শুক্রবার, মার্চ ২০, ২০২৬
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * কাতারের সবচেয়ে বড় শিল্পাঞ্চলে ইরানের হামলা   * সোনালী মুর‌গির চড়া দাম, গরুর মাংস ৮৫০, ব্রয়লার ২৩০   * শিলাবৃষ্টিতে লিচু-আমের মুকুল ও ফসলের ক্ষতি   * মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র যুদ্ধ : ফের ১১০ ডলার ছাড়ালো তেল, বেড়েছে গ্যাসের দামও   * নীলসাগরের উদ্ধারকাজ শেষ, স্বাভাবিক হচ্ছে ট্রেন চলাচল   * বগুড়ায় মাইক্রোবাস উল্টে নিহত ৩   * ‘শীঘ্রই ইরান থেকে সরে যাব আমরা’   * পদ্মা সেতু এলাকায় গাড়ির চাপ বাড়লেও নেই যানজট   * জ্বালানি সংকট এড়াতে ৩ দিন সাপ্তাহিক ছুটি শ্রীলঙ্কায়   * ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরার পথে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট স্বামী-স্ত্রী-সন্তান  

   সারা দেশ
শিলাবৃষ্টিতে লিচু-আমের মুকুল ও ফসলের ক্ষতি
  Date : 19-03-2026

বৃষ্টি মৌসুমের শুরুতেই শিলাবৃষ্টিতে আক্রান্ত উত্তরের জেলা পাবনা। ঝড়ো হাওয়া ও ভারী বৃষ্টির সঙ্গে দীর্ঘ সময় শিলার আঘাতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন জেলার লিচু ও আম চাষিরা। ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা অন্যান্য ফসল নিয়েও। বুধবার (১৮ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টায় শুরু হয়ে দীর্ঘ এক ঘণ্টারও বেশি সময় বর্ষিত হয় এ বৃষ্টি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দিনব্যাপী আকাশ পরিষ্কার থাকলেও সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে পাবনার আকাশে মেঘের আনাগোনা বাড়তে থাকে। পরে রাতে সেটি বেড়ে ঘন মেঘে রূপ নেয়। কিছুক্ষণ এলোমেলো মাঝারি বাতাসের পর রাত সোয়া ৮টার দিকে ঝড়ো বাতাসের সঙ্গে ভারী বৃষ্টি ও শিলা পড়তে থাকে। প্রায় এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা বৃষ্টি শুরুতে ১৫ মিনিটের মতো সময় শিলা পড়তে থাকে।

জেলার ভাঙ্গুড়া উপজেলার বিভিন্ন জাগায়াতেও শিলাবৃষ্টি হয়। এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন চাষিরা। তারা বলছেন, এবার লিচুর রাজধানী খ্যাত জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার ৩১০০ হেক্টর জমির বাগানসহ বিভিন্ন জায়গায় লিচুর ভালো মুকুল এসেছে। অধিকাংশ জায়গায় এটি গুটিতে রূপ নিয়েছে। এই সময় শিলাবৃষ্টিতো দূরে থাক, ঝড় হলেও অধিকাংশ মুকুল ও গুটি ঝরে বাগানগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

একই অবস্থা আম বাগানগুলোর ক্ষেত্রেও। এবার আমের মুকুল ভালো এসেছে জেলায়। ঝড় বা শিলাবৃষ্টি হলে এটিরও ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে বলেও আশঙ্কা তাদের। তবে ডিজেলের অভাবে পর্যাপ্ত সেচ দিতে না পারায় বোরো ধানের জন্য বৃষ্টি প্রয়োজন বলেও জানান কৃষকরা।

ঈশ্বরদীতে বৃষ্টি হলেও শিলা পড়েনি জানিয়ে উপজেলার সাহাপুরের লিচু চাষি আব্দুল মজিদ বলেন, এবার গাছে গাছে ব্যাপক মুকুল এসেছে। বাগানে ১৩৫টি গাছের মধ্যকার ৭-৮ গাছ ব্যতীত প্রত্যেকটি গাছের মুকুলই সন্তোষজনক। এগুলো যেন না ঝরে পড়ে সেজন্য পানি ও কীটনাশক দেওয়াসহ প্রয়োজনীয় পরিচর্যা করছি। এরমধ্যে যদি শিলাবৃষ্টি হয় তাহলে আমাদের খুব ক্ষতি হয়ে যাবে।

সদর উপজেলার দাপুনিয়া এলাকার বাগানি আব্দুল হালিম বলেন, শহর ও এর আশপাশে ব্যাপক শিলাবৃষ্টি হলেও আমাদের এখানে ততোটা হয়নি। তবে এই সময়ে ঝড় বা শিলাবৃষ্টি হলে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হবো। আম ও লিচুর মুকুল ও গুটি অধিকাংশই ঝরে পড়বে।

সদর উপজেলার আশুতোষপুরের চাষি ফারুক বলেন, নিজেদের চাহিদা মেটাতে বাড়িতে একটা আমগাছ রেখেছি। এবার গাছ বোঝাই মুকুলের পর এখন গুটি রয়েছে। আজকের শিলাবৃষ্টিতে কিছু গুটি ঝরে পড়েছে। এভাবে চললেতো বাকিগুলোও থাকবে না। তবে অন্যান্য ফসলের জন্য বৃষ্টি প্রয়োজন বলেও জানান এ কৃষক।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভাঙ্গুড়া ও চাটমোহরের পর পাবনা শহরেও শিলাবৃষ্টি হয়েছে। অন্যান্য উপজেলা ও গ্রামগুলোতে তেমন শিলাবৃষ্টি দেখা যায়নি। তবে দু’একটি জায়গায় মাঝারি শিলাবৃষ্টি হয়েছে।



  
  সর্বশেষ
যাত্রী ভেবে ইউএনওর কাছে অতিরিক্ত ভাড়া দাবি
আজ ৩ দেশে উদ্‌যাপন হচ্ছে ঈদুল ফিতর
কাতারের সবচেয়ে বড় শিল্পাঞ্চলে ইরানের হামলা
সোনালী মুর‌গির চড়া দাম, গরুর মাংস ৮৫০, ব্রয়লার ২৩০



প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত ।
ফোন: ০২৪১০৭০৯৯৬ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪

Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com