বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * পদত্যাগ করছেন পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী   * করোনায় আরও ৪৫৪ মৃত্যু, শনাক্ত আড়াই লাখের নিচে   * পঞ্চগড়ে নৌকাডুবি : মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৮, এখনো নিখোঁজ ৬৫   * সেনাবাহিনীতে যুক্ত হলো নতুন সামরিক বিমান   * ইডেন ছাত্রলীগ সভাপতি রিভা আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেলে   * শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘চোখ ওঠা’ ছড়াচ্ছে দ্রুত   * পঞ্চগড়ে নৌকাডুবি : করতোয়ার তীরে শোকের মাতম, নিহত বেড়ে ২৪   * দেশীয় মাছ ও শামুক সংরক্ষণে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান   * জাপানে শক্তিশালী টাইফুনের আঘাত, ২ জনের মৃত্যু   * একদিনে আরও ৪৪০ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে  

   লাইফস্টাইল -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ১৭ শতাংশ কমাতে পারে চা, বলছে গবেষণা

লাইফস্টাইল ডেস্ক : চা স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। এতে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টি কার্সিনোজেনিক যৌগ আছে। যা শারীরিক বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে।

একই ভাবে সাম্প্রতিক এক গবেষণা জানাচ্ছে নিয়মিত চা পানে টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে, তাও আবার ১৭ শতাংশ পর্যন্ত। তবে কোন চা পান করছেন তার উপর নির্ভর করছে আপনি কতটা ঝুঁকিমুক্ত হবেন।

৮টি দেশের ১ মিলিয়নেরও বেশি মানুষের উপর পরিচালিত নতুন গবেষণা আবিষ্কার করেছে, কালো, সবুজ ও ওলং চায়ের মাঝারি ব্যবহার টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে পারে।

ইউরোপিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য স্টাডি অব ডায়াবেটিস (ইএএসডি) স্টকহোম, সুইডেনের বার্ষিক সভায় গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করে।

গবেষকরা পরামর্শ দেন, প্রতিদিন কমপক্ষে ৪ কাপ চা পান করলে গড়ে ১০ বছরের মধ্যে টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে ১৭ শতাংশ পর্যন্ত।

চীনের উহান ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির প্রধান লেখক জিয়াইং লি বলেছেন, ‘আমাদের গবেষণার ফলাফল সত্যিই অবাক করার মতো, টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কমাতে দিনে ৪ কাপ চা পান করার মতো সহজ কিছু আর হতে পারে না।’

প্রথমত তারা চায়না হেলথ অ্যান্ড নিউট্রিশন সার্ভে থেকে টি২ডি (টাইপ ২ ডায়াবেটিস) (গড় বয়স ৪২) এর কোনো ইতিহাস নেই এমন ৫ হাজার ১৯৯ প্রাপ্তবয়স্কদের (২৫৮৩ জন পুরুষ, ২৬১৬ জন নারী) ডাটা সংগ্রহ করা হয়।

অংশগ্রহণকারীরা ১৯৯৭ সালে যুক্ত হন গবেষণা কাজে। গবেষকরা একটানা ২০০৯ সাল পর্যন্ত তাদের শারীরিক বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন। প্রথমে অংশগ্রহণকারীদের খাদ্য ও পানীয় সম্পর্কে জানা হয়, তারপর নিয়মিত ব্যায়াম, ধূমপান ও অ্যালকোহল সেবনের মতো জীবনযাত্রার বিষয়গুলোর উপর তথ্য প্রদান করে।

অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ২ হাজার ৩৭৯ (৪৬ শতাংশ) জন নিয়মিত চা পান করার অভ্যাসের কথা জানান। গবেষণা শেষে দেখা যায় তাদের মধ্যে মাত্র ৫২২ (১০ শতাংশ) জন টাইপ ২ ডায়াবেটিসে ভুগছেন।

গবেষকরা দেখেছেন, বয়স, লিঙ্গ ও শারীরিক নিষ্ক্রিয়তার মতো জীবনযাত্রার ভুল অভ্যাসের কারণে টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে তা সে চা পানকারী হোক আর না হোক।

ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে জীবনধারায় পরিবর্তন আনা জরুরি। তবে সঠিক জীবনযাপনের পাশাপাশি নিয়মিত কালো, সবুজ বা ওলং পান করলে এই রোগের ঝুঁকি আরও কমে।

গবেষকরা জানান, প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে যারা প্রতিদিন ১-৩ কাপ চা পান করেন তাদের টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ৪ শতাংশ কমে, আর যারা প্রতিদিন কমপক্ষে ৪ কাপ পান করেন তাদের ঝুঁকি কমে ১৭ শতাংশ। বিশেষজ্ঞদের দাবি, চায়ের নির্দিষ্ট উপাদান যেমন পলিফেনল, রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমিয়ে দিতে পারে।

ওলং চা হলো একটি ঐতিহ্যবাহী চীনা চা, যা সবুজ ও কালো চা তৈরি করতে ব্যবহৃত একই উদ্ভিদ থেকে তৈরি হয়। পার্থক্য হলো এই চা ভিন্নভাবে প্রক্রিয়াজাত করা হয়।

সবুজ চাকে বেশি অক্সিডাইজ করার অনুমতি দেওয়া হয় না, কালো চা কালো হওয়া পর্যন্ত অক্সিডাইজ করার অনুমতি দেওয়া হয় ও ওলং চা আংশিকভাবে অক্সিডাইজ করা হয়।

সূত্র: লাইভমিন্ট/নিউজ মেডিকেল নেট

ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ১৭ শতাংশ কমাতে পারে চা, বলছে গবেষণা
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : চা স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। এতে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টি কার্সিনোজেনিক যৌগ আছে। যা শারীরিক বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে।

একই ভাবে সাম্প্রতিক এক গবেষণা জানাচ্ছে নিয়মিত চা পানে টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে, তাও আবার ১৭ শতাংশ পর্যন্ত। তবে কোন চা পান করছেন তার উপর নির্ভর করছে আপনি কতটা ঝুঁকিমুক্ত হবেন।

৮টি দেশের ১ মিলিয়নেরও বেশি মানুষের উপর পরিচালিত নতুন গবেষণা আবিষ্কার করেছে, কালো, সবুজ ও ওলং চায়ের মাঝারি ব্যবহার টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে পারে।

ইউরোপিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য স্টাডি অব ডায়াবেটিস (ইএএসডি) স্টকহোম, সুইডেনের বার্ষিক সভায় গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করে।

গবেষকরা পরামর্শ দেন, প্রতিদিন কমপক্ষে ৪ কাপ চা পান করলে গড়ে ১০ বছরের মধ্যে টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে ১৭ শতাংশ পর্যন্ত।

চীনের উহান ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির প্রধান লেখক জিয়াইং লি বলেছেন, ‘আমাদের গবেষণার ফলাফল সত্যিই অবাক করার মতো, টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কমাতে দিনে ৪ কাপ চা পান করার মতো সহজ কিছু আর হতে পারে না।’

প্রথমত তারা চায়না হেলথ অ্যান্ড নিউট্রিশন সার্ভে থেকে টি২ডি (টাইপ ২ ডায়াবেটিস) (গড় বয়স ৪২) এর কোনো ইতিহাস নেই এমন ৫ হাজার ১৯৯ প্রাপ্তবয়স্কদের (২৫৮৩ জন পুরুষ, ২৬১৬ জন নারী) ডাটা সংগ্রহ করা হয়।

অংশগ্রহণকারীরা ১৯৯৭ সালে যুক্ত হন গবেষণা কাজে। গবেষকরা একটানা ২০০৯ সাল পর্যন্ত তাদের শারীরিক বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন। প্রথমে অংশগ্রহণকারীদের খাদ্য ও পানীয় সম্পর্কে জানা হয়, তারপর নিয়মিত ব্যায়াম, ধূমপান ও অ্যালকোহল সেবনের মতো জীবনযাত্রার বিষয়গুলোর উপর তথ্য প্রদান করে।

অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ২ হাজার ৩৭৯ (৪৬ শতাংশ) জন নিয়মিত চা পান করার অভ্যাসের কথা জানান। গবেষণা শেষে দেখা যায় তাদের মধ্যে মাত্র ৫২২ (১০ শতাংশ) জন টাইপ ২ ডায়াবেটিসে ভুগছেন।

গবেষকরা দেখেছেন, বয়স, লিঙ্গ ও শারীরিক নিষ্ক্রিয়তার মতো জীবনযাত্রার ভুল অভ্যাসের কারণে টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে তা সে চা পানকারী হোক আর না হোক।

ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে জীবনধারায় পরিবর্তন আনা জরুরি। তবে সঠিক জীবনযাপনের পাশাপাশি নিয়মিত কালো, সবুজ বা ওলং পান করলে এই রোগের ঝুঁকি আরও কমে।

গবেষকরা জানান, প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে যারা প্রতিদিন ১-৩ কাপ চা পান করেন তাদের টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ৪ শতাংশ কমে, আর যারা প্রতিদিন কমপক্ষে ৪ কাপ পান করেন তাদের ঝুঁকি কমে ১৭ শতাংশ। বিশেষজ্ঞদের দাবি, চায়ের নির্দিষ্ট উপাদান যেমন পলিফেনল, রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমিয়ে দিতে পারে।

ওলং চা হলো একটি ঐতিহ্যবাহী চীনা চা, যা সবুজ ও কালো চা তৈরি করতে ব্যবহৃত একই উদ্ভিদ থেকে তৈরি হয়। পার্থক্য হলো এই চা ভিন্নভাবে প্রক্রিয়াজাত করা হয়।

সবুজ চাকে বেশি অক্সিডাইজ করার অনুমতি দেওয়া হয় না, কালো চা কালো হওয়া পর্যন্ত অক্সিডাইজ করার অনুমতি দেওয়া হয় ও ওলং চা আংশিকভাবে অক্সিডাইজ করা হয়।

সূত্র: লাইভমিন্ট/নিউজ মেডিকেল নেট

পাতিলেবুর উপকারিতা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : দুই চা চামচ লেবুর রস, দুই চা চামচ আদার রসে একটু চিনি মিশেয়ে খেলে বদহজমজনিত সব রকমের পেটব্যথা সারে। লেবু আর পিঁয়াজের রস ঠান্ডা পানিতে মিলিয়ে খেলে বদহজমের জন্য যে পেটের অসুখ তাতে উপকার হয়, এমনকি কলেরাতেও উপকার পাওয়া যায়। শোয়ার সময় পানিতে গরম পানিতে মিশিয়ে লেবুর রস খেলে সর্দি সারে। কিছুদিন ধরে এভাবে খেলে পুরনো সর্দিও সেরে যায়। অল্প লেবুর রস মধুর সঙ্গে মিশিয়ে চেটে খেলে প্রবল কাশি সেরে যায়। হাঁপানির আক্রমণও তৎক্ষণাৎ থেমে যাওয়ায় আরাম পাওয়া যায়। লেবুর রস আঙুলে লাগিয়ে দাঁতের মাড়িতে মালিশ করলে দাঁত থেকে রক্ত পড়া বন্ধ হয়। লেবুর রসে মধু মিশিয়ে বাচ্চাদের চাটিয়ে দিলে বাচ্চাদের দুধ তোলা বন্ধ হয়। লেবুর রসে চিনি ও পানি মিশিয়ে এক মাস ধরে রাতে শোয়ার আগে খেলে বহু কোষ্ঠকাঠিন্য সেরে যায়। একটি পাকা পাতিলেবুর রসে সমপরিমাণ মধূ দিয়ে অল্প অল্প গরম পানিতে মিশিয়ে খাওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গেই পান করে দিলে এক-দুই মাসের মধ্যেই মেদ বৃদ্ধি কমে যায় এবং শরীরের বেড়ে যাওয়া মেদও ঝরে যায়। লেবুর রসে শর্ষের তেল মিশিয়ে ফুটিয়ে নিন। ঠান্ডা হলে ছেকে শিশিতে ভরে রাখুন। কানে দুই ফোঁটা করে দিলে পুঁজ পড়া, চুলকানি, কানের ব্যথা এমনকি বধিরতার উপশম হয়। লেবুর খোসা লেবুর রসে পিষে বড়ি তৈরি করে গরম করে বাঁধলে বা লেবুর রস ঘষলে নানা কারণে ত্বকে যে দাগ পড়ে তা দূর হয়।

গরমে ঘর ঠান্ডা রাখার ৭ কৌশল
                                  

গরমে বাইরেও যেমন তাপ, তেমনই ঘরে টেকাও মুশকিল। বিশেষ করে দুপুরে ঘর যেন আরও গরম হয়ে ওঠে। যাদের ঘরে এসি নেই তারা সারাদিন ফ্যান চালিয়ে রেখেও স্বস্তি পান না।

গরমে ঘর ঠান্ডা রাখতে বেশ কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি। তাহলে এসি ছাড়াই গরমে ঘর রাখতে পারবেন ঠান্ডা। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক এক্ষেত্রে কী করণীয়-

>> ঘরে দুই লেয়ারের পর্দা ব্যবহার করুন। এতে ঘরে সূর্যের তাপ ঢুকবে না। দুপুরে যখন রোদের তীব্রতা বাড়তে শুরু করবে তখন দুটো পর্দাই টেনে দিন। দেখবেন ঘর ঠান্ডা থাকবে।

>> বেডরুমের কম্পিউটার বা ল্যাপটপ চালু করে রাখবেন না। এতে ঘর গরম হয়ে যায়। ফোন চার্জ দেওয়া হয়ে গেলে সুইচ অফ করে রাখুন। পড়ালেখার জন্য এলইডি লাইট ভ্যবহার করুন।

>> লিনেন বা সুতির বেডশিট ব্যবহার করুন। খুব গাঢ় রং কিংবা ভারী কাপড়রে বদেলে প্যাস্টেল শেডের চাদর বেছে নিতে পারেন।

সাদা বেডশিটের ওপরে হালকা রঙের বেড কভার বিছিয়ে দিন। বালিশ ও কুশনের জন্য বেছে নিন একই রঙের নানা টেক্সচারের কভার। দেখতে ভালো লাগবে। চোখের পক্ষে আরামদায়ক।

>> ড্রইংরুমে বড় কার্পেট থাকলে তুলে রাখুন। তার বদলে মেঝেতে জুটের বা মাদুরের লম্বা চাটাই পেতে দিন।

>> ছাদের নিচের ফ্ল্যাট সবচেয়ে বেশি গরম থাকে। এক্ষেত্রে ছাদে শেড লাগাতে পারলে খুব ভালো হয়। শেড না থাকলে দুপুরের দিকে সিলিং ফ্যানের বদলে টেবিল ফ্যান ব্যবহার করুন।

সিলিং ফ্যান ওপরের গরম হাওয়া টেনে নামায়, ফলে আরও বেশি গরম লাগে। বাটিতে বরফের কিছু টুকরা টেবিল ফ্যানের সামনে রেখে ফ্যান চালান। এতে ঘর বেশ ঠান্ডা হবে।

>> ঘরে ইনডোর প্লান্ট লাগান। অ্যালোভেরা, বস্টন ফার্ন, উইপিং ফিগ, অ্যারিকা পাম গাছ রাখলে ঘর ঠান্ডা থাকবে।

>> ঘর ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি শরীর ঠান্ডা রাখতে আইস কিউব ট্রেতে পুদিনা পাতা, আদা কুচি বা লেবুর ছোট ছোট স্লাইস পানিতে মিশিয়ে খান।

ইফতারে রাখুন সুস্বাদু বাদামের লাচ্ছি
                                  

ইফতারে স্বাস্থ্যকর ও সুস্বাদু খাবারই পাতে রাখেন সবাই। তবে স্বাদের পাশাপাশি খাবারগুলো কতটা স্বাস্থ্যকর সে বিষয়েও কিন্তু নজর রাখতে হবে। না হলে সারাদিন রোজা রাখার পর ভুল খাবার খেলে অসুস্থও হয়ে পড়তে পারেন।

ইফতারে পানীয়ের আইটেমগুলোই বেশি রাখা হয়। তার মধ্যে কিন্তু একটি স্বাস্থ্যকর পানীয় রাখতে পারেন। আর তা হলো বাদামের লাচ্ছি। এটি খুব সহজে মাত্র ৫ উপকরণ দিয়েই তৈরি করা যায়। জেনে নিন বাদামের লাচ্ছির সহজ রেসিপি-


উপকরণ

১. ঠান্ডা দুধ ১ লিটার
২. পেস্তা, কাজু বা কাঠবাদাম কুচি ১ কাপ
৩. মধু বা চিনি স্বাদমতো
৪. বরফ কুচি ১ কাপ ও
৫. জাফরান কয়েক টুকরো।

পদ্ধতি

প্রথমে পেস্তা, কাজু বা কাঠবাদাম ২ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে নিন ব্লেন্ডারে।

এবার ভালো করে ব্লেন্ড করে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে মজাদার বাদামের লাচ্ছি। ব্যাস খুব সহজেই ঝটপট তৈরি হয়ে গেল বাদামের লাচ্ছি।


তৈরির পর ফ্রিজে রেখে দিন। ইফতারের আগে বের করে উপরে জাফরান বা বাদাম কুচি ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।

গরমের দিনে রোজায় পানিশূন্যতা দূর করবেন যেভাবে
                                  

রোজায় দীর্ঘ সময় পানাহার থেকে বিরত থাকতে হয়। ফলে পানিশূন্যতাসহ শারীরিক নানান জটিলতা দেখা দিতে পার। তারওপর চলতি বছর চৈত্র মাসের দীর্ঘ ও উত্তপ্ত দিনের বেলা রোজা রাখতে গিয়ে পনিশূন্যতায় ভোগার আশঙ্কা বেশি থাকবে।

তাই রমজানে রোজা পালনের সাথে সাথে পানিশূন্যতা যেন কোনোভাবে না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। বিশেষ করে বয়স্কদের। নিয়মমতো যথেষ্ট পানি পান করলে এ সমস্যা থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন। একজন প্রাপ্তবয়স্কের অবশ্যই পানিশূন্যতা থেকে রক্ষা পেতে এবং ফিট থাকতে দিনে আড়াই থেকে তিন লিটার পানি পান করতে হবে।

ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত সময়ে যথেষ্ট পরিমাণ পানি পান করতে হবে। একই সাথে শরীরচর্চাও গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে যারা তারাবি নামাজ পড়েন সেটি তারা নিয়মিত পড়লে উপকৃত হবেন। আর ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত এমন খাবার নির্বাচন করতে হবে যেসব খাবারে পানির পরিমাণ বেশি থাকে।

অনেকেই ইফতারের পর আর খেতে চান না। এটি ঠিক নয়। রাতের খাবার খেতে হবে পরিমিত মাত্রায় এবং সেহরিও খেতে হবে। তাহলে পানির ঘাটতি কম হবে।

পানিশূন্যতা কেন হয়

গরমে দিনের বেলা ঘাম, প্রস্রাব ও শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে প্রচুর পানি শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। এ কারণে শরীরে পানিশূন্যতার সম্ভাবনা তৈরি হয়।
দীর্ঘ সময় ধরে পানি না পান করার কারণে শরীর পানিশূন্য হয়ে পড়ে।
খাবার তালিকায় পানিসমৃদ্ধ খাবার না রাখা।
জ্বর বা ডায়রিয়ার মতো অসুস্থতাজনিত কারণে।
অতিরিক্ত ভাজা পোড়া জাতীয় খাবারের কারণেও পানিশূন্যতা হতে পারে।
ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত সময়ে পর্যাপ্ত পানি পান না করা।
ইফতারের পর অতিমাত্রায় চা কফি খেলে।
অতিরিক্ত রোদ বা গরমে থাকার কারণে।
পানিশূন্যতার লক্ষণ

শরীর পানিশূন্য হয়ে পড়লে জিহ্বা দেখে সহজে বোঝা যায়। কারণ জিহ্বা শুকিয়ে যায়। এ ছাড়া অনেকের চোখ গর্তে চলে যায় এবং দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসে। তাছাড়া শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে ও কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা তেরি হয়। পানিশূন্যতায় হার্ট রেট ও প্রেশার কমে যেতে পারে।

পানিশূন্যতা থেকে মুক্ত থাকবেন যেভাবে

ইফতার ও সেহরির মধ্যকার সময়ে পর্যাপ্ত পানি পান করা।
সহজে হজম হয় এমন খাবার খাওয়া।
ইফতারে ফলের রস ও ফলের পরিমাণ বেশি রাখা।
সরাসরি রোদে না যাওয়া।
অতিরিক্ত খাবার না খাওয়া।
প্রয়োজনে ইফতারিতে ডাবের পানি বা খাবার স্যালাইন পান করা।
হালকা শরীর চর্চা করা।
অনেকেই পানি পান করতে গিয়ে ফ্রিজ থেকে বের করা ঠাণ্ডা পানি খেয়ে থাকেন; যা মোটেও ঠিক নয়। অতিরিক্ত ঠাণ্ডা পানি থেকে বিরত থাকতে হবে।

যাদের চা পানের অভ্যাস আছে তারা দুধ চায়ের বদলে রং চা পান করতে পারে পরিমিত মাত্রায়। আর পর্যাপ্ত পানির পাশাপাশি খাবারে লাউ, কুমড়ো বা পেঁপে জাতীয় খাবার বেশি রাখলে শরীর পানিশূন্যতা থেকে রক্ষা পাবে।

তবে শরীর ফিট রাখতে নিয়মিত গোসল এবং চোখে মুখে বারবার পানি দিতে পারেন। এরপরেও শরীরে কোন সমস্যা বোধ করলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।

সূত্র : বিবিসি।

ব্যায়াম-ডায়েট ছাড়াই ১৫ মিনিটের যে কাজে কমবে ওজন
                                  

অতিরিক্ত ওজন নানা রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। বর্তমানে শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে কমবেশি সবাই স্থূলতার সমস্যায় ভুগছেন। এর কারণ হলো অনিয়মিত জীবন-যাপন। সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) অনুসারে, স্থূলতায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, স্ট্রোক এবং নির্দিষ্ট ধরণের ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি থাকে।

একবার ওজন অতিরিক্ত বেড়ে গেলে তা কমানো বেশ কষ্টকর। অনেকেই ওজন কমাতে গিয়ে কঠোর ডায়েট মানার পাশাপাশি ঘণ্টার পর ঘণ্টা জিমে ব্যায়াম করেন। তবে অতিরিক্ত কোনো কিছুই ভালো না। এতে ওজন কমলেও আবার ব্যায়াম-ডায়েট ছেড়ে দিলে তা বাড়তে সময় লাগে না।

ওজন কমাতে সঠিক খাদ্যাভাস ৭০ শতাংশ ও শরীরচর্চা ৩০ শতাংশ অবদান রাখে, এমনই মত বিশেষজ্ঞদের। তাই এ দুটো বিষয়ের দিকেই খেয়াল রাখা জরুরি। এর পাশাপাশি ওজন কমানোর সময় আপনি কী খাচ্ছেন তা জানা উচিত। দ্বিতীয়ত আপনার প্লেটের খাবারগুলোর দিকে নজর রাখুন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আপনি যদি দ্রুত ওজন কমাতে চান তবে তাহলে আপনার প্লেটে কী আছে সেদিকে নজর রাখুন। দৈনিক তা লিপিবদ্ধ করার মাধ্যমে আপনার ওজন দ্রুত কমাতে পারবেন। অবিশ্বাস্য হলেও বিষয়টি কিন্তু কার্যকরী।

আপনি কী খাচ্ছেন ও কতটুকু খাচ্ছেন তার হিসাব রাখাকে ফুড ডায়েরি বা ফুড জার্নালিং বলা হয়। এতে তারিখসহ প্রতিদিনের ডায়েট চার্ট লিখে রাখুন। এর ফলে আপনি ক্যালোরি নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারবেন সহজেই।

ফলে পরের দিনের জন্য আপনার খাবারের পরিকল্পনা করা সহজ হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফুড জার্নালিংয়ের মাধ্যমে নিজের খাদ্যাভ্যাস বুঝতে ও তার উপর ভিত্তি করে ডায়েট চার্ট প্ল্যান তৈরি করতেও সাহায্য করে।

বিভিন্ন গবেষণা প্রমাণ করে যে, ওজন কমানোর ক্ষেত্রে দৈনিক তালিকা ভালো কাজ করে। একটি সমীক্ষায় প্রকাশিত রিপোর্ট অনুসারে, দৈনিক ১৫ মিনিটের এই অভ্যাস আপনাকে বিস্ময়করভাবে ওজন কমাতে সাহায্য করতে পারে।

১৫০ জন লোকের উপর এই সমীক্ষা করা হয়। যারা ৬ মাস ধরে তাদের খাদ্যাভ্যাসের চার্ট অনুসরণ করেছিলেন। পরে দেখা যায়, তারা ডায়েট বা জিম না করেই কয়েক মাসের মধ্যেই ওজন ঝরিয়েছেন, তাও আবার নিজেদের ফুড জার্নাল অনুসরণ করে। বিষয়টি সত্যিই অবিশ্বাস্য!

ভার্মন্ট ইউনিভার্সিটি ও ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ক্যারোলিনার বিজ্ঞানীদের একটি দলের গবেষণায় দেখেছেন, যারা শরীরের ওজনের ১০ শতাংশ কমিয়েছেন তারা প্রথম মাসের খাদ্যাভ্যাস গড়ে ২৩ শতাংশ রেকর্ড করেছিলেন।

৬ মাস শেষে তাদের গড় সময় দাঁড়ায় ১৪.৬ মিনিটে। অর্থাৎ ৬ মাসে তারা দৈনিক ১৪.৬ বা ১৫ মিনিট ফুড জার্নালিং করেন। আর তাদের এই অভ্যাসই ওজন কমাতে সাহায্য করেছে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া/ওয়েবএমডি

হাঁটার উপকারিতা
                                  

হাঁটা সবচেয়ে সহজ ব্যায়াম। হাঁটলে প্রাকৃতিকভাবে পাবেন সুস্থতা ও প্রাণবন্ত অনুভূতি। আরও রয়েছে শত উপকার। ডায়বেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা থেকে শুরু করে, আর্থ্রাইটিস সমস্যার উপশম করে, ওবেসিটি বা স্থুলতা দূর করে, পেশী শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে এবং অষ্ঠিওপোরোসিস কিংবা হাড়ের ভঙ্গুরতা প্রতিরোধে করতেও সহায়তা করে।

সুস্থ হৃদপিণ্ড, সুন্দর জীবন

যারা নিয়মিত হাঁটাহাঁটি করেন তাদের হার্টের অসুখ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়। এছাড়া হাঁটার সময় শরীর থেকে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল এলডিআর কমে যায় ও ভালো কোলেস্টেরল এইচডিআর-এর মাত্রা বেড়ে যায়। এছাড়া শরীরের রক্তচলাচল স্বাভাবিক থাকে।
বাড়বে সুস্থতা

যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে ডাক্তারের পরামর্শে তারা নিয়মিত হাঁটাহাঁটি করেন। এতে অবশ্য তারা উপকার পান। ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নাল এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নিয়মিত হাঁটলে ৬০ ভাগ পর্যন্ত কোলন ক্যান্সার ও স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে। এটা স্বাস্থ্যের জন্যও খুব ভালো।

ওজন নিয়ন্ত্রণের অসাধারণ ব্যায়াম

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিভিন্ন রকম ব্যায়াম করতে দেখা যায়। যদি ওজন কমাতে চান, তবে প্রতিদিন ৬০০ ক্যালরি পুড়িয়ে ফেলতে হবে। যেটা একদিনের খাবার থেকে প্রাপ্ত ক্যালরির চেয়ে বেশি। যার ওজন ৬০ কেজি তিনি যদি প্রতিদিন ঘণ্টায় ২ মাইল গতিতে ৩০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস করেন, তবে ৭৫ ক্যালরি শক্তি ক্ষয় করতে পারেন। যদি ঘণ্টায় ৩ মাইল গতিতে হাঁটতে অভ্যস্ত হন তবে, ৯৯ ক্যালরি পুড়িয়ে ফেলতে পারেন। ঘণ্টায় ৪ মাইল গতিতে হাঁটলে আরও বেশি ক্যালরি ক্ষয় করতে পারবেন। এতে ক্যালরি ক্ষয়ের পরিমাণ দাঁড়াবে ১৫০। হাঁটলে দেহের পেশীগুলো আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

স্মৃতিশক্তি বাড়ে

বয়স বাড়ার সঙ্গে সাধারণত মানুষের স্মৃতিশক্তি কমে যায়। ৬৫ বা এর বেশি বয়সীদের মধ্যে প্রতি ১৪ জনের মধ্যে ১ জনের স্মৃতিভ্রম হয়। আর ৮০ বা এর বেশি বয়সীদের ৬ জনের মধ্যে ১ জনের দেখা দেয় স্মৃতি হারানোর রোগ। নিয়মিত বিভিন্ন ব্যায়াম অনুশীলনে মস্তিষ্কে রক্তচলাচল বাড়ে। এতে স্মৃতিহানি হওয়ার ঝুঁকি ৪০ ভাগ পর্যন্ত কমে যায়। যুক্তরাজ্যে এক গবেষণায় দেখা গেছে, বয়স্কদের মধ্যে যারা সপ্তাহে অন্তত ৬ মাইল পথ হাঁটেন তাদের স্মৃতিশক্তি অটুট থাকে।

জয়েন্টে ব্যথার ঝুঁকি নেই

নিয়মিত হাঁটাচলা করলে শরীরের বিভিন্ন জয়েন্টে ব্যথার ঝুঁকি কমে যায়। সাধারণত বয়স বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মহিলাদের শরীরের বিভিন্ন হাড় ও সংযোগস্থলে ব্যথা করে। শরীরের জয়েন্টগুলোকে সুস্থ রাখতে হাঁটা নিঃসন্দেহে খুবই কার্যকর ব্যায়াম।

পায়ের শক্তি বাড়ায়

হাঁটলে শুধু পায়ের শক্তিই বাড়ে না পায়ের আঙুলেরও ব্যায়াম হয়। এছাড়া কোমর এবং শরীরের অন্যান্য অঙ্গ নড়াচড়ার কারণে স্বাভাবিকভাবেই সুস্থ থাকে।

বাড়ে পেশীশক্তি

হাঁটলে শুধু পা চলে না দুহাতও সমান তালে চলে। এতে হাতের প্রতিটি জয়েন্ট, ঘাড় ও কাঁধের ব্যায়াম হয়। ব্যাকপেইনের সমস্যা কমে যেতে পারে নিয়মিত ব্যয়ামের মাধ্যমে।

প্রাণবন্ত শরীর ও মন

সকালের প্রকৃতি এমনিতেই থাকে স্নিগ্ধ। এ সময় হাঁটার মজাই আলাদা। প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগের সময় মন স্বাভাবিকভাবেই ফুরফুরে থাকে, শরীর ও মন সতেজ হয়। শরীরের প্রতিটি জয়েন্টে অক্সিজেনের প্রাণপ্রবাহে মাংসপেশীগুলো শিথিল ও রিলাক্সড হয়।

কনুইয়ের কালো দাগ দূর করার ৩ উপায়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : মুখের ত্বকের যত্ন নেওয়া হলেও শরীরের অন্যান্য অংশের যত্ন নিতে অনেকেই ভুলে যান। এর ফলে হাত-পায়ের পাতা থেকে শুরু করে বগল এমনকি শরীরের বিভিন্ন গোপন স্থান কালচে হতে শুরু করে। এমনকি হাঁটু কিংবা কনুইয়েও পড়ে কালচে ছোপ।

কনুইতে চাপ দিয়ে বসার কারণেই মূলত কালো দাগ পড়ে। তাছাড়া মৃত কোষের স্তর জমে জমে স্থানটি কালচে হয়ে যায়। বেশিক্ষণ রোদে থাকলেও হাইপার পিগমেন্টেশনের ফলেও এমনটি ঘটতে পারে।

এ সমস্যার সমাধানে অনেকেই বিভিন্ন প্রসাধনী ব্যবহার করলেও দাগ সহজে যেতে চায় না। তাই ভরসা রাখতে পারেন ঘরোয়া উপায়ে।

কয়েকটি উপাদান কাজে লাগিয়ে হাঁটু বা কনুইয়ের কালচে দাগ সহজেই দূর করা যায়। যদিও রাতারাতি এ দাগ দূর করা সম্ভব নয়, তবে নিয়মিত ব্যবহার করলে তবেই মিলবে ফল।

>> এক চামচ কফি নিয়ে এর সঙ্গে অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করে নিন। মিশ্রণটি হাঁটু ও কনুইতে কয়েক মিনিট ঘষুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২-৩বার এই মিশ্রণ ব্যবহারে সুফল পাবেন।

>> কনুইয়ের জেদি কালো দাগ তুলতে টমেটোও বেশ উপকারী। হাঁটু ও কনুইয়ের কালচে দাগ তুলতে ওই অংশে টমেটো ঘষুন। কয়েক মিনিট পর ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন।

এছাড়া চালের আটার সঙ্গে টমেটোর রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে কনুই ও হাঁটুতে স্ক্রাব করুন। ১০ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন।

>> ত্বকের কালো দাগ দূর করতে লেবু বিকল্প নেই। এতে থাকে প্রাকৃতিক ব্লিচিং এজেন্ট। লেবুর সঙ্গে চিনির প্যাক মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করে কনুইয়ে ৫-৭ মিনিট ভালো করে ঘষে ব্যবহার করুন। নিয়মিত ২-৩ সপ্তাহ এই নিয়ম অনুসরণ করলে দ্রুত দূর হবে কালো দাগ।

যেভাবে মাইগ্রেনের সমস্যা থেকে দূরে থাকা সম্ভব
                                  

মাইগ্রেন এক বিশেষ ধরনের মাথাব্যথা। মাথার যে কোনো এক পাশ থেকে শুরু হয়ে তা মারাত্মক কষ্টকর হয়ে ওঠে। মাইগ্রেনের যন্ত্রণা অত্যন্ত কষ্টদায়ক এবং দীর্ঘস্থায়ী। যাদের মাইগ্রেনের সমস্যা রয়েছে, তীব্র মাথা যন্ত্রণার পাশাপাশি তাদের বমি বমি ভাব, শরীরে এবং মুখে অস্বস্তিভাব দেখা দিতে পারে। এ ব্যথা টানা বেশ কয়েকদিন থাকে। তাই যাদের মাইগ্রেনের সমস্যা রয়েছে, তাদের এই ব্যথার জন্য দায়ী কিছু কাজ বা অভ্যাস এড়িয়ে চলাই ভালো। এতে মাইগ্রেনের সমস্যা থেকে দূরে থাকা সম্ভব হতে পারে।

১) পেট খালি রাখা:

পেট খালি থাকলে মাইগ্রেনের ব্যথা বা সমস্যা শুরু হতে পারে। এর কারণ হলো- খালি পেটে থাকলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দেখা দেয় যা মাইগ্রেনের সমস্যাকে বাড়িয়ে দিতে পারে।
২) আবহাওয়া:
অতিরিক্ত রোদে ঘোরাঘুরির কারণে মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হতে পারে। এছাড়াও অতিরিক্ত গরম, অতিরিক্ত আর্দ্রতার তারতম্যে ব্যথা হয়।

৩) মানসিক চাপ:

যারা অনেক বেশি চাপ নিয়ে একটানা কাজ করে চলেন এবং নিজের ঘুম ও খাওয়া-দাওয়ার কোনো নির্দিষ্ট সময় মেনে চলতে পারেন না, তাদের বেশি মাইগ্রেনে আক্রান্ত হতে দেখা যায়।

তাই মানসিক চাপ এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন।

৪) অতিরিক্ত আওয়াজ: অতিরিক্ত আওয়াজ, খুব জোরে গান শোনা ইত্যাদির কারণেও মাইগ্রেনের সমস্যা শুরু হয়ে যেতে পারে। প্রচন্ড জোরে আওয়াজের কারণে প্রায় দুদিন টানা ব্যথার আশঙ্কা থাকে।

৫) অতিরিক্ত ঘুমানো:

মাত্র এক দিনের ঘুমের অনিয়মের কারণে শরীরের উপরে খারাপ প্রভাব পড়তে পাড়ে। যেমন- যারা নিয়মিত মোটামুটি ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা করে ঘুমান, তারা যদি হুট করে একদিন একটু বেশি ঘুমিয়ে ফেলেন, সেক্ষেত্রে ব্যথা শুরু হয়। তাই সচেতন হতে হবে।

যেভাবে রূপচর্চা করেন আলিয়া ভাট
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ন্যাচারাল বিউটি আলিয়ার সৌন্দর্যের প্রশংসায় পঞ্চমুখ সবাই। বলিউডের প্রথম সারির সুন্দরীদের মধ্যে আলিয়াও অন্যতম। অথচ তাকে নো মেকআপ লুকেই বেশিরভাগ সময় দেখা যায়।

আলিয়ার রূপের রহস্য নিয়ে তাই সবখানে আলোচনাও হয় বেশি। কীভাবে নিজের রূপের যত্ন নেন আলিয়া? রূপচর্চার জন্য তিনি কী করেন? এসব প্রশ্নই ঘুরপাক খায় আলিয়া ভক্তদের মনে।

এ বিষয়ে আলিয়া বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে জানান, হাতে সময় পেলেই নিজের মতো করে ফেসপ্যাক তৈরি করে মুখে ব্যবহার করেন তিনি।

মূলত মধু আর পেঁপে দিয়েই আলিয়া তার বিশেষ ফেসপ্যাক তৈরি করেন। আর সেই ফেসপ্যাক দিয়েই মুখ পরিষ্কার করেন।

হঠাৎ যদি কোথাও যেতে হয়, তখন শিট মাস্ক ব্যবহার করতে ভুলেন না আলিয়া। সব সময়ই তিনি শিট মাস্ক সঙ্গে রাখেন। তার মতে, কম সময়ে ত্বকের খানিকটা যত্ন নিতে ফেস শিট মাস্ক সেরা অপশন।

এতে অল্প সময়েই সতেজ দেখায় ত্বক। পাশাপাশি ত্বক নিয়মিত ময়শ্চারাইজ করতেও অলসতা বোধ করেন না আলিয়া। ত্বকের উজ্জ্বলতা ও সতেজতা বাড়াতে ভালো মানের ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের বিকল্প নেই।

অনেকেই ভাবেন, আলিয়া কি সত্যিই মেকআপ ব্যবহার করেন না? আসলে এই অভিনেত্রী ন্যাচারাল মেকআপ নিতেই পছন্দ করেন বেশি।

কাজের জন্য অবশ্যই ভারী মেকআপ ব্যবহার করতে হয় তাকে। তবে প্রয়োজন ছাড়া আলিয়া মেকআপ করেন না। এতে ত্বক ভালো থাকে।

তবে মেকআপ বাদ দিলেও মুখের ম্যাসাজ নিয়মিত করেন আলিয়া। এক্ষেত্রে তিনি ব্যবহার করেন ফেস ম্যাসাজ রোলার। তা দিয়েই নিয়মিত মুখ ম্যাসাজ করেন অভিনেত্রী।

সূত্র: হার জিন্দেগি

ওমিক্রনের বিএ২ ভ্যারিয়েন্টের অস্বাভাবিক ২ লক্ষণ
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : করোনার ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে পুরো বিশ্বে। এরই মধ্যে ওমিক্রন নিজেকে বদল করে চলে এসেছে স্টেলথ ওমিক্রন রূপে। এটা হল ওমিক্রনের উপ-ধরন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বিএ২ সাব-ভ্যারিয়েন্ট অত্যন্ত সংক্রামক।

এই বিএ২ সাব-ভ্যারিয়েন্ট শরীরে নানা রকম সমস্যা তৈরি করতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য মতে, এই সাব-ভ্যারিয়েন্ট সারা বিশ্বে এরই মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে। এমনকি এই মুহূর্তে সবাইকে সতর্ক থাকারও পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কোভিড ১৯-এর টেকনিকাল লিড মারিয়া ভ্যান কেরখোবে জানান, ওমিক্রনের এই উপপ্রজাতি আসল ভ্য়ারিয়েন্টের থেকে অনেক বেশি সংক্রামক। আর এই উপপ্রজাতি এখন বেশি দেখা যাচ্ছে।

তিনি আরও জানান, হু এই উপপ্রজাতির প্রতি কড়া নজর রাখছে। গবেষণায় দেখা হচ্ছে, কিছু দেশে করোনা সংক্রমণ দ্রুত বৃদ্ধি ও দ্রুত কমে যাওয়ার পেছনে এই সাব-ভ্যারিয়েন্টের হাত আছে কি না।

এদিকে ওমিক্রনে আক্রান্ত রোগীরা খুব দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছেন। এক্ষেত্রে শরীরে এই ভাইরাস প্রবেশ করার পরও তেমন সমস্যা দেখা দেয়নি। মানুষ বাড়িতেই হয়েছেন সুস্থ। দেখা দিয়েছে মৃদু উপসর্গ।

বিজ্ঞানীদের দাবি, ওমিক্রনের এই সাব-ভ্যারিয়েন্টের ক্ষেত্রেও ঠিক এমনটাই ঘটবে। যদিও এক্ষেত্রে কয়েকটি অস্বাভাবিক লক্ষণও দেখা দিচ্ছে।

বিশেষ করে এই ওমিক্রনের এই উপ-ধরনে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে মাথা ঘোরা ও চোখে ঝাপসা দেখার সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এরই মধ্যে যারা এই বিএ২ সাব-ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হয়েছেন, তারাই এ দুটি লক্ষণের কথা জানিয়েছেন।

যদি মাথা ঘোরা বা চোখে ঝাপসা দেখার পেছনে অন্যান্য শারীরিক সমস্যাও থাকতে পারে। তবে এ সময় সবাইকে থাকতে হবে সতর্ক। আর যদি এমন সমস্যা গুরুতর হয় তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

বিশেষজ্ঞরা আগেই জানিয়েছেন, ওমিক্রনের তুলনায় এই উপ-ধরন প্রায় দেড় গুণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। যদিও অবশ্য টিকা নেওয়া ব্যক্তিরা এই রোগ কম ছড়াচ্ছেন। তবে টিকা না নিলে ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

এমনকি এমন ব্যক্তিদের মাধ্যমৈই ভাইরাস অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি। তাই টিকা নিতে হবে। পাশাপাশি মেনে চলতে হবে অন্য করোনাবিধিও।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

গরুর মাংসের কিমা খিচুড়ি রান্নার রেসিপি
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : মেঘলা দিনে গরম গরম খিচুড়ি সামনে পেলে সবারই মন ভালো হয়ে যায়। অনেকেই ভিন্ন ভিন্ন উপায়ে খিচুড়ি রান্না করেন।

আপনি যদি একটু ভিন্ন উপায়ে সুস্বাদু খিচুড়ি রাঁধতে চান, তাহলে তৈরি করুন গরুর কিমা খিচুড়ি। একবার খেলেই মুখে লেগে থাকবে এর স্বাদ। জেনে নিন রেসিপি-


উপকরণ

১. গরুর মাংসের কিমা ১ কাপ
২. সেদ্ধ চাল ২ কাপ
৩. মুগ ডাল আধা কাপ
৪. পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ
৫. তেজপাতা ২টি
৬. এলাচ ৩টি
৭. দারুচিনি ২টি
৮. আদা বাটা ১ টেবিল চামচ
৯. রসুন বাটা ১ চা চামচ
১০. হলুদের গুঁড়া আধা চা চামচ
১১. লবণ স্বাদমতো
১২. জিরার গুঁড়া ১ চা চামচ
১৩. গাজর আধা কাপ
১৪. আলু আধা কাপ
১৫. পানি আধা কাপ
১৬. চিনি ১ চা চামচ
১৭. গরম মসলার গুঁড়া আধা চা চামচ
১৮. আস্ত কাঁচা মরিচ ২টি ও
১৯. তেল আধা কাপ।

পদ্ধতি

একটি বড় গভীর প্যানে তেল গরম করে নিন। এবার একে একে পেঁয়াজ কুচি, তেজপাতা, দারুচিনি, এলাচ, আদা বাটা, রসুন বাটা, হলুদের গুঁড়া, লবণ ও জিরার গুঁড়া মিশিয়ে দিন।

ভালো করে মসলাগুলো নেড়েচেড়ে কষিয়ে নিন। লেগে আসলে সামান্য পানি মিশিয়ে নিতে পারেন। কষানো হলে এর মধ্যে গরুর মাংসের কিমা মিশিয়ে দিন।

এরপর এতে সেদ্ধ চাল, মুগ ডাল, গাজর, আলু ও পানি দিয়ে ঢেকে দিন। এবার এর মধ্যে চিনি, গরম মসলার গুঁড়া, আস্ত কাঁচা মরিচ দিয়ে ঢেকে রান্না করুন।

রান্না হয়ে গেলে নামিয়ে পরিবেশন করুন সুস্বাদু কিমা খিচুড়ি। শীতের দিনে ধোঁয়া ওঠা গরম গরম গরুর এই কিমা খিচুড়ি আপনার মন ভালো করে দেবে।

রাশমিকার ফিটনেস রুটিন
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : সবার মুখেই এখন ‘পুষ্পা’ সিনেমার নাম। এই সিনেমায় নায়ক আল্লু অর্জুনের পাশাপাশি নায়িকা রাশমিকা মান্দানাও দারুন অভিনয় করেছেন। অভিনয়ের প্রশংসায় ভাসছেন তারা দুজনই। অভিনয়ের পাশাপাশি তাদের নাচও নজর কেড়েছে সবার।

বিশেষ করে ‘সামি সামি’ গানে রাশমিকার নাচের ভঙ্গি তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছে। রাশমিকার মেদহীন শরীর দেখে অনেকের মনেই কৌতূহল জেগেছে, কীভাবে তিনি ফিটনেস ধরে রাখছেন।

রাশমিকা বরাবরই তার স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নশীল। মিষ্টি হাসি ও উজ্জ্বল ত্বকের কারণে প্রথম থেকেই ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হচ্ছেন। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক কীভাবে ফিটনেস ধরে রেখেছেন রাশমিকা-

এই অভিনেত্রী বিশ্বাস করেন, ‘স্লিম থাকার চেয়ে ফিট ও সুস্থ থাকা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আপনার ওজনের সংখ্যাটি কত, তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনি কতটা সুস্থ।’

এই দক্ষিণী অভিনেত্রী সপ্তাহে ৪ দিন নিয়ম করে শরীরচর্চা করেন। তার অনুশীলনের মধ্যে আছে কিকবক্সিং, স্কিপিং, নাচ, সাঁতার কাটা, স্পিনিং, যোগব্যায়াম ও দ্রুত হাঁটার মতো কার্যকলাপ।

কার্ডিওর পাশাপাশি রাশমিকা পেশি তৈরির জন্য ওজন প্রশিক্ষণও অনুশীলন করেন। কার্ডিও ভাস্কুলার ব্যায়াম ও ওজন প্রশিক্ষণের সংমিশ্রণে তার ওয়ার্ক আউট রুটিন তৈরি।

রাশমিকা তার ওয়ার্কআউট রুটিন শুরু করেন ওয়ার্ম আপের মাধ্যমে। ২-৩ মিনিট ওয়ার্ম আপ করার পর হিপ থ্রাস্টস, হাফ নিলিং ব্যান্ড রো, মেডিসিন বল স্ল্যাম ইত্যাদি করেন।

এর পাশাপাশি ল্যান্ডমাইন ডেডলিফ্ট, বেঞ্চ পুশ-আপ, আইসোমেট্রিক পুশ-আপ, ওজন প্লেটসহ পুশ-আপ ইত্যাদি ব্যায়ামও অন্তর্ভুক্ত আছে তার ওয়ার্ক আউট রুটিনে।

প্রতিটি ব্যায়ামই তিনি ৮-১০ বার করে ৩ সেট করেন। ডাম্বেল নিয়েও তিনি শরীরচর্চা করেন। যার মধ্যে আছে- স্ন্যাচ, পুশ প্রেস ইত্যাদি। এগুলো প্রতিটি ৬ বার করে ৩ সেট করেন। তার ওয়ার্ক আউট রুটিনে চিন আপ ব্যায়ামও আছে।

শরীরচর্চার পাশাপাশি খাবারের বিষয়েও বেশ সচেতন তিনি। রাশমিকা বেশিরভাগ সময়ই নিরামিষ খাবার গ্রহণ করেন। শসা, আলু, ক্যাপসিকাম ও টমেটোর মতো সবজিতে তার অ্যালার্জি আছে।

তিনি দিন শুরু করেন এক গ্লাস হালকা গরম পানি দিয়ে। ডায়েটেশিয়ানের পরামর্শ অনুযায়ী রাশমিকা গরম পানিতে আপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে পান করেন।

সারাদিন নিজেকে হাইড্রেটেড রাখতে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করেন এই অভিনেত্রী। দুপুরের খাবারে ভাত এড়িয়ে যান তিনি। রাতের খাবারে খান স্যুপ বা ফল। জাঙ্ক ফুড একদমই খান না তিনি।

ফিটনেস ধরে রাখার পাশাপাশি রাশমিকা তার ত্বক, চুল ও সৌন্দর্যের প্রতি বিশেষ যত্নশীল। তিনি ত্বকের যত্নেও একটি রুটিন অনুসরণ করেন।

মেকআপ না তুলে তিনি কখনো ঘুমাতে যান না। ত্বক ভালো করে পরিষ্কার করা তারপর টোনিং ও ময়েশ্চারাইজ ব্যবহার তার স্কিন কেয়ার রুটিন।

সব সময় সানস্ক্রিন ব্যবহার করেন। তার স্কিন কেয়ার প্রসাধনীর বেশিরভাগই প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি। কেমিকেলযুক্ত প্রসাধনী ত্বক ও চুলে একেবারেই ব্যবহার করেন না রাশমিকা।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

দাঁত কিড়মিড় করা ক্ষতিকর কেন?
                                  

অনলাইন ডেস্ক : দাঁত কিড়মিড় একটি জটিল সমস্যা। অনেকেই ঘুম থেকে জাগেন মাথাব্যথা, চোয়ালব্যথা, ঘাড়ব্যথা কিংবা কোমরে ব্যথা নিয়ে। তারা ভাবেন এর কারণ হয়তো বিছানার তোশক ভালো ছিল না কিংবা অন্য কিছু। ফলে ঘুম থেকে ওঠার পর তরতাজা তো মনে হয়ই না; বরং শরীরে কেমন যেন ম্যাজম্যাজ ভাব করে। অথচ ঘুমের মধ্যে দাঁত কড়কড় করে শব্দ করার কারণেই এমনটি হয়েছে।

দাঁত কিড়মিড় কেন ক্ষতিকর— এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন নিউ সাউথ রোড হসপিটালের ডা. চৌধুরী সাইফুল আলম বেগ।

বেশিরভাগ মানুষেরই দাঁতে দাঁত ঘষার অভ্যাস থাকে। অনিয়মিত দাঁত কিড়মিড় করাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় ব্রুক্সিসম বলে। ফলে তেমন কোনো ক্ষতি হয় না। কিন্তু দাঁতে দাঁত ঘর্ষণের বিষয়টি নিয়মিত হলে দাঁতের ক্ষতি হয় এবং মুখের স্বাস্থ্যের জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। বড়দের তুলনায় ছোটদের এটি বেশি হয়ে থাকে।

কেন আমাদের দাঁতে দাঁত ঘর্ষণ হয়

মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তার কারণে হয়ে থাকে দাঁত কিড়মিড় করার সমস্যাটি। এটি প্রায়ই ঘুমের সময় হয় এবং অস্বাভাবিক কামড়, অনুপস্থিত বা বাঁকা দাঁতের কারণে হয়। নিদ্রাহীনতার মতো ঘুমের সমস্যার কারণেও হতে পারে।

দাঁত কিড়মিড় করা বোঝার উপায়

যেহেতু দাঁত কিড়মিড় করার সমস্যাটি বেশিরভাগ সময়ই ঘুমে থাকাকালীন হয়, তাই বেশিরভাগ মানুষই এ সম্পর্কে জানেন না। যদিও নিস্তেজ ও নিয়মিত মাথাব্যথা অথবা চোয়ালে ব্যথা হওয়া ব্রুক্সিসম হওয়ার লক্ষণ।

দাঁত কিড়মিড় করা ক্ষতিকর কেন

কিছু ক্ষেত্রে দীর্ঘস্থায়ী দাঁতের পিষণ দাঁত ভেঙে গেলে বা পড়ে গেলে হয়। দীর্ঘস্থায়ী দাঁত ঘর্ষণের ফলে দাঁত ক্ষয় হয়। ফলে দাঁতে ব্রিজ, ক্রাউন, রুট ক্যানাল, ইমপ্লান্ট, পারশিয়াল ডেঞ্চার এমনকি সম্পূর্ণ ডেঞ্চারও করতে হতে পারে। দাঁত কিড়মিড় করার ফলে শুধু দাঁতেরই ক্ষতি হয় না বরং মাড়িরও ক্ষতি হতে পারে।

দাঁত কিড়মিড় করা বন্ধ করার উপায়

ঘুমের সময় মাউথ গার্ড ব্যবহার করলে দাঁত কিড়মিড় করার সমস্যা থেকে মুক্ত হতে পারেন। এজন্য দন্ত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। স্ট্রেস মুক্ত হওয়ার চেষ্টা করুন। ঘুমের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করুন। এ ছাড়া চকলেট, কফি এবং কোকা কোলার মতো ক্যাফেইনসমৃদ্ধ পানীয় এড়িয়ে চলুন।

* অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন।

* খাবার ছাড়া অন্য কিছু কামড়ানোর অভ্যাস থাকলে তা পরিত্যাগ করুন। চুইংগাম এড়িয়ে চলুন।

* দিনেরবেলায় যদি দাঁত পেষার সমস্যাটি লক্ষ করেন, তা হলে দুই পাটি দাঁতের মাঝে জিভ রাখুন। এভাবে অনুশীলন করলে চোয়ালের পেশি রিলাক্স হবে।

* রাতে মাড়ির পেশিকে রিলাক্স রাখার জন্য কানের লতির সামনের অংশে উষ্ণ কাপড় রাখুন।

শিশুদের ক্ষেত্রে

আনুমানিক ১৫-৩৩ শতাংশ শিশুর দাঁত কিড়মিড় করার সমস্যা হয়ে থাকে। শিশুদের ক্ষেত্রে দুটি সময়ে হয়ে থাকে এ সমস্যা, তাদের দুধ দাঁত ওঠার সময় এবং স্থায়ী দাঁত ওঠার সময়। এ দুই সেট দাঁত পুরোপুরি ওঠার পর বেশিরভাগ শিশুরই দাঁত কিড়মিড় করার অভ্যাসটি দূর হয়ে যায়।

শিশুদের ক্ষেত্রে রাতের বেলায় দাঁত কিড়মিড় করার সমস্যাটি হতে দেখা যায়। এর সঠিক কারণ জানা যায়নি। হতে পারে অনিয়মিত দাঁতের সারি অথবা ওপরের ও নিচের পাটির দাঁতের অসংযোগ, অসুস্থতা, অন্য কারণ যেমন- পুষ্টির ঘাটতি, পিনওয়ার্ম, অ্যালার্জি, এন্ডোক্রাইন গ্রন্থির সমস্যা এবং মানসিক কারণ যেমন- দুশ্চিন্তা ও স্ট্রেসের কারণে।

শিশুর দাঁত কিড়মিড় করার কারণে সমস্যা হওয়া বিরল। নিয়মিত দাঁত কিড়মিড় করার ফলে চোয়ালে ব্যথা, মাথাব্যথা, TMD ইত্যাদি হতে পারে। যদি আপনার সন্তান দাঁত ব্যথার কথা বলে তা হলে তাকে ডেন্টিস্টের কাছে নিয়ে যান। এ ছাড়া—

* শিশুর স্ট্রেস কমানোর চেষ্টা করুন, বিশেষ করে ঘুমাতে যাওয়ার আগে।

* পেশিকে শিথিল করার জন্য ম্যাসাজ ও স্ট্রেচিং করান।

* পর্যাপ্ত পানি পান করান। ডিহাইড্রেশনের কারণেও দাঁতে দাঁত ঘষার প্রবণতা হতে পারে।

অর্শ্ব না কোলন ক্যান্সার বুঝবেন কীভাবে?
                                  

অনলাইন ডেস্ক : অর্শ্ব ও কোলন ক্যান্সার, এই দুটি রোগের ক্ষেত্রে কিছু উপসর্গ প্রায় মিলে যায়। যেমন মলদ্বারে প্রদাহ, মলত্যাগের সময় তীব্র যন্ত্রণা কিংবা রক্তপাতের মত সমস্যা থাকলে তা অর্শ্ব না কোলন ক্যান্সার, এটি সাধারণ মানুষের পক্ষে বুঝে ওঠা কিছুটা কঠিন।

কিন্তু কিছু কিছু উপসর্গ রয়েছে যা কিছুটা হলেও আলাদা। দিনে কতবার মল ত্যাগের প্রয়োজন অনুভূত হয় তার তারতম্য ঘটা, আচমকা বমি বমি ভাব, গা ঘুলিয়ে ওঠা, ওজন কমে যাওয়া, সরু ফিতের মত মল নির্গত হওয়া ইত্যাদি উপসর্গগুলো কোলন ক্যান্সারের ক্ষেত্রে দেখা গেলেও সাধারণত অর্শ্ব রোগীদের ক্ষেত্রে এগুলো দেখা যায় না।

আবার মলদ্বারের রক্তপাতের মধ্যেও রয়েছে তারতম্য, অর্শ্ব রোগীদের ক্ষেত্রে যে রক্তপাত হয় তা সাধারণত লাল। অপর দিকে কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে এই রক্ত কালচে রঙের হয়। কালচে রঙ দেহের অভ্যন্তর থেকে নির্গত রক্তের সূচক।
পেট ব্যথাও কোলন ক্যান্সারের অন্যতম মুখ্য একটি উপসর্গ যা সাধারণত অর্শ্বের ক্ষেত্রে দেখা যায় না।

কোলন ক্যান্সারে যেহেতু অন্ত্র থেকে রক্তপাত হয় তাই, এটি রক্তাল্পতা তৈরি করে। রক্তাল্পতা ডেকে আনে ক্লান্তি। অর্শ্ব রোগীদের ক্ষেত্রে এই উপসর্গটিও খুব বেশি দেখা যায় না।

তবে মনে রাখা দরকার এই ধরনের সমস্যা বিপদের লক্ষণ। তাছাড়া সাধারণ মানুষের পক্ষে কোনটি কী তা বুঝে ওঠায় অত্যন্ত কঠিন। কাজেই এই ধরনের কোনও উপসর্গ অবহেলা করা উচিত নয়। এই ধরনের যেকোনও উপসর্গ দেখা গেলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই বিচক্ষণতার পরিচয়।

করোনার নতুন ধরন `নিওকোভ` যে কারণে প্রাণঘাতী
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : একে তো ওমিক্রন আতঙ্কে দিশেহারা পুরো বিশ্ব, তার উপরে আরও এক প্রাণঘাতী ধরনের সন্ধান মিললো। বর্তমানে ওমিক্রনে আক্রান্তের সংখ্যা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে।

তবে ওমিক্রনের উপসর্গ মৃদু হওয়ার কারণে, অনেকেই চিন্তামুক্ত আছে। কিছুদিন আইসোলেশনে থাকার মাধ্যমে অনেক ওমিক্রন রোগীই সুস্থ হয়ে উঠছেন। অনেকেই ভেবেছিলেন, ওমিক্রন দিয়েই বোধ হয় শেষ হবে করোনা আতঙ্ক!

তার মাঝেই আবার উদ্বেগ বাড়ালো করোনার নতুন ধরন নিওকোভ। চীনা বিজ্ঞানীদের উল্লেখিত নিওকোভ করোনাভাইরাসটি নিয়ে এখন আরও গবেষণার প্রয়োজন। মানুষের জীবনে এই ভাইরাস কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে তা নিয়ে বিজ্ঞানীরা গবেষণা শুরু করেছেন।

এরই মধ্যে অনেক বিশেষজ্ঞরাই ধারণা করছেন, এটি হতে পারে করোনার সবগুলো ধরনের চেয়ে আরও বেশি সংক্রামক ও প্রাণঘাতী। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, এখনো সঠিকভাবে বলা যাচ্ছে না, এই ভাইরাস শরীরে কীভাবে প্রভাব ফেলবে। এটি নিয়ে গবেষণা শুরু হয়েছে।

বারবার ধরন পাল্টে ভয়ানক আকার ধারণ করছে করোনা ভাইরাস। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু’র তরফে জানানো হয়েছে, উহান গবেষকদের একটি দল দক্ষিণ আফ্রিকার বাদুড়ের মধ্যে নতুন ধরনের করোনা ভাইরাস, নিওকোভ খুঁজে পেয়েছেন।

এক গবেষণায় জানানো হয়েছে, নিওকোভ ভাইরাস আরও আতঙ্ক সৃষ্টি করতে পারে। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, চীনা বিজ্ঞানীদের উল্লেখিত নিওকোভ করোনা ভাইরাসটি নিয়ে আরও অনেক উন্নতমানের গবেষণার প্রয়োজন।

করোনা ভাইরাস হলো ভাইরাসের একটি বড় পরিবার। যা সাধারণ সর্দি থেকে শুরু করে শ্বাসযন্ত্রের গুরুতর সমস্যা সহ বিভিন্ন রোগের কারণ হতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য বলছে, মানব শরীরে ৭৫ শতাংশ সংক্রামক রোগের উৎস বন্য প্রাণী। করোনা ভাইরাস প্রায়শই বাদুড়ের মতো প্রাণীদের মধ্যে পাওয়া যায়।

ওই গবেষণায় ধারণা করা হয়েছে, নিওকভ ভাইরাসটিও কোভিড-১৯ ভাইরাসের মতোই মানব শরীরে প্রবেশ করতে পারে। বায়োর্জিভে প্রকাশিত হয়েছে এই গবেষণার প্রি-প্রিন্ট।

গবেষণায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, নিওকোভের মাত্র একটি মিউটেশন হলেই মানব শরীরের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। নিওকোভ ভাইরাসটির সঙ্গে মিডল ইস্ট রেসপিরেটরি সিন্ড্রোম অর্থাৎ মার্সের অনেকটাই মিল আছে।

২০১২ সালে এই রোগটি প্রথম সৌদি আরবের নাগরিকদের মধ্যে শনাক্তকরণ করা হয়েছিল। গবেষণায় বলা বলা হয়েছে, মার্স-এর সঙ্গে নিওকোভের ৮৫ শতাংশ মিল আছে। মার্স সংক্রমিতদের মধ্যে মৃত্যুর হার ৩৫ শতাংশ, কোভিডের চেয়ে যা বহু গুণ বেশি। তাই নিওকোভ নিয়েও উদ্বেগে আছেন বিজ্ঞানীরা।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস/ এবিপি লাইভ/ লাইভমিন্ট


   Page 1 of 21
     লাইফস্টাইল
ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ১৭ শতাংশ কমাতে পারে চা, বলছে গবেষণা
.............................................................................................
পাতিলেবুর উপকারিতা
.............................................................................................
গরমে ঘর ঠান্ডা রাখার ৭ কৌশল
.............................................................................................
ইফতারে রাখুন সুস্বাদু বাদামের লাচ্ছি
.............................................................................................
গরমের দিনে রোজায় পানিশূন্যতা দূর করবেন যেভাবে
.............................................................................................
ব্যায়াম-ডায়েট ছাড়াই ১৫ মিনিটের যে কাজে কমবে ওজন
.............................................................................................
হাঁটার উপকারিতা
.............................................................................................
কনুইয়ের কালো দাগ দূর করার ৩ উপায়
.............................................................................................
যেভাবে মাইগ্রেনের সমস্যা থেকে দূরে থাকা সম্ভব
.............................................................................................
যেভাবে রূপচর্চা করেন আলিয়া ভাট
.............................................................................................
ওমিক্রনের বিএ২ ভ্যারিয়েন্টের অস্বাভাবিক ২ লক্ষণ
.............................................................................................
গরুর মাংসের কিমা খিচুড়ি রান্নার রেসিপি
.............................................................................................
রাশমিকার ফিটনেস রুটিন
.............................................................................................
দাঁত কিড়মিড় করা ক্ষতিকর কেন?
.............................................................................................
অর্শ্ব না কোলন ক্যান্সার বুঝবেন কীভাবে?
.............................................................................................
করোনার নতুন ধরন `নিওকোভ` যে কারণে প্রাণঘাতী
.............................................................................................
প্রথম সন্তানের পর জন্মনিয়ন্ত্রণে কোন পদ্ধতি কার্যকর
.............................................................................................
জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল মিস হলে করণীয় কী? জেনে নিন বিশেষজ্ঞ পরামর্শ
.............................................................................................
জেনিফার উইনগেটের রূপের গোপন রহস্য
.............................................................................................
যে নিয়ম মেনে ৪৩ বছরেও ফিট বিপাশা বসু
.............................................................................................
গোসলের সময় যেসব ভুলে চর্মরোগের ঝুঁকি বাড়ে
.............................................................................................
ঠান্ডায় নাক বন্ধ হলে দ্রুত যা করবেন
.............................................................................................
ওমিক্রনের পর এলো `ডেল্টাক্রন`, এর উপসর্গ কী কী?
.............................................................................................
ঘরে লুকানো ক্যামেরা আছে কি না বুঝবেন যেভাবে
.............................................................................................
`ওমিক্রনে` আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কাদের বেশি?
.............................................................................................
খেজুর রসে ভাপা পিঠা তৈরির রেসিপি
.............................................................................................
ধূমপানের কারণে দাঁতে দাগ পড়লে তুলবেন যেভাবে
.............................................................................................
`ওমিক্রন` কেন বিপজ্জনক? এর উপসর্গ কী কী?
.............................................................................................
খেজুর গুড়ের পায়েস তৈরির সহজ রেসিপি
.............................................................................................
শীতে অ্যালার্জি থেকে মুক্তির ৫ উপায়
.............................................................................................
৩ উপকরণে ১০ মিনিটেই তৈরি করুন টকদই
.............................................................................................
পা ফাটা মারাত্মক রোগের লক্ষণ নয় তো?
.............................................................................................
শীতে খুশকি দূর করতে কী করবেন
.............................................................................................
ত্বকের যত্নে জলপাইয়ের তেল
.............................................................................................
শীতে ত্বকের যত্নে জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরামর্শ
.............................................................................................
মাথাব্যথা সহজে দূর করবেন যেভাবে
.............................................................................................
চুল পড়া বন্ধে ৬ উপায়
.............................................................................................
রেসিপি: ক্রিসপি রূপচাঁদা ফ্রাই
.............................................................................................
সাদা পোশাক সুরক্ষিত রাখবেন যেভাবে
.............................................................................................
শীতকালে ঠান্ডা-কাশি সারাবে তুলসি পাতা
.............................................................................................
২টি উপকরণে মোজারেলা চিজ তৈরির রেসিপি
.............................................................................................
শীত নিয়ে ৪ ভুল ধারণা
.............................................................................................
উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সজনে পাতার চা
.............................................................................................
১ মাসে মোটা হবেন ?
.............................................................................................
হাত থেকে মেহেদি তোলার সহজ উপায়
.............................................................................................
শীতের শুরুতে হাতের যত্ন
.............................................................................................
এলাচ চা খেলে কী হয়?
.............................................................................................
খাওয়া ছাড়াও ডিম যেসব কাজে ব্যবহার করা যায়
.............................................................................................
শীতের আগে ত্বক ভালো রাখতে যা করবেন
.............................................................................................
থানকুনি পাতা শরীরের যেসব উপকার করে
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Dynamic Scale BD