| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * ‘শবে কদর’ হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ রজনী   * করোনা টেস্টে জালিয়াতি করে বিলাসবহুল বাড়ি নির্মাণ!   * সিলেটের সাবেক এমপি বিএনপি নেতা সেলিমের মৃত্যু   * দাম বাড়িয়েও মিলছে না আকাশপথের টিকিট   * গণপরিবহনের সঙ্গে ফিরল ঢাকার নিত্য যানজট   * পশ্চিমবঙ্গে লোকাল ট্রেন, শপিংমল, রেস্তোরাঁ, বার বন্ধ   * কোভিড-১৯ এ ভারতের সাবেক মন্ত্রীর মৃত্যু   * সংসদ ভবনে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২   * মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আসছে   * ফেইসবুকে নিষিদ্ধই থাকছেন ট্রাম্প  

   লাইফস্টাইল -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ঘরে অক্সিজেন বাড়ায় যেসব গাছ

লাইফস্টাইল ডেস্ক : একটি কুসংস্কার প্রচলিত রয়েছে যে, অশ্বত্থ গাছের নিচে কখনও ঘুমাতে নেই। কিন্তু এই অশ্বত্থ গাছই আয়ু কয়েক বছর বাড়িয়ে দিতে পারে। কারণ, পৃথিবীতে যে হাতেগোনা কয়েকটি গাছ রাতে অক্সিজেন দেয়, তার মধ্যে অশ্বত্থ হলো একটি।

এছাড়া আরও কিছু গাছ আছে যেগুলো ঘরে থাকে এবং আকারে ছোট হলেও প্রচুর পরিমাণ অক্সিজেন সরবরাহ করে। জেনে নেয়া যাক এমন কয়েকটি গাছ সম্পর্কে :


অ্যালোভেরা
যেসব গাছ থেকে মানুষ সবচেয়ে বেশি উপকৃত হয়, অ্যালোভেরা তার মধ্যে শীর্ষে। বাতাস সুস্থ রাখতে নাসার ভেতরে পর্যন্ত রাখা রয়েছে এই গাছ। এর কোনো পরিচর্যা দরকার হয় না। বরং এই গাছ থেকে অনেক উপকার পাওয়া যায়। তার মধ্যে অন্যতম হল অক্সিজেন তৈরি করা এবং পরিবেশ তা ছাড়া৷

স্নেক প্ল্যান্ট
অ্যালোভেরার মতোই গুণাগুণ রয়েছে এই গাছেরও। এটিও অক্সিজেন ছাড়ে আর কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে। তাই ঘরের মধ্যে এই গাছ লাগালে উপকার পাওয়া যাবে। তাছাড়া এই গাছ দেখতেও বেশ সুন্দর। ঘরের শোভা বাড়াতেও এর জুড়ি নেই।


অর্কিড
এর সৌন্দর্যের তুলনা নেই। বিছানার পাশে অর্কিড রাখলে ঘরের সৌন্দর্যই পালটে যায়। এই গাছ অ্যালোভেরা, স্নেক প্ল্যান্ট ও অশ্বত্থ গাছের মতো অক্সিজেনও ত্যাগ করে। ফলে ঘরের বাতাস বিশুদ্ধ করতে সাহায্য করে অর্কিড।

নিম
নিমের গুণাগুণ অপরিসীম। এটিও বাতাস শুদ্ধ করতে সাহায্য করে। নিম গাছ সাধারণত বাড়ির বাইরে থাকে। কিন্তু ভেতরেও নিম গাছ লাগানো যেতে পারে। বিশেষ করে বাড়ির মাঝখানে নিম গাছ রাখলে ফল মেলে ভালো। বাতাস শুদ্ধ করা ছাড়া পোকামাকড় দূর করতেও সাহায্য করে নিম গাছ।

ঘরে অক্সিজেন বাড়ায় যেসব গাছ
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : একটি কুসংস্কার প্রচলিত রয়েছে যে, অশ্বত্থ গাছের নিচে কখনও ঘুমাতে নেই। কিন্তু এই অশ্বত্থ গাছই আয়ু কয়েক বছর বাড়িয়ে দিতে পারে। কারণ, পৃথিবীতে যে হাতেগোনা কয়েকটি গাছ রাতে অক্সিজেন দেয়, তার মধ্যে অশ্বত্থ হলো একটি।

এছাড়া আরও কিছু গাছ আছে যেগুলো ঘরে থাকে এবং আকারে ছোট হলেও প্রচুর পরিমাণ অক্সিজেন সরবরাহ করে। জেনে নেয়া যাক এমন কয়েকটি গাছ সম্পর্কে :


অ্যালোভেরা
যেসব গাছ থেকে মানুষ সবচেয়ে বেশি উপকৃত হয়, অ্যালোভেরা তার মধ্যে শীর্ষে। বাতাস সুস্থ রাখতে নাসার ভেতরে পর্যন্ত রাখা রয়েছে এই গাছ। এর কোনো পরিচর্যা দরকার হয় না। বরং এই গাছ থেকে অনেক উপকার পাওয়া যায়। তার মধ্যে অন্যতম হল অক্সিজেন তৈরি করা এবং পরিবেশ তা ছাড়া৷

স্নেক প্ল্যান্ট
অ্যালোভেরার মতোই গুণাগুণ রয়েছে এই গাছেরও। এটিও অক্সিজেন ছাড়ে আর কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে। তাই ঘরের মধ্যে এই গাছ লাগালে উপকার পাওয়া যাবে। তাছাড়া এই গাছ দেখতেও বেশ সুন্দর। ঘরের শোভা বাড়াতেও এর জুড়ি নেই।


অর্কিড
এর সৌন্দর্যের তুলনা নেই। বিছানার পাশে অর্কিড রাখলে ঘরের সৌন্দর্যই পালটে যায়। এই গাছ অ্যালোভেরা, স্নেক প্ল্যান্ট ও অশ্বত্থ গাছের মতো অক্সিজেনও ত্যাগ করে। ফলে ঘরের বাতাস বিশুদ্ধ করতে সাহায্য করে অর্কিড।

নিম
নিমের গুণাগুণ অপরিসীম। এটিও বাতাস শুদ্ধ করতে সাহায্য করে। নিম গাছ সাধারণত বাড়ির বাইরে থাকে। কিন্তু ভেতরেও নিম গাছ লাগানো যেতে পারে। বিশেষ করে বাড়ির মাঝখানে নিম গাছ রাখলে ফল মেলে ভালো। বাতাস শুদ্ধ করা ছাড়া পোকামাকড় দূর করতেও সাহায্য করে নিম গাছ।

যেসব ব্যায়াম জরুরি করোনা থেকে সুস্থ হওয়ার পর
                                  

অনলাইন ডেস্কঃ করোনা থেকে সেরে ওঠার পর শরীরে নানারকম সমস্যা দেখা দেয়। কারো কম, কারো-বা বেশি। একেকজনের একেকরকম উপসর্গ। এর মধ্যে ব্যায়াম করা কি উচিত? কী ধরনের ব্যায়াম করলে শরীরের উপকার হবে? এ ধরনের নানা প্রশ্ন ঘুরতে থাকে অনেকের মনে। চলুন জেনে নেওয়া যাক করোনাপরবর্তী ব্যায়াম কতটা উপকারী।

যেটা প্রথমেই মাথায় রাখতে হবে, সেটা হলো আপনার শরীর। যেহেতু একেক জনকে একেক রকম ভাবে আক্রমণ করছে, তাই নিজের শরীর নিজেকেই বুঝে নিতে হবে। ধরুন আপনার আগের তুলনায় এখন শারীরিক সমস্যা কম। অনেকটাই সুস্থবোধ করছেন। কিন্তু আরো কিছুদিন দেখুন অল্পতে ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন কি-না। সে ক্ষেত্রে খুব হালকা ব্যায়াম করতে পারেন। কিন্তু যদি ব্যায়াম করতে গিয়ে মনে হয়, শরীরের ওপর চাপ বেশি পড়ছে, তাহলে কিছুদিন বিশ্রাম নিন। প্রয়োজনে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিতে পারেন। যদি ডাক্তার বলেন আপনি দিনে ব্যায়াম করতে পারেবন তবে জেনে নিন কি ধরনের ব্যায়াম করা যাবে।

বাড়ির মধ্যেই কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করে দেখে নিন কতটা হাঁপিয়ে যাচ্ছেন। যদি মনে হয় পারবেন, তাহলে স্পট ওয়াকিং বা এক জায়াগায় হাঁটতে পারেন। তবে সেটা ১০-১২ মিনিটের বেশি নয়।

সিটিং মার্চ
যদি দেখেন হাঁটতে কষ্ট হচ্ছে, তাহলে একটা চেয়ারে বসুন। এক জায়গায় বসেই হাঁটার ভঙ্গিতে পা চালান। এটাকে বলে সিটিং মার্চ।

পায়ের পাতার ব্যায়াম
টিপ-টো এক্সারসাইজ বা পায়ের পাতার ব্যায়াম বসে বসেই করতে পারবেন। পায়ের পাতা টানটান করুন। গোল করে ঘোরান। প্রথম ডান ডিকে দিয়ে গোল করে, তারপর বাম দিক দিয়ে। পায়ের আঙুল টানটান করুন। দাঁড়িয়ে পায়ের আঙুলে ওপর ভর দিয়ে উঁচুতে ওঠার চেষ্টা করুন। সিড়ির কয়েক ধাপ ওঠানামা করতে পারেন। সিড়ির ধাপে পা রেখে হাটু ভাঁজ করে পা স্ট্রেচ করার ব্যায়মগুলোও করে দেখে নিন আপনার কতটা অসুবিধা হচ্ছে।

স্ট্রেচিং
হালকা স্ট্রেচিং এক্সারসাইজ করতে পারেন। হাত, পা, হাঁটু, শরীরের ওপরের অংশ, শরীরের নিচের অংশ স্ট্রেচ হয়- এমন ধরনের সহজ ব্যায়াম করুন। হাত সামনের দিকে বা ওপর দিকে তোলা-নামানোর ব্যায়মগুলো করতে পারেন। এতে বেশি ক্লান্তি আসবে না।

যোগ ব্যায়াম
যোগ ব্যায়াম শরীরে পাশাপাশি মনের সুস্থাতার জন্যেই কার্যকরী। ১৫-২০ মিনিট সহজ কিছু আসন এবং নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়ামগুলো করতে পারেন।
সূত্র : আনন্দবাজার

করোনাভাইরাসের নতুন ৩ লক্ষণ
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : বিগত এক বছর ধরে করোনাভাইরাস বিশ্বব্যাপী তাণ্ডবলীলা চালিয়ে যাচ্ছে। শুরু হয়েছে করোনার দ্বিতীয় ধাপ। গত বছরের মতো আবারও নতুন করে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে করোনাভাইরাসে।

জ্বর-সর্দি-কাশি ছাড়াও করোনার বেশ কয়েকটি প্রাথমিক লক্ষণ আছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরও কয়েকটি লক্ষণ। সাধারণ হলেও এগুলো করোনার প্রাথমিক উপসর্গ হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

কয়েকটি গবেষণার ভিত্তিতে জানা গেছে, করোনার উপসর্গ হিসেবে গন্ধ না পাওয়ার পাশাপাশি শ্রবণশক্তি হ্রাস, চোখ লাল হয়ে যাওয়া এবং গ্যাস্ট্রিকের মাত্রারিক্ত সমস্যাগুলো সাধারণভাবে নেওয়া একেবারেই উচিত নয়। সাধারণ কিছু সমস্যা হতে পারে করোনা সংক্রমণের নতুন লক্ষণ।

লালচে বা গোলাপি চোখ: চীনের সমীক্ষায় দেখা গেছে, গোলাপি চোখ বা কনজেক্টিভাইটিস আইস কোভিড-১৯ সংক্রমণের লক্ষণ হতে পারে। এর ফলে চোখ লাল হয়ে ফুলে যাওয়াসহ পানিও পড়তে পারে।

সমীক্ষায় দেখা গেছে, যারা করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ধাপে নতুনভাবে সংক্রমিত হয়েছেন; তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের চোখে লালচে ভাব লক্ষ্য করা গেছে। চোখ লাল হয়ে ফুলে গেছে এমন ১২ জনের নাকের সোয়াব পরীক্ষা করে দেখা গেছে, তাদের ১১ জনই কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত।

কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, চোখ দিয়েও করোনাভাইরাস প্রবেশ করতে পারে। যাদের শরীরে এ ভাইরাস চোখ দিয়ে প্রবেশ করে; তাদের চোখে এমন লালচে ভাব হতে পারে। এরপরই ভাইরাসটি ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটায়।

বিজ্ঞানীদের মতে, করোনাভাইরাস চোখের মধ্যে থাকা অকুলার মিউকাস মেমব্রেনের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে। তবে এক্ষেত্রে ভাইরাসটি দৃষ্টিশক্তির ওপর কোনো প্রভাব ফেলতে পারে কি-না সে বিষয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন।

শ্রবণশক্তি কমে যেতে পারে: হঠাৎ করে কানে না শোনার সমস্যাকেও এ সময় হেলাফেলায় নেওয়া যাবে না- এমনটিই মত বিশেষজ্ঞদের। কারণ হঠাৎ শ্রবণশক্তি কমে যাওয়াও হতে পারে করোনা সংক্রমণের উপসর্গ।

গত সপ্তাহে ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব অডিওলজিতে প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুসারে, করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে শ্রবণশক্তি কমতে পারে। কানের মধ্যে বিরক্তিকর শোঁ শোঁ শব্দ হতে পারে এক্ষেত্রে।

কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত অনেকের ওপর পরীক্ষা করে এমন তথ্য মিলেছে। সমীক্ষা অনুসারে, করোনায় আক্রান্ত ৭ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষের মধ্যে শ্রবণশক্তি কমে যাওয়ার নমুনা পাওয়া গেছে।

গ্যাস্টিকের সমস্যা: সাধারণত সবারই কমবেশি গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থাকে। বিশেষ করে যারা জাঙ্কফুড বেশি খেয়ে থাকেন। তবে এ সমস্যাকে এখন সাধারণ না ভাবাই বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ করোনার উপসর্গ হতে পারে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা।

গবেষণায় দেখা গেছে, ডায়রিয়া এবং বমি করোনাভাইরাস সংক্রমণের লক্ষণ হতে পারে। করোনায় আক্রান্ত অনেকের শরীরেই লক্ষণটি প্রকাশ পেয়েছে।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের তথ্যানুসারে, করোনাভাইরাস শ্বসনতন্ত্রকে প্রভাবিত করে। ফলে কিডনি, যকৃত এবং অন্ত্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গেও প্রভাব ফেলে এ ভাইরাস।

এজন্য করোনায় আক্রান্ত হলে বমিভাব বা বমি হওয়া, হজমে সমস্যা এবং ডায়রিয়ার সমস্যা মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। এজন্য এসব সমস্যা সাধারণভাবে নেওয়া উচিত নয়। দীর্ঘমেয়াদী এসব সমস্যা দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।

সারাদিন এসিতে থাকার পরও ত্বকে সমস্যা, সমাধান জানুন
                                  

অনলাইন ডেস্ক : শীতের মতো গ্রীষ্মেও ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। আর্দ্রতায় ত্বক যেমন শুকিয়ে যায় আবার তেমনই দ্রুতই কালচে ছাপ পড়ে ত্বকে, ট্যান ভাব, সূর্যের তাপে ফুসকুড়ি ইত্যাদিসহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। অনেকেই মনে করেন গরমকালে ত্বকের জন্য বিশেষ যত্ন নেয়ার প্রয়োজন রয়েছে। প্রকৃত অর্থে কিছু নিয়ম মেনে চললেই গরমে ত্বক ভালো রাখা যায়-

অনেকে এসিতে থাকেন গরমে। তাদের জন্য ত্বকের যত্ন নেয়া বেশি প্রয়োজন। কেননা, দিনভর এসিতে থাকার ফলে ত্বক অনেকটা শুকিয়ে যায়। এক্ষেত্রে মেয়েরা দিন শেষে বাসায় বা বাড়ি ফিরে কখনোই মেকআপ না তুলে ঘুমাতে যাবেন না।

মেকআপ না তুলে ঘুমালে ত্বকের রোমকূপ ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থেকে মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। এছাড়া ফুসকুড়ি ব্রণ সমস্যাও একের পর এক দেখা দেয়ার সম্ভাবনা থাকে। যে কারণে দ্রুতই ত্বক নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই ত্বক পরিষ্কার রাখার জন্য লিকুইড রিমুভার বা ক্লিনজিং মিল্ক ব্যবহার করা উচিত। এরপর পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিলেই হলো।

মুখে টোনার ব্যবহার করা যেতে পারে। মুখ ধোওয়ার পর মুখ শুকিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। নিয়মিত টোনার ব্যবহার করলে ত্বকের পিএইচ ব্যালেন্স বজায় থাকে। এছাড়া ময়েশ্চারাইজ করাও যেতে পারে। তবে যে কোনো ময়েশ্চারাইজার দিয়ে নয়। এর জন্য ভালো কোনো নাইট ক্রিম ব্যবহার করুন। মুখে ভালো করে লাগিয়ে ত্বকে ৮-১০ মিনিট মালিশ করুন।

এছাড়াও ঠোঁট সুন্দর রাখতে পারেন। ঠোঁটে লাগানো লিপস্টিক তুলে নিয়ে হালকা কোনো লিপ বাম লাগিয়ে ঘুমাতে পারেন। এতে ঠোঁট শুকাবে না। পাশাপাশি হাতেও ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে পারেন।

গরমে ঘর শীতল রাখবেন যেভাবে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : একে করোনা মহামারীতে জনজীবন অতিষ্ঠ, এর মধ্যে শুরু হয়েছে গরমের অস্থিরতা। দিনে সূর্যের চোখ রাঙানী রাতেও কমছে না তাপ। এ যেন মরার উপর খাড়ার ঘা। গত কয়েকে দিন ধরেই গরমে অতিষ্ঠ রাজধানীবাসী। এমন অবস্থায় কিছু ঘরোয়া উপায়ে আপনার ঘরটিকে রাখতে পারেন শীতল।

আসুন জেনে নেয়া যাক ঘরোয়া এই টোটকাগুলো।

গাছ: ঘরে বাঁচতে পারে এমন কিছু গাছ রাখতে পারেন বাসায়। সম্ভব হলে ছায়া দিতে পারে এমন গাছ পূর্ব-পশ্চিম অনুযায়ী লাগান আপনার বাড়িতে সরাসরি সূর্যের তাপ ঢুকতে বাঁধার সৃষ্টি করবে। যার ফলে রাতে ঘর শীতল থাকবে।

ঘরে লাইটের ব্যবহার যেমন হবে: টিউব লাইট জ্বালিয়ে রাখলে ঘর গরম হয়। সম্ভব হলে কম আলোর এলইডি আলো ব্যবহার করুন। তাপ ছড়াবে কম।

পর্দা: জানালায় ভারী পর্দা ব্যবহার করুন। হালকা পর্দার ফাঁক গলে সহজেই সূযের তাপ ঘরে প্রবেশ করতে পারে।

বরফের ব্যবহার: এক বাটি বরফ নিয়ে তা স্ট্যান ফ্যানের সামনে রেখে ফ্যান চালান। কিছুক্ষণ পর যখন বরফগুলো গলতে শুরু করবে, তখন বাতাস ওই ঠান্ডা পানি শোষণ করবে এবং চারিদিকে ঠান্ডা বাতাস ছড়িয়ে পরবে। এছাড়া বালতিতেও পানি ভরে অথবা পাটের বস্তা ভিজিয়ে ঘরের এক পাশে রাখতে পারেন। এতে আপনার ঘর শীতল থাকবে।

বিছানার চাদর: বিছানার চাদর ব্যবহার করুন হালকা রঙের পাতলা সুতির কাপড়ের। এছাড়া চাদরের পরিবর্তে বিছানার উপর পাটি পেরে রাখতে পারেন। এতে ঘুমিয়ে আরাম পাবেন। ঘর মোছার সময় পানির মধ্যে লবণ মিশিয়ে ঘর মুছুন, ঘরের তাপমাত্রা অনেকটাই কমবে।

প্রাকৃতিক হাওয়া: আপনার বাড়ির যে অংশটি দিয়ে সবচেয়ে বেশি বাতাস চলাচল করে সেই পাশের জানালাগুলো খোলা রাখতে পারেন। ঘর ঠান্ডা থাকবে।

মানসিক দূরত্ব দূর হোক
                                  

 অনলাইন ডেস্কঃ দু’জন মানুষ পাশাপাশি থাকলেও তাদের মনের দূরত্ব হতে পারে শত-সহস্র আলোকবর্ষ সমান! কারণ পাশাপাশি থাকলেই তাকে সব সময় কাছে থাকা বলে না। আবার একজন পুরুষ ও একজন নারীর মানসিক গঠনেও থাকে অনেক অমিল। ফলে দু’জনের ভাবনা সব সময় মেলে না।

তাই অপরজনকে বুঝে তার সঙ্গে মানিয়ে নিতে না পারলে তৈরি হতে থাকে মানসিক দূরত্ব। এই দূরত্ব বাড়তে বাড়তে একটা সময় অনেক বেশি দূরে চলে যায়। সেখান থেকে আর ফিরে আসা সম্ভব হয় না। তাই আগেভাগেই কমিয়ে আনতে হবে মানসিক দূরত্ব। যেসব বিষয়ে ছাড় দেয়া যায় সেসবে ছাড় দিয়ে, নিজের ভেতরে ইতিবাচক পরিবর্তন এনে সম্পর্ক সুন্দর রাখা সম্ভব হতে পারে।

খোলাখুলি কথা বলুন

কোনো একটি বিষয়ে আপনি যেভাবে ভাববেন, আপনার সঙ্গী সেভাবে না-ও ভাবতে পারেন। ভাবনার এই অমিল থেকেই শুরু হয় বেশিরভাগ ভুল বোঝাবুঝি। তাই কোনো বিষয়ে নিজের মতো না ভেবে সঙ্গীর ভাবনাকেও গুরুত্ব দিন। তার কাছে জানতে চান সে সেই বিষয় সম্পর্কে কী ভাবছে।

এরপর আপনার ভাবনাও তার সঙ্গে খোলাখুলি আলাপ করুন। এতে দু’জনেই দু’জনের ভাবনা সম্পর্কে জানতে পারবেন। জোর করে নিজের ভাবনা তার ওপর চাপিয়ে দেবেন না। সঙ্গী যদি তার কোনো মত আপনার ওপর জোর করে চাপিয়ে দিতে চায়, আপনার অপছন্দ হলে তা অবশ্যই মেনে নেবেন না। কোন কারণে বিষয়টি আপনার অপছন্দ তা-ও জানিয়ে দিন। এতে করে ভুল বোঝাবুঝি অনেকটাই কমে আসবে।

সব সময় ইতিবাচক থাকুন

আপনি যদি সব সময় ইতিবাচক চিন্তা করেন তবে মন এমনিতেই ভালো থাকবে। কোনোকিছু ঘটলে আগেই মন খারাপ না করে তার ভেতরে ইতিবাচক কিছু আছে কি-না তা খুঁজে বের করুন। তাতে দেখবেন, মনের ভেতরের ভার অনেকটাই কমে আসবে। সঙ্গীর সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা রাখুন।

নেতিবাচক কিছু ভাবতে শুরু করলে তা কেবল বাড়তেই থাকবে। ফলস্বরূপ সম্পর্কে দেখা দেবে অশান্তি। নেতিবাচক চিন্তা মানসিক শান্তি কেড়ে নেয়। তাই সুখে থাকতে চাইলে কঠিন সময়েও থাকুন ইতিবাচক। সঙ্গীর খারাপ সময়ে তার পাশে থাকুন। কাঁধে হাত রেখে অভয় দিন। তাকে বোঝান, ভালোবাসা থাকলে খুব সহজেই একটি সুখি জীবন পার করা সম্ভব।

মন খুলে প্রশংসা করুন

প্রশংসা করলে মানুষের সৃজনশীলতা বাড়ে। তাই সঙ্গীকে তিরস্কার না করে তার ভালো কাজের প্রশংসা করুন। ছোটখাটো কাজগুলো সম্পর্কেও ইতিবাচক কথা বলুন। এতে সে ভালো কাজে আরও আগ্রহী হবে।

আপনার মুখের একটুখানি কথাই হয়তো তার কাছে অনেক দামী। নিজেকে সেভাবে প্রকাশ করুন। আপনি যখন তার প্রশংসা করবেন, বিনিময়ে সেও কিন্তু প্রশংসাই করতে শিখবে। এতে করে কমবে মানসিক দূরত্ব, বাড়বে পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা। মানুষটি আপনার কাছে কতটা মূল্যবান তা কথায় এবং কাজে বোঝান। এতে করে সে আপনাকে নিজের একজন বলে ভাবতে পারবে।

ভিন্ন স্বাদের ডিমের মালাইকারি
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ডিমের বিভিন্ন ধরনের পদ আমরা খেয়ে থাকি। সময় বাঁচাতে ডিমেই ভরসা সবার। তবে একঘেয়েমি ডিম ভুনা বা ডিম ভাজি খেতে খেতে অনেকেই বিরক্ত হয়ে গেছেন! তাই রুচি পাল্টাতে রান্না করুন ডিমের মালাইকারি।

অনেকেই হয়তো ভেবে থাকবেন, চিংড়ি ছাড়া আবার মালাইকারি রান্না করা যায় না-কি? এ ধারণা ভুল। ডিমের মালাইকারি খেতেও অনেক মজার। চাইলে চটজলদি রান্না করে নিতে পারেন ডিমের মালাইকারি। রইলো রেসিপি-


উপকরণ

১. ডিম ৬টি
২. টক দই ২ টেবিল চামচ
৩. পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ
৪. টমেটো কুচি আধা কাপ
৫. কাজু বাদাম ২০ গ্রাম
৬. চারমগজ (শসা, মিষ্টিকুমড়া, আখরোট বীজের মিশ্রণ) ১০ গ্রাম
৭. রসুন বাটা ৩ টেবিল চামচ
৮. আদা বাটা ১ টেবিল চামচ
৯. হলুদ গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ
১০. শুকনো মরিচের গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ
১১. ধনে গুঁড়ো আধা টেবিল চামচ
১২. গরম মশলা গুঁড়ো ১ চা চামচ
১৩. নারকেলের দুধ আধা কাপ
১৪. লবণ স্বাদ অনুযায়ী
১৫. চিনি স্বাদ অনুযায়ী
১৬. ফ্রেশ ক্রিম পরিমাণ মতো
১৭. সরিষার তেল পরিমাণ মতো


পদ্ধতি

প্রথমে ডিমগুলো সেদ্ধ করে নিন। একটি পাত্রে টক দই, লবণ, মরিচের গুঁড়ো আর সামান্য তেল দিয়ে আধা ঘণ্টা মাখিয়ে রাখুন সেদ্ধ করা ডিমগুলো।

এবার প্যানে তেল গরম করে মেরিনেট করা ডিমগুলো হালকা ভেজে নিন। প্যানে আরেকটু তেল দিয়ে পেঁয়াজ, টমেটো, কাঁচা মরিচ, কাজু বাদাম, চারমগজ ভালো করে ভেজে নিন।

মিশ্রণটি ঠান্ডা করে বেটে বা ব্লেড করে নিন। প্যানে আবারো তেল গরম করে এবার আদা-রসুন বাটা ও একে একে সব গুঁড়ো মশলা দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিন।

এরপর ভেজে বেটে রাখা মশলার মিশিয়ে আরেকটু কষিয়ে নিন। একটু পরে নারকেলের দুধ দিয়ে মশলা নেড়েচেড়ে ভেজে রাখা ডিমগুলো দিয়ে দিন।

৫ মিনিট রান্না করার পর ফ্রেশ ক্রিম আর গরম মশলা গুঁড়ো ছড়িয়ে চুলার আঁচ বন্ধ করে দিন। গরম ভাত কিংবা পোলাওয়ের সঙ্গে পরিবেশন করুন ডিমের মজাদার মালাইকারি।

ছুটির দিনে লেবু পাতায় খাসির কোরমা
                                  

ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয়ে অনেকেই খাসির মাংস খান না। তবে মাঝে মধ্যে দু’এক টুকরো তো খেতেই পারেন!

খাসির মাংসের সব পদই মুখরোচক। অনেকেই শুধু এ মাংসের ভুনা বা ঝোল রান্না করে খেয়ে থাকেন। তবে কখনো লেবু পাতা দিয়ে খাসির মাংসের কোরমা রান্না করে খেয়েছেন?

খুবই মজাদার এ পদ মানিয়ে যায় রুটি, পরোটা, লুচি কিংবা ভাতের সঙ্গে। তবে আর দেরি কেন? ছুটির দিনে ঝটপট রান্না করুন খাসির মাংসের মজাদার এ রেসিপি। জেনে নিন -

উপকরণ
১. খাসির মাংস ১ কেজি
২. লেবু পাতা ৫টি
৩. মেথি ১ চা চামচ
৪. দারুচিনি ৩/৪ টুকরো
৫. কাঁচা মরিচ ৫-১০টি
৬. রসুন বাটা ১ চা চামচ
৭. আদা বাটা ১ চা চামচ
৮. পেঁয়াজ কুঁচি ২ কাপ
৯. এলাচ ৫টি
১০. সরিষার তেল পরিমাণমতো
১১. স্বাদমতো লবণ
১২. পরিমাণমতো গরম পানি

পদ্ধতি: প্রথমে প্যানে তেল গরম করে নিন। মেথি হালকা করে ভাজুন। একই তেলে পেঁয়াজ কুচি, আদা ও রসুন বাটা, এলাচ, দারুচিনি ও লবণ একসঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।

২-৩ মিনিট পানি মিশিয়ে মশলার মিশ্রণ ঢেকে কষিয়ে নিন। মাঝারি আঁচে রান্না করে মাংস ভালো করে সেদ্ধ করে নিন।

মাংস সেদ্ধ হয়ে গেলে নামানোর ৫ মিনিট আগে কাঁচা মরিচ ও লেবু পাতা ছড়িয়ে দিন। তৈরি হয়ে গেল লেবু পাতায় খাসির মাংস।

গরম ভাত-খিচুরির সঙ্গে পরিবেশন করুন সুস্বাদু এ মাংসের পদ। রুটি-পরোটার সঙ্গেও ভালো মানিয়ে যায় এ পদ।

সানির রূপের রহস্য ঘরোয়া টোটকায়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : বলিউডের `বেবি ডল` সানি লিওনের রূপ ও অভিনয়ে মুগ্ধ দুনিয়া। তার ভক্তকূল জানতে চান, তার মসৃণ ত্বক ও ফিটনেসের রহস্য। এবার সেই রহস্য ফাঁস করলেন অভিনেত্রী নিজেই। জানালেন কীভাবে রূপচর্চা করেন।

পর্দায় পা রাখার পর থেকে যেন জনপ্রিয়তা আরও তুঙ্গে উঠেছে সানি লিওনের। অতীত ফেলে এখন তিনি বলিউডের অন্যতম অভিনেত্রী। যেমন তার লুক; তেমনই তার স্টাইল।

কীভাবে তিনি রূপচর্চা করেন? শরীরচর্চাই বা করেন কীভাবে? ঘন ঘন পার্লারে যান? না-কি ঘরোয়া উপায়েই রূপচর্চা করেন? সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে মুখ খোলেন সানি লিওন।

তিনি জানান, ত্বক নিয়ে তিনি বেশ যত্নশীল। রূপচর্চা নিয়ে কোনো রকম আপোস তিনি করেন না। পার্লারে নয়, আয়ুর্বেদিক ও ঘরোয়া টোটকায়ই ভরসা রাখেন।

সানি আরও জানান, প্রসাধনীর ব্যবহার তিনি অনেক কম করেন। দামি প্রসাধনী মানেই যে তা খুব উপকারী হবে; এ ধারণা ভুল। ত্বক ঠিক রাখতে ভেষজ পদ্ধতি সবচেয়ে কার্যকরী।

ঘুমাতে যাওয়ার আগে অবশ্যই মেকআপ পরিষ্কারের পরামর্শ দিয়েছেন সানি। তার মতে, যত ব্যস্তই থাকুন; ভালো মানের ক্লিঞ্জার দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে ঘুমাতে যাবেন।

ব্রণের সমস্যায় সানি ব্যবহার করেন অ্যালোভেরা। তিনি জানান, চাইলেই ঘরের এক কোণায় টবে লাগানো যায় অ্যালোভেরা। এটি ত্বক ও চুলের বন্ধু।

নিয়ম করে বাড়িতেই শরীরচর্চা করেন সানি লিওন। কখনো কখনো জিমেও যান। তবে বাড়িতেই বেশি ওয়ার্কআউট করেন। ফিটনেস ঠিক রাখতে তিনি ডায়েট করেন নিয়মিত।

শিশুর মুখের ঘা দূর করতে যা করবেন
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : শিশুরা অনেক সময় আজে-বাজে জিনিস মুখে নিয়ে থাকে। যার ফলে তাদের মুখে জীবাণু ঢুকতে পারে সহজেই। এ ছাড়াও শিশুরা বিভিন্ন জিনিস হাত দিয়ে ধরে এরপর মুখে হাত নেয়। এসব কারণে তাদের মুখে সহজেই জীবাণু ঢুকে সংক্রমণ ঘটায়। বিশেষ করে মুখের আলসারে সব শিশুরাই কম-বেশি ভুগে থাকে।

বেশ কয়েকটি কারণে শিশুর মুখের আলসার বা ঘা হতে পারে। যেমন- আঘাত, ভিটামিন বা খনিজ পদার্থের অভাব ইত্যাদি। যদিও মুখের আলসার সংক্রামক হয় না। কিছু পরামর্শ মানলেই বাড়িতে এর চিকিৎসা করা যেতে পারে। চলুন তবে জেনে নিন শিশুর মুখের ঘা দূর করার ঘরোয়া টোটকা-

>> মধু জীবাণুনাশক হিসেবে কাজ করে। এজন্য ১-৩ বছর বয়সী শিশুর মুখে ঘা হলে মধু ব্যবহার করাই সবচেয়ে নিরাপদ ও কার্যকর দাওয়াই।

>> শিশুর মুখের আলসারের চিকিৎসায় হলুদ ব্যবহার করতে পারেন। এতে রয়েছে অ্যান্টি-ফাঙ্গাল, অ্যান্টিসেপটিক এবং অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য। যা সব ধরনের ক্ষত নিরাময় করে।

>> নারকেল দুধ দিয়ে গার্গল করলে ব্যথা বা জ্বলুনিভাবে কমবে। এ ছাড়াও ক্ষতে নারকেল তেল ব্যবহার করা যেতে পারে। ৬ মাসের কম বয়সী শিশুদের মুখের দূষিত ক্ষতের চিকিৎসা নারকেল তেল কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

>> দই দিয়েও শিশুর মুখের ঘা নিরাময় করা যায়। দইয়ে রয়েছে ল্যাকটিক অ্যাসিড, যা ক্ষত এলাকায় ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধিতে বাধা দেয়।

>> তুলসি পাতার স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে সবারই কমবেশি জানা আছে। ২-৫ বছর বয়সী শিশুদের মুখে ঘা হলে তুলসি পাতা চিবিয়ে খাওয়াবেন। এতেই ঘা সেরে যাবে।

>> শিশুর মুখে যদি কিছুদিন পরপরই ঘা হতে থাকে; তাহলে পোস্ত দানা ও নারকেলের ক্যান্ডি খেতে দিন। মিছরির গুঁড়ো, পোস্ত দানা ও কোড়া নারকেল ব্লেন্ড করে ছোট ছোট বড়ি বানিয়ে নিন। এই ক্যান্ডি শিশুকে চুষতে দিন। শিশুর শরীরের তাপ বাড়ার কারণে যদি আলসার হয়ে থাকে; তবে এটি হলো প্রতিরোধ করার উপায়।

>> ঘি শিশুর মুখের ঘা সারাতে বিস্ময়কর কাজ করে। ভালো ফলাফল পেতে শিশুর মুখের আক্রান্ত স্থানে দিনে অন্তত তিনবার ঘি ব্যবহার করুন। ঘি দ্রুত ক্ষত নিরাময় করে এবং ব্যথা কমায়।

>> অ্যালোভেরার জেল পানিতে মিশিয়ে শিশুকে কুলি করতে বলুন। ভালো ফলাফলের জন্য দিনে তিনবার এটি দিয়ে মুখ ধোয়াতে পারেন।

>> ২ কাপ পানিতে এক টেবিল চামচ যষ্টিমধু ভিজিয়ে রাখুন। এ পানি দিয়ে শিশুকে প্রতিদিন কয়েকবার গার্গল করালে মুখের আলসার সেরে যাবে।

রেসিপি: মজাদার মালাই লাড্ডু
                                  

লাড্ডু মিষ্টি শিশুদের খুবই প্রিয় খাবার। এছাড়া অতিথিদের মিষ্টিমুখ করাতেও ঘরেই তৈরি করতে পারেন মজাদার মালাই লাড্ডু।

আসুন জেনে নিই কীভাবে তৈরি করবেন মজাদার মালাই লাড্ডু-

উপকরণ

২৫০ গ্রাম ছানা, ১/২ ( ১০০ গ্রাম ) কাপ কনডেন্সডমিল্ক, ২টি এলাচ গুঁড়া ( সাজাবার জন্য), ২-৩ ফোঁটা গোলাপ জল, ৫-৪ দানা জাফরান ( সাজাবার জন্য)

যেভাবে তৈরি করবেন

প্রথমে ঘরে তৈরি ছানা খুব ভাল করে হাতের তালু দিয়ে ভর্তা করে নিন। এরপর একটি নন-স্টিক প্যানে পনির দিয়ে দিন। এবার ছানার মধ্যে কনডেন্সডমিল্ক দিয়ে দিন।

অল্প আঁচে ছানা, কনডেন্সডমিল্ক ভাল করে নাড়ুন। কিছুক্ষণ পর মিশ্রণটি আঠালো হয়ে গেলে চুলা বন্ধ করে দিন।

নামানোর আগে গোলাপ জল দিয়ে দিন। হালকা ঠাণ্ডা হলে ছানার মিশ্রণটি হাত দিয়ে লাড্ডু মত গোল গোল করে নিন।

লাড্ডুর ওপর এলাচ গুঁড়া এবং জাফরান দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার মালাই লাড্ডু।

বার্ড ফ্লু থেকে বাঁচতে মুরগির মাংস ও ডিম খাওয়ার উপায়
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : বর্তমানে বার্ড ফ্লু রোগটি ছড়িয়ে পড়েছে ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্যে। এটি একটি ইনফ্লুয়েঞ্জা জাতীয় রোগ। এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের কারণে বার্ড ফ্লু মানুষের শরীরে বাসা বাঁধে।

এ ভাইরাসটি সাধারণত পাখির শরীর থেকে ছড়িয়ে পড়ে। আক্রান্ত পাখিরা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় সহজেই চলে যায় বলে রোগটিও দ্রুত ছড়ায়। বার্ড ফ্লু বায়ুবাহিত রোগ হিসেবে বিবেচিত।

বার্ড ফ্লুর ভয়ে এখন অনেকেই মুরগির মাংস বা ডিম খাওয়া থেকে বিরত থাকছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, সঠিকভাবে রান্না করলে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি নেই। তবে কীভাবে রান্না করলে পুরোপুরি ঝুঁকিমুক্ত হওয়া যায়, সে সম্পর্কেও জানেন না অনেকেই।

এ ছাড়াও অনেকের মনে বিভিন্ন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে- পোল্ট্রি মুরগি খাওয়া যাবে তো? কিংবা ওভেনে রান্না করা যাবে কী? ডিম কীভাবে খেতে হবে? ইত্যাদি।

যদিও মানুষের মধ্যে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কম। তবে এমন ঘটনা যে একেবারে ঘটেনি, তা কিন্তু নয়। তবে অবশ্যই পাখি বা মুরগি কেনার সময় সতর্ক থাকতে হবে।


পাশাপাশি সঠিক তাপমাত্রায় রান্না করলে বার্ড ফ্লুর জীবাণু মানুষের শরীরে প্রবেশ করতে পারে না। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক কীভাবে মুরগির মাংস খাবেন-

>> বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাধারণ রান্নার তাপমাত্রায় ভাইরাসটি বাঁচতে পারে না। তাই সঠিকভাবে রান্না করা মাংসে কোনো ঝুঁকি থাকে না।

>> তবে ওভেনের ক্ষেত্রে অবশ্যই ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় রান্না করতে হবে। তাহলেই ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া মরে যাবে। কারণ বার্ড ফ্লুর ভাইরাস ৭০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের বাইরে বাঁচতে পারে না।

>> মুরগির মাংস কেনার আগে অবশ্যই ভালো দোকান থেকে কিনবেন।

>> বাড়িতে এনে মাংস এবং ডিম ভালোভাবে ধুয়ে রান্না করুন। মাংস সঠিকভাবে রান্না হয়েছে কি-না তা নিশ্চিত করুন।

এজন্য খেয়াল রাখবেন, মাংসগুলো সাদা হয়েছে কি-না। সেই সঙ্গে পর্যাপ্ত সেদ্ধ হয়েছে কি-না দেখেই তা খাবেন।

>> ডিম খাওয়ার বেলায় অবশ্যই রান্না বা সেদ্ধ করে খান। কাঁচা ডিম খাওয়া এড়িয়ে চলুন।

শসার স্যুপে কমবে শরীরের অতিরিক্ত চর্বি
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : ওজন কমাতে শসা খাওয়ার বিকল্প নেই। স্বাদ-গন্ধহীন এ সবজির কদর করেন শুধু স্বাস্থ্য সচেতনরাই। এতে থাকা পুষ্টিগুণ দ্রুত ওজন কমায়। নিয়মিত শসা খাওয়ার ফলে আপনার ক্ষুধা লাগার প্রবণতা অনেকটাই কমে যায়।

তবে কাঁচা শসা চিবিয়ে খেতে অনেকেরই ভালো লাগে না। তাই শসার সালাদ, রায়তা ইত্যাদি করে খান অনেকেই। তবে চাইলে কিন্তু আপনি শসার স্যুপও খেতে পারেন। খেতে সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর পদটি খাবার তালিকায় রাখতে ভুলবেন না।

চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক রেসিপি-

উপকরণ
১. চারটি শসা
২. এক বাটি দই
৩. দুই-তিন চামচ মৌরি
৪. এক কাপ ঠান্ডা পানি
৫. এক চামচ পাতিলেবুর রস।

পদ্ধতি: প্রথমে সবগুলো শসার খোসা ছাড়িয়ে নিয়ে টুকরো করে ব্লেন্ড করে স্মুদি করুন। এরপর একেক করে সবগুলো উপাদান মিশিয়ে আবারো ব্লেন্ড করে নিন। যদি মিশ্রণটি খুব ঘন হয়ে যায়; তবে আরও এক মগ ঠান্ডা পানি মিশিয়ে ব্লেন্ড করুন।

এবার দুইটি ব্রাউন ব্রেড নিয়ে তার দু’পাশ কেটে নিন। তারপর অল্প করে অলিভ অয়েল ব্রাশ করে পাউরুটি টুকরো করে নিয়ে ভেজে নিন। এরপর শসার স্যুপের উপর ছড়িয়ে দিন।

পদটি খেতে যেমন সুস্বাদু; তেমনই স্বাস্থ্যকর। প্রতিদিনের ডায়েটে পদটি রাখলে আপনার শরীরের অতিরিক্ত চর্বি কমে যাবে।

যেভাবে কমবে চর্বি: শসায় রয়েছে প্রচুর ডায়েটারি ফাইবার। যা খেলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে। কমে যায় চিপস-কোল্ড ড্রিংকসের মতো খাবার খাওয়ার ইচ্ছাও। সেইসঙ্গে শরীরের চর্বি ঝরতে শুরু করে।

এ ছাড়াও শসায় রয়েছে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন সি, কে এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এসব উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

সকাল বা দুপুরের খাবারে যদি শসার স্যুপটি খান, তবে ওজন তো কমবেই; সঙ্গে আপনার শরীরও থাকবে সুস্থ।

শীতে স্বাস্থ্য উপকারিতায় গুড়
                                  

অনলাইন ডেস্ক : গুড় স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। গরমের সময় শসা ও তরমুজ ফল যেমন শরীরকে শীতল রাখে ঠিক তেমনি এই শীতে শরীরের জন্য গুড় অনেক উপকারী। সাধারণত যে কোনো রোগ থেকে সুরক্ষা করতে গুড় শরীরকে শক্তি জোগায়। শীতে নিয়মিত গুড় খাওয়া নিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জার্নাল ও স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। চলুন এবার তাহলে শীতে গুড় খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

সর্দি-কাশি দূর করতে : শীতে নিয়মিত গুড় খাওয়ার ফলে সর্দি-কাশি সেরে যায়। বিশ্বাস না হলে সর্দি হলে একটু গুড় খেয়ে দেখুন। স্বস্তি পাবেন আপনি।

রক্ত পরিষ্কার : গুড় শরীরের লিভার থেকে টক্সিন বের করে দেয় আর তাই গুড় খাওয়ায় রক্ত পরিষ্কার থাকে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি : গুড় খাওয়ার ফলে রক্ত পরিষ্কার থাকে এবং কোষ্ঠ সাফ থাকে। এজন্য শরীরে রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও গুড় খাওয়ার ফলে কফ, গলাব্যথা, ফোলা বা খুসখুস দূর হয়। সেই সঙ্গে শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা যেমন- কফ বা বুকে জমাট বাঁধা, রক্ত প্রবাহে সমস্যা দূর হয় গুড় খাওয়ার ফলে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ : গুড়ে সোডিয়াম এবং পটাশিয়াম রয়েছে। এসব উপাদান রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে কাজ করে। অ্যাজমা, ব্রঙ্কাইটিসের মতো রেসপিরেটরি সমস্যায়ও বেশ কার্যকরী ভূমিকা রাখে গুড়। এমনকি যাদের গাঁটের ব্যথা রয়েছে তারা ব্যথা দূর করতে গুড়কে কাজে লাগাতে পারেন।

সবশেষে চিনির বদলে গুড়ের উপকারিতা নেহায়েতই কম নয়। নিয়মিত গুড়ের সরবত খাওয়ার ফলে শরীরসহ পেট ঠাণ্ডা থাকে। ডায়াবেটিস না থাকলে নিশ্চিন্তায় গুড় খাওয়া যেতে পারে। শীতে যেমন খেজুরের গুড় পাওয়া যায় তেমনই গরমে পাওয়া যায় আখের গুড়। দুটোই উপকারী। তাই সম্ভব হলে বারোমাসই গুড় খাওয়া যেতে পারে। তবে অবশ্যই মনে রাখতে হবে, বাজারে এখন ভেজাল গুড়ে রমরমা। তাই উপকার পেতে হলে খাঁটি গুড়ের বিকল্প কিছু নেই এবং বড় ধরনের কোনো শারীরিক বা অন্য কোনো সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন।
সূত্র : সাউথ ল্যান্ডস-সান

ত্বকের নানা সমস্যায় পেঁপের ব্যবহার
                                  

অনলাইন ডেস্ক : শীত হাজির হয়েছে। শীতের তাণ্ডবে সবাই দুর্বল। সবসময় গরম পোশাক পড়ে থাকতে হয়। পোশাকে তো আরাম অনুভূত হয় কিন্তু ত্বকের ক্ষেত্রে তো বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। অনেক যত্নের পরও ঠিক রাখা যায়না ত্বককে। এর উপায় অবশ্য রয়েছে। একটি মাত্র উপাদান দিয়েই ত্বকের সকল সমস্যার প্যাক বানানো সম্ভব। তবে এ ক্ষেত্রে আপনার প্রয়োজন হবে পেঁপে। চলুন এবার তাহলে ত্বকের যত্নে পেঁপের ব্যবহার সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক-

ত্বক উজ্জ্বল করতে : গায়ের রং প্রাকৃতিকভাবেই উজ্জ্বল হয়ে উঠবে। এ জন্য প্রথমেই বেছে নিন একটি পাকা পেঁপে। পেঁপেটা ভালো করে চটকে নিয়ে আধকাপের মতো করে নিন। এতে গোটা একটা পাতিলেবুর রস ভালো করে মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি পুরো মুখে, গলায়, হাতে মেখে প্রায় আধঘণ্টা রাখুন। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিন।

গোড়ালির ফাটাভাব কমাতে : এখন অনেকেরই বাড়ির কাজ করতে হয়। এ কারণে পায়ের উপরেও বেশ চাপ পড়ছে। যার জন্য গোড়ালির চামড়া বিশ্রীভাবে ফেটে যাচ্ছে। পেডিকিওর করানোর কোনো সুবিধা না থাকলে ফাটা গোড়ালির জন্য ব্যবহার করতে পারেন পাকা পেঁপে। পেঁপেকে প্রথমে চটকিয়ে নিয়ে গোড়ালির ফাটা জায়গায় ভালো করে লাগিয়ে নিন। বিশ মিনিটের মতো রেখে হালকা উষ্ণ পানিতে ধুয়ে নিন। গোড়ালির ফাটা ঠিক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অতিরিক্ত হিসেবে শুকনো চামড়া, চুলকানি বা লালচেভাবও কমে যাবে আপনার। পা ভালো করে ধুয়ে কিছুটা অলিভ অয়েল মেখে নিন।

দাগছোপের উপশম : মুখে ব্রণের দাগ থেকে শুরু করে হাঁটু বা কনুইয়ের কালচেভাব- এসকল সমস্যার সমাধানে পেঁপে অনেক কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। এ জন্য কাঁচা পেঁপে প্রয়োজন। ব্লেন্ডারে দিয়ে পেঁপের টুকরো ভালো করে থেঁতো করুন, এরপর এতে এক চা চামচ পাতিলেবুর রস মেশান। মিশ্রণটা এবার কনুই আর হাঁটুতে লেপে নিন। সঙ্গে ব্রণের দাগের উপরও লাগাতে পারেন। মিশ্রণ শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। নিয়মিত কয়েকবার এই মিশ্রণ লাগালে দাগ কিছুটা কমতে শুরু করবে।

ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে : পেঁপেতে থাকা আলফা হাইড্রক্সিল অ্যাসিড মুখে বয়সের দাগছোপ পড়তে দেয় না। ত্বকের সূক্ষ্ম রেখা ও বলিরেখাকে কাছেই ঘেষতে দেয় না। এছাড়াও পেঁপেতে থাকা ভিটামিন-সি এবং ই ত্বককে তরতাজা করে তোলে। এ জন্য আধকাপ পাকা পেঁপে চটকে তাতে এক টেবিল চামচ দুধ আর অল্প মধু ভালো করে মিশিয়ে মুখে ও গলায় লেপে দিন। প্রায় বিশ মিনিটের মতো রাখার পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এভাবে সপ্তাহে দু`বার ব্যবহার করলে নিজেই ফলাফল বুঝতে পারবেন।

শখের বেনারসি যত্নে রাখার সঠিক নিয়ম
                                  

লাইফস্টাইল ডেস্ক : শীত এলেই বিয়ের ধুম পড়ে। আর বিয়ে মানেই বেনারসি শাড়ি পরার প্রতিযোগিতা। কে কেমন ঘরানার শাড়ি পরবেন এ নিয়ে রীতিমতো চলে লড়াই। বিশেষ করে কনে সাজাতে বেনারসির যেন বিকল্প নেই। আর যুগ যুগ ধরে বাঙালির ঐতিহ্যে বেনারসি শাড়ি রয়েছে প্রথম সারিতে। এর কদর আধুনিক যুগেও বিদ্যমান।

তবে নির্দিষ্ট অনুষ্ঠান শেষে শখের শাড়িটি তুলেই রাখতে হয়। আর এখানেই ঘটে যতো বিপত্তি। অনেকেই জানেন না বেনারসি শাড়ি কীভাবে যত্ন করতে হয়। এত সুন্দর কাজ করা শাড়ি যত্ন করে তুলে রাখার তো বিশেষ পদ্ধতি আছে! অন্য শাড়ির মতো তো রাখলে হবে না।

যেভাবে ধোবেন বেনারসি: পানি-ডিটারজেন্টে ডুবিয়ে কখনো বেনারসি ধোবেন না। ড্রাই ওয়াশ করাটাই সবচেয়ে ভালো। এজন্য লন্ড্রিতে পরিষ্কার করাই নিরাপদ।

দাগ তুলবেন যেভাবে: বেনারসি শাড়িতে দাগ লেগে গেলে ওই স্থানে পানি দিয়ে কখনো ঘষবেন না। এতে কিন্তু হীতে বিপরীত হতে পারে। এজন্য প্রথমে ওই স্থানে সামান্য পেট্রোলিয়াম জেলি দিতে হবে। এরপর নেইলপলিশ রিমুভার ব্যবহার করতে পারেন। এরপর একটি টিস্যু পেপার দিয়ে জায়গাটা মুছে নিন।

এ ছাড়াও আপনি চাইলে বেকিং সোডা দাগের স্থানে ছিটিয়ে ব্রাশ দিয়ে অল্প করে ঘষে তারপর অল্প পানি দিলেই দাগ উঠে যাবে। তবে মনে রাখবেন, শাড়ি শুকাবেন ফ্যানের বাতাসে। রোদে দিলেই কিন্তু বেনারসি তার রং হারাবে।

ইস্ত্রি করবেন যেভাবে: ইস্ত্রি করার প্রয়োজন হলে লন্ড্রিতে দিতে পারেন, আবার নিজেও করতে পারেন। প্রথমেই ইস্ত্রির হিট কমানো রয়েছে কি না দেখে নিন। আর শাড়ি ইস্ত্রি করার সময় অবশ্যই উপরে অন্য একটি পাতলা সুতি কাপড় দিয়ে নেবেন।

আলমারিতে সংরক্ষণের নিয়ম: বেনারসি আলমারিতে রাখা ততটা সহজ নয়। এজন্য খবরের কাগজ বা পাতলা সুতির কাপড় কিছু না কিছুর মধ্যে ঢুকিয়ে রাখতে হবে। সুতি কাপড় হলে সবচেয়ে ভালো।

লক্ষ্য রাখবেন, বেনারসি যাতে অন্য শাড়ির সঙ্গে না রাখা হয়। এতে ঘষা লেগে সুতা উঠে আসতে পারে। সবচেয়ে বড় বিষয়, হ্যাঙ্গারে ঝুলিয়ে রাখবেন না এ শাড়ি। বেনারসি ভারি হওয়ায় এটি ঝুলিয়ে রাখলে কুঁচকে যেতে পারে। তাই আলমারির তাকে রাখুন, একটু ফাঁকা ফাঁকা করে।


   Page 1 of 20
     লাইফস্টাইল
ঘরে অক্সিজেন বাড়ায় যেসব গাছ
.............................................................................................
যেসব ব্যায়াম জরুরি করোনা থেকে সুস্থ হওয়ার পর
.............................................................................................
করোনাভাইরাসের নতুন ৩ লক্ষণ
.............................................................................................
সারাদিন এসিতে থাকার পরও ত্বকে সমস্যা, সমাধান জানুন
.............................................................................................
গরমে ঘর শীতল রাখবেন যেভাবে
.............................................................................................
মানসিক দূরত্ব দূর হোক
.............................................................................................
ভিন্ন স্বাদের ডিমের মালাইকারি
.............................................................................................
ছুটির দিনে লেবু পাতায় খাসির কোরমা
.............................................................................................
সানির রূপের রহস্য ঘরোয়া টোটকায়
.............................................................................................
শিশুর মুখের ঘা দূর করতে যা করবেন
.............................................................................................
রেসিপি: মজাদার মালাই লাড্ডু
.............................................................................................
বার্ড ফ্লু থেকে বাঁচতে মুরগির মাংস ও ডিম খাওয়ার উপায়
.............................................................................................
শসার স্যুপে কমবে শরীরের অতিরিক্ত চর্বি
.............................................................................................
শীতে স্বাস্থ্য উপকারিতায় গুড়
.............................................................................................
ত্বকের নানা সমস্যায় পেঁপের ব্যবহার
.............................................................................................
শখের বেনারসি যত্নে রাখার সঠিক নিয়ম
.............................................................................................
শীতে খুশকি দূর করতে কী করবেন
.............................................................................................
ত্বকের যত্নে জলপাইয়ের তেল
.............................................................................................
শীতে ত্বকের যত্নে জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরামর্শ
.............................................................................................
মাথাব্যথা সহজে দূর করবেন যেভাবে
.............................................................................................
চুল পড়া বন্ধে ৬ উপায়
.............................................................................................
রেসিপি: ক্রিসপি রূপচাঁদা ফ্রাই
.............................................................................................
সাদা পোশাক সুরক্ষিত রাখবেন যেভাবে
.............................................................................................
শীতকালে ঠান্ডা-কাশি সারাবে তুলসি পাতা
.............................................................................................
২টি উপকরণে মোজারেলা চিজ তৈরির রেসিপি
.............................................................................................
শীত নিয়ে ৪ ভুল ধারণা
.............................................................................................
উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সজনে পাতার চা
.............................................................................................
১ মাসে মোটা হবেন ?
.............................................................................................
হাত থেকে মেহেদি তোলার সহজ উপায়
.............................................................................................
শীতের শুরুতে হাতের যত্ন
.............................................................................................
এলাচ চা খেলে কী হয়?
.............................................................................................
খাওয়া ছাড়াও ডিম যেসব কাজে ব্যবহার করা যায়
.............................................................................................
শীতের আগে ত্বক ভালো রাখতে যা করবেন
.............................................................................................
থানকুনি পাতা শরীরের যেসব উপকার করে
.............................................................................................
৫টি প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ
.............................................................................................
টনসিলে ইনফেকশন হলে করণীয়
.............................................................................................
স্টার সিনেপ্লেক্স খুলছে ২৩ অক্টোবর
.............................................................................................
করোনা থেকে দূরে থাকতে খান এই ভিটামিন
.............................................................................................
ডাবের মিল্ক সেক রেসিপি
.............................................................................................
হাড় ক্ষয় রোগের উপসর্গ ও চিকিৎসা
.............................................................................................
যেসব কারণে মাইগ্রেন হতে পারে
.............................................................................................
হজমের সমস্যার ৬ সমাধান
.............................................................................................
পা সুন্দর রাখার কিছু ঘরোয়া উপায়
.............................................................................................
যেসব অসুখ চিকিৎসকের কাছে গোপন করবেন না
.............................................................................................
লবঙ্গের চা এত উপকারী!
.............................................................................................
অতিরিক্ত দুশ্চিন্তার কারণে হতে পারে নানা রোগ
.............................................................................................
চুল পড়া কমাতে কাজে লাগান লাল শাকের অব্যর্থ টোটকা
.............................................................................................
কোন রঙের ক্যাপসিকাম বেশি উপকারী?
.............................................................................................
ভ্রমণে বমি হয়, কী করবেন?
.............................................................................................
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় আদা
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD & BD My Shop