| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * খিলক্ষেতে ক্রেনের ধাক্কায় শ্রমিক নিহত   * চালের বাজারে কিছুটা স্বস্তি, বেড়েছে মাছ-মুরগি-চিনির দাম   * বিশ্বে করোনায় মৃতের সংখ্যা সরকারি হিসাবের দ্বিগুণ: আইএইচএমই   * দৌলতদিয়ায় ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড়   * স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই গণপরিবহনে, চলছে আন্তঃজেলা বাসও   * উন্নত দেশগুলোর চেয়ে একাই বেশি গ্রিনহাউস গ্যাস ছড়ায় চীন   * জার্মানিতে একদিনে ১০ লাখ মানুষের টিকা গ্রহণ   * করোনা থেকে মুক্তি পেতে জুমাতুল বিদায় বিশেষ দোয়া   * মাস্ক পরা নিয়ে সরকারের ৮ নির্দেশনা   * বাংলাদেশ ১০ হাজার রেমডেসিভির দিল ভারতকে  

   রাজধানী -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
খিলক্ষেতে ক্রেনের ধাক্কায় শ্রমিক নিহত

অনলাইন ডেস্ক : রাজধানীর খিলক্ষেতের তিনশ ফুট এলাকায় ক্রেনের ধাক্কায় ইঞ্জিচালিত অটোর এক আরোহী নিহত হয়েছেন।

নিহতের নাম মো শিহাব (২২)। পেশায় তিনি রাজমিস্ত্রি ছিলেন।

শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতের চাচাতো ভাই নাঈম জানান, শিহাব রাজমিস্ত্রি। আমরা একসঙ্গে কাজ করি। সকাল ৯টায় কাউলা থেকে একটি ইঞ্জিনচালিত অটোতে করে শিহাবসহ আমরা চারজন তিনশ ফুট রাস্তা দিয়ে পূর্বাচল এলাকায় কাজের উদ্দেশে যাচ্ছিলাম। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ক্রেন আমাদের অটোকে ধাক্কা দিলে শিহাব রাস্তায় ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের পরিদর্শক এসআই বাচ্চু মিয়া জানান, মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।

শিহাব চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার মো. মজিবরের ছেলে। বিমানবন্দরের কাওলা এলাকায় থাকতেন তিনি।

খিলক্ষেতে ক্রেনের ধাক্কায় শ্রমিক নিহত
                                  

অনলাইন ডেস্ক : রাজধানীর খিলক্ষেতের তিনশ ফুট এলাকায় ক্রেনের ধাক্কায় ইঞ্জিচালিত অটোর এক আরোহী নিহত হয়েছেন।

নিহতের নাম মো শিহাব (২২)। পেশায় তিনি রাজমিস্ত্রি ছিলেন।

শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতের চাচাতো ভাই নাঈম জানান, শিহাব রাজমিস্ত্রি। আমরা একসঙ্গে কাজ করি। সকাল ৯টায় কাউলা থেকে একটি ইঞ্জিনচালিত অটোতে করে শিহাবসহ আমরা চারজন তিনশ ফুট রাস্তা দিয়ে পূর্বাচল এলাকায় কাজের উদ্দেশে যাচ্ছিলাম। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ক্রেন আমাদের অটোকে ধাক্কা দিলে শিহাব রাস্তায় ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের পরিদর্শক এসআই বাচ্চু মিয়া জানান, মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।

শিহাব চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার মো. মজিবরের ছেলে। বিমানবন্দরের কাওলা এলাকায় থাকতেন তিনি।

মেয়রের উপস্থিতিতে আড়ংকে লাখ টাকা জরিমানা
                                  

ডেস্ক রিপাের্ট : রাজধানীর আসাদগেট এলাকায় আড়ংয়ের আউটলেটে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।

বৃহস্পতিবার (৬ মে) বিকেলে শপিং মল পরিদর্শনে বের হন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম। এ সময় আড়ংয়ে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত ক্রেতা থাকায় মেয়রের উপস্থিতিতে ডিএনসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাজওয়ার আকরাম সাকাপি ইবনে সাজ্জাদ এ জরিমানা করেন।

পরে এ বিষয়ে মেয়র আতিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, শর্ত ছিল স্বাস্থ্যবিধি মেনে শপিং মল খোলা রাখবে। আড়ংয়ের আসাদগেট আউটলেটে ধারণক্ষমতার বেশি ক্রেতা ঢুকেছেন। অনেকে বাচ্চা নিয়ে কেনাকাটা করতে আসছেন। স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত না হওয়ায় আড়ংকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হলো।

এর আগে বুধবার (৫ মে) অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৯০টি মামলায় ৯ লাখ ৭৫ হাজার ৪৬০ টাকা জরিমানাসহ ৩টি দোকান সিলগালা করা হয়।

মাস্ক না পরলে দোকান বন্ধ : মেয়র আতিকুল
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : করোনাভাইরাস সংক্রমণ এড়াতে বিপণিবিতান এবং শপিংমলে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে কি-না তা সরেজমিন পরিদর্শনে নেমেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম। বুধবার (৫ মে) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে নগর ভবনের সামনে থেকে এই অভিযান শুরু হয়।

অভিযানের শুরুতে গুলশান শপিং সেন্টারে যান মেয়র। এ সময় তিনি ক্রেতা-বিক্রেতাদের মাঝে মাস্ক বিতরণ করেন। তবে গুলশান শপিং সেন্টারের এম এম ট্রেনিং সেন্টারের সামনে এক ক্রেতার মুখে মাস্ক না থাকায় ব্যবস্থা নিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দেন মেয়র। তাৎক্ষণিক ওই ব্যক্তিকে ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া ওই দোকানটি সাময়িক বন্ধ করেও দেয়া হয়। একই কারণে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে গুলশানের একটি হার্ডওয়্যারের দোকান।

গত সোমবার মহাখালীর ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কোভিড-১৯ হাসপাতালে এক অনুষ্ঠানে আজ বুধবার থেকে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে মাঠে নামার ঘোষণা দিয়েছিলেন মেয়র আতিকুল ইসলাম।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গাছ কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গাছ কেটে কথিত সৌন্দর্যবর্ধন ও রেস্টুরেন্ট নির্মাণের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে কয়েকটি সামাজিক সংগঠন। তাদের দাবি, সৌন্দর্যবর্ধনের নামে নির্বিচারে গাছ নিধন বন্ধ করতে হবে।

তারা উদ্যানে রেস্টুরেন্ট, ওয়াকওয়ে কিংবা পার্কিং নির্মাণের বিপক্ষে নন। তবে গাছ কেটে সেসব নির্মাণের পরিকল্পনা বাতিল করতে হবে। গাছ কাটা বন্ধ না হলে তীব্র আন্দোলনে যাবে বলেও জানায় সংগঠনগুলো।

সংগঠনগুলো হলো- নোঙর বাংলাদেশ, স্বাধীনতা উদ্যান সাংস্কৃতিক জোট এবং গ্রীণ প্ল্যানেট।

সংগঠনগুলোর দাবি, এ জাতীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা বিস্তৃতভাবে অবিলম্বে জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে। উদ্যানসহ সব ঐতিহাসিক স্থাপনা বা এলাকার উন্নয়নের জন্য নগর পরিকল্পক, স্থপতি, শিল্পী, ইতিহাসবিদ, উদ্যানবিদ, প্রকৌশলী, শিক্ষক, পরিবেশবিদ ও কবি-সাহিত্যিক সব স্টোকহোল্ডারদের সমন্বয়ে একটি কমিটি করতে হবে। যারা পরিকল্পনা থেকে শুরু করে উন্নয়ন কাজগুলো পর্যবেক্ষণ করবেন ও প্রয়োজনীয় মতামত দেবেন।

জানা গেছে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের রেস্টুরেন্ট, ওয়াকওয়ে ও পাকিংজোন বানানোর জন্য অর্ধশত বছর পুরনো শতাধিক গাছ কেটেছে গণপূর্ত অধিদফতর। এর আগেও বুধবার সকালে এবং গত কয়েকদিন ধরে এ বৃক্ষ নিধনের প্রতিবাদে হতাশা আর ক্ষোভে প্রকাশ করেছে বিভিন্ন সংগঠন। পাশাপাশি গাছ কাটার প্রতিবাদে ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বইছে সমালোচনার ঝড়।

জানা গেছে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সবগুলো প্রবেশপথসহ বিভিন্ন স্থানে অন্তত সাতটি রেস্টুরেন্ট স্থাপন করার কাজ শুরু করেছে গণপূর্ত বিভাগ। তাদের দাবি, এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনও রয়েছে। এ বিষয়ে গণপূর্ত অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী শামিম আখতার গণমাধ্যমকে জানান, নিয়ম মেনেই গাছ কাটছেন তারা।

বুধবার সরেজমিনে দেখা যায়, নতুন করে আরও অনেক গাছের গায়ে ‘লাল চিহ্ন’ দেয়া হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে রাতের আঁধারেও গাছ কেটে নেয়া হয়। আর এর আগে কাটা গাছগুলো রমনা কালী মন্দিরের পাশে ঢেকে রাখা হয়েছে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ইতিহাসের সাক্ষী সবুজের সমারোহ গাছ-গাছালির এ উদ্যানকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। এই উদ্যানকে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে দেয়া হবে না। দেশের নতুন প্রজন্ম, পরবর্তী প্রজন্ম বংশ পরম্পরায় শত শত বছর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান দেখবে এবং ঐতিহাসিক গুরুত্বকে স্মরণ করবে।

তারা বলেন, গাছ কাটা বন্ধ না হলে তীব্র প্রতিবাদে নামব। প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে মঙ্গলবার (৪ মে) ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অযথা রেস্টুরেন্ট নির্মাণ ও নির্বিচারে গাছ নিধন বন্ধ করাসহ ৬ দফা সুপারিশ জানিয়েছে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা)।

গণমাধ্যমকর্মীরা মুক্ত নন, তারা অনাহারে অর্ধাহারে দিন যাপন করছে : ডা. জাফরুল্লাহ
                                  

মিয়া আবদুল হান্নান : বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে গতকাল সোমবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বাংলাদেশ সিভিল রাইটস সোসাইটি কর্তৃক আয়োজিত ‘বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।সোমবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বাংলাদেশ সিভিল রাইটস সোসাইটি কর্তৃক আয়োজিত ‘বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি ডা: জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, গণমাধ্যমকর্মীরা অনাহারে অর্ধাহারে দিন যাপন করছে। এর জন্য আমরা যুদ্ধ করিনি। মানুষের কথা বলার স্বাধীনতা হারাবে এ জন্য দেশ স্বাধীন করিনি। তিনি বলেন, বাংলাদেশের গণমাধ্যম বন্দী, মুক্ত নয়। এ সময় বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি রুহুল আমিন গাজীসহ সকল বন্দী সাংবাদিক নেতার মুক্তি দাবি করেন তিনি। এই বীর মুক্তিযোদ্ধা বলেন, বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যম আজ স্বাধীনতার ৫০ বছরেও স্বাধীন হয়নি। আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম গণমানুষের স্বপ্নপূরণের জন্য। কিন্তু তার সুফল আজও পাইনি। দেশের গণমাধ্যম মুক্ত ও স্বাধীন না হয়ে দেশটা গণমাধ্যম মুক্ত হয়ে গেছে। আমরা চাই গণমাধ্যমে মুক্ত চিন্তা চেতনার বিকাশ ঘটাবে। এ সময় সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের আহ্বায়ক ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ বলেন, বিশ্বসূচকে বাংলাদেশের গণমাধ্যমের অবস্থান দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে ২০১৪ সালে ছিল ১২২তম। আর বর্তমানে তাদের জরিপে ১৫২তম অবস্থানে পৌঁছেছে বাংলাদেশ। যা দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সর্বনিম্ন। তিনি বলেন, দেশের জিডিপি বাড়লেও বাংলাদেশের সাংবাদিকরা গরীব হচ্ছে। অর্থনৈতিক মানের দিকে ভিক্ষুকের চেয়েও নিম্নে অবস্থান করছেন সাংবাদিকরা। বাংলাদেশের মিডিয়া করপোরেট কোম্পানি ও সরকার ৯৯ পারসেন্ট নিয়ন্ত্রণ করছেন। তিনি আরো বলেন, প্রতিবেশী দেশ ভারতের সমালোচনা করে সংবাদ প্রকাশ করলে ১৪ বছরের জেল। কিন্তু পাকিস্তানের সমালোচনা করলে পুরস্কৃত হওয়া যায়, অথচ বিশ্ব মিডিয়া সূচকে মুক্ত গণমাধ্যম হিসেবে পাকিস্তান আফগানিস্তান এমনকি মিয়ানমারের চেয়েও নিম্নে অবস্থান করছে বাংলাদেশের গণমাধ্যম। সভায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে গত কয়েক বছরে সাংবাদিক হত্যা নির্যাতনের পরিসংখ্যান তুলে ধরে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন বিএফইউজে’র সভাপতি এম আবদুল্লাহ বলেন, ২০০৯ সাল থেকে ১২ বছরে দেশে ৪২ জন সাংবাদিক খুন হয়েছেন। সাগর রুনীসহ সকল সাংবাদিক হত্যার বিচার হচ্ছে না। গত বছর ১৬৯ জন সাংবাদিক নিগৃহীত হয়েছেন। হাজারো সাংবাদিক বেকারত্বের গ্লানি নিয়ে কষ্টে দিনাতিপাত করছেন। অথচ সরকারি অর্থ সাংবাদিকদের জন্য বরাদ্দ করে তা দলীয় লোকজনের মধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে। প্রকৃত সমস্যাগ্রস্ত সাংবাদিকরা পাচ্ছে না। সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন বিএফইউজে’র মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মোরসালিন নোমানী, ইকোনোমিক রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি শারমিন রিনভী, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি ইলিয়াস হোসেন, ফটোজার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি এ কে এম মহসিন ও নুরুদ্দিন, সিনিয়র সাংবাদিক মাজেদুর রহমান বিশ্বাস, মাহমুদ হাসান, এরফানুল হক নাহিদ, আসাদুজ্জামান আসাদ, শাখাওয়াত ইবনে মইন চৌধুরী প্রমুখ।

বসুন্ধরা সিটিতে অভিযান ও জরিমানা আদায়
                                  

অনলাইন ডেস্কঃ করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সচেতনতা বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্যবিধি বাস্তবায়নে রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি শপিংমলে অভিযান চালিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টা থেকে শুরু হয়ে এ অভিযান শেষ হয় ‍দুপুর দেড়টায়।

অভিযান চলাকালীন মাস্ক না পরায় শপিংমলের কয়েকজন ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানের নেতৃত্ব দেন ডিএমপির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ রফিকুল হক। এসময় দেখা যায়, শপিংমলে আসা ক্রেতারা মাস্ক পরলেও ব্যবসায়ীরা মাস্ক পরছেন না। এ কারণে মোট ১২ ব্যবসায়ীকে বিভিন্ন অংকের জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ রফিকুল হক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, দুপুর থেকে অভিযান চলছে। কিছু কিছু দোকানি মাস্ক না পরেই ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এই অপরাধে তাদের ২০০, ৩০০ ও ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হয়েছে।

এছাড়াও রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায়ও অভিযান চালাচ্ছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি’র) আরেক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জীব দাস। তিনিও করোনা সচেতনতায়, করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করছেন।

এর আগে করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে গত ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে আটদিনের কঠোর লকডাউন শুরু হয়। লকডাউনের মধ্যে দোকান-শপিংমল বন্ধ রাখাসহ ১৩টি নির্দেশনা দেওয়া হয় সরকারের পক্ষ থেকে।তবে দোকান মালিকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ১১ দিন বন্ধ থাকার পর গত ২৪ এপ্রিল থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান ও শপিংমল খুল দিয়েছে সরকার।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, করোনা বিস্তার রোধে শর্তসাপেক্ষে চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আগের নির্দেশনার ধারাবাহিকতায় ব্যাপক সংখ্যক মানুষের জীবন-জীবিকার বিষয় বিবেচনা করে নতুন এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। ওই প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বাজার/সংস্থার ব্যবস্থাপনা কমিটি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

সূত্র : আমাদের সময়

সড়কে যানজট, শপিংমলে ভিড়
                                  

অনলাইন ডেস্কঃ গত ২৫ এপ্রিল স্বাস্থ্যবিধি মেনে মার্কেট খোলার নির্দেশনার পর থেকেই দোকানপাট ও শপিংমলগুলোতে ভিড় বাড়ছে। একারণে রাজধানীর সড়কেও প্রচণ্ড যানজট দেখা গেছে। আর এসব কারণে করোনা সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন শিথিল হয়ে পড়ছে।

রোববার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সড়কে বাস ছাড়া ব্যক্তিগত গাড়ি, রিক্সা, সিএনজি ও মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের যানবাহনের চাপ অনেক বেড়েছে। দুপুর ১২টার দিকে বাংলামোটর, কারওয়ানবাজার ও ফার্মগেটে পরিবহনের বিপুল চাপ দেখা গেছে।

যানজটের বিষয়ে জানতে চাইলে কারওয়ানবাজারের কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ বলেন, ৫ মিনিট পর পর সিগনাল ছাড়তে হচ্ছে। এতেই দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

এদিকে বাংলামোটর, কারওয়ানবাজার ও ফার্মগেটে পুলিশের চেক পোস্ট থাকলেও সেগুলোতে কোনো তল্লাশিও দেখা যায়নি। কারণ ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ সামাল দিতে হিমসিম খাচ্ছেন ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা।

সকালে মিরপুর থেকে মতিঝিলে রওনা দিয়েছেন সুলতান আহমেদ নামে এক ব্যাংক কর্মকর্তা। তিনি বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, প্রতিটি মোড়ে মোড়ে জ্যামে পড়তে হয়েছে। যানবাহনের সংখ্যা অনেক বেশি। আর পুলিশের কোথাও কোন তৎপরতাও দেখছি না।

রাজধানীর শাহবাগ ও পল্টনে যানবাহনের বিপুল চাপ দেখা গেছে। এই এলাকায় দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা বলছেন, শপিংমল ও দোকানপাট খুলে দেয়ার কারণে মানুষের উপস্থিতি বেড়েছে।

অন্যদিকে রাজধানীর দোকানপাট ও শপিংমলগুলোতেও প্রচুর ভিড় দেখা গেছে। ফার্মগেট, কারওয়ানবাজার ও নিউমার্কেটের শপিংমলের বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, সকাল ১০টার দিকে শপিংমল খোলার সঙ্গে সঙ্গে ক্রেতাদের ভিড় বাড়তে শুরু করে। মূলত ঈদকে সামনে রেখেই ক্রেতাদের সমাগম বেশি হচ্ছে। আর লোক সমাগমের মাঝে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না। কিন্তু শপিংমলগুলোর কিছু দোকানে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছিলো। তবে ক্রেতা-বিক্রেতাদের অনেককেই মাস্ক পরতে দেখা যায়নি। আবার অনেককেই মাস্ক থুতনিতে ঝুলিয়ে রাখতে দেখা গেছে। এছাড়া কিছু মার্কেটের প্রবেশ পথে হাত স্যানিটাইজের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এদিকে দোকানগুলোতে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার মতো সচেতনতা দেখা যায়নি। দোকান মালিকরা জানান, দোকানে ভিড় অনেকটাই বেড়েছে। গণপরিবহন খুললে ভিড় আরো বাড়বে।

করোনা সংক্রমণ রোধে গত ৫ এপ্রিল থেকে প্রথম দফায় ৭ দিনের জন্য ‘বিধিনিষেধ’ শুরু হয়। পরে আরো দুই দিন বাড়িয়ে শেষ হয় ১৩ এপ্রিল। এরপর ১৪ এপ্রিল থেকে দ্বিতীয় ‘কঠোর বিধিনিষেধ’ ঘোষণা করে সরকার। যা চলে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত। পরে ২১ এপ্রিল তারিখ থেকে আরেক দফায় এই বিধিনিষেধ বাড়িয়ে ২৮ এপ্রিল করা হয়। নতুন ঘোষণায় এবার তা ৫ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

সুত্র ঃ বাংলাদেশ জার্নাল

গণপরিবহন চালুর দাবিতে রাজধানীতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ
                                  

অনলাইন ডেস্কঃ করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে গণপরিবহন চালুর দাবিতে দেশজুড়ে বাস টার্মিনালগুলোতে বিক্ষোভ করছেন সড়ক পরিবহন শ্রমিকরা।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের ডাকে রোববার সকাল থেকে রাজধানীর সায়দাবাদ, গাবতলী, মহাখালী ও গুলিস্তান বাস টার্মিনালে হয়েছে।

সমাবেশে তারা বলেন, করোনাভাইরাসের মহামারীতে সব কিছু চালু থাকলেও গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে। এতে ৫০ শতাংশ পরিবহন শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন।এতে তাদের জীবিকা নির্বাহ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। পরিবার-পরিজন নিয়ে দুর্বিষহ জীবনযাপন করছেন।

“অথচ ব্যক্তিগত গাড়ি, অটোরিকশা, পিকআপ- সব চলছে। তাহলে গণপরিবহন চলবে না কেন? পরিবহন শ্রমিকরা তারা রাস্তায় নেমে এলে তার দায়দায়িত্ব ফেডারেশন নেবে না।”

সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক ওসমান আলী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন বলেন, রাজধীতে চারটি স্থানে এবং দেশের সব বাস টার্মিনালে সকাল ১১টা থেকে একযুগে বিক্ষোভ সমাবেশ চলছে।

মহাখালী বাস টার্মিনালে সমাবেশে ফেডারেশনের সহ-সভাপতি ছাদিকুর রহমান হীরু বলেন, “শ্রমিক কর্মচারী ও মালিকদের জীবনের সঙ্গে জীবিকার কথাও আমাদের ভাবতে হবে। শুধু গণপরিবহন ছাড়া আর সবই চলছে। আমরা চাই সরকার পরিবহন শ্রমিকদের কথা চিন্তা করে অতি দ্রুত গণপরিবহন চালু করুক। অন্যথায় ৪ তারিখে জেলায় জেলায় জেলা প্রশাসকের কার্যলয় ঘেরাও কর্মসূচি আমাদের রয়েছে।”

 

সকাল পৌনে ১১টার দিকে গাবতলীতে ঢাকা জেলা শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃত্বে পরিবহন শ্রমিকেরা বিক্ষোভে শুরু করে। বিক্ষোভ শেষে গাবতলী ও এর আশপাশ এলাকায় পরিবহন শ্রমিকেরা মিছিল করেন।

ইউনিয়নের সভাপতি মো. আব্বাস উদ্দিন সমাবেশে বলেন, “আমাদের তিন দাবি- স্বাস্থ্যবিধি মেনে মোট আসনের অর্ধেক যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন ও পণ্য পরিবহন চলাচলের ব্যবস্থা করতে হবে, সড়ক পরিবহনশ্রমিকদের আর্থিক অনুদান ও খাদ্যসহায়তা দিতে হবে এবং সারা দেশে বাস ও ট্রাক টার্মিনালগুলোতে পরিবহন শ্রমিকদের জন্য ১০ টাকায় ওএমএসের চাল দিতে হবে।”

সমাবেশে আরেক শ্রমিক নেতা বলেন, “মার্কেট খুলে দেওয়া হয়েছে। অথচ গাড়ি না চললে শ্রমিকেরা টাকা পান‌ না। মালিকদের কেউ কেউ প্রতি সপ্তাহে চাল, ডাল, তেল, আলু দিচ্ছে। কিন্তু এই সাহায্য যথেষ্ট নয়। আমরা সবাই এই সহায়তা পাই না। অনতিবিলম্বে গণপরিবহন চালু করুন।”

ছয়দিন পর মায়ের কোলে শিশু রাশিদা
                                  

অনলাইন ডেস্ক: মোসাম্মৎ সুমা তার দুই বছরের মেয়েকে নিয়ে থাকেন মোহাম্মদপুরের আজিজ খান রোডে। কাগজ আর ভাঙারি কুড়িয়ে বিক্রি করেন। যে কয়টাকা আয় হয় তা দিয়েই সংসার চালান।

গত ২৫ এপ্রিল সুমা তার কোলের শিশু রাশিদা আক্তারকে নিয়ে বের হন কাগজ কুড়াতে। ঘুরতে ঘুরতে বিকেলে চলে যান পুরান ঢাকার বংশাল চৌরাস্তায়। কুড়ানো কাগজের বস্তা বড় হয়ে যাওয়ায় সুমা তার মেয়েকে কোলে রাখতে পারছিলেন না। তাই রাস্তার পাশে বসিয়ে রেখে গিয়েছিলেন সেই কাগজ আর ভাঙারি বিক্রি করতে। ফিরে দেখেন তার আদরের রাশিদা নেই!

এরপর পথচারীদের সহায়তায় পুলিশের সহায়তা নেন মোসাম্মৎ সুমা। বংশাল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। ছয়দিন পর শনিবার পুলিশ কেরাণীগঞ্জের কদমতলী শহীদ নগর এলাকার একটি বাসা থেকে ছোট্ট রাশিদাকে উদ্ধার করে মায়ের কোলে ফিরিয়ে দেয়।

পুলিশ জানায়, ছোট্ট রাশিদাকে অপহরণ করা হয়েছিল। অপহরণের পর তাকে নির্যাতন করা হয়, মুখমণ্ডল বিকৃত করে দেওয়া হয়।

অপহরণে জড়িত নীলা বেগমকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নীলার ১০ বছর বয়সী এক মেয়েকেও হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

বংশাল থানা পুলিশের হেফাজতে থাকা নীলা জানান, তিনি ভিক্ষা করেন। শিশুটিকেও (রাশিদা) ভিক্ষা করাতে রাস্তা থেকে তুলে নিয়েছিলেন। এরপর মানুষের সহানুভুতি পেতে মারধর করে তার চোখ, নাক ফুলিয়ে দেন। শিশুটিকে নিয়ে ভিক্ষা করা শুরুও করেছিলেন নীলা।

নীলা জানান, এমন শিশুকে কোলে দেখলে লোকজন বেশি ভিক্ষা দেয়। অসুস্থ দেখাতে পারলে মানুষের মমতাও বাড়ে। এতে ভিক্ষা পান বেশি।

বংশাল থানার ওসি মো. শাহীন ফকির বলেন, শিশুটি নিখোঁজের জিডি হওয়ার পর তাকে উদ্ধারে লালবাগ বিভাগের ডিসি বিপ্লব বিজয় তালুকদার চার সদস্যদের টিম গঠন করেন। এরপর ওই টিম আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে এবং সোর্সের মাধ্যমে নিখোঁজ শিশুর সন্ধান চালাতে থাকে। এক পর্যায়ে কেরাণীগঞ্জের কদমতলী এলাকায় নীলা বেগমের কাছ থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। নীলা শিশুটিকে অপহরণ ও ভিক্ষাবৃত্তিতে নামানোর কথা স্বীকার করেছেন বলে জানান তিনি। ওসি জানান, নীলার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে।

ওসি মো. শাহীন ফকির বলেন, মারধর করে শিশুটির চেহারা বিকৃত করে দেওয়া হয়েছে। এজন্য তাকে মিটফোর্ড হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

পুলিশের লালবাগ বিভাগের অপর এক কর্মকর্তা জানান, গ্রেপ্তার নীলা বেগমের স্বামী দুই বছর আগে তাকে ছেড়ে চলে গেছেন। এরপর থেকে তিনি ভিক্ষা করে সংসার চালাচ্ছিলেন। তার চার সন্তানের মধ্যে বড় মেয়ের বয়স ১০ বছর। ওই চারজনই তার সন্তান কী-না, তা নিয়েও সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে। এজন্য নীলার সঙ্গে থাকা চার শিশুর ডিএনএ পরীক্ষার উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ।

সূত্র : সমকাল

ঈদের কেনাকাটা, শপিংমলে-ফুটপাতে উপচেপড়া ভিড়
                                  

ডেস্ক রিপাের্ট : করোনা ভীতি উপেক্ষা করে ঈদ উদযাপনের লক্ষ্যে কেনাকাটায় মহাব্যস্ত রাজধানীবাসী। এক মার্কেট থেকে অন্য মার্কেটে ছুটছেন বিভিন্ন বয়সী মানুষ তাদের পছন্দের জিনিসপত্র কিনতে। প্রতিটি মার্কেটেই ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়। এক্ষেত্রে তাদের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বা স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো তাড়না নেই। কিছু কিছু মার্কেটে পা ফেলার জায়গাও পাওয়া দুষ্কর।

রাজধানীর নিউ মার্কেটে একজনের সঙ্গে আরেকজনের গা ঘেঁসে ঘেঁসে চলতে দেখা গেছে। অভিভাবকদের সঙ্গে ঈদ শপিংয়ে মার্কেটে আসা শিশুদেরকেও মাস্ক পরতে দেখা যায়নি। বিক্রেতারা বলছেন, আজ পহেলা মে সরকারি ছুটির দিন হওয়ায় ক্রেতাদের ভিড় অনেক বেশি। প্রায় প্রতিটি মার্কেটে বিক্রিও হচ্ছে সন্তোষজনক বলে জানান বিক্রেতারা। ঈদ শপিংয়ে উপচেপড়া ভিড়ের কারণে রাজধানীর কিছু কিছু সড়কে তীব্র যানজটেরও দেখা মেলে।

করোনা মহামারিতে প্রতিদিন বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। বাড়ছে সংক্রমণও। সরকারের কঠোর বিধিনিষেধ জারির পরও নগরবাসী কিংবা জনসাধারণের মধ্যে যেন কোনো ধরনের করোনা ভীতি নেই। এই সংকটকালেও নিশ্চিন্তে ঈদের কেনাকাটা করছেন তারা। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দোকানপাট ও শপিংমল খোলা থাকছে। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবাইকে বেচাকেনা করতে হবে বলে জানানো হয় নির্দেশনায়।

শনিবার (১ মে) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন শপিংমল ও মার্কেট ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। বিশেষ করে মধ্যবিত্তের কাছে জনপ্রিয় নিউ মার্কেট, গাউছিয়া, মৌচাক, মিরপুরের শাহ আলী শপিং কমপ্লেক্সের মতো মার্কেটগুলো ক্রেতায় পরিপূর্ণ। নিউ মার্কেট ও গাউছিয়া মার্কেটের সামনের দোকানগুলোতে শারীরিক দূরত্ব দূরে থাক, গায়ে গা লাগিয়ে কেনাকাটা করতে দেখা গেছে মানুষজনকে। ক্রেতা-বিক্রেতাদের অনেকের মুখে মাস্ক থাকলেও তা সঠিক নিয়মে পরা ছিল না।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সরকারঘোষিত বিধিনিষেধ দু`দফা শেষে তৃতীয় দফা চলছে। বিধিনিষেধের শুরুর দিকে জনসমাগম ও গাড়ি চলাচল নিয়ন্ত্রণে পুলিশের যে সরব ভূমিকা ছিল, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা নিষ্প্রভ হয়ে গেছে। অন্যদিকে, তৃতীয় দফায় লকডাউনে রাজধানীতে তীব্র যানজটের কারণে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হওয়া মানুষদের। কোথাও কোথাও যানজটের কারণে ১৫-২০ মিনিটের মত আটকে থাকতেও হয়েছে।

এদিকে চেকপোস্টগুলোতে শুরুর দিকে পুলিশের উপস্থিতি চোখে পড়ার মত হলেও এখন তেমনটি দেখা যাচ্ছে না। আর কোথাও কোথাও তো চেকপোস্টই গায়েব হয়ে গেছে। `মুভমেন্ট পাস` নিয়ে বিধিনিষেধের শুরুতে যে কড়াকড়ি ছিল, তা এখন আলোচনা থেকে বহু দূরে। এখন `মুভমেন্ট পাস` চেক করতে দেখা যাচ্ছে না পুলিশকে। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এখনও চলছে মুভমেন্ট পাস চেকিং। কিন্তু পিক-আওয়ারে সব গাড়িকে একসঙ্গে ধরে চেক করা সম্ভব হচ্ছে না।

সরেজমিনে রাজধানীর বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে দেখা যায়, শপিংমল ও দোকানপাট খুলে দেয়ার সঙ্গে সঙ্গেই একপ্রকার হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন ক্রেতারা। কেউ নিজস্ব গাড়ি হাঁকিয়ে যাচ্ছেন মার্কেটে। কেউ যাচ্ছেন অটোরিকশা কিংবা রিকশায়। এদিকে `মুভমেন্ট পাস` নিয়ে চলাফেরার কথা থাকলেও তা নিয়ে এখন আর কোনো চিন্তা-ভাবনা নেই মানুষের মধ্যে। স্বাস্থ্যবিধি কেউ কেউ মানছেন আর কেউবা মানছেন না, যারা মানছেন না তাদেরকে বাধ্য করাররও যেন কেউ নেই।

মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা জাকিয়া মুমু বের হয়েছেন সন্তানদের জন্য নতুন কাপড় কিনতে। বের হওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন মনে হয় করোনা কমে গেছে। অনেকেই তো বের হচ্ছেন। তাইতো আমরাও বের হয়েছি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে বের হয়েছি। তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরবো। বাকিটা আল্লাহ ভরসা।

স্ত্রী ও দুই ছোট শিশু সন্তান নিয়ে নিউ মার্কেটে ঈদের শপিং করতে এসেছেন আহসান হাবীব। তিনি বলেন, ঈদের আগে গ্রামের বাড়িতে যাব। গ্রামে যারা আত্মীয়-স্বজন আছে, তাদের জন্য কিছু মার্কেট করতে এসেছি। এছাড়া ছেলে-মেয়েসহ আমাদের কেনাকাটাও করবো। তবে তিনি নিজেই দাবি করেন, নিউ মার্কেটে আসা অনেকেই স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। মানুষের চাপের কারণে গায়ে গা লাগিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে।

গাউছিয়া সুপার মার্কেটে ঈদের শপিং করতে এসেছেন নুসরাত লাবিবা জাহান মৌ। তিনি বলেন, করোনার মধ্যেও তো ঈদ করতে হবে। এ কারণেই কিছু কেনাকাটা করতে এসেছি। তবে এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ঘোরাঘুরি কম করছি, পছন্দ হলেই কিনে নিচ্ছি পছন্দের পোশাক।

মার্কেটে বাচ্চাদের কাপড় দেখছিলেন আফরোজা নাসরিন লিপি। কথা প্রসঙ্গে জানালেন, সবসময় পরিবারের সদস্যদের নিয়েই মার্কেটে আসেন। কিন্তু গত দুই বছর করোনার কারণে তাদের নিয়ে আসা হয় না। তাই নিজেই পছন্দ করে কেনাকাটা করছেন।

করোনা সংক্রমণের মধ্যেও অনেকে শপিংমলগুলোতে ঘুরতে বেরিয়েছেন। দেখছেন নতুন কী কী কাপড়-চোপড় কিংবা জিনিসপত্র এসেছে। এতে করেও লোকজনদের ভিড় বাড়ছে।

নিউ মার্কেট এলাকার ফুটপাতে কাপড় বিক্রি করেন জসিম উদ্দিন। তিনি বলেন, গত কয়েকদিনে লকডাউনে অনেক টাকার ক্ষতি হয়েছে। মাত্র কয়েকদিন বসতে পারছি। তবে আজ ক্রেতা অনেক। বিক্রিও মোটামুটি আগের দিনের তুলনায় ভালোই হচ্ছে।

আশিক ইকবাল নামের একজন ব্যবসায়ী বলেন, সরকার মার্কেট খুলছে কিন্তু মানুষ যে আসবে সেই রাস্তা বন্ধ করে রাখছে। বাস বন্ধ, সিএনজিচালিত অটোরিকশায় আসতে খরচ বেশি। যে কারণে দূরের ক্রেতারা আসতে পারছে না। তবে আজ বেশ ভালো ক্রেতা এসেছে। বাস চললে আরও অনেক ক্রেতা আসত।

বিক্রেতারা বলছেন, আজ ভিড় বেশি। কিন্তু বেচা-বিক্রি অনেক কম। যে পরিমাণ জনসমাগম রয়েছে সবাই যদি একটি করে জিনিসও কিনতেন তাহলে আমাদের দোকানের জিনিসপত্র অনেক কমে যেত। কেনাকাটা হচ্ছে কম, অধিকাংশই শুধু জিনিসপত্র দেখছেন।

এদিকে বসুন্ধরা সিটি শপিংমল, যমুনা ফিউচার পার্ক ও পলওয়েলস অভিজাত শপিংমলগুলোতেও উপচেপড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। সকালে বসুন্ধরা সিটি শপিংমলের গেট খোলার আগে থেকেই ক্রেতাদের লাইন দেখা যায়। সিরিয়াল দিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে প্রবেশ করেত দেখা গেছে। তবে অন্যান্য মার্কেটের তুলনায় অভিজাত শপিংমলগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যাপারে কড়াকড়ি ছিল চোখে পড়ার মত।

বিধিনিষেধেও রাজধানীতে তীব্র যানজট
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সরকারঘোষিত বিধিনিষেধ দু`দফা শেষে তৃতীয় দফা চলছে। বিধিনিষেধের শুরুর দিকে জনসমাগম ও গাড়ি চলাচল নিয়ন্ত্রণে পুলিশের যে সরব ভূমিকা ছিল, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা নিষ্প্রভ হয়ে গেছে। অন্যদিকে, তৃতীয় দফায় লকডাউনে রাজধানীতে তীব্র যানজটের কারণে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হওয়া মানুষদের। কোথাও কোথাও যানজটের কারণে ১৫-২০ মিনিটের মত আটকে থাকতেও হয়েছে।

এদিকে, চেকপোস্টগুলোতে শুরুর দিকে পুলিশের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো হলেও এখন তেমনটি দেখা যাচ্ছে না। আর কোথাও কোথাও তো চেকপোস্টই গায়েব হয়ে গেছে। `মুভমেন্ট পাস` নিয়ে বিধিনিষেধের শুরুতে যে কড়াকড়ি ছিল, তা এখন আলোচনা থেকে বহু দূরে। এখন `মুভমেন্ট পাস` চেক করতে দেখা যাচ্ছে না পুলিশকে। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এখনও চলছে মুভমেন্ট পাস চেকিং হচ্ছে। কিন্তু পিক-আওয়ারে সব গাড়িকে একসঙ্গে ধরে চেক করা সম্ভব হচ্ছে না।

শপিং মল ও দোকানপাট খুলে দেয়ার সঙ্গে সঙ্গেই একপ্রকার হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন ক্রেতারা। কেউ নিজস্ব গাড়ি হাঁকিয়ে যাচ্ছেন মার্কেটে। কেউ যাচ্ছেন অটোরিকশা বা রিকশায়। এদিকে `মুভমেন্ট পাস` নিয়ে চলাফেরার কথা থাকলেও তা নিয়ে এখন আর বালাই নেই।

শনিবার (১ মে) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রাজধানীর মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি, কারওয়ান বাজার, টিকাটুলি মোড়, গুলিস্তান, জিপিও মোড়, পল্টন মোড়, কাকরাইল, মালিবাগ, রামপুরা, বাড্ডা, নতুনবাজার, নিউ মার্কেটসহ বেশ কয়েকটি এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়। ধানমণ্ডি-২৭ থেকে নিউ মার্কেট সড়কে গাড়ির অতিরিক্ত চাপে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

দুপুর ১২টায় সায়েন্সল্যাব মোডে দেখা গেছে, যানবাহনের বেশ চাপ। সেখানে কথা হয় নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলামের সঙ্গে। তিনি বলেন, দেশে লকডাউন চলছে, এটা সরকার বলছে। কিন্তু কাজকর্মে কিন্তু তা বোঝা যাচ্ছে না। সীমিত বলেন আর বৃহৎ বলেন, অফিস বাদে সবকিছুই এখন খোলা। বিশেষ করে রমজান মাস হওয়ায় মানুষ এসব বিধিনিষেধ মানতে নারাজ।

সায়েন্সল্যাব মোড়ে দায়িত্বরত ট্রাফিক সার্জেন্ট শাহীন উদ্দিন জানান, সকাল ১০টার পর থেকে গাড়ির চাপ বাড়তে থাকে। ধীরে ধীরে বেলা গড়াতে থাকলে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। প্রতি সিগন্যালে প্রায় ১৫-২০ মিনিটের মত সময় লাগছে।

নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ী ফকির আলমগীর বলেন, গত কয়েকদিনের চাইতে আজ কিছুটা বেশি বিক্রি হচ্ছে। মার্কেটে ক্রেতাও আসছে আশানুরূপ। তবে বাস চলাচল করলে আরও বেশি ক্রেতা আসতে পারত। সকাল থেকেই দেখছি জ্যাম দেখা যাচ্ছে রাস্তায়।

রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি শপিংমলে দেখা যায় ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়। ধানমন্ডি-৩২ থেকে কারওয়ান বাজার মোড় পর্যন্ত বসুন্ধরা সিটি শপিংমলের কারণে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে, লকডাউন বাস্তবায়নে রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা কমেছে। শুরুর দিকে যেভাবে পুলিশের কড়া নজরদারি ছিল, তা এখন নেই বললেই চলে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে লকডাউন বাস্তবায়নে নগরের প্রধান প্রধান সড়কে নেই আগের মতো চেকপোস্ট। সড়কে পুলিশের অবস্থান থাকলেও এখন গাড়ি চলাচলে সেভাবে জেরার মুখে পড়তে হচ্ছে না।

শাহবাগ, নিউমার্কেট, বাড্ডা, তেজগাঁও, কাওরানবাজার, নতুন বাজার, প্রগতি সরণি এলাকায় তেমনভাবে চেকপোস্ট চোখে পড়েনি। বিধিনিষেধের আওতামুক্ত পরিবহন ও ব্যক্তি ছাড়া অন্যদেরও সেভাবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর জেরার মুখে পড়তে হয়নি।

গণপরিবহন ছাড়া অন্যান্য পরিবহন অনেকটা স্বাভাবিকভাবে চলেছে। কয়েকটি স্থানে সিএনজিচালিত অটোরিকশা দাঁড় করিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে দেখা গেছে পুলিশকে। করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকারঘোষিত বিধিনিষেধ চলবে আগামী ৫ মে পর্যন্ত।

স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই ইফতারের দোকানে সাধারণ মানুষের ভিড়
                                  

ডেস্ক রিপাের্ট : স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই ইফতারের দোকানে ভিড় করছেন সাধারণ মানুষ। গা ঘেঁষে করছেন কেনাকাটা। রমজানে ভাজা-পোড়া স্বাস্থ্যের জন্যে ক্ষতিকর জেনেও তা খাচ্ছেন রোজাদাররা। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, করোনাকালীন রমজানে সুষম খাবারে সবার সচেতন হওয়া জরুরি। শিশু থেকে প্রাপ্ত বয়স্ক সবাইকেই হতে হবে যত্নশীল।

রাজধানীর ইফতারের দোকানগুলোতে এমনই ভিড়। স্বাস্থ্যবিধি মানতে সরকারের নির্দেশনা থাকলেও তা মানছেন না অনেকেই। রোজায় ভাজা-পোড়া খাবারে স্বাস্থ্য ঝুঁকি আছে এমনটা জেনেও কিনছেন এসব খাবার। ইফতারে খাচ্ছেন আয়োজন করে। তবে তার পক্ষে-বিপক্ষে নানা যুক্তি দাঁড় করাচ্ছেন অনেকে।

ক্রেতাদের অনেকে বলছেন, পরিবারের সবাই পছন্দ করে তাই খাই। এসব ছাড়া তো মজা হয় না।

করোনার এ সময়ে শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক সবারই স্বাস্থ্য-ঝুঁকি বেশি থাকায় সুষম খাবার গ্রহণে যত্নশীল হওয়া উচিত বলে মনে করেন খাদ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ।

রাজধানীর আজগর আলি হাসপা

তালের সিনিয়র ডায়েটিশিয়ান শায়লা সাবরিন বলছেন, ভাজা-পোড়াজাতীয় যে সকল খাদ্য রয়েছে তা সবারই এড়িয়ে চলা উচিত। এসব খাবারে হজমজনিত সমস্যা, অ্যাসিডিটিসহ অন্যান্য সমস্যা হওয়ার প্রবণতা থাকে। এই সময় পর্যাপ্ত পরিমাণ পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খেতে হবে।

ইফতার থেকে সেহরি পর্যাপ্ত পানি পান, সহজে হজম হয় এমন খাবার গ্রহণের পাশাপাশি শরীরের শক্তি যোগায় এমন খাবার গ্রহণের পরামর্শও দেন এই স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ।

মুভমেন্ট পাস ছাড়াই ঈদ শপিংয়ে ছুটছেন রাজধানীবাসী
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : করোনাভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবিলায় সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধ দুদফা শেষে তৃতীয় দফায় পড়েছে। বিধিনিষেধের শুরুর দিকে জনসমাগম ও গাড়ি চলাচল নিয়ন্ত্রণে পুলিশের যে সরব ভূমিকা ছিল, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা নিষ্প্রভ হয়ে গেছে। চেকপোস্টগুলোতে শুরুর দিকে পুলিশের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো হলেও এখন তেমনটি দেখা যাচ্ছে না। আর কোথাও কোথাও তো চেকপোস্টই গায়েব হয়ে গেছে।

মুভমেন্ট পাস নিয়ে বিধিনিষেধের শুরুতে যে কড়াকড়ি ছিল তা এখন আলোচনা থেকে বহু দূরে। এখন মুভমেন্ট পাস চেক করতে দেখা যাচ্ছে না পুলিশকে। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এখনো চলছে মুভমেন্ট পাস চেকিং। কিন্তু পিক-আওয়ারে সব গাড়িকে একসঙ্গে ধরে চেক করা সম্ভব হচ্ছে না।

এদিকে, শপিংমল ও দোকানপাট খুলে দেয়ার সঙ্গে সঙ্গেই একপ্রকার হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন ক্রেতারা। কেউ নিজস্ব গাড়ি হাঁকিয়ে যাচ্ছেন মার্কেটে। কেউ যাচ্ছেন অটোরিকশা বা রিকশায়। এদিকে মুভমেন্ট পাস নিয়ে চলাফেরার কথা থাকলেও তা এ নিয়ে এখন আর বালাই নেই।

শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত রাজধানীর মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি, কারওয়ান বাজার, নিউমার্কেটের বেশ কয়েকটি শপিংমল ঘুরে দেখা গেছে, ঈদ আসন্ন, তাই কেনাকাটায় ঝাঁপিয়ে পড়েছের নানা বয়সী নারী-পুরুষ। সাজসজ্জা ও কসমেটিকসের দোকানগুলোতে গতানুগতিক উপচেপড়া ভিড়। এছাড়া, এক শপিংমল থেকে অন্য শপিংমলেও অবাধে আসা-যাওয়া করছেন ক্রেতারা।

রাস্তায় কয়েকজন পথচারীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শুরুর দিকে পুলিশ ব্যাপক চেকিং করত, যেন তাদের অতিক্রম করাই ছিল দুঃসাধ্য কাজ। কিন্তু কয়েকদিন ধরে রাস্তায় পুলিশ আর কিছু বলছে না। রাস্তায় দিন দিন মানুষের সংখ্যা বাড়ছে আর পুলিশে যেন নীরব হয়ে গেছে।

নিউমার্কেটে কেনাকাটা করতে আসা নাবিল ইউসুফ তালুকদার বলেন, `প্রথম প্রথম মুভমেন্ট পাস নিয়ে বের হতে হয়েছে। কিন্তু গত কয়েকদিন মুভমেন্ট পাস ছাড়াই রাস্তায় বের হতে পারছি। মিরপুর থেকে ধানমন্ডি; এরপর নিউমার্কেটে এসেছি কিন্তু কেউ আটকায়নি আমাকে। রাস্তায় পুলিশ থাকলেও চেকপোস্ট চোখে পড়েনি।`

ট্রাফিক বিভাগের রমনা জোনের সহকারী উপ-কমিশনার (এসি) মো. রেফাতুল ইসলাম বলেন, `গত রোববার থেকে রাস্তায় গাড়ির তীব্র চাপ। চেকপোস্টগুলোতে চেক করে কুলিয়ে উঠতে পারছি না। সব গাড়ি যদি চেক করতে যাই, তাহলে রাস্তায় চলাচল অসম্ভব হয়ে পড়বে। উল্টো লোকজন ভোগান্তিতে পড়বে। মোটামুটি অনেক গাড়ি রাস্তায় বের হয়েছে। যারা বের হচ্ছেন, প্রত্যেকেরই কোনো না কোনো কারণ আছেই। তবে ঢালাওভাবে চেক না করে সন্দেহভাজন মনে হলে চেকপোস্টে চেক করা হচ্ছে।`

পুলিশ সদর দফতর সূত্রে জানা যায়, ১৩ এপ্রিল থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত মুভমেন্ট পাস-এর ওয়েবসাইটে হিট পড়েছে ২১ কোটি ৮৪ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮৯টি। এখন পর্যন্ত রেজিস্ট্রেশন করেছেন ১১ লাখ ৯৩ হাজার ১৯৭ জন। পাস ইস্যু হয়েছে ১৭ লাখ ৫৫ হাজার ৯৮৬টি। শুরুর দিকে মুভমেন্ট পাস নেয়ার প্রবণতা বেশি থাকলেও এখন কমে এসেছে।

গত ২৭ এপ্রিল পুলিশ সদর দফতরে ব্যবসায়ী ও মালিক প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক শেষে আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, মার্কেটগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতা সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং মাস্ক পরে কেনাকাটা করতে হবে।

আর গত ২৮ এপ্রিল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম শপিংমল ও মার্কেটের মালিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা পরিচালনা কথা বলেছেন। মার্কেট মালিক সমিতির নেতারা পুলিশের উপস্থিতিতে মার্কেটে ঘুরে ঘুরে মাস্ক ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করবেন। এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনারদের ব্যবস্থা নিতেও বলেন তিনি।

এদিকে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে চলমান লকডাউনের (বিধিনিষেধ) মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ৫ মে। এরপর ঈদ পর্যন্ত মাত্র তিনটি কর্মদিবস পাওয়া যাবে। তাই প্রশ্ন উঠেছে- এই পরিস্থিতিতে কী লকডাউনের মেয়াদ আরও বাড়বে নাকি বিধিনিষেধ শিথিল করে দেয়া হবে।

বিষয়টি নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার। ঈদের আগে তিনটি কর্মদিবস থাকলে কিছুটা শিথিল করে লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানো হতে পারে। তবে ৫ মে`র আগে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১৩ বা ১৪ মে দেশে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।

কোভিড-১৯ সংক্রমণ রোধে গত ১৪ এপ্রিল ভোর ছয়টা থেকে আটদিনের কঠোর লকডাউন শুরু হয়। লকডাউনের মধ্যে পালনের জন্য ১৩টি নির্দেশনা দেয়া হয় সরকারের পক্ষ থেকে। পরে সাতদিন করে দু-দফা লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানো হয়। সেই মেয়াদ শেষ হবে আগামী ৫ মে (বুধবার) মধ্যরাতে।

আরমানিটোলার সেই আগুনে এবার মারা গেলেন আশিকুর
                                  

অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীর পুরান ঢাকার আরমানিটোলায় রাসায়নিক গুদামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এবার আগুনে দগ্ধ হওয়া আশিকুর রহমান (৩২) নামের আরো একজন মারা গেছেন। আগুনের এ ঘটনায় তার স্ত্রী ইশরাত জাহান মুনা (২৮) এখনো লাইফ সাপোর্টে আছেন।

গতকাল বুধবার (২৮ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আশিকুর রহমান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. পার্থ শংকর পাল ।

নিহত আশিকুর রহমানের বাহ্যিক কোনো দগ্ধ না থাকলেও তার শ্বাসনালী পুড়ে গিয়েছিল ছিল। এর আগে গত রবিবার (২৫ এপ্রিল) চিকিৎসাধিন অবস্থায় শাফায়াত হোসেন (৩২) নামে আরোও একজন মারা যান।

গত বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) গভীর রাতে পুরান ঢাকার হাজী মুসা ম্যানশন নামের একটি ভবেন থাকা রাসায়নিক গোডাউনে আগুন লাগে।

করোনায় ল্যাবএইড চিকিৎসকের মৃত্যু
                                  

অনলাইন ডেস্কঃ প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ল্যাবএইড হাসপাতালের ম্যানেজমেন্ট কমিটির পরিচালক ও চিফ কার্ডিয়াক এনেসথেসিওলজিস্টস মো. মাহবুবুল ইসলাম মারা গেছেন। গতকাল সোমবার ভোরে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

এ প্রসঙ্গে ল্যাবএইড গ্রুপের জনসংযোগ কর্মকর্তা চৌধুরী মেহের এ খোদা বলেন, ‘করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়ে গত ১০ দিন আগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন মো. মাহবুবুল ইসলাম। তিনি ভালোই ছিলেন। হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। গতকাল ভোরে মারা যান তিনি।’ স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী মো. মাহবুবুল ইসলামের বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর।

নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করছে ডিএনসিসি
                                  

অনলাইন ডেস্ক: ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছি। রাজধানীর খালের মতো হাতিরঝিলের পুরো দায়িত্ব‌‌ ডিএনসিসিকে বুঝিয়ে দিলে সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণসহ এর সৌন্দর্য বর্ধণে ডিএনসিসির পক্ষ থেকে যথাযথ ব‍্যবস্থা গ্রহণ করা হবে জানান তিনি।

আজ সকালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মহানগর আর্মি ক্যাম্প, হাতিরঝিল, ঢাকায় ডিএনসিসি মেয়রের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হাতিরঝিলের উভয়পার্শ্বে স্থাপিত এক হাজার ৮ শত ৩০ মিলিমিটার ব্যাসের এসএসডিএস লাইনের রক্ষণাবেক্ষণ ও হাতিরঝিল সংলগ্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে করণীয় নির্ধারণের জন্য এই আলোচনা সভা।

আতিকুল ইসলাম বলেন, রাজধানীর মগবাজার মধুবাগ, নয়াটোলা, মহানগর আবাসিক এলাকা, নিকেতন, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, নাখালপাড়া, কাওরান বাজার, ধানমন্ডি-২৭, গ্রীন রোড, কা‌‌ঠালবাগান প্রভৃতি এলাকায় বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি এবং গৃহস্থলী বর্জ্য পানি হাতিরঝিলের উভয় পার্শ্বে বিদ্যমান এক হাজার ৮ শত ৩০ মিলিমিটার এসএসডিএস লাইনে নিষ্কাশিত হয়েছে।

এসময় ডিএনসিসি মেয়র আসন্ন বর্ষা মৌসুমের পূর্বেই উক্ত লাইনে জমে থাকা কঠিন বর্জ্য অপসারণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।

রাজউকের বর্তমান ব্যবস্থাপনায় হাতিরঝিল লেকে কঠিন বর্জ্য ঢুকতে না পারলেও তরল বর্জ্য ঢোকার কথা উল্লেখ করে বলেন, হাতিরঝিলকে রক্ষা করতে হলে কঠিন কিংবা তরল কোন ধরনের বর্জ্য‌ই যাতে এই লেকে না পড়ে সে বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। আতিকুল ইসলাম নষ্ট হয়ে পড়ে থাকা পাম্পগুলো দ্রুততম সময়ের মধ‍্যে মেরামতের জন‍্য‌ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে হাতিরঝিল ও তৎসংলগ্ন এলাকায় উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে রাজউকের নিকট ২ কোটি ৪৩ লক্ষ টাকা বকেয়া পড়ে থাকার বিষয়টি তুলে ধরলে রাজউকের পক্ষ থেকে আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই ৯৫ লক্ষ টাকা দেবার আশ্বাস দেওয়া হয়।

আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজা এবং রাজউকের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হেমায়েত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

সুত্র ঃ IBN24


   Page 1 of 54
     রাজধানী
খিলক্ষেতে ক্রেনের ধাক্কায় শ্রমিক নিহত
.............................................................................................
মেয়রের উপস্থিতিতে আড়ংকে লাখ টাকা জরিমানা
.............................................................................................
মাস্ক না পরলে দোকান বন্ধ : মেয়র আতিকুল
.............................................................................................
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গাছ কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন
.............................................................................................
গণমাধ্যমকর্মীরা মুক্ত নন, তারা অনাহারে অর্ধাহারে দিন যাপন করছে : ডা. জাফরুল্লাহ
.............................................................................................
বসুন্ধরা সিটিতে অভিযান ও জরিমানা আদায়
.............................................................................................
সড়কে যানজট, শপিংমলে ভিড়
.............................................................................................
গণপরিবহন চালুর দাবিতে রাজধানীতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ
.............................................................................................
ছয়দিন পর মায়ের কোলে শিশু রাশিদা
.............................................................................................
ঈদের কেনাকাটা, শপিংমলে-ফুটপাতে উপচেপড়া ভিড়
.............................................................................................
বিধিনিষেধেও রাজধানীতে তীব্র যানজট
.............................................................................................
স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই ইফতারের দোকানে সাধারণ মানুষের ভিড়
.............................................................................................
মুভমেন্ট পাস ছাড়াই ঈদ শপিংয়ে ছুটছেন রাজধানীবাসী
.............................................................................................
আরমানিটোলার সেই আগুনে এবার মারা গেলেন আশিকুর
.............................................................................................
করোনায় ল্যাবএইড চিকিৎসকের মৃত্যু
.............................................................................................
নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করছে ডিএনসিসি
.............................................................................................
পুরান ঢাকার বংশালে আতা মসজিদে আগুন
.............................................................................................
আরমানিটোলায় আগুনে নিহত ১, আহত অন্তত ১৮
.............................................................................................
মেট্রোরেলের নির্মাণকাজের সার্বিক অগ্রগতি ৬১.৪৯ শতাংশ: কাদের
.............................................................................................
এবার নারী আইনজীবী-পুলিশের বাকবিতণ্ডা, ভিডিও ভাইরাল
.............................................................................................
আজ থেকে রোগী নেবে বৃহত্তর করোনা হাসপাতাল
.............................................................................................
চিরকুট লিখে হাসপাতালে করোনা রোগীর `আত্মহত্যা`
.............................................................................................
রাজধানীতে বেড়েছে ব্যক্তিগত যান
.............................................................................................
আজ দেশে বৃহত্তম করোনা হাসপাতাল উদ্বোধন
.............................................................................................
চেকপোস্ট এড়িয়ে চলছে রিকশা-গাড়ি-ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল
.............................................................................................
হেফাজতের ঢাকা মহানগর সভাপতি জুনায়েদ গ্রেফতার
.............................................................................................
বিমানের বিশেষ ফ্লাইটের প্রথমটিই বাতিল, বিমানবন্দরে বিক্ষোভ
.............................................................................................
মতিঝিল ও ওয়ারী বিভাগের সব থানায় নিরাপত্তা জোরদার
.............................................................................................
চারুকলায় ‘সীমিত পরিসরে’ পহেলা বৈশাখ উদযাপনের সিদ্ধান্ত
.............................................................................................
বইমেলার শেষ দিন আজ
.............................................................................................
দৈনিক জনকণ্ঠ ভবনের সামনে আন্দোলনকারী সাংবাদিকদের ওপর সন্ত্রাসী হামলায় বিএফইউজে ও ডিইউজে`র নিন্দা
.............................................................................................
শপিংমলে ব্যাপক ক্রেতাসমাগম, স্বাস্থ্যবিধি নেই
.............................................................................................
আজমপুরে ট্রেনের ধাক্কায় অটোরিকশা চালকের মৃত্যু
.............................................................................................
সংক্ষিপ্ত হলো বইমেলা
.............................................................................................
কঠোর লকডাউনের আগে শপিংমলগুলোতে কেনাকাটার হিড়িক
.............................................................................................
বইমেলা শেষ হচ্ছে ১২ এপ্রিল
.............................................................................................
শেষ বিকেলে জমজমাট বইমেলা
.............................................................................................
নিষেধাজ্ঞা শুধু ঘোষণাতেই সীমাবদ্ধ
.............................................................................................
স্বাস্থ্যবিধি না মানায় রাজধানীতে ৫ জনকে জরিমানা
.............................................................................................
`দিনে না হলেও` রাতে পালিত হচ্ছে লকডাউন
.............................................................................................
নেই শুধু বাস, বাকি সবই যেন স্বাভাবিক!
.............................................................................................
লকডাউন প্রত্যাহারের দাবিতে রাজধানীতে মিছিল-অবরোধ
.............................................................................................
সংসদ সদস্য আসলামুল হক আর নেই
.............................................................................................
আজ চালু হচ্ছে ১০টি ইউটার্ন
.............................................................................................
সংক্রমণ ঠেকাতে বইমেলা বন্ধসহ ৫ দফা সুপারিশ
.............................................................................................
রাইড শেয়ারিং বন্ধের প্রতিবাদে চালকদের মিছিল
.............................................................................................
বইমেলার সময় কমলো আড়াই ঘণ্টা
.............................................................................................
উত্তরার রিভার ওয়েভ হোটেলে অভিযান : আটক ৩১
.............................................................................................
আবারও রক্তাক্ত মিয়ানমার, জান্তার গুলিতে নিহত ১৬
.............................................................................................
মালিবাগ পুলিশ বক্সের সামনে যাত্রীবাহী বাসে আগুন
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop