| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * সিরিয়ায় বোমা হামলায় ১৩ সেনা নিহত   * রাতে আসছে সিনোফার্মের আরও ৫৫ লাখ টিকা   * আন্তর্জাতিক সনদ পাচ্ছে ফজলি আম ও বাগদা চিংড়ি   * বরগুনায় কীটনাশক খেয়ে বৃদ্ধের মৃত্যু   * বিশ্বজুড়ে একদিনে সাড়ে ৮ হাজারের বেশি মৃত্যু   * এসকে সিনহাসহ ১১ জনের মামলার রায় বৃহস্পতিবার   * তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৬০ সেন্টিমিটার ওপরে, আকস্মিক বন্যা   * মমেক হাসপাতালে ২ জনের মৃত্যু   * পাকিস্তানের জলসীমায় ভারতের সাবমেরিন, গতিপথ আটকানোর দাবি   * উত্তরাখণ্ডে বৃষ্টি-বন্যায় ১৬ জনের মৃত্যু  

   প্রতিবেশী -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
মমতা শপথ নিতে পারেন ৭ অক্টোবর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভবানীপুর উপনির্বাচনে জয়ী হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। মুখ্যমন্ত্রী পদে বহাল থাকতে আর বাধা নেই তার। এবার শপথ নেওয়ার পালা। আগামী বৃহস্পতিবার (৭ অক্টোবর) বিধানসভায় গিয়ে বিধায়ক মমতাসহ আরও দুই বিধায়ককে শপথবাক্য পাঠ করানোর আবেদন জানানো হয়েছে রাজ্যপালকে। স্থানীয় সময় সোমবার বিষয়টি জানান, পরিষদীয়মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমি আর কোনো বিতর্কের মধ্যে যাচ্ছি না। আমরা রাজ্যপালকে অনুরোধ করেছি, বিধানসভার নিয়ম অনুযায়ী, রীতিনীতি অনুযায়ী আসুন। কাউকে ছোট করা নয়, আগামী ৭ অক্টোবর দুপুর ১২টার আগে আমরা চাইছি, বিধানসভায় এসে মুখ্যমন্ত্রীকে শপথবাক্য পাঠ করান।

চিঠি পাওয়ার পরে পাল্টা জবাব দিয়েছে রাজভবনও। বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হয়েছে, নির্বাচন জয়ের পর বিজ্ঞপ্তি জারি করে তা জানানো হোক। তার পরে সে সম্পর্কে রাজ্যপালকে অবগত করানো হলে, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন তিনি।

ভারতে সাংবিধানিক ভাবে লোকসভার ক্ষেত্রে শপথগ্রহণ করানোর দায়িত্ব রাষ্ট্রপতির। রাজ্য বিধানসভার ক্ষেত্রে সেই দায়িত্ব রাজ্যপালের। কিন্তু, প্রায় সব ক্ষেত্রেই সাংসদ, বিধায়কদের শপথগ্রহণের দায়িত্ব রাষ্ট্রপতি বা রাজ্যপাল দিয়ে থাকেন তার মনোনীত ব্যক্তিকে। তাই লোকসভা বা বিধানসভার সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হলে সাধারণত সংসদ সদস্য-বিধায়কদের শপথবাক্য পাঠ করান প্রোটেম স্পিকার। স্পিকার নির্বাচন হয়ে গেলে, লোকসভার ক্ষেত্রে দায়িত্ব দেওয়া হয় স্পিকারকে। বিধানসভার ক্ষেত্রে রাজ্যপাল সেই দায়িত্ব দেন সংশ্লিষ্ট বিধানসভার স্পিকারকে। এ ক্ষেত্রে স্পিকারদের সেই ক্ষমতা দেন রাষ্ট্রপতি বা রাজ্যপাল।

তবে রাজভবন সূত্রের খবরে জানা গেছে, রাজ্যপালের দেওয়া সেই ক্ষমতা এবার প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।

ভবানীপুর বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যনার্জী। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় বৃহস্পতিবার (৩০সেপ্টেম্বর)। গত রোববার (৩ অক্টোবর) ভোট গণনা শেষে ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ভবানীপুরে ৫৮ হাজার ৮৩২ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন মমতা।


সূত্র: আনন্দবাজার

মমতা শপথ নিতে পারেন ৭ অক্টোবর
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভবানীপুর উপনির্বাচনে জয়ী হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। মুখ্যমন্ত্রী পদে বহাল থাকতে আর বাধা নেই তার। এবার শপথ নেওয়ার পালা। আগামী বৃহস্পতিবার (৭ অক্টোবর) বিধানসভায় গিয়ে বিধায়ক মমতাসহ আরও দুই বিধায়ককে শপথবাক্য পাঠ করানোর আবেদন জানানো হয়েছে রাজ্যপালকে। স্থানীয় সময় সোমবার বিষয়টি জানান, পরিষদীয়মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমি আর কোনো বিতর্কের মধ্যে যাচ্ছি না। আমরা রাজ্যপালকে অনুরোধ করেছি, বিধানসভার নিয়ম অনুযায়ী, রীতিনীতি অনুযায়ী আসুন। কাউকে ছোট করা নয়, আগামী ৭ অক্টোবর দুপুর ১২টার আগে আমরা চাইছি, বিধানসভায় এসে মুখ্যমন্ত্রীকে শপথবাক্য পাঠ করান।

চিঠি পাওয়ার পরে পাল্টা জবাব দিয়েছে রাজভবনও। বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হয়েছে, নির্বাচন জয়ের পর বিজ্ঞপ্তি জারি করে তা জানানো হোক। তার পরে সে সম্পর্কে রাজ্যপালকে অবগত করানো হলে, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন তিনি।

ভারতে সাংবিধানিক ভাবে লোকসভার ক্ষেত্রে শপথগ্রহণ করানোর দায়িত্ব রাষ্ট্রপতির। রাজ্য বিধানসভার ক্ষেত্রে সেই দায়িত্ব রাজ্যপালের। কিন্তু, প্রায় সব ক্ষেত্রেই সাংসদ, বিধায়কদের শপথগ্রহণের দায়িত্ব রাষ্ট্রপতি বা রাজ্যপাল দিয়ে থাকেন তার মনোনীত ব্যক্তিকে। তাই লোকসভা বা বিধানসভার সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হলে সাধারণত সংসদ সদস্য-বিধায়কদের শপথবাক্য পাঠ করান প্রোটেম স্পিকার। স্পিকার নির্বাচন হয়ে গেলে, লোকসভার ক্ষেত্রে দায়িত্ব দেওয়া হয় স্পিকারকে। বিধানসভার ক্ষেত্রে রাজ্যপাল সেই দায়িত্ব দেন সংশ্লিষ্ট বিধানসভার স্পিকারকে। এ ক্ষেত্রে স্পিকারদের সেই ক্ষমতা দেন রাষ্ট্রপতি বা রাজ্যপাল।

তবে রাজভবন সূত্রের খবরে জানা গেছে, রাজ্যপালের দেওয়া সেই ক্ষমতা এবার প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।

ভবানীপুর বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যনার্জী। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় বৃহস্পতিবার (৩০সেপ্টেম্বর)। গত রোববার (৩ অক্টোবর) ভোট গণনা শেষে ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ভবানীপুরে ৫৮ হাজার ৮৩২ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন মমতা।


সূত্র: আনন্দবাজার

ভারতে ব্ল্যাক ফা`ঙ্গাসে ৫০ জনের মৃত্যু
                                  

অনলাইন ডেস্ক : করোনাভাইরাসের মহামারির থাবার সঙ্গে প্রতিবেশী দেশ ভারতে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের মহামারি শুরু হয়েছে। দেশটির হরিয়ানা রাজ্যে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হয়ে ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (৩০ মে) হরিয়ানা রাজ্যের বিভিন্ন হাসপাতালে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এসব রোগীর মৃত্যু হয়। হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খাত্তার এ তথ্য জানিয়েছেন।

রোববার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল সাংবাদিকদের বলেন, দিনে দিনে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস আক্রান্ত হয়ে মানুষ মারা যাচ্ছে। এই রোগ প্রতিরোধে সরকারি বেশকিছু হাসপাতালে ইনজেকশন রয়েছে। ছয় হাজার ইনজেকশন কেনা হয়েছে। আগামী ২ দিনের মধ্যে আরও ২ হাজার ইনজেকশন বিভিন্ন হাসপাতালে সরবরাহ করা হবে। আরও ৫ হাজার ইনজেকশনের অর্ডার দেওয়া আছে।

তিনি আরও বলেন, ব্ল্যাক ফাঙ্গাস রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিতে প্রতিটি সরকারি হাসপাতালে বেডের সংখ্যা বাড়িয়ে ৭৫টি করার নির্দেশনা রয়েছে।

এর আগে ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, সরকার কেন্দ্রের কাছ থেকে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ড্রাগ অ্যামফোটেরিসিন-বি এর ১২ হাজার ইনজেকশন সংগ্রহ করেছে।

ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিগত কিছুদিন ধরে হরিয়ানায় ব্ল্যাক ফাঙ্গাস আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এখন পর্যন্ত হরিয়ানা রাজ্যে ৭শ’ ৫০ জনেরও বেশি মানুষের শরীরে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস শনাক্ত করা হয়েছে।

ভারতে করোনায় আরও ৩৬১৭ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১ লাখ ৭৪ হাজার
                                  

অনলাইন ডেস্ক: করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে আরও ৩৬১৭ জন মারা গেছেন। আর এ সময় আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৭৪ হাজার ৪১ জন।

শনিবার (২৯ মে) আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটার।

ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যানুযায়ী, ভারতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে আরও ৩৬১৭ জন মারা গেছেন। আর এ সময় আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৭৪ হাজার ৪১ জন।

এর আগে ১১ মে দেশটিতে একদিনে সর্বোচ্চ ৪২০০ জনের মৃত্যু হয়। ৭ এপ্রিল ৪১৯৪ জনের মৃত্যু হয়। সবমিলিয়ে দেশটিতে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ২৫ হাজার ৯৯৮ জনে।

এছাড়া ৬ মে দেশটিতে একদিনে সর্বোচ্চ ৪ লাখ ১৪ হাজার ৪৩৩ জন শনাক্ত হয়। এটি এখন পর‌্যন্ত দেশটি সর্বোচ্চ শনাক্ত। ৫ মে ৪ লাখ ১২ হাজার ৬১৮ জন শনাক্ত হয়। সবমিলিয়ে দেশটিতে শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৭৮ লাখ ৯৩ হাজার ৪৭২ জনে।

সূত্র : বাংলানিউজ

করোনার টিকা নিয়ে মোদির রাজনীতির খেসারত দিচ্ছে বিশ্ব
                                  

অনলাইন ডেস্ক: বিশাল এক ‘থ্যাংকলেস মিশন’ নিয়ে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। জো বাইডেন হোয়াইট হাউসের দায়িত্ব নেয়ার পর সেখানে কোনো ভারতীয় মন্ত্রীর এটাই প্রথম সফর। ভারতের জন্য যথাসম্ভব করোনা টিকা জোগাড়ের চ্যালেঞ্জ নিয়ে এই সফরে গেছেন জয়শঙ্কর।

করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউয়ের ভয়াবহ তাণ্ডব মাত্র সামলে ওঠার চেষ্টা করছে ভারত। সেখানে দৈনিক দুই লক্ষাধিক আক্রান্ত আর চার হাজারের বেশি মৃত্যুর ট্র্যাজেডি আরও ভয়ঙ্কর করে তুলেছে টিকার প্রচণ্ড সঙ্কট। সফরকালে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তা ও টিকা উৎপাদকদের সঙ্গে দেখা করার কথা ভারতীয় মন্ত্রীর। জো বাইডেন চাহিদাসম্পন্ন দেশগুলোকে যে আট কোটি টিকা দিতে চেয়েছেন, জয়শঙ্কর সেখান থেকে যত বেশি সম্ভব বাগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করবেন, তা নিশ্চিত।

ভারতীয়রা নিজেরা প্রচুর টিকা উৎপাদন করলেও আজ তাদের মধ্যেই এর সঙ্কট ভয়াবহ। সেখানে গত এপ্রিলের তুলনায় মে মাসে টিকাদানের হার অর্ধেকে নেমে গেছে। ইতোমধ্যে দেশটিতে ১০ লাখের বেশি মানুষ করোনায় মারা গেছে বলে ধারণা করা হয়। যদিও সরকারি হিসাব বলছে, ভারতে এ পর্যন্ত করোনায় মৃতের সংখ্যা ৩ লাখ ১৫ হাজার, তবে সেটি প্রকৃত সংখ্যার তুলনায় একেবারেই নগণ্য বলে বিশ্বাস বিশেষজ্ঞদের।

করোনা টিকার পথ ধরে ভারত বহুদূর গেছে- ব্যাপক হম্বিতম্বি করা বিশ্বের রক্ষাকর্তা ‘ভ্যাকসিন গুরু’ থেকে আজ অন্যের দুয়ারে টিকার জন্য হাত পাতছে। বিশ্বের বৃহত্তম টিকা উৎপাদক হয়ে অন্যের কাছে টিকা চাওয়া ভারতের জন্য মোটেও সহজ নয়। এক্ষেত্রে শান্তশিষ্ট জয়শঙ্কর বিষয়টিতে যথেষ্ট আভিজাত্য ধরে রাখার চেষ্টা করবেন অবশ্যই।

সম্প্রতি বেশ দয়ালু সুরে কথা বলতে শুরু করেন ভারতের এ মন্ত্রী। হুভার ইনস্টিটিউটের এক সভায় তিনি সব দেশকে ‘বৈশ্বিক মঙ্গল’র জন্য ‘জাতীয় স্বার্থ’র বাইরে চিন্তা করার কথা বলেছেন। ভারতীয় মন্ত্রীর মুখে এ ধরনের শব্দ হাস্যকরই বটে! কারণ ভারতীয়দেরই টিকা জাতীয়তাবাদ এবং নরেন্দ্র মোদির ফাঁকা আওয়াজের কারণে শুধু ভারতেই তীব্র টিকা সঙ্কট তৈরি হয়নি, এতে টিকার জন্য ভারতের ওপর নির্ভরশীল দেশগুলোকেও মারাত্মক হুমকিতে ফেলেছে।

ভারত এখন নিজেদের লোকদের অগ্রাধিকার দেয়ার জন্য অন্য দেশে টিকা রফতানি বন্ধ করে রেখেছে, যার অর্থ অন্যদের প্রাপ্য টিকা হাতিয়ে নিচ্ছে তারা। এতে দরিদ্র দেশগুলোর টিকাপ্রাপ্তি নিশ্চিতে শুরু করা কোভ্যাক্স কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে প্রাণঘাতী এ মহামারি আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

আজকের যে টিকা সঙ্কট বিশ্বের সবচেয়ে অরক্ষিত দেশগুলোকে চোখ রাঙাচ্ছে, তার শেকড় পাওয়া যায় ভারতের জন্য সময়মতো পর্যাপ্ত টিকা কেনায় নরেন্দ্র মোদির উদাসীনতার মধ্যে। ভারতে মহামারি শুরুর কয়েক মাস পরেই ২০২০ সালের আগস্টে মোদি ঘোষণা দেন, তারা ইতোমধ্যে টিকা বিতরণের পরিকল্পনা নিয়ে ফেলেছেন। কিন্তু টিকা কেনার প্রথম অর্ডার দিতে তার সময় লেগে যায় ২০২১ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত। ফলাফল এপ্রিলে যখন পূর্ণশক্তিতে মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ ভারতে আছড়ে পড়ে, তখন দেশটির মাত্র ০.৫ শতাংশ মানুষ দুই ডোজ করে টিকা নিয়েছেন। এর হার বর্তমানে ৩ দশমিক ১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। বিশ্বের আর কোনো নেতা টিকার ব্যাপারে এত বেশি কথা বলে এত কম কাজ করেননি। তার জন্য আজ ভুক্তভোগী শুধু ভারতীয়রাই নন, বিশ্বের অন্য প্রান্তের লোকেরাও।

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা উৎপাদন করছে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট। চলতি বছর কোভ্যাক্সের জন্য ২০০ কোটি ডোজ সরবরাহের কথা ছিল তাদের। কিন্তু গত মার্চ থেকে টিকা পাঠানো বন্ধ রেখেছে সিরাম। চলতি বছরের শেষ ছাড়া তা আবার শুরু করা সম্ভব হবে না বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। টিকার জন্য দেশে এবং দেশের বাইরে থেকে ক্রমাগত চাপের মুখে লন্ডন পাড়ি জমিয়েছেন সিরামের সিইও আদর পুনেওয়ালা।

বিশ্বের জন্য সিরামের টিকা সরবরাহ বন্ধ থাকায় অনিশ্চয়তায় পড়েছে স্বল্প ও নিম্ন-মধ্যম আয়ের অন্তত ৯২টি দেশ। এসব দেশ টিকার জন্য কোভ্যাক্সের ওপর ভরসা করছিল। এ অবস্থায় তারা টিকার নতুন সরবরাহকারী খুঁজে পেলেও তা হাতে পৌঁছাতে আরো কয়েক মাস লেগে যাবে। সিরামের এই পিছুটানের মানে জুন মাস শেষে কোভ্যাক্স অন্তত ১৯ কোটি ডোজের ঘাটতিতে থাকবে।

ভারতের সবচেয়ে কাছের প্রতিবেশী বাংলাদেশ, নেপাল এবং শ্রীলঙ্কাও এই টিকা সঙ্কটে ভুক্তভোগী হচ্ছে। নেপালে সংক্রমণের উচ্চহার আর টিকার সামান্য মজুতের কারণে পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ হয়ে উঠছে। দেশটি সিরামের কাছ থেকে ২০ লাখ ডোজ কিনেছিল। কিন্তু মাত্র ১০ লাখ ডোজ দিয়েই পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। বাকি দেশগুলোর ঘটনাও প্রায় একই রকম।

টিকাপ্রাপ্তি নিয়ে অসম লড়াই বন্ধের লক্ষ্যে কোভ্যাক্স চালু করা হয়েছিল। এ কার্যক্রমের কেন্দ্রে ছিল বিশ্বের বৃহত্তম টিকা উৎপাদক সিরাম ইনস্টিটিউট। তাদের অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা উৎপানের অনুমতি দেয়া হয়েছিল দরিদ্র দেশগুলোকে সরবরাহ করার শর্তে। কিন্তু ভারত সরকারের নিষেধাজ্ঞার কারণে আজ অন্য দেশগুলোর টিকাপ্রাপ্তিতে সুবিচারের আশা হাওয়ায় মিলিয়ে যেতে বসেছে।

সূত্র : জাগো নিউজ

পশ্চিমবঙ্গে ১৫ জুন পর্যন্ত বাড়ল লকডাউন
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের পশ্চিমবঙ্গে চলমান লকডাউনের মেয়াদ ১৫ জুন পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন, আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত রাজ্যে সব বিধিনিষেধ জারি থাকবে। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

মমতা জানান, আগে যেসব বিধিনিষেধ জারি ছিল, সেগুলোই জারি থাকবে। বিধিনিষেধের ফলে রাজ্যে সংক্রমণ কিছুটা কমেছে। তাই এই সিদ্ধান্ত।

বৃহস্পতিবার মমতা বলেন, ‘আমরা একে লকডাউন বলছি না। আমরা বলছি বিধিনিষেধ। এর আগে যা যা বিধিনিষেধ ছিল, সেগুলোই বজায় থাকবে। রাত ৯টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত কেউ বাইরে বের হবেন না। বাজার, মিষ্টির দোকান, শাড়ি, গয়নার দোকান যে রকম নিয়ম মেনে খুলছিল সে রকমই খুলবে। শুধু জুটমিলে কর্মীর সংখ্যা ৩০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৪০ শতাংশ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে নির্মাণকাজে যুক্ত শ্রমিকদের টিকা নেওয়া হয়ে গেলে তারা কাজ করতে পারবেন।’

এর আগে ১৫ মে থেকে পশ্চিমবঙ্গে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। তার আগের দিন, অর্থাৎ ১৪ মে রাজ্যে সংক্রমণ ছিল সবচেয়ে বেশি। সেদিন নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন ২০ হাজার ৮৪৬ জন। ১৫ মে আক্রান্ত হন ১৯ হাজার ৫১১ জন। কিন্তু লকডাউন ঘোষণার পর

থেকে সংক্রমণ কমছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পশ্চিমবঙ্গে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৬ হাজার ২২৫ জন। সেই কারণেই আরও ১৬ দিন লকডাউন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন।

বাংলাদেশের কাছে ২০৩০ সালে সাহায্য চাইতে হতে পারে পাকিস্তানের
                                  

অনলাইন ডেস্কঃ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিও ভূয়সী প্রশংসা এবং পাকিস্তানের বর্তমান অর্থনৈতিক অস্থিরতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিশ্বব্যাংকের একজন সাবেক উপদেষ্টা বলেছেন, দেশটির অর্থনৈতিক খাতে এই হতাশাজনক অবস্থা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের কাছে পাকিস্তানের সহায়তা চাইতে হতে পারে।

আবিদ হাসান বলেন, ‘যদি পাকিস্তানে অর্থনৈতিক বিশৃঙ্খল অবস্থা অব্যাহত থাকে, তাহলে এমন সম্ভবনা দেখা দিতে পারে যে, ২০৩০ সালে বাংলাদেশের কাছে আমাদের সহায়তা চাইতে হতে পারে।’

পাকিস্তান ইকোনমিক এডভাইজরি কমিটি এবং ফেডারেল বোর্ড অব রেভিনিউ ট্যাক্স রিফর্ম গ্রুপের সাবেক সদস্য হাসান বলেন, ‘আমরা যদি “স্বাভাবিক নিয়মে” ব্যবসা অব্যাহত রাখতে পারি, তাহলে এক দশকের মধ্যে আমরা বাংলাদেশ থেকে সহায়তা নেয়ার মত অবস্থার অবসান ঘটাতে পারি।’

করাচি, লাহোর, রাওয়ালপিন্ডি, ইসলামাবাদ এবং লন্ডন থেকে প্রকাশিত পাকিস্তান ভিত্তিক ইংরেজি দৈনিক ‘নিউজ ইন্টারন্যাশনাল’ এ সোমবার প্রকাশিত এক নিবন্ধে এই অভিমত ব্যক্ত করা হয়। হাসান বাংলাদেশের গত কয়েক বছরের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং প্রায় সকল উন্নয়ন সূচকের অগ্রগতির প্রশংসা করেন।

তিনি বলেন, অতীতের মতো একই হারে জিডিপি বৃদ্ধি পেলে ২০৩০ সালে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক শক্তিকেন্দ্র হতে পারে।

বিশ্বব্যাংকের সাবেক উপদেষ্টা বলেন, ‘২০ বছর আগে এটা ভাবাই যেত না ২০২০ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি পাকিস্তানের প্রায় দ্বিগুণ হবে।’

হাসান বিস্মিত হন, যে বাংলাদেশ কিভাবে বিস্ময়কর গল্প হয়ে উঠেছে এবং পাকিস্তান বিপর্যয়ের গল্পে পরিণত হয়েছে, মাত্র দুই দশকে বাংলাদেশ প্রধান অর্থনৈতিক সূচকগুলোতে পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে গেছে।

তিনি বলেন, ‘গত ২০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের জিডিপি মাথাপিছু ৫০০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।’

সাবেক উপদেষ্টা মনে করেন, রাষ্ট্র থেকে ধর্মকে আলাদা, রাজনীতিতে অনির্বাচিত প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা বর্জন এবং দেশের প্রতি তাদের নেতৃত্বের একক মনোযোগের কারণে বাংলাদেশের পক্ষে বিস্ময়কর অর্থনৈতিক সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে।

পাকিস্তান প্রসঙ্গে তিনি লিখেছেন, পাকিস্তানের প্রতিটি সরকার এবং বর্তমান সরকারও ‘ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে’ সারা বিশ্বে ঘুরছে।

হাসান বলেন, ‘আমরা এখন ঋণে ডুবে যাচ্ছি এবং দুর্বল প্রবৃদ্ধির অক্ষে আটকে আছি এবং অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় গভীর সংস্কার কোন সরকার অনুসরণ না করার কারণে আমরা এভাবেই চলতে থাকবো।’

তিনি লিখেছেন, পাকিস্তানের খারাপ কর্মক্ষমতা তার নিজের দোষ, দেশটির নেতারা তাদের শত্রু এবং আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংককে দোষারোপ করে ।

হাসান বলেন, দুর্নীতি এবং সন্ত্রাসবাদের অর্থনৈতিক প্রভাবের এই বিশৃঙ্খলার একটি ভূমিকা রয়েছে, কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই খারাপ কর্মদক্ষতা, দায়িত্বহীনতা, অনুপযুক্ত এবং অপ্রত্যাশিত নীতি অনুসরণ এবং আধাআধি সংস্কারের ফল।- বাসস

করোনায় ভারতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ হাজার ১৫৭ জনের মৃত্যু
                                  

অনলাইন ডেস্ক: ভারতে থামছেই না করোনার তাণ্ডব। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে প্রাণ হারিয়েছেন চার হাজার ১৫৭ জন। একইসময়ে নতুন রোগী পাওয়া গেছে দুই লাখ আট হাজার। এসময় ২২ লাখ ১৭ হাজার ৩২০টি নমুনা পরীক্ষাও করেছেন ভারত। বুধবার (২৬ মে) এসব খবর দিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম।

প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনায় এখন পর্যন্ত ভারতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা তিন লাখ ১১ হাজার ছাড়িয়েছে। মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছাড়িয়েছে দুই কোটি ৭১ লাখ।

তবে দেশটিতে গত কয়েকদিন ধরে সংক্রমণ কম হওয়ায় সক্রিয় রোগীর সংখ্যা কমছিল। বুধবার তা ২৫ লক্ষের নীচে নেমেছে।

মহারাষ্ট্রে সংক্রমণ ২৫ হাজারের নীচে নেমেছে গত দু’তিন ধরেই। কিন্তু গত ২৪ ঘণ্টায় ওই রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ১৩৭ জনের। কর্নাটকেও মৃত্যু হয়েছে ৫৮৮ জনের। তামিলনাড়ুতে ৪৬৮ জনের মৃত্যু হয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায়। এই তিন রাজ্যেই মৃত্যু সবথেকে বেশি। কেরলে ১৭৭ জন, উত্তরপ্রদেশে ১৫৭ জন, দিল্লিতে ১৫৬ জন, পশ্চিমবঙ্গ ১৫৭ জন, রাজস্থানে ১০৫ জন, হরিয়ানায় ১২৮ জন, বিহারে ১০৪ জন, পঞ্জাবে ১৭৪ জনের মৃত্যু হয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায়।

সূত্র : ইত্তেফাক

পশ্চিমবঙ্গে ‘ব্ল্যাক ফাঙ্গাস’কে মহামারী ঘোষণা
                                  

অনলাইন ডেস্ক: ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গে মিউকরমাইকোসিস তথা ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে একজনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছে আরও বেশ কয়েকজন। রোগটিকে ইতোমধ্যে মহামারী বলে ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার ও একাধিক রাজ্য।

সেই পথে হেঁটে ছত্রাকঘটিত রোগটিকে মহামারী ঘোষণা করেছে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারও। সঙ্গে এই রোগের চিকিৎসা নিয়ে রাজ্য স্বাস্থ্য অধিদফতরের পক্ষ থেকে জারি করা হয়েছে একাধিক নির্দেশিকা।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের সচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম এক নির্দেশিকায় জানিয়েছেন, রাজ্যের কোথাও কোনও মিউকরমাইকোসিসের রোগী ধরা পড়লে তা সিএমওএইচ-কে জানাতে হবে। রোগী কোথাকার বাসিন্দা, তার কী চিকিৎসা চলছে তাও জানাতে হবে। সঙ্গে জানানো হয়েছে রোগটির চিকিৎসা সম্পর্কিত নির্দেশিকাও।

প্রথম মিউকরমাইকোসিসকে মহামারী ঘোষণা করে রাজস্থান সরকার। এরপর একাধিক রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকার এই সংক্রমণকে ১৮৯৭ সালের মহামারী আইনের আওতায় এনেছে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, করোনা থেকে সেরে ওঠার পর এই রোগের সংক্রমণের প্রবণতা বেশি বলে মনে হচ্ছে। বহুক্ষেত্রে অক্সিজেনের নল থেকে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ।

গরু জবাই নিষিদ্ধ হচ্ছে আসামে
                                  

অনলাইন ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশ ও কর্ণাটকের পর এবার আসামেও বন্ধ হচ্ছে গরু জবাই। উত্তর-পূর্ব ভারতের এই রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার কথায় গরু আমাদের মা। তাই যেকোনো মূল্যে গরু পাচার বন্ধ করা হবে। আসামের বিজেপি সরকার গরুদের রক্ষা করবে। খবর সংবাদ প্রতিদিনের।

সোমবার বিধানসভা অধিবেশনে আসামের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, গোমাতা আমাদের কাছে পূজনীয়। তাই বাংলা থেকে আসামে গরু পাচার বরদাস্ত করবো না। একইসঙ্গে গরুর মাংস খাওয়ার বিষয়েও আপত্তি জানান তিনি।

বিশ্বশর্মা বলেন, যেখানে গরুকে পুজো করা হয় সেখানে গোমাংস না খাওয়াই ভালো। তবে একসঙ্গে সবাইকে একধাক্কায় অভ্যাস বদলে ফেলার দরকার নেই। এ বিষয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে লখনউয়ের এক মুসলিম সংগঠনের বিবৃতিকে হাতিয়ার করেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী।

সেখানে লখনউয়ের এক মুসলিম সংগঠন দারুল উলমের বিবৃতি পড়ে শোনান বিশ্বশর্মা। বিবৃতিতে ওই সংগঠন জানিয়েছিল, যে অঞ্চলে গরুর মাংস না খাওয়া মানুষের সংখ্যা বেশি সেখানে তাদের মতামতকে গুরুত্ব দিতে হবে। সংবেদনশীলতা দেখাতে হবে।

এই বক্তব্যকে হাতিয়ার করে আসামের কোন কোন এলাকায় গরুর মাংসের হোটেল থাকবে না, তাও কার্যত স্পষ্ট করে দিয়েছেন বিশ্বশর্মা। তার কথায়, ফ্যান্সি বাজার, শান্তিপুর, গান্ধিবস্তির মতো এলাকায় গরুর মাংস পাওয়া যায় এমন হোটেল চালু করা ঠিক নয়। কারণ এতে অনেকেরই ভাবাবেগে আঘাত লাগতে পারে। সংবিধান মেনে রাজ্যে গরু পাচার এবং গোহত্যা বন্ধ হওয়া দরকার বলেও জানান তিনি।

ভারতে ব্ল্যাক-হোয়াইটের পর ‘ইয়েলো ফ্যাঙ্গাসে’র সংক্রমণ
                                  

অনলাইন ডেস্ক: ভারতে করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীদের ব্ল্যাক-হোয়াইট ফ্যাঙ্গাস শনাক্তের পর এবার ‘ইয়েলো ফ্যাঙ্গাসে’র সংক্রমণ ধরা পড়েছে। সোমবার দেশটির উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদ শহরে ওই ফাঙ্গাসে আক্রান্ত এক রোগীর সন্ধান পাওয়া গেছে।

সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ইএনটি বিশেষজ্ঞ বিপি তায়াগি বলেছেন, দিল্লি সংলগ্ন গাজিয়াবাদের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ৪৫ বছর বয়সী এক রোগী ‘ইয়েলো ফ্যাঙ্গাসে’র লক্ষণ নিয়ে ভর্তি হয়েছেন। ওই রোগীর একইসঙ্গে ব্ল্যাক এবং হোয়াইট ফাঙ্গাসের লক্ষণও আছে।

চিকিৎসকের মতে, ইয়েলো ফ্যাঙ্গাসের লক্ষণ হলো অলসতা, ক্ষুধা না থাকা, ওজন কমে যাওয়া। তবে সংক্রমণ বাড়তে থাকলে রোগীর দেহে পুজ ফেটে যাওয়ার মতো উপসর্গও দেখা যায় বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এ ছাড়া দেহে এই সংক্রমণের উপস্থিতি থাকলে ক্ষত না সারা বা শুকোতেও সময় লাগে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

ডা. তায়াগির মতে, ইয়েলো ফাঙ্গাস একটি মারাত্মক সংক্রমণ যা অভ্যন্তরীণভাবে শুরু হয়। তাই প্রাথমিকভাবে এটি শনাক্ত করা গেলে চিকিৎসা করা সহজ হবে। এ কারণে এর লক্ষণগুলোর দিকে খেয়াল রাখা জরুরি। তিনি জানান, অ্যান্টি-ফাঙ্গাল ইনজেকশন আম্ফোটেরেসিন বি এটি প্রতিরোধে কার্যকর।

ডা. তায়াগি বলেন, এই রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, স্যানিটেশন এবং স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখা জরুরি। কারণ এই ফ্যাঙ্গাস অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও আর্দ্রতায় বিস্তার লাভ করে।

চিকিৎসকদের মতে, ইয়েলো ফাঙ্গাসের সংক্রমণ দেহের ভিতরে প্রভাব বিস্তার করায় এটি ব্ল্যাক বা হোয়াইট ফাঙ্গাসের তুলনায় ক্ষতিকর। এই ফাঙ্গাসের উপসর্গ দেখা দিলে তাই দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা উচিত বলে পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে করোনা থেকে সেরে ওঠা রোগীদের মধ্যে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বা মিউকরমাইকোসিস সংক্রমণ দেখা দিচ্ছে । এ পর্যন্ত দেশটিতে প্রায় ১০ হাজার মানুষ এই ফ্যাঙ্গাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

সূত্র : সমকাল

ভারতে করোনায় মৃত্যু ৩ লাখ ছাড়াল
                                  

অনলাইন ডেস্ক: গোটা বিশ্বে করোনাভাইরাসের তাণ্ডব কিছুটা কমলেও ভারতজুড়ে এখনও ভয়ঙ্কর ছোবলে প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে এই ভাইরাস। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে মারা গেছে আরও ৪ হাজার ৪৫৫ জন, যা ভারতের মহামারীর ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দৈনিক মৃত্যু। এ নিয়ে ভারতে ৩ লাখ ছাড়াল করোনাভাইরাসে প্রাণহানির সংখ্যা।

ভারতের জাতীয় স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যানুসারে, গত ১২ দিনেই দেশটিতে অর্ধলাখের বেশি মানুষ মারা গেছেন করোনায়। বিশ্বের একমাত্র দেশ হিসেবে মাত্র ২৬ দিনের মাথায় এক লাখের ওপর মানুষের মৃত্যু হল ভাইরাসটির সংক্রমণে।

প্রাণহানির তালিকায় সবার শীর্ষে মহারাষ্ট্র। শুধু এ রাজ্যেই করোনায় মারা গেছেন ৮৯ হাজারের মতো মানুষ।

পরের অবস্থানেই রয়েছে তামিলনাড়ু, কর্ণাটক ও রাজধানী নয়াদিল্লি। রবিবারও দেশটির দু’লাখ ২৩ হাজার মানুষের শরীরে শনাক্ত হয় করোনাভাইরাস। মোট সংক্রমিত দুই কোটি ৬৭ লাখের বেশি।

সূত্র : বিডি প্রতিদিন

হত্যার অভিযোগে ভারতের অলিম্পিকজয়ী কুস্তিগীর গ্রেফতার
                                  

অনলাইন ডেস্ক: ভারতে এক জুনিয়র কুস্তিগীরকে হত্যার অভিযোগে অলিম্পিক পদকজয়ী অপর এক কুস্তিগীরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত ৩৭ বছর বয়সী সুশীল কুমার দু’বার অলিম্পিকে পদকজয়ী কুস্তিগীর। রোববার দিল্লি পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। নিহত সাগর ধনকড়ও জাতীয় চ্যাম্পিয়ন কুস্তীগীর। খবর বিবিসির।

গত ৪ মে দিল্লির ছত্রশাল স্টেডিয়ামে কুস্তীগীরদের মধ্যে ঝামেলা হয়েছিল। পরে তা মারামারিতে রূপ নেয়। সে সময় সাগর ধনকড় নামে ২৩ বছর বয়সী কুস্তীগীরের মৃত্যু হয়। অভিযোগ রয়েছে, সুশীলের মারেই মৃত্যু হয় সাগরের। এরপর সুশীল সিংয়ের বিরুদ্ধে দিল্লির মডেল টাউন থানায় হত্যা, অপহরণ, হত্যায় ষড়যন্ত্রের অভিযোগে মামলা হয়। এই ঘটনার পরেই পলাতক ছিলেন অলিম্পিকজয়ী এই কুস্তিগীর।

এদিকে, দিল্লির আদালত এই মামলায় সুশীলের আগাম জামিন আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। ফলে তাকে হন্য হয়ে খুঁজতে থাকে পুলিশ। এমনকি, সুশীল কুমারের খোঁজ দিতে পারলে ১ লাখ টাকা পুরস্কারের ঘোষণা দেন দিল্লি পুলিশ কমিশনার এসএন শ্রীবাস্তব।

পরে জানা যায়, গ্রেফতার এড়াতে সুশীল কুমার দিল্লি, উত্তরাখণ্ড, উত্তরপ্রদেশ ও হরিয়ানায় পালিয়ে বেড়িছেন। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, পার্কিং নিয়ে তর্কের জেরে সুশীল ও সাগরের মধ্যে ঝামেলার সূত্রপাত। তবে তদন্তে সম্পত্তি সংক্রান্ত দ্বন্দ্বের কথাও উঠে আসে।

সুশীল কুমার ২০১২ সালের লন্ডন অলিম্পিকে সিলভার মেডেল এবং এর চার বছর আগে বেইজিং অলিম্পিকে একটি ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন। এছাড়া কমনওয়েলথ গেমসে তিনি বৈশ্বিক খেতাব এবং স্বর্ণপদক জিতেছিলেন।

সূত্র: জাগো নিউজ

২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনায় মারা গেছেন ৩ হাজার ৭৮৮ জন
                                  

অনলাইন ডেস্ক: ভারতে করোনাভাইরাসে মোট মৃত্যু প্রায় ৩ লাখ (২ লাখ ৯৯ হাজার ২৯৬)। একই সময়ে দেশটিতে শনাক্তের মোট সংখ্যা ২ কোটি ৬৫ লাখ ২৮ হাজার ৮৪৬।

ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, শেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে করোনায় মারা গেছেন ৩ হাজার ৭৮৮ জন। গত ১৪ মে ৩ হাজার ৮৭৯ পর এটি সবচেয়ে কম মৃত্যু। এর আগে ১৫ মে থেকে দেশটিতে মৃত্যু ৪ হাজারের ওপরে ছিল। এমনকি ১৭ মে দেশটিতে রেকর্ড সংখ্যাক করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে ৪ হাজার ৫২৫ জন। বিশ্বের কোনো দেশে এখন পর্যন্ত এক দিনে এত করোনা রোগীর মৃত্যু হয়নি।

অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ২ লাখ ৪৩ হাজার ৭৭৭ জন। দেশটিতে এখন মোট শনাক্তেরর সংখ্যা ২ কোটি ৬৫ লাখ। সংক্রমণের দিক থেকে বিশ্বের মধ্যে ভারতের অবস্থান বর্তমানে দ্বিতীয়।

গত ৩০ এপ্রিল একদিনে ৪ লাখ ২ হাজার ১১০ জন শনাক্তের মাধ্যমে বিশ্বে প্রথমবারের মতো ৪ লাখের গণ্ডি ছাড়ায় ভারত। তার আগে চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি বিশ্বে প্রথম কোনো দেশ হিসাবে ৩ লাখের গণ্ডি পেরিয়ে সবোর্চ্চ আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রে। ওইদিন শনাক্ত হয় ৩ লাখ ৩ হাজার ৯২৪ জন।

এরপর গত ২১ এপ্রিল প্রথমবারের মতো ভারতে শনাক্ত ৩ লাখ ছাড়িয়ে হয়েছিল ৩ লাখ ১৫ হাজার ৮০২। সেদিন ভাঙে যুক্তরাষ্ট্রের রেকর্ড।

ভারতে এখন পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ১৮ কোটি মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে এক প্রতিবেদনে।

সূত্র : চ্যানেল আই

নতুন আতঙ্ক হোয়াইট ফাঙ্গাস বা সাদা ছত্রাক সম্পর্কে যা জানা গেছে
                                  

অনলাইন ডেস্ক: কোভিড-১৯ সংক্রমণের ভয়াবহ দ্বিতীয় ঢেউয়ে বিপর্যস্ত ভারতে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের পর এবার নতুন সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে হোয়াইট ফাঙ্গাস বা সাদা ছত্রাক।

ভারতীয় চিকিৎসকদের উদ্ধৃত করে দেশটির গণমাধ্যম বলছে যে হোয়াইট ফাঙ্গাস তার আগে চিহ্নিত হওয়া ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক ও ভয়াবহ।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মুশতাক হোসেন বলছেন যে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসকে ইতোমধ্যেই ভারতের জরুরি স্বাস্থ্য অবস্থা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

“এখন নতুন করে হোয়াইট ফাঙ্গাসের কথা আসছে। পর্যাপ্ত গবেষণা হলে পার্থক্যটা বোঝা যাবে। তবে যে কোন ফাঙ্গাল ইনফেকশন হয় অতিরিক্ত স্টেরয়েড ব্যবহারের কারণে। করোনা রোগীদের বিশেষ করে আইসিইউতে থাকা রোগীদের চিকিৎসার প্রয়োজনে স্টেরয়েড দিতে হয়। করোনা থেকে সেরে ওঠার পর অনেকের দেখা যাচ্ছে ফাঙ্গাল ইনফেকশন মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। সেটারই এখন নানা ধরণ নানা ভাবে প্রকাশ পাচ্ছে,” বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন তিনি।

ওদিকে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোতে বলা হচ্ছে দেশটির বিহার রাজ্যে অন্তত চারজন হোয়াইট ফাঙ্গাসে সংক্রমিত হয়েছেন। তবে তারা করোনা আক্রান্ত হননি । কিন্তু করোনার লক্ষণ থাকলেও পরীক্ষায় তা ধরা পড়েনি।

হোয়াইট ফাঙ্গাস আসলে কী, ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের সাথে পার্থক্য কতখানি

ভারতের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন কোভিড থেকে আরোগ্যের পথে বা সুস্থ হয়ে ওঠাদের শরীরে বিরল যে সংক্রমণ- যার নাম “ব্ল্যাক ফাঙ্গাস” বা বৈজ্ঞানিক নাম মিউকোরমাইকোসিস।

মিউকোরমাইকোসিস খুবই বিরল একটা সংক্রমণ। মিউকোর নামে একটি ছত্রাকের সংস্পর্শে এলে এই সংক্রমণ হয়। সাধারণত এই ছত্রাক পাওয়া যায় মাটি, গাছপালা, সার এবং পচন ধরা ফল ও শাকসবজিতে।

এই ছত্রাক সাইনাস, মস্তিষ্ক এবং ফুসফুসকে আক্রান্ত করে। ডায়াবেটিস, ক্যান্সার বা এইচআইভি/এইডস যাদের আছে, কিংবা করোনা বা অন্য কোন রোগের কারণে যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা খুবই কম এই মিউকোর থেকে তাদের সংক্রমণের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।

ডা: মুশতাক হোসেন বলছেন স্টেরয়েডের ব্যবহার থেকে এই সংক্রমণ শুরু হতে পারে। কোভিড-১৯এ গুরুতরভাবে আক্রান্তদের চিকিৎসায় তাদের জীবন বাঁচাতে এখন স্টেরয়েড দিয়ে চিকিৎসা করা হচ্ছে।

করোনাভাইরাসের জীবাণুর সাথে লড়াই করতে গিয়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যখন অতিমাত্রায় সক্রিয় হয়ে ওঠে, তখন এর ফলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গে যেসব ক্ষতি হয় সেই ক্ষতি থামানোর জন্যও ডাক্তাররা কোভিডের চিকিৎসায় স্টেরয়েড ব্যবহার করেন।

মিস্টার হোসেন বলছেন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে শরীরে থাকা ফাঙ্গাল ইনফেকশন চাড়া দিয়ে ওঠে।

এখন ভারতীয় চিকিৎসকরা বলছেন এটার বিপজ্জনক রূপ হলো হোয়াইট ফাঙ্গাস বা সাদা ছত্রাক। এই রোগের প্রভাবে ফুসফুসজনিত সমস্যা তৈরি হতে পারে। পেট, যকৃত, মস্তিষ্ক, নখ, ত্বক এবং গোপনাঙ্গেও ক্ষতি করতে পারে হোয়াইট ফাঙ্গাস।

তবে হোয়াইট ফাঙ্গাস সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায় না। এখন পর্যন্ত যে ক’জন রোগী পাওয়া গেছে, তাদের লক্ষণ দেখে চিকিৎসকরা ধারণা করছেন হোয়াইট ফাঙ্গাস আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।

সূত্র : বিবিসি

ভারতে করোনায় আরও ৪১৯৪ জনের মৃত্যু
                                  

অনলাইন ডেস্ক: গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৪ হাজার ১৯৪ জনের। এ সময়ে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৫৭ হাজার ২৯৯ জন। শনিবার সকালে দেশটির কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক তথ্য জানিয়েছে।

ভারত সরকারের দেয়া তথ্যমতে, মারণভাইরাসের প্রকোপ থেকে দেশটিতে একদিনে সুস্থ হয়েছেন ৩ লক্ষ ৫৭ হাজার ৬৩০ জন।

সব মিলিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৯ হাজার ২৯০ জন। করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন ২ কোটি ৩০ লক্ষ ৭০ হাজার ৩৬৫ জন। মোট মৃতের সংখ্যা ২ লক্ষ ৯৫ হাজার ৫২৫ জন।

বর্তমানে ভারতে সক্রিয় করোনা রোগী ২৯ লক্ষ ২৩ হাজার ৪০০ জন। এখনও পর্যন্ত দেশটিতে ভ্যাকসিন নিয়েছেন ১৯ কোটি ৩৩ লক্ষ ৭২ হাজার ৮১৯ জন।

মিয়ানমারে সু চির রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাতিল হচ্ছে
                                  

অনলাইন ডেস্ক: মিয়ানমারের ক্ষমতাচ্যুত নেতা অং সান সু চির রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি পার্টির (এনএলডি) নিবন্ধন বাতিল করতে যাচ্ছে সামরিক জান্তার নিয়োগ করা নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার স্থানীয় সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের এক সদস্যের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কমিশনের বৈঠক হয়েছিল। ওই বৈঠকে এনএলডির নিবন্ধন বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়।

গত বছর মিয়ানমারে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে ভোট জালিয়াতি হয়েছে বলে অভিযোগ করে আসছিল সেনাবাহিনী। অবশ্য ওই সময় ক্ষমতাসীন এনএলডি এবং নির্বাচন কমিশন এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ওই পরিস্থিতিতে গত ফেব্রুয়ারিতে মিয়ানমারের ক্ষমতা দখল করে সেনাবাহিনী।

শুক্রবার সামরিক জান্তা সমর্থিত ইউনিয়ান ইলেকশন কমিশনের চেয়ারম্যান থেইন সোয়ে বলেছেন, ‘নির্বাচনে এনএলডি যে কারচুপি করেছিল তা ছিল অবৈধ। তাই আমাদেরকে এই দলটির নিবন্ধন বাতিল করতে হবে। যারা এই কাজটি করেছিল তাদেরকে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে বিবেচনা করা হবে এবং এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সূত্র : রাইজিংবিডি


   Page 1 of 16
     প্রতিবেশী
মমতা শপথ নিতে পারেন ৭ অক্টোবর
.............................................................................................
ভারতে ব্ল্যাক ফা`ঙ্গাসে ৫০ জনের মৃত্যু
.............................................................................................
ভারতে করোনায় আরও ৩৬১৭ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১ লাখ ৭৪ হাজার
.............................................................................................
করোনার টিকা নিয়ে মোদির রাজনীতির খেসারত দিচ্ছে বিশ্ব
.............................................................................................
পশ্চিমবঙ্গে ১৫ জুন পর্যন্ত বাড়ল লকডাউন
.............................................................................................
বাংলাদেশের কাছে ২০৩০ সালে সাহায্য চাইতে হতে পারে পাকিস্তানের
.............................................................................................
করোনায় ভারতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ হাজার ১৫৭ জনের মৃত্যু
.............................................................................................
পশ্চিমবঙ্গে ‘ব্ল্যাক ফাঙ্গাস’কে মহামারী ঘোষণা
.............................................................................................
গরু জবাই নিষিদ্ধ হচ্ছে আসামে
.............................................................................................
ভারতে ব্ল্যাক-হোয়াইটের পর ‘ইয়েলো ফ্যাঙ্গাসে’র সংক্রমণ
.............................................................................................
ভারতে করোনায় মৃত্যু ৩ লাখ ছাড়াল
.............................................................................................
হত্যার অভিযোগে ভারতের অলিম্পিকজয়ী কুস্তিগীর গ্রেফতার
.............................................................................................
২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনায় মারা গেছেন ৩ হাজার ৭৮৮ জন
.............................................................................................
নতুন আতঙ্ক হোয়াইট ফাঙ্গাস বা সাদা ছত্রাক সম্পর্কে যা জানা গেছে
.............................................................................................
ভারতে করোনায় আরও ৪১৯৪ জনের মৃত্যু
.............................................................................................
মিয়ানমারে সু চির রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাতিল হচ্ছে
.............................................................................................
ভারতে একদিনে আরও ৩৮৭৪ মৃত্যু, আক্রান্ত ২ লাখ ৭৬ হাজার
.............................................................................................
মুম্বাইয়ে বার্জ ডুবিতে ৩৭ মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ ৩৮
.............................................................................................
মুসলিম-প্রধান একটি জেলা মালেরকোটলার সৃষ্টিকে ঘিরে ভারতে যে বিতর্ক
.............................................................................................
গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে রেকর্ড ৪৫২৯ মৃত্যু
.............................................................................................
পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব সস্ত্রীক করোনায় আক্রান্ত
.............................................................................................
সংক্রমণ কমলেও মৃত্যুতে নতুন রেকর্ড ভারতে
.............................................................................................
গুজরাটে গোয়ালে করোনা সেন্টার, রোগীদের খাওয়ানো হচ্ছে গোমূত্র
.............................................................................................
‘আমায় গ্রেফতার করতে হবে, দাবি মমতার
.............................................................................................
ভারতে ভয়ঙ্কর করোনা, দৈনিক সংক্রমণ সামান্য কমলেও মৃত্যু ৪ হাজারের ওপরে
.............................................................................................
মমতার ৪ হেভিওয়েট নেতা গ্রেফতার
.............................................................................................
পশ্চিমবঙ্গে সাবেক মেয়র ও মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম আটক
.............................................................................................
ভারতে করোনায় একদিনে আরও ৪০৯০ জনের মৃত্যু
.............................................................................................
মুসলিমদের কাঁধে হিন্দুর লাশ, ভারতীয় মিডিয়ায় জোর দিয়ে প্রচার
.............................................................................................
ভারতে করোনায় মৃত্যু ২ লাখ ৫০ হাজার ছাড়াল
.............................................................................................
অক্সিজেন সংকটে ভারতের এক হাসপাতালে ১১ করোনা রোগীর মৃত্যু
.............................................................................................
মমতার নতুন মন্ত্রিপরিষদে সংখ্যালঘু ৭ মুসলিম
.............................................................................................
ভারতে ‘ব্ল্যাক ফাঙ্গাস’ করোনা রোগীদের অন্ধ করে দিচ্ছে
.............................................................................................
ভারতে একদিনে আক্রান্ত চার লক্ষাধিক, মৃত্যু ৪১৩৩
.............................................................................................
বাংলাদেশ সীমান্তের ভারতীয় রাজ্যগুলোতে করোনা বাড়ছে
.............................................................................................
ভারতে করোনায় ৮৬৪ চিকিৎসকের মৃত্যু
.............................................................................................
পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা অধিবেশন বয়কট বিজেপির
.............................................................................................
ভারতে প্রথমবার একদিনে ৪ হাজারের বেশি মৃত্যু
.............................................................................................
সোমবার থেকে রাজ্যে দু’সপ্তাহের জন্য পূর্ণ লকডাউন ঘোষণা করল তামিলনাড়ু সরকার
.............................................................................................
পশ্চিমবঙ্গে লোকাল ট্রেন, শপিংমল, রেস্তোরাঁ, বার বন্ধ
.............................................................................................
কোভিড-১৯ এ ভারতের সাবেক মন্ত্রীর মৃত্যু
.............................................................................................
বিধ্বস্ত ভারতে করোনায় মৃত্যু ও শনাক্তের সব রেকর্ড ভাঙল
.............................................................................................
অক্সিজেনের অভাবে ৩০ মিনিটে ৫ করোনা রোগীর মৃত্যু ভারতে
.............................................................................................
করোনায় টালমাটাল ভারতে একদিনে সর্বোচ্চ ‍মৃত্যু
.............................................................................................
মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
.............................................................................................
শ্মশানের গেটে ঝুলছে ‘হাউসফুল’নোটিশ
.............................................................................................
পদত্যাগ করলেন মমতা
.............................................................................................
বিজেপিতে যাওয়া নেতারা ফিরলে স্বাগত জানাবেন মমতা
.............................................................................................
ভারতে করোনা শনাক্ত ২ কোটি ছাড়িয়েছে
.............................................................................................
যে কারণে মোদির ভরাডুবি হলো পশ্চিমবাংলায়
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop