| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * খিলক্ষেতে ক্রেনের ধাক্কায় শ্রমিক নিহত   * চালের বাজারে কিছুটা স্বস্তি, বেড়েছে মাছ-মুরগি-চিনির দাম   * বিশ্বে করোনায় মৃতের সংখ্যা সরকারি হিসাবের দ্বিগুণ: আইএইচএমই   * দৌলতদিয়ায় ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড়   * স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই গণপরিবহনে, চলছে আন্তঃজেলা বাসও   * উন্নত দেশগুলোর চেয়ে একাই বেশি গ্রিনহাউস গ্যাস ছড়ায় চীন   * জার্মানিতে একদিনে ১০ লাখ মানুষের টিকা গ্রহণ   * করোনা থেকে মুক্তি পেতে জুমাতুল বিদায় বিশেষ দোয়া   * মাস্ক পরা নিয়ে সরকারের ৮ নির্দেশনা   * বাংলাদেশ ১০ হাজার রেমডেসিভির দিল ভারতকে  

   আন্তর্জাতিক -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
বিশ্বে করোনায় মৃতের সংখ্যা সরকারি হিসাবের দ্বিগুণ: আইএইচএমই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বিশ্বজুড়ে গত দেড় বছরে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে অন্তত ৬৯ লাখ মানুষ মারা গেছেন, যা দেশগুলোর সরকারি হিসাবের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ওয়াশিংটনের ইনস্টিটিউট ফর হেলথ মেট্রিকস অ্যান্ড এভাল্যুয়েশন (আইএইচএমই)-এর বিশ্লেষণে এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর রয়টার্সের।

আইএইচএমই’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেশিরভাগ দেশ শুধু হাসপাতালে মারা যাওয়া রোগীদের গণনা করায় মৃতের প্রকৃত সংখ্যা গোপন থেকে যাচ্ছে।

বিশ্বের বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যার তুলনামূলক হিসাব তুলে ধরা একটি স্বাধীন স্বাস্থ্য গবেষণা সংস্থা আইএইচএমই। অতীতে হোয়াইট হাউসও সংস্থাটির দেয়া তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়েছে। এর প্রতিবেদনগুলো জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তারা ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করে থাকেন।

আইএইচএমই’র মতে, কোনো দেশে করোনায় মৃত্যুর হারের সঙ্গে সেখানে নমুনা পরীক্ষার সংখ্যার খুব ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।

সংস্থাটির পরিচালক ক্রিস্টোফার মুরে এক সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বলেন, আপনি যদি পরীক্ষা খুব বেশি না করেন, তাহলে করোনায় অনেক মৃত্যু এড়িয়ে যাবেন।

মহামারিপূর্ব সময়ে সব ধরনের কারণে মৃত্যুর প্রবণতার সঙ্গে মহামারির সময়ে সর্বমোট মৃত্যুর সংখ্যার তুলনামূলক হিসাব করে করোনায় মৃত্যুর সম্ভাব্য প্রকৃত সংখ্যা বের করেছে আইএইচএমই।

তাদের হিসাব বলছে, যুক্তরাষ্ট্রে এ পর্যন্ত করোনায় অন্তত ৯ লাখ ৫ হাজার মানুষ মারা গেছেন। অথচ দেশটির রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের (সিডিসি) হিসাবে বলা হচ্ছে, সেখানে করোনায় মৃতের সংখ্যা ৫ লাখ ৭৫ হাজার ৪৯১ জন।

আইএইচএমই’র এই প্রতিবেদনের বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি সিডিসি।

অবশ্য ইনস্টিটিউট ফর হেলথ মেট্রিকস অ্যান্ড এভাল্যুয়েশনের এই বিশ্লেষণে শুধু সরাসরি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হিসাব করা হয়েছে। মহামারির কারণে সৃষ্ট চিকিৎসা সংকটে যেসব মৃত্যু হয়েছে, তা গোনায় ধরা হয়নি।

মুরে বলেন, অনেক দেশ মহামারিতে ভুক্তভোগীদের সংখ্যা নির্ণয়ে অসাধারণ প্রচেষ্টা চালিয়েছে। তবে আমাদের বিশ্লেষণ দেখিয়ে দিয়েছে, একটি নতুন এবং দ্রুত ছড়িয়ে পড়া সংক্রামক রোগ সম্পর্কে সঠিকভাবে অনুসন্ধান করা কতটা কঠিন।

বিশ্বে করোনায় মৃতের সংখ্যা সরকারি হিসাবের দ্বিগুণ: আইএইচএমই
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বিশ্বজুড়ে গত দেড় বছরে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে অন্তত ৬৯ লাখ মানুষ মারা গেছেন, যা দেশগুলোর সরকারি হিসাবের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ওয়াশিংটনের ইনস্টিটিউট ফর হেলথ মেট্রিকস অ্যান্ড এভাল্যুয়েশন (আইএইচএমই)-এর বিশ্লেষণে এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর রয়টার্সের।

আইএইচএমই’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেশিরভাগ দেশ শুধু হাসপাতালে মারা যাওয়া রোগীদের গণনা করায় মৃতের প্রকৃত সংখ্যা গোপন থেকে যাচ্ছে।

বিশ্বের বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যার তুলনামূলক হিসাব তুলে ধরা একটি স্বাধীন স্বাস্থ্য গবেষণা সংস্থা আইএইচএমই। অতীতে হোয়াইট হাউসও সংস্থাটির দেয়া তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়েছে। এর প্রতিবেদনগুলো জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তারা ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করে থাকেন।

আইএইচএমই’র মতে, কোনো দেশে করোনায় মৃত্যুর হারের সঙ্গে সেখানে নমুনা পরীক্ষার সংখ্যার খুব ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।

সংস্থাটির পরিচালক ক্রিস্টোফার মুরে এক সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বলেন, আপনি যদি পরীক্ষা খুব বেশি না করেন, তাহলে করোনায় অনেক মৃত্যু এড়িয়ে যাবেন।

মহামারিপূর্ব সময়ে সব ধরনের কারণে মৃত্যুর প্রবণতার সঙ্গে মহামারির সময়ে সর্বমোট মৃত্যুর সংখ্যার তুলনামূলক হিসাব করে করোনায় মৃত্যুর সম্ভাব্য প্রকৃত সংখ্যা বের করেছে আইএইচএমই।

তাদের হিসাব বলছে, যুক্তরাষ্ট্রে এ পর্যন্ত করোনায় অন্তত ৯ লাখ ৫ হাজার মানুষ মারা গেছেন। অথচ দেশটির রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের (সিডিসি) হিসাবে বলা হচ্ছে, সেখানে করোনায় মৃতের সংখ্যা ৫ লাখ ৭৫ হাজার ৪৯১ জন।

আইএইচএমই’র এই প্রতিবেদনের বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি সিডিসি।

অবশ্য ইনস্টিটিউট ফর হেলথ মেট্রিকস অ্যান্ড এভাল্যুয়েশনের এই বিশ্লেষণে শুধু সরাসরি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হিসাব করা হয়েছে। মহামারির কারণে সৃষ্ট চিকিৎসা সংকটে যেসব মৃত্যু হয়েছে, তা গোনায় ধরা হয়নি।

মুরে বলেন, অনেক দেশ মহামারিতে ভুক্তভোগীদের সংখ্যা নির্ণয়ে অসাধারণ প্রচেষ্টা চালিয়েছে। তবে আমাদের বিশ্লেষণ দেখিয়ে দিয়েছে, একটি নতুন এবং দ্রুত ছড়িয়ে পড়া সংক্রামক রোগ সম্পর্কে সঠিকভাবে অনুসন্ধান করা কতটা কঠিন।

উন্নত দেশগুলোর চেয়ে একাই বেশি গ্রিনহাউস গ্যাস ছড়ায় চীন
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বিশ্বের উন্নত দেশগুলো সম্মিলিতভাবে যে পরিমাণ গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ করে, তার চেয়ে একাই বেশি নিঃসরণ করছে চীন। সাম্প্রতিক এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক রোডিয়াম গ্রুপ জানিয়েছে, ২০১৯ সালে এক চীন থেকেই বিশ্বের ২৭ শতাংশ গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ হয়েছে।

এ তালিকায় দ্বিতীয় যুক্তরাষ্ট্র। গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণে তাদের অবদান ১১ শতাংশ। তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভারত গ্রিনহাউস গ্যাস ছড়িয়েছে ৬ দশমিক ৬ শতাংশ।

বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলেছেন, চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সমঝোতা ছাড়া বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের বিপর্যয় এড়ানো কঠিন হয়ে যাবে।

রোডিয়ামের তথ্যমতে, গত তিন দশকে চীনের গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের হার তিনগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্বের বৃহত্তম জনসংখ্যা এশিয়ার দেশটিতে। ফলে মাথাপিছু নিঃসরণে তারা যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে অনেক পিছিয়ে।

কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, চীনে মাথাপিছু গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের হারও গত দুই দশকে তিনগুণ বেড়েছে।

চীন ব্যাপকভাবে কয়লাবিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল। দেশটিতে বর্তমানে ১ হাজার ৫৮টি কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু রয়েছে, যা গোটা বিশ্বের অর্ধেকেরও বেশি।

২০৩০ সালের দিকে শীর্ষে পৌঁছানোর পর ২০৬০ সালের মধ্যে ক্ষতিকর গ্যাস নিঃসরণের হার শূন্যে নামিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে চীন।
গত মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আয়োজনে একটি জলবায়ু সম্মেলনে অংশ নিয়েও চীনা প্রেসিডেন্ট তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

সূত্র: বিবিসি

জার্মানিতে একদিনে ১০ লাখ মানুষের টিকা গ্রহণ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : জার্মানিতে করোনার টিকাদান কর্মসূচিতে গতি ফিরেছে। শুধু বুধবারই টিকা নিয়েছেন রেকর্ড ১০ লাখের বেশি মানুষ। দেশটির সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে টিকা গ্রহণে আগ্রহ বাড়ায় স্বস্তিতে প্রশাসন।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে যখন বিপর্যস্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। তখন জার্মানিতে টিকাদান কর্মসূচির পালে হাওয়া লেগেছে। দেশটিতে একদিনে ১০ লাখের বেশি মানুষকে দেয়া হচ্ছে ভ্যাকসিন। জার্মানির রবার্ট কক ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, প্রথম ডোজ টিকা গ্রহীতার সংখ্যা এখন দুই কোটি ৫৫ লাখ। দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিয়েছেন ৭১ লাখ ৬০ হাজারের বেশি মানুষ।

অর্থাৎ প্রায় সাড়ে আট কোটি জনসংখ্যার দেশটিতে টিকা নিয়েছেন প্রায় ৮ দশমিক ৬ শতাংশেরও বেশি।

টিকা গ্রহণকারী এক জার্মান নাগরিক বলেন, আমার মনে হয়, করোনা টিকার ওপর আস্থা রাখা যায়। তাই টিকা নেয়াটা সত্যিই খুব জরুরি, সবাই নিচ্ছেও। আসলে জার্মানি উন্নত দেশ, তাই সংকট নেই। কিন্তু গরিব দেশগুলোতে টিকার বড্ড বেশি প্রয়োজন। তাই জার্মানিসহ উন্নত দেশগুলো গরিব দেশগুলোকে সাহায্য করুক এটা আমি চাই।

এসবের মধ্যেও প্রায় প্রতিদিনই দেশটির কোথাও না কোথাও সংক্রমিত হচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। প্রাণ হারাচ্ছেন গড়ে ২০০ থেকে ২৫০। তবুও মের্কেল সরকারের টিকা নীতিতেই আস্থা সাধারণ মানুষের। এমন অবস্থায় অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা গ্রহণ বা বিতরণে কোনো নিয়ন্ত্রণ না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

আরেক নাগরিক বলেন, দেখুন দেশে যাদেরকেই টিকা দেয়া হচ্ছে তারা সবাই পাচ্ছেন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে। টিকা নেয়ার ক্ষেত্রে এই নিয়মটা জরুরি ছিল। তবে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে টিকাটি নিয়ে নানা জনের নানা মত সৃষ্টি হওয়ায় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সিদ্ধান্তটা ঠিকই আছে। কেউ যদি টিকাটিকে নিরাপদ মনে করে তাহলে নিতে বাধা কোথায় বলুন?

দুই ডোজ টিকা নেয়া নাগরিকদের জন্য চলমান লকডাউনের বিধিনিষেধ আরও শিথিলের বিষয়ে ক্ষমতাসীন সরকার ও বিরোধীদলের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে পার্লামেন্টে।

জার্মানিতে টিকা প্রদান কার্যক্রমের শুরু দিকে টিকা গ্রহণের ব্যাপারে দেশটির নাগরিকদের মধ্যে অনাগ্রহ দেখা গিয়েছিল। কিন্তু সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে এখন সবাই টিকা গ্রহণের ব্যাপারে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।

হার্ড ইমিউনিটি থেকে এখনও অনেক দূরে ভারত
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রতিনিয়ত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে ভারতে। ধারণা করা হয়েছিল ভারতীয়দের মধ্যে ধীরে ধীরে হার্ড ইমিউনিটি তৈরি হবে। কিন্তু এখন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সেই দিন এখনও অনেক দূরে। আগামী কয়েক মাসের মধ্য়েও ভারতে হার্ড ইমিউনিটি তৈরি হওয়ার কোনও সম্ভাবনাই নেই।

ভারতে সর্বশেষ সেরো সার্ভের রিপোর্ট অনুসারে দেশের প্রাপ্ত বয়স্কদের মধ্যে ২১ শতাংশেরও বেশি মানুষ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। আরও স্পষ্টভাবে বলতে গেলে সার্ভের রিপোর্ট অনুযায়ী, ২৮ হাজার ৫৮৯ জন প্রাপ্ত বয়স্কের মধ্যে ২১ দশমিক ৪ শতাংশের শরীরে বাসা বেঁধেছে করোনাভাইরাস।

ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চের মতে, বেশিরভাগ ভারতীয়র এখনও কোভিড-১৯ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অর্থাৎ প্যাথোজেনের বিরুদ্ধে মানুষ এখন প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জন থেকে অনেক দূরে রয়েছে।

পাব্লিক হেল্প ফাউন্ডেশন অব ইন্ডিয়ার এপিডেমিওলজিস্টের অধ্যাপক গিরিধর বাবু বলেছেন, হার্ড ইমিউনিটি এখনও পর্যন্ত একটি অধরা ধারণা। বেশিরভাগ দেশে করোনার একাধিক তরঙ্গ দেখা দিয়েছে। কোথাও কোথাও তো থার্ড, এমনকি ফোর্থ ওয়েবও দেখা গেছে।

তিনি বলেন, আমাদের খেয়াল রাখতে হবে যে এরপর যখনই করোনার ঢেউ আছড়ে পড়বে তখন যেন যুদ্ধের জন্য প্রয়োজনীয় ওয়ার্কফোর্স আমাদের কাছে থাকে। টিকা এখন একমাত্র অস্ত্র। আমাদের এমনটা ভাবা কখনই উচিত নয় যে সংক্রমণের পর আমাদের মধ্যে হার্ড ইমিউনিটি তৈরি হবে।

মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ আরও উঁচুতে উঠেছে ভারতে। বুধবারও আক্রান্ত-মৃত্যুর নতুন রেকর্ড গড়েছে দেশটি। এদিন সেখানে নতুন করে ৪ লাখ ১২ হাজারেরও বেশি মানুষ করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন, যা এর আগের সর্বোচ্চ রেকর্ডের চেয়ে অন্তত ১০ হাজার বেশি। এছাড়া মারা গেছেন প্রায় চার হাজার রোগী।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবর অনুসারে, বুধবার ভারতে নতুন করে ৪ লাখ ১২ হাজার ৭৮৪ জন করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন, যা গোটা বিশ্বের মধ্যে কোনো দেশে একদিনে সর্বোচ্চ রোগী শনাক্তের রেকর্ড। এর আগের রেকর্ডটিও অবশ্য ভারতেরই ছিল। গত ৩০ এপ্রিল বিশ্বে প্রথমবারের মতো একদিনে চার লক্ষাধিক রোগী শনাক্ত হয়েছিল সেখানে।

আশঙ্কার বিষয় হচ্ছে, ভারতে গত কয়েকদিন ধারাবাহিকভাবে করোনা টেস্টের সংখ্যা কমা সত্ত্বেও বুধবার সর্বোচ্চ রোগী শনাক্ত হয়েছে। দেশটিতে গত ৩০ এপ্রিল রেকর্ড রোগী শনাক্তের দিন সর্বোচ্চ ১৯ লাখ ৪০ হাজার নমুনা পরীক্ষা হয়েছিল। কিন্তু গত সোমবার এর পরিমাণ প্রায় তিন লাখ কমে দাঁড়ায় ১৬ লাখ ৬০ হাজারে। আর গত মঙ্গলবার তা কমে হয়েছে ১৫ লাখ ৪০ হাজার।

করোনা টেস্টে জালিয়াতি করে বিলাসবহুল বাড়ি নির্মাণ!
                                  

অনলাইন ডেস্কঃ করোনা টেস্টে জালিয়াতির মাধ্যমে অনেক টাকা হাতিয়ে নিয়েছে ইন্দোনেশিয়ার একটি ওষুধ কোম্পানির কর্মকর্তারা। ওই টাকা দিয়ে বিলাসবহুল বাড়ি নির্মাণের গুঞ্জন উঠেছে। খবর বিবিসি।

করোনাভাইরাস টেস্টের জন্য নাকের ভেতর থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে যে কাঠি ব্যবহার করা হয়, সেটি ধুয়ে পুনরায় বিক্রি এবং ব্যবহার করার অভিযোগে ইন্দোনেশিয়ার ওই ওষুধ কোম্পানির কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।

এ বিষয়ে দেশটির স্থানীয় গণমাধ্যম বলছে, জালিয়াতির মাধ্যমে ওষুধ কোম্পানির কিছু কর্মকর্তা প্রায় সোয়া লাখ ডলার হাতিয়ে নিয়েছে। এই অর্থ দিয়ে একজন অভিযুক্ত কর্মকর্তার জন্য বিলাসবহুল বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে কি-না সেটি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

মেডানের একটি বিমানবন্দরে নয় হাজার যাত্রীর ক্ষেত্রে নাক থেকে নমুনা সংগ্রহের কিট বা কাঠি ব্যবহার করা হয়েছে, সেটি এর আগেও ব্যবহার করা হয়েছিল— এমন ঘটনার প্রমাণও পেয়েছে পুলিশ।

এই জালিয়াতির অভিযোগে ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত ওষুধ কোম্পানি কিমিয়া ফার্মাকে এখন আইনের মুখোমুখি দাঁড়াতে হতে পারে।

কভিড-১৯ মহামারির সময় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে টেস্ট করার পরীক্ষার জন্য নাকের ভেতর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা একটি সাধারণত বিষয়।

পুলিশ বলছে, উত্তর সুমাত্রার মেডানে অবস্থিত কুয়ালানামু বিমানবন্দরে এই জালিয়াতির ঘটনা গত ডিসেম্বর মাস থেকে চলে আসছে।

বিমানে ভ্রমণ করতে হলে যাত্রী কভিড-১৯ নেগেটিভ সনদ লাগে। সে জন্য বিমানবন্দরের ভেতরে যাত্রীদের নমুনা সংগ্রহ এবং তাৎক্ষণিক পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়। আর কিমা ফার্মার সরবরাহ করা র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন কিট ব্যবহার করছিল বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

যাত্রীরা অভিযোগ করছিল, তারা ভুয়া পজিটিভ রিপোর্ট পাচ্ছে। এরপর একজন পুলিশ ছদ্মবেশে যাত্রী সেজে পরীক্ষা করতে যান। তার রিপোর্ট যখন পজিটিভ আসে, তখন অন্য পুলিশ পরীক্ষাগার ঘেরাও করে এবং সেখান থেকে একাধিকবার ব্যবহার করা টেস্ট কিট উদ্ধার করে।

এই ঘটনার পর কিমা ফার্মা তাদের অভিযুক্তদের বরখাস্ত করেছে এবং অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ আরো জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

এশিয়ার যে কয়েকটি দেশ করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে বিপর্যস্ত হয়েছে তাদের মধ্যে ইন্দোনেশিয়া অন্যতম। দেশটিতে এ পর্যন্ত প্রায় ১৯ লাখ রোগী শনাক্ত হয়েছে এবং মৃত্যুবরণ করেছে ৪৬ হাজারের বেশি।

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আসছে
                                  

অনলাইন ডেস্ক: করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে কড়াকড়ির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও নেপালের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে মালয়েশিয়া।

বুধবার দেশটির নিরাপত্তাবিষয়ক সিনিয়র মিনিস্টার ইসমাইল সাবরি ইয়াকুবের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ভারতে করোনা সংক্রমণ ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে যাওয়ায় গত ২৮ এপ্রিল ভারত থেকে প্রবেশ নিষিদ্ধ করে মালয়েশিয়া। এবার ভারতের প্রতিবেশী চার দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিতে চলেছে দেশটি। তবে কবে থেকে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে, তা জানাননি ইসমাইল সাবরি ইয়াকুব।

ভারত থেকে জাহাজ এবং মালয়েশিয়ার ওয়ার্ক পারমিটধারী ভারতীয় নাগরিকদের সে দেশে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সূত্র : প্রথম আলো

বিশ্বে করোনা আক্রান্ত ১৫ কোটি ৫৮ লাখ ছাড়িয়েছে
                                  

অনলাইন ডেস্ক: বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির সংখ্যা কোনোভাবেই কমছে না। সবশেষ করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ কোটি ৫৮ লাখ ১৭ হাজার ১৬০ জন। আর এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩২ লাখ ৫৫ হাজার ১৬২ জনে। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছে ১৩ কোটি ৩২ লাখ ১৪ হাজার ৭৭৪ জন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটার থেকে বৃহস্পতিবার (৬ মে) সকালে এই তথ্য জানা গেছে।

ওয়ার্ল্ডওমিটারের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩ কোটি ৩৩ লাখ ২১ হাজার ২৪৪ জন আর ৫ লাখ ৯৩ হাজার ১৪৮ জন মারা গেছেন।

করোনায় আক্রান্তের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে প্রতিবেশী দেশ ভারত। তবে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের তালিকায় দেশটির অবস্থান চতুর্থ। দেশটিতে মোট আক্রান্ত ২ কোটি ১০ লাখ ৭০ হাজার ৮৫২ জন এবং মারা গেছেন ২ লাখ ৩০ হাজার ১৫১ জন।

লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল করোনায় আক্রান্তের দিক থেকে তৃতীয় ও মৃত্যুর সংখ্যায় তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগী ১ কোটি ৪৯ লাখ ৩৬ হাজার ৪৬৪ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৪ লাখ ১৪ হাজার ৬৪৫ জনের।

দেশে করোনাভাইরাসের আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এখন পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১১ হাজার ৭৫৫ জনে। এছাড়াও এখন পর্যন্ত দেশে মোট শনাক্তের সংখ্যা ৭ লাখ ৬৭ হাজার ৩৩৮ জন।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীন থেকে সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী ছড়িয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। গত বছরের ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

করোনার তৃতীয় ঢেউ অনিবার্য ! সতর্কবার্তা ভারতের মুখ্য বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টার
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : করোনাভাইরাস মহামারির দ্বিতীয় ঢেউয়ে বেসামাল হয়ে পড়েছে ভারত। গত সপ্তাহ দুয়েক ধরে প্রায় প্রতিদিনই ভাঙছে আক্রান্ত-মৃত্যুর রেকর্ড। এর মধ্যেই বিশেষজ্ঞরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, দেশটিতে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের আঘাত সুনিশ্চিত।

বুধবার ভারতের কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান উপদেষ্টা ড. কে বিজয়রাঘবন গণমাধ্যমের সামনে বলেন, যে হারে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে তাতে ভারতে তৃতীয় ঢেউ আসতে বাধ্য। তবে সেটি কখন শুরু হবে তা পরিষ্কার নয়।

তিনি বলেন, আশা করা যায়, এবারের ঢেউ ধীরে আসবে। কিন্তু আমাদের তৈরি থাকতে হবে। দ্রুত ছড়িয়ে পড়া নতুন ধরন মোকাবিলায় টিকাগুলোকে আরও উন্নত করতে হবে।

সম্প্রতি ভারতে দেখা দেয়া করোনার দ্বিতীয় ঢেউ রীতিমতো সুনামির আকার ধারণ করেছে। গত ১৪ দিন দেশটিতে দৈনিক তিন লাখের বেশি করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে।

বুধবারের হিসাব অনুসারে, আগের ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ৩ লাখ ৮২ হাজার মানুষ। মারা গেছে আরও ৩ হাজার ৭৮০ জন।

রোগীর চাপ সামলাতে এরই মধ্যে হিমশিম খাচ্ছে দিল্লি, কর্ণাটকের মতো রাজ্যগুলো। বিশেষ করে, হাসপাতালগুলোতে করোনা রোগীদের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবে, গত এক সপ্তাহে বিশ্বে যত মানুষ করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন, তার প্রায় অর্ধেকই পাওয়া গেছে ভারতে।

দেশটিতে এ পর্যন্ত মোট করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ২ কোটি ৬ লাখ ৬৫ হাজার ১৪৮ জন। মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ১৮৮ জনের। এই পরিস্থিতিতেও সেখানে করোনার টিকা পেয়েছে প্রায় ১৬ কোটি ৪ লাখ ৯৪ হাজার মানুষ।

সূত্র: এনডিটিভি, হিন্দুস্তান টাইমস

অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন জেসিন্ডা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডেন চলতি গ্রীষ্মেই বিয়ের পিড়িতে বসছেন। তবে দিন তারিখ এখনও জানাননি। নিউজিল্যান্ডের স্থানীয় কিছু সংবাদ মাধ্যমে এমন খবর প্রচার হচ্ছে।

বুধবার (৫ মে) রয়টার্সের খবরে বলা হয় স্থানীয় কোস্ট রেডিও নামক এক চ্যানেলে জেসিন্ডা আর্ডেন জানিয়েছেন, তিনি এবং তার প্রেমিক ক্লার্ক গেইফোর্ড অবশেষে বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং বিয়ের জন্য একটি তারিখ ঠিক করেছেন।

ওই রেডিও চ্যানেলকে জেসিন্ডা আর্ডেন আরও বলেন, বিয়ের জন্য আমরা এখনও কাউকে দাওয়াত করিনি। তবে আমাদের কিছু দাওয়াত দিতে হবে।

৪০ বছর বয়েসি জেসিন্ডা আর্ডেন ২০১৯ সালের ইস্টার হলিডেতে ৪৪ বছর বয়েসি ক্লার্ক গেইফোর্ডের সঙ্গে বাগদান করেছিলেন। তাদের দুই বছরের এক কন্যা সন্তান রয়েছে।

এ সংক্রান্ত খবরের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হয়েছিল। এক কর্মকর্তা বলেছেন, ‘আজ সকালে যা খবরে এসেছে, এর চেয়ে বেশি কিছু আর বলার মতো নেই’।

২০১৭ সালে জেসিন্ডা আর্ডেন নিউজিল্যান্ডের সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন। ২০২০ সালে নির্বাচনে তার দলের ভুমিধস বিজয়ে ফের প্রধানমন্ত্রী হন জেসিন্ডা আর্ডেন।

এবারও বিদেশি হজযাত্রীদের প্রবেশ নিষিদ্ধের পরিকল্পনা সৌদির
                                  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের প্রকোপ বৃদ্ধি এবং নতুন ধরন সংক্রমণের আশঙ্কায় এ বছরও শুধু স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য পবিত্র হজের অনুমতি সীমিত রাখার পরিকল্পনা করছে সৌদি সরকার। এর ফলে গত বছরের মতো এবারও বিশ্বের অন্য দেশের মুসলিমরা হজে অংশগ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।

সৌদি আরবের দু’টি সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

জানা গেছে, সৌদি আরবের নাগরিক ও বাসিন্দাদের মধ্যে যারা টিকা নিয়েছেন অথবা হজের কয়েক মাস আগেই কোভিড-১৯ থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন, কেবল তারাই এ বছর হজের অনুমতি পাবেন।

অবশ্য সূত্র বলেছে, বিদেশি হজযাত্রীদের ওপর সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে আলোচনা চলছে ঠিকই, তবে তা অনুসরণ করা হবে কি না সে বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি।

সংশ্লিষ্ট দু’টি সূত্র জানিয়েছে, বিদেশি হজযাত্রীদের অনুমতি দেয়ার পূর্বপরিকল্পনা বাতিল করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। এক্ষেত্রে স্থানীয়দের মধ্যে যারা টিকা নিয়েছেন অথবা হজের অন্তত ছয়মাস আগে করোনামুক্ত হয়েছেন, কেবল তাদেরই অনুমতি দেয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

একটি সূত্র বলেছে, বয়সের ভিত্তিতেও হজযাত্রীদের ওপর বিভিন্ন বিধিনিষেধ থাকবে।

দ্বিতীয় সূত্রমতে, প্রথমদিকে টিকা নেয়া কিছু বিদেশিকে হজের অনুমতি দেয়ার পরিকল্পনা ছিল সৌদি কর্তৃপক্ষের। কিন্তু টিকার ধরন ও কার্যকারিতা নিয়ে সন্দেহ এবং করোনার নতুন ধরনের বিস্তার বিবেচনায় সেই পরিকল্পনা বাদ দেয়া হয়েছে।

বিদেশিদের হজের অনুমতি না দেয়া প্রসঙ্গ এখনও কোনও মন্তব্য করেনি সৌদি সরকার।

করোনাভাইরাস মহামারি আসার আগে প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অন্তত ২৫ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলিম হজ করতে মক্কা-মদিনায় যেতেন। হজ ও ওমরাহ থেকে বার্ষিক প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলার আয় হতো সৌদি সরকারের। কিন্তু করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে গত বছর শুধু কয়েক হাজার স্থানীয়কে হজের অনুমতি দেয় দেশটি।

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের অর্থনৈতিক সংস্কার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০২০ সালের মধ্যে ওমরাহ ও হজযাত্রীর সংখ্যা যথাক্রমে দেড় কোটি ও ৫০ লাখ বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়েছিল দেশটি। আর ২০৩০ সালের মধ্যে ওমরাহ পালনকারীর সংখ্যা দ্বিগুণ বাড়িয়ে তিন কোটিতে নেয়ার লক্ষ্য তাদের। ২০৩০ সালের মধ্যে শুধু হজ থেকেই ৫০ বিলিয়ন রিয়াল আয় করতে চায় সৌদি আরব।

মিশিগানে করোনায় মারা গেলেন মসজিদের খতিব
                                  

অনলাইন ডেস্ক: করোনায় আক্রান্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের বাংলাদেশি কমিউনিটির পরিচিত মুখ ও ইসলামিক সেন্টার অব ওয়ারেনের খতিব মাওলানা মো. আব্দুল বাছিত (৫১)।

স্থানীয় সময় রোববার (২ মে) দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

জানা গেছে, আব্দুল বাছিতের করোনা শনাক্ত হওয়ার পর স্থানীয় একটি হাসপাতালে দুই সপ্তাহ চিকিৎসাধীন ছিলেন।

তিনি স্ত্রী ও দুই সন্তান রেখে গেছেন। পরিবারের সবাইকে নিয়ে ওয়ারেন সিটিতে বসবাস করছিলেন। কমিউনিটির বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন তিনি। তার মৃত্যুতে কমিউনিটির লোকদের মাঝে শোকে ছায়া নেমে এসেছে।

আব্দুল বাছিতের বাড়ি মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার সুড়িকান্দি গ্রামে। মাওলানা বাছিত নব্বইয়ের দশকে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন।

ব্রিটেনে করোনার ৩য় ডোজ শুরু হতে যাচ্ছে!
                                  

অনলাইন ডেস্ক: ইউরোপের দেশ ব্রিটেন এবার ৫০ বছরের বেশি বয়সীদের করোনাভাইরাসের তৃতীয় ডোজ দেওয়া শুরু করতে যাচ্ছে।

আগামী বসন্ত ঋতুর আগেই ক্রিসমাসের সময় করোনার হুমকি ঠেকাতে এমন পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে দেশটি। মঙ্গলবার (৪ মে) বার্তাসংস্থা এমনটি জানিয়েছে।

ইংল্যান্ডের প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা ক্রিস উইটির তত্ত্বাবধানে দুটি বিকল্পের পরীক্ষা চলছে এইমুহুর্তে। প্রথমটি মূলত নতুন ভ্যারিয়েন্টকে ঠেকাতে পারবে এমনভাবে পরিবর্তিত। দ্বিতীয়টি ফাইজার-বায়োএনটেক, অক্সফোর্ড-এসট্রাজেনেকা বা মর্ডানার ৩য় ভার্সনে ইতিমধ্যে ব্যবহৃত হচ্ছে।

যুক্তরাজ্যে পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ১ লাখ ২৭ হাজার ৫৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪৪ লাখের বেশি মানুষ।

সূত্র : রাইজিংবিডি

স্পেনের খ্রিস্টানরা গির্জা ছেড়ে দিলেন মুসল্লিদের ইফতারির জন্য
                                  

অনলাইন ডেস্ক: গির্জায় আজানের ধ্বনি! শুনতে অবাক লাগলেও এমনই দৃশ্যের সাক্ষী হয়েছে স্পেনের বার্সেলোনা। সেখানে ধর্মীয় ভেদাভেদ ভুলে গির্জায় চলছে ইফতারির আয়োজন। করোনার কারণে অল্প জায়গায় জমায়েত নিষিদ্ধ থাকায় মুসল্লিদের জন্য ছেড়ে দেয়া হয়েছে গির্জা। যেখানে একসাথে ইফতারি করতে পারছেন অর্ধশতাধিক মানুষ।

আয়োজকরা বলছেন, শুধু মুসলিমরাই নয় ধর্মীয় এই সম্প্রীতিতে খুশি খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী’সহ অন্যান্য ধর্মের মানুষও। রেস্তোরাঁ বা মসজিদে জায়গা কম থাকায় করোনার কারণে এক সাথে এতো মানুষের জামায়েত নিষিদ্ধ। তাই গির্জায় বেশি জায়গা থাকায় ইফতারি করার সুবিধার্থে এটিকে বেছে নেয়া হয়েছে।

স্পেনের ইফতার আয়োজক ফাউজিয়া চাতি জানান, আগে রমজানে ইফতার করতাম অল্প জায়গায় সবাই মিলে একসাথে। কিন্তু করোনার জন্য এ বছর অনুমোদন নেই। পরে ফাদারের কাছ থেকে এখানে ইফতারির করার অনুমতি নিয়েছি। কারণ এখানে দূরত্ব মেনে অনেকে অংশ নিতে পারছে।

বার্সেলোনার শান্তি আননা গির্জার ফাদার পিও সানচেজ বলেন, আমরা বিশ্ব রাজনীতিবিদদের দেখি তারা ভিন্ন সংস্কৃতি, ভিন্ন ভাষা, ভিন্ন ধর্মের হয়েও বিভিন্ন ইস্যু সমাধানে আলোচনা করেন। এখানেও এর ব্যতিক্রম নয়। মানুষের প্রতি মানুষের সহাবস্থান দেখানোর জন্য ধর্ম ইঞ্জিন হিসেবে কাজ করে।

শুধু মুসলিমরাই নয় এই উদারতাকে সাধুবাদ জানিয়েছে স্থানীয়রাও। তারা বলছেন, মসজিদ কিংবা গির্জা সবই সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টি লাভের জন্য। তাই ধর্মীয় ভেদাভেদ ভুলে এমন সম্প্রীতি উদাহরণ হয়ে থাকবে। গির্জায় মুসলিম থাকায় কোন সমস্যা দেখি না। প্রতিদিন এখানে বহু মানুষ খেতে আসে। যদিও কারও কাছ থেকেই অর্থ নেয়া হয় না। মুসলিমদের একটি সংগঠনের উদ্যোগে বিনামূল্যে প্রতিদিন ৫০ থেকে ৬০ জনকে ইফতারি করানো হচ্ছে গির্জাটিতে।

সূত্র : যমুনা টিভি

আগামী সপ্তাহে শিশু-কিশোরদের জন্য টিকা অনুমোদন দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
                                  

অনলাইন ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র আগামী সপ্তাহে ১২ থেকে ১৫ বছর বয়সীদের জন্য ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিতে যাচ্ছে।

দেশটির সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে স্থানীয় সময় সোমবার এ কথা বলা হয়েছে।

একজন সরকারি কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের জন্য ফাইজার কভিড-১৯ এর টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন চেয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন আগামী সপ্তাহে এর অনুমোদন দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সংস্থাটির অনুমোদনের পর দেশটির রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র বা সিডিসির উপদেষ্টা কমিটি বৈঠক করে টিকাটি কীভাবে ব্যবহার করা হবে তার সুপারিশ করবে।

টিকা অনুমোদনের নির্দিষ্ট দিনক্ষণ জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের একজন মুখপাত্র।

তবে তিনি ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকাকে বলেছেন, ‘যথাসম্ভব দ্রুত ও স্বচ্ছতার সঙ্গে আমরা এই অনুরোধ পর্যালোচনার কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।’

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে ১৬ ও তার বেশি বয়সীদের জন্য ফাইজারের টিকা ব্যবহার করা হচ্ছে। টিকাদানে বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোর চেয়ে এগিয়ে আছে করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশটি।

সূত্র : দেশ রূপান্তর

লন্ডনের ক্রয়ডন কাউন্সিলের মেয়র হলেন জকিগঞ্জের শেরওয়ান চৌধুরী
                                  

অনলাইন ডেস্ক: যুক্তরাজ্যে লন্ডনের ক্রয়ডন কাউন্সিলের মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার কৃতিসন্তান শেরওয়ান চৌধুরী। মেয়র হিসেবে মঙ্গলবার (৪ মে) বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় দায়িত্বভার গ্রহণ করেন তিনি।

লন্ডনের ৩২টি বারার মধ্যে সবচেয়ে বড় বারা ক্রয়ডনের মেয়র হিসেবে আগামী এক বছর দায়িত্ব পালন করবেন সিলেটের শেরওয়ান চৌধুরী।

মঙ্গলাবার তাঁর কাঁধে দায়িত্ব তুলে দেন সদ্য বিদায়ী মেয়র মেডি হেন্ডসন। এসময় তাঁর (শেরওয়ান) গলায় ৫ কেজি ওজনের গোল্ড মেডেল পরিয়ে নতুন মেয়র হিসেবে বরণ করে নেয়া হয়। এই আনন্দঘন মুহূর্তে নবনির্বাচিত মেয়রের স্ত্রী রহিমা চৌধুরীও উপস্থিত ছিলেন।

করোনা মহামারির কারণে মেয়র শেরওয়ান চৌধুরীকে বরণ করে নিতে মঙ্গলবার বিকেলে ক্রয়ডনের টাউন হলে লন্ডন সময় বিকেল ৪টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা) সীমিত পরিসরে সরাসরি এক অনুষ্টানের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্টানের মাধ্যমেই হস্তান্তর হয় দায়িত্বভার। এ সময় কাউন্সিলের ৭০ জন কাউন্সিলর ছাড়াও কমিউনিটির কর্তাব্যক্তিরা ভার্চুয়ালি অনুষ্টানে যোগ দেন। এতে এক আনন্দঘন পরিবেশ তৈরি হয়।

সরাসরি ও ভার্চুয়াল অনুষ্টানে নতুন মেয়র শেরওয়ান চৌধুরীকে করতালির মাধ্যমে অভিনন্দন জানান আগত অতিথিরা। ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত জকিগঞ্জ কমিউনিটির বেশ কয়েকজন ব্যক্তিও উপস্থিত ছিলেন। ভিডিওর মাধ্যমে তাঁদের অনেকের মুখেই এ সময় দেখা যায় হাসিমাখা মুখ।

অনুষ্ঠানের পরপরই এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপ হয় যুক্তরাজ্যে বসবাসরত জকিগঞ্জের মানুষের বৃহত্তম সংগঠন ’জকিগঞ্জ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ইউকে’র সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেইনের। তিনি সিলেটভিউকে বলেন, তিনি (শেরওয়ান) আমাদের গর্বিত সন্তান। তিনিই যুক্তরাজ্যে জকিগঞ্জের একমাত্র ব্যক্তি- যিনি মেইন স্টিম রাজনীতির সাথে যুক্ত হয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন।

জানা গেছে, সিলেটের জকিগঞ্জের আটগ্রাম এলাকার চারিগ্রামের আব্দুর রকিব চৌধুরীর ছেলে শেরওয়ান চৌধুরী ১৯৭৬ সালের দিকে পাড়ি জমান যুক্তরাজ্যে। বাংলাদেশে থাকাকালীন সময়ে সিলেট সরকারি কলেজে ছাত্র রাজনীতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকার কারণে সেখানে গিয়েও যুক্ত হন রাজনীতির অঙ্গনে। তবে সেখানে গিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলের কোন শাখার সাথে যুক্ত না হয়ে সরাসরি ব্রিটিশ রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হন। ১৯৯০ সালের দিকে ব্রিটিশ লেবার পার্টিতে যোগ দেন তিনি।

মাত্র চার বছরের মধ্যে তিনি নিজেকে রাজনীতির অঙ্গনে পাকাপোক্ত করে নিতে সক্ষম হন। ১৯৯৪ সালে সেন্ট্রাল লন্ডনের ক্রয়ডনের বেউলা ওয়ার্ড থেকে লেবার পার্টির মনোনয়ন নিয়ে জয়লাভ করেন। স্থানীয়ভাবে একজন সফল কাউন্সিলর হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন শেরওয়ান চৌধুরী। এরপর আর পেছনের দিকে থাকাতে হয়নি তাঁকে।

২০০৬ সালে নরবারি ওয়ার্ড থেকে পুণরায় কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ২০১০,২০১৪ ও সর্বশেষ ২০১৮ সালে নির্বাচিত হন কাউন্সিলর। এভাবেই মোট ৫ বার লেবার পার্টি থেকে নির্বাচন করে কাউন্সিলর হিসেবে বিজয়ের মালা বরণ করে নেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ক্রয়ডন কাউন্সিলে মোট ৭০ জন কাউন্সিলর রয়েছেন। একজন মেয়রের পাশাপাশি কাউন্সিলরদের মধ্যে থেকে একজন ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত করা হয়। ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে তাঁর দল অর্থাৎ লেবার পার্টি থেকে তিনি ডেপুটি মেয়রের জন্য সিলেক্ট হন শেরওয়ান চৌধুরী। এরপর কাউন্সিল অধিবেশনে তাঁকে ডেপুটি মেয়র হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। একই পদ্ধতিতে এবার তিনি ক্রয়ডন বারার সর্বোচ্চ মেয়র পদে আসীন হলেন। এই বারার মোট ৩ লাখ ৮৪ হাজার ভোটারের প্রতিনিধিত্ব করবেন তিনি।

ব্যক্তিগত জীবনে শেরওয়ান এক কন্যা ও দুই পুত্রের জনক। তাঁর স্ত্রী রহিমা চৌধুরী ক্রয়ডনের স্থানীয় একটি স্কুলে দীর্ঘ ৩১ বছর ধরে শিক্ষকতা করছেন।

তিনিই যুক্তরাজ্যে বসবাসরত জকিগঞ্জের বাসিন্দাদের মধ্যে একমাত্র ব্যক্তি যিনি একাধারে কাউন্সিলর, পরবর্তীতে ডেপুটি মেয়র ও এবার সরাসরি মেয়রের পদ অলংকৃত করলেন। তাঁর এমন সাফল্যে যুক্তরাজ্যে শুধু জকিগঞ্জের কমিউনিটিতে নয় গোটা বাংলাদেশি কমিউনিটিতে বিরাজ করছে এক মহানন্দ। ফেসবুকের টাইম লাইনে গত কয়েকদিন থেকে এমন চিত্র দেখা যাচ্ছে। ফেসবুকে অনেকেই শেরওয়ান চৌধুরীর ছবি দিয়ে পাঠাচ্ছেন অভিনন্দন বার্তা।

শেরওয়ান চৌধুরী সেখানে রাজনীতির পাশাপাশি চালিয়ে যাচ্ছেন সমাজাসেবা মূলক কার্যক্রমও। যুক্তরাজ্যে বসবাসরত জকিগঞ্জের মানুষের বৃহত্তম সংগঠন ’জকিগঞ্জ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ইউকে’র সভাপতির দায়িত্বও পালন করছেন। পাশাপাশি জকিগঞ্জের শিক্ষাখাতে উন্নয়নের জন্য জকিগঞ্জ এডুকেশন ট্রাষ্ট ইউকে’র সভাপতির দায়িত্বেও রয়েছেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ক্রয়ডনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।

মেয়র নির্বাচিত হওয়ায় তাৎক্ষনিক এক প্রতিক্রিয়ায় মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আলাপকালে শেরওয়ান চৌধুরী ক্রয়ডন বারা, লেবার পার্টি ও কমিউনিটির সকলের কাছে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন। সিলেটভিউয়ের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মানুষের ভালোবাসায় আজ এ পর্যন্ত এসেছি। বাকি জীবনটুক মানুষের জন্য কাজ করে মরতে পারলে সার্থক জীবন হবে বলে মন্তব্য করেন নবনির্বাচিত মেয়র শেরওয়ান চৌধুরী।

স্কটিশ পার্লামেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী বাংলাদেশি কমিউনিটির ফয়ছল চৌধুরী
                                  

অনলাইন ডেস্ক: আগামী বৃহস্পতিবার (৬ মে) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ৬ষ্ঠ স্কটিশ পার্লামেন্ট নির্বাচন। ২০০০ সালে চালু হওয়া এই পার্লামেন্টে মূলত স্কটিশ জনগণের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও ট্রান্সপোর্ট-সংক্রান্ত বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তা ছাড়া কয়েক ধরনের পাবলিক বেনিফিট এবং ট্যাক্স-সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন করার ক্ষমতা রয়েছে স্কটিশ পার্লামেন্টের।

প্রতি চার বছর পর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ১২৯ জন এমএসপি (মেম্বার অব স্কটিশ পার্লামেন্ট) নির্বাচিত হন। বিভিন্ন কারণে এ বছরের নির্বাচনটি অনেকের কাছে তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে বাংলাদেশি কমিউনিটির কাছে এবারের নির্বাচনটি বিশেষভাবে স্মরণীয়। কেননা এবারই প্রথম কোনো বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রার্থী স্কটিশ পার্লামেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

স্কটিশ লেবার পার্টি থেকে লোদিয়ান রিজিওন্যাল লিস্ট প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন এডিনবরার ফয়ছল চৌধুরী এমবিই। ইকুয়ালিটি অ্যান্ড হিউম্যান রাইট অ্যাকটিভিস্ট ফয়ছল চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে লেবার পার্টির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। লেবার পার্টি থেকে ২০১৭ সালে অনুষ্ঠিত ওয়েস্ট মিনস্টার পার্লামেন্ট নির্বাচনে এডিনবরা সাউথওয়েস্ট আসনে লড়াই করেন ফয়ছল চৌধুরী। এ ছাড়া ২০১৪ সালে স্কটিশ রেফারেন্ডাম চলাকালীন ‘বাংলাদেশিজ ফর বেটার টুগেদার ক্যাম্পেইন’-এর সমন্বয়কারী ছিলেন তিনি। ঐতিহাসিক গণভোট এবং অন্যান্য মূলধারায় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটিকে যুক্ত করতে রয়েছে তাঁর উল্লেখযোগ্য ভূমিকা।

ফয়ছল হোসেন চৌধুরীর জন্ম হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ থানার বদরদি গ্রামে। বাবা গোলাম রব্বানী চৌধুরী। মা-বাবার সঙ্গে তরুণ বয়সে পাড়ি জমান ইংল্যান্ডে। প্রথমে ম্যানচেস্টার এবং পরে এডিনবরায় বসবাস শুরু করেন। বাবা শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে বড় ছেলে হিসেবে সেই তরুণ বয়সেই পরিবারের হাল ধরেন ফয়ছল চৌধুরী। তখন থেকেই যুক্ত রয়েছেন পারিবারিক ক্যাটারিং ব্যবসায়।

ব্যবসার পাশাপাশি পারিবারিক ঐতিহ্য অনুযায়ী তরুণ বয়সেই শুরু করেন স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম। মামা ড. ওয়ালী তসর উদ্দিন এমবিইর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তাঁর কাছেই কমিউনিটি ওয়ার্কের হাতেখড়ি হয় ফয়ছল চৌধুরীর। দীর্ঘদিন ধরে এডিনবরা অ্যান্ড লোদিয়ান রিজিওন্যাল ইকুয়ালিটি কাউন্সিলের (এলরেক) চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বিভিন্ন সংখ্যালঘু কমিউনিটির মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখার জন্য ২০০৪ সালে ব্রিটেনের রানি কর্তৃক ‘এমবিই’ খেতাবে ভূষিত হন তিনি।

সম্প্রতি করোনা মহামারিতে ২০২০ সালের জুন মাসে এডিনবরায় বসবাসরত অভাবগ্রস্ত এথনিক মাইনরিটি পরিবারগুলোর মধ্যে খাদ্যদ্রব্য বিতরণের লক্ষ্যে ফয়ছল চৌধুরী চালু করেন ফুড সাপোর্ট প্রজেক্ট। ফয়ছল চৌধুরীর নেতৃত্বে এলরেকের উদ্যোগে এ প্রকল্পের আওতায় প্রতি সপ্তাহে ৩০টির বেশি অসহায় পরিবারের কাছে জরুরি খাবার পৌঁছে দেওয়া হয়। প্রকল্পটি বর্তমানেও চলমান।

ফয়ছল চৌধুরী বর্তমানে স্কটিশ মূলধারায় নানাবিধ কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে যুক্ত। ক্লাইমেট ইমার্জেন্সি স্কটল্যান্ডের চেয়ার, এডিনবরা স্লেভারি অ্যান্ড কলোনিয়াল লেগাসি রিভিউ গ্রুপের কার্যকরী পর্ষদের সদস্য, মিউজিয়াম অ্যান্ড গ্যালারিস স্কটল্যান্ডের বোর্ড মেম্বার, ইএসএমএসের ইকুয়ালিটি অ্যান্ড ডাইভার্সিটি টাস্কফোর্সের অ্যাডভাইজার এবং ড্রামন্ড হাইস্কুল প্যারেন্ট কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

স্কটল্যান্ডের বৃহত্তম মাল্টিকালচারাল আয়োজন ‘এডিনবরা মেলা’র প্রতিষ্ঠাকালীন ও বর্তমান ডিরেক্টর ফয়ছল চৌধুরী গিল্ড অব বাংলাদেশি রেস্টুরেন্টার ইন স্কটল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ সমিতি এডিনবরার চেয়ারম্যান, কাউন্সিল অব বাংলাদেশিজ ইন স্কটল্যান্ডের (সিবিএস) সাধারণ সম্পাদক এবং যুক্তরাজ্য নবীগঞ্জ এডুকেশন ট্রাস্টের ট্রাস্টি মেম্বার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ সাইক্লোন আপিল এবং ২০০৮ সালে বাংলাদেশ সাইক্লোন সিডর আপিলে তিনি অসামান্য ভূমিকা রাখেন।

স্কটিশ পার্লামেন্টের নির্বাচনপদ্ধতি

স্কটিশ পার্লামেন্টের ভোটিং পদ্ধতিকে বলা হয় এডিশনাল মেম্বার সিস্টেম বা এএমএস। এই পদ্ধতিতে একজন ভোটার দুটি পৃথক ব্যালটে ভোট দেন। প্রথম ব্যালটে (হালকা বেগুনি/ছোট সাইজের) ভোটের মাধ্যমে স্থানীয় আসনের জন্য একজন এমএসপি নির্বাচিত করা হয়। স্কটল্যান্ডে এ ধরনের মোট ৭৩টি আসন রয়েছে। লোদিয়ান অঞ্চলে এ রকম ৯টি নির্বাচনী আসন রয়েছে। সর্বাধিক ভোট পেয়ে প্রতিটি আসনে আলাদাভাবে একজন করে এমএসপি নির্বাচিত হবেন।

দ্বিতীয় ব্যালটে (হালকা কমলা রং/লম্বা সাইজের) যে ভোটটি দেওয়া হবে সেটি হচ্ছে একটি পছন্দের রাজনৈতিক দলকে। পুরো স্কটল্যান্ডে এ রকম ৮টি রিজিয়ন রয়েছে। প্রতি রিজিয়নে ৭ জন করে রিজিওন্যাল এমএসপি নির্বাচিত হন এ দ্বিতীয় ব্যালটে দেওয়া ভোটের মাধ্যমে।

দ্বিতীয় ব্যালটে প্রাপ্ত ভোট থেকে আনুপাতিক হারে ক্রমানুসারে বিভিন্ন পার্টি থেকে প্রতি অঞ্চলে ৭ জন করে মোট ৫৬ জন এমএসপি নির্বাচিত হন। এই ধরনের ভোটকে সাধারণত ‘লিস্ট’ ভোটও বলা হয়।

একটি জটিল গাণিতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে লিস্ট ব্যালটে প্রাপ্ত ভোট থেকে প্রতিটি রাজনৈতিক দল থেকে কতজন এমএসপি নির্বাচিত হবেন, তা নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। প্রতিটি পার্টি আগে থেকেই তাদের রিজিয়নে লিস্টের প্রার্থীদের নাম ক্রমানুসারে নির্ধারণ করে রাখে। সাধারণত কোনো পার্টির লিস্ট প্রার্থীদের তালিকায় থেকে ১ থেকে ৪ এর মধ্যে যাঁদের অবস্থান, তাঁরাই এমএসপি হিসেবে নির্বাচিত হতে পারেন।

ফয়ছল চৌধুরী লোদিয়ান লিস্টে লেবার পার্টির তৃতীয় স্থানে রয়েছেন। এ অঞ্চলে লেবার পার্টির প্রথম স্থানে যাঁর নাম তিনি অন্য একটি সংসদীয় আসনের প্রার্থীও বটে। এখন যদি প্রথম স্থানে থাকা ওই প্রার্থী তাঁর নিজ আসনে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়ে যান, তাহলে ‘লিস্টে’ ফয়ছল চৌধুরীর অবস্থান ২য় স্থানে উঠে আসবে। গত বছরগুলোতে লোদিয়ান অঞ্চলে লেবার পার্টির লিস্ট থেকে ১ম, ২য় ও ৩য় স্থানে থাকা প্রার্থীরা এমএসপি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। এখন পুরো বিষয়টি নির্ভর করছে লিস্ট ব্যালটে লেবার পার্টির প্রাপ্ত মোট ভোটের ওপর।

লকডাউন নীতিমালা অনুসরণ করে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন ফয়ছল চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘স্কটিশ পার্লামেন্ট নির্বাচনে বাঙালি কমিউনিটির অংশগ্রহণ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ভোটারদের কাছ থেকে অভূতপূর্ব সাড়া মিলছে। এতে আমি অত্যন্ত অনুপ্রাণিত হচ্ছি। আমাদের লালিত স্বপ্ন পূরণের ব্যাপারে আমি প্রচণ্ডভাবে আত্মবিশ্বাসী ও আশাবাদী। এতে কমিউনিটির দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।’

ফয়ছল চৌধুরী আরও বলেন, ‘স্কটল্যান্ডে বসবাসরত বাংলাদেশিদের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি, আপনারা বেশি বেশি করে মূলধারার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হোন এবং এর মাধ্যমে আপনাদের দাবি-দাওয়া সরকারের কাছে তুলে ধরুন। করোনা মহামারি-পরবর্তী স্কটিশ অর্থনীতি বিনির্মাণে লেবার পার্টি যে কর্মসূচি হাতে নিয়েছে, তা বাস্তবায়নে আপনারা আপনাদের দুইটি ভোটই লেবার পার্টিকে দিন।’


   Page 1 of 272
     আন্তর্জাতিক
বিশ্বে করোনায় মৃতের সংখ্যা সরকারি হিসাবের দ্বিগুণ: আইএইচএমই
.............................................................................................
উন্নত দেশগুলোর চেয়ে একাই বেশি গ্রিনহাউস গ্যাস ছড়ায় চীন
.............................................................................................
জার্মানিতে একদিনে ১০ লাখ মানুষের টিকা গ্রহণ
.............................................................................................
হার্ড ইমিউনিটি থেকে এখনও অনেক দূরে ভারত
.............................................................................................
করোনা টেস্টে জালিয়াতি করে বিলাসবহুল বাড়ি নির্মাণ!
.............................................................................................
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আসছে
.............................................................................................
বিশ্বে করোনা আক্রান্ত ১৫ কোটি ৫৮ লাখ ছাড়িয়েছে
.............................................................................................
করোনার তৃতীয় ঢেউ অনিবার্য ! সতর্কবার্তা ভারতের মুখ্য বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টার
.............................................................................................
অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন জেসিন্ডা
.............................................................................................
এবারও বিদেশি হজযাত্রীদের প্রবেশ নিষিদ্ধের পরিকল্পনা সৌদির
.............................................................................................
মিশিগানে করোনায় মারা গেলেন মসজিদের খতিব
.............................................................................................
ব্রিটেনে করোনার ৩য় ডোজ শুরু হতে যাচ্ছে!
.............................................................................................
স্পেনের খ্রিস্টানরা গির্জা ছেড়ে দিলেন মুসল্লিদের ইফতারির জন্য
.............................................................................................
আগামী সপ্তাহে শিশু-কিশোরদের জন্য টিকা অনুমোদন দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
.............................................................................................
লন্ডনের ক্রয়ডন কাউন্সিলের মেয়র হলেন জকিগঞ্জের শেরওয়ান চৌধুরী
.............................................................................................
স্কটিশ পার্লামেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী বাংলাদেশি কমিউনিটির ফয়ছল চৌধুরী
.............................................................................................
বিশ্বে করোনায় মৃত্যু ৩২ লাখ ৪১ হাজার ছাড়িয়েছে
.............................................................................................
মমতার শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেলেন যারা
.............................................................................................
মেক্সিকোয় মেট্রোরেল দুর্ঘটনায় নিহত বেড়ে ২৩
.............................................................................................
ঈদের ছুটি ঘোষণা করল আমিরাত
.............................................................................................
এবার ভারতে ৮ সিংহের শরীরে করোনা শনাক্ত
.............................................................................................
ভারতে এবার এটিএম থেকে স্যানিটাইজার চুরি, ভাইরাল ভিডিও
.............................................................................................
শিথিল হলো আমিরাতগামী যাত্রীদের কোয়ারেন্টিন বিধি
.............................................................................................
বিদ্রোহীদের গুলিতে মিয়ানমারের সামরিক হেলিকপ্টার ভূপাতিত
.............................................................................................
করোনা পরিস্থিতিতেও চলছে সেন্ট্রাল ভিস্তায় প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন নির্মাণের কাজ
.............................................................................................
বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ কোটি ৪১ লাখের বেশি
.............................................................................................
সৌদির ২ বিমানবন্দরে হুথিদের ড্রোন হামলা
.............................................................................................
মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতার শপথ বুধবার
.............................................................................................
মুক্ত গণমাধ্যম দিবস আজ
.............................................................................................
আফগানিস্তানে তালেবানদের হামলা, ৩ সেনাসহ নিহত ১১
.............................................................................................
বিশ্বে করোনা আক্রান্ত ১৫ কোটি ৩৪ লাখ ছাড়িয়েছে
.............................................................................................
হেরে গেলেন বিজেপির পায়েল সরকার
.............................................................................................
বাঙালি আবার প্রমাণ করল, আমাদের কেনা যায় না : নচিকেতা
.............................................................................................
মুনিয়ার মৃত্যু: হুইপপুত্র শারুনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা
.............................................................................................
পশ্চিমবঙ্গে টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় মমতা
.............................................................................................
‘বিশ্বকে নাড়িয়ে’ দিতে আওয়াজ তুলছে মিয়ানমারের বিক্ষোভকারীরা
.............................................................................................
ইসরায়েল প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ভারতসহ ৭ দেশের নাগরিকদের
.............................................................................................
বিশ্বে করোনা শনাক্ত ১৫ কোটি ২৭ লাখ ছাড়াল
.............................................................................................
ইসরায়েলের তেল শোধনাগারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড
.............................................................................................
চীনে ঝড়-শিলাবৃষ্টিতে ১১ জনের মৃত্যু
.............................................................................................
এক আমের ওজন সোয়া চার কেজি!
.............................................................................................
জাপানে ৬ দশমিক ৮ মাত্রার প্রবল ভূমিকম্প
.............................................................................................
ভারতে করোনা শনাক্তে নতুন বিশ্ব রেকর্ড, মৃত্যু সাড়ে তিন হাজার
.............................................................................................
বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার ৪ দেশের ওপর সিঙ্গাপুরের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা
.............................................................................................
সাহায্যের প্রস্তাব দিয়ে মোদিকে বার্তা পাঠালেন শি জিনপিং
.............................................................................................
ভারতে ৩১ মে পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ
.............................................................................................
ইসরায়েলের ধর্মীয় উৎসবে পদদলন, নিহত অন্তত ৩৮
.............................................................................................
বিশ্বে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ১৫ হাজারের মৃত্যু
.............................................................................................
ভারতে থামছেই না মৃত্যুর মিছিল, কবরস্থান ও শ্মশানে লাশবাহী গাড়ির বহর
.............................................................................................
৫০ বছরে প্রথমবার জনসংখ্যা সবচেয়ে কমেছে চীনে
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop