ পর্বে পা রাখছে SA TV`র Height Of Fashion
                                  

৪০০ পর্বে পা রাখছে জনপ্রিয় ফ্যাশন প্রোগাম Height Of Fashion। বলা চলে দেশের ফ্যাশন প্রোগামের ভেতর অন্যতম অনুষ্ঠান Height Of Fashion। দেশের খ্যাতনামা ব্র্যান্ডগুলোর পোশাক নিয়ে মফিজুল ইসলাম মণির প্রযোজনা এবং পরিচালনায় নির্মিত `Height Of Fashion‘ নামের অনুষ্ঠানটি ফ্যাশন প্রিয় বিপুল পরিমাণ তরুণ-তরুণীর কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।

আগামী ০৩ অক্টোবর Height Of Fashion অনুষ্ঠানটি স্বগৌরবে ৪০০ পর্বে পা রাখছে। অনুষ্ঠানটির স্পন্সরে আছে Fast Wash এবং উপস্থাপনায় আছেন জনপ্রিয় দুই মুখ লাবণ্য ও শুভ।

বিকেলের নাস্তায় নুডলসের কাবাব
                                  

বিকেলের নাস্তায় প্রায়ই নুডলস রাখেন নিশ্চয়ই! বিশেষ করে শিশুরা নুডলস খেতে খুবই পছন্দ করে। সব সময় সাধারণ উপায়েই তো নুডলস রান্না করেন! এবার না হয় তৈরি করতে পারেন নুডলসের মজাদার এক পদ।

নুডলসের মুখোরোচক এক পদ হলো নুডলস কাবাব। এটি খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনই মচমচে। অতিথি আপ্যায়ন থেকে শুরু করে বিকালের নাস্তায় দারুণ মানিয়ে যায় এটি। জেনে নিন নুডলসের কাবাব তৈরির সহজ রেসিপি-


উপকরণ

১. মুরগির মাংস কিমা আধা কাপ
২. সেদ্ধ নুডলস এক প্যাকেট
৩. পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ
৪. কাঁচামরিচ কুচি ২ চা চামচ
৫. লবণ পরিমাণমতো
৬. টমেটো কুচি একটি
৭. আদা বাটা আধা চা চামচ
৮. রসুন বাটা আধা চামচ
৯. সেদ্ধ আলু ৫০০ গ্রাম
১০. বাটার ১ টেবিল চা চামচ
১১. তেল ভাজার জন্য

পদ্ধতি

প্রথমে ফ্রাইপ্যানে তেল গরম করে নিন। এবার মুরগির মাংসের কিমা, পেঁয়াজ কুচি, কাঁচামরিচ কুচি, লবণ, টমেটো কুচি, আদা ও রসুন বাটা একসঙ্গে মিশিয়ে ভেজে নিন।


অন্য পাত্রে সামান্য বাটার, সেদ্ধ আলু ও পরিমাণমতো লবণ দিয়ে মাখিয়ে নিন। তারপর চপ আকারে বানিয়ে নিন।

ভাজা কিমা মাঝখানে দিয়ে গোল করুন। তারপর সেদ্ধ নুডলসে জড়িয়ে তেলে ভেজে নিন। এপিঠ-ওপিঠ উল্টে বাদামি রঙা করে ভেজে নিন মজাদার নুডলসের কাবাব।

এক কবরে আলিঙ্গনরত দম্পতির ১৫০০ বছর
                                  

ফিচার ডেস্ক : প্রিয়জনের প্রতি আপনার ভালোবাসা যতই গভীর হোক না কেন, মৃত্যুর পর তার সঙ্গে থাকা অসম্ভব। মৃত ব্যক্তি একাই রয়ে যান অন্ধকার গহ্বরে। অনেকেই ভালোবেসে বলেন, বাঁচব একসঙ্গে আর মরবও একসঙ্গে। তবে একসঙ্গে বাঁচলেও ক’জনের ভাগ্য হয় একসঙ্গে মরার!

সম্প্রতি উত্তর চীনে দু’জনের আলিঙ্গনরত সমাহিত কঙ্কাল পাওয়া গেছে। গবেষকদের তথ্য মতে, এই প্রেমিক যুগলের সমাধি প্রায় ১৫০০ বছর পুরোনো। সমাধিতে পাওয়া নারী কঙ্কালের বাম হাতের আঙুল থেকে উদ্ধার করা হয় একটি রুপার আংটি। এই নারী সম্ভবত তার স্বামীর মৃত্যুর পর আত্মহত্যা করেছিলেন, যাতে স্বামীর সঙ্গে তার সমাধি হয়।

গবেষকরা ধারণা করেন, পুরুষ কঙ্কালটি স্বাভাবিকভাবেই মারা গিয়েছিলেন। স্ত্রী তার স্বামীর মৃত্যুতে এতোটাই ভেঙে পড়েছিলেন যে, সহমরণে যান। স্বামীকে ছাড়া তিনি বেঁচে থাকতে চাননি। তাই তো স্বামীর কবরে নিজেও দাফন হয়েছিলেন এই নারী।

মরার পরেও তারা একে অন্যেকে জড়িয়ে ধরে রেখেছেন। যদিও চীনে যৌথ দাফনের বিষয়টি বিরল নয়। তবে এই আলিঙ্গনরত কঙ্কালের নিদর্শন সবার চোখেই জল এনে দেয়। তাদের ভালোবাসার এই নিদর্শন দৃষ্টান্তমূলক।

টেক্সাসের এ অ্যান্ড এম কলেজ অব ডেন্টিস্ট্রির বায়োমেডিকেল সায়েন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কিয়ান ওয়াং বলেন, ‘এটাই চীনে উদ্ধারপ্রাপ্ত প্রথম সমাধি, যেখানে দম্পতি আলিঙ্গনরত অবস্থায় আছে হাজারও বছর ধরে।’

ওয়াং বলেন, প্রত্নতাত্ত্বিকরা একই সমাধিস্থলে আরও দু’জন দম্পতির সমাধি পেয়েছিলেন। তবে তারা আলিঙ্গনরত অবস্থায় ছিলেন না। আবার ওই সমাধি দু’টিতে পাওয়া নারীদের আঙুলে আংটিও ছিল না।

গবেষকরা বিভিন্ন পরীক্ষা করার পর কঙ্কাল দু’টি সম্পর্কে বলেন, পুরুষটি দাঁড়ানো অবস্থায় প্রায় ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি (১৬১.৫ সেন্টিমিটার) লম্বা ছিলেন। তার শরীরে বেশ কিছু আঘাতের চিহ্ন ছিল। তার হাত ভাঙা ছিল, ডান হাতের আঙুলের একটি অংশ কাটা ও বাম পায়ের হাড়ে ছিদ্র। সম্ভবত ২৯-৩৫ বছরের মধ্যে তিনি মারা যান।

অন্যদিকে ওই নারী মারা যাওয়ার সময় মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তিনি দাঁড়ানো অবস্থায় প্রায় ৫ ফুট ২ ইঞ্চি (১৫৭.১ সেন্টিমিটার) লম্বা ছিলেন। তার দাঁতে কিছুটা সমস্যা ছিল। তিনি সম্ভবত ৩৫-৪০ বছর বয়সের মধ্যে মারা যান। গবেষকরা ধারণা করেন, পুরুষের চেয়ে ওই নারীর বয়স সামান্য বেশি ছিল।

যারা এই দম্পতিকে সমাধিস্থ করেছিলেন, তারা অতি যত্ন সহকারে কাজটি করেছিলেন। পুরুষটির শরীর নারীর দিকে বাঁকানো ছিল। পুরুষটির বাম হাত নারী শরীরের নিচে ছিল। তার ডান হাত নারীর কোমড় জড়িয়ে ধরা অবস্থায় ছিল।

দেখলে মনে হবে, নারী সঙ্গী তার প্রিয়জনের বুকে মাথা রেখে নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে আছেন। আর পুরুষ সঙ্গী তাকে আলতো করে জড়িয়ে ধরে রেখেছেন। গবেষকরা জানান, ‘এখানে স্বামী-স্ত্রী দু’জন একে অপরকে আলিঙ্গনের মাধ্যমে পরকালীন জীবনের চিরন্তন প্রেমের বার্তা দিয়ে গেছেন।’

২০২০ সালের জুন মাসে, শানসি প্রদেশে নির্মাণ কাজ করার সময় এ সমাধিটি উদ্ধার করেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা। সমাধিস্থলে প্রায় ৬০০ সমাধি ছিল। সমাধিস্থল থেকে প্রাপ্ত বিভিন্ন তৈজসপত্র থেকে ধারণা করা হয়, তারা শিয়ানবেই নামক যাযাবর গোষ্ঠী ছিল। ৩৮৬-৫৩৪ খ্রিস্টাব্দে ওয়ে রাজবংশের শাসনকালে তারা বসবাস করত। ওই সময়টা রাজনৈতিকভাবে বেশ অশান্ত।

জিয়ামেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের একজন সহযোগী অধ্যাপক কুন ঝাং, যিনি এই গবেষণাপত্রের সহ-লেখক। তিনি বলেন, ওই সময় বৌদ্ধধর্ম জনপ্রিয় ছিল। এ কারণে মানুষের মধ্যে পরকালীন ধারণাগুলো বৃদ্ধি পেয়েছিল।

কেন এই দম্পতিকে একসঙ্গে সমাহিত করা হয় সে বিষয়ে গবেষকরা সঠিক তথ্য জানতে পারেননি। গবেষকদের ধারণা, প্রথম সহস্রাব্দের সময় যখন এই দম্পতি বেঁচেছিলেন, তখন চীনে অনেক কাল্পনিক প্রেমের গল্প ছিল। এমনকি অনেক ঐতিহাসিক রেকর্ড ছিল, যেখানে মানুষ ভালোবাসার জন্য জীবন দিয়েছিল।

এসব তথ্যে প্রভাবিত হয়েই হয়তো ওই নারী তার স্বামীর জন্য জীবন দেন। পরবর্তীতে তাদেরকে একসঙ্গে সমাহিত করা হয়। ১৫০০ বছরের পুরোনো সমাধি থেকে উদ্ধার করা দম্পতির কঙ্কাল পরবর্তীতে গবেষকরা জাদুঘরে রাখার সিদ্ধান্ত নেন।

সূত্র: লাইভসায়েন্স

বজ্রপাত ঠেকাবে রশ্মিদানব
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বিশ্বে বজ্রপাতে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে প্রতি বছর। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের হিসাব অনুযায়ী, প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী বজ্রপাত-সংক্রান্ত প্রায় আড়াই লাখ ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে বহু মানুষের মৃত্যু হয়। একজন মানুষের জীবদ্দশায় কমপক্ষে ৬০ হাজার থেকে ৮০ হাজার বজ্রপাতের শিকার হওয়ার আশঙ্কা থাকে। আর বজ্রপাতপ্রবণ এলাকাগুলোতে এ সংখ্যা আরও বেশি। আর এই ভয়ংকর পরিসংখ্যানকে সামনে রেখেই সুখবর দিলেন বিজ্ঞানীরা। প্রায় কুড়ি বছরের প্রচেষ্টায় এবার বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন বজ্রপাত নিয়ন্ত্রণে সক্ষম এক রশ্মি-যাকে তারা বলছেন ‘রশ্মিদানব’। জেনেভা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক এ প্রযুক্তি আবিষ্কারের ঘোষণা দিয়েছেন সম্প্রতি। সিএনএন। বিজ্ঞানীদের এই দলের নেতৃত্বে রয়েছেন সুইস পদার্থবিজ্ঞানী জিন পিয়েরে উলফ। তিনি বলেন, ‘লেজার খুব সংকীর্ণ, উচ্চশক্তির আলোর বিম তৈরি করে। এটির প্রয়োগে হীরা কাটা থেকে শুরু করে অস্ত্রোপচার পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো সম্পন্ন হয়ে আসছিল। এবার এটি আমাদের বজ্রপাত থেকে রক্ষা করবে।’

তিনি একটি ইইউ-অর্থায়িত কনসোর্টিয়ামের নেতৃত্ব দিচ্ছেন যার মধ্যে রয়েছে প্যারিস এবং লুসানে বিশ্ববিদ্যালয়, সেসঙ্গে রয়েছে রকেট প্রস্তুতকারক আরিয়ান গ্রুপ এবং লেজার প্রস্তুতকারক জার্মান হাইটেক কোম্পানি ট্রাম্প। মহামারিজনিত কারণে এক বছর বিলম্বের পর গত জুলাইয়ে লেজারটি সুইস আল্পসের একটি পর্বতের চূড়ায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে, যার উচ্চতা ৮ হাজার ২০০ ফুট। উলফ বলেন, ‘এটি ইউরোপের অন্যতম জায়গা যেখানে সবচেয়ে বেশি বজ্রপাত হয়। এখানে একটি রেডিও ট্রান্সমিশন টাওয়ার রয়েছে যেখানে বছরে ১০০ থেকে ৪০০ বার আঘাত হানে বজ্র। তাই আমাদের ধারণা, প্রমাণ পরীক্ষা করার জন্য এটি একটি আদর্শ জায়গা।’

বজ্রপাত বলতে আকাশে আলোর ঝলকানিকে বোঝায়। এ সময়ে ওই এলাকার বাতাসের প্রসারণ এবং সংকোচনের ফলে আমরা বিকট শব্দ শুনতে পাই। এ ধরনের বৈদ্যুতিক আধানের নির্গমন দুটি মেঘের মধ্যে অথবা একটি মেঘ এবং ভূমির মধ্যেও হতে পারে। বায়ুমণ্ডলের উপরের অংশে নিচের তুলনায় তাপমাত্রা কম থাকে। এ কারণে অনেক সময় দেখা যায় যে, নিচের দিক থেকে উপরের দিকে মেঘের প্রবাহ হয়। এ ধরনের মেঘকে থান্ডার ক্লাউড বলে। অন্যান্য মেঘের মতো এ মেঘেও ছোট ছোট পানির কণা থাকে। আর উপরে উঠতে উঠতে পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে থাকে। এভাবে বৃদ্ধি পেতে পেতে জলের পরিমাণ যখন ৫ মিমি. এর বেশি হয়, তখন জলের অণুগুলো আর পারস্পারিক বন্ধন ধরে রাখতে পারে না। তখন এরা আলাদা হয়ে যায়। ফলে সেখানে বৈদ্যুতিক আধানের সৃষ্টি হয়। আর এ আধানের মান নিচের অংশের চেয়ে বেশি হয়। এরকম বিভব পার্থক্যের কারণেই উপর থেকে নিচের দিকে বৈদ্যুতিক আধানের নির্গমন হয়। এ সময় আমরা আলোর ঝলকানি বা বজ্রপাত দেখতে পাই।

লেজার একটি বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র তৈরি করে, যা সরাসরি তাদের পরমাণু থেকে ইলেকট্রন ছিঁড়ে ফেলে, বিদ্যুজ্রগঠনের জন্য প্রয়োজনীয় বিপরীত চার্জ স্থাপন করে। উলফ বলেন, ‘ধারণা হচ্ছে আমাদের উদ্ভাবিত লাইটনিং রডের মাধ্যমে মেঘকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।’

তিনি আশা করেন, লেজারটি অবশ্য মাটিতে একটি বৃহত্তর এলাকা রক্ষা করতে সাহায্য করবে, যদিও তিনি এখনো বলতে পারেন না কতটুকু এলাকা।

উলফ জানান, ‘মূলত আমরা বজ্রঝড় আনলোড করব, তার ভোল্টেজ্রকমাব এবং তার পরে আশেপাশের এলাকায় আরও বজ্রপাত প্রতিরোধ করব।’ তিনি জানান, এ প্রযুক্তির সবচেয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবহারিক প্রয়োগ হবে রকেট রক্ষা করা।

যেসব কারণে সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা কমে যায়
                                  

স্পার্ম কাউন্ট নিয়ে আজকাল অনেক পুরুষই সমস্যার মধ্যে আছেন। এজন্য চিকিৎসকের কাছে ছোটাছুটিও করেন তারা। স্পার্ম কাউন্ট কম হওয়ায় অনেক দম্পতি বাবা-মা হওয়ার স্বাদ পান না।

তবে নিজেরা একটু সচেতন থাকলে এ ধরনের সমস্যা এড়ানো সম্ভব। এজন্য অবশ্য অনেক আগে থেকেই সতর্ক হতে হবে। তা নাহলে সামনে থাকবে ভয়ানক বিপদ। দেখে নিন, প্রতিদিন কোন কাজগুলো সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা বা স্পার্ম কাউন্ট কমায়-


ড্রাগ

অ্যানাবলিক স্টেরয়েড পেশীর শক্তি ও বৃদ্ধিকে নিয়ন্ত্রণ করে। এতে অণ্ডকোষ সংকুচিত হয়ে যায় এবং স্পার্ম কাউন্ট কমে যায়। অর্থাৎ মাদক গ্রহণে সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস পায়।

অ্যালকোহল

অ্যালকোহল পান করার অভ্যাস থাকলে সাবধান। টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমায় অ্যালকোহল যা আপনার সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস করবে। বিশেষ করে যারা অতিরিক্ত মাত্রায় অ্যালকোহল পান করেন তাদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে।

ধূমপান

টোবাকো মানবদেহের জন্য অনেক ক্ষতিকর। পাশাপাশি এটা স্পার্ম কাউন্টও কমিয়ে দেয়। এজন্য আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা ভেবে হলেও ধূমপান থেকে বিরত থাকুন।

অবসাদ

যদি আপনি ডিপ্রেশনের শিকার হন, অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। আপনার স্পার্ম কাউন্ট কম হওয়ার অন্যতম কারণ এটা।

ওজন

ওবেসিটি বা অতিরিক্ত ওজনের কারণে স্পার্ম কাউন্ট কমে যেতে পারে। এজন্য ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন।

ম্যারিকো বাংলাদেশ নিয়ে এলো রেড কিং মেনজ কুলিং অয়েল
                                  

অনলাইন ডেস্ক : ম্যারিকো বাংলাদেশ তাদের নতুন ব্র্যান্ড রেড কিং মেনজ কুলিং অয়েল বাজারে নিয়ে এসেছে, যাতে রয়েছে একটি কুলিং ক্রিস্টালস সমৃদ্ধ পাওয়ার টিউব। এই তেল দিয়ে ম্যাসাজে আছে পাঁচটি উপকারিতা। আরামদায়ক ঘুমের পাশাপাশি এটি আপনাকে সতেজ করবে, ক্লান্তি দূর করবে, মাথা ব্যাথা কমাবে এবং মানসিক চাপ নিরসন করবে।

রেড কিং মেনজ কুলিং অয়েল-এর সাথে থাকছে একটি ইউনিক বোতল যাতে রয়েছে কুলিং ক্রিস্টালস™ সমৃদ্ধ পাওয়ার টিউব। এতে আরো রয়েছে ১৮ টি প্রাকৃতিক উপাদানের মিশ্রণ। ব্যবহারের সময় তেলটি পাওয়ার টিউব এর মধ্যে দিয়ে যায় এবং কুলিং ক্রিস্টালস তেলটির রিল্যাক্সিং কার্যকারিতা বাড়িয়ে আপনাকে দেয় পাওয়ার কুলিং অভিজ্ঞতা।

রেড কিং মেনজ কুলিং অয়েল ইতোমধ্যেই আপনার নিকটস্থ পণ্য সামগ্রীর দোকান, কসমেটিকসের দোকান, ই-কমার্স ওয়েবসাইট এবং সুপার শপগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে। তেলটি পাওয়া যাচ্ছে ১০০ মি.লি. (যার মূল্য ১১০ টাকা) ও ২০০ মি.লি. (যার মূল্য ২১০ টাকা) বোতল এবং ২.৫ মি.লি. (যার মূল্য ২ টাকা) প্যাকেটে।

ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেড-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর আশীষ গোপাল বলেন, “বিগত ২ দশক ধরে বাংলাদেশি গ্রাহকদের চাহিদা পূরণে যুগোপযোগী, নতুন এবং উদ্ভাবনী পণ্য উপহার দিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ম্যারিকো বাংলাদেশ। প্রিমিয়ামাইজেশনের এই যুগে এবং নানান সুযোগ-সুবিধার ফলে মানসম্মত পণ্যের গ্রাহক চাহিদাও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে সকল স্তরের গ্রাহকের কাছে রেড কিং মেনজ কুলিং অয়েল পৌঁছে দিতে পারবো বলে আমরা আশাবাদী। এবং এর মাধ্যমে ব্র্যান্ডকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিতে এবং শীর্ষস্থানে আমাদের অবস্থান ধরে রাখতেও আমরা সক্ষম হবো।”

গিনেস বুকে নাম লেখালেন সুখী দম্পতি
                                  

ফিচার ডেস্ক : প্রেমের ক্ষেত্রে উচ্চতা কোনো বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না, তাই প্রমাণ করলেন এক দম্পতি। সমাজের বিভিন্ন নিয়ম অনুসারে, নারীরা পুরুষের চয়ে একটু লম্বা হলেই শুনতে হয় নানা কটূকথা।

বিয়ে কিংবা প্রেমের ক্ষেত্রে পাত্র-পাত্রী নির্বাচনের সঠিক মাপকাঠি হলো নারীর তুলনায় পুরুষরা একটু যেন লম্বা হয়। তাহলেই না-কি সেই দম্পতিকে দেখতে সুন্দর দেখায় এবং তারা পারফেক্ট হিসেবে বিবেচিত হন।


দাম্পত্য সম্পর্ক কি শুধুই লোক দেখানোর জন্য! মোটেও নয়। কারণ যে সম্পর্কে ভালোবাসা থাকে না, সেখানে দু’জন ব্যক্তি যতই সুন্দর হোক না কেন, তাদের দাম্পত্য জীবন সুখের হয় না।

অন্যদিকে, যুক্তরাজ্যের জেমস ও ক্লো দম্পতি প্রমাণ করেছেন সুখী হতে উচ্চতা কিংবা সঙ্গী দেখতে কেমন, সে বিষয়টি কখনোই প্রভাব ফেলে না। আর তাইতো বিশ্বের মধ্যে স্বামী-স্ত্রীর উচ্চতার পার্থক্যের দিক দিয়ে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন তারা। বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন গিনেস বুকে নাম লিখিয়ে।


জেমস এবং ক্লো লাস্টেড ২০১৬ সালে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তারা যুক্তরাজ্যে বসবাস করেন। জেমসের বয়স ৩৩ বছর। তিনি একজন অভিনেতা এবং উপস্থাপক হিসেবে কাজ করেন। অন্যদিকে ক্লোর বয়স ২৭ বছর। তিনি একজন শিক্ষিকা।

চলতি বছরের ২২ জুন এই বিবাহিত দম্পতি তাদের মধ্যকার উচ্চতার পার্থক্যর কারণে বিশ্ব রেকর্ড গড়েন। জেমসের উচ্চতা ১০৯.৩ সেন্টিমিটার (৩ ফুট ৭ ইঞ্চি) এবং তার স্ত্রী ক্লোর উচ্চতা ১৬৬.১ সেন্টিমিটার (৫ ফুট ৪ ইঞ্চি)। এই দম্পতির মধ্যকার উচ্চতাগত পার্থক্য হলো ৫৬.৮ সেন্টিমিটার (প্রায় ২ ফুট)।

জেমস বিরল এক বামনত্ব বিষয়ক রোগে ভুগছেন। এ কারণে তার উচ্চতা বাড়েনি বয়স অনুযায়ী। ডায়াস্ট্রোফিক ডিসপ্লাসিয়া, একটি জিনগত ব্যাধি যা হাড় এবং কার্টিলেজ বিকাশকে প্রভাবিত করে।

বামনত্বের কারণে, জেমস কখনোই ভাবেননি তিনি বিবাহিত জীবন পাবেন। জেমস জানান, ‘আমি কখনো চাইনি আমার জীবনসঙ্গী করুণা দেখিয়ে সঙ্গে থাকুক। তবে ক্লো কখনো আমাকে তা বুঝতে দেয়নি। সে আমাকে অনেক ভালোবে। আমিও তাকে ভালোবাসি। আমি ছোট্ট শরীর নিয়েই জীবনে অনেক বড় হতে চাই।’

২০১২ সালে জেমসের সঙ্গে তার স্ত্রী ক্লোরার পরিচয় হয়। ক্লোরাও অন্যান্য মেয়েদের মতোই চেয়েছিলেন তার স্বামী সুঠাম দেহী এবং লম্বা হবেন। তবে জেমসের সঙ্গে পরিচয়ের পরেএই বিষয় নিয়ে আর মাথা ঘামননি ক্লোরা।

তিনি বলেন, ‘সত্যিই আমি তখন ভয় পেতাম, লোকেরা কীভাবে আমাদেরকে দেখবে কিংবা খারাপ প্রতিক্রিয়া জানাবে সে বিষয়ে। তবে সব বাঁধা-বিপত্তি এড়িয়ে আমরা আজ সুখী জীবনযাপন করছি।’

কে কী বলছেন বা বলবেন সেসব বিষয় না ভেবেই তারা ২০১৩ সাল থেকে টানা তিন বছর প্রেম করেন এই দম্পতি। এরপর ২০১৬ সালে বিয়ে সম্পন্ন করেন এই দম্পতি। বর্তমানে তাদের বিবাহিত জীবন ৫ বছরে পদার্পন করেছে। তাদের সংসারে আছে ২ বছরের এক কন্যা। তার নাম অলিভিয়া।

এই দম্পতি তাদের জীবন সম্পর্কে জানান, ‘আমাদের প্রেমের গল্পটি অন্যদের চেয়ে আলাদা এবং দৃষ্টান্তমূলক। অনেক সময় আমরা সঙ্গীর রূপ ও উচ্চতা দেখে সম্পর্ক গড়ে তুলি! এমন সঙ্গীরা কি আদৌ সংসারে সুখী হতে পারেন? তবে উচ্চতায় বিশাল ফারাক থাকা স্বত্ত্বেও আমরা সুখী দাম্পত্য জীবন উপভোগ করছি।’

যেভাবে ক্যান্সার জয় করেছেন এই নায়িকারা
                                  

ফিচার ডেস্ক : মরণব্যাধি ক্যান্সার থেকে রক্ষা না পেয়ে প্রতিবছর বিশ্বের হাজার হাজার মানুষ মৃত্যুবরণ করেন। তবে মরণব্যাধি হলেও প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যান্সার সনাক্ত করা গেলে, তা চিকিৎসার মাধ্যমে সারিয়ে তোলা সম্ভব। পাশাপাশি সঠিক জীবন-যাপন এবং শরীরচর্চার মাধ্যমে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করে বেঁচে থাকার নজিরও আছে অনেক।

আজ ‘ন্যাশনাল ক্যান্সার সারভাইভার্স ডে’। যারা ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে প্রতিদিন বেঁচে থাকার মুহূর্ত গুনছেন, তাদের প্রতি সম্মান জানাতে এবং ক্যান্সারে হেরে না গিয়ে বরং ক্যান্সার জয় করার প্রতিজ্ঞা ও ক্যান্সার প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়াতে বিশ্বব্যাপী দিবসটি উদযাপন করা হয়।

জুনের প্রথম রবিবার এই দিবসটি পালন করা হয়। যদিও এটি মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে উদযাপিত হয়। ‘ন্যাশনাল ক্যান্সার সারভাইভার্স ডে’ ফাউন্ডেশন কিছুটা সাফল্যের সঙ্গে বর্তমানে বিশ্বের অন্যান্য দেশেও এই দিবস উদযাপনের গুরুত্ব বাড়াতে চেষ্টা করছে। যুক্তরাষ্ট্রে ১৯৮৮ সালের ৫ জুন প্রথম এই দিবসটি পালিত হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যানুযায়ী, সবশেষ ২০১৮ সালের হিসেবে সারা পৃথিবীতে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ৯৬ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। প্রতিবছর নতুন করে ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে তিন লাখ মানুষ। প্রতি ছয় জনে একজনের মৃত্যু হচ্ছে এই ক্যান্সারের জন্য। সঠিক প্রতিরোধের ব্যবস্থা না নিলে ২০৩০ সালের মধ্যে ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে বছরে মৃত্যুর সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে যাবে।

তবে ক্যান্সার জয় করে কিংবা ক্যান্সারের সঙ্গে টিকে থাকা ব্যাক্তিদের সংখ্যাও নিতান্তই কম নয়। সাধারণ মানুষের মতো বলিউডের অনেক নামজাদা অভিনেতা এমনকি অভিনেত্রীরাও ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে আছেন। এমনকি অনেকেই মরণব্যাধি ক্যান্সারকে জয় করে সুস্থ হয়ে দিন যাপন করছেন। জেনে নিন তেমনই কয়েকজন ক্যান্সার সারভাইভার্সদের সম্পর্কে-

মনীষা কৈরালা


এই অভিনেত্রী ২০১২ সালে ডিম্বাশয়ের ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। প্রথম দিকে তিনি টেরই পাননি ক্যান্সার তার শরীরে বাসা বেঁধেছে। এরপর তিনি যখন অসুস্থ হয়ে পড়েন; তখন জানা যায় তিনি ক্যান্সারে ভুগছেন।

পরবর্তীতে তাকে চিকিত্সার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। নিয়মিত কেমোথেরাপি নিতে হয়েছিল তাকে। কয়েক মাস তিনি নিউইয়র্কের হাসপাতালে কাটিয়েছিলেন। ক্যান্সারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন লড়াই করেন এই অভিনেত্রী।

এরপর ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করেন তিনি। সঠিক খাদ্যাভাস, শরীরচর্চা, মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে চেষ্টা করেন তিনি। এর পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরব থেকে এই অভিনেত্রী ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া শুরু করেন।

এই বলিউড অভিনেত্রী বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে জানান, ‘ক্যান্সার আমার জীবনে অভিশাপ নয়, আশির্বাদ হয়ে এসেছিল। আর এ কারণেই জীবনের গুরুত্ব বুঝেছি, দ্বিতীবার বেঁচে থাকার সুযোগ পেয়েছি।’

লিসা রে

ভারতীয় বাঙালি বংশোদ্ভূত কানাডিয়ান অভিনেত্রী লিসা রে ২০০৯ সালে ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। একাধিক মেলোমা ধরা পড়েছিল তার। এটি অস্থি মজ্জার প্লাজমা কোষের একটি ক্যান্সার। লিসা রে তার স্ট্যান্ড সেল ট্রান্সপ্ল্যান্ট করতে পেরেছিলেন।

২০১০ সালের এপ্রিলে, তিনি প্রতিস্থাপনের কারণে ক্যান্সারমুক্ত হতে সক্ষম হন। লিসা তার ক্যান্সার যুদ্ধ নিয়ে বারবার বিভিন্ন ইন্টারভিউতে বলেছেন, ‘আমার একজীবনে অনেক জটিল অধ্যায় পাড় করতে হয়েছে। অনেক কিছু দেখেছি, অনেক কিছু শিখেছি। এখন আমি নিজেকে ক্যান্সার গ্রাজুয়েট বলতে পারি। ক্যান্সারমুক্ত হতে গিয়ে এর খুঁটিনাটি অনেক কিছুই এখন আমার নখদর্পনে।’

ক্যান্সারে আক্রান্ত থাকার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে ব্লগ ইয়েলো ডায়েরি লিখতে শুরু করেছিলেন এই অভিনেত্রী। এ ছাড়াও লিসা রে একটি বই ও লিখেছেন। বইটি ক্যান্সার নিয়ে। এতে তিনি তার ক্যান্সার আক্রান্ত দিনগুলো এবং নিজেকে ক্যান্সারমুক্ত করার অক্লান্ত পরিশ্রমের কথা লিখেছেন।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি আমার জীবনকে ঈশ্বরের করুণা ও পুরস্কার বলে মনে করি। মরণব্যাধি ক্যান্সার আমাকে জীবনের প্রয়োজনীয়তা বুঝতে শিখিয়েছে। এখন আমি আমার স্বাস্থ্য, খাবার ও ওষুধ সম্পর্কে খুব সচেতন থাকি। যোগ ব্যায়ামকে করেছি জীবনের অপরিহার্য্য অংশ। যোগ ব্যায়াম আমাকে শারীরিক ও মানসিক শক্তি যোগাচ্ছে।’

সোনালী বেন্দ্রে

২০১৮ সালের জুলাইতে টুইটারে এই অভিনেত্রী জানান, তিনি মেটাস্ট্যাটিক ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন এবং নিউ ইয়র্ক সিটির একটি হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে। মেটাস্ট্যাসিক ক্যান্সার হলে ক্যান্সারযুক্ত কোষগুলো লসিকা সিস্টেম বা রক্ত প্রবাহের মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।

সোনালি যতদিনে তার রোগ সম্পর্কে জানতে পেরেছেন; ততদিনে ক্যান্সার চতুর্থ পর্যায়ে চলে গিয়েছিল। তার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ৩০ শতাংশে নেমে এসেছিল। অভিনেত্রী জানান, ‘তিনি সারা রাত কেঁদেছিলেন ক্যান্সার সনাক্ত হওয়া পরে।’

কেমোথেরাপি নেওয়ার ফলে চুল, চোখের পাপড়ি পড়ে যেতে শুরু করে নায়িকার। বেঁচে থাকার আশা ক্রমশ ক্ষীণ হয়ে আসছিল। তবুও দমে যাননি তিনি। বিভিন্ন গণমাধ্যমে ক্যান্সার জয়ের গল্প জানিয়েছেন তিনি। বলেন, ‘চুল ছিল আমার সৌন্দর্যের অন্যতম আকর্ষণীয় দিক। চুল পরিচর্যাকারী বিভিন্ন পণ্যের প্রচার করেছি একসময়। তবে যখনই ক্যানসারে আক্রান্ত হলাম, তখনই জীবনের সবকিছু উল্টেপাল্টে গেল।’

অনেকে বলেন, ‘আপনার জীবনযাপনের ধরন তো ভালোই ছিল, কী এমন হলো যে ক্যান্সার হয়ে গেল!’ আমিও এসব শুনে শুনে ভাবতে শুরু করেছিলাম যে সত্যিই তো, আমারই কেন ক্যান্সার হলো? কী এমন করেছিলাম আমি? মনোবিদ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিলাম। তিনি জানালেন, ‘ক্যান্সার হয় জেনেটিক কারণে কিংবা ভাইরাসের কারণে। এখানে নিজেকে অপরাধী ভাবার কোনো কারণই নেই।’

মমতাজ

বলিউড ডিভা মমতাজ ২০০২ সালে ৫৪ বছর বয়সে স্তন ক্যান্সার আক্রান্ত হন। ৬টি কেমোথেরাপি এবং ৩৫টি বিকিরণ নেওয়ার পরে তিনি ক্যান্সারের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়লাভ করতে সক্ষম হন। তিনি বারবার বলেছিলেন, ‘আমি সহজেই হাল ছাড়ি না। এমনকি মৃত্যুর মুখোমুখি আমাকেও লড়াই করতে হবে।’

বারবারা মোরি

মেক্সিকান এই সুন্দরীকে হৃতিক রোশনের কাইটস চলচ্চিত্র নিশ্চয়ই দেখেছেন! ২৯ বছর বয়সে এই নায়িকার স্তন ক্যান্সার ধরা পড়ে। প্রাথমিক অবস্থায় ক্যান্সার ধরা পড়ার কারণে দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন এই নায়িকা।

তারপর থেকে তিনি ক্যান্সার সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য অবিরাম কাজ করে যাচ্ছেন। বিভিন্ন ক্যাম্পেইন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্যান্সার সচেতনা ছড়ানোর কাজে সরব তিনি। স্তন ক্যান্সার নিয়ে নির্মিত ডকুমেন্টরিতেও অংশগ্রহণ করেছেন তিনি।

সূত্র: শি দ্য পিপল

লিচুর যত উপকারিতা
                                  

ষড় ঋতুর এই দেশে বিভিন্ন মৌসুমে পাওয়া যায় নানান পুষ্টিকর ফল। এসব ফল আমাদের শরীরের পুষ্টিচাহিদা পূরণে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এমনই একটি ফল লিচু।

লিচুর পুষ্টিগুণ এবং এর উপকারিতা সম্পর্কে পুষ্টিবিদ শওকত আরা সাঈদা লোপা জানিয়েছেন বিস্তারিত তথ্য।

তিনি জানান, লিচুর মূল উপাদান জলীয় অংশ অনেক বেশি থাকে। এর বাইরে প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট খুব অল্প পরিমাণে থাকে। ফ্যাট না থাকয় সবার জন্য উপকারি একটি ফল। কম ক্যালরি সম্পন্ন এই ফল সবাই খেতে পারে। তবে যাদের মিষ্টি খাওয়া কিছুটা ঝুঁকির অর্থাৎ ডায়াবেটিস রোগী, তাদের জন্য এই ফল কিছুটা কম খাওয়াই ভালো।

লিচুতে ভিটামিস-সি, ক্যালসিয়াম পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকে। এছড়া অন্যান্য খনিজ উপাদানগুলো হচ্ছে- আয়রন, ফলিক অ্যাসিড, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের মতো উপাদানগুলো যথেষ্ট পরিমাণে থাকে। এ কারণে দৈনন্দিন পুষ্টিচাহিদা মেটাতে লিচু অনেক বেশি ভূমিকা রাখে। তাই মৌসুমি ফলগুলো যতটা সম্ভব আমাদের জন্য খাওয়াটা খুবই উপকারি।

লিচুর উপকারিতা

লিচু আমদের শরীরে ইমিউনিটি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে যথেষ্ট সাহায্য করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি হলে সব ধরনের ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে যায়। এছাড়া লিচুতে থাকা পুষ্টি উপাদানগুলা আমাদের রক্তের শ্রেতকণিকা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

লিচু শরীরের ব্লাড সার্কুলেশন বা রক্তের সঞ্চালন বৃদ্ধি করতের সহায়তা করে। রক্তের পরিসঞ্চালন বৃদ্ধি পাওয়ায় রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

লিচু শরীরে ওজন কমাতে যথেষ্ট সহায়তা করে। লিচুতে থাকা খাদ্য-আঁশ খাদ্যের পরিপাক এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এছাড়া এই খাদ্য-আঁশগুলো দেহের ভেতর থেকে টক্সিন বের করে দিতে সহায়তা করে।

লিচুর সবচেয়ে বড় উপকারিতা হচ্ছে- এটি ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করে। লিচুতে থাকা ভিটামিন-সি এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আমাদের শরীরে ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করে।

এছাড়া লিচু আমাদের হজমে সহায়তা করে। তবে পরিমাণে বেশি খেলে এটি আমাদের শরীরে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করে।

লিচু রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণেও বেশ ভালো ভূমিকা রাখে। ফলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে। লিচু অ্যাজমা বা হাঁপানি প্রতিরোধে সহায়তা করে।

সূত্র: ডক্টর টিভি

জেনে নিন ভালো আম চেনার উপায়
                                  

অনলাইন ডেস্ক : ফলের রাজা আম। গ্রীষ্মের এই সময়ে বাজারে আম উঠতে শুরু করে। এ সময় বাজারে বিভিন্ন রকম আম পাওয়া যায়। নানা জাতের আমের ভিড়ে ভালো আম নির্বাচন করা অনেক কষ্টসাধ্য হয়। তবে সত্য যে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ক্রেতারা বিক্রেতাদের মুখের কথা বিশ্বাস করে আম কিনে প্রতারণার শিকার হয়ে থাকেন। তাই ফলের রাজা আমকে ভালোভাবে চেনার উপায় তুলে ধরা হলো-

বাজারে ফজলি, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, অরুণা, আমরূপালি, হিমসাগরসহ নানা প্রজাতির আম পাওয়া যায়। স্বাদে, বর্ণে ও গন্ধে আভিজাত্যই আলাদা হয়ে থাকে এসব আম। আম সতেজ আছে কিনা তা বুঝার জন্য ঘ্রাণশক্তির উপর ভরসা রাখতে হবে। প্রকার অনুযায়ী এর সুগন্ধ বদলে যায়। আমের বোটার নিকট থেকে মিষ্টি গন্ধ বের হলে তখনই সেই আম কিনুন। তবে জোরালোভাবে অ্যালকোহলিক বা টক গন্ধ বের হলে তা কিনবেন না।

আমের গায়ে আঙুল দিয়ে টিপে দেখুন। স্বভাবতই পাকা আম সুন্দর নরম হবে। যদি আঙুলের টিপে আমে গর্ত হয় তবে সেই আম কিনবেন না। আর যদি বাড়িতে এক সপ্তাহ রেখে কয়েকদিন খেতে চান তাহলে একটু শক্ত আম কিনুন।

প্রথমে ভালো করে আম দেখুন। এক্ষেত্রে নিটোল ও দাগহীন আম কিনুন। খোসা কুঁচকে গিয়ে থাকলে সেই আম কিনবেন না। সব সময় রং বিশেষকে গুরুত্ব দিবেন না। লাল, সোনালি হলুদ, সবুজ, কমলা যেকোনো রঙের আম দেখতে সুন্দর হলে কিনতে পারেন। তবে অনেক সময় গাছ থেকে আম ছিঁড়তে গেলে আমের গায় কষ লেগে যায়, এই আম অনেক ভালো হয়। কেননা, এ ধরনের আম গাছ পাকা হয়ে থাকে।

বাজারে অনেক অসাধু ব্যবসায়ী রয়েছে যারা কাঁচা আম ক্রয় করে কার্বাইড দিয়ে পাকিয়ে বিক্রি করে থাকেন। তাই এ বিষয়ে চোখ-কান একটু খোলা রাখা ভালো।

ভেষজ উদ্ভিদে করোনা চিকিৎসায় সাফল্যের দাবি কৃষিবিজ্ঞানীর
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রাণঘাতি মহামারি করোনাভাইরাসের তাণ্ডবে সারা বিশ্ব যখন টালমাটাল ঠিক এমনি একটি সময়ে এই রোগের প্রতিষেধক হিসেবে ভেষজ উদ্ভিদের সন্ধান দিয়েছেন কৃষিবিজ্ঞানী ড. মো. এনায়েত আলী প্রামাণিক। তিনি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের সরেজমিন গবেষণা বিভাগের বরেন্দ্র কেন্দ্রে কর্মরত ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা।

এ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা দাবি করছেন, কোভিড-১৯ ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় একটি ভেষজ উদ্ভিদের পাতার রস ব্যবহার করে তিনি অভূতপূর্ব সফলতা পেয়েছেন। এই পাতার রস অ্যাজমা, নিউমোনিয়া ও ব্রঙ্কাইটিস রোগের প্রতিষেধক হিসাবে কাজ করে। বিশেষ করে কোভিড-১৯ জনিত নিউমোনিয়া নিরাময়ে এই পাতার জুড়ি নেই।

বাংলায় `মনসাসিজ` নামে পরিচিত এই উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নাম Euphorbia nerifolia Linn। এর ইংরেজি নাম Indian spurge tree এবং এটি Euphorbiaceae পরিবারের অর্ন্তভূক্ত একটি উদ্ভিদ। Euphorbia nerifolia গাছটি দেখতে ক্যাকটাসের মতো এবং কাটাযুক্ত কাণ্ড ট্রাঙ্ক এবং শাখা-প্রশাখা রুপান্তরে মাধ্যমে অনিয়মিত (৪-৫টি ধার) আকার ধারণ করে। সাধারণত গাছের অনুজ অংশ থেকে পাতা বের হয়। পাতা মাংশল প্রকৃতির এবং চিরসবুজ।

ড. প্রামাণিক E. nerifolia উদ্ভিদের পাতার রসের কার্যকারীতা সম্পর্কে বলেন, করোনাভাইরাসের `এস` প্রোটিন ফুসফুসের কোষের এনজিওটেনসিং হিউমান কনভার্টিং এনজাইম রিসেপটর-২ এর মাধ্যমে ভি-ফিউশন পদ্ধতিতে কোষে প্রবেশ করে। এরপর মেসেঞ্জার আরএনএ (mRNA) এর দু`টি সাব-ইউনিট ৪০s এবং ৬০s এর মধ্যে ৪০s সাব-ইউনিটের সঙ্গে কমপ্লেক্স তৈরি করে জেনোমিক ভাইরাল আরএনএ সিনথেসিস শুরু করে।

তিনি জানান, এ অবস্থায় আক্রান্ত রোগী যদি E. nerifolia এর পাতার রস খাওয়া শুরু করেন, তাহলে এটি প্রত্যক্ষভাবে ভাইরাল প্রোটিন সিনথেসিসে বাধা প্রদান করে। এই উদ্ভিদে রয়েছে প্রায় ২৩ প্রকারের ডাই-টারফিনয়েড এবং এক ধরনের গ্লাইকোসাইড। এর মধ্যে তিন বেটা ফ্রাইডেনাশল সবচেয়ে বেশি কার্যকরি এবং এই টারফিনয়েডের রয়েছে দারুণ অ্যান্টিভাইরাল কার্যকারীতা।

গবেষণায় দেখা গেছে, এর কিছু টারফিনয়েড HIV NL4 ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত কোষের প্রতিকারে সাফল্যজনকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। কোভিড-১৯ ভাইরাসে প্রায় ২৭টি রিকাম্বিন্যান্ট আর এনএ থাকার কারণে প্রতিনিয়ত এর প্রতিটি ষ্ট্রেইন মিউটেশনের মাধ্যমে পরিবর্তিত হচ্ছে। কোভিড-১৯ ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত ব্যক্তির ফুসফুস অতি দ্রুত নিউমোনিয়া দ্বারা আক্তান্ত হয় এবং ফুসফুসের ভেতর দিয়ে যে রক্তকণিকা প্রবাহিত হয়, তা জমাট বাঁধার মাধ্যমে ক্ষুদ্র দলার সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত প্রবাহকে বাধাগ্রস্থ করে হঠাৎ স্ট্রোক ঘটায়। যার ফলে দ্রুত মানুষের মৃত্যু ঘটছে।

এই বিজ্ঞানীর দাবি, প্রায় ২০০০ জন করোনা পজেটিভ রোগী এই পাতার রস সেবন করে সুস্থ হয়েছেন। প্রবাহমান পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে পরিস্কার পাতা রোগের মাত্রানুযায়ী দৈনিক ২-৩টি পাতা চিবিয়ে রস খেয়ে অবশিষ্টাংশ ফেলে দিতে হবে। এভাবে প্রতিদিন ২-৩ বার E. nerifolia এর পাতার রস খেতে হবে পুরোপুরি আরোগ্য হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত। তবে এ ক্ষেত্রে অবশ্যই মনে রাখতে হবে Euphorbiaceae পরিবারের অধিকাংশ উদ্ভিদ খুবই বিষাক্ত। তবে E. nerifolia এর পাতা সরাসারি চিবিয়ে খাওয়া যায়।

তিনি বলেন, এই উদ্ভিদটির সনাক্তকরণের সতর্কতার সঙ্গে করতে হবে। এটি চেনার উপায় হচ্ছে পাতাটি ডিম্বাকৃতির এবং পাতার বোটার নিচে কাণ্ডের সঙ্গে দু`টি কাঁটা থাকবে। শ্বাসকষ্টজনিত বিভিন্ন রোগ যেমন- অ্যাজমা, ব্রঙ্কাইটিস ও চেস্ট কনজেশন রোগে আক্রান্তদের চিকিৎসায় এই উদ্ভিদের ব্যবহার বহুকাল থেকেই প্রচলিত।

ড. মো. এনায়েত আলী প্রামাণিকসহ Euphorbia nerifolia উদ্ভিদের জার্মপ্লাজমটি গাজীপুরের বিএআরআই উদ্ভিদ কৌলিসম্পদ কেন্দ্র থেকে ইতোমধ্যে সংগ্রহ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে বিশদ গবেষণার জন্য এই জার্মপ্লাজমটি ওই কেন্দ্রে সংরক্ষণ করা হচ্ছে।

আদা চা যে ৩ কারণে খাবেন
                                  

অনলাইন ডেস্ক : চা শুধুমাত্র একটু পানীয় নয় এটি মনকে শান্ত রাখার একটি কার্যকরী উপায়। যে কোনো অবস্থায় আমরা মনে করি চা পান করলে সমস্যার সমাধান হতে পারে কারণ সে ক্ষেত্রে আমরা মানসিকভাবে শান্ত হয়ে পড়ি।

যদিও ব্যাপারটি পুরোপুরি মানসিক ব্যাপার কিন্তু চা পানের কিছু বিশেষ গুণ রয়েছে যা আপনি কখনোই এড়িয়ে যেতে পারেন না। স্বাস্থ্য ও মন দু`টোই ভালো রাখতে এখন মানুষ নিয়মিতভাবে চা পান করছেন। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হলো যে ৩ কারণে নিয়মিত পান করবেন আদা চা।

১. ভ্রমণে বের হলেই অনেককেই বমি হওয়া কিংবা বমি ভাব নিয়ে বসে থাকতে দেখা যায়। এর মত বিরক্তিকর অনুভূতি থেকে আরাম পেতে পারেন এক কাপ আদা চা পান করলেই। তাই যে কোনো অবস্থাতেই নির্বিঘ্ন ভ্রমণের জন্য গাড়িতে বসার আগে এক কাপ আদা চা পান করে নিতে ভুলবেন না। এর কড়া গন্ধের কারণেই বমিভাব চলে যায়।

২. বিভিন্ন কৃত্রিম ওষুধ খেয়ে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর থেকে আদা চা পান করে দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে নিন। এতে থাকে প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট । এটি বর্তমানের মারণ ভাইরাস করোনাসহ সব ধরনের বড় রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার শক্তি যোগায় ভেতর থেকে।

৩. একটু কিছু খেলেই আজকাল হজমের সমস্যায় ভুগছেন? এই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে এই পানীয় পান করুন। গবেষণায় দেখা গেছে- আদা চা পানের পর দ্রুত হজমের সমস্যা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। এছাড়াও এটি খাবারে আমাদের রুচি বাড়াতেও সাহায্য করে।

এই গরমে ডিহাইড্রেশন থেকে বাঁচবেন যেভাবে
                                  

ফিচার ডেস্ক : কিছুদিন ধরে দেশে প্রচুর গরম পড়তে শুরু করেছে। দিনের তাপমাত্রা প্রায় ৪০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের কাছাকাছি থাকে বা কখনো কখনো এর উপরেও চলে যায়। এত বেশি তাপমাত্রা আমাদের শরীরে নানা ধরনের সমস্যা তৈরি করে। তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ দুটি সমস্যা হলো- ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা এবং হিট স্ট্রোক। বিস্তারিত জানাচ্ছেন মো. বিল্লাল হোসেন-

ডিহাইড্রেশন কী
পরিবেশের তাপমাত্রা বেশি হওয়ার ফলে দেহ থেকে প্রয়োজনীয় পানি বের হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে ডিহাইড্রেশন বলা হয়। ডিহাইড্রেশনের ফলে দেহের জন্য প্রয়োজনীয় মিনারেল সমূহের ঘাটতি দেখা দেয়। ডিহাইড্রেশন তাপমাত্রাজনিত মারাত্মক একটি সমস্যা। পানিশূন্যতার ফলে আমাদের ডায়রিয়া, বমি এবং জ্বর হতে পারে; যা অনেক সময় খুবই মারাত্মক আকার ধারণ করে। বিশেষ করে শিশুরা ও যাদের বয়স ৬০ বছর কিংবা তার কাছাকাছি, এ ধরনের লোকই পানিশূন্যতায় বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকে।

ডিহাইড্রেশনের কারণ
স্বাভাবিক অবস্থায় আমাদের দেহ থেকে ঘাম, কান্না, শ্বাস-প্রশ্বাস, মূত্র ও পায়খানার মাধ্যমে পানি নিঃসরিত হয়। একজন স্বাস্থ্যবান ব্যক্তির ক্ষেত্রে পানিশূন্যতা পূরণ হয় বিভিন্ন ধরনের তরল পান ও খাবারের মাধ্যমে। কিন্তু যখন কোনো ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে যান বিশেষ করে যাদের জ্বর, ডায়রিয়া কিংবা বমি হয়; তাদের ক্ষেত্রে ডিহাইড্রেশন ঘটে। এছাড়াও এটি অতিরিক্ত তাপমাত্রা যুক্ত স্থানে থাকার কারণে বা রোদে থাকার কারণে হয়ে থাকে। এটি মূলত ঘটে তখনই; যখন আমাদের দেহের প্রয়োজনীয় মিনারেল যেমন- সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ইত্যাদি দেহ থেকে বের হয়ে যায়। এছাড়াও ডিহাইড্রেশন হয়ে থাকে অনেক সময় ডাইইউরেটিক্স জাতীয় ওষুধ সেবনের কারণে। কেননা এ জাতীয় ওষুধগুলো দেহ থেকে তরল এবং ইলেকট্রোলাইটসমূহ শোষণ করে থাকে। ফলে সহজেই ডিহাইড্রেশন হয়ে যায়।

লক্ষণসমূহ
ডিহাইড্রেশনের অনেকগুলো লক্ষণ রয়েছে। সেগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণসমূহ নিম্নে উল্লেখ করা হলো-
• অতিরিক্ত তৃষ্ণা পাওয়া
• মূত্র নিঃসরণ কমে যাওয়া
• ত্বক শুকিয়ে যাওয়া
• মাথা ব্যথা করা
• অবসাদ
• মাথা ঘোরা
• কোনো কাজ করতে গেলে সন্দেহে ভোগা
• মুখ ও মিউকাস মেমব্রেন শুকিয়ে যাওয়া
• হৃদস্পন্দন এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের হার বেড়ে যাওয়া।

তবে শিশুদের ক্ষেত্রে আরও কিছু অতিরিক্ত লক্ষণ দেখা যেতে পারে, যেমন-
• মুখ এবং গলা শুকিয়ে যাওয়া
• কান্নার সময় চোখ দিয়ে পানি বের না হওয়া
• অনেকক্ষণ ধরে ডায়াপার ভিজে না যাওয়া
• উদাসীনতা
• বিরক্তিভাব ইত্যাদি।

ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধের উপায়
কিছু পূর্ব সতর্কতা ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধে দারুণ ভূমিকা পালন করে। সেগুলো নিম্নে তুলে ধরা হলো-
• প্রচুর পানি পান করুন। বিশেষ করে যখন প্রচুর রোদে থাকেন অথবা কাজের মধ্যে থাকেন।
• দেহ থেকে যে পরিমাণে তরল বের হয়ে যাচ্ছে, অবশ্যই তার থেকে বেশি পানি পান করুন এবং তরল খাবার খান।
• বাইরে যেসব কাজ থাকে, সেগুলো দিনের ঠান্ডা সময় বা তুলনামূলক কম তাপমাত্রার সময় করার চেষ্টা করুন।
• আপনি চাইলে সকালে এবং বিকেলে দিনের কাজগুলো শেষ করতে পারেন।
• দেহে ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য রক্ষা করতে বিভিন্ন ধরনের তরল, যেমন- ডাবের পানি কিংবা স্যালাইন পান করুন।
• শিশুদের জন্য পেডিওলাইট নামক একধরনের তরল পাওয়া যায়, সেগুলো তাদের পান করানোর চেষ্টা করুন।
• কখনোই বাড়িতে পানীয় কিংবা লবণের দ্রবণ তৈরি করে পান করানোর চেষ্টা করবেন না।

রোজায় পানিশূন্যতা যেন না হয়
                                  

কেয়া আমান : গরমে বেশি বেশি পানি পান করতে হয়। কিন্তু রোজা রেখে তো আর সারাদিন পানি খাওয়ার সুযোগ নেই। তারওপর ঘাম, প্রসাবের মাধ্যমে সারাদিনে শরীর থেকে প্রচুর পানি বেরিয়ে যায়। কিন্তু রোজা রাখায় তা আর পূরণ করা সম্ভব হয় না। বয়স্কদের এ সমস্যা আরও বেশি। আবার যারা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ রাখার জন্য ডাই-ইউরেটিকজাতীয় ওষুধ সেবন করেন, তাদেরও এ সমস্যা হতে পারে।

এদিকে ইফতারে শরবত বা অন্য কোনো পানীয় খেয়ে পিপাসা মেটানোর পর অনেকেই পর্যাপ্ত পানি খাবার কথা মনে রাখেন না। এতে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয়; যা থেকে সৃষ্টি হয় নানারকম শারীরিক সমস্যা। শরীরে পানির ঘাটতি দেখা দিলে শরীরে ইলেকট্রোলাইট ইমব্যালান্স হয়। অর্থাৎ শরীরে তরলরূপে থাকা বিভিন্ন লবণ যেমন- সোডিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ক্লোরাইড, ক্যালসিয়াম, ফসফেট, পটাসিয়ামের মতো বিভিন্ন উপাদানের অসামঞ্জস্যতা দেখা দেয়। এই অসামঞ্জস্যতার মাত্রা বাড়লে মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। তাই রোজা রাখলেও শরীর যেন পানিশূন্য না হয় সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।

পানিশূন্যতার লক্ষণ
শরীরে পানিশূন্যতা হলে চোখ গর্তে চলে যায়, দৃষ্টি ঝাপসা হওয়া, প্রস্রাবের রাস্তায় জ্বালাপোড়া, মাথাব্যথা, কর্মক্ষমতা কমে যাওয়া, দুর্বলতা, ত্বক শুকিয়ে যাওয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেওয়াসহ বিভিন্ন সমস্যা হয়।

প্রতিকার
সাধারণত প্রতি ঘণ্টায় এক গ্লাস পানি খেতে হয়। রোজা রাখলে সারাদিনের পানির চাহিদা পূরণ করতে সেই হিসাবে ইফতার থেকে সাহরি পর্যন্ত বয়স, ওজন ও উচ্চতাভেদে প্রায় ১২ থেকে ১৬ গ্লাস পানি খাওয়া প্রয়োজন। ইফতারিতে বেশি খাবার খাওয়া ঠিক নয়। কারণ খাদ্য পরিপাকি করতে গিয়ে প্রচুর পানি ব্যয় হয়। ফলে শরীরে দ্রুত পানিশূন্যতা দেখা দেয়। পানিশূন্যতা থেকে বাঁচতে রমজানে শুধু পানি পরিমাণমতো খেলেই চলবে না। পাশাপাশি বেশি বেশি অন্যান্য তরল খাবার খেতে হবে, যাতে ইলেকট্রোলাইট ইমব্যালান্স না হয়। যেমন: ডাবের পানি, লেবুর শরবত, স্যালাইন, গুড়ের শরবত, ফলের জুস, লাচ্ছি, দুধ, স্যুপ ইত্যাদি। মাছের ঝোল, ডাল খেলেও কিছুটা পানির চাহিদা পূরণ হবে।

ইলেকট্রোলাইট ব্যালান্সে ফলের রস
পানির চাহিদা পূরণের জন্য ফলের রস খেতে পারেন। এটি ইলেকট্রোলাইট ব্যালেন্স করবে। এখন তরমুজ, বাঙ্গি, কাঁচা আম, মাল্টা, নাশপাতি, কমলা, বেলসহ নানারকম মৌসুমি ফল বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। এসব ফল দিয়ে জুস বা শরবত বানিয়ে খেতে পারেন।

শিশুদের পানিশূন্যতা রোধে
অনেক পরিবারেই ছোটদেরও রোজা রাখতে দেখা যায়। এতে শিশুদেরও দেখা দিতে পারেন পানিশূন্যতা। শিশুদের পানিশূন্যতা দূর করার জন্য ইফতারের পর বেশি পানি, ফলের জুস, ফল, ডাবের পানি খাওয়াতে হবে। কিছুক্ষণ পর পর খাওয়ানো ভালো। খেয়াল রাখুন বাচ্চারা যেন খুব বেশি ঠাণ্ডা পানি পানি না করে। নয়তো গলাব্যথা, জ্বর, ঠাণ্ডা বা টনসিলের সমস্যা দেখা দিতে পারে। বড়দের মতো ইফতারে ভাজাপোড়া বা তেলজাতীয় খাবার শিশুরাও খুব পছন্দ করে। কিন্তু এগুলো কম খেতে দিয়ে ফল, সালাদ বেশি খাওয়াতে হবে। পেট ঠাণ্ডা থাকবে।

বাড়তি সতর্কতা
আসলে রোজার সময় একটু সতর্ক হলেই আমরা পানিশূন্যতা থেকে বাঁচতে পারি। প্রয়োজন শুধু নিয়ম করে সঠিক পরিমাণে পানি খাওয়া আর যেসব কারণে শরীর থেকে পানি বেরিয়ে যায় সেগুলো এড়ানো। এজন্য ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত দৈনিক কমপক্ষে ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন। একবারে বেশি পানি খাবেন না, বরং অল্প অল্প করে তৃষ্ণা অনুযায়ী পানি পান করুন। সাহরি ও ইফতারে তাজা ফল আর শাকসবজি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এই খাবারগুলোতে আছে প্রচুর আঁশ আর পানি। ফলে দেহে পানিশূন্যতা কমায়। খুব ঝাল-মসলাযুক্ত, ভাজাপোড়া খাবার সাহরি বা ইফতারে এড়িয়ে চলুন। এসব খাবার তৃষ্ণা বাড়ায়। খাবারে লবণ কম ব্যবহার করুন। অতিরিক্ত লবণ শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি করে। ইফতারের পর চা বা কফি পানের অভ্যাস থাকলে তা নিয়ন্ত্রণে আনুন, অতিরিক্ত চা-কফি প্রস্রাবের পরিমাণ বাড়ায়, যার ফলে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। ইফতারে কোমল পানীয় এড়িয়ে চলতে চেষ্টা করুন। এতে তৃষ্ণা তো মেটেই না বরং শরীর আরও পানি হারায়, এর সাথে যোগ হয় অতিরিক্ত ক্যালোরি। ঘামের সাথেও শরীর থেকে প্রচুর লবণ ও পানি বের হয়ে যায়। তাই রোজায় বাইরে গেলে রোদ এড়াতে ছাতা ব্যবহার করুন এবং দীর্ঘক্ষণ রোদে থাকা এড়িয়ে চলুন।


   Page 1 of 8
     ফিচার
নিম পাতার উপকারিতা
.............................................................................................
নেদারল্যান্ডসবাসী যে কারণে কাঠের জুতা পরেন
.............................................................................................
৪০০ পর্বে পা রাখছে SA TV`র Height Of Fashion
.............................................................................................
বিকেলের নাস্তায় নুডলসের কাবাব
.............................................................................................
এক কবরে আলিঙ্গনরত দম্পতির ১৫০০ বছর
.............................................................................................
বজ্রপাত ঠেকাবে রশ্মিদানব
.............................................................................................
যেসব কারণে সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা কমে যায়
.............................................................................................
ম্যারিকো বাংলাদেশ নিয়ে এলো রেড কিং মেনজ কুলিং অয়েল
.............................................................................................
গিনেস বুকে নাম লেখালেন সুখী দম্পতি
.............................................................................................
যেভাবে ক্যান্সার জয় করেছেন এই নায়িকারা
.............................................................................................
লিচুর যত উপকারিতা
.............................................................................................
জেনে নিন ভালো আম চেনার উপায়
.............................................................................................
ভেষজ উদ্ভিদে করোনা চিকিৎসায় সাফল্যের দাবি কৃষিবিজ্ঞানীর
.............................................................................................
আদা চা যে ৩ কারণে খাবেন
.............................................................................................
এই গরমে ডিহাইড্রেশন থেকে বাঁচবেন যেভাবে
.............................................................................................
রোজায় পানিশূন্যতা যেন না হয়
.............................................................................................
সেহরীতে কী খাবেন, কী খাবেন না
.............................................................................................
সস্তা সবজি টমেটো স্বাস্থ্যের পুষ্টগুনে ভরপুর
.............................................................................................
সংসার সুখের হয় রমণীর গুনে, গুনধর স্বামী যদি থাকে তার সনে
.............................................................................................
ভালোবাসার দিন আজ
.............................................................................................
শীতকালে নলেন গুড়ের পাঁচটি রসালো খাবার
.............................................................................................
নলেন গুড়ের পায়েস তৈরির সহজ রেসিপি
.............................................................................................
বার্ড ফ্লু কতটা মারাত্মক, জেনে নিন এখনই
.............................................................................................
ঘুম ভাঙার পর মাথাব্যথা কেন হয়
.............................................................................................
নিমের উপকারিতা
.............................................................................................
জবা ফুলের চায়ের যত গুণ !
.............................................................................................
চল্লিশের পর সুস্থ থাকতে যেসব খাবার খাবেন
.............................................................................................
কাজুবাদামের যতো উপকারিতা
.............................................................................................
জেনে নিন যে ৭ কারণে কমে যাচ্ছে আপনার আয়ু
.............................................................................................
আজ রাত ১২ টার পর বিদায়- ১০- ১০ -২০২০ ঈসায়ী
.............................................................................................
চিকেন স্যুপ রেসিপি
.............................................................................................
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে কামরাঙা
.............................................................................................
ক্যাপসিকামের আচার তৈরি করবেন যেভাবে
.............................................................................................
ঘাড়ব্যথায় কী করবেন?
.............................................................................................
শরতের শুভ্রতা ছড়াচ্ছে কাশফুল
.............................................................................................
যে কারণে বাংলাদেশে পিরানহা ও আফ্রিকান মাগুর মাছ নিষিদ্ধ
.............................................................................................
চা আর সিগারেট এক সঙ্গে খাওয়ার ভয়ংকর ফলাফল জানেন কি?
.............................................................................................
ব্রণ দূর করবে অ্যালোভেরা
.............................................................................................
দুই মাথাওয়ালা মহিষশাবক
.............................................................................................
সুইচবোর্ডে পাখির বাসা, ডিম ও বাচ্চা বাঁচাতে ৩৫ দিন অন্ধকারে গ্রামবাসী!
.............................................................................................
করোনাকালেও থেমে নেই কুকর্ম, লাখ লাখ টাকা উড়িয়ে সংঘবদ্ধ যৌনতা!
.............................................................................................
লক্ষাধিক টাকায় বিক্রি হচ্ছে সোনার মাস্ক, প্রশ্ন তুলছেন নেটিজেনরা
.............................................................................................
আলোচনায় `নবাবগঞ্জের নবাব`
.............................................................................................
নিজের পছন্দ একজন, পরিবারের আরেকজন; এক আসরে দু`জনকে বিয়ে!
.............................................................................................
চাচির সঙ্গে ভাতিজার প্রেম, বিয়ে করে ভয়ঙ্কর পরিণতি!
.............................................................................................
রিকশাচালক থেকে ৫০০ কোটি টাকার মালিক আমিনুল
.............................................................................................
স্বামী জীবিত থাকতেই বিধবাভাতা উত্তোলন করেন স্ত্রী
.............................................................................................
১৬ বছরেই মেয়েটি রান্নায় চ্যাম্পিয়ন, জিতল পাঁচ লাখ টাকা
.............................................................................................
করোনায় ফুসফুস ভালো রাখে যে ৫ খাবার
.............................................................................................
পুষ্টিগুণে ভরা শজনে ডাঁটা সারাবে যেসব রোগ
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop