| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * খিলক্ষেতে ক্রেনের ধাক্কায় শ্রমিক নিহত   * চালের বাজারে কিছুটা স্বস্তি, বেড়েছে মাছ-মুরগি-চিনির দাম   * বিশ্বে করোনায় মৃতের সংখ্যা সরকারি হিসাবের দ্বিগুণ: আইএইচএমই   * দৌলতদিয়ায় ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড়   * স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই গণপরিবহনে, চলছে আন্তঃজেলা বাসও   * উন্নত দেশগুলোর চেয়ে একাই বেশি গ্রিনহাউস গ্যাস ছড়ায় চীন   * জার্মানিতে একদিনে ১০ লাখ মানুষের টিকা গ্রহণ   * করোনা থেকে মুক্তি পেতে জুমাতুল বিদায় বিশেষ দোয়া   * মাস্ক পরা নিয়ে সরকারের ৮ নির্দেশনা   * বাংলাদেশ ১০ হাজার রেমডেসিভির দিল ভারতকে  

   জাতীয় -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
মাস্ক পরা নিয়ে সরকারের ৮ নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক : করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে ঘরের বাইরে মাস্ক পরার বিষয়ে আটটি নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (৬ মে) সরকারি তথ্য বিবরণীতে এ নির্দেশনা দেয়া হয়।

এতে বলা হয়, করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে ঘরের বাইরে মাস্ক ব্যবহারের ক্ষেত্রে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এক্ষেত্রে ইতোমধ্যে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু করেছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, মাস্ক হচ্ছে অন্যতম মাধ্যম বা উপকরণ, যেটি করোনার সংক্রমণ ঝুঁকি হ্রাস করতে পারে। কোনো জরুরি কাজে কেউ ঘরের বাইরে গেলে করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে মাস্ক ব্যবহারের জন্য সরকারের নির্দেশনা সবাইকে বাধ্যতামূলকভাবে মেনে চলতে হবে।

মাস্ক ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দেশনাগুলো অনুসরণ করার জন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে বলে তথ্য বিবরণীতে উল্লেথ করা হয়েছে।

মাস্ক পরা নিয়ে সরকারের নির্দেশনা

১. কয়েকস্তরবিশিষ্ট সার্জিক্যাল মাস্ক ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো, যা এককালীন ব্যবহার করতে হবে।

২. অনেকে মাস্ক পরার সময় নাক খোলা রেখে শুধু মুখ ঢেকে রাখে, যা সঠিক নয়। বরং উপরের মেটাল অংশটাকে নাকের সঙ্গে চেপে ও নিচের অংশটাকে থুঁতনির নিচে নিয়ে উভয়ই ঢেকে রাখতে হবে। সম্পূর্ণ মুখমণ্ডল ঢেকে রেখে মাস্ক পরতে হবে।

৩. অনেকে মাস্ক থুঁতনি পর্যন্ত খুলে রেখে কথাবার্তা বলেন। এটাও ঠিক নয়। এতে লেগে থাকা জীবাণু সহজেই ছড়িয়ে পড়ে।

৪. সার্জিক্যাল মাস্ক ঘরে রেখে দিয়ে দীর্ঘদিন ব্যবহার করা উচিত নয়। একটি মাস্ক সর্বোচ্চ একদিন ব্যবহার করে সেটাকে ধ্বংস করে দিতে হবে।

৫. যেসব স্থানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা মুশকিল, যেমন- গণপরিবহন ও বাজার বা দোকানপাট, সেসব জায়গায় মাস্ক পরতেই হবে। পাশাপাশি সামাজিক দূরত্ব বজায় ও হাত জীবাণুমুক্ত রাখতে হবে।

৬. সাধারণ কাপড়ের মাস্ক ব্যবহারের পর অবশ্যই পরিষ্কার করতে হবে। অপরিষ্কার মাস্ক পরলে রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ব্যবহার করা মাস্ক জীবাণুমুক্ত করতে পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। মাস্ক সাবান পানিতে ভিজিয়ে ধুয়ে রোদে শুকিয়ে জীবাণুমুক্ত করতে হবে।

৭. ভেজা মাস্ক পরিধান উচিত নয়। এতে সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

৮. বাইরে গেলে দুটি মাস্ক ব্যাগে রাখা দরকার। মুখে বাঁধা মাস্ক কোনো কারণে নষ্ট হলে বা ভিজে গেলে অন্যটি ব্যবহার করতে হবে।

মাস্ক পরা নিয়ে সরকারের ৮ নির্দেশনা
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে ঘরের বাইরে মাস্ক পরার বিষয়ে আটটি নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (৬ মে) সরকারি তথ্য বিবরণীতে এ নির্দেশনা দেয়া হয়।

এতে বলা হয়, করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে ঘরের বাইরে মাস্ক ব্যবহারের ক্ষেত্রে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এক্ষেত্রে ইতোমধ্যে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু করেছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, মাস্ক হচ্ছে অন্যতম মাধ্যম বা উপকরণ, যেটি করোনার সংক্রমণ ঝুঁকি হ্রাস করতে পারে। কোনো জরুরি কাজে কেউ ঘরের বাইরে গেলে করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে মাস্ক ব্যবহারের জন্য সরকারের নির্দেশনা সবাইকে বাধ্যতামূলকভাবে মেনে চলতে হবে।

মাস্ক ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দেশনাগুলো অনুসরণ করার জন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে বলে তথ্য বিবরণীতে উল্লেথ করা হয়েছে।

মাস্ক পরা নিয়ে সরকারের নির্দেশনা

১. কয়েকস্তরবিশিষ্ট সার্জিক্যাল মাস্ক ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো, যা এককালীন ব্যবহার করতে হবে।

২. অনেকে মাস্ক পরার সময় নাক খোলা রেখে শুধু মুখ ঢেকে রাখে, যা সঠিক নয়। বরং উপরের মেটাল অংশটাকে নাকের সঙ্গে চেপে ও নিচের অংশটাকে থুঁতনির নিচে নিয়ে উভয়ই ঢেকে রাখতে হবে। সম্পূর্ণ মুখমণ্ডল ঢেকে রেখে মাস্ক পরতে হবে।

৩. অনেকে মাস্ক থুঁতনি পর্যন্ত খুলে রেখে কথাবার্তা বলেন। এটাও ঠিক নয়। এতে লেগে থাকা জীবাণু সহজেই ছড়িয়ে পড়ে।

৪. সার্জিক্যাল মাস্ক ঘরে রেখে দিয়ে দীর্ঘদিন ব্যবহার করা উচিত নয়। একটি মাস্ক সর্বোচ্চ একদিন ব্যবহার করে সেটাকে ধ্বংস করে দিতে হবে।

৫. যেসব স্থানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা মুশকিল, যেমন- গণপরিবহন ও বাজার বা দোকানপাট, সেসব জায়গায় মাস্ক পরতেই হবে। পাশাপাশি সামাজিক দূরত্ব বজায় ও হাত জীবাণুমুক্ত রাখতে হবে।

৬. সাধারণ কাপড়ের মাস্ক ব্যবহারের পর অবশ্যই পরিষ্কার করতে হবে। অপরিষ্কার মাস্ক পরলে রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ব্যবহার করা মাস্ক জীবাণুমুক্ত করতে পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। মাস্ক সাবান পানিতে ভিজিয়ে ধুয়ে রোদে শুকিয়ে জীবাণুমুক্ত করতে হবে।

৭. ভেজা মাস্ক পরিধান উচিত নয়। এতে সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

৮. বাইরে গেলে দুটি মাস্ক ব্যাগে রাখা দরকার। মুখে বাঁধা মাস্ক কোনো কারণে নষ্ট হলে বা ভিজে গেলে অন্যটি ব্যবহার করতে হবে।

বাংলাদেশ ১০ হাজার রেমডেসিভির দিল ভারতকে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : করোনা মহামারির সময় বন্ধুত্ব ও মানবিক কারণে ভারতের পাশে দাঁড়াতে চিকিৎসা সামগ্রী পাঠিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। বৃহস্পতিবার (৬ মে) বিকেলে বেনাপোল বন্দর দিয়ে একটি ফ্রিজার ভ্যানে করে ১০ হাজার রেমডেসিভির ইনজেকশন পাঠানো হয় ভারতে।

কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের প্রতিনিধিরা ভারতের পেট্রাপোল বন্দর থেকে ইনজেকশনের চালান গ্রহণ করে ভারত সরকারের প্রতিনিধিদের কাছে হস্তান্তর করে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, প্রতিবেশী দেশ ভারতের ক্রান্তিকালে এমন সহায়তা যেমন মানবিক বিষয় প্রকাশ পাবে তেমনি বন্ধুত্ব সম্পর্ককে আরও জোরদার করে তুলবে।

জানা গেছে, বর্তমানে ভারতে মহামারি আকার ধারণ করেছে করোনা। প্রতিদিন সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ লাখের কাছাকাছি। আক্রান্তদের মধ্যে প্রতিদিন মারা যাওয়ার সংখ্যা সাড়ে তিন হাজার ছাড়িয়েছে। আক্রান্ত ও মৃত্যুর মিছিল বাড়ছে। অবস্থা এতই খারাপ যে আক্রান্তের দিক দিয়ে ভারত বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় অবস্থানে, মৃত্যুর দিক থেকে আছে তৃতীয় অবস্থানে। এমন অবস্থায় সেখানে দেখা দিয়ে অক্সিজেনসহ বিভিন্ন চিকিৎসা উপকরণের সংকট। সংকটের এ মুহূর্তে মানবিক কারণ ও বন্ধুত্বের জানান দিতে ভারতকে করোনা প্রতিরোধ চিকিৎসায় ব্যবহৃত ইনজেকশন সহায়তা দিয়েছে বাংলাদেশ।

বেনাপোল বন্দর থেকে ইনজেকশনের চালান ভারতে প্রবেশ করলে বাংলাদেশি ফ্রিজার ভ্যান থেকে এসব চিকিৎসা সামগ্রী ভারতীয় একটি ফ্রিজার ভ্যানে আনলোড করা হয়। কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশি উপহাইকমিশনারের প্রতিনিধিরা এসব গ্রহণ করে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারত সরকারের প্রতিনিধির কাছে হস্তান্তর করেন। প্রথম চালানে ৩৩৪ কার্টনে ১০ হাজার রেমডেসিভির ইনজেকশন গেল ভারতে।

বন্দরে কাগজপত্রের আনুষ্ঠানিকতাকারী প্রতিষ্ঠান সিএ্যান্ডএফ এজেন্ট রবিউল ইসলাম রবি জানান, ক্ষুদ্র রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ সরকার ভারতের পাশে দাঁড়াতে যে সহায়তা করল তা দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সৌহৃদপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করবে।

বেনাপোল বন্দরের সহকারী পরিচালক আতিকুল ইসলাম জানান, সরকারের সহায়তার মেডিকেল ইনজেকশনবাহী ফ্রিজার ভ্যান বেনাপোল বন্দরে পৌঁছানো মাত্র কাগজপত্রের আনুষ্ঠানিকতা সম্পূর্ণ করে ভারতে পাঠানো হয়।

কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনার তৌফিক হাসান জানান, এ মহামারির সময়ে ভারতে পাশে দাঁড়াতে চিকিৎসা সরঞ্জাম উপহার হিসেবে দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। পরবর্তীতে প্রয়োজন হলে সাধ্যমতো অন্যান্য সামগ্রী দিয়ে সহায়তা করা হবে জানান তিনি।

ভারতের পেট্রাপোল কাস্টমসের সহকারী কমিশনার দেবাশীষ মুখোপাধ্যায় বলেন, বিপদের দিনে ছোট ভাই হিসেবে বাংলাদেশ যেভাবে ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে এর চেয়ে বড় আর মানবিক কাজ হতে পারে না। উপহারের এসব মেডিকেল সরঞ্জাম বাংলাদেশ প্রতিনিধিদেরও কাছ থেকে গ্রহণ করে দিল্লিতে পাঠানো হয়েছে।

যে যেখানে আছেন সেখানেই ঈদ উদযাপন করুন : প্রধানমন্ত্রী
                                  

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক : ঈদ উপলক্ষে সবাই ছোটাছুটি না করে যে যেখানে আছেন সেখানেই ঈদ উদযাপন করার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, `জীবন সবার আগে। বেঁচে থাকলে আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে দেখা হবে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঈদ উপলক্ষে সবাই ছোটাছুটি না করে যে যেখানে আছেন সেখানেই ঈদ উদযাপন করেন।`

বৃহস্পতিবার (৬ মে) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সংস্থার `নবসৃষ্ট অবকাঠামো ও জলযান` উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং পটুয়াখালীর পায়রা বন্দরের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে এই উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, `ভ্রমণ করোনাভাইরাসের বিস্তার আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। সুতরাং স্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রটোকল বজায় রাখতে এবং অত্যন্ত জরুরি না হলে ভ্রমণ থেকে বিরত থাকতে আপনাদের সবার কাছে আমার অনুরোধ রইল।`

`যারা বিত্তশালী আছেন যদি দুস্থদের একটু সহযোগিতা করেন, সেটা আরও বেশি সওয়াবের কাজ হবে বলে আমি মনে করি। নৌযানে যাতায়াতকারী এবং পরিচালনাকারী সবাইকে সতর্ক থাকার জন্য আমি অনুরোধ জানাচ্ছি।`

প্রধানমন্ত্রী বলেন, `করোনা যাতে সমগ্র দেশে ছড়িয়ে না পড়তে পারে সেজন্য সবার কাছে আমার অনুরোধ সুরক্ষাবিধি মেনে চলুন। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কাউকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত না করারও আহ্বান জানাচ্ছি।`

তিনি বলেন, `কে যে সংক্রমিত সেটা আপনি জানেন না। কাজেই এই যাতায়াতটা করতে গেলেই সে যখন অন্য জায়গায় যাবে তখন আরও অনেক লোককে সংক্রমিত করবে এবং তাদের জীবন নিয়ে সংশয়ের সৃষ্টি করবে। সেজন্যই সরকার যাতায়াত সীমিত করার পদক্ষেপ নিয়েছে।`

প্রধানমন্ত্রী বলেন, `বিপদ এলে ধৈর্য ধরতে হবে এবং সবর করতে হবে।`

প্রধানমন্ত্রী এ সময় নৌযানে কাউকে অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে না ওঠার এবং নৌযানের নিরাপত্তা বজায় রাখতে যাত্রী, মালিক এবং নৌযান কতৃর্পক্ষসহ সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

তাড়াহুড়োয় দুর্ঘটনার শিকার হয়ে নিজের এবং পরিবারের জীবন বিপন্ন না করারও আহ্বান জানান তিনি।

আনরেজিস্টার্ড এবং ফিটনেসবিহীন নৌযান যেন চলাচল করতে না পারে সে ব্যাপারে সতর্ক দৃষ্টি রাখার জন্য নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, `উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দিয়ে যদি আমরা জলযানগুলো পরিচালনা করতে পারি তাহলে কিন্তু দুর্ঘটনা হ্রাস পাবে। সেদিকে তিনি সকলকে দৃষ্টি দিতে হবে।`

এ প্রসঙ্গে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেরিটাইম ইউনিভার্সিটিসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগ ও জেলায় মেরিন একাডেমি গড়ে তোলায় সরকারের পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, `জাতির পিতা তার মাত্র সাড়ে তিন বছরের শাসনে বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশের পর্যায়ে রেখে যান। আজ সেখান থেকে আমরা উন্নয়নশীল দেশের কাতারে গ্রাজুয়েশন লাভ করেছি। যা আমাদের ধরে রাখতে হবে। এই মহামারি বিশ্বব্যাপী চলছে, কাজেই এই সময়ে দেশের মানুষের যেন খাদ্যের অভাব না হয়, কোনো কষ্ট না হয় সেদিকে সবাইকেই দৃষ্টি দিতে হবে এবং এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদি ফেলে রাখা যাবে না।`

প্রধানমন্ত্রী বলেন, `কোভিড-১৯ মানুষকে সত্যই খুব কষ্ট দিচ্ছে। তথাপি, তার সরকার থেকে একে প্রতিরোধ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে যথাযথ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে হতদরিদ্র ৩৬ লাখ ৫০ হাজার মানুষের জন্য নগদ আড়াই হাজার টাকা করে আর্থিক সুবিধা সরকার প্রদান করেছে। দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকেও খাদ্যসহায়তা দেয়া হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী স্বাগত বক্তব্য রাখেন। মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস গণভবন থেকে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।

অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কর্মকাণ্ডের ওপর একটি ভিডিওচিত্র পরিবেশিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে স্থানীয় সংসদ সদস্যরা ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে নতুন বাড়ির চাবি ও দলিল হস্তান্তর করেন। এদিন ৫০০টি বাড়ি হস্তান্তর করার কথা রয়েছে।

যদিও অনুষ্ঠানে ৩৫টি পরিবারের কাছে চাবি ও দলিল হস্তান্তর করা হয়। এ প্রকল্পে মোট ৩ হাজার ৪২৩টি পরিবারকে পুনর্বাসিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

দেশে ৯০০ টন অক্সিজেন মজুত আছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
                                  

অনলাইন ডেস্ক : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. জাহিদ মালেক বলেছেন, আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে অক্সিজেন সংকটের কারণে বর্তমানে ভয়াবহ অবস্থা চলছে। যেকোনো সময় একই রকম অবস্থা যাতে আমাদের দেশে না হতে পারে সেজন্য সরকারিভাবে আপদকালের জন্য এ মুহূর্তে দেশে প্রায় ৯০০ টন অক্সিজেন মজুত রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ মে) দুপুরে বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত ‘কোভিড-এর ২য় ঢেউ মোকাবিলায় সরকারি-বেসরকারি প্রস্তুতি ও জরুরি অক্সিজেন ব্যবস্থাপনা’ বিষয়ক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

দেশে বর্তমানে সাধারণ ও কোভিড রোগী মিলে ৭০ থেকে ৮০ টন অক্সিজেন প্রয়োজন উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের পিক-এর সময় সর্বোচ্চ অক্সিজেন চাহিদা ছিল ২১০ টন পর্যন্ত। এ মুহূর্তে দেশে দৈনিক অক্সিজেন উৎপাদনে সক্ষমতা রয়েছে ২২০ থেকে ২৩০ টন। এ মুহূর্তে দেশে প্রায় ৯০০ টন অক্সিজেন মজুত রাখা হয়েছে। এর সাথে দেশের অন্যান্য সরকারি হাসপাতালে আরও ৪৫০ টন অক্সিজেন মজুত রয়েছে। আগামী মাসে একটি বেসরকারি সংস্থা ৪০ টন অক্সিজেন সরবরাহ করবে। জুলাই মাসে অন্য একটি বেসরকারি সংস্থা আরও ৪০ টন অক্সিজেন সরবরাহ করবে। ফলে দেশে কোভিডকালীন ৩য় ঢেউ-এর মাত্রা স্বাভাবিক থাকলে তা মোকাবিলা করতে কোনো সমস্যা হবে না।

বর্তমানে দেশের হাসপাতালগুলোতে অক্সিজেন ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, করোনা চিকিৎসায় রোগীর খারাপ অবস্থা হলে তখন অক্সিজেন মূল ভূমিকা পালন করে। এ কারণে অতি দ্রুত দেশের সরকারি ১৩০টি হাসপাতালে এখন সেন্ট্রাল অক্সিজেন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এ ১৩০টি হাসপাতালের মাধ্যমে এখন প্রায় ১৬ হাজার শয্যায় অক্সিজেন বেড কোভিড রোগীদের চিকিৎসায় কাজ করে যাচ্ছে। ঢাকা নর্থ সিটি করপোরেশনের ১০০টি আইসিইউ বেডে মানুষ এখন কোভিড চিকিৎসা নিচ্ছে। খুব শিগগিরই সেখানে আরও ১০০টি আইসিইউ বেড স্থাপন করা হচ্ছে। এই উদ্যোগগুলো দেশে কোভিড চিকিৎসায় বিরাট অবদান রাখবে।

ভ্যাকসিন প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ভারতের সেরাম কোম্পানির সাথে আমাদের ৩ কোটি ডোজ ভ্যাকসিনের চুক্তি থাকলেও সে দেশের বর্তমান ভয়াবহ অবস্থার কারণে চুক্তি অনুযায়ী সব ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না। তবে ভ্যাকসিন নিতে রাশিয়ার সাথে সরকারের কথা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। রাশিয়ার সাথে শিগগিরই চুক্তি হবে আমাদের। পাশাপাশি চীন ১২ মের মধ্যে ৫ লাখ ভ্যাকসিন দিচ্ছে। চীন সরকারের সাথে আমাদের কথা হয়েছে। দ্রুতই চীনের ভ্যাকসিন নিয়ে একটি সিদ্ধান্ত চলে আসবে। একই সাথে অ্যাস্ট্রেজেনেকার ভ্যাকসিন ভারত ছাড়া বিশ্বের অন্য যে দেশগুলো উৎপাদন করছে আমরা সেই দেশের সাথেও যোগাযোগ করছি। সব মিলিয়ে আশা করা যায়, খুব দ্রুতই ভ্যাকসিন সংকট কেটে যাবে।

সিলেটের সাবেক এমপি বিএনপি নেতা সেলিমের মৃত্যু
                                  

অনলাইন ডেস্কঃ বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সিলেট-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য দিলদার হোসেন সেলিম মারা গেছেন।

সিলেটের একটি হাসপাতালে বুধবার রাত পৌনে ১০টার দিকে তিনি মারা যান বলে জানিয়েছেন সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন।

নাসিম বলেন, সেলিম দীর্ঘদিন ধরে প্যারালাইসিসসহ নানা রোগে ভুগছিলেন। সম্প্রতি চিকিৎসা শেষে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফেরেন তিনি। মঙ্গলবার রাতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে সিলেট মাউণ্ট অ্যাডোরা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি মারা যান।

সেলিম স্ত্রীসহ সিলেট শহরের লামাবাজার এলাকায় থাকতেন। তার দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। তারা যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন বলে সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ জানান।

তিনি বলেন, সেলিমের জানাজার সময় এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তার সন্তানেরা দেশে ফিরলে ঠিক করা হবে।

বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের আমলে সিলেট-৪ (জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানিগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য  ছিলেন সেলিম। তিনি সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন।

সুত্র ঃ বিডিনিউজ২৪

দাম বাড়িয়েও মিলছে না আকাশপথের টিকিট
                                  

অনলাইন ডেস্কঃ টানা তিন সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর আজ বৃহস্পতিবার রাস্তায় নামছে বাস। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজ ভোর থেকে শুধু জেলার সীমানার ভেতর চলবে বাস। তবে আন্তঃজেলা চলাচল এবং দূরপাল্লার বাস বন্ধই থাকবে। বন্ধ থাকছে ট্রেন-লঞ্চও। ফলে দূর-দূরান্তে যেতে আকাশপথের ওপর নির্ভর করছেন অনেকে। এ সুযোগে উড়োজাহাজে ভাড়া বেড়েছে অনেক। কিছু গন্তব্যের টিকিট নেই। আকাশযানে ভাড়া সরকারিভাবে নির্ধারণের সুযোগ নেই। বিমান চলে আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের বিধানমতে।

করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে চলমান বিধিনিষেধ ১৬ মে পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল বুধবার প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আন্তঃজেলা গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। তবে ৫ মের পর যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনসাপেক্ষে জেলার ভেতর গণপরিবহন চলাচল করতে পারবে। ট্রেন ও লঞ্চ চলাচল আগের মতোই বন্ধ থাকবে।

অনেকে ঢাকার বাইরের সাতটি গন্তব্যে যেতে সড়ক, রেল ও নৌপথের বিকল্প হিসেবে বিমানে যাতায়াত করেন। এবার ঈদের আগেও যেহেতু আন্তঃজেলা বাস, ট্রেন, লঞ্চ বন্ধ থাকছে, তাই আকাশপথে যেতে ইচ্ছুকদের সংখ্যা স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি।

এ কারণে দেশের বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ রুটের টিকিটের চাহিদা বেড়ে গেছে। ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকার টিকিট ৯ হাজার টাকাতেও মিলছে না। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, নভোএয়ার, ইউএস-বাংলাসহ সব সংস্থারই একই হাল- টিকিট সংকট।

করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে গত ৫ এপ্রিল থেকে বিভিন্ন মাত্রার বিধিনিষেধ জারি করছে সরকার। তখন থেকেই গণপরিবহন বন্ধ। তৃতীয় দফায় ৫ মে পর্যন্ত ‘লকডাউন’ বাড়ানোর পর গণপরিবহন চালুর দাবি তোলেন পরিবহন শ্রমিকরা।

আজ থেকে গণপরিবহন চালাতে পরিবহনের মালিক, শ্রমিক ও যাত্রীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য বেশ কিছু নির্দেশনা দিয়েছে সড়ক পরিবহন সমিতি। এগুলো হচ্ছে মাস্ক ছাড়া যাত্রী ওঠানো যাবে না। পরিবহনের শ্রমিকদের মাস্ক সরবরাহ করবে এটির মালিক। অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে অর্থাৎ দুই আসনের সারিতে একজন করে বসবেন। দাঁড়িয়ে কোনো যাত্রী নেওয়া যাবে না। পরিবহন সমিতি বা কোম্পানির নামে কোনো জিপি (গেটপাস) আদায় করা যাবে না।

সড়ক পরিবহন মালিক-শ্রমিক সূত্রগুলো বলছে, জেলার ভেতর যানবাহন সীমাবদ্ধ রাখা কঠিন। যেমন ঢাকায় যেসব বাস চলাচল করে, এর একটা বড় অংশেরই যাত্রার স্থান বা শেষ গন্তব্য ঢাকার বাইরে। যেমন গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, মানিকগঞ্জ এসব জেলা থেকে প্রতিদিন শত শত বাস ঢাকায় ঢোকে ও বের হয়। একজন পরিবহন মালিক বলেন, সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী জেলার ভেতর বাস চলতে পারবে। এ ক্ষেত্রে কেরানীগঞ্জ, সাভার, ধামরাই, আশুলিয়া ঢাকা জেলার অন্তর্ভুক্ত। ফলে এসব এলাকার বাস অন্য জেলায় যাবে না, এটা নিশ্চিত করাও কঠিন। এ জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যাপক তৎপরতা দরকার। ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্যাহ বলেন, কিছু নির্দেশনা অনুসরণ করে গাড়ি চালানোর জন্য ঢাকা মহানগরে চলাচলকারী সব রুট মালিক সমিতি বা পরিবহন কোম্পানি-সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে নৌযান চালানোর দাবিতে গতকাল বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন নৌযান শ্রমিকরা। বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের ব্যানারে মতিঝিলে বিআইডব্লিউটিএর সামনে এ বিক্ষোভ সমাবেশ হয়। পরে প্রধানমন্ত্রী এবং নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

সমাবেশে ফেডারেশনের সভাপতি শাহ আলম ভূঁইয়া প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, যদি নৌযান চলাচলের অনুমতি না দেন, তা হলে ঈদের আগে ১০ মের মধ্যে প্রত্যেক নৌশ্রমিকের বকেয়া বেতন ও বোনাস প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে। সমাবেশে নৌযান শ্রমিক নেতারা বলেন, নৌশ্রমিকদের সরকার বা মালিকদের পক্ষ থেকে কোনো সহযোগিতা করা হয়নি। অনেক শ্রমিক মার্চের বেতনও পাননি। পবিত্র রমজান মাসে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা।

সূত্র : আমাদের সময়

সংসদ ভবনে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২
                                  

অনলাইন ডেস্ক: সংসদ ভবনে সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট।

একইসঙ্গে হামলায় প্ররোচণার অভিযোগে এক বক্তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

হামলায় প্ররোচণার অভিযোগে গ্রেপ্তার বক্তার নাম আলী হাসান ওসামা। রাজবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাকে। তবে গ্রেপ্তার অপরজনের নাম জানা যায়নি।

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) ইফতেখায়রুল ইসলাম আজ বৃহস্পতিবার (৬ মে) সকালে এসব দাবি করেন।

ইফতেখায়রুল ইসলাম বলেন, গতকাল বুধবার (৫ মে) সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকা থেকে আনসার আল ইসলামের সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি কালো পতাকা ও তলোয়ার হাতে জাতীয় সংসদ ভবনে সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনায় জড়িত ছিলেন।

এ ব্যাপারে পরে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

কাল থেকে গণপরিবহন চালু, মানতে হবে যেসব বিধিনিষেধ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বৃহস্পতিবার (৬ মে) ভোর থেকে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি ঢাকাসহ সব জেলায় বাস চালুর ঘোষণা দিয়েছে।

তবে আন্তঃজেলা গণপরিবহন বন্ধই থাকবে। নগরে এবং জেলার অভ্যন্তরে গণপরিবহণ চলাতে এবং গণপরিবহণে চড়তে মানতে হবে বেশ কিছু বিধিনিষেধ।

বুধবার (৫ মে) ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির পক্ষ থেকে পরিবহনের মালিক, শ্রমিক ও যাত্রীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য বেশ কিছু নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

আর এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে- মাস্ক ছাড়া কোনো যাত্রী গাড়িতে ওঠাতে পারবে না এবং গাড়ির স্টাফদের মালিক মাস্ক সরবরাহ করবেন। গাড়িতে সিটের অর্ধেক যাত্রী বহন করতে হবে। লকডাউনে মালিক-শ্রমিকেরা মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। এক্ষেত্রে রুট মালিক সমিতি/পরিবহন কোম্পানির জিপির নামে কোনো ধরনের অর্থ গাড়ি থেকে আদায় করতে পারবে না।

বন্ধ হলো করোনা টিকার নিবন্ধন
                                  

বিশেষ সংবাদদাতা : করোনা টিকার নিবন্ধন বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। ফলে নতুন করে আর কেউ আপাতত টিকা গ্রহণের জন্য নিবন্ধন করতে পারবেন না। তবে দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেয়ার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

বুধবার (৫ মে) বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।

তিনি বলেন, আপাতত টিকার নিবন্ধন স্থগিত করা হয়েছে। ভারতের টিকার চালান চুক্তিমতো না আসা এবং নতুন করে টিকার চালান আসার অনিশ্চয়তা দেখা দেয়ায় নিবন্ধন বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে টিকা এলে আবার নিবন্ধন শুরু হবে।

এর আগে দেশে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে টিকার জোগানে ঘাটতি থাকায় প্রথম ডোজ টিকা দেয়া বন্ধ করা হয়।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার (৪ মে) পর্যন্ত করোনার টিকার জন্য নিবন্ধনকারীর মোট সংখ্যা ৭২ লাখ ৪৮ হাজার ৮২৯ জন। প্রথম ডোজের টিকা গ্রহণ করেন ৫৮ লাখ ১৯ হাজার ৭৫৭ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ৩৬ লাখ ৮ হাজার ৮৩৬ ও নারী ২২ লাখ ১০ হাজার ৯২৩ জন।

এছাড়া দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিয়েছেন ৩১ লাখ ৬ হাজার ৭০৯ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ২০ লাখ ৮ হাজার ৭৬১ ও নারী ১০ লাখ ৯৭ হাজার ৯৪৮ জন।

৪ মেরিন একাডেমি ও জলযান উদ্বোধন ৬ মে
                                  

অনলাইন ডেস্ক: নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিভিন্ন সংস্থার নির্মাণ করা বেশকিছু অবকাঠামো ও জলযান উদ্বোধনের অপেক্ষায়। এর মধ্যে রয়েছে- চারটি মেরিন একাডেমি, পায়রা বন্দর পুনর্বাসন প্রকল্পের ৫০০টি বাড়ি ও জাহাজসহ বেশকিছু ড্রেজার সহায়ক জলযান। বৃহস্পতিবার (৬ মে) এসব স্থাপনা ও জলযান গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার (৪ মে) নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উদ্বোধন হবে বিআইডব্লিউটিএ’র ২০টি ড্রেজার ও ৮৩টি ড্রেজার সহায়ক জলযান, একটি প্রশিক্ষণ ও একটি বিশেষ পরিদর্শন জাহাজ এবং একটি ড্রেজার বেইজ, বিআইডব্লিউটিসি’র দুটি যাত্রিবাহী জাহাজ।

অবকাঠামো ও জলযানগুলোর মধ্যে বিআইডব্লিউটিএ’র ২০টি কাটার সাকশন ড্রেজার, ৮৩টি ড্রেজার সহায়ক জলযান, প্রশিক্ষণ জাহাজ ‘টিএস ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী (দাদা ভাই)’, বিশেষ পরিদর্শন জাহাজ ‘পরিদর্শী’, নবনির্মিত নারায়ণগঞ্জ ড্রেজার বেইজ; বিআইডব্লিউটিসি’র দু’টি উপকূলীয় যাত্রীবাহী জাহাজ ‘এমভি তাজউদ্দীন আহমদ’ ও ‘এমভি আইভি রহমান’; পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের ‘পায়রা আবাসন’ পুনর্বাসন কেন্দ্র এবং পাবনা, বরিশাল, রংপুর ও সিলেট মেরিন একাডেমি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় মনে করে, এসব অবকাঠামো এবং জলযান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে নৌ সেক্টরের উন্নয়নে নতুন মাত্রা সংযোজন করবে। মুজিব শতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশে তৈরি ২০টি কাটার সাকশন ড্রেজারসহ শতাধিক নৌযান একসাথে উদ্বোধন বাংলাদেশের ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। ‘নবসৃষ্ট অবকাঠামো ও জলযান’ নদীর নাব্যতা রক্ষা, নৌপথ উন্নয়ন, উপকূলীয় এলাকার যাত্রী পরিবহন ও দক্ষ নৌকর্মী গঠনে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়ন ও আওয়ামী লীগের নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী ১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথ খননে সরকার বদ্ধপরিকর। এলক্ষ্যে ২০টি ড্রেজার এবং ৮৩টি ড্রেজার সহায়ক জলযান প্রস্তুত করা হয়েছে। নৌপথ খনন ও নাব্যতা বজায় রাখার লক্ষ্যে ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর ২০১৫ সাল পর্যন্ত ১৮টি ড্রেজার সংগ্রহ করা হয়। বর্তমানে ২০টি ড্রেজার বিআইডব্লিউটিএ’র বহরে যুক্ত হয়ে মোট ৪৫টি ড্রেজারের শক্তিশালী ইউনিট গড়ে উঠেছে। এছাড়া বর্তমান মেয়াদে ৩৫টি ড্রেজার সংগ্রহের লক্ষ্য রয়েছে ।

বিআইডব্লিউটিসির উপকূলীয় যাত্রীবাহী জাহাজ ও সি-ট্রাক বহরকে দক্ষ ও যুগোপযোগী করতে নবনির্মিত অত্যাধুনিক যাত্রিবাহী জাহাজ ‘এমভি তাজউদ্দীন আহমদ’ ও ‘এমভি আইভি রহমান’ নির্মাণ করা হয়েছে। জাহাজ দু’টি কুমিরা-গুপ্তছড়া এবং চট্টগ্রাম-সন্দ্বীপ-হাতিয়া-বরিশাল রুটে চলাচল করবে। এ জাহাজ দু’টির মাধ্যমে বছরে ৬ লাখ ৩০ হাজর যাত্রী পরিবহন সম্ভব হবে। এর আগে ২০১৪ ও ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যাত্রীবাহী জাহাজ ‘এমভি বাঙালি’ ও ‘এমভি মধুমতি’ উদ্বোধন করেছিলেন। বিআইডব্লিউটিসি’র আরও ৩৫টি বাণিজ্যিক ও ৮টি সহায়ক জলযান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের তৃতীয় সমুদ্রবন্দর পায়রা বন্দর নির্মাণের লক্ষ্যে অধিগ্রহণ করা জমির মালিকদের পুনর্বাসনের জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন ৫০০টি বাড়ি হস্তান্তর করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে ৩ হাজার ৪২৩টি পরিবারকে পুনর্বাসন করা হবে। তাদের জন্য জীবন ও কর্মমুখী প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বিশ্ব নৌবাণিজ্য অর্থনীতিতে অবদান রাখা ও সমুদ্রগামী জাহাজে দেশের নাবিকদের চাকরির বিশাল সুযোগকে কাজে লাগানোর উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যুগান্তকারী সিদ্ধান্তে পাবনা, বরিশাল, রংপুর ও সিলেটে নির্মাণ করা হয়েছে নতুন চারটি মেরিন একাডেমি। যেখানে ক্রমান্বয়ে বছরে ৪০০ ক্যাডেটের পাশাপাশি সমুদ্রগামী মেরিনাররা বিভিন্ন ধাপে প্রশিক্ষণ নিতে পারবেন।

সূত্র : সারাবাংলা

করোনার চেয়েও ধ্বংসাত্মক হবে এএমআর: প্রধানমন্ত্রী
                                  

অনলাইন ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে করোনা মহামারির চেয়েও ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। তিনি বলেছেন, এই ধরনের ওষুধের প্রভাব মোকাবিলায় টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করাও দুঃসাধ্য হয়ে যাবে।

মঙ্গলবার (০৪ মে) গণভবন থেকে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে `অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স অন ওয়ান হেলথ গ্লোবাল লিডার্স গ্রুপ` এর প্রথম সভার উদ্বোধনী অধিবেশনে দেয়া ভাষণে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, করোনা ভাইরাস মহামারির চেয়ে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) আরও ধ্বংসাত্মক হবে যা সঠিকভাবে প্রতিরোধ করা সম্ভব না হলে খাদ্য সুরক্ষা এবং উন্নতির পাশাপাশি ভৌগলিক অবস্থানসহ প্রতিটি জীবকে বিপন্ন করতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোভিড-১৯ মহামারি আমাদের সময়ের সংজ্ঞায়িত জনস্বাস্থ্য সংকট যা ইতিমধ্যে ৩০ লাখেরও বেশি লোকের জীবন নিয়েছে। তবে, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) আকারে আসন্ন মহামারিটি বিশ্বস্বাস্থ্যের আরও বেশি ক্ষতি সাধন করবে।

তার পূর্বে ধারণকৃত ভাষণটি অনুষ্ঠানে সম্প্রচারিত হয়। এতে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বনেতৃবৃন্দকে সতর্ক করেন যে, অ্যান্টি ড্রাগ প্রতিরোধ কেবল মানব, প্রাণী এবং উদ্ভিদের স্বাস্থ্যকেই বিপন্ন করবে না, পাশাপাশি তা খাদ্য সুরক্ষা এবং এসডিজি (টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য) অর্জনের অগ্রগতির জন্যও হুমকি স্বরূপ।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, অ্যান্টি ড্রাগ রেজিস্ট্যান্স ভৌগলিক অবস্থান এবং আর্থ-সামাজিক অবস্থা নির্বিশেষে যে কোনো ব্যক্তিকে প্রভাবিত করতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী এএমআর নিয়ন্ত্রণ এবং সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ (আইপিসি) ব্যবস্থা কঠোরভাবে মেনে চলা নিশ্চিত করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, `গ্লোবাল অ্যাকশন প্ল্যান-২০১৫ এবং এএমআর-তে জাতিসংঘের রাজনৈতিক ঘোষণা-২০১৬ বাস্তবায়নের মাধ্যমে এটি সম্ভব।

এএমআর-তে গ্লোবাল লিডার্স গ্রুপের সহ-সভাপতি শেখ হাসিনা বার্বাডোসের প্রধানমন্ত্রী মিয়া আমোর মোটোলি এবং অন্যান্য বৈশ্বিক নেতাদের সাথে এএমআর`র হুমকির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একত্রে কাজ করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার আহবান জানান।

প্রধানমন্ত্রী এএমআরের আসন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য বিশ্বব্যাপী কৌশলগুলো কার্যকর ও সহযোগিতামূলক পদ্ধতির মাধ্যমে কার্যকর করার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও), এফএও (খাদ্য ও কৃষি সংস্থা) এবং ওআইই (পশুর স্বাস্থ্যের জন্য বিশ্ব সংস্থা) এর চলমান প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন। বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে সম্মিলিত পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

আসন্ন এএমআর মহামারি পটভূমির বিরুদ্ধে, প্রধানমন্ত্রী কার্যকরভাবে এএমআর নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে তাদের ধ্বংস কার্যকর করার জন্য বিশ্বের সামনে সাতটি পরামর্শ রেখেছেন।

প্রধানমন্ত্রী তার প্রথম প্রস্তাবে, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স কন্টেইনমেন্ট-এআরসি-র লক্ষ্য অর্জনের জন্য বৈশ্বিক, আঞ্চলিক ও জাতীয় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ এবং সমীক্ষা তদারকির পাশাপাশি প্রতিবেদনের ব্যবস্থা করার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি তার দ্বিতীয় এবং তৃতীয় প্রস্তাবে কার্যকর এবং অন্তর্ভুক্ত এএমআর নজরদারি এবং ক্ষমতা বৃদ্ধি নিশ্চিত করার জন্য অ্যান্টিমাইক্রোবায়ালগুলোর যথাযথ ব্যবহার এবং বৈজ্ঞানিক জ্ঞান এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা ভাগ করে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন স্তরে নীতি ও নীতি বিকাশের পরামর্শ দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী তার চতুর্থ প্রস্তাবনায় প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং মালিকানা ভাগ করে নেওয়ার মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যের এবং কার্যকর অ্যান্টিবায়োটিক এবং অন্যান্য চিকিৎসা সুবিধাগুলোতে ন্যায়সঙ্গত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়েছেন।

তিনি তার পঞ্চম প্রস্তাবনায় স্বল্প ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে বিশেষ মনোযোগ দিয়ে এএমআর-নির্দিষ্ট এবং এএমআর-সংবেদনশীল কর্মের জন্য পর্যাপ্ত এবং টেকসই অর্থায়ন নিশ্চিত করার পক্ষে মতামত দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী তার ষষ্ঠ ও সপ্তম প্রস্তাবনায় এএমআর প্রতিরোধে বিনিয়োগের জন্য সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের প্রয়োজনীয়তার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক, সাশ্রয়ী এবং টেকসই সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা কভারেজের ওপর জোর দিয়েছেন।

বাংলাদেশের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার দেশীয় স্তরে কার্যকর অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল ব্যবহার নিশ্চিত করতে ছয় বছরের জাতীয় কৌশলগত পরিকল্পনা এবং এআরসি-তে জাতীয় কর্মপরিকল্পনার আওতায় অসংখ্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানব স্বাস্থ্য, গবাদি পশু, মৎস্য ও কৃষি খাতে অ্যান্টিমাইক্রোবায়ালের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই পরিকল্পনাটি তৈরি করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তার সরকার ২০১৪ সাল থেকে ডব্লিউএইচও গ্লাস প্ল্যাটফর্মে এএমআর ডেটা সরবরাহ করে আসছে এবং অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল প্রতিরোধের বিষয়ে গণমানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে মিডিয়াকে জড়িত করার জন্য কাজ করছে। সূত্র: বাসস।

সরকারের সমালোচক দুস্থ সাংবাদিকের জন্যও সহায়তা : তথ্যমন্ত্রী
                                  

অনলাইন ডেস্ক : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন,সরকারের সমালোচনাকারী সাংবাদিক যদি দুস্থ হন, তার জন্যও কল্যাণ ট্রাস্টের সহায়তা উন্মুক্ত।

মন্ত্রী আজ দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাষ্ট হতে ২০২০-২১ অর্থবছরের সহায়তা চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাফর ওয়াজেদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান, সচিব খাজা মিয়া বক্তব্য রাখেন। আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজে সভাপতি মোল্লা জালাল, যুগ্ম মহাসচিব আব্দুল মজিদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন-ডিইউজে সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ ও সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু।
সাংবাদিকবান্ধব আওয়ামী লীগ সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বিকাশ নিশ্চিত করেছে ও তা অব্যাহত আছে উল্লেখ করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, `বাংলাদেশের গণমাধ্যম যে অবাধ স্বাধীনতা ভোগ করে, উন্নয়নশীল দেশের জন্য তা নজিরবিহীন। দেশের স্বার্থে, বহুমাত্রিক সমাজ ব্যবস্থাকে এগিয়ে নেয়া ও রাষ্ট্রের বিকাশের স্বার্থে এটি প্রয়োজন, সে বিশ্বাস নিয়েই আমরা কাজ করছি।`

যে সমস্ত সাংবাদিক আমাদের বিরোধিতা ও সমালোচনা করেন, তাদের জন্যও এই ট্রাস্টের সহায়তা উন্মুক্ত, বলেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, `রাষ্ট্র সবার জন্য। যিনি আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করেন, তিনি যদি দু:স্থ হন, আমাদের নীতিমালার মধ্যে পড়েন, এই সহায়তা তার জন্যও উন্মুক্ত এবং এটি আমরা বাস্তবায়ন করেছি।` তথ্যমন্ত্রী এসময় তার উদ্যোগে দেয়া করোনাকালীন বিশেষ বরাদ্দ ২ কোটি টাকা ঈদের আগে সাংবাদিকদের মাঝে বিতরণের জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানান।

গণমাধ্যম নিয়ে বিএনপি`র অবস্থান প্রসঙ্গে ড. হাছান বলেন, `বিএনপি`র পক্ষ থেকে নানা সমালোচনা করা হয়, কেউ কেউ বিবৃতি দেয় আবার কেউ কেউ জাতিসংঘের কাছে চিঠি লেখে। সেই চিঠি লেখা আর বিএনপি`র বিবৃতি আসলে একসূত্রে গাঁথা ও এগুলো বৃহত্তর রাজনীতির একটা অংশ ছাড়া কিছু নয়।`

বিএনপিনেত্রী খালেদা জিয়ার করোনা চিকিৎসা প্রসঙ্গে মন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, `তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, একজন জ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদ, আমি তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। করোনাকে পরাভুত করে তিনি আবার সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরে যান, এটিই মহান স্রষ্টার কাছে আমার প্রার্থনা।`

একইসাথে বেগম জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেয়া প্রসঙ্গে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে ড. হাছান বলেন, করোনার চিকিৎসা সব দেশে একইরকম এবং আমাদের দেশের চিকিৎসা অনেক ভালো। তাই করোনার চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার বিষয়টি আমার বোধগম্য নয়।

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান তার বক্তৃতায় সাংবাদিকদের কল্যাণে আওয়ামী লীগ সরকারের একাগ্রতার কথা তুলে ধরেন। সচিব খাজা মিয়া এ আয়োজনের জন্য সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টকে ধন্যবাদ জানান।

এদিন সহায়তাপ্রাপ্তদের মধ্যে ৩০ জনের হাতে চেক হস্তান্তর করেন অতিথিবৃন্দ। চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরে ২০০ জন সাংবাদিক ও সাংবাদিক পরিবারের সদস্যকে ২ কোটি ৮ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা অনুদান প্রদানের কার্যক্রম চলছে বলে জানিয়েছে ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষ।
২০১৪ সালের ৮ জুলাই গেজেটে প্রকাশিত `বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট আইন, ২০১৪` অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের আওতায় ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ১৯৬ জন সাংবাদিক ও সাংবাদিক পরিবারের সদস্যকে ১কোটি ৪০ লক্ষ টাকা, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ১ কোটি ৯৮ লক্ষ টাকা ২৩১ জনকে, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ২ কোটি ৬৯ লক্ষ টাকা ৩০৩ জনকে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ২ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা ৩৩৯ জনকে ২০১৯-২০ অর্থবছরে ১ কোটি ৬৯ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা ১৯৯ জনকে দেয়া হয়েছে। এছাড়া ২০১৯-২০ অর্থবছরে করোনাকালীন বিশেষ অনুদান হিসেবে ৩ হাজার ৩৩৫ জনকে ১০ হাজার করে ৩ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা দেয়া হয়। সবমিলে গত অর্থবছর পর্যন্ত ট্রাস্ট ৪ হাজার ৬৪০ জন সাংবাদিক ও সাংবাদিক পরিবারকে ১৪ কোটি ৭ লক্ষ টাকা দেয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের তহবিলে সীডমানি হিসেবে জমা হয়েছে ৪৩ কোটি ৮ লক্ষ ২৭ হাজার ৮১ টাকা। এছাড়াও করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় সাংবাদিকদের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ট্রাস্টকে ১০ কোটি টাকা বিশেষ বরাদ্দ দিয়েছেন। বাসস

বৃহস্পতিবার `নবসৃষ্ট অবকাঠামো ও জলযান` উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
                                  

অনলাইন ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী বৃহস্পতিবার (৬ মে) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সংস্থার `নবসৃষ্ট অবকাঠামো ও জলযান` উদ্বোধন করবেন।

অবকাঠামো ও জলযানের মধ্যে রয়েছে বিআইডব্লিউটিএ`র ২০টি কাটার সাকশন ড্রেজার, ৮৩টি ড্রেজার সহায়ক জলযান, প্রশিক্ষণ জাহাজ `টিএস ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী (দাদা ভাই)`, বিশেষ পরিদর্শন জাহাজ `পরিদর্শী`, নবনির্মিত নারায়ণগঞ্জ ড্রেজার বেইজ; বিআইডব্লিউটিসি`র দু`টি উপকূলীয় যাত্রিবাহী জাহাজ `এমভি তাজউদ্দীন আহমদ` ও `এমভি আইভি রহমান`, পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের `পায়রা আবাসন` পুনর্বাসন কেন্দ্র এবং পাবনা, বরিশাল, রংপুর ও সিলেট মেরিন একাডেমি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি এই উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর উদ্বোধন করবেন।

আজ মঙ্গলবার নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এসব অবকাঠামো এবং জলযান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে নৌসেক্টরের উন্নয়নে নতুন মাত্রা সংযোজন করবে। মুজিব শতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশে তৈরি ২০টি কাটার সাকশন ড্রেজারসহ শতাধিক নৌযান একসাথে উদ্বোধন বাংলাদেশের ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।

`নবসৃষ্ট অবকাঠামো ও জলযান` নদীর নাব্যতা রক্ষা, নৌপথ উন্নয়ন, উপকূলীয় এলাকার যাত্রি পরিবহন ও দক্ষ নৌকর্মী গঠনে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।

ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়ন ও আওয়ামী লীগের নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী ১০ হাজার কিলোমিটার নৌপথ খননে সরকার বদ্ধপরিকর। এলক্ষ্যে ২০টি ড্রেজার এবং ৮৩টি ড্রেজার সহায়ক জলযান প্রস্তুত করা হয়েছে। নৌপথ খনন ও নাব্যতা বজায় রাখার লক্ষ্যে ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর ২০১৫ সাল পর্যন্ত ১৮টি ড্রেজার সংগ্রহ করা হয়। বর্তমানে ২০টি ড্রেজার বিআইডব্লিউটিএ`র বহরে যুক্ত হয়ে মোট ৪৫টি ড্রেজারের শক্তিশালী ইউনিট সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া বর্তমান মেয়াদে ৩৫টি ড্রেজার সংগ্রহের লক্ষ্য রয়েছে ।
বিআইডব্লিউটিসির উপকূলীয় যাত্রিবাহী জাহাজ ও সি-ট্রাক বহরকে দক্ষ ও যুগোপযোগি করতে নবনির্মিত অত্যাধুনিক যাত্রিবাহী জাহাজ `এমভি তাজউদ্দীন আহমদ` ও `এমভি আইভি রহমান` নির্মাণ করা হয়েছে। জাহাজ দু`টি কুমিরা-গুপ্তছড়া এবং চট্টগ্রাম-সন্দ্বীপ-হাতিয়া-বরিশাল রুটে চলাচল করবে। এ জাহাজ দুু`টির মাধ্যমে বছরে ৬.৩০ লাখ যাত্রি পরিবহন করা সম্ভব হবে।

এর আগে ২০১৪ ও ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যাত্রিবাহী জাহাজ `এমভি বাঙালি` ও `এমভি মধুমতি` উদ্বোধন করেছিলেন। বিআইডব্লিউটিসি`র আরও ৩৫টি বাণিজ্যিক ও ৮টি সহায়ক জলযান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।

দেশের তৃতীয় সমুদ্রবন্দর পায়রা বন্দর নির্মাণের লক্ষ্যে অধিগ্রহণ করা জমির মালিকদের পুনর্বাসনের জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন ৫০০টি বাড়ি হস্তান্তর করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে ৩ হাজার ৪২৩টি পরিবারকে পুনর্বাসন করা হবে। তাদের জন্য জীবন ও কর্মমুখী প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

বিশ্ব নৌবাণিজ্য অর্থনীতিতে অবদান রাখা ও সমুদ্রগামী জাহাজে দেশের নাবিকদের চাকরির বিশাল সুযোগকে কাজে লাগানোর উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যুগান্তকারী সিদ্ধান্তে পাবনা, বরিশাল, রংপুর ও সিলেটে নির্মাণ করা হয়েছে নতুন চারটি মেরিন একাডেমি। যেখানে ক্রমান্বয়ে বছরে ৪০০ ক্যাডেটের পাশাপাশি সমুদ্রগামী মেরিনাররা বিভিন্ন ধাপে প্রশিক্ষণ নিতে পারবে। বাসস

টিকা নিয়ে ভারতের সঙ্গে চুক্তি কার্যত ভেঙে গেছে : পরিকল্পনামন্ত্রী
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : করোনার টিকা সরবরাহে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের যে চুক্তি ছিল, তা এক অর্থে ভেঙে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। ভারতের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

মঙ্গলবার (৪ মে) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে সাংবাদিকদের মন্ত্রী বলেন, `করোনার টিকা সরবরাহে ভারতের সঙ্গে আমাদের চুক্তি ছিল, সেটা ভেঙে গেছে ইন-অ্যা সেন্স। চুক্তি থেকে আইনগতভাবে বের হওয়ার কোনো পথ নেই। আইনগত, নৈতিক সকল দিক থেকেই আমাদের অবস্থান খুবই স্ট্রং (শক্ত)। কিন্তু একটা জিনিস তো স্বীকার করতেই হবে, ভারতের যে দুরবস্থা আমরা দেখছি, তা আনন্দের বিষয় নয়। আমরা দুঃখিত। ভারতের নিজেদের নাগরিকদের অবহেলা করে বা বাদ দিয়ে আমাদেরকে টিকা সরবরাহ করবে, আমি এটা আশা করি না।`

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, `ভারতে যারা টিকা তৈরি করে, তাদের বক্তব্য ইন্টারনেটে শুনেছি। তাদের যে সক্ষমতা তা শেষ পর্যায়ে আছে। তারা এত টিকা তৈরি করতে পারছে না। সুতরাং এটা জটিল ব্যাপার।`

করোনায় বিপর্যস্ত ভারতকে সম্ভব হলে বাংলাদেশ সহায়তা করবে বলে জানান এম এ মান্নান।

তিনি বলেন, `আমরা ভারতের অবস্থা দেখে শিখছি। তাদের প্রতি আমাদের সমবেদনা আছে। আমরা পারলে তাদেরকে সহায়তা করব।`

করোনায় ভারতে যে ভয়াবহ অবস্থা সেরকম কিছু বাংলাদেশে হবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।

ঈদের ছুটির তিনদিন কর্মস্থলেই থাকতে হবে
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে লকডাউনের (বিধিনিষেধের) মধ্যে ঈদুল ফিতরের তিনদিনের ছুটিতে সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবী ও শিল্প-কারখানার কর্মীদের কর্মস্থলেই থাকতে হবে। সংশ্লিষ্টদের এ বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

মঙ্গলবার (৪ মে) প্রতিমন্ত্রী বলেন, `সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে ছুটি তিনদিনই থাকবে এবার। আমাদের প্ল্যান ছিল একদিন ছুটি দেয়ার। ঈদের ছুটির দুদিন শুক্র ও শনিবারই মনে হচ্ছে যাবে। যাতে কেউ কোথাও যেতে না পারে, ঢাকা না ছাড়তে পারে। কারণ ঢাকা হচ্ছে করোনার উচ্চ সংক্রমণশীল এলাকা। ৮০ শতাংশ সংক্রমণই হয় ঢাকায়।`

তিনি বলেন, `ঢাকা থেকে বা ঢাকার আশেপাশে থেকে শ্রমিকরা যদি ঈদের সময় অন্য জায়গায় চলে যায় তবে ম্যাসাকার হবে। সে জন্য আমরা চাচ্ছি সবাই কর্মস্থলেই থাকুক।`

`সরকারি-বেসরকারি সবক্ষেত্রে নির্দেশনা দেয়া আছে, ছুটি তিনদিনই থাকবে, কেউ এর বাইরে ছুটি দিতে পারবে না`, বলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী।

ফরহাদ হোসেন বলেন, `পরিস্থিতি অনুযায়ী এখনও চলাচলে কড়াকাড়ি আরোপ করার বিষয় আছে। আমরা বলছি, ঈদের সময় যে যেখানে আছেন সেখানেই থাকবেন। লোকজন মুভ করলে এটা ব্যাপকভাবে বেড়ে যেতে পারে। ভারতের বিষয়টি আমাদের পর্যবেক্ষণ করতে হচ্ছে। সে জন্য আমরা সতর্ক অবস্থানে আছি।`

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১৩ বা ১৪ মে দেশে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।

আগামী ১২ মে (বুধবার) থেকে শুরু হচ্ছে ঈদের ছুটি। রমজান মাস যদি ২৯ দিনে শেষ হয় তবে ঈদুল ফিতর হবে ১৩ মে। এক্ষেত্রে ১৩ ও ১৪ মেও (বৃহস্পতি ও শুক্রবার) ঈদের ছুটি থাকবে। তবে রমজান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হলে ঈদের ছুটি আরও একদিন বাড়বে, সেক্ষেত্রে ১৫ মেও (শনিবার) ছুটি থাকবে।

কোভিড-১৯ সংক্রমণ রোধে গত ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে আটদিনের কঠোর লকডাউন শুরু হয়। লকডাউনের মধ্যে পালনের জন্য ১৩টি নির্দেশনা দেয়া হয় সরকারের পক্ষ থেকে। পরে সাতদিন করে দু-দফা লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানো হয়। সেই মেয়াদ শেষ হবে আগামী ৫ মে (বুধবার) মধ্যরাতে।

চলমান বিধিনিষেধের মেয়াদ আগামী ১৬ মে পর্যন্ত বাড়ছে বলে সোমবার জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। তিনি জানান, ৬ মে থেকে জেলার মধ্যে গণপরিবহন চলবে। তবে আন্তঃজেলা গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। এছাড়া ট্রেন ও লঞ্চও বন্ধ থাকবে।

খালেদা জিয়াকে বিদেশ নিতে আবেদন করা হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
                                  

অনলাইন ডেস্ক : করোনা আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার বিষয়ে তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আবেদন করা হয়নি বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

করোনা আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার বিষয়ে তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আবেদন করা হয়নি বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

মঙ্গলবার রাজধানীর পূর্ব রাজাবাজারের নাজনীন স্কুলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে কর্মহীন অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়া যে সাজা ভোগ করছিলেন পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তা স্থগিত রেখে বাসায় থেকে চিকিৎসা নেওয়ার সুবিধা করে দিয়েছেন। আমরা যতটুক জানি তিনি এখন রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তার ইচ্ছা অনুযায়ী চিকিৎসা নিচ্ছেন। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা তাকে চিকিৎসা দিচ্ছেন এ পর্যন্ত আমাদের জানা।

খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে বিদেশে নেওয়ার বিষয়ে সরকারের কাছে কোনো আবেদন করা হয়েছে কি না- এমন প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, তার পরিবারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আবেদন করা হয়নি। তিনি (খালেদা জিয়া) যেন দেশে উন্নত চিকিৎসা পান সেই ব্যবস্থা প্রধানমন্ত্রী করে দিয়েছেন বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করা হলে সরকার কী পদক্ষেপ নেবে, জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটি আদালতের বিষয়। প্রধানমন্ত্রী যে ধারায় তার সাজা স্থগিত রেখে চিকিৎসা নেওয়ার সুযোগ দিয়েছেন, এখন আরও কিছু পেতে হলে তাকে আদালতের মাধ্যমে আসতে হবে।

এদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিতে চায় তার দল ও পরিবার। তার চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নিতে আগ্রহী বলে জানা গেছে। এজন্য সরকারের উচ্চ পর্যায়ে তার পরিবার ও বিএনপির পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে যোগাযোগ করা হয়েছে।

বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে খালেদা জিয়ার ভাই শামীম ইস্কান্দার ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে টেলিফোনে খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ নেওয়ার বিষয়ে আলাপ করেন। তারা খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

জানা গেছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিষয়টি আদালতের এখতিয়ার বলে বিএনপি মহাসচিবকে জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এ বিষয়ে সরকারের অন্যান্যদের সঙ্গে আলাপ করে পরবর্তীতে জানানো হবে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ার পর গত ১১ এপ্রিল থেকে গুলশানের ভাড়া বাসা ‘ফিরোজা’য় থেকে ব্যক্তিগত চিকিৎসক টিমের তত্ত্বাবধায়নে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন খালেদা জিয়া। ১৪ দিন পর আবার পরীক্ষা করা হলে তখনও তার করোনাভাইরাস ‘পজিটিভ’ আসে।

এরপর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ২৭ এপ্রিল রাতে তাকে এভার কেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। চেস্টের সিটিস্ক্যান ও কয়েকটি পরীক্ষার পর সেই রাতেই তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

‘ফিরোজা’র বাসায় বিএনপি চেয়ারপারসন ছাড়াও আরও ৮ জন করোনায় আক্রান্ত হন। তবে ফিরোজার সব স্টাফরা ইতোমধ্যে করোনামুক্ত হয়েছেন।

৭৫ বছ বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি তাকে কারাগারে যেতে হয়। দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু পর পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে গত বছরের ২৫ মার্চ সরকার নির্বাহী আদেশে শর্তসাপেক্ষে তাকে ছয় মাসের জন্য সাময়িক মুক্তি দেয়। পরে আরও দুই দফায় মেয়াদ বাড়ানো হয়। মুক্তি পাওয়ার পর খালেদা জিয়া গুলশানে ভাড়া বাসা ফিরোজায় থেকে ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধায়নে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। তার সঙ্গে বাইরের কারও যোগাযোগ সীমিত।


   Page 1 of 281
     জাতীয়
মাস্ক পরা নিয়ে সরকারের ৮ নির্দেশনা
.............................................................................................
বাংলাদেশ ১০ হাজার রেমডেসিভির দিল ভারতকে
.............................................................................................
যে যেখানে আছেন সেখানেই ঈদ উদযাপন করুন : প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
দেশে ৯০০ টন অক্সিজেন মজুত আছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
সিলেটের সাবেক এমপি বিএনপি নেতা সেলিমের মৃত্যু
.............................................................................................
দাম বাড়িয়েও মিলছে না আকাশপথের টিকিট
.............................................................................................
সংসদ ভবনে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২
.............................................................................................
কাল থেকে গণপরিবহন চালু, মানতে হবে যেসব বিধিনিষেধ
.............................................................................................
বন্ধ হলো করোনা টিকার নিবন্ধন
.............................................................................................
৪ মেরিন একাডেমি ও জলযান উদ্বোধন ৬ মে
.............................................................................................
করোনার চেয়েও ধ্বংসাত্মক হবে এএমআর: প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
সরকারের সমালোচক দুস্থ সাংবাদিকের জন্যও সহায়তা : তথ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
বৃহস্পতিবার `নবসৃষ্ট অবকাঠামো ও জলযান` উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
টিকা নিয়ে ভারতের সঙ্গে চুক্তি কার্যত ভেঙে গেছে : পরিকল্পনামন্ত্রী
.............................................................................................
ঈদের ছুটির তিনদিন কর্মস্থলেই থাকতে হবে
.............................................................................................
খালেদা জিয়াকে বিদেশ নিতে আবেদন করা হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
.............................................................................................
এখনো নিভেনি সুন্দরবনের আগুন
.............................................................................................
মাস্ক ব্যবহারে প্রচারণা আছে, প্রয়োগে পদক্ষেপ নেই!
.............................................................................................
পদোন্নতি পেলেন হারুন-অর-রশিদ
.............................................................................................
শুধু পাঠ্যবই নয়, অন্য বইও পড়তে দিন শিক্ষার্থীদের: শিক্ষামন্ত্রী
.............................................................................................
বিজ্ঞানীদের হুঁশিয়ারি না মানাই কাল হয়েছে ভারতের: রয়টার্স
.............................................................................................
২৪ ঘণ্টায় ৬০ জনের মৃত্যু, ছয় সপ্তাহে সর্বনিম্ন শনাক্ত
.............................................................................................
গণপরিবহন চালুর ইঙ্গিত
.............................................................................................
আন্তর্জাতিক ৩৮ রুটে ফ্লাইট চালুর অনুমতি
.............................................................................................
মে দিবসের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে উৎপাদন বৃদ্ধিতে নিবেদিত হতে হবে : রাষ্ট্রপতি
.............................................................................................
মহান মে দিবস আজ
.............................................................................................
`লকডাউন` থেকে বের হতে আসতে ১০ সুপারিশ
.............................................................................................
গণপরিবহন চালুর দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক
.............................................................................................
দেশে অনেক কমেছে করোনায় মৃত্যু ও আক্রান্ত
.............................................................................................
২০২১ হজ বিষয়ে কোনো লেনদেন না করার অনুরোধ : ধর্মমন্ত্রণালয়
.............................................................................................
করোনার চেয়ে ভয়ঙ্কর এএমআর মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ৫ প্রস্তাব
.............................................................................................
ভারতে করোনা আক্রান্তদের সুস্থতা কামনায় ঢাকায় বিশেষ প্রার্থনা
.............................................................................................
করোনা থেকে রক্ষা পেতে লকডাউন সমাধান না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
চীনের টিকারও অনুমোদন, রপ্তানির আশা
.............................................................................................
সৌদি আরবে রোজাদারকে বিনামূল্যে ইফতার বিতরণ
.............................................................................................
সেই ভয়ানক ২৯ এপ্রিল আজ
.............................................................................................
ভারতকে সহায়তায় হাত বাড়ালো বাংলাদেশ
.............................................................................................
মার্কেট-শপিংমলে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে : ডিএমপি কমিশনার
.............................................................................................
শব্দ দূষণমুক্ত থাকতে সবাইকে সচেতন হতে হবে : পরিবেশমন্ত্রী
.............................................................................................
স্বাস্থ্যবিধি চিড়েচ্যাপ্টা, মার্কেটে ছুটছে মানুষ
.............................................................................................
গরমে চরম দুর্ভোগে শ্রমজীবী মানুষ
.............................................................................................
চরমপন্থা ঠেকাতে পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ: ইএফএসএএস
.............................................................................................
নাচলেন ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালের চিকিৎসকরা, ভিডিও ভাইরাল
.............................................................................................
পৃথিবীকে বাঁচাতে হলে আজই পদক্ষেপ নেওয়ার সময়: প্রধানমন্ত্রী
.............................................................................................
তরমুজের যত তুঘলকি কাণ্ড
.............................................................................................
মুনিয়ার ফ্ল্যাট থেকে ৬ ডায়েরি উদ্ধার
.............................................................................................
পুরোনো রূপেই ঢাকা, চলছে না কেবল গণপরিবহন
.............................................................................................
আন্তর্জাতিক প্লেন চলাচল বন্ধ ৫ মে পর্যন্ত, চলবে বিশেষ ফ্লাইট
.............................................................................................
করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ২৬ লাখ মানুষ
.............................................................................................
দেশে দিনে অক্সিজেন উৎপাদন ৪০০ টন, হাসপাতালে চাহিদা ১৫০ টন
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop