বিশেষ প্রতিবেদক: বাংলাদেশি লেখিকা ফাতেমা ইয়াসমিনের লেখা বিজ্ঞান কল্পকাহিনি উপন্যাস “Call of Future” ২০২৫ সালের Legacy of Literature Award-এ Best Science Fiction বিভাগে মনোনীত হয়েছে।
Legacy of Literature Award হচ্ছে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের একটি মর্যাদাপূর্ণ সাহিত্য সম্মাননা, যা বিশ্বের উদীয়মান ও প্রতিশ্রুতিশীল লেখকদের সাহিত্যকর্মকে স্বীকৃতি দেয়।
গল্পের পটভূমি ২০৫০ সাল, যখন পৃথিবী ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। বিজ্ঞানী ড. ফিলিপ আবিষ্কার করেন retrocausal theory-এর বাস্তব প্রয়োগ, যা ভবিষ্যতের আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স দ্বারা সৃষঠ ধ্বংস ঠেকাতে অতীতে করা ভুলকে পরিবর্তনের সুযোগ করে দেয়। যা বন্ধ করতে সক্ষম হয় বহু রক্তক্ষয়ী সংঘাত, যুদ্ধ আর প্রাকৃতিক বিপর্যয় । ষষ্ঠ প্রজন্মের বিজ্ঞানীদের সহায়তায় তিনি ২০১৪ সাল থেকে ভবিষ্যতের পৃথিবী দেখতে রওনা হন, যেন বর্তমানে ফিরে এসে মানবজাতিকে সচেতন করে পৃথিবীকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচানো যায়।
এই অভিযাত্রায় ড. ফিলিপ এক ষষ্ঠ প্রজন্মের নারী বিজ্ঞানীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন, যিনি তাকে লোভ ও ধ্বংসের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে সাহস জোগান। পরবর্তীতে গল্পে তার সহযোদ্ধা হয়ে ওঠে তার ভাইয়ের ছেলে , গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র , ইথান । ২০৫০ থেকে ফিরে এসে তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ মিশন শুরু করেন, যার পরিণতি হয়ে ওঠে নাটকিয় ও ভয়াবহ। তবে ২০২৪ সালে, তিনি সকল ষষ্ঠ প্রজন্মের বিজ্ঞানীদের সঙ্গে একত্র হয়ে পৃথিবী থেকে লোভ ও অশুভ শক্তি নির্মূল করে মানবতার পুনর্গঠনের সংগ্রাম শুরু করেন।
ফাতেমা ইয়াসমিন বর্তমানে উত্তরা ক্রেসেন্ট হাসপাতালের কোয়ালিটি অ্যাশিওরেন্স বিভাগের পরিচালক এবং একজন সাবেক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষিকা। তিনি স্বাস্থ্যখাতে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি সাহিত্য চর্চা, গবেষণা ও সামাজিক সচেতনতা তৈরিতে নিরলস কাজ করে চলেছেন।