ড. শহীদ : দ্বীন প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইসলামের সুমহান আদর্শের আহ্বান সবার নিকট পৌঁছে দিতে হবে। দ্বীনের দাওয়াত মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে গিয়ে রাসুল (সা) কাফেরদের প্রচন্ড বাঁধার সম্মুখীন হয়েছেন। বিভিন্নভাবে তাকে হুমকি দেয়া হয়েছে। তাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। কিন্তু এ দাওয়াত প্রদানের ক্ষেত্রে নবী করীম (সা) কখনো পশ্চাৎপদ হননি। গতকাল বাজাই কর্তৃক আয়োজিত একটি গণসংযোগ প্রস্তুতিমূলক সভায় বক্তব্য দানকালে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ গবেষক কলামিস্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক ইসলামী চিন্তাবিদ ও ঢাকাস্থ "জমজম এডুকেশন এন্ড রিসার্স ফাউন্ডেশন"-এর চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ ড. বি এম শহীদুল ইসলাম উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা আব্দুল মালেক-এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত উক্ত অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মাহফুজুর রহমান মিন্টু, প্রভাষক মাহবুবুর রহমান ও মোখলেসুর রহমান প্রমুখ।
ড. শহীদুল ইসলাম বলেন, বুদ্ধি কৌশল এবং প্রজ্ঞার সাথে সর্বস্তরের মানুষের নিকট দ্বীন কায়েমের আহ্বান পৌঁছে দিতে হবে। নবী করীম (সা) এবং সাহাবিগণ কাফের এবং মুশরিকদের সকল অত্যাচার, নির্যাতন ও ভয়ভীতি উপেক্ষা করে কুরআনের আহ্বান মানুষের নিকট পৌঁছানোর মাধ্যমে মদিনায় একটি শান্তিপূর্ণ কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আমাদেরকেও বাংলাদেশের এ সবুজ ভূখণ্ডে কুরআন ও সুন্নাহর আদর্শের আলোকে ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থা বিনির্মাণের লক্ষ্যে রাসুল (সা)-এর দেখানো পদ্ধতিতে এগিয়ে যেতে হবে।
তিনি আরো বলেন, সত্যিকার মুমিনের কাজ হচ্ছে- মানুষকে সৎ কাজের আদেশ দেয়া এবং অসৎ কাজ থেকে বিরত রাখা। অর্থাৎ সকল প্রকার অন্যায়, অপকর্ম, রাহাজানি, খুনখারাবি, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও হকসিনেশন থেকে দূরে রাখা। পবিত্র কুরআনের উদ্ধৃতি দিয়ে ড. শহীদ বলেন, মুমিনগণ আন্তরিকতার সাথে কাজ করলে তাদের সাহায্য করার দায়িত্ব স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা গ্রহণ করার ওয়াদা করেছেন। তিনি কুরআন ও সুন্নাহর সুমহান আদর্শের দাওয়াত প্রত্যেকটি মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়ার জন্য সকলকে উদাত্ত আহ্বান জানান।