| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * সিরিয়ায় বোমা হামলায় ১৩ সেনা নিহত   * রাতে আসছে সিনোফার্মের আরও ৫৫ লাখ টিকা   * আন্তর্জাতিক সনদ পাচ্ছে ফজলি আম ও বাগদা চিংড়ি   * বরগুনায় কীটনাশক খেয়ে বৃদ্ধের মৃত্যু   * বিশ্বজুড়ে একদিনে সাড়ে ৮ হাজারের বেশি মৃত্যু   * এসকে সিনহাসহ ১১ জনের মামলার রায় বৃহস্পতিবার   * তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৬০ সেন্টিমিটার ওপরে, আকস্মিক বন্যা   * মমেক হাসপাতালে ২ জনের মৃত্যু   * পাকিস্তানের জলসীমায় ভারতের সাবমেরিন, গতিপথ আটকানোর দাবি   * উত্তরাখণ্ডে বৃষ্টি-বন্যায় ১৬ জনের মৃত্যু  

   লাইফস্টাইল -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে খান ৬ খাবার

লাইফস্টাইল ডেস্ক : হৃদরোগীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। আর এ সমসাটির পেছনে সবচেয়ে বেশি দ্বায়ী হচ্ছে উচ্চ রক্তচাপ। বিশ্বে কোটি কোটি মানুষ এই সমস্যায় ভুগছেন।

আমাদের শরীরের প্রায় সবকিছুই নির্ভর করে খাবারের ওপরে। কারণ খাবারই আমাদের শরীরে শক্তি উৎপাদন করে এবং সেই শক্তি আমাদের বিভিন্ন অঙ্গের কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনা করতে সহায়তা করে।

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কিছু খাবার আছে। আসুন জেনে নিই সেই সম্পর্কে—

১. ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ বিভিন্ন ফল যেমন— জাম্বুরা, কমলা এবং লেবু ইত্যাদি ফলগুলো উচ্চ রক্তচাপ কমাতে শক্তিশালী হিসেবে কাজ করতে পারে। এগুলো ভিটামিন, খনিজ এবং উদ্ভিদের যৌগ দ্বারা পরিপূর্ণ যা উচ্চ রক্তচাপের কমিয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে এবং আপনার হার্টকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।

২. কুমড়ো বীজ
কুমড়ো বীজ দেখতে অনেক ছোট মনে হলেও পুষ্টিগুণে অনেক পরিপূর্ণ। এতে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টির একটি ঘনীভূত উৎস যেমন— ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম এবং আর্জিনিন থাকে। এছাড়া এতে নাইট্রিক অক্সাইড উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় একটি অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে যা রক্তনালী শিথিলকরণ এবং রক্তচাপ কমানোর জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

৩. চর্বিযুক্ত মাছ

বিভিন্ন চর্বিযুক্ত মাছ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের অনেক ভালো উৎস হতে পারে। আর এটি হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। এই চর্বিগুলো উচ্চ রক্তচাপের মাত্রা কমানো ছাড়াও প্রদাহ কমাতে এবং অক্সিলিপিনস নামক রক্তবাহী যৌগের মাত্রা হ্রাস করে।

৪. গাজর
গাজরে ক্লিনোজেনিক, পি-কুমারিক এবং ক্যাফিক অ্যাসিডের মতো ফেনোলিক যৌগ থাকে। আর এ যৌগগুলো রক্তনালীকে শিথিল করতে এবং প্রদাহ কমিয়ে উচ্চ রক্তচাপের মাত্রা কমাতে সাহায্য করতে পারে। আর রক্তচাপ কমাতে গাজর কাঁচা অবস্থাতেই খাওয়া আরও উপকারী।

৫. চিয়া বীজ
চিয়া বীজে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য অপরিহার্য পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং ফাইবার প্রচুর পরিমাণে থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে যে চিয়া বীজ রক্তচাপ কমায় এবং এটি ১২ সপ্তাহের বেশি সময় ধরে খেলে তা আরও বেশি উপকার করে।

৬. পালং শাক
পালং শাকে নাইট্রেট বেশি থাকে।এ ছাড়া এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম প্রচুর পরিমাণে থাকায় তা উচ্চ রক্তচাপের মাত্রা কমাতে পারে। এ ছাড়া পালং শাক ধমনীর শক্ততা হ্রাস করতে এবং হৃদযন্ত্রের উন্নতিতে সাহায্য করতে পারে।

তথ্যসূত্র: হেলথলাইন ডটকম

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে খান ৬ খাবার
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : হৃদরোগীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। আর এ সমসাটির পেছনে সবচেয়ে বেশি দ্বায়ী হচ্ছে উচ্চ রক্তচাপ। বিশ্বে কোটি কোটি মানুষ এই সমস্যায় ভুগছেন।

আমাদের শরীরের প্রায় সবকিছুই নির্ভর করে খাবারের ওপরে। কারণ খাবারই আমাদের শরীরে শক্তি উৎপাদন করে এবং সেই শক্তি আমাদের বিভিন্ন অঙ্গের কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনা করতে সহায়তা করে।

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কিছু খাবার আছে। আসুন জেনে নিই সেই সম্পর্কে—

১. ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ বিভিন্ন ফল যেমন— জাম্বুরা, কমলা এবং লেবু ইত্যাদি ফলগুলো উচ্চ রক্তচাপ কমাতে শক্তিশালী হিসেবে কাজ করতে পারে। এগুলো ভিটামিন, খনিজ এবং উদ্ভিদের যৌগ দ্বারা পরিপূর্ণ যা উচ্চ রক্তচাপের কমিয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে এবং আপনার হার্টকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।

২. কুমড়ো বীজ
কুমড়ো বীজ দেখতে অনেক ছোট মনে হলেও পুষ্টিগুণে অনেক পরিপূর্ণ। এতে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টির একটি ঘনীভূত উৎস যেমন— ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম এবং আর্জিনিন থাকে। এছাড়া এতে নাইট্রিক অক্সাইড উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় একটি অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে যা রক্তনালী শিথিলকরণ এবং রক্তচাপ কমানোর জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

৩. চর্বিযুক্ত মাছ

বিভিন্ন চর্বিযুক্ত মাছ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের অনেক ভালো উৎস হতে পারে। আর এটি হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। এই চর্বিগুলো উচ্চ রক্তচাপের মাত্রা কমানো ছাড়াও প্রদাহ কমাতে এবং অক্সিলিপিনস নামক রক্তবাহী যৌগের মাত্রা হ্রাস করে।

৪. গাজর
গাজরে ক্লিনোজেনিক, পি-কুমারিক এবং ক্যাফিক অ্যাসিডের মতো ফেনোলিক যৌগ থাকে। আর এ যৌগগুলো রক্তনালীকে শিথিল করতে এবং প্রদাহ কমিয়ে উচ্চ রক্তচাপের মাত্রা কমাতে সাহায্য করতে পারে। আর রক্তচাপ কমাতে গাজর কাঁচা অবস্থাতেই খাওয়া আরও উপকারী।

৫. চিয়া বীজ
চিয়া বীজে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য অপরিহার্য পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং ফাইবার প্রচুর পরিমাণে থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে যে চিয়া বীজ রক্তচাপ কমায় এবং এটি ১২ সপ্তাহের বেশি সময় ধরে খেলে তা আরও বেশি উপকার করে।

৬. পালং শাক
পালং শাকে নাইট্রেট বেশি থাকে।এ ছাড়া এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম প্রচুর পরিমাণে থাকায় তা উচ্চ রক্তচাপের মাত্রা কমাতে পারে। এ ছাড়া পালং শাক ধমনীর শক্ততা হ্রাস করতে এবং হৃদযন্ত্রের উন্নতিতে সাহায্য করতে পারে।

তথ্যসূত্র: হেলথলাইন ডটকম

দাদ থেকে মুক্তি মিলবে ৬ উপাদানে
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : দাদ একটি চর্মরোগ। অতি পরিচিত একটি ফাঙ্গাল ইনফেকশন বা সংক্রমণ এটি। শরীরের বিভিন্ন স্থানে যেমন- হাত, পা, পিঠ, পায়ের আঙুল, হাতের আঙুল ও মাথার তালুতেও দাদ হয়।

এটি খুবই সংক্রামক এক ব্যাধি। খুব সহজেই দাদ একজনের থেকে অন্য জনের শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। দাদ হলে ত্বকের উপর গোলাকার দাগের সৃষ্টি হয়। দেখলে মনে হবে ত্বকের উপর আলাদা এক স্তর পড়েছে।

আক্রান্ত স্থানে চুলকানি হয় ও আঁশের মতো উঠতে থাকে। এই সমস্যা সমাধানে অ্যান্টি ফাঙ্গাল ক্রিম ব্যবহারের পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। তবে চাইলে ঘরোয়া উপায়েও সারাতে পারেন এই চর্মরোগ। জেনে নিন উপায়-

>> মধুতে থাকা হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড ও ছত্রাক-নাশক উপাদান ছত্রাকের বৃদ্ধি ঠেকায়। এজন্য একটি তুলায় মধু লাগিয়ে আক্রান্ত স্থানে ব্যবহার করুন। নিয়মিত ব্যবহারে দাদ থেকে মুক্তি পাবেন।

>> ছত্রাকের সংক্রমণ ঠেকাতে অ্যালোভেরা খুবই উপকারী অ্যালোভেরায় রেজিন থাকে। তা দাদের চুলকানি, যন্ত্রণা ও প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। এজন্য অ্যালোভেরার পাতা থেকে জেল বের করে আক্রান্ত স্থানে ব্যবহার করুন।

>> রসুন ছত্রাকের ইনফেকশন দূর করতে পারে। এজন্য ১-২ কোয়া রসুন ভালো করে থেঁতলে নিন। এর সঙ্গে ৩ টেবিল চামচ মধু ও ৩ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে দাদে লাগিয়ে ঘণ্টাখানেক রেখে দিন। তারপর গরম পানিতে ধুয়ে ফেলুন।

>> তুলসি পাতায় থাকা অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টি ফাঙ্গাল উপাদান দাদের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রোধ করে। তুলসি পাতা চুলকানি ও র্যাশ দূর করে।

>> কাঁচা হলুদের রস আক্রান্ত স্থানে লাগালে দাদের সমস্যা দ্রুত সেরে ওঠে। হলুদের শক্তিশালী অ্যান্টি সেপটিক ও অ্যান্টি ফাঙ্গাল উপাদান দাদের সংক্রমণ ছড়িয়ে যাওয়া প্রতিরোধ করে।

>> জায়ফলে থাকে অ্যান্টি সেপটিক ও অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান। যা দাদ সারায়। এজন্য এর গুঁড়া সামান্য পানিতে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্ট দাদের উপর লাগান। দেখবেন দাদ সেরে যাবে।

খাসির মাংসের কালিয়া রাঁধবেন যেভাবে
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ছুটির দিন কিংবা বিশেষ আয়োজন মেন্যুতে মাংস ছাড়া যেন অসম্পূর্ণ। তবে অনেকেই অ্যালার্জিসহ নানা শারীরিক সমস্যার কারণে গরুর মাংস খেতে পারেন না।

তারা খাসির মাংস খেতে পারবেন অনায়াসেই। খাসির মাংসের নানা পদ আপনার রসনার তৃপ্তি মেটাতে কোনো কমতি রাখবে না।


তাই তো গতানুগতিক স্বাদের বাইরে গিয়ে স্বাদ বদলাতে রান্না করতে পারেন খাসির মাংসের কালিয়া। ঘরে থাকা অল্প কিছু উপকরণেই রান্না করতে পারবেন এই পদটি। সময় লাগেও খুব কম।

তবে স্বাদে ষোলআনা খাসির মাংসের কালিয়ার রেসিপিটি খাইয়ে অন্যদের প্রশংসাও পাবেন। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক খাসির মাংসের কালিয়া বা মাটন কালিয়ার রেসিপিটি-

 

উপকরণ


১. খাসির মাংস ১ কেজি
২. পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ
৩. রসুন বাটা ১ চা চামচ
৪. আদা বাটা ১ চা চামচ
৫. টকদই ১০০ গ্রাম
৬. সরিষার তেল ১০০ গ্রাম
৭. টমেটো ১টি
৮. হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ
৯. মরিচ গুঁড়া ১ টেবিল চামচ
১০. জিরা গুঁড়া ১ চা চামচ
১১. ছোট এলাচ
১২. দারুচিনি ও লবঙ্গ কয়েকটি
১৩. গোল মরিচ ৫/৬টি
১৪. শুকনো মরিচ ২টি
১৫. কাজু বাদাম বাটা ১ চা চামচ
১৬. লবণ ও চিনি পরিমাণমতো ও
১৭. গরম মশলা এবং ঘি পরিমাণমতো।

 

পদ্ধতি

প্রথমে খাসির মাংস ভালো করে ধুয়ে পানি ঝড়িয়ে নিন। এবার মাংসের সঙ্গে আদা বাটা, রসুন বাটা, পেঁয়াজ বাটা, হলুদ গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া, জিরা গুঁড়া, টক দই মিশিয়ে মেরিনেট করে রাখুন আধা ঘণ্টা।

এরপর কড়াইতে পরিমাণমতো সরিষার তেল গরম করুন। শুকনা মরিচ, ছোট এলাচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, গোল মরিচ ফোঁড়ন দিন। তেলে পেঁয়াজ কুচি সামান্য ভেজে, রসুন কুচি ও টমেটো কুচি, লবণ দিয়ে ভালোভাবে কষাতে থাকুন।

টমেটো গলে গেলে মেরিনেট করা মাংস দিয়ে ভালোভাবে কষিয়ে নিন। মাংস সিদ্ধ হয়ে মশলা থেকে তেল বের হয়ে এলে কাজু বাদাম বাটা দিয়ে মাংসটাকে আরেকটু ভালো করে কষিয়ে নিন।

এবার ঝোলের জন্য প্রয়োজন মতো পানি দিয়ে ফুটিয়ে নিন। ঝোলের পানি কমে এলে সামান্য চিনি দিয়ে দিন। নামানোর আগে কিছুটা ঘি, গরম মশলা গুঁড়া দিয়ে মিশিয়ে নিন।

ঢেকে দমে রাখুন কিছুক্ষণ। এবার গরম গরম নান, রুটি, পরোটা, লাচ্ছা পরোটা, পোলাও কিংবা সাদা ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করতে পারেন মাটন কালিয়া।

রিবন্ডিং চুলের যত্ন
                                  

বর্তমানে রিবন্ডিং করা চুলের কদর বেড়েছে অনেক বেশি। এ জন্য পার্লারে চুল সোজা করতে ভিড় বেড়েছে। অনেকেই কোঁকড়া চুল পছন্দ করেন না তাই রিবন্ডিং করান। চুল রিবন্ডিং করালে অন্তত ছয় মাস বা এক বছর চুল সোজা থাকে। স্ট্রেইট চুলের সুবিধা হলো,খুব সামান্যতেই দেখতে গোছানো লাগে।

চুল রিবন্ডিং করালেই কিন্তু কাজ শেষ নয়,রিবন্ডিং চুলের জন্য চাই বাড়তি যত্ন। সুন্দর চুল আরও বেশি সুন্দর রাখতে দরকার সঠিক যত্নের।

চলুন জেনে নিই কীভাবে রিবন্ডিং করা চুলের যত্ন নেওয়া যায় সেই সম্পর্কে।

১- রিবন্ডিং করানোর পর দুই–তিন দিন পর্যন্ত চুল ভেজাবেন না। কোনো শ্যাম্পু বা প্যাক ব্যবহার করবেন না এ সময়। কারণ,তা ক্ষতিকর।

২- চুল রিবন্ডিং করানোর তিন দিন পর অবশ্যই হেয়ার ট্রিটমেন্ট করিয়ে নিন। এরপর থেকে প্রতি মাসে একবার ট্রিটমেন্ট করান। রিবন্ডিং চুলের জন্য অ্যারোমা ট্রিটমেন্ট সবচেয়ে ভালো।

৩- রিবন্ডিং করা চুলের যত্নে অয়েল ম্যাসাজ খুব গুরুত্বপূর্ণ। সপ্তাহে তিন দিন শ্যাম্পু করার এক ঘণ্টা আগে চুলে অয়েল ম্যাসাজ করুন। এতে চুলের স্বাস্থ্য ভালো থাকে।

৪- গোসলের আগে গরম পানিতে তোয়ালে চুবিয়ে আধা ঘণ্টা চুল পেঁচিয়ে রাখুন। এরপর শ্যাম্পু করুন। এতে রক্ত সঞ্চালন বাড়বে।

৫- রিবন্ডেড চুলের জন্য হালকা শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে। আজকাল মার্কেটে রিবন্ডেড হেয়ারের জন্য ভালো মানের শ্যাম্পু পাওয়া যায়।

৬- শ্যাম্পু করার পর অবশ্যই কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে। রিবন্ডিং করা চুলের জন্য আলাদা শ্যাম্পু কন্ডিশনার পাওয়া যায়।

৭- চুলের উজ্জ্বলতা বাড়াতে এবং মসৃণ করতে শ্যাম্পু করার পর এক মগ পানিতে কয়েক ফোঁটা ভিনেগার অথবা এক চামচ মধু মিশিয়ে সেই পানি দিয়ে চুল ধুয়ে নিন।

৮- দিনে তিনবার মোটা দাঁতের চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে নিন, এতে মাথার ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বাড়ে। তবে ভেজা চুল আঁচড়ানো যাবে না।

৯- অনেকেই চুল শুকানোর জন্য হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করেন। রিবন্ডিং করা চুলে এটা ব্যবহার করা যাবে না। চুল তাপ থেকে দূরে রাখতে হবে। অতিরিক্ত তাপে চুল ভেঙে যাবে।

১০- চুল শুকানোর জন্য তোয়ালে ব্যবহার করতে হবে। তবে তোয়ালে দিয়ে চুল জোরে জোরে ঘষা যাবে না।

১১- চুল সোজা ও মসৃণ রাখতে রিবন্ডিং করানোর পর কমপক্ষে এক মাস চুল বাঁধা যাবে না। কারণ রিবন্ডিংয়ের পর চুল দুর্বল থাকে।

১২- চুলের আগা রেগুলার ট্রিম করতে হবে। এতে আগা ফেটে গিয়ে আপনার চুলের সৌন্দর্য নষ্ট হবে না এবং দেখতেও ভালো লাগবে। এ ছাড়া রিবন্ডিং দীর্ঘ সময় দীর্ঘস্থায়ী হয়।

১৩- চুলের আগা কেটে ফেলার পর চুলে প্রোটিন প্যাক,ডিপ কন্ডিশনিং কিংবা হেয়ার স্পা করতে পারেন। যেমন ডিম একটি,ক্যাস্টর অয়েল এক চামচ,লেবুর রস এক চামচ ও মধু এক চামচ একসঙ্গে মিশিয়ে স্কাল্পে লাগান। এরপর শাওয়ার ক্যাপ বা তোয়ালে দিয়ে মাথা ঢেকে রাখুন। এক ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করুন।

১৪- অনেকেরই অভ্যাস গরম পানিতে গোসল করার। তবে রিবন্ডিং চুলে হট শাওয়ার নেওয়া যাবে না।

১৫- নিয়মিত হেয়ার সিরাম ব্যবহার করুন। নিয়মিত হেয়ার সিরাম ব্যবহার চুল ভেঙে যাওয়া রোধ করে।

১৬- বাইরে বের হলে সঙ্গে হ্যাট অথবা ছাতা রাখুন। কারণ,সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি চুলের জন্য বেশ ক্ষতিকর। বৃষ্টিতে চুল ভিজে গেলে যত দ্রুত সম্ভব চুল ধুয়ে ফেলতে হবে। কারণ,বৃষ্টির পানির সঙ্গে থাকা ধুলো–ময়লা ও লবণ চুলের ক্ষতি করতে পারে।

১৭- চুল রিবন্ডিং করানোর পর নিয়মিত ডায়েটে থাকা উচিত। নিয়মিত পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ চুলের যেকোনো সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে। বেশি করে ফল ও সবজি, আয়রন, ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম–সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত এবং যথাসম্ভব জাঙ্ক ফুড এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন।

তথ্যসূত্র: পেকজেলস ডটকম

অল্প বয়সে চুলে পাক ধরেছে? কী করবেন
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : চুলে পাক ধরাকে অনেকেই বয়সের ছাপ হিসেবে ধরে নেয়। বয়স বাড়লে চুল পাকবে এটাই স্বাভাবিক। কখনও কখনও অল্প বয়সেই চুল পাকা শুরু হয়। অল্প বয়সে চুল পাকলে তা অনেকেরই অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠে।

বার্ধক্য ও জিনগত কারণ ছাড়াও অতিরিক্ত চাপ এবং শরীরে পুষ্টির অভাবেও চুল পেকে যেতে পারে। নিয়মিত স্ট্রেস-রিলিফ ব্যায়াম করলে এবং প্রয়োজন মতো ভিটামিন, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার খেলে অল্প বয়সে চুল পেকে যাওয়ার হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

মডার্ন হারলবাল গ্রুপের হারবাল গবেষক ও চিকিৎসক ডা. আলমগীর মতি চুল পাকা রোধে করণীয় সম্পর্কে পরামর্শ দিয়েছেন।

তার মতে বেশ কিছু খাবার আছে যেগুলো খেলে চুল রোধের পাশাপাশি স্ক্যাল্প ভালো রাখে এবং মাথায় নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করে।

সামুদ্রিক মাছ: যেকোনো সামুদ্রিক মাছ যেমন- অয়স্টার, চিংড়ি বা কাঁকড়ায় থাকে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। ওমেগা-৩ চুলে পাক ধরা আটকায়।

লিভার : প্রাণিজ লিভার ভিটামিন বি-১২ সমৃদ্ধ হয়। এই ভিটামিনটি যেমন রক্তস্বল্পতা দূর করে তেমনি চুল পেকে যাওয়া প্রতিরোধ করে।

আখরোট : আখরোটে থাকে প্রচুর পরিমাণ কপার বা তামা। এই তামাই চুলে মেলানিন উৎপন্ন করে, যা থেকে চুল থাকে কালো।

ব্রকোলি : চুলে পাক ধরা আটকাতে শরীরে প্রয়োজন পরিমিত পরিমাণ ফোলিক অ্যাসিড। যা প্রচুর অনুপাতে পাওয়া যায় ব্রকোলিতে।

সূর্যমুখী বীজ : সূর্যমুখী বীজের তেলে ভিটামিন-ই, আয়রন, জিঙ্ক এবং ভিটামিন বি৬ রয়েছে। রান্নায় তাই সানফ্লাওয়ার অয়েল ব্যবহার করা ভাল। এছাড়া এই তেল দিয়ে বাদামের পেস্ট তৈরি করে স্ক্যাল্পে লাগালেও অনেক উপকার পাওয়া যায়।

ডাল : ডালেও রয়েছে প্রচুর ভিটামিন বি১২ এবং বি৯। তাই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় একবাটি ডাল রাখা খুবই জরুরি।

কাবলি ছোলা : কাবলি ছোলা ভিটামিন বি সমৃদ্ধ একটি খাবার। রোজ না হলেও সপ্তাহে দুতিনদিন খেলেও চুলের বেশ উপকার হবে।

সিঁদুর খেলার পর ত্বকের যত্ন নেবেন যেভাবে
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : দশমী মানেই হিন্দু ধর্মাবলম্বী নারীর কাছে সিঁদুর খেলার আয়োজন। এখন আর রীতি মেনে শুধু বিবাহিতরা নন, সব বয়সীরাই এই খেলায় অংশ নেন।

সবাই মিলে সিঁদুর খেলা, ছবি তোলা নিয়েই ব্যস্ততার মধ্যে এই আয়োজন কাটে। তবে সিঁদুর খেলা বেশ আনন্দদায়ক হলেও এর প্রভাব পড়ে ত্বকে।

কারণ সিঁদুর ত্বকের ক্ষতি করে। তাই সিঁদুর খেলার পর মুখ থেকে সঠিক উপায়ে সিঁদুর না তুলতে পারলেই বিপদ! বর্তমানে বাজারে তৈরি সিঁদুরে নানা রকম ক্ষতিকর কেমিক্যাল মেশানো থাকে।

বিশেষ করে সিনথেটিক রং, সীসা, মারকিউরি সালফাইট, রেডিয়াম বি ডাইয়ের মতো বেশ কিছু ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয় সিঁদুরে।


এসব উপাদান ত্বকে লাগলে র‌্যাশ বের হতে পারে। এমনকি ত্বক ফুলে গিয়ে লালচে দাগও হতে পারে। ফলে ত্বক হয়ে পড়ে শুষ্ক। জেনে নিন সিঁদুর খেলার পর ত্বকের যত্ন নেওয়ার উপায়-

>> চেষ্টা করুন ভেষজ সিঁদুর ব্যবহার করার। সিঁদুর খেলার আগে ত্বকের যত্ন নিতে ঘরে তৈরি ফলের প্যাক লাগাতে পারেন।

এজন্য একটি টমেটো, চারটি আঙুর ও একটি কলার চার ভাগের এক ভাগ চটকে প্যাক তৈরি করে ২০ মিনিট রাখুন, তারপর ধুয়ে ফেলুন।

>> সিঁদুর খেলার পর ভুলেও সরাসরি ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুবেন না। এতে সিঁদুর তো উঠবেই না, বরং আরও ত্বকের সঙ্গে লেগে যাবে। এর বদলে মেকআপ রিমুভার দিয়ে সিঁদুর তুলুন।

>> সিঁদুর তুলতে নারকেল তেলও ব্যবহার করতে পারেন। তারপরে ফেসওয়াশ দিয়ে ধুয়ে নিন। এবার যে কোনো মাস্ক মুখে ব্যবহার করুন।

যেমন- অ্যালোভেরা জেল প্যাক বা কোরিয়ার শিট মাস্ক। ঠান্ডা শসার রসও লাগাতে পারেন। কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে নিন। এরপর মুখে লাগিয়ে নিন ময়েশ্চারাইজার।

প্রতিদিন ২টি কাঁচা মরিচ খাবেন যে কারণে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : কাঁচা মরিচ সাধারণত আমরা আমাদের খাদ্যের স্বাদ বাড়াতে ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু এই কাঁচা মরিচের ভেতর রয়েছে বিশেষ এক উপাদান ক্যাপসাইকিন যা মরিচের ঝাল বাড়ায়। এই ক্যাপসাইকিনে আছে ভিটামিন এ, সি, বি-৬, আয়রন, পটাশিয়াম এবং খুবই সামান্য পরিমাণে প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট। এই উপাদানগুলো মুখে লালা আনে। ফলে খেতে মজা লাগে।

প্রতিদিন যদি দুটো মাত্র কাঁচা লঙ্কা আপনি খান, তাহলে দূর হয়ে যাবে আপনার অনেক শারীরিক সমস্যাই। এছাড়াও আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে চলুন জেনে নেওয়া যাক কাঁচা মরিচের বিস্ময়কর আরও কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে-

কাঁচা মরিচে পর্যাপ্ত পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস এবং এন্ডোরফিন উপলব্ধ যা শরীরে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
ডায়াবেটিসের অন্যতম সেরা চিকিৎসা হল কাঁচা মরিচ। নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।

কোলেস্টেরলের মাত্রাকেও নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে কাঁচা মরিচ। যার ফলে হ্রাস পায় হৃদরোগের ঝুঁকিও।

ওজন কমানোর জন্য কাঁচা মরিচ খাওয়া একটি ভালো উপায়। এটি ক্যালোরি ঝরায় এবং বিপাক ক্রিয়াকে বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট ও ভিটামিন সি থাকায় কাঁচা মরিচ ত্বকের ক্ষেত্রেও সহায়ক। এটি বলিরেখা ও ত্বকের বার্ধক্য হ্রাস করতে সাহায্য করে।

কাঁচা মরিচ খেলে মস্তিষ্কে একটি হরমোন নিঃসৃত হয়। যার কারণে মানসিক চাপ কমে এবং মন ও মেজাজ ভাল থাকে।

কাঁচা মরিচ মধ্যে অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট রয়েছে যা ক্যান্সার প্রতিরোধে সক্ষম। বিশেষত পুরুষদের মধ্যে প্রস্টেটের ক্যান্সার ঝুঁকি হ্রাস করতে সাহায্য করে কাঁচা মরিচ।

মাস্ক পরলেই মাথাব্যথা করে? যা করণীয়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে মাস্ক পরার বিকল্প নেই। যদিও অনেকেই করোনার দুই ডোজের টিকা গ্রহণ করেছেন, তবুও মাস্ক না পরে চলাফেরা করা উচিত নয়।

বিশেষজ্ঞরা এ বিষয়ে বারবার পরামর্শ দিচ্ছেন, তবুও অনেকেই স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। বর্তমানে করোনা সংক্রমণ কমলেও মাস্ক পরা, হাত ধোয়া ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বিকল্প নেই।

অনেকেই ভাবছেন টিকা তো নিয়েই নিয়েছি, এখন আর মাস্ক পরে কী লাভ! তবে কখনও এই ভুল করবেন নাG অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে।

দীর্ঘক্ষণ মাস্ক পরার কারণে অনেকেই মাথাব্যথায় ভোগেন। মাথাব্যথার পাশাপাশি অস্বস্তি, পানিশূন্যতা ও মাথা ঘোরার সমস্যা দেখা দেয় অনেকের মাঝেই। তবে কেন এমনটি ঘটে?

যাদের সর্দি, কাশি, হাঁপানি, অ্যালার্জি ও ত্বকে ফুসকুড়ি থাকে তাদের জন্য মাস্ক ব্যবহার করা আরও কঠিন।

তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুসারে, সবাইকেই নিজ ও অন্যের নিরাপত্তার জন্য জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থা মেনে চলতে হবে।


বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে টাইট মাস্ক পরলে টেম্পোরোম্যান্ডিবুলার জয়েন্টে ব্যথা হতে পারে। মাস্ক পরলে যেহেতু চোয়াল নড়াতে বেশ সমস্যা হয়।

তাই মুখের পেশী ও টিস্যুসমূহ বাঁধাপ্রাপ্ত হয়। ফলে চোয়াল প্রভাবিত হয়ে স্নায়ুতে ব্যথার সংকেত পাঠায়। যা মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

মাস্ক পরলে মাথাব্যথা প্রতিরোধে করণীয়

>> টাইট মাস্ক পরবেন না। এতে কানে চাপ পড়ে। যা মাথাব্যথার কারণ হতে পারে।

>> মাস্ক পরার সময় চোয়াল ও দাঁতের অবস্থানের দিকে মনোযোগ দিন। মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তায় থাকলে চোয়ালের পেশী শক্ত হয়ে যায়।

যা মাথাব্যথার কারণ হতে পারে। তাই মাস্ক পররে চোয়ালের পেশী শিথিল রাখুন।

>> মাস্ক পরে খারাপ ভঙ্গিতে থাকবেন না। এতে পেশীর টান বাড়বে। যা মাথাব্যথার কারণ হতে পারে।

>> মাস্ক পরার পর চোয়াল শিথিল রাখার চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে হালকাভাবে মুখ খুলে রাখুন।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

সকালে খালি পেটে যে ৬ খাবারে সুস্থ থাকবে শরীর!
                                  

শরীর ভালো রাখতে এবং সুস্থ থাকতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো খাবার। ঠিকঠাক খাবার না পেলে শরীর পুষ্ট হবে না। ফলে সেখান থেকে হতে পারে আরও নানা বিপত্তি। দৈনন্দিন জীবনে আমরা সবাই ব্যস্ত। সারাদিন ছুটে চলেছি। ফলে ঠিক সময়ে খাওয়ার কথা আমাদের মনে থাকে না। খিদে পেলে যা খুশি তাই খেয়ে নিই। সেখান থেকেই গ্যাস-অম্বল, হজম না হওয়ার মতো নানাবিধ সমস্যা দেখা যায়।

রাতের খাবারের আর সকালের নাস্তার মধ্যে দীর্ঘ একটা সময়ের বিরতি থাকে। আর এই সময়ে ঠিকঠাক খাবার খাওয়া খুব জরুরি। কারণ খালি পেটে সঠিক খাবারই আমাদের সারাদিনের হজম ক্রিয়া ঠিক রাখে। বলা যায় শরীর সুস্থ রাখার এটাই হলো চাবিকাঠি।


দেখে নিন, সকালে উঠে কোন খাবার দিয়ে দিনের শুরু করবেন। জেনে নিন-

গরম জলে মধু

প্রতিদিন সকালে উঠে হলকা গরম জলে মধু মিশিয়ে খেলে স্টমাক এর কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। ফলে বদ-হজম বা গ্যাস-অম্বলের সমস্যা মাথা তোলার সুযোগই পায় না। সেই সঙ্গে মধুতে উপস্থিত একাদিক পুষ্টিকর উপাদান অ্যাসিডিটির সমস্যা কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

পেঁপে

সকালে খালি পেটে পেঁপে খেলে অন্ত্র গতি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সঠিক বিকল্প। পেঁপে খালি পেটে খেতে একটি সুপারফুড। সবচেয়ে মজার বিষয় হলো পেঁপেটি সারা বছর বাজারে পাওয়া যায়। পেঁপেতে আছে ভিটামিন এ, সি, কে, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম ও প্রোটিন। এছাড়াও প্রচুর পরিমাণ ফাইবারও রয়েছে। আর পেঁপেতে ক্যালোরির পরিমাণ খুবই কম। সেই সঙ্গে স্বাদেও মিষ্টি, যে কারণে সুগার রোগীদের প্রতিদিন একবাটি করে পাকা পেঁপে খেতে দেওয়া হয়। এছাড়াও অনেকেই হজমের সমস্যায় ভোগেন। তাদেরও প্রতিদিন পাকা পেঁপে খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিত্‍সকরা।

পোরিজ

আপনি যদি কম-ক্যালোরি এবং উচ্চ পুষ্টিকর প্রাতঃরাশ করতে চান তবে পোরিজ একটি দুর্দান্ত বিকল্প। বিশেষত ওটমিল থেকে তৈরি পোরিজ ব্রেকফাস্টের জন্য সুপারফুড। স্বাদে আশ্চর্যজনক হলেও শরীরের জন্যও স্বাস্থ্যকর। খালি পেটে পোরিজ খাওয়া শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেয় এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্যও সুস্থ রাখে। ওটমিল খাওয়া আপনার পেটকে দীর্ঘ সময় ধরে রাখে যাতে আপনি অতিরিক্ত খাবারও এড়াতে পারেন।

তরমুজ

আপনি সকালে ঘুম থেকে উঠে তরমুজ রাখতে পারেন। ৯০% জল নিয়ে গঠিত, এই ফলটি শরীরকে হাইড্রেশনের একটি বিশাল অংশ সরবরাহ করে। এটি কেবল মিষ্টি খাওয়ার আকাঙ্ক্ষা হ্রাস করে। এটি খেলে অতিরিক্ত ক্যালোরিও গ্রহণ করি না। তরমুজ ইলেক্ট্রোলাইট সমৃদ্ধ এবং এ ছাড়াও উচ্চ পরিমাণে যৌগিক লাইকোপিন রয়েছে যা হৃদয় এবং চোখের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

বাদাম

সকালের নাস্তায় একমুঠো বাদাম খেলে স্বাস্থ্যকর। এটি অন্ত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এগুলি কেবল হজমে উন্নতি করে না তবে আপনার পেটের পিএইচ স্তরকেও স্বাভাবিক করে তোলে। আপনি আপনার প্রতিদিনের ডায়েটে কিসমিস, বাদাম এবং পেস্তা অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। তবে এগুলো পরিমিতভাবে খাওয়া উচিত, কারণ অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে মুগ্ধ এবং ওজন বাড়তে পারে।

ভিজানো বাদাম

খালি পেটে বাদাম খাওয়াও স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকার। বাদামে ম্যাঙ্গানিজ, ভিটামিন ই, প্রোটিন, ফাইবার, ওমেগা -3 এবং ওমেগা -6 ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ। রাতারাতি ভিজিয়ে রেখে খেলে এর বেশি উপকার হয়।

বাদামের ত্বকে ট্যানিন রয়েছে যা আপনার দেহে পুষ্টির শোষণকে বাধা দেয়। তাই এগুলি খাওয়ার আগে তাদের সর্বদা খোসা ছাড়ানো উচিত। বাদাম আপনাকে পুষ্টির সঠিক ডোজ দেবে, যা আপনাকে আপনার মনকে তীক্ষ্ণ করার পাশাপাশি আপনার স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সহায়তা করবে। সূত্র: এই সময়।

সবজি বিরিয়ানি রাঁধবেন যেভাবে
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : বিরিয়ানি একটি মুখরোচক খাবার। বিরিয়ানি পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। মাটন, বিফ বা চিকেনসহ হরেক পদের বিরিয়ানি নিশ্চয়ই খেয়েছেন!

তবে স্বাস্থ্য সচেতনদের কাছে জনপ্রিয় হলো সবজি বিরিয়ানি। অনেকেই আছেন যারা বিরিয়ানি খেলে ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয় পান। তারা কিন্তু চাইলেই নিশ্চিন্তে খেতে পারেন সবজি বিরিয়ানি।


এতে থাকা বিভিন্ন সবজি স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। তাই সবজি বিরিয়ানি খেলে ওজন বাড়ার ভয় নেই। খুব সহজেই ঘরে থাকা কয়েকটি উপকরণ দিয়ে তৈরি করে নিতে পারবেন সবজি বিরিয়ানি। জেনে নিন এর সহজ রেসিপি-

উপকরণ

১. বাসমতি চাল ৪০০ গ্রাম
২. পেঁয়াজ কুচি ২টি
৩. লবঙ্গ ৮টি
৪. জয়ফল ১/৪ চা চামচ
৫. রসুন বাটা ২ চা চামচ
৬. আলুর কিউব ১০০ গ্রাম
৭. শিম ১০০ গ্রাম
৮. লবণ পরিমাণমতো
৯. টকদই আধা কাপ
১০. এলাচ ৪টি
১১. পুদিনা পাতা ২টি
১২. কেওড়া জল ১/৪ চা চামচ
১৩. পানি ৮ কাপ
১৪. ঘি ৭ টেবিল চামচ
১৫. কালো জিরা ১ চা চামচ
১৬. দারুচিনি ২টি
১৭. আদা বাটা ২ চা চামচ
১৮. মটরশুঁটি ১০০ গ্রাম
১৯. ফুলকপি ১০০ গ্রাম
২০. গাজর ১০০ গ্রাম
২১. গোলমরিচ গুঁড়া ২ চিমটি
২৩. তেজপাতা ২টি
২৪. গোলাপ জল ১/৪ চা চামচ
২৫. মাখন ২ টেবিল চামচ

পদ্ধতি


প্রথমে বাসমতি চাল ভালো করে ধুয়ে নিন। তারপর আধা ঘণ্টার জন্য পানি ঝরিয়ে নিন। এদিকে মাঝারি আঁচে প্যানে ৪ টেবিল চামচ ঘি গরম করে নিন।

তারপর পেঁয়াজ কুচি বাদামি করে ভেজে নিন। এরপর একটি পাত্রে টিস্যু রেখে তার উপার পেঁয়াজ বেরেস্তা তুলে রাখুন।

এবার একই প্যানে লবঙ্গ, দারুচিনি, জয়ফল, গোলমরিচের গুঁড়ার অর্ধেক মিশিয়ে ভাজতে থাকুন। এরপর আদা ও রসুন বাটা মিশিয়ে এক মিনিট ভাজুন।

এ পর্যায়ে লবণ, মরিচ, মাখন, টকদই ও সবগুলো কেটে রাখা সবজি মসলার মিশ্রণে যোগ করুন। সবজি সেদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত ঢেকে হালকা আঁচে রান্না করুন।

এদিকে বড় একটি প্যানে ৪ কাপ পানিতে সামান্য লবণ ফুটিয়ে নিন। অবশিষ্ট লবঙ্গ, দারুচিনি, জিরা, তেজপাতা ও এলাচ একটি ছোট মসলিন কাপড়ে বেঁধে তা পানির মধ্যে দিয়ে দিন।

এরপর পানি ঝরিয়ে নেওয়া চাল এই ফুটন্ত পানিতে মিশিয়ে দিন। চাল সেদ্ধ হলে এর পানি ছেঁকে ফেলুন। এবার রান্না করা সবজির সঙ্গে বাসমতি চালের ভাত মিশিয়ে দিন।

এর উপরে পেঁয়াজ বেরেস্তা, সামান্য কেওড়া জল ও গোলাপজল ছড়িয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন দারুন স্বাদের সবজি বিরিয়ানি। স্বাস্থ্য সচেতনদের কাছে এই বিরিয়ানি বেশ জনপ্রিয়।

স্তন ক্যানসার হয় যেসব কারণে
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী হাজার হাজার মানুষ স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হচ্ছেন। যার মধ্যে নারীর সংখ্যাই বেশি। স্তন ক্যানসার নারীর কাছে এক আতঙ্কের নাম।

পশ্চিম বিশ্বে এর প্রাদুর্ভাব বেশি থাকলেও বাংলাদেশেও স্তন ক্যানসারে আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। ১৭ থেকে বৃদ্ধা সব বয়সীদের মধ্যেই বাড়ছে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি।


জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউটের হিসাব অনুযায়ী, দেশে প্রতি বছর দেড় লাখেরও বেশি মানুষ ক্যানসারে আক্রান্ত হন। বাংলাদেশে নারীরা যেসব ক্যানসারে আক্রান্ত হন তার মধ্যে স্তন ক্যানসার শীর্ষে আছে।

স্তন ক্যান্সার কী?

বিশেষজ্ঞদের মতে, স্তনের কিছু কোষ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেলে, ওই অনিয়মিত ও অতিরিক্ত কোষগুলো বিভাজনের মাধ্যমে টিউমার বা পিণ্ডে পরিণত হয়।

সেটি রক্তনালীর লসিকা (কোষ-রস) ও অন্যান্য মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। এই ছড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতাই ক্যানসার।


স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার কারণ কী কী?

>> লিঙ্গভেদে স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। পুরুষের তুলনায় নারী স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকেন।

>> পরিবারে কারও যেমন- মা, খালা, বোন বা মেয়ে স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হলে পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যেও এর ঝুঁকি বেড়ে যায়।

>> নারীর মাসিক শুরু ও বন্ধের বয়সের ওপরেও স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি নির্ভর করে। বিশেষ করে ১২ বছরের আগে মাসিক শুরু হলে ও ৫০ বছর পর মাসিক বন্ধ হলে এই রোগের ঝুঁকি বাড়ে।

>> বয়স বাড়তেই এর ঝুঁকি বাড়ে, অর্থাৎ ৫০ বছরের পর স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

>> বিয়ের বয়স পার হয়ে গেলে কিংবা ৩০ বছরের পরও সন্তান জন্ম না নিলে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

>> সন্তানকে নিয়মিত বুকের দুধ না খাওয়ানোর ফলেও স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হতে দেখা যায়।

>> অতিরিক্ত চর্বিজাতীয় খাবার খেলেও স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

>> প্রক্রিয়াজাতকরণ খাবার, কৃত্রিম মিষ্টি ও রংযুক্ত খাবার দীর্ঘদিন খাওয়ার ফলে নারী ও পুরুষ স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হতে পারে।

>> যারা একেবারেই শরীরচর্চা করেন না তাদের ক্ষেত্রে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বেড়ে যায়। অতিরিক্ত ওজনও এই ব্যাধির কারণ হতে পারে।

>> এয়ার ফ্রেশনার, কীটনাশক, কেমিক্যালযুক্ত কসমেটিকস ও ডিওডোরেন্ট দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।

>> সঠিক মাপের অন্তর্বাস না পড়লে স্তনের আকার পরিবর্তন হয়ে যায়। এ কারণে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

সারাক্ষণ অন্তর্বাস পরে থাকার কারণে ঘাম নির্গত হতে পারে না। ফলে আর্দ্রতা জমে থাকা, সব মিলে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে। রাতে অন্তর্বাস ছাড়া ঘুমানোর অভ্যাস করুন।

>> ডিওডোরেন্টে থাকা কেমিক্যাল স্তন ক্যানসারসহ ত্বকের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে। বিশেষ করে অ্যালুমিনিয়াম জাতীয় উপাদান থাকলে তা স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়।

>> জেনেটিক কিছু কারণেও স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। বিআরসিএ ১, বিআরসিএ ২ নামের জিনের মিউটেশন ৫-১০ শতাংশ স্তন ক্যানসারের জন্য দায়ী।

প্রতিবছর অক্টোবর মাসকে ‘ব্রেস্ট ক্যানসার সচেতনতা মাস’ হিসেবে পালন করা হয়। এ বিষয়ে সচেতনতা গড়ে তুলতে বাংলাদেশেও স্তন ক্যানসার সচেতনতা মাস হিসেবে পালিত হয়।

সূত্র: মায়োক্লিনিক

প্রতিদিন কেন মুড়ি খাবেন?
                                  

অনলাইন ডেস্ক : সাধারণ খাবার হলেও মুড়ি সবারই পছন্দের। সকাল কিংবা বিকেল, নাস্তার টেবিলে অনেকের পছন্দের তালিকায় থাকে মুড়ি।

অনেকে আবার চানাচুর-মুড়ি একসঙ্গে মেখেও খান। ডায়েট হিসাবে অনেকে আবার বেছে নিচ্ছেন মুড়ি। কিন্তু প্রতিদিন মুড়ি খাওয়া কী স্বাস্থ্যের জন্য ভালো, খেলে কী উপকার হবে চলুন জেনে নিই।

অ্যাসিডিটির সমস্যা সমাধানে মুড়ি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি খাবার। নিয়মিত মুড়ি খেলে পেটে অ্যাসিডের ক্ষরণে ভারসাম্য আসে। প্রচণ্ড পরিমাণ অ্যাসিড হলে, মুড়ি পানিতে ভিজিয়ে খেতে পারেন। এতে দ্রুত পালাবে আপনার অ্যাসিডের সমস্যা।

মুড়িতে ক্যালসিয়াম ও আয়রন থাকে। এটি হাড় শক্ত করে।

মুড়িতে ক্যালরির মাত্রা তুলনামূলক কম। অল্প খিদে পেলে মুড়ি খেলে পেট ভরে যায়। ক্যালরির মাত্রা কম বলে মুড়ি খেলে ওজন বাড়ে না। যারা হালকা খাবার হিসাবে নিয়মিত মুড়ি খান, তাদের পক্ষে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ। সাধারণত এক কাপ মুড়িতে ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ ক্যালরি থাকে।

মুড়ি শর্করাজাতীয় খাবার। তাই ভাত বা রুটির বদলেও মুড়ি খাওয়া যায়। তবে মুড়িতে লবণের পরিমাণ বেশি থকায় উচ্চ রক্তচাপ এবং হাইপার টেনশনের সমস্যা থাকলে পরিহার করা উচিত। চিনি দিয়ে ভেজে খাওয়া যায়, আবার মুড়ি মাখিয়েও খাওয়া যায়। তবে চানাচুরের বদলে ছোলা বা মটরশুঁটি দিয়ে মাখিয়ে খাওয়াটা তুলনামূলক বেশি ভালো। কিন্তু মনে রাখতে হবে, মুড়ি খেলে ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ কিছুটা হলেও বাড়তে পারে। তাই যাদের ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা আছে, তারা এড়িয়ে চলুন।

আজকাল ইউরিয়া-মিশ্রিত মুড়ি পাওয়া যায়, এগুলো না খাওয়াই উচিত। মুড়িতে লবণের পরিমাণ বেশি থাকে। এ কারণে যাদের কিডনির সমস্যা রয়েছে তাদের মুড়ি না খাওয়াই উচিত।

ভিন্ন স্বাদের চিকেন পাই তৈরি করুন ঘরেই
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : বর্তমানে সবাই কমবেশি রেস্টুরেন্টে গিয়ে বাহারি সব পদ খেয়ে থাকেন। এর মধ্যে চিকেনের পদই বেশি জনপ্রিয় সবার কাছেই।

চিকেন ফ্রাই থেকে শুরু চিকেন পাস্তাসহ চিকেনে শত শত পদ আছে। তবে সবাই তো আর সব পদের স্বাদ নেননি!

চিকেনের মজাদার এক পদ হলো চিকেন পাই। অনেকেই হয়তো রেস্টুরেন্টে দারুন স্বাদের পদটি খেয়েছেন। চাইলে কিন্তু এটি ঘরেও তৈরি করতে পারবেন। জেনে নিন রেসিপি-

উপকরণ

১. চিকেন কিমা ২০০ গ্রাম
২. পাউরুটির টুকরো ৩টি
৩. কাঁচা মরিচ কুঁচি ১ চামচ
৪. পার্সলে কুঁচি ৩ চা চামচ
৫. কাসুন্দি ২ চা চামচ
৬. টমেটো সস ২ চা চামচ
৭. চিলি সস ১ চা চামচ
৮. লবণ স্বাদমতো
৯. গ্রেট করা চিজ আধা কাপ
১০. রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ
১১. পেঁয়াজ কুঁচি ১টি
১২. দুধ আধ কাপ
১৩. মাখন ২ টেবিল চামচ
১৪. ডিম ২টি

পদ্ধতি

প্রথমে ফ্রাইপ্যানে মাখন গরম করে নিন। এবার এতে পেঁয়াজ ও রসুন কুচি হালকা করে ভেজে নিন। এরপর একে একে চিকেন কিমা, লবণ, চিলি সস, টমেটো সস, কাঁচা মরিচ ও পার্সলে কুঁচি দিয়ে ভাজুন।

অন্যদিকে পাউরুটির চারপাশ কেটে নিন। তারপর দুধে ভিজিয়ে রাখুন। ডিম আলাদা করে ফেটান। কিমা রান্নার কিছুক্ষণের মধ্যেই কাসুন্দি মিশিয়ে দিন।

কিমার মিশ্রণ শুকিয়ে গেলে নামিয়ে ঠান্ডা করুন। এবার কিমার মধ্যে দুধে ভেজানো পাউরুটি ও ফেটানো দুধ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন।

এবার বেকিং ডিশের ভেতরে মাখন গ্রিস করুন। তার মধ্যে কিমার মিশ্রণ ঢেলে দিন। উপর থেকে গ্রেট করা চিজ ছড়িয়ে দিন। ঠান্ডা হলে চিজ জমাট বেঁধে যাবে।

ছুড়ি দিয়ে কেটে পরিবেশন করুন ভিন্ন স্বাদের চিকেন পাই। এই রেসিপি অনুযায়ী চাইলেই ঘরে বসে আপনি তৈরি করে নিতে পারবেন রেস্টুরেন্ট স্টাইলের চিকেন পাই।

শসা হার্টের কতটা উপকারী?
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : শসা উপকারী উপাদান। এটিকে বিউটি সুপারফুড হিসেবে বিবেচনা করা হয়। শসাতে পানির পরিমাণ অনেক বেশি থাকায় তা আমাদের শরীরকে হাইড্রেট করে। এ ছাড়া এই ফলের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন কে এবং প্রদাহ প্রতিরোধী উদ্ভিদ যৌগ, যা চোখের জন্য অনেক উপকারী।

আর ত্বকের ও ডার্ক সার্কেলের চিকিৎসায় প্রাকৃতিক উপকরণ হিসেবে শসাকে বেছে নেওয়া হয় অনেক আগে থেকেই। এ ছাড়া রক্তচাপ কমাতে ও হার্টের জন্যও অনেক উপকারী শসা।

আজ জানুন শসার কিছু উপকারী দিক সম্পর্কে—

১. রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে
বেশ কয়েকটি গরেষণায় দেখা গেছে যে, শসা রক্তের শর্করার মাত্রা কমাতে বিশেষভাবে কার্যকরী। আর রক্তে শর্করার মাত্রা কম হওয়ার অর্থ হচ্ছে তা আমাদের রক্তনালিগুলোর পাশাপাশি হার্টকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং হার্টের স্নায়ুগুলোকে ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। এ ছাড়া অন্য একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, শসার খোসায় পুষ্টি ও ফাইবার থাকার কারণে তা রক্তে শর্করার হ্রাসসহ অনেক ডায়াবেটিস সম্পর্কিত সমস্যাতেও উপকারী উপাদান হিসেবে কাজ করে। তাই খোসাসহ খেতে পারেন এটি।

২. রক্তচাপ কমায়
শসা উচ্চ রক্তচাপ কমায় এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। ২০১৭ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, বয়স্কদের শসার রস ১২ দিন খাওয়ানোর পর তাদের রক্তচাপ কমিয়েছে। এ ছাড়া শসাতে ম্যাগনেসিয়াম ও পটাসিয়ামও থাকায় তা রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করতে পারে এবং তা প্রস্রাবের মাধ্যমে সোডিয়াম নির্মূল করতে সহায়তা করে।

৩. হার্টের সুরক্ষায়
গবেষণায় দেখা গেছে, শসাতে থাকা মুক্ত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হার্ট পরিষ্কার করতে সহায়তা করে। এ ছাড়া এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো অক্সিডেটিভ স্ট্রেসকে বাধা দেয় এবং ক্যান্সার ও হৃদরোগে ভালো থাকতে সহায়তা করে।

তথ্যসূত্র: ইটদিস ডটকম

মাধুরীর সিক্রেট হেয়ার অয়েল
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : মাধুরী দিক্ষিত আজও তার সৌন্দর্য ধরে রেখেছেন ঠিক তরুণীর মতোই। বয়স ৫৪ হলেও, তার ছাপ পড়েনি শরীরে কিংবা ত্বকে। তার মেদহীন শরীর আর ঝকঝকে ও টানটান ত্বক দেখে সবাই অবাক হয়ে যান।

নিশ্চয়ই তার ফিটনেস ও স্কিন কেয়ারের কোনো সিক্রেট আছে! এমনটিই ভাবেন সবাই। তবে জানলে অবাক হবেন, জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী আজও ঘরোয়া উপায়েই ত্বক ও চুলের যত্ন নেন।

বিশেষ করে মাধুরীর একরাশ ঘন কালো চুল দেখে অনেকেরই নিশ্চয়ই হিংসা হয়! জানেন কি, মাধুরী তার চুলের যত্নে ঘরোয়া উপায়ে তৈরি এক সিক্রেট হেয়ার অয়েল ব্যবহার করেন।

সম্প্রতি এক মাধুরী তার ইউটিউব চ্যানেলের এক ভিডিওতে তিনি ঘরোয়া উপায়ে প্রস্তুতকৃত হেয়ার অয়েলের রেসিপি সবার সঙ্গে শেয়ার করেছেন।

এজন্য যা যা লাগবে- নারকেল তেল ১ কাপ, মেথি বীজ ১ চা চামচ, কারিপাতা ১৫-২০টি, পেঁয়াজ কুচি ১টি।

যেভাবে তৈরি করবেন- মাধুরীর সিক্রেট হেয়ার অয়েল তৈরি করতে প্রথমে একটি প্যানে সবগুলো উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। তারপর চুলার জ্বাল মাঝারি আঁচে রেখে তেল ফুটিয়ে নিন।

তেল ফুটে উঠলে একটি বাটিতে ছেঁকে তুলে নিন। তারপর ঠান্ডা করে একটি কাঁচের বোতলে ঢেলে রাখুন। এরপর যখন চুলে তেল দেওয়ার প্রয়োজন হবে তখন বোতল থেকে ঢেলে চুলের গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত ব্যবহার করুন।

নিয়মিত এই তেল ব্যবহারে চুলের গোড়া মজবুত হবে। একইসঙ্গে চুল পড়া বন্ধ হবে ও চুল পাকা রোধ হবে। নারকেল তেল চুলের জন্য কতটা উপকারী তা সবারই জানা। একইসঙ্গে মেথি, কারি পাতা ও পেঁয়াজ চুল পড়া বন্ধ করতে সাহায্য করে।

এসব উপকরণে থাকা পুষ্টি উপাদান চুলের স্বাস্থ্য রক্ষা করে। খুশকি থেকে শুরু করে চুলের যাবতীয় সমস্যা সমাধানে মাধুরীর সিক্রেট এই হেয়ার অয়েল নিয়মিত ব্যবহার করুন। ফলাফল পাবেন হাতেনাতে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

যেসব লক্ষণে বুঝবেন আপনার শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি
                                  

 

লাইফস্টাইল ডেস্ক : হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখে ক্যালসিয়াম। এর ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে পড়ে। শুধু হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষায় নয় বরং শরীরের বিভিন্ন রোগ সারায় এই খনিজ উপাদান। যেমন- রক্ত জমাট বাঁধা, পেশির সংকোচন প্রসারণ ও হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখা। তবে শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি আছে কি না তা বুঝবেন কীভাবে?

ক্যালসিয়াম কীভাবে কাজ করে?

ক্যালসিয়াম এক ধরনের খনিজ। যা আমাদের দেহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি শরীরের হাড় ও দাঁতের স্বাস্থ্য রক্ষা করে। শরীরে ক্যালসিয়াম অন্যান্য কার্যক্রমেও সহায়তা করে। যেমন- পেশী, ধমনীর সংকোচন ও স্নায়ুতন্ত্রের বার্তা সরবরাহ করতে সাহায্য করে। হৃৎপিণ্ডের বিভিন্ন অঙ্গেও ক্যালসিয়ামের প্রয়োজন। শরীরে ক্যালসিয়াম ঘাটতি থাকলে বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়ে। যার মধ্যে অন্যতম হলো অস্টিওপোরোসিস ও অস্টিওপোনিয়া। ক্যালসিয়ামের অভাবে শিশুদের বিকাশ রোধ হয়। এছাড়াও ক্যালসিয়ামের অভাবে দেখা দেয় বিভিন্ন লক্ষণ যেমন- পা ও হাত ঝিঝি ধরা, অবশ হওয়া, ব্যথা, ক্লান্তি, হতাশা, দাঁতের ক্ষয়, পেশী ব্যথা ইত্যাদি।

শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতির কারণ কি?

* ক্যালসিয়ামের ঘাটতির মূল কারণ হ’ল ডায়েটে ক্যালসিয়াম গ্রহণ না করা।

* অতিরিক্ত ব্যায়াম করলে শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পড়ে।

* ভিটামিন ডি ক্যালসিয়াম শোষণের প্রক্রিয়া উন্নত করে। আর যদি ভিটামিন ডি’র ঘাটতি পড়ে তাহলে ক্যালসিয়ামের ঘাটতিও শুরু হয়।

* প্রচুর পরিমাণে কোমল পানীয় পান করলে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি হয়।

* শরীর দুর্বল হলে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা দেয়।

* ক্রীড়াবিদ নারীদের মেনোপজের সময় বেশি ক্যালসিয়াম ক্ষয় হয়।

* এছাড়াও অতিরিক্ত মেদ, চিনিযুক্ত খাবার, প্রোটিন ডায়েট ক্যালসিয়ামের ঘাটতি সৃষ্টি করে।

* অ্যালকোহল, তামাক, অতিরিক্ত লবণ সেবনের ফলে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি হয়।

* মিহি শস্য, মাইট ইত্যাদিতে ক্যালসিয়ামের অভাব ঘটে।

যেসব লক্ষণে বুঝবেন ক্যালসিয়ামের ঘাটতি হয়েছে

* ক্লান্ত বোধ করা
* বন্ধ্যাত্ব
* মৃগীরোগ
* নিদ্রাহীনতা
* ত্বকের শুষ্কতা
* ছানি
* বুকে ব্যাথা
* উচ্চ কোলেস্টেরলেল মাত্রা
* হাত অবশ হওয়া
* মাড়ির রোগ
* খিদে না পাওয়া
* উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি

ক্যালসিয়াম অভাব পূরণে করণীয়?

ক্যালসিয়াম ঘাটতি পূরণ করা বেশ সহজ। এটি প্রতিরোধের সহজতম চিকিৎসা হলো ডায়েটে ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করা। এছাড়াও চিকিৎসকের পরামর্শে ক্যালসিয়ামযুক্ত সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করতে পারেন। বাজারে প্রচুর পরিপূরক পাওয়া যায় তবে এটি নির্বাচন করা খুব কঠিন। আবার অতিরিক্ত মাত্রায় সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে কিডনিতে পাথর হতে পারে। এছাড়াও ক্যালসিয়ামের ঘাটতি রোধ করতে জীবনযাপনে পরিবর্তন আনা জরুরি। আপনার ডায়েটে চিজ বা পনির ব্যবহার করুন। ভিটামিন ডি পেতে সকালে রোদে হাঁটুন ও ডায়েটে ভিটামিন ডি রাখুন। লবণ কম খান। ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগ করুন। ক্যালসিয়াম বাড়াতে পালং শাক, ব্রোকোলি, পনির ও ডুমুর রস পান করুন।


   Page 1 of 23
     লাইফস্টাইল
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে খান ৬ খাবার
.............................................................................................
দাদ থেকে মুক্তি মিলবে ৬ উপাদানে
.............................................................................................
খাসির মাংসের কালিয়া রাঁধবেন যেভাবে
.............................................................................................
রিবন্ডিং চুলের যত্ন
.............................................................................................
অল্প বয়সে চুলে পাক ধরেছে? কী করবেন
.............................................................................................
সিঁদুর খেলার পর ত্বকের যত্ন নেবেন যেভাবে
.............................................................................................
প্রতিদিন ২টি কাঁচা মরিচ খাবেন যে কারণে
.............................................................................................
মাস্ক পরলেই মাথাব্যথা করে? যা করণীয়
.............................................................................................
সকালে খালি পেটে যে ৬ খাবারে সুস্থ থাকবে শরীর!
.............................................................................................
সবজি বিরিয়ানি রাঁধবেন যেভাবে
.............................................................................................
স্তন ক্যানসার হয় যেসব কারণে
.............................................................................................
প্রতিদিন কেন মুড়ি খাবেন?
.............................................................................................
ভিন্ন স্বাদের চিকেন পাই তৈরি করুন ঘরেই
.............................................................................................
শসা হার্টের কতটা উপকারী?
.............................................................................................
মাধুরীর সিক্রেট হেয়ার অয়েল
.............................................................................................
যেসব লক্ষণে বুঝবেন আপনার শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি
.............................................................................................
শিশুর দাঁতের যত্ন কীভাবে করবেন?
.............................................................................................
পরচর্চা শরীরের জন্য উপকারী? কী বলছে গবেষণা
.............................................................................................
দারুণ স্বাদের ইলিশ খিচুড়ি
.............................................................................................
ঘর থেকে মাকড়সা দূর করার উপায়
.............................................................................................
আমড়ার চাটনি তৈরির সহজ রেসিপি
.............................................................................................
সাইক্লিং ও আমাদের ফ্রিল্যান্সার সাংবাদিক কালিম সান্টু : ফিট থাকতে সাইক্লিং
.............................................................................................
কিয়ারার মতো মেদহীন শরীর পাবেন ৩ ব্যায়ামেই!
.............................................................................................
হাঁসের মাংস ভুনা
.............................................................................................
রাজধানীর কেরানীগঞ্জের সাংবাদিক কালিম সান্টু এখন একজন সাইক্লিং ও স্বাস্থ্যের উপকারিতার পরামর্শক
.............................................................................................
যেভাবে ত্বক ফর্সা করে মসুর ডাল
.............................................................................................
ডিপ্রেশনের মারাত্মক কয়েকটি লক্ষণ
.............................................................................................
স্পঞ্জ কেকের সহজ রেসিপি
.............................................................................................
এক পাতায় সারবে পেটের সব রোগ!
.............................................................................................
টিকা নেওয়ার পর জ্বর-ব্যথা কমাতে করণীয়
.............................................................................................
এ সময়ে ডায়েট
.............................................................................................
সবসময় ক্লান্ত লাগে? কী করবেন
.............................................................................................
ভাত খেয়েও ওজন কমানো যায়!
.............................................................................................
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য আদর্শ যেসব ফল
.............................................................................................
স্তন ক্যান্সারে কার্যকর দাওয়াই অ্যালোভেরা
.............................................................................................
প্রাকৃতিক উপায়েই সারবে গ্যাস্ট্রিক
.............................................................................................
দুই সন্তানের মা হয়েও যেভাবে ফিটনেস ঠিক রেখেছেন কারিনা
.............................................................................................
ক্লান্তি: মৌসুমী রোগ নাকি করোনার উপসর্গ যেভাবে বুঝবেন
.............................................................................................
মাইগ্রেন হতে পারে যেসব কারণে
.............................................................................................
ব্রেস্ট ক্যান্সার নিয়ে যেসব বিষয় জানা জরুরি
.............................................................................................
গরুর মাংস যেভাবে রান্না করলে পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ণ থাকে
.............................................................................................
দিনে কতটুকু গরু বা খাসির মাংস খাওয়া নিরাপদ?
.............................................................................................
চুল সিল্কি করুন ঘরে তৈরি কন্ডিশনারে
.............................................................................................
অপরিণত ঘুম জীবনের আয়ু কমিয়ে দেয়: গবেষণা
.............................................................................................
সঙ্গীর মধ্যে যে ৮টি লক্ষণ দেখলে বিয়ে করবেন
.............................................................................................
ইয়ামির সৌন্দর্য রহস্য রান্নাঘরে লুকিয়ে আছে!
.............................................................................................
দীর্ঘায়ু পেতে চান? এই ৯ খাবার খান
.............................................................................................
আম কি ওজন বাড়ায়?
.............................................................................................
ঘরে অক্সিজেন বাড়ায় যেসব গাছ
.............................................................................................
যেসব ব্যায়াম জরুরি করোনা থেকে সুস্থ হওয়ার পর
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop