| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * ফেরিতে গাদাগাদি করে ভ্রমণে সংক্রমণ বাড়ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী   * খিলক্ষেতে ক্রেনের ধাক্কায় শ্রমিক নিহত   * চালের বাজারে কিছুটা স্বস্তি, বেড়েছে মাছ-মুরগি-চিনির দাম   * বিশ্বে করোনায় মৃতের সংখ্যা সরকারি হিসাবের দ্বিগুণ: আইএইচএমই   * দৌলতদিয়ায় ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড়   * স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই গণপরিবহনে, চলছে আন্তঃজেলা বাসও   * উন্নত দেশগুলোর চেয়ে একাই বেশি গ্রিনহাউস গ্যাস ছড়ায় চীন   * জার্মানিতে একদিনে ১০ লাখ মানুষের টিকা গ্রহণ   * করোনা থেকে মুক্তি পেতে জুমাতুল বিদায় বিশেষ দোয়া   * মাস্ক পরা নিয়ে সরকারের ৮ নির্দেশনা  

   অপরাধ ও অনিয়ম -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ময়মনসিংহে পর্নোগ্রাফি ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগে আটক ৪

জেলা প্রতিনিধি : ময়মনসিংহে পর্নোগ্রাফি ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে আটক করেছে র‌্যাব। এ সময় পর্নোগ্রাফি ব্যবসার কাজে ব্যবহৃত তিনটি ডেস্কটপ কম্পিউটার, পাঁচটি স্পিকার, ছয়টি কার্ড রিডার ও অন্যান্য ইলেক্ট্রনিক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

আটকরা হলেন-মো. ইউসুফ আলীর ছেলে মো. সুজন মিয়া (২৩), মো. গফুর মিয়ার মো. আনোয়ার হোসেন (২৬), মৃত সাহেব আলীর ছেলে মো. হৃদয় (২১), মো. জামাল উদ্দিনের ছেলে মো. বাদশা মিয়া। তারা সবাই সদর উপজেলার চুরখাই এলাকার বাসিন্দা।

বুধবার (৫ মে) বিকেল ময়মনসিংহ র‌্যাব ১৪ কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার (৪ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সদর উপজেলার চুরখাই বাজার থেকে তাদের আটক করা হয়।

র‌্যাব ১৪-এর সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বেলায়েত হোসাইন বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব ১৪-এর একটি দল সদর উপজেলার চুরখাই বাজারের তৈয়ব মার্কেটের সুজন কম্পিউটার, আনোয়ার কম্পিউটার এবং বাজারের মফিজ মার্কেটের বাদশা কম্পিউটার নামক দোকানে অভিযান চালায়। এসময় ওই তিনজনকে আটক করা হয়।

ময়মনসিংহে পর্নোগ্রাফি ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগে আটক ৪
                                  

জেলা প্রতিনিধি : ময়মনসিংহে পর্নোগ্রাফি ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে আটক করেছে র‌্যাব। এ সময় পর্নোগ্রাফি ব্যবসার কাজে ব্যবহৃত তিনটি ডেস্কটপ কম্পিউটার, পাঁচটি স্পিকার, ছয়টি কার্ড রিডার ও অন্যান্য ইলেক্ট্রনিক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

আটকরা হলেন-মো. ইউসুফ আলীর ছেলে মো. সুজন মিয়া (২৩), মো. গফুর মিয়ার মো. আনোয়ার হোসেন (২৬), মৃত সাহেব আলীর ছেলে মো. হৃদয় (২১), মো. জামাল উদ্দিনের ছেলে মো. বাদশা মিয়া। তারা সবাই সদর উপজেলার চুরখাই এলাকার বাসিন্দা।

বুধবার (৫ মে) বিকেল ময়মনসিংহ র‌্যাব ১৪ কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার (৪ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সদর উপজেলার চুরখাই বাজার থেকে তাদের আটক করা হয়।

র‌্যাব ১৪-এর সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বেলায়েত হোসাইন বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব ১৪-এর একটি দল সদর উপজেলার চুরখাই বাজারের তৈয়ব মার্কেটের সুজন কম্পিউটার, আনোয়ার কম্পিউটার এবং বাজারের মফিজ মার্কেটের বাদশা কম্পিউটার নামক দোকানে অভিযান চালায়। এসময় ওই তিনজনকে আটক করা হয়।

অবৈধ মাদক ও আগ্নেয়াস্ত্রের অর্থ যাচ্ছে বিটকয়েনে
                                  

অনলাইন ডেস্ক: ২০ লাখ টাকার গাড়ি ২ লাখ টাকায় বিক্রি হয় বিটকয়েনের মাধ্যমে। আবার ১ লাখ টাকার মোবাইল ফোন মাত্র ১০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। ক্রেতা ক্রেডিট কার্ড বা অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করলেও প্রতারক চক্রটি মূল্যবান জিনিসটি ফেক আইডির ভার্চুয়াল ওয়ালেট দিয়ে বিদেশ থেকে কিনে আনে। বিদেশী বিক্রেতা জিনিসটি বিটকয়েনের মাধ্যমে লেনদেন করে।

এখানে ক্রেতা সনাক্ত করার কোনো উপায় থাকে না। বাংলাদেশ থেকে ফেক আইডি দিয়ে জিনিসটি কেনার পর ওই সাইটটি তারা বন্ধ করে দেয়। এরপর ওই জিনিসটি বাংলাদেশে তারা সস্তায় বিক্রি করে দিয়ে মার্কেট থেকে টাকা তুলে নেয়। এভাবেই বাড্ডার বেসিক বিজ মাকের্টিং নামক অনলাইন দিয়ে গত ৭ বছরে কোটি কোটি টাকার প্রতারণা করেছে। দেশে বিটকয়েন অবৈধ বলে, তারা গোপনে এ ব্যবসা চালিয়ে যেতো। বেসিক বিজ মার্কেটিংয়ের অনলাইনে বিটকয়েনের মাধ্যমে অবৈধ মাদক ও আগ্নেয়াস্ত্রের চালানের অর্থও পরিশোধ করা হয়েছে। এ ধরনের আরো দুইটি চক্র সক্রিয় রয়েছে। বিটকয়েনের প্রতারণায় অনেক ব্যবসায়ি সর্বশান্ত হয়েছেন।

রাজধানীর বাড্ডা থেকে বেসিক বিজ মাকের্টিং নামক অনলাইনের ডিজিটাল মুদ্রা বিটকয়েনের ব্যবসা করার অভিযোগে সুমনসহ গ্রেফতার ১২ জনকে গতকাল পুলিশ ৩ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে। বাড্ডা থানার ওসি পারভেজ ইসলাম বলেন, গ্রেফতারকৃত ১২ জনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

বিশ্বের সর্বপ্রথম মুক্ত সোর্সের ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ডিজিটাল মুদ্রার নাম বিট কয়েন। যাতে লেনদেন করতে প্রয়োজন হয় না কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার। ২০০৯ সালে সাতোশি নাকামোতা নামের ছদ্মনামি কোন এক ব্যক্তি বা গোষ্ঠী শুরু করে বিট কয়েনের প্রচলন। যদিও পরে এই নামে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব মেলেনি এখন পর্যন্ত। পিয়ার টু পিয়ার মানে গ্রাহকের সাথে গ্রাহকের সরাসরি যোগাযোগে অনলাইনে লেনদেন হয় বিট কয়েন।

বর্তমানে একেকটি বিট কয়েনের মূল্য বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৪৯ লাখ ১১ হাজার টাকা। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, জাপানসহ বিশ্বের মোট ৬৯টি দেশে সরকারি স্বীকৃতি নিয়ে চলছে এই ব্যবসা। প্রতিবেশি ভারতও আনুষ্ঠানিকভাবে মেনে নিয়েছে এ লেনদেনকে। তবে বাংলাদেশ ২০১৪ সালে অবৈধ ঘোষণা করে বিট কয়েন লেনদেনকে। নিষিদ্ধ করা তালিকায় আছে বাংলাদেশ, আলজেরিয়া, বলিভিয়া, ইকুয়েডর, নেপাল ও মেসেডোনিয়া। ২০১৯ সালের এপ্রিলে বগুড়া থেকে বিট কয়েন ব্যবহার করে জুয়া খেলার অভিযোগে ৩ জন গ্রেপ্তার হয়। চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি গাজীপুর থেকে রায়হান নামে এক গার্মেন্টস শ্রমিককে ১ কোটি ৭ লাখ টাকার একটি অডি গাড়িসহ গ্রেফতার করে। রায়হান বিটকয়েনের ব্যবসা করে কোটি টাকার মালিক হয়ে যান। বিটকয়েন দিয়ে তিনি অডি গাড়িটি কিনেছিলেন।

র‌্যাবের লিগ্যাল এন্ড মিডিয়া শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, বেসিক বিজ মার্কেটিং নামক অনলাইন আউট সোর্সিং ব্যবসার আড়ালে অবৈধ বিট কয়েন ও অনলাইন বিভিন্ন প্রতারণার ফাঁদ তৈরি করে দীর্ঘদিন যাবত ব্যবসা করে আসছে চক্রটি। এই ব্যবসার মূলহোতা ইসমাইল হোসেন সুমন। ২০১৩ সালে একটি ছোট অফিস দিয়ে শুরু করলেও এখন বাড্ডায় ৩টি ফ্লোরে ৩২ জন কর্মচারী নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলো সে। প্রতিষ্ঠানটি ৩টি শিফটে ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকতো। এই ব্যবসার মাধ্যমে বিপুল অর্থের মালিক বনে গেছে সুমন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন জানিয়েছে, ঢাকায় তার ২টি ফ্লাট, প্লট, সুপার শপের ব্যবসা রয়েছে। তার একাধিক ভার্চুয়াল ওয়ালেট রয়েছে। যেখানে বিট কয়েনের মাধ্যমে অর্জিত লক্ষাধিক ডলার মজুদ রয়েছে। সে আরো জানিয়েছে, বিগত বছরে তিনি বিট কয়েনের মাধ্যমে অবৈধভাবে ১২-১৫ লক্ষ ডলার লেনদেন করেছে। পাশাপাশি সে বিভিন্ন দেশি-বিদেশী ই-মার্কেটিং সাইটে আকর্ষণীয় মূল্যে বিজ্ঞাপন দিতো।

বিদেশের ভার্চুয়াল ওয়ালেট থেকে তারা দামি পণ্য বিট কয়েন দিয়ে কিনে নেয়। এরপর পণ্য ডেলিভারি হওয়ার আগে আগাম কিছু অর্থ পরিশোধ করে। পণ্যটি ডেলিভারি হওয়ার পর তারা তাদের ভুয়া ভার্চুয়াল ওয়ালেটটি বন্ধ করে দেয়। এভাবে তারা কোটি টাকার পণ্য কিনে দেশে তারা খুব কম দামে দ্রুত বিক্রি করে দেয়। অবৈধ মাদক ও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবসায়ীদের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ রয়েছে। এই চক্রের লেনদেনর টাকাও তারা বিটকয়েনে পরিশোধ করে। তারা জুয়াড়িদের কাছে বিটকয়েন বিক্রি করতো।

সূত্র: ইত্তেফাক

রাস্তা তো নয়, যেন মরণ ফাঁদ!
                                  

অনলাইন ডেস্কঃ কার্পেটিং উঠে গেছে অনেক আগেই। কোথাও কোথাও খোয়া-বালুর আস্তরণ পর্যন্ত নেই। সৃষ্টি হয়েছে ছোট-বড় খানাখন্দ। মাঝে মধ্যেই ঘটছে দুর্ঘটনা। দুই পাশ ভেঙে সঙ্কুচিত হয়ে গেছে রাস্তা। 

তার পরেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে দুয়েকটি ভ্যান-ভটভটি। নেহাত প্রয়োজন ছাড়া রাস্তা দিয়ে এখন আর যানবাহন চলাচল করছে না। দুর্ঘটনা এড়াতে বিকল্প রাস্তায় চলাচল করছে এলাকার মানুষ।

বেহাল এ রাস্তাটি নওগাঁর মান্দা উপজেলার ফেরিঘাট থেকে পাঁঠাকাটা-শিবগঞ্জ হয়ে সংযুক্ত হয়েছে মহাদেবপুর উপজেলা সদরের সঙ্গে। আত্রাই নদীর পূর্বতীরের বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ এটি। 

যানবাহন চলাচলের জন্য এলজিইডির তত্ত্বাবধানে ২০০৫ সালে রাস্তাটিতে কার্পেটিং করা হয়। এরপর রাস্তাটি নওগাঁ সড়ক ও জনপদ বিভাগের নিকট হস্তান্তর করে এলজিইডি। এরপর আর সংস্কার করা হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে এভাবে পড়ে থাকায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে রাস্তাটি।

সরেজমিনে এ রাস্তা দিয়ে যাতায়াতের সময় কাঠবোঝাই একটি চার্জারভ্যান, একটি মোটরসাইকেলসহ কয়েকটি বাইসাইকেল চলাচল করতে দেখা গেছে। 

প্রয়োজনে কিছু লোক পায়ে হেঁটেই চলাচল করছেন। অথচ একসময় এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন ট্রাক, ট্রাক্টর, মোটরসাইকেল, বাইসাইকেল, চার্জারভ্যান ও ভটভটিসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করত। নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত হওয়ায় মান্দা-মহাদেবপুর যাতায়াতের জন্য এ রাস্তাটি ব্যবহার করতেন বেশির ভাগ পথচারী।

দোসতিনা গ্রামের মাজেদুর রহমান, দক্ষিণ পারইল গ্রামের ওসমান আলী প্রামানিক ও মাস্টার আবুল কালাম আজাদ, সূর্য নারায়নপুর গ্রামের আব্দুল কাইয়ুম ও খাইরুল ইসলাসসহ আরো অনেকে জানান, ফেরিঘাট থেকে মান্দার সীমানা পাঁঠাকাটা পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ৮ কিলোমিটার। বর্তমান এ ৮ কিলোমিটার রাস্তা দিয়ে চলাচলের উপায় নেই। পাকাকরণের পর এ রাস্তা দিয়ে একসময় বালুবাহী ট্রাক্টর ও ট্রাক বেপরোয়া চলাচল করেছে। এ কারণে রাস্তাটি খুব তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায়। এছাড়া অতিরিক্ত মালবোঝাই ট্রাক ও ভটভটি চলাচল রাস্তাটি নষ্ট হওয়ার আরেকটি কারণ বলেও উল্লেখ করেন তারা।

দোসতিনা গ্রামের বাসিন্দা অ্যাড. আশরাফুল ইসলাম বশির জানান, বেহাল অবস্থার কারণে স্থানীয়রা ছাড়া দূরের মানুষজন এ পথে আর চলাচল করেন না। রাস্তাটি ভেঙে সঙ্কুচিত ও দুর্বল হয়ে পড়ায় বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি বাঁধে এসে আঘাত হানলে এলাকাবাসীর নির্ঘুম রাত কাটে। এ সময় বাঁধ ভেঙে যাওয়ার শঙ্কায় রাত জেগে পাহারা দিতে হয় তাদের। অবিলম্বে রাস্তাটি মেরামতের জোর দাবি জানান তিনি।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, রাস্তাটি নষ্ট হওয়ার উপক্রম হলে তা রক্ষার জন্য বালুবাহী ট্রাক্টর ও ট্রাক বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন, প্রতিবাদ সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে এলাকাবাসী। কিন্তু বালুমহালের ইজারাদারগণ অত্যন্ত প্রভাবশালী হওয়ায় তা বন্ধ করা সম্ভব হয়নি। রাস্তাটি সংস্কারের দাবিতেও মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। বর্তমানে রাস্তাটি অত্র এলাকার মানুষের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলেও দাবি করেন তারা।

মান্দা উপজেলা প্রকৌশলী মোরশেদুল হাসান বলেন, এলজিইডির তত্ত্বাবধানে রাস্তাটি পাকাকরণের কিছুদিন পর নওগাঁ সড়ক ও জনপদ বিভাগের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। রাস্তাটি রক্ষণাবেক্ষণসহ যাবতীয় দেখভালের বিষয় এখন সওজের।

রাস্তাটির বেহালদশার কথা অকপটে স্বীকার করেন নওগাঁ সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজেদুর রহমান। তিনি বলেন, রাস্তাটি তার দপ্তরের অধীনে আসার পর টুকটাক কাজ ছাড়া তেমন কিছুই করা হয়নি। বর্তমানে শিবগঞ্জ বাজার থেকে শিবগঞ্জ মোড় পর্যন্ত ২ দশমিক ৭ কিলোমিটার রাস্তায় কাজ চলছে।

নির্বাহী প্রকৌশলী আরো বলেন, মান্দা ফেরিঘাট থেকে শিবগঞ্জ বাজার পর্যন্ত ১৬ কিলোমিটার রাস্তার কাজের জন্য প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। আগামী অর্থবছরে কাজটি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সুত্র ঃ কালের কন্ঠ

সিলেটে ট্রাকচাপায় অটোরিকশার ৫ যাত্রীর মৃত্যু
                                  

অনলাইন ডেস্ক: সিলেটে ট্রাকচাপায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার পাঁচ যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় দু’জন আহত হয়েছেন।

রোববার (২ মে) সকালে সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের জৈন্তাপুরের ফেরিঘাট নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা সবাই উপজেলার পাখিবিল ও রূপচেঙ গ্রামের বাসিন্দা। এছাড়া দুর্ঘটনায় নিহত দুই শিশু, এক নারীসহ চারজন একই পরিবারের সদস্য বলে জানা গেছে।

নিহতরা হলেন, জৈন্তাপুরের পাখিবিল গ্রামের অটোরিকশাচালক হোসেন আহমদ (৩৫), একই উপজেলার রূপচেঙ গ্রামের মৃত জামাল আহমদের স্ত্রী সাদিয়া বেগম (৩৯), তার ছেলে শাহাদত হোসেন, মেয়ে সাবিয়া বেগম (৭) ও মৃত জামাল আহমদের বোন হাবিবুন্নেছা (৩৩)।

আহতরা হলেন, রূপচেঙ গ্রামের মৃত আরজান আলীর ছেলে ও নিহত সাদিয়া বেগমের ভাসুর মো. জাকারিয়া (৫০) এবং জাকারিয়ার স্ত্রী হাসিনা বেগম (৪০)।

পুলিশ জানায়, পাথর পরিবহনের জন্য একটি ট্রাক সিলেট থেকে জাফলংয়ের দিকে যাচ্ছিলো। পথে জৈন্তাপুরের ফেরিঘাট নামক স্থানে পৌঁছালে গ্রামের ভেতরের রাস্তা থেকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা সিলেট-তামাবিল সড়কে উঠে। এসময় ট্রাকের ধাক্কায় অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই পাঁচজন নিহত হন।

এ ঘটনায় আহত দু’জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দস্তগীর আহমদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ হতাহতদের উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত ও চিকিৎসার জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে। এছাড়া দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক ও অটোরিকশা জব্দ করা হয়েছে।

সূত্র : জাগো নিউজ

ক্রমাগত ‘গুম-খুনের হুমকি পেয়ে’ মুনিয়ার বোনের জিডি
                                  

অনলাইন ডেস্ক: মুঠোফোনে ক্রমাগত হত্যার হুমকি পেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় করা মামলার বাদী নুসরাত জাহান। শনিবার কুমিল্লার কোতোয়ালি মডেল থানায় নিজের নিরাপত্তা চেয়ে ওই জিডি করেন তিনি।

এর আগে গত ২৬ এপ্রিল গুলশান-২-এর একটি ফ্ল্যাট থেকে মোসারাত জাহান মুনিয়া নামের এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই ঘটনায় মুনিয়ার বোন নুসরাত জাহান বাদী হয়ে গুলশান থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরকে আসামি করেন।

জিডিতে নুসরাত জাহান উল্লেখ করেন, ওই মামলা তুলে নেওয়ার জন্য তাকে একাধিক মুঠোফোন নম্বর থেকে ফোন দিয়ে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে করে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তাই এ ঘটনায় নিরাপত্তা চেয়ে তিনি জিডি করেছেন।

যথাযথ সম্মান পূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী নুসরাত জাহান (৩৪), পিতা মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শফিকুর রহমান, স্বামী মো. মিজানুর রহমান। থানায় হাজির হইয়া উপরোক্ত মোবাইল নম্বর ব্যবহারকারী ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণদের হুমকি প্রদানের ব্যাপারে লিখিতভাবে জানাইতেছি।

আমার ছোট বোন মোসারাত জাহান মুনিয়া (২১) এর হত্যা সংক্রান্ত ঘটনার আলোকে আমি বাদী হইয়া গুলশান থানায় বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরের বিরুদ্ধে মামলা করি। যাহার গুলশান থানার মামলা নং ২৭, তারিখ ২৭/০৪/২০১১ইং ধারা ৩০৬ পেনাল কোড।

উক্ত ঘটনার আলোকে প্রিন্ট মিডিয়াসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধমাধ্যমে ব্যাপক আলোচিত ঘটনা হিসাবে চলমান রহিয়াছে। উক্ত বিষয়কে কেন্দ্র করিয়া মামলা দায়েরের পর হইতে বিবাদী পক্ষের কয়েকজন ব্যক্তি একত্রিত হইয়া আমাকে ও আমার স্বামীসহ পরিবারবর্গের সদস্যদের মামলা প্রত্যাহার করিয়া নেওয়ার জন্য অথবা বিবাদী পক্ষের সহিত উক্ত বিষয়ে সমঝোতা করার জন্য চাপ প্রযোগ অব্যাহত রাখে।

উক্ত বিষয়ে কর্ণপাত না করায় উল্লেখিত ঘটনার তারিখ ও সময়ে বর্তমান ঠিকানার বাসায় অবস্থান কালে মোবাইল নম্বর ০১৫৭১-৪২৫০৩৩, ০১৫৩৮-১৯৫৭৫১ আরও অন্য কয়েকটি নম্বর হইতে আমার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে কল করিয়া মামলা প্রত্যাহারসহ বিষয়টি নিষ্পত্তি করার জন্য চাপ প্রয়োগ করতঃ উক্ত বিষয়ে সুষ্ঠুভাবে সুরাহা না করিলে টাকার বিনিময়ে আমাকে অথবা আমার স্বামীসহ পরিবারবর্গের সদস্যদের যেকোনোভাবে যেকোনো উপায়ে বিপদে ফেলিয়া অথবা যেকোনো অঘটন ঘটাইয়া আমাদেরকে খুন জখম করিয়া লাশ গুম করিয়া ফেলিবে।

যেকোনো ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা মোকদ্দমা দিয়া হয়রানি ও নাজেহাল করিবে বলিয়া একাধিকবার কল করিয়া হুমকি প্রদান অব্যাহত রাখে। তাহারা যেকোনো সময় আমাকে অথবা আমার পরিবারবর্গের সদস্যদের কুমিল্লাসহ বাংলাদেশের যেকোনো স্থানে যাতায়াতের পথে সময় সুযোগমতো পাইলে আক্রমণ করিয়া বা করাইয়া মারপিট ও খুন জখম করিতে পারে বলিয়া আশঙ্কা করিতেছি।

বর্তমানে আমি ও আমার পরিবারবর্গের সদস্যদের নিয়া চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগিতেছি। তাহাদের দ্বারা ভবিষ্যতে আমিসহ আমার পরিবারবর্গসহ আত্মীয়-স্বজনদের জানমালের যেকোনো প্রকার অপূরণীয় ক্ষতি হওয়াসহ হয়রানির শিকার হইতে পারি বলিয়া আশঙ্কা করিতেছি।

অতএব, প্রার্থনা যে, উল্লেখিত ঘটনার আলোকে ভবিষ্যতের জন্য ডায়েরিভুক্ত করার আদেশ দানে মর্জি হয়।

সূত্র : আমাদের সময়

ময়মনসিংহে ট্রাক-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৩
                                  

অনলাইন ডেস্ক: ময়মনসিংহ-নেত্রকোনার আঞ্চলিক মহাসড়কের খিচা নামক স্থানে ট্রাক সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও দুজন। আহতদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আজ বুধবার সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতেরা হলেন- নেত্রকোনার দুর্গাপুরের শহীদ মিয়া (৩৩), খলিল মিয়া (৩২) এবং মাসুম (৩৬)। মাসুম ঘটনাস্থলেই নিহত হন। আর বাকি দুজনকে হাসপাতালে নেওয়ার পর তাঁদের মৃত্যু হয়।

ময়মনসিংহ তারাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের ও শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক সফিউর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ওসি আবুল খায়ের বলেন, ‘নিহতেরা নেত্রকোনা থেকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে ময়মনসিংহ আসছিলেন। এ সময় নেত্রকোনাগামী একটি ট্রাকের সঙ্গে অটোরিকশাটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। খবর পেয়ে তারাকান্দা থানা ও নেত্রকোনা জেলার শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যেরা ঘটনাস্থলে গিয়ে হতাহতদের উদ্ধার করেন। তাঁদের মধ্যে চারজনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনার পর শহীদ মিয়া ও খলিল মিয়া মারা যান।’

শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি ট্রাকটি জব্দ করেছে। তবে পালিয়ে গেছেন চালক।

সূত্র : এনটিভি

সাভারে অপহৃত শিশু মানিকগঞ্জে উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩
                                  

অনলাইন ডেস্কঃ পাখীর প্রলোভন দেখিয়ে ৫দিন আগে সাভার থেকে অপহরণ করা হয়েছিল দশ বছরের শিশু ইসতেফাত হোসেন সোহানকে। মুক্তিপণ হিসেবে চাওয়া হয়েছিল ৫ লক্ষ টাকা। র‌্যাবের হস্তক্ষেপে মঙ্গলবার রাতে অপহৃত শিশু সোহানকে  মানিকগঞ্জ থেকে উদ্ধার করা হয়। এসময় অপহরণ চক্রের ৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। এরা হলেন মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার গোপালপুর গ্রামের মৃত চাঁন মিয়ার ছেলে মো: করিম বেপারী (২৯), সদর উপজেলার নবগ্রাম এলাকার মো: তোতা মিয়ার ছেলে বাদশা ওরফে রাজা (৩৫) ও একই গ্রামের মো: হারুন মিয়ার ছেলে মো: হাবু মিয়া (৪৫)।

র‌্যাব-৪ এর মানিকগঞ্জ কার্যালয়ের কোম্পানি কমান্ডার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার উনু মং জানান, অপহৃত সোহান ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার বাগনামারী গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে। বাবা ও মা দেশের বাইরে অবস্থান করায় সোহান সাভারের উলাইলে মামা-মামির সাথে ভাড়া বাড়িতে থাকতো। সে সাভার উলাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র।

গত শুক্রবার ২৩ এপ্রিল  বেলা ১১ টার দিকে অপহরণকারীরা সাভারের উলাইল এলাকা থেকে পাখি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সোহানকে অপহরণ করে।

এরপর অপহরণকারীরা সোহানকে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার নবগ্রাম এলাকার একটি বাড়িতে আটকিয়ে রেখে পরিবারের কাছে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।  বিষয়টি র‌্যাবকে জানালে পরে অভিযান চালিয়ে শিশুটিকে মঙ্গলবার রাতে সাড়ে ১২ টার দিকে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার নবগ্রাম থেকে  উদ্ধার করা হয়। সেই সাথে তিন আসামীসহ অপহৃতকে  সাভার থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। 

 

গৃহবধূ ও যুবককে জুতার মালা পরিয়ে নির্যাতন, ঘরে তালা
                                  

অনলাইন ডেস্কঃ মাদারীপুরে পরকীয়া প্রেমের অভিযোগ তুলে শালিস বসিয়ে এক গৃহবধূ ও এক যুবককে জুতাপেটা করা হয়েছে। পরে তাদের জুতার মালা পরিয়ে গ্রাম ঘুরিয়ে ঘরে তালা দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।

১৯ এপ্রিল জেলার রাজৈর উপজেলার সুতারকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি প্রথমে গোপন থাকলেও পরে লোকমুখে জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

এ ঘটনায় মামলা হলে রাজৈর থানা পুলিশ তিন শালিসকারীকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে।

স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর সদর উপজেলার পেয়ারপুর গ্রামের এক ব্যক্তির (৩৮) সঙ্গে রাজৈর উপজেলার সুতারকান্দি গ্রামের এক গৃহবধূর (৪৬) পরিচয়ের সূ্ত্রে উভয়ের বাড়ি যাতায়াত ছিল। ১৯ এপ্রিল সকাল ৯টার দিকে ওই যুবক সুতারকান্দি গ্রামে বেড়াতে আসে। কিছুক্ষণ পরে একই বাড়ির কালু ফকির, ইমরান ফকির, শাকিব আকন, রানা ফকির, শামীম ফকিরসহ ৮/১০ জন মিলে তাদের দুইজনকে বেঁধে ফেলে বাড়ির উঠানে শালিস বসায়। পরে শালিসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওই ব্যক্তি এবং গৃহবধূকে ১০০ বার করে জুতাপেটা করা হয় এবং তাদের জুতার মালা পরিয়ে গ্রাম ঘুরানো হয়। পরে ঘরে তালা ঝুলিয়ে ওই গৃহবধূর পরিবারকে এলাকা থেকে বের করে দেওয়া হয়।

শনিবার (২৪ এপ্রিল) রাতে শালিসে উপস্থিত কালু ফকির, ইমরান ফকির, শামীম ফকিরসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত ৮/১০ জনে রাজৈর থানায় মামলা দায়ের করেছে ওই গৃহবধূর স্বামী। পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে কালু ফকির, আজিজুল ফকির ও শাকিব আকনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।

নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ বলেন, ‘ওরা আমাকে ও আমার ভাইকে জোর করে বেঁধে সবার সামনে ১০০ জুতার বাড়ি দিয়েছে। জুতার মালা পরিয়ে সারা গ্রাম ঘুরিয়েছে। আবার আমার ঘরে তালা দিয়েছে। এখন ভয়ে নিজের বাড়ি যেতে পারছি না।’

এলাকার ইউপি সদস্য তারা মিয়া বেপারী বলেন, ‘ধর্মের ভাই-বোনকে বিচারের নামে প্রহসনের শালিস বসায়। শালিসে আমার কোনো কথাই তারা শোনেনি। এমনকি ওই নারীর কোনো কথা না শুনে কালু ফকির, ইমরান ফকির, শামীম ফকির, রানা ফকির নিজেদের ইচ্ছেমত রায় ঘোষণা করে।’

বাজিতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম হাওলাদার বলেন, ‘কাজটি যারা করেছে, যারা আইন হাতে তুলে নিয়েছে, তাদের এবং এর পেছনে ইন্ধনদাতাদের বিচার হওয়া উচিৎ।

ওই গৃহবধূর স্বামী বলেন, ‘আমি দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে স্ত্রীর সঙ্গে সংসার করছি। তার চরিত্র খারাপ হলে আমি আগে জানতাম। আমার স্ত্রী অপরাধ করে থাকলে আমি বিচার করতাম। উনারা কেন আমার স্ত্রী ও আমার আত্মীয়কে এভাবে অপমান করলো। তারা ঘরে তালা দিয়ে বের করে দিয়েছে। এখন আমরা ঘরে যেতে পারছি না।’ 

তিনি বলেন, ‘আমাদের ছেলে মেয়ে আছে। তাদের বিয়ে দিয়েছি। নাতি-নাতনি রয়েছে। আমারা কীভাবে মানুষের মুখ দেখাব। আমি এর বিচার চাই।’

শালিসের নেতা কালু ফকির বলেন, ‘ওই মহিলা খুবই বাজে চরিত্রের লোক। তাই একটু শাসনের জন্য শালিস করা হয়। শালিসে অনেক মাতুব্বর ছিলো। তারা সবাই মিলে এ রায় দেয়।’ 

রাজৈর থানার ওসি শেখ সাদী বলেন, তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। বাকি আসামিদের ধরার জন্য তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। 

সুত্র ঃ রাইজিংবিডি

ডাক্তারকে চড় মারলেন নার্স, অতঃপর পাল্টা ঘুষি!
                                  

অনলাইন ডেস্ক: করোনা পরিস্থিতিতে নাজেহাল অবস্থা। বেহাল স্বাস্থ্য পরিকাঠামো নিয়ে আর পারছেন না! নাজেহাল হয়ে পড়েছেন। বিরক্তি চরম পর্যায়ে উঠে গিয়েছে। এমন সময় ডাক্তারের চেম্বারে ভিড় করে রয়েছেন অনেকে। চিৎকার করে করে কথা বলছে তারা। নিজেদের রোগীর ব্যপারটা বুঝে নিতে চাইছে। ডাক্তার অনেকক্ষণ ধরে বিরক্তি চেপে রেখে সবার সমস্যা শুনছিলেন। কিন্তু, সবাই একই সময়ে নিজেদের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাইছিল। এমন সময়, ধৈর্য্যের বাধ ভেঙে যায়। মস্তিষ্ক আর কাজ করে না। মন ততক্ষণে দুর্বল হয়ে পড়ে।

অন্যদিকে, নার্সও কাজের চাপে বেসামাল। মাথা ঠিক রাখতে পারছেন না। তিনি ডাক্তারকে জিজ্ঞাসা করেন ডেথ সার্টিফিকেট কোথায়। শুরু হয় কথা কাটাকাটি। ব্যস, সেই মুহূর্তে ডাক্তারকে অকারণেই থাপ্পড় মেরে দেন নার্স। ডাক্তারেরও ধর্য্যের বাধ ভেঙে যায়। নার্সকে পাল্টা ঘুষি মেরে দেন তিনি। এটি আপাতত দৃষ্টিতে নারী নির্যাতন বটেই।

সোমবার ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিমবঙ্গের রামপুর জেলার একটি হাসপাতালে।

হাসপাতালের পক্ষ থেকে জানা গেছে, অত্যাধিক কাজের চাপে মাথা ঠিক ছিল না তাদের। এই ঘটনার ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই তা ভাইরাল হয়ে যায়।

জানা গেছে, ঘটনার প্রেক্ষাপটটা ছিল এইরকম– এক কোভিড রোগীর মৃত্যু হয়েছে। পরিবার মৃত্যু সনদের জন্য হাসপাতাল প্রশাসনের কাছে যোগাযোগ করে। নার্স ডাক্তারের কাছে গিয়ে ওই ডাক্তারকে মৃত্যু সনদ লিখে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। তারপরই ঘটে ঘটনাটি। রামপুর পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় কোনও অভিযোগ পাওয়া যায়নি, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রামজি মিশ্র ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

তিনি জানিয়েছেন, “আমি তাদের দু’জনের সঙ্গেই কথা বলেছি। তারা বলেছেন যে তাদের ওপর দিয়ে খুব কাজের চাপ যাচ্ছে। তবুও, আমরা ঘটনার তদন্ত করব এবং দু’জনের সঙ্গেই পুনরায় কথা বলা হবে।”

রামুতে ছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলার আসামীরা গ্রেফতার হয়নি : বাদী পরিবার নিরাপত্তাহীন
                                  

কক্সবাজার প্রতিনিধি : কক্সবাজারের রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের নন্দাখালী এলাকায় দশম শ্রেণীতে পড়ুয়া এক স্কুল ছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। আদালতে নালিশী দরখাস্তের পর তা আমলে নেন আদালত। বাদীর এজাহারটি সরাসরি এফআইআর হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালত নং ২ কক্সবাজার আদালত।

এদিকে, মেয়ে ধর্ষিতা হওয়ার ন্যায় বিচার চেয়ে মামলা করে বিপাকে পড়েছেন নির্যাতিত পরিবারের সদস্যরা। আসামীরা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি ছাড়াও ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেস্টায় লিপ্ত রয়েছে আসামীরা। গত ২৫ মার্চ বিকাল তিনটার দিকে প্রাইভেট শেষে বাড়ী ফেরার পথিমধ্যে পানিছড়া এসএইচডি মডেল হাইস্কুলের দশম শ্রেণীতে পড়ুয়া ওই ছাত্রী অপহরণের শিকার হন।

জানা গেছে, রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের ৩ নাম্বার ওয়ার্ড মুরাপাড়া নন্দাখালী এলাকার নির্যাতিত স্কুল ছাত্রীর মা বাদী হয়ে কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল নাম্বার-২ কক্সবাজার আদালতে
হাজির হয়ে যায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৭/৩ ধারায় গত ৩১ মার্চ ৪ জনের বিরুদ্ধে নালিশ দরখাস্ত দেন।
বিজ্ঞ বিচারক নালিশী দরখাস্তটি গ্রহণ করে সিপি নং-৭৩/২০২১। গত ১ এপ্রিল নালিশী দরখাস্তটি সরাসরি এফআইআর হিসেবে থানায় রেকর্ড করার জন্য রামু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)কে নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলায় আসামীরা হলেন, রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের ৩ নাম্বার ওয়ার্ড মুরাপাড়া নন্দাখালী এলাকায় সোলেমানের ছেলে কায়েস উদ্দিন(২১), ওসমান গনির মেয়ে উর্মি আক্তার (১৮), মৃত আমির হোসেনের ছেলে সোলেমান (৫০), মৃত আমির হোছনের ছেলে ওসমান গনি (৪৫)।
জানা গেছে, কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল নাম্বার-২, কক্সবাজার বিচারক মোঃ মোসলেহ উদ্দিন, (জেলা ও দায়রা জজ) (ইনচার্জ), সি.পি ৭৩/ ২০২১, আদেশ নম্বর-১, তারিখ-৩১/৩/২০২১, স্বারক নং-১৭৯, তাং-১/৪/২০২১। আদেশের অনুলিপিসহ সংশ্লিষ্ট মামলার কাগজাদির ফটোকপি অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অফিসার ইনচার্জ ওসি রামু থানা বরাবর প্রেরণ করা হয়।

ঘটনার বিবরণে প্রকাশ, পানিছড়া এসএইচডি মডেল হাইস্কুলের দশম শ্রেণী নিয়মিত ছাত্রী ( সংগত কারণে নাম ও পরিচয় গোপন রাখা হলো) কে স্থানীয় উর্মি আক্তার, সোলেমান ও ওসমান গণি নামের ব্যক্তিরা ইতোপূর্বে কায়েস উদ্দিন (২১) এর সাথে বিয়ে প্রস্তাব দেয়।

কায়েস উদ্দিন টমটম চালক ও বখাটে হওয়ায় প্রস্তাব নাচক করেন ছাত্রীর পরিবার। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিল তারা।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৫ মার্চ বিকাল ৩টার সময় ভিকটিম স্কুল ছাত্রী প্রাইভেট পড়া শেষে স্কুল থেকে বাড়িতে যাওয়ার পথে পথিমধ্যে ঘটনাস্থল জোয়ারিয়ানালা নন্দাখালী মুড়াপাড়াস্থ বিকে আজম এর আম বাগানের সামনে নির্মাণাধীন ট্রেনের রাস্তার ওপর গিয়ে পৌঁছলে প্রতিপক্ষ লোকজন অজ্ঞাত নাম্বারের সিএনজি গাড়ি যোগে অপ্রাপ্তবয়স্ক স্কুল ছাত্রীর সামনে আসেন। এসময় উর্মি আক্তার, সোলেমান ও ওসমান গণি সহযোগিতায় বখাটে কায়েস উদ্দিন ওই ছাত্রীকে জোরপূর্বক সিএনজি অটোরিকশায় তুলে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

স্কুল ছাত্রীর চিৎকার করলে স্থানীয় লোকজন পিছু পিছু ধাওয়া করলেও অপহরণকারীদের আটক করতে পারেনি।

সুত্রে আরো জানা গেছে, অপহৃতা স্কুল ছাত্রীর মা খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে আসেন এবং সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুজি করেও সন্ধান পাননি। উপস্থিত লোকজনের কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে অবগত হওয়ার পরও অপহৃতাকে উদ্ধার করতে পারেনি। ফলে গত ২৬ মার্চ এব্যাপারে রামু থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেন স্কুল ছাত্রীর মা। কিন্তু থানা কর্তৃপক্ষ এজাহারখানা সীল দিয়ে গ্রহণ করলেও নিয়মিত মামলা হিসেবে রুজু করেনি। এমনকি অপহৃতাকে উদ্ধারে কার্যকর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি পুলিশ।

শেষে ন্যায় বিচার পাওয়ার জন্য অপহৃতার মা বাদী হয়ে গত ৩১ মার্চ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল নাম্বার-২ কক্সবাজার আদালতে হাজির হয়ে যায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৭/৩ ধারায় ৪ জনের বিরুদ্ধে নালিশী দরখাস্ত দায়ের করেন।

বিজ্ঞ আদালতের বিচারক নালিশী দরখাস্তটি আমলে নেন সি.পি মামলা নং-৭৩/২০২১।

এছাড়াও দরখাস্তটি সরাসরি থানায় এফআইআর হিসেবে রেকর্ড করার জন্য রামু থানার অফিসার ইনচার্জ ওসিকে নির্দেশ দেন আদালত।
এদিকে, ঘটনার পর রামু চৌমুহনী এলাকায় একটি হোটেলে নিয়ে গিয়ে দশম শ্রেণীর ছাত্রীকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে ওই বখাটে। পরবর্তীতে হোটেলের নিচে ফেলে চলে যায় ধর্ষক কায়েস। স্থানীয় রামু মন্ডলপাড়ার প্রত্যক্ষদর্শী লোকজন ওই স্কুল ছাত্রীকে পেয়ে মাকে খবর দেন।

প্রত্যক্ষদর্শী লোকজন ওই ছাত্রীকে রামু থানা পুলিশের কাছে নিয়ে যান।
পরে রামু থানা পুলিশ ভিকটিম ছাত্রীকে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে ডাক্তারী পরীক্ষা করান। এই ঘটনাটি তদন্ত করছে রামু থানার এসআই নাজমুল।
তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নাজমুলের সাথে যোগাযোগ করা হলে, তিনি বলেন, ঘটনাটি স্পর্শকাতর। তাই ঘটনার আসল রহস্য উদঘাটনের চেস্টা চলছে।

মামলার বাদীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, রামু থানা পুলিশ আসামিদের গ্রেফতার না করে উল্টো ভিকটিম ও আমাকে (বাদীকে) গালমন্দসহ বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে। এছাড়াও আসামিরা ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য উঠে-পড়ে লেগেছে। এমনকি মামলা প্রত্যাহার করার জন্য আসামীরা হুমকি ছাড়াও বিভিন্নভাবে বিভিন্ন মাধ্যমে অপপ্রচার শুরু করে এধরনের ন্যাক্কারজনক একটি ঘটনা ধামাচাপা দিতে অপকৌশল অবলম্বন করছে। যা খুবই দুঃখজনক।

এ ব্যাপারে রামু থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি কেএম আজমীরু জ্জামানের যোগাযোগ করা হলে, তিনি বলেন, ঘটনারটির বিষয়ে তদন্ত চলছে। আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শেরপুরে ট্রাকের চাপায় নিহত ১: আহত ৩
                                  

অনলাইন ডেস্ক: বগুড়ার শেরপুরে মালবাহী ট্রাক ও সিএনজি চালিত অটোরিকসার মধ্যে সংঘর্ষে এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন যাত্রী। শুক্রবার (২৩এপ্রিল) বিকেল অনুমান ছয়টার দিকে উপজেলার গাড়ীদহ ইউনিয়নের দশমাইল নামক স্থানে ঢাকা-বগুড়া বগুড়া-ঢাকা মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় নিহত ওই যাত্রীর নাম মিজানুর রহমান (৩৫)। তিনি উপজেলার শাহবন্দেগী ইউনিয়নের শেরুয়া বটতলা এলাকার আবু তালেবের ছেলে।
শেরপুর ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা রতন হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, বগুড়া থেকে চারজন যাত্রী নিয়ে সিএনজিচালিত একটি অটোরিকশা শেরপুর শহরের দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে মহাসড়কের উক্ত স্থানে পৌঁছালে একইদিক থেকে আসা ঢাকাগামী একটি মালবাহী ট্রাক পিছন থেকে অটোরিকসাটিকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই অটোরিকশার যাত্রী মিজানুর রহমান মারা যান। এছাড়া দুর্ঘটনায় আহত অন্যান্যদের দ্রুত উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। আর নিহত ব্যক্তির লাশ হাইওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয় বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের এই স্টেশন কর্মকর্তা।

দুটি অ্যাম্বুলেন্সই নষ্ট, চালকও নেই!
                                  

অনলাইন ডেস্কঃ স্ট্রোকজনিত কারণে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় মো. হুরণ মিয়াকে। অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে চিকিৎসকরা দ্রুত জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। তাৎক্ষণিকভাবে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা না করতে পেরে সেখানেই প্রাণ যায় হুরণ মিয়ার।

শুধু পৌর এলাকার মসজিদ পাড়ার হুরণ মিয়া নয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা সব রোগীরাই অ্যাম্বুলেন্সের সেবা থেকে বঞ্চিত। কেননা, হাসপাতালটিতে থাকা দুটি অ্যাম্বুলেন্সই নষ্ট। এ ছাড়া কোনো অ্যাম্বুলেন্সের জন্যই চালক নেই। যে কারণে করোনাকালীন রোগীরা চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়ছেন। ব্যাহত হচ্ছে করোনা রোগীদের নুমনা সংগ্রহের কাজসহ হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কাজও। প্রায় এক মাসের বেশি সময় ধরে এ অবস্থা চলতে থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো ধরনের উদ্যোগ লক্ষ করা যাচ্ছে না। এতে সাধারণ মানুষের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলাবাসীর ভরসা এ হাসপাতালটিতে রয়েছে দুটি অ্যাম্বুলেন্স। এর মধ্যে একটি নতুন ও আরেকটি পুরাতন। দুটি অ্যাম্বুলেন্স থাকলেও একজন চালক দিয়েই কার্যক্রম চালানো হতো। কয়েকমাস আগে ওই চালক অবসরজনিত ছুটিতে (পিআরএল) যান। এতেই সমস্যা দেখা দেয়। তবে মাঝে মাঝে জরুরি প্রয়োজনে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার (টিএইচও) চালক দিয়ে অ্যাম্বুলেন্স চালানো হতো। কিন্তু এখন অ্যাম্বুলেন্স দুটি নষ্ট থাকায় রোগী সেবা থেকে পুরোপুরি বঞ্চিত। 

আখাউড়া উপজেলা স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. ফোরকান আহমেদ খলিফা জানান, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে তাঁর এক ভাই অসুস্থ হলে অ্যাম্বুলেন্স চাইলে নষ্ট বলে জানানো হয়।

আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচও) ডা. মো. রাশেদুর রহমান দুটি অ্যাম্বুলেন্স নষ্ট থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, `লকডাউনের কারণে এখন গ্যারেজও বন্ধ আছে। যে কারণে অ্যাম্বুলেন্সগুলো ঠিক করা যাচ্ছে না`।

সুত্রঃ কালের কন্ঠ

ছেলেসহ সাংবাদিক জুয়েলের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা
                                  

অনলাইন ডেস্কঃ বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল বাংলাভিশনের রংপুর বিভাগের নিজস্ব প্রতিবেদক আনজারুল ইসলাম জুয়েল (জুয়েল আহমেদ) ও তাঁর ছেলে নিবিড় আহমেদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) রাতে জুয়েল আহমেদ বাদী হয়ে মুমিনুর রহমান রতন ওরফে রতন সরকার নামের এক ব্যক্তিকে প্রধান আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাত আরো কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, নীলফামারী পৌর এলাকার মাস্টারপাড়া মহল্লার মৃত তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে আনজারুল ইসলাম জুয়েল (জুয়েল আহমেদ) বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল বাংলাভিশনের রংপুর বিভাগের নিজস্ব প্রতিবেদক হিসেবে কর্মরত। তিনি রংপুর নগরীর ডিসির মোড়সংলগ্ন বর্ধনকুঠিতে পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। পেশাগত কারণে নীলফামারী পৌরসভার প্রগতিপাড়া মহল্লার আবুল হাসান ইলিয়াসের ছেলে রংপুর নগরীর আর কে রোড এলাকার বাসিন্দা মুমিনুর রহমান রতন ওরফে রতন সরকারের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

এই সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে রতন সরকার সংবাদ প্রকাশের ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদাবাজি করছিলেন। এছাড়া মাদক ও বিভিন্ন নেশা জাতীয় দ্রব্য সেবনসহ রতনের বিভিন্ন অপকর্মের প্রতিবাদ করেন জুয়েল আহমেদ। একই এলাকার ছেলে হিসেবে তাঁকে অপকর্ম থেকে বিরত থাকারও আহ্বান জানান তিনি। এতে রতন সরকার ক্ষিপ্ত হয়ে বিভিন্ন সময়ে ভয়ভীতি ও জুয়েলকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছিলেন।

ঘটনার দিন গত বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে রংপুর সিটি করপোরেশন কার্যালয়সংলগ্ন মার্কেটের তিন তলায় বাংলা ভিশনের রংপুর অফিস কার্যালয়ে ক্যামেরাপারসন শাহনেওয়াজ জনি, শিক্ষানবিশ সাংবাদিক আহামেদ ফারুখসহ লকডাউনের সংবাদ সংগ্রহের জন্য যান জুয়েল। কাজ শেষে দুপুর দেড়টার দিকে সিটি বাজারে সবজি কেনার উদ্দেশ্যে অফিস থেকে বের হন। তিনি সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামার সময় আসামি মুমিনুর রহমান রতন ওরফে রতন সরকার কয়েকজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী নিয়ে জুয়েলের ওপর হামলা চালান। তারা জুয়েলকে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করেন। এতে তিনি প্রাণভয়ে সিঁড়ির নিচে নেমে চলে আসার সময় আবারো রতন সরকার তার হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে মাথায় আঘাত করেন। আঘাতটি জুয়েলের মাথায় না লেগে সিঁড়ির রেলিংয়ে লাগলে ভাগ্যক্রমে প্রাণে বেঁচে যান তিনি।

রতনের সহযোগীরা জুয়েলকে কিল, ঘুষি ও লাথি মারতে থাকেন। তিনি মাটিতে পড়ে গেলে আসামি রতন সরকার আবারো হামলা চালানোর চেষ্টা করলে তিনি দৌড়ে বাংলা ভিশনের অফিসে গিয়ে আশ্রয় নেন। এ সময় দলবলসহ রতন তাঁকে অফিস থেকে বের করে রাস্তায় আনার চেষ্টা করেন।

এদিকে, জুয়েলের বড় ছেলে রংপুর বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের ছাত্র নিবিড় আহমেদ (১৭) জুয়েলের সঙ্গে দেখা করে বাজার নিয়ে যা‌ওয়ার জন্য আসলে আসামি রতনের হুকুমে অজ্ঞাত আসামিরা তাকেও এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন নিবিড়। এসময় আসামি রতন সরকার ছেলের গলায় পা তুলে দিয়ে চেপে ধরেন এবং তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে  বাংলাভিশনের ক্যামেরাপারসন শাহনেওয়াজ জনি ও  অন্যরা এসে নিবিড়কে উদ্ধার করেন। পরে নিজের জীবন রক্ষার জন্য মার্কেটের দোতলা থেকে পালিয়ে রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজার রহমানের কক্ষে গিয়ে আশ্রয় নেন জুয়েল।

এদিকে, খবর পেয়ে আসামিরা নগর ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে তাঁকে হত্যার হুমকি দিতে থাকেন। পরে সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও অন্যান্য সাংবাদিকদের সহায়তায় কোনো রকমে সেখান থেকে বেরিয়ে বাসায় চলে যান জুয়েল। বাসায় পৌঁছে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন তিনি এবং রাতেই থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। ঘটনার পর থেকে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আতঙ্কে ভুগছেন জুয়েল।

মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)  আব্দুর রশিদ বলেন, `ঘটনা তদন্ত শেষে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে।`

ডিলারদের প্রতারণা, প্যাকেজে বিক্রি হচ্ছে টিসিবির পণ্য
                                  

অনলাইন ডেস্কঃ নিয়ম না থাকলেও প্যাকেজ করে পণ্য বিক্রি করছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)র ডিলাররা। এতে একদিকে যেমন ব্যাহত হচ্ছে সরকারের উদ্দেশ্য, অন্যদিকে চাহিদা অনুযায়ী পণ্য ক্রয় করতে পারছেন না দরিদ্ররা। তবে পেঁয়াজের স্টক শেষ হয়ে গেলে এ অবস্থা আর থাকবে না বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) রাজধানীর খিলগাঁও, মালিবাগ, মৌচাক, মতিঝিল কাকরাইল এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, প্যাকেজ করে বিক্রি করা হচ্ছে টিসিবির পণ্য। বেশ কিছু ক্রেতা তাদের ইচ্ছে অনুযায়ী পণ্য কিনতে চাইলেও বিক্রেতারা পণ্য বিক্রি করতে অস্বীকৃতি জানান। বিশ্বস্ত একটি সূত্র জানায়, আমদানি করা পেঁয়াজ আগামী সপ্তাহে শেষ হয়ে যাবে। এরপর থেকে ডিলারদের এ প্যাকেজের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে টিসিবি।

রাজধানীর খিলগাঁও রেলগেট এলাকায় টিসিবির ট্রাকে ৮৫০ টাকা প্যাকেজ করে ৬টি পণ্য বিক্রি করে ডিলারের প্রতিনিধিরা। এর মধ্যে ছিল ১০০ টাকা লিটার দরে ৪ লিটার তেল, ৫৫ টাকা দরে ২ কেজি করে ছোলা, মসুর ডাল ও চিনি, ৮০ টাকা দরে এক কেজি খেজুর এবং ২০ টাকা দরে ২ কেজি পেঁয়াজ। লকডাউনের মধ্যেও ক্রেতারা তীব্র দাবদাহ উপেক্ষা করে পণ্য সংগ্রহ করেন। তবে প্যাকেজ করে পণ্য বিক্রি করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনেকে। টিসিবির পন্য কিনতে আসা সাইদুল হোসেন নামে এক ক্রেতা জানান, টিসিবি থেকে ডাল, তেল ও চিনিসহ বাজার থেকে অন্যান্য পণ্য কিনতে তিনি বাসা থেকে এক হাজার টাকা নিয়ে বের হয়েছেন। কিন্তু প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও তাকে টিসিবি থেকে ৮৫০ টাকা দিয়ে পণ্য কিনতে হচ্ছে। এতে তার অন্য পণ্য কিনতে টাকার ঘাটতি হবে বলে এরকম সিস্টেমের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

প্যাকেজ করে কেন পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে জানতে চাইলে ট্রাকের বিক্রয়কর্মীরা ভোরের কাগজকে জানান, আমাদের সবকিছু সমন্বয় করে পণ্য বিক্রি করতে বলা হয়েছে, তাই করছি। তা না হলে নির্দিষ্ট কিছু পণ্য বিক্রি হবে, আর অন্য পণ্যগুলো অবিক্রীত থেকে যাবে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে ডিলার। কে সমন্বয় করে পণ্য বিক্রি করতে বলেছে এমন প্রশ্নে নিশ্চুপ থাকেন ওই বিক্রেতা। বিক্রেতা নিজের নামটিও গোপন করেন। এক ব্যক্তি আসেন খেজুর কিনতে। কিন্তু ওই ব্যক্তির কাছে খেজুর বিক্রি করেননি বিক্রেতারা। বিক্রয়কর্মীরা বলেন, নিম্ন আয়ের মানুষেরা প্যাকেজ কিনতে আর্থিক অসঙ্গতির কথা জানাচ্ছে। অথচ অনেকেই একসঙ্গে ৫ লিটার, ১০ লিটার করে তেল কিনতে আসে। অথচ পেঁয়াজ কিনতে চায় না। এর আগে গত বছর এই বড় বড় পেঁয়াজ নেয়ার জন্যই মানুষ হাহাকার করেছে। তারা বলেন, পেঁয়াজ পঁচনশীল পণ্য। আমাদেরকে টিসিবি থেকে এ পণ্যটাও নিয়ে আসতে হয়। ক্রেতারা না নিলে আমাদের অনেক ক্ষতি হয়। ইতিমধ্যে কয়েকবস্তা পেঁয়াজ ফেলে দিতে হয়েছে বলেও জানান তারা।

একই অবস্থা দেখা যায় মতিঝিল বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে অবস্থানরত টিসিবির ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে। এখানকার বিক্রেতারাও নিজেদের নাম বলতে চাননি। তারা বলেন, পণ্য নিতে হলে প্যাকেজের সব পণ্যই নিতে হবে। পণ্য কিনতে আসা মাসুদ নামে এক ব্যক্তি বলেন, তার ছোলার প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও বাধ্য হয়ে কিনতে হচ্ছে তাকে। গোলাম রসুল নামে আরেক ব্যক্তি জানান, তার চিনির প্রয়োজন নেই; কিন্তু প্যাকেজ ছাড়া ডিলারের লোকজন পণ্য বিক্রি করছেন না বলে সবই নিতে হচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে টিসিবির মুখপাত্র হুমায়ুন কবির ভোরের কাগজকে বলেন, প্যাকেজ করে পণ্য বিক্রির কোনো নিয়ম নেই। কোনো ডিলার এটা করে থাকলে তারা তা অন্যায় করছে। আমাদের কাছেও ইতিমধ্যে কিছু অভিযোগ এসেছে। আমরা তদারকিতে আছি। তবে এ ধরনের ডিলারের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি বলেন, পচনশীল পণ্য পেঁয়াজ। তাই পেঁয়াজ বিক্রির জন্য তারা হয়তো এ ধরনের পন্থা অবলম্বন করছেন। আগামী শনিবার থেকে পেঁয়াজ বিক্রি বন্ধ করে দেয়া হবে। তখন হয়তো এ অনিয়ম থাকবে না।

নাম না প্রকাশের শর্তে টিসিবির একটি সূত্র জানায়, টিসিবিতে বিপুল পরিমাণ আমদানি করা পেঁয়াজ রয়ে গেছে। ডিলারদের সেইসব পেঁয়াজ বিক্রির জন্য বলা হয়েছে। ডিলাররাও তাই ক্রেতাদের প্রথমদিকে ১৫ টকা কেজি দরে ১০ কেজি করে পেঁয়াজ কেনার শর্তে অন্যান্য পণ্য বিক্রি করা শুরু করেন। এ নিয়ে গণমাধ্যমে লেখালেখির পর ১০ কেজির বদলে তা ২/৩ কেজিতে নামিয়ে আনে ডিলাররা। তবে সেইসাথে টিসিবি পেঁয়াজের দামও ৫ টাকা বাড়িয়ে কেজি প্রতি করে ২০ টাকা। শুধু পেঁয়াজই নয়, দাম হয় অন্যান্য পণ্যেরও। টিসিবি গত ১৭ মার্চ থেকে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে প্রতি লিটার সয়াবিন ৯০ টাকা দরে বিক্রি করলেও এখন তা ১০০ টাকায় বিক্রি করছে। প্রতি কেজি চিনির দাম ৫০ টাকা থাকলেও বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায়।
জানা যায়, সারা দেশে বর্তমানে ৫০০টি ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে করে টিসিবির ভর্তুকি মূল্যে ৬টি পণ্য বিক্রি শুরু করে। এই কার্যক্রম চলবে ৬ মে পর্যন্ত। এর মধ্যে রাজধানীতে রয়েছে ১৩০টি ট্রাক।

সুত্র ঃ ভোরের কাগজ

সিলিংয়ে ঝুলছিল প্রবাসীর স্ত্রীর লাশ
                                  

অনলাইন ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে দক্ষিণ আফ্রিকা প্রবাসী ওয়াজেদ আলীর স্ত্রী সাদিয়াকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার পর ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার (১৯ এপ্রিল) রাতে রাতে মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের পেকুয়া এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। পুলিশ পিছনে দুই হাত বাঁধা অবস্থায় স্বামীর বাড়ি থেকে ফাঁসিতে ঝুলানো ওই গৃহবধুর লাশ উদ্ধার করেছে।

পুলিশ ও গৃহবধুর পারিবারিক সুত্র জানান, উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের পেকুয়া এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে দক্ষিণ আফ্রিকা প্রবাসী মো. ওয়াজেদ আলীর সঙ্গে একই উপজেলার আজগানা ইউনিয়নের বেলতৈল গ্রামের সেলিম মিয়ার মেয়ে সাদিয়া আক্তার সেতুর দুই বছর আগে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে সাদিয়ার সঙ্গে স্বামীর বাড়ির লোকজনের সম্পর্ক ভালো যাচ্ছিলো না।

স্বামী সাউথ আফ্রিকা চলে যাওয়ার পর শ্বশুর বাড়ির লোকজনের সঙ্গে সম্পর্কের কিছুটা অবনতি ঘটে সাদিয়ার। রমজানের কয়েক দিন আগে সাদিয়া শ্বশুর বাড়ি থেকে বাবার বাড়িতে আসে। গত দুই দিন আগে সাদিয়া আবার শ্বশুর বাড়ি চলে যায়। সাদিয়ার শ্বশুর, শ্বাশুড়ি ও তানজিলা নামে এক ননদ নিয়ে বসবাস করতেন।

সোমবার সন্ধ্যার পর সাদিয়াকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার পর লাশ ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বলে সাদিয়ার বাবা সেলিম মিয়া ও তার আত্মীয়রা অভিযোগ করেছেন। খবর পেয়ে মির্জাপুর থানা পুলিশ রাতে ঘটনাস্থলে গিয়ে ওড়না দিয়ে দুই হাত পিছনে বাঁধা অবস্থায় ফাঁসিতে ঝুঁলানো সাদিয়ার লাশ উদ্ধার করে।

মির্জাপুর থানার উপপরিদর্শক মো. আজিম খান জানান, দুই হাত ওড়না দিয়ে পিছনে পেচানো অবস্থায় গৃহবধু সাদিয়ার ঝুঁলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। এটি হত্যা না আত্মহত্যা ময়না তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর জানা যাবে। তবে এটি হত্যা হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করছে। এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি বলে তিনি জানান।

সুত্রঃ কালের কন্ঠ 

ঈশ্বরদীতে অর্ধশতাধিক মানুষ বোঝাই ট্রাক আটক
                                  

অনলাইন ডেস্কঃ গনপরিবহণ বন্ধ থাকায় লকডাউন উপেক্ষা করে ট্রাকে মানুষ পরিবহনের সময় ঈশ্বরদীতে অর্ধশতাধিক যাত্রী বোঝাই ট্রাক আটক হয়েছে। রবিবার (১৮ এপ্রিল) রাত দেড়টার দিকে পাকশী হাইওয়ে থানা পুলিশ ৬৩ জন যাত্রী বোঝাই ট্রাকটিকে আটক করেছে ।

হাইওয়ে থানার ওসি মনিরুজ্জামান জানান, গভীর রাতে ঢাকা হতে যশোরের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল এই ট্রাক। পাকশী হাইওয়ে থানা পুলিশ দাশুড়িয়া ট্রাফিক মোড়ের চেকপোস্টে সিগন্যাল দিলে ট্রাকটি সিগন্যাল অমান্য করে চলে দ্রুত গতিতে চালিয়ে সটকে পড়ার চেষ্টা করে। সিগন্যাল অমান্য করায় ট্রাকটির পিছু নেয় পাকশী হাইওয়ে থানা পুলিশ। প্রায় ১৩ কিলোমিটার ধাওয়া শেষে রূপপুর গ্যাস পাম্পের সামনে পুলিশ ট্রাকটিকে থামাতে সক্ষম হয়।

ট্রাকটির ডালার ওপর ত্রিপল দিয়ে ঢেকে যেভাবে পণ্য বোঝাই করার পর রশি দিয়ে বেঁধে দেওয়া হয়, সেভাবেই ট্রাকের ডালা বেঁধে দেয়া ছিল। বাইরে থেকে দেখলে ভেতরে মানুষ আছে বলে বোঝার উপায় নেই মনে হয় পণ্য বোঝাই ট্রাক। এই পর্যায়ে চালককে জিজ্ঞাসাবাদের সময় স্বীকার করে ট্রাকের ভেতর পণ্য নয় রয়েছে মানুষ। ত্রিপল সরিয়ে ট্রাকের ডালা খুলতেই বেরিয়ে পড়ে নারী ও পুরুষসহ মোট ৬৩ জন যাত্রী। তবে ভেতরে ছোট ছোট চার্জার ফ্যানের ব্যবস্থাও ছিল। ঢাকার বিভিন্ন এলাকা হতে বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে ট্রাকে উঠেছিলেন বলে এই যাত্রীরা জানিয়েছেন ।

হাইওয়ে পুলিশের কর্মকর্তা আরো জানান, বুধবার থেকে কঠোর লকডাউন কার্যকর করতে সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সবসময় দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট রয়েছি। ট্রাকটিকে পুলিশী হেফাজতে নেয়া হয়েছে এবং রবিবার চালকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। ট্রাকের যাত্রীদের লালন শাহ সেতু পার হওয়ার ব্যবস্থা করা হলে তারা যে যার গন্তব্যে চলে গেছে বলে জানান তিনি।

এদিকে রবিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত আরো কয়েকটি পিকআপ ও মানুষ বোঝাই ট্রাক থেকে মানুষ নামিয়ে নেয়া হয়েছে। এসব যাত্রীদের জন্য হাইওয়ে পুলিশ ৪টি বাস ম্যানেজ করে বিভিন্ন গন্তব্যে পাঠিয়েছে বলে জানা গেছে।


   Page 1 of 42
     অপরাধ ও অনিয়ম
ময়মনসিংহে পর্নোগ্রাফি ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগে আটক ৪
.............................................................................................
অবৈধ মাদক ও আগ্নেয়াস্ত্রের অর্থ যাচ্ছে বিটকয়েনে
.............................................................................................
রাস্তা তো নয়, যেন মরণ ফাঁদ!
.............................................................................................
সিলেটে ট্রাকচাপায় অটোরিকশার ৫ যাত্রীর মৃত্যু
.............................................................................................
ক্রমাগত ‘গুম-খুনের হুমকি পেয়ে’ মুনিয়ার বোনের জিডি
.............................................................................................
ময়মনসিংহে ট্রাক-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৩
.............................................................................................
সাভারে অপহৃত শিশু মানিকগঞ্জে উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩
.............................................................................................
গৃহবধূ ও যুবককে জুতার মালা পরিয়ে নির্যাতন, ঘরে তালা
.............................................................................................
ডাক্তারকে চড় মারলেন নার্স, অতঃপর পাল্টা ঘুষি!
.............................................................................................
রামুতে ছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলার আসামীরা গ্রেফতার হয়নি : বাদী পরিবার নিরাপত্তাহীন
.............................................................................................
শেরপুরে ট্রাকের চাপায় নিহত ১: আহত ৩
.............................................................................................
দুটি অ্যাম্বুলেন্সই নষ্ট, চালকও নেই!
.............................................................................................
ছেলেসহ সাংবাদিক জুয়েলের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা
.............................................................................................
ডিলারদের প্রতারণা, প্যাকেজে বিক্রি হচ্ছে টিসিবির পণ্য
.............................................................................................
সিলিংয়ে ঝুলছিল প্রবাসীর স্ত্রীর লাশ
.............................................................................................
ঈশ্বরদীতে অর্ধশতাধিক মানুষ বোঝাই ট্রাক আটক
.............................................................................................
গাজীপুরে ছুরিকাঘাতে স্কুল ছাত্রের মৃত্যু, আটক ১
.............................................................................................
গরুর ঘাস খাওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত ৪০
.............................................................................................
ক্ষেতের ধান খাওয়ায় পাখির বাসায় আগুন, পুড়ে গেল ৩৩ ছানা
.............................................................................................
মেয়রের বাড়িতে বিস্ফোরণ, চার কাউন্সিলরসহ আহত ১৩
.............................................................................................
ইয়েমেনে হুথি হামলায় দিশেহারা সৌদি সেনারা
.............................................................................................
ঘুমন্ত শিশুকে কুপিয়ে হত্যা, সৎ মা আটক
.............................................................................................
লকডাউনে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে: রেলমন্ত্রী
.............................................................................................
এক ট্রাকে ৮০ যাত্রী!
.............................................................................................
বাসে উঠতে না পেরে অফিসযাত্রীদের সড়ক অবরোধ-বিক্ষোভ
.............................................................................................
দুই সন্তানকে হত্যা করে মায়ের আত্মহত্যা
.............................................................................................
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৫
.............................................................................................
মুন্সীগঞ্জে ইভটিজিং নিয়ে সালিশে ছুরিকাঘাতে নিহত ৩
.............................................................................................
রাজধানীতে মা-শিশুর মরদেহ উদ্ধার
.............................................................................................
১০০ টাকার প্রলোভন দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ
.............................................................................................
কেরানীগঞ্জে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু পরিবারের মামলা : ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে বাদী
.............................................................................................
জুতার মধ্যে পাওয়া গেল ১৩ স্বর্ণের বার
.............................................................................................
যুবককে মারধরের ছবি তোলায় সাংবাদিককে আটকে রাখলেন চেয়ারম্যান
.............................................................................................
হবিগঞ্জে নিজ ঘরে মা-মেয়ের গলাকাটা লাশ
.............................................................................................
গ্রামীণফোনের ডাটাবেজে ঢুকে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ
.............................................................................................
সুদের টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় গৃহবুধকে গাছে বেঁধে নির্যাতন
.............................................................................................
ইউএনওর ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ৪
.............................................................................................
এক দশকে প্রায় ৭৩ কোটি টাকা জরিমানা ভোক্তা অধিদফতরের
.............................................................................................
নোয়াখালীতে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্রসহ আটক ২
.............................................................................................
ট্রাম্প-বাইডেনের মধ্যে কোনো পার্থক্যই দেখছে না ইরান
.............................................................................................
বিমানবন্দরে বাঘের হাড়সহ ধরা খেল চীনা নাগরিক
.............................................................................................
পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী গোলজারের যত সম্পদ
.............................................................................................
বাস থেকে প্রতিবন্ধী নারীকে ধাক্কা : বাসচালক-হেলপার গ্রেফতার
.............................................................................................
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে গার্মেন্টস কর্মী আটক
.............................................................................................
সাতক্ষীরায় ভাইয়ের দায়ের কোপে ভাই খুন
.............................................................................................
যখন পুলিশ ‘ছিনতাইকারী’! ঘটনাস্থল কক্সবাজার
.............................................................................................
বাস বন্ধে রাজশাহীর যাত্রীরা ভোগান্তিতে
.............................................................................................
ঠাকুরগাঁওয়ে মোবাইলে প্রেম, বন্ধুদের নিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ
.............................................................................................
কক্সবাজারে ২০ কেজি গাঁজা সহ দুই মাদক কারবারি আটক
.............................................................................................
রাঙ্গামাটিতে সরকারি অফিসে ঢুকে ইউপি সদস্যকে গুলি করে হত্যা
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop