| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * আবারও হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ব্যবহারে ‘না’ করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা   * বিশ্বব্যাপী করোনা আক্রান্তের সর্বোচ্চ রেকর্ড আজ   * সৌদিতে করোনায় পাঁচ শতাধিক বাংলাদেশির মৃত্যু, আক্রান্ত প্রায় ২০ হাজার   * ট্রাম্পের বিপক্ষে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন কার্দাশিয়ানের স্বামী কেনি   * মৃত্যু বেড়ে ২০৫২, মোট শনাক্ত ১৬২৪১৭   * কাতার বিশ্বকাপের চমক ‘রোবট রেফারি’   * শ্রীলঙ্কার কুশল মেন্ডিস গ্রেফতার   * ১ কোটি ১৩ লাখ ছাড়াল আক্রান্ত, মৃত্যু ৫ লাখ ৩৩ হাজার   * করোনায় মৃত্যুর তালিকায় পাঁচে মেক্সিকো   * ২৪ ঘন্টায় অবস্থার অবনতি, করোনায় আক্রান্ত পাক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাসপাতালে ভর্তি  

   রাজনীতি -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
করোনাভাইরাস পরীক্ষায় ফি আরোপ করা গণবিরোধী সিদ্ধান্ত : রিজভী

 অবিলম্বে করোনাভাইরাস টেস্টের ফি বাতিল করে বিনামূল্যে নাগরিকদের টেস্টের ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, করোনাভাইরাস পরীক্ষায় কি নির্ধারণ গণবিরোধী সিদ্ধান্ত। এই সিদ্ধান্ত বাতিল করে সারাদেশে বিনামূল্যে করোনাভাইরাস টেস্টের ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাই।

আজ শনিবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক ভিডিও কনফারেন্সে তিনি এসব কথা বলেন। রুহুল কবির রিজভী বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী এবং তার দলের নেতা মন্ত্রীরা প্রায়শঃই দাবি করে বলেন, বিশ্বে বাংলাদেশ নাকি রোল মডেল। কীসের জন্য বাংলাদেশ মডেল? স্বীকার করতেই হবে বাংলাদেশ এখন দুর্নীতির জন্য সারা বিশ্বের কাছে মডেল। কারণ এরা যেমন ‘স্বর্ণের মেডেল’ থেকে স্বর্ণ চুরি করে আবার করোনায় বিপর্যস্ত মানুষের জন্য বরাদ্দ করা ত্রাণের চাল চুরি ও নকল মাস্কের ব্যবসা করতেও রোল `মডেল` হয়েছে। এখন মরণঘাতী করোনা মহামারীর ভাইরাস পরীক্ষার ওপর ২০০ টাকা ফি আরোপ করার সিদ্ধান্ত বিস্ময়কর। এমনিতেই অর্থনৈতিক সংকট চরমে। মানুষের ঘরে খাবার নেই। হাসপাতালের দ্বারে দ্বারে ঘুরে অসহায়ভাবে পথে-ঘাটে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে। প্রয়োজনের তুলনায় পরীক্ষাও হচ্ছে নামমাত্র। এরমধ্যে এই গণবিরোধী সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।
তিনি আরও বলেন, মহামারির চিকিৎসা কখনো ব্যক্তিগত উদ্যোগে হয় না। করোনা মহামারীর চিকিৎসার সম্পূর্ণ দায়িত্ব রাষ্ট্রের। বিশ্বের কোথাও সরকারিভাবে কোভিড টেস্টে অর্থ নেয়া হয় না। বিশ্বে সবচেয়ে বেশি কোভিড টেস্টের রেকর্ড দক্ষিণ কোরিয়ার। তারা দিনে ১ লাখের উপর মানুষের কোভিড টেস্টও করেছে। এমনকি এন্টিবডি টেস্টও করেছে। তাদের সমস্ত টেস্টই বিনা মূল্যে করা হচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে গরীব দেশ আফগানিস্থানে কোভিড টেস্ট বিনামূল্যে করা হচ্ছে। এমনকি বিশ্বের সবচয়ে গরীব দেশ পশ্চিম আফ্রিকার বুরকিনা ফাসো কোভিড টেস্ট বিনামূল্যে করা হয়। আমাদের প্রতিবেশী কোন দেশেই টেস্ট করাতে ফি নেয় না। উপরন্তু প্রায় প্রতিটা দেশের সরকার স্বেচ্ছাসেবীদের ঘরে ঘরে পাঠাচ্ছে নমুনা সংগ্রহে। টেস্ট করাতে জনগণকে উৎসাহিত করতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আর আমাদের দেশের শাসকগোষ্ঠী এই মহামারিকেও বানিয়েছে মুনাফা অর্জনের উপলক্ষ। এরা কতটা অমানবিক তার নিকৃষ্টতম প্রমাণ এই ফি ধার্য।

রিজভী বলেন, যেখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং সব বিশেষজ্ঞ করোনা সংক্রমণ রোধে টেস্ট বৃদ্ধি করাকেই প্রধান অবলম্বন বলছেন, সেখানে টেস্ট করাতে ফি ধার্যের সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। এতে নিম্ন আয়ের মানুষেরা উপসর্গ থাকার পরও করোনা পরীক্ষা করাতে পারবেন না। তাদের চিহ্নিত করে কোয়ারেন্টাইন বা আইসোলেশন করা যাবে না। এতে সংক্রমণ দ্রুত বাড়তে থাকবে। লাশের মিছিল কেবল দীর্ঘতর হবে। দীর্ঘদিন যাবৎ ব্যবসা-বাণিজ্য, অফিস-আদালত বন্ধ, মানুষের আয়ের উৎস থেমে গেছে। এমনিতে বেসরকারি হাসপাতালগুলো সরকার নির্ধারিত সাড়ে ৩ হাজার টাকায় কোভিড টেস্ট করছে না। যে যার মতো ৫-৬ হাজার টাকা পর্যন্ত জনগণের পকেট কেটে নিচ্ছে। সরকার তা নিয়ন্ত্রণের কোনো চেষ্টাই করছে না, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সমস্ত মনোযোগ দুর্নীতি আর লুটপাটে।

রিজভী বলেন, একটি হাসপাতালে ডাক্তার-নার্সদের খাবার-দাবারের বিল ২০ কোটি টাকা দেখালেও অভিযুক্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলছেন, কোন দুর্নীতি হয়নি। অথচ প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে এই ২০ কোটি টাকার দুর্নীতি নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করলেও কোন ব্যবস্থা নেয়ার কথা এখনও শোনা যায়নি। সরকার চারিদিক থেকেই শুধু স্বল্প আয়ের মানুষেরই পকেটে হাত দিচ্ছে। এমনিতেই করোনার অভিঘাতে আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত সাধারণ মানুষ, এর ওপর বিদ্যুৎ, জ্বালানী, গ্যাস ও পানির মূল্য বৃদ্ধিতে তারা দিশেহারা, এর সাথে করোনা টেষ্টের ফি ২০০ টাকা ধার্য করে সরকার এখন ভ্যাম্পায়ারের ন্যায় রক্তচোষার ভূমিকায়।

তিনি বলেন, কোনো নাগরিক যদি টাকার অভাবে করোনাভাইরাস টেস্ট করতে না পেরে নিজ দেহে করোনা ভাইরাস বহন করে বেড়ায় তাহলে একজন নাগরিক শুধু নিজেরই ক্ষতি করছেন না তিনি অন্যের জন্যও ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবেন। এ কারণেই বিষয়টি নাগরিকদের দায়-দায়িত্বের উপর ছেড়ে না দিয়ে বরং এটি রাষ্ট্রেরই দায়িত্ব, জনস্বার্থে রাষ্ট্র নিজ উদ্যোগে নাগরিকদের বিনামূল্যে করোনা ভাইরাস টেস্ট করানোর সুযোগ সহজ করবে।

বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, এই সরকার নিজেরাও পরিস্থিতি সামাল দিতে পারছে না। বিরোধী দল কিংবা বিশেষজ্ঞদের মতামতকেও তোয়াক্কা করছে না। জনগণের দল বিএনপির পক্ষ থেকে আমরা করোনা পেন্ডামিক ইস্যুতে সরকারকে বরাবরই সহযোগিতা করতে চেয়েছি। সঠিক পরামর্শ দেয়ার চেষ্টা করেছি। কিন্তু সরকার সেগুলো কানে নেয়নি।

সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, যে কোনো উপায়ে টাকা আয় করে দলীয় নেতাকর্মীদের লুটপাটের সুযোগ এবং বিদেশে পাচার করে দেয়াই যেন এই সরকারের নীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। মানুষকে গুম-খুন-হত্যা করে, মানুষকে ভয় দেখিয়ে এই সরকার নিজেরাই নিজেদের মেয়াদ বাড়িয়ে সময় পার করছে বটে কিন্তু অদূর ভবিষ্যতে এই সরকারের অদক্ষতা, অজ্ঞতা, অব্যবস্থাপনার খেসারত নাগরিকদের হয়তো জীবনের বিনিময়ে দিতে হবে।

করোনাভাইরাস পরীক্ষায় ফি আরোপ করা গণবিরোধী সিদ্ধান্ত : রিজভী
                                  

 অবিলম্বে করোনাভাইরাস টেস্টের ফি বাতিল করে বিনামূল্যে নাগরিকদের টেস্টের ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, করোনাভাইরাস পরীক্ষায় কি নির্ধারণ গণবিরোধী সিদ্ধান্ত। এই সিদ্ধান্ত বাতিল করে সারাদেশে বিনামূল্যে করোনাভাইরাস টেস্টের ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাই।

আজ শনিবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক ভিডিও কনফারেন্সে তিনি এসব কথা বলেন। রুহুল কবির রিজভী বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী এবং তার দলের নেতা মন্ত্রীরা প্রায়শঃই দাবি করে বলেন, বিশ্বে বাংলাদেশ নাকি রোল মডেল। কীসের জন্য বাংলাদেশ মডেল? স্বীকার করতেই হবে বাংলাদেশ এখন দুর্নীতির জন্য সারা বিশ্বের কাছে মডেল। কারণ এরা যেমন ‘স্বর্ণের মেডেল’ থেকে স্বর্ণ চুরি করে আবার করোনায় বিপর্যস্ত মানুষের জন্য বরাদ্দ করা ত্রাণের চাল চুরি ও নকল মাস্কের ব্যবসা করতেও রোল `মডেল` হয়েছে। এখন মরণঘাতী করোনা মহামারীর ভাইরাস পরীক্ষার ওপর ২০০ টাকা ফি আরোপ করার সিদ্ধান্ত বিস্ময়কর। এমনিতেই অর্থনৈতিক সংকট চরমে। মানুষের ঘরে খাবার নেই। হাসপাতালের দ্বারে দ্বারে ঘুরে অসহায়ভাবে পথে-ঘাটে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে। প্রয়োজনের তুলনায় পরীক্ষাও হচ্ছে নামমাত্র। এরমধ্যে এই গণবিরোধী সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।
তিনি আরও বলেন, মহামারির চিকিৎসা কখনো ব্যক্তিগত উদ্যোগে হয় না। করোনা মহামারীর চিকিৎসার সম্পূর্ণ দায়িত্ব রাষ্ট্রের। বিশ্বের কোথাও সরকারিভাবে কোভিড টেস্টে অর্থ নেয়া হয় না। বিশ্বে সবচেয়ে বেশি কোভিড টেস্টের রেকর্ড দক্ষিণ কোরিয়ার। তারা দিনে ১ লাখের উপর মানুষের কোভিড টেস্টও করেছে। এমনকি এন্টিবডি টেস্টও করেছে। তাদের সমস্ত টেস্টই বিনা মূল্যে করা হচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে গরীব দেশ আফগানিস্থানে কোভিড টেস্ট বিনামূল্যে করা হচ্ছে। এমনকি বিশ্বের সবচয়ে গরীব দেশ পশ্চিম আফ্রিকার বুরকিনা ফাসো কোভিড টেস্ট বিনামূল্যে করা হয়। আমাদের প্রতিবেশী কোন দেশেই টেস্ট করাতে ফি নেয় না। উপরন্তু প্রায় প্রতিটা দেশের সরকার স্বেচ্ছাসেবীদের ঘরে ঘরে পাঠাচ্ছে নমুনা সংগ্রহে। টেস্ট করাতে জনগণকে উৎসাহিত করতে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আর আমাদের দেশের শাসকগোষ্ঠী এই মহামারিকেও বানিয়েছে মুনাফা অর্জনের উপলক্ষ। এরা কতটা অমানবিক তার নিকৃষ্টতম প্রমাণ এই ফি ধার্য।

রিজভী বলেন, যেখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং সব বিশেষজ্ঞ করোনা সংক্রমণ রোধে টেস্ট বৃদ্ধি করাকেই প্রধান অবলম্বন বলছেন, সেখানে টেস্ট করাতে ফি ধার্যের সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। এতে নিম্ন আয়ের মানুষেরা উপসর্গ থাকার পরও করোনা পরীক্ষা করাতে পারবেন না। তাদের চিহ্নিত করে কোয়ারেন্টাইন বা আইসোলেশন করা যাবে না। এতে সংক্রমণ দ্রুত বাড়তে থাকবে। লাশের মিছিল কেবল দীর্ঘতর হবে। দীর্ঘদিন যাবৎ ব্যবসা-বাণিজ্য, অফিস-আদালত বন্ধ, মানুষের আয়ের উৎস থেমে গেছে। এমনিতে বেসরকারি হাসপাতালগুলো সরকার নির্ধারিত সাড়ে ৩ হাজার টাকায় কোভিড টেস্ট করছে না। যে যার মতো ৫-৬ হাজার টাকা পর্যন্ত জনগণের পকেট কেটে নিচ্ছে। সরকার তা নিয়ন্ত্রণের কোনো চেষ্টাই করছে না, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সমস্ত মনোযোগ দুর্নীতি আর লুটপাটে।

রিজভী বলেন, একটি হাসপাতালে ডাক্তার-নার্সদের খাবার-দাবারের বিল ২০ কোটি টাকা দেখালেও অভিযুক্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলছেন, কোন দুর্নীতি হয়নি। অথচ প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে এই ২০ কোটি টাকার দুর্নীতি নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করলেও কোন ব্যবস্থা নেয়ার কথা এখনও শোনা যায়নি। সরকার চারিদিক থেকেই শুধু স্বল্প আয়ের মানুষেরই পকেটে হাত দিচ্ছে। এমনিতেই করোনার অভিঘাতে আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত সাধারণ মানুষ, এর ওপর বিদ্যুৎ, জ্বালানী, গ্যাস ও পানির মূল্য বৃদ্ধিতে তারা দিশেহারা, এর সাথে করোনা টেষ্টের ফি ২০০ টাকা ধার্য করে সরকার এখন ভ্যাম্পায়ারের ন্যায় রক্তচোষার ভূমিকায়।

তিনি বলেন, কোনো নাগরিক যদি টাকার অভাবে করোনাভাইরাস টেস্ট করতে না পেরে নিজ দেহে করোনা ভাইরাস বহন করে বেড়ায় তাহলে একজন নাগরিক শুধু নিজেরই ক্ষতি করছেন না তিনি অন্যের জন্যও ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবেন। এ কারণেই বিষয়টি নাগরিকদের দায়-দায়িত্বের উপর ছেড়ে না দিয়ে বরং এটি রাষ্ট্রেরই দায়িত্ব, জনস্বার্থে রাষ্ট্র নিজ উদ্যোগে নাগরিকদের বিনামূল্যে করোনা ভাইরাস টেস্ট করানোর সুযোগ সহজ করবে।

বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, এই সরকার নিজেরাও পরিস্থিতি সামাল দিতে পারছে না। বিরোধী দল কিংবা বিশেষজ্ঞদের মতামতকেও তোয়াক্কা করছে না। জনগণের দল বিএনপির পক্ষ থেকে আমরা করোনা পেন্ডামিক ইস্যুতে সরকারকে বরাবরই সহযোগিতা করতে চেয়েছি। সঠিক পরামর্শ দেয়ার চেষ্টা করেছি। কিন্তু সরকার সেগুলো কানে নেয়নি।

সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, যে কোনো উপায়ে টাকা আয় করে দলীয় নেতাকর্মীদের লুটপাটের সুযোগ এবং বিদেশে পাচার করে দেয়াই যেন এই সরকারের নীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। মানুষকে গুম-খুন-হত্যা করে, মানুষকে ভয় দেখিয়ে এই সরকার নিজেরাই নিজেদের মেয়াদ বাড়িয়ে সময় পার করছে বটে কিন্তু অদূর ভবিষ্যতে এই সরকারের অদক্ষতা, অজ্ঞতা, অব্যবস্থাপনার খেসারত নাগরিকদের হয়তো জীবনের বিনিময়ে দিতে হবে।

দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক আলহাজ এ এম এম বাহাউদ্দীনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা প্রত্যাহার করুন: ইসলামী আন্দোলন
                                  

মিয়া আবদুল হান্নান : দৈনিক ইনকিলাবে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে জনৈক আইনজীবী গুলশান থানায় সম্পাদক আলহাজ এ এম এম বাহাউদ্দীন ও সংশ্লিষ্ট রিপোর্টারের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করায় সারাদেশে নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। ক্ষমতার অপব্যবহার করে দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক ও প্রতিবেদকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের সংবাদপত্রের কণ্ঠ রোধের অপচেষ্টা ছাড়া আর কিছুই নয় বলে মন্তব্য করেছেন নেতৃবৃন্দ। পৃথক পৃথক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত দৈনিক ইনকিলাব সততা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে কোটি কোটি মানুষের আস্থা ও সুনাম-সুখ্যাতি অর্জন করেছে। শনিবার ইনকিলাবের বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদী চক্রান্তের অংশ হিসেবেই গুলশান থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। কিছু অতি উৎসাহী লোক সরকারকে বিব্রত করার উদ্দেশ্যে ইনকিলাবের মত বহুল প্রচারিত একটি দৈনিকের শ্বাসরুদ্ধ করার ষড়যন্ত্র করছে। দেশবাসী এ ধরনের পদক্ষেপ কোনো দিন মেনে নেবে না। এতে সরকারের ভাবমর্যাদা ক্ষুন্ন করবে বলেও নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন। তারা অবিলম্বে এ মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ : গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন সম্পর্কে কারো আপত্তি থাকলে সে বিষয়ে প্রতিবাদ বা সংশোধনী দেয়ার বিধান অনুসরণ না করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক ও রিপোর্টারের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের সংবাদপত্রের কণ্ঠ রোধের অপচেষ্টা ছাড়া আর কিছুই নয় বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই। ইনকিলাবের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এক বিবৃতিতে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, যথাযথ নিয়মে প্রতিবাদ ও প্রেস কাউন্সিলে মামলা করার পদ্ধতি অনুসরণ না করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের প্রমাণ করেছে সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ এবং সাংবাদিকদেরকে হয়রানির জন্যই এ মামলা দেয়া হয়েছে।

পীর সাহেব চরমোনাই, অবিলম্বে ইনকিলাবের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের জোর দাবি জানান। এ আইনে গ্রেফতারকৃত অন্যান্য সাংবাদিকদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানান তিনি। তিনি বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষা এবং কণ্ঠ রোধের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের পাশে ইসলামী আন্দোলন অতীতে ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে ইন শা আল্লাহ।, মামলা প্রত্যাহারের দাবি:

ইসলামী ঐক্য আন্দোলন
দৈনিক ইনকিলাবের অনলাইন ভার্সনে একটি প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে পত্রিকাটির সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দীনের বিরুদ্ধে জনৈক আইনজীবির ডিজিটাল আইনে মামলার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইসলামী ঐক্য আন্দোলনের আমীর ড. মওলানা মুহাম্মাদ ঈসা শাহেদী ও সেক্রেটারী জেনারেল অধ্যাপক মোস্তফা তারেকুল হাসান। আজ রোববার এক যুক্ত বিবৃতি নেতৃদ্বয় বলেন, দৈনিক ইনকিলাব দেশের তাওহীদি জনতার চেতনার প্রতিনিধিত্ব করে। তদুপরি তথ্য অনুসন্ধানী সংবাদ প্রচার দেশের পত্রপত্রিকা ও মিডিয়ার দায়িত্ব। তথ্যগত কোনো অসঙ্গতি থাকলে সংক্ষুব্ধ পক্ষ প্রতিবাদের মাধ্যমে সংশোধনী দেয়া এবং যথানিয়মে তা পত্রিকায় প্রচার করাই প্রচলিত রেওয়াজ। তার ব্যতিক্রম করে ডিজিটাল আইনে মামলা করা সংবাদপত্র ও তথ্যপ্রবাহের স্বাধীনতাকে গলাটিপে ধরার নামান্তর। আমরা অবিলম্বে ইনকিলাব সম্পাদকের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত এই হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানাচ্ছি।

দুর্যোগে সবার আগে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ায় আওয়ামী লীগ : সেতুমন্ত্রী
                                  

অসহায় মানুষের পাশে থাকাই আওয়ামী লীগের ঐতিহ্য বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, সংকটে অসহায় মানুষের পাশে মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দেওয়াই আওয়ামী লীগের ঐতিহ্য। দুর্যোগে সবার আগে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ায় আওয়ামী লীগ। জন্মলগ্ন থেকে আজ অবধি বিগত সত্তর বছর মানুষের পাশে থেকে আস্থা অর্জন করেছে মাটি ও মানুষের দল আওয়ামী লীগ।

আজ সোমবার দুপুরে টিএসসিতে ডাকসুর সদস্য তানভীর হাসান সৈকত কর্তৃক আয়োজিত বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও করোনার এই দুর্যোগে গত ১০০ দিন ধরে অসহায় ভাসমান মানুষের প্রতিদিন ২ বেলা খাবার বিতরণ কর্মসূচিতে তার বাসা থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন সরকারের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ করোনা সংকটে সারা দেশের অসহায় কর্মহীন মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

দলের নেতাকর্মী, জনপ্রতিনিধি এ পর্যন্ত ১ কোটি ২৫ লাখেরও বেশি পরিবারকে খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি ১০ কোটি টাকার বেশি নগদ অর্থ প্রদান করেছে জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন করোনা প্রতিরোধে চশমা, মাস্ক, পিপিই, সাবান, সেনিটাইজার, স্প্রে মেশিনসহ বিভিন্ন সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করেছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, জাতীয় জীবনে যেকোনো দুর্যোগ ও সংকটে তরুণরা এগিয়ে এসেছে, তাদের সম্মিলিত তারুণ্য অসহায় মানুষের সাহস জোগাবে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন করোনাকালে দলীয় নেতাকর্মীরা নিজেদের জীবনের মায়াকে তুচ্ছজ্ঞান করে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে, এজন্য অধিক সংখ্যক করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। দলীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের ৬ জন নেতা, মন্ত্রী পরিষদের সদস্য, দলীয় সংসদ সদস্যসহ দেশের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী প্রাণ হারিয়েছে।

সংকটে সাহসী ও পরীক্ষিত নেতৃত্ব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিনরাত পরিশ্রম করছেন উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন সংকটকালে মানুষের জীবন ও জীবিকার সুরক্ষায় বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে, মতামত নিয়ে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, করছেন সমন্বয়, তার নেতৃত্বে সবার সহযোগিতায় এ সংকট কাটিয়ে উঠবো ইনশাআল্লাহ।

জাপা থেকে নোমানকে অব্যাহতি
                                  

জাতীয় পার্টি (জাপা) চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মো. নোমানকে পার্টির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পদবি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। রবিবার জাপা থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, জাতীয় পার্টির গঠনতন্ত্রের ২০/১(১)-এর ক ধারা মোতাবেক জাপা চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মো. নোমানকে অব্যাহতি দেওয়া হলো। জাপার চেয়ারম্যান জি এম কাদের রোববার নোমানের অব্যাহতি পত্রে স্বাক্ষর করেছেন। এ আদেশ ইতোমধ্যেই কার্যকর হয়েছে।

অপরাধী দলীয় কিংবা ক্ষমতাবান হলেও ছাড় দেয়া হবে না: কাদের
                                  

অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে শেখ হাসিনা সরকারের অবস্থান স্পষ্ট জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, অপরাধী দলীয় পরিচয় কিংবা ক্ষমতাবান হলেও ছাড় দেওয়া হবে না। রবিবার সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন থেকে পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ কথা বলেন।

সরকারের দুর্নীতিবিরোধী অবস্থান আবারও মনে করিয়ে দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, শুধু স্বাস্থ্যখাতেই নয়, যেকোনো খাতের অনিয়ম, অন্যায়, দুর্নীতি রোধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জিরো টলারেন্স নীতিতে অটল।

করোনার এই সংকটে দেশের কয়েকটি জেলায় বন্যা দেখা দেওয়ায় তাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের আহ্বান জানান তিনি।

হাসপাতালগুলোর ব্যবস্থাপনা এবং সমন্বয় বৃদ্ধিতে স্বাস্থ্যবিভাগের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন গবেষণা ও গণমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী করোনায় আক্রান্ত অনেক রোগী বাসাবাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন, তাদের সেবা ও প্রয়োজনীয় ডাক্তারি পরামর্শ পেতে টেলি-মেডিসিন সেবা ও হটলাইনে সেবার মান বাড়ানোর অনুরোধ করছি।

করোনার এমন সংক্রমণে কাছের মানুষ দূরে চলে যায়, মূহুর্তেই প্রিয়জন অচেনা হয়ে যায়। আবার মৃত্যুর পর কেউ কাছে আসছে না, এমন করুণ মর্মস্পর্শী বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, পুরোটা জীবন প্রিয়জনের জন্য করে শেষ বিদায় নিচ্ছেন প্রিয় মানুষের স্পর্শহীনতায়, মমতার বন্ধনহীন এসব দৃশ্য।

মন্ত্রী বলেন, রোগীর মৃত্যুর ৩ ঘণ্টা পর মৃতদেহ থেকে সংক্রমণ ছড়ানোর সুযোগ নেই, এ রোগ অভিশাপ নয়, নিজেকে সুরক্ষিত রেখে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থারর নিয়ম মেনে দাফন কাফন করতে পারে আপনজনেরা।

সরকারি হাসপাতালসহ চিকিৎসা বিষয়ক সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, সাধারণ রোগী ও উচ্চবিত্ত রোগীদের কোন বাছ-বিচার নয়, সবাইকে সমান চেখে দেখে চিকিৎসা করুন। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা সরকার ভিআইপি কালচারে বিশ্বাসী নয়, সরকার এ সংকটে এমন চর্চাকে নিরুৎসাহিত করে।

বর্তমানে ৬৬ টি ল্যাবে টেস্ট হচ্ছে, এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্টদের জনস্বার্থে পিসিআর ল্যাব স্থাপনে উদ্যোগ নেয়ারও আহ্বান জানান মন্ত্রী।

বিএনপিই ক্রসফায়ার-গুম-খুন শুরু করেছিলো: তথ্যমন্ত্রী
                                  

‘বিএনপির’ জন্ম, হত্যার রাজনীতির মাধ্যমে এবং তারাই ক্রসফায়ার-গুম-খুন শুরু করেছিলো বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘বিএনপি যখন খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ক্ষমতাসীন, তখনই ক্রসফায়ার চালুসহ গুম-খুনের রাজনীতি শুরু করেছিলো। তারা যখন এ ধরনের কথা বলে, তখন তা হাস্যকর হয়ে দাঁড়ায়।’

শনিবার রাজধানীর মিন্টুরোডে সরকারি বাসভবনে বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী আহমেদের সাম্প্রতিক মন্তব্য ‘ক্রসফায়ার-গুম-খুনে রাষ্ট্র অমানবিক হয়ে উঠছে’ এ বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাব তিনি এ মন্তব্য করেন। ‘গণমাধ্যমে প্রকাশিত পরিসংখ্যান’ উল্লেখ করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন প্রতিবছর ৩১৭ জনের বেশি ক্রসফায়ারে, গুম হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। একই পরিসংখ্যান অনুযায়ী বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এ সংখ্যা ১৮৭। এটা ঠিক যে, অপরাধীরা অনেক সময় বন্দুকযুদ্ধে লিপ্ত হয়।’ ‘আমাদের দল কোনো ধরনের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড সমর্থন করে না।’

‘খুনের রাজনীতির মাধ্যমেই বিএনপির উত্থান, উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘জিয়াউর রহমান নিজের ক্ষমতা নিষ্কন্টক করার জন্য হাজার হাজার সেনাসদস্যকে হত্যা করেছেন, তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যার সঙ্গে যুক্ত। আর বিএনপি যখন খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ক্ষমতাসীন, তখনই ক্রসফায়ার চালু করে। অর্থাৎ খুনের রাজনীতির মাধ্যমেই যাদের উন্মেষ ও প্রতিষ্ঠা, যারা দেশে গুম-খুনের রাজনীতি শুরু করেছিলো, তারা যখন এ ধরনের কথা বলে, তখন তা হাস্যকর হয়ে দাঁড়ায়।’

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে যে দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে এবং করোনা মহামারিতে দেশের খেটে-খাওয়া মানুষের প্রতি রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যেভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে, তা সারাবিশ্বের সামনে মানবিকতার পরম উদাহরণ। আর বিএনপি এ ধরনের কোনো উদাহরণ তৈরি করতে পারেনি বরং ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে লাখ লাখ মানুষের প্রাণহানির পর সংসদে দাঁড়িয়ে খালেদা জিয়া চরম দায়িত্বহীনভাবে বলেছিলেন, যত মানুষ মারা যাওয়ার কথা ছিল, তত মারা যায়নি।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষ আশা করেছিল, করোনার এ সময়ে বিএনপি বাদানুবাদের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসবে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তারা তাদের চিরাচরিত মিথ্যাচার আর বিষোদগারের রাজনীতি ত্যাগ করতে ব্যর্থ হয়েছে। এমনকি তারা মানুষের পাশেও দাঁড়ায়নি। করোনা মহামারির মধ্যে লোক দেখানো ত্রাণ বিতরণের ফটোসেশনের মধ্যেই তাদের কার্যক্রম সীমিত রেখেছে।’

‘বিএনপি নেতাকর্মীদের করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ও মৃত্যুর হার নিয়ে তাদের মহাসচিব মির্জা ফখরুলের’ বক্তব্য প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী ড. হাছান করোনায় আক্রান্ত সবার দ্রুত সুস্থতা ও মৃত্যুবরণকারী সবার আত্মার শান্তি কামনা করে সাংবাদিকদের বলেন, বিশ্লেষকরা যা বলছেন, দেশে করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যুহার ১ দশমিক ২৮ শতাংশ আর মির্জা ফখরুল সাহেব বলেছেন, তাদের ২৮৪ জন আক্রান্ত ও ৭৩ জন মৃত্যুবরণ করেছেন, অর্থাৎ বিএনপির নেতাকর্মীদের মৃত্যুহার ২১ শতাংশ-এই নিয়ে আপনাদের মতো আরও অনেকেই প্রশ্ন রেখেছেন।’

মিথ্যাচার বন্ধ করে সংকট সমাধানে পরামর্শ থাকলে দিন: বিএনপিকে কাদের
                                  

চিরায়ত ভঙ্গিতে মিথ্যাচার বন্ধ করে সংকট সমাধানে কোনও পরামর্শ থাকলে তা বিএনপিকে দিতে বলেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। বিএনপির উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘এখন কোনও রাজনীতির সময় নয়। একটাই রাজনীতি,তা হলো সংক্রমণ রোধ ও মানুষকে বাঁচানো। কাজেই চিরায়ত ভঙ্গিতে মিথ্যাচার বন্ধ করে সংকট সমাধানে কোনও পরামর্শ থাকলে দিন। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করুন।’

শুক্রবার দুপুরে সংসদ ভবনের সরকারি বাসভবন থেকে এক অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি`র কঠোর সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি করোনা সংকটের শুরু থেকেই দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দলের ভূমিকা পালন না করে সরকারের সমালোচনাকে নিজেদের রাজনৈতিক কৌশল কিংবা দর্শন হিসেবে বেছে নিয়েছে। এতে বিএনপি’র আদৌ জনসমর্থন বেড়েছে কি? শেখ হাসিনার সরকার শুরু থেকেই নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও দিনরাত পরিশ্রম করে সংক্রমণ রোধ, চিকিৎসা নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ, সুরক্ষা সামগ্রী সংগ্রহসহ অসহায় কর্মহীন মানুষের সুরক্ষায় কাজ করছে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন যে আমাদের করোনা মোকাবিলায় কোনও পূর্বপ্রস্তুতি ছিল না। আমি তাকে চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলছি- যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাজ্য এমনকি আমাদের প্রতিবেশী ভারত, চীন যাদের প্রথম করোনা সংক্রমণ হয়েছিল, একটি দেশেরও কি তিনি উদাহরণ দিতে পারবেন? যে তাদের করোনা মোকাবিলার পূর্ব পরিস্থিতি ছিল? একটি দেশেরও কি নাম বলতে পারবেন তাদের চিকিৎসা সামগ্রী, হাসপাতাল ব্যবস্থাপনার সীমাবদ্ধতা ছিল না? শুধু সমালোচনা করতে হবে বলেই আপনারা অনবরত জাতিকে অসত্য তথ্য দিয়ে যাবেন?’

সরকার তথ্য গোপন করছে- বিএনপির এমন অভিযোগ অস্বীকার করে কাদের বলেন, ‘বিএনপি অভিযোগ করেছে সরকার নাকি তথ্য গোপন করছে। প্রযুক্তি আর সামাজিক যোগাযোগের উন্মুক্ত প্রবাহের কালে তথ্য গোপনের কোনও সুযোগ আছে কি? সরকারের সেই ইচ্ছেও নেই। সরকারের নানান সীমাবদ্ধতা আছে। সেসব সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে শেখ হাসিনা সরকার ক্রমশ সক্ষমতা অর্জনের প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। এ পর্যন্ত দেশে সোয়া এক লাখ মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। এর মাঝে আল্লাহর রহমতে ৫০ হাজারের বেশি সুস্থ হয়েছে। সংখ্যাগত হিসেবে এটিও কম নয়। চিকিৎসক-নার্স টেকনিশিয়ান সহ ফ্রন্টলাইনে পুলিশ-সেনাবাহিনী, জনপ্রশাসন জীবনবাজি রেখে কাজ করছে। সেবা দিতে গিয়ে প্রাণ হারাচ্ছে। কই বিএনপি তো তাদের ধন্যবাদ দিয়ে কথা বলে না। তাদের মনোবল যাতে ভেঙে না যায় তা নিয়ে বক্তব্য রাখে না। ৫০ হাজার মানুষ সুস্থ হয়েছে সেটা বিএনপি দেখে না। নেতিবাচকতা তাদের এতই গ্রাস করেছে যে তারা দিনের আলোতেও রাতের আঁধার দেখতে পায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এ সংকটে দলীয় নেতাকর্মীদের জনগণের পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছি। এখন কোনও রাজনীতির সময় নয়, একটাই রাজনীতি সংক্রমণ রোধ ও মানুষকে বাঁচানো।’

আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘এই অসময়ে জনগণ কাদা ছোড়াছুড়ি চায় না। এটা মানুষ পছন্দ করে না। অথচ এমন আজগুবি তথ্য তারা দেয়, এর জবাব না দিয়ে পারা যায় না। আমরা তাদের উসকানিমূলক এবং জনবিরোধী অপলাপে অংশ নিতে চাই না। সরকার সব সময় সবি দলের সহযোগিতা চেয়ে আসছে। যে কোনও গঠনমূলক পরামর্শ কিংবা ভুল ধরিয়ে দিলে সেটা গ্রহণ করার সৎ সাহস শেখ হাসিনা সরকারের আছে। বৈশ্বিক এ মহামারি মোকাবিলা করতে প্রতিটি দেশই হিমশিম খাচ্ছে। সরকারও বসে নেই। এই সমস্যা থেকে উত্তরণের কোনও সাজেশন তো বিএনপি রাখছে না। শুধু অন্ধ সমালোচনাকে রুটিন ওয়ার্ক হিসেবে বেছে নিয়েছে।’

বিএনপির প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আসুন শেখ হাসিনা সরকারের নিরলস প্রয়াসে সহযোগিতা করুন। সংকট সমাধানে কোনও পরামর্শ থাকলে দিন। চিরায়ত ভঙ্গিতে মিথ্যার গদ্য চয়ন বন্ধ করে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করুন।’

মানুষকে বাঁচানোই এখন একমাত্র রাজনীতি : কাদের
                                  

অনলাইন ডেস্ক : সরকারের সমালোচনা করতে গিয়ে বিএনপি মহাসচিব বিরাজনীতিকরণের যে অভিযোগ তুলেছেন সে প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিহবন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, এ সংকটকালে সরকার ও আওয়ামী লীগ কোন রাজনীতি করছে না। করোনার সংক্রমণ রোধ ও মানুষকে বাঁচানোই হচ্ছে এখন একমাত্র রাজনীতি।

তিনি আজ তার সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন। সরকারের নাকি পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে, মির্জা ফখরুলের এমন মন্তব্যের প্রতিবাদে ওবায়দুল কাদের বলেন প্রকৃতপক্ষে নেতিবাচক ও অন্ধ সমালোচনা নির্ভর রাজনীতির জন্য বিএনপিরই পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে।

বক্তৃতা বিবৃতির মাধমে সরকারের সমালোচনা করা ছাড়া বিএনপির এখন আর কোন রাজনীতি নেই, অসহায় মানুষ থেকে তাদের অবস্থান এখন যোজন যোজন দূরে বলেও জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে যারা সমন্বয়ের কথা বলেন, তাদের উদ্দেশ্য ওবায়দুল কাদের পাল্টা প্রশ্ন রেখে বলেন, পৃথিবীর কোথাও কি এমন নজীর আছে?
মন্ত্রী বলেন, করোনা প্রতিরোধে চিকিৎসা সেবা প্রদান রাজনীতিবীদের কাজ নয়, যাদের দরকার, সেসব বিশেষজ্ঞদের নিয়ে কমিটি করা হয়েছে, তাদের মতামত নিয়েই সিদ্ধান্ত প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলো যখন আক্রান্ত রোগীদের সেবা দানে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে, ফ্রন্ট লাইনে কর্মরত যোদ্ধারা যখন জীবন বাজি রেখে কাজ করছে, তখন কিছু হাসপাতাল, ক্লিনিক যে কোন সাধারণ সেবায় গেলেও বাধ্যতামূলক করোনা টেস্ট করাচ্ছে কিংবা করোনার রিপোর্ট ছাড়া চিকিৎসা দিচ্ছে না, এমন পরিস্থিতিতে ঢালাওভাবে এ ধরনের সিদ্ধান্ত সাধারণ রোগীদের ওপর চাপানো কতটা যৌক্তিক?

মন্ত্রী তাদের বিবেকের কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন, কিছু হাসপাতালে রোগী ভর্তি না করার নানান ছল চাতুরীর আশ্রয় নিচ্ছে, এ মূহুর্তে এটি মোটেও সমীচীন নয়। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ৬৬টি কেন্দ্রে করোনা টেস্ট করা হচ্ছে, সরকার পর্যায়ক্রমে প্রতিটি জেলায় টেস্ট সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জাতি যেমনি লক্ষ্য অর্জন করেছে তেমনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পারস্পরিক সহমর্মিতা, ত্যাগ ও স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের মাধ্যমে উত্তরণের পথে জাতি এগিয়ে যাবে।

করোনাভাইরাসে বিএনপির ৭৩ নেতাকর্মীর মৃত্যু
                                  

অনলাইন ডেস্ক : করোনায় আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত বিএনপির ৭৩ নেতাকর্মী মারা গেছেন। এছাড়া এ ভাইরাসে ২৮৪ জন নেতাকর্মী আক্রান্ত হয়েছেন। জানিয়েছেন

দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় করোনাভাইরাস সেলের ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এ মহামারিতে সরকার দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে পারেনি। চীনা বিশেষজ্ঞরাই বলে গেছেন যে করোনাভাইরাসে বাংলাদেশের কোনও প্রস্তুতি ছিল না। সরকার তাদের ব্যর্থতা ঢাকার জন্য মিথ্যচার করছে।
তিনি বলেন, প্রমাণ হয়ে গেছে যে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। মানুষ পরীক্ষা করতে পারছে না। রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। কোথাও আইসিউ বেড নাই, অথচ উন্নয়ন দেখানো হচ্ছে। গত এক দশকে স্বাস্থ্য খাতে বাজেট কমানো হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, কারাগারে ২০০ কারাবন্দী আক্রান্ত হয়েছেন। রাজনৈতিক মিথ্যা মামলায় যারা আটক রয়েছেন, বয়স্ক রয়েছেন তাদের মুক্তি দেয়ার জন্য আমরা দাবি জানিয়েছি।

আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত
                                  

অনলাইন ডেস্ক : মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারি দেশের ঐতিহ্যবাহী ও প্রগতিশীল দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার বিকেলে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডিস্থ রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই দোয়া ও মোনাজত অনুষ্ঠিত হয়।
দোয়ার মাহফিলের পর অনুষ্ঠিত মোনাজাতে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ নিহত জাতীয় চার নেতা, মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী শহীদ, গণতন্ত্র রক্ষায় বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে নিহত সকল শহীদ নেতাকর্মী এবং করোনা ভাইরাসের কারণে মৃত্যুবরণকারি নেতাকর্মীদের আতœার মাগফেরাত ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীঘার্য়ু কামনা করা হয়।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, জাহাঙ্গির কবির নানক ও আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ ও আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, এস এম কামাল, মির্জা আজম, শাখাওয়াত হোসেন শফিক ও শফিউল আলম নাদেল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক আবদুস সবুর, শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক সম্পাদক সামসুন্নাহার চাঁপা, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, মহিলা ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকী, অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক ওয়াসিকা আয়শা খান, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শাহাবউদ্দিন ফরাজী প্রমুখ দোয়া ও মোনাজাতে অংশ গ্রহণ করেন ।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ভিডিওি কনফারেন্সের মাধ্যমে তার বাসভবন থেকে দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন। সূত্র: বাসস

শেরপুর পৌর আ`লীগের ত্রাণ বিতরণ
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক : শেরপুর জেলা পৌর শাখা আওয়ামী লীগ এর পক্ষ থেকে পৌর এলাকার অসচ্ছল মানুষদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

গত ২০ জুন শেরপুর পৌর আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আশা বিভিন্ন পৌর এলাকায় অসচ্ছল মানুষদের মধ্যে পৌর শাখা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ দত্ত এই ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।

গতকাল (২২ জুন) শেরপুর পৌর আওয়ামী লীগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য পাওয়া গেছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সারা দেশে যখন মহামারি করোনা রুপ ধারণ করেছে তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসির আদর্শ ক্রমে নিম্ন আয়ের ও ঘরেব দু:খি মানুষের মাঝে ত্রাণ সামরিক প্রদান করা হয়।

এসময় সাধারণ মানুষের সচেতনতা মুল্যক কাজ করেন শেরপুর জেলা পৌর শাখা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক সংগ্রামী যোদ্ধা প্রকাশ দত্ত বলেন, নানা প্রকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় আওয়ামী লীগ সবসময়ই জনগনের পাশে থেকেছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী করোনার মহাদুর্যোগেও অসহায় মানুষকে সাহায্য-সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।

সংকটে মানুষের পাশে দাঁড়ানো আ.লীগের ঐতিহ্য: কাদের
                                  

অনলাইন ডেস্ক : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা দেশের যেকোনো সংকটে মানুষের পাশে দাঁড়ানো আওয়ামী লীগের ঐতিহ্য। তিনি বলেন. গত সাত দশক ধরে আওয়ামী লীগ সংকটে মানুষের পাশে থেকে আস্থা অর্জন করেছে।

আওয়ামী লীগের ৭১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার (২৩ জুন) ধানমন্ডির ঐতিহাসিক ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও দলের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তার সরকারি বাসভবন থেকে ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কা‌দের শ্রদ্ধা নি‌বেদন শেষ সেখানে কিছু সময় নীরবে দাঁড়ি‌য়ে থা‌কেন। তার শ্রদ্ধা নিবেদনের পর দ‌লের অঙ্গ-সহ‌যো‌গী ও ভাতৃপ্রতিম সংগঠনগু‌লোর নেতৃবৃন্দ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃ‌তি‌তে শৃদ্ধা নি‌বেদন ক‌রেন। এ সময় তারা সামা‌জিক দূরত্ব বজায় রাখেন।

১৯৪৯ সালের ২৩ জুন প্রতিষ্ঠিত হয় আওয়ামী লীগ। জন্মলগ্নে এই সংগঠনের নাম ছিল `পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ`। সংগঠনটির প্রথম কমিটিতে মাওলানা ভাসানী সভাপতি ও শামসুল হক সাধারণ সম্পাদক এবং জেলে থাকা অবস্থায় যুগ্ম-সম্পাদক নির্বাচিত হন শেখ মুজিবুর রহমান।

অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এখন অধিকতর সংগঠিত, শক্তিশালী উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত দলের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে নেতাকর্মীরা নিবেদিত প্রাণ, সজাগ এবং দলের ইশতেহার বাস্তবায়নে দলের সুশৃঙ্খল কর্মীরা প্রতিশ্রুতিশীল, ঐক্যবদ্ধ।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, মুক্তিযুদ্ধের অবিনাশী চেতনা ধারণ করে আওয়ামী লীগ মুজিবাদর্শের প্রতিটি সৈনিক দেশ ও জাতির কল্যাণে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজ ঐক্যবদ্ধ।


তিনি বলেন, জাতির পিতার জন্মশতবর্ষে এবং স্বাধীনতার ৫০ বছরে বিশ্বদরবারে পরিচিত ও সমৃদ্ধ জাতি হিসেবে এবং পূর্ব পুরুষের রক্তের ঋণ শোধ করতে হবে সম্মিলিত সৃজনশীল কাজের মধ্য দিয়ে।

মাতৃভূমিকে আগামী প্রজন্মের উপযোগী করে গড়ে তোলারও অঙ্গীকার করেন তিনি। ওবায়দুল কাদের বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে সাম্প্রদায়িকতার বিষবৃক্ষকে মূলোৎপাটন করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণই হবে আমাদের অঙ্গীকার।

বঙ্গবন্ধু যে সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই স্বপ্নই আজ বাস্তবায়িত করে যাচ্ছেন তারই সুযোগ কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনা নিছক কোনো প্রধানমন্ত্রী নন। তার লক্ষ্য পরবর্তী নির্বাচন নয়, তার ভাবনায় শুধুই পরবর্তী প্রজন্ম।

অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এখন অধিকতর সংগঠিত, শক্তিশালী উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত দলের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে নেতাকর্মীরা নিবেদিতপ্রাণ, সজাগ এবং দলের ইশতেহার বাস্তবায়নে দলের সুশৃঙ্খল কর্মীরা প্রতিশ্রুতিশীল, ঐক্যবদ্ধ।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, মুক্তিযুদ্ধের অবিনাশী চেতনা ধারণ করে আওয়ামী লীগ মুজিব আদর্শের প্রতিটি সৈনিক দেশ ও জাতির কল্যাণে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজ ঐক্যবদ্ধ।

তিনি বলেন, জাতির পিতার জন্মশতবর্ষে এবং স্বাধীনতার ৫০ বছরে বিশ্বদরবারে পরিচিতি ও সমৃদ্ধ জাতি হিসেবে এবং পূর্বপুরুষের রক্তের ঋণ শোধ করতে হবে সম্মিলিত সৃজনশীল কাজের মধ্য দিয়ে।

মাতৃভূমিকে আগামী প্রজন্মের উপযোগী করে গড়ে তোলারও অঙ্গীকার করেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে সাম্প্রদায়িকতার বিষবৃক্ষকে মূলোৎপাটন করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণই হবে আমাদের অঙ্গীকার।

বঙ্গবন্ধু যে সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই স্বপ্নই আজ বাস্তবায়িত করে যাচ্ছেন তাঁরই সুযোগ কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনা নিছক কোনো প্রধানমন্ত্রী নন, তাঁর লক্ষ্য পরবর্তী নির্বাচন নয়, তাঁর ভাবনায় শুধুই পরবর্তী প্রজন্ম।

আওয়ামী লীগের ৭১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : মহান মুক্তযুদ্ধের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা অর্জনে নেতৃত্বদানকারী দল বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের ৭১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পুরনো ঢাকার ঐতিহ্যবাহী রোজ গার্ডেনে এই রাজনৈতিক দলটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

পরবর্তী সময়ে দেশের অন্যতম প্রাচীন এ সংগঠনটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধসহ প্রতিটি গণতান্ত্রিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে এদেশের গণমানুষের সংগঠনে পরিণত হয়।

দিবসটি উপলক্ষে প্রতিবছর দলটির পক্ষ থেকে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহন করা হলেও করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির কারণে এবছর সীমিত আকারে ও অনলাইনভিত্তিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে সূর্যোদয়ের সময় কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও দেশব্যাপী দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন। ঢাকায় ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে দলের শীর্ষ নেতাদের শ্রদ্ধা নিবেদন। এছাড়া, স্বাস্থ্যবিধি মেনে দলের স্বল্পসংখ্যক সদস্যের প্রতিনিধি দল টুঙ্গীপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করবেন ।
এই কর্মসূচিতে যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আওয়ামী লীগ-এর সভাপতিম-লীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ. ফ. ম বাহাউদ্দিন নাছিম এবং সাংগঠনিক সম্পাদক এস. এম কামাল হোসেন উপস্থিত থাকবেন।
এদিন বিকেলে পচাঁত্তরের পনেরই আগস্টে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ নিহত সকল শহীদ, জাতীয় চার নেতা, মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী শহীদ, বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে মৃত্যুবরণকারী আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী ও করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত সকলের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত ও শান্তি এবং বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বঙ্গবন্ধু পরিবারের সকল সদস্যদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়াও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিন আগামীকাল রাত সাড়ে আটটায় `গণমানুষের দল আওয়ামী লীগ` শীর্ষক ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত হবে। আওয়ামী লীগের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ (https://www.facebook.com/awamileague.1949/) ও ইউটিউব চ্যানেলে (https://www.youtube.com/user/myalbd/) সরাসরি ওয়েবিনারটি দেখা যাবে।
অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে অনলাইনে যুক্ত হবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সভাপতিমন্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেন ও লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক এবং সিনিয়র সাংবাদিক অজয় দাশগুপ্ত। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করবেন সুভাষ সিংহ রায়।
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ এবং বিশিষ্টজনরা মনে করেন, আওয়ামী লীগের অর্জন পাকিস্তান আমলের গণতান্ত্রিক মানুষের অর্জন, এই দলের অর্জন বাংলাদেশের অর্জন। জাতির জন্য যখন যা প্রয়োজন মনে করেছে, সেটি বাস্তবায়ন করেছে এ দলটি।

১৯৪৯ সালের ২৩ জুন রোজ গার্ডেনে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছিলো এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ ও প্রাচীন রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ, সব আন্দোলন সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশ গঠনে সর্বোচ্চ ভুমিকা পালন করেছে আওয়ামী লীগ। স্বাধীনতার পর থেকে দেশবিরোধীদের ষড়যন্ত্র স্বত্ত্বেও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ধ্বংসস্তুপ থেকে উঠে এসেছে, স্বৈরশাসনের অবসান ঘটিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে।
আওয়ামী লীগের প্রয়াত সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এ দল সর্ম্পকে মন্তব্যে বলেছিলেন, আওয়ামী লীগ শুধু দেশের পুরনো ও সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দলই নয়, এটি হচ্ছে গণতন্ত্র ও অসা¤প্রদায়িক ভাবাদর্শের মূলধারাও। প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত নানা আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ আমাদের সমাজ-রাজনীতির এ ধারাকে নিরবচ্ছিন্নভাবে এগিয়ে নিচ্ছে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ দেশের অন্যতম পুরনো, অসা¤প্রদায়িক, সর্ববৃহৎ ও বাঙালির জাতীয় মুক্তির সংগ্রামে নেতৃত্বদানকারী রাজনৈতিক দল। আর অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার কাজ প্রথম শুরু করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

তিনি এ দলটিকে দেশের অন্যতম প্রাচীন সংগঠন হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, ভাষা, স্বাধিকার, গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা অর্জনে মহোত্তম গৌরবে অভিষিক্ত আওয়ামী লীগের সাত দশকের অভিযাত্রায় শান্তি, সমৃদ্ধি ও দিন বদলের লক্ষ্যে অবিচল বাঙালি জাতির মুক্তির দিশারী।
ইতিহাসবিদ, লেখক ও লোক সাহিত্যিক শামসুজ্জামান খান এই দলকে মূল্যায়ন করে বলেছেন, আওয়ামী লীগ `পাকিস্তান` নামের অবৈজ্ঞানিক এবং ভৌগোলিক ও নৃতাত্ত্বিকভাবে এক উদ্ভট রাষ্ট্রের পূর্ব বাংলার বাঙালি জনগোষ্ঠী ও অন্যান্য ক্ষুদ্র জাতিসত্তাকে অবজ্ঞায়, অবহেলায় ও ঔপনিবেশিক কায়দায় শোষণ-পীড়ন-দমন ও `দাবিয়ে রাখা`র বিরুদ্ধে লাগাতার প্রতিবাদ, প্রতিরোধ এবং গণসংগ্রামের মধ্যদিয়ে গড়ে ওঠা বিপুল জনপ্রিয় একটি রাজনৈতিক দল। এই দলের নেতা-কর্মীদের ত্যাগ-তিতিক্ষা ও অঙ্গীকার দীপ্ত সংগ্রামী ভূমিকা ইতিহাস বিদিত। পুরনো ঢাকার ঐতিহ্যবাহী রোজ গার্ডেনে আওয়ামী মুসলিম লীগ নামে এই দলের আত্মপ্রকাশ ঘটলেও পরে শুধু আওয়ামী লীগ নাম নিয়ে অসাম্প্রদায়িক সংগঠন হিসেবে বিকাশ লাভ করে।
প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এ দেশে পাকিস্তানি সামরিক শাসন, জুলুম, অত্যাচার-নির্যাতন ও শোষণের বিরুদ্ধে সকল আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে এ দলটি।

`৫২-এর ভাষা আন্দোলন, `৫৪-এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, আইয়ুবের সামরিক শাসন-বিরোধী আন্দোলন, `৬৪-এর দাঙ্গার পর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা, `৬৬-এর ছয় দফা আন্দোলন ও `৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের পথ বেয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের ২৪ বছরের আপোষহীন সংগ্রাম-লড়াই এবং ১৯৭১ সালের নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধ তথা সশস্ত্র জনযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
ওই বছরের ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের মধ্যদিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় বাঙালির হাজার বছরের লালিত স্বপ্নের ফসল স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ।

পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার ব্যর্থ চেষ্টা হলেও দীর্ঘ একুশ বছর লড়াই সংগ্রামের মাধ্যমে ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে দলটির প্রধান শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জয়ী হয়ে ২৩ জুন দলটি ক্ষমতায় ফিরে আসে।
২০০১ এবং ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারির পর আর এক দফা বিপর্যয় কাটিয়ে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনে তিন-চতুর্থাংশ আসনে বিজয়ী হয়ে আবারো রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পায় আওয়ামা লীগ। পরবর্তী সময়ে ২০১৪ সালের ৫ জানুযারি এবং ২০১৮-এর ৩০ ডিসেম্বর সাধারণ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে টানা তিন মেয়াদে সরকার পরিচালনা করছে এ দলটি।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আজ এক বিবৃতিতে দলের গৌরবোজ্জ্বল ৭১ বছর পূর্তিতে গৃহীত কর্মসূচি স্বাস্থ্যবিধি মেনে পালনের জন্য আওয়ামী লীগ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের সকল জেলা, উপজেলাসহ সকল স্তরের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। সূত্র: বাসস

আপাতত বিদেশ যাচ্ছেন না খালেদা জিয়া
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যাচ্ছেন রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে এমন গুঞ্জন। তবে খালেদা জিয়ার ঘনিষ্ঠ ও দলের নীতিনির্ধারকরা জানান, করোনা পরিস্থিতির ভয়াবহতার মধ্যে আপাতত তার বিদেশে যাওয়ার ইচ্ছা নেই। ৬ মাসের জামিনের মেয়াদের মধ্যে তার বিদেশে যাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। এ মেয়াদ বাড়ানোর জন্য সরকারের কাছে আবেদন করা হবে।

আবেদনের পর সরকার কি সিদ্ধান্ত নেয় তার ওপরই নির্ভর করবে তার বিদেশ যাওয়ার বিষয়টি। জামিনের মেয়াদ বাড়ানো হলে রাজনৈতিক লাভ-ক্ষতি হিসাব করেই চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার চিন্তাভাবনা করবেন তিনি। তার আগে দেশেই চিকিৎসা নেবেন খালেদা জিয়া। বর্তমানে গুলশানের ভাড়া বাসা ফিরোজায় থেকেই চিকিৎসা নিচ্ছেন। তার হাঁটুর ব্যথা কিছুটা বেড়ে গেলেও মানসিকভাবে তিনি বেশ ভালো আছেন।

টানা ২৫ মাস কারাবন্দি থাকার পর ২৫ মার্চ সরকারের নির্বাহী আদেশে ৬ মাসের জন্য জামিনে মুক্তি পান সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী। ২৪ সেপ্টেম্বর তার জামিনের মেয়াদ শেষ হবে। খালেদা জিয়া এ আদেশের সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন করবেন। এ নিয়ে কাজ শুরু করেছে বিএনপি। এরই মধ্যে দলের একাধিক আইনজীবীর সঙ্গে পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। তবে খালেদা জিয়ার হয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে তার জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করা হতে পারে। পাশাপাশি তার স্থায়ী জামিনের জন্য আইনজীবীরা চেষ্টা চালাচ্ছেন।

৭৫ বছর বয়সী খালেদা জিয়া রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, চোখ ও দাঁতের নানা সমস্যায় ভুগছেন। মুক্তির পর এখনও খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসা শুরু হয়নি। করোনার কারণেই সেটি সম্ভব হচ্ছে না। খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় দলীয় চিকিৎসকদের সমন্বয়ে একটি টিম রয়েছে। তাদের এক-দু`জন নিয়মিত খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার ফলোআপ করছেন। এ ছাড়া পুত্রবধূ ডা. জোবায়দা রহমান নিয়মিত তার চিকিৎসার তদারকি করছেন। করোনা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলে শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নতুন করে চিকিৎসা শুরু করবেন তিনি।

এদিকে সম্প্রতি রাজনৈতিক অঙ্গনে গুঞ্জন চলছে খালেদা জিয়া চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যাচ্ছেন। কিন্তু দলের নীতিনির্ধারকরা এ ব্যাপারে কিছুই জানেন না। বৃহস্পতিবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক হয়। ভার্চুয়াল ওই বৈঠকেও চেয়ারপারসনের বিদেশ যাওয়ার বিষয়টি আলোচনায় স্থান পায়। চেয়ারপারসনের বিদেশ যাওয়ার ব্যাপারে কেউ কিছু জানেন না বলে বৈঠকে জানান। কয়েকদিন আগে স্থায়ী কমিটির এক সদস্য ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে একপর্যায়ে জানতে চান, চেয়ারপারসনের লন্ডনের যাওয়ার ব্যাপারে একটা গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। এ ব্যাপারে আমরা তো কিছুই জানি না। জবাবে তারেক রহমান বলেন, চেয়ারপারসনের চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার বিষয়টি আমিও জানি না। এ মুহূর্তে তার আসার সম্ভাবনাও কম। যা শুনছেন তা গুঞ্জনই।

সূত্র জানায়, সম্প্রতি খালেদা জিয়ার এক ঘনিষ্ঠজন তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তাদের মধ্যে প্রায় ঘণ্টাখানেক আলোচনা হয়। একপর্যায়ে চিকিৎসার বিষয়টি আলোচনায় এলে ঘনিষ্ঠ ওই নেতা জানতে চান, `ম্যাডাম আপনার যে শারীরিক অবস্থা তাতে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়া ব্যাপারে কিছু ভাবছেন কিনা। জবাবে খালেদা জিয়া বলেন, দেশে এবং বিশ্বের যে পরিস্থিতি তাতে এ মুহূর্তে যাওয়া ঠিক হবে না। ওই নেতা বলেন, আপাতত চেয়ারপারসন বিদেশ যাচ্ছেন না তা তার মনোভাব দেখে বোঝা গেছে। জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, চেয়ারপারসনের বিদেশ যাওয়া নিয়ে নানা গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, এগুলো পুরোপুরি মিথ্যা। বিষয়টি নিয়ে আমাদের মধ্যে আলোচনা তো নেই, এমনকি পরিবার এখনও পরবর্তী কিছু নিয়ে আলোচনা করেনি।

সরকারের নির্বাহী আদেশে খালেদা জিয়া মুক্তি পেলেও কিছু শর্ত জুড়ে দেয়া হয়। ওই শর্তের মধ্যে রয়েছে, জামিনে থাকাকালীন তিনি চিকিৎসার জন্য বিদেশ যেতে পারবেন না। গুলশানের বাসায় থেকেই চিকিৎসা নিতে হবে। তাই খালেদা জিয়া চাইলেও বিদেশ যেতে পারবেন না। এজন্য তাকে সরকারের কাছে আবেদন করতে হবে। সরকার অনুমতি দিলেই শুধু তিনি বিদেশ যেতে পারবেন। তাই তার বিদেশ যাওয়াটা অনেকটা সরকারের ইচ্ছা-অনিচ্ছার ওপর নির্ভর করছে।


খালেদা জিয়ার আইনজীবী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, যে কারণে ম্যাডামকে মুক্তি দেয়া হয়েছে, সে কারণ এখনও রয়েছে। করোনার কারণে ভালো চিকিৎসার ব্যবস্থা করা যায়নি। তার চিকিৎসা সম্পূর্ণ হয়নি। স্বাভাবিক কারণে প্রয়োজনবোধে আবারও সরকার মানবিক কারণে সময় বৃদ্ধি করতে পারে। তবে এটির জন্য আবেদন করতে হবে। যেহেতু তার মুক্তির প্রক্রিয়াটি নির্বাহী আদেশে হয়েছে, সে কারণে আবারও আবেদন করার মধ্য দিয়ে সময় বাড়ানোর অনুরোধ করতে হবে।

অপর আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন বলেন, সরকার উনাকে চিকিৎসা করানোর জন্য মুক্তি দিয়েছে। উনার হাঁটুর চিকিৎসা বিদেশে হয়েছে। গত সোয়া ২ বছর ধরে উনার চেকআপ নেই। এখন ব্যথ্যা করছে। তার বাম হাত বেঁকে গেছে। করোনা পরিস্থিতি কারণে এখন উনি চিকিৎসা করতে পারছেন না। আবার হাসপাতালগুলোও প্রস্তুত নয়। পরিবার থেকে প্রথমেই সরকারের কাছে আবেদন করা হয়ছিল তার বিদেশে চিকিৎসার জন্য। সেক্ষেত্রে সরকার বিবেচনা করতে পারে। আশা করি করবে। কোনো আবেদন করতে হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রথম দিকে যে আবেদন করা হয়েছিল, সেখানে উল্লেখ আছে।

বিএনপি করোনা সংকটের শুরু থেকেই সরকারের অন্ধ সমালোচনা করে যাচ্ছে : ওবায়দুল কাদের
                                  

অনলাইন ডেস্ক : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, করোনা সংকটের শুরু থেকে বিএনপি ভুল ধরিয়ে দেওয়ার নামে সরকারের অন্ধ সমালোচনা আর নেতিবাচক বক্তব্যের চর্বিত চর্বন করে যাচ্ছে।

আজ বুধবার তাঁর সংসদ ভবনস্থ সরকারি বাসভবনে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত আনলাইন সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, `করোনা কালিন সময়ে বিএনপি নেতারা দেশ ও জাতির পাশে না দাঁড়িয়ে মিথ্যাচার,গুজব ছড়ানোকেই পবিত্র দায়িত্ব মনে করছে। তাদের এ মিথ্যাচার ফ্রন্ট লাইনে কর্মরত যোদ্ধাদের মনোবল নষ্ট করার অপপ্রয়াস।`

করোনার মতো বৈশ্বিক এ মহামারি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের উদ্যোগগুলো বিএনপির চোখে পড়ে না মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, করোনার মতো বৈশ্বিক এ মহামারি মোকাবিলায় শেখ হাসিনা সরকারের উদ্যোগগুলো বিএনপির চোখে পড়ে না। তাদের বলবো ধুলোজমা মরচে ধরা চশমা সরিয়ে এ সংকটে মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং সরকারের কার্যক্রমে সহযোগিতা করুন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে আমরা লক্ষ্য করছি করোনা সংক্রমণ এবং বিস্তার এখন উচ্চমাত্রায় পৌঁছে গেছে। প্রতিদিনই সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও দক্ষিণ এশিয়া ও আমেরিকায় নতুন করে সংক্রমণে উদ্বেগ প্রকাশ করে সর্তক করেছেন।
তিনি বলেন, চীনে নতুন করে সংক্রমণ দেখা দেয়েছে। এ বাস্তবতায় নিজের বিবেক নিজের পাহারাদার না হলে এ উদাসীনতা থেকে আমাদের কে মুক্ত করবে?
সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, এখনো ভিড়ের জটলা বাজারে, কর্মস্থলে, অনেকে মাস্ক পরেন না সংক্রমণ গোপন করে চলাফেরা করছেন। এ শৈথিল্যের ভাব, অবহেলা সর্বগ্রাসী করোনার কাছে নিজেকে এবং আমাদের আশপাশের সবাইকে নিয়ে আত্মসমর্পণের শামিল।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সরকার সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। একদিকে জীবন অন্য দিকে কর্ম। একদিকে জননিরাপত্তা অপর দিকে অর্থনীতির ভারসাম্য, একদিকে বেঁচে থাকার জন্য পরিকল্পনা, অপর দিকে দেশ বিদেশের সঙ্গে সংযোগ রক্ষা ।

সেতুমন্ত্রী বলেন, করোনা সংক্রমণ রোধে প্রয়োজন সকলের সহযোগিতা, আমরা সকলের সহযোগিতা পাচ্ছিও। কিন্তু কিছু কিছু মতলবি মহল অবহেলা করছে, অসযোগিতা করছে এবং অন্ধকারের পথ বেছে নিচ্ছে। নতুন করে সংক্রমিত এলাকায় ম্যাপিং এর মাধ্যমে রেড, ইয়েলো এবং গ্রিন জোন করতে যাচ্ছে। সঠিক সমন্বয়ের ওপর নির্ভর করবে কার্যকর ফল। আর অবহেলার সময় নেই। সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত দ্রুত কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে সংক্রমণ রোধে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। রাজধানী থেকে তৃণমূল পর্যন্ত গড়ে তুলতে হবে কার্যকর সমন্বয়। গড়ে তুলতে হবে সুরক্ষার দূরভেদ্য প্রাচীর।

তিনি বলেন, সরকার জোন ভিত্তিক লকডাউন কার্যকর করার পাশাপাশি চিকিৎসা সরঞ্জাম বৃদ্ধি, টেস্টিং সেন্টারের সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে এবং সবধরনের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে।
নমুনা পরীক্ষা নিয়ে একটি অসাধু চক্র সক্রিয় হয়েছে, তাদের এই অপপ্রয়াসের বিরুদ্ধে শুরুতেই কঠোর হাতে নিয়ন্ত্রণ করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, অসাধু চক্র করোনা সংক্রমিত মানুষের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপপ্রয়াস চালাচ্ছে। তাই এই সকল চক্রান্তকারিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনা সরকারের অবস্থান স্পষ্ট। অনিয়মকারীদের দলীয় পরিচয় যাই হোক না কেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে কোনো প্রশ্রয় নেই। ত্রাণ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগে যেমনি কঠোরভাবে শাস্তি দেওয়া হয়েছে তেমনি চিকিৎসা সরঞ্জাম অনিয়মের বিরুদ্ধেও সরকার শূন্য সহিষ্ণুতা বজায় রাখবে। সূত্র: বাসস

মায়ের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত নাসিম
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ এবং সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। রোববার (১৪ জুন) বনানী কবরস্থানে মায়ের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর এ সদস্য। এর আগে তার দুদফা জানাজা সম্পন্ন হয়।

জানাজার পরে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা-গার্ড অব অনার দেয়া হয় মুক্তিযুদ্ধের এ সংগঠককে। পরে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং দলের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় এ লড়াকু রাজনীতিকের মরদেহে।

বনানীতে দ্বিতীয় নামাজে জানাজায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে মরদেহ ধানমণ্ডির বাসা থেকে সোবহানবাগ জামে মসজিদে নেয়া হয়। সেখানেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনুষ্ঠিত হয় তার প্রথম জানাজা। এতে পরিবারের সদস্য ছাড়াও স্থানীয় নেতা-কর্মীরা অংশ নেন।

শনিবার সকাল ১১টা ১০ মিনিটে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন এ রাজনীতিবিদ। গত ১ জুন রক্তচাপজনিত সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর তার দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। ৫ জুন ভোরে ব্রেইন স্ট্রোক করে কোমায় চলে যান সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এরই মধ্যে পরপর তিনটি কোভিড টেস্ট নেগেটিভ আসে তার।

মোহাম্মদ নাসিম সিরাজগঞ্জের কাজীপুরে ১৯৪৮ সালের ২ এপ্রিল জন্ম। তরুণ বয়সেই বাবার হাত ধরে জড়িয়ে পড়েন রাজনীতিতে। ৫ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত এই নেতা আওয়ামী লীগ সরকারের স্বাস্থ্য, স্বরাষ্ট্র এবং টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ছিলেন আওয়ামী লীগের নীতি নির্ধারনী ফোরাম সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এবং ১৪ দলের মুখপাত্র।


   Page 1 of 71
     রাজনীতি
করোনাভাইরাস পরীক্ষায় ফি আরোপ করা গণবিরোধী সিদ্ধান্ত : রিজভী
.............................................................................................
দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক আলহাজ এ এম এম বাহাউদ্দীনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা প্রত্যাহার করুন: ইসলামী আন্দোলন
.............................................................................................
দুর্যোগে সবার আগে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ায় আওয়ামী লীগ : সেতুমন্ত্রী
.............................................................................................
জাপা থেকে নোমানকে অব্যাহতি
.............................................................................................
অপরাধী দলীয় কিংবা ক্ষমতাবান হলেও ছাড় দেয়া হবে না: কাদের
.............................................................................................
বিএনপিই ক্রসফায়ার-গুম-খুন শুরু করেছিলো: তথ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
মিথ্যাচার বন্ধ করে সংকট সমাধানে পরামর্শ থাকলে দিন: বিএনপিকে কাদের
.............................................................................................
মানুষকে বাঁচানোই এখন একমাত্র রাজনীতি : কাদের
.............................................................................................
করোনাভাইরাসে বিএনপির ৭৩ নেতাকর্মীর মৃত্যু
.............................................................................................
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত
.............................................................................................
শেরপুর পৌর আ`লীগের ত্রাণ বিতরণ
.............................................................................................
সংকটে মানুষের পাশে দাঁড়ানো আ.লীগের ঐতিহ্য: কাদের
.............................................................................................
আওয়ামী লীগের ৭১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ
.............................................................................................
আপাতত বিদেশ যাচ্ছেন না খালেদা জিয়া
.............................................................................................
বিএনপি করোনা সংকটের শুরু থেকেই সরকারের অন্ধ সমালোচনা করে যাচ্ছে : ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
মায়ের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত নাসিম
.............................................................................................
ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আলহাজ অ্যাডভোকেট শেখ মো.আব্দুল্লাহর ইন্তেকাল এবং তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মময় ও রাজনৈতিক জীবন
.............................................................................................
বাজেট প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের
.............................................................................................
রোববার সকালে নাসিমের জানাজা, বনানী কবরস্থানে দাফন
.............................................................................................
নাসিমের অবস্থা সঙ্কটাপন্ন
.............................................................................................
প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণ করলে রোগব্যাধি-ভাইরাস থেকে সুরক্ষা সহজ হতো : তথ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
সাংবাদিকদের ঝুঁকি ভাতার দাবি ঐক্যফ্রন্টের
.............................................................................................
খেটে খাওয়া মানুষের কথা ভাবে না বিএনপি : তথ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
গণপরিবহন চলাচলে একটি পরিকল্পনার অনুরোধ কাদেরের
.............................................................................................
ছুটি প্রত্যাহার করে লাখো মানুষকে আক্রান্তের দিকে ঠেলে দেয়া হলো
.............................................................................................
খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা আব্দুর রেজ্জাক খান সস্ত্রীক করোনায় আক্রান্ত
.............................................................................................
খুনের রাজনীতিকে চিরতরে বিদায় দেয়াই শেখ জামালের জন্মদিনের প্রত্যয় : তথ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
দোয়া চেয়েছেন অসুস্থ রিজভী
.............................................................................................
প্রধানমন্ত্রী সংকটেও সম্ভাবনা দেখতে পান: কাদের
.............................................................................................
বিএনপি জনমনে বিভ্রান্তির ভাইরাস ছড়াচ্ছে : ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
বিএনপি দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে অহেতুক সমালোচনা করছে : সেতুমন্ত্রী
.............................................................................................
তালিকা করে সহযোগিতা পৌঁছে দেয়া হবে : হানিফ
.............................................................................................
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে করোনা যুদ্ধে আমরা জয়ী হব : ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
দেশের সংকটে মানুষ বাঁচানোই হচ্ছে রাজনীতি : ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
ত্রাণের চাল চুরি ঠেকাতে সেনা মোতায়েনের দাবি রিজভীর
.............................................................................................
করোনা মোকাবিলায় আজ সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা দেবে বিএনপি
.............................................................................................
স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা পোশাক নিশ্চিতের দাবি অলির
.............................................................................................
করোনা মোকাবেলায় জাতীয় কমিটি চান মির্জা ফখরুল
.............................................................................................
নো টেস্ট, নো করোনা- পলিসিতে সরকার‌
.............................................................................................
আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালেদা জিয়ার মুক্তি: কাদের
.............................................................................................
তিন আসনেই জয়ী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা
.............................................................................................
সাবেক হুইপ শহীদুল হক জামাল আর নেই
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা আমরা কায়েম করবই: কাদের
.............................................................................................
করোনা নিয়ে ইস্যু খুঁজতে শুরু করেছে বিএনপি: কাদের
.............................................................................................
আ. লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সভা সোমবার
.............................................................................................
খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে মুজিব শতবর্ষ পালন সফল হবে না: ফখরুল
.............................................................................................
৭ মার্চের ভাষণ অস্বীকারকারীরা স্বাধীনতাকেই অস্বীকার করেন
.............................................................................................
ভারতকে খুশি করতে দাসের মতো আচরণ করে বিএনপি: সেতুমন্ত্রী
.............................................................................................
নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ ও ফলাফল বাতিল চেয়ে ইশরাকের আবেদন
.............................................................................................
সরকার জনগণের সব অধিকার কেড়ে নিয়েছে : ফখরুল
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamic Solution IT & Dynamic Scale BD