যশোর-মাগুরা সড়কসংলগ্ন মনোহরপুরে একটি ভেজাল লুব্রিকেন্ট কারখানার সন্ধান পাওয়া গেছে। ওই কারখানায় অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও র্যাবের সমন্বয়ে গঠিত একটি দল।
বুধবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে পরিচালিত এ অভিযানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির বোতলে নিম্নমানের লুব্রিকেন্ট ভরে বাজারজাত করার প্রমাণ পাওয়া যায়। এসময় বিপুল পরিমাণ উপকরণ জব্দ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিসা অটোমোবাইলসের মালিক ইলিয়াস হোসেনকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসিফ উদ্দীন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
র্যাব-৬ সিপিসি-৩ ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মেজর এটিএম ফজলে রাব্বী প্রিন্স জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার দুপুরে নিসা অটোমোবাইলসে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে দেখা যায়, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বোতলে বেআইনিভাবে লুজ লুব্রিকেন্ট ভরে বাজারজাত করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। এছাড়া সেখানে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বোতল, প্যাকেজিং ও রাসায়নিক সামগ্রী পাওয়া যায়।
পরে প্রতিষ্ঠানটির মালিক ইলিয়াস হোসেনকে আটক করা হয়।
র্যাবের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে ইলিয়াস হোসেন স্বীকার করেন যে, তিনি তার কারখানায় হিরো, ক্যাস্ট্রল, ডনেক্স, টিভিএসসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বোতলে বেআইনিভাবে লুব্রিকেন্ট ভরে আসল পণ্য হিসেবে বিক্রি করে আসছিলেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসিফ উদ্দীনের পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করেন। ইলিয়াস হোসেন সদর উপজেলার দেয়াড়া মাঠপাড়ার আজিবার গাজীর ছেলে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসিফ উদ্দীন বলেন, নিসা অটোমোবাইলসে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের লুব্রিকেন্ট তৈরির কার্যক্রম পরিচালনার প্রমাণ পাওয়া গেছে। অভিযানে প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানের মালিক ইলিয়াস হোসেনকে এক লাখ টাকা জরিমানা ও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।