| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * মতিঝিলে `বিচ্ছু বাহিনী`র ৫ সদস্য গ্রেফতার   * ফরিদপুরে করোনা-উপসর্গে আরও ১২ জনের মৃত্যু   * করোনাকালে ডেঙ্গু নিয়ে অবহেলা না করার অনুরোধ   * ফেরিতে উঠতে গিয়ে নদীতে পড়ে গেলেন ৩ যাত্রী   * করোনায় আরও ২২৮ জনের মৃত্যু   * মাস্কবিহীন কাউকে ছাড় দেয়া হচ্ছে না   * মহারাষ্ট্রে ভারি বৃষ্টি ও ভূমিধস, নিহত বেড়ে ১৩৮   * টিকা নিতে ১ কোটির বেশি মানুষের নিবন্ধন   * দৌলতদিয়ায় উভয়মুখী যাত্রীর চাপ   * পদ্মা সেতুর পিলারে ধাক্কা: ফেরির ২ চালককে দায়ী করে প্রতিবেদন  

   অর্থ-বাণিজ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
খুলছে ব্যাংক, লেনদেন দুপুর দেড়টা পর্যন্ত

অনলাইন ডেস্ক : করোনা সংক্রমণ রোধে সারাদেশে আরোপিত কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ রোববার (২৫ জুলাই) থেকে ব্যাংকে লেনদেন হবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত। লেনদেন-পরবর্তী আনুষঙ্গিক কার্যক্রম শেষ করার জন্য ব্যাংক খোলা থাকবে বিকেল ৩টা পর্যন্ত।

কঠোর বিধি-নিষেধের মধ্যে কীভাবে ব্যাংকিং কার্যক্রম চলবে এ নিয়ে ১৩ জুলাই প্রজ্ঞাপন জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সাপ্তাহিক ছুটির দিন ব্যতীত বিধিনিষেধ চলাকালে সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এ সময় কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়। এছাড়া সীমিত লোকবল দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ শাখাগুলো খোলা রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।

বিধিনিষেধ চলাকালে হিসাবে নগদ ও চেকের মাধ্যমে অর্থ জমা ও উত্তোলন, ডিমান্ড ড্রাফট/পে-অর্ডার ইস্যু ও জমা গ্রহণের পাশাপাশি বৈদেশিক রেমিট্যান্সের অর্থ পরিশোধ, সরকারের বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচির ভাতা/অনুদান বিতরণ ইত্যাদি সেবা পাওয়া যাবে। এ ছাড়া একই ব্যাংকের খোলা রাখা বিভিন্ন শাখা ও একই শাখার বিভিন্ন হিসাবের মধ্যে অর্থ স্থানান্তর, ট্রেজারি চালান গ্রহণ, অনলাইন সুবিধা–সংবলিত ব্যাংকের সব গ্রাহকের এবং এসব সুবিধা–বহির্ভূত ব্যাংকের খোলা রাখা শাখার গ্রাহকেরা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক চালু রাখা বিভিন্ন পেমেন্ট সিস্টেমস/ক্লিয়ারিং ব্যবস্থার আওতাধীন অন্যান্য লেনদেন সুবিধা ও জরুরি বৈদেশিক লেনদেন–সংক্রান্ত সেবা পাবেন।

এছাড়া প্রজ্ঞাপনে, এটিএম বুথগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ অর্থ সরবরাহসহ সার্বক্ষণিক সেবা চালু রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিধিনিষেধ চলাকালে ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কার্যালয়ে যাতায়াতের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতেও বলা হয়েছে।

খুলছে ব্যাংক, লেনদেন দুপুর দেড়টা পর্যন্ত
                                  

অনলাইন ডেস্ক : করোনা সংক্রমণ রোধে সারাদেশে আরোপিত কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ রোববার (২৫ জুলাই) থেকে ব্যাংকে লেনদেন হবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত। লেনদেন-পরবর্তী আনুষঙ্গিক কার্যক্রম শেষ করার জন্য ব্যাংক খোলা থাকবে বিকেল ৩টা পর্যন্ত।

কঠোর বিধি-নিষেধের মধ্যে কীভাবে ব্যাংকিং কার্যক্রম চলবে এ নিয়ে ১৩ জুলাই প্রজ্ঞাপন জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সাপ্তাহিক ছুটির দিন ব্যতীত বিধিনিষেধ চলাকালে সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এ সময় কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়। এছাড়া সীমিত লোকবল দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ শাখাগুলো খোলা রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।

বিধিনিষেধ চলাকালে হিসাবে নগদ ও চেকের মাধ্যমে অর্থ জমা ও উত্তোলন, ডিমান্ড ড্রাফট/পে-অর্ডার ইস্যু ও জমা গ্রহণের পাশাপাশি বৈদেশিক রেমিট্যান্সের অর্থ পরিশোধ, সরকারের বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচির ভাতা/অনুদান বিতরণ ইত্যাদি সেবা পাওয়া যাবে। এ ছাড়া একই ব্যাংকের খোলা রাখা বিভিন্ন শাখা ও একই শাখার বিভিন্ন হিসাবের মধ্যে অর্থ স্থানান্তর, ট্রেজারি চালান গ্রহণ, অনলাইন সুবিধা–সংবলিত ব্যাংকের সব গ্রাহকের এবং এসব সুবিধা–বহির্ভূত ব্যাংকের খোলা রাখা শাখার গ্রাহকেরা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক চালু রাখা বিভিন্ন পেমেন্ট সিস্টেমস/ক্লিয়ারিং ব্যবস্থার আওতাধীন অন্যান্য লেনদেন সুবিধা ও জরুরি বৈদেশিক লেনদেন–সংক্রান্ত সেবা পাবেন।

এছাড়া প্রজ্ঞাপনে, এটিএম বুথগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ অর্থ সরবরাহসহ সার্বক্ষণিক সেবা চালু রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিধিনিষেধ চলাকালে ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কার্যালয়ে যাতায়াতের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতেও বলা হয়েছে।

পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু রোববার
                                  

অনলাইন ডেস্ক : লকডাউন চলাকালীন ঈদ পরবর্তী ব্যাংকের সঙ্গে সমন্বয় করে আগামীকাল রোববার থেকে পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু হচ্ছে।

শনিবার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, রোববার সকাল ১০টায় লেনদেন শুরু হয়ে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত চলবে। লেনদেন শুরুর আগের ১৫ মিনিট অর্থাৎ সকাল ৯টা ৪৫ মিনিট থেকে ১০টা পর্যন্ত থাকবে প্রি-ওপেনিং সেশন।

লেনদেন শেষ হওয়ার পরবর্তী ১৫ মিনিট অর্থাৎ দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ১২টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত থাকবে পোস্ট ক্লোজিং সেশন।

ইতোমধ্যে দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জকে পুঁজিবাজারে লেনদেনের সময়সূচি জানিয়ে দিয়েছে কমিশন।

ঈদের আগে রেমিট্যান্স এল ১০ হাজার ৭০০ কোটি টাকা
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঈদ সামনে রেখে প্রতি বছরই দেশে বিপুল পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠান প্রবাসী বাংলাদেশিরা। এবারও ব্যত্যয় ঘটেনি তার।

ঈদুল আজহার আগে চলতি (জুলাই) মাসের প্রথম ১৫ দিনে ১২৬ কোটি ৪২ লাখ মার্কিন ডলার বা ১০ হাজার ৭০০ কোটি টাকার বেশি রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদন মতে, জুলাইয়ের ১৫ দিনে ১২৬ কোটি ৪২ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। তার আগের মাস গত জুনে ১৯৪ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স দেশে পাঠান।

জুলাই মাসের প্রথম ১৫ দিনে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে বেসরকারি খাতের ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে। এ ব্যাংকটির মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৮ কোটি ৭৮ লাখ ডলার। এরপর রয়েছে যথাক্রমে ডাচ-বাংলা ব্যাংকে ১৬ কোটি ৯২ লাখ, অগ্রণী ব্যাংক ১৩ কোটি ৭৬ লাখ ও সোনালী ব্যাংক এনেছে ৭ কোটি ৬৪ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স।

সদ্য শেষ হওয়া ২০২০-২১ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছে দুই হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ ডলার বা দুই লাখ ১০ হাজার ৬১০ কোটি টাকা।

এর আগে ২০১৯-২০ অর্থবছরে এক হাজার ৮২০ কোটি ডলার বা ১৮ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল এক হাজার ৬৪২ কোটি ডলার।

ইভ্যালি-আলিশা মার্টের সঙ্গে লেনদেন বন্ধ করলো বিকাশ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : গ্রাহকদের স্বার্থ সুরক্ষায় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালি, আলিশা মার্ট, ধামাকা শপিংসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিকাশ লেনদেন বন্ধ করছে। শনিবার (১৭ জুলাই) বিকাশের ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইভ্যালি ছাড়াও আলিশা মার্ট, ধামাকা শপিং, ই-অরেঞ্জ, সিরাজগঞ্জ শপ, আলাদীনের প্রদীপ, কিউকুম, বুম বুম, আদিয়ান মার্ট ও নিডস এর সঙ্গে বিকাশের পেমেন্ট গেটওয়ে সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে।

এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইভ্যালি লোকসানে পণ্য বিক্রি করছে। ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোতে অসুস্থ প্রতিযোগিতার আশঙ্কা ভালো ও সৎ ই-কমার্স ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন এবং ভবিষ্যতে এই খাতের প্রতি মানুষের আস্থা নষ্ট হবে।

ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইভ্যালির মোট দায় ৪০৭.১৮ কোটি টাকা। স্বাভাবিক নিয়মে প্রতিষ্ঠানটির কাছে কমপক্ষে ৪০৩.৮০ কোটি টাকার চলতি সম্পদ থাকার কথা থাকলেও রয়েছে মাত্র ৬৫.১৭ কোটি টাকা। কোম্পানিটি চলতি দায় ও লোকসানের দুষ্ট চক্রে বাধা পড়েছে। ক্রমাগতভাবে এমন দায় তৈরি হয়েছে যে প্রতিষ্ঠানটির অস্তিত্ব টিকে না থাকার ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে।

চড়া সবজি-মাছের দাম
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : সপ্তাহের ব্যবধানে নতুন করে দাম না বাড়লেও রাজধানীর বাজারগুলোতে আগের মতোই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের সবজি। সেই সঙ্গে সব ধরনের মাছের দামও বেশ চড়া।

শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আগের মতো সব থেকে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে গাজর। এই সবজিটি কিনতে ক্রেতাদের কেজিতে ১০০ থেকে ১৩০ টাকা দিতে হচ্ছে।


এছাড়া কেজি একশ টাকার ওপরে বিক্রি হওয়ার তালিকায় রয়েছে পাকা টমেটো। আগের সপ্তাহের মতো পাকা টমেটোর কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা।

এর সঙ্গে বেগুন, ঝিঙে, করলা, বরবটি, চিচিঙ্গার দামও বেশ চড়া। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে সবগুলোরই দাম প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। বেগুন, ঝিঙে এবং করলার কেজি ৬০ থেকে ৭০ টাকা, চিচিঙ্গার কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, বরবটির কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া আগের মতো ঢ্যাঁড়স এবং পটল ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। পেঁপের কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা।

সবজির দামের বিষয়ে কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী সবুর সরদার বলেন, আমাদের হিসেবে সবজির দাম যে হারে বাড়ার কথা, সে হারে বাড়নি। কারণ এবার বৃষ্টিতে প্রচুর সবজি নষ্ট হয়ে গেছে। আবার করোনার কারণে সবজির সরবরাহ কম। সে হিসেবে সবজির দাম অনেক বেড়ে যাওয়ায় কথা, তবে বাড়েনি। ঈদের পর সবজির দাম বাড়বে বলে আমাদের ধারণা।


খিলগাঁওয়ের ব্যবসায়ী মো. আলম বলেন, আড়তে এখন সবজির দাম অনেক। বেশি দামে কিনে আনার কারণে আমরা বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি। শীতের সবজি বাজারে আসার আগে দাম কমার সম্ভাবনা নেই। বরং ঈদের পর সবজির দাম আরও বাড়তে পারে।

এদিকে তিন সপ্তাহ আগে বেড়ে যাওয়া আদা বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে। আমদানি করা আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ২০০ টাকা। আর দেশি আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৬০ টাকা। এর সঙ্গে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। দেশি পেঁয়াজের কেজি গত সপ্তাহের মতো ৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

মাছ বাজারে গিয়ে দেখা যায়, তেলাপিয়া মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা, রুই মাছ ২৩০ থেকে ২৮০ টাকা, মৃগেল ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, চিংড়ি ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, পাবদা ৪০০-৫০০ টাকা এবং রূপচাঁদা মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৮৫০ টাকা।

সপ্তাহের ব্যবধানে মাছের দামও প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে।

মাংসের বাজারে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, আগের মতো ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায়। লেয়ার মুরগি ২৩০-২৪০ টাকা আর সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৩০ টাকা।

মুরগির পাশাপাশি দাম অপরিবর্তিত রয়েছে গরু ও খাসির মাংসের। গরুর মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৮০ থেকে ৬০০ টাকা। আর খাসির মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা।

এর সঙ্গে সপ্তাহের ব্যবধানে দাম অপরিবর্তিত রয়েছে আলু এবং ডিমের। আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকা। আর ফার্মের মুরগির ডিম ডজন বিক্রি হচ্ছে ১০৫ থেকে ১১০ টাকায়।

রামপুরার বাজার থেকে সবজি ও মাছ কেনা রিয়াজুল বলেন, ‘বাজারে সবকিছুর দাম চড়া। আমাদের কিছু করার নেই। সবকিছু মুখ বন্ধ করে সহ্য করে নিতে হবে। এই করোনার মধ্যে সাধারণ মানুষ কী পরিমাণ কষ্টে আছে, বলে বোঝানো যাবে না।’

কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়ার দাম নির্ধারণ করল সরকার
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : এবারের কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়ার দাম নির্ধারণ করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) দুপুরে এক ভার্চুয়াল মিটিং শেষে এ দাম ঘোষণা করেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, ঢাকায় লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। গত বছর যা ছিল ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। একই চামড়া ঢাকার বাইরে প্রতি বর্গফুট ৩৩ থেকে ৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে; গত বছর যা ছিল ২৮ থেকে ৩২ টাকা। এছাড়া সারাদেশে খাসির চামড়া প্রতি বর্গফুট ১৫ থেকে ১৭ টাকা; গত বছর যা ছিল ১৩ থেকে ১৫ টাকা। পাশাপাশি প্রতি বর্গফুট বকরির চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ থেকে ১৪ টাকা, গত বছর যা ছিল ১০ থেকে ১২ টাকা। সবক্ষেত্রেই দাম বাড়ানো হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ‘গতবছর এক্সপোর্ট ট্রেডটা ভালোই হয়েছে। সবদিকে প্ল্যান করেই আগাতে হবে। সবার একটাই ইচ্ছা যেন চামড়ার ন্যায্য মূল্য পায়। আমরা ওয়েট-ব্লু চামড়া রফতানির অনুমতি দিয়েছি, এটি খুব একটা স্বস্তির নয়। যেহেতু দেশে দাম পাওয়া যাচ্ছে না তাই রফতানির অনুমতি দিয়েছি। এটা স্থায়ী হোক সেটা আমি চাই না। এবার সব পক্ষকে সঙ্গে নিয়ে চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।’

এ সময় ব্যবসায়ীরা কোরবানির পরপরই দ্রুত চামড়ায় লবণে দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করার তাগিদ দিলে কোরবানির ৬ ঘণ্টার মধ্যে চামড়ায় পর্যাপ্ত লবণ দেয়ার জন্য বলেন মন্ত্রী।

এর আগে সভায় বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ ২০১৭ সালে চামড়ার যে দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল সেটি পুনরায় করার প্রস্তাব দেন। পরে ব্যবসায়ীরা তার সেই প্রস্তাবে আপত্তি জানান। এরপর ব্যবসায়ীদের প্রস্তাবনা মেনে নিয়ে পশুর চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। পরে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকেও বাণিজ্যমন্ত্রীর প্রস্তাবিত চামড়ার দাম মেনে নেয়ার কথা জানানো হয়।

সভায় শিল্প সচিব জাকিয়া সুলতানা, বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) সভাপতি শাহীন আহমেদসহ ব্যবসায়ী নেতারা বক্তব্য দেন।

বৃহস্পতিবার থেকে চেক ক্লিয়ারিংয়ে নতুন সময়
                                  

আগামী ১৫ জুলাই থেকে কঠোর লকডাউন শিথিল করায় আন্তঃব্যাংক চেক নিষ্পত্তির নতুন সময়সূচি দিয়েছে বাংলাদশে ব্যাংক।

বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট থেকে নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। নির্দেশনাটি সব ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট পাঠানো হয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, করোনা পরিস্থিতিতে নিরবচ্ছিন্ন ব্যাংকিং ও পরিশোধ সেবা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে জরুরি আন্তঃব্যাংক লেনদেনের সুবিধার্থে বিধিনিষেধ চলাকালীন সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকে স্থাপিত রিয়েল টাইম গ্রস সেটেলমেন্ট বা আরটিজিএস, স্বয়ংক্রিয় চেক নিকাশ ঘর (বাংলাদেশ অটোমেটেড ক্লিয়ারিং হাউজ-বিএসিএইচ বা ব্যাচ) এবং বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক ফান্ডস্ ট্রান্সফার নেটওয়ার্ক (বিইএফটিএন)- এই তিন প্ল্যাটফর্মের কার্যক্রমও সীমিত পরিসরে চালু থাকবে।

এসব সেবার মাধ্যমে এক শাখা থেকে অন্য শাখায় বা অন্য ব্যাংকের গ্রাহককে অর্থ পরিশোধ ও স্বয়ংক্রিয় চেক নিষ্পত্তি করে থাকে।

বাংলাদেশ অটোমেটেড ক্লিয়ারিং হাউজ-বিএসিএইচ’র মাধ্যমে হাই ভ্যালু চেক (৫ লাখ টাকার বেশি) এবং রেগুলার ভ্যালু চেকের (৫ লাখ টাকার কম) নিকাশ ব্যবস্থার নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ১৫, ১৮ ও ১৯ জুলাই এই তিন দিন চেক ক্লিয়ারিংয়ের সময়।

পাঁচ লাখ টাকার বেশি অংকের চেক ক্লিয়ারিংয়ের জন্য বেলা ১২ টার মধ্যে পাঠাতে হবে। এসব চেক বিকাল ৩ টার মধ্যে নিষ্পত্তি হবে। আর যেকোনো রেগুলার চেক বেলা সাড়ে ১২টার মধ্যে ক্লিয়ারিং হাউজে পাঠাতে হবে। এসব চেক বিকাল ৫ টার মধ্যে নিষ্পত্তি হবে।

রিয়েল টাইম গ্রস সেটেলমেন্ট-আরটিজিএস এর লেনদেন হবে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। তবে কাস্টমস শুল্ক সংক্রান্ত করাদি, ফি, চার্জ প্রভৃতি পরিশোধ ও আন্তঃব্যাংক লেনদেন আরটিজিএস-এর মাধ্যমে বিকাল ৫টা পর্যন্ত পরিশোধ করা যাবে।

১৭ ও ২০ জুলাই চেক ক্লিয়ারিংয়ের সময়:

পাঁচ লাখ টাকার বেশি অংকের চেক ক্লিয়ারিংয়ের জন্য সকাল সাড়ে ১১টার মধ্যে পাঠাতে হবে। এসব চেক দুপুর ১ টার মধ্যে নিষ্পত্তি হবে। আর যেকোনো রেগুলার চেক বেলা ১২টার মধ্যে ক্লিয়ারিং হাউজে পাঠাতে হবে। এসব চেক বেলা আড়াইটার মধ্যে নিষ্পত্তি হবে।

রিয়েল টাইম গ্রস সেটেলমেন্ট-আরটিজিএস এর লেনদেন হবে সকাল ১০টা থেকে বেলা ২ টা পর্যন্ত। তবে কাস্টমস শুল্ক সংক্রান্ত করাদি, ফি, চার্জ প্রভৃতি পরিশোধ ও আন্তঃব্যাংক লেনদেন আরটিজিএস-এর মাধ্যমে বিকাল ৩টা পর্যন্ত পরিশোধ করা যাবে।

বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক ফান্ডস্ ট্রান্সফার নেটওয়ার্ক (বিইএফটিএন) সেবা বিদ্যমান নিয়মে চলবে বলে নির্দেশনায় বলা হয়েছে।

ঈদের পর লকডাউন চলাকালীন চেক ক্লিয়ারিংয়ের সময় (২৫ জুলাইয়ের পর থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত)। পাঁচ লাখ টাকার বেশি অংকের চেক ক্লিয়ারিংয়ের জন্য সকাল সাড়ে ১১টার মধ্যে পাঠাতে হবে। এসব চেক দুপুর ১টার মধ্যে নিষ্পত্তি হবে। আর যেকোনো রেগুলার চেক বেলা ১২টার মধ্যে ক্লিয়ারিং হাউজে পাঠাতে হবে। এসব চেক বেলা আড়াইটার মধ্যে নিষ্পত্তি হবে।

রিয়েল টাইম গ্রস সেটেলমেন্ট-আরটিজিএস এর লেনদেন হবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত। তবে কাস্টমস শুল্ক সংক্রান্ত করাদি, ফি, চার্জ প্রভৃতি পরিশোধ ও আন্তঃব্যাংক লেনদেন আরটিজিএস-এর মাধ্যমে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত পরিশোধ করা যাবে।

ঈদে ৩০ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট
                                  

অনলাইন ডেস্ক : পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট বাজারে ছাড়ার প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্র এসব তথ্য জানিয়েছে।২, ৫, ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার সব নোটই ছাপানো আছে।মূলত ঈদে কেনাকাটায় গ্রাহকদের বাড়তি চাহিদার কথা মাথায় রেখে এসব নোট বাজারে ছাড়া হবে। এসময় বাড়বে নগদ টাকার লেনদেন। বিষয়টি মাথায় রে‌খে নতুন নোট ছাড়া হচ্ছে।

কোরবা‌নি‌তে পশু কেনাবেচায় বড় অংকের লেনদেন বে‌শি হয়। তাই এবার ১০০, ২০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বে‌শি ছাড়া হচ্ছে। পাশাপাশি আগের মতোই সমপরিমাণ পুরাতন নোট বাজার থেকে অপসারণ করা হবে। ৩০ হাজার কোটি টাকার বেশি নতুন নোট সরবরাহ করতে প্রস্তুতি রয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের। চাহিদা অনুযায়ী নতুন নোট সরবারহ সম্ভব বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও ভারপ্রাপ্ত মুখপাত্র একেএম মহিউদ্দিন আজাদ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, প্রতি বছরই চাহিদা-সরবরাহ নীতি অনুসরণ করে সারা বছর বাজারে নতুন নোট সরবরাহ করা হয়ে থাকে।

ঈদের আগে-পরে ব্যাংক লেনদেনের নতুন সূচি
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে চলমান কঠোর বিধি-নিষেধ শিথিল করেছে সরকার। মূলত ঈদুল আজহার আগে কোরবানির পশু কেনা-বেচা ও গ্রামে যাতায়াতের সুবিধার্থে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ সময়ের জন্য ব্যাংক লেনদেনের সময়ও পরিবর্তন আনা হয়েছে।

ঈদের আগের তিনদিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) , রোববার (১৮ জুলাই) ও সোমবার (১৯ জুলাই) ব্যাংক লেনদেন হবে ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। ব্যাংকের আনুষঙ্গিক কাজ চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।

এছাড়া শনিবার (১৭ জুলাই) ও মঙ্গলবার (২০ জুলাই) শিল্প এলাকায় সীমিত আকারে ব্যাংক লেনদেন হবে। এ দুদিন শিল্প এলাকায় লেনদেন হবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত। ব্যাংকের আনুষঙ্গিক কাজ চলবে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত।

এছাড়া ঈদের পর ২৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত সময় ব্যাংক লেনদেন হবে সীমিত পরিসরে। ২৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত সাপ্তাহিক ছুটির দিন ছাড়া ব্যাংক লেনদেন হবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত। এ সময়ে ব্যাংকের অন্যান্য কাজ চলবে বিকেল ৩টা পর্যন্ত।

মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব সাইট সুপারভিশন-ডিওএস থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়, এ সময়ে মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে পরিপালন-পূর্বক সীমিত সংখ্যক লোকবলের মাধ্যমে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের অত্যাবশ্যকীয় বিভাগসমূহসহ ব্যাংক স্বীয় বিবেচনায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক শাখা খোলা রাখতে পারবে।

বিধি-নিষেধ চলাকালে যেসব ব্যাংকিংসেবা চালু থাকবে

গ্রাহকদের হিসাবে নগদ/চেকের মাধ্যমে অর্থ জমা ও উত্তোলন, ডিমান্ড ড্রাফট/পে-অর্ডার ইস্যু ও জমা গ্রহণ, বৈদেশিক রেমিট্যান্সের অর্থ পরিশোধ, সরকারের বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমের আওতায় প্রদত্ত ভাতা/অনুদান বিতরণ, একই ব্যাংকের খোলা রাখা বিভিন্ন শাখা ও একই শাখার বিভিন্ন হিসাবের মধ্যে অর্থ স্থানান্তর, ট্রেজারি চালান গ্রহণ, অনলাইন সুবিধা সম্বলিত ব্যাংকের সব গ্রাহকের এবং ওই সুবিধাবহির্ভূত ব্যাংক খোলা রাখা শাখার গ্রাহকদের বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক চালু রাখা বিভিন্ন পেমেন্ট সিস্টেমস/ক্লিয়ারিং ব্যবস্থার আওতাধীন অন্যান্য লেনদেন সুবিধা প্রদান এবং জরুরি বৈদেশিক লেনদেন সংক্রান্ত কার্যাবলি।

কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংসেবা সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হবে। এটিএম বুথগুলোতে পর্যাপ্ত নোট সরবরাহসহ সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হবে।

সমুদ্র/স্থল/বিমানবন্দর এলাকায় (পোর্ট ও কাস্টমস এলাকা) অবস্থিত ব্যাংকের শাখা/উপ-শাখা/বুথসমূহ সার্বক্ষণিক খোলা রাখার বিষয়ে ৫ আগস্ট ২০১৯ এ জারিকৃত ডিওএস সার্কুলার লেটার নং-২৪ অনুসারে স্থানীয় প্রশাসনসহ বন্দর/কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে পরিপালন নিশ্চিত-পূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

বিধিনিষেধ চলাকালে যেসব শাখা বন্ধ থাকবে সেসব শাখার গ্রাহক সেবা কার্যক্রম খোলা রাখা শাখার মাধ্যমে সম্পাদনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। বন্ধ শাখার গ্রাহকদের গ্রাহক সেবাপ্রাপ্তি বিষয়ে অবহিত করতে ওই শাখার দৃশ্যমান স্থানে তা বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রদর্শন নিশ্চিত করতে হবে।

বিধিনিষেধ চলাকালে ব্যাংকের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের স্ব স্ব অফিসে যাতায়াতের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ব্যাংক কর্মকর্তা/কর্মচারীকে চলাচলের সময় স্ব স্ব প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত পরিচয়পত্র বহন করতে হবে। ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হলো।

খুলছে শপিংমল দোকানপাট
                                  

অনলাইন ডেস্ক : চলমান কঠোর লকডাউন শিথিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ফলে ১৫ থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত খোলা থাকবে শপিংমল ও দোকানপাট। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবে গণপরিবহণ।


লকডাউন শিথিল করে শিগগিরই প্রজ্ঞাপন জারি করবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

কুরবানি ঈদের মানুষের চলাচল ও পশুরহাটে কেনাবেচার বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তবে বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। আর সরকারি অফিসের কার্যক্রম ভার্চুয়ালি চলবে।

করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় গত ১ জুলাই থেকে এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউন আরোপ করে সরকার। পরে সময়সীমা বাড়িয়ে ১৪ জুলাই পর্যন্ত করা হয়।

রেকর্ড ২০ হাজার কোটি কালো টাকা সাদা হয়েছে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছর রেকর্ড ২০ হাজার ৬০০ কোটি কালো টাকা সাদা হয়েছে। ১১ হাজার ৮৫৯ জন করদাতা কালো টাকা বৈধ করেছেন। রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, দেশ স্বাধীনের পর কালো টাকা সাদা করা অতীতের সব রেকর্ড অতিক্রম করেছে।

বুধবার (৭ জুলাই) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) জনসংযোগ দফতর হতে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

কালো টাকা সাদা করার তালিকায় আছেন চিকিৎসক, সরকারি চাকরিজীবী, তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক, ব্যাংকের উদ্যোক্তা মালিক ও স্বর্ণ ব্যবসায়ীসহ আরও অনেকে।

এর মধ্যে নগদ টাকা সাদা হয়েছে প্রায় ১৭ হাজার কোটি। ব্যাংক বা নগদে রাখা এই বিপুল পরিমাণ টাকা সাদা করেছেন প্রায় সাত হাজার করদাতা। বাকি টাকা জমি-ফ্ল্যাট ও শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাময়িক হিসাবে এই তথ্য জানা গেছে। শিগগিরই চূড়ান্ত হিসাব পাওয়া যাবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কালো টাকা সাদার করার গড় ট্যাক্স ১০ শতাংশ হিসাবে মোট ২ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব সংগ্রহ করেছে।

অন্যদিকে, ২০০৭ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পর বর্তমান সরকারের তিন মেয়াদে একাধিকবার কালোটাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়া হলেও তা তেমন একটা কাজে লাগেনি। ওই তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে ৩২ হাজার ৫৫৮ জন করদাতা কালোটাকা সাদা করার সুযোগ নিয়েছিলেন। তখন অবশ্য সাড়ে তিন হাজারের বেশি কালোটাকা সাদা হয়েছিল।

বিদায়ী অর্থবছরের মতো এত ঢালাওভাবে কালোটাকা সাদা করার সুযোগ খুব একটা দেওয়া হয়নি। মাত্র ১০ শতাংশ কর দিয়ে শেয়ারবাজার, নগদ টাকা, ব্যাংকে রাখা টাকা, সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করা টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়া হয়। এ ছাড়া এলাকা ও আয়তনভেদে নির্ধারিত কর দিয়ে জমি-ফ্ল্যাটেও টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়া হয়।

জুন মাসেই ১ হাজার ৪৫৫ জন ৬১৯ কোটি টাকা সাদা করা হয়েছে।

ব্যাংক লেনদেনের সময় বাড়ল এক ঘণ্টা
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : সরকারের দেয়া কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে সাপ্তাহিক ছুটি শুক্রবার ও শনিবারের সঙ্গে রোববারও বন্ধ থাকছে ব্যাংক লেনদেন। আগামী এক সপ্তাহের জন্য ব্যাংক লেনদেনের সময়েও পরিবর্তন আনা হয়েছে। আগামীকাল বুধবার (৭ জুলাই) থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত এক ঘণ্টা বৃদ্ধি করে ব্যাংক লেনদেন চলবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত।

এছাড়া ব্যাংকের আনুষঙ্গিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। আজ পর্যন্ত ব্যাংকগুলোর লেনদেন চলছে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত।

বুধবার (৬ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফ সাইট সুপারভিশন-ডিওএস থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে।

দেশের সকল তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী বরাবর পাঠানো নির্দেশনায় বলা হয়, ‘ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অত্যাশকীয় বিভাগসমূহ, যথাসম্ভব সীমিত লোকবলের মাধ্যমে খোলা রাখতে হবে। ব্যাংকের প্রিন্সিপ্যাল বা প্রধান শাখা এবং সকল বৈদেশিক বাণিজ্য শাখা (এডি শাখা) সীমিত সংখ্যক অত্যাবশ্যকীয় লোকবলের মাধ্যমে খোলা রাখতে হবে।

‘রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকসমূহের ক্ষেত্রে ব্যাংক ব্যবস্থাপনা বিবেচনায় প্রতিটি জেলা সদর ও উপজেলায় একটি করে শাখা খোলা রাখা যাবে। আর অন্যান্য সকল ব্যাংকের ক্ষেত্রে জেলা সদরে একটি শাখা খোলা রাখতে হবে এবং জেলা সদরের বাইরে ব্যাংক ব্যবস্থাপনায় অনধিক দুটি শাখা খোলা রাখা যাবে। কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হবে। এটিএম বুথে সার্বক্ষণিক পর্যাপ্ত নোট সরবরাহসহ সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হবে।’

নির্দেশনায় আরও উল্লেখ করা হয়, ‘বিধিনিষেধ চলাকালে নিম্নোক্ত ব্যাংকিং সেবা চালু রাখতে হবে- গ্রাহকদের হিসাবে নগদ বা চেকের মাধ্যমে অর্থ জমা ও উত্তোলন, ডিমান্ড ড্রাফট বা পে-অর্ডার ইস্যু ও জমা গ্রহণ, বৈদেশিক রেমিট্যান্সের অর্থ পরিশোধ, সরকারের বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমের আওতায় প্রদত্ত ভাতা বা অনুদান বিতরণ, একই ব্যাংকের খোলা রাখা বিভিন্ন শাখা ও একই শাখার বিভিন্ন হিসাবের মধ্যে অর্থ স্থানান্তর, ট্রেজারি চালান গ্রহণ, অনলাইন সুবিধা সম্বলিত ব্যাংকের সকল গ্রাহকের এবং উক্ত সুবিধা-বহির্ভূত ব্যাংকের খোলা রাখা শাখার গ্রাহকদেরকে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক চালু রাখা বিভিন্ন পেমেন্ট সিস্টেমস বা ক্লিয়ারিং ব্যবস্থার আওতাধীন অন্যান্য লেনদেন সুবিধা প্রদান এবং জরুরি বৈদেশিক লেনদেন সংক্রান্ত কার্যাবলী।’

‘সমুদ্র/স্থল/বিমানবন্দর এলাকায় (পোর্ট ও কাস্টমস এলাকা) অবস্থিত ব্যাংকের শাখা বা উপশাখা বা বুথসমূহ সার্বক্ষণিক খোলা রাখার বিষয়ে ৫ আগস্ট ২০১৯-এ জারিকৃত ডিওএস সার্কুলার লেটার নং-২৪ অনুসারে স্থানীয় প্রশাসনসহ বন্দর বা কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনাক্রমে স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিতপূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।’

‘বিধিনিষেধ চলাকালে যেসব শাখা বন্ধ থাকবে সেসব শাখার গ্রাহকসেবা কার্যক্রম খোলা রাখার জন্য শাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। বন্ধকৃত শাখার গ্রাহক সেবাপ্রাপ্তির বিষয়ে অবহিত করতে উক্ত শাখার দৃশ্যমান স্থানে তা বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রদর্শন নিশ্চিত করতে হবে।’

‘সকল খোলা রাখা শাখার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি পরিপালনপূর্বক সীমিত সংখ্যক লোকবলের মাধ্যমে ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করতে হবে। বিধিনিষেধ চলাকালে ব্যাংকের কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের স্ব স্ব অফিসে আনা-নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ব্যাংক কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের চলাচলের সময় স্ব স্ব প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত পরিচয়পত্র বহন করতে হবে।’

১৬ জুন ২০২১ তারিখে জারিকৃত ডিওএস সার্কুলার লেটার নং-২৫ এর কার্যকারিতা রহিত করা হয়েছে। ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

প্রবাসী আয়ে রেকর্ড
                                  

মিয়া আবদুল হান্নান : করোনার মধ্যেও প্রবাসী আয়ে রেকর্ড হয়েছে সদ্য শেষ হওয়া অর্থবছরে। ২০২০-২১ অর্থবছর শেষে ২ হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। যা টাকার হিসাবে দুই লাখ ১০ হাজার ৬১০ কোটি টাকার বেশি।

সোমবার (৫ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের পরিমাণ (২৯ জনু পর্যন্ত) ৪৬ দশমিক শূন্য ৮ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় চার হাজার ৬০৮ কোটি ডলার। যা টাকার হিসাবে তিন লাখ ৯১ হাজার ৬৯৭ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন মতে, বিদায়ী ২০২০-২০২১ অর্থবছরের শেষ মাস জুনে প্রবাসীরা ১৯৪ কোটি ডলার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন। যা পুরো অর্থবছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেশে আসা রেমিট্যান্স। আর পুরো গত অর্থবছরের রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়ায় ২ হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ ডলারে বা ২ লাখ ১০ হাজার ৬১০ কোটি টাকা। অর্থবছরের হিসাবে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে বিদায়ী অর্থবছরে।

২০১৯-২০ অর্থবছরে এক হাজার ৮২০ কোটি ডলার বা ১৮ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। অর্থবছর হিসাবে ওই অংক ছিল এর আগে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আহরণ। তার আগে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স আহরণের রেকর্ড হয়। ওই সময় এক হাজার ৬৪২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স দেশে আসে।

এদিকে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের ওপর ভর করে করোনার মধ্যে বাংলাদেশের বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন ৪৬ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। গত মঙ্গলবার (২৯ জুন) দিনশেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৬ দশমিক শূন্য ৮২ বিলিয়ন ডলার, যা অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। প্রতি মাসে চার বিলিয়ন ডলার হিসাবে দেশের এ রিজার্ভ দিয়ে ১১ মাসের বেশি সময়ের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।

চারদিন পর খুললেও ব্যাংকে গ্রাহক নেই
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে সরকারের দেয়া কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে পরিবর্তন এসেছে ব্যাংক ও আর্থিকখাতের লেনদেনে। সাপ্তাহিক ছুটি শুক্রবার, শনিবার ছাড়া রোববারও বন্ধ ছিল ব্যাংক। আর বৃহস্পতিবার ছিল ব্যাংক হলিডে। সে হিসাবে টানা চারদিন পর ব্যাংক খোলা হলেও গ্রাহক নেই ব্যাংকে। ব্যাংকগুলোর প্রায় প্রতিটি কাউন্টারই ছিল ফাঁকা।

তবে মতিঝিল ব্যাংকপাড়ায় কিছুটা উপস্থিতি রয়েছে গ্রাহকের। ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সর্বাত্মক বিধিনিষেধের আগেই অধিকাংশ গ্রাহক লেনদেন সম্পন্ন করেছেন। আবার গণপরিবহন বন্ধ ও জনসাধারণ চলাচলে কড়াকড়ি থাকায় অনেকে আসছেন না। তবে আগামী সপ্তাহ থেকে লেনদেন পুরোদমে জমে উঠবে বলে আশা তাদের।

এদিকে সোমবার (৫ জুলাই) থেকে ব্যাংকে লেনদেনের সময়ে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর আগে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত লেনদেন চললেও আজ থেকে ব্যাংকগুলো সকাল ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। আর আনুষঙ্গিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সাড়ে ৩টা পর্যন্ত খোলা থাকবে ব্যাংক।

আজ রাজধানীর বিভিন্ন বেসরকারি ও সরকারি ব্যাংক ঘুরে দেখা গেছে, এদিন সকাল থেকে ব্যাংকের শাখা খোলা হলেও ব্যাংকে গ্রাহকের উপস্থিতি তেমন নেই। যারা ব্যাংকমুখী হচ্ছেন তাদের একটা বড় অংশ বিভিন্ন বিল জমা দিতে এসেছেন। একই চিত্র দেখা গেছে অন্যান্য শাখায়। অন্যদিকে মতিঝিলে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকে গ্রাহকের উপস্থিতি থাকলেও তা অন্যদিনের তুলনায় কম।

ব্যাংকটির কর্মকর্তারা বলছেন, আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে আজ গ্রাহকের উপস্থিতি তুলনামূলক কম ছিল। বেতন-বোনাসসহ অন্যসেবা দেয়ার জন্য অনেক বড় বড় গ্রাহক এসেছেন তবে ছোট ও মধ্যম শ্রেণীর গ্রাহকের সংখ্যা খুব বেশি নেই।

বেসরকারি এক্সিম ব্যাংকের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘চারদিন পর আজ ব্যাংক খোলা। আগেই গ্রাহকেরা চাহিদামতো লেনদেন করেছেন, তাই কম আসছেন আজ। তবে ঈদকে সামনে রেখে আগামী সপ্তাহে লেনদেন স্বাভাবিক হবে আশা করি।’

এর আগে গত ২৬ জুন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফ সাইট সুপারভিশন থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, ‘ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অত্যাবশ্যকীয় বিভাগসমূহ, যথাসম্ভব সীমিত লোকবলের মাধ্যমে খোলা রাখতে হবে। ব্যাংকের প্রিন্সিপ্যাল বা প্রধান শাখা এবং সকল বৈদেশিক বাণিজ্য শাখা (এডি শাখা) সীমিত সংখ্যক অত্যাবশ্যকীয় লোকবলের মাধ্যমে খোলা রাখতে হবে।’

এতে আরও বলা হয়েছে, রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকসমূহের ক্ষেত্রে ব্যাংক ব্যবস্থাপনা বিবেচনায় প্রতিটি জেলা সদর ও উপজেলায় ১টি করে শাখা খোলা রাখা যাবে। আর অন্যান্য সকল ব্যাংকের ক্ষেত্রে জেলা সদরে ১টি শাখা খোলা রাখতে হবে এবং জেলা সদরের বাইরে ব্যাংক ব্যবস্থপনায় অনধিক ২টি শাখা খোলা রাখা যাবে। কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংসেবা সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হবে। এটিএম বুথে সার্বক্ষণিক পর্যাপ্ত নোট সরবরাহসহ সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হবে।’

আজ খুলেছে ব্যাংক, বীমা ও শেয়ারবাজার
                                  

অনলাইন ডেস্ক : টানা চারদিন বন্ধ থাকার পর আজ সোমবার (৫ জুন) থেকে আবারও খুলছে ব্যাংক, বীমা ও শেয়ারবাজার। তবে সরকারঘোষিত বিধিনিষেধের কারণে ব্যাংক, বীমা ও শেয়ারবাজারের লেনদেন হবে সীমিত পরিসরে।

করোনার সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় গত বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে সাতদিনের কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার। এই বিধিনিষেধের মধ্যে প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের না হওয়ার নির্দেশ দিয়ে গত বুধবার (৩০ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। তবে ব্যাংক খোলা রাখার সিদ্ধান্ত দেয়া হয়।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবারের সঙ্গে রোববার ব্যাংকের লেনদেন বন্ধ রেখে সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চার দিন ব্যাংক খোলার নির্দেশনা দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। আর ব্যাংকের লেনদেনের সময়সীমা কমিয়ে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত করা হয়। যদিও ব্যাংক হলিডের কারণে গত বৃহস্পতিবার ব্যাংকের লেনদেন বন্ধ ছিল। এতে টানা চারদিন বন্ধ থাকে ব্যাংক।

গত ৩০ জুন বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ব্যাংক খোলার নির্দেশনা দেয়ার পরপরই পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) শেয়ারবাজারে লেনদেন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত জানায়।

উল্লেখ্য, দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত থাকায় সারাদেশে চলমান সপ্তাহব্যাপী কঠোর লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়ানো দরকার বলে রোববার (৪ জুলাই) অভিমত দিয়েছেন কোভিড-১৯ জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ।

ব্যাংকে লেনদেন নিয়ে প্রজ্ঞাপনে যা বলা হলো
                                  

অনলাইন ডেস্ক : কোভিড-১৯ সংক্রমণ রোধে সারা দেশে সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। সাত দিনের এই লকডাউন শুরু হবে বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা থেকে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে— এ সময়ের মধ্যে ব্যাংকিংসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

বুধবার জারি করা প্রজ্ঞাপনে সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

কঠোর এ বিধিনিষেধ বাস্তবায়ন করতে পুলিশ-বিজিবির সঙ্গে মাঠে থাকবে সেনাবাহিনীও।

এ সময়ে জরুরি পরিষেবা প্রদানকারী কর্মরত ছাড়া এবং জরুরি কারণ ছাড়া ঘরের বাইরে কেউ বের হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ছাড়া মাস্ক পরিধানসহ সব স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য প্রজ্ঞাপনে সবাইকে অনুরোধ জানানো হয়।


   Page 1 of 33
     অর্থ-বাণিজ্য
খুলছে ব্যাংক, লেনদেন দুপুর দেড়টা পর্যন্ত
.............................................................................................
পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু রোববার
.............................................................................................
ঈদের আগে রেমিট্যান্স এল ১০ হাজার ৭০০ কোটি টাকা
.............................................................................................
ইভ্যালি-আলিশা মার্টের সঙ্গে লেনদেন বন্ধ করলো বিকাশ
.............................................................................................
চড়া সবজি-মাছের দাম
.............................................................................................
কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়ার দাম নির্ধারণ করল সরকার
.............................................................................................
বৃহস্পতিবার থেকে চেক ক্লিয়ারিংয়ে নতুন সময়
.............................................................................................
ঈদে ৩০ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট
.............................................................................................
ঈদের আগে-পরে ব্যাংক লেনদেনের নতুন সূচি
.............................................................................................
খুলছে শপিংমল দোকানপাট
.............................................................................................
রেকর্ড ২০ হাজার কোটি কালো টাকা সাদা হয়েছে
.............................................................................................
ব্যাংক লেনদেনের সময় বাড়ল এক ঘণ্টা
.............................................................................................
প্রবাসী আয়ে রেকর্ড
.............................................................................................
চারদিন পর খুললেও ব্যাংকে গ্রাহক নেই
.............................................................................................
আজ খুলেছে ব্যাংক, বীমা ও শেয়ারবাজার
.............................................................................................
ব্যাংকে লেনদেন নিয়ে প্রজ্ঞাপনে যা বলা হলো
.............................................................................................
এবারে রিজার্ভ ছাড়ালো ৪৬ বিলিয়ন ডলার
.............................................................................................
আর্থিক প্রতিষ্ঠান খোলা ৩০ জুন পর্যন্ত
.............................................................................................
আদার দাম বাড়তি, অপরিবর্তিত সবজি-মাংস-ডিম
.............................................................................................
ঘুরে দাঁড়িয়েছে পুঁজিবাজার
.............................................................................................
লকডাউনে চালু থাকবে পোশাক কারখানা
.............................................................................................
স্বর্ণের দাম ভরিতে কমল ১৫১৬ টাকা
.............................................................................................
দেশের বাজারে কমছে স্বর্ণের দাম
.............................................................................................
বাজারে আমের বেচাকেনা কম, অনলাইনে চাঙ্গা
.............................................................................................
ব্রয়লার মুরগি-আলুর দাম বেড়েছে
.............................................................................................
৯৩ কোটি টাকা সহায়তা পেলেন ৭ হাজার গার্মেন্টস শ্রমিক
.............................................................................................
ব্যাংক লেনদেন বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত
.............................................................................................
৬ বছরে পুঁজিবাজার থেকে ৪৮৩১ কোটি টাকার মূলধন সংগ্রহ
.............................................................................................
অস্বস্তি বেড়েছে ডিম ‍ও সবজিতে
.............................................................................................
বিশ্ববাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম, বাংলাদেশে কবে?
.............................................................................................
দাম কমেছে পেঁয়াজের, সবজি আগের মতোই চড়া
.............................................................................................
২ মাস পর বেনাপোল দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি শুরু
.............................................................................................
সোনায় ভ্যাট কমানোর আবেদন বাজুসের
.............................................................................................
রোববার থেকে সারা দেশে মিলবে টিসিবির পণ্য
.............................................................................................
৩২ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ দামে তেল
.............................................................................................
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে অস্থিরতা
.............................................................................................
তেল, পেঁয়াজসহ ৭ পণ্যে অস্বস্তি
.............................................................................................
মোবাইল ব্যাংকিংয়ে খরচ বাড়ছে
.............................................................................................
দাম কমবে যেসব পণ্যের
.............................................................................................
দাম বাড়বে যেসব পণ্যের
.............................................................................................
`আত্মনির্ভরশীলতা`র বাজেটে ৯ অগ্রাধিকার
.............................................................................................
কঙ্গোতে বন্দুকধারীদের হামলায় ৫০ জনের প্রাণহানি
.............................................................................................
করোনাকালে ঘুরে দাঁড়াতে সহায়ক বাজেট চান ব্যবসায়ীরা
.............................................................................................
ভরা মৌসুমেও আম-লিচুর বাজার চড়া
.............................................................................................
আবার ১৯শ ডলারে উঠল স্বর্ণের আউন্স
.............................................................................................
পুঁজিবাজারের জন্য বাজেটে সুখবর আসছে
.............................................................................................
ফের বাড়ছে সোনার দাম
.............................................................................................
কমেছে মাংসের দাম
.............................................................................................
শুল্ক-কর থাকছে না ৪৬ ধরনের পণ্য আমদানিতে
.............................................................................................
ব্যাংক-ডাকঘর থেকে সঞ্চয়পত্র কেনা যাবে না
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop