| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * বাসচাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত   * সৌদির তেলক্ষেত্রে আবারও হামলার হুমকি   * রোহিঙ্গাদের এনআইডি : ইসি কর্মচারীসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা   * অভিযোগ প্রমাণিত হলে জাবি ভিসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা : কাদের   * ১৩২ বস্তা সরকারি চালসহ গুদাম মালিক আটক   * মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ইউপি সদস্য নিহত   * নানাবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার শিশু   * পাকুন্দিয়ায় ২৫ বছর ধরে শিকলবন্দি রতন   * রিফাতকে একাই হাসপাতালে নিয়েছিলেন মিন্নি, নতুন ভিডিও প্রকাশ   * মালয়েশিয়ায় ধরপাকড় আতঙ্কে প্রবাসী বাংলাদেশিরা  

   আইন শৃঙ্খলা -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
“একজন অভিজ্ঞ ও গুণি জেল সুপারের বদলী”

আবু সায়েম : কক্সবাজার জেলা কারাগার কর্তৃক আয়োজিত কারাগারের জেল সুপার বজলুর রশীদ আখন্দের বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭ টায় মনোমুগ্ধকর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে জেলার রীতেশ চাকমার সভাপতিত্বে উক্ত বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোছাইন। বিশেষ অতিথি হিসেবে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সুমেন মন্ডল,সিনিয়র সাংবাদিক রাসেল চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। উক্ত বিদায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোছাইন বলেন,বিগত ১ বছর যাবত কক্সবাজার জেলায় চাকরির সুবাধে বিদায়ী জেল সুপার বজলুর রশীদ আখন্দকে খুব কাছ থেকে দেখেছি।

একজন কর্মকর্তার মাঝে যে মানব সম্পদ উন্নয়ন,কাঠামো ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের গতিকে বাস্তবায়ন ও সৃজনশীলতা থাকা উচিত, এসব গুণাবলি ওনার মধ্যে বিদ্যমান ছিলো।কারাঅভ্যন্তরীন এবং বাইরে তিনি যে সকল কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করেছেন,তা কারাগারে কর্মরত এবং আগত কর্মীরা গভীরভাবে স্মরণ করবেন।তিনি আরো বলেন,সরকারী বদলী একটি নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে সংগঠিত হয়।সরকারী কর্মকর্তা এবং কর্মীদের এক স্টেশন থেকে অন্য স্টেশনে বদলী হওয়া স্বাভাবিক ব্যাপার।তিনি যে স্টেশনে যাবেন আশা করছি, তিনি তাঁর সৃজনশীল কার্যক্রমের ধারা অব্যাহত রাখবেন।

বিদায়ী জেল সুপার বজলুর রশীদ আখন্দ বলেন,দীর্ঘ সাড়ে ৩ বছর যাবত কক্সবাজার কারাগারে কর্মরত ছিলাম। নিজের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে কারাভ্যন্তর এবং বাহিরে উন্নয়নের গতিতে তরান্বিত করে বাস্তবায়ন করেছি।দেশের স্বার্থে কারাগারে শৃঙ্খলা ফেরাতে অনেক সময় কোন কারারক্ষীর মনক্ষুন্ন করলে তিনি উপস্থিত সকল কারা কর্মীদের প্রতি ক্ষমা ও সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ জানান।তিনি আরো বলেন,কক্সবাজার কারাগারে দীর্ঘ সাড়ে ৩ বছর যাবত প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োজিত ছিলাম। চেষ্টা করেছি,কারাগারকে মডেল কারাগারে রুপান্তরে।বাকি চাকরী জীবন যাতে সফলতা ও সুনামের সাথে সম্পদান করতে পারি, সেজন্য উপস্থিত সকলের নিকট দোয়া প্রার্থনা করছি।
সমাপনী বক্তৃতায় অনুষ্ঠানের সভাপতি রীতেশ চাকমা বলেন,দীর্ঘ ৯ মাস যাবত স্যারের সাথে চাকরির সুযোগ হয়েছে। স্যার অভিজ্ঞ ও বহুগুণে গুণান্বিত একজন মানুষ। স্যারের বিদায় মেনে নেওয়া যায় না।তবুও সরকারী চাকরির নিয়ম নীতিকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে আজ তিনি দিনাজপুর জেলা কারাগারে যোগদান করবেন।তিনি স্যারের জন্য উপস্থিত সকল কারাকর্মী এবং আগত মেহমানদের কাছে দোয়াকামনা ও ভুল ত্রুটি ক্ষমা ও সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার আহ্বান জানান।

“একজন অভিজ্ঞ ও গুণি জেল সুপারের বদলী”
                                  

আবু সায়েম : কক্সবাজার জেলা কারাগার কর্তৃক আয়োজিত কারাগারের জেল সুপার বজলুর রশীদ আখন্দের বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭ টায় মনোমুগ্ধকর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে জেলার রীতেশ চাকমার সভাপতিত্বে উক্ত বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোছাইন। বিশেষ অতিথি হিসেবে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সুমেন মন্ডল,সিনিয়র সাংবাদিক রাসেল চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। উক্ত বিদায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোছাইন বলেন,বিগত ১ বছর যাবত কক্সবাজার জেলায় চাকরির সুবাধে বিদায়ী জেল সুপার বজলুর রশীদ আখন্দকে খুব কাছ থেকে দেখেছি।

একজন কর্মকর্তার মাঝে যে মানব সম্পদ উন্নয়ন,কাঠামো ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের গতিকে বাস্তবায়ন ও সৃজনশীলতা থাকা উচিত, এসব গুণাবলি ওনার মধ্যে বিদ্যমান ছিলো।কারাঅভ্যন্তরীন এবং বাইরে তিনি যে সকল কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করেছেন,তা কারাগারে কর্মরত এবং আগত কর্মীরা গভীরভাবে স্মরণ করবেন।তিনি আরো বলেন,সরকারী বদলী একটি নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে সংগঠিত হয়।সরকারী কর্মকর্তা এবং কর্মীদের এক স্টেশন থেকে অন্য স্টেশনে বদলী হওয়া স্বাভাবিক ব্যাপার।তিনি যে স্টেশনে যাবেন আশা করছি, তিনি তাঁর সৃজনশীল কার্যক্রমের ধারা অব্যাহত রাখবেন।

বিদায়ী জেল সুপার বজলুর রশীদ আখন্দ বলেন,দীর্ঘ সাড়ে ৩ বছর যাবত কক্সবাজার কারাগারে কর্মরত ছিলাম। নিজের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে কারাভ্যন্তর এবং বাহিরে উন্নয়নের গতিতে তরান্বিত করে বাস্তবায়ন করেছি।দেশের স্বার্থে কারাগারে শৃঙ্খলা ফেরাতে অনেক সময় কোন কারারক্ষীর মনক্ষুন্ন করলে তিনি উপস্থিত সকল কারা কর্মীদের প্রতি ক্ষমা ও সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ জানান।তিনি আরো বলেন,কক্সবাজার কারাগারে দীর্ঘ সাড়ে ৩ বছর যাবত প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োজিত ছিলাম। চেষ্টা করেছি,কারাগারকে মডেল কারাগারে রুপান্তরে।বাকি চাকরী জীবন যাতে সফলতা ও সুনামের সাথে সম্পদান করতে পারি, সেজন্য উপস্থিত সকলের নিকট দোয়া প্রার্থনা করছি।
সমাপনী বক্তৃতায় অনুষ্ঠানের সভাপতি রীতেশ চাকমা বলেন,দীর্ঘ ৯ মাস যাবত স্যারের সাথে চাকরির সুযোগ হয়েছে। স্যার অভিজ্ঞ ও বহুগুণে গুণান্বিত একজন মানুষ। স্যারের বিদায় মেনে নেওয়া যায় না।তবুও সরকারী চাকরির নিয়ম নীতিকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে আজ তিনি দিনাজপুর জেলা কারাগারে যোগদান করবেন।তিনি স্যারের জন্য উপস্থিত সকল কারাকর্মী এবং আগত মেহমানদের কাছে দোয়াকামনা ও ভুল ত্রুটি ক্ষমা ও সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার আহ্বান জানান।

জাতীয় নিরাপত্তা সেলের প্রধান হলেন আছাদুজ্জামান মিয়া
                                  

ডেস্ক রিপাের্ট : মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জাতীয় নিরাপত্তা সেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পদে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়াকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার সরকারের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আছাদুজ্জামান মিয়াকে আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর অথবা যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী ৩ বছর মেয়াদে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অধীন ‘জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত সেলের’ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হলো। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকরের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

১৯৬০ সালের ১৪ আগস্ট ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় জন্ম নেয়া আছাদুজ্জামান ১৯৮৮ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে পুলিশ বাহিনীতে যোগ দেন।

ডিএমপি কমিশনার হিসেবে ২০১৫ সালের ৭ জানুয়ারি দায়িত্ব নেন তিনি। ডিএমপি কমিশনার হিসেবে যোগ দেয়ার আগে সিলেট, সুনামগঞ্জ, পাবনা, টাঙ্গাইলসহ বিভিন্ন জেলা ও রেঞ্জে দায়িত্ব পালনের পর হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

চলতি বছরের ১৩ আগস্ট তার চাকরির মেয়াদ শেষ হাওয়ার কথা ছিল। তবে ১৪ আগস্ট থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই সময় বাড়ানো হয়েছে জানিয়ে ঈদের ছুটির মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপন জারি করে।

২য় বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ সার্কেল নির্বাচিত অতি: পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলাম
                                  

আবু সায়েমঃ কক্সবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ সার্কেল হিসেবে সম্মাননা পেলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলাম।কক্সবাজার সদর ও রামু সার্কেলে মাদক দ্রব্য উদ্ধার, গ্রেপ্তারী পরোয়ানা তামিল, চুরি ছিনতাই রোধে ভূমিকাসহ আইনশৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক পর্যায়ে ব্যাপক ভূমিকা পালন করায় সার্বিক বিষয় বিবেচনা পূর্বক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলামকে সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়। ২৬ আগষ্ট সোমবার সকাল ১০ টায় কক্সবাজার জেলা পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শিডে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন (বিপিএমবার)। সভায় সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( হেড কোয়ার্টার )রেজওয়ান আহমেদ। উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুলিশ কর্মকর্তাদের পুলিশী কার্যক্রমকে তরান্বিত করার জন্য অর্থ ও ক্রেস্ট দিয়ে শ্রেষ্টত্বের জন্য পুরস্কৃত করা হয়। এতে কক্সবাজার ও রামু সার্কেলে জুলাই মাসের পারফরমন্সে সামগ্রিক কার্যাবলি বিবেচনাপূর্বক শ্রেষ্ঠ সার্কেল হিসেবে সনদ ও সম্মাননা প্রদান করা হয় সদর -রামু সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলামকে। উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন)ইকবাল হোছাইন , অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাহিদ আদনান তাইয়্যান ( উখিয়া সার্কেল), সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার( চকরিয়া সার্কেল) কাজী মতিউল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম (ডিএসবি), সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার রতন দাশ গুপ্ত ( মহেশখালী সার্কেল)সহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ।

এ প্রসঙ্গে এক প্রতিক্রিয়ায় পুরুস্কারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলাম বলেন , প্রতিটি পুরস্কার খুবই ভালো লাগে। কাজের গতিকে তরান্বিত করে এবং কাজের প্রতি প্রেষণা সৃষ্টি করে।কক্সবাজার জেলার সদর – রামু সার্কেলে যোগদানের পর থেকে সৃজনশীল কার্যক্রমের বাস্তবিক প্রয়োগ,মাদকের বিরুদ্ধে ঘোষিত জিরো টলারেন্স বাস্তবায়ন , আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতকরণ এবং সুন্দর বাসযোগ্য সদর ও রামু গঠনে দৃঢ় কার্যক্রমকে তরান্বিত , সুযোগ্য পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোসাইনের দিক নির্দেশনা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছি।সদর- রামু সার্কেল কে কক্সবাজার জেলার শ্রেষ্ট সার্কেল রুপান্তরে রাত দিন পরিশ্রম করেছি ফোর্সদের রাত জেগে কাজের তদারকি করেছি। ইনশাআল্লাহ মাদকমুক্ত , সুন্দর বাসযোগ্য সদর রামু সার্কেল রুপান্তরে আমার যাবতীয় শারীকি ও মানসিক শ্রম অব্যাহত থাকবে। প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা হিসেবে যে জেলায় নিয়োজিত থাকি না কেনো একজন সফল সুনাগরিক হিসেবে সুন্দর বাসযোগ্য মডেল সার্কেল রুপান্তর এবং সোনার বাংলাদেশ গড়তে আমার যাবতীয় উন্নয়নমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

থানা ভিত্তিক শ্রেষ্ঠ এএসআই নির্বাচিত সদর মডেল থানার টিটু কুমার সাহা
                                  

আবু সায়েমঃ প্রথম বারের মতো থানা ভিত্তিক শ্রেষ্ঠ এএসআই নির্বাচিত হয়েছেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার টিটু কুমার সাহা। মাদক দ্রব্য উদ্ধার, গ্রেপ্তারী পরোয়ানা তামিল, চুরি ছিনতাই রোধে ভূমিকাসহ আইনশৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক পর্যায়ে ব্যাপক ভূমিকা পালন করায় সার্বিক বিষয় বিবেচনা পূর্বক কক্সবাজার সদর মডেল থানার টিটু কুমার সাহা থানা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ এএসআই হিসেবে সম্মাননা প্রদান করা হয়। ২৬আগষ্ট সোমবার সকাল ১০ টায় কক্সবাজার জেলা পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শিডে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন (বিপিএমবার)। এতে সামগ্রিক কার্যাবলি বিবেচনাপূর্বক থানা ভিত্তিক শ্রেষ্ঠ এএসআই হিসেবে সনদ ও সম্মাননা প্রদান করা হয়। উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলাম ( সদর সার্কেল) , অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাহিদ আদনান তাইয়্যান ( উখিয়া সার্কেল), সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার( চকরিয়া সার্কেল) কাজী মতিউল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম (ডিএসবি), সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার রতন দাশ গুপ্ত ( মহেশখালী সার্কেল), সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার বাবুল চন্দ্র বণিক (ট্রাফিক বিভাগ)সহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ

সভায় সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( হেড কোয়ার্টার )রেজওয়ান আহমেদ। উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুলিশ কর্মকর্তাদের পুলিশী কার্যক্রমকে তরান্বিত করার জন্য অর্থ ও ক্রেস্ট দিয়ে শ্রেষ্টত্বের জন্য পুরস্কৃত করা হয়। এতে জুলাই মাসের পারফরম্যান্স অনুযায়ী সদর মডেল থানার চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা এএসআই টিটু কুমার সাহাকে সদর মডেল থানার শ্রেষ্ঠ এএসআই হিসেবে অর্থ পুরস্কার ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

এ প্রসঙ্গে এক প্রতিক্রিয়ায় পুরুস্কারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা টিটু কুমার সাহা বলেন, প্রতিটি পুরস্কার খুবই ভালো লাগে। কাজের গতিকে তরান্বিত করে এবং কাজের প্রতি প্রেষণা সৃষ্টি করে। আমার পুরস্কারের পেছনে যিনি সর্বদা আমাকে অনুপ্রাণিত করেছেন এবং সার্বিক সহযোগিতা করেছেন তিনি আমার অফিসার ইনচার্জ ফরিদ উদ্দীন খন্দকার (পিপিএম বার )। তারঁ আন্তরিক সহযোগিতা এবং দক্ষ কার্যাবলির বাস্তবিক প্রয়োগে আমি ১ম বারের মতো থানা পর্যায়ে সদর মডেল থানার শ্রেষ্ঠ এএসআই হিসেবে নির্বাচিত হয়েছি। প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা হিসেবে যে থানায় নিয়োজিত থাকিনা কেনো আমি আমার সেবার মন মানসিকতার কার্যক্রমের বাস্তবিক প্রয়োগ অব্যাহত রাখবো। সার্বিক দায়িত্ব পালনে তিনি আবারো সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

এব্যাপারে কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ফরিদ উদ্দীন খন্দকার (পিপিএম বার) বলেন,টিটু কুমার সাহা একজন ভালো ও চমৎকার অফিসার। সদর মডেল থানায় যোগদানের পর থেকে মাদক নির্মূল,অস্ত্র উদ্ধার চুরি ছিনতাই রোধে সহায়তা এবং সর্বোপরি মডেল থানা রুপান্তরে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন । আমি তারঁ সফলতা কামনা করছি, তিনি যাতে তারঁ সফলতার ধারা অব্যাহত রাখতে পারেন। উল্লেখ্য যে, তিনি এর আগে শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী হিসেবে পুরস্কার লাভ করেছিলেন।

উখিয়ায় নবাগত ওসি আবুল মনসুরের অভিজ্ঞতা ও কর্মদক্ষতায় পরিস্থিতি উন্নতির পথে
                                  

আবু সায়েমঃ সম্প্রতি উখিয়া থানায় অফিসার ইনচার্জ হিসেবে যোগদান করেছেন অভিজ্ঞ ও দক্ষতার অনন্য প্রতীক আবুল মনসুর। যোগদানের পর থেকেই উখিয়া থানার সামাগ্রিক পরিস্থিতি উন্নতির পথে। নবাগত ওসির নেতৃত্বে তাঁর টিমকে সাথে নিয়ে উখিয়া থানাকে মডেল এবং মাদকমুক্তসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং রোহিজ্ঞা শরনার্থীদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় রাখতে যাবতীয় কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং সামগ্রিক পরিস্থিতিকে উন্নতির দিকে ধাবিত করতে কাজ করছেন একাগ্রচিত্তে। নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছেন,নবাগত ওসি যোগদানের পর থেকে অনেক ইয়াবা ব্যবসায়ী এলাকা ছাড়া, বর্তমানে তারা সবাই আত্মগোপনে। যারা ইয়াবা ব্যবসা করে অনেক যুবকের জীবন নষ্ট করেছেন , অবৈধ টাকায় তৈরী করেছেন দালান, আজ তারা ঐ ভবনে ঘুমাতে পারছেন না। রামু থানায় তাঁর কার্যক্রমগুলো ছিলো জেলাব্যাপী প্রশংসায় পঞ্চমুখ। এবং তার চৌকস পুলিশিং কার্যক্রমের জন্য তিনি অনেক সুনাম কুড়িয়েছেন। ফলশ্রুতিতে, নবাগত ওসি যোগদানের পর থেকে মাদক ব্যবসায়ীরা চরম আতঙ্কে রয়েছে এবংজীবন বাচাঁতে তারা পালিয়ে বেড়াচ্ছে।

উখিয়া থানার বাসিন্দা রাবেয়া বশরী নামে এক ভদ্র মহিলা বলেন, জায়গা জমির সমস্যায় এজাহার নিয়ে উখিয়া থানায় ডিউটি অফিসারের কাছে গেলে, এবং উক্ত বিষয়সমূহ ওসিকে অবগত করলে ,তিনি সাথে সাথে তা আমলে নিয়ে তদন্ত করে রিপোর্ট প্রদানের জন্য নির্দেশ দেন।সাথে সাথে সেবা পাওয়ায় রাবেয়া বসরী প্রতিবেদকের কাছে তারঁ খুশির মূহুর্তগুলো এবং ওসির সেবার মন মানসিকতার বিষয়গুলো জানান। তিনি আরো বলেন, বর্তমানে উখিয়া থানার সেবার কার্যক্রমগুলো খুবই চমৎকার। তিনি তারঁ সমস্যা সমাধানের আশ্বাস পাওয়ায় থানার সকলের নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।



সচেতন মহল মনে করেন, উখিয়া থানার বর্তমান ওসির কার্যক্রমগুলো ইতিহাসের নিদর্শন। মাদকমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক , রোহিঙ্গা শরনার্থীদের সুষ্টু ব্যবস্থাপনা এবং মডেল উখিয়ায় রুপান্তরে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন। রামু থানায় তিনি যেভাবে কাজ করেছেন সেভাবে উখিয়া থানায় তিনি যেন তার কর্মকান্ডগুলো বাস্তবায়ন করবেন। সুন্দর, বাসযোগ্য থানা গড়তে সচেতন মহল উখিয়া থানার নবাগত ওসির কাছে প্রত্যাশা করেছেন।

উখিয়া থানায় কর্মরত এক অফিসার জানান, স্যার সৃজনশীল মানুষ, যোগদানের পর থেকে তিনি এক রাত ও ঘুমান নি। রাত দিন তিনি উখিয়া থানার শান্তি শৃঙ্খলা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন। অভিযান পরিচালনাসহ ঝুলন্ত মামলা গুলোর ফাইনাল রিপোর্ট এবং চার্জশীট প্রদানে তদন্তকারী কর্মকর্তাদের নির্দেশ প্রদান করেন। এমনকি সাম্প্রতিক সময়ে ছেলে ধরা , পদ্মা সেতুতে তৈরীতে মাথা লাগবে শীর্ষক অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য তিনি অতুলনীয় ভুমিকা পালন করেছেন। স্কুল, কলেজ মাদ্রাসা এবং প্রধান সড়ক, বাজার সহ সামগ্রিক জায়গায় পথসভা, এবং লিপলেট বিতরণ করে তিনি জনগণকে সচেতন করে এ ব্যাপারে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান। এবং সন্দেহভাজন কোন ব্যক্তিকে পেলে আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে পুলিশকে অবগত করার অনুরোধ জাানান।

এমনকি ওসি স্যার বর্তমান সময়ে ডেঙ্গু জ¦রের কারণ এবং কেনো হয়, এর থেকে পরিত্রান পাওয়ার উপায়সহ স্কুল ,কলেজ, এবং জনসাধারণকে পথখসভা , সভা ও সেমিনার করে এ ব্যাপারে সচেতন করেন। ডেঙ্গু জ্বরে কারো যাতে জীবনহানি না হয়, সেজন্য উখিয়া থানার উদ্যোগে ওসি স্যারের নির্দেশক্রমে যাবতীয় সচেতানতামূলক কার্যক্রমগুলো সম্পাদন করা হচ্ছে।

উখিয়া থানার তদন্ত ওসি নুরুল ইসলাম বলেন, ওসি স্যার যোগদান করেছেন মাত্র ১৫ দিন , কিন্তু এ ১৫ দিনে তিনি অসাধ্যকে সাধন করেছেন।বিগত ১৯ জুলাই থেকে ২ আগষ্ঠ পর্যন্ত ২৭৮২ পিস ইয়াবা, এবং ৩৪ লিটার দেশী মদ এবং ১টি এলজি ও ১টি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। ৮জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে ৬টি মামলা রুজু করা হয়েছে।দুজন ইয়াবা ব্যবসায়ীর গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া গেছে। মূল কথা হচ্ছে, ওসি আবুল মনসুর স্যার যোগদানের পর থেকে উখিয়া থানার বর্তমান অবস্থা প্রশংসনীয় এবং মাদক ব্যবসায়ীদের জন্য রেড সিগনাল।

এ ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে উখিয়া থানার নবাগত ওসি আবুল মনসুর বলেন, দেশ সেবার মন মানসিকতা নিয়ে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেছি ,সে থেকে এ পর্যন্ত সততার বাস্তবায়নে কার্যক্রম চালিয়ে আসছি। আমার উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ উখিয়া থানাকে মূলত ইয়াবার আখড়া থেকে পরিত্রান এবং মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স বাস্তবায়নে পুলিশিং কার্যক্রমকে বেগবান করার জন্য যাবতীয় সহযোগিতা এবং বাসযোগ্য মডেল উখিয়া রুপান্তরে দিক নির্দেশনা প্রদান করেছেন। তিনি আরো বলেন, যতোদিন পর্যন্ত উখিয়া থানা মাদক নির্মূল হবে না ততো দিন পর্যন্ত প্রাত্যহিক অভিযান তড়িৎ গতিতে পরিচালনা ,ও পুলিশিং কার্যক্রম কঠিন থেকে কঠোরতর হবে। ইনশাআল্লাহ উখিয়া থানা থেকে মাদক নির্মূল করে ছাড়বো এবং বাসযোগ্য মডেল উখিয়া উপহার দিবু। সামগ্রিক কার্যক্রমগুলো সফলভাবে সম্পাদন করার জন্য তিনি সচেতন মহল , জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিকসহ সকলের মাদক ব্যবসায়ীদের তথ্য দিয়ে সার্বিক সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। তথ্যদাতাদের নিরাপত্তার স্বার্থে নামসমূহ গোপন করা হবে বলে আশ্বাস প্রদান করেন।

ভোলায় ছেলেধরা গুজব রোধে পুলিশের প্রচারণা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : জেলার ৭ উপজেলার ১০টি থানায় ছেলেধরা গুজব ও গণপিটুনি রোধে সচেতনতামূলক প্রচারণা চলছে। জেলা পুলিশের উদ্যোগে মঙ্গলবার সকাল থেকে শহরের সদর রোড, নতুন বাজার, বাসস্ট্যান্ডসহ বিভিন্ন এলাকায় পথসভা, মাইকিং, লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছে। সদর থানা ছাড়াও অন্য ৯টি থানা এলাকাতে একসাথে গুজব বিরোধী প্রচারে মানুষকে সজাগ করে তোলা হচ্ছে। শহর-গ্রাম সর্বত্র চালানো হচ্ছে গুজবের বিরুদ্ধে মাইকিং।

অতিরিক্ত পুলিশ সুূপার মীর সাফীন মহমুদ বাসস’কে বলেন, পদ্মা সেতুতে মানুষের মাথা লাগবে এমন গুজব ছড়ানোর দায় জেলায় ইতোমধ্যে ১জনকে আটক করা হয়েছে। সদর দপ্তরের নির্দেশে জেলার ১০টি থানায় মঙ্গলবার থেকে প্রচারণা শুরু হয়েছে। সকাল থেকেই বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে কমিউনিটি ও বিট পুলিশিং-এর মাধ্যমে সবাইকে সচেতন করা হচ্ছে। এক সাথে মসজিদের ইমামদের মাধ্যমে মুসুল্লিদেরকেও বিষয়টি পরিষ্কার করা হচ্ছে। চলছে মাইকিং, লিফলেট বিতরণসহ নানান প্রচারণা।

তিনি বলেন, এটি সম্পূর্ণরুপে একটি গুজব। কেউ যাতে এ গুজবে বিভ্রান্ত হয়ে আইন নিজের হাতে তুলে না নেয়। কারণ আইন নিজের হাতে তুলে নেয়া একটি ফৌজদারী অপরাধ। তারপরেও যদি কাউকে ছেলে ধরা বলে সন্দেহ হয়, তবে সাথে সাথে নিকটস্থ থানায় জানানোর জন্য সকলের কাছে অনুরোধ করা হয়েছে। অথবা ৯৯৯ নম্বরে জানালে পুলিশ এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিবে।

ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ছগির মিয়া বাসস’কে বলেন, ছেলে ধরার গুজব ছড়িয়ে একটি কুচক্রি মহল দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তাই কেউ যাতে আইন নিজের হাতে তুলে না নেয় সে ব্যাপারে আমরা সকলকে সচেতন করছি। গত মঙ্গলবার সকাল থেকেই আমাদের ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চলছে। বাসস

মাদকের ব্যাপারে কাউকে বিন্দু পরিমাণ ছাড় দেয়া হবেনা: অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল
                                  

আবু সায়েম : মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স’র কথা জানিয়ে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ আদিবুল ইসলাম বলেছেন, যারা ইয়াবার টাকায় আরামের দালান বানাচ্ছেন তারা পাশে সাড়ে তিনহাত জায়গা রাখবেন। মাদকের ব্যাপারে কাউকে বিন্দু পরিমাণ ছাড় দেয়া হবেনা।

শনিবার বিকালে কক্সবাজার পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের উত্তর নুনিয়াছড়ায় “মাদক, ইভটিজিং ও নারী সহিংসতাসহ অপরাধ দমনে কমিউনিটি পুলিশিং সভায়” তিনি এসব কথা বলেন।
মোঃ আদিবুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ যখন বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট নিয়ে বিশ্বের দরবারে এগিয়ে যাচ্ছে, পদ্ম সেতুর কাজ যখন আমরা শেষ করতে যাচ্ছি-তখনও উত্তর নুনিয়াছড়ার লোকজন ইয়াবা নিয়ে পড়ে আছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও বলেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে উত্তর নুনিয়াছড়ায় মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালিত হবে। এটি লোক দেখানো অভিযান হবেনা। এমন অভিযান হবে যেখানে কোন মাদক ব্যবসায়ী ছাড় পাবেনা।

এসময় তিনি ইয়াবা ব্যবসায়ীদের তালিকা ও তাদের ঘরবাড়ি সনাক্ত করিয়ে পুলিশকে সহযোগিতার এলাকাবাসীকে আহ্বান জানান।

মাদকের শাস্তি মৃত্যুদন্ড জানিয়ে তিনি বলেন, মাদক ব্যবসায়ী নির্মূল ও ইয়াবা ব্যবসায়ীদের পাকড়াও করতে অভিযানের সূচনা হলো উত্তর নুনিয়াছড়া থেকেই। কক্সবাজারের আনাচে-কানাচে এই অভিযান পরিচালিত হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কক্সবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফরিদুল ইসলাম খন্দকার পিপিএম বলেন, মাদক ব্যবসায়ীরা সৎপথে ফিরে না আসলে কঠোর শাস্তি ভোগ করতে হবে। যারা স্কুল-কলেজের সামনে দাঁড়িয়ে ইভটিজিং কর, ভাল হয়ে যাও। অন্যথায় এই অপরাধের দায়ে হাত-পা ভেঙ্গে দেয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, দুই/চার জন্য ইয়াবা ব্যবসায়ীর কারণে পুরো এলাকার বদনাম হতে দেয়া যাবেনা। একজন খুনি কিন্তু একটা খুনের জন্য দায়ী। কিন্তু একজন ইয়াবা ব্যবসায়ী শত শত মানুষকে প্রতিনিয়ত খুন করছেন। এদেরকে আর ছাড় দেয়া হবেনা।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন- কক্সবাজার পৌরসভার প্যানেল মেয়র-৩ শাহেনা আকতার পাখি, ২নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মিজানুর রহমান, পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান মেহেদী রহমান, কক্সবাজার সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন এন্ড কমিউনিটি পুলিশিং) মোহাম্মদ ইয়াসিন, পৌর কমিউনিটি পুলিশিং এর সভাপতি মিজানুর রহমান, জেলা ছাত্রলীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক মঈন উদ্দিন, কমিউনিটি পুলিশিং ২নং সহ-সভাপতি কামাল উদ্দিন, শিল্প এলাকা সমাজ উন্নয়ন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আনছারুল করিম প্রমুখ।

সভায় সমাপনি বক্তব্য রাখেন কমিউনিটি পুলিশিং ২নং ওয়ার্ডের সভাপতি সেলিম উল্লাহ সেলিম।

সভা সঞ্চালনা করেন কমিউনিটি পুলিশ ২নং ওয়ার্ডের সম্পাদক আজিমুল হক আজিম ও সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম হেলাল উদ্দিন। সভায় উত্তর নুনিয়াছড়া, মধ্যম নুনিয়াছড়া, পশ্চিম নতুন বাহারছড়াসহ বিভিন্ন এলাকার সহস্রাধিক নারী-পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।

উখিয়ায় ওসি আবুল মনসুরের যোগদান, চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সহযোগিতা কামনা
                                  

আবু সায়েম : রোহিঙ্গার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর নবাগত ওসি আবুল মনসুর। কক্সবাজারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সীমান্তবর্তী থানা উখিয়ায় অফিসার ইনচার্জ হিসেবে যোগদান করেছেন চৌকস ওসি আবুল মনসুর। বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই তিনি বিদায়ী ওসি আবুল খায়েরের কাছ থেকে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

এর আগে তিনি রামু থানা ও কক্সবাজার ডিবিতে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। রামু থানায় থাকাকালে তিনি বিশেষ কৌশল প্রয়োগ করে সৃজনশীল কার্যক্রমের মাধ্যমে মাদক নির্মূল, ডাকাত প্রতিরোধে সহায়তা, অপরহনকারী চক্র দমনে ভূমিকা, অস্ত্র উদ্ধার এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক পর্যায়ে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

উখিয়া থানার নবাগত ওসি আবুল মনসুর বলেন, আমাকে আমার উর্ধতন কর্তৃপক্ষ যে উদ্দেশ্যে পাঠিয়েছেন সে উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে আমি কাজ করে যাবো।

তিনি আরো বলেন, আমি দুটি চ্যালেঞ্জ বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। রোহিঙ্গার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা। ১২ লক্ষ রোহিঙ্গা বর্তমানে উখিয়া- টেকনাফে অবস্থান করছেন। রোহিঙ্গারা যাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি না ঘটান এবং সুষ্ঠু ও সুন্দর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে তারা যাতে নিরাপত্তার সাথে প্রত্যাবাসন না হওয়া পর্যন্ত উখিয়ায় থাকতে পারেন সেজন্য আমাদের পুলিশী কার্যক্রম ও গোয়েন্দা বিভাগের নজরদারীসহ তীক্ষ্ণ দৃষ্টি অব্যাহত থাকবে। আরেকটা বিষয় বাস্তবায়নে আমি বদ্ধপরিকর সেটা হচ্ছে, সরকারের ষোষিত মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণে মাদকের বিরুদ্ধে সাড়াঁশি অভিযান অব্যাহতসহ মাদক নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত প্রাত্যহিক বিশেষ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে। সার্বিক দায়িত্ব পালনে নবাগত ওসি উখিয়া থানা পুলিশের সদস্য, স্থানীয় জনসাধারণ সাংবাদিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।

উল্লেখ্য যে, তিনি এর আগে সফলতার সাথে চট্রগ্রাম ইপিজেড, বাকলিয়া, ডিবি ও সর্বশেষ রামু থানায় কৃতিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি তারঁ সফল কার্যক্রমের জন্য বিভিন্ন পুরুস্কারে ভূষিত হন।

রামু থানায় যোগ দিলেন ওসি আবুল খায়ের
                                  

আবু সায়েম : রামু থানার ওসি (অফিসার ইনচার্জ) হিসেবে পরিদর্শক আবুল খায়ের বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই যোগদান করেছেন। এর আগে তিনি উখিয়া থানার ওসি হিসাবে কৃতিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করেন। ওসি আবুল খায়ের উখিয়া থানায় থাকাকালে রোহিঙ্গা শরনার্থী সমস্যা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে ব্যবস্থাপনা করেন। উখিয়া উপজেলার আইনশৃঙ্খলা সুরক্ষার দায়িত্বেও তার রয়েছে সাফল্যের অগ্রাধিকার।

রামু থানার নবাগত ওসি আবুল খায়ের বলেন-সরকারের ঘোষিত মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণে মাদক বিরোধী সাড়াশি অভিযান জোরদার, ডাকাতি-অপহরণ সহ সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুরক্ষায় পরিকল্পিত ও পেশাদারিত্বের সাথে সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যাবো ইনশাল্লাহ। রামু থানায় ওসি হিসাবে যোগদানের পর প্রথম গণমাধ্যমের সাথে কথা বলার কথা উল্লেখ করে ওসি আবুল খায়ের বলেন-এটা একটা টিম ওয়ার্ক। একা কোন কিছু করা সম্ভব নয়। তাই তিনি তাঁর দায়িত্ব পালনে রামু থানা পুলিশের সকল সদস্য ও স্থানীয় জনসাধারণের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।

রামু থানার নতুন ওসি আবুল খায়েরের যোগদান সম্পর্কে ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, প্রথম দিন এসে ওসি আবুল খায়ের স্যার আমাদের যে ভাবে নির্দেশনা দিয়েছেন, তাতে রামু থানা পুলিশের সকলে প্রেরণা ও প্রত্যয়ে সমৃদ্ধ হয়েছে। ইনশাল্লাহ রামু থানা পুলিশের সকলে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে আরো অধিক সচেতন হলে আইনশৃঙ্খলা সুরক্ষায় আমাদের সকল পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারবো।

প্রসঙ্গত, রামু থানার সদ্য সাবেক ওসি আবুল মনসুর বদলী হয়ে উখিয়া থানার ওসি হিসাবে ইতিমধ্যে যোগদান করেছেন।

চট্টগ্রাম রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী নির্বাচিত কক্সবাজার মডেল থানার এএসআই কামাল
                                  

মোহাঃ আবু সায়েম: চট্টগ্রাম রেঞ্জে শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী এএসআই নির্বাচিত হয়েছেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল হোসেন। গত জুন (২০১৯) মাসের পারফর্মেন্স বিবেচনায় সদর থানার এএসআই কামাল শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী এসআই নির্বাচিত হন।

জুন (২০১৯) মাসে তিনি জেলায় সর্বোচ্চ ৫৪ টি গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামী গ্রেপ্তার করায় তাকে শ্রেষ্ঠ এএসআই হিসেবে সম্মাননাস্বরুপ ক্রেষ্ট, সার্টিফিকেট ও নগদ অর্থ প্রদান করা হয়। বুধবার ১৭ জুলাই চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক বিপিএম পিপিএমবার এর কার্যালয়ে মাসিক কল্যাণ ও আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়। উক্ত সভায় এএসআই মোহাম্মদ কামাল হোসেনকে এ সম্মানা প্রদান করা হয়।

এসময় কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইনসহ উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সম্মাননা পাওয়ার পর এএসআই মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, আজকের এ সফলতার পেছনে যারা উৎসাহ উদ্দীপনা, এবং অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন কক্সবাজারের সুযোগ্য পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন বিপিএম এবং সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ফরিদ উদ্দীন খন্দকার। পুলিশ সুপারের নির্দেশে এবং সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ফরিদ উদ্দীন খন্দকারের দিক নির্দেশনাকে বাস্তবায়ন করে সফলতার দ্বার উন্মোচন করেছি। আন্তরিকতা, সৎ ইচ্ছা , পরিশ্রম , কল্যাণমুখী চিন্তা চেতনাকে বাস্তবে প্রয়োগ করলে কাজের গতি তরান্বিত এবং সফলতাকে উপভোগ করা যায়। দেশ সেবার মনমানসিকতা নিয়ে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেছি। ইনশাআল্লাহ প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা হিসেবে যে থানায় নিয়োজিত থাকি না কেনো মাদক, সন্ত্রাসমুক্ত , অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, আইনশৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক, পরোয়ানাভুক্ত আসামী গ্রেপ্তার এবং সর্বোপরি নিরাপত্তার চাদরে আচ্ছাদিত করতে আমার শারীকিক, ও মানসিক শ্রম অব্যাহত থাকবে।

প্রথম বারের মতো চট্টগ্রাম রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ এসআই বোরহান
                                  

আবু সায়েমঃ প্রথম বারের মতো চট্টগ্রাম রেঞ্জে শ্রেষ্ঠ এসআই নির্বাচিত হয়েছেন টেকনাফ মডেল থানার এসআই বোরহান উদ্দিন। মাদক দ্রব্য উদ্ধার, গ্রেপ্তারী পরোয়ানা তামিল, চুরি ছিনতাই রোধে ভূমিকাসহ আইনশৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক পর্যায়ে ব্যাপক ভূমিকা পালন করায় সার্বিক বিষয় বিবেচনা পূর্বক টেকনাফ সদর মডেল থানার এসআই বোরহান উদ্দিনকে শ্রেষ্ঠ এ সম্মাননা প্রদান করা হয়। বুধবার (১৭ জুলাই) মাসিক কল্যাণ সভা চট্টগ্রাম পুলিশের ডিআইজির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক পিপিএম, বিপিএম (বার)।

উক্ত অনুষ্ঠানে সার্বিক কার্যক্রম বিবেচনাপূর্বক টেকনাফ সদর থানার এসআই বোরহান উদ্দিনকে শ্রেষ্ঠ এসআই সম্মাননাস্বরুপ পুরস্কার প্রদান করা হয়। এসময় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি আবুল ফয়েজ (ক্রাইম) এবং চট্টগ্রাম রেঞ্জ কার্যালয়ের সকলপুলিশ কর্মকর্তাগণ। উল্লেখ্য যে, টেকনাফ মডেল থানায় এসআই বোরহান উদ্দিন যোগদানের পর থেকে মাদক নির্মূল, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক, অস্ত্র উদ্ধার সর্বোপরি টেকনাফ মডেল থানাকে নিরাপত্তার চাদরে আচ্ছাদিত করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।

এ প্রসঙ্গে এক প্রতিক্রিয়ায় পুরুস্কারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসআই বোরহান উদ্দিন বলেন, প্রতিটি পুরস্কার খুবই ভালো লাগে। কাজের গতিকে তরান্বিত করে এবং কাজের প্রতি প্রেষণা সৃষ্টি করে। আমার পুরস্কারের পেছনে যিনি সর্বদা আমাকে অনুপ্রাণিত করেছেন এবং সার্বিক সহযোগিতা করেছেন তিনি আমার অফিসার ইনচার্জ প্রদীপ কুমার দাশ (বিপিএম বার)। তারঁ আন্তরিক সহযোগিতা এবং দক্ষ কার্যাবলির বাস্তবিক প্রয়োগে আমি ১ম বারের মতো শ্রেষ্ঠ এসআই হিসেবে নির্বাচিত হয়েছি এবং পুরস্কার লাভ করেছি।

এ ব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ প্রদীপ কুমার দাশ (বিপিএম বার) বলেন, এসআই বোরহান উদ্দিন একজন ভালো ও চমৎকার অফিসার। টেকনাফ মডেল থানায় যোগদানের পর থেকে মাদক নির্মূল, চুরি ছিনতাই রোধে সহায়তা এবং সর্বোপরি মডেল থানা রুপান্তরে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। আমি তারঁ সফলতা কামনা করছি, তিনি যাতে তারঁ সফলতার ধারা অব্যাহত রাখতে পারেন।

উল্লেখ্য যে, তিনি এর আগে কক্সবাজারের মাসিক কল্যান সভায় শ্রেষ্ঠ এসআই হিসেবে পুরস্কার লাভ করেন।

৫ম বারের মতো চট্টগ্রাম রেঞ্জে শ্রেষ্ঠ এসপি মাসুদ হোসাইন
                                  

আবু সায়েম, কক্সবাজার: পঞ্চম বারের মতো চট্টগ্রাম রেঞ্জে শ্রেষ্ঠ এসপি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কক্সবাজারের সুযোগ্য পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন। জুন মাসের সার্বিক কার্যক্রম বিবেচনাপূর্বক তাকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়। বুধবার (১৭ জুলাই) মাসিক কল্যাণ সভা চট্টগ্রাম পুলিশের ডিআইজির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক পিপিএম, বিপিএম (বার)।

উক্ত অনুষ্ঠানে সার্বিক কার্যক্রম বিবেচনাপূর্বক কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইনকে চট্টগ্রাম রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ এসপির সম্মাননাস্বরুপ ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান করা হয়। এসময় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি আবুল ফয়েজ (ক্রাইম) এবং চট্টগ্রাম রেঞ্জ কার্যালয়ের সকলপুলিশ কর্মকর্তাগণ। উল্লেখ্য যে, কক্সবাজারের সুযোগ্য পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন যোগদানের পর থেকে মাদক নির্মূল, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক, অস্ত্র উদ্ধার সর্বোপরি কক্সবাজার জেলাকে নিরাপত্তার চাদরে আচ্ছাদিত করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ফলশ্রুতিতে তার এ কৃতিত্বপূর্ণ গত ৪ ফেব্রুয়ারি পুলিশের সর্বোচ্চ মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার সাহসিকতায় বিপিএম পদক লাভ করেন এবং চট্টগ্রাম রেঞ্জে ৫ম বারের মতো শ্রেষ্ঠ এসপি হিসেবে নির্বাচিত হন।

চট্টগ্রাম রেঞ্জে শ্রেষ্ঠ এসপি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, ‘প্রতিটি পুরস্কার আসলে খুবই ভালো লাগে। কার্যক্ষেত্রে কাজের গতিকে তরান্বিত করে, প্রেষণা সৃষ্টি করে।’ তিনি আরো বলেন, ‘মাদকমুক্ত কক্সবাজার গড়তে আমি যে প্রতিশ্রুতি নিয়ে কক্সবাজারে যোগদান করেছিলাম তা বাস্তবায়ন করার জন্য আমার মানসিক ও শারিরিক শ্রম অব্যাহত থাকবে। ইনশাআল্লাহ কক্সবাজার জেলাকে একটি মডেল জেলায় বাস্তাবায়ন করতে আমাদের সকল কার্যক্রম বিদ্যমান থাকবে।’

মাদক ব্যবসায়ীর আতংক এসআই আনছারুল
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : কক্সবাজার সদর মডেল থানার এসআই আনছারুল হক সুজন মাদক ব্যবসায়ীর মূর্তীমান আতংক। প্রাত্যহিক অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসীরা পালাবার পথ খুজঁছে বর্তমানে। শহরের শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ীরা এসআই আনছারুল হক সুজনকে দমানোর জন্য নানামুখী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। মাদক ব্যবসায়ী, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী. এবং ডাকাতরা তার ভয়ে এলাকা ছাড়া।

পুরো কক্সবাজার শহরে বড় বড় ইয়াবা ব্যবসায়ীদের অভিযান চালিয়ে অনেক ইয়াবা কারবারীদের শায়েস্তা করেছেন এই এসআই।

এসআই আনছারুল হক সুজন হার না মানা এক সৈনিক । তিনি এসব ষড়যন্ত্রে তোয়াক্কা না করে সততা ও ন্যায় নীতির উপর অবিচল থেকে তার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি তার সকল কার্যক্রমে সফলতা লাভ করে ও জেলা পর্যায়ে সম্মাাননাসহ অনেক পুরস্কার অর্জন করেছেন।

জানা যায়, কক্সবাজারের বিভিন্ন জায়গায় গড়ে উঠেছে অনেক মাদক কারবারী।

তবে সব চেয়ে বেশি মাদক ব্যবসায়ীদের বিস্তার ঘটে শহরের বৈদ্য ঘোনা, নুনিয়াছড়া, রাখাইন পাড়া, ঝাউতলা গাড়ির মাঠ, পাহাড়তলি সমিতি বাজার, ইউছুলুর ঘোনা, বাসটার্মিনাল, লারপাড়া, আদর্শ গ্রাম, উপজেলার পেছনে,খরুলিয়াসহ আশপাশ এলাকা।

ফলে মাদকের কবলে পড়ছে যুব সমাজ। অভিভাবকরা অর্থ জোগান না দিলে অভিভাবকদের উপর চড়াও হয় সন্তানরা। নেশার অর্থ না থাকলে চুরি ও ছিনতাইয়ের পথ বেছে নেয় তাদের অনেকেই। বাবা-মায়ের ভয়ে কিছু বলতে পারে না। এসব মাদকাসক্ত ও ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে হার্ড লাইনে যায় পুলিশ। তবে মাদক ব্যবসার অভিযান থামাতে অনেক চক্র বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সবিভিন্ন সময়ে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকে।

সাম্প্রতিক সময়ে শহর ও শহরতলিসহ সদর থানাধীন বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে বড় বড় ইয়াবা কারবারী আটক করে আদালতে সোর্পদ করেছেন, উদ্ধার করেছেন ইয়াবাও।

সরকার মাদকের হাত থেকে যুবসমাজকে যখন রক্ষা করতে সারা দেশে চালাচ্ছে মাদকবিরোধী সাঁড়াশি অভিযান। সেই ধারা কক্সবাজার সদর মডেল থানায়ও চলে।

সুত্রে জানা যায়, কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি ফরিদ উদ্দিন সঠিক দিক নির্দেশনায় থানা অন্যান্য পুলিশ অফিসারদের মতো এসআই আনছারুল হক সুজনও ইয়াবা, অস্ত্র উদ্ধার ও অপরাধী গ্রেফতার সহ ওয়ারেন্ট তামিল করে সুনাম কুড়িয়েছেন।

চলতি বছর ২৯ এপ্রিল কক্সবাজারের কলাতলি বাইপাস সড়কের উত্তরণ আবাসিক এলাকার গেইট থেকে ১টি দেশীয় তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র, ২ রাউন্ড কার্তুজ ও ২’শ পিছ ইয়াবাসহ সন্ত্রাসী সাহাব উদ্দিনকে গ্রেফতার করে আলচনায় চলে আসেন এসআই আনছারুল হক সুজন। ধৃত সাহাব উদ্দিন কক্সবাজার শহরের বৈদ্যঘোনা জাদিরাম পাহাড়স্হ আব্দুর রহমানের ছেলে। এধরনের আরো অসংখ্য অপরাধীকে অস্ত্রসহ আটক করেন। বিভিন্ন সময় অভিযানে তিনি বহু ইয়াবা কারবারিকে আটক করে আদালতে সোর্পদ করেছেন।

গত বছর কক্সবাজার সদর মডেল থানার চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা এসআই আনছারুল হক সুজন শ্রেষ্ট এসআই নির্বাচিত হন। ২৭ নভেম্বর সকাল ১১ টায় জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভায় তাঁর হাতে সম্মাননা তুলে দেন জেলা পুলিশ সুপার সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

সর্বশেষ গত ১৫ জুলাই রাতে ডায়বেটিকস হাসপাতালের গেইটের সামনে থেকে নুনিয়াছড়ার রাজিয়া মেম্বারের ছেলে তারিকুল ইসলাম কামরুলকে ২ রাউন্ড কার্তুজসহ দেশীয় তৈরি অস্ত্র সহ আটক করেন। একই সময় আরোও ৫ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। এছাড়াও বৈদ্য ঘোনার ইয়াবা ডন সুফিয়া, নুনিয়াছড়ার জাহানারা, উত্তর নুনিয়াছড়ার সাজেদা,লালপাড়ার ইয়াবা গডফাদার লাল মোহাম্মদের ছেলে বশর প্রকাশ বশিরসহ বড় বড় মাদক কারবারী গ্রেফতার করেন।

থানা সুত্রে জানা গেছে, মাদকের বিরুদ্ধে আপসহীন পুলিশ কর্মকর্তা আনছারুল হক সুজন মাদক ব্যবসায়ীদেরকে মাদকসহ আটকের ঘটনায় গত জুন মাসে ১২, চলতি জুলাই মাসে ১০, মে মাসে ১৬ মাদক মামলা দায়ের করেন।

প্রথম বারের মতো থানা ভিত্তিক শ্রেষ্ঠ এসআই নির্বাচিত সদর মডেল থানার সনৎ
                                  

আবু সায়েমঃ প্রথম বারের মতো থানা ভিত্তিক শ্রেষ্ঠ এসআই নির্বাচিত হয়েছেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার এসআই সনৎ বড়ুয়া । মাদক দ্রব্য উদ্ধার, গ্রেপ্তারী পরোয়ানা তামিল, চুরি ছিনতাই রোধে ভূমিকাসহ আইনশৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক পর্যায়ে ব্যাপক ভূমিকা পালন করায় সার্বিক বিষয় বিবেচনা পূর্বক কক্সবাজার সদর মডেল থানার এসআই সনৎ বড়–য়াকে থানা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ এসআই হিসেবে সম্মাননা প্রদান করা হয়। ১৫জুন সোমবার সকাল ১০ টায় কক্সবাজার জেলা পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শিডে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন (বিপিএমবার)।

সভায় সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( হেড কোয়ার্টার ) রেজওয়ান আহমেদ। উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ২৫ জন পুলিশ কর্মকর্তাদের পুলিশী কার্যক্রমকে তরান্বিত করার জন্য অর্থ ও ক্রেস্ট দিয়ে শ্রেষ্টত্বের জন্য পুরস্কৃত করা হয়। এতে জুন মাসের পারফরম্যান্স অনুযায়ী সদর মডেল থানার চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা এসআই সনৎ বড়–য়াকে সদর মডেল থানার শ্রেষ্ঠ এসআই হিসেবে অর্থ পুরস্কার ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলাম ( সদর সার্কেল) , অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাহিদ আদনান তাইয়্যান ( উখিয়া সার্কেল), সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার( চকরিয়া সার্কেল) কাজী মতিউল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম (ডিএসবি), সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার রতন দাশ গুপ্ত ( মহেশখালী সার্কেল), সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার বাবুল চন্দ্র বণিক (ট্রাফিক বিভাগ)সহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ।

এ প্রসঙ্গে এক প্রতিক্রিয়ায় পুরুস্কারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সনৎ বড়–য়া বলেন, প্রতিটি পুরস্কার খুবই ভালো লাগে। কাজের গতিকে তরান্বিত করে এবং কাজের প্রতি প্রেষণা সৃষ্টি করে। আমার পুরস্কারের পেছনে যিনি সর্বদা আমাকে অনুপ্রাণিত করেছেন এবং সার্বিক সহযোগিতা করেছেন তিনি আমার অফিসার ইনচার্জ ফরিদ উদ্দীন খন্দকার (পিপিএম বার )। তারঁ আন্তরিক সহযোগিতা এবং দক্ষ কার্যাবলির বাস্তবিক প্রয়োগে আমি ১ম বারের মতো থানা পর্যায়ে সদর মডেল থানার শ্রেষ্ঠ এসআই হিসেবে নির্বাচিত হয়েছি। প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা হিসেবে যে থানায় নিয়োজিত থাকিনা কেনো আমি আমার সেবার মন মানসিকতার কার্যক্রমের বাস্তবিক প্রয়োগ অব্যাহত রাখবো। সার্বিক দায়িত্ব পালনে তিনি আবারো সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

এব্যাপারে কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ফরিদ উদ্দীন খন্দকার (পিপিএম বার) বলেন,সনৎ বড়ুয়া একজন ভালো ও চমৎকার অফিসার। সদর মডেল থানায় যোগদানের পর থেকে মাদক নির্মূল,অস্ত্র উদ্ধার চুরি ছিনতাই রোধে সহায়তা এবং সর্বোপরি মডেল থানা রুপান্তরে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন । আমি তারঁ সফলতা কামনা করছি, তিনি যাতে তারঁ সফলতার ধারা অব্যাহত রাখতে পারেন।

জেলার শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক কর্মকর্তা নির্বাচিত সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার বাবুল বণিক
                                  

আবু সায়েমঃ কক্সবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক কর্মকর্তা নির্বাচিত হয়েছেন ট্রাফিক বিভাগের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার বাবুল চন্দ্র বণিক । উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সুষ্ঠু গাড়ি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ভোটে গুরুত্বপূর্ণ অবদান, ট্রাফিক বিভাগে শৃংখলা সৃষ্টি ,যানজট নিরসনে ভূমিকা , এবং রোড ডিভাইশন প্রসেসর এর মাধ্যম জনগণের ভোগান্তি দুরীকরণে ট্রাফিক বিভাগে অবদান রাখায় সার্বিক বিষয় বিবেচনাপূর্বক জেলার শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক কর্মকর্তা হিসেবে সম্মাননা প্রদান করা হয়। ১৫জুন সোমবার সকাল ১০ টায় কক্সবাজার জেলা পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শিডে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন (বিপিএমবার)।

সভায় সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( হেড কোয়ার্টার )রেজওয়ান আহমেদ। উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ২৫ জন পুলিশ কর্মকর্তাদের পুলিশী কার্যক্রমকে তরান্বিত করার জন্য অর্থ ও ক্রেস্ট দিয়ে শ্রেষ্টত্বের জন্য পুরস্কৃত করা হয়। এতে ট্রাফিক বিভাগের সামগ্রিক কার্যাবলি বিবেচনাপূর্বক শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক কর্মকর্তা হিসেবে সনদ ও সম্মাননা প্রদান করা হয়। উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলাম ( সদর সার্কেল) , অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাহিদ আদনান তাইয়্যান ( উখিয়া সার্কেল), সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার( চকরিয়া সার্কেল) কাজী মতিউল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম (ডিএসবি), সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার রতন দাশ গুপ্ত ( মহেশখালী সার্কেল)সহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ।

এ প্রসঙ্গে এক প্রতিক্রিয়ায় পুরুস্কারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার বাবুল চন্দ্র বণিক বলেন, প্রতিটি পুরস্কার খুবই ভালো লাগে। কাজের গতিকে তরান্বিত করে এবং কাজের প্রতি প্রেষণা সৃষ্টি করে।কক্সবাজার জেলায় ট্রাফিক বিভাগে যোগদানের পর থেকে ট্রাফিকে শৃংখলা সৃষ্টি যানজট নিরসনে ভূমিকা সৃজনশীল কার্যক্রমের বাস্তবিক প্রয়োগ, রোড় ডিভাইশন প্রসেসর এর মাধ্যমে জনগণের ভোগান্তি দূরীকরণে সহায়তা , এবং অবৈধ নাম্বারবিহীন টমটম শহরে যাতে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য চেক পোস্ট স্থাপনের মাধ্যম ট্রাফিক বিভাগকে তরান্বিতকরণসহ সুযোগ্য পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোসাইনের দিক নির্দেশনা বাস্তবায়ন করে কক্সবাজার ট্রাফিক বিভাগ আজ সফলতার দ্বার প্রান্তে। প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা হিসেবে যে জেলায় নিয়োজিত থাকি না কেনো একজন সফল সুনাগরিক হিসেবে সুন্দর বাসযোগ্য মডেল জেলা রুপান্তর এবং সোনার বাংলাদেশ গড়তে আমার যাবতীয় উন্নয়নমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

এ ব্যাপারে কক্সবাজার জেলার পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন বলেন, বাবুল বণিক পুলিশ বিভাগের সফলতার অনন্য নিদর্শন। তিনি কক্সবাজার জেলার ট্রাফিক বিভাগে সৃজনশীল কার্যাবলির মাধ্যমে পুলিশ বিভাগের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছেন। আমি তারঁ সফলতা কামনা করছি।

৩য় বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ সার্জেন্ট নির্বাচিত : ট্রাফিক বিভাগের লিয়াকত
                                  

আবু সায়েম: ৩য় বারের মতো কক্সবাজার জেলায় শ্রেষ্ঠ সার্জেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন উদীয়মান পুলিশ কর্মকর্তা সার্জেন্ট মো: লিয়াকত আলী ভূইয়া। ১৫ জুলাই সকাল ১১ টায় মাসিক কল্যাণ সভা কক্সবাজারের পুলিশ লাইনে গ্রীল শীডে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত মাসিক কল্যাণ সভার অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হেডকোয়াটার) রেজওয়ান আহমেদ। সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার বিপিএম বার মাসুদ হোসাইন।

উক্ত মাসিক কল্যাণ সভায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ২৫ জন পুলিশ কর্মকর্তাদের পুলিশী কার্যক্রমকে তরান্বিত করার জন্য অর্থ ও ক্রেস্ট দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়।

তন্মেধ্যে, ট্রাফিক বিভাগে যানজট নিরসনে ভূমিকা, ফিটনেসবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা এবং শ্রেষ্ঠ প্রসিকিউশন দাখিলকারী তথা ১ মাসে ২০০ টি সর্বোচ্চ মামলা দায়ের এবং জুন মাসের পারফর্মেন্স বিবেচনা পূর্বক কক্সবাজার ট্রাফিক বিভাগের সার্জেন্ট মো: লিয়াকত আলী ভূইয়াকে শ্রেষ্ঠ সার্জেন্ট নির্বাচিত করে সার্টিফিকেট ও অর্থ প্রদান করা হয়।

এতে আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) ইকবাল হোসাইন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল ) আদিবুল ইসলাম, নিহাদ আদনান তাইয়্যান (উখিয়া সার্কেল) সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) মতিউল ইসলাম, রতন কুমার দাশ গুপ্ত (মহেশখালী সার্কেল) সহকারী পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) বাবুল বণিক, সহকারী পুলিশ সুপার (ডিএসবি) শহিদুল ইসলামসহ কক্সবাজার জেলার সকল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা।

পুরস্কারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সার্জেন্ট মো: লিয়াকত আলী ভূইয়া বলেন, সততা এবং ন্যায় নীতিকতাকে সামনে রেখে কাজ করলে সফলতা লাভ করা যায়। প্রতিটি পুরস্কার কাজের গতিকে তরান্বিত করে। সহকারী পুলিশ সুপার বাবুল বণিকের সার্বিক তত্ত্বাবধানে যানজটমুক্ত কক্সবাজার রুপান্তরে আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। কক্সবাজার শহরকে অধিকতর যানজটমুক্ত করে, অবৈধ ফিটনেসবিহীন যানবাহন প্রতিরোধে কাজের গতি উন্নত এবং আমাদের কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।


   Page 1 of 10
     আইন শৃঙ্খলা
“একজন অভিজ্ঞ ও গুণি জেল সুপারের বদলী”
.............................................................................................
জাতীয় নিরাপত্তা সেলের প্রধান হলেন আছাদুজ্জামান মিয়া
.............................................................................................
২য় বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ সার্কেল নির্বাচিত অতি: পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলাম
.............................................................................................
থানা ভিত্তিক শ্রেষ্ঠ এএসআই নির্বাচিত সদর মডেল থানার টিটু কুমার সাহা
.............................................................................................
উখিয়ায় নবাগত ওসি আবুল মনসুরের অভিজ্ঞতা ও কর্মদক্ষতায় পরিস্থিতি উন্নতির পথে
.............................................................................................
ভোলায় ছেলেধরা গুজব রোধে পুলিশের প্রচারণা
.............................................................................................
মাদকের ব্যাপারে কাউকে বিন্দু পরিমাণ ছাড় দেয়া হবেনা: অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল
.............................................................................................
উখিয়ায় ওসি আবুল মনসুরের যোগদান, চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সহযোগিতা কামনা
.............................................................................................
রামু থানায় যোগ দিলেন ওসি আবুল খায়ের
.............................................................................................
চট্টগ্রাম রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী নির্বাচিত কক্সবাজার মডেল থানার এএসআই কামাল
.............................................................................................
প্রথম বারের মতো চট্টগ্রাম রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ এসআই বোরহান
.............................................................................................
৫ম বারের মতো চট্টগ্রাম রেঞ্জে শ্রেষ্ঠ এসপি মাসুদ হোসাইন
.............................................................................................
মাদক ব্যবসায়ীর আতংক এসআই আনছারুল
.............................................................................................
প্রথম বারের মতো থানা ভিত্তিক শ্রেষ্ঠ এসআই নির্বাচিত সদর মডেল থানার সনৎ
.............................................................................................
জেলার শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক কর্মকর্তা নির্বাচিত সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার বাবুল বণিক
.............................................................................................
৩য় বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ সার্জেন্ট নির্বাচিত : ট্রাফিক বিভাগের লিয়াকত
.............................................................................................
পিরোজপুরে স্বচ্ছভাবে নিয়োগ পেল ৩৩ পুলিশ সদস্য
.............................................................................................
দ্বিতীয় বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই নির্বাচিত সদর মডেল থানার আজাদ
.............................................................................................
রাজধানীতে ট্রাফিক আইন অমান্য করায় ৬৮৫০ মামলা
.............................................................................................
কুতুবদিয়া নির্বাচনে সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরিতে পুলিশের সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করা হবে : ভারপ্রাপ্ত এসপি ইকবাল
.............................................................................................
পুলিশ বিভাগের আদর্শের জ্বলন্ত প্রতীক মোহাঃ গোলাম রুহুল কুদ্দুস
.............................................................................................
৩য় বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত উখিয়া থানার আবুল খায়ের
.............................................................................................
সৌম্য-মোসাদ্দেকের বিধ্বংসী ব্যাটিং-এ প্রথমবারের মত ত্রিদেশীয় সিরিজে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ
.............................................................................................
দক্ষ ও অভিজ্ঞতার অনন্য প্রতীক কক্সবাজারের জেল সুপার বজলুর রশীদ আখন্দ
.............................................................................................
বাংলাদেশ পুলিশের আদর্শের অনন্য প্রতীক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোছাইন
.............................................................................................
ডিএমপি`র মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৭২
.............................................................................................
রাজধানীতে ট্রাফিক আইন অমান্যে ৫৯৫১ মামলা
.............................................................................................
আগামী এক মাসের মধ্যেই নুসরাত হত্যা মামলার চার্জশীট : পিবিআই প্রধান
.............................................................................................
পুলিশ`র অতিরিক্ত আইজি পদমর্যাদার এক কর্মকর্তার বদলী
.............................................................................................
গুলিস্তানে ককটেল হামলার বিষয়ে খতিয়ে দেখছে সিটিটিসি: ডিএমপি কমিশনার
.............................................................................................
ডিএমপি`র অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ৬৯
.............................................................................................
এফ আর টাওয়ারে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় তাসভির ও ফারুক ৭ দিনের রিমান্ডে
.............................................................................................
ঢাকাকে টাইম বোমায় পরিণত হতে দিব না : র‌্যাব মহাপরিচালক
.............................................................................................
মানবতাবিরোধী অপরাধ: মধু মিয়াসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন চূড়ান্ত
.............................................................................................
পুলিশের বিরুদ্ধে খারাপ আচরণের অভিযোগ কমেছে: আছাদুজ্জামান
.............................................................................................
এবার ১০ এএসপিকে বদলি
.............................................................................................
শাহজালালে ১৯ কেজি এনপিএস জব্দ
.............................................................................................
জাতিসংঘ মহাসচিবের আমন্ত্রণে নিউয়র্ক মির্জা ফখরুল
.............................................................................................
‘চালককে বেতন দিতে হবে, নইলে রুট পারমিট বাতিল’
.............................................................................................
শাহজালাল বিমানবন্দরে বিপুল পরিমাণ ওষুধ জব্দ
.............................................................................................
জাবালে নূরের মালিকসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র
.............................................................................................
শাহ আমানতে পরিত্যক্ত ব্যাগে ৩২টি স্বর্ণের বার
.............................................................................................
শোক দিবসে কোনো হুমকি নেই : ডিএমপি
.............................................................................................
ছাত্রদের ন্যায্য দাবিকে ভিন্নখাতে নেয়ার চেষ্টা চলছে : ডিএমপি কমিশনার
.............................................................................................
পুলিশ সার্জেন্টকে পিটুনি, মোটরসাইকেলে আগুন
.............................................................................................
শিক্ষার্থীদের লাইসেন্স পরীক্ষায় ছাড় পাচ্ছে না পুলিশের গাড়িও
.............................................................................................
পুলিশ পরিদর্শক খুন: আরও ৪ জন গ্রেপ্তার
.............................................................................................
ক্লাস নিলেন র‌্যাব অধিনায়ক
.............................................................................................
প্রকাশক বাচ্চু হত্যার প্রধান আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে নতুন সেনাপ্রধানের শ্রদ্ধা
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]