| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * এবার বগি লাইনচ্যুত হয়ে রংপুর এক্সপ্রেসে আগুন   * ৪ উইকেট হারিয়ে ১০০ পার বাংলাদেশের   * আটকের পর ‘বন্দুকযুদ্ধে’ রোহিঙ্গা ডাকাত নিহত   * ৬৯ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন   * রোগীদের টাকায় চলে টাঙ্গাইল ডায়াবেটিক হাসপাতাল   * আয়কর মেলায় উপচেপড়া ভিড়   * চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদার জামিন খারিজের বিরুদ্ধে আপিল   * ফোক ফেস্ট শুরু হচ্ছে আজ, প্রথমদিন মঞ্চ মাতাবেন যারা   * ধড়পাকড়ে স্বপ্ন এখন দুঃস্বপ্ন, ফিরলেন আরও ২১৫ কর্মী   * ৪৮ ঘণ্টায় ৩২ ফিলিস্তিনি নিহত  

   আইন শৃঙ্খলা -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
৩য় বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ সার্কেল নির্বাচিত অতি: পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলাম

আবু সায়েমঃ কক্সবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ সার্কেল হিসেবে সম্মাননা পেলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলাম।কক্সবাজার সদর ও রামু সার্কেলে মাদক দ্রব্য উদ্ধার, গ্রেপ্তারী পরোয়ানা তামিল, চুরি ছিনতাই রোধে ভূমিকাসহ আইনশৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক পর্যায়ে ব্যাপক ভূমিকা পালন করায় সার্বিক বিষয় বিবেচনা পূর্বক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলামকে সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন (বিপিএমবার)। সভায় সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( হেড কোয়ার্টার )রেজওয়ান আহমেদ। উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুলিশ কর্মকর্তাদের পুলিশী কার্যক্রমকে তরান্বিত করার জন্য অর্থ ও ক্রেস্ট দিয়ে শ্রেষ্টত্বের জন্য পুরস্কৃত করা হয়।

এতে কক্সবাজার ও রামু সার্কেলে সেপ্টেম্বর মাসের পারফরমন্সে সামগ্রিক কার্যাবলি বিবেচনাপূর্বক শ্রেষ্ঠ সার্কেল হিসেবে সনদ ও সম্মাননা প্রদান করা হয় সদর -রামু সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলামকে। উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন)ইকবাল হোছাইন , অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাহিদ আদনান তাইয়্যান ( উখিয়া সার্কেল), সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার( চকরিয়া সার্কেল) কাজী মতিউল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম (ডিএসবি), সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার রতন দাশ গুপ্ত ( মহেশখালী সার্কেল)সহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ।

এ প্রসঙ্গে এক প্রতিক্রিয়ায় পুরুস্কারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলাম বলেন , প্রতিটি পুরস্কার খুবই ভালো লাগে। কাজের গতিকে তরান্বিত করে এবং কাজের প্রতি প্রেষণা সৃষ্টি করে।কক্সবাজার জেলার সদর – রামু সার্কেলে যোগদানের পর থেকে সৃজনশীল কার্যক্রমের বাস্তবিক প্রয়োগ,মাদকের বিরুদ্ধে ঘোষিত জিরো টলারেন্স বাস্তবায়ন , আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতকরণ এবং সুন্দর বাসযোগ্য সদর ও রামু গঠনে দৃঢ় কার্যক্রমকে তরান্বিত , সুযোগ্য পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোসাইনের দিক নির্দেশনা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছি।সদর- রামু সার্কেল কে কক্সবাজার জেলার শ্রেষ্ট সার্কেল রুপান্তরে রাত দিন পরিশ্রম করেছি ফোর্সদের রাত জেগে কাজের তদারকি করেছি। ইনশাআল্লাহ মাদকমুক্ত , সুন্দর বাসযোগ্য সদর রামু সার্কেল রুপান্তরে আমার যাবতীয় শারীকি ও মানসিক শ্রম অব্যাহত থাকবে। প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা হিসেবে যে জেলায় নিয়োজিত থাকি না কেনো একজন সফল সুনাগরিক হিসেবে সুন্দর বাসযোগ্য মডেল সার্কেল রুপান্তর এবং সোনার বাংলাদেশ গড়তে আমার যাবতীয় উন্নয়নমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

৩য় বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ সার্কেল নির্বাচিত অতি: পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলাম
                                  

আবু সায়েমঃ কক্সবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ সার্কেল হিসেবে সম্মাননা পেলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলাম।কক্সবাজার সদর ও রামু সার্কেলে মাদক দ্রব্য উদ্ধার, গ্রেপ্তারী পরোয়ানা তামিল, চুরি ছিনতাই রোধে ভূমিকাসহ আইনশৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক পর্যায়ে ব্যাপক ভূমিকা পালন করায় সার্বিক বিষয় বিবেচনা পূর্বক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলামকে সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন (বিপিএমবার)। সভায় সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( হেড কোয়ার্টার )রেজওয়ান আহমেদ। উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুলিশ কর্মকর্তাদের পুলিশী কার্যক্রমকে তরান্বিত করার জন্য অর্থ ও ক্রেস্ট দিয়ে শ্রেষ্টত্বের জন্য পুরস্কৃত করা হয়।

এতে কক্সবাজার ও রামু সার্কেলে সেপ্টেম্বর মাসের পারফরমন্সে সামগ্রিক কার্যাবলি বিবেচনাপূর্বক শ্রেষ্ঠ সার্কেল হিসেবে সনদ ও সম্মাননা প্রদান করা হয় সদর -রামু সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলামকে। উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন)ইকবাল হোছাইন , অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাহিদ আদনান তাইয়্যান ( উখিয়া সার্কেল), সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার( চকরিয়া সার্কেল) কাজী মতিউল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম (ডিএসবি), সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার রতন দাশ গুপ্ত ( মহেশখালী সার্কেল)সহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ।

এ প্রসঙ্গে এক প্রতিক্রিয়ায় পুরুস্কারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলাম বলেন , প্রতিটি পুরস্কার খুবই ভালো লাগে। কাজের গতিকে তরান্বিত করে এবং কাজের প্রতি প্রেষণা সৃষ্টি করে।কক্সবাজার জেলার সদর – রামু সার্কেলে যোগদানের পর থেকে সৃজনশীল কার্যক্রমের বাস্তবিক প্রয়োগ,মাদকের বিরুদ্ধে ঘোষিত জিরো টলারেন্স বাস্তবায়ন , আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতকরণ এবং সুন্দর বাসযোগ্য সদর ও রামু গঠনে দৃঢ় কার্যক্রমকে তরান্বিত , সুযোগ্য পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোসাইনের দিক নির্দেশনা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছি।সদর- রামু সার্কেল কে কক্সবাজার জেলার শ্রেষ্ট সার্কেল রুপান্তরে রাত দিন পরিশ্রম করেছি ফোর্সদের রাত জেগে কাজের তদারকি করেছি। ইনশাআল্লাহ মাদকমুক্ত , সুন্দর বাসযোগ্য সদর রামু সার্কেল রুপান্তরে আমার যাবতীয় শারীকি ও মানসিক শ্রম অব্যাহত থাকবে। প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা হিসেবে যে জেলায় নিয়োজিত থাকি না কেনো একজন সফল সুনাগরিক হিসেবে সুন্দর বাসযোগ্য মডেল সার্কেল রুপান্তর এবং সোনার বাংলাদেশ গড়তে আমার যাবতীয় উন্নয়নমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

৫ম বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত রামু থানার আবুল খায়ের
                                  

মোহাঃ আবু সায়েম, কক্সবাজার : ৫ম বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হয়েছেন রামু থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল খায়ের। ১৭ ই অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকালে কক্সবাজার জেলা পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শেডে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার জেলার পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন (বিপিএম )বার। সভায় সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হেডকোয়ার্টার) রেজওয়ান আহমেদ।

উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় সেপ্টেম্বর মাসের সার্বিক কার্যক্রম বিবেচনাপূর্বক শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী , মাদক ও অস্ত্র উদ্ধারকারী অফিসার , এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাািবক পর্যায়ে রাখতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করায় রামু থানার ওসিকে শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে সম্মাননা প্রদান করা হয়। উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ) ইকবাল হোছাইন , অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আদিবুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উখিয়া সার্কেল) নিহাদ আদনান তাইয়্যান , সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ( মহেশখালী সার্কেল) রতন কুমার দাশ গুপ্ত, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ( চকরিয়া সার্কেল) মতিউল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোহাঃ শহিদুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ( ট্রাফিক) বাবুল চন্দ্র বণিক সহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ।

এব্যপারে এক প্রতিক্রিয়ায় পুরস্কারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রামু থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল খায়ের বলেন,প্রতিটা পুরষ্কার খুবই ভালো লাগে , কাজের গতিকে তরান্তিত করে এবং কাজের প্রতি প্রেষণা সৃষ্টি করে। আজকের এ পুরস্কার আমার রামু থানার সকল কর্মকর্তা এবং ফোর্সদের পরিশ্রমের ফসল। যে প্রতিশ্রুতি বা¯তবায়নের লক্ষ্যে রামু থানায় যোগদান করেছি , সে প্রতিশ্রুতি ইম্পলিমেন্ট করতে আমার যাবতীয় শারীরিক ও মানসিক শ্রম অব্যাহত থাকবে। সর্বোপরি রামু থানাকে মাদকমুক্ত মডেল রামু উপহার দিতে প্রাত্যহিক ও বিশেষ অভিযান চলমান থাকবে। প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা হিসেবে যে থানায় নিয়োজিত থাকি না কনো কর্মক্ষেত্রে পেশাদারিত্বের সাথে কার্যক্রম সম্পাদন করতে আমার আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

কক্সবাজার সদর মডেল থানায় নতুন ওসি সৈয়দ আবু মোঃ শাহজাহান কবীরের যোগদান
                                  

কক্সবাজার প্রতিনিধি : কক্সবাজার সদর মডেল থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সৈয়দ আবু মোঃ শাহজাহান কবির যোগদান করেছেন।

মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে ভারপ্রাপ্ত ওসি খায়রুজামানের কাছ থেকে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন তিনি। এসময় কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) খায়রুজামান, পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন্স এ্যান্ড কমিউনিটি পুলিশিং) মোহাম্মদ ইয়াছিন, পুলিশ পরিদর্শক (ইন্টিলিজেন্স) মোহাম্মদ আরিফ ইকবাল নবাগত ওসি সৈয়দ আবু মোঃ শাহজাহান কবিরকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান।

এর আগে সৈয়দ আবু মোহাম্মদ শাহজাহান কবির কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। কক্সবাজারসদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদ উদ্দিন খন্দকার পিপিএম’কে বরিশাল জেলা পুলিশে বদলী করায় তার পদে স্থালাভিসিক্ত হন সৈয়দ আবু মোহাম্মদ শাহজাহান কবির।

 
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি ফরিদ উদ্দিনের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
                                  

আবু সায়েম : কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি ফরিদ উদ্দিন খন্দকারের বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল ১২ ই অক্টোবর শনিবার রাত ৯ টায় কক্সবাজার সদর মডেল থানার কম্পাউন্ডে জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে উক্ত বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন)ইকবাল হোছাইন।উক্ত অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন ইন্টেলিজেন্স অফিসার ইনস্পেক্টর আরিফ ইকবাল।

উক্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রশাসন ইকবাল হোছাইন বলেন,সরকারী চাকরিতে বিদায় বিষয়টা খুবই স্বাভাবিক। কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ফরিদ উদ্দিন খন্দকারের ক্ষেত্রেও স্বাভাবিক নিয়মে বরিশালে বদলী হয়েছেন।তিনি আরো বলেন,সদর মডেল থানায় তিনি ১ বছর ৮মাস কর্মরত ছিলেন। আমি যোগদান করার পর প্রায় ১ বছর সময় তাঁর সাথে আমার কাজ করার সুযোগ হয়েছে। আমার পেশাগত কারণে এবং পুলিশিং কার্যক্রমে আমি ওনাকে যতটুকু দেখেছি, মানুষের মৌলিক গুণাবলির মধ্যে যে গুণগুলো থাকা দরকার তা উনার মধ্যে বিদ্যমান ছিলো।বলতে গিয়ে তিনি একজন মানবিক গুণাবলি সম্পন্ন মানুষ।

কক্সবাজার সদর মডেল থানায় তিনি যে সফলতার সাথে কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন তার ধারাবাহিকতা তিনি যেন অন্য স্টেশনে অব্যাহত রাখতে পারেন সে কামনা করছি।
উক্ত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সদর সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলাম বলেন,ফরিদ উদ্দিন খন্দকার অত্যন্ত একজন ভালো মানুষ। তিনি যতোদিন সদর মডেল থানায় কর্মরত ছিলেন ততোদিন পর্যন্ত পেশাদারিত্বের সাথে তার কার্যক্রম সম্পন্ন করেছেন।

উক্ত বিদায় অনুষ্ঠানে সিনিয়র সাংবাদিক কালের কন্ঠের বিশেষ প্রতিনিধি তোফায়েল আহমেদ বলেন,সদর মডেল থানার ওসি ফরিদ উদ্দিন খন্দকার একজন দক্ষ ও আদর্শের অনন্য নিদর্শন। সদর মডেল থানায় যোগদানের পর থেকে তিনি মডেল থানা রুপান্তরে একাগ্রচিত্তে সততা ও ন্যায়নীতিকথায় অবিচল থেকে কাজ করেছেন জনস্বার্থে। আমি তার উত্তরোত্তর সফলতা এবং দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

বিদায়ী অতিথি ফরিদ উদ্দিন খন্দকার বলেন,কক্সবাজার সদর মডেল থানায় আমি দীর্ঘ ১ বছর ৮ মাস কর্মরত ছিলাম। দায়িত্ব পালন কালীন সময় আমি আমার সুযোগ্য পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন ( বিপিএম),অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রশাসন ইকবাল হোছাইন, সদর সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলামের নেতৃত্বে মডেল থানা রুপান্তর, এবং মাদক নির্মূল,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিকসহ সার্বিক বিষয়ে কাজের গতিকে তরান্বিত, এবং বাসযোগ্য মডেল থানা এবং নিরাপত্তার চাদরে আচ্ছাদিত করতে কাজ করেছি পেশাদারিত্বের সাথে।সার্বিক কার্যক্রমে সরকারী স্বার্থে,পুলিশিং কার্যক্রমে শৃঙ্খলা আনতে যদি কোন অধস্তন অফিসারের সাথে খারাপ আচরণ করি অথবা মনে কষ্ট দিয়ে থাকি,তাহলে আমাকে ক্ষমা ও সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।সরকারী চাকরী সুবাদে যে জেলায় নিয়োজিত থাকি না কেনো সফলতার সাথে যাতে কাজ করতে পারি তাঁর জন্য সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করছি।

উক্ত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার বাবুল চন্দ্র বণিক ট্রাফিক, টিআই প্রশাসন কামরুজ্জামান, কোর্ট ইনস্পেক্টর মাহবুবুল আলম,সাংবাদিক সরওয়ার আজম মানিক,কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি ভারপ্রাপ্ত খায়রুজ্জামান, অপারেশন অফিসার মোহাঃইয়াছিন, জাতীয় দৈনিক আলোকিত প্রতিদিন ও এশিয়া বাণীর কক্সবাজার প্রতিনিধি আবু সায়েম,শহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ রুমেল বড়ুয়াসহ প্রমুখ।উক্ত বিদায় অনুষ্ঠান সম্পূর্ণ ব্যতিক্রধর্মী ছিলো,সদর মডেল থানায় কর্মরত অফিসাররা তাদের প্রিয় মানুষটিকে বিদায় দিতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকল অতিথি বৃন্দ থানায় কর্মরত অফিসাররা বিদায়ী ওসি ফরিদ উদ্দিন খন্দকারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলো।
উল্লেখ্য যে,কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি ফরিদ উদ্দিন খন্দকার বরিশাল জেলায় বদলী হয়েছেন।

 
কক্সবাজারে মাসিক কল্যাণ সভায় তথ্য প্রযুক্তিতে ব্যাপক অবদান রাখায় পুরষ্কার পেলেন দুই পুলিশ কর্মকর্তা
                                  

আবু সায়েম, কক্সবাজার : কক্সবাজারে মাসিক কল্যাণ সভায় তথ্য প্রযুক্তিতে অর্থাৎ মোবাইল ট্রেকিংএর মাধ্যমে চোরাইকৃত মোবাইল উদ্ধার, তথ্য প্রযক্তির মাধ্যমে স্থান নিশ্চিত করে অপহৃত ভিকটিম উদ্ধারে সহায়তাসহ বিভিন্ন মামলার আসামী গ্রেপ্তারে ব্যাপক অবদান রাখায় পুরষ্কার পেলেন এএসআই মহিউদ্দীন বেগ ও এএসআই দ্বীন মোহাম্মদ।

গত ২৯ আগষ্ট রোববার সকাল ১০ টায় কক্সবাজার জেলা পুলিশ লাইন্সের গ্রিল শেডে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন (বিপিএম )বার। সভায় সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হেড কোয়ার্টার) রেজওয়ান আহমেদ । উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুলিশ কর্মকর্তাদের পুলিশিং কার্যক্রমকে তরান্বিত করার জন্য অর্থ ও ক্রেস্ট দিয়ে শ্রেষ্ঠত্বের জন্য পুরস্কৃত করা হয়। এতে আগষ্ঠ মাসে তথ্য প্রযু্িক্তর মাধ্যমে মোবাইল ট্রেকিং করে চোরাইকৃত মোবইল উদ্ধার , প্রযুক্তির মাধ্যমে স্থান নিশ্চিত করে অপহৃত ভিকটিম উদ্ধার, এবং আসামী গ্রেপ্তারে ব্যাপক ভূমিকা পালন করায় সার্বিক পারফরমেন্স অনুযায়ী কক্সবাজার সদর মডেল থানার এএসআই মহিউদ্দীন বেগ ও এএসআই দ্বীন মোহাম্মদ কে ক্রেস্ট দিয়ে সম্মাননা প্রদান করা হয়। উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ) ইকবাল হোছাইন , অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আদিবুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উখিয়া সার্কেল) নিহাদ আদনান তাইয়্যান , সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ( মহেশখালী সার্কেল) রতন কুমার দাশ গুপ্ত, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ( চকরিয়া সার্কেল) মতিউল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোহাঃ শহিদুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ( ট্রাফিক) বাবুল চন্দ্র বণিক সহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ।

এ প্রসঙ্গে এক প্রতিক্রিয়ায় পুরুস্কারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এএসআই মহিউদ্দীন বেগ ও এএসআই দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, প্রতিটি পুরস্কার খুবই ভালো লাগে। কাজের গতিকে তরান্বিত করে এবং কাজের প্রতি প্রেষণা সৃষ্টি করে। আমাদের পুরস্কারের পেছনে যিনি সর্বদা আমাদের অনুপ্রাণিত করেছেন এবং সার্বিক সহযোগিতা করেছেন তিনি আমাদের অফিসার ইনচার্জ ফরিদ উদ্দীন খন্দকার (পিপিএম বার )। তারঁ আন্তরিক সহযোগিতা এবং দক্ষ কার্যাবলির বাস্তবিক প্রয়োগে আমরা ১ম বারের মতো সদর মডেল থানায় মোবাইল ট্রেকিং এর মাধ্যমে চোরাই মোবাইল উদ্ধার , তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে অপহৃত ভিকটিম উদ্ধার সহ আসামী গ্রেপ্তারে ব্যাপক ভূমিকা পালন করায় পুরষ্কার লাভ করেছি। প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা হিসেবে যে থানায় নিয়োজিত থাকিনা কেনো আমরা আমাদের সেবার মন মানসিকতার কার্যক্রমের বাস্তবিক প্রয়োগ অব্যাহত রাখবো। সার্বিক দায়িত্ব পালনে তারা সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

এ ব্যাপারে কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ফরিদ উদ্দীন খন্দকার (পিপিএম বার) বলেন,মহিউদ্দীন বেগ ও দ্বীন মোহাম্মদ খুবই ভালো ও চমৎকার অফিসার। সদর মডেল থানায় যোগদানের পর থেকে মোবাইল ট্রেকিং এর মাধ্যমে চোরাই মোবাইল উদ্ধার, তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে অপহৃত ভিকটিম উদ্ধার সহ আসামী গ্রেপ্তার মাদক নির্মূল,অস্ত্র উদ্ধার চুরি ছিনতাই রোধে সহায়তা এবং সর্বোপরি মডেল থানা রুপান্তরে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন। আমি তাদের সফলতা কামনা করছি, তারা যাতে তাদের সফলতার ধারা অব্যাহত রাখতে পারেন।

৪র্থ বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত রামু থানার আবুল খায়ের
                                  

মোহাঃ আবু সায়েম, কক্সবাজার : ৪র্থ বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হয়েছেন রামু থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল খায়ের। ২৯ সেপ্টেম্বের রোববার সকাল ১০ টায় কক্সবাজার জেলা পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শেডে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার জেলার পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন (বিপিএম )বার। সভায় সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হেডকোয়ার্টার) রেজওয়ান আহমেদ। উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় আগষ্ঠ মাসের সার্বিক কার্যক্রম বিবেচনাপূর্বক শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী , মাদক ও অস্ত্র উদ্ধারকারী অফিসার , এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাািবক পর্যায়ে রাখতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করায় রামু থানার ওসিকে শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে সম্মাননা প্রদান করা হয়। উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ) ইকবাল হোছাইন , অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আদিবুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উখিয়া সার্কেল) নিহাদ আদনান তাইয়্যান , সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ( মহেশখালী সার্কেল) রতন কুমার দাশ গুপ্ত, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ( চকরিয়া সার্কেল) মতিউল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোহাঃ শহিদুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ( ট্রাফিক) বাবুল চন্দ্র বণিক সহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ।

এব্যপারে এক প্রতিক্রিয়ায় পুরস্কারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রামু থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল খায়ের বলেন,প্রতিটা পুরষ্কার খুবই ভালো লাগে , কাজের গতিকে তরান্তিত করে এবং কাজের প্রতি প্রেষণা সৃষ্টি করে। আজকের এ পুরস্কার আমার রামু থানার সকল কর্মকর্তা এবং ফোর্সদের পরিশ্রমের ফসল। যে প্রতিশ্রুতি বা¯তবায়নের লক্ষ্যে রামু থানায় যোগদান করেছি , সে প্রতিশ্রুতি ইম্পলিমেন্ট করতে আমার যাবতীয় শারীরিক ও মানসিক শ্রম অব্যাহত থাকবে। সর্বোপরি রামু থানাকে মাদকমুক্ত মডেল রামু উপহার দিতে প্রাত্যহিক ও বিশেষ অভিযান চলমান থাকবে। প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা হিসেবে যে থানায় নিয়োজিত থাকি না কনো কর্মক্ষেত্রে পেশাদারিত্বের সাথে কার্যক্রম সম্পাদন করতে আমার আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

থানা ভিত্তিক শ্রেষ্ঠ এসআই নির্বাচিত সদর মডেল থানার কাঞ্চন
                                  

আবু সায়েমঃ প্রথম বারের মতো থানা ভিত্তিক শ্রেষ্ঠ এসআই নির্বাচিত হয়েছেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার কাঞ্চন দাশ। মাদক দ্রব্য উদ্ধার, গ্রেপ্তারী পরোয়ানা তামিল, চুরি ছিনতাই রোধে ভূমিকাসহ আইনশৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক পর্যায়ে ব্যাপক ভূমিকা পালন করায় সার্বিক বিষয় বিবেচনা পূর্বক কক্সবাজার সদর মডেল থানার কাঞ্চন দাশকে থানা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ এসআই হিসেবে সম্মাননা প্রদান করা হয়। ২৯আগষ্ট রোববার সকাল ১০ টায় কক্সবাজার জেলা পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শিডে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন (বিপিএমবার)। এতে সামগ্রিক কার্যাবলি বিবেচনাপূর্বক থানা ভিত্তিক শ্রেষ্ঠ এসআই হিসেবে সনদ ও সম্মাননা প্রদান করা হয়। উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) ইকবাল হোছাইন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলাম ( সদর সার্কেল) , অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নিহাদ আদনান তাইয়্যান ( উখিয়া সার্কেল), সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার( চকরিয়া সার্কেল) কাজী মতিউল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম (ডিএসবি), সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার রতন দাশ গুপ্ত ( মহেশখালী সার্কেল), সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার বাবুল চন্দ্র বণিক (ট্রাফিক বিভাগ)সহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ

সভায় সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( হেড কোয়ার্টার )রেজওয়ান আহমেদ। উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুলিশ কর্মকর্তাদের পুলিশী কার্যক্রমকে তরান্বিত করার জন্য অর্থ ও ক্রেস্ট দিয়ে শ্রেষ্টত্বের জন্য পুরস্কৃত করা হয়। এতে আগষ্ট মাসের পারফরম্যান্স অনুযায়ী সদর মডেল থানার চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা এসআই কাঞ্চন দাশকে সদর মডেল থানার শ্রেষ্ঠ এসআই হিসেবে অর্থ পুরস্কার ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

এ প্রসঙ্গে এক প্রতিক্রিয়ায় পুরুস্কারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাঞ্চন দাশ বলেন, প্রতিটি পুরস্কার খুবই ভালো লাগে। কাজের গতিকে তরান্বিত করে এবং কাজের প্রতি প্রেষণা সৃষ্টি করে। আমার পুরস্কারের পেছনে যিনি সর্বদা আমাকে অনুপ্রাণিত করেছেন এবং সার্বিক সহযোগিতা করেছেন তিনি আমার অফিসার ইনচার্জ ফরিদ উদ্দীন খন্দকার (পিপিএম বার )। তারঁ আন্তরিক সহযোগিতা এবং দক্ষ কার্যাবলির বাস্তবিক প্রয়োগে আমি ১ম বারের মতো থানা পর্যায়ে সদর মডেল থানার শ্রেষ্ঠ এসআই হিসেবে নির্বাচিত হয়েছি। প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা হিসেবে যে থানায় নিয়োজিত থাকিনা কেনো আমি আমার সেবার মন মানসিকতার কার্যক্রমের বাস্তবিক প্রয়োগ অব্যাহত রাখবো। সার্বিক দায়িত্ব পালনে তিনি আবারো সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

এব্যাপারে কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ফরিদ উদ্দীন খন্দকার (পিপিএম বার) বলেন,কাঞ্চন দাশ একজন ভালো ও চমৎকার অফিসার। সদর মডেল থানায় যোগদানের পর থেকে মাদক নির্মূল,অস্ত্র উদ্ধার চুরি ছিনতাই রোধে সহায়তা এবং সর্বোপরি মডেল থানা রুপান্তরে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন । আমি তারঁ সফলতা কামনা করছি, তিনি যাতে তারঁ সফলতার ধারা অব্যাহত রাখতে পারেন।

মাাদক বিরোধী অভিযানে যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছেন সদরের ওসি ফরিদ উদ্দীন খন্দকার
                                  

আবু সায়েম, কক্সবাজারঃ মাদকবিরোধী অভিযানে যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি ফরিদ উদ্দীন খন্দকার। সরকারের মাদকবিরোধী যে জিরো টলারেন্স সে নীতিকে বাস্তবে রুপ দিতে রাত দিন পরিশ্রম করছেন সদর মডেল থানার ওসি ও তারঁ চৌকস টিম। ফরিদ উদ্দীন খন্দকার সদর মডেল থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন প্রায় ২ বছরের কাছাকাছি। কিন্তু দায়িত্ব পালনের এ সময়ে তিনি সদর মডেল থানা এর আওতাভুক্ত এলাকাসমূহ মাদক নির্মূল, অস্ত্র উদ্ধারে ব্যাপক ভূমিকা, পর্যটনদের নিরাপত্তা প্রদানে পুলিশিং কার্যক্রমে তরান্বিত , শহরের ঝুকিঁপূর্ণ যেসব এলাকায় চুরি ছিনতাই সংগঠিত হয়, সে সকল গুরুত্বপূর্ণ স্পটে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন, পর্যটক এবং স্থানীয় জনগণ এরবং ব্যবসায়ীদের স্বার্থে সারারাত পুলিশি গাড়ি টহল সহ নিরাপত্তার চাদরে আচ্ছাদিত করতে কাজ করছেন একাগ্রচিত্বে। অবিচল আছেন সততা ও ন্যায় নীতিকথায়। সরেজমিন পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়,বয়স্ক এক মহিলা বসে আছেন থানা কম্পাউন্ডের এক কোণে।থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যাচ্ছেন নামাজে। হঠাৎ কম্পাউন্ডের এক কোণায় দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে অশ্রুসিক্ত নয়নে এক অভাবী মহিলা অঝুর নয়নে কান্না করছেন । নাম তারঁ রাবেয়া খাতুন , বয়স ৭০ ছুঁই ছুঁই। ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার হঠাৎ নজরে আসে ঐ মহিলা । কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করে কি সমস্যা? তখন ভদ্র মহিলাটি বললেন, ৪ সন্তানকে পড়ালেখা করে মানুষ করেছি, কিন্তু আজ তারা আমার কোন খবর নিচ্ছে না। দায়িত্ব পালনও করছে না। মনযোগ সহকারে কথাগুলো শুনে মহিলাটিকে আশস্ত করেন এবং তৎক্ষনাৎ মহিলাটিকে তার সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করেনএবং দায়িত্ব প্রাপ্ত পুলিশের এসআইকে সকল কার্যক্রম, সম্পাদনের জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। ওসির এমন কার্যক্রম দেখে মহিলাটি খুশিতে আতœহারা হয়ে আবেগআপ্লুত হয়ে পড়েন। ঠিক তেমনি প্রাত্যহিক মানবিক এবং সেবামূলক সেবা প্রদান করে আসছেন বহুগুণে গুণান্বিত বর্তমান ওসি ফরিদ উদ্দীন খন্দকার।যা সত্যি অবিস্মরণীয় এবং মানবজাতির জন্য শিক্ষার অনন্য নিদর্শন। হাজার বাধাঁকে মোকাবেলা করে ঝুকিঁ নিয়ে নিজের পেশাদারিত্বকে সর্বোচ্চঠুকু দিয়ে কাজ করছেন মানবতার সেবায়। অনেকেই পুলিশের কার্যক্রমকে খারাপের চোখে দেখে। আমরা বলি দোষে গুণে মানুষ। প্রত্যেকটি মানুষের মানবিক গুণবালি ও অমানবিক কার্যক্রম ও থাকে। আজ যদি আমরা পুলিশের সে ভালো কাজগুলোকে উৎসাহ দিতাম এবং লালন করতাম তাহলে আমরা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ উপহার দিতে পারতাম। তারই ধারাবাহিকতায় ন্যায় নীতিকথা ও আদর্শে অবিচল থেকে মানুষকে প্রাত্যহিক সেবা প্রদান করে আসছেন দক্ষ ওঅভিজ্ঞ অফিসার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাও তারঁ টিম । সুযোগ্য পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) ইকবাল হোসাইন, সদর সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলামের এর দিকনির্দেশনা বাস্তবে রুপ দান এবং সদর মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তা খায়রুজ্জামান এবং অপারেশন্স অফিসার মোহাঃ ইয়াছিনের সহযোগিতায় কক্সবাজার সদর মডেল থানা আজ অন্যান্য থাানার রুল মডেল। কমে গেছে আগের চেয়ে মাদক,অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশ কর্মকতাদের সফলতা, চুরি ছিনতাই রোধে সহায়তা, কক্সবাজার গ্যাং কালচার ও ইভটিজিং রোধে ব্যাপক ভূমিকা, জড়িতদের আইনের আওতায় আনা সহ, সর্বোপরি মডেল থানা উপহার দিতে যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত বা¯তবায়ন করছেন থানায় কর্মরত অফিসাররা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, সদর মডেল থানার দাায়িত্বশীল এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, বর্তমান সদর মডেল থানার পরিবেশ অত্যন্ত চমৎকার। প্রাত্যহিক অভিযানে সদর মডেল থানায় বিভিন্ন মামলার ৩০ থেকে ৪০ জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। বর্তমান ওসি স্যার তদবিরকে মূল্যায়ন না করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে যাবতীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেন । স্যারের এ মহৎ কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়েছেন উর্দ্ধতন পুলিশ কর্মকর্তারা। কোন অফিসাররা যাতে মাদকের ব্যবসার সাতে জড়িত হতে না পারে , আইনবিরোধী ও দেশবিরোধী কোন কার্যক্রমে অংশীদার না হয় সেজন্য সদর সার্কেল স্যার ও ওসি স্যার সজাগ দৃষ্টি রেখে প্রতিনিয়ত সতর্ক করেন এবং ভালোভাবে খোজঁ খবর রাখেন। যাতে কোন ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য সকল পুলিশ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের রুল কল করে পেশদারিত্বের সাথে কাজ করার আহ্বান জানান।

বর্তমান সদর মডেল থানার পরিবেশ এবং তারঁ উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য সম্পর্কে জানতে চাইলে সদর মডেল থানার ওসি ফরিদ উদ্দীন খন্দকার পিপিএম (বার) জানান, দেশ সেবার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেছি। যোগদান করার পর থেকে মানব সেবায় নিয়োজিত রাখার চেষ্টা করেছি। প্রত্যেক ব্যেিক মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। কার মৃত্যু কখন হবে কেউ জানেন না! সুতরাং প্রত্যেকটি মানুষের নৈতিক দায়িত্ব ইহকাল ও পরকালকে চিন্তা করে বাস্তবায়ন করতে হবে। বর্তমান সদর মডেল থানার পরিবেশ সম্পর্কে বলতে গেলে আসলে বর্তমানের পরিবেশ আমার সকল অফিসারের ত্যাগের বিনিময়ে বেশ চমৎকার । সুন্দর বাসযোগ্য মডেল থানা রুপান্তরে প্রত্যেকটি অফিসার পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করছেন। যা সত্যিই প্রশংসনীয় এবং অতুলনীয়। সদর মডেল থানার আওতাভুক্ত সকল এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা বিরাজমান রাখতে প্রাত্যহিক অভিযান ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ফলশ্রুতিতে থানার প্রাত্যহিক অভিযানে বিভিন্ন মামলার, দাগী , সাজাপ্রাপ্ত আসামী মাদক ও অস্ত্র উদ্ধারসহ ৩০ থেকে ৪০ জন আসামীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হচ্ছি। আসামীদর কোন রকম তদবিরে ছাড় দেওয়া হয় না। তিনি আরো বলেন,লক্ষ ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলতে গেলে একটা বিষয়কে প্রাধান্য দিতে হয় সেটা হচ্ছে , মাদকমুক্ত কক্সবাজার সদর মডেল থানা উপহার,বাসযোগ্য সুন্দর পর্যটন নগরী রুপান্তরে পুলিশী কার্যক্রমকে তরান্বিত ।

ইনশাআল্লাহ আমরা সে উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি, জনগণের সার্বিক সহযোগিতা এবং দেশপ্রেম থাকলে কক্সবাজারের সুযোগ্য পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) ইকবাল হোসাইন ,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল আদিবুল ইসলাম এর দিকনির্দেশনা বাস্তবায়ন করে বৈচিত্রায়ন সৃজনশীলতাকে প্রাধান্য দিয়ে কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌছঁতে সক্ষম হবো এবং সকলের সহযোগিতায় উন্নত সোনার বাংলাদেশ গড়তে অংশীদার হতে পারবো।

“একজন অভিজ্ঞ ও গুণি জেল সুপারের বদলী”
                                  

আবু সায়েম : কক্সবাজার জেলা কারাগার কর্তৃক আয়োজিত কারাগারের জেল সুপার বজলুর রশীদ আখন্দের বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭ টায় মনোমুগ্ধকর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে জেলার রীতেশ চাকমার সভাপতিত্বে উক্ত বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোছাইন। বিশেষ অতিথি হিসেবে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সুমেন মন্ডল,সিনিয়র সাংবাদিক রাসেল চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। উক্ত বিদায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোছাইন বলেন,বিগত ১ বছর যাবত কক্সবাজার জেলায় চাকরির সুবাধে বিদায়ী জেল সুপার বজলুর রশীদ আখন্দকে খুব কাছ থেকে দেখেছি।

একজন কর্মকর্তার মাঝে যে মানব সম্পদ উন্নয়ন,কাঠামো ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের গতিকে বাস্তবায়ন ও সৃজনশীলতা থাকা উচিত, এসব গুণাবলি ওনার মধ্যে বিদ্যমান ছিলো।কারাঅভ্যন্তরীন এবং বাইরে তিনি যে সকল কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করেছেন,তা কারাগারে কর্মরত এবং আগত কর্মীরা গভীরভাবে স্মরণ করবেন।তিনি আরো বলেন,সরকারী বদলী একটি নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে সংগঠিত হয়।সরকারী কর্মকর্তা এবং কর্মীদের এক স্টেশন থেকে অন্য স্টেশনে বদলী হওয়া স্বাভাবিক ব্যাপার।তিনি যে স্টেশনে যাবেন আশা করছি, তিনি তাঁর সৃজনশীল কার্যক্রমের ধারা অব্যাহত রাখবেন।

বিদায়ী জেল সুপার বজলুর রশীদ আখন্দ বলেন,দীর্ঘ সাড়ে ৩ বছর যাবত কক্সবাজার কারাগারে কর্মরত ছিলাম। নিজের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে কারাভ্যন্তর এবং বাহিরে উন্নয়নের গতিতে তরান্বিত করে বাস্তবায়ন করেছি।দেশের স্বার্থে কারাগারে শৃঙ্খলা ফেরাতে অনেক সময় কোন কারারক্ষীর মনক্ষুন্ন করলে তিনি উপস্থিত সকল কারা কর্মীদের প্রতি ক্ষমা ও সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ জানান।তিনি আরো বলেন,কক্সবাজার কারাগারে দীর্ঘ সাড়ে ৩ বছর যাবত প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োজিত ছিলাম। চেষ্টা করেছি,কারাগারকে মডেল কারাগারে রুপান্তরে।বাকি চাকরী জীবন যাতে সফলতা ও সুনামের সাথে সম্পদান করতে পারি, সেজন্য উপস্থিত সকলের নিকট দোয়া প্রার্থনা করছি।
সমাপনী বক্তৃতায় অনুষ্ঠানের সভাপতি রীতেশ চাকমা বলেন,দীর্ঘ ৯ মাস যাবত স্যারের সাথে চাকরির সুযোগ হয়েছে। স্যার অভিজ্ঞ ও বহুগুণে গুণান্বিত একজন মানুষ। স্যারের বিদায় মেনে নেওয়া যায় না।তবুও সরকারী চাকরির নিয়ম নীতিকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে আজ তিনি দিনাজপুর জেলা কারাগারে যোগদান করবেন।তিনি স্যারের জন্য উপস্থিত সকল কারাকর্মী এবং আগত মেহমানদের কাছে দোয়াকামনা ও ভুল ত্রুটি ক্ষমা ও সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার আহ্বান জানান।

জাতীয় নিরাপত্তা সেলের প্রধান হলেন আছাদুজ্জামান মিয়া
                                  

ডেস্ক রিপাের্ট : মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জাতীয় নিরাপত্তা সেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পদে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়াকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার সরকারের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আছাদুজ্জামান মিয়াকে আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর অথবা যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী ৩ বছর মেয়াদে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অধীন ‘জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত সেলের’ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হলো। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকরের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

১৯৬০ সালের ১৪ আগস্ট ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় জন্ম নেয়া আছাদুজ্জামান ১৯৮৮ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে পুলিশ বাহিনীতে যোগ দেন।

ডিএমপি কমিশনার হিসেবে ২০১৫ সালের ৭ জানুয়ারি দায়িত্ব নেন তিনি। ডিএমপি কমিশনার হিসেবে যোগ দেয়ার আগে সিলেট, সুনামগঞ্জ, পাবনা, টাঙ্গাইলসহ বিভিন্ন জেলা ও রেঞ্জে দায়িত্ব পালনের পর হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

চলতি বছরের ১৩ আগস্ট তার চাকরির মেয়াদ শেষ হাওয়ার কথা ছিল। তবে ১৪ আগস্ট থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই সময় বাড়ানো হয়েছে জানিয়ে ঈদের ছুটির মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপন জারি করে।

২য় বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ সার্কেল নির্বাচিত অতি: পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলাম
                                  

আবু সায়েমঃ কক্সবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ সার্কেল হিসেবে সম্মাননা পেলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলাম।কক্সবাজার সদর ও রামু সার্কেলে মাদক দ্রব্য উদ্ধার, গ্রেপ্তারী পরোয়ানা তামিল, চুরি ছিনতাই রোধে ভূমিকাসহ আইনশৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক পর্যায়ে ব্যাপক ভূমিকা পালন করায় সার্বিক বিষয় বিবেচনা পূর্বক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলামকে সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়। ২৬ আগষ্ট সোমবার সকাল ১০ টায় কক্সবাজার জেলা পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শিডে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন (বিপিএমবার)। সভায় সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( হেড কোয়ার্টার )রেজওয়ান আহমেদ। উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুলিশ কর্মকর্তাদের পুলিশী কার্যক্রমকে তরান্বিত করার জন্য অর্থ ও ক্রেস্ট দিয়ে শ্রেষ্টত্বের জন্য পুরস্কৃত করা হয়। এতে কক্সবাজার ও রামু সার্কেলে জুলাই মাসের পারফরমন্সে সামগ্রিক কার্যাবলি বিবেচনাপূর্বক শ্রেষ্ঠ সার্কেল হিসেবে সনদ ও সম্মাননা প্রদান করা হয় সদর -রামু সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলামকে। উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন)ইকবাল হোছাইন , অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাহিদ আদনান তাইয়্যান ( উখিয়া সার্কেল), সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার( চকরিয়া সার্কেল) কাজী মতিউল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম (ডিএসবি), সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার রতন দাশ গুপ্ত ( মহেশখালী সার্কেল)সহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ।

এ প্রসঙ্গে এক প্রতিক্রিয়ায় পুরুস্কারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলাম বলেন , প্রতিটি পুরস্কার খুবই ভালো লাগে। কাজের গতিকে তরান্বিত করে এবং কাজের প্রতি প্রেষণা সৃষ্টি করে।কক্সবাজার জেলার সদর – রামু সার্কেলে যোগদানের পর থেকে সৃজনশীল কার্যক্রমের বাস্তবিক প্রয়োগ,মাদকের বিরুদ্ধে ঘোষিত জিরো টলারেন্স বাস্তবায়ন , আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতকরণ এবং সুন্দর বাসযোগ্য সদর ও রামু গঠনে দৃঢ় কার্যক্রমকে তরান্বিত , সুযোগ্য পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোসাইনের দিক নির্দেশনা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছি।সদর- রামু সার্কেল কে কক্সবাজার জেলার শ্রেষ্ট সার্কেল রুপান্তরে রাত দিন পরিশ্রম করেছি ফোর্সদের রাত জেগে কাজের তদারকি করেছি। ইনশাআল্লাহ মাদকমুক্ত , সুন্দর বাসযোগ্য সদর রামু সার্কেল রুপান্তরে আমার যাবতীয় শারীকি ও মানসিক শ্রম অব্যাহত থাকবে। প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা হিসেবে যে জেলায় নিয়োজিত থাকি না কেনো একজন সফল সুনাগরিক হিসেবে সুন্দর বাসযোগ্য মডেল সার্কেল রুপান্তর এবং সোনার বাংলাদেশ গড়তে আমার যাবতীয় উন্নয়নমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

থানা ভিত্তিক শ্রেষ্ঠ এএসআই নির্বাচিত সদর মডেল থানার টিটু কুমার সাহা
                                  

আবু সায়েমঃ প্রথম বারের মতো থানা ভিত্তিক শ্রেষ্ঠ এএসআই নির্বাচিত হয়েছেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার টিটু কুমার সাহা। মাদক দ্রব্য উদ্ধার, গ্রেপ্তারী পরোয়ানা তামিল, চুরি ছিনতাই রোধে ভূমিকাসহ আইনশৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক পর্যায়ে ব্যাপক ভূমিকা পালন করায় সার্বিক বিষয় বিবেচনা পূর্বক কক্সবাজার সদর মডেল থানার টিটু কুমার সাহা থানা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ এএসআই হিসেবে সম্মাননা প্রদান করা হয়। ২৬আগষ্ট সোমবার সকাল ১০ টায় কক্সবাজার জেলা পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শিডে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন (বিপিএমবার)। এতে সামগ্রিক কার্যাবলি বিবেচনাপূর্বক থানা ভিত্তিক শ্রেষ্ঠ এএসআই হিসেবে সনদ ও সম্মাননা প্রদান করা হয়। উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলাম ( সদর সার্কেল) , অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাহিদ আদনান তাইয়্যান ( উখিয়া সার্কেল), সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার( চকরিয়া সার্কেল) কাজী মতিউল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম (ডিএসবি), সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার রতন দাশ গুপ্ত ( মহেশখালী সার্কেল), সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার বাবুল চন্দ্র বণিক (ট্রাফিক বিভাগ)সহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ

সভায় সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( হেড কোয়ার্টার )রেজওয়ান আহমেদ। উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুলিশ কর্মকর্তাদের পুলিশী কার্যক্রমকে তরান্বিত করার জন্য অর্থ ও ক্রেস্ট দিয়ে শ্রেষ্টত্বের জন্য পুরস্কৃত করা হয়। এতে জুলাই মাসের পারফরম্যান্স অনুযায়ী সদর মডেল থানার চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা এএসআই টিটু কুমার সাহাকে সদর মডেল থানার শ্রেষ্ঠ এএসআই হিসেবে অর্থ পুরস্কার ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

এ প্রসঙ্গে এক প্রতিক্রিয়ায় পুরুস্কারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা টিটু কুমার সাহা বলেন, প্রতিটি পুরস্কার খুবই ভালো লাগে। কাজের গতিকে তরান্বিত করে এবং কাজের প্রতি প্রেষণা সৃষ্টি করে। আমার পুরস্কারের পেছনে যিনি সর্বদা আমাকে অনুপ্রাণিত করেছেন এবং সার্বিক সহযোগিতা করেছেন তিনি আমার অফিসার ইনচার্জ ফরিদ উদ্দীন খন্দকার (পিপিএম বার )। তারঁ আন্তরিক সহযোগিতা এবং দক্ষ কার্যাবলির বাস্তবিক প্রয়োগে আমি ১ম বারের মতো থানা পর্যায়ে সদর মডেল থানার শ্রেষ্ঠ এএসআই হিসেবে নির্বাচিত হয়েছি। প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা হিসেবে যে থানায় নিয়োজিত থাকিনা কেনো আমি আমার সেবার মন মানসিকতার কার্যক্রমের বাস্তবিক প্রয়োগ অব্যাহত রাখবো। সার্বিক দায়িত্ব পালনে তিনি আবারো সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

এব্যাপারে কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ফরিদ উদ্দীন খন্দকার (পিপিএম বার) বলেন,টিটু কুমার সাহা একজন ভালো ও চমৎকার অফিসার। সদর মডেল থানায় যোগদানের পর থেকে মাদক নির্মূল,অস্ত্র উদ্ধার চুরি ছিনতাই রোধে সহায়তা এবং সর্বোপরি মডেল থানা রুপান্তরে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন । আমি তারঁ সফলতা কামনা করছি, তিনি যাতে তারঁ সফলতার ধারা অব্যাহত রাখতে পারেন। উল্লেখ্য যে, তিনি এর আগে শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী হিসেবে পুরস্কার লাভ করেছিলেন।

উখিয়ায় নবাগত ওসি আবুল মনসুরের অভিজ্ঞতা ও কর্মদক্ষতায় পরিস্থিতি উন্নতির পথে
                                  

আবু সায়েমঃ সম্প্রতি উখিয়া থানায় অফিসার ইনচার্জ হিসেবে যোগদান করেছেন অভিজ্ঞ ও দক্ষতার অনন্য প্রতীক আবুল মনসুর। যোগদানের পর থেকেই উখিয়া থানার সামাগ্রিক পরিস্থিতি উন্নতির পথে। নবাগত ওসির নেতৃত্বে তাঁর টিমকে সাথে নিয়ে উখিয়া থানাকে মডেল এবং মাদকমুক্তসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং রোহিজ্ঞা শরনার্থীদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় রাখতে যাবতীয় কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং সামগ্রিক পরিস্থিতিকে উন্নতির দিকে ধাবিত করতে কাজ করছেন একাগ্রচিত্তে। নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছেন,নবাগত ওসি যোগদানের পর থেকে অনেক ইয়াবা ব্যবসায়ী এলাকা ছাড়া, বর্তমানে তারা সবাই আত্মগোপনে। যারা ইয়াবা ব্যবসা করে অনেক যুবকের জীবন নষ্ট করেছেন , অবৈধ টাকায় তৈরী করেছেন দালান, আজ তারা ঐ ভবনে ঘুমাতে পারছেন না। রামু থানায় তাঁর কার্যক্রমগুলো ছিলো জেলাব্যাপী প্রশংসায় পঞ্চমুখ। এবং তার চৌকস পুলিশিং কার্যক্রমের জন্য তিনি অনেক সুনাম কুড়িয়েছেন। ফলশ্রুতিতে, নবাগত ওসি যোগদানের পর থেকে মাদক ব্যবসায়ীরা চরম আতঙ্কে রয়েছে এবংজীবন বাচাঁতে তারা পালিয়ে বেড়াচ্ছে।

উখিয়া থানার বাসিন্দা রাবেয়া বশরী নামে এক ভদ্র মহিলা বলেন, জায়গা জমির সমস্যায় এজাহার নিয়ে উখিয়া থানায় ডিউটি অফিসারের কাছে গেলে, এবং উক্ত বিষয়সমূহ ওসিকে অবগত করলে ,তিনি সাথে সাথে তা আমলে নিয়ে তদন্ত করে রিপোর্ট প্রদানের জন্য নির্দেশ দেন।সাথে সাথে সেবা পাওয়ায় রাবেয়া বসরী প্রতিবেদকের কাছে তারঁ খুশির মূহুর্তগুলো এবং ওসির সেবার মন মানসিকতার বিষয়গুলো জানান। তিনি আরো বলেন, বর্তমানে উখিয়া থানার সেবার কার্যক্রমগুলো খুবই চমৎকার। তিনি তারঁ সমস্যা সমাধানের আশ্বাস পাওয়ায় থানার সকলের নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।



সচেতন মহল মনে করেন, উখিয়া থানার বর্তমান ওসির কার্যক্রমগুলো ইতিহাসের নিদর্শন। মাদকমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক , রোহিঙ্গা শরনার্থীদের সুষ্টু ব্যবস্থাপনা এবং মডেল উখিয়ায় রুপান্তরে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন। রামু থানায় তিনি যেভাবে কাজ করেছেন সেভাবে উখিয়া থানায় তিনি যেন তার কর্মকান্ডগুলো বাস্তবায়ন করবেন। সুন্দর, বাসযোগ্য থানা গড়তে সচেতন মহল উখিয়া থানার নবাগত ওসির কাছে প্রত্যাশা করেছেন।

উখিয়া থানায় কর্মরত এক অফিসার জানান, স্যার সৃজনশীল মানুষ, যোগদানের পর থেকে তিনি এক রাত ও ঘুমান নি। রাত দিন তিনি উখিয়া থানার শান্তি শৃঙ্খলা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন। অভিযান পরিচালনাসহ ঝুলন্ত মামলা গুলোর ফাইনাল রিপোর্ট এবং চার্জশীট প্রদানে তদন্তকারী কর্মকর্তাদের নির্দেশ প্রদান করেন। এমনকি সাম্প্রতিক সময়ে ছেলে ধরা , পদ্মা সেতুতে তৈরীতে মাথা লাগবে শীর্ষক অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য তিনি অতুলনীয় ভুমিকা পালন করেছেন। স্কুল, কলেজ মাদ্রাসা এবং প্রধান সড়ক, বাজার সহ সামগ্রিক জায়গায় পথসভা, এবং লিপলেট বিতরণ করে তিনি জনগণকে সচেতন করে এ ব্যাপারে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান। এবং সন্দেহভাজন কোন ব্যক্তিকে পেলে আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে পুলিশকে অবগত করার অনুরোধ জাানান।

এমনকি ওসি স্যার বর্তমান সময়ে ডেঙ্গু জ¦রের কারণ এবং কেনো হয়, এর থেকে পরিত্রান পাওয়ার উপায়সহ স্কুল ,কলেজ, এবং জনসাধারণকে পথখসভা , সভা ও সেমিনার করে এ ব্যাপারে সচেতন করেন। ডেঙ্গু জ্বরে কারো যাতে জীবনহানি না হয়, সেজন্য উখিয়া থানার উদ্যোগে ওসি স্যারের নির্দেশক্রমে যাবতীয় সচেতানতামূলক কার্যক্রমগুলো সম্পাদন করা হচ্ছে।

উখিয়া থানার তদন্ত ওসি নুরুল ইসলাম বলেন, ওসি স্যার যোগদান করেছেন মাত্র ১৫ দিন , কিন্তু এ ১৫ দিনে তিনি অসাধ্যকে সাধন করেছেন।বিগত ১৯ জুলাই থেকে ২ আগষ্ঠ পর্যন্ত ২৭৮২ পিস ইয়াবা, এবং ৩৪ লিটার দেশী মদ এবং ১টি এলজি ও ১টি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। ৮জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে ৬টি মামলা রুজু করা হয়েছে।দুজন ইয়াবা ব্যবসায়ীর গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া গেছে। মূল কথা হচ্ছে, ওসি আবুল মনসুর স্যার যোগদানের পর থেকে উখিয়া থানার বর্তমান অবস্থা প্রশংসনীয় এবং মাদক ব্যবসায়ীদের জন্য রেড সিগনাল।

এ ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে উখিয়া থানার নবাগত ওসি আবুল মনসুর বলেন, দেশ সেবার মন মানসিকতা নিয়ে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেছি ,সে থেকে এ পর্যন্ত সততার বাস্তবায়নে কার্যক্রম চালিয়ে আসছি। আমার উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ উখিয়া থানাকে মূলত ইয়াবার আখড়া থেকে পরিত্রান এবং মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স বাস্তবায়নে পুলিশিং কার্যক্রমকে বেগবান করার জন্য যাবতীয় সহযোগিতা এবং বাসযোগ্য মডেল উখিয়া রুপান্তরে দিক নির্দেশনা প্রদান করেছেন। তিনি আরো বলেন, যতোদিন পর্যন্ত উখিয়া থানা মাদক নির্মূল হবে না ততো দিন পর্যন্ত প্রাত্যহিক অভিযান তড়িৎ গতিতে পরিচালনা ,ও পুলিশিং কার্যক্রম কঠিন থেকে কঠোরতর হবে। ইনশাআল্লাহ উখিয়া থানা থেকে মাদক নির্মূল করে ছাড়বো এবং বাসযোগ্য মডেল উখিয়া উপহার দিবু। সামগ্রিক কার্যক্রমগুলো সফলভাবে সম্পাদন করার জন্য তিনি সচেতন মহল , জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিকসহ সকলের মাদক ব্যবসায়ীদের তথ্য দিয়ে সার্বিক সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। তথ্যদাতাদের নিরাপত্তার স্বার্থে নামসমূহ গোপন করা হবে বলে আশ্বাস প্রদান করেন।

ভোলায় ছেলেধরা গুজব রোধে পুলিশের প্রচারণা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : জেলার ৭ উপজেলার ১০টি থানায় ছেলেধরা গুজব ও গণপিটুনি রোধে সচেতনতামূলক প্রচারণা চলছে। জেলা পুলিশের উদ্যোগে মঙ্গলবার সকাল থেকে শহরের সদর রোড, নতুন বাজার, বাসস্ট্যান্ডসহ বিভিন্ন এলাকায় পথসভা, মাইকিং, লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছে। সদর থানা ছাড়াও অন্য ৯টি থানা এলাকাতে একসাথে গুজব বিরোধী প্রচারে মানুষকে সজাগ করে তোলা হচ্ছে। শহর-গ্রাম সর্বত্র চালানো হচ্ছে গুজবের বিরুদ্ধে মাইকিং।

অতিরিক্ত পুলিশ সুূপার মীর সাফীন মহমুদ বাসস’কে বলেন, পদ্মা সেতুতে মানুষের মাথা লাগবে এমন গুজব ছড়ানোর দায় জেলায় ইতোমধ্যে ১জনকে আটক করা হয়েছে। সদর দপ্তরের নির্দেশে জেলার ১০টি থানায় মঙ্গলবার থেকে প্রচারণা শুরু হয়েছে। সকাল থেকেই বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে কমিউনিটি ও বিট পুলিশিং-এর মাধ্যমে সবাইকে সচেতন করা হচ্ছে। এক সাথে মসজিদের ইমামদের মাধ্যমে মুসুল্লিদেরকেও বিষয়টি পরিষ্কার করা হচ্ছে। চলছে মাইকিং, লিফলেট বিতরণসহ নানান প্রচারণা।

তিনি বলেন, এটি সম্পূর্ণরুপে একটি গুজব। কেউ যাতে এ গুজবে বিভ্রান্ত হয়ে আইন নিজের হাতে তুলে না নেয়। কারণ আইন নিজের হাতে তুলে নেয়া একটি ফৌজদারী অপরাধ। তারপরেও যদি কাউকে ছেলে ধরা বলে সন্দেহ হয়, তবে সাথে সাথে নিকটস্থ থানায় জানানোর জন্য সকলের কাছে অনুরোধ করা হয়েছে। অথবা ৯৯৯ নম্বরে জানালে পুলিশ এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিবে।

ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ছগির মিয়া বাসস’কে বলেন, ছেলে ধরার গুজব ছড়িয়ে একটি কুচক্রি মহল দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তাই কেউ যাতে আইন নিজের হাতে তুলে না নেয় সে ব্যাপারে আমরা সকলকে সচেতন করছি। গত মঙ্গলবার সকাল থেকেই আমাদের ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চলছে। বাসস

মাদকের ব্যাপারে কাউকে বিন্দু পরিমাণ ছাড় দেয়া হবেনা: অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল
                                  

আবু সায়েম : মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স’র কথা জানিয়ে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ আদিবুল ইসলাম বলেছেন, যারা ইয়াবার টাকায় আরামের দালান বানাচ্ছেন তারা পাশে সাড়ে তিনহাত জায়গা রাখবেন। মাদকের ব্যাপারে কাউকে বিন্দু পরিমাণ ছাড় দেয়া হবেনা।

শনিবার বিকালে কক্সবাজার পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের উত্তর নুনিয়াছড়ায় “মাদক, ইভটিজিং ও নারী সহিংসতাসহ অপরাধ দমনে কমিউনিটি পুলিশিং সভায়” তিনি এসব কথা বলেন।
মোঃ আদিবুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ যখন বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট নিয়ে বিশ্বের দরবারে এগিয়ে যাচ্ছে, পদ্ম সেতুর কাজ যখন আমরা শেষ করতে যাচ্ছি-তখনও উত্তর নুনিয়াছড়ার লোকজন ইয়াবা নিয়ে পড়ে আছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও বলেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে উত্তর নুনিয়াছড়ায় মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালিত হবে। এটি লোক দেখানো অভিযান হবেনা। এমন অভিযান হবে যেখানে কোন মাদক ব্যবসায়ী ছাড় পাবেনা।

এসময় তিনি ইয়াবা ব্যবসায়ীদের তালিকা ও তাদের ঘরবাড়ি সনাক্ত করিয়ে পুলিশকে সহযোগিতার এলাকাবাসীকে আহ্বান জানান।

মাদকের শাস্তি মৃত্যুদন্ড জানিয়ে তিনি বলেন, মাদক ব্যবসায়ী নির্মূল ও ইয়াবা ব্যবসায়ীদের পাকড়াও করতে অভিযানের সূচনা হলো উত্তর নুনিয়াছড়া থেকেই। কক্সবাজারের আনাচে-কানাচে এই অভিযান পরিচালিত হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কক্সবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফরিদুল ইসলাম খন্দকার পিপিএম বলেন, মাদক ব্যবসায়ীরা সৎপথে ফিরে না আসলে কঠোর শাস্তি ভোগ করতে হবে। যারা স্কুল-কলেজের সামনে দাঁড়িয়ে ইভটিজিং কর, ভাল হয়ে যাও। অন্যথায় এই অপরাধের দায়ে হাত-পা ভেঙ্গে দেয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, দুই/চার জন্য ইয়াবা ব্যবসায়ীর কারণে পুরো এলাকার বদনাম হতে দেয়া যাবেনা। একজন খুনি কিন্তু একটা খুনের জন্য দায়ী। কিন্তু একজন ইয়াবা ব্যবসায়ী শত শত মানুষকে প্রতিনিয়ত খুন করছেন। এদেরকে আর ছাড় দেয়া হবেনা।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন- কক্সবাজার পৌরসভার প্যানেল মেয়র-৩ শাহেনা আকতার পাখি, ২নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মিজানুর রহমান, পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান মেহেদী রহমান, কক্সবাজার সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন এন্ড কমিউনিটি পুলিশিং) মোহাম্মদ ইয়াসিন, পৌর কমিউনিটি পুলিশিং এর সভাপতি মিজানুর রহমান, জেলা ছাত্রলীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক মঈন উদ্দিন, কমিউনিটি পুলিশিং ২নং সহ-সভাপতি কামাল উদ্দিন, শিল্প এলাকা সমাজ উন্নয়ন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আনছারুল করিম প্রমুখ।

সভায় সমাপনি বক্তব্য রাখেন কমিউনিটি পুলিশিং ২নং ওয়ার্ডের সভাপতি সেলিম উল্লাহ সেলিম।

সভা সঞ্চালনা করেন কমিউনিটি পুলিশ ২নং ওয়ার্ডের সম্পাদক আজিমুল হক আজিম ও সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম হেলাল উদ্দিন। সভায় উত্তর নুনিয়াছড়া, মধ্যম নুনিয়াছড়া, পশ্চিম নতুন বাহারছড়াসহ বিভিন্ন এলাকার সহস্রাধিক নারী-পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।

উখিয়ায় ওসি আবুল মনসুরের যোগদান, চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সহযোগিতা কামনা
                                  

আবু সায়েম : রোহিঙ্গার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর নবাগত ওসি আবুল মনসুর। কক্সবাজারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সীমান্তবর্তী থানা উখিয়ায় অফিসার ইনচার্জ হিসেবে যোগদান করেছেন চৌকস ওসি আবুল মনসুর। বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই তিনি বিদায়ী ওসি আবুল খায়েরের কাছ থেকে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

এর আগে তিনি রামু থানা ও কক্সবাজার ডিবিতে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। রামু থানায় থাকাকালে তিনি বিশেষ কৌশল প্রয়োগ করে সৃজনশীল কার্যক্রমের মাধ্যমে মাদক নির্মূল, ডাকাত প্রতিরোধে সহায়তা, অপরহনকারী চক্র দমনে ভূমিকা, অস্ত্র উদ্ধার এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক পর্যায়ে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

উখিয়া থানার নবাগত ওসি আবুল মনসুর বলেন, আমাকে আমার উর্ধতন কর্তৃপক্ষ যে উদ্দেশ্যে পাঠিয়েছেন সে উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে আমি কাজ করে যাবো।

তিনি আরো বলেন, আমি দুটি চ্যালেঞ্জ বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। রোহিঙ্গার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা। ১২ লক্ষ রোহিঙ্গা বর্তমানে উখিয়া- টেকনাফে অবস্থান করছেন। রোহিঙ্গারা যাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি না ঘটান এবং সুষ্ঠু ও সুন্দর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে তারা যাতে নিরাপত্তার সাথে প্রত্যাবাসন না হওয়া পর্যন্ত উখিয়ায় থাকতে পারেন সেজন্য আমাদের পুলিশী কার্যক্রম ও গোয়েন্দা বিভাগের নজরদারীসহ তীক্ষ্ণ দৃষ্টি অব্যাহত থাকবে। আরেকটা বিষয় বাস্তবায়নে আমি বদ্ধপরিকর সেটা হচ্ছে, সরকারের ষোষিত মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণে মাদকের বিরুদ্ধে সাড়াঁশি অভিযান অব্যাহতসহ মাদক নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত প্রাত্যহিক বিশেষ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে। সার্বিক দায়িত্ব পালনে নবাগত ওসি উখিয়া থানা পুলিশের সদস্য, স্থানীয় জনসাধারণ সাংবাদিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।

উল্লেখ্য যে, তিনি এর আগে সফলতার সাথে চট্রগ্রাম ইপিজেড, বাকলিয়া, ডিবি ও সর্বশেষ রামু থানায় কৃতিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি তারঁ সফল কার্যক্রমের জন্য বিভিন্ন পুরুস্কারে ভূষিত হন।


   Page 1 of 10
     আইন শৃঙ্খলা
৩য় বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ সার্কেল নির্বাচিত অতি: পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলাম
.............................................................................................
৫ম বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত রামু থানার আবুল খায়ের
.............................................................................................
কক্সবাজার সদর মডেল থানায় নতুন ওসি সৈয়দ আবু মোঃ শাহজাহান কবীরের যোগদান
.............................................................................................
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি ফরিদ উদ্দিনের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
কক্সবাজারে মাসিক কল্যাণ সভায় তথ্য প্রযুক্তিতে ব্যাপক অবদান রাখায় পুরষ্কার পেলেন দুই পুলিশ কর্মকর্তা
.............................................................................................
৪র্থ বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত রামু থানার আবুল খায়ের
.............................................................................................
থানা ভিত্তিক শ্রেষ্ঠ এসআই নির্বাচিত সদর মডেল থানার কাঞ্চন
.............................................................................................
মাাদক বিরোধী অভিযানে যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছেন সদরের ওসি ফরিদ উদ্দীন খন্দকার
.............................................................................................
“একজন অভিজ্ঞ ও গুণি জেল সুপারের বদলী”
.............................................................................................
জাতীয় নিরাপত্তা সেলের প্রধান হলেন আছাদুজ্জামান মিয়া
.............................................................................................
২য় বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ সার্কেল নির্বাচিত অতি: পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলাম
.............................................................................................
থানা ভিত্তিক শ্রেষ্ঠ এএসআই নির্বাচিত সদর মডেল থানার টিটু কুমার সাহা
.............................................................................................
উখিয়ায় নবাগত ওসি আবুল মনসুরের অভিজ্ঞতা ও কর্মদক্ষতায় পরিস্থিতি উন্নতির পথে
.............................................................................................
ভোলায় ছেলেধরা গুজব রোধে পুলিশের প্রচারণা
.............................................................................................
মাদকের ব্যাপারে কাউকে বিন্দু পরিমাণ ছাড় দেয়া হবেনা: অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল
.............................................................................................
উখিয়ায় ওসি আবুল মনসুরের যোগদান, চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সহযোগিতা কামনা
.............................................................................................
রামু থানায় যোগ দিলেন ওসি আবুল খায়ের
.............................................................................................
চট্টগ্রাম রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী নির্বাচিত কক্সবাজার মডেল থানার এএসআই কামাল
.............................................................................................
প্রথম বারের মতো চট্টগ্রাম রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ এসআই বোরহান
.............................................................................................
৫ম বারের মতো চট্টগ্রাম রেঞ্জে শ্রেষ্ঠ এসপি মাসুদ হোসাইন
.............................................................................................
মাদক ব্যবসায়ীর আতংক এসআই আনছারুল
.............................................................................................
প্রথম বারের মতো থানা ভিত্তিক শ্রেষ্ঠ এসআই নির্বাচিত সদর মডেল থানার সনৎ
.............................................................................................
জেলার শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক কর্মকর্তা নির্বাচিত সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার বাবুল বণিক
.............................................................................................
৩য় বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ সার্জেন্ট নির্বাচিত : ট্রাফিক বিভাগের লিয়াকত
.............................................................................................
পিরোজপুরে স্বচ্ছভাবে নিয়োগ পেল ৩৩ পুলিশ সদস্য
.............................................................................................
দ্বিতীয় বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই নির্বাচিত সদর মডেল থানার আজাদ
.............................................................................................
রাজধানীতে ট্রাফিক আইন অমান্য করায় ৬৮৫০ মামলা
.............................................................................................
কুতুবদিয়া নির্বাচনে সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরিতে পুলিশের সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করা হবে : ভারপ্রাপ্ত এসপি ইকবাল
.............................................................................................
পুলিশ বিভাগের আদর্শের জ্বলন্ত প্রতীক মোহাঃ গোলাম রুহুল কুদ্দুস
.............................................................................................
৩য় বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত উখিয়া থানার আবুল খায়ের
.............................................................................................
সৌম্য-মোসাদ্দেকের বিধ্বংসী ব্যাটিং-এ প্রথমবারের মত ত্রিদেশীয় সিরিজে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ
.............................................................................................
দক্ষ ও অভিজ্ঞতার অনন্য প্রতীক কক্সবাজারের জেল সুপার বজলুর রশীদ আখন্দ
.............................................................................................
বাংলাদেশ পুলিশের আদর্শের অনন্য প্রতীক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোছাইন
.............................................................................................
ডিএমপি`র মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৭২
.............................................................................................
রাজধানীতে ট্রাফিক আইন অমান্যে ৫৯৫১ মামলা
.............................................................................................
আগামী এক মাসের মধ্যেই নুসরাত হত্যা মামলার চার্জশীট : পিবিআই প্রধান
.............................................................................................
পুলিশ`র অতিরিক্ত আইজি পদমর্যাদার এক কর্মকর্তার বদলী
.............................................................................................
গুলিস্তানে ককটেল হামলার বিষয়ে খতিয়ে দেখছে সিটিটিসি: ডিএমপি কমিশনার
.............................................................................................
ডিএমপি`র অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ৬৯
.............................................................................................
এফ আর টাওয়ারে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় তাসভির ও ফারুক ৭ দিনের রিমান্ডে
.............................................................................................
ঢাকাকে টাইম বোমায় পরিণত হতে দিব না : র‌্যাব মহাপরিচালক
.............................................................................................
মানবতাবিরোধী অপরাধ: মধু মিয়াসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন চূড়ান্ত
.............................................................................................
পুলিশের বিরুদ্ধে খারাপ আচরণের অভিযোগ কমেছে: আছাদুজ্জামান
.............................................................................................
এবার ১০ এএসপিকে বদলি
.............................................................................................
শাহজালালে ১৯ কেজি এনপিএস জব্দ
.............................................................................................
জাতিসংঘ মহাসচিবের আমন্ত্রণে নিউয়র্ক মির্জা ফখরুল
.............................................................................................
‘চালককে বেতন দিতে হবে, নইলে রুট পারমিট বাতিল’
.............................................................................................
শাহজালাল বিমানবন্দরে বিপুল পরিমাণ ওষুধ জব্দ
.............................................................................................
জাবালে নূরের মালিকসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র
.............................................................................................
শাহ আমানতে পরিত্যক্ত ব্যাগে ৩২টি স্বর্ণের বার
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]