| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
শিরোনাম : * ঈদে রেলের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু ২৯ জুলাই   * সুন্দরবনে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ বনদস্যু বাহিনী প্রধানসহ নিহত ২   * ছেলেধরা ও গণপিটুনি বিষয়ে পুলিশের সব ইউনিটকে নির্দেশনা   * উত্তরাঞ্চলে পানি কিছুটা কমলেও নদীগুলোর পানি এখনও বিপদসীমার ওপর   * সৌদি পৌঁছেছেন ৭৫ হাজার ৫৯০ হজযাত্রী   * হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ থেকে প্রিয়া সাহা বহিষ্কার   * দুদক পরিচালক এনামুল বাছির গ্রেফতার   * চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ৮ বাড়িতে বন্য হাতির তাণ্ডব   * আদালতে মিন্নির দু`টি আবেদন নামঞ্জুর   * পেশায় ইমাম, জিন তাড়ানোর নামে করতেন নারী-শিশু ধর্ষণ  

   রাজনীতি -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
জিএম কাদেরের নেতৃত্বেই ঐক্যবদ্ধ হতে চান রওশনপন্থীরা

অনলাইন ডেস্ক : জিএম কাদেরের নেতৃত্বই মেনে নিচ্ছেন জাতীয় পার্টির রওশনপন্থী নেতারা। তারা বলছেন, ঐক্যবদ্ধভাবেই দলের আগামীদিনের কার্যক্রম চলবে। এদিকে নতুন চেয়ারম্যান জিএম কাদের জানান, ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট টিম গঠন করে মিমাংসা করা হবে দলের বিভেদ। আর এ বছরের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় কাউন্সিল।

জন্মলগ্ন থেকেই নেতৃত্ব আর ক্ষমতার দ্বন্দ্বে জাতীয় পার্টি ভেঙেছে কয়েকবার। এরমধ্যে খোদ মূল ধারার অংশেও বিভক্তি ছিল এরশাদ জীবিত থাকা অবস্থায়। বৃহস্পতিবার জিএম কাদেরকে আনুষ্ঠানিকভাবে চেয়ারম্যান ঘোষণার সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন না রওশনপন্থীদের নেতাদের কেউই। এ নিয়ে দলের মধ্যে গুঞ্জন, আবারো কি ভাঙছে জাতীয় পার্টি।

যদিও এ সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়ে রওশনপন্থী নেতারা বলছেন, জিএম কাদেরের নেতৃত্বেই ঐক্যবদ্ধ থাকতে চান তারা।

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু বলেন, পল্লীবন্ধু এরশাদ তার জীবদ্দশার শেষের দিকে যে নির্দেশ দিয়েছেন, যে পার্টি নেতৃত্বের কথা বলেছেন, তার প্রতি অবিচল আস্থা রেখে জাতীয় পার্টিকে সংগঠিত করবো। তার থেকে বিচ্যুত হলে তার প্রতি অসম্মান দেখানো হবে।

এদিকে, দলের তৃণমূল থেকে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে মতবিরোধ ঘুচিয়ে সাংগঠনিক ধারাকে স্থিতিশীল করাই আপাতত চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন নতুন চেয়ারম্যান জিএম কাদের।

জিএম কাদের বলেন, ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট-এর একটা টিম করতে চাই। সিনিয়র-জুনিয়র মিলে, স্থানীয় নেতা মিলে, তারা গিয়ে গিয়ে যেখানে কমিটি হওয়া দরকার সেখানে কমিটি করবে।

জিএম কাদের বলেন, আগামী ৩ মাসের মধ্যে জেলা কমিটিগুলো সচল করে এ বছরের ডিসেম্বরে দলের জাতীয় কাউন্সিল করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

জাতীয় পার্টির রাজনৈতিক কৌশলে কোনো পরিবর্তন আসছে কিনা, সে বিষয়টি স্পষ্ট না করলেও জিএম কাদের বলেন, দেশের রাজনৈতিক শূন্যতা পূরণে কাজ করবে জাতীয় পার্টি।

জিএম কাদেরের নেতৃত্বেই ঐক্যবদ্ধ হতে চান রওশনপন্থীরা
                                  

অনলাইন ডেস্ক : জিএম কাদেরের নেতৃত্বই মেনে নিচ্ছেন জাতীয় পার্টির রওশনপন্থী নেতারা। তারা বলছেন, ঐক্যবদ্ধভাবেই দলের আগামীদিনের কার্যক্রম চলবে। এদিকে নতুন চেয়ারম্যান জিএম কাদের জানান, ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট টিম গঠন করে মিমাংসা করা হবে দলের বিভেদ। আর এ বছরের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় কাউন্সিল।

জন্মলগ্ন থেকেই নেতৃত্ব আর ক্ষমতার দ্বন্দ্বে জাতীয় পার্টি ভেঙেছে কয়েকবার। এরমধ্যে খোদ মূল ধারার অংশেও বিভক্তি ছিল এরশাদ জীবিত থাকা অবস্থায়। বৃহস্পতিবার জিএম কাদেরকে আনুষ্ঠানিকভাবে চেয়ারম্যান ঘোষণার সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন না রওশনপন্থীদের নেতাদের কেউই। এ নিয়ে দলের মধ্যে গুঞ্জন, আবারো কি ভাঙছে জাতীয় পার্টি।

যদিও এ সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়ে রওশনপন্থী নেতারা বলছেন, জিএম কাদেরের নেতৃত্বেই ঐক্যবদ্ধ থাকতে চান তারা।

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু বলেন, পল্লীবন্ধু এরশাদ তার জীবদ্দশার শেষের দিকে যে নির্দেশ দিয়েছেন, যে পার্টি নেতৃত্বের কথা বলেছেন, তার প্রতি অবিচল আস্থা রেখে জাতীয় পার্টিকে সংগঠিত করবো। তার থেকে বিচ্যুত হলে তার প্রতি অসম্মান দেখানো হবে।

এদিকে, দলের তৃণমূল থেকে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে মতবিরোধ ঘুচিয়ে সাংগঠনিক ধারাকে স্থিতিশীল করাই আপাতত চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন নতুন চেয়ারম্যান জিএম কাদের।

জিএম কাদের বলেন, ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট-এর একটা টিম করতে চাই। সিনিয়র-জুনিয়র মিলে, স্থানীয় নেতা মিলে, তারা গিয়ে গিয়ে যেখানে কমিটি হওয়া দরকার সেখানে কমিটি করবে।

জিএম কাদের বলেন, আগামী ৩ মাসের মধ্যে জেলা কমিটিগুলো সচল করে এ বছরের ডিসেম্বরে দলের জাতীয় কাউন্সিল করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

জাতীয় পার্টির রাজনৈতিক কৌশলে কোনো পরিবর্তন আসছে কিনা, সে বিষয়টি স্পষ্ট না করলেও জিএম কাদের বলেন, দেশের রাজনৈতিক শূন্যতা পূরণে কাজ করবে জাতীয় পার্টি।

জাপায় বিভেদ নেই: জিএম কাদের
                                  

অনলাইন ডেস্ক : জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, জাপায় রাজনীতিতে কোনো বিভেদ এবং বিশৃঙ্খলা নেই। পার্টির ৯৯ ভাগ প্রেসিডিয়াম সদস্য ঐক্যবদ্ধভাবে জাতীয় পার্টির সকল কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে এবং সকল রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

শনিবার দুপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয়ে বন্যার্তদের সাহায্যে কর্মসূচি গ্রহণের উদ্দেশ্যে পার্টির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যৌথসভা শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

জিএম কাদের বলেন, দেশের প্রতিটি দূর্যোগে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ দূর্গত মানুষের পাশে সাহায্যের হাত নিয়ে যেতেন। বুক সমান পানিতে নেমেও তিনি ত্রাণ বিতরণ করেছেন। আমরা তার আদর্শ ধারণ করে বন্যা দূর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের উত্তরসূরি হিসেবে বিপদ-আপদে গণমানুষের পাশে থেকে আমরা তার রাজনীতি আরো এগিয়ে নিতে চাই। আমরা কাজের মাধ্যমে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের স্মৃতি সাধারণ মানুষের সামনে জীবন্ত করে রাখবো।

জাপা চেয়ারম্যান আরো বলেন, বন্যার্তদের সহায়তায় জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হবে। এছাড়া ৪ থেকে ৫টি টিম বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করবে।

আমরা এরশাদকে অনুসরণ করে গণমানুষের ভালোবাসায় রাজনীতি করতে চাই।

জাপা মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, দেশের অধিকাংশ এলাকা বন্যায় প্লাবিত। আমরা ত্রাণ বিতরণ করে দূর্গত মানুষের পাশে থাকবো। পাশাপাশি সরকারের ত্রাণ কার্যক্রমে সহায়তা করবো।
এ সময় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য মো. আবুল কাশেম, সাহিদুর রহমান টেপা, অ্যাডভোকেট সৈয়দ আব্দুল মান্নান, শেখ সিরাজুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম, মাসুদ পারভেজ (সোহেল রানা), সুনীল শুভরায়, এস.এম. ফয়সল চিশতী, সোলায়মান আলম শেঠ, সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, মেজর (অব.) খালেদ আখতার, শফিকুল ইসলাম সেন্টু, ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, লে. জে. (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এমপি, অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, ফখরুজ্জামান জাহাঙ্গীর, আলমগীর সিকদার লোটন, আব্দুস সাত্তার মিয়া, জাফর ইকবাল সিদ্দিকী, নাজমা আখতার এমপি, সৈয়দ দিদার বখত, এমরান হোসেন মিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন ।

আওয়ামী লীগ ও দেশের দুঃসময়ে পাশে থাকব: সোহেল তাজ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশ ও আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে সব সময় পাশে থাকবেন বলে জানিয়েছেন দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের সন্তান ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজ।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে ‘হটলাইন কমান্ডো’ নামের সচেতনতামূলক টিভি রিয়েলিটি শো সম্পর্কে জানান দিতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এসময় তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যদি আবারও আপনাকে রাজনৈতিক কোন পদে চান তখন কি করবেন এমন প্রশ্নের জবাবে সোহেল তাজ বলেন, আমাদের পরিবার বিগত দিনের মতো সব সময় আওয়ামী লীগ ও দেশের দুঃসময়ে পাশে ছিল এবং থাকবে। দেশের ও দলের দুঃসময়ে আমি নিজেও পাশে থাকব।
এসময় তিনি আরও বলেন, ‘সুদিনে আমি দলকে অন্যভাবে সাহায্য করছি। এছাড়া আমার এ প্রোগ্রামটা হচ্ছে সামজিক বিষয়বস্তু নিয়ে, এ প্রোগ্রামটা সোনার মানুষ তৈরি করার।

এ সমাজ রাজনীতির জন্য প্রস্তুত নয় বলেও মন্তব্য করেন সোহেল তাজ। তিনি বলেন, ‘একটা সমাজ যদি প্রস্তুত না থাকে, আপনি কী রাজনীতি করবেন? রাজনীতি কাকে নিয়ে করবেন? সমাজকে গড়তে পারলে, মানুষকে তৈরি করতে পারলে–অটোমেটিক সবকিছুরই সমাধান চলে আসবে।’

তিনি বলেন, সমাজ প্রস্তুত না থাকলে আপনি কী রাজনীতি করবেন? রাজনীতি কাকে নিয়ে করবেন? সমাজকে গড়তে পারলে মানুষকে তৈরি করতে পারলে অটোমেটিক সব সমাধান চলে আসে। এটাই আমার রাজনীতি করার রাস্তা। সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে আমার প্রোগ্রামটাও একটা অবদান রাখবে।

আপনি যে রিয়েলিটি শো করছেন, কিছু দিন চলার পর তা শেষ হয়ে যাবে। মানুষ তা ভুলে যাবে। পাড়া-মহল্লায় যুবকদের তৈরি করার জন্য এবং চর্চা করার জন্য কোনো সাংগঠনিক ভিত্তি তৈরি করবেন কি না?

এ প্রশ্নের জবাবে হোসেল তাজ বলেন, ‘শো-এর পাশাপাশি আমরা কিছু কার্যক্রমও পরিচালনা করব। এর অংশ হিসেবে সচেতনামূলক কিছু কাজও করব। অনেক ধরনের কার্যক্রম থাকবে। স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয়ে যাব। এটা শুধু টিভি প্রোগ্রামেই সীমাবদ্ধ থাকবে না।’

আগামী সেপ্টেম্বর থেকে ফিট নেশন মিডিয়ার ব্যানারে লাইফ স্টাইল বিষয়ক রিয়েলিটি শো ‘হটলাইন কমান্ডো’ নিয়ে টিভি পর্দায় হাজির হবেন সোহেল তাজ। বেসরকারি টেলিভিশন আরটিভি ১২ পর্বের এ অনুষ্ঠানটি প্রচারিত হবে।

জাতীয় পার্টির নতুন চেয়ারম্যান জি এম কাদের
                                  

অনলাইন ডেস্ক : জাতীয় পার্টির মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গা বলেছেন, এখন থেকে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের। জিএম কাদের দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছিলেন। 

আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর বনানীতে জাপা চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

গেলো ১৪ জুলাই মৃত্যুবরণ করেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তার মৃত্যুর পর এটিই প্রথম সংবাদ সম্মেলন।

দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে আসছেন জিএম কাদের
                                  

অনলাইন ডেস্ক : জাতীয় পার্টির (জাপা) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের আজ বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলন করবেন।

দুপুর ১টায় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুর পর এটিই তার প্রথম সংবাদ সম্মেলন।

রংপুরবাসীর ভালোবাসায় পল্লী নিবাসে চিরশায়িত এরশাদ
                                  

ডেস্ক রিপাের্ট : সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে শেষ পর্যন্ত নিজ বাসভবন রংপুরের পল্লী নিবাসে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ।

মঙ্গলবার বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে পল্লী নিবাসে এরশাদকে দাফন করা হয়েছে। এ সময় সর্বস্তরের মানুষ উপস্থিত ছিল। কেউ কেউ কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এর আগে চার কিলোমিটার হেঁটে জাতীয় পার্টির সদ্য প্রয়াত চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের মরদেহ বহনকারী গাড়ি এরশাদের স্বপ্নের বাসভবন রংপুরের পল্লী নিবাসে নিয়ে যান দলীয় নেতাকর্মীরা।

রংপুরের কালেক্টরেট ঈদগাহ ময়দানে জানাজা শেষে দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ তার মরদেহ বহনকারী গাড়ি নিয়ে বিকেল সাড়ে ৪টায় পল্লী নিবাসে পৌঁছান। সেখানে মরদেহ পৌঁছানোর পর সেনাবাহিনীর পক্ষে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এরপর সেনাবাহিনীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে মরদেহ দাফনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

দাফনের আগে এরশাদপুত্র স্বাদ তার বাবার আত্মার মাগফিরাত কামনার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চান। সবশেষে বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে এরশাদকে দাফন করা হয়।

এরশাদের ছোট ভাই ও জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের, মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা, সাবেক মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার, রংপুর সিটি মেয়র ও জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, এরশাদপুত্র স্বাদ ও এরিকসহ পার্টির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাসহ সর্বস্তরের মানুষ দাফনে অংশ নেন।

মঙ্গলবার বাদ জোহর বেলা আড়াইটায় রংপুরের কালেক্টরেট ঈদগাহ ময়দানে জানাজা শেষে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পথে মরদেহ বহনকারী গাড়ি আটকে দেয়া হয়। এ সময় জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা স্লোগান দিয়ে এরশাদকে রংপুরে দাফনের দাবি জানান।

এ অবস্থায় রংপুরের মানুষের ভালোবাসার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে পল্লী নিবাসেই সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদকে দাফন করার সিদ্ধান্ত নেয় জাতীয় পার্টি। পরে কালেক্টরেট ঈদগাহ ময়দান থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে পল্লী নিবাসের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন নেতাকর্মীরা। এ সময় এরশাদের মরদেহ বহনকারী গাড়ি ধীরে ধীরে চলতে দেখা যায়। ওই গাড়ির সঙ্গে পল্লী নিবাসের উদ্দেশ্যে যান হাজার হাজার মানুষ। হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিতে পল্লী নিবাসে এরশাদকে দাফন করা হয়।

রংপুর মহানগর জাতীয় পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লোকমান হোসেন বলেন, স্যারের মরদেহ (এরশাদ) রংপুরে তার ইচ্ছা অনুযায়ী দাফন করা হয়েছে। আমরা স্যারের ইচ্ছা পূরণ করতে বদ্ধপরিকর ছিলাম। এখানে দাফন হওয়ায় সাধারণ মানুষসহ দলীয় লোকজন স্বাচ্ছন্দ্যে স্যারের কবর জিয়ারত করতে পারবেন। এটা আমাদের পরম পাওয়া।

এর আগে জানাজা শেষে নেতাকর্মীদের দাবির মুখে এইচ এম এরশাদের দাফন রংপুরেই হবে বলে ঘোষণা দেন এরশাদের ছোট ভাই ও জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৃত্যুর আগে পল্লী নিবাস সংস্কার করে তিনতলা নতুন ভবন গড়ার উদ্যোগ নিয়েছিলেন এরশাদ, যা এতদিন বাউন্ডারির মধ্যে আলাদা আলাদা ভবন ছিল। এরশাদ থাকতেন দোতলা ভবনে। আর পিএসসহ অন্যান্য স্টাফদের ছিল একতলা ভবন। পুরনো ভবন ভেঙে তিনতলা কমপ্লেক্স করা হচ্ছে। দ্বিতীয় তলায় এরশাদ ও ছেলে এরিকের কক্ষ তৈরি করা হয়েছে। ভবনটির দ্বিতীয় তলার কাজ শেষ। চলমান তৃতীয় তলার ফিনিশিংয়ের কাজ। এবার এলে সেখানেই থাকার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই তিনি না ফেরার দেশে চলে গেলেন।

জানা যায়, রংপুরে অসমাপ্ত বাড়ি পল্লী নিবাসকে উপমহাদেশের রাজনীতির একটি প্রশিক্ষণশালা করতে চেয়েছিলেন এরশাদ। যেখানে তৃণমূল এবং জাতীয় নেতাকর্মীদের সম্মিলন ঘটবে। মারাত্মক অসুস্থ অবস্থায়ও এর নির্মাণকাজ তদারকি করতেন তিনি। গত ২৮ জুন রংপুরে আসার কথা ছিল এরশাদের। তার সফরে কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি ছিল না। বাড়ির নির্মাণকাজ দেখতেই তিনি রংপুরে আসতেন এবং নির্মাণাধীন পল্লী নিবাসে এবার ওঠার কথা ছিল তার। অবশেষে জীবিত নয়, লাশ হয়েই পল্লী নিবাসে উঠলেন এরশাদ।

এরশাদকে রংপুরেই দাফনের সিদ্ধান্ত
                                  

অনলাইন ডেস্ক : নিজ এলাকা রংপুরেই দাফন করা হচ্ছে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সদ্য প্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে।

মঙ্গলবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি খন্দকার দেলোয়ার জালালী।

তিনি জানান, রংপুরের মানুষের ভালোবাসার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে রংপুরে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে দাফন করার অনুমতি দিয়েছেন বেগম রওশন এরশাদ। পাশে তার জন্য কবরের জায়গা রাখার অনুরোধও করেন রওশন এরশাদ।

প্রসঙ্গত, গত রোববার (১৪ জুলাই) ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। তিনি রক্তে সংক্রমণসহ লিভার জটিলতায় ভুগছিলেন।

রোববার বাদ জোহর ঢাকা সেনানিবাস কেন্দ্রীয় মসজিদে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর সোমবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় দ্বিতীয় এবং বাদ আসর বায়তুল মোকাররম মসজিদে তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। আজ মঙ্গলবার রংপুরের কালেক্টরেট ঈদগাহ ময়দানে চর্তুথ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

রংপুর ৩ (সদর) আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ছিলেন হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। তিনি এ আসন থেকে টানা ছয় বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

বিএনপি-জামায়াতের যে কোন ধরনের ষড়যন্ত্র মোকাবেলার সামর্থ্য আছে আওয়ামী লীগের : হানিফ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ এমপি বলেছেন, বিএনপি-জামায়াতের যে কোন ধরনের ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করার মত সামর্থ্য আওয়ামী লীগের রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘ ২০০৭ সালের ওয়ান ইলেভেনের সময় আওয়ামী লীগের মধ্যে বিভক্তি ছিল।এখন দলের মধ্যে সে ধরনের কোন সমস্যা নেই।’

হানিফ আরো বলেন, আওয়ামী লীগ আগের যে কোন সময়ের চেয়ে যেমন বেশি ঐক্যবদ্ধ তেমনি অতীতের যে কোন সময়ের চেয়ে দলের তৃনমূল আরো বেশি শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।
মাহবুব-উল আলম হানিফ আজ দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কারান্তরীণ দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এডভোকেট আফজাল হোসেন ও কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী সংসদের সদস্য এডভোকেট কামরুল ইসলাম এমপি।

সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং শিক্ষা উপ-মন্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এমপি এবং বিশেষ বক্তা হিসেবে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ বক্তব্য রাখেন।
২০০৭ সালের এই দিনে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাধায়ক সরকার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে তাঁর রাজধানীর ধানমন্ডির বাসভবন সুধাসদন থেকে গ্রেফতার করেছিল।

মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন, বিএনপির জন্যই দেশে ওয়ান ইলেভেন সৃষ্টি হয়েছিল। কারণ তারা কোনভাবে একবার ক্ষমতায় গেলে তারা আর ক্ষমতা ছাড়তে চায় না।
তিনি বলেন, বিএনপি ১৯৯১ সালে ক্ষমতায় এসে জোর করে ১৯৯৬ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারী ভোটার বিহীন নির্বাচন করেছিল। কিন্তু গণআন্দোলনের মুখে তাদের ক্ষমতা ছাড়তে হয়েছিল।

হানিফ বলেন, ২০০১ সালে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে আবারো ক্ষমতায় থাকার জন্য ষড়যন্ত্র শুরু করে এবং দলীয় লোককে তত্তাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ করেছিলেন। যার ফলশ্রুতিতে অগণতান্ত্রিক শক্তি দেশের রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করার সুযোগ পেয়েছিল।

তিনি বলেন, দেশের রাজনীতিতে ষড়যন্ত্র আগেও ছিল, এখনও আছে। আমাদের দেশেই শুধু নয়, বিদেশেও প্রতিটি সরকারকে ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে হয়। আমাদের দেশও সেই চ্যালেঞ্জের বাইরে নয়।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ গণ মানুষের দল। আওয়ামী লীগকে ঠেকানোর মতো রাজনৈতিক শক্তি দেশে আর নেই।
হানিফ আরো বলেন, দেশের রাজনীতিতে আর যাতে কখনো অগণতান্ত্রিক শক্তি হস্তক্ষেপ করতে না পারে সেজন্য ওয়ান ইলেভেনের ষড়যন্ত্রকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া উচিত।

কুমিল্লার আদালতে বিচারকের সামনে ছুরিকাঘাত করে হত্যার বিষয়ে বিএনপির নেতাদের বক্তব্যের জবাবে হানিফ বলেন, বিএনপির এ ধরনের বক্তব্য দেয়ার আগে আয়নায় নিজেদের মুখ দেখা উচিত।
তিনি বলেন, কারণ গাজীপুরের আদালতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় বোমা হামলা করে এজলাসে বিচারক ও আইনজীবীদের হত্যার কথা দেশের মানুষ ভুলে যায় নি। সিলেটে ব্রিটিশ হাই কমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর হামলার ঘটনার কথাও দেশের মানুষ জানে। বাসস

প্রস্তুত হচ্ছে এরশাদের চির বিদায়ের ঘর
                                  

ডেস্ক রিপাের্ট : ১৪ জুলাই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। শেষবারের মতো আজ রংপুর নেয়া হয়েছে তার মরদেহ। সেখান থেকে আবার ঢাকায় নিয়ে এসে বনানী সামরিক কবরস্থানে দাফন করা হবে এরশাদের মরদেহ।

দাফন সম্পন্ন করতে মঙ্গলবার সকাল থেকে ৩০ জন শ্রমিক কবর প্রস্তুতের কাজে নিয়োজিত রয়েছেন। বাদ আসরে তাকে এখানে চির শায়িত করা হবে।

সামরিক কবরস্থানে কবর খনন কাজে দায়িত্বরত সিনিয়র অফিসার দেলোয়ার বলেন, সকাল ৮টা থেকে ৩০ জন শ্রমিক নিয়ে আমরা কবর তৈরির কাজ শুরু করেছি। ইতোমধ্যে কবর খননের কাজ শেষ হয়েছে। তার দাফনের সময় সামরিক ও বেসামরিক উচ্চ পর্যায়ের বিভিন্ন কর্মকর্তারা কবরস্থানে উপস্থিত থাকবেন। তাদের বসার জন্য ওপরে সামিয়ানা লাগিয়ে নিচে চেয়ার বসানো হচ্ছে।

অসুস্থ হয়ে পড়লে গত ২২ জুন সিএমএইচে ভর্তি করা হয় এরশাদকে। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থাতেই ১৪ জুলাই সকালে মারা যান বাংলাদেশের রাজনীতিতে বহুল বিতর্কিত এ ব্যক্তি।

রংপুর-৩ আসন থেকে বারবার নির্বাচিত এ সংসদ সদস্যের জন্ম ১৯৩০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি। তিনি রংপুর জেলার দিনহাটায় জন্মগ্রহণ করেন। এরশাদ বাংলাদেশের সাবেক সেনাপ্রধান, এককালীন প্রধান সামরিক প্রশাসক ও রাষ্ট্রপতি ছিলেন। তিনি জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা। ১৯৯০ সালে ব্যাপক গণ-আন্দোলনের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর জেলও খাটতে হয় তাকে।

রংপুরে পল্লীবন্ধুর শেষ জানাজায় জনস্রোত
                                  

অনলাইন ডেস্ক : জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জানাজায় অংশ নিতে এবং তাকে শেষবারের মতো দেখতে জনস্রোতে পরিণত হয়েছে রংপুরের কালেক্টরেট ঈদগাহ ময়দান। দুপুর সোয়া ১২টায় মরদেহ আসার পর পরই পুলিশি বেষ্টনী ভেঙে মরদেহের কাছে ছুটতে থাকেন দলীয় নেতাকর্মীরা।

উপচে পড়া ভিড়ের মাঝে শুরু হয় ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো। নিজ দলের নেতাকর্মী ছাড়াও আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও তাদের অঙ্গ সংগঠনসহ বিভিন্ন ব‍্যবসায়ী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

এসময় দলীয় নেতাকর্মীরা এরশাদের মরদেহ রংপুরে দাফনের জন্য স্লোগান দিতে থাকেন।

এর আগে মঙ্গলবার দুপুর পৌনে ১২টায় তার মরদেহ বহনকারী হেলিকপ্টার রংপুর সেনানিবাসে এসে পৌঁছায়। প্রিয় নেতাকে শেষবারের মতো দেখতে সকাল থেকেই জানাজা মাঠে উপস্থিত হতে থাকেন দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। বিশৃঙ্খলা এড়াতে মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল সংখ্যক পুলিশ।

জানাজায় ইমামতি করবেন রংপুর করিমিয়া নুরুল উলুম মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা মুহম্মদ ইদ্রিস আলী। তাকে সমাহিত করতে পল্লীনিবাসের লিচু বাগানে প্রস্তুত করা হয়েছে কবর। তবে দলের পূর্বসিদ্ধান্ত অনুযায়ী জানাজা শেষে এরশাদের মরদেহ ঢাকায় নিয়ে গিয়ে বনানীর সামরিক কবরস্থানে দাফন করার কথা রয়েছে।

রংপুর মহানগর জাতীয় পার্টির দফতর সম্পাদক জাহিদ হোসেন লুসিড জানান, জানাজায় ও দাফন কার্যে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের ১৬ জেলার জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের পাশাপাশি লক্ষাধিক মানুষ অংশ নেবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

রংপুর মহানগর জাতীয় পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লোকমান হোসেন বলেন, জানাজা শেষে স্যারের (এরশাদ) মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে পল্লীনিবাসে। সেখানে লিচুতলায় তাকে দাফন করা হবে।

রংপুর মহানগর জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক এসএম ইয়াসির বলেন, এরশাদ স্যারের পল্লীনিবাসের ভেতরে গড়া পিতা মকবুল হোসেন মেমোরিয়াল ডায়াবেটিক হাসপাতলের লিচু বাগানের উত্তরপূর্ব পাশে সমাধির স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত রোববার (১৪ জুলাই) ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। তিনি রক্তে সংক্রমণসহ লিভার জটিলতায় ভুগছিলেন। রোববার বাদ জোহর ঢাকা সেনানিবাস কেন্দ্রীয় মসজিদে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর সোমবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় দ্বিতীয় এবং বাদ আসর বায়তুল মোকাররম মসজিদে তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

রংপুর ৩ (সদর) আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ছিলেন হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। তিনি এ আসন থেকে টানা ছয় বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

শেষবারের মতো দলীয় কার্যালয়ে এরশাদের মরদেহ
                                  

অনলাইন ডেস্ক : জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও একাদশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মরদেহ জাতীয় পার্টির কাকরাইলের কার্যালয়ে আনা হয়েছে। এখানে নেতাকর্মীরাসহ সর্বসাধারণ এরশাদের মরদেহ শ্রদ্ধা জানাবেন।

সোমবার (১৫ জুলাই) একটি লাশবাহী ফ্রিজার ভ্যানে তার মরদেহ কাকরাইলে আনা হয়। এরশাদের মরদেহ দেখতে সকাল থেকেই অসংখ্য নেতাকর্মী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরা এখানে ভিড় করেছেন। উপস্থিত আছেন জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জি এম কাদের, মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গা, সাবেক মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার প্রমুখ।

শ্রদ্ধা শেষে তার মরদেহ জাতীয় বাইতুল মোকাররম মসজিদে নেয়া হবে। সেখানে বাদ আসর তার আরেকটি জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে আজ সকাল সোয়া ১০টার দিকে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় তার দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন হয়।

রোববার (১৪ জুলাই) ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। ৯০ বছর বয়সী এরশাদ রক্তে সংক্রমণসহ লিভার জটিলতায় ভুগছিলেন।

গত ২২ জুন সিএমএইচে ভর্তি করা হয় তাকে। এর আগেও তিনি একাধিকবার দেশ-বিদেশে চিকিৎসা নেন।

রোববার মৃত্যুর পর সেনা কেন্দ্রীয় মসজিদে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

সংসদে এরশাদের জানাজা সম্পন্ন
                                  

অনলাইন ডেস্ক : একাদশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সদ্যপ্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার বেলা পৌনে ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তার দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নামাজে জানাজায় অংশ নেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া, চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরীসহ অন্যান্য সংসদ সদস্যরা।

এর আগে বেলা সোয়া ১০টার দিকে তার মরদেহ বহনকারী গাড়িটি জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় পৌঁছায়। সকাল থেকেই বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা দলে দলে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আসতে থাকেন। পুরো সংসদ ভবন এলাকায় তিনস্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করা হয়।

ঠিক ৫ মাস ৫ দিন আগে ১০ ফেব্রুয়ারি এই সংসদেই এসেছিলেন বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে। সেদিন হুইল চেয়ারে করে সংসদ অধিবেশনে যোগ দিতে এসেছিলেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। এত দিন পরে শেষ বিদায় নিতে সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সাবেক রাষ্ট্রপতির লাশের কফিন।

সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল রোববার (১৪ জুলাই) সকাল পৌনে ৮টায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন এরশাদ। পরে ওইদিন বাদ জোহর সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে তার প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন সদ্যপ্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

সিঙ্গাপুর পৌঁছেছেন ওবায়দুল কাদের
                                  

অনলাইন ডেস্ক : নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুর পৌঁছেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

রোববার বিকেল পৌনে ৬টায় (বাংলাদেশ সময়) তিনি সিঙ্গাপুরে পৌঁছান।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আবু নাছের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে দুপুর ১টা ২৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন ওবায়দুল কাদের।

আবু নাসের জানান, সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে ফলোআপ চিকিৎসা করাবেন। এর আগে তিনি একই হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে গত ১৫ মে দেশে ফিরেছিলেন।

তিনি জানান, তার সহধর্মিণী বেগম ইশরাতুননেসা কাদের তার সঙ্গে আছেন। এছাড়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক আবু নাসার রিজভী সিঙ্গাপুরে আছেন।

১৭ জুলাই ওবায়দুল কাদেরের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

এরশাদের প্রথম জানাজা সম্পন্ন, দাফন মঙ্গলবার
                                  

অনলাইন ডেস্ক : জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের প্রথম জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। আজ বাদ যোহর ঢাকা সেনানিবাস কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় অংশ নেন তিন বাহিনীর প্রধান, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলামসহ জাতীয় পার্টির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা। জানাজার নামাজে ইমামতি করেন ওই মসজিদের খতিব আহসান হাবিব।

প্রথম জানাজার পর এরশাদের মরদেহ রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হবে।

এর আগে জাতীয় পার্টির মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙা সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, সেনানিবাস কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে জানাজা পর আগামী সোমবার সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্টিত হবে। ওইদিন বেলা ১১টায় জাতীয় পার্টির কাকরাইল আফিসে নেয়া হবে। বাদ আসর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম মসজিদে তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। রাতে আবারও সিএমএইচ এর হিমঘরে রাখা হবে।

মঙ্গলবার সকাল ১০টায় হেলিকপ্টার যোগে রংপুরে নেয়া হবে। রংপুর জেলা স্কুল মাঠে বাদ যোহর চতুর্থ ও শেষ জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

এরপর ওইদিন মরদেহ হেলিকপ্টার যোগে ঢাকায় আনা হবে। সেদিন বিকেলেই সেনাবাহিনী কবরস্থানে চির নিদ্রায় শায়িত হবেন এরশাদ।

ঢাকায় এরশাদের ৩ জানাজা, দাফন সেনা কবরস্থানে
                                  

অনলাইন ডেস্ক : জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হুসেইন মুহম্মদের জানাজা চার স্থানে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন তার ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি খন্দকার দেলোয়ার জালালী।

এরমধ্যে প্রথম জানাজাটি অনুষ্ঠিত হবে আজ (রোববার) বাদ জোহর আর্মি সেন্ট্রাল মসজিদে।

এরপর আগামীকাল সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় দ্বিতীয় জানাজা ও বেলা ১১টায় বায়তুল মোকাররম মসজিদে তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

তারপর হেলিকপ্টারে এরশাদের মরদেহ নেয়া হবে রংপুরে। সেখানে চতুর্থ জানাজা শেষে ঢাকায় সেনাবাহিনী কবরস্থানে দাফন হবে।

আজ (রোববার) সকাল পৌনে ৮টার দিকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন এরশাদ। ৯০ বছর বয়সী এরশাদ রক্তে সংক্রমণসহ লিভার জটিলতায় ভুগছিলেন। গত ২২ জুন সিএমএইচে ভর্তি করা হয় তাকে। এর আগেও তিনি একাধিকবার দেশ-বিদেশে চিকিৎসা নেন।

সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ মারা গেছেন
                                  

ডেস্ক রিপোর্ট : জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান (জাপা) এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রোববার (১৪ জুলাই) সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

গত ২৬ জুন থেকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন ছিলেন এইচএম এরশাদ। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর।


একনজরে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ

একজন সামরিক শাসকের পতনের পর আবারো ঘুরে দাঁড়িয়েছেন রাজনীতিতে। এটি শুধু বাংলাদেশ নয়, বরং পৃথিবীর ইতিহাসেই বিরল। নানা কারণেই আলোচিত-সমালোচিত ছিলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। রাজনীতিতে যিনি ছিলেন আনপ্র্যাডিক্টেবল খ্যাত।

১৯৩০ সালের পহেলা ফেব্রুয়ারি জন্ম নেন হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। পৈতৃক নিবাস ভারতের কোচবিহারে। পিতা মকবুল হোসেন ছিলেন আদালতের পেশকার। পিতার চাকরির সুবাদেই বাংলাদেশের রংপুরে তাদের বসত-ভিটা। ১৯৫০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করা এরশাদ ৫২ সালে কমিশন লাভ করেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে। ১৯৭৫ সালের ২৪ আগস্ট স্বাধীন বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল এবং উপসেনাপ্রধান হিসেবে পদোন্নতি পান।

সেনা অভ্যুত্থানে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হবার কিছুদিন পরই এরশাদ সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ পান। ১৯৮১ সালে ৩০ মে জিয়াউর রহমান নিহত হবার পর দেশের রাজনৈতিক পটভূমিতে এরশাদের আনাগোনা শুরু হয়। ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তারকে হটিয়ে দখল করেন রাষ্ট্র ক্ষমতা। পরের বছরের ১১ ডিসেম্বর আত্মপ্রকাশ করেন প্রধান সামরিক প্রশাসক হিসেবে। ১৯৮৬ সালে গঠন করেন জাতীয় পার্টি। এ দল থেকে মনোনয়ন নিয়ে ৫ বছরের জন্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ এবং জামায়াত অংশ নিলেও নির্বাচন বর্জন করে বিএনপি। আন্দোলনের মুখে এক বছরের মাথায় সংসদ বাতিল করতে বাধ্য হন এরশাদ। ১৯৮৮ সালে আবারো আয়োজন করেন সাধারণ নির্বাচনের। ওই নির্বাচনও বয়কট করে বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল। সবশেষ সম্মিলিত আন্দোলনের মুখে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর ক্ষমতাচ্যুত হন এরশাদ।

ক্ষমতা হারানোর পর গ্রেফতার হন। ৯১ ও ৯৬`র নির্বাচনে জেল থেকেই ৫টি আসনে ভোটে অংশ নিয়ে বিজয়ী হন এরশাদ। ৯৭ সালের ৯ জানুয়ারি জামিনে মুক্ত হন। ১৯৯৯ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটে যুক্ত হলেও পরে বেরিয়ে যান। ততদিনে জাতীয় পার্টি ৩ ভাগে খণ্ডিত।

আদালতের সাজার কারণে ২০০১`র নির্বাচনে এরশাদ অংশ নিতে না পারলেও জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা ১৪টি আসনে জয়ী হয়। ২০০৮-এ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটে গিয়ে নির্বাচনে করে ২৭টি আসনে নির্বাচিত হন এরশাদের প্রার্থীরা। মন্ত্রী হন তার ভাই জিএম কাদের। ২০১৪ নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়ে নানা নাটকীয়তার জন্ম দেন এরশাদ। ভোটের ঠিক আগ মুহূর্তে সিএমএইচে ভর্তি হন। স্ত্রী রওশন এরশাদের নেতৃত্বে নির্বাচনে অংশ নেয় জাতীয় পার্টি। এমপি হিসেবে শপথ নেন এরশাদও। হন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত। মন্ত্রী হন দলের তিন নেতা। আর দল ভাঙ্গেন দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহচর কাজী জাফর আহমদ।

সবশেষ ২০১৮`র একাদশ সংসদ নির্বাচনে নিজেই নেতৃত্ব দেন দলকে। আসল বিরোধী দল হওয়ার ঘোষণা দিয়ে বিরোধী দলীয় নেতার আসনে আসীন হন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।


   Page 1 of 53
     রাজনীতি
জিএম কাদেরের নেতৃত্বেই ঐক্যবদ্ধ হতে চান রওশনপন্থীরা
.............................................................................................
জাপায় বিভেদ নেই: জিএম কাদের
.............................................................................................
আওয়ামী লীগ ও দেশের দুঃসময়ে পাশে থাকব: সোহেল তাজ
.............................................................................................
জাতীয় পার্টির নতুন চেয়ারম্যান জি এম কাদের
.............................................................................................
দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে আসছেন জিএম কাদের
.............................................................................................
রংপুরবাসীর ভালোবাসায় পল্লী নিবাসে চিরশায়িত এরশাদ
.............................................................................................
এরশাদকে রংপুরেই দাফনের সিদ্ধান্ত
.............................................................................................
বিএনপি-জামায়াতের যে কোন ধরনের ষড়যন্ত্র মোকাবেলার সামর্থ্য আছে আওয়ামী লীগের : হানিফ
.............................................................................................
প্রস্তুত হচ্ছে এরশাদের চির বিদায়ের ঘর
.............................................................................................
রংপুরে পল্লীবন্ধুর শেষ জানাজায় জনস্রোত
.............................................................................................
শেষবারের মতো দলীয় কার্যালয়ে এরশাদের মরদেহ
.............................................................................................
সংসদে এরশাদের জানাজা সম্পন্ন
.............................................................................................
সিঙ্গাপুর পৌঁছেছেন ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
এরশাদের প্রথম জানাজা সম্পন্ন, দাফন মঙ্গলবার
.............................................................................................
ঢাকায় এরশাদের ৩ জানাজা, দাফন সেনা কবরস্থানে
.............................................................................................
সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ মারা গেছেন
.............................................................................................
বিএনপি রাজনীতিতে দেউলিয়া হয়ে যাওয়ায় তাদের আন্দোলনের ডাকে জনগণ সাড়া দেয় না : ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব জাহাঙ্গীরের মৃত্যুতে ফখরুলের শোক
.............................................................................................
চোখ মেলে তাকিয়েছেন এরশাদ
.............................................................................................
ঐক্যফ্রন্ট ছাড়লেন কাদের সিদ্দিকী
.............................................................................................
এরশাদের শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত
.............................................................................................
এরশাদের কোনো উন্নতি নেই: জি এম কাদের
.............................................................................................
স্বাধীনতাবিরোধী পরিবারের কেউ আ.লীগের সদস্য হতে পারবে না
.............................................................................................
এরশাদের শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে: জাপা
.............................................................................................
সাড়া দিচ্ছেন এরশাদ, চোখ মেলছেন
.............................................................................................
গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ
.............................................................................................
১৪ দলের সভা মঙ্গলবার
.............................................................................................
এরশাদকে দেখতে হাসপাতালে ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে অক্সিজেন সাপোর্টে রাখা হয়েছে
.............................................................................................
এরশাদের শারীরিক অবস্থা কিছুটা উন্নতি
.............................................................................................
বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর
.............................................................................................
বিএনপি কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ
.............................................................................................
তফসিল বাতিলের দাবি বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় অবরুদ্ধ
.............................................................................................
জাপার ৪ দিনব্যাপী বিভাগীয় বর্ধিত সভা শুরু কাল
.............................................................................................
আ.লীগই দেশকে আর্থ-সামাজিকভাবে এগিয়ে নিচ্ছে
.............................................................................................
বিএনপি’র গণতন্ত্র রক্ষার নমুনা দেশের জন্য হুমকি : হাছান
.............................................................................................
আ`লীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ
.............................................................................................
আওয়ামী লীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের আনন্দ র‌্যালি
.............................................................................................
আন্দোলন করে বেগম জিয়াকে মুক্ত করতে পারলে করুক: কাদের
.............................................................................................
কাউন্সিলের প্রস্তুতির কথা জানালেন ফখরুল
.............................................................................................
জাতীয়তাবাদী আইন ছাত্র ফোরাম বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কমিটি গঠন
.............................................................................................
ছাত্রদলের বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা ফের বিএনপি কার্যালয়ের সামনে
.............................................................................................
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হলেন সেলিমা ও টুকু
.............................................................................................
খালেদা জিয়াকে আদালত জামিন দিলে সরকার হস্তক্ষেপ করবে না : ওবায়দুল কাদের
.............................................................................................
দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালাবে ছাত্রদল
.............................................................................................
ফের নয়াপল্টনে ছাত্রদলের বিক্ষুব্ধ নেতারা
.............................................................................................
বিএনপির সময় বাংলাদেশ ছিল ঋণ নির্ভর দেশ : তথ্যমন্ত্রী
.............................................................................................
এই বাজেট গুটিকয়েক ব্যবসায়ীদের স্বার্থে: গণফোরাম
.............................................................................................
তৃণমূল পর্যায়ে স্বচ্ছ ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করতে হবে: সেতু মন্ত্রী
.............................................................................................
স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক ডেকেছে বিএনপি
.............................................................................................

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: তাজুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ২১৯ ফকিরের ফুল (১ম লেন, ৩য় তলা), মতিঝিল, ঢাকা- ১০০০ থেকে প্রকাশিত । ফোন: ০২-৭১৯৩৮৭৮ মোবাইল: ০১৮৩৪৮৯৮৫০৪, ০১৭২০০৯০৫১৪
Web: www.dailyasiabani.com ই-মেইল: dailyasiabani2012@gmail.com
   All Right Reserved By www.dailyasiabani.com Developed By: Dynamicsolution IT [01686797756]