| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * মতিঝিলে `বিচ্ছু বাহিনী`র ৫ সদস্য গ্রেফতার   * ফরিদপুরে করোনা-উপসর্গে আরও ১২ জনের মৃত্যু   * করোনাকালে ডেঙ্গু নিয়ে অবহেলা না করার অনুরোধ   * ফেরিতে উঠতে গিয়ে নদীতে পড়ে গেলেন ৩ যাত্রী   * করোনায় আরও ২২৮ জনের মৃত্যু   * মাস্কবিহীন কাউকে ছাড় দেয়া হচ্ছে না   * মহারাষ্ট্রে ভারি বৃষ্টি ও ভূমিধস, নিহত বেড়ে ১৩৮   * টিকা নিতে ১ কোটির বেশি মানুষের নিবন্ধন   * দৌলতদিয়ায় উভয়মুখী যাত্রীর চাপ   * পদ্মা সেতুর পিলারে ধাক্কা: ফেরির ২ চালককে দায়ী করে প্রতিবেদন  

   অন্যান্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
হিজড়াদের জন্মগত ত্রুটি সারানো যায়

অনলাইন ডেস্ক: সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শারীরিক পরিবর্তন হয়ে ছেলে বা মেয়ে কোনোটি না হয়ে হিজড়ায় পরিণত হয় অনেকে। আবার অনেকের জন্ম হয় ছেলে হিসেবে; কিন্তু কৈশোরে লিঙ্গান্তরিত মেয়েতে রূপান্তরিত হয়। অথবা মেয়ে থেকে ছেলেতে রূপান্তরিত হয়। এর কোনো সঠিক পরিসংখ্যান না থাকলেও ধারণা করা হয়, ০.০১৮-১.৭ ভাগ শিশুদের ক্ষেত্রে এমনটি হতে পারে। ট্রান্স জেন্ডার, হার্মাফ্রোডাইট, খোজা, শিখণ্ডী, বৃহন্নলা, উভয় লিঙ্গ ইত্যাদি নামে  ডাকা হয় হিজড়াদের। কিন্তু হিজড়া হওয়ার কারণে তাদের থাকে না কোনো নাগরিক অধিকার। সমাজে তাদের পরিচয় হয় তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবে।

এটা জন্মগত ত্রুটি
হিজড়া/লিঙ্গান্তর এক ধরনের ইন্টার সেক্স ডিজঅর্ডার (আইএসডি) বা ডিজঅর্ডারস অব সেক্সুয়াল ডেভেলপমেন্ট (ডিএসডি) জাতীয় জন্মগত ত্রুটি। কয়েকটি ইন্টার সেক্স ডিজঅর্ডার হলো : কঞ্জেনিটাল এড্রিনাল হাইপার প্লাসিয়া, অভোটেস্টিকুলার ডিজঅর্ডার অব সেক্স ডেভেলপমেন্ট, টেস্টোস্টারন বায়োসিন্থেসিস ডিফেক্ট, এস্ট্রোজেন ইন্সেসিটিভিটি সিনড্রোম, গোনাডাল ডিসজেনেসিস ইত্যাদি।

বোঝার উপায়
কোনো শিশু হিজড়া হয়ে জন্ম নিচ্ছে কি না তা বোঝা সম্ভব। এ জন্য জন্মের পরপরই শিশুদের নাক, কান, চোখ, মুখগহবর, হাত-পা, মলদ্বার, যৌনাঙ্গ ইত্যাদি ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। অনেক শিশুর যৌনাঙ্গ দেখে ছেলে বা মেয়ে বুঝতে অসুবিধা হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে তারাই পরবর্তীতে হিজড়া হয়। আবার অনেক শিশু ছোট বেলায় নিখুঁত মেয়ে বা ছেলে হিসেবে বড় হয়; কিন্তু বয়ঃসন্ধিকালে লিঙ্গান্তর ঘটে ছেলে ও মেয়ে হয়; আবার মেয়ে ছেলে হয়। এদের অনেকেরই যতই লিঙ্গান্তর হোক না কেন পূর্বের লিঙ্গের কিছু বৈশিষ্ট্য থেকে যায়। ফলে সমাজে তারা হিজড়া হিসেবে পরিগণিত হয়।

কারণ
হিজড়া হওয়ার মতো জন্মগত ত্রুটির সঠিক কারণ জানা যায়নি। তবে এ জন্য কিছু বিষয়কে দায়ী করা হয়, যেমন—

►   গর্ভাবস্থায় ভুল ওষুধ সেবন। বিশেষ করে হরমোনজাতীয় ওষুধ

►   পরিবেশ দূষণ/তেজস্ক্রিয়তা

►   নিকট আত্মীয়ের মধ্যে বিয়ে

►   ক্রমোজমের সমস্যা ইত্যাদি।

করণীয়
►   পরিকল্পিত গর্ভধারণ। গর্ভধারণের আগে থেকেই নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শে থাকা।

►   নিকট আত্মীয়ের মধ্যে বিয়ে পরিহার করা

►   গর্ভধারণের আগে/গর্ভধারণ অবস্থায়  তেজস্ক্রিয়তা থেকে দূরে থাকা।

►   চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবন না করা।

পরীক্ষা
ক্রমোজম অ্যানালিসিস, আল্ট্রাসনোগ্রাফি, হরমোন পরীক্ষা ইত্যাদি।

সতর্কতা
শিশুর যৌনাঙ্গ নিয়ে কোনো সন্দেহ হলে অথবা শরীরে কোনো প্রকার অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখলে সঙ্গে সঙ্গেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

চিকিৎসা
চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে, সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করলে হিজড়ারা ছেলে কিংবা মেয়ে হিসেবেই বেড়ে উঠতে পারবে এমনকি তাদের অনেকে সন্তান জন্মদানও করতে পারবে। তবে চিকিৎসা নির্ভর করছে কোন বয়সে যৌনাঙ্গ বা শরীরে অস্বাভাবিকতা দেখা দেয় তার ওপর। এ জন্য প্রথমেই শিশুর ক্রমোজম অ্যানালিসিস করে জেনো টাইপ ঠিক করে নিতে হবে। অনেক সময় তা সম্ভব না-ও হতে পারে। অস্বাভাবিকতার সঠিক কারণ নির্ধারণ করে মা-বাবার সঙ্গে পরামর্শ করে প্রয়োজনে সন্তান সাবালক হলে তার ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে ঠিক করতে হবে সে পুরুষ হবে, না নারী হবে। অস্বাভাবিকতার ওপর নির্ভর করে চিকিৎসাব্যবস্থা, অপারেশন বা ওষুধ। সময়মতো সঠিক চিকিৎসা নিলে তারা পুরুষ কিংবা নারী হিসেবেই বেড়ে উঠবে। অনেকে মা-বাবাও হতে পারবে।

হিজড়াদের জন্মগত ত্রুটি সারানো যায়
                                  

অনলাইন ডেস্ক: সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শারীরিক পরিবর্তন হয়ে ছেলে বা মেয়ে কোনোটি না হয়ে হিজড়ায় পরিণত হয় অনেকে। আবার অনেকের জন্ম হয় ছেলে হিসেবে; কিন্তু কৈশোরে লিঙ্গান্তরিত মেয়েতে রূপান্তরিত হয়। অথবা মেয়ে থেকে ছেলেতে রূপান্তরিত হয়। এর কোনো সঠিক পরিসংখ্যান না থাকলেও ধারণা করা হয়, ০.০১৮-১.৭ ভাগ শিশুদের ক্ষেত্রে এমনটি হতে পারে। ট্রান্স জেন্ডার, হার্মাফ্রোডাইট, খোজা, শিখণ্ডী, বৃহন্নলা, উভয় লিঙ্গ ইত্যাদি নামে  ডাকা হয় হিজড়াদের। কিন্তু হিজড়া হওয়ার কারণে তাদের থাকে না কোনো নাগরিক অধিকার। সমাজে তাদের পরিচয় হয় তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবে।

এটা জন্মগত ত্রুটি
হিজড়া/লিঙ্গান্তর এক ধরনের ইন্টার সেক্স ডিজঅর্ডার (আইএসডি) বা ডিজঅর্ডারস অব সেক্সুয়াল ডেভেলপমেন্ট (ডিএসডি) জাতীয় জন্মগত ত্রুটি। কয়েকটি ইন্টার সেক্স ডিজঅর্ডার হলো : কঞ্জেনিটাল এড্রিনাল হাইপার প্লাসিয়া, অভোটেস্টিকুলার ডিজঅর্ডার অব সেক্স ডেভেলপমেন্ট, টেস্টোস্টারন বায়োসিন্থেসিস ডিফেক্ট, এস্ট্রোজেন ইন্সেসিটিভিটি সিনড্রোম, গোনাডাল ডিসজেনেসিস ইত্যাদি।

বোঝার উপায়
কোনো শিশু হিজড়া হয়ে জন্ম নিচ্ছে কি না তা বোঝা সম্ভব। এ জন্য জন্মের পরপরই শিশুদের নাক, কান, চোখ, মুখগহবর, হাত-পা, মলদ্বার, যৌনাঙ্গ ইত্যাদি ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। অনেক শিশুর যৌনাঙ্গ দেখে ছেলে বা মেয়ে বুঝতে অসুবিধা হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে তারাই পরবর্তীতে হিজড়া হয়। আবার অনেক শিশু ছোট বেলায় নিখুঁত মেয়ে বা ছেলে হিসেবে বড় হয়; কিন্তু বয়ঃসন্ধিকালে লিঙ্গান্তর ঘটে ছেলে ও মেয়ে হয়; আবার মেয়ে ছেলে হয়। এদের অনেকেরই যতই লিঙ্গান্তর হোক না কেন পূর্বের লিঙ্গের কিছু বৈশিষ্ট্য থেকে যায়। ফলে সমাজে তারা হিজড়া হিসেবে পরিগণিত হয়।

কারণ
হিজড়া হওয়ার মতো জন্মগত ত্রুটির সঠিক কারণ জানা যায়নি। তবে এ জন্য কিছু বিষয়কে দায়ী করা হয়, যেমন—

►   গর্ভাবস্থায় ভুল ওষুধ সেবন। বিশেষ করে হরমোনজাতীয় ওষুধ

►   পরিবেশ দূষণ/তেজস্ক্রিয়তা

►   নিকট আত্মীয়ের মধ্যে বিয়ে

►   ক্রমোজমের সমস্যা ইত্যাদি।

করণীয়
►   পরিকল্পিত গর্ভধারণ। গর্ভধারণের আগে থেকেই নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শে থাকা।

►   নিকট আত্মীয়ের মধ্যে বিয়ে পরিহার করা

►   গর্ভধারণের আগে/গর্ভধারণ অবস্থায়  তেজস্ক্রিয়তা থেকে দূরে থাকা।

►   চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবন না করা।

পরীক্ষা
ক্রমোজম অ্যানালিসিস, আল্ট্রাসনোগ্রাফি, হরমোন পরীক্ষা ইত্যাদি।

সতর্কতা
শিশুর যৌনাঙ্গ নিয়ে কোনো সন্দেহ হলে অথবা শরীরে কোনো প্রকার অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখলে সঙ্গে সঙ্গেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

চিকিৎসা
চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে, সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করলে হিজড়ারা ছেলে কিংবা মেয়ে হিসেবেই বেড়ে উঠতে পারবে এমনকি তাদের অনেকে সন্তান জন্মদানও করতে পারবে। তবে চিকিৎসা নির্ভর করছে কোন বয়সে যৌনাঙ্গ বা শরীরে অস্বাভাবিকতা দেখা দেয় তার ওপর। এ জন্য প্রথমেই শিশুর ক্রমোজম অ্যানালিসিস করে জেনো টাইপ ঠিক করে নিতে হবে। অনেক সময় তা সম্ভব না-ও হতে পারে। অস্বাভাবিকতার সঠিক কারণ নির্ধারণ করে মা-বাবার সঙ্গে পরামর্শ করে প্রয়োজনে সন্তান সাবালক হলে তার ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে ঠিক করতে হবে সে পুরুষ হবে, না নারী হবে। অস্বাভাবিকতার ওপর নির্ভর করে চিকিৎসাব্যবস্থা, অপারেশন বা ওষুধ। সময়মতো সঠিক চিকিৎসা নিলে তারা পুরুষ কিংবা নারী হিসেবেই বেড়ে উঠবে। অনেকে মা-বাবাও হতে পারবে।

ফিলিস্তিনিরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতারণার শিকার: ঢাবি উপাচার্য
                                  

অনলাইন ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান বলেছেন, দুটি গুরুত্বপূর্ণ পর্বে ফিলিস্তিনি জনগোষ্ঠী আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতারণার শিকার হয়েছে। আর এটি হচ্ছে ১৯৪৮ ও ১৯৬৭ সালে।

মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি এ কথা বলেন।

এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে ‘ফিলিস্তিনে ইসরাইলের চলমান গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞের প্রতিবাদে’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।

শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও ঢাবির আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. রহমত উল্লাহর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক নিজামুল হক ভূঁইয়ার সঞ্চলনায় এতে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান এবং উপউপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামালসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা।

মানববন্ধনে ঢাবি উপাচার্য বলেন, ১৯৪৮ সালে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ফিলিস্তিনিরা প্রতারিত হয়েছেন। তখন ইসরাইল স্বীকৃতি পেলেও ফিলিস্তিন স্বীকৃতি পায়নি। দ্বিতীয়বার প্রতারণার স্বীকার হয়েছে ১৯৬৭ সালে। আর এই প্রতিটি ঘটনায় ফিলিস্তিনিরা ভূমি ও নিরীহ মানুষের প্রাণ হারিয়েছেন। সে কারণেই বলা হয় ইসরাইলি অকুপেশন।

সূত্র : যুগান্তর

ডিম খুঁজতে পাখির বাসায় হাত, সাপের ছোবলে প্রাণ গেল শিশুর!
                                  

অনলাইন ডেস্কঃ চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় সাপের কামড়ে সায়েম আলী (১০) নামের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ডিম খুঁজতে পাখির বাসায় হাত দিলে তাকে সাপে কামড় দেয়। নিহত সায়েম আলমডাঙ্গা উপজেলার বারোঘরিয়া গ্রামের শাবান আলীর ছেলে। সে স্থানীয় একটি স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে বাড়িসংলগ্ন পুকুরের পাশে গর্তের মধ্যে থাকা পাখির বাসায় হাত দেয় সায়েম। সে সময় পাখির বাসায় থাকা একটি সাপ তার হাতে কামড় দেয়। সায়েম সঙ্গে সঙ্গে বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি জানায়। তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

বারোঘরিয়া গ্রামের ইউপি সদস্য শাহিনুর আলম বলেন, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই সায়েমের মৃত্যু হয়। সাপটি খুবই বিষাক্ত। সাপটি উদ্ধার ও চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর শিশু সায়েমকে মৃত ঘোষণা করা হয়। হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।

সুত্ত্র ঃ কালের কন্ঠ 

ধ্বংস হবে প্লাস্টিক, খোঁজ মিলেছে এমন ৫০ প্রজাতির মাশরুমের
                                  

অনলাইন ডেস্ক: ১৯৫০ সাল থেকে এখন অবধি মানুষ ৯ বিলিয়ন টন প্লাস্টিক তৈরি করেছে। এর মাত্র ৯ শতাংশ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ১৫ কোটির মত প্লাস্টিক আছে সাগরের তলদেশে যা ২০৫০ সালের মধ্যে মাছের চেয়ে সংখ্যায় বেশি হবে। যা প্রকৃতির ভারসাম্যের জন্য ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি তৈরি করবে। এরই জের ধরে বিজ্ঞানীরা এমন মাশরুম আবিষ্কার করেছে যা প্লাস্টিক খায়। গেলো দুই বছরে এমন ৫০ প্রজাতির প্লাস্টিক উদ্ভব হয়েছে।

২০১১ সালে ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক দল এমন একটি মাশরুমের খোঁজ পেয়েছে যা ভবিষ্যতে প্লাস্টিকের বর্জ্য থেকে মুক্তি দিতে পারে। মাশরুমটির নাম পেস্টালোটিওপিস মাইক্রোস্পোরা। যা প্লাস্টিকের উপাদান, পলিউরেথেন খায় এবং জৈব পদার্থে রূপান্তর করে ।বিজ্ঞানীর মতে, বাদামী এই মাশরুম এমন পরিবেশেও তৈরি হতে পারে যেখানে অক্সিজেনের পরিমাণ অনেক কম। কারণ এটি প্লাস্টিকে থাকা পলিউরেথেন গ্রহণ করে এবং সেটিকে জৈব পদার্থে রূপান্তর করে। জৈব পদার্থের মাধ্যমে এটি প্রয়োজনীয় অক্সিজেন পায়। এই মাশরুম প্লাস্টিককে মাত্র দু’সপ্তাহের মধ্যে জৈব পদার্থে রূপান্তর করতে পারে। অন্যদিকে এই ধরনের মাশরুম সাধারণ মানুষও খেতে পারে।

এদিকে ইউট্রেচ বিশ্ববিদ্যালয় তার গবেষণা চালিয়ে গেছে, এবং বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন ধরণের ছত্রাক আবিষ্কার করেছে যা নির্দিষ্ট ধরণের প্লাস্টিক কমাতে পারে। গবেষণা দলের প্রধান খান এবং তার দলের বাকি সদস্যরা ২০১৭ সাল থেকে আরো ৫০টি প্রজাতি আবিষ্কার করেছে যা পরিবেশবান্ধব। খান বলেন, ‘আমরা এই  মাশুরমগুলোর বড় পরিসরে বিকাশ করছি, তবে মাশরুম দিয়ে প্লাস্টিক ধ্বংসের জন্য তহবিল প্রয়োজন। এরইমধ্যে পেটেন্টের জন্য আবেদন করা হয়েছে এবং তিনটি নতুন নিবন্ধ প্রকাশের পরিকল্পনা করেছে যার ফলে অনুদানের পথটি পরিষ্কার করতে পারে।

পরিবেশবিদরা মনে করেন, যদি এই মাশরুম প্লাস্টিকের বর্জ্যের উপরে তৈরি করা হয় তবে ওই প্লাস্টিক সার হিসাবে ব্যবহৃত হতে পারে। এই মাশরুমটি জৈব সার হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমাদের পৃথিবী পরিষ্কারে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।

সূত্র: লিপস.ওআরজি

যেসব খাবার খাবেন করোনা আক্রান্ত হলে
                                  

অনলাইন ডেস্কঃ করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে আক্রান্ত হয়েছে বহু মানুষ। করোনার সংক্রমণ হলে দরকার বিশেষ যত্ন। এ সময় খাওয়ার ব্যাপারে খুবই সচেতন হতে হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংক্রমিতদের খাবারে পর্যাপ্ত ফল থাকা দরকার।

বিভিন্ন ফলে থাকা ভিটামিন সি ভাইরাসকে নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। শুধু মোসাম্বি বা কমলালেবু নয়, প্রায় সব রকম ফলে ভিটামিন সি আছে। এছাড়াও করোনা আক্রান্ত হলে আরও যেসব ফল খাওয়া দরকার-

লেবু ও আমলকী: লেবু ও আমলকীতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন সি পাওয়া যায়। সকালে হালকা গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে অসুখের কষ্ট কমবে।

অন্য ফল: গরমের এই সময় আঙুর, পেয়ারা, আপেল, পেঁপে, শসা, কলা, তরমুজসহ নানা ধরনের ফল পাওয়া যায়। রোজ নিয়ম করে অন্তত তিন থেকে চার রকমের ফল খেতে হবে। সকালের নাস্তায় কলা, আপেল বা পেয়ারা খেতে পারেন। বেলা একটু বাড়লে পেঁপে বা তরমুজ খাওয়া যেতে পারে। এছাড়া আঙুর, পেঁপে, তরমুজ, কলা টুকরো করে সামান্য মধু মিশিয়ে ফ্রুট সালাদ করেও খাওয়া যেতে পারে সকাল বা বিকেলের নাস্তায়। রোজ ফল খেতে ভালো না লাগলে, দই মিশিয়ে স্মুদি বানিয়ে খেলে ভালো লাগবে। সব রকমের ফলেই  যথেষ্ট পরিমাণে ভিটামিন সি, ফোলেট, ডায়েটারি ফাইবার, বিভিন্ন দরকারি খনিজ ও পর্যাপ্ত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাওয়া যায়। এগুলি সবই ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে।


টক দই: প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় টক দই রাখা জরুরি। দইয়ের ল্যাকটোব্যাসিলাস গোত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়া অন্য জীবাণুদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। এটি ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করে। সেই সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায়।

করোনা আক্রান্তদের মধ্যে যারা বাড়িতে থেকে চিকিৎসা করাচ্ছেন, তারা অবশ্যই যে কোনও শারীরিক সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে ভুলবেন না। পালস অক্সিমিটারে অক্সিজেনের পরিমাণ ৯৫-এর কম হলে অবশ্যই চিকিৎসককে জানাতে হবে।

মিশরের রাস্তায় শোভাযাত্রায় সামিল হাজার বছর আগের রাজারানিরা
                                  

অনলাইন ডেস্কঃ  না, হাজার বছর বেঁচে আছেন, এমন রাজারানির কোনও কাহিনি কারও জানা নেই। কায়রোর রাস্তায় শোভাযাত্রায় থাকবে আসলে মিশরের বেশ কয়েকটি মমি। ২২টি মমি নিয়ে এই শোভাযাত্রা হবে।

এক ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, মোট ১৮ জন রাজা ও ৪ জন রানির মমি (22 mummies - 18 kings and four queens) মিশরের (Egypt) এই শোভাযাত্রায় অংশ নেবে। আসলে মমিগুলির বাসা বদল হচ্ছে। তাদের জন্য় নতুন জাদুঘর তৈরি হয়েছে পুরনো বাসস্থানের ৫ কিলোমিটার দূরে। সেখানেই নিয়ে যাওয়া হবে ২২টি মমি। মমিগুলি ১৮৮১ থেকে ১৮৯৮ সালের মধ্যে আবিষ্কৃত হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। বলা হয়েছে, প্রতিটি মমিকে নিয়ে যাওয়া হবে সুসজ্জিত যানে। মমি বহনকারী গাড়িগুলি ঘিরে থাকবে অন্য আরও গাড়ি। থাকবে ঘোড়ায় টানা রথের রেপ্লিকাও

জানা গিয়েছে, মমিদের শোভাযাত্রা উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোর করা হয়েছে। মিশরে (Egypt) আসলে মমিকে জাতীয় সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। নতুন জাদুঘরের নাম `ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব ইজিপশিয়ান সিভিলাইজেশন` (National Museum of Egyptian Civilisation)।

সাংবাদিক আবু আনাস মারা গেছেন
                                  

অনলাইন ডেস্কঃ দৈনিক ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেসের ইকোনমিক এডিটর আবু আনাস মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে ধানমন্ডিতে নিজ বাসভবনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।  মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৪৪ বছর।

আবু আনাস জাতীয় প্রেসক্লাব, ডিআরইউ ও ইকনোমিক রিপোর্টারস ফোরামের সদস্য ছিলেন।

২০ বছরের কর্মজীবনে তিনি দি ইন্ডিপেন্ডেন্ট ও দি নিউ ন্যাশনে কাজ করেছেন। অর্জন করেছেন বেশ কিছু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার।

২১ জুন সূর্যগ্রহণ, জেনে নিন কিছু তথ্য
                                  

অনলাইন ডেস্ক : আগামী ২১ জুন রবিবার সূর্যগ্রহণ। জ্যোতির্বিজ্ঞানের মতে সূর্য চন্দ্র এবং পৃথিবী একই সরলরেখায় অর্থাৎ চন্দ্র যখন সূর্য এবং পৃথিবীর মাঝে অবস্থান করে তখন চন্দ্রের ছায়া পৃথিবীর উপর পড়লে সূর্যগ্রহণ ঘটে। সূর্যগ্রহণ অমাবস্যা তিথিতে হয়। এবারের গ্রহণ কাল : গ্রহণ শুরু সকাল ৯টা ৪৬ মিনিট। শেষ বেলা ৩টা বেজে ৩৪ মিনিটে। বলয় গ্রাস ১০টা ৪৯ থেকে ২টা ৩২ মিনিট পর্যন্ত। চূড়ান্ত গ্রহণ কাল ১২টা বেজে ৪০ মিনিট।

এশিয়ার আরও অন্যান্য দেশ, আফ্রিকা এবং ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল এবং প্রসান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে রবিবারের সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে। ইউরোপ এবং অস্ট্রেলিয়ার কিছু কিছু অংশ থেকেও ২১ জুনের বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ প্রত্যক্ষ করা যাবে। কঙ্গো, ইথিওপিয়া, পাকিস্তান এবং চীনেও দেখা যাবে এটি। ২০২০ সালের দ্বিতীয় এবং শেষ সূর্যগ্রহণ হবে ১৪ ডিসেম্বর। সেই গ্রহণ কিন্তু পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ হবে। ওই সময় সূর্য, চাঁদ এবং পৃথিবী একই সরলরেখায় চলে আসে এবং চাঁদ সম্পূর্ণরূপে সূর্যকে ঢেকে দেয়, ফলে তারই ছায়া পড়ে পৃথিবীতে।

ক্যান্সার রোগীও এখানে এসে সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন বিনা চিকিৎসায়
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট:

গ্রিসের একটি ছোট দ্বীপ ইকারিয়া। ২৫৪ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। সেখানে যেন মানুষের জীবনে এমন কিছু একটা ঘটেছে, যার ফলে ‘মৃত্যুকে ভুলতে বসেছেন’ তাঁরা! বা অন্যভাবে বললে বিষয়টা এমন, ‘অমরত্বের’ রহস্য জেনে ফেলেছেন! বিস্ময়ে ভরা এই দ্বীপের মানুষের গড় আয়ু ১০০ বছর। এত বছর বয়স মানেই চোখের সামনে কুঞ্চিত চামড়া, ক্ষীণ দৃষ্টি, লাঠি ধরে চেয়ারে বসে থাকার যে ছবি ফুটে ওঠে, তার সঙ্গে ইকারিয়ার বাসিন্দাদের কোনো মিল পাবেন না। ১০০ বছরেও লাঠি-নির্ভর নন এখানকার বাসিন্দারা। পাহাড়ি সিঁড়ি ভেঙে একাই উঠে যান গির্জায়।

শয্যাশায়ী, মরতে বসা ক্যান্সারের রোগীও এখানে এসে সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন বিনা চিকিৎসায়। তারপর হৈ হৈ করে কাটিয়ে ফেলতে পারেন অনেক বছর! এমনই জাদু রয়েছে এই দ্বীপে। যেমনটা হয়েছিল ইকারিয়ার বাসিন্দা স্ট্যামাটিস মোরাইটিসের সঙ্গে। দীর্ঘদিন স্ট্যামাটিস ইকারিয়া ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। স্ত্রী-সন্তানদের সঙ্গে আমেরিকার ফ্লোরিডায় থাকতেন। ১৯৭৬ সালে একদিন হঠাত্ই ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে চিকিৎসকেরা জানিয়ে দেন, ফুসফুসের ক্যান্সারে ভুগছেন তিনি। তাঁর মাত্র নয় মাস আয়ু রয়েছে বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়।
স্ট্যামাটিসের তখন ৬০ বছর বয়স। জীবনের শেষ সময়টা তিনি ইকারিয়ায় ছেলেবেলার বন্ধুদের সঙ্গে কাটাতে চেয়েছিলেন। ফলে স্ত্রীর সঙ্গে ইকারিয়ায় ফিরে আসেন তিনি। সেখানে আসার মাস খানেক পর থেকেই যেন তাঁর জীবনের ঘড়ি উল্টো দিকে চলতে শুরু করে। ক্রমে সুস্থ বোধ করতে শুরু করেন তিনি। শয্যাশায়ী মানুষটা একাই হাঁটাচলা শুরু করেন। এমনকি নিজের জমিতে চাষ করে অলিভও ফলান! ৯০ বছর পর্যন্ত বেঁচেছিলেন তিনি। এ রকম ভুরি ভুরি উদাহরণ রয়েছে।

১০০ পার করা ইকারিয়ার বাসিন্দা গ্রেগরি সাহাস ৭০ বছর ধরে দিনে অন্তত ২০টা সিগারেট খেতেন। তা সত্ত্বেও এক অ্যাপেনডিসাইটিস সংক্রমণ ছাড়া আর কোনো অসুখ সারা জীবনে ছুঁতে পারেনি তাকে। এখানকার বাসিন্দারা আজও ঘড়ির উপর নির্ভরশীল নন। ব্যবসায়ীরা নিজেদের ইচ্ছামতো দোকান খোলেন। লাঞ্চে নিমন্ত্রিত অতিথিরা দুপুর ১২টাতে আসতে পারেন, আবার সন্ধ্যা ৬টাতেও। এখানে সবাই নিজের মর্জির মালিক। আর তাতে কারও কোনো সমস্যাও নেই। ছোট্ট এই দ্বীপে সকলেই একটা পরিবারের মতো বাঁচেন। টাকা-পয়সা নিয়ে কেউই মাথা ঘামান না। আর তাই ভীষণ স্ট্রেস মুক্ত জীবন এখানে। বেশি শাক-সব্জি, ফল খান তাঁরা। ফাস্ট ফুড একেবারেই চলে না এখানে। মাছ-মাংসও পরিমাণে খুব কম খান এখানকার বাসিন্দারা। মৎস্যজীবী, চাষি, পশুপালন এগুলোই এখানকার মানুষের মূল জীবিকা। আর পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় আলাদা করে শরীরচর্চারও প্রয়োজন হয় না। দৈনন্দিন কাজের মধ্যেই সেটা সম্পূর্ণ হয়।

ইকারিয়ানরা স্থানীয় মদ খান। কিন্তু তা কখনও দু’গ্লাস অতিক্রম করে না। রাতে ঘুমনোর আগে তাঁরা এক ধরনের অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট হার্বাল চা খান। কোনো স্ট্রেস না থাকার কারণে তাঁদের ঘুমও পর্যাপ্ত হয়, যা শরীর সুস্থ রাখার অন্যতম উপায়। ভাবতে অবাক লাগলেও বয়স তাঁদের যৌবনেও ছাপ ফেলতে পারে না। তাই ৮০ শতাংশ ইকারিয়ান ৬৫ থেকে ১০০ বছরেও সম্পূর্ণ সুস্থ এবং স্বাভাবিক যৌন জীবন পর্যন্ত উপভোগ করেন। ইউনিভার্সিটি অব আথেন্স-র এক গবেষণায় উঠে এসেছে এই তথ্য। ২০০০ সালে ন্যাশনাল জিয়োগ্রাফিক এক্সপ্লোরার এবং লেখক ড্যান বুয়েটনার এই দ্বীপের জীবনযাপন নিয়ে একটি বই লিখেছিলেন, যার নাম ‘দ্য ব্লু জোনস সলিউশন’। মূলত ইকারিয়াদের দীর্ঘায়ু হওয়ার ‘রহস্য’ লেখা রয়েছে ওই বইয়ে। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি শতায়ুর সংখ্যা এই দ্বীপে কেন? কেন এখানে মানুষ কম অসুখে ভোগেন? বিশ্বে ভয়ানক হারে বাড়তে থাকা ক্যান্সার এবং হৃদরোগ এখানকার বাসিন্দাদের মধ্যে দেখাই যায় না, সেটা কী ভাবে সম্ভব? প্রচুর গবেষণাও হয়েছে এ নিয়ে। গবেষণায় বারবারই তাঁদের লাইফস্টাইলের বিষয়টি উঠে এসেছে। তাঁদের চিন্তামুক্ত জীবনযাত্রা, খাদ্যাভাস এবং সর্বোপরি এই দ্বীপের জলবায়ু— এই তিনটি কারণের জন্যই ‘মৃত্যুকে ভুলতে বসেছেন’ এঁরা, এমনটাই মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

সাগরের ঢেউয়ে ভেসে এলো রহস্যময় প্রাণীর কঙ্কাল
                                  

অনলাইন ডেস্ক:
সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে এবার সামনে এলো একটি অদ্ভুত দর্শন প্রাণীর কঙ্কালের ভিডিও। প্রাণীটি সামুদ্রিক বলেই ধারণা করা হচ্ছে। এক মহিলা সকালে ঘুরতে বেরিয়ে কঙ্কালটি দেখতে পান। মোবাইলের ক্যামেরা অন করে সেটির ছবি রেকর্ড করেন। পরে সেই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। বছর পঁচিশের এক তরুণী, এরিকা কনস্টানটাইন পাঁচ বছর ধরে আমেরিকায় সাউথ ক্যারোলিনার চার্লস্টন শহরে থাকেন। শহরের সংলগ্ন সানরাইজ পার্ক এলাকার সৈকতে রোজই তিনি হাঁটতে যান। সঙ্গে থাকে তাঁর পোষা কুকুরটি। তিনি জীবনে এমন অদ্ভুত জিনিস দেখেননি বলে জানিয়েছেন।

প্রতিদিনের মতো এদিনও হাঁটতে বেরিয়েছিলেন এরিকা। কিন্তু দিনের শুরুটা তাঁর আর পাঁচটা দিনের মতো হলো না। পোষা কুকুরটি হঠাৎই দৌড়ে গিয়ে কিছু একটার সামনে চিৎকার করতে থাকে। এরিকা জানিয়েছেন, তাঁর পোষ্যটি যখন কোনও মৃত প্রাণী বা অদ্ভুত কিছু দেখে এমন চিৎকার করে। তিনিও দ্রুত কুকুরটির কাছে পৌঁছে যান। এরিকা গিয়ে দেখেন এক অদ্ভুত দেখতে প্রাণীর কঙ্কাল সমুদ্র তটে পড়ে রয়েছে। যার বড় বড় দাঁত। চোখ কোথায় ছিল ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। এরিকার দাবি, আকারে সেটি একটি কুকুরের সমান হবে। কিন্তু তাঁর দেখা কোনও প্রাণীর সঙ্গেই এই কঙ্কালটির কোনও মিল পাচ্ছিলেন না এরিকা।

তিনি ভিডিওটি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে দেন। ন্যাশনাল ওস্যানিক অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফিয়ারিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মতে, পৃথিবীর সমুদ্রের ৯৫ শতাংশই এখনও অন্বেষণ করা বাকি, আর সমুদ্রতলের ৯৯ শতাংশ অংশে এখনও কোনও ভাবেই পৌঁছতে পারে না মানুষ। তাই সমুদ্রের অতল গভীরে কোন কোন প্রাণী রয়েছে তার অনেক কিছুই দেখা বাকি। তেমনই কোনও একটি প্রাণী হতে পারে এই কঙ্কালটি।

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

চীনে আটকে পড়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর পোস্ট ভাইরাল
                                  

অনলাইন ডেস্ক:
মহামারী করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরের সঙ্গে চীনের যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ রাখা হয়েছে। গত ডিসেম্বরে উহান থেকেই করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। এতে এ পর্যন্ত ৪৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আক্রান্ত হয়েছে ২৪ হাজার। উহানে অনেকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী আটকে পড়েছেন যাদের একজন দ্বীন মুহাম্মদ প্রিয়। সম্প্রতি তার একটি ফেসবুক পোস্ট ভাইরাল হয়েছে। চীনের থ্রি গোর্জেস ইউনিভার্সিটির ছাত্র দ্বীন মুহাম্মদ প্রিয়`র পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো। খাবারের অভাব যে কত বড় একটা অভাব তা নিজে সম্মুখীন না হলে হয়ত বুঝতে পারতাম না।

পানিটা তাও ফুটিয়ে খাওয়া যায় কিন্তু খাবার না থাকলে তো আর রান্না করা যায় না। আমরা এখানে ১৭২ জন বাংলাদেশি যে কি পরিমাণ কষ্টে আছি তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। আমাদের ডরমিটরি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। আমরা বাইরে যেতে পারি না এবং কেউ ভিতরেও আসতে পারে না। ইউনিভার্সিটি খাবার দিতে চেয়েছে সেই ৩ দিন আগে, খাবার অর্ডার করেছিলাম এখন পর্যন্ত খাবার পাইনি। এই অবস্থায় আমরা এখানে কতদিন সুস্থভাবে বেঁচে থাকব সেটা জানি না। আমাদের ট্রেন, স্টেশন, বিমানবন্দর বন্ধ। সরকারের সাহায্য ব্যাতিত আমরা এখান থেকে বের হতে পারব না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়ের প্রতি বিনীত অনুরোধ আমাদের এই অবস্থা থেকে রক্ষা করুন। আমাদের এখানে কোন বাংলাদেশি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হইনি কিন্তু ইউনিভার্সিটিতে বেশ কয়েকজন আক্রান্ত। বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের সংকটে অচিরেই অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়বে। আমি ২০১৬ ব্যাচের ছাত্র এখন সিনিয়র, ২০১৭, ২০১৮, ২০১৯ ব্যাচের ছোট ভাই-বোনেরা জন্য সমস্যার কথা জানায় তখন এই নিজেকে অক্ষম মনে হয়। দয়া করে আমাদের এখান থেকে উদ্ধার করুন।

দ্বীপায়ন রায়
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক (চতুর্থ বর্ষ)
চায়না থ্রি গর্জেস ইউনিভার্সিটি। ইচাং,হুবেই।

 
নিউ ইয়র্কের সমুদ্রে ধরা পড়ল অদ্ভুত দর্শন প্রাণী
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট:

কত যে অদ্ভুত প্রাণী রয়েছে এই পৃথিবীতে, তার কয়টিকেই বা আর আমরা চিনি? এমনই এক অদ্ভুত দেখতে প্রাণী ধরা পড়ল একটি ছিপে। ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপ টিকটকে এক ইউজার প্রাণীটির একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। আর ভিডিওটি ১৪ লাখ শুধু লাইক পেয়েছে। নাতালিয়া ভরবক নামে এক টিকটক ইউজার কয়েক সেকেন্ডের ভিডিওটি পোস্ট করেছেন তাঁর অ্যাকাউন্টে।

সেখানে দেখা যাচ্ছে একটি কাঠের ডেকের উপর একটি প্রাণীকে তুলে রাখা হয়েছে। তার শরীরে পেঁচিয়ে রয়েছে মাছ ধরার ছিপের সুতো। দেখেই মনে হচ্ছে, সমুদ্রে ছিপ ফেলে সেটিকে কেউ ধরেছেন। প্রাণীটি দেখতে কিছুটা স্কুইড বা অক্টোপাসের মতো। তবে অক্টোপাসের মতো এতে আটটি শুঁড় নেই। রয়েছে একটি বড় শুঁড়ের মতো অংশ, আর তার থেকে দুটি ছোট ছোট লেজের মতো রয়েছে। ফোলা মতো মাথার দুদিকে দুটি চোখ রয়েছে। সুতোয় একটু টান পড়তেই প্রাণীটিকে ছটফট করতে দেখা যাচ্ছে ভিডিওতে।

প্রাণীটি নিউ ইয়র্কে ব্রুকলিনের কোনি আইল্যান্ডে ধরা হয় বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল। ভিডিওটি ১৪ লাখ লাইক পাওয়ার পাশাপাশি কমেন্ট পেয়েছে প্রায় ২০ হাজার। আর ভিডিওটি দেখা হয়েছে এক কোটি ৬২ লাখ বার। প্রাণীটির নাম কী সে সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করা হয়নি ভিডিওটির পোস্টে। প্রাণীটি শেষ পর্যন্ত জলে ফিরে যেতে পেরেছে কিনা, তা-ও উল্লেখ করা হয়নি টিকটকে।

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

আর্কিমিডিসের সূত্রে বাঁচল কুয়োতে আটকে থাকা হাতি
                                  

ঝাড়খণ্ডের গুমলাতে কুয়োতে আটকে পড়ে এক হাতি। হাতিকে আটকে পড়ে থাকা দেখে গ্রামবাসীর মধ্যে দুঃখ হলেও উদ্ধার করতে তারা ছিলেন অপারগ। এরপরই খবর দেওয়া হয় ঝাড়খণ্ডের বন দফতরে। মঙ্গলবার সাত সকালে সে রাজ্যের বিপন্ন হাতিকে উদ্ধার করতে বন দফতরে কর্মীরা ছুটে আসেন। তাঁরা স্থূলকায় ওই জীবকে উদ্ধারে প্রয়োগ করেন আর্কিমিডিসের সূত্র।

ইয়াহু নিউজের খবরে বলা হয়েছে, ঘটনাস্থলে গিয়ে বন দফতরের কর্মীরা কুয়ো তিনটি পাম্পের সাহায্যে পানি ভর্তি করেন। এর ফলে পানির চাপে ধীরে ধীরে ওপরে ভেসে ওঠে সেই হাতিটি। ওপরের দিকে কাঠের তক্তা দিয়ে আগে থেকেই তৈরি করা ছিল র‍্যাম্প। সেই র‍্যাম্প বেয়ে এরপর কুয়োর বাইরে বেরিয়ে আসে সেই হাতি। এ ঘটনায় স্পষ্টতই খুশি কেন্দ্রীয় বনমন্ত্রক। আইএফএস আধিকারিক রমেশ পাণ্ডে গুমলার ডিভিশনাল বন আধিকারিক ও রাজ্য বন দফতরকে এই সাফল্যের জন্য বাহবা দিয়েছেন।
তিনি টুইটে লেখেন, ‘মন ভালো করে দেওয়া ছবি। উপস্থিত বুদ্ধি খাটিয়ে গুমলা বন দফতর ও গ্রামবাসীরা ওই হাতিকে উদ্ধার করেছেন। বিপর্যয়ের সময় আর্কিমিডিসের সূত্র ব্যবহার করে মুক্ত করেছে একটা হাতির ছানাকে।’ সেই টুইট দেখে অন্য নেটিজেনরাও এই উপস্থিত বুদ্ধির তারিফ করেছেন।

জানা গেছে, কুয়োতে ঘণ্টা খানেক আটক থাকলেও সেই হাতির কোনও আঘাত লাগেনি। মুক্ত হয়ে বেশ হেলতে দুলতেই জঙ্গলে ঢুকে গিয়েছে ওই স্থূলকায় জীব।

 
জার্মান নারী প্রেমে পড়েছেন বিমানের, বিয়ে মার্চে!
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মার্কিন কবি এমিলি ডিকিনসন একটি কথা বলেছিলেন। যার মমার্থ অনেকটা এরুপ-মন থেকে কোনো ব্যক্তি বা কোনো বস্তুর প্রেমে পড়ে গেলে তা থেকে বেরিয়ে আসা যায় না। ঠিক যেমনটি ঘটেছে জার্মান নারী মাইকেল কবকের ক্ষেত্রে। ৩০ বছর বয়সী এই নারী কোনো পুরুষের নয়, বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এর প্রেমে পড়েছেন। শুধু তাই নয়, দীর্ঘ ৬ বছর ধরে ডেটিং করছেন এই জড়বস্তুর সঙ্গে। ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী মার্চে বিয়ে করছেন তারা।

৪০ টন ওজনের এই জাম্বো জেটের সঙ্গে কবকের প্রথম দেখা হয় ২০১৪ সালে বার্লিন টেগেল এয়ারপোর্টে। তখনই বিশালাকৃতির এই অত্যাধুনিক বিমানের প্রেমে পড়ে যান তিনি।

জার্মান এই নারীর বিমানপ্রীতির ঘটনা এ কান থেকে ও কানে যেতে সময় লাগেনি। বিমানের প্রতি একটা আগ্রহ দেখে বিমানকে স্পর্শ করার সুযোগ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। গত তিনি বিমানের পাখায় ওঠার সুযোগ পান এবং তাতে ভালোবাসার চিহ্ন এঁকে দেন। ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী মার্চে নেদারল্যান্ডসে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হবেন তারা।


২০১৩ সালের নভেম্বরে প্রথম বিমানে আরোহন করেন এই জার্মান নারী। এরপর থেকেই মূলত বিমানের প্রতি ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটতে থাকে। সেই সময়টার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘বিমানে থাকার মুহূর্তটা ছিল আমার জীবনের সেরা সময়। আমরা যখন একসঙ্গে ছিলাম তখন অনেক মজা করেছি, একে অপরকে চুম্বন করেছি এবং আমি তার শরীরে হাত বুলিয়ে দিয়েছে।’

কবকে ভালোবেসে বিমানবয়ফ্রেন্ডের নাম দিয়েছেন ‘স্ক্যাটজ’, যার অর্থ প্রিয়তম। কবকের দাবি, তারা ছয় বছর ধরে ডেটিং করছেন এবং তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক রয়েছে। তবে বোয়িংয়ের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাতের সুযোগ পেয়েছেন মাত্র দুইবার। তার ইচ্ছা, সুযোগ পেলে সারাদিন কাটাবেন বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে।


ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড দ্য সানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এর সঙ্গ সবসময় না পেলেও নিজের বেডরুমে বোয়িংয়ের একটি মডেল রেখে দিয়েছেন কবকে। যান্ত্রিক এই প্রেমিককে জড়িয়ে ধরেই রাত পার করেন তিনি।
মার্চে বিয়ের ঘোষণা দিয়ে নিজের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন পেশায় বিক্রয়কর্মী এই নারী। বিশেষ ওই দিনে কোনো সাদা রঙের পোশাক পরতে চান না তিনি। তিনি বলেছেন, ‘তার বিশেষ দিনের পোশাক হবে স্মার্ট ধরনের। সেটা হলো কালো রঙের ট্রাউজার ও ব্লেজার।’


আমি চাই কেউ আমাদের বিয়ে দিয়ে দিক আর বলুক, ‘তুমি কি তোমার ৭৩৭-৮০০ কে বিয়ে করত চাও?’উত্তরে আমি বলব, ‘অবশ্যই’। আমি তাকে ভালোবাসার চিহ্ন এঁকে দেব এবং সারাজীবন অমর থাকব।

বলা হচ্ছে, বোয়িংয়ের প্রতি জার্মান এই নারীর প্রবল আকর্ষণ কোনো স্বাভাবিক ঘটনা নয়। আবার এমন ঘটনা যে আগে ঘটেনি, তা-ও কিন্তু নয়। বিশেষ বস্তর প্রতি এমন টানকে বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় অবজেক্টোফোবিয়া। কেউ এই রোগে ভুগলে তার বিশেষ বস্তুর প্রতি অপরিসীম টান তৈরি হয়।

তবে বোয়িংয়ের প্রতি এ টানকে ব্যতিক্রম বলতে রাজি নন কবকে। তার মতে, তাদের সম্পর্ক সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। তিনি বলেন, ‘আমরা এক সঙ্গেই (বোয়িংয়ের মডেল) সন্ধ্যায় সময় কাটাই। যখন রাতে বিছানায় যাই তখন আমরা এক অপরকে জড়িয়ে ধরি এবং ঘুমিয়ে পড়ি।’ তার মতে, ভালোবাসার কোনো সীমা নেই।

 
গিনেস রেকর্ডসে নাম লেখালেন কেশবতী নিলানশি
                                  

নিউজ ডেস্ক

রূপকথার রাপুঞ্জেল যেন নেমে এসেছে ভারতের গুজরাট রাজ্যে। রাজ্যের মোদাসা শহরে নিলানশি প্যাটেল নামের ১৯ বছর বয়সী এক নারীর চুল ৬ ফুটের বেশি লম্বা। বাহারি চুলের জন্য গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছেন তিনি।

সবচেয়ে লম্বা চুলের অধিকারী হতে চুল বড় করেননি নিলানশি। এক বিরক্তিকর অভিজ্ঞতা থেকে চুল বড় করেছিলেন তিনি। ছয় বছর বয়সে একবার সেলুনে চুল কাটাতে নেওয়া হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু সেই চুল কাটানো পছন্দ হয়নি নিলানশির। ফলে আর চুল কাটেননি তিনি। আর সেই চুল তাঁকে স্থান দিল গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে। বলা হচ্ছে, নিলানশি হলেন বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা চুলের তরুণী।


নিলানশি এই প্রথম রেকর্ডস বুকে নাম লিখিয়েছেন এমনটা নয়, এর আগে ২০১৭ সালের ২১ নভেম্বরও গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছিলেন তিনি। তখন তাঁর চুল ছিল ৫.৫৯ ফুট। এরপর সেই রেকর্ড হাতছাড়া হয়েছিল তাঁর। গত শুক্রবার গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্টে জানিয়েছে, ৬ ফুট ২.৮ ইঞ্চি চুলের জন্য সম্প্রতি আবার রেকর্ড ফিরে পেয়েছেন নিলানশি।


নিলানশি বলেন, ‘আমি আমার চুল পছন্দ করি। আমি কখনোই আমার চুল কাটিনি। আমার মায়ের স্বপ্ন ছিল, আমার নাম গিনেস বুকে উঠবে।’

নিলানশির কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, তাঁর এই লম্বা চুলের রহস্য কী? এই প্রশ্নের উত্তরে রহস্যটা খোলাসা করেননি তিনি। তিনি বলেন, তাঁর মা তাঁকে ঘরে তৈরি করা তেল মেখে দেন।

নিলানশি বর্তমানে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিনি আসলে সফটওয়্যার প্রকৌশলী হতে চান। এ ছাড়া প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পরও লম্বা চুলের অধিকারী হিসেবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লেখাতে চান তিনি।

 
কুকুরের দুধ পান করে বড় হচ্ছে ছাগল ছানা
                                  

 নিজস্ব প্রতিবেদক

 

কথায় আছে সবচেয়ে প্রভুভক্ত প্রাণি হলো কুকুর। আর তাইতো অনেকের বাড়ীতেই একটি দুটি করে কুকুর পাওয়া যায়,   দিনে বা রাতে বাড়িতে অপরিচিত কেও বেড়াতে এলে কুকুর তার নিজের সুরে প্রভুকে/বাড়ীর মালিককে সতর্ক করে দেয়। বিজ্ঞান বলছেন,অন্য প্রাণির চেয়ে কুকুরের একটি ইন্দ্রিয়শক্তি বেশি আছে। যার ফলে সে প্রাচীরের ওপাশে কি আছে তা বুঝতে পারে। তাছাড়া বিশ্বের অনেক দেশে কুকুর দ্বারা বিভিন্ন জিনিস এর অনুসন্ধান করা হয়ে থাকে। আমাদের দেশেও তার ব্যতিক্রম নয়। আবার অনেকে বর্তমানে কুকুরকে পুতুল হিসাবেও পোষ মানিয়ে কোলে করে শুয়ে থাকে। থাক সে কথা। কুকুর নিয়ে অনেক গল্প কাহিনী আছে, কিন্তু এবার তৈরী হলো "নতুন গল্প,নতুন ইতিহাস" কুকুর জন্মদিল `বিস্ময়কর অদ্ভুদ ঘটনা` পাল্টে দিল মানুষের ধ্যনধারনা। পৃথিবীতে প্রতিদিন ঘটছে হাজারো রকমের আশ্চর্যজনক চাঞ্চল্যকর অদ্ভুত ঘটনা। যা আমরা অনেক সময় কল্পনিক বা রূপক ঘটনা হিসাবে ধরে নিই। এসব ঘটনা আমরা অনেক সময় বিশ্বাস  করি আবার করিওনা। ঠিক তেমনই অবাক করা অবিশ্বাস্য অকল্পনিয় ঘটনার জন্ম দিয়েছে চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার খাসকররা গ্রামের মৃত কাঙ্গালী মন্ডলের বাড়ীর একটি কুকুর। আর তা হলো একটি ছাগলছানাকে নিজের দুধ খাওয়ায় । ছাগল ছানাটির মা থাকায় পরও দুধ পাইনা। এক পর্যায়ে দুধের অভাবে   ছানাটি যখন নিরুপায় ঠিক তখনই মায়ের ভুমিকা নিয়ে নিজের দুধ খাওয়াতে থাকে কুকুরটি। ঘটনাটি যখন আস্তে আস্তে লোক চক্কুর নজরে আসে তখন ব্যাপারটি ভাইরাল   হতে থাকে। চারিদিক থেকে ছুটে আসে শতশত মানুষ। তাদের মাঝে কয়েক জনের সাথে কথা হয় দৈনিক এশিয়া বাণী’র,আলমডাঙ্গা উপজেলার খাসকররা গ্রামের শ্যামল আলী বলেন, ঘটনাটি সত্যিই অবাক করার মত,সবচেয়ে আশ্চর্য জনক যে,পৃথিবিতে যখন মানুষ মানুষের পাশে দাড়াইনা ঠিক তখনই একটি প্রাণি আরেকটি প্রাণির পাশে দাড়িয়ে গোটা দুনিয়াকে বুঝিয়ে দিল সৃষ্টির জন্য সৃষ্টি। অন্যের বিপদে নিজেকে বিলিয়ে দিতে হবে। কুকুরটি বুঝিয়ে দিলযে কেও না খেয়ে অনাহারে থাকলে তাকে খাবার দিতে হবে। এতিম মিসকিনদের পাশে দাড়াতে হবে। লোকছান মন্ডল জানান,ঘটনাটি শোনার পর অবাক মনে হচ্ছিলো তাই দেখতে এলাম। আসলেই সত্যি। করিম মিয়া বলেন,কি আশ্চর্য জনক ঘটনা পূর্বে কখনো এমন দেখিনি বা শুনিইও নি। আমির আলী বলেন, এটা দেখে মানুষের অনেক শেখার আছে তবে এই কুকুরের দুধে বিশ আছে কি না সেটি আগে জানতে হবে। নইলে বিপদ হবে ছাগলছানাটির।শিবলু আলী জানান,পবিত্র কোরআনে বর্ণিত আছে হায়াৎ মউত রিজিক আল্লাহর হাতে। যার জলন্ত উধাহারণ এটি। যুগেযুগে মহান আল্লাহ মানুষের হেদায়েতের জন্য এমন অনেক অবাক করা ঘটনা দেখান যাহাতে মানুষ শিক্ষা লাভ করে। এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তার সাথে দৈনিক এশিয়া বাণী কথা বললে জানান,পরীক্ষা নিরিক্ষার পরই জানা যাবে কুকুরের দুধে বিষ আছে কি না। তবে ছাগলছানাটিকে এ দুধ না খাওয়ানোই উচিৎ।


   Page 1 of 6
     অন্যান্য
হিজড়াদের জন্মগত ত্রুটি সারানো যায়
.............................................................................................
ফিলিস্তিনিরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতারণার শিকার: ঢাবি উপাচার্য
.............................................................................................
ডিম খুঁজতে পাখির বাসায় হাত, সাপের ছোবলে প্রাণ গেল শিশুর!
.............................................................................................
ধ্বংস হবে প্লাস্টিক, খোঁজ মিলেছে এমন ৫০ প্রজাতির মাশরুমের
.............................................................................................
যেসব খাবার খাবেন করোনা আক্রান্ত হলে
.............................................................................................
মিশরের রাস্তায় শোভাযাত্রায় সামিল হাজার বছর আগের রাজারানিরা
.............................................................................................
সাংবাদিক আবু আনাস মারা গেছেন
.............................................................................................
২১ জুন সূর্যগ্রহণ, জেনে নিন কিছু তথ্য
.............................................................................................
ক্যান্সার রোগীও এখানে এসে সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন বিনা চিকিৎসায়
.............................................................................................
সাগরের ঢেউয়ে ভেসে এলো রহস্যময় প্রাণীর কঙ্কাল
.............................................................................................
চীনে আটকে পড়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর পোস্ট ভাইরাল
.............................................................................................
নিউ ইয়র্কের সমুদ্রে ধরা পড়ল অদ্ভুত দর্শন প্রাণী
.............................................................................................
আর্কিমিডিসের সূত্রে বাঁচল কুয়োতে আটকে থাকা হাতি
.............................................................................................
জার্মান নারী প্রেমে পড়েছেন বিমানের, বিয়ে মার্চে!
.............................................................................................
গিনেস রেকর্ডসে নাম লেখালেন কেশবতী নিলানশি
.............................................................................................
কুকুরের দুধ পান করে বড় হচ্ছে ছাগল ছানা
.............................................................................................
বয়স্ক শিক্ষায় পিছিয়ে বাংলাদেশের নারীরা
.............................................................................................
বিয়ে করেছেন গুলতেকিন
.............................................................................................
‘বুলবুল’র শঙ্কা কাটিয়ে সৈকতে পর্যটকরা
.............................................................................................
জরুরি অবস্থায় পৌঁছেছে জলবায়ু সঙ্কট
.............................................................................................
চীনের এই গ্রামে সবাই কোটিপতি
.............................................................................................
সন্তান প্রসবের সময় কুকুরকে পুড়িয়ে হত্যা
.............................................................................................
কেন ট্রেড ইউনিয়ন চান না মালিকরা?
.............................................................................................
আয়েশামণি কার কাছে যাবে?
.............................................................................................
লিভার দিয়ে নাতির জীবনদান
.............................................................................................
রাইড শেয়ারিং: শর্ত পূরণ কবে জানে না কেউ
.............................................................................................
হ্যাকারের কবজায় সাত দিন
.............................................................................................
ঝলকেই লোহার রড, বেসবল ব্যাট ভাঙেন তিনি
.............................................................................................
মসজিদের বাইরে জুতা সাজাচ্ছেন অমুসলিম ব্যক্তি
.............................................................................................
অস্ট্রেলিয়ার সৈকতে `রহস্যময়` মাছ
.............................................................................................
গভীর সাগর দিয়ে ছুটবে ট্রেন
.............................................................................................
বরফের তৈরি হোটেল!
.............................................................................................
জীবন বাঁচাতে শ্বাসরোধ করে সিংহকে মেরে ফেললো যুবক!
.............................................................................................
মৌলভীবাজারের বাইক্কা বিল মাছের পাশাপাশি পাখিদেরও অভয়াশ্রম
.............................................................................................
একই চেহারার হতে গিয়ে যমজ বোনের কাণ্ড!
.............................................................................................
বরের বয়স ১০, কনের ৮
.............................................................................................
কান্নার জন্য ‘সুদর্শন’ পুরুষ ভাড়া!
.............................................................................................
কম্বোডিয়ায় সড়ক হবে বঙ্গবন্ধুর নামে
.............................................................................................
সাবেক রাষ্ট্রদূত মারুফ জামান নিখোঁজ
.............................................................................................
প্যারাডাইস পেপারসে আসা ব্যক্তিদের ব্যাপারে খতিয়ে দেখা হবে: দুদক চেয়ারম্যান
.............................................................................................
প্রজাপতি মেলায় দর্শনার্থীদের ভিড়
.............................................................................................
আয়কর মেলার প্রথম দিনেই উপচে পড়া ভিড়
.............................................................................................
গাজর ভেবে দামী গাড়ি খেয়ে ফেললো বোকা গাধা
.............................................................................................
মেজাজ ভালো থাকলেই শুধু ফ্লুয়ের টিকা কাজ করে?
.............................................................................................
বিক্ষোভের মুখে কবর থেকে তিমি উত্তোলন
.............................................................................................
৩ মাইল লম্বা বিয়ের শাড়ি প্রদর্শন, বিতর্কের মুখে দম্পতি
.............................................................................................
সমুদ্রের হাজার মাইল পথ পাড়ি দেয়া পাখি কেন পথ হারায় না?
.............................................................................................
শরীরে অ্যালকোহল বানিয়ে ঠাণ্ডায় বাঁচে গোল্ডফিশ
.............................................................................................
বিয়ের যাত্রী নিয়ে কারাগারে হঠাৎ নামল হেলিকপ্টার
.............................................................................................
অদ্ভূত প্রাণী `টার্ডিগ্রেড`: কোন বিপদেই যে কাবু হয় না
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop