নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মধ্যরাতে অবৈধ তিতাস গ্যাসের সংযোগ দিতে গিয়ে বিস্ফোরণে চার শ্রমিক দগ্ধ হয়েছেন। তাদের মধ্যে আরিফুল ইসলাম (৩৫) নামে একজনের শরীরের ৬৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। অপর তিনজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম।
এর আগে সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ফতুল্লার কুতুবপুর ইউনিয়নের চিতাশাল ১ নম্বর গলির দেলোয়ার হোসেনের বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।
দগ্ধ আরিফুল ইসলাম রংপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার লতাবর গ্রামের আলী আজগরের ছেলে। তিনি ফতুল্লার দেলপাড়া বাজার-সংলগ্ন তানিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।
ঘটনার পর ফতুল্লা মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
স্যানিটারি মিস্ত্রি আব্দুল জলিল বলেন, দেলোয়ার হোসেনের বাড়িতে অবৈধ গ্যাস সংযোগ দেওয়ার জন্য ১৭ হাজার টাকায় চুক্তি হয়েছিল। অগ্রিম ২ হাজার টাকা দেওয়া হয়। পরে স্থানীয় এক গ্যাস কন্ট্রাক্টরের মাধ্যমে কয়েকজন শ্রমিক নিয়ে রাতে সড়ক কেটে পাইপে সংযোগ দেওয়ার কাজ শুরু করেন। পাইপ বের করে সংযোগ দেওয়ার সময় হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে চার শ্রমিক দগ্ধ হন।
তিনি আরও বলেন, আহত তিনজনের আঘাত তুলনামূলক কম হওয়ায় স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে আরিফুল ইসলামের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে দ্রুত জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার শরীরের প্রায় ৬৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।