| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * জুভেন্টাসের জয় রোনালাদোর জোড়া গোলে   * জগৎপ্রকাশ নড্ডা বিজেপির নতুন সভাপতি   * ১০ জনের মৃত্যুদণ্ড, দুইজন খালাস, সিপিবির সমাবেশে বোমা হামলা মামলায়   * শিশু ধর্ষণ মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কেন দেয়া হবে না : হাইকোর্ট   * মতিউর রহমানসহ ছয়জনকে গ্রেফতার ও হয়রানি না করার নির্দেশ   * প্রিন্স হ্যারি-মেগান রাজকীয় পদবি হারাচ্ছেন   * ইয়েমেনে সামরিক প্রশিক্ষণ শিবিরে হামলায় নিহত ৬০   * যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের ওপর `বিপজ্জনক আক্রমণ` : ট্রাম্পের আইনজীবী   * মাঘের শুরুতেই বৃষ্টিতে ভিজলো রাজশাহী   * আওয়ামী লীগ ও নৌকার ব্যাকগ্রাউন্ড লাগে না : আতিকুল ইসলাম  

   তথ্য-প্রযুক্তি -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
দেশের সকল মানুষকেই আমরা অনলাইনে আনবো: জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের ১৬ কোটি মানুষকে ইন্টারনেট সেবার আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

রোববার (১২ জানুয়ারি) সচিবালয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন।

সজীব ওয়াজেদ বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশে সবার দাবি সব জায়গায় ওয়াইফাই জোন করে দেওয়ার। বিশেষ করে আমাদের ছাত্র-ছাত্রীদের। সে কারণেই আমরা এই প্রকল্প হাতে নিয়েছিলাম। ডিজিটাল বাংলাদেশের যাত্রা যখন শুরু করি, তখন অনলাইন তো দূরের কথা, ইন্টারনেট কানেকশনেরই অভাব ছিল। মাত্র ১ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট সুবিধা পেত। এখন সেটা প্রায় ৬০ শতাংশে চলে এসেছে। আমরা গত ১০ বছরে ১০ কোটির বেশি মানুষকে অনলাইনে এনেছি।’

এদিন দেশের সব সরকারি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় ও ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক স্থাপন শীর্ষক প্রকল্পের আওতাধীন সাতটি কলেজে ওয়াইফাই সংযোগ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন জয়।

তিনি বলেন, ‘আমাদের তরুণদের দাবি, সব জায়গা তাদের ওয়াইফাই করে দেওয়া। সেটা কিন্তু আমাদের আওয়ামী লীগ সরকার করে যাচ্ছে। এই প্রকল্প হলো সেটারই অংশ। এই কাজ চলমান থাকবে। সারাদেশেই আমরা ইন্টারনেট আনছি, ইউনিয়ন পর্যন্ত আমরা ফাইবার নিয়ে যাচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, ‘আমার স্বপ্ন হচ্ছে দেশের সকল ১৬ কোটি মানুষকেই আমরা অনলাইনে আনবো। এটা হচ্ছে আমাদের ওয়াদা।’

অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, সচিব নূর-উর-রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে ডাক ও টেলিযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার দায়িত্ব গ্রহণের পর ‘ইনস্টলেশন অব অপটিক্যাল ফাইভার ক্যাবল নেটওয়ার্ক অ্যাট গভর্মেন্ট কলেজ, ইউনিভার্সিটি অ্যান্ড ট্রেনিং ইনস্টিটিউট’ শীর্ষক প্রকল্পটি গৃহীত হয়। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অধীন বিটিসিএল প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ৫৮৭টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ওয়াইফাইয়ের মাধ্যমে ব্রডব্যান্ড (উচ্চগতি) ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। পর্যায়ক্রমে বেসরকারি কলেজ ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং এরপর স্কুলসহ অন্য সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও ওয়াইফাই চালু করা হবে।

প্রথম এক বছর সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ১০ এমবিপিএস বা প্রয়োজনমতো বিনামূল্যে ব্যান্ডউইথ সরবরাহ করা হবে। চলতি বছরের জুনের মধ্যে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন শেষ হবে। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৫ কোটি টাকা।

৫৮৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১৪৩, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৫, চট্টগ্রাম বিভাগে ১০৭, বরিশাল বিভাগে ৪৫, খুলনা বিভাগে ৮৩, রাজশাহী বিভাগে ৮৫, রংপুর বিভাগে ৫৬ ও সিলেট বিভাগের ৩৩টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

 
দেশের সকল মানুষকেই আমরা অনলাইনে আনবো: জয়
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের ১৬ কোটি মানুষকে ইন্টারনেট সেবার আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

রোববার (১২ জানুয়ারি) সচিবালয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন।

সজীব ওয়াজেদ বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশে সবার দাবি সব জায়গায় ওয়াইফাই জোন করে দেওয়ার। বিশেষ করে আমাদের ছাত্র-ছাত্রীদের। সে কারণেই আমরা এই প্রকল্প হাতে নিয়েছিলাম। ডিজিটাল বাংলাদেশের যাত্রা যখন শুরু করি, তখন অনলাইন তো দূরের কথা, ইন্টারনেট কানেকশনেরই অভাব ছিল। মাত্র ১ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট সুবিধা পেত। এখন সেটা প্রায় ৬০ শতাংশে চলে এসেছে। আমরা গত ১০ বছরে ১০ কোটির বেশি মানুষকে অনলাইনে এনেছি।’

এদিন দেশের সব সরকারি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় ও ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক স্থাপন শীর্ষক প্রকল্পের আওতাধীন সাতটি কলেজে ওয়াইফাই সংযোগ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন জয়।

তিনি বলেন, ‘আমাদের তরুণদের দাবি, সব জায়গা তাদের ওয়াইফাই করে দেওয়া। সেটা কিন্তু আমাদের আওয়ামী লীগ সরকার করে যাচ্ছে। এই প্রকল্প হলো সেটারই অংশ। এই কাজ চলমান থাকবে। সারাদেশেই আমরা ইন্টারনেট আনছি, ইউনিয়ন পর্যন্ত আমরা ফাইবার নিয়ে যাচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, ‘আমার স্বপ্ন হচ্ছে দেশের সকল ১৬ কোটি মানুষকেই আমরা অনলাইনে আনবো। এটা হচ্ছে আমাদের ওয়াদা।’

অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, সচিব নূর-উর-রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে ডাক ও টেলিযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার দায়িত্ব গ্রহণের পর ‘ইনস্টলেশন অব অপটিক্যাল ফাইভার ক্যাবল নেটওয়ার্ক অ্যাট গভর্মেন্ট কলেজ, ইউনিভার্সিটি অ্যান্ড ট্রেনিং ইনস্টিটিউট’ শীর্ষক প্রকল্পটি গৃহীত হয়। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অধীন বিটিসিএল প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ৫৮৭টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ওয়াইফাইয়ের মাধ্যমে ব্রডব্যান্ড (উচ্চগতি) ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। পর্যায়ক্রমে বেসরকারি কলেজ ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং এরপর স্কুলসহ অন্য সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও ওয়াইফাই চালু করা হবে।

প্রথম এক বছর সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ১০ এমবিপিএস বা প্রয়োজনমতো বিনামূল্যে ব্যান্ডউইথ সরবরাহ করা হবে। চলতি বছরের জুনের মধ্যে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন শেষ হবে। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৫ কোটি টাকা।

৫৮৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১৪৩, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৫, চট্টগ্রাম বিভাগে ১০৭, বরিশাল বিভাগে ৪৫, খুলনা বিভাগে ৮৩, রাজশাহী বিভাগে ৮৫, রংপুর বিভাগে ৫৬ ও সিলেট বিভাগের ৩৩টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

 
সূর্যগ্রহণ: যা মানবেন যা মানবেন না
                                  

নিউজ ডেস্ক

বছরের শেষ সূর্যগ্রহণ শুরু হয়েছে আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে আটটা থেকে। এটি বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ। বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন ‘রিং অব ফায়ার’। পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণে চাঁদ সূর্যকে পুরোপুরি ঢেকে ফেলে। তবে বলয়গ্রাসের সময় চাঁদ সূর্যকে পুরোপুরি ঢাকতে পারে না। এ সময় সূর্যের চারদিকে একটি বলয় বা চুড়ির মতো দেখা যায়। তাই একে বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ বলে। মহাজাগতিক এ ঘটনা ঘিরে যুগ যুগ ধরে নানা কথা রটেছে। তবে এখনকার বিজ্ঞান অনেক কুসংস্কার ভেঙে দিয়েছে।


বিবর্তনের শুরু থেকে পৃথিবী জুড়ে এই সূর্য ও চন্দ্রগ্রহণ নিয়ে রয়েছে হাজারো জনশ্রুতি, কল্পকাহিনি ও কুসংস্কার। আমাদের দেশে অনেকে বলেন, গর্ভাবস্থায় কোনো নারী সূর্য অথবা চন্দ্রগ্রহণের সময় যদি কিছু কাটাকাটি করেন তাহলে গর্ভের সন্তানের নাকি অঙ্গহানি হয়। আসলে এগুলোর সবই এক শ ভাগ কুসংস্কার। আসলে প্রকৃতির এক অনন্য, অনবদ্য ও খুবই স্বাভাবিক একটি ঘটনা হচ্ছে এই সূর্য অথবা চন্দ্রগ্রহণ। এখানে ভিত্তিহীন গল্পগাথা বা কুসংস্কারের কোনো জায়গা নেই।


পৃথিবী ও চাঁদ একটি নির্দিষ্ট নিয়মে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে এবং এর ফলে সূর্যের বিপরীতে পৃথিবী এবং চাঁদের অবস্থান প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হচ্ছে। এই পরিবর্তন হতে হতে চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবী যখন একটি নির্দিষ্ট ফ্রেমে অবস্থান নেয় তখনই হয় সূর্য অথবা চন্দ্রগ্রহণ। ব্যাখ্যা দিতে গেলে বলা যায়—আমার মুখে যদি কেউ টর্চের আলো ফেলে আমার ছায়া পড়বে আমার পেছনে। আবার আমার পিঠে আলো ফেললে ছায়া পড়বে আমার সামনে। এভাবে চাঁদ যখন সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে, সূর্য তখন চাঁদের ওপর সরাসরি আলো ফেলে। এর ফলে চাঁদের ছায়া সোজা গিয়ে পড়ে পেছনে থাকা পৃথিবীর ওপর। পৃথিবীর যে অংশে চাঁদের এই বিশাল ছায়া পড়ে, দিনের বেলাতেই সেই অংশ অন্ধকার হয়ে যায়। আর ওখান থেকে সূর্যের দিকে তাকালে মনে হবে যে সূর্য অন্ধকারে মিলিয়ে যাচ্ছে।

আসলে সূর্য অন্ধকারে মিলিয়ে যাচ্ছে না বা কোনো রাক্ষসও সূর্যকে গিলে ফেলছে না। প্রকৃতপক্ষে এখানে চাঁদ সূর্যের বরাবর আসায় সূর্য চাঁদের আড়ালে চলে যায়। চাঁদের অবস্থানের ওপর নির্ভর করে কখনো চাঁদ পুরোপুরি অথবা কখনো আংশিকভাবে সূর্যকে আড়াল করে। একেই আমরা যথাক্রমে পূর্ণ ও আংশিক সূর্যগ্রহণ বলি।

সূর্য কিন্তু চাঁদের চেয়ে ৪০০ গুন বড়। তবু আমাদের চাঁদ পুরো সূর্যকে আড়াল করে দিতে পারে। এটা সম্ভব হওয়ার একমাত্র কারণ হচ্ছে, সূর্য যেমন চাঁদ অপেক্ষা ৪০০ গুন বড় ঠিক তেমনিভাবে সূর্য পৃথিবী থেকে চাঁদের চেয়ে ৪০০ গুন দূরে অবস্থিত। এই কারণে পৃথিবী থেকে চাঁদ ও সূর্যের আকার আমাদের কাছে সমান মনে হয়। সূর্যগ্রহণের সময় সূর্য থেকে মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণ অতিবেগুনি রশ্মি ছড়ায়। তাই এই সময় খালি চোখে সূর্যের দিকে তাকালে চোখের ক্ষতি হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক।

সূর্যগ্রহণে যেসব কুসংস্কার মানবেন না:
সূর্য গিলে খাচ্ছে ড্রাগন
চৈনিক সভ্যতাসহ বেশ কিছু আমেরিকান ও ইউরোপীয় সভ্যতায় সূর্যগ্রহণের কারণ হিসেবে ড্রাগনের উল্লেখ আছে। ‘গেম অব থ্রোনস’-এর কল্যাণে পুরাকথার এই কল্পিত ড্রাগন স্থান করে নিয়েছে মানুষের কল্পনাতেও। প্রাচীন মায়া সভ্যতা ছাড়াও ‘নেটিভ’ আমেরিকানদের ‘চাকো’ জনগোষ্ঠীতে এখনো ড্রাগনের গল্প প্রচলিত।

প্রসূতি মায়েদের ভয়
সূর্যগ্রহণের সময় জন্ম নেওয়া শিশুদের ব্যাপারে দুই ধরনের গপ্প শুনতে পাওয়া যায়। এক, শিশুটি অসুস্থ হবে এবং দুই, শিশুটি চালাক হবে। তবে এ দুটি ধারণার কোনোটার ক্ষেত্রেই বিশ্বাস করার মতো যুক্তি বা তথ্য পাওয়া যায় না। প্রাচীন অ্যাজটেক সভ্যতায় বিশ্বাস করা হতো, চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদের এক টুকরো খেয়ে ফেলা হয়। ম্যাক্সিকান সংস্কৃতিতে এটা বিশ্বাসে পরিণত হয়, প্রসূতি মা সূর্যগ্রহণ দেখলে তার অনাগত সন্তানের এক টুকরো খেয়ে নেবে দেবতারা!

কাত হয়ে শুতে বারণ
সূর্যগ্রহণে অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের শান্তি নেই। সেন্ট লুইসে অবস্থিত মার্সি হাসপাতালের গাইনোকোলজিস্ট শাফিয়া ভুট্টোর মতে, সূর্যগ্রহণের সময় পাকিস্তানে মায়েদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে চিত করে শোয়ানো হতো। নইলে নাকি গর্ভের শিশু বিকলাঙ্গ হয়! বাংলাদেশেও এ ধারণার অস্তিত্ব রয়েছে। তবে গর্ভে শিশুকে রেখে চিত হয়ে শোয়াটা মায়েদের জন্য বেশ কষ্টসাধ্য ব্যাপার।

ধাতব অলংকার পরা, খাবার ও টয়লেটে বারণ
ধাতব অলংকার পরতে বারণ করা আছে ‘অ্যাস্ট্রোসেইজ’ নামে এক জ্যোতির্বিদ্যা সাইটে। অন্যদিকে ম্যাক্সিকান কুসংস্কারে, গ্রহণ চলাকালীন ধাতব অলংকার পরাকে উৎসাহিত করেছে। মেক্সিকোর প্রসূতি মায়েরা পেটের কাছে ধারালো ছুরি রাখতেন যেন গ্রহণের সময় সন্তানকে ঠোঁট কাটা রোগ থেকে বাঁচানো যায়। প্রচলিত আছে, সূর্যগ্রহণের ১২ ঘণ্টা এবং চন্দ্রগ্রহণের ৯ ঘণ্টা আগে থেকে খাবার গ্রহণ করা বারণ। এ সময় যৌন সংসর্গ বারণ, নিষেধাজ্ঞা রয়েছে মলমূত্র ত্যাগেও। তবে এসব ধারণার সুস্পষ্ট কারণ উল্লেখ নেই এবং নিশ্চিত ভাবেই কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই।

যেটি মানবেন
সূর্যগ্রহণের সময় সূর্যের দিকে সরাসরি তাকানো বারণ। এটি অবশ্যই মানবেন। সত্যি বলতে, যেকোনো সময়েই সূর্যের দিকে সরাসরি তাকাতে নেই। সে হোক গ্রহণের সময়, কিংবা স্বাভাবিক সময়ে। সূর্যগ্রহণ দেখতে কাঁসার পাত্রে পানি থেকে শুরু করে ব্যবহার হয়েছে কাজে লাগে না এমন এক্স-রে প্লেটও। এখন অবশ্য বিশেষ রোদচশমা দিয়ে সূর্যগ্রহণ দেখা যায়। সূর্যগ্রহণ নিয়ে কোনো কুসংস্কারে পাত্তা দেওয়ার কোনো মানে নেই।

সূত্র: ইউএসএ টুডে, কেএসএল ডট কম।

তিন ক্যামেরার সেরা চার স্মার্টফোন
                                  

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক

সেলফি তোলার জন্য চাই দারুণ ক্যামেরা। প্রিয় মুহূর্তগুলো ক্যামেরাবন্দি করতে কে না চায়। তাইতো স্মার্টফোন প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো এখন জোড় দিচ্ছে ক্যামেরার দিকে। এক ক্যামেরা থেকে তিন ক্যামেরা! বদলে যাচ্ছে স্মার্টফোনে আকারসহ আরও অনেক কিছু।
আজ আপনাকে জানাবো তিন ক্যামেরা সম্বলিত সেরা চার স্মার্টফোন -

রেডমি নোট ৮

বাজারে এসেছে রেডমি নোট ৮। এতে রয়েছে ৪৮ মেগাপিক্সেলের এআই-যুক্ত ক্যামেরা। এছাড়াও রয়েছে 4000mAh ব্যাটারি। ৬.৩ ইঞ্চির এই স্মার্টফোনে আছে ৪ জিবি র‌্যাম ও ৬৪ জিবি স্টোরেজ।

স্যামসাং গ্যালাক্সি এম৩০এস

৬.৪ ইঞ্চির এই ফোনে রয়েছে ৪ জিবি র‌্যাম ও ৬৪ জিবি স্টোরেজ। গ্যালাক্সি এম৩০এস এর ব্যাটারি ক্ষমতা 6000mAh। এতে রয়েছে ৪৮ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা। রয়েছে ৮ ও ৫ মেগাপিক্সেলের আরও দুটি ক্যামেরা।

ভিভো ইউ১০

১৩ + ৮ + ২ মেগাপিক্সেলের তিনটি ক্যামেরা রয়েছে ভিভো ইউ১০-এ। ৬.৩৫ ইঞ্চি ডিসপ্লের এই স্মার্টফোনে রয়েছে ৩ জিবি র‌্যাম ও ৩২ জিবি স্টোরেজ। এই স্টোরেজ ২৫৬ জিবি পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব। অ্যান্ড্রয়েড ৯-যুক্ত এই স্মার্টফোনের ব্যাটারি ক্ষমতা 5000mAh।

নোট ৮ প্রো

বিনা বাধায় গেমিংয়ের অভিজ্ঞতার জন্য নোট ৮ প্রো ভালো পছন্দ ক্রেতাদের। রয়েছে ৬.৫৩ ইঞ্চির ডিসপ্লে এবং ২.৫ডি কার্ভের গ্লাস। এতে আছে অ্যালেক্সা ফিচারও। ৬ জিবি র‌্যাম ও ১২৮ জিবি স্টোরেজের এই ফোনে রয়েছে 64 মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা।

ফেসবুকে ১০ প্রতারক থেকে সাবধান
                                  


অনলাইন ডেস্ক

ফেসবুকে নানা প্রলোভনের ফাঁদ পেতে রেখেছে সাইবার দুর্বৃত্তরা। সাইবার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিধবা, বিপত্নীক ও একলা থাকা লোকজনকে লক্ষ্য করেই এসব ফাঁদ। রোমান্টিক সম্পর্ক তৈরিতে প্রলুব্ধ করা হচ্ছে। এদের ফাঁদে একবার পা দিলেই নানা কৌশলে অর্থ হাতিয়ে নেওয়াসহ ব্ল্যাকমেলের শিকার হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। প্রতারকেরা উপহার, অর্থসহ নানা বিষয়ের প্রলোভন দেখিয়ে যোগাযোগ করে। লোভনীয় বার্তা পাঠিয়ে বা ‘ফিশিং’ করে বিভিন্ন তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।

ফেসবুকে বিভিন্ন লোভনীয় লিংক বা স্ক্যাম ছড়িয়ে শিকার ধরার চেষ্টা করা হয়। ফেসবুকে সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়া কয়েক ধরনের প্রতারণা সম্পর্কে সচেতন হওয়া জরুরি। ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ঠকাতে অনেক দিন ধরেই নানা রূপে এসব স্ক্যাম রয়ে গেছে। এখন আরও নতুন নতুনরূপে তা সামনে আসছে।

নাইজেরিয়ার রাজপুত্র: ইন্টারনেটজুড়েই একটি স্ক্যাম সবচেয়ে জনপ্রিয়। তা হচ্ছে নাইজেরিয়ার রাজপুত্রের নামে প্রতারণা। স্ক্যামে বলা হয়, নাইজেরিয়ার রাজপুত্র বা তাঁর পরিবারের সদস্যরা এখন বেজায় বিপদে। তাই দেশ থেকে দ্রুত অর্থ স্থানান্তর করতে চাইছে। ফেসবুক ব্যবহারকারীকে ওই অর্থ গ্রহণ করার প্রলোভন দেখানো হয়। এর বিনিময়ে শুধু অর্থ আনার খরচ চাওয়া হয়। অনেকেই এ প্রলোভনে পড়ে যোগাযোগ করে ফেলেন। এখন অবশ্য এ ধরনের প্রতারকদের বিরুদ্ধে অনেকেই সচেতন হয়েছেন। এতে নাইজেরিয়ার বদলে অন্যান্য দেশের পরিচিত কোনো পরিবারের সদস্যদের নাম ভাঙিয়ে এ ধরনের প্রতারণা করা হতে পারে।


স্পেনের বন্দী: ফেসবুকে এমন লিংক পেয়ে যেতে পারেন, যাতে দাবি করা হয় স্পেনের কেউ একজন প্রচুর অর্থের মালিক বিপদে পড়েছেন। তাঁকে আটকে রাখা হয়েছে। তিনি জরুরি অর্থ পাঠাতে চান। এ জন্য সাহায্য করলে তিনি পুরো অর্থ ফেসবুক ব্যবহারকারীর কাছে পাঠিয়ে দেবেন। এরপর একটা ভাগ তিনি পাবেন। এ ছাড়াও নানা প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ পাঠাতে উৎসাহী করে তোলে সাইবার দুর্বৃত্তরা। আগে মেইলে এ ধরনের প্রতারণা বেশি হতো। তবে এখন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমেও এ প্রতারণা ছড়িয়েছে।

গাড়ি বিক্রি: অনলাইনে নানা ক্লাসিফায়েড বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে গাড়ি বিক্রির কথা জানাতে পারে সাইবার প্রতারকেরা। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমেও নানাভাবে গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে প্রলোভন দেখায়। এ ক্ষেত্রে অনেক পরিচিত সাইট ব্যবহার করতে পারে। গাড়ি কিনতে আগ্রহী ক্রেতাদের লক্ষ্য করে এ ধরনের বিজ্ঞাপন দেখানো হয়। এরপর অর্থ স্থানান্তরের জন্য ভুয়া মাধ্যম ব্যবহার করে প্রতারণা করতে পারে। অনলাইনে গাড়ি কেনা ও অনলাইনে আগাম অর্থ পাঠানোর আগে সতর্ক করেন গবেষকেরা।

ভুয়া চাকরি: ফেসবুকে অনেক বড় প্রতিষ্ঠানের চাকরির বিজ্ঞাপন দেখে রোমাঞ্চিত হবেন না। চাকরিতে আবেদন করার আগে এবং কোনো সাক্ষাৎকারে যাওয়ার আগে তা প্রতারণা কি না, এ বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে নিন। অনলাইনে চ্যাটের মাধ্যমে সাক্ষাৎকার ও নিয়োগের কথা বললে প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব সম্পর্কে জেনে নিন। অনলাইনে নিয়োগের ক্ষেত্রে লেনদেনে সতর্ক থাকুন।

বাড়ি ভাড়া: অনেকেই ফেসবুকে সুন্দর বাড়ির ছবি দেখে ভাড়া নিতে চান। কিন্তু বাড়ি ভাড়া নেওয়ার জন্য বাড়ির প্রকৃত অবস্থা জানা প্রয়োজন। ফেসবুকে অনেক সময় প্রতারকেরা ভিন্ন বাড়ির ছবি দিয়ে বাড়ি কিনতে উৎসাহী করে তোলে। এ ক্ষেত্রে আগাম অর্থ পরিশোধ করলে ধোঁকা খেতে হতে পারে।

ফেসবুক রোমান্স: অনেকেই অনলাইনে সঙ্গীর খোঁজ করেন। সুযোগটা কাজে লাগাতে ওত পেতে থাকে সাইবার দুর্বৃত্তরা। ডিজিটাল প্রতারণার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি অর্থ লোকসান হয়েছে অনলাইন রোমান্সের ফাঁদে পা দিয়েই। ২০১৮ সালে ১৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার হাতিয়ে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা। ফেসবুকে বিভিন্ন সুন্দরী মেয়ে বা সুন্দর ছেলের পোস্ট দিয়ে তার সঙ্গে যোগাযোগে আগ্রহী করে তোলে দুর্বৃত্তরা। অনেকে ক্ষেত্রে দাতব্য কাজ, সঙ্গীহীন পরিচয় দিয়ে অর্থ চাইতে পারে। এমন প্রলোভনে ভুলে গেলেই সর্বনাশ।

গিফট কার্ড: আপনি ফেসবুকে লটারি জিতেছেন বা কোনো উপহার জিতেছেন বলে টাইমলাইনে পোস্ট দেখাতে পারে। বিনা মূল্যে উপহারের নমুনা দেখিয়ে সে লিংকটিতে ব্যবহারকারীকে ক্লিক করতে আকৃষ্ট করে দুর্বৃত্তরা। বর্তমানে ফেসবুকের দ্রুত ছড়িয়ে পড়া স্ক্যামগুলোর একটি এই গিফট কার্ড স্ক্যাম। এ ধরনের লিংকে ক্লিক করলে ব্যক্তিগত তথ্য চাওয়া হয়। এসব তথ্য দেওয়া হলেও কোনো উপহার পাওয়া যায় না বরং কম্পিউটারে ম্যালওয়্যার ডাউনলোড হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

তারকাদের ভিডিও: ফেসবুকে তারকাদের নিয়ে বা সমসাময়িক বিভিন্ন ঘটনা সংশ্লিষ্ট গুজব নিয়ে চটকদার খবরের পোস্ট পাওয়া যায়। অনেক সময় এ ধরনের খবরকে ‘ব্রেকিং নিউজ’, ‘গোপন খবর’, ‘গুমর ফাঁস’ ‘তথ্য ফাঁস’ ‘আড়ালের খবর’ ইত্যাদি নামে পরিবেশন করা হয়। ফেসবুকে চটকদার পোস্ট দিয়ে তাতে অধিকাংশ সময় লাইক চাওয়া হয়। ইসেটের বিশ্লেষকেদের পরামর্শ হচ্ছে, যে পোস্টগুলোতে লাইক চাওয়া হয় সে পোস্টগুলোতে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকুন। খবরের যে উত্সগুলো আপনার পরিচিত নয় সে সাইটগুলোর খবরে ক্লিক করলে ম্যালওয়্যার আক্রমণের ঝুঁকি থাকে। আসল খবরের আদলে সাইবার দুর্বৃত্তরা ফেসবুকে ভুয়া নিউজের লিংক পোস্ট করে তাদের উদ্দেশ্য সফল করে।

রিয়ান্না সেক্স টেপ: ফেসবুকে বিভিন্ন তারকাকে নিয়ে স্ক্যাম রয়েছে। এ ধরনের স্ক্যাম ফেসবুকে ৭.৫৩ শতাংশ জনপ্রিয়। মাইলি সাইরাস, কিম কারদাশিয়ান কিংবা রিয়ান্নাকে নিয়ে ফেসবুকে অসংখ্য স্ক্যাম রয়েছে। নতুন ও পুরোনো অনেক স্ক্যাম লিংক আপনাকে বোকা বানাতে পারে। মনে রাখবেন, ফেসবুকে রিয়ান্নার সেক্স ভিডিও নিয়ে যত লিংক পাবেন সব ভুয়া। তাই এতে ক্লিক করবেন না।

গোপন বোন: ফেসবুকে ‘গোপন বোন’ পরিচয়ের একটি নেটওয়ার্ক দ্রুত ছড়াচ্ছে। আকর্ষণীয় উপহারের প্যাকেজের লোভ দেখিয়ে নারী ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ঠকাতে ‘গোপন বোন’ পরিচয় ব্যবহার করা হচ্ছে। ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ইনবক্সে কিংবা নিউজফিড আকারে আকর্ষক একটি উপহার বিনিময়ের বার্তাটি চলে আসতে পারে।‘সিক্রেট সিস্টারস গিফট এক্সচেঞ্জ’ নামের এই বার্তায় উপহার পাঠানোর জন্য ব্যবহারকারীকে প্রলুব্ধ করা হয়। বলা হয়, যদি গোপনে ১০ ডলার মূল্যের একটি উপহার কাউকে পাঠিয়ে তালিকায় নাম লেখানো যায়, তবে এই রকম ৬ থেকে ৩৬টি পর্যন্ত উপহার পাওয়া যাচ্ছে।

যেভাবে সাবধান হবেন: ফেসবুকে প্রতারকের কবলে পড়া থেকে রক্ষা পেতে ব্যবহারকারীকে সচেতন হতে হবে। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সাইবার দুর্বৃত্তদের দৌরাত্ম্যে এ ধরনের স্ক্যাম পুরোপুরি সরিয়ে ফেলা সম্ভব হয় না। ব্যবহারকারীদের সচেতনতা ও প্রচেষ্টা থাকা দরকার। এ ধরনের সন্দেহজনক লিংকে ক্লিক করা বা ভিডিও দেখার ক্ষেত্রে সচেতন থাকতে হবে। গবেষকেরা বলছেন, ব্যবহারকারীরা এখন মোবাইল ফোনকে বেশি গুরুত্ব দেন বলে দুর্বৃত্তরা তাঁদের লক্ষ্য করছে বেশি। সামাজিক যোগাযোগের সাইটে আসা বিভিন্ন লিংক, বিশেষ করে মেসেঞ্জারের লিংক বা মোবাইল এসএমএসে এ ধরনের লিংক আসে বেশি। ফিশল্যাবের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানুষ এখন এসএমএস ও সামাজিক যোগাযোগের সাইটগুলোয় পোস্টগুলোকে বিশ্বাসযোগ্য উৎস হিসেবে মনে করছে।
সাইবার দুর্বৃত্তদের প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা পেতে এ ধরনের লিংকে ক্লিক করার আগে বা নির্দেশনা মানার আগে একটু দেখে নেওয়া প্রয়োজন। মনে রাখতে হবে, ফেসবুক বা অন্য কোনো সেবা থেকে লগইন লিংক এসএমএস বা অন্য কোনো উৎসে পাঠানো হবে না। অপরিচিত কেউ কোনো লিংক পাঠালে তাতে ক্লিক করবেন না।

সরকার ফেসবুকের কাছে আরও বেশি তথ্য চাইছে
                                  

তথ্য প্রযুক্তি ডেস্ক

ফেসবুক ব্যবহারকারী সম্পর্কে তথ্য পেতে ফেসবুকের কাছে অনুরোধ ব্যাপক হারে বেড়ে গেছে। বিভিন্ন দেশের সরকারের পক্ষ থেকে চলতি বছরের প্রথম ৬ মাসে তথ্য চাওয়ার হার ১৬ শতাংশ বেড়েছে। ফেসবুক তাদের চলতি বছরের ট্রান্সপারেন্সি প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, সরকারের পক্ষ থেকে তারা ১ লাখ ২৮ হাজার ৬১৭টি অনুরোধ পেয়েছে, যা ২০১৩ সালে এ প্রতিবেদন চালু হওয়ার পর থেকে সর্বোচ্চ।

প্রতি ছয় মাস পরপর ট্রান্সপারেন্সি প্রতিবেদন প্রকাশ করে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। প্রতিবেদনে কোন দেশের সরকার ফেসবুকের কাছে কী ধরনের অনুরোধ জানায়, তা তুলে ধরা হয়। তবে কোন অ্যাকাউন্টের তথ্য চাওয়া হয়, তা উল্লেখ করা হয় না।


ফেসবুকের এবারের ট্রান্সপারেন্সি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত ৯৫টি অনুরোধ করা হয়েছে। এ অনুরোধের মাধ্যমে ১২৩টি অ্যাকাউন্ট সম্পর্কিত তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে ৮০টি জরুরি অনুরোধ ও ১৫টি আইনি প্রক্রিয়ায় অনুরোধ করা হয়। ফেসবুক সরকারের অনুরোধে সাড়া দিয়ে ৪৩ শতাংশ তথ্য সরবরাহ করেছে। এর মধ্যে জরুরি অনুরোধে ৪৮ শতাংশ ও আইনি প্রক্রিয়ায় ২০ শতাংশ তথ্য দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত মে মাসে ফেসবুক গত বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বরের ট্রান্সপারেন্সি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। ওই প্রতিবেদনে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ব্যবহারকারীর তথ্য চেয়ে ফেসবুকের কাছে করা অনুরোধে সাড়া দিয়েছিল ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। ২০১৮ সালে জুলাই থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ফেসবুকের কাছে ১৪৯টি অনুরোধে ১৯৫টি অ্যাকাউন্টের তথ্য চেয়েছিল সরকার। এর মধ্যে আইনি প্রক্রিয়ায় ১৯টি আর ১৩০টি জরুরি অনুরোধে সরকারের পক্ষ থেকে তথ্য চাওয়া হয়। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ ৪৪ শতাংশ তথ্য সরবরাহ করেছিল। প্রতিবেদনের লিংক

ফেসবুকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ বছর ফেসবুক ব্যবহারকারীর তথ্য চেয়ে সবচেয়ে বেশি অনুরোধ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির পক্ষ থেকে ৫০ হাজার ৭৪১টি অনুরোধ পেয়েছে তারা। যুক্তরাষ্ট্রে ৮৮ শতাংশ ক্ষেত্রে তারা তথ্য সরবরাহ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকে এমন নির্দেশ এসেছে, যাতে ওই অনুরোধ সম্পর্কে ব্যবহারকারীকে জানাতে পারেনি ফেসবুক।

ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলছে, সরকারি নির্দেশ থাকলেও তারা প্রথমবারের মতো ১১টি ন্যাশনাল সিকিউরিটি লেটার্স (এনএসএল) সামনে আনতে পেরেছে। জাতীয় নিরাপত্তার অভিযোগে দেওয়া এমন নির্দেশের কারণে তথ্য প্রকাশ করতে পারে না ফেসবুক।

এবারের ফেসবুক প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বের ১৫টি দেশে ৬৭ বার ফেসবুক বন্ধ করার ঘটনা ঘটেছে। গত বছরের শেষ ৬ মাসে ৯টি দেশে ৫৩ বার ফেসবুক বন্ধের ঘটনা ঘটেছিল। এ ছাড়া ১১৬ কোটি কনটেন্ট ফেসবুক এ বছরেই সরিয়ে ফেলেছে, যা গত বছরের শেষ ছয় মাসে ছিল ৫৮ লাখ। ফেসবুকের নীতিমালা ভঙ্গ করায় কনটেন্ট সরিয়ে ফেলে ফেসবুক।

ফেসবুক প্রথমবারের মতো তাদের ট্রান্সপারেন্সি প্রতিবেদনে ইনস্টাগ্রামকে যুক্ত করেছে। ইনস্টাগ্রাম থেকে ১৬ লাখ ৮০ হাজার কনটেন্ট সরিয়েছে ফেসবুক।

 
হুয়াওয়ের কর্মীরা কেন এত খুশি?
                                  

অনলাইন ডেস্ক

বোনাস পেতে কোন কর্মীর ভালো না লাগে? চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের কর্মীদের মধ্যে এখন খুশির সুবাতাস বইছে। গতকাল মঙ্গলবার প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে কর্মীদের ব্যাপক বোনাস দেওয়ার ঘোষণা এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের কালো তালিকাভুক্তির মতো বড় বাধা থেকে বেরিয়ে আসতে কর্মীদের প্রচেষ্টার জন্য প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকার বেশি নগদ অর্থ বোনাস দেওয়ার ঘোষণা এসেছে।

চলতি বছরের মে মাসে বিশ্বের বৃহত্তম টেলিকম যন্ত্রাংশ নির্মাতার বিরুদ্ধে গোপন নজরদারির অভিযোগ তুলে কালো তালিকাভুক্ত করে যুক্তরাষ্ট্র। মিত্র দেশগুলোকে হুয়াওয়ের যন্ত্রাংশ না নিতে প্রভাব ফেলার চেষ্টা করে। হুয়াওয়ের পক্ষ থেকে সব ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করা হয়। হুয়াওয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের কালো তালিকাভুক্তির পর থেকে তারা দেশটির হার্ডওয়্যার নির্মাতাদের বদলে বিকল্প উৎসের সন্ধান করছে। যুক্তরাষ্ট্রের ওই বিধিনিষেধ তাদের যন্ত্রাংশ কেনার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করেছে।


যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের কাজের স্বীকৃতি হিসেবে বোনাস ঘোষণা করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির মানবসম্পদ বিভাগ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছে, হুয়াওয়ের এক লাখ ৯০ হাজার কর্মী চলতি মাসে দ্বিগুণ বেতন পাবেন।

হুয়াওয়ের একজন মুখপাত্র বলেন, হুয়াওয়ে ঘোষিত বোনাসের বেশির ভাগই পাচ্ছেন গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগ এবং যারা যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে অন্যান্য সাপ্লাই চেইন নিয়ে কাজ করছেন।

বোনাসের ঘোষণার তথ্য গতকাল মঙ্গলবার প্রথম প্রকাশ করে সাউথ চায়না মর্নিং।

ওয়াশিংটন মনে করে, চীন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হুয়াওয়ে। তাই তাদের যন্ত্রপাতি বিশেষ করে ৫-জি নেটওয়ার্ক প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত যন্ত্রাংশগুলো নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। হুয়াওয়ের পক্ষ থেকে চীন সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ নাকচ করা হয়েছে।

বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্মার্টফোন নির্মাতা হুয়াওয়ে। স্মার্টফোন বাজারে প্রবৃদ্ধি ধরে রেখে গত প্রান্তিকে ২৭ শতাংশ বাড়তি মুনাফা করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

 
ফেসবুককে ট্রল করে যা বললেন টুইটার প্রধান
                                  

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক

ফেসবুককে ট্রল করে যা বললেন টুইটার প্রধান
জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুককে নিয়ে ট্রল করলেন টুইটার এর সিইও জ্যাক ডরসি।

মঙ্গলবারই নিজেদের নতুন কর্পোরেট লোগো প্রকাশ করে ফেসবুক। রি-ব্র্যান্ডি করার উদ্দেশ্যে এবং নিজেদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ থেকে আলাদা একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে তুলে ধরতেই নতুন লোগো নিয়ে এলো ফেসবুক। সেই লোগো নিয়েই ট্রল করলেন টুইটার সিইও।



‘Twitter…..from TWITTER’ লেখাটি যে ফেসবুকের উদ্দেশ্যেই লেখা তা বলাই বাহুল্য।

মঙ্গলবারের লগো অনুযায়ী ব্র্যান্ড হিসাবে ফেসবুকের লগোতে সবকটি হরফ ইংরাজির বড় হরফে। সেটিই নকল করে বড় হরফে টুইটার লিখলেন জ্যাক।

শুধু তাই নয়, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটস্যাপের ক্ষেত্রে যেভাবে ইন্সটাগ্রাম ফ্রম ফেসবুক লেখা হবে, সেভাবেই নকল করে লিখলেন জ্যাক।

টুইটার সিইও-এর টুইটটি প্রায় ২৩ হাজার লাইক পেয়েছে। ৪,২০০-এরও বেশি কমেন্ট। তবে কমেন্টে অনেকেই টুইটার সিইওকেও ট্রল করতে ছাড়েননি। অনেকেই জানিয়ে দেন টুইটারের নতুন ইউজার ইন্টারফেস মোটেও ভাল না। ফেসবুককে ট্রল করার বদলে নিজেদের অ্যাপ আরও ভাল করার দিকে যেন নজর দেন জ্যাক।

 
বদলে গেল ফেসবুকের লোগো
                                  

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক

বদলে গেল জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের লোগো। গত সোমবার (৪ নভেম্বর) ফেসবুক প্যারেন্ট কোম্পানি হিশাসাবে নিজেদের এ নতুন লোগো প্রকাশ করেছে। তবে প্যারেন্ট কোম্পানির এ লোগো ফেসবুক অ্যাপের লোগো থেকে আলাদা।

ফেসবুকের নতুন লোগোতে শুধু ফেসবুক কথাটি জেনেরিক ফন্টে লেখা রয়েছে। তবে জিআইএফ ছবিতে কোম্পানির বিভিন্ন সংস্থার জন্য আলাদা রঙ ব্যবহার করা হয়েছে।

নতুন লোগোটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে ক্রেডিট কার্ডেও ঠিকমতো বসানো যাবে। লোগোটির জিআইএফ ফরম্যাটে ব্যবহৃত রঙের মধ্যে নীল রঙ দিয়ে ফেসবুক, সবুজ রঙ দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ ও গোলাপি রঙের মাধ্যমে ইনস্টাগ্রামকে বোঝানো হয়েছে।

নতুন এ লোগোটি জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন পণ্য ও সেবার পাশাপাশি বিপণন উপকরণে দেখা যাবে। এ বিষয়ে ফেসবুকের পক্ষ থেকে তাদের ব্লগ পোস্টে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়েছে।

বলা হয়ে, একটি অ্যাপ হিসেবে যাত্রা শুরু হয়েছিল ফেসবুকের। ১৫ বছর পরে ফেসবুকের পণ্য ও সেবার সংখ্যা বেড়েছে। বিভিন্ন ব্যবসা সৃষ্টি হওয়ায় এখন ফেসবুকের পণ্য সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা দিতেই ব্র্যান্ড লোগোতে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

 
যে ৩২ পাসওয়ার্ড ব্যবহার খুবই বিপজ্জনক
                                  

তথ্য প্রযুক্তি ডেস্ক


পাসওয়ার্ড হ্যাক করে কারও অ্যাকাউন্ট হাতিয়ে নেওয়া সাইবার দুর্বৃত্তদের জন্য সবচেয়ে সহজ কাজ। অনেক ক্ষেত্রে অজ্ঞতা বা অলসতার কারণে মানুষ সহজে অনুমাণযোগ্য পাসওয়ার্ড অনলাইন অ্যাকাউন্ট সুরক্ষার জন্য বসিয়ে রাখেন। অনেকেই ভুলে যান, তাঁর ব্যবহার করা সহজ পাসওয়ার্ড সহজে হ্যাক করে অ্যাকাউন্টের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেহাত হওয়ার ঝুঁকি থেকে যেতে পারে।

সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ইমিউনওয়েব সম্প্রতি ২ কোটি ১০ লাখ অ্যাকাউন্টের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখেছে, এক কোটি ৬০ লাখ অ্যাকাউন্টের তথ্য কোন না কোনোভাবে হ্যাকারদের হাতে গেছে। গত এক বছরের ফরচুন ৫০০ কোম্পানির তথ্য নিয়ে গবেষণা চালায় প্রতিষ্ঠানটি। গবেষকেরা দাবি করেন, তাঁরা দেখেছেন মাত্র ৪৯ লাখ অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে অনন্য পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা হয়েছে। অন্য অ্যাকাউন্টে ব্যবহৃত পাসওয়ার্ড সহজে অনুমাণ করা যায়। এসব অ্যাকাউন্টে ব্যবহার করা পাসওয়ার্ডের মধ্যে ৩২টি পাসওয়ার্ড সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয়েছে।


বিশেষজ্ঞরা বলেন, বহুল ব্যবহৃত সহজে অনুমাণযোগ্য এসব পাসওয়ার্ড ব্যবহার বিপজ্জনক। এগুলো ব্যবহার করলে অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়ে যেতে পারে। এর পরিবর্তে অক্ষর, সংখ্যা, চিহ্ন মিলিয়ে জটিল পাসওয়ার্ড তৈরি করে ব্যবহার করতে হবে। দেখে নিন ৩২টি বিপজ্জনক পাসওয়ার্ড:

000000,111111, 112233,123456, 12345678,123456789, 1 qaz2 wsx 8,3154061, 456 a 33,66936455, 789 _ 234, aaaaaa, abc 123, career 121, carrier, comdy, cheer!, cheezy, Exigent, old 123 ma, opensesame, pass 1, passer, passw0 rd, password, password 1, penispenis, snowman,! qaz1 qaz, soccer 1, student, welcome

 
ফেসবুক আইডি হ্যাক রোধে করণীয় জানালো ডিএমপি
                                  

তথ্য-প্রযুক্তি ডেস্ক

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুক এখন দৈনন্দিন কাজকর্ম ও জীবনযাপনের অংশ হয়ে উঠেছে। তবে নিরাপত্তা বিষয়ক নিয়ম-কানুন ভালোভাবে না জানার ফলে ফেসবুক আইডি হ্যাক হওয়ায় অনেককেই নানা হয়রানি ও বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন। হ্যাক কিংবা ভুয়া আইডি খুলে অপকর্মে জড়াচ্ছে একটি মহল। যেটি কখনো রূপ নিচ্ছে ভয়ংকর সংঘাতে। তাই নিজের ফেসবুক আইডিটি নিরাপদ রাখা অত্যন্ত জরুরি হয়ে উঠেছে।


ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ তাদের ফেসবুক পেজে এ সংক্রান্ত একটি পোস্ট দিয়েছে। যেখানে নিজের ফেসবুক আইডি নিরাপদ রাখতে করণীয় সম্পর্কে দেওয়া হয়েছে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা।

ডিএমপির পরামর্শ:

১. পাসওয়ার্ড রক্ষা করতে হবে: কখনও পাসওয়ার্ড কারো সঙ্গে শেয়ার করা যাবে না। এমন পাসওয়ার্ড নির্বাচন করুন যা অনুমান করা কঠিন। কখনই নিজের নাম বা সাধারণ শব্দ পাসওয়ার্ডে ব্যবহার করা উচিত না।

ফেসবুক পাসওয়ার্ডটি শুধু ফেসবুকের জন্য ব্যবহার করা উচিত। অন্য কোনো সিকিউরিটির ক্ষেত্রে একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করলে তা প্রকাশ পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

২. অন্য কেউ যেন আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লগ ইন করতে না পারে তাই অতিরিক্ত নিরাপত্তা (Login Approvals) ব্যবহার করতে পারেন। এজন্য ফেসবুকের Two step verification পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন।

৩. ই-মেইল অ্যাকাউন্ট নিরাপদ রাখতে হবে।

৪. ব্যবহার শেষে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে অবশ্যই লগ আউট করতে হবে।

৫. নিউজ ফিডে অথবা মেসেঞ্জারে সন্দেহজনক কোনো লিংক দেখলে সঙ্গে সঙ্গে রিমুভ করে দিতে হবে। নিশ্চিত না হয়ে যেকোনো গেম, অ্যাপ্লিকেশন এবং অন্যদের পাঠানো কোনো লিংকে ক্লিক করা উচিত না।

৬. ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বিকল্প ই-মেইল আইডি যুক্ত করুন। যদি আপনার প্রোফাইল কোনো কারণে হ্যাকও হয়ে যায় সেক্ষেত্রে ফেসবুক আপনার দ্বিতীয় ই-মেইলে আপনার অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধারের জন্য তথ্য পাঠাবে।

৭. অপরিচিত কারোর ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট গ্রহণ করার আগে তার প্রোফাইল চেক করে নিতে হবে।

৮. একেবারে ব্যক্তিগত কোনো ছবি, তথ্য (ফোন নম্বর, ঠিকানা, ই-মেইল অ্যাড্রেস ইত্যাদি) ফেসবুকে শেয়ার করা উচিত না।

৯. আপনার পোস্ট কারা দেখতে পারবে তা সতর্কভাবে নির্বাচন করতে হবে।

১০. পাবলিক কম্পিউটারে (সাইবার ক্যাফে, ল্যাব ইত্যাদি) ফেসবুক ব্যবহার না করাই ভালো। তবে ব্যবহার করতে হলে ব্যবহারের পর লগ ইন হিস্টোরি মুছে দিতে হবে।

ভুক্তভোগীর করণীয়:
ফেসবুক হ্যাকের মাধ্যমে হয়রানি কিংবা বিড়ম্বনার শিকার হলে কালক্ষেপণ না করে নিকটস্থ থানা পুলিশকে অবহিত করুন এবং জিডি অথবা মামলা করুন।

 
পোশাক খাতে রোবট আনছে সম্ভাবনা, সঙ্গে শঙ্কাও
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বিশাল কক্ষে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম তাপমাত্রায় দিনরাত সোয়েটার বোনায় ব্যস্ত ১২০টি নিটিং মেশিন। পাশেই কম্পিউটারে সোয়েটারের নকশা ও নির্দেশনা ঠিক করে দিচ্ছেন কিছু কর্মী। ওই নকশা ও নির্দেশনা মেনেই কাজ করে যাচ্ছে যন্ত্রগুলো।

 

সাভারে ঢাকা ইপিজেডের সফটেক্স সোয়েটার কারখানার চিত্র এটি। এক সময় যেখানে প্রতি পালায় অন্তত ৭০০ শ্রমিক কাজ করত কারখানাটির নিটিং বিভাগে, সেখানে এখন কাজ করে মাত্র ২২ জন। যন্ত্রে তৈরি সোয়েটারগুলো গোছানোই এখন তাদের মূল কাজ।

 

কারখানার হেড অব অপারেশনস তাহজীব উল গনি শাহজী জানালেন, এ কারখানায় কাপড় বোনায় আর শ্রমিকের হাত নেই।

 

“কম্পিউটারে তৈরি একটি সোয়েটারের নকশা ও পরিমাপ পেনড্রাইভে নিয়ে মেশিনে যুক্ত করে দিলেই হল। এখন একজন শ্রমিক একাই পাঁচটি মেশিন দেখভাল করতে পারেন। বুননের মূল কাজটি মেশিনই করে। মানুষ শুধু সেগুলো বুঝে নেয়।“

 

এই কারখানায় এখন জার্মানি ও চীনের তৈরি বিভিন্ন ধরনের ১৯২টি স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রে নিটিংয়ের কাজ হচ্ছে। আর এক সময় সাড়ে তিন হাজার শ্রমিক যৌথভাবে যা উৎপাদন করত এখন অর্ধেক শ্রমিক দিয়ে আধুনিক মেশিনে তার চেয়ে বেশি কাজ হচ্ছে।

প্রতিষ্ঠানটির মানব সম্পদ বিভাগের প্রধান আকিদুল ইসলাম মুকুল জানালেন, মেশিন চালানোর পাশাপাশি কম্পিউটার প্রোগ্রামিং বোঝেন এমন শ্রমিকদেরই তারা কাজে লাগাচ্ছেন। তবে নিটিং সেকশনের বাইরে উইন্ডিং, লিংকিং, ট্রিমিংসহ অন্যান্য বিভাগ আগের মতোই শ্রমিকের হাতে পরিচালিত হচ্ছে।

 

শুধু সফটেক্স সোয়েটারই নয়, বৈশ্বিক বাণিজ্যের বাস্তবতা আর প্রয়োজনের প্রেক্ষাপটে এভাবেই বাংলাদেশে তৈরি পোশাক উৎপাদনের চিত্রটি বদলাতে শুরু করেছে। সহজভাবে বললে, শ্রমঘন এই খাতটি হয়ে উঠছে রোবটপ্রযুক্তি বা স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রনির্ভর।

 

এতে উৎপাদনশীলতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পণ্যের মান ভালো হচ্ছে, কমছে কারখানাগুলোর শ্রমিক নির্ভরতা। কমছে শ্রমিক অসন্তোষের ঝুঁকিও। তবে উল্টোদিকে প্রযুক্তিনির্ভরতার কারণে এই খাতের লাখ লাখ শ্রমিকের কর্মহীন হয়ে পড়ার শঙ্কাও তৈরি হচ্ছে।   

 

বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি খাত পোশাক শিল্পে সবচেয়ে বেশি শ্রমিকের কর্মসংস্থান। বর্তমানে প্রায় ৪০ লাখ শ্রমিক এই শিল্পে সরাসরি যুক্ত।

 

যন্ত্রনির্ভরতার এই ‘ভালো-মন্দ’ দুটি চিত্রই পাওয়া যায় সফটেক্স সোয়েটারের কর্মকর্তা তাহজীবের কথায়।

 

তিনি জানান, তাদের কারখানায় আট বছর আগে আধুনিক প্রযুক্তি স্থাপনের ফলে উৎপাদন সক্ষমতা বেড়েছে অন্তত পাঁচগুণ। কাজের মানও আগের চেয়ে নিখুঁত হয়েছে।

 

“এক সময় ছয়শ হাতেচালিত মেশিনে কারখানায় যে কাজ করা হত, সেখানে এখন মাত্র দুইশ মেশিনে চলছে একই পরিমাণ উৎপাদন। তবে হাতেচালিত নিটিং মেশিনের পরিবর্তে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র স্থাপনের ফলে বেকার হয়েছে কিছু শ্রমিক।”

 

তবে কতগুলো কারখানা রোবটপ্রযুক্তি ব্যবহার করছে এবং এর ফলে কত শ্রমিক কর্মহীন হয়েছে- এই মুহূর্তে তার কোনো পরিসংখ্যান জানা না গেলেও মালিক-শ্রমিক এবং খাত সংশ্লিষ্ট কেউই কিন্তু প্রযুক্তিবিরোধী নন।

বরং যান্ত্রিকীকরণের মধ্য দিয়ে সংকুচিত হয়ে আসা শ্রমবাজারের বিকল্প হিসেবে নতুন কোনো খাতকে টেনে তোলা এবং শ্রমিকদের কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

 

আগ্রহী হয়ে উঠছেন মালিকরা

 

বাংলাদেশে তুলনামূলক বড় পোশাক কারখানাগুলো রোবটপ্রযুক্তি স্থাপনে এগিয়ে আছে। গত তিন-চার বছর ধরে এই প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে।

 

পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর পরিচালক সফটেক্স সোয়েটারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রেজওয়ান সেলিম নিজেকে অটোমেশনে যুক্ত হওয়া প্রথম সারির একজন মনে করেন। পোশাকখাতের পালাবদলের এই যাত্রায় অন্যদেরকে উৎসাহও দেন তিনি।

 

“সফটেক্স সোয়েটার অটোমেশনের পক্ষে পাইওনিয়র। আমি অন্যদেরকেও এজন্য উৎসাহিত করি। কারণ বর্তমান পরিস্থিতিতে বাজারে টিকে থাকতে হলে অটোমেশনে যুক্ত না হয়ে উপায় নেই,” বলেন এই ব্যবসায়ী।

 

রেজওয়ান বলেন, “এখন থেকে চার বছর আগে আমি অটোমেশন শুরু করি। এখন আমার কারখানার ফ্লোরে শ্রমিক নেই বললেই চলে, অথচ দিনরাত উৎপদান চলছে। চার বছর আগে এই কারখানায় তিন হাজার ৬০০ শ্রমিক ছিল। এখন সেখানে মাত্র ১৪শ শ্রমিক দিয়েই সেই কাজ করে ফেলা যাচ্ছে। বরং কাজের মান, উৎপাদনশীলতা আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে।”

 

রোবটপ্রযুক্তির পক্ষে যুক্তি দিয়ে তিনি বলেন, “কারখানায় স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি স্থাপন একটি চলমান প্রক্রিয়া। মালিকরা একটু একটু করে এসব ব্যয়বহুল যন্ত্রপাতি স্থাপন করছেন। এতে অধিক শ্রমিক নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসার পাশাপাশি উৎপাদনশীলতা বাড়ছে।

 

“বর্তমানে সারা বিশ্বে পোশাকের দাম কমে যাচ্ছে, অর্ডার কমে যাচ্ছে, অন্যদিকে শ্রমিকের মজুরি বেড়ে যাচ্ছে। এসব কারণে রোবটপ্রযুক্তি স্থাপন ও এর সুফল ঘরে তোলা এখন সময়ের দাবি।”

 

বাংলাদেশের পোশাক কারখানাগুলোয় রোবটপ্রযুক্তি ব্যবহার এখনও ব্যাপক আকারে শুরু না হলেও এই পথে না হাঁটলে ভবিষ্যতে ঝুঁকিতে পড়তে হবে বলে মনে করেন চট্টগ্রামের ডেনিম এক্সপার্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তাফিজ উদ্দিন।

 

তিনি বলেন, “বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে পোশাকখাতে অটোমেশন এখনও ব্যাপকভাবে শুরু হয়নি। তবে একটু একটু করে মালিকরা এই দিকে হাঁটছে। অটোমেশনে আমরা মাঝারি পর্যায়ে আছি। ইউরোপের বিভিন্ন দেশ, চীন, পাকিস্তান- এসব দেশ অটোমেশনে এগিয়ে গেছে।

 

“যে হারে শ্রমিকের বেতন বেড়েছে এবং বাজারে প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে, তাতে সক্ষমতা ধরে রাখতে অটোমেশনে যেতেই হবে। এতে পণ্যের উপাদান যেমন বাড়ে, খরচও কমে আসে। অটোমেশন না হলে ভবিষ্যতে এই খাত টিকতে পারবে না।”

বিরোধী নন শ্রমিকরাও

 

বকেয়া বেতন-ভাতা, চাকরিচ্যুতি, বন্ধ কারখানা খোলাসহ বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে পোশাক শ্রমিকদের প্রায়ই পথে নামতে হয়। কখনও কখনও পুলিশের সঙ্গে ঘটে যায় সংঘাত। শ্রমিক সংগঠনগুলোকেও বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে দেখা যায়।

 

কিন্তু অটোমেশনের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়ার বিষয়টি অনেকটা নীরবেই মেনে নিয়েছেন তারা। রোবটপ্রযুক্তি ব্যবহারের কারণে শ্রমবাজার সংকুচিত হয়ে পড়া নিয়ে খুব বেশি মতামত দেননা শ্রমিক নেতারাও। বাস্তবতাটা তারও মানছেন।

 

গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের কার্যকরি সভাপতি কাজী রুহুল আমিন বলেন, “বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট ও সময়ের প্রয়োজনে শিল্পখাতে, বিশেষ করে পোশাকখাতে রোবটপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। এর ফলে কারখানাভিত্তিক অনেক শ্রমক্ষেত্র কমে আসছে, শ্রমিকরা কাজ ছেড়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন। বাস্তবতাকে যেভাবে মেনে নিতে হয়, বিষয়টি সেভাবেই সবাইকে মেনে নিতে হবে।”

 

তবে এর বিপরীত একটি চিত্র দেখিয়ে এই শ্রমিক নেতা বলেন, “উদ্বেগের বিষয়টি হল, যেসব কারখানা অটোমেশনে গেছে, সেখানে শ্রমিক অনেক কমে গেছে। যারা আছে, সেই শ্রমিকদের কর্মঘণ্টা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

 

“আগে যেখানে আট ঘণ্টা কাজ করলেই চলত সেখানে এখন ১২ ঘণ্টা কাজ করানো হচ্ছে। তুলনামূলক পরিশ্রম কম হওয়ার কারণে অনেক সময় শ্রমিক সেটা মেনেও নিচ্ছে, এমনটি হওয়া উচিৎ নয়।”

 

কর্মঘণ্টা আট ঘণ্টায় সীমাবদ্ধ রেখে তিন শিফটে কাজ চালু রাখলে অটোমেশনের মধ্যেও কর্মসংস্থান বাড়ানো সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।

 

ঝুঁকি দেখছে আইএলও

 

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, উন্নত প্রযুক্তি, রোবটপ্রযুক্তির ব্যবহারের কারণে শ্রমিকদের কর্মহীন হওয়ার ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে বলে মনে করেন আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা- আইএলওর কান্ট্রি ডিরেক্টর তোমো পুতেনিয়ান।

 

এক প্রশ্নে তিনি বলেন, “অটোমেশনের ফলে বাংলাদেশে লাখ লাখ অদক্ষ শ্রমিকের কর্মহীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি উচ্চ দক্ষতা সম্পন্ন কর্মীদের কাজের ক্ষেত্রও বাড়বে। একটি উদীয়মান অর্থনীতির দেশ হিসেবে বাংলাদেশের বিশাল স্বল্পশিক্ষিত অদক্ষ শ্রমবাজার সত্যিই একটি ঝুঁকিতে রয়েছে।

“যদিও আইএলও মনুষ্য কায়িকশ্রম কমাতে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে থাকে, একই সঙ্গে প্রযুক্তির কারণে মানুষের কর্মহীন হওয়ার বিষয়টি নিয়েও উদ্বেগ দেখায়। প্রযুক্তির চাহিদা পূরণে মনুষ্য নিয়ন্ত্রিত প্রযুক্তির ওপর গুরুত্ব দেয় আইএলও।”

 

দরকার পদ্ধতিগত পরিকল্পনা

 

বিজিএমইএ সভাপতি মোহাম্মদী গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুবানা হকও অটোমেশনের পক্ষে। তবে তিনি অটোমেশনের কারণে চাকরি হারানো শ্রমিকদের বিকল্প কর্মসংস্থানের কথাও বলেছেন।

 

“অটোমেশন এখন বাস্তবতা ও প্রয়োজন। তাই আমাদেরকে শ্রমিকদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থানের চিন্তা শুরু করতে হবে। তাদের নতুন কর্মসংস্থানের চিন্তা করা সরকারের কাজেরও অংশ।

 

“সেটার জন্য একটি পদ্ধতিগত পরিকল্পনা নিতে হবে। পোশাকখাতের যারা শ্রমিক তাদেরকে এই মুহূর্তে প্রশিক্ষণ দিয়ে হয়তো প্রযুক্তিবিদ কিংবা এ ধরনের কিছু বানানো যাবেনা। কিন্তু তাদের জন্য উপযোগী কিছু অবশ্যই খুঁজে বের করতে হবে।”

 

বাংলাদেশের শ্রমিকদের হাতে তৈরি পোশাকপণ্যের আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং বা বাজার সৃষ্টি করা গেলে তা অটোমেশনের ঘাটতি পূরণে কিছুটা ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন তিনি।

 

“পশ্চিমা দেশগুলোতে বিভিন্ন হস্তশিল্প দেখা যায়, যেগুলোর বাজারমূল্য তুলনামূলক বেশি। সম্ভবত আমাদেরকেও এ ধরনের হাতে তৈরি পোশাকের দিকে নজর দেওয়া উচিত, যেখানে মূল্য সংযোজনের অধিকাংশটাই আসবে শ্রম থেকে। এছাড়া অন্যান্য বিকল্প বিভিন্ন চিন্তা আসা উচিত।”

 

শ্রমিক নেতা রুহুল আমিন মনে করেন, অটোমেশনের কারণে শ্রমিকদের ওপর যে ধাক্কাটা আসবে, সেটা সামলাতে সরকারকে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করতে হবে।

 

রুবানা হকের মতো তিনিও বেকার হয়ে যাওয়া শ্রমিকদের জন্য নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির কথা বলেছেন।  

 

“কারখানায় অটোমেশনকে আমরা শ্রমস্বার্থের বিরোধী বলতে চাই না। এটি একটি পরিবর্তন মাত্র। জীবনের সব ক্ষেত্রেই প্রযুক্তির এমন উপস্থিত দেখা যায়। তবে পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাওয়াতে সরকারকে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির দিকে নজর দিতে হবে। পাশাপাশি শ্রমিকদের মধ্যে নানামুখী যোগ্যতা ও দক্ষতার প্রবেশ ঘটিয়ে তাদেরকে আধুনিক শ্রমবাজারের উপযোগী করতে হবে।”

 

ফেসবুকে আঠার মতো লেগে থাকছে মানুষ
                                  

তথ্য-প্রযুক্তি ডেস্ক

ফেসবুকের বিরুদ্ধে নানা সমালোচনা থাকলেও এর ব্যবহারকারী বেড়েই চলেছে। একই সঙ্গে বাড়ছে ফেসবুকে মানুষের সময় কাটানোর পরিমাণ। সম্প্রতি ফেসবুকের পক্ষ থেকে চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিক অর্থাৎ, জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাসের আয় ঘোষণা করা হয়। তাতে ফেসবুকের অপ্রত্যাশিত আয় বাড়তে দেখা গেছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর ২৯ শতাংশ আয় বেড়েছে ফেসবুকের। ব্যবহারকারী ফেসবুকে বেশি সময় কাটানোর ফল পাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। তাদের তৈরি বিভিন্ন সম্পদে বিজ্ঞাপনের ইমপ্রেশন ৩৭ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে গেছে। এর মধ্যে ইনস্টাগ্রাম ফিড ও স্টোরিজ রয়েছে।

ফেসবুকের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা ডেভ ওহেনার বলেছেন, ফেসবুকের আয় বাড়ার প্রধান কারণ হচ্ছে-ফেসবুক নিউজ ফিডে মানুষের সময় কাটানোর হার বেড়ে যাওয়া। এতে ফেসবুকের অভ্যন্তরীণ পর্যায়ে খুব বেশি প্রচার চালানো হয়নি। এরপরও এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের সময় কাটানোর হার ব্যাপকহারে বেড়েছে। ফেসবুকের আয় সবচেয়ে বেড়েছে এসব অঞ্চল থেকেই।


ওহেনার আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাতেও ফেসবুক নিউজ ফিড ঘিরে ব্যবহারকারীর সক্রিয়তা (এনগেজমেন্ট) বেড়েছে। নির্বাচনে হস্তক্ষেপ, রাজনৈতিক বক্তব্য, তথ্য সুরক্ষা ও ভুয়া খবর ঠেকাতে ব্যর্থতার মতো অভিযোগে উত্তর আমেরিকায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়লেও যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাতে এনগেজমেন্ট বাড়ার বিষয়টি ফেসবুকের বিনিয়োগকারীদের কাছে বিষয়টি চমক হিসেবে এসেছে। কোনো সমালোচনায় ব্যবহারকারীদের ফেসবুক বিমুখ করতে পারেনি।

দুই বছর আগে ফেসবুক তাদের মূল কনটেন্ট ও অর্থপূর্ণ যোগাযোগের বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে নিউজফিড অ্যালগরিদম হালনাগাদ করে। ফেসবুক থেকে বিভিন্ন মিডিয়া কনটেন্ট ও ভাইরাল ভিডিওর বিষয়গুলোকে সরিয়ে ফেলা হয়। এতে ফেসবুকে ব্যবহারকারী ফেসবুকে কম সময় দেবে বলে আশঙ্কা করা হয়েছিল। ২০১৭ সালের শেষ প্রান্তিকে ওই অ্যালগরিদম পরিবর্তনের ফলে নেতিবাচক প্রভাব পড়লেও দীর্ঘ মেয়াদে বরং তাদের ইতিবাচক ফল এসেছে। এখন ব্যবহারকারী আরও বেশি সময় দিচ্ছেন ফেসবুকে।

ফেসবুক তাদের নিউজ ফিড ঘিরে বেশ কিছু নতুন ফিচার চালু করেছে। ফেসবুক ওয়াচ নামের ভিডিও সেবাটি ২ বছরের মধ্যেই ১৪ কোটি ব্যবহারকারীতে পৌঁছেছে। ফেসবুক এখন নির্দিষ্ট নিউজ ট্যাব বা খবর দেখানোর বিশেষ ফিচার নিয়ে কাজ করছে। এতে ফেসবুকে মানুষের সময় কাটানোর পরিমাণ আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত তিন মাসে তাদের মাসিক ব্যবহারকারী ১ দশমিক ৬৫ শতাংশ বেড়ে ২৪৫ কোটিতে পৌঁছে গেছে। বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিক, অর্থাৎ, এপ্রিল থেকে জুন মাসে তাদের ব্যবহারকারী বাড়ার হার ছিল ১ দশমিক ৬ শতাংশ। ওই সময় তাদের ব্যবহারকারী ছিল ২৪১ কোটি। বর্তমানে দৈনিক ১৬২ কোটি মানুষ সক্রিয়ভাবে ফেসবুক ব্যবহার করছেন, যা গত প্রান্তিকের তুলনায় ২ শতাংশ বেশি। গত প্রান্তিকে দৈনিক ফেসবুক ব্যবহারকারী ছিলেন ১৫৮ কোটি ৭০ লাখ।

৫-জি বাস্তবায়নে পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাবনা-নীতিমালা হচ্ছে
                                  

তথ্য-প্রযুক্তি ডেস্ক

ফাইভ-জি বাস্তবায়নে পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাবনা ও নীতিমালা করছে সরকার। পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাবনা ও নীতিমালা করতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কাছে তথ্য চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে।

বিটিআরসির চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমাণ বিকাশের ধারাবাহিকতায় সরকার ৫-জি সেবা প্রবর্তনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। মোবাইল ব্রডব্যান্ড সেবার সর্বশেষ সংস্করণ হলো ৫-জি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ৪-জি প্রযুক্তি অপেক্ষা নেটওয়ার্ক ক্যাপাসিটি বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে এবং বিভিন্ন ধরনের সেবা ও কার্যক্রম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (আর্টিফিসিয়েল ইন্টিলিজেন্স) মাধ্যমে সম্পাদন করা যাবে। এই প্রযুক্তিতে গ্রাহক প্রতি ডাটা স্পিড, স্পেকট্রাল ইফিসিয়েন্সি, মবিলিটি, টাইম ডিলে’র মতো নেটওয়ার্ক ডাইমেনশনগুলো অনেক গুণে উন্নত হবে।

এতে আরও বলা হয়, বর্তমানে প্রচলিত মোবাইল গ্রাহক হিসেবে শুধুমাত্র মানুষকে বিবেচনা করা হলেও ৫-জি প্রযুক্তির অন্যতম প্রধান সার্ভিস হল ‘ইন্টারনেট অব থিংকস (আইওটি)’ যেখানে ‘মেশিন টু মেশিন’ কমিউনিকেশনের জন্য ব্যবহৃত ডিভাইসকেও গ্রাহক হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সরকারের ৫-জি সেবা প্রবর্তনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ৫-জি সংশ্লিষ্ট পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাবনা এবং নীতিমালা প্রণয়নের জন্য সরকারের প্রতিনিধি, টেলিযোগাযোগ সেক্টরের নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিনিধি, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, আর্মড ফোর্সেস ডিভিশন এবং অপারেটরদের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গত ৪ আগস্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে’ উল্লেখ করা হয় চিঠিতে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী ৫-জি সেবা চালু ও প্রদান করার জন্য ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এবং সরকারের সকল মন্ত্রণালয়/বিভাগ এর অধীনস্থ সব দফতর ও সংস্থার সহায়তার প্রয়োজন উল্লেখ করা হয় চিঠিতে। একটি পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাবনা এবং নীতিমালা প্রণয়নে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ এবং অধীনস্থ সকল দফতর ও সংস্থার তথ্যাদি সংযুক্ত ছক তৈরি করে তা পাঠানো হয়েছে।

সেবার নাম, সেবার বর্ণনা, সেবাটি বর্তমানে সফটওয়্যার ভিত্তিক কিনা, ৫-জি-এর মাধ্যমে প্রদানযোগ্য কি না- এসব তথ্য ছকে জানতে চেয়েছে বিটিআরসি।

 
নিজস্ব ইন্টারনেট ব্যবস্থায় পা রাখল রাশিয়া, নতুন আইন পাশ
                                  


তথ্য-প্রযুক্তি ডেস্ক

বৈশ্বিক ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নিজেদের তৈরি ওয়েব ভার্সন ‘রুনেটে’ পরীক্ষামূলকভাবে যাত্রা শুরু করেছে রাশিয়া। শুক্রবার থেকে তারা এই নিজস্ব ইন্টারনেট ব্যবস্থায় যুক্ত হয়।

রাশিয়া আপাতত কয়েক বছর নির্দিষ্ট একটি সময়ে বৈশ্বিক ইন্টারনেট ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে নিজেদের সক্ষমতা যাচাই করবে। ২০২১ সাল পর্যন্ত চলবে এ কার্যক্রম।
আরও পড়ুন
মটোরোলার ফোল্ডেবল ফোনের ছবি ফাঁস
মটোরোলার ফোল্ডেবল ফোনের ছবি ফাঁস
শনিবার, ২ নভেম্বর, ২০১৯
সিলিকন ভ্যালির বদৌলতে মধ্যপ্রাচ্যে রমরমা দাস ব্যবসা
সিলিকন ভ্যালির বদৌলতে মধ্যপ্রাচ্যে রমরমা দাস ব্যবসা
শনিবার, ২ নভেম্বর, ২০১৯

তবে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তার এই পরিকল্পনাকে ইন্টারনেট ‘বিপ্লব’ বললেও পশ্চিমা বিশ্লেষকরা বলছেন, ‘গণতন্ত্রকে রুদ্ধ’ করার ‘ভয়ংকর’ খেলা।
পৃথিবীর ইন্টারনেট ব্যবস্থার মূলত কোনো কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান নেই। নেটওয়ার্ক সচল রাখতে একটি দেশকে তার নিজের যন্ত্রপাতির ওপর যেমন নির্ভর করতে হয়, তেমনি বিদেশিদের দিকেও তাকিয়ে থাকতে হয়। সম্মিলিত এই প্রক্রিয়া সাগরতলের ক্যাবল কিংবা স্যাটেলাইট দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। যেখানে থাকে না কোনো সীমান্ত। অনলাইনের কল্যাণে পৃথিবীটা হয়ে যায় উন্মুক্ত।

কয়েক মাস আগে কঙ্গো তাদের নির্বাচনের সময় ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়েছিল। এখন রাশিয়াও এমনটি করছে। কিন্তু তাদের পরিকল্পনা আরও বড়। নিজস্ব ইন্টারনেট ব্যবস্থার জন্য কঙ্গোর কোনো অবকাঠামো নেই। রাশিয়া কয়েক বছর ধরে হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে সেই কাঠামো গড়েছে।

নিজস্ব ইন্টারনেট ব্যবস্থা গড়তে রাশিয়া তাদের সংসদে নতুন আইন পাস করেছে। দেশটির নিউজ পোর্টাল দ্য মস্কো টাইমসের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, এ আইনের দুটি অংশ। প্রথমত, যেকোনো জরুরি অবস্থায় বৈশ্বিক ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন হতে রাশিয়া ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ) থেকে বের হতে বিকল্প ডোমেইন নেম সিস্টেম (ডিএনএস) গড়বে। দ্বিতীয়ত, রাশিয়ান ইন্টারনেট প্রোভাইডাররা সরকারের ডিপ প্যাকেজ ইন্সপেকশন (ডিপিআই) টুল ক্রয় করতে এবং ইনস্টল করতে বাধ্য থাকবে। এ টুলই সব ইন্টারনেট ব্যবস্থার জন্য ফিল্টারের কাজ করবে। সরকারকে ফাঁকি দিয়ে অনলাইনে কেউ কিছু করতে পারবেন না।

এদিকে নিজস্ব ইন্টারনেট ব্যবস্থায় যাওয়ার পর পুরো প্রক্রিয়া ভেঙে না পড়লেও দেশটির অনেক প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ব্যাংক, হাসপাতাল কিংবা বিমান সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট বন্ধ হয়ে যেতে পারে। অধিকাংশ ওয়েব পেজ ভিন্ন ভিন্ন সার্ভারের ওপর নির্ভর করে। এগুলো বিশ্বের অন্য দেশে অদৃশ্য হয়ে যাবে।

রাশিয়ার এমন সিদ্ধান্তে প্রভাবিত হচ্ছে অন্য কয়েকটি দেশও। কয়েক দশক পর দেশে দেশে এ ব্যবস্থা চালু হলে হুমকিতে পড়বে বিশ্বসভ্যতা। এমনটাই মনে করেন রাশিয়ার প্রযুক্তি বিশ্লেষক অ্যান্ড্রু সুলিভান।

 
ফিটবিটে গুগলের ২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ
                                  

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক

ফিটনেস বিষয়ক ইলেকট্রনিক গ্যাজেট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ফিটবিট যখন টিকে থাকার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে, ঠিক তখনই এটিতে বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে গুগল। মার্কিন টেক জায়ান্ট গুগল ফিটবিটে প্রায় দুই দশমিক এক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে বলে খবর ঘুরছে বিশ্ব টেক পাড়ায়।


বিবিসি তাদের এক প্রতিবেদনে জানায়, লেনদেন সম্পন্ন না হলেও ফিটবিটে গুগলের এই বিনিয়োগ এক রকম চূড়ান্ত। আর লেনদেন হবে ২০২০ সালে। ২০১৫ সালে ফিটবিটের মূল্য নির্ধারিত হয় প্রায় চার বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি শেয়ারের মূল্য প্রায় সাড়ে সাত ডলার।

ইতোমধ্যে বিশ্বজুড়ে প্রায় ১০০ মিলিয়ন ডিভাইস বিক্রি করেছে ফিটবিট। তবে বিগত কয়েক বছর ধরেই ফিটনেস সম্পর্কিত বাজারে আরও কিছু গ্যাজেট আসলে ব্যাপক প্রতিযোগিতার মুখে পড়ে প্রতিষ্ঠানটি। অ্যাপলের স্মার্টওয়াচ সেসব গ্যাজেটের মধ্যে অন্যতম।

প্রায় ১২ বছর আগে ফিটবিট চালু করা প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম উদ্যোক্তা ও প্রধান নির্বাহী জেমস পার্ক বিবিসিকে বলেন, আমাদের পথচলা অব্যাহত রাখায় গুগল একটি আদর্শ অংশীদার। গুগলের সম্পদ এবং গ্লোবাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে ফিটবিট পরিধানযোগ্য ফিটনেস গ্যাজেট খাতে আরও ইনোভেশন নিয়ে আসবে এবং মানুষদের আরও বেশি স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া মাধ্যমে নিজেদের ব্যবসা সম্প্রসারণ করবে।

তবে টেক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানের মানুষের যে স্বাস্থ্য তথ্য ফিটবিটের কাছে আছে, সেটিই গুগলের এই বিনিয়োগের মূল কারণ। এমনকি বর্তমানেও এসব তথ্য গুগলের ক্লাউডেই রাখছে ফিটবিট। যদিও প্রতিষ্ঠানটির প্রধানের দাবি, বিনিয়োগ করলেও প্রায় ২৮ মিলিয়ন মানুষের সেই তথ্য পাবে না গুগল।

 
সিলিকন ভ্যালির বদৌলতে মধ্যপ্রাচ্যে রমরমা দাস ব্যবসা
                                  

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক

গুগল, ফেসবুক, অ্যাপল, মাইক্রোসফটের মতো প্রতিষ্ঠানের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালির খ্যাতি বিশ্বজোড়া। কিন্তু, নামিদামি এসব প্রতিষ্ঠানের বদৌলতেই মধ্যপ্রাচ্যে চলছে রমরমা দাস ব্যবসা। বিশেষ করে ‘যৌনদাসী’ হিসেবে নারীর কেনাবেচা। যেন মধ্যযুগের বর্বরতা আধুনিক যুগে এসে পেয়েছে তথ্যপ্রযুক্তির ডিজিটাল রূপ।


সম্প্রতি বিবিসি নিউজ অ্যারাবিক-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে দাসীদের হৃদয়বিদারক ও যন্ত্রণার কথা।

জানা যায়, দাসী হিসেবে এসব নারীদের বিক্রির জন্য দেওয়া হয় চটকদার বিজ্ঞাপন। সর্বোচ্চ দাম হাঁকিয়ে তাদের কিনে নিতেও আছে প্রতিযোগিতা। একবার টাকা খরচ করে কিনলেও ক্ষতি নেই, চাহিদা পূরণের পর আবার বিক্রি করে উঠিয়ে নেওয়া যাবে সেই বিনিয়োগ। খদ্দের সেজে নারী কেনাবেচার এমনই বাজার প্রত্যক্ষ করেছেন ওয়েন পিনেল ও জেস কেলী। অ্যাপের মাধ্যমে নারীদের বিক্রি করেন এমন ৫৭ জন বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলেন তারা। প্রায় এক ডজনেরও বেশি বিক্রেতার সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করেছেন বলেও জানান প্রতিবেদকরা।

মধ্যপ্রাচ্যের কুয়েত ও সৌদি আরব নারী কেনাবেচার জন্য সবচেয়ে নিরাপদ বাজার। ফেসবুকের মালিকানাধীন ইনস্টাগ্রাম, অ্যাপলের অ্যাপ স্টোর ও গুগলের প্লে স্টোরে থাকা অ্যাপ দিয়ে বিকিকিনি চলে দাসীদের। কুয়েতে দাসীদের কেনাবেচার জন্য জনপ্রিয় অ্যাপ হচ্ছে ‘ফর সেল’। সৌদিতে আরবে এমনই একটি অ্যাপের নাম ‘হারাজ’। এছাড়া ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে দাসী বিক্রির বিজ্ঞাপন দিয়ে যাবতীয় যোগাযোগ ও লেনদেন সারা হয় ব্যক্তিগত মেসেজিংয়ের মাধ্যমে। এসব মাধ্যমে দুই থেকে তিন হাজার মার্কিন ডলারে সাধারণ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মতো বেচাকেনা চলে হতভাগ্য নারীদের।

এক নারীকে একাধিকবার বেচাকেনা হয়। ছবি: সংগৃহীত
নারীদের শুধু বিক্রি নয়, তাদের ‘বশে’ রাখার কৌশলও শিখিয়ে দেন বিক্রেতারা। তারা জানান, নারীদের এই নরক থেকে বের হওয়ার সব পথ বন্ধ করে দিতে শুরুতেই কেড়ে নেওয়া হয় তাদের পাসপোর্ট ও মোবাইল ফোন। এরপর নিষিদ্ধ করা হয় বাড়ির বাইরে যাওয়া। সামান্য খাবার দিয়ে কোনোমতে বাঁচিয়ে রাখা হয় তাদের। পদবি গৃহকর্মী হলেও মূলত পুরুষদের যৌনদাসী হয়েই থাকতে হয় তাদের।

গ্রাহকদের আকৃষ্ট করতে এসব নারীদের কে কত দিন না ঘুমিয়ে থাকতে পারে, কে কত কম খাবার খায়, এমনকি কে কোনো প্রতিবাদ করে না, সেসব বিষয় বাড়তি যোগ্যতা আকারে প্রকাশ করা হয়। একদিনও যারা ছুটি চান না বা দিনের ২৪ ঘণ্টাই যাদের দিয়ে কাজ করানো যায়, তাদের দামও বেশ চড়া দরে হাকেন বিক্রেতা। এমন দাস বিক্রিতে কুয়েতের এক পুলিশ কর্মকর্তারও জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়েছে বিবিসির অনুসন্ধানী দল।

এসব বিষয়ে জাতিসংঘের বিশেষ দূত উর্মিলা ভুলা বিবিসি’কে বলেন, তারা (গুগল, ফেসবুক, অ্যাপল) মূলত অনলাইন দাসী বাজারকে প্রমোট করছে। এমন অ্যাপ যদি তাদের প্ল্যাটফর্মে থাকে, তাহলে তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। এগুলো আধুনিক দাস প্রথার নমুনা।

নামে গৃহকর্মী হলেও থাকতে হয় যৌনদাসী হিসেবে। ছবি: সংগৃহীত
এদিকে, নিজেদের অ্যালগরিদম থেকে দাসী বা নারী বিক্রির হ্যাশট্যাগ মুছে দেওয়ার কথা জানিয়েছে ফেসবুক। আর নিজেদের অ্যাপ স্টোরে এসবের সঙ্গে জড়িত অ্যাপস খুঁজে বের করে সরিয়ে ফেলার অঙ্গীকার করেছে গুগল ও অ্যাপল। কুয়েত সরকার এর তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন বলে বিবিসির ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

প্রতি বছর গৃহকর্মী হিসেবে অসংখ্য নারী পাচার করা হয় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে। বিশ্বের বিভিন্ন অনুন্নত দেশ অথবা স্বল্পোন্নত দেশের আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল পরিবার থেকে মেয়েদের গৃহকর্মীর কাজের কথা বলে নিয়ে আসা হয়। একবার মধ্যপ্রাচ্যে এসে কারও কাছে বিক্রি হয়ে যাওয়া মাত্রই হতভাগা সেসব নারীদের সামনে ফুটে ওঠে দুর্বিসহ জীবনের চিত্র।

 

   Page 1 of 10
     তথ্য-প্রযুক্তি
দেশের সকল মানুষকেই আমরা অনলাইনে আনবো: জয়
.............................................................................................
সূর্যগ্রহণ: যা মানবেন যা মানবেন না
.............................................................................................
তিন ক্যামেরার সেরা চার স্মার্টফোন
.............................................................................................
ফেসবুকে ১০ প্রতারক থেকে সাবধান
.............................................................................................
সরকার ফেসবুকের কাছে আরও বেশি তথ্য চাইছে
.............................................................................................
হুয়াওয়ের কর্মীরা কেন এত খুশি?
.............................................................................................
ফেসবুককে ট্রল করে যা বললেন টুইটার প্রধান
.............................................................................................
বদলে গেল ফেসবুকের লোগো
.............................................................................................
যে ৩২ পাসওয়ার্ড ব্যবহার খুবই বিপজ্জনক
.............................................................................................
ফেসবুক আইডি হ্যাক রোধে করণীয় জানালো ডিএমপি
.............................................................................................
পোশাক খাতে রোবট আনছে সম্ভাবনা, সঙ্গে শঙ্কাও
.............................................................................................
ফেসবুকে আঠার মতো লেগে থাকছে মানুষ
.............................................................................................
৫-জি বাস্তবায়নে পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাবনা-নীতিমালা হচ্ছে
.............................................................................................
নিজস্ব ইন্টারনেট ব্যবস্থায় পা রাখল রাশিয়া, নতুন আইন পাশ
.............................................................................................
ফিটবিটে গুগলের ২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ
.............................................................................................
সিলিকন ভ্যালির বদৌলতে মধ্যপ্রাচ্যে রমরমা দাস ব্যবসা
.............................................................................................
হোয়াটসঅ্যাপেও গোপন নজরদারি!
.............................................................................................
‘১ মিনিটেই নগদ অ্যাকাউন্ট’ কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন জয়
.............................................................................................
ফেসবুকের বিরুদ্ধে সাড়ে ৩ হাজার কোটি ডলারের মামলা
.............................................................................................
মধ্যবিত্তের জন্য আসছে হিরোর নতুন বাইক
.............................................................................................
আবরারের আইডি ফেসবুকে ‘রিমেম্বারিং’
.............................................................................................
বিজ্ঞাপনের ৫২ শতাংশ ২০২১ সাল নাগাদ ইন্টারনেটে যাবে
.............................................................................................
গুগল ছাড়া হুয়াওয়ে!
.............................................................................................
ফেসবুকের নতুন ফিচার, অনেক সমস্যার সমাধান
.............................................................................................
স্যামসাং অ্যাপলের ফোন ব্যবহারে ক্যান্সারের ঝুঁকি, আদালতে মামলা
.............................................................................................
আইফোন ইলেভেন সিরিজ দেখুন ছবিতে
.............................................................................................
ট্রিপল ক্যামেরার আইফোন ১১ মিলবে ৬৯৯ ডলারেই
.............................................................................................
ফেসবুক পোস্টে লাইকের সংখ্যা আর দেখা যাবে না!
.............................................................................................
রিমোটে চলবে জীবিত কুকুর!
.............................................................................................
চমক নিয়ে আইফোন ১১ আসছে সেপ্টেম্বরে
.............................................................................................
নতুন ৫ ফিচারে আকর্ষণীয় হচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ
.............................................................................................
গুগলে রাজনৈতিক আলোচনা নিষিদ্ধ
.............................................................................................
স্মার্টফোন ফুল চার্জ হবে ৬ মিনিটে
.............................................................................................
সুন্দর ছবির ৫ অ্যাপ
.............................................................................................
বৃষ্টিতে মোবাইল ভিজলে যা করবেন
.............................................................................................
বাজারে এলো নচ ডিসপ্লের প্রিমো এস৭
.............................................................................................
ল্যাপটপের স্ক্রিন ১ ইঞ্চি !
.............................................................................................
ফেসবুকে প্রেম, ঘনিষ্টতা, অতপরঃ...
.............................................................................................
বাজারে এস-১ নামে ভিভো`র নতুন স্মার্টফোন
.............................................................................................
চাঁদে পা রাখার ৫০ বছর উপলক্ষে গুগলের ডুডল
.............................................................................................
ফেসঅ্যাপের হাতে কোটি মানুষের তথ্য !
.............................................................................................
বাংলাদেশের পণ্য বিদেশে বিক্রি করবে অ্যামাজন
.............................................................................................
প্রফেশনাল নেটওয়ার্কিংয়ের জন্য ‘সার্কেল লাইনার ডটকম’
.............................................................................................
বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে অ্যাপ
.............................................................................................
আজ রাতে পূর্ণ সূর্যগ্রহণ ঘটবে
.............................................................................................
মঙ্গলবার পূর্ণ সূর্য গ্রহণ
.............................................................................................
স্মার্টফোনের ব্যাটারি ভালো রাখতে. . .
.............................................................................................
হুয়াওয়ের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার
.............................................................................................
সেপ্টেম্বরের পর থেকে ফেসবুক-ইউটিউবে হস্তক্ষেপ : জব্বার
.............................................................................................
১৩ মিনিটেই ফুল চার্জ হবে স্মার্টফোন!
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]