| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * খিলক্ষেতে ক্রেনের ধাক্কায় শ্রমিক নিহত   * চালের বাজারে কিছুটা স্বস্তি, বেড়েছে মাছ-মুরগি-চিনির দাম   * বিশ্বে করোনায় মৃতের সংখ্যা সরকারি হিসাবের দ্বিগুণ: আইএইচএমই   * দৌলতদিয়ায় ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড়   * স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই গণপরিবহনে, চলছে আন্তঃজেলা বাসও   * উন্নত দেশগুলোর চেয়ে একাই বেশি গ্রিনহাউস গ্যাস ছড়ায় চীন   * জার্মানিতে একদিনে ১০ লাখ মানুষের টিকা গ্রহণ   * করোনা থেকে মুক্তি পেতে জুমাতুল বিদায় বিশেষ দোয়া   * মাস্ক পরা নিয়ে সরকারের ৮ নির্দেশনা   * বাংলাদেশ ১০ হাজার রেমডেসিভির দিল ভারতকে  

   সারা দেশ -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
দৌলতদিয়ায় ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড়

জেলা প্রতিনিধি : ঈদের এখনও কয়েকদিন বাকি থাকলেও ঘরমুখো মানুষ ও ছোট গাড়ির চাপ বেড়েছে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে।

শুক্রবার (৭ মে) সকাল থেকেই দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়।

এসময় পাটুরিয়া থেকে দৌলতদিইয়া ঘাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা প্রতিটি ফেরিতে ব্যক্তিগত ও ভাড়ায় চালিত ছোট গাড়ি, মোটরসাইকেল ও যাত্রীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মত। কিন্তু মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। অনেকের মুখে দেখা যায়নি কোনো মাস্ক।

এদিকে জেলার অভ্যন্তরে গণপরিহন চলাচল শুরু হলেও ভোগান্তি এড়াতে দূর-দূরান্তের যাত্রীরা দৌলতদিয়া প্রান্ত থেকে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে গাদাগাদি করে মাইক্রোবাস, প্রাইভেট কার, মাহেন্দ্রা, অটোরিকশা, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন বাহনে তাদের গন্তব্যে যাচ্ছেন।

এছাড়া দিনের বেলায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ছয়টি ছোট ফেরি চলাচলের কথা কর্তৃপক্ষ বললেও শুক্রবার নদীতে ফেরি চলছে ১০টির বেশি।

ঘরমুখো যাত্রী আসমা খাতুন, রিপন মোল্লা, নাঈম খানসহ অনেকে জানান, ঝুঁকি আছে জেনেও তারা প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ করতে বাড়িতে যাচ্ছেন। কিন্তু পথে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বাসে উঠে জেলার শেষ সীমানায় নামতে হচ্ছে। দিতে হচ্ছে বাড়তি ভাড়া।

তারা আরও বলেন, অনেকে ব্যক্তিগতভাবে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে গাড়ি ভাড়া করে গন্তব্যে যাচ্ছে। সেখানে প্রতিটি সিটে বহন করা হচ্ছে যাত্রী।

বরং দূরপাল্লার বাস চলাচল করলে যেমন ভোগান্তি কমতো, তেমনি স্বাস্থ্যবিধিও অনেকটা নিশ্চিত হতো বলে মনে করেন তারা।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট সহকারী ব্যবস্থাপক মো. খোরশেদ আলম বলেন, এ রুটে ছয়টি ফেরি দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। আজ ছোট যানবাহন ও ঘুরমুখো যাত্রীদের চাপ বেড়েছে।

তিনি আরও বলেন, ঈদে যানবাহন ও যাত্রীদের চাপ বাড়লে ফেরির সংখ্যাও বাড়বে। এজন্য রুটের ১৬টি ফেরির সবগুলোই প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

দৌলতদিয়ায় ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড়
                                  

জেলা প্রতিনিধি : ঈদের এখনও কয়েকদিন বাকি থাকলেও ঘরমুখো মানুষ ও ছোট গাড়ির চাপ বেড়েছে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে।

শুক্রবার (৭ মে) সকাল থেকেই দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়।

এসময় পাটুরিয়া থেকে দৌলতদিইয়া ঘাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা প্রতিটি ফেরিতে ব্যক্তিগত ও ভাড়ায় চালিত ছোট গাড়ি, মোটরসাইকেল ও যাত্রীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মত। কিন্তু মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। অনেকের মুখে দেখা যায়নি কোনো মাস্ক।

এদিকে জেলার অভ্যন্তরে গণপরিহন চলাচল শুরু হলেও ভোগান্তি এড়াতে দূর-দূরান্তের যাত্রীরা দৌলতদিয়া প্রান্ত থেকে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে গাদাগাদি করে মাইক্রোবাস, প্রাইভেট কার, মাহেন্দ্রা, অটোরিকশা, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন বাহনে তাদের গন্তব্যে যাচ্ছেন।

এছাড়া দিনের বেলায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ছয়টি ছোট ফেরি চলাচলের কথা কর্তৃপক্ষ বললেও শুক্রবার নদীতে ফেরি চলছে ১০টির বেশি।

ঘরমুখো যাত্রী আসমা খাতুন, রিপন মোল্লা, নাঈম খানসহ অনেকে জানান, ঝুঁকি আছে জেনেও তারা প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ করতে বাড়িতে যাচ্ছেন। কিন্তু পথে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বাসে উঠে জেলার শেষ সীমানায় নামতে হচ্ছে। দিতে হচ্ছে বাড়তি ভাড়া।

তারা আরও বলেন, অনেকে ব্যক্তিগতভাবে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে গাড়ি ভাড়া করে গন্তব্যে যাচ্ছে। সেখানে প্রতিটি সিটে বহন করা হচ্ছে যাত্রী।

বরং দূরপাল্লার বাস চলাচল করলে যেমন ভোগান্তি কমতো, তেমনি স্বাস্থ্যবিধিও অনেকটা নিশ্চিত হতো বলে মনে করেন তারা।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট সহকারী ব্যবস্থাপক মো. খোরশেদ আলম বলেন, এ রুটে ছয়টি ফেরি দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। আজ ছোট যানবাহন ও ঘুরমুখো যাত্রীদের চাপ বেড়েছে।

তিনি আরও বলেন, ঈদে যানবাহন ও যাত্রীদের চাপ বাড়লে ফেরির সংখ্যাও বাড়বে। এজন্য রুটের ১৬টি ফেরির সবগুলোই প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই গণপরিবহনে, চলছে আন্তঃজেলা বাসও
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : স্বাস্থ্যবিধিসহ যথাযথ নিয়ম মেনে গণপরিবহনে যাত্রী পরিবহনের নির্দেশনা থাকলেও বাস্তবে তা মানা হচ্ছে না। বিধিনিষেধের পর বাস চলাচলের দ্বিতীয় দিনেই নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা করছেন না পরিবহন চালকরা। এছাড়া চালক ও তার সহকারীদের মধ্যেও স্বাস্থ্যবিধি মানার প্রবণতা দেখা যায়নি।

অন্যদিকে আন্তঃজেলা বাস চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, গাজীপুর রুটে বাস চলাচল করছে। বিশেষ করে ঢাকার প্রবেশ পথগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।

শুক্রবার সকালে ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে গত ১৪ এপ্রিল থেকে গণপরিবহন চলাচল বন্ধ করে সরকার। পরে গতকাল বৃহস্পতিবার (৬ মে) ভোর থেকে অর্ধেক যাত্রী এবং বর্ধিত ভাড়ায় গণপরিবহন চলাচল শুরু হয়। তবে আন্তঃজেলা বাস বন্ধই রাখা হয়।

আগামী ১৬ মে মধ্যরাত পর্যন্ত বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়িয়ে বুধবার (৫ মে) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে যে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়, তাতে বলা হয়, শুধুমাত্র জেলার মধ্যে গাড়ি চলতে পারবে। আন্তঃজেলা বাসের পাশাপাশি বন্ধ থাকবে যাত্রীবাহী ট্রেন ও নৌযান চলাচল।

শুক্রবার সকালে গুলিস্তানে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের পশ্চিম পাশ এবং বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ দিক থেকে নারায়ণগঞ্জ এবং নরসিংদীগামী বাস চলতে দেখা গেছে। এরমধ্যে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে চলাচল করে দোয়েল পরিবহন। এই পরিবহনে প্রতিটি আসনে যাত্রী পরিবহন করছে। যাত্রী-চালকদের মুখে মাস্ক থাকলেও বাসে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবহার দেখা যায়নি।

জানতে চাইলে একটি বাসের চালক আরিফ হোসেন বলেন, ঘরমুখো মানুষের চাপ বেশি। নিষেধ করলেও যাত্রীরা বাসে উঠেছেন। এছাড়াও অনেক যাত্রী নিয়ম অনুযায়ী ৬০ শতাংশ বেশি ভাড়া দিতে চান না। এ নিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডাও হয়।

গুলিস্তান এলাকায় গাদাগাদি করে বিভিন্ন পরিবহনে যাত্রী তোলা হলেও পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের কোনো সদস্যকে তৎপর দেখা যায়নি।

তবে রাজধানীর মহাখালী হয়ে গাজীপুর রুটে চলাচল করা বাসগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে যাত্রী পরিবহন করতে দেখা গেছে।

মহাখালীর জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সামনে স্কাইলাইন পরিবহনের চালক মাসুম আন্তঃজেলা বাস চলাচলের বিষয়ে জানান, ঢাকা মহানগর এবং গাজীপুর মহানগরে যান চলাচলে কেউ তাদের বাধা দেয়নি। মালিকপক্ষের নির্দেশে তারা যাত্রী পরিবহন করছেন।

রাবি উপাচার্যের শেষ দিনের নিয়োগ অবৈধ, তদন্ত কমিটি গঠন
                                  

অনলাইন ডেস্ক : মেয়াদের শেষ দিন (বৃহস্পতিবার) মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা উপেক্ষা করে শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সদ্য সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম আব্দুস সোবহান। এসব জনবল নিয়োগের বৈধতার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এ অবৈধ নিয়োগ ও অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (৬ মে) একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে মন্ত্রণালয়।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আলমগীরকে আহ্বায়ক করে ৪ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- ইউজিসির সদস্য ড. মো. আবু তাহের, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের যুগ্ম সচিব ড. মো. জাকির হোসেন আখন্দ এবং ইউজিসির পরিচালক মোহাম্মদ জামিনুর রহমান।

কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। এই কমিটি অবৈধ নিয়োগ ও অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে সুপারিশ করবে।

এর আগে উপাচার্য এম. আব্দুস সোবহান ১২৫ জনকে বিভিন্ন পদে নিয়োগ দিচ্ছেন এমন গুঞ্জন উঠলে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার ভোর থেকে উপাচার্য ভবনের সামনে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ ও চাকরি প্রত্যাশীরা অবস্থান নেয়।

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মহানগর ছাত্রলীগের একদল নেতাকর্মী উপাচার্য ভবনের সামনে অবস্থান নেয়। বেলা সোয়া ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ বাধে। এ সময় পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লাঠিচার্জ শুরু করলে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাস ছেড়ে যায়।

এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়াবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী পরিচালক কামরুজ্জামান চঞ্চল, হবিবুর হলের সেকশন অফিসার আবদুল্লাহ আল মাসুদসহ আরও অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। পরে দুপুর আড়াইটার দিকে পুলিশি নিরাপত্তায় উপাচার্যের বাসভবন ত্যাগ করলেন এম আব্দুস সোবহান।

অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান ২০১৭ সালের ৭ মে দ্বিতীয় মেয়াদে চার বছরের জন্য উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তবে মেয়াদের প্রথম দিকে নিয়োগ যোগ্যতা কঠোর করা এবং পরে তা শিথিল করে মেয়ে এবং জামাতাকে নিয়োগ দেওয়াসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে, যার প্রমাণও পায় ইউজিসির তদন্ত কমিটি।

এরপর শিক্ষা মন্ত্রণালয় গত বছরের ১০ ডিসেম্বর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের নিয়োগ কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত রাখতে উপাচার্যকে অনুরোধ করেছিল। কিন্তু তা উপেক্ষা করে উপাচার্য তার মেয়াদের শেষ কর্মদিবসে বিভিন্ন পদে অবৈধ ও বিধিবহির্ভূতভাবে জনবল নিয়োগ করেছেন বলে মন্ত্রণালয় জানতে পেরেছে।

চট্টগ্রামে মাস্ক না পরায় আটক ৪৪, বন্ধ ২ দোকান
                                  

মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন, রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি : চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় মাস্ক না পরার অপরাধে ৪৪ ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। চট্টগ্রামের সহকারী পুলিশ সুপার (রাউজান রাঙ্গুনিয়া সার্কেল) মো. আনোয়ার হোসেন শামীম`র নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানকালে স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে না মানার কারণে রাঙ্গুনিয়া পৌর শহরের রোয়াজার হাট বাজারের দুটি দোকানও তাৎক্ষণিক বন্ধ করে দেওয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, আজ (৬ মে, বৃহস্পতিবার) দুপুর ১২ ঘটিকা হতে রাঙ্গুনিয়ার বিভিন্ন পয়েন্টে লাগাতার অভিযান শুরু করে সার্কেল এএসপির নেতৃত্বে রাঙ্গুনিয়া থানার পুলিশ। এসময় বিভিন্ন যানবাহনে তল্লাশি অভিযান চালিয়ে মাস্ক না পরা ব্যক্তিদেরকে নামিয়ে এনে আটক করা হয়। রাস্তাঘাটেও যাদেরকে মাস্ক ব্যতীত পাওয়া গেছে, তারাও আটকা পড়েছেন পুলিশের জালে। অবশ্য আর কখনো মাস্ক না পরে বের হবেন না, এই মুচলেকায় পরবর্তীতে তাদেরকে ছেড়েও দেওয়া হয়।

অভিযানের এক পর্যায়ে রাঙ্গুনিয়ার বিভিন্ন মার্কেট ও শপিং সেন্টারে হানা দেন এএসপি। সেখানে মাস্ক না পরা ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করায় দুটি দোকান তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করে দেন তিনি। এ ছাড়াও অভিযানকালে বিভিন্ন বয়স, শ্রেণি, পেশার অসংখ্য মানুষের মধ্যে বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ করা হয়।

এ প্রসঙ্গে এএসপি আনোয়ার হোসেন শামীম বলেন, "সরকার যে স্বাস্থ্যবিধি ঘোষণা করেছে, সেটির অনুপুঙ্খ বাস্তবায়নে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ মাঠে তৎপর রয়েছে। সরকার ঘোষিত নীতি বাস্তবায়নে আইনি পরিসীমার মধ্যে আমাদের কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে।"
কিছুকিছু মার্কেট রাত ৮ টার পরও খোলা থাকছে, এই ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, "আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। প্রায় প্রতিদিনই তাদেরকে সতর্ক করার পাশাপাশি কিছুকিছু ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনবোধে আরো কঠোর পদক্ষেপের কথাও আমাদের বিবেচনায় রয়েছে।"

ভালুকায় রিকশার চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু
                                  

জেলা প্রতিনিধি : ময়মনসিংহের ভালুকায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে রুবায়েত আফরোজ সেঁজুতি (১৫) নামের এক স্কুলছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে।

নিহত সেঁজুতি ভালুকা পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডের রুহুল আমিন মাস্টারের মেয়ে। সে স্থানীয় সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

বৃহস্পতিবার (৬ মে) বেলা ১১টার দিকে ভালুকা টু সাতেঙ্গা সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ভালুকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না করায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তিনি বলেন, চাচি মারা যাওয়ার খবর পেয়ে মা-বাবার সঙ্গে সাতেঙ্গা গ্রামের বাড়িতে যায় সেঁজুতি। পরে সেখান থেকে মায়ের সঙ্গে ভালুকা ফেরার পথে অসাবধানতাবশত তার ওড়না অটোরিকশার চাকায় পেঁচিয়ে গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

কেরানীগঞ্জ গার্মেন্টস পাইকারী বাজার ব্যবসায়ীরা বিপাকে রয়েছে ব্যাংক লোনের বোঝা
                                  

মিয়া আবদুল হান্নান : কেরানীগঞ্জ গার্মেন্টস পল্লীতে রয়েছে প্রায় ১০ হাজার ছোট বড় মিনি গার্মেন্টস ও কারখানা। দেশে তৈরি পোষাকের মোট চাহিদার বড় অংশের ৮০ ভাগ চাহিদা জোগান দিয়ে থাকেন কেরানীগঞ্জ গার্মেন্টস পোষাক কারখানাগুলো। দূরপাল্লার গাড়ি, লঞ্চ, ষ্টীমার, নদী পথে কোন যাতায়াত না থাকায় গার্মেন্টস পোষাক কারখানা ও পাইকারী বাজার ব্যবসায়ীরা পরেছে বিপাকে। অন্যান্য সেক্টরের মত মহামারী করোনা ভাইরাসের আঘাত হেনেছে এই সেক্টরে। বেচা বিক্রি না থাকায় ব্যাংক লোন, পাওনাদার টাকা পরিশোধ, লগ্নী পরিশোধ হিমশিম খাচ্ছে। শবে বরাতের পর থেকে ১০ রমজান পর্যন্ত কেরানীগঞ্জের পাইকার আসতে শুরু করে কেরানীগঞ্জ গার্মেন্টস পাইকারী বাজারে এবারও প্রথম রমজান থেকে লকডাউনের ঘোষনা শোনার পর থেকে ব্যবসায়ীরা ভেঙ্গে পড়েছে। বেচাবিক্রির মূল সময়ে লকডাউন দেওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কেরানীগঞ্জের গার্মেন্টস ব্যবসায়ীরা। রমজানের ঈদ ব্যবসা প্রধান মৌসুম। রমযানের ঈদে ব্যবসায়ীদের ব্যবসার মুল টার্গেট ভাল লাভের আশায় দেশি বিদেশী কাপড় দিয়ে নতুন কিছু পোশাক তৈরিতে সারা বছর ব্যস্ত থাকে গার্মেন্টস পল্লীর মালিক ও কারিগররা । গত বছর এখানকার তৈরী পোশাক ব্যবসায়ী চরম ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছেন। সেই ক্ষতি কাটিয়ে এবার টিকে থাকার লড়াই চালিয়ে থেমে নেই । ব্যাংক লোন, ধারদেনা ও সুদে টাকা এনে ব্যবসা দাড়দেনায় জড় জড়িত। গতবছরের একই সময়ের মতো এবারও ব্যবসা করতে না পারলে পথে বসে মুনাফা হারাবেন অনেক ব্যবসায়ীরা। সোমবার থেকে শুরু হওয়া লকডাউনের কারনে চিন্তার দিশেহারা। কেরানীগঞ্জে বুড়িগঙ্গার তীর ঘেষে গড়ে উঠা আগানগর, কালীগঞ্জে ইস্পাহানি নদী মারা গার্মেন্টস পল্লীকে বলা হয় এশিয়ার সর্ববৃহৎ তৈরী পোষাকের মার্কেট । দেশের পোশাক চাহিদার প্রায় ৬০ ভাগ মিটিয়ে থাকে এ পল্লীতে। কালীগঞ্জের আগানগর, ইস্পাহানির বিশাল এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এই গার্মেন্টস পল্লীতে রয়েছে কয়েকশ মার্কেট, প্রায় ১১ হাজার শোরুম ও সাড়ে ৬ হাজার কারখানা। এসব কারখানায় পোশাক শ্রমিক রয়েছে আড়াই লাখের মতো। এরমধ্যে নারী শ্রমিক রয়েছেন প্রায় ষাট হাজার। গত বছর করোনা ভাইরাসের কারনে বহু শ্রমিকের বেতন ভাতা বন্ধ হয়ে গেছে। অনেকের চাকরিও চলে গেছে। অনেকে ব্যবসায়ী গুটিয়ে নিয়েছেন ব্যবসা। কেরানীগঞ্জের তৈরী পোশাক ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম শাহিন তার প্রতিষ্ঠানের নাম শাহিন কালেকশন, জেন্স শার্ট, প্যান্টের ব্যবসা । তিনি প্রতি বছর ঈদের কালেকশন বিদেশি কাপড় এনে নিজের কারিগর দিয়ে পোশাক তৈরি করে । গত বছর করোনা ভাইরাসের কারনে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এবছর ভাল লাভের আশায় দেশি বিদেশী কাপড়, ও গত বছরের পুরনো কালেকশন দিয়ে লোকসান কাটিয়ে উঠবে বলে তার আশা। তিনি আরো জানান গতবছর তার কারখানায় ৭০জন কারিগর ছিল করোনা ভাইরাসের কারনে লোকসানের ধরুন এ বছর বর্তমানে সেখানে ৪০ জন শ্রমিক রয়েছেন। অব্যাহত লসের কারনে বাকিদের তিনি ছাটাই করতে বাধ্য হয়েছেন। শাহিদুল ইসলাম বলেন, গত বছরের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে এবার ব্যাংক থেকে লোন নিয়েছি। সারাবছর কারখানায় প্যান্ট উৎপাদন হয়েছে ঈদ মৌসুমে বিক্রির জন্য। বিক্রি করে ঋন পরিশোধসহ কারখানার ভাড়া ও শ্রমিকদের বেতনভাতাদি পরিশোধ করবো। কিন্তু এবারের লকডাউনে কপালে কি আছে জানি না। নূর সুপার মার্কেটের ইত্যাদি গার্মেন্টসের মালিক বিপ্লব হোসেন বলেন, সারাবছর এখনকার ব্যবসায়ীরা রমজানের ঈদের দিকে তাকিয়ে থাকেন। কিন্তু গত বছরের মতো এবারও করোনা ভাইরাসের ছোবলে দিশেহারা আমরা। তিনি বলেন, এই ঈদুল ফিতরের পূর্বে তিনি ৭০ হাজার ট্রাউজার ও পায়জামা মজুদ করেছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে মাত্র কয়েক হাজার পিস। কেরানীগঞ্জ গার্মেন্টস ব্যবসায়ী সমিতির সাধারন সম্পাদক ও মুসলিম কালেকশনের স্বত্তাধিকারী মুসলিম ঢালী বলেন,আমরা সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমরা লকডাউনের পক্ষে। হঠাৎ লকডাউন ঘোষনা করায় চোখে মুখে অসার দেখিছি । গত বছর এ সময়ের লকডাউনে আমরা তৈরী পোশাক ব্যবসায়ীরা চরম ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছি । এ বছর আবারও একই সময় লকডাউন পর পর দু`বছর করোনা ভাইরাসের ক্ষতির কারনে অনেকেই পথে বসেছেন। সরকারের প্রতি আমাদের আবেদন থাকবে গার্মেণ্টস শিল্পকে লকডাউনের আওতায় বাইরে রেখে বা ব্যবসায়ীদের কথা চিন্তা করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৪-৬ঘন্টা সময় নির্ধারন করে দিলে যথা সময় মার্কেট শোরুম দোকান বন্ধের দায়িত্ব কেরানীগঞ্জ গার্মেন্টস ব্যবসায়ী সমিতির নিবে। তাহলে আমাদের লস কাটিয়ে, গার্মেন্টস পল্লী কে টিকিয়ে রাখতে পারব। না ব্যবসায়ীরা লোকসানে সুদের বোঝা মাথায় নিবে, অনেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ব্যবসা ছেড়ে দিবে। তিনি সরকারের সু- দৃষ্টি কামনা করেন। কেরানীগঞ্জ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি স্বাধীন শেখ বলেন, সারা বছর গার্মেন্টস পল্লী গুলো পোশাক তৈরী করে দেশের বিভিন্ন মার্কেটের চাহিদা মিটিয়ে থাকি। গত বছরের লকডাউনের কারনে পাইকার আসেনি । বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের ক্ষতির কারনে প্রভাব পড়েছে স্থানীয় অর্থনীতিতে। এটি অব্যাহত থাকলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে অসংখ্য ব্যবসায়ী, কর্মসংস্থান হারাবে কয়েক লক্ষাধিক মানুষ। তিনি বলেন, সরকার আমাদের ব্যবসায়ীদের কথা চিন্তা করে, একটি ফয়সালা করে দিতে অনুরোধ করেন তিনি।দেশের সার্বিক অবস্থা অপরিবর্তিত থাকলে এই বন্ধের সময়সীমা আরও বাড়ানো হবে। তিনি বলেন, বন্ধের সময় গার্মেন্টস কারখানার শ্রমিক ও গার্মেন্টস পণ্যের দোকানের কর্মচারীদের বেতন-ভাতা যথাযথ বেতন ভাতা সকলেই পরিশোধ করে থাকেন,এবার ব্যবসায়ীদের অসুবিধা হবে। যথাসময়েই বেতন-ভাতা দেওয়া হয়। তিনি আরো বলেন, কোন কারখানার মালিক শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন নিয়ে টালবাহানা করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

গণপরিবহনের সঙ্গে ফিরল ঢাকার নিত্য যানজট
                                  

অনলাইন ডেস্কঃ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার শর্তে গণপরিবহন চালুর প্রথম দিনে রাজধানীর সড়কে বাসের সংখ্যা খুব বেশি না থাকলেও ব্যক্তিগত পরিবহনসহ অন্যান্য যানবাহনের সঙ্গে গাড়ির চাপ বাড়ায় দেখা মিলে নিত্যকার যানজটের।

মহামারী ঠেকাতে ‘সর্বাত্মক লকডাউনে’ টানা ২২ দিন বন্ধ থাকার পর বৃহস্পতিবার মহানগর ও জেলার মধ্যে গণপরিবহন চলাচল শুরু হয়েছে। 

সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াত করা বাসগুলোতে যাত্রী সংখ্যা ছিল কম। এখান থেকে ছেড়ে যাওয়া বাসগুলোতে চালক, হেলপার এবং যাত্রীদের মুখে মাস্ক দেখা গেছে।

শিয়া মসজিদ-বনশ্রী রুটের আলিফ পরিবহন বাসের চালক আবদুল্লাহ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “যাত্রী অহনও কম। আমাগো মাস্ক ছাড়া মানুষ উডাইতে মানা করছে। আমরা উডাইতেছি না। সেনিটাইজারও রাখছি।”

দীপন পরিবহনের চালক মোশারফ বলেন, “লকডাউনের কারণে আমাদের পরিবার নিয়ে চলতে অনেক সমস্যা হচ্ছিল। এখন আমরা বাস চালানোর সুযোগ পেয়েছি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমরা যাত্রী পরিবহন করছি এবং করব।”

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী দুই সিটে একজন করে যাত্রী বসা দেখা গেছে দেখা গেছে বেশ কয়েকটি বাসে। সকাল থেকে যাত্রীর চাপ কিছুটা কম থাকায় পরিবহনের চালক ও হেলপাররা অতিরিক্ত যাত্রী ওঠানোর সুযোগ পাচ্ছেন না।

গণপরিবহন চালুর প্রথম দিনে আজিমপুর থেকে ঠিকানা পরিবহন, দেওয়ান পরিবহন ও ভিআইপি পরিবহনসহ কয়েকটি বাস সকাল থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে গেছে।

দেওয়ান পরিবহনের চালক আলাউদ্দিন বলেন, “যাত্রী অনেক কম। হয়তো বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রী পাব। তবে অর্ধেকের বেশি আসনে আমরা যাত্রী উঠাচ্ছি না এবং স্বাস্থ্যবিধি মানছি।”

তবে যাত্রীর সংখ্যা বাড়তে থাকলে সরকারের দেওয়া নির্দেশনা মানা হবে কি-না তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ কছেন কেউ কেউ।

মোহাম্মদপুরে আলিফ পরিবহনের যাত্রী আনিকা মিসকাত বলেন, “ভাড়া বেশি নিলেও বাস চলাচল শুরু হওয়ায় আমাদের জন্য ভালোই হয়েছে। কিন্তু সামাজিক দূরত্ব বিধি কতক্ষণ এরা মানবে সেটা নিয়ে আমার সন্দেহ রয়েছে।”

যাত্রী কম থাকায় আসন সংখ্যার অর্ধেক যাত্রী দেখা যাচ্ছে বলে মনে করেন মতিঝিলগামী কাজল মিয়া। তিনি বলেন, “এখন মানুষ কম সেজন্যই হয়তো বাসে ফাঁকা ফাঁকা বসানো হচ্ছে। যাত্রী বাড়লে বাসের লোক নিয়ম মানবে বলে মনে হয় না।”

মিরপুর দুয়ারিপাড়া বাসস্ট্যান্ড থেকে নিউ মার্কেট, আজিমপুর ও গুলিস্তানের উদ্দেশ্যে আশির্বাদ ও বিহঙ্গ বাস সার্ভিস ছেড়ে যেতে দেখা যায়। সকালে যাত্রী সংখ্যা কম থাকলে বেলা বাড়ার সঙ্গে সেটাও বেড়েছে।

বাসে দুই সিটে একজন যাত্রী নিতে দেখা গেছে। কয়েকটি বাসের হেলপারের হাতে স্যানিটাইজার দেখা গেলেও বেশিরভাগের মাস্ক দেখা যায়নি। বেশিরভাগ তবে চালকদের মুখে মাস্ক দেখা গেছে।

নিউ মার্কেট যেতে বাসের অপেক্ষায় থাকা দুলাল বলেন, “হেলপাররা সকল যাত্রী স্পর্শ পায়, তারাই বেশি ঝুঁকিতে থাকবে। তাই তাদের অবশ্যই নিরাপদে থাকতে মাস্ক পরা জরুরি।”

এছাড়া বিভিন্ন গন্তব্যে চলাচলকারী লেগুনাগুলোর হেলপার হিসেবে ১০-১৫ বছর বয়সী শিশুদের কারও মুখে মাস্ক বা বা হাতে স্যানিটাইজার দেখা যায়নি। তবে যাত্রীদের কম দেখা থাকায় কিছুটা দুরত্ব মেনে বসতে দেখা গেছে।

গাড়ির চাপ বাড়ায় যানজটে ভোগান্তি

গণপরিবহন চালু হওয়ায় অন্যদিনের চেয়ে বাস, প্রাইভেট কার, ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান ও রিকশার সংখ্যা বেড়ে সকাল ৯টার দিকে রাজধানীর কাকরাইল, মালিবাগ, মৌচাক, রামপুরা, গুলশান সড়কে যানজট সৃষ্টি হয়।

গুলিস্তান থেকে গুলশানে আসা একটি বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, “আমি জানতাম আজকে গণপরিবহন নামবে। সেজন্য সকাল সকালে বেরিয়েছি বাসা থেকে। কিন্তু যে অবস্থা দেখলাম পথে পথে যানজট। আমার গুলশানে আসতেই পাক্কা এক ঘণ্টা ১০ মিনিট সময় লেগেছে।”

মহাখালীর সিএনজি চালক শামসু মিয়া বলেন, “গত কয়েকদিন যাবতই রাস্তায় গাড়ি বেশি। আজকে সিটি সার্ভিস নামায় আমরা খুব বেকাদায় পড়েছি। মহাখালী থেকে গুলিস্তানে একজন যাত্রীকে নিয়ে গেছি দেড় ঘণ্টায়।”

করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ ঠেকাতে গত ৫ এপ্রিল থেকে ‘লকডাউন’ ঘোষণা করে বিধিনিষেধ জারি করা হয়। ১৪ এপ্রিল থেকে শুরু হয় ‘সর্বাত্মক লকডাউন’। বন্ধ করা হয় সড়ক, নৌ ও রেলপথে যাত্রী পরিবহন।  

সম্প্রতি দোকান-পাট, শপিংমল ও বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালু করা হয়। এই পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে গণপরিবহন চালুর দাবিতে সারাদেশে বিক্ষোভ করেন সড়ক পরিবহন শ্রমিকরা।

পরে পাঁচটি নির্দেশনা দিয়ে বৃহস্পতিবার থেকে মহানগর ও জেলায় গণপরিবহন চলাচলের অনুমোদন দিয়ে প্রজ্ঞাপন দেয় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ- বিআরটিএ।

নির্দেশনায় বলা হয়, আন্তঃজেলা গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। কোনোভাবেই মোট আসনের অর্ধেকের বেশি যাত্রী নেওয়া যাবে না। সমন্বয় করে ৬০ শতাংশ বাড়ানো ভাড়ার বেশি আদায় করা যাবে না।

যাত্রার শুরু ও শেষে জীবাণুনাশক দিয়ে গাড়ি জীবাণুমুক্ত করতে হবে। চালক, অন্যান্য শ্রমিক, কর্মচারী ও যাত্রীদের মাস্ক পরা এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার নিশ্চিত করার নির্দেশও দেওয়া হয় প্রজ্ঞাপনে।

আজ থেকে চলবে গণপরিবহন, মানতে হবে নির্দেশনা
                                  

অনলাইন ডেস্ক: টানা ২২ দিন বন্ধ থাকার পর আজ থেকে রাজধানীসহ দেশের সব জেলায় বাস চলাচল করবে। তবে আন্ত জেলা গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। যে জেলার বাস শুধু সেই জেলায় চলবে। বাসে চড়তে মানতে হবে বেশ কিছু বিধি-নিষেধ। বুধবার ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির পক্ষ থেকে পরিবহন মালিক, শ্রমিক ও যাত্রীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য বেশ কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে—মাস্ক পরা ছাড়া কোনো যাত্রীকে গাড়িতে ওঠানো যাবে না। গাড়ির স্টাফদের মাস্ক সরবরাহ করবেন গাড়ির মালিক। গাড়িতে সিটের অর্ধেক যাত্রী বহন করতে হবে। দাঁড়িয়ে কোনো যাত্রী পরিবহন করা যাবে না। লকডাউনে মালিক-শ্রমিকরা মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। এ ক্ষেত্রে মালিক সমিতি বা পরিবহন কম্পানির নামের গেটপাস আদায় করা যাবে না।

ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সমপাদক খন্দকার এনায়েত উল্লাহ গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলেছেন, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বৃহস্পতিবার থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে রাজধানীসহ দেশের সব জেলা শহরের মধ্যে গণপরিবহন চলাচল করবে। সবাইকে তিনি মালিক সমিতির দেওয়া নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানান।

সূত্র : প্রতিদিনের সংবাদ

টিকা গ্রহীতার সংখ্যা ৯০ লাখ ছাড়িয়েছে
                                  

অনলাইন ডেস্ক: দেশে করোনাভাইরাসের টিকাদান শুরুর পর এখন পর্যন্ত ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নিয়েছে ৫৮ লাখ ১৯ হাজার ৮১১ জন। আর দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিয়েছেন ৩২ লাখ ১০ হাজার ৫০৯ জন। দুই ডোজ মিলিয়ে ৯০ লাখ ৩০ হাজার ৩২০ ডোজ ভ্যাকসিন দেওয়া শেষ হয়েছে।

বুধবার ( ৫ মে) স্বাস্থ্য অধিদফতর টিকাদান বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

দ্বিতীয় ডোজ টিকা নেওয়া ৩২ লাখ ১০ হাজার ৫০৯ জনের মধ্যে পুরুষ ২০ লাখ ৭৩ হাজার ৫৭৮ জন আর নারী ১১ লাখ ৩৬ হাজার ৯৩১ জন।

আর প্রথম ডোজ নেওয়া ৫৮ লাখ ১৯ হাজার ৮১১ জনের মধ্যে পুরুষ ৩৬ লাখ আট হাজার ৮৮৪ জন আর নারী ২২ লাখ ১০ হাজার ৯২৭ জন।

দেশে গত ৭ ফেব্রুয়ারি জাতীয়ভাবে করোনার টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলে। দ্বিতীয় ডোজ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয় গত ৮ এপ্রিল থেকে।

সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন

স্পিডবোট চলাচল বন্ধে কঠোর অবস্থানে নৌপুলিশ
                                  

জেলা প্রতিনিধি : লকডাউনে পদ্মায় অবৈধভাবে স্পিডবোট চলাচল বন্ধে এবার কঠোর অবস্থান নিয়েছে মাওয়া নৌপুলিশ। শিমুুলিয়া ঘাট এলাকায় ব্যারিকেড দিয়ে যাত্রী ও এসব নৌযান চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

বুধবার (৫ মে) বিকেল ৪টার দিকে নৌপুলিশের উদ্যোগে ঘাটের প্রবেশমুখে বাঁশ ও নদীর অংশে চারদিকে রশি-লাল কাপড়-বয়া দিয়ে ব্যারিকেড দেয়া হয়। এতে ঘাটে স্পিডবোট ও যাত্রী প্রবেশের সুযোগ আপাতত আর থাকছে না।

মাওয়া নৌপুলিশের ইনচার্জ সিরাজুল কবির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মাওয়া নৌপুলিশ স্পিডবোটের শৃঙ্খলা রক্ষায় ঘাট এলাকায় সবসময় তৎপর ছিল। তবে মাদারীপুরের পদ্মায় দুর্ঘটনার বিষয়টি বিচ্ছিন্নভাবে ঘটেছে। এ ঘটনার আর যেন পুনরাবৃত্তি না হয় সেজন্য আমাদের অবস্থান আরও জোরালো করা হয়েছে। ঘাটে বর্তমানে এক ডজন নৌপুলিশ সদস্য ডিউটিতে আছেন।

তিনি জানান, আগামী ১৬ তারিখ পর্যন্ত যাতে কোনো ধরনের স্পিডবোট, ট্রলার চলাচল করতে না পারে সেজন্য রশি, বয়া, লাল কাপড় দিয়ে ব্যারিকেড দেয়া হয়েছে। ঘাট এলাকা পুরোপুরি লকডাউনের আওতায় আনা হয়েছে এবং সদস্যদের অবস্থান জোরদার করা হয়েছে। টহল ডিউটির পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ ডিউটিতেও আছেন আমাদের সদস্যরা।

প্রসঙ্গত, লকডাউনে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল বন্ধ থাকার নির্দেশনা চলছিল। তবে সে নিয়ম উপেক্ষা করেই পদ্মায় চলছিল এসব নৌযান। গত সোমবার (৩ মে) মাদারীপুরের শিবচরের কাঁঠালবাড়ী ঘাটের কাছে বাল্কহেডের সঙ্গে ধাক্কা লেগে দুর্ঘটনায় একটি স্পিডবোটের ২৬ যাত্রী নিহত হন। এ ঘটনায় আহত হন আরও পাঁচ যাত্রী। ওই দুর্ঘটনার পর থেকে নড়েচড়ে বসেছে কর্তৃপক্ষ।

শরীয়তপুরে পুকুরে গোসল করতে নেমে ২ বোনের মৃত্যু
                                  

জেলা প্রতিনিধি : শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় পুকুরে গোসল করতে নেমে শরীফা আক্তার (১১) ও ইসরাত জাহান (৯) নামের দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শিশু দুটি সম্পর্কে আপন চাচাতো বোন।

বুধবার (৫ মে) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার জাজিরা ইউনিয়নের গফুর মোল্লা কান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

শরীফা আক্তার ওই গ্রামের অটোরিকশাচালক আলমগীর হোসেন মোল্লার মেয়ে। সে জাজিরা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। ইসরাত পালং তুলাসার গুরুদাস সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ মোল্লার মেয়ে। সে শরীয়তপুর ইসলামিয়া কামিল মাদরাসার পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী।

জাজিরা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান এস এম রফিকুল ইসলাম (রফিক মাস্টার) ও নিহতদের প্রতিবেশী বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল ওয়াহিদুজ্জামান মোল্লা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বুধবার দুপুরে শরীফা ও ইসরাত প্রতিবেশী আজিজুল খার বাড়ির পুকুরে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে তারা গোসল করতে যায়। গোসল করতে নেমে পুকুরের পানিতে তলিয়ে যায়। পরে পরিবারের লোকজন তাদের না পেয়ে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে পুকুরের পানিতে ভাসতে দেখেন। তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. নাফি মোহাম্মদ বলেন, পানিতে ডুবে যাওয়া দুই শিশুকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল।

জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার বলেন, মারা যাওয়া শিশুদের বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এখন আমিও যাব। এটা একটি মর্মান্তিক ঘটনা।

পবিত্র রমজানে সুপেয় পানি সরবরাহ করছেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর
                                  

আবু সায়েম, কক্সবাজারঃ পবিত্র রমজানে শহরের বিভিন্ন অলিগলিতে বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ করছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। প্রতিদিন সন্ধ্যায় শহরের সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে পানীয় জল নিয়ে জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গাড়ি আসলে সেখানে অসংখ্য সাধারণ মানুষ বিশুদ্ধ পানি সংগ্রহ করে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সাধারণ জনগণ।সাধারণ জনগণ বলেন, প্রচন্ড গরমের কারণে মানুষ রমজানে পানি সংকটের মধ্যে পড়েন। এছাড়া শহরের বেশির ভাগ এলাকাতে রাস্তা উন্নয়নের কাজ চলমান থাকার কারনে অনেক এলাকায় পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এমন অবস্থায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের এমন উদ্যোগ সত্যি প্রশংসার দাবিদার। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর শহরের উন্নয়ন কর্মকান্ডের পাশাপাশি জনগণের কাছে বিশুদ্ধ পানি সুপেয় পানি ব্যবস্থা করণে নানাধরণের বহুমুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছেন শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে। জনগণ সুফল পাচ্ছেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের এমন মানবিক কার্যক্রমে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়,জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর (DPHE) ইতোমধ্যে কক্সবাজার সদর পৌরসভায় সুপেয় পানি সংকটের স্থায়ী ও টেকসই সমাধানে বাকঁখালী নদীর পানি পরিশোধন করে ওভারহেড রিজার্ভার ও পাইপলাইনের মাধ্যমে সরবরাহের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। । প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে কক্সবাজার সদর পৌর এলাকাবাসীর জন্য বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিতে এক যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

সূত্র আরো জানায়, এছাড়াও শুষ্ক মৌসুম এবং দুর্যোগকালীন সময় ভ্রাম্যমাণ পানি পরিশোধনাগার ও Water Carrier এর মাধ্যমে নিয়মিত পানি সরবরাহ করা হয়।

অন্য দিকে, কক্সবাজার জেলার প্রত্যেকটি উপজেলার পাশাপাশি রোহিঙ্গা ক্যাম্পেও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের গাড়ি কর্তৃক প্রতিদিন সুপেয় বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা হচ্ছে।

 

এ ব্যাপারে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী পরাগ বড়ুয়া বলেন,জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের(DPHE) পবিত্র রমজান মাসে সাধারণ জনগণের পানি সংকটের দূর্ভােগ লাঘবে প্রতিদিন প্রায় ৩৫০০লিটার পানি চাহিদামত সরবরাহ করছে। পবিত্র রমজানে রোজাদার পথচারী এবং সাধারণ জনগণের চিন্তা করে আমরা এ ধরণের ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ হাতে নিয়েছি,পানি সরবরাহ নিশ্চিত করণে তিনি সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী ঋত্বিক চৌধুরী বলেন, বর্তমানে শহরের অনেক এলাকাতে পানির স্তর নিচে নেমে গেছে আবার অন্যদিকে প্রচন্ড গরমের কারনে পানির স্তুর আরো নিচে নেমে যাচ্ছে তাই পবিত্র রমজান মাসে সাধারণ মানুষের উপকারের কথা চিন্তা করে আমরা পৌর এলাকার প্রতিটি ওয়ার্ডে বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ করার উদ্যোগ নিয়েছি। তিনি আরো জানান, পবিত্র রমজান মাসে প্রতিদিন বিকেলে নিয়মিত পানি সরবরাহ করা হবে।এছাড়া কক্সবাজার জেলা জুড়ে সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিতকরণে আমরা নানা ধরণের প্রকল্প ইতোমধ্যে হাতে নিয়েছি শীঘ্রই তা বাস্তবায়ন করা হবে।

কক্সবাজার কারাগারের পরিবেশ বেশ চমৎকার, রমজানে বন্দীদের সরবরাহ করা হচ্ছে উন্নতমানের ইফতারি ও সেহরী
                                  

আবু সায়েম, কক্সবাজারঃ পবিত্র রমজানে কক্সবাজার জেলা কারাগারে বন্দীদের সরবরাহ করা হচ্ছে উন্নতমানের ইফতারি ও সেহরী। ফলে কক্সবাজার জেলা কারাগারে বন্দীরা উন্নতমানের সুস্বাদু ও গুণগতমানের খাবার পেয়ে মহাখুশী। পবিত্র রমজান মাসে বিশেষ করে মুসলিম বন্দীরা ইবাদতে মশগুল থাকেন। এমন সময় উন্নতমানের মজাদার ইফতারি ও সেহরী পেয়ে বন্দীরা কারা কর্তৃপক্ষের নিকট কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন।

কারাগারের সুদক্ষ ও অভিজ্ঞ জেলসুপার মোহাঃ নেছার আলমের দক্ষ পরিচালনায় দূর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে কক্সবাজার জেলা কারাগার। করোনা ভাইরাসের এমন পরিস্থিতিতে কারাগারে যাতে করোনা সংক্রমিত না হয়, সেজন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, বাস্তবায়ন করা হচ্ছে কারাবিধি অনুযায়ী উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের দিকনির্দেশনা। । কারা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বন্দীদের প্রদান করা হচ্ছে মাস্ক ও হ্যান্ড সেনিটাইজার। ফলশ্রুতিতে বন্দীরা সুস্থভাবে কারাগারে নিরাপত্তার সাথে আছেন।

কারা সূত্র জানায়, নতুন কোন বন্দী কক্সবাজার জেলা কারাগারে প্রবেশ করলে ১৪ দিন হোম কোয়ারান্টাইনে রাখা হয়,এবং কারাগারে প্রবেশ করার সময় তাপমাত্রা মেপে প্রয়োজন মোতাবেক কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। মাস্ক পরার জন্য জেল সুপারের কঠোর নির্দেশনা কারাগারে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে । করোনা সংক্রমণরোধে কারা কর্তৃপক্ষ সচেতন এবং সজাগ রয়েছেন।

কারা সূত্রে আরো জানা যায়, বন্দীদের পবিত্র রমজান মাসে ব্যতিক্রমধর্মী ইফতারি ও সেহরির খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে । বন্দীরা আনন্দে এবং খুব স্বাচ্ছন্দ্যে কারাগারের মজাদার খাবার পেয়ে স্বস্তিতে আছেন।
কক্সবাজার জেলা কারাগারে ইফতারিতে বন্দীদের পরিবেশন করা হয় জিলাপি, খেজুর, কলা, চিনি, ছোলা, মুড়ি, পেয়াজু এবং ছিড়া।

সেহরির সময় মাছ অথবা মাংস ব্যতিক্রধর্মী বাংলাদেশে প্রথম কোন জেলে মাছ বা মাংসের সাথে ঝোল আর সাথে আলু প্রদান করা হয়।

সূত্র জানায়, কক্সবাজার জেলা কারাগারের বর্তমান জেল সুপারের দূরদর্শীতায় কারাগারের পরিবেশ চমৎকার হয়েছে , এবং বিধি মোতাবেক বন্দীদের খাবারের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা হচ্ছে । কারাগারে ফিরে এসেছে অভ্যন্তরীন এবং বাহ্যিক শৃঙ্খলা । কারারক্ষীরা জেল সুপারের নির্দেশে বন্দীদের সাথে সুন্দর ব্যবহার এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করছেন একাগ্রচিত্তে।

কক্সবাজার জেলা কারাগারের ডেপুটি জেলার মনির হোসেন জানান, বর্তমান কক্সবাজার জেলা কারাগারে ২ হাজার ৮ শত ৭৪ জন পুরুষ এবং ১৪৫ জন নারী বন্দী রয়েছেন। কারাগারে পবিত্র রমজান মাসে বন্দীদের সুস্বাদু মজাদার ইফতারি ও সেহরী পরিবেশন করা হচ্ছে । জেল সুপারের নির্দেশে কারাগারে বন্দীদের শৃঙ্খলার সাথে থাকা,খাওয়া এবং ইবাদত করার জন্য বন্দীদের চাহিদা পূরণ করা হচ্ছে । প্রতিটি কয়েদি করোনা ভাইরাসের এমন পরিস্থিতিতে আল্লাহর রহমতে সুস্থ আছেন।

এ ব্যাপারে কক্সবাজার জেলা কারাগারের জেল সুপার মোহাঃ নেছার আলম বলেন,"রাখিব নিরাপদ, দেখাবো আলোর পথ" এ প্রতিপাদ্য বিষয়টি কক্সবাজার জেলা কারাগারে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, ইতোমধ্যে কক্সবাজার জেলা কারাগারে নবনির্মিত ৬ তলা ভবনে অধিকাংশ বন্দীদের বয়স্ক ও ক্যাটাগরী বিবেচনাপূর্বক বন্দী পুনর্বাসন করা হয়েছে । যার কারণে বন্দীরা আগের তুলনায় কারাগারে চমৎকার পরিবেশে শৃঙ্খলার সাথে আছেন। যতো দিন কক্সবাজার জেলা কারাগারে দায়িত্ব পালন করবো চেষ্টা করবো কক্সবাজার জেলা কারাগারকে মাদকমুক্ত দূর্নীতিমুক্ত একটি মডেল কারাগার উপহার দিতে। পবিত্র রমজান মাসে বন্দীরা কারাগারে উচ্ছ্বাস, আনন্দ এবং খুশিতে আছেন, কারণ কারাবিধি অনুযায়ী প্রত্যেক বন্দীদের তাঁর নির্ধারিত উন্নতমানের সেহরি ও ইফতারি আইটেম সরবরাহ করা হচ্ছে । বন্দীদের খাবার গুণগতমানের পরিবেশনে কারা কর্তৃপক্ষ যথেষ্ট আন্তরিক ভুমিকা পালন করছেন, এবং ঠিকাদারদের বন্দীদের খাবারের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, বর্তমান করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে কারা উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষ দেখা সাক্ষাৎ বন্ধ করে দিয়েছেন, সেহেতু কারাবন্দীদের পরিবারের সাথে কথা বলার জন্য রোটেশন অনুযায়ী মোবাইলে কথা বলার সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে।
কারারক্ষীরা যাতে বন্দীদের সাথে ভালো ব্যবহার এবং কারাগারে শৃঙ্খলা বজায় রাখে সেজন্য কারাবিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। কক্সবাজার জেলা কারাগার বাংলাদেশের অন্যান্য কারাগারের রোল মডেল হবে। সৃজনশীল লক্ষ এবং উদ্দেশ্য নিয়ে আমরা আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবো। কারারক্ষী ও কারাকর্মচারীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মোটিভেশন করে কারাগারের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল এবং বন্দীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে যাবতীয় কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

ঈদুল ফিতরের ছুটিতে কর্মস্থলে থাকতে হবে চাকরিজীবীদের
                                  

অনলাইন ডেস্কঃ করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে চলমান বিধি-নিষেধের মেয়াদ আগামী ১৬ মে পর্যন্ত বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। বুধবার (৫ মে) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে সকল সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস এবং ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণকে ঈদের ছুটিতে আবশ্যিকভাবে স্ব স্ব কর্মস্থলে অবস্থান করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (৬ মে) থেকে জেলার মধ্যে বাস চলবে। তবে বন্ধ থাকবে আন্তঃজেলা গণপরিবহন। এছাড়া আগের মতো ট্রেন ও লঞ্চ বন্ধ থাকবে।

আগের মতোই লকডাউনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান ও শপিং মল সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। খোলা থাকবে শিল্প-কারখানা। এছাড়া জরুরি সেবা দেওয়া প্রতিষ্ঠান ছাড়া যথারীতি সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। সীমিত পরিসরে ব্যাংকে লেনদেন করা যাবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত।

এছাড়া মাস্ক ব্যবহার শতভাগ নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে প্রজ্ঞাপনে। প্রয়োজনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও বলা হয়েছে।

এর আগে ৪ মে `ঈদুল ফিতরের সরকারি ছুটিতে কেউ কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবে না` এমন বিধান যুক্ত করে সাধারণ ছুটি ১৬ মে পর্যন্ত বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

ঈদের ছুটিতে সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবী ও শিল্প-কারখানার কর্মীদের কর্মস্থলেই থাকতে হবে জানিয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন গতকাল বলেন, সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে ছুটি তিন দিনই থাকবে এবার। আমাদের প্ল্যান ছিল একদিন ছুটি দেওয়ার। ঈদের ছুটির দুই দিন শুক্র ও শনিবারই মনে হচ্ছে যাবে। যাতে কেউ কোথাও যেতে না পারে, ঢাকা না ছাড়তে পারে। কারণ ঢাকা হচ্ছে করোনার উচ্চসংক্রমণশীল এলাকা। ৮০ শতাংশ সংক্রমণই হয় ঢাকায়।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঢাকা থেকে বা ঢাকার আশেপাশে থেকে শ্রমিকরা যদি ঈদের সময় অন্য জায়গায় চলে যায় তবে ম্যাসাকার হবে। সে জন্য আমরা চাচ্ছি সবাই কর্মস্থলেই থাকুক। সরকারি-বেসরকারি সবক্ষেত্রে নির্দেশনা দেওয়া আছে, ছুটি তিন দিনই থাকবে, কেউ এর বাইরে ছুটি দিতে পারবে না।

ফরহাদ হোসেন বলেন, পরিস্থিতি অনুযায়ী এখনও চলাচলে কড়াকাড়ি আরোপ করার বিষয় আছে। আমরা বলছি, ঈদের সময় যে যেখানে আছেন সেখানেই থাকবেন। লোকজন মুভ করলে এটা ব্যাপকভাবে বেড়ে যেতে পারে। ভারতের বিষয়টি আমাদের পর্যবেক্ষণ করতে হচ্ছে। সেজন্য আমরা সতর্ক অবস্থানে আছি।

চাঁদ দেখাসাপেক্ষে আগামী ১৪ মে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।

সুত্র ঃ কালের কন্ঠ

ঈদে লঞ্চ-ট্রেন ও দূরপাল্লার বাস বন্ধ, প্রজ্ঞাপন জারি
                                  

অনলাইন ডেস্ক: করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে সরকারঘোষিত চলমান লকডাউন আগামী ১৬ মে পর্যন্ত বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

এতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৬ মে) থেকে লকডাউনের মেয়াদ পর্যন্ত জেলার অভ্যন্তরে গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি দেওয়া হলেও দূরপাল্লার গণপরিবহনের সঙ্গে লঞ্চ ও ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে বলে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আজ বুধবার (৫ মে) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে `করোনা ভাইরাসজনিত রোগ (কভিড-১৯)-এর বিস্তার রোধে সার্বিক কার্যাবলী/চলাচলে বিধি-নিষেধের সময়সীমা বর্ধিতকরণ` বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আন্তজেলা গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। তবে ৫ মের পর যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন সাপেক্ষে জেলার অভ্যন্তরে গণপরিবহন চলাচল করতে পারবে। ট্রেন ও লঞ্চ চলাচল আগের মতোই বন্ধ থাকবে।

কাল থেকে শহর এলাকায় চলবে গণপরিবহন
                                  

অনলাইন ডেস্ক: করোনাভাইরাস প্রতিরোধে কঠোর বিধিনিষেধ চলমান থাকলেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার থেকে গণপরিবহন চলবে, তবে সেটা শহরের ভেতরে। আন্তজেলা বাস চলাচল বন্ধ থাকবে।

গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি মিললেও বাস মালিকরা সরকারের কাছ থেকে কোনো নির্দেশনা পাননি। বলে জানান এক জেলা থেকে অন্য জেলায় গণপরিবহন বন্ধ রাখার পক্ষেও নন তারা।

এ বিষয়ে সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ বলেন, ‘সরকার যেভাবে নির্দেশনা দেবে আমরা সেভাবেই বাস চালাব’।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘যাত্রীবাহী বাস কীভাবে চলবে তা স্পষ্ট করে শিগগির প্রজ্ঞাপন জারি হবে। এরপরই বলা যাবে কোন কোন রুটে, কীভাবে গণপরিবহন চলবে’।

বিআরটিএ সূত্র জানায়, প্রজ্ঞাপনে বাস চলাচলের সব নির্দেশনা দেওয়া হবে। যার মধ্যে প্রথমেই থাকছে সিটি সার্ভিস ও জেলার বাস সার্ভিস। অন্য জেলায় প্রবেশ করতে না পারার বিষয়টি। এ ছাড়া বাস ছাড়ার আগে পুরো বাসে জীবাণুনাশক ছিটিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। যাত্রী, বাসচালক ও সহকারীকে শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে অর্ধেক সিট খালি রেখে গণপরিবহন চালাতে হবে।

সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠক শেষে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকেদের মন্ত্রিপরিষদসচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে শর্তসাপেক্ষে আগামী ৬ মে থেকে জেলার ভেতরে গণপরিবহন চলবে। তবে গণপরিবহন জেলার ভেতরে চলাচল করতে পারবে। আন্তজেলা চলাচল করবে না।

তিনি বলেন, মালিক সমিতি আমাদের কথা দিয়েছে, কোনোভাবে গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি ভঙ্গ করা হবে না। তাহলে বন্ধ করে দেওয়া হবে। এটা আমরা দেখব। লঞ্চ এবং ট্রেন বন্ধ থাকবে। যেহেতু ওগুলো এক জেলা থেকে আরেক জেলায় যায়। সুতরাং বন্ধ থাকবে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চেীধুরী বলেন, ‘পাশের দেশ ভারত ও আমাদের দেশের সংক্রমণ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিলে আমি মনে করি এই মুহূর্তে গণপরিবহন খুলে দেওয়া হবে একটি আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। কেননা প্রতি বছর ঈদে বাড়ির যাওয়ার জন্য লাখো মানুষের ঢল নামে। ভয়াবহ ভাবে গাদাগাদি করে বাস, লঞ্চ, রেলের ঈদযাত্রার অতীতের চিত্র আমাদের সবার সামনে রয়েছে। এতে কোনোভাবে গণপরিবহন স্বাস্থ্যবিধি মানানো যাবে না।

তিনি বলেন, সরকারের উচিত প্রয়োজনে পরিবহন শ্রমিকদের নগদ ও ত্রাণ সহায়তা দেওয়া এবং পরিবহন মালিকদের প্রণোদনা দেওয়া। এতে করে পরিস্থিতি উন্নতি হলে ঈদের পর ধীরে ধীরে পরিবহন চালু করা যেতে পারে।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগের সভাপতি মোহাম্মদ হানিফ খোকন বলেন, ‘ইদের আগে গণপরিবহন চালু হলেও শ্রমিকদের কোনো লাভ হবে না। কারণ এখন আন্তঃপরিবহন না চললে, শুধু সিটিতে চললে যাত্রী পাওয়া যাবে না। তাই করোনায় মানবেতর জীবন-যাপন করা শ্রমিকদের জন্য পরিবহন মালিকদের প্রতি আমার আহ্বান থাকবে ,তারা যেন অন্তত গাড়ি চলাচল করলে শ্রমিকদের এক মাসের যে-যেমন টাকা পেত সে পরিমাণ টাকা ও বোনাস দিলে ভালোভাবে পরিবার নিয়ে শ্রমিকরা ইদ করতে পারবে’।

সূত্র : দেশ রূপান্তর


   Page 1 of 240
     সারা দেশ
দৌলতদিয়ায় ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড়
.............................................................................................
স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই গণপরিবহনে, চলছে আন্তঃজেলা বাসও
.............................................................................................
রাবি উপাচার্যের শেষ দিনের নিয়োগ অবৈধ, তদন্ত কমিটি গঠন
.............................................................................................
চট্টগ্রামে মাস্ক না পরায় আটক ৪৪, বন্ধ ২ দোকান
.............................................................................................
ভালুকায় রিকশার চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু
.............................................................................................
কেরানীগঞ্জ গার্মেন্টস পাইকারী বাজার ব্যবসায়ীরা বিপাকে রয়েছে ব্যাংক লোনের বোঝা
.............................................................................................
গণপরিবহনের সঙ্গে ফিরল ঢাকার নিত্য যানজট
.............................................................................................
আজ থেকে চলবে গণপরিবহন, মানতে হবে নির্দেশনা
.............................................................................................
টিকা গ্রহীতার সংখ্যা ৯০ লাখ ছাড়িয়েছে
.............................................................................................
স্পিডবোট চলাচল বন্ধে কঠোর অবস্থানে নৌপুলিশ
.............................................................................................
শরীয়তপুরে পুকুরে গোসল করতে নেমে ২ বোনের মৃত্যু
.............................................................................................
পবিত্র রমজানে সুপেয় পানি সরবরাহ করছেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর
.............................................................................................
কক্সবাজার কারাগারের পরিবেশ বেশ চমৎকার, রমজানে বন্দীদের সরবরাহ করা হচ্ছে উন্নতমানের ইফতারি ও সেহরী
.............................................................................................
ঈদুল ফিতরের ছুটিতে কর্মস্থলে থাকতে হবে চাকরিজীবীদের
.............................................................................................
ঈদে লঞ্চ-ট্রেন ও দূরপাল্লার বাস বন্ধ, প্রজ্ঞাপন জারি
.............................................................................................
কাল থেকে শহর এলাকায় চলবে গণপরিবহন
.............................................................................................
চট্টগ্রামে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু
.............................................................................................
ভোলায় নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
.............................................................................................
পটুয়াখালীতে বাড়তি যাত্রী নিয়ে চলছে স্পিডবোট, ভাড়াও দ্বিগুণ
.............................................................................................
নাজাতের দিনে আল্লাহ্ চাহেতো বান্দার যে কোনো গুনাহ্ মাফ করে দিবেন
.............................................................................................
রাঙ্গুনিয়ায় নবনির্মিত এবাদতখানার শুভ উদ্বোধন উপলক্ষে ইফতার মাহফিল
.............................................................................................
করোনা পরীক্ষার ফি হতে পারে সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা
.............................................................................................
ভ্যাকসিন গ্রহীতার সংখ্যা ৮৮ লাখের বেশি
.............................................................................................
রাঙ্গুনিয়ায় ইসলামী ফ্রন্ট,যুবসেনা ও ছাত্রসেনার ভালবাসার উপহার ইফতার সামগ্রী প্রদান!
.............................................................................................
মুন্সিগঞ্জে জব্দকৃত ২০০ মণ জাটকা মাদরাসা-এতিমখানায় বিতরণ
.............................................................................................
জুনে বাড়ি পাচ্ছে আরও ৫৩ হাজার গৃহহীন পরিবার
.............................................................................................
স্পিডবোট দুর্ঘটনায় মৃত ২৫ জনের পরিচয় মিলছে
.............................................................................................
বগুড়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু
.............................................................................................
সাপাহারে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে কর্মহীন ও নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
.............................................................................................
পদ্মায় স্পিডবোট-বাল্কহেড সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৬
.............................................................................................
লকডাউনে দৈনিক গণপরিবহনে ক্ষতি ৫০০ কোটি!
.............................................................................................
দেশে ভ্যাকসিন গ্রহীতার সংখ্যা ৮৭ লাখের বেশি
.............................................................................................
শিবচরে বাল্কহেড-স্পিডবোট সংঘর্ষ, নিহত ২২
.............................................................................................
নীলফামারীতে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু
.............................................................................................
কক্সবাজার সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আহবায়কের দায়িত্ব পেলেন রুবেল মিয়া
.............................................................................................
দৈনিক শনাক্ত কমে ১৩৫৯, মৃত্যু আরও ৬৯ জনের
.............................................................................................
কেরানীগঞ্জে পুইশাক ক্ষেত থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার
.............................................................................................
হতদরিদ্রদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী প্রদান করলেন সাব্বির আহমদ
.............................................................................................
কামরাঙ্গীরচরে দুস্থ পাঁচশ পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ
.............................................................................................
শহরের শীর্ষ সন্ত্রাসী সাদ্দাম অস্ত্র ও গোলাবারুদ সহ গ্রেফতার
.............................................................................................
সাতকানিয়ায় বজ্রপাতে নারীর মৃত্যু
.............................................................................................
মাসের প্রথম দিনেই রাজশাহীর বাজারে লিচু
.............................................................................................
আশানুরূপ ইলিশ না পেলেও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে আড়তে
.............................................................................................
সোনারগাঁয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩
.............................................................................................
মামুনুল হকের কথিত স্ত্রী ঝর্ণার মেডিকেল টেস্ট সম্পন্ন
.............................................................................................
বিসিক শিল্পনগরীসমূহে মেডিকেল অক্সিজেন, ঔষধ ও নিত্যপণ্য উৎপাদন অব্যাহত
.............................................................................................
শেরপুরে এক পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত ২৩
.............................................................................................
নাটোরে কেজি দরে তরমুজ বিক্রি বন্ধের নির্দেশ
.............................................................................................
অভিযানেও কমেনি তরমুজের দাম
.............................................................................................
টিকা গ্রহীতার সংখ্যা ৮৫ লাখ ছাড়াল
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop