| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * শিশু ধর্ষণ মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কেন দেয়া হবে না : হাইকোর্ট   * মতিউর রহমানসহ ছয়জনকে গ্রেফতার ও হয়রানি না করার নির্দেশ   * প্রিন্স হ্যারি-মেগান রাজকীয় পদবি হারাচ্ছেন   * ইয়েমেনে সামরিক প্রশিক্ষণ শিবিরে হামলায় নিহত ৬০   * যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের ওপর `বিপজ্জনক আক্রমণ` : ট্রাম্পের আইনজীবী   * মাঘের শুরুতেই বৃষ্টিতে ভিজলো রাজশাহী   * আওয়ামী লীগ ও নৌকার ব্যাকগ্রাউন্ড লাগে না : আতিকুল ইসলাম   * গণমাধ্যমের স্বাধীনতার কোন সম্পর্ক নেই গ্রেফতারি পরোয়ানার সঙ্গে   * নারীর আয়ে ৬৪ দেশের শীর্ষে বাংলাদেশ   * ওজনের কারণে ট্রাকে করে নেওয়া হলো গ্রেপ্তারকৃত আইএস নেতা নিমাহ  

   রাজনীতি -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
যেকোনো ত্যাগের বিনিময় আমরা দেশ ও গণতন্ত্রকে মুক্ত করবো : মির্জা ফখরুল

 

স্টাফ রিপোর্টার

 

 

 

আওয়ামী লীগ একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রবর্তন করতে চায় সেজন্য নির্যাতনের স্টিম রোলার চালিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

 

 

তিনি বলেন, আজকের এ দিনে সবাই শপথ নিয়েছি, যেকোনো ত্যাগের বিনিময় আমরা দেশ ও গণতন্ত্রকে মুক্ত করবো। আমরা খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবো। জিয়াউর রহমানের আদর্শকে প্রতিষ্ঠিত করবো এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনের ভিত্তিতে বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।

 

রোববার (১৯ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে শেরে-বাংলা নগরে তার সমাধিতে ফাতেহা পাঠ ও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে তিনি এসব কথা বলেন।

 

মির্জা ফখরুল বলেন, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান একজন ক্ষণজন্মা পুরুষ ছিলেন। তিনি অতি স্বল্প সময়ে দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। তিনি এদেশের মানুষের মনে একটা স্থায়ী আসন করে নিয়েছেন। তার প্রতিষ্ঠিত বিএনপি এখনও সবচেয়ে বৃহত্তম রাজনৈতিক দল হয়ে আছে এবং জাতিকে নেতৃত্ব দিচ্ছে। স্বাধীনতা স্বার্বভৌমত্ব রক্ষা করছে, গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করছে।

 

`দুর্ভাগ্য আজকে যখন আমরা তার জন্মদিন পালন করছি সেই সময় আমাদের দলের চেয়ারপারসন জিয়াউর রহমানের যোগ্য উত্তরসূরী তার সহধর্মীনি খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে আওয়ামী শাসকগোষ্ঠী আটক করে রেখেছে। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বিদেশে নির্বাসিত করে রেখেছে। লাখো নেতাকর্মীর নামে মিথ্যা মামলা দিয়েছে, হত্যা-গুম করছে। তারা দেশক একটি চরম অগণতান্ত্রিক স্বৈরাচারী রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে`।

 

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ২০০৮ সালে এ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে গণতন্ত্রের সমস্ত পরিসরগুলোকে সংকুচিত করে ফেলেছে। রাজনৈতিক দলগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে। একাদশ জাতীয় নির্বাচনে ৩০ তারিখের নির্বাচন ২৯ তারিখ করে নিয়ে গেছে। আজকে আবার সিটি করপোরেশন নির্বাচন হচ্ছে। সেখানে একটি দলই প্রাধান্য পাচ্ছে। অযোগ্য নির্বাচন কমিশন কোনোরকম ব্যবস্থা নিতে সক্ষম নয়। কারণ তাদের সে যোগ্যতা নেই।

 

তিনি বলেন, তারা ইভিএম এর মাধ্যমে যে নির্বাচন করতে চাচ্ছে সেটা হচ্ছে আর একটি অপকৌশল। বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থাটাকে পুরোপুরিভাবে ধ্বংস করে দেওয়ার একটা কৌশলমাত্র। জনগণের রায় কখনও ইভিএম এর মাধ্যমে প্রকাশিত হবে না।

 

এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচন কমিশন ব্যর্থ, অযোগ্য। তারা কখনও নির্বাচন পরিচালনার যোগ্যতা রাখে না এতেই প্রমাণ হলো। তারা এমন একটা দিনে নির্বাচন দিয়েছিল যেদিন একটি বড় সম্প্রদায়ের বড় পূজা ছিল। সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে যেখানে পূজাগুলো হয় সেখানেই নির্বাচনের কেন্দ্রগুলো। সেখানেই একটা সমস্যা তৈরি হয়েছিল। নির্বাচন কমিশনের অযোগ্যতার কারণেই এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছিল।

 

ইভিএম নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ইভিএম ব্যবস্থাটাই একটি ত্রুটিপূর্ণ ব্যবস্থা। পৃথিবীতে কোথাও ইভিএমকে ত্রুটিহীন সিস্টেম বলা যায় না। আমাদের পুরোনো যে সিস্টেম ব্যালটে সিল মেরে ভোট দেওয়া, এটাই হলো এখন পর্যন্ত মোটামুটি একটা ব্যবস্থা, যেখানে চুরি ডাকাতি না হলে ফলাফল পাওয়া যায়। কিন্তু ইভিএম ব্যবস্থার মধ্যে যথেস্ট ত্রুটি রয়েছে।

 

এসময় তার সঙ্গে ছিলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক, হাবিবুর রহমান হাবিব, যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এনি, প্রকাশনা সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিব, ঢাকা উত্তরের মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়াল, দক্ষিণের মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেন প্রমুখ।

 
যেকোনো ত্যাগের বিনিময় আমরা দেশ ও গণতন্ত্রকে মুক্ত করবো : মির্জা ফখরুল
                                  

 

স্টাফ রিপোর্টার

 

 

 

আওয়ামী লীগ একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রবর্তন করতে চায় সেজন্য নির্যাতনের স্টিম রোলার চালিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

 

 

তিনি বলেন, আজকের এ দিনে সবাই শপথ নিয়েছি, যেকোনো ত্যাগের বিনিময় আমরা দেশ ও গণতন্ত্রকে মুক্ত করবো। আমরা খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবো। জিয়াউর রহমানের আদর্শকে প্রতিষ্ঠিত করবো এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনের ভিত্তিতে বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।

 

রোববার (১৯ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে শেরে-বাংলা নগরে তার সমাধিতে ফাতেহা পাঠ ও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে তিনি এসব কথা বলেন।

 

মির্জা ফখরুল বলেন, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান একজন ক্ষণজন্মা পুরুষ ছিলেন। তিনি অতি স্বল্প সময়ে দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। তিনি এদেশের মানুষের মনে একটা স্থায়ী আসন করে নিয়েছেন। তার প্রতিষ্ঠিত বিএনপি এখনও সবচেয়ে বৃহত্তম রাজনৈতিক দল হয়ে আছে এবং জাতিকে নেতৃত্ব দিচ্ছে। স্বাধীনতা স্বার্বভৌমত্ব রক্ষা করছে, গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করছে।

 

`দুর্ভাগ্য আজকে যখন আমরা তার জন্মদিন পালন করছি সেই সময় আমাদের দলের চেয়ারপারসন জিয়াউর রহমানের যোগ্য উত্তরসূরী তার সহধর্মীনি খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে আওয়ামী শাসকগোষ্ঠী আটক করে রেখেছে। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বিদেশে নির্বাসিত করে রেখেছে। লাখো নেতাকর্মীর নামে মিথ্যা মামলা দিয়েছে, হত্যা-গুম করছে। তারা দেশক একটি চরম অগণতান্ত্রিক স্বৈরাচারী রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে`।

 

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ২০০৮ সালে এ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে গণতন্ত্রের সমস্ত পরিসরগুলোকে সংকুচিত করে ফেলেছে। রাজনৈতিক দলগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে। একাদশ জাতীয় নির্বাচনে ৩০ তারিখের নির্বাচন ২৯ তারিখ করে নিয়ে গেছে। আজকে আবার সিটি করপোরেশন নির্বাচন হচ্ছে। সেখানে একটি দলই প্রাধান্য পাচ্ছে। অযোগ্য নির্বাচন কমিশন কোনোরকম ব্যবস্থা নিতে সক্ষম নয়। কারণ তাদের সে যোগ্যতা নেই।

 

তিনি বলেন, তারা ইভিএম এর মাধ্যমে যে নির্বাচন করতে চাচ্ছে সেটা হচ্ছে আর একটি অপকৌশল। বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থাটাকে পুরোপুরিভাবে ধ্বংস করে দেওয়ার একটা কৌশলমাত্র। জনগণের রায় কখনও ইভিএম এর মাধ্যমে প্রকাশিত হবে না।

 

এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচন কমিশন ব্যর্থ, অযোগ্য। তারা কখনও নির্বাচন পরিচালনার যোগ্যতা রাখে না এতেই প্রমাণ হলো। তারা এমন একটা দিনে নির্বাচন দিয়েছিল যেদিন একটি বড় সম্প্রদায়ের বড় পূজা ছিল। সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে যেখানে পূজাগুলো হয় সেখানেই নির্বাচনের কেন্দ্রগুলো। সেখানেই একটা সমস্যা তৈরি হয়েছিল। নির্বাচন কমিশনের অযোগ্যতার কারণেই এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছিল।

 

ইভিএম নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ইভিএম ব্যবস্থাটাই একটি ত্রুটিপূর্ণ ব্যবস্থা। পৃথিবীতে কোথাও ইভিএমকে ত্রুটিহীন সিস্টেম বলা যায় না। আমাদের পুরোনো যে সিস্টেম ব্যালটে সিল মেরে ভোট দেওয়া, এটাই হলো এখন পর্যন্ত মোটামুটি একটা ব্যবস্থা, যেখানে চুরি ডাকাতি না হলে ফলাফল পাওয়া যায়। কিন্তু ইভিএম ব্যবস্থার মধ্যে যথেস্ট ত্রুটি রয়েছে।

 

এসময় তার সঙ্গে ছিলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক, হাবিবুর রহমান হাবিব, যুগ্ম-মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এনি, প্রকাশনা সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিব, ঢাকা উত্তরের মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়াল, দক্ষিণের মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেন প্রমুখ।

 
বিএনপি সব সময় দিবাস্বপ্ন দেখে : ওবায়দুল কাদের
                                  

স্টাফ রিপোর্টার

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে বিএনপি নানাভাবে টালবাহানা ও ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ করেছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, তারা একটা ছুতো খুঁজছে, কীভাবে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা যায়। আর নির্বাচনে হারলেই ইভিএম খারাপ এবং জিতলে ইভিএম ভালো, বিএনপির এ ধরনের অবস্থানও সঠিক নয়।

 

শনিবার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে কাদের এ কথা বলেন।

 

 

আওয়ামী লীগ সধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি সব সময় দিবাস্বপ্ন দেখে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপি বলেছিল, তারা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে। তারা বলেছিল, বিএনপির পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। ফলাফল কী হয়েছে তা জাতি দেখেছে। এবারও দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আগে তারা বলছে, তাদের প্রার্থীদের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপির স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে। কারণ ১১ বছর ধরে ক্ষমতায় আওয়ামী লীগ। সরকার দলীয় প্রার্থী ছাড়া অন্য কাউকে ভোট দিলে সিটি করপোরেশনের উন্নয়ন হবে না বলে নগরবাসী জানে। তারা জানে তাদের (বিএনপি) প্রার্থীকে ভোট দিলে কোনো উন্নয়ন হবে না। তাদের ভোট দিয়ে কী লাভ?

 

সরস্বতী পূজার দিন নির্বাচনের ভোটগ্রহণের তারিখ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন করার দাবিতে হিন্দু সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীরা অনশন করছে। শেষে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। তবে তারিখের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার এখনও অনড় অবস্থানে আছে, সে অধিকার তাদের আছে। আমরা কোনো সিদ্ধান্ত তাদের ওপর চাপিয়ে দিতে পারি না। তাদের বিরুদ্ধেও আমরা যেতে পারি না। তারা যদি মনে করে, ধর্মীয় অনুভূতির বিষয়টি বিবেচনায় হিন্দু সম্প্রদায়ের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। তাছাড়া আমরা আগেও বলেছি, সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন করলে আওয়ামী লীগ বা সরকারের কোনো আপত্তি নেই। তবে তারিখ পরিবর্তনের এখতিয়ার সম্পূর্ণ নির্বাচন কমিশনের। আমি আবারও বলব যে, বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে নির্বাচন কমিশন সংক্ষুব্ধদের সঙ্গে বসবেন এবং এর মীমাংসা করবেন।

 

ইভিএমের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রতিটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্য নির্বাচন কমিশনাররা আলাপ-আলোচনা করেছেন। তখন ইভিএম নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তখন কিন্তু বিএনপি এ বিষয়ে কোনো প্রতিবাদ করেনি।

 

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে ওবায়দুল কাদের বলেন, সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে ইভিএম পদ্ধতি নিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যে মন্তব্য করেছেন তা বিভ্রান্তিকর। কারণ তিনি নিজেও ইভিএম পদ্ধতির ভোটে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন বগুড়া সদর আসন থেকে। সর্বশেষ ইভিএমে বগুড়া জেলার দুপচাঁচিয়া পৌরসভায় যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, তাতে বিএনপির প্রার্থী বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছেন। এর চেয়ে প্রকৃষ্ট উদাহরণ আর কী হতে পারে?

 

 

অপর এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, দুই সিটির নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে যারা বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তাদের ওপর দলের শৃঙ্খলা কমিটি চাপ প্রয়োগ করছে, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের জন্য।

 

দুই সিটিতে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর বিষয়ে দলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা ক্লিন ইমেজের দুজন প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছি। জনগণ স্বচ্ছ ভাবমূর্তির প্রার্থীকে পছন্দ করে। আগামী নির্বাচনে দুই সিটিতে মেয়র হিসেবে আমাদের প্রার্থীরা বিজয়ী হবেন বলে আমি আশা করি।

 

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন, মির্জা আজম, সাখাওয়াত হোসেন শফিক, দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সবুর, উপ-দফতর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ।

 
ভোট লুটের নতুন আরেকটি বায়োস্কোপ দেখাবেন সিইসি : রিজভী
                                  

 

স্টাফ রিপোর্টার

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) কড়া সমালোচনা করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সিইসি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন রাতের আঁধারে করার পর এবার ইভিএম (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) দিয়ে ভোট লুটের নতুন আরেকটি বায়োস্কোপ দেখাবেন বলে মনে করছে জনগণ।

 

শুক্রবার সকালে রাজধানীল নয়াপল্টনে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিক্ষোভ মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

 

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে এই মিছিল করা হয়। এতে নেতৃত্ব দেন রহুল কবির রিজভী। বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে নাইটিঙ্গেল মোড় হয়ে আবার কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।

 

রিজভী বলেন, নির্বাচন কমিশন যদি সুষ্ঠু নির্বাচন চাইতো তাহলে প্রতিদিন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ও সমর্থকদের ওপর ছাত্রলীগ-যুবলীগের সন্ত্রাসী হামলা এবং পুলিশ কর্তৃক নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হলেও উদাসীন থাকতো না। এক্ষেত্রে কমিশনের নির্বিকার ভূমিকায় দেশের গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশন ধ্বংস হয়ে গেছে।

 

তিনি বলেন, এই সিইসির অধীনে এ পর্যন্ত যতোগুলো নির্বাচন হয়েছে সেগুলোতে শুধু একতরফা নির্বাচন, ভোট লুট, রাতের আঁধারে ব্যালটে সিল মারাই শুধু নয়, সরকার দলীয় সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্য ও তাণ্ডবের কথা দেশের মানুষ কোনো দিন বিস্মৃত হবে না।

 

রিজভী বলেন, বেগম খালেদা জিয়া সুস্থ অবস্থায় কারাগারে গেলেও এখন পঙ্গু অবস্থায় আছেন এবং দৈনন্দিন কাজের জন্য অন্যের সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল হচ্ছেন। উচ্চতর আদালত এহেন গুরুতর অসুস্থ ব্যক্তিকে জামিন না দেয়ায় সারাদেশের মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশার জন্ম নিয়েছে। এই ঘটনায় প্রমাণ হয়, রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওপর সরকারের নগ্ন হস্তক্ষেপ কত নিষ্ঠুর কত নির্মম। সরকার খালেদা জিয়ার অসুস্থতাকে খাটো করে দেখানোর চেষ্টা করলেও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তার শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে সংবাদ পরিবেশিত হচ্ছে। বাংলাদেশের গণমাধ্যম সরকারি হুমকির চাপে বেগম জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে সম্পূর্ণ সংবাদ পরিবেশন করতে পারছে না।

 

 

তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার ওপর হিংসা-প্রতিহিংসা চরিতার্থ করা বন্ধ হোক। বেগম জিয়াকে সুস্থভাবে বেঁচে থাকার অধিকার দেয়া হোক। খালেদা জিয়ার ওপর সরকারি জুলুমের বিরুদ্ধে সমবেত জনতা এখন রুখে দাঁড়িয়েছে। খালেদা দেশের মানুষের অধিকারের প্রশ্নে সব সময় সোচ্চার কণ্ঠ বলেই প্রতিহিংসার আগুন নেভাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে তাকে কারাবন্দী করে তিলে তিলে নিঃশেষ করতে চান। আমি আবারও অবিলম্বে খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি এবং তাকে তার পছন্দের হাসপাতালে সুচিকিৎসার সুযোগ দানের দাবি জানাচ্ছি। পাশাপাশি কারাবন্দী সকল নেতাকর্মীরও নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করছি।

 
ওবায়দুল কাদেরের কাছ থেকে চিঠি নিলেন খোকন
                                  

 

স্টাফ রিপোর্টার

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকনের হাতে চিঠি তুলে দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ।

সোমবার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার চিঠি গ্রহণ করেন মোহাম্মদ সাঈদ খোকন।



এর আগে রোববার দলের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা গত ২০ ও ২১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় কাউন্সিল কর্তৃক প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ মনোনয়ন প্রদান করেছেন।’

মোহাম্মদ সাঈদ খোকন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখা আওয়ামী লীগের সদ্যবিদায়ী নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

এর আগে অবিভক্ত ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

 
ক্লিন ইমেজের তাপস-আতিকুলই যথেষ্ট : কাদের
                                  

স্টাফ রিপোর্টার

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘আসন্ন ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে প্রচার প্রচারণার জন্য আমাদের মন্ত্রী-এমপিদের প্রয়োজন নেই। বিএনপি প্রার্থীদের মোকাবিলা করতে আমাদের ক্লিন ইমেজের দুই মেয়র প্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস ও আতিকুল ইসলামই যথেষ্ট।’

‘মন্ত্রিত্ব ছেড়ে প্রচারণায় আসুন,’ ওবায়দুল কাদেরের উদ্দেশ্যে বিএনপি মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এই আহ্বান সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি এ কথা বলেন।



কাদের বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নির্বাচনী আচারণবিধি লঙ্ঘন করেননি। তাহলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এই মিথ্যা অভিযোগের উদ্দেশ্যে কি?’

রোববার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমণ্ডলীর প্রথম সভা শেষে এক প্রেসবিফিংয়ে সাংবাদিকরা ওবায়দুল কাদেরের কাছে বিষয়টি জানতে চান।

সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আচরণবিধি লঙ্ঘন প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, দলের মন্ত্রী ও এমপিরা যেন আচরণবিধি লঙ্ঘন না করেন, সেজন্য নির্দেশনা রয়েছে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার।


সংসদ সদস্য আমির হোসেন আমু ও তোফায়েল আহমেদ দুই মেয়র প্রার্থীর সমন্বয়ক হওয়া সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, দল নির্বাচন পরিচালনার জন্য কমিটি গঠন করতেই পারে। তারা তো প্রচার-প্রচারণার জন্য বাইরে যাচ্ছে না। আমাদের কোনো এমপি-মন্ত্রী আচরণ লঙ্ঘন করবে না।

মুজিববর্ষ পালন প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের জবাবে কাদের বলেন, মুজিববর্ষ পালন করে মানুষের মন জয় করা যাবে না, তাহলে কি ভুয়া জন্মদিনে কেক কেটে মানুষের মন জয় করা যাবে?

দলের সম্মেলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের সম্মেলনের আগে ২৯টি জেলার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। বাকি জেলাগুলোয় আগামী ৬ মার্চের মধ্যে সমাপ্ত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশনা দিয়েছেন।

‘সম্পাদকমণ্ডলীর প্রথম সভা আগামী ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে। আজকের সভায় মূলত পরিচিতি হয়েছে নতুন মুখগুলোর। আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনার এ বিষয়ে কিছু নির্দেশনা ছিল, সেই নির্দেশনাগুলো নেতাদের জানিয়ে দেয়া হয়েছে।’



শীতার্ত মানুষের মাঝে এ পর্যন্ত ৪৫ লাখ শীতবস্ত্র এবং তিন কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে বলে জানান ওবায়দুল কাদের।

 

 
বিএনপি মানে অন্ধকার : ওবায়দুল কাদের
                                  

নীলফামারী প্রতিনিধি

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি মানে অন্ধকার, বিএনপি মানে দুর্নীতি, বিএনপি মানে সন্ত্রাস, এমনকি বিএনপি মানে খুন, গুম আর ধর্ষণ।


আজ শনিবার দুপুরে সৈয়দপুর শহরের ফাইভ স্টার মাঠে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। এর আগে বেলা ১১টার দিকে ঢাকা থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছেন।

এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুন্সি, ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান, আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাসিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, উপ দফতর সম্পাদক আবু সায়েম এবং জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দেওয়ান কামাল আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক মমতাজুল হক উপস্থিত ছিলেন।

কী নির্বাচন, কী আন্দোলন কোথাও বিএনপির জনসমর্থন নেই মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, তাদের এখন খড়া চলছে সবখানে। জনসমর্থন থাকলে দেশবাসী দেখতো, মানুষ দেখতো।

বিএনপি ডিজিটাল বাংলাদেশ চায় না উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, বাংলাদেশকে পিছিয়ে রাখতে চায় তারা। যার কারণে এনালগে রয়েছে।

ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ইভিএম প্রয়োগ নিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচন কমিশন যা সিদ্ধান্ত নেবে আমরা সেটাতেই আছি। আমরা কোনোটাতে ভীত নই। বিএনপি নির্বাচনের আগেই হেরে গেছে। ভোটের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। ইভিএম একটি আধুনিক নির্বাচন ব্যবস্থা।

শীতে মানুষ কাঁপলেও বিএনপি অভিযোগ আর নালিশ নিয়ে ব্যস্ত মন্তব্য করে তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের দল আর বিএনপি ক্ষমতার রাজনীতি করে। এ কারণে জনগণের পাশে নেই তারা। আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি মানুষও যাতে কষ্ট না পায় সেজন্য পর্যাপ্ত কম্বল বরাদ্দ দিয়েছেন।

এ ছাড়া রংপুর বিভাগের নয়টি সাংগঠনিক জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের নেতারাও কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকাকে বাঁচাতে আমাদের সকল পরিকল্পনা শুরু করতে হবে : তা‌বিথ
                                  

স্টাফ রিপোর্টার

সকল প্রকার ভয়ভী‌তি উপেক্ষা ক‌রে ৩০ জানুয়ারি সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিজয় নিশ্চিত ক‌রে দলীয় চেয়ারপারসন খা‌লেদা জিয়াকে মুক্ত করার আহ্বান জা‌নি‌য়ে‌ছেন ঢাকা মহানগর উত্ত‌রে (ডিএনসিসি) বিএন‌পি মনোনীত মেয়রপ্রার্থী তা‌বিথ আউয়াল।

শনিবার (১১ জানুয়ারি) ঢাকা উত্তর সিটি নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী না‌জিম উদ্দি‌নের নির্বাচনী ক্যাম্প উদ্বোধন শেষে তি‌নি এ আহ্বান জানান। এর আগে সকাল সা‌ড়ে ৯টায় উত্তরার জয়নাল মার্কেট থে‌কে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু ক‌রেন তাবিথ আউয়াল। তিনি আজমপুর হয় চৈতি গার্মেন্টস, উত্তরখান মাজার, ময়নার টেক, মাস্টার বাড়ি, আটপাড়া, ফা‌য়েদাবাদ চৌরাস্তায় জনসং‌যোগ কর‌বেন।



এর আগে, শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টরে ১ নং রোডের মসজিদে মুসল্লিদের সঙ্গে জুম্মার নামাজ আদায়ের মধ্য দিয়ে ধানের শীষের প্রচারণা শুরু করেন তাবিথ।


তিনি বলেন, `এই সরকা‌রের মু‌খে উন্নয়‌নের বু‌লি থাকলেও বাস্ত‌বে কোনো উন্নয়ন হ‌চ্ছে না। চল‌ছে সন্ত্রাস, দুর্নীতি, লুটপাট আর অপশাসন। নগরবাসী ট্যাক্স দি‌য়েও কাঙ্ক্ষিত সেবা পা‌চ্ছেন না। তাই দেশ‌নেত্রী খা‌লেদা জিয়ার মার্কা ধা‌নের শীষ‌কে বিজয় ক‌রে সরকা‌রের সকল অপক‌র্মের জবাব দেবেন ভোটাররা।`

তাবিথ বলেন, `ভোটাররা দুর্নীতি, অপশাসন ও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। তারা এর জবাব চায়, বিচার চায়। সেই বিচার আমরা জনগণকে নি‌য়ে কর‌ব। ঢাকাকে বাঁচাতে আমাদের সকল পরিকল্পনা শুরু করতে হবে। আধুনিক ঢাকা গড়তে তুলতে হবে।`

 

তাবিথের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন- বিএনপির নির্বাহী ক‌মি‌টির সদস্য নিপুন রায় চৌধুরী, ঢাকা উত্তর যুবদলের সভাপতি এস এম জাহাঙ্গীর হো‌সেন, ৫০ নং ওয়া‌র্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী দেওয়ান মো. না‌জিম উদ্দিন, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএন‌পির দফতর সম্পাদক এবিএম রাজ্জাকসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

 
মির্জা ফখরুল : জাতি হতাশ ও ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে
                                  

 

স্টাফ রিপোর্টার

বর্তমান সংসদের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে জাতির উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া ভাষণে জাতি হতাশ ও ক্ষুব্ধ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ভাষণের প্রতিক্রিয়ায় বুধবার (৮ জানুয়ারি) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমান বাংলাদেশের রাজনীতিতে অর্থনীতি হচ্ছে প্রধান সংকট। এটা হচ্ছে পুরোপুরিভাবে রাজনৈতিক সংকট। এ সরকার একটি অনির্বাচিত সরকার ক্ষমতা দখল করে বসে আছে। এমন একটি নির্বাচন হয়েছে যেটা ৩০ তারিখে হয়নি ২৯ ডিসেম্বর রাতেই ভোট ডাকাতি হয়েছে। সেই হিসেবে জাতির একটি প্রত্যাশা ছিল সংকট নিরসনের একটি পথ তার বক্তব্যে থাকবে। এ নির্বাচন বাতিল করে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে একটি নির্বাচনের কথা বা এমন কোনো ইঙ্গিত দেবেন বা কোনো একটা সংলাপের কথা বলবেন, কিন্তু কোনোটাই তিনি করেননি। সংকট নিরসনের জন্য তিনি কোনো পথ দেখাননি।

তিনি বলেন, অন্যদিকে যে বক্তব্যগুলো রেখেছেন তা সত্য নয়। যেমন তিনি বলেছেন, ‘৭৫-এর পরের বছরগুলোতে মানুষ জরাজীর্ণ ছিল, মানুষের কঙ্কালদেহ ছিল’ -এ কথাগুলো চরম উল্টো। তার আগে ৭২-৭৫ সালে এ দেশে একটি চরম দুর্ভিক্ষ হয়েছিল তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার আমলে, তাদের দুঃশাসনের কারণে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ৭৫-এর পরে জিয়াউর রহমানের যোগ্য নেতৃত্বে এ দেশে পরিবর্তন ঘটে। আজকে বাংলাদেশে যে অর্থনৈতিক ভিত্তি এটার রচনা করেন জিয়াউর রহমান। এর মধ্যে জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে দেন। মানুষের মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে দেন। যার মাধ্যমে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। আর অর্থনীতির যে ভিত্তি গড়ে তোলেন, মুক্তবাজার অর্থনীতি। বিদেশের কাছে উন্মুক্ত হাওয়া রফতানি বাড়ানো। সবচেয়ে বেশি গার্মেন্টস সেক্টরগুলোতে যার মাধ্যমে আমরা টিকে আছি এবং রেমিট্যান্স, এ জিনিসগুলো জিয়াউর রহমান শুরু করেন। এ বিষয়গুলো তিনি (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) বক্তৃতায় তুলে ধরেননি।

মির্জা ফখরুল বলেন, আরেকটি বিষয় হচ্ছে দোষারোপ করা হয়েছে শুধু বিএনপিকে যে, বিএনপি সন্ত্রাস করেছে। ভুলে গেছেন ওনারা যে, ১৭৩ দিন হরতাল করেছেন। কেয়ারটেকার সরকারের দাবিতে এবং সেই সময় বাসে ১১ জন ব্যক্তিকে পুড়িয়ে মারা হয়েছিল। আর অনেক লোক নিহত হয়েছিল, ওই আন্দোলনের ফলে। দেশের রাজনীতির যে কালচার ছিল এখনো আছে, যেটা সরকার করছেন। তারা হত্যা করছে, তুলে নিয়ে গিয়ে মারছেন, নিখোঁজ হয়ে যাচ্ছে, গুম হয়ে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, এই জিনিসগুলো তার বক্তব্যের মধ্যে আসেনি, বক্তব্যের মধ্যে আশা রাখতে বলেছেন, ভরসা রাখতে বলেছেন। সেই ভরসা মানুষ কোথা থেকে রাখবে? অর্থনীতি চরমভাবে নিচে নেমে গেছে। অর্থনীতির বর্ণনায় তিনি যা দিয়েছেন হচ্ছে তার পুরো উল্টো। ব্যাংকগুলো ভেঙে পড়েছে, মানুষ আস্থা রাখবে কোথায়?

 
বিকেলে খালেদার সঙ্গে স্বজনদের সাক্ষাৎ
                                  

স্টাফ রিপোর্টার

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে আজ বিকেলে সাক্ষাৎ করবেন স্বজনরা।

চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শামসুদ্দিন দিদার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গণতন্ত্রের মা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার স্বজনরা বিকেল তিনটায় সাক্ষাতের অনুমতি পেয়েছেন।

সর্বশেষ গত ১৬ ডিসেম্বর বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার স্বজনরা সাক্ষাৎ করেন।

 
জনগণকে সঙ্গে নিয়েই আমরা এই সরকারকে পরাজিত করব: ফখরুল
                                  

স্টাফ রিপোর্টার

বাংলাদেশের রাজনীতি ‘পরিবারতন্ত্রের দিকে যাচ্ছে’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে তিনি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে ইঙ্গিত করে এই মন্তব্য করলেও তার দলের চিত্রও ভিন্ন নয়।

ফখরুল বলেন, “আপনি দেখবেন, এখানে একদলীয় শুধু নয়, এক ব্যক্তিও হয়ে যাচ্ছে, একটা পরিবার হয়ে যাচ্ছে।

“তাকিয়ে দেখেন নমিনেশন কাকে দেয়, কারা আসে, কে কোথায় আসে, আপনার সংগঠনগুলোর প্রধান কারা হয়? তাহলে বোঝা যাবে যে, তারা আজকে পরিবারতন্ত্রের দিকে যাচ্ছে।”

আওয়ামী লীগের দেশ পরিচালনার সমালোচনা করে তাদের ক্ষমতা থেকে হঠাতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান বিএনপি মহাসচিব।

তিনি বলেন, “এই লড়াই কোনো ছোট-খাটো লড়াই নয়, জোর লড়াই। এই লড়াইয়ে সবাইকে অংশ নিতে হবে। আসুন, আমরা সবাই সেই লক্ষ্যে এগিয়ে যাই।

“ভয়াবহ দানবীয় যে সরকার, তাকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করবার জন্য, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে, নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের পরিচালনায় একটা নতুন নির্বাচন আমাদের আদায় করে নিতে হবে।”

এর মধ্যেও ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ব্যাখ্যা দেন ফখরুল।

তিনি বলেন, “আমরা বলেছি যে, নির্বাচনটাকে আমরা একটা আন্দোলনের অংশ হিসেবে নিয়েছি। এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আমরা জনগণের কাছে যেতে চাই।

“জনগণকে সঙ্গে নিয়েই আমরা এই সরকারকে নিয়মতান্ত্রিকভাবে পরাজিত করব। এটাই আমাদের কাজ, সেই কাজটি আমরা করে যাচ্ছি। আমরা বিশ্বাস করি, এতে আমরা সফল হবে।”

‘কানাডায় রায়ে খালেদা নির্দোষ’

নাইকো দুর্নীতির মামলা খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে চললেও কানাডার আদালতের রায়ে এই দুর্নীতির প্রমাণ মেলেনি বলে দাবি করেন বিএনপি মহাসচিব ফখরুল।

তিনি বলেন, “নাইকো দুর্নীতির মামলা যেটা এই সরকার করেছে, মূল যে মামলা কানাডাতে, সেখানে আন্তর্জাতিক সালিশ নিষ্পত্তিকারী ট্রাইব্যুনালের রায়ের তথ্য গোপন করে রেখেছে এই সরকার।

“ইতোমধ্যে এই মামলার রায় হয়েছে। এই মামলায় বলা হয়েছে যে, কোনো রকম দুর্নীতি হয়নি এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ অন্যান্য যাদেরকে এই মামলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছিল, তারা সম্পূর্ণ নির্দোষ।”

বিএনপি চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে দায়ের করা অন্য মামলাগুলোও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন ফখরুল।

তিনি বলেন, “সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় অন্যায়ভাবে দীর্ঘদিন ধরে খালেদা জিয়াকে অসুস্থবস্থায় আটক রাখা হয়েছে।”

খালেদার ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মামলাগুলোও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন ফখরুল।

জিয়া পরিষদের উদ্যোগে সংগঠনটির সদ্য প্রয়াত নেতা কবীর মুরাদের স্মরণে নাগরিক স্মরণ সভায় বক্তব্য রাখেন ফখরুল।

গত ৭ ডিসেম্বর কবীর মুরাদ মারা যান। যিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদেরও সদস্যও ছিলেন।

জিয়া পরিষদের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান এম সলিমুল্লাহ খানের সভাপতিত্বে সিনিএই স্মরণ সভায় বক্তব্য রাখেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, শামসুজ্জামান দুদু, জিয়া পরিষদের আবদুল্লাহিল মাসুদ, আব্দুল কুদ্দুস, মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, লুৎফর রহমান, মওদুদ হোসেন, আলমগীর পাভেল, মাহফুজুর রহমান ফরহাদ, এমতাজ হোসেন, আবুল কালাম আজাদ, প্রয়াত কবীর মুরাদের স্ত্রী বেগম মমতাজ কবীর।

 
আজ শেষ হচ্ছে মালয়েশিয়ায় সাধারণ ক্ষমার সুযোগ
                                  

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

 

মালয়েশিয়ায় আজ (মঙ্গলবার) শেষ হচ্ছে সাধারণ ক্ষমার সুযোগ। স্পেশাল এ সুযোগ নিতে পারেননি কয়েক হাজার অবৈধ অভিবাসী। তারা বলছেন, শেষ সময়ে উড়োজাহাজের টিকিট সংগ্রহ করতে না পারায় ইমিগ্রেশনে বিশেষ পাসের জন্য আবেদনই করতে পারেননি তারা।

 

 

অবৈধ অভিবাসীদের নিজ দেশে ফেরাতে মালয়েশিয়া সরকারের নেয়া ‘ব্যাক ফর গুড’ কর্মসূচির আওতায় দেশে ফিরে আসছেন ৫০ হাজারের বেশি বাংলাদেশি। তবে ফিরতে চাইলেও এখন পর্যন্ত পাস সংগ্রহ করতে পারেননি কয়েক হাজার বিভিন্ন দেশের অভিবাসী। এর মধ্যে কতজন বাংলাদেশি পাস পাননি তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে ধারণা করা হচ্ছে, ১০ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি পাস সংগ্রহ করতে পারেননি।

 

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ১ আগস্ট থেকে ‘ব্যাক ফর গুড’ কর্মসূচি চালু করে মালয়েশিয়া সরকার। কিন্তু সেখানে অবৈধভাবে বাস করা বাংলাদেশিদের বড় একটা অংশ শেষ সময়ে এ সুযোগ নেয়ার অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু ডিসেম্বরে হঠাৎ করে বেড়ে যায় উড়োজাহাজের টিকিটের চাহিদা। এ কারণে টিকিটের দামও বেড়ে যায় অনেক। টিকিটের উচ্চমূল্যে ‘ব্যাক ফর গুড’ কর্মসূচির আওতায় আসতে চেয়েও মালয়েশিয় ইমিগ্রেশন থেকে বিশেষ পাস নিতে ব্যর্থ হন অন্তত ১০ হাজারের বেশি বাংলাদেশি।

 

মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশনের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, ইমিগ্রেশনে বিশেষ পাসের জন্য আবেদন করতে হলে উড়োজাহাজের টিকিটসহ প্রার্থী নিজে ইমিগ্রেশন সেন্টারে উপস্থিত হবেন। টিকিটের মূল্য কমাতে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ১০ হাজার টাকা করে জনপ্রতি ভর্তুকি দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হলেও সে সুবিধা নিতে পারেননি অনেকে। কেবল বিমানের কুয়ালালামপুর অফিস থেকে ভর্তুকির এ টিকিট সংগ্রহের বাধ্যবাধকতা থাকায় পাঁচশর কিছু বেশি কর্মী এ সুযোগ নিতে পেরেছেন। বাকিরা উচ্চমূল্যেই টিকিট সংগ্রহ করতে বাধ্য হন। অন্যদিকে সামর্থ্য না থাকায় যারা টিকিট কাটতে পারছেন না, তারাই বিশেষ পাস নিতে ব্যর্থ হচ্ছেন।

 

 

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা করছে পাঁচটি এয়ারলাইন্স। দেশীয় এয়ারলাইন্সগুলোর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ সপ্তাহে ১৪টি ও ইউএস-বাংলা সপ্তাহে সাতটি ফ্লাইট পরিচালনা করছে। অন্যদিকে বিদেশি এয়ারলাইন্সের মধ্যে মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের ১৪টি, মালিন্দো এয়ার ১৩টি ও এয়ার এশিয়া সপ্তাহে সাতটি ফ্লাইট রয়েছে।

 

 

মালয়েশিয়া থেকে অবৈধ শ্রমিকদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য ১৪ ডিসেম্বর থেকে কুয়ালালামপুর-ঢাকা রুটে ১৬টি অতিরিক্ত ফ্লাইট দিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। একই সঙ্গে এ ১৬টি ফ্লাইটে বাংলাদেশ সরকার টিকিটপ্রতি ১২ হাজার টাকা করে ভর্তুকি দিয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশিকর্মীদের প্রতিটি টিকিটে বাংলাদেশ বিমান দুই হাজার টাকা ছাড় দিয়েছে। আর ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের তহবিল থেকে ভর্তুকি দেয়া হয় ১০ হাজার টাকা করে। তবে এ ভর্তুকি পাওয়ার শর্ত হলো, অবশ্যই ট্রাভেল পারমিট থাকতে হবে। এছাড়া ভর্তুকির টিকিট বিমানের কুয়ালালামপুরের অফিস থেকে সরাসরি কিনতে হবে। এজেন্টের কাছ থেকে কেনার সুযোগ দেয়নি বিমান। চাহিদা বাড়ায় স্বাভাবিকভাবেই টিকিটের মূল্য বেড়েছে। এটি এয়ারলাইন্সগুলোর বিশ্বব্যাপী চর্চা।

 

শুধু টিকিট সংকটের কারণে অবৈধ বাংলাদেশিরা বিশেষ পাস নিতে ব্যর্থ হচ্ছেন বলে মানতে রাজি নয় কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশন। হাইকমিশনের শ্রম কাউন্সেলর মো. জহিরুল ইসলাম এ প্রতিবেদককে বলেন, ৩১ ডিসেম্বর (আজ) ‘ব্যাক ফর গুড’ কর্মসূচি শেষ হচ্ছে। তবে যারা এরই মধ্যে বিশেষ পাস সংগ্রহ করেছেন, তারা যেতে পারবেন। ধারণা করা হচ্ছে, এ সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়িয়ে যাবে।

 

কতজন এখনও পাস নিতে পারেননি, তার সঠিক পরিসংখ্যান এখনই বলা সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, মালয়েশিয়া সরকার পাঁচ মাস আগে এ কর্মসূচি শুরু করেছে। নানা প্রচারণা সত্ত্বেও শুরুর কয়েক মাস অবৈধ হয়ে যাওয়া প্রবাসীরা বিষয়টিকে গুরুত্ব দেননি। শেষ মুহূর্তে সবাই একসঙ্গে ভিড় করেছেন। ভিড়ের কারণে অনেকের ফ্লাইট ভ্রমণের তারিখ উত্তীর্ণ হবার পথে। এ অবস্থায় পুত্রজায়া ইমিগ্রেশনে অপেক্ষমান নাগরিকদের মধ্যে হতাশা নেমে আসে। শেষ মুহূর্তে হাইকমিশনার মহ. শহীদুল ইসলামের নির্দেশে কমিশনের কর্মকর্তারা ইমিগ্রেশনের সঙ্গে পরামর্শ করে ইপো পেরাক ও কুয়ান্তান ইমিগ্রেশনে অবৈধ বাংলাদেশিকর্মীদের নিয়ে যাবার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। অপেক্ষমানদের মধ্য থেকে যাদের ফ্লাইট নিকটে তাদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়। এসব বাংলাদেশিদের নিয়ে চারটি বাস রওনা দেয় ইপু-পেরাক ও কোয়ান্তান ইমিগ্রেশনের উদ্দেশ্যে। এছাড়া জরুরি ফ্লাই করতে হবে এমন ২০০ জনকে ইপু-পেরাক ও কোয়ান্তান ইমিগ্রেশন থেকে স্পেশাল পাস সংগ্রহ করে দেয়া হয়।

 

অন্যদিকে ইমিগ্রেশন কাউন্টারগুলোতে ১৫টি দেশের হাজার হাজার অবৈধ অভিবাসী লাইনে দাঁড়াচ্ছেন। কিন্তু ইমিগ্রেশন অফিসগুলোরও নির্দিষ্ট ক্যাপাসিটি রয়েছে। একটি ইমিগ্রেশন অফিস থেকে দৈনিক ইস্যু করা হয় গড়ে ৪০০টি বিশেষ পাস। এ কারণে অনেকেরই পাস পেতে সমস্যা হচ্ছে।

 

 

ভিন্ন পন্থায় মালয়েশিয়ায় যাওয়ার পাশাপাশি বৈধ পথে গেলেও ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ায় অবৈধ হয়েছেন এমন প্রবাসীদের বিনা হয়রানিতে দেশে ফেরার সুযোগ দিয়েছে মালয়েশিয়া সরকার। ‘ব্যাক ফর গুড’ শীর্ষক এ কর্মসূচির আওতায় ইমিগ্রেশন কাউন্টার থেকে অবৈধ শ্রমিকদের দেয়া হচ্ছে দেশত্যাগের বিশেষ পাস। তবে এজন্য আবেদনকারীকে নিজে উপস্থিত হয়ে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের কাছে পাসপোর্ট বা ট্রাভেল ডকুমেন্ট এবং নিশ্চিত ফ্লাইট টিকিটসহ আবেদন করতে হয়। জরিমানা ও বিশেষ পাসবাবদ জমা দিতে হয় মোট ৭০০ রিঙ্গিত। আবেদনের এক কর্মদিবসের মধ্যেই বহির্গমনের অনুমতি হাতে পান আবেদনকারীরা। এক্ষেত্রে আবেদনকারীর অনুমতি পাওয়ার সাতদিনের মধ্যেই মালয়েশিয়া ত্যাগের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

 

এ কর্মসূচি মালয়েশিয়ার সাবা, সারাওয়াক ও লাবুয়ান ছাড়া অন্য ১১টি প্রদেশে কার্যকর করা হয়। এজন্য মালয়েশিয়ায় সব মিলিয়ে ৮০টি কাউন্টার খোলা হয়। অবৈধ অভিবাসীরা প্রতিদিন এসব কাউন্টারে উপস্থিত হয়ে আউটপাস সংগ্রহ করেন।

 

মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা গেছে, গত ১ আগস্ট শুরু হওয়া সাধারণ ক্ষমার সুযোগ নিয়ে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিজ নিজ দেশে ফিরেছেন বিভিন্ন দেশের এক লাখ ৮৭ হাজার ৩০৯ জন অবৈধ অভিবাসী। এর মধ্যে আগস্ট মাসে ২৩ হাজার ৫২, সেপ্টেম্বরে ২৩ হাজার ১১৩, অক্টোবরে ২৮ হাজার ২১৫, নভেম্বরে ৩৭ হাজার ৫৩৫ এবং ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৭৫ হাজার ৫৫৩ অবৈধ অভিবাসী নিজ নিজ দেশে ফিরেছেন।

 

এদিকে সাধারণ ক্ষমার সময় বাড়ানো হবে কি-না, মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানিয়ে দেবে অভিবাসন বিভাগ। তবে সময় আর বাড়ানো হবে না বলে সেদেশের অভিবাসন বিভাগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

৩৬৫ দিন আমরা ডেঙ্গু নিয়ে কাজ করব : আতিকুল
                                  

স্টাফ রিপোর্টার


ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়রপ্রার্থী আতিকুল ইসলাম বলেছেন, আমরা অবশ্যই জনগণের ভোটে নির্বাচিত হব। সন্ত্রাসী কারচুপিতে বিশ্বাস করি না। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ একটি ঐতিহ্যবাহী দল গণতান্ত্রিক দল।

মঙ্গলবার মেয়রপ্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি। এর আগে ঢাকা উত্তরের রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাসেমের কাছে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেন আতিকুল।

সাংবাদিকরা তার কাছে জানতে চান, ‘বিগত নির্বাচন নিয়ে সবার একটি অভিযোগ আছে- আপনারা প্রশাসন ও ক্ষমতাসীন দলের ছত্রচ্ছায়ায় নির্বাচিত হয়েছেন, এবার কাদের ভোটে নির্বাচিত হবেন?’ এই প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

আতিকুল ইসলাম বলেন, আসন্ন ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠু ও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হবে।

সদ্যসাবেক এই মেয়র বলেন, সবাইকে অনুরোধ করব এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। নির্বাচনে হারজিত আছেই। আমি অনেক নির্বাচন করেছি কিন্তু কখনো নির্বাচন মাঝপথে গিয়ে বর্জন করেনি। আমি সবাইকে অনুরোধ করব- আপনারা নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত থাকবেন এবং আগামী ৩০ জানুয়ারি নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে।

ডেঙ্গুবিষয়ক এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মালয়েশিয়া-সিঙ্গাপুরসহ সারাবিশ্বে ডেঙ্গু আক্রান্ত হচ্ছে। আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করছি। ৩৬৫ দিন আমরা ডেঙ্গু নিয়ে কাজ করব। আমরা বিশ্বাস করি পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশ থেকে ডেঙ্গু নির্মূল করা হবে।


বিএনপির উদ্দেশে তিনি বলেন, কোনো দল যদি প্রথম থেকেই বলে আমরা মাঠে থাকতে পারব না, আগে থেকে তারা কীভাবে এটা বলে।

ইভিএম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সারাবিশ্বে প্রযুক্তির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা এর বাইরে নয়। এখন অ্যাপসে সব হয়।

শত শত নেতাকর্মী নিয়ে শোডাউন করে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা কোনো শোডাউন করিনি। তারা এখানে আসা কাউন্সিলরদের সমর্থক।

কালো টাকার মালিক ও ক্যাসিনো-নিয়ন্ত্রক কাউন্সিলর প্রার্থীদের কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবেন- এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযানে নেমেছেন। এবার যদি কোনো কাউন্সিল ও দুর্নীতিবাজ হয় তাদের বরদাস্ত করা হবে না।

ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ৩১ ডিসেম্বর, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ২ জানুয়ারি, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ৯ জানুয়ারি এবং প্রতীক বরাদ্দ হবে ১০ জানুয়ারি। ভোটগ্রহণ ৩০ জানুয়ারি।

ফলাফল যাই হোক সেটা মেনে নিতে প্রস্তুত আওয়ামী লীগ : কাদের
                                  

 

স্টাফ রিপোর্টার

 

ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নতুন বছরের চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

 

 

তিনি বলেছেন, অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে নির্বাচন কমিশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে চায় সরকার। ফলাফল যাই হোক সেটা মেনে নিতে প্রস্তুত আওয়ামী লীগ।

 

মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সমসাময়িক ইস্যুতে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন।

 

কাদের বলেন, নতুন বছরের শুরুতেই ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন। আমরা একটা ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার, গ্রহণযোগ্যতা-সম্পন্ন নির্বাচন করতে বদ্ধপরিকর। প্রধানমন্ত্রী বলে দিয়েছেন একটি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন করতে হবে৷ এক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনকে সকল প্রকার সহযোগিতার আশ্বাস তিনি দিয়েছেন। আমরা একটি ভালো নির্বাচন করতে চাই। নির্বাচনের যেটাই ফলাফল হোক আমরা মেনে নেবো।

 

সিটি নির্বাচনে জয়ের লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ কাজ করে যাচ্ছে জানিয়ে সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা নির্বাচন পরিচালনার জন্য ইতোমধ্যে দুই সিটিতে টিম গঠন করে ফেলেছি। আমাদের কাজ যথারীতি শুরু হবে।

 

 

ইভিএম পদ্ধতিতে নির্বাচন প্রসঙ্গে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে বিএনপির প্রার্থী তাবিথ আওয়ালের বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির কে যে কোন কথা বলে বুঝি না। তাদের একেকজন একেক রকমের কথা বলে। তাদের নেতাদের মধ্যে বক্তব্যের কোনো মিল নেই। তারা এলোমেলো হয়ে গেছে। তাদের দলের দুইজন সিনিয়র লিডার দল থেকেই চলে গেছেন নেতিবাচক রাজনীতির কারণে। আমার মনে হয় তারা নির্বাচনে আসবেন এবং শেষ পর্যন্ত থাকবেন।

 

তিনি বলেন, ইভিএম পদ্ধতিতে বাংলাদেশে যে সব নির্বাচন হয়েছে এর মধ্যে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বিএনপি জয়লাভ করেছে। এখানে হারানোর কিছু নেই। ইভিএম হলে তাদের আরও বেশি করে জেতার সম্ভাবনা থাকতে পারে। ইভিএমকে ত্রুটিযুক্ত মনে করার কোনো কারণ নেই। এর আগে আমাদের দেশে ইভিএমে কোনো ত্রুটি ধরা পড়েনি। এ পদ্ধতি দিয়ে ত্রুটিমুক্ত নির্বাচন করা সম্ভব। এ নিয়ে সন্দেহের কোনো কারণ নেই। বিএনপির আসলে একটি পুরোনো অভ্যাস হলো নির্বাচনের আগেই তারা হেরে যায়। তারা নানান অভিযোগ তোলে, আগেই তারা হেরে যাওয়ার অজুহাত খোঁজে এবং জনগণের সামনে সেটা উত্থাপন করে। নির্বাচনের ফলাফলের পর তোতা পাখির মতো তারা বুলি আওড়াতে থাকে যে- নির্বাচনে জালিয়াতি হয়েছে।

জনগণের প্রতি আস্থা রেখে এ নির্বাচনে অংশ নিয়েছি : তাবিথ আউয়াল
                                  

স্টাফ রিপোর্টার


ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপির মেয়রপ্রার্থী তাবিথ আউয়াল বলেছেন, জনগণের প্রতি আস্থা রেখে এ নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। কারণ জনগণ বারবার বিএনপিকে ভোট দিতে চেয়েছিল। সেই জনগণকে নিয়েই আমরা মাঠে নেমেছি।

মেয়রপ্রার্থী হিসেবে মঙ্গলবার ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাসেমের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

সাংবাদিকরা তার কাছে জানতে চান, আপনাদের নির্বাচন কমিশনের প্রতি আস্থা নেই, সরকারের প্রতি আস্থা নেই, প্রশাসনের প্রতি আস্থা নেই- তাহলে কাদের ওপর ভরসা করে এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন? জবাবে তাবিথ বলেন, ‘শুধু আমাদের নয়, জনগণেরও এ তিনটি সংস্থার প্রতি কোনো আস্থা নেই। তবে আমরা নিজেদের এবং জনগণের প্রতি আস্থা রেখে এ নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। কারণ জনগণ বারবার বিএনপিকে ভোট দিতে চেয়েছিল। সেই জনগণকে নিয়েই আমরা মাঠে নেমেছি।’

‘গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি বিশ্বাস রেখে আমরা এ নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। তারপরও আসন্ন নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয় কি-না, আমরা সন্দিহান।’

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ঢাকা উত্তরের রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাশেমের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন তাবিথ আউয়াল। এর আগে ডিএনসিসি নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আতিকুল ইসলাম মনোনয়নপত্র জমা দেন। তিনি বলেন, পুনরায় নির্বাচিত হলে ৩৬৫ দিনই আমরা ডেঙ্গু নিয়ে কাজ করব।

অন্যদিকে মঙ্গলবার রাজধানীর গোপীবাগে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়রপ্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস মনোনয়নপত্র জমা দেন।


তাবিথ আউয়াল বলেন, এখানে সন্দেহ শুধু আমাদের একার নয়, সাধারণ জনগণ এ সন্দেহ করছেন। জনগণ নির্ভয়ে ভোট দিতে পারবেন কি-না আর ভোট দিতে পারলেও তা ঠিকভাবে গণনা করা হবে কি-না, জনগণের এ সন্দেহ আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে তুলে ধরেছি। আমরা আরও বলেছি, অতীতে একটি বিতর্কিত নির্বাচন হয়েছে, সেই বিতর্ক আর না বাড়িয়ে ইভিএম যাতে এ নির্বাচনে ব্যবহার করা না হয়। কারণ ইভিএম নিয়ে অনেক বিতর্কের সুযোগ আছে।



তিনি বলেন, ইভিএমের প্রযুক্তি নিয়েও আমাদের অনেক প্রশ্ন রয়েছে। এ নিয়ে আমরা নির্বাচন কমিশনেও সংলাপ করব, কথা বলব। নির্বাচনে যত সমস্যা আসুক না কেন সব সমস্যা অতিক্রম করে আমরা শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের মাঠে থাকব। তার মানে এই নয় যে, আমরা যে আশঙ্কাগুলো করছি, সেগুলো বহাল থাকলে আমরা তা মেনে নেব। আমরা সুষ্ঠু নির্বাচনের পক্ষে। আশা করছি, আসন্ন নির্বাচন সংলাপের মাধ্যমে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে।

তিনি আরও বলেন, গত মেয়র নির্বাচনের পরও অনেক নির্বাচন হয়েছে। সে নির্বাচনগুলোতে আমরা শেষ পর্যন্ত ছিলাম। মাঠে থাকা অবস্থায় আমরা অনেকগুলো অভিযোগ করেছিলাম। সেগুলোর কোনোটি আমলে নেয়া হয়নি। তদন্ত করা হয়নি। গত একাদশ সংসদ নির্বাচন যেটা ২৯ এবং ৩০ ডিসেম্বর হয়েছিল সেখানে আমরা শেষ পর্যন্ত ছিলাম। সেখানে তো ভোট হয়নি, তাই গণনার দরকার হয়নি। সুষ্ঠু হবে না জেনেও গণতন্ত্রের প্রতি আস্থা রেখে আমরা চেষ্টা করেছি নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য।

আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি করব, তারা যেন আমাদের অভিযোগগুলো আমলে নিয়ে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেয়।

গত মেয়র নির্বাচনের দিন বিএনপি নির্বাচন থেকে মাঝপথে সরে দাঁড়ায় অথচ জনগণ আপনাদের প্রতি আস্থা রেখে তিন লাখ ভোট দিয়েছিল, সেই জনগণকে এবারও আপনারা হতাশ করবেন কি-না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘গত সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল তার প্রতিবাদে আমরা নির্বাচন বর্জন করেছিলাম। আমরা চেষ্টা করেছিলাম শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে থাকার জন্য। কিন্তু তা সম্ভব হয়নি। তবে আমরা এবার শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে থাকব এবং নির্বাচনের শেষটা দেখে নেব।’

নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত ইভিএম ব্যবহার হলে সিদ্ধান্তের কোনো পরিবর্তন হবে কি-না, এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ইভিএম নিয়ে আমরা আমাদের আশঙ্কার কথা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে তুলে ধরেছি। আশা করি সংলাপের মাধ্যমে তাদের বুঝাতে পারব, যাতে ইভিএম ব্যবহার করা না হয়।’



ইভিএম ব্যবহারে বদ্ধপরিকর ইসি- এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এমনও কিন্তু বলেছে যে, সব দল যদি না চায় ইভিএম ব্যবহার করা হবে না। আমরা এখনও আশাবাদী। এর মাধ্যমে ইভিএম থেকে সরে আসার একটি সুযোগ রয়েছে।’

তিনি বলেন, ২০১০ সাল থেকেই আমরা ইভিএম নিয়ে ইসির সঙ্গে কথা বলে আসছি। আমরা কারিগরি দল নিয়ে এসেছিলাম, তারপরও এটির সমাধান হয়নি। এবারও আমরা সেই চেষ্টা করব।

আওয়ামী লীগ দাবি করছে, জনগণ উন্নয়ন দেখে তাদের ভোট দেবে। তাহলে আপনাদের জনগণ কেন ভোট দেবে- এমন প্রশ্নের জবাবে তাবিথ আউয়াল বলেন, জনগণ গণতান্ত্রিক অধিকার ফেরত পাওয়ার জন্য বিএনপিকে ভোট দেবে। তারা ভয়ভীতির মধ্যে রয়েছে। তারা মুক্তি চায়। ভোটের অধিকার ফেরত চায়। জনগণ বিশ্বাস করে, খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় কারাগারে রাখা হয়েছে। এসব থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য জনগণ বিএনপিকে অর্থাৎ আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে।

ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ৩১ ডিসেম্বর, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ২ জানুয়ারি, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ৯ জানুয়ারি এবং প্রতীক বরাদ্দ ১০ জানুয়ারি। ভোটগ্রহণ ৩০ জানুয়ারি।

আমাকে পরীক্ষা করে দেখেন : তাপস
                                  

 

নিজস্ব প্রতিবেদক   

 

 

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, আপনারা (ঢাকাবাসী) আমাকে পরীক্ষা করে দেখেন। আপনারা যদি আমাকে সেবক হিসেবে নির্বাচিত করেন তাহলে প্রতিটি প্রতিশ্রুতি ইনশাআল্লাহ দ্রুততম সময়ের মধ্যে কার্যকর করা হবে।

 

মঙ্গলবার রাজধানীর গোপীবাগে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় মনোনয়নপত্র জমা দিতে এসে তিনি এসব কথা বলেন।

 

আপনি মনোনয়নপত্র জমা দিতে আসার সময় ব্যাপক শোডাউন হয়েছে, এতে করে আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়েছে কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, একই সময়ে বিভিন্ন কাউন্সিলর প্রার্থীও মনোনয়ন জমা দিতে এসেছেন। যে কারণে হয়তো মানুষের সমাগম হয়েছে। তবে আমরা আচরণবিধি মেনে নির্দিষ্টসংখ্যক সিনিয়র নেতার সঙ্গে এসেছি। আমরা সব সময় আশা করবো নির্বাচন যেন সুষ্ঠু, প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হয়; যেখানে ঢাকাবাসী স্বতঃস্ফূর্তবাবে অংশ নেবে।

 

অন্য প্রার্থীদের তুলনায় আপনি নিজেকে কীভাবে দেখছেন- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ঢাকা-১০ আসন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আওতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন। এ আসনে আমি সংসদ সদস্য হিসেবে জনগণের সেবা করে আসছি। আমার এলাকার লোকজন আমাকে ভালোবেসে আলিঙ্গন করে রেখেছেন। এখন ঢাকাবাসীকে আরও ব্যাপক পরিসরে সেবা দেয়ার জন্য মেয়র পদে নির্বাচন করছি।

 

ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, আগামী বছর ঢাকাবাসীর জন্য একটি নব সূচনা আমরা করতে পারবো। আমাদের অনেক করণীয় আছে। দীর্ঘদিন ঢাকাবাসী অবহেলিত-বঞ্চিত তাদের নাগরিক সেবা থেকে। আসন্ন নির্বাচনে ঢাকাবাসী যদি আমাকে নির্বাচিত করে তাদের সেবক হিসেবে কাজ করার সুযোগ দেয়, তাহলে নাগরিক মৌলিক সেবা নিশ্চিত করাই হবে আমার প্রথম ও প্রধান কাজ। সকলকে নিয়ে আমরা একসঙ্গে কাজ করবো। আপনারা আমাকে পরীক্ষা করে দেখবেন। আপনাদের সেবক হিসেবে নির্বাচিত হলে প্রতিটি প্রতিশ্রুতি ইনশাআল্লাহ দ্রুত বাস্তবায়ন করব।

 

দুই সিটির রিটার্নিং কর্মকর্তার দফতর সূত্র জানা গেছে, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র, সাধারণ ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে মোট দুই হাজার ২৬০টি মনোনয়নপত্র বিতরণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর মধ্যে উত্তর সিটিতে এক হাজার ১৫টি এবং দক্ষিণ সিটিতে এক হাজার ২৪৫টি মনোনয়নপত্র বিক্রি হয়েছে। উত্তরে মেয়র পদে ১০ জন এবং দক্ষিণে ৮ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।

 

 

দুই সিটিতে মেয়র পদে সবচেয়ে বেশি মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা। দলটির মোট চারজন মেয়র পদে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন। তাদের মধ্যে দক্ষিণে হাজী মো. সেলিম ও শেখ ফজলে নূর তাপস। উত্তরে মো. আতিকুল ইসলাম ও সালাউদ্দিন। আওয়ামী লীগ থেকে উত্তরে আতিকুল ইসলাম ও দক্ষিণে শেখ ফজলে নূর তাপসকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।

 

দক্ষিণে অন্য মেয়রপ্রার্থীরা হলেন- বিএনপির ইশরাক হোসেন, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. আকতার উজ্জামান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আবদুর রহমান, পিডিপির মো. বাহারানে সুলতান বাহার, জাতীয় পার্টির মো. সাইফুদ্দিন ও স্বতন্ত্র আব্দুস সামাদ সুজন।

 

উত্তরে মেয়রপ্রার্থীরা হলেন- বিএনপির তাবিথ আউয়াল, গণফ্রন্টের কাজী মো. শহীদুল্লাহ, জাতীয় পার্টির জি এম কামরুল ইসলাম, স্বতন্ত্র স্বাধীন আক্তার আইরিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শেখ মো. ফজলে বারী মাসউদ, পিডিপির শাহীন খান, এনপিপির মো. আনিসুর রহমান দেওয়ান ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির আহম্মেদ সাজ্জাদুল হক।

 

দক্ষিণ সিটি সূত্র জানায়, মেয়র পদে আটজন, সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর পদে ১৯০ জন ও সাধারণ আসনের কাউন্সিলর পদে এক হাজার ৪৭ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। তাদের মধ্যে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত মেয়র পদে দুজন, সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর পদে ১১ জন ও সাধারণ আসনের কাউন্সিলর পদে ৫৩ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। অর্থাৎ এ আসনে মোট ৬৬ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন গতকাল পর্যন্ত।

 

উত্তর সিটি সূত্র জানায়, মেয়র পদে ১০ জন, সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর পদে ১৭৭ এবং সাধারণ আসনের কাউন্সিলর পদে ৮২৮ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। তাদের মধ্যে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত মেয়র পদে একজন, সংরক্ষিত আসনে ৭ জন এবং সাধারণ আসনে ৭৪ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। অর্থাৎ মোট ৮২ জন মনোনয়ন দাখিল করেছেন।

 

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দাখিলকৃত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ২ জানুয়ারি এবং প্রত্যাহারের শেষ দিন ৯ জানুয়ারি। প্রতীক বরাদ্দ ১০ জানুয়ারি, এছাড়া ঢাকার দুই সিটিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ৩০ জানুয়ারি।

 

দেশে গণতন্ত্র নেই, ভোটের অধিকার নেই : ইশরাক
                                  

নিজস্ব প্রতিবেদক


ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়রপ্রার্থী ইশরাক হোসেন বলেছেন, আমরা উচ্চ শিক্ষিত। দেশ এবং নগরের উন্নয়ন আমরা করতে পারব ইনশাআল্লাহ। বিএনপি আজ ঐক্যবদ্ধ। দেশে গণতন্ত্র নেই, ভোটের অধিকার নেই। ঢাকাবাসী এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে আজ ঐক্যবদ্ধ। বিজয় আমাদের নিশ্চিত ইনশাআল্লাহ।

মঙ্গলবার বিকেল পৌনে ৩টার দিকে রাজধানীর গোপীবাগে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিতে গিয়ে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি।

ইশরাক হোসেন বলেন, বিশ্বের বিশেষজ্ঞদের এনে ঢাকা শহরের উন্নয়ন করা কোনো ব্যাপারই ছিল না। গত ১২ বছরে যে অর্থ পাচার হয়েছে সেই অর্থ যদি দেশের অর্থনীতিতে থাকতো তাহলে শুধু ঢাকা নয় বাকি মেট্রোপলিটন সিটি আজ উন্নত শহর হতো। দেশ আজ অনেক এগিয়ে যেত কিন্তু সেটা হয়নি।

তিনি আরও বলেন, একই নির্বাচন কমিশনের অধীনে ৩০ জানুয়ারি কেমন নির্বাচন হয়েছে, সেটা আপনারা দেখেছেন। একজন প্রার্থী হিসেবে এই নির্বাচন কমিশনের প্রতি কেমন আস্থা থাকতে পারে? এটা জাতির কাছে প্রশ্ন রাখতে চাই। তারপরও ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনকে সামনে রেখে তাদের (নির্বাচন কমিশন) একটি সুযোগ এসেছে ভুল সংশোধনের। আশা করব, উনারা সেটা করবেন।

শত শত নেতাকর্মী নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিতে এসে আপনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে ইশরাক বলেন, আমরা শত শত মানুষ নিয়ে এসেছি এটা ভুলকথা। আমরা পাঁচজন মিলেই এসেছি। কিন্তু একই সময় অনেক কাউন্সিলর প্রার্থীও মনোনয়নপত্র জমা দিতে এসেছেন আলাদাভাবে, সেই দায় তো আর আমি নেব না।

দুই সিটির রিটার্নিং কর্মকর্তার দফতর সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র, সাধারণ ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে দুই হাজার ২৬০টি মনোনয়নপত্র বিতরণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর মধ্যে উত্তর সিটিতে এক হাজার ১৫টি এবং দক্ষিণ সিটিতে এক হাজার ২৪৫টি মনোনয়নপত্র বিক্রি হয়েছে। উত্তরে মেয়র পদে ১০ জন এবং দক্ষিণে ৮ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।


দুই সিটিতে মেয়র পদে সবচেয়ে বেশি মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা। দলটির চারজন মেয়র পদে মনোনয়ন সংগ্রহ করেন। তাদের মধ্যে দক্ষিণে হাজী মো. সেলিম ও শেখ ফজলে নূর তাপস। উত্তরে মো. আতিকুল ইসলাম ও সালাউদ্দিন। আওয়ামী লীগ থেকে উত্তরে আতিকুল ইসলাম ও দক্ষিণে শেখ ফজলে নূর তাপসকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।

দক্ষিণে অন্য মেয়রপ্রার্থীরা হলেন- বিএনপির ইশরাক হোসেন, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. আকতার উজ্জামান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আবদুর রহমান, পিডিপির মো. বাহারানে সুলতান বাহার, জাতীয় পার্টির মো. সাইফুদ্দিন ও স্বতন্ত্র আব্দুস সামাদ সুজন।

উত্তরে মেয়রপ্রার্থীরা হলেন- বিএনপির তাবিথ আউয়াল, গণফ্রন্টের কাজী মো. শহীদুল্লাহ, জাতীয় পার্টির জি এম কামরুল ইসলাম, স্বতন্ত্র স্বাধীন আক্তার আইরিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শেখ মো. ফজলে বারী মাসউদ, পিডিপির শাহীন খান, এনপিপির মো. আনিসুর রহমান দেওয়ান ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির আহম্মেদ সাজ্জাদুল হক।

দক্ষিণ সিটি সূত্র জানায়, মেয়র পদে আটজন, সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর পদে ১৯০ জন ও সাধারণ আসনের কাউন্সিলর পদে এক হাজার ৪৭ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।

উত্তর সিটি সূত্র জানায়, মেয়র পদে ১০ জন, সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর পদে ১৭৭ এবং সাধারণ আসনে কাউন্সিলর পদে ৮২৮ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে দাখিলকৃত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ২ জানুয়ারি এবং প্রত্যাহারের শেষ দিন ৯ জানুয়ারি। প্রতীক বরাদ্দ ১০ জানুয়ারি। এছাড়া ঢাকার দুই সিটিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত ৩০ জানুয়ারি।


   Page 1 of 65
     রাজনীতি
যেকোনো ত্যাগের বিনিময় আমরা দেশ ও গণতন্ত্রকে মুক্ত করবো : মির্জা ফখরুল
.............................................................................................
বিএনপি সব সময় দিবাস্বপ্ন দেখে : ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
ভোট লুটের নতুন আরেকটি বায়োস্কোপ দেখাবেন সিইসি : রিজভী
.............................................................................................
ওবায়দুল কাদেরের কাছ থেকে চিঠি নিলেন খোকন
.............................................................................................
ক্লিন ইমেজের তাপস-আতিকুলই যথেষ্ট : কাদের
.............................................................................................
বিএনপি মানে অন্ধকার : ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
ঢাকাকে বাঁচাতে আমাদের সকল পরিকল্পনা শুরু করতে হবে : তা‌বিথ
.............................................................................................
মির্জা ফখরুল : জাতি হতাশ ও ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে
.............................................................................................
বিকেলে খালেদার সঙ্গে স্বজনদের সাক্ষাৎ
.............................................................................................
জনগণকে সঙ্গে নিয়েই আমরা এই সরকারকে পরাজিত করব: ফখরুল
.............................................................................................
আজ শেষ হচ্ছে মালয়েশিয়ায় সাধারণ ক্ষমার সুযোগ
.............................................................................................
৩৬৫ দিন আমরা ডেঙ্গু নিয়ে কাজ করব : আতিকুল
.............................................................................................
ফলাফল যাই হোক সেটা মেনে নিতে প্রস্তুত আওয়ামী লীগ : কাদের
.............................................................................................
জনগণের প্রতি আস্থা রেখে এ নির্বাচনে অংশ নিয়েছি : তাবিথ আউয়াল
.............................................................................................
আমাকে পরীক্ষা করে দেখেন : তাপস
.............................................................................................
দেশে গণতন্ত্র নেই, ভোটের অধিকার নেই : ইশরাক
.............................................................................................
এদেশে গণঅভ্যুত্থান হবে ছাত্রদলের নেতৃত্বে : মির্জা ফখরুল
.............................................................................................
আতিকুলের মনোনয়নপত্র জমা
.............................................................................................
সমাবেশ করতে না দেয়ার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ কাল
.............................................................................................
৭ জন কো-চেয়ারম্যান জাতীয় পার্টিতে
.............................................................................................
নির্বাচন কমিশনকে পাপেট, অথর্ব এবং দুর্নীতিবাজ প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা হয়েছে : রিজভী
.............................................................................................
বর্তমান সরকার পুতুল সরকার হিসেবে কাজ করছে : ফখরুল
.............................................................................................
জামায়াত ছাড়াই সিটি নির্বাচনে ২০ দলীয় জোট
.............................................................................................
জাপার চেয়ারম্যান কাদের ও মহাসচিব রাঙ্গা
.............................................................................................
আমাদের মধ্যে কোনো বিভেদ নেই : রাঙ্গা
.............................................................................................
চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্যই আ`লীগকে ঢেলে সাজানো হয়েছে: কাদের
.............................................................................................
শুক্রবার জাপা প্রেসিডিয়াম সদস্যদের জরুরি সভা
.............................................................................................
কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান দেখা করবেন খালেদার সঙ্গে
.............................................................................................
খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তার ব্যক্তিগত চিকিৎসককে অনুমতি দেয়া হচ্ছে না : রিজভী
.............................................................................................
৩০ ডিসেম্বর ঢাকায় সমাবেশ করতে চায় বিএনপি
.............................................................................................
অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে চলছে শুদ্ধি অভিযান : ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন হোক চাই না : কাদের
.............................................................................................
সংগ্রাম পত্রিকার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত
.............................................................................................
‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগানে মুখরিত বঙ্গবন্ধু ভবন এলাকা
.............................................................................................
সংগ্রামের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা : মোজাম্মেল হক
.............................................................................................
একমাস পর স্বজনদের সাক্ষাৎ পাচ্ছেন খালেদা জিয়া
.............................................................................................
রাজাকার কোনো সময় ‘শহীদ’ হতে পারে না : রব
.............................................................................................
পাটকল শ্রমিকদের দাবি মানতে সরকারের প্রতি ফখরুলের আহ্বান
.............................................................................................
ভারতের এনআরসি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি : ফখরুল
.............................................................................................
আইনি বাধায় পালিয়ে থাকা খুনিদের ফেরানো যাচ্ছে না : কাদের
.............................................................................................
‘যানজটের অজুহাতে’ বিএনপির মানবাধিকার দিবসের র‌্যালিতে বাধা
.............................................................................................
ভারতের বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ ফখরুলের
.............................................................................................
শুধু আর্থিক নয় সামাজিক-রাজনৈতিক দুর্নীতিও শুরু হয়েছে
.............................................................................................
দলে দলে ভাঙন, গণতন্ত্রের জন্য ভালো নয় বলছেন বিশ্লেষকরা
.............................................................................................
ভালোই আছেন খালেদা জিয়া, ভুগছেন শুধু গিরার ব্যথায়
.............................................................................................
খালেদার মুক্তির দাবিতে রোববার বিক্ষোভ করবে বিএনপি
.............................................................................................
যৌথ সভায় বিএনপি
.............................................................................................
সরকার বাজারকে আল্লাহর নামে ছেড়ে দিয়েছে : সেলিম
.............................................................................................
খালেদার মুক্তি না হলে আত্মহত্যা, কাফনের কাপড় নিয়ে ঘুরছেন তিনি
.............................................................................................
খালেদার জামিন শুনানি পেছানোর ঘটনায় জাতি হতাশ : ফখরুল
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]