| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * সৌরভ গাঙ্গুলির বায়োপিকে হৃত্বিক!   * আপিলেও আদেশ বহাল ২০ জনের ব্যাংক হিসাব জব্দের   * ১৭২ শিক্ষার্থীকে স্বর্ণপদক দিলেন প্রধানমন্ত্রী   * চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যেতে রাজি খালেদা জিয়া   * গভর্নিং বডি বা ম্যানেজিং কমিটিতে দুই বারের বেশি কেউ থাকতে পারবে না   * বাংলাদেশ কে হারাতে হবে শুল্কমুক্ত সুবিধা   * উত্তাল দিল্লি নিহত ১৮   * এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে ২৭০০ জনের মৃত্যু   * করোনা আতঙ্কে ইতালিতে শুকনো খাবার মজুদ   * পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন  

   রাজনীতি -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যেতে রাজি খালেদা জিয়া

স্পোর্টস ডেস্ক:
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যেতে রাজি হয়েছেন বলে জানা গেছে। তাঁর জামিন আবেদনের ওপর আগামীকাল বৃহস্পতিবার শুনানি হওয়ার কথা। তবে ‘দোষ স্বীকার’ করে প্যারোল (শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি) চাইতে তিনি রাজি হবেন কি না, সে বিষয়ে বিএনপি এখনো নিশ্চিত নয়। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, সমঝোতা বা প্যারোলের ব্যাপারে প্রায় দুই বছর ধরেই রাজি হচ্ছিলেন না খালেদা জিয়া। এমনকি প্রথম দিকে বিএনপির নেতারা এ বিষয়ে তাঁর কাছে উপস্থাপন করারও সাহস পাননি। কিন্তু সাম্প্রতিককালে তাঁর স্বাস্থ্যের অবস্থা অবনতি হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা শঙ্কিত হয়ে পড়েন। পাশাপাশি বিএনপি নেতারাও ভয় পেয়ে যান।

বক্তব্য-বিবৃতিতে তাঁরা এমন অভিযোগও করেন যে সরকার কারাগারেই খালেদা জিয়াকে মেরে ফেলতে চায়। এমন পরিস্থিতিতে পরিবারের পক্ষ থেকে নানাভাবে খালেদা জিয়াকে বোঝানো হয়, রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ যা-ই হোক না কেন, আপাতত উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন।
পরিবারের সদস্যদের মতে, খালেদা জিয়া বেঁচে থাকলে রাজনীতিতে সুদিন আবার আসতেও পারে। উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ যেতে রাজি করাতে বিএনপির শীর্ষ পর্যায় থেকেও নানাভাবে খালেদা জিয়ার কাছে বার্তা পাঠানো হয়। বলা হয় যে তিনি (খালেদা জিয়া) কারামুক্ত হলে বিএনপিতেই নতুন করে আশার আলো সঞ্চার হবে।

কেউ কেউ তাঁর অনুপস্থিতিতে বিএনপির দুরবস্থার কথাও জানান খালেদা জিয়াকে। সূত্রের দাবি, নানা দিক থেকে এমন পরামর্শে খালেদা জিয়া লন্ডনে চিকিৎসার ব্যাপারে রাজি হয়েছেন। আর এ ব্যাপারে প্রয়োজন হলে পর্দার আড়ালে সমঝোতার ব্যাপারেও তিনি নমনীয় হয়েছেন বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বিএনপি আশা করছে, যথাযথ চিকিৎসা এবং মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিএনপি চেয়ারপারসনের জামিন মিলবে। তবে তিনি প্যারোল নেবেন কি না, সে বিষয়টি পুরোপুরি পরিবারের এখতিয়ার।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘প্যারোলের বিষয় নিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে আমি কোনো কথা বলিনি।’ দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আপাতত আমরা জামিনের প্রত্যাশা করছি এবং মনে করি যে স্বাস্থ্যগত কারণে তিনবারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে জামিন দেওয়া হবে। আর জামিন না হলে কী হবে, সে বিষয়ে এখনই বলা যাচ্ছে না। এ ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’ খালেদা জিয়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন গত সোমবার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘জামিন হলে তো আর প্যারোলের প্রয়োজন হবে না।’ তিনি বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন প্যারোল নেবেন কি না, সেটি আমাদের পক্ষে বলা সম্ভব নয়। এটি তাঁর পরিবার ভালো বলতে পারবে।’

খালেদা জিয়ার আরেক আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘জামিন না হলে কী হবে, সেটি পরের বিষয়। এখনই এ ব্যাপারে বলা সম্ভব নয়।’ সূত্র মতে, দলীয় প্রধানের মনোভাব টের পেয়েই গত ১৩ ফেব্রুয়ারি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে ফোনে খালেদা জিয়ার মুুক্তির বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার অনুরোধ করেন। যদিও ওবায়দুল কাদের এ বিষয়ে নিষ্পত্তির জন্য আদালতের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেন। তবে দুই নেতার মধ্যে সেদিন যে কথোপকথন হয় তার মধ্যে ‘দোষ স্বীকার করে’ প্যারোলের বিষয়টি উল্লেখ আছে। ফখরুলের সঙ্গে টেলিফোন আলাপে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আদালতই আপনাদের শেষ রাস্তা। আরেকটি রাস্তা আছে যে প্যারোল চাইতে হলে আইন অনুযায়ী তাঁকে দোষ স্বীকার করে সরকারের কাছে আবেদন করতে হবে। প্যারোলের আবেদন আসলে সরকার বিষয়টি ভেবে দেখবে। আমাদের গণ্ডির মধ্যে থাকতে হবে...। এর বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই।’

অবশ্য ২০১৬ সালের ১ জুন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রণীত নীতিমালা ‘দোষ স্বীকারে’র কোনো শর্ত উল্লেখ নেই। নীতিমালার ২ নম্বরে উল্লেখ আছে, ‘ভিআইপি বা অন্যান্য সকল শ্রেণীর কয়েদী বা হাজতী বন্দিদের নিকট আত্মীয়ের মৃত্যুর কারণ ছাড়াও কোনো আদালতের আদেশ কিংবা সরকারের বিশেষ সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্যারোলে মুক্তি দেওয়া প্রয়োজন হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনক্রমে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া যাবে। তবে উভয় ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও দূরত্ব বিবেচনায় প্যারোল মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ সময়ে নির্ধারণ করে দেবেন।’ প্যারোলের বিধান সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রবীণ আইনজীবী অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নীতিমালায় দোষ স্বীকারের কোনো ব্যবস্থা নেই।

তা ছাড়া বিএনপি চেয়ারপারসন তো দণ্ডিত। সেখানে দোষ স্বীকার করলে তো ওনার মামলাই থাকে না।’ তিনি বলেন, ‘প্যারোলে মুক্তি হলো একটি ত্বরিত ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১(১) অনুযায়ী আবেদনে মুক্তি এবং প্যারোলে মুক্তি উভয় ক্ষেত্রে সাজা স্থগিত থাকে।’

চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যেতে রাজি খালেদা জিয়া
                                  

স্পোর্টস ডেস্ক:
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যেতে রাজি হয়েছেন বলে জানা গেছে। তাঁর জামিন আবেদনের ওপর আগামীকাল বৃহস্পতিবার শুনানি হওয়ার কথা। তবে ‘দোষ স্বীকার’ করে প্যারোল (শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি) চাইতে তিনি রাজি হবেন কি না, সে বিষয়ে বিএনপি এখনো নিশ্চিত নয়। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, সমঝোতা বা প্যারোলের ব্যাপারে প্রায় দুই বছর ধরেই রাজি হচ্ছিলেন না খালেদা জিয়া। এমনকি প্রথম দিকে বিএনপির নেতারা এ বিষয়ে তাঁর কাছে উপস্থাপন করারও সাহস পাননি। কিন্তু সাম্প্রতিককালে তাঁর স্বাস্থ্যের অবস্থা অবনতি হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা শঙ্কিত হয়ে পড়েন। পাশাপাশি বিএনপি নেতারাও ভয় পেয়ে যান।

বক্তব্য-বিবৃতিতে তাঁরা এমন অভিযোগও করেন যে সরকার কারাগারেই খালেদা জিয়াকে মেরে ফেলতে চায়। এমন পরিস্থিতিতে পরিবারের পক্ষ থেকে নানাভাবে খালেদা জিয়াকে বোঝানো হয়, রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ যা-ই হোক না কেন, আপাতত উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন।
পরিবারের সদস্যদের মতে, খালেদা জিয়া বেঁচে থাকলে রাজনীতিতে সুদিন আবার আসতেও পারে। উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ যেতে রাজি করাতে বিএনপির শীর্ষ পর্যায় থেকেও নানাভাবে খালেদা জিয়ার কাছে বার্তা পাঠানো হয়। বলা হয় যে তিনি (খালেদা জিয়া) কারামুক্ত হলে বিএনপিতেই নতুন করে আশার আলো সঞ্চার হবে।

কেউ কেউ তাঁর অনুপস্থিতিতে বিএনপির দুরবস্থার কথাও জানান খালেদা জিয়াকে। সূত্রের দাবি, নানা দিক থেকে এমন পরামর্শে খালেদা জিয়া লন্ডনে চিকিৎসার ব্যাপারে রাজি হয়েছেন। আর এ ব্যাপারে প্রয়োজন হলে পর্দার আড়ালে সমঝোতার ব্যাপারেও তিনি নমনীয় হয়েছেন বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বিএনপি আশা করছে, যথাযথ চিকিৎসা এবং মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিএনপি চেয়ারপারসনের জামিন মিলবে। তবে তিনি প্যারোল নেবেন কি না, সে বিষয়টি পুরোপুরি পরিবারের এখতিয়ার।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘প্যারোলের বিষয় নিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে আমি কোনো কথা বলিনি।’ দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আপাতত আমরা জামিনের প্রত্যাশা করছি এবং মনে করি যে স্বাস্থ্যগত কারণে তিনবারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে জামিন দেওয়া হবে। আর জামিন না হলে কী হবে, সে বিষয়ে এখনই বলা যাচ্ছে না। এ ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’ খালেদা জিয়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন গত সোমবার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘জামিন হলে তো আর প্যারোলের প্রয়োজন হবে না।’ তিনি বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন প্যারোল নেবেন কি না, সেটি আমাদের পক্ষে বলা সম্ভব নয়। এটি তাঁর পরিবার ভালো বলতে পারবে।’

খালেদা জিয়ার আরেক আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘জামিন না হলে কী হবে, সেটি পরের বিষয়। এখনই এ ব্যাপারে বলা সম্ভব নয়।’ সূত্র মতে, দলীয় প্রধানের মনোভাব টের পেয়েই গত ১৩ ফেব্রুয়ারি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে ফোনে খালেদা জিয়ার মুুক্তির বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার অনুরোধ করেন। যদিও ওবায়দুল কাদের এ বিষয়ে নিষ্পত্তির জন্য আদালতের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেন। তবে দুই নেতার মধ্যে সেদিন যে কথোপকথন হয় তার মধ্যে ‘দোষ স্বীকার করে’ প্যারোলের বিষয়টি উল্লেখ আছে। ফখরুলের সঙ্গে টেলিফোন আলাপে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আদালতই আপনাদের শেষ রাস্তা। আরেকটি রাস্তা আছে যে প্যারোল চাইতে হলে আইন অনুযায়ী তাঁকে দোষ স্বীকার করে সরকারের কাছে আবেদন করতে হবে। প্যারোলের আবেদন আসলে সরকার বিষয়টি ভেবে দেখবে। আমাদের গণ্ডির মধ্যে থাকতে হবে...। এর বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই।’

অবশ্য ২০১৬ সালের ১ জুন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রণীত নীতিমালা ‘দোষ স্বীকারে’র কোনো শর্ত উল্লেখ নেই। নীতিমালার ২ নম্বরে উল্লেখ আছে, ‘ভিআইপি বা অন্যান্য সকল শ্রেণীর কয়েদী বা হাজতী বন্দিদের নিকট আত্মীয়ের মৃত্যুর কারণ ছাড়াও কোনো আদালতের আদেশ কিংবা সরকারের বিশেষ সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্যারোলে মুক্তি দেওয়া প্রয়োজন হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনক্রমে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া যাবে। তবে উভয় ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও দূরত্ব বিবেচনায় প্যারোল মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ সময়ে নির্ধারণ করে দেবেন।’ প্যারোলের বিধান সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রবীণ আইনজীবী অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নীতিমালায় দোষ স্বীকারের কোনো ব্যবস্থা নেই।

তা ছাড়া বিএনপি চেয়ারপারসন তো দণ্ডিত। সেখানে দোষ স্বীকার করলে তো ওনার মামলাই থাকে না।’ তিনি বলেন, ‘প্যারোলে মুক্তি হলো একটি ত্বরিত ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১(১) অনুযায়ী আবেদনে মুক্তি এবং প্যারোলে মুক্তি উভয় ক্ষেত্রে সাজা স্থগিত থাকে।’

বাংলাদেশ কে হারাতে হবে শুল্কমুক্ত সুবিধা
                                  

অর্থনীতি ডেস্ক:
স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে ২০২৪ সালে স্বীকৃতি পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউরোপ বাদে অন্যান্য দেশের ক্ষেত্রে ২০২৪ সাল থেকেই কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ঐসব দেশের বিদ্যমান নীতিমালা বাংলাদেশের অনুকূলে পরিবর্তন না হলে আলোচ্য সময় থেকেই স্থানীয় শুল্ক পরিশোধ করে প্রবেশ করতে হবে দেশগুলোর বাজারে। এতে রপ্তানির বড়ো বাজার কানাডা, অস্ট্রেলিয়ার বাইরে চীন, জাপান ও ভারতের বাজারেও কঠিন প্রতিযোগিতার মুখে পড়বে বাংলাদেশ। এতদিন ধরে কেবল ইউরোপের বাজার কীভাবে রক্ষা করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা থাকলেও আলোচ্য দেশগুলোতেও রপ্তানি নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে এখন থেকেই এ সুবিধা কীভাবে রাখা যেতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা শুরু করার তাগিদ দিয়েছেন তারা। গতকাল সোমবার রাজধানীর পল্টনে ইআরএফ কার্যালয়ে এক কর্মশালায় এ ইস্যুটি উঠে এসেছে। পলিসি রিসার্স ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) গবেষণা পরিচালক ড. এ রাজ্জাক এ বিষয়ে বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরেন। দুই দিনব্যাপী এ কর্মশালার আয়োজন করে যৌথভাবে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেল। বর্তমানে কানাডা বাংলাদেশের জন্য বড়ো রপ্তানির বাজার। কানাডায় বাংলাদেশি পণ্যে শুল্ক নেই। কিন্তু ২০২৪ সালের পর কানাডা এই সুযোগ না রাখলে সেখানে ১৭ শতাংশ শুল্ক পরিশোধ করে বাংলাদেশি পণ্য প্রবেশ করতে হবে।

একইভাবে অস্ট্রেলিয়ায় ৫ শতাংশ এবং ভারতে ৮ শতাংশ শুল্ক পরিশোধের বাধ্যবাধকতা তৈরি হতে পারে। এছাড়া বিদ্যমান নীতিমালায় ইউরোপের বাজারেও ২০২৭ সাল থেকে অন্তত সাড়ে ৯ শতাংশ শুল্ক পরিশোধ করার প্রয়োজন হতে পারে। বর্তমানে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে ইউরোপের বাজারে জিএসপি (জেনারেলাইড স্কিম অব প্রেফারেন্সেস) সুবিধার আওতায় সব ধরনের পণ্যে (অস্ত্র বাদে) শুল্ক ও কোটামুক্ত রপ্তানি সুবিধা পায়। এই সুবিধার আওতায় বাংলাদেশের রপ্তানির ৬০ শতাংশের বেশি যায় ইইউভুক্ত দেশগুলোতে।

এর মধ্যে প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক। মোট রপ্তানির ৮৪ শতাংশই আসে এ খাত থেকে। ২০২৪ সালে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি পাওয়ার পর তিন বছর পর্যন্ত বাংলাদেশ এ সুবিধা পাবে। কিন্তু ২০২৭ সালে স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে এ সুবিধা হারানোর পর দ্বিতীয় বিকল্প হলো জিএসপি প্লাসের আওতায় শুল্কমুক্ত সুবিধা ধরে রাখার চেষ্টা করা। এক্ষেত্রে বাংলাদেশকে তিনটি শর্ত পরিপালনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। প্রথম শর্ত হলো ইইউর ২৭টি নীতিমালায় বাংলাদেশকে স্বাক্ষর করা ও তা বাস্তবায়ন করা। তবে বাংলাদেশ চাইলে এসব শর্ত পরিপালন করতে পারবে। দ্বিতীয় শর্তও পরিপালনযোগ্য।

কিন্তু তৃতীয় বিষয়টি বাংলাদেশের হাতে নেই। ইউরোপের বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী এই সুবিধা পেতে হলে ইউরোপ যাদেরকে জিএসপি সুবিধা দেয় একক দেশের (বাংলাদেশ) রপ্তানি হতে হবে এর মধ্যে সর্বোচ্চ সাড়ে ছয় শতাংশ। কিন্তু ইউরোপের বাজারে বর্তমানে বাংলাদেশের জিএসপি সুবিধার অংশ সাড়ে ১৭ শতাংশ। ফলে বাংলাদেশ জিএসপি প্লাস সুবিধার আওতায় পড়বে না। পরবর্তী বিকল্প হতে পারে স্ট্যান্ডার্ড জিএসপি। ইউরোপে বর্তমানে গড় শুল্কহার ১২ শতাংশ। স্ট্যান্ডার্ড জিএসপির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ আড়াই শতাংশ পর্যন্ত শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশকে পরিশোধ করতে হবে সাড়ে ৯ শতাংশ। কিন্তু ইউরোপে যেসব পণ্য এই সুবিধা পাবে, তার মধ্যে গার্মেন্টস পণ্য অন্তর্ভুক্ত নেই।

অথচ বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য গার্মেন্টস। এ পরিস্থিতিতে ইইউর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় জোর দিয়েছেন ড. এ রাজ্জাক। সেক্ষেত্রে ভিয়েতনামের মতো মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) কিংবা বিদ্যমান সুবিধার সময়সীমা আরো সম্প্রসারণ করার আলোচনায় জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। কর্মশালার সমাপনী অধিবেশনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেলের মহাপরিচালক মো. কামাল হোসেন, পরিচালক হাফিজুর রহমান, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান বিজয় ভট্টাচার্য ও ইআরএফের সাধারণ সম্পাদক এস এম রাশিদুল ইসলাম প্রমুখ।

শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে সরানোর উদ্দেশ্যেই পিলখানা হত্যাকাণ্ড
                                  

স্টাফ রিপোর্টার:

আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেছেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের কারিগরদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ অনলাইন অ্যাক্টিভিষ্ট ফোরাম আয়োজিত পিলখানা হত্যাকাণ্ড বিষয়ে আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। কামরুল ইসলাম বলেন, শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে সরানোর উদ্দেশ্যেই পিলখানা হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছিল।

যড়যন্ত্রকারীরা ব্যর্থ হয়েছিল। শেখ হাসিনা বিচক্ষণতার সাথে পিলখানার ঘটনাটিকে নিয়ন্ত্রণে আনতে পেরেছিলেন। তিনি বলেন, ষড়যন্ত্রের রাজনীতিকে শেষ করতেই হবে। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের শক্তিরা কখনোই চায় না মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি ক্ষমতায় থাকুক বলেও মন্তব্য করেন এই আওয়ামী লীগ নেতা।

 
বিএনপি ক্ষমতায় গেলে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সঠিক বিচার হবে: ফখরুল
                                  

স্টাফ রিপোর্টার:
পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সঠিক বিচার হয়নি, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে একটি নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু তদন্ত কমিশন গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর বনানীর সামরিক কবররস্থানে পিলখানা হত্যাকাণ্ডে নিহতদের কবর জিয়ারত করে এ কথা জানান তিনি। মির্জা ফখরুল বলেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ডে যাদের অভিযুক্ত করা হয়েছে তারা বলেছেন, এই বিচার সুষ্ঠু হয়নি।

ঘটনা নিয়ে সেনাবাহিনী থেকে ওই সময় যে তদন্ত কমিটি করা হয়েছিল, তার পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়নি। আমরাও মনে হয়, এই বিচার সুষ্ঠু হয়নি। আমরা ক্ষমতায় যাওয়ার সুযোগ পেলে অবশ্যই এর নিরপেক্ষ তদন্ত করে সুষ্ঠু বিচারের উদ্যোগ নেব। দলের সিনিয়র নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রথমে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের স্মরণে নির্মিত শহীদ বেদিতে ফুল দেন মির্জা ফখরুল।

তারা শহীদদের স্মরণে মোনাজাত ও দোয়াপাঠ করেন। এদিনটিকে ইতিহাসের জঘন্যতম দিন হিসেবে অ্যাখ্যা দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, এ ধরনের ঘটনা দেশের গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি। উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিডিআরের সদর দপ্তরে বিদ্রোহ দেখা দেয়। রক্তাক্ত সেই বিদ্রোহে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন প্রাণ হারান। বিদ্রোহের বিচার হয় বাহিনীর নিজস্ব আদালতে। সেখানে ৬ হাজার জওয়ানের কারাদণ্ড হয়। বিদ্রোহের বিচারের পর পিলখানা হত্যাকাণ্ডের মামলার বিচার শুরু হয় সাধারণ আদালতে। ঢাকা জজ আদালত ২০১৩ সালে দেয়া রায়ে ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়।

এছাড়া ২৫৬ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেয়। ২০১৭ সালে দেয়া রায়ে ১৩৯ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন হাইকোর্ট। ১৮৫ জনকে হাইকোর্ট যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন, তিন থেকে ১০ বছরের সাজা দেন ২২৮ জনকে।

 
সংবিধান অনুযায়ী জামিন পাবে খালেদা জিয়ার: ফখরুল
                                  

স্টাফ রিপোর্টার:

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় অন্যায়ভাবে সাজা দিয়ে কারাগারে বন্দি করে রাখা হয়েছে। আমাদের যে সংবিধান সেই সংবিধান অনুযায়ী জামিন তার প্রাপ্য হক, অধিকার। সেই অধিকার থেকে তাকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। এধরনের মামলায় সবাই জামিনে আছেন। নাজমুল হুদা জামিনে আছেন, সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জেল হোসেন চৌধুরী মায়া জামিনে আছেন। মহিউদ্দিন খান আলমগীর জামিনে আছেন। সাবেক গণপূর্ত মন্ত্রী আব্দুল মান্নান জামিনে আছেন।

আজ রবিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার নিজেদের ক্ষমতাকে চিরস্থায়ীভাবে কুক্ষিগত করার জন্য গুমের আশ্রয় নিয়েছে। যা অতীতে আমরা বাংলাদেশে কখনও দেখিনি। তারা গুম, হত্যা, গ্রেফতার করছে, আবার মিথ্যা মামলা দিচ্ছে। এইভাবে নির্যাতন, নিপিড়ন দমননীতির মধ্যে দিয়ে তারা বাংলাদেশে একদলীয় শাসনব্যস্থা স্থায়ী করতে চায়। তিনি বলেন, দেশনেত্রী শুধু একজন নেতা নন, তিনি গণতন্ত্রের মাতা।

তিনি এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে ৯ বছর সংগ্রাম করেছেন। তিনি এক এগারো সরকারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছেন। তিনি এই দখলদারী আওয়ামী সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। তাকে আজ মিথ্যা মামলা দিয়ে কারাগারে বন্দি করে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, আজকে খালেদা জিয়ার মামলার জামিন শুনানি রয়েছে। আমরা আশা করব, প্রত্যাশা করব যে, বিচার বিভাগ তারা তাদের স্বাধীনতাকে রক্ষা করবেন। সত্যিকার অর্থে মামলার যে রায় হওয়া উচিত সেই রায় দেবেন। তাকে আটকে রাখার কোনো বিধান নেই। তাকে আপনারা বেআইনিভাবে আটকে রেখেছেন।

সরকার দেশ চালাতে পারে না উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, তাদের কথায় মনে হয় দেশে উন্নয়নের লহরি বয়ে যাচ্ছে। অথচ আজকে পত্রিকা খুললেই দেখবেন, নিম্নবিত্ত-মধ্যবিত্ত মানুষ দ্রব্যমূল্যে হয়রান হয়ে গেছে। চাল-লবণ-সবজির দাম বাড়ছে, পেঁয়াজের দাম বাড়ছে। এমন একটা নিত্যপণ্য নেই যার দাম বাড়ছে না। অন্যদিকে শ্রমিক ভাইদের বেতন-প্রকৃত আয় বাড়ছে না। মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে বিনিয়োগ কমে যাচ্ছে। গার্মেন্ট ফ্যাক্টরিগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। কয়েকদিন আগে বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক বলেছেন, ‘মার্চ মাসের মধ্যে ধ্বস নামতে শুরু করবে’। এই সরকার সবক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে। তারা দেশ চালাতে চায় রাষ্ট্রকে কব্জায় নিয়ে।

তিনি বলেন, গণতন্ত্রের মাতাকে কারাগারে আটক রেখে আপনারা মুজিববর্ষ পালন করছেন। স্বাধীনতার ৫০ বছর পালন করবেন? সেই সময় ৩৫ লাখ লোকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা থাকবে। তিনি বলেন, এ সরকারের কোনো অধিকার নেই ক্ষমতায় থাকার। তাদের এই মুহূর্তে পদত্যাগ করে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের পরিচালনায় নতুন নির্বাচনই দেশের রাজনৈতিক সংকট সমাধানের একমাত্র পথ। অবিলম্বে পদত্যাগ করুন, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করুন এবং নতুন নির্বাচন দিন, যেন জনগণ তাদের রায় দিতে পারে।

তিনি বলেন, নির্বাচন ব্যবস্থাকেতো ধ্বংস করে দিয়েছেন। এখন কেউ ভোট দিতে যায় না। ভোট দিতে যাবে কেন, কোনো আস্থা নেই। ভোট দিতে গিয়ে কি হবে, ফলাফলতো সব নিয়েই যাবে। সুতরাং ওই ব্যবস্থাকে পরিবর্তন করতে হবে। আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমাদের অধিকার আমাদের আদায় করে নিতে হবে। কেউ দিয়ে যাবে না। শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেইনের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, শ্রমিক দলের কার্যকরী সভাপতি সালাহউদ্দিন সরকার, বিএনপির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবীর, শ্রমিক দল নেতা মোস্তাফিজুল করিম মজুমদার, আবুল খায়ের খাজা, রফিকুল ইসলাম, মফিদুল ইসলাম মোহন প্রমুখ।

 
বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের হামলা ও লাঠিচার্জ
                                  

স্টাফ রিপোর্টার:

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে রাজধানীর মিরপুরে বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের হামলা ও লাঠিচার্জে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ ১০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।শনিবার বেলা ১১টার দিকে মিরপুর ৬ নম্বর থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে এ মিছিল বের করে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী মিছিলে নেতৃত্ব দেন।

এসময় বিএনপির ক্রীড়া সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবন, সহসভাপতি কাওসার আহমেদ, ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের সাইফুল ইসলাম তুহিনসহ স্থানীয় ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। নেতৃত্বে থাকা রুহুল কবির রিজভী জানান, মিরপুর ৬ নম্বর থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি মেইন রোডের দিকে অগ্রসর হতে থাকলে পুলিশ অতর্কিতভাবে তাদের ওপর হামলা ও লাঠিচার্জ করে। ফলে মিছিলটি ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এতে তিনি নিজে এবং ছাত্রদল-যুবদলের বেশ ক’জন নেতাকর্মী আহত হন।

খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে একটি শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশের এমন হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন রিজভী। তিনি বলেন, হামলা মামলা দিয়ে বিএনপির গণতান্ত্রিক আন্দোলন দমানো যাবে না। দেশের মানুষ বর্তমান অবৈধ সরকারের নিপীড়নে অতিষ্ঠ। যেকোনো সময় জনবিস্ফোরণ ঘটবে। মিছিল আগে এক পথসভায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে রিজভী বলেন, বেগম খালেদা জিয়া বর্তমানে ভয়ানক অসুস্থ। তার ডায়াবেটিস সম্পূর্ণরুপে অনিয়ন্ত্রিত।

খালি পেটেই ১৫ থেকে ২০ এর মধ্যে ডায়াবেটিস উঠানামা করছে। তিনি কিছুই খেতে পারছেন না, দাঁড়াতে পারছেন না। এই অবস্থায় তাকে জরুরী ভিত্তিতে মুক্তি দিয়ে সুচিকিৎসা করা না গেলে যেকোন সময় অনাকাঙ্খিত কিছু ঘটে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক যে, মুক্তি ও সুচিকিৎসা নিয়ে দল এবং তার পরিবার-পরিজনদের দাবিকে কোন পাত্তা দিচ্ছে না সরকার। দেশবাসী মনে করে যে, বেগম খালেদা জিয়াকে তিল তিল করে নিঃশেষ করতেই বর্তমান সরকার ও সরকারপ্রধান উঠেপড়ে লেগেছে।

 
খালেদার মুক্তিতে দোটানায় “পরিবার ও বিএনপি”
                                  

স্টাফ রিপোর্টার:

দুই বছরের বেশি সময় ধরে কারাবন্দি বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য রক্ষায় সরকারি নির্বাহী আদেশ বা প্যারোলে মুক্ত করাতে দল ও পরিবার একমত হতে পারছে না। পরিবার চাইছে, তারা যে কোনো উপায়ে বেগম জিয়াকে মুক্ত করিয়ে বিদেশে নিয়ে চিকিত্সা করাবে। অপর পক্ষের দলের নীতিনির্ধারকেরা চান আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে জামিন অথবা কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে তাকে কারাগার থেকে বের করতে। এ নিয়ে মতানৈক্য চলছে।

তার পরিবারের সদস্যরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে প্যারোলে হলেও খালেদা জিয়ার মুক্তি চান তারা। খালেদা জিয়ারও প্যারোলের বিষয়ে আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন তারা। গত ১১ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার বোন সেলিমা ইসলাম পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাত্ এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির কাছে তার মুক্তির জন্য আবেদন পেশ করেন। সেলিমা ইসলাম বোনের মুক্তির বিষয়ে বলেন, ‘বিদেশে উন্নত চিকিত্সার জন্য খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেওয়া হোক। তার শরীরের যে ভয়াবহ অবস্থা, তাতে যে কোনো সময় একটি অঘটন ঘটে যেতে পারে। তাই প্যারোলে হলেও তার মুক্তি চাই। তাকে আগে বাঁচাতে হবে। আমরা তাকে বিদেশে নিয়ে সুচিকিত্সা করাতে চাই।’

এদিকে মঙ্গলবার বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘কারাবন্দি অবস্থায় চিকিত্সাধীন খালেদা জিয়ার প্যারোলে মুক্তির আবেদন সম্পূর্ণ তার পরিবারের বিষয়। এ বিষয়ে তার পরিবারই সিদ্ধান্ত নেবে। আমরা তো দলের পক্ষ থেকে আজ পর্যন্ত প্যারোল নিয়ে কথা বলিনি। সবচেয়ে বড়ো কথা হচ্ছে, খালেদা জিয়া অত্যন্ত অসুস্থ। তার শরীরের যে অবস্থা, তাতে যে কোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। খালেদা জিয়ার প্যারোলে মুক্তি নিয়ে ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে আমার কোনো কথা হয়নি। সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাকে জামিন না দিয়ে আটকে রেখেছে। আমরা এর জন্য আন্দোলন করছি, গত দুই বছর ধরে আন্দোলনের মধ্যেই আছি। আন্দোলন করে তাকে মুক্ত করব আমরা।’ এদিকে উন্নত চিকিত্সার জন্য লন্ডনে যেতে মঙ্গলবার উচ্চ আদালতে খালেদা জিয়া জামিনের আবেদন করেছেন। তার শারীরিক অসুস্থতার বিষয়টি উল্লেখ করে এই জামিনের আবেদন করা হয়েছে।

জামিন আবেদনে পাঁচটি যুক্তি দেখানো হয়েছে। এগুলো হলো—খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ, তার উন্নত চিকিত্সা প্রয়োজন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিত্সা হচ্ছে না, তাই জামিন পেলে তিনি উন্নত চিকিত্সার জন্য লন্ডনে যাবেন। তার আইনজীবী জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘আমাদের একটাই কারণ, সেটা হলো মানবিক। বেগম খালেদা জিয়া অসুস্থ, তাকে বাঁচানো দরকার। আর দেশের আদালত তো মানুষের জন্য। আমরা আবেদনে লিখেছি, তাকে জামিন দিলে চিকিত্সার জন্য দেশের বাইরে পাঠাব।’ দুদকের আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান জানিয়েছেন, তারা বেগম জিয়ার জামিন ঠেকাতে প্রস্তুতি নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আইনি বিবেচনায় দুদকের কাউকে ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই, সে যে-ই হোক। দুদক এর আগেও কাউকে ছাড় দেয়নি, ভবিষ্যতেও দেবে না। আমরা জামিন আবেদনটি পেয়ে পর্যালোচনা করেছি। আইনি লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত আছি।’

এদিকে একটি সূত্র জানায়, পরিবারের পক্ষ থেকে বেগম জিয়ার প্যারোলের জন্য কাগজপত্র তৈরি করা হচ্ছে। তারা যে কোনো উপায়ে কারামুক্ত করে বিদেশে নেওয়ার জন্য বদ্ধপরিকর। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বেগম জিয়া যদি তার দোষ স্বীকার করে আবেদন করেন, তবে প্যারোলের বিবেচনা করা হবে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যথাযথ প্রক্রিয়ায় প্যারোল আবেদন করতে হবে। যৌক্তিকতা দেখে সরকারি বিধিবিধান অনুসারে বিবেচনা করা হবে।

তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, দোষ স্বীকার করেই খালেদা জিয়াকে প্যারোলের আবেদন করতে হবে। তাহলে সরকার বিবেচনা করবে। বিএনপি কেন প্যারোল চায় না, সে প্রসঙ্গে দলের একজন সিনিয়র নেতা বলেন, ‘খালেদা জিয়ার প্যারোলের ব্যাপারে কী মনোভাব আমরা জানি না। প্যারোল মানে দায় স্বীকার এবং শর্ত মেনে নেওয়া, যা তার আপসহীন ভাবমূর্তির বিরোধী। সরকারের মনোভাব জানা ছাড়া জামিন কিংবা প্যারোলে মুক্তির কোনো উদ্যোগই সফল হবে না। বেগম জিয়া সরাসরি প্যারোলে মুক্তি চেয়ে আবেদন করবেন কি না, তা আমরা জানি না। আবার সরকারও তাকে প্যারোলের বাইরে ছাড়তে নারাজ। সেক্ষেত্রে পুরো বিষয়টি মিটমাট করতে উভয় পক্ষের মধ্যে একটি তৃতীয় পক্ষ খুব জরুরি। এই পক্ষকে আশ্বস্ত করতে হবে, ‘উইন-উইন সিচুয়েশন’ দরকার। সেটা যদি হয়, বিএনপির কোনো আপত্তি নেই।’

 
খালেদা জিয়াকে মুক্তি আওয়ামী লীগের হাতে নেই: ওবায়দুল কাদের
                                  

খালেদা জিয়ার প্যারোল নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, একজন খালেদা জিয়াকে নিয়ে বারবার প্রশ্নের জবাব দেব সেই সময় আমার হাতে নেই। কাজেই একই প্রশ্ন বারবার করে বিব্রত করবেন না। এই প্রশ্নের জবাব আমি দেব না। বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ঢাকা বিভাগের নেতাদের সঙ্গে বিশেষ সভার শুরুতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, খালেদা জিয়াকে নিয়ে অনেক কথা হয়েছে, এই প্রশ্নটি করবেন না। তিনি আদালতে আবেদন করেছেন, আদালতই বিষয়টি ঠিক করবে। এটা কোনো রাজনৈতিক মামলা নয়, এটা দুর্নীতির মামলা। দুর্নীতির মামলা যেটা হবার সেটাই হবে। আদালত যেটা সিদ্ধান্ত নেয়ার নেবে, এটা আওয়ামী লীগের হাতে নেই, শেখ হাসিনার হাতে নেই। আমাদের কারো কাছে নেই, আমাদের এখতিয়ারে নেই। কাজেই একই প্রশ্ন বারবার করে বিব্রত করবেন না। এই প্রশ্নের জবাব আমি দেব না।

সভায় অপর এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, করোনাভাইরাস আড়াই মাসের বেশি দীর্ঘায়িত হলে আমাদের চলমান কাজের ক্ষতি হবার আশঙ্কা রয়েছে। আগামী দুই মাসে এর কোনো প্রভাব পড়বে না।

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশ নির্বাচন নিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, অবশেষে শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন হয়েছে। এবং কারচুপি মুক্ত নির্বাচন হয়েছে। বিরোধীদলের এখন বোঝা উচিত যে কারচুপি মুক্ত বলেই ইভিএম ব্যবহার করা হয়েছে। এতে বোঝা যায় ইভিএমে কোন কারচুপি কিংবা জালিয়াতির সুযোগ ছিল না। যদি কোন জালিয়াতি থাকতো তাহলে নির্বাচনের রেজাল্ট ভিন্নতর হতে পারতো।

সিটি নির্বাচন নিয়ে তিনি আরও বলেন, এই নির্বাচন নিয়ে অনেক শঙ্কা ছিল। এবং অনেক আতঙ্কের খবর ছড়িয়ে পড়েছিল। ইভিএমকে কেন্দ্র করে আমাদের প্রতিপক্ষরা নির্বাচনকে বানচাল করার চেষ্টাও করেছিল।

 
খালেদার মুক্তির সিদ্ধান্ত তার পরিবার নেবে-ফখরুল
                                  

স্টাফ রিপোর্টার: 

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, খালেদা জিয়ার মুক্তি সম্পূর্ণভাবে তার পরিবারের ব্যাপার, তারা সিদ্ধান্ত নেবে। প্যারোল নিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের কথা বলা কতটুকু সঠিক হয়েছে সেটা তিনিই বিবেচনা করবেন। আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শের-ই বাংলানগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে ফোনে প্যারোল নিয়ে কথা হয়েছে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, আমি আগেও বলেছি এটা ওনাকে জিজ্ঞাসা করুন। কারণ আমাদের দল থেকে প্যারোল নিয়ে তো কোনো কথা বলিনি। এটা নিয়ে এখনোই কথা বলা কতটুকু সঠিক হয়েছে সেটা উনি (ওবায়দুল কাদের) বিবেচনা করবেন। তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে কারাগারে আটক রাখা হয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী মামলাটি জামিন যোগ্য। তিনি জামিন পেতে পারেন। কিন্তু সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাকে জামিন না দিয়ে আটক করে রেখেছে। আমরা গত দু’বছর যাবত তার মুক্তির দাবি করে আসছি। আমরা আশা করি জনগণের দাবি খালেদা জিয়ার মুক্তি, সে দাবি অনুযায়ী সরকার তাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হবে।

তিনি আরও বলেন, সরকার সুপরিকল্পিতভাবে খালেদা জিয়াকে কারাগারে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। আওয়ামী লীগের স্বার্থে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেওয়া উচিত, গণতন্ত্রকে যদি সঠিকভাবে রক্ষা করতে হয়। বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা খালেদা জিয়ার মুক্তি ও দেশের গণতন্ত্র মুক্তির জন্য আন্দোলন সংগ্রাম বেগবান করবো।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, তাঁতী দলের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, যুগ্ম-আহবায়ক ড. কাজী মনিরুজ্জামান মনির, সদস্য সচিব মজিবুর রহমান, শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেইন প্রমুখ।

 
দেনদরবার করে সরকার টলানো যায় না: রব
                                  

স্টাফ রিপোর্টার:

দেনদরবার করে সরকার হটানো যায় না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম শীর্ষ নেতা ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব। তিনি বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নামার কথা বলেন। নেতারা মাঠে না নামলে কর্মীরাও মাঠে নামবে না বলে মনে করেন তিনি।

শনিবার সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘জাতীয় নির্বাচন-২০১৮ পোস্টমর্টেম’ গ্রন্থের প্রকাশনা, পাঠ ও আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বিএনপি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে আবদুর রব বলেন, কর্মীরা আপনাদের প্রতি আস্থা হারিয়েছেন। দলের নেতাদের আগে মাঠে নামতে হবে। জনগণকে আহ্বান করতে হবে। আপনারা না নামলে জনগণও এগিয়ে আসবে না। কর্মীদের দাবি নেতাদের আগে নামতে হবে মাঠে। এ সময় তিনি বিএনপি নেতাদের আগে মাঠে নেমে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন করার পরামর্শ দেন।

ভোটার উপস্থিতি কমে যাওয়া প্রসঙ্গে আবদুর রব বলেন, বাঙালি যে পরিমাণ ভোট দেয়, আগে পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে এত ভোট পড়ত না। কিন্তু ২০১৪ সালের পর এই ভোটের সংখ্যা কমে গেছে। মানুষ এখন হামলা-মামলার মধ্যে যেতে চায় না। শান্তিতে থাকতে চায়।
জেএসডিপ্রধান বলেন, দেশের কোথাও মিছিল, মিটিং, হরতাল, অবরোধ কিছুই করা যাবে না। সব বন্ধ করে দিয়েছে। এমনকি ভোটাররা ভোট দিতেও যাবেন না। তা হলে সরকার পরিবর্তন হবে কী করে।

অনুষ্ঠানে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, দেশে একটা লোকও খুঁজে পাবেন না, এই সরকারকে পছন্দ করে, সরকারের প্রশংসা করে। সরকার গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে। এই গণতন্ত্রহীনতার কারণে একদিন এই সরকাকে মূল্য দিতে হবে।

ঢাকা-১০ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শফিউল
                                  

স্টাফ রিপোর্টার:

ঢাকা-১০ আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন শফিউল ইসলাম মহিউদ্দীন। শনিবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ড ও স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের যৌথসভায় তাকে এ মনোনয়ন দেওয়া হয়। শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি ছিলেন। গত একাদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১০ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন শেখ ফজলে নূর তাপস।

কিন্ত ঢাকা দক্ষিণ সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে অংশ নেওয়ায় গত ২৯ ডিসেম্বর সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। পরে নির্বাচন কমিশন আসনটি শূন্য ঘোষণা করে। এই আসনে আগামী ২১ মার্চ উপ-নির্বাচন হবে। এছাড়াও সভায় দেশের বাকি চারটি সংসদীয় আসনের উপ-নির্বাচনে প্রার্থীদেরও মনোনয়ন দিয়েছে আওয়ামী লীগ। ঢাকা ১০ আসন ছাড়া বাকি চার আসনের মধ্যে বগুড়া-১ আসনে শাহাদরা মান্নান, গাইবান্ধা-৩ আসনে উম্মে কুলসুম স্মৃতি, যশোর-৬ আসনে শাহিন চাকলাদার এবং বাগেরহাট-৪ আসনে আমিরুল আলম মিলন মনোনয়ন পেয়েছেন।

ফখরুলকে নোংরা রাজনীতি না করার আহ্বান হানিফের
                                  

স্টাফ রিপোর্টার:

বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি নিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে নোংরা রাজনীতি না করার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ। শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসা অনুষদের কনফারেন্স হলে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ আহ্বান জানান। ঢাকা ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশান অব চুয়াডাঙ্গা (ডুসাক) বৃত্তি প্রদান উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এসময় হানিফ বলেন, বিএনপির ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাজনীতি না করে মানবিক কারণে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

আমি অবাক হই রাজনীতি কারা করছে খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে। আমরা বারবার বলেছিলাম খালেদা জিয়ার এতিমের অর্থ আত্মসাৎের মামলা এটা আওয়ামী লীগ সরকার করেনি। এটা ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে করা হয়েছিলো। যা আদালতে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে দণ্ডিত হয়ে এখন কারাগারে আছে। খালেদা জিয়া অসুস্থ, আমরা মনে করি একটি দলের শীর্ষ নেত্রী হিসেবে একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে কারাবিধান অনুযায়ী চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ আছে।

সে অনুযায়ী তাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য দু`টি পথ খোলা আছে। একটি হলো তাকে আইনি প্রক্রিয়ায় লড়াই করে জামিন নিতে হবে। অন্যটি হলো প্যারোলে মুক্তির জন্য সরকারের কাছে আবেদন করতে হবে। ওনারা সেটা করেননি। বিএনপির প্রতি অনুরোধ করে তিনি বলেন, আপনারা খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে নোংরা রাজনীতি বন্ধ করেন। আপনারা রাজনীতি করছেন সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলার জন্য।

খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য কাদেরকে-ফখরুলের ফোন
                                  

স্টাফ রিপোর্টার:

দুই বছর ধরে কারাবন্দি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্যারোলের মুক্তির বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। গতকাল শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, খালেদা জিয়ার প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব আমার সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন, আলাপ হয়েছে। তাদের দলের পক্ষ থেকে তিনি খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়েছেন। তিনি আমাকে অনুরোধ করেছেন, আমি যেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে খালেদা জিয়ার প্যারোলের বিষয়টি বলি। আমি বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেছি। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া যে মামলায় কারাগারে রয়েছেন, তা হচ্ছে দুর্নীতির মামলা। এটা কোনো রাজনৈতিক মামলা নয়। রাজনৈতিক মামলা হলে সরকার বিবেচনা করতে পারতো। বিষয়টা এখন সম্পূর্ণ আদালতের এখতিয়ার।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি এবং স্বজনদের পক্ষ থেকে বিচ্ছিন্নভাবে খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে বলছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইনমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা জানিয়েছেন, এ ব্যাপারে খালেদা জিয়া কিংবা তার পরিবার থেকে কোনো লিখিত আবেদন করা হয়নি। তারা (বিএনপি) শুধু মুখে মুখেই মুক্তির কথা বলছেন, কিন্তু লিখিত কোনো আবেদন করেননি। এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সরকার অমানবিক আচরণ করতে পারে না।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে। তার চিকিৎসার বিষয়টি সরকারের সুনজরে আছে। সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আমরা কথা দিয়েছিলাম দু’টি স্বপ্নের কথা, তা আর স্বপ্ন নয়
                                  

স্টাফ রিপোর্টার:

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন আর স্বপ্ন নয়। ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে ১৫ কোটি মানুষের হাতে মোবাইল, এটাই ডিজিটাল বাংলাদেশ। আজ বৃহস্পতিবার সকালে আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ বেতার ভবনে বিশ্ব বেতার দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ২০০৮ সালে আমরা দু’টি স্বপ্নের কথা বলেছিলাম। একটি ডিজিটাল বাংলাদেশ ও আরেকটি দিনবদলের কথা। দু’টিই বাস্তবায়িত হয়েছে। তিনি বলেন, এখন ভোলার মনপুরা বা চর কুকরি-মুকরি থেকে ঢাকায় টেলিমেডিসিন সেবা হয়।

ঢাকায় একজন কৃষক গাছে কোন পোকা লেগেছে সেটি ছবি তুলে জেলা কৃষি অফিসে পাঠান এবং মোবাইল ফোনে কৃষি অফিস থেকে পরামর্শ নেন, এটাই ডিজিটাল বাংলাদেশ। তথ্যমন্ত্রী বলেন, দিনাজপুরের বা টেকনাফের যে রিকশাওয়ালা ভাই ঢাকায় রিকশা চালায় বা যে ঢাকায় চাকরি করে, গ্রামে তার পরিবারের পাঁচশ’ টাকা দরকার হলে সে মোবাইল ফোনে টাকাটা পাঠিয়ে দিচ্ছে। এটাই ডিজিটাল বাংলাদেশ। তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন আর স্বপ্ন নয়। কোনো সামাজিক অনুষ্ঠানের ১১ বছর আগের ভিডিও ক্লিপ থাকলে দেখতে পাবেন। তখনকার ক্লিপ আর আজকের ক্লিপ অনেক চাকচিক্যময়।

তিনি আরও বলেন, আজকে আমরা ক্ষুধামুক্ত দেশ রচনা করেছি। ক্ষুধাকে আমরা জয় করেছি। আমি মনে করি, এখন আর ক্ষুধামুক্ত দেশ গড়ার স্লোগান দেওয়ার দরকার নেই। এখন সকাল-সন্ধ্যার পরে অলিতে-গলিতে কোনো ভিক্ষুকের ডাক শোনা যায় না। আলোচনায় তথ্য সচিব কামরুল নাহার, বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক হোসনে আরা তালুকদারসহ বাংলাদেশ বেতারের সর্বস্তরের কর্মকর্তা, শিল্পী কলাকুশলী ও সংবাদ পাঠক-পাঠিকা অংশ নেন।

 
খালেদা জিয়ার মুক্তি সম্পূর্ণ সরকারের ইচ্ছার ওপর নির্ভর
                                  

স্টাফ রিপোর্টার:

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে সরকারের ইচ্ছার ওপর নির্ভর করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, সরকার খালেদা জিয়াকে মুক্তি না দিয়ে তিলে তিলে শেষ করে দিতে চাচ্ছে। এ কারণে তার জামিনে বাধা দিচ্ছে এবং তার সঠিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করছে না। বুধবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক যৌথসভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান বিএনপির মহাসচিব।

তিনি বলেন, সরকার সুপরিকল্পিতভাবে খালেদা জিয়াকে হত্যা করার জন্য কারাগারে জোর করে আটকে রেখেছে। আমরা তাকে বাঁচাতে চাই। তার মুক্তির জন্য সাংবিধানিকভাবে যতরকমের চেষ্টা করার আমরা সবই করছি। আইনগতভাবেও যতরকম পথ আছে সবরকম চেষ্টা করে যাচ্ছি। তবে এটি আইনের মধ্যে নেই। সে জন্য জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তার মুক্তির জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি। মির্জা ফখরুল বলেন, খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেয়া না দেয়ার পুরো ইচ্ছেটাই সরকারের হাতে। অন্যায়ভাবে তাকে গ্রেফতারের জন্য সরকারই দায়ী। এ ধরনের মামলায় সাত দিনের মধ্যে জামিন হওয়ার কথা। সাধারণ নাগরিকও সাত দিনে জামিন পায়। কিন্তু উনাকে দু’বছর ধরে আটকে রাখা হয়েছে।

খালেদা জিয়ার প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে এক প্রশ্নে মির্জা ফখরুল বলেন, উনার পরিবারের পক্ষ থেকে প্যারোলের জন্য আবেদন করা হয়েছে কিনা সেটি আমার জানা নেই। পরিবারের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে আমাদের কিছু জানানো হয়নি। খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ১৫ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) বেলা ২টায় নয়াপল্টন থেকে বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিএনপি মহাসচিব। শনিবারের বিক্ষোভ মিছিলের অনুমতি পেয়েছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অনুমতির প্রয়োজন নেই। আমরা বারবার বলেছি– এটি অনুমতির বিষয় নয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, হাবিব-উন নবী খান সোহেল, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক সাদেক আহমেদ খান, ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা নেসারুল হক, মৎস্যজীবী দলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম মাহতাব ও ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত দফতর সম্পাদক আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী প্রমুখ।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় হাসপাতালে
                                  

স্টাফ রিপোর্টার:
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায় হাসপাতলে ভর্তি হয়েছেন। গতকাল সোমবার রাত ৯টার দিকে রাজধানীর ধানমণ্ডির আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। তার পুত্রবধূ ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নিপুন রায় চৌধুরী জানান, ঢাকা সিটি করপোরশেন নির্বাচনের প্রচারণার সময় অসুস্থ বোধ করেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। সেসময়ও তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। গতকাল সোমবার রাতে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকের পর হঠাৎ অসুস্থবোধ করায় তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়।


   Page 1 of 68
     রাজনীতি
চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যেতে রাজি খালেদা জিয়া
.............................................................................................
বাংলাদেশ কে হারাতে হবে শুল্কমুক্ত সুবিধা
.............................................................................................
শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে সরানোর উদ্দেশ্যেই পিলখানা হত্যাকাণ্ড
.............................................................................................
বিএনপি ক্ষমতায় গেলে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সঠিক বিচার হবে: ফখরুল
.............................................................................................
সংবিধান অনুযায়ী জামিন পাবে খালেদা জিয়ার: ফখরুল
.............................................................................................
বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের হামলা ও লাঠিচার্জ
.............................................................................................
খালেদার মুক্তিতে দোটানায় “পরিবার ও বিএনপি”
.............................................................................................
খালেদা জিয়াকে মুক্তি আওয়ামী লীগের হাতে নেই: ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
খালেদার মুক্তির সিদ্ধান্ত তার পরিবার নেবে-ফখরুল
.............................................................................................
দেনদরবার করে সরকার টলানো যায় না: রব
.............................................................................................
ঢাকা-১০ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শফিউল
.............................................................................................
ফখরুলকে নোংরা রাজনীতি না করার আহ্বান হানিফের
.............................................................................................
খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য কাদেরকে-ফখরুলের ফোন
.............................................................................................
আমরা কথা দিয়েছিলাম দু’টি স্বপ্নের কথা, তা আর স্বপ্ন নয়
.............................................................................................
খালেদা জিয়ার মুক্তি সম্পূর্ণ সরকারের ইচ্ছার ওপর নির্ভর
.............................................................................................
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় হাসপাতালে
.............................................................................................
খালেদা জিয়ার জীবনহানির আশঙ্কায় রিজভী
.............................................................................................
বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে বিএনপির ২ মেয়র প্রার্থীর বৈঠক
.............................................................................................
সমাবেশ করে খালেদা জিয়ার মুক্তি মিলবে না, তার জন্য আছে আইন আদালত: তথ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
খালেদা জিয়ার কারাবাসের দুই বছর: বিএনপির সমাবেশ আজ
.............................................................................................
২০১৪ সালের পরে যারা দলে যোগ দিয়েছে তাদের পদে রাখা যাবেনা: তথ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
কারচুপি বা ভোট জালিয়াতি হলে ভোট আরো বেশি কাস্ট হতো: সেতুমন্ত্রী
.............................................................................................
পুনঃ সিটি নির্বাচনের দাবি ফখরুলের
.............................................................................................
ভোটাররা কেন্দ্রে ঢুকতে পারেনি: তাবিথ
.............................................................................................
বিএনপি জনবিচ্ছিন্ন একটি দল
.............................................................................................
রাজনীতিতে জনগণের অনীহা গণতন্ত্রের জন্য শুভ নয়: সেতুমন্ত্রী
.............................................................................................
আগামীকাল তাবিথ-ইশরাকের নির্বাচনপরবর্তী সংবাদ সম্মেলন
.............................................................................................
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানালেন আতিকুল ইসলাম
.............................................................................................
কম ভোটার উপস্থিতির কারণ জানালেন তথ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
আগামীতে নির্বাচনে পোলিং এজেন্ট না রাখার পক্ষে নানক
.............................................................................................
নির্বাচন প্রত্যাখ্যান, হরতালের ডাক দিয়েছে বিএনপি
.............................................................................................
উৎসবমূখর পরিবেশে ভোট গ্রহণ চলছে : নানক
.............................................................................................
ভোটের পরিবেশ সুষ্ঠু ও সুন্দর দেখাচ্ছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
.............................................................................................
সকল জালিয়াতি প্রতিহত করবো: ইশরাক
.............................................................................................
ঢাকা দুই সিটি নির্বাচন : তাবিথের প্রার্থিতা বাতিলের রিট খারিজ
.............................................................................................
উস্কানিমূলক স্লোগান নির্বাচনের আচরণবিধি লঙ্ঘন: তথ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
ইভিএম নিয়ে বিএনপির অভিযোগ অহেতুক : কাদের
.............................................................................................
দলকে সময়, যুগের চাহিদা অনুযায়ী নতুন মডেলে আমরা ঢেলে সাজাবো : কাদের
.............................................................................................
বিএনপির সেক্রেটারি সাহেব যেসব কথা বলেছেন সেটা মনগড়া : আনিসুল হক
.............................................................................................
যেকোনো ত্যাগের বিনিময় আমরা দেশ ও গণতন্ত্রকে মুক্ত করবো : মির্জা ফখরুল
.............................................................................................
বিএনপি সব সময় দিবাস্বপ্ন দেখে : ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
ভোট লুটের নতুন আরেকটি বায়োস্কোপ দেখাবেন সিইসি : রিজভী
.............................................................................................
ওবায়দুল কাদেরের কাছ থেকে চিঠি নিলেন খোকন
.............................................................................................
ক্লিন ইমেজের তাপস-আতিকুলই যথেষ্ট : কাদের
.............................................................................................
বিএনপি মানে অন্ধকার : ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
ঢাকাকে বাঁচাতে আমাদের সকল পরিকল্পনা শুরু করতে হবে : তা‌বিথ
.............................................................................................
মির্জা ফখরুল : জাতি হতাশ ও ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে
.............................................................................................
বিকেলে খালেদার সঙ্গে স্বজনদের সাক্ষাৎ
.............................................................................................
জনগণকে সঙ্গে নিয়েই আমরা এই সরকারকে পরাজিত করব: ফখরুল
.............................................................................................
আজ শেষ হচ্ছে মালয়েশিয়ায় সাধারণ ক্ষমার সুযোগ
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]