তাজরিন আক্তার মুন্নি মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি : মানিকগঞ্জের জয়ড়া এলাকায় কৃত্রিম রং প্রয়োগ করে কলা পাকিয়ে বাজারজাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে,৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
মানিকগঞ্জ জয়ড়া এলাকায় কাঁচা কলাকে কৃত্রিমভাবে রং করে পাকিয়ে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।এক কলা ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ,দ্রুত পাকানো ও ক্রেতাদের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলতে অসাধু ব্যবসায়ীরা এমন পদ্ধতি ব্যবহার করছেন বলে অভিযোগ স্থানীয় ক্রেতা ও ভোক্তাদের। এতে একদিকে যেমন ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে, অন্যদিকে অনিরাপদ উপায়ে পাকানো ফল খেয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাজারে সরবরাহ করা কিছু কলা স্বাভাবিকভাবে পাকানোর পরিবর্তে দ্রুত হলুদ রং ধারণ করছে। কাঁচা কলা সংগ্রহের পর কৃত্রিম উপায়ে পাকিয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই বাজারজাত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব কলা দেখতে আকর্ষণীয় হলেও তা কীভাবে পাকানো হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ক্রেতারা।
ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারে কলা কেনার সময় প্রাকৃতিকভাবে পাকা ও কৃত্রিমভাবে পাকানো কলার পার্থক্য সবসময় বোঝা সম্ভব হয় না। ফলে সাধারণ মানুষ অনেকটা বাধ্য হয়েই এসব ফল কিনছেন। বিষয়টি নিয়ে নিয়মিত বাজার তদারকি ও ফলের নমুনা পরীক্ষা করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ফল পাকানোর ক্ষেত্রে অনুমোদনহীন রাসায়নিক বা অনিরাপদ কোনো পদার্থ ব্যবহার করা হলে তা জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বাজারে অভিযান, নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার প্রয়োজন রয়েছে।
এদিকে ভোক্তা অধিকার ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কার্যকর নজরদারি দাবি করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তাদের মতে, কাঁচা কলা কৃত্রিমভাবে পাকিয়ে বাজারজাতের অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। পাশাপাশি নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের মাধ্যমে এ ধরনের অনিয়ম বন্ধ করার দাবি উঠেছে।