| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় সকল মিডিয়ার প্রতি আহ্বান মনিরুল ইসলামের   * ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে মোদিকে প্রশ্ন করবেন ট্রাম্প   * বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের হামলা ও লাঠিচার্জ   * সারাদেশে বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা   * নায়িকার খোঁজে শাকিব খান   * দ্বিগুণ উৎপাদন সক্ষমতা সর্ম্পূন দেশের ইস্পাত খাত   * করোনা: ইতালির ১০ শহরে জনসমাগমে নিষেধাজ্ঞা   * পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ডাকাত নিহত   * করোনা ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৩৬০ জন   * ট্রাক চাপায় প্রাণ গেল দুই মোটরসাইকেল আরোহীর  

   আইন শৃঙ্খলা -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় সকল মিডিয়ার প্রতি আহ্বান মনিরুল ইসলামের

উগ্রবাদ বা জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াকে সতর্কভাবে সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানিয়েছেন কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান মো. মনিরুল ইসলাম। শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সাংবাদিকদের এ আহ্বান জানান তিনি। মনিরুল ইসলাম জানান, গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্সে সন্ত্রাসবাদের ঝুঁকি থেকে ছয় ধাপ কমে বাংলাদেশ ৩১ নম্বরে এসেছে।

গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স (জিটিআই) হলো প্রতি বছর ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস (আইইপি) দ্বারা প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন। সূচিটি ২০০০ সাল থেকে সন্ত্রাসবাদের মূল বৈশ্বিক প্রবণতা এবং নিদর্শনগুলোর একটি বিস্তৃত সংক্ষিপ্তসার সরবরাহ করে। গত বছরের নভেম্বরে সিডনিভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিসের (আইইপি) বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচক-২০১৯ প্রকাশিত হয়। ২৩টি গুণগত ও পরিমাণগত নির্দেশকের ভিত্তিতে বিশ্বের ১৬৩টি দেশের পরিস্থিতি নিয়ে তৈরি করেছে বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচক-২০১৯।

এসব দেশের জনসংখ্যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৯৯ দশমিক ৭ শতাংশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। এ প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অবস্থান ছয় ধাপ নেমে হয় ৩১তম। স্কোর ৫.২০৮। অর্থাৎ এ দেশে সন্ত্রাসবাদের প্রভাব মাঝারি মাত্রার। ২০১৮ সালের সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ২৫তম। এর আগের বছর বাংলাদেশ ছিল ২১তম। অর্থাৎ সন্ত্রাসবাদ দমনে ধারাবাহিকভাবে উন্নতি করছে বাংলাদেশ। সব মিলিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এবার বাংলাদেশের অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি।

জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় সকল মিডিয়ার প্রতি আহ্বান মনিরুল ইসলামের
                                  

উগ্রবাদ বা জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াকে সতর্কভাবে সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানিয়েছেন কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান মো. মনিরুল ইসলাম। শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সাংবাদিকদের এ আহ্বান জানান তিনি। মনিরুল ইসলাম জানান, গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্সে সন্ত্রাসবাদের ঝুঁকি থেকে ছয় ধাপ কমে বাংলাদেশ ৩১ নম্বরে এসেছে।

গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স (জিটিআই) হলো প্রতি বছর ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস (আইইপি) দ্বারা প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন। সূচিটি ২০০০ সাল থেকে সন্ত্রাসবাদের মূল বৈশ্বিক প্রবণতা এবং নিদর্শনগুলোর একটি বিস্তৃত সংক্ষিপ্তসার সরবরাহ করে। গত বছরের নভেম্বরে সিডনিভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিসের (আইইপি) বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচক-২০১৯ প্রকাশিত হয়। ২৩টি গুণগত ও পরিমাণগত নির্দেশকের ভিত্তিতে বিশ্বের ১৬৩টি দেশের পরিস্থিতি নিয়ে তৈরি করেছে বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচক-২০১৯।

এসব দেশের জনসংখ্যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৯৯ দশমিক ৭ শতাংশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। এ প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অবস্থান ছয় ধাপ নেমে হয় ৩১তম। স্কোর ৫.২০৮। অর্থাৎ এ দেশে সন্ত্রাসবাদের প্রভাব মাঝারি মাত্রার। ২০১৮ সালের সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ২৫তম। এর আগের বছর বাংলাদেশ ছিল ২১তম। অর্থাৎ সন্ত্রাসবাদ দমনে ধারাবাহিকভাবে উন্নতি করছে বাংলাদেশ। সব মিলিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এবার বাংলাদেশের অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি।

বিএনপির ৩৫ নেতার জামিন
                                  

স্টাফ রিপোর্টার:

শাহবাগ থানায় করা নাশকতার মামলায় মির্জা ফখরুলসহ বিএনপির ৩৫ নেতা-কর্মী জামিন পেয়েছেন। রবিবার সকালে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ এ আদেশ দেন। শুনানি শেষে তাদের জামিন দেওয়া হয়। জামিন পাওয়া নেতাদের মধ্যে রয়েছেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন ও মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।

নব্য জেএমবির নারী শাখার প্রধান গ্রেপ্তার
                                  

স্টাফ রিপোর্টার:

নব্য জেএমবির নারী শাখার প্রধানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট। ওই নারীর নাম আসমানী খাতুন ওরফে আসমা ওরফে আমাতুল্লাহ ওরফে বন্দী জীবন ওরফে নীখোজ আলো (২৮)। গতকাল মঙ্গলবার রাতে তাকে উত্তর কমলাপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আজ বুধবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আসমানীর গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ীর সদর থানার খানাপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামে। গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সিটিটিসি সূত্র। জানা গেছে, নব্য জেএমবির নারী শাখার প্রধান হওয়ার পর দীর্ঘদিন ধরে গোপনে অনলাইনে নারী সদস্য সংগ্রহ করছিলেন আসমানী খাতুন।

দেশে খিলাফত ও শরিয়া আইন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকার ও রাষ্ট্রের জননিরাপত্তা বিঘ্ন ও প্রজাতন্ত্রের সরকারি সম্পত্তির ক্ষতিসাধনের প্রচেষ্টা গ্রহণ করার উদ্দেশে ষড়যন্ত্র এবং ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড পরিচালনা পরিকল্পনা করেছিলেন কয়েকজন সহযোগীসহ তিনি। এ বিষয়ে মতিঝিল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

হামলার ঘটনা সত্য হলে কঠোর ব্যবস্থা: আইজিপি
                                  

স্টাফ রিপোর্টার:

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে সাংবাদিক মোস্তাফিজুর রহমান সুমনের উপর হামলার ঘটনায় পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. জাবেদ পাটোয়ারী বলেছেন, এমন কোন ঘটনা আমি এখনও জানি না। তবে ঘটনা যদি সত্য হয়ে থাকে তাহলে সংশ্লিষ্টদের ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দিচ্ছি। যারা এমন ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বেলা সোয়া ১২টার দিকে রাজধানীর বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শনে এসে তিনি এ কথা জানান। এসময় ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম, ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ও সিটিটিসি প্রধান মনিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। ভোটাররা কেন্দ্রে আসতে বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন বিভিন্ন প্রার্থীর এমন অভিযোগ সম্পর্কে আইজিপি বলেন, আমি বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করেছি।

কোথাও এমন চিত্র আমার চোখে পড়েনি। যারা ভোট দেয়ার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন, ভোট দিয়ে বের হচ্ছেন তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিচ্ছেন।

 
আমি ভোটকেন্দ্রে সব দলের এজেন্ট পেয়েছি: র‌্যাব ডিজি
                                  

স্টাফ রিপোর্টার:

ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে এজেন্টদের ভোটকেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার বিষয়ে র‌্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজীর আহমেদ বলেছেন, আমি ভোটকেন্দ্রের বুথে বুথে গিয়ে খোঁজ নিয়েছি, সেখানে সব দলের এজেন্ট পেয়েছি।

এভাবে ঢালাওভাবে অভিযোগ না করে সুনির্দিষ্ট করে বলেন, কোন কেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। আমাদের অফিসার সেখানে নিজ দায়িত্বে এজেন্টদের বসিয়ে দিয়ে আসবেন, প্রয়োজনে তাদেরকে পাহারা দেবেন। শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, নির্বাচনে এতো মিডিয়া কাজ করছে। এছাড়া, বর্তমানে নাগরিকরা অনেক তৎপর ও সচেতন।

কোথাও কিছু হলে সাধারণ নাগরিকরাই ভিডিও করে ফেলছেন। তাই এ ধরনের অভিযোগ না করে সুনির্দিষ্ট করে বলেন। সাংবাদিকের উপর হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি কিছুক্ষণ আগে আমি শুনেছি। আমাদের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এটা নিয়ে কাজ করছে।

১০ জনের মৃত্যুদণ্ড, দুইজন খালাস, সিপিবির সমাবেশে বোমা হামলা মামলায়
                                  

অনলাইন ডেস্ক
সিপিবির সমাবেশে বোমা হামলা মামলার রায় দীর্ঘ ১৯ বছর পর আজ সোমবার ঘোষণা করা হয়েছে। ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রবিউল আলম এ রায় ঘোষণা করেন। এতে ১০ জনের মৃত্যুদণ্ড ও দুইজন খালাস দেয়া হয়েছে।
এর আগে গত বছর ১ ডিসেম্বর মামলাটির যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করা হয়। মামলা সূত্রে তথ্য, ২০০১ সালের ২০ জানুয়ারি সিপিবির সমাবেশে বোমা হামলায় ৫ জন নিহত হন। ২০ জন আহত হন। ওই ঘটনায় সিপিবির তৎকালীন সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান খান বাদী হয়ে রাজধানীর মতিঝিল থানায় মামলা করেন।

মামলায় ১৩ আসামি হলেন- মুফতি আবদুল হান্নান, মুফতি মাঈন উদ্দিন শেখ, আরিফ হাসান সুমন, মাওলানা সাব্বির আহমেদ, শওকত ওসমান ওরফে শেখ ফরিদ, মো. মশিউর রহমান, জাহাঙ্গীর আলম বদর, মহিবুল মুত্তাকিন, আমিনুল মুরসালিন, মুফতি আবদুল হাই, মুফতি শফিকুর রহমান, রফিকুল ইসলাম মিরাজ ও নুর ইসলাম। আসামিদের মধ্যে মুফতি আবদুল হান্নানের ব্রিটিশ হাইকমিশনার হত্যাচেষ্টা মামলায় ফাঁসি কার্যকর হওয়ার পর এ মামলা থেকে তাকে অব্যাহতি দিয়েছে আদালত।

৩য় বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ সার্কেল নির্বাচিত অতি: পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলাম
                                  

আবু সায়েমঃ কক্সবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ সার্কেল হিসেবে সম্মাননা পেলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলাম।কক্সবাজার সদর ও রামু সার্কেলে মাদক দ্রব্য উদ্ধার, গ্রেপ্তারী পরোয়ানা তামিল, চুরি ছিনতাই রোধে ভূমিকাসহ আইনশৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক পর্যায়ে ব্যাপক ভূমিকা পালন করায় সার্বিক বিষয় বিবেচনা পূর্বক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলামকে সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন (বিপিএমবার)। সভায় সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( হেড কোয়ার্টার )রেজওয়ান আহমেদ। উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুলিশ কর্মকর্তাদের পুলিশী কার্যক্রমকে তরান্বিত করার জন্য অর্থ ও ক্রেস্ট দিয়ে শ্রেষ্টত্বের জন্য পুরস্কৃত করা হয়।

এতে কক্সবাজার ও রামু সার্কেলে সেপ্টেম্বর মাসের পারফরমন্সে সামগ্রিক কার্যাবলি বিবেচনাপূর্বক শ্রেষ্ঠ সার্কেল হিসেবে সনদ ও সম্মাননা প্রদান করা হয় সদর -রামু সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলামকে। উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন)ইকবাল হোছাইন , অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাহিদ আদনান তাইয়্যান ( উখিয়া সার্কেল), সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার( চকরিয়া সার্কেল) কাজী মতিউল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম (ডিএসবি), সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার রতন দাশ গুপ্ত ( মহেশখালী সার্কেল)সহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ।

এ প্রসঙ্গে এক প্রতিক্রিয়ায় পুরুস্কারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলাম বলেন , প্রতিটি পুরস্কার খুবই ভালো লাগে। কাজের গতিকে তরান্বিত করে এবং কাজের প্রতি প্রেষণা সৃষ্টি করে।কক্সবাজার জেলার সদর – রামু সার্কেলে যোগদানের পর থেকে সৃজনশীল কার্যক্রমের বাস্তবিক প্রয়োগ,মাদকের বিরুদ্ধে ঘোষিত জিরো টলারেন্স বাস্তবায়ন , আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতকরণ এবং সুন্দর বাসযোগ্য সদর ও রামু গঠনে দৃঢ় কার্যক্রমকে তরান্বিত , সুযোগ্য পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোসাইনের দিক নির্দেশনা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছি।সদর- রামু সার্কেল কে কক্সবাজার জেলার শ্রেষ্ট সার্কেল রুপান্তরে রাত দিন পরিশ্রম করেছি ফোর্সদের রাত জেগে কাজের তদারকি করেছি। ইনশাআল্লাহ মাদকমুক্ত , সুন্দর বাসযোগ্য সদর রামু সার্কেল রুপান্তরে আমার যাবতীয় শারীকি ও মানসিক শ্রম অব্যাহত থাকবে। প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা হিসেবে যে জেলায় নিয়োজিত থাকি না কেনো একজন সফল সুনাগরিক হিসেবে সুন্দর বাসযোগ্য মডেল সার্কেল রুপান্তর এবং সোনার বাংলাদেশ গড়তে আমার যাবতীয় উন্নয়নমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

৫ম বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত রামু থানার আবুল খায়ের
                                  

মোহাঃ আবু সায়েম, কক্সবাজার : ৫ম বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হয়েছেন রামু থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল খায়ের। ১৭ ই অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকালে কক্সবাজার জেলা পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শেডে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার জেলার পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন (বিপিএম )বার। সভায় সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হেডকোয়ার্টার) রেজওয়ান আহমেদ।

উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় সেপ্টেম্বর মাসের সার্বিক কার্যক্রম বিবেচনাপূর্বক শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী , মাদক ও অস্ত্র উদ্ধারকারী অফিসার , এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাািবক পর্যায়ে রাখতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করায় রামু থানার ওসিকে শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে সম্মাননা প্রদান করা হয়। উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ) ইকবাল হোছাইন , অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আদিবুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উখিয়া সার্কেল) নিহাদ আদনান তাইয়্যান , সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ( মহেশখালী সার্কেল) রতন কুমার দাশ গুপ্ত, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ( চকরিয়া সার্কেল) মতিউল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোহাঃ শহিদুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ( ট্রাফিক) বাবুল চন্দ্র বণিক সহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ।

এব্যপারে এক প্রতিক্রিয়ায় পুরস্কারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রামু থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল খায়ের বলেন,প্রতিটা পুরষ্কার খুবই ভালো লাগে , কাজের গতিকে তরান্তিত করে এবং কাজের প্রতি প্রেষণা সৃষ্টি করে। আজকের এ পুরস্কার আমার রামু থানার সকল কর্মকর্তা এবং ফোর্সদের পরিশ্রমের ফসল। যে প্রতিশ্রুতি বা¯তবায়নের লক্ষ্যে রামু থানায় যোগদান করেছি , সে প্রতিশ্রুতি ইম্পলিমেন্ট করতে আমার যাবতীয় শারীরিক ও মানসিক শ্রম অব্যাহত থাকবে। সর্বোপরি রামু থানাকে মাদকমুক্ত মডেল রামু উপহার দিতে প্রাত্যহিক ও বিশেষ অভিযান চলমান থাকবে। প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা হিসেবে যে থানায় নিয়োজিত থাকি না কনো কর্মক্ষেত্রে পেশাদারিত্বের সাথে কার্যক্রম সম্পাদন করতে আমার আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

কক্সবাজার সদর মডেল থানায় নতুন ওসি সৈয়দ আবু মোঃ শাহজাহান কবীরের যোগদান
                                  

কক্সবাজার প্রতিনিধি : কক্সবাজার সদর মডেল থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সৈয়দ আবু মোঃ শাহজাহান কবির যোগদান করেছেন।

মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে ভারপ্রাপ্ত ওসি খায়রুজামানের কাছ থেকে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন তিনি। এসময় কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) খায়রুজামান, পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন্স এ্যান্ড কমিউনিটি পুলিশিং) মোহাম্মদ ইয়াছিন, পুলিশ পরিদর্শক (ইন্টিলিজেন্স) মোহাম্মদ আরিফ ইকবাল নবাগত ওসি সৈয়দ আবু মোঃ শাহজাহান কবিরকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান।

এর আগে সৈয়দ আবু মোহাম্মদ শাহজাহান কবির কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। কক্সবাজারসদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদ উদ্দিন খন্দকার পিপিএম’কে বরিশাল জেলা পুলিশে বদলী করায় তার পদে স্থালাভিসিক্ত হন সৈয়দ আবু মোহাম্মদ শাহজাহান কবির।

 
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি ফরিদ উদ্দিনের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
                                  

আবু সায়েম : কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি ফরিদ উদ্দিন খন্দকারের বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল ১২ ই অক্টোবর শনিবার রাত ৯ টায় কক্সবাজার সদর মডেল থানার কম্পাউন্ডে জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে উক্ত বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন)ইকবাল হোছাইন।উক্ত অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন ইন্টেলিজেন্স অফিসার ইনস্পেক্টর আরিফ ইকবাল।

উক্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রশাসন ইকবাল হোছাইন বলেন,সরকারী চাকরিতে বিদায় বিষয়টা খুবই স্বাভাবিক। কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ফরিদ উদ্দিন খন্দকারের ক্ষেত্রেও স্বাভাবিক নিয়মে বরিশালে বদলী হয়েছেন।তিনি আরো বলেন,সদর মডেল থানায় তিনি ১ বছর ৮মাস কর্মরত ছিলেন। আমি যোগদান করার পর প্রায় ১ বছর সময় তাঁর সাথে আমার কাজ করার সুযোগ হয়েছে। আমার পেশাগত কারণে এবং পুলিশিং কার্যক্রমে আমি ওনাকে যতটুকু দেখেছি, মানুষের মৌলিক গুণাবলির মধ্যে যে গুণগুলো থাকা দরকার তা উনার মধ্যে বিদ্যমান ছিলো।বলতে গিয়ে তিনি একজন মানবিক গুণাবলি সম্পন্ন মানুষ।

কক্সবাজার সদর মডেল থানায় তিনি যে সফলতার সাথে কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন তার ধারাবাহিকতা তিনি যেন অন্য স্টেশনে অব্যাহত রাখতে পারেন সে কামনা করছি।
উক্ত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সদর সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলাম বলেন,ফরিদ উদ্দিন খন্দকার অত্যন্ত একজন ভালো মানুষ। তিনি যতোদিন সদর মডেল থানায় কর্মরত ছিলেন ততোদিন পর্যন্ত পেশাদারিত্বের সাথে তার কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন।

উক্ত বিদায় অনুষ্ঠানে সিনিয়র সাংবাদিক কালের কন্ঠের বিশেষ প্রতিনিধি তোফায়েল আহমেদ বলেন,সদর মডেল থানার ওসি ফরিদ উদ্দিন খন্দকার একজন দক্ষ ও আদর্শের অনন্য নিদর্শন। সদর মডেল থানায় যোগদানের পর থেকে তিনি মডেল থানা রুপান্তরে একাগ্রচিত্তে সততা ও ন্যায়নীতিকথায় অবিচল থেকে কাজ করেছেন জনস্বার্থে। আমি তার উত্তরোত্তর সফলতা এবং দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

বিদায়ী অতিথি ফরিদ উদ্দিন খন্দকার বলেন,কক্সবাজার সদর মডেল থানায় আমি দীর্ঘ ১ বছর ৮ মাস কর্মরত ছিলাম। দায়িত্ব পালন কালীন সময় আমি আমার সুযোগ্য পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন ( বিপিএম),অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রশাসন ইকবাল হোছাইন, সদর সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলামের নেতৃত্বে মডেল থানা রুপান্তর, এবং মাদক নির্মূল,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিকসহ সার্বিক বিষয়ে কাজের গতিকে তরান্বিত, এবং বাসযোগ্য মডেল থানা এবং নিরাপত্তার চাদরে আচ্ছাদিত করতে কাজ করেছি পেশাদারিত্বের সাথে।সার্বিক কার্যক্রমে সরকারী স্বার্থে,পুলিশিং কার্যক্রমে শৃঙ্খলা আনতে যদি কোন অধস্তন অফিসারের সাথে খারাপ আচরণ করি অথবা মনে কষ্ট দিয়ে থাকি,তাহলে আমাকে ক্ষমা ও সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।সরকারী চাকরী সুবাদে যে জেলায় নিয়োজিত থাকি না কেনো সফলতার সাথে যাতে কাজ করতে পারি তাঁর জন্য সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করছি।

উক্ত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার বাবুল চন্দ্র বণিক ট্রাফিক, টিআই প্রশাসন কামরুজ্জামান, কোর্ট ইনস্পেক্টর মাহবুবুল আলম,সাংবাদিক সরওয়ার আজম মানিক,কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি ভারপ্রাপ্ত খায়রুজ্জামান, অপারেশন অফিসার মোহাঃইয়াছিন, জাতীয় দৈনিক আলোকিত প্রতিদিন ও এশিয়া বাণীর কক্সবাজার প্রতিনিধি আবু সায়েম,শহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ রুমেল বড়ুয়াসহ প্রমুখ।উক্ত বিদায় অনুষ্ঠান সম্পূর্ণ ব্যতিক্রধর্মী ছিলো,সদর মডেল থানায় কর্মরত অফিসাররা তাদের প্রিয় মানুষটিকে বিদায় দিতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকল অতিথি বৃন্দ থানায় কর্মরত অফিসাররা বিদায়ী ওসি ফরিদ উদ্দিন খন্দকারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলো।
উল্লেখ্য যে,কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি ফরিদ উদ্দিন খন্দকার বরিশাল জেলায় বদলী হয়েছেন।

 
কক্সবাজারে মাসিক কল্যাণ সভায় তথ্য প্রযুক্তিতে ব্যাপক অবদান রাখায় পুরষ্কার পেলেন দুই পুলিশ কর্মকর্তা
                                  

আবু সায়েম, কক্সবাজার : কক্সবাজারে মাসিক কল্যাণ সভায় তথ্য প্রযুক্তিতে অর্থাৎ মোবাইল ট্রেকিংএর মাধ্যমে চোরাইকৃত মোবাইল উদ্ধার, তথ্য প্রযক্তির মাধ্যমে স্থান নিশ্চিত করে অপহৃত ভিকটিম উদ্ধারে সহায়তাসহ বিভিন্ন মামলার আসামী গ্রেপ্তারে ব্যাপক অবদান রাখায় পুরষ্কার পেলেন এএসআই মহিউদ্দীন বেগ ও এএসআই দ্বীন মোহাম্মদ।

গত ২৯ আগষ্ট রোববার সকাল ১০ টায় কক্সবাজার জেলা পুলিশ লাইন্সের গ্রিল শেডে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন (বিপিএম )বার। সভায় সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হেড কোয়ার্টার) রেজওয়ান আহমেদ । উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুলিশ কর্মকর্তাদের পুলিশিং কার্যক্রমকে তরান্বিত করার জন্য অর্থ ও ক্রেস্ট দিয়ে শ্রেষ্ঠত্বের জন্য পুরস্কৃত করা হয়। এতে আগষ্ঠ মাসে তথ্য প্রযু্িক্তর মাধ্যমে মোবাইল ট্রেকিং করে চোরাইকৃত মোবইল উদ্ধার , প্রযুক্তির মাধ্যমে স্থান নিশ্চিত করে অপহৃত ভিকটিম উদ্ধার, এবং আসামী গ্রেপ্তারে ব্যাপক ভূমিকা পালন করায় সার্বিক পারফরমেন্স অনুযায়ী কক্সবাজার সদর মডেল থানার এএসআই মহিউদ্দীন বেগ ও এএসআই দ্বীন মোহাম্মদ কে ক্রেস্ট দিয়ে সম্মাননা প্রদান করা হয়। উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ) ইকবাল হোছাইন , অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আদিবুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উখিয়া সার্কেল) নিহাদ আদনান তাইয়্যান , সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ( মহেশখালী সার্কেল) রতন কুমার দাশ গুপ্ত, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ( চকরিয়া সার্কেল) মতিউল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোহাঃ শহিদুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ( ট্রাফিক) বাবুল চন্দ্র বণিক সহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ।

এ প্রসঙ্গে এক প্রতিক্রিয়ায় পুরুস্কারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এএসআই মহিউদ্দীন বেগ ও এএসআই দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, প্রতিটি পুরস্কার খুবই ভালো লাগে। কাজের গতিকে তরান্বিত করে এবং কাজের প্রতি প্রেষণা সৃষ্টি করে। আমাদের পুরস্কারের পেছনে যিনি সর্বদা আমাদের অনুপ্রাণিত করেছেন এবং সার্বিক সহযোগিতা করেছেন তিনি আমাদের অফিসার ইনচার্জ ফরিদ উদ্দীন খন্দকার (পিপিএম বার )। তারঁ আন্তরিক সহযোগিতা এবং দক্ষ কার্যাবলির বাস্তবিক প্রয়োগে আমরা ১ম বারের মতো সদর মডেল থানায় মোবাইল ট্রেকিং এর মাধ্যমে চোরাই মোবাইল উদ্ধার , তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে অপহৃত ভিকটিম উদ্ধার সহ আসামী গ্রেপ্তারে ব্যাপক ভূমিকা পালন করায় পুরষ্কার লাভ করেছি। প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা হিসেবে যে থানায় নিয়োজিত থাকিনা কেনো আমরা আমাদের সেবার মন মানসিকতার কার্যক্রমের বাস্তবিক প্রয়োগ অব্যাহত রাখবো। সার্বিক দায়িত্ব পালনে তারা সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

এ ব্যাপারে কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ফরিদ উদ্দীন খন্দকার (পিপিএম বার) বলেন,মহিউদ্দীন বেগ ও দ্বীন মোহাম্মদ খুবই ভালো ও চমৎকার অফিসার। সদর মডেল থানায় যোগদানের পর থেকে মোবাইল ট্রেকিং এর মাধ্যমে চোরাই মোবাইল উদ্ধার, তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে অপহৃত ভিকটিম উদ্ধার সহ আসামী গ্রেপ্তার মাদক নির্মূল,অস্ত্র উদ্ধার চুরি ছিনতাই রোধে সহায়তা এবং সর্বোপরি মডেল থানা রুপান্তরে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন। আমি তাদের সফলতা কামনা করছি, তারা যাতে তাদের সফলতার ধারা অব্যাহত রাখতে পারেন।

৪র্থ বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত রামু থানার আবুল খায়ের
                                  

মোহাঃ আবু সায়েম, কক্সবাজার : ৪র্থ বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হয়েছেন রামু থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল খায়ের। ২৯ সেপ্টেম্বের রোববার সকাল ১০ টায় কক্সবাজার জেলা পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শেডে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার জেলার পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন (বিপিএম )বার। সভায় সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হেডকোয়ার্টার) রেজওয়ান আহমেদ। উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় আগষ্ঠ মাসের সার্বিক কার্যক্রম বিবেচনাপূর্বক শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী , মাদক ও অস্ত্র উদ্ধারকারী অফিসার , এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাািবক পর্যায়ে রাখতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করায় রামু থানার ওসিকে শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে সম্মাননা প্রদান করা হয়। উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ) ইকবাল হোছাইন , অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আদিবুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উখিয়া সার্কেল) নিহাদ আদনান তাইয়্যান , সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ( মহেশখালী সার্কেল) রতন কুমার দাশ গুপ্ত, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ( চকরিয়া সার্কেল) মতিউল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোহাঃ শহিদুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ( ট্রাফিক) বাবুল চন্দ্র বণিক সহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ।

এব্যপারে এক প্রতিক্রিয়ায় পুরস্কারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রামু থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল খায়ের বলেন,প্রতিটা পুরষ্কার খুবই ভালো লাগে , কাজের গতিকে তরান্তিত করে এবং কাজের প্রতি প্রেষণা সৃষ্টি করে। আজকের এ পুরস্কার আমার রামু থানার সকল কর্মকর্তা এবং ফোর্সদের পরিশ্রমের ফসল। যে প্রতিশ্রুতি বা¯তবায়নের লক্ষ্যে রামু থানায় যোগদান করেছি , সে প্রতিশ্রুতি ইম্পলিমেন্ট করতে আমার যাবতীয় শারীরিক ও মানসিক শ্রম অব্যাহত থাকবে। সর্বোপরি রামু থানাকে মাদকমুক্ত মডেল রামু উপহার দিতে প্রাত্যহিক ও বিশেষ অভিযান চলমান থাকবে। প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা হিসেবে যে থানায় নিয়োজিত থাকি না কনো কর্মক্ষেত্রে পেশাদারিত্বের সাথে কার্যক্রম সম্পাদন করতে আমার আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

থানা ভিত্তিক শ্রেষ্ঠ এসআই নির্বাচিত সদর মডেল থানার কাঞ্চন
                                  

আবু সায়েমঃ প্রথম বারের মতো থানা ভিত্তিক শ্রেষ্ঠ এসআই নির্বাচিত হয়েছেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার কাঞ্চন দাশ। মাদক দ্রব্য উদ্ধার, গ্রেপ্তারী পরোয়ানা তামিল, চুরি ছিনতাই রোধে ভূমিকাসহ আইনশৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক পর্যায়ে ব্যাপক ভূমিকা পালন করায় সার্বিক বিষয় বিবেচনা পূর্বক কক্সবাজার সদর মডেল থানার কাঞ্চন দাশকে থানা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ এসআই হিসেবে সম্মাননা প্রদান করা হয়। ২৯আগষ্ট রোববার সকাল ১০ টায় কক্সবাজার জেলা পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শিডে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন (বিপিএমবার)। এতে সামগ্রিক কার্যাবলি বিবেচনাপূর্বক থানা ভিত্তিক শ্রেষ্ঠ এসআই হিসেবে সনদ ও সম্মাননা প্রদান করা হয়। উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) ইকবাল হোছাইন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলাম ( সদর সার্কেল) , অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নিহাদ আদনান তাইয়্যান ( উখিয়া সার্কেল), সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার( চকরিয়া সার্কেল) কাজী মতিউল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম (ডিএসবি), সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার রতন দাশ গুপ্ত ( মহেশখালী সার্কেল), সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার বাবুল চন্দ্র বণিক (ট্রাফিক বিভাগ)সহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ

সভায় সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( হেড কোয়ার্টার )রেজওয়ান আহমেদ। উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুলিশ কর্মকর্তাদের পুলিশী কার্যক্রমকে তরান্বিত করার জন্য অর্থ ও ক্রেস্ট দিয়ে শ্রেষ্টত্বের জন্য পুরস্কৃত করা হয়। এতে আগষ্ট মাসের পারফরম্যান্স অনুযায়ী সদর মডেল থানার চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা এসআই কাঞ্চন দাশকে সদর মডেল থানার শ্রেষ্ঠ এসআই হিসেবে অর্থ পুরস্কার ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

এ প্রসঙ্গে এক প্রতিক্রিয়ায় পুরুস্কারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাঞ্চন দাশ বলেন, প্রতিটি পুরস্কার খুবই ভালো লাগে। কাজের গতিকে তরান্বিত করে এবং কাজের প্রতি প্রেষণা সৃষ্টি করে। আমার পুরস্কারের পেছনে যিনি সর্বদা আমাকে অনুপ্রাণিত করেছেন এবং সার্বিক সহযোগিতা করেছেন তিনি আমার অফিসার ইনচার্জ ফরিদ উদ্দীন খন্দকার (পিপিএম বার )। তারঁ আন্তরিক সহযোগিতা এবং দক্ষ কার্যাবলির বাস্তবিক প্রয়োগে আমি ১ম বারের মতো থানা পর্যায়ে সদর মডেল থানার শ্রেষ্ঠ এসআই হিসেবে নির্বাচিত হয়েছি। প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা হিসেবে যে থানায় নিয়োজিত থাকিনা কেনো আমি আমার সেবার মন মানসিকতার কার্যক্রমের বাস্তবিক প্রয়োগ অব্যাহত রাখবো। সার্বিক দায়িত্ব পালনে তিনি আবারো সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

এব্যাপারে কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ফরিদ উদ্দীন খন্দকার (পিপিএম বার) বলেন,কাঞ্চন দাশ একজন ভালো ও চমৎকার অফিসার। সদর মডেল থানায় যোগদানের পর থেকে মাদক নির্মূল,অস্ত্র উদ্ধার চুরি ছিনতাই রোধে সহায়তা এবং সর্বোপরি মডেল থানা রুপান্তরে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন । আমি তারঁ সফলতা কামনা করছি, তিনি যাতে তারঁ সফলতার ধারা অব্যাহত রাখতে পারেন।

মাাদক বিরোধী অভিযানে যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছেন সদরের ওসি ফরিদ উদ্দীন খন্দকার
                                  

আবু সায়েম, কক্সবাজারঃ মাদকবিরোধী অভিযানে যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি ফরিদ উদ্দীন খন্দকার। সরকারের মাদকবিরোধী যে জিরো টলারেন্স সে নীতিকে বাস্তবে রুপ দিতে রাত দিন পরিশ্রম করছেন সদর মডেল থানার ওসি ও তারঁ চৌকস টিম। ফরিদ উদ্দীন খন্দকার সদর মডেল থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন প্রায় ২ বছরের কাছাকাছি। কিন্তু দায়িত্ব পালনের এ সময়ে তিনি সদর মডেল থানা এর আওতাভুক্ত এলাকাসমূহ মাদক নির্মূল, অস্ত্র উদ্ধারে ব্যাপক ভূমিকা, পর্যটনদের নিরাপত্তা প্রদানে পুলিশিং কার্যক্রমে তরান্বিত , শহরের ঝুকিঁপূর্ণ যেসব এলাকায় চুরি ছিনতাই সংগঠিত হয়, সে সকল গুরুত্বপূর্ণ স্পটে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন, পর্যটক এবং স্থানীয় জনগণ এরবং ব্যবসায়ীদের স্বার্থে সারারাত পুলিশি গাড়ি টহল সহ নিরাপত্তার চাদরে আচ্ছাদিত করতে কাজ করছেন একাগ্রচিত্বে। অবিচল আছেন সততা ও ন্যায় নীতিকথায়। সরেজমিন পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়,বয়স্ক এক মহিলা বসে আছেন থানা কম্পাউন্ডের এক কোণে।থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যাচ্ছেন নামাজে। হঠাৎ কম্পাউন্ডের এক কোণায় দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে অশ্রুসিক্ত নয়নে এক অভাবী মহিলা অঝুর নয়নে কান্না করছেন । নাম তারঁ রাবেয়া খাতুন , বয়স ৭০ ছুঁই ছুঁই। ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার হঠাৎ নজরে আসে ঐ মহিলা । কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করে কি সমস্যা? তখন ভদ্র মহিলাটি বললেন, ৪ সন্তানকে পড়ালেখা করে মানুষ করেছি, কিন্তু আজ তারা আমার কোন খবর নিচ্ছে না। দায়িত্ব পালনও করছে না। মনযোগ সহকারে কথাগুলো শুনে মহিলাটিকে আশস্ত করেন এবং তৎক্ষনাৎ মহিলাটিকে তার সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করেনএবং দায়িত্ব প্রাপ্ত পুলিশের এসআইকে সকল কার্যক্রম, সম্পাদনের জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। ওসির এমন কার্যক্রম দেখে মহিলাটি খুশিতে আতœহারা হয়ে আবেগআপ্লুত হয়ে পড়েন। ঠিক তেমনি প্রাত্যহিক মানবিক এবং সেবামূলক সেবা প্রদান করে আসছেন বহুগুণে গুণান্বিত বর্তমান ওসি ফরিদ উদ্দীন খন্দকার।যা সত্যি অবিস্মরণীয় এবং মানবজাতির জন্য শিক্ষার অনন্য নিদর্শন। হাজার বাধাঁকে মোকাবেলা করে ঝুকিঁ নিয়ে নিজের পেশাদারিত্বকে সর্বোচ্চঠুকু দিয়ে কাজ করছেন মানবতার সেবায়। অনেকেই পুলিশের কার্যক্রমকে খারাপের চোখে দেখে। আমরা বলি দোষে গুণে মানুষ। প্রত্যেকটি মানুষের মানবিক গুণবালি ও অমানবিক কার্যক্রম ও থাকে। আজ যদি আমরা পুলিশের সে ভালো কাজগুলোকে উৎসাহ দিতাম এবং লালন করতাম তাহলে আমরা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ উপহার দিতে পারতাম। তারই ধারাবাহিকতায় ন্যায় নীতিকথা ও আদর্শে অবিচল থেকে মানুষকে প্রাত্যহিক সেবা প্রদান করে আসছেন দক্ষ ওঅভিজ্ঞ অফিসার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাও তারঁ টিম । সুযোগ্য পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) ইকবাল হোসাইন, সদর সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলামের এর দিকনির্দেশনা বাস্তবে রুপ দান এবং সদর মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তা খায়রুজ্জামান এবং অপারেশন্স অফিসার মোহাঃ ইয়াছিনের সহযোগিতায় কক্সবাজার সদর মডেল থানা আজ অন্যান্য থাানার রুল মডেল। কমে গেছে আগের চেয়ে মাদক,অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশ কর্মকতাদের সফলতা, চুরি ছিনতাই রোধে সহায়তা, কক্সবাজার গ্যাং কালচার ও ইভটিজিং রোধে ব্যাপক ভূমিকা, জড়িতদের আইনের আওতায় আনা সহ, সর্বোপরি মডেল থানা উপহার দিতে যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত বা¯তবায়ন করছেন থানায় কর্মরত অফিসাররা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, সদর মডেল থানার দাায়িত্বশীল এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, বর্তমান সদর মডেল থানার পরিবেশ অত্যন্ত চমৎকার। প্রাত্যহিক অভিযানে সদর মডেল থানায় বিভিন্ন মামলার ৩০ থেকে ৪০ জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। বর্তমান ওসি স্যার তদবিরকে মূল্যায়ন না করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে যাবতীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেন । স্যারের এ মহৎ কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়েছেন উর্দ্ধতন পুলিশ কর্মকর্তারা। কোন অফিসাররা যাতে মাদকের ব্যবসার সাতে জড়িত হতে না পারে , আইনবিরোধী ও দেশবিরোধী কোন কার্যক্রমে অংশীদার না হয় সেজন্য সদর সার্কেল স্যার ও ওসি স্যার সজাগ দৃষ্টি রেখে প্রতিনিয়ত সতর্ক করেন এবং ভালোভাবে খোজঁ খবর রাখেন। যাতে কোন ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য সকল পুলিশ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের রুল কল করে পেশদারিত্বের সাথে কাজ করার আহ্বান জানান।

বর্তমান সদর মডেল থানার পরিবেশ এবং তারঁ উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য সম্পর্কে জানতে চাইলে সদর মডেল থানার ওসি ফরিদ উদ্দীন খন্দকার পিপিএম (বার) জানান, দেশ সেবার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেছি। যোগদান করার পর থেকে মানব সেবায় নিয়োজিত রাখার চেষ্টা করেছি। প্রত্যেক ব্যেিক মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। কার মৃত্যু কখন হবে কেউ জানেন না! সুতরাং প্রত্যেকটি মানুষের নৈতিক দায়িত্ব ইহকাল ও পরকালকে চিন্তা করে বাস্তবায়ন করতে হবে। বর্তমান সদর মডেল থানার পরিবেশ সম্পর্কে বলতে গেলে আসলে বর্তমানের পরিবেশ আমার সকল অফিসারের ত্যাগের বিনিময়ে বেশ চমৎকার । সুন্দর বাসযোগ্য মডেল থানা রুপান্তরে প্রত্যেকটি অফিসার পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করছেন। যা সত্যিই প্রশংসনীয় এবং অতুলনীয়। সদর মডেল থানার আওতাভুক্ত সকল এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা বিরাজমান রাখতে প্রাত্যহিক অভিযান ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ফলশ্রুতিতে থানার প্রাত্যহিক অভিযানে বিভিন্ন মামলার, দাগী , সাজাপ্রাপ্ত আসামী মাদক ও অস্ত্র উদ্ধারসহ ৩০ থেকে ৪০ জন আসামীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হচ্ছি। আসামীদর কোন রকম তদবিরে ছাড় দেওয়া হয় না। তিনি আরো বলেন,লক্ষ ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলতে গেলে একটা বিষয়কে প্রাধান্য দিতে হয় সেটা হচ্ছে , মাদকমুক্ত কক্সবাজার সদর মডেল থানা উপহার,বাসযোগ্য সুন্দর পর্যটন নগরী রুপান্তরে পুলিশী কার্যক্রমকে তরান্বিত ।

ইনশাআল্লাহ আমরা সে উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি, জনগণের সার্বিক সহযোগিতা এবং দেশপ্রেম থাকলে কক্সবাজারের সুযোগ্য পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) ইকবাল হোসাইন ,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল আদিবুল ইসলাম এর দিকনির্দেশনা বাস্তবায়ন করে বৈচিত্রায়ন সৃজনশীলতাকে প্রাধান্য দিয়ে কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌছঁতে সক্ষম হবো এবং সকলের সহযোগিতায় উন্নত সোনার বাংলাদেশ গড়তে অংশীদার হতে পারবো।

“একজন অভিজ্ঞ ও গুণি জেল সুপারের বদলী”
                                  

আবু সায়েম : কক্সবাজার জেলা কারাগার কর্তৃক আয়োজিত কারাগারের জেল সুপার বজলুর রশীদ আখন্দের বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭ টায় মনোমুগ্ধকর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে জেলার রীতেশ চাকমার সভাপতিত্বে উক্ত বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোছাইন। বিশেষ অতিথি হিসেবে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সুমেন মন্ডল,সিনিয়র সাংবাদিক রাসেল চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। উক্ত বিদায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোছাইন বলেন,বিগত ১ বছর যাবত কক্সবাজার জেলায় চাকরির সুবাধে বিদায়ী জেল সুপার বজলুর রশীদ আখন্দকে খুব কাছ থেকে দেখেছি।

একজন কর্মকর্তার মাঝে যে মানব সম্পদ উন্নয়ন,কাঠামো ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের গতিকে বাস্তবায়ন ও সৃজনশীলতা থাকা উচিত, এসব গুণাবলি ওনার মধ্যে বিদ্যমান ছিলো।কারাঅভ্যন্তরীন এবং বাইরে তিনি যে সকল কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করেছেন,তা কারাগারে কর্মরত এবং আগত কর্মীরা গভীরভাবে স্মরণ করবেন।তিনি আরো বলেন,সরকারী বদলী একটি নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে সংগঠিত হয়।সরকারী কর্মকর্তা এবং কর্মীদের এক স্টেশন থেকে অন্য স্টেশনে বদলী হওয়া স্বাভাবিক ব্যাপার।তিনি যে স্টেশনে যাবেন আশা করছি, তিনি তাঁর সৃজনশীল কার্যক্রমের ধারা অব্যাহত রাখবেন।

বিদায়ী জেল সুপার বজলুর রশীদ আখন্দ বলেন,দীর্ঘ সাড়ে ৩ বছর যাবত কক্সবাজার কারাগারে কর্মরত ছিলাম। নিজের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে কারাভ্যন্তর এবং বাহিরে উন্নয়নের গতিতে তরান্বিত করে বাস্তবায়ন করেছি।দেশের স্বার্থে কারাগারে শৃঙ্খলা ফেরাতে অনেক সময় কোন কারারক্ষীর মনক্ষুন্ন করলে তিনি উপস্থিত সকল কারা কর্মীদের প্রতি ক্ষমা ও সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ জানান।তিনি আরো বলেন,কক্সবাজার কারাগারে দীর্ঘ সাড়ে ৩ বছর যাবত প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োজিত ছিলাম। চেষ্টা করেছি,কারাগারকে মডেল কারাগারে রুপান্তরে।বাকি চাকরী জীবন যাতে সফলতা ও সুনামের সাথে সম্পদান করতে পারি, সেজন্য উপস্থিত সকলের নিকট দোয়া প্রার্থনা করছি।
সমাপনী বক্তৃতায় অনুষ্ঠানের সভাপতি রীতেশ চাকমা বলেন,দীর্ঘ ৯ মাস যাবত স্যারের সাথে চাকরির সুযোগ হয়েছে। স্যার অভিজ্ঞ ও বহুগুণে গুণান্বিত একজন মানুষ। স্যারের বিদায় মেনে নেওয়া যায় না।তবুও সরকারী চাকরির নিয়ম নীতিকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে আজ তিনি দিনাজপুর জেলা কারাগারে যোগদান করবেন।তিনি স্যারের জন্য উপস্থিত সকল কারাকর্মী এবং আগত মেহমানদের কাছে দোয়াকামনা ও ভুল ত্রুটি ক্ষমা ও সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার আহ্বান জানান।

জাতীয় নিরাপত্তা সেলের প্রধান হলেন আছাদুজ্জামান মিয়া
                                  

ডেস্ক রিপাের্ট : মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জাতীয় নিরাপত্তা সেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পদে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়াকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার সরকারের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আছাদুজ্জামান মিয়াকে আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর অথবা যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী ৩ বছর মেয়াদে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অধীন ‘জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত সেলের’ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হলো। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকরের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

১৯৬০ সালের ১৪ আগস্ট ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় জন্ম নেয়া আছাদুজ্জামান ১৯৮৮ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে পুলিশ বাহিনীতে যোগ দেন।

ডিএমপি কমিশনার হিসেবে ২০১৫ সালের ৭ জানুয়ারি দায়িত্ব নেন তিনি। ডিএমপি কমিশনার হিসেবে যোগ দেয়ার আগে সিলেট, সুনামগঞ্জ, পাবনা, টাঙ্গাইলসহ বিভিন্ন জেলা ও রেঞ্জে দায়িত্ব পালনের পর হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

চলতি বছরের ১৩ আগস্ট তার চাকরির মেয়াদ শেষ হাওয়ার কথা ছিল। তবে ১৪ আগস্ট থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই সময় বাড়ানো হয়েছে জানিয়ে ঈদের ছুটির মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপন জারি করে।


   Page 1 of 10
     আইন শৃঙ্খলা
জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় সকল মিডিয়ার প্রতি আহ্বান মনিরুল ইসলামের
.............................................................................................
বিএনপির ৩৫ নেতার জামিন
.............................................................................................
নব্য জেএমবির নারী শাখার প্রধান গ্রেপ্তার
.............................................................................................
হামলার ঘটনা সত্য হলে কঠোর ব্যবস্থা: আইজিপি
.............................................................................................
আমি ভোটকেন্দ্রে সব দলের এজেন্ট পেয়েছি: র‌্যাব ডিজি
.............................................................................................
১০ জনের মৃত্যুদণ্ড, দুইজন খালাস, সিপিবির সমাবেশে বোমা হামলা মামলায়
.............................................................................................
৩য় বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ সার্কেল নির্বাচিত অতি: পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলাম
.............................................................................................
৫ম বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত রামু থানার আবুল খায়ের
.............................................................................................
কক্সবাজার সদর মডেল থানায় নতুন ওসি সৈয়দ আবু মোঃ শাহজাহান কবীরের যোগদান
.............................................................................................
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি ফরিদ উদ্দিনের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
কক্সবাজারে মাসিক কল্যাণ সভায় তথ্য প্রযুক্তিতে ব্যাপক অবদান রাখায় পুরষ্কার পেলেন দুই পুলিশ কর্মকর্তা
.............................................................................................
৪র্থ বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত রামু থানার আবুল খায়ের
.............................................................................................
থানা ভিত্তিক শ্রেষ্ঠ এসআই নির্বাচিত সদর মডেল থানার কাঞ্চন
.............................................................................................
মাাদক বিরোধী অভিযানে যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছেন সদরের ওসি ফরিদ উদ্দীন খন্দকার
.............................................................................................
“একজন অভিজ্ঞ ও গুণি জেল সুপারের বদলী”
.............................................................................................
জাতীয় নিরাপত্তা সেলের প্রধান হলেন আছাদুজ্জামান মিয়া
.............................................................................................
২য় বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ সার্কেল নির্বাচিত অতি: পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলাম
.............................................................................................
থানা ভিত্তিক শ্রেষ্ঠ এএসআই নির্বাচিত সদর মডেল থানার টিটু কুমার সাহা
.............................................................................................
উখিয়ায় নবাগত ওসি আবুল মনসুরের অভিজ্ঞতা ও কর্মদক্ষতায় পরিস্থিতি উন্নতির পথে
.............................................................................................
ভোলায় ছেলেধরা গুজব রোধে পুলিশের প্রচারণা
.............................................................................................
মাদকের ব্যাপারে কাউকে বিন্দু পরিমাণ ছাড় দেয়া হবেনা: অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল
.............................................................................................
উখিয়ায় ওসি আবুল মনসুরের যোগদান, চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সহযোগিতা কামনা
.............................................................................................
রামু থানায় যোগ দিলেন ওসি আবুল খায়ের
.............................................................................................
চট্টগ্রাম রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী নির্বাচিত কক্সবাজার মডেল থানার এএসআই কামাল
.............................................................................................
প্রথম বারের মতো চট্টগ্রাম রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ এসআই বোরহান
.............................................................................................
৫ম বারের মতো চট্টগ্রাম রেঞ্জে শ্রেষ্ঠ এসপি মাসুদ হোসাইন
.............................................................................................
মাদক ব্যবসায়ীর আতংক এসআই আনছারুল
.............................................................................................
প্রথম বারের মতো থানা ভিত্তিক শ্রেষ্ঠ এসআই নির্বাচিত সদর মডেল থানার সনৎ
.............................................................................................
জেলার শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক কর্মকর্তা নির্বাচিত সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার বাবুল বণিক
.............................................................................................
৩য় বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ সার্জেন্ট নির্বাচিত : ট্রাফিক বিভাগের লিয়াকত
.............................................................................................
পিরোজপুরে স্বচ্ছভাবে নিয়োগ পেল ৩৩ পুলিশ সদস্য
.............................................................................................
দ্বিতীয় বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই নির্বাচিত সদর মডেল থানার আজাদ
.............................................................................................
রাজধানীতে ট্রাফিক আইন অমান্য করায় ৬৮৫০ মামলা
.............................................................................................
কুতুবদিয়া নির্বাচনে সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরিতে পুলিশের সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করা হবে : ভারপ্রাপ্ত এসপি ইকবাল
.............................................................................................
পুলিশ বিভাগের আদর্শের জ্বলন্ত প্রতীক মোহাঃ গোলাম রুহুল কুদ্দুস
.............................................................................................
৩য় বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত উখিয়া থানার আবুল খায়ের
.............................................................................................
সৌম্য-মোসাদ্দেকের বিধ্বংসী ব্যাটিং-এ প্রথমবারের মত ত্রিদেশীয় সিরিজে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ
.............................................................................................
দক্ষ ও অভিজ্ঞতার অনন্য প্রতীক কক্সবাজারের জেল সুপার বজলুর রশীদ আখন্দ
.............................................................................................
বাংলাদেশ পুলিশের আদর্শের অনন্য প্রতীক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোছাইন
.............................................................................................
ডিএমপি`র মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৭২
.............................................................................................
রাজধানীতে ট্রাফিক আইন অমান্যে ৫৯৫১ মামলা
.............................................................................................
আগামী এক মাসের মধ্যেই নুসরাত হত্যা মামলার চার্জশীট : পিবিআই প্রধান
.............................................................................................
পুলিশ`র অতিরিক্ত আইজি পদমর্যাদার এক কর্মকর্তার বদলী
.............................................................................................
গুলিস্তানে ককটেল হামলার বিষয়ে খতিয়ে দেখছে সিটিটিসি: ডিএমপি কমিশনার
.............................................................................................
ডিএমপি`র অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ৬৯
.............................................................................................
এফ আর টাওয়ারে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় তাসভির ও ফারুক ৭ দিনের রিমান্ডে
.............................................................................................
ঢাকাকে টাইম বোমায় পরিণত হতে দিব না : র‌্যাব মহাপরিচালক
.............................................................................................
মানবতাবিরোধী অপরাধ: মধু মিয়াসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন চূড়ান্ত
.............................................................................................
পুলিশের বিরুদ্ধে খারাপ আচরণের অভিযোগ কমেছে: আছাদুজ্জামান
.............................................................................................
এবার ১০ এএসপিকে বদলি
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]