| |
| ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশনে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন |
| |
|
|
|
|
|
|
|
| |
| |
|
| |
| |
| নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশনে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) পাকিস্তানের ৭৯তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে বসবাসরত পাকিস্তানি নাগরিক, বাংলাদেশি বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষী, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এ সময় জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি, প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শাহবাজ শরিফ এবং উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিনেটর মুহাম্মদ ইসহাক দারের স্বাধীনতা দিবসের বার্তা পাঠ করে শোনানো হয়। বার্তায় দেশে ও বিদেশে অবস্থানরত পাকিস্তানিদের স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানানো হয়। একই সঙ্গে পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় কায়েদে আজম মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ, আল্লামা মুহাম্মদ ইকবাল এবং পাকিস্তান আন্দোলনের কর্মীদের অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। স্বাধীনতার পর শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, ক্রীড়া এবং প্রতিরক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পাকিস্তানের অর্জনের কথা তুলে ধরে দেশটির নেতৃত্ব ‘ঐক্য, বিশ্বাস ও শৃঙ্খলা’—কায়েদে আজমের এই মূলনীতিগুলো অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করে। এসব নীতি অনুসরণের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং প্রতিষ্ঠাতাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। অনুষ্ঠানে সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলোর সদস্যদের আত্মত্যাগের প্রতিও শ্রদ্ধা জানানো হয়। ভারতের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন মারাক-ই-হক’-এর সাফল্যের কথা উল্লেখ করে পাকিস্তানের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষার দৃঢ় প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করা হয়। একই সঙ্গে আঞ্চলিক শান্তি, সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় পাকিস্তান তার ভূমিকা অব্যাহত রাখবে বলে জানানো হয়। জম্মু ও কাশ্মীর প্রসঙ্গেও পাকিস্তানের অবস্থান তুলে ধরা হয়। দেশটির নেতৃত্ব ভারতীয় নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরের জনগণের প্রতি সংহতি পুনর্ব্যক্ত করে এবং জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব ও কাশ্মীরিদের আকাঙ্ক্ষার আলোকে বিরোধপূর্ণ বিষয়টির সমাধানের প্রতি পাকিস্তানের অঙ্গীকারের কথা জানায়। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ‘পাকিস্তানের ঐতিহাসিক স্থান’ শীর্ষক একটি রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করে পাকিস্তান হাইকমিশন। অনুষ্ঠানে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার ও সনদ বিতরণ করা হয়। পরে পাকিস্তানের শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়ার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
|
| |
|
|
|