| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * খিলক্ষেতে ক্রেনের ধাক্কায় শ্রমিক নিহত   * চালের বাজারে কিছুটা স্বস্তি, বেড়েছে মাছ-মুরগি-চিনির দাম   * বিশ্বে করোনায় মৃতের সংখ্যা সরকারি হিসাবের দ্বিগুণ: আইএইচএমই   * দৌলতদিয়ায় ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড়   * স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই গণপরিবহনে, চলছে আন্তঃজেলা বাসও   * উন্নত দেশগুলোর চেয়ে একাই বেশি গ্রিনহাউস গ্যাস ছড়ায় চীন   * জার্মানিতে একদিনে ১০ লাখ মানুষের টিকা গ্রহণ   * করোনা থেকে মুক্তি পেতে জুমাতুল বিদায় বিশেষ দোয়া   * মাস্ক পরা নিয়ে সরকারের ৮ নির্দেশনা   * বাংলাদেশ ১০ হাজার রেমডেসিভির দিল ভারতকে  

   রাজনীতি -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
মানবিক কারণে বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দিবেন : মির্জা ফখরুল ইসলাম

মিয়া আবদুল হান্নান : রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মানবিক কারণে সরকার বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার অনুমতি দেবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিদেশে চিকিৎসা করাতে ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দারের করা আবেদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আইন মন্ত্রণালয়ে পৌঁছানোর পর আজ ৬ মে ২০২১ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমের সাথে কথা বলেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর । এ সময় আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া করোনা পরবর্তী জটিলতায় ভুগছেন। আমি আশা করব, এ অবস্থায় মানবিক কারণে সরকার তাকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার অনুমতি দেবে।` এর আগে, বেগম খালেদা জিয়ার আবেদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আইন মন্ত্রণালয়ে পৌঁছানোর বিষয়টি গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে আইন মন্ত্রণালয়। যাচাই-বাছাই করে বেগম খালেদা জিয়া দেশের বাইরে যেতে পারবেন কি না- সে বিষয়ে মতামত দেয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। গতকাল ৫ মে ২০২১ বুধবার রাতে বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ধানমন্ডির বাসায় আবেদনপত্রটি দিয়ে এসেছেন বলে বেগম জিয়ার বোন সেলিমা ইসলাম নিশ্চিত করেন। এ সময় সেলিমা ইসলাম জানিয়েছিলেন, চিঠিটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর পর সিদ্ধান্ত তারা জানতে পারবেন। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ১০ এপ্রিল বেগম খালেদা জিয়া করোনায় আক্রান্ত হলেও, কোভিড-১৯ এর কোন উপসর্গ ছিল না বলে জানিয়েছিল তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা। এরপর ১৫ এপ্রিল তার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেয়া হলেও বেশ কয়েকটি পরীক্ষা শেষে বেগম জিয়াকে আবারও তার গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় নেয়া হয়। এ রিপোর্টে তার ফুসফুসে সংক্রমণ ধরা পড়ে। প্রথমবার পজিটিভ হওয়ার ১৪দিনের মাথায় ২৪ এপ্রিল আবারও করোনা টেস্ট করানো হলে কোভিড পজিটিভই থাকে বেগম খালেদা জিয়ার। এর তিনদিন পর অর্থাৎ ২৭ এপ্রিল আবারো স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে নেয়া হয় একই হাসপাতাল এভারকেয়ারে। চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে সেখানেই নন-কোভিড ইউনিটে ভর্তি করা হয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে। এরপর গত ৩ মে তার শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেলে করোনারী কেয়ার ইউনিট-সিসিইউতে নেয়া হয় বেগম জিয়াকে। সেদিন থেকেই তিনি ৪র্থ দিনের মত সিসিইউতেই আছেন বিএনপির দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

মানবিক কারণে বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দিবেন : মির্জা ফখরুল ইসলাম
                                  

মিয়া আবদুল হান্নান : রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মানবিক কারণে সরকার বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার অনুমতি দেবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিদেশে চিকিৎসা করাতে ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দারের করা আবেদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আইন মন্ত্রণালয়ে পৌঁছানোর পর আজ ৬ মে ২০২১ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমের সাথে কথা বলেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর । এ সময় আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া করোনা পরবর্তী জটিলতায় ভুগছেন। আমি আশা করব, এ অবস্থায় মানবিক কারণে সরকার তাকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার অনুমতি দেবে।` এর আগে, বেগম খালেদা জিয়ার আবেদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আইন মন্ত্রণালয়ে পৌঁছানোর বিষয়টি গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে আইন মন্ত্রণালয়। যাচাই-বাছাই করে বেগম খালেদা জিয়া দেশের বাইরে যেতে পারবেন কি না- সে বিষয়ে মতামত দেয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। গতকাল ৫ মে ২০২১ বুধবার রাতে বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ধানমন্ডির বাসায় আবেদনপত্রটি দিয়ে এসেছেন বলে বেগম জিয়ার বোন সেলিমা ইসলাম নিশ্চিত করেন। এ সময় সেলিমা ইসলাম জানিয়েছিলেন, চিঠিটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর পর সিদ্ধান্ত তারা জানতে পারবেন। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ১০ এপ্রিল বেগম খালেদা জিয়া করোনায় আক্রান্ত হলেও, কোভিড-১৯ এর কোন উপসর্গ ছিল না বলে জানিয়েছিল তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা। এরপর ১৫ এপ্রিল তার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেয়া হলেও বেশ কয়েকটি পরীক্ষা শেষে বেগম জিয়াকে আবারও তার গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় নেয়া হয়। এ রিপোর্টে তার ফুসফুসে সংক্রমণ ধরা পড়ে। প্রথমবার পজিটিভ হওয়ার ১৪দিনের মাথায় ২৪ এপ্রিল আবারও করোনা টেস্ট করানো হলে কোভিড পজিটিভই থাকে বেগম খালেদা জিয়ার। এর তিনদিন পর অর্থাৎ ২৭ এপ্রিল আবারো স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে নেয়া হয় একই হাসপাতাল এভারকেয়ারে। চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে সেখানেই নন-কোভিড ইউনিটে ভর্তি করা হয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে। এরপর গত ৩ মে তার শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেলে করোনারী কেয়ার ইউনিট-সিসিইউতে নেয়া হয় বেগম জিয়াকে। সেদিন থেকেই তিনি ৪র্থ দিনের মত সিসিইউতেই আছেন বিএনপির দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

নানামুখী বেফাঁস মন্তব্য করে এবার ফেঁসে যাচ্ছেন কাদের মির্জা!
                                  

অনলাইন ডেস্ক: আওয়ামী লীগ, শেখ হাসিনা, জাতীয় নির্বাচন, গোয়েন্দা সংস্থা, পুলিশ ও সিভিল প্রশাসন, সংসদ সদস্য, সরকার ব্যবস্থাসহ নানামুখী বেফাঁস মন্তব্য করে এবার ফেঁসে যাচ্ছেন বসুরহাটের আলোচিত মেয়র আবদুল কাদের মির্জা।

ইতোমধ্যে তার বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবর ২৫টি চিহ্নিত নালিশ সংবলিত একটি লিখত অভিযোগ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে জমা দিয়েছে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী।

দলের চট্টগ্রাম বিভাগের সাংগঠনিক দায়িত্ব পাওয়া বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপনের সঙ্গে সাক্ষাত করে উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দল ওই নালিশের কপি জমা দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

কাদের মির্জার বিরুদ্ধে নিজে বাদী হয়ে ওই অভিযোগ দিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খান।

তিনি বলেন, কোম্পানীগঞ্জের বিবদমান সমস্যার সমাধানে দলকে রক্ষা করতে উপজেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে কাদের মির্জার বিরুদ্ধে প্রতিকার চেয়ে নিজে বাদী হয়ে ওই অভিযোগ জমা দিয়েছি।

অভিযোগে সাম্প্রতিক সময়ে মেয়র আবদুল কাদের মির্জা কর্তৃক দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতা, সংসদ সদস্য, প্রশাসন, নির্বাচন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে বেফাঁস মন্তব্য, দলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলা করা, ফার্নিচার লুট করে দলের অফিস বন্ধ করে দেয়া, হামলা চালিয়ে দলের সিনিয়র নেতাদেরকে লাঞ্ছিত ও পঙ্গু করা, গুলি করে দলের লোককে হত্যা করা, সরকারি কাজে ১০ শতাংশ কমিশন নেয়া, ক্ষমতার অপব্যবহার ও স্বেচ্ছাচারিতাসহ ২৫টি অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে।

এসব ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রতিকার চেয়ে কাদের মির্জাকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার, তাকে পৌর ভবনে সন্ত্রাসী নিয়ে অবস্থান করা থেকে বিরত রাখা, গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা, তার দেওয়া মিথ্যা মামলাগুলো প্রত্যাহার ও দলের নেতাকর্মীদের মুক্তিসহ বেশ কিছু দাবির বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে বিগত চার মাস ধরে কাদের মির্জার বেফাঁস মন্তব্যের অডিও, ভিডিওসহ অসংখ্য প্রমাণ সংগ্রহ করেছেন কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। লকডাউন শেষে সরেজমিনে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেয়ার বিষয়টিও বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

ইতোমধ্যে সরকারি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থাও কাদের মির্জার অতীত ও বর্তমান কর্মকাণ্ডের ওপর তীক্ষ্ণ নজরদারী করছে বলে সূত্র জানিয়েছে। তবে ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই হওয়ায় এতদিন কেন্দ্রীয় নেতারা চুপ থাকলেও দলের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিষয়টি খতিয়ে দেখতে দলের নেতাদের দায়িত্ব দিয়েছেন বলেও জানা গেছে।

ইতোমধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও কাদের মির্জার বিরোধে সংঘটিত সহিংসতায় একজন সাংবাদিকসহ দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত ও পঙ্গু হয়েছেন আরও শতাধিক নেতাকর্মী। হত্যাসহ এসব ঘটনায় কোম্পানীগঞ্জ থানায় ১৮টি মামলা, আদালতে ১০টি পিটিশন ও থানায় শতাধিক সাধারণ ডায়রি (জিডি) করা হয়েছে। এসব মামলায় দলের কয়েক হাজার নেতাকর্মীসহ স্থানীয় সাংবাদিকদেরকেও আসামি করা হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, কাদের মির্জা শুরুতে বেশ ভালো ভালো কথা বলছিলেন। পরে দেখা গেল তিনি পাগলের মতো নানা কর্মকাণ্ড করছেন। ফলে উনাকে এখন আর দলের কেউ ভালো চোখে দেখছেন না। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের ভাইয়ের পরিচয়টা তিনি অপব্যবহার করছেন। বলা যায়, ভ্রাতৃস্নেহের অনৈতিক ফায়দা নিচ্ছেন তিনি। দলের যেকোনো পর্যায়ের নেতা উনার মতো অসংলগ্ন কথাবার্তা বললে বা সহিংসতায় জড়ালে অনেক আগেই দল থেকে বহিষ্কার হয়ে কারাগারে থাকতেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই নেতা আরও বলেন, কেন্দ্রীয় নেতারা দুটি বিষয় নিয়ে ভাবছেন। কাদের মির্জার পাগলামি অবশ্যই থামাতে হবে। একইসঙ্গে নোয়াখালী অঞ্চলে যাদের বিরুদ্ধে কাদের মির্জার বিরোধ রয়েছে, তা কী কারণে সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সর্বোপরি তদন্ত করে দলের অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য রক্ষায় সবদিক বিবেচনায় নিয়েই দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ।

তবে এসব বিষয়ে চট্টগ্রাম বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন গণমাধ্যমকে বলেন, অরাজকতা সৃষ্টি ও অরাজনৈতিক আচরণের সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। গোপন তদন্ত ও ঘটনাগুলোর মূল্যায়ন চলছে। লকডাউন শেষ হলেই দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা সামনাসামনি বসে তদন্তকাজ শেষ করবেন এবং কঠিন অ্যাকশনে যাবেন।

সূত্র : জাগো নিউজ

খালেদা জিয়াকে লন্ডন নেয়া হতে পারে আজই
                                  

অনলাইন ডেস্ক: করোনা আক্রান্ত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশ নিতে চেয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের কাছে আবেদন করেছেন তার ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার। আবেদনপত্রটি পর্যালোচনার জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অনুমতি মিললে আজকের মধ্যেই খালেদাকে লন্ডন নেয়া হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

সূত্র জানিয়েছে, সরকারের আনুষ্ঠানিক অনুমতি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই উন্নত চিকিৎসার উদ্দেশে লন্ডন রওনা করবেন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

বিএনপি চেয়ারপারসন সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, বৃহস্পতিবার (৬ মে) যেকোনো সময় তাকে চার্টার্ড বিমানে করে সিঙ্গাপুর হয়ে লন্ডন নেয়া হবে। সঙ্গে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদল এবং পরিবারের সদস্যরাও থাকবেন।

এমনকি খালেদা জিয়াকে হাসপাতাল থেকে বিমানবন্দরে পৌঁছে দেয়ার অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা। তবে তবে বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান এ বিষয়ে নিশ্চিত করে এখনো কিছু জানাতে পারেননি।

এর আগে বুধবার (৫ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ধানমন্ডির বাসায় খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার তার বিদেশ যাওয়ার জন্য সরকারের কাছে লিখিত আবেদন করেন।

এর প্রতিক্রিয়ায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল সাংবাদিকদের জানান, সরকার এ ব্যাপারে ইতিবাচক রয়েছে এবং বিষয়টি আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

গত ২৭ এপ্রিল রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন করোনা আক্রান্ত বেগম খালেদা জিয়া। গত সোমবার তার শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে তাকে সিসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।

সূত্র : জাগো নিউজ

কঠিন সংকটে পড়েছে হেফাজত
                                  

অনলাইন ডেস্ক: আট বছর আগে ঢাকার মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সমাবেশ-সহিংসতায় ব্যাপক আলোচনায় এসেছিল হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। এবার আরেক সহিংসতায় আলোচনায় এল সংগঠনটি। তবে এবার সরকারের কঠোর অবস্থানের কারণে কঠিন সংকটে পড়েছে কওমি মাদ্রাসাকেন্দ্রিক এই সংগঠন।

২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকা অবরোধ করছিল ১৩ দফা দাবিতে। সারা দেশ থেকে কওমি মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকেরা যোগ দিয়েছিলেন। ওই দিন রাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানের মুখে হেফাজত ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলেও পরবর্তী সময়ে সরকার আর তাদের বিরুদ্ধে কঠোরতা দেখায়নি। বরং হেফাজতের সঙ্গে নানাভাবে যোগাযোগ ও সম্পর্ক গড়ে তুলেছিল, তাদের বিভিন্ন দাবিও মেনে নিয়েছিল। তবে এবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে সহিংসতা, ১৭ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানির পর সরকার শক্ত পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে।

এই মুহূর্তে মামলা, গ্রেপ্তার এবং সরকারি মহলের নানামুখী চাপে বেশ কোণঠাসা অবস্থায় পড়েছে হেফাজতে ইসলাম। কমিটি বিলুপ্তির পর কার্যত সংগঠনের কার্যক্রম বন্ধ। কিন্তু হেফাজতের সদ্য বিলুপ্ত কমিটির আমির (বর্তমানে আহ্বায়ক) জুনায়েদ বাবুনগরী ও প্রতিষ্ঠাতা আমির প্রয়াত শাহ আহমদ শফীর সমর্থকদের মধ্যে বিভক্তি ক্রমেই দানা বাঁধছে। দুই পক্ষই সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছে। এমন প্রেক্ষাপটে হেফাজতের নেতৃত্ব এবং এর ভবিষ্যৎ কী, তা নিয়ে নানা রকম আলোচনা ও বিশ্লেষণ চলছে বিভিন্ন মহলে।

হেফাজত-সংশ্লিষ্ট চিন্তাশীল ব্যক্তিরা বলছেন, নানামুখী বিতর্ক ও চাপে কোণঠাসা অবস্থায় পড়া হেফাজত অদূর ভবিষ্যতে আরও দুর্বল বা এর কার্যক্রম থেমেও যেতে পারে। তবে এর অর্থ এই নয় যে কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক এই ধর্মীয় গোষ্ঠীর তৎপরতা থেমে যাবে। তাঁদের ধারণা, হেফাজত থেমে গেলে ভবিষ্যতে নতুন কোনো ইস্যুতে অন্য নামে সংগঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে মাদ্রাসা শিক্ষা নিয়ে গবেষণা আছে, এমন চিন্তাশীল ব্যক্তিদের অনেকে হেফাজতে ইসলামের কোনো ভবিষ্যৎ নেই বলে মনে করেন। এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন গবেষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক বলেন, হেফাজতে ইসলাম হচ্ছে একটি প্রতিক্রিয়াশীল অক্ষম ভাবাদর্শ। তাদের ১৩টি দাবির একটি ছাড়া অন্যগুলোর যৌক্তিকতা নেই।

 

হেফাজতের ঘনিষ্ঠজনেরা বলছেন, সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা আমির শাহ আহমদ শফীর মৃত্যুর পর হেফাজতের শীর্ষ নেতৃত্বে বড় ধরনের গুণগত পরিবর্তন ঘটে। তাঁরা বলছেন, আহমদ শফী একজন বয়োজ্যেষ্ঠ আলেম ছিলেন। তাঁকে সবাই মান্য করতেন। কোনো বিষয়ে তাঁর কথা অপছন্দ হলেও কেউ মুখ খুলে বলতেন না। কিন্তু এখন আর সেই পরিবেশ নেই।

হেফাজতের কার্যক্রমকে নিবিড়ভাবে দেখছেন—এমন ব্যক্তিদের কারও কারও মূল্যায়ন হচ্ছে, এই পরিবর্তনটা শুরু হয় শাহ আহমদ শফীর মৃত্যুর কয়েক মাস আগে থেকে। এর প্রকাশ ঘটে ছাত্র বিক্ষোভের মুখে হাটহাজারী মাদ্রাসার মহাপরিচালকের দায়িত্ব থেকে তাঁর অব্যাহতি নেওয়ার মধ্য দিয়ে।

এর বাইরে গত এক-দেড় বছরে সারা দেশে বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কওমি আলেম মারা গেছেন, যাঁরা হেফাজতের অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। তাঁদের অবর্তমানে হেফাজতে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে একধরনের সংকট তৈরি হয়। এ ছাড়া সদ্য বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের ঘটনায় হেফাজতের শীর্ষ নেতৃত্বের নৈতিক অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এটি হেফাজতের জন্য একটি বড় ধরনের ধাক্কা, যা হেফাজতবিরোধী অভিযানে সরকারের জন্য সহায়ক হয়েছে।

হেফাজতের কর্মকাণ্ড ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করেন ইসলামবিষয়ক লেখক ও গবেষক শরীফ মুহাম্মদ। তিনি বলেন, ‘এই প্রজন্মের কওমি মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকদের মধ্যে চিন্তার আদান-প্রদান অনেক বেশি সক্রিয়। আধুনিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতেও তাঁরা সমানভাবে পারঙ্গম। ফলে হেফাজতে ইসলাম থাকল কি থাকল না, এটি কার নিয়ন্ত্রণে গেল, কী গেল না, সেটি ফ্যাক্টর হবে বলে মনে হয় না। এ ক্ষেত্রে হয়তো নতুন কোনো ব্যানার হবে।’

২০১০ সালের সরকার প্রণীত নারী নীতিমালার বিরুদ্ধে হেফাজতে ইসলাম প্রতিষ্ঠা হয় হাটহাজারী মাদ্রাসার মহাপরিচালক আহমদ শফীর নেতৃত্বে। তখন ১৩ দফা দাবি সামনে রেখে সংগঠনটির আত্মপ্রকাশ ঘটে। এর উত্থান ঘটে ২০১৩ সালে একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে শাহবাগে গড়ে ওঠা গণজাগরণ মঞ্চের বিরোধিতা করে মাঠে নামার পর। ব্যাপক আলোচনায় আসে ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে অবস্থানের পর। এরপর সংঘাত–সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। ওইদিন ও পরদিন বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষে অন্তত ৩৯ জন নিহত হন।

এরপর অবশ্য হেফাজতের আমির শাহ আহমদ শফীর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সরকারের সঙ্গে হেফাজতের সম্পর্ক ভালো ছিল। আহমদ শফীর কাছে সরকারের মন্ত্রী, সাংসদ ও উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের যাতায়াত ছিল।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, আহমদ শফীর মৃত্যুর পর জুনায়েদ বাবুনগরীকে আমির করে হেফাজতের যে কমিটি হয়, সেটা সরকারের মনঃপূত ছিল না। কারণ, বাবুনগরী সরকারি মহলের পছন্দের তালিকায় ছিলেন না। তাঁর কমিটিতে সরকারঘনিষ্ঠ নেতাদের রাখা হয়নি। ফলে আহমদ শফীর ছেলে আনাস মাদানি ও তাঁর অনুসারীরা ক্ষুব্ধ ছিলেন। এখন ওই অংশটিও তৎপর হয়েছে কমিটি পুনর্গঠনে। এঁদের অন্যতম হেফাজতের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মাঈনুদ্দীন রুহী। তিনি গতকাল মঙ্গলবার বলেন, ‘হেফাজতে ইসলাম যদি আল্লামা শফীর নীতি-আদর্শের মধ্যে না আসে, তাহলে এই হেফাজতের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমি শঙ্কিত।’

মাঈনুদ্দীন রুহীসহ হেফাজতের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মুফতি ফয়জুল্লাহ, সাবেক সহকারী মহাসচিব হাসানাত আমিনী ও আলতাফ হোসাইন গত রোববার রাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের সঙ্গে তাঁর বাসায় গিয়ে সাক্ষাৎ করেন। এর মধ্য দিয়ে এই অংশের গুরুত্ব দৃশ্যমান হলো। বৈঠক সম্পর্কে মাঈনুদ্দীন রুহী বলেন, ‘আমরা ইসলামী ঐক্যজোটের ব্যাপারে কথা বলেছি। এ ছাড়া রোজার মধ্যে যাতে কোনো নিরীহ আলেম এবং মাদ্রাসাগুলোতে হয়রানি না করা হয়, সে জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছি।’

সর্বশেষ গতকাল রাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন হেফাজতের সদস্যসচিব নুরুল হক জিহাদীসহ আরেক দল নেতা।

হেফাজত-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, সরকার হেফাজতের বর্তমান নেতৃত্বকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিতে না পারলেও তাঁদের মধ্যে হয়তো একটা ফাটল ধরাতে পারবে। কিন্তু এর শেষ ফল কী হবে, তা আগাম বোঝা মুশকিল। তবে বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, মামলার চাপ ও চলমান গ্রেপ্তার ও হয়রানির ঘটনাগুলো কওমি মাদ্রাসার নতুন প্রজন্মকে আরও রাজনীতি ঘনিষ্ঠ করবে তুলবে।

সূত্র : প্রথম আলো

বৈঠকে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও হেফাজত নেতারা
                                  

অনলাইন ডেস্ক: দেশজুড়ে গ্রেপ্তার হওয়া নেতাদের ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ নিয়ে হেফাজতে ইসলামের ছয় নেতা আবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের সঙ্গে দেখা করেছেন।

মঙ্গলবার রাতে হেফাজতের বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব ও সাবেক কমিটির মহাসচিব নুরুল ইসলাম জিহাদীর নেতৃত্বে সংগঠনটির নেতারা মন্ত্রীর ধানমণ্ডির বাসভবনে প্রায় তিন ঘণ্টা বৈঠক করেন।

বৈঠকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান উপস্থিত ছিলেন। এতে হেফাজতের চট্টগ্রামের তিন জন এবং ঢাকার তিন জন নেতা অংশ নেন।

কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক দলটির নেতাদের মুক্তির পাশাপাশি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে মাদ্রাসা খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। এর আগে হেফাজত নেতাদের পুলিশ গ্রেপ্তার করতে শুরু করলে ১৯ এপ্রিলও তারা মন্ত্রীর কাছে গিয়েছিলেন।

মঙ্গলবার রাতের বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে ধর্মী প্রতিমন্ত্রী বলেন, “তারা (হেফাজত নেতা) অনেক কথা বলছেন। তাদের নেতাকর্মীদের ছেড়ে দিতে অনুরোধ করেছেন। তারা বলেছেন, কাজ করতে গিয়ে কিছু ভুল হয়েছে। আর অনুপ্রবেশকারীরা এসব কাজ (জ্বালাও পোড়াও, ভাংচুর) করেছে।“

আপনি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাদের কী বলেছেন জিজ্ঞাসা করলে ফরিদুল হক খান বলেন, “উনারা উনাদের কথা বলেছেন। আমরা বলেছি, ভিডিও ফুটেজ দেখে ধরা হচ্ছে। আবার সন্দেহ করে কাউকে ধরলেও ছেড়ে দেওয়া হয়।“

যেসব নেতা এসেছিলেন তাদের নামে মামলা আছে কিনা জানতে চাইলে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, “মনে হয় নেই। থাকলে তো আসতে….।“

বৈঠক শেষে হেফাজতের বর্তমান কমিটির সদস্য সচিব নুরুল ইসলাম জিহাদী জানান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে গ্রেপ্তার নেতাকর্মীদের মুক্তি এবং মাদ্রাসা খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

হেফাজতের নেতারা মঙ্গলবার রাত ৯টা ২০ মিনিটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ধানমণ্ডির বাসভবনে ঢোকেন। বের হয়ে আসেন রাত ১২টার দিকে।

নুরুল ইসলাম জিহাদীর ছেলে মাওলানা রাশেদ বলেন, চট্টগ্রামের তিন নেতার পাশাপাশি তার বাবাসহ অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান ও মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী মন্ত্রীর বাসায় গিয়েছিলেন।

এর আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফ মাহমুদ অপু জানান, হেফাজতের নেতা নুরুল ইসলাম জিহাদী, মুফতি মাওলানা জসিমউদ্দীন, মাওলানা ইয়াহিয়া, অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান, মাওলানা মাইনুদ্দিন, মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী এসেছিলেন।

“ধর্মপ্রতিমন্ত্রী ছাড়া তারা ছয়জন এসেছিলেন। মন্ত্রী মহোদয়ের সঙ্গে কথা বলেছেন।“

এর আগে ১৯ এপ্রিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন কওমি মাদ্রাসাভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামের নেতারা। ওই বৈঠকেও ছিলেন আহ্ববায়ক কমিটির সদস্য সচিব নুরুল ইসলাম জিহাদী।

ওই সময় স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সফরের বিরোধিতার করে বিক্ষোভকালে সহিংসতার অভিযোগে হেফাজতের নেতাদের গ্রেপ্তার করছিল পুলিশ। গণ গ্রেপ্তার বন্ধের দাবিতে ১৯ এপ্রিল রাতে হেফাজত নেতারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় যান।

ওই বৈঠকের সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, হেফাজতের নেতা কর্মীদের যাতে গণগ্রেপ্তার করা না হয় সেই বিষয়ে বলেছেন। মন্ত্রী তখন তাদের জানিয়েছেন কোনো গণগ্রেপ্তার হচ্ছে না। যারা অপরাধী তাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।

দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় থাকা হেফাজতের নেতারা গত বছরের শেষ দিকে ঢাকায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপনের বিরোধিতায় নেমে ফের আলোচনায় আসেন। সংগঠনটির নেতা মামুনুল হক ভাস্কর্য ভেঙে ফেলার হুমকি দিয়েছিলেন। পরে তিনি হেফাজতের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিবের পদ পাওয়ার পাশাপাশি ঢাকা কমিটির সাধারণ সম্পাদকও হন।

গত মাসের শেষ দিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সফরের বিরোধিতায় নেমে নতুন করে আলোচনায় আসে হেফাজত। সংগঠনটির বিক্ষোভ ও হরতালে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রামে সহিংসতায় বেশ কয়েকজন নিহত হয়।

এরপর অর্ধশত মামলার পর মামুনুলসহ হেফাজতের ডজন খানেক কেন্দ্রীয় নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করা হচ্ছে।

পুলিশের দাবি, হেফাজত নেতারা নাশকতার বড় ধরনের পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছিলেন, যার চূড়ান্ত লক্ষ্য ছিল রাষ্ট্রক্ষমতা দখল।

এনিয়ে চাপে থাকার মধ্যে গত ২৫ এপ্রিল রাতে দলটির আমির জুনাইদ বাবুনগরী হেফাজতের কেন্দ্রীয় কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে পাঁচ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করেন।

সূত্র : বিডিনিউজ

বেগম খালেদা জিয়ার শ্বাসকষ্ট মুক্তি পেতে বিএনপির বিভিন্ন মসজিদে দোয়া কামনা
                                  

মিয়া আবদুল হান্নান : করোনায় আক্রান্ত হয়ে শ্বাসকষ্ট বেড়ে সিসিইউতে ভর্তি হওয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি`র চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও সুস্থতা কামনায় চট্টগ্রাম মহানগর ও রাজধানী ঢাকার কেরানীগঞ্জে বিভিন্ন মসজিদে বিএনপির উদ্যোগে ৪ মে ২০২১ মঙ্গলবার বাদে জোহর নগরীর জমিয়তুল ফালাহ জামে মসজিদে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। দোয়া মাহফিলে করোনায় আক্রান্ত হয়ে সিসিইউতে চিকিৎসাধীন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘায়ু, শারীরিক সুস্থতা ও রোগমুক্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পাশাপাশি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোসহ মৃত্যুবরণকারী নেতাকর্মীদের রুহের মাগফেরাত কামনা এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও অসুস্থ নেতাকর্মীদের রোগমুক্তি কামনা করে দোয়া করা হয়।

তাছাড়া কারাবন্দি ডা.শাহাদাত হোসেনসহ গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীদের মুক্তি ও মিথ্যা মামলায় হয়রানীর শিকার বিএনপি নেতা মাহবুবের রহমান শামীম, আবুল হাশেম বক্কর ও আবু সুফিয়ান সহ নেতাকর্মীদের জন্যও দোয়া করা হয়। দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক আলহাজ্ব এম এ আজিজ, যুগ্ম আহবায়ক সৈয়দ আজম উদ্দীন, শফিকুর রহমান স্বপন, কাজী বেলাল উদ্দীন, ইসকান্দর মির্জা, আবদুল মান্নান, সদস্য মাহবুবুল আলম, ইকবাল চৌধুরী, এস এম আবুল ফয়েজ, মনজুর আলম চৌধুরী মঞ্জু, মো.কামরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় শ্রমিকদলের উপদেষ্টা শামসুল আলম (ডক), থানা বিএনপির সভাপতি মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন, মো. সালাউদ্দীন, মো. সেকান্দর, সাধারণ সম্পাদক হাজী বাদশা মিয়া, আবদুল কাদের জসিম, রোকন উদ্দীন মাহমুদ, নগর বিএনপি নেতা আবদুল হালিম স্বপন, মো. ইদ্রিস আলী, ওয়ার্ড় বিএনপির সভাপতি কাজী শামসুল আলম, রফিক উদ্দীন চৌধুরী, হুমায়ুন কবির সোহেল, ফারক আহমেদ, মোহাম্মদ আসলাম, মোহাম্মদ আজম, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম মুন্সী, হাসান উসমান চৌধুরী, আবু সাহেদ হারুন, আবু ফয়েজ, বিএনপিনেতা গিয়াস উদ্দীন ভূঁইয়া, জাকির হোসেন, মো. সালাউদ্দীন, সৈয়দ মো. উসমান, সাহাবুদ্দীন সাবু, মোজাম্মেল হক হাসান, আবদুল হালিম, এম এ নাছের, নগর যুবদলের আসাদুর রহমান টিপু, মো. সালাউদ্দীন, আবুল হোসেন, নগর ছাত্রদলনেতা মোহাম্মদ পারভেজ প্রমূখ।রোগমুক্তির কামনায় দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন শ্রমিকদল আয়োজিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শ্বাসকষ্টের আশু রোগমুক্তির ও সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল গতকাল সোমবার বাদ আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানী ঢাকার সাভার উপজেলার তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড রাজাঘাট জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক উপদেষ্টা আলহাজ আমান উল্লাহ আমানের করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে আশু রোগমুক্তি কামনায় দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। কেরানীগঞ্জ মডেল উপজেলা বিএনপি ও তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক -আতিকুর রহমান রুবেল পাশা, কেরানীগঞ্জ মডেল উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক - সাইদুর রহমান মুন্সী , সাবেক ছাত্রনেতা,তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি-মোঃ রাজু আহমেদ, সাবেক ছাত্রনেতা,তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন বিএনপির দপ্তর সম্পাদক,এইচ এম মাসুদ রানা। তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের শ্রমিক দলের সভাপতি মোঃ আইয়ুব আলী কুটির সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন , বি এন পি নেতা মোঃ সুমন হোসেন, মোঃ মোহন বাদশা, মোঃ রতন শেখ, আমির হোসেন প্রমুখ। আরো উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির অংগসংঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী সহ স্থানীয় মুসল্লীকেরামগন উপস্থিত ছিলেন।

খালেদার জিয়ার মেডিকেল বোর্ড বসছে
                                  

অনলাইন ডেস্কঃ হাসপাতালে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়া স্বাস্থ্য পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য মেডিকেল বোর্ড বসছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে দেখে এসে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন একথা জানান।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, “ম্যাডামের অবস্থা আলহামদুলিল্লাহ। উনার পরীক্ষা-নিরীক্ষার সব রিপোর্টগুলো নিয়ে ১০ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড দুপুরে বসছেন। এরপর সব কিছু জানানো যাবে।”

সোমবার সকালের দিকে শ্বাসকষ্ট অনুভব করলে বিকালে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সিসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ শাহাবুদ্দিন তালুকদারের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন তিনি।

গত ২৭ এপ্রিল গুলশানের ওই হাসপাতালে ভর্তির পরদিনই তার জন্য ১০ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে।

এই মেডিকেল বোর্ডে বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিতসক টিমের প্রধান অধ্যাপক এফএম সিদ্দিকী, অধ্যাপক এজেডেএম জাহিদ হোসেন ও ডা. মোহাম্মদ আল মামুন রয়েছেন।

সুত্র ঃ বিডিনিউজ২৪

খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন
                                  

অনলাইন ডেস্কঃ রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিতে চায় তার পরিবার।

বিএনপির একটি সূত্র জানায়, খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্যরা চান তার চিকিৎসা সিঙ্গাপুর বা বিদেশে হোক। তারা এ ব্যাপারে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করার জন্য বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অনুরোধ করেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার রাতেই মির্জা ফখরুল ইসলাম ফোনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের সঙ্গে কথা বলেন। বিএনপি মহাসচিব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানান এবং তাকে বিদেশে নিতে পরিবারের ইচ্ছার কথা তুলে ধরেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বিএনপি মহাসচিবকে জানিয়েছেন যে, বিষয়টি সরকারের নয়, আদালতের এখতিয়ার। তিনি এ ব্যাপারে আদালতে আবেদন করার পরামর্শ দেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় আবারও তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে সিসিইউতে নেওয়া হয়েছে। তবে তিনি স্বাভাবিকভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।

সোমবার বিকালে খালেদা জিয়াকে সিসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। পরে রাতে হাসপাতালের সামনে খালেদা জিয়ার মেডিকেল টিমের সদস্য অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পারছেন। সকালের দিকে খালেদা জিয়া শ্বাসকষ্ট অনুভব করেন। চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সম্মিলিত সিদ্ধান্তে তাকে সিসিইউতে নেন। হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের বোর্ড খালেদা জিয়ার চিকিৎসা করছে।

সূত্র : সমকাল

কিশোরগঞ্জে চার হেফাজত কর্মী গ্রেফতার
                                  

অনলাইন ডেস্ক: কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে নাশকতার মামলায় চার হেফাজত কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারের পর সোমবার (৩ মে) তাদেরকে কিশোরগঞ্জের আদালতে প্রেরণ করা হয়।

গ্রেফতারকৃত চার হেফাজত কর্মী হচ্ছে, উপজেলার জালালপুর নদীর বাধেঁর নুরুল ইসলামের ছেলে মো. কামাল (৩২), মুমুরদিয়া ইউনিয়নের মানিক মিয়ার ছেলে ফজলে রাব্বি (৩২), পার্শ্ববর্তী পাকুন্দিয়া উপজেলার সামসুদ্দিনের ছেলে জাকির হোসেন (৩৫) ও আব্দুল মতিনের ছেলে ইব্রাহিম (৩৫)।

কটিয়াদী থানার ওসি এসএম শাহাদাত হোসেন জানান, নাশকতাসহ বিভিন্ন মামলায় অপরাধীদের গ্রেফতার অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। এর অংশ হিসেবে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

সূত্র : বিডি২৪লাইভ

খালেদার শ্বাসকষ্ট বেড়েছে, সিসিইউতে স্থানান্তর
                                  

মিয়া আবদুল হান্নান : শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় করোনা আক্রান্ত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সোমবার (০৩ মে) বিকেলে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেলে তাকে সিসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।

বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শামসুদ্দিন দিদার সময় সংবাদকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এরআগে খালেদা জিয়ার বিষয়ে শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এজেডএম জাহিদ জানান, বেগম জিয়ার আরও কয়েকটি পরীক্ষা করাতে হবে। সব পরীক্ষা শেষ হতে আগামী সোমবার পর্যন্ত লাগতে পারে। সব পরীক্ষা শেষে রিপোর্ট পর্যালোচনার পর তাকে বাসায় নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে বলেও জানান তিনি।

এছাড়া বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) খালেদা জিয়ার বেশ কয়েকটি পরীক্ষা করা হয় বলে জানান তার আরেক ব্যক্তিগত চিকিৎসক আল মামুন।

গত ২৭ এপ্রিল খালেদা জিয়াকে গুলশানের বাসা থেকে রাতে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি হাসপাতালের কার্ডিওলজিস্ট ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদারের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন।

চলতি বছরের ১০ এপ্রিল খালেদা জিয়ার করোনা শনাক্ত হয়। এরপর থেকে গুলশানের বাসা `ফিরোজা`য় চিকিৎসক টিম গঠন করে অধ্যাপক ডা. এফএম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে চিকিৎসা শুরু হয়। করোনা আক্রান্তের ১৪ দিন পার হওয়ার পর আবারও খালেদা জিয়ার নমুনা পরীক্ষা করা হয়; কিন্তু ফল করোনা পজিটিভ আসে। পরে তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

৯০ দিনের মধ্যে হচ্ছে না সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচন
                                  

অনলাইন ডেস্ক: কোভিড পরিস্থিতির কারণে প্রথম ৯০ দিনের মধ্যে সিলেট-৩ আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। নির্বাচন কমিশন থেকে এ বিষয়ে ইতোমধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে। কোনও সংসদীয় আসন শূন্য হলে সংবিধান অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে ভোট হওয়ার কথা রয়েছে।

দৈব-দুর্বিপাকের কারণে এ সময়ের মধ্যে ভোট করতে না পারলে সিইসি তার ক্ষমতা বলে ৯০ দিন পেছাতে পারে। এ হিসেবে সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচন ৮ জুনের মধ্যে ভোটটি না হয়ে ৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করবে ইসি।

ইসির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার উপ-সচিব মো. আতিয়ার বলেন, জাতীয় সংসদের কোনও আসন শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হয়। এক্ষেত্রে সিলেট-৩ আসনটি শূন্য হয় গত ১১ মার্চ। অর্থাৎ সংবিধান অনুযায়ী ৮ জুনের মধ্যে ভোট করার বিধান রয়েছে। কিন্তু করোনা মহামারিকে ‘দৈব-দুর্বিপাক’ দেখিয়ে এ নির্বাচনের জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) আরও ৯০ দিন সময় নিলেন, যে এখতিয়ার সংবিধানেই দেওয়া আছে।

এরই মধ্যে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে তা মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রী মুখ্য সচিবসহ সংশ্লিষ্ট সব দফতরে অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, সংসদ সদস্য মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করায় এ আসনটি শূন্য হয়।

সূত্র : সিলেটভিউ২৪

`দখলদারদের সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে`
                                  

অনলাইন ডেস্কঃ `আমাদের দুর্ভাগ্য ৫০ বছর পরও দেশের এরকম ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি দেখতে হচ্ছে। এ থেকে মুক্তি পেতে অবশ্যই নিরপেক্ষ সুষ্ঠু অবাধ নির্বাচন হতে হবে। যারা ক্ষমতা দখল করে আছে তাদের সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।`

আজ রবিবার (২ মে) দুপুরে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিএনপির স্থায়ী কমিটির শনিবারের বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, `বর্তমান সরকার মাফিয়াদের নিয়ে দেশ চালাচ্ছে। প্রত্যেকটি ক্ষেত্রেই মাফিয়ারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে`। তিনি বলেন, `বাংলাদেশের পরিণতি যে এটা হবে, সেটা আগে কখনও কল্পনাও করতে পারিনি। আমাদের দুর্ভাগ্য ৫০ বছর পরেও আমাদের এরকম একটা ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি দেখতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে হলে অবশ্যই একটা নিরপেক্ষ সুষ্ঠু অবাধ নির্বাচন হতে হবে। সেই সুষ্ঠু অবাধ নির্বাচন করার জন্য একটি নিরপেক্ষ সরকার দরকার হবে। এজন্য জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে যারা ক্ষমতা দখল করে আছে তাদের সরিয়ে সত্যিকার অর্থে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে`।

শ্রমিক ও নিম্ন আয়ের মানুষের দুর্দশার কথা উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল আরো বলেন, দেশে প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক কোটি শ্রমিকের বহুমুখী কল্যাণে এই অনির্বাচিত সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা, শ্রমিকদের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থানের নিশ্চয়তা প্রদান, শ্রমিকদের স্বাস্থ্যসেবা ও তাদের সন্তানদের উপযুক্ত শিক্ষা নিশ্চিত করতে পারেনি সরকার। বিশেষ করে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ফলে লকডাউনে চাকরিচ্যুতি, বেতন না পাওয়া, শ্রমিকদের মানবেতর জীবনের দিকে ঠেলে দিয়েছে।

অবিলম্বে সবধরনের শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণ, কর্মের নিশ্চয়তা ও লকডাউনে কর্মচ্যুত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ, খাদ্য সহায়তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান ফখরুল। বিএনপির প্রস্তাবিত প্রণোদনা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক শ্রমিকদের কমপক্ষে তিন মাসের জন্য ১৫ হাজার টাকা হারে এককালীন অনুদান দেওয়ার করার আহ্বান জানান তিনি।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, `শনিবার দলের স্থায়ী কমিটির ভার্চ্যুয়াল সভায় ভ্যাকসিনের অভাবে হঠাৎ করে টিকাদান কার্যক্রম বন্ধ করায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। সভা মনে করে সব বিষেশজ্ঞ এবং বিএনপি এই বিষয়ে প্রথম থেকেই সরকারকে সতর্ক করেছে। কিন্তু সরকার কোনো কর্ণপাত না করে সরকারের নিজস্ব দুর্নীতি পরায়ন কম্পানির মাধ্যমে শুধু ভারত থেকে একটি কম্পানির ভ্যাকসিন সংগ্রহ করতে কার্যক্রম নেওয়ায় করায় আজ সমগ্র জাতি বিপদগ্রস্ত হয়েছে।`

বিএনপি মহাসচিব জানান, সভায় সম্প্রতি ভারত কর্তৃক একতরফাভাবে অক্সিজেন রপ্তানি বন্ধের ঘোষণায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। বিশেষ করে করোনা রোগীর চিকিৎসার জন্য অত্যন্ত জরুরি অক্সিজেন রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্ত কোনমতেই বন্ধুসুলভ আচরণ হতে পারে না। ইতোপূর্বেও বাংলাদেশের জরুরি প্রয়োজনের সময় বিভিন্ন জরুরি পণ্যের রপ্তানি একতরফাভাবে বন্ধ করায় বাংলাদেশের চরম বিপদাপন্ন হয় বলে সভা মনে করে।

সভায় শুধুমাত্র ভারতের ওপর নির্ভর না করে বিকল্প উৎস থেকে অক্সিজেনসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয় এবং দেশে অক্সিজেন উৎপাদনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয় বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন মির্জা ফখরুল।

সুত্র ঃ কালের কন্ঠ

সমালোচকরা মানুষের জন্য কী করেছেন, জানতে চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
                                  

অনলাইন ডেস্কঃ সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে বিরোধী দলগুলোর যারা সমালোচনা করছেন, মহামারীর মধ্যে তারা নিজেরা কতজনকে সাহায্য করেছেন, সেই হিসাব পত্রিকায় দিতে বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বিএনপি নেতাদের সমালোচনা করে তিনি বলেছেন, প্রতিদিন যারা ‘সরকার উৎখাতের’ জন্য বক্তৃতা-বিবৃতি দেয়, মহামারীর এই দুঃসময়ে মানুষের পাশে তাদের ‘দেখা যাচ্ছে না’। 

রোববার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দরিদ্র ও অসহায় মানুষকে মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবার মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা কার্যক্রমের দ্বিতীয় পর্যায়ের উদ্বোধন করে এ কথা বলেন সরকার প্রধান।

এই কার্যক্রমের আওতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঈদ উপহার হিসেবে সাড়ে ৩৬ লাখ নিম্ন আয়ের মানুষ আড়াই হাজার টাকা করে সহায়তা পাবেন। উদ্বোধনের দিনই ২২ হাজার ৮৯৫ জনের কাছে সহায়তার টাকা পৌঁছে গেছে।  

অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেন, করোনা ভাইরাস মহামারীর মধ্যে তার দল আওয়ামী লীগ এবং সহযেগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। তবে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের ততটা উদ্যোগ তিনি দেখছেন না। 

“অনেকেই শক্তিশালী বিরোধী দল চায়। আমরাও তো বিরোধী দলে ছিলাম। আমরা বিরোধী দলে থাকতে সব সময় যে কোনো দুর্যোগ, দুর্বিপাকে সবার আগে আওয়ামী লীগ ছুটে যেত মানুষের পাশে। এটাই বিরোধী দলের কাজ।

“কিন্তু আজকে যারা নিজেদেরকে বিরোধী দল… বা প্রতিদিন সরকার উৎখাতের জন্য বক্তৃতা-বিবৃতি, আন্দোলনের নামে পোড়াও-জ্বালাও করে যাচ্ছে, দুর্যোগে মানুষের পাশে কোথায় তারা? কয়টা দুর্গত মানুষের মুখে তারা খাবার তুলে দিয়েছে? কয়টা মানুষের পাশে তারা দাঁড়িয়েছে? কয়জন মানুষের কাফনের কাপড় কিনে দিয়েছে? কেউ নেই…।”

সরকারের সমালোচকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “নিজে কয়টা লোককে সাহায্য করেছেন? তার একটা হিসাব পত্রিকায় দিয়ে দেন। তাহলে মানুষ আস্থা পাবে, বিশ্বাস পাবে। সেটা হচ্ছে বাস্তবতা।”

তিনি বলেন, “সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ করে দিয়েছে এবং অনেকগুলো বেসরকারি টেলিভিশন করে দিয়েছে, রেডিও করে দিয়েছে, পাশপাশি বেসরকারিখাতে অনেকগুলো পত্রিকা হয়ে গেছে, এবং তারা বেশ ঘরে বসে বসে বিবৃতিই দিয়ে যাচ্ছেন।”

যারা সমাজে ‘বুদ্ধিজীবী’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন, তাদের সমালোচনা করে সরকারপ্রধান বলেন, “তাদের বুদ্ধিটা যখন খোলে এবং তারা পরামর্শ দেন, তার আগেই কিন্তু আমাদের সরকার আওয়ামী লীগ এই ব্যাপারে যথাযথ পদক্ষেপ নিয়ে নেয়।”

সরকার যখন মানুষের কল্যাণে সব পরিকল্পনা গুছিয়ে আনে বা বাজেটে কোন কোন খাতের উপর বেশি গুরুত্ব দেবে, তা যখন চূড়ান্ত হয়ে যায়, তখন সেই বুদ্ধিজীবীদের ‘দুই একটা বুদ্ধি খোলে’ বলেও মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, “আমাদের যেই কাজগুলো, সেইগুলো আবার তারা আমাদেরকে পরামর্শ দেন। তো ঠিক আছে। তারা বুদ্ধিজীবী, তাদের এত বুদ্ধি, বুদ্ধি বেচেই জীবন যাপন করবেন। কাজেই তাদের পরামর্শের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।”

সরকার বুদ্ধিজীবীদের পরামর্শের জন্য বসে না থেকে মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করে যাচ্ছে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কারণ এই দেশটা আমাদের। এই দেশটা আমার বাবা স্বাধীন করে দিয়ে গেছেন। রাজনীতি আমাদের জনগণের জন্য, জনগণের কল্যাণের জন্য। এই কথাটা আমরা ভুলি না।”

এ প্রসঙ্গে আবারও বিরোধী দলগুলোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, “অন্যান্য রাজনৈতিক গোষ্ঠী বা দল বা যারাই আছেন, প্রতিদিন কীভাবে সরকার উৎখাত করবে, সেই চিন্তা ভাবনা করেন, তাদেরকে কিন্তু এটা করতে হলে বা শক্তিশালী বিরোধী দল গড়তে হলে মানুষের জন্য কাজ করতে হবে। মানুষের বিশ্বাস, আস্থা অর্জন করতে হবে।”

বিএনপির রাজনৈতিক ইতিহাস তুলে ধরতে গিয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বলেন, “১৯৭৫ সালে জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা ও জাতীয় চার নেতাকে হত্যার পর তারা ভেবেছিল, আওয়ামী লীগ আর কখনো ক্ষমতায় আসতে পারবে না। অপরাধ কী ছিল? আওয়ামী লীগ স্বাধীনতা এনে দিয়েছিল। এটাই তো অপরাধ ছিল?”

আওয়ামী লীগ আবার সরকারে ফেরার পর এদেশের মানুষ আবার ‘সেবা পাচ্ছে’ মন্তব্য করে তিনি বলেন, “এদেশের মানুষ যদি কিছু পেয়ে থাকে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই পেয়েছে। এদেশটার উন্নতি কীভাবে করতে হবে এটা আওয়ামী লীগ জানে, আওয়ামী লীগই করে যাচ্ছে।”

সরকারপ্রধান অনুষ্ঠানে সমাজের বিত্তশালীদেরও এই দুর্দিনে জনগণের পাশে দাঁড়ানের আহ্বান জানান। পাশাপাশি দেশবাসীকে স্বাস্থ্যবিষয়ক নির্দেশনাগুলো মেনে চলার আহ্বান জানান।

ভোলা, জয়পুরহাট ও চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে স্থানীয় সংসদ, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও উপকারভোগীরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন।

সুত্রঃ  বিডিনিউজ২৪

টেলিভিশনের পর্দায় দেখা গেলেও জনগণের পাশে তারা নেই : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী
                                  

অনলাইন ডেস্ক : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন বিএনপি ও তাদের মিত্রদের টেলিভিশনের পর্দায় দেখা গেলেও জনগণের পাশে তারা নেই।

তিনি বলেন, ‘মাঝে মধ্যে তাদের ঢাকা শহরে প্রেস ক্লাবের সামনে দেখা যায়, নয়াপল্টনে সংবাদ সম্মেলন করার জন্য দেখা যায়, আর বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে দেখা যায়। অথবা ঘর থেকে অনলাইনে সংযুক্ত হয়ে সরকারের সমালোচনা করেন তারা। আমরা কি কাজ করছি সেটাতে কোন ভুল আছে কিনা শুধু সেটা খুঁজে বেড়ান। তারা শুধু ভুল ধরে। নিজেরা কোন কাজ করে না, তাই আমি তাদের নাম দিয়েছি, ভুল ধরা পার্টি। এই ধরণের ভুল ধরা পার্টি রাঙ্গুনিয়ায়ও আছে। তাদেরকে এখন দেখা যাচ্ছে না, ভোট আসলে দেখা যাবে, তখন তাদের জিজ্ঞেস করতে হবে এতদিন কোথায় ছিলেন ।
মন্ত্রী আজ চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় ব্যক্তিগত উদ্যোগে করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট লকডাউন পরিস্থিতিতে খেটে খাওয়া দিনমজুর ও দরিদ্রদের মাঝে খাদ্র্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
রাঙ্গুনিয়া পৌরসভাস্থ মরহুম এডভোকেট নুরুচ্ছফা তালুকদার অডিটোরিয়ামে তথ্য মন্ত্রীর পারিবারিক দাতব্য প্রতিষ্ঠান এনএনকে ফাউন্ডেশন খাদ্য সামগ্রী বিতরণের আয়োজন করে। এদিন রাঙ্গুনিয়া পৌরসভা, চন্দ্রঘোনা, মরিয়মনগর, পদুয়া ও শ্রীপুর-খরন্ধীপ ইউনিয়নের দুই হাজার পরিবারে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আওয়ামী লীগ খেটে খাওয়া ও মেহনতি মানুষের দল। গরীব মানুষ ভোট দিয়ে আমাদের দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে, তাই আমাদের দল গরীব মানুষের কথা ভাবে, অনেকে গরীব মানুষের কথা ভাবেনা। আমাদের দল এবং সরকার জনগণের পাশে আছে এবং থাকবে। অন্য কেউ নাই, তারা শুধু গলা ফাটায়। করোনার প্রথম ঢেউ যখন বাংলাদেশে আঘাত হানে তখন সরকারের পক্ষ থেক সাত কোটির বেশি মানুষকে ত্রাণ দেয়া হয়েছিল। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ১ কোটি ২৫ লাখ মানুষকে ত্রাণ সহায়তা দেয়া হয়। এরবাইরেও অনেকে ব্যক্তিগত ভাবে ত্রাণ দিয়েছিলেন।’
তিনি বলেন, করোনার ২য় ঢেউ এবার পূর্ব মহাদেশে আঘাত হেনেছে, ভারতের অবস্থা অত্যন্ত করুন। বাংলাদেশও এই ঢেউ থেকে মুক্ত থাকেনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনার ২য় ঢেউ থেকে মানুষকে রক্ষা করার জন্য কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করেছেন। এই কারণে যারা প্রাত্যহিক উপার্জনের উপর নির্ভরশীল, দিনমজুর, খেটে খাওয়া মানুষ, তাদের অনেকের অসুবিধা হচ্ছে। সেই কথা বিবেচনা করে সরকারের পক্ষ থেকে আবারও ব্যাপক ত্রাণ তৎপরতা শুরু করা হয়েছে। কোটি কোটি মানুষের কাছে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। এমনকি যারা চাইতে পারেন না, বলতে পারেন না তাদের জন্য বিশেষ টেলিফোন নাম্বার চালু করে তাদের বাড়ি বাড়ি খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেয়া হচ্ছে।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, ‘করোনার প্রথম দফায় যখন লকডাউন ঘোষণা করা হয় তখন এই রাঙ্গুনিয়ায় হাজার হাজার মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী দেওয়া হয়েছিল আমাদের পারিবারিক দাতব্য প্রতিষ্ঠান এনএনকে ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে। ২য় দফায় আবার লকডাউন ঘোষণা করায় ইতিমধ্যে কয়েক হাজার মানুষকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এদফায় এনএনকে ফাউন্ডেশন এবং পরিবারের পক্ষ থেকে ১০ হাজার পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা দেয়া হবে। প্রয়োজনে এসংখ্যা আরো বাড়ানো হবে। ’
ড. হাছান বলেন, সরকার এবং প্রধানমন্ত্রীর তরফ থেকে পৌরসভা এবং বিভিন্ন ইউনিয়নের জন্য কিছু বরাদ্দ এসেছে, সেগুলো দিয়ে খাদ্য সামগ্রী কিনে জনগণের মাঝে বিতরণ করা হবে। সেখানেও রাঙ্গুনিয়ার ১১ হাজারের বেশি পরিবারকে সহায়তা দেয়া হবে। শুধু তাই নয়, বঙ্গবন্ধু কন্যা নির্দেশ দিয়েছেন জনগণের পাশে থাকার জন্য। সেকারণে সমগ্র বাংলাদেশে আমাদের দলের নেতৃত্বে সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ কৃষকের ধান কেটে দিচ্ছেন। সেই ধান আবার তাদের বাড়ি পৌঁছে দেয়া হচ্ছে।
এনএনকে ফাউন্ডেশনের সমন্বয়কারী আবদুর রউফ মাষ্টারের সভাপতিত্বে ও এমরুল করিম রাশেদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান স্বজন কুমার তালুকদার, ইউএনও মাসুদুর রহমান, মেয়র শাহজাহান সিকদার, রাঙ্গুনিয়া সার্কেলের এএসপি আনোয়ার হোসেন শামীম, আওয়ামী লীগ নেতা মুহাম্মদ আলী শাহ, কামরুল ইসলাম চৌধুরী, আবুল কাশেম চিশতি, নজরুল ইসলাম তালুকদার, ইদ্রিছ আজগর, শফিকুল ইসলাম, জামাল উদ্দিন, ইঞ্জিনিয়ার শামসুল আলম তালুকদার, আবদুল মোনাফ সিকদার, গিয়াস উদ্দিন খাঁন স্বপন, মাস্টার আসলাম খান, আক্তার খাঁন, আক্তার কামাল প্রমুখ। বাসস

হাসপাতালে রওশন এরশাদ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : জাতীয় পার্টির (জাপা) চিফ প্যাট্রন (প্রধান পৃষ্ঠপোষক) ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) রাতে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) তাকে ভর্তি করানো হয়। প্রচণ্ড গরমে পানিশূন্যতা হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

রওশন এরশাদের ব্যক্তিগত সহকারী মামুন হাসান বলেন, ম্যাডামের করোনা নেগেটিভ। গরমে ম্যাডামের তার ডি হাইড্রেশন হয়েছিল। তাই সিএমএইচে ভর্তি করা হয়। এখন তিনি অনেকটাই সুস্থ। আশা করা যাচ্ছে, শুক্রবারের মধ্যেই তিনি বাসায় ফিরবেন।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেন, "রওশন এরশাদকে সিএমএইচে (সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল) ভর্তি করা হয়েছে বলে শুনেছি। শুক্রবার বিস্তারিত জানতে পারবেন।"

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল
                                  

মিয়া আবদুল হান্নান : করোনা আক্রান্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক আল মামুন। বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) তার বেশ কয়েকটি পরীক্ষা করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

বিকেলে হাসপাতালে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করে গণমাধ্যমে এ তথ্য জানান ডা. আল মামুন।

তিনি জানান, সব পরীক্ষা শেষ করে বেগম জিয়ার হাসপাতাল ছাড়তে সময় লাগবে আরও দুই থেকে তিনদিন। আগামী সপ্তাহে তৃতীয়বারের মতো তার কোভিড পরীক্ষা করানো হবে বলেও জানান তিনি।

এর আগে বুধবার (২৮ এপ্রিল) খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা জানান, বেগম খালেদা জিয়াকে কতদিন হাসপাতালে থাকতে হবে, তা নিশ্চিত নয়। আরও কিছু পরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণের পর তিনি (খালেদা জিয়া) কবে নাগাদ বাসায় ফিরবেন, সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

গত ১০ এপ্রিল বেগম জিয়া করোনা পজিটিভ হন। তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা বলছেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। করোনার কোনো উপসর্গ নেই তার। এরপর গত শনিবার (২৪ এপ্রিল) দ্বিতীয় ধাপে তার করোনা পরীক্ষা করা হলে ফলাফল আবারও পজিটিভ আসে।

সিটি স্ক্যানসহ বেশ কয়েকটি পরীক্ষার জন্য ২৭ এপ্রিল বেগম জিয়াকে গুলশানের বাসভব

ন থেকে নেওয়া হয় বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে। পরে সে রাতেই হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাকে।


   Page 1 of 96
     রাজনীতি
মানবিক কারণে বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দিবেন : মির্জা ফখরুল ইসলাম
.............................................................................................
নানামুখী বেফাঁস মন্তব্য করে এবার ফেঁসে যাচ্ছেন কাদের মির্জা!
.............................................................................................
খালেদা জিয়াকে লন্ডন নেয়া হতে পারে আজই
.............................................................................................
কঠিন সংকটে পড়েছে হেফাজত
.............................................................................................
বৈঠকে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও হেফাজত নেতারা
.............................................................................................
বেগম খালেদা জিয়ার শ্বাসকষ্ট মুক্তি পেতে বিএনপির বিভিন্ন মসজিদে দোয়া কামনা
.............................................................................................
খালেদার জিয়ার মেডিকেল বোর্ড বসছে
.............................................................................................
খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন
.............................................................................................
কিশোরগঞ্জে চার হেফাজত কর্মী গ্রেফতার
.............................................................................................
খালেদার শ্বাসকষ্ট বেড়েছে, সিসিইউতে স্থানান্তর
.............................................................................................
৯০ দিনের মধ্যে হচ্ছে না সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচন
.............................................................................................
`দখলদারদের সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে`
.............................................................................................
সমালোচকরা মানুষের জন্য কী করেছেন, জানতে চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
টেলিভিশনের পর্দায় দেখা গেলেও জনগণের পাশে তারা নেই : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী
.............................................................................................
হাসপাতালে রওশন এরশাদ
.............................................................................................
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল
.............................................................................................
সরকার করোনার চেয়ে বিরোধী দল দমনে বেশি সচেষ্ট : মাহমুদুর রহমান মান্না
.............................................................................................
হেফাজত নেতা মুফতি হারুন ইজহার গ্রেপ্তার
.............................................................................................
টিকা নিয়ে বিএনপি এখনও অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে : তথ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
শাপলা চত্বরের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটাতে চেয়েছিলো হেফাজত
.............................................................................................
পি কে হালদারের ঋণের টাকার ভাগ নেওয়ায় পদ হারিয়েছেন সাহিদ রেজা
.............................................................................................
হেফাজতে আস্থাশীল নেতৃত্ব চায় সরকার
.............................................................................................
কাদের মির্জার এবার সব ফাঁস করে দেয়ার হুমকি
.............................................................................................
খালেদা জিয়ার সিটি স্ক্যানের রিপোর্ট নিয়ে যা বললেন চিকিৎসক
.............................................................................................
টিকা পেতে ৩ দেশের সঙ্গে যোগাযোগ হচ্ছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তাণ্ডব, ২০ মাদ্রাসাছাত্র বহিষ্কার
.............................................................................................
খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য উন্নতির পথে: চিকিৎসক
.............................................................................................
বিএনপির দেয়া চিঠির ব্যাখা দিলেন মির্জা আব্বাস
.............................................................................................
মামুনুলের জব্দ ফোনে চমকপ্রদ তথ্য!
.............................................................................................
ভাঙচুর, নাশকতা ও হত্যা মামুনুলের উসকানিতেই
.............................................................................................
কওমি মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকদের রাজনীতি নিষিদ্ধ
.............................................................................................
হেফাজত থেকে আরও যারা পদত্যাগ করছেন
.............................................................................................
দ্বিতীয় নমুনা পরীক্ষাতেও খালেদা জিয়া করোনা পজেটিভ
.............................................................................................
ওবায়দুল কাদেরের বোনের বাসায় ককটেল হামলা
.............................................................................................
করোনায় মারা গেলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা
.............................................................................................
হেফাজতের নায়েবে আমির আবদুল হামিদের ২ ছেলে গ্রেপ্তার
.............................................................................................
মুখ খুলছেন হেফাজত নেতারা, মার্চের তান্ডবে বিএনপি অর্থায়ন করেছে : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী
.............................................................................................
`গণপরিবহন চালু করার চিন্তা করছে সরকার` : কাদের
.............................................................................................
ডা. জাহিদ খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে যা বললেন
.............................................................................................
‘আর রক্তপাত নয়, আর হানাহানি নয়’
.............................................................................................
হেফাজত নেতা মাওলানা সানাউল্লাহ গ্রেপ্তার
.............................................................................................
হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী গ্রেফতার
.............................................................................................
খালেদা-বাবুনগরীর গোপন বৈঠক ‘মিথ্যাচার’, দাবি হেফাজতের
.............................................................................................
আরো এক সপ্তাহ নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকবেন খালেদা জিয়া
.............................................................................................
চট্টগ্রামে নুরের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা
.............................................................................................
আলেম-ওলামা দেখে কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি: কাদের
.............................................................................................
হেফাজতের কেন্দ্রীয় সহকারি মহাসচিব আতাউল্লাহ গ্রেফতার
.............................................................................................
১০ বছরে হুইপ সামশুলের সম্পদ বেড়েছে ১৫০০ গুণের বেশি
.............................................................................................
‘কোনো দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন হেফাজতের উদ্দেশ্য নয়’
.............................................................................................
রিমান্ডে মুখ খুলতে শুরু করেছেন মামুনুল হক
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop