| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * ঈদে রেলের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু ২৯ জুলাই   * সুন্দরবনে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ বনদস্যু বাহিনী প্রধানসহ নিহত ২   * ছেলেধরা ও গণপিটুনি বিষয়ে পুলিশের সব ইউনিটকে নির্দেশনা   * উত্তরাঞ্চলে পানি কিছুটা কমলেও নদীগুলোর পানি এখনও বিপদসীমার ওপর   * সৌদি পৌঁছেছেন ৭৫ হাজার ৫৯০ হজযাত্রী   * হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ থেকে প্রিয়া সাহা বহিষ্কার   * দুদক পরিচালক এনামুল বাছির গ্রেফতার   * চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ৮ বাড়িতে বন্য হাতির তাণ্ডব   * আদালতে মিন্নির দু`টি আবেদন নামঞ্জুর   * পেশায় ইমাম, জিন তাড়ানোর নামে করতেন নারী-শিশু ধর্ষণ  

   আইন শৃঙ্খলা -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
মাদকের ব্যাপারে কাউকে বিন্দু পরিমাণ ছাড় দেয়া হবেনা: অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল

আবু সায়েম : মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স’র কথা জানিয়ে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ আদিবুল ইসলাম বলেছেন, যারা ইয়াবার টাকায় আরামের দালান বানাচ্ছেন তারা পাশে সাড়ে তিনহাত জায়গা রাখবেন। মাদকের ব্যাপারে কাউকে বিন্দু পরিমাণ ছাড় দেয়া হবেনা।

শনিবার বিকালে কক্সবাজার পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের উত্তর নুনিয়াছড়ায় “মাদক, ইভটিজিং ও নারী সহিংসতাসহ অপরাধ দমনে কমিউনিটি পুলিশিং সভায়” তিনি এসব কথা বলেন।
মোঃ আদিবুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ যখন বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট নিয়ে বিশ্বের দরবারে এগিয়ে যাচ্ছে, পদ্ম সেতুর কাজ যখন আমরা শেষ করতে যাচ্ছি-তখনও উত্তর নুনিয়াছড়ার লোকজন ইয়াবা নিয়ে পড়ে আছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও বলেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে উত্তর নুনিয়াছড়ায় মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালিত হবে। এটি লোক দেখানো অভিযান হবেনা। এমন অভিযান হবে যেখানে কোন মাদক ব্যবসায়ী ছাড় পাবেনা।

এসময় তিনি ইয়াবা ব্যবসায়ীদের তালিকা ও তাদের ঘরবাড়ি সনাক্ত করিয়ে পুলিশকে সহযোগিতার এলাকাবাসীকে আহ্বান জানান।

মাদকের শাস্তি মৃত্যুদন্ড জানিয়ে তিনি বলেন, মাদক ব্যবসায়ী নির্মূল ও ইয়াবা ব্যবসায়ীদের পাকড়াও করতে অভিযানের সূচনা হলো উত্তর নুনিয়াছড়া থেকেই। কক্সবাজারের আনাচে-কানাচে এই অভিযান পরিচালিত হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কক্সবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফরিদুল ইসলাম খন্দকার পিপিএম বলেন, মাদক ব্যবসায়ীরা সৎপথে ফিরে না আসলে কঠোর শাস্তি ভোগ করতে হবে। যারা স্কুল-কলেজের সামনে দাঁড়িয়ে ইভটিজিং কর, ভাল হয়ে যাও। অন্যথায় এই অপরাধের দায়ে হাত-পা ভেঙ্গে দেয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, দুই/চার জন্য ইয়াবা ব্যবসায়ীর কারণে পুরো এলাকার বদনাম হতে দেয়া যাবেনা। একজন খুনি কিন্তু একটা খুনের জন্য দায়ী। কিন্তু একজন ইয়াবা ব্যবসায়ী শত শত মানুষকে প্রতিনিয়ত খুন করছেন। এদেরকে আর ছাড় দেয়া হবেনা।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন- কক্সবাজার পৌরসভার প্যানেল মেয়র-৩ শাহেনা আকতার পাখি, ২নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মিজানুর রহমান, পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান মেহেদী রহমান, কক্সবাজার সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন এন্ড কমিউনিটি পুলিশিং) মোহাম্মদ ইয়াসিন, পৌর কমিউনিটি পুলিশিং এর সভাপতি মিজানুর রহমান, জেলা ছাত্রলীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক মঈন উদ্দিন, কমিউনিটি পুলিশিং ২নং সহ-সভাপতি কামাল উদ্দিন, শিল্প এলাকা সমাজ উন্নয়ন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আনছারুল করিম প্রমুখ।

সভায় সমাপনি বক্তব্য রাখেন কমিউনিটি পুলিশিং ২নং ওয়ার্ডের সভাপতি সেলিম উল্লাহ সেলিম।

সভা সঞ্চালনা করেন কমিউনিটি পুলিশ ২নং ওয়ার্ডের সম্পাদক আজিমুল হক আজিম ও সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম হেলাল উদ্দিন। সভায় উত্তর নুনিয়াছড়া, মধ্যম নুনিয়াছড়া, পশ্চিম নতুন বাহারছড়াসহ বিভিন্ন এলাকার সহস্রাধিক নারী-পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।

মাদকের ব্যাপারে কাউকে বিন্দু পরিমাণ ছাড় দেয়া হবেনা: অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল
                                  

আবু সায়েম : মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স’র কথা জানিয়ে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ আদিবুল ইসলাম বলেছেন, যারা ইয়াবার টাকায় আরামের দালান বানাচ্ছেন তারা পাশে সাড়ে তিনহাত জায়গা রাখবেন। মাদকের ব্যাপারে কাউকে বিন্দু পরিমাণ ছাড় দেয়া হবেনা।

শনিবার বিকালে কক্সবাজার পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের উত্তর নুনিয়াছড়ায় “মাদক, ইভটিজিং ও নারী সহিংসতাসহ অপরাধ দমনে কমিউনিটি পুলিশিং সভায়” তিনি এসব কথা বলেন।
মোঃ আদিবুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ যখন বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট নিয়ে বিশ্বের দরবারে এগিয়ে যাচ্ছে, পদ্ম সেতুর কাজ যখন আমরা শেষ করতে যাচ্ছি-তখনও উত্তর নুনিয়াছড়ার লোকজন ইয়াবা নিয়ে পড়ে আছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও বলেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে উত্তর নুনিয়াছড়ায় মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালিত হবে। এটি লোক দেখানো অভিযান হবেনা। এমন অভিযান হবে যেখানে কোন মাদক ব্যবসায়ী ছাড় পাবেনা।

এসময় তিনি ইয়াবা ব্যবসায়ীদের তালিকা ও তাদের ঘরবাড়ি সনাক্ত করিয়ে পুলিশকে সহযোগিতার এলাকাবাসীকে আহ্বান জানান।

মাদকের শাস্তি মৃত্যুদন্ড জানিয়ে তিনি বলেন, মাদক ব্যবসায়ী নির্মূল ও ইয়াবা ব্যবসায়ীদের পাকড়াও করতে অভিযানের সূচনা হলো উত্তর নুনিয়াছড়া থেকেই। কক্সবাজারের আনাচে-কানাচে এই অভিযান পরিচালিত হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কক্সবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফরিদুল ইসলাম খন্দকার পিপিএম বলেন, মাদক ব্যবসায়ীরা সৎপথে ফিরে না আসলে কঠোর শাস্তি ভোগ করতে হবে। যারা স্কুল-কলেজের সামনে দাঁড়িয়ে ইভটিজিং কর, ভাল হয়ে যাও। অন্যথায় এই অপরাধের দায়ে হাত-পা ভেঙ্গে দেয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, দুই/চার জন্য ইয়াবা ব্যবসায়ীর কারণে পুরো এলাকার বদনাম হতে দেয়া যাবেনা। একজন খুনি কিন্তু একটা খুনের জন্য দায়ী। কিন্তু একজন ইয়াবা ব্যবসায়ী শত শত মানুষকে প্রতিনিয়ত খুন করছেন। এদেরকে আর ছাড় দেয়া হবেনা।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন- কক্সবাজার পৌরসভার প্যানেল মেয়র-৩ শাহেনা আকতার পাখি, ২নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মিজানুর রহমান, পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান মেহেদী রহমান, কক্সবাজার সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন এন্ড কমিউনিটি পুলিশিং) মোহাম্মদ ইয়াসিন, পৌর কমিউনিটি পুলিশিং এর সভাপতি মিজানুর রহমান, জেলা ছাত্রলীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক মঈন উদ্দিন, কমিউনিটি পুলিশিং ২নং সহ-সভাপতি কামাল উদ্দিন, শিল্প এলাকা সমাজ উন্নয়ন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আনছারুল করিম প্রমুখ।

সভায় সমাপনি বক্তব্য রাখেন কমিউনিটি পুলিশিং ২নং ওয়ার্ডের সভাপতি সেলিম উল্লাহ সেলিম।

সভা সঞ্চালনা করেন কমিউনিটি পুলিশ ২নং ওয়ার্ডের সম্পাদক আজিমুল হক আজিম ও সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম হেলাল উদ্দিন। সভায় উত্তর নুনিয়াছড়া, মধ্যম নুনিয়াছড়া, পশ্চিম নতুন বাহারছড়াসহ বিভিন্ন এলাকার সহস্রাধিক নারী-পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।

উখিয়ায় ওসি আবুল মনসুরের যোগদান, চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সহযোগিতা কামনা
                                  

আবু সায়েম : রোহিঙ্গার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর নবাগত ওসি আবুল মনসুর। কক্সবাজারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সীমান্তবর্তী থানা উখিয়ায় অফিসার ইনচার্জ হিসেবে যোগদান করেছেন চৌকস ওসি আবুল মনসুর। বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই তিনি বিদায়ী ওসি আবুল খায়েরের কাছ থেকে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

এর আগে তিনি রামু থানা ও কক্সবাজার ডিবিতে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। রামু থানায় থাকাকালে তিনি বিশেষ কৌশল প্রয়োগ করে সৃজনশীল কার্যক্রমের মাধ্যমে মাদক নির্মূল, ডাকাত প্রতিরোধে সহায়তা, অপরহনকারী চক্র দমনে ভূমিকা, অস্ত্র উদ্ধার এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক পর্যায়ে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

উখিয়া থানার নবাগত ওসি আবুল মনসুর বলেন, আমাকে আমার উর্ধতন কর্তৃপক্ষ যে উদ্দেশ্যে পাঠিয়েছেন সে উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে আমি কাজ করে যাবো।

তিনি আরো বলেন, আমি দুটি চ্যালেঞ্জ বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। রোহিঙ্গার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা। ১২ লক্ষ রোহিঙ্গা বর্তমানে উখিয়া- টেকনাফে অবস্থান করছেন। রোহিঙ্গারা যাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি না ঘটান এবং সুষ্ঠু ও সুন্দর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে তারা যাতে নিরাপত্তার সাথে প্রত্যাবাসন না হওয়া পর্যন্ত উখিয়ায় থাকতে পারেন সেজন্য আমাদের পুলিশী কার্যক্রম ও গোয়েন্দা বিভাগের নজরদারীসহ তীক্ষ্ণ দৃষ্টি অব্যাহত থাকবে। আরেকটা বিষয় বাস্তবায়নে আমি বদ্ধপরিকর সেটা হচ্ছে, সরকারের ষোষিত মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণে মাদকের বিরুদ্ধে সাড়াঁশি অভিযান অব্যাহতসহ মাদক নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত প্রাত্যহিক বিশেষ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে। সার্বিক দায়িত্ব পালনে নবাগত ওসি উখিয়া থানা পুলিশের সদস্য, স্থানীয় জনসাধারণ সাংবাদিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।

উল্লেখ্য যে, তিনি এর আগে সফলতার সাথে চট্রগ্রাম ইপিজেড, বাকলিয়া, ডিবি ও সর্বশেষ রামু থানায় কৃতিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি তারঁ সফল কার্যক্রমের জন্য বিভিন্ন পুরুস্কারে ভূষিত হন।

রামু থানায় যোগ দিলেন ওসি আবুল খায়ের
                                  

আবু সায়েম : রামু থানার ওসি (অফিসার ইনচার্জ) হিসেবে পরিদর্শক আবুল খায়ের বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই যোগদান করেছেন। এর আগে তিনি উখিয়া থানার ওসি হিসাবে কৃতিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করেন। ওসি আবুল খায়ের উখিয়া থানায় থাকাকালে রোহিঙ্গা শরনার্থী সমস্যা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে ব্যবস্থাপনা করেন। উখিয়া উপজেলার আইনশৃঙ্খলা সুরক্ষার দায়িত্বেও তার রয়েছে সাফল্যের অগ্রাধিকার।

রামু থানার নবাগত ওসি আবুল খায়ের বলেন-সরকারের ঘোষিত মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণে মাদক বিরোধী সাড়াশি অভিযান জোরদার, ডাকাতি-অপহরণ সহ সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুরক্ষায় পরিকল্পিত ও পেশাদারিত্বের সাথে সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যাবো ইনশাল্লাহ। রামু থানায় ওসি হিসাবে যোগদানের পর প্রথম গণমাধ্যমের সাথে কথা বলার কথা উল্লেখ করে ওসি আবুল খায়ের বলেন-এটা একটা টিম ওয়ার্ক। একা কোন কিছু করা সম্ভব নয়। তাই তিনি তাঁর দায়িত্ব পালনে রামু থানা পুলিশের সকল সদস্য ও স্থানীয় জনসাধারণের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।

রামু থানার নতুন ওসি আবুল খায়েরের যোগদান সম্পর্কে ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, প্রথম দিন এসে ওসি আবুল খায়ের স্যার আমাদের যে ভাবে নির্দেশনা দিয়েছেন, তাতে রামু থানা পুলিশের সকলে প্রেরণা ও প্রত্যয়ে সমৃদ্ধ হয়েছে। ইনশাল্লাহ রামু থানা পুলিশের সকলে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে আরো অধিক সচেতন হলে আইনশৃঙ্খলা সুরক্ষায় আমাদের সকল পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারবো।

প্রসঙ্গত, রামু থানার সদ্য সাবেক ওসি আবুল মনসুর বদলী হয়ে উখিয়া থানার ওসি হিসাবে ইতিমধ্যে যোগদান করেছেন।

চট্টগ্রাম রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী নির্বাচিত কক্সবাজার মডেল থানার এএসআই কামাল
                                  

মোহাঃ আবু সায়েম: চট্টগ্রাম রেঞ্জে শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী এএসআই নির্বাচিত হয়েছেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল হোসেন। গত জুন (২০১৯) মাসের পারফর্মেন্স বিবেচনায় সদর থানার এএসআই কামাল শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী এসআই নির্বাচিত হন।

জুন (২০১৯) মাসে তিনি জেলায় সর্বোচ্চ ৫৪ টি গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামী গ্রেপ্তার করায় তাকে শ্রেষ্ঠ এএসআই হিসেবে সম্মাননাস্বরুপ ক্রেষ্ট, সার্টিফিকেট ও নগদ অর্থ প্রদান করা হয়। বুধবার ১৭ জুলাই চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক বিপিএম পিপিএমবার এর কার্যালয়ে মাসিক কল্যাণ ও আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়। উক্ত সভায় এএসআই মোহাম্মদ কামাল হোসেনকে এ সম্মানা প্রদান করা হয়।

এসময় কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইনসহ উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সম্মাননা পাওয়ার পর এএসআই মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, আজকের এ সফলতার পেছনে যারা উৎসাহ উদ্দীপনা, এবং অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন কক্সবাজারের সুযোগ্য পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন বিপিএম এবং সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ফরিদ উদ্দীন খন্দকার। পুলিশ সুপারের নির্দেশে এবং সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ফরিদ উদ্দীন খন্দকারের দিক নির্দেশনাকে বাস্তবায়ন করে সফলতার দ্বার উন্মোচন করেছি। আন্তরিকতা, সৎ ইচ্ছা , পরিশ্রম , কল্যাণমুখী চিন্তা চেতনাকে বাস্তবে প্রয়োগ করলে কাজের গতি তরান্বিত এবং সফলতাকে উপভোগ করা যায়। দেশ সেবার মনমানসিকতা নিয়ে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেছি। ইনশাআল্লাহ প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা হিসেবে যে থানায় নিয়োজিত থাকি না কেনো মাদক, সন্ত্রাসমুক্ত , অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, আইনশৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক, পরোয়ানাভুক্ত আসামী গ্রেপ্তার এবং সর্বোপরি নিরাপত্তার চাদরে আচ্ছাদিত করতে আমার শারীকিক, ও মানসিক শ্রম অব্যাহত থাকবে।

প্রথম বারের মতো চট্টগ্রাম রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ এসআই বোরহান
                                  

আবু সায়েমঃ প্রথম বারের মতো চট্টগ্রাম রেঞ্জে শ্রেষ্ঠ এসআই নির্বাচিত হয়েছেন টেকনাফ মডেল থানার এসআই বোরহান উদ্দিন। মাদক দ্রব্য উদ্ধার, গ্রেপ্তারী পরোয়ানা তামিল, চুরি ছিনতাই রোধে ভূমিকাসহ আইনশৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক পর্যায়ে ব্যাপক ভূমিকা পালন করায় সার্বিক বিষয় বিবেচনা পূর্বক টেকনাফ সদর মডেল থানার এসআই বোরহান উদ্দিনকে শ্রেষ্ঠ এ সম্মাননা প্রদান করা হয়। বুধবার (১৭ জুলাই) মাসিক কল্যাণ সভা চট্টগ্রাম পুলিশের ডিআইজির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক পিপিএম, বিপিএম (বার)।

উক্ত অনুষ্ঠানে সার্বিক কার্যক্রম বিবেচনাপূর্বক টেকনাফ সদর থানার এসআই বোরহান উদ্দিনকে শ্রেষ্ঠ এসআই সম্মাননাস্বরুপ পুরস্কার প্রদান করা হয়। এসময় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি আবুল ফয়েজ (ক্রাইম) এবং চট্টগ্রাম রেঞ্জ কার্যালয়ের সকলপুলিশ কর্মকর্তাগণ। উল্লেখ্য যে, টেকনাফ মডেল থানায় এসআই বোরহান উদ্দিন যোগদানের পর থেকে মাদক নির্মূল, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক, অস্ত্র উদ্ধার সর্বোপরি টেকনাফ মডেল থানাকে নিরাপত্তার চাদরে আচ্ছাদিত করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।

এ প্রসঙ্গে এক প্রতিক্রিয়ায় পুরুস্কারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসআই বোরহান উদ্দিন বলেন, প্রতিটি পুরস্কার খুবই ভালো লাগে। কাজের গতিকে তরান্বিত করে এবং কাজের প্রতি প্রেষণা সৃষ্টি করে। আমার পুরস্কারের পেছনে যিনি সর্বদা আমাকে অনুপ্রাণিত করেছেন এবং সার্বিক সহযোগিতা করেছেন তিনি আমার অফিসার ইনচার্জ প্রদীপ কুমার দাশ (বিপিএম বার)। তারঁ আন্তরিক সহযোগিতা এবং দক্ষ কার্যাবলির বাস্তবিক প্রয়োগে আমি ১ম বারের মতো শ্রেষ্ঠ এসআই হিসেবে নির্বাচিত হয়েছি এবং পুরস্কার লাভ করেছি।

এ ব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ প্রদীপ কুমার দাশ (বিপিএম বার) বলেন, এসআই বোরহান উদ্দিন একজন ভালো ও চমৎকার অফিসার। টেকনাফ মডেল থানায় যোগদানের পর থেকে মাদক নির্মূল, চুরি ছিনতাই রোধে সহায়তা এবং সর্বোপরি মডেল থানা রুপান্তরে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। আমি তারঁ সফলতা কামনা করছি, তিনি যাতে তারঁ সফলতার ধারা অব্যাহত রাখতে পারেন।

উল্লেখ্য যে, তিনি এর আগে কক্সবাজারের মাসিক কল্যান সভায় শ্রেষ্ঠ এসআই হিসেবে পুরস্কার লাভ করেন।

৫ম বারের মতো চট্টগ্রাম রেঞ্জে শ্রেষ্ঠ এসপি মাসুদ হোসাইন
                                  

আবু সায়েম, কক্সবাজার: পঞ্চম বারের মতো চট্টগ্রাম রেঞ্জে শ্রেষ্ঠ এসপি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কক্সবাজারের সুযোগ্য পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন। জুন মাসের সার্বিক কার্যক্রম বিবেচনাপূর্বক তাকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়। বুধবার (১৭ জুলাই) মাসিক কল্যাণ সভা চট্টগ্রাম পুলিশের ডিআইজির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক পিপিএম, বিপিএম (বার)।

উক্ত অনুষ্ঠানে সার্বিক কার্যক্রম বিবেচনাপূর্বক কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইনকে চট্টগ্রাম রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ এসপির সম্মাননাস্বরুপ ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান করা হয়। এসময় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি আবুল ফয়েজ (ক্রাইম) এবং চট্টগ্রাম রেঞ্জ কার্যালয়ের সকলপুলিশ কর্মকর্তাগণ। উল্লেখ্য যে, কক্সবাজারের সুযোগ্য পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন যোগদানের পর থেকে মাদক নির্মূল, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক, অস্ত্র উদ্ধার সর্বোপরি কক্সবাজার জেলাকে নিরাপত্তার চাদরে আচ্ছাদিত করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ফলশ্রুতিতে তার এ কৃতিত্বপূর্ণ গত ৪ ফেব্রুয়ারি পুলিশের সর্বোচ্চ মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার সাহসিকতায় বিপিএম পদক লাভ করেন এবং চট্টগ্রাম রেঞ্জে ৫ম বারের মতো শ্রেষ্ঠ এসপি হিসেবে নির্বাচিত হন।

চট্টগ্রাম রেঞ্জে শ্রেষ্ঠ এসপি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, ‘প্রতিটি পুরস্কার আসলে খুবই ভালো লাগে। কার্যক্ষেত্রে কাজের গতিকে তরান্বিত করে, প্রেষণা সৃষ্টি করে।’ তিনি আরো বলেন, ‘মাদকমুক্ত কক্সবাজার গড়তে আমি যে প্রতিশ্রুতি নিয়ে কক্সবাজারে যোগদান করেছিলাম তা বাস্তবায়ন করার জন্য আমার মানসিক ও শারিরিক শ্রম অব্যাহত থাকবে। ইনশাআল্লাহ কক্সবাজার জেলাকে একটি মডেল জেলায় বাস্তাবায়ন করতে আমাদের সকল কার্যক্রম বিদ্যমান থাকবে।’

মাদক ব্যবসায়ীর আতংক এসআই আনছারুল
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : কক্সবাজার সদর মডেল থানার এসআই আনছারুল হক সুজন মাদক ব্যবসায়ীর মূর্তীমান আতংক। প্রাত্যহিক অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসীরা পালাবার পথ খুজঁছে বর্তমানে। শহরের শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ীরা এসআই আনছারুল হক সুজনকে দমানোর জন্য নানামুখী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। মাদক ব্যবসায়ী, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী. এবং ডাকাতরা তার ভয়ে এলাকা ছাড়া।

পুরো কক্সবাজার শহরে বড় বড় ইয়াবা ব্যবসায়ীদের অভিযান চালিয়ে অনেক ইয়াবা কারবারীদের শায়েস্তা করেছেন এই এসআই।

এসআই আনছারুল হক সুজন হার না মানা এক সৈনিক । তিনি এসব ষড়যন্ত্রে তোয়াক্কা না করে সততা ও ন্যায় নীতির উপর অবিচল থেকে তার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি তার সকল কার্যক্রমে সফলতা লাভ করে ও জেলা পর্যায়ে সম্মাাননাসহ অনেক পুরস্কার অর্জন করেছেন।

জানা যায়, কক্সবাজারের বিভিন্ন জায়গায় গড়ে উঠেছে অনেক মাদক কারবারী।

তবে সব চেয়ে বেশি মাদক ব্যবসায়ীদের বিস্তার ঘটে শহরের বৈদ্য ঘোনা, নুনিয়াছড়া, রাখাইন পাড়া, ঝাউতলা গাড়ির মাঠ, পাহাড়তলি সমিতি বাজার, ইউছুলুর ঘোনা, বাসটার্মিনাল, লারপাড়া, আদর্শ গ্রাম, উপজেলার পেছনে,খরুলিয়াসহ আশপাশ এলাকা।

ফলে মাদকের কবলে পড়ছে যুব সমাজ। অভিভাবকরা অর্থ জোগান না দিলে অভিভাবকদের উপর চড়াও হয় সন্তানরা। নেশার অর্থ না থাকলে চুরি ও ছিনতাইয়ের পথ বেছে নেয় তাদের অনেকেই। বাবা-মায়ের ভয়ে কিছু বলতে পারে না। এসব মাদকাসক্ত ও ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে হার্ড লাইনে যায় পুলিশ। তবে মাদক ব্যবসার অভিযান থামাতে অনেক চক্র বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সবিভিন্ন সময়ে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকে।

সাম্প্রতিক সময়ে শহর ও শহরতলিসহ সদর থানাধীন বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে বড় বড় ইয়াবা কারবারী আটক করে আদালতে সোর্পদ করেছেন, উদ্ধার করেছেন ইয়াবাও।

সরকার মাদকের হাত থেকে যুবসমাজকে যখন রক্ষা করতে সারা দেশে চালাচ্ছে মাদকবিরোধী সাঁড়াশি অভিযান। সেই ধারা কক্সবাজার সদর মডেল থানায়ও চলে।

সুত্রে জানা যায়, কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি ফরিদ উদ্দিন সঠিক দিক নির্দেশনায় থানা অন্যান্য পুলিশ অফিসারদের মতো এসআই আনছারুল হক সুজনও ইয়াবা, অস্ত্র উদ্ধার ও অপরাধী গ্রেফতার সহ ওয়ারেন্ট তামিল করে সুনাম কুড়িয়েছেন।

চলতি বছর ২৯ এপ্রিল কক্সবাজারের কলাতলি বাইপাস সড়কের উত্তরণ আবাসিক এলাকার গেইট থেকে ১টি দেশীয় তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র, ২ রাউন্ড কার্তুজ ও ২’শ পিছ ইয়াবাসহ সন্ত্রাসী সাহাব উদ্দিনকে গ্রেফতার করে আলচনায় চলে আসেন এসআই আনছারুল হক সুজন। ধৃত সাহাব উদ্দিন কক্সবাজার শহরের বৈদ্যঘোনা জাদিরাম পাহাড়স্হ আব্দুর রহমানের ছেলে। এধরনের আরো অসংখ্য অপরাধীকে অস্ত্রসহ আটক করেন। বিভিন্ন সময় অভিযানে তিনি বহু ইয়াবা কারবারিকে আটক করে আদালতে সোর্পদ করেছেন।

গত বছর কক্সবাজার সদর মডেল থানার চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা এসআই আনছারুল হক সুজন শ্রেষ্ট এসআই নির্বাচিত হন। ২৭ নভেম্বর সকাল ১১ টায় জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভায় তাঁর হাতে সম্মাননা তুলে দেন জেলা পুলিশ সুপার সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

সর্বশেষ গত ১৫ জুলাই রাতে ডায়বেটিকস হাসপাতালের গেইটের সামনে থেকে নুনিয়াছড়ার রাজিয়া মেম্বারের ছেলে তারিকুল ইসলাম কামরুলকে ২ রাউন্ড কার্তুজসহ দেশীয় তৈরি অস্ত্র সহ আটক করেন। একই সময় আরোও ৫ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। এছাড়াও বৈদ্য ঘোনার ইয়াবা ডন সুফিয়া, নুনিয়াছড়ার জাহানারা, উত্তর নুনিয়াছড়ার সাজেদা,লালপাড়ার ইয়াবা গডফাদার লাল মোহাম্মদের ছেলে বশর প্রকাশ বশিরসহ বড় বড় মাদক কারবারী গ্রেফতার করেন।

থানা সুত্রে জানা গেছে, মাদকের বিরুদ্ধে আপসহীন পুলিশ কর্মকর্তা আনছারুল হক সুজন মাদক ব্যবসায়ীদেরকে মাদকসহ আটকের ঘটনায় গত জুন মাসে ১২, চলতি জুলাই মাসে ১০, মে মাসে ১৬ মাদক মামলা দায়ের করেন।

প্রথম বারের মতো থানা ভিত্তিক শ্রেষ্ঠ এসআই নির্বাচিত সদর মডেল থানার সনৎ
                                  

আবু সায়েমঃ প্রথম বারের মতো থানা ভিত্তিক শ্রেষ্ঠ এসআই নির্বাচিত হয়েছেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার এসআই সনৎ বড়ুয়া । মাদক দ্রব্য উদ্ধার, গ্রেপ্তারী পরোয়ানা তামিল, চুরি ছিনতাই রোধে ভূমিকাসহ আইনশৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক পর্যায়ে ব্যাপক ভূমিকা পালন করায় সার্বিক বিষয় বিবেচনা পূর্বক কক্সবাজার সদর মডেল থানার এসআই সনৎ বড়–য়াকে থানা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ এসআই হিসেবে সম্মাননা প্রদান করা হয়। ১৫জুন সোমবার সকাল ১০ টায় কক্সবাজার জেলা পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শিডে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন (বিপিএমবার)।

সভায় সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( হেড কোয়ার্টার ) রেজওয়ান আহমেদ। উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ২৫ জন পুলিশ কর্মকর্তাদের পুলিশী কার্যক্রমকে তরান্বিত করার জন্য অর্থ ও ক্রেস্ট দিয়ে শ্রেষ্টত্বের জন্য পুরস্কৃত করা হয়। এতে জুন মাসের পারফরম্যান্স অনুযায়ী সদর মডেল থানার চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা এসআই সনৎ বড়–য়াকে সদর মডেল থানার শ্রেষ্ঠ এসআই হিসেবে অর্থ পুরস্কার ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলাম ( সদর সার্কেল) , অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাহিদ আদনান তাইয়্যান ( উখিয়া সার্কেল), সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার( চকরিয়া সার্কেল) কাজী মতিউল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম (ডিএসবি), সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার রতন দাশ গুপ্ত ( মহেশখালী সার্কেল), সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার বাবুল চন্দ্র বণিক (ট্রাফিক বিভাগ)সহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ।

এ প্রসঙ্গে এক প্রতিক্রিয়ায় পুরুস্কারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সনৎ বড়–য়া বলেন, প্রতিটি পুরস্কার খুবই ভালো লাগে। কাজের গতিকে তরান্বিত করে এবং কাজের প্রতি প্রেষণা সৃষ্টি করে। আমার পুরস্কারের পেছনে যিনি সর্বদা আমাকে অনুপ্রাণিত করেছেন এবং সার্বিক সহযোগিতা করেছেন তিনি আমার অফিসার ইনচার্জ ফরিদ উদ্দীন খন্দকার (পিপিএম বার )। তারঁ আন্তরিক সহযোগিতা এবং দক্ষ কার্যাবলির বাস্তবিক প্রয়োগে আমি ১ম বারের মতো থানা পর্যায়ে সদর মডেল থানার শ্রেষ্ঠ এসআই হিসেবে নির্বাচিত হয়েছি। প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা হিসেবে যে থানায় নিয়োজিত থাকিনা কেনো আমি আমার সেবার মন মানসিকতার কার্যক্রমের বাস্তবিক প্রয়োগ অব্যাহত রাখবো। সার্বিক দায়িত্ব পালনে তিনি আবারো সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

এব্যাপারে কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ফরিদ উদ্দীন খন্দকার (পিপিএম বার) বলেন,সনৎ বড়ুয়া একজন ভালো ও চমৎকার অফিসার। সদর মডেল থানায় যোগদানের পর থেকে মাদক নির্মূল,অস্ত্র উদ্ধার চুরি ছিনতাই রোধে সহায়তা এবং সর্বোপরি মডেল থানা রুপান্তরে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন । আমি তারঁ সফলতা কামনা করছি, তিনি যাতে তারঁ সফলতার ধারা অব্যাহত রাখতে পারেন।

জেলার শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক কর্মকর্তা নির্বাচিত সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার বাবুল বণিক
                                  

আবু সায়েমঃ কক্সবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক কর্মকর্তা নির্বাচিত হয়েছেন ট্রাফিক বিভাগের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার বাবুল চন্দ্র বণিক । উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সুষ্ঠু গাড়ি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ভোটে গুরুত্বপূর্ণ অবদান, ট্রাফিক বিভাগে শৃংখলা সৃষ্টি ,যানজট নিরসনে ভূমিকা , এবং রোড ডিভাইশন প্রসেসর এর মাধ্যম জনগণের ভোগান্তি দুরীকরণে ট্রাফিক বিভাগে অবদান রাখায় সার্বিক বিষয় বিবেচনাপূর্বক জেলার শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক কর্মকর্তা হিসেবে সম্মাননা প্রদান করা হয়। ১৫জুন সোমবার সকাল ১০ টায় কক্সবাজার জেলা পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শিডে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন (বিপিএমবার)।

সভায় সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( হেড কোয়ার্টার )রেজওয়ান আহমেদ। উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ২৫ জন পুলিশ কর্মকর্তাদের পুলিশী কার্যক্রমকে তরান্বিত করার জন্য অর্থ ও ক্রেস্ট দিয়ে শ্রেষ্টত্বের জন্য পুরস্কৃত করা হয়। এতে ট্রাফিক বিভাগের সামগ্রিক কার্যাবলি বিবেচনাপূর্বক শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক কর্মকর্তা হিসেবে সনদ ও সম্মাননা প্রদান করা হয়। উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলাম ( সদর সার্কেল) , অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাহিদ আদনান তাইয়্যান ( উখিয়া সার্কেল), সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার( চকরিয়া সার্কেল) কাজী মতিউল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম (ডিএসবি), সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার রতন দাশ গুপ্ত ( মহেশখালী সার্কেল)সহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ।

এ প্রসঙ্গে এক প্রতিক্রিয়ায় পুরুস্কারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার বাবুল চন্দ্র বণিক বলেন, প্রতিটি পুরস্কার খুবই ভালো লাগে। কাজের গতিকে তরান্বিত করে এবং কাজের প্রতি প্রেষণা সৃষ্টি করে।কক্সবাজার জেলায় ট্রাফিক বিভাগে যোগদানের পর থেকে ট্রাফিকে শৃংখলা সৃষ্টি যানজট নিরসনে ভূমিকা সৃজনশীল কার্যক্রমের বাস্তবিক প্রয়োগ, রোড় ডিভাইশন প্রসেসর এর মাধ্যমে জনগণের ভোগান্তি দূরীকরণে সহায়তা , এবং অবৈধ নাম্বারবিহীন টমটম শহরে যাতে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য চেক পোস্ট স্থাপনের মাধ্যম ট্রাফিক বিভাগকে তরান্বিতকরণসহ সুযোগ্য পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোসাইনের দিক নির্দেশনা বাস্তবায়ন করে কক্সবাজার ট্রাফিক বিভাগ আজ সফলতার দ্বার প্রান্তে। প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা হিসেবে যে জেলায় নিয়োজিত থাকি না কেনো একজন সফল সুনাগরিক হিসেবে সুন্দর বাসযোগ্য মডেল জেলা রুপান্তর এবং সোনার বাংলাদেশ গড়তে আমার যাবতীয় উন্নয়নমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

এ ব্যাপারে কক্সবাজার জেলার পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন বলেন, বাবুল বণিক পুলিশ বিভাগের সফলতার অনন্য নিদর্শন। তিনি কক্সবাজার জেলার ট্রাফিক বিভাগে সৃজনশীল কার্যাবলির মাধ্যমে পুলিশ বিভাগের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছেন। আমি তারঁ সফলতা কামনা করছি।

৩য় বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ সার্জেন্ট নির্বাচিত : ট্রাফিক বিভাগের লিয়াকত
                                  

আবু সায়েম: ৩য় বারের মতো কক্সবাজার জেলায় শ্রেষ্ঠ সার্জেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন উদীয়মান পুলিশ কর্মকর্তা সার্জেন্ট মো: লিয়াকত আলী ভূইয়া। ১৫ জুলাই সকাল ১১ টায় মাসিক কল্যাণ সভা কক্সবাজারের পুলিশ লাইনে গ্রীল শীডে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত মাসিক কল্যাণ সভার অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হেডকোয়াটার) রেজওয়ান আহমেদ। সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার বিপিএম বার মাসুদ হোসাইন।

উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ২৫ জন পুলিশ কর্মকর্তাদের পুলিশী কার্যক্রমকে তরান্বিত করার জন্য অর্থ ও ক্রেস্ট দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়।

তন্মেধ্যে, ট্রাফিক বিভাগে যানজট নিরসনে ভূমিকা, ফিটনেসবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা এবং শ্রেষ্ঠ প্রসিকিউশন দাখিলকারী তথা ১ মাসে ২০০ টি সর্বোচ্চ মামলা দায়ের এবং জুন মাসের পারফর্মেন্স বিবেচনা পূর্বক কক্সবাজার ট্রাফিক বিভাগের সার্জেন্ট মো: লিয়াকত আলী ভূইয়াকে শ্রেষ্ঠ সার্জেন্ট নির্বাচিত করে সার্টিফিকেট ও অর্থ প্রদান করা হয়।

এতে আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) ইকবাল হোসাইন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল ) আদিবুল ইসলাম, নিহাদ আদনান তাইয়্যান (উখিয়া সার্কেল) সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) মতিউল ইসলাম, রতন কুমার দাশ গুপ্ত (মহেশখালী সার্কেল) সহকারী পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) বাবুল বণিক, সহকারী পুলিশ সুপার (ডিএসবি) শহিদুল ইসলামসহ কক্সবাজার জেলার সকল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা।

পুরস্কারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সার্জেন্ট মো: লিয়াকত আলী ভূইয়া বলেন, সততা এবং ন্যায় নীতিকতাকে সামনে রেখে কাজ করলে সফলতা লাভ করা যায়। প্রতিটি পুরস্কার কাজের গতিকে তরান্বিত করে। সহকারী পুলিশ সুপার বাবুল বণিকের সার্বিক তত্ত্বাবধানে যানজটমুক্ত কক্সবাজার রুপান্তরে আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। কক্সবাজার শহরকে অধিকতর যানজটমুক্ত করে, অবৈধ ফিটনেসবিহীন যানবাহন প্রতিরোধে কাজের গতি উন্নত এবং আমাদের কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।

পিরোজপুরে স্বচ্ছভাবে নিয়োগ পেল ৩৩ পুলিশ সদস্য
                                  

পিরোজপুর প্রতিনিধি : পিরোজপুরে শতভাগ স্বচ্ছতার সাথে নিয়োগের মাধ্যমে চাকরি পেল ৩৩ পুলিশ সদস্য। আজ বৃহস্পতিবার পিরোজপুরের নবাগত পুলিশ সুপার হায়াতুল ইসলাম খান স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এ তথ্য জানান। পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সভায় তিনি বলেন, পুলিশে নিয়োগ নিয়ে বিগত বছরগুলোতে বিভিন্ন সমালোচনা থাকলেও, এ বছর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কঠোর নির্দেশনা ও নজরদারির মাধ্যমে শতভাগ স্বচ্ছতার সাথে পিরোজপুরে ২০ জন পুরুষ ও ১৩ জন নারী সদস্য সহ মোট ৩৩ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এ সময় জোর দিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, এ বছর নিয়োগপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যেদের অধিকাংশই দরিদ্র পরিবারের এবং মেধাবী।

মতবিনিময় সভায় বিভিন্ন প্রিন্টিং ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিবৃন্দ ছাড়াও জেলায় কর্মরত পুলিশের ঊধ্বতন কর্তৃপক্ষ উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ সুপার তাদের কাছ থেকে জেলার বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন এবং সেগুলো সমাধানে তাদের মতামত নেন।

দ্বিতীয় বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই নির্বাচিত সদর মডেল থানার আজাদ
                                  

আবু সায়েমঃ দ্বিতীয় বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই নির্বাচিত হয়েছেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার এসআই আবুল কালাম আজাদ । মাদক দ্রব্য উদ্ধার, গ্রেপ্তারী পরোয়ানা তামিল, চুরি ছিনতাই রোধে ভূমিকা, তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ল্যাপটপ, ক্যামেরা , এবং মোবাইল উদ্ধারসহ আইনশৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক পর্যায়ে ব্যাপক ভূমিকা পালন করায় সার্বিক বিষয় বিবেচনা পূর্বক কক্সবাজার সদর মডেল থানার এসআই আবুল কালাম আজাদকে শ্রেষ্ঠ এসআই হিসেবে সম্মাননা প্রদান করা হয়। ২৪ মে সোমবার ১০ টায় কক্সবাজার জেলা পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শিডে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন (বিপিএমবার)।

সভায় সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( হেড কোয়ার্টার )রেজওয়ান আহমেদ। উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্টত্বের জন্য পুরস্কৃত করা হয়। এতে মে মাসের পারফরম্যান্স অনুযায়ী সদর মডেল থানার চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা এসআই আবুল কালাম আজাদকে শ্রেষ্ঠ এসআই হিসেবে অর্থ পুরস্কার ও সম্মাননা সনদ প্রদান করা হয়।উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলাম ( সদর সার্কেল) , অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাহিদ আদনান তাইয়্যান ( উখিয়া সার্কেল), সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার( চকরিয়া সার্কেল) কাজী মতিউল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম (ডিএসবি), সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার রতন দাশ গুপ্ত ( মহেশখালী সার্কেল), সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার বাবুল চন্দ্র বণিক (ট্রাফিক বিভাগ)সহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ।

এ প্রসঙ্গে এক প্রতিক্রিয়ায় পুরুস্কারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসআই আবুল কালাম আজাদ বলেন, প্রতিটি পুরস্কার খুবই ভালো লাগে। কাজের গতিকে তরান্বিত করে এবং কাজের প্রতি প্রেষণা সৃষ্টি করে। আমার পুরস্কারের পেছনে যিনি সর্বদা আমাকে অনুপ্রাণিত করেছেন এবং সার্বিক সহযোগিতা করেছেন তিনি আমার অফিসার ইনচার্জ ফরিদ উদ্দীন খন্দকার (পিপিএম বার )। তারঁ আন্তরিক সহযোগিতা এবং দক্ষ কার্যাবলির বাস্তবিক প্রয়োগে আমি ২য় বারের মতো শ্রেষ্ঠ এসআই হিসেবে নির্বাচিত হয়েছি। প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা হিসেবে যে থানায় নিয়োজিত থাকিনা কেনো আমি আমার সেবার মন মানসিকতার কার্যক্রমের বাস্তবিক প্রয়োগ অব্যাহত রাখবো। সার্বিক দায়িত্ব পালনে তিনি আবারো সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

এ ব্যাপারে কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ফরিদ উদ্দীন খন্দকার (পিপিএম বার) বলেন,আবুল কালাম আজাদ একজন ভালো ও চমৎকার অফিসার। সদর মডেল থানায় যোগদানের পর থেকে মাদক নির্মূল, চুরি ছিনতাই রোধে সহায়তা এবং সর্বোপরি মডেল থানা রুপান্তরে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। আমি তারঁ সফলতা কামনা করছি, তিনি যাতে তারঁ সফলতার ধারা অব্যাহত রাখতে পারেন।

উল্লেখ্য যে, তিনি এর আগে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ, এবং বান্দরবান পার্বত্য জেলায় চট্টগ্রাম রেঞ্জে শ্রেষ্ঠ এসআই হিসেবে পুরস্কার লাভ করেন।

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন অমান্য করায় ৬৮৫০ মামলা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ৬,৮৫০টি মামলা ও ৩১,০০,৮০০ টাকা জরিমানা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ’র ট্রাফিক বিভাগ। এছাড়াও অভিযানকালে ২৯টি গাড়ি ডাম্পিং ও ৭৭১টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।

ডিএমপি’র ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, উল্লেখযোগ্য মামলার মধ্যে রয়েছে হাইড্রোলিক হর্ণ ব্যবহার করার দায়ে ৯৪টি, হুটার ও বিকনলাইট ব্যবহার করার জন্য ২টি, উল্টোপথে গাড়ি চালানোর কারণে ১,৫২৬টি, মাইক্রোবাসে কালো গ্লাস লাগানোর জন্য ২১টি গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা, ট্রাফিক আইন অমান্য করার কারণে ২,৩১২টি মোটর সাইকেলের বিরুদ্ধে মামলা ও ১২০টি মোটর সাইকেল আটক করা হয়। সেই সাথে গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করার অপরাধে চালকের বিরুদ্ধে ৭টি মামলা করা হয়।

১৫ জুন, ২০১৯ দিনভর ডিএমপি’র ট্রাফিক বিভাগ কর্তৃক অভিযান পরিচালনা করে এসব মামলা ও জরিমানা করা হয়।

ডিএমপি’র ট্রাফিক বিভাগের দৈনন্দিন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে রাজধানীতে এ অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে।
সূত্র: ডিএমপি নিউজ

কুতুবদিয়া নির্বাচনে সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরিতে পুলিশের সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করা হবে : ভারপ্রাপ্ত এসপি ইকবাল
                                  

আবু সায়েম : আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৩ জুন ২০১৯) কুতুবদিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এতে নিয়োজিত পুলিশ, কোস্টগার্ড, আনসার সহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনীর সকল সদস্যের সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করা হবে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে যেকোন ভয়ভীতি, চাপ ও প্রভাবমুক্ত থেকে সততা ও নিষ্ঠার সাথে নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করতে জোরালোভাবে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

কুতুবদিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে কক্সবাজারের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ ইকবাল হোসাইন প্রদত্ত এক সাক্ষাতকারে একথা বলেন।

কুতুবদিয়ার প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে নিরাপদ, নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও ভোটারবান্ধব পরিবেশ সুনিশ্চিত করতে যে কোন প্রকার পেশীশক্তি, সন্ত্রাসী কিংবা অনৈতিক ও অশুভ শক্তি ভোট কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তার করতে চাইলেই তাদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে। এমনকি আইনের আওতায় আনা হবে।

মুহাম্মদ ইকবাল হোসাইন বলেন, `অতীতে কক্সবাজার জেলার অপর ৭ টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন যেভাবে সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরাপদ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে, বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠেয় কুতুবদিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনও একইভাবে সুষ্ঠু পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে`। এজন্য নির্বাচনের দায়িত্বে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সকল সদস্যদের নিয়ে বুধবার ১২ জুন সকালে কুতুবদিয়ায় ব্রিফিং প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ব্রিফিং প্যারেডে মহেশখালী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রতন কুমার দাশ, চকরিয়া সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার কাজী মতিউল হক, সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও কুতুবদিয়ার ইউএনও দীলিপ কুমার রায়, কুতুবদিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ দিদারুল ফেরদৌস সহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দেন। ভারপ্রাপ্ত এসপি মুহাম্মদ ইকবাল হোসাইন আস্থা ও বিশ্বাসের সাথে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে আসার আহবান জানিয়ে বলেন- কুতুবদিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৩৫০ জন পুলিশ, প্রতিটি ভোটকেন্দ্র ১২ জন করে মোট ৪৪৫ জন আনসার সদস্য, ১৬ জন কোষ্টগার্ড নিয়োগ সহ সার্বক্ষণিক স্ট্রাইকিং ফোর্স জরুরী অবস্থা মোকাবেলায় স্টেন্ডবাই থাকবে। ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ ইকবাল হোসাইন রাষ্ট্রিয় গুরুত্বপূর্ণ অফিসিয়াল কাজে বুধবার ঢাকাস্থ পুলিশ হেডকোয়ার্টারে থাকলেও সেখান থেকে তিনি কুতুবদিয়া উপজেলা পরিষদের নির্বাচন পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক দেখভাল করছেন। ভারপ্রাপ্ত এসপি মুহাম্মদ ইকবাল হোসাইন বৃহস্পতিবার ১৪ জুন সকালেই কক্সবাজার পৌঁছে কুতুবদিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করতে যাবেন বলে জানিয়েছেন।

তিনি আরও জানান, মহেশখালী সার্কেলর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রতন কুমার দাশ ও চকরিয়া সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার কাজী মতিউল হক কুতুবদিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বেশক’দিন ধরে দায়িত্বপালন করছেন।

প্রসঙ্গত, কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া উপজেলা পরিষদের পুরুষ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের দু’টি পদে বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ভোট গ্রহন করা হবে। নির্বাচনে ২ জন পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী আকবর খান (প্রতীক-উড়োজাহাজ), হুমায়ুন কবির হায়দার (প্রতীক-তালা), মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন প্রার্থী মেহেরুন্নিছা (প্রতীক-ফুটবল) ও হাসিনা আক্তার (প্রতীক-কলস) নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

চেয়ারম্যান পদে কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি এডভোকেট ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে গেজেট প্রকাশ করা হলেও আইনী জটিলতায় তিনি এখনো শপথ নিতে পারেননি। তাই চেয়ারম্যান পদে এখানে বৃহস্পতিবার নির্বাচন হচ্ছেনা। কুতুবদিয়া উপজেলায় মোট ইউনিয়ন ৬ টি, ভোট কেন্দ্র ৩৭ টি, মোট বুথ সংখ্যা ১৮৭ টি, তার মধ্যে স্থায়ী বুথ সংখ্যা ১৭৬ টি ও অস্থায়ী বুথ সংখ্যা ১১ টি। মোট ভোটার সংখ্যা ৮৪৫২৪ জন। যা জেলার ৮ টি উপজেলার মধ্যে সর্বনিম্ন। এরমধ্যে, পুরুষ ভোটার ৪৪০৬১ জন, মহিলা ভোটার ৪০৪৬৩ জন। ভোট গ্রহনের সার্বিক পরিস্থিতি তদারক করতে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাঃ শাজাহান আলি ৯ জুন ৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়েছেন। তাঁরা হলেন-চকরিয়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি) খোন্দকার মোঃ ইয়াহিয়া উদ্দিন আরাফাত, রামুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) চাই থোয়াইখলা মারমা চৌধুরী, মহেশখালীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) অংগ্যাজাই মারমা, কুতুবদিয়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুপ্রভাত চাকমা। তাঁরা ১২ জুন সকাল থেকে দায়িত্বপালন শুরু করেছেন বলে সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও কুতুবদিয়ার উপজেলা নির্বাহী অফিসার দীপক কুমার রায় নিশ্চিত করেছেন।

অন্যদিকে, কুতুবদিয়া চৌকি আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রেজাউল হক’কে নির্বাচনে বিচারিক হাকিম নিয়োগ দেয়া হয়েছে। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রেজাউল হক গত ১১ জুন থেকে আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত নির্বাচনী অপরাধ আমলে নিয়ে সংক্ষিপ্ত বিচারকাজ সম্পন্ন করবেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয় গত ১১ জুন জারীকৃত এক প্রজ্ঞাপন মূলে বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ভোট গ্রহনের দিন কুতুবদিয়া উপজেলায় সাধারণ ছুটি ঘোষনা করেছেন। নির্বাচন উপলক্ষে ১২ জুন রাত থেকে কুতুবদিয়ায় মোটর সাইকেল সহ সকলপ্রকার যানবাহন ও নৌযান চলাচল নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হয়েছে। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ ও পাশপ্রাপ্ত লোকজন ছাড়া সেখানে অন্যানদের চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কুতুবদিয়া উপজেলার মোট ৩৭ টি ভোট কেন্দ্রে ব্যালট, সীল, স্টাম্প প্যাড, অমোচনীয় কালি, ব্যালট বক্স সহ ভোটগ্রনের সরন্ঞ্জামাদি বুধবার বেলা ২ টার মধ্যে কেন্দ্রের নিজ নিজ প্রিজাইডিং অফিসারকে সরবরাহ দেয়া হয়েছে।

পুলিশ বিভাগের আদর্শের জ্বলন্ত প্রতীক মোহাঃ গোলাম রুহুল কুদ্দুস
                                  

আবু সায়েম : কক্সবাজারের ব্যতিক্রমী অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের জীবনগল্প, যার দরদামের কোনো কাজ কারবার নেই। অবৈধ কোনো লেনদেনে তিনি কখনই নেই। নেই কোনো ধারদেনা। সরকারের দেওয়া বেতনেই চলে সংসার। এভাবেই জীবনের কথা জানালেন এক পুলিশ কর্মকর্তা।

বলেন, ‘সৎ জীবনযাপনের চেষ্টা করছি। এ জন্য হারামকে একদম না করেছি। হালালের ওপরই নির্ভরশীল। এতে কোনো কষ্ট নেই। ’বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর এই সদস্যের নাম মো. গোলাম রুহুল কুদ্দুস। কক্সবাজার সদর সার্কেলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তিনি। ‘ঘুষ বাণিজ্যে’ জড়িত নেই এমন পুলিশ নেই-এমন অভিযোগ মানতে নারাজ গোলাম কুদ্দুস। বলেন, ‘সৎ থাকার চেষ্টা করলেই হলো। একবার যখন সৎ হিসেবে পরিচিতি মেলে, তখন সততাই প্রতিনিয়ত তাঁকে টেনে তোলে।

কক্সবাজার শহর কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমান বলেন, ‘সদর সার্কেলের বর্তমান এএসপি একজন সৎ ব্যক্তি হিসেবে সর্বত্র জানাজানি রয়েছে। এ কারণে তাঁর কাছে কেউ অন্যায় আবদার নিয়ে যেতে চান না। তিনি অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ার কাজে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন। ’ মো. গোলাম রুহুল কুদ্দুস প্রসঙ্গে কক্সবাজার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আফরুজুল হক টুটুল বলেন, ‘পুলিশ বিভাগে তাঁর মতো একজন সৎ নিষ্ঠাবান কর্মকর্তা পাওয়াটা ভাগ্যের ব্যাপার। তিনি অত্যন্ত সততা ও দক্ষতার সাথে কাজ করছেন। ’

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রণজিত বড়ুয়া বলেন, ‘আমি যে কদিন স্যারকে পেয়েছি, বুঝেছি তিনি একজন মহৎ ব্যক্তি। ’

জানা গেছে, মো. গোলাম রুহুল কুদ্দুস কলেজে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষে পড়ার সময় বন্ধুদের সাথে তাবলিগ জামায়াতে যোগ দিয়েছিলেন। তাবলিগে একেবারে ৪০ দিনের এক চিল্লা সময় দিয়ে তাঁর আমূল পরিবর্তন ঘটে। সেদিন থেকে কোনো অনৈতিক কাজে তিনি পা দেননি। কলেজজীবনে মুখে দাড়ি রেখে দেন। একদিন কলেজে যাওয়ার সময় ছেলের মুখে দাড়ি দেখে মা সেভ করার জন্য বারে বারে পীড়াপীড়িও করেছিলেন। মা বলেছিলেন, ‘বিসিএস পরীক্ষা দিতে গেলে এসব নিয়ে আবার কোনো ঝক্কি-ঝামেলা হবে না তো!’

গত ৯ জুন কক্সবাজার শহরে ছেলের সরকারি বাসায় বসে বলেন, ‘জানেন বিমানে চাকরি পেয়ে ছেলেটা কিছুতেই বিসিএস দিতে রাজি হচ্ছিল না। কিন্তু আমি নাছোড়বান্দা। তাকে পাঠালাম বিসিএসে। আল্লাহর কাছে শোকরিয়া আমার সন্তানের ভাগ্যে আমারই পছন্দের চাকরিটা জুটেছে।’

মো. গোলাম রুহুল কুদ্দুস বলেন, ‘আমি সাদা জুব্বা, সাদা পায়জামা, মাথায় সাদা টুপি এবং কালো জুতা পরেই যাই বিসিএস মৌখিক পরীক্ষা দিতে। ছিল মুখ ভর্তি দাড়ি। মনে মনে সিদ্ধান্ত নিই, আমার মেধা বাদ দিয়ে পোশাক-আশাককে প্রাধান্য দেওয়া হলেও মনে কষ্ট পাব না। কিন্তু তা হয়নি। আমি সঠিক রায় পেয়েছি। ’

কেবল অফিসেই পুলিশের পোশাকে থাকেন তিনি। বাদবাকি সময় পায়জামা-পাঞ্জাবি পরেন। কক্সবাজারে ইতিমধ্যে জানাজানি হয়ে গেছে, পুলিশের চৌকশ এই কর্মকর্তার সততার কথা। তিনি কোনো অবৈধ লেনদেনের ধারে কাছেও নেই। তাঁকে নিয়ে এই প্রতিবেদন তৈরি করতে গিয়েও যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছে প্রতিবেদককে। তিনি কিছুতেই এ প্রসঙ্গে আলাপে রাজি হচ্ছিলেন না। বলেন, ‘সৎ থাকাটা কোনো কৃিতত্ব হতে পারে না। তাই লেখারইবা কি আছে। ’ শেষপর্যন্ত তাঁকে বুঝানো হয়, দুর্নীতিগ্রস্ত এবং অসাধুদের সৎ জীবনে উৎসাহিত করতেই এই প্রতিবেদন। তিনি বলেন, ‘সরকার আমাকে মাসিক যে বেতন দিয়ে থাকে তা যথেষ্ট। স্ত্রী ও মাকে নিয়ে সুখের সংসার আমার। ’

তাঁর সঙ্গে আলাপকালে জানা গেছে, তাঁর সংসারের চাহিদা একেবারেই সীমিত। বাসায় রয়েছে তার বাবার ব্যবহৃত এক সেট সোফা। পরিবারের সদস্যদেরও একদম সাধাসিধে জীবনযাপন। এমনকি সারা বছরে মাত্র দুবার কাপড় দিতে হয় স্ত্রীকে। তিন ভাইয়ের মধ্যে কনিষ্ঠ তিনি। তাঁর সাথে থাকেন মা। বড় ভাই গোলাম রব্বানী চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসে চাকরি করেন। মেজ ভাই গোলাম মোরশেদ বেসরকারি চ্যানেল দীপ্ত টেলিভিশনের জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মার্কেটিং। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহরের মৃধা পাড়া শান্তিমোড়ের স্থায়ী বাসিন্দা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. গোলাম রুহুল কুদ্দুসের বাবা মরহুম অধ্যাপক মো. আবদুল জব্বার ছিলেন শরিয়তপুর সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক।

ছাত্রজীবনে মেধাবী ছাত্র ছিলেন তিনি। রাজশাহী কলেজ থেকে প্রাণিবিদ্যায় মাস্টার্স করা মো. গোলাম রুহুল কুদ্দুস লেখাপড়ার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সব খানেই প্রথম। ২০০৭ সালে মাস্টার্স পাস করে চাকরি নেন বাংলাদেশ বিমানে। বিমানে চাকরির প্রশিক্ষণ চলাকালীন সময়ে তিনি বিসিএসে উত্তীর্ণ হন। যোগ দেন সহকারী পুলিশ সুপার পদে। শুরুতে কাজ করেন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নে (র‌্যাব)।

সিলেটের একটি ঘটনার বিবরণ দিয়ে তিনি জানান, সেখানকার বিশাল জনগোষ্ঠী লন্ডনে থাকেন। তাঁদের অনেকের অট্টালিকা রয়েছে সিলেটে। লন্ডন প্রবাসীদের সহায়-সম্পদ কেড়ে নিতে সক্রিয় সংঘবদ্ধ ডাকাত দল। সিলেটে এ রকম ১২ সদস্যের একটি ডাকাত দল ধরে পুলিশের এই চৌকশ কর্মকর্তা অসীম সাহসিকতার পরিচয় দেন চাকরির শুরুতে। পুলিশ দুর্নীতিগ্রস্ত এবং ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ প্রসঙ্গে অতিরিক্ত এই পুলিশ সুপার বলেন, ‘আসলে সবক্ষেত্রেই আছে এমন অভিযোগ। তবে পুলিশের অভিযোগটি ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়। তিনি সৎ জীবনযাপনের জন্য সকল শ্রেণি-পেশায় সততার চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ‘একজন সৎ মানুষের জন্য দুনিয়ায় যেমনি সাময়িক সুখ রয়েছে, তেমনি পরকালে দীর্ঘকালীন শান্তির নিশ্চয়তাও রয়েছে।

৩য় বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত উখিয়া থানার আবুল খায়ের
                                  

মোহাঃ আবু সায়েমঃ ৩য় বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল খায়ের। ২৫ মে শনিবার সকাল ১০টায় কক্সবাজার জেলা পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শিডে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন (বিপিএম)।

সভায় সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হেড কোয়ার্টার) রেজওয়ান আহমেদ। উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় এপ্রিল মাসের কার্যক্রম বিবেচনায় শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী মাদক ওঅবৈধ অস্ত্র উদ্ধারকারী অফিসার এবং আইনশৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিকসহ সার্বিক বিষয় বিবেচনাপূর্বক উখিয়া থানার ওসিকে জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) ইকবাল হোছাইন,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(সদর সার্কেল) আদিবুল ইসলাম,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার( উখিয়া সার্কেল)নাহিদ আদনান তাইয়্যান, সিঃ সহকারী পুলিশ সুপার কাজী মতিউল ইসলাম (চকরিয়া সার্কেল), সিঃ সহক্রাী পুলিশ সুপার রতন কুমার দাশ গুপ্ত(মহেশখালী সার্কেল), সিঃ সহকারী পুলিশ সুপার ( ডিএসবি) মোহাঃ শহিদুল ইসলাম, সিঃ সহকারী পুলিশ সুপার ( ইন -সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার) মোহাঃ সাইকুল আহমেদ ভূইয়াঁসহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ।

এ ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে এক প্রতিক্রিয়ায় আবুল খায়ের বলেন, আজকের এই সম্মাননা আমার উখিয়া থানার সকল কর্মকর্তাদের পরিশ্রমের ফসল। যে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী উখিয়া থানায় যোগদান করেছিলাম সে প্র্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে আমার যাবতীয় শারীরিক ওমানসিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। উখিয়া থানাকে মাদকমুক্ত করতে প্রাত্যহিক অভিযান ও বিশেষ অভিযান চলমান থাকবে।সর্বোপরি উখিয়া থানা তথা প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা হিসেবে যে থানায় নিয়োজিত থাকি না কেনো মডেল থানা রুপান্তরে আমার আন্তরিক প্রচেষ্ঠা অব্যাহত থাকবে।


   Page 1 of 9
     আইন শৃঙ্খলা
মাদকের ব্যাপারে কাউকে বিন্দু পরিমাণ ছাড় দেয়া হবেনা: অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল
.............................................................................................
উখিয়ায় ওসি আবুল মনসুরের যোগদান, চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সহযোগিতা কামনা
.............................................................................................
রামু থানায় যোগ দিলেন ওসি আবুল খায়ের
.............................................................................................
চট্টগ্রাম রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী নির্বাচিত কক্সবাজার মডেল থানার এএসআই কামাল
.............................................................................................
প্রথম বারের মতো চট্টগ্রাম রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ এসআই বোরহান
.............................................................................................
৫ম বারের মতো চট্টগ্রাম রেঞ্জে শ্রেষ্ঠ এসপি মাসুদ হোসাইন
.............................................................................................
মাদক ব্যবসায়ীর আতংক এসআই আনছারুল
.............................................................................................
প্রথম বারের মতো থানা ভিত্তিক শ্রেষ্ঠ এসআই নির্বাচিত সদর মডেল থানার সনৎ
.............................................................................................
জেলার শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক কর্মকর্তা নির্বাচিত সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার বাবুল বণিক
.............................................................................................
৩য় বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ সার্জেন্ট নির্বাচিত : ট্রাফিক বিভাগের লিয়াকত
.............................................................................................
পিরোজপুরে স্বচ্ছভাবে নিয়োগ পেল ৩৩ পুলিশ সদস্য
.............................................................................................
দ্বিতীয় বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই নির্বাচিত সদর মডেল থানার আজাদ
.............................................................................................
রাজধানীতে ট্রাফিক আইন অমান্য করায় ৬৮৫০ মামলা
.............................................................................................
কুতুবদিয়া নির্বাচনে সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরিতে পুলিশের সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করা হবে : ভারপ্রাপ্ত এসপি ইকবাল
.............................................................................................
পুলিশ বিভাগের আদর্শের জ্বলন্ত প্রতীক মোহাঃ গোলাম রুহুল কুদ্দুস
.............................................................................................
৩য় বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত উখিয়া থানার আবুল খায়ের
.............................................................................................
সৌম্য-মোসাদ্দেকের বিধ্বংসী ব্যাটিং-এ প্রথমবারের মত ত্রিদেশীয় সিরিজে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ
.............................................................................................
দক্ষ ও অভিজ্ঞতার অনন্য প্রতীক কক্সবাজারের জেল সুপার বজলুর রশীদ আখন্দ
.............................................................................................
বাংলাদেশ পুলিশের আদর্শের অনন্য প্রতীক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোছাইন
.............................................................................................
ডিএমপি`র মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৭২
.............................................................................................
রাজধানীতে ট্রাফিক আইন অমান্যে ৫৯৫১ মামলা
.............................................................................................
আগামী এক মাসের মধ্যেই নুসরাত হত্যা মামলার চার্জশীট : পিবিআই প্রধান
.............................................................................................
পুলিশ`র অতিরিক্ত আইজি পদমর্যাদার এক কর্মকর্তার বদলী
.............................................................................................
গুলিস্তানে ককটেল হামলার বিষয়ে খতিয়ে দেখছে সিটিটিসি: ডিএমপি কমিশনার
.............................................................................................
ডিএমপি`র অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ৬৯
.............................................................................................
এফ আর টাওয়ারে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় তাসভির ও ফারুক ৭ দিনের রিমান্ডে
.............................................................................................
ঢাকাকে টাইম বোমায় পরিণত হতে দিব না : র‌্যাব মহাপরিচালক
.............................................................................................
মানবতাবিরোধী অপরাধ: মধু মিয়াসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন চূড়ান্ত
.............................................................................................
পুলিশের বিরুদ্ধে খারাপ আচরণের অভিযোগ কমেছে: আছাদুজ্জামান
.............................................................................................
এবার ১০ এএসপিকে বদলি
.............................................................................................
শাহজালালে ১৯ কেজি এনপিএস জব্দ
.............................................................................................
জাতিসংঘ মহাসচিবের আমন্ত্রণে নিউয়র্ক মির্জা ফখরুল
.............................................................................................
‘চালককে বেতন দিতে হবে, নইলে রুট পারমিট বাতিল’
.............................................................................................
শাহজালাল বিমানবন্দরে বিপুল পরিমাণ ওষুধ জব্দ
.............................................................................................
জাবালে নূরের মালিকসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র
.............................................................................................
শাহ আমানতে পরিত্যক্ত ব্যাগে ৩২টি স্বর্ণের বার
.............................................................................................
শোক দিবসে কোনো হুমকি নেই : ডিএমপি
.............................................................................................
ছাত্রদের ন্যায্য দাবিকে ভিন্নখাতে নেয়ার চেষ্টা চলছে : ডিএমপি কমিশনার
.............................................................................................
পুলিশ সার্জেন্টকে পিটুনি, মোটরসাইকেলে আগুন
.............................................................................................
শিক্ষার্থীদের লাইসেন্স পরীক্ষায় ছাড় পাচ্ছে না পুলিশের গাড়িও
.............................................................................................
পুলিশ পরিদর্শক খুন: আরও ৪ জন গ্রেপ্তার
.............................................................................................
ক্লাস নিলেন র‌্যাব অধিনায়ক
.............................................................................................
প্রকাশক বাচ্চু হত্যার প্রধান আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে নতুন সেনাপ্রধানের শ্রদ্ধা
.............................................................................................
সেনাপ্রধানকে জেনারেল ব্যাজ প্রদান
.............................................................................................
দায়িত্ব নিলেন নতুন সেনাপ্রধান
.............................................................................................
আরেক হত্যাকারী গ্রেফতার
.............................................................................................
গুলি কিনতে চান ডিআইজি মিজান
.............................................................................................
ঢাকায় ছিনতাইকারী ও অজ্ঞান পার্টির ৬১ সদস্য আটক
.............................................................................................
ইয়াবা উদ্ধার র‍্যাবের মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ১০০,
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]