| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * একাদশ জাতীয় সংসদের ১৫তম অধিবেশন শুরু ১৪ নভেম্বর   * আগামীকাল প্রেসক্লাব কোলকাতায় `বঙ্গবন্ধু সংবাদ কেন্দ্র` উদ্বোধন করবেন তথ্যমন্ত্রী   * শীতে ত্বক ও পা ফাটা রোধে এখনই যা করবেন   * ২০২২ সালের পর উন্মুক্ত স্থানে বর্জ্য থাকবে না: তাপস   * আফগান ইস্যুতে ইরানে ছয় দেশের বৈঠক   * অভিমান করে হাঁটছিলেন রেললাইনে, বাঁশঝাড়ে নিয়ে ধর্ষণ   * গুলশানের দগ্ধ ৩ জন শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে   * এসএসসি পরীক্ষায় নজরদারি থাকবে ফেসবুক-টুইটারে   * বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এক সপ্তাহের মধ্যেই টিকাদান   * জাতীয় প্রয়োজনে সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত থাকবে  

   অর্থ-বাণিজ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
অনিবন্ধিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান বন্ধ হচ্ছে

অনলাইন ডেস্ক : অনিবন্ধিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেন, ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন না করলে ব্যবসা থেকে ‘আউট’ হয়ে যাবে।

সোমবার (২৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ই-কমার্স নিয়ে এক বৈঠক শেষে তিনি একথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সব ব্যবসায়ীকে ইউনিক বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন নম্বর দেওয়া হবে। যারা নিবন্ধন করবে না, তারা ব্যবসা থেকে আউট হয়ে যাবে। এ নিবন্ধন করতে কোনো খরচ নেই।

এ সময় ই–কমার্সের আটকে থাকা ২১৪ কোটি টাকা ফেরতের ব্যবস্থা হচ্ছে বলেও জানান টিপু মুনশি। তিনি বলেন, পেমেন্ট গেটওয়েতে আটকে থাকা টাকাগুলো ফেরত দেওয়ার উপায় বের করা হচ্ছে। আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে ই-কমার্স খাতে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।

অনিবন্ধিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান বন্ধ হচ্ছে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : অনিবন্ধিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেন, ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন না করলে ব্যবসা থেকে ‘আউট’ হয়ে যাবে।

সোমবার (২৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ই-কমার্স নিয়ে এক বৈঠক শেষে তিনি একথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সব ব্যবসায়ীকে ইউনিক বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন নম্বর দেওয়া হবে। যারা নিবন্ধন করবে না, তারা ব্যবসা থেকে আউট হয়ে যাবে। এ নিবন্ধন করতে কোনো খরচ নেই।

এ সময় ই–কমার্সের আটকে থাকা ২১৪ কোটি টাকা ফেরতের ব্যবস্থা হচ্ছে বলেও জানান টিপু মুনশি। তিনি বলেন, পেমেন্ট গেটওয়েতে আটকে থাকা টাকাগুলো ফেরত দেওয়ার উপায় বের করা হচ্ছে। আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে ই-কমার্স খাতে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।

সমুদ্র অর্থনীতির অমিত সম্ভাবনা, দরকার সঠিক পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার আয়তন মোট ৬৬৪ কিলোমিটার, কিন্তু মাছ আহরণ করা হয় মাত্র ৬০ কিলোমিটারের মধ্যে। আর তাই মাছের বৈশ্বিক উৎপাদনে বাংলাদেশের হিস্যা মাত্র ২ দশমিক ৬ শতাংশ। যেখানে চীন একাই বিশ্ববাসীকে ৬১ শতাংশ মাছের যোগান দিচ্ছে। একই ভাবে সাগরের সীমানায় মালিকানা প্রতিষ্ঠা হলেও, এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে সমুদ্র বক্ষের বিপুল পরিমাণ তেল ও গ্যাস।

শুধু মাছ কিংবা খনিজ সম্পদ নয়, নিজেদের সীমানার সাগরকে ব্যবহার করে পাল্টে দেয়া যেতে পারে বাংলাদেশের পুরো অর্থনীতির চিত্র। সমুদ্র অর্থনীতিকে কাজে লাগিয়ে পর্যটন, জাহাজ শিল্প, গভীর সাগরে মাছ ধরার উপযোগি জাহাজ নির্মাণ, কনটেইনার, ওষুধ, প্রসাধনীসহ নানা শিল্প বিকশিত হতে পারে। এর জন্য দরকার সঠিক কর্ম-পরিকল্পনা ও তার যথার্থ বাস্তবায়ন।

রোববার রাজধানীর মতিঝিলে এফবিসিসিআই কার্যালয়ে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের ব্লু-ইকোনমির সম্ভাবনা ও করণীয়’ শীর্ষক কর্মশালায় মূল প্রবন্ধে এসব তুলে ধরেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের সচিব রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) মো. খুরশেদ আলম।
এফবিসিসিআই ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) যৌথভাবে কর্মশালার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও বিশেষ অতিথি ছিলেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম। স্বাগত বক্তব্য দেন এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন।

খুরশেদ আলম বলেন, বাংলাদেশের যে সমুদ্রসীমা আছে তা মূল ভূখন্ডের ৮১ ভাগের সমান। পুরো বিশ্বে আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথে দেড় লাখ জাহাজ চলাচল করে, সেখানে বাংলাদেশের জাহাজ মাত্র ৭০টি। অথচ এই পথে পণ্য পরিবহনের অর্থনীতির আকার ৯’শ কোটি ডলার। এছাড়াও কনটেইনার নির্মাণেও বাংলাদেশের সম্ভাবনা রয়েছে। ৭৪ শতাংশ কনটেইনার ব্যবহার হয় এশিয়া অঞ্চলে। প্রতিবছর ১৫ শতাংশ হারে বাণিজ্যের প্রবৃদ্ধি হচ্ছে। অর্থাৎ ভবিষ্যতে কনটেইনারের চাহিদা আরও বাড়বে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি সমুদ্র বন্দর থাকলেও, তা মাদার ভেসেলের জন্য উপযোগী নয়। এমন অবস্থায় মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মিত হলে তা সুনীল অর্থনীতির সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সহায়তা করবে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, সুনীল অর্থনীতি বাংলাদেশে বিনিয়োগের নতুন সম্ভাবনাময় খাত। এ খাত থেকে আগামী কয়েক বছরেই ১’শ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি করা সম্ভব।
তিনি বাংলাদেশের এক সময়ের উদীয়মান খাত জাহাজ শিল্পের অগ্রগতি কেন ধীর হয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে ও নীতি কৌশল ঠিক করতে এফবিসিসিআই ও বিডাকে একসাথে কাজ করার পরামর্শ দেন।
তিনি বলেন, এছাড়া গভীর সমুদ্রের উপযোগী মাছ ধরার ট্রলার বা জাহাজ নির্মাণে দেশী বিদেশী যৌথ মালিকানায় উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে। তবে এক্ষেত্রে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এ সংক্রান্ত নীতির সংশোধন জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম বলেন, সমুদ্র অর্থনীতিকে কাজে লাগানোর পরিকল্পনার সাথে সাথে এই সম্পদ সংরক্ষণের নীতিও গ্রহণ করতে হবে। সরকারের নেয়া নদী ভাঙন প্রতিরোধ কর্মসূচির কারণে উপকুলীয় এলাকায় মানুষ এই বিপর্যয়ের হাত থেকে এখন অনেকটাই মুক্ত বলে জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, আগামী ২৮-২৯ নভেম্বরে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। ওই সম্মেলনে ব্লু-ইকোনমি নিয়ে আলাদা আলোচনা করা হবে।

অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, এলডিসি পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণ ও কর্মসংস্থান তৈরিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে সমুদ্র অর্থনীতি। কর্মশালায় আলোচিত বিষয়গুলোর সমন্বয়ে এ খাতের কর্মকৌশল নির্ধারণে সরকারের কাছে সুপারিশ জমা দেবে এফবিসিসিআই।

কর্মশালায় প্যানেল আলোচনায় অংশ নিয়ে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ সিপিডির গবেষণা পরিচালক ও এফবিসিসিআইয়ের প্যানেল উপদেষ্টা ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, ব্লু-ইকোনমির সম্ভাবনা নিয়ে কোন দ্বিমত নেই। কিন্তু এখনো কোন পরিকল্পনা নেই। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় যার যার মতো কাজ না করে, বিডা নিজে তত্ত্বাবধান করলে, দ্রুত সুফল পাওয়া যেতে পারে।
ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও এফবিসিসিআইয়ের প্যানেল উপদেষ্টা ড. এ.কে. এনামুল হক বলেন, আগামী ১০ থেকে ২০ বছরে বিশ্বের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি হবে সমুদ্রকেন্দ্রিক। ব্লু-ইকোনমিকে কাজে লাগাতে পর্যটন, জাহাজ নির্মাণ, জাহাজ ভাঙা, ফিশিং, বন্দর, মেরিটাইম ইক্যুইপমেন্ট খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান তিনি। তিনি এক্ষেত্রে বিদেশী ও স্থানীয় উদ্যোক্তাদের মধ্যে নীতি বৈষম্য দূর করার তাগিদ দেন ।
কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে এফবিসিসিআইয়ের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু, সহ-সভাপতি এম এ মোমেন, মো. আমিনুল হক শামীম, মো. আমিন হেলালী, সালাহউদ্দিন আলমগীর ও মো. হাবীব উল্লাহ ডন প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন। বাসস

কৃষিপ্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে সারা বছরই আম পাওয়া সম্ভব
                                  

দেশের চাহিদা মিটিয়ে বাংলাদেশের কৃষিপণ্য আন্তর্জাতিক বাজার দখল করবে জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আবদুর রাজ্জাক বলেছেন, বাংলাদেশ শুধু খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে না, আমরা সারা বিশ্বে খাদ্য সরবরাহ করতে পারবো।

কৃষিপ্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই দেশে সারা বছর আম পাওয়া সম্ভব হবে।

রোববার (২৪ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘বাংলাদেশের ৫০ বছর: কৃষির রূপান্তর ও অর্জন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দৈনিক বনিক বার্তা ও বাংলাদেশ অ্যাগ্রিকালচার জার্নালিস্ট ফোরাম যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ অনেকটাই খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। সারা পৃথিবীই তা বলছে। এই যে করোনা পরিস্থিতিতেও কেউ না খেয়ে নেই, খাদ্যের সংকট নেই, হাহাকার নেই। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকে আমরা পুষ্টিজাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিতে চাই। সেজন্য বাংলাদেশকে আমরা আধুনিক কৃষিতে নিয়ে যেতে চাই। বাংলাদেশ দানাজাতীয় খাদ্যে অনেক আগেই সফল হয়েছে। সেটাকে যদি আমরা পুষ্টিজাতীয় খাবারে নিয়ে যেতে পারি অর্থাৎ মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ইত্যাদিতেও স্বয়ংসম্পূর্ণ ও সফল হতে হবে।

তিনি বলেন, আমরা অনেক বেশি ভাত খাই। ভাতের এই কনজাম্পশন (খাওয়া) কমাতে পারি তাহলে আমাদের চালের ব্যবহার অনেক কমে যাবে। আমরা ৪০০ গ্রাম চাল খাই প্রতিদিন, পৃথিবীর অনেক দেশের মানুষ ২০০ গ্রামের বেশি চাল খায় না। সেজন্য কৃষিপ্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে পুষ্টিজাতীয় শস্য উৎপাদনে আরও উন্নতি করতে হবে।

ড. আবদুর রাজ্জাক বলেন, বাংলাদেশের মাটি অত্যন্ত উর্বর এবং এখানে বিশুদ্ধ পানি খুব সহজলভ্য। ২০ থেকে ৩০ ফুট নিচেই বিশুদ্ধ পানি পাওয়া যায়, যা অন্য কোনো দেশে পাওয়া যায় না। মাটির উর্বরতা ও পানির সহজলভ্যতার সঠিক ব্যবহারে দেশ কৃষি এগিয়ে যাবে।

দেশে কৃষি এখন সামাজিক মর্যাদা পেয়েছে। শিক্ষিত ছেলে মেয়ে এখন কৃষিকাজ করছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এক সময় কৃষিকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা হতো। চাষা শব্দটা গালি হিসেবে ব্যবহৃত হতো। কিন্তু এখন শিক্ষিত ছেলে- মেয়েরাও কৃষিতে আসছে। তাদের নিয়ে দেশের কৃষিকে আরও বেশি সমৃদ্ধ করবো।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে ধান গবেষণা ইনস্টিটিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীর বলেন, গত ৫০ বছরে বাংলাদেশের কৃষিতে বিশাল রূপান্তর হয়েছে। ফসলের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় তিন থেকে চারগুণ। আজ আমরা বাণিজ্যিক কৃষির কথা ভাবছি।

তিনি আরও বলেন, দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বিশাল এলাকায় নদীর পানি ব্যবহারের মাধ্যমে ধানের আবাদ বাড়ানো সম্ভব। ধানের এই চাষাবাদ বাড়িয়ে ক্রমবর্ধমান খাদ্যচাহিদা পূরণ করেও ২০৫০ সালে ৪৮ লাখ টন উদ্বৃত্ত খাদ্য উৎপাদন করা সম্ভব।

কৃষিতে বেসরকারি খাতের অবদান অনেক উল্লেখ করে এসিআইএ অ্যাগ্রিকালচারের প্রধান নির্বাহী এফ এইচ আনসারী বলেন, বেসরকারি খাত কৃষির উন্নয়নে সরকারকে সহযোগিতা করছে। এখন ৯৫ ভাগ হাইব্রিড ধানের বীজ, ৯৬ ভাগ সবজি বীজ, ৯৯ ভাগ পাটবীজ প্রাইভেট সেক্টর সরবরাহ করে। বাংলাদেশের কৃষিপণ্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে সারা বিশ্বে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এফএ বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর রবার্ট ডি সিম্পসন, ইউএসএআইডির মিশন ডিরেক্টর ক্যাথরিন ডেভিস প্রমুখ।

হঠাৎ বিশ্ববাজারে বাড়লো স্বর্ণের দাম
                                  

অনলাইন ডেস্ক : হঠাৎ গত সপ্তাহজুড়ে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় উত্থান হয়েছে। এক সপ্তাহে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ২৫ ডলারের বেশি বেড়েছে। এর মাধ্যমে প্রায় এক মাস দরপতন হওয়ার পর বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ার প্রবণতা দেখা গেছে।

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বাড়লেও দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে এখনও পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তবে দাম বাড়ার ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী সোমবার (২৫ অক্টোবর) দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালাবলেন, বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ার বিষয়টি আমরা দেখেছি। দেশের বাজারে এখনও স্বর্ণের দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। আমরা আগামী সোমবার পর্যন্ত দেখবো। বিশ্ববাজারে দাম বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত থাকলে দেশের বাজারেও স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হবে।

তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, বিশ্বজুড়ে মহামারি করোনাভাইরাসের প্রকোশ শুরু হওয়ার পর থেকেই বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা যায়। মাঝে কিছুটা দাম কমলেও এপ্রিল ও মে মাসজুড়ে স্বর্ণের দাম ঊর্ধ্বমুখী ধারায় থাকে।

বিশ্ববাজারে লাফিয়ে লাফিয়ে দাম বাড়ায় মে মাসে দেশের বাজারে দুই দফায় ভরিতে স্বর্ণের দাম চার হাজার ৩৭৪ টাকা বাড়ায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি। জুনের শুরুতে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন হয়। ফলে বাংলাদেশেও স্বর্ণের দাম কমানো হয়।

কিন্তু আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বেশ অস্থিরতা দেখা দেয়। কয়েক দফা উত্থান-পতনের মাধ্যমে একপর্যায়ে আউন্সপ্রতি স্বর্ণের দাম একশ ডলারের মতো বেড়ে যায়। ফলে বাংলাদেশেও স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়।

সেপ্টেম্বরে এসে আবার দরপতনের মধ্যে পড়ে স্বর্ণ। ফলে বাংলাদেশের বাজারেও স্বর্ণের দাম কমানো হয়। সর্বশেষ গত ১ অক্টোবর বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) ভরিতে এক হাজার ৫১৬ টাকা কমিয়ে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করে। এতে সবচেয়ে ভাল মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণ ৭১ হাজার ৯৬৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ৬৮ হাজার ৮১৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ৬০ হাজার ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ৪৯ হাজার ৭৪৭ টাকা।

বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম কমানোর পর গেলো সপ্তাহে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় উত্থান হয়। গেলো সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস সোমবার বিশ্ববাজারে লেনদেন শুরু হওয়ার আগে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল এক হাজার ৭৬৭ দশমিক ৩৪ ডলার। আর সপ্তাহ শেষে তা এক হাজার ৭৯২ দশমিক ৭৯ ডলারে উঠে এসেছে। এতে সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম বেড়েছে ২৫ দশমিক ৪৫ ডলার বা ১ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

স্বর্ণের পাশাপাশি গত সপ্তাহে বিশ্ববাজারে রুপার দামেও বড় উত্থান হয়েছে। গত এক সপ্তাহে রুপার দাম বেড়েছে ৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ। এতে প্রতি আউন্স রুপার দাম বেড়েছে ২৪ দশমিক ৩০ ডলারে।

দাম কমেছে আরেক দামি ধাতু প্ল্যাটিনামের। গত সপ্তাহে এ ধাতুটির দাম কমেছে ১ দশমিক ৩১ শতাংশ। এতে প্রতি আউন্স প্ল্যাটিনামের দাম দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৪০ দশমিক ৬৮ ডলারে।

বুধবার ব্যাংক বন্ধ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : আগামীকাল বুধবার (২০ অক্টোবর) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবি (সা.) উপলক্ষে সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে।

এর আগে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবি (সা.) উপলক্ষে ১৯ অক্টোবর (মঙ্গলবার) সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান ছুটি ঘোষণা করেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পরবর্তীতে চাঁদ দেখা কমিটি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবি (সা.) ২০ অক্টোবর (বুধবার) নির্ধারণ করে। ফলে ১৯ অক্টোবরের পরিবর্তে ২০ অক্টোবর সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকছে।

সয়াবিন তেল লিটারে বাড়লো ৭ টাকা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : আন্তর্জাতিক বাজারে সয়াবিন তেলের দাম বাড়ার অজুহাতে দেশের বাজারেও লিটারে ৭ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এখন থেকে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৬০ টাকা দরে বাজারে বিক্রি হবে। আগের দর ছিল ১৫৩ টাকা।

মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত বাণিজ্য মন্ত্রণালয় চূড়ান্ত করে বাংলাদেশ ভোজ্যতেল পরিশোধনকারী ও বনস্পতি উৎপাদক সমিতিতে জানিয়েছে ।

আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত সয়াবিন ও অপরিশোধিত পাম তেলের দাম বাড়ায় বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে তেলের এই দাম নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।

এখন এক লিটার সয়াবিন তেল ১৬০ টাকায় বিক্রি হবে। আর পাঁচ লিটারের এক বোতল তেল ৭৬০ টাকায় বিক্রি হবে। যা আগে ছিল ৭২৮ টাকা। এছাড়া খোলা এক লিটার সয়াবিন তেল ১৩৬ টাকা ও বোতলজাত পাম সুপার তেল ১১৮ টাকা দরে কিনতে পারবেন ক্রেতারা।

এই মূল্য অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে বাংলাদেশ ভোজ্যতেল পরিশোধনকারী ও বনস্পতি উৎপাদক সমিতির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। তবে পরিবেশক ও খুচরা পর্যায়ে পুরোনো মজুতের ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য হবে না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।এর আগে গত ২৭ মে সয়াবিন তেলের দাম এক লাফে লিটারে ৯ টাকা বাড়ানো হয়। তবে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে সয়াবিন তেলে লিটার প্রতি তিন টাকা ছাড় দেওয়ায় সেবার সব মিলিয়ে দাম বাড়ে ১২ টাকা।

দেশের মোট চাহিদার ৯৫ শতাংশ ভোজ্য তেল বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। ২০২০ সালের পর থেকে ভোজ্য তেলের আন্তর্জাতিক বাজারে অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতির জন্য দেশে কয়েক দফায় সয়াবিন তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

আরেক দফা বাড়ছে সয়াবিন তেলের দাম
                                  

অনলাইন ডেস্ক : আরেক দফা বাড়ছে ভোজ্যতেলের দাম। আন্তর্জাতিক বাজারের কারণে বোতলজাত ও খোলা সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ৭ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

রোববার (১৭ অক্টোবর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আমদানি ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য (আইআইটি) অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামানের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত নিত্যপণ্যের মজুত পরিস্থিতি, আমদানি ও দাম নির্ধারণ নিয়ে বৈঠকে তেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী ও সচিব এ প্রস্তাব অনুমোদন দিলে তা বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবে।

বৈঠক শেষে অতিরিক্ত সচিব সফিকুজ্জামানের সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। বৈঠকে ভোজ্যতেল উৎপাদন ও বিতরণকারী কোম্পানিগুলোর শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম (প্রতি লিটার) আমরা ১৫৩ টাকা নির্ধারণ করেছিলাম। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেড়ে যাচ্ছিল তাই তারা ৮-১০ দিনের মধ্যে মূল্যবৃদ্ধির আবেদন করেছিলেন। ২০১১ সালের আইন অনুযায়ী প্রতি ১৫ দিন অন্তর ট্যারিফ কমিশন অ্যানালাইসিস করে সুপারিশ করবে। আমরা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, রিফাইনারিদের সঙ্গে আলোচনা করে মূল্য নির্ধারণ করি। পরে রিফাইনারি অ্যাসোসিয়েশন তাদের অফিসিয়াল প্যাডে এটা ডিক্লেয়ার করে।

অতিরিক্ত সচিব বলেন, গত মাসে উনারা (তেল উৎপাদনকারী) যে আবেদন করেছিলেন গত ৪ অক্টোবর ট্যারিফ কমিশন চিনি ও তেলের ক্ষেত্রে আমাদের রিপোর্ট দেয়। পেঁয়াজের বাজার অস্থির ছিল। গত এক সপ্তাহে আমরা স্পেশাল ফোকাস দিয়ে, আল্লাহ রহম করেছে, পেঁয়াজের বাজারটা মোটামুটি একটা ভালো পর্যায়ে নিয়ে আসতে পেরেছি।

তেলের বিষয়ে আজকের বৈঠকের সিদ্ধান্ত তুলে ধরে তিনি বলেন, উনাদের (রিফাইনারি কোম্পানি) প্রস্তাব ছিল বোতলজাত প্রতি লিটার সায়াবিন তেল ১৬৮ টাকা করার। ট্যারিফ কমিশন একাধিকবার বসে অ্যানালাইসিস করে ১৬২ টাকা (বোতলজাত সায়াবিন তেল) করার সুপারিশ করেছে। এটা ছিল সেপ্টেম্বর মাসে অ্যাভারেজ রিপোর্ট। আজ দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করে প্রতি লিটার বোতলজাত তেলের দাম ঠিক করা হয়েছে ১৬০ টাকা। যেটার আগে দাম ছিল ১৫৩ টাকা।

সভায় খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৩৬ টাকা, বোতলজাত ৫ লিটার তেলের দাম ৭৬০ টাকা, পাম তেল প্রতি লিটার ১১৯ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বর্তমানে নির্ধারিত দাম- খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১২৯ টাকা, ৫ লিটারের বোতল ৭২৮ ও পাম তেল প্রতি লিটার ১১৬ টাকা।

এ প্রস্তাব বাণিজ্য সচিবের কাছে উপস্থাপন করা হবে জানিয়ে সফিকুজ্জামান বলেন, সচিব মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে এটি চূড়ান্ত করার পর রিফাইনারিদের জানিয়ে দেওয়া হবে। পরে রিফাইনারিরা তাদের প্যাডে এটি ঘোষণা করবেন।

মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আসছে জানিয়ে অতিরিক্ত সচিব বলেন, এতে ভারতের ওপর পেঁয়াজ আমদানির নির্ভরতা কমবে। আমি ধারণা করছি, পেঁয়াজের বাজার আর অস্থির হবে না। পেঁয়াজে আমরা স্বস্তি দিতে পারবো, এ প্রত্যাশা আমরা ব্যক্ত করতে পারি।

অতিরিক্ত সচিব আরও বলেন, মিটিংয়ে আলোচনা হয়েছে- চিনির রেগুলেটরি ডিউটি কবে থেকে কার্যকর হচ্ছে তা অ্যাসেসমেন্ট করে মানুষকে একটু জানিয়ে শিগগির সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

৪ দিন পর বেনাপোলে আমদানি-রপ্তানি শুরু
                                  

অনলাইন ডেস্ক : দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা চার দিন বন্ধ থাকার পর শনিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল থেকে বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে পুনরায় আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর ফলে কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে ভারত-বাংলাদেশের বন্দর এলাকায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন পেট্রাপোল বন্দর থেকে রপ্তানি পণ্য নিয়ে প্রায় ৩০০ ট্রাক আসে বেনাপোল বন্দরে। আর বেনাপোল দিয়ে ১০০-১৫০ ট্রাক রপ্তানি পণ্য নিয়ে যায় ভারতে। দেশের ৭৫ ভাগ শিল্প প্রতিষ্ঠানের কাঁচামালের পাশাপাশি বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য আসে এই বন্দর দিয়ে। দুর্গাপূজা উপলক্ষে গত ১২-১৫ অক্টোবর ভারতে সরকারি ছুটি থাকায় দুদেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ছিল। ভারতে ছুটির সময় আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও বেনাপোল বন্দরে পণ্য খালাসসহ শুল্ক বিভাগ ও বন্দরের সকল কাজকর্ম চালু ছিল। এছাড়া পাসপোর্ট যাত্রীদের চলাচলও ছিল স্বাভাবিক।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন জানান, চারদিন বন্ধ থাকার পর শনিবার সকাল থেকে বন্দরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে টানা চারদিন বন্ধের পর আজ যে পরিমাণ ট্রাক আসা যাওয়ার কথা ছিল তা হয়নি। দুপুর ১২টা পর্যন্ত দুদেশের মধ্যে ৮০-১০০ ট্রাক আসা যাওয়া করেছে। পণ্যজটের পাশাপাশি যানজটও রয়েছে বন্দর এলাকায়। রোববার (১৭ অক্টোবর) অফিস খোলার পর দ্রুত পণ্য খালাস হলে এই জট কমতে থাকবে বলে জানান তিনি।

ভারতের পেট্রাপোল বন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ ওয়েল ফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী জানান, বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় শত শত পণ্যবাহী ট্রাক ভারতীয় বন্দর এলাকা ও বনগাঁ পার্কিং এ অপেক্ষা করছে।

বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমস কার্গো শাখার রাজস্ব অফিসার সাইফুর রহমান মামুন জানান, শনিবার সকাল থেকে বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু হয়েছে। তবে ট্রাক সংখ্যা অনেক কম। আমদানি-রপ্তানি শুরু হওয়ায় কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে দুদেশের বন্দর এলাকায়।

সবজির চড়া দামে হতাশ ক্রেতারা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বাজারে বেশ কিছুদিন ধরে শিম, টমেটো, গাজর, গোল বেগুন, করলা, মূলা, লাউ, ফুলকপিসহ প্রায় সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে। কিছু সবজি ১০০ টাকারও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। সবজির এমন চড়া দামে হতাশ ক্রেতারা। বিক্রেতারা বলছেন, সবজির দামের ঊর্ধ্বগতি আরও কিছুদিন থাকবে।

শুক্রবার (১৫ অক্টোরব) রাজধানীর বেশ কিছু এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

রাজধানীর বেশিরভাগ বাজারেই এখন প্রতিকেজি শিম ১০০ থেকে ১২০ টাকা, টমেটো ১০০ থেকে ১৪০ টাকা, গাজর ১০০ থেকে ১১০ টাকা, গোল বেগুন ১০০ থেকে ১১০ টাকা আর কাঁচা মরিচ ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বেগুন ৬০ থেকে ৭০ টাকা, বরবটি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, করলা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, মূলা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ঝিঙা ৬০ টাকা, শসা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পটল ৫০ থেকে ৬০ টাকা, ফুলকপি ছোট সাইজের প্রতি পিস ৫০ টাকা, বাঁধা কপি প্রতি পিস ৬০ টাকা প্রতি কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

সবজির দাম এমন ঊর্ধ্বগতির বিষয়ে রাজধানীর কাওরান বাজার এলাকার হাসান বলছেন, বেশ কয়েকদিন ধরেই প্রতিটি সবজি অতিরিক্ত দামে বিক্রি হচ্ছে। যারা দিন এনে দিন খায় তাদের এখন খুব খারাপ দিন যাচ্ছে।

শুক্রাবাদের জামান উদ্দিন জানান, বাজারের যেই অবস্থা ৬০ টাকার নিচে কোনো সবজি নেই। এরমধ্যে কিছু সবজি তো ১০০ টাকার বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। এত দাম হলে সবজি কেনা বন্ধ করে দিতে হবে।

এদিকে বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারি বাজার থেকেই আমাদের কাছ থেকে দাম বেশি নিচ্ছে। এতে আমাদের কিছু করার নেই। এছাড়া এক মণ সবজিতে থাকে মাত্র ৩০ কেজির মতো। আনতেও খরচ হয়। কিছুদিন ধরে সবজির দাম বেশি হলেও শীতের নতুন সবজি আসলে দাম কমে যাবে।

সারা দেশে সব স্বর্ণের দোকান বন্ধ থাকছে বুধবার
                                  

অনলাইন ডেস্ক : সনাতন ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা গতকাল সোমবার মহাষষ্ঠী ও আজ মহাসপ্তমী। তবে এ দু’দিন সোনার দোকান বন্ধ না হলেও আগামীকাল বুধবার (১৩ অক্টোবর) মহাঅষ্টমী উপলক্ষ্যে সারা দেশে সোনার দোকান পুনঃদিবস বন্ধ রাখার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি (বাজুস)।

মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) বাজুসের সভাপতি এনামুল হক খান দোলন তথ্য জানান।

সব জুয়েলারি মালিকদের শারদীয় উৎসবের শুভেচ্ছা জানিয়ে এনামুল হক খান বলেন, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বড় উৎসব দুর্গাপূজাতে মহাঅষ্টমীর দিন বুধবার (১৩ অক্টোবর) সব জুয়েলারি দোকান বন্ধ থাকবে।

আগামী এক মাস পেঁয়াজের বাজার নাজুক থাকার শঙ্কা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : আড়াই থেকে তিন-চার মাস দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর মতো পেঁয়াজের মজুত থাকা সত্ত্বেও আগামী এক মাস পেঁয়াজের বাজার নাজুক থাকার শঙ্কা রয়েছে।

সোমবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মজুত, সরবরাহ, আমদানি, মূল্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে আয়োজিত সভা শেষে সাংবাদিকদের কাছে এ শঙ্কার কথা জানান বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ।

তিনি বলেন, পেঁয়াজের বাজারে দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজ শতকরা ৮০ ভাগ, বাকি ২০ ভাগ বিদেশ থেকে আমদানি করা। মূলত ভারত থেকে বেশি আমদানি করা হয়। কিছু মিয়ানমার থেকে আসে। ভারতের ব্যাঙ্গালুরুতে অতিবৃষ্টির কারণে সেখানকার বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে, এর প্রভাবে বাংলাদেশে পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

বাণিজ্য সচিব বলেন, ভারতের পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি এবং সেটা অব্যাহত থাকার আশঙ্কা থেকে বাংলাদেশে ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। আমরা সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষকে এরই মধ্যে চিঠি দিয়েছি। এনবিআরকে শুল্ক প্রত্যাহারের জন্য বলা হয়েছে।

ভোক্তাদের চাহিদা পূরণ ও বাজার স্থিতিশীল রাখতে মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

তপন কান্তি ঘোষ বলেন, পেঁয়াজের যথেষ্ট মজুত আছে আমাদের। সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর সময়টাতে পেঁয়াজ উৎপাদন কম হয়। নভেম্বরের মাঝামাঝি বা শেষে বাজারে নতুন পেঁয়াজ আসবে। তার আগে এক মাস হয়তো পেঁয়াজের দাম বেশি থাকার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। এর মধ্যেও আমাদের চেষ্টা থাকবে, যেন যৌক্তিকভাবে মূল্য প্রতিফলিত হয়, অতি মুনাফা যাতে না হয়।

তিনি বলেন, বাজার পরিস্থিতি মনিটরিংয়ের জন্য বলা হয়েছে। জেলা প্রশাসনকে চিঠি দেয়া হয়েছে, দ্রব্যমূল্য অতিমাত্রায় নেওয়া হচ্ছে কি না, সেটা নজরে রাখার জন্য। পেঁয়াজের বাজার বেশি খারাপ হবে না, তবে উৎপাদন পরিস্থিতি ও ভারতে পেঁয়াজের দাম বাড়ার কারণে আগামী এক মাস নাজুক অবস্থা থাকবে। তবে গত কয়েকদিনে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৫ থেকে ৭ টাকা কমেছে।

পরে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, আমরা চারদিক থেকে চেষ্টা করছি, যতটা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। একমাস বাড়তি দাম থাকার কথা বলা হচ্ছে, কিন্তু আমাদের দেশে ৫ লাখ টন পেঁয়াজ মজুত আছে, যা দিয়ে আগামী আড়াই থেকে তিন মাস চলা যাবে। ভারত ছাড়াও মিয়ানমার থেকে যদি পেঁয়াজ আনা যায় তাহলে কিন্তু এতো প্রেসার পড়ার কথা নয়। তবে বৃষ্টির কারণে কিছুটা দাম বেড়েছে। তারপরও আমরা দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করবো।

সূত্র: জাগোনিউজ২৪.কম

টিসিবিতে ৩০ টাকায় পেঁয়াজ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : খোলা বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৭০ থেকে ৮০ টাকা করে হলেও টিসিবিতে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় এই খাদ্যদ্রব্য। বাজারে পণ্যের ঊর্ধ্বগতির মধ্যে সাশ্রয়ে খাদ্যপণ্য বিক্রি করে আসছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)।

টিসিবির ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে তুরস্ক থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ আজ সোমবার (১১ অক্টোবর) থেকে বিক্রি হচ্ছে বলে জানা গেছে।

গতকার রোববার (১০ অক্টোবর) টিসিবির মুখপাত্র হুমায়ুন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, টিসিবির আমদানি করা তুরস্কের পেঁয়াজের চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে। সোমবার থেকে ট্রাকসেলে পেঁয়াজের বরাদ্দ বাড়ানো হবে। গাড়ি প্রতি ৭০০ কেজি করে পেঁয়াজ বরাদ্দ দেওয়া হবে। তবে চাহিদা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে বরাদ্দ বাড়ানো হবে।

বর্তমানে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। এতে ভোক্তা সাধারণের নাভিশ্বাস। বিশেষ করে পেঁয়াজের দাম কয়েকগুণ বেড়েছে। নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের কথা চিন্তা করে টিসিবিতে ৩০ টাকা দরে পেঁয়াজ বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

জানা গেছে, টিসিবি বর্তমানে প্রতি কেজি চিনি ও মসুর ডাল বিক্রি করছে ৫৫ টাকায়। সয়াবিন তেল ১০০ টাকা লিটার। এ ক্ষেত্রে প্রতি ক্রেতা সর্বোচ্চ দুই কেজি চিনি, মসুর ডাল ও তেল এবং পেঁয়াজ কিনতে পারছেন চার কেজি করে।

টিসিবি জানিয়েছে, তুরস্কের পেঁয়াজের সঙ্গে সয়াবিন তেল, মসুর ডাল ও চিনি বিক্রি চলমান কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। করোনাকাল ও দুর্গাপূজা উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর মূল্য স্থিতিশীল রাখতে সয়াবিন তেল, পেঁয়াজ, মসুর ডাল ও চিনি বিক্রি কার্যক্রম গত বুধবার থেকে চলমান রেখেছে টিসিবি। এ কার্যক্রম আগামী ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। এর মধ্যে শুধু শুক্রবার ট্রাকসেলের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি বন্ধ থাকবে।

বিশ্বব্যাংককে ঢাকা শহরের জন্য ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প গ্রহণের আহ্বান অর্থমন্ত্রীর
                                  

অনলাইন ডেস্ক : অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল রাজধানীর চারপাশের নদী পুনরুজ্জীবিত করার মাধ্যমে ঢাকা শহরকে আরও নান্দনিক শহর ও যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করার লক্ষ্যে বিশ্বব্যাংককে একটি ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

গতকাল বিশ্ব ব্যাংকের দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট হার্টউইগ শেফার ও সংস্থার একটি প্রতিনিধিদলের সাথে অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল সভায় তিনি এই আহ্বান জানান। বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভায় যোগদানের অংশ হিসেবে তিনি এই সভা করেন।
ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প গ্রহণের অনুরোধের প্রেক্ষিতে বিশ্বব্যাংক ভাইস প্রেসিডেন্ট এ বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

বৈঠকে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে অন্যান্যের মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব আব্দুর রউফ তালুকদার ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব ফাতিমা ইয়াসমিনসহ সরকারের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন অংশগ্রহণ করেন।
সভায় অর্থমন্ত্রী তার বক্তব্যে বাংলাদেশের চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে সহায়তা দেওয়ায় বিশ্বব্যাংককে ধন্যবাদ জানান। তিনি বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে সহজশর্তের অর্থায়ন বাড়ানোর পাশাপাশি উন্নত প্রযুক্তি হস্তান্তর ও বেসরকারিখাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রস্তাব করেন।
তিনি প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে সক্ষমতার কথা বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধিদলকে অবহিত করেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, কোভিড অতিমারিতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও জনগণকে বিভিন্ন ধরণের সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্থনীতি সঠিক পথে পরিচালিত হচ্ছে। যার ফলশ্রুতিতে এই ক্রান্তিকালেও বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের জরিপ অনুযায়ী বাংলাদেশ শীর্ষ পাঁচটি সহনশীল অর্থনীতির দেশের মধ্যে রয়েছে।
সভায় হার্টউইগ শেফার ইন্টারন্যাশনাল ডেভলপমেন্ট এসোসিয়েশনের (আইডিএ) সম্পদের সর্ববৃহৎ ব্যবহারকারি দেশ হিসেবে বাংলাদেশের সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি আইডিএ’র অর্থায়নে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে রোল মডেল হিসেবে অভিহিত করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের দক্ষতা ও সাফল্যকে বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বার্ষিক সম্মেলনে যথার্থভাবে তুলে ধরতে হবে। যেন ধনী দেশের অংশগ্রহণ বাড়ানোর ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
হার্টউইগ শেফার বিশ্বব্যাংকের আইডিএ সহায়তা গ্রহণের ৫০ বছর পূর্তি এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের ৫০বছর পূর্তিতে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামালের মাধ্যমে বাংলাদেশের সরকার ও জনগণকে শুভেচ্ছা জানান।

এছাড়া তিনি দারিদ্র বিমোচন, দুর্যোগ ও জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলায় বাংলাদেশের গৃহীত টেকসই পরিকল্পনা ও অর্জিত সাফল্যরও প্রশংসা করেন। এ সকল ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্বে নেতৃত্ব প্রদান করতে পারে বলে মত প্রকাশ করেন। বাসস

কাঁচা মরিচের দাম কমেছে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বেড়েছে ভারত থেকে কাঁচা মরিচের আমদানি। আমদানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কেজি প্রতি কমেছে ৫০ টাকা।

বৃহস্পতিবার (৭ অক্টোবর) সকালে সরেজমিনে গিয়ে এই চিত্র দেখা যায়। এর আগে হিলি স্থলবন্দরের আড়ৎগুলোতে এক সপ্তাহ আগে প্রতি কেজি মরিচ বিক্রি হচ্ছিল ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা।

হিলি কাস্টমসের তথ্য মতে, চলতি বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে এই বন্দর দিয়ে ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু হয়েছে। চলতি মাসের ৮ কর্ম-দিবসে ভারতীয় ৪১ ট্রাকে ২৯১ মে.টন মরিচ আমদানি হলেও বুধবার (৬ অক্টোবর) ৮ ট্রাকে ৭৮ মেট্রি কটন মরিচ আমদানি হয়েছে।

কাঁচা মরিচ কিনতে আসা রাজু আহমেদ জানান, গত সপ্তাহে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের দাম ছিল ১৫০ টাকার ওপরে। আজ বৃহস্পতিবার (৭ অক্টোবর) হিলি বাজারে ৫০ টাকা কমেছে। এখন প্রতি কেজির দাম ১০০ টাকা। দাম কমার কারণে একটু বেশি করেই নিলাম। তবে প্রতি কেজি ৫০ টাকার মধ্যে দাম আসলে আমাদের মতো সাধারণ জনগণের জন্য অনেক সুবিধা হতো।

হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি গ্রুপের সভাপতি হারুন-উর রশিদ জানান, দেশে চলতি মৌসুমে বন্যার কারণে মরিচের উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়াই দেশে উৎপাদিত কাঁচা মরিচের সরবরাহ কমে যায়। একারণে দেশীয় বাজারে কাঁচামরিচের দামও বেড়ে যায়। দেশের বাজারে দাম স্বাভাবিক রাখতে এবং ভারতীয় কাঁচা মরিচের চাহিদা থাকায় ব্যবসায়ীরাও ভারত থেকে আমদানি শুরু করে। অন্যদিকে মরকারকে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ আমদানি করতে ২১ টাকা শুল্ক দিতে হচ্ছে। যার জন্য বেশি বেশি আমদানির জন্য এলসি দেয়া হয়েছে। আমদানি বাড়লে আরও অনেকটাই দাম কমবে।

কাঁচামরিচের ঝাঁজ, সবজির দাম চড়া
                                  

অনলাইন ডেস্ক : দফায় দফায় সবজির দাম বাড়ার পর এবার রাজধানীর বাজারগুলোতে বাড়েছে পেঁয়াজের দাম। এর সঙ্গে বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম। সেই সঙ্গে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ডিম এবং মাছ। বেড়েছেও সবজির দামও।

শুক্রবার (১ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কাঁচা মরিচসহ সবজি, মাছ, মাংস সবই তুলনামূলক বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। বাজার ঘুরে দেখা গেছে ভেন্ডি প্রতি কেজি ৫০ টাকা, করলা ৫০ থেকে ৭০ টাকা, পটল ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পেঁপে ২০ থেকে ৩০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, মূলা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, বাঁধা কপি মাঝারি সাইজের এক পিস ৬০ টাকা, ফুলকপি ছোট ৪০ থেকে ৫০ টাকা, সিম ১২০ টাকা, বেগুন ৭০ টাকা, টমেটো ১২০ টাকা, গাজর (চায়না) ১৬০ টাকা, শসা ৭০ টাকা, আলু ২০ টাকা, পিঁয়াজ ৫০ থেকে ৫৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

রামপুরা বাজারে আদনান নামে এক ক্রেতা আরটিভি নিউজকে জানিয়েছেন, কাঁচামরিচের দাম শুনে অনেকটাই হতাশ আমি। কাঁচামরিচের কেজি চাওয়া হয়েছে মান ভেদে ২০০ থেকে ২২০ টাকা।

কাঁচা মরিচের দাম সম্পর্কে জানতে চাইলে গুলশান সংলগ্ন গুদারাঘাট বাজারের দোকানি রাসেল সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, প্রায় এক সপ্তাহ যাবত কাঁচা মরিচের বেশি দাম যাচ্ছে। আজ বাজারে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকা কেজিতে। আসলে বন্যা-বৃষ্টিসহ নানা কারণে কাঁচা মরিচের আমদানি কম থাকায় বাজারে দামের ওপর প্রভাব পড়েছে।

কাজীপাড়ার বাজারের ব্যবসায়ী গোলাম মোস্তফা বলেন, রুই মাছ ২৮০ থেকে ৩২০ টাকা, কাতল মাছ ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা, কই ২০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা, শিং মাছ ৪৫০ থেকে ৬০০ টাকা, পাঙ্গাস ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা, নদীর চিংড়ি ৬০০ টাকা, পাবদা ৩০০ টাকা, দেড় কেজি ওজনের ইলিশ মাছ ১৭০০ টাকা কেজি, এক কেজি ওজনের ইলিশ ১২০০ টাকা কেজি, ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ১১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

সবজির দামের বিষয়ে কারওয়ানবাজারের ব্যবসায়ী আলী সরদার বলেন, বন্যা ও বৃষ্টির কারণে সবজি খেতের অনেক ক্ষতি হয়েছে। এ কারণে সবজির দাম বাড়তি। তবে আস্তে আস্তে বাজারে শীতের আগাম সবজির সরবরাহ বাড়ছে। তাই আমাদের ধারণা কিছুদিনের মধ্যে সবজির দাম কিছুটা কমে আসবে।

পুঁজিবাজারে ৬টি ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানের লেনদেন শুরু
                                  

অনলাইন ডেস্ক : পুঁজিবাজারে ৬টি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠানের লেনদেন আজ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে।

লেনদেন অনুযায়ি পুঁজিবাজার হতে এসএমই-খাতের উদ্যোক্তারা ৫ কোটি টাকা থেকে ৩০ কোটি টাকা পর্যন্ত মূলধন সংগ্রহ করতে পারবেন।

গত ৬ সেপ্টেম্বর এসএমই ফাউন্ডেশন ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ৩ সপ্তাহের মাথায় পুঁজিবাজারে ৬টি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠানের লেনদেন শুরু করতে পারা দেশের পুঁজিবাজারের জন্যও ঐতিহাসিক একটি ঘটনা।
আজ বৃহস্পতিবার ডিএসই’র চেয়ারম্যান মোঃ ইউনুসুর রহমানের সভাপতিত্বে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশনার ড. মিজানুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন অধ্যাপক ড. মোঃ মাসুদুর রহমান।
ড. মিজানুর রহমান বলেন, দেশের অর্থনীতির আকার গত দশ বছরে ৬৩ শতাংশ বেড়েছে, যাতে সবচেয়ে বেশি অবদান এসএমই খাতের। তিনি এসএমই খাতকে এগিয়ে নিতে এসএমই খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক বিবরণীর স্বচ্ছতা ও সুশাসন নিশ্চিত করার আহবান জানান। কমিশনার ড. মিজানুর একই সাথে যত দ্রুত সম্ভব ডিএসই-এসএমই প্ল্যাটফর্মে লেনদেনের রিয়েলটাইম ড্যাশবোর্ড তৈরিরও পরামর্শ দেন।

এছাড়া ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহে উদ্বুদ্ধ করতে এসএমই ফাউন্ডেশন এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে একসাথে কাজ করারও আহবান জানান তিনি।
উল্লেখ্য, পুঁজিবাজারে যে ৬টি ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানের লেনদেন শুরু হয়েছে, সেগুলো হচ্ছে, ওরাইজা অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ, মাস্টার ফিড অ্যাগ্রো টেক, এপেক্স উইভিং অ্যান্ড ফিনিশিং মিলস লিমিটেড, ওয়ান্ডারল্যান্ড টয়েস লিমিটেড, হিমাদ্রী লিমিটেড ও বেঙ্গল বিস্কুট লিমিটেড। বাসস


   Page 1 of 35
     অর্থ-বাণিজ্য
অনিবন্ধিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান বন্ধ হচ্ছে
.............................................................................................
সমুদ্র অর্থনীতির অমিত সম্ভাবনা, দরকার সঠিক পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন
.............................................................................................
কৃষিপ্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে সারা বছরই আম পাওয়া সম্ভব
.............................................................................................
হঠাৎ বিশ্ববাজারে বাড়লো স্বর্ণের দাম
.............................................................................................
বুধবার ব্যাংক বন্ধ
.............................................................................................
সয়াবিন তেল লিটারে বাড়লো ৭ টাকা
.............................................................................................
আরেক দফা বাড়ছে সয়াবিন তেলের দাম
.............................................................................................
৪ দিন পর বেনাপোলে আমদানি-রপ্তানি শুরু
.............................................................................................
সবজির চড়া দামে হতাশ ক্রেতারা
.............................................................................................
সারা দেশে সব স্বর্ণের দোকান বন্ধ থাকছে বুধবার
.............................................................................................
আগামী এক মাস পেঁয়াজের বাজার নাজুক থাকার শঙ্কা
.............................................................................................
টিসিবিতে ৩০ টাকায় পেঁয়াজ
.............................................................................................
বিশ্বব্যাংককে ঢাকা শহরের জন্য ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প গ্রহণের আহ্বান অর্থমন্ত্রীর
.............................................................................................
কাঁচা মরিচের দাম কমেছে
.............................................................................................
কাঁচামরিচের ঝাঁজ, সবজির দাম চড়া
.............................................................................................
পুঁজিবাজারে ৬টি ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানের লেনদেন শুরু
.............................................................................................
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে পদ্মার একীভূত হওয়ার প্রস্তাব বিবেচনা করা হবে
.............................................................................................
টাকার ওপর লেখা ও স্ট্যাপলিং করা নিষেধ
.............................................................................................
মানুষের হৃদয় ও মন টাকা দিয়ে কেনা যায় না: আইজিপি
.............................................................................................
২৫ কোটি ডলার ঋণের অনুমোদন দিলো এডিবি
.............................................................................................
মিয়ানমারে আন্দোলন দমনে শিশুদেরও তুলে নিয়ে যাচ্ছে সেনারা
.............................................................................................
ই-কমার্সে প্রতারণার প্রাথমিক দায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের
.............................................................................................
অর্থবছর শেষে জিডিপি হবে ৬.৮ শতাংশ: এডিবি
.............................................................................................
তেল ও চিনির দাম বাড়ার কারণ জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
ডিম-মুরগির সঙ্গে বেড়েছে সবজির দাম
.............................................................................................
সামাজিক সুরক্ষা বাস্তবায়নে দারিদ্র্য কমবে ২৪ শতাংশ: বিশ্বব্যাংক
.............................................................................................
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের বড় দরপতন, কমছে না বাংলাদেশে
.............................................................................................
মুরগির সঙ্গে বেড়েছে সবজির দাম
.............................................................................................
প্রতি কেজি খোলা চিনি ৭৪, প্যাকেট ৭৫ টাকা
.............................................................................................
জনতা ব্যাংকের এ্যাসেট লায়াবিলিটি ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
সোমবার বন্ধ থাকবে ব্যাংক-শেয়ারবাজার
.............................................................................................
রিজার্ভ ছাড়াল ৪৮ বিলিয়ন ডলার
.............................................................................................
স্বর্ণের দাম বাড়লো ভরিতে ১৫১৬ টাকা
.............................................................................................
চাল-মাংস-ইলিশের দাম বেড়েছে
.............................................................................................
আরও সময় পেল ইভ্যালি
.............................................................................................
আজ থেকে স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রম
.............................................................................................
বুধবার থেকে স্বাভাবিক ব্যাংক লেনদেন
.............................................................................................
আজ বন্ধ থাকছে ব্যাংক-শেয়ারবাজার
.............................................................................................
অতিরিক্ত টাকা তুলে নিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক
.............................................................................................
কাল থেকে শিল্পকারখানা খোলা, অভ্যন্তরীণ রুটে চলবে বিমান
.............................................................................................
এই মুহূর্তে রেমিট্যান্সে প্রণোদনা বাড়াচ্ছি না : অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
আজ ব্যাংক বন্ধ
.............................................................................................
জুলাইয়ে রেমিট্যান্স এলো ১.৮৭ বিলিয়ন ডলার
.............................................................................................
লকডাউনে আটকেপড়া পোশাক শ্রমিকরা চাকরি হারাবেন না
.............................................................................................
১ আগস্ট থেকে রফতানিমুখী শিল্পকারখানা খোলা
.............................................................................................
সব ধরনের শিল্পপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে ব্যবসায়ীদের অনুরোধ
.............................................................................................
এলপি গ্যাসের দাম বাড়াল বিইআরসি
.............................................................................................
খুলছে ব্যাংক, লেনদেন দুপুর দেড়টা পর্যন্ত
.............................................................................................
পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু রোববার
.............................................................................................
ঈদের আগে রেমিট্যান্স এল ১০ হাজার ৭০০ কোটি টাকা
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop