| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * টিকা নিতে ১ কোটির বেশি মানুষের নিবন্ধন   * দৌলতদিয়ায় উভয়মুখী যাত্রীর চাপ   * পদ্মা সেতুর পিলারে ধাক্কা: ফেরির ২ চালককে দায়ী করে প্রতিবেদন   * নেত্রকোনায় একদিনে পানিতে ডুবে ৩ শিশুর মৃত্যু   * লীগ শব্দ জুড়ে আ. লীগের রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার সুযোগ নেই : কাদের   * মতিঝিলে গাড়ির গ্যারেজে আগুন, পুড়ল বাস-প্রাইভেটকার   * চীনে গুদামে আগুন, নিহত ১৪   * বিশ্বজুড়ে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু কমেছে   * করোনা-উপসর্গে কুষ্টিয়ায় ঝরল আরও ১৯ প্রাণ   * আফগানিস্তানে সেনা অভিযানে ২৬৯ তালেবান নিহত  

   লাইফস্টাইল -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
দিনে কতটুকু গরু বা খাসির মাংস খাওয়া নিরাপদ?

লাইফস্টাইল ডেস্ক : গরু বা খাসির মাংস দিয়ে তৈরি বিভিন্ন খাবার খুবই মজাদার হয়ে থাকে। আর মাত্র কয়েকদিন পরেই আসছে কোরবানি ঈদ। এই ঈদে সবাই কমবেশি লাল মাংস খেয়ে থাকবেন। তবে অনেকেরই হয়তো জানা নেয়, দিনে কতটুকু মাংস খাওয়া উচিত সে সম্পর্কে। আর এ কারণে অতিরিক্ত মাংস খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, লাল মাংস স্বাস্থ্যের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। তবে সঠিক পরিমাণ অনুযায়ী খেলে শারীরিক বিভিন্ন সমস্যা এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার(হু) তথ্য অনুযায়ী, প্রক্রিয়াজাত মাংস ও লাল মাংস আপনার ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই মাংস পরিমাপ অনুযায়ী খাওয়া উচিত।


মাংসের উপকারিতা

মাংস প্রোটিনের একটি দুর্দান্ত উৎস, তা সবারই জানা। এ ছাড়াও অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান থাকে মাংসে। যা আমাদের দেহের বিকাশ ঘটাতে কাজ করে। ভেড়া, গরুর মাংস, খাসির মাংস অর্থাৎ লাল মাংস আয়রনের একটি উৎস। এটি রক্তাল্পতা প্রতিরোধ করে।

সপ্তাহে একবার বা দুইবার লাল মাংস ডায়েটে রাখতেই পারেন। এতে শরীরের কোনো ক্ষতি হবে না। মাংসে থাকা উচ্চ প্রোটিন ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। যার ফলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে। গরু ও খাসির মাংসে আরও থাকে জিঙ্ক, ভিটামিন বি ১২, সেলেনিয়াম, ফসফরাস, নায়াসিন, ভিটামিন বি ৬, আয়রন এবং রিবোফ্লেভিন।


জিঙ্ক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, ফসফরাস দাঁত ও হাড়ের শক্তি বাড়ায়, আয়রন শরীরের পেশিগুলোতে অক্সিজেন প্রবাহে সহায়তা করেন এবং ভিটামিন বি১২ খাদ্য থেকে শক্তি যোগান দেয়।

প্রক্রিয়াজাত মাংস কী?

মাংস বিভিন্নভাবে প্রক্রিয়াজত করা হয়ে থাকে। যেমন- ধূমায়িতকরণ, লবণাক্তকরণসহ সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে যখন এর সঙ্গে বিভিন্ন উপকরণ মেশানো হয়ে থাকে। বেকন, সসেজসহ মাংসের বিভিন্ন খাবার প্যাকজাত অবস্থায় কেনা হয়ে থাকে।

এসব প্যাকেটজাত মাংস প্রক্রিয়াজাত করা হয়ে থাকে। এই খাবারগুলোতে স্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং লবণ উভয়ই বেশি থাকে। এ ছাড়াও ভিটামিন এবং খনিজও অনেক কম থাকে।

মাংস কতটুকু খাওয়া নিরাপদ?

গবেষণায় দেখা গেছে, যারা প্রতিদিন প্রায় ২১ গ্রাম লাল মাংস খান; তাদের তুলনায় যারা দিনে প্রায় ৭৬ গ্রাম লাল এবং প্রক্রিয়াজাত মাংস খান, তাদের অন্ত্রের ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস (এনএইচএস) এর নির্দেশনা অনুযায়ী, যারা নিয়মিত ৯০ এর বেশি লাল বা প্রক্রিয়াজাত মাংস খায়; তাদের কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকাংশেই বেড়ে যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দৈনিক গরুর মাংস খাওয়ার নিরাপদ মাত্রা হলো, ৩ আউন্স বা ৮৫ গ্রাম। আনুমানিক একটা কম্পিউটারের মাউস বা একটি তাসের বান্ডিলের সমান টুকরো এই পরিমাণ মাংস খেতে পারবেন।

সেইসঙ্গে চর্বি ছাড়া মাংস খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। যেমন- গরুর শরীরের ২টি অংশ আছে যাতে পাবেন চর্বি ছাড়া মাংস এবং এই অংশগুলোতে চর্বির পরিমাণ চামড়া ছড়ানো মুরগির থানের মাংসের চেয়েও কম। এই ২টি অংশ হলো রাউন্ড এবং সিরলইন।

এই অংশগুলোর মাংসে চর্বির পরিমাণ থাকে সর্বনিম্ন ৪.২ গ্রাম থেকে সর্বোচ্চ ৮.২ গ্রাম। যেখানে মুরগির থানের মাংসে অভ্যন্তরীণ চর্বির পরিমাণ থাকে ৯.২ গ্রাম। তাই আপনি গরু, খাসি বা মুরগি যে মাংসই খান না কেন তার থেকে দৃশ্যমান চর্বি আলাদা করে সলিড মাংস খেতে হবে। তাহলে সুস্থ থাকবেন।

প্রতিদিন মাংস খাওযার পরামর্শ কখনোই দেন না বিশেষজ্ঞরা। পুষ্টিবিদদের মতে, সপ্তাহে একবার বা দুইবার লাল মাংস রাখুন। পাশাপাশি শরীরে প্রোটিনের অভাব পূরণ করতে মাসের বিকল্প হিসেবে ডায়েটে রাখুন- মসুর, ছোলা, কিডনি বিন, মটর, মাখন, মটরশুটি, বেকড বিনস ইত্যাদি। পাশাপাশি প্রক্রিয়াজাত মাংস খাওয়া বাদ দিন। তাহলে শরীর থাকবে সুস্থ

সূত্র: বিবিসি

দিনে কতটুকু গরু বা খাসির মাংস খাওয়া নিরাপদ?
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : গরু বা খাসির মাংস দিয়ে তৈরি বিভিন্ন খাবার খুবই মজাদার হয়ে থাকে। আর মাত্র কয়েকদিন পরেই আসছে কোরবানি ঈদ। এই ঈদে সবাই কমবেশি লাল মাংস খেয়ে থাকবেন। তবে অনেকেরই হয়তো জানা নেয়, দিনে কতটুকু মাংস খাওয়া উচিত সে সম্পর্কে। আর এ কারণে অতিরিক্ত মাংস খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, লাল মাংস স্বাস্থ্যের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। তবে সঠিক পরিমাণ অনুযায়ী খেলে শারীরিক বিভিন্ন সমস্যা এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার(হু) তথ্য অনুযায়ী, প্রক্রিয়াজাত মাংস ও লাল মাংস আপনার ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই মাংস পরিমাপ অনুযায়ী খাওয়া উচিত।


মাংসের উপকারিতা

মাংস প্রোটিনের একটি দুর্দান্ত উৎস, তা সবারই জানা। এ ছাড়াও অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান থাকে মাংসে। যা আমাদের দেহের বিকাশ ঘটাতে কাজ করে। ভেড়া, গরুর মাংস, খাসির মাংস অর্থাৎ লাল মাংস আয়রনের একটি উৎস। এটি রক্তাল্পতা প্রতিরোধ করে।

সপ্তাহে একবার বা দুইবার লাল মাংস ডায়েটে রাখতেই পারেন। এতে শরীরের কোনো ক্ষতি হবে না। মাংসে থাকা উচ্চ প্রোটিন ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। যার ফলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে। গরু ও খাসির মাংসে আরও থাকে জিঙ্ক, ভিটামিন বি ১২, সেলেনিয়াম, ফসফরাস, নায়াসিন, ভিটামিন বি ৬, আয়রন এবং রিবোফ্লেভিন।


জিঙ্ক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, ফসফরাস দাঁত ও হাড়ের শক্তি বাড়ায়, আয়রন শরীরের পেশিগুলোতে অক্সিজেন প্রবাহে সহায়তা করেন এবং ভিটামিন বি১২ খাদ্য থেকে শক্তি যোগান দেয়।

প্রক্রিয়াজাত মাংস কী?

মাংস বিভিন্নভাবে প্রক্রিয়াজত করা হয়ে থাকে। যেমন- ধূমায়িতকরণ, লবণাক্তকরণসহ সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে যখন এর সঙ্গে বিভিন্ন উপকরণ মেশানো হয়ে থাকে। বেকন, সসেজসহ মাংসের বিভিন্ন খাবার প্যাকজাত অবস্থায় কেনা হয়ে থাকে।

এসব প্যাকেটজাত মাংস প্রক্রিয়াজাত করা হয়ে থাকে। এই খাবারগুলোতে স্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং লবণ উভয়ই বেশি থাকে। এ ছাড়াও ভিটামিন এবং খনিজও অনেক কম থাকে।

মাংস কতটুকু খাওয়া নিরাপদ?

গবেষণায় দেখা গেছে, যারা প্রতিদিন প্রায় ২১ গ্রাম লাল মাংস খান; তাদের তুলনায় যারা দিনে প্রায় ৭৬ গ্রাম লাল এবং প্রক্রিয়াজাত মাংস খান, তাদের অন্ত্রের ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস (এনএইচএস) এর নির্দেশনা অনুযায়ী, যারা নিয়মিত ৯০ এর বেশি লাল বা প্রক্রিয়াজাত মাংস খায়; তাদের কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকাংশেই বেড়ে যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দৈনিক গরুর মাংস খাওয়ার নিরাপদ মাত্রা হলো, ৩ আউন্স বা ৮৫ গ্রাম। আনুমানিক একটা কম্পিউটারের মাউস বা একটি তাসের বান্ডিলের সমান টুকরো এই পরিমাণ মাংস খেতে পারবেন।

সেইসঙ্গে চর্বি ছাড়া মাংস খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। যেমন- গরুর শরীরের ২টি অংশ আছে যাতে পাবেন চর্বি ছাড়া মাংস এবং এই অংশগুলোতে চর্বির পরিমাণ চামড়া ছড়ানো মুরগির থানের মাংসের চেয়েও কম। এই ২টি অংশ হলো রাউন্ড এবং সিরলইন।

এই অংশগুলোর মাংসে চর্বির পরিমাণ থাকে সর্বনিম্ন ৪.২ গ্রাম থেকে সর্বোচ্চ ৮.২ গ্রাম। যেখানে মুরগির থানের মাংসে অভ্যন্তরীণ চর্বির পরিমাণ থাকে ৯.২ গ্রাম। তাই আপনি গরু, খাসি বা মুরগি যে মাংসই খান না কেন তার থেকে দৃশ্যমান চর্বি আলাদা করে সলিড মাংস খেতে হবে। তাহলে সুস্থ থাকবেন।

প্রতিদিন মাংস খাওযার পরামর্শ কখনোই দেন না বিশেষজ্ঞরা। পুষ্টিবিদদের মতে, সপ্তাহে একবার বা দুইবার লাল মাংস রাখুন। পাশাপাশি শরীরে প্রোটিনের অভাব পূরণ করতে মাসের বিকল্প হিসেবে ডায়েটে রাখুন- মসুর, ছোলা, কিডনি বিন, মটর, মাখন, মটরশুটি, বেকড বিনস ইত্যাদি। পাশাপাশি প্রক্রিয়াজাত মাংস খাওয়া বাদ দিন। তাহলে শরীর থাকবে সুস্থ

সূত্র: বিবিসি

চুল সিল্কি করুন ঘরে তৈরি কন্ডিশনারে
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : অনেকের চুলই থাকে রুক্ষ ও প্রাণহীন। এমন চুল খোলা রাখলেও ভালো লাগে না আবার ঠিকমতো স্টাইল করে বাঁধাও যায় না। অন্যদিকে সিল্কি ও মসৃণ চুল কে না চায়!

একমাত্র কন্ডিশনার ব্যবহারের মাধ্যমেই চুল সিল্কি ও রুক্ষ চুলে প্রাণ ফেরানো সম্ভব। তবে অনেকেই চুল সিল্কি করতে বাজারের বিভিন্ন কেমিকেলযুক্ত কন্ডিশনার ব্যবহার করে থাকেন।
এতে চুলের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তার চেয়ে বাড়িতেই সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি করে নিতে পারেন কন্ডিশনার। জেনে নিন কীভাবে-


কলার কন্ডিশনার

একটি কলার সঙ্গে ৩ টেবিল চামচ মধু, ৩ টেবিল চামচ দুধ, ৩ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল এবং একটি ডিম ব্লেন্ড করে নিন।

১৫-৩০ মিনিট চুলে লাগিয়ে রেখে, তারপর ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন চুলে কতটা জেল্লা দিচ্ছে!


ভিনেগার ও ডিমের কন্ডিশনার

২-৩টি ডিমের সঙ্গে এক টেবিল চামচ ভিনেগার, ২ চা চামচ লেবুর রস দিয়ে ভালো করে ফেটিয়ে নিন।


তারপর দেড় চা চামচ অলিভ অয়েল, ১ টেবিল চামচ মধু দিয়ে আবার মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি ১০-১৫ মিনিট চুলে লাগিয়ে রেখে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। এতে চুল তো মসৃণ হয়ই চুল পড়ার বন্ধ হয়।

নারকেল তেল ও মধুর কন্ডিশনার

এক টেবিল চামচ নারকেলের তেলে সমপরিমাণ মধু, গোলাপ জল ও লেবুর রস, ২ টেবিল চামচ টকদই ভালো করে মিশিয়ে নিন। তারপর শ্যাম্পু করা চুলে দিয়ে ১০-১৫ মিনিট রাখার পর ধুয়ে ফেলবেন।


টকদইয়ের কন্ডিশনার

ত্বক ও চুলের যত্নে দারুণ কাজ করে টকদই। এজন্য বাটিতে একটি ডিম ফেটিয়ে নিন। তাতে ৬ টেবিল চামচ টকদই মেশান।

১৫ থেকে ৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। দইয়ের প্রোটিন এবং ল্যাকটিক অ্যাসিড চুলের জন্য খুবই উপকারী।

অপরিণত ঘুম জীবনের আয়ু কমিয়ে দেয়: গবেষণা
                                  

ঘুমের সাথে সুস্বাস্থ্যের সম্পর্ক ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ২০১৫ সালে ম্যাক্স রিখটার নামে একজন কম্পোজার নানা গবেষণার পর ৮ ঘণ্টার সঙ্গীত রচনা করেছেন শুধু ভালো ঘুমের জন্য। গবেষণায় প্রমাণিত, ঘুম কম হলে তা জীবনের আয়ু কমিয়ে দেয়।

বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেছেন, রাত-জাগা লোকদের `দেহ-ঘড়ি`কে আগেভাগে ঘুমানোর জন্য তৈরি করা যায়। তবে ঘুমানোর আগে ক্যাফেইন খাওয়া একদমই উচিত নয়। কারণ ক্যাফেইন শরীরে অন্তত ৯ ঘণ্টা থাকে। কাজেই ভালো করে ঘুমাতে চাইলে দুপুর ১২টার পর থেকেই চা, কফি এবং কোক-পেপসির মতো `ফিজি ড্রিংকস` পান বাদ দিতে হবে।

এছাড়াও অনেকেই খালি পেটে ঘুমাতে পারেন না। তবে ভরপেট খেয়ে বিছানায় গেলেও ঘুমের অসুবিধা হতে পারে। ঘুমের প্রায় তিন-চার ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খেতে হবে। এতে ঘুম না হওয়া বা রাতে জেগে ওঠার সমস্যা কেটে যাবে।
অন্যদিকে, এ্যালকোহল বা মদ্যপান আপনাকে ঘুমিয়ে পড়তে আপাতদৃষ্টিতে সাহায্য করলেও সেই ঘুম স্বাস্থ্যের জন্য ভালো বা গভীর হবে না। যাকে বলে `র‍্যাপিড আই মুভমেন্ট` বা `আরইএম স্লিপ।` অগভীর ঘুমে মস্তিষ্কের ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

ঘুমের দুই ঘণ্টা আগে থেকে টিভি-স্মার্টফোন থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন। এগুলো থেকে যে নীল আলো ছড়ায় তা আপনার মস্তিষ্ককে ঘুমোতে দেয় না। যদি রেডিওতে কিছু শোনেন তাহলে স্লিপ টাইমার ব্যবহার করুন যেন এটা একটা নির্দিষ্ট সময়ে বন্ধ হয়ে যায়।

অপরিণত ঘুম শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর বহু বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। প্রতিদিন রাতে যদি পাঁচ ঘণ্টার কম ঘুম হয়, তাহলে হার্ট এ্যাটাক, স্ট্রোক, বা ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যায়। প্রতিদিন একটা নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যান এবং নিশ্চিত করুন যেন প্রতি রাতে আপনার সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুম হয়। সূত্র: বিবিসি

সঙ্গীর মধ্যে যে ৮টি লক্ষণ দেখলে বিয়ে করবেন
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : মনের মানুষটিকে সারাজীবনের জন্য জীবনসঙ্গী হিসেবে পাওয়া মত আনন্দ আর নেই। ভালোবেসে বিয়ে করে একসঙ্গে সারাজীবন কাটানোর গল্প অনেক শোনা যায়।

এমন রোমান্টিক গল্প শুনে অনেকের হৃদয়পটে ভেসে আসে প্রেমিকার অবয়ব। সে আপনার জীবনসঙ্গী হবে কি-না, আনার প্রতি যত্নবান কি-না, আপনার পরিবারকে সম্মান করে কি-না অথবা আপনার পাশে সবসময় থাকবে কি-না এমন অনেক প্রশ্ন-ও আসতে পারে আপনার মনে।

প্রেমিকাকে বিয়ে করার কথা ভাবতে যদি আপনার মনে এ প্রশ্নগুলো আসে আর সেগুলোর ইতিবাচক উত্তর যদি আপনি পান, তাহলে সে প্রেমিকাকে আপনি বিয়ে করতে পারেন।

জীবনধারা ও স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই-এর এক প্রতিবেদনে এমন কিছু লক্ষণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে যা দেখলে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আসুন জেনে নিই সেই সম্পর্কে-

১. সাপোর্ট দেয়া
প্রেমিকা যদি আপনার সামর্থ্যের ওপর আস্থা রেখে আপনাকে অনেক ভালোবাসে তাহলে অবশ্যই তাকে বিয়ে করতে পারেন। যখন কেউ আপনার সমর্থনে না থেকে আপনাকে ব্যর্থ ভাবে, কিন্তু আপনার প্রেমিকা আপনাকে সাপোর্ট দিচ্ছে তাহলে তাকেই আপনার জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নেওয়া উচিৎ। সে আপনার জীবনের লক্ষ্য অর্জন করতে সহায়ক হিসেবে কাজ করবে।

২. আস্থা রাখা
প্রতিটি সম্পর্কেই একে অপরের প্রতি আস্থা রাখা জরুরি। এর ভিত্তিতেই নির্ভর করে সম্পর্কের মূল শক্তি। আপনার প্রেমিকা আপনাকে বিশ্বাস করে, আপনার ওপর আস্থা রেখে এটা মানে যে আপনিই তার সব, তাহলে তাকেই আপনার বিয়ে করা উচিৎ।

৩. প্রশংসা করে ও উৎসাহ দেয়
প্রেমিকা আপনার প্রচেষ্টার মূল্যায়ন করে যদি স্বাগত জানায় এবং আপনাকে উৎসাহ দেয় তাহলে তাকে জীবনসঙ্গী করা উচিৎ আপনার। এমন প্রেমিকা বিশ্বাস করে যে আপনি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য কঠোর পরিশ্রমই করছেন, সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন। তাই সে আপনার প্রচেষ্টার ব্যাপারে কখনও অভিযোগ না করে আপনাকে সাপোর্ট করবে এবং আপনার জীবনের লক্ষ অর্যনে ভূমিকা রাখবে।

৪. আপনার বন্ধুকেও বন্ধু মনে করা
আপনার বন্ধুমহলকে যদি আপনার সঙ্গী চেনে ও তাদের সঙ্গে যদি প্রেমিকাও ভালো আচরন করে তাহলে সেই প্রেমিকাকে আপনি বিয়ে করতে পারেন। আপনার বন্ধুমহলে করা কিছু পাগলামির বিচার না করে মেনে নিলে তাকে আপান জীবনসঙ্গী করতে পারেন।

৫. যত্নবান
প্রেমিকা যদি আপনার প্রতি, আপনার স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নবান থাকে তাঞলে তাকে আপনি বিয়ে করতে পারেন। একজন যত্নশীল প্রেমিকা সারাজীবন আপনার ভালোথাকার পেছনে ভূমিকা পালন করবে এবং আপনাকে হাসিখুশি রাখার চেষ্টা করবে। আপনার ভালোলাগা-খারাপলাগা সম্পর্কে যেনে সেভাবেই আপনাকে খুসি করতে সহায়ক হিসেবে ভূমিকা পালন করবে।

৬. ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখা
প্রেমিকা যদি আপনাকে নিয়ে তার কোন ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা ভাবে তাহলে তাকে আপনি বিয়ে করতে পারেন। এমনটা হলে বুঝবেন য়ে সে সবসময় তার পাশে আপনাকে চায় এবং নিজেকেও আপনার পশে রাখতে চায়। এমন প্রেমিকারা আপনারা একটি সুন্দর ও সুখী জীবন দিতে চায় এবং সেরকম স্বপ্ন দেখে।

৭. আপনার পরিবারকে ভালোবাসে
সঠিক প্রেমিকার অন্যতম গুন থাকবে যে সে আপনার পরিবারের সদস্যদের পছন্দ করবে এবং তাদের যথাযথ সম্মান করবে। আপনার প্রেমিকার মাঝে এমন গুন থাকলে তাকে অবশ্যই বিয়ে করতে পারেন।

৮.আপনাকে সংশোধন করাতে চাওয়া
আপনার প্রেমিকা যদি সবসময় আপনার ভালো চেয়ে আপনাকে একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়তে চায় তাহলে তাকে আপনি বিয়ে করতে পারেন। আপনার কোন খারাপ অভ্যাস থাকলে সেটি পরিত্যাগে সাহায্য করে যদি আপনাকে ভালেঅ মানুষ হতে উৎসহ দেয় তবে তাকে হারাতে দেওয়া আপনার অনেক বড় ভুল হবে।

ইয়ামির সৌন্দর্য রহস্য রান্নাঘরে লুকিয়ে আছে!
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : উজ্জ্বল ত্বক ও মিষ্টি হাসিভরা মুখ নিয়ে টেলিভিশন পর্দায় প্রায়শই দেখা দেন ইয়ামি গৌতম। ক্যুইন ইয়ামি গৌতমের আকর্ষণীয় রূপ সবারই চোখ ধাঁধিয়ে দেয়। তার সৌন্দর্য দেখে সবাই মুগ্ধ হন।

সম্প্রতি ইয়ামি বিয়ে সম্পন্ন করেছেন। বিয়ের সব ছবিতেই ইয়ামি সৌন্দর্য দেখে নেটিজেনরা প্রশংসায় পঞ্চমুখ। ৩১ বছরের এই অভিনেত্রী লাবণ্যের অফুরন্ত ভান্ডার। তার রূপ সৌন্দর্য আজও সমান ভাবে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে। তার সৌন্দর্যের রহস্য কী? নিজের মুখেই জানিয়েছেন ইয়ামি।

জানলে অবাক হবেন, ইয়ামির সৌন্দর্যের সব রহস্যই লুকিয়ে আছে তার রান্নাঘরে। অর্থাৎ এই অভিনেত্রী প্রাকৃতিক ও ভেষজ উপাদান ব্যবহার করেই রূপচর্চা করেন। চলুন জেনে নেয়া যাক ইয়ামির সৌন্দর্যের মূলমন্ত্র-

ইয়ামি যেভাবে ত্বকের যত্ন নেন

দুধের ফেসপ্যাক: অবসরে ইয়ামি প্রাকৃতিক উপাদানের সাহায্যেই ত্বকের যত্ন নেন। চালের গুঁড়ার সঙ্গে দুধ বা দই মিশিয়ে তিনি একটি ফেসপ্যাক তৈরি করেন। এই ফেসপ্যাকটি মুখে ১৫ মিনিট রেখে তারপর ডাবের পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলেন।

মধুর ফেসপ্যাক: ত্বককে ময়েশ্চারাইজ রাখতে ইয়ামি মধুর একটি ফেসপ্যাক তৈরি করে ব্যবহার করেন। একটি বাটিতে মধু, গ্লিসারিন, গোলাপজল ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে ব্যবহার করেন তিনি। এরপর মুখে সেই ফেসপ্যাকটি ব্যবহার করে কয়েক মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলেন।

ডাবের পানি: ইয়ামি তার মুখে সাধারণ পানির বদলে ডাবের পানি বেশি ব্যবহার করেন। ঘরোয়া ফেসপ্যাক তৈরিতে অথবা মুখ পরিষ্কার করতে তিনি ডাবের পানি ব্যবহার করেন।

হলুদ: ত্বকের যত্নে হলুদ অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। মুখ পরিষ্কার ও স্ক্রাবিং করতে ইয়ামি হলুদ ব্যবহার করেন। তিনি আধা টেবিল-চামচ হলুদ ও সমপরিমাণ চিনি, অল্প মধুর সঙ্গে মিশিয়ে মুখ স্ক্রাব করে ধুয়ে ফেলেন। এরপর একটি তোয়ালের মধ্যে কয়েক টুকরো বরফ নিয়ে মুখে ব্যবহার করেন।

ঠোঁটের যত্নে: ঠোঁট সুন্দর ও গোলাপি রাখতে ইয়ামি লিপবাম হিসেবে ঘি ব্যবহার করেন। এ কারণেই তার ঠোঁট থাকে কোমল ও গোলাপি।

চোখের পাপড়ির যত্ন: চোখের পাপড়ি সুন্দর করতে সবাই মাশকরা ব্যবহার করেন। তবে ইয়ামি প্রাকৃতিক উপাযে চোখের পাপড়ি ঘন করতে- ক্যাস্টর অয়েল, ভিটামিন ই অয়েল ও অ্যালোভেরা মিশিয়ে চোখের পাতায় লাগিয়ে নেন।

মেকআপ পরিষ্কার ও সানস্ক্রিন: প্রতিদিন মেকআপ ব্যবহার করলেও রাতে ঘুমানোর আগে ইয়ামি মেকআপ তুলে ঘুমান। বাইরে বের হলে সবসময় সানস্ক্রিন ব্যবহার করেন। এ ছাড়া মন ভালো রাখতে ইয়ামি সবসময় হাসি-খুশি থাকেন।

ইয়ামি যেভাবে চুলের যত্ন নেন

চুলের জন্য তেল: চুলের যত্নে ইয়ামি প্রতিদিন নারকেল তেল ব্যবহার করেন। এক্ষেত্রে তিনি নারকেল তেল একটি পাত্রে ঢেলে হালকা গরম করে নিয়ে তারপর চুলে হটপ অয়েল ম্যাসাজ করেন।

ডিম: চুলে প্রোটিনের অভাব পূরণ করে ডিম। প্রতি সপ্তাহে একদিন ডিম ও অলিভ অয়েলের মিশ্রণে একটি প্যাক তৈরি করে সেটি চুলে ব্যবহার করেন ইয়ামি।

কন্ডিশনার: শ্যাম্পু করার পর চুলের কন্ডিশনার হিসেবে ইয়ামি কোনো জেল বা স্প্রে ব্যবহার করেন না। বরং তিনি ভিনেগার ব্যবহার করেন।

ইয়োগা: ইয়ামি বিশ্বাস করেন মন ভালো থাকলেই তার প্রভাবে ত্বক ও ভালো থাকে। তাই চিন্তামুক্ত থাকতে তিনি নিয়মিত মেডিটেশন ও ইয়োগা করেন। প্রতিদিন তিনি ২০ মিনিট করে জগিং ও ৯০ মিনিট করে যোগব্যায়াম করেন।

দীর্ঘায়ু পেতে চান? এই ৯ খাবার খান
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : বেশি দিন বাঁচতে কে না চান? প্রায় সবারই বাসনা আরও কটা দিন বেশি বাঁচার। খাদ্যে ভেজালের কারণে মানুষ নানান রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। তাই দীর্ঘায়ু পেতে চাইলে সুষম খাবার খেতে হবে। সঠিক খাবার গ্রহণের ফলে সেটি শরীরে ইতিবাচক শক্তি প্রদান করে, ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং দৈহিক তৎপরতার উন্নতি করে। এতে করে সার্বিকভাবে ভালো থাকা যায়।


দীর্ঘায়ু পেতে যা খাবেন-

১. ডুমুর বা আঞ্জির
আমাদের দেশে সাধারণত এ ফলটি শুকনো রূপে পাওয়া যায়। এই ফলে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-সি এবং ভিটামিন-কে, জিংক, আয়রন এবং ম্যাঙ্গানিজসহ বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ রয়েছে। এতে থাকা পটাশিয়াম রক্তচাপ সঠিক রাখতে সহায়তা করে এবং খাবার সঠিকভাবে হজমে সহায়তা করে। এ ছাড়া এতে রয়েছে ডায়েটারি ফাইবার, যা দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে এবং অস্বাস্থ্যকর খাবারের অভ্যাস থেকে বিরত থাকতে সাহায্য করে। ডুমুরে ওমেগা ৬, ওমেগা ৩ এবং ফিনলের মতো ফ্যাটি অ্যাসিডের উপস্থিতি রয়েছে, যা অন্ত্রের গতিবিধি নিশ্চিত করে এবং হার্টের অসুস্থতার ঝুঁকি কমায়।

২. ব্রকোলি
ব্রকোলি হচ্ছে বাঁধাকপি পরিবারের একটি সদস্য। এতে রয়েছে ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসহ অনেক ধরনের পুষ্টিকর উপাদান। হৃদরোগ ও ক্যানসারের মতো মারাত্মক রোগের খুব ভালো প্রতিকার হিসেবে এটি কাজ করে। এটিকে সালাদ, স্যুপ বা কাঁচাও খাওয়া যায়। এটি ভিটামিন ‘কে’র ভালো উত্স এবং এটি নারীদের অস্টিওপরোসিস রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।

৩. আপেল
আমাদের দেশের পরিচিত ফলগুলোর তালিকায় আপেল অন্যতম। কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস করতে উল্লেখযোগ্যভাবে কাজ করে এ ফলটি। উচ্চফাইবার এবং পানিতে পরিপূর্ণ এ ফলটি হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করতেও অনেক কার্যকরী। এতে থাকা দ্রবণীয় ফাইবার বা পেকটিন ও ম্যালিক অ্যাসিড হজমশক্তি বাড়ায় এবং মলকে কোনো ঝামেলা ছাড়াই অন্ত্রের মধ্য দিয়ে বেরিয়ে যেতে সাহায্য করে। এতে পলিফেনলসের উপস্থিতি থাকায় এটি ডায়াবেটিস নিরাময় করে এবং অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষের টিস্যুগুলোর ক্ষতি হওয়া থেকে রক্ষা করে। মানবদেহের বিটা কোষগুলো ডায়াবেটিসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং এটির প্রতিকার হিসেবে নিয়মিত আপেল খাওয়া হচ্ছে সবচেয়ে ভালো সমাধান।

৪. গ্রিন টি
অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ও পুষ্টিগুণে ভরপুর স্বাস্থ্যকর পানীয়গুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে গ্রিন টি। মেদ কমানোর অন্যতম পরিপূরক হিসাবে এবং মানবদেহের বিপাককে ত্বরান্বিত করতে এটি অনেক পরিচিত। এতে থাকা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলোর উপস্থিতির কারণে এটি ক্যানসার কোষ বিকাশের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষামূলক প্রভাব ফেলে এবং ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহায়তা করে। এতে থাকা কেটচিন নিউরনের ওপর ইতিবাচক প্রভাব তৈরি করে। ফলে এটি মস্তিষ্কের রোগগুলি নিরাময়েও অনেক কার্যকরী।

৫. স্পিরুলিনা
এক ধরনের সায়ানোব্যাক্টেরিয়া নীল-সবুজ শৈবাল পরিবারের সদস্য স্পিরুলিনায় বিভিন্ন উপকারী পুষ্টি উপাদান, যেমন- প্রোটিন, ভিটামিন, আয়রন ও তামা রয়েছে। যে কোনো ধরনের পোড়ার প্রদাহ প্রতিরোধ করতে এটি অনেক কার্যকরী। এ ছাড়া এটি হাঁচি, চুলকানি ও স্রাবসহ অ্যালার্জিজনিত সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে। স্পিরুলিনা মানবদেহে নিম্ন রক্তচাপ ও কোলেস্টেরলকে নিয়ন্ত্রণেও সহায়তা করে।

৬.হলুদ
হলুদ মানবদেহে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলোর উত্পাদনকে ত্বরান্বিত করে। এতে থাকা এলডিএল-কোলেস্টেরল, রক্তের গ্লুকোজ এবং রক্তচাপ হ্রাস করার মাধ্যমে হতাশা ও উদ্বেগ নিরাময় করতে সহায়তা করে। এটি কার্যকরভাবে আরওএসের উত্পাদন হ্রাস করে এবং সেরেব্রোভাসকুলার এন্ডোথেলিয়াম কর্মহীনতার বিরুদ্ধে শরীরকে সুরক্ষিত রাখে।ফলে মানবদেহে বার্ধক্যের পুরো প্রক্রিয়াটিকে ধীর করতে সহায়তা করে।

৭. রসুন
মানবদেহের জন্য রসুন অনেক উপকারী। এতে থাকা সক্রিয় যৌগগুলো রক্তচাপ হ্রাস করতে পারে, কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে আনতে পারে এবং শরীরের ব্যথা ও সাধারণ সর্দিভাব হ্রাস করতে পারে। সকালে খালি পেটে প্রতিদিন রসুনের দুটি কোয়া খাওয়া অনেক উপকারী।

৮. আমলকী
আমলকী ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের অন্যতম উত্স। বেশ কয়েকটি আয়ুর্বেদিক ঔষুধি গুণাবলি এতে রয়েছে। তবে চুল, ত্বক, চোখ এবং পাচনতন্ত্রের জন্য এটি অনেক বেশি উপকারী। সকালে খালি পেটে প্রতিদিন একটি আমলকী খাওয়া অনেক বেশি কাজে দেয়। এ ছাড়া এক চামচ আমলা পাউডারও বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।

৯. মিষ্টি তুলসি
এটি একটি জনপ্রিয় মিষ্টি-স্বাদের উদ্ভিদ। মূলত এটি মধুজাতীয় পানীয় এবং চায়ের সঙ্গে খাওয়া হয়ে থাকে। এটিকে চিনির বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এটির মিষ্টিযুক্ত বৈশিষ্ট্য থাকলেও এতে শর্করা বা ক্যালরি থাকে না এবং ইনসুলিন প্রতিক্রিয়াতেও এটি কোনো প্রভাব ফেলে না।

এসব প্রাকৃতিক খাবার খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। শরীর নিরোগ থাকে। এতে করে বেশি দিন বাঁচার আশা করা যায়।

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।

আম কি ওজন বাড়ায়?
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ঢাকার কারওয়ান বাজারে আমের মধ্যে এখন বেশি পাওয়া যাচ্ছে হিমসাগর। সাতক্ষীরা অঞ্চলের হিমসাগর আম পাওয়া যাচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে; আর রাজশাহীর হিমসাগরের দাম কেজি ৮০ টাকা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

অনেকেই ভাবেন আম খেলে ওজন বাড়ে। পাশাপাশি ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়।

তবে আসল ব্যাপার হল মৌসুমি ফল আম দেহের নানান রকম পুষ্টির চাহিদা মেটায়। আর মোটা হয়ে যাওয়ার বিষয়টিও ঠিক নয়।

‘দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভারতীয় পুষ্টিবিদ পুজা মাখিজা বলেন, “আমে রেয়েছে ভিটামিন এ, সি, কপার এবং ফোলাট। আর চর্বির পরিমাণ মাত্র এক শতাংশ।”

আর এই ফল হজম প্রক্রিয়া ঠিক রাখার পাশাপাশি এর ভোজ্য আঁশ হৃদরোগ ও টাইপ টু ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়।

আমের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে বাংলাদেশ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের ‘খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান’ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফারাহ মাসুদা জানান-

পাকা আমে ক্যারোটিনের মাত্রা বেশি।

প্রতি ১০০ গ্রাম আমে ২৭৪০ মাইক্রো গ্রাম ক্যারোটিন থাকে। আম শ্বেতসারের ভালো উৎস। প্রতি ১০০ গ্রাম পাকা আমে ২০ গ্রাম শ্বেতসার পাওয়া যায়। রয়েছে ১০৭ ক্যালরি, ৩ গ্রাম আঁশ, ২৪ গ্রাম শর্করা। এছাড়াও এতে রয়েছে ২৫৭ মি.গ্রা. পটাসিয়াম, ০.২ মি.গ্রা ভিটামিন বি-৬।

এতে ১.৩ গ্রাম আয়রণ, ১৪ মি.গ্রা. ক্যালসিয়াম, ১৬ মি.গ্রা. ফসফরাস, ১৬ মি.গ্রা. ভিটামিন সি, ০.৯ মি.গ্রা. রিভোফ্লেভিন এবং ০.০৮ মি.গ্রা. থায়ামিন থাকে।

এছাড়াও পাকা আমে রয়েছে ভিটামিন বি-১ ও বি-২।

প্রতি ১০০ গ্রাম পাকা আমে ০.১ মি.গ্রা. ভিটামিন বি-১ ও ০.০৭ মি.গ্রা. বি-২ রয়েছে।


প্রতি ১০০ গ্রাম পাকা আমে ০.৫ গ্রাম খনিজ লবণ থাকে। এতে কিছু পরিমাণ প্রোটিন এবং ফ্যাটও পাওয়া যায়। যেমন প্রতি ১০০ গ্রাম পাকা আমে ১ গ্রাম প্রোটিন ও ০.৭ গ্রাম ফ্যাট থাকে।

দৈনিক চাহিদার ২৫ শতাংশ ভিটামিন ‘এ’ এবং ৭৬ শতাংশ ভিটামিন ‘সি’ আম থেকে মিলতে পারে।

পাকা আমের উপকারিতা সম্পর্কে ফারাহ মাসুদা বলেন, “এর পুষ্টি উপাদান শরীরের নানাভাবে শক্তি জুগিয়ে ও ভিটামিনের ঘাটতি পূরণ করে মানবদেহ সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।”

দৈনিক চাহিদার ২৫ শতাংশ ভিটামিন ‘এ পাওয়া যায় আমে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন ‘এ’য়ের গুরুত্ব অপরিসীম। পাশপাশি কিডনি, যকৃত, হৃদপিণ্ড ও অন্যান্য অংগপ্রত্যঙ্গ সুস্থ রাখে সাহায্য করে।

- আমের ক্যারোটিন চোখ সুস্থ রাখে, সর্দি-কাশি দূর করে।

- কার্বোহাইড্রেইট কর্মশক্তি যোগায়।

- আমের আয়রন রক্ত শূন্যতা প্রতিরোধ করে।

- ক্যালসিয়াম হাড় সুগঠিত করে, হাড় ও দাঁতের সুস্থতা বজায় রাখে।

- আমে আছে দৈনিক চাহিদার ৭৬ শতাংশ ভিটামিন ‘সি। ভিটামিন সি স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করে। দাঁত, মাড়ি, ত্বক ও হাড়ের সুস্থতা রক্ষা করতেও সাহায্য করে ভিটামিন সি।


- এর পটাশিয়াম রক্ত স্বল্পতা দূর করে ও হৃদযন্ত্র সচল রাখতে সাহায্য করে।

- এই ফলের আঁশ, ভিটামিন ও খনিজ উপাদান অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ যা হজমে সহায়তা করে। কোষ্ঠ্যকাঠিন্য দূর করে।

-আমে থাকা উন্নত ফ্যাটি অ্যাসিড হজম ক্রিয়া উন্নত করে।

- আমে থাকা মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট ক্যান্সার কোষের বিরুদ্ধে কাজ করে। গবেষণায় দেখা গেছে, আমের পলিফেনল স্তন ক্যানসারের কোষের বৃদ্ধিকে বাঁধা দেয়। এছাড়াও, কোলন ক্যান্সার, রক্তস্বল্পতা ও প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে।

তবে অতিরিক্ত কোনো কিছুই ভালো নয়

‘দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’য়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ভারতীয় জেষ্ঠ্য পুষ্টিবিদ সৌম্য শতাক্ষী বলেন, “অতিরিক্ত আম খাওয়া ক্ষতিকরও হতে পারে। তাই এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।”

মনে রাখতে হবে দিনের শুরুতে আম খাওয়া উপকারী।

“কারণ খাবারের পরে আম খাওয়া সার্বিক ক্যালরি গ্রহণের মাত্রা বৃদ্ধি করে।”

তবে পুষ্টিবিদ পুজা মাখিজার মতে, আম তখনই ওজন বাড়াবে যদি তা অন্য কোনো কিছুর সঙ্গে মিলিয়ে খাওয়া হবে। যেমন- আমের মিল্কশেইক, আইসক্রিম বা ‘ম্যাঙ্গো অ্যান্ড ক্রিম’ ইত্যাদি।

পুজা পরামর্শ দেন, নাস্তা হিসেবে আম খাওয়া ভালো। ভারী খাবার হিসেবে নয়। দিনে একটা আম খাওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে হবে। আমের জুস বানিয়ে পান করতে চাইলে চিনি বা মিষ্টি না মেশালে মোটা হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।

ঘরে অক্সিজেন বাড়ায় যেসব গাছ
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : একটি কুসংস্কার প্রচলিত রয়েছে যে, অশ্বত্থ গাছের নিচে কখনও ঘুমাতে নেই। কিন্তু এই অশ্বত্থ গাছই আয়ু কয়েক বছর বাড়িয়ে দিতে পারে। কারণ, পৃথিবীতে যে হাতেগোনা কয়েকটি গাছ রাতে অক্সিজেন দেয়, তার মধ্যে অশ্বত্থ হলো একটি।

এছাড়া আরও কিছু গাছ আছে যেগুলো ঘরে থাকে এবং আকারে ছোট হলেও প্রচুর পরিমাণ অক্সিজেন সরবরাহ করে। জেনে নেয়া যাক এমন কয়েকটি গাছ সম্পর্কে :


অ্যালোভেরা
যেসব গাছ থেকে মানুষ সবচেয়ে বেশি উপকৃত হয়, অ্যালোভেরা তার মধ্যে শীর্ষে। বাতাস সুস্থ রাখতে নাসার ভেতরে পর্যন্ত রাখা রয়েছে এই গাছ। এর কোনো পরিচর্যা দরকার হয় না। বরং এই গাছ থেকে অনেক উপকার পাওয়া যায়। তার মধ্যে অন্যতম হল অক্সিজেন তৈরি করা এবং পরিবেশ তা ছাড়া৷

স্নেক প্ল্যান্ট
অ্যালোভেরার মতোই গুণাগুণ রয়েছে এই গাছেরও। এটিও অক্সিজেন ছাড়ে আর কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে। তাই ঘরের মধ্যে এই গাছ লাগালে উপকার পাওয়া যাবে। তাছাড়া এই গাছ দেখতেও বেশ সুন্দর। ঘরের শোভা বাড়াতেও এর জুড়ি নেই।


অর্কিড
এর সৌন্দর্যের তুলনা নেই। বিছানার পাশে অর্কিড রাখলে ঘরের সৌন্দর্যই পালটে যায়। এই গাছ অ্যালোভেরা, স্নেক প্ল্যান্ট ও অশ্বত্থ গাছের মতো অক্সিজেনও ত্যাগ করে। ফলে ঘরের বাতাস বিশুদ্ধ করতে সাহায্য করে অর্কিড।

নিম
নিমের গুণাগুণ অপরিসীম। এটিও বাতাস শুদ্ধ করতে সাহায্য করে। নিম গাছ সাধারণত বাড়ির বাইরে থাকে। কিন্তু ভেতরেও নিম গাছ লাগানো যেতে পারে। বিশেষ করে বাড়ির মাঝখানে নিম গাছ রাখলে ফল মেলে ভালো। বাতাস শুদ্ধ করা ছাড়া পোকামাকড় দূর করতেও সাহায্য করে নিম গাছ।

যেসব ব্যায়াম জরুরি করোনা থেকে সুস্থ হওয়ার পর
                                  

অনলাইন ডেস্কঃ করোনা থেকে সেরে ওঠার পর শরীরে নানারকম সমস্যা দেখা দেয়। কারো কম, কারো-বা বেশি। একেকজনের একেকরকম উপসর্গ। এর মধ্যে ব্যায়াম করা কি উচিত? কী ধরনের ব্যায়াম করলে শরীরের উপকার হবে? এ ধরনের নানা প্রশ্ন ঘুরতে থাকে অনেকের মনে। চলুন জেনে নেওয়া যাক করোনাপরবর্তী ব্যায়াম কতটা উপকারী।

যেটা প্রথমেই মাথায় রাখতে হবে, সেটা হলো আপনার শরীর। যেহেতু একেক জনকে একেক রকম ভাবে আক্রমণ করছে, তাই নিজের শরীর নিজেকেই বুঝে নিতে হবে। ধরুন আপনার আগের তুলনায় এখন শারীরিক সমস্যা কম। অনেকটাই সুস্থবোধ করছেন। কিন্তু আরো কিছুদিন দেখুন অল্পতে ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন কি-না। সে ক্ষেত্রে খুব হালকা ব্যায়াম করতে পারেন। কিন্তু যদি ব্যায়াম করতে গিয়ে মনে হয়, শরীরের ওপর চাপ বেশি পড়ছে, তাহলে কিছুদিন বিশ্রাম নিন। প্রয়োজনে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিতে পারেন। যদি ডাক্তার বলেন আপনি দিনে ব্যায়াম করতে পারেবন তবে জেনে নিন কি ধরনের ব্যায়াম করা যাবে।

বাড়ির মধ্যেই কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করে দেখে নিন কতটা হাঁপিয়ে যাচ্ছেন। যদি মনে হয় পারবেন, তাহলে স্পট ওয়াকিং বা এক জায়াগায় হাঁটতে পারেন। তবে সেটা ১০-১২ মিনিটের বেশি নয়।

সিটিং মার্চ
যদি দেখেন হাঁটতে কষ্ট হচ্ছে, তাহলে একটা চেয়ারে বসুন। এক জায়গায় বসেই হাঁটার ভঙ্গিতে পা চালান। এটাকে বলে সিটিং মার্চ।

পায়ের পাতার ব্যায়াম
টিপ-টো এক্সারসাইজ বা পায়ের পাতার ব্যায়াম বসে বসেই করতে পারবেন। পায়ের পাতা টানটান করুন। গোল করে ঘোরান। প্রথম ডান ডিকে দিয়ে গোল করে, তারপর বাম দিক দিয়ে। পায়ের আঙুল টানটান করুন। দাঁড়িয়ে পায়ের আঙুলে ওপর ভর দিয়ে উঁচুতে ওঠার চেষ্টা করুন। সিড়ির কয়েক ধাপ ওঠানামা করতে পারেন। সিড়ির ধাপে পা রেখে হাটু ভাঁজ করে পা স্ট্রেচ করার ব্যায়মগুলোও করে দেখে নিন আপনার কতটা অসুবিধা হচ্ছে।

স্ট্রেচিং
হালকা স্ট্রেচিং এক্সারসাইজ করতে পারেন। হাত, পা, হাঁটু, শরীরের ওপরের অংশ, শরীরের নিচের অংশ স্ট্রেচ হয়- এমন ধরনের সহজ ব্যায়াম করুন। হাত সামনের দিকে বা ওপর দিকে তোলা-নামানোর ব্যায়মগুলো করতে পারেন। এতে বেশি ক্লান্তি আসবে না।

যোগ ব্যায়াম
যোগ ব্যায়াম শরীরে পাশাপাশি মনের সুস্থাতার জন্যেই কার্যকরী। ১৫-২০ মিনিট সহজ কিছু আসন এবং নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়ামগুলো করতে পারেন।
সূত্র : আনন্দবাজার

করোনাভাইরাসের নতুন ৩ লক্ষণ
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : বিগত এক বছর ধরে করোনাভাইরাস বিশ্বব্যাপী তাণ্ডবলীলা চালিয়ে যাচ্ছে। শুরু হয়েছে করোনার দ্বিতীয় ধাপ। গত বছরের মতো আবারও নতুন করে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে করোনাভাইরাসে।

জ্বর-সর্দি-কাশি ছাড়াও করোনার বেশ কয়েকটি প্রাথমিক লক্ষণ আছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরও কয়েকটি লক্ষণ। সাধারণ হলেও এগুলো করোনার প্রাথমিক উপসর্গ হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

কয়েকটি গবেষণার ভিত্তিতে জানা গেছে, করোনার উপসর্গ হিসেবে গন্ধ না পাওয়ার পাশাপাশি শ্রবণশক্তি হ্রাস, চোখ লাল হয়ে যাওয়া এবং গ্যাস্ট্রিকের মাত্রারিক্ত সমস্যাগুলো সাধারণভাবে নেওয়া একেবারেই উচিত নয়। সাধারণ কিছু সমস্যা হতে পারে করোনা সংক্রমণের নতুন লক্ষণ।

লালচে বা গোলাপি চোখ: চীনের সমীক্ষায় দেখা গেছে, গোলাপি চোখ বা কনজেক্টিভাইটিস আইস কোভিড-১৯ সংক্রমণের লক্ষণ হতে পারে। এর ফলে চোখ লাল হয়ে ফুলে যাওয়াসহ পানিও পড়তে পারে।

সমীক্ষায় দেখা গেছে, যারা করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ধাপে নতুনভাবে সংক্রমিত হয়েছেন; তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের চোখে লালচে ভাব লক্ষ্য করা গেছে। চোখ লাল হয়ে ফুলে গেছে এমন ১২ জনের নাকের সোয়াব পরীক্ষা করে দেখা গেছে, তাদের ১১ জনই কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত।

কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, চোখ দিয়েও করোনাভাইরাস প্রবেশ করতে পারে। যাদের শরীরে এ ভাইরাস চোখ দিয়ে প্রবেশ করে; তাদের চোখে এমন লালচে ভাব হতে পারে। এরপরই ভাইরাসটি ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটায়।

বিজ্ঞানীদের মতে, করোনাভাইরাস চোখের মধ্যে থাকা অকুলার মিউকাস মেমব্রেনের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে। তবে এক্ষেত্রে ভাইরাসটি দৃষ্টিশক্তির ওপর কোনো প্রভাব ফেলতে পারে কি-না সে বিষয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন।

শ্রবণশক্তি কমে যেতে পারে: হঠাৎ করে কানে না শোনার সমস্যাকেও এ সময় হেলাফেলায় নেওয়া যাবে না- এমনটিই মত বিশেষজ্ঞদের। কারণ হঠাৎ শ্রবণশক্তি কমে যাওয়াও হতে পারে করোনা সংক্রমণের উপসর্গ।

গত সপ্তাহে ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব অডিওলজিতে প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুসারে, করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে শ্রবণশক্তি কমতে পারে। কানের মধ্যে বিরক্তিকর শোঁ শোঁ শব্দ হতে পারে এক্ষেত্রে।

কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত অনেকের ওপর পরীক্ষা করে এমন তথ্য মিলেছে। সমীক্ষা অনুসারে, করোনায় আক্রান্ত ৭ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষের মধ্যে শ্রবণশক্তি কমে যাওয়ার নমুনা পাওয়া গেছে।

গ্যাস্টিকের সমস্যা: সাধারণত সবারই কমবেশি গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থাকে। বিশেষ করে যারা জাঙ্কফুড বেশি খেয়ে থাকেন। তবে এ সমস্যাকে এখন সাধারণ না ভাবাই বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ করোনার উপসর্গ হতে পারে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা।

গবেষণায় দেখা গেছে, ডায়রিয়া এবং বমি করোনাভাইরাস সংক্রমণের লক্ষণ হতে পারে। করোনায় আক্রান্ত অনেকের শরীরেই লক্ষণটি প্রকাশ পেয়েছে।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের তথ্যানুসারে, করোনাভাইরাস শ্বসনতন্ত্রকে প্রভাবিত করে। ফলে কিডনি, যকৃত এবং অন্ত্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গেও প্রভাব ফেলে এ ভাইরাস।

এজন্য করোনায় আক্রান্ত হলে বমিভাব বা বমি হওয়া, হজমে সমস্যা এবং ডায়রিয়ার সমস্যা মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। এজন্য এসব সমস্যা সাধারণভাবে নেওয়া উচিত নয়। দীর্ঘমেয়াদী এসব সমস্যা দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।

সারাদিন এসিতে থাকার পরও ত্বকে সমস্যা, সমাধান জানুন
                                  

অনলাইন ডেস্ক : শীতের মতো গ্রীষ্মেও ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। আর্দ্রতায় ত্বক যেমন শুকিয়ে যায় আবার তেমনই দ্রুতই কালচে ছাপ পড়ে ত্বকে, ট্যান ভাব, সূর্যের তাপে ফুসকুড়ি ইত্যাদিসহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। অনেকেই মনে করেন গরমকালে ত্বকের জন্য বিশেষ যত্ন নেয়ার প্রয়োজন রয়েছে। প্রকৃত অর্থে কিছু নিয়ম মেনে চললেই গরমে ত্বক ভালো রাখা যায়-

অনেকে এসিতে থাকেন গরমে। তাদের জন্য ত্বকের যত্ন নেয়া বেশি প্রয়োজন। কেননা, দিনভর এসিতে থাকার ফলে ত্বক অনেকটা শুকিয়ে যায়। এক্ষেত্রে মেয়েরা দিন শেষে বাসায় বা বাড়ি ফিরে কখনোই মেকআপ না তুলে ঘুমাতে যাবেন না।

মেকআপ না তুলে ঘুমালে ত্বকের রোমকূপ ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থেকে মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। এছাড়া ফুসকুড়ি ব্রণ সমস্যাও একের পর এক দেখা দেয়ার সম্ভাবনা থাকে। যে কারণে দ্রুতই ত্বক নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই ত্বক পরিষ্কার রাখার জন্য লিকুইড রিমুভার বা ক্লিনজিং মিল্ক ব্যবহার করা উচিত। এরপর পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিলেই হলো।

মুখে টোনার ব্যবহার করা যেতে পারে। মুখ ধোওয়ার পর মুখ শুকিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। নিয়মিত টোনার ব্যবহার করলে ত্বকের পিএইচ ব্যালেন্স বজায় থাকে। এছাড়া ময়েশ্চারাইজ করাও যেতে পারে। তবে যে কোনো ময়েশ্চারাইজার দিয়ে নয়। এর জন্য ভালো কোনো নাইট ক্রিম ব্যবহার করুন। মুখে ভালো করে লাগিয়ে ত্বকে ৮-১০ মিনিট মালিশ করুন।

এছাড়াও ঠোঁট সুন্দর রাখতে পারেন। ঠোঁটে লাগানো লিপস্টিক তুলে নিয়ে হালকা কোনো লিপ বাম লাগিয়ে ঘুমাতে পারেন। এতে ঠোঁট শুকাবে না। পাশাপাশি হাতেও ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে পারেন।

গরমে ঘর শীতল রাখবেন যেভাবে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : একে করোনা মহামারীতে জনজীবন অতিষ্ঠ, এর মধ্যে শুরু হয়েছে গরমের অস্থিরতা। দিনে সূর্যের চোখ রাঙানী রাতেও কমছে না তাপ। এ যেন মরার উপর খাড়ার ঘা। গত কয়েকে দিন ধরেই গরমে অতিষ্ঠ রাজধানীবাসী। এমন অবস্থায় কিছু ঘরোয়া উপায়ে আপনার ঘরটিকে রাখতে পারেন শীতল।

আসুন জেনে নেয়া যাক ঘরোয়া এই টোটকাগুলো।

গাছ: ঘরে বাঁচতে পারে এমন কিছু গাছ রাখতে পারেন বাসায়। সম্ভব হলে ছায়া দিতে পারে এমন গাছ পূর্ব-পশ্চিম অনুযায়ী লাগান আপনার বাড়িতে সরাসরি সূর্যের তাপ ঢুকতে বাঁধার সৃষ্টি করবে। যার ফলে রাতে ঘর শীতল থাকবে।

ঘরে লাইটের ব্যবহার যেমন হবে: টিউব লাইট জ্বালিয়ে রাখলে ঘর গরম হয়। সম্ভব হলে কম আলোর এলইডি আলো ব্যবহার করুন। তাপ ছড়াবে কম।

পর্দা: জানালায় ভারী পর্দা ব্যবহার করুন। হালকা পর্দার ফাঁক গলে সহজেই সূযের তাপ ঘরে প্রবেশ করতে পারে।

বরফের ব্যবহার: এক বাটি বরফ নিয়ে তা স্ট্যান ফ্যানের সামনে রেখে ফ্যান চালান। কিছুক্ষণ পর যখন বরফগুলো গলতে শুরু করবে, তখন বাতাস ওই ঠান্ডা পানি শোষণ করবে এবং চারিদিকে ঠান্ডা বাতাস ছড়িয়ে পরবে। এছাড়া বালতিতেও পানি ভরে অথবা পাটের বস্তা ভিজিয়ে ঘরের এক পাশে রাখতে পারেন। এতে আপনার ঘর শীতল থাকবে।

বিছানার চাদর: বিছানার চাদর ব্যবহার করুন হালকা রঙের পাতলা সুতির কাপড়ের। এছাড়া চাদরের পরিবর্তে বিছানার উপর পাটি পেরে রাখতে পারেন। এতে ঘুমিয়ে আরাম পাবেন। ঘর মোছার সময় পানির মধ্যে লবণ মিশিয়ে ঘর মুছুন, ঘরের তাপমাত্রা অনেকটাই কমবে।

প্রাকৃতিক হাওয়া: আপনার বাড়ির যে অংশটি দিয়ে সবচেয়ে বেশি বাতাস চলাচল করে সেই পাশের জানালাগুলো খোলা রাখতে পারেন। ঘর ঠান্ডা থাকবে।

মানসিক দূরত্ব দূর হোক
                                  

 অনলাইন ডেস্কঃ দু’জন মানুষ পাশাপাশি থাকলেও তাদের মনের দূরত্ব হতে পারে শত-সহস্র আলোকবর্ষ সমান! কারণ পাশাপাশি থাকলেই তাকে সব সময় কাছে থাকা বলে না। আবার একজন পুরুষ ও একজন নারীর মানসিক গঠনেও থাকে অনেক অমিল। ফলে দু’জনের ভাবনা সব সময় মেলে না।

তাই অপরজনকে বুঝে তার সঙ্গে মানিয়ে নিতে না পারলে তৈরি হতে থাকে মানসিক দূরত্ব। এই দূরত্ব বাড়তে বাড়তে একটা সময় অনেক বেশি দূরে চলে যায়। সেখান থেকে আর ফিরে আসা সম্ভব হয় না। তাই আগেভাগেই কমিয়ে আনতে হবে মানসিক দূরত্ব। যেসব বিষয়ে ছাড় দেয়া যায় সেসবে ছাড় দিয়ে, নিজের ভেতরে ইতিবাচক পরিবর্তন এনে সম্পর্ক সুন্দর রাখা সম্ভব হতে পারে।

খোলাখুলি কথা বলুন

কোনো একটি বিষয়ে আপনি যেভাবে ভাববেন, আপনার সঙ্গী সেভাবে না-ও ভাবতে পারেন। ভাবনার এই অমিল থেকেই শুরু হয় বেশিরভাগ ভুল বোঝাবুঝি। তাই কোনো বিষয়ে নিজের মতো না ভেবে সঙ্গীর ভাবনাকেও গুরুত্ব দিন। তার কাছে জানতে চান সে সেই বিষয় সম্পর্কে কী ভাবছে।

এরপর আপনার ভাবনাও তার সঙ্গে খোলাখুলি আলাপ করুন। এতে দু’জনেই দু’জনের ভাবনা সম্পর্কে জানতে পারবেন। জোর করে নিজের ভাবনা তার ওপর চাপিয়ে দেবেন না। সঙ্গী যদি তার কোনো মত আপনার ওপর জোর করে চাপিয়ে দিতে চায়, আপনার অপছন্দ হলে তা অবশ্যই মেনে নেবেন না। কোন কারণে বিষয়টি আপনার অপছন্দ তা-ও জানিয়ে দিন। এতে করে ভুল বোঝাবুঝি অনেকটাই কমে আসবে।

সব সময় ইতিবাচক থাকুন

আপনি যদি সব সময় ইতিবাচক চিন্তা করেন তবে মন এমনিতেই ভালো থাকবে। কোনোকিছু ঘটলে আগেই মন খারাপ না করে তার ভেতরে ইতিবাচক কিছু আছে কি-না তা খুঁজে বের করুন। তাতে দেখবেন, মনের ভেতরের ভার অনেকটাই কমে আসবে। সঙ্গীর সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা রাখুন।

নেতিবাচক কিছু ভাবতে শুরু করলে তা কেবল বাড়তেই থাকবে। ফলস্বরূপ সম্পর্কে দেখা দেবে অশান্তি। নেতিবাচক চিন্তা মানসিক শান্তি কেড়ে নেয়। তাই সুখে থাকতে চাইলে কঠিন সময়েও থাকুন ইতিবাচক। সঙ্গীর খারাপ সময়ে তার পাশে থাকুন। কাঁধে হাত রেখে অভয় দিন। তাকে বোঝান, ভালোবাসা থাকলে খুব সহজেই একটি সুখি জীবন পার করা সম্ভব।

মন খুলে প্রশংসা করুন

প্রশংসা করলে মানুষের সৃজনশীলতা বাড়ে। তাই সঙ্গীকে তিরস্কার না করে তার ভালো কাজের প্রশংসা করুন। ছোটখাটো কাজগুলো সম্পর্কেও ইতিবাচক কথা বলুন। এতে সে ভালো কাজে আরও আগ্রহী হবে।

আপনার মুখের একটুখানি কথাই হয়তো তার কাছে অনেক দামী। নিজেকে সেভাবে প্রকাশ করুন। আপনি যখন তার প্রশংসা করবেন, বিনিময়ে সেও কিন্তু প্রশংসাই করতে শিখবে। এতে করে কমবে মানসিক দূরত্ব, বাড়বে পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা। মানুষটি আপনার কাছে কতটা মূল্যবান তা কথায় এবং কাজে বোঝান। এতে করে সে আপনাকে নিজের একজন বলে ভাবতে পারবে।

ভিন্ন স্বাদের ডিমের মালাইকারি
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ডিমের বিভিন্ন ধরনের পদ আমরা খেয়ে থাকি। সময় বাঁচাতে ডিমেই ভরসা সবার। তবে একঘেয়েমি ডিম ভুনা বা ডিম ভাজি খেতে খেতে অনেকেই বিরক্ত হয়ে গেছেন! তাই রুচি পাল্টাতে রান্না করুন ডিমের মালাইকারি।

অনেকেই হয়তো ভেবে থাকবেন, চিংড়ি ছাড়া আবার মালাইকারি রান্না করা যায় না-কি? এ ধারণা ভুল। ডিমের মালাইকারি খেতেও অনেক মজার। চাইলে চটজলদি রান্না করে নিতে পারেন ডিমের মালাইকারি। রইলো রেসিপি-


উপকরণ

১. ডিম ৬টি
২. টক দই ২ টেবিল চামচ
৩. পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ
৪. টমেটো কুচি আধা কাপ
৫. কাজু বাদাম ২০ গ্রাম
৬. চারমগজ (শসা, মিষ্টিকুমড়া, আখরোট বীজের মিশ্রণ) ১০ গ্রাম
৭. রসুন বাটা ৩ টেবিল চামচ
৮. আদা বাটা ১ টেবিল চামচ
৯. হলুদ গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ
১০. শুকনো মরিচের গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ
১১. ধনে গুঁড়ো আধা টেবিল চামচ
১২. গরম মশলা গুঁড়ো ১ চা চামচ
১৩. নারকেলের দুধ আধা কাপ
১৪. লবণ স্বাদ অনুযায়ী
১৫. চিনি স্বাদ অনুযায়ী
১৬. ফ্রেশ ক্রিম পরিমাণ মতো
১৭. সরিষার তেল পরিমাণ মতো


পদ্ধতি

প্রথমে ডিমগুলো সেদ্ধ করে নিন। একটি পাত্রে টক দই, লবণ, মরিচের গুঁড়ো আর সামান্য তেল দিয়ে আধা ঘণ্টা মাখিয়ে রাখুন সেদ্ধ করা ডিমগুলো।

এবার প্যানে তেল গরম করে মেরিনেট করা ডিমগুলো হালকা ভেজে নিন। প্যানে আরেকটু তেল দিয়ে পেঁয়াজ, টমেটো, কাঁচা মরিচ, কাজু বাদাম, চারমগজ ভালো করে ভেজে নিন।

মিশ্রণটি ঠান্ডা করে বেটে বা ব্লেড করে নিন। প্যানে আবারো তেল গরম করে এবার আদা-রসুন বাটা ও একে একে সব গুঁড়ো মশলা দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিন।

এরপর ভেজে বেটে রাখা মশলার মিশিয়ে আরেকটু কষিয়ে নিন। একটু পরে নারকেলের দুধ দিয়ে মশলা নেড়েচেড়ে ভেজে রাখা ডিমগুলো দিয়ে দিন।

৫ মিনিট রান্না করার পর ফ্রেশ ক্রিম আর গরম মশলা গুঁড়ো ছড়িয়ে চুলার আঁচ বন্ধ করে দিন। গরম ভাত কিংবা পোলাওয়ের সঙ্গে পরিবেশন করুন ডিমের মজাদার মালাইকারি।

ছুটির দিনে লেবু পাতায় খাসির কোরমা
                                  

ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয়ে অনেকেই খাসির মাংস খান না। তবে মাঝে মধ্যে দু’এক টুকরো তো খেতেই পারেন!

খাসির মাংসের সব পদই মুখরোচক। অনেকেই শুধু এ মাংসের ভুনা বা ঝোল রান্না করে খেয়ে থাকেন। তবে কখনো লেবু পাতা দিয়ে খাসির মাংসের কোরমা রান্না করে খেয়েছেন?

খুবই মজাদার এ পদ মানিয়ে যায় রুটি, পরোটা, লুচি কিংবা ভাতের সঙ্গে। তবে আর দেরি কেন? ছুটির দিনে ঝটপট রান্না করুন খাসির মাংসের মজাদার এ রেসিপি। জেনে নিন -

উপকরণ
১. খাসির মাংস ১ কেজি
২. লেবু পাতা ৫টি
৩. মেথি ১ চা চামচ
৪. দারুচিনি ৩/৪ টুকরো
৫. কাঁচা মরিচ ৫-১০টি
৬. রসুন বাটা ১ চা চামচ
৭. আদা বাটা ১ চা চামচ
৮. পেঁয়াজ কুঁচি ২ কাপ
৯. এলাচ ৫টি
১০. সরিষার তেল পরিমাণমতো
১১. স্বাদমতো লবণ
১২. পরিমাণমতো গরম পানি

পদ্ধতি: প্রথমে প্যানে তেল গরম করে নিন। মেথি হালকা করে ভাজুন। একই তেলে পেঁয়াজ কুচি, আদা ও রসুন বাটা, এলাচ, দারুচিনি ও লবণ একসঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।

২-৩ মিনিট পানি মিশিয়ে মশলার মিশ্রণ ঢেকে কষিয়ে নিন। মাঝারি আঁচে রান্না করে মাংস ভালো করে সেদ্ধ করে নিন।

মাংস সেদ্ধ হয়ে গেলে নামানোর ৫ মিনিট আগে কাঁচা মরিচ ও লেবু পাতা ছড়িয়ে দিন। তৈরি হয়ে গেল লেবু পাতায় খাসির মাংস।

গরম ভাত-খিচুরির সঙ্গে পরিবেশন করুন সুস্বাদু এ মাংসের পদ। রুটি-পরোটার সঙ্গেও ভালো মানিয়ে যায় এ পদ।

সানির রূপের রহস্য ঘরোয়া টোটকায়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : বলিউডের `বেবি ডল` সানি লিওনের রূপ ও অভিনয়ে মুগ্ধ দুনিয়া। তার ভক্তকূল জানতে চান, তার মসৃণ ত্বক ও ফিটনেসের রহস্য। এবার সেই রহস্য ফাঁস করলেন অভিনেত্রী নিজেই। জানালেন কীভাবে রূপচর্চা করেন।

পর্দায় পা রাখার পর থেকে যেন জনপ্রিয়তা আরও তুঙ্গে উঠেছে সানি লিওনের। অতীত ফেলে এখন তিনি বলিউডের অন্যতম অভিনেত্রী। যেমন তার লুক; তেমনই তার স্টাইল।

কীভাবে তিনি রূপচর্চা করেন? শরীরচর্চাই বা করেন কীভাবে? ঘন ঘন পার্লারে যান? না-কি ঘরোয়া উপায়েই রূপচর্চা করেন? সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে মুখ খোলেন সানি লিওন।

তিনি জানান, ত্বক নিয়ে তিনি বেশ যত্নশীল। রূপচর্চা নিয়ে কোনো রকম আপোস তিনি করেন না। পার্লারে নয়, আয়ুর্বেদিক ও ঘরোয়া টোটকায়ই ভরসা রাখেন।

সানি আরও জানান, প্রসাধনীর ব্যবহার তিনি অনেক কম করেন। দামি প্রসাধনী মানেই যে তা খুব উপকারী হবে; এ ধারণা ভুল। ত্বক ঠিক রাখতে ভেষজ পদ্ধতি সবচেয়ে কার্যকরী।

ঘুমাতে যাওয়ার আগে অবশ্যই মেকআপ পরিষ্কারের পরামর্শ দিয়েছেন সানি। তার মতে, যত ব্যস্তই থাকুন; ভালো মানের ক্লিঞ্জার দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে ঘুমাতে যাবেন।

ব্রণের সমস্যায় সানি ব্যবহার করেন অ্যালোভেরা। তিনি জানান, চাইলেই ঘরের এক কোণায় টবে লাগানো যায় অ্যালোভেরা। এটি ত্বক ও চুলের বন্ধু।

নিয়ম করে বাড়িতেই শরীরচর্চা করেন সানি লিওন। কখনো কখনো জিমেও যান। তবে বাড়িতেই বেশি ওয়ার্কআউট করেন। ফিটনেস ঠিক রাখতে তিনি ডায়েট করেন নিয়মিত।


   Page 1 of 20
     লাইফস্টাইল
দিনে কতটুকু গরু বা খাসির মাংস খাওয়া নিরাপদ?
.............................................................................................
চুল সিল্কি করুন ঘরে তৈরি কন্ডিশনারে
.............................................................................................
অপরিণত ঘুম জীবনের আয়ু কমিয়ে দেয়: গবেষণা
.............................................................................................
সঙ্গীর মধ্যে যে ৮টি লক্ষণ দেখলে বিয়ে করবেন
.............................................................................................
ইয়ামির সৌন্দর্য রহস্য রান্নাঘরে লুকিয়ে আছে!
.............................................................................................
দীর্ঘায়ু পেতে চান? এই ৯ খাবার খান
.............................................................................................
আম কি ওজন বাড়ায়?
.............................................................................................
ঘরে অক্সিজেন বাড়ায় যেসব গাছ
.............................................................................................
যেসব ব্যায়াম জরুরি করোনা থেকে সুস্থ হওয়ার পর
.............................................................................................
করোনাভাইরাসের নতুন ৩ লক্ষণ
.............................................................................................
সারাদিন এসিতে থাকার পরও ত্বকে সমস্যা, সমাধান জানুন
.............................................................................................
গরমে ঘর শীতল রাখবেন যেভাবে
.............................................................................................
মানসিক দূরত্ব দূর হোক
.............................................................................................
ভিন্ন স্বাদের ডিমের মালাইকারি
.............................................................................................
ছুটির দিনে লেবু পাতায় খাসির কোরমা
.............................................................................................
সানির রূপের রহস্য ঘরোয়া টোটকায়
.............................................................................................
শিশুর মুখের ঘা দূর করতে যা করবেন
.............................................................................................
রেসিপি: মজাদার মালাই লাড্ডু
.............................................................................................
বার্ড ফ্লু থেকে বাঁচতে মুরগির মাংস ও ডিম খাওয়ার উপায়
.............................................................................................
শসার স্যুপে কমবে শরীরের অতিরিক্ত চর্বি
.............................................................................................
শীতে স্বাস্থ্য উপকারিতায় গুড়
.............................................................................................
ত্বকের নানা সমস্যায় পেঁপের ব্যবহার
.............................................................................................
শখের বেনারসি যত্নে রাখার সঠিক নিয়ম
.............................................................................................
শীতে খুশকি দূর করতে কী করবেন
.............................................................................................
ত্বকের যত্নে জলপাইয়ের তেল
.............................................................................................
শীতে ত্বকের যত্নে জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরামর্শ
.............................................................................................
মাথাব্যথা সহজে দূর করবেন যেভাবে
.............................................................................................
চুল পড়া বন্ধে ৬ উপায়
.............................................................................................
রেসিপি: ক্রিসপি রূপচাঁদা ফ্রাই
.............................................................................................
সাদা পোশাক সুরক্ষিত রাখবেন যেভাবে
.............................................................................................
শীতকালে ঠান্ডা-কাশি সারাবে তুলসি পাতা
.............................................................................................
২টি উপকরণে মোজারেলা চিজ তৈরির রেসিপি
.............................................................................................
শীত নিয়ে ৪ ভুল ধারণা
.............................................................................................
উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সজনে পাতার চা
.............................................................................................
১ মাসে মোটা হবেন ?
.............................................................................................
হাত থেকে মেহেদি তোলার সহজ উপায়
.............................................................................................
শীতের শুরুতে হাতের যত্ন
.............................................................................................
এলাচ চা খেলে কী হয়?
.............................................................................................
খাওয়া ছাড়াও ডিম যেসব কাজে ব্যবহার করা যায়
.............................................................................................
শীতের আগে ত্বক ভালো রাখতে যা করবেন
.............................................................................................
থানকুনি পাতা শরীরের যেসব উপকার করে
.............................................................................................
৫টি প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ
.............................................................................................
টনসিলে ইনফেকশন হলে করণীয়
.............................................................................................
স্টার সিনেপ্লেক্স খুলছে ২৩ অক্টোবর
.............................................................................................
করোনা থেকে দূরে থাকতে খান এই ভিটামিন
.............................................................................................
ডাবের মিল্ক সেক রেসিপি
.............................................................................................
হাড় ক্ষয় রোগের উপসর্গ ও চিকিৎসা
.............................................................................................
যেসব কারণে মাইগ্রেন হতে পারে
.............................................................................................
হজমের সমস্যার ৬ সমাধান
.............................................................................................
পা সুন্দর রাখার কিছু ঘরোয়া উপায়
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop