বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে তুরস্কে গেলো বিশেষ উদ্ধারকারী দল   * করোনাভাইরাসে আক্রান্তের শীর্ষে জাপান, মৃত্যুতে যুক্তরাষ্ট্র   * তুরস্ক-সিরিয়ায় ভূমিকম্প : মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১৫ হাজার   * বিধ্বস্ত প্রদেশগুলো এক বছরে পুনর্গঠনের প্রতিশ্রুতি এরদোয়ানের   * দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন রাষ্ট্রপতি: প্রধানমন্ত্রী   * ইরফান সেলিমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি   * শপথ নিলেন নবনির্বাচিত ৬ এমপি   * তুরস্ক-সিরিয়ায় ভূমিকম্প : বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক   * রমজানে পণ্য সংকট হবে না : বাণিজ্যমন্ত্রী   * দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে ১৩ কলেজে শতভাগ ফেল  

   লাইফস্টাইল -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ইয়ারবাড পরিষ্কার করার সহজ উপায়

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক : বর্তমানে ওয়্যারলেস গ্যাজেট বেশ জনপ্রিয়। বিশেষ করে ওয়্যারলেস হেডফোন, ইয়ারবাড এখন কমবেশি সবাই ব্যবহার করছেন। বিভিন্ন দামে নামিদামি কোম্পানির পাশাপাশি ছোট গ্যাজেট নির্মাতা প্রতিষ্ঠানও নিয়ে আসছে একের পর এক ইয়ারবাড। আকারে ছোট্ট হওয়ায় সহজে যেখানে খুশি নিয়ে যাওয়া যায়।

তবে সারাক্ষণ ব্যবহার করা হলেও নিয়মিত অনেকেই ইয়ারবাড পরিষ্কার করেন না। বিশেষ করে যেখানে সেখানে রাখার ফলে ইয়ারবাড নোংরা হয়ে যায় খুব দ্রুত। আবার তা যদি হয় সাদা রঙের তাহলে তো কথাই নেই। সাধের ইয়ারবাড কয়েকদিন ব্যবহারের পরই আর জনসম্মুখে বের করার উপায় থাকে না।

ইয়ারবাডের যে অংশ কানে লাগানো থাকে, সেই অংশই বেশি নোংরা হয়ে যায়। নিয়মিত পরিষ্কার না করার ফলে অনেক সময় ইয়ারবাডে শব্দ কমে যাওয়াসহ নানান সমস্যা দেখা দেয়। এমনকি নোংরা ইয়ারবাড ব্যবহারে কানে ইনফেকশন দেখা দিতে পারে।

জেনে নিন খুব সহজে যেভাবে ইয়ারবাড পরিষ্কার করতে পারবেন-

>> ইয়ারবাড পরিষ্কার করার সময় মাইক্রোফাইবার কাপড় ব্যবহার করা উচিত। এটি তাদের স্ক্র্যাচ থেকে রক্ষা করবে। যে কোনো কাপড় দিয়ে মুছবেন না। এতে ইয়ারবাডে দাগ পরে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে।

>> কটন বাড দিয়ে খুব সুন্দর পরিস্কার করা যায়। আলতো হাতে কটন বাড দিয়ে পরিস্কার করুন। কটন বাড দিয়ে ইয়ারবাড পরিষ্কার করলে কোনো ক্ষতি হবে না কারণ এগুলো খুবই নরম।

>> জোরে বাতাস দিয়েও ইয়ারবাডের ভেতরের অংশ পরিষ্কার করা যায়। ভ্যাকিউম ক্লিনার ব্যবহার করতে পারেন। এতে ইয়ারবাডের ভেতরে জমে থাকা ধুলা খুব সহজেই বেরিয়ে আসবে।

>> কয়েকদিন পর পর অ্যালকোহল ওয়াইপ দিয়ে ইয়ারবাড মুছে নিতে পারেন। এটি কেবল বাডগুলোকে জীবাণুমুক্ত করবে না, সঙ্গে সেগুলোকে পরিস্কারও রাখবে। যে কোনো ফার্মেসিতে অ্যালকোহল ওয়াইপ পেয়ে যাবেন।

>> ইয়ারবাড ভালো রাখতে ব্যবহারের পর চার্জিং কেসের ভেতর রাখুন। তবে ইয়ারবাডগুলো রাখার আগে চার্জিং কেসটিও পরিষ্কার করে নিন।

সূত্র: দ্য ভার্জ

ইয়ারবাড পরিষ্কার করার সহজ উপায়
                                  

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক : বর্তমানে ওয়্যারলেস গ্যাজেট বেশ জনপ্রিয়। বিশেষ করে ওয়্যারলেস হেডফোন, ইয়ারবাড এখন কমবেশি সবাই ব্যবহার করছেন। বিভিন্ন দামে নামিদামি কোম্পানির পাশাপাশি ছোট গ্যাজেট নির্মাতা প্রতিষ্ঠানও নিয়ে আসছে একের পর এক ইয়ারবাড। আকারে ছোট্ট হওয়ায় সহজে যেখানে খুশি নিয়ে যাওয়া যায়।

তবে সারাক্ষণ ব্যবহার করা হলেও নিয়মিত অনেকেই ইয়ারবাড পরিষ্কার করেন না। বিশেষ করে যেখানে সেখানে রাখার ফলে ইয়ারবাড নোংরা হয়ে যায় খুব দ্রুত। আবার তা যদি হয় সাদা রঙের তাহলে তো কথাই নেই। সাধের ইয়ারবাড কয়েকদিন ব্যবহারের পরই আর জনসম্মুখে বের করার উপায় থাকে না।

ইয়ারবাডের যে অংশ কানে লাগানো থাকে, সেই অংশই বেশি নোংরা হয়ে যায়। নিয়মিত পরিষ্কার না করার ফলে অনেক সময় ইয়ারবাডে শব্দ কমে যাওয়াসহ নানান সমস্যা দেখা দেয়। এমনকি নোংরা ইয়ারবাড ব্যবহারে কানে ইনফেকশন দেখা দিতে পারে।

জেনে নিন খুব সহজে যেভাবে ইয়ারবাড পরিষ্কার করতে পারবেন-

>> ইয়ারবাড পরিষ্কার করার সময় মাইক্রোফাইবার কাপড় ব্যবহার করা উচিত। এটি তাদের স্ক্র্যাচ থেকে রক্ষা করবে। যে কোনো কাপড় দিয়ে মুছবেন না। এতে ইয়ারবাডে দাগ পরে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে।

>> কটন বাড দিয়ে খুব সুন্দর পরিস্কার করা যায়। আলতো হাতে কটন বাড দিয়ে পরিস্কার করুন। কটন বাড দিয়ে ইয়ারবাড পরিষ্কার করলে কোনো ক্ষতি হবে না কারণ এগুলো খুবই নরম।

>> জোরে বাতাস দিয়েও ইয়ারবাডের ভেতরের অংশ পরিষ্কার করা যায়। ভ্যাকিউম ক্লিনার ব্যবহার করতে পারেন। এতে ইয়ারবাডের ভেতরে জমে থাকা ধুলা খুব সহজেই বেরিয়ে আসবে।

>> কয়েকদিন পর পর অ্যালকোহল ওয়াইপ দিয়ে ইয়ারবাড মুছে নিতে পারেন। এটি কেবল বাডগুলোকে জীবাণুমুক্ত করবে না, সঙ্গে সেগুলোকে পরিস্কারও রাখবে। যে কোনো ফার্মেসিতে অ্যালকোহল ওয়াইপ পেয়ে যাবেন।

>> ইয়ারবাড ভালো রাখতে ব্যবহারের পর চার্জিং কেসের ভেতর রাখুন। তবে ইয়ারবাডগুলো রাখার আগে চার্জিং কেসটিও পরিষ্কার করে নিন।

সূত্র: দ্য ভার্জ

শিশুর আত্মবিশ্বাস বাড়াতে যা করবেন
                                  

 

সবার সামনে নিজেকে মেলে ধরা সহজ নয়। বাসায় শিশু অনেক কথা বলে, কিন্তু স্কুলের মঞ্চে উঠলেই আর কিছু বলে না। একরাশ জড়তা যেন গ্রাস করে বসে তাকে। এ ব্যাপারে অনেক শিশুরই আত্মবিশ্বাসের অভাব আছে। কারও ক্ষেত্রে হয়তো একটু প্রশংসা বা উৎসাহ তার আত্মবিশ্বাস বাড়াতে কাজে দেয়। কারও ক্ষেত্রে হয়তো কাউন্সেলিং প্রয়োজন হয়। যা শিশুর আত্মবিশ্বাস বাড়াতে কাজ দেবে। সন্তানের পাশে থেকে তার ভয়-দ্বিধা কাটাতে সাহায্য করতে হবে মা-বাবাকে।

আত্মবিশ্বাসের অভাব কিংবা সবার সামনে জড়তা কাজ করা এক ধরনের ভীতি, যা ধীরে ধীরে কাটাতে হবে। আমরা অনেক সময় শিশুদের সঙ্গে তার বন্ধুদের তুলনা করে ফেলি বা ছোটদের বলি ‘এই রকম করলে লোকে কী বলবে!’ এতে ওরা নিজেদের অজান্তেই মনের মধ্যে একটা নেতিবাচক ধারণা তৈরি করে নেয়। অনেক সময় দেখা যায় বাড়িতে শিশু সব পড়াশোনা পারছে, কিন্তু স্কুলে গিয়ে আর পারছে না। পরীক্ষার খাতায় হয়তো লিখে আসছে, কিন্তু মৌখিক পরীক্ষার সময়ে এলোমেলা করে ফেলছে। এসব ক্ষেত্রে স্কুলের শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলুন। অন্য সময়ে ক্লাসে সন্তানের আচরণ কেমন থাকে, সেটা জানার চেষ্টা করুন। বাড়িতে নিজেই মৌখিক পরীক্ষা নিন। তবে বকা কিংবা মারধর করবেন না কোনোভাবেই। এতে শিশু আরো গুটিয়ে নেবে নিজেকে।


ভুলে যাওয়া কিংবা না পারা কোনো দোষ নয়। এগুলো সাময়িক ব্যাপার, যা অধ্যবসায় এবং ধৈর্য্যের মাধ্যমে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। বাড়িতে যখন আপনার সামনে সে গাইবে-নাচবে রেকর্ড করে রাখুন। ওকে দেখান সে আসলে কতটা ভালো করেছে বা কোন জায়গাগুলো আরো ভালো করা যায়। সন্তানকে উৎসাহ দিতে হবে সবসময়।

মজার ছলে শিশুর যেকোনো ধরনের ভয় কাটানোর চেষ্টা করুন। খেলার মাধ্যমে তাকে পড়তে, পারফর্ম করতে উৎসাহ দিন। শিশুর বন্ধুদের সঙ্গেও এমন খেলা করতে বলবেন। পরিবেশ হালকা রাখতে শিশুর বন্ধুদের মধ্যে বা বাড়িতে কোনো বিষয়ে একসঙ্গে আলোচনা করতে পারেন।

সন্তানের কিছু আচরণে লক্ষ রাখতে বলছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা। সামাজিকভাবে মেলামেশা করতে তার সমস্যা হচ্ছে কি না, স্কুলে পড়া বুঝতে পারছে কি না, বন্ধুদের সঙ্গে মিশতে সমস্যা হচ্ছে কিনা-এ বিষয়গুলো খেয়াল রাখুন। যদি প্রতিটি ক্ষেত্রে ইতিবাচক উত্তর পান, তা হলে অতিরিক্ত চিন্তার কিছু নেই। সেটা না হলে কাউন্সেলিংয়ের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

শীতে সর্দি-কাশির হাত থেকে বাঁচতে ডায়েটে রাখুন এই ৭টি খাবার
                                  

শীতকাল যেকোনো বয়সী মানুষ বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যার শিকার হন। ঠান্ডা লাগা, সর্দি কাশি শীতের মৌসুমে খুবই সাধারণ রোগ। তবে যেগুলি বিশেষ করে ভাইরাল সংক্রমণ থেকেই হয়ে থাকে। ফ্লু, কোভিড, আরএসভি (শ্বাসযন্ত্রের সিনসিটিয়াল ভাইরাস) যা শীতের মৌসুমে ব্যাপকভাবে দেখা যায়।

শীতকালকে সুপারফুডের মৌসুমও বলা হয়ে থাকে কারণ এই সময় বাজারে বিভিন্ন ধরনের শাক সবজি, ফল পাওয়া যায় যা আপনার ইমিউনিটিকে বাড়াতে সাহায্য করে। ভালো পুষ্টিযুক্ত খাবার আপনাকে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে এবং আপনার শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগাতেও অনেক বড় ভূমিকা পালন করে থাকে। আপনি এই ঋতুতে ঠান্ডা ও কাশি প্রতিরোধ করতে নিজের প্রতিদিনের ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন যেসব খাবার।

রসুন: রসুন প্রায় সব ধরনের রোগ প্রতিরোধে খুব বড় সহায়ক। রসুনে রয়েছে প্রাকৃতিক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য এবং অ্যালিসিন নামক একটি যৌগ যা আমাদের সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে।

হলুদ দুধ: বহুযুগ ধরেই শীত মৌসুমে এই হলুদ দুধ খাওয়ার প্রথা চলে আসছে। সর্দি-কাশির বিরুদ্ধে ঘরোয়া প্রতিকার হিসেবে ব্যবহৃত এই গোল্ডেন মিল্ক খুবই প্রচলিত। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে সাহায্য করতে পারে। আপনি তাৎক্ষণিক ফল পেতে দুধে কালো মরিচ যোগ করতে পারেন।

তুলসী: দেশে ঐতিহ্যগতভাবে তুলসীর ব্যবহার চিরকালের। শীতের মৌসুমে সর্দি কাশি থেকে রেহাই দিতে এর ভূমিকা অনস্বীকার্য। তুলসি প্রাকৃতিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারী হিসাবে কাজ করে এবং সংক্রমণকে দূরে রাখে।

কাজুবাদাম: শীতকালে আমাদের ইমিউনিটি হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই এই সময় আপনার ডায়েটে বাদাম অবশ্যই যোগ করুন। বাদামে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই থাকে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে। এগুলিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক এবং মিনারেল, যা সর্দি এবং কাশির সময় উপকারী।

আমলকি: ভিটামিন সি সমৃদ্ধ আমলকিতে রয়েছে চমৎকার রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা। ইমিউনিটি বৃদ্ধিকারী এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যের জন্য এর সুপরিচিতি রয়েছে। আমলকি ইমিউন সিস্টেমের অন্যান্য কোষগুলিকে ভালোভাবে কাজ করতে সাহায্য করে বলে আমাদের স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে এর ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
তথ্যসূত্র: নিউজ এইটিন

মৌসুমি ঠান্ডা-সর্দি সামাল দিতে কী করবেন?
                                  

নওরিন আক্তার : ঋতু বদলের এই সময়ে হুট করে গলা খুসখুস করা, সর্দি, কাশি ও ঠান্ডার মতো সমস্যাগুলো লেগেই থাকে। বিশেষ করে শিশুদের অনেকেই আক্রান্ত হচ্ছে মৌসুমি সর্দি-কাশিতে। কীভাবে সামাল দেবেন এই পরিস্থিতি? পরামর্শ দিচ্ছেন বাংলাদেশ মাল্টিকেয়ার হাসপাতাল ও ইবনেসিনা ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টারের ক্লিনিক্যাল ডায়াটিশিয়ান ও নিউট্রিশন কনসালটেন্ট ফাতেমা সিদ্দিকী ছন্দা।

প্রতিদিন সকালে হালকা গরম পানির সাথে ১ চা চামচ খাঁটি মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন। মধুর অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে।

কালোজিরার গুঁড়া ১ চা চামচ মধুর সাথে মিশিয়ে সকাল ও বিকালে খেতে পারেন। এটা দারুণ কাজ করে।

তুলসী পাতার রস খেতে পারেন। ১ চা চামচ তুলসীর রস মধুর সাথে মিশিয়ে দুইবেলা খেলে অনেক সময় ওষুধ ছাড়াই ২/৩ দিনে সুস্থ হওয়া যায়।

আপনার খাদ্যাভ্যাস ঠিক আছে কিনা সেদিকেও খেয়াল রাখুন। তরলজাতীয় খাবার খান বেশি করে। যেমন গরম স্যুপ।

বিকালে মসলা চা বা আদা চা তুলসী পাতা দিয়ে খেলেও চমৎকার উপকার পাবেন।

প্রতিবেলার ভারি খাবারের পর অল্প পরিমাণে ভিটামিন সি যুক্ত ফল রাখুন। দিনে দুটি আমলকী খেতে পারেন।

গলা খুসখুসে আরাম পেতে সামান্য লবণ কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে দুইবেলা কুলকুচি করুন।

কোনও ভাবেই ডিহাইড্রেশনে ভোগা যাবে না। ঠান্ডা ও সর্দি লাগলে পানি খেতে ইচ্ছা করে না। এই ইচ্ছাকে গুরুত্ব দিলে সমস্যা আরও বাড়বে। বড় ও ছোট সবার বেলায় পানির পরিমাণ যেন ঠিক থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।


শিশুদের ঠান্ডা-সর্দি সামাল দিতে করণীয়

  • শিশুদের জন্য মধু ও তুলসী পাতার রস বা মধু ও কালোজিরার গুঁড়া চমৎকার কাজ করে।
  • শিশুর বয়স দেড় বছর হয়ে গেলে ২/৩ চা চামচ করে চিনি ছাড়া আদা বা মসলা চা ২ বেলা দেওয়া যাবে।
  • চিকেন স্যুপ, ভেজিটেবল স্যুপ, কর্ন স্যুপ ও কুসুম গরম পানি খাওয়াতে পারেন শিশুকে।

রোদ ওঠার পর কুসুম গরম পানি দিয়ে গোসল করিয়ে দিন শিশুকে। এতে বুকে জমে থাকা সর্দি দূর হবে। অনেকেই ভাবেন গোসল করালে সর্দি বাড়ে। এটি একেবারেই ভুল ধারণা। গোসল করালে নাক দিয়ে সর্দি বের হয়ে যায়। যেটাকে সর্দি বেড়ে গেছে ভেবে অনেকেই ভুল করেন।

নাকের ড্রপ ও সাসপেনশন বা ওরাল মেডিকেশন শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শে চালিয়ে যেতে হবে।

‘সারা’র পোশাকে বিজয়ের গৌরবগাঁথা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশের সংগ্রামী মানুষের স্বাধীনতার যে স্বপ্ন ছিল তা বাস্তবে রূপ পেয়েছে বিজয়ের এই মাসে। মুক্তিকামী মানুষের জন্য এ মাসটি তাই খুবই আনন্দের। আর পোশাকের মাধ্যমে সেই আনন্দের বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে ও বিজয়ের চেতনাকে উজ্জীবিত করার প্রয়াসে ‘সারা’ লাইফস্টাইল সাজিয়েছে এ বছরের বিজয় দিবস কালেকশন।

‘সারা’ লাইফস্টাইলের সংগ্রহে এবার মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের নানা অনুষঙ্গ বিভিন্নভাবে স্থান পেয়েছে। এছাড়া সাদা-লাল-সবুজের সংমিশ্রণে বিভিন্ন ডিজাইন প্রতিটি পোশাকেই এনেছে ভিন্ন সৌন্দর্য। লাল-সবুজ যেহেতু জাতীয় পতাকার রঙ তাই পোশাকে এই দুটি রঙের সংমিশ্রণ ঘটিয়ে আনন্দের রঙ সৃষ্টি করা হয়েছে। এভাবেই স্বাধীনতার রঙে সেজেছে এবারের ‘সারা’ লাইফস্টাইলের সংগ্রহ।

‘সারা’ লাইফস্টাইলের বিজয় কালেকশন এবার রূপ দেওয়া হয়েছে কাপড়ের ক্যানভাসে। সাদা, লাল ও সবুজে ফুটেছে ১৯৭১ সালের বিজয়ের ছবি। বিভিন্ন রঙের শেডও এক্ষেত্রে পরিপূরক হয়েছে।

বিজয় দিবসের সংগ্রহে পুরুষদের জন্য রয়েছে পাঞ্জাবি, টি-শার্ট, শার্ট। নারীদের জন্য ‘সারা’র এবারের সংগ্রহে থাকছে এথনিক কুর্তি, টপস, থ্রি-পিস। এছাড়া ছেলে শিশুদের জন্য রয়েছে পাঞ্জাবি, ক্যাজুয়াল শার্ট, টি-শার্ট। আর মেয়ে শিশুদের জন্য রয়েছে ফ্রক, টপস, থ্রি-পিসসহ আরও নানা ধরনের পোশাকের সংগ্রহ। এছাড়া ‘সারা’ লাইফস্টাইলের নিয়মিত সব সংগ্রহ তো থাকছেই। এক হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৩ হাজার টাকার মধ্যে এসব পোশাক কিনতে পারবেন ক্রেতারা।

স্নোটেক্স গ্রুপ-এর লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড ‘সারা’ যাত্রা শুরু করেছে ২০১৮ সালের মে মাস থেকে। ঢাকার মিরপুর-৬ এ অবস্থিত ‘সারা’র প্রথম আউটলেট নিয়ে কাজ শুরুর পর বসুন্ধরা সিটির লেভেল ১, ব্লক ‘এ’ এর ৪০ এবং ৫৪ নম্বর শপটি ছিল ‘সারা’র দ্বিতীয় আউটলেট।

তৃতীয় আউটলেটটি হলো বাড়ি- ১৯ বি/৪সি ও বি/৪ ডি, ব্লক-এফ, রিং রোড, মোহাম্মদপুর এ ঠিকানায়। উত্তরায় ‘সারা’র পোশাক পাওয়া যাবে হাউজ নম্বর-২২, সোনারগাঁ জনপদ, সেক্টর-৯ এ ঠিকানায়। বারিধারা জে ব্লকে আছে ‘সারা’র আরেকটি আউটলেট। বনশ্রী ই ব্লকের ১ নম্বর রোডের ৪৮ নম্বর বাড়িতে রয়েছে ‘সারা’র ষষ্ঠ আউটলেট।

এছাড়া ঢাকার ওয়ারীতে (বাড়ি ৩৬/১ নম্বর, র্যাকিন স্ট্রিট, ওয়ারী, ঢাকা-১২০৩) রয়েছে ‘সারা’র অষ্টম আউটলেট।

ঢাকার বাইরে ‘সারা’র প্রথম আউটলেট রংপুরে জাহাজ কোম্পানির মোড়েই। এছাড়া সম্প্রতি রাজশাহীতে (বাড়ি- ৫৩ ও ৫৪, ইউনাইটেড টাওয়ার, রানীবাজার, রাজশাহী-৬০০০) ও রাজধানী ঢাকার বাসাবোতে (বাড়ি- ৯৬/২, পূর্ব বাসাবো, সবুজবাগ, ঢাকা-১২১৪) যথাক্রমে ‘সারা’র নবম ও দশম আউটলেটের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

আউটলেটের পাশাপাশি ‘সারা’র নিজস্ব ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজ এবং ইন্সটাগ্রাম থেকে ক্রেতারা ঢাকার ভেতরে অর্ডার করে হোম ডেলিভারি পেতে পারেন। এছাড়া ঢাকার বাইরে কুরিয়ারের মাধ্যমেও পণ্য ডেলিভারি দিচ্ছে ‘সারা’।

শীতকালীন নানা রোগ থেকে বাঁচতে ভরসা রাখুন ৩ উপাদানে
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : শীতে মৌসুমী ফ্লু থেকে শুরু করে নানা রোগের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যায়। কারণ এ সময় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। ফলে শীতে নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। তাই এ সময় সুস্থ থাকলে ভেষজ উপাদানে ভরসা রাখতে হবে।

প্রাকৃতিক কিছু ভেষজ উপাদান আছে, যার মাধ্যমে শীতে সহজেই আপনি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারবেন। তেমনই ৩ দুর্দান্ত উপকারী ভেষজ উপাদান সম্পর্কে জেনে নিন-

নিমপাতা
নিমপাতায় থাকা অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি, অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি ফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

এছাড়া রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে নিমপাতা। নিয়মিত এই পাতার সামান্য পরিমাণ পান করলেও ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন কঠিন রোগ থেকে রক্ষা মেলে।


আদা
আদাতেও অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে, যা শরীরের হজম প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করে। এছাড়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে আদা কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

তাই আদা চা পান করলে কিংবা খাবারে আদা মেশালে মৌসুমী সর্দি-কাশি থেকে শুরু করে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান হবে।

আমলকি
আমলকি ছোট হলেও এতে থাকে বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিগুণ। একটি কমলার চেয়েও বেশি পরিমাণ ভিটামি,ন সি মেলে আমলকিতে।

এতে আরও পাওয়া যায় বিটা ক্যারোটিন, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ আমলকি খাওয়ার রুচি বাড়ায়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও আমলকি কাজ করে। তাই শীতের মৌসুমে দৈনিক আমলকি খান। আমলকির রসও পান করতে পারে।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

সরিষা ফুলের বড়া তৈরির রেসিপি
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : সরিষা ফুলের সৌন্দর্য সবাইকে মুগ্ধ করে। সরিষা ক্ষেত দেখলে মনে হয় প্রকৃতি হলুত চাদর বিছিয়ে রেখেছে মাটিতে। সরিষা বিভিন্ন খাবারের স্বাদ বাড়াতে ব্যবহৃত হয় মসলা হিসেবে।

তবে এর ফুলও কিন্তু খাওয়া যায়। সরিষা ফুলের বড়া খেতে বেশ মজাদার। একবার খেলেই মুখে লেগে থাকবে এর স্বাদ। জেনে নিন সরিষা ফুলের বড়া তৈরির সহজ রেসিপি-

উপকরণ

১. সরিষা ফুল পরিমাণমতো
২. পেঁয়াজ মিহি কুচি ২টেবিল চামচ
৩. কাঁচা মরিচ মিহি কুচি স্বাদমতো
৪. আাদা বাটা+রসুন বাটা সামান্য
৫. হলুদ গুঁড়া সামান্য
৬. ধনিয়া গুঁড়া সামান্য
৭. জিরার গুঁড়া এক চিমটি
৮. লবণ স্বাদমতো
৯. চালের গুঁড়া পরিমাণমতো ও
১০. তেল পরিমাণমতো।

পদ্ধতি

প্রথমে চালনিতে ফুল ধুয়ে পানি ঝড়িয়ে নিন। তারপর কুচি করে কেটে তেল ছাড়া সব উপকরণ একসঙ্গে হাত দিয়ে ভালো করে মেখে নিন।

এরপর প্যানে অল্প তেল গরম করে বড়ার আকারে বানিয়ে শ্যালো ফ্রাই করে নিন। অল্প আঁচে সময় নিয়ে মচমচে করে দুই পিঠ সোনালিরঙা করে ভেজে নিন বড়াগুলো।

তৈরি হয়ে যাবে সুস্বাদু সরিষার বড়া। একবার খেলেই মন ভরে যাবে এই বড়া। গরম ভাতের সঙ্গে সুস্বাদু এই বড়া খেতে বেশ মজাদার।

রেসিপি ও ছবি: ঝুমুর’স কিচেন

দেশে ১ কোটি ৩০ লাখ মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত, অর্ধেকই নারী
                                  

ডেস্ক রিপাের্ট : বিশ্বজুড়েই ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। বাংলাদেশসহ বিশ্বে প্রতি সাত সেকেন্ডে একজন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হচ্ছে। এছাড়া বিশেষজ্ঞদের মতে— ‘ডায়াবেটিস আছে এমন রোগীদের অন্তত ৫০ শতাংশ জানেন না তাদের ডায়াবেটিস আছে। এ কারণে ডায়াবেটিস সম্পর্কে সবার সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।’

আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশনের (আইডিএফ) তথ্যমতে— বর্তমানে বাংলাদেশে ১ কোটি ৩০ লাখেরও বেশি মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। যাদের প্রায় অর্ধেকই নারী। কিন্তু আক্রান্তদের অর্ধেকেরও বেশি মানুষই জানেন না তাদের ডায়াবেটিস আছে। এমনকি দেশে ১০০ জনের মধ্যে ২৬ জন নারীই গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে ভোগেন। আবার তাদের মধ্যে ৬৫ শতাংশই পরবর্তীকালে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হচ্ছেন। বাংলাদেশের মত অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশেও এ চিত্র বিরাজ করছে।

এমন পরিস্থিতিতে ডায়াবেটিস সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে বিশ্বের মতো সোমবার (১৪ নভেম্বর) দেশেও পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস-২০২২’। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য- ‘আগামীতে নিজেকে সুরক্ষায় ডায়াবেটিসকে জানুন।’ দিনটি উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, ডায়াবেটিস প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান না থাকায় বাংলাদেশসহ বিশ্বে রোগটি ক্রমশ বাড়ছে। এটি প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে আগামীদিনে নিজেকে সুরক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বাণীতে বলেন, ডায়াবেটিস একটি প্রতিরোধ ও নিরাময়যোগ্য রোগ। তবে, প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি (বাডাস) নানামুখী কাজ করছে। সরকার টাইপ-১ ডায়াবেটিস রোগীদের বিনামূল্যে ইনসুলিন দিতে বিশেষ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

এ বিষয়ে বাডাসের সভাপতি ও জাতীয় অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খান বলেন, মানবদেহে কোনো কারণে ইনসুলিন নামক হরমোনের অভাব বা ঘাটতি হলে, উৎপাদিত ইনসুলিন কার্যকরভাবে শরীরে ব্যবহৃত না হলে বা শরীরের ইনসুলিন নিষ্ক্রিয় থাকলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে যায়। এ গ্লুকোজ পরে প্রসাবের সঙ্গে বেরিয়ে আসে। এ অবস্থাকেই ডায়াবেটিস বলা হয়।

গবেষণায় দেখা যায়— গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত নারীদের ও গর্ভস্থ শিশুদের টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। গর্ভকালীন ডায়াবেটিস যদি নিয়ন্ত্রণ না করা হয়, তাদের পরবর্তী সময়ে টাইপ-২ ডায়াবেটিস ঝুঁকি আরও বেশি। এ অবস্থায় পরিকল্পিত গর্ভধারণ ও গর্ভকালীন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখলে টাইপ-২ ডায়াবেটিস অনেকাংশেই প্রতিরোধ সম্ভব। তাই যাদের ডায়াবেটিস আছে, তাদের নিয়ন্ত্রণে রাখার বিষয়ে সচেতন করা দরকার। যাদের এখনো হয়নি তাদের প্রতিরোধে সচেতন হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বে এমন পরিবার নেই যে পরিবারে অন্তত একজন ডায়াবেটিক রোগী অথবা ডায়াবেটিসের ঝুঁকিতে আছেন এমন মানুষ নেই। পরিবারকে ডায়াবেটিস থেকে রক্ষায় সচেতনতা তৈরি করতে হবে। ডায়াবেটিস সারাজীবনের রোগ, একবার হলে তা কখানো সারে না। তবে, ৭০ শতাংশ পর্যন্ত প্রতিরোধযাগ্য ও সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণযোগ্য। এজন্য ডায়াবেটিস প্রতিরোধ এবং নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতিগুলো জানতে হবে।

আইডিএফ ডায়াবেটিস এটলাস-২০২১ এর তথ্যানুযায়ী— ২০২১ সালে ৫৩ দশমিক ৭ কোটি মানুষ (প্রতি ১০ জনে ১ জন) ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ছিলেন। ২০৩০ সালের মধ্যে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ৬৪ দশমিক ৩ কোটিতে এবং ২০৪৫ সালে ৭৮ দশমিক ৩ কোটিতে পৌঁছাতে পারে। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ২৪ কোটি মানুষ (প্রতি দুইজনে একজন) জানে না তারা রোগটিতে আক্রান্ত হয়েছেন (নির্ণয়হীন)। তাদের অধিকাংশই টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। আক্রান্তদের চারজনের মধ্যে তিনজনেরও বেশি মানুষ নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশেগুলোতে বাস করেন।

আইডিএফ পরিসংখ্যান আরও বলছে— বিশ্বে প্রায় ২ কোটি নারী (প্রতি ছয়জনে একজন) গর্ভাবস্থায় হাইপোগ্লাইসেমিয়ায় (উচ্চ রক্তের গ্লকোজ) আক্রান্ত হয়। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ শহরাঞ্চলে বাস করেন এবং তিন চতুর্থাংশ কর্মজীবনকালের। ১২ লাখেরও বেশি শিশু ও কিশোর (০-১৯ বছর) টাইপ-১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। ২০২১ সালে বিশ্বে ৬৭ লাখ মানুষের ডায়াবেটিসের কারণে মৃত্যু হয়েছে। ২০২১ সালে ৯৬৬ বিলিয়ন ডলার স্বাস্থ্যব্যয় হয় ডায়াবেটিসের কারণে। যা বৈশ্বিক স্বাস্থ্যখাতে মোট ব্যয়ের ৯ শতাংশ।

বাডাসের মহাসচিব মোহাম্মাদ সাইফ উদ্দিন বলেন, ‘দেশে যে হারে ডায়াবেটিসের রোগী বাড়ছে, তাতে আশঙ্কা করা হচ্ছে আগামী ২০৪৫ সালে আক্রান্তের সংখ্যা ২ কোটি ২০ লাখ হবে। তবে ডায়াবেটিক সমিতি রোগটি প্রতিরোধে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ ও টেকসই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। গর্ভকালীন ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমানোর জন্য ‘গর্ভধারণ-পূর্ব সেবা’ নামে একটি বিশেষ প্রকল্প নিয়েছি। এ লক্ষ্যে ৪০০ কাজীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তারা পরিকল্পিত গর্ভধারণের ব্যাপারে নবদম্পতিদের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। সারাদেশে স্থাপিত ৫৪টি ‘গর্ভধারণ-পূর্ব সেবা কেন্দ্র’ থেকে নারীরা স্বল্পমূল্যে গর্ভধারণ সংক্রান্ত সেবা নিতে পারছেন। সারাদেশে প্রশিক্ষিত ৪০০ কাজী ও ৩০০ ইমাম এ কর্মসূচিতে যুক্ত হয়েছেন।

গর্ভবতী মায়েদের অপুষ্টি থাকলে তাদের সন্তানদের ভবিষ্যতে ডায়াবেটিস আক্রান্তের ঝুঁকি অনেক বেশি। ফলে বিয়ের সময় মেয়েদের এ ব্যাপারে সচেতন করতে পারলে ডায়াবেটিস প্রতিরোধে অনেক ভালো ফল পাওয়া যাবে। এ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি ’গর্ভধারণ- পূর্ব সেবা’ নিশ্চিত করতে পারলে প্রসবকালীন নারী ও শিশুমৃত্যুর হার কমানো এবং নারীসহ আগামী প্রজন্মকেও ডায়াবেটিসের ভয়াবহ প্রকোপ থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।

দিবসটি উপলক্ষে প্রতিবারের মতো এবারও ডায়াবেটিস সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বাডাস। দেশব্যাপী সচেতনতামূলক পোস্টার, লিফলেট বিতরণ করা হবে।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ সকাল সাড়ে ৮টায় শাহবাগ বারডেম থেকে রমনা পার্কের গেট পর্যন্ত রোড শো অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ১০ টায় বারডেম অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও রোগীদের আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর পর্ব। বিকেল ৩টায় পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের উপস্থিতিতে আলোচনা সভা হবে। অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে— সকাল ৮টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত রমনা পার্কের গেট ও ধানমন্ডি রবীন্দ্র সরোবরসহ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব হেলথ সায়েন্সেস হাসপাতালের (বিআইএইচএস) ও ন্যাশনাল হেলথকেয়ার নেটওয়ার্কের (এনএইচএন) আওতাধীন বিভিন্ন কেন্দ্রে বিনামূল্যে ডায়াবেটিস নির্ণয় ও স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে কমমূল্যে দিনব্যাপী হার্ট ক্যাম্প হবে। আগামী ১৮ নভেম্বর সকালে চারুকলা ইনস্টিটিউটে শিশুদের জন্য চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতারও আয়োজন করা হয়েছে।

হালকা শীতের মিষ্টি সকালে ভাপা পিঠা
                                  

হালকা শীতের ছুটির দিনের মিষ্টি সকালে পিঠা খাওয়া হবে না, তাই কি হয়? ঘরেই তৈরি করুন নতুন গুড়ের মজার ভাপা পিঠা।

খুব সহজ জেনে নিন রেসিপি:

যা লাগবে

চালের গুঁড়া ৪ কাপ, পানি পরিমাণমতো, নারিকেল কোরানো ২ কাপ, খেজুরের গুড় দেড় কাপ (ছোট ছোট টুকরো করে কাটা), লবণ সামান্য।

যেভাবে তৈরি করবেন

প্রথমে চালের গুঁড়া একটু লবণ ও হালকা গরম পানি দিয়ে মেখে চালুনি দিয়ে চেলে নিন।

ছোট বাটিতে প্রথমে চালের গুঁড়া এরপর গুড় দিন তার ওপরে নারিকেল দিয়ে আবার চালের গুঁড়া দিয়ে ঢেকে দিন।

পাতলা সাদা কাপড় দিয়ে পিঠাটা মুড়ে ভাপা পিঠার পাত্রের পানি ফুটে উঠলে তার ওপরে বসিয়ে দিয়ে বাটিটি উঠিয়ে নিয়ে পিঠাটা কাপড় দিয়ে ভালোমতো ঢেকে রাখুন।

ওপরে একটা ঢাকনা দিন। তিন মিনিট পর পিঠা নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ১৭ শতাংশ কমাতে পারে চা, বলছে গবেষণা
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : চা স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। এতে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টি কার্সিনোজেনিক যৌগ আছে। যা শারীরিক বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে।

একই ভাবে সাম্প্রতিক এক গবেষণা জানাচ্ছে নিয়মিত চা পানে টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে, তাও আবার ১৭ শতাংশ পর্যন্ত। তবে কোন চা পান করছেন তার উপর নির্ভর করছে আপনি কতটা ঝুঁকিমুক্ত হবেন।

৮টি দেশের ১ মিলিয়নেরও বেশি মানুষের উপর পরিচালিত নতুন গবেষণা আবিষ্কার করেছে, কালো, সবুজ ও ওলং চায়ের মাঝারি ব্যবহার টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে পারে।

ইউরোপিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য স্টাডি অব ডায়াবেটিস (ইএএসডি) স্টকহোম, সুইডেনের বার্ষিক সভায় গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করে।

গবেষকরা পরামর্শ দেন, প্রতিদিন কমপক্ষে ৪ কাপ চা পান করলে গড়ে ১০ বছরের মধ্যে টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে ১৭ শতাংশ পর্যন্ত।

চীনের উহান ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির প্রধান লেখক জিয়াইং লি বলেছেন, ‘আমাদের গবেষণার ফলাফল সত্যিই অবাক করার মতো, টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কমাতে দিনে ৪ কাপ চা পান করার মতো সহজ কিছু আর হতে পারে না।’

প্রথমত তারা চায়না হেলথ অ্যান্ড নিউট্রিশন সার্ভে থেকে টি২ডি (টাইপ ২ ডায়াবেটিস) (গড় বয়স ৪২) এর কোনো ইতিহাস নেই এমন ৫ হাজার ১৯৯ প্রাপ্তবয়স্কদের (২৫৮৩ জন পুরুষ, ২৬১৬ জন নারী) ডাটা সংগ্রহ করা হয়।

অংশগ্রহণকারীরা ১৯৯৭ সালে যুক্ত হন গবেষণা কাজে। গবেষকরা একটানা ২০০৯ সাল পর্যন্ত তাদের শারীরিক বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন। প্রথমে অংশগ্রহণকারীদের খাদ্য ও পানীয় সম্পর্কে জানা হয়, তারপর নিয়মিত ব্যায়াম, ধূমপান ও অ্যালকোহল সেবনের মতো জীবনযাত্রার বিষয়গুলোর উপর তথ্য প্রদান করে।

অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ২ হাজার ৩৭৯ (৪৬ শতাংশ) জন নিয়মিত চা পান করার অভ্যাসের কথা জানান। গবেষণা শেষে দেখা যায় তাদের মধ্যে মাত্র ৫২২ (১০ শতাংশ) জন টাইপ ২ ডায়াবেটিসে ভুগছেন।

গবেষকরা দেখেছেন, বয়স, লিঙ্গ ও শারীরিক নিষ্ক্রিয়তার মতো জীবনযাত্রার ভুল অভ্যাসের কারণে টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে তা সে চা পানকারী হোক আর না হোক।

ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে জীবনধারায় পরিবর্তন আনা জরুরি। তবে সঠিক জীবনযাপনের পাশাপাশি নিয়মিত কালো, সবুজ বা ওলং পান করলে এই রোগের ঝুঁকি আরও কমে।

গবেষকরা জানান, প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে যারা প্রতিদিন ১-৩ কাপ চা পান করেন তাদের টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ৪ শতাংশ কমে, আর যারা প্রতিদিন কমপক্ষে ৪ কাপ পান করেন তাদের ঝুঁকি কমে ১৭ শতাংশ। বিশেষজ্ঞদের দাবি, চায়ের নির্দিষ্ট উপাদান যেমন পলিফেনল, রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমিয়ে দিতে পারে।

ওলং চা হলো একটি ঐতিহ্যবাহী চীনা চা, যা সবুজ ও কালো চা তৈরি করতে ব্যবহৃত একই উদ্ভিদ থেকে তৈরি হয়। পার্থক্য হলো এই চা ভিন্নভাবে প্রক্রিয়াজাত করা হয়।

সবুজ চাকে বেশি অক্সিডাইজ করার অনুমতি দেওয়া হয় না, কালো চা কালো হওয়া পর্যন্ত অক্সিডাইজ করার অনুমতি দেওয়া হয় ও ওলং চা আংশিকভাবে অক্সিডাইজ করা হয়।

সূত্র: লাইভমিন্ট/নিউজ মেডিকেল নেট

পাতিলেবুর উপকারিতা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : দুই চা চামচ লেবুর রস, দুই চা চামচ আদার রসে একটু চিনি মিশেয়ে খেলে বদহজমজনিত সব রকমের পেটব্যথা সারে। লেবু আর পিঁয়াজের রস ঠান্ডা পানিতে মিলিয়ে খেলে বদহজমের জন্য যে পেটের অসুখ তাতে উপকার হয়, এমনকি কলেরাতেও উপকার পাওয়া যায়। শোয়ার সময় পানিতে গরম পানিতে মিশিয়ে লেবুর রস খেলে সর্দি সারে। কিছুদিন ধরে এভাবে খেলে পুরনো সর্দিও সেরে যায়। অল্প লেবুর রস মধুর সঙ্গে মিশিয়ে চেটে খেলে প্রবল কাশি সেরে যায়। হাঁপানির আক্রমণও তৎক্ষণাৎ থেমে যাওয়ায় আরাম পাওয়া যায়। লেবুর রস আঙুলে লাগিয়ে দাঁতের মাড়িতে মালিশ করলে দাঁত থেকে রক্ত পড়া বন্ধ হয়। লেবুর রসে মধু মিশিয়ে বাচ্চাদের চাটিয়ে দিলে বাচ্চাদের দুধ তোলা বন্ধ হয়। লেবুর রসে চিনি ও পানি মিশিয়ে এক মাস ধরে রাতে শোয়ার আগে খেলে বহু কোষ্ঠকাঠিন্য সেরে যায়। একটি পাকা পাতিলেবুর রসে সমপরিমাণ মধূ দিয়ে অল্প অল্প গরম পানিতে মিশিয়ে খাওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গেই পান করে দিলে এক-দুই মাসের মধ্যেই মেদ বৃদ্ধি কমে যায় এবং শরীরের বেড়ে যাওয়া মেদও ঝরে যায়। লেবুর রসে শর্ষের তেল মিশিয়ে ফুটিয়ে নিন। ঠান্ডা হলে ছেকে শিশিতে ভরে রাখুন। কানে দুই ফোঁটা করে দিলে পুঁজ পড়া, চুলকানি, কানের ব্যথা এমনকি বধিরতার উপশম হয়। লেবুর খোসা লেবুর রসে পিষে বড়ি তৈরি করে গরম করে বাঁধলে বা লেবুর রস ঘষলে নানা কারণে ত্বকে যে দাগ পড়ে তা দূর হয়।

গরমে ঘর ঠান্ডা রাখার ৭ কৌশল
                                  

গরমে বাইরেও যেমন তাপ, তেমনই ঘরে টেকাও মুশকিল। বিশেষ করে দুপুরে ঘর যেন আরও গরম হয়ে ওঠে। যাদের ঘরে এসি নেই তারা সারাদিন ফ্যান চালিয়ে রেখেও স্বস্তি পান না।

গরমে ঘর ঠান্ডা রাখতে বেশ কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি। তাহলে এসি ছাড়াই গরমে ঘর রাখতে পারবেন ঠান্ডা। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক এক্ষেত্রে কী করণীয়-

>> ঘরে দুই লেয়ারের পর্দা ব্যবহার করুন। এতে ঘরে সূর্যের তাপ ঢুকবে না। দুপুরে যখন রোদের তীব্রতা বাড়তে শুরু করবে তখন দুটো পর্দাই টেনে দিন। দেখবেন ঘর ঠান্ডা থাকবে।

>> বেডরুমের কম্পিউটার বা ল্যাপটপ চালু করে রাখবেন না। এতে ঘর গরম হয়ে যায়। ফোন চার্জ দেওয়া হয়ে গেলে সুইচ অফ করে রাখুন। পড়ালেখার জন্য এলইডি লাইট ভ্যবহার করুন।

>> লিনেন বা সুতির বেডশিট ব্যবহার করুন। খুব গাঢ় রং কিংবা ভারী কাপড়রে বদেলে প্যাস্টেল শেডের চাদর বেছে নিতে পারেন।

সাদা বেডশিটের ওপরে হালকা রঙের বেড কভার বিছিয়ে দিন। বালিশ ও কুশনের জন্য বেছে নিন একই রঙের নানা টেক্সচারের কভার। দেখতে ভালো লাগবে। চোখের পক্ষে আরামদায়ক।

>> ড্রইংরুমে বড় কার্পেট থাকলে তুলে রাখুন। তার বদলে মেঝেতে জুটের বা মাদুরের লম্বা চাটাই পেতে দিন।

>> ছাদের নিচের ফ্ল্যাট সবচেয়ে বেশি গরম থাকে। এক্ষেত্রে ছাদে শেড লাগাতে পারলে খুব ভালো হয়। শেড না থাকলে দুপুরের দিকে সিলিং ফ্যানের বদলে টেবিল ফ্যান ব্যবহার করুন।

সিলিং ফ্যান ওপরের গরম হাওয়া টেনে নামায়, ফলে আরও বেশি গরম লাগে। বাটিতে বরফের কিছু টুকরা টেবিল ফ্যানের সামনে রেখে ফ্যান চালান। এতে ঘর বেশ ঠান্ডা হবে।

>> ঘরে ইনডোর প্লান্ট লাগান। অ্যালোভেরা, বস্টন ফার্ন, উইপিং ফিগ, অ্যারিকা পাম গাছ রাখলে ঘর ঠান্ডা থাকবে।

>> ঘর ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি শরীর ঠান্ডা রাখতে আইস কিউব ট্রেতে পুদিনা পাতা, আদা কুচি বা লেবুর ছোট ছোট স্লাইস পানিতে মিশিয়ে খান।

ইফতারে রাখুন সুস্বাদু বাদামের লাচ্ছি
                                  

ইফতারে স্বাস্থ্যকর ও সুস্বাদু খাবারই পাতে রাখেন সবাই। তবে স্বাদের পাশাপাশি খাবারগুলো কতটা স্বাস্থ্যকর সে বিষয়েও কিন্তু নজর রাখতে হবে। না হলে সারাদিন রোজা রাখার পর ভুল খাবার খেলে অসুস্থও হয়ে পড়তে পারেন।

ইফতারে পানীয়ের আইটেমগুলোই বেশি রাখা হয়। তার মধ্যে কিন্তু একটি স্বাস্থ্যকর পানীয় রাখতে পারেন। আর তা হলো বাদামের লাচ্ছি। এটি খুব সহজে মাত্র ৫ উপকরণ দিয়েই তৈরি করা যায়। জেনে নিন বাদামের লাচ্ছির সহজ রেসিপি-


উপকরণ

১. ঠান্ডা দুধ ১ লিটার
২. পেস্তা, কাজু বা কাঠবাদাম কুচি ১ কাপ
৩. মধু বা চিনি স্বাদমতো
৪. বরফ কুচি ১ কাপ ও
৫. জাফরান কয়েক টুকরো।

পদ্ধতি

প্রথমে পেস্তা, কাজু বা কাঠবাদাম ২ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে নিন ব্লেন্ডারে।

এবার ভালো করে ব্লেন্ড করে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে মজাদার বাদামের লাচ্ছি। ব্যাস খুব সহজেই ঝটপট তৈরি হয়ে গেল বাদামের লাচ্ছি।


তৈরির পর ফ্রিজে রেখে দিন। ইফতারের আগে বের করে উপরে জাফরান বা বাদাম কুচি ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।

গরমের দিনে রোজায় পানিশূন্যতা দূর করবেন যেভাবে
                                  

রোজায় দীর্ঘ সময় পানাহার থেকে বিরত থাকতে হয়। ফলে পানিশূন্যতাসহ শারীরিক নানান জটিলতা দেখা দিতে পার। তারওপর চলতি বছর চৈত্র মাসের দীর্ঘ ও উত্তপ্ত দিনের বেলা রোজা রাখতে গিয়ে পনিশূন্যতায় ভোগার আশঙ্কা বেশি থাকবে।

তাই রমজানে রোজা পালনের সাথে সাথে পানিশূন্যতা যেন কোনোভাবে না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। বিশেষ করে বয়স্কদের। নিয়মমতো যথেষ্ট পানি পান করলে এ সমস্যা থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন। একজন প্রাপ্তবয়স্কের অবশ্যই পানিশূন্যতা থেকে রক্ষা পেতে এবং ফিট থাকতে দিনে আড়াই থেকে তিন লিটার পানি পান করতে হবে।

ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত সময়ে যথেষ্ট পরিমাণ পানি পান করতে হবে। একই সাথে শরীরচর্চাও গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে যারা তারাবি নামাজ পড়েন সেটি তারা নিয়মিত পড়লে উপকৃত হবেন। আর ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত এমন খাবার নির্বাচন করতে হবে যেসব খাবারে পানির পরিমাণ বেশি থাকে।

অনেকেই ইফতারের পর আর খেতে চান না। এটি ঠিক নয়। রাতের খাবার খেতে হবে পরিমিত মাত্রায় এবং সেহরিও খেতে হবে। তাহলে পানির ঘাটতি কম হবে।

পানিশূন্যতা কেন হয়

গরমে দিনের বেলা ঘাম, প্রস্রাব ও শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে প্রচুর পানি শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। এ কারণে শরীরে পানিশূন্যতার সম্ভাবনা তৈরি হয়।
দীর্ঘ সময় ধরে পানি না পান করার কারণে শরীর পানিশূন্য হয়ে পড়ে।
খাবার তালিকায় পানিসমৃদ্ধ খাবার না রাখা।
জ্বর বা ডায়রিয়ার মতো অসুস্থতাজনিত কারণে।
অতিরিক্ত ভাজা পোড়া জাতীয় খাবারের কারণেও পানিশূন্যতা হতে পারে।
ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত সময়ে পর্যাপ্ত পানি পান না করা।
ইফতারের পর অতিমাত্রায় চা কফি খেলে।
অতিরিক্ত রোদ বা গরমে থাকার কারণে।
পানিশূন্যতার লক্ষণ

শরীর পানিশূন্য হয়ে পড়লে জিহ্বা দেখে সহজে বোঝা যায়। কারণ জিহ্বা শুকিয়ে যায়। এ ছাড়া অনেকের চোখ গর্তে চলে যায় এবং দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসে। তাছাড়া শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে ও কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা তেরি হয়। পানিশূন্যতায় হার্ট রেট ও প্রেশার কমে যেতে পারে।

পানিশূন্যতা থেকে মুক্ত থাকবেন যেভাবে

ইফতার ও সেহরির মধ্যকার সময়ে পর্যাপ্ত পানি পান করা।
সহজে হজম হয় এমন খাবার খাওয়া।
ইফতারে ফলের রস ও ফলের পরিমাণ বেশি রাখা।
সরাসরি রোদে না যাওয়া।
অতিরিক্ত খাবার না খাওয়া।
প্রয়োজনে ইফতারিতে ডাবের পানি বা খাবার স্যালাইন পান করা।
হালকা শরীর চর্চা করা।
অনেকেই পানি পান করতে গিয়ে ফ্রিজ থেকে বের করা ঠাণ্ডা পানি খেয়ে থাকেন; যা মোটেও ঠিক নয়। অতিরিক্ত ঠাণ্ডা পানি থেকে বিরত থাকতে হবে।

যাদের চা পানের অভ্যাস আছে তারা দুধ চায়ের বদলে রং চা পান করতে পারে পরিমিত মাত্রায়। আর পর্যাপ্ত পানির পাশাপাশি খাবারে লাউ, কুমড়ো বা পেঁপে জাতীয় খাবার বেশি রাখলে শরীর পানিশূন্যতা থেকে রক্ষা পাবে।

তবে শরীর ফিট রাখতে নিয়মিত গোসল এবং চোখে মুখে বারবার পানি দিতে পারেন। এরপরেও শরীরে কোন সমস্যা বোধ করলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।

সূত্র : বিবিসি।

ব্যায়াম-ডায়েট ছাড়াই ১৫ মিনিটের যে কাজে কমবে ওজন
                                  

অতিরিক্ত ওজন নানা রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। বর্তমানে শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে কমবেশি সবাই স্থূলতার সমস্যায় ভুগছেন। এর কারণ হলো অনিয়মিত জীবন-যাপন। সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) অনুসারে, স্থূলতায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, স্ট্রোক এবং নির্দিষ্ট ধরণের ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি থাকে।

একবার ওজন অতিরিক্ত বেড়ে গেলে তা কমানো বেশ কষ্টকর। অনেকেই ওজন কমাতে গিয়ে কঠোর ডায়েট মানার পাশাপাশি ঘণ্টার পর ঘণ্টা জিমে ব্যায়াম করেন। তবে অতিরিক্ত কোনো কিছুই ভালো না। এতে ওজন কমলেও আবার ব্যায়াম-ডায়েট ছেড়ে দিলে তা বাড়তে সময় লাগে না।

ওজন কমাতে সঠিক খাদ্যাভাস ৭০ শতাংশ ও শরীরচর্চা ৩০ শতাংশ অবদান রাখে, এমনই মত বিশেষজ্ঞদের। তাই এ দুটো বিষয়ের দিকেই খেয়াল রাখা জরুরি। এর পাশাপাশি ওজন কমানোর সময় আপনি কী খাচ্ছেন তা জানা উচিত। দ্বিতীয়ত আপনার প্লেটের খাবারগুলোর দিকে নজর রাখুন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আপনি যদি দ্রুত ওজন কমাতে চান তবে তাহলে আপনার প্লেটে কী আছে সেদিকে নজর রাখুন। দৈনিক তা লিপিবদ্ধ করার মাধ্যমে আপনার ওজন দ্রুত কমাতে পারবেন। অবিশ্বাস্য হলেও বিষয়টি কিন্তু কার্যকরী।

আপনি কী খাচ্ছেন ও কতটুকু খাচ্ছেন তার হিসাব রাখাকে ফুড ডায়েরি বা ফুড জার্নালিং বলা হয়। এতে তারিখসহ প্রতিদিনের ডায়েট চার্ট লিখে রাখুন। এর ফলে আপনি ক্যালোরি নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারবেন সহজেই।

ফলে পরের দিনের জন্য আপনার খাবারের পরিকল্পনা করা সহজ হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফুড জার্নালিংয়ের মাধ্যমে নিজের খাদ্যাভ্যাস বুঝতে ও তার উপর ভিত্তি করে ডায়েট চার্ট প্ল্যান তৈরি করতেও সাহায্য করে।

বিভিন্ন গবেষণা প্রমাণ করে যে, ওজন কমানোর ক্ষেত্রে দৈনিক তালিকা ভালো কাজ করে। একটি সমীক্ষায় প্রকাশিত রিপোর্ট অনুসারে, দৈনিক ১৫ মিনিটের এই অভ্যাস আপনাকে বিস্ময়করভাবে ওজন কমাতে সাহায্য করতে পারে।

১৫০ জন লোকের উপর এই সমীক্ষা করা হয়। যারা ৬ মাস ধরে তাদের খাদ্যাভ্যাসের চার্ট অনুসরণ করেছিলেন। পরে দেখা যায়, তারা ডায়েট বা জিম না করেই কয়েক মাসের মধ্যেই ওজন ঝরিয়েছেন, তাও আবার নিজেদের ফুড জার্নাল অনুসরণ করে। বিষয়টি সত্যিই অবিশ্বাস্য!

ভার্মন্ট ইউনিভার্সিটি ও ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ক্যারোলিনার বিজ্ঞানীদের একটি দলের গবেষণায় দেখেছেন, যারা শরীরের ওজনের ১০ শতাংশ কমিয়েছেন তারা প্রথম মাসের খাদ্যাভ্যাস গড়ে ২৩ শতাংশ রেকর্ড করেছিলেন।

৬ মাস শেষে তাদের গড় সময় দাঁড়ায় ১৪.৬ মিনিটে। অর্থাৎ ৬ মাসে তারা দৈনিক ১৪.৬ বা ১৫ মিনিট ফুড জার্নালিং করেন। আর তাদের এই অভ্যাসই ওজন কমাতে সাহায্য করেছে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া/ওয়েবএমডি

হাঁটার উপকারিতা
                                  

হাঁটা সবচেয়ে সহজ ব্যায়াম। হাঁটলে প্রাকৃতিকভাবে পাবেন সুস্থতা ও প্রাণবন্ত অনুভূতি। আরও রয়েছে শত উপকার। ডায়বেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা থেকে শুরু করে, আর্থ্রাইটিস সমস্যার উপশম করে, ওবেসিটি বা স্থুলতা দূর করে, পেশী শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে এবং অষ্ঠিওপোরোসিস কিংবা হাড়ের ভঙ্গুরতা প্রতিরোধে করতেও সহায়তা করে।

সুস্থ হৃদপিণ্ড, সুন্দর জীবন

যারা নিয়মিত হাঁটাহাঁটি করেন তাদের হার্টের অসুখ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়। এছাড়া হাঁটার সময় শরীর থেকে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল এলডিআর কমে যায় ও ভালো কোলেস্টেরল এইচডিআর-এর মাত্রা বেড়ে যায়। এছাড়া শরীরের রক্তচলাচল স্বাভাবিক থাকে।
বাড়বে সুস্থতা

যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে ডাক্তারের পরামর্শে তারা নিয়মিত হাঁটাহাঁটি করেন। এতে অবশ্য তারা উপকার পান। ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নাল এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নিয়মিত হাঁটলে ৬০ ভাগ পর্যন্ত কোলন ক্যান্সার ও স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে। এটা স্বাস্থ্যের জন্যও খুব ভালো।

ওজন নিয়ন্ত্রণের অসাধারণ ব্যায়াম

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিভিন্ন রকম ব্যায়াম করতে দেখা যায়। যদি ওজন কমাতে চান, তবে প্রতিদিন ৬০০ ক্যালরি পুড়িয়ে ফেলতে হবে। যেটা একদিনের খাবার থেকে প্রাপ্ত ক্যালরির চেয়ে বেশি। যার ওজন ৬০ কেজি তিনি যদি প্রতিদিন ঘণ্টায় ২ মাইল গতিতে ৩০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস করেন, তবে ৭৫ ক্যালরি শক্তি ক্ষয় করতে পারেন। যদি ঘণ্টায় ৩ মাইল গতিতে হাঁটতে অভ্যস্ত হন তবে, ৯৯ ক্যালরি পুড়িয়ে ফেলতে পারেন। ঘণ্টায় ৪ মাইল গতিতে হাঁটলে আরও বেশি ক্যালরি ক্ষয় করতে পারবেন। এতে ক্যালরি ক্ষয়ের পরিমাণ দাঁড়াবে ১৫০। হাঁটলে দেহের পেশীগুলো আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

স্মৃতিশক্তি বাড়ে

বয়স বাড়ার সঙ্গে সাধারণত মানুষের স্মৃতিশক্তি কমে যায়। ৬৫ বা এর বেশি বয়সীদের মধ্যে প্রতি ১৪ জনের মধ্যে ১ জনের স্মৃতিভ্রম হয়। আর ৮০ বা এর বেশি বয়সীদের ৬ জনের মধ্যে ১ জনের দেখা দেয় স্মৃতি হারানোর রোগ। নিয়মিত বিভিন্ন ব্যায়াম অনুশীলনে মস্তিষ্কে রক্তচলাচল বাড়ে। এতে স্মৃতিহানি হওয়ার ঝুঁকি ৪০ ভাগ পর্যন্ত কমে যায়। যুক্তরাজ্যে এক গবেষণায় দেখা গেছে, বয়স্কদের মধ্যে যারা সপ্তাহে অন্তত ৬ মাইল পথ হাঁটেন তাদের স্মৃতিশক্তি অটুট থাকে।

জয়েন্টে ব্যথার ঝুঁকি নেই

নিয়মিত হাঁটাচলা করলে শরীরের বিভিন্ন জয়েন্টে ব্যথার ঝুঁকি কমে যায়। সাধারণত বয়স বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মহিলাদের শরীরের বিভিন্ন হাড় ও সংযোগস্থলে ব্যথা করে। শরীরের জয়েন্টগুলোকে সুস্থ রাখতে হাঁটা নিঃসন্দেহে খুবই কার্যকর ব্যায়াম।

পায়ের শক্তি বাড়ায়

হাঁটলে শুধু পায়ের শক্তিই বাড়ে না পায়ের আঙুলেরও ব্যায়াম হয়। এছাড়া কোমর এবং শরীরের অন্যান্য অঙ্গ নড়াচড়ার কারণে স্বাভাবিকভাবেই সুস্থ থাকে।

বাড়ে পেশীশক্তি

হাঁটলে শুধু পা চলে না দুহাতও সমান তালে চলে। এতে হাতের প্রতিটি জয়েন্ট, ঘাড় ও কাঁধের ব্যায়াম হয়। ব্যাকপেইনের সমস্যা কমে যেতে পারে নিয়মিত ব্যয়ামের মাধ্যমে।

প্রাণবন্ত শরীর ও মন

সকালের প্রকৃতি এমনিতেই থাকে স্নিগ্ধ। এ সময় হাঁটার মজাই আলাদা। প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগের সময় মন স্বাভাবিকভাবেই ফুরফুরে থাকে, শরীর ও মন সতেজ হয়। শরীরের প্রতিটি জয়েন্টে অক্সিজেনের প্রাণপ্রবাহে মাংসপেশীগুলো শিথিল ও রিলাক্সড হয়।


   Page 1 of 21
     লাইফস্টাইল
ইয়ারবাড পরিষ্কার করার সহজ উপায়
.............................................................................................
শিশুর আত্মবিশ্বাস বাড়াতে যা করবেন
.............................................................................................
শীতে সর্দি-কাশির হাত থেকে বাঁচতে ডায়েটে রাখুন এই ৭টি খাবার
.............................................................................................
মৌসুমি ঠান্ডা-সর্দি সামাল দিতে কী করবেন?
.............................................................................................
‘সারা’র পোশাকে বিজয়ের গৌরবগাঁথা
.............................................................................................
শীতকালীন নানা রোগ থেকে বাঁচতে ভরসা রাখুন ৩ উপাদানে
.............................................................................................
সরিষা ফুলের বড়া তৈরির রেসিপি
.............................................................................................
দেশে ১ কোটি ৩০ লাখ মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত, অর্ধেকই নারী
.............................................................................................
হালকা শীতের মিষ্টি সকালে ভাপা পিঠা
.............................................................................................
ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ১৭ শতাংশ কমাতে পারে চা, বলছে গবেষণা
.............................................................................................
পাতিলেবুর উপকারিতা
.............................................................................................
গরমে ঘর ঠান্ডা রাখার ৭ কৌশল
.............................................................................................
ইফতারে রাখুন সুস্বাদু বাদামের লাচ্ছি
.............................................................................................
গরমের দিনে রোজায় পানিশূন্যতা দূর করবেন যেভাবে
.............................................................................................
ব্যায়াম-ডায়েট ছাড়াই ১৫ মিনিটের যে কাজে কমবে ওজন
.............................................................................................
হাঁটার উপকারিতা
.............................................................................................
কনুইয়ের কালো দাগ দূর করার ৩ উপায়
.............................................................................................
যেভাবে মাইগ্রেনের সমস্যা থেকে দূরে থাকা সম্ভব
.............................................................................................
যেভাবে রূপচর্চা করেন আলিয়া ভাট
.............................................................................................
ওমিক্রনের বিএ২ ভ্যারিয়েন্টের অস্বাভাবিক ২ লক্ষণ
.............................................................................................
গরুর মাংসের কিমা খিচুড়ি রান্নার রেসিপি
.............................................................................................
রাশমিকার ফিটনেস রুটিন
.............................................................................................
দাঁত কিড়মিড় করা ক্ষতিকর কেন?
.............................................................................................
অর্শ্ব না কোলন ক্যান্সার বুঝবেন কীভাবে?
.............................................................................................
করোনার নতুন ধরন `নিওকোভ` যে কারণে প্রাণঘাতী
.............................................................................................
প্রথম সন্তানের পর জন্মনিয়ন্ত্রণে কোন পদ্ধতি কার্যকর
.............................................................................................
জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল মিস হলে করণীয় কী? জেনে নিন বিশেষজ্ঞ পরামর্শ
.............................................................................................
জেনিফার উইনগেটের রূপের গোপন রহস্য
.............................................................................................
যে নিয়ম মেনে ৪৩ বছরেও ফিট বিপাশা বসু
.............................................................................................
গোসলের সময় যেসব ভুলে চর্মরোগের ঝুঁকি বাড়ে
.............................................................................................
ঠান্ডায় নাক বন্ধ হলে দ্রুত যা করবেন
.............................................................................................
ওমিক্রনের পর এলো `ডেল্টাক্রন`, এর উপসর্গ কী কী?
.............................................................................................
ঘরে লুকানো ক্যামেরা আছে কি না বুঝবেন যেভাবে
.............................................................................................
`ওমিক্রনে` আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কাদের বেশি?
.............................................................................................
খেজুর রসে ভাপা পিঠা তৈরির রেসিপি
.............................................................................................
ধূমপানের কারণে দাঁতে দাগ পড়লে তুলবেন যেভাবে
.............................................................................................
`ওমিক্রন` কেন বিপজ্জনক? এর উপসর্গ কী কী?
.............................................................................................
খেজুর গুড়ের পায়েস তৈরির সহজ রেসিপি
.............................................................................................
শীতে অ্যালার্জি থেকে মুক্তির ৫ উপায়
.............................................................................................
৩ উপকরণে ১০ মিনিটেই তৈরি করুন টকদই
.............................................................................................
পা ফাটা মারাত্মক রোগের লক্ষণ নয় তো?
.............................................................................................
শীতে খুশকি দূর করতে কী করবেন
.............................................................................................
ত্বকের যত্নে জলপাইয়ের তেল
.............................................................................................
শীতে ত্বকের যত্নে জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরামর্শ
.............................................................................................
মাথাব্যথা সহজে দূর করবেন যেভাবে
.............................................................................................
চুল পড়া বন্ধে ৬ উপায়
.............................................................................................
রেসিপি: ক্রিসপি রূপচাঁদা ফ্রাই
.............................................................................................
সাদা পোশাক সুরক্ষিত রাখবেন যেভাবে
.............................................................................................
শীতকালে ঠান্ডা-কাশি সারাবে তুলসি পাতা
.............................................................................................
২টি উপকরণে মোজারেলা চিজ তৈরির রেসিপি
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Dynamic Scale BD