বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * পদত্যাগ করছেন পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী   * করোনায় আরও ৪৫৪ মৃত্যু, শনাক্ত আড়াই লাখের নিচে   * পঞ্চগড়ে নৌকাডুবি : মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৮, এখনো নিখোঁজ ৬৫   * সেনাবাহিনীতে যুক্ত হলো নতুন সামরিক বিমান   * ইডেন ছাত্রলীগ সভাপতি রিভা আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেলে   * শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘চোখ ওঠা’ ছড়াচ্ছে দ্রুত   * পঞ্চগড়ে নৌকাডুবি : করতোয়ার তীরে শোকের মাতম, নিহত বেড়ে ২৪   * দেশীয় মাছ ও শামুক সংরক্ষণে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান   * জাপানে শক্তিশালী টাইফুনের আঘাত, ২ জনের মৃত্যু   * একদিনে আরও ৪৪০ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে  

   অর্থ-বাণিজ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
বিশ্ববাজারে দুই বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন দামে স্বর্ণ

অনলাইন ডেস্ক : বিশ্ববাজারে টানা দরপতনের মধ্যে পড়েছে স্বর্ণ। একমাসের বেশি সময় ধরে এই ধাতুটির দাম কমছে। এতে বিশ্ববাজারে দুই বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন দামে চলে এসেছে স্বর্ণ। দফায় দফায় দাম কমে ২০২০ সালের এপ্রিলের পর এখন আবার প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম সাড়ে ১৬০০ ডলারের নিচে নেমে গেছে।

তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, আগস্টের মাঝামাঝি থেকে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমছে। গত ১২ আগস্ট প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল ১ হাজার ৮০১ দশমিক ৮২ ডলার। সেখান থেকে কমতে কমতে এখন প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৬৪৩ দশমিক ২৬ ডলারে নেমেছে। অর্থাৎ দেড় মাসের কম সময়ের মধ্যে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম কমেছে ১৫৮ ডলার।

এর মধ্যে গত এক সপ্তাহে বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম কমেছে ৩১ দশমিক ৬৬ ডলার বা ১ দশমিক ৮৯ শতাংশ। মাসের ব্যবধানে কমেছে ১০৮ ডলার বা ৬ দশমিক ১৫ শতাংশ।

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমার মধ্যেই দেশের বাজারেও স্বর্ণের দাম কিছুটা কমেছে। তবে বিশ্ববাজারে যে হারে স্বর্ণের দাম কমেছে, দেশের বাজারে সেই হারে কমেনি। বরং চলতি মাসে বিশ্ববাজারে যখন স্বর্ণের দাম কমের দিকে ছিল, সে সময় দেশের বাজারে উল্টো স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়।

এতে ১১ সেপ্টেম্বর সব রেকর্ড ভেঙে দেশের বাজারে নতুন উচ্চতায় ওঠে স্বর্ণের দাম। সে সময় সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ১ হাজার ২৮৩ টাকা বাড়িয়ে ৮৪ হাজার ৫৬৪ টাকা করা হয়। এর আগে দেশের বাজারে স্বর্ণের এত দাম আর দেখা যায়নি।

অবশ্য এই রেকর্ড দাম স্পর্শ করার পর সম্প্রতি দুই দফা দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। এর মধ্যে সর্বশেষ ১৯ সেপ্টেম্বর সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯৩৩ টাকা কমিয়ে ৮২ হাজার ৩৪৮ টাকা করা হয়েছে।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৮৭৫ টাকা কমিয়ে ৭৮ হাজার ৬১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৭০০ টাকা কমিয়ে ৬৭ হাজার ৪১৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৫৮৩ টাকা কমিয়ে ৫৫ হাজার ৮৭১ টাকা করা হয়েছে। বর্তমানে দেশের বাজারে এ দামেই স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।

তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বাধলে বিশ্ববাজারে হু হু করে বাড়ে স্বর্ণের দাম। মার্চের প্রথমার্ধেই প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম দুই হাজার ডলার ছাড়িয়ে যায়। এরপর গত কয়েক মাসে কয়েক দফা স্বর্ণের দাম ওঠা-নামা করে। তবে আগস্টের মাঝামাঝি থেকে পতনের মধ্যে পড়ে স্বর্ণ।

এদিকে স্বর্ণের পাশাপাশি রুপা এবং প্লাটিনামও দরপতনের মধ্যে পড়েছে। গত এক সপ্তাহে রুপার দাম ৩ দশমিক ৬০ শতাংশ কমে প্রতি আউন্সের দাম ১৮ দশমিক ৮৫ ডলারে নেমেছে। প্লাটিনামের দাম সপ্তাহের ব্যবধানে কমেছে ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ। এতে প্রতি আউন্স প্লাটিনামের দাম দাঁড়িয়েছে ৮৫৪ ডলার।

বিশ্ববাজারে দুই বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন দামে স্বর্ণ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বিশ্ববাজারে টানা দরপতনের মধ্যে পড়েছে স্বর্ণ। একমাসের বেশি সময় ধরে এই ধাতুটির দাম কমছে। এতে বিশ্ববাজারে দুই বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন দামে চলে এসেছে স্বর্ণ। দফায় দফায় দাম কমে ২০২০ সালের এপ্রিলের পর এখন আবার প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম সাড়ে ১৬০০ ডলারের নিচে নেমে গেছে।

তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, আগস্টের মাঝামাঝি থেকে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমছে। গত ১২ আগস্ট প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল ১ হাজার ৮০১ দশমিক ৮২ ডলার। সেখান থেকে কমতে কমতে এখন প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৬৪৩ দশমিক ২৬ ডলারে নেমেছে। অর্থাৎ দেড় মাসের কম সময়ের মধ্যে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম কমেছে ১৫৮ ডলার।

এর মধ্যে গত এক সপ্তাহে বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম কমেছে ৩১ দশমিক ৬৬ ডলার বা ১ দশমিক ৮৯ শতাংশ। মাসের ব্যবধানে কমেছে ১০৮ ডলার বা ৬ দশমিক ১৫ শতাংশ।

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমার মধ্যেই দেশের বাজারেও স্বর্ণের দাম কিছুটা কমেছে। তবে বিশ্ববাজারে যে হারে স্বর্ণের দাম কমেছে, দেশের বাজারে সেই হারে কমেনি। বরং চলতি মাসে বিশ্ববাজারে যখন স্বর্ণের দাম কমের দিকে ছিল, সে সময় দেশের বাজারে উল্টো স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়।

এতে ১১ সেপ্টেম্বর সব রেকর্ড ভেঙে দেশের বাজারে নতুন উচ্চতায় ওঠে স্বর্ণের দাম। সে সময় সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ১ হাজার ২৮৩ টাকা বাড়িয়ে ৮৪ হাজার ৫৬৪ টাকা করা হয়। এর আগে দেশের বাজারে স্বর্ণের এত দাম আর দেখা যায়নি।

অবশ্য এই রেকর্ড দাম স্পর্শ করার পর সম্প্রতি দুই দফা দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। এর মধ্যে সর্বশেষ ১৯ সেপ্টেম্বর সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯৩৩ টাকা কমিয়ে ৮২ হাজার ৩৪৮ টাকা করা হয়েছে।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৮৭৫ টাকা কমিয়ে ৭৮ হাজার ৬১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৭০০ টাকা কমিয়ে ৬৭ হাজার ৪১৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৫৮৩ টাকা কমিয়ে ৫৫ হাজার ৮৭১ টাকা করা হয়েছে। বর্তমানে দেশের বাজারে এ দামেই স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।

তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বাধলে বিশ্ববাজারে হু হু করে বাড়ে স্বর্ণের দাম। মার্চের প্রথমার্ধেই প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম দুই হাজার ডলার ছাড়িয়ে যায়। এরপর গত কয়েক মাসে কয়েক দফা স্বর্ণের দাম ওঠা-নামা করে। তবে আগস্টের মাঝামাঝি থেকে পতনের মধ্যে পড়ে স্বর্ণ।

এদিকে স্বর্ণের পাশাপাশি রুপা এবং প্লাটিনামও দরপতনের মধ্যে পড়েছে। গত এক সপ্তাহে রুপার দাম ৩ দশমিক ৬০ শতাংশ কমে প্রতি আউন্সের দাম ১৮ দশমিক ৮৫ ডলারে নেমেছে। প্লাটিনামের দাম সপ্তাহের ব্যবধানে কমেছে ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ। এতে প্রতি আউন্স প্লাটিনামের দাম দাঁড়িয়েছে ৮৫৪ ডলার।

পাহাড়ে চাষ শিখতে বিদেশে প্রশিক্ষণ, খরচ ৬০ লাখ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলের মৃত্তিকার বৈশিষ্ট্য অন্য অঞ্চল থেকে আলাদা। পাহাড়ি মৃত্তিকার উপরিস্তরে কর্দম কণার পরিমাণ তুলনামূলক কম। পানি ধারণক্ষমতাও অনেক কম। বর্ষাকালে অতিবৃষ্টির সময় ব্যাপক মাত্রায় ভূমিক্ষয় ও ভূমিধস হয়। ফলে কমে যায় মৃত্তিকার জৈব পদার্থ ও পুষ্টি উপাদান। পাশাপাশি বেড়ে যায় পাহাড়ের ঢালুর মাত্রা। অর্থাৎ, সামান্য ঢালু পাহাড় মাঝারি ঢালু পাহাড়ে, মাঝারি ঢালু পাহাড় অধিক ঢালু পাহাড়ে পরিণত হয়। তাই গবেষণার মাধ্যমে পাহাড়ি মৃত্তিকা ব্যবস্থাপনার আধুনিক প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা প্রয়োজন বলে মনে করে মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট। পাহাড়ি এলাকা চাষের উপযোগী করা এবং আধুনিক মৃত্তিকা ও ভূমি ব্যবস্থাপনা শিখতে আবদার করা হয়েছে ৬০ লাখ টাকার বৈদেশিক প্রশিক্ষণের।

‘পাহাড়ি এলাকায় টেকসই মৃত্তিকা ও ভূমি ব্যবস্থাপনা প্রযুক্তি প্রয়োগ এবং মৃত্তিকা গুণাগুণের ভিত্তিতে শস্য উপযোগিতা নিরূপণ’ প্রকল্পের আওতায় করা হয়েছে এমন প্রস্তাব।

প্রকল্পটি জুলাই ২০২২ থেকে জুন ২০২৫ মেয়াদে বাস্তবায়ন করবে মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট। কৃষি সচিব মো. সায়েদুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রকল্পের যাচাই কমিটির সভা হয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়ে। সভায় প্রকল্পের বৈদেশিক প্রশিক্ষণসহ নানা খাতের ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

এরই মধ্যে প্রকল্পের প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে পরিকল্পনা কমিশনে। প্রকল্পের আওতায় একটি জিপ গাড়ি কেনা বাবদ ৯০ লাখ টাকা চাওয়া হয়েছে। অথচ পরিপত্র অনুযায়ী পরিচালকের (গ্রেড-৪ এর কর্মকর্তা) জন্য সর্বোচ্চ ৫৭ লাখ টাকা ব্যয়ে গাড়ি কেনার বিধান রয়েছে।

তবে মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট বলছে, পরিকল্পনা কমিশন যেভাবে বলবে সেভাবে প্রকল্পের ডিডিপি পুনর্গঠন করা হবে।

বৈদেশিক প্রশিক্ষণে ব্যয় ও ৯০ লাখ টাকার জিপ কেনা প্রসঙ্গে মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মো. কামারুজ্জামান বলেন, প্রকল্পের কাজ প্রাথমিক পর্যায়ে। পরিকল্পনা কমিশন কারেকশন দিয়েছে, সেগুলো কারেকশন করবো। প্রকল্পের অনেক ব্যয় যাচাই-বাছাই করা হবে।

বৈদেশিক প্রশিক্ষণ খাতে ৬০ লাখ টাকা ব্যয় প্রসঙ্গে মহাপরিচালক বলেন, এখন ডলারের সংকট। তাই এ খাত নাও থাকতে পারে। কারেকশন হবে।

৯০ লাখ টাকা ব্যয়ে জিপ কেনা প্রসঙ্গে মো. কামারুজ্জামান বলেন, নিয়ম অনুযায়ী এটা হওয়ার সুযোগ নেই। এই ব্যয় কমানো হবে। ৫০ থেকে ৫৫ লাখ টাকার জিপ কেনা হবে। প্রকল্পের পেপার খসড়া আকারে আছে এখনো, চূড়ান্ত হয়নি।

পরিকল্পনা কমিশন জানায়, ওই প্রকল্পে মুদ্রণ ও প্রকাশনা এবং প্রচার ও বিজ্ঞাপনের বিস্তারিত বাজেট বিভাজনে বছরভিত্তিক ব্যয় দেখানো হয়েছে। কিন্তু এক্ষেত্রে আইটেমভিত্তিক বিস্তারিত ব্যয় বিভাজন দেখাতে হবে।

শস্য উপযোগিতা নিরূপণ সংক্রান্ত জরিপ কার্যক্রমের আওতায় মানচিত্র ও প্রতিবেদন প্রস্তুত করতে লেখক, সহকারী ও সম্পাদকের সম্মানী, প্রধান কার্যালয়ে সম্পাদনার জন্য প্রতি উপজেলায় ৪০ হাজার টাকা করে সম্মানী ধার্য করা হয়েছে। ৫০টি উপজেলায় মোট ২০ লাখ টাকা চূড়ান্ত শস্য উপযোগিতা মানচিত্র ও প্রতিবেদন প্রস্তুত করার জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে। কিন্তু এ কার্যক্রমের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী সুনির্দিষ্ট করা হয়নি।

প্রকল্পের মোট প্রস্তাবিত ব্যয় ৪৭ কোটি ৩৮ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।

প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য
পাহাড়ি এলাকায় টেকসই মৃত্তিকা ও ভূমি ব্যবস্থাপনা প্রযুক্তি প্রয়োগ, মৃত্তিকা গুণাগুণের ভিত্তিতে শস্য উপযোগিতা নিরূপণ, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় ১১টি জেলার ৫০টি উপজেলায় আধুনিক মৃত্তিকা ও ভূমি ব্যবস্থাপনা প্রযুক্তি প্রয়োগ।

আধুনিক মৃত্তিকা ও ভূমি ব্যবস্থাপনা প্রযুক্তির মাধ্যমে পাহাড়ি এলাকায় মৃত্তিকা অবক্ষয় কমানো যাবে ২ থেকে ৩ শতাংশ। চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় কমপক্ষে ৫ শতাংশ ভূমি ব্যবহার বাড়বে। প্রকল্প এলাকায় অবস্থিত গবেষণাগার আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা, কৃষান-কৃষানিসহ মোট ৯৭২ ব্যাচ প্রশিক্ষিত জনবল তৈরি করা হবে।

প্রকল্পের আওতায় ২২ জন জনবল ও ভাতা খাতে ২ কোটি ৯৩ লাখ, দেশীয় প্রশিক্ষণে ৭ কোটি ৪৬ লাখ ৫৪ হাজার, সম্মানী ভাতা বাবদ ২৫ লাখ, পাহাড়ি মৃত্তিকা ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত প্রযুক্তি প্রদর্শনী খাতে ৬ কোটি ৭৩ লাখ, মাঠ দিবস খাতে ২৭ লাখ টাকার প্রস্তাব করা হয়েছে। সেমিনার বাবদ ১৩ লাখ, জরিপ খাতে ৩২ লাখ, সেচের জন্য ২০০টি পানি সংরক্ষণাগার নির্মাণে ৩ কোটি ২০ লাখ, মেরামত ও সংরক্ষণ খাতে প্রস্তাব করা হয়েছে ৯০ লাখ টাকা। এছাড়া গবেষণাগার সরঞ্জামাদি কেনাকাটায় ১৬ কোটি ৮০ লাখ টাকার প্রস্তাব করা হয়।

মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট জানায়, ৫০টি উপজেলার জনগোষ্ঠী, বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলের মৃত্তিকার বৈশিষ্ট্যের কারণে অন্যান্য অঞ্চল থেকে আলাদা। বর্ষাকালে অতিবৃষ্টির সময় ব্যাপক মাত্রায় ভূমিক্ষয় ও ভূমিধস হয়। ফলে মৃত্তিকার জৈব পদার্থ ও পুষ্টি উপাদান কমে যায়। পাশাপাশি বেড়ে যায় পাহাড়ে ঢালুর মাত্রা।

গবেষণায় দেখা গেছে, প্রচলিত পদ্ধতিতে চাষাবাদে ফসলভেদে পাহাড়ি এলাকায় বছরে প্রতি হেক্টরে ৪০ থেকে ৮০ টন মাটি অবক্ষয় হয়। উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ব্যবহার করে চাষ করলে বছরে প্রতি হেক্টরে অবক্ষয় হয় মাত্র ৮ থেকে ১০ টন মাটি। তাই মৃত্তিকা অবক্ষয় কমানোর জন্য আধুনিক ভূমি ও মৃত্তিকা ব্যবস্থাপনা প্রযুক্তি ট্রায়াল প্রদর্শনী স্থাপনে প্রকল্পটি প্রস্তাব করা হয়েছে।

সূত্র: জাগো নিউজ

সবজির দাম চড়া, ডিমেও অস্বস্তি
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : সপ্তাহের ব্যবধানে মুরগির ডিমের দাম ডজনে ১০ টাকা বেড়েছে। একই বৃত্তে ঘুরপাক খাচ্ছে সবজির দাম। বাজারে ৬০ টাকা কেজির নিচে পেঁপে আর কাচকলা ছাড়া কোনো সবজিই মিলছে না। তবে সবজির সরবরাহ রয়েছে পর্যাপ্ত। বাড়তি দামে সবজি কিনতে হিমশিম খাচ্ছে নিম্নআয়ের মানুষ। বাজারে এসে অল্প পরিমাণে সবজি কিনে বাসায় ফিরছেন অনেকে।

শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর মিরপুর মুসলিম বাজার, ১১ নম্বর কাঁচাবাজার ও ৬ নম্বর কাঁচাবাজার ঘুরে এ দৃশ্য দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, মুরগির ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ টাকায়। যা গত সপ্তাহে ছিল ১৩৫ টাকা। আর হাঁসের ডিমের দাম ১৬৫ টাকায় অপরিবর্তিত রয়েছে।

সবজির বাজারে বরবটি প্রতি কেজি ৮০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, কাকরোল ৭০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, গোল বেগুন ৮০ টাকা আর চিকন বেগুন ৭০ টাকায় বিক্রি করছেন দোকানিরা।

সবজির এই উত্তাপ লেগেছে শাকেও। প্রতি আঁটি লাল শাক ২৫ টাকা, ডাটা শাক ২৫ টাকা আর পুই শাক বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকায়। এছাড়াও প্রতি পিস লাউ ৬০-৭০ টাকা আর জালি কুমড়া ৪০-৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে আসা এক ব্যাংক কর্মকর্তা শামসুল আমিন বলেন, যুদ্ধের অজুহাতে সবকিছুর দাম বাড়ানো হলেও এখন সব কিছুর দাম কমছে। কিন্তু ব্যতিক্রম শুধু বাংলাদেশে। সবজির দাম এতো বেড়েছে, এখন সবজি খাওয়ার অভ্যাস ছাড়ার উপক্রম হচ্ছে।

গৃহিণী শামসুন নাহার বলেন, বাজারে শাকেরও বাড়তি দাম। আবার আঁটিতে পরিমাণেও কম। আঁটিগুলো এমন যে এক আঁটিতে চারজনের পরিবারে একবেলাও হয় না। দুই আঁটি নেওয়া লাগে। শাক কিনতেই ১০০ টাকার মতো খরচ হয়ে যায়।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭০০ টাকা আর খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৯০০ টাকা দরে। ব্রয়লার মুরগির কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে হয়েছে ১৮০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৭০ টাকা। এছাড়া লেয়ার মুরগি ৩০০ টাকা কেজি এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

ডিমের বাড়তি দাম সম্পর্কে জানতে চাইলে আব্দুল আলেম নামের এক দোকানি জানান, ডিমের দাম আবার বাড়তে শুরু করেছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ১০ টাকা বেড়েছে। দাম বাড়ায় বিক্রিও কিছুটা কমেছে।

শাক-সবজির মতো মাছের দামও বাড়তি বলে বিক্রেতারা জানিয়েছেন। প্রতি কেজি তেলাপিয়া ২০০ টাকা, রুই ২৫০ টাকা, পাঙাশ ১৬০ টাকা, সিলভার কার্প ১৪০ টাকা, শিং মাছ আকার ভেদে ৫০০-৭৫০ টাকা এবং চিংড়ি মাছ ৬০০-১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

চালের খুচরা বাজারে আটাশ চালের কেজি ৬০ টাকা, মিনিকেট ৭০-৭৫ টাকা, গুটি স্বর্ণা ৫৫ টাকা, স্বর্ণ ৫০ টাকা, নাজিরশাইল ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি মোটা ডালের কেজি ১১০ টাকা, চিকন ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকা। এছাড়া পেঁয়াজের কেজি ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, রসুন ৮০ থেকে ১২০ টাকা আর আদা ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পাম অয়েল লিটারে ১২, চিনি কেজিতে ৬ টাকা কমলো
                                  

অনলাইন ডেস্ক : পাম অয়েল ও চিনির দাম কমিয়ে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। পাম অয়েল লিটারে ১২ ও চিনি কেজিতে ৬ টাকা কমানো হয়েছে। ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হবে নতুন এই দাম।

বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব খন্দকার নূরুল হক সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে পাম অয়েলের দাম ১৪৫ টাকা লিটার ছিল। বর্তমানে ১২ টাকা কমিয়ে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য করা হয়েছে ১৩৩ টাকা। এই তেলের মিলগেটের দাম ১২৮ টাকা ও পরিবেশক মূল্য ১৩০ টাকা করা হয়েছে।

অন্যদিকে চিনির দাম সবশেষ গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করে দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। বর্তমানে খোলা বাজারে প্রতিকেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৯০-৯৫ টাকায়। নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী খোলা চিনির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৮৪ টাকা ও প্যাকেটজাত চিনির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৮৯ টাকা হবে।

ডিম আমদানি হবে না: কৃষিমন্ত্রী
                                  

অনলাইন ডেস্ক : ডিম আমদানি করা হবে না বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেছেন, আমরা একটু কষ্ট করি তারপরও ডিম আমদানি করবো না।

বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে কৃষিমন্ত্রী তার দপ্তরে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

নতুন করে ডিমের দাম বাড়ার বিষয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে কৃষিমন্ত্রী বলেন, দাম চাহিদার ওপর নির্ভর করে। তবে একজন কৃষিবিদ হিসেবে বলতে পারি যাই দাম বাড়ুক দুই-তিন মাস পর আমি লিখে দিতে পারি ডিম তারা বেচতেই পারবে না। এটা নিয়ে আমাদের কোনো সমস্যা নেই।

এর আগে ডিমের দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেছিলেন প্রয়োজনে ডিম আমদানি করা হবে। এরপরই ডিমের দাম কমে যায়। এতে বিষয়টি স্পষ্ট ডিমের দাম বাড়ার পেছনে কিছু একটা আছে।

সাংবাদিকদের এমন আরেক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, কোনোক্রমেই যেন ডিম আমদানি করা না হয়। আমরা একটু কষ্ট করি তারপরও ডিম আমদানি করবো না।

কীসের ভিত্তিতে বলছেন দুই-তিন মাস পর ডিম বিক্রি করতে পারবে না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে কৃষিমন্ত্রী বলেন, যখন দাম বাড়ছে সবাই বাচ্চা তুলছে। কয়েকদিন আগেই ডিম বিক্রি করতে পারছিল না, আবার ব্রয়লার মুরগি ৯০-১০০ টাকা। গত তিন বছর ধরে এটা চলছে। পোল্ট্রি ফার্মের মালিকরা লস দিতে দিতে আর লস করতে রাজি না।

এর আগে বাণিজ্যমন্ত্রী কয়েকটি নিত্যপণ্যের দাম বেঁধে দেওয়ার কথা বলেছিলেন। পরবর্তীসময়ে তিনি বলেছেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অসযোগিতার কারণে এটা সম্ভব হচ্ছে না। এ বিষয়ে সাংবাদিকরা কৃষিমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

এর পরিপেক্ষিতে ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, এ বিষয়ে আমাদের সঙ্গে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কোনো আলোচনা হয়নি। অসহযোগিতার কিছু নেই। তবে আমি আবারও বলছি নিত্যপণ্যের দাম বেঁধে দিয়ে বাস্তবায়ন করা কঠিন। এটা বড় চ্যালেঞ্জ, মুক্তবাজার অর্থনীতিতে। বিশেষ করে কাঁচাপণ্য চাহিদা ও সরবরাহের ওপর নির্ভর করে।

পাম অয়েলে ১২ ও চিনিতে ৬ টাকা কমানোর সুপারিশ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : পাম অয়েলের দাম লিটারে ১২ টাকা ও চিনির দাম কেজিতে ছয় টাকা কমানোর সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম পর্যালোচনার দায়িত্বে থাকা সংস্থাটি সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে এক প্রতিবেদনে এ সুপারিশ করে।

তবে সয়াবিন তেলের বর্তমান দাম বহাল রাখার সুপারিশ করেছে কমিশন।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে প্রতি কেজি চিনি ৯০-৯৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর সর্বশেষ চিনির দাম নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু ছয়মাসের বেশি সময় ধরে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশিতে বেচাকেনা হচ্ছে। কমিশন প্রতি কেজি খোলা চিনি সর্বোচ্চ ৮৪ টাকা ও প্যাকেটজাত চিনি সর্বোচ্চ ৮৮ টাকা নির্ধারণের সুপারিশ করেছে।

ট্যারিফ কমিশনের এক কর্মকর্তা বলেন, কয়েকটি পণ্যের যৌক্তিক বাজারদর কী হওয়া উচিত, সেই বিষয়ে প্রতিবেদন তৈরির জন্য নির্দেশনা দিয়েছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। তারা পর্যালোচনা করে দেখেছেন, কৃষি বিপণন আইনে কৃষি মন্ত্রণালয়কে চাল, আটা, ময়দা, ডাল, ডিম ও পেঁয়াজের মতো পণ্যের দাম বেঁধে দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, একই সঙ্গে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর এসব পণ্যসহ আরও বেশ কিছু পণ্যের যৌক্তিক বাজারদর নিয়মিত প্রকাশ করে আসছে। এ কারণে চাল, আটা, ময়দা, ডাল, ডিমের দাম পর্যালোচনা না করে ভোজ্যতেল ও চিনির দাম পর্যালোচনা করা হয়েছে।

কমিশনের ওই কর্মকর্তা জানান, রড ও সিমেন্টে অনেক ধরনের কাঁচামাল ব্যবহার হয়। সেগুলোর তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এজন্য পর্যালোচনায় কিছুটা সময় লাগছে। সামগ্রিকভাবে একটি প্রতিবেদন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সেখানে পাম অয়েল ও চিনির দামের বিষয়ে সুপারিশ করা হয়েছে।

চাল, ডাল, আটা, ময়দা, ডিমের যৌক্তিক দর কী হওয়া উচিত, তা কৃষি বিপণন অধিদপ্তর নিয়মিত করে থাকে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আর রড ও সিমেন্টের দর পর্যালোচনার জন্য সময় চাওয়া হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, আগামী সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে পর্যালোচনা প্রতিবেদন তৈরি সম্ভব হবে বলেও জানান তিনি।

টিসিবির জন্য কেনা হবে ১৬৫ লাখ লিটার সয়াবিন তেল
                                  

 

অনলাইন ডেস্ক : ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর মাধ্যমে দেশীয় তিন কোম্পানি থেকে ১৬৫ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনা হবে। এ তেল কিনতে খরচ হবে ৩০৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা। সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি এ বিষয়ে অনুমোদন দিয়েছে।

বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। সভাটি ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত হয়।

সভা শেষে সভার সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুল বারিক।

তিনি জানান, সভায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন টিসিবির মাধ্যমে সুপার অয়েল রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে ৫৫ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। এই তেল কিনতে খরচ ধরা হয়েছে ১০১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।

এছাড়া সিটি এডিবল অয়েল লিমিটেডের কাছ থেকে ১০১ কোটি ৭৫ লাখ টাকায় ৫৫ লাখ লিটার সয়াবিন তেল এবং মেঘনা এডিবল অয়ের রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে ১০১ কোটি ৭৫ লাখ টাকায় ৫৫ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনোর প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

আব্দুল বারিক বলেন, তিন কোম্পানির কাছ থেকেই সয়াবিন তেল কেনা হবে ১৮৫ টাকা লিটার দরে। দুই লিটারের বোতলে এই তেল নেওয়া হবে।

এদিকে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকের পাশাপাশি অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার কমিটির বৈঠকে দুটি এবং সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে ১১টি প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়।

এর মধ্যে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার কমিটিতে দুটি এবং সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার কমিটিতে ১০টি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুমোদন দেওয়া প্রস্তাবগুলোর মোট অর্থের পরিমাণ ১ হাজার ৯০৩ কোটি ৮৭ লাখ ১ হাজার ৯২৩ টাকা।

চলতি অর্থবছরে ৬ দশমিক ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হতে পারে: এডিবি
                                  

অনলাইন ডেস্ক : চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৬ দশমিক ৬ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)।

সংস্থাটির মতে, অভ্যন্তরীণ ভোগ ব্যয় কমে যাওয়া এবং রপ্তানি ও রেমিট্যান্স প্রবাহের দুর্বলতায় কমবে প্রবৃদ্ধি। একই সময় মূল্যস্ফীতির হার থাকবে ৬ দশমিক ৭ শতাংশ।।

বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এডিবির ঢাকা কার্যালয়ে প্রকাশিত এশীয়ান ডেভলপমেন্ট আউটলুকে এসব তথ্য জানানো হয়।

এসময় সংস্থাটির কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমন গিন্টিং জানান, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তায় এবং জ্বালানি সংকটের কারণে এ বছর কাঙ্ক্ষিত হারে বিনিয়োগ হবে না। ধীরগতি দেখা দেবে সরকারি বিনিয়োগেও।

এ অবস্থায় রাজস্ব আদায় বাড়াতে সরকারকে তাগিদ দিয়েছে এডিবি।

পদ্মা ব্যাংকের ট্রাস্ট ফান্ড ম্যানেজমেন্ট এন্ড সেটেলমেন্ট বিষয়ক কর্মশালা
                                  

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : ট্রাস্ট ফান্ড ম্যানেজমেন্ট এন্ড সেটেলমেন্ট বিষয়ে সম্প্রতি পদ্মা ব্যাংক লিমিটেড এক কর্মশালার আয়োজন করে। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন ইভিপি ও হেড অব অপারেশন সৈয়দ তৌহিদ হোসেন। এছাড়া প্রধান অতিথি হিসেবে কর্মশালা পরিচালনা করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম।

পদ্মা ব্যাংকের মিরপুর ট্রেনিং ইনিস্টিটিউটের উদ্যোগে শনিবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ অর্ধ- দিনব্যাপী এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ব্যাংকের ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন শাখার ও প্রধান কার্যালয়ের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৫ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১০০ কোটি ডলার
                                  

অনলাইন ডেস্ক : চলতি মাস সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৫ দিনে ১০০ কোটি ৮৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে দেশে। অর্থাৎ প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা এসেছে।

খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রেমিট্যান্সের এ ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি মাসের পুরো সময়ে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ দাঁড়াবে ২২ হাজার কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বিভাগের তথ্যমতে, সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৫ দিনে মোট ১০০ কোটি ৮৬ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে দেশে।

প্রতি ডলার ১০৮ টাকা হিসাবে বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১০ হাজার ৮৯৩ কোটি টাকা।

এরমধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পাঁচ বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১৪ কোটি ৫ লাখ মার্কিন ডলার এবং বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ৮৪ কোটি ৮৩ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।

অন্যদিকে বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৪ লাখ মার্কিন ডলার। এছাড়া একটি বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে এক কোটি ৬৪ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স।

একক ব্যাংক হিসাবে এসময়ে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে। বেসরকারি খাতের এ ব্যাংকটির মাধ্যমে ২২ কোটি ডলার, সিটি ব্যাংকে ৯ কোটি ৯৭ লাখ ডলার, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকে ৭ কোটি ৩০ লাখ, অগ্রণী ব্যাংকে ৬ কোটি ২৩ লাখ, ডাচ্–বাংলা ব্যাংক ৫ কোটি ২১ লাখ এবং পূবালী ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৫ কোটি ৫৮ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

তবে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি বিডিবিএল, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বিদেশি ব্যাংক আল-ফালাহ, হাবিব ব্যাংক ও ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া এবং ওরি ব্যাংকের মাধ্যমে।

এর আগে জুলাই-আগস্টে চার বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছিল দেশে। আগস্ট মাসে ২০৩ কোটি ৭৮ লাখ বা ২ দশমিক ০৩ বিলিয়ন ডলার এবং জুলাই মাসে ২০৯ কোটি ৬৩ লাখ বা ২ দশমিক ০৯ বিলিয়ন ডলার এসেছিল।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, ২০২১-২২ অর্থবছরে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে ২ হাজার ১০৩ কোটি ১৭ লাখ (২১ দশমিক ৩ বিলিয়ন) মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছিল দেশে। এটি তার আগের অর্থবছরের চেয়ে ১৫ দশমিক ১১ শতাংশ কম। আগের ২০২০-২১ অর্থবছরে ২ হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ (২৪ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন) ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন বিভিন্ন দেশে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীরা।

এদিকে বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ অথরাইজড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশন বা বাফেদার দাম অনুযায়ী, ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানো রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে প্রতি ডলার সর্বোচ্চ ১০৮ টাকায় কিনছে ব্যাংকগুলো। আর রপ্তানি বিল পরিশোধ হচ্ছে প্রতি ডলার ৯৯ টাকায়। এছাড়া রেমিট্যান্স আহরণ ও রপ্তানি বিল নগদায়নে ব্যাংকগুলোর গড় মূল্যের সঙ্গে সর্বোচ্চ এক টাকা যোগ করে আমদানিকারকের কাছে ডলার বিক্রি করছে ব্যাংকগুলো।

বাফেদার নির্ধারিত দর প্রতিনিয়ত ওয়েবসাইটে প্রকাশ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ওয়েবসাইটে সবশেষ ১৮ সেপ্টেম্বরের দর দেওয়া আছে। যেখানে ডলারের বিপরীতে টাকার মূল্য সর্বোচ্চ ১০৫ টাকা ৫০ পয়সা এবং সর্বনিম্নও ১০৫ টাকা ৫০ পয়সা দেওয়া আছে।

কমলো স্বর্ণের দাম
                                  

অনলাইন ডেস্ক : রেকর্ড দাম ওঠার পর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কিছুটা কমানো হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম কমানো হয়েছে। সব থেকে ভালো মানের স্বর্ণের দাম ভরিতে ৯৩৩ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে ভালো মানের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৮২ হাজার ৩৪৮ টাকা হয়েছে।

আগামীকাল সোমবার থেকে স্বর্ণের এই নতুন দাম কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

দাম বেড়েছে চাল-ডিম-সবজির
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : দাম কোনটা কত? ক্রেতার এ প্রশ্নের জবাবে রামপুরা বাজারের সবজি বিক্রেতা আজিজ মিয়া এক নিশ্বাসে বলে দিলেন- পেঁপে শুধু ৩০, ঢ্যাঁড়শ-পটল ৫০, চিচিঙ্গা-কাঁকরোল-উস্তা-ঝিঙা ৬০, আর বরবটি-বেগুন ৮০ টাকা।

এসব সবজির দাম একশো পেরোয়নি। ক্রেতা আবার জানতে চাইলে আজিজ মিয়া মুখ উঁচিয়ে বলে দিলেন, টমেটো-গাজর ১২০ টাকা। নিলে নেন।

দাম শুনে কোনো উত্তর না দিয়ে চলে গেলেন ওই ক্রেতা। এরপর এ প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা হলো আজিজ মিয়ার।

তিনি জানান, কয়েকদিন সবজির দাম কিছুটা কম ছিল। হঠাৎ করে বৃহস্পতিবার থেকে বেড়েছে দাম। বৃষ্টির কারণে সরবরাহ কম। এজন্য না কি পাইকারি বাজার থেকে মোটামুটি সব সবজি ৫-১০ টাকা বেশি দামে কিনতে হয়েছে। আর তাই শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে বেশি দামে সবজি বিক্রি করছেন আজিজ মিয়া।

শুধু সবজি নয়, বাজারে দেখা গেছে চাল ও ডিমের দামও বেশি। মোটা-সরু সব চালের দামই বেড়েছে কেজিতে ২-৩ টাকা। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ২ টাকা বেড়ে স্বর্ণা ৫০-৫২ টাকা ও বিআর-২৮ বিক্রি হচ্ছে ৬০-৬২ টাকায়। অথচ এর আগে প্রতি কেজি গুটি স্বর্ণা ৪৮-৫০ টাকা ও বিআর-২৮ এর দাম ছিল ৫৮-৬০ টাকা।

এছাড়া আগের চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে মিনিকেট ও নাজিরশাইল। এসব চাল মানভেদে বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৭০-৮৪ টাকায়।

মেরুল বাড্ডার চাল ব্যবসায়ী হালিম চৌধুরী বলেন, পাইকারি বাজারে চালের দাম বেড়েছে। এখন চালের সিজন (মৌসুম) শেষ। চাল আমদানি হলেও বাজারে সেগুলো আসছে না। এজন্য দাম বাড়তি।

তিনি আরও বলেন, মিলপর্যায়ে বস্তাপ্রতি চালের দাম ১০০-১৫০ টাকার মতো বেড়েছে। অগ্রিম টাকা দিয়েও মিলছে না চাহিদামতো চাল। মোকামে যে পরিমাণ চালের অর্ডার দেওয়া হচ্ছে তা পাওয়া যাচ্ছে না।

এদিকে বাজারে আবারও অস্থির হয়ে উঠেছে ফার্মের মুরগির ডিমের দাম। তিনদিনের ব্যবধানে খুচরা বাজারে ডজনপ্রতি ডিম ১৩০ টাকা থেকে বেড়ে এখন ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এর আগে গত মাসের মাঝামাঝি সময়ে অস্থিতিশীল ছিল ডিমের বাজার। সে সময় ডিমের ডজন ১৬০ টাকা ছাড়িয়ে যায়। এর আগে দেশে কখনো ডিমের দামের এতটা বৃদ্ধি দেখা যায়নি। এখন আবার সেই পথে হাঁটছে পণ্যটি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, খুচরায় প্রতি হালি ডিম বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। ডজন নিলে ১৪৫-১৫০ টাকা। যদিও কিছু কিছু বাজারে ডজনে ৫-১০ টাকা কম নিতে দেখা গেছে। তবে সে সংখ্যা খুব কম।

রামপুরা বাজারের ডিম বিক্রেতা ইয়াছিন হোসেন বলেন, বুধবার থেকে ডিমের দাম হুট করে বেড়েছে। তার আগেও দুদিন বেড়েছে দাম। তবে সেটা ৫-৭ টাকা। শেষ বৃহস্পতিবার সকালে পাইকারিতে ডিমের ডজন ১৪০ টাকায় ঠেকেছে।

তিনি বলেন, পাইকারিতে প্রতিটি ডিমের দাম পড়ছে ১১ টাকা ৭০ পয়সা। যা অন্যান্য খরচ মিলে এখন সাড়ে ১২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এই ব্যবসায়ী বলেন, কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে ডিমের সরবরাহ কম। সেজন্য দাম বেড়েছে।

এদিকে মুদি পণ্যের দাম নতুন করে বাড়েনি বা কমেনি। আগের চড়া দামেই আটকে আছে। শুধু খুচরায় পাম তেলের দাম ৫ টাকা কমে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে বোতলজাত অন্য কোনো ভোজ্যতেলের দাম কমেনি।

আন্তঃব্যাংকে ডলারের গড় ক্রয়মূল্য বেড়েছে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : শের আন্তঃব্যাংকগুলোতে ডলারের গড় ক্রয়মূল্য বেড়েছে। একদিনের ব্যবধানে এ দাম ৪ টাকা ২৩ পয়সা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৬ টাকা ৬০ পয়সা। যা গতকাল বুধবার ছিল ১০২ টাকা ৩৭ পয়সা। তবে ডলারের গড় ক্রয়মূল্য বাড়লেও বিক্রি হচ্ছে আগের দামেই। অর্থাৎ বুধবারের দামেই আজও ডলার বিক্রি হচ্ছে ১০৬ টাকা ৯০ পয়সায়।

বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) নতুন আন্তঃব্যাংক রেট বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছে।

বাজারে ডলার ও টাকার জোগান–চাহিদার ভিত্তিতে বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) বিবেচনায় ডলারের এ দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক দৈনন্দিন ভিত্তিতে ডলার কেনাবেচার করবে না, তবে বাজার বিবেচনায় প্রয়োজন হলে ডলার কেনাবেচা করা হবে। ব্যাংকগুলো প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স কিনছে সর্বোচ্চ ১০৮ টাকা আর রপ্তানি আয়ে ৯৯ টাকা।

এর আগে গত মঙ্গলবার ব্যাংকে ডলারের গড় ক্রয়মূল্য ছিল ১০১ টাকা ৬৭ পয়সা, যা গতকাল বুধবার বেড়ে হয় ১০২ টাকা ৩৭ পয়সা। আর ব্যাংকগুলোর বিক্রয়মূল্য বেড়ে হয় ১০৬ টাকা ৯০ পয়সা, যা গত মঙ্গলবার ছিল ১০৬ টাকা ১৫ পয়সা। তবে আজ বৃহস্পতিবার ডলারের গড় ক্রয়মূল্য ১০২ টাকা ৩৭ পয়সা থেকে বেড়ে হয়েছে ১০৬ টাকা ৬০ পয়সা।

এদিকে সংকট নিরসনে সর্বোচ্চ সীমা বেঁধে দিয়ে বাজারভিত্তিক করে দেওয়া হয়েছে ডলারের দাম। তবুও অভাব-অভিযোগ থাকছেই। কমছে না ডলারের তেজী ভাব। ব্যাংকগুলো আন্তঃব্যাংকে (একে অন্যের সঙ্গে কেনাবেচা) যে দামে ডলার বেচাকেনা করছে, সেই দামও বাড়ছে। অভিযোগ রয়েছে, এখনো অনেক ব্যাংকের ডলার সংগ্রহে ১১০ টাকার ওপরে খরচ হচ্ছে। এতে বেশি দামে ডলার কিনতে হচ্ছে আমদানিকারকদের। এতে কারণে আমদানি পণ্যের দাম বাড়ছে।

এদিকে গত মঙ্গলবার দেশের ইতিহাসে একদিনে সর্বোচ্চ ১০ টাকা বেড়ে যায় ডলারে দাম। এর বিপরীতে মান হারায় টাকা। গতকাল প্রতি ডলার সর্বোচ্চ ১০৬ টাকা ১৫ পয়সা দরে বিক্রি করা হয় এবং তাদের ক্রয়মূল্য ছিল ১০১ টাকা ৬৭ পয়সা। গত সোমবার প্রতি ডলারের দাম ছিল ৯৬ টাকা। ডলারের নতুন দাম কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বেঁধে দেওয়া নয় বলেও জানানো হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, বাফেদার নির্ধারিত দরে ব্যাংকগুলো নিজেরা লেনদেন করবে এবং সেটি আন্তঃব্যাংক লেনদেন হিসেবে বিবেচিত হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক আগের মতো প্রতিদিন ডলার বিক্রি করবে না, তবে প্রয়োজন হলে ব্যাংকগুলোর কাছে ডলার বিক্রি করবে। কিন্তু আন্তঃব্যাংকের রেট বাংলাদেশ ব্যাংকের ডলার বিক্রির রেট হবে না।

৫০ কোটি ডলার বাজেট সহায়তা দেবে এডিবি
                                  

অনলাইন ডেস্ক : ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য ৫০ কোটি ডলার বাজেট সহায়তা দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। প্রতি ডলার সমান ১০৬ টাকা ধরে টাকার অঙ্কে এর পরিমাণ প্রায় ৫ হাজার ৩০০ কোটি টাকা।

এডিবি গত দুই অর্থবছরে বাংলাদেশকে প্রায় ১০০ কোটি ডলার বাজেট সহায়তা দিয়েছে। প্রতিবছর ৫০ কোটি ডলার করে বাজেট সহায়তা পেয়েছে বাংলাদেশ। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি বাজেটের জন্য সমপরিমাণ বাজেট সহায়তার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

ঋণে সুদের হার হবে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ। এছাড়া ৩ বছরের রেয়াতকালসহ ১৫ বছরের মধ্যে এ অর্থ পরিশোধ করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্ননের সঙ্গে বৈঠক শেষে এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমন গিন্টিংও এসব বিষয় জানান। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে মন্ত্রীর দপ্তরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শেষে এডিমন গিন্টিং বলেন, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ও জলবায়ু পরিবর্তনের পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য এ ঋণ দেওয়া হবে। বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা অনেক চ্যালেঞ্জের। বাংলাদেশ এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আর্থিক ব্যবস্থাপনা ভালো করেছে। হাওর এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো উন্নয়নে জরুরি একটি প্রকল্প নেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

এ সময় পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমরা সফল। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে খরচ কমিয়েছি।প্রকল্পগুলো তিন ক্যাটাগরিতে ভাগ করার কৌশলের প্রশংসা করেছে এডিবি। বাজেট সহায়তা আমরা যেকোনো সময় পেতে পারি। আলোচনা হচ্ছে, কিছু শর্ত থাকবেই। যেমন টাকা ধার নিলে কবে পরিশোধ করা হবে, সেটিও একটি শর্ত।

তিনি জানান, আমার বাড়ি হাওর এলাকায়। তাই বলে আমি যে প্রকল্প টেনে এনেছি সেটি ভাবার কারণ নেই। এটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প। প্রধানমন্ত্রী নিজেও এ রকম প্রকল্প চান। জলবায়ু মোকাবিলাসহ সিলেটে ভয়াবহ বন্যায় বিরাট ক্ষতি হয়েছে। এসব এলাকার পুনর্বাসনেও পাশে থাকবে এডিবি।

বিশ্ববাজারে অর্ধেকে নেমেছে পাম তেলের দাম, কমছে না দেশে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : পাঁচ মাসের ব্যবধানে বিশ্ববাজারে প্রায় অর্ধেকে নেমেছে পাম তেলের দাম। মালয়েশিয়ার বাজারে প্রতি টন পাম তেল ৭ হাজার ৭৫৭ রিঙ্গিত (১ রিঙ্গিত সমান ২২ টাকা) থেকে নেমেছে ৩ হাজার ৭৫৯ রিঙ্গিতে। দেশের পাইকারি বাজারে এর প্রভাবে দাম কমলেও তার কোনো প্রভাব নেই খুচরা বাজারে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, তেলের দাম কিছুটা কমেছে। সবাই হয়তো সামনে বসবে। তখন যদি কমানোর সিদ্ধান্ত নেয় তবে সে দামেই বিক্রি করা হবে। আর কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের বক্তব্য, বিশ্ববাজারের সঙ্গে পুরোপুরি সঠিক অনুপাতে সমন্বয় হওয়া প্রয়োজন। দু-চার টাকা কমিয়ে সান্ত্বনা দেওয়া নয়।


তথ্য বলছে, গত মে মাসে যখন বিশ্ববাজারে ভোজ্যতেলের দাম অস্থিতিশীল হয়, তখন দেশের বাজারে ভোজ্যতেলের দাম সমন্বয় করে তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলো। সে সময় কয়েক দফায় দাম প্রায় ৫০ শতাংশের বেশি বাড়ানো হয়। কিন্তু এরপর তিন মাস ধরে দাম কমতে থাকলেও দেশে কমেনি। বরং বাড়তি দামে তেল বিক্রি হচ্ছে এখনো।

তবে পাইকারি বাজারে পাম তেলের দাম কিছুটা কমেছে। বুধবার পুরান ঢাকার মৌলভীবাজারে পাম তেল বিক্রি হয়েছে ১১৫ টাকা প্রতি লিটার। আর সয়াবিন ১৫৫ টাকায়। কিন্তু তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলো দাম সমন্বয় না করার কারণে খুচরা বাজারে তাদের আগের নির্ধারিত দাম প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন ১৭৫ টাকা এবং খোলা পাম তেলের ১৪৫ টাকায় বিক্রি করছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ পাইকারি ভোজ্যতেল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি গোলাম মাওলা বলেন, এখন তেলের দাম কমানো উচিত। পাইকারি বাজারে তেল আগের নির্ধারিত দামের চেয়ে কমে বিক্রি হচ্ছে। তবে বাড়তি দাম নির্ধারিত থাকায় খুচরা ব্যবসায়ী ও তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলো বাড়তি মুনাফা করছে। সরকারের উচিত হবে দ্রুত তেলের দাম সমন্বয় করা।

এদিকে ভোক্তাদের অভিযোগ, আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশের বাজারে তেলের দাম বাড়িয়ে দেন বিক্রেতারা। কিন্তু কমলে দীর্ঘ সময়েও তার প্রভাব পড়ে না। অর্থাৎ দাম বাড়লে শতভাগ মাশুল দিতে হয় ভোক্তাকে, কিন্তু কমলে তার সুফল পান না। সেজন্য তারা অর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

আন্তর্জাতিক বাজার বিশ্লেষক সংস্থা বিজনেস ইনসাইডারের তথ্য বলছে, মঙ্গলবার প্রতি টন পাম তেল ৩ হাজার ৭৫৯ রিঙ্গিতে লেনদেন হয়েছে। গত জুন মাসের পর থেকে তেলের দামে এ পতনের ধারা অব্যাহত রয়েছে। মাঝে আগস্টে দাম সামান্য কিছুটা বাড়লেও তা সেপ্টেম্বর থেকে আবারও কমছে। চলতি মাসেই প্রথম দুই সপ্তাহে তেলের দাম কমেছে টনপ্রতি প্রায় ৫শ রিঙ্গিত।

দেশের বাজারে সবচেয়ে বেশি পাম তেল আমদানি হয় মালয়েশিয়া এবং ইন্দোনেশিয়া থেকে। ওইসব দেশে এবার পামের ভালো ফলন হয়েছে। অন্যদিকে বিশ্বব্যাপী খাদ্যপণ্যের দাম বেশি থাকায় কমেছে তেলের চাহিদা। সে কারণে দ্রুত এসব দেশের বাজারে তেলের দাম কমছে বলে জানিয়েছে বাজার বিশ্লেষক সংস্থাগুলো।

দেশের বাজারে দাম কমানোর বিষয়ে জানতে চাইলে সিটি গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক (করপোরেট অ্যাফেয়ার্স) বিশ্বজিৎ সাহা বলেন, তেলের দাম বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে সরকারের ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বসে নির্ধারণ করে দিচ্ছে। আমরা বলেছি তেলের দাম কিছুটা কমেছে। সবাই হয়তো সামনে বসবে। তখন যদি কমানোর সিদ্ধান্ত নেয় তবে সে দামেই বিক্রি করা হবে।

তিনি বলেন, দাম কমানোর ক্ষেত্রে ডলারের দাম হিসাবে নিতে হবে। এছাড়া আমদানি খরচ, ভাড়া এগুলো বিবেচনা করতে হবে। সেক্ষেত্রে খরচ এখনো অনেক বেশি।

অন্যদিকে দেশে ভোজ্যতেলের দাম কমানোর জন্য কাজ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। সম্প্রতি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে ভোজ্যতেলের দাম কমছে। ফলে দেশের বাজারে তা সমন্বয় করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, আগামী মাসে (অক্টোবর) ভোজ্যতেলের দাম আরও একধাপ কমতে পারে। এরই মধ্যে এ নিয়ে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

এসব বিষয়ে কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে দেশীয় বাজারে ভোজ্যতেলের দাম বাড়িয়ে দেন আমদানিকারকরা। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলে দীর্ঘদিনেও দেশের বাজারে পণ্যটির দাম সমন্বয় হয় না। দাম কমলে ব্যবসায়ীরা উল্টো সুর দেন, নানা অজুহাত দেখান।

তিনি আরও বলেন, ভোক্তাদের স্বার্থে দ্রুত দাম কমানো প্রয়োজন। সেটি বিশ্ববাজারের সঙ্গে পুরোপুরি সঠিক অনুপাতে সমন্বয় হওয়া প্রয়োজন। দু-চার টাকা কমিয়ে সান্ত্বনা দেওয়া নয়।

সূত্র: জাগো নিউজ

স্বর্ণের দাম ভরিতে কমলো ১২৮৩ টাকা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : রেকর্ড দামে ওঠার পর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কিছুটা কমানো হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম কমানোর পরিপ্রেক্ষিতে এ দাম কমানো হয়েছে। সব থেকে ভালো মানের স্বর্ণের (২২ ক্যারেট) দাম ভরিতে এক হাজার ২৮৩ টাকা কমিয়ে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে ভালো মানের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৮৩ হাজার ২৮১ টাকা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) থেকে স্বর্ণের এ নতুন দাম কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।


গত ১১ সেপ্টেম্বর সবচেয়ে ভালোমানের স্বর্ণের দাম ভরিতে এক হাজার ২৮৩ টাকা বাড়ানো হয়। এতে ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের দাম বেড়ে দাঁড়ায় ৮৪ হাজার ৫৬৪ টাকা। দেশের বাজারে এর আগে কখনো স্বর্ণের দাম এত হয়নি।

রেকর্ড দাম হওয়ার তিনদিনের মাথায় এখন স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা আসলো। ভালোমানের স্বর্ণের পাশাপাশি কমানো হয়েছে সব ধরনের স্বর্ণের দামও। মান অনুযায়ী প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছে ৯৩৩ টাকা থেকে এক হাজার ২৮৩ টাকা পর্যন্ত। তবে রুপার দামে কোনো পরিবর্তন আসেনি।

বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটি বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বৈঠক করে এ দাম কমানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। পরে মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এম এ হান্নান আজাদের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের দাম কমেছে। তাই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে, যা ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হবে।

এর আগে গত ২২ আগস্ট স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। তার আগে ১৮ আগস্ট স্বর্ণের দাম কিছুটা কমানো হয়েছিল। তবে তারও আগে ৪ ও ৭ আগস্ট এবং ২৭ ও ২৯ জুলাই স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়।

নতুন মূল্য অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম এক হাজার ২৮৩ টাকা কমিয়ে ৮৩ হাজার ২৮১ টাকা করা হয়েছে।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ২২৫ টাকা কমিয়ে ৭৯ হাজার ৪৯০ টাকা করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৫০ টাকা কমিয়ে ৬৮ হাজার ১১৮ টাকা করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ভরিতে ৯৩৩ টাকা কমিয়ে ৫৬ হাজার ৪৫৪ টাকা করা হয়েছে।

স্বর্ণের দাম কমলেও রুপার আগের নির্ধারিত দামই বহাল রয়েছে। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে এক হাজার ৫১৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপার দাম এক হাজার ৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক হাজার ২২৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রূপার দাম ৯৩৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

গত ১১ সেপ্টেম্বর সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ২৮৩ টাকা বাড়িয়ে ৮৪ হাজার ৫৬৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ২২৫ টাকা বাড়িয়ে ৮০ হাজার ৭১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৫০ টাকা বাড়িয়ে ৬৯ হাজার ১৬৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ১৬৭ টাকা বাড়িয়ে ৫৭ হাজার ৩৮৭ টাকা করা হয়।

তার আগে গত ২২ আগস্ট সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ২২৫ টাকা বাড়িয়ে ৮৩ হাজার ২৮১ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ১৬৬ টাকা বাড়িয়ে ৭৯ হাজার ৪৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯৯২ টাকা বাড়িয়ে ৬৮ হাজার ১১৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের ৯৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৫৬ হাজার ২২০ টাকা করা হয়।

অবশ্য এ দুই দফা দাম বাড়ানোর আগে ১৮ আগস্ট সবচেয়ে ভালোমানের বা ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২৭৫ টাকা কমিয়ে ৮২ হাজার ৫৬ টাকা করা হয়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ৭৮ হাজার ৩২৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৮৬৭ টাকা কমিয়ে ৬৭ হাজার ১২৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৬৯২ টাকা কমিয়ে ৫৫ হাজার ২৮৭ টাকা করা হয়।

এ দাম কমানোর আগে গত ৭ আগস্ট ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৯৮৩ টাকা বাড়িয়ে ৮৪ হাজার ৩৩১ টাকা করা হয়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৮৬৭ টাকা বাড়িয়ে ৮০ হাজার ৪৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৫৭৫ টাকা বাড়িয়ে ৬৮ হাজার ৯৯৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ২৮৩ টাকা বাড়িয়ে ৫৬ হাজার ৯৭৯ টাকা করা হয়।

তারও আগে ৪ আগস্ট ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়িয়ে ৮২ হাজার ৩৪৮ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৪৯ টাকা বাড়িয়ে ৭৮ হাজার ৬১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৬৭ হাজার ৪১৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৫২৫ টাকা বাড়িয়ে ৫৫ হাজার ৬৯৬ টাকা করা হয়।

এছাড়া ২৯ জুলাই ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৭৪১ টাকা বাড়িয়ে ৮১ হাজার ২৯৮ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৫৬৬ টাকা বাড়িয়ে ৭৭ হাজার ৫৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৯২৫ টাকা বাড়িয়ে ৬৬ হাজার ৪৮৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ভরিতে ২ হাজার ৪৫০ টাকা বাড়িয়ে ৫৫ হাজার ১৭১ টাকা করা হয়।

এর দুদিন আগে ২৭ জুলাই সবচেয়ে ভাল মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৩৪১ টাকা বাড়িয়ে করা ৭৮ হাজার ৫৫৭ টাকা করা হয়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ২৮৪ টাকা বাড়িয়ে ৭৫ হাজার টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৩৪১ টাকা বাড়িয়ে ৬৪ হাজার ৫৬০ টাকা করা হয়। সে সময় অপরিবর্তিত রাখা হয় সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম।

তার আগে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমার প্রেক্ষিতে ১৭ জুলাই দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানো হয়। সে সময় সবচেয়ে ভাল মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ১৬৬ টাকা কমিয়ে করা হয় ৭৭ হাজার ২১৬ টাকা।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ১৬৭ টাকা কমিয়ে ৭৩ হাজার ৭১৬ টাকা করা হয়। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯৩৩ টাকা কমিয়ে ৬৩ হাজার ২১৯ টাকা করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৭৫৮ টাকা কমিয়ে করা হয় ৫২ হাজার ৭২১ টাকা।

গত ৭ জুলাই আর এক দফা স্বর্ণের দাম কমার বাজুস। সে সময় সবচেয়ে ভাল মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ১৬৬ টাকা কমিয়ে করা হয় ৭৮ হাজার ৩৮২ টাকা।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৫০ টাকা কমিয়ে ৭৪ হাজার ৮৮৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯৩৩ টাকা কমিয়ে ৬৪ হাজার ১৫২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৭৫৯ টাকা কমিয়ে ৫৩ হাজার ৪৭৯ টাকা করা হয়।

তার আগে মার্কিন ডলার ও অন্যান্য মুদ্রার দাম নিম্নমুখী এবং আন্তর্জাতিক বাজার ও স্থানীয় বুলিয়ন মার্কেটে স্বর্ণের দাম কমার প্রেক্ষিতে চলতি বছরের ২৬ মে আর এক দফা স্বর্ণের দাম কমানো হয়।

সেসময় সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৯১৭ টাকা কমিয়ে ৭৯ হাজার ৫৪৮ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৭৯৯ টাকা কমিয়ে ৭৫ হাজার ৯৩৩ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৪৯৯ টাকা কমিয়ে ৬৫ হাজার ৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৯৮২ টাকা কমিয়ে করা হয় ৫৪ হাজার ২৩৮ টাকা।


   Page 1 of 41
     অর্থ-বাণিজ্য
বিশ্ববাজারে দুই বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন দামে স্বর্ণ
.............................................................................................
পাহাড়ে চাষ শিখতে বিদেশে প্রশিক্ষণ, খরচ ৬০ লাখ
.............................................................................................
সবজির দাম চড়া, ডিমেও অস্বস্তি
.............................................................................................
পাম অয়েল লিটারে ১২, চিনি কেজিতে ৬ টাকা কমলো
.............................................................................................
ডিম আমদানি হবে না: কৃষিমন্ত্রী
.............................................................................................
পাম অয়েলে ১২ ও চিনিতে ৬ টাকা কমানোর সুপারিশ
.............................................................................................
টিসিবির জন্য কেনা হবে ১৬৫ লাখ লিটার সয়াবিন তেল
.............................................................................................
চলতি অর্থবছরে ৬ দশমিক ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হতে পারে: এডিবি
.............................................................................................
পদ্মা ব্যাংকের ট্রাস্ট ফান্ড ম্যানেজমেন্ট এন্ড সেটেলমেন্ট বিষয়ক কর্মশালা
.............................................................................................
সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৫ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১০০ কোটি ডলার
.............................................................................................
কমলো স্বর্ণের দাম
.............................................................................................
দাম বেড়েছে চাল-ডিম-সবজির
.............................................................................................
আন্তঃব্যাংকে ডলারের গড় ক্রয়মূল্য বেড়েছে
.............................................................................................
৫০ কোটি ডলার বাজেট সহায়তা দেবে এডিবি
.............................................................................................
বিশ্ববাজারে অর্ধেকে নেমেছে পাম তেলের দাম, কমছে না দেশে
.............................................................................................
স্বর্ণের দাম ভরিতে কমলো ১২৮৩ টাকা
.............................................................................................
বাংলা‌দে‌শের তৈ‌রি কন্টেইনার জাহাজ রপ্তা‌নি হ‌লো যুক্তরাজ্যে
.............................................................................................
নাসির গ্রুপের চেয়ারম্যান মারা গেছেন
.............................................................................................
আবার বাড়লো স্বর্ণের দাম, ভাঙলো অতীতের রেকর্ড
.............................................................................................
তৃতীয় দেশে পণ্য রপ্তানিতে ভারতের ফ্রি ট্রানজিট পাবে বাংলাদেশ
.............................................................................................
১২ কেজি এলপিজির দাম বাড়লো ১৬ টাকা
.............................................................................................
বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ দিলেন লোকমান হোসেন
.............................................................................................
কাঁচামরিচ এখন ৪০ টাকা কেজি, চড়া সবজির বাজার
.............................................................................................
খোলাবাজারে দাম কমেছে ডলারের
.............................................................................................
ডলারের দাম না বাড়লে ভোজ্যতেলের দাম কমার আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর
.............................................................................................
৪০ টাকা নিয়ে ৫ টাকা ফেরতের ভিত্তি কী: দেবপ্রিয়
.............................................................................................
জ্বালানি তেলের দাম লিটারে কমছে ৫ টাকা
.............................................................................................
২৫ দিনে রেমিট্যান্স এলো সাড়ে ১৬ হাজার কোটি টাকা
.............................................................................................
স্বর্ণের দাম বিশ্ববাজারে কমলেও দেশে বেড়েছে
.............................................................................................
সয়াবিন তেলের দাম লিটারে বাড়লো ৭ টাকা
.............................................................................................
রাশিয়া থেকে ডিজেল আমদানির বিষয়ে কাজ করছে কমিটি: নসরুল হামিদ
.............................................................................................
খুচরা পর্যায়ে আরও কমতে পারে ডলারের দাম
.............................................................................................
ব্যাংকে লেনদেন ৯টা-৩টা, বন্ধ হবে ৫টার মধ্যে
.............................................................................................
বুধবার থেকে ব্যাংকিং কার্যক্রম ৯টা-৪টা
.............................................................................................
ইতিহাসের সর্বোচ্চ দামে রড-সিমেন্ট
.............................................................................................
আবারও বাড়লো স্বর্ণের দাম, ভরি ৮৩২৮১ টাকা
.............................................................................................
আমাদের অর্থনীতিবিদরা আশঙ্কা প্রকাশে খুব দক্ষ: প্রতিমন্ত্রী
.............................................................................................
দেশে-বিদেশে অস্থির স্বর্ণের বাজার
.............................................................................................
অর্ডার বাতিল করছে ওয়ালমার্ট, বড় ক্ষতির মুখে পোশাকশিল্প
.............................................................................................
৪০ টাকারও কমে ডিজেল দিতে চায় রাশিয়া
.............................................................................................
আজ থেকে কমলো স্বর্ণের দাম
.............................................................................................
এক কোটি ২৫ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কিনবে সরকার
.............................................................................................
ডলারে দেড় টাকার বেশি লাভ করতে পারবে না মানি এক্সচেঞ্জ
.............................................................................................
লাগামহীন ছুটছে ডিম, একটির দাম ১৪ টাকা
.............................................................................................
মার্কেন্টাইল ব্যাংকে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি : বিক্রি বেড়েছে বাইসাইকেলের
.............................................................................................
অবৈধ স্বর্ণে বছরে পাচার ৭৩ হাজার কোটি টাকা: বাজুস
.............................................................................................
ব্রয়লারের ডাবল সেঞ্চুরি, ডিমের ডজন ১৪৫ টাকা
.............................................................................................
স্বর্ণের বাজারে অস্থিরতার নেপথ্যে চোরাকারবারি: বাজুস
.............................................................................................
ডলারের কারণে ভোজ্যতেলের দামে সুফল পাওয়া যাচ্ছে না: বাণিজ্যমন্ত্রী
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Dynamic Scale BD