বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * তুরস্ক-সিরিয়ায় হতাহতদের স্মরণে জাতিসংঘে নীরবতা পালন   * ডেঙ্গু আক্রান্ত আরও ১১ জন হাসপাতালে   * ১২ ঘণ্টা না যেতেই তুরস্ক-সিরিয়ায় ফের শক্তিশালী ভূমিকম্প   * তুুরস্ক-সিরিয়ায় ভূমিকম্প: মৃতের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ১৫০০   * দেশের মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯৭ লাখ : বিআইডিএস   * ভূমিকম্পে তুরস্কে প্রাণহানি ১০ হাজার ছাড়াতে পারে: ইউএসজিএস   * ভূমিকম্পে কেবল তুরস্কেই নিহত ৯১২   * যত দ্রুত সম্ভব আমরা এই ট্রাজেডি কাটিয়ে উঠব: এরদোগান   * লাশ হয়ে ফিরলেন ৭১৪ নারী : ক্ষতিপূরণ চেয়ে হাইকোর্টে রিট   * তুরস্কে উদ্ধারকারী দল পাঠাবে নেদারল্যান্ডস  

   রাজনীতি -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
আমার মন্তব্য ছিল ফখরুলকে নিয়ে, হিরো আলম নয়: কাদের

অনলাইন ডেস্ক : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, হিরো আলমকে নিয়ে কোনো মন্তব্য ছিল না আমার, মন্তব্য ছিল বিএনপির মির্জা ফখরুলকে নিয়ে।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

এর আগে বগুড়া-৪ (নন্দীগ্রাম-কাহালু) আসনের উপ-নির্বাচনে লড়াই করেন হিরো আলম। তবে তিনি মহাজোটের প্রার্থী একেএম রেজাউল করিম তানসেনের কাছে মাত্র ৮৩৪ ভোটের ব্যবধানে হেরে যান। হিরো আলমের চমকে দেওয়া এই ফলাফল সারাদেশে আলোচনার জন্ম দেয়।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) কামরাঙ্গীরচরে এক সমাবেশে বগুড়ার নির্বাচন নিয়ে কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

সেখানে তিনি বলেন, ফখরুল সাহেব বলেছেন, রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে হিরো আলমকে হারানো হয়েছে। হায়রে মায়া! হিরো আলমের জন্য এত দরদ উঠলো ফখরুলের? ফখরুল ভেবেছিলেন হিরো আলম জিতে যাবে। হিরো আলম এখন জিরো হয়ে গেছে। তারা তো নির্বাচন চান নাই। হিরো আলমকে বিএনপি দাঁড় করিয়েছে। জাতীয় সংসদকে ছোট করার জন্য হিরো আলমকে প্রার্থী করেছে বিএনপি। অবশেষে ফখরুলের স্বপ্নভঙ্গ।

এরপর আজ সকালে এই বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের জানান, তিনি হিরো আলম নয়, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে নিয়ে কথা বলেছিলেন।

এদিকে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে চট্টগ্রামের ৮ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোসলেম উদ্দিন আহমেদের জানাজায় অংশ নেন ওবায়দুল কাদের।

জানাজা শেষে তিনি বলেন, মোসলেম উদ্দিন কর্মী থেকে নেতা হয়েছেন, দলের নিবেদিত প্রাণ হিসেবে বঙ্গবন্ধুর চেতনার সৈনিক। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত আওয়ামী লীগকেই লালন করেন তিনি। তার এমপি হওয়ার মতো শেষ স্বপ্ন শেখ হাসিনা পূরণ করেছেন।

জানাজায় আরও অংশগ্রহণ করেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, কীভাবে কর্মী থেকে নেতা হওয়া যায় তার কাছে (মোসলেম উদ্দিন) শেখার রয়েছে।

বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, চট্টগ্রামের রাজনীতিতে মোসলেম উদ্দিন একজন আইকন বা অথরিটি ছিলেন।

আমার মন্তব্য ছিল ফখরুলকে নিয়ে, হিরো আলম নয়: কাদের
                                  

অনলাইন ডেস্ক : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, হিরো আলমকে নিয়ে কোনো মন্তব্য ছিল না আমার, মন্তব্য ছিল বিএনপির মির্জা ফখরুলকে নিয়ে।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

এর আগে বগুড়া-৪ (নন্দীগ্রাম-কাহালু) আসনের উপ-নির্বাচনে লড়াই করেন হিরো আলম। তবে তিনি মহাজোটের প্রার্থী একেএম রেজাউল করিম তানসেনের কাছে মাত্র ৮৩৪ ভোটের ব্যবধানে হেরে যান। হিরো আলমের চমকে দেওয়া এই ফলাফল সারাদেশে আলোচনার জন্ম দেয়।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) কামরাঙ্গীরচরে এক সমাবেশে বগুড়ার নির্বাচন নিয়ে কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

সেখানে তিনি বলেন, ফখরুল সাহেব বলেছেন, রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে হিরো আলমকে হারানো হয়েছে। হায়রে মায়া! হিরো আলমের জন্য এত দরদ উঠলো ফখরুলের? ফখরুল ভেবেছিলেন হিরো আলম জিতে যাবে। হিরো আলম এখন জিরো হয়ে গেছে। তারা তো নির্বাচন চান নাই। হিরো আলমকে বিএনপি দাঁড় করিয়েছে। জাতীয় সংসদকে ছোট করার জন্য হিরো আলমকে প্রার্থী করেছে বিএনপি। অবশেষে ফখরুলের স্বপ্নভঙ্গ।

এরপর আজ সকালে এই বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের জানান, তিনি হিরো আলম নয়, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে নিয়ে কথা বলেছিলেন।

এদিকে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে চট্টগ্রামের ৮ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোসলেম উদ্দিন আহমেদের জানাজায় অংশ নেন ওবায়দুল কাদের।

জানাজা শেষে তিনি বলেন, মোসলেম উদ্দিন কর্মী থেকে নেতা হয়েছেন, দলের নিবেদিত প্রাণ হিসেবে বঙ্গবন্ধুর চেতনার সৈনিক। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত আওয়ামী লীগকেই লালন করেন তিনি। তার এমপি হওয়ার মতো শেষ স্বপ্ন শেখ হাসিনা পূরণ করেছেন।

জানাজায় আরও অংশগ্রহণ করেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, কীভাবে কর্মী থেকে নেতা হওয়া যায় তার কাছে (মোসলেম উদ্দিন) শেখার রয়েছে।

বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, চট্টগ্রামের রাজনীতিতে মোসলেম উদ্দিন একজন আইকন বা অথরিটি ছিলেন।

হিরো আলমকে অভিনন্দন জানাই, তিনি অনেক ভোট পেয়েছেন: তথ্যমন্ত্রী
                                  

অনলাইন ডেস্ক : উপ-নির্বাচনে বগুড়ায় দুটি আসনের (বগুড়া-৪ ও ৬) প্রার্থী হিরো আলমকে অভিনন্দন জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। রোববার (৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এ অভিনন্দন জানান।

বগুড়ার নির্বাচন বিষয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগ হিরো আলমের কাছেও কতটা অসহায়। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে, তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমি হিরো আলমকে অভিনন্দন জানাই। কারণ তিনি অনেক ভোট পেয়েছেন। তাকে এলাকার বিপুল সংখ্যক মানুষ ভোট দিয়েছেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তো অনেক কিছুই বলেন। তাই তিনি কি বললেন না বললেন তাতে কিছু আসে যায় না। তবে আমি হিরো আলমকে অভিনন্দন জানাই।

বিএনপি সংসদ বর্জন, সংসদ থেকে পদত্যাগের মতো অপরাজনীতি না করলে বিশ্ব গণতন্ত্র সূচকে বাংলাদেশের আরও উন্নতি হতো বলেও মন্তব্য করেছেন হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যের লন্ডনভিত্তিক দ্য ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ) গত বৃহস্পতিবার ‘গণতন্ত্র সূচক ২০২২’ প্রকাশ করেছে। সেখানে বাংলাদেশ দুই ধাপ এগিয়েছে। প্রকৃতপক্ষে গত ৫ বছর ধরে প্রতি বছরই গণতন্ত্র সূচকে ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশের অগ্রগতি হয়েছে। ২০১৮ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৮৮তম, ২০১৯ সালে ৮০তম, ২০২০ সালে ৭৬তম, ২০২১ সালে ৭৫তম এবং এ বছর বাংলাদেশের অবস্থান ৭৩তম।

তিনি বলেন, বিএনপির নেতারা জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা করে ক্রমাগতভাবে বলে আসছেন দেশে গণতন্ত্র নেই বলে। অথচ গত পাঁচ বছর ধরে বাংলাদেশ গণতন্ত্র সূচকে ক্রমাগত অগ্রগতি করছে। এতেই প্রমাণ হয় বিএনপিসহ অন্যান্য দল বাংলাদেশে গণতন্ত্র নেই বলে মানুষকে বিভ্রান্ত করার যে অপচেষ্টা চালাচ্ছে এগুলো যে মিথ্যা ও অসাড় সেটাই প্রমাণ করে।

তিনি বলেন, প্রকৃত পক্ষে বাংলাদেশের গণতন্ত্র আরও সংহত হতো। গণতন্ত্র দৃঢ় ও সংহত করার দায়িত্ব শুধু সরকারের একার নয়। সবার সম্মিলিত দায়িত্ব হচ্ছে গণতন্ত্র সংহত করা। সেটা সব রাজনৈতিক দল, সরকারি দল, বিরোধী দলের দায়িত্ব। সে সরকারের থাকুক বা না থাকুক।

বাংলাদেশ গণতন্ত্রে আরও সংহত হতো, আরও অগ্রগতি করতো, কয়েক ধাপ উন্নীত হতো-যদি বিএনপির অপরাজনীতি না থাকতো। সংসদ বর্জন, সংসদ থেকে পদত্যাগ, এ অপরাজনীতি যদি না থাকতো গণতন্ত্র সূচকে বাংলাদেশ আরও বহু ধাপ এগিয়ে যেতে পারতো। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে গণতন্ত্রের যে চর্চা হচ্ছে সেটার বহিঃপ্রকাশ হচ্ছে যুক্তরাজ্যের লন্ডনভিত্তিক দ্য ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ) গণতন্ত্র সূচক প্রকাশ।

জাপান সরকারে কাছে বিএনপির পাঠানো চিঠি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রথমত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ সমস্ত চিঠির কথা অস্বীকার করেছেন। পরে আবার স্বীকারও করেছেন। এ ধরনের চিঠি বিদেশি রাষ্ট্রের কাছে দেওয়া জাতি ও দেশের জন্য শুধু অমঙ্গলজনক নয় এটি দেশদ্রোহীতার শামিল। এ ধরনের কনন্টেন্টে মিথ্যাচার করা হয়েছে। জিয়াউর রহমান বন্দুক উঁচিয়ে ক্ষমতায় এসেছেন। তাহলে বিএনপির গণতন্ত্র মানে বন্দুক উঁচিয়ে ক্ষমতা দখল করা।

তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের চিঠির ভাষা, জিয়াউর রহমান গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তাহলে বন্দুক উঁচিয়ে ক্ষমতা দখল করা সেটি গণতন্ত্র কি না সেটিই আমার প্রশ্ন।

১১ ফেব্রুয়ারি ইউনিয়ন পর্যায়ে বিএনপির পদযাত্রা
                                  

মিয়া আবদুল হান্নান : সরকার পদত্যাগসহ ১০ দফার দাবিতে আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে ইউনিয়ন পর্যায়ে পদযাত্রা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি।

শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত ‘বিভাগীয় সমাবেশ’ থেকে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন তিনি।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আমাদের এবারের কর্মসূচি হবে একেবারে ইউনিয়ন পর্যায় থেকে। গ্যাস-বিদ্যুত-চাল-ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, সরকারের পদত্যাগসহ ১০ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি শনিবার সারাদেশে ইউনিয়ন পর্যায়ে পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।’

তিনি বলেন, ‘এবার ইউনিয়ন পর্যায় থেকে আমরা পদযাত্রা শুরু করব। এরপরে ধীরে ধীরে আমরা উপজেলা-জেলা-মহানগর এবং এরপরে সেই তাদের যে ক্ষমতার মসনদ সেই মসনদ জনগণ দখল করে নেবে, জনগণের সরকার গঠন করবে।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের মনে রাখতে হবে যে, আমরা ধীরে ধীরে চলছি, আমরা মানুষের অধিকারকে রক্ষা করার জন্য সামনের দিকে এগিয়ে চলছি। ঢাকায় পদযাত্রার মধ্য দিয়ে আমরা ইতিমধ্যে সকল মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছি। মানুষকে নিয়ে এগিয়ে চলার মধ্য দিয়ে যে লং মার্চ, সেই লং মার্চের মধ্য দিয়ে আমরা এদেরকে পরাজিত করে সত্যিকার অর্থেই জনগণের রাষ্ট্র বানাতে চাই।’

ইউনিয়ন পর্যায়ের কর্মসূচি সফল করতে নেতা-কর্মীদের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আসুন আজকে গ্রামের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে ইউনিয়নের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে উপজেলা-জেলার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে একসঙ্গে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য- এই ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটানোর জন্য এগিয়ে চলি। আমাদের বিজয় হবে ইনশাল্লাহ।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এই সরকারের অধীনে নির্বাচন সুষ্ঠু হতে পারে না। এটা প্রমাণ হয়েছে আবার যেসব উপনির্বাচন হয়ে গেল, সেই উপনির্বাচনে। আমি সে বিষয়ে যাব না। আমি শুধু বলতে চাই, একটি কথা। আওয়ামী লীগ এই হিরো আলমের কাছেও কতটা অসহায় যে, রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে জিততে হয় ৬/৭‘শ ভোটে।’

তিনি বলেন, ‘আজকে আবদুস সাত্তার (উকিল আবদুস সাত্তার) যিনি দল ত্যাগ করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন, তাকে জয়ী করতে বিরোধী প্রার্থীকে গুম করতে হয়।’

বাজারের অবস্থা তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বাজারে অবস্থা আপনারা জানেন। এক লাফে গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ২৬৩ টাকা বেড়েছে। আজকে মা-বোনেরা এখানে আছেন। তারা জানেন, কি কষ্ট করে তাদের সংসার চালাতে হয়।’

আইএমএফের ঋণের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এই সরকার আমাদের ভবিষ্যতে নষ্ট করে দিয়েছে। তারা আজকে ঋণ গ্রহণ করছে। আপত্তি নাই। উন্নয়নের জন্য অবশ্যই ঋণ নিতে হবে, ঋণ নিতে হয়। কিন্তু সেই ঋণের টাকা নিয়ে যদি পাচার করে কানাডার বেগম পাড়াতে গিয়ে বাড়ি তৈরি করেন, ঋণ এনে ফ্ল্যাট কিনেন, মালয়েশিয়াতে সেকেন্ড হোম তৈরি করেন। তাহলে সেই ঋণের টাকা বাংলাদেশের মানুষ পরিশোধ করবে কেন? ঋণের টাকা আনবেন আর আমাদের জনগণের পকেট কেটে টাকা নিয়ে যাবেন। মানুষের পিঠ এখন দেয়ালে ঠেকে গেছে। এখন মানুষ সরকারের পতন দেখতে চায়, পরিবর্তন দেখতে চায়।’

ভুলে ভরা পাঠাপুস্তক প্রকাশের সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আজকে আমাদের কৃষ্টি, আমাদের সংস্কৃতি, আমাদের সামাজিক মূল্যবোধ, আমাদের ঐতিহ্য— সমস্ত কিছুকে ধ্বংস করেছে। আমাদের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করছে, আমাদের ধর্মবোধকে ধ্বংস করছে।’

ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালামের সভাপতিত্বে ও দক্ষিণের সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু ও উত্তরের সদস্য সচিব আমিনুল হকের সঞ্চালনায় সমাবেশে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এজেডএম জাহিদ হোসেন, আহমেদ আজম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমান উল্লাহ আমান, কেন্দ্রীয় নেতা শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, ফজুলল হক মিলন, আবদুস সালাম আজাদ, আসাদুজ্জামান রিপন, কামরুজ্জামান রতন, মীর সরাফত আলী সপু, শিরিন সুলতানা, বেনজীর আহম্মেদ টিটু, সাইফুল আলম নিরব, নারায়নগঞ্জের সাবেক সাংসদ গিয়াস উদ্দিন, সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের সদস্য সচিব কাদের গনি চৌধুরী বক্তব্য দেন।

এছাড়া ঢাকা মহানগর বিএনপির তাবিথ আউয়াল, ইশরাক হোসেন, মহিলা দলের আফরোজা আব্বাস, যুব দলের সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক দলের এসএম জিলানী, মুক্তিযোদ্ধা দলের সাদেক আহমেদ খান, কৃষক দলের শহিদুল ইসলাম বাবুল, মতস্যজীবী দলের আবদুর রহিম, তাঁতী দলের আবুল কালাম আজাদ, জাসাসের জাকির হোসেন রোকন, ছাত্র দলের কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

১১ ফেব্রুয়ারি দেশের সব ইউনিয়নে পদযাত্রা করবে বিএনপি
                                  

অনলাইন ডেস্ক : গ্যাস, বিদ্যুৎ ও নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ এবং সরকারের পদত্যাগসহ ১০ দফা দাবিতে আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি দেশের সব ইউনিয়নে পদযাত্রা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। এটি যুগপৎ আন্দোলনের কর্মসূচি। এতে বিএনপির সমমনা দলগুলোও অংশ নেবে।

শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত সমাবেশ থেকে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, ইউনিয়ন পর্যায়ে কর্মসূচি শুরু করে পর্যায়ক্রমে উপজেলা-জেলা পর্যায়ে কর্মসূচি হবে। তারপরে চূড়ান্ত আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। ঢাকা মহানগরেও এ পদযাত্রা কর্মসূচি হবে।

সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আহমেদ আযম খান, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমান, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, স্বনির্ভরবিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, বিশেষ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন, স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজির আহমেদ টিটু, যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস প্রমুখ।

শনিবার রাজধানীর পাশাপাশি দেশের ১০ সাংগঠনিক বিভাগে সমাবেশ করেছে বিএনপি ও সমমনা রাজনৈতিক দলগুলো। সকাল ১০টা থেকে নয়াপল্টন ও এর আশপাশের এলাকায় জড়ো হতে শুরু করেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। বিভিন্ন ইউনিটের ছোট ছোট মিছিল নয়াপল্টনে আসতে থাকে। নয়াপল্টনে জড়ো হয়ে তারা বিদ্যুতের দাম কমানোসহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

হিরো আলমের জন্য ফখরুলের এত দরদ: কাদের
                                  

অনলাইন ডেস্ক : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘ফখরুল সাহেব বলেছেন, রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে হিরো আলমকে হারানো হয়েছে। হায়রে মায়া! হিরো আলমের জন্য এত দরদ উঠলো ফখরুলের?’

তিনি বলেন, ‘ফখরুল ভেবেছিলেন হিরো আলম জিতে যাবে। হিরো আলম এখন জিরো হয়ে গেছে। তারা তো নির্বাচন চান নাই। হিরো আলমকে বিএনপি দাঁড় করিয়েছে। জাতীয় সংসদকে ছোট করার জন্য হিরো আলমকে প্রার্থী করেছে বিএনপি। অবশেষে ফখরুলের স্বপ্নভঙ্গ।’

শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কামরাঙ্গীরচর সরকারি হাসপাতাল মাঠে বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, নৈরাজ্য অপরাজজনীতি ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের আয়োজিত শান্তি সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ফখরুল সাহেব, পাকিস্তান আমল তো ভালো, এখন পাকিস্তানের কী অবস্থা? বাংলাদেশের ছয়মাস আমদানি করার রির্জাভ আছে। পাকিস্তানে তিন সপ্তাহের রিজার্ভও নেই। আজকে ক্ষুধায় পাকিস্তান কাঁপছে। সেই পাকিস্তান আপনার ভালো লাগে। বাংলাদেশ বাংলাদেশ থাকবে। এ বাংলাদেশ শেখ হাসিনার নেতৃত্ব ঘুরে দাঁড়াবে। কিন্তু আপনারা যদি ক্ষমতায় যান, বাংলাদেশ আজকের পাকিস্তান হবে। ফখরুল সাহেবের পেয়ারে পাকিস্তান বাংলাদেশকে বানাবে, আমরা সেটা হতে দেবো না।’

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, ডা. মহিউদ্দিন জালাল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ প্রমুখ। এ শান্তি সমাবেশ পরিচালনা করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজ।

খালেদা দুর্নীতির দায়ে জেলে, তবুও তাকে সম্মান করে কথা বলি: হানিফ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বিএনপির নেতৃত্বে থাকাদের শিষ্টাচার, সভ্যতা, মূল্যবোধ, নৈতিকতা ও সততার ঘাটতি আছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ।

তিনি বলেন, ‘তাদের (বিএনপির) নেতা তারেক রহমান। তার কোনো সভ্যতা, ভদ্রতা আছে? যার কারণে স্বাধীনতা পেয়েছি, পতাকা পেয়েছি, সেই জাতির পিতার নাম বলার সময় বলে মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা সারা বিশ্বে উন্নয়নের মডেল হিসেবে পরিচিত। তার নাম বলার সময় তারেক বলেন হাসিনা। ব্যাপারটা এমন যেন তার সমবয়সী। অথচ আমরা বেগম খালেদা জিয়া বলে সম্বোধন করি। দুর্নীতির দায়ে তিনি কারাগারে, তবুও তাকে আমরা সম্মান করে কথা বলি।’

শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ শিশু একাডেমী মিলনায়তনে ‘বঙ্গবন্ধু শিশু-কিশোর মেলার জাতীয় সম্মেলন ২০২৩’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি জনগণের আস্থা আর্জনে ধুঁকছে মন্তব্য করে মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, ‘বিএনপি জনগনের আস্থা অর্জনের জন্য সংগ্রাম করছে। কিন্তু কোনোভাবেই আস্থা পাচ্ছে না। তাদের দলে যে নেতৃত্বে আছে, সেই নেতৃত্বে শিষ্টাচার, সভ্যতা, মূল্যবোধ, নৈতিকতা ও সততার ঘাটতি আছে। তিনি (তারেক রহমান) সমাজের কাছে আদর্শ মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হননি। যিনি নিজে আদর্শ মানুষ হিসেবে নিজেকে তৈরি করতে পারেননি, তিনি কখনই জনগণের নেতা হতে পারে না।’

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা অর্থনৈতিক দিক দিয়ে অনেক দূর এগিয়ে গেছি। ২০০৯ সালেও আমাদের মাথাপিছু আয় ছিল ৬০০ ডলারের নিচে, দরিদ্রসীমা ছিল ৬০ শতাংশ। আওয়ামী লীগ দেশের দায়িত্ব নিয়ে দরিদ্র বাংলাদেশকে বদলে দিয়েছে। দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় আজ প্রায় তিন হাজার ডলার। দরিদ্রসীমা ২০ শতাংশের নিচে নেমে গেছে। আমাদের লক্ষ্য ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা, যে স্বপ্ন জাতির পিতা দেখেছিলেন। সেই স্বপ্নপূরণই এখন আমাদের লক্ষ্য।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার মেধা, বিচক্ষনতায় আমরা উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছি। উন্নয়নের এ ধারা টেকসই রাখতে হলে আমাদের বর্তমান সমাজে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মানুষকে আদর্শিক, নীতি-নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন সৎ নাগরিক গড়ে তোলা। কারণ অসৎ জাতি হলে এ উন্নয়ন ধরে রাখতে পারবো না।’

হানিফ বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে সন্ত্রাসের রাজনীতি করেছে, নির্বিচারে মানুষ হত্যা করেছে। আওয়ামী লীগের লাখ লাখ নেতাকর্মীকে নির্যাতন করেছে। তাদের মধ্যে কোনো মানবতা বোধ ছিল না।

শিশু-কিশোরদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পাকস্তানি শাসকগোষ্ঠীর দুঃশাসনের প্রতিবাদ করায় বঙ্গবন্ধুকে বারবার কারাবরণ করতে হয়েছে। দেশের জন্য তার আত্মত্যাগ জানতে হবে। অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা পড়তে হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এ দেশ গড়বে। এদের মধ্যে নৈতিকাতা, শিষ্টাচার না থাকলে সমাজ ভালোভাবে এগোতে পারবে না।

সম্মেলনে প্রধান আলোচক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শিশু-কিশোর মেলার প্রধান উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিশু-কিশোরদের নিয়ে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে আমাদের সৌভাগ্যের দ্বার বন্ধ করে দিয়েছিল।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মঈনুদ্দিন হাসান চৌধুরী, বাহাদুর বেপারী, লিয়াকত সিকদার, বঙ্গবন্ধু শিশু-কিশোর মেলার প্রধান পৃষ্ঠপোষক মীর মোশাররেফ হোসেন, এবি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিক আফজাল, বঙ্গবন্ধু শিশু-কিশোর মেলার উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা মনোরঞ্জন ঘোষাল ও ইঞ্জিনিয়ার মো. আব্দুস সোবহান প্রমুখ।

নয়াপল্টনে চলছে বিএনপির সমাবেশ, আসছে নতুন কর্মসূচি
                                  

অনলাইন ডেস্ক : সরকারের পদত্যাগসহ ১০ দফা দাবিতে যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিক্ষোভ সমাবেশ করছে বিএনপি। আজকের কর্মসূচি থেকে ঘোষণা করা হবে আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী গণপদযাত্রার কর্মসূচি।

শনিবার দুপুর দুইটায় কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। তবে সকাল থেকেই ঢাকা মহানগরসহ বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে নেতাকর্মীরা আসতে শুরু করেন সমাবেশস্থলে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও উত্তর বিএনপির যৌথ আয়োজনে এই বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন এবং কর্মসূচি ঘোষণা করবেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে বিএনপি ঢাকা বিভাগীয় এবং কেন্দ্রীয় নেতারাও বক্তব্য রাখবেন।

না পড়েই প্রতিক্রিয়া দিচ্ছেন মির্জা ফখরুল : তথ্যমন্ত্রী
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বিএনপি মহাসচিবকে পাঠ্যপুস্তক নিয়ে মন্তব্য করার আগে পড়ে দেখার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, `পাঠ্যপুস্তক নিয়ে ক্রমাগত বিভ্রান্তি ছড়ানো কোনোভাবেই সমীচীন নয়। যারা কোচিং করান এবং নোটবই ছাপান তাদের অনেকে যেমন বিভ্রান্তি ছড়ানোতে যুক্ত হয়েছেন, মির্জা ফখরুল সাহেবও পাঠ্যপুস্তক না পড়েই প্রতিক্রিয়া দিচ্ছেন।`

তিনি বলেন, `পাঠ্যপুস্তক নিয়ে গুজব রটনার মতো কেউ বিভ্রান্তি ছড়ালে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে`।
মন্ত্রী আজ দুপুরে `অমর একুশে বইমেলা`র সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রাঙ্গণে চারটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ সব কথা বলেন।

`পাঠ্যপুস্তক নিয়ে একটি মহল অহেতুক বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে` উল্লেখ করে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ১০/১১ বছর আগে পাঠ্যপুস্তকে কিছুটা ভুলভ্রান্তি ছিলো, সেগুলো তখনই সংশোধন করা হয়েছে। এখন যে কথাগুলো বলা হচ্ছে, সেগুলো ১০/১১ বছর আগেরই। পাঠ্যপুস্তকে যদি কোন ভুল-ত্রুটি থাকেও সেগুলো সংশোধন করার জন্য দু`টি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং সেই কমিটি প্রয়োজনে আলেম-ওলামাদের সঙ্গেও বসবে। যদি কোনো ভুল-ত্রুটি চিহ্নিত হয়, তাহলে সেগুলো সংশোধন করা হবে বলে ইতিমধ্যেই শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে।`
ড. হাছান বিএনপিকে উদ্দেশ করে বলেন, `আসলে কোন ইস্যু নাই তো, এ জন্য এখন পাঠ্যপুস্তক নিয়ে লেগেছে। কোথায়, কোন পৃষ্টায় একটু বলুক না, ভুলটা কোথায় আছে। না পড়েই তারা মতামত দেয়। সেজন্যই মির্জা ফখরুল সাহেব সেটা নিয়ে বক্তব্য দিয়ে রাজনীতির হাতিয়ার বানানোর চেষ্টা করছেন। আমি তাকে পাঠ্যপুস্তকগুলো আগে পড়ার জন্য বলবো।`
অমর একুশে মেলায় চারটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচনে তথ্যমন্ত্রী : এর আগে অমর একুশে গ্রন্থমেলার বইমোড়ক উন্মোচন মঞ্চে চারটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। বঙ্গবন্ধুর গ্রন্থাবলম্বনে তথ্য ক্যাডার কর্মকর্তা আফরোজা রিমা নাইচের কাব্যগ্রন্থ `কবিতার আলোয় আমার দেখা নয়াচীন` ও `কবিতার মায়ায় কারাভাষ্য`, কথাশিল্পী ইরানী বিশ্বাসের গবেষণা গ্রন্থ `বঙ্গবন্ধু : একজন স্বামী ও পিতা` এবং সাংবাদিক ও সংস্কৃতি সংগঠক লায়ন মুহা: মীযানুর রহমানের প্রবন্ধ সংকলন `সময় এখন বাংলাদেশের` -এ চারগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচনকালে বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা, পরিচালক ড. শাহাদাৎ হোসেন নিপু, গ্রন্থকারবৃন্দ, বায়ান্ন, পূর্বা ও অর্জন প্রকাশনীর প্রকাশকত্রয়, গণমাধ্যমকর্মী ও সংস্কৃতিসেবীরা উপস্থিত ছিলেন। বাসস

উপনির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মিথ্যাচার করেছেন : ওবায়দুল কাদের
                                  

অনলাইন ডেস্ক : সদ্য অনুষ্ঠিত ৬টি আসনের উপনির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মিথ্যাচার করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘বুধবার অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের উপ-নির্বাচনগুলোয় ভোটারদের উপস্থিতি নিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মিথ্যা তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে জাতিকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা করছেন। তিনি বিএনপির এক হিসাব তুলে ধরে বলেছেন উপ-নির্বাচনগুলোয় ভোটার উপস্থিতি ৫ শতাংশের বেশি হয়নি। যা সম্পূর্ণভাবে ভিত্তিহীন ও বানোয়াট।’
ওবায়দুল কাদের আজ শুক্রবার গণমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই মন্তব্য করেন। মির্জা ফখরুল ইসলামের মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে দেওয়া উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাতেই এই বিবৃতি প্রদান করা হয়।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের লক্ষ্যে এ ধরনের নির্লজ্জ মিথ্যাচার করেছেন। প্রচ- শীত ও প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে ভোটাররা ভোট দিতে এসেছিলেন। সবগুলো উপ-নির্বাচনে ২৫ শতাংশের বেশি ভোটাররা ভোট প্রদান করেছেন। এমনকি ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৪৫ শতাংশের মতো।’

তিনি বলেন,‘উপ-নির্বাচনে যেহেতু সরকার পরিবর্তনের কোন বিষয় থাকে না সেহেতু জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় এটা নিয়ে ভোটারদের মধ্যে আগ্রহ কম থাকে। স্পষ্টভাবে বলা যায়, জাতীয় নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি আরও বৃদ্ধি পাবে এবং মানুষ ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে ভোট প্রদান করবে।’

সেতুমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সর্বদা দেশ ও জনগণের উন্নয়নে কাজ করে। তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছেন। অন্যদিকে দুর্নীতি বিএনপির মজ্জাগত বিষয়। দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে তারেক রহমানের নেতৃত্বে হাওয়া ভবন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। তাদের দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার অঙ্গীকার ছিল উন্নয়ন ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে সরকার।
তিনি বলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে যেখানে সারা বিশ্বে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে সেটা বিবেচনায় না নিয়ে মির্জা ফখরুল অর্বাচীনের ন্যায় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির দায় সরকারের উপর চাপানোর অপচেষ্টা করছেন। দেশবাসী ভালো করেই জানে, যাদের রাজনৈতিক উত্থান গণবিরোধী পন্থার সিঁড়ি বেয়ে তারা সবসময় ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ফায়দা নেওয়ার অপচেষ্টা করবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, হত্যা-ক্যু-ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে যারা গণতন্ত্রের কফিনে পেরেক ঠুকেছে তাদের মুখে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের কথা শোভা পায় না। বিএনপি যখনই ক্ষমতায় এসেছে তখনই দেশের গণতন্ত্র মুখ থুবড়ে পড়েছে।
তিনি বলেন, মানবাধিকার হরণ, সংখ্যালঘু হত্যা, বিরোধী মত দমন বিএনপির রাজনৈতিক চরিত্র; মিথ্যাচার তাদের একমাত্র হাতিয়ার। আন্দোলনে জনগণের সাড়া না পেয়ে বিএনপি নেতৃবৃন্দ ষড়যন্ত্রের নীলনকশা সাজাচ্ছে। দেশের জনগণ সেটা বুঝতে পেরেই তাদের আন্দোলনে সাড়া দেয়নি।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের নিরন্তর সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি সুশাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন এবং দুর্নীতি ও জবাবদিহিহীনতার চৌহদ্দি ডিঙ্গিয়ে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক সরকার প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে দেশবাসী ঐক্যবদ্ধ জানিয়ে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বর্তমান সময়কে ধারণ করেই ভবিষ্যতের দিক-নির্দেশনা দেন। তাঁর সুদক্ষ নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে। একইসাথে এই দেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করতে জাতির সামনে তিনি রূপরেখা তুলে ধরেছেন। ন্যায্যতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিমূলক সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় তিনি ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’-এর ঘোষণা দিয়েছেন। বাসস

জাতীয় নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি আরও বাড়বে : কাদের
                                  

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আসছে জাতীয় নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি আরও বাড়বে।

শুক্রবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সংসদের উপনির্বাচনগুলোতে ভোটারের উপস্থিতি নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মিথ্যা তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে জাতিকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা করছেন। বিএনপি এক হিসাব তুলে ধরে বলেছে উপনির্বাচনগুলোতে ভোটার উপস্থিতি পাঁচ শতাংশের বেশি হয়নি। এটি সম্পূর্ণভাবে ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য নির্লজ্জ মিথ্যাচার করেছেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, সবগুলো উপনির্বাচনে ২৫ শতাংশের বেশি ভোটার ভোট দিয়েছেন। শীত ও প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে ভোটাররা ভোট দিতে এসেছিলেন। এমনকি ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৪৫ শতাংশের মতো। উপনির্বাচনে যেহেতু সরকার পরিবর্তনের কোনো বিষয় থাকে না, সেহেতু জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় এটা নিয়ে ভোটারদের আগ্রহ কম। স্পষ্ট বলা যায়, জাতীয় নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি আরও বাড়বে। মানুষ উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে জাতীয় নির্বাচনে ভোট দেবেন।

বিএনপি আগামী নির্বাচনে বাঁধা দিতে পারে, ওরা বিষধর যেকোনো সময় ছোবল মারতে পারে : কামরুল ইসলাম
                                  

মিয়া আবদুল হান্নান : আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম এমপি বলেছেন, বিএনপি ওরা বিষধর সাপ, যেকোনো সময় ছোবল মারতে পারে। আগামী দ্বাদশ নির্বাচনে যাতে বাঁধা দিতে না পারে, সে জন্য জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম । ১ ফেব্রুয়ারি বুধবার যাত্রাবাড়ীতে ঢাকা দক্ষিণ আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশে এসব কথা বলেন অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম এমপি।

বীরমুক্তিযোদ্ধা কামরুল ইসলাম বলেন, ‘বিএনপি আজ শান্তিপূর্ণ সমাবেশ দিচ্ছে, এটা ভবিষ্যতে তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করার মহড়া। এরা বিষধর সাপ। যেকোনো সময় ছোবল মারতে পারে। সেটার জন্য আমাদের সতর্কতায় থাকতে হবে। ভবিষ্যতে যাতে কোনো ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করতে না পারে, সে জন্য আমাদের সদা প্রস্তুত থাকতে হবে। একই সঙ্গে নির্বাচনে যাতে কোনো ধরনের ব্যাঘাত ঘটাতে না পারে, সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে।’বিএনপির চলমান আন্দোলন নিয়ে সাবেক এ খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, ‘আপনাদের আন্দোলনে জনগণের সম্পৃক্ততা নাই। জনগণ আপনাদের সঙ্গে নেই। আপনারা মিথ্যা কথা বলছেন, জনগণকে ধোঁকা দিচ্ছেন। বিভ্রান্ত কথাবার্তা বলে জনগণকে উস্কে দিচ্ছেন। জনগণ আপনাদের ডাকে সাড়া দেয় নাই দিবেওনা কারণ মিথ্যাবাদী ও ধোঁকাবাজদের জনগণ পছন্দ করে না।

পদযাত্রা বন্ধ করে নির্বাচনের দিকে যাত্রা করেন, বিএনপিকে কাদের
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বিএনপিকে পদযাত্রা বন্ধ করে নির্বাচনের দিকে যাত্রা করতে বলেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে পাতাল মেট্রোরেল প্রকল্পের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সুধী সমাবেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, সারাদেশ মেট্রোরেলে মেতেছে। লুঙ্গি পরে গ্রামের মানুষ সারাদিন ধরে অপেক্ষা করছে মেট্রোরেলে ওঠার জন্য।

তিনি বলেন, মেট্রোরেল আরও আসবে। আরও ছয়টা মেট্রোরেল নতুন সাজে গণপরিবহনে সুসজ্জিত হবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, উন্নয়ন মাত্র শুরু হয়েছে। এই উন্নয়নে বিরোধীদলের জ্বালা শুরু হয়েছে। কত যে জ্বালা, পদ্মা সেতুর জ্বালা, উড়াল সেতুর জ্বালা।

তিনি আরও বলেন, আপনারা ভয় পাবেন না। বিএনপির আন্দোলনে লাল কার্ড। বিএনপির সবই ভুয়া। পথ হারা হয়ে বিএনপি এখন পদযাত্রা করছে। এসব পদযাত্রা বন্ধ করে নির্বাচনের দিকে যাত্রা করেন।

বিএনপির আন্দোলনের দৈর্ঘ্য কম, প্রস্থ বেড়ে যাচ্ছে: কাদের
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বিএনপির আন্দোলনের দৈর্ঘ্য কম, প্রস্থ বেড়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, বিএনপির আন্দোলন জোয়ার থেকে ভাটার দিকে যাচ্ছে। ভুয়া জোট গঠন করা বিএনপিও ভুয়া। জনগণ তাদের বিশ্বাস করে না। বিএনপির ছেড়ে দেওয়া ছয় আসনে উপ-নির্বাচনে আজকের ভোট অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে দেশে আবারও গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে।

বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় শহীদ শেখ রাসেল পার্কের সামনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, নৈরাজ্য, অপরাজনীতি ও অব্যাহত দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে এ শান্তি সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম ও সুজিত রায় নন্দী। সঞ্চালনা করেন প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক চৌধুরী সাইফুন্নবী সাগর এবং দপ্তর সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজ।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের সমালোচনা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির রাজনীতি ঘোমটা পরা রাজনীতি। ষড়যন্ত্রের রাজনীতি। বিএনপির আন্দোলনে সরকার ভয় পায়নি, উল্টো বিএনপিই ভয় পেয়েছে। বিএনপির ষড়যন্ত্রমূলক সমাবেশ প্রতিরোধ নয়, সর্তক থাকবে আওয়ামী লীগ। আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে পর্যন্ত আওয়ামী লীগ শান্তি সমাবেশ করে যাবে।’

গণঅভ্যুত্থান, লাল কার্ড আর সরকার পতনের আন্দোলন থেকে বিএনপি কেন অন্তিম পদযাত্রায় প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ভয় পায় না, ভয় পাচ্ছে বিএনপি। কর্মসূচি নরম হচ্ছে, ছোট হয়ে যাচ্ছে তাদের পৃথিবী।

কাদের বলেন, বিএনপি এখন পথহারা পথিকের মতো দিশেহারা। মাত্র সূচনা করেছি আমরা, খেলা এখনও শুরু করিনি। বিএনপির সরকার পতনের আন্দোলন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি সবই ভুয়া। মির্জা ফখরুল লাল কার্ড দেখাতে গিয়ে শূন্য হাতে ফিরলো। সরকার পতন, ৫৪ দল, ২৭ ও ১০ দফা, তত্ত্বাবধায়ক সরকার সবই ভুয়া। বিএনপির হাঁকডাক, মশার কয়েল, সাতদিন আগ থেকে সমাবেশের প্রস্তুতি, সবই ব্যর্থ।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, নির্বাচনে কে জিতলো, কে হারলো সেটা মূল বিষয় না। নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে। উপ-নির্বাচনে সব আসনেই ঘোমটা পরা প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। জাতীয় সংসদ থেকে পদত্যাগ করে বিএনপি কত বড় ভুল করেছে, যতই দিন যাবে ততই অনুধাবন করতে পারবে।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, বিএনপি জনগণকে বারবার ধোঁকা দিয়েছে। তাদের আর জনগণ বিশ্বাস করে না। নির্বাচন বানচালের ব্যর্থ চেষ্টা করে কোনো লাভ হবে না। আগামী নির্বাচনে জনগণ আবারও আওয়ামী লীগকে জয়যুক্ত করে একাত্তরের ঘাতকদের বিতাড়িত করবে। আমাদের একটাই লক্ষ্য, সরকার ও বিরোধী দল দুটি থাকবে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, বিএনপির লক্ষ্য দেশকে অস্থিতিশীল করে ক্ষমতা দখল করা। তারা কখনই জনগনের ভোটের সমর্থন আর পাবে না। তাই আবারও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। বিএনপির আন্দোলনের খেলা ১০ ডিসেম্বরের পরই শেষ হয়ে গেছে। এখন নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছে।

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম বলেন, বিএনপির আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে পদযাত্রা শুরু করেছে। কিন্তু মানুষ তাদের সঙ্গে নেই। তারা নির্বাচনেও ব্যর্থ হবে।

সমাবেশে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নুরুল আমিন রুহুল, মিজবাউর রহমান ভূইয়া রতন, শরফুদ্দিন আহমেদ সেন্টু ও হেদায়েতুল ইসলাম স্বপন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন আহমেদ মহি, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম আশরাফ তালুকদার ও গোলাম সরোয়ার কবির প্রমুখ।

বিএনপির পদযাত্রা আর আ.লীগের শবযাত্রা : মির্জা আব্বাস
                                  

মিয়া আবদুল হান্নান : বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, বিএনপির পদযাত্রা জনগণের দাবি নিয়ে। পদযাত্রা প্রকম্পিত হচ্ছে, তাতে আওয়ামী লীগ ভয় পেয়েছে। বিএনপির এ পদযাত্রা আওয়ামী লীগের শবযাত্রা । আজ ১ ফেব্রুয়ারি বুধবার দুপুর আড়াইটায় কমলাপুর স্টেডিয়ামে পদযাত্রা কর্মসূচি শুরু হওয়ার আগে এ কথা বলেন মির্জা আব্বাস । গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন এবং ১০ দফা দাবি আদায়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে এ পদযাত্রা কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। বিএনপির ছেড়ে দেওয়া ছয়টি সংসদীয় আসনে উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। এ উপনির্বাচনের ভোটের চিত্র তুলে ধরেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। কমলাপুরে সিপাহী বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণে ‘নীরব পদযাত্রা’ কর্মসূচির শেষ দিনের কর্মসূচির শুরুতে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে গণমাধ্যমে প্রচারিত উপনির্বাচনের চিত্র তুলে ধরেন মির্জা আব্বাস ।

মির্জা আব্বাস বলেন, ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ বিভিন্ন জায়গায় আজ উপনির্বাচন হচ্ছে। সকাল থেকে ভোট কেন্দ্রে ভোটার নাই। এখন একটা খবর শুনলাম, একটা কেন্দ্রে কোনো ভোটার যাচ্ছেন না। পুলিশ সেখানে মাইকিং করতেছে, ভোটার ডাকতেছে। আমি আমার জীবনে শুনি নাই ভাই এ রকম কথা… অর্থাৎ পুলিশ মাইকে ডাকছে, ভোট দিতে আসেন।’ এ সময় নেতাকর্মীরা ‘ভুয়া’ ‘ভুয়া’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন।

মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আমি আওয়ামী লীগকে বলে দিতে চাই, এই যে পদযাত্রা- এই পদযাত্রায় আপনার ভিত নড়বড়ে হয়ে যাবে, নড়বড়ে হয়ে গেছে। আওয়ামী লীগ কিন্তু পায়ের আওয়াজ পেয়ে গেছে। ওই যে কারা আসছে? এরা কারা? এরা গণতন্ত্র চায়, এরা ভোটের অধিকার চায়, এদেশের গণমানুষের অধিকার আদায় করতে চায়- এরা টের পেয়ে গেছে। আমি নেতাকর্মীদের মধ্যে যে আত্মবিশ্বাস দেখছি, আমি বিশ্বাস করি, এই সরকারের পতন ইনশাআল্লাহ অবশ্যই আমরা ঘটাব।’ আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আমরা যদি চিৎকার করি, আওয়ামী লীগ ভয় পায়, আমরা যদি নীবর থাকি, আওয়ামী লীগ ভয় পায়। আমরা নীরব পদযাত্রা করার কথা বলেছি। কিন্তু আওয়ামী লীগ বিএনপির পদযাত্রায় রাস্তায় প্রকম্পিত হচ্ছে তাতে তারা ভয় পেয়ে গেছে। একেকজন একেক রকম কথা বলছে। কেউ বলছে বিএনপির মরণযাত্রা, কেউ বলছে এটা, কেউ বলছে সেটা।’ ‘আরে ভাই আমাদের পদযাত্রায় তোমাদের কী আসে যায়? যদি হ্যাঁ- এটা তাদের শবযাত্রা হয়ে থাকে তাহলে কিছু আসে যায়। ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন সাহেব বলছেন- এটা সরকারের বিদায়ের অগ্রিম শোভাযাত্রা, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় একটা নাম দিয়েছেন। আমি আজকে বলছি- এই পদযাত্রা আওয়ামী লীগের শবযাত্রার পূর্ব অবস্থা। আমরা বলে দিচ্ছি, আপনাদের পতন শুরু হয়ে গেছে। এখন শুধু দেশের মানুষের সময়ের অপেক্ষা।’ বিদ্যুতের বারবার দাম বৃদ্ধির কঠোর সমালোচনা করেন মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, ‘বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু বলছেন, মাসে মাসে বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করা হবে। ভাবটা এরকম যে, এটা কারো একটা রাজত্ব, রাজার হুকুম মতো দেশ চলবে। আমরা বলতে চাই, এই গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের হুকুম মতো চলবে, কারো রাজতন্ত্রে নয়।’

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ১০ দফা দাবিতে দুপুর আড়াইটায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণের উদ্যোগে কমলাপুর সিপাহী বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণ থেকে খিলগাঁও মোড় হয়ে মালিবাগ বাজার পর্যন্ত ৩ কিলোমিটার পথে দেড় ঘণ্টার ‘নীরব পদযাত্রা’ করেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। রাজধানীর গাবতলী-মিরপুরের ব্যস্ততম সড়কে পদযাত্রা উপলক্ষ্যে ব্যাপক মানুষের সমাগমে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। বিএনপির পদযাত্রা উপলক্ষ্যে কমলাপুর স্টেডিয়াম-খিলগাঁও সড়কে ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। চারদিনের এই পদযাত্রা কর্মসূচির প্রথম দিন গত শনিবার বাড্ডার সুবাস্তু টাওয়ার থেকে মালিবাগের আবুল হোটেল, সোমবার যাত্রাবাড়ী থেকে জুরাইন রেলগেট এবং মঙ্গলবার গাবতলী থেকে মিরপুর ১০ নম্বর গোল চত্বর পর্যন্ত পথযাত্রা করে বিএনপি। এ পদযাত্রায় খিলগাঁও-মুগদা-শাহজাহানপুর-বাসাবো এলাকার নেতাকর্মী ছাড়াও মহিলা দল, যুব দল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদলের কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন।সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আবদুস সালাম ও সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু। পদযাত্রায় বিএনপির হাবিবুর রহমান হাবিব, খায়রুল কবির খোকন, আবদুস সালাম আজাদ, মীর সরাফত আলী সপু, ডা. রফিকুল ইসলাম, সাইফুল আলম নিরব, রিয়াজ উদ্দিন নসু, মীর নেওয়াজ আলী, মহানগর উত্তরের কাজী আবুল বাশার, ইশরাক হোসেন, নবী উল্লাহ নবী, ইউনুস মৃধা, লিটন মাহমুদ, হাবিবুর রশীদ হাবিব, তানভীর আহমেদ রবিন, মহিলা দলের আফরোজা আব্বাস, রুমা আখতার, নার্গিস আখতার, যুব দলের মামুন হাসান, মোনায়েম মুন্না, স্বেচ্ছাসেবক দলের এসএস জিলানি, রাজিব আহসান, শ্রমিক দলের মোস্তাফিজুল করীম মজুমদার, সুমন ভুঁইয়া, তাঁতী দলের আবুল কালাম আজাদ, ছাত্রদলের কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, সাইফ মাহমুদ জুয়েল প্রমুখ নেতারা অংশ নেন।

সরকার ফের বিদ্যুতে দাম বাড়িয়েছে দুর্নীতি-লুটপাট পাকাপোক্ত করতে : আমান উল্লাহ আমান
                                  

মিয়া আবদুল হান্নান : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ আমান উল্লাহ আমান বলেছেন, সরকার ফের বিদ্যুতে দাম বাড়িয়েছে দুর্নীতি-লুটপাট পাকাপোক্ত করতেই আওয়ামীলীগ সরকার কয়েক দিনের ব্যবধানে আবারও বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। ৩১ জানুয়ারি মঙ্গলবার দুপুরে গাতবলী বাসস্ট্যান্ডে গণ-পদযাত্রা শুরুর আগে এ কথা বলেন আলহাজ আমান উল্লাহ আমান। সরকারি দলের উসকানিমূলক পাল্টা কর্মসূচি এবং বিদ্যুৎ-গ্যাসসহ নিত্যপণ্যের দাম কমানো, সরকারের পদত্যাগসহ ১০ দফা দাবিতে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকাসহ সব বিভাগীয় সদরে সমাবেশ কর্মসূচি রয়েছে। এর আগেই ঢাকা মহানগর বিএনপি চার দিনের পদযাত্রা কর্মসূচির দ্বিতীয় দিন।

সরকার পতনের মধ্যে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন হবে এবং তার মাধ্যমে জাতীয় নির্বাচন হবে বলেও জানান তিনি।আলহাজ আমান উল্লাহ আমান আরও বলেন, ক্ষমতা চিরস্থায়ী করতে সরকার একের পর এক গণবিরোধী সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। দুর্নীতি আর লুটপাট করতেই সরকার ফের বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন নির্বাচনের দাবি জানিয়ে বিএনপির এ নেতা আবারও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এ দাবি আদায় না হলে রাজপথেই হবে কঠোর আন্দোলন।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার দাবি ও বিদ্যুৎ-গ্যাস-জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদসহ ১০ দফা দাবিতে মহানগর উত্তর বিএনপির পদযাত্রা কর্মসূচি দুপুর ২টায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও আগে থেকেই গাবতলী এলাকায় জড়ো হন দলটির নেতাকর্মীরা। মিরপুরের মাজার রোড থেকে শুরু করে ১ নম্বর, সনি হল ও দুই নম্বর হয়ে মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বরে গিয়ে শেষ হবে এ পদযাত্রা।

পদযাত্রা-পূর্ব সমাবেশে কয়েক দিনের ব্যবধানে আবারও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদ জানান নেতাকর্মীরা। নির্যাতনের মাধ্যমে ক্ষমতাসীনরা বিরোধী মত দমনের চক্রান্ত করছে অভিযোগ করে বিএনপির কর্মীরা বলেন, আন্দোলনের মাধ্যমেই সরকারের পতন ঘটাবেন তারা। ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ আমান উল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে এ কর্মসূচি পালন করছে বিএনপি। পদযাত্রা-পূর্ব সমাবেশ সঞ্চালনা করেন ঢাকা মহানগর উত্তরের বিএনপির সদস্যসচিব আমিনুল হক। মিরপুরের পর বুধবার আজ ১ ফেব্রুয়ারি বুধবার রাজধানীর মুগদা থেকে মালিবাগ পর্যন্ত মহানগর বিএনপির চতুর্থ ও শেষ পদযাত্রা হওয়ার কথা রয়েছে।

১/১১ সরকারের সময় গ্রেফতার হওয়ার পর কারা কারা দেশ ছেড়ে পালিয়েছিলো জনগন তা জানে : মির্জা ফখরুল ইসলাম
                                  

মিয়া আবদুল হান্নান : চলমান আনন্দোলন মানুষের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে আন্দোলন ছাড়া বিকল্প পথ নেই। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, গতকাল রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন আওয়ামী লীগ নাকি পালায় না। ১/১১ সরকারের সময় গ্রেফতার হওয়ার পর কারা কারা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে, আর কারা পালায় না তা সবাই জানেন । তখন দেশে ছিলেন একজন, তিনি হলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি`র নেতা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি পরিষ্কার করে বলেছিলেন- বিদেশে আমার কোনো জায়গা নেই। এই দেশ আমার, এই মাটি আমার। আমার জন্ম এখানে, মরলেও এখানে মরব। এজন্য আমরা এই কথাটা বলছি, এখনও সময় আছে, আপনারা যে ১৪-১৫ বছর ধরে দেশের মানুষের ওপর অত্যাচার নিপিড়ন করেছেন, সেই অত্যাচারে এখন মানুষের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। আপনারা পালানোর রাস্তা খুঁজে পাবেন না।

সরকারের অত্যাচারের কারণে মানুষের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘আপনারা (আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার) পালানোর রাস্তা খুঁজে পাবেন না। মানুষের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে।

সরকারের অত্যাচারের কারণে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আপনারা (আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার) পালানোর রাস্তা খুঁজে পাবেন না। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুলের সামনে থেকে শুরু হওয়া পদযাত্রা জুরাইন রেলগেটের সামনে গিয়ে শেষ হয়। আজ ৩০ জানুয়ারি সোমবার বেলা ৩টার দিকে পদযাত্রার আগে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাশে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব কথা বলেন। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং ১০ দফা দাবি আদায়ে দ্বিতীয় দিনের মতো এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘রাজশাহীর জনসভায় দেয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন আওয়ামী লীগ নাকি পালায় না। ১/১১তে গ্রেফতার হওয়ার পর কারা কারা পালিয়েছিল তা সবাই জানে। কিন্তু ওই সময় পালাননি একজন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।’ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘‘খালেদা জিয়া তখন পরিষ্কারভাবে বলেছিলেন, ‘বিদেশে আমার কোনো জায়গা নেই। এ দেশ আমার, এ দেশের মাটি আমার, আমি এ দেশ ছেড়ে কোথাও যাব না। এখানে আমার জন্ম, মরতে হলে বাংলাদেশের মাটিতে আমি মরব’। সুতরাং এসব কথা বলে লাভ নেই। কে কোথায় পালায়, কবে পালায়, কেমন করে পালায়—দেশের মানুষ সবই জানে। এজন্য আমরা এই কথাটা বলছি, এখনও সময় আছে, আপনারা যে ১৪-১৫ বছর ধরে দেশের মানুষের ওপর অত্যাচার নিপিড়ন করেছেন, সেই অত্যাচারে এখন মানুষের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। আপনারা পালানোর রাস্তা খুঁজে পাবেন না। এখনও সময় আছে, ১০ দফা দাবি মেনে নিয়ে মানে মানে পদত্যাগ করুন,’ বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
এ সময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘ওবায়দুল কাদের সাহেব- পালাবেন কোন দিকে। একটা কবিতা আছে- ‘কোন দিকে পালাবে তুমি। কোনো দিকে পালাবার পথ নাই। উত্তরে উত্তর পর্বতমালা, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর। কোন দিকে পালাবে তুমি।’ সব পণ্যের মূল্য বাড়িয়ে মানুষের পকেট কেটে সেই টাকা বিদেশে পাচার করা হচ্ছে মন্তব্য করে ফখরুল ইসলাম আলমগীর র্ বলেন, ‘১০ টাকা কেজি দরে চাল খাওয়াবে বলেছিল তারা, এখন কত টাকায় চাল খাচ্ছেন আপনারা? ডালের দাম কত? লবণের দাম কত? বহুগুণ বেড়ে গেছে। এই পুরান ঢাকায় গ্যাস নেই। শুধু পুরান ঢাকা নয়, গোটা বাংলাদেশে এখন গ্যাস নেই। ওরা গ্যাসও খেয়ে ফেলেছে। আবার গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে, বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। প্রত্যেকটি পণ্যের মূল্য বাড়িয়ে দিয়েছে। জনগণের পকেট থেকে টাকা কেটে নেয়া হচ্ছে। আর সেই টাকা তারা বিদেশে পাচার করছে।’

আওয়ামী লীগ এখন প্রহর গুনছে, তাদের পায়ের নিচের মাটি সরে গেছে। প্রতিদিন জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে তারা,’ যোগ করেন ফখরুল। সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে ‍জুরাইন রেলগেট পর্যন্ত পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। এতে নেতৃত্ব দেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। পদযাত্রায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আবদুস সালাম। সঞ্চালনা করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু। এ সময় দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া, মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) গাবতলী থেকে মিরপুর-১০, বুধবার মুগদা থেকে মালিবাগে পদযাত্রার মধ্যদিয়ে শেষ হবে চারদিনের এ কর্মসূচি। ৪ ফেব্রুয়ারি বিভাগীয় সমাবেশে ব্যাপক শোডাউনের উদ্দেশ্যে এ কর্মসূচি বলে জানান বিএনপি নেতারা।

এর আগে শনিবার (২৮ জানুয়ারি) শাহজাদপুর থেকে আবুল হোটেল পর্যন্ত পদযাত্রা করে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি। গত ২৬ জানুয়ারি সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।


   Page 1 of 116
     রাজনীতি
আমার মন্তব্য ছিল ফখরুলকে নিয়ে, হিরো আলম নয়: কাদের
.............................................................................................
হিরো আলমকে অভিনন্দন জানাই, তিনি অনেক ভোট পেয়েছেন: তথ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
১১ ফেব্রুয়ারি ইউনিয়ন পর্যায়ে বিএনপির পদযাত্রা
.............................................................................................
১১ ফেব্রুয়ারি দেশের সব ইউনিয়নে পদযাত্রা করবে বিএনপি
.............................................................................................
হিরো আলমের জন্য ফখরুলের এত দরদ: কাদের
.............................................................................................
খালেদা দুর্নীতির দায়ে জেলে, তবুও তাকে সম্মান করে কথা বলি: হানিফ
.............................................................................................
নয়াপল্টনে চলছে বিএনপির সমাবেশ, আসছে নতুন কর্মসূচি
.............................................................................................
না পড়েই প্রতিক্রিয়া দিচ্ছেন মির্জা ফখরুল : তথ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
উপনির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মিথ্যাচার করেছেন : ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
জাতীয় নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি আরও বাড়বে : কাদের
.............................................................................................
বিএনপি আগামী নির্বাচনে বাঁধা দিতে পারে, ওরা বিষধর যেকোনো সময় ছোবল মারতে পারে : কামরুল ইসলাম
.............................................................................................
পদযাত্রা বন্ধ করে নির্বাচনের দিকে যাত্রা করেন, বিএনপিকে কাদের
.............................................................................................
বিএনপির আন্দোলনের দৈর্ঘ্য কম, প্রস্থ বেড়ে যাচ্ছে: কাদের
.............................................................................................
বিএনপির পদযাত্রা আর আ.লীগের শবযাত্রা : মির্জা আব্বাস
.............................................................................................
সরকার ফের বিদ্যুতে দাম বাড়িয়েছে দুর্নীতি-লুটপাট পাকাপোক্ত করতে : আমান উল্লাহ আমান
.............................................................................................
১/১১ সরকারের সময় গ্রেফতার হওয়ার পর কারা কারা দেশ ছেড়ে পালিয়েছিলো জনগন তা জানে : মির্জা ফখরুল ইসলাম
.............................................................................................
পথ হারিয়ে পদযাত্রা শুরু করেছে বিএনপি: ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
পিপীলিকাদের নিয়ে চিন্তা করার সময় নেই : হানিফ
.............................................................................................
বিএনপির পদযাত্রাকে ‘গণতন্ত্রের জয়যাত্রা’ বললেন ফখরুল
.............................................................................................
আ.লীগ নয়, বিএনপির প্রধান শত্রু জনগণ : শেখ পরশ
.............................................................................................
সংবিধানের আলোকে দেশ শাসন করছেন প্রধানমন্ত্রী: শ ম রেজাউল
.............................................................................................
বিএনপির আন্দোলন নির্বাচনকে বানচাল করার : হানিফ
.............................................................................................
আওয়ামীলীগ সরকার থাকলে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না: ফখরুল ইসলাম আলমগীর
.............................................................................................
পদযাত্রা দিয়ে বিএনপির নতুন আন্দোলন শুরু: ফখরুল
.............................................................................................
বিএনপির পদযাত্রা নয়, এটা মরণযাত্রা : ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
নির্ধারিত সময় ছাড়া সরকারের পদত্যাগের প্রশ্ন উঠে না : কামরুল ইসলাম এমপি
.............................................................................................
জনগণ চাইলে জয়ী হব, না হলে বিদায় নেব : কাদের
.............................................................................................
গণতন্ত্র লুণ্ঠনের ক্ষেত্রে বর্তমান সরকার শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন কোনো খাত নেই, যেখানে চুরি হয়নি: শামসুজ্জামান দুদু
.............................................................................................
আজ ২৬ জানুয়ারি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এর ৭৬ জন্মদিন
.............................................................................................
রাজধানীতে বিএনপির পদযাত্রা কর্মসূচি ঘোষণা
.............................................................................................
রাজনীতির যত কুৎসা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নামে ৮৪ মামলা : ড. আব্দুল মঈন খান
.............................................................................................
বিএনপিকে দিয়ে দেশে গণ-অভ্যুত্থান সম্ভব না : কামরুল ইসলাম
.............................................................................................
আওয়ামী লীগের কর্মসূচিতে বিএনপির অন্তর জ্বালা কেন?
.............................................................................................
কোকোর মৃত্যু রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে: ফখরুল
.............................................................................................
বিএনপির আন্দোলন নেতাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ: ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
ইসির সামর্থ্য অনুযায়ি যে কয়টি আসনে ইভিএম দিবে; আওয়ামী লীগ তা মেনে নেবে : ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
ক্যু-ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলে মরিয়া বিএনপি: কাদের
.............................................................................................
সরকার নিরুপায় হয়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে : কাদের
.............................................................................................
রাজবন্দিদের মুক্ত করবে বিএনপি : গয়েশ্বর
.............................................................................................
সরকার জনগণকে বোকা বানাচ্ছে : ফখরুল
.............................................................................................
‘বাংলার মাটিতে আর কখনও তত্ত্বাবধায়ক সরকার আসবে না’
.............................................................................................
আমাদের গণতন্ত্র আমরাই চালাবো, বিদেশিদের ফরমায়েশে চলবে না: কাদের
.............................................................................................
মানুষ কষ্টে আছে, অথচ সরকার বিদ্যুৎ-গ্যাসের দাম বাড়ালো: নজরুল
.............................................................................................
মোবাইলে বিজয় কিবোর্ড বাধ্যতামূলক করা ভয়ংকর দুর্নীতি: ফখরুল
.............................................................................................
মিথ্যাচার-ষড়যন্ত্রের জন্য বিএনপিকে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া উচিত: কাদের
.............................................................................................
জিয়াউর রহমানের ৮৭তম জন্মবার্ষিকী আজ
.............................................................................................
ডোনাল্ড লু’র সফর নিয়ে মিথ্যাচার করেছে সরকার: ফখরুল
.............................................................................................
‘আইএমএফের রিপোর্ট বলে দিচ্ছে বিএনপির হাঁকডাক অন্তঃসারশূন্য’
.............................................................................................
হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন ফখরুল
.............................................................................................
নির্দলীয়-নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সহ পূর্বঘোষিত ১০ দফা দাবি মেনে পদত্যাগ : আমান উল্লাহ আমান
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Dynamic Scale BD