স্টাফ রিপোর্টার: মুসলমানদের জন্য পর্দার বিধান মেনে চলা অপরিহার্য। ইসলামে নামাজ, রোজা যেমন ফরজ ইবাদত, তেমনি নারী-পুরুষ সবার জন্য পর্দা করা ফরজ। সমাজে নারী নির্যাতন, নারী ধর্ষণ সংঘটিত হয় পর্দা না মানার কারণে। ঘরকে পর্দা দিয়ে সুসজ্জিত করলে ঘরের সৌন্দর্য ফুটে ওঠে। ঘরের মর্যাদা বৃদ্ধি পায়। একইভাবে পর্দা মানুষের চরিত্রকে সুসজ্জিত ও সুরক্ষা নিশ্চিত করে। তাই সকলকে পর্দার বিধান অনুসরণ করতে হবে। গতকাল "ইসলামে পর্দার বিধান শীর্ষক" একটি আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ গবেষক কলামিস্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক শিক্ষক ও ইসলামী চিন্তাবিদ "জমজম এডুকেশন এন্ড রিসার্স ফাউন্ডেশন"-এর চেয়ারম্যান ড. বি এম শহীদুল ইসলাম এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, পর্দা মুসলিম নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্য অপরিহার্য। নারীরা বেপরোয়া চলাচলের কারণে পুরুষেরা উচ্ছৃঙ্খল হয়ে ওঠে। ফলে সামাজিক অনাচার ব্যভিচার প্রকাশ্যে রূপ নেয়।
বিশেষ করে যুবক ছেলে-মেয়েরা অবাধে মেলামেশার সুযোগ পায় এবং সমাজ ধ্বংসের দিকে ধাবিত হয়। ড. শহীদ আরো বলেন, সমাজকে সুশৃঙ্খলভাবে গড়ে তুলতে হলে ইসলামের বিধান পরিপূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে পর্দার বিধান প্রতিষ্ঠিতা করতে হবে। তাহলেই সমাজ ও রাষ্ট্রে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে। আলোচনা সভায় বিপুল সংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসলমান উপস্থিত ছিলেন।