সিলেট সদর উপজেলার ধোপগুল এলাকায় অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ ও উচ্চমূল্যে বিক্রির অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। অভিযানে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ সার্বিক সহায়তা প্রদান করে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সিলেট সদর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার খোশনূর রুবাইয়াৎ।
অভিযানে দেখা যায় যে, অভিযুক্তরা প্রায় ৩০০০ (তিন হাজার) লিটার জ্বালানি তেল অবৈধভাবে মজুদ করে বাজারে উচ্চমূল্যে বিক্রি করছিল। এ ধরনের অবৈধ মজুদদারির কারণে বাজারে জ্বালানির কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয় এবং সাধারণ ভোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হন।
অভিযান চলাকালে ঘটনাস্থল থেকে ৯২০ (নয়শত বিশ) লিটার ডিজেল, ৫টি খালি ড্রাম, ১টি অর্ধপূর্ণ ড্রাম, ৪টি পূর্ণ ড্রাম, ড্রাম থেকে তেল ভরার বিভিন্ন সরঞ্জাম এবং তেল ঢেকে রাখার জন্য ব্যবহৃত তেরপল উদ্ধার করা হয়।
এ অপরাধের দায়ে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৫৬ এর ধারা ৩ এর বিধান লঙ্ঘনের অপরাধে ধারা ৬ অনুযায়ী তিনজনকে দোষী সাব্যস্ত করে ৩ (তিন) মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন—
১. উছমান, পিতা: মো. নুনু মিয়া২. জাকির হোসেন, পিতা: মো. লুলু মিয়া৩. হাফিজ মো. লাহিন মিয়া, পিতা: মজু মিয়া
অভিযানকালে জব্দকৃত তেল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এবং তা সরকারি ধার্য মূল্যে বিক্রয় করে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করা হবে।
জনস্বার্থে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের স্বাভাবিক সরবরাহ ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে।