| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * খিলক্ষেতে ক্রেনের ধাক্কায় শ্রমিক নিহত   * চালের বাজারে কিছুটা স্বস্তি, বেড়েছে মাছ-মুরগি-চিনির দাম   * বিশ্বে করোনায় মৃতের সংখ্যা সরকারি হিসাবের দ্বিগুণ: আইএইচএমই   * দৌলতদিয়ায় ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড়   * স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই গণপরিবহনে, চলছে আন্তঃজেলা বাসও   * উন্নত দেশগুলোর চেয়ে একাই বেশি গ্রিনহাউস গ্যাস ছড়ায় চীন   * জার্মানিতে একদিনে ১০ লাখ মানুষের টিকা গ্রহণ   * করোনা থেকে মুক্তি পেতে জুমাতুল বিদায় বিশেষ দোয়া   * মাস্ক পরা নিয়ে সরকারের ৮ নির্দেশনা   * বাংলাদেশ ১০ হাজার রেমডেসিভির দিল ভারতকে  

   অর্থ-বাণিজ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
চালের বাজারে কিছুটা স্বস্তি, বেড়েছে মাছ-মুরগি-চিনির দাম

অনলাইন ডেস্ক : দীর্ঘ সাত মাস পর চাল ব্যবসায়ীরা ক্রেতাদের দিচ্ছেন স্বস্তির বার্তা। বোরো মৌসুমের ফলন ভালো হওয়ায় কমতে শুরু করেছে চালের দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে মিনিকেট, বিআর-২৮ ও স্বর্ণা জাতের চালের দাম কমেছে কেজি প্রতি ৪-৫ টাকা।

এদিকে ঈদকে সামনে রেখে বাড়েনি মসলার দাম দাবি ব্যবসায়ীদের। তবে বেড়েছে ইলিশ, মুরগি, চিনি, সয়াবিন তেলের দাম। কেজিতে পাঁচ টাকা বেড়ে খোলা চিনি ৭০ টাকা আর প্যাকেটের চিনি ৭৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১০-১৫ টাকা বেড়েছে।

শুক্রবার (৭ মে) ছুটির দিন রাজধানীর কারওরান বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

মধ্যবিত্তের সাধ্যের বাইরে পদ্মার ইলিশ। সপ্তাহের ব্যবধানে আরো বেড়েছে দুইশ থেকে আড়াইশ টাকা। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে অনেকটাই স্থিতিশীল রয়েছে সবজির দাম। গত সপ্তাহের তুলনায় বেশিরভাগ সবজির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

মিনিকেট চাল ৬০-৬২ টাকা থেকে কমে এখন ৫৬-৫৭ টাকা বিআর-২৮ ৫০-৫২ টাকা থেকে ৪৪-৪৫ টাকা ও স্বর্ণা ৪৬-৪৭ টাকা থেকে কমে এখন ৪২-৪৩ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর মসলার বাজার রয়েছে অপরিবর্তিত।

তবে ব্রয়লার মুরগি সপ্তাহের ব্যবধানে ১৪০ টাকা কেজি থেকে বেড়ে ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগির পাশাপাশি দাম বেড়েছে লাল লেয়ার মুরগির। গত সপ্তাহে ২০০ থেকে ২২০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া লেয়ার মুরগির দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২৩০ থেকে ২৩৫ টাকা।

মুরগির দামের বিষয়ে কারওরান বাজারের মুরগি ব্যবসায়ী মুনির বলেন, ঈদের আগে মুরগির বেশি করে কিনে রাখে মানুষ। চাহিদা বাড়ায় মুরগির দাম কিছুটা বেড়েছে।

ইলিশ মাছ ব্যবসায়ী মাসুদ বলেন, সরবরাহ কম থাকায় ইলিশের দাম বেড়েছে। তবে দাম বাড়লেও মানুষ কিনছেন। চাহিদা ভালোই রয়েছে।

ইলিশ মাছ কিনতে এসে চোখ কপালে উঠেছে ক্রেতা আব্দুর রহিমের কিছুটা ক্ষোভ নিয়ে বললেন, রোজা আর ঈদ আসলেই এদের পণ্যের দাম বাড়াতে হয়।পরিবহণ তো চলছে তাহলে সরবরাহ কম কেন হবে। এসব অজুহাত ছাড়া আর কিছুই নয়।

চালের বাজারে কিছুটা স্বস্তি, বেড়েছে মাছ-মুরগি-চিনির দাম
                                  

অনলাইন ডেস্ক : দীর্ঘ সাত মাস পর চাল ব্যবসায়ীরা ক্রেতাদের দিচ্ছেন স্বস্তির বার্তা। বোরো মৌসুমের ফলন ভালো হওয়ায় কমতে শুরু করেছে চালের দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে মিনিকেট, বিআর-২৮ ও স্বর্ণা জাতের চালের দাম কমেছে কেজি প্রতি ৪-৫ টাকা।

এদিকে ঈদকে সামনে রেখে বাড়েনি মসলার দাম দাবি ব্যবসায়ীদের। তবে বেড়েছে ইলিশ, মুরগি, চিনি, সয়াবিন তেলের দাম। কেজিতে পাঁচ টাকা বেড়ে খোলা চিনি ৭০ টাকা আর প্যাকেটের চিনি ৭৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১০-১৫ টাকা বেড়েছে।

শুক্রবার (৭ মে) ছুটির দিন রাজধানীর কারওরান বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

মধ্যবিত্তের সাধ্যের বাইরে পদ্মার ইলিশ। সপ্তাহের ব্যবধানে আরো বেড়েছে দুইশ থেকে আড়াইশ টাকা। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে অনেকটাই স্থিতিশীল রয়েছে সবজির দাম। গত সপ্তাহের তুলনায় বেশিরভাগ সবজির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

মিনিকেট চাল ৬০-৬২ টাকা থেকে কমে এখন ৫৬-৫৭ টাকা বিআর-২৮ ৫০-৫২ টাকা থেকে ৪৪-৪৫ টাকা ও স্বর্ণা ৪৬-৪৭ টাকা থেকে কমে এখন ৪২-৪৩ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর মসলার বাজার রয়েছে অপরিবর্তিত।

তবে ব্রয়লার মুরগি সপ্তাহের ব্যবধানে ১৪০ টাকা কেজি থেকে বেড়ে ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগির পাশাপাশি দাম বেড়েছে লাল লেয়ার মুরগির। গত সপ্তাহে ২০০ থেকে ২২০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া লেয়ার মুরগির দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২৩০ থেকে ২৩৫ টাকা।

মুরগির দামের বিষয়ে কারওরান বাজারের মুরগি ব্যবসায়ী মুনির বলেন, ঈদের আগে মুরগির বেশি করে কিনে রাখে মানুষ। চাহিদা বাড়ায় মুরগির দাম কিছুটা বেড়েছে।

ইলিশ মাছ ব্যবসায়ী মাসুদ বলেন, সরবরাহ কম থাকায় ইলিশের দাম বেড়েছে। তবে দাম বাড়লেও মানুষ কিনছেন। চাহিদা ভালোই রয়েছে।

ইলিশ মাছ কিনতে এসে চোখ কপালে উঠেছে ক্রেতা আব্দুর রহিমের কিছুটা ক্ষোভ নিয়ে বললেন, রোজা আর ঈদ আসলেই এদের পণ্যের দাম বাড়াতে হয়।পরিবহণ তো চলছে তাহলে সরবরাহ কম কেন হবে। এসব অজুহাত ছাড়া আর কিছুই নয়।

সময় বাড়ল ব্যাংক লেনদেনের
                                  

অনলাইন ডেস্ক : দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে চলমান লকডাউন ছিল ৫ মে পর্যন্ত। পরে এ লকডাউন আরও ১১ দিন বাড়িয়ে আগামী ১৬ মে পর্যন্ত করা হয়েছে। এ জন্য আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৬ মে) থেকে ব্যাংকে লেনদেন চলবে সকাল ১০টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত।

এর আগে বুধবার (৫ মে) পর্যন্ত ব্যাংকিং লেনদেন চালু ছিল সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা। ঈদের কারণে ব্যাংকে চাপ বাড়ায় ব্যাংকিং লেনদেনের সময় বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংক বুধবার নতুন করে এ সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ৬ মে থেকে ১৬ মে পর্যন্ত ব্যাংকে লেনদেন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত চলবে। আর আনুষঙ্গিক কাজের জন্য ব্যাংক খোলা থাকবে বেলা সাড়ে তিনটা পর্যন্ত।

এদিকে ঈদের ছুটিতে ব্যাংকের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আবশ্যিকভাবে নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করতে বলেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ফলে ঈদের ছুটিতে কেউ কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবেন না।

এছাড়া ঈদের আগে তৈরি পোশাকশিল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য এবং রপ্তানি বাণিজ্য অব্যাহত রাখতে ঢাকা মহানগরী, আশুলিয়া, টঙ্গী, গাজীপুর, সাভার, ভালুকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামের অবস্থিত ব্যাংক শাখা ১০ মে থেকে ১৩ মে পর্যন্ত খোলা রাখতে বলেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

রিজার্ভ ছাড়াল ৪৫ বিলিয়ন ডলার
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : করোনা মহামারির মধ্যেও রেকর্ড সংখ্যক বৈদেশিক মুদ্রা এসেছে দেশে। সোমবার (৩ মে) দিনশেষে প্রথমবারের মতো বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৫ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ রিজার্ভ দিয়ে আগামী ১২ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো যাবে।

এর আগে চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৪৪.০২ বিলিয়ন বা চার হাজার ৪০২ কোটি ডলার। আর ২০২০ সালের ৩০ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ ৪৩ বিলিয়ন ডলার, ১৫ ডিসেম্বর ৪২ বিলিয়ন এবং ২৮ অক্টোবর রিজার্ভ ৪১ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছিল।

আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, একটি দেশের কাছে অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সমপরিমাণ বিদেশি মুদ্রার মজুত থাকতে হয়।

আর সদ্য সমাপ্ত এপ্রিল মাসে ২০৬ কোটি ৭০ লাখ (২.০৬ বিলিয়ন) ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। যা গত বছরের (২০২০ সাল) এপ্রিলের চেয় ৮৯ দশমিক ১১ শতাংশ বেশি। গত বছরের এপ্রিল মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ১০৯ কোটি ২৯ লাখ ৬০ হাজার।

দেশের ইতিহাসে এক মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে এত বেশি প্রবৃদ্ধি এর আগে কখনই হয়নি। চলতি অর্থবছরের মার্চ মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৯১ কোটি ৯৫ লাখ ডলার এবং ফেব্রুয়ারি মাসে ১৭৮ কোটি ডলার রেমিট্যান্স আসে দেশে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর আসন্ন। ঈদের আগে প্রবাসীরা বেশি বেশি রেমিট্যান্স পাঠান। এবারও তার ব্যত্যয় ঘটেনি। আত্মীয়-স্বজনরা যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে ঈদ উদযাপন করতে পারে এজন্য প্রবাসীরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন আর তাদের রেমিট্যান্সের ওপর ভর করেই রিজার্ভ বাড়ছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, চলতি (২০২০-২১) অর্থবছরের ১০ মাসে রেমিট্যান্স দুই হাজার কোটি (২০ বিলিয়ন) ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। এর আগে কোনো অর্থবছরে এত পরিমাণ রেমিট্যান্স আসেনি। গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে এক হাজার ৮২০ কোটি ডলার বা ১৮ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স আসে দেশে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স আসে এক হাজার ৬৪২ কোটি ডলার।

২০১৯ সালের জুলাই মাস থেকে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে দুই শতাংশ হারে প্রণোদনা দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। অর্থাৎ কোনো প্রবাসী এক লাখ টাকা দেশে পাঠালে এর সঙ্গে আরও দুই হাজার টাকা যোগ করে মোট এক লাখ দুই টাকা পাচ্ছেন তারা। এছাড়া বিভিন্ন ব্যাংক এবং মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান প্রণোদনার সঙ্গে বাড়তি এক শতাংশ দেয়ার অফার দিচ্ছে। এতে করে বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাতে উৎসাহী হচ্ছেন বিদেশে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এখন বৈধ পথে রেমিট্যান্স আসছে। রফতানিও বেড়েছে। এছাড়া আমদানি ব্যয়ের চাপ কম, দাতা সংস্থা বিশ্ব ব্যাংক, আইএমএফ ও জাইকার বৈদেশিক ঋণ সহায়তা ও বিশ্ব সংস্থার অনুদানের কারণে রিজার্ভ বেড়েছে। তবে সামনে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) বিল পরিশোধ করলে রিজার্ভ আবার কিছুটা কমে যাবে।

বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, ইরান ও মালদ্বীপ- এ নয়টি দেশ বর্তমানে আকুর সদস্য। এ দেশগুলো থেকে বাংলাদেশ যেসব পণ্য আমদানি করে এর বিল দুই মাস পর পর আকুর মাধ্যমে পরিশোধ করে থাকে।

এবার সাতক্ষীরার ৫০০ মেট্রিক টন আম যাবে বিদেশে
                                  

জেলা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার গোবিন্দভোগ, গোপালভোগ, হিমসাগর, ল্যাংড়া ও আম্রপালি আমের সুনাম দেশজুড়ে। এখন জেলার বেশ কিছু বাগানের আম বিদেশেও রফতানি হচ্ছে। আবহাওয়াজনিত কারণে দেশের অন্য সব জেলার আম পাকার আগেই সাতক্ষীরার আম পাকতে শুরু করে। এজন্য দেশের বাজারে সবার আগে বিক্রি শুরু হয় এই আম।

গতবছর আম পাড়ার ঠিক আগ মুহূর্তে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের আঘাতে লন্ডভন্ড হয়ে যায় সাতক্ষীরার প্রায় সব আমবাগান। আম ও বাগান নষ্ট হয়ে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন আমচাষিরা। চলতি মৌসুমে তীব্র দাবদাহ ও সময়মতো বৃষ্টি না হওয়ায় এবার সাতক্ষীরার আম আকারে কিছুটা ছোট হয়েছে। তবে এবছর কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হওয়ায় গাছের ফল গাছে রয়েছে, এতেই খুশি চাষিরা।

এবারও প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ থেকে বেঁধে দেয়া সময়ের আগে কোনো চাষি আম পেড়ে বাজারজাত করতে পারবেন না। কিছু এলাকায় গোবিন্দভোগ আম পাড়ার অনুমতি মিললেও হিমসাগর, ল্যাংড়া আম এখন গাছ থেকে আম পেড়ে বাজারজাত করার অপেক্ষায় চাষিরা।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, অনাবৃষ্টি, খরা, কালবৈশাখী, ঘূর্ণিঝড় ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কথা মাথায় রেখে এ বছর আম সংগ্রহের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। সময়সূচি অনুযায়ী পহেলা মে থেকে গোবিন্দভোগ, গোপালভোগসহ আগামজাতের আম বাজারজাত করা যাবে। এছড়া ২১ মে থেকে হিমসাগর আম, ২৭ মে থেকে ল্যাংড়া আম ও ৪ জুন থেকে আম্রপালি আম বাজারজাত করা যাবে।

সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্য, জেলার সাত উপজেলায় চার হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে সাড়ে পাঁচ হাজার আমবাগান আছে। জেলায় তালিকাভুক্ত আমচাষি ১৪ হাজার। চলতি মৌসুমে জেলায় আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০ হাজার ১০০ মেট্রিক টন।

পুরাতন সাতক্ষীরার এলাকার আমচাষি আব্দুল গফফার বলেন, `এবছর সময়মতো বৃষ্টি না হওয়ায় আম ঝরে গেছে, আম সাইজে কিছুটা ছোট হয়েছে। তারপরও ফলন বেশ ভালো। আশা করছি, ঝড় না হলে এবার ভালো দামে আম বিক্রি করতে পারব। এখন আমরা আম পাড়ার জন্য অপেক্ষা করছি।`

একই এলাকার আমচাষি আব্দুর রহিম বলেন, `গতবছর ঝড়ে বাগানের সব আম ঝরে যায়। অনেকগুলো গাছ ভেঙে যায়। এবছর এখনো ঝড়বৃষ্টি হয়নি। কৃষি বিভাগ থেকে আমাদের ১৭ তারিখের পর আম পাড়তে বলা হয়েছে। আমি এখন সেই সময়ের জন্য অপেক্ষা করছি। এরমধ্যে যদি কোনো দুর্যোগ না হয় তাহলে এবার আম বিক্রি করে কিছুটা ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া যাবে।`

জেলার আমচাষি কল্যাণ সমিতির সভাপতি লিয়াকত হোসেন বলেন, `রাজশাহী অঞ্চলের আমের চেয়ে সাতক্ষীরার আম আগে পাকে। ল্যাংড়া, হিমসাগর, গোপালভোগ, বোম্বাই, গোলাপখাস ও ক্ষিরসরাইসহ বিভিন্ন জাতের আম বিদেশে রফতানি হয়। গতবছর করোনার কারণে বিদেশে আম পাঠানো যায়নি। এরপর বাজারে আম ওঠার ঠিক আগ মুহূর্তে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে সব আম নষ্ট হয়ে যায়। আমরা চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হই। সে সময় জেলা প্রশাসক ও জেলার কৃষি কর্মকর্তারা বাগান পরিদর্শনে এসে সব দেখে যান। সে সময় চাষিদের সহযোগিতার কথা বলা হলেও আমরা কোনো অনুদান বা প্রণোদনা পাইনি।`

তিনি বলেন, এ বছর আবারো কয়েকটি কোম্পানি বিদেশে আম রফতানির জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। আমরা তাদের মান অনুযায়ী আম সরবারহ করতে পারব। বেশ কয়েকটি বাগানে তাদের নিয়ম অনুযায়ী আমের পরিচর্যা করা হয়েছে। স্থানীয় বাজারেও সাতক্ষীরার আমের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। তবে জেলা প্রশাসন থেকে বেঁধে দেয়া সময়ের আগে কোনো চাষি আম বাজারজাত করবেন না।

সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক নূরুল ইসলাম বলেন, `করোনা মহামারির কারণে গতবছর বিদেশে আম রফতানি হয়নি। ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে জেলার প্রায় সব চাষির আম ও আমের বাগান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে এবার ১৪টি কোম্পানি বিদেশে আম রফতানির উদ্যোগ নিয়েছে। জার্মানি, ইতালি, ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের সুপারশপগুলোতে পৌঁছে যাবে সাতক্ষীরার আম। ইতোমধ্যে কোম্পানির প্রতিনিধিদের সঙ্গে জেলা কৃষি বিভাগের বৈঠক হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে এবার ৫০০ মেট্রিক টন আম বিদেশে রফতানি করা হবে।`

এবার লক্ষ্যমাত্রা পূরণের আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, তীব্র দাবদাহ ও বৃষ্টি না হওয়ায় কিছু আম গাছ থেকে ঝরে গেছে। এ বিষয়ে আমরা কৃষকদের সব ধরনের প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দিয়েছি।

পাইকারি মার্কেটেও খুচরা বেচাকেনার হিরিক
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর গুলিস্তান, ফুলবাড়িয়া, বঙ্গবাজার, ইসলামপুরের কাপড় এবং জুতা মার্কেট পাইকারি বেচাকেনার জন্য সুপরিচিত। কিন্তু এবার এই এলাকার মার্কেটগুলোতে পাইকারের দেখা নেই। এখন খুচরায় বিক্রি করছেন দোকানিরা।

ব্যবসায়ীরা জানান, করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে চলমান লকডাউনের কারণে সারাদেশে গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে। এতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পাইকাররা মালামাল কিনতে আসছেন না। দোকানের খরচ মেটাতেই খুচরা বেচাকেনা করতে হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে ব্যবসায়ীদের পথে বসতে হবে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে গত ৫ এপ্রিল থেকে সারাদেশে সাতদিনের জন্য লকডাউন দেয়া হয়। তখন থেকে বন্ধ বিপনিবিতান এবং শপিংমলগুলো। স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিপনিবিতান এবং শপিংমলগুলো খুলে দেয়ার দাবি জানান ব্যবসায়ীরা। এই দাবি আদায়ে নিউ মার্কেট, বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স, বঙ্গবাজার এলাকার ব্যবসায়ীরা বিক্ষোভ মিছিল, সড়ক অবরোধ করেছিলেন। তাদের দাবি মেনে নিয়ে গত ১৪ এপ্রিল থেকে মার্কেট খোলা রাখার ঘোষণা দেয় সরকার। কিন্তু গত ৫ এপ্রিলের পর দফায় দফায় লকডাউন বাড়ানোয় গণপরিবহন বন্ধ থাকায় দূরের ক্রেতারা ঢাকা আসতে পারছেন না। ফলে মার্কেটগুলোতে বেচাকেনাও জমে উঠছে না।

বঙ্গবাজার সংলগ্ন এনেস্কো টাওয়ার নিচতলায় গার্মেন্টসের দোকান লাতু ট্রেডার্স। এই দোকানের ব্যবস্থাপক জাকির হোসেন বলেন, সাধারণত এই মৌসুমে পহেলা বৈশাখ ও ঈদুল ফিতরকে ঘিরে পোশাকের ব্যবসা চাঙা হয়। অথচ লকডাউনের কারণে এবার ব্যবসায় মন্দা লেগেছে। ঢাকার বাইরে ক্রেতাদের দেখা মিলছে না।

এনেস্কো টাওয়ারের তুলনায় টিনসেডের বঙ্গবাজার সুপার মার্কেটে ভিড় বেশি। শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) সরেজমিনে দেখা গেছে, এই মার্কেটে খুচরা ক্রেতাদের ভিড়। প্যান্ট, শার্ট, পাঞ্জাবি, লুঙ্গিসহ বিভিন্ন ধরনের কাপড় দরদাম করে কেনাকাটা করছেন তারা। দোকানিরাও বেশি দামাদামি না করে সামান্য কিছু লাভে বিক্রি করছেন বলে জানিয়েছেন।

রায়হান গার্মেন্টসের স্বত্বাধিকারী রায়হান বলেন, লকডাউনে এমনিতেই দোকানে বেচাকেনা নাই। তাই কোনো ক্রেতা পেলে সর্বোচ্চ ছাড় দিয়ে বিক্রি করে দিচ্ছি। এখন ব্যবসায় লাভের চেয়ে কোনোক্রমে চালানটুকু ধরে রাখাই মূল চ্যালেঞ্জ।

বঙ্গবাজার সুপার মার্কেটের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম বলেন, গত বছর করোনার কারণে রমজান এবং কুরবানির ঈদের মার্কেটে বেচাকেনা বন্ধ ছিল। ব্যবসায়ীরা ভেবেছিল এবার পরিস্থিতি ভালো থাকবে। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণ মালামাল কিনে গোডাউনে রেখেছেন। কিন্তু এখন এসব মালামাল বিক্রি করতে পারছেন না। কারণ এই এলাকার মার্কেটগুলোতে খুচরা বেচাকেনা খুবই কম।

গুলিস্তানের ঢাকা ট্রেড সেন্টার উত্তর, ঢাকা ট্রেড সেন্টার দক্ষিণ, গুলিস্তান শপিং কমপ্লেক্স এবং ফুলবাড়িয়া সুপারমার্কেট-২ (নগর প্লাজা, জাকের প্লাজা, সিটি প্লাজা) পাইকারি কাপড় এবং জুতা বিক্রির জন্য বিখ্যাত। এই মার্কেটগুলোতেও পাইকারি তেমন বেচাকেনা নেই। তবে কিছু গার্মেন্টসের দোকানে খুচরা বেচাকেনায় ভিড় দেখা গেছে।

তবে ঢাকা ট্রেড সেন্টার দক্ষিণে জুতা বেচাকেনায় কোনো ক্রেতা দেখা যায়নি। প্রতিটি দোকানের মালিক, কর্মচারীকে অলস সময় কাটাতে দেখা গেছে। জুতার দোকানি সেলিম রেজা বলেন, গত বছর করোনার আগে যেসব জুতা কেনা হয়েছিল, এখন পর্যন্ত তা বিক্রি করা সম্ভব হয়নি। বেচাকেনা না থাকায় দোকানের খরচ এবং কর্মচারীদের বেতন-ভাতা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তাই সরকার স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে গণপরিবহন সীমিত আকারে চালু করলে মার্কেটে কিছু বেচাকেনা বাড়বে।

পাইকারিতে তরমুজের দাম কমেছে, তবে খুচরায় নেই তার প্রভাব
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : পাইকারি বাজারে কমেছে তরমুজের দাম। তবে খুচরা বাজারে এর প্রভাব নেই। ক্রেতাদের আগের মতোই বেশি দামে কেজি হিসেবে খুচরা বাজার থেকে গরম ও রমজানের কাঙ্ক্ষিত এই ফলটি কিনতে হচ্ছে।

শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) যাত্রাবাড়ী আড়তে তরমুজের পাইকারি বাজার ও আশপাশে খুচরা বাজার ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে। পাইকারি বাজারে সাধারণ তরমুজ শ` (১০০টি) হিসেবে বিক্রি হয়।

আড়তের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, তরমুজের সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় প্রতি একশ তরমুজে ৫ থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে। কেউ বলছেন, মাঝারি সাইজের একটা তরমুজে কমপক্ষে ৫০ টাকা দাম কমেছে।

কিন্তু খুচরা বাজারে ক্রেতাকে এখনও ৫৫ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে ফলটি কিনতে হচ্ছে। খুচরা বিক্রেতারা শ` হিসেবে কিনে কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করায় ক্রেতাদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা এবং গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে দেশের কোনো কোনো জায়গায় খুচরা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নিয়েছে প্রশাসন। কিন্তু রাজধানীর বাজারের চিত্রের কোনো পরিবর্তন হয়নি।

আড়তদারদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ৭ থেকে ১২ কেজি ওজনের প্রতি একশ তরমুজ এক সপ্তাহ আগেও ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকায় বিক্রি হতো। এখন সেটা বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩২ হাজার টাকায়। ৫ থেকে ৭ কেজি ওজনের মধ্যে থাকা একশ তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ১৮ থেকে ২০ হাজার টাকা। কয়েকদিন আগেও এই দাম ছিল ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা।

যাত্রাবাড়ী আড়তের মক্কা-মদিনা এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. মাহবুব আলম বলেন, `তরমুজের সরবরাহ বেশি তাই দাম অনেকটাই কমে গেছে। এখন মূলত খুলনার তরমুজ আসছে। আরও মাস খানেক তরমুজ থাকবে।`

কুমিল্লা বাণিজ্যালয়ের মো. রফিক বলেন, `যে তরমুজ ৩৫ হাজার টাকায় বিক্রি করছি এখন তা ২০ হাজার টাকার মতো। দাম কমায় অনেক ব্যাপারি ক্ষতি মুখে পড়েছেন।`

হাজী নাছির বাণিজ্যালয়ের মালিক হাজী নাছির উদ্দিন বলেন, `তরমুজপ্রতি দাম কমপক্ষে ৫০ টাকা কমেছে। এতে মানুষ কম দামে তরমুজ খেতে পারবে।`

এবার তরমুজ চাষীরা ভাল দাম পেয়েছেন জানিয়ে হাজী নাছির বলেন, `গত ২০ বছরে চাষীরা তরমুজে এত ভাল দাম পেয়েছে বলে আমি শুনিনি।`

ছোট আকৃতির গাঢ় সবুজ রংয়ের তরমুজ বা খরমুজ আসছে বেশি। খরমুজের দামও আগের চেয়ে কমে গেছে। আড়তে তরমুজ শ` হিসেবে বিক্রি হলেও খরমুজ কেজি দরেই বিক্রি হয়।

খরমুজ বিক্রেতা ফজলুল হক বলেন, চাহিদা কম ও সরবরাহ বেশি থাকায় খরমুজের দাম কমে গেছে। আগে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও এখন আমরা বিক্রি করছি ৩০ টাকা কেজি দরে।

খরমুজ চুয়াডাঙ্গা থেকে আসছে বলেও জানান ফজলুল হক।

তবে রাজধানীর শনির আখড়া, রায়েরবাগ, মাতুয়াইল এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা বাজারে আগের মতোই ৫৫ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে তরমুজ বিক্রি হচ্ছে।

দাম কমেছে মুরগি ও ডিমের
                                  

ডেস্ক রিপাের্ট : রোজার মাঝামাঝিতে এসে মুরগির বাজারে ফিরেছে স্বস্তি। লাগামহীনভাবে বাড়তে থাকা মুরগির দাম কমছে। পাইকারি ও খুচরায় পাকিস্তানি ও দেশি মুরগির দাম কমেছে ৫০ থেকে ১০০ টাকা। প্রতি ডজনে ১০ টাকা পর্যন্ত কমেছে ডিমের দামও। বিক্রেতারা বলছেন, রোজায় হোটেল রেস্তোরাঁ বন্ধ ও লকডাউনে চাহিদা কমার প্রভাব।

রোজার শুরুতেও রাজধানীর পাইকারি আড়তে সোনালি মুরগি বিক্রি হতো প্রতি কেজি ৩০০ থেকে ৩২০ টাকায়; দেশি মুরগি জোড়া ছিল ৯০০টাকা; ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৪০ টাকায়। তবে রোজায় হোটেল-রেস্তোরাঁ বন্ধ থাকায় চাহিদা কমায় প্রভাব পড়েছে দামে।

শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে পাইকারি আড়তে গিয়ে দেখা গেল সোনালি মুরগির দাম কমে বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৩০ টাকায়; দেশি মুরগি জোড়া বিক্রি হচ্ছে ৭৫০-৮০০ টাকায়।

বিক্রেতারা জানান, আগে তারা ৩২০ থেকে ৩৩০ টাকা যে মুরগি বিক্রি করতেন এখন তা কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। করোনার পর থেকেই লসে আছে বলেও জানান তারা।

মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেটে গিয়ে দেখা গেল পাইকারি বাজারের প্রভাব পড়েছে খুচরায়।

খুচরা বিক্রেতারা জানান, মাস খানেক আগে পাইকারি বাজারে ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা যে মুরগি বিক্রি হতো খুচরা তা ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। বর্তমানে কেজি প্রতি মুরগির দাম ১০০ টাকা কমেছে বলেও জানান তিনি। যেখানে এক হাজার ২০০ মুরগি বিক্রি হয়েছে সেখানে বিক্রি কমে ৫০০ থেকে ৬০০ দাঁড়িয়েছে।

দাম কমেছে ডিমেরও। প্রতি ডজন লেয়ার মুরগির ডিম ৫ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৮৫ টাকায়; দেশি মুরগি ডিম প্রতি ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়।

এদিকে অপরিবর্তিত রয়েছে গরুর মাংসের দাম। বিক্রি হচ্ছে ৫৮০ টাকা কেজি দরে। খাসির মাংস ৯০০ টাকা আর বকরির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা কেজি দরে।

এলপিজির দাম কমলো
                                  

অনলাইন ডেস্ক : আন্তর্জাতিক বাজারে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলপিজি) দাম কমায় দেশের বাজারেও এলপিজির দাম সমন্বয় করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ১২ কেজির সিলিন্ডারের মূসকসহ ৯৭৫ টাকা থেকে কমিয়ে ৯০৬ টাকা করা হয়েছে। যা আগামী ১ মে থেকে কার্যকর হবে।

বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) অনলাইন সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন দাম ঘোষণা করে জ্বালানি খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিইআরসি।

গাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজি লিটারে দাম ৪৭ টাকা ৯২ পয়সা থেকে কমিয়ে ৪৪ টাকা ৭০ পয়সা করা হয়েছে।

অনলাইন সম্মেলনে বিইআরসির চেয়ারম্যান মো. আবদুল জলিল বলেন, সৌদি সিপির ভিত্তিতেই দাম সমন্বয় করা হয়েছে। তাই এর বাইরে অন্য কিছু বিবেচনা করা হয়নি। প্রপেন ও বিউটেনের প্রতি টন সৌদি সিপি গড়ে ৫৪০ দশমিক ৫০ মার্কিন ডলার ধরে হিসাব করা হয়েছে। এর সঙ্গে সম্পর্কিত মূসক ও ডলারের বিপরীতে টাকার মান ধরে আনুপাতিক হারে পরিবর্তন হয়েছে।

শ্রমিকদের বেতন-বোনাস ১০ মের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : আসন্ন ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে আগামী ১০ মের মধ্যে পোশাকসহ সব খাতের শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধের আহ্বান জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান।

বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে শ্রম ভবনের সম্মেলন কক্ষে ত্রিপক্ষীয় পরামর্শক কমিটির ৬৭তম সভা এবং আরএমজি টিসিসি কমিটির অষ্টম সভায় সভাপতির বক্তব্যে মালিকদের প্রতি তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শ্রমিকদের আগের কোনো মাসের বেতন যদি বকেয়া থাকে, সেসব বেতনও পরিশোধ করতে হবে।

করোনায় পোশাকশ্রমিকদের বেতন কমেছে ৩৫ শতাংশ
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতিতে গত এক বছরে দেশের ৩৫ শতাংশ পোশাকশ্রমিকের বেতন কমেছে। ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের মধ্যে স্বাস্থ্যঝুঁকি উপেক্ষা করে কাজ করলেও যথাযথ পারিশ্রমিক পাচ্ছেন না শ্রমিকরা। ফলে তাদের অর্থনৈতিক ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছেই।

সম্প্রতি ‘দি উইকেস্ট লিঙ্ক ইন গ্লোবাল সাপ্লাই চেইন : হাউ দ্য প্যানডেমিক ইজ অ্যাফেক্টিং বাংলাদেশ গামেন্টস ওয়ার্কার্স’ শীর্ষক এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। বৃহস্পতিবার (এপ্রিল ২৯) এক ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভায় এ প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।

ইউএনডিপি ও যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটির চৌধুরী সেন্টার ফর বাংলাদেশ স্টাডিজ এবং ইনস্টিটিউট ফর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড বিজনেস পরিচালিত এক গবেষণায় করোনাকালীন সময়ে গামেন্টসকর্মী, বিশেষ করে নারীকর্মীদের বিভিন্ন ঝুঁকির চিত্র উঠে এসেছে।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছর করোনা শুরুর পর দেশের ৩৫ শতাং পোশাকশ্রমিকের বেতন কমানো হয়। এছাড়া বাজারে চাহিদা কমা, করোনার কারণে বাজার বন্ধ, শিপমেন্টে দেরি হওয়া, সময়মতো পণ্যের মূল্য না পাওয়াসহ বিভিন্ন কারণে পোশাকখাত ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং শ্রমিকদের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

এতে আরও বলা হয়, করোনার অজুহাতে নারী শ্রমিকদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। অনেকের বেতন হ্রাস করা হয়েছে। বাধ্য হয়ে কর্মীরা ধার-দেনায় জড়িয়ে পড়েছেন।

আলোচনা সভায় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব কে এম আব্দুস সালাম বলেন, চলমান করোনাকালে বিধি-নিষেধের মধ্যে সরকার কর্তৃক গার্মেন্টস কর্মীদের জন্য নানা পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকদের স্বাস্থ্যসুরক্ষা ও উন্নয়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

বিজেএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, সরকারের সহায়তায় গার্মেন্টস কর্মীদের স্বাস্থ্যসুরক্ষায় নানা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। গার্মেন্টসে আইসোলেশন সেন্টার, পিসিআর ল্যাব প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন ইউএনডিপির রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টিভ সুদীপ্ত মুখার্জি। তিনি স্থায়িত্বশীল উন্নয়ন নিশ্চিতে ব্যবসায়ী সম্প্রদায়সহ সকলকে আগামীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

আরেক দফা ভোজ্যতেলের দাম বাড়াতে চান ব্যবসায়ীরা
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : ভোজ্যতেলের দাম আরেক দফা বাড়াতে চান উৎপাদন ও বিপণনকারী কোম্পানিগুলো। ৫ টাকা বাড়িয়ে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিনের দাম ১৪৪ টাকা করার কথা জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

এর আগে ১৫ মার্চ পণ্য বিপণন পরিবেশক নিয়োগ আদেশ, ২০১১ অনুযায়ী গঠিত জাতীয় কমিটি চার টাকা বাড়িয়ে বোতলজাত সয়াবিন তেলের লিটার সর্বোচ্চ ১৩৯ টাকা দাম নির্ধারণ করে। যা আগে ছিল ১৩৫ টাকা।

নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি লিটার খোলা সয়াবিনের দাম হবে ১২২ টাকা, যা আগে ছিল ১১৭ টাকা। এছাড়াও পাঁচ লিটারের বোতল ৬৮৫ টাকা এবং পাম সুপার তেল ১১৩ টাকায় বিক্রি হবে। পাম সুপার তেলের দাম বাড়বে লিটারে ৪ টাকা। তবে ২৪ এপ্রিল থেকে দাম বাড়ানোর কথা থাকলেও এখনো বাজারে আগের দামেই তেল বিক্রি হচ্ছে।

জানা গেছে, গত ১৯ এপ্রিল ভোজ্যতেল উৎপাদনকারীদের সংগঠন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনকে চিঠি দিয়ে ৫ টাকা বাড়িয়ে তেলের নতুন দাম নির্ধারণের বিষয়টি জানায়।

চিঠিতে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ভোজ্যতেলের মূল্য পুনর্নির্ধারণের জন্য সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়। বিশ্ববাজারের দাম অনুযায়ী তেলের দাম লিটার প্রতি ১৫২ টাকা হওয়ার কথা থাকলেও রমজান ও সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বিপণনকারীরা লিটারে ছাড় দিয়ে ১৪৪ টাকা নতুন মূল্য প্রস্তাব করছে। এই দর ২৪ এপ্রিল থেকে কার্যকর করার কথাও চিঠিতে জানানো হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শীর্ষস্থানীয় ভোজ্যতেল বিপণনকারী সিটি গ্রুপের পরিচালক বিশ্বজিৎ সাহা বলেন, `ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে শুধু বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ট্যারিফ কমিশনকে চিঠি দেয়া হয়েছে। মূলত তেলের দাম বাড়িয়ে ১৫২ টাকা করার কথা ছিল, কিন্তু রোজা ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আমরা ছাড় দিয়ে ১৪৪ টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছি। শিগগিরই এই বাড়তি দাম কার্যকর হয়ে যাবে।`

দাম কমেছে মুরগি, শাক-সবজির
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারগুলোতে দাম কিছুটা কমলেও এখনো চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে প্রায় সব ধরনের সবজি। পেঁপে, টমেটো ছাড়া সব ধরনের সবজি ৫০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে। ফলে সবজির দাম স্বস্তি দিচ্ছে না সাধারণ ক্রেতাদের।

শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মান ও বাজার ভেদে বেগুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৮০ থেকে ১২০ টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে বেগুনের দাম কমে প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে।

রোজাকে কেন্দ্র করে বেগুনের মতো অস্বাভাবিক বাড়া শসার দামও সপ্তাহের ব্যবধানে কমেছে। গত শুক্রবার ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া শসা এখন ৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

দাম কমার তালিকায় রয়েছে- সজনে, পটল, বরবটি, শিম, ঢ়েঁড়স। গত শুক্রবার ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া সজনের দাম কমে ৬০ থেকে ৭০ টাকা হয়েছে। পটলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, তা গত শুক্রবার ছিল ৬০ থেকে ৭০ টাকা।

গত শুক্রবার ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া বরবটির দাম কমে ৫০ থেকে ৬০ টাকা হয়েছে। ঢ়েঁড়সের কেজিও বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়, যা গত শুক্রবার ছিল ৭০ থেকে ৮০ টাকা। শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়, যা গত শুক্রবার ৬০ টাকা ছিল।

এদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে দাম অপরিবর্তিত রয়েছে লাউ, ধুন্দল, করলা ও ঝিঙের। গত সপ্তাহের মতো লাউয়ের পিস বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা। ধুন্দল, করলা ও ঝিঙের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকায়।

রোজায় চাহিদা বাড়ায় গত সপ্তাহে বাড়া টমেটোর দাম সপ্তাহের ব্যবধানে কিছুটা কমেছে। গত শুক্রবার ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া টমেটো ২৫-৩০ টাকা হয়েছে। আর পেঁপে আগের সপ্তাহের মতো ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে নতুন আসা কাঁকরোলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা। কাঁকরোলের মতো চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে কচুর লতি। এক কেজি কচুর লতি কিনতে গুনতে হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। কাঁচকলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকায়।

সবজির পাশাপাশি দাম কমেছে শাকের। গত সপ্তাহে ১৫ থেকে ২০ টাকা আঁটি বিক্রি হওয়া পালং শাকের আঁটি এখন বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। একই দামে বিক্রি হচ্ছে লাল শাক, সবুজ শাক, পাট ও কলমি শাক। পুঁই শাকের আঁটি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, যা গত শুক্রবার ছিল ৫০ টাকা।

সবজির দামের বিষয়ে খিলগাঁওয়ের বাসিন্দা ফারিয়া বলেন, ‘গত শুক্রবারের তুলনায় আজ সবজির দাম কিছুটা কমেছে সত্য। কিন্তু এখন তো কোনো সবজি ৫০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না। এক হালি কাঁচকলার দাম ৪০ টাকা। কচুর লতি ৭০ টাকা কেজি। সবজির এমন দাম হলে কীভাবে স্বস্তি পাই?’

রামপুরার বাসিন্দা মো. মামুন বলেন, ‘শীতের মধ্যে কিছুটা কম দামে সবজি কিনতে পেরেছিলাম। এখন আবার আগের মতো হয়ে গেছে। একশ টাকা নিয়ে বাজারে গেলে কোনো রকমে একবেলার সবজি কেনা যায়।’

মালিবাগ হাজীপাড়া বৌ-বাজার থেকে সবজি কেনা জহুরা বেগম বলেন, ‘আস্তে আস্তে আমাদের মতো গরিব মানুষের কপাল থেকে সবজি উঠে যাচ্ছে। মাংস অনেক আগেই খাওয়া ছেড়ে দিয়েছি। এখন সবজি দিয়ে ভাত খাব, তারও উপায় নেই। ৫০ টাকার কমে সবজি পাওয়াই যাচ্ছে না।’

কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী খায়রুল হোসেন বলেন, ‘গত শুক্রবারের তুলনায় আজ সব ধরনের সবজির দাম কমেছে। সামনে সবজির দাম আর কমার সম্ভাবনা কম। কারণ শীতের সবজি শেষ। আস্তে আস্তে সবজির সরবরাহ আরও কমবে। সুতরাং সামনে সবজির দাম বাড়ার সম্ভাবনাই বেশি।’

রামপুরার ব্যবসায়ী মো. টিটু বলেন, ‘গত শুক্রবারের তুলনায় আজ সব সবজির দাম কম। এরপরও মানুষ সবজির দাম শুনে ঘুরে চলে যাচ্ছে। আমাদের তো আসলে কিছু করার নেই। বেশি দামে কিনে তো কম দামে বিক্রি করতে পারি না।’

এদিকে গত শুক্রবারের তুলনায় ব্রয়লার ও পাকিস্তানি জাতের সোনালী মুরগির দাম কিছুটা কমেছে। গত শুক্রবার ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া বয়লার মুরগির দাম কমে ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। সোনালী মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৩০ থেকে ২৭০ টাকা, যা গত শুক্রবার ছিল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা। আর লাল লেয়ার মুরগির কেজি আগের মতো ২০০ থেকে ২২০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

মুরগির দামের বিষয়ে খিলগাঁওয়ের ব্যবসায়ী মো. ঝন্টু বলেন, ‘মুরগির দাম গত শনিবার কমেছে। এরপর গত পাঁচদিন ধরে দাম স্থিতিশীল রয়েছে। নতুন করে দাম কমা বা বাড়ার ঘটনা ঘটেনি। তবে এখন মুরগির বিক্রি কম। তাই সামনে মুরগির দাম কিছুটা কমতে পারে বলে মনে হচ্ছে।’

ব্যাংকিং কার্যক্রম সীমিত থাকবে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত
                                  

অনলাইন ডেস্ক : চলমান লকডাউনের সময়সীমা আগামী ২১ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে ২৮ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এই ধারাবাহিকতায় সীমিত আকারে খোলা থাকবে দেশের ব্যাংক খাত।

মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফ-সাইট সুপারভিশন এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে।

সার্কুলারে বলা হয়, ব্যাংক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার বিষয়ে ২০২১ সালের ১৩ এপ্রিল জারি করা নির্দেশনা ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত বর্ধিত করা হলো।

সার্কুলার অনুযায়ী, সাপ্তাহিক ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলবে ব্যাংকের লেনদেন। আনুষঙ্গিক কার্যক্রম শেষ করার জন্য ব্যাংক খোলা থাকবে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত।

প্রতিটি ব্যাংকের এডি শাখা ছাড়াও সিটি করপোরেশন এলাকার দুই কিলোমিটারের মধ্যে একটি শাখা প্রতি কর্মদিবসে খোলা রাখতে হবে। এছাড়া প্রতিটি ব্যাংকের উপজেলা শহরের একটি শাখা খোলা থাকবে বৃহস্পতিবার, রোববার ও মঙ্গলবার।

লকডাউনের এ সময় সার্বক্ষণিক খোলা থাকবে এটিএম বুথ। একইসঙ্গে চালু থাকবে ইন্টারনেট ব্যাংকিংসহ অনলাইন সেবা। এছাড়া সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দর এলাকার ব্যাংক শাখা আমদানি-রফতানি কার্যক্রমের জন্য খোলা রাখতে হবে।

করোনায় মারা গেলে ব্যাংকাররা ৫০ লাখ টাকা পাবেন
                                  

অনলাইন ডেস্ক : করোনা মহামারিতে সর্বাত্মক লকডাউনেও চালু আছে ব্যাংকগুলো। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত লেনদেন ও বিকাল ৩টা পর্যন্ত খোলা থাকছে সকল ব্যাংকের নির্ধারত শাখাগুলো। এতে জনসমাগমে বাড়তি ঝুঁকি মোকাবেলা করতে হচ্ছে ব্যাংকারদের।

সংকটকালে তাদের কাজে উৎসাহিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংক ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করে দিয়েছে। সোমবার (১৯ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে দেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী বরাবর চিঠি পাঠিয়েছে।

এতে বলা হয়, কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলে পদভেদে তাদের পরিবার ২৫ লাখ থেকে ৫০ লাখ টাকা আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাবেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা, সিনিয়র অফিসার বা সমমান হতে তার চেয়ে ওপরের কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্য (অবিবাহিত হলে পিতা/মাতা, বিবাহিত হলে স্বামী বা স্ত্রী, সন্তান) ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ পাবেন।

ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার বা সমমানের কর্মীদের পরিবার পাবে সাড়ে ৩৭ লাখ টাকা। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানে নিয়োগপ্রাপ্ত স্টাফ বা সাব স্টাফ শ্রেণির কর্মীদের পরিবার পাবে ২৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ।

পিপিই উৎপাদনে অনুদান দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক, আবেদন শুরু
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : করোনা প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (পিপিই) ও চিকিৎসা সামগ্রী উৎপাদনে অনুদান দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন এক্সপোর্ট কম্পিটিটিভনেস ফর জবস (ইসিফোরজে) প্রকল্পের আওতায় এ অর্থায়ন করবে বিশ্বব্যাংক।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এ প্রকল্পের আওতায় মেডিকেল অ্যান্ড পার্সোনাল প্রোটেকটিভ ইকুইপমেন্ট (এমপিপিই) পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য `কোভিড-১৯ এন্টারপ্রাইজ রেসপন্স ফান্ড`-এর মাধ্যমে সহায়তা প্রদান করা হবে। প্রকল্পের আওতায় ম্যাচিং গ্রান্ট প্রোগ্রামের দি এক্সপোর্ট রেডিয়েন্স ফান্ড (ইআরএফ) হিসেবে ১৭ দশমিক ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তা প্রদান করা হবে।

রোববার (১৮ এপ্রিল) থেকেই অনুদান পেতে আবেদন করা যাবে। অনুদান পাওয়া যাবে ৫০ হাজার থেকে ৫ লাখ মার্কিন ডলার পর্যন্ত।

এমপিপিই পণ্য সামগ্রী উৎপাদনে সক্ষম প্রতিষ্ঠানগুলো এ অনুদান পাওয়ার যোগ্য হবে। অনুদান আবেদনকারী ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ক্যাটাগরিভুক্ত হলে এ প্রকল্প থেকে ৬০ শতাংশ অনুদান পাবে। আর আবেদনকারীর অংশগ্রহণ থাকবে ৪০ শতাংশ। এছাড়া বৃহৎ শিল্পের ক্ষেত্রে অনুদানের পরিমাণ হবে ৫০ শতাংশ।

যেসব পণ্য ও সেবার ক্ষেত্রে অনুদান প্রযোজ্য হবে :

পারসোনাল প্রোটেকটিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই), ডায়াগনস্টিক ইকুইপমেন্ট, ক্লিনিক্যাল কেয়ার ইকুইপমেন্ট। এমপিপিই পণ্যের ডিজাইন ও কারিগরি মানের উন্নয়ন, প্যাকেজিং ও বৈচিত্র্য আনয়ন এবং ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী ডিজাইন প্রণয়ন, এমপিপিই পণ্যের সহায়তামূলক কর্মকাণ্ড, যেমন- গবেষণা, পণ্য উন্নয়ন, টেস্টিং ও সার্টিফিকেশন এবং নতুন উদ্ভাবন।

আনুষ্ঠানিকভাবে এ প্রকল্পের কার্যক্রম প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি মিয়ান টিমবন, বাণিজ্যসচিব মো. জাফর উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও ইসিফোরজে প্রকল্পের পরিচালক মো. হাফিজুর রহমান।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় এ কর্মসূচি একটি মাইলস্টোন। এর মাধ্যমে ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী (পিপিই) উৎপাদন, ডায়াগনস্টিক ইকুইপমেন্ট ও ক্লিনিক্যাল ইকুইপমেন্ট তৈরিতে যুক্ত উদ্যোক্তারা আর্থিকভাবে উপকৃত হবেন। এ ধরনের সহায়তা সময়োপযোগী পদক্ষেপ। আমাদের দক্ষতা দিয়ে এ কর্মসূচিকে বাস্তবায়ন করতে হবে। এ তহবিলের মাধ্যমে বাংলাদেশ এবং বিশ্বের মানুষ উপকৃত হবে।

সালমান এফ রহমান বলেন, রফতানি পণ্যের বৈচিত্র্য বৃদ্ধি সরকারের সামনে বড় একটি চ্যালেঞ্জ। কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধির চ্যালেঞ্জ তো আছেই। উভয় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এ প্রকল্প ভূমিকা রাখবে।

উদ্যোগটির বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন প্রকল্পের এক্সপোর্ট রেডিনেস ফান্ড (ইআরএফ) কর্মসূচির দলনেতা ডেভ রাঙ্গানাইকালু।

সরবরাহ কম, ফলে চালের দামটা বেশি : অর্থমন্ত্রী
                                  

অনলাইন ডেস্ক : অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, করোনাভাইরাসের কারণে সারাবিশ্বই আমাদের চেয়ে অনেক দেশ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এর কারণে কৃষিকাজ কৃষকরা করতে পারেনি। স্বাভাবিক কাজ যেমন ব্যাহত হয়েছে তেমনি কৃষিও ব্যাহত হয়েছে। এর কারণে সরবরাহ কমে গেছে, ফলে চালের দামটা বেশি।

বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি প্রাক-বাজেট আলোচনা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, `ধান, চাল এবং গম প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল। আমরা দাবি করি- আমরা খাদ্যশস্যে স্বাবলম্বী। খাদ্যশস্যে আমরা স্বাবলম্বী হতে পারি সেই বছর যে বছর আমাদের প্রকৃতি স্বাভাবিক থাকে। যদি প্রাকৃতিক কোনো দুর্যোগ আসে সেটা আমরা ধরে রাখতে পারি না। আমাদের এখানে যে পরিমাণ জমি, দক্ষতা ও সক্ষমতা আছে তা যথাযথ কাজে লাগাতে পারলে আমরা সফল সেই বছর।`

আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, `আমাদের কৃষি খাতের যে যে জায়গায় হাত দেয়া উচিত সেখানে আমরা সহযোগিতা করব। কৃষি আমাদের লাইফলাইন। সুতরাং সব ধরনের কৃষিজাত প্রোডাক্টে আমরা আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করব। এবং আমাদের যারা শিক্ষিত কৃষিতে আসতে চায় তাদের উৎসাহিত করার জন্য কিছু কিছু প্রণোদনা রেখে আমরা চেষ্টা করব। আর কৃষি ম্যানুয়াল থেকে ম্যাকানাইজড হবে, সেটা আমরা অলরেডি কাজ শুরু করেছি। গতবার বাজেটেও এ বিষয়ে আমাদের বক্তব্য ছিল, কিছু অর্থও আমরা সেই খাতে রেখেছিলাম। আমি মনে করি আমাদের কৃষি অনেক ভালো কাজ করছে এবং কৃষিকে আরও গতিশীল, বেগবান ও শক্তিশালী করার জন্য যা যা প্রয়োজন সরকার তা করবে।`


   Page 1 of 29
     অর্থ-বাণিজ্য
চালের বাজারে কিছুটা স্বস্তি, বেড়েছে মাছ-মুরগি-চিনির দাম
.............................................................................................
সময় বাড়ল ব্যাংক লেনদেনের
.............................................................................................
রিজার্ভ ছাড়াল ৪৫ বিলিয়ন ডলার
.............................................................................................
এবার সাতক্ষীরার ৫০০ মেট্রিক টন আম যাবে বিদেশে
.............................................................................................
পাইকারি মার্কেটেও খুচরা বেচাকেনার হিরিক
.............................................................................................
পাইকারিতে তরমুজের দাম কমেছে, তবে খুচরায় নেই তার প্রভাব
.............................................................................................
দাম কমেছে মুরগি ও ডিমের
.............................................................................................
এলপিজির দাম কমলো
.............................................................................................
শ্রমিকদের বেতন-বোনাস ১০ মের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে
.............................................................................................
করোনায় পোশাকশ্রমিকদের বেতন কমেছে ৩৫ শতাংশ
.............................................................................................
আরেক দফা ভোজ্যতেলের দাম বাড়াতে চান ব্যবসায়ীরা
.............................................................................................
দাম কমেছে মুরগি, শাক-সবজির
.............................................................................................
ব্যাংকিং কার্যক্রম সীমিত থাকবে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত
.............................................................................................
করোনায় মারা গেলে ব্যাংকাররা ৫০ লাখ টাকা পাবেন
.............................................................................................
পিপিই উৎপাদনে অনুদান দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক, আবেদন শুরু
.............................................................................................
সরবরাহ কম, ফলে চালের দামটা বেশি : অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
শেয়ারবাজারও খোলা : লেনদেন ১০টা থেকে সাড়ে ১২টা
.............................................................................................
খোলা থাকবে ব্যাংক, লেনদেন সাড়ে ৯টা থেকে দেড়টা
.............................................................................................
ছোলা, পেঁয়াজ, তেল, ডাল, চিনি ও খেজুরের দাম বেঁধে দেয়া হলো
.............................................................................................
কঠোর লকডাউনেও খোলা থাকবে পোশাক কারখানা
.............................................................................................
`কঠোর লকডাউনের` আগে দুদিন ব্যাংক লেনদেনের সময় বাড়ল
.............................................................................................
করোনার কড়াকড়িতে সবজির দাম বেড়েছে
.............................................................................................
সড়ক অবরোধ করে উবার-পাঠাও চালকদের বিক্ষোভ
.............................................................................................
শেয়ারবাজার চাঙ্গা লকডাউনে
.............................................................................................
মার্কিন কোম্পানিগুলোকে অর্থনৈতিক অঞ্চল ও হাই-টেক পার্কে বিনিয়োগের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর
.............................................................................................
কেজিতে মুরগির দাম ১০০ টাকা কমেছে
.............................................................................................
টিকা কিনতে বাংলাদেশকে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা দিচ্ছে এডিবি
.............................................................................................
ব্যাংক লেনদেন চলবে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত
.............................................................................................
বিজিএমইএ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু
.............................................................................................
লকডাউনের খবরে বাজারেও ভিড়
.............................................................................................
করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকায় তরমুজের বিক্রি কম, শঙ্কায় চাষিরা
.............................................................................................
সবজির দাম চড়া
.............................................................................................
রেমিট্যান্স বাড়তেই থাকবে : অর্থমন্ত্রী
.............................................................................................
বাজারে কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে তরমুজ
.............................................................................................
শবে বরাতকে ঘিরে চলছে আতর, টুপি, তসবিহ বিক্রি
.............................................................................................
দেড় বছর পর বেনাপোল দিয়ে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি
.............................................................................................
ভোজ্যতেলের দাম আরেক দফা বাড়ল
.............................................................................................
প্রথম দিনেই ২৪৬ কোটি টাকার আমানত সংগ্রহ বেঙ্গল ব্যাংকের
.............................................................................................
এসবিএসি ব্যাংকের চেয়ারম্যানের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ
.............................................................................................
হু হু বাড়ছে খাদ্যপণ্যের বাজার মধ্য আয়ের মানুষের জীবন যাত্রামান বিপর্যয়
.............................................................................................
রাজধানীতে মাংস ও সবজির দাম ঊর্ধ্বমুখী
.............................................................................................
রমজান মাস সামনে রেখে তেলের বাজার অস্থির
.............................................................................................
চাল কিনবে তিন দেশ থেকে সরকার
.............................................................................................
ভরিতে ২০৪১ টাকা কমল স্বর্ণের দাম
.............................................................................................
ভুয়া চাকরির বিজ্ঞাপন দিয়ে মুদ্রা পাচারে ব্যবহার করা হচ্ছে তরুণদের
.............................................................................................
পিপিপি প্রকল্পে সৌদি বিনিয়োগ চায় ঢাকা
.............................................................................................
রমজানে টিসিবির মাধ্যমে ২৫ হাজার মেট্রিক টন তেল আমদানি
.............................................................................................
বাজারে এলো হামদর্দ বাসক
.............................................................................................
সোনার দাম আরও কমছে
.............................................................................................
১০ ব্যাংক মূলধন সংকটে পড়েছে
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop