বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * গঙ্গাস্নানে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনা, নারী-শিশুসহ নিহত ২২   * পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন   * ঢাকাসহ ৮ অঞ্চলে হতে পারে ঝোড়ো বৃষ্টি   * শবেবরাত সবার জন্য রহমত ও কল্যাণ বয়ে আনুক : রাষ্ট্রপতি   * দফায় দফায় বাড়ছে খেজুরের দাম   * ডেঙ্গুর প্রকোপ : এবার আগেভাগেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার নির্দেশ   * পবিত্র শবে বরাত আজ   * জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস আজ   * রোজার আগেই ভার‌ত থে‌কে দে‌শে পেঁয়াজ ঢুক‌বে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী   * যুদ্ধের দুই বছর : হাল ছাড়তে চান না ক্লান্ত ইউক্রেনীয়রা  

   লাইফস্টাইল -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
প্রিয়জনকে খুশি রাখবেন যেভাবে

ভালোবাসা দিবস তো চলেই এলো। কিন্তু তার আগে আরেকটি দিবস যে লুকিয়ে আছে, তা কি জানেন? প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসের দ্বিতীয় রোববার পালন করা হয় ওয়ার্ল্ড ম্যারেজ ডে বা বিশ্ব বিবাহ দিবস। না, এই দিনে মানুষ দলে দলে বিয়ে করে না। বরং বিশ্বজুড়ে সব বিবাহিত দম্পতিদের মধ্যে ভালোবাসা ও বন্ধন আর দৃঢ় করতেই এই দিবসের সূচনা।

বিয়ের পরে অনেকে আর আগের মতো সম্পর্কের যত্ন করতে জানেন না। মনে হয়, আছেই তো! কিন্তু এভাবে ধীরে ধীরে সম্পর্ক শিথিল হতে শুরু করে। তাই সারা জীবন বিয়ের বন্ধন ধরে রাখতে চাইলে দু’জনকেই সম্পর্কের প্রতি যত্নশীল হতে হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক আপনার প্রিয়জনকে খুশি এবং সম্পর্ক সুন্দর রাখতে কী করবেন-

কৌতূহল থাকুক

সবকিছু জানা হয়ে গেলে সেই জিনিস পুরনো হয়ে যায়। আপনাদের সম্পর্ক কখনো পুরনো হতে দেবেন না। দু’জনের মধ্যেই পরস্পরের সম্পর্কে কৌতুহল থাকুক। সঙ্গীর চিন্তাভাবনা, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতা বুঝতে পারার কৌতুহল ও আগ্রহ জাগিয়ে রাখুন। তাকে সরাসির প্রশ্ন করুন, তার সঙ্গে মন খুলে কথা বলুন। তার কাছ থেকে কিছু লুকাবেন না। মনে রাখবেন, সেই আপনার জীবনসঙ্গী। এতে সম্পর্কে নতুনত্ব থাকবে। প্রিয়জনও থাকবে খুশি।


তার পাশে থাকুন

শুধু শারীরিকভাবেই নয়, মানসিকভাবেও তার পাশে থাকুন। কারণ দুটোই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি থাকার পরেও সে যেন নিজেকে একা অনুভব না করে। বরং তার মন খারাপের দিনে মন ভালো করার চেষ্টা করুন। যে কাজগুলো ভাগাভাগি করা সম্ভব, সেগুলো ভাগাভাগি করুন। এতে তার মন খুশি তো থাকবেই, সম্পর্কও থাকবে প্রাণবন্ত।

সততা ধরে রাখুন

সম্পর্কে সততা ও বিশ্বস্ততা থাকা জরুরি। এগুলো না থাকলে সেই সম্পর্ক একটা সময় নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই সঙ্গীর সঙ্গে চোর-পুলিশ খেলবেন না। বরং সম্পর্কে বিশ্বাস ধরে রাখুন। এমনকিছু করবেন না যা আপনার প্রতি তার বিশ্বাস নড়বড়ে করে দিতে পারে। বরং সহজ ও স্বচ্ছ থাকুন। আয়নার মতো হোন। যেন সে আপনার সামনে দাঁড়ালে নিজেকেই দেখতে পায়। নিজের অনুভূতিগুলো তার সঙ্গে ভাগ করে নিন।

কৃতজ্ঞ থাকুন

কৃতজ্ঞতা একটি স্বাস্থ্যকর অভ্যাস। এটি সম্পর্ক সুন্দর রাখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে জরুরি। তাই সঙ্গীর প্রতি কৃতজ্ঞ থাকুন। তার ছোট ছোট কাজগুলোর সুন্দরভাবে প্রশংসা করুন। আপনার জীবনে তার অস্তিত্ব কতটা, তা বলুন। এতে সে খুশি হয়ে যাবে। মৌখিক স্বীকৃতিও অনেক সময় অনেক কার্যকরী হয়। তাই শুধু কাজেই নয়, মুখেও বলুন ভালোবাসার কথা। প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা আপনার ভালোবাসার শক্তি আরও বাড়িয়ে দেবে।

প্রিয়জনকে খুশি রাখবেন যেভাবে
                                  

ভালোবাসা দিবস তো চলেই এলো। কিন্তু তার আগে আরেকটি দিবস যে লুকিয়ে আছে, তা কি জানেন? প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসের দ্বিতীয় রোববার পালন করা হয় ওয়ার্ল্ড ম্যারেজ ডে বা বিশ্ব বিবাহ দিবস। না, এই দিনে মানুষ দলে দলে বিয়ে করে না। বরং বিশ্বজুড়ে সব বিবাহিত দম্পতিদের মধ্যে ভালোবাসা ও বন্ধন আর দৃঢ় করতেই এই দিবসের সূচনা।

বিয়ের পরে অনেকে আর আগের মতো সম্পর্কের যত্ন করতে জানেন না। মনে হয়, আছেই তো! কিন্তু এভাবে ধীরে ধীরে সম্পর্ক শিথিল হতে শুরু করে। তাই সারা জীবন বিয়ের বন্ধন ধরে রাখতে চাইলে দু’জনকেই সম্পর্কের প্রতি যত্নশীল হতে হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক আপনার প্রিয়জনকে খুশি এবং সম্পর্ক সুন্দর রাখতে কী করবেন-

কৌতূহল থাকুক

সবকিছু জানা হয়ে গেলে সেই জিনিস পুরনো হয়ে যায়। আপনাদের সম্পর্ক কখনো পুরনো হতে দেবেন না। দু’জনের মধ্যেই পরস্পরের সম্পর্কে কৌতুহল থাকুক। সঙ্গীর চিন্তাভাবনা, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতা বুঝতে পারার কৌতুহল ও আগ্রহ জাগিয়ে রাখুন। তাকে সরাসির প্রশ্ন করুন, তার সঙ্গে মন খুলে কথা বলুন। তার কাছ থেকে কিছু লুকাবেন না। মনে রাখবেন, সেই আপনার জীবনসঙ্গী। এতে সম্পর্কে নতুনত্ব থাকবে। প্রিয়জনও থাকবে খুশি।


তার পাশে থাকুন

শুধু শারীরিকভাবেই নয়, মানসিকভাবেও তার পাশে থাকুন। কারণ দুটোই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি থাকার পরেও সে যেন নিজেকে একা অনুভব না করে। বরং তার মন খারাপের দিনে মন ভালো করার চেষ্টা করুন। যে কাজগুলো ভাগাভাগি করা সম্ভব, সেগুলো ভাগাভাগি করুন। এতে তার মন খুশি তো থাকবেই, সম্পর্কও থাকবে প্রাণবন্ত।

সততা ধরে রাখুন

সম্পর্কে সততা ও বিশ্বস্ততা থাকা জরুরি। এগুলো না থাকলে সেই সম্পর্ক একটা সময় নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই সঙ্গীর সঙ্গে চোর-পুলিশ খেলবেন না। বরং সম্পর্কে বিশ্বাস ধরে রাখুন। এমনকিছু করবেন না যা আপনার প্রতি তার বিশ্বাস নড়বড়ে করে দিতে পারে। বরং সহজ ও স্বচ্ছ থাকুন। আয়নার মতো হোন। যেন সে আপনার সামনে দাঁড়ালে নিজেকেই দেখতে পায়। নিজের অনুভূতিগুলো তার সঙ্গে ভাগ করে নিন।

কৃতজ্ঞ থাকুন

কৃতজ্ঞতা একটি স্বাস্থ্যকর অভ্যাস। এটি সম্পর্ক সুন্দর রাখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে জরুরি। তাই সঙ্গীর প্রতি কৃতজ্ঞ থাকুন। তার ছোট ছোট কাজগুলোর সুন্দরভাবে প্রশংসা করুন। আপনার জীবনে তার অস্তিত্ব কতটা, তা বলুন। এতে সে খুশি হয়ে যাবে। মৌখিক স্বীকৃতিও অনেক সময় অনেক কার্যকরী হয়। তাই শুধু কাজেই নয়, মুখেও বলুন ভালোবাসার কথা। প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা আপনার ভালোবাসার শক্তি আরও বাড়িয়ে দেবে।

ফ্রিজে যে ৪ খাবার রাখা ক্ষতিকর
                                  

ফ্রিজে খাবার রাখা হয় তা ভালো রাখার জন্য। তবে শুধু রাখলেই চলবে না, সঠিক খাবার সঠিকভাবে সংরক্ষণ করতে হবে। কিছু খাবার আছে যেগুলো ফ্রিজে রাখা ক্ষতিকর। কিন্তু আমরা না জেনেই অনেক সময় সেগুলো ফ্রিজে রেখে দিই। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৪টি খাবার ফ্রিজে রাখলে তা বিষাক্ত হয়ে যেতে পারে। সেখান থেকে হতে পারে আপনার শরীরের কোনো ক্ষতির কারণ।


৪টি খাবার রয়েছে যেগুলো ফ্রিজে সংরক্ষণ করার ফলে রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে, যা স্বাস্থ্যের জন্য খারাপ হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, হিমায়নের প্রক্রিয়া চলাকালীন, নির্দিষ্ট কিছু খাবার সেগুলোতে থাকা প্রয়োজনীয় পুষ্টি হারায়। শুধু তাই নয়, খাবারের রঙ, স্বাদ এবং টেক্সচারও প্রভাবিত হয়। এই সমস্ত কারণে খাবারটি অস্বাস্থ্যকর হয়ে যায়। চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন ৪টি খাবার ফ্রিজে রাখা ক্ষতিকর-

১. রসুন

রসুন বোটুলিজম-সৃষ্টিকারী স্পোরকে আশ্রয় দেয় বলে পরিচিত, যেগুলো খাদ্য আইটেম ঠিকভাবে সংরক্ষণ করা না হলে সক্রিয় হয়। যেকোনো সময় আর্দ্রতা ৬০% এর বেশি হয়ে গেলে এটি বাড়তে শুরু করে। বিশেষজ্ঞের মতে, রেফ্রিজারেটরগুলো ৬০% এর বেশি আর্দ্র হতে থাকে। ফ্রিজে রসুন সংরক্ষণ করলে তা অঙ্কুরিত হতে পারে এবং মাইকোটক্সিন নামে পরিচিত বিষাক্ত যৌগের বৃদ্ধি ঘটাতে পারে, যা স্বাস্থ্যের গুরুতর অবস্থার কারণ হতে পারে।

২. পেঁয়াজ

পেঁয়াজ কম তাপমাত্রায় প্রতিরোধী। এটি অল্প তাপমাত্রায় রাখলে তা অংকুরিত হতে শুরু করে। একটি কাটা পেঁয়াজ ফ্রিজে রেখে দিলেও সমস্ত ব্যাকটেরিয়া শুষে নিতে পারে, ফলে এটি খাওয়ার অযোগ্য হয়ে পড়ে। তাই বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, হয় পুরো পেঁয়াজ ব্যবহার করুন বা অবশিষ্টাংশ ফেলে দিন।

৩. আদা

অনেকটা রসুনের মতো, আদাও ফ্রিজে রাখলে ক্ষতিকর হয়ে উঠতে পারে। বিশেষজ্ঞের মতে, ফ্রিজে আদা রাখলে তাতে সবুজ ছত্রাক তৈরি করতে পারে। যা ওক্র্যাটক্সিন এ তৈরি করে। এটি একটি সাধারণ খাদ্য-দূষিত মাইকোটক্সিন। বেশ কয়েকটি গবেষণা অনুসারে, এই দূষণ কিডনি এবং লিভারের সমস্যার সঙ্গে সম্পর্কিত এবং সামগ্রিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকেও প্রভাবিত করে।

৪. ভাত

ফ্রিজে ভাত সংরক্ষণ করা এখন একটি সাধারণ অভ্যাস হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু অভ্যাস আপনার জন্য ক্ষতিকর। ফ্রিজে ভাত রাখলে তাতে স্টার্চের মাত্রা বেড়ে যায়। সেইসঙ্গে এটি আপনার কোলেস্টেরল এবং রক্তে শর্করার মাত্রাকেও প্রভাবিত করে। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন, সর্বোত্তম অভ্যাসটি হলো ভাত ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে ফ্রিজে সংরক্ষণ না করা এবং খাওয়ার আগে তা পুনরায় গরম করে খাওয়া।

পিঠে ব্রণ উঠলে কী করবেন?
                                  

ব্রণের সমস্যায় অনেক নারী-পুরুষই ভোগেন। ধুলাবালি, অতিরিক্ত দূষণ, ভাজাপোড়া খাবার খাওয়ার প্রবণতা, পর্যাপ্ত পানি পান না করা ইত্যাদি কারণে মুখের ত্বকে দেখা দেয় ব্রণ। শুধু মুখ নয়, পিঠেও দেখা দিতে পারে ব্রণের সমস্যা।

এমনকি অনেকের পিঠ ভর্তি হয়ে যায় ব্রণে। ত্বকের ব্রণ নিয়ে উদ্বিগ্ন হলেও অনেকেই পিঠের ব্রণ নিয়ে ততটা সচেতন নন। অথচ এই ব্রণের সমস্যা বাড়তে বাড়তে দাগ বসে যেতে পারে। এছাড়া পিঠের ব্রণ অত্যন্ত অস্বস্তিকর।

কেন পিঠে ব্রণ হয়?

পিঠ নিয়মিত পরিষ্কার করা না হলে কিংবা শরীরচর্চা করার পর ভেজা বা ঘামের পোশাক না বদলানোর অভ্যাসের কারণে অনেকের পিঠে ব্রণ হতে পারে।

আবার অতিরিক্ত ফিটিং পোশাক দীর্ঘক্ষণ পরে থাকা, নোংরা পোশাক পরা, প্রসাধনীতে অ্যালার্জি থাকলে, খালি গায়ে নোংরা বিছানায় ঘুমালে ইত্যাদি কারণে পিঠে ব্রণ হতে পারে।

ওটস ও টকদইয়ের প্যাক

একটি বাটিতে তিন চামচ ওটসের গুঁড়ার সঙ্গে দুই চামচ টকদই নিয়ে একটি প্যাক তৈরি করে পুরো পিঠে লাগিয়ে নিন। ২০ মিনিট রেখে গরম পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে ভালো করে পিঠ মুছে নিন। সপ্তাহে তিনবার ব্যবহার করুন এই প্যাক।

চালের গুঁড়া ও টমেটোর প্যাক
টমেটো ব্লেন্ড করে রস ছেঁকে তার সঙ্গে ২ চামচ চালের গুঁড়া মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি পিঠে লাগিয়ে নিয়ে আধা ঘণ্টা রেখে ধুয়ে নিন। এতে পিঠের লালচে ভাব দূর হবে, ব্রণের সমস্যা কমবে, এমনকি রোদে পোড়া দাগও দূর হবে।

হলুদ ও বেসনের প্যাক
কাঁচা হলুদ বেটে নিয়ে তার সঙ্গে বেসন মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করে নিন। মিশ্রণটি পিঠে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে ব্রণের সমস্যা কমবে। হলুদে থাকা অ্যান্টিসেপটিকিউপাদান ব্রণের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।

রোজ গ্যাসের ওষুধ খেলে হতে পারে যেসব সমস্যা
                                  

অনিয়মিত ও ব্যস্ত জীবনযাত্রার কারণে অনেকেই আছেন যারা শারীরিক নানান সমস্যায় ভোগেন। বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার মধ্যে অন্যতম গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা। অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস ও অন্যান্য নানান কারণে এই সমস্যা দেখা দেয়। গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে রেহাই পেতে অনেকেই আছেন যারা প্রায়ই গ্যাসের ওষুধ খান। অনেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই প্রতিদিন সকালে এই গ্যাসের ওষুধ গ্রহণ করেন।

কিন্তু এই অভ্যাসের ফলে শরীরে কি প্রভাব পড়ছে জানেন কি-

*যদি ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া সকাল-বিকেল নিয়মিত এই গ্যাসের ট্যাবলেট খাওয়া হয় তাহলে, পাকস্থলীতে অ্যাসিডের পরিমাণ পুরোপুরি শূন্য হয়ে যেতে পারে। খাদ্যনালীতে ছোট ছোট ঘা, গ্যাস্ট্রিক আলসার, এমনকি ক্যানসারও হতে পারে।

*সকালে ঘুম থেকে উঠেই গ্যাসের ট্যাবলেট খাওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। যে সকল খাবার খেলে গ্যাসের সমস্যা বেশি হয়, সেই সকল খাবার খাওয়া বেছে বেছে বন্ধ রাখতে হবে।

*যদি খুদা না পায়, তাহলে খাবার খাওয়ার কোনও দরকার নেই। দরকার পড়লে এক গ্লাস পানি খাওয়া যেতে পারে। যখন খাবারের প্রতি অনুভূতি আসবে তখনই খাবার খেতে হবে।

*এসব করার পরেও যদি গ্যাসের সমস্যার সমাধান না হয় তাহলে অবশ্যই একজন ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া দরকার। কনফার্ম হতে হবে গ্যাস্ট্রো ইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স পজিটিভ কিনা। যদি পজিটিভ থাকে তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি যে ওষুধ দেবেন, সেগুলো খাওয়া যেতে পারে।

কত কাপ গ্রিন টি`তে মিলবে ত্বকের উজ্জ্বলতা
                                  

ত্বকে উজ্জ্বলতা বাড়ানোর জন্যে নিয়মিত গ্রিন টি পান করতে পরেন আপনি। কিন্তু এই চা পান অতিরিক্ত মাত্রায় পান করলে যে ত্বকের ও শরীরে ক্ষতিও হতে পারে, তা কি আপনি জানেন? তাই শরীর ভালো রাখতে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে ঠিক কত কাপ গ্রিন টি পান করবেন এবং কী কী উপকার পাবেন, জেনে নিন।

বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, গ্রিন টি-তে উপস্থিত একাধিক উপকারী উপাদান আপনার ত্বকের জন্যে বেশ উপকারী। তাই সুস্বাস্থ্য ধরে রাখতে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে গ্রিন টি-এর কাপে চুমুক দেন অনেকেই। কারও কারও তো মনে হয় যে, দিনে যত বেশি কাপ গ্রিন টি পান করা যায়, উপকারও তত বেশি পাওয়া যায়!

সম্প্রতি এই বিষয়েই আলোকপাত করেছেন ত্বকরোগ বিশেষজ্ঞ, ডা. অপরাজিতা লাম্বা। দিনে ঠিক কত কাপ গ্রিন টি পান করা ত্বকের জন্যে উপকারী এবং বেশি পরিমাণে গ্রিন টি পান করলে কী কী ক্ষতি হতে পারে, সেই বিষয়েও আলোচনা করেছেন চিকিৎসক।

গ্রিন টি-এ পলিফেনল নামক এক ধরনের উপাদান পাওয়া যায়। এই উপাদান অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট হিসেবে কাজ করে। তাই নিয়মিত গ্রিন টি পান করলে ত্বকের ভেতরে জমে থাকা টক্সিন বেরিয়ে যায়।

এ ছাড়াও গ্রিন টি-এ উপস্থিত ভিটামিন বি১২ ও ই যে ত্বকের জন্যে বেশ উপকারী, সে কথা আর নতুন করে বলে দেওয়ার অপেক্ষা রাখে না। ভিটামিন বি১২-এর গুণে ত্বকের কোলাজেন উৎপাদন বাড়ে, ফলে ত্বকের টানটান ভাব বজায় থাকে। এদিকে ভিটামিন ই ত্বকের কোষের সুস্বাস্থ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে।

অতিরিক্তি চা পান নয়-

সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে গ্রিন টি পান করতেই পারেন আপনি। তবে অতিরিক্ত মাত্রায় গ্রিন টি খেলে শরীরের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কাই বাড়বে। এমনকি এর প্রভাব পড়বে আপনার ত্বকেও বলে সতর্ক করেন ডা. লাম্বা। তাই সঠিক উপকার পেতে সঠিক পরিমাণে গ্রিন টি পান করতে হবে।

দিনে কত কাপ গ্রিন টি পান করা উচিত?

অনেকেরই বার বার চা খাওয়ার অভ্যাস থাকে। কেউ কেউ আবার বাড়তি লাভের আশায় অতিরিক্ত পরিমাণে গ্রিন টি পান শুরু করেন। কিন্তু এই অভ্যাস আপনার শরীরের জন্যে খুবই ক্ষতিকারক।

চিকিৎসক বলেন, আপনি সঠিক উপকার পেতে দিনে সর্বোচ্চ ৮ কাপ চা পান করতে পারেন। তবে তার থেকে বেশি পরিমাণে গ্রিন টি ভুলেও পান করবেন না। তাহলে উপকার তো মিলবেই না, উল্টে ত্বকের ক্ষতি হওয়ার পথই প্রশস্ত হবে।

আপনি যদি প্রতিদিন ৩ কাপ গ্রিন টি পান করেন, তাহলে শরীর ভালো থাকবে। ত্বকের উজ্জ্বলতাও বাড়বে। এদিকে ক্ষতি হওয়ার কোনো আশঙ্কাও থাকবে না।

অতিরিক্ত গ্রিন টি খেলে কী ক্ষতি হবে?

মাত্রারিক্ত চা পানের ফলে শরীরে অত্যন্ত বেশি পরিমাণে ক্যাফিন প্রবেশ করে। যার ক্ষতিকারক প্রভাব পড়ে মানসিক স্বাস্থ্যে। সেই সঙ্গে শরীরও খারাপ হতে শুরু করে। এদিকে ত্বকের উজ্জ্বলতাও ফিকে হয়ে যায়।

ডা. অপরাজিতা লাম্বা বলেন, অতিরিক্ত পরিমাণে ক্যাফিন গ্রহণ করলে অনিদ্রার সমস্যা দেখা দিতে পারে। হার্টরেট বাড়তে পারে। এমনকি হানা দিতে পারে নার্ভাসনেসও। তাই ২-৩ কাপ গ্রিন টি আপনার শরীরের জন্যে ভালো, কিন্তু মাত্রাছাড়া চা পান আপনার অসুস্থতার অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

গ্রিন টি-এ ট্যানিনের উপস্থিতি পাওয়া যায়। তাই আপনার শরীরে যদি আয়রন ডেফিসিয়েন্সি অ্যানিমিয়া থাকে, তাহলে অতিরিক্ত গ্রিন টি-এর অভ্যাস ভয়নাক আকার নিতে পারে। আপনার এই শারীরিক সমস্যা থাকলে কিংবা নিয়মিত আয়রনের সাপলিমেন্ট নিলে অতিরিক্ত গ্রিন টি পান না করাই শ্রেয় বলে জানান অপরাজিতা লাম্বা।

সূত্র : এই সময়

শীত এলেই গলা ব্যথা? দূর করার ঘরোয়া উপায় জেনে নিন
                                  

 

শীত কেবল খেজুর রসের মিষ্টি গন্ধ বাহারি পিঠার লোভনীয় স্বাদ নিয়েই আসে না, এই ঋতু আপনার জন্য নানা অসুখের ঝুঁকিও নিয়ে আসে। এসময় শীত ও শুষ্কতার কারণে রোগ জীবাণুর বিস্তার সহজ হয়। বাতাসে ধুলোবালির পরিমাণ বেড়ে যায়। যেখান থেকে দেখা দিতে পারে বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা। শীত এলেই অনেকে ভোগেন গলা ব্যথায়। এমনও অনেকে আছেন, যাদের ঠান্ডা লাগলেই গলা ব্যথা হয়। আপনিও যদি এমন সমস্যায় ভুগে থাকেন তাহলে গলা ব্যথা দূর করার এই ঘরোয়া উপায়গুলো জেনে নিতে পারেন-

১. হালকা গরম পানি পান করুন

হালকা গরম পানি পান করার রয়েছে অনেক উপকারিতা। বিশেষ করে গলা ব্যথা অনুভব করলে হালকা গরম পানি পান করুন। এতে অন্যান্য স্বাস্থ্য সুবিধা তো পাবেনই, সেইসঙ্গে গলা ব্যথা দূর হবে সহজেই। তাই শীতের সময়ে প্রতিদিন হালকা গরম পানি পান করার অভ্যাস করুন। সকালে খালি পেটে পান করলেও উপকার পাবেন।

২. নিয়মিত ব্যায়াম করুন

ব্যায়াম করতে হবে। কারণ নিয়মিত ব্যায়াম করলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং সেইসঙ্গে বাগে ইনফেকশনের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতাও। এতে আপনার গলা ব্যথা থেকে দূরে থাকা সহজ হবে। আপনি যদি নিয়মিত ব্যায়াম করেন তাহলে শ্বাসকষ্টের সমস্যা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়। তাই সুস্থ থাকতে চাইলে জন্য ব্যায়াম বাদ দেওয়া যাবে না।

৩. গরম খাবার খান

শীতের সময়টাতে ঠান্ডা খাবার না খেয়ে হালকা গরম খাবার খেতে হবে। এতে গলা ব্যথা থাকলে গলায় আরাম পাওয়া যাবে। সেইসঙ্গে গরম খাবার খেলে পেটের স্বাস্থ্যও ভালো থাকবে। হজম সহজ হবে। কারণ ঠান্ডা খাবার অনেক সময় পেটে সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। তাই এদিকটাতে খেয়াল রাখতে হবে।

৪. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারী খাবার খান

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নাই। সব ধরনের অসুখ থেকে দূরে থাকার জন্য আপনাকে অবশ্যই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করতে হবে। খেতে হবে এমন সব খাবার, যেগুলো আপনাকে এই কাজে সাহায্য করতে পারে। কারণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়লে তা অন্যান্য অসুখের পাশাপাশি গলা ব্যথাও দূরে রাখবে।

৫. ভেষজ তরল পান করুন

কেবল চা-ই নয়, অন্যান্য ভেষজ তরল পান করতে হবে। যেমন তুলসির চা, আদা চা ইত্যাদি। এ ধরনের পানীয় নিয়মিত পান করলেও গলা ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। আবার আদা কুচি চিবিয়ে খেলেও কিছুটা উপকার পাবেন।

শীতে ত্বক ভালো রাখার ঘরোয়া উপায়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : সারা বছরই ত্বকের যত্ন নিতে হয়। তবে শীতকালে এর গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়। কারণ শীতের সময়ে আবহাওয়ার প্রভাব আমাদের ত্বকে অনেক বেশি পড়ে। এসময় আবহাওয়া অনেক শুষ্ক হয়ে যায়। যার ফলে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয় আমাদের ত্বকেও। এতে ত্বক ও চুল শুষ্ক, নিষ্প্রাণ হয়ে যায়। তাই শীতে ত্বক ভালো রাখার ঘরোয়া উপায় জেনে রাখা জরুরি। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

ঠান্ডা পানিতে গোসল করবেন না

শীতকালেও ঠান্ডা পানিতে গোসল করার অভ্যাস থাকে অনেকের। এই অভ্যাস থেকে বিরত থাকুন। কারণ শীতকালে ঠান্ডা পানিতে গোসল করলে ত্বক আরও বেশি শুষ্ক হয়ে যায়। সেইসঙ্গে ত্বকে দেখা দিতে পারে ব়্যাশও। তাই শীতের সময়ে হালকা গরম পানিতে গোসল করার অভ্যাস করুন। এই সময়ে হালকা গরম পানিতে গোসল করলে ত্বকের তাপমাত্রা ঠিক থাকে ও ত্বক ভালো থাকে।

ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন

শীতে প্রতিদিন দুইবেলা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে। কারণ ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের ফলে তা ত্বকে সঠিক হাইড্রেশন দেয় ও ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করে। আপনি চাইলে খাঁটি নারিকেল তেল বা অলিভ অয়েলও ময়েশ্চারাইজার হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন। এতেও শীতের দিনে ত্বক ভালো থাকবে।

শীতের সময়ে হিউমিডিফাইয়ার ব্যবহার করতে পারেন। এর থেকে গরম বাস্প বের হয় যা ঘরের আর্দ্রতা বজায় রাখে। যে কারণে আপনার ত্বকও ভালো থাকবে। তাই শীতের দিনগুলোতে আপনি এর সাহায্য নিতেই পারেন।

সানস্ক্রিন ব্যবহার

শীতের সময়েও নিয়মিত ত্বকে সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে। বাইরে বের হলে ত্বকে সানস্ক্রিন ব্যবহার করে তবেই বের হবেন। কারণ এটি শীতে সূর্যের আল্ট্রা ভায়োলেট রে থেকে বাঁচতে আপনাকে সাহায্য করবে। ত্বকে নিয়মিত সানস্ক্রিন ব্যবহার করলে রোদের তাপে ত্বক পুড়ে যায় না এবং ত্বকের রঙও ঠিক থাকে।

গ্লিসারিনযুক্ত সাবান ব্যবহার

শীতের সময়ে এমন কোনো সাবান ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন যা আপনার ত্বককে শুষ্ক করে দিতে পারে। কারণ শীতের সময়ে আমাদের ত্বক এমনিতেই শুষ্ক হয়ে যায়। এরপর এ ধরনের সাবার ব্যবহার করলে তা ত্বককে আরও ক্ষতির দিকে নিয়ে যেতে পারে। তাই শীতে এমন সাবান ব্যবহার করুন যাতে গ্লিসারিন রয়েছে। এতে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা বজায় রাখা সহজ হবে।

চুল পড়া বন্ধে পেঁয়াজের রস, বিজ্ঞান কী বলছে
                                  

অতিরিক্ত পরিমাণে চুল উঠতে দেখলে দুশ্চিন্তা হওয়াই স্বাভাবিক। আর সাম্প্রতিক সময়ে পুরুষ-মহিলা নির্বিশেষে অনেকে চুল পড়ার সমস্যায় ভুক্তভোগী। তাই চুল পরার সমস্যা কমাতে কেউ কেউ দামি শ্যাম্পু ব্যবহার করেন, আবার কেউ ভরসা রাখেন প্রাকৃতিক উপাদানের ওপর।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রত্যেকেরই কম বেশি পরিমাণে চুল ঝরে যায়। প্রতিদিন আপনার ৫০-১০০টা পর্যন্ত চুল পড়তে পারে। এটা খুব স্বাভাবিক ঘটনা। কিন্তু আপনার যদি প্রতিদিন এর থেকেও বেশি পরিমাণে চুল ঝরে এবং মাথায় হাত দিলেই মুঠো ভর্তি চুল উঠে আসে, তাহলে তো আপনাকে সতর্ক হতেই হবে। দূষণ, আবহাওয়া পরিবর্তন, অযত্ন এবং অন্যান্য শারীরিক সমস্যার কারণে এই সমস্যা বাড়তে পারে। এ ছাড়াও, শীতকালে বাতাসে দূষণের মাত্রা অনেকটাই বাড়ে। তখন কম বেশি সবারই অতিরিক্ত মাত্রায় চুল পড়ার সমস্যা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। তাই এ বিষয়টিও ভুলে গেলে চলবে না।

হেয়ার ফলের কারণ বুঝুন-
চুল পড়া কমাতে এবং ঘন চুল পেতে আপনি ঘরোয়া রূপটানের ওপরে ভরসা রাখতেই পারেন। কিন্তু তাতে কাজ নাও হতে পারে! প্রত্যেকের হেয়ার ফলের আলাদা আলাদা কারণ রয়েছে, আর এই সমস্যা কমানোর জন্যে কারণটি বোঝা খুবই জরুরি। তাই কেন আপনার অতিরিক্ত পরিমাণে চুল ঝরছে, তা বুঝে সঠিক উপায়ে যত্ন নেওয়া শুরু করুন।

চুল পড়া রোধ করতে এই কথা অনেকেই মনে করেন যে, পেঁয়াজের রস নিয়মিত স্ক্যাল্পে লাগালে চুল পড়া তো কমেই, সেই সঙ্গে নতুন করে চুলও গজায়! তাই হেয়ার রিগ্রোথের আশায় নিয়মিত পেঁয়াজের রস লাগানো শুরু করেন। এই ধারণা কি সত্যি? তা খতিয়ে দেখেন না অধিকাংশই। চলুন জেনে নেই চুল পড়া রোধে আদৌ পেঁয়াজের রস কাজ করে কি না।

পেঁয়াজের রসে কাজ হবে? কী জানালেন গবেষণায়-

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, পেঁয়াজের রস নিয়মিত স্ক্যাল্পে মালিশ করলে কি চুল পড়া কমে কিংবা নতুন করে চুল গজায়? এই বিষয়ে গবেষণায় কী তথ্য পাওয়া গিয়েছে, এবার তা জানা যাক। দ্য জার্নাল অফ ডার্মাটোলজিতে প্রকাশিত ২০০২ সালে একটি গবেষণাপত্রে এই বিষয়ে উল্লেখ পাওয়া যায়।

৩৮ জন পুরুষ ও মহিলার ওপরে চালানো হয় সেই পরীক্ষা। তারা প্রত্যেকেই `অ্যালোপেসিয়া এরিয়াটা`-তে আক্রান্ত ছিলেন। ফলে অতিরিক্ত চুলও পড়ছিল। পরীক্ষা চলাকালীন ৩৮ জনকে দুটি দলে ভাগ করে নেওয়া হয়। তাদের ২ মাস ধরে দিনে ২ বার করে পেঁয়াজের রস লাগানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। তারা সেই পরামর্শ মেনে চলেন। কয়েক সপ্তাহ পর থেকে পরিবর্তন চোখে পড়তে শুরু করে। প্রথমে ১৭ জন এবং পরে ২০ জনেরই নতুন করে চুল গজিয়েছিল বলে দাবি করা হয় ওই গবেষণায়।

অ্যালোপেসিয়া এরিয়া-

অযত্ন-দূষণের কারণে চুল ওঠার সঙ্গে কিন্তু অ্যালোপেসিয়া এরিয়াটার কোনও সম্পর্ক নেই। তাই এই অসুখের বিষয়ে আপনার জেনে রাখা প্রয়োজন। অ্যালোপেসিয়া এরিয়াটা এক ধরনের অটোইমিউন ডিসঅর্ডার।

AADA-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, এই অসুখে ইমিউনিটি সিস্টেম হেয়ার ফলিকলকে আক্রমণ করে। ফলে সেই স্থানে চুল উঠে যায়। এই অসুখে আক্রান্ত হলে খুব অল্প বয়সেও টাক পড়ে যেতে পারে।

ন্যাশনাল লাইব্রেরি অফ মেডিসিনে প্রকাশিত গবেষণায় এই অসুখের লক্ষণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এই অসুখে আক্রান্ত হলে শুধুই স্ক্যাল্প থেকে চুল ওঠে, এমন কিন্তু নয়। বরং শরীরের যে কোনও অংশ থেকেই হেয়ার প্যাচ উঠে আসতে পারে! পুরুষ-মহিলা নির্বিশেষে যে কেউ এই অসুখে আক্রান্ত হতে পারেন। তাই প্রথম থেকে উপসর্গগুলো নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

এই পার্থক্যটি বোঝা জরুরি-

নিয়মিত পেঁয়াজের রস লাগালে অ্যালোপেসিয়া এরিয়াটা নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে কিংবা টাকে নতুন করে চুল গজাতে পারে বলে দাবি করা হয় ওই গবেষণায়। তবে আপনার যদি অন্য কোনও কারণে চুল ঝরতে থাকে, তাহলে পেঁয়াজের রস মালিশে যে তা নিয়ন্ত্রণে আসবে, এমন কোনও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। একাধিক প্রাচীন পুঁথিতে এমন উল্লেখ পাওয়া গিয়েছে শুধু।

প্রসঙ্গত, অ্যালোপেসিয়া এরিয়াটা এক ধরনের অটো ইমিউন ডিজিজ। তাই এই রোগের লক্ষণ দেখলে কোনও ঘরোয়া টোটকা কাজে না লাগিয়ে সরাসরি চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

যেভাবে ব্যবহার করবেন পেঁয়াজের রস-

আপনি চুলের ঘনত্ব বাড়াতে পেঁয়াজের রস ব্যবহার করতে পারেন। একটি আস্ত পেঁয়াজ মিহি করে বেটে নিন। তারপর সাদা কাপড়ে পেঁয়াজের রস ছেঁকে নিন। এই পেঁয়াজের রস আপনার স্ক্যাল্পে ও চুলের গোড়ায় ভালো করে মালিশ করুন। তারপর ১ ঘণ্টা অপেক্ষা করে শ্যাম্পু করে নিন। সপ্তাহে ৩ দিন এই নিয়ম মেনে চললেই উপকার মিলবে। কিন্তু আপনার স্ক্যাল্পে কোনও সংক্রমণ থাকলে পেঁয়াজের রস লাগানোর আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভালো।

সংসারের খরচ কমানোর ১০ উপায়
                                  

উপার্জনের একটি নির্দিষ্ট অংশ ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয় করা ভীষণ জরুরি। তবে জিনিসপত্রের ঊর্ধ্বগতির কারণে দেখা যাচ্ছে কিছুই জমানো সম্ভব হচ্ছে না। কিছুতেই রাশ টেনে ধরা যাচ্ছে না সংসারের খরচের। এক খাতে খরচের লাগাম টেনে ধরলে বেড়ে যাচ্ছে অন্য খাতে। আয়ের তুলনায় ব্যয়ের মিল নেই। তাই মাস শেষে ভোগান্তিতে পড়ছেন অনেকে। এমতাবস্থায় একটু পরিকল্পনা করে চলার বিকল্প নেই। কীভাবে দৈনন্দিন খরচ কমাবেন সে বিষয় জানা থাকলে কিছুটা হলেও ব্যয় কমানো সম্ভব হবে।

জেনে নিন কিছু উপায়-
১. অফিসে যাওয়ার জন্য হেঁটেই বাসস্ট্যান্ডে যান। রিকশা ভাড়া বাঁচান। সকালের হাঁটা হয়ে যাবে। তবে কিছুটা সময় হাতে নিয়ে বের হতে হবে। আবার অফিস থেকে ফেরার পথে বাস থেকে নেমে রিকশায় না চড়ে হেঁটেই বাড়ি ফিরুন। প্রতিদিনের সামান্য টাকা মাস শেষে বড়ই হবে।

২. মাসের শুরুতেই বাজেট বানান। সেই বাজেট থেকে ফের কাটছাঁট করুন। তার পরেও কেনার সময়ে দরদাম করে কিনলে দেখবেন কিছুটা পয়সা বাঁচবে।

৩. অযথা অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনবেন না। কেনাকাটা করার সময় প্রয়োজনের কথা ভেবেই কিনুন। যেখানে একটু কমদামে কেনাকাটা করা যাবে সময় নিয়ে সেখান থেকে কেনাকাটা করুন।

৪. মাসের খরচের বাজেটা করুন এই মাসের ৫ তারিখ থেকে পরবর্তী মাসের ৫ তারিখ পর্যন্ত। এভাবে সময় বাড়িয়ে বাজেট করলে ঝামেলা ও খরচ দুটোই কম হবে।

৫. যে জিনিস পরেও কাজে লাগবে, তা একসঙ্গে বেশি করে কিনুন। মূল্য ছাড়ের সময় একসঙ্গে বেশি করে কেনাকাটা করে রেখে দিতে পারেন। কোথায় কী কিনলে ছাড় মিলছে খোঁজ রাখুন। কুপন পেলে রেখে দিন। পরবর্তী সময়ে তা দিয়েই কেনাকাটা করুন। তবে অদরকারি জিনিস কিনবেন না মোটেই।

৬. অনলাইন কেনাকাটায় অনেক ধরনের ছাড় থাকে। সে সবের খোঁজখবর রাখুন। অনলাইন কেনাকাটায় খরচ কম পড়ে।

৭. দামি দামি রেস্তোরাঁয় খাওয়ার অভ্যাস বাদ দিন। বিশেষ অফার চলছে কিংবা ছাড় পাওয়া যাবে এমন রেস্তোরাঁর খোঁজখবর রাখুন। পরিবার নিয়ে খেতে হলে সে সব জায়গায় যান।

৮. অতি প্রয়োজন না হলে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করা বাদ দিন। সুদের হার অনেক বেশি। মাসের শুরুতে বাজেট করে সেই টাকার মধ্যে কেনাকাটার চেষ্টা করুন।

৯. সেভিংস অ্যাকাউন্টে সামান্য হলেও নিয়মিত টাকা রাখুন। এটা অটোমেটিক ট্রান্সফার হলে ভালো হয়। প্রতি মাসের শুরুতেই নির্দিষ্ট অর্থ মিউচুয়াল ফান্ড বা অন্য কোথাও বিনিয়োগ করুন।

১০. যেদিন নিমন্ত্রণ থাকবে সেদিন বাড়িতে রান্নাবান্নার ঝামেলা কম করুন। আর গিফট কখনো বাজেটের বাইরে গিয়ে কিনবেন না।

ভ্যানিলা কাপকেক তৈরির রেসিপি
                                  

আড্ডা কিংবা টিফিনে কাপকেক থাকলে জমে বেশ। ভ্যানিলা কাপকেক খেতে অনেকেই পছন্দ করেন। দোকান থেকে এই কেক তো কিনে খাওয়াই হয়, চাইলে তৈরি করতে পারেন ঘরেও। এতে স্বাস্থ্যকর এবং সাশ্রয়ীও হবে। বাড়িতে ভ্যানিলা কাপকেক তৈরির জন্য খুব বেশি উপকরণেরও দরকার নেই। মাত্র কয়েকটি উপকরণ দিয়েই তৈরি করতে পারবেন এই কেক। চলুন জেনে নেওয়া যাক রেসিপি-

 

তৈরি করতে যা লাগবে

ময়দা- ১ কাপ

 

কর্নস্টার্চ- ১ টেবিল চামচ

বেকিং পাউডার- ১ চা চামচ


বেকিং সোডা- ১/২ চা চামচ

বাটার- ১/২ কাপ

চিনি- ১/২ কাপ

ডিম- ২টি

তরল দুধ- ১/৪ কাপ

ভ্যানিলা এসেন্স- দেড় চা চামচ

লবণ- ১/৮ চা চামচ।

 

যেভাবে তৈরি করবেন

প্রথমে ওভেন ৩৫০ ডিগ্রি ফারেনহাইট অথবা ১৭৬ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে প্রিহিট করে নিন। এরপর একটি পাত্রে ড্রাই ইনগ্রেডিয়েন্টস যেমন ময়দা, কর্নস্টার্চ, বেকিং পাউডার, বেকিং সোডা এবং লবণ একসঙ্গে নিয়ে চালুনিতে ২ থেকে ৩ বার করে চেলে নিন। আলাদা পাত্রে বাটার নিয়ে রুম টেম্পারেচারে কিছুক্ষণ রেখে কিছুটা নরম হলে ইলেকট্রিক বিটারে বিট করে নিন। বিট করতে করতে বাটার মসৃণ হয়ে গেলে চিনি এবং ভ্যানিলা এসেন্স দিয়ে আবারও বিট করুন যতক্ষণ না বাটার ও চিনির মিশ্রণ বেশ ফ্লাফি হয়ে যায়।

এবার এই মিশ্রণে প্রথমে ১টি ডিম দিয়ে কিছুক্ষণ বিট করুন। এরপর বাকি ১টি ডিম দিয়ে আবার কিছুক্ষণ বিট করুন। সবশেষে মিশ্রণটিতে দুধ দিয়ে সামান্য বিট করে আবার সব একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবার এই তরল মিশ্রণে আগে থেকে চেলে রাখা ড্রাই উপাদানগুলো তিনবারে ঢেলে চামচ বা স্পাচুলার সাহায্যে সব একসঙ্গে হালকা হাতে মিশিয়ে নিন। কেকের ব্যাটার তৈরি।

এবার কাপকেকের মোল্ডে কাপকেক লাইনার বসিয়ে পরিমাণমতো কেকের ব্যাটার নিয়ে মোল্ডগুলোর দুই তৃতীয়াংশ পূরণ করুন। এরপর পুরো মোল্ডটি ধরে হালকা ট্যাপ করে নিন। এখন প্রিহিটেড ওভেনে মোট ২০ থেকে ২২ মিনিট কেক বেক করে নিন। এরপর টুথপিক দিয়ে কেক চেক করে নিন। টুথপিকের মাথা পরিষ্কার থাকলে বুঝবেন কেক হয়ে গেছে আর যদি টুথপিকের মাথা ক্লিন না থাকে তাহলে আরো কিছুক্ষণ বেক করুন। কেক বেক করা হয়ে গেলে ওভেন থেকে বের করে টাওয়েল দিয়ে কিছুক্ষণ ঢেকে রেখে দিন। এরপর পরিবেশন করুন মজাদার কাপ কেক।

ত্বক ও চুলের জন্য মিষ্টি আলুর ৫ উপকারিতা
                                  

মিষ্টি আলু আমাদের পরিচিত একটি সবজি। এটি পুষ্টিতে ভরপুর থাকে। যে কারণে মিষ্টি আলু খেলে নানা ধরনের অসুখ থেকে দূরে থাকা যায়। শুধু তাই নয়, আমাদের সৌন্দর্যের ক্ষেত্রেও এর ভূমিকা রয়েছে। এই সবজি খাওয়ার মাধ্যমে কীভাবে আপনার ত্বক এবং চুলের স্বাস্থ্যের উন্নতি হতে পারে, চলুন জেনে নেওয়া যাক।

আমরা সবাই জানি যে নিয়মিত শাক-সবজি খেলে তা আমাদের স্বাস্থ্যকর এবং উজ্জ্বল ত্বক পেতে সাহায্য করে। বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি খাওয়াও গুরুত্বপূর্ণ। এতে বিভিন্ন পুষ্টি গ্রহণ নিশ্চিত করা যায়। শাক-সবজি ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য বিভাগগুলোর মধ্যে একটি। তার মধ্যে একটি হলো মিষ্টি আলু। এটি বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা দিয়ে পরিপূর্ণ যা আপনার ত্বক ও চুলের জন্য অনেক উপকারিতা নিয়ে আসে।

সূর্যের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে

মিষ্টি আলু হলো বিটা ক্যারোটিনের অন্যতম সেরা উৎস। এই বিটা ক্যারোটিন হলো একটি যৌগ যা পরে সক্রিয় ভিটামিন এ-তে রূপান্তরিত হয়। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বককে সূর্যের ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে কাজ করে। তাই সূর্যের ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতে নিয়মিত মিষ্টি আলু রাখুন খাবারের তালিকায়।


ত্বক উজ্জ্বল করে

ত্বকের উজ্জ্বলতা কে না চায়? কিন্তু নানা কারণে আমাদের ত্বক ম্লান হতে থাকে। আপনি যদি নিয়মিত মিষ্টি আলু খান তবে তা ত্বক উজ্জ্বল করতে সাহায্য করবে। সেইসঙ্গে মিষ্টি আলুতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফ্রি র‌্যাডিক্যালের ক্ষতি কমাতেও সাহায্য করবে। এতে ত্বক ভালো থাকে দীর্ঘ সময়।


মিষ্টি আলুতে ভিটামিন সি থাকে। এই ভিটামিন কোলাজেনের সংশ্লেষণে মুখ্য ভূমিকা পালন করে, যা ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা এবং অন্যান্য দিককে প্রভাবিত করে। ভিটামিন এ বলিরেখা এবং শুষ্ক ত্বক প্রতিরোধ করতেও পরিচিত। তাই আপনি যদি কোমল এবং তারুণ্যময় ত্বক চান, তাহলে আপনার খাদ্যতালিকায় এই সবজি যোগ করা উচিত।

দাগ কমাতে সাহায্য করতে পারে

মিষ্টি আলুতে রয়েছে অ্যান্থোসায়ানিন যাতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এগুলো ত্বকের দাগ এড়াতে সাহায্য করে। গবেষণায় আরও দেখা যায়, এই আলুতে ক্যান্সার বিরোধী প্রভাব থাকে।


চুলের জন্য উপকারী

মিষ্টি আলুর বিটা-ক্যারোটিন উপাদান চুল পড়া এবং চুল পাতলা হওয়ার সমস্যা কমাতেও সাহায্য করতে পারে। ভিটামিন এ এবং সি ছাড়াও, এই সবজিতে থাকে ভিটামিন বি এবং ই। এর পাশাপাশি পটাসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ ইত্যাদির মতো খনিজও থাকে এই মিষ্টি আলুতে। এই পুষ্টিগুণ স্বাস্থ্যের পাশাপাশি আপনার চুলও ভালো রাখে।

মিষ্টি আলুর ব্যবহার

মিষ্টি আলু দিয়ে স্ন্যাকস, স্যুপ, সবজি ইত্যাদি তৈরি করে খেতে পারেন। পুষ্টি বজায় রাখার জন্য এই আলু বেক করা বা পুড়িয়ে খাওয়া ভালো। মিষ্টি আলু ভাজলে কেবল ক্যালোরির পরিমাণই বাড়বে না, সেইসঙ্গে খাবারের সামগ্রিক পুষ্টির মানও হ্রাস পাবে। মিষ্টি আলু দিয়ে রূপচর্চা করলেও উপকার পাবেন। এটি মাস্ক হিসেবেও ব্যবহার করা যায়।

ত্বকের যত্নে ‘ভিটামিন সি’ নিয়ে যা জানা দরকার
                                  

আমাদের সবারই জানা আছে যে, ভিটামিন সি ত্বকের জন্য উপকারি। স্কিনকেয়ারের অপরিহার্য উপাদানের মধ্যে ভিটামিন সি একটি গেম-চেঞ্জার। এই উপাদানটি দ্রুতই আপনার ত্বককে উজ্জ্বল করে তুলে। ভিটামিন সি, একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। ত্বকের কোলাজেন উত্পাদনে বিশেষ ভূমিকা রাখে। হাইপারপিগমেন্টেশন কমাতে সাহায্য করে। ক্ষতিকর ফ্রি র‍্যাডিকালগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করে। পরিবেশগত ক্ষতি থেকে ত্বককে রক্ষা করে। কিন্তু ভিটামিন সি নিয়ে কিছু ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে। তাই এর ভুল ব্যবহার বিধির কারণে আপনি সঠিক ফলাফল নাও পেতে পারেন।


অনেকের মতে, ভিটামিন সি সানস্ক্রিন প্রতিস্থাপন করতে পারে। এটি একটি ভুল ধারণা। ভিটামিন সি কিছু সূর্যের আলো থেকে সুরক্ষা সরবরাহ করতে পারে। তবে ক্ষতিকর ইউভি রশ্মি থেকে আপনার ত্বককে রক্ষা করতে পারে না। ভিটামিন সি প্রত্যক্ষভাবে ত্বকে কাজ করে না। এটি অন্য উপাদানের শোষণ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। যায় ফলে ত্বকে অন্যান্য পণ্যের উপাদানগুলো ভালমত প্রবেশ করে।

ত্বকের যত্নে অনেকেই বেশি পরিমাণে ভিটামিন সি ব্যবহার করেন। এতে উপকারের চেয়ে ক্ষতি বেশি হবে। অত্যধিক ভিটামিন সি আপনার ত্বকে জ্বালাপোড়ার সৃষ্টি করতে পারে। তাই এর ব্যবহারের পরিমাণের নিয়ে সতর্ক থাকুন। মনে রাখবেন, ভিটামিন সি তাত্ক্ষণিকভাবে গভীর বলিরেখা মুছে ফেলতে পারে না। সূক্ষ্ম রেখাগুলোর উপস্থিতি কমাতে পারে। তবে তার জন্য সময় লাগে। এই উপাদানটি সকাল এবং রাত, দুই সময়েই ব্যবহার করতে পারবেন।

ত্বকের যত্নের ক্ষেত্রে ভিটামিন সি সত্যিই জাদুকরী। সঠিকভাবে ব্যবহার করলে আপনার ত্বক উজ্জ্বল হয়ে ওঠবে। তাই সঠিক উপায়ে এটি আপনার ত্বকে প্রয়োগ করুন। পরিমাণের দিকে খেয়াল রাখুন।

সূত্র- বোল্ডস্কাই

পান পাতার হরেক রকম স্বাস্থ্যগুণ
                                  

পান খেতে ভালোবাসেন, এমন মানুষের সংখ্যা নেহাত কম নয়। অনুষ্ঠান বাড়ির শেষে হোক বা দোকানে গিয়ে পান খেতে দেখা যায় অনেককেই। তবে পান শুধুই মুখশুদ্ধি নয়, এই পাতার এমন কিছু গুণ রয়েছে যা শরীর ভালো রাখতে পারে। এই পাতার মধ্যে রয়েছে ভালো পরিমাণে ট্যানিন, প্রোপেন, অ্যালকালয়েড, ফেনাইল ইত্যাদি। এবার এই সমস্যা যৌগ শরীর ভালো রাখতে পারে। এক্ষেত্রে প্রদাহ কমানোর পাশাপাশি ব্যথাও কমাতে পারে এই যৌগ।

এ নিয়ে লাইফস্টাইল বিষয়ক এক ওয়েবসাইটে জানানো হয়, চিকিৎসকদের মতে, পান দূরে রাখতে পারে অনেক ধরনের শারীরিক সমস্যাও।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, পান পাতার স্বাস্থ্যগুণ-

মুখের স্বাস্থ্য বজায় রাখে : পান পাতায় রয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্য, যা মুখের দুর্গন্ধ, দাঁত হলুদ হওয়া, প্লাক এবং দাঁতের ক্ষয় হওয়া আটকায়। দুপুরের খাবারের পর পান চিবিয়ে খেলে মুখের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। দাঁতের ব্যথা, মাড়ির ব্যথা, ফোলাভাব এবং ওরাল ইনফেকশনও দূর করতে পারে পান পাতা। পুষ্টিবিদদের মতে, পানে অ্যান্টিসেপটিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা মুখে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি রোধ করে।

শ্বাসতন্ত্রের জন্য উপকারী : সর্দি-কাশি সারাতেও পান বেশ উপকারী। আয়ুর্বেদে কাশি, ব্রঙ্কাইটিস এবং হাঁপানির মতো শ্বাসকষ্টের রোগের চিকিৎসায় পান ব্যবহৃত হয়। পান পাতা এই সব সমস্যায় খুব কার্যকর।

কোষ্ঠকাঠিন্য সারায় : পান পাতা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পাওয়ার হাউস। যা শরীরে পিএইচ লেভেল স্বাভাবিক রাখে এবং পেটের সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়। বিশেষ করে, যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা আছে, তাদের জন্য পান খুব উপকারী। পান পাতা পিষে সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন সকালে পানিটা ছেঁকে খালি পেটে পান করুন।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে : পানে রয়েছে অ্যান্টি-হাইপারগ্লাইসেমিক গুণ, যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। পান রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বাড়তে বাধা দেয়। টাইপ ২ ডায়াবেটিস রোগীরা সকালে খালি পেটে পান পাতা চিবিয়ে খেলে উপকার পাবেন।

হজমে সাহায্য করে : পান খেলে হজম ভালো হয়। গ্যাস, অম্বলের সমস্যাও কমে। গ্যাসট্রিকের ব্যথা কমাতেও সাহায্য করে পান পাতা।

বাতের ব্যথা কমায় : পানে রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বা প্রদাহ বিরোধী বৈশিষ্ট্য, যা হাড় এবং জয়েন্ট পেইন বা গাঁটে গাঁটে ব্যথা থেকে স্বস্তি দেয়। আর্থ্রাইটিস, অস্টিওপরোসিসের ব্যথা কমাতেও সাহায্য করে পান পাতা।

মানসিক চাপ কমায় : পান চিবিয়ে খেলে স্ট্রেস, মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি মেলে। এটি শরীর ও মনকে রিল্যাক্স করে। ঘন ঘন মুড স্যুইং হওয়া আটকায়।

যে ১০ খাবার ব্লেন্ডারে দিলেই বিপদ
                                  

ব্লেন্ডার, নিঃসন্দেহে রান্নাঘরের একটি প্রয়োজনীয় উপাদান। আজকাল মশলা পিষার কাজ এই ব্লেন্ডারই করা হয়ে থাকে। এ ছাড়াও, স্মুদি, স্যুপ এবং সস তৈরিতেও ব্লেন্ডার ব্যবহার করা হয়। কিন্তু আপনি কি জানেন কিছু খাবার ব্লেন্ডার-বান্ধব নয়? এ সব খাবার ব্লেন্ড হওয়ার পরিবর্তে বিপর্যয় ঘটাতে পারে। তাই এ সব খাবার ব্লেন্ডারে দেওয়ার আগে ভেবে নিন।


আইসক্রিম

মিল্কশেক বানাতে আইসক্রিমের দরকার হয়। আর এই মজাদার পানীয়টি অনেকেই বাসায় বানিয়ে থাকেন। তবে আইসক্রিম ব্লেন্ডারে দেওয়ার আগে একটু ভেবে নিন। কারণ অতিরিক্ত ঠাণ্ডা ব্লেন্ডারের মোটরের ক্ষতি করতে পারে। ঘন জিনিস ভাঙতে আপনার মিক্সারকে লড়াই করতে হয়। তাই আইসক্রিম গলিয়ে ব্লেন্ড করুন।

কাঁচা আলু

আলু ব্লেন্ডারে দিলে এর স্বাদ হারায়। ব্লেন্ড করে কাঁচা আলু মিশ্রিত করলে এক ধরণের তিক্ত স্বাদ দেয়। তাই এটি সাধারণ ভাবেই রান্না করুন।

গরম পানীয়

গরম পানীয় ব্লেন্ডারে দেওয়া বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে। ব্লেন্ডারে বাষ্প চাপ তৈরি করতে পারে। যার ফলে ঢাকনাটি বন্ধ হয়ে যায়। তাই ঠাণ্ডা করে এ সব পানীয় ব্লেন্ডারে দিন। অথবা গরম পানীয়র জন্য ডিজাইন করা ব্লেন্ডার ব্যবহার করুন।

মশলা

সাধারণ ব্লেন্ডারে মশলা ব্লেন্ড করতে যাবেন না। এতে ব্লেন্ডারের ব্লেডের ক্ষতি হতে পারে। এ ক্ষেত্রে, মশলা গ্রাইন্ডার বা মর্টার এবং পেস্টল নির্বাচন করুন।

শুকনো চাল

সরাসরি শুকনো চাল ব্লেন্ডারে দেবেন না। এতে ব্লেড নষ্ট হয়ে যায়। আপনার ব্লেন্ডার সময়ের সাথে সাথে নিস্তেজ হয়ে যেতে পারে।

শাকসবজি

তাজা এবং কোমল শাকসবজি ব্লেন্ডারে দিতে পারেন। এর সাথে অবশ্যই কিছু পানি ব্যবহার করবেন। এতে একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি হবে। শক্ত শাকসবজি ব্লেন্ডারে দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।

শক্ত বীজ

এপ্রিকট বা চেরির মতো ফল ব্লেন্ড করার সময় সতর্ক থাকুন। এগুলোতে থাকা শক্ত বীজগুলো বের করে নিন। এসব বীজ ব্লেন্ডারের ব্লেডের ক্ষতি করতে পারে। তাই বীজ বের করে এগুলো ব্লেন্ড করুন।

অতিরিক্ত পাকা কলা

অতিরিক্ত পাকা কলা বেকিংয়ের জন্য দুর্দান্ত। কিন্তু স্মুদি বানাতে গেলে তা বেশি চটচটে হয়ে যায়। তাই ব্লেন্ডারে দেওয়ার আগে কলা কিছুক্ষণ ফ্রিজে রেখে নিন।

কার্বনেটেড পানীয়

কার্বনেটেড পানীয়গুলো ব্লেন্ডারে দিলে বিশৃংখলা সৃষ্টি করতে পারে। আপনার রান্নাঘরের বিস্ফোরণ ঘটাবে। অতিরিক্ত সোডা থাকায় এমনটি হবে।

বাদামের মাখন

বাদামের মাখনগুলো সাধারণত ব্লেন্ডারেই বানানো হয়। তবে এ ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। কারণ মাখন বানানোর সময় গরম বাদাম গুঁড়ো করতে হয়। যা সাধারণ ব্লেন্ডারের জন্য উপযুক্ত না। এই কাজের জন্য একটি উন্নত মানের ফুড প্রসেসর ব্যবহার করুন।

সূত্র- বোল্ডস্কাই

ব্যাক পেইন থেকে মুক্তি দেবে পাঁচ খাবার
                                  

ব্যাক পেইন বা পিঠে ব্যথা আজকাল সাধারণ সমস্যাগুলোর মধ্যে একটি। অনেকেই পিঠের নীচের অংশে ব্যথা অনুভব করেন। অনেক সময় ভুল অবস্থানে বসে থাকার কারণেও পিঠে ব্যথা হয়। এ ছাড়া, শরীরে পুষ্টির অভাবের কারণেও জয়েন্টে ব্যথা করে। পিঠে ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন যে, নিয়মিত ব্যায়াম করা উচিত। এটি কেবল ব্যথা থেকে মুক্তি দেবে না। বরং পেশীগুলোকেও শক্তিশালী করবে। তারা কিছু খাবারও খেতে বলেন। যেগুলোতে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। প্রয়োজনীয় পুষ্টি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। তাই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় এ সব খাবার রাখার চেষ্টা করুন। এতে আপনি স্বাস্থ্যকর এবং ব্যথামুক্ত জীবন পাবেন।


ওমেগা -৩ ফ্যাটি অ্যাসিড

মাছ, বাদাম, আখরোট, ফ্লেক্স বীজ, চিয়া বীজ ওমেগা -৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার। এগুলো নিয়মিত খাওয়ার অভ্যাস করুন। এ সব খাবার হাড় মজবুত রাখে। খাবারে অলিভ অয়েল ও সরিষার তেল ব্যবহার করতে পারেন। যার ফলে আপনি পিঠে ব্যথা থেকে মুক্তি পাবেন।

অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি খাবার

খাবারে সীমিত পরিমাণে আদা, দারুচিনি ও লাল মরিচ ব্যবহার করতে পারেন। এগুলো প্রদাহ কমাতে পারে। মশলার মধ্যে, হলুদ বেশ উপকারি। এতে কারকিউমিন নামক একটি যৌগ রয়েছে। এটি যে কোনও জয়েন্টের ব্যথার প্রতিকার হিসেবে কাজ করে। অন্যদিকে, আদা এবং রসুনে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যা আর্থ্রাইটিস বা জয়েন্টের ব্যথা উপশম করতে সহায়তা করে।

প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার

শরীরে প্রোটিনের অভাবের কারণে ব্যথা অনুভব হতে পারে। এজন্য আপনার ডায়েটে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। ডিম, দুধ, মসুর ডাল খান। এসব খাবার পেশী বিকাশে সহায়তা করে। পিঠে ব্যথার সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

সবুজ শাকসবজি

পিঠে ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে, নিয়মিত সবুজ শাকসবজি খান। ব্রোকলি, ফুলকপি, বাঁধাকপি এবং পালং শাক অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। এগুলো ভিটামিন-এ, ভিটামিন-সি এবং ভিটামিন-কে সমৃদ্ধ। যা প্রদাহ কমাতে সহায়তা করে। এ সব খাবারে সালফোরাফেন নামে একটি যৌগও রয়েছে। যা জয়েন্টে ব্যথা এবং প্রদাহ সৃষ্টিকারী এনজাইমগুলোকে বাধা দেয়। গাজর, বিটরুট এবং কুমড়োর মতো শাকসবজিও বেছে নিতে পারেন। এগুলো থেকে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাওয়া যায়। যা হাঁটু ও পিঠের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। সালাদ আকারে এসব সবজি খেতে পারেন।

ফল

আপেল, আনারস, বেরি, চেরি, আঙ্গুর এবং সাইট্রাস ফল খান। এগুলোতে ফ্ল্যাভোনয়েডস এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যা ব্যথা থেকে মুক্তি দেয়।

উজ্জ্বল ত্বক পেতে চান? খালি পেটে পাঁচ ফল খান
                                  

অনেকের মতে, খালি পেটে ফল খেলে ক্ষতি হয়। কিন্তু সব ক্ষেত্রে তা সঠিক নয়। কিছু ফল প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শোষণ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। এ সব ফল খালি পেটে খেলে বিপাকে সাহায্য করে। হজমশক্তি বৃদ্ধি পায়। আপনার সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে অবদান রাখবে। সকালে এই ফলগুলো স্ন্যাকস হিসেবে খেতে পারেন। সুস্বাদু স্মুদি হিসেবেও পান করতে পারেন।


কলা

কলা পটাসিয়াম সমৃদ্ধ। যা ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখতে সহায়তা করে। অকাল বার্ধক্য রোধ করে। কলাতে ডায়েটরি ফাইবার রয়েছে। পেট ফোলাভাব কমায়।

পেঁপে

পেঁপে ভিটামিন এ, সি এবং ই এর উৎস। এ সব উপাদান ত্বককে ফ্রি র্যা ডিকাল দ্বারা সৃষ্ট ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। খালি পেটে পেঁপে খেলে ত্বকের রঙ উজ্জ্বল হয়।

কমলালেবু

কমলালেবু ভিটামিন সি তে ভরপুর। যা ত্বকের কোলাজেন উত্পাদন বাড়ায়। ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখে। অনেকেই মনে করেন, খালি পেটে এই ফল খাওয়া উচিত নয়। তবে কমলালেবু খালি পেটে খেলে ত্বকের বেশ উপকার করে।

আপেল

আপেলে ক্যালোরি কম থাকে। এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে। পাচনতন্ত্র পরিষ্কার করতে সহায়তা করে। পরিষ্কার ত্বক বজায় রাখতে আপেল বেশ কার্যকর।

তরমুজ

তরমুজ হাইড্রেটিং ফল। এটি লাইকোপিন সমৃদ্ধ। যা আপনার ত্বককে সূর্যের ইউভি ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। খালি পেটে তরমুজ খেলে ত্বক সতেজ দেখায়।

তথ্যসূত্র : বোল্ডস্কাই


   Page 1 of 23
     লাইফস্টাইল
প্রিয়জনকে খুশি রাখবেন যেভাবে
.............................................................................................
ফ্রিজে যে ৪ খাবার রাখা ক্ষতিকর
.............................................................................................
পিঠে ব্রণ উঠলে কী করবেন?
.............................................................................................
রোজ গ্যাসের ওষুধ খেলে হতে পারে যেসব সমস্যা
.............................................................................................
কত কাপ গ্রিন টি`তে মিলবে ত্বকের উজ্জ্বলতা
.............................................................................................
শীত এলেই গলা ব্যথা? দূর করার ঘরোয়া উপায় জেনে নিন
.............................................................................................
শীতে ত্বক ভালো রাখার ঘরোয়া উপায়
.............................................................................................
চুল পড়া বন্ধে পেঁয়াজের রস, বিজ্ঞান কী বলছে
.............................................................................................
সংসারের খরচ কমানোর ১০ উপায়
.............................................................................................
ভ্যানিলা কাপকেক তৈরির রেসিপি
.............................................................................................
ত্বক ও চুলের জন্য মিষ্টি আলুর ৫ উপকারিতা
.............................................................................................
ত্বকের যত্নে ‘ভিটামিন সি’ নিয়ে যা জানা দরকার
.............................................................................................
পান পাতার হরেক রকম স্বাস্থ্যগুণ
.............................................................................................
যে ১০ খাবার ব্লেন্ডারে দিলেই বিপদ
.............................................................................................
ব্যাক পেইন থেকে মুক্তি দেবে পাঁচ খাবার
.............................................................................................
উজ্জ্বল ত্বক পেতে চান? খালি পেটে পাঁচ ফল খান
.............................................................................................
৩০’এ ডায়াবেটিস? এড়িয়ে চলুন এই ছয় খাবার
.............................................................................................
প্রতিদিন আমলকী খেলে ত্বকের যেসব উপকার হয়
.............................................................................................
মৌমাছির দশটি মজার তথ্য
.............................................................................................
রক্ত সঞ্চালন সঠিকভাবে বজায় রাখতে পাঁচ সুপারফুড
.............................................................................................
ডেঙ্গুজ্বরের লক্ষণ ও সতর্কতা
.............................................................................................
কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে বাঁচতে যে ৫ খাবার খাবেন
.............................................................................................
খাসির স্পেশাল রেজালা তৈরির রেসিপি
.............................................................................................
ওজন কমাবে এই ৩ খাবার
.............................................................................................
যোগব্যায়াম যেসব রোগ সারায়
.............................................................................................
যে ৫ ভিটামিনের অভাবে অকালে চুল পেকে যায়
.............................................................................................
গরমে প্রাণ জুড়াবে জামের ঠান্ডা শরবত
.............................................................................................
বয়স না বাড়লেও বুড়ো হচ্ছেন যেসব কারণে
.............................................................................................
পরিপূর্ণ সুস্থতায় চিকিৎসার পাশাপাশি প্রয়োজন ‘মেডিটেনশন’
.............................................................................................
গরমে যে রঙের পোশাক পরলে স্বস্তি মিলবে
.............................................................................................
কর্মীদের ঘুম দিবসের ছুটি দিলো যে প্রতিষ্ঠান
.............................................................................................
গরমে ডাবের পানিতেই স্বস্তি
.............................................................................................
গরমে ঘামের দুর্গন্ধ দূর হবে যেভাবে
.............................................................................................
শসার জুসেই পরিষ্কার হবে লিভার, আছে আরও উপকারিতা
.............................................................................................
সঙ্গীকে জড়িয়ে ধরলেই মিলবে সুস্থতা
.............................................................................................
ইয়ারবাড পরিষ্কার করার সহজ উপায়
.............................................................................................
শিশুর আত্মবিশ্বাস বাড়াতে যা করবেন
.............................................................................................
শীতে সর্দি-কাশির হাত থেকে বাঁচতে ডায়েটে রাখুন এই ৭টি খাবার
.............................................................................................
মৌসুমি ঠান্ডা-সর্দি সামাল দিতে কী করবেন?
.............................................................................................
‘সারা’র পোশাকে বিজয়ের গৌরবগাঁথা
.............................................................................................
শীতকালীন নানা রোগ থেকে বাঁচতে ভরসা রাখুন ৩ উপাদানে
.............................................................................................
সরিষা ফুলের বড়া তৈরির রেসিপি
.............................................................................................
দেশে ১ কোটি ৩০ লাখ মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত, অর্ধেকই নারী
.............................................................................................
হালকা শীতের মিষ্টি সকালে ভাপা পিঠা
.............................................................................................
ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ১৭ শতাংশ কমাতে পারে চা, বলছে গবেষণা
.............................................................................................
পাতিলেবুর উপকারিতা
.............................................................................................
গরমে ঘর ঠান্ডা রাখার ৭ কৌশল
.............................................................................................
ইফতারে রাখুন সুস্বাদু বাদামের লাচ্ছি
.............................................................................................
গরমের দিনে রোজায় পানিশূন্যতা দূর করবেন যেভাবে
.............................................................................................
ব্যায়াম-ডায়েট ছাড়াই ১৫ মিনিটের যে কাজে কমবে ওজন
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Dynamic Scale BD